পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন৩৩
সিলেবাস
Exam - 37 The Penal Code-1860: Test-4 Topic: Section 378-511 • Offences against property • Offences relating to documents and to trade or property marks • The criminal breach of contracts of service • Offences relating to marriage • Defamation • Criminal intimidation, insult, prejudicial act and annoyance • Attempts to commit offences
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৩ প্রশ্ন

.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে চুরির সংজ্ঞায় কোনটি অপরিহার্য শর্ত নয়?
  1. অসাধু উদ্দেশ্য
  2. অস্থাবর সম্পত্তি
  3. সম্পত্তির দখল থেকে স্থানান্তর
  4. সম্পত্তির মালিকের লিখিত সম্মতি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির (Penal Code, 1860) ৩৭৮ ধারা অনুযায়ী চুরির জন্য পাঁচটি মূল উপাদান অপরিহার্য:
১) অস্থাবর সম্পত্তি হতে হবে;
২) সম্পত্তিটি কারো দখলে থাকতে হবে;
৩) দখলদারের সম্মতি ছাড়া নিতে হবে;
৫) অসাধু উদ্দেশ্যে নিতে হবে;
ঐ সম্পত্তিকে স্থানান্তর করতে হবে।
কিন্তু "সম্মতি" শব্দটি আইন অনুযায়ী প্রকাশ্য (express) অথবা পরোক্ষ (implied) হতে পারে। এটি লিখিত হওয়া আবশ্যক নয়।
অতএব, "লিখিত সম্মতি" চুরির সংজ্ঞায় অপরিহার্য নয়। এজন্য লিখিত সম্মতি চুরির অপরিহার্য শর্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
----------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী কেউ যদি নিজেকে অন্য ব্যক্তি বলে পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে, তবে তা "personation by cheating" হিসেবে গণ্য হয়?
  1. ধারা ৪১৪
  2. ধারা ৪১৫
  3. ধারা ৪১৬
  4. ধারা ৪১৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪১৬ ধারায় বলা হয়েছে: "যদি কেউ নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে, বা জ্ঞাতসারে অন্যকে ভুলভাবে উপস্থাপন করে প্রতারণা করে, তবে সেটি ‘Cheating by personation’ বা রূপ ধারণ করে প্রতারণা হিসেবে গণ্য হবে।"
- অতএব, দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারা অনুযায়ী এটি "personation by cheating" বা "অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা"।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৬ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা:- কোন ব্যক্তি যদি নিজেকে অন্য কোন ব্যক্তি বলে প্রতারণা করে অথবা জ্ঞাতসারে কোন ব্যক্তিকে অন্য ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে অথবা নিজেকে বা অন্য কোন ব্যক্তিকে সে নিজে বা সে ব্যক্তি অন্য যে ব্যক্তি নয় সে ব্যক্তি বলে চালিয়ে প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা :- যে ব্যক্তির রূপ ধারণ করা হয়েছে সে ব্যক্তি প্রকৃত ব্যক্তি হোক আর কাল্পনিক ব্যক্তি হোক না কেন অপরাধটি অনুষ্ঠিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 416. Cheating by personation:
 A person is said to "cheat by personation" if he cheats by pretending to be some other person, or by knowingly substituting one person for another, or representing that he or any other person is a person other than he or such other person really is.
Explanation.- The offence is committed whether the individual personated is a real or imaginary person.

Illustrations:
(a) A cheats by pretending to be a certain rich banker of the same name. A cheats by personation.
(b) A cheats by pretending to be B, a person who is deceased. A cheats by personation.
.
"Forgery" শব্দটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত?
  1. ৪৬৩ ধারা
  2. ৪৬৪ ধারা
  3. ৪৬৫ ধারা
  4. ৪৬৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা-তে "Forgery" (জালিয়াতি) শব্দটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। "যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তি বা জনগণের ক্ষতি সাধনের উদ্দেশ্যে বা মিথ্যা দাবি সমর্থনের উদ্দেশ্যে বা কাউকে প্রতারণার মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচিত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন মিথ্যা চুক্তিতে প্রবেশ করানোর উদ্দেশ্যে কোন মিথ্যা দলিল তৈরি করে, সে Forgery করেছে।" এ ধারা মূলত Forgery এর সাধারণ ধারণা ব্যাখ্যা করে, অর্থাৎ কাগজপত্র বা দলিল জাল করে প্রতারণা করা।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারার বিধান জালিয়াতি:
- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের কিংবা কোন ব্যক্তিবিশেষের ক্ষতিসাধনের জন্য অথবা কোন দাবি বা স্বত্ব প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে অথবা কোন ব্যক্তিকে তার সম্পত্তি ত্যাগে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রকাশ্য বা অনুক্ত চুক্তি সম্পাদনের উদ্দেশ্যে অথবা কোন প্রতারণা করার উদ্দেশ্যে বা যাতে প্রতারণা সংঘটিত হতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে, কোন মিথ্যা দলিল কিংবা দলিলের অংশবিশেষ প্রণয়ন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি জালিয়াতি করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 463- Forgery:
- Whoever makes any false document or part of a document, with intent to cause damage or injury, to the public or to any person, or to support any claim or title, or to cause any person to part with property, or to enter into any express or implied contract, or with intent to commit fraud or that fraud may be committed, commits forgery.
.
দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারা অনুযায়ী, শাস্তি সর্বোচ্চ কত বছর হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ধারা ৪০৩ অনুযায়ী, "যে ব্যক্তি অসৎ উদ্দেশ্যে কোনো অস্থাবর সম্পত্তি নিজের জন্য আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে রূপান্তরিত করে, সে ব্যক্তি অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ অপরাধে দণ্ডনীয় হবেন।"
- এই অপরাধের শাস্তি হতে পারে সর্বোচ্চ ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সাধারণ বা সশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৩ ধারার বিধান অসাধুভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ:
কোন ব্যক্তি যদি অসাধুভাবে কোন অস্থাবর সম্পত্তি আত্মসাৎ করে অথবা উহা তার নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কিছু সময়ের জন্য একটি অসাধু আত্মসাৎও এই ধারা অনুযায়ী আত্মসাৎ বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ২:- কোন ব্যক্তি যদি কোন সম্পত্তি কারো দখলে নাই দেখতে পেয়ে সম্পত্তিটি উহার মালিকের স্বপক্ষে সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে অথবা মালিককে প্রত্যর্পণের উদ্দেশ্যে উহা নিয়ে যায়, তবে সে অসাধুভাবে উহা নিয়ে গিয়েছে বা আত্মসাৎ করেছে বলে পরিগণিত হবে না এবং কোন অপরাধে অপরাধী হবে না; কিন্তু সে উপরে বর্ণিত অপরাধে অপরাধী হবে যদি সে সম্পত্তিটির মালিককে জানা সত্ত্বেও বা মালিককে খুঁজে বাহির করার উপায় থাকা সত্ত্বেও উহা নিজের কাজে ব্যবহার করে, অথবা যদি সে মালিককে খুঁজে বাহির করার ও তাকে বিজ্ঞাপিত করার জন্য যুক্তিসংগত মাধ্যম অবলম্বনের উদ্দেশ্যে যথোপযুক্ত সময় পর্যন্ত সম্পত্তিটি সংরক্ষণ না করে উহা তার নিজের কাজে ব্যবহার করে।
অনুরূপ ক্ষেত্রে যুক্তিসংগত মাধ্যম কি এবং যথোপযুক্ত সময় কত দীর্ঘ হবে তা একটি ঘটনাগত প্রশ্ন। সম্পত্তিটি প্রাপকের পক্ষে উহার যথার্থ মালিককে তা জানার বা কোন বিশেষ ব্যক্তি যে উহার মালিক তা জানার আবশ্যক নাই; যদি সে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করার সময় উহা যে তার নয় তা বিশ্বাস করে বা সরল মনে বিশ্বাস করে যে, প্রকৃত মালিককে খুঁজে বাহির করা সম্ভব নয়, তবে তাই যথেষ্ট হবে।

⇒The Penal Code, 1860, Section 403. Dishonestly misappropriation of property:
-Whoever dishonestly misappropriates or converts to his own use any moveable property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
Explanation-1.-A dishonest misappropriation for a time only is a misappropriation within the meaning of this section. 
Explanation-2.-A person who finds property not in the possession of any other person, and takes such property for the purpose of protecting it for, or of restoring it to, the owner, does not take or misappropriate it dishonestly, and is not guilty of an offence; but he is guilty of the offence above defined, if he appropriates it to his own use, when he knows or has the means of discovering the owner, or before he has used reasonable means to discover and give notice to the owner and has kept the property a reasonable time to enable the owner to claim it. 
What are reasonable means or what is a reasonable time in such a case, is a question of fact. 
It is not necessary that the finder should know who is the owner of the property, or that any particular person is the owner of it, it is sufficient if, at the time of appropriating it, he does not believe it to be his own property, or in good faith believes that the real owner cannot be found.
.
'House-trespass' শব্দটি দণ্ডবিধির কোন ধারায় সংজ্ঞায়িত?
  1. ধারা ৪৪১
  2. ধারা ৪৪২
  3. ধারা ৪৪৪
  4. ধারা ৪৩৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪৪২ ধারায় "অনধিকার গৃহে প্রবেশ" বা House-trespass অপরাধটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। কেউ যদি অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে মানুষের বাসস্থান, উপাসনালয় বা সম্পত্তি সংরক্ষণের স্থানে প্রবেশ বা অবস্থান করে, তবে এটি অনধিকার গৃহে প্রবেশ হিসেবে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪২ ধারার বিধান অনধিকার গৃহে প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি মানুষের আবাসস্থল হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে, তাঁবুতে বা জলযানে অথবা উপাসনালয় হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে অথবা সম্পত্তি হেফাজতের স্থান হিসাবে ব্যবহৃত কোন গৃহে প্রবেশ করে বা সেখানে অবস্থান করে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ সংঘটন করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অনধিকার গৃহে প্রবেশ' অপরাধটি করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশকারীর দেহের কোন অংশের প্রবেশই গৃহে অনধিকার প্রবেশ অপরাধ প্রতিদানের পক্ষে যথেষ্ট।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section 442- House-trespass:- Whoever commits criminal trespass by entering into or remaining in any building, tent or vessel used as a human dwelling or any building used as a place for worship, or as a place for the custody of property, is said to commit "house-trespass".
Explanation: -The introduction of any part of the criminal trespasser's body is entering sufficient to constitute house-trespass.
.
দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারায় বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের জন্য সর্বোচ্চ কী শাস্তি নির্ধারিত?
  1. ১ বছর কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর কারাদণ্ড
  3. ৫ বছর কারাদণ্ড
  4. ৭ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারা অনুযায়ী, কেউ Extortion (অর্থাৎ কাউকে ভয় দেখিয়ে বা জোর প্রয়োগ করে সম্পত্তি আদায়) করলে তাকে সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড (সশ্রম বা বিনাশ্রম), অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে। এ কারণে, সঠিক ও সর্বোচ্চ শাস্তির মেয়াদ ৩ বছর, তাই উত্তর: খ।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৪ ধারার বিধান বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের সাজা (Punishment for extortion):- কোন ব্যক্তি যদি বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায় করে, তবে সে ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 384 Punishment for extortion:
Whoever commits extortion shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
.
করিম একটি সেচ ব্যবস্থার পানি সরবরাহে বাধা দেয়, যার ফলে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়। দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে তার শাস্তি হবে?
  1. ৪২৭ ধারা
  2. ৪৩০ ধারা
  3. ৪৩৩ ধারা
  4. ৪৩৬ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪৩০ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ এমন কোনো কাজ করে যা কৃষিকাজের জন্য, মানুষ বা প্রাণীর খাবার বা পানীয় জল, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, বা উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত পানির সরবরাহ হ্রাস করে অথবা জানে যে তার কাজে এমনটা ঘটতে পারে, তাহলে তা "অনিষ্ট (mischief)" হিসেবে গণ্য হবে।
- এ ধরনের অনিষ্টের জন্য সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ড হতে পারে।
-  এই প্রশ্নে করিম সেচ ব্যবস্থার পানিতে বাধা দিয়েছে, যার ফলে কৃষকদের ফসলের ক্ষতি হয়েছে। এটি স্পষ্টভাবে ৪৩০ ধারার অধীনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪৩০: সেচকাজে ব্যবহৃত জলাধি বা পানি সরবরাহে অনিষ্ট সাধন অথবা পানি ভুলভাবে সরিয়ে নেওয়ার মাধ্যমে অনিষ্ট:
যে ব্যক্তি এমন কোনো কাজের মাধ্যমে অনিষ্ট করে যা কৃষিকাজে ব্যবহৃত পানি, অথবা মানুষ ও প্রাণীর পানীয়জল, অথবা পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা কিংবা কোনো উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত পানির সরবরাহ হ্রাস করে অথবা সে জানে যে, তার দ্বারা এমন হ্রাস ঘটতে পারে, সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হবে এবং তাকে যেকোনো বর্ণনার কারাদণ্ড, যা সর্বোচ্চ পাঁচ বছর পর্যন্ত হতে পারে, বা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়বিধ দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।
------------ 
⇒ The Penal Code, 1860- Section 430. Mischief by injury to works of irrigation or by wrongfully diverting water:
 Whoever commits mischief by doing any act which causes, or which he knows to be likely to cause, a diminution of the supply of water for agricultural purposes, or for food or drink for human beings or for animals which are property, or for cleanliness or for carrying on any manufacture, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to five years, or with fine, or with both.
.
একজন ব্যক্তি জেনে-শুনে চোরাই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে সহায়তা করলে দণ্ডবিধির কোন ধারার অধীনে দোষী হবে?
  1. ৪১০ ধারা
  2. ৪১১ ধারা
  3. ৪১৩ ধারা
  4. ৪১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৪ ধারা অনুযায়ী, যদি কোন ব্যক্তি জানে বা বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে কোনো সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি, এবং সেই সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে, বিলিব্যবস্থা করতে, বা সরিয়ে ফেলতে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে সে ব্যক্তি এই ধারার অধীনে দোষী বলে গণ্য হবে।
- এই অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

অন্যান্য অপশন গুলোর মধ্য:
→ ৪১০ ধারা: চোরাই সম্পত্তির সংজ্ঞা দেয়, শাস্তি নির্ধারণ করে না।
→ ৪১১ ধারা: চোরাই মাল গ্রহণ বা রক্ষা করার শাস্তি নির্ধারণ করে।
→ ৪১৩ ধারা: অভ্যাসগতভাবে চোরাই মাল বেচাকেনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
অতএব, প্রশ্নে বর্ণিত কর্মকাণ্ডের জন্য সঠিক ধারা হলো ৪১৪, যা চোরাই মাল লুকাতে সহায়তা করার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।


⇒ দণ্ডবিধির ৪১৪ ধারা- চোরাইমাল গোপন করিবার ব্যাপারে সহায়তাকরণ:
কোনো ব্যক্তি যদি সে যে সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি বলে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে সে সম্পত্তি লুকিয়ে রাখতে বা বিলিব্যবস্থা করতে বা নিয়ে সরে পড়তে স্বেচ্ছায় সহায়তা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 414: Assisting in concealment of stolen property:
Whoever voluntarily assists in concealing or disposing of or making away with property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় মানহানির (Defamation) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ৪৯৬ ধারা
  2. ৪৯৭ ধারা
  3. ৪৯৯ ধারা
  4. ৫০০ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির (Defamation) সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যখন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে মিথ্যা বা কুৎসাজনক বক্তব্য বলা হয় যা তার সুনাম ক্ষুণ্ণ করে, তখন তাকে মানহানি বলা হয়। তবে ৪৯৯ ধারায় মোট ১০টি ব্যতিক্রম উল্লেখ আছে যেখানে সত্য বা সৎ বিশ্বাসে কিছু কথোপকথন মানহানি হিসেবে গণ্য হবে না। অন্যদিকে, ৫০০ ধারা শাস্তি সংক্রান্ত বিধান নিয়ে আলোচনা করে। তাই মানহানির সংজ্ঞা এবং ব্যতিক্রম ৪৯৯ ধারাতেই পাওয়া যায়।

⇒ দণ্ডবিধি ৪৯৯ ধারা অনুযায়ী যখন কোনো ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন কুৎসা রটনা করা হয় যা উক্ত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করে (harm reputation) তাকে মানহানি বা Defamation বলে। অর্থাৎ কুৎসাজনক কথা বা চিহ্ন দ্বারা বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তি প্রকাশের মাধ্যমে মানহানি করা হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবেনা।
⇒ ৪৯৯ ধারায় ১০টি ব্যতিক্রম নিচে দেওয়া হল-
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে তা মানহানি হবে না।
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়।
৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে তা মানহানি নয়। যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে।
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে তা মানহানি হবে না।
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে তা মানহানি বলে গণ্য হবে না। যেমন- পুলিশের কাছে কারো ব্যাপারে অভিযোগ করা ।
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে তা মানহানি নয়।
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে তা মানহানি হবে না ।

⇒ শাস্তি: ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
১০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষের বাসযোগ্য ঘরে চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮০ (Theft in dwelling-house, etc.) অনুযায়ী, যদি কেউ মানুষ বসবাসের উপযোগী ভবন, তাঁবু বা নৌযানে চুরি করে, অথবা সেই স্থানে যেটি সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাহলে:
“সে ব্যক্তি সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত যে কোনো ধরনের কারাদণ্ডে (সশ্রম বা বিনাশ্রম) দণ্ডিত হতে পারে এবং সেই সঙ্গে জরিমানার মুখোমুখি হবে।”
- চুরির স্থান: ভবন, তাঁবু, বা নৌযান—যা মানুষ বাস করে বা সম্পত্তি রক্ষার কাজে ব্যবহৃত হয়।
- শাস্তির পরিমাণ: সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড + জরিমানা
- তাই সঠিক উত্তর: গ) ৭ বছর কারাদণ্ড।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 380.Theft in dwelling-house, etc.
 Whoever commits theft in any building, tent or vessel, which building, tent or vessel is used as a human dwelling, or use for the custody of property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১১.
দণ্ডবিধির ৪১৭ ধারা অনুসারে, প্রতারণার অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ছয় মাস
  2. এক বছর
  3. তিন বছর
  4. পাঁচ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৭ অনুযায়ী "যে ব্যক্তি প্রতারণা করে, সে এক বছরের মধ্যে যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে।"
- এখানে কারাদণ্ডের সর্বোচ্চ মেয়াদ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে: "এক বছর পর্যন্ত"।
- তাই, ধারা ৪১৭ অনুযায়ী প্রতারণার অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ হলো এক বছর।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪১৭ অনুযায়ী প্রতারণার সাজা:- কোনো ব্যক্তি যদি প্রতারণা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। 

⇒ The Penal Code, 1860, Section 417. Punishment for cheating:
Whoever cheats shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১২.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ করলে শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩৯৫ ধারা
  2. ৩৯৬ ধারা
  3. ৩৯৯ ধারা
  4. ৩৯৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৩৯৯ ধারা অনুযায়ী “যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ড, যা দশ বছর পর্যন্ত হতে পারে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।”

অন্য ধারা সমূহ:
→ ৩৯৫ ধারা: ডাকাতির সংজ্ঞা
→ ৩৯৬ ধারা: খুনসহকারে ডাকাতি
→ ৩৯৮ ধারা: অস্ত্রসহ চুরির উদ্দেশ্যে প্রস্তুতি
অর্থাৎ ৩৯৯ ধারা স্পষ্টভাবে ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ সংক্রান্ত বিধান প্রদান কথা তাই সঠিক উত্তর: গ) ৩৯৯ ধারা।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৯ ধারা: ডাকাতি সংঘটনের প্রস্তুতি:
যে কেউ ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে কোনো ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করে, তাকে সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে, যা দশ বছর পর্যন্ত মেয়াদ হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 399- Making preparation to commit dacoity:
Whoever makes any preparation for committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১৩.
দণ্ডবিধির ৪০২ ধারা অনুযায়ী, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তাদের সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
  1. দশ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০২ ধারা অনুযায়ী, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে তাদের প্রত্যেকেই অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে এবং সর্বোচ্চ শাস্তি: সাত (৭) বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয়।

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ ধারা ৪০২: ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হওয়া:
যে কোনো ব্যক্তি, এই আইন কার্যকর হওয়ার পর, যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির মধ্যে একজন হন যারা ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়েছে, তবে তিনি সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন, যা সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত মেয়াদে হতে পারে, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 402. Assembling for purpose of committing dacoity:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall be one of five or more persons assembled for the purpose of committing dacoity, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
১৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব ক্ষতি সাধিত হলে অনিষ্ট (mischief) এর জন্য শাস্তি নির্ধারিত হয়েছে?
  1. ধারা ৪২৫
  2. ধারা ৪২৬
  3. ধারা ৪২৭
  4. ধারা ৪২৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ধারা ৪২৭ অনুযায়ী, যদি কেউ অনিষ্ট (mischief) করে এবং এর ফলে ৫০ টাকা বা তদূর্ধ্ব মূল্যের ক্ষতি বা লোকসান ঘটে, তাহলে সেই ব্যক্তি দণ্ডনীয় অপরাধ করে।
- এই ধারায় শাস্তির বিধান দুই বছর পর্যন্ত যেকোনো প্রকারের কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৭ - পঞ্চাশ টাকা পরিমাণ ক্ষতি করিয়া অনিষ্ট সাধন:
- কোন ব্যক্তি যদি ক্ষতি সাধন করে এবং তদ্বারা পঞ্চাশ টাকা বা তদূৰ্ব্ব পরিমাণ অর্থের অনিষ্ট করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দুই বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
⇒ The Penal Code, 1860- Section 427. Mischief causing damage to the amount of fifty taka:
 Whoever commits mischief and thereby causes loss or damage to the amount of fifty taka or upwards, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
১৫.
দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা কী ধরনের অপরাধ সংজ্ঞায়িত করে?
  1. Theft
  2. Extortion
  3. Robbery
  4. Dacoity
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা সংজ্ঞায়িত করে Extortion অর্থাৎ বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়। এই ধারার অধীনে একজন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ভয়ভীতির মধ্যে ফেলেন (যেমন, আহত করার বা মৃত্যুর ভয়), এবং সেই ভয় দেখিয়ে তাকে কোনো দান, চাঁদা, সম্পত্তি বা মূল্যবান কাগজ দিতে অসাধুভাবে বাধ্য করেন, তবে সেটি Extortion বা বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৩ ধারা- বল প্রয়োগে সম্পত্তি আদায়:
কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে তার বা অপর কারো জখম হওয়ার ভয়ে অভিভূত করে এবং তদ্বারা অনুরূপ ভয়ে অভিভূত ব্যক্তিকে কোন ব্যক্তির কাছে যেকোনো প্রকার দান বা চাঁদা প্রদানের বা কোন সম্পত্তি, মূল্যবান জামানত বা মূল্যবান জামানতে রূপান্তরযোগ্য কোন স্বাক্ষরিত বা সীলমোহরযুক্ত বস্তু অর্পণে অসাধুভাবে বাধ্য করে, তবে সে ব্যক্তি বল প্রয়োগে 'সম্পত্তি আদায়' করার অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 383 - Extortion:
Whoever intentionally puts any person in fear of any injury to that person, or to any other, and thereby dishonestly induces the person so put in fear to give donation or subscription of any kind or to deliver to any person any property or valuable security or anything signed or sealed which may be converted into a valuable security, commits "extortion".
১৬.
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা কোন অপরাধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. জালিয়াতি
  2. বিশ্বাসভঙ্গের অপরাধ
  3. অসৎভাবে সম্পত্তি আত্মসাৎ
  4. গর্ভপাত সংঘটন
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৫ ধারা "Criminal Breach of Trust" বা "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ"-এর সংজ্ঞা প্রদান করে। এই ধারায় বলা হয়েছে, যদি কোন ব্যক্তি কারো সম্পত্তি বা সম্পত্তির উপর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পায়, এবং সেই দায়িত্বপূর্ণ সম্পত্তি অসাধুভাবে (dishonestly) আত্মসাৎ করে, অথবা আইনের নির্দেশ বা কোনো চুক্তির বিরুদ্ধে গিয়ে তা ব্যবহার বা বিতরণ করে, অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে অন্য কাউকে সে কাজ করতে দেয় তাহলে সে ব্যক্তি "অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের" অপরাধে দোষী বলে গণ্য হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা- অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:
কোন ব্যক্তি যদি কোনোভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 405- Criminal breach of trust:
Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
১৭.
দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, দস্যুতায় কোন অপরাধগুলো সংঘটিত হয়?
  1. খুন অথবা নরহত্যা
  2. চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়
  3. অপহরণ অথবা জীবননাশক অপরাধ
  4. ধর্ষণ অথবা রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) চুরি অথবা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়। 
⇒দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারা অনুযায়ী, “In all robbery there is either theft or extortion.”
- অর্থাৎ, প্রত্যেক দস্যুতার ভিতরে চুরি (Theft) বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় (Extortion) – এ দুই অপরাধের যেকোনো একটি অবশ্যই বিদ্যমান থাকে।
- তবে দস্যুতাকে স্বতন্ত্র অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়, যখন চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় আশু মৃত্যু, গুরুতর আঘাত, বা অবৈধ আটকের ভয় সৃষ্টি করা হয় বা সে উদ্দেশ্যে কোনো শারীরিক উপায় অবলম্বন করা হয়।
- তাই, দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার আওতায় দস্যুতা বলতে বোঝায়, চুরি বা বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সেই রূপ, যেখানে ভুক্তভোগীকে অবিলম্বে শারীরিক ক্ষতির ভয় দেখানো হয়।
 
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯০ ধারার বিধান দস্যুতা:- প্রত্যেক দস্যুতায় হয় চুরি, না হয় বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের অপরাধ সংঘটিত হয়।
যেক্ষেত্রে চুরি দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- চুরি করার উদ্দেশ্যে, অথবা চুরি করতে, কিংবা চুরিতে লব্ধ সম্পত্তি বহন বা বহনের উদ্যোগ কালে, অপরাধকারী তদুদ্দেশ্যে ইচ্ছাপূর্বক কোন ব্যক্তির মৃত্যু ঘটায় বা তাকে আঘাতদান করে তাকে অন্যায় ভাবে আটক করে বা করার উদ্যোগ করে, বা তাকে তাৎক্ষণিক মৃত্যু বা তাৎক্ষণিক আঘাত বা তাৎক্ষণিক অবৈধ আটকের ভীতি প্রদর্শন করে বা করার উদ্যোগ করে, তা হলে উক্ত চুরি হচ্ছে 'দস্যুতা'।
বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় যেক্ষেত্রে দস্যুতা বলে পরিগণিত হবে:- বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়ের সময় অপরাধী- যে ব্যক্তিকে ভয়ে বিহ্বল করা হয়েছে, সে ব্যক্তির বা অন্য কোন ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আশু আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করলে, এবং এইভাবে যে ব্যক্তিকে ভয়ে অভিভূত করা হয়েছে, সে ব্যক্তিকে তখন বলপূর্বক আদায়কৃত বস্তুটি অর্পণে বাধ্য করলে, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় 'দস্যুতা' বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা:- অপরাধী অন্য ব্যক্তিকে আশু মৃত্যুর, আঘাতের বা আশু অন্যায় নিয়ন্ত্রণের ভয়ে অভিভূত করার পক্ষে যথেষ্ট নিকটে থাকলে সে হাজির বলে পরিগণিত হবে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section: 390- Robbery: In all robbery there is either theft or extortion:
When theft is robbery:
Theft is "robbery" if, in order to the committing of the theft, or in committing the theft, or in carrying away or attempting to carry away property obtained by the theft, the offender, for that end, voluntarily causes or attempts to cause to any person death or hurt or wrongful restraint, or fear of instant death or of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
When extortion is robbery:
Extortion is “robbery” if the offender, at the time of committing the extortion, is in the presence of the person put in fear, and commits the extortion by putting that person in fear of instant death, instant hurt, or of instant wrongful restraint to that person, or to some other person, and, by so putting in fear, induces the person so put in fear then and there to deliver up the thing extorted.
-Explanation:- The offender is said to be present if he is sufficiently near to put the other person in fear of instant death, of instant hurt, or of instant wrongful restraint.
১৮.
প্রতারণার ফলে প্রতারিত ব্যক্তির কোন ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে তা দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারায় অন্তর্ভুক্ত হয়?
  1. দেহগত ক্ষতি
  2. সম্পত্তির ক্ষতি
  3. মানসিক ক্ষতি
  4. উল্লিখিত সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒দণ্ডবিধির ১৮৬০ এর ৪১৫ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ কাউকে ছলনা করে প্রতারিত করে এবং তাকে এমন কিছু করতে বা না করতে প্ররোচিত করে যার ফলে তার দেহগত (bodily), মানসিক (mental), খ্যাতির (reputation), বা সম্পত্তির (property) ক্ষতি হয় অথবা ক্ষতির আশঙ্কা থাকে, তবে এটি "প্রতারণা (cheating)" হিসেবে গণ্য হয়।
- এই ধারায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে: "...which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property..." এজন্য দেহগত ক্ষতি, সম্পত্তির ক্ষতি, এবং মানসিক ক্ষতি—এই সবকিছুই ধারা অনুযায়ী প্রতারণার আওতায় পড়ে।
অতএব, সঠিক উত্তর: ঘ) উল্লিখিত সবগুলো।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৫ ধারার বিধান প্রতারণা:- যদি কেউ কোন ব্যক্তিকে ছলনা করে প্রবঞ্চনামূলকভাবে বা অসাধুভাবে সে ব্যক্তিকে অন্য কাউকে কোন সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা কোন ব্যক্তির কোন সম্পত্তি রেখে দেওয়াতে সম্পত্তি প্রদানে প্ররোচিত করে অথবা ইচ্ছাকৃতভাবে বা উদ্দেশ্যমূলকভাবে অনুরূপ প্রতারিত ব্যক্তিকে এমন কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে প্ররোচিত করে যে কাজ সে ব্যক্তি অনুরূপভাবে প্রতারিত না হলে করত না বা করা হতে বিরত থাকত না এবং যে কাজ করার বা করা হতে বিরত থাকার ফলে তার দেহের, মনের খ্যাতির বা সম্পত্তির দিক হতে ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে, তবে অনুরূপ ছলনাকারী 'প্রতারণা' করেছে বলে গণ্য হয়।
ব্যাখ্যা:- অসাধুভাবে তথ্য গোপন করা এই ধারার তাৎপর্যাধীনে ছলনা বলে পরিগণিত হবে।
----------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 415: Cheating:
- Whoever, by deceiving any person, fraudulently or dishonestly induces the person so deceived to deliver any property to any person, or to consent that any person shall retain any property, or intentionally induces the person so deceived to do or omit to do anything which he would not do or omit if he were not so deceived, and which act or omission causes or is likely to cause damage or harm to that person in body, mind, reputation or property, is said to "cheat".
Explanation:- A dishonest concealment of facts is a deception within the meaning of this section.
১৯.
দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী কোন অপরাধটি "ডাকাতি" হিসেবে গণ্য হয়?
  1. তিনজন ব্যক্তি মিলে চুরি করে
  2. একজন ব্যক্তি একা দস্যুতা সংঘটন করে
  3. পাঁচজন ব্যক্তি মিলে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে
  4. দুইজন ব্যক্তি মিলে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারা অনুযায়ী, "ডাকাতি (Dacoity)" তখনই বলা হয়, যখন পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একসাথে দস্যুতা (robbery) সংঘটন করে, অথবা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা দস্যুতা সংঘটনের প্রচেষ্টায় সহায়তা করে। এখানে মূল শর্ত হচ্ছে “পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি” এবং “দস্যুতা বা তার প্রচেষ্টা”।
- তাই গ) পাঁচজন ব্যক্তি মিলে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করলে সেটি "ডাকাতি" হিসেবে গণ্য হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯১ ধারার বিধান ডাকাতি:- যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন করে বা দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটনের চেষ্টা করে, অথবা যদি কোন ক্ষেত্রে মিলিতভাবে দস্যুতা সংঘটন প্রচেষ্টারত ব্যক্তির ও অনুরূপ কার্যে বা প্রচেষ্টায় সহায়তাকারী ব্যক্তির মোট সংখ্যা পাঁচ বা ততোধিক হয়, তবে অনুরূপ কাজ সংঘটনকারী বা প্রচেষ্টাকারী বা সহায়তাকারী প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতি করছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860-Section: 391: Dacoity: When five or more persons conjointly commit or attempt to commit a robbery, or where the whole number of persons conjointly committing or attempting to commit a robbery, and persons present and aiding such commission or attempt, amount to five or more, every person so committing, attempting or aiding, is said to commit "dacoity".
২০.
দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ চুরির পূর্বে কারো মৃত্যু ঘটানোর বা আঘাত করার প্রস্তুতি নিয়ে চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ৫ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ চুরির পূর্বে বা চুরির সময় বা চুরির পর পালানোর উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানোর, আঘাত করার, আটক রাখার, অথবা ভয় সৃষ্টি করার প্রস্তুতি নেয়, এবং এরপর চুরি সম্পন্ন করে, তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮২ ধারার বিধান চুরির উদ্দেশ্যে মৃত্যু ঘটানো, আঘাত করা বা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি:-
কোন ব্যক্তি যদি চুরি করার পূর্বে চুরি করার জন্য, অথবা চুরি করে পলায়নের জন্য অথবা অনুরূপ চুরি কর্তৃক লব্ধ সম্পত্তি রক্ষণের জন্য মৃত্যু ঘটানোর, অথবা আঘাত করার, অথবা আটকানোর অথবা মৃত্যুর ভয় সৃষ্টি করার, অথবা আঘাত করার, ভয় সৃষ্টি করার অথবা আটকানোর প্রস্তুতি গ্রহণান্তে চুরি করে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদেণ্ডও দণ্ডিত হবে।

⇒ উদাহরণসমূহ:
(ক) ক, গ এর দখলভুক্ত সম্পত্তি চুরি করে। চুরি করার সময় সে পোশাকের নিচে একটি গুলি ভর্তি পিস্তল লুকিয়ে রাখে। গ বাধা দিলে তাকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে ক গুলি ভর্তি পিস্তলটি রাখে। 'ক' এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছেন বলে পরিগণিত হবে।
(খ) ক গ-এর পকেট মারে। পকেট মারার পূর্বে সে তার কয়েকটি সঙ্গীকে আশেপাশে মোতায়েন করে। গ যদি টের পায় যে, তার পকেট মারা হচ্ছে এবং টের পেয়ে যদি সে তা রোধ করতে চায় অথবা যদি সেককে আটক করার চেষ্টা করে, তবে তাকে রাখার উদ্দেশ্যে ক তার সঙ্গীদের মোতায়েন করে। ক এই ধারায় বর্ণিত অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
---------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 382. Theft after preparation made for causing death, hurt or restraint, in order to the committing of the theft:
Whoever commits theft, having made preparation for causing death, or hurt, or restraint, or fear of death, or of hurt, or of restraint, to any person, in order to the committing of such theft, or in order to the effecting of his escape after the committing of such theft, or in order to the retaining of property taken by such theft, shall be punished with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.

⇒ Illustrations:
(a) A commits theft on property in Z's possession; and, while committing this theft, he has a loaded pistol under his garment having provided this pistol for the purpose of hunting Z in case Z should resist. A has committed the offence defined in this section.
(b) A picks Z's pocket, having posted several of his companions near him, in order that they may restrain Z, if Z should perceive what is passing and should resist, or should attempt to apprehend A. A has committed the offence defined in this section.
২১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী ‘Stolen property’ বলতে কোন অপরাধের মাধ্যমে হস্তান্তরিত সম্পত্তিকে বোঝানো হয়েছে?
  1. চুরি
  2. বলপূর্বক আদায়
  3. দস্যুতা ও বিশ্বাসভঙ্গ
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১০ ধারা অনুযায়ী “চোরাই সম্পত্তি (Stolen Property)” বলতে বোঝায় এমন সম্পত্তি:
১) চুরি (Theft) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
২) বলপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।
৩) দস্যুতার (Robbery) দ্বারা হস্তান্তরিত।
৪) অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal misappropriation) করা হয়েছে।
৫) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) এর মাধ্যমে বিশ্বাস ভঙ্গ করে দখল নেওয়া হয়েছে।
- উপরোক্ত যেকোনো প্রক্রিয়ায় অর্জিত সম্পত্তি চোরাই মাল হিসেবে গণ্য হয় — সেটা বাংলাদেশের ভিতরে বা বাইরে সংঘটিত হলেও।
- তবে, যদি ওই সম্পত্তি পরবর্তীতে আইনানুগভাবে অধিকারপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তির দখলে আসে, তাহলে তা আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
- এই ধারা বিভিন্ন ধরণের অপরাধমূলক কার্যকলাপের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তিকে একইভাবে “চোরাই সম্পত্তি” হিসেবে বিবেচনা করে — ফলে উত্তর “ঘ) উপরের সবগুলো” একমাত্র সঠিক উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.

২২.
দণ্ডবিধির ৪২০ ধারা অনুসারে, অসাধুভাবে সম্পত্তি হস্তান্তরে প্ররোচনার জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. পাঁচ বছর
  3. সাত বছর
  4. দশ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় বলা আছে, যে কেউ প্রতারণা করে কাউকে অসাধুভাবে সম্পত্তি দিতে বাধ্য করলে বা মূল্যবান দলিল তৈরি বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করলে, তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।

⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২০ অনুযায়ী,
যদি কেউ প্রতারণা করে এবং এর ফলে প্রতারিত ব্যক্তিকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে বাধ্য করে, অথবা প্রতারিত ব্যক্তিকে কোনো মূল্যবান দলিল (যেমন চেক, চুক্তি ইত্যাদি) তৈরি, পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে প্ররোচিত করে, তাহলে সেই ব্যক্তি অপরাধী হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের জন্য তাকে সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া হতে পারে এবং এর পাশাপাশি তাকে অর্থদণ্ডও দেয়া যেতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section-420: Cheating and dishonestly inducing deliver of property:
- Whoever cheats and thereby dishonestly induces the person deceived to deliver any property to any person, or to make, alter or destroy the whole or any part of a valuable security, or anything which is signed or sealed, and which is capable to being converted into a valuable security, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
২৩.
দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারায় দোষী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. তিন বছর
  2. সাত বছর
  3. দশ বছর
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১৩ ধারা অনুসারে, যদি কোন ব্যক্তি অভ্যাসগতভাবে (habitually) এমন সম্পত্তির লেনদেন করে যা সে জানে বা বিশ্বাস করার কারণ আছে যে তা চোরাই সম্পত্তি, তাহলে সে ব্যক্তি দোষী সাব্যস্ত হলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
- অতএব, সর্বোচ্চ শাস্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড — এটি ৪১৩ ধারার সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৩ ধারার বিধান অভ্যাসগতভাবে চোরাই সম্পত্তির বেচাকেনা করা:- কোন ব্যক্তি যদি যে সম্পত্তি চোরাই বলে সে জানে বা তার বিশ্বাস করার কারণ রয়েছে, অভ্যাসগতভাবে বরাবর সে সম্পত্তির বেচাকেনা করে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 413. Habitually dealing in stolen property:
- Whoever habitually receives or deals in property which he knows or has reason to believe to be stolen property, shall be punished with imprisonment for life, or with imprison - ment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২৪.
দণ্ডবিধির ৪০৭ ধারায় বিশ্বাসভঙ্গকারী ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ কারাদণ্ডের মেয়াদ কত?
  1. ১০ বছর
  2. ৭ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৩ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪০৭ ধারা বিশেষভাবে প্রযোজ্য পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক (wharfinger) বা গুদামদার (warehouse-keeper) — এই ধরনের ব্যক্তিদের উপর, যাদের উপর অন্যের সম্পদ সংরক্ষণের জন্য একটি বিশেষ দায়িত্ব অর্পিত থাকে। যদি তারা অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (criminal breach of trust) করে, তাহলে তারা দণ্ডিত হবে সর্বোচ্চ ৭ (সাত) বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে এবং অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হতে পারে।

⇒দণ্ডবিধির ধারা ৪০৭: পরিবহনকারী, গুদামদার ইত্যাদির দ্বারা বিশ্বাসভঙ্গ:-
যে কেউ, যিনি পরিবহনকারী (carrier), ঘাটের মালিক বা তত্ত্বাবধায়ক (wharfinger), অথবা গুদামদার (warehouse-keeper) হিসেবে কোনো সম্পত্তি সংরক্ষণের জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত হন, এবং সেই সম্পত্তি সম্পর্কে বিশ্বাসভঙ্গ করেন, তিনি সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং তার সাথে অর্থদণ্ডও হতে পারে।

⇒ The Penal Code, 1860- Section 407- Criminal breach of trust by carrier, etc:
Whoever, being entrusted with property as a carrier, wharfinger or warehouse-keeper, commits criminal breach of trust in respect of such property, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
২৫.
দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারা অনুসারে কোন কাজের মাধ্যমে কোনো বস্তুকে স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হিসেবে গণ্য হতে পারে?
  1. বস্তুটির গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করা
  2. বস্তুটিকে অন্য কোনো বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন করা
  3. বস্তুটিকে বাস্তবিকভাবে স্থানান্তর করা
  4. উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি ১৮৬০-এর ধারা ৩৭৮-এর ব্যাখ্যা ৩ অনুযায়ী, কোন বস্তু স্থানান্তরিত হয়েছে বলে ধরা হয় যদি:
১) বস্তুটির গতির প্রতিবন্ধকতা অপসারণ করা হয়, যেমন—আটকে থাকা একটি জিনিসকে মুক্ত করে দেওয়া;
২) বস্তুটিকে অন্য কোনো বস্তু থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়, যেমন—কোনো দেয়ালে আটকানো জিনিস খুলে নেওয়া;
৩) বাস্তবিকভাবে বস্তুটি স্থানান্তর করা হয়, অর্থাৎ নিজের হাতে সরিয়ে নেওয়া।
- এই তিনটি কাজের যেকোনো একটি বা একাধিক মিলেও যদি অস্থাবর সম্পত্তিকে দখলদারের সম্মতি ব্যতীত অসাধু উদ্দেশ্যে সরানো হয়, তাহলে তা চুরি (Theft) হিসেবে গণ্য হবে।
- অতএব, “ঘ) উপরের সবকটি” হল যথাযথ এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৭৮ ধারার বিধান চুরি:- কোন ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোন অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ১:- কোন বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ২:- যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে।
ব্যাখ্যা ৩:- কোন ব্যক্তি কোন বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোন বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে।
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি যে কোন উপায়ে কোন পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা ৫:- সংজ্ঞায় উল্লিখিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে: এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section-378: Theft:
- Whoever, intending to take dishonestly any moveable property out of the possession of any person without that person's consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.
Explanation 1.- A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.
Explanation 2.- A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.
Explanation 3.- A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.
Explanation 4.- A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.
Explanation 5.- The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.
২৬.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় "ক্ষতি বা অনিষ্ট" (Mischief) অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৪২৬
  2. ধারা ৪২৫
  3. ধারা ৪২৪
  4. ধারা ৪২৩
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৫ অনুযায়ী, যদি কেউ জনসাধারণ বা কোনো ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা জেনেও, কোনো সম্পত্তি ধ্বংস বা পরিবর্তন করে, যার ফলে সম্পত্তির মূল্য, কার্যকারিতা বা অবস্থা নষ্ট বা হ্রাস পায়, তাহলে সে ব্যক্তি “ক্ষতি বা অনিষ্ট” (Mischief) করেছে বলে গণ্য হবে।
- সঠিক উত্তর: খ) ধারা ৪২৫। 

⇒ দণ্ডবিধির ৪২৫ ধারার বিধান ক্ষতি বা অনিষ্ট:- কোন ব্যক্তি যদি জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করার উদ্দেশ্যে, অথবা সে জনসাধারণের বা কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা অনিষ্ট করতে পারে বলে জানা সত্ত্বেও কোন সম্পত্তি ধ্বংস বা বিনষ্ট করে, অথবা কোন সম্পত্তিতে বা উহার অবস্থানে এমন কোন পরিবর্তন সাধন করে, যার ফলে উহার মূল্য বা আবশ্যকতা বিনষ্ট হয় বা হ্রাস প্রাপ্ত হয়, বা উহা ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'ক্ষতি' সাধন করেছে বলে গণ্য হবে।
ব্যাখ্যা-১: ক্ষতি অনুষ্ঠিত হওয়ার জন্য অপরাধীর ক্ষতিগ্রস্ত কিংবা বিনষ্ট সম্পত্তির মালিকের ক্ষতি বা লোকসান করার ইচ্ছা থাকা প্রয়োজন নয়। কোন সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করে কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের উদ্দেশ্য থাকলে অথবা সম্পত্তির অনুরূপ ক্ষতিসাধন কর্তৃক কোন ব্যক্তির অন্যায় ক্ষতি বা ব্যক্তিসানের আশঙ্কা রয়েছে জানা সত্ত্বেও সম্পত্তিটির ক্ষতিসাধন করলে অপরাধটি সংঘটিত হবে, যে সম্পত্তিটির অনুরূপ ক্ষতিসাধন করা হল, সে সম্পত্তিটি অনুরূপে অন্যায়ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির সম্পত্তি হোক আর নাই হোক।
ব্যাখ্যা-২: যে ব্যক্তি কাজ সংঘটন করল সে ব্যক্তির নিজের বা মিলিতভাবে সে ব্যক্তির ও অন্যান্য ব্যক্তির সম্পত্তি ক্ষতিগ্রস্ত করে অনুষ্ঠিত কাজ কর্তৃক ক্ষতি সাধিত হতে পারে।
------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 425. Mischief:
Whoever, with intent to cause, or knowing that he is likely to cause, wrongful loss or damage to the public or to any person, causes the destruction of any property, or any such change in any property or in the situation thereof as destroys or diminishes its value or utility, or affects it injuriously, commits "mischief".
Explanation-1: It is not essential to the offence of mischief that the offender should intend to cause loss or damage to the owner of the property injured or destroyed. It is sufficient if he intends to cause, or knows that he is likely to cause, wrongful loss or damage to any person by injuring any property, whether it belongs to that person or not.
Explanation-2: Mischief may be committed by an act affecting property belonging to the person who commits the act, or to that person and others jointly.
২৭.
দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি কেউ কাউকে প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করতে চায়, তবে তার সর্বনিম্ন শাস্তি কী?
  1. দশ বছরের কারাদণ্ড
  2. সাত বছরের কারাদণ্ড
  3. পাঁচ বছরের কারাদণ্ড
  4. তিন বছরের কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কাউকে প্রাণনাশের ভয়, অথবা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে,
তবে সেই ব্যক্তি সর্বোচ্চ শাস্তি: যাবজ্জীবন কারাদণ্ড,
সর্বনিম্ন শাস্তি: ৭ বছর কারাদণ্ড (সুনির্দিষ্টভাবে বলা আছে “shall not be less than seven years”),
এবং সাথে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৮৭ ধারা: প্রাণনাশ বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখিয়ে বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করা:
- যে কেউ বলপূর্বক সম্পত্তি আদায় করার উদ্দেশ্যে কোনো ব্যক্তিকে অথবা অন্য কাউকে প্রাণনাশের বা গুরুতর আঘাতের ভয় দেখায় বা দেখানোর চেষ্টা করে, তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং এই কারাদণ্ডের মেয়াদ সাত বছরের কম হবে না, এবং তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 387- Putting person in fear of death or of grievous hurt, in order to commit extortion:
- Whoever, in order to the committing of extortion, puts or attempts to put any person in fear of death or of grievous hurt to that person or to any other, shall be punished with imprisonment for life and shall not be less than seven years, and shall also be liable to fine.
২৮.
দণ্ডবিধির ৪০০ ধারায় কোন অপরাধের জন্য শাস্তির বিধান দেওয়া হয়েছে?
  1. অস্ত্রসহ চুরি
  2. খুনসহ ডাকাতি
  3. ডাকাত দলভুক্ত হওয়া
  4. ডাকাতির প্রস্তুতি গ্রহণ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ডাকাত দলভুক্ত হওয়া। 
⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ এমন একটি দলে অন্তর্ভুক্ত থাকে যেটি অভ্যাসগতভাবে ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে সংঘবদ্ধ, তবে তাকে দণ্ডিত করা হবে।
- এখানে অপরাধ হলো – ডাকাতির উদ্দেশ্যে গঠিত সংঘবদ্ধ দলে সদস্য হওয়া, অর্থাৎ ডাকাত দলভুক্ত হওয়া, যদিও সে নিজে ডাকাতি না-ও করে থাকে।
- এই অপরাধ প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা সর্বোচ্চ ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড হতে পারে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪০০ ধারার বিধান ডাকাত দলভুক্ত হইবার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি এই আইন পাসের পরবর্তী যে কোন সময়ে কোন ডাকাতি সংঘটনের উদ্দেশ্যে যারা পরস্পর সংঘবদ্ধ আছে, এইরূপ কোন দলে থাকে, তবে উক্ত ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

⇒ The Penal Code, 1860, Section 400. Punishment for belonging to gang of dacoits:
Whoever, at any time after the passing of this Act, shall belong to a gang of persons associated for the purpose of habitually committing dacoity, shall be punished with 134[imprisonment] for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
২৯.
মিনা তার বন্ধুর দোকানে বৈধভাবে প্রবেশ করে কিন্তু তারপর বন্ধুকে বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে সেখানে বেআইনীভাবে অবস্থান করে। এটি দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার অধীনে কীভাবে বিবেচিত হবে?
  1. প্রতারণার অপরাধ
  2. সম্পত্তির ক্ষতির অপরাধ
  3. অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ
  4. কোনো অপরাধ নয়
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী যদি কেউ প্রথমে বৈধভাবে কারো দখলভুক্ত সম্পত্তিতে প্রবেশ করে, কিন্তু পরে অবৈধভাবে সেখানে অবস্থান করে, এবং তার সেই অবস্থান যদি হয় কোনো অপরাধ সংঘটনের উদ্দেশ্যে, বা উক্ত ব্যক্তিকে ভীতিপ্রদর্শন, অপমান বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে, তবে সেই ব্যক্তি "অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ" (Criminal Trespass) করেছে বলে ধরা হবে।

- মিনার ক্ষেত্রে: সে তার বন্ধুর দোকানে বৈধভাবে প্রবেশ করেছিল, কিন্তু পরে বন্ধুকে বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে বেআইনীভাবে অবস্থান করেছে এটি স্পষ্টভাবে দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার আওতায় "অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ" হিসাবে গণ্য হবে।


⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:- কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।
--------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section-441: Criminal trespass:- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৩০.
দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী, কর্মচারী যদি তার মালিকের সম্পত্তি চুরি করে, তবে সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
  1. ৩ বছর কারাদণ্ড
  2. ৫ বছর কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৩৮১ অনুযায়ী কর্মচারীর দ্বারা মালিকের সম্পত্তি চুরির শাস্তি হলো সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড।
⇒ দণ্ডবিধির ৩৮১ ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো ব্যক্তি কেরানি বা কর্মচারী হিসেবে অথবা কেরানি বা কর্মচারীর দায়িত্বে নিযুক্ত হয়ে তার মালিক বা নিয়োগকর্তার দখলে থাকা যেকোনো সম্পত্তি চুরি করে, তবে তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড দেওয়া হতে পারে।
⇒ The Penal Code, 1860, Section 381: Theft by clerk or servant of property in possession of master:
- Whoever being a clerk or servant, or being employed in the capacity of a clerk or servant, commits theft in respect of any property in the possession of his master or employer, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৩১.
দণ্ডবিধির কোন ধারায় অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণার শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ধারা ৪১৯
  2. ধারা ৪১৮
  3. ধারা ৪১৭
  4. ধারা ৪১৬
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ধারা ৪১৯ এ বলা হয়েছে: "যে ব্যক্তি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, সে ব্যক্তি তিন বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থদণ্ডে, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।"
- এর অর্থ— যখন কেউ নিজেকে অন্য ব্যক্তি হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দিয়ে (বাস্তব বা কাল্পনিক) কাউকে প্রতারণা করে, তখন এটি “cheating by personation” হিসেবে গণ্য হয়।
- এই অপরাধটির সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে ধারা ৪১৬-এ, কিন্তু এই অপরাধের শাস্তি নির্ধারণ করা হয়েছে ধারা ৪১৯-এ।
 - অতএব, "অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা" করার শাস্তির বিধান রয়েছে দণ্ডবিধি, ১৮৬০ – ধারা ৪১৯-এ।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১৯ ধারার বিধান অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করার শাস্তি:- কোন ব্যক্তি যদি অপরের রূপ ধারণ করে প্রতারণা করে, তবে উক্ত লোক তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে, অথবা অর্থ দণ্ডে, অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860-Section-419. Punishment for cheating by personation:
-Whoever cheats by personation shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
৩২.
দণ্ডবিধির ধারা ৪২৬ অনুযায়ী, "অনিৎসাধন" (Mischief) এর জন্য সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  2. ছয় মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড
  3. এক বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
  4. পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ৪২৬ অনুযায়ী, যে কেউ অনিষ্টসাধন করলে তাকে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যেতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ৪২৬ ধারার অধীন অনিষ্টসাধন (Mischief) এর শাস্তি হতে পারে ৩ মাস পর্যন্ত যেকোনো বর্ণনার কারাবাস অর্থদণ্ডসহ বা উভয়।
-------------
⇒ The Penal Code, 1860- Section 426. Punishment for mischief:
- Whoever commits mischief shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three months, or with fine, or with both.
৩৩.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা অনুসারে চোরাই সম্পত্তির সংজ্ঞায় কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
  2. জোরপূর্বক আদায়কৃত সম্পত্তি
  3. উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি
  4. অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ৪১০ ধারা অনুযায়ী “চোরাই সম্পত্তি (Stolen Property)” বলতে বোঝায় এমন সব সম্পত্তি যেগুলো:
১) চুরি (Theft) এর মাধ্যমে নেওয়া হয়েছে।
২) জোরপূর্বক আদায় (Extortion) এর মাধ্যমে আদায় করা হয়েছে।
৩) দস্যুতার (Robbery) মাধ্যমে হস্তান্তরিত।
৪) অপরাধমূলক আত্মসাৎ (Criminal misappropriation) করা হয়েছে।
৫) অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ (Criminal breach of trust) এর মাধ্যমে দখল নেওয়া হয়েছে।
→ কিন্তু উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তি কোনও অপরাধের মাধ্যমে অর্জিত নয়; এটি একটি বৈধ, আইনানুগ প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত সম্পত্তি।
তাই, উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া সম্পত্তি "চোরাই মাল" হিসেবে ধারা ৪১০-এ অন্তর্ভুক্ত নয়।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:
- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.