পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা [আইন, শাসন ও বিচার বিভাগসমূহ, আইন প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ, জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা কাঠামো, প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস ও সংস্কার।] উৎস: পৌরনীতি ও সমাজবিজ্ঞান বিষয়ক বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. হুইপ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন এবং সংসদের কর্যক্রম নিয়ন্ত্রন করেন।
 - জাতীয় সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।
- স্পীকার জাতীয় সংসদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
- স্পীকার আইন সভা তথা জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।


উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
.
সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্গত নয়-
  1. উপমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পীকার
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• সরকারের নির্বাহী বিভাগের অন্তর্গত নয়- স্পীকার।

• স্পীকার:
- স্পীকার আইন সভা তথা জাতীয় সংসদের সভাপতির দ্বায়িত্ব পালন করেন।
• সংবিধান অনুসারে,
- ৭৪ (১) কোন সাধারণ নির্বাচনের পর সংসদের প্রথম বৈঠকে সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে সংসদ একজন স্পীকার ও একজন ডেপুটি স্পীকার নির্বাচিত করিবেন, এবং এই দুই পদের যে কোনটি শূন্য হইলে সাত দিনের মধ্যে কিংবা ঐ সময়ে সংসদ বৈঠকরত না থাকিলে পরবর্তী প্রথম বৈঠকে তাহা পূর্ণ করিবার জন্য সংসদ-সদস্যদের মধ্য হইতে একজনকে নির্বাচিত করিবেন।
--------------------------------------------------------------
• বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগ:
যথা:
- নির্বাহীবিভাগ
- আইনবিভাগ ও
- বিচারবিভাগ।

• নির্বাহী বিভাগ:
- রাষ্ট্রের শাসনকার্য তথা নিত্যদিনকার প্রশাসনিক ও দান্তরিক কাজ পরিচালনা, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং রাষ্ট্রের সার্বিক সিদ্ধান্ত এবং সুবিধাসমূহ বাস্তবায়ন করে যে বিভাগ তাকে নির্বাহী বা শাসনবিভাগ বলে।
- নির্বাহীবিভাগকে শাসনবিভাগও বলা হয়ে থাকে।
- এটি মূলত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে গঠিত।

• বিচার বিভাগ:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচর ও পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি বোর্ড বই এবং।
.
বাংলাদেশের কোন জেলায় একটি মাত্র সংসদীয় আসন রয়েছে?
  1. নড়াইল
  2. ঝালকাটি
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সুনামগঞ্জ
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
.
সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতি কত দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন?
  1. ১৫ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৯ দিনের
  4. ৭ দিনের
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

• সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা:
- সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
বর্তমান বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার নাম কী? (জুলাই-২০২৫)
  1. আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
  2. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  3. ড. আসিফ নজরুল
  4. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ
ব্যাখ্যা
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাগণ:
- বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা -ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
- পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা- ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।
- পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা- সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
-  যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা- আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া
- আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা-ড. আসিফ নজরুল
.
বাংলাদেশে কোন জেলায় সংসদীয় আসনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. নেত্রকোণা
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন ৩৫০টি।
- এর মধ্যে জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত আসন ৩০০টি।
- ১নং আসন হলো পঞ্চগড়-১।
- ৩০০নং আসন হলো বান্দরবান।
 - বান্দরবান, রাঙামাটি এবং খাগড়াছড়ি জেলায় মাত্র একটি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।
- বাংলাদেশে ঢাকা জেলায় সংসদীয় আসনের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
- ঢাকা জেলায় সংসদীয় আসনের সংখ্যা- ২০ টি।

উৎস: বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
.
বাংলাদেশ শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র কোনটি?
  1. সংসদ ভবন
  2. সচিবালয়
  3. বঙ্গভবন
  4. গণভবন
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় প্রশাসন:
- সেক্রেটারিয়েট বা সচিবালয় বাংলাদেশ প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রে অবস্থিত যা শাসনব্যবস্থার স্নায়ুকেন্দ্র স্বরূপ।
- সরকারি যাবতীয় সিদ্ধান্ত সর্বপ্রথম সচিবালয়ে গৃহীত হয়।
- সাধারণত বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও তার বিভাগসমূহের অফিসগুলোকে যৌথভাবে সচিবালয় বলে।
- মন্ত্রী হলেন একজন রাজনৈতিক ব্যক্তি ও মন্ত্রণালয়ের প্রধান।
- মন্ত্রণালয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাতথা প্রধান প্রশাসনিক কর্মকর্তাহিসেবে দায়িত্ব পালন করেন একজন সচিব।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
.
রাষ্ট্রপতি কার পরামর্শে জাতীয় সংসদ ভেঙে দিতে পারেন?
  1. স্পীকার
  2. হুইপ
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ: 

• রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- সরকারের সকল শাসনসংক্রান্ত কাজ তাঁর নামে পরিচালিত হয়।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
• রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন
- তিনি সংসদে ভাষণ দিতে ও বাণী পাঠাতে পারেন। রাষ্ট্রপতি কিছু আইন প্রণয়ন সংক্রান্ত কাজ করেন।
- সংসদ কর্তৃক গৃহীত কোনো বিলে তিনি সম্মতি দান করলে বা সম্মতি দান করেছেন বলে গণ্য হলে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
- সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
• রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
.
প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি-
  1. স্বাধীন
  2. সংবিধান মেনে চলতে হয়
  3. প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয়
  4. আইনমন্ত্রীর পরামর্শ নিতে হয়
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ:

-  রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
- রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগের দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির।
- তিন বাহিনীর (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) প্রধানদের তিনিই নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতিত রাষ্ট্রপতি তাঁর সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি স্বাধীন।

- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
-  সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থ বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না।
- কোনো কারণে সংসদ কোনো ক্ষেত্রে অর্থ মঞ্জুর করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি ৬০দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১০.
বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো কয় স্তরভিত্তিক?
  1. তিন
  2. চার
  3. দুই
  4. পাঁচ
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো:
 - বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো স্তরভিত্তিক।
- এর দুটি প্রধান স্তর আছে।

• প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়)।
- দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গ্রহণ করা হয়।
- আর কেন্দ্রীয় পর্যায়ে গৃহীত নীতি ও সিদ্ধান্ত মাঠ প্রশাসনের মাধ্যমে সারা দেশে বাস্তবায়িত হয়।

• বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় প্রশাসনের দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।
- মাঠ প্রশাসনের প্রথম ধাপ হলো বিভাগীয় প্রশাসন।
- দ্বিতীয় ধাপে রয়েছে জেলা প্রশাসন।
- জেলার পর আছে উপজেলা প্রশাসন।
- উপজেলা প্রশাসন একেবারে তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত।

-  মাঠ প্রশাসন মূলত কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। কয়েকটি মন্ত্রণালয় নিয়ে কেন্দ্রীয় প্রশাসন বা সচিবালয় গঠিত।
- প্রতি মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত আছে বিভিন্ন বিভাগ বা অধিদপ্তর।
- অধিদপ্তরের/দপ্তরের প্রধান হলেন মহাপরিচালক/পরিচালক। 

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১১.
রাষ্ট্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সেনাপ্রধান
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. মন্ত্রীপরিষদ সচিব
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• আইনসংক্রান্ত ক্ষমতা:
- আইন প্রণয়নে প্রধানমন্ত্রী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
- তিনি জাতীয় সংসদে সরকারি বিলের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- প্রধানমন্ত্রীকেকেন্দ্র করে সংসদের আইন প্রণয়ন বিষয়ক কার্যাবলি পরিচালিত হয়।

• সংসদ পরিচালনায় প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী সংসদের নেতা।
- তিনি সংসদের সাফল্যজনক সুষ্ঠ চালনায় কার্যকর ভূমিকা পালন করেন।
- রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর রামর্শক্রমে সংসদ আহ্বান, স্থগিত বা ভেঙে দেন।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১২.
ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কোন মন্ত্রনালয়ের অন্তর্ভুক্ত?
  1. অর্থমন্ত্রনালয়
  2. শিল্পমন্ত্রনালয়
  3. বাণিজ্য মন্ত্রনালয়
  4. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা
• বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অধিনস্থ দপ্তরসমূহের তালিকা:
- বাংলাদেশ ট্রেড এবং ট্যারিফ কমিশন
- রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো
- ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (TCB).
- জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর
- যৌথ মূলধন কোম্পানী ও ফার্মসমূহের পরিদপ্তর
- আমদানি ও রপ্তানি প্রধান নিয়ন্ত্রকের অফিস
- বাংলাদেশ চা বোর্ড
----------------------------------------------
TCB:
- TCB-এর পূর্ণরূপ: Trading Corporation of Bangladesh.
- রাষ্ট্রপতির আদেশ নং-৬৮/১৯৭২ এর মাধ্যমে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- ১৯৭২ সনের ০১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠার পর এদেশে ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ হিসেবে কাজ করছে টিসিবি।
- টিসিবি’র মাধ্যমেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যাদি থেকে শিল্পের কাঁচামাল পর্যন্ত আমদানি এবং পাট, তৈরী পোশাক প্রভৃতি রপ্তানির মাধ্যমে দেশে বৈদেশিক বাণিজ্যিক কার্যক্রম চালু করা হয়।
-  বর্তমানে তৈরী পোশাক রপ্তানি অর্থনীতিতে যে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তারও পথিকৃৎ টিসিবি। 

উৎস: টিসিবি ও বাণিজ্য় মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।
১৩.
কে জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন?
  1. সেনাপ্রধান
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• রাষ্ট্রীয় কাজের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রী:
- রাষ্ট্রীয় সকল কাজের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী করে থাকেন।
- তিনি যেহেতু প্রশাসনের কেন্দ্রে অবস্থান করেন তাই সকল মন্ত্রণালয়, দন্তর ও অধিদপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধনে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

• জাতির মুখপাত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।
- বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন।

• দলের নেতা:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা।
- সংসদ ও সংসদের বাইরে দলের নীতি নির্ধারণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।
- দলীয় নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভূমিকা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিরোধী দলের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৪.
সংবিধান অনুযায়ী যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন কার উপর ন্যস্ত?
  1. আইনসভা
  2. হাইকোর্ট
  3. আইনমন্ত্রনালয়
  4. সুপ্রিমকোর্ট
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের ক্ষমতা ও কার্যাবলি
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'। জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান। সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়। আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।

• আইন প্রণয়ন ক্ষমতা:
- সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাতীয় সংসদ নামে একটি আইনসভা থাকবে এবং এর ওপর প্রজাতন্ত্রের আইন প্রণয়ন ক্ষমতা ন্যস্ত হবে।
- সংবিধান অনুযায়ী সংসদ যে কোনো নতুন আইন প্রণয়ন ও প্রচলিত আইন পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করতে পারে।
- সংসদ আইনের মাধ্যমে যে কোনো সংস্থা বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ প্রদান, বিধি, উপবিধি ও প্রবিধান প্রণয়নের ক্ষমতা দিতে পারে।
- সংসদ প্রণীত আইনে রাষ্ট্রপতি ১৫ দিনের মধ্যে সম্মতি প্রদান করবেন।

• সরকার গঠনবিষয়ক ক্ষমতা:
- সরকার গঠনে সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- সংসদের আস্থাভাজন ব্যক্তিই প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন এবং তিনি মন্ত্রিসভা গঠন করেন। প্রধানমন্ত্রী সংসদের আস্থা হারালে সরকারের পতন হয়।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৫.
সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ সর্বোচ্চ কত বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন?
  1. ৬৫ বছর
  2. ৬৭ বছর
  3. ৬৯ বছর
  4. ৬৩ বছর
ব্যাখ্যা
• সুপ্রিম কোর্ট:
- বিচারবিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের নাম সুপ্রিমকোর্ট।
- সুপ্রিম কোর্টের একজন প্রধানবিচারপতি রয়েছেন, যাকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি বলা হয়।
- প্রত্যেক বিভাগের জন্য যতজন বিচারক প্রয়োজন ততজন বিচারককে নিয়ে সুপ্রিমকোর্ট গঠিত। 
- প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের দুই বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগ দেন। 
- প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিগণ বিচারকার্য পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- প্রধান বিচারপতিকে রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত করেন।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারক হতে হলে তাকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে কমপক্ষে ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে
- বাংলাদেশে বিচার বিভাগীয় পদে ১০ বছর বিচারক হিসেবে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
- সুপ্রিমকোর্টের বিচারকগণ ৬৭ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত স্বীয় পদে কর্মরত থাকতে পারেন

• সুপ্রিমকোর্টের এর রয়েছে দুটি বিভাগ,
যথা:
- আপিল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ।
 
উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১৬.
বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের অন্তর্ভুক্ত নয়-
  1. জেলা প্রশাসন
  2. সিটি কর্পোরেশন
  3. জেলা পরিষদ
  4. উপজেলা পরিষদ
ব্যাখ্যা
• জেলা প্রশাসন: 
- জেলা প্রশাসন মাঠ বা স্থানীয় প্রশাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তর।
- এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হলেন জেলা প্রশাসক।
- দেশের সব জেলায় একজন করে জেলা প্রশাসক আছেন।
- তাঁকে কেন্দ্র করে জেলার সকল সরকারি কাজ পরিচালিত হয়।
-------------------------------------------------------------
• স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন:
- স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন বলতে নির্দিষ্ট এলাকাভিত্তিক জনগণের স্বশাসনকে বুঝায়।
- সংশ্লিষ্ট এলাকার জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা তা পরিচালিত হয়।
- প্রতিনিধিরা তাঁদের কাজের জন্য জনগণের নিকট দায়ী থাকেন।

•বাংলাদেশের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো-
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ,
- জেলা পরিষদ,
- পৌরসভা
- ,সিটি কর্পোরেশন,
- পার্বত্য জেলা পরিষদ প্রভৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৭.
বাংলাদেশের আইনসভা কয় কক্ষবিশিষ্ট?
  1. দুই কক্ষবিশিষ্ট
  2. এক কিক্ষবিশিষ্ট
  3. তিন কক্ষবিশিষ্ট
  4. চার কক্ষবিশিষ্ট
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের আইনসভা:
- সরকারের তিনটি বিভাগের মধ্যে আইনসভা অন্যতম।
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ।
- এটি এক কক্ষবিশিষ্ট।
- জাতীয় সংসদের মোট সদস্যসংখ্যা ৩৫০।
- এর মধ্যে ৩০০ জন সদস্য জনগণের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হন
- এবং অবশিষ্ট ৫০টি আসন মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত।
- বাংলাদেশকে মোট ৩০০টি নির্বাচনী এলাকায় ভাগ করা হয়েছে।
- সংসদে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার থাকেন।
- তাঁরা সংসদ সদস্যদের ভোটে নির্বাচিত হন এবং সংসদের কর্যক্রম নিয়ন্ত্রন করেন।
 - জাতীয় সংসদের কার্যকাল পাঁচ বছর।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
১৮.
বিচারবিভাগের কাজ নয়-
  1. নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা করা
  2. ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা,
  3. সংবিধান-সংশোধন
  4. দেশের সংবিধানকে অক্ষুণ্ণ রাখা
ব্যাখ্যা
- সংবিধান-সংশোধন আইন বিভাগ তথা জাতীয় সংসদের কাজ।

• বাংলাদেশের বিচারবিভাগ:
- বাংলাদেশ সরকারের তিনটি বিভাগের একটি বিচারবিভাগ।

• বিচারবিভাগের কাজ:
- নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষা,
- ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা,
- অপরাধীর শাস্তিবিধান এবং দুর্বলকে সবলের হাত থেকে রক্ষা করা।
 - নিরপেক্ষ স্বাধীন বিচারিক কার্য  সম্পাদন করা ।
-  আইনের অনুশাসন ও দেশের সংবিধানকে অক্ষুণ্ণ রাখে।
- সংবিধান রক্ষা করে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করে।

• বিচারবিভাগের গঠন:
- বাংলাদেশের বিচার বিভাগ সুপ্রিম কোর্ট, অধস্তন আদালত এবং বিশেষট্রাইব্যুনাল নিয়ে গঠিত।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৯.
রাষ্ট্রপতি কত দিনের জন্য কোন সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন?
  1. ৩০দিন
  2. ৬০দিন
  3. ৯০দিন
  4. ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও কাজ:

-  রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের প্রধান।
- তিনি প্রধানমন্ত্রীকে নিয়োগ করেন।
- রাষ্ট্রের শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের (মহাহিসাব রক্ষক, রাষ্ট্রদূত ও অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা) নিয়োগের দায়িত্বও রাষ্ট্রপতির।
- তিন বাহিনীর (সেনা, বিমান ও নৌবাহিনী) প্রধানদের তিনিই নিয়োগ দেন।
- প্রধান বিচারপতি নিয়োগের ক্ষেত্র ব্যতিত রাষ্ট্রপতি তাঁর সকল দায়িত্ব পালনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কার্য পরিচালনা করেন।
- রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করতে, স্থগিত রাখতে ও প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে সংসদ ভেঙে দিতে পারেন।
-  সংসদ ভেঙে যাওয়া অবস্থায় অথবা সংসদ অধিবেশনরত অবস্থায় না থাকলে সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও জারি করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি ছাড়া কোনো অর্থ বিল সংসদে উত্থাপন করা যায় না।
- কোনো কারণে সংসদ কোনো ক্ষেত্রে অর্থ মঞ্জুর করতে অসমর্থ হলে রাষ্ট্রপতি ৬০দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট তহবিল হতে অর্থ মঞ্জুর করতে পারেন।
- রাষ্ট্রপতি সুপ্রিমকোর্টের প্রধান বিচারপতি এবং তাঁর সাথে পরামর্শ করে আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিদের নিয়োগদান করেন।
- তিনি কোনো আদালত, ট্রাইব্যুনাল বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষ কর্তৃক দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তির সাজা মওকুফ, স্থগিত বা হ্রাস করতে পারেন।

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা-৯ম শ্রেণি।
২০.
গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকারি দলের নেতা কে?
  1. স্পীকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. উপমন্ত্রী
  4. হুইপ
ব্যাখ্যা
- প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতা ও কার্যাবলি:

• শাসন বিষয়ক ও নির্বাহী ক্ষমতা:
- প্রধানমন্ত্রী পুরো শাসনব্যবস্থায় নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- সকল গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করেন।
- সকল নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির নামে প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• রাষ্ট্রীয় কাজের সমন্বয়ে প্রধানমন্ত্রী:
- রাষ্ট্রীয় সকল কাজের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রী করে থাকেন।
- তিনি যেহেতু প্রশাসনের কেন্দ্রে অবস্থান করেন তাই সকল মন্ত্রণালয়, দন্তর ও অধিদপ্তরের কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধনে তাঁর নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
- তিনি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় সভাপতিত্ব করেন।

• জাতির মুখপাত্র হিসেবে প্রধানমন্ত্রী:
- প্রধানমন্ত্রী জাতির মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেন।
- বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে উপস্থাপন এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করেন।
- যেকোনো জাতীয় সংকট সম্পর্কে দেশবাসীকে অবহিত করেন দেশের হয়ে বিবৃতি ও বক্তৃতা দেন।

• দলের নেতা:
- গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সরকারি দলের নেতা।
- সংসদ ও সংসদের বাইরে দলের নীতি নির্ধারণ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে ভূমিকা রাখেন।
- দলীয় নেতা হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী ভূমিকা রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিরোধী দলের সাথে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক স্থাপন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।
২১.
আইন বিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান-
  1. হাইকোর্ট
  2. আপিল বিভাগ
  3. জাতীয় সংসদ
  4. সুপ্রিমকোর্ট
ব্যাখ্যা
• জাতীয় সংসদের: 
- বাংলাদেশের আইনসভার নাম 'জাতীয় সংসদ'।
- জাতীয় সংসদ আইনবিভাগের একটি প্রধান প্রতিষ্ঠান।
- সংসদ প্রণীত আইন রাষ্ট্রপতির সম্মতি লাভের পর কার্যকর হয়।
- আইনবিভাগ সরকারের একটি অংশ।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুসারে জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০জন সদস্য নিয়ে গঠিত।
- এদের মধ্যে ৩০০ জন জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হবেন।
- ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত।
- সংরক্ষিত আসন ছাড়াও নারীরা সাধারণ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবেন।
- সংসদ সদস্যদের মধ্য থেকে সদস্যদের ভোটে একজন স্পিকার ও একজন ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হবেন।
- সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- ১৯৭২ সালে বাংলাদেশে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় যা ১৯৭৫ থেকে রাষ্ট্রপতিশাসিত ব্যবস্থায় পরিণত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৯১ সালে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী আনয়নের পূর্ব পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি শাসিত পদ্ধতি চালু ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম ও দশম শ্রেণি।