পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes৬৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৬৬
সিলেবাস
Exam - 36 Final Model Test-10 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৬৬ প্রশ্ন

.
‘Famine’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ কোনটি?
  1. মহামারী
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. প্রতিকূল
  4. দুর্যোগ
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্ভিক্ষ
ব্যাখ্যা
• ‘Famine’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - দুর্ভিক্ষ।

অন্যদিকে,
• ‘Pestilence’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে - মহামারী।
• ‘Hostile’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - প্রতিকূল, বৈরী।
• ‘Disaster’ শব্দের পারিভাষিক শব্দ - দুর্যোগ।
 
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও অভিগম্য অভিধান।
.
উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জনধ্বনি কয় প্রকার?
  1. দুই প্রকার
  2. তিন প্রকার
  3. চার প্রকার
  4. পাঁচ প্রকার
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিন প্রকার
ব্যাখ্যা
• উষ্ম ব্যঞ্জন:
যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাক্প্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলােকে উষ্ম ব্যঞ্জন বলে।
- সালাম, শসা, হুঙ্কার প্রভৃতি শব্দের স, শ, হ উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ।
- উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলােকে দন্তমূলীয় (স), তালব্য (শ), এবং কণ্ঠনালীয় (হ) – এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
- এগুলাের মধ্যে স এবং শ-কে আলাদাভাবে শিস ধ্বনিও বলা হয়ে থাকে। কারণ স, শ উচ্চারণে শাস অনেকক্ষণ ধরে রাখা যায় এবং শিসের মতাে আওয়াজ হয়।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
.
‘অবিন্ধন’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. অপ্ + বন্ধন
  2. অব্ + ইন্ধন
  3. অপ্ + ইন্ধন
  4. অবি + ইন্ধন
সঠিক উত্তর:
অপ্ + ইন্ধন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপ্ + ইন্ধন
ব্যাখ্যা
• ‘অবিন্ধন’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ - অপ্ + ইন্ধন = অবিন্ধন।
- এটি ব্যঞ্জনসন্ধির উদাহরণ।
 
ব্যঞ্জন ও স্বরধ্বনি যোগে গঠিত ব্যঞ্জনসন্ধির কিছু উদাহরণ হলো:
• প্রাক্ + উক্ত = প্রাগুক্ত।
• ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত।
• অচ্ + অন্ত = অজন্ত।
• ষট্ + অঙ্গ = ষড়ঙ্গ।
• ষট্ + ঋতু = ষড়ঋতু।
• ষট্ + ঐশ্বর্য = ষড়ৈশ্বর্য।
• ষট্ + আনন = ষড়ন।
• সৎ+ অর্থক = সদর্থক।
• সৎ + ইচ্ছা = সদিচ্ছা।
• মৃৎ + অঙ্গ = মৃদঙ্গ।
• অপ্ + অগ্নি = অবগ্নি।
• অপ্ + ইন্ধন = অবিন্ধন।
• অপ্ + অন্ত = সুবন্ত ইত্যাদি।
 
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
চর্যার কোন কবির পদে ‘পদ্মা নদী ও বঙ্গাল দেশ’ এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. বীণাপা
  2. ধর্মপা
  3. ভাদেপা
  4. ভুসুকুপা
সঠিক উত্তর:
ভুসুকুপা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভুসুকুপা
ব্যাখ্যা
• ভুসুকুপা:
- চর্যাগীতি রচনার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকুপা।
- তিনি সৌরাষ্ট্রের ক্ষত্রিয় রাজপুত্র ছিলেন বলে মনে করা হয়।
- তিনি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৮টি পদ রচনা করেন।
- ডক্টর মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে তিনি পূর্ব বঙ্গ অঞ্চলের মানুষ ছিলেন।
- তিনি তার রচিত ৪৯নং পদে পদ্মা নদী (পঁঊআ খাল) এবং 'বঙ্গাল' দেশ ও 'বঙ্গালী'র কথা বলেছেন।
- 'আপনা মাংসেঁ হরিণা বৈরী' (৬নং পদ) পদের রচয়িতা ভুসুকপা।
 
অন্যদিকে,
• ভাদেপা চর্যার ৩৫নং পদের রচয়িতা। এই পদের মূলকথা ধর্মীয় তত্ত্বকথার বর্ণনা।
• বীণাপা চর্যার ১৭নং পদের রচয়িতা। এই পদে সূর্য-চন্দ্রকে চমৎকার উপমায় উপস্থাপন করা হয়েছে।
• ধর্মপা চর্যার ৪৭নং পদের রচয়িতা। এখানে অগ্নিকাণ্ডের প্রতীকে গভীর যোগতত্ত্বের কথা আছে।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
A এবং B একত্রে Z কে বিষ প্রয়োগে হত্যা করার জন্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়। ঐ ষড়যন্ত্র অনুযায়ী A বিষ সংগ্রহের জন্য B কে প্রয়োজনীয় অর্থ দেয়। B বিষ সংগ্রহ করে A এর অনুপস্থিতিতে B ঐ বিষ Z কে পান করিয়ে তার মৃত্যু ঘটায়। এক্ষেত্রে -
  1. A কোনো অপরাধে দায়ী হবে না
  2. শুধুমাত্র B ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  3. A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে
ব্যাখ্যা
• যে সমস্ত কাজ করলে অপরাধ হয় সেই সমস্ত কাজ করার জন্য প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে কোন ইন্ধন যোগান কিংবা সমর্থন করাকে, আইনের ভাষায় প্ররোচনা বা Abetment বলা হয়ে। দণ্ডবিধির  ১০৭ ধারা অনুযায়ী ৩ ভাবে প্ররোচনা বা অপরাধে সহায়তা অপরাধ হতে পারে-
 
(i) কাউকে প্ররোচিত করে (instigation);
(ii) ষড়যন্ত্রে অংশগ্রহণ করে (engagement);
(iii) কার্য বা কার্যবিরতি দ্বারা ইচ্ছাকৃতভাবে সাহায্য করে (aiding)।
 
দণ্ডবিধির ১০৯ থেকে ১২০ ধারা পর্যন্ত বিভিন্ন প্রকার প্ররোচনার শাস্তি উল্লেখ করা হয়েছে। ১০৯ ধারা অনুযায়ী প্ররোচনার ফলে অপরাধটি সংঘটিত হলে শাস্তি কিভাবে নির্ধারণ করতে হবে, তা ১০৯ ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে-
 
⇒ আইনের সাধারণ নীতি হলো প্ররোচনাকারী এবং কার্য সংগঠনকারী একই শাস্তি পাবে।

⇒ কোন অপরাধের সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত থাকলে অপরাধের সহায়তাকারী উক্ত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।
উদাহরণ: A, B নামক একজন উন্মাদ ব্যক্তিকে বিষ পান করে আত্মহত্যা করতে প্ররোচনা করে। উন্মাদ ব্যক্তি বিষ পান করে আত্মহত্যা করে। শিশু বা উন্মাদ ব্যক্তির আত্মহত্যায় সহায়তা দানের জন্য শাস্তি দণ্ডবিধির ৩০৫ ধারা অনুযায়ী নির্ধারিত হবে এবং এই ক্ষেত্রে A মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অনধিক দশ বৎসর মেয়াদে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
 
⇒ কোন অপরাধে সহায়তা করার জন্য শাস্তি নির্ধারিত না থাকলে, অপরাধে সহায়তাকারি মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত শাস্তিতে দণ্ডিত হবে।

এখানে, B খুনের জন্য দায়ী হবে এবং খুনের জন্য নির্ধারিত ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অন্যদিকে, A খুনে সহায়তা করার জন্য দায়ী হবে। কিন্তু খুনে সহায়তা করার জন্য নির্ধারিত কোন শাস্তির বিধান দণ্ডবিধিতে উল্লেখ নেই। এক্ষেত্রে, A মূল অপরাধের দণ্ডধারা ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে। অর্থাৎ A ও B উভয়ে ৩০২ ধারায় দণ্ডিত হবে।
.
How many ways are provided in Section 445 of The Penal Code,1860 for the purpose of committing the offence of 'House Breaking'?
  1. 5 ways
  2. 4 ways
  3. 6 ways
  4. 7 ways
সঠিক উত্তর:
6 ways
উত্তর
সঠিক উত্তর:
6 ways
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪৫ ধারায় অপথে গৃহে প্রবেশের বিধান রয়েছে। ৪৪৫ ধারা অনুযায়ী নিম্নলিখিত ৬টি উপায়ে কোন গৃহে প্রবেশ করলে বা গৃহ থেকে বের হলে তা অপথে গৃহে প্রবেশ বা 'House breaking' বলে গণ্য হবে। যথা-
 
i) বন্ধ দরজা বা পথ খুলে (Opening any passage fastended for );
ii) তালা খুলে বা ভেঙ্গে (Opening or breaking lock);
iii) নতুন পথ তৈরি করে (Passage made by him);
iv) আক্রমন বা বলপ্রয়োগের ভয় দেখিয়ে (Using criminal force);
v) আটকানো কোন কিছুকে খুলে বা অন্যভাবে মুক্ত করে অস্বাভাবিক পন্থায় ভিতরে প্রবেশ করা বা নির্গমন হওয়া; অথবা
vi) প্রবেশ বা প্রস্থানের জন্য নয় এমন পথ দিয়ে গৃহে প্রবেশ করলে অপথে গৃহ প্রবেশ (house breaking) এর অপরাধ হবে।
 
Section 445: House-breaking:

A person is said to commit “house-breaking" who commits house-trespass if he effects his entrance into the house or any part of it in any of the six ways hereinafter described; or if, being in the house or any part of it for the purpose of committing an offence, or, having committed an offence therein, he quits the house or any part of it in any of such six ways, that is to say:
 
Firstly- If he enters or quits through a passage made by himself, or by any abettor of the house-trespass, in order to the committing of the house-trespass. 

Secondly- If he enters or quits through any passage not intended by any person, other than himself or an abettor of the offence, for human entrance; or through any passage to which he has obtained access by scaling or climbing over any wall or building. 

Thirdly.-If he enters or quits through any passage which he or any abettor of the house-trespass has opened, in order to the committing of the house-trespass by any means by which that passage was not intended by the occupier of the house to be opened. 

Fourthly- If he enters or quits by opening any lock in order to the committing of the house-trespass, or in order to the quitting of the house after a house-trespass. 

Fifthly- If he effects his entrance or departure by using criminal force or committing an assault, or by threatening any person with assault. 

Sixthly- If he enters or quits by any passage which he knows to have been fastened against such entrance or departure, and to have been unfastened by himself or by an abettor of the house-trespass. 

Explanation: Any out-house or building occupied with a house, and between which and such house there is an immediate internal communication, is part of the house within the meaning of this section.
.
দণ্ডবিধিতে মানহানি অপরাধের জন্য প্রদত্ত শাস্তি কী?
  1. ২ বছর পর্যন্ত সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  2. ৩ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  3. ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
  4. ৩ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪৯৯ ধারায় মানহানি বা defamation এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে।

মানহানি:
কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে বা তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট হবে বলে জানা সত্ত্বেও বা তার বিশ্বাস করার কারণ থাকা সত্ত্বেও কথিত বা পঠিত হওয়ার জন্য অভিপ্রেত কথা বা চিহ্ন কর্তৃক বা দৃশ্যমান কল্পমূর্তির সাহায্যে সে ব্যক্তি সম্পর্কিত কোন নিন্দাবাদ প্রণয়ন বা প্রকাশ করে, তবে নিম্নে নির্দেশিত ব্যতিক্রমসমূহ ছাড়াই অন্যান্য ক্ষেত্রে, সে ব্যক্তি উক্ত অন্য ব্যক্তির মানহানি করে বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যাখ্যা ১:- যে মৃত ব্যক্তির জীবনকালে তার সম্পর্কে কোন নিন্দা করা হলে তার মানহানি ঘটত, সে মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে অনুরূপ কোন নিন্দাবাদ এবং সে মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের বা অন্যান্য কাছে আত্মীয়ের মনকে পীড়িত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ নিন্দাবাদ করা, মানহানি বলে পরিগণিত হবে।
 
ব্যাখ্যা ২:- কোন কোম্পানি বা সংঘ বা ব্যক্তিসমাবেশ সম্পর্কে সমষ্টিগতভাবে কোন নিন্দাবাদ করা মানহানি বলে পরিগণিত হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৩:- বিকল্পরূপে বা বিদ্রূপাত্মকরূপে ব্যক্ত কোন নিন্দাবাদ মানহানির সামিল হতে পারে।
 
ব্যাখ্যা ৪:- কোন ব্যক্তি সম্পর্কে কোন নিন্দাবাদ প্রত্যক্ষভাবে বা পরোক্ষভাবে অন্যান্য ব্যক্তির দৃষ্টিতে সে ব্যক্তির নৈতিক বা বুদ্ধিগত চরিত্র হেয় না করলে, অথবা তার বর্ণ বা সম্প্রদায় কিংবা তার পেশার দিক হতে সে ব্যক্তির চরিত্রকে হেয় না করলে, অথবা সে ব্যক্তির প্রসিদ্ধি ক্ষুন্ন না করলে, অথবা তার দেহ বীভৎস বা ঘৃণা অবস্থায় বা যে অবস্থা সাধারণভাবে অরুচির বলে গণ্য, সে অবস্থায় রয়েছে বলে বিশ্বাস সৃষ্টি না করলে, সে ব্যক্তি সম্পর্কে উক্ত নিন্দাবাদ তার খ্যাতি বা সুনাম নষ্ট করে নাই বলে পরিগণিত হয়।
 
ব্যতিক্রম (Exception):
৪৯৯ ধারায় মানহানির ১০ টি ব্যতিক্রম (Exception) রয়েছে অর্থাৎ এই ১০ টি ক্ষেত্রে কোন মানহানিকর উক্তি বা তথ্য প্রকাশ করা হলেও মানহানির অপরাধ হবে না-
 
১) জনস্বার্থে বা জনগণের কল্যাণের জন্য কারো প্রতি সত্য-দোষারোপ করা হলে;
২) জনগণের প্রতি সরকারি কর্মচারীর আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৩) কোন জনসমস্যা/গণসমস্যা সম্পর্কে কোন ব্যক্তির আচরণ সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে;
৪) কোন আদালতের কার্য বিবরণীর রিপোর্ট প্রকাশ করা হলে;
৫) আদালত কর্তৃক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে এমন কোন ফৌজদারি বা দেওয়ানি মোকদ্দমার দোষ, গুণ বা সাক্ষী বা সাক্ষ্যের সম্পর্কে সৎ বিশ্বাসে কোন অভিমত প্রকাশ করা হলে;

৬) কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার জনগণের উপর ন্যস্ত করা হলে তখন এ বিষয়ে সৎ বিশ্বাসে অভিমত প্রকাশ করা হলে, যেমন- কোন ব্যক্তি কোন বই প্রকাশ করলে বা প্রকাশ্য স্থানে বক্তৃতা দিলে তখন তা বিচার করার জন্য জনগণের কাছে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে গণ্য করা হবে;
৭) অন্যের উপর আইনসম্মতভাবে ক্ষমতা রয়েছে এমন ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে কোন নিন্দা করলে;
৮) ক্ষমতাসম্পন্ন কোন ব্যক্তির নিকট সৎ বিশ্বাসে অভিমত দেয়া হলে;
৯) কোন ব্যক্তি নিজের বা অন্যের স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে বা জনস্বার্থে সৎ বিশ্বাসে কোন দোষারোপ করলে;
১০) জনকল্যাণে সৎ বিশ্বাসে কোন ব্যক্তিকে সতর্ক করে কিছু বলা হলে;
 
শাস্তি:
ধারা ৫০০ অনুযায়ী, মানহানি অপরাধের শাস্তি- ২ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়।
.
'ক' সরল মনে 'গ'- এর সম্পত্তি তা নিজের সম্পত্তি বলে বিশ্বাস করে, 'গ' -এর দখল হতে সে সম্পত্তি নিয়ে যায়। এক্ষেত্রে 'ক'-
  1. চুরি করেছে বলে গণ্য হবে
  2. অসাধুভাবে গ্রহণ করেছে বলে গণ্য হবে
  3. চুরি করে নাই বলে গণ্য হবে
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
চুরি করে নাই বলে গণ্য হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুরি করে নাই বলে গণ্য হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ৩৭৮: চুরি [Theft]:

কোনো ব্যক্তি যদি কারো দখল হতে তার সম্মতি ব্যতীত কোনো অস্থাবর সম্পত্তি অসাধুভাবে গ্রহণ করার উদ্দেশ্য নিয়ে উক্ত সম্পত্তি অনুরূপভাবে গ্রহণের জন্য স্থানান্তর করে, তবে উক্ত ব্যক্তি চুরি করেছে বলে গণ্য হবে। [Whoever, intending to take dishonestly any movable property out of the possession of any person without that person’s consent, moves that property in order to such taking, is said to commit theft.]
 
ব্যাখ্যা ১ : কোনো বস্তু যতক্ষণ পর্যন্ত অস্থাবর সম্পত্তি না হওয়া বিধায় মাটির সাথে যুক্ত থাকে, ততক্ষণ পর্যন্ত উহা চুরি করার বস্তু বলে গণ্য হবে না, কিন্তু যে মুহূর্তে উহাকে মাটি হতে বিচ্ছিন্ন করা হয় সে মুহূর্তেই উহা চুরি করার বস্তু হওয়ার যোগ্য গণ্য হবে। [A thing so long as it is attached to the earth, not being moveable property, is not the subject of theft; but it becomes capable of being the subject of theft as soon as it is severed from the earth.]
 
ব্যাখ্যা ২ : যে কাজ কর্তৃক (মাটি হতে) বিচ্ছিন্নতা সাধন করা হয়, সে কাজ দ্বারাই স্থানান্তর করা হলে তা চুরি হতে পারে। [A moving effected by the same act which effects the severance may be a theft.]
 
ব্যাখ্যা ৩ : কোনো ব্যক্তি কোনো বস্তুর গতির প্রতিবন্ধক অপসারণ করলে বা উহাকে অপর কোনো বস্তু হতে বিচ্ছিন্ন করলে এবং বাস্তবিকভাবে উহা স্থানান্তর করলে উক্ত বস্তু স্থানান্তর করে বলে পরিগণিত হবে। [A person is said to cause a thing to move by removing an obstacle which prevented it from moving or by separating it from any other thing, as well as by actually moving it.]
 
ব্যাখ্যা ৪ : কোনো ব্যক্তি যেকোনো উপায়ে কোনো পশুকে হাঁটায়, সে লোক সে পশুকে এবং অনুরূপভাবে সৃষ্ট গতির ফলে উক্ত পশু দ্বারা স্থানান্তরিত প্রত্যেক বস্তুকে স্থানান্তর করে বলে গণ্য হবে। [A person, who by any means causes an animal to move, is said to move that animal, and to move everything which, in consequence of the motion so caused, is moved by that animal.]
 
ব্যাখ্যা ৫ : সংজ্ঞায় উল্লি­খিত সম্মতি প্রকাশ্য অথবা পরোক্ষ হতে পারে এবং উক্ত সম্মতি দখলকারী ব্যক্তি বা উক্ত উদ্দেশ্য প্রকাশ্য বা পরোক্ষ ক্ষমতাসম্পন্ন ব্যক্তির দ্বারা প্রদত্ত হতে পারে। [The consent mentioned in the definition may be express or implied, and may be given either by the person in possession, or by any person having for that purpose authority either express or implied.]

এক্ষেত্রে, যেহেতু ক অসাধুভাবে সম্পত্তিটি নিয়ে যায় নাই, সেহেতু সে চুরি করেছে বলে পরিগণিত হবে না।
.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অভিন্ন অভিপ্রায়ের কথা বলা হয়েছে?
  1. ৩৪ ধারায়
  2. ১০ ধারায়
  3. ১২ ধারায়
  4. ১৪ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ ধারায়
ব্যাখ্যা
সাক্ষ্য আইনের ১০ ধারায় Criminal Conspiracy (অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র) এবং Common Intention (অভিন্ন অভিপ্রায়) সম্পর্কে বলা আছে।
 
ধারা ১০: অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ:

দুই বা ততোধিক ব্যক্তি একযোগে কোন অপরাধ বা নালিশ যোগ্য অন্যায় কার্য করার ষড়যন্ত্র করেছে, এরূপ বিশ্বাস করার যদি যুক্তিসঙ্গত কারণ থাকে; তবে তাদের যেকোন একজনের উক্তি, ষড়যন্ত্রের ইচ্ছা পোষণ করার পর তাদের ঐ সাধারণ ইচ্ছা সম্পর্কে তাদের মধ্যে যেকোন একজনের কোন কথা, কার্য বা লেখা ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে, এরূপ প্রত্যেক ব্যক্তি সম্পর্কে প্রাসঙ্গিক ঘটনা, ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য তা প্রাসঙ্গিক; তেমনি কোন ব্যক্তি যে উক্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিল তা প্রমাণ করার জন্য তাও প্রাসঙ্গিক।
যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে কোন অপরাধ সংঘটন করে এবং সেই অভিন্ন অভিপ্রায়ের লক্ষ্যে করা কোন এক জনের কথা, কাজ বা বিবৃতি প্রাসঙ্গিক। অর্থাৎ অভিন্ন অভিপ্রায় প্রসঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীর কথা বা কাজ ষড়যন্ত্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করার জন্য প্রাসঙ্গিক হবে।
 
Section 10-Things said or done by conspirator in reference to common design:
Where there is reasonable ground to believe that two or more persons have conspired together to commit an offence or an actionable wrong, anything said, done or written by any one of such persons in reference to their common intention, after the time when such intention was first entertained by any one of them, is a relevant fact as against each of the persons believed to be so conspiring, as well for the purpose of proving the existence of the conspiracy as for the purpose of showing that any such person was a party to it.
১০.
সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. মালিকানা প্রমাণের দায়িত্ব
  2. কোনো দলিলের সঠিকতা প্রমাণের দায়িত্ব
  3. ৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোনো ব্যক্তির জীবিত থাকার প্রমাণের দায়িত্ব
  4. বিগত ৩০ বছরের মধ্যে জীবিত থাকা কারো মৃত্যু প্রমাণের দায়িত্ব
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোনো ব্যক্তির জীবিত থাকার প্রমাণের দায়িত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর ধরে নিখোঁজ কোনো ব্যক্তির জীবিত থাকার প্রমাণের দায়িত্ব
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ১০৮ ধারার বিষয়বস্তু- যে ব্যক্তি সম্পর্কে ৭ বৎসর যাবত কোন খবর পাওয়া যায়নি সে যে জীবিত আছে তা প্রমাণের দায়িত্ব সম্পর্কে।

এই ধারা মতে, বিগত ৭ বছর যাবৎ নিখোজ ব্যক্তিকে যে জীবিত বলে দাবি করবে, তার উপরই প্রমানের ভার বর্তাবে।
 
⇒ ১০৭ ও ১০৮ ধারার মধ্যে পার্থক্য-

সাক্ষ্য আইনের ১০৭ ধারায় বিগত ৩০ বৎসর যাবত জীবিত ব্যক্তিকে আদালত জীবিত বলে অনুমান করতে বাধ্য; এক্ষেত্রে যে ব্যক্তি মৃত বলে দাবী করে তাকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত ব্যক্তি মৃত।
অর্থাৎ একজন ব্যক্তি জীবিত মর্মে যে দাবী করে তা তাকেই প্রমাণ করতে হবে, যদি ঐ ব্যক্তির কোন সংবাদ পাওয়া না যায় ৭ বছর যাবৎ।
১১.
সাক্ষ্য আইনে Dumb witness এর সাক্ষ্য প্রদানের কয়টি পদ্ধতিকে গ্রহণযোগ্যতা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩টি
  2. ১টি
  3. ২টি
  4. নির্দিষ্ট পদ্ধতির কথা উল্লেখ নেই
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses):
যে সাক্ষী কথা বলতে অক্ষম, তিনিই হচ্ছেন বোবা সাক্ষী (Dumb witnesses)।

সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারায় বলা আছে-
কোনো বোবা সাক্ষী লিখে বা ইশারায় প্রকাশ্য আদালতে সাক্ষ্য দিতে পারবেন যা আদালতে মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

অর্থাৎ বোবা সাক্ষী দুই ভাবে সাক্ষ্য দিতে পারবে-
⇒ লিখিত ভাবে; বা
⇒ ইশারার মাধ্যমে।

এভাবে বোবা সাক্ষী যে সাক্ষ্য প্রদান করে, তা মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হবে।
১২.
এক ফৌজদারি মামলায় ১ম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচার করে 'ক' কে ৫০০ টাকা জরিমানা প্রদানের আদেশ প্রদান করে। উক্ত আদেশ-
  1. চূড়ান্ত
  2. আপিলঅযোগ্য
  3. আপিলযোগ্য
  4. ক এবং খ
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১২ থেকে ৪১৪ ধারায় যে সকল ক্ষেত্রে আপিল দায়ের করা যাবে না তা উল্লেখ করা হয়েছে।
 
ধারা ৪১২- দোষ স্বীকারের ক্ষেত্রে [In Case of Guilty Plead]
অভিযুক্ত দোষ স্বীকার করলে এবং তার উপর ভিত্তি করে অভিযুক্তকে দণ্ড দিলে, সেই দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না। কিন্তু উক্ত দণ্ডাদেশের পরিমাণ বা যৌক্তিকতা (extent or legality) বিষয়ে আপিল দায়ের করা যাবে।

ধারা ৪১৩- তুচ্ছ মামলার ক্ষেত্রে [Petty Cases] 
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪১৩ ধারা অনুসারে কোন দণ্ডিত ব্যক্তি আপিল করতে পারবে না যদি দায়রা আদালত অনধিক ১ মাসের কারাদণ্ড প্রদান করে বা দায়রা আদালত বা চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট বা অন্য কোন প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ৫০ টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করে।
অন্যদিকে, যদি আদালত শুধুমাত্র জরিমানা আরোপ করে এবং উক্ত জরিমানা প্রদানে ব্যর্থতার কারণে, আদালত দণ্ড আরোপ করলে উক্ত দণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।
 
ধারা ৪১৪- সংক্ষিপ্ত বিচারের কতিপয় দণ্ডের ক্ষেত্রে [Summary Conviction] 
২৬০ ধারার অধীন সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতিতে ম্যাজিস্ট্রেট অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা জরিমানা করলে, সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না।

অর্থাৎ ২০০ টাকার অধিক জরিমানা করলে সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে। উল্লিখিত আদেশ আপিলযোগ্য হবে।
১৩.
পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে-
  1. মুক্তি দিবে
  2. খালাস দিবে
  3. অব্যাহতি দিবে
  4. জামিন দিবে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি দিবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি দিবে
ব্যাখ্যা
Section 494: Effect of withdrawal from prosecution
Any Public Prosecutor may, with the consent of the Court, before the judgment is pronounced, withdraw from the prosecution of any person either generally or in respect of any one or more of the offences for which he is tried; and upon such withdrawal-

(a) if it is made before a charge has been framed, the accused shall be discharged in respect of such offence or offences;

(b) if it is made after a charge has been framed, or when under Code no charge is required, he shall be acquitted in respect of such offence or offences.

অর্থাৎ ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে।
অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিবে; আর
⇒ অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস (Acquittal) দিবে।
১৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারায় আদালতকে কোন ধরনের দলিল বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. পক্ষদ্বয়ের কাছে অসুরক্ষিত
  2. আদালতে পেশকৃত
  3. বিবাদির নিকট রক্ষিত
  4. বাদির নিকট রক্ষিত
সঠিক উত্তর:
আদালতে পেশকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতে পেশকৃত
ব্যাখ্যা
• ফৌজদারি কার্যবিধির ১০৪ ধারা- পেশকৃত দলিলসমূহ বাজেয়াপ্ত করার ক্ষমতাঃ
যে কোন আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করলে, এই কোড অনুসারে ইহার সমক্ষে পেশ করা যে কোন দলিল বা বস্তু বাজেয়াপ্ত করতে পারেন।
 
Section 104- Power to impound document, etc, produced:
Any Court may, if it thinks fit, impound any document or thing produced before it under this Code.
১৫.
In the sentence "I will go to the store if I have enough money," what type of clause is 'if I have enough money'?
  1. Noun clause
  2. Adjective clause
  3. Adverbial clause
  4. Preposition clause
সঠিক উত্তর:
Adverbial clause
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverbial clause
ব্যাখ্যা
Adverbial clause: 
- যে subordinate clause কোনো বাক্যে adverb এর মতো কাজ করে তাকে Adverbial clause বলে।
- Adverbial clause সবসময় স্থান, কাল, কারণ, উদ্দেশ্য, ধরন, ফলাফল ইত্যাদি প্রকাশ করে।
- Principal Clause এর verb কে How, Where, When, Why ইত্যাদি দ্বারা প্রশ্ন করলে adverbial clause পাওয়া যায়।
 
• If, unless, incase, whether, on condition that, provided (that), opposing (that)- ইত্যাদি দ্বারা কোন clause আরম্ভ হলে তা কোন শর্ত প্রকাশ করে। এই জাতীয় clause কে Adverb clause of condition বা Conditional clause বলে। 

- I will go to the store if I have enough money; এই sentence এ 'if I have enough money' হচ্ছে Adverbial clause. 
- কারণ এখানে clause টি if দ্বারা শুরু হয়ে শর্ত প্রকাশ করছে। 
 
Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain. 
১৬.
A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life is called-
  1. Couplet
  2. Assonance
  3. Catastrophe
  4. Personification
সঠিক উত্তর:
Personification
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Personification
ব্যাখ্যা
⇒ A figure of speech in which lifeless objects or ideas are given imaginary life is called Personification.

Examples- ''And Joy, whose hand is ever at his lips Bidding adieu''. Here, 'Joy' has been imagined as a living person.

Source: An ABC of English Literature - Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
১৭.
He did not give me _________.
  1. More advice
  2. Many advices
  3. Much advice
  4. Many advice
সঠিক উত্তর:
Much advice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Much advice
ব্যাখ্যা
• advice শব্দটি uncountable noun.
- Uncountable noun এর সাথে determiner হিসেবে সাধারণত Little, a little , some, much, a lot of ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- আর uncountable noun এর সাথে কখনোই s/es যুক্ত হয় না।

• তাই নিয়মানুযায়ী শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - Much advice.
- Complete sentence: He did not give me much advice.
১৮.
Choose the correct sentence.
  1. She is working two jobs at the time to support her family.
  2. She was working two jobs at the time to support her family.
  3. She should work two jobs at the time to support her family.
  4. She will be working two jobs at the time to support her family.
সঠিক উত্তর:
She was working two jobs at the time to support her family.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
She was working two jobs at the time to support her family.
ব্যাখ্যা
At the time (phrase): 
English Meaning - At a particular moment or period in the past when something happened, especially when the situation is very different now. 
- সাধারণত অতীতের ঘটে যাওয়া কোনো ঘটনা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়। 
- তাই, এটি সবসময় Past tense- এ হয়।

Example Sentences: 
- It seemed like a good idea at the time.
- Our son was just six years old at the time.
- At the time, I didn't realize how dangerous it was.

Correct Sentence - She was working two jobs at the time to support her family.

Source: 
1. Cambridge Dictionary. 
2. Longman Dictionary. 
১৯.
শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সুদে ৬৪০ টাকার ২ বছর ৬ মাসের সুদ কত?
  1. ৭৮ টাকা
  2. ৮০ টাকা
  3. ৮২ টাকা
  4. ৮৪ টাকা
সঠিক উত্তর:
৮০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮০ টাকা
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সুদে ৬৪০ টাকার ২ বছর ৬ মাসের সুদ কত?

সমাধান:
২ বছর ৬ মাস = ২ + (৬/১২) = ২ + (১/২) বছর
= (৪ + ১)/৫ বছর
= ৫/২ বছর

এখন,
১০০ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫ টাকা
১ টাকার ১ বছরের সুদ = ৫/১০০ টাকা
৬৪০ টাকার ৫/২ বছরের সুদ = (৫ × ৬৪০ × ৫)/(১০০ × ২) টাকা
= ৮০ টাকা
২০.
নিচের কোনটি 9a4 - 28a2 + 3 এর একটি উৎপাদক?
  1. (a - 4)
  2. (3a + 1)
  3. (a + 5)
  4. (3a - 2)
সঠিক উত্তর:
(3a + 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(3a + 1)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের কোনটি 9a4 - 28a2 + 3 এর একটি উৎপাদক?

সমাধান:
9a4 - 28a2 + 3 
= 9a4 - 27a2 - a2 + 3
= 9a2(a2 - 3) - 1(a2 - 3)
= (a2 - 3)(9a2 - 1)
= (a2 - 3){(3a)2 - 12}
= (a2 - 3)(3a + 1)(3a - 1)
২১.
একটি মসজিদের মেঝে ২৬ মিটার লম্বা ও ২০ মিটার চওড়া। ৪ মিটার লম্বা ও ২.৫ মিটার চওড়া কয়টি মাদুর দিয়ে মেঝেটি সম্পূর্ণ ঢাকা যাবে?
  1. ২৮ টি
  2. ৩৮ টি
  3. ৪৪ টি
  4. ৫২ টি
সঠিক উত্তর:
৫২ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫২ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি মসজিদের মেঝে ২৬ মিটার লম্বা ও ২০ মিটার চওড়া। ৪ মিটার লম্বা ও ২.৫ মিটার চওড়া কয়টি মাদুর দিয়ে মেঝেটি সম্পূর্ণ ঢাকা যাবে?

সমাধান:
মসজিদের ক্ষেত্রফল = ২৬ × ২০ = ৫২০ বর্গমিটার
প্রটিটি মাদুরের ক্ষেত্রফল = ৪ × ২.৫ = ১০ বর্গমিটার

∴ মাদুরের সংখ্যা = ৫২০/১০ টি
= ৫২ টি 
২২.
২২০ মিটার ও ২৮০ মিটার দীর্ঘ দুটি ট্রেন যথাক্রমে ৪৫ ও ৫৫ কিলোমিটার বেগে বিপরীত দিক থেকে পরস্পরের দিকে সমান্তরালভাবে আসতে থাকলে কত সময়ে ট্রেন দুইটি পস্পরকে অতিক্রম করবে?
  1. ১২ সেকেন্ডে
  2. ১৫ সেকেন্ডে
  3. ১৮ সেকেন্ডে
  4. ২১ সেকেন্ডে
সঠিক উত্তর:
১৮ সেকেন্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ সেকেন্ডে
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২২০ মিটার ও ২৮০ মিটার দীর্ঘ দুটি ট্রেন যথাক্রমে ৪৫ ও ৫৫ কিলোমিটার বেগে বিপরীত দিক থেকে পরস্পরের দিকে সমান্তরালভাবে আসতে থাকলে কত সময়ে ট্রেন দুইটি পস্পরকে অতিক্রম করবে?

সমাধান:
ট্রেন দুটিকে অতক্রম করতে হবে = ২২০ + ২৮০ = ৫০০ মিটার
বিপরীত দিকে হওয়ায় ট্রেনের ঘণ্টায় বেগ = ৪৫ + ৫৫ = ১০০ কিলোমিটার
= ১০০ × ১০০০ মিটার
= ১০০০০০ মিটার

১০০০০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে = ১ ঘণ্টায়
∴ ৫০০ মিটার দূরত্ব অতিক্রম করে = ৫০০/(১০০০০) ঘণ্টা 
= ১/২০০ ঘণ্টা
= (১ × ৬০ × ৬০)/২০০ সেকেন্ডে
= ১৮ সেকেন্ডে
২৩.
The Non-Agricultural Tenancy Act,1949 এর ৩(১) ধারায় অকৃষি প্রজাকে কয় শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩- অকৃষি প্রজার শ্রেণী:
 
The Non-Agricultural Tenancy Act, 1949 এর ৩(১) ধারার অধীন অকৃষি প্রজাকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে-
ক. প্রজা বা ভাড়াটে (Tenants);
খ. অধীনস্থ প্রজা বা অধীনস্থ ভাড়াটে (Under Tenants)।
 
সুতরাং, এই ধারায় অধীনস্থ প্রজা বা ভাড়াটেও একজন অকৃষি প্রজা বলে গণ্য হবে, কিন্তু অধীনস্থ প্রজা বলে গণ্য হবে।
 
রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এরঅধীন রায়ত এবং অধীনস্থ রায়ত এবং অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর অধীন প্রজা এবং অধীনস্থ প্রজা একই অর্থ বহন করে।
২৪.
একজন আদিবাসী রায়ত তার জমি উইলের মাধ্যমে আদিবাসী নয়, এমন কোনো ব্যক্তির কাছে কীভাবে হস্তান্তর করতে পারে?
  1. ভূমি ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে
  2. নিজের গোষ্ঠি প্রধানের অনুমতি সাপেক্ষে
  3. রাজস্ব কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে
  4. কোনরকম অনুমতি ছাড়া হস্তান্তর করতে পারে
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজস্ব কর্মকর্তার অনুমতি সাপেক্ষে
ব্যাখ্যা
• রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ এবং প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ৯৭ ধারায় আদিবাসীদের ভূমি হস্তান্তরে বাধানিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
 
৯৭(২) ধারায় বলা হয়েছে,
আদিবাসী রায়ত কর্তৃক কোন হোল্ডিং বা উহার কোন অংশে তার অধিকার হস্তান্তর বৈধ হবে না যতক্ষণ পর্যন্ত না এমন হস্তান্তর করা হয়, অন্যকোন স্থায়ীভাবে বসবাসরত আদিবাসীর নিকট। অর্থাৎ আদিবাসীরা আদিবাসীদের কাছে জমি বিক্রি বা অন্য কোনভাবে হস্তান্তর করতে চাইলে অনুমতি ছাড়াই তা করতে পারে।
 
৯৭(৩) ধারায় বলা হয়েছে,
যদি কোন আদিবাসী রায়ত হোল্ডিং বা হোল্ডিং-এর কোন অংশ ব্যক্তিগত বিক্রয়, দান বা উইলের মাধ্যমে এমন কোন ব্যক্তির নিকট হস্তান্তর করতে চাই যে আদিবাসী না, সে রেভিনিউ কর্মকর্তা বা রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট অনুমতির জন্য আবেদন করতে পারে এবং রাজস্ব কর্মকর্তা এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দিতে পারে। ৯৭ (৩) ধারায় উল্লেখিত এমন ধরণের জমি হস্তান্তর অবশ্যই নিবন্ধিত দলিল) যারা সম্পাদিত হতে হবে। অর্থাৎ অআদিবাসীরা আদিবাসীদের নিকট হতে ভূমি ক্রয় বা দান বা উইল গ্রহণ করতে চাইলে, অবশ্যই রাজস্ব কর্মকর্তা বা স্থানীয় সহকারী কমিশনার (ভূমি)র কাছ থেকে অনুমতি নিতে হবে।
 
উল্লেখ্য, ৯৭ ধারায় উল্লেখিত বিধান লঙ্ঘনপূর্বক কোন ভূমি হস্তান্তর করলে উক্ত হস্তান্তর বাতিল বলে গণ্য হবে (ধারা ৯৭(৭))।
২৫.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৬৯ ধারায় আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত কোন ধরণের সম্পত্তি বিক্রয় করার অধিকার দেয়া হয়েছে?
  1. ইজারাধীন সম্পত্তি
  2. বিচারাধীন সম্পত্তি
  3. বেদখলকৃত সম্পত্তি
  4. বন্ধকী সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বন্ধকী সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
[ধারা ৬৯] আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত বিক্রয়-
 
আদালতের হস্তক্ষেপ ব্যতীত বন্ধকী সম্পত্তি বিক্রয় করতে বন্ধকগ্রহীতাকে ৬৯ ধারায় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বন্ধকের ক্ষেত্রে সাধারণ নিয়ম হলো- ৬৭ ধারায় বন্ধকগ্রহীতা ফোরক্লোসার বা আদালতের মাধ্যমে বন্ধকি সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে। এমনকি ৬৮ ধারায় বন্ধকি-অর্থের জন্য বন্ধকগ্রহীতা মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে। কিন্তু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রে, ৬৯ ধারা-বন্ধকগ্রহীতাকে বন্ধকী-সম্পত্তি আদালতের আশ্রয় গ্রহণ ছাড়াই বিক্রয় করার অধিকার দিয়েছে।
যেমন:

ক. যেক্ষেত্রে বন্ধকটি হলো ইংলিশ বন্ধক এবং কোন পক্ষই হিন্দু, মোহাম্মাদান বা বৌদ্ধ বা সরকারী গেজেটে প্রকাশিত কোন বংশ, বা শ্রেণীর না;
খ. যেক্ষেত্রে বন্ধকগ্রহীতা এবং বন্ধকী দলিল সরকারকে বিক্রয়ে ব্যক্তভাবে ক্ষমতা দিয়েছে;
গ. যেক্ষেত্রে বন্ধকী দলিল বিক্রয়ের ব্যক্ত ক্ষমতা দিয়েছে এবং বন্ধকটি ঢাকা বা সরকারি গেজেটে প্রকাশিত কোন শহরে সম্পাদন করা হয়েছে।
২৬.
'চ' তার সম্পত্তি 'ছ' এর নিকট হস্তান্তর করে এই শর্তে যে 'ছ' কখনোই উক্ত সম্পত্তি বিক্রয় করবে না। এই ক্ষেত্রে-
  1. শর্ত এবং হস্তান্তর উভয় বাতিল
  2. হস্তান্তর বাতিল কিন্তু শর্ত বৈধ
  3. শর্ত এবং হস্তান্তর উভয় বৈধ
  4. শর্ত বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ
সঠিক উত্তর:
শর্ত বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শর্ত বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত ক্ষেত্রে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী- শর্তটি বাতিল কিন্তু হস্তান্তর বৈধ।

ধারা ১০: হস্তান্তর নিষিদ্ধ করে শর্ত আরোপ [Condition restraining alienation]: সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকার সম্পত্তির মালিকের এক অবিচ্ছেদ্য অধিকার। ১০ ধারায় এই অধিকারের নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ১০ ধারায় বলা হয়েছে-

যেক্ষেত্রে সম্পত্তি এই শর্তে হস্তান্তর করা হয় যে, হস্তান্তরগ্রহীতা হস্তান্তরকৃত সম্পত্তিটিতে তার স্বার্থ হস্তান্তর করতে পারবে না যেমন- বিক্রয় করতে পারবে না ইত্যাদি, সেই ক্ষেত্রে উক্ত শর্তটি অবৈধ হবে কিন্তু হস্তান্তরটি বৈধ হবে। কারণ এমন শর্ত হস্তান্তরগ্রহীতার সম্পত্তি হস্তান্তর করার অধিকারের লঙ্ঘন।

১০ ধারার এই নিয়মের ২টি ব্যতিক্রম আছে। সম্পত্তি হস্তান্তর করা যাবে না এমন শর্ত আরোপ করা বৈধ হবে-
⇒ যদি শর্তটি ইজারাদাতার স্বার্থে করা হয়; বা
⇒ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ মহিলা ব্যতীত অন্যকোন বিবাহিত মহিলাকে সম্পত্তি হস্তান্তর করার সময় এমন শর্ত আরোপ করা হয়।
২৭.
সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারার অধীন চুক্তির আংশিক পালনের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তি সঠিক নয়?
  1. স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হবে
  2. মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
  3. দান বা প্রতিদানবিহীন চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ও লিখিত উভয় চুক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য
ব্যাখ্যা
• সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৩ক ধারায় চুক্তির আংশিক পালন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। চুক্তির আংশিক পালন মতবাদ প্রযোজ্য করতে হলে নিম্নলিখিত শর্ত পূরণ করতে হবে-
 
১. আংশিক সম্পাদন নীতি প্রয়োগের জন্য প্রথমত একটি সম্পত্তি হস্তান্তরের চুক্তি থাকতে হবে।
২. এই চুক্তি অবশ্য স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত হবে। অস্থাবর বা অন্য প্রকারের সম্পত্তি হলে চলবে না।
৩. এই চুক্তিটি মূল্যের বিনিময়ে বা উপযুক্ত প্রতিদানের বিনিময়ে হতে হবে। দান বা প্রতিদানবিহীন চুক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না।
৪. এই চুক্তিটি লিখিত হতে হবে। মৌখিক চুক্তির ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না।
৫. হস্তান্তরকারী কর্তৃক বা তার উপযুক্ত প্রতিনিধি কর্তৃক এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে হবে।
৬. হস্তান্তর গ্রহীতা কর্তৃক সম্পত্তির দখল গ্রহণ করতে হবে।
৭. দখল গ্রহণ অবশ্য চুক্তির সাথে সম্পর্কযুক্ত হতে হবে। অর্থাৎ তার দখল চুক্তির সাথে আংশিক সম্পাদন হিসেবে গণ্য হতে হবে।
৮. চুক্তি অনুযায়ী হস্তান্তর গ্রহীতা তার নিজ দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন করবে বা পালন করতে ইচ্ছুক থাকতে হবে।

৫৩ক ধারা- আংশিক সম্পাদন:

যেখানে কোন ব্যক্তি লিখিত ও তার দ্বারা স্বাক্ষরিত বা তার পক্ষ হতে স্বাক্ষরিত দলিল দ্বারা মূল্যের বিনিময়ে কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য চুক্তি সম্পাদন করে যা হতে হস্তান্তরের জন্য প্রয়োজনীয় শর্তাবলি যুক্তিসঙ্গত নিশ্চয়তার সাথে নির্ধারণ করা যেতে পারে এবং হস্তান্তর গ্রহীতা চুক্তির আংশিক প্রতিপালনের জন্য সম্পত্তি বা এর অংশবিশেষের দখল গ্রহণ অথবা পূর্বে দখলে থাকলে দখল বজায় রেখে চুক্তিটি আংশিক ভাবে পালন করে এবং চুক্তি অনুসারে আরও কোন কাজ
করে, এবং হস্তান্তরগ্রহীতা চুক্তিতে তার অংশ পালন করে বা করতে ইচ্ছুক থাকে,
সেখানে হস্তান্তরের দলিল থাকলে হস্তান্তর তৎকালীন আইন অনুসারে নির্ধারিত পদ্ধতিতে সম্পূর্ণ করা না হলেও হস্তান্তরকারী বা তার কোন ওয়ারিশ চুক্তিপত্রে সুস্পষ্টরূপে উল্লিখিত অধিকার ছাড়া সংশ্লিষ্ট সম্পত্তির ব্যাপারে অন্য কোন অধিকার হস্তান্তরগ্রহীতা বা তার ওয়ারিশগণের উপর প্রয়োগ করতে পারবে না।

তবে এই ধারার কোন বিধান মূল্যের বিনিময়ে এবং এই চুক্তি বা এর আংশিক পালন সম্পর্কে অনবহিত হস্তান্তর গ্রহীতার কোন অধিকারকে প্রভাবিত করবে না।
২৮.
বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিল বাংলাদেশে পৌঁছানোর _______ মাসের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করতে হবে।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
• নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ২৬ ধারা- বাংলাদেশের বাহিরে সম্পাদিত দলিলপত্র:

বাংলাদেশের বাহিরে সকল বা যে কোন পক্ষ কর্তৃক সম্পাদিত বলিয়া দাবিকৃত কোন দলিল দাখিলকরনের জন্য ইতঃপূর্বে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পরও যেক্ষেত্রে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা না হয়, সেইক্ষেত্রে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা যদি এই মর্মে সন্তুষ্ট হন যে,-
(ক) দলিলটি উক্তরূপে সম্পাদিত, এবং
(খ) ইহা বাংলাদেশে পৌছিবার পর চার মাস সময়ের মধ্যে নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা হইয়াছে।
 
তাহা হইলে তিনি, উপযুক্ত ফি পরিশোধ সাপেক্ষে, উক্ত দলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করিতে পারিবেন।
২৯.
কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার আদেশের অধীন টাউটকে গ্রেফতার করা হলে, তাৎক্ষনিক তাকে কার নিকট উপস্থিত করা হবে?
  1. নিকটস্থ থানায়
  2. নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
  3. নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটের
  4. দেওয়ানি আদালতে
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার
ব্যাখ্যা
নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৮০চ: টাউটদের গ্রেফতার ও বিচার-

(১) কোন নিবন্ধনকারী কর্মকর্তা, লিখিত আদেশ দ্বারা, আদেশে উল্লিখিত যে কোন ব্যক্তিকে এইরূপ কোন টাউট নিবন্ধন কার্যালয়ের আঙ্গিনায় পাওয়া গেলে তাহাকে গ্রেফতার করিবার জন্য নির্দেশ প্রদান করিতে পারিবেন। নির্দেশ অনুসারে উক্ত টাউটকে গ্রেফতার করিয়া অবিলম্বে নিবন্ধনকারী কর্মকর্তার সম্মুখে উপস্থিত করিতে হইবে।
 
(২) যদি উক্তরূপ টাউট তাহার অপরাধ স্বীকার করে, তাহা হইলে তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে ফৌজদারী কার্যবিধি, ১৮৯৮ (১৮৯৮ সনের ৫ নং আইন) এর ধারা ৪৮০ ও ৪৮১ এর বিধানাবলি, যতদূর সম্ভব, প্রযোজ্য হইবে।
 
উক্ত টাউট যদি তাহার অপরাধ স্বীকার না করে, তাহা হইলে অনুরূপভাবে উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮২ এর বিধানাবলি তাহার আটক, বিচার ও শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হইবে।
 
(৩) উক্ত কার্যবিধির ধারা ৪৮০, ৪৮১ ও ৪৮২ এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নিবন্ধনকারী কর্মকর্তাকে দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য করা হয়।
 
Section 80F- Arrest and trial of touts:
(1) Any registering officer may, by an order in writing, direct any person named in the order to arrest any such tout found within the precincts of the registration office. Such tout may be arrested accordingly and shall be forthwith produced before the registering officer. 
 
(2) If the tout admits his offence the provisions of section 480 and 481 of the Code of Criminal Procedure, 1898, shall be applicable, so far as may be, to his detention, trial and punishment. 
 
If the tout does not admit his offence the provisions of section 480 of the said Code shall be similarly applicable to his detention, trial and punishment. 
 
(3) A registering officer shall be deemed to be a Civil Court for the purposes of sections 480, 481 and 482 of the said Code.
৩০.
'ক' ও 'খ' এরুপ ভ্রান্ত বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি চুক্তি করে যে, বিশেষ কোনো একটি ঋণ বাংলাদেশের তামাদি আইন দ্বারা বাতিল হয়েছে। চুক্তিটি -
  1. বাতিল হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. বাতিলযোগ্য হবে না
  4. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের ইচ্ছানুযায়ী বাতিল হবে
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য হবে না
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২১ ধারায় আইনগত ভুলের প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে,

বাংলাদেশে বলবৎ কোন আইন বিষয়ে ভুলের কারণে চুক্তি সম্পাদিত হলে, উক্ত চুক্তি বাতিলযোগ্য হবে না। কিন্তু বাংলাদেশে বলবৎ নয় এমন কোন আইন বিষয়ে ভুলের কারণে চুক্তি সম্পাদিত হলে, উক্ত চুক্তিটি বাতিল হবে।
 
উদাহরণ-
'ক' ও 'খ' এরুপ ভ্রান্ত বিশ্বাসের ভিত্তিতে একটি চুক্তি করে যে, বিশেষ কোনো একটি ঋণ বাংলাদেশের তামাদি আইন দ্বারা বাতিল হয়েছে। চুক্তিটি বাতিলযোগ্য হবে না কারণ এখানে ভ্রান্ত ধারণ হলো বাংলাদেশী তামাদি আইনের ব্যাপারে।

Section 21- Effect of mistakes as to law:

A contract is not voidable because it was caused by a mistake as to any law in force in Bangladesh; but a mistake as to a law not in force in Bangladesh has the same effect as a mistake of fact.
৩১.
সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে -
  1. রাষ্ট্র
  2. জনগণ
  3. প্রজাতন্ত্র
  4. সরকার
সঠিক উত্তর:
জনগণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনগণ
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদ অনুসারে, উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বণ্টণপ্রণালীসমূত্রের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হবে জনগণ। ১৩ অনুচ্ছেদে মালিকানার নীতি (principles of ownership) আলোচনা করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদে ৩ শ্রেণীর মালিকানার সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে, যথাঃ

⇒ রাষ্ট্রীয় মালিকানা (State ownership);
⇒ সমবায়ী মালিকানা (Co-operative ownership);
⇒ বাক্তিগত মালিকানা (private ownership)।
 
অনুচ্ছেদ: ১৩- মালিকানার নীতি:
 
উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:
ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র নিয়ে সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা।
খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা।
৩২.
নিম্নলিখিত কোন অধিকারটি কোন প্রকার বাধা-নিষেধ ব্যতীত সংবিধানে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে?
  1. সংবাদপত্রের স্বাধীনতা
  2. চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
  3. বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতা
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে। ৩৯ (১) অনুচ্ছেদে নিশ্চয়কৃত চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা চূড়ান্ত প্রকৃতির অর্থাৎ এই অধিকার কোন প্রকার বাধা-নিষেধ ছাড়াই নিশ্চয়তা দেওয়া হয়েছে।
 
৩৯ (২) অনুচ্ছেদে ২টি স্বাধীনতার স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হলো। এই অনুচ্ছেদে স্বীকৃত বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা কতিপয় বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে মঞ্জুর করা হয়েছে।

নিম্নলিখিত বিষয় সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে বাক স্বাধীনতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা থাকবে-
⇒ রাষ্ট্রের নিরাপত্তা (Secutiry of state),
⇒ বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (Friendly relations with foreign states),
⇒ জনশৃঙ্খলা (public order),
⇒ শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে (decency or morality),
⇒ আদালত অবমাননা (contempt of court),
⇒ মানহানি (defamation), বা
⇒ অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা (Incitement to an offence)।

অনুচ্ছেদ-৩৯: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্-স্বাধীনতা:

(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল।

(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে-
(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক্ ও ভাবপ্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
(খ) সংবাদক্ষেত্রের স্বাধীনতার; নিশ্চয়তা দান করা হইল।
৩৩.
জাতীয় সংসদ বাংলাদেশ সংবিধানের কত অনুচ্ছেদের অধিকারবলে 'Delegated Legislation' এর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
  2. অনুচ্ছেদ ৬৫(২)
  3. অনুচ্ছেদ ৬৫(৩)
  4. অনুচ্ছেদ ৬৫(৪)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ৬৫(১)
ব্যাখ্যা
• অর্পিত আইন প্রণয়ন [Delegated Legislation]:
 
অনুচ্ছেদ ৬৫(১) এর অধীন জাতীয় সংসদ তার আইন প্রণয়ন ক্ষমতা অন্য কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে অর্পণ করতে পারে। যে ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আইন প্রণয়নের ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, উক্ত ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ উক্ত অর্পিত ক্ষমতাবলে যে আইন প্রণয়ন করে তাকে অর্পিত আইন বা Delegated Legislation বলে।

অনুচ্ছেদ ৬৫: সংসদ-প্রতিষ্ঠা:

(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।
 
(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।
 
(৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
 
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।
 
(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।
 
(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৩৪.
সংবিধানের কত তম সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়?
  1. দ্বাদশ
  2. ত্রয়োদশ
  3. পঞ্চদশ
  4. একাদশ
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা
ত্রয়োদশ সংশোধনী:

সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়। এ ব্যবস্থা ১৯৯৬ সালের ২৮শে মার্চ রাষ্ট্রপতির সম্মতি পায়। এর আগে ষষ্ঠ সংসদে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা গৃহীত হয়। এরপর সপ্তম, অষ্টম ও নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন এ ব্যবস্থার অধীনে হয়েছে।
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থাকে অগণতান্ত্রিক ও সংবিধানবহির্ভূত আখ্যা দিয়ে অ্যাডভোকেট এম. সলিমউল্যাহ, রুহুল কুদ্দুস ও মো. আবদুল মান্নান খান হাইকোর্টে একটি রিট করেন। হাইকোর্টে তিন বিচারপতির বৃহত্তর বেঞ্চে রিটের শুনানি হয়। ২০০৪ সালের ৪ আগস্ট হাইকোর্টের ওই বেঞ্চ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বৈধ বলে রায় দেয়। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, ত্রয়োদশ সংশোধনী সংবিধানসম্মত ও বৈধ। এ সংশোধনী সংবিধানের কোন মৌলিক কাঠামোকে ক্ষতিগ্রস্ত করেনি।
 
পরবর্তীতে 'Abdul Mannan Khan vs Bangladesh' মামলার মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়। Abdul Mannan Khan vs Bangladesh মামলায় বলা হয় সংবিধান (ত্রয়োদশ সংশোধন) আইন, ১৯৯৬, রাষ্ট্রের ভিত্তি এবং সংবিধানের মৌল কাঠামো কে খর্ব করেছে বিধায় উক্ত তর্কিত আইন অসাংবিধানিক ও অবৈধ এবং বাতিল। এই মামলায় নিম্নলিখিত বিষয়গুলো আলোচনা করা হয়েছে-
 
১. সংবিধানের মৌল কাঠামো;
২. সাংবিধানিক প্রাধান্য এবং সংসদীয় প্রাধান্য;
৩. জনগণের সার্বভৌমত্ব এবং সংসদের সার্বভৌমত্ব;
৪. এই মামলায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশের জনগণই সার্বভৌম তত্ত্ববধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের ৭ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী।
৩৫.
সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে নিম্নের কোন পদাধিকারী ব্যক্তির পারিশ্রমিক সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় নাই?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সুপ্রীম কোর্টের বিচারক
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যাটর্নি জেনারেল
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৪৭ অনুচ্ছেদে ৮ শ্রেণীর পদাধিকারী ব্যক্তিদের পারিশ্রমিক, বিশেষ-অধিকার ও কর্মের অন্যান্য শর্ত সংসদের আইনের দ্বারা বা অধীনে নির্ধারণ সংক্রান্ত বিধান আলোচনা করা হয়েছে-
 
১) রাষ্ট্রপতি,
২) প্রধানমন্ত্রী,
৩) স্পীকার বা ডেপুটি স্পীকার,
৪) মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী বা উপ-মন্ত্রী
৫) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক,
৬) মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক,
৭) নির্বাচন কমিশনার,
৮) সরকারী কর্ম কমিশনের সদস্য।

অপরদিকে,
সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাষ্ট্রপতি অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেন। অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে -
(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল-পদে নিয়োগদান করিবেন।
(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করিবেন।
(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্ব পালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকিবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করিবেন।
৩৬.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে বিধি প্রণয়নের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১০৪
  2. অনুচ্ছেদ ১০৬
  3. অনুচ্ছেদ ১০৭
  4. অনুচ্ছেদ ১০৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১০৭
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১০৭: সুপ্রীম কোর্টের বিধিপ্রণয়ন-ক্ষমতা

(১) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইন-সাপেক্ষে সুপ্রীম কোর্ট রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লইয়া প্রত্যেক বিভাগের এবং অধঃস্তন যে কোন আদালতের রীতি ও পদ্ধতি-নিয়ন্ত্রণের জন্য বিধিসমূহ প্রণয়ন করিতে পারিবেন।
 
(২) সুপ্রীম কোর্ট এই অনুচ্ছেদের (১) দফা এবং এই সংবিধানের ১১৩ ও ১১৬ অনুচ্ছেদের অধীন দায়িত্বসমূহের ভার উক্ত আদালতের কোন একটি বিভাগকে কিংবা এক বা একাধিক বিচারককে অর্পণ করিতে পারিবেন।

(৩) এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-সাপেক্ষে কোন্ কোন্ বিচারককে লইয়া কোন্ বিভাগের কোন্ বেঞ্চ গঠিত হইবে এবং কোন্ কোন্ বিচারক কোন্ উদ্দেশ্যে আসন গ্রহণ করিবেন, তাহা প্রধান বিচারপতি নির্ধারণ করিবেন।

(৪) প্রধান বিচারপতি সুপ্রীম কোর্টের যে কোন বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারককে সেই বিভাগে এই অনুচ্ছেদের (৩) দফা কিংবা এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত বিধিসমূহ-দ্বারা অর্পিত যে কোন ক্ষমতাপ্রয়োগের ভার প্রদান করিতে পারিবেন।
৩৭.
প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করতে পারে-
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. সংসদ
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. সুপ্রিম কোর্ট
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৭: প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ

(১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারিবেনঃ

(ক) নবম ভাগে বর্ণিত বিষয়াদি এবং অর্থদণ্ড বা অন্য দণ্ডসহ প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মের শর্তাবলী;
(খ) যে কোন রাষ্ট্রায়ত্ত উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের চালনা ও ব্যবস্থাপনা এবং অনুরূপ উদ্যোগ বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষে কর্মসহ কোন আইনের দ্বারা বা অধীন সরকারের উপর ন্যস্ত বা সরকারের দ্বারা পরিচালিত কোন সম্পত্তির অর্জন, প্রশাসন, ব্যবস্থাপনা ও বিলি-ব্যবস্থা;
(গ) যে আইনের উপর এই সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের (৩) দফা প্রযোজ্য হয়, সেইরূপ কোন আইন।
 
(২) কোন ক্ষেত্রে এই অনুচ্ছেদের অধীন কোন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত হইলে অনুরূপ ট্রাইব্যুনালের এখতিয়ারের অন্তর্গত কোন বিষয়ে অন্য কোন আদালত কোনরূপ কার্যধারা গ্রহণ করিবেন না বা কোন আদেশ প্রদান করিবেন না;
 
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদ আইনের দ্বারা কোন ট্রাইব্যুনালের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা বা অনুরূপ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপীলের বিধান করিতে পারিবেন।
৩৮.
'Immoveable property shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth'- The General Clauses Act,1897 এর কত ধারায় এই সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. Section 3(23)
  2. Section 3(25)
  3. Section 3(27)
  4. Section 3(28)
সঠিক উত্তর:
Section 3(25)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 3(25)
ব্যাখ্যা
Section 3(25)
"Immoveable property" shall include land, benefits to arise out of land, and things attached to the earth, or permanently fastened to anything attached to the earth:
 
ধারা ৩(২৫)-
"স্থাবর সম্পত্তি" বলিতে ভূমি, ভূমি হইতে আহরিত সুবিধা, এবং ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন বস্তু, অথবা ভূমির সহিত সংযুক্ত কোন কিছুর সহিত স্থায়ীভাবে আবদ্ধ কোন বস্তুকে অন্তর্ভূক্ত করিবে।
৩৯.
'No man is above the law and no man is below it.' Who said that?
  1. Franklin
  2. Dickens
  3. W. Douglas
  4. Roosevelt
সঠিক উত্তর:
Roosevelt
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Roosevelt
ব্যাখ্যা
• হোয়াইট হাউজের নামকরণকারী যুক্তরাষ্ট্রের ২৬তম ছিলেন Theodore Roosevelt.
 
প্রেসিডেন্ট Theodore Roosevelt -এর এ উক্তিটি সংক্ষেপে প্রশ্নে দেওয়া হয়েছিল, পুরো উক্তিটি হচ্ছে-
'No man is above the law and no man is below it; nor do we ask any man's permission when we ask him to obey it. Obedience to the law is demanded as a right; not asked as a favor.'
 
ন্যায়বিচার সম্পর্কিত উনার আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে-
Justice consists not in being neutral between right and wrong, but in finding out the right and upholding it, wherever found, against the wrong.
৪০.
কোন বিচারপতি 'Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989)' মামলার মূল রায় লিখেছেন?
  1. বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ
  2. বিচারপতি এম.এইচ রহমান
  3. এ.টি.এম আফজাল
  4. বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী
ব্যাখ্যা
৮ম সংশোধনী মামলা:
 
মামলার পূর্ণ নাম: Anwar Hossain Chowdhury vs. Bangladesh (1989) [41 DLR (AD) 165]
অন্য নাম: '৮ম সংশোধনী মামলা বা, 8th Amendment Case.
রায় ঘোষণা: ১৯৮৯ সালের ২ সেপ্টেম্বর আপিল বিভাগ এ মামলার রায় ঘোষণা করে। আপিল বিভাগের ৩:১ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় উক্ত সংশোধনী বাতিল বলে ঘোষিত হয়। এই মামলার মাধ্যমে বাংলাদেশে basic structure of the Constitution নীতি প্রতিষ্ঠিত হয়।
 
মামলার বিচারক: এই মামলায় আপিল বিভাগের ৪ জন বিচারপতি বিচারক ছিলেন।
Author Judge: বিচারপতি বদরুল হায়দার চৌধুরী; মূল রায় লিখেছেন।

Assenting Judges:
(i) বিচারপতি সাহাবুদ্দিন আহমদ এবং
(ii) বিচারপতি এম.এইচ রহমান, Author Judge -এর সাথে একমত পোষণ করেন বলে এই মামলার 'একমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
 
Dissenting Judge: বিচারপতি এটিএম আফজাল ভিন্নমত পোষণ করে রায় দিয়েছিলেন বলে তিনি এই মামলার 'ভিন্নমত পোষণকারী বিচারক' বলে পরিচিত।
৪১.
পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িককে অনধিক কত মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া যায়?
  1. ১ মাস
  2. ৩ মাস
  3. ৬ মাস
  4. ২ মাস
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালতের ডিক্রিকৃত টাকা আদায়ের জন্য দায়িক (judgement debtor)-কে ৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড দেওয়া যায়।
 
• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।
 
ধারা ১৭- ডিক্রি বলবৎকরণ:
 
(১) পারিবারিক আদালত নির্ধারিত ফরমে ও পদ্ধতিতে ডিক্রি প্রদান করিবে এবং উহার বিবরণ নির্ধারিত ডিক্রি রেজিস্টার বহিতে লিপিবদ্ধ করিবে।
 
(২) যদি ডিক্রির দাবি পূরণকল্পে আদালতের সম্মুখে কোনো অর্থ পরিশোধ করা হয় বা কোনো সম্পত্তি হস্তান্তর করা হয়, তাহা হইলে উপরিউক্ত রেজিস্ট্রারে অনুরূপ পরিশোধ বা হস্তান্তরের বিষয় লিপিবদ্ধ করিতে হইবে।
 
(৩) যেক্ষেত্রে ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সম্পর্কিত হয় এবং আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ে ডিক্রিকৃত অর্থ পরিশোধিত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্তরূপ নির্ধারিত সময় অতিবাহিত হইবার ১ (এক) বৎসরের মধ্যে ডিক্রিদার কর্তৃক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ডিক্রিটি বাস্তবায়ন করা হইবে, যথা :
 
(ক) দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন কোনো দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত অর্থের ডিক্রির ন্যায়; অথবা
 
(খ) ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক প্রদত্ত জরিমানা প্রদানের আদেশের ন্যায় এবং উক্তরূপে বাস্তবায়নের পর ডিক্রির আদায়কৃত অর্থ ডিক্রিদারকে প্রদান করিতে হইবে।
 
(৪) উপধারা (৩) এর দফা (ক) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে, পারিবারিক আদালত দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
 
(৫) উপধারা (৩) এর দফা (খ) এর অধীন ডিক্রি বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে পারিবারিক আদালতের বিচারক একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে গণ্য হইবেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির অধীন উক্ত ম্যাজিস্ট্রেটের সকল ক্ষমতা তাহার থাকিবে এবং তিনি ডিক্রিকৃত বকেয়া অর্থ আদায়ের জন্য উক্ত কার্যবিধিতে এ জরিমানা আদায়ের জন্য বর্ণিত পদ্ধতিতে ওয়ারেন্ট জারি করিতে পারিবেন এবং ওয়ারেন্ট জারির পর অপরিশোধিত সম্পূর্ণ ডিক্রিকৃত অর্থ বা উহার কোনো অংশের জন্য রায় দেনাদারকে অনধিক ৩ (তিন) মাস অথবা পরিশোধ হওয়া পর্যন্ত, যাহা পূর্বে ঘটে, কারাদণ্ডের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
 
(৬) যেক্ষেত্রে কোনো ডিক্রি অর্থ পরিশোধ সংক্রান্ত না হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রি দেওয়ানি আদালতের অর্থ সংক্রান্ত ডিক্রি ব্যতীত অন্য কোনো ডিক্রির ন্যায় বাস্তবায়ন করিতে হইবে এবং এতদুদ্দেশ্যে আদালত একটি দেওয়ানি আদালত হিসাবে গণ্য হইবে এবং দেওয়ানি কার্যবিধির অধীন উক্ত আদালতের সকল ক্ষমতা উহার থাকিবে।
 
(৭) ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালত স্বয়ং ডিক্রি বাস্তবায়ন করিবে অথবা ডিক্রি প্রদানকারী আদালত ডিক্রি বাস্তবায়নের জন্য অন্য কোনো পারিবারিক আদালতে উহা বদলি করিতে পারিবে এবং উক্ত ডিক্রি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যে আদালতে বদলি করা হইয়াছে সেই আদালতের ডিক্রি প্রদানকারী পারিবারিক আদালতের সকল ক্ষমতা থাকিবে, যেন উক্ত আদালতই ডিক্রি প্রদান করিয়াছে।
 
(৮) আদালত, উপযুক্ত বিবেচনা করিলে, তৎকর্তৃক প্রদত্ত ডিক্রির অর্থ কিস্তিতে পরিশোধ করিবার আদেশ প্রদান করিতে পারিবে এবং যেরূপ উপযুক্ত মনে করিবে সেইরূপ কিস্তির সংখ্যা নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে।
৪২.
একজন হানাফি মুসলিম পিতা-মাতাকে রেখে মারা যান। তার তাজ্য সম্পত্তিতে পিতা ও মাতার অংশ যথাক্রমে-
  1. পিতা ১/৪, মাতা ৩/৪ অংশ
  2. পিতা ১/৩, মাতা ২/৩ অংশ
  3. পিতা ২/৩, মাতা ১/৩ অংশ
  4. পিতা ২/৪, মাতা ১/৪ অংশ
সঠিক উত্তর:
পিতা ২/৩, মাতা ১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা ২/৩, মাতা ১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
• মুসলিম উত্তরাধিকার আইন-
 
ধরি,
মোট সম্পত্তি = ১ অংশ;
 
মাতার অংশ = ১/৩ [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক), একাধিক ভাই-বোন অনুপস্থিত];
পিতা = অবশিষ্টাংশভোগী [যেহেতু সন্তান, সন্তানের সন্তান (যত নিম্ন হোক) এরূপ কেউ নেই]।
 
অবশিষ্টাংশ = (১ - ১/৩) = ২/৩ অংশ।
 
∴ পিতার অংশ = ২/৩ অংশ।
মাতার অংশ = ১/৩ অংশ।
৪৩.
পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩ এর অধীন সংঘটিত অপরাধ আমলে নেয়ার বিধান কী?
  1. পিতা বা মাতা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ দিতে হবে
  2. আদালত স্ব-উদ্যোগে নিতে পারে
  3. পিতা বা মাতা কর্তৃক মৌখিক অভিযোগ দিতে হবে
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
পিতা বা মাতা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ দিতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পিতা বা মাতা কর্তৃক লিখিত অভিযোগ দিতে হবে
ব্যাখ্যা
• পিতা-মাতার ভরণ-পোষণ আইন, ২০১৩
 
ধারা ৭- অপরাধ বিচারার্থ গ্রহণ ও বিচার
 
(১) Code of Criminal Procedure, 1898 (Act V of 1898) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ ১ম শ্রেণীর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটের আদালতে বিচারযোগ্য হইবে। 
 
(২) কোন আদালত এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধ সংশ্লিষ্ট সন্তানের পিতা বা মাতার লিখিত অভিযোগ ব্যতীত আমলে গ্রহণ করিবে না।
৪৪.
A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera, বিধানটি কোথায় রয়েছে?
  1. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ধারায়
  2. মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর ৩ ধারায়
  3. পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
  4. পারিবারিক সহিংসতা (প্রতিরোধ ও সুরক্ষা) আইন, ২০১০ এর ২১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১২ ধারায়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ আইনের ১২ ধারা অনুযায়ী-
 
(১) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত, উপযুক্ত মনে করিলে, এই আইনের অধীন কোনো মোকদ্দমার কার্যধারার সম্পূর্ণ বা কোনো অংশবিশেষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিতে পারিবে।

[A Family Court may, if it so deems fit, hold the whole or any part of the proceedings under the Ordinance in camera.]
 
(২) যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার কার্যধারা উভয়পক্ষ রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠানের জন্য আদালতকে অনুরোধ করেন, সেইক্ষেত্রে আদালত উহা রুদ্ধদ্বার কক্ষে অনুষ্ঠান করিবে।
৪৫.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ ১৯৬১ এর বিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তি বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে, উক্ত বিবাহ-
  1. বাতিল হবে
  2. অবৈধ হবে
  3. রেজিস্ট্রিকৃত হবে না
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেজিস্ট্রিকৃত হবে না
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
 
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
 
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
 
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
 
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদন্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদন্ড বা উভয়দণ্ড।
৪৬.
Shafi-e- Jar হলো-
  1. সহ অংশীদার
  2. সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক
  3. সম্পত্তির সুবিধাদিতে অংশীদার
  4. স্থাবর সম্পত্তির যৌথ মালিক
সঠিক উত্তর:
সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক
ব্যাখ্যা
• মুসলিম আইনে ৩ শ্রেণির ব্যক্তি আছে যারা অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে। এই ৩ শ্রেণির ব্যক্তি ব্যতীত অন্য কেউ অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে না, তারা হলো-
ক. Shafi sharik বা সহ অংশীদার;
খ. Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক; যেমন: Easement সুবিধা;
গ. Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক।
 
Shafi sharik বা সহ অংশীদার:
Shafi Sharik শব্দের অর্থ হল সহ-অংশীদার। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি উত্তরাধিকার সূত্রে কিংবা ক্রয় সূত্রে কোনো স্থাবর সম্পত্তির যৌথ মালিক হয়, তাদের যে কারো অন্যজন বা অন্যান্য ব্যক্তির বিরুদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার রয়েছে।
 
Shafi Khalit বা সম্পত্তিতে সংলগ্ন সুবিধাদিতে শরিক:
Shafi Khalit অর্থ হল কোনো সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক। যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোনো স্থাবর সম্পত্তিতে সুবিধাদির শরিক হয়, তাহলে যেকোনো ব্যক্তি যার সেরকম সুবিধা রয়েছে, অন্যান্য ব্যক্তি যারা সেরকম সুবিধাদি ভোগ করে এর বিরূদ্ধে অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে। অর্থাৎ যারা সম্পত্তির সুবিধাদিতে শরিক তারাও অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
 
Shafi Jar বা সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক:
Shafi Jar অর্থ হল সংলগ্ন স্থাবর সম্পত্তির মালিক। হানাফি আইন অনুসারে বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
৪৭.
নিম্নের কোনটি বৈধ দানের অত্যাবশ্যক শর্ত নয়?
  1. দাতা কর্তৃক দানের ঘোষণা প্রদান
  2. গ্রহীতা কর্তৃক দান গ্রহণ
  3. দানকৃত সম্পত্তির দখল হস্তান্তর
  4. দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
সঠিক উত্তর:
দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাতার ওয়ারিশগনের সম্মতি
ব্যাখ্যা
• দানকে মুসলিম আইনে হেবা বলা হয়। সাধারণত দানের মাধ্যমে একজন সম্পত্তির মালিক তাঁর ওয়ারিশ কিংবা অন্য যে কাউকে সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারেন। এটি আইন স্বীকৃত। দান করতে হলে দাতার এবং গ্রহীতার সম্পূর্ণ ইচ্ছা ও সম্মতি থাকতে হয়।
 
দান বৈধ হতে হলে ৩টি শর্ত পূরণ করতে হয় –
> দাতা কর্তৃক দানের (ইজাব) ঘোষণা প্রদান।
> গ্রহীতা তার পক্ষ হতে দান গ্রহণ করা বা স্বীকার করা।
> দাতা কর্তৃক গ্রহীতাকে দানকৃত সম্পত্তির দখল প্রদান।

উল্লেখ্য,
দানের ক্ষেত্রে ওয়ারিশগনের সম্মতি আবশ্যক নয়। একজন তার সম্পত্তি যাকে ইচ্ছা এবং যতটুকু পরিমাণ ইচ্ছা জীবদ্দশায় দান করে যেতে পারে। কিন্তু উইলের ক্ষেত্রে ১/৩ অংশের বেশি হস্তান্তর করতে চাইলে, ওয়ারিশগনের সম্মতি নিতে হয়।
৪৮.
'Reversioner' বলতে কী বোঝায়?
  1. মাথাপিছু উত্তরাধিকারী
  2. ভাবী উত্তরাধিকারী
  3. পূর্ববর্তী উত্তরাধিকারী
  4. অংশপিছু উত্তরাধিকারী
সঠিক উত্তর:
ভাবী উত্তরাধিকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাবী উত্তরাধিকারী
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ, ভারত এবং পাকিস্তানে হিন্দুদের মধ্যে দু’ধরনের উত্তরাধিকার পদ্ধতি চালু রয়েছে। যথা- দায়ভাগ পদ্ধতি এবং মিতাক্ষরা পদ্ধতি। দায়ভাগ পদ্ধতি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও আসামে প্রচলিত আছে। দায়ভাগ মতে পিন্ডদানের অধিকারী ব্যক্তি মাত্রই মৃত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী। যারা পিন্ড দিতে পারে তারাই মৃত ব্যক্তির ত্যাজ্য সম্পত্তির ওয়ারিশ বলা হয়। ভারতের অন্যান্য প্রদেশ এবং পাকিস্তানে মিতাক্ষরা পদ্ধতি প্রযোজ্য হয়ে থাকে।
 
উত্তরাধিকারীদের অধিকারের স্বাভাবিকভাবে পুত্রই পিতার সমগ্র সম্পত্তির একক উত্তরাধিকারী হয়। পুত্র একাধিক হলে তারা সকলে মিলে পিতার সম্পত্তিতে উত্তরাধিকার পায়। যে পুত্র মৃত তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র উত্তরাধিকার পায়। পুত্র, পৌত্র এবং প্রপৌত্র যেহেতু সমভাবে পিন্ড দেবার অধিকারী তাই তারা উত্তরাধিকারী হয়। কিন্তু পুত্র জীবিত থাকলে তার পুত্র অর্থাত্‍ পৌত্র পিন্ড দিতে পারেনা। এবং সে কারণে পুত্রের জীবমানে পৌত্র উত্তরাধিকার পায়না। প্রপৌত্রের ক্ষেত্রে ও একই কথা।
 
• বিধবাদের কথা বলা যায় যে, আগে পুত্র, পৌত্র প্রভৃতি থাকলে বিধবা আর কোন উত্তরাধিকার পেত না। বর্তমানে অর্থাত্‍‍ ১৯৩৭ সনের সম্পত্তির উপর হিন্দু নারীর অধিকার আইন পাস হবার পর বিধবাবৃন্দ জীবন স্বত্ব উত্তরাধিকার পায়। 

উত্তরাধিকার সূত্রে পুরুষ যে সম্পত্তি পায় তাতে সে সম্পূর্ণ মালিকানা অর্জন করে। কিন্তু মহিলা শুধু জীবন স্বত্ব পায়। এদের মৃত্যূর পর যার সম্পত্তি তারা পেয়েছিল তার নিকটবর্তী সপিন্ডদের নিকট চলে যায়। এ সকল নিকটবর্তী সপিন্ডদের ভাবী উত্তরাধিকারী (Reversioner) বলা হয়।
৪৯.
দায়ভাগা মতবাদ অনুসারী যৌথ পরিবারের কর্তা নিম্নের কোন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে?
  1. সম্পত্তি হস্তান্তর করা
  2. ঋণ গ্রহণ করা
  3. হিসাব প্রদান করা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগা মতবাদ অনুসারী যৌথ পরিবারের কর্তাদের ক্ষমতা:
পরিবারে তার বিশ্বস্ত ভূমিকার কারণে, কর্তা পরিবার এবং এর ব্যবসার সাধারণ কল্যাণের জন্য সিদ্ধান্ত নেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তার সৎ ভূমিকায়, একজন কর্তা পুরো পরিবারের পক্ষে সিদ্ধান্ত নেন এবং ক্ষমতা ভোগ করেন যা তাকে অনুমতি দেয়:
 
১. চুক্তিতে প্রবেশ করা;
২. পারিবারিক উদ্দেশ্যে ঋণ নেওয়া;
৩. ঋণ স্বীকার করা;
৪. সালিশের জন্য বিষয় উল্লেখ করা;
৫. মামলা পরিচালনা করা;
৬. যৌথ পরিবারের সম্পত্তি বিচ্ছিন্ন করা;
৭. স্যুট ইত্যাদিতে ব্যবসার প্রতিনিধিত্ব করা;
৮. সম্পত্তি হস্তান্তর করা;
৯. হিসাব প্রদান করা।
৫০.
এক হিন্দু ব্যক্তি একজন জীবিত পুত্র, দুইজন কন্যা এবং এক মৃত পুত্রের পুত্র রেখে মারা যান। পুত্রের অংশ-
  1. সম্পূর্ণ অংশ
  2. ১/৩ অংশ
  3. ১/২ অংশ
  4. ২/৩ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/২ অংশ
ব্যাখ্যা
• এখানে, প্রতিনিধিত্বের নীতি অনুযায়ী পুত্র ও মৃত পুত্রের পুত্র সমপরিমাণ সম্পত্তি পাবে। মৃত পুত্রের পুত্র, তার পিতার অংশের প্রতিনিধিত্ব করবে। অর্থাৎ, জীবিত পুত্র এবং মৃত পুত্রের পুত্র ১/২ অংশ করে পাবে।

উল্লেখ্য, হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী না থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে। তবে সম্পত্তি পেলেও উক্ত সম্পত্তির শুধুমাত্র জীবনস্বত্ব (Life Interest) ভোগ করতে পারবে। মৃত্যুর পর উক্ত সম্পত্তি ছেলে উত্তরাধিকারীর নিকট চলে যাবে।
৫১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর অধীন মিথ্যা অভিযোগ দায়েরের শাস্তি অনধিক কত বছর কারাদণ্ড?
  1. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. ৩ বছর বিনাশ্রম বা সশ্রম কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ২ বছর বিনাশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের ইত্যাদির শাস্তি-
 
(১) যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই আইনের অন্য কোন ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ করার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ নাই জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান তাহা হইলে মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(২) কোন ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (১) এর অধীন সংঘটিত অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
 
Section 17: Punishment for filing any false case, complaint etc.
 
i. If any person files or causes to be filed any case or complaint against a person under this Act for the purpose of causing injury to that person, although he knows that he had not any proper or; legal ground to do so, the person filing or causing to be filed that case or complain shall be punished with rigorous imprisonment for either description which may extend to seven years and also with fine.
 
ii. The Tribunal can take cognizance and adjudicate any offence under subsection (і), on a written application by any person.
৫২.
সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর অধীন একজন হ্যাকার সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হতে পারেন?
  1. ৩ কোটি
  2. ১ কোটি
  3. ৫ কোটি
  4. ৫০ লক্ষ
সঠিক উত্তর:
১ কোটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ কোটি
ব্যাখ্যা
• ধারা ৩২- হ্যাকিং সংক্রান্ত অপরাধ ও দণ্ড:
 
যদি কোনো ব্যক্তি হ্যাকিং করেন, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য তিনি অনধিক ১৪ (চৌদ্দ) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ১ (এক) কোটি টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
 
ব্যাখ্যা- এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, “হ্যাকিং” অর্থ-

(ক) কম্পিউটার তথ্য ভাণ্ডারের কোনো তথ্য চুরি, বিনাশ, বাতিল, পরিবর্তন বা উহার মূল্য বা উপযোগিতা হ্রাসকরণ বা অন্য কোনোভাবে ক্ষতিসাধন; বা

(খ) নিজ মালিকানা বা দখলবিহীন কোনো কম্পিউটার, সার্ভার, কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক সিস্টেমে অবৈধভাবে প্রবেশের মাধ্যমে উহার ক্ষতিসাধন।
৫৩.
শিশু আইন, ২০১৩ এর অধীন 'শিশু'র বয়স অনূর্ধ্ব কত বছর?
  1. ১৬ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৮ বছর
  4. ২১ বছর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮ বছর
ব্যাখ্যা
শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪ ধারা-
 
বিদ্যমান অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, এই আইনের উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, অনুর্ধ্ব ১৮ (আঠার) বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য হইবে।
৫৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় হয়রানিমূলক তল্লাশির শাস্তির বিধান রয়েছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৩১ ধারায়
  3. ৩৯ ধারায়
  4. ৪১ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৯ ধারায়
ব্যাখ্যা
• মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ৩৯ অনুসারে, যদি তল্লাশি, আটক অথবা গ্রেফতার করিবার ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো অফিসার- 

(ক) সন্দেহ করিবার যুক্তিসংগত কোনো কারণ ব্যতিরেকে তল্লাশির নামে কোনো স্থানে প্রবেশ করেন ও তল্লাশি চালান, 

(খ) হয়রানিমূলকভাবে বাজেয়াপ্তযোগ্য কোনো বস্তু তল্লাশি করিবার নামে কোনো ব্যক্তির কোনো সম্পদ আটক করেন, এবং 

(গ) কোনো ব্যক্তিকে হয়রানিমূলক তল্লাশি করেন অথবা গ্রেফতার করেন, তাহা হইলে তিনি অনূর্ধ্ব ১ (এক) বৎসর কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবে।
৫৫.
দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে কমিশন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাকে তথ্য সরবরাহ করার জন্য নির্দেশ দিতে পারে?
  1. যে কোন ব্যক্তিকে
  2. সাক্ষীকে
  3. অভিযুক্তকে
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
যে কোন ব্যক্তিকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে কোন ব্যক্তিকে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৯: অনুসন্ধান বা তদন্তকার্যে কমিশনের বিশেষ ক্ষমতা:
 
(১) দুর্নীতি সম্পর্কিত কোন অভিযোগের অনুসন্ধান বা তদন্তের ক্ষেত্রে, কমিশনের নিম্নরূপ ক্ষমতা থাকিবে, যথা:- 
(ক) সাক্ষীর প্রতি নোটিশ জারী ও উপস্থিতি নিশ্চিতকরণ এবং সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা; 
(খ) কোন দলিল উদ্‌ঘাটন এবং উপস্থাপন করা; 
(গ) সাক্ষ্য গ্রহণ; 
(ঘ) কোন আদালত বা অফিস হইতে পাবলিক রেকর্ড বা উহার অনুলিপি তলব করা; 
(ঙ) সাক্ষীর জিজ্ঞাসাবাদ এবং দলিল পরীক্ষা করার জন্য নোটিশ জারী করা; এবং 
(চ) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, নির্ধারিত অন্য যে কোন বিষয়।
 
(২) কমিশন, যে কোন ব্যক্তিকে অনুসন্ধান বা তদন্ত সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কোন তথ্য সরবরাহ করিবার জন্য নির্দেশ দিতে পারিবে এবং অনুরূপভাবে নির্দেশিত ব্যক্তি তাহার হেফাজতে রক্ষিত উক্ত তথ্য সরবরাহ করিতে বাধ্য থাকিবেন।
 
(৩) কোন কমিশনার বা কমিশন হইতে বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন কর্মকর্তাকে উপ-ধারা (১) এর অধীন ক্ষমতা প্রয়োগে কোন ব্যক্তি বাধা প্রদান করিলে বা উক্ত উপ-ধারার অধীন প্রদত্ত কোন নির্দেশ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন ব্যক্তি অমান্য করিলে উহা দণ্ডনীয় অপরাধ হইবে এবং উক্ত অপরাধের জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি অনূর্ধ্ব ৩ (তিন) বত্সর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের কারাদণ্ডে বা অর্থদণ্ডে বা উভয় প্রকার দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন৷
৫৬.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন ২০১২ এ সংঘবদ্ধ মানব পাচার গোষ্ঠীর প্রত্যেক অপরাধ সংঘটনকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি-
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. ৭ বছর কারাদণ্ড
  4. ১৪ বছর কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
ধারা ৭- সংঘবদ্ধ মানব পাচার অপরাধের দণ্ড:
 
কোন সংঘবদ্ধ গোষ্ঠীর একাধিক সদস্য গোষ্ঠীর সকল সদস্যের সাধারণ অভিপ্রায় সাধনের উদ্দেশ্যে কোন আর্থিক বা অন্য কোনো বস্তুগত বা অবস্তুগত মুনাফা অর্জনের নিমিত্ত এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটন করিলে, উক্ত গোষ্ঠীর প্রত্যেক সদস্য উক্ত অপরাধ সংঘটনের দায়ে অভিযুক্ত হইবে এবং অপরাধ সংঘটনকারী ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে বা অন্যূন ৭(সাত) বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে এবং অন্যূন ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৫৭.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীন ক্ষতিপূরণের অর্থ __________ হিসাবে আদায়যোগ্য হবে।
  1. রাজস্ব
  2. সরকারী দাবী
  3. ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষের দাবী
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সরকারী দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী দাবী
ব্যাখ্যা
• আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ৪ ধারার বিধান অপরাধের শাস্তি: 
 
(১) কোন ব্যক্তি কোন আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ করিলে তিনি অন্যুন দুই বৎসর এবং অনধিক সাত বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন৷
 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন দণ্ডপ্রাপ্ত কোন ব্যক্তি অপরাধ সংঘটনকালে সরকার কিংবা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা কোন প্রতিষ্ঠান বা কোন ব্যক্তির আর্থিক ক্ষতিসাধন করিলে তদ্‌জন্য আদালত তদ্‌বিবেচনায় উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ ক্ষতিগ্রস্ত সরকার বা সংবিধিবদ্ধ সংস্থা বা প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তির অনুকূলে প্রদান করিবার জন্য উক্ত দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তিকে আদেশ দিতে পারিবে এবং এই ক্ষতিপূরণের অর্থ সরকারী দাবী হিসাবে আদায়যোগ্য হইবে
৫৮.
আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর ৪ অনুচ্ছেদের অধীন কোন ধরনের ব্যক্তি আইনগত পরামর্শ গ্রহণের জন্য যোগ্য হবেন?
  1. যে কোন ব্যক্তি
  2. আর্থিকভাবে অসচ্ছল ব্যক্তি
  3. কর্মে অক্ষম ব্যক্তি
  4. বয়স্ক ব্যক্তি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে "আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর ৪ অনুচ্ছেদ" এর পরিবর্তে "আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪ এর ৩ অনুচ্ছেদ" হওয়ার কথা ছিল।
প্রশ্নে ভাষাগত সমস্যা থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে। 

উল্লেখ্য - এই নীতিমালায় ৩টি অনুচ্ছেদই রয়েছে। ৪ অনুচ্ছেদ নেই।
-----------------------

• আইনগত সহায়তা প্রদান নীতিমালা, ২০১৪:
 
অনুচ্ছেদ ৩: তথ্য সেবা গ্রহণ, ইত্যাদি-
 
অনুচ্ছেদ ২ এ বর্ণিত বিধান সত্ত্বেও যে কোন ব্যক্তি, তাহার আর্থিক সামর্থ্য যাই হোক না কেন, সরকারি আইনগত সহায়তা কর্মসূচির আওতায় পরিচালিত আইনগত তথ্য সেবা গ্রহণ, আইনগত পরামর্শ গ্রহণ কিংবা বিকল্প পদ্ধতিতে বিরোধ নিষ্পত্তির সেবা গ্রহণের জন্য যোগ্য বলিয়া বিবেচিত হইবেন।
৫৯.
No appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than ______ per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.
  1. 5
  2. 10
  3. 30
  4. 50
সঠিক উত্তর:
50
উত্তর
সঠিক উত্তর:
50
ব্যাখ্যা
The Negotiable Instruments Act, 1881

Section 138A- Restriction in respect of appeal:

Notwithstanding anything contained in the Code of Criminal Procedure, 1898, no appeal against any order of sentence under sub-section (1) of section 138 shall lie, unless an amount of not less than fifty per cent of the amount of the dishonoured cheque is deposited before filing the appeal in the court which awarded the sentence.

অর্থাৎ ১৩৮ ধারার আওতায় প্রদত্ত শাস্তির আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার পূর্বে প্রত্যাখ্যাত চেকের পরিমাণের ৫০% অর্থ দণ্ড প্রদানকারী আদালতের নিকট জমা দিতে হবে।
৬০.
বিশেষ ক্ষমতা আইনের ধারা ২৫খ (২) তে বর্ণিত অপরাধের শাস্তি কী?
  1. মৃত্যুদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ৫ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১৪ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ৭ বছর কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
The Special Powers Act, 1974

ধারা ২৫খ (২):
 
নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশে এনে বিক্রি, বা বিক্রির উদ্দেশ্যে প্রস্তাব বা প্রদর্শন, অথবা নিজ অধিকারে বা নিয়ন্ত্রণে রাখার অপরাধ করলে, উক্ত অপরাধের শাস্তি সর্বোচ্চ ৭ এবং সর্বনিম্ন ১ বছরের কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।
 
Section 25B(2)- Penalty for smuggling
Whoever sells, or offers or displays for sale, or keeps in his possession or under his control for the purpose of sale, any goods the bringing of which into Bangladesh is prohibited by or under any law for the time being in force shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to seven years and shall not be less than one year, and shall also be liable to fine.
৬১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারায় আদালত কয় ভাবে 'Preventive relief' মঞ্জুর করতে পারে?
  1. দুই ভাবে
  2. চার ভাবে
  3. তিন ভাবে
  4. পাঁচ ভাবে
সঠিক উত্তর:
দুই ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুই ভাবে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫২ ধারার বিধান- নিরোধমূলক প্রতিকার যেভাবে মঞ্জুর করা হয়:

আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে অস্থায়ী বা চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরোধক প্রতিকার মঞ্জুর করা হয়।

আদালত নিম্নোক্ত ২ ভাবে প্রতিরোধমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করতে পারেন-
১) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Temporary injunctions) জারির মাধ্যমে বা
২) চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Perpetual injunctions) জারির মাধ্যমে।
 
⇒ Section 52- Preventive relief how granted:
Preventive relief is granted at the discretion of the Court by injunction, temporary or perpetual. 
৬২.
দেওয়ানি আদালত সমূহের আর্থিক এখতিয়ার কোন আইনে উল্লেখ আছে?
  1. The Civil Courts Act, 1887
  2. The Code of Civil Procedure, 1908
  3. The Court Fees Act, 1870
  4. The Specific Relief Act, 1877
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Civil Courts Act, 1887
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানী আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়।
 
• The Civil Courts Act, 1887 আইনের ১৯ ধারার বিধান অনুযায়ী-
 
⇒ সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা
⇒ সিনিয়র সহকারী জজের আর্থিক এখতিয়ার ১৫ লক্ষ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা
⇒ যুগ্ম জেলা জজ ২৫ লক্ষ টাকার অধিক মূল্যমানের; মোকদ্দমার বিচার করতে পারে।
৬৩.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ নং আদেশের কত বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধের বিধান রয়েছে?
  1. ১নং বিধিতে
  2. ৪নং বিধিতে
  3. ৬নং বিধিতে
  4. ৮নং বিধিতে
সঠিক উত্তর:
৬নং বিধিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬নং বিধিতে
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮নং আদেশের ৬নং বিধিতে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফের বিধান রয়েছে। অর্থ আদায়ের মোকদ্দমায় বিবাদী যদি পূর্বেই বাদীর নিকট কোন পরিমাণ অর্থ পাওনা থাকে, তবে বাদীর দাবীকৃত অর্থের সাথে বিবাদীর দাবীকৃত অর্থের সমন্বয় করার জন্য বিবাদী যে আবেদন করে তাকে পারস্পরিক দায়শোধ বা সেট অফ বলে।
 
৮ নং আদেশের বিধি-৬ঃ লিখিত বর্ণনায় পারস্পরিক দায় শোধের বিবরণ দিতে হবে—

১) যেক্ষেত্রে টাকা প্রদায় করার দাবীতে পেশকৃত মোকদ্দমায় বাদির নিকট হতে তার প্রাপ্য টাকা পরিশোধ করত বাদীর দাবী পরিশোধ করতে চায়, উক্ত প্রাপ্য টাকার পরিমাণ যদি আদালতের এখতিয়ারের বাইরে না হয় এবং বাদির মোকদ্দমার ন্যায় বিবাদির দাবীর ক্ষেত্রেও উভয় পক্ষ একই বৈশিষ্ট্যে পড়ে, তাহলে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির তারিখেই বিজ্ঞ আদালতের অনুমতি ব্যতিরেকে তার পরে নয়, বিবাদি তার পাওনা টাকার বিবরণ সম্বলিত একটি লিখিত বিবৃতি দাখিল করতে পারবে।
 
২) পারস্পরিক দাবী শোধের তাৎপর্যঃ আদালতকে মূল দাবী ও পারস্পরিক দাবী সমন্বয় সঙ্গে চূড়ান্ত রায় ঘোষণা দিতে ক্ষমতা প্রদান করতে পারে এমন ধরণের পাল্টা মোকদ্দমার আরজির ন্যায় লিখিত বর্ণনার একই প্রকার ক্রিয়া হবেঃ
কিন্তু ডিক্রির টাকার উপর ডিক্রির অধীনে এদের খরচা বাবদ কোন উকিলের দাবী থাকলে তা এতদ্বারা প্রভাবিত হবে না।
 
৩) পারস্পরিক দাবী সমন্বয়ের দাবীতে বিবাদির লিখিত বর্ণনা সম্পর্কিত নিয়মাবলীসমূহ প্রদত্ত বিবৃতির উত্তর দানের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।
৬৪.
পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা পরবর্তী মামলার _________ বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
  1. মূল
  2. প্রত্যক্ষ
  3. পরোক্ষ
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ ধারায় দোবারা দোষ নীতিটি [Res Judicata] আলোচনা করা হয়েছে। রেস জুডিকাটা নীতির মূল কথা হলো এখতিয়ারসম্পন্ন আদালত কর্তৃক চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত কোন বিচারিত বিষয়কে পরবর্তীতে পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারায় ৬টি ব্যাখা দেয়া হয়েছে।
 
• ১১ ধারার ৪ নং ব্যাখ্যায় পরোক্ষ দোবারা দোষ [constructive res judicata] আলোচনা করা হয়েছে। এই নীতি অনুসারে, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা হওয়া উচিত ছিল, তা উক্ত মামলার প্রত্যক্ষ বা মূল বিবেচ্য বিষয় ছিল বলে ধরে নিতে হবে।
[Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been, matter directly and substantially in issue in such suit].
 
অর্থাৎ পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয়টি আত্মপক্ষসমর্থন বা বিপক্ষের যুক্তিখন্ডনের জন্য ব্যবহৃত হতে পারতো বা উচিত ছিল, কোনো পক্ষই যদি তা ব্যবহার না করে থাকে, তবে পরবর্তী মোকদ্দমায় উক্ত বিষয়ের উদ্ভব হলে পরবর্তী মোকদ্দমাটি পরোক্ষ দোষে দুষ্ট হবে।
৬৫.
কোনো পক্ষ কর্তৃক নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি ইচ্ছাকৃতভাবে অমান্য করা হলে, তা জারির ক্ষেত্রে কোন ব্যবস্থা অবলম্বন করা যাবে?
  1. উক্ত পক্ষকে দেওয়ানি জেলে আটক করে
  2. উক্ত পক্ষের সম্পত্তি ক্রোক করে
  3. উক্ত পক্ষের সম্পত্তি বিক্রয় করে
  4. দেওয়ানি জেলে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয় ভাবে
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয় ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি জেলে আটক বা সম্পত্তি ক্রোক বা উভয় ভাবে
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ২১ বিধি-৩২: সুনির্দিষ্ট সম্পাদন, দাম্পত্য অধিকার পুনরুদ্ধার বা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি-

যেক্ষেত্রে কোন পক্ষের বিরুদ্ধে কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের জন্য বা দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য কিংবা নিষেধাজ্ঞার জন্য ডিক্রি প্রদত্ত হয়েছে এবং সে পক্ষ উক্ত ডিক্রি মান্য করার সুযোগ পেয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে তার মান্য করতে অবহেলা করেছে, সেক্ষেত্রে দাম্পত্য স্বত্ব পুনরুদ্ধারের জন্য ডিক্রির ক্ষেত্রে তার সম্পত্তি ক্রোক করে কিংবা কোন চুক্তির সুনির্দিষ্ট সম্পাদনের বা নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির ক্ষেত্রে তাকে দেওয়ানি জেলে আটকের দ্বারা কিংবা তার সম্পত্তি ক্রোক করে বা উভয় প্রকারে ডিক্রি বলবৎ করা যেতে পারে।

Order 21 Rule.-32: Decree for specific performance, for restitution of conjugal rights, or for an injunction.-
Where the party against whom a decree for the specific performance of a contract, or for restitution of conjugal rights, or for an injunction, has been passed, has had an opportunity of obeying the decree and has wilfully failed to obey it, the decree may be enforced in the case of a decree for restitution of conjugal rights by the attachment of his property or, in the case of a decree for the specific performance of a contract or for an injunction by his detention in the civil prison, or by the attachment of his property, or by both.
৬৬.
আরজিতে দাবিকৃত প্রতিকারের মূল্য কম দেখালে আদালত তা সংশোধনের জন্য অনধিক ______ দিন সময় দিতে পারে।
  1. ১০
  2. ১৪
  3. ৩০
  4. ২১
সঠিক উত্তর:
২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৭ বিধি- ১১ এর বিধান আরজি নাকচ বা প্রত্যাখ্যান:  নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আরজি প্রত্যাখ্যান করা হবে-

ক) যেক্ষেত্রে এটা মোকদ্দমার কারণ প্রকাশ করেনি;

খ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকার কম মূল্যায়িত হয় এবং আদালতের নির্দেশ মত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা সংশোধন করতে ব্যর্থ হয়েছে;

গ) যেক্ষেত্রে দাবিকৃত প্রতিকারের যথার্থই মূল্যায়ন করা হয়েছে; কিন্তু প্রয়োজন অপেক্ষা কম মূল্যের স্ট্যাম্পযুক্ত কাগজে আরজি লেখা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশমত বাদী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়েছে;

ঘ) যেক্ষেত্রে আরজির বিবৃতি অনুযায়ী উক্ত মোকদ্দমা কোন আইন দ্বারা বারিত বলে প্রতীয়মান হয়;
 
তবে শর্ত থাকে যে,
মোকদ্দমার মূল্যমান বা আবশ্যকীয় স্ট্যাম্প কাগজ সংশোধন করার জন্য আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময় কোনক্রমেই ২১ দিনের অধিক হবে না।