পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

পরীক্ষাDPEতারিখ১০ আগস্ট, ২০২৩সময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৮০
সিলেবাস
প্রাক-প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা -২০১৩ (দাজলা) (গ্রেড-১৩) পরীক্ষার তারিখ: ০৮.১১.২০১৩
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি জব সল্যুশন

DPE · ১০ আগস্ট, ২০২৩ · ৮০ প্রশ্ন

.
কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস কোনটি?
  1. ঝিলিমিলি
  2. মৃত্যুক্ষুধা
  3. মধুবালা
  4. অগ্নি-বীণা
ব্যাখ্যা
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত উপন্যাস:
- বাঁধন-হারা।
- মৃত্যুক্ষুধা ।
- কুহেলিকা। 

• 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাস: 
- কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'মৃত্যুক্ষুধা' উপন্যাসটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে। 
- নারী জীবনের দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা এবং সমাজের বাস্তবচিত্র এই উপন্যাসে তুলে ধরা হয়েছে।
- দারিদ্য, ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে সপরিবারে মেজ-বৌয়ের মুসলিম থেকে খ্রিষ্ট ধর্মান্তর গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হয়ে ওঠে গল্পে। অন্যদিকে গল্পের নায়কা রুবি আনসারকে ভালোবাসালেও রুবির পিতা তাকে বিয়ে দেয় আইসিএস পরীক্ষার্থী মোয়াজ্জেমের সঙ্গে। মোয়াজ্জেমের মৃত্যুর পর বিধবা রুবির জীবনে নেমে আসে সমাজের বিধিনিষেধ।

• ‘বাঁধন-হারা' উপন্যাস: 
• কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম উপন্যাস ‘বাঁধন-হারা' (১৯২৭)।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস।
- এতে ১৮টি পত্র রয়েছে।
- কাজী নজরুল ইসলাম করাচীতে অবস্থানকালে ‘বাধন-হারা' উপন্যাস রচনা শুরু করেন।
- এটি মুসলিম ভারত পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসের নায়ক নুরুল হুদা।
- অন্যান্য চরিত্রের মধ্যে রয়েছে - রবিউল, রাবেয়া, সােফিয়া, মাহবুবা প্রমুখ।

• 'কুহেলিকা' উপন্যাস: 
- ১৯৩৪ বঙ্গাব্দে 'নওরোজ' পত্রিকায় 'কুহেলিকা' উপন্যাস প্রকাশ আরম্ভ হয়। 
- গ্রন্থাকারে প্রথম প্রকাশ পায় ১৩৩৮ বঙ্গাব্দে(১৯৩১)।
- এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে।
- কুহেলিকা উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর। 
- এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি, ''ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে। ইহারা গহন পথের কণ্টক, রাজপথের দস্যু।''

অন্যদিকে,
 
• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত নাটকের সংকলন 'ঝিলিমিলি', মধুমালা । 
• অগ্নি-বীণা কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া মৃত্যুক্ষুধা উপন্যাস ও বাংলাপিডিয়া।
.
'দেখিনু সেদিন রেলে,
কুলি ব'লে এক বাবু সা'ব তারে ঠেলে দিল নীচে ফেলে!'
পংক্তিটির রচয়িতা কে?
  1. ক) কাজী নজরুল ইসলাম
  2. খ) আহসান হাবীব
  3. গ) সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  4. ঘ) কবি সুফিয়া কামাল
ব্যাখ্যা
কাজী নজরুল ইসলামের 'মানুষ' কবিতাটি- 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। 

• পঙ্‌ক্তিটি কাজী নজরুল ইসলামের 'কুলি- মজুর' কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। কবিতাটি- 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে। 

• 'সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্থ:
‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯২৫ সালের ডিসেম্বরে।
গ্রন্থটিতে মোট কবিতা রয়েছে ১১টি।
- সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে।

• এ গ্রন্থের কবিতাগুলো হলো:
- সাম্যবাদী,
- ঈশ্বর,
- মানুষ,
- পাপ,
- চোর-ডাকাত,
- বারাঙ্গনা,
- মিথ্যাবাদী।
- নারী,
- রাজা-প্রজা।
- সাম্য,
- কুলি-মজুর। 

কুলি-মজুর- কবিতা,
কাজী নজরুল ইসলাম। 

দেখিনু সেদিন রেলে,
কুলি বলে এক বাবু সা’ব তারে ঠেলে দিলে নীচে ফেলে!
চোখ ফেটে এল জল,
এমনি করে কি জগৎ জুড়িয়া মার খাবে দুর্বল?
যে দধীচিদের হাড় দিয়ে ঐ বাষ্প-শকট চলে,
বাবু সা’ব এসে চড়িল তাহাতে, কুলিরা পড়িল তলে।
বেতন দিয়াছ?-চুপ রও যত মিথ্যাবাদীর দল!
কত পাই দিয়ে কুলিদের তুই কত ক্রোর পেলি বল্‌?
রাজপথে তব চলিছে মোটর, সাগরে জাহাজ চলে,
রেলপথে চলে বাষ্প-শকট, দেশ ছেয়ে গেল কলে,
বল ত এ-সব কাহাদের দান! তোমার অট্টালিকা
কার খুনে রাঙা? -ঠুলি খুলে দেখ, প্রতি ইটে আছে লিখা।
তুমি জান নাকো, কিন্তু পথের প্রতি ধূলিকণা জানে,
ঐ পথ, ঐ জাহাজ, শকট, অট্টালিকার মানে!
                         আসিতেছে শুভদিন,
দিনে দিনে বহু বাড়িয়াছে দেনা, শুধিতে হইবে ঋণ!

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং ‘সাম্যবাদী’ কাব্যগ্রন্থ।
.
'অপরাহ্ন' নাটকটির রচয়িতা কে?
  1. ক) মমতাজ উদ্দিন আহমেদ
  2. খ) রাবেয়া খাতুন
  3. গ) হুমায়ুন আহমেদ
  4. ঘ) আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• 'অপরাহ্ন' নাটকটির রচয়িতা হুমায়ূন আহমেদ। 

»হুমায়ূন আহমেদ-
- কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চলচ্চিত্র নির্মাতা, গীতিকার, শিক্ষক।
- হুমায়ূন আহমেদের জন্ম ১৯৪৮ সালে নেত্রকোনা জেলার মোহনগঞ্জে তাঁর মাতামহের বাড়িতে।
- তাঁর পৈত্রিক বাড়ি নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার কুতুবপুর গ্রাম।
- তাঁর পিতা ফয়জুর রহমান আহমেদ এবং মা আয়েশা আখতার খাতুন (বর্তমানে আয়েশা ফয়েজ নামে পরিচিত)।
- তিনি ২০১২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

হুমায়ূন আহমেদ রচিত মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপন্যাস -
- জোছনা ও জননীর গল্প,
- আগুনের পরশমণি,
- শ্যামল ছায়া,
- সৌরভ,
- ১৯৭১,
- অনীল বাগচীর একদিন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর , বাংলাপিডিয়া।
.
'কিরণ' শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) শিখা
  2. খ) অশনি
  3. গ) সূর্য
  4. ঘ) অংশু
ব্যাখ্যা
• ‘কিরণ’ শব্দের সমার্থক শব্দ: 
- কর,
- প্রভা, 
- দীপ্তি,
- জ্যোতি,
- অংশু,
- রশ্মি, 
- আলোকচ্ছটা, 
- বিভা,
- ভাতি। 

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।  
.
'স্মরণ' শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. ক) জাগরণ
  2. খ) বিস্মরণ
  3. গ) নির্লিপ্ত
  4. ঘ) উদিত
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
‘স্মরণ’  শব্দের অর্থ- স্মৃতি, ধ্যান, চিন্তা, কল্পনা।

• ‘স্মরণ’ এর বিপরীত শব্দ- 'বিস্মরণ'। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
.
'কারক' শব্দটির অর্থ?
  1. ক) যা পদকে সম্পাদন করে
  2. খ) যা সমাস সম্পাদন করে
  3. গ) যা ক্রিয়া সম্পাদন করে
  4. ঘ) যা পদ ও সমাসকে সম্পাদন করে
ব্যাখ্যা
• কারক: 
- কারক (কৃ+ণক) শব্দটির অর্থ- যা ক্রিয়া সম্পাদন করে।
- বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে নামপদের যে সম্পর্ক, তাকে কারক বলে।

• কারক ছয় প্রকার :
- কর্তা কারক,
- কর্ম কারক, 
- করণ কারক,
- অপাদান কারক, 
- অধিকরণ কারক ও
- সম্বন্ধ কারক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ)।
.
কর্ম কারকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) তোমাকে সেদিন দেখেছিলাম।
  2. খ) তোমাকে আজই যেতে হবে।
  3. গ) বাবাকে বড় ভয় করে।
  4. ঘ) তোমাকে অনেক কথা শুনতে হবে।
ব্যাখ্যা
কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে।
- বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম- উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়।
- সাধারনত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম কারকে- 'কে' বিভক্তি হয়।
যেমন,
- শিক্ষককে জানাও।
- অসহায়কে সাহায্য করো। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( সংস্করণ- ২০২১)।
.
'সকলকে মরতে হবে'- বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্তৃকারকে দ্বিতীয়া
  2. কর্মকারকে দ্বিতীয়া
  3. অপাদানে দ্বিতীয়া
  4. অধিকরণে দ্বিতীয়া
ব্যাখ্যা
বাক্যের বাচ্য বা প্রকাশভঙ্গি অনুসারে কর্তা ৩ রকম হতে পারে।
যেমন-
১. কর্মবাচ্যের কর্তা (পুলিশ দ্বারা চোর ধৃত হয়েছে),
২. ভাববাচ্যের কর্তা (আমার যাওয়া হবে না) এবং
৩. কর্ম-কর্তৃবাচ্যের কর্তা (কলমটা লেখে ভালো)।

ভাববাচ্যের বৈশিষ্ট্য:
- ভাববাচ্যে ক্রিয়া সর্বদা নাম পুরুষের হয়। ভাববাচ্যের কর্তায় ষষ্ঠী, দ্বিতীয়া অথবা তৃতীয় বিভক্তি প্রযুক্ত হয়।
যেমন - আমার খাওয়া হলো না। (কর্তায় ষষ্ঠী)

'সকলকে মরতে হবে' - এই বাক্যে সকলকে হচ্ছে ভাববাচ্যের কর্তা।
এবং এর সাথে ২য়া বিভক্তি (কে) যুক্ত হয়েছে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) CONQUERER
  2. খ) CONQUEROR
  3. গ) CONQUARER
  4. ঘ) CONQARAR
ব্যাখ্যা
Conqueror (noun): 
English Meaning - Someone who has conquered a country or its people.
Bangla Meaning - বিজয়ী। 
Example Sentence - We learn that notions of what comprises childhood differed between the conquerors and the indigenous peoples, but that the latter's notion endured.

Source: Cambridge Dictionary. 
১০.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) INKANDESCENT
  2. খ) INCANDECENT
  3. গ) INCANDISCENT
  4. ঘ) INCANDESCENT
ব্যাখ্যা
Incandescent (adjective): 
English Meaning - Producing a bright light from a heated filament or other parts.
Bangla Meaning - উত্তপ্ত হলে আলো দেয় বা দিতে পারে এমন; ভাস্বর: an incandescent filament.

Other forms: Incandescence [ইনক্যান্‌ডেস্‌স্‌ন্‌স্‌] (noun) [uncountable noun] ভাস্বরতা।
Example Sentence - The mountain's snow-white peak was incandescent against the blue sky.

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
১১.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) CONOISSEUR
  2. খ) CONNOISEUR
  3. গ) CONNOISSEUR
  4. ঘ) CONNOISSER
ব্যাখ্যা
Connoisseur (noun):
English Meaning: A person who has expert knowledge of something, especially an art, food, or drink, and is qualified to judge and appreciate its quality.
Bangla Meaning: প্রধানত চারুকলা (আর্ট) বিষয়ে রসজ্ঞ; পণ্ডিত বিচারক; সমঝদার: a connoisseur of painting/wine.

Synonyms: Specialist (বিশেষজ্ঞ), Pundit (পণ্ডিত), Savant (অত্যন্ত পণ্ডিতব্যক্তি), Expert (দক্ষ), Boss (নেতা, কুশলী)।
Antonyms: Ignoramus (অজ্ঞ, অজ্ঞানী), Fool, Ignoramus (নির্বোধ), Dope (নিরেট বোকা), Dummy (গন্ডমূর্খ)।

Other Forms: Connoisseurship (noun) সমঝদারি; রসজ্ঞতা।
Example Sentence: 
1. It looks the same and only the connoisseur would tell the difference in taste.

Source: Live MCQ Lecture.
১২.
Honesty is the best policy. বাক্যে 'honesty' শব্দটি-
  1. ক) Proper noun
  2. খ) Common noun
  3. গ) Collective noun
  4. ঘ) Abstract noun
ব্যাখ্যা
• Abstract noun: 
- এটি হলো সেই noun যা কোন অবস্তুগত ধারণা বা গুণকে নির্দেশ করে।
- এর কোন বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই ও ছোঁয়া যায় না।
- গন্ধ বা শ্রবণ দ্বারা বুঝা যায় না।
- এটি শুধু কল্পনা দ্বারা বুঝা যায়।

Honesty শব্দটি Abstract noun হিসেবে ব্যবহার হয়ে থাকে কারণ তার কোন বাহ্যিক অস্তিত্ব নেই ও ছোঁয়া যায় না।
১৩.
This necklace is made of gold. বাক্যে 'gold' শব্দটি ---
  1. ক) Proper noun
  2. খ) Common noun
  3. গ) Collective noun
  4. ঘ) Material noun
ব্যাখ্যা
Gold is a - Materiel noun.

• Materiel noun: 
- যে Noun দ্বারা কোন বস্তু বা পদার্থকে নির্দেশ করে তাকে Material noun বলে।
- Material noun সাধারণত uncountable noun হয়।
- একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- Gold (সোনা) হলো Material noun, কারণ এটি পদার্থ বা বস্তু বাচক এবং একে গণনা করা যায় না কিন্তু পরিমাপ বা ওজন করা যায়।
- আরো উদাহরণ: Silver, Iron, Cotton, Diamond, Milk, Paint, Rubber, Paper, Steel, Sand, Wood, Mutton, Oil etc.
১৪.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Ahsan is better today.
  2. খ) He prevented me to go.
  3. গ) I have a lot of furnitures for sale.
  4. ঘ) The bus service has been cancelled due to fog.
ব্যাখ্যা
ক) Ahsan is better today. - এই বাক্যটি শুদ্ধ। 
- কারণ, এখানে তুলনামূলক ভালো বুঝাতে 'good' এর comparative form 'better' ব্যবহৃত হয়েছে। 

খ) He prevented me to go. - এই বাক্যটি ভুল।
- prevent এর পর preposition হিসাবে from বসার কথা এবং go + ing হবে। 
- সঠিক রূপ: He prevented me from going there.

গ) I have a lot of furnitures for sale. - এই বাক্যটি ভুল।
- furniture শব্দের plural হয় না; অর্থাৎ 's' যোগ হবে না। 
- সঠিক রূপ: I have a lot of furniture for sale. 

ঘ) The bus service has been cancelled due to fog. - এই বাক্যটি ভুল।
- এখানে 'tense' এর ভুল ব্যবহার হয়েছে। Present Perfect Continuous Tense এর পরিবর্তে Past Indefinite Tense হবে। 
- সঠিক রূপ: The bus service was cancelled due to fog.
১৫.
নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?
  1. ক) Two-thirds of the money are lost.
  2. খ) I am senior to you by three years.
  3. গ) Whom do you think I am?
  4. ঘ) He thought that it will rain.
ব্যাখ্যা
খ) I am senior to you by three years. 
- এই বাকিটি সঠিক কারণ,  সাধারণত Comparative degree এর পরে than বসলেও senior, junior, inferior, superior, prior, ulterior, posterior ইত্যাদি Latin Compative গুলোর পরে to বসে (than নয়)।

Other options, 
ক) Two-thirds of the money are lost. - এই বাক্যটি ভুল; 
- কারণ 'money' uncountable noun হওয়ায় verb singular 'is' হবে। 
Correct Sentence - Two-thirds of the money is lost.

গ) Whom do you think I am? - এই বাক্যটি ভুল; 
- কারণ এখানে 'Whom' হচ্ছে object pronoun, এর পরিবর্তে subject pronoun 'Who' ব্যবহার হবে। 
Correct Sentence - Who do you think I am?

ঘ) He thought that it will rain. - এই বাক্যটি ভুল; 
- Principal clause এর verb টি 'thought' past tense এ থাকায় subordinate clause টি ও past হবে। অর্থাৎ will এর স্থলে would হবে।
Correct Sentence - He thought that it would rain.
১৬.
He is envious ____ my success বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) in
  2. খ) to
  3. গ) of
  4. ঘ) by
ব্যাখ্যা
Envious (adjective): 
Meaning - হিংসুক; পরশ্রীকাতর।
- Envious এর পর preposition হিসেবে 'of' ব্যবহৃত হয়। 

Complete Sentence: He is envious of my success.
১৭.
Anis is good _____ cricket বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে -
  1. ক) in
  2. খ) with
  3. গ) of
  4. ঘ) at
ব্যাখ্যা
Good at অর্থ হলো দক্ষ।
কোনো কিছুতে দক্ষ বোঝাতে সাধারণত good at বসে।

Example:
- He is good at English.
- I am not good at translation. 
- Shahid is good at Mathematics
- Sajib is good at physics.
- My sister's good at mathematics.
- He is good at fishing.
- Rina is good at reading.
১৮.
He has lack _____ money. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) in
  2. খ) with
  3. গ) of
  4. ঘ) to
ব্যাখ্যা
Lack of something (idiom): 
Meaning - The fact that something is not available or that there is not enough of it. 
- অর্থাৎ, কোন কিছুর অভাব/ঘাটতি বুঝাতে lack এর পর 'of' preposition ব্যবহৃত হয়। 
- Lack of money অর্থ অর্থশূন্যতা;

Complete Sentence: He has lack of money. 
১৯.
I objected ____ his proposal. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) to
  2. খ) in
  3. গ) with
  4. ঘ) by
ব্যাখ্যা
Object (to):
• Meaning - আপত্তি করা; বিরোধিতা করা; প্রতিবাদ করা। 
- কোন বিষয়ে বিরোধিতা করা বুঝাতে Object এর পর 'to' preposition ব্যবহৃত হয়। 
যেমন: He objected to my proposal (সে আমার প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছিল।) 

Complete Sentence: I objected to his proposal. 
২০.
Rest is a necessity ____ me now. বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-
  1. ক) in
  2. খ) to
  3. গ) for
  4. ঘ) by
ব্যাখ্যা
Necessity (for): 
English Meaning - The need for something. 
Bangla Meaning - আবশ্যকতা। 

Complete Sentence: Rest is a necessity for me now. 
২১.
1 + 2 + 3 + 4 + .......... + 19 = কত?
  1. ক) 180
  2. খ) 184
  3. গ) 188
  4. ঘ) 190
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 1 + 2 + 3 + 4 + .......... + 19 = কত?

সমাধান: 
আমরা জানি,
n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার সমষ্টি = n(n + 1)/2
অর্থাৎ 
1 + 2 + 3 + .................. + n = n(n + 1)/2
1 + 2 + 3 + 4 + .......... + 19 = 19(19 + 1)/2
= (19 × 20)/2
= 190 
২২.
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ২০ বৎসর। পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ১৬ বৎসর হলে পুত্রের বয়স কত?
  1. ক) ৮ বৎসর
  2. খ) ১৫ বৎসর
  3. গ) ১৬ বৎসর
  4. ঘ) (৩৩/২) বৎসর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও মাতার বয়সের গড় ২০ বৎসর। পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ১৬ বৎসর হলে পুত্রের বয়স কত?

সমাধান:
পিতা ও মাতার গড় বয়স= ২০ বৎসর
পিতা ও মাতার মোট বয়স= (২০ × ২) বৎসর
= ৪০ বৎসর

পিতা, মাতা ও পুত্রের গড় বয়স = ১৬ বৎসর 
পিতা, মাতা ও পুত্রের মোট বয়স= (১৬ × ৩) বৎসর
= ৪৮ বৎসর

পুত্রের বয়স = (৪৮ - ৪০) বৎসর
= ৮ বৎসর
২৩.
একজন বোলার গড়ে ১৭ রান দিয়ে ৭টি উইকেট পান। পরবর্তী ইনিংসে গড়ে ৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট পান। তিনি উইকেট প্রতি গড়ে কত রান দিয়েছেন?
  1. ক) ১২
  2. খ) ১৪.৩
  3. গ) ১৫.৫
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন বোলার গড়ে ১৭ রান দিয়ে ৭টি উইকেট পান। পরবর্তী ইনিংসে গড়ে ৮ রান দিয়ে ৩টি উইকেট পান। তিনি উইকেট প্রতি গড়ে কত রান দিয়েছেন?

সমাধান:
বোলার গড়ে ১৭ রান দিয়ে উইকেট পান ৭টি 
৭টি উইকেটে মোট রান দেয় = (৭ × ১৭) = ১১৯

পরবর্তী খেলায় গড়ে ৮ রান দিয়ে উইকেট পান ৩টি 
৩টি উইকেটে মোট রান দেয় = (৮ × ৩) = ২৪

মোট উইকেট = ৩ + ৭ = ১০টি
মোট রান = ১১৯ + ২৪ = 

তার উইকেট প্রতি গড় রান = ১৪৩/১০ = ১৪.৩
২৪.
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর। ২ বছর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১২ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?
  1. ক) ৪০ বছর
  2. খ) ৪২ বছর
  3. গ) ৪৩ বছর
  4. ঘ) ৪৪ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর। ২ বছর পর দুই পুত্রের গড় বয়স ১২ বছর হলে পিতার বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
দুই বছর পর দুই পুত্রের বয়সের গড় হবে ১২ বছর
দুই বছর পর দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি হবে ১২ × ২ = ২৪ বছর
বর্তমানে দুই পুত্রের বয়সের সমষ্টি =২৪ - (২ + ২) = ২০বছর

পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান গড় বয়স ২০ বছর
পিতা ও দুই পুত্রের বর্তমান মোট বয়স ২০× ৩  = ৬০ বছর

পিতার বয়স = (৬০ - ২০) বছর
= ৪০ বছর
২৫.
এক বাক্স আঙ্গুর ২৭৫০ টাকায় বিক্রয় করায় ৪৫০ টাকা ক্ষতি হলো। ঐ আঙ্গুর ৩৬০০ টাকায় বিক্রয় করলে কত লাভ বা ক্ষতি হতো?
  1. ক) ৩০০ টাকা লাভ
  2. খ) ৩৫০ টাকা লাভ
  3. গ) ৪০০ টাকা লাভ
  4. ঘ) ৪৫০ টাকা লাভ
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: এক বাক্স আঙ্গুর ২৭৫০ টাকায় বিক্রয় করায় ৪৫০ টাকা ক্ষতি হলো। ঐ আঙ্গুর ৩৬০০ টাকায় বিক্রয় করলে কত লাভ বা ক্ষতি হতো?

সমাধান:
এক বাক্স আঙ্গুরের ক্রয়মূল্য = (২৭৫০ + ৪৫০) টাকা
= ৩২০০ টাকা

বিক্রয়মূল্য = ৩৬০০ টাকা

লাভ = (৩৬০০ - ৩২০০) টাকা
= ৪০০ টাকা 
২৬.
একজন চা ব্যবসায়ী এক বাক্স চা পাতা কেজি প্রতি ৮০ টাকা হিসাবে ক্রয় করেন। সব চা পাতা কেজি প্রতি ‍৭৫ টাকা দরে বিত্রুয় করায় ৫০০ টাকা ক্ষতি হয়। তিনি কত কেজি চা পাতা ক্রয় করেছিলেন?
  1. ক) ৮৫ কেজি
  2. খ) ৯০ কেজি
  3. গ) ৯৫ কেজি
  4. ঘ) ১০০ কেজি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন চা ব্যবসায়ী এক বাক্স চা পাতা কেজি প্রতি ৮০ টাকা হিসাবে ক্রয় করেন। সব চা পাতা কেজি প্রতি ‍৭৫ টাকা দরে বিত্রুয় করায় ৫০০ টাকা ক্ষতি হয়। তিনি কত কেজি চা পাতা ক্রয় করেছিলেন?

সমাধান:
ধরি,
 চা পাতা ক্রয় করেছিলেন = ক কেজি

প্রশ্নমতে,
৮০ক - ৭৫্ক = ৫০০
বা, ৫ক = ৫০০
বা, ক = ১০০ 
২৭.
একটি ছাগল ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৪৫০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?
  1. ক) ২৯০০ টাকা
  2. খ) ৩০০০ টাকা
  3. গ) ৩২০০ টাকা
  4. ঘ) ৩৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি ছাগল ১০% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য ৪৫০ টাকা বেশি হলে ৫% লাভ হতো। ছাগলটির ক্রয়মূল্য কত?

সমাধান:
মনে করি,
বইটির ক্রয়মূল্য = ১০০ টাকা।

১০% ক্ষতিতে, বিক্রয়মূল্য = (১০০-১০) টাকা = ৯০ টাকা।
এবং ৫% লাভে, বিক্রয়মূল্য = (১০০+৫) টাকা = ১০৫ টাকা।

সুতরাং বিক্রয়মূল্য বেশি = (১০৫ - ৯০) = ১৫ টাকা।

বিক্রয়মূল্য ১৫ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা
বিক্রয়মূল্য ১ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০/১৫ টাকা
বিক্রয়মূল্য ৪৫০ টাকা বেশি হলে ক্রয়মূল্য ১০০ × ৪৫০/১৫ টাকা
= ৩০০০ টাকা।
২৮.
একটি কাজ ক একা ১০ দিনে এবং খ একা ১৫ দিনে শেষ করতে পারলে ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে?
  1. ক) ৬ দিনে
  2. খ) ৮ দিনে
  3. গ) ১০ দিনে
  4. ঘ) ১২ দিনে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি কাজ ক একা ১০ দিনে এবং খ একা ১৫ দিনে শেষ করতে পারলে ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে শেষ করতে পারবে?

সমাধান: 
ক একা ১০ দিনে করে = ১টি কাজ 
∴ ক একা ১ দিনে করে = ১/১০ অংশ

আবার
খ একা ১৫ দিনে করে = ১টি কাজ 
∴ খ একা ১ দিনে করে = ১/১৫ অংশ  

ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে = {(১/১০) + (১/১৫)} অংশ
= (৩ + ২)/৩০ অংশ
= ৫/৩০ অংশ
= ১/৬  অংশ

এখন, 
ক ও খ একত্রে ১/৬  অংশ কাজ করে = ১ দিনে 
∴ ক ও খ একত্রে ১ বা (সম্পূর্ণ) অংশ কাজ করে = (১ × ৬)/১ দিনে
= ৬ দিনে

∴ ক ও খ একত্রে ঐ কাজ ৬ দিনে শেষ করতে পারবে।
২৯.
লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘন্টায় ১৫ কি.মি. ও ৫ কি.মি.। নদীপথে ৩০ কি.মি. যেয়ে আবার ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?
  1. ক) ৩ ঘণ্টা
  2. খ) ৪ ঘণ্টা
  3. গ) (৯/২) ঘণ্টা
  4. ঘ) ৫ ঘণ্টা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ঘন্টায় ১৫ কি.মি. ও ৫ কি.মি.। নদীপথে ৩০ কি.মি. যেয়ে আবার ফিরে আসতে কত সময় লাগবে?

সমাধান: 
স্রোতের অনুকূলে, 
লঞ্চের গতিবেগ = (১৫ + ৫) কি.মি./ঘণ্টা
= ২০ কি.মি./ঘণ্টা
∴ ৩০ কি.মি. পথ যেতে প্রয়োজনীয় সময় = ৩০/২০ ঘন্টা = ৩/২ ঘণ্টা

আবার, 
স্রোতের প্রতিকূলে,
লঞ্চের গতিবেগ = (১৫ - ৫) কি.মি./ঘণ্টা
= ১০ কি.মি./ঘন্টা। 
∴ ৩০ কি.মি. পথ ফিরে আসতে প্রয়োজনীয় সময় = ৩০/১০ ঘন্টা = ৩.০ ঘণ্টা

∴ নির্ণেয় সময় = {(৩/২)+ ৩} ঘণ্টা 
= (৩ + ৬)/২ ঘণ্টা
= ৯/২ ঘণ্টা
৩০.
কোনো দুর্গে ৭২০ জন সৈন্যের ২০ দিনের খাবার মজুদ আছ। ১০ দিন পর কিছু নতুন সৈন্য আসায় অবশিষ্ট খাদ্যে তাদের ৮ দিন চললে কত জন সৈন্য এসেছিল?
  1. ক) ১৭০ জন
  2. খ) ১৮০ জন
  3. গ) ১৮৫ জন
  4. ঘ) ১৯০ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো দুর্গে ৭২০ জন সৈন্যের ২০ দিনের খাবার মজুদ আছ। ১০ দিন পর কিছু নতুন সৈন্য আসায় অবশিষ্ট খাদ্যে তাদের ৮ দিন চললে কত জন সৈন্য এসেছিল?

সমাধান:
অবশিষ্ট = (২০ - ১০) দিন = ১০ দিন 

১০ দিনের খাবার আছে ৭২০ জন সৈন্যের 
১  দিনের খাবার আছে  ১০ × ৭২০ 
৮  দিনের খাবার আছে (১০ × ৭২০) /৮
 = ৯০০ জন 

নতুন সৈন্য এসেছিলো = (৯০০ - ৭২০) জন 
= ১৮০ জন  
৩১.
‘চক্ষুদান করা’ বাগধারাটির অর্থ কি?
  1. ক) চক্ষুদান করা
  2. খ) সচেতন করা
  3. গ) চুরি করা
  4. ঘ) এর কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• 'চক্ষুদান করা' বাগধারাটির অর্থ - 'চুরি করা'। 

• আরো কিছু গুরুতপূর্ণ বাগধারা:  
- 'চক্ষুলজ্জা' বাগধারাটির অর্থ - 'সংকোচ'। 
- 'চোখের বালি' বাগধারাটির অর্থ - চক্ষুশূল। 
- চোখের পর্দা' বাগধারাটির অর্থ - লজ্জা। 
- 'চক্ষু চড়ক গাছ' বাগধারাটির অর্থ - বিস্ময়ে চোখ বড় হয়ে যাওয়া।
- 'চোখ কপালে তুলা' বাগধারাটির অর্থ - বিস্মিত হওয়া। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৩২.
কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ক) পসারিণী
  2. খ) পসারিনি
  3. গ) পসারীনী
  4. ঘ) পসারিনী
ব্যাখ্যা
বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
'পসারি' শব্দের অর্থ- 'পণ্যবিক্রেতা'।

• 'পসারি' এর স্ত্রীলিঙ্গ- 'পসারিণী'।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান। 
৩৩.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. ক) একান্নবর্তি
  2. খ) একান্নবর্ত্তি
  3. গ) একান্নবর্তী
  4. ঘ) একান্নবর্ত্তী
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
- একান্নবর্তী বানানটি শুদ্ধ। 
• একান্নবর্তী শব্দের অর্থ- যৌথ পরিবারভুক্ত'। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান
৩৪.
‘মধ্যাহ্ন’ কোন সমাস?
  1. ক) বহুব্রীহি
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) কর্মধারয়
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
‘মধ্যাহ্ন’- যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।  

ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস :
পূর্বপদে ষষ্ঠী বিভক্তির (র, এর) লোপ হয়ে যে সমাস হয়, তাকে ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস বলে।

• কালের কোনো অংশবোধক শব্দ পরে থাকলে তা পূর্বে বসে
মধ্যাহ্ন এর ব্যাসবাক্য = অহ্নের মধ্য ভাগ; এটি যষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৫.
‘নিরামিষ’ কোন সমাস?
  1. ক) কর্মধারয়
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) বহুব্রীহি
  4. ঘ) অব্যয়ীভাব
ব্যাখ্যা
• 'আমিষের অভাব= নিরামিষ': অব্যয়ীভাব সমাস এর উদাহরণ। 

• অব্যয়ীভাব সমাস: 
পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থ প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। 
অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়।
- সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্‌সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্যতা, সাদৃশ্য, যোগ্যতা প্রভৃতি নানা অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হয়।
যেমন:
নির্বিঘ্ন = বিঘ্নের অভাব, 
নিরামিষ = আমিষের অভাব, 
গরমিল = মিলের অভাব,  
জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ')= আজানুলম্বিত (বাহু),

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
৩৬.
‘সহোদর’ কোন সমাস?
  1. ক) বহুব্রীহি
  2. খ) তৎপুরুষ
  3. গ) কর্মধারয়
  4. ঘ) দ্বিগু
ব্যাখ্যা
• সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস:
যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়ে থাকে, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- কালাে বরণ যার = কালােবরণ;
- পােড়া কপাল যার = পােড়াকপালে,
- সমান উদর যার = সহোদর,
- বদ রাগ যার = বদরাগী,
- সুন্দর বর্ণ যার = সুবর্ণ।

উৎসঃ ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ
৩৭.
‘যে ব্যক্তির দুহাত সমান চল’ – এক কথায় কি হবে?
  1. ক) দোহাতী
  2. খ) সব্যসাচী
  3. গ) দ্বিজ
  4. ঘ) পরভর্তৃকা
ব্যাখ্যা
• ‘দুই হাত সমানে চলে যার’ এর এক কথায় প্রকাশ ‘সব্যসাচী’।

এছাড়া,
দুবার জন্ম হয় যার - দ্বিজ।

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু এক কথায় প্রকাশ:
- ‘যার কোন কিছু থেকেই ভয় নেই’ এক কথায় প্রকাশ - অকুতোভয়৷
- ‘যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায়না এমন’ এক কথায় প্রকাশ - অনন্যসাধারণ।
- ‘কি করতে হবে যে স্থির করতে পারে না’ এক কথায় প্রকাশ - কিংকর্তব্যবিমূঢ়।
- ‘দু’হাতে সমান কাজ করতে পারে যে/ দু হাত সমান চলে যার’ এক কথায় প্রকাশ - সব্যসাচী।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা একাডেমি অভিধান।
৩৮.
‘ইহলোকে যা সামান্য নয়’ – এক কথায় কি হবে?
  1. ক) অনন্যসাধারণ
  2. খ) আনন্যসাধারণ
  3. গ) অলোকসামান্য
  4. ঘ) আলোকসামান্য
ব্যাখ্যা
• 'ইহলোকে যা সামান্য নয়' এর এক কথায়- 'অলোকসামান্য'।

• আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:  
- ‘যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায়না এমন’ এর এক কথায় - অনন্যসাধারণ।
- 'ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে' এর এক কথায়- 'জিতেন্দ্রিয়'।
- 'অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা এর এক কথায়- 'প্রত্যুদ্‌গমন'।
- 'উপস্থিত বুদ্ধি আছে যার' এর এক কথায়- 'প্রত্যুৎপন্নমতি'। 

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন। 
৩৯.
‘অহরহ’ শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) অহ + রহ
  2. খ) অহঃ + রহ
  3. গ) অহ + অহ
  4. ঘ) অহঃ + অহ
ব্যাখ্যা
• 'অহরহ' শব্দটির সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ- 'অহঃ + অহ'।   

• সন্ধির নিয়ম:
অ- কারের পরস্থিত র্‌-জাত বিসর্গের পর উপর্যুক্ত ধ্বনিসমূহের কোনটি থাকলে বিসর্গ স্থানে 'র' হয়।
যেমন: অন্তঃ + গত= অন্তর্গত, অহঃ + অহ= অহরহ, পুনঃ + উক্ত= পুনরুক্ত ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৪০.
‘নীরস’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) নি + রস
  2. খ) নী + রস
  3. গ) নিঃ + রস
  4. ঘ) নীঃ + রস
ব্যাখ্যা
• 'নীরস' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ: 'নিঃ + রস'। 

• 'নীরস' এর সন্ধি বিচ্ছেদের নিয়ম: 
ই কিংবা উ ধ্বনির পরের বিসর্গের সাথে ‘র’ এর সন্ধি হলে বিসর্গের লোপ হয় ও বিসর্গের পূর্ববতী হ্রস্ব স্বর দীর্ঘ হয়।
যেমন-
নিঃ + রস = নীরস।
নিঃ + রব = নীরব, 
নিঃ + রোগ = নীরোগ,

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৪১.
‘নাবিক’ শব্দের সন্ধি-বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) নৌ + ইক
  2. খ) ন + ইক
  3. গ) নব + ইক
  4. ঘ) নবৌ + ইক
ব্যাখ্যা
• ‘নায়ক' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ- 'নৈ + অক'।  

• ‘নায়ক' শব্দের সন্ধির নিয়ম: 
এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আব হয়। 

যেমন-
-  গৈ + অক = গায়ক,
-  নে + অন = নয়ন, 
- নৈ + অক = নায়ক, 
- পো + অন = পবন, 
- গো + এষণা = গবেষণা,
-  নৌ + ইক = নাবিক, 
- পো + ইত্র = পবিত্র, 
- গো + আদি = গবাদি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
৪২.
‘সদাশয়’ শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) সদ + আশয়
  2. খ) সদা + শয়
  3. গ) সৎ + আশয়
  4. ঘ) সৎ + শয়
ব্যাখ্যা
• 'সদাশয়' শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ- 'সৎ + আশয়'

• কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বিচ্ছেদ:
বন + পতি = বনস্পতি,
আ + চর্য = আশ্চর্য,
গো + পদ = গোস্পদ,
পর + পর = পরস্পর,
ষট্ + দশ = ষোড়শ,
এক + দশ = একাদশ,
পতৎ + অঞ্জলি = পতঞ্জলি ইত্যাদি।

উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।
৪৩.
‘জনৈক’ শব্দের সন্ধি - বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক) জন + এক
  2. খ) জনৈ + এক
  3. গ) জনৈ + ক
  4. ঘ) জন + ক
ব্যাখ্যা
• 'জনৈক' শব্দের সন্ধি- বিচ্ছেদ: 'জন + এক'।  

• সন্ধির নিয়ম: 
অ কার কিংবা আ কারের পর এ কার কিংবা ঐ কার হয়।
ঐ কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। 
যেমন: 
জন + এক = জনৈক। 
সদা + এব = সদৈব। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)। 
৪৪.
‘She fans herself’. বাক্যটির Passive form হবে -
  1. ক) She was fanned by herself.
  2. খ) She is fanned herself.
  3. গ) She is fanned by herself.
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
Reflexive object (myself, yourself, herself, himself) যুক্ত Active voice কে Passive voice এ পরিবর্তনের নিয়ম: 
i) Subject অপরিবর্তিত থাকে; 
ii) tense ও person অনুযায়ী auxiliary verb বসে; 
iii) মূল verb এর past participle বসে; 
iv) by বসে; 
v) Reflexive object টি বসে। 

Active: She fans herself. 
Passive: She is fanned by herself.

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition. 
৪৫.
‘Give the order’. বাক্যটির passive form হবে -
  1. ক) Let the order to give.
  2. খ) Let the order to given.
  3. গ) Let the order be given.
  4. ঘ) Let the order give.
ব্যাখ্যা
• শুধুমাত্র মূল verb দিয়ে শুরু Active voice কে Passive voice এ রূপান্তর করার নিয়ম: 
i) প্রথমে Let বসে + 
ii) Object টি Subject রূপে বসে + 
iii) be বসে + 
iv) Verb এর past participle বসে। 

Active: Give the order. 
Passive: Let the order be given.

Source: Advanced Learner's English Grammar & Composition. 
৪৬.
‘They elected him captain’. বাক্যটির Passive form হবে -
  1. ক) He is elected captain by them.
  2. খ) He was elected captain by them.
  3. গ) He elected captain by them.
  4. ঘ) He has been elected captain by them.
ব্যাখ্যা
Factive object যুক্ত,
Past Indefinite Tense এর structure: Pronominal obj কে Sub + was/were + V3 + factitive obj + by + sub কে obj. 

Active: They elected him captain.
Passive: He was elected captain by them.
৪৭.
Abul said, “I was busy.” বাক্যটির Indirect speech হবে -
  1. ক) Abul said that I was busy.
  2. খ) Abul said that he was busy.
  3. গ) Abul said that I had been busy.
  4. ঘ) Abul said that he had been busy.
ব্যাখ্যা
• Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের বেলায়:
- Reporting verb এর subject বসে।
- Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে।
- Inverted comma উঠে that বসে।
- Reported speech এর subject number/person অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।
- Reporting verb (said) past tense এ থাকায় reported speech এ am এর পরিবর্তে was হবে।
- বাকি অংশ বসবে।

Direct: Abul said, “I was busy.”
Indirect: Abul said that he had been busy. 
৪৮.
Farida said, “I shall go to school.” বাক্যটির Indirect speech হবে -
  1. ক) Farida said that she would go to school.
  2. খ) Farida said that she will go to school.
  3. গ) Farida told that she went to school.
  4. ঘ) None of these
ব্যাখ্যা
• Direct speech থেকে Indirect speech এ রূপান্তরের বেলায়:
- Reporting verb এর subject বসে।
- Reporting verb say/said, tell/told (যদি থাকে) বসে।
- Inverted comma উঠে that বসে।
- Reported speech এর subject number/person অনুযায়ী পরিবর্তন করতে হবে।
- Future tense এর will/shall এর পরিবর্তে would ব্যবহৃত হয়। 
- বাকি অংশ বসবে।

Direct: Farida said, “I shall go to school.”
Indirect: Farida said that she would go to school. 
৪৯.
কোনটি ‘Joyful’ শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Dull
  2. খ) Cheerful
  3. গ) Depressed
  4. ঘ) Gloomy
ব্যাখ্যা
Joyful (adjective): 
English Meaning - Having or causing great happiness. 
Bangla Meaning - আনন্দিত; সানন্দ।

Synonyms - Delighted (আনন্দিত), Pleased (আনন্দিত), Cheerful (মনোরম)। 
Antonyms - Sad (অসুখী), Anguished (নিদারুণ মানসিক যন্ত্রণাক্লিষ্ট)। 

Other options, 
Dull - নিষ্প্রভ;
Depressed - বিষন্ন; 
Gloomy - বিষণ্ণ।

Source: 
1. Merriam-Webster Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
৫০.
কোনটি ‘Typical’ শব্দের সমার্থক শব্দ?
  1. ক) Common
  2. খ) Extraordinary
  3. গ) Strange
  4. ঘ) Uncommon
ব্যাখ্যা
Typical (adjective): 
English Meaning - Showing all the characteristics that you would usually expect from a particular group of things.
Bangla Meaning - নমুনা বা আদর্শস্বরূপ; প্রতিনিধিত্বকারী; বৈশিষ্ট্যসূচক।

Synonyms - Normal (স্বাভাবিক), Common (গতানুগতিক), Usual (নিত্যনৈমিত্তিক)। 
Antonyms - Extraordinary (অসাধারণ), Strange (বিস্ময়কর), Uncommon (অনন্যসাধারণ)।

Source: 
1. Merriam-Webster Dictionary. 
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy. 
৫১.
x2 - y2 + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক -
  1. ক) x + y + 1
  2. খ) x + y - 1
  3. গ) x - y
  4. ঘ) x - y - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - y2 + 2y - 1 এর একটি উৎপাদক -

সমাধান:
x2 - y2 + 2y - 1
= x2 - (y2 - 2.y.1 + 12)
= x2 - (y - 1)2
={ x + (y - 1)}{ x - (y - 1)}
= (x + y - 1)(x - y + 1)

৫২.
x2 + y2 = 8 এবং xy = 7 হলে (x + y)2 এর মান কত?
  1. ক) 14
  2. খ) 16
  3. গ) 22
  4. ঘ) 30
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 + y2 = 8 এবং xy = 7 হলে (x + y)2 এর মান কত?

সমাধান:
x2 + y2 = 8 
xy = 7

আমরা জানি
(x + y)2 = x2 + y2 + 2xy
বা, (x + y)2 = 8 + 7 × 2
বা, (x + y)2 = 8 + 14 
(x + y)2 = 22
৫৩.
x - {x - (x + 1)} এর মান কত?
  1. ক) x + 1
  2. খ) 1
  3. গ) - 1
  4. ঘ) x - 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x - {x - (x + 1)} এর মান কত?

সমাধান:
x - {x - (x + 1)}
= x - {x - x - 1}
= x - {- 1}
= x + 1
৫৪.
একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?
  1. ক) ২
  2. খ) ৪
  3. গ) ৮
  4. ঘ) ১৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল ঐ সরলরেখার এক-চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফলের কত গুণ?

সমাধান:
ধরি,
সরলরেখাটির দৈর্ঘ্য = x
সরলরেখার উপর অঙ্কিত বর্গ = x2
সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গ = (x/4)2
= x2/16

∴ একটি সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরলরেখার এক চতুর্থাংশের উপর অঙ্কিত বর্গের 16 গুণ।
৫৫.
  1. ক) ১
  2. খ) ৯/৮
  3. গ) ৮/৯
  4. ঘ) ১/৯
ব্যাখ্যা

= ১ ÷ (৮/৯){(৫ + ৩)/৮}
= ১ ÷ (৮/৯) এর (৮/৮)
= ১ ÷ (৮/৯)
= ১ × (৯/৮)
= ৯/৮
৫৬.
১৪৩ টাকাকে ২ : ৪ : ৫ অনুপাতে ভাগ করলে, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য কত টাকা হবে?
  1. ক) ৩৬ টাকা
  2. খ) ৩৯ টাকা
  3. গ) ৪০ টাকা
  4. ঘ) ৪২ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৪৩ টাকাকে ২ : ৪ : ৫ অনুপাতে ভাগ করলে, বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম অংশের পার্থক্য কত টাকা হবে?

সমাধান: 
প্রদত্ত অনুপাত = ২ : ৪ : ৫
অনুপাতগুলোর যোগফল = ২ + ৪ + ৫ = ১১

ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১৪৩ এর ২/১১ = ২৬
বৃহত্তম সংখ্যা = ১৪৩ এর ৫/১১ = ৬৫

∴ বৃহত্তম এবং ক্ষুদ্রতম সংখ্যার পার্থক্য = ৬৫ - ২৬ = ৩৯ টাকা
৫৭.
একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?
  1. ক) ৮ গ্রাম
  2. খ) ৬ গ্রাম
  3. গ) ৩ গ্রাম
  4. ঘ) ৪ গ্রাম
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম। এতে সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। এতে কি পরিমাণ সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?

সমাধান: 
গহনার ওজন = ১৬ গ্রাম
অনুপাতের যোগফল = ৩ + ১ = ৪
∴ সোনার পরিমাণ = (১৬ × ৩)/৪ = ১২ গ্রাম
∴ তামার পরিমাণ = (১৬×১)/৪ = ৪ গ্রাম

ধরি, ক পরিমাণ সোনা মিশাতে হবে

প্রশ্নমতে,
ক + ১২ : ৪ = ৪ : ১
(ক + ১২)/৪ = ৪/১
ক + ১২ = ১৬
ক = ১৬ - ১২
ক = ৪
∴ অতিরিক্ত সোনা মেশাতে হবে ৪ গ্রাম
৫৮.
লালবাগ কেল্লার আদি নাম -
  1. ক) আওরঙ্গবাদ দুর্গ
  2. খ) আজম দুর্গ
  3. গ) শায়েস্তা খান দুর্গ
  4. ঘ) পরী বিবির দুর্গ
ব্যাখ্যা
লালবাগ কেল্লা:

- একদম শুরুর দিকে এই কেল্লার নাম ছিল “আওরঙ্গবাদ দুর্গ”।
- সর্বপ্রথম লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেন আজম শাহ।
- লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ১৬৭৮ সালে।
- তৎকালীন মুঘল সম্রাট আজম শাহ এর নির্মাণ কাজ শুরু করেন।
- আজম শাহ ছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব এর পুত্র আর সম্রাট শাহ জাহানের নাতি।
- কেল্লার চত্বরে তিনটি স্থাপনা রয়েছে-
১। কেন্দ্রস্থলের দরবার হল ও হাম্মাম খানা।
২। পরীবিবির সমাধি।
৩। উত্তর পশ্চিমাংশের শাহী মসজিদ।

তথ্যসূত্র - ঢাকা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৫৯.
‘আনন্দ বিহার’ কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) ঢাকার মালিবাগে
  2. খ) কুমিল্লার ময়নামতিতে
  3. গ) চট্টগ্রামের রাউজানে
  4. ঘ) উপরের কোনো স্থানে নয়
ব্যাখ্যা
আনন্দবিহার:

- আনন্দবিহার  প্রত্নতাত্ত্বিক দিক থেকে সমৃদ্ধ কুমিল্লার নিকটবর্তী ময়নামতির কোটবাড়ি এলাকায় অবস্থিত।
- এ বিহার ময়নামতিতে আবিষ্কৃত সৌধমালার মধ্যে সর্ববৃহৎ।
- এ এলাকার সর্ববৃহৎ পুষ্করিণীসহ আনন্দবিহার কমপ্লেক্সটি সাত শতকের শেষ বা আট শতকের প্রথম দিকের কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয়।
- এ যাবৎ যতখানি কাজ হয়েছে তাতে এখানে শালবন বিহারের মতো একটি বিশাল বিহারের রূপরেখা পরিদৃষ্ট হয়।
- বর্গাকৃতি এ বিহারের প্রত্যেক দিকের পরিমাপ ১৯৮ মিটার।
- এ বিহারের বিশাল আকার এবং এখানে আবিষ্কৃত একটি তাম্রশাসন, ৬৩টি রৌপ্য মুদ্রা, বহুসংখ্যক ব্রোঞ্জমূর্তি ও পোড়ামাটির ভাস্কর্য ফলক এবং মঠের বাইরে মৃৎপাত্র পোড়ানোর একটি ভাঁটির অস্তিত্ব এ প্রত্নস্থলের সম্ভাবনাময় গুরুত্বের ইঙ্গিতবহ।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬০.
কোন মোঘল সম্রাট বাংলার নাম দেন ‘জান্নাতাবাদ’?
  1. ক) জাহাঙ্গীর
  2. খ) শাহজাহান
  3. গ) হুমায়ূন
  4. ঘ) আওরঙ্গজেব
ব্যাখ্যা
হুমায়ুন:

- হুমায়ুন (১৫৩০-১৫৫৬) মুগল সম্রাট বাবরের জ্যেষ্ঠ পুত্র।
- ১৫৩০ খ্রিস্টাব্দে পিতার উত্তরাধিকারী হিসেবে দিল্লির সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সম্রাট হুমায়ুন বাংলার রাজধানীর নতুন নামকরণ করেন 'জান্নাতাবাদ'।
- হুমায়ূন এখানে ছয়মাস অবস্থান করেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬১.
সতীদাহ প্রথা রহিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৮২৯ সালে
  2. খ) ১৮৩০ সালে
  3. গ) ১৮৩১ সালে
  4. ঘ) ১৮৩৯ সালে
ব্যাখ্যা
সতীদাহ প্রথা:

- সতীদাহ প্রথা স্বামীর শব দাহের সঙ্গে বিধবা স্ত্রীকে জীবন্ত দাহ করার পূর্বেকার হিন্দুধর্মীয় প্রথা।
- সতীদাহ প্রথা রহিত হয় ১৮২৯ সালে।
- গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়ম  বেন্টিঙ্ক (১৮২৮-১৮৩৩) রেগুলেশন XVII, ১৮২৯ পাস করেন।
- ঊনিশ শতকে এই প্রথার বিরুদ্ধে ব্যাপকহারে সাধারণ জনমত গড়ে ওঠার পূর্ব পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও পূর্বের চেয়ে সীমিত পরিসরে হলেও এর অনুশীলন অব্যাহত ছিল।
- ঊনিশ শতকের শেষের দিকে অমানবিক প্রথা হিসেবে সতীদাহ প্রথার পূর্ণ উচ্ছেদ ঘটে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬২.
বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর কোনটি?
  1. ক) ঢাকা যাদুঘর
  2. খ) বরেন্দ্র যাদুঘর
  3. গ) লালবাগ কেল্লা যাদুঘর
  4. ঘ) আহসান মঞ্জিল যাদুঘর
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের জাদুঘর:

- বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর।
- ১৯১০ সালের এপ্রিল মাসে বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- দিঘাপতিয়া রাজপরিবারের কুমার শরৎকুমার রায় এর পৃষ্ঠপোষকতায করেন।
- ১৯২৫ সালে বলধার নরেন্দ্রনারায়ণ রায় চৌধুরী বোটানিক্যাল গার্ডেনসহ ঢাকায় প্রতিষ্ঠা করেন বলধাজাদুঘর।
- ১৯১৩ সালে ঢাকা মিউজিয়াম প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৫৭ সালে বর্তমান নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর এ সর্বপ্রথম একটি কক্ষে প্রত্নস্থল জাদুঘর স্থাপিত হয়।
- কুষ্টিয়া জেলার শিলাইদহস্থ কুঠিবাড়ি নামে পরিচিত কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের এর বাড়ি ১৯৫৭ সালে ‘সংরক্ষিত সৌধ’ হিসেবে ঘোষিত হয়। পরে এটি রূপান্তরিত হয় ব্যক্তিগত স্মৃতিরক্ষামূলক জাদুঘরে।
- ১৯৮৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৩.
বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বিহার কোনটি?
  1. ক) সোমপুর বিহার
  2. খ) শালবন বিহার
  3. গ) সীতাকোট বিহার
  4. ঘ) আনন্দ বিহার
ব্যাখ্যা
• সীতাকোট বিহার বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বৌদ্ধ বিহার। 
- বিহারটি দিনাজপুর জেলার নওয়াবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।  যা ৫ম - ৬ষ্ঠ শতকে নির্মান করা হয়। 
- ১৯৬৮ সালে এর খনন কাজ শুরু হয় । 
- প্রায় বর্গাকৃতির এ স্থাপত্যটির পরিমাপ পূর্ব-পশ্চিমে ৬৫.২৩ মি এবং উত্তর-দক্ষিণে ৬৪.১১ মি।
- বিহারটিতে মোট কক্ষের সংখ্যা ৪১টি ।

• শালবন বিহার কুমিল্লার কাছে কোটবাড়ির বর্তমান বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমীর লাগোয়া লালমাই পাহাড়ের মধ্যবর্তী এলাকায় এর অবস্থিতি।
- ৭ম শতকের শেষ বা ৮ম শতকের প্রথম দিকের ( পাল আমলে )কোনো এক সময়ে প্রথম দেববংশের তৃতীয় শাসক শ্রী আনন্দ দেব কর্তৃক নির্মিত হয় আনন্দবিহার । 

উৎস: বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও পর্যটন কর্পোরেশনের ওয়েবসাইট।
৬৪.
প্রথম শহীদ স্মৃতিস্তম্ভটি তৈরি করা হয় ১৯৫২ সালের কোন তারিখে?
  1. ক) ২১ ফেব্রুয়ারি
  2. খ) ২২ ফেব্রুয়ারি
  3. গ) ২৩ ফেব্রুয়ারি
  4. ঘ) ২৪ ফেব্রুয়ারি
ব্যাখ্যা
প্রথম শহীদ মিনার:

- ১৯৫২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্রদের উদ্যোগে বর্তমান শহিদ মিনারের দক্ষিণ- পূর্ব পাশে প্রথম শহীদ মিনার নির্মিত হয়।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি শহিদ শফিউরের পিতা মাহবুবুর রহমান অনানুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করেন।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি দৈনিক আজাদ পত্রিকার সম্পাদক আবুল কালাম শামসুদ্দিন আনুষ্ঠানিক ভাবে এই শহীদ মিনার উদ্বোধন করেন।
- ঐ দিন বিকেলবেলা পুলিশ এটি ভেঙে ফেলে।
- এরপর ১৯৬৩ সালে হামিদুর রহমানের নকশায় নির্মিত শহিদ মিনার উদ্বোধন করেন শহীদ আবুল বরকতের মা হাসিনা বেগম।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৫.
‍রূপসা নদীর উপর নির্মিত খান জাহান আলী সেতুর দৈর্ঘ্য কত?
  1. ক) ১৩০০ মিটার
  2. খ) ১৩৬০ মিটার
  3. গ) ১৪০০ মিটার
  4. ঘ) ১৪৬০ মিটার
ব্যাখ্যা
খান জাহান আলী সেতু:

- রূপচাঁদ সাহার কাটা খালটি আজ বিশাল রূপসা নদী।
- যা দেখে জীবনানন্দ দাশ মুগ্ধ হয়ে লিখেছিলেন: “রূপসার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেড়া পালে ডিঙ্গা বায়; রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে।
- সেই রূপসা নদীর ওপর একটি সেতু হয়েছে লোকে বলে রূপসা সেতু।
- পোশাকি নাম খানজাহান আলী সেতু।
- সেতুটির দৈর্ঘ্য ১৩৬০ মিটার।

তথ্যসূত্র - খুলনা জেলা অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
৬৬.
সুন্দরবনের পশ্চিমে কোন নদী অবস্থিত?
  1. ক) রায়মঙ্গল
  2. খ) মাতামুহুরী
  3. গ) পশুর
  4. ঘ) বলেশ্বর
ব্যাখ্যা
রায়মঙ্গল নদী: 

- ইছামতি-কালিন্দী-রায়মঙ্গল মূলত একই নদী, বিভিন্ন এলাকায় বিভিন্ন নামে পরিচিত। ইহা
- একটি জোয়ারে মোহনার নদী। ইছামতি নদী সাতক্ষীরা জেলার পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে কালিন্দী নামে প্রবাহিত হয়ে আরও দক্ষিণে সুন্দরবনের ভিতর প্রবেশের পর রায়মঙ্গল নাম ধারণ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সুন্দরবনের পশ্চিমে রায়মঙ্গল নদী অবস্থিত।
- মোহনায় রায়মঙ্গল নদীর মুখ ফানেলের মতো। একসময় এই পথে স্টিমার সার্ভিস কলকাতা থেকে বরিশাল হয়ে বাংলাদেশের অন্যান্য বন্দরে চলাচল করতো।
- রায়মঙ্গল জোয়ারভাটা দ্বারা প্রভাবিত নদী এবং এর পানি লবণাক্ত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৭.
ব্রহ্মপুত্র কোথায় বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে?
  1. ক) লালমনিরহাট
  2. খ) ভুরুঙ্গামারী
  3. গ) নীলফামারী
  4. ঘ) কুড়িগ্রাম
ব্যাখ্যা
ব্রহ্মপুত্র নদ:

- কুড়িগ্রাম জেলার উত্তরপূর্ব দিক এবং আসামের (ভারত) ভবানীপুরের পূর্ব দিক দিয়ে ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- প্রথমে দক্ষিণ দিকে এবং পরবর্তীতে দক্ষিণপূর্ব দিকে মোড় নিয়ে মধুপুর গড়ের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরব বাজারের কাছে মেঘনা নদীর সঙ্গে মিলিত হয়েছে।
- মেঘনা নদীর সঙ্গে মিলিতভাবে ব্রহ্মপুত্র নদ বঙ্গীয় বদ্বীপ গঠনে প্রধান ভূমিকা পালন করে চলেছে। দেশের প্রধান নদনদীর মধ্যে ব্রহ্মপুত্র-যমুনা সর্বাধিক শক্তিশালী। - গঙ্গা নদীর তুলনায় ক্ষুদ্রতর নিষ্কাশন অববাহিকা থাকা সত্ত্বেও ব্রহ্মপুত্র-যমুনার রয়েছে অধিকতর নতিমাত্রা, অধিকতর প্রবাহ এবং গঙ্গার তুলনায় এটি অধিকতর পলি বহন ও ধারণ করে থাকে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৮.
বাংলাদেশ ত্রুীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) টঙ্গী
  2. খ) সাভার
  3. গ) গাজীপুর
  4. ঘ) টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা
বিকেএসপি:

- বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৪ সালে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের অধীনে প্রকল্প আকারে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব স্পোর্টস (বিআইএস) প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করে।
- ১৯৭৬ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৮৩ সালে এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠান (বিকেএসপি) রাখা হয়। 
- বিকেএসপির নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা কার্যক্রম চালু হয় ১৯৮৬ সালে।
- সাভারের জিরানীতে ১১৯ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠানটি অবস্থিত।
- বিকেএসপি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিধিবদ্ধ স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- প্রতিষ্ঠানের ৪টি শাখা রয়েছে।প্রশাসনিক, প্রশিক্ষণ, ক্রীড়া বিজ্ঞান এবং একাডেমিক।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
৬৯.
বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের অভিষেক হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯৯৯
  2. খ) ২০০০
  3. গ) ২০০১
  4. ঘ) ২০০২
ব্যাখ্যা
বিশ্বকাপে বাংলাদেশ:

- ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ প্রথম ওয়ানডে বিশ্বকাপ খেলে।
- প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলে বাংলাদেশ হারিয়েছিল স্কটল্যান্ড এবং তখনকার হট ফেবারিট পাকিস্তানকে।
- ইংল্যান্ড ছাড়াও স্কটল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, ওয়েলস আর নেদারল্যান্ডস ছিল এ আসরের যৌথ আয়োজক।
- বিশ্বকাপে বাংলাদেশের প্রথম জয় পাকিস্তানের বিপক্ষে।
- প্রথম বিশ্বকাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৬২ রানের জয় পায় বাংলাদেশ।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো, ০৬ আগস্ট ২০২০।
                সময় টিভি অনলাইন,০৬ ফেব্রুয়ারী ২০১৫।
৭০.
কমনওয়েলথ গেমস অনুষ্ঠিত হয় কত বছর পর পর?
  1. ক) ২ বছর
  2. খ) ৩ বছর
  3. গ) ৪ বছর
  4. ঘ) ৫ বছর
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ গেমস:

- কমনওয়েলথ গেমস শুরু হয় চার বছর পর পর।
- কমনওয়েলথ গেমস একটি আন্তর্জাতিক এবং বহু ক্রীড়া বিষয়ে কমনওয়েলথভূক্ত দেশসমূহের অংশগ্রহণকারী ক্রীড়াবিদদের প্রতিযোগিতা বিশেষ।
- প্রতিযোগিতাটি সর্বপ্রথম ১৯৩০ সালে প্রবর্তিত হয়।
- ৫৪ সদস্যবিশিষ্ট কমনওয়েলথভূক্ত দেশসহ ৭১টি দল কমনওয়েলথ গেমসে অংশ নেয়।
- কমনওয়েলথ গেমসের নীতিবাক্য মানবতা – সমতা – লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - জাতীয় শিক্ষক বাতায়ন ওয়েবসাইট।
৭১.
উঁচু পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ উঁচু পর্বত চূড়ায় -
  1. ক) বায়ুর চাপ বেশি
  2. খ) বায়ুর চাপ কম
  3. গ) অক্সিজেন কম
  4. ঘ) ঠাণ্ডা বেশি
ব্যাখ্যা
উঁচু পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্ত পড়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ-
- বায়ুর চাপ কম
- শুষ্ক বায়ু 
- অক্সিজেন স্বল্পতা 

ইত্যাদি কারণে রক্তনালিতে চাপ পড়ে। ফলে রক্তপাত হবার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। 

উৎস: ব্রিটানিকা। 
৭২.
একটি সরলদোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল কত হবে?
  1. ক) অসীম
  2. খ) স্লো হবে
  3. গ) ভূপৃষ্ঠের সমান
  4. ঘ) ভূপৃষ্ঠ থেকে কম
ব্যাখ্যা
⇒ একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে ওজনহীন, নমনীয় এবং অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে।

কৌণিক বিস্তার অল্প হলে-
সরল দোলকের দোলনকাল, T = 2π √(L/g).
এখানে, t = দোলনকাল,
L= কার্যকরী দৈর্ঘ্য (সূতার দৈর্ঘ্য+দোলকপিন্ডের ব্যাসার্ধ),
g= অভিকর্ষজ ত্বরণ।

উপরের সূত্রমতে আমরা পাই,
১. সরল দোলকের দোলনকাল কাযকরী দৈর্ঘ্য ও অভিকর্ষজ ত্বরণের উপর নির্ভরশীল।
২. একটি সরল দোলককে পৃথিবীর কেন্দ্রে নিলে তার দোলনকাল অসীম হবে, কারণ পৃথিবীর কেন্দ্রে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান শূন্য। এক্ষেত্রে দোলকঘড়ি চলবে না।
৩. গ্রীষ্মকালে দোলকঘড়ি ধিরে চলে। কারন, অধিক তাপমাত্রার জন্য দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বাড়ে, ফলে দোলককাল বাড়ে এবং ঘড়ি ধিরে চলে।
৪. শীতকালে দোলকঘড়ি দ্রুত চলে। কারণ, কম তাপমাত্রায় দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য কমে, ফলে দোলককাল কমে এবং ঘড়ি দ্রুত চলে।
৫. দোলকঘড়ি বিষুবরেখা হতে মেরু অঞ্চলে নিলে ঘড়ি দ্রুত চলবে। কারণ, বিষুবরেখার চেয়ে মেরু অঞ্চলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান বেশি। ফলে দোলনকাল কমবে এবং ঘড়ি দ্রুত চলবে।
৬. দোলককে পাহাড়ের উপর নিয়ে গেলে অভিকর্ষজ ত্বরণের মান কম বলে দোলনকাল বাড়বে।
৭. কোন সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ বাড়বে, আর মাধ্যাকর্ষণ জনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে দোলনকাল ৩ গুণ কমবে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি
৭৩.
নিচের কোনটি রাসায়নিক পরিবর্তন?
  1. ক) তাপ দ্বারা মোম গলানো
  2. খ) লোহার মরিচা ধরা
  3. গ) পানি চিনিতে দ্রবীভূত হওয়া
  4. ঘ) বরফ গলে পানি হওয়া
ব্যাখ্যা
♦ রাসায়নিক পরিবর্তন:  
- যে পরিবর্তনের ফলে পদার্থের অণুর গঠনের পরিবর্তন হয় অর্থাৎ সম্পূর্ণ নতুন পদার্থে পরিণত হয়, তাকে রাসায়নিক পরিবর্তন বলে। যেমন: 
লোহায় মরিচা ধরা,
• দুধ থেকে দই হওয়া,
• গাছের পাতা হলুদ হওয়া,
• উদ্ভিদ, মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বৃদ্ধি,
• ফল পেকে লাল বা হলুদ হওয়া ইত্যাদি।

♦ ভৌত পরিবর্তন: 
- যে পরিবর্তনের ফলে কোন পদার্থের অভ্যন্তরীণ রাসায়নিক গঠনের কোন পরিবর্তন না ঘটে শুধু বাহ্যিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটে তাকে ভৌত পরিবর্তন বলে। যেমন:
• পানিকে তাপ দিয়ে বাষ্পে পরিণত করা,
• লবণ পানিতে দ্রবীভূত হওয়া,
• বরফ গলে পানি হওয়া,
• তাপ দ্বারা মোম গলানো ইত্যাদি। 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
৭৪.
কোনটি খর পানিতে উত্তম ফেনা দেয়?
  1. ক) টয়লেট সাবান
  2. খ) তরল সাবান
  3. গ) লন্ড্রি সাবান
  4. ঘ) ডিটারজেন্ট
ব্যাখ্যা
- দেহ, কাপড়-চোপড় এবং দ্রব্য সামগ্রীর উপর জমা ময়লা পরিষ্কার করার জন্য যে সব দ্রব্যাদি ব্যবহার করা হয় তাদেরকে পরিষ্কারক সামগ্রী বলে।
- সাবান এবং প্রাকৃতিক উপাদান ছাড়াও আধুনিক জীবনে পরিষ্কারক হিসেবে ডিটারজেন্ট, ইমালশান, পলিশ ইত্যাদি ব্যবহৃত হচ্ছে।

ডিটারজেন্ট: 
- ডিটারজেন্ট বিশেষভাবে সিনথেটিক পদার্থ থেকে প্রস্তুত করা হয়। এই সিনথেটিক পদার্থ তৈরিতে বিভিন্ন কাচাঁমাল ব্যবহৃত হয়। যেমন: পেট্রোলিয়াম উপজাতসমূহ, সাবান তৈরির উপাদান, উদ্ভিজ্জ ও প্রাণিজ চর্বি ইত্যাদি।
- এছাড়া ডিটারজেন্টের মধ্যে থাকে গন্ধদ্রব্য, রঙ এবং কখনো জীবাণুনাশক পদার্থ।
- ডিটারজেন্ট খর পানিতে কাজ করে এবং উত্তম ফেনা তৈরি করে।
- ডিটারজেন্ট লবণের সাথে বিক্রিয়া করে দই বা চুন উৎপন্ন করে না।
- ডিটারজেন্টের কঠিন তলে ঢোকার ক্ষমতা বেশি।
- ডিটারজেন্ট ঠান্ডা পানিতে গলে যায় কিন্তু সাবান ঠান্ডা পানিতে সহজে গলে না। 

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
সিস্টোলিক চাপ বলতে বুঝায় -
  1. ক) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ
  2. খ) হৃৎপিণ্ডের প্রসারণ চাপ
  3. গ) হৃৎপিণ্ডের সংকোচন ও প্রসারণ চাপ
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
• সিস্টোলিক চাপ বলতে বুঝায় হৃৎপিণ্ডের সংকোচন চাপ।

হৃৎপিণ্ড(Heart):
- মানুষের রক্ত সংবহনতন্ত্র হৃৎপিণ্ড, ধমনি, শিরা এবং কৈশিক জালিকা নিয়ে গঠিত।
- মানুষের হৃৎপিণ্ড অবিরাম সংকুচিত ও প্রসারিত হয়ে ধমনি ও শিরার মাধ্যমে রক্ত সংবহন করে।
- হৃৎপিণ্ড পাম্পের মতো নির্দিষ্ট তালে ও ছন্দে সংকুচিত এবং প্রসারিত হয়ে সারা দেহে রক্ত সঞ্চালন ঘটায়।
- হৃৎপিণ্ডের স্বতঃস্ফূর্ত সংকোচনকে সিস্টোল (systole) এবং স্বতঃস্ফূর্ত প্রসারণকে ডায়াস্টোল (diastole) বলে।
- অলিন্দে যখন সিস্টোল হয়, নিলয় তখন ডায়াস্টোল অবস্থায় থাকে।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
৭৬.
কোনটি পানিবাহিত রোগ?
  1. ক) টাইফয়েড
  2. খ) যক্ষ্মা
  3. গ) ইনফ্লুয়েঞ্জা
  4. ঘ) হাম
ব্যাখ্যা
যে সব রোগ দূষিত পানির মাধ্যমে সংক্রমিত হয় বা ছড়ায় তাদেরকে পানিবাহিত রোগ বলে।
- পানিবাহিত অনুজীবসমূহ মূলত দেহের পাকস্থলিতে আশ্রয় গ্রহণ করে। পরবর্তীতে সেখান থেকে অভীষ্ট অঙ্গে বা অন্ত্রে স্থানান্তরিত হয়।
- পানিবাহিত রোগসমূহের মধ্যে - ডায়রিয়া, আমাশয়, টাইফয়েড, কলেরা, পোলিও, হেপাটাইটিস বি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

অন্যদিকে, - যক্ষ্মা, হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা, হুপিং কাশি, ডিপথেরিয়া ইত্যাদি হলো বায়ুবাহিত রোগ।

সূত্র: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
৭৭.
মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র -
  1. ক) স্টেথস্কোপ
  2. খ) স্ফিগমোম্যানোমিটার
  3. গ) কার্ডিওগ্রাফ
  4. ঘ) ইকোকার্ডিওগ্রাম
ব্যাখ্যা
স্ফিগমোম্যানোমিটার - মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র।
স্টেথোস্কোপ - হৃদপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ নিরুপক যন্ত্র। 
কার্ডিওগ্রাফ - হৃদপিন্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র।
ইকোকার্ডিওগ্রাম - একটি ইকোকার্ডিওগ্রাম, বা "ইকো", হৃৎপিণ্ড এবং নিকটবর্তী রক্তনালীগুলি দেখার জন্য ব্যবহৃত একটি স্ক্যান।

সূত্র- ৯ম-১০ম শ্রেণির বিজ্ঞান বই ও ব্রিটানিকা। 
৭৮.
‘এভিকালচার’ বলতে কি বুঝায়?
  1. ক) উড়োজাহাজ ব্যবস্থাপনা
  2. খ) উড্ডয়ন সংক্রান্ত বিষয়াদি
  3. গ) বাজ পাখি পালন বিষয়াদি
  4. ঘ) পাখিপালন বিষয়াদি
ব্যাখ্যা
- রেশম চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার;
- মৌমাছির পালন বিষয়ক বিদ্যা - এপিকালচার;
- মৎস্য চাষ বিষয়ক বিদ্যা - পিসিকালচার;
- চিংড়ি চাষ বিষয়ক বিদ্যা - প্রণকালচার।
- মৌমাছির চাষ - এপিকালচার,
- রেশমের চাষ - সেরিকালচার,
- উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার,
- পাখীপালন বিদ্যা - এভিকালচার,
- সামুদ্রিক মৎস পালনবিদ্যা - মেরিকালচার।

[সূত্র: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা]
৭৯.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ -
  1. ক) বায়ু প্রবাহের প্রভাব
  2. খ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
  3. গ) সমুদ্রের পানিতে তাপের পরিচালনা
  4. ঘ) সমুদ্রের পানিতে তাপের তারতম্য
ব্যাখ্যা
সমুদ্র স্রোত:
- সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারন - বায়ু প্রবাহ।
- বায়ু প্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন  (Gyre/spiral pattern) তৈরি করে। সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরন করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে।

সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে, দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. উষ্ণ স্রোত:
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় ও হালকা জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়; এরূপ স্রোতকে উষ্ণ স্রোত বলে।
২. শীতল স্রোত:
- মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচে অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে শীতল স্রোত বলে।

সমুদ্রস্রোতের কারণ:
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (প্রধান কারন)
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি।
- সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য
- সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য
- ভূখন্ডের অবস্থান
- অসম বাষ্পীভবন
- সমুদ্রের গভীরতা

উৎস: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বই।
৮০.
দিবারাত্রি সংঘটিত হয় -
  1. ক) আহ্নিক গতির জন্য
  2. খ) বার্ষিক গতির জন্য
  3. গ) মাধ্যাকর্ষণ শক্তির জন্য
  4. ঘ) কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল  - দিন-রাত্রি সংঘটন।

আহ্নিক গতি:
- পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে নির্দিষ্ট গতিতে আবর্তিত হচ্ছে যা আহ্নিক গতি নামে পরিচিত।
পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলাফল সমূহ:
- দিন-রাত্রি সংঘটন
- জোয়ার-ভাটা সৃষ্টি
- বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি
- তাপমাত্রার তারতম্য সৃষ্টি
- সময় গণনা বা সময় নির্ধারণ প্রভৃতি।

অন্যদিকে,
- সূর্যের মহাকর্ষ বলের প্রভাবে পৃথিবী তার নিজ অক্ষের উপর অবিরাম ঘূর্ণনের সাথে সাথে নির্দিষ্ট পথে নির্দিষ্ট দিকে (ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে) নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যকে প্রদক্ষিণ করছে যা পৃথিবীর বার্ষিক গতি নামে পরিচিত।
- পৃথিবীর বার্ষিক গতির কারণে ঋতু পরিবর্তন ও দিন-রাত্রির হ্রাস বৃদ্ধি হয়ে থাকে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ : নবম-দশম শ্রেণী।