পরীক্ষা আর্কাইভ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

পরীক্ষাIBA, DUতারিখ২৫ অক্টোবর, ২০২৩সময়55 minutes৯৬ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) পদের নাম: শিল্পনগরী কর্মকর্তা/ঊর্ধ্বতন সমন্বয় কর্মকর্তা/ প্রকাশনা কর্মকর্তা/ সাব-কন্ট্রাকটিং কর্মকর্তা (গ্রেড-৯) পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ: ২০.১০.২০২৩ Faculty Name: Institute of Business Administration (IBA), DU.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

জব সল্যুশন [৯ম - ১৩তম গ্রেড]

IBA, DU · ২৫ অক্টোবর, ২০২৩ · ১০০ প্রশ্ন

.
'ট্যাক্স হলিডে' নীতির উদ্দেশ্য হলো:
  1. কর পরিশোধে উৎসাহিত করা
  2. কর পরিশোধের জন্য দিন ধার্য করা
  3. নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
  4. কর মেলার আয়োজন করা
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত কর মওকুফ করা
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সরকারের আয়ের উৎস প্রধানত দুইটি। যথা- কর রাজস্ব এবং করবহির্ভূত রাজস্ব।

- কর পরিশোধে ২০১২ সালের মে মাসে বাংলাদেশে ই-পেমেন্ট পদ্ধতি চালু হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের সবচেয়ে বেশি আয় আসে ভ্যাট থেকে।
- বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রথম প্রবর্তিত হয় ১ জুলাই, ১৯৯১।

⇒ শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য সাময়িকভাবে ট্যাক্স মওকুফ করাই হচ্ছে ট্যাক্স হলিডে। অর্থাৎ, কর অবকাশ (ট্যাক্স হলিডে) হচ্ছে অস্থায়ী কর হ্রাস বা বর্জন ব্যবস্থা। [NBR]

⇒ সেসব শিল্প প্রতিষ্ঠান কে কর অবকাশ দেয়া হয়েছে যারা শিল্প অঙ্গীকার করেছে এবং সকল শর্ত পূরণ করে ১ জুলাই ২০১১ থেকে ৩০ জুন ২০১৯ এর মধ্যে ভৌত অবকাঠামো প্রতিষ্ঠিত করেছে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি এবং এনবিআর।
.
কোনো দ্রব্যের দামের পরিবর্তনের হার যদি চাহিদার পরিবর্তনের হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাকে কী বলে?
  1. অস্থিতিস্থাপক চাহিদা
  2. স্থিতিস্থাপক চাহিদা
  3. শূন্য স্থিতিস্থাপক
  4. অসীম স্থিতিস্থাপক
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক চাহিদা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থিতিস্থাপক চাহিদা
ব্যাখ্যা
স্থিতিস্থাপক চাহিদা:
⇒ দামের পরিবর্তনের হার অপেক্ষা চাহিদার পরিবর্তনের হার বেশি হলে তাকে স্থিতিস্থাপক চাহিদা বলে।
⇒ স্থিতিস্থাপক চাহিদার ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম বাড়লে মোটা ব্যয় হ্রাস পায় এবং দাম কমলে মোট ব্যয় বৃদ্ধি পায়।
⇒ সাধারণত বিলাস ও আরাম জাতীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা স্থিতিস্থাপক হয়। যেমন- গাড়ি, ফ্রিজ, রঙিন টিভি ইত্যাদি।

অস্থিতিস্থাপক চাহিদা:
⇒ দামের পরিবর্তনের হার যদি চাহিদার পরিবর্তনের হার অপেক্ষা বেশি হয়, তাকে অস্থিতিস্থাপক চাহিদা বলে।
⇒ অস্থিতিস্থাপক চাহিদার ক্ষেত্রে দ্রব্যের দাম বাড়লে মোট ব্যয় বৃদ্ধি পায় এবং দাম কমলে মোট ব্যয় হ্রাস পায়।
⇒ সাধারণত: নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের ক্ষেত্রে চাহিদা অস্থিতিস্থাপক হয়। যেমন- চাল, আটা, চিনি ইত্যাদি।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কী বোঝায়?
  1. উপযোগ সষ্টি করা
  2. অধিক সম্পর্ক সৃষ্টি করা
  3. সম্পর্ক বণ্টন করা
  4. কল্যাণ বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
উপযোগ সষ্টি করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপযোগ সষ্টি করা
ব্যাখ্যা
উৎপাদনের ধারণা (Concept of Production)
সাধারণ অর্থে 'উৎপাদন' বলতে কোন কিছু সৃষ্টি করাকে বুঝায়। কিন্তু অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে শুধু সৃষ্টি করাকে বুঝায় না। অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কোন নির্দিষ্ট সময়ে কোন দ্রব্যের আকার ও আকৃতির পরিবর্তন করে দ্রব্যের উপযোগ সৃষ্টি করাকে উৎপাদন বলে।

প্রকৃতপক্ষে মানুষ কোন কিছু সৃষ্টি করতে পারে না। মানুষের আশে পাশে যা কিছু রয়েছে সবই প্রকৃতির দান। মানুষ কেবল মাত্র প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের রূপগত, গুণগত, পরিমাণগত ও অবস্থানগত পরিবর্তনের মাধ্যমে নতুন উপযোগ সৃষ্টি করতে পারে বা ভবিষ্যতের জন্য মজুদ রেখে অতিরিক্ত উপযোগ সৃষ্টি করতে পারে। এভাবে কোন দ্রব্যের আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করাকে অর্থনীতিতে উৎপাদন বলে। যেমন- বন থেকে কাঠ সংগ্রহ করে আসবাবপত্র প্রস্তুত করে মানুষ কোন নতুন দ্রব্য বা পদার্থ সৃষ্টি করতে পারে না। শুধুমাত্র কাঠের আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করে আসবাবপত্র তৈরী করে উপযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে মাত্র। অর্থাৎ আসবাবপত্র তৈরীর মাধ্যমেই কাঠের উপযোগ সৃষ্টি করা হলো। সুতরাং অর্থনীতিতে উৎপাদন বলতে কোন দ্রব্য সৃষ্টি করাকে বুঝায় না; বরং দ্রব্যের আকার ও আকৃতি পরিবর্তন করে অধিক উপযোগ সৃষ্টি করাকে বুঝায়। বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ উৎপাদনের বিভিন্ন সংজ্ঞা দিয়েছেন। যেমন:

অধ্যাপক মার্শালের মতে, “এ বস্তু জগতে মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত বস্তুকে অধিকতর উপযোগী করে তোলার উদ্দেশ্যে এরূপ পূর্নবিন্যাস করে যাতে তাকে অধিকতর কার্যোপযোগী করা যায়।”

অধ্যাপক ডানিয়েল বি. সুইটস এর মতে, “উৎপাদন হলো এমন একটি পদ্ধতি যা দ্বারা মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত বস্তুকে ভোগের উপযোগী করে তুলতে পারে।”

সুতরাং সংক্ষেপে বলা যায়, যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মানুষ প্রকৃতি প্রদত্ত সম্পদের সাথে নিজের শ্রম ও মূলধন নিয়োগ করে অধিকতর উপযোগ সৃষ্টি করে তাকে উৎপাদন বলে।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আধুনিক অর্থনীতিবিদদের মতে খাজনা নির্ধারিত হয় কী দ্বারা?
  1. জমির চাহিদা দ্বারা
  2. জমির পরিমাণ দ্বারা
  3. মূলধন দ্বারা
  4. জনসংখ্যার দ্বারা
সঠিক উত্তর:
জমির চাহিদা দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমির চাহিদা দ্বারা
ব্যাখ্যা
খাজনা
উৎপাদন ক্ষেত্রে নিযুক্ত উপাদানের সুযোগ ব্যয় অপেক্ষা বাড়তি উপার্জিত আয়কে খাজনা বলে।

খাজনা নির্ধারণ
খাজনা নির্ধারণ সম্পর্কে প্রধান দুটি মতবাদ আছে। এগুলো হলো-
(১) রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব এবং
(২) আধুনিক খাজনা তত্ত্ব।

⇒ রিকার্ডোর খাজনা তত্ত্ব অনুসারে খাজনা হলো জমির উৎপন্নের সেই অংশ যা জমির মৌলিক ও অবিনশ্বর শক্তি ব্যবহারের জন্য জমির মালিককে প্রদান করতে হয়। চাহিদার তুলনায় জমির স্বল্পতার কারণে খাজনা দেখা দেয়। বিভিন্ন জমির মধ্যে উর্বরতার পার্থক্যের কারণে নিকৃষ্ট জমি অপেক্ষা উৎকৃষ্ট জমিতে খাজনা দেখা দেয়। অবস্থানগত দিক থেকে নিকৃষ্ট জমির তুলনায় উৎকৃষ্ট জমিতে তারতম্যমূলক খাজনা দেখা দেয়। খাজনা হলো অনুপার্জিত আয় ।

⇒ আধুনিক খাজনা তত্ত্ব অনুসারে জমির খাজনা জমির চাহিদা ও যোগান দ্বারা নির্ধারিত হয়।

উৎস:
অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
একটি দেশে পন্য আমদানির ব্যয় রপ্তানি আয় অপেক্ষা কম হলে নিচের কোনটি সৃষ্টি হয়?
  1. বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
  2. বাণিজ্যের ভারসাম্য
  3. বাণিজ্য ঘাটতি
  4. বাণিজ্য উদ্বৃত্ত
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য
ব্যাখ্যা
আমদানি ব্যয়
বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে বিদেশ থেকে যখন কোন পণ্য-দ্রব্য বা সেবা ক্রয় করে আনা হয়, তাকে আমদানি বলে। আমদানি করতে রাষ্ট্রের যে ব্যয় হয় সেটাই আমদানি ব্যয়।

রপ্তানি আয়
নিজের দেশ থেকে অন্য দেশে প্রয়োজনের অতিরিক্ত পণ্য-দ্রব্য বিক্রয় বা প্রেরণকে বলা হয় রপ্তানি। রপ্তানি করে রাষ্ট্র যে পরিমান আয় করে সেটাই রপ্তানি আয়।

⇒ একটি দেশে পন্য আমদানির ব্যয় রপ্তানি আয় অপেক্ষা কম হলে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য সৃষ্টি হয়।

উৎস: অর্থনীতি ১ম পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোন সম্পর্কটিকে কাম্য জনসংখ্যা বলা হয় ?
  1. মানুষ ও বনজ সম্পদের ভারসাম্য
  2. মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য
  3. মানুষ ও খনিজ সম্পদের ভারসাম্য
  4. মানুষ ও শিল্পের ভারসাম্য
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য
ব্যাখ্যা
কাম্য জনসংখ্যা
কোন দেশে একটি নির্দিষ্ট সময়ে যে জনসংখ্যা বর্তমান থাকলে লোকের মাথাপিছু আয় সর্বাধিক হয় তাকে কাম্য জনসংখ্যা বলে। কাম্য জনসংখ্যা দ্বারা এমন একটি জনসমষ্টিকে বুঝায় যা দেশের সব প্রাকৃতিক সম্পদকে সুষ্ঠুভাবে কাজে লাগিয়ে সর্বাধিক উৎপাদন করতে পারে। এক্ষেত্রে মানুষ ও ভূমির ভারসাম্য থাকা প্রয়োজন।

কাম্য জনসংখ্যা তত্ত্বের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য নিম্নরূপ:
⇒ কাম্য জনসংখ্যা বলতে বুঝায় আকাঙ্ক্ষিত জনসংখ্যা। আকাঙ্ক্ষিত জনসংখ্যা সেটাই যে জনসংখ্যা কোন দেশের সম্পদক ও সুযোগের পূর্ণ সদ্ব্যবহার নিশ্চয়তা দিতে পারে।

⇒ কাম্য জনসংখ্যার লক্ষ্য হলো সর্বাধিক উন্নতি বা সমৃদ্ধি আনয়ন। অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আনয়নের লক্ষ্যে কাম্য জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যার কথা বলা হয় যেখানে মাথাপিছু আয় সর্বাধিক।

⇒ কাম্য জনসংখ্যা বলতে বুঝায় এমন জনসংখ্যা যাদের জীবনযাত্রার মান উন্নত। অর্থাৎ, যে জনসংখ্যা জীবনযাত্রার প্রয়োজন মেটাতে এবং স্বচ্ছল জীবনের নিশ্চয়তা প্রদানে সক্ষম সেটাই কাম্য জনসংখ্যাতত্ত্ব।

⇒ সমাজতাত্ত্বিকভাবে বলা যায়, কাম্য জনসংখ্যা বলতে এমন এক জনসংখ্যা বুঝায় যা কোন সমাজের কম অথবা বেশী জনসংখ্যার ত্রুটিমুক্ত এক “আদর্শ” জনসংখ্যা। একথা সহজেই অনুমেয় যে কোন সমাজের জনসংখ্যার সম্পদ ও সুযোগের তুলনায় কম হলে ঐ সম্পদ ও সুযোগের পূর্ণ ব্যবহারের জন্য জনশক্তির অভাব দেখা দেবে। অপরপক্ষে সম্পদ ও সুযোগের তুলনায় অতিরিক্ত জনসংখ্যার অর্থ হলো ক্ষুধা ও ব্যাধিগ্রস্ত জনসংখ্যা।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার প্রযুক্তি কোনটি?
  1. বায়োইনফরমেটিক্স
  2. বায়ো মেট্রিক্স
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. রোবটিক্স
সঠিক উত্তর:
বায়ো মেট্রিক্স
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বায়ো মেট্রিক্স
ব্যাখ্যা
 বায়োমেট্রিক্স: 
- বায়োমেট্রিক্স হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে কোন ব্যক্তির দেহের গঠন এবং আচরণগত বৈশিষ্ট্যের উপর ভিত্তি করে তাকে অদ্বিতীয়ভাবে চিহ্নিত বা সনাক্ত করা যায়। 
- কম্পিউটার বিজ্ঞানে বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতিকে ব্যক্তি সনাক্তকরণ এবং কোন সিস্টেমে প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণের কৌশল হিসেবে ব্যবহার করা হয়। 

বায়োমেট্রিক্সের ব্যবহার: 
১. কম্পিউটার ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে, 
২. অপরাধী ও ব্যক্তি শনাক্তকরণে, 
৩. পাসপোর্ট তৈরিতে, 
৪. মোবাইল সিম ক্রয়ে গ্রাহককে সহায়তা করে, 
৫. পরিচয়পত্র তৈরিতে, 
৬. বাংলাদেশে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট ইত্যাদিতে ব্যবহার হয়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান), একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি।
.
একটি দেশে পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প-উন্নয়নের উদ্দেশ্য নিচের কোনটি?
  1. প্রাচীন ‍পদ্ধতিতে শিল্প পরিচালনা করা
  2. উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা
  3. বিভিন্ন দেশের শিল্প নীরিত সাথে সংযোগ স্থাপন করা
  4. পাশ্চাত্যের শিল্পের সাথে সংযোগ বৃদ্ধি করা
সঠিক উত্তর:
উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা
ব্যাখ্যা

পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প:
পশ্চাৎ সংযোগ শিল্প হলো কোন শিল্পকারখানা অথবা প্রতিষ্ঠানের সাথে supply chain বা সরবরাহ শৃঙ্খলের সম্পর্ক। একটি দেশে পশ্চাৎ-সংযোগ শিল্প-উন্নয়নের উদ্দেশ্য উৎপাদনমুখী শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করা

.
নিচের কোনটি বিনিয়োগের একটি মূল্যায়ন প্রক্রিয়া?
  1. অর্থের সময়মূল্য
  2. বিনিয়োগের ভবিষ্যৎ মূল্য
  3. মূলধন বাজেটিং
  4. বাট্টার হার নির্ধারণ
সঠিক উত্তর:
মূলধন বাজেটিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূলধন বাজেটিং
ব্যাখ্যা
মূলধন বাজেটিং
মূলধন বাজেটিং হলো কোন ফার্মের দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত। সংকীর্ণ অর্থে, ফার্মের দালানকোঠা, জমি, যন্ত্রপাতি প্রভৃতি স্থায়ী সম্পত্তি ক্রয়ের মূল্যায়ন প্রক্রিয়াকে মূলধন বাজেটিং বলে। ব্যাপক অর্থে, দীর্ঘদিন ধরে ভবিষ্যতে প্রত্যাশিত নগদ প্রবাহ পাবার আশায় যদি কোন ফার্ম তার তহবিল ১ বছরের বেশি সময়ের জন্য বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে, তবে তাকে মূলধন বাজেটিং বলে।

⇒ নগদ প্রবাহ দু'ধরনের হতে পারে (ক) আয় বৃদ্ধি ও (খ) ব্যয় হ্রাস।

সাধারণত কোন ফার্ম এর মূলধন বাজেটিং সিদ্ধান্তে স্থায়ী বা দীর্ঘমেয়াদী সম্পদের সংযোজন, বিয়োজন, আধুনিকায়ন এবং প্রতিস্থাপন প্রভৃতি বিষয়সমূহ অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, মূলধন বাজেটিং হচ্ছে একটি বিনিয়োগ মূল্যায়ন প্রক্রিয়া, যে প্রক্রিয়ায় একটি ফার্ম তার দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগযোগ্য তহবিল বিভিন্ন লাভজনক দীর্ঘমেয়াদী সম্পদ ও প্রকল্পে বিনিয়োগ করে থাকে । তাই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগের পরিকল্পনা থেকে আরম্ভ করে বাস্তবায়ন পর্যন্ত সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটাই মূলধন বাজেটিং এর আওতাভুক্ত। মূলধন বাজেটিং এর বিকল্পরূপে মূলধন ব্যয় সিদ্ধান্ত, মূলধন খরচ ব্যবস্থাপনা, দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ সিদ্ধান্ত, স্থায়ী সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রভৃতি নামগুলোকে ব্যবহার করা যায়।

মূলধন বাজেটিং এর বৈশিষ্ট্য:
- দীর্ঘমেয়াদের ভিত্তিতে তহবিলের বিনিয়োগ।
- ভবিষ্যত নগদ প্রবাহের সম্ভাবনায় বর্তমান তহবিল বিনিয়োগ।
- ভবিষ্যত নগদ প্রবাহ অব্যাহতভাবে অনেক বৎসর ধরে ঘটবে।
- তুলনামূলকভাবে অধিক ঝুঁকি নিতে হয়।
- ভবিষ্যত প্রাপ্তির সাথে চলতি বা বর্তমান তহবিলের বিনিময়।

উৎস: আর্থিক ব্যবস্থাপনা, OSBBA Program, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
নিচের কোনটি যৌথ মূলধনী কোম্পানির বৈশিষ্ট্য?
  1. অসীম দায়
  2. স্থায়িত্বের অনিশ্চয়তা
  3. ব্যক্তি নির্ভরশীলতা
  4. কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
ব্যাখ্যা
যৌথ মূলধনী কোম্পানি
যৌথমূলধনী ব্যবসায় বা কোম্পানি সংগঠন হলো আইনসৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী এমন এক ধরনের বৃহদায়তন ব্যবসায় সংগঠন যা অদৃশ্য, চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী, যা নিজের নাম ও গিল দ্বারা পরিচিত ও পরিচালিত হয়, যেখানে মালিকানা সীমিত দায়বিশিষ্ট শেয়ার সংখ্যা দ্বারা নির্ধারিত।

কোম্পানির বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত করে ১৮৮২ সালে প্রথম ভারতীয় কোম্পানি আইন প্রণয়ন করা হয়। পরে এর ব্যাপক পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করা হয় ১৯১৩ সালে। আবার পরিবর্তন ও পরিবর্তন করে বাংলাদেশে ১৯৯৪ সালের কোম্পানি আইন প্রবর্তিত হয়, যা আজও কার্যকর রয়েছে। ১৯৯৪ সালে কোম্পানি আইনের ২(১-২) ধারায় বলা হয়েছে যে, কোম্পানি বলতে কোম্পানি আইনের অধীনে গঠিত ও নিবন্ধিত বা কোনো বিদ্যমান কোম্পানিকে বোঝায়।

অর্থাৎ কোম্পানি হলো আইন সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তার অধিকারী, যার দায় আইন দ্বারা সীমিত, চিরন্তন অস্তিত্বের অধিকারী, নিজ নাম ও সিলমোহর দ্বারা পরিচালিত হয় এবং বিনিয়োগকারী মুনাফা অর্জনের উদ্দেশ্যে স্বেচ্ছায় শেয়ার ক্রয় করে মূলধন তহবিল গঠন করে।

কোম্পানি সংগঠনের বৈশিষ্ট্য:
- আইন দ্বারা সৃষ্টি
- কৃত্রিম ব্যক্তিসত্তা
- চিরন্তন অস্তিত্ব
- সীমাবদ্ধ পায়
- নিজস্ব সিলমোহর
- শেয়ার মূলধন

উৎস: ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১১.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. মহত
  2. মহত্ত্বর
  3. মহত্ত
  4. মাহাত্ম্য
সঠিক উত্তর:
মাহাত্ম্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাহাত্ম্য
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান 'মাহাত্ম্য'
- বিশেষ্য পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: মহাত্মন্‌ + য।
 অর্থ:
- মহত্ত্ব, মহানুভবতা।

অন্যদিকে: 
• শুদ্ধ বানান 'মহৎ'
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: √মহ্‌ + অৎ।
  অর্থ:
- মহানুভব, উদার।

• শুদ্ধ বানান 'মহত্ত্ব'
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: মহৎ + ত্ব।
  অর্থ:
- মহতের ভাব, উদারতা।

• শুদ্ধ বানান 'মহত্তর'
- বিশেষণ পদ।
- সংস্কৃত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয়: মহৎ + তরপ্‌। 
  অর্থ: 
- দুইয়ের মধ্যে অধিকতর মহৎ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান। 
১২.
নিচের কোন গ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা নয়
  1. পূরবী
  2. মানসী
  3. জাগরী
  4. শ্যামলী
সঠিক উত্তর:
জাগরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাগরী
ব্যাখ্যা
'জাগরী' উপন্যাস:
- এটি সতীনাথ ভাদুড়ী রচিত উপন্যাস। 
-  ১৯৪৬ সালে প্রকাশিত জাগরী  উপন্যাসের মাধ্যমে তিনি প্রভূত খ্যাতি অর্জন করেন।
- এটি রাজনৈতিক  উপন্যাস হিসেবে বাংলা সাহিত্যে এর একটি বিশেষ স্থান আছে। 

সতীনাথ ভাদুড়ী:

- তিনি কথাশিল্পী, রাজনীতিক ছিলেন।
- তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ‘চিত্রগুপ্ত’।
- ১৯০৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর বিহারে পিতার কর্মস্থল পূর্ণিয়ায় তাঁর জন্ম।

অন্যদিকে:
- পূরবী, মানসী, শ্যামলী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 
১৩.
নিচের কোনটি অপপ্রয়োগ-দোষে দুষ্ট নয়?
  1. আয়ত্তাধীন
  2. অশ্রুজল
  3. অধীনস্থ
  4. একত্র
সঠিক উত্তর:
একত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একত্র
ব্যাখ্যা
• অপপ্রয়োগ-দোষে দুষ্ট নয় হচ্ছে - একত্র।

অন্যদিকে:
- 'আয়ত্তাধীন' শুদ্ধ রূপ হচ্ছে - আয়ত্ত/অধীন।
- 'অশ্রুজল' শুদ্ধ রূপ হচ্ছে - অশ্রু।
- 'অধীনস্থ' শুদ্ধ রূপ হচ্ছে - অধীন। 

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১৪.
‘পাখীসব করে রব রাতি পোহাইল।’ চরণটিতে পাখীর সঙ্গে যুক্ত ‘সব’ হলো:
  1. বিশেষণ
  2. প্রত্যয়
  3. বহুবচনবাচক শব্দ
  4. পদাশ্রিত নির্দেশক
সঠিক উত্তর:
বহুবচনবাচক শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহুবচনবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা
-প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে বহুবচনে ব্যবহৃত শব্দ:
• কুল - কবিকুল, পক্ষিকুল, বৃক্ষকুল ইত্যাদি। 
• সকল - পর্বতসকল, মনুষ্যসকল ইত্যাদি।
• সব  - ভাইসব, পাখিসব ইত্যাদি।
• সমূহ - বৃক্ষসমূহ, মনুষ্যসমূহ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৫.
আভিধানিক ক্রম অনুসারে সাজানো শব্দগুচ্ছ কোনটি?
  1. আমলকি, আনারস, আপেল
  2. অল্প, সমান্য, ক্ষণিক
  3. সৈয়দ, খান, চৌধুরী
  4. ফল, মূল, হরিদ্রা
সঠিক উত্তর:
ফল, মূল, হরিদ্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফল, মূল, হরিদ্রা
ব্যাখ্যা
অভিধানে শব্দগুলো অক্ষরিক ক্রমানুসারে সাজানো হয়। অর্থাৎ, প্রথমে শব্দটির প্রথম অক্ষর দিয়ে শ্রেণিবদ্ধ করা হয় এবং তারপর পরবর্তী অক্ষরগুলো আসে।

অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ,
ক, খ, গ, ঘ, ঙ,
চ, ছ, জ, ঝ, ঞ,
ট, ঠ, ড, ঢ, ণ,
ত, থ, দ, ধ, ন,
প, ফ, ব, ভ, ম,
য, র, ল, শ, ষ, স, হ, ড়, ঢ়, য়, ৎ, ং, ঃ, ঁ

- তাই, শব্দগুলি বাংলা বর্ণমালার অনুযায়ী ক্রম হবে -
ফল > মূল > হরিদ্রা

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৬.
নিচের কোনটি সর্বনাম পদ?
  1. কি
  2. কী
  3. কেনা
  4. কারণ
সঠিক উত্তর:
কী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কী
ব্যাখ্যা
- বিশেষ্য পদের পরিবর্তে যে পদ ব্যবহৃত হয়, তাকেই সর্বনাম পদ বলে।
- সর্বনাম পদগুলোকে মূলত ৯ ভাগে ভাগ করা যায়।
যথাঃ
১. ব্যক্তিবাচক বা পুরুষবাচক সর্বনামঃ আমি, আমরা, তুমি, তোমরা, সে, তারা, তাহারা, তিনি, তাঁরা, এ, এরা, ও, ওরা।
২. আত্মবাচক সর্বনামঃ স্বয়ং, নিজ, খোদ, আপনি।
৩. নির্দেশক সর্বনামঃ
নিকট নির্দেশক - এ, এই, এরা, ইহারা, ইনি।
দূর নির্দেশক - ও, ওই, ওরা, উনি।
৪. অনির্দষ্ট সর্বনামঃ কেউ, কোথাও, কিছু, একজন।
৫. প্রশ্নবাচক সর্বনামঃ কে, কারা, কাকে, কার, কী ইত্যাদি।
৬. সাপেক্ষ সর্বনামঃ যারা-তারা, যে-সে, যেমন-তেমন ইত্যাদি।
৭. পারস্পারিক সর্বনামঃ পরস্পর, নিজেরা নিজেরা ইত্যাদি।
৮. সকল/সাকুল্যবাচক সর্বনামঃ সব, সকল, সমুদয়, তাবৎ, সমস্ত ইত্যাদি।
৯. অন্যবাচক সর্বনামঃ অন্য, অপর, পর, অমুক ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)। 
১৭.
নারীবাচক শব্দ নয় কোনটি?
  1. দীর্ঘাঙ্গী
  2. মহতী
  3. মানসী
  4. যশস্বী
সঠিক উত্তর:
যশস্বী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যশস্বী
ব্যাখ্যা
• পুরুষবাচক শব্দের সঙ্গে ইনী প্রত্যয় যোগ করে স্ত্রীবাচক করা হয়।
 যেমন:
- তেজস্বী - তেজস্বিনী,
- যশস্বী - যশস্বিনী,
- পয়স্বী - পয়স্বিনী ইত্যাদি।

অন্যদিকে: 
- মহৎ - মহতী,
- দীর্ঘাঙ্গ - দীর্ঘাঙ্গী,
- মানস - মানসী। 

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২) লাইভ এমসিকিউ লেকচার -৩৫।
৩) বাংলা একাডেমি, অভিগম্য অভিধান। 
১৮.
নিচের কোনটি নিত্য নরবাচক শব্দ?
  1. ছেলে
  2. নেতা
  3. কৃতদার
  4. বাবা
সঠিক উত্তর:
কৃতদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃতদার
ব্যাখ্যা
নিত্য পুরুষবাচক কিছু শব্দ:
- কবিরাজ,
- ঢাকী,
- কৃতদার,
- অকৃতদার ইত্যাদি।

অপত্নীবাচক শব্দ:
- স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক বোঝায় না এমন শব্দ গুলোকে অপত্নীবাচক শব্দ বলে।
 যেমন:
- শিক্ষক-শিক্ষিকা, নেতা-নেত্রী, ছাত্র-ছাত্রী, খোকা-খুকি, পাগল-পাগলি।

• অনেক সময় আলাদা আলাদা শব্দে পুরুষবাচক ও স্ত্রীবাচক বোঝায়,
যেমন,
- শুক-শারি, বাবা- মা, সাহেব- বিবি, বাদশা- মেয়ে, ইত্যাদি।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি(২০২১ ও ২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
‘তৃতীয়’ কোন জাতীয় বিশেষণ?
  1. পূরণবাচক
  2. পরিমাণবাচক
  3. ক্রমবাচক
  4. গুণবাচক
সঠিক উত্তর:
পূরণবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পূরণবাচক
ব্যাখ্যা
পূরণবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বােঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান – এখানে তৃতীয় ও ৩৪তম পূরণবাচক বিশেষণ।

গুণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বােঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি – এখানে ‘চালাক’ ও ঠান্ডা হলাে গুণবাচক বিশেষণ।

পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বােঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন- আধা কেজি চাল, অনেক লােক – এখানে আধা কেজি’ ও ‘অনেক পরিমাণবাচক বিশেষণ।

ক্রমবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বােঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন – এক টাকা, আট দিন – এখানে ‘এক’ ও ‘আট’ ক্রমবাচক বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২০.
নিচের কোনটি যৌগিক ক্রিয়ার উদাহরণ?
  1. এগিয়ে চলা
  2. উদয় হওয়া
  3. ডিগবাজি খাওয়া
  4. বৃ্দ্ধি পাওয়া
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগিয়ে চলা
ব্যাখ্যা
যৌগিক ক্রিয়া:
- অসমাপিকা ক্রিয়ার সঙ্গে সমাপিকা ক্রিয়া যুক্ত হয়ে যখন একটি ক্রিয়া গঠন করে, তখন তাকে যৌগিক ক্রিয়া বলে।
 যেমন:
- মরে যাওয়া, 
- কমে আসা,
- এগিয়ে চলা, 
- হেসে ওঠা,
- উঠে পড়া, 
- পেয়ে বসা,
- সরে দাঁড়ানো,
- বেঁধে দেওয়া, 
- বুঝে নেওয়া,
- বলে ফেলা, 
- করে তোলা, 
- চেপে রাখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
২১.
কোন কালে অনুজ্ঞা হয় না?
  1. বর্তমান কালে
  2. ভবিষ্যৎ কালে
  3. অতীত কালে
  4. ঘটমান ভবিষ্যৎ কালে
সঠিক উত্তর:
অতীত কালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অতীত কালে
ব্যাখ্যা
- অতীত কালে অনুজ্ঞা হয় না।

• ক্রিয়ার কাল ৩ প্রকার।
- বর্তমান কাল,
- অতীত কাল,
- ভবিষ্যৎ কাল।

• বর্তমান কাল ৪ প্রকার -
- সাধারন বর্তমান
- ঘটমান বর্তমান
- পুরাঘটিত বর্তমান
- অনুজ্ঞা বর্তমান

• অতীত কাল ৪ প্রকার -
- সাধারন অতীত
- ঘটমান অতীত
- পুরাঘটিত অতীত
- নিত্য অতীত

• ভবিষ্যৎ কাল ৪ প্রকার -
- সাধারন ভবিষ্যৎ
- ঘটমান ভবিষ্যৎ
- পুরাঘটিত ভবিষ্যৎ
- অনুজ্ঞা ভবিষ্যৎ

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২২.
‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে, তবে একলা চলরে’ - কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?
  1. সরল বাক্য
  2. যোৗগিক বক্যে
  3. জটিল বাক্য
  4. মিশ্র বাক্য
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
[গ এবং ঘ দুটোই সঠিক উত্তর হওয়ায় উত্তরটি বাতিল করা হলো।]

• একটি প্রধান বাক্যের সঙ্গে অঙ্গীভূত এক বা একাধিক খণ্ড বাক্য সাধারণভাবে বা কোনো অনুগামী সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সাপেক্ষ সর্বনাম দিয়ে যুক্ত হয়ে পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হলে তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে।
 যেমন:
- ‘যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে’ এই বাক্যটি মিশ্র বা জটিল বাক্য।

• উল্লেখ্য, রিয়াল জবের পরীক্ষায় একই সাথে মিশ্র ও জটিল দুইটি অপশনই দেয়া থাকলে; নবম-দশম শ্রেণির নতুন সংস্করণ অনুসারে, জটিল বাক্য হিসেবে উত্তর করাটা অধিক গ্রহণযোগ্য। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৩.
কোনটি সঠিক বাক্য?
  1. উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
  2. নদীর জল হ্র্যস হয়েছে।
  3. তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।
  4. তিনি আরোগ্য হইয়াছেন।
সঠিক উত্তর:
উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।
ব্যাখ্যা
অশুদ্ধ: উপরোক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়। 
শুদ্ধ: উপর্যুক্ত বাক্যটি শুদ্ধ নয়।

অন্যদিকে:
অশুদ্ধ: নদীর জল হ্র্যস হয়েছে।
শুদ্ধ: নদীর জল হ্রাস পেয়েছে৷

অশুদ্ধ: তিনি স্বস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।
শুদ্ধ:  তিনি সস্ত্রীক বেড়াতে গেছেন।

অশুদ্ধ: তিনি আরোগ্য হইয়াছেন।
শুদ্ধ: তিনি আরোগ্য লাভ করলেন।

উৎস:
১) ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২৪.
দ্বন্দ সমাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ধীরেসুস্থে
  2. নবরত্ন
  3. বিজয়োৎসব
  4. ধনুকভাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
ধীরেসুস্থে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধীরেসুস্থে
ব্যাখ্যা
অলুক দ্বন্দ্ব সমাস:
- যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদগুলোর বিভক্তি সমস্ত পদেও যুক্ত থাকে বা বিভক্তি লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে।
- অর্থাৎ কিছু দ্বন্দ্ব সমাসে পূর্বপদ ও পরপদের বিভক্তি সমাসবদ্ধ হলেও বিদ্যমান থাকে। এই ধরনের দ্বন্দ্ব সমাসের নাম অলুক দ্বন্দ্ব সমাস।
যেমন:
- দুধে ও ভাতে = দুধে-ভাতে।
- ধীরে ও সুস্থে = ধীরেসুস্থে।
- হাতে ও কলমে = হাতে-কলমে ইত্যাদি।

উৎস: লাইভ এমসিকিউ লেকচার এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
২৫.
'ব্রজাঙ্গনা' কাব্য কোন কবির রচনা?
  1. নবীনচন্দ্রের
  2. হেমচন্দ্রের
  3. মধুসূদনের
  4. রবীন্দ্রনাথের
সঠিক উত্তর:
মধুসূদনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুসূদনের
ব্যাখ্যা
 'ব্রজাঙ্গনা' কাব্যে:
- মাইকেল মুধুসূধন দত্ত রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্যের নাম 'ব্রজাঙ্গনা'। এটি ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হয়। 
- 'ব্রজাঙ্গনা' কাব্যের কবিতাগুলো ওড্ জাতীয় গীতিকবিতা। মধুসূদন কাব্যটিকে দুই খণ্ডে বিভক্ত করে রচনার পরিকল্পনা করেছিলেন, বিরহ ও মিলন। তবে ‘মিলন’ খণ্ডটি তিনি লিখে যেতে পারেন নি।
- কাব্যটির নায়িকা হলেন 'রাধা'। 'রাধা' সম্পর্কে মধুসূ্ধন বলেছেন ‘Poor Old Mrs. Radha of Braja’( ব্রজের হতভাগিনী নায়িকা রাধা )।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত একজন মহাকবি, নাট্যকার। তিনি ১৮২৪ সালের ২৫ জানুয়ারি যশোর জেলার কপোতাক্ষ নদের তীরে সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা ভাষার সনেট প্রবর্তক।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক। 
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রয়োগ করেন ‘পদ্মাবতী’ নাটকে। (দ্বিতীয় অঙ্ক দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে)
- অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ - তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য। অর্থ্যাৎ, এই কাব্যটি সম্পূর্ণ অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ দ্য ক্যাপটিভ লেডি। এটি ইংরেজিতে রচিত।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- তিলোত্তমাসম্ভব,
- মেঘনাদবধ, 
- ব্রজাঙ্গনা,
- বীরাঙ্গনা,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২) বাংলাপিডিয়া।
২৬.
The man standing in front of you is a professor. The underlined words is a/an ___ phrase.
  1. adjective
  2. adverbial
  3. verbal
  4. noun
সঠিক উত্তর:
adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
adjective
ব্যাখ্যা
♦ The man standing in front of you is a professor. Here the underlined phrase is an - Adjective phrase.

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence - এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থ্যাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ-গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, সেই phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে।
-  Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।
-  এখানে underlined phrase টি  noun ‘The man' কে modify করায় এটি Adjective phrase.
- এখানে 'standing in front of you' দ্বারা noun ‘The man' অবস্থা প্রকাশ করছে তাই এটি Adjective এর কাজ করছে, তাই এটি Adjective phrase.
- Underlined phrase টি Noun, man কে modify করছে তাই এটি Adjective phrase.
২৭.
Choose the correct sentence:
  1. He dare not do it.
  2. He dares not do it.
  3. He dare not to do it.
  4. He dares not to be done it.
সঠিক উত্তর:
He dare not do it.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He dare not do it.
ব্যাখ্যা

• Options,
• He dare not do it.
- এই বাক্যটি সঠিক। 
- সাধারণত Interrogative ও Negative বাক্যের মধ্যে এটি Modal Auxiliary হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- আর Assertive & Affirmative বাক্যে এটা সাধারণত Principal Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
• He dares not do it.
- বাক্যটি সঠিক নয়

- কারণ negative statement or interrogative statement এ কখনো 'dares' ব্যবহার করা যায় না। 

• He dare not to do it.
- বাক্যটি ভুল।
- এখানে dare  not এর পর infinitive 'to do' এর ব্যবহার ভুল।
- dare এর সাথে infinitive to এর ব্যবহার উহ্য সাথে।

• He dares not to be done it.
- বাক্যটি ভুল।
- কারণ বাক্যটি grammatically ভুল।

২৮.
If you had told me you needed a ride, _________.
  1. I had left carlier.
  2. I would have left earlier.
  3. I would have leave earlier.
  4. I would leave earlier.
সঠিক উত্তর:
I would have left earlier.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
I would have left earlier.
ব্যাখ্যা
• Third conditional:
- Had + past perfect + would/could/might have + Vpp + extension. যেমনঃ
- If you had started earlier, you would not have missed the train.

সেই অনুসারে,
Complete sentence: If you had told me you needed a ride, I would have left earlier.

• Conditional sentence এ Had + Sub + V3 + Ext. এভাবে কোন Sentence শুরু হলে সেটিও Perfect conditional/ 3rd conditional হয়।
- If clause এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause এ would/could/might + have + V3 + extension ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ
- Had he known anything, he would have told me.
২৯.
He looks nice but his behavior is offensive_________ her.
  1. to
  2. of
  3. with
  4. for
সঠিক উত্তর:
to
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to
ব্যাখ্যা
♦ Offensive to
Meaning: পীড়াদায়ক।

Example: The smell of this scent is offensive to me.

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- Offensive এর সাথে 'পীড়াদায়ক' অর্থ বুঝাতে to বসে।
- এই বাক্যটির ক্ষেত্রে to বসালে বাক্যটির অর্থ পরিপূর্ণ হয়।
- তাই এই বাক্যে preposition হিসেবে to বসবে।

Complete sentence: He looks nice but his behavior is offensive to her. 

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.
৩০.
The books _____ to the library are kept in the storage room.
  1. were given
  2. given
  3. gave
  4. give
সঠিক উত্তর:
given
উত্তর
সঠিক উত্তর:
given
ব্যাখ্যা
• সঠিক উত্তর হলো - given.

• "The books given to the library are kept in the storage room" is correct.
- এখানে past participle "given" indicate করছে যে  বইগুলো লাইব্রেরিতে অতীতে দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে,
- 'were given' ভুল কারণ যেহেতু কার দ্বারা দেওয়া হয়েছে সেটি উল্লেখ করা হয়নি তাই এর ব্যবহার ভুল হবে।
- 'gave' ও 'give' দুটোই ভুল, কারণ এখানে বাক্যটি পরিপূর্ণ করতে past participle এর ব্যবহার প্রয়োজন।

যেই অনুসারে বলা যায়, সঠিক শব্দটি হবে - given.
৩১.
Translate into English: কাচের জিনিস সহজেই ভেঙে যায়।
  1. The things made by glass breakdown easily.
  2. The things made of glass break down easily.
  3. The thing which is made of glass can easily break down.
  4. The things that are made by glass breaks easily.
সঠিক উত্তর:
The things made of glass break down easily.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The things made of glass break down easily.
ব্যাখ্যা
• Made of: We use made of when we talk about the basic material or qualities of something. [material]
Made by: person/company এর ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। 

• কাচের জিনিস: The things made of glass
- ভেঙে যায়/ ভেঙে যাওয়া/ ভেঙে পরা: break down
- সহজেই: easily

Correct translation: The things made of glass break down easily.

অন্যদিকে,
• The things made by glass breakdown easily.
- এটি ভুল। কারণ 'made by' এর ব্যবহার হয় person/company এর ক্ষেত্রে

• The thing which is made of glass can easily break down.
- এটি ভুল কারণ 'কাচের জিনিস' দ্বারা এখানে একটি general statement দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট করে কোনটিকে বোঝানো হয়নি। 
- এই বাক্যে মূল বাংলা বাক্যের বহুবচন "জিনিস" কে একটি বচনে পরিবর্তন করে এবং "can" ব্যবহার করে বুঝাতে চেষ্টা করে, যা কাচের জিনিসের সাধারণ বিবৃতির বিষয়বস্তু নয়, এটি একটি নির্দিষ্ট বিষয়বস্তুর সম্ভাব্যতা নির্দেশ করে। 
- যেটি ভুল কারণ 'কাচের জিনিস' দ্বারা এখানে একটি general statement দেওয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট করে কোনটিকে বোঝানো হয়নি। 

• The things that are made by glass breaks easily.
- এটি ভুল, কারণ 'made by' এর ব্যবহার ভুল কারণ 'made by', 'person/company এর ক্ষেত্রে ব্যবহার হয়। '
- আর 'breaks' এর ব্যবহার ভুল, কারণ 'ভেঙে যায়/ ভেঙে যাওয়া' এর translation হবে 'break down'.
৩২.
Select the correct sentence:
  1. Would you mind close the door?
  2. The decision was hang over.
  3. Jasim fell down and broke his leg.
  4. I am true with my word.
সঠিক উত্তর:
Jasim fell down and broke his leg.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Jasim fell down and broke his leg.
ব্যাখ্যা
Options,

• Would you mind close the door?
- এটি ভুল।
- কারণ Would you mind এরপর verb এর মূল form এর সাথে ing যোগ করতে হয়।
- Structure: Would you mind + verb + ing + object.
- সঠিক বাক্যটি হতো 'Would you mind closing the door?'

• The decision was hang over.
- এটি grammatically ভুল। 
- সঠিক বাক্যটি হতো 'The decision was hung over.'

• Jasim fell down and broke his leg.
- বাক্যটি সঠিক। 
- এখানে verbs "fell" ও "broke" both past tense এ আছে। এটি appropriate কারণ দুটি কাজই অতিতে হয়েছে। 

• I am true with my word.
- এটি ভুল
- এখানে preposition এর ভুল ব্যবহার হয়েছে, 
- সঠিক বাক্যটি হতো 'I am true to my word.'
৩৩.
Which one is correctly spelled?
  1. annihillation
  2. annihilation
  3. anhilation
  4. annyhillation
সঠিক উত্তর:
annihilation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
annihilation
ব্যাখ্যা
♦ Annihilation
English meaning: to destroy something completely so that nothing is left.
Bangla meaning: সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস করা; নিশ্চিহ্ন করা

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৩৪.
Translate into English: গুজবে কান দেয়া উচিত নয়।
  1. One should not hear rumor.
  2. One should bot come about rumor.
  3. One should not give ear to rumor.
  4. Nobody should listen to rumor.
সঠিক উত্তর:
One should not give ear to rumor.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
One should not give ear to rumor.
ব্যাখ্যা
• Give ear/ Lend ear
English Meaning: Meaning: to give attention, esp. favorable attention; listen; heed.
Bangla Meaning: শ্রবণ করা।

'গুজবে কান দেওয়া উচিত নয়।' এর যথার্থ অনুবাদ = One should not give ear to rumor.

Source: Collins Dictionary and Accessible Dictionary
৩৫.
Can you ______ the time of the next train to Sylhet?
  1. sort out
  2. put out
  3. find out
  4. try out
সঠিক উত্তর:
find out
উত্তর
সঠিক উত্তর:
find out
ব্যাখ্যা
• Options, 
- sort out: to separate one type of things from a group of things
- find out: If you find something out, you learn something that you did not already know, especially by making a deliberate effort to do so.
- try out: If you try something out, you test it in order to find out how useful or effective it is or what it is like.

- put out: 
1. If you put out an announcement or story, you make it known to a lot of people.
2. If you put out a fire, candle, or cigarette, you make it stop burning.
3. If you put out an electric light, you make it stop shining by pressing a switch.
4. If you put out things that will be needed, you place them somewhere ready to be used.
5. If you feel put out, you feel rather annoyed or upset.
6. If you put someone out, you cause them trouble because they have to do something for you.
7. If you put out your hand, you move it forward, away from your body.

অপশন এর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, শূন্যস্থানে find out বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়, যা বাক্যটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।
৩৬.
I don't mind helping you bake a cake, but just make sure you _______ everything when you've finished.
  1. put out
  2. put away
  3. sort out
  4. bring up
সঠিক উত্তর:
put away
উত্তর
সঠিক উত্তর:
put away
ব্যাখ্যা

Options,
• Put out: 
1. If you put out an announcement or story, you make it known to a lot of people.
2. If you put out a fire, candle, or cigarette, you make it stop burning.
3. If you put out an electric light, you make it stop shining by pressing a switch.

• Bring up: to start to talk about a particular subject/ to care for a child until they are an adult, often giving them particular beliefs.

Put away:
English meaning: to put something in the place or container where it is usually kept.
Bangla meaning: (কোনো জিনিসকে তার যথাযোগ্য স্থানে রাখা)

Sort out:
English Meaning: Arrange things systematically in groups or according to type, to separate one type of thing from a group of things, and resolve a problem or difficulty.
Bangla Meaning: (ভাগে-ভাগে সাজানো; এক জাতের জিনিসকে অন্য জাতের জিনিস থেকে বেছে আলাদা করা, সমাধান করা)

• যেহেতু, এখানে কেক তৈরিতে ব্যবহৃত জিনিসপত্র পুনরায় নিজ স্থানে তুলে রাখার অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে, সে অনুযায়ী put away সঠিক উত্তর।

Source: Cambridge Dictionary, Collins Dictionary and Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৭.
Let _____ dogs lie.
  1. sleeping
  2. snoozing
  3. dreaming
  4. barking
সঠিক উত্তর:
sleeping
উত্তর
সঠিক উত্তর:
sleeping
ব্যাখ্যা
♦ Let sleeping dogs lie: [idiom]
Meaning: said to warn someone that they should not talk about a bad situation that most people have forgotten about.
Bangla meaning: কাদা ঘেঁটো না

Source: Cambridge Dictionary.

৩৮.
Choose the appropriate synonym of the word: Perseverance
  1. Determination
  2. Unstable
  3. Rigid
  4. Carelessness
সঠিক উত্তর:
Determination
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Determination
ব্যাখ্যা
♦ Perseverance  
English meaning: the quality of continuing to try to achieve a particular aim despite difficulties
Bangla meaning: প্রয়োজনীয় গুণাবলি; যোগ্যতা

Options,
- Determination: the ability to continue trying to do something, although it is very difficult: দৃঢ়সংকল্প
- Unstable: not solid and firm and therefore not strong, safe, or likely to last অনবস্থিত; স্থিতিহীন; নড়বড়ে; নড়নড়ে; অপ্রতিষ্ঠ; অস্থিত; অনস্থির; স্থিরতাশূন্য।
- Rigid: stiff or fixed; not able to be bent or moved: অনমনীয়; বাঁকানো যাবে না এমন।
- Carelessness: the fact of not taking or showing enough care and attention: অসতর্কতা

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, The appropriate synonym of the word 'Perseverance' - Determination.

Source: Accessible & Cambridge & Oxford Dictionary.
৩৯.
Which of the following pairs of words best describe the meaning of: arable?
  1. bad for farming
  2. good for building on
  3. good for farming
  4. sold for farming
সঠিক উত্তর:
good for farming
উত্তর
সঠিক উত্তর:
good for farming
ব্যাখ্যা
♦ Arable:
English meaning: Arable farming land is used for, or is suitable for, growing crops
Bangla meaning: চাষযোগ্য; সাধারণত চাষ করা হয় এমন।

Options,
- bad for farming: চাষের জন্য খারাপ
- good for building on: নির্মাণের জন্য ভাল
- good for farming: চাষের জন্য ভাল
- sold for farming: চাষের জন্য বিক্রি

অপশনগুলো বিবেচনা করে দেখা যায়, সঠিক উত্তর - good for farming.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.
৪০.
One of the students _______ a finance company.
  1. works in
  2. work in
  3. works for
  4. work for
সঠিক উত্তর:
works for
উত্তর
সঠিক উত্তর:
works for
ব্যাখ্যা
• কোন বাক্যে One of the থাকলে বাক্যের গঠন হবে - noun (plural) ….. verb (singular).
- তাই বাক্যটিতে One of the এর পর student না হয়ে students হয়েছে।
- students এর সাথে verb work না হয়ে singular হওয়ার জন্যে works হয়েছে।
- সাধারণত Verb এর সাথে s/es যোগ করলে verb টি singular হয়।

• Work for: কোন company/ corporation এর জন্যে কাজ করা বোঝাতে Work for হয়।
- Example: I work for an accounting company.

• Work in: যখন company/ corporation এর কোন নির্দিষ্ট অংশে কাজ করা বোঝাতে Work in হয়। 
- Example: I work in the accounting department.

So correct sentence: One of the students works for a finance company.
৪১.
বাংলাদেশের সাথে জলবিদ্যুৎ খাতে ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ দেশ কোনগুলো?
  1. রাশিয়া ও চীন
  2. জাপান ও ভারত
  3. দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান
  4. ভারত ও ভুটান
সঠিক উত্তর:
ভারত ও ভুটান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভারত ও ভুটান
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশ, ভারত ও ভুটানে মধ্যে জলবিদ্যুৎ নিয়ে সমঝোতা চুক্তি হয়।
- ভারতের সহযোগিতায় ভুটানে এক হাজার ২২৫ মেগাওয়াটের একটি জলবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।
- সমবিনিয়োগের এই প্রকল্পে অংশীদার হয় বাংলাদেশ।

- প্রথমত, তিন দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়।
- এরপর তিন দেশ নির্ধারণ করে তাদের কোন কোন কোম্পানি এখানে কাজ করবে।
- সেই তিনটি কোম্পানি মিলে যৌথ মূলধনি কোম্পানি গঠন করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে।’
- ২০১৮ সালে এই চুক্তি হয়।’

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন (১৭ ডিসেম্বর, ২০১৭)।
৪২.
‘বাংলাদেশ তথ্য অধিকার আইন' প্রণীত হয় কত সালে?
  1. ২০০৬
  2. ২০১০
  3. ১৯৯০
  4. ২০০৯
সঠিক উত্তর:
২০০৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০০৯
ব্যাখ্যা
তথ্য অধিকার আইন: 
- তথ্য প্রাপ্তি নাগরিকের অধিকার।
- বাংলাদেশে ২০০৯ সালের  এপ্রিল মাসে প্রণীত তথ্য অধিকার আইনের মাধ্যমে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- আধুনিক কল্যাণমূলক রাষ্ট্রের লক্ষ্য সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- সে জন্য স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা অনিবার্য। জনগণের অংশগ্রহণ ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা অসম্ভব।
- এ লক্ষ্যেই তথ্য অধিকার আইন প্রণীত হয়েছে।
- এ আইনে আটটি অধ্যায়, ১টি তফসিল ও ৩৭টি ধারা রয়েছে।

- এ আইন প্রণয়নের ৯০ দিনের মধ্যে একটি তথ্য কমিশন প্রতিষ্ঠার নির্দেশ দেয়া হয়।
- এটি একটি সংবিধিবদ্ধ স্বাধীন সংস্থা।
- এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায়।
- কমিশন গঠন বিষয়ে আইনটির ১২ নং ধারায় বলা হয়েছে যে একজন প্রধান তথ্য কমিশনার এবং ২ জন তথ্য কমিশনার নিয়ে এটি গঠিত হবে। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৩.
সম্প্রতি IEEFA বাংলাদেশে প্রাথমিকভাবে প্রচলিত যে জীবাশ্ম জ্বালানি বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রকাশ করেছে তার সম্ভাব্য রেঞ্জ কী?
  1. 1700-3400 MW
  2. 2000-5000 MW
  3. 3400-4000 MW
  4. 3600-3200 MW
সঠিক উত্তর:
1700-3400 MW
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1700-3400 MW
ব্যাখ্যা
• IEEFA:
 - IEEFA-এর পূর্ণরুপ - Energy Economics and Financial Analysis (IEEFA).
- ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিক্স অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিস (আইইইএফএ) দেখছে বাংলাদেশ তাৎক্ষণিকভাবে নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস থেকে ১,৭০০ মেগাওয়াট-৩,৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে যার খরচ ৫.২৫ টাকা থেকে ৭.৬ টাকা।
প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানি থেকে প্রতি ইউনিট বর্তমান খরচ ৮.৮৪ টাকা।
আইইইএফএ বিশ্লেষণ করে দেখিয়েছে নবায়নযোগ্য উৎস থেকে ৪০% বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্য অর্জনের জন্য ২০৪১ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের বার্ষিক ১.৭১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন (৫ এপ্রিল, ২০২৩)।
৪৪.
এশিয়ার নোবেল খ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কার ২০২১ লাভ করেছেন কে?
  1. আন্দ্রেয়া ভেজা
  2. হার্ভে জে অস্টার
  3. রজার পেনারাজ
  4. ফেরদৌসী কাদরী
সঠিক উত্তর:
ফেরদৌসী কাদরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরদৌসী কাদরী
ব্যাখ্যা
⇒ ২০২১ সালে এশিয়ার নোবেল খ্যাত ম্যাগসাইসাই পুরস্কার লাভ করেছেন ফেরদৌসী কাদরী।

• ম্যাগসেসে পুরস্কার ২০২৩:

- বাংলাদেশের জাগো ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা করভি রাকসান্দ এশিয়ার নোবেল খ্যাত রামোন ম্যাগসেসে পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন।
- তাঁর সঙ্গে সম্মানজনক এই পুরস্কার পেয়েছেন ভারত,  ফিলিপাইন ও পূর্ব  তিমুরের আরো তিন জন।
- ৩১ আগস্ট, ২০২৩ র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশনের ওয়েবসাইটে এবারের পুরস্কার জিয়ীদের নাম প্রকাশ করা হয়।
- ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত র‌্যামন ম্যাগসেসে অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন এ পুরস্কার প্রদান করে থাকে। 

তথ্যসূত্র: বাসস (৩১ আগস্ট, ২০২৩)।
৪৫.
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীতের ইংরেজি অনুবাদক কে?
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কবীর চৌধুরী
  3. সৈয়দ আলী আহসান
  4. হাসান হাফিজুর রহমান
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৈয়দ আলী আহসান
ব্যাখ্যা
• ১৯৭৮ সালে ‘জাতীয় সঙ্গীত বিধিমালা’ অনুসারে বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের একটি ইংরেজী অনুবাদ প্রণয়ন করা হয়।  
- ইংরেজি অনুবাদটি করেছিলেন সৈয়দ আলী আহসান।
- জাতীয় সঙ্গীতের মোট চরণ সংখ্যা পঁচিশটি (২৫)।
- এর মধ্যে গানের প্রথম ১০ ছত্র কণ্ঠসঙ্গীত এবং
- প্রথম ৪ ছত্র যন্ত্রসঙ্গীত হিসেবে পরিবেশনের বিধান রাখা হয়েছে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
৪৬.
বঙ্গবন্ধু সেতু প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী কে?
  1. স্টিভ পলার্ড
  2. জর্জ স্টিভেসন
  3. ক্রিস্টোফার নোলান
  4. রবার্ট ডেভিলা
সঠিক উত্তর:
স্টিভ পলার্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিভ পলার্ড
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধু সেতু:
- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। 
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
 - এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। 
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- বঙ্গবন্ধু সেতু যা বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করেছে।
- ইংল্যান্ডের স্টিভ পলার্ড হলেন বঙ্গবন্ধু সেতু প্রকল্পের প্রধান প্রকৌশলী।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ
৪৭.
জাতিসংঘের কোন সংস্থা বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে?
  1. WTO
  2. MIGA
  3. World Bank
  4. UNCTAD
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
উত্তর
সঠিক উত্তর:
UNCTAD
ব্যাখ্যা
UNCTAD:
- UNCTAD এর পূর্ণরূপ: United Nations Conference on Trade and Development বা জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সম্মেলন।
- এটি ১৯৬৪ সালে যাত্রা শুরু করে।
- এটি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধীনে গঠিত একটি সংস্থা যা অর্থনীতি ও টেকসই উন্নয়ন এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে উন্নয়নশীল দেশগুলো ন্যায্যতা নিশ্চিতকরণে কাজ করে। 
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৫।
- সংস্থাটি বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

 উৎস: UNCTAD ওয়েবসাইট।
৪৮.
ডি-নাইন কোন ফসলের একটি জাতের নাম?
  1. আম
  2. পেয়ারা
  3. পেঁপে
  4. লিচু
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
⇒ আম: মোহনভোগ, মহানন্দা, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি, আম্রপলি, ক্ষীরসাপাতি ইত্যাদি।
⇒ পেয়ারা: মুকুন্দপুরী, স্বরূপকাঠি, কাঞ্চননগর, কাজী, বারি পেয়ারা-২, বারি পেয়ারা-৩ ইত্যাদি।
⇒ পেঁপে: কাহী, রাঁচি, ওয়াশিংটন, হানিডিউ ও পুষা ইত্যাদি।
⇒ লিচু: বেদানা, গুটি, মাদ্রাজি, বোম্বাই, মঙ্গলবাড়ী, মোজাফফরপুরী, চায়না-৩, কদমী, বারি লিচু-১, বারি লিচু-২ ও বারি লিচু-৩ ইত্যাদি।

[নির্ভরযোগ্য উৎসে 'ডি-নাইন' ফসলের জাতের নাম পাওয়া যায় নি। তাই প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।]

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস), গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
৪৯.
IDRA কী?
  1. অভ্যন্তরীণ গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  2. বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
  3. আন্তর্জাতিক গ্রামীণ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  4. আন্তর্জাতিক তথ্য নিয়ন্ত্রণ সংস্থা
সঠিক উত্তর:
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
ব্যাখ্যা
IDRA:
IDRA হচ্ছে - বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ
- IDRA এর পূর্ণরুপ হচ্ছে - Insurance Development & Regulatory Authority (IDRA)
- ২০১১ সালের ২৬শে জানুয়ারী বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ আইন ২০১০ এর বিধানের অধীনে বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ (IDRA) গঠিত হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকার বীমা ব্যবসার বিকাশ ও নিয়ন্ত্রণের জন্য বীমা আইন 2010 প্রণয়ন করেছে।

তথ্যসূত্র: বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ ওয়েবসাইট।
৫০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৩
  3. অনুচ্ছেদ ২৪
  4. অনুচ্ছেদ ২৫
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ২৫ নং অনুচ্ছেদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ - ২৫:
- আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন৷

উৎসঃ বাংলাদেশের সংবিধান ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
৫১.
নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা নয়?
  1. ৩১
  2. ৪১
  3. ৫১
  4. ৬১
সঠিক উত্তর:
৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা নয়?

সমাধান:
১ এর চেয়ে বড় যে সকল সংখ্যাকে শুধু ১ এবং ঐ সংখ্যা ছাড়া আর কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না, তাদেরকে মৌলিক সংখ্যা বলে। 
অর্থাৎ মৌলিক সংখ্যার উৎপাদক হবে দুইটি: ১ এবং শুধুমাত্র সেই সংখ্যাটি।
যেমন : ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩... ইত্যাদি মৌলিক সংখ্যা।

৫১  মৌলিক সংখ্যা নয়
৫১ এর গুণনীয়কগুলো হলো : ১ ,৩, ১৭, ৫১
৫২.
১২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন পাস করলে ফেল করা শিক্ষার্থীর হার কত?
  1. ৪০%
  2. ২৫%
  3. ৭৫%
  4. ৭৩%
সঠিক উত্তর:
৭৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫%
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১২০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ জন পাস করলে ফেল করা শিক্ষার্থীর হার কত?

সমাধান:
১২০ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করে = (১২০ - ৩০) = ৯০ জন

১২০ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করে = ৯০ জন
১ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করে = ৯০/১২০ জন
∴ ১০০ জন ছাত্রের মধ্যে ফেল করে = (৯০ × ১০০)/১২০ জন
= ৭৫ জন।
৫৩.
৩ দ্বারা বিভাজ্য সমস্ত ২ অঙ্কের সংখ্যাগুলোর যোগফল কত?
  1. ১৬০২
  2. ১৫৬৫
  3. ১৬৬৫
  4. ১৭০২
সঠিক উত্তর:
১৬৬৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬৬৫
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৩ দ্বারা বিভাজ্য সমস্ত ২ অঙ্কের সংখ্যাগুলোর যোগফল কত?

সমাধান:
৩ দ্বারা বিভাজ্য সমস্ত ২ অঙ্কের সংখ্যাগুলোর যোগফল
১২ + ১৫ + ১৮ + ২১ + ...................... + ৯৯ এর সমষ্টি
এখানে
১ম পদ a = ১২
সাধারণ অন্তর d = ১৫ - ১২
= ৩
শেষ পদ = n তম পদ = ৯৯

আমরা জানি 
n তম পদ = a + (n - 1)d
৯৯ = ১২ + (n - ১)৩
বা, ৯৯ = ১২ + ৩n - ৩
বা, ৯৯ = ৩n + ৯
বা, ৩n + ৯ = ৯৯
বা, ৩n = ৯৯ - ৯
বা, ৩n = ৯০
n = ৩০ 

৩০টি পদের সমষ্টি = (৩০/২){২ × ১২ + (৩০ - ১)৩}
= ১৫{২৪ + ৮৭ }
= ১৫ × ১১১
= ১৬৬৫
৫৪.
একটি ঘনক আকৃতির বস্তুর পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল 2400 বর্গ সে.মি. হলে ঘনকটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?
  1. ২০
  2. ২০√২
  3. ২০√৩
  4. ৪০০
সঠিক উত্তর:
২০√৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০√৩
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ঘনক আকৃতির বস্তুর পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল 2400 বর্গ সে.মি. হলে ঘনকটির কর্ণের দৈর্ঘ্য কত সে.মি.?

সমাধান:
ঘনকের ধার a হলে,
ঘনক আকৃতির পৃষ্ঠতলের ক্ষেত্রফল= 6a2

প্রশ্নানুসারে,
6a2 = 2400
বা, a2 = 2400/6
বা, a2 = 400
 a = 20

∴ ঘনকের কর্ণের দৈর্ঘ্য = √3a সে.মি.
 = 20√3 সে.মি.
৫৫.
1 + 3 + 5 +............ + 101 ধারাটির পদ সংখ্যা কত?
  1. ৫৪
  2. ৫৩
  3. ৫২
  4. ৫১
সঠিক উত্তর:
৫১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫১
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 3 + 5 +............ + 101 ধারাটির পদ সংখ্যা কত?

সমাধান:
1 + 3 + 5 + ....... + 101
এখানে
১ম পদ a = 1
সাধারণ অন্তর d = 3 - 1 = 2
শেষ পদ = n তম পদ = 101

আমরা জানি
 n তম পদ = a + (n - 1)d
বা, 101 = a + (n - 1)d
বা, 101 = 1 + (n - 1)2
বা, 101 = 1 + 2n - 2
বা, 2n - 1 = 101
বা, 2n = 101 + 1
বা, 2n = 102
বা, n = 102/2
n = 51
৫৬.
a + b = 8, b + c = 11 এবং ‍a + c = 5 হলে, a + b + c এর মান কত?
  1. 12
  2. 16
  3. 19
  4. 24
সঠিক উত্তর:
12
উত্তর
সঠিক উত্তর:
12
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: a + b = 8, b + c = 11 এবং ‍a + c = 5 হলে, a + b + c এর মান কত? 

সমাধান:
দেওয়া আছে
a + b = 8
b + c  = 11 
‍a + c = 5

এখন
a + b + b + c + ‍a + c = 8 + 11 + 5
⇒ 2a + 2b + 2c = 24
⇒  2(a + b + c) = 24
⇒ a + b + c = 24/2
a + b + c = 12
৫৭.
যদি a = √3 + √2 হয়, তবে (1/a) = ?
  1. 1/(√3 + 2)
  2. 1/(√3 + √2)
  3. √3 - √2
  4. 1/(√3 - √2)
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি ‍a = √3 + √2 হয়, তবে (1/a) = ? 

সমাধান:
a = √3 + √2
বা, 1/a = 1/(√3 + √2)
বা, 1/a = (√3 - √2)/(√3 - √2)(√3 + √2)
বা, 1/a = (√3 - √2)/{(√3)2 - (√2)2}
বা, 1/a = (√3 - √2)/(3 - 2)
বা, 1/a = (√3 - √2)/1
∴ 1/a = (√3 - √2)

[অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
৫৮.
ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার ______।
  1. তুলনায় ক্ষুদ্রতর
  2. তুলনায় বৃহত্তর
  3. সমান
  4. অসমান
সঠিক উত্তর:
তুলনায় ক্ষুদ্রতর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তুলনায় ক্ষুদ্রতর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি ত্রিভুজের-

সমাধান:
- ত্রিভুজের বাহু তিনটির দৈর্ঘ্যের সমষ্টিকে পরিসীমা বলে।
- ত্রিভুজের যেকোনো শীর্ষবিন্দু হতে বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু পর্যন্ত অঙ্কিত রেখাংশকে মধ্যমা বলে। 
- যেকোনো শীর্ষবিন্দু হতে বিপরীত বাহু এর লম্ব-দূরত্বই ত্রিভুজের উচ্চতা।
- ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয়ের সমষ্টি ত্রিভুজের পরিসীমা অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর। 
৫৯.
ax = bx হলে, ‍a = b নিম্নোক্ত কোন শর্তটির জন্য প্রযোজ্য নয়?
  1. a > 0
  2. b > 0
  3. x ≠ 0
  4. a ≠ 1
সঠিক উত্তর:
a ≠ 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a ≠ 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ax = bx হলে, ‍a = b নিম্নোক্ত কোন শর্তটির জন্য প্রযোজ্য নয়?

সমাধান:
a > 0, b > 0, x ≠ 0  শর্তে  ax = bx হলে, ‍a = b হবে।


সূত্র: সাধারণ গণিত, ৯ম-১০ম শ্রেণি।
৬০.
(1 + i)/(1 - i) এর পরম মান কত?
  1. 0
  2. 1
  3. √2
  4. i
সঠিক উত্তর:
1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: (1 + i)/(1 - i) এর পরম মান কত?

সমাধান:
ধরি
z = (1 + i)/(1 - i)
= (1 + i)(1 + i)/(1 - i)(1 + i)
= (1 + i)2/{12 - i2}
=(12 + 2.1.i + i2)/{1 - (- 1)}
= (1 + 2i - 1)/(1 + 1)
=2i/2
= i
z = 0 + i

এখানে
x = 0 , y = 1

z এর পরম মান = √{x2 + y2}
= √(12 + 02)
= 1
৬১.
একটি বর্গের পরিসীমা 36 মিটার। এর একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য কত মিটার?
  1. 6√2
  2. 6√3
  3. 9√2
  4. 6√4
সঠিক উত্তর:
9√2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
9√2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বর্গের পরিসীমা 36 মিটার। এর একটি কর্ণের দৈর্ঘ্য কত মিটার?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা 36 মিটার
বর্গক্ষেত্রটির এক বাহুর দৈর্ঘ্য = 36/4 মিটার
= 9 মিটার

বর্গক্ষেত্রের কর্ণের দৈর্ঘ্য = 9√2 মিটার
৬২.
কোন ত্রিভুজের কয়টি বহির্বৃত্ত আঁকা সম্ভব?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোন ত্রিভুজের কয়টি বহির্বৃত্ত আঁকা সম্ভব?

সমাধান:
বৃত্ত সম্পর্কিত উপপাদ্য ও অনুসিদ্ধান্ত:
- বৃত্তের ভিতরে অবস্থিত কোনো বিন্দু থেকে বৃত্তের স্পর্শক আঁকা যায় না।
- বিন্দুটি যদি বৃত্তের ওপর থাকে তাহলে উক্ত বিন্দুতে বৃত্তের একটিমাত্র স্পর্শক অঙ্কন করা যায়।
- স্পর্শকটি বর্ণিত বিন্দুতে অঙ্কিত ব্যাসার্ধের উপর লম্ব হয়।
- বিন্দুটি বৃত্তের বাইরে অবস্থিত হলে তা থেকে বৃত্তে দুইটি স্পর্শক আঁকা যাবে।
- বৃত্তের বহিঃস্থ কোনো বিন্দু থেকে ঐ বৃত্তে দুইটি ও কেবল দুইটি স্পর্শক আঁকা যায়।
- একটি ত্রিভুজে তিনটি বহির্বৃত্ত আঁকা যায়।

৬৩.
যদি P = {2, 3, 4} এবং Q = {3, 4, 7} হয়, তবে Q/P কত?
  1. {7}
  2. {2}
  3. {4}
  4. {3}
সঠিক উত্তর:
{7}
উত্তর
সঠিক উত্তর:
{7}
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি P = {2, 3, 4} এবং Q = {3, 4, 7} হয়, তবে Q/P কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে
P = {2, 3, 4}
Q = {3, 4, 7}

এখন
Q - P = {3, 4, 7} - {2, 3, 4}
= {7}
৬৪.
বিকাল ৩ : ৪০ টায় একটি ঘড়ির ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণের মান কত ডিগ্রি?
  1. ১২০
  2. ১২৫
  3. ১৩০
  4. ১৩৫
সঠিক উত্তর:
১৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৩০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: বিকাল ৩ : ৪০ টায় একটি ঘড়ির ঘণ্টার কাঁটা এবং মিনিটের কাঁটার মধ্যবর্তী কোণের মান কত ডিগ্রি?

সমাধান:
মধ্যবর্তী কোণ :  
 = । (11 M - 60 H)/2 ।   [এখানে, M = 40 মিনিট, H=4 ঘণ্টা ]
= । (11 × 40 - 60 × 3)/2। 
= । 440 - 180/2।
= ।260/2।
= 130°
৬৫.
৫৬ ফুট ব্যাসের একটি বৃত্তাকার ক্ষেত্রকে একই ক্ষেত্রফলের একটি বর্গক্ষেত্র করলে, বর্গক্ষেত্রের যে-কোনো একটি বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে?
  1. ৪৬.৬ ফুট
  2. ৪৮.৬ ফুট
  3. ৪৯.৬ ফুট
  4. ৫০ ফুট
সঠিক উত্তর:
৪৯.৬ ফুট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯.৬ ফুট
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৫৬ ফুট ব্যাসের একটি বৃত্তাকার ক্ষেত্রকে একই ক্ষেত্রফলের একটি বর্গক্ষেত্র করলে, বর্গক্ষেত্রের যে-কোনো একটি বাহুর দৈর্ঘ্য কত হবে?

সমাধান:
বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ব্যাসার্ধ = 56/2 ফুট = 28 ফুট
বৃত্তাকার ক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল, πr2
= π × 28 × 28
= (22/7) × (28 × 28)
= 2464 বর্গফুট 

∴ বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 2464 বর্গফুট 
∴ বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = √2464 = 49.63 ফুট

৬৬.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে Modus vivendi বলতে কী বোঝায়?
  1. যুদ্ধের দেশ
  2. অস্থায়ী চুক্তি
  3. শরণার্থী শিবির
  4. স্বার্থ হাসিল
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী চুক্তি
ব্যাখ্যা
Modus vivendi:
- আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে, "Modus vivendi" শব্দটি একটি অস্থায়ী চুক্তি বোঝায়
- এটি বিভিন্ন রাষ্ট্রের মধ্যে অস্থায়ীভাবে কৃত একটি সামঞ্জস্যিক চুক্তি বোধ করা হয়, যা সমস্যা দূর করতে, মধ্যস্থতা সংযোগ করতে বা সীমাসীমানা সেরে চলার সাধারণ একটি মাধ্যম হিসাবে ব্যবহৃত হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬৭.
১৯৯৬ সালে গঠিত 'Shanghai Five'-এর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলো ছিল _______।
  1. চীন, জাপান, তাইওয়ান, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
  2. চীন, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম
  3. চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান
  4. চীন, ইরান, ইরাক, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া
সঠিক উত্তর:
চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান
ব্যাখ্যা
'Shanghai Five':
- সাংহাই ফাইভ গ্রুপটি ২৬ এপ্রিল ১৯৯৬ সালে গঠিত হয়েছিল।
- এই ‍গ্রুপের সদস্যগুলো হলো - চীন, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, রাশিয়া এবং তাজিকিস্তান।
- এই দেশগুলোর রাষ্ট্রপ্রধানরা সাংহাইতে সীমান্ত অঞ্চলে সামরিক ট্রাস্ট গভীর করার চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।
৬৮.
'Kleptocracy' বলতে কী বোঝায়?
  1. ধনিক গোষ্ঠীর শাসন
  2. অদক্ষ লোকের শাসন
  3. দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার
  4. রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার
ব্যাখ্যা
• Kleptocracy (noun)
English Meaning: A society or system ruled by people who use their power to steal their country's resources/ government by people who use their power to steal their country's resources.
Bangla Meaning: ‘ক্লিপটোক্রেসি’, চোরের শাসন, লুটপাটতন্ত্র, গণতন্ত্রের নামে চৌর্যশাসন; রাজনৈতিক ও সরকারি দুর্নীতি;

• সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে, Kleptocracy মানে হচ্ছে - দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার।

• 'Kleptocracy':

- ক্লেপ্টোক্রেসি হল এক ধরনের সরকার যেখানে নেতারা ক্লেপ্টোক্র্যাট নামে পরিচিত,
- তারা তাদের শাসন করা দেশগুলি থেকে অর্থ এবং মূল্যবান সম্পদ চুরি করে তাদের ব্যক্তিগত সম্পদ অর্জন বা বৃদ্ধি করতে তাদের ক্ষমতার রাজনৈতিক অবস্থান ব্যবহার করে।
- ক্লেপ্টোক্রেসি হল সরকারের একটি রূপ যেখানে শাসকরা তাদের অবস্থানের ক্ষমতা ব্যবহার করে জনগণের কাছ থেকে চুরি করে।
- কর্তৃত্ববাদী সরকারের অধীনে দরিদ্র দেশগুলিতে ক্লেপ্টোক্রেসি ঘটতে থাকে যেখানে জনগণের রাজনৈতিক ক্ষমতা এবং আর্থিক সংস্থানগুলির অভাব থাকে না।

তথ্যসূত্র: thoughtco.com and Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৬৯.
মধ্যপ্রাচ্যের কোন দুটি প্রতিদ্বন্দ্বী রাষ্ট্র ২০১৬ সালের পর নিজেদের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃস্থাপনে সম্মত হয়েছে?
  1. ইরান ও ইসরাইল
  2. সৌদি আরব ও কুয়েত
  3. ইরান ও সৌদি আরব
  4. কাতার ও ইরাক
সঠিক উত্তর:
ইরান ও সৌদি আরব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান ও সৌদি আরব
ব্যাখ্যা
- ইরান এবং সৌদি আরব সাত বছর পর আবার কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজী হয়েছে।
- দুই দেশের মধ্যে আবার বাণিজ্য এবং নিরাপত্তা সহযোগিতাও শুরু হবে। সেই সাথে দু'মাসের মধ্যে দু'দেশ পরস্পরের রাজধানীতে তাদের দূতাবাসের দরোজা খুলবে।
- চীনের মধ্যস্থতায় বেইজিং এ দু'দেশের মধ্যে এক আলোচনার পর এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।
- দুটি দেশই এক্ষেত্রে বেইজিং এর ভূমিকার প্রশংসা করেছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।
৭০.
কত সাল থেকে EU গাড়ি এবং বিল্ডিংগুলোতে ব্যবহৃত CO2 জ্বালানি সরবরাহকারীদের জন্য একটি নতুন কার্বন বাজার চালু করতে সম্মত হয়েছে?
  1. ২০২৫
  2. ২০২৬
  3. ২০২৭
  4. ২০২৮
সঠিক উত্তর:
২০২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০২৭
ব্যাখ্যা
- ২০২৭ সালে গাড়ি এবং বিল্ডিংগুলিতে ব্যবহৃত জ্বালানি থেকে নির্গমনকে কভার করে একটি নতুন ইইউ কার্বন বাজার চালু করার পরিকল্পনাকে সমর্থন করেছেন এবং প্রভাবিত গ্রাহকদের সহায়তা করার জন্য রয়েছে একটি ৮৬.৭ বিলিয়ন-ইউরো ইইউ তহবিল।

তথ্যসূত্র: রয়েটার্স নিউজ।
৭১.
‘অপারেশন সার্চ সোর্ড’ কোন দুটি দেশের যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত?
  1. রাশিয়া - ইউক্রেন যুদ্ধ
  2. ইরান - ইরাক যুদ্ধ
  3. চীন - জাপান যুদ্ধ
  4. ইসরাইল - ফিলিস্তিন যুদ্ধ
সঠিক উত্তর:
ইরান - ইরাক যুদ্ধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরান - ইরাক যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন সার্চ সোর্ড:
- ‘অপারেশন সার্চ সোর্ড’ ইরান-ইরাক যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত।
- ইরান-ইরাক যুদ্ধের অষ্টম দিনে অপারেশন স্কোর্চ সোর্ড শুরু হয়।
- ইরান-ইরাক যুদ্ধ, (1980-88), 1980-এর দশকে ইরান ও ইরাকের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী সামরিক সংঘর্ষ।
- ১৯৮৮ সালের যুদ্ধবিরতি দ্বারা যুদ্ধ শেষ হয়, যদিও ১৬ আগস্ট, ১৯৯০-এ একটি আনুষ্ঠানিক শান্তি চুক্তি স্বাক্ষর না হওয়া পর্যন্ত স্বাভাবিক কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরায় শুরু করা এবং সেনা প্রত্যাহার করা হয়নি।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

৭২.
কোন চুক্তি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র কিউবা থেকে বিখ্যাত ‘গুয়ানতানামো বো’ কারাগার নিয়ে নেয়?
  1. Treaty of Caribbean
  2. Cape Town Treaty
  3. Platt Amendment
  4. Treaty of Bern
সঠিক উত্তর:
Platt Amendment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Platt Amendment
ব্যাখ্যা
যুক্তরাষ্ট্র কিউবা থেকে বিখ্যাত ‘গুয়ানতানামো বো’ কারাগার নিয়ে নেয় Platt Amendment চুক্তির মাধ্যমে।
• ‘গুয়ানতানামো বো:
- ১১ জানুয়ারি ২০০২ তারিখে কিউবার দক্ষিণ-পূর্বে ক্যারিবীয় সাগরে গুয়ানতানামো উপসাগরে কিউবার মাটিতে মার্কিন নৌবাহিনীর একটি ঘাঁটিতে এই কারাগারটি স্থাপন করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
- ১৯০৩ খ্রিষ্টাব্দে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কিউবার ৪৫ বর্গকিলোমিটার ভূমি নৌঘাটিঁ স্থাপনের উদ্দেশ্যে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের মাধ্যমে অধিগ্রহণ করে। 
- ১৯৯১ থেকে এই নৌঘাটিতে বন্দী আটক রাখা শুরু হয়।

তথসূত্র: ব্রিটানিকা।
৭৩.
আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে LOI - এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Letter of Intent
  2. Letter of Identification
  3. Letter of Inspection
  4. Letter of Iropact
সঠিক উত্তর:
Letter of Intent
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Letter of Intent
ব্যাখ্যা
• Letter of Intent:
- A letter of intent (LOI) হল একটি দলিল যা এক পক্ষের অন্য পক্ষের সাথে ব্যবসা করার প্রাথমিক প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করে।
 - letter of inten একটি সম্ভাব্য চুক্তির প্রধান শর্তগুলির রূপরেখা দেয় এবং সাধারণত ব্যবসায়িক লেনদেনে ব্যবহৃত হয়।
- একটি LOI-তে অন্তর্ভুক্ত শর্তাবলী হল নির্দিষ্ট শর্তাবলী, প্রয়োজনীয়তা, সময়রেখা এবং জড়িত পক্ষগুলি৷

তথ্যসূত্র: ইনভেস্টিপিডিয়া। 
৭৪.
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
  1. সিউলে
  2. জাকার্তায়
  3. টোকিওতে
  4. ভিয়েনাতে
সঠিক উত্তর:
টোকিওতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টোকিওতে
ব্যাখ্যা
• UNU:
– জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট ১৯৬৯ সালের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক প্রতিবেদনে, তিনি একটি "জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের প্রস্তাব করেছিলেন।
– (UNU)- United Nations University বা জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়।
– প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৯৭২ সালে। 
– জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়ের লক্ষ্য হল যৌথ গবেষণা এবং শিক্ষার মাধ্যমে বৈশ্বিক সমস্যাগুলি সমাধান করার প্রচেষ্টায় অবদান রাখা।
– জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় অবস্থিত- টোকিও, জাপান।
– (UNU) ক্যাম্পাসের কার্যক্রম চালু আছে বর্তমানে- ১২ টি দেশে।

তথ্যসূত্র: অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (UNU)
৭৫.
এশিয়া অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংকের ১১তম সদস্য দেশ কোনটি?
  1. তিউনিসিয়া
  2. আফগানিস্তান
  3. মরক্কো
  4. সোমালিয়া
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
• AIIB:
- এশিয়ান অবকাঠামো বিনিয়োগ ব্যাংক AIIB (Asian Infrastructure Investment Bank)।
- একে বিশ্বব্যাংক ও এডিবির বিকল্প হিসেবে ধরা হয়।
- এটি গঠনে চুক্তি স্বাক্ষর হয় ২৪ অক্টোবর, ২০১৪ সালে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে ১৬ জানুয়ারি ২০১৬ সালে।
- এর সদরদপ্তর অবস্থিত চীনের বেইজিংয়ে।
- এর বর্তমান সদস্য দেশ ১০৬টি।

উৎসঃ AIIB ওয়েবসাইট।
৭৬.
শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত হন কবে?
  1. ২ মার্চ ১৯৭১
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
  3. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  4. ২৩ মার্চ ১৯৭১
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
ব্যাখ্যা
• শেখ মুজিবুর রহমান:
- গণআন্দোলনের মুখে আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়। 
- মুক্তির পরদিন  ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবর রহমানসহ মামলায় অভিযুক্তদের এক গণসম্বর্ধনা দেয়া হয় এবং শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- এরপর থেকে তিনি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বা ‘বঙ্গবন্ধু’ নামেই জনপ্রিয়তা লাভ করেন।
 
উৎস: ইতিহাস প্রথম পত্র, BA & BSS প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ - উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৭.
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করেন?
  1. ১০ জানুয়ারি ১৯৭২
  2. ৮ জানুয়ারি ১৯৭২
  3. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১
  4. ২৬ মার্চ ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৮ জানুয়ারি ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ জানুয়ারি ১৯৭২
ব্যাখ্যা
বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন:
- মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের পর পাকিস্তান সরকার আন্তর্জাতিক চাপে ১৯৭২ সালের ৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে মুক্তি দানে বাধ্য হয়। 
- বঙ্গবন্ধু ৮ জানুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি পেয়ে লন্ডন গমন করেন।
- সেখান থেকে দিল্লিতে কিছু সময় অবস্থান করে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু ঢাকায় আসেন।
- ১০ জানুয়ারিকে বঙ্গবন্ধুর ‘স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৮.
মুক্তিযুদ্ধকালীন বাংলাদেশ সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা কমিটির চেয়ারম্যান কে ছিলেন।
  1. এম. মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. মাওলানা ভাসানী
  4. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাওলানা ভাসানী
ব্যাখ্যা
মুজিবনগর সরকারের সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ 
• একাত্তরের ৯ সেপ্টেম্বর মুক্তিযুদ্ধকে বেগবান করার জন্য আওয়ামী লীগসহ পাঁচটি দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে গঠিত হয় ৮ সদস্যের 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ'।
• এই পরিষদের নেতৃবৃন্দ মূলত মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর একাত্তরের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে গঠিত মুজিবনগর সরকারকেই সার্বিক সহযোগিতা দিয়েছিল।
• আনুষ্ঠানিকভাবে সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করায় বিশ্বব্যাপী মুজিবনগর সরকার একটিই বার্তা দিয়েছিল, মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবি বাঙালির সর্বজনীন; কোনো দল বা গোষ্ঠীর একক কোনো বিষয় নয়।
• ভারতের কলকাতায় গঠন করা হয় 'জাতীয় উপদেষ্টা কমিটি', যা 'সর্বদলীয় উপদেষ্টা পরিষদ' নামে পরিচিতি লাভ করে।

৮ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিটিতে ছিলেন -
• আহবায়ক ছিলেন - তাজউদ্দীন আহমেদ।
• মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী এই কমিটির চেয়ারম্যান।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরা ছিলেন-
• অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ (মস্কোপন্থী ন্যাপ এর প্রতিনিধি)
• মনিসিংহ (কমিউিনিস্ট পার্টির প্রতিনিধি)
• মনোরঞ্জন ধর (কংগ্রেস দলের নেতা)
• ক্যাপ্টেন মনসুর আলী (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
• এ. এইচ. এম. কামারুজ্জামান (আওয়ামী লীগ দলের প্রতিনিধি)
• খন্দকার মোশতাক আহমদ (মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি)

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও সুশাসন একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোজাম্মেল হক এবং নবম - দশম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৯.
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ ইউনেস্কোর মেমোরি অব দ্যা ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টার- এ নিবন্ধন করা হয় কত সালে?
  1. ১৯৮১
  2. ১৯৯৭
  3. ২০২১
  4. ২০১৭
সঠিক উত্তর:
২০১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৭
ব্যাখ্যা
৭ই মার্চের ভাষণ:
- ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক সমাবেশে বঙ্গবন্ধু ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ প্রদান করেন।
- ৭ই মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধু চারটি দাবি উত্থাপন করেন। এগুলো হলো:
• চলমান সামরিক আইন প্রত্যাহার করা।
• সৈন্যদের ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া।
• গণহত্যার তদন্ত করা।
• নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করা।
- ৭ই মার্চের ভাষণকে ২০১৭ সালের ৩০ অক্টোবর ইউনেস্কো মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইনআরন্যাশনাল রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্ত করে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
৮০.
বঙ্গবন্ধু ভাষা আন্দোলনের জন্য কত তারিখে গ্রেফতার হয়েছিলেন?
  1. ১১ মার্চ ১৯৪৮
  2. ২২ মার্চ ১৯৪৮
  3. ১১ মার্চ ১৯৫২
  4. ২২ মার্চ ১৯৫২
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ ১৯৪৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মার্চ ১৯৪৮
ব্যাখ্যা
• ভাষা আন্দোলন ও বঙ্গবন্ধু:
- ১৯৪৮ সালের ১১ মার্চ
রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে সর্বাত্মক সাধারণ ধর্মঘট পালিত হয়। এটাই ছিল ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে তথা পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর এ দেশে প্রথম সফল হরতাল।
- এই হরতালে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্ব দেন। তাকে লাঠিপেঠাও করা হয়।
- পরে বঙ্গবন্ধুসহ বেশ কয়েকজনকে কারাগারে নেওয়া হয়। স্বাধীন পাকিস্তানের রাজনীতিতে এটিই তাঁর প্রথম গ্রেফতার।
- পাঁচ দিন কারাবন্দি থেকে ১৫ মার্চ সন্ধ্যায় মুক্তি পান তিনি।

তথ্যসূত্র: বাংলা ট্রিবিউন। (২১ ফেব্রুয়ারি ২০২২)।
৮১.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা কতজনের বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়?
  1. ৩৪ জন
  2. ৩৫ জন
  3. ৩৬ জন
  4. ৩৭ জন
সঠিক উত্তর:
৩৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫ জন
ব্যাখ্যা
• আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে এই মামলার বিচারকার্য শুরু হয়।
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
৮২.
বঙ্গবন্ধু করে আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন?
  1. ১ মার্চ ১৯৬৬
  2. ২ মার্চ ১৯৬৬
  3. ৩ মার্চ ১৯৬৬
  4. ৪ মার্চ ১৯৬৬
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ ১৯৬৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ মার্চ ১৯৬৬
ব্যাখ্যা
- ১৯৪৯ সালের ২৩শে জুন ঢাকার রোজ গার্ডেনে সম্মেলনের মাধ্যমে আওয়ামী মুসলিম লীগ গঠিত হয়।
- আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটি:
- সভাপতি : মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- সাধারণ সম্পাদক : শামসুল হক
- যুগ্ম সম্পাদক : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- সহ সভাপতি : আতাউর রহমান খান , আব্দুস সালাম খান।
- ১৯৫৩ সালের ৩-৫ জুলাই আওয়ামী মুসলিম লীগের দ্বিতীয় সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি টানা চারবার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। 
- ১৯৬৬ সালের ১ মার্চে বঙ্গবন্ধু আওয়ামী লীগের সভাপতি নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ওয়েবসাইট।
৮৩.
মধ্যপ্রাচ্যের কোন দেশ বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?
  1. ইরান
  2. কুয়েত
  3. ইরাক
  4. সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
ইরাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইরাক
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দানকারী দেশ:
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই, ১৯৭২ সালে।
- ইরাক মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ছিল।
- লেবানন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২৮ মার্চ, ১৯৭৩।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪।
- সৌদি আরব ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

উৎসঃ বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান)
৮৪.
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র 'স্টপ জেনোসাইড' - এর পরিচালক কে ছিলেন?
  1. চাষী নজরুল ইসলাম
  2. জাহির রায়হান
  3. সুভাষ দত্ত
  4. আলমগীর কবির
সঠিক উত্তর:
জাহির রায়হান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাহির রায়হান
ব্যাখ্যা
• জহির রায়হান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্রঃ
- স্টপ জেনোসাইড,
- এ স্টেট ইজ বর্ন

• মোরশেদুল ইসলাম পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রঃ
- আগামী ও
- সূচনা।
• তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রঃ
- মুক্তির গান ও
- মুক্তির কথা।
• মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্য চলচ্চিত্র 'স্মৃতি ৭১' এর পরিচালক তানভীর মোকাম্মেল।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
৮৫.
কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?
  1. ক্ষুধা ও আশা
  2. নরকে লাল গোলাপ
  3. নির্জন মেঘ
  4. দুই সৈনিক
সঠিক উত্তর:
দুই সৈনিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই সৈনিক
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস 'দুই সৈনিক' এর রচয়িতা শওকত ওসমান।  
- উপন্যাসটি প্রকাশ হয় ১৯৭৩ সালে। 
- ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পরবর্তী কোনো দিনের অনুর্ধ্ব পাঁচ ঘন্টার মধ্যে সংঘটিত একটি ঘটনার বাণীস্বরূপ 'দুই সৈনিক' উপন্যাস।
- কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক শওকত ওসমান এর প্রকৃত নাম প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান। 

শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত উপন্যাস - 
- জাহান্নম হইতে বিদায়
- দুই সৈনিক
- নেকড়ে অরণ্য
- জলাঙ্গী ইত্যাদি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৮৬.
কোনটির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. গামা তরঙ্গ
  2. এক্সরে
  3. রেডিও তরঙ্গ
  4. মাইক্রোওয়েভ
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও তরঙ্গ
ব্যাখ্যা
- তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে ছোট হয় সেটাকে বলা হয় আলট্রা ভায়োলেট আলো, আরও ছোট হলে এক্স-রে আরও ছোট হলে গামা রে- যেটা তেজস্ক্রিয় নিউক্লিয়াস থেকে বের হয়। 
- আবার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যদি দৃশ্যমান আলোর সবচেয়ে বড় তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের চেয়ে বড় হয় সেটাকে বলা হয় ইনফ্রারেড, আরও বড় হলে মাইক্রোওয়েভ এবং আরও বেশি বড় হলে রেডিও ওয়েভ। 
 -জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলাে গামা রশ্মি। 
- গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি, নাসা ওয়েবসাইট। 
৮৭.
উদ্ভিদ কোষ এবং প্রাণী কোষের মধ্যে পার্থক্য কী?
  1. ক্লোরোপ্লাস্ট
  2. নিউক্লিয়াস
  3. কোষ প্রাচীর
  4. কোষ আবরণী
সঠিক উত্তর:
কোষ প্রাচীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোষ প্রাচীর
ব্যাখ্যা
উদ্ভিদ কোষ ও প্রাণী কোষের মধ্যে তুলনামূলক বৈশিষ্ট্য: 
⇒ উদ্ভিদ কোষের চারদিকে সেলুলোজ নির্মিত জড় কোষ প্রাচীর বিদ্যমান থাকে। এর নিচে প্লাজমা ঝিল্লী থাকে।
- প্রাণী কোষে কোন কোষ প্রাচীর থাকে না। পাতলা স্থিতিস্থাপক প্লাজমা ঝিল্লী দ্বারা প্রাণী কোষ আবৃত অবস্থায় থাকে।

⇒ কিছু নিম্নশ্রেণির উদ্ভিদ ব্যতীত অধিকাংশ উদ্ভিদ কোষে প্লাস্টিড থাকে। ব্যতিক্রম- ছত্রাক, ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদিতে প্লাস্টিড থাকে না।
- প্রাণী কোষে সাধারণত প্লাস্টিড থাকে না।

⇒ উদ্ভিদ কোষের সঞ্চিত খাদ্য সাধারণত শ্বেতসার। 
- প্রাণী কোষের সঞ্চিত খাদ্য গ্লাইকোজেন।

⇒ উদ্ভিদ কোষে কোন সেন্ট্রোসোম থাকে না। ব্যতিক্রম- কিছু শৈবাল, মস ও ছত্রাকে সেন্ট্রোসোম থাকে। 
- প্রাণী কোষে সেন্ট্রোসোম থাকে।

⇒ উদ্ভিদ কোষে সাধারণত বড় আকারের এক বা একাধিক কোষ গহ্বর থাকে এবং স্থায়ী।
- প্রাণী কোষে সাধারণত কোন কোষ গহ্বর থাকে না। থাকলেও আকারে ক্ষুদ্রাকৃতির হয় এবং ক্ষণস্থায়ী।

⇒ পূর্ণাঙ্গ উদ্ভিদ কোষের আকার সাধারণত পরিবর্তিত হয় না। 
- পূর্ণাঙ্গ প্রাণী কোষের আকার পরিবর্তিত হয়।

⇒ প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে না। 
- প্লাজমা পর্দায় মাইক্রোভিলাই থাকে।

⇒ নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের পরিধির দিকে থাকে।
- নিউক্লিয়াস সাধারণত কোষের কেন্দ্রস্থলে থাকে।

⇒ শুধুমাত্র ভাজক কোষেই লাইসোসোম থাকে।
- সকল কোষেই লাইসোসোম থাকে।

⇒ স্নেহ দ্রব্য তরল অবস্থায় থাকে।
- স্নেহ দ্রব্য অর্ধতরল অবস্থায় থাকে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৮৮.
শুষ্ক বরফ কাকে বলে?
  1. কার্বন মনোঅক্সাইড
  2. সালফার ডাই অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড
  4. কার্বন ডাই অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই অক্সাইড
ব্যাখ্যা
 শুষ্ক বরফ: 
- শুষ্ক বরফ হলো কার্বন ডাই-অক্সাইডের কঠিন রূপের সাধারণ নাম। 
- শুষ্ক বরফের উর্দ্ধপাতন হয়, যার অর্থ এটি তার কঠিন রূপ থেকে সরাসরি তার গ্যাসীয় অবস্থায় চলে যায়। 
- তাই এর নাম 'শুষ্ক বরফ' বা 'ড্রাই আইস'। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৮৯.
ভঙ্গিল পর্বত সৃষ্টির কারণ কী?
  1. ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
  2. অগ্নুৎপাত
  3. আগ্নেয় পর্বত ক্ষয়
  4. ভূমিকম্প
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভূ-পৃষ্ঠের কোনো অংশে প্রবল পার্শ্ব চাপ সৃষ্টি
ব্যাখ্যা
ভঙ্গিল পর্বত: 
- স্তরীভূত পাললিক শিলা পার্শ্ব ভাঁজ পড়ে যে পর্বত গঠিত হয়েছে, তাকে ভঙ্গিল পর্বত বলে। 
⇒ এশিয়ার হিমালয়, ইউরোপের আল্পস, উত্তর আমেরিকার রকি, দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বত ভঙ্গিল পর্বতের উদাহরণ। 
- সমুদ্র তলদেশের বিশাল অবনমিত স্থানে দীর্ঘকাল ধরে বিপুল পরিমাণ পলি এসে জমা হয়। 
- উপরের পলির চাপে অবনমিত স্থান আরও নিচে নেমে যায়। 
- পরবর্তী পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী সুদৃঢ় ভূমিখন্ডের প্ৰবল পার্শ্বচাপের কারণে উর্ধ্বভাঁজ ও নিম্নভাঁজের সৃষ্টি হয়। 
- বিস্তৃত এলাকা জুড়ে এ সমস্ত উর্ধ্ব ও অধঃভাঁজ সংবলিত ভূমিরূপ মিলেই ভঙ্গিল পর্বত গঠিত হয়। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯০.
পলিথিন কী দিয়ে তৈরি?
  1. ইথিলিন
  2. ইথাইন
  3. ক্লোরোইথিন
  4. ইথিলিন গ্লাইকল
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইথিলিন
ব্যাখ্যা
পলিথিন: 
- ইথিলিন থেকে পলিথিন  পাওয়া যায়। 
- ইথিলিন গ্যাসকে ১০০০-১২০০ বায়ুমণ্ডলীয় চাপে ২০০° সেলসিয়াস তাপমাত্রায় উত্তপ্ত করলে পলিথিন পাওয়া যায়।
- তবে এক্ষেত্রে পলিমারকরণ দ্রুত করার জন্য প্রভাবক হিসেবে অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়। 

অথবা 


- তবে উচ্চ চাপ পদ্ধতি সহজসাধ্য না হওয়ায় বর্তমানে পদ্ধতি টি জনপ্রিয় নয়।
- এখন টাইটেনিয়াম ট্রাই ক্লোরাইড (TiCl3) নামক প্রভাবক ব্যবহার করে বায়ুমণ্ডলীয় চাপেই পলিথিন তৈরি হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯১.
নিচের কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থের উদাহরণ?
  1. বেনজিন
  2. টলুইন
  3. জাইলিন
  4. রেডিয়াম
সঠিক উত্তর:
রেডিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিয়াম
ব্যাখ্যা
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: 
- ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। 
- প্রকৃতপক্ষে যেসব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। 
যেমন- ইউরেনিয়াম-৯২, নেপচুনিয়াম-৯৩, প্লুটোনিয়াম-৯৪, রেডিয়াম-৮৮ ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি। 
৯২.
পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রধান দুইটি উপাদান হলো -
  1. অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড
  3. অক্সিজেন ও কার্বন ডাই অক্সাইড
  4. অক্সিজেন ও কার্বন মনোঅক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন ও নাইট্রোজেন
ব্যাখ্যা
বায়ুমণ্ডলীয় উপাদান: 
- বায়ুমণ্ডল নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্পের সমন্বয়ে গঠিত হলেও এর প্রধান উপাদান দুইটি হলো- নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন। 
- বায়ুমণ্ডলে আয়তনের দিক থেকে এ দুটি গ্যাস একত্রে শতকরা ৯৮.৭৩ ভাগ এবং বাকিগুলো শতকরা ১.২৭ ভাগ। 

বায়ুর উপাদানের শতকরা হার: 
• নাইট্রোজেন- ৭৮.০২% 
• অক্সিজেন- ২০.৭১% 
• আরগন- ০.৮০% 
• কার্বন ডাই অক্সাইড- ০.০৩% 
• জলীয় বাষ্প- ০.৪১% 
• অন্যান্য গ্যাসসমূহ- ০.০২% 
• ধূলিকণা ও কণিকা- ০.০১% 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৩.
নিচের কোন তাপ ইঞ্জিন বিপরীতমুখী হয়ে কাজ করে?
  1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
  2. পেট্রোল ইঞ্জিন
  3. রেফ্রিজারেটর
  4. ডিজেল ইঞ্জিন
সঠিক উত্তর:
রেফ্রিজারেটর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেফ্রিজারেটর
ব্যাখ্যা
 তাপীয় ইঞ্জিন: 
- যে যন্ত্র দ্বারা তাপশক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করা যায় তাকে তাপীয় ইঞ্জিন বলে। 
যেমন- বাষ্পীয় ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন, ডিজেল ইঞ্জিন ইত্যাদি। 

- তাপ ইঞ্জিনে তাপ উৎস এবং তাপগ্রাহক থাকে।
- ইঞ্জিন কোনো উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে।
- তাপের যে অংশ কাজে রূপান্তরিত হয় না তা পরিবেশে বিলিয়ে দেবে এবং পুনরায় তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করবে।
- উৎসের তাপমাত্রা যে পরিবেশ বা সিস্টেমে তাপ গ্রহণ করবে তার তাপমাত্রার চেয়ে বেশি হবে।
- অর্থাৎ ইঞ্জিন উচ্চতর তাপমাত্রার তাপ উৎস থেকে তাপ গ্রহণ করে তার খানিকটা কাজে রূপান্তরিত করে এবং বাকি অংশ নিম্নতর তাপমাত্রার তাপগ্রাহক বা শীতল বস্তুতে ছেড়ে দিয়ে ইঞ্জিনটি আদি অবস্থায় ফিরে আসে।
- ইঞ্জিনটি এভাবে একটি চক্র সম্পন্ন করে। 
- বাসাবাড়ির রেফ্রিজারেটর তাপীয় পাম্পের একটি উদাহরণ যা আসলে একটি তাপ ইঞ্জিনের ঠিক বিপরীত।

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৪.
রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠিত হয় -
  1. জিংক এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
  2. কপার এবং লিপিডের সমন্বয়ে
  3. ম্যাঙ্গানিজ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
  4. লৌহ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
সঠিক উত্তর:
লৌহ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লৌহ এবং প্রোটিনের সমন্বয়ে
ব্যাখ্যা
রক্ত:
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু।
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 

- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৫.
ভিটামিন ডি-এর অভাবজনিত রোগ কোনটি?
  1. রিকেটস
  2. রাতকানা
  3. রক্তশূন্যতা
  4. গয়টার
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিকেটস
ব্যাখ্যা
ভিটামিনের অভাবজনিত রোগ: 
- ভিটামিন 'এ' এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়। 
- প্রচলিত অর্থে গলগণ্ড বলতে থাইরয়েড গ্রন্থির যেকোনাে ফোলাকে বােঝায়। গলগণ্ডের কিছু বিশেষ ধরনকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে গয়টার নামে ডাকা হয়, অর্থাৎ সব গলগণ্ড গয়টার নয়। খাবারে আয়ােডিনের অভাব গলগণ্ডের অন্যতম কারণ। 
- ভিটামিন 'ডি' এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়। 
(মূল প্রশ্নে রিকেটস শব্দের টাইপিং আরিকেটস ছিলো যা সংশোধন করে দেওয়া হয়েছে)। 
- খাদ্যের প্রধান উপাদান ভিটামিন বি১২ এর অভাবে রক্তশূন্যতা রোগ দেখা যায়। 
- ভিটামিন 'কে' এর অভাবে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান,নবম-দশম শ্রেণি এবং বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণাকে কী বলে?
  1. অণু
  2. পরমাণু
  3. ভরসংখ্যা
  4. নিউট্রন সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
পরমাণু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরমাণু
ব্যাখ্যা
- মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা যা রাসয়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে তাকে পরমাণু বলে। 

পরমাণুর বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম কণা বা একক। 
২. সাধারণত পরমাণু স্বাধীনভাবে মুক্ত অবস্থায় থাকতে পারে না, তবে কিছু কিছু মৌলিক পদার্থের পরমাণু স্বাধীনভাবে থাকতে পারে। যেমন- হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গন ইত্যাদি। 
৩. পরমাণু সরাসরি রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে। 
৪. একটি পরমাণুকে ভাঙলে ওই মৌলের আর কোন অস্তিত্বই থাকে না। 

উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৯৭.
একটি পরমাণুর দ্বিতীয় কক্ষপথে সর্বোচ্চ কয়টি ইলেকট্রন থাকে?
  1. ১৮
  2. ৩২
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
- বোর তত্ত্বানুসারে ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারিদিকে কতগুলো অনুমোদিত কক্ষপথ বা শক্তিস্তরে পরিভ্রমণ করে। এইরূপ শক্তিস্তরকে প্রধান শক্তিস্তর বলে।
- প্রত্যেক পরমাণুতে একাধিক প্রধান শক্তিস্তর বিদ্যমান।
- প্রধান শক্তিস্তরগুলোকে n দ্বারা চিহ্নিত করা হয়। n এর মান 1, 2, 3 শক্তিস্তর ইত্যাদি।
n = 1 হলে প্রথম প্রধান শক্তিস্তর, n = 2 হলে দ্বিতীয় প্রধান শক্তিস্তর। 
 - পরমাণুর প্রতিটি শেলে সর্বাধিক 2n2 সংখ্যক ইলেকট্রন (n = 1, 2, 3 ...............) থাকতে পারে। 
এই সূত্রানুসারে, 

১ম শেলে অর্থাৎ n=1 শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2 = 2×12=2 টি, 
২য় শেলে অর্থাৎ n=2 শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা  2n2 = 2×22= 8 টি, 
৩য় শেলে অর্থাৎ n=3শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা 2n2 = 2×32= 18 টি, 
৪র্থ শেলে অর্থাৎ n=4 শেলে সর্বোচ্চ ইলেক্ট্রন ধারণ ক্ষমতা  2n2 = 2×42 = 32টি ।
 
উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 
৯৮.
পানিতে Ca(OH)2 এর সম্পৃক্ত দ্রবণকে কী বলা হয়?
  1. ব্ল্যাক লাইম
  2. লাইম ওয়াটার
  3. নিশাদল
  4. তড়িৎ বিশ্লেষণ
সঠিক উত্তর:
লাইম ওয়াটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লাইম ওয়াটার
ব্যাখ্যা
CaO + H2O = Ca(OH)2
ক্যালসিয়াম অক্সাইড (চুন) + পানি → ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড 

- Ca(OH)2 স্ন্যাক লাইম নামেই বেশি পরিচিত।
- এই বিক্রিয়ায় প্রচুর পরিমাণে তাপশক্তি উৎপন্ন হয় যার ফলে পানি ফুটতে থাকে।
- স্ন্যাক লাইম বা Ca(OH)2 পানিতে খুব অল্প পরিমাণে দ্রবীভূত হয়। 
আর, পানিতে Ca(OH)2 এর সম্পৃক্ত দ্রবণকেই চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার বলা হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
৯৯.
বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহ কয়টি?
  1. ১৪
  2. ২৭
  3. ৬২
  4. ৬৭
সঠিক উত্তর:
৬৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৭
ব্যাখ্যা
বৃহস্পতি: 
- বৃহস্পতি সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ।
- বৃহস্পতিকে গ্রহরাজ বলা হয়।
- বৃহস্পতির বায়ুমণ্ডল হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- সবচেয়ে বেশি উপগ্রহ রয়েছে শনি গ্রহের। শনি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮৩টি। 
- অপরদিকে বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৮০টি। 
- সৌরজগতের ক্ষুদ্রতম এবং সূর্যের নিকটতম গ্রহ বুধ।
- মঙ্গল গ্রহকে লাল গ্রহ বলা হয়।

উল্লেখ্য যে, 
- তবে অষ্টম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই অনুসারে, বৃহস্পতি গ্রহের উপগ্রহের সংখ্যা ৬৭ টি। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, নাসা ওয়েবসাইট এবং বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি। 
১০০.
নিচের কোনটি অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীর উদাহরণ?
  1. প্রজাপতি
  2. কেঁচো
  3. চিংড়ি
  4. আরশোলা
সঠিক উত্তর:
কেঁচো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেঁচো
ব্যাখ্যা
প্রাণী জগতের শ্রেণীবিন্যাস: 
- সম্পূর্ণ প্রানী জগতকে ৯ টি প্রধান পর্বে ভাগ করা হয়েছে যার মধ্যে প্রথম আটটি অমেরুদন্ডী প্রাণীদের এবং শুধুমাত্র কর্ডাটা পর্ব মেরুদন্ডী প্রাণীদের নিয়ে গঠিত।

অ্যানেলিডা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- দেহ নলাকার ও খন্ডায়িত।
- প্রতিটি খন্ডে সিটা থাকে (জোক ব্যতীত)।
- নেফ্রেডিয়া নামক রেচন অঙ্গ থাকে।
উদাহরণ- কেঁচো, জোক ইত্যাদি। 

মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য:
- প্রায় সকল প্রাণী সামুদ্রিক।
- দেহ নরম কিন্তু বাইরের দিকে শক্ত খোলসে আবৃত থাকে।
উদাহরণ - শামুক, ঝিনুক ইত্যাদি।

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণী, NCTB।