পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য : শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
বঙ্গবন্ধুর শততম জন্মবার্ষিক উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক কত টাকা মূল্যমানের নতুন নোট বাজারে ছাড়ে?
  1. ক) ২০০
  2. খ) ২৫০
  3. গ) ৩০০
  4. ঘ) ৪০০
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ২০০
ব্যাখ্যা
মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংক ১৮ মার্চ ২০২০ দুইশত (২০০) টাকা মূল্যমানের প্রচলিত ও স্মারক নোট ইস্যু করে। প্রচলতি নোটে 'মুজিব শতবর্ষ' কথাটি লেখা রয়েছে। তবে ২০২১ সালে থেকে বাজারে কেবল প্রচলিত নোট থাকবে এবং এতে মুজিব শতবর্ষ লেখা থাকবে না। (সূত্রঃ বাংলাদেশ ব্যাংক এবং দৈনিক যুগান্তর)
.
বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান রপ্তানি পণ্য কোনটি?
  1. ক) পাট ও পাটজাত পণ্য
  2. খ) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
  3. গ) হিমায়িত খাদ্য
  4. ঘ) ঔষধ
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য হলো তৈরি পোশাক (৩৪১৩ কোটি ডলার)। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য। গত ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে এ খাত থেকে আয় আসে ১০১.৯৮ কোটি মার্কিন ডলার। তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে কৃষিপণ্য (৯০.৮৯ কোটি ডলার)। চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে পাট ও পাটজাত পণ্য (৮১.৬২ কোটি ডলার)। পঞ্চম অবস্থানে রয়েছে হিমায়িত খাদ্য (৩৬.১১ কোটি ডলার)। ঔষধ থেকে রপ্তানি আয় ১৩ কোটি ডলার। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট রপ্তানি আয় ছিলো ৪০.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। (সূত্রঃ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ওয়েবসাইট)
.
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা'র রিপোর্ট অনুসারে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম বৃহৎ আমদানিকারক দেশ?
  1. ক) ১৮ তম
  2. খ) ২৫ তম
  3. গ) ৩০ তম
  4. ঘ) ৪০ তম
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ তম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৩০ তম
ব্যাখ্যা
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা'র 'ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিসটিক্যাল রিভিউ-২০১৯' অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩০তম বৃহৎ আমদানিকারক দেশ। একই সময়ে রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান ৪২ তম। গত অর্থবছরে বাংলাদেশের আমদানি ও রপ্তানির পরিমাণ ছিলো যথাক্রমে ৫৫.৪৩ বিলিয়ন ডলার এবং ৪০.৫৩ বিলিয়ন ডলার। (সূত্রঃ WTO এবং EPB ওয়েবসাইট)
.
রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১০.২০ শতাংশ
  2. খ) ১৪.৪০ শতাংশ
  3. গ) ১৮.৫৬ শতাংশ
  4. ঘ) ২৮.৯০ শতাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮.৫৬ শতাংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৮.৫৬ শতাংশ
ব্যাখ্যা
২০১৮-২০১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ১৮.৫৬ শতাংশ। এ সময়ে ৪০৫৩ কোটি ডলারের মোট রপ্তানি আয়ে ইপিজেড সমূহের অবদান ছিলো ৭৫২.৪১ কোটি মা. ডলার। এর আগে ২০১৭-২০১৮ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে ইপিজেডের অবদান ছিলো ১৯.৬৬ শতাংশ। (সূত্রঃ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ও বেপজা)
.
রেমিট্যান্স প্রাপ্তির দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কত তম?
  1. ক) ৩য়
  2. খ) ৫ম
  3. গ) ৯ম
  4. ঘ) ১৫ তম
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৯ম
ব্যাখ্যা
২০১৯ সাল শেষে রেমিট্যান্স আহরণের দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৯ম। এই সময় বাংলাদেশ মোট ১৮.৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স আহরণ করে। রেমিট্যান্স প্রাপ্তিতে বিশ্বে শীর্ষদেশ ভারত (৮৩.১ বিলিয়ন মা. ডলার)। দ্বিতীয় চীন (৬৮.৪ বিলিয়ন ডলার) এবং তৃতীয় মেক্সিকো (৩৮.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার)। (সূত্রঃ বিশ্বব্যাংক ওয়েবসাইট)
.
বাংলাদেশে সংরক্ষিত শিল্প কোনটি?
  1. ক) পারমাণবিক শক্তি
  2. খ) সমরাস্ত্র শিল্প
  3. গ) সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল
  4. ঘ) সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) সবগুলো
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের শিল্পনীতি- ২০১৬ এ তিনটি শিল্পকে সংরক্ষিত শিল্প ঘোষণা করা হয়েছে। এগুলো হলো সমরাস্ত্র শিল্প, পারমাণবিক শক্তি এবং সিকিউরিটি প্রিন্টিং ও টাকশাল। এগুলো সরাসরি রাষ্ট্রীয় মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত হয়। (সূত্রঃ বাংলাদেশ শিল্পনীতি - ২০১৬)