পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ : শস্য উৎপাদন এবং এর বহুমুখীকরণ, খাদ্য উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই, কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের প্রধান কাজ হলো-
  1. ক) কৃষি ফসলের জাত উদ্ভাবন
  2. খ) কৃষি উপকরণ সরবরাহ
  3. গ) কৃষি ঋণ বিতরণ
  4. ঘ) কৃষি বিষয়ক সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (BADC) প্রধান কাজ হলো - কৃষি উপকরণ সরবরাহ করা।
এ লক্ষ্যে BADC উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার, জলাবদ্ধতা দূরীকরণের মাধ্যমে সেচ দক্ষতা ও সেচকৃত এলাকা বৃদ্ধি এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্পন্ন সার সারবরাহ প্রভৃতি কাজ করে থাকে।
BADC ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।
(সূত্রঃ BADC ওয়েবসাইট)
.
রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১.১০ শতাংশ
  2. খ) ১.৩৯ শতাংশ
  3. গ) ২.০ শতাংশ
  4. ঘ) ২.৪৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে মৎস্য খাতের অবদান ১.৩৯ শতাংশ। এছাড়া জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫২ শতাংশ এবং কৃষিজ জিডিপিতে অবদান ২৬.৩৭ শতাংশ।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০)
.
নিচের কোনটি অর্থকরী ফসল?
  1. ক) গম
  2. খ) ভুট্টা
  3. গ) ইক্ষু
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
যেসব ফসল সরাসরি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে চাষ করা হয় তাদের অর্থকরী ফসল বলে।
বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অর্থকরী ফসলগুলো হলোঃ পাট, চা, ইক্ষু, তুলা, রাবার, তামাক, ফুল ইত্যাদি।
অন্যদিকে, ধান, গম, ভুট্টা, তেলবীজ, আলু, সবজী, ফলমূল ইত্যাদি হলো খাদ্যশস্য।
(সূত্রঃ ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী)
.
রবিশস্যের চাষ হয় কখন?
  1. ক) ফাল্গুন থেকে আষাঢ়
  2. খ) আশ্বিন থেকে ফাল্গুন
  3. গ) আষাঢ় থেকে ভাদ্র
  4. ঘ) বৈশাখ থেকে শ্রাবণ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে প্রধানত দুটো মৌসুমে ফসল উৎপাদিত হয়। একটি হলো খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন এবং অপরটি হলো রবি বা শীতকালীন। আশ্বিন থেকে ফাল্গুন বা অক্টোবর থেকে মার্চ সময়ে উৎপন্ন ফসলকে রবিশস্য ধরা হয়।
বোরো ধান, গম, মসুর ডাল, যব, সরিষা, পেঁয়াজ, মটরশুঁটি ইত্যাদি রবি মৌসুমের প্রধান ফসল। এছাড়া এই সময়ে ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, লাউ, টমেটো, গাজর, আলু প্রভৃতির চাষাবাদও হয়ে থাকে।
(সূত্রঃ কৃষি শিক্ষা বোর্ডবই)
.
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ কত গ্রাম?
  1. ক) ৪৫.২৮ গ্রাম
  2. খ) ৫২.৪২ গ্রাম
  3. গ) ৬২.৫৮ গ্রাম
  4. ঘ) ৭২.৭৫ গ্রাম
ব্যাখ্যা
বর্তমানে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু মাছ গ্রহণের পরিমাণ ৬২.৫৮ গ্রাম যা চাহিদার (৬০ গ্রাম) তুলনায় বেশি।
(সূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২০ : পৃষ্ঠা-৯০)
.
স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধিতে বিশ্বে বাংলাদেশর অবস্থান কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা প্রকাশিত রিপোর্ট অনুসারে, ২০১৯ সালে স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধিতে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়।
স্বাদু পানির মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি ৯ শতাংশ।
শীর্ষস্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার প্রবৃদ্ধি ১২ শতাংশ।
এছাড়া অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত উৎস থেকে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় এবং চাষকৃত মাছ উৎপাদনে পঞ্চম।
(সূত্র: দৈনিক যুগান্তর : ২২ জুলাই ২০২০)
.
হাওরাঞ্চলে কোন ধানের চাষ হয়?
  1. ক) রোপা আমন
  2. খ) আউশ
  3. গ) বোরো
  4. ঘ) বোনা আমন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাতটি জেলা জুড়ে বিস্তৃত হাওরাঞ্চলে বছরে একবার কেবল বোরো ধানের চাষ হয়ে থাকে। দেশের মোট বোরো ধান উৎপাদনের প্রায় ২০ ভাগ হয় হাওরাঞ্চলে। গত বছর হাওরাঞ্চলে প্রায় ৪.৪৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের চাষ হয়।
(সূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট)
.
নিচের কোন জেলায় উপকূলীয় বনায়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে?
  1. ক) নোয়াখালী
  2. খ) কক্সবাজার
  3. গ) পিরোজপুর
  4. ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ১৯৬৬ সালে উপকূলীয় সামাজিক বনায়ন কার্যক্রম ‍শুরু হয়। এর আওতায় বর্তমানে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ফেনী, লক্ষীপুর, নোয়াখালী, ভোলা, বরগুনা, পটুয়াখালী এবং পিরোজপুরে প্রায় ১.৯৬ লক্ষ হেক্টর জমিতে বনায়ন করা হয়েছে এবং আরো প্রায় ৩ লক্ষ হেক্টর জমিতে বনায়ন কার্যক্রম চালু রয়েছে।
এ ধরনের বনভূমি প্যারা বন নামেও পরিচিত।
(সূত্রঃ বন অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)
.
নিচের কোনটি খরা সহিষ্ণু ধানের জাত?
  1. ক) ব্রি ধান ৫৬
  2. খ) বি আর ৫
  3. গ) ব্রি ধান ৫১
  4. ঘ) ব্রি ধান ৬২
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
অন্যদিকে বিআর ৫ হলো এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ, ব্রি ধান ৫১ হলো জলমগ্নতা সহিষ্ণু এবং ব্রি ধান ৬২ হলো জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত।
(সূত্র: বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)