পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৬৭
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬৭ প্রশ্ন

.
The English Romantic period commenced in-
  1. 1832
  2. 1798
  3. 1785
  4. 1745
ব্যাখ্যা

• The English Romantic period commenced in 1798.

• Romantic period (1798-1832):
- 1798-1832 is known as the Romantic period of English literature.
- The Romantic Period is the shortest period of English Literature.
- ১৭৯৮ সালে William Wordsworth রচিত Lyrical Ballads এর প্রকাশনার মাধ্যমে Romantic Period এর সূচনা হয়।
- ১৮৩২ সালে Reformation Act এর মাধ্যমে এই যুগের সমাপ্তি ঘটে।
- এই যুগকে 'Revival of Romanticism' ও বলা হয়ে থাকে because the romantic ideals of the Elizabethan Period revived during this period.
- এই যুগের স্থায়িত্বকাল মাত্র ৩৪ বছর ( 1798-1832).
------------------

• English Literature Periods and their sub-ages:
1. The Old English Period (450 -1066).

2. The Middle English Period (1066 -1500):
i) The Anglo-Norman Period
ii) The Age of Chaucer

3. The Renaissance Period (1500 -1660):
i) Elizabethan Period (1558-1603),
ii) Jacobean Period (1603-1625),
iii) Caroline Period (1625-1649), and
iv) Commonwealth Period (1649-1660).

4. The Neoclassical Period (1660 -1785):
i) The Restoration Period (1660-1700),
ii) The Augustan Period (1700-1745), and
iii) The Age of Sensibility (1745-1785/1798).

5. The Romantic Period (1798 -1832).

6. The Victorian Period (1832 -1901):
i) The Pre-Raphaelites: (1848-1860),
ii) Aestheticism & Decadence: (1880-1901).

7. The Modern Period (1901 -1939).

8. Present: The Post Modern Period (1939-).

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

.
"I am a part of all that I have met."
This quote is taken from the poem of-
  1. Matthew Arnold
  2. Alfred Tennyson
  3. T. S. Eliot
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• "I am a part of all that I have met."
- This quote is taken from the poem of- Alfred Tennyson.

• Ulysses: 
- রচয়িতা Alfred Tennyson. 
- এটি এটি কবিতা।
- হোমারের কাব্য Iliad থেকে অনুপ্রাণিত ।
- Poem in Blank Verse. 
- এটি মূলত: একটি Dramatic Monologue.

• Famous quotes from this poem:
- "I will never rest from travels, I will drink life to the lees."
- "I am a part of all that I have met."
- "To strive, to seek, to find, and not to yield."
- “Made weak by time and fate, but strong in will to strive to seek, to find, and not to yield”.

• Alfred Tennyson (1809-1892):
- Alfred Tennyson, 1st Baron Tennyson of Aldworth and Freshwater.
- তিনি একজন Victorian poet.
- Alfred, Lord Tennyson ছিলেন একজন ইংরেজ কবি, যিনি Victorian period এর অন্যতম প্রধান কবি হিসেবে পরিচিত।
- তার কবিতায় প্রকৃতি, প্রেম, মৃত্যু, এবং মানব-মানবী সম্পর্ক বিশালভাবে ফুটে উঠেছে।
- English poet often regarded as the chief representative of the Victorian age in poetry.

• The famous poems of Tennyson:
- Oenone,
- In Memoriam,
- The Lotos Eaters,
- Morte D'Arthur,
- Ulysses,
- Tithonus,
- The Princess,
- Crossing the Bar,
- Aurora, etc.

- উল্লেখ্য যে,
- Ulyssess নামে ইংরেজি সাহিত্যে আরো একটি সাহিত্যকর্ম রয়েছে এবং সেটি হচ্ছে James Joyce এর লেখা একটি Novel.

Source: Britannica.

.
"Caliban and Ariel" are supernatural characters from-
  1. A Midsummer Night’s Dream
  2. The Tempest
  3. The Jungle Book
  4. Gulliver's Travels
ব্যাখ্যা

• "Caliban, Ariel" are supernatural characters from the play "The Tempest".

• The Tempest:
- William Shakespeare -এর last work বা Swan Song, হলো 'The Tempest'.
- এই নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম হচ্ছে Prospero, যিনি একজন magician (জাদুকর)।
- এটি 5 act এ বিভক্ত একটি Romantic comedy, যা ১৬২৩ সালে First Foilo -এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- Tempest শব্দটির অর্থ হচ্ছে Violent Storm (প্রচণ্ডঝড়).
- "The Tempest" Shakespeare এর একটি জাদুকরী নাটক, যা ক্ষমতা, প্রতিশোধ, ক্ষমা ও মানবিক সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে লেখা।
- এটি মানবপ্রেম ও সম্পর্কের গভীরতা প্রকাশ করে এবং আজও নাট্যকলার একটি অমর সৃষ্টি হিসেবে বিবেচিত হয়।

• Summary
- এই কমেডিতে Duke- Prospero এবং তাঁর কন্যা Miranda -এর কাহিনি বর্ণিত হয়েছে, যারা কিনা ডিউকের ছোট ভাইয়ের দ্বারা ষড়যন্ত্রের স্বীকার হয়ে এক দূরদ্বীপে নির্বাসিত হয়।
- এই নাটকে Prospero কে supernatural powers -এর অধিকারী হিসেবে দেখানো হয়েছে যার আয়ত্ত্বে থাকে Ariel এবং Caliban নামক দুইটি supernatural creature.
- Ariel is “an airy spirit, and stands for good অর্থাৎ, Ariel হচ্ছে এমন একটি সুপার ন্যাচরাল ক্যারেক্টার যে জাদু ব্যবহার করে Prospero কে তার পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সাহায্য করে।
- অন্যদিকে, Caliban, a feral, sullen, misshapen creature, যে হচ্ছে অত্যধিক ঔদ্ধত্যপূর্ণ এবং বিদ্রোহী।
- Caliban, তাকে ক্রীতদাস বানিয়ে রাখার কারণে Prospero কে জঘন্য ঘৃণা করে এবং সে তাকে হত্যা করার পরিকল্পনা তৈরি করে।

• Main Characters: 
- Prospero (Duke),
- Miranda (Heroine),
- Caliban (Supernatural creature - bad character),
- Ariel (Supernatural creature - good character),
- Antony (Villain/ brother of Duke),
- Ferdinand (Hero),
- Gonzalo, etc.

• Some quotations from The Tempest: 
- "Hell is empty and all the devils are here."
- "We are such stuff as dreams are made on, and our little life is rounded with a sleep."
- "This thing of darkness, I Acknowledge mine."
- "Thought is free."
- "O, brave new world, that has such people in't!"
- "Misery acquaints a man with strange bedfellows."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

.
William Butler Yeats is the composer of-
  1. The Easter Wings
  2. Porphyria’s Lover
  3. The Lake Isle of Innisfree
  4. The Eve of St. Agnes
ব্যাখ্যা

• 'William Butler Yeats' is the composer of "The Lake Isle of Innisfree".

• The Lake Isle of Innisfree:
- এই কবিতাটি মোট ১২ লাইনের।
- Innisfree আয়ারল্যান্ডের একটি জনাকীর্ণ উপত্যকা। নৈসর্গিক সৌন্দর্য মন্ডিত একটি জায়গা।
- এই কবিতায় কবি নগরজীবনের কোলাহল থেকে দূরে, প্রকৃতির শান্ত পরিবেশে ফিরে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেছেন।
- তিনি চান ইনিসফ্রি হ্রদের তীরে একটি ছোট কুটিরে বসবাস করতে, যেখানে থাকবে প্রকৃতির নীরবতা, মৌমাছির গুঞ্জন, ও শান্ত সকালবেলা।

• William Butler Yeats (1865-1939):
- একজন বিখ্যাত আইরিশ কবি এবং নাট্যকার।
- তাঁকে Ireland এর National poet বলা হয়ে থাকে।
- বিংশ শতকে অনুষ্ঠিত হওয়া সাহিত্যে জগতে আইরিশ পুনর্জাগরণের অন্যতম পথিকৃত এই লেখক।
- তিনি তার রচিত সাহিত্যকর্মে symbolism এবং mysticism ব্যবহার করেছিলেন।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- তিনি ১৯২৩ সালে প্রথম আইরিশ হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- Abbey Theatre হচ্ছে W. B. Yeats প্রতিষ্ঠাকৃত Irish National Theatre Society.
- মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

• Major Poems:
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- The Winding Stair and Other Poems,
- The Second Coming,
- Easter 1916,
- September 1919,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan, etc.

• অন্যদিকে,
- 'The Easter Wings' হলো George Herbert -এর কবিতা।
- 'Porphyria’s Lover' হলো Robert Browning -এর কবিতা।
- 'The Eve of St. Agnes' হলো Jhon Keats -এর কবিতা।

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
Which of the following is regarded as the first English tragedy?
  1. Doctor Faustus
  2. Gorboduc
  3. Amoretti
  4. Ralp Roister Doister
ব্যাখ্যা

• "Gorboduc" is regarded as the first English tragedy.
 
• Gorboduc:
- এটি Thomas Norton ও Thomas Sackville দুইজন এর যৌথ রচনা।

- এটি প্রকাশিত হয় ১৫৩২ সালে।
- এটি The Gorboduc বা The Tragedy of Gorboduc নামেও পরিচিত।
- এটি রচিত হয়েছে ancient Britain এর একজন পৌরণিক রাজা Gorboduc কে নিয়ে।
- It is the earliest English tragic play in blank verse.
- এটিকে ইংরেজী সাহিত্যের প্রথম ট্র্যাজেডি বলা হয়। 

• মূল বিষয়বস্তু:
- Gorboduc একটি রাজনৈতিক ও পারিবারিক ট্র্যাজেডি, যা প্রাচীন ব্রিটেনের একটি কিংবদন্তি রাজা গর্বডাকের জীবনের ওপর ভিত্তি করে রচিত।গল্পটি ইংল্যান্ডের রাজতন্ত্র ও উত্তরাধিকার-সংক্রান্ত সমস্যাগুলি তুলে ধরে এবং রানি এলিজাবেথের উত্তরাধিকারের সময়কার রাজনৈতিক উদ্বেগের প্রতিচ্ছবি বহন করে।

• রাজা Gorboduc তার রাজ্য দুই পুত্র Ferrex এবং Porrex-এর মধ্যে ভাগ করে দেন। এই বিভাজন পারিবারিক বিরোধ ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সৃষ্টি করে।বড় ছেলে Ferrex ছোট ভাই Porrexকে হত্যা করে।Porrex এর  মৃত্যুর পর Gorboduc ও তার স্ত্রী উভয়েই ক্রুদ্ধ হয়ে বড় ছেলেকে হত্যা করেন।শেষ পর্যন্ত, রাজ্যের অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা রাজতন্ত্রের পতনের দিকে নিয়ে যায়।

• Note:
- First English Tragedy - The Gorboduc or The Tragedy of Gorboduc, written by Thomas Norton and Thomas Sackville.
- First English Revenge Tragedy - The Spanish Tragedy, written by Thomas Kyd.

অন্যদিকে,
- Doctor Faustus – Christopher Marlowe's famous tragedy was written around 1592, about 30 years after Gorboduc.
- Amoretti – This is a sonnet sequence by Edmund Spenser.
- Ralph Roister Doister – This is a comedy by Nicholas Udall, যা first English Comedy হিসেবে পরিচিত।

Source:
1. Britannica.
2. English Essence by Live MCQ.

.
Who wrote the poem "The Sun Rising"?
  1. Andrew Marvell
  2. Robert Herrick
  3. Henry Vaughan
  4. John Donne
ব্যাখ্যা

• The poem 'The Sun Rising' was written by John Donne.

• The Sun Rising:
- The Sun Rising হলো John Donne রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
- এই কবিতাটি Songs and Sonnets এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৬৩৩ সালে কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়েছিল।
- তাঁর অধিকাংশ কবিতাগুলোর মত এই কবিতাটিরও মূল উপজীব্য বিষয় হচ্ছে কবির প্রেমিকাকে ঘিরে তাঁর ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ।
- কবিতায় কবি সূর্যকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, সূর্য যেনো তার রশ্মি দিয়ে তাদের ঘরকে আলোকিত এবং বিছানাকে উষ্ণ রাখেন।
- কারণ এতে করে তিনি এবং তার প্রেমিকা একে অপরের সাথে সারাদিন সেখানে থাকতে পারবেন এবং তাদের কাজে যেতে হবে না। 
 
• John Donne (1572-1631):
- John Donne ছিলেন Renaissance যুগের একজন অন্যতম বিখ্যাত কবি।
- Metaphysical poetry -এর জনক বলা হয় John Donne কে।
- তিনি আধ্যাত্মিক কবিতার সূচনা করেছিলেন তাই তাকে Father of Metaphysical poetry বলা হয়।
- এছাড়াও তিনি Poet of Love and Religious হিসেবেও পরিচিত।
 
• Notable works (Poems):
- The Good-Morrow,
- The Sun Rising,
- The Canonization,
- The Flea,
- The Ecstasy,
- Twicknam Garden,
- For Whom The Bell Tolls, etc.
 
• উল্লেখ্য যে, The Sun also Rises ও For Whom The Bell Tolls শিরোনামে Ernest Hemingway এর উপন্যাস রয়েছে।

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
"There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
This quotation is taken from-
  1. Hamlet
  2. Othello
  3. Romeo and Juliet
  4. As You Like It
ব্যাখ্যা

• "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- This quotation is taken from- 'Hamlet'.
- It is spoken by Hamlet in Act 5, Scene 2, where he reflects on fate and divine control over human life.

• বাংলা ভাবার্থ:
- অর্থাৎ, "আমরা যেভাবেই গড়ি না কেন,
একটি ঐশ্বরিক শক্তি আমাদের পরিণতি ঠিক করে দেয়।"

• Hamlet:
- Shakespeare রচিত tragedy গুলোর মধ্যে Hamlet is one of the most celebrated tragedies in English literature.
- তাঁর অন্যান্য tragedy গুলোর মত এটিও 5acts বিশিষ্ট।
- ১৫৯৯-১৬০১ সালের মধ্যে লেখা এই tragedy টি প্রকাশিত হয় ১৬০৩ সালে।
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র Hamlet ছিলেন prince of Denmark যিনি  জার্মানি থেকে নিজ দেশে ফিরে আসে তাঁর বাবার শেষকৃত্যে অংশগ্রহণ করতে এবং জানতে পারে যে তার চাচা Claudius তার মাকে বিয়ে করেছে এবং এই চাচাই তার বাবার খুনী।
- সত্য উদঘাটনের পর বিভিন্ন ঘটনা প্রবাহের মধ্যে দিয়ে tragedy এর কাহিনী সামনে এগিয়ে যায় এবং শেষাংশে Hamlet এর মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে এর সমাপ্তি ঘটে।

• The main characters:
- Hamlet,
- Ophelia,
- Claudius,
- Gertrude,
- Horatio,
- Polonius,
- Laertes, etc.

• Famous quotations from Hamlet:
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable Works (Plays):
- A Midsummer Night’s Dream,
- All’s Well That Ends Well,
- Antony and Cleopatra,
- As You Like It,
- Hamlet,
- Julius Caesar,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Measure for Measure,
- Much Ado About Nothing,
- Richard III,
- The Taming of the Shrew,
- The Tempest, etc.
 
Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

.
Which of the following is most closely linked to catastrophe?
  1. Comedy
  2. Tragedy
  3. Satire
  4. Romance
ব্যাখ্যা

• Tragedy is most closely linked to catastrophe.

​• ​Catastrophe (আকস্মিক দূর্যোগ বা মহা দূর্ঘটনা):
- It is the final scene of a tragedy in which the action ends with the death of the hero.
- অন্যভাবে বলতে গেলে, The dreadful consequence of the story of a tragedy is called Catastrophe.
- সাধারণত এটি tragedy তেই ঘটে থাকে।
- It is synonymous with the term 'denouement’.
- প্রধান চরিত্রের করা কিছু ভুলের কারণে নাটকের শেষে তার উপর মহাদূর্যোগ আপতিত হবে। 
- For example, Catastrophe takes place in the last scene of 'Doctor Faustus' in which Faustus begs for God's forgiveness but Lucifer drags him to hell.

• অর্থাৎ, ​Catastrophe হলো সাহিত্যের বিশেষত নাটকের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান, যা সাধারণত ট্র্যাজেডিতে ব্যবহৃত হয়। এটি কাহিনির চূড়ান্ত পরিণতি বা সমাধানকে নির্দেশ করে, যেখানে সমস্ত দ্বন্দ্বের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি ঘটে। সাধারণত, এই পর্যায়ে প্রধান চরিত্র একটি বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখোমুখি হয়, যা প্রায়শই তার মৃত্যু বা গুরুতর দুর্ভোগে পরিণত হয়। ক্লাসিক্যাল ট্র্যাজেডিতে, catastrophe নায়কের tragic flaw বা চরিত্রগত ত্রুটির কারণে ঘটে।

.
Who created the title character of the play "Candida"?
  1. W. B. Yeats
  2. John Dryden
  3. George Bernard Shaw
  4. Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা

• "Candida" is the title character of the play 'Candida', created by G. B. Shaw.

• Candida:
- "Candida" একটি কমেডি ধাঁচের নাটক, রচনা করেন G.B Shaw, এটি 1894 সালে রচিত।
- এর title character হলো- Candida, তার স্বামী James Mavor Morell একজন ধর্ম যাজক।
- নাট্যকার আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা নাট্যকার G.B Shaw.
- এদিকে এক সফর থেকে আসার পর Candida এর প্রতি আকৃষ্ট হয় তরুণ কবি Eugene Marchbanks, সে ভাবে Candida দাম্পত্য জীবনে সুখী নয়।
- ত্রিভুৃজ প্রেমের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে Candida.
- নাটকটি নারীর স্বাধীনতা, প্রেম এবং পুরুষদের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্বের প্রশ্ন উত্থাপন করে।
- Candida তার বুদ্ধিমত্তা এবং স্বাধীন সিদ্ধান্তের মাধ্যমে, শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নেয় যে, তাকে নিজের বিবাহিত জীবনেই সুখী থাকতে হবে। নাটকটি সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের ওপর একটি তীক্ষ্ণ বিশ্লেষণ প্রদান করে।

• Main characters:
- Candida,
- Miss Proserpine Garnett,
- The Reverend James Mavor Morell,
- The Reverend Alexander (Lexy) Mill,
- Mr. Burgess,
- Eugene Marchbanks, etc.

• G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- তিনি 'Modern period' এর নাট্যকার।
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- তার সর্বাধিক বাণিজ্যিকভাবে সফল নাটক Pygmalion থেকে জনপ্রিয় মিউজিক্যাল My Fair Lady তৈরি হয়।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Candida (Comedy/Problem Play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Caesar and Cleopatra (Historical play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- Heartbreak House (Drama/Social Criticism),
- St. Joan of Arc (Historical Drama/Tragedy).

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

১০.
"A thing of beauty is a joy forever"
This poetic line was written by-
  1. William Wordsworth
  2. P. B. Shelley
  3. John Keats
  4. S. T. Coleridge
ব্যাখ্যা

• "A thing of beauty is a joy forever"
- This poetic line was written by John Keats.
- এটি John Keats -এর লেখা 'Endymion' কবিতার প্রথম লাইন।

• Endymion:
- গ্রীক মিথ অনুযায়ী Endymion একজন অনিন্দ্য সুন্দর যুবকের নাম।
- কবিতায় দেখানো হয়েছে Endymion একজন রাখাল যে তার প্রেমিকার সন্ধান করে, যার নাম Cynthia.
- এই কবিতায় কবি truth of beauty এর অনুসন্ধান করেছেন। 
- সৌন্দর্য চিরস্থায়ী এবং সৌন্দর্যের এই চেতনা আমাদের অন্তরকে আলোকিত করে রাখে।
- কবিতার প্রথম লাইন এটি: A thing of beauty is a joy forever.
- এই কবিতাটি John Ketas এর first long poem.
- কবিতাটিকে poetic epic ও বলা হয়ে থাকে।
- This work is divided into four 1,000-line sections, and its verse is composed in loose rhymed couplets.

• John Keats (1795-1821:
- John Keats ছিলেন একজন বিখ্যাত ইংরেজি রোমান্টিক কবি।
- Keats -এর কবিতাগুলি তার সংবেদনশীলতা, সৃষ্টিশীলতা এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও মানব অভিজ্ঞতার গভীর উপলব্ধির জন্য পরিচিত।
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করেন এবং তার কাজগুলি আধুনিক কবিদের ওপর গভীর প্রভাব ফেলে।
- তাকে ‘Poet of beauty’ বলা হয়।
- এছাড়া তাকে 'Poet of sensuousness' ও বলা হয়।

• তার Title গুলো হলো:
- Poet of Beauty;
- Poet of Sensuousness;
- A Death Hunted Poet;
- এর পাশাপাশি তিনি Physician, Surgeon, এবং Doctor ছিলেন।
- তার সাহিত্য কর্মের মধ্যে আছে: Sonnets, Odes, and Epics.

• John Keats's famous quotations:
- “Beauty is truth, truth beauty,”—that is all
 Ye know on earth, and all ye need to know."
- "A thing of beauty is a joy forever:
Its loveliness increases; it will never
Pass into nothingness."
- "Heard melodies are sweet, but those unheard Are sweeter."
- "My heart aches, and a drowsy numbness pains
My sense, as though of hemlock I had drunk"
- "Where are the songs of spring? Aye, where are they?"
- "Ever let the Fancy roam,
Pleasure never is at home."

• Famous poems:
- Ode to Psyche,
- Ode to a Nightingale
- Ode on Melancholy,
- Ode on a Grecian Urn,
- To Autumn,
- Bright Star,
- On First Looking into Chapman's Homer,
- Lamia,
- Hyperion,
- The Eve of St. Agnes,
- La Belle Dame Sans Merci, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

১১.
Who wrote the novel “Under Western Eyes”?
  1. John Millington Synge
  2. Joseph Conrad
  3. Rudyard Kipling
  4. E. M. Forster
ব্যাখ্যা

• The novel “Under Western Eyes” was written by Joseph Conrad.

• Under Western Eyes:
- "Under Western Eyes" হলো Joseph Conrad-এর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা ১৯১১ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি মূলত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র, নৈতিক সংকট, এবং মানবচেতনার দ্বন্দ্ব নিয়ে রচিত।
- গল্পের পটভূমি রাশিয়া ও সুইজারল্যান্ডে, যেখানে এক তরুণ ছাত্র Razumov বিপ্লবীদের কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বাসঘাতকতার পর নিজেই মানসিক যন্ত্রণায় ভোগে।
- কাহিনিটি দেখায় কিভাবে রাজনীতি ও আদর্শের নামে মানুষ নিজের নৈতিকতা হারায়, এবং পশ্চিমা দৃষ্টিকোণ থেকে পূর্বের সমাজকে বোঝার চেষ্টা করে।

• Joseph Conrad (1857-1924):
- তার Original name: Jozef Teodor Konrad Korzeniowski.
- তিনি ছিলেন একজন পোলিশ বংশোদ্ভূত English novelist ও short-story writer.
- During his lifetime, Conrad was admired for the richness of his prose and his renderings of dangerous life at sea and in exotic places.

• Notable works:
- Heart of Darkness (Novella),
- Lord Jim,
- Nostromo,
- The Secret Agent,
- Under Western Eyes,
- Typhoon,
- Victory,
- Youth, etc.

Source: Britannica.

১২.
The idiom 'Worth someone's while' means-
  1. Out of order
  2. Rub the wrong way
  3. Worth doing
  4. Spend time without any purpose
ব্যাখ্যা

• The idiom 'Worth someone's while' means- Worth doing.

• Worth someone's while (idiom)
- English Meaning: worth doing: interesting or rewarding; important, useful, or satisfying enough to be worth the effort you make.
- Bangla Meaning: ফলপ্রসূ; কারো প্রচেষ্টার ফলসরূপ উপকারী অথবা যথেষ্ট সন্তোষজনক।

অন্যদিকে,
ক) Out of order
- অকেজো হয়ে যাওয়া / নিয়ন্ত্রণহীন।

খ) Rub the wrong way
- (কারও) মনের শান্তি নষ্ট করা, বিশেষ করে বারবার অপ্রীতিকর/বিরক্তিকর কাজ করে।

ঘ) Spend time without any purpose
- কোন উদ্দেশ্য ছাড়াই সময় কাটানো।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৩.
What is the plural form of 'Sheep'?
  1. Sheep
  2. Sheeps
  3. Sheepes
  4. Shep
ব্যাখ্যা

• The plural form of 'Sheep' is Sheep.

• Sheep (noun) 
- English meaning: A farm animal with thick wool that eats grass and is kept for its wool, skin, and meat.
- Bangla meaning: ভেড়া; মেষ; গড্ডল।

- এর Plural form হলো- Sheep.

• কতগুলো noun আছে যাদের singular এবং plural form একই রকম থাকে।
- যেমন: Sheep, Deer, Swine, Corps, Offspring, Pice, Series, Dozen, Species, Aircraft, Spacecraft, Public, Gross, Salmon, etc.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৪.
Which one is correctly spelled?
  1. Minuscale
  2. Miniscale
  3. Minuscule
  4. Minascule
ব্যাখ্যা

• The correctly spelled word is- গ) Minuscule.

• Minuscule (adjective, noun)
- English Meaning: very small; written in or in the size or style of minuscules.
- Bangla Meaning: অতি ক্ষুদ্র; পুঁচকে; পিচ্চি; ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র।

• Ex. Sentences: 
- A minuscule fragment of DNA.
- He believed the risk of infection was minuscule.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৫.
“Is that clock right? Is it noon already?”
Here, 'right' is-
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adjective
  4. Adverb
ব্যাখ্যা

• Is that clock right? Is it noon already?
- Here, 'right' is an Adjective.

- The word "right" follows the linking verb "is" and describes the subject "clock".
- অর্থাৎ, "right" এখানে 'clock' noun টিকে describe করছে তাই এটি Adjective.
- It answers the question: What is the state or condition of the clock?

• Right (adjective)
- English Meaning: conforming to facts or truth: correct; true or correct as a fact.
- Bangla Meaning: সত্য; নির্ভুল; সন্তোষজনক; ঠিক; সঠিক।

• Adjective:
- The parts of speech that modify a noun or a pronoun in a sentence are called adjectives.
- It is a part of speech that can be used to describe or provide more information about a noun or pronoun that acts as the subject in a sentence.
- অর্থাৎ, বাক্যের মধ্যে যে শব্দটি noun বা pronoun কে বিশেষায়িত করে তাকে adjective বলে।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

১৬.
"A person who helps another commit a crime" is called-
  1. Ally
  2. Henpecked
  3. Accomplice
  4. Collaborator
ব্যাখ্যা

• "A person who helps another commit a crime" is called- Accomplice.

• Accomplice (Noun)
- English Meaning: A person who helps another commit a crime; a person who helps you break the law.
- Bangla Meaning: আইন ভঙ্গকারী; (বিশেষত দুষ্কর্মের) সঙ্গী বা সহায়তাকারী; সহযোগী।

• Other options:
• Ally (Noun, Verb)
- English Meaning:
- 1. Someone who helps and supports someone else;
- 2. A country that has agreed officially to give help and support to another one, especially during a war.
- Bangla Meaning: চুক্তিসূত্রে বা বিবাহ দ্বারা মৈত্রীসম্পর্ক স্থাপন করা।

• Henpecked (adjective)
- English Meaning: continually criticized and given orders by one's wife or female partner (typically used of a man).
- Bangla Meaning: (পুরুষ) স্ত্রৈণ; স্ত্রীবশ।

• Collaborator (noun)
- English Meaning: someone who assists an enemy (such as an invader or part of an occupying force).
- Bangla Meaning: সহযোগী; রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কাজে শত্রুবাহিনীর সহযোগী।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.

১৭.
The bride couldn’t get ____ the shyness.
  1. off
  2. over
  3. down
  4. to
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The bride couldn’t get over the shyness.
- Bangla meaning: কনে লজ্জা কাটিয়ে উঠতে পারল না।

• Get over something
- English Meaning: overcome, surmount a difficulty; to return to your usual state of health or happiness after having a bad or unusual experience, or an illness.
- Bangla Meaning: (ক) (অসুস্থতা, আঘাত, বিস্ময় ইত্যাদি) কাটিয়ে ওঠা। (খ) জয় করা; দমন করা; কাটিয়ে ওঠা।

আবার,
- Get over somebody (কথ্য) কাউকে ভুলে যাওয়া।
- যেমন: He loved the girl passionately and never quite got over her. 

- Get something over (with): (বিশেষত অপ্রীতিকর কোনোকিছু) চুকিয়ে দেওয়া।
- যেমন: I have paid all my debts and I’m glad to get it over with.
- Get something over (to somebody) কাউকে কোনোকিছু বুঝিয়ে দেওয়া।

অন্যদিকে,
- Get off - রওয়ানা দেওয়া; যাত্রা করা: We got off at dawn.
- Get down to something - মন দিয়ে কাজে নেমে যাওয়া: get down to one’s work.
- Get somebody down (কথ্য.) বিষণ্ণ করা।
- Get to something/somebody - (কোথাও , (কোনোকিছুতে, কারো কাছে) পৌঁছানো।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

১৮.
He worked on without any noise.
The underlined part is-
  1. Noun phrase
  2. Verbal phrase
  3. Adverbial phrase
  4. Adjective phrase
ব্যাখ্যা

• He worked on without any noise.
- The underlined part is- Adverbial phrase.

- এখানে "without any noise" অংশটি একটি Adverb Phrase.
- এটি "worked" verb কে modify করে এবং বোঝায় কীভাবে সে কাজটি করেছে।
- This phrase describes how he worked?" → "without any noise".

• Adverbial Phrase:
- যে phrase বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে adverb এর মত কাজ করে তাকে Adverbial Phrase বলে।
- সাধারণত বাক্যকে কখন (when), কোথায় (where), কেন (why) ও কিভাবে (how) দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর হিসেবে যে phrase পাওয়া যায় সেটি Adverbial phrase.

অন্যদিকে,
• Noun phrase:
- Noun phrase হলো সেইসব phrase, যেসব phrase দ্বারা noun -এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- A noun phrase acts as a subject, object, complement.
- Example: She wore a beautiful red dress.

• Verbal phrase:
- যে phrase - verb-এর কাজ করে তাকে Verbal Phrase বলে।
- A verbal phrase would include a verb form.
- Example: You ought to respect your parents.

• Adjective phrase:
- যে phrase গুলো sentence -এ adjective -এর মত কাজ করে, অর্থাৎ Noun/Pronoun/noun phrase -কে modify করে, সেই phrase গুলোকে Adjective phrase বলে।
- Example: The boy in a white shirt is my cousin.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

১৯.
Choose the word similar in meaning to “Terse”-
  1. Rambling
  2. Descriptive
  3. Averse
  4. Short
ব্যাখ্যা

• The word similar in meaning to “Terse” is- ঘ) Short.

• Terse (adjective)
- English Meaning: using few words: devoid of superfluity; short, brusque.
- Bangla Meaning: (বাগভঙ্গি ও বক্তৃতাসম্পর্কিত) বাহুল্যবর্জিত, সংক্ষিপ্ত এবং লাগসই।

• Given options:
ক) Rambling: long and confused.
- অসংলগ্নভাবে, এলোমেলোভাবে কথা বলা, আলোচনা করা।

খ) Descriptive: giving details.
- বর্ণনাত্মক; বর্ণনামূলক।

গ) Averse: having a strong dislike.
- বিমুখ; পরাঙ্মুখ; বিরোধী; অনীহ।

ঘ) Short: relatively small in extent.
- সংক্ষেপে; অল্প কথায়।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The word similar in meaning to “Terse” is- ঘ) Short.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

২০.
He asked where I was going.
Here, the underlined part is an example of-
  1. Coordinate Clause
  2. Noun Clause
  3. Adjective Clause
  4. Adverbial Clause
ব্যাখ্যা

• He asked where I was going.
- Here, the underlined part is an example of- Noun Clause.

- সাধারণত যে সকল Verb এর পরে "it" বসানো যায়, অর্থাৎ transitive verb এর পরে That/ Wh Word দ্বারা শুরু হয়ে যদি কোনো Clause বসে তখন সেই Clause টি Noun Clause হয়।
- প্রদত্ত sentence টিতে 'where I was going' Noun clause এর নিয়ম অনুযায়ী transitive verb (asked) এর পরে Wh word (where) দ্বারা শুরু হয়ে noun এর কাজ করছে। 
- অর্থাৎ, "asked" Verb এর direct object হিসেবে এটি Noun clause হয়েছে।

• Noun Clause:
- যে সব Subordinate Clause Noun এর কাজ করে থাকে, অর্থাৎ Subject, Object, Compliment বা Case in Apposition- এর কাজ করে থাকে তাকে Noun Clause বলে।

• Noun Clause বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন:
- Verb এর Subject হিসেবে।
- Verb এর Object হিসেবে।
- Verb এর Subjective Complement হিসেবে।
- Verb এর Objective Complement হিসেবে।
- Preposition এর object হিসেবে।

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

২১.
His voice quavered with tenderness.
Here, the underlined word means-
  1. Loudness
  2. Hatefulness
  3. Gentleness and affection
  4. Indifference and nonchalance
ব্যাখ্যা

• His voice quavered with tenderness.
- Here, the underlined word means- Gentleness and affection.

• Tenderness (noun)
- English Meaning: gentleness and affection; the quality of being succulent and easily chewed.
- Bangla Meaning: কোমলতা; আবেগপ্রবণতা; অনুগ্রহ; রসালো এবং সহজে চিবানো যায় এমন।

• Given options:
ক) Loudness - উচ্চৈঃস্বর।

খ) Hatefulness - কদর্যতা; জঘন্যতা।

গ) Gentleness and affection - ভদ্রতা; সহৃদয়তা; স্নেহ।

ঘ) Indifference and nonchalance - উদাসীনতা এবং ঔদাসীন্য।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

২২.
Fill in the blank: We have never _____ a car.
  1. have
  2. had
  3. have been
  4. have had
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: We have never had a car.
- Bangla meaning: আমাদের কখনও গাড়ি ছিল না।

• কোনো বাক্যে already, just, just now, yet, recently, lately, never, ever, still ইত্যাদি adevrb থাকলে বাক্যটি সাধারণত present perfect tense -এ হয়।
- অর্থাৎ, এগুলো হচ্ছে- present perfect tense indicator বা নির্দেশক।
- Structure: Sub + have/has + past participle + ext.
- The past participle of have is had.

- সুতরাং, present perfect tense -এর গঠন অনুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক verb form হবে- খ) had.

২৩.
Othello wronged her gravely as he killed Desdemona.
Here, the underlined word functions as-
  1. Noun
  2. Adverb
  3. Adjective
  4. Verb
ব্যাখ্যা

• Othello wronged her gravely as he killed Desdemona.
- Here, the underlined word functions as- Adverb.

- Gravely modifies the verb "wronged", describing how or in what manner Othello wronged her.
- অর্থাৎ, "Gravely" এখানে verb "wronged"-কে modify করার কারণে adverb (ক্রিয়া বিশেষণ) হিসেবে কাজ করছে।
- এটি দ্বারা বুঝাচ্ছে Othello কীভাবে wronged করেছে = gravely (গুরুতরভাবে/মারাত্মকভাবে)।

• Gravely (adverb)
- English Meaning: to a degree that gives cause for alarm; in a serious or solemn manner.
- Bangla Meaning: গুরুতরভাবে/মারাত্মকভাবে।

• Adverb:
- Adverb হচ্ছে এমন এক ধরনের word যেটি বাক্যস্থিত Noun and pronoun ব্যতীত যেকোনো parts of speech কে অথবা একটি গোটা বাক্যকে modify বা বিশেষিত করতে পারে।
- Adverb সাধারণত, কীভাবে? কখন? কোথায়? কেন? ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর দেয়।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Dictionary.

২৪.
It is more than brevity. (Make it positive)
  1. Brevity is as much as it.
  2. Brevity is not much as it. 
  3. Brevity is not as much as it.
  4. Brevity is as less much as it.
ব্যাখ্যা

- Comparative: It is more than brevity.
- Positive: Brevity is not as much as it.

• Than যুক্ত Comparative degree -কে Positive degree তে রূপান্তরের নিয়ম: 
- প্রদত্ত sentence -এর than -এর পরের অংশ প্রথমে বসে + তারপর subject অনুযায়ী verb বসে।
- এরপর মূল sentence টি affirmative হলে, not বসে (Negative হলে not উঠে যায়)।
-  so/as + Comparative degree -এর positive form + as বসে।
-  প্রদত্ত sentence -এর প্রথম subject বসে।

• More examples:
- Comparative: A lion is not stronger than he.
- Positive: He is as strong as a lion.

২৫.
____ virtue is its own reward.
  1. A
  2. An
  3. The
  4. Zero article
ব্যাখ্যা

• Virtue is its own reward.
- No article is needed.

• Omission of article:
- সাধারণত material noun এবং abstract noun (uncountable) -এর পূর্বে article বসে না।
- যেমন: Virtue is its own reward. 

More examples:
- Wisdom is the gift of heaven.
- Honesty is the best policy.

- তবে এদেরকে নির্দিষ্ট করে বোঝালে তার পূর্বে article হিসেবে the বসে।
- যেমন: The wisdom of Socrates is great.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

২৬.
The correct passive form of: We ought to do more exercise.
  1. More exercise was done by us.
  2. More exercise ought to be done by us.
  3. More exercise ought to do by us.
  4. More exercise was ought to do by us.
ব্যাখ্যা

- Active: We ought to do more exercise.
- Passive: More exercise ought to be done by us.

• May, might, can, could, will, would, must, ought to, used to, be going to, ইত্যাদি Modal যুক্ত Active Voice কে Passive Voice -এ পরিবর্তন করতে হলে-
- Modal auxiliary verb গুলোর কোনো পরিবর্তন হয় না, এদের পরে be বসে এবং তার পরেই মূল Verb টির Past Participle বসে।

- Structure: Object টির Subject form + may/might + be + মূল verb এর Past Participle + by + subject টির objective form.

More examples:
- Active: You must shut these doors.
- Passive: These doors must be shut.

- Active: We ought to obey our parents.
- Passive: Our parents ought to be obeyed by us.

২৭.
Choose the correct sentence:
  1. The stage had been lit on candles.
  2. The stage had been lit from candles.
  3. The stage had been lit with candles.
  4. The stage had been lit for candles.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: গ) The stage had been lit with candles.

• Light/Lit with (make bright) 
- English Meaning: to produce light that makes an object or area bright or easy to see.
- Bangla Meaning: এমন আলো তৈরি করা যা কোনও বস্তু বা জায়গাকে উজ্জ্বল বা সহজে দেখা যায়।

- যখন কোনো instrument বা means (উপকরণ) (especially in passive voice) দিয়ে আলো জ্বালানো হয় তখন "Lit with" ব্যবহারই উপযুক্ত।
- অর্থাৎ, যখন কোনো tool, instrument, বা material ব্যবহার করে কাজ করা হয়, তখন "with" ব্যবহৃত হয়।
- More examples:
- The hall was illuminated with lamps.
- The room was decorated with flowers.
- The letter was written with a pen.

অন্যদিকে,
- Lit by - "by" সাধারণত agent (কর্তা) বোঝায় যখন কেউ সক্রিয়ভাবে কাজ করে।
- যেমন: The stage was lit by the crew.

আবার,
- "Lit by" (provide with light or lighting) আলোকবিশিষ্ট করা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- The room was lit by a number of small lamps.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Oxford Dictionary.

২৮.
The noise set the baby crying.
Here, 'crying' is-
  1. Gerund
  2. Participle
  3. Finite verb
  4. Infinitive
ব্যাখ্যা

• The noise set the baby crying.
- Here, 'crying' is a present participle.

- "The noise set the baby crying" - এখানে "crying" হলো present participle যা object complement হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- অর্থাৎ, 'crying' এখানে object "the baby"-এর state/condition বর্ণনা (modify) করছে বিধায় adjective হিসেবে কাজ করছে, তাই এটি present participle.
- Structure: Subject (noise) + verb (set) + object (baby) + object complement (crying).

• Present participle:
- Verb -এর সাথে ing যোগ হয়ে যদি adjective -এর কাজ করে অর্থাৎ, একই সাথে Verb ও adjective -এর কাজ করে, তাহলে তাকে present participle বলে।
- সহজ ভাষায় → present participle হলো Verb + ing = adjective = Verb + adjective কাজ করে।
- Present participle দ্বারা চলমান sense বোঝায়।

• More examples:
- I saw him running.
- She kept me waiting.
- The news left her crying.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

২৯.
We played until it ______.
  1. get dark
  2. got dark
  3. is dark
  4. has darkened
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: We played until it got dark.
- Bangla meaning: আমরা অন্ধকার না হওয়া পর্যন্ত খেললাম।

• Till/Until (conjunction) যে পর্যন্ত না; যতক্ষণে না; না… পর্যন্ত।
- 'until' negative অর্থ প্রদান করে, তাই এর পরে no/not/never ইত্যাদি বসে না।
- 'until' যুক্ত clause টি সাধারণত বাক্যের শুরুতে বসে না।

• When, as, till, until ইত্যাদি যখন সময় অর্থে ব্যবহৃত হয় তখন এগুলোর পূর্বে past form থাকলে পরের অংশে past indefinite এবং past perfect tense দুইটির ব্যবহারই শুদ্ধ।
- যেমন:
- We played until it got dark.
- এখানে, until এর আগে এবং পরে উভয় ক্ষেত্রেই past indefinite tense ব্যবহৃত হয়েছে।

• আবার,
- We waited until she had finished speaking.
- এখানে until এর আগের অংশে past indefinite tense এবং পরের অংশে past perfect tense ব্যবহৃত হয়েছে।

অন্যদিকে,
- Till/unlill যুক্ত বাক্যের প্রথম clause টি future indefinite হলে, till/until এর পরের clause টি present indefinite হয়।
- Will you wait until I am ready?

ব্যতিক্রম,
- কোনো কাজ ভবিষ্যতের নির্দিষ্ট একটা সময় পর্যন্ত চললে অর্থাৎ, কাজটি শেষ হওয়ার উপর গুরুত্ব দিলে until -এর পরে present perfect tense ও হয়।
- যেমন: Stay here until the danger has passed.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Longman Dictionary.

৩০.
Choose the correct sentence:
  1. Neither of the two boys was wrong.
  2. Neither of the two boys were wrong.
  3. Neither of the two boy was wrong.
  4. Neither of the two boy were wrong.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: ক) Neither of the two boys was wrong.

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,

• Either of, Neither of এর পরে plural noun/pronoun এবং singular verb বসে।
- Either দ্বারা দুইয়ের প্রত্যেকটি বুঝানো হয়।
- Neither দ্বারা দুইয়ের কোনটিই নয় বুঝানো হয়।

• 'Neither of' যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়ম:
- Neither + of + plural noun + singular verb.

• Other options:
খ) Neither of the two boys were wrong.
- Plural verb 'were' ব্যবহৃত হয়েছে তাই ভুল।

গ) Neither of the two boy was wrong.
- Singular noun 'boy' ব্যবহৃত হয়েছে তাই ভুল।

ঘ) Neither of the two boy were wrong.
- Singular noun 'boy' এবং plural verb 'were' ব্যবহৃত হয়েছে তাই ভুল।

৩১.
স্বাধীনতা-উত্তরকালে আল মাহমুদ কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
  1. দৈনিক ইত্তেফাক
  2. দৈনিক গণকণ্ঠ
  3. দৈনিক বাংলার বাণী
  4. দৈনিক আজাদ
ব্যাখ্যা

• আল মাহমুদ (১৯৩৬-২০১৯):
- তিনি ছিলেন একজন প্রথিতযশা কবি এবং বিশ শতকের বাংলা সাহিত্যে তিনি এক প্রতিনিধিত্বশীল প্রতিভা। 
- তাঁর প্রকৃত নাম: মীর আবদুস শুকুর আল মাহমুদ।
- যিনি আল মাহমুদ নামে অধিক পরিচিত।
- তিনি একাধারে কবি, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, ছোটগল্প লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং সাংবাদিক ছিলেন।
- স্বাধীনতা-উত্তরকালে আল মাহমুদ দৈনিক ”গণকণ্ঠ” এর সম্পাদক ছিলেন। এই পত্রিকাটি ১৯৭২ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হওয়া শুরু হয় এবং তিনি এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- কালের কলস,
- সোনালী কাবিন,
- পাখির কাছে ফুলের কাছে,
- অদৃষ্টবাদীদের রান্নাবান্না ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- ডাহুকী,
- উপমহাদেশ,
- আগুনের মেয়ে,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- কাবিলের বোন ইত্যাদি

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,,
- সৌরভের কাছে পরাজিত,
- গন্ধবণিক,
- ময়ূরীর মুখ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩২.
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত কে?
  1. রামনারায়ণ তর্করত্ন
  2. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  3. রামকিশোর দত্ত
  4. চণ্ডীচরণ মুনশি
ব্যাখ্যা

• ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ:
- লর্ড ওয়েলেসলী ১৮০০ সালে কলকাতায় ফোর্ট উইলিয়ম কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন।
- বাংলাসহ ভারতের অনেক ভাষা বিশেষজ্ঞ ও ধর্মপ্রচারক উইলিয়ম কেরীকে স্থানীয় ভাষা বিভাগের প্রধান নিয়োগ করা হয়।
- ১৮০১ সালের মে মাসে উইলিয়াম কেরী ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক নিযুক্ত হন।
- পরবর্তীতে ১৮০৫ সালের মধ্যে কলেজে মোট ১২টি অনুষদ খোলা হয়।

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন:
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলোচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি।

• মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার:
- উইলিয়াম কেরির অধীনস্থ প্রধান পণ্ডিত ছিলেন মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার।
- বত্রিশ সিংহাসন (১৮০২), রাজাবলি (১৮০৮), হিতোপদেশ (১৮০৮), বেদান্তচন্দ্রিকা(১৮১৭) ও প্রবোধচন্দ্রিকা (১৮৩৩)—এই পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন।
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার শুধু অধ্যাপক পণ্ডিতই ছিলেন না, তিনি সে যুগের বহু জনহিতকর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন।
- তাঁর শাস্ত্রজ্ঞান ও পাণ্ডিত্যের খ্যাতি সে আমলে প্রবাদ বাক্যের মত ছড়িয়ে পড়েছিল।

• ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের মধ্যে মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার সবচেয়ে বেশি গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি ছিলেন ভাষাবিদ ও ভাষাশিল্পী।
- তাই, তাকে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখকগণের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক বলা যায়।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৩.
কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ কোন ধারার কবি?
  1. কালিকামঙ্গল
  2. মনসামঙ্গল
  3. অন্নদামঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা

• মনসামঙ্গল কাব্য ধারার কবি:
- কানাহরি দত্ত,
- নারায়ণদেব,
- বিজয়গুপ্ত,
- বিপ্রদাস পিপিলাই,
- দ্বিজ বংশীদাস,
- কেতকাদাস ক্ষেমানন্দ।

• চণ্ডীমঙ্গল ধারার কয়েকজন কবি:
- মানিকদত্ত,
- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী,
- দ্বিজ মাধব,
- দ্বিজরাম দেব,
- মুক্তরাম সেন প্রমুখ।

• ধর্মমঙ্গল কাব্য ধারার কবি:
- ময়ূর ভট্ট,
- আদিরূপরাম,
- খেলারাম চক্রবর্তী,
- শ্যাম পণ্ডিত,
- ঘনরাম চক্রবর্তী,
- নরসিংহ বসু।

• 'অন্নদা মঙ্গল’ ধারার কবি - ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩৪.
জসীম উদ্‌দীন এর ক্ষেত্রে কোনটি মিথ্যা?
  1. পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক ছিলেন। 
  2. তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
  3. ‘সঞ্চয়ন’ তাঁর নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।
  4. ছাত্র জীবনেই তাঁর কবি প্রতিভার প্রকাশ ঘটে।
ব্যাখ্যা

• জসীম উদ্‌দীন:
- জসীমউদ্‌দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- জসীমউদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীমউদ্‌দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়। তবে অনেকে মনে করেন, তিনি ‘আধুনিক কবি’।
- ছাত্র জীবনেই তাঁর কবি প্রতিভার প্রকাশ ঘটে।
- ‘সুচয়নী’ জসীম উদ্‌দীন রচিত নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ।

অর্থ্যাৎ, ‘সঞ্চয়ন’ জসীমউদ্‌দীন নির্বাচিত কবিতার সংকলন গ্রন্থ নয়। কাজী মোতাহার হোসেন রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধ সংকলন ‘সঞ্চয়ন’। এটি ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয়। 

• জসীম উদ্‌দীন রচিত গানের সংকলনগুলো হলো:
- রঙ্গিলা নায়ের মাঝি,
- গাঙ্গের পাড়,
- জারিগান। 

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নকশী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ:
- হাসু,
- এক পয়সার বাঁশী,
- ডালিমকুমার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩৫.
ফররুখ আহমদের প্রথম খ্যাতি আসে কোন কবিতার মাধ্যমে?
  1. সাত সাগরের মাঝি
  2. লাশ
  3. সিন্দবাদ
  4. মুহূর্তের কবিতা
ব্যাখ্যা

ফররুখ আহমদ ও তাঁর সাহিত্যকীর্তি:

জন্ম ও পরিচয়:
ফররুখ আহমদ ছিলেন বাংলাদেশের একজন খ্যাতনামা মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি। তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন, মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। সাহিত্যজগতে তাঁর আবির্ভাব ঘটে কিশোর বয়সেই। তিনি বাংলা কবিতায় মুসলিম সংস্কৃতির পুনর্জাগরণ, ইসলামি ঐতিহ্যের চেতনা ও জাতীয়তার উন্মেষ ঘটান।

সাহিত্যজীবনের সূচনা ও খ্যাতি: 
১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে লেখা ‘লাশ’ কবিতার মাধ্যমে ফররুখ আহমদ প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
একই বছর প্রকাশিত হয় তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ সাত সাগরের মাঝি, যা তাঁকে খ্যাতির শীর্ষে নিয়ে যায়।
 
সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪) কাব্যগ্রন্থ:
• এটি ফররুখ আহমদের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
• রচনাকাল: ১৯৪৩–৪৪ খ্রিষ্টাব্দ।
• প্রকাশকাল: ১৯৪৪ খ্রিষ্টাব্দ।
• এতে মোট ১৯টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
• উল্লেখযোগ্য কবিতা:
- সিন্দবাদ, পাঞ্জেরি, লাশ, আউলাদ, দরিয়ার শেষরাত্রি, সাত সাগরের মাঝি ইত্যাদি।

কাব্যগ্রন্থটির বৈশিষ্ট্য:
- মুসলিম জাগরণের লক্ষ্যে কবিতাগুলো লেখা হয়েছে।
- বাংলা প্রচলিত শব্দ পরিত্যাগ করে কবি বহু অপ্রচলিত আরবি-ফারসি শব্দ ব্যবহার করেছেন।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী বিরূপ সমাজ বাস্তবতা প্রতিফলিত হয়েছে।
 
উল্লেখযোগ্য কাব্য ও গ্রন্থসমূহ:
• আজাদ কর পাকিস্তান;
• সিরাজাম মুনীরা;
• হে বন্য স্বপ্নেরা;
• ইকবালের নির্বাচিত কবিতা;
• কাফেলা;
• হাবেদা মরুর কাহিনী;
• তসবির নামা;
• দিলরুবা;
• ঐতিহাসিক অনৈতিহাসিক কাব্য;
• অনুস্বার;
• ধোলাই কাব্য।
 
নাটক, কাহিনিকাব্য ও অন্যান্য রচনা:
• নৌফেল ও হাতেম (১৯৬১) → কাব্যনাট্য।
• মুহূর্তের কবিতা (১৯৬৩) → সনেট সংকলন।
• হাতেমতায়ী (১৯৬৬) → কাহিনিকাব্য, এর জন্য তিনি আদমজি পুরস্কার পান।
• পাখির বাসা (১৯৬৫) → শিশুতোষ গ্রন্থ, এর জন্য ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
 
পুরস্কার ও সম্মাননা:
• বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬০);
• প্রেসিডেন্ট পুরস্কার Pride of Performance (১৯৬১);
• আদমজি পুরস্কার (১৯৬৬);
• ইউনেস্কো পুরস্কার (১৯৬৬);
• মরণোত্তর একুশে পদক (১৯৭৭);
• স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৮০)।
 
কবির মৃত্যু:
১৯৭৪ সালের ১৯ অক্টোবর, ঢাকায় ফররুখ আহমদের মৃত্যু হয়।

উৎস: 
১. বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২. বাংলাপিডিয়া।
৩. দৈনিক পত্রিকা।
৪. সাত সাগরের মাঝি, ফররুখ আহমদ।

৩৬.
'দি ডিসগাইজ' নাটকের বাংলা অনুবাদ করেন কে?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. উইলিয়াম কেরি 
  3. হেরাসিম লেবেডেফ
  4. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা

• 'দি ডিসগাইজ' নাটকের বাংলা অনুবাদ করেছেন- 'হেরাসিম লেবেডেফ'। 

• বাংলা নাটকের উৎস ও বিকাশ: 
- আঠারো শতকের শেষদিকে নেপালে বাংলা নাটক রচিত ও অভিনীত হয়। কিন্তু বাংলা নাট্যসাহিত্যের ইতিহাসে এসব একটা কৌতূহল ছাড়া অন্য কোন প্রভাব বিস্তার করতে পারে নি।
- বাংলা নাটকের প্রথম অভিনয় হয় ১৭৯৫ সালে।
- হেরাসিম লেবেডফ নামে একজন রুশদেশীয় আগন্তুক কলকাতায় প্রথম ‘বেঙ্গল থিয়েটার’ নামে একটি রঙ্গালয় স্থাপন করেন।
- তিনি “The Disguise” এবং “Love is the best Doctor” নামে দুখানা নাটক বাংলা ভাষান্তরিত করে এদেশীয় পাত্রপাত্রীর দ্বারা অভিনয় করান।
- এতে ভারতচন্দ্র রচিত গান সংযোজিত হয়েছিল।
- ১৮৩১ সালে প্রসন্নকুমার ঠাকুর কর্তৃক কলকাতায় ‘হিন্দু থিয়েটার’ নামক প্রথম বাংলা নাট্যাভিনয়ের উপযোগী রঙ্গমঞ্চ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সেখানে ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের বিদ্যাসুন্দর অংশের নাট্যরূপ অভিনীত হয়।
- বাংলা মৌলিক নাটক রচনার সূত্রপাত হয় ১৮৫২ সালে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৩৭.
"অপণা মাংসে হরিণা বৈরী।" - লাইনটি চর্যাপদের কত নং পদে উল্লেখ আছে?
  1. ১ নং 
  2. ৬ নং 
  3. ৩৩ নং 
  4. ২৯ নং 
ব্যাখ্যা

• ‘অপণা মাংসেঁ হরিণা বৈরী’- ভুসুকুপা রচিত চর্যাপদের ৬নং পদ এর অন্তর্গত।

• চর্যাগীতি রচনার সংখ্যাধিক্যে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন — ভুসুকুপা।
- তাঁর রচিত আটটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে রচিত।
- নানা কিংবদন্তি বিচারে ভুসুকু নামটিকে ছদ্মনাম বলে মনে করা হয়।
- তাঁর প্রকৃত নাম শান্তিদেব।

• তাঁর রচিত চর্যাপদের নমুনা-
"কাহৈরি ঘিনি মেলি অচ্ছহু কীস।
বেটিল ডাক পড়অ চৌদীস।।
অপণা মাংসেঁ হরিণা বৈরী।
খনহ ন ছাড়অ ভুসুকু আহেরী।।"

অপণা মাংসেঁ হরিণা বৈরী: 
হরিণের মাংস সুস্বাদু বলে শিকারি তার পেছনে তীর হাতে ছোটে। হরিণের মাংস বিস্বাদ হলে শিকারি হরিণের দিকে চোখ তুলে চেয়েও দেখত না। কাজেই হরিণ নিজেই নিজের শত্রু। প্রাচীন বাংলা সাহিত্যের কবি শিকারির ওপর দোষ না রেখে ভিকটিম হরিণের ওপর দোষ চাপিয়ে দিয়েছেন। কবির কথার পক্ষে-বিপক্ষে অনেক যুক্তি থাকতে পারে, তবে কবির কথাটা রূঢ় বাস্তব।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম, চর্যাগীতিকা- মুহম্মদ আবদুল হাই।

৩৮.
‘সত্যসুন্দর দাস’ কার ছদ্মনাম?
  1. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  2. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় 
  3. মোহিতলাল মজুমদার
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

• মোহিতলাল মজুমদার এর ছদ্মনাম - সত্যসুন্দর দাস।
- তিনি তাঁর সমালোচনামূলক প্রবন্ধগুলিতে ‘কৃত্তিবাস ওঝা’, ‘সব্যসাচী’, ‘শ্রী সত্যসুন্দর দাস’ ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করতেন।

মোহিতলাল মজুমদার:
- ১৮৮৮ সালের ২৬ অক্টোবর নদীয়ার কাচঁড়াপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বঙ্গদর্শন পত্রিকা তৃতীয় পর্যায়ে মোহিতলালের সম্পাদনায়ই প্রকাশিত হয়।
- মোহিতলাল মজুমদারের সাহিত্যচর্চার শুরু মানসী পত্রিকার মাধ্যমে।

তাঁর উল্লেখযোগ্য কয়েকটি গ্রন্থ হলো:
- স্বপন পসারী,
- স্মরগরল,
- আধুনিক বাংলা সাহিত্য,
- বাংলা কবিতার ছন্দ,
- কবি শ্রীমধুসূদন,
- সাহিত্য বিচার,
- বাংলা ও বাঙালী,
- কবি রবীন্দ্র ও রবীন্দ্রকাব্য (২ খন্ড ১৯৫২, ১৯৫৩) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

৩৯.
'রিক্তের বেদন' গল্পগ্রন্থের প্রধান বিষয় কী?
  1. সামাজিক বৈষম্য
  2. প্রেম
  3. দেশপ্রেম
  4. ধর্মীয় সংস্কার 
ব্যাখ্যা

• 'রিক্তের বেদন':
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রিক্তের বেদন' দ্বিতীয় প্রকাশিত গ্রন্থ।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে।
- এই গল্পগ্রন্থের প্রতিটি গল্পই সমকালীন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- গল্পগুলোর প্রধান বিষয় হলো- প্রেম।
- এই গ্রন্থে প্রেমকে কেন্দ্র করে পারিপার্শ্বিক ঘটনা ও নারীদের বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

‘রিক্তের বেদন’ গ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত গল্পগুলো:
- রিক্তের বেদন,
- বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী,
- মেহের নেগার,
- সাঁঝের তারা,
- রাক্ষুসী,
- স্বামী হারা,
- দুরন্ত পথিক।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; ‘রিক্তের বেদন’ গ্রন্থ।

৪০.
পুঁথি সাহিত্যের প্রথম ও সার্থক জনপ্রিয় কবি ছিলেন?
  1. শেখ ফয়জুল্লাহ
  2. আলাওল 
  3. সাবিরিদ খান 
  4. ফকির গরিবুল্লাহ
ব্যাখ্যা

• পুঁথি সাহিত্যর প্রথম, শ্রেষ্ঠ ও সার্থক কবি- ফকির গরীবুল্লাহ।
------------------
• পুঁথি সাহিত্য:
- পুঁথি সাহিত্য আরবি, উর্দু, ফারসি ও হিন্দি ভাষার মিশ্রণে রচিত এক বিশেষ শ্রেণীর বাংলা সাহিত্য। আঠারো থেকে উনিশ শতক পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল। এ সাহিত্যের রচয়িতা এবং পাঠক উভয়ই ছিল মুসলমান সম্প্রদায়।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে একটি বিশেষ সময়ে রচিত বিশেষ ধরণের সাহিত্যই পুথি সাহিত্য নামে পরিচিত। হুগলির বালিয়া-হাফেজপুরের কবি ফকির গরীবুল্লাহ (আনু. ১৬৮০-১৭৭০)  আমীর হামজা রচনা করে এ কাব্যধারার সূত্রপাত করেন।
---------------------
- দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্যর প্রাচীনতম, আদি, শ্রেষ্ঠ ও সার্থক কবি ফকির গরীবুল্লাহ।
- ফকির গরীবুল্লাহ না থাকলে উত্তর হবে সৈয়দ হামজা।
- মর্সিয়া‌ সাহিত্যের আদি কবি শেখ ফয়জুল্লাহ।
-------------------
• পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ফকির গরীবুল্লাহ্‌।
- তিনি ’আমীর হামজা’ কাব্য রচনা করেন।

• ফকির গরীবুল্লাহ রচিত কাব্য-
- আমীর হামজা (প্রথম অংশ),
- সােনাভান,
- জঙ্গনামা,
- সত্যপীরের পুঁথি ও
- ইউসুফ জোলেখা। 

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও বাংলাপিডিয়া।

৪১.
‘বনলতা সেন’ কবিতায় কোন বিদেশি কবির প্রভাব রয়েছে?
  1. শেলি
  2. ইয়েটস
  3. রবার্ট ব্রাউনিং 
  4. এডগার অ্যালান পো
ব্যাখ্যা

• জীবনানন্দ দাশ: 
- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালে বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।
- তাঁর রচিত ‘বনলতা সেন’ আধুনিক বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনামা গ্রন্থগুলির অন্যতম।
- এ কাব্যের ‘বনলতা সেন’ কবিতাটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা।

• জীবনানন্দ দাশের কবিতায় বিখ্যাত কবিদের প্রভাব:
- জীবনান্দ দাশ ইয়েটস, বেদলেয়ার, অ্যাডগার এলেন পো দ্বারা প্রভাবিত ছিলেন।
- তাঁর রচিত 'মহাপৃথিবী' কাব্যের অন্তর্গত 'হায় চিল' কবিতার সাথেও ইয়েটস্-এর He reproves the curlow কবিতার মিল রয়েছে।
- তাঁর "মৃত্যুর আগে" কবিতাটির সাথে আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস রচিত কবিতাটির The falling of the Leaves মিল রয়েছে।
- 'বনলতা সেন' কবিতাটিতে এডগার অ্যালান পো এর কবিতা 'টু হেলেন' এর প্রভাব রয়েছে।

• 'বনলতা সেন' কবিতা:  
- 'বনলতা সেন' আধুনিক বাংলা সাহিত্যের খ্যাতনাম গ্রন্থগুলির অন্যতম।
- এ কাব্যগ্রন্থের 'বনলতা সেন' কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা।
- জীবনানন্দ দাশ তাঁর অশ্রুতপূর্ব উপমা প্রয়োগে এই কবিতাটি রচনা করেন।

বনলতা সেন- কবিতা, 
জীবনানন্দ দাশ।

হাজার বছর ধরে আমি পথ হাঁটিতেছি পৃথিবীর পথে,
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশীথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
অনেক ঘুরেছি আমি; বিম্বিসার অশোকের ধূসর জগতে
সেখানে ছিলাম আমি; আরো দূর অন্ধকারে বিদর্ভ নগরে;
আমি ক্লান্ত প্রাণ এক, চারিদিকে জীবনের সমুদ্র সফেন,
আমারে দু-দণ্ড শান্তি দিয়েছিলো নাটোরের বনলতা সেন।

চুল তার কবেকার অন্ধকার বিদিশার নিশা,
মুখ তার শ্রাবস্তীর কারুকার্য; অতিদূর সমুদ্রের ’পর
হাল ভেঙে যে-নাবিক হারায়েছে দিশা
সবুজ ঘাসের দেশ যখন সে চোখে দেখে দারুচিনি-দ্বীপের ভিতর,
তেমনি দেখেছি তারে অন্ধকারে; বলেছে সে, ‘এতদিন কোথায় ছিলেন?’
পাখির নীড়ের মতো চোখ তুলে নাটোরের বনলতা সেন।

 • তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: 
- ধূসর পান্ডুলিপি, 
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।  
 
উৎস: বাংলাপিডিয়া, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা

৪২.
কবিগানের আদি কবিয়াল কে?
  1. নিতাই বৈরাগী
  2. গোঁজলা গুঁই
  3. হরু ঠাকুর
  4. এন্টনি ফিরিঙ্গি
ব্যাখ্যা

• কবিগান: 
- কবিগান এক ধরনের প্রতিযোগিতামূলক গান।
- দুটি দলে এ প্রতিযোগিতা হয়। দলের দলপতিকে বলে কবিয়াল বা সরকার।
- কবিয়ালের সঙ্গীদের নাম দোহার। যন্ত্রসঙ্গীতকারীদের মধ্যে ঢুলি মুখ্য ভূমিকা পালন করে।
- দল দুটি পর্যায়ক্রমে আসরে এসে গান পরিবেশন করে।

- গোঁজলা গুঁইকে বলা হয় কবিগানের আদি কবিয়াল।
- তাঁর আবির্ভাবকাল আঠারো শতকের প্রথমার্ধ।
- উনিশ শতকের কলকাতায় যে কয়জন কবিয়াল বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন, তাঁদের মধ্যে হরু ঠাকুর (১৭৪৯-১৮২৪), নিতাই বৈরাগী (১৭৫১-১৮২১), রাম বসু (১৭৮৬-১৮২৮), ভোলা ময়রা, এন্টনি ফিরিঙ্গি প্রমুখের নাম উল্লেখযোগ্য।
- উল্লেখযোগ্য কবিগানের ধরন - তর্জা, পাঁচালি, খেউড়, আখড়াই, দাঁড়া কবিগান, বসা কবিগান, ঢপ, টপ্পা, কীর্তন ইত্যাদি।

• উল্লেখযোগ্য কবিগান রচয়িতা: 
- গোঁজলা গুই (প্রাচীন কবি), 
- রাম বসু,
- নৃসিংহ, 
- এন্টনি ফিরিঙ্গি,
- হরু ঠাকুর, 
- রামনিধি গুপ্ত,
- কেষ্টা মুচী, 
- ভবানী,
- রামানন্দ নন্দী।

উৎস: লাল নীল দীপাবলি, ড. হুমায়ুন আজাদ, বাংলাপিডিয়া, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৪৩.
চর্যাপদ কত বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৩০৭
  2. ১৩১৭
  3. ১৩১৬
  4. ১৩২৩
ব্যাখ্যা

• চর্যাপদ ১৩২৩ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত হয়।

- চর্যাপদ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে (১৩১৪ বঙ্গাব্দে)
- এবং ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দে) কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- প্রাচীন এ গ্রন্থটির সম্পাদনা করেন মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী।

চর্যাপদ 
- চর্যাপদ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন গ্রন্থ।
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খন্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে।
- চর্যাপদ গ্রন্থের প্রথম পদটির রচয়িতা লুইপা।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ।
- চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- চর্যাপদের কবিরা হলেন সরহপা, শবরপা, লুইপা, ডোম্বীপা, ভুসুকুপা,  কাহ্নপা, কুক্কুরীপা, মীনপা, আর্যদেব, ঢেণ্ঢনপা প্রমুখ।
- কাহ্নপা সর্বাপেক্ষা বেশি ১৩টি পদ রচনা করেন।
- ভুসুকুপা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮ টি পদ লেখেন।
- চর্যাপদের পদগুলো সন্ধ্যা বা সান্ধ্যাভাষায় রচিত। 
- চর্যাপদের ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে। 

উৎসঃ বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।

৪৪.
"কালো আর ধলো বাহিরে কেবল,
ভিতরে সবারই সমান রাঙা।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. কামিনী রায় 
  4. মদনমোহন তর্কালঙ্কার 
ব্যাখ্যা

• "কালো আর ধলো বাহিরে কেবল,
ভিতরে সবারই সমান রাঙা।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা- 'সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত'। 

• সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত: 
- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত কবি ও ছান্দসিক।
- কলকাতার নিকটবর্তী নিমতা গ্রামে ১৮৮২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
-  সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত বাংলা সাহিত্য 'ছন্দের জাদুকর' বা 'ছন্দের রাজা' হিসেবে খ্যাত।
• সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কিছু ছদ্মনাম হলো: নবকুমার, কবিরত্ন, অশীতিপর শর্মা, ত্রিবিক্রম বর্মণ, কলমগীর।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সবিতা,
- সন্ধিক্ষণ,
- বেণু ও বীণা,
- কুহু ও কেকা,
- তুলির লিখন,
- হোমশিখা,
- অভ্র-আবীর,
- হসন্তিকা,
- বেলা শেষের গান,
- বিদায় আরতি ইত্যাদি।‌

• তাঁর রচিত অনুবাদকাব্য:
- তীর্থ রেণু,
- মণি মঞ্জুষা।

মানুষ জাতি- কবিতা,
-------------- সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত।
জগৎ জুড়িয়া এক জাতি আছে
সে জাতির নাম মানুষ জাতি;
এক পৃথিবীর স্তন্যে লালিত
একই রবি শশী মোদের সাথী।
শীতাতপ ক্ষুধা তৃষ্ণার জ্বালা
সবাই আমরা সমান বুঝি,
কচি কাঁচাগুলি ডাঁটো করে তুলি
বাঁচিবার তরে সমান যুঝি।
দোসর খুঁজি ও বাসর বাঁধি গো,
জলে ডুবি, বাঁচি পাইলে ডাঙা,
কালো আর ধলো বাহিরে কেবল
ভিতরে সবারই সমান রাঙা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া, মানুষ জাতি- কবিতা।

৪৫.
‘শেষ রক্ষা’ রবীন্দ্রনাথের লেখা-
  1. উপন্যাস
  2. ছোটগল্প
  3. নাটক
  4. প্রবন্ধ
ব্যাখ্যা

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত নাটক - শেষ রক্ষা।
- এটি একটি হাস্যরসাত্মক নাটক।

নাটকের পাত্রগন:
- চন্দ্রকান্ত; ক্ষান্তমণি; বিনোদ; ইন্দু; গদাই; কমল

উল্লেখ্য,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আধুনিক নরনারীর মনস্তত্ত্ব নিয়ে রচিত ছোটগল্প - শেষ কথা।
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ছোটগল্প - শেষ পুরস্কার।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া; 'গল্পগুচ্ছ' ও 'শেষ রক্ষা' নাটক, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

৪৬.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ রচিত গ্রন্থ- 
  1. বাংলা সাহিত্যের কথা
  2. ভাষা ও সাহিত্য
  3. বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত
  4. উপরের সবকটি 
ব্যাখ্যা

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ:
- ১৮৮৫ সালের ১০ জুলাই পশ্চিমবঙ্গের চবিবশ পরগনা জেলার পেয়ারা গ্রামে তাঁর জন্ম।
- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ভাষাতত্ত্ববিদ ছিলেন।
- তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলক ভাষাতত্ত্বে এম.এ (১৯১২) পাস করেন। দুবছর পর তিনি বি.এল (১৯১৪) ডিগ্রিও অর্জন করেন। এবং ১৯২৬ সালে শহীদুল্লাহ্ উচ্চশিক্ষা গ্রহণের জন্য ইউরোপ যান।
- মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ছিলেন বহুভাষাবিদ এবং ভাষাবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে তিনি স্বচ্ছন্দে বিচরণ করেছেন।
- তিনি ১৮টি ভাষা জানতেন; ফলে বিভিন্ন ভাষায় সংরক্ষিত জ্ঞানভান্ডারে তিনি সহজেই প্রবেশ করতে পেরেছিলেন।

তার উল্লেখযোগ্য রচনা:
- বাংলা সাহিত্যের কথা,
- ভাষা ও সাহিত্য,
- বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৭.
কবি আহসান হাবীব কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. পিরোজপুর জেলা
  2. ঢাকা জেলা
  3. মানিকগঞ্জ জেলা
  4. বরিশাল জেলা
ব্যাখ্যা

• আহসান হাবীব:
- আহসান হাবীব একজন কবি ও সাংবাদিক।
- তিনি ১৯১৭ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পিরোজপুর জেলার শংকরপাশা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- আহসান হাবীবের প্রথম কবিতার বই রাত্রিশেষ প্রকাশিত হয় ১৯৪৭ সালে।
- ১৯৮৫ সালের ১০ জুলাই ঢাকায় তাঁর মৃত্যু হয়।

⇒ তাঁর প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাত্রিশেষে।
- প্রকাশ: এপ্রিল, ১৯৪৭; কলকাতার কমরেড পাবলিশার্স থেকে।
- এই কাব্যগ্রন্থে প্রহর, প্রান্তিক, প্রতিভাস ও পদক্ষেপ এই চারটি ভাগে কবিতাগুলো বিন্যস্ত।

⇒ আহসান হাবীব এর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম 'সারাদুপুর'।
- ১৯৬৪ সালে ঢাকা থেকে ‘সারা দুপুর’ প্রকাশিত হয়।
- কাব্যগ্রন্থটিতে মোট কবিতার সংখ্যা ২৬। কাব্যভাষা, ঐতিহ্যান্বেষণ ও বক্তব্য প্রকাশে কবি এখানে পরিপক্ব।

আহসান হাবীব রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ-
- রাত্রিশেষ (প্রথম প্রকাশিত),
- মেঘ বলে চৈত্রে যাবো,
- দু'হাতে দুই আদিম পাথর,
- ছায়া হরিণ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৮.
শওকত ওসমান কোন উপন্যাসের জন্য আদমজী পুরস্কার পান?
  1. বনী আদম
  2. ক্রীতদাসের হাসি
  3. জলাঙ্গী 
  4. নেকড়ে অরণ্য 
ব্যাখ্যা

• 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস:
- 'ক্রীতদাসের হাসি' গ্রন্থের রচয়িতা শওকত ওসমান।
- এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আয়ুব খানের সমালোচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে।
- বাগদাদের বাদশা হারুন অর রশিদ অত্যাচারী। সে ক্রীতদাস তাতারি ও বাঁদি মেহেরজানের প্রণয়ে বাধা সৃষ্টি এবং তাতারিকে গৃহবন্দি ও অত্যাচার করে।
- তাতারি আমৃত্যু বাদশা হারুনের নির্যাতনের প্রতিবাদ করে যায়।
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত।
- এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে আদমজি পুরস্কার দেয়া হয় ১৯৬৬ সালে।

• শওকত ওসমান:
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; 'শওকত ওসমান' তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।

• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস :
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী,

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ও 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস।

৪৯.
'দণ্ডকারণ্য' নাটকের রচয়িতা কে?
  1. শওকত আলী
  2. নুরুল মোমেন
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. সেলিম আল দীন
ব্যাখ্যা

• 'দণ্ডকারণ্য' নাটকের রচয়িতা- মুনীর চৌধুরী । 

• দণ্ডকারণ্য(১৯৬৬): তিনটি নাটকের সমন্বয়।
যথা:
- দণ্ড,
- দণ্ডধর,
- দন্ডকারণ্য।

মুনীর চৌধুরীর উল্লেখযোগ্য নাটক:
- রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২): পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনী এর মূল উপজীব্য।
- চিঠি (১৯৬৬),
- কবর (রচনাকাল ১৯৫৩, প্রকাশকাল ১৯৬৬) পূর্ববাংলার প্রথম প্রতিবাদী নাটক, নাটকটির পটভূমি হলো ১৯৫২ এর ভাষা আন্দোলন। 
- দণ্ডকারণ্য (১৯৬৬): রূপকাশ্রয়ী নাটক।
- পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য (১৯৬৯)।
- মানুষ(১৯৪৭): ১৯৪৬ সালের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার কাহিনী এর মূল উপজীব্য।
- নষ্ট ছেলে(১৯৫০): রাজনৈতিক চেতনাসমৃদ্ধ নাটক।

উৎস: বাংলা ভাষা সাহিত্য ও জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৫০.
‘কর্ণফুলী’ উপন্যাসের মূল উপজীব্য কী?
  1. মুক্তিযুদ্ধকালীন ঘটনা
  2. শহুরে মধ্যবিত্ত জীবনের সংকট
  3. চাকমা উপজাতির জীবন ও সংগ্রাম
  4. নারী স্বাধীনতা আন্দোলন
ব্যাখ্যা

'কর্ণফুলী' উপন্যাস:
বাংলা উপন্যাস জগতে আলাউদ্দিন আল আজাদের “কর্ণফুলী” একটি ব্যতিক্রমধর্মী সৃষ্টি। পাহাড় ও সমুদ্রবেষ্টিত এক বিশেষ জনপদের পটভূমিতে রচিত এই উপন্যাসে লেখক চিত্রিত করেছেন উপমহাদেশের একটি অনন্য সংস্কৃতির জীবনধারা— চাকমা উপজাতির সংগ্রাম, প্রেম ও অস্তিত্বের গল্প।

উপন্যাসের প্রধান চরিত্ররা হলেন রাঙ্গামিলা, চাকমা দেওয়ানপুত্র, বাঙালি ইসমাইল, জলি ও রমজান। তাদের জীবনের সুখ-দুঃখ, প্রেম-বিরহ ও সামাজিক বাস্তবতা লেখক গভীর মানবিক দৃষ্টিতে তুলে ধরেছেন। এখানে পাহাড়ি জীবনের কষ্ট, জাতিগত বৈষম্য এবং প্রান্তিক মানুষের সংগ্রাম নিপুণভাবে ফুটে উঠেছে। উপন্যাসে চাকমা ভাষার ব্যবহার লেখাটিকে আরও বাস্তব ও জীবন্ত করেছে।
- ‘কর্ণফুলী’ মূলত একটি উপজাতীয় জীবনের কাহিনি, যেখানে মানুষ, প্রকৃতি ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটে এক চিরন্তন মানবিক সুরে।

আলাউদ্দিন আল আজাদ:

- তিনি একাধারে শিক্ষাবিদ, কবি, কথাশিল্পী, প্রাবন্ধিক, শিশুসাহিত্যিক, গবেষক, সাহিত্য-সমালোচক ছিলেন।
- জন্ম: ৬ মে ১৯৩২ সালে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ স্নাতক (১৯৫৩) ও স্নাতকোত্তর (১৯৫৪)।
-তেইশ নম্বর তৈলচিত্র উপন্যাসটির বিষয়বস্ত্ত অবলম্বনে বসুন্ধরা নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক সুভাষ দত্ত।

আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র,
- কর্ণফুলী,
- শেষরাত বসন্তের প্রথমদিন,
- ক্ষুধা ও আশা,
- শ্যামল ছায়ার সংবাদ।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাস।

৫১.
"প্রীতি > পিরীতি" - কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. আদি স্বরাগম
  2. বিপ্রকর্ষ
  3. স্বরসংগতি
  4. অপনিহিতি
ব্যাখ্যা

• 'প্রীতি > পিরীতি'- মধ্যস্বরাগম, 'বিপ্রকর্ষ' বা স্বরভক্তি এর উদাহরণ।

• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি: 
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্যস্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ।
যেমন : গ্রাম > গেরাম।

আরো কয়েকটি উদাহরণ
- রত্ন > রতন,
- প্রীতি > পিরীতি,
- ধর্ম > ধরম,
- স্বপ্ন > স্বপন ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

৫২.
উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী, "[ই], [উ] কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. নিম্ন স্বরধ্বনি
  2. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি
  3. উচ্চ স্বরধ্বনি
  4. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি
ব্যাখ্যা

• স্বরধ্বনি:
যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ু মুখগহ্বরের কোথাও বাধা পায় না, সেগুলোকে স্বরধ্বনি বলে।

• উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা উপরে ওঠে বা কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা- 
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - [ই], [উ]।
২. উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি - [এ], [ও]।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - [অ্যা], [অ]।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - [আ]।
- উচ্চ স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ উপরে ওঠে; নিম্ন স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ নিচে নামে।

• স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কতটুকু খোলা বা বন্ধ থাকে অর্থাৎ কী পরিমাণ উন্মুক্ত হয়, তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা- 
১. সংবৃত - [ই], [উ]।
২. অর্ধ-সংবৃত - [এ], [ও]।
৩. অর্ধ-বিবৃত - [অ্যা], [অ]।
৪. বিবৃত - [আ]।

- সংবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট কম খোলে; বিবৃত স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোঁট বেশি খোলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

৫৩.
'কেতাদুরস্ত' বাগ্‌ধারাটির অর্থ — 
  1. দুর্লভ বস্তু 
  2. পরিপাটি
  3. নেশাগ্রস্ত
  4. অনভিজ্ঞ
ব্যাখ্যা

• 'কেতাদুরস্ত' বাগ্‌ধারাটির অর্থ — পরিপাটি। 
বাক্য গঠন: চালচলন আর পোশাকে সে খুবই কেতাদুরস্ত লোক।

অন্যদিকে, 
• "টুপ ভুজঙ্গ"- বাগ্‌ধারাটির অর্থ - নেশাগ্রস্ত।
• 'আকাশের চাঁদ' বাগ্‌ধারাটির অর্থ - দুর্লভ বস্তু।
• ‘কেবলা হাকিম’ বাগধারার অর্থ - অনভিজ্ঞ।

কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বাগ্‌ধারা হলো:
• ’চুলোয় যাওয়া’ - নষ্ট হওয়া।
• ’গুড়ে বালি’ - আশায় নৈরাশ্য।
• ’গোড়ায় গলদ’ - শুরুতেই ভুল।
• ’কৈ মাছের জান’ - যা সহজে মরে না।
• ’তিলকে তাল করা’ - ছোটকে বড় করা।
• 'অকাল কুষ্মাণ্ড' - অপদার্থ।
• 'অক্ষরে অক্ষরে' - সম্পূর্নভাবে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৫৪.
‘জানার যোগ্য’ এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
  1. জিগীষা
  2. জিজ্ঞাসা
  3. জ্ঞাতব্য
  4. জিজ্ঞাসু
ব্যাখ্যা

• ‘জানার যোগ্য’ এর বাক্য সংকোচন - জ্ঞাতব্য।

অন্যদিকে,
- ‘জানার ইচ্ছা’ এক কথায় - জিজ্ঞাসা।
- ‘জানতে ইচ্ছুক’ এক কথায় - জিজ্ঞাসু।
- ‘জয় করার ইচ্ছা’ এক কথায় প্রকাশ - জিগীষা।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন।

৫৫.
"কাগজওয়ালা" শব্দটি কোন কোন ভাষার শব্দের সমন্বয়ে গঠিত?
  1. দেশি + আরবি
  2. বাংলা + আরবি
  3. ফারসি + হিন্দি
  4. আরবি + ফারসি
ব্যাখ্যা

• 'কাগজওয়ালা' মিশ্র শব্দটি "ফারসি (কাগজ) + হিন্দি (ওয়ালা)" এর সমন্বয়ে গঠিত।

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,


• কিছু মিশ্র শব্দ:
কয়েকটি 'আরবি ফারসি' ভাষার শব্দ:
আদমশুমারি, ওকালতনামা, কেতাদুরস্ত, বরকন্দাজ।

• কয়েকটি 'ইংরেজি + ফারসি' ভাষার শব্দ:
হেডমৌলভি, ডাক্তারখানা, ডাক্তারবাবু, সিলমোহর, জেলখানা।

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

৫৬.
'নিকেতন' শব্দের অর্থ কী?
  1. চিরুনি
  2. আবাস
  3. মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহের কাঠামো
  4. তরঙ্গ
ব্যাখ্যা

• 'নিকেতন' শব্দের অর্থ - গৃহ; আবাস; আলয়।

অন্যদিকে,
• কচকচি শব্দটির অর্থ হলো→ ঝগড়াঝাঁটি, বচসা।
• কঙ্কাল শব্দের অর্থ হলো→ মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহের কাঠামো। 
• হিল্লোল শব্দের অর্থ- 'তরঙ্গ'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 

৫৭.
'জৌলুস' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. আমোদ
  2. আহ্লাদ 
  3. উল্লাস
  4. দীপ্তি
ব্যাখ্যা

• 'জৌলুস' এর প্রতিশব্দ- দীপ্তি, চাকচিক্য; উজ্জ্বলতা।

• ‘জৌলুস’ শব্দের প্রতিশব্দ: 
- রশ্মি, শিখা, আলোকচ্ছটা, কর, প্রভা, দীপ্তি, জ্যোতি, অংশু।

• আনন্দ শব্দের প্রতিশব্দ:
- খুশি, আমোদ, মজা, পুলক, হর্ষ, আহ্লাদ, সন্তোষ, পরিতোষ, প্রমোদ, উল্লাস, উচ্ছ্বাস।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

৫৮.
'Chauvinism' এর বাংলা পরিভাষা— 
  1. হস্তক্ষেপ
  2. অচলাবস্থা
  3. উগ্রস্বাদেশিকতা
  4. আভিজাত্য 
ব্যাখ্যা

• 'Chauvinism' এর বাংলা পরিভাষা - উগ্রস্বাদেশিকতা।

অন্যদিকে,
• 'Intervention' এর বাংলা পরিভাষা - হস্তক্ষেপ।
• 'Deadlock' এর বাংলা পরিভাষা- 'অচলাবস্থা'। 
• 'Aristocracy' এর বাংলা পরিভাষা - অভিজাততন্ত্র / আভিজাত্য।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা, বাংলা একাডেমি।

৫৯.
'ত্বরিত' এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
  1. হ্রস্ব
  2. ক্ষয়িষ্ণু
  3. শ্লথ
  4. বিরত
ব্যাখ্যা

• 'ত্বরিত' এর বিপরীত শব্দ- 'শ্লথ'।

অন্যদিকে,
• 'দীর্ঘ' এর বিপরীত শব্দ- 'হ্রস্ব'।
• 'ক্ষয়িষ্ণু' এর বিপরীত শব্দ - বর্ধিষ্ণু।
• 'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ -  বিরত। 

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ।

৬০.
'সংলাপ' শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ কোন নিয়মে হয়?
  1. স্বর + ব্যঞ্জন 
  2. ব্যঞ্জন + স্বর
  3. ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন
  4. বিসর্গ + ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা

• "ব্যঞ্জন + ব্যঞ্জন" সন্ধির নিয়মে গঠিতশ শব্দ:
- ম্‌- এর পর অন্তঃস্থ ধ্বনি যথা: য, র, ল, ব, কিংবা শ, ষ, স, হ থাকলে ম্‌- স্থলে অনুস্বার (ং) হয়।
যেমন:
- সম্‌ + রক্ষণ = সংরক্ষণ,
- সম্‌ + লাপ = সংলাপ,
- সম্‌ + শয় = সংশয়,
- সম্‌ + সার = সংসার,
- সম্‌ + বাদ = সংবাদ,
- সম্‌ + যম = সংযম,
- সম্‌ + হার = সংহার,
- স্বয়ম্‌ + বরা = স্বয়ংবরা ইত্যাদি।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৬১.
তারিখবাচক শব্দের ক্ষেত্রে প্রথম চারটির গঠন কোন ভাষার নিয়মে সাধিত হয়?
  1. বাংলা
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. আরবি
ব্যাখ্যা

• তারিখবাচক শব্দ:
বাংলা মাসের তারিখ বোঝাতে যে সংখ্যাবাচক শব্দ ব্যবহৃত হয়, তাকে তারিখবাচক শব্দ বলে।
যেমন - পয়লা বৈশাখ, বাইশে শ্রাবণ ইত্যাদি।

• তারিখবাচক শব্দের প্রথম চারটি অর্থাৎ ১ থেকে ৪ পর্যন্ত হিন্দি নিয়মে সাধিত হয়।
- বাকি গুলো বাংলার নিজস্ব ভঙ্গিতে গঠিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

৬২.
নিচের কোনটিতে বিশেষ নিয়মে লিঙ্গান্তর ঘটেছে?
  1. কর্তা - কর্ত্রী
  2. মহৎ - মহতী
  3. রাজা - রানী
  4. সৎ - সতী
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন নিয়মে সাধিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেসব পুরুষবাচক শব্দের শেষে 'তা' রয়েছে, স্ত্রীবাচক বোঝাতে সেসব শব্দে 'ত্রী' হয়।
যেমন: কর্তা - কর্ত্রী, শ্রোতা - শ্রোত্রী ইত্যাদি।

পুরুষবাচক শব্দের শেষে অত্‌, বান্‌, মান্‌, ঈয়ান থাকলে যথাক্রমে অতী, বতী, মতি, ঈয়সী হয়।
যথা: সৎ - সতী, মহৎ - মহতী ইত্যাদি।

• কোন কোন পুরুষবাচক শব্দ থেকে বিশেষ নিয়মে স্ত্রীবাচক শব্দ গঠিত হয়।
যেমন:
রাজা - রানী, নর - নারী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

৬৩.
"ছেলেটি খুব ভয়ানক ভালো গান গায়।" - বাক্যটিতে কোন ধরনের ভুল রয়েছে?
  1. বাক্যগঠনজনিত ভুল
  2. শব্দের অপপ্রয়োগ
  3. বাচ্যজনিত ভুল
  4. ভুল নেই
ব্যাখ্যা

বাক্যটির প্রয়োগ-অপপ্রয়োগ বিশ্লেষণ:
- “ভয়ানক” শব্দটি সাধারণত নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত হয় (যেমন ভয়ানক দুর্ঘটনা)।
এখানে,
ইতিবাচক অর্থে “ভয়ানক” ব্যবহার করা অনুচিত।
সঠিক বাক্যটি হবে - “ছেলেটি খুব চমৎকার গান গায়।”

সঠিক উত্তর: ক) শব্দের অপপ্রয়োগ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৬৪.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ঈর্ষাপরায়ন
  2. আদ্যক্ষর
  3. নিষ্প্রাণ
  4. প্রোজ্বলিত
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- 'নিষ্প্রাণ' বানানটি শুদ্ধ।



অন্যান্য অপশন,
• 'ঈর্ষাপরায়ন' এর শুদ্ধ বানান- 'ঈর্ষাপরায়ণ'। 
• 'আদ্যক্ষর' এর শুদ্ধ বানানটি হচ্ছে আদ্যাক্ষর।
• 'প্রোজ্বলিত' এর শুদ্ধ বানান - প্রজ্বলিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৬৫.
MICR অক্ষরগুলি কোন বিশেষ ফন্টে মুদ্রিত হয়?
  1. OCR-A
  2. E13B
  3. Arial Narrow
  4. Calibri
ব্যাখ্যা

• MICR (Magnetic Ink Character Recognition) অক্ষরগুলি ব্যাংকিং সেক্টরে চেক এবং অন্যান্য আর্থিক ডকুমেন্টে ব্যবহৃত হয়। এই অক্ষরগুলি বিশেষভাবে এমন একটি ফন্টে মুদ্রিত হয় যা চৌম্বকীয় কালি ব্যবহার করে সহজে পড়া যায় এবং মেশিন দ্বারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করা যায়। এই ফন্টটির নাম E-13B। E-13B ফন্টে প্রতিটি সংখ্যা এবং কিছু বিশেষ চিহ্ন নির্দিষ্ট আকার ও স্ট্রোক প্যাটার্নে থাকে, যা চেক প্রক্রিয়াকরণের সময় ব্যাংকের স্বয়ংক্রিয় মেশিন সহজে পড়তে পারে।
- অন্য ফন্ট যেমন OCR-A, Arial Narrow বা Calibri সাধারণ কম্পিউটার বা টাইপিং কাজের জন্য ব্যবহৃত হলেও MICR প্রক্রিয়ার জন্য ব্যবহারযোগ্য নয়।

• MICR চেক (MICR Cheque):
- MICR এর পূর্ণরূপ: Magnetic Ink Character Recognition / Reader
- MICR চেক হলো এমন একটি প্রযুক্তি নির্ভর চেক, যাতে চুম্বকীয় কালি ব্যবহার করা হয়।
- চেক স্ক্যান করলে এর নিচের ডিজিটগুলো চুম্বকীয় কালি দ্বারা কম্পিউটার দ্বারা সহজে পড়া যায়।
- এর মাধ্যমে চেক যাচাই, ক্লিয়ারিং ও ফান্ড ট্রান্সফার দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে করা যায়।
- MICR প্রযুক্তি চেক প্রতারণা ও রিজেকশন হ্রাস করে।
- এটি আধুনিক ব্যাংকিংয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- অন ডিমান্ড চেক প্রিন্টিং এর মাধ্যমে গ্রাহক তাৎক্ষনিক পেতে পারে।

উৎস:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
- IBM [link]

৬৬.
সাধারণভাবে, CPU-এর ক্লক স্পিড বাড়লে —
  1. প্রসেসিং গতি বাড়ে
  2. প্রসেসিং গতি কমে
  3. ক্যাশের আকার ছোট হয়
  4. বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ কমে
ব্যাখ্যা

• সাধারণভাবে, CPU বা কেন্দ্রীয় প্রসেসিং ইউনিটের ক্লক স্পিড বাড়ালে প্রসেসরের কাজের গতি বৃদ্ধি পায়। ক্লক স্পিড হলো CPU কতবার প্রতি সেকেন্ডে নির্দেশনা সম্পাদন করতে পারে তার মান। যখন ক্লক স্পিড বাড়ে, CPU আরও দ্রুত প্রতিটি ইনস্ট্রাকশন সম্পন্ন করতে পারে, ফলে কম সময়ে বেশি কাজ করা সম্ভব হয়। এটি সরাসরি প্রসেসিং গতি বাড়ায়। তবে ক্লক স্পিড বৃদ্ধির ফলে বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণও বাড়তে পারে এবং তাপ উৎপাদনও বৃদ্ধি পায়। ক্লক স্পিডের সাথে ক্যাশের আকারের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই। তাই, দেওয়া অপশনগুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো – ক) প্রসেসিং গতি বাড়ে।

• ক্লক স্পিড:
- প্রসেসরের প্রতি সেকেন্ডে সম্পন্ন সাইকেলের সংখ্যা হলো ক্লক স্পিড। প্রতিটি সাইকেলে একটি বা একাধিক অপারেশন সম্পন্ন হতে পারে।
- ক্লক স্পিডকে প্রসেসরের "সাইকেল প্রতি সেকেন্ড" হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
- একটি সাইকেল হলো প্রসেসরের একটি মৌলিক অপারেশন। ক্লক স্পিড যত বেশি, প্রসেসর তত দ্রুত কাজ করতে পারে।
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- উদাহরণস্বরূপ, 3 GHz CPU প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ বিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করে, যা 2 GHz CPU-এর তুলনায় দ্রুত।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড (Clock Speed) বলা হয়।
- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন, কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

তথ্যসূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৭.
(1011101)2 = (P)10
  1. 62
  2. 65
  3. 88
  4. 93
ব্যাখ্যা

• (1011101)2 = (P)10
P এর মান 93

• বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তর:
- বাইনারি থেকে ডেসিমেল (দশমিক) সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি অঙ্ককে তার স্থানীয় মান অনুযায়ী 2-এর ঘাত দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত ফলাফলগুলো যোগ করতে হয়।

• এখানে, বাইনারি সংখ্যাটি হলো 1011101।
- এর ডেসিমেল রূপান্তর হলো:
(1 × 26) + (0 × 25) + (1 × 24) + (1 × 23) + (1 × 22) + (0 × 21) + (1 × 20)
= 64 + 0 + 16 + 8 + 4 + 0 + 1
= 93

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৮.
ভিআরে ব্যবহারকারীর মাথার গতিবিধি অনুসরণে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. Thermometer
  2. Gyroscope
  3. Barometer
  4. Microphone
ব্যাখ্যা

• ভিআরে ব্যবহারকারীর মাথার গতিবিধি সনাক্ত করার জন্য Gyroscope প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। Gyroscope একটি সেন্সর যা কোণ বা দিক পরিবর্তনের তথ্য সরবরাহ করে। এটি মাথার দিক, ঘূর্ণন এবং ঢাল পরিবর্তন ট্র্যাক করতে সক্ষম, যা ভার্চুয়াল রিয়ালিটি (VR) অভিজ্ঞতাকে আরও বাস্তবসম্মত করে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, যখন ব্যবহারকারী মাথা বাঁকায় বা ঘোরায়, Gyroscope সেন্সর তা সনাক্ত করে এবং VR হেডসেটের ডিসপ্লেতে পরিবেশ অনুযায়ী দৃশ্য পরিবর্তন করে। অন্যদিকে Thermometer তাপমাত্রা মাপে, Barometer বাতাসের চাপ নাপে, এবং Microphone শব্দ সংগ্রহ করে। তাই VR হেডসেটে মাথার গতিবিধি ট্র্যাকিংয়ের জন্য সঠিক উত্তর হলো Gyroscope.

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- কম্পিউটার প্রযুক্তি হলো সেই হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার অবকাঠামো যা জটিল গ্রাফিক্স রেন্ডারিং, রিয়েল-টাইম ডেটা প্রসেসিং, এবং ইন্টারঅ্যাক্টিভ ইন্টারফেস পরিচালনা করে। 
- সিমুলেশন তত্ত্ব হলো গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক নীতি যা পদার্থবিদ্যার সূত্র, আলোর আচরণ, শব্দের প্রসারণ, এবং স্থানিক সম্পর্কের মডেল তৈরি করে।
- এই দুইয়ের সমন্বয়েই একটি বিশ্বাসযোগ্য ও নিমজ্জনশীল কৃত্রিম পরিবেশ তৈরি হয় যেখানে ব্যবহারকারী বাস্তবের মতো অভিজ্ঞতা লাভ করতে পারে।

• প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬৯.
প্রদত্ত রেজিস্টারগুলোর মধ্যে কোনটি পরবর্তী কার্যকর নির্দেশের ঠিকানা ধারণ করে?
  1. PC (Program Counter)
  2. MAR (Memory Address Register)
  3. MDR (Memory Data Register)
  4. ACC (Accumulator)
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত রেজিস্টারগুলোর মধ্যে PC (Program Counter) পরবর্তী কার্যকর নির্দেশের ঠিকানা ধারণ করে। প্রোগ্রাম কাউন্টার একটি বিশেষ রেজিস্টার যা কম্পিউটার প্রসেসরের নির্দেশনামূলক ধাপকে নিয়ন্ত্রণ করে। এটি বর্তমানে কার্যকর হওয়া নির্দেশের ঠিকানা থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরবর্তী নির্দেশের ঠিকানায় আপডেট হয়, ফলে প্রসেসর ক্রমান্বয়ে প্রোগ্রাম কার্যকর করতে পারে। অন্যদিকে, MAR (Memory Address Register) সেই মেমোরি লোকেশন সংরক্ষণ করে যেখানে ডেটা বা নির্দেশ পড়া বা লেখা হবে। MDR (Memory Data Register) ডেটা ধারণ করে যা মেমোরি থেকে আনা হয়েছে বা মেমোরিতে লেখা হবে। ACC (Accumulator) সাধারণত গাণিতিক ও লজিকাল অপারেশন সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই, পরবর্তী কার্যকর নির্দেশের ঠিকানা রাখার দায়িত্ব মূলত PC এর।

• রেজিস্টার:
- রেজিস্টার হলো ফ্লিপ ফ্লপের সমন্বয়ে গঠিত ডিজিটাল বর্তনী।
- রেজিস্টারের প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ এক বিট (Bit) তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- একটি n-bit রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফ্লপ থাকে যা বাইনারি n-bit তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।
- ফ্লিপ-ফ্লপ ছাড়াও রেজিস্টারে কম্বিনেশনাল গেইট থাকতে পারে যা কোন ডাটা প্রসেসিংয়ের কাজ করতে পারে।

- রেজিস্টারে ডাটার স্থানান্তর তিনভাবে হতে পারে। যথা-
১. প্যারালাল স্থানান্তর,
২. সিরিয়াল স্থানান্তর ও
৩. মিশ্রভাবে স্থানান্তর।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
যখন ক্যাশ মিস হয়, তখন কী ঘটে?
  1. ডেটা মেইন মেমরি থেকে নেওয়া হয়
  2. CPU সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যায়
  3. ডেটা ক্যাশ থেকে নেওয়া হয়
  4. CPU অনুরোধকে উপেক্ষা করে
ব্যাখ্যা

• ক্যাশ মিস হলে CPU যখন কোনো ডেটা বা ইনস্ট্রাকশন তার লো-ল্যাটেন্সি ক্যাশ মেমরিতে খুঁজে পায় না, তখন সেটি ক্যাশ মিস হয়। এর ফলে CPU সেই ডেটা সরাসরি মেইন মেমরি থেকে আনতে বাধ্য হয়, কারণ প্রয়োজনীয় তথ্য ক্যাশে নেই। এই প্রক্রিয়ার সময় CPU কিছুটা অপেক্ষা করতে হয়, তবে CPU সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয় না। ডেটা পরে ক্যাশে লোড করা হয় যাতে ভবিষ্যতে একই ডেটা দ্রুত পাওয়া যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) “ডেটা মেইন মেমরি থেকে নেওয়া হয়।” ক্যাশ মিস CPU-এর পারফরম্যান্সে সাময়িক প্রভাব ফেলে, কিন্তু এটি CPU-এর কাজকে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে না।

ক্যাশ মেমোরি (Cache Memory):
- এটি এক ধরনের বিশেষ উচ্চগতির মেমোরি ব্যবস্থা।
- মাইক্রোপ্রসেসর ও প্রধান স্মৃতির মাঝে অতি উচ্চগতির এবং কম ধারণক্ষমতাসম্পন্ন যে মেমোরি ব্যবহার করা হয় তাকে ক্যাশ মেমোরি বলা হয়।
- ক্যাশ মেমোরি র‍্যামের চেয়ে ছোট।
- কম্পিউটারের ডেটা স্থানান্তরের গতি বৃদ্ধি তথা মাইক্রোপ্রসেসরের প্রক্রিয়াকরণের গতি বৃদ্ধির জন্য ক্যাশ মেমোরি ব্যবহৃত হয়।
- এটি এক ধরনের স্ট্যাটিক স্মৃতি, যা উচ্চগতি সম্পূর্ণ ও তুলনামূলক দামি মেমোরি।
- যখন CPU কোনো ডেটা প্রয়োজন করে, তখন এটি প্রথমে ক্যাশ মেমোরিতে খোঁজে। যদি সেখানে ডেটা পাওয়া যায় (যাকে ক্যাশ হিট বলে), CPU-কে ধীরগতির RAM বা অন্যান্য স্টোরেজ থেকে ডেটা আনতে হয় না, ফলে সামগ্রিক প্রসেসিং গতি বৃদ্ধি পায়।
- ক্যাশ মেমোরি CPU-এর কাছাকাছি অবস্থান করে এবং এটি RAM-এর তুলনায় অনেক দ্রুতগতির হওয়ায় ডেটা অ্যাক্সেসের সময় কমে যায়।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৭১.
কোনটি ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রচলিত স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম?
  1. Microsoft Word
  2. CorelDRAW
  3. Notepad
  4. Microsoft Excel
ব্যাখ্যা

• ব্যবহারকারীদের মধ্যে প্রচলিত স্প্রেডশীট প্রোগ্রাম হলো Microsoft Excel. এটি একটি শক্তিশালী সফটওয়্যার যা সংখ্যার হিসাব, ডেটা বিশ্লেষণ, চার্ট তৈরি, এবং বিভিন্ন ধরনের আর্থিক বা তথ্যভিত্তিক কাজ সহজভাবে সম্পন্ন করতে সাহায্য করে। ব্যবহারকারীরা সহজেই সারি ও কলামের আকারে তথ্য সন্নিবেশ করতে পারে এবং স্বয়ংক্রিয় সূত্র (formulas) ব্যবহার করে জটিল হিসাবও দ্রুত করতে পারে। এছাড়াও, Excel-এ পিভট টেবিল, গ্রাফ এবং বিভিন্ন ডেটা ভিজুয়ালাইজেশন টুলস থাকায় তথ্য বিশ্লেষণ আরও কার্যকর হয়। অন্যদিকে, Microsoft Word হলো ডকুমেন্ট তৈরির জন্য, CorelDRAW গ্রাফিক ডিজাইনের জন্য, এবং Notepad শুধুমাত্র সাধারণ টেক্সট এডিটিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই স্প্রেডশীটের ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর Microsoft Excel.

• Application Software:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- যে সকল সফটওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণের কাজ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার বলা হয়।
যেমন-

• Spreadsheet Package Program : 
- Lotus 1-2-3, 
- MS Excel, 
- Quattro Pro.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
কোনটি লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন হিসেবে পরিচিত?
  1. MS-DOS
  2. Ubuntu
  3. macOS
  4. Oracle
ব্যাখ্যা

• লিনাক্স একটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম কার্নেল যা বিভিন্ন ডিস্ট্রিবিউশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের প্রদান করা হয়। লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন হলো একটি পূর্ণাঙ্গ অপারেটিং সিস্টেম, যা কের্নেল, সফটওয়্যার প্যাকেজ এবং ইউজার ইন্টারফেস নিয়ে গঠিত।
- প্রশ্নে উল্লিখিত চারটির মধ্যে, Ubuntu হলো একটি পরিচিত লিনাক্স ডিস্ট্রিবিউশন, যা ব্যবহারকারী বান্ধব ইন্টারফেস এবং নিয়মিত আপডেটের জন্য জনপ্রিয়। অন্যদিকে, MS-DOS ছিল একটি পুরনো মাইক্রোসফট কমান্ড-লাইন ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম, macOS হলো অ্যাপলের প্রোপাইটারি অপারেটিং সিস্টেম এবং Oracle হলো একটি সফটওয়্যার কোম্পানি, যা বিভিন্ন ডাটাবেস এবং এন্টারপ্রাইজ সফটওয়্যার তৈরি করে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো Ubuntu.

• লিনাক্স (LINUX):
- লিনাক্স হচ্ছে একটি মাল্টি টাস্কিং ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।
- এটি UNIX অপারেটিং সিস্টেমের একটি বিশেষ সংস্করণ।
- ১৯৯০ সালে ফিনল্যান্ডের লিনাস টরভোল্ডাস (Linus Torvalds) লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করেন।
- GNU নামের একটি সংস্থা এর সাথে বিভিন্ন শেল, উইন্ডো ম্যানেজমেন্ট ও ইউটিলিটি যোগ করে একে পুরোপুরি একটি অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে দাঁড় করিয়েছে।

• লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের অন্যতম সুবিধাসমূহ হলো:
- লিনাক্স বর্ণভিত্তিক ও চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- লিনাক্স ওপেন সোর্স কোডভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- ইন্টারনেট হতে সহজেই লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেম ডাউনলোড করা যায়।
- নেটওয়ার্ক সাপোর্ট সার্ভিস উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের তুলনায় অধিকতর শক্তিশালী।
- এটির সিকিউরিটি ও গ্রাফিক্স অত্যন্ত শক্তিশালী।
- লিনাক্স অপারেটিং সিস্টেমের ওপর নিজের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা যায় ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম,  বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩.
এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান সুবিধা কী?
  1. নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে সাজানো
  2. একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারে
  3. অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা
  4. উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্স
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমের প্রধান সুবিধা হলো এটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য সর্বোত্তমভাবে ডিজাইন করা হয়। অর্থাৎ, এটি সাধারণ কম্পিউটার বা ল্যাপটপের মতো বহুমুখী কাজ করতে না পারলেও নির্দিষ্ট কাজ যেমন যন্ত্রপাতি নিয়ন্ত্রণ, সেন্সর ডেটা প্রক্রিয়াকরণ বা সিস্টেম মনিটরিংতে অত্যন্ত দক্ষ। এর হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার একসাথে এমনভাবে সাজানো থাকে যে কম বিদ্যুৎ খরচে দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে কাজ সম্পন্ন করা যায়। এটি সাধারণত একাধিক অপারেটিং সিস্টেম চালাতে পারে না বা অসীম কম্পিউটিং ক্ষমতা নেই, এবং উচ্চ মানের গ্রাফিক্স পারফরম্যান্সও প্রধান লক্ষ্য নয়। তাই এম্বেডেড সিস্টেমের মূল শক্তি হলো নির্দিষ্ট কাজের জন্য কার্যকারিতা এবং দক্ষতা।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

​উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৭৪.
আইপির কোন সংস্করণে ১২৮‑বিট ঠিকানা থাকে?
  1. IPv1 
  2. IPv4
  3. IPv5
  4. IPv6
ব্যাখ্যা

• আইপি (Internet Protocol) হলো ইন্টারনেটে ডিভাইসগুলোর ঠিকানা নির্ধারণের একটি প্রোটোকল। বিভিন্ন সংস্করণে ঠিকানার দৈর্ঘ্য ভিন্ন। IPv4 সবচেয়ে প্রচলিত সংস্করণ হলেও এতে ৩২-বিট ঠিকানা ব্যবহৃত হয়, যা সীমিত ঠিকানা সরবরাহ করে। IPv5 মূলত একটি এক্সপেরিমেন্টাল প্রোটোকল হিসেবে তৈরি হয়েছিল, এটি কোন সাধারণ ব্যবহার্য ঠিকানা দেয়নি। IPv6 হলো সর্বশেষ ও উন্নত সংস্করণ, যা ১২৮-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে। ১২৮-বিট ঠিকানা ব্যবহারের ফলে অত্যন্ত বড় ঠিকানা পরিসর পাওয়া যায়, যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে সম্ভাব্য ডিভাইসের সংখ্যা অসীমের কাছাকাছি বৃদ্ধি পায়।
- তাই, ১২৮-বিট ঠিকানা রয়েছে IPv6-তে।

সঠিক উত্তর: ঘ) IPv6

• আইপি এড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি এড্রেস নামে পরিচিত। আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল। বিশ্বের প্রতিটি মানুষকে আলাদা করার জন্য যেমন নাম আছে, ইন্টারনেটে তেমনি প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি এড্রেস ব্যবহৃত হয়।

• আইপি এড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)। তবে একটি আইপি এড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১। ডটেড ডেসিমেল নোটেশন,
২। হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন,
৩। বাইনারি নোটেশন।

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত। IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4 × 8 বা 32 বিটের। যার 232 বা, 4294967296 সংখ্যক নেটওয়ার্কযুক্ত কম্পিউটার বা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায়।

- তবে আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6; যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “edge computing” বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. এটি একটি ক্লাউড নিরাপত্তা ফায়ারওয়াল
  2. পুরনো ক্লাউড সার্ভার ব্যবহার করা
  3. ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ
  4. এটি ক্লাউড বিল নির্ধারণের একটি টুল
ব্যাখ্যা

• ক্লাউড কম্পিউটিং-এর প্রসঙ্গে “এজ কম্পিউটিং (Edge Computing)” বলতে বোঝানো হয় ডেটা সেন্টারের পরিবর্তে ব্যবহারকারীর বা ডিভাইসের কাছাকাছি স্থানে তথ্য প্রক্রিয়াকরণ। সাধারণত ক্লাউড কম্পিউটিং-এ সব ডেটা দূরবর্তী সার্ভারে পাঠিয়ে প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, যা অনেক সময় নেটওয়ার্ক লেটেন্সি বা বিলম্ব সৃষ্টি করে। এজ কম্পিউটিং এই সমস্যা কমায়, কারণ ডেটা উত্সের নিকটে প্রক্রিয়াকরণ হয়, ফলে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিক্স সম্ভব হয়। এটি ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), স্বয়ংচালিত যানবাহন, স্মার্ট সিটি ইত্যাদিতে বিশেষভাবে কার্যকর। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) ডেটার কাছাকাছি তথ্য প্রক্রিয়াকরণ।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে দূরবর্তী সার্ভার থেকে ডাটা, সফটওয়্যার এবং বিভিন্ন কম্পিউটিং রিসোর্স ব্যবহার করার প্রযুক্তি।
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।

• যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেকনোলজি (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে-

১.রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

• এজ কম্পিউটিং (Edge Computing):
- এজ কম্পিউটিং হলো এমন একটি পদ্ধতি যেখানে ডেটা প্রক্রিয়াকরণ ক্লাউড সার্ভারে নয়, বরং ব্যবহারকারী বা ডেটা উৎসের কাছাকাছি স্থানে সম্পন্ন করা হয়।  
- এটি ডেটা ট্রান্সফারের সময় কমায় এবং দ্রুত রেসপন্স প্রদান করে।  
- সাধারণত সেন্সর, আইওটি (IoT) ডিভাইস বা লোকাল সার্ভারের মাধ্যমে ডেটা প্রক্রিয়া করা হয়।  
- এই প্রযুক্তি ক্লাউডের উপর নির্ভরতা কমিয়ে দক্ষতা ও নিরাপত্তা বৃদ্ধি করে।  
- উদাহরণস্বরূপ, স্বয়ংচালিত গাড়ি, স্মার্ট সিটি বা রিয়েল-টাইম মনিটরিং সিস্টেমে এজ কম্পিউটিং ব্যবহৃত হয়।  
- এটি ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, প্রতিস্থাপন নয়।  

সুতরাং, এজ কম্পিউটিং বলতে বোঝায় ডেটা উৎস বা ব্যবহারকারীর কাছাকাছি স্থানে গণনা সম্পন্ন করা।  

উৎস:
১। মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। IBM [link]

৭৬.
IoT সিস্টেমে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে কোনটি বিবেচিত হয়?
  1. সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি
  2. হার্ডওয়্যারের রঙ
  3. নেটওয়ার্কের স্পিড
  4. অ্যাপ ডিজাইন
ব্যাখ্যা

• IoT (ইন্টারনেট অফ থিংস) সিস্টেমে প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে সাধারণত সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি (ক) বিবেচিত হয়। কারণ এই সিস্টেমগুলোতে সংযুক্ত ডিভাইসগুলি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য এবং সংবেদনশীল ডেটা সংগ্রহ করে, যা সাইবার হামলা বা তথ্য চুরির শিকার হতে পারে। নিরাপত্তাহীনতা হলে হ্যাকিং, ডেটা লিক বা অবাঞ্ছিত প্রবেশাধিকার সহজ হয়। এছাড়াও, IoT ডিভাইসের সংখ্যা এবং ভিন্ন ভিন্ন প্রটোকলের কারণে সিস্টেমের নিরাপত্তা বজায় রাখা কঠিন হয়। তাই IoT সিস্টেম ডিজাইন করার সময় শক্তিশালী এনক্রিপশন, অথেনটিকেশন এবং প্রাইভেসি নীতি প্রয়োগ করা অপরিহার্য। হার্ডওয়্যারের রঙ, নেটওয়ার্ক স্পিড বা অ্যাপ ডিজাইন তুলনামূলকভাবে প্রধান চ্যালেঞ্জ নয়।
 
 ইন্টারনেট অফ থিংস (Internal of things - IoT):
- ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT) হলো পারস্পরিক সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সনাক্তকারী কম্পিউটিং ডিভাইস, যা একটি নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মানুষের সাথে মানুষের বা মানুষের সাথে কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা স্থানান্তর করতে সাহায্য করে।
- একাধিক প্রযুক্তি যেমন মেশিন লার্নিং, কমোডিটি সেন্সর, এমবেডেড সিস্টেম এবং রিয়েল-টাইম অ্যানালিটিকস, একত্রিত করার কারণে ইন্টারনেট অফ থিংস বাস্তবায়িত হয়েছে।

IoT ডিভাইসের বৈশিষ্ট্য:
- কম শক্তি ব্যবহার করে কাজ করে, 
- ছোট আকারের কম্পিউটার চিপ ব্যবহার করে, 
- নির্দিষ্ট কাজের জন্য প্রোগ্রাম করা হয়, 
- সেন্সর, একচুয়েটর এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন প্রযুক্তি অন্তর্ভুক্ত থাকে। 

উৎস:
১। Computer Applications in Business, নেতাজি সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। আইবিএম ওয়েবসাইট।

৭৭.
একটি “ব্যাকডোর ট্রোজান” প্রধানত কী করার জন্য ব্যবহৃত হয়:
  1. সিপিইউ ঠান্ডা রাখা
  2. সফটওয়্যার স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ করা
  3. সংক্রমিত কম্পিউটারে দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ
  4. দ্রুত ইন্টারনেট ব্যবহার নিশ্চিত করা
ব্যাখ্যা

• “ব্যাকডোর ট্রোজান” হলো একটি ধরনের ম্যালওয়্যার যা সাধারণত ব্যবহারকারীর অনুমতি ছাড়াই কম্পিউটারে প্রবেশ করে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো সংক্রমিত কম্পিউটারে দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করা, যাতে আক্রমণকারী যে কোনো সময় সিস্টেমে অ্যাক্সেস পেতে পারে এবং ডেটা চুরি, ফাইল পরিবর্তন বা অতিরিক্ত সফটওয়্যার ইনস্টল করতে পারে। ব্যাকডোর ট্রোজান ব্যবহারকারীর চোখে পড়ে না, তাই এটি দীর্ঘ সময় ধরে লুকিয়ে থাকতে পারে। এটি সিপিইউ ঠান্ডা রাখা, সফটওয়্যার আপডেট করা বা ইন্টারনেট স্পিড বাড়ানোর কাজ করে না। সুতরাং, এর মূল কাজ হলো সংক্রমিত কম্পিউটারে আক্রমণকারীকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেওয়া।

সঠিক উত্তর: গ) সংক্রমিত কম্পিউটারে দূরবর্তী নিয়ন্ত্রণ।

 • কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
- IEEE [link]

৭৮.
কোনটি ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়?
  1. মাদারবোর্ডের BIOS
  2. পিসির অপারেটিং সিস্টেম
  3. মাইক্রোসফট ওয়ার্ড
  4. অ্যাডোবি ফটোশপ
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো এমন প্রোগ্রাম যা হার্ডওয়্যারের সঙ্গে সরাসরি সংযুক্ত থাকে এবং হার্ডওয়্যারের মৌলিক কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করে। এর মূল উদাহরণ হলো মাদারবোর্ডের BIOS, যা কম্পিউটার চালু হলে হার্ডওয়্যার শনাক্ত এবং ইনিশিয়ালাইজ করে, এবং অপারেটিং সিস্টেম লোড করার জন্য প্রাথমিক পরিবেশ তৈরি করে। অন্যদিকে, পিসির অপারেটিং সিস্টেম, মাইক্রোসফট ওয়ার্ড বা অ্যাডোবি ফটোশপ সফটওয়্যার হিসেবে গণ্য হয়, যা হার্ডওয়্যারের উপরে চলে এবং ব্যবহারকারীর জন্য নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। তাই, শুধুমাত্র মাদারবোর্ডের BIOS-কে ফার্মওয়্যার হিসেবে ধরা যায়।

উত্তর: ক) মাদারবোর্ডের BIOS.

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS).
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ৷
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

৭৯.
কোন সত্যতা সারণি একটি ২-ইনপুট NOR গেটকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করে?
  1. 0 0 → 0, 0 1 → 1, 1 0 → 1, 1 1 → 0
  2. 0 0 → 1, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 0
  3. 0 0 → 1, 0 1 → 1, 1 0 → 1, 1 1 → 0
  4. 0 0 → 0, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 1
ব্যাখ্যা

• ২-ইনপুট NOR গেট হল একটি লজিক গেট যা আউটপুট প্রদান করে তখনই যখন উভয় ইনপুটই শূন্য (0) থাকে। অন্যভাবে বলা যায়, NOR গেট হলো OR গেটের নেগেশন। OR গেটের আউটপুট ১ হয় যদি অন্তত একটি ইনপুট ১ হয়, তাই NOR গেটের আউটপুট ঠিক উল্টো হয়। অর্থাৎ, ইনপুট (0,0) হলে আউটপুট ১ হবে, এবং (0,1), (1,0), (1,1) হলে আউটপুট হবে ০.
- দেওয়া অপশন গুলোর মধ্যে কেবল “খ)” সারণিটি এই বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মিলে যায়: 0 0 → 1, 0 1 → 0, 1 0 → 0, 1 1 → 0। সুতরাং, সঠিক সত্যতা সারণি হলো খ)।


• NOR গেইট:
- NOR গেইট ব্যবহার করে তিনটি মৌলিক গেইট (AND, OR, NOT) সহ যেকোনো জটিল ডিজিটাল সার্কিট তৈরি করা সম্ভব, তাই একে সার্বজনীন (Universal) গেইট বলা হয়।

• লজিক গেইট:
- লজিক গেইট হচ্ছে এক ধরনের ইলেকট্রনিক সার্কিট যা এক বা একাধিক ইনপুট গ্রহণ করে কোন যুক্তির ভিত্তিতে একটি মাত্র আউটপুট প্রদান করে।
- লজিক গেইটে ব্যবহৃত দুটি ইনপুট হলো 1 এবং 0।
- মৌলিক লজিক গেইট তিনটি। যথা- অর গেইট, অ্যান্ড গেইট এবং নট গেইট।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার যোগের কাজ সম্পাদনের জন্য অর লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার গুণনের কাজ সম্পাদনের জন্য এন্ড লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরার পূরকের কাজ সম্পাদনের জন্য নট লজিক গেইট ব্যবহার করা হয়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮০.
সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে কী বলে? 
  1. দ্রুতি 
  2. মন্দন 
  3. বেগ 
  4. সরণ 
ব্যাখ্যা

মন্দন:
- সময়ে সাথে গতিশীল বস্তু কণার বেগের হ্রাসের হারকে মন্দন বলে
- অন্য ভাবে একক সময়ে গতিশীল বস্তুকণার বেগের পরিবর্তন কমতে থাকলে যে রাশি পাওয়া যায় তাকে মন্দন বলে।
- মন্দনের একক ও মাত্রা ত্বরণের অনুরূপ। 

ত্বরণ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর বেগের পরিবর্তনের হারকে ত্বরণ বলা হয়।
- ত্বরণ একটি ভেক্টর রাশি ।
- কোনো বস্তুর ত্বরণ জানতে হলে বস্তুটির বেগের পরিবর্তনের হার এবং উক্ত পরিবর্তনের দিক উভয়ই জানতে হয়।

দ্রুতি:
- কোনো বস্তু একক সময়ে যে দূরত্ব অতিক্রম করে বা দূরত্বের হারকে দ্রুতি বলে।
- এটি একটি স্কেলার রাশি।
- বেগের মান দ্বারা দ্রুতি পরিমাপ করা হয়।

সরণ:
- কোনো নির্দিষ্ট দিকে সরল পথে কোনো বস্তু যে দূরত্ব বা পথ অতিক্রম করে তাকে সরণ বলে।
- সরণ একটি ভেক্টর রাশি।
- কোনো গতিশীল বস্তুর অবস্থান পরিবর্তন একটি  নির্দিষ্ট দিকে হলে সরণ ঘটে।

বেগ:
- সময়ের সাথে কোনো বস্তুর সরণের হারকে বেগ বলে। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮১.
STP তে তাপমাত্রা কত ধরা হয়? 
  1. 0° C 
  2. 25° C 
  3. 373° K 
  4. 100° C 
ব্যাখ্যা

SATP: 
- SATP হলো Standard Ambient Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- SATP এর ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 25° C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- SATP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 24.789 dm3। 

STP: 
- STP হলো Standard Temperature & Pressure বা প্রমাণ বায়ুমণ্ডলীয় তাপমাত্রা ও চাপ। 
- STP এর ক্ষেত্রে তাপমাত্রাকে 0° C এবং চাপকে 1 atm বা 1.01 bar ধরা হয়। 
- STP তে গ্যাসের মোলার আয়তন 22.4 dm3। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২.
সবল নিউক্লিয় বল কোথায় কাজ করে? 
  1. পরমাণুর ইলেকট্রন কক্ষপথে 
  2. পরমাণুর বাইরের স্তরে 
  3. নিউট্রন থেকে বাইরের কক্ষপথে 
  4. পরমাণুর কেন্দ্রে প্রোটন ও নিউট্রনের মধ্যে 
ব্যাখ্যা

সবল নিউক্লিয় বল: 
- সবল নিউক্লিয় বল হচ্ছে সৃষ্টিজগতের সবচেয়ে শক্তিশালী বল। 
- এটি তড়িৎ চৌম্বক বল থেকেও একশ গুণ বেশি শক্তিশালী। কিন্তু এটা খুবই অল্প দূরত্বে (10-15 m) কাজ করে। 
- পরমাণুর কেন্দ্রে যে নিউক্লিয়াস রয়েছে তার ভেতরকার প্রোটন এবং নিউট্রনের নিজেদের মাঝে এই প্রচণ্ড শক্তিশালী বল কাজ করে নিজেদের আটকে রাখে। 
- প্রচণ্ড বলে আটকে থাকার কারণে এর মাঝে অনেক শক্তি জমা থাকে। 
- তাই বড় নিউক্লিয়াসকে ভেঙে কিংবা ছোট নিউক্লিয়াসকে জোড়া দিয়ে এই বলের কারণে অনেক শক্তি তৈরি করা সম্ভব। 
- নিউক্লিয়ার বোমা সে জন্য এত শক্তিশালী। 
- সূর্য থেকে আলোর তাপও এই বল দিয়ে তৈরি হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৩.
দ্রবণের মধ্যে যা কম পরিমাণে থাকে এবং দ্রবীভূত হয় তাকে কী বলা হয়? 
  1. দ্রব 
  2. যৌগ 
  3. অণু 
  4. দ্রাবক 
ব্যাখ্যা

দ্রবণ (Solution): 
- কঠিন, তরল বা গ্যাসীয় যেকোনো ভৌত অবস্থায় একাধিক উপাদানের সম্পূর্ণ সমসত্ত্ব মিশ্রণ, যাতে উপাদানগুলোর পরিমাণের অনুপাত একটি সীমার মধ্যে আবদ্ধ থাকে তাকে দ্রবণ বলা হয়। 
- দ্রবণের প্রতিটি অংশের গঠন, ভৌত ও রাসায়নিক ধর্ম অভিন্ন হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদান কম পরিমাণে থাকে অর্থাৎ যা দ্রবীভূত হয়, তাকে দ্রব বলা হয়। 
- দ্রবণের মধ্যে যে উপাদানের পরিমাণ বেশি এবং যার মধ্যে দ্রব যোগ করা হয় তাকে দ্রাবক বলা হয়।

দ্রবণের শ্রেণিবিভাগ: 
- ঘনমাত্রা অনুযায়ী দ্রবণকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যেমন-
ক) সম্পৃক্ত দ্রবণ (Saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক দ্রব দ্রবীভূত হয়ে যে দ্রবণ উৎপন্ন করে তাকে ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রার সম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- এ অবস্থায় দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলেও দ্রবণের ঘনমাত্রার কোনো পরিবর্তন ঘটে না। 

খ) অসম্পৃক্ত দ্রবণ (Unsaturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত হতে পারে তার চেয়ে কম পরিমাণ দ্রব দ্রবণে উপস্থিত থাকলে তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অসম্পৃক্ত দ্রবণে অতিরিক্ত দ্রব যোগ করলে দ্রবণের ঘনমাত্রা বেড়ে যায়। 

গ) অতিপৃক্ত দ্রবণ (Super-saturated Solution): 
- কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোনো নির্দিষ্ট পরিমাণ দ্রাবকে সর্বাধিক যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকতে পারে যদি কোনো বিশেষ কারণে দ্রবণে আরও অতিরিক্ত দ্রব দ্রবীভূত থাকে তবে ঐ দ্রবণকে অতিপৃক্ত দ্রবণ বলা হয়। 
- অতিপৃক্ত দ্রবণ অস্থায়ী প্রকৃতির হয়। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৪.
রেশম তন্তু কোন প্রোটিন দিয়ে গঠিত? 
  1. এলাস্টিন 
  2. ফাইব্রেয়ন 
  3. কলাজেন 
  4. কেরাটিন 
ব্যাখ্যা

রেশম: 
- সৌন্দর্য ও গুণে রেশমের তৈরি পোশাক আসলে রাজকীয় পোশাক। 
- রেশমকে তন্তুর রাণি বলা হয়। 
- রেশম বা পলু পোকা নামের এক জাতীয় পোকার গুটি বা কোকুন থেকে রেশম বা সিল্ক তন্তু আহরণ করা হয়ে থাকে। 
- বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় রেশমের চাষ করা হয়। 

- রেশম রাজকীয় তন্তু কিন্তু পানি ধারণক্ষমতা অত্যধিক হওয়ায় রেশমের তৈরি পোশাক পানি দিয়ে ধোয়া যায় না। 
- এগুলো হচ্ছে পলু পোকার মুখ নিসৃত লালা যা আপন শরীরের চারপাশে এরা বুনতে থাকে। 
- রেশম তন্তু 'ফাইব্রেয়ন' নামক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। 
- প্রাকৃতিক প্রাণিজ তন্তুর মধ্যে রেশমই সবচেয়ে হালকা, শক্ত ও দীর্ঘ। 
- সিল্কের শক্তিমাত্রা, দৃড়তা, মসৃণতা এবং কোমল অনুভবতা বৈশিষ্ট্য দীর্ঘকাল ধরে সুপরিচিত। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৫.
সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লার নাম কী? 
  1. লিগনাইট 
  2. পিট 
  3. অ্যানথ্রাসাইট 
  4. বিটুমিনাস 
ব্যাখ্যা

কয়লা: 
- কয়লা হলো কালো বা কালচে বাদামি রঙের এক ধরনের পাললিক শিলা। 
- কয়লার মূল উপাদান হচ্ছে কার্বন (C)। 
- তবে স্থানভেদে কয়লায় ভিন্ন ভিন্ন পরিমাণে হাইড্রোজেন (H), সালফার (S), অক্সিজেন (O) কিংবা নাইট্রোজেন (N) থাকে। 
- কয়লা একটি দাহ্য পদার্থ, তাই জ্বালানি হিসেবে এর বহুল ব্যবহার রয়েছে। 
- প্রাকৃতিক গ্যাস ও খনিজ তেলের মতো কয়লা একটি জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuel) হলেও এর গঠন প্রক্রিয়া আলাদা। 
- প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে জলাভূমিতে জন্মানো প্রচুর ফার্ন, শৈবাল, গুল্ম ও অন্যান্য গাছপালা মরে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে কয়লা তৈরি হয়েছে। 
- গাছপালায় বিদ্যমান জৈব পদার্থে থাকা কার্বন প্রথমে জলাভূমির তলদেশে জমা হয়। 
- এ রকম অবস্থায় কার্বনের স্তর আরো ক্ষয় হয়ে পানিযুক্ত, স্পঞ্জের মতো ছিদ্রযুক্ত জৈব পদার্থে পরিণত হয়, যাকে বলা হয় পিট (Peat)। 

- কয়লা কয়েক রকমের হয়ে থাকে। 
যথা - 
১। অ্যানথ্রাসাইট: 
- অ্যানথ্রাসাইট হলো সবচেয়ে পুরোনো ও শক্ত কয়লা, যা প্রায় ৩৫০ মিলিয়ন বছর আগে তৈরি এবং এতে শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ কার্বন থাকে। 

২। বিটুমিনাস: 
- বিটুমিনাস কয়লা প্রায় ৩০০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে শতকরা ৫০-৮০ ভাগ কার্বন থাকে। 

৩। লিগনাইট: 
- লিগনাইট কয়লা ১৫০ মিলিয়ন বছরের পুরোনো এবং এতে সর্বোচ্চ শতকরা ৫০ ভাগ পর্যন্ত কার্বন থাকে। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৮৬.
কোন ঘটনা সাধারণত সুনামি সৃষ্টি করে? 
  1. বৃষ্টি 
  2. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প 
  3. পাহাড় ধস 
  4. নদীর বন্যা 
ব্যাখ্যা

সুনামি: 
- Tsunami একটি জাপানি শব্দ। 
- যার ‘সু’ অর্থ বন্দর এবং ‘নামি’ অর্থ ঢেউ। 
অর্থাৎ সুনামি শব্দের অর্থ হলো বন্দরের ঢেউ। 
- এটি একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। 
- সমুদ্র তলদেশে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিধস এবং নভোজাগতিক ঘটনা ইত্যাদি সুনামি সৃষ্টি করতে পারে। 

- সুনামি প্রাকৃতিক দুর্যোগটি শুধুমাত্র সাগরে সংঘটিত হয়। 
- সাধারণত সমুদ্রের তলদেশে একটা ভূমিকম্প হলে সুনামি তৈরি হয়। 
- ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর স্বরণকালের ভয়ঙ্কর একটি প্রাকৃতিক দূর্যোগ ঘটে। 
- ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপের কাছাকাছি ভারত মহাসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছিল ট্রাক্টনিক ভূমিকম্প। 
- অগভীর পানিতে যাওয়ার সময় সুনামি তার শক্তি হারায়। 
- বঙ্গোপসাগরে ১৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত অগভীর পানি বাংলাদেশকে সুনামির কবল থেকে রক্ষা করে থাকে। 
- ১৭৬২ সালের ২ এপ্রিল বঙ্গোপসাগরের আরাকান অঞ্চলে সংঘটিত একটি ভূমিকম্প থেকে সৃষ্ট সুনামি বাংলাদেশে আঘাত এনেছিল। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 

৮৭.
20 Hz এর নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে কী বলা হয়? 
  1. শব্দেতর তরঙ্গ 
  2. শব্দোত্তর তরঙ্গ 
  3. শ্রাব্য তরঙ্গ 
  4. আল্ট্রাসনিক তরঙ্গ 
ব্যাখ্যা

শ্রাব্যতার সীমা, শব্দেতর ও শব্দোত্তর তরঙ্গ: 
- শব্দের উৎস বস্তুর কম্পন। 
- কিন্তু কম্পন হলেই শব্দ শোনা যাবে তা কিন্তু নয়। 
- মানুষের শ্রবণ যন্ত্রের সীমাবদ্ধতা আছে। 
- মানুষ শ্রবণ ইন্দ্রিয় 20 Hz থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের শব্দ শুনতে পারে। 
- তাই বলা হয় মানুষের শ্রাব্যতার সীমা 20 থেকে 20,000 Hz কম্পাঙ্কের মধ্যে। 
- 20 থেকে 20,000 Hz এই সীমার নিচের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দেতর তরঙ্গ এবং উপরের কম্পাঙ্কের তরঙ্গকে বলা হয় শব্দোত্তর তরঙ্গ। - অবশ্য সবার শ্রাব্যতার পাল্লা সমান নয়। 
- মানুষ ভেদে এর তারতম্য আছে। 
- কয়েকটি প্রাণীর গড় শ্রাব্যতার পাল্লা নিচের ছকে উল্লেখ করা হলো -


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৮.
রাইবোসোমের প্রধান কাজ কী? 
  1. শক্তি উৎপাদন 
  2. প্রোটিন সংশ্লেষণ 
  3. লিপিড ভাঙা 
  4. ডিএনএ সংরক্ষণ 
ব্যাখ্যা

রাইবোসোম: 
- সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায় বিরাজমান অথবা অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে অবস্থিত যে দানাদার কণায় প্রোটিন সংশ্লেষণ ঘটে তাকে বলা হয় রাইবোসোম। 
- প্যালাডে ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দে রাইবোসোম আবিষ্কার করেন। 
- রাইবোসোম অত্যন্ত ক্ষুদ্র এবং প্রায় গোলাকার। 
- এটি উদ্ভিদ এবং প্রাণী উভয় কোষেই উপস্থিত থাকে। 
- সাধারণত অমসৃণ অন্তঃপ্লাজমীয় জালিকার উভয় দিকে এরা সারিবদ্ধভাবে অবস্থান করে। 
- আবার সাইটোপ্লাজমে মুক্ত অবস্থায়ও রাইবোসোম থাকতে পারে। 
- মুক্ত রাইবোসোম আদি কোষের একটি উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য। 

রাইবোসোমের কাজ: 
- রাইবোসোম এর প্রধান কাজ প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং স্নেহ জাতীয় পদার্থের বিপাক সাধন
- রাইবোসোম আমিষ সংশ্লেষণের স্থান নির্ধারণ করে, 
- প্রোটিনের পলিপেপটাইড চেইন সংযোজন করে এবং 
- এ ধরনের সকল কাজে প্রয়োজনীয় এনজাইম সরবরাহ করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৯.
তিনটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার প্রথমটির দ্বিগুণ, তৃতীয় সংখ্যাটির ৩/২ গুণের থেকে ৪ বেশি। দ্বিতীয় সংখ্যাটি কত?
  1. ২০
  2. ২২
  3. ২৪
  4. ২৬
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি ক্রমিক জোড় সংখ্যার প্রথমটির দ্বিগুণ, তৃতীয় সংখ্যাটির ৩/২ গুণের থেকে ৪ বেশি। দ্বিতীয় সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
১ম জোড় সংখ্যা = ক
২য় জোড় সংখ্যা = ক + ২
৩য় জোড় সংখ্যা = ক + ৪

প্রশ্নমতে,
১ম সংখ্যার দ্বিগুণ = ৩/২ × (৩য় সংখ্যা) + ৪
⇒ ২ক = ৩/২ × (ক + ৪) + ৪
⇒ ৪ক  = ৩(ক + ৪) + ৮  [উভয়পক্ষকে ২দ্বারা গুণ]
⇒ ৪ক = ৩ক + ১২ + ৮
⇒ ৪ক - ৩ক = ২০
∴ ক = ২০

সুতরাং,
১ম সংখ্যা = ২০
২য় সংখ্যা = ২০ + ২ = ২২
৩য় সংখ্যা = ২০ + ৪ = ২৪

অতএব, দ্বিতীয় সংখ্যাটি ২২।

৯০.
রহিম ও করিমের বয়সের অনুপাত ৫ : ৪। করিম ও সালমানের বয়সের অনুপাত ৩ : ২। রহিমের বয়স ৪৫ বছর হলে, সালমানের বয়স কত?
  1. ২৪ বছর
  2. ২৭ বছর
  3. ৩২ বছর
  4. ৩৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রহিম ও করিমের বয়সের অনুপাত ৫ : ৪। করিম ও সালমানের বয়সের অনুপাত ৩ : ২। রহিমের বয়স ৪৫ বছর হলে, সালমানের বয়স কত?

সমাধান:
রহিম : করিম = ৫ : ৪ = ১৫ : ১২
করিম : সালমান = ৩ : ২ = ১২ : ৮

∴ রহিম : করিম : সালমান = ১৫ : ১২ : ৮

ধরি,
রহিমের বয়স = ১৫ক
করিমের বয়স = ১২ক
সালমানের বয়স = ৮ক

প্রশ্নমতে,
১৫ক = ৪৫
⇒ ক = ৪৫/১৫
∴ ক = ৩

∴ সালমানের বয়স = ৮ক = ৮ × ৩ = ২৪ বছর

৯১.
যদি x2 - 3x + 1 = 0 হয়, তবে x3 + (1/x3) = কত?
  1. 18
  2. 27
  3. 24√3
  4. 36
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি x2 - 3x + 1 = 0 হয়, তবে x3 + 1/(x3) = কত?

সমাধান:
x2 - 3x + 1 = 0
⇒ x2 + 1 = 3x
⇒ (x2 + 1)/x = 3 [উভয়পক্ষকে x দ্বারা ভাগ করে]
⇒ x + (1/x) = 3

এখন,
x3 + 1/(x3)
= {x + (1/x)}3 - 3 . x . (1/x) . {x + (1/x)}
= (3)3 - 3 . 1 . 3
= 27 - 9
= 18

∴ x3 + 1/(x3) = 18

৯২.
যদি A = {x : x ∈ N, 18 এর গুণনীয়কসমূহ} এবং B = {x : x ∈ N , 6 এর গুণিতক এবং x ≤ 30}, হয় তবে A - B = কত?
  1. {1, 2, 3, 6, 9, 12, 24}
  2. {1, 2, 3, 4, 9}
  3. {6, 18}
  4. {1, 2, 3, 9}
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি A = {x : x ∈ N, 18 এর গুণনীয়কসমূহ} এবং B = {x : x ∈ N , 6 এর গুণিতক এবং x ≤ 30}, হয় তবে A - B = কত?

সমাধান:
এখানে, A = {x ∈ N : x, 18 এর গুণনীয়কসমূহ}
18 এর গুণনীয়কসমূহ 1, 2, 3, 6, 9, 18
∴ A = {1, 2, 3, 6, 9, 18}

B = {x ∈ N : x, 6 এর গুণিতক এবং x ≤ 30}
6 এর গুণিতক 6, 12, 18, 24, 30
∴ B = {6, 12, 18, 24, 30}

A - B = {1, 2, 3, 6, 9, 18} - {6, 12, 18, 24, 30}
= {1, 2, 3, 9}

∴ A - B = {1, 2, 3, 9}

৯৩.
sin{(nπ)/3} অনুক্রমটির ষষ্ঠ পদ কোনটি?
  1. 0
  2. 1
  3. √3/2
  4. 1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: sin{(nπ)/3} অনুক্রমটির ষষ্ঠ পদ কোনটি?

সমাধান:
sin{(nπ)/3}, n = 6 হলে,
= sin{(6π)/3}
= sin 2π = sin 360°
= sin(4 × 90° + 0°)
= sin 0°
= 0

৯৪.
9x2 + 12x + 4 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কী?
  1. বাস্তব, অসমান ও মূলদ
  2. বাস্তব, অসমান
  3. বাস্তব ও সমান
  4. অবাস্তব
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 9x2 + 12x + 4 = 0 সমীকরণে মূলদ্বয়ের প্রকৃতি কী?

সমাধান:
9x2 + 12x + 4 = 0
এখানে,
a = x2 এর সহগ = 9
b = x এর সহগ = 12
c = ধ্রুবক = 4

নিশ্চায়ক = b2 - 4ac
= (12)2 - 4 × 9 × 4
= 144 - 144
= 0

নিশ্চায়ক = 0 হলে, মূল দুইটি বাস্তব ও পরস্পর সমান হবে।

∴ মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান।

উল্লেখ্য:
b2 - 4ac > 0 এবং পূর্ণবর্গ হলে ⇒ মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও মূলদ
b2 - 4ac > 0 কিন্তু পূর্ণবর্গ নয় ⇒ মূলদ্বয় বাস্তব, অসমান ও অমূলদ
b2 - 4ac = 0 হলে ⇒ মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান
b2 - 4ac < 0 হলে ⇒ বাস্তব মূল নেই (কাল্পনিক মূল)

৯৫.
(2/√5), - 2, 2√5, - 10, ............ ধারাটির সপ্তম পদ কত?
  1. 25√5
  2. 50√5
  3. - 40
  4. - 45√5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (2/√5), - 2, 2√5, - 10, ............ ধারাটির সপ্তম পদ কত?

সমাধান:
এখানে প্রথম পদ, a = 2/√5
সাধারণ অনুপাত, r = - 2/(2/√5)
= - 2 × √5/2
= - √5

আমরা জানি n তম পদ = arn - 1
∴ সপ্তম পদ = ar7 - 1
= ar6
= (2/√5) × (-√5)6
= (2/√5) × {(-√5)2}3
= (2/√5) × (5)3
= (2/√5) × 125
= 250/√5
= (250 × √5)/5
= 50√5

৯৬.
যদি logx(1/18) = - 2 হয়, তবে x = কত?
  1. 2√2
  2. √3
  3. 3√2
  4. √6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি logx(1/18) = - 2 হয়, তবে x = কত?

সমাধান:
logx(1/18) = - 2
⇒ x- 2 = 1/18
⇒ 1/(x2) = 1/18
⇒ x2 = 18
⇒ x2 = 9 × 2
⇒ x2 = 32 × 2
⇒ x2 = (3√2)2
∴ x = 3√2

৯৭.
একটি সম্মেলনে কিছু প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। যদি তারা প্রত্যেকেই পরস্পরের সাথে কেবল একবার করমর্দন করে এবং করমর্দনের মোট সংখ্যা 105 হয়, তাহলে ঐ সম্মেলনে কতজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন?
  1. 12 জন
  2. 15 জন
  3. 18 জন
  4. 25 জন
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সম্মেলনে কিছু প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন। যদি তারা প্রত্যেকেই পরস্পরের সাথে কেবল একবার করমর্দন করে এবং করমর্দনের মোট সংখ্যা 105 হয়, তাহলে ঐ সম্মেলনে কতজন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন?

সমাধান:
মনে করি, ঐ সম্মেলনে n সংখ্যক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

প্রশ্নানুসারে,
nC2 = 105
⇒ n!/{2!(n - 2)!} = 105
⇒ {n(n - 1)(n - 2)!}/{2!(n - 2)!} = 105
⇒ n(n - 1)/2 = 105
⇒ n(n - 1) = 210
⇒ n2 - n = 210
⇒ n2 - n - 210 = 0
⇒ n2 - 15n + 14n - 210 = 0
⇒ n(n - 15) + 14(n - 15) = 0
⇒ (n + 14)(n - 15) = 0
⇒ n = - 14 অথবা n = 15

n এর মান - 14 গ্রহণযোগ্য নয় (কারণ n এর মান ঋণাত্মক হতে পারে না)।
∴ n = 15

∴ ঐ সম্মেলনে 15 জন প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

৯৮.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. এবং প্রস্থ 15 সে.মি.। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে 30 সে.মি. করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে?
  1. 10 সে.মি.
  2. 12 সে.মি.
  3. 15 সে.মি.
  4. 18 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. এবং প্রস্থ 15 সে.মি.। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে 30 সে.মি. করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে?

সমাধান:
 আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল = 24 × 15 = 360 বর্গ সে.মি.
এখন, 
নতুন দৈর্ঘ্য =30 সে.মি.
নতুন আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x সে.মি. হলে, ক্ষেত্রফল = 30x বর্গ সে.মি.

প্রশ্নমতে,
30x = 360
⇒ x = 360/30
∴ x = 12 সে.মি.

অতএব, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ 12 সে.মি. হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে।

৯৯.
যদি 3x3 + 4x2 - 5x + k = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 2) হয়, তাহলে k এর মান কত?
  1. 20
  2. - 30
  3. - 42
  4. 18
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 3x3 + 4x2 - 5x + k = 0 এর একটি উৎপাদক (x - 2) হয়, তাহলে k এর মান কত?

সমাধান:
ধরি, f(x) = 3x3 + 4x2 - 5x + k
∴ f(2) = 3(2)3 + 4(2)2 - 5(2) + k
= 3 × 8 + 4 × 4 - 10 + k
= 24 + 16 - 10 + k
= 30 + k

এখন,
3x3 + 4x2 - 5x + k এর একটি উৎপাদক x - 2 হলে, f(2) = 0 হবে।
∴ f(2) = 0
⇒ 30 + k = 0
⇒ k = - 30

সুতরাং, k এর মান - 30

১০০.
৬০০ টাকা বার্ষিক ৮% সুদে কত বছরে সুদে-আসলে ৭৯২ টাকা হবে?
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৩.৫ বছর
  4. ৬ বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৬০০ টাকা বার্ষিক ৮% সুদে কত বছরে সুদে-আসলে ৭৯২ টাকা হবে?

সমাধান:
সুদ = সুদাসল - আসল
= (৭৯২ - ৬০০)
= ১৯২ টাকা

এখানে,
আসল, P = ৬০০ টাকা
সুদ, I = ১৯২ টাকা
সুদের হার, r = ৮%
সময়, n = ?

আমরা জানি,
I = Pnr/১০০
⇒ n = ( I × ১০০)/(P × r)
⇒ n = (১৯২ × ১০০)/(৬০০ × ৮) 
⇒ n = ১৯২০০/৪৮০০ 
∴ n = ৪ বছর

∴ ৪ বছরে সুদে-আসলে ৭৯২ টাকা হবে।

১০১.
  1. 3
  2. 4
  3. 4√3
  4. 6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

১০২.
একটি বাক্সে 4 টি সাদা এবং 3 টি কালো মার্বেল আছে। অপর একটি বাক্সে 1 টি সাদা এবং 5 টি কালো মার্বেল আছে। দৈবভাবে প্রত্যেক বাক্স থেকে একটি করে মার্বেল তোলা হলো। মার্বেল দুইটির মধ্যে অন্তত একটি সাদা হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?
  1. 9/14
  2. 5/14
  3. 11/21
  4. 13/24
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বাক্সে 4 টি সাদা এবং 3 টি কালো মার্বেল আছে। অপর একটি বাক্সে 1 টি সাদা এবং 5 টি কালো মার্বেল আছে। দৈবভাবে প্রত্যেক বাক্স থেকে একটি করে মার্বেল তোলা হলো। মার্বেল দুইটির মধ্যে অন্তত একটি সাদা হওয়ার সম্ভাব্যতা কত?

সমাধান:
প্রথম বাক্সে, 4 টি সাদা মার্বেল, 3 টি কালো মার্বেল (মোট 7 টি মার্বেল)
দ্বিতীয় বাক্সে, 1 টি সাদা মার্বেল, 5 টি কালো মার্বেল (মোট 6 টি মার্বেল)

অন্তত একটি সাদা হওয়ার সম্ভাব্যতা = 1 - দুইটি মার্বেলই কালো

প্রথম বাক্স থেকে কালো মার্বেলের সম্ভাবনা = 3/7
দ্বিতীয় বাক্স থেকে কালো মার্বেলের সম্ভাবনা = 5/6

দুইটি কালো হওয়ার সম্ভাব্যতা = (3/7) × (5/6)
= 15/42
= 5/14

∴ অন্তত একটি সাদা হওয়ার সম্ভাব্যতা = 1 - (5/14)
= (14 - 5)/14
= 9/14

১০৩.
Canvas : Painter : :
  1. kitchen : cook
  2. hammer : carpenter
  3. marble : sculptor
  4. road : driver
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Canvas : Painter : :

সমাধান:
Canvas যেমন Painter এর শিল্পকর্মের মাধ্যম, ঠিক তেমনি Marble হলো Sculptor এর শিল্পকর্মের মাধ্যম।

ক)kitchen : cook - রান্নাঘর হলো একটি স্থান, রান্নার মাধ্যম নয়।

খ) hammer : carpenter - হাতুড়ি হলো একটি যন্ত্র/সরঞ্জাম, কাজের মাধ্যম নয়।

গ) marble : sculptor - মার্বেল (মর্মর পাথর) হলো একটি মাধ্যম/উপকরণ যার উপর sculptor (ভাস্কর) তার ভাস্কর্য সৃষ্টি করেন।

ঘ) road : driver - রাস্তা হলো চলাচলের স্থান, সৃষ্টির মাধ্যম নয়।

সঠিক উত্তর: গ) marble : sculptor

১০৪.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. Conscientious
  2. Consientious
  3. Consciencious
  4. Conscentious
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনটি শুদ্ধ বানান?

সমাধান:
সঠিক উত্তর: ক) Conscientious

Conscientious (Adjective): বিবেকবান, কর্তব্যপরায়ণ, সতর্ক ও দায়িত্বশীল।

Synonyms: Diligent, Meticulous, Careful, Thorough, Scrupulous.
Antonyms: Careless, Negligent, Irresponsible, Thoughtless.

Source: Merriam Webster Dictionary & Oxford Learner's Dictionary.

১০৫.
৭, ১১, ১৯, ৩৫,....... পরবর্তী সংখ্যাটি কত?
  1. ৬৫
  2. ৬৭
  3. ৭৩
  4. ৭১
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৭, ১১, ১৯, ৩৫,....... পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
(একটি সংখ্যা × ২) - ৩ = পরবর্তী সংখ্যা

(৭ × ২) - ৩ = ১৪ - ৩ = ১১
(১১ × ২) - ৩ = ২২ - ৩ = ১৯
(১৯ × ২) - ৩ = ৩৮ - ৩ = ৩৫
(৩৫ × ২) - ৩ = ৭০ - ৩ = ৬৭

∴ পরবর্তী সংখ্যাটি হলো ৬৭

১০৬.
P, Q এর চেয়ে লম্বা; R, S এর চেয়ে খাটো; S, T এর চেয়ে খাটো; Q, S এর চেয়ে লম্বা; T, Q এর চেয়ে খাটো হলে সবচেয়ে লম্বা কে?
  1.  P
  2. R
  3. T
  4. S
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P, Q এর চেয়ে লম্বা; R, S এর চেয়ে খাটো; S, T এর চেয়ে খাটো; Q, S এর চেয়ে লম্বা; T, Q এর চেয়ে খাটো হলে সবচেয়ে লম্বা কে?

সমাধান:
P, Q এর চেয়ে লম্বা → Q < P
R, S এর চেয়ে খাটো → R < S
S, T এর চেয়ে খাটো → S < T
Q, S এর চেয়ে লম্বা → S < Q
T, Q এর চেয়ে খাটো → T < Q

এখন সবগুলো তথ্য একসাথে সাজাই:
R < S < T < Q < P

সুতরাং সবচেয়ে লম্বা হচ্ছে - P

১০৭.
Resilience is essential for-
  1. showing off skills
  2. seeking comfort always
  3. avoiding responsibility
  4. overcoming adversity
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Resilience is essential for-

সমাধান:
সঠিক উত্তর: ক) overcoming adversity
"Resilience is essential for overcoming adversity" (স্থিতিস্থাপকতা/সহনশীলতা প্রতিকূলতা অতিক্রম করার জন্য অপরিহার্য)।

• Resilience অর্থ হলো স্থিতিস্থাপকতা/সহনশীলতা/কঠিন পরিস্থিতি থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা।
• Overcoming Adversity মানে হলো জীবনের কঠিন সময়, বাধা-বিপত্তি, দুর্ভাগ্য, ব্যর্থতা বা চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে সেগুলো সফলভাবে অতিক্রম করা এবং আবার স্বাভাবিক বা আরও ভালো অবস্থায় ফিরে আসা।

- Resilience হলো সেই মানসিক শক্তি এবং দৃঢ়তা যা মানুষকে জীবনের কঠিন সময়, ব্যর্থতা, ক্ষতি, বা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়ে আবার উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করে।
- যারা Resilient তারা সমস্যার সামনে হাল ছেড়ে দেন না, বরং পরিস্থিতির সাথে খাপ খাইয়ে নিয়ে এগিয়ে যান।
- উদাহরণ: একজন ছাত্র পরীক্ষায় খারাপ ফল করার পর হতাশ না হয়ে আবার চেষ্টা করে সফল হয় - এটিই Resilience।

১০৮.
২০০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৯০ কি.মি. বেগে ২৪ সেকেন্ডে একটি প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করে। প্ল্যাটফর্মটির দৈর্ঘ্য কত?
  1. ৩০০ মিটার
  2. ২৫০ মিটার
  3. ৪০০ মিটার
  4. ৫০০ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০০ মিটার দীর্ঘ একটি ট্রেন ঘণ্টায় ৯০ কি.মি. বেগে ২৪ সেকেন্ডে একটি প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করে। প্ল্যাটফর্মটির দৈর্ঘ্য কত?

সমাধান:
ট্রেনের বেগ = ৯০ কি.মি./ঘণ্টা
= (৯০ × ১০০০)/৩৬০০ মি./সেকেন্ড
= ৯০০০০/৩৬০০ মি./সেকেন্ড
= ২৫ মি./সেকেন্ড

১ সেকেন্ডে ট্রেন যায় = ২৫ মিটার
∴ ২৪ সেকেন্ডে ট্রেন যায় = ২৫ × ২৪ = ৬০০ মিটার

আমরা জানি,
ট্রেন প্ল্যাটফর্ম অতিক্রম করতে নিজের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য সমান দূরত্ব অতিক্রম করে।

∴ ট্রেনের দৈর্ঘ্য + প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৬০০ মিটার
∴ প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য = ৬০০ - ২০০ = ৪০০ মিটার

১০৯.
নিচের চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে?
  1. ১০টি
  2. ১৬টি
  3. ২৪টি
  4. ৩১টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কতটি ত্রিভুজ আছে?


সমাধান:


এখানে,
চিত্রে ১টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে ৮টি।
চিত্রে ২টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (২৩, ৪৫, ৬৭, ৮১) আছে ৪টি।
চিত্রে ৪টি করে ঘর নিয়ে ত্রিভুজ (২৩৪৫, ৪৫৬৭, ৬৭৮১, ৮১২৩) আছে ৪টি

∴ মোট ত্রিভুজ আছে = ৮ + ৪ + ৪ = ১৬টি

১১০.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণগুলো বসবে?
BDH, FHN, JLT, NPZ, ?
  1. RTF
  2. STG
  3. QSY
  4. RTG
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন বর্ণগুলো বসবে?
BDH, FHN, JLT, NPZ, ?

সমাধান:
প্রথম বর্ণগুলোর সিরিজ:
B, F, J, N …
প্যাটার্ন: প্রতিটি বর্ণ ৪ ধাপ করে এগিয়ে যাচ্ছে।
B → F (B + 4)
F → J (F + 4)
J → N (J + 4)
→ N এর পর হবে R (N + 4)

দ্বিতীয় বর্ণগুলোর সিরিজ:
D, H, L, P …
প্যাটার্ন: প্রতিটি বর্ণ ৪ ধাপ করে এগিয়ে যাচ্ছে।
D → H (D + 4)
H → L (H + 4)
L → P (L + 4)
→ P এর পর হবে T (P + 4)

তৃতীয় বর্ণগুলোর সিরিজ:
H, N, T, Z …
প্যাটার্ন: প্রতিটি বর্ণ ৬ ধাপ করে এগিয়ে যাচ্ছে।
H → N (H + 6)
N → T (N + 6)
T → Z (T + 6)
→ Z এর পর হবে F (Z + 6, অর্থাৎ Z এর পর A, B, C, D, E, F)

অতএব, প্রশ্নবোধক স্থানে RTF বসবে।

১১১.
জামিল সাহেব প্রথমে ৪ মাইল উত্তরে, এরপর ১২ মাইল পূর্বে এবং তারপরে ১২ মাইল উত্তরে ভ্রমণ করেন। তিনি শুরুর বিন্দু থেকে কত দূরে আছেন?
  1. ৮ মাইল
  2. ১৭ মাইল
  3. ২০ মাইল
  4. ২৫ মাইল
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: জামিল সাহেব প্রথমে ৪ মাইল উত্তরে, এরপর ১২ মাইল পূর্বে এবং তারপরে ১২ মাইল উত্তরে ভ্রমণ করেন। তিনি শুরুর বিন্দু থেকে কত দূরে আছেন?

সমাধান:

ED = EC + CD
বা, ED= AB + CD 
∴ ED = ৪ + ১২ = ১৬ মাইল
AE = BC = ১২ মাইল

∴ দূরত্ব AD = √(ED + AE)
= √(১৬ + ১২)
= √(২৫৬ + ১৪৪)
= √৪০০
= ২০ মাইল

সুতরাং, শুরুর বিন্দু থেকে ২০ মাইল দূরে আছেন।

১১২.
আপনি রাস্তায় হাঁটছেন। এক ভদ্রলোক আপনার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন হ্যান্ডশেক করার জন্য, অথচ লোকটিকে আপনি চেনেন না বলে মনে হলো। এক্ষেত্রে আপনি কী করবেন?
  1. তাকে দ্রুত এড়িয়ে পাশ কাটিয়ে চলে যাবেন
  2. তার দিকে হতবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবেন
  3. তার সাথে হাত মেলাবেন ও পরিচয় জানতে চাইবেন।
  4. তার সাথে বাজে ব্যবহার করবেন।
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: আপনি রাস্তায় হাঁটছেন। এক ভদ্রলোক আপনার দিকে হাত বাড়িয়ে দিলেন হ্যান্ডশেক করার জন্য, অথচ লোকটিকে আপনি চেনেন না বলে মনে হলো। এক্ষেত্রে আপনি কী করবেন?

সমাধান:
সঠিক উত্তর: গ) তার সাথে হাত মেলাবেন ও পরিচয় জানতে চাইবেন।

হাত মেলানো:
- যখন কেউ আপনার দিকে হ্যান্ডশেক করার জন্য হাত বাড়িয়ে দেন, তখন তাকে উপেক্ষা করা বা হাত ফিরিয়ে দেওয়া সামাজিক রীতিনীতি অনুযায়ী অসৌজন্যমূলক কাজ। - আপনি ভদ্রতা বজায় রেখে হ্যান্ডশেকটি গ্রহণ করবেন।

পরিচয় জিজ্ঞাসা:
- যেহেতু আপনি লোকটিকে চিনতে পারছেন না, তাই হ্যান্ডশেক করার পরপরই বিনয়ী ভাষায় তার নাম, পরিচয় বা তিনি আপনাকে চেনেন কি না, তা জিজ্ঞাসা করা বিচক্ষণতার পরিচয়।
- এটি পরিস্থিতিটি স্পষ্ট করে এবং অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি দূর করে।

১১৩.
একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে তানিয়া বললো, "সে হচ্ছে আমার বাবার মায়ের মেয়ের ছেলে।" ছেলেটি তানিয়ার সম্পর্কে কী হয়?
  1. চাচাতো ভাই
  2. মামা
  3. ফুপাতো ভাই
  4. চাচা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ছেলের ছবি দেখিয়ে তানিয়া বললো, "সে হচ্ছে আমার বাবার মায়ের মেয়ের ছেলে।" ছেলেটি তানিয়ার সম্পর্কে কী হয়?

সমাধান:
ছবিটি একটি ছেলের। বক্তা হচ্ছে তানিয়া।
"আমার বাবার মা" = দাদি
"দাদির মেয়ে" = তানিয়ার ফুফু
"ফুফুর ছেলে" = তানিয়ার ফুপাতো ভাই

অতএব, ছেলেটি তানিয়ার সম্পর্কে ফুপাতো ভাই হয়।

১১৪.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুসারে 'অনুপস্থিতি প্রভৃতির কারণে রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার থাকবেন'?
  1. ৫২ নং 
  2. ৫৩ নং
  3. ৫৪ নং
  4. ৫৫ নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ৫৪ নং অনুচ্ছেদ: অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগ নির্বাহী বিভাগের ১ম অনুচ্ছেদের ৫৪ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, 'অনুপস্থিতি প্রভৃতির কারণে রাষ্ট্রপতি পদে স্পিকার থাকবেন'
• ৫৪। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে কিংবা অনুপস্থিতি, অসুস্থতা বা অন্য কোন কারণে রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অসমর্থ হলে ক্ষেত্রমত রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত কিংবা রাষ্ট্রপতি পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত স্পীকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

অন্যদিকে,
- ৫২ নং অনুচ্ছেদ: রাষ্ট্রপতির অভিশংসন। 
- ৫৩ নং অনুচ্ছেদ: অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ। 
- ৫৫ নং অনুচ্ছেদ: মন্ত্রিসভা। 

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

১১৫.
প্রাচীন সমতট জনপদের অবস্থান বাংলাদেশের বর্তমান কোন জেলায় বিস্তৃতি ছিল?
  1. নোয়াখালী
  2. সিলেট 
  3. চট্টগ্রাম
  4. বরিশাল
ব্যাখ্যা

সমতট:
- দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
- বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
- মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালীর সমতল অঞ্চলে ছিল সমতটের অবস্থান।
- তবে ত্রিপুরাকে সমতটের প্রধান কেন্দ্র বলা হতো।
- রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

⇒ সমুদ্রগুপ্তের সময় থেকে (চতুর্থ শতাব্দী) এর স্বতন্ত্র অস্তিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়।
- লালমাই-ময়নামতীকে কেন্দ্র করে এ অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা ভবদেবের আমলে (সপ্তম শতাব্দী) ময়নামতীতে শালবন বিহার তৈরি হয়।
- বিভিন্ন সময় উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন লিপিতে ‘দেবপর্বত’কে সমতটের রাজধানী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। 
- সপ্তম শতকে সমতটে এসেছিলেন হিউয়েন সাঙ।
- সাত শতকে সমতটের রাজধানী ছিল বড়কামতা। 

উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১১৬.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, কোন ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম?
  1. হো
  2. গুর্খা
  3. লুসাই
  4. ভিল
ব্যাখ্যা

ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী:
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী, দেশে দেশে ৫০টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী রয়েছে।
- এর মধ্যে চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে শতকরা হিসাবে যা ২৯.২৯ শতাংশ।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর।

⇒ চাকমাদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। সংখ্যার দিক দিয়ে দ্বিতীয় এবং তৃতীয় অবস্থানে আছে পার্বত্য চট্টগ্রামেরই দুই জাতিগোষ্ঠী মারমা ও ত্রিপুরা। সংখ্যার দিক থেকে চতুর্থ স্থানে থাকা সমতলের সাঁওতালদের সংখ্যা ১ লাখ ২৯ হাজার ৪৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মধ্যে সবচেয়ে কম সংখ্যায় ভিল জনগোষ্ঠীর। এই জনগোষ্ঠীর মাত্র ৯৫ জন রয়েছে বাংলাদেশে।
- এরপর গুর্খা জনগোষ্ঠী সংখ্যা ১০১ জন বাংলাদেশে বসবাস করছে।
- আর হো জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ২২৪ জন।
- লুসাই জনগোষ্ঠীর মানুষ আছে ৩৮০ জন।

উৎস: i) জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
ii) প্রথম আলো।

১১৭.
সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই) সংগঠনটি বর্তমানে কী নামে পরিচিত?
  1. গণতন্ত্র রক্ষা পরিষদ
  2. নাগরিক অধিকার ফোরাম
  3. নাগরিক অধিকার আন্দোলন
  4. সুজন
ব্যাখ্যা

সুজন (সুশাসনের জন্য নাগরিক):
- সুজন দেশের সচেতন নাগরিকদের সমন্বয়ে গড়ে ওঠা একটি নাগরিক সংগঠন।
- গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া-সহ রাষ্ট্রের সকল স্তরে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বাংলাদেশকে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলাই সুজন-এর মূল লক্ষ্য।
- ‘সুজন’ পরিচালনার মূলনীতি হলো দলনিরপেক্ষতা, একতা, সততা, স্বচ্ছতা, সমতা ও অসাম্প্রদায়িকতা।
- ১২ নভেম্বর ২০০২ তারিখে আয়োজিত একটি সংবাদ সম্মেলনের মধ্য দিয়ে ‘সিটিজেন্স ফর ফেয়ার ইলেকশন্স (সিএফই)’ নামে সংগঠনটি প্রথম আত্মপ্রকাশ করে।
- এর ২১ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি রয়েছে।
- সুজনের সভাপতি জনাব এম হাফিজউদ্দিন খান এবং সম্পাদক ড: বদিউল আলম মজুমদার।

উল্লেখ্য,
- প্রারম্ভিক পর্যায়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সৎ, যোগ্য ও জনকল্যাণে নিবেদিত প্রার্থীরা যাতে নির্বাচিত হতে পারেন, সে লক্ষ্যে কাজ করলেও, পরবর্তীতে দেশের গণতন্ত্র, উন্নয়ন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয় এবং লক্ষ্যের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে ২০০৩ সালের ২১ ডিসেম্বর সংগঠনটির নামকরণ করা হয় ‘সুশাসনের জন্য নাগরিক’, সংক্ষেপে ‘সুজন’।
- ‘সুজন’ দাতাদের অর্থে পরিচালিত কোনো এনজিও নয়।
- এটি একটি নির্দলীয় স্বেচ্ছাব্রতী নাগরিক উদ্যোগ।
- একদল সচেতন নাগরিকের সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতার চেতনা থেকেই এর সৃষ্টি।
- এই উদ্যোগের সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে সম্পৃক্ত ব্যক্তিবর্গের নেতৃত্বে ও অর্থায়নেই এর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

উৎস: সুজন ওয়েবসাইট।

১১৮.
সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন কে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. সৈয়দ মো. মাহফুজুর রহমান
  2. মেরিনা তাবাশ্যুম
  3. সৈয়দ রেজওয়ানা চৌধুরী
  4. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
ব্যাখ্যা

থেয়ারওয়ার্ল্ডের ‘আনলক বিগ চেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড’:
- সম্প্রতি থেয়ার ওয়ার্ল্ড এর 'আনলক বিগ চেঞ্জ' অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

⇒ ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে নিউইয়র্কের একটি হোটেলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ ইউনূসকে এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- শিক্ষা ও সামাজিক-অর্থনৈতিক উন্নয়নে তাঁর পথপ্রদর্শক ভূমিকা এবং মানবকল্যাণে আজীবন প্রতিশ্রুতির স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা পেলেন তিনি।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশন চলাকালে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত থেয়ারওয়ার্ল্ডের বার্ষিক উচ্চপর্যায়ের গ্লোবাল এডুকেশন ডিনারে নোবেল শান্তি পুরস্কারবিজয়ী এবং গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মুহাম্মদ ইউনূসকে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হলো।
- মুহাম্মদ ইউনূসের পাশাপাশি জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপো গ্রান্ডিকেও সম্মাননা দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, 
- শিশুদের জন্য নিবেদিত আন্তর্জাতিক দাতব্য সংস্থা থেয়ারওয়ার্ল্ড বিশ্বব্যাপী শিক্ষার সংকট নিরসন ও নতুন প্রজন্মের সম্ভাবনা বিকাশে কাজ করছে।

উৎস: প্রথম আলো।

১১৯.
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে কোনটি সংযোজন করা হয়?
  1. তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা
  2. গণভোট
  3. ধর্মনিরপেক্ষতা
  4. রাষ্ট্রপতি নির্বাচন
ব্যাখ্যা

সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০শে জুন জাতীয় সংসদে পঞ্চদশ সংশোধনী আইন পাস হয় এবং রাষ্ট্রপতির অনুমোদন হয় ২০১১ সালের ৩ জুলাই।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল' করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।
- সংবিধানে ৭ অনুচ্ছেদের পরে ৭ (ক) ও ৭ (খ) অনুচ্ছেদ সংযোজন করে সংবিধান বহির্ভূত পন্থায় রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখলের পথ রুদ্ধ করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ৫৪টি ক্ষেত্রে সংযোজন, পরিমার্জন ও প্রতিস্থাপন আনা হয়েছিল।
- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার ১৪২ অনুচ্ছেদ থেকে ‘গণভোটের’ বিধান বাদ দিয়েছিল।
- এ ছাড়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে অসাংবিধানিকভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখলকে রাষ্ট্রদ্রোহ অপরাধ বিবেচনায় নিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত করে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়। আগে মেয়াদ শেষ হওয়ার পরবর্তী ৯০ দিনে নির্বাচন করার বিধান থাকলেও পঞ্চদশ সংশোধনীতে পূর্ববর্তী ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করার বিধান সংযোজন করা হয়।

উৎস: i) BBC.
ii) প্রথম আলো।

১২০.
বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. কুমিল্লা
  2. টাঙ্গাইল
  3. নরসিংদী
  4. নারায়ণগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট:
- বাংলাদেশ তাতঁ শিক্ষা ও প্রশিক্ষন ইন্সটিটিউট গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের  বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় এর অধীন বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের নিয়ন্ত্রনাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি নরসিংদীর সাহেপ্রতাপ নামক স্থানে অবস্থিত।
- অত্র প্রতিষ্ঠানটি ১৯৮১ সালে তাঁতিদের প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পরবর্তীতে বর্তমান সরকারের সার্বিক তত্তাবধানে ২০১০ সালে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের সন্তানদের ১০% কোটা সংরক্ষন রেখে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ডিপ্লোমা ইন টেক্সটাইল  ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স  চালু হয়।
- লক্ষ্য: তাঁতি অথবা তাঁত শিল্পী, তাঁত উদ্যোক্তা, তাঁত সহযোগী এবং তাঁত পেশায় আগ্রহীদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, চলতি মূলধন যোগান, গুণগত মানসম্পন্ন তাঁত বস্ত্র উৎপাদন এবং বাজারজাতকরণের সুবিধা সৃষ্টির মাধ্যমে তাঁত খাতের সম্প্রসারণসহ তাঁতিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ তাঁত শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

১২১.
ভারতীয় উপমহাদেশে রেলপথ ব্যবস্থার জনক হিসেবে কাকে বলা হয়?
  1. লর্ড ডালহৌসী
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড রিপন
  4. লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা

লর্ড ডালহৌসি:
- ১৮৪৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড হার্ডিঞ্জের পর মাত্র ৩৬ বৎসর বয়সে লর্ড ডালহৌসী এ উপমহাদেশে আসেন।
- ব্রিটিশ ভারতের শাসকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাম্রাজ্যবাদী ছিলো লর্ড ডালহৌসি।
- ইংল্যান্ড কর্তৃপক্ষ এ পর্যন্ত যত সাম্রাজ্যবাদী শাসক এ উপমহাদেশে প্রেরণ করেছেন তার মধ্যে লর্ড ডালহৌসী ছিলেন ঘোর সাম্রাজ্যবাদী। লর্ড ডালহৌসীর সাম্রাজ্যবাদ নীতির তিনটি লক্ষ্য ছিল-
ক. পাশ্চাত্য সভ্যতা ও শাসনের প্রসার,
খ. ইংরেজ সাম্রাজ্যের সংহতি স্থাপন ও,
গ. উপমহাদেশে ব্রিটিশ পণ্যের বাজার সৃষ্টি।

⇒ ডালহৌসী কঠোরতার সাথে স্বত্ববিলোপ নীতি প্রয়োগের মাধ্যমে ব্রিটিশ সাম্রাজ্য প্রসারের পথ আরও প্রশস্ত করে তোলেন।
- তিনি গভর্নর জেনারেলের কাজের চাপ কমানোর লক্ষ্যে বাংলার জন্য একজন লেফটেন্যান্ট গভর্নর (ছোট লাট) নিযুক্ত করেন। সমগ্র ব্রিটিশ ভারতকে বিভিন্ন জেলায় ভাগ করা হয়।
- তিনি বার্ষিক সংবাদ সংগ্রহের ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন এবং বে-সামরিক কর্মচারীদের বিভাগীয় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। 
- তিনি বিধবা বিবাহ আইন পাস করে হিন্দু বিধবা বিয়েকে আইনসঙ্গত করেন। এ বিষয়ে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ডালহৌসীকে সাহায্য করেন।
- তিনি পূর্তবিভাগের প্রতিষ্ঠিত গঙ্গা খাল খনন ও জল সেচ ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করেন।
- তিনি রাজপথ ও সড়কগুলোর উন্নয়ন করেন। তাঁরই সময়ে কলকাতা হতে পেশোয়ার পর্যন্ত গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক রোড পুনরায় চালু হয়।
- এদেশীয় রেলপথ ব্যবস্থার জনক ছিলেন ডালহৌসী। তাঁর সময়ে বোম্বাই হতে টানা পর্যন্ত রেললাইন চালু হয় (১৮৫৩ খ্রি:)।
- ডালহৌসি ডাক বিভাগের সংস্কার, কলকাতা হতে আগ্রা পর্যন্ত প্রথম টেলিগ্রাফ ব্যবস্থা ও পেনী পোস্টকার্ড ব্যবস্থা চালু করেন।
- তিনি বনভূমি সংরক্ষণ নীতি প্রবর্তন করেন এবং চা ও কফি বাগানের প্রসার সাধন করেন।
- তিনি রুরকির ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজও স্থাপন করেন।

উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচসএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১২২.
ইউনেস্কো কত সালে জামদানিকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে
ব্যাখ্যা

ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য:
- ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ আর সৃষ্টিশীলতাকে লালন করার প্রত্যয়ে ইউনেস্কো ঘোষিত সংস্কৃতি বিষয়ক বিভিন্ন কনভেনশনের আলোকে বিএনসিইউ’র সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মকান্ড পরিচালিত হয়।
- বর্তমানে দেশে ৫টি ইউনেস্কোর বিমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রয়েছে।
- এগুলো হলো: বাউলগান (২০০৮), জামদানি বুননশিল্প (২০১৩), মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬) ও শীতলপাটি বুননশিল্পের (২০১৭) ও ঢাকা শহরের ‘রিকশা ও রিকশাচিত্র’ (২০২৩)।

⇒ ঐতিহ্যবাহী জামদানী বুনন:
- জামদানি হস্তচালিত তাঁতে সুতায় বোনা এক বিশেষ নকশার কাপড় যা অতীতে মসলিন নামে প্রচলিত ছিল।
- এটি বাংলাদেশের বুননশিল্পের সর্বাপেক্ষা শৈল্পিক নিদর্শন যা অন্যতম সময় সাপেক্ষ ও শ্রমঘন কুটির শিল্প।
- ঢাকা ও এর আসে-পাশের অঞ্চলগুলোতে প্রথাগত তাঁতে দৃস্টিনন্দন নকশায় জামদানি তৈরি হয়।
- জামদানি বুনন শিল্পী ছাড়াও সুতা তৈরি ও রং করার কারিগর, তাঁত প্রস্তুতকারী ও সংশ্লিষ্ট কারিগর সকলে মিলে একটি বিশেষ সম্প্রদায় গড়ে উঠেছে যা বাংলাদেশের ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতির অন্যতম ধারক ও বাহক হিসেবে বিশ্ব দরবারে নিজেকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হয়েছে।
- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিতে জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০১৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র অষ্টম অধিবেশনে ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন্ শিল্পকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে 'মানবতার অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য' অন্তর্ভুক্ত করে।

উৎস: বাংলাদেশ ইউনেস্কো জাতীয় কমিশন।

১২৩.
বাংলাদেশ কত সালে প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহণ করেছে?
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৪ সালে
  4. ১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন:
- বাংলাদেশ অলিম্পিক সংস্থা (Bangladesh Olympic Association - BOA) বাংলাদেশের জাতীয় অলিম্পিক কমিটি.
- এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (IOC) স্বীকৃতিপ্রাপ্ত। 
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৭৬ সালে।
- বিশ্ব অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশানের সদস্যপদ লাভ করে: ১৯৮০ সালে।
- সদর দপ্তর: পুরানা পল্টন, ঢাকা। 
- বর্তমান সভাপতি: জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশ প্রথম বিশ্ব অলিম্পিক গেমসে অংশগ্রহন করেছে ১৯৮৪ সালে

উৎস: Bangladesh Olympic Association ওয়েবসাইট।

১২৪.
'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড' কবিতাটি কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল?
  1. ডেইলি টেলিগ্রাফ
  2. দ্য সানডে টাইমস
  3. রয়টার
  4. নিউইয়র্ক টাইমস
ব্যাখ্যা

সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড (September on Jessore Road):
- সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড- বিখ্যাত যুক্তরাষ্ট্রের কবি এলেন গিন্সবার্গ রচিত একটি কবিতা। 

⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে পাকিস্তানীরা এদেশে হামলা করলে প্রায় ১ কোটি বাংলাদেশী জনগণ অস্থায়ী শরণার্থী হিসেবে ভারতে গমন করে। সে সময় নিরাপদে ভারতের ভূখণ্ডে অস্থায়ীভাবে প্রবেশের পথ হিসেবে শরণার্থীরা বেছে নেয় এই যশোর রোডকে।
- ১৯৭১ সালের সেপ্টেম্বরে মার্কিন কবি অ্যালেন গিন্সবার্গ ভারতের কলকাতা থেকে নৌকায় করে বাংলাদেশের যশোর সীমান্তে পৌছান।
- সীমান্তবর্তী শরণার্থী শিবিরগুলোতে বসবাসকারী উদ্বাস্তুদের দুর্দশা প্রত্যক্ষ করে তিনি স্তম্ভিত হয়ে যান। 
- দেশে ফিরে গিন্সবার্গ একটি কবিতা লেখেন: 'সেপ্টেম্বর অন যশোর রোড'।
- এই কবিতার লাইন সংখ্যা ১৫২ টি।
- এই দীর্ঘ কবিতার সাথে সুর দিয়ে এটিকে গানে রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
- আমেরিকায় ফিরে গিয়ে তার বন্ধু বব ডিলান ও অন্যান্য বিখ্যাত গায়কদের সহায়তায় এই গান গেয়ে কনসার্ট করেছিলেন। 
- ১৯৭১ সালের ১৪ নভেম্বর কবিতাটি নিউইয়র্ক টাইমস-এ প্রকাশিত হয়।

উৎস: প্রথম আলো।

১২৫.
কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য কত সালে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?
  1. ১৯৭২ সালে 
  2. ১৯৭৩ সালে 
  3. ১৯৭৪ সালে 
  4. ১৯৭৫ সালে 
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি):
- কৃষি ও কৃষিভিত্তিক খাতে ঋণ সুবিধা সম্প্রসারণের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিকেবি অর্ডার ১৯৭৩ এর অধীনে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। 

⇒ ১৯৭৩ সালের ২৭ নং রাষ্টপতি আদেশ অনুসারে, জলবায়ু-নির্ভর অনিশ্চিত ও ঝুঁকিপূর্ণ কৃষি খাতে অর্থায়নের জন্য দেশের বৃহত্তম বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিকেবি আমানত, ঋণ, অনলাইন ব্যাংকিং, কম্পিউটারাইজড ব্যাংকিং, স্বয়ংক্রিয় বৈদেশিক রেমিটেন্স সিস্টেম এবং বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেনসহ সকল প্রকার ব্যাংকিং কার্যক্রম সম্পাদন করে। 
- বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) বাংলাদশে কৃষি ঋণের অগ্রদূত। বিকেবি কৃষক, প্রান্তিক কৃষক, অতি দরিদ্র, বর্গা চাষী এবং সাধারন জনগনের জন্য ঋণ সুবিধা দিয়ে থাকে যারা কৃষি উৎপাদন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির সফলতার মূল পরিচালক।
- এর প্রধান কার্যালয়: মতিঝিল সি/এ, ঢাকা।

উৎস:  বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক(বিকেবি) ওয়েবসাইট।

১২৬.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে অবদানকারী সমাজসেবী 'জুলিয়ান ফ্রান্সিস' কোন দেশের নাগরিক?
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে যুক্তরাজ্যের সমাজসেবী ও উন্নয়ন কর্মী জুলিয়ান ফ্রান্সিস:
- জুলিয়ান ফ্রান্সিস সমাজসেবী ও উন্নয়ন কর্মী, অক্সফামের সাবেক কর্মকর্তা, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে বাঙালি শরণার্থীদের মধ্যে অক্সফামের ত্রাণ তৎপরতার প্রধান সমন্বয়ক, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা পালনকারী, বাংলাদেশের 'মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা' ও নাগরিকত্ব প্রাপ্ত যুক্তরাজ্যের অধিবাসী।

⇒ বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ব্রিটিশ বেসরকারি সাহায্য সংস্থা অক্সফাম-এর ত্রাণকার্য বিষয়ক সমন্বয়ক হিসেবে জুলিয়ান ফ্রান্সিস ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশ থেকে আশ্রয় নেয়া শরণার্থীদের মধ্যে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ত্রাণতৎপরতা পরিচালনা করেন।
- বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ৬০ জন বিশিষ্ট ব্যক্তির অভিজ্ঞতা বর্ণনা আকারে তুলে ধরে অক্সফাম বাংলাদেশের শরণার্থীদের দুর্বিষহ জীবনের ওপর টেস্টিমনি অফ সিক্সটি নামে যে ডকুমেন্টটি প্রকাশ (অক্টোবর ১৯৭১) এবং বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং নীতিনির্ধারকের কাছে প্রচার করেছিল, তা প্রস্তুত করণে জুলিয়ান ফ্রান্সিস গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন।
- এ প্রচারপত্রটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে বিশেষ ভূমিকা রাখে।

⇒ স্বাধীনতার পর শরণার্থীদের পুনর্বাসন কাজে সহায়তা দানের জন্য তিনি ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে বাংলাদেশে আসেন এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা পুনঃচালুর প্রয়োজনে তিনি যুক্তরাজ্য অক্সফামের প্রধান কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেদেশ থেকে কয়েকটি ফেরি সংগ্রহ করতে সক্ষম হন।
- এক পর্যায়ে তিনি বাংলাদেশের দারিদ্র্যপীড়িত ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োগ করেন।
- তিনি বাংলাদেশ সরকারের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির সঙ্গেও সক্রিয়ভাবে নিজেকে যুক্ত করেন।
- ১৯৯৮ সাল থেকে তিনি স্থায়ীভাবে বাংলাদেশে বসবাস করছেন এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০১২ সালের ২৭শে মার্চ জুলিয়ান ফ্রান্সিস-কে মুক্তিযুদ্ধ মৈত্রী সম্মাননা প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের দারিদ্র্যমোচন ও আর্থসামাজিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ যুক্তরাজ্য সরকার কর্তৃক ২০১৯ সালে তাঁকে 'ওবিই" খেতাবে ভূষিত করা হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জ্ঞানকোষ ৪র্থ খণ্ড।
ii) সংগ্রামের নোটবুক।

১২৭.
কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কোন ফসলের জাত?
  1. আম
  2. আনারস
  3. কমলা
  4. টমেটো
ব্যাখ্যা

কমলার জাত:
- কৃষিতে 'রামরঙ্গন' কমলার জাত।
- এ জাতের কমলা চাষের সুবিধা হচ্ছে, এটি প্রতিকূল পরিবেশসহিষ্ণু। প্রচণ্ড গরমে এ ফল ঝরে না। পরিপক্ব হওয়ার পরও গাছ থেকে ফল ঝরে পড়ে না। পাকার পরও ফলটি এক মাস গাছে রাখা যায়।
- এছাড়াও, কমলার উন্নত জাত: বারি কমলা-১, বারি কমলা-২, বারি কমলা-৩, খাসি, ম্যান্ডারিন।

অন্যদিকে,
• উন্নত জাতের আম: মহানন্দা, ল্যাংড়া, গোপালভোগ, হাড়িভাঙ্গা, ক্ষীরসাপাতি ও মােহনভােগ।
• উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
• উন্নত জাতের মরিচ: যমুনা।
• উন্নত জাতের আনারস: জায়ান্ট কিউ, হানি কুইন, ঘোড়াশাল, জলঢুপি।

উৎস: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

১২৮.
দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয় -
  1. ২০১৯ সালে
  2. ২০২১ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৩ সালে
ব্যাখ্যা

শুল্ক নীতি:
- ২০১৬ সালে উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হওয়ার পর আন্তর্জাতিক বাজারে স্থানীয় কোম্পানিগুলোর প্রতিযোগিতা বৃদ্ধিতে প্রথমবারের মতো শুল্ক নীতি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ।
- ২০২৩ সালে দেশের প্রথম শুল্ক নীতি প্রণয়ন করা হয়।
- ১০ আগস্ট, ২০২৩ তারিখে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় জাতীয় শুল্ক নীতিমালার গেজেট প্রকাশ করেছে।

⇒ জাতীয় শুল্ক নীতিমালার লক্ষ্য আমদানি শুল্ক কাঠামোকে যৌক্তিক করা, কারণ বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) গ্রুপ থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য সুবিধা পাবে না।
- এই শুল্ক নীতি দেশীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থনৈতিক কার্যক্রমের গতি বাড়াবে।
- এতে আরও কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।
- ফলে, সরকার ধীরে ধীরে আমদানি শুল্কের ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে।

উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
ii) The Daily Star Bangla.

১২৯.
বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয় -
  1. মীর জুমলা
  2. শায়েস্তা খান 
  3. ইসলাম খান চিশতি
  4. শাহ সুজা
ব্যাখ্যা

ইসলাম খান চিশতি:
- সুবাদার ইসলাম খান চিশতিকে বাংলা প্রদেশের শ্রেষ্ঠ সুবাহদার হিসেবে গণ্য করা হয়
- প্রকৃত নাম শেখ আলাউদ্দীন চিশতি।

⇒ ১৬০৮ সালে সুবাদার জাহাঙ্গীর কুলি খানের মৃত্যুর পর সম্রাট জাহাঙ্গীর বিখ্যাত সুফি সেলিম চিশতীর দৌহিত্র ইসলাম খান চিশতী বাংলার সুবাদার নিয়োগ দেন।
- নিয়োগ লাভ করে তিনি অনতিবিলম্বে বাংলার তদানীন্তন রাজধানী বিহারের রাজমহল-এ চলে আসেন।
- ইসলাম খান ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে ঢাকায় আসেন এবং বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
- তিনি সম্রাটের নামে এর নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
- ইসলাম খান ঢাকাকে সুরক্ষিত করে তিনি ভূঁইয়াদের সব অবস্থানের বিরুদ্ধে অভিযান প্রেরণ করেন এবং ১৬১১ খ্রিস্টাব্দেই মুসা খানসহ বারো ভূঁইয়াদের সবাই ইসলাম খানের নিকট বশ্যতা স্বীকার করেন। 

⇒ সম্রাট জাহাঙ্গীর তাঁকে ইসলাম খান উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- তিনি লোহার পুল নির্মান করেন এবং ঢাকার ধোলাই খাল খনন করেন।
- বাংলার রাজধানী ঢাকা থেকে রাজমহলে স্থানান্তরিত করেন শাহ সুজা।

উৎস: i) বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম -১০ম শ্রেণি।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৩০.
ISPR-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Inter Services Public Relations
  2. International Security & Peace Research
  3. Internal Services Protection Regulation
  4. Intelligence and Strategic Planning Resource
ব্যাখ্যা

ISPR:
- ISPR-এর পূর্ণরপ: Inter-Services Public Relations বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ।
- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশবলে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- আইএসপিআর অফিস ভবন: পুরাতন লগ এরিয়া সদর দপ্তর ভবন, ঢাকা সেনানিবাস।
- এর প্রধান কাজ:  সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রম বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম যেমন সংবাদপত্র, বেতার এবং টেলিভিশনে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং প্রচারণার উদ্দেশ্যে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা এবং বাস্তবায়ন  নিশ্চিত করা।

উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

১৩১.
রাজনৈতিক দলসমূহের নিবন্ধন আইন অনুযায়ী, একটি দলের সকল পর্যায়ের কমিটিতে ন্যূনতম কত শতাংশ নারী সদস্যপদ রাখার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে?
  1. ২৫%
  2. ২৮%
  3. ৩৩%
  4. ৩৮%
ব্যাখ্যা

গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ:
- বাংলাদেশের নির্বাচন বিশ্লেষক ও বিশেষজ্ঞদের মতে বাংলাদেশে সংবিধানের আওতায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট যতগুলো আইন আছে তার মধ্যে নির্বাচন পরিচালনা সংক্রান্ত মূল আইন হলো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আইন।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তীতে সংবিধান তৈরির পর নির্বাচন পরিচালনার জন্য প্রথমবারের মতো আরপিও বা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ প্রণয়ন করা হয়েছিলো।

⇒ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ-১৯৭২ এর সবচাইতে আলোচিত পরিবর্তন আনা হয় আদেশ এর Chapter-VI-এ এর মাধ্যমে। নির্বাচন কমিশনের সাথে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক করা হয়। নিবন্ধনের শর্তগুলোতে মহিলা নেতৃত্ব এবং রাজনীতিতে মহিলাদের উৎসাহিত করার জন্য প্রত্যেক রাজনৈতিক দলের তৃণমূল হতে কেন্দ্রীয় কমিটিগুলোতে ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারীদের অন্তর্ভুুক্তি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
- ২০২০ সালের মধ্যে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্য ছিল গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও)। ২০০৮ সালে নিবন্ধন নেওয়ার সময় দলগুলো তা পূরণের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিল। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা পূরণ করতে পারেনি নিবন্ধিত দলগুলো। বর্তমান কমিশন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ সংশোধন করে দলের সব স্তরের কমিটিতে ৩৩% নারী প্রতিনিধিত্ব রাখার সময়সীমা ২০২০ এর পরিবর্তে ২০৩০ সাল করার প্রস্তাব দিয়েছে।

উৎস: i) নির্বাচন কমিশন ওয়েবসাইট।
ii) BBC.

১৩২.
'সরকারি চাকরি আইন' কত সালে প্রণীত হয়?
  1. ২০১২ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০১৬ সালে
  4. ২০১৮ সালে
ব্যাখ্যা

সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮:
- 'সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮' প্রণীত হয় ২০১৮ সালে। 

⇒ ভারতে ব্রিটিশ শাসনামলে ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইনের আওতায় সরকারি চাকুরিসমূহের একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিদ্যমান ছিল। এই ব্যবস্থা ১৯৪৭-এর পর ভারত ও পাকিস্তান উভয় দেশেরই সরকার কাঠামোতে অব্যাহত ছিল এবং তা ১৯৭১ সাল পর্যন্ত বজায় ছিল। 
- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৬ নম্বর অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রকে চাকুরি সৃষ্টি, চাকুরিসমূহ যুক্তকরণ অথবা সরকারি কর্মকর্তাদের সেবা একীভূতকরণের মাধ্যমে প্রজাতন্ত্রের চাকুরিসমূহ পুনর্গঠন করার জন্য আইন প্রনয়ণের অধিকার দিয়েছে। 
- চাকুরিসমূহ পুনর্গগঠিত করার জন্য ১৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী সরকার ‘চাকুরিসমূহ (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) অধ্যাদেশ, ১৯৭৩’ নামে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। পরে এ আইনটি ‘চাকুরিসমূহ (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) আইন, ১৯৭৫’ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়। 
- পরবর্তীতে ২০১৮ সালে 'সরকারি চাকরি আইন- ২০১৮’ প্রণয়ন করা হয়।
- ২০১৮ সালের ১৪ নভেম্বর সরকারি চাকরি আইনের গেজেট জারি হয়।
- সরকারি চাকুরি আইন, ২০১৮ (৫৭ নং আইন) এর ধারা ১ এর উপ-ধারা (৫) এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে সরকার এই আইন প্রণয়ন করেন।
- আইনটি এস.আর.ও নং ৩০৫ সংশ্লিষ্টট আইন যা ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ খ্রিষ্টাব্দ দ্বারা জারি করা হয়।
- প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য আইন প্রণয়নে বাধ্যবাধকতা থাকলেও ইতোপূর্বে কোনো সরকারই এ আইন প্রণয়ন করেনি। 

উল্লেখ্য,
- সরকারি চাকরি আইনে ৬২টি ধারা সংবলিত ১৩টি অধ্যায় আছে।
- এ আইনে সরকারি কর্মচারীদের ওপর সরকারের নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।
- আইনে সরাসরি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধা ও উন্মুক্ত প্রতিযোগিতার বিধান রাখা হয়েছে।
- মেধা, দক্ষতা, জ্যেষ্ঠতা, প্রশিক্ষণ ও সন্তোষজনক চাকরি বিবেচনাক্রমে পদোন্নতি প্রদানের বিধানও রাখা হয়েছে।

উৎস: i) সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১৩৩.
বিএফআইডিসির মালিকানাধীন দেশে মোট কতটি রাবার বাগান রয়েছে? [অক্টোবর, ২০২৫]
  1. ১২টি
  2. ১৩টি 
  3. ১৭টি 
  4. ১৮টি
ব্যাখ্যা

রাবার:
- রাবার একটি অত্যন্ত মূল্যবান অর্থকরী বনজ সম্পদ যার বিভিন্ন ধরণের ব্যবহার রয়েছে।
- রাবার গাছের কষ (ল্যাটেক্স) থেকে রাবার উৎপন্ন হয়।
- বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বৃটিশদের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রথম রাবার চাষ শুরু হয়।
- ১৯৫২ সালে তৎকালীন বনবিভাগ মালয়েশিয়া ও শ্রীলংকা হতে রাবার বীজ ও কয়েক হাজার রাবার চারা নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম ও টাঙাইলের মধুপুর এলাকায় কিছু গাছ রোপণ করে।
- ১৯৫৯ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) বাংলাদেশে রাবার চাষের সম্ভাব্যতা যাচাই করে এবং এদেশের জলবায়ু ও মাটি রাবার চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী তাই বাণিজ্যিকভাবে রাবার চাষ করার সুপারিশ করে।
- ১৯৬১ সালে সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় বাণিজ্যিকভাবে চট্টগ্রাম ও সিলেটের পার্বত্য এলাকায় রাবার চাষ শুরু করা হয়।

⇒ বিএফআইডিসির মালিকানাধীন রাবার বাগান রয়েছে ১৮টি।
- এর মধ্যে চট্টগ্রাম জোন (৯টি বাগান), সিলেট জোন (৪টি বাগান), টাংগাইল-শেরপুর জোন (৫টি বাগান)।

⇒ বিএফআইডিসি ১৯৮০-৮১ সাল হতে উচ্চ ফলনশীল রাবার চারা রোপণ শুরু করে এবং ১৯৯৭ সালের মধ্যে চট্টগ্রাম, সিলেট ও মধুপুরের ১৩,২০৭ হেক্টর জমিতে ১৬টি রাবার বাগান সৃজন করে।
- তার মধ্যে ৮% চারা মালয়েশিয়া হতে আনীত প্রিম ৬০০ এবং পিবি ২৩৫ ক্লোন হতে লাগানো হয়।
- প্রতিটি ক্লোন হতে উৎপন্ন চারা হতে বছরে তিন কেজি করে রাবার উৎপন্ন হয়।

উৎস: i) বাংলাদেশ রাবার বোর্ড ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।

১৩৪.
গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি কোনটি?
  1. স্বাধীন সংবাদ মাধ্যম
  2. রাজনৈতিক দল
  3. সংসদীয় ব্যবস্থা
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

রাজনৈতিক দল:
- রাজনৈতিক দল হল গণতন্ত্রের মূল চালিকা শক্তি।
- যখন কিছু সংখ্যক মানুষ মতাদর্শগতভাবে একমত পোষণ করে এবং ন্যূনতম কর্মসূচির ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয় তখন তাকে রাজনৈতিক দল বলে।
- সংক্ষেপে রাজনৈতিক দল হল একটি জনসমষ্টি যা ক্ষমতা অর্জন করার জন্য ঐক্যবদ্ধভাবে চেষ্টা করে।
- ব্যাপক অর্থে বলা যায়, রাজনৈতিক দল হল কোন জনসমষ্টি যা রাষ্ট্রের সমস্যাবলি এবং সমাধানের উপায় সম্পর্কে ঐক্যমত পোষণ করে এবং নির্দিষ্ট আদর্শের ভিত্তিতে জনমতের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার চেষ্টা করে।

⇒ প্রতিটি রাজনৈতিক দলের মূল লক্ষ্য হল রাষ্ট্র ক্ষমতা লাভ এবং সরকার গঠন।
- ক্ষমতায় এসে নিজের কর্মসূচি ও মতাদর্শকে বাস্তবায়িত করার জন্য প্রতিটি দলই উদ্যোগ গ্রহণ করে।
- আধুনিক গণতান্ত্রিক দেশে একাধিক রাজনৈতিক দল নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতা করে।
- শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত দলের লক্ষ্য হল ক্ষমতায় টিকে থাকা।
- আর বিরোধী দলসমহ নিজ-নিজ আদর্শের ভিত্তিতে শাসক দলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে চায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৫.
কত সালে সরকার ২৬শে মার্চকে বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে?
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৯৮০ সালে
  4. ১৯৮১ সালে
ব্যাখ্যা

স্বাধীনতা দিবস:
- ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় ও স্বাধীনতা দিবস।
- প্রতি বছর ২৬শে মার্চ উদযাপিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।
- পাকিস্তানি দুঃশাসনের বেড়াজাল ছিন্ন করে এদিন স্বাধীন রাষ্ট্ররূপে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচু করে বাংলাদেশ নিজের অস্তিত্ব ঘোষণা করে।
- ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি সৈন্যদের নির্বিচার গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর ২৬শে মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ২২শে জানুয়ারি প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এই দিনটিকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত হয় এবং সরকারিভাবে এ দিনটিতে ছুটি ঘোষণা করা হয়।
- ১৯৮০ সালের ৩রা অক্টোবর সরকার দিনটিকে জাতীয় দিবস হিসেবেও উদযাপনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
- ১৯৮১ সাল থেকে ২৬ শে মার্চ বাংলাদেশের জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
 
⇒ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস বেশ বর্ণাঢ্যভাবে উদযাপন করা হয়।
- ৩১ বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিবসের শুভসূচনা করা হয়।
- জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
- সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন ভবনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- জাতীয় স্টেডিয়ামে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীদের সমাবেশ, কুচকাওয়াজ, ডিসপ্লে ও শরীরচর্চা প্রদর্শন করা হয়।
- এই দিনটিতে সরকারি ছুটি থাকে।

উল্লেখ্য,
- ২০২৫ সালে বাংলাদেশের ৫৫তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত হয়েছে।

উৎস: i) জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা একাডেমি ওয়েবসাইট।
ii) বাংলাপিডিয়া। 

১৩৬.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে 'জাতীয় প্রতীক' সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৪ (১) নং
  2. ৪ (২) নং
  3. ৪ (৩) নং
  4. ৪ (৪) নং
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক:
- সংবিধানের প্রথম ভাগের (প্রজাতন্ত্র) ৪ (৩) নং অনুচ্ছেদে জাতীয় প্রতীক সম্পর্কে বর্ণনা করা আছে।

• বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম ভাগের ৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী -
(১) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা'র প্রথম দশ চরণ।
(২) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় পতাকা হলো সবুজ ক্ষেত্রের উপর স্থাপিত রক্তবর্ণের একটি ভরাট বৃত্ত।
(৩) প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীক হলো উভয় পার্শ্বে ধান্যশীর্ষবেষ্টিত, পানিতে ভাসমান জাতীয় পুষ্প শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের তিনটি পরস্পরসংযুক্ত পত্র, তার উভয় পার্শ্বে দুইটি করে তারকা।
(৪) উপরি-উক্ত দফাসমূহ-সাপেক্ষে জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক সম্পর্কিত বিধানাবলী আইনের দ্বারা নির্ধারিত হবে।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে মোট চারটি তারকা। 
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। এ তিনটি উপাদানের ওপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হল অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক। তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা।
- জাতীয় প্রতীকের ডিজাইনার পটুয়া কামরুল হাসান।

⇒ ভাসমান শাপলাটি এঁকেছেন মোহাম্মদ ইদ্রিস ও এর দুই পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পাটপাতা ও চারটি তারকা যুক্ত করেছেন শামসুল আলম।
- কামরুল হাসান ও তাঁর দলের করা এই প্রতীকটি জাতীয় প্রতীক হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয় ১৯৭২ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।
- জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা বাংলাদেশের সংবিধানের চারটি মূলনীতি।
- জাতীয় প্রতীকের চারটি তারকা চিহ্ন দিয়ে এই চারটি মূলনীতিকেই বোঝানো হয়েছে।

উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
ii) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩৭.
'বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. নাটোর
  3. চাঁপাইনবাবগঞ্জ 
  4. ময়মনসিংহ 
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড:
- বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠা: ১৯৭৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর বাংলাদেশ রেশম বোর্ড গঠিত হয়।
- এর প্রধান কার্যালয় রাজশাহীতে অবস্থিত।
- আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র বিমোচন ও আর্থ সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন ঘটানোই ছিল এ সংস্থার অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। 

উল্লেখ্য,
- ১৯৪৭ সালের পর পূর্ব পাকিস্থানে রেশম কার্যক্রম শিল্প ও বাণিজ্য বিভাগের অধীনে ন্যাস্ত ছিল। ১৯৬১-৬২ সাল থেকে ১৯৭১ সালের পূর্ব পর্যন্ত রেশম কার্যক্রম ইপসিক এর নিয়ন্ত্রণে ছিল। ১৯৯৭ সালে কোম্পানি আইনে বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন গঠন করা হয়। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউটকে রেশম বোর্ডের আওতামুক্ত করে স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসাবে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ন্যাস্ত করা হয়। পরবর্তীতে রেশম শিল্পের সমন্বিত উন্নয়নের লক্ষ্যে ২০১৩ সালে বাংলাদেশ রেশম বোর্ড, বাংলাদেশ রেশম গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট এবং বাংলাদেশ সিল্ক ফাউন্ডেশন ৩টি পৃথক সংস্থা একীভূত করে বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত রেশম উন্নয়ন বোর্ডের ১৪ সদস্য বিশিষ্ট পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেছেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী। রেশম উন্নয়ন বোর্ডের প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব পালন করছেন সংস্থার মহাপরিচালক।

উৎস: বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ড ওয়েবসাইট।

১৩৮.
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম কোন দেশে রপ্তানি হয়?
  1. যুক্তরাষ্ট্রে
  2. জার্মানিতে 
  3. কানাডায়
  4. ফ্রান্সে
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের তৈরি পোশাক প্রথম ফ্রান্সে রপ্তানি হয়।

⇒ বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- তৈরি পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ বিশ্বে বর্তমানে তৃতীয়। 
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান। 
- ২৮ জুলাই ১৯৭৮ সালে, রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭ হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

উৎস: i) প্রথম আলো।
ii) The Business Standard.

১৩৯.
বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের অঞ্চলগুলোর মধ্যে বর্তমান কোন দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল?
  1. তুরস্ক
  2. ব্রাজিল
  3. পেরু
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য:
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য আনুমানিক ৩৯৫ খ্রিস্টাব্দ থেকে - ১৪৫৩ সাল পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল৷
- ১৫ শতকে অটোমান তুর্কি আক্রমণে পতনের আগে এটি বিশ্বের অন্যতম প্রধান সভ্যতা ছিল।
- অঞ্চলটিকে সাধারণত পূর্ব রোমান সাম্রাজ্য বলা হত।
- ৪৭৬ সালে রোমের পতনের ফলে রোমান সাম্রাজ্যের পশ্চিম অর্ধেক শেষ হয় এবং পূর্ব অর্ধেক বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য হিসাবে পরিচালিত হয়।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কনস্টান্টিনোপল।
- বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্য ভূমধ্যসাগরের আশেপাশের বেশিরভাগ ভূমি জুড়ে ছিল, যার মধ্যে বর্তমানে ইতালি, গ্রীস এবং তুরস্ক এবং উত্তর আফ্রিকা।
- এই সাম্রাজ্যের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট ছিলেন জাস্টিনিয়ান।
- ১৪ শতকে অটোমান তুর্কিরা দখল করতে শুরু করে এবং ১৪৫৩ সালে এটি অটোমান নিয়ন্ত্রণে চলে যায়।

তথ্যসূত্র -  Britannica.com

১৪০.
নাগোর্নো-কারাবাখ কোন দুটি দেশের মধ্যে বিরোধপূর্ণ অঞ্চল?
  1. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  2. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  3. জর্জিয়া ও তুরস্ক
  4. রাশিয়া ও জর্জিয়া
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

উল্লেখ্য:
- আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান:
- স্বাক্ষর: ৯ নভেম্বর, ২০২০।
- স্থান: মস্কো, রাশিয়া।
- মধ্যস্থতাকারী: রাশিয়া।
- যুদ্ধবিরতি কার্যকর: ১০ নভেম্বর, ২০২০।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

১৪১.
IPCC কোন দুটি সংস্থার সম্মিলনে গঠিত হয়েছে?
  1. WHO এবং UNESCO
  2. WMO এবং UNEP
  3. FAO এবং UNDP
  4. UNEP এবং ILO
ব্যাখ্যা

IPCC:
- জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল IPCC.
- IPCC-এর পূর্ণরূপ Intergovernmental Panel on Climate Change.
- জাতিসংঘের দুটি সংস্থা নিয়ে IPCC গঠিত হয়।
- WMO এবং UNEP এর সম্মিলিত নাম IPCC গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৮৮ সালে।
- সদস্য: ১৯৫টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- সদর দপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

তথ্যসূত্র - IPCC ওয়েবসাইট।

১৪২.
ESCAP-এর পূর্ণরূপ কী?
  1. Economic and Social Council for Asia and Pacific
  2. Economic and Social Commission for Asia and the Pacific
  3. Environmental and Social Commission for Asia and Pacific
  4. Economic and Scientific Commission for Asia and Pacific
ব্যাখ্যা

ESCAP:
- জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আন্তঃদেশীয় বাণিজ্য ব্যবস্থা ত্বরান্বিত করতে স্বাক্ষরিত হয়।
- কাগজবিহীন বাণিজ্য সহজীকরণ কাঠামো চুক্তি।
- ESCAP এর পূর্ণরূপ- Economic and Social Commission for Asia and the Pacific.
- এশিয়া প্যাসিফিক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (ESCAP) সহায়তায় ২০১৬ সালে এই চুক্তি গ্রহণ করা হয়।
- সদর দপ্তর: ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।
- ESCAP-ভুক্ত ৫৩টি সদস্য দেশ এ চুক্তিতে অংশ নিতে পারবে।

তথ্যসূত্র - ESCAP অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪৩.
গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫ অনুযায়ী, বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে -
  1. কোপেনহেগেন
  2. ভিয়েনা
  3. জুরিখ
  4. মেলবোর্ন
ব্যাখ্যা

গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫:
- ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রতি বছর বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে।
- তালিকায় পাঁচটি প্রধান মানদণ্ডে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়।
- মানদণ্ডগুলো হলো–স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো।
- গত ১৬ জুন, ২০২৫ ইআইইউ ২০২৫ সালের তালিকা প্রকাশ করে।

শীর্ষ দেশ:
• কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
• ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
• জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
• মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
• জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৭১ তম।

তথ্যসূত্র - বিবিসি বাংলার রিপোর্ট।

১৪৪.
'অ্যাডামস পিক' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. নেপাল
  2. জর্ডান
  3. সিরিয়া
  4. শ্রীলঙ্কা
ব্যাখ্যা

অ্যাডামস পিক:
- অ্যাডামস পিক শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত।
- এর উচ্চতা ৭,৫৫৯ ফুট (২,৩০৪ মিটার)।
- এটি রত্নাপুরা শহর থেকে প্রায় ১৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত।
- এর শীর্ষে অবস্থিত শ্রী পাদা নামক পদচিহ্ন, যা বহু ধর্মাবলম্বীর কাছে পবিত্র।
- বৌদ্ধরা এটিকে বুদ্ধের, হিন্দুরা শিবের, মুসলমানরা আদমের এবং খ্রিস্টানরা সেন্ট থমাসের পদচিহ্ন মনে করেন।
- প্রতি বছর হাজারো তীর্থযাত্রী বিভিন্ন ধর্ম থেকে এসে এ শিখরে আরোহণ করেন।
- এর চারপাশে ঘন বৃষ্টি অরণ্য রয়েছে, যা ১৯৪০ সালে পিক উইল্ডারনেস স্যাংচুয়ারি হিসেবে সংরক্ষিত হয়।
- এই পর্বত থেকে কেলানি, কালু ও ওয়ালাভে—শ্রীলঙ্কার তিনটি প্রধান নদীর উৎস।
- পর্বতটি মূলত গ্নেইস পাথরে গঠিত এবং এতে রুবি, স্যাফায়ারসহ মূল্যবান রত্ন পাওয়া যায়।
- প্রাচীন রাজারা তীর্থযাত্রীদের সুবিধার্থে রাস্তা, বিশ্রামাগার ও লোহার শিকল নির্মাণ করেছিলেন।
- মার্কো পোলো, ইবনে বতুতা, মা হুয়ানসহ বহু ভ্রমণকারীর ভ্রমণবৃত্তান্তে অ্যাডামস পিকের উল্লেখ আছে।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা।

১৪৫.
ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে প্রতিরক্ষা সক্ষমতার উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১
  2. অনুচ্ছেদ ২
  3. অনুচ্ছেদ ৩
  4. অনুচ্ছেদ ৪
ব্যাখ্যা

⇒ ন্যাটোর অনুচ্ছেদ:
- অনুচ্ছেদ ১: শান্তিপূর্ণ সমাধান,
- অনুচ্ছেদ ২: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক,
- অনুচ্ছেদ ৩: প্রতিরক্ষা সক্ষমতা,
- অনুচ্ছেদ ৪: পরামর্শ,
- অনুচ্ছেদ ৫: সম্মিলিত প্রতিরক্ষা,
- অনুচ্ছেদ ৬: আক্রমণের সংজ্ঞা,
- অনুচ্ছেদ ৭: জাতিসংঘ সনদের বাধ্যবাধকতা,
- অনুচ্ছেদ ৮: অ-দ্বন্দ্বমূলক সম্পৃক্ততা,
- অনুচ্ছেদ ৯: বাস্তবায়ন পরিষদ,
- অনুচ্ছেদ ১০: অতিরিক্ত পক্ষসমূহ,
- অনুচ্ছেদ ১১: চুক্তি অনুমোদন এবং প্রয়োগ,
- অনুচ্ছেদ ১২: চুক্তি পর্যালোচনা,
- অনুচ্ছেদ ১৩: জোটের সদস্যতা ত্যাগ,
- অনুচ্ছেদ ১৪: চুক্তির অন্যান্য সংস্করণের গ্রহণযোগ্যতা।

তথ্যসূত্র - ন্যাটো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪৬.
'World Wildlife Fund' কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৬১ সালে
  2. ১৯৬৪ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে
ব্যাখ্যা

WWF:
- WWF প্রকৃতি ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংগঠন।
- জলাবায়ু, খাদ্য, বনভূমি, সুপেয় পানি, সমুদ্র, বণপ্রাণী প্রভৃতি ক্ষেত্রে WWF এর কর্মপরিধি বিস্তৃত।
- WWF এর পূর্ণরূপ World Wildlife Fund.
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৯৬১ সালে।
- সদর দপ্তর: সুইজারল্যান্ড।
- বর্তমান সভাপতি: আদিল নাজম। (অক্টোবর, ২০২৫)
- WWF প্রায় ১০০টি দেশে কাজ করে।

তথ্যসূত্র - WWF অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪৭.
OIC কোন সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়?
  1. রাবাত সম্মেলন
  2. কায়রো সম্মেলন
  3. জেদ্দা সম্মেলন
  4. দুবাই সম্মেলন
ব্যাখ্যা

OIC:
- ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা OIC.
- OIC এর পূর্ণরূপ The Organisation of Islamic Cooperation.
- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।
- এটি মুসলিম দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক জোট যা রাবাত সম্মেলনের মাধ্যমে গঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: মরক্কো।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ সালে।
- সদর দপ্তর: জেদ্দা, সৌদি আরব।
- বর্তমান মহাসচিব: হুসাইন ইব্রাহিম তাহা (১২ তম)। (অক্টোবর, ২০২৫)
- মহাসচিবের মেয়াদ: ৫ বছর।
- অফিসিয়াল ভাষা: তিনটি (আরবি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ)।
- বর্তমান সদস্য: ৫৭টি। (অক্টোবর, ২০২৫)

⇒ দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের দুটি দেশ OIC এর সদস্য।
• গায়ানা ও
• সুরিনাম।

- ইউরোপ মহাদেশের আলবেনিয়া OIC এর সদস্য।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সর্বপ্রথম অংশগ্রহণ করে।

তথ্যসূত্র - OIC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৪৮.
২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের কততম আসর অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ২২ তম
  2. ২৩ তম
  3. ২৪ তম
  4. ২৫ তম
ব্যাখ্যা

ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২৬:
- ২০২৬ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩ তম আসর অনুষ্ঠিত হবে।
- আয়োজক দেশ: ৩টি।
• মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র,
• কানাডা এবং
• মেক্সিকো।

- সময়কাল: ১১ জুন, ২০২৬ থেকে ১৯ জুলাই, ২০২৬।
- অংশগ্রহণকারী দেশ: ৪৮টি।
- অনুষ্ঠিত হবে ১০৪টি ম্যাচ।
- তিন দেশের ১৬টি ভেন্যুতে এই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

তথ্যসূত্র - ফিফা ওয়েবসাইট।

১৪৯.
নিচের কোনটি বলকান রাষ্ট্র?
  1. স্পেন
  2. গ্রিস
  3. ইতালি
  4. ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

বলকান রাষ্ট্র:
- বলকান হলো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত একটি পার্বত্য অঞ্চল।
- বলকান পর্বতমালার পাদদেশ বা বলকান পেনিনসুলায় অবস্থিত রাষ্ট্রসমূহ এই অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।

⇒ বলকান রাষ্ট্রসমূহ হলো:
• ক্রোয়েশিয়া,
• স্লোভেনিয়া,
• কসোভো,
• মন্টিনিগ্রো,
• বসনিয়া ও হার্জেগোভিনা,
• রোমানিয়া,
• বুলগেরিয়া,
• সার্বিয়া,
• উত্তর মেসিডোনিয়া,
• আলবেনিয়া।
• গ্রিস।

তথ্যসূত্র - Worldatlas.com

১৫০.
ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে কোন দুর্গের পতন ঘটে?
  1. লুভর দুর্গ
  2. ভার্সাই দুর্গ
  3. বাস্তিল দুর্গ
  4. সান্তিয়াগো দুর্গ
ব্যাখ্যা

ফরাসি বিপ্লব:
- ফরাসি বিপ্লবের স্লোগান ছিল স্বাধীনতা, সাম্য ও ভ্রাতৃত্ব।
- এই বিপ্লব হয়েছিল ১৭৮৯ সালের ১৪ জুলাই।
- ফরাসি বিপ্লবের মাধ্যমে বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটে।
- নেপোলিয়ন বোনাপার্ট ফরাসি বিপ্লবের অগ্রনায়ক ছিলেন।
- ভলতেয়ার চেয়েছিলেন এমন একটি সমাজব্যবস্থা যেখানে প্রত্যেক মানুষ তার সাধ্যমতো ভালো কাজ করবে।
- পূর্বতন সমাজে তিনটি গোষ্ঠী ছিল। এগুলো হলো যাজক শ্রেণি, অভিজাত শ্রেণি এবং জনসাধারণ। অভিজাত প্রভাবিত পূর্বতন সমাজের প্রতি শহরের জনতা ও বিপ্লবী বুর্জোয়া শ্রেণি অসন্তুষ্ট ছিল।
- ফরাসি বিপ্লবের সময় শিরশ্ছেদের মাধ্যমে মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার পদ্ধতি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৫১.
অরবিস ইন্টারন্যাশনাল কী ধরনের সংস্থা?
  1. একটি বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান
  2. একটি পরিবেশ সংরক্ষণ সংস্থা
  3. একটি বাণিজ্যিক সংস্থা
  4. একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল
ব্যাখ্যা

অরবিস ইন্টারন্যাশনাল:
- অরবিস ইন্টারন্যাশনাল হলো একটি বেসরকারি দাতব্য উড়ন্ত চক্ষু হাসপাতাল।
- এটি ১৯৮২ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮২ সালের মে মাসে তারবিসের প্লেন প্রথম পানামায় ল্যান্ড করে।
- ১৯৮৫ সালে অরবিস বাংলাদেশে আসে এবং ১৯৯৯ সালে ঢাকায় স্থায়ী শাখা চালু করে।
- বাংলাদেশে চক্ষু চিকিৎসকদের নিয়ে ৪,০০০ প্রশিক্ষণ কর্মশালা আয়োজন করার পাশাপাশি অরবিস প্রায় ২৪,০০০ বাংলাদেশির চোখের অপারেশন করে।
- বর্তমানে অরবিস বিশ্বের ৯০টি দেশে কাজ করছে।

তথ্যসূত্র - অরবিস ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

১৫২.
বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মন্ত্রী কোন দেশে নিয়োগ করা হয়েছে?
  1. রাশিয়া
  2. আলবেনিয়া
  3. জাপান
  4. চীন
ব্যাখ্যা

প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) মন্ত্রী:
- বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে এআই-মানবীকে মন্ত্রীর পদ দিয়েছে আলবেনিয়া।
- দেশটির প্রধানমন্ত্রী এদি রামা ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত মন্ত্রী নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন।
- নতুন এই এআই মন্ত্রীর নাম রাখা হয়েছে ডিয়েলা।
- আলবেনীয় ভাষার শব্দ 'ডিয়েলা'-এর বাংলা অর্থ সূর্য।
- এখন থেকে আলবেনিয়ার দুর্নীতি দমন মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বশীল থাকবেন ডিয়েলা।
- প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ডিয়েলা মূলত সরকারের ক্রয় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে এবং ব্যয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করবে।
- এছাড়াও, সরকারের সঙ্গে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের হওয়া চুক্তিগুলোর পুনর্মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় অনুমোদন দেবে এই এআই মন্ত্রী।

তথ্যসূত্র - প্রথম আলো পত্রিকার রিপোর্ট।

১৫৩.
দক্ষিণ আফ্রিকার সংসদীয় রাজধানী কোনটি?
  1. জোহানেসবার্গ
  2. ব্লুমফন্টেইন
  3. ডারবান
  4. কেপ টাউন
ব্যাখ্যা

দক্ষিণ আফ্রিকা:
- দেশটির আইনসভা ২ কক্ষ বিশিষ্ট।
- আইনসভার নাম পার্লামেন্ট,
• উচ্চকক্ষ National Council.
• নিম্নকক্ষ National Assembly.
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাজধানী ৩টি,
• নির্বাহী রাজধানী প্রিটোরিয়া।
• সংসদীয় রাজধানী কেপ টাউন।
• বিচার বিভাগীয় রাজধানী ব্লুমফন্টেইন।
- দক্ষিণ আফ্রিকার রাষ্ট্রীয় / প্রশাসনিক নাম Republic of South Africa.
- দক্ষিণ আফ্রিকা মুদ্রার নাম র‍্যান্ড।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৫৪.
NPT চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন বৃদ্ধি
  2. পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ
  3. পারমাণবিক গবেষণা প্রচার
  4. পারমাণবিক সামরিক সহযোগিতা
ব্যাখ্যা

'NPT' চুক্তি:
- NPT-এর পূর্ণরূপ: Nuclear Non- Proliferation Treaty.
- এটি হলো পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১ জুলাই, ১৯৬৮।
- কার্যকর হয়: ৫ই মার্চ, ১৯৭০।
- স্বাক্ষরিত দেশ: ১৯১টি। (অক্টোবর, ২০২৫)

উল্লেখ্য,
- পারমাণবিক অস্ত্র উৎপাদক মোট রাষ্ট্রের সংখ্যা ৯টি।
- রাষ্ট্রগুলো হলো: চীন, ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, পাকিস্তান, ইসরায়েল ও উত্তর কোরিয়া।

এছাড়াও,
- বাংলাদেশ পারমানবিক অস্ত্র বিস্তার রোধ চুক্তিতে (NPT) স্বাক্ষর করে: ২৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৯ সালে।

তথ্যসূত্র - Arms Control Association ওয়েবসাইট & UNODA ওয়েবসাইট।

১৫৫.
IDA এর সদস্য দেশ কয়টি? (অক্টোবর, ২০২৫)
  1. ১৭৫টি
  2. ১৮২টি
  3. ১৮৯টি
  4. ১৯২টি
ব্যাখ্যা

IDA:
- IDA এর পূর্ণরূপ International Development Association.
- তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে।
- যার কারণে IDA কে 'Soft Loan Window' বলা হয়।
- যেসব দেশ IBRD থেকে ঋণ পায় না, সেসব দেশকে IDA ঋণ প্রদান করে থাকে।
- IDA বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
- এটি ১৯৬০ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৭৫টি। (অক্টোবর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে IDA এর সদস্যপদ লাভ করে।

তথ্যসূত্র - IDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

১৫৬.
২০২৫ সালে চিকিৎসায় কতজন ব্যক্তিকে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়?
  1. ১ জন
  2. ২ জন
  3. ৩ জন
  4. ৪ জন
ব্যাখ্যা

নোবেল পুরস্কার- ২০২৫:
- ২০২৫ সালে চিকিৎসায় যৌথভাবে তিনজনকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
- তারা হলেন- মেরি ই ব্রুনকো, ফ্রেড র‍্যামসডেল এবং শিমন সাকাগুচিকে।
- এদের মধ্যে মেরি ই ব্রুনকো ও ফ্রেড র‍্যামসডেল যুক্তরাষ্ট্রের এবং শিমন সাকাগুচি জাপানের নাগরিক।
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কীভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় তা নিয়ে গবেষণার জন্য চিকিৎসাবিদ্যায় নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য:
- ৬ অক্টোবর, ২০২৫ স্টকহোমের কারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাশাস্ত্রে পুরস্কার দিয়ে এবারের নোবেল ঘোষণা শুরু হয়েছে।
- নোবেলের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান হবে ১০ ডিসেম্বর। এদিন আলফ্রেড নোবেলের মৃত্যুবার্ষিকী।
- বিজয়ীরা পাবেন ১ কোটি ১০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার (প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ ডলার সমমূল্য), সঙ্গে থাকবে ১৮ ক্যারেটের সোনার পদক ও একটি সম্মাননাপত্র।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

১৫৭.
গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে কীসে পরিনত হয়? 
  1. মার্বেল
  2. কোয়ার্টজাইট
  3. নিস
  4. চুনাপাথর 
ব্যাখ্যা

শিলা:
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ, রাসায়নিক ক্রিয়া প্রভৃতির ফলে রূপ পরিবর্তন করে যে নতুন শিলায় পরিণত হয় তা  রূপান্তরিত শিলা নামে পরিচিত।
• বিভিন্ন রূপান্তরিত শিলা:
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইট,
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস পরিনত হয়।

অন্যদিকে,
- গ্রানাইট: আগ্নেয় শিলা
- কয়লা ও চুনাপাথর: পাললিক শিলা।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেণি।

১৫৮.
নিচের কোনটি কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা?
  1. প্রশিক্ষণ প্রদান 
  2. আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি
  3. বেরিবাঁধ নির্মাণ
  4. খ+গ
ব্যাখ্যা

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পুরোপুরি নির্মূল করা সম্ভব না হলেও যথাযথ ব্যবস্থাপনার দ্বারা এর ক্ষতির পরিমাণ অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব।
- এ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে কাঠামোগত ও অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
- কাঠামোগত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা যেমন: বেরিবাঁধ নির্মাণ, আশ্রয়কেন্দ্র তৈরি,
- নদী খনন ইত্যাদি খুবই ব্যয়বহুল যা অনুন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্যে উপযোগী নয়।
- গণসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রশিক্ষণ প্রদান প্রভৃতি অকাঠামোগত প্রশমন ব্যবস্থা তুলনামূলক কম ব্যয়বহুল যা দরিদ্রদেশগুলোর জন্যে উপযোগী।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ: নবম-দশম শ্রেনি।

১৫৯.
পৃথিবীতে কয়টি উচ্চচাপ বলয় রয়েছে? 
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৭টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা

চাপ বলয়:
- পৃথিবীতে মোট চাপ বলয়ের সংখ্যা ৭টি।
- এর মধ্যে উচ্চচাপ বলয় চারটি এবং নিম্নচাপ বলয় তিনটি।
• এগুলো হলো:
- নিরক্ষীয় নিম্নচাপ বলয়;
- দক্ষিণ মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়;
- উত্তর মেরুবৃত্ত নিম্নচাপ বলয়;
- কর্কটীয় উচ্চচাপ বলয়;
- মকরীয় উচ্চচাপ বলয়;
- উত্তর মেরু উচ্চচাপ বলয় এবং
- দক্ষিণ মেরু উচ্চচাপ বলয়।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক প্রাকৃতিক ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬০.
বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ- 
  1. অপরিকল্পিত নগরায়ন
  2. গাছপালা নিধন
  3. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  4. কীটনাশক ব্যবহার
ব্যাখ্যা

- বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত।

 বায়ু দূষণ: 

- প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করে আলোচনা করা যেতে পারে। যথা-
ক. প্রাকৃতিক কারণ এবং খ. মানবসৃষ্ট কারণ।

• প্রাকৃতিক কারণ: 
-  বন্যা ও খরা: বন্যার ফলে বিস্তীর্ণ এলাকায় মলমূত্র ও মৃত জীবজন্তু মিশে একাকার হয়ে যায়।
- ফলে পরিবেশ দূষিত হয় এবং ডায়রিয়া, কলেরা, আমাশয় প্রভৃতি রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়।
- আবার খরা হলে জলজ প্রাণি এবং জীবজন্তু মরে দূষণ ঘটে।

ভূমিকম্প:
- ভূমিকম্পের কারণে মানুষ, জীবজন্তু, গাছপালা ও মাটি চাপা পড়ে পরিবেশ দূষণ ঘটায়।

ঘূর্ণিঝড়:
- কোনো এলাকায় ঘূর্ণিঝড় বা সাইক্লোন হলে উক্ত এলাকায় জীবন ও সম্পদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়।
- জীবজন্তুর দেহাবশেষে পচন ধরে পরিবেশ দূষিত হয়।

আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত:
- আগ্নেয়গিরির উদ্‌দ্গীরণের ফলে বিস্তীর্ণ এলাকা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
- আগ্নেয়গিরির চারপাশে পুড়ে যায়, ভূমিধ্বস হয় এবং মানুষ ও পশুপাখি প্রভৃতি মারা যায়। 

• মানবসৃষ্ট কারণ
 গাছপালা নিধন:
- পরিবেশের ভারসাম্যে রক্ষার জন্য গাছপালা আবশ্যকীয় উপাদান।
- কিন্তু মানুষ তার প্রয়োজনের তাগিদে বা অনেক সময় অপ্রয়োজনে গাছপালা নিধন করে পরিবেশের ক্ষতি করছে।
পাহাড় কর্তন:
- পাহাড় কর্তন বর্তমান সময়ে একটি বড় সমস্যা।
- অনেকেই অবৈধভাবে পাহাড় কর্তন করে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় পরিবেশ নষ্ট হয়।

অপরিকল্পিত নগরায়ন:
- প্রাকৃতিক পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ অপরিকল্পিত নগরায়ন।
- গ্রামীন এলাকা থেকে মানুষ কর্মের সন্ধানে নগরে ছুটে আসে। ফলে অত্যধিক মানুষের চাপে নগরীয় পরিবেশ দূষিত হয়।

কীটনাশক ব্যবহার:
- কৃষিকাজে অধিক হারে কীটনাশক ব্যবহারের ফলে পানির সাথে কীটনাশক মিশে পানি দূষণ ঘটায়।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬১.
’মরিস জেসাপ অন্তরীপ’ কোথায় অবস্থিত? 
  1. গ্রিনল্যান্ড
  2. চিলি
  3. ভারত
  4. স্পেন
ব্যাখ্যা

অন্তরীপ:
- ভূপৃষ্ঠের কোন অংশ ক্রমশ সরু হয়ে কোন জল-অংশে প্রবেশ করলে সেই সংকীর্ণ অংশকে অন্তরীপ বলা হয়।
- মরিস জেসাপ অন্তরীপ : গ্রিনল্যান্ড।

এছাড়াও,
- ট্রাফালগার অন্তরীপ : স্পেন
- উত্তমাশা অন্তরীপ : দক্ষিণ আফ্রিকা
- হর্ন অন্তরীপ : চিলি
- গার্দাফুই অন্তরীপ সোমালিয়ায় অবস্থিত।
- কন্যাকুমারী অন্তরীপ : ভারত।

উৎস: ব্রিটানিকা ও ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

১৬২.
বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান মজুদ রয়েছে কোন জেলায়?
  1. নেত্রকোণা
  2. শেরপুর
  3. দিনাজপুর 
  4. উপরের সবগুলো 
ব্যাখ্যা

- নেত্রকোণা শেরপুর এবং দিনাজপুরে চিনামাটির মজুদ রয়েছে।

• চীনামাটি  বাংলাদেশে চীনামাটির উল্লেখযোগ্য মজুত রয়েছে।
- ১৯৫৭ সালে ময়মনসিংহ জেলার দুর্গাপুর থানার অন্তর্গত (দুর্গাপুর বর্তমানে নেত্রকোনা জেলার অন্তর্গত একটি উপজেলা) ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে।
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরে বা ভূ-পৃষ্ঠের সামান্য নিচে নেত্রকোণা জেলার বিজয়পুর (২৫ লক্ষ ৭ হাজার টন),
- জি.এস.বি ১৯৯০ সালে শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার ভূরাঙ্গা এলাকায় চীনামাটির মজুত আবিষ্কার করে।
- শেরপুর জেলার ভুরুংগা (১৩ হাজার টন) ও চট্টগ্রাম জেলার হাইটগাঁও, কাঞ্চপুর, এলাহাবাদ (১৮ হাজার টন)।
- এবং ভূ-পৃষ্ঠের অভ্যন্তরে দিনাজপুর জেলার মধ্যপাড়ায় (১ কোটি ৫০ লক্ষ টন) চীনামাটির মজুত আবিষ্কৃত হয়েছে।
- চীনামাটি বলতে মূলত কেয়োলিন কাদা মণিক দিয়ে গঠিত সিরামিক শিল্পে ব্যবহার্য উন্নতমানের কাদাকে বোঝানো হয়ে থাকে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

১৬৩.
নিচের কোনটির কারণে ভূমিকম্প সংঘটিত হয়?
  1. খনি অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচের কোনো অংশ হঠাৎ ধ্বসে পড়লে
  2. পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি হলে
  3. ভূ-অভ্যন্তরে বড় রকমের শিলাচ্যুতি ঘটলে
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের কারণ:
- আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের সময় বহির্মুখী বাষ্পরাশির চাপে ভূমিকম্প হয়।
- পার্বত্য অঞ্চলে বড় ধরনের শিলাচ্যুতি বা হিমবাহ অঞ্চলে হিমানী সম্প্রপাত হলে ভূমিকম্প হয়।
- খনি অঞ্চলে ভূ-পৃষ্ঠের নিচের কোনো অংশ হঠাৎ ধ্বসে পড়লে ভূমিকম্প হতে পারে।
- ভূ-গর্ভস্থ আগ্নেয় পদার্থের উর্ধ্বমুখী চাপের ফলে ভূ-কম্পন হয়।
-  ভূ-ত্বক সাতটি বৃহৎ এবং কতকগুলো ছোট প্লেট দ্বারা গঠিত।
- এই প্লেটসমূহ একে অপরের দিকে, একে অপরের বিপরীতে অথবা পরস্পর সমান্তরালভাবে সঞ্চালিত হয়।
- এইরূপ সঞ্চালনের ফলে সৃষ্ট চাপ থেকে আকস্মিকভাবে প্রচণ্ড কম্পন সৃষ্টি হয়। ভূ-পৃষ্ঠে এই কম্পন ভূমিকম্পের সৃষ্টি করে।
- কোনো কারণে ভূ-অভ্যন্তরে বড় রকমের শিলাচ্যুতি ঘটলে ভূমিকম্প হয়।

এছাড়াও,
- ভূ-আলোড়নের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে প্রবল ফ্রিকশান হয়ে কোনো অংশ ধসে পড়ে ভূ-ত্বক কেঁপে ওঠে এবং ভূমিকম্প হয়।
- উত্তপ্ত ভূ-অভ্যন্তর তাপ বিকিরণ করে সংকুচিত হলে শিলাস্তরে ভারসাম্য বজায় রাখার জন্য স্থান পরিবর্তন করলে ভূ-ত্বক কেঁপে উঠলে ভূমিকম্প হতে পারে।
- ভূ-গর্ভে সঞ্চিত বাষ্পচাপ অধিক হলে নিম্নভাগে প্রবলভাবে ধাক্কা দেয়, এতে ভূমিকম্প দেখা দিতে পারে।
- ভূ-গর্ভে চাপ হ্রাস পেলে এর অভ্যন্তরস্থ উত্তপ্ত কঠিন পদার্থ গলে নিচের দিকে অপসারিত ও আলোড়িত হতে থাকে, এতে ভূ-ত্বক কেঁপে ওঠে।

উৎস: ভূগোল ২য় পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৪.
বিখ্যাত গ্রন্থ ’The Prince’ এর লেখক কে?
  1. জন লক
  2. স্টুয়ার্ট মিল
  3. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি 
  4. জ্যাঁ জ্যাক রুশো
ব্যাখ্যা

- নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ১৫১৩ খ্রিষ্টাব্দে রচনা করেন তার বিশ্বখ্যাত 'The Prince'.

নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি:

- নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ইতালির ফ্লোরেন্স নগরীতে ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন নিকোলো।
- ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
- আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সর্বপ্রথম পার্থক্য নির্ণয় করেন। -
- ১৫১৩ খ্রিষ্টাব্দে রচনা করেন তার বিশ্বখ্যাত 'The Prince'।
- দ্য প্রিন্স-এর মূল বিষয় হলো কীভাবে রাজনৈতিক শক্তি অর্জন, ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা যায় তার চিন্তাপূর্ণ বিশ্লেষণ। পুস্তকটি ছোট-বড় ২৬টি অধ্যায় নিয়ে রচিত। তা ছাড়া শুরুতে রয়েছে একটি উৎসর্গপত্র। ইতালির বিখ্যাত মেডিসি পরিবারের অন্যতম শাসক লরেঞ্জো ডে মেডিসির নামে গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে।

• তার বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম:

- The Prince,
- Discourses on Livy,
- The Life of Castruccio Castracani of Lucca,
- Florentine Histories,
- Lettera to Francesco Vettori,
- The Portable Machiavelli,
- The Complete Art of War ইত্যাদি।

উৎস: i) Britannica.
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৬৫.
The Poverty of Philosophy গ্রন্থটি কার লেখা? 
  1. বার্ট্রান্ড রাসেল
  2. ইমানুয়েল কান্ট
  3. উইলিয়াম হেগেল
  4. কার্ল মার্কস
ব্যাখ্যা

• বার্ট্রান্ড রাসেলের গ্রন্থ:-
- The Elements of Ethics,
- Political Ideals
- Human Society in Ethics and Politics

• কার্ল মার্কসের গ্রন্থে:-
- The Communist Manifesto
- Das Kapital
- The Poverty of Philosophy

• ইমানুয়েল কান্টের গ্রন্থে:-
- Groundwork for Metaphysics of Morals.
- Critique of Pure Reason.
- Critique of Practical Reason.
- Critique of Judgement.
- The Metaphysics of Morals

উৎস: ব্রিটানিকা

১৬৬.
নিচের কোনটির অভাবে ব্যক্তি সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে পারে না? 
  1. সহমর্মিতা 
  2. সৌজন্যবোধ
  3. শৃঙ্খলাবোধ
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

- সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে পারে না।

মূল্যবোধের উপাদান: 

- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে।
- এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে।
- এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান।
- নিম্নে এরকম কয়েকটি উপাদান আলোচনা করা হল-

•  নীতিবোধ:
- নৈতিকতা মূল্যবোধের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য যা নীতিবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।
- কোন কাজ করতে গেলে নিজের বিবেক, নীতি ও যুক্তি প্রয়োগ করে তা করা উচিত।
- যৌক্তিকতা সাধারণত নীতিবোধের উপর নির্ভরশীল। কেননা নৈতিক কাজ যুক্তি বিরুদ্ধ হতে পারে না।
- তাই যে যত বেশি নীতিবান হবে তার মূল্যবোধ তত পরিশীলিত হবে।

• শৃঙ্খলা:
- শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান। শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

• সহমর্মিতা:
- মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত।
- সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে পারে না।

• সৌজন্যবোধ:
- ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে।
- সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ। আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

উৎস: পৌরনীতি ১ম পত্র, এইচএসসি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬৭.
ই-গভর্নেন্সের ফলে কী অর্জিত হয়? 
  1. সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়
  2. সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়
  3. সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

• ই-গভর্নেন্স:
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন তথ্য ও সেবা জনগণের নিকট পৌঁছানোকেই ই-গভর্নেন্স বলে।
- ই-গভর্নেন্স এর পূর্ণরূপ ইলেকট্রনিক গভর্নেন্স।
• লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
- ই-গভর্নেন্সের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের স্বচ্ছতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের দক্ষতা বৃদ্ধি পায়।
- ই-গভর্নেন্সের ফলে সরকারের জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।