পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের অর্থনীতি [অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ, আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট।] উৎস: সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, সেবা খাতের অবদান কত?
  1. ৫০.৪৪  শতাংশ
  2. ৫১.০৪ শতাংশ
  3. ৫২.০২ শতাংশ
  4. ৩৭. ৯৫ শতাংশ
ব্যাখ্যা
→ সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।

খাতভিত্তিক GDP প্রবৃদ্ধি:
- শিল্প খাতের অবদান ৩৭.৯৫ শতাংশ। 
- কৃষি খাতের অবদান ১১.০২ শতাংশ।
- সেবা খাতের অবদান ৫১.০৪ শতাংশ।
- সাময়িক হিসাবে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বৃহৎ ৩টি খাতের মধ্যে –
- কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৩.২১% শতাংশ।
- একই সময়ে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৬.৬৬% শতাংশ।
- সেবা খাতের প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮০% শতাংশ।

• গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
- সার্বিকভাবে অর্থনীতি/ জিডিপিতে কৃষি ও সেবা খাতের অবদান: ক্রমহ্রাসমান।
- এবং শিল্পখাতের অবদান: ক্রমবর্ধমান। 
- জিডিপির সর্ববৃহৎ খাত: সেবাখাত (১৩টি খাত নিয়ে গঠিত)।
- এবং ছোট খাত: কৃষিখাত।
- কর্মসংস্থানের দিক থেকে বৃহৎখাত: কৃষিখাত (৪৫.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত);
- এবং ছোট খাত: শিল্পখাত (১৭.০০% শ্রমশক্তি নিয়োজিত)।
- অর্থনীতি/ জিডিপির সবচেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল খাত: শিল্পখাত; প্রবৃদ্ধির হার ৬.৬৬%।
- অন্যদিকে, কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে কম; প্রবৃদ্ধির হার: ৩.২১%।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বাজেট পেশ করেন কে?
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. এম মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দীন আহমদ
  4. এ. এন. এম. হামিদুল্লাহ
ব্যাখ্যা
• বাজেট: 
- বাজেট হচ্ছে একটি দেশের এক বছরের সম্ভাব্য সব আয়-ব্যয়ের বিস্তারিত হিসাব-নিকাশের বিবরণী।
- একটি নির্দিষ্ট সময়কালের জন্য সরকারের সম্ভাব্য ব্যয়, রাজস্ব ও অন্যান্য আয়ের একটি পূর্বাভাসও বলা যায় একে।

বাংলাদেশের প্রথম বাজেট:
- স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট পেশ করেন তাজউদ্দীন আহমদ।
- তিনি ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।
- এই বাজেটের পরিমাণ ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।
- তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী।

উৎস: অর্থ মন্ত্রনালয় এবংপ্রথম আলো।
.
বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিশ্বের কতটি দেশে ঔষধ রপ্তানি করছে?[ এপ্রিল, ২০২৫]
  1. ১৫৬ টি
  2. ১৫৭ টি
  3. ১৫০টি
  4. ১৫৯ টি
ব্যাখ্যা
ঔষধ শিল্প:
- স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
- ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
- বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
- বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে – ১৫৭টি দেশে।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৫.৮০%
  2. ৫.৮২%
  3. ৬.২৮%
  4. ৪. ৫০%
ব্যাখ্যা
জিডিপি: 
-
কোন দেশের মোট দেশজ উৎপাদন বৃদ্ধির শতকরা হারকে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়।
- আগের বছরের তুলনায় পরের বছরে এ উৎপাদন যে হারে বাড়ে সেটি হচ্ছে জিডিপির প্রবৃদ্ধি।
- চলতি মূল্যে জিডিপি (GDP): ৫০,৪৮,০২৭ কোটি টাকা। 
- মাথাপিছু জিডিপি: ২,৬৭৫ মার্কিন ডলার।
- স্থির মূল্যে জিডিপি (GDP): ৩৩,৯৭,২৩১ কোটি টাকা।
- স্থির মূল্যে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৮২%।
- চলতি মূল্যে মোট জাতীয় আয় (GNI): ৩,০৬,১৪৪ কোটি টাকা। -

 উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
বাংলাদেশে অর্থবছর হিসেবে ব্যবহত হয়-
  1. জুন-জুলাই
  2. জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি
  3. জুলাই-জুন
  4. ডিসেম্বর-জানুয়ারি
ব্যাখ্যা
বাজেট:
- বাংলাদেশের আর্থিক বছর জুলাই থেকে জুন।
- অর্থবছর শুরু হয় - ১ জুলাই থেকে।
- বাংলাদেশের বাজেট ঘাটতি বাজেট। 
- সংসদে বাজেট পেশ করেন - অর্থমন্ত্রী।
- এজন্যে বাংলাদেশের বাজেট কার্যকর হয় ১ জুলাই থেকে।
- ১৯৭২ সালের ৩০ জুন জাতীয় সংসদে প্রথম বাজেট উপস্থাপন করা হয়।
- এই বাজেটটি ছিল ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের জন্য এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে পেশ করা প্রথম বাজেট ছিল।

উৎস: অর্থ মন্ত্রণালয় ও প্রথম আলো ।
.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুযায়ী, আলু উৎপাদনে শীর্ষ  বিভাগ কোনটি?
  1. রংপুর
  2. রাজশাহী
  3. বগুড়া
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ:
- প্রথম: রংপুর বিভাগ (৪১,১৩,৭০৭ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: রাজশাহী বিভাগ (৩৬,৪১,০৫৮ মে. টন)।

• জেলা হিসেবে:
- প্রথম: রংপুর জেলা (১১,৯৩,৭৯৬ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: বগুড়া জেলা (১১,৪৬,২৮৮ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৩।
.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের জন্য করমুক্ত আয়েরসীমা-
  1. ৩ লাখ
  2. ৫ লাখ
  3. ৪ লাখ
  4. ৪ লাখ ৭৫ হাজার
ব্যাখ্যা
করমুক্ত আয় সীমা:
- বর্তমানে ব্যক্তির আয়ের প্রথম সাড়ে ৩ লাখ টাকা পর্যন্ত মোট আয় করমুক্ত।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সের করদাতাদের জন্য আয়সীমা ৪ লাখ।
- প্রতিবন্ধী করদাতার জন্য ৪ লাখ ৭৫ হাজার।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ৫ লাখ।
- তৃতীয় লিঙ্গের করদাতার জন্য করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ৭৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে।

 উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
.
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হয়-
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭২ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে
ব্যাখ্যা
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট:
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার মধ্য দিয়ে সার্বভৌম বাংলাদেশের যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৭২ সালে প্রথম বাজেট ঘোষণা করা হয়।
- স্বাধীন দেশের প্রথম অর্থমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ প্রথম বাজেট উপস্থাপন করেন।
- তাজউদ্দীন আহমদ ১৯৭২ সালের ৩০ জুন একই সঙ্গে ১৯৭১-৭২ ও ১৯৭২-৭৩ অর্থবছরের বাজেট ঘোষণা করেছিলেন।
- তাজউদ্দীন স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম বাজেট দিয়েছিলেন; সেই বাজেটের আকার ছিল ৭৮৬ কোটি টাকা।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) বিবিসি।
.
একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় কোনটি?
  1. ভোজ্যতৈল
  2. তুলা
  3. পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী
  4. গম
ব্যাখ্যা
আমদানি ২০২৩-২৪ (জুলাই – ফেব্রুয়ারি সময়ে)  : 
- একক পণ্য হিসেবে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- শিল্পজাত পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – পেট্রোলিয়ামজাত পণ্যসামগ্রী।
- প্রাথমিক পণ্যগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – তুলা।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ – গম।

উল্লেখ্য,
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ –ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি;
- সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উৎস: অর্থনীতিক সমীক্ষা-২০২৪।
১০.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, ধান উৎপাদনে শীর্ষজেলা কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. রংপুর
  3. বগুড়া
  4. নেত্রকোনা
ব্যাখ্যা
ধান উৎপাদন:
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: ময়মনসিংহ জেলা (১৮,০২,৮৫৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ধান উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (৬৭,০৬,৯৫৫ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: রংপুর বিভাগ (২৩,৮৬,৯২৭.৪২ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি ভুট্টা উৎপাদন: দিনাজপুর জেলা (৬,৪১,৪০৬.৮৯ মে. টন)।
- বিভাগ হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: রাজশাহী বিভাগ (৪,৩৮,৩৩০ মে. টন)।
- জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি গম উৎপাদন: ঠাকুরগাও জেলা (১,৬৫,২৬৪ মে. টন)।

• জেলা হিসাবে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপাদন:
- প্রথম: ফরিদপুর জেলা (৯,৯১,৮৭৫ মে. টন)।
- দ্বিতীয়: পাবনা জেলা (৫,৬৯,১৩৭ মে. টন)।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুযায়ী, মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-
  1. ৫০,৮৪,০০০ একর
  2. ৪৫,৯২,০০০ একর
  3. ৩,৯২,৫৮০০০ একর
  4. ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর
ব্যাখ্যা
আবাদী ও অনাবাদী জমি:
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ ৮২, ৯০,০০০ একর।
- মোট আবাদযোগ্য জমি ৩,৯৩,৫৮,০০০ একর।
- এক ফসলি জমি ৫০,৮৪,০০০ একর।
- দুই ফসলি জমি ১,০১,৪৯,০০০ একর।
- তিন ফসলি জমি ৪৫,৯২,০০০ একর।
- চার ফসলি জমি ৫০,০০০ একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১২.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী,মূল্যস্ফীতির হার কত?
  1. ৮.৫০%
  2. ১০.২০%
  3. ৯.৭৪%
  4. ৯.৭২%
ব্যাখ্যা
• অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা: ১৭১ মিলিয়ন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির স্বাভাবিক হার: ১.৩৩%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১,১৭১/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু: ৭২.৩ বছর।
- মাথাপিছু জাতীয় আয়: ২,৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট রপ্তানি আয়: ৩৮.৪৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মোট আমদানি ব্যয়: ৪৪.১১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
- মূল্যস্ফীতি: ৯.৭৪%।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর+): ৭৭.৯%।
- দারিদ্র্যের হার: ১৮.৭%।
- চরম দারিদ্র্যের হার: ৫.৬%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৩.
বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে কোন দেশ থেকে? [ এপ্রিল ২০২৫]
  1. ভারত
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. চীন
  4. পাকিস্তান
ব্যাখ্যা
আমদানি (২০২৩-২৪):
- টাকার অঙ্কে সবচেয়ে বেশি আমদানি করা হয় – চীন থেকে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ - ভারত থেকে।
- আমদানির ক্ষেত্রে ট্যারিফ অপারেটিভ – এর সংখ্যা/ধাপ – ৬টি।
- সর্বোচ্চ শুল্কহার – ২৫%।
- EU-ভুক্ত দেশগুলো বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হওয়ার পরবর্তী ৩ বছর শুল্কমুক্ত সুবিধা প্রদান অব্যাহত রাখবে।

উল্লেখ্য,
- দেশ হিসেবে/একক দেশ হিসেবে/রপ্তানি বাণিজ্যের সবচেয়ে বড় অংশীদার দেশ – যুক্তরাষ্ট্র।
- যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবচেয়ে বেশি বাণিজ্যিক উদ্ধৃত্ত রয়েছে/বাণিজ্য ঘাটতি নেই।
- এছাড়াও জার্মানি, ফ্রান্সসহ ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য উদ্ধৃত্ত রয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য – তৈরি পোশাক।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৪.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, ভূট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. নীলফামারী
  2. রংপুর
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
খাদ্য শস্য:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা দিনাজপুর।

• শীর্ষ বিভাগ:
- গম উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রাজশাহী।
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
- ভুট্টা উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ রংপুর।
 
উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।
১৫.
বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়-
  1. কয়লা
  2. ডিজেল
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. পারমানবিক শক্তি
ব্যাখ্যা
বিদ্যুৎ:
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় - প্রাকৃতিক গ্যাস।
- ডিসেম্বর, ২০২৩ পর্যন্ত নীট উৎপাদিত বিদ্যুৎ এর ৪৯.০৭% গ্যাস ভিত্তিক;
- এবং ফার্নেস অয়েল ভিত্তিক: ২৬.৯৫%।
- কয়লা: ১১.৪৬%;
- ডিজেল :৫.৪৯%;
- বিদ্যুতের ক্রমবর্ধমান চাহিদা এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের স্বল্পতার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে,
- বিদ্যুৎ খাতের মহাপরিকল্পনা ‘পাওয়ার সেক্টর মাস্টার প্ল্যান, ২০১৬’ প্রস্তুত করা হয়েছে।
- এই মহাপরিকল্পনা অনুযায়ী স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা উন্নীতকরণ চিত্র;
- ২০৩০ সালে উৎপাদন ক্ষমতা: ৪০,০০০ মেগাওয়াট।
- চাহিদা: ৩৩,০০০ মেগাওয়াট।
- ২০৪১ সালে উৎপাদন ক্ষমতা: ৬০,০০০ মেগাওয়াট।
- চাহিদা: ৫২,০০০ মেগাওয়াট।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৬.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০২৪ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে মোট কয়টি খাত?
  1. ১৬ টি 
  2. ১৯ টি
  3. ১৫ টি
  4. ১৮ টি
ব্যাখ্যা
জিডিপি খাত:
- সার্বিকভাবে জিডিপি ১৯টি খাত নিয়ে গঠিত।
- এই ১৯টি খাত ৩টি বৃহৎ খাতের অন্তর্ভুক্ত।

• জিডিপিতে বিভিন্ন খাতের অবদান -
- কৃষি: ১১.০২%।
- শিল্প: ৩৭.৯৫%।
- সেবা: ৫১.০৮%।

• ৩টি বৃহৎ খাতে নিয়োজিত জনশক্তি -
- কৃষি:৪৫%।
- শিল্প: ১৭%।
- সেবা: ৩৮%।

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
১৭.
বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষ প্রতিষ্ঠান-  [এপ্রিল, ২০২৫]
  1. সিঅ্যান্ডএ
  2. প্রাইমার্ক
  3. ইন্ডিটেক্স
  4. এইচঅ্যান্ডএম
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশি তৈরি পোশাক:
- বিদায়ী (২০২৩-২৪) অর্থবছরে বাংলাদেশ ৩,৬৩৭ কোটি ডলার মূল্যের পোশাক রপ্তানি করেছে।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র।
- শীর্ষ দশ প্রতিষ্ঠানই নেয় রপ্তানি হওয়া তৈরি পোশাকের প্রায় ২৯ শতাংশ।
- বাংলাদেশি তৈরি পোশাক কেনায় শীর্ষে সুইডেনের বহুজাতিক খুচরা বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান এইচঅ্যান্ডএম।
- দ্বিতীয় ও তৃতীয় শীর্ষ ক্রেতার তালিকায় আছে যথাক্রমে স্পেনের ইন্ডিটেক্স ও আয়ারল্যান্ডের প্রাইমার্ক।

বাংলাদেশি তৈরি পোশাকের শীর্ষ ১০ ক্রেতার তালিকা:
- এইচঅ্যান্ডএম,
- ইন্ডিটেক্স,
- প্রাইমার্ক,
- ডেনমার্কের বেস্টসেলার,
- যুক্তরাজ্যের মার্কস অ্যান্ড স্পেনসার,
- নেদারল্যান্ডসের সিঅ্যান্ডএ,
- জাপানের ইউনিক্লো,
- পোল্যান্ডের এলপিপি,
- যুক্তরাজ্যের নেক্সট ও
- পোল্যান্ডের পেপকো।

উৎস: প্রথম আলো (২৩ ডিসেম্বর ২০২৪)।
১৮.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ- ২০২৩ অনুসারে, চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা-
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩ অনুসারে:
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: মৌলভীবাজার।
- আম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: নওগাঁ।
- আখ উৎপাদনে শীর্ষ বিভাগ: নাটোর।
- মাছ উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ময়মনসিংহ।
- চিংড়ি উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: সাতক্ষীরা।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: ফরিদপুর।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা: কুষ্টিয়া।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৩।