পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

পরীক্ষা৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়14 minutes
মোট প্রশ্ন২৬
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৮ বাংলা ব্যাকরণ টপিকসমূহ: ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) ৩. বাক্য প্রকরণ (যতিচিহ্ন ও এর ব্যবহার; প্রয়োগ ও অপ্রয়োগ) উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived

৪৫ দিনে ৫০তম বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৬ প্রশ্ন

.
'ব্যঞ্জন' শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. ব্যান্‌জোন্‌
  2. ব্যান্‌জন্‌
  3. বেন্‌জোন্‌
  4. ব্যাঞ্জোন্‌
সঠিক উত্তর:
ব্যান্‌জোন্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যান্‌জোন্‌
ব্যাখ্যা
ঞ-এর উচ্চারণ তিন রকম হয়:

স্বতন্ত্র 'ঞ :ইঁঅ-এর মতো:
- মিঞ (মিঁয়ো), মিঞা (মিঁয়া)।

যুক্ত ঞ + চ/ছ/জ/ঝ: ন-এর মতো:
- অঞ্চল (অন্‌চল্), বাঞ্ছা (বান্‌ছা), ব্যঞ্জন (ব্যান্‌জোন্‌)

যুক্ত জ+ঞ: গ্‌ঁ বা গ্‌র্গঁ-এর মতো:
- জ্ঞান (গ্যান্‌ঁ), যজ্ঞ (জোগ্‌গোঁ)।

উত্তর: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
"পদস্খলন" শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. পদাঃ + স্খলন
  2. পদঃ + লন
  3. পদঃ + খলন
  4. পদ + স্খলন
সঠিক উত্তর:
পদঃ + খলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পদঃ + খলন
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
- অঘোষ অল্পপ্রাণ ও অঘোষ মহাপ্রাণ কণ্ঠ্য কিংবা ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন (ক, খ, প, ফ) পরে থাকলে অ বা আ ধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘোষ দন্ত্য শিশ ধ্বনি (স্) হয় এবং অ বা আ ব্যতীত অন্য স্বরধ্বনির পরস্থিত বিসর্গ স্থলে অঘোষ মূর্ধন্য শিশু ধ্বনি (ষ) হয়।

যেমন:
- নমঃ + কার = নমস্কার, 
- পদঃ + খলন = পদস্খলন, 
- নিঃ + কর = নিষ্কর, 
- দুঃ + কর = দুষ্কর, 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
কোনটি কণ্ঠ তালব্য ধ্বনি?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
এ, ঐ - কণ্ঠ তালব্য ধ্বনি।

তালব্য ধ্বনি:

- জিভের পাতা উঁচু করে অগ্রতালুর সঙ্গে লাগিয়ে যেসব ধ্বনি উচ্চারণ করা হয় তাদের তালব্য ধ্বনি বলা হয়।

'ই' বর্ণ:
- বাংলা স্বরবর্ণমালার তৃতীয় বর্ণ।
- সংস্কৃতে এটি হ্রস্বস্বর; এর উচ্চারণ-স্থান তালু।

- স্বরবর্ণের মধ্যে তালব্য বর্ণ হচ্ছে - ই, ঈ।
- ব্যঞ্জণ বর্ণে তালব্য ধ্বনি - চ, ছ, জ, ঝ, ঞ।
• উ, ঊ - ওষ্ঠ্য ধ্বনি।
• ও, ঔ - কণ্ঠৌষ্ঠ ধ্বনি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোন শব্দে সন্ধিজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে?
  1. প্রাতরাশ
  2. মুখছবি
  3. উপর্যুক্ত
  4. মহিমমণ্ডিত
সঠিক উত্তর:
মুখছবি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুখছবি
ব্যাখ্যা
• 'মুখছবি' শব্দটিতে সন্ধিজনিত অপপ্রয়োগ ঘটেছে। এর শুদ্ধ প্রয়োগ হচ্ছে 'মুখচ্ছবি'।
- শব্দটির সন্ধিবিচ্ছেদ - মুখ + ছবি = মুখচ্ছবি।

অন্যদিকে,
- উপর্যুক্ত,
- মহিমমণ্ডিত ,
- প্রাতরাশ।
শব্দ গুলোর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা ড. হায়াৎ মামুদ।
.
কোনটি চলিত শব্দ?
  1. হস্তী
  2. পাখি
  3. চন্দ্র
  4. মৎস্য
সঠিক উত্তর:
পাখি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাখি
ব্যাখ্যা
কিছু বিশেষ্যপদের রূপের পার্থক্য:
সাধু-চলিত:
→ অগ্নি - আগুন,
→ কর্ণ - কান,
→ চন্দ্র - চাঁদ,
→ দন্ত - দাঁত,
পক্ষী - পাখি,
→ ব্যাঘ্র - বাঘ,
→ মৎস্য - মাছ,
→ হস্তী - হাতি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত?
  1. ঠিক
  2. প্রয়োজন
  3. স্বাস্থ্য
  4. সময়কাল
সঠিক উত্তর:
সময়কাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সময়কাল
ব্যাখ্যা
• 'সময়কাল' সমার্থক শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ।
- শব্দটির শুদ্ধ প্রয়োগ - সময় / কাল।

অন্যদিকে,
- স্বাস্থ্য,
- প্রয়োজন,
- ঠিক।
শব্দ গুলোর সঠিক প্রয়োগ হয়েছে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা, অর্ধ-মাত্রা ও মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা যথাক্রমে-
  1. ৩২, ৮, ১০
  2. ৩০, ৮, ১২
  3. ৩২, ৭, ১১
  4. ৩১, ৯, ১০
সঠিক উত্তর:
৩২, ৮, ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩২, ৮, ১০
ব্যাখ্যা
মাত্রাভেদে বর্ণমালা:
- বাংলা বর্ণমালায় পূর্ণমাত্রা বর্ণের সংখ্যা- ৩২টি।
- বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা- ৮টি।
- বাংলা বর্ণমালায় মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা- ১০টি।

উল্লেখ্য,
মাত্রাভেদে ব্যঞ্জনবর্ণ:
- ব্যঞ্জনবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা- ২৬টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা- ৭টি।
- ব্যঞ্জনবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণের সংখ্যা- ৬টি।

মাত্রাভেদে স্বরবর্ণ:
- স্বরবর্ণে পূর্ণমাত্রার বর্ণের সংখ্যা- ৬টি।
- স্বরবর্ণে অর্ধমাত্রার বর্ণ সংখ্যা- ১টি।
- স্বরবর্ণে মাত্রাহীন বর্ণ সংখ্যা- ৪টি।

উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
.
কোন শব্দে "এ" বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ ঘটেছে?
  1. কেন
  2. যেন
  3. খেলা
  4. কেটলি
সঠিক উত্তর:
কেটলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেটলি
ব্যাখ্যা
এ-এর দু রকম উচ্চারণ হয়:

স্বাভাবিক (এ-এর মতো):
- একটি (এক্‌টি ), কেক (কেক্‌), কেটলি (কেট্লি), মেয়ে (মেয়ে), বেগুন (বেগুন্‌), মেষ (মেশ্)।

সংবৃত বা পরিবর্তিত (অ্যা-এর মতো):
এক (অ্যাক্), খেলা (খ্যালা), বেলা (ব্যালা), কেন (ক্যানো), যেন (য্যানো)।

বর্ণের উচ্চারণ:
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মূল ধ্বনিকে প্রকাশ করার জন্য রয়েছে ৫০টি মূল বর্ণ। এর মধ্যে অধিকাংশ বর্ণের উচ্চারণ মূল ধ্বনির অনুরূপ।
- কয়েকটি বর্ণের একাধিক উচ্চারণ রয়েছে। আবার কয়েকটি ক্ষেত্রে একাধিক বর্ণের উচ্চারণ অভিন্ন।
- ধ্বনিগুলাে দিয়ে শব্দ তৈরি হওয়ার সময়ে পাশের ধ্বনির প্রভাবে বর্ণের উচ্চারণ অনেক সময়ে বদলে যায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) ও বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
.
কোনটি সাধুরীতির শব্দ?
  1. তার
  2. কেউ
  3. এই
  4. একে
সঠিক উত্তর:
এই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এই
ব্যাখ্যা
সর্বনামপদের রূপের পার্থক্য:
সাধু-চলিত:
→ এই-এ,
→ ইহা-এ,
→ ইহাকে-একে,
→ ইহাদের এদের,
→ উহা-ও,
→ উহাদিগের-ওদের,
→ কাহাকে-কাকে,
→ কেহ-কেউ,
→ তাহা-তা,
→ তাহার-তার ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১০.
কোন শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ?
  1. সমূলসহ
  2. নিরপরাধী
  3. দুরাদৃষ্ট
  4. লঘিষ্ঠ
সঠিক উত্তর:
লঘিষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লঘিষ্ঠ
ব্যাখ্যা
• 'লঘিষ্ঠ' - শব্দটির প্রয়োগ শুদ্ধ।

অন্যদিকে,
• 'দুরাদৃষ্ট' শব্দটির সন্ধিজনিত অপপ্রয়োগ হয়েছে।
- এর শুদ্ধরূপ: দুরদৃষ্ট।

• 'নিরপরাধী'
- শব্দটির সমাস-ঘটিত অপপ্রয়োগ হয়েছে।
- এর শুদ্ধরূপ: নিরপরাধ।

• 'সমূলসহ'
- শব্দটির সমার্থ শব্দের বাহুল্যজনিত অপপ্রয়োগ হয়েছে।
- এর শুদ্ধরূপ: সমূল / মূলসহ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১১.
'ক্ষুন্নিবৃত্তি' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?
  1. ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি
  2. ক্ষুধা + নিবৃত্তি
  3. ক্ষুধঃ + নিবৃত্তি
  4. ক্ষুন্নি + বৃত্তি
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
- আগে ৎ বা দ্‌ এবং ন্‌ / ম্‌ থাকলে ৎ বা দ্‌ স্থানে 'ন্‌' হয়, এবং পরের ন-এর সঙ্গে মিলে 'ন্ন' কিংবা ম-এর সঙ্গে মিলে 'ন্ম' হয়। কিন্তু, ৎ / দ্-এর পর ল্ থাকলে ৎ / দ্ সন্ধিতে 'ল্‌' হয় এবং ল্ পরের ল-এর সঙ্গে মিলে 'ল্ল' হয়।

যেমন:
- উৎ + নীত = উন্নীত,
- ক্ষুধ্‌ + নিবৃত্তি = ক্ষুন্নিবৃত্তি,
- তদ্‌ + মাত্র = তন্মাত্র,
- উৎ + লাস = উল্লাস।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
কোন দুইটিকে অন্তঃস্থ বর্ণ বলা হয়?
  1. য এবং র
  2. ন এবং ম
  3. শ এবং হ
  4. য এবং স
সঠিক উত্তর:
য এবং র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
য এবং র
ব্যাখ্যা
য, ব, র, ল বর্ণগুলোকে অন্তঃস্থ ধ্বনি বা অন্তঃস্থ বর্ণ বলে।

অন্তঃস্থ ধ্বনি:
- যেসব ধ্বনিগুলো স্পর্শধ্বনি ও উষ্ণধ্বনির অন্তর্বর্তী স্থানে অর্থাৎ মাঝে অবস্থিত থাকে, তাদেরকে অন্তঃস্থ ধ্বনি বলে।
যেমন- য, র, ল, ব।

উল্লেখ্য,
অন্তঃস্থ 'ব' এখন আর বর্ণমালায় নেই এবং শব্দে স্বাধীনভাবে ব্যবহৃত হয় না। তবে ব্যাকরণের বিভিন্ন ক্ষেত্রে, বিশেষত সন্ধিতে এর প্রয়োগ দেখা যায়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিত, নবম-দশম শ্রেণি, (সংস্করণ ২০২১)।
১৩.
যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে তাদের আগে কোন চিহ্ন বসে?
  1. সেমিকোলন
  2. কোলন ড্যাশ
  3. কোলন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেমিকোলন
ব্যাখ্যা
সেমিকোলন (;):
- একাধিক বাক্যের মধ্যে নিকট সম্পর্ক থাকলে তাদের মাঝে যোগসূত্র রক্ষার জন্য সেমিকোলন ব্যবহার করা হয়।
- সেমিকোলনচিহ্ন কমার চেয়ে দ্বিগুণ সময় বিরতি নেয়।
যেমন:

১. দুটো বাক্যের মধ্যে ভাব বা অর্থের সম্বন্ধ থাকলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- দিনটা ভালো নয়; মাঝে মাঝে বৃষ্টি পড়ছে।
- কথাটা বলা সহজ; করা কঠিন।

২. একাধিক বাক্য সংযোজক অব্যয়ের দ্বারা যুক্ত না হলে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- আগে স্কুলের পড়া; পরে গল্পের বই।

৩. যেসব অব্যয় বৈপরীত্য বা অনুমান প্রকাশ করে, তাদের আগে সেমিকোলন বসে।
যেমন:
- মনোযোগ দিয়ে পড়; তাহলেই ভালো ফল করবে।
- ছেলেটি মেধাবী; কিন্তু ভারি অলস।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৪.
কোনটি চলতিরীতির শব্দ?
  1. করেছে
  2. গিয়াছিল
  3. চাহিয়া
  4. আসিয়া
সঠিক উত্তর:
করেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
করেছে
ব্যাখ্যা
ক্রিয়াপদের রূপের পার্থক্য:
সাধু - চলিত,
→ আসিয়া - এসে,
→ করিয়া - করে,
→ করিয়াছে - করেছে,
→ খাইতেছিল - খাচ্ছিল,
→ গিয়াছিল - গেছিল,
→ ঘুমাইতেছে - ঘুমাচ্ছে,
→ চাহিয়া - চেয়ে।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।
১৫.
"অনাথ" শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. ওনাথ্‌
  2. অনোথ্‌
  3. অনআথ্‌
  4. অনাথ্‌
সঠিক উত্তর:
অনাথ্‌
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাথ্‌
ব্যাখ্যা
'অ' বর্ণের উচ্চারণ:
- অ বর্ণের উচ্চারণ দুই রকম: [অ] এবং [ও]।
- সাধারণ উচ্চারণ [অ], কিন্তু পাশের ধ্বনির প্রভাবে [অ] কখনো কখনো [ও]-এর মতো উচ্চারিত হয়।
- অ বর্ণের স্বাভাবিক উচ্চারণ: অনেক [অনেক্], কথা [কথা্‌], অনাথ [অনাথ্‌]
- অ বর্ণের [ও] উচ্চারণ: অতি [ওতি], অণু [ওনু], পক্ষ [পোক্খো‌], অদ্য [ওদ্‌দো], মন [মোন্]।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৬.
'বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা' ব্যাকরণের কোন অংশের আলোচ্য বিষয়?
  1. অর্থতত্ত্ব
  2. বাক্যতত্ত্ব
  3. রূপতত্ত্ব
  4. ধ্বনিতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
অর্থতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
অর্থতত্ত্ব:
- ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলে।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে,
ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভুক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য- বাগ্‌যন্ত্র, বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য , ধ্বনিদল প্রভৃতি।

রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়। বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে। বাক্যের নির্মাণ ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতি বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৭.
কোন জোড়টি যুক্তবর্ণের রূপভেদকে প্রকাশ করে?
  1. স্বচ্ছ ও উন্মুক্ত
  2. অস্বচ্ছ ও উন্মুক্ত
  3. স্বচ্ছ ও যুক্ত
  4. কোনোটি নয়
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
যুক্তবর্ণ:
- একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, আবার কখনো সহজে চেনা যায় না।
- যুক্তবর্ণ দুই রকম।
যথা- স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।
- স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ জোড়টি যুক্তবর্ণের রূপভেদকে প্রকাশ করে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
১৮.
কোনটি অভিশ্রুতি ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. শুনিয়া > শুনে
  2. ফাল্গুন > ফাগুন
  3. আলাহিদা > আলাদা
  4. ফলাহার > ফলার
সঠিক উত্তর:
শুনিয়া > শুনে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুনিয়া > শুনে
ব্যাখ্যা
অভিশ্রুতি:
- বিপর্যস্ত স্বরধ্বনি পূর্ববর্তী স্বরধ্বনির সাথে মিলে গেলে এবং তদানুসারে পরবর্তী স্বরধ্বনির পরিবর্তন ঘটলে তাকে অভিশ্রুতি বলে।

যেমন
- শুনিয়া > শুনে,
- বলিয়া > বলে,
- মাছুুয়া > মেছো ইত্যাদি।

অন্যদিকে:
অন্তর্হতি:
- পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি।
যেমন:
- ফলাহার > ফলার;
- আলাহিদা > আলাদা;
- ফাল্গুন > ফাগুন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
১৯.
'শব্দগঠন' নিয়ে আলোচনা করা হয় ব্যাকরণের কোন অংশে?
  1. রূপতত্ত্ব
  2. বাক্যতত্ত্ব
  3. অর্থতত্ত্ব
  4. ধ্বনিতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রূপতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
রূপতত্ত্ব:
- রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলোচনা করে।
- এই আলোচনায় বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, ক্রিয়া, ক্রিয়া বিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়। বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দ গঠন প্রক্রিয়া।

অন্যদিকে,
ধ্বনিতত্ত্ব:
- ধ্বনিতত্ত্বের আলোচ্য বিষয় ধ্বনি।
- লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয় তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলোচনা এর অন্তর্ভূক্ত।
- ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলোচ্য:
- বাগ্‌যন্ত্র, বাগ্‌যন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য , ধ্বনিদল প্রভৃতি।

অর্থতত্ত্ব:
- মূল আলোচ্য - ব্যকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করা হয় সে অংশের নাম অর্থতত্ত্ব।
- বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি এর আলোচ্য বিষয়।
- এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এ অংশে আলোচনা করা হয়ে থাকে।

বাক্যতত্ত্ব:
- বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করে । বাক্যের নির্মান ও গঠন বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করে।
- তাছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
- কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যোগ্যতা, বাক্যের উপাদান লোপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলোচনা করা হয়।

উৎস: বাংলা ভষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২০.
"শাস্ত্র" শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. শাস্‌ত্র
  2. শাস্‌রো
  3. শাষ্‌ত্রো
  4. শাস্‌ত্রো
সঠিক উত্তর:
শাস্‌ত্রো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাস্‌ত্রো
ব্যাখ্যা
র বর্ণের উচ্চারণ:
- র বর্ণের উচ্চারণ [র্‌]। তবে র-ফলা হিসেবে এর উচ্চারণে বৈচিত্র্য আছে।
- শব্দের মধ্যে বা শেষে কোনাে ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে র-ফলা থাকলে দ্বিত্বসহ র-ফলা উচ্চারিত হয়।
যেমন –
- মাত্র [মাত্ত্রো‌], বিদ্রোহ [বিদ্দ্রো‌হাে], যাত্রী [জাত্ত্রি‌]।
- কিন্তু শব্দের মধ্যে বা শেষে যুক্তব্যঞ্জনের সঙ্গে র-ফলা যুক্ত হলে দ্বিত্ব উচ্চারণ হয় না।
যেমন -
- কেন্দ্র [কেন্‌দ্রো], শাস্ত্র [শাস্‌ত্রো]

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২১ সংস্করণ।
২১.
কোনটি মধ্য স্বরাগম পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. স্টেশন > ইস্টেশন
  2. দিশ্ > দিশা
  3. আজি > আজ
  4. স্রেফ > সেরেফ
সঠিক উত্তর:
স্রেফ > সেরেফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্রেফ > সেরেফ
ব্যাখ্যা
মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি:
- সময় সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।

যেমন:
- অ - রত্ন > রতন; ধর্ম > ধরম; স্বপ্ন > স্বপন; হর্ষ > হরষ; বস্‌তি > বসতি ইত্যাদি।
- ই - প্রীতি > পিরীতি; ক্লিপ > কিলিপ; ফিল্ম > ফিলিম ইত্যাদি।
- উ - মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক; ভ্রু > ভুরু; শুক্রবার >শুক্কুরবার ইত্যাদি।
- এ - গ্রাম > গেরাম; প্রেক > পেরেক; স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
- ও - শ্লোক > শোলক, মুরগ > মুরােগ > মােরগ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
- 'স্টেশন > ইস্টেশন' আদি স্বরাগম ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।
- 'দিশ্ > দিশা' অন্ত্যস্বরাগম ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।
- 'আজি > আজ' অন্ত্যস্বর লোপ ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২২.
কোন দুটি ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন?
  1. ফ, ব
  2. থ, দ
  3. র, ল
  4. ড়, ঢ়
সঠিক উত্তর:
ফ, ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ, ব
ব্যাখ্যা
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জন ধ্বনি উচ্চারণের সময় ঠোঁট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে।
- এগুলো দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরচিত।
যেমন:
- পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে।
- নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা।
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
২৩.
"গবাদি" শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. গব + আদি
  2. গোঃ + আদি
  3. গৌ + আদি
  4. গো + আদি
সঠিক উত্তর:
গো + আদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গো + আদি
ব্যাখ্যা
সন্ধির নিয়ম:
• এ, ঐ, ও, ঔ-কারের পর এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়।

যেমন:
- গৈ + অক = গায়ক,
- পো + অন = পবন,
- লো + অন = লবণ,
- গো + আদি = গবাদি,
- গো + এষণা = গবেষণা,
- পো + ইত্র = পবিত্র।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২৪.
বাংলা ভাষায় মৌলিক ধ্বনির সংখ্যা কয়টি?
  1. ৩২টি
  2. ১৮টি
  3. ৩০টি
  4. ৩৭টি
সঠিক উত্তর:
৩৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭টি
ব্যাখ্যা
- বাংলা ভাষায় ৩৭টি মৌলিক ধ্বনি রয়েছে।
- এই ধ্বনিগুলোকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়:
- স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনি।

মৌলিক স্বরধ্বনি:
- বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।
যেমন:
- ই, এ, অ্যা, আ, অ, ও, উ।

- বাংলা ভাষায় মৌলিক ব্যঞ্জনধ্বনির সংখ্যা ৩০টি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।
২৫.
'দৌরাত্ম' শব্দটি কী কারণে অশুদ্ধ?
  1. প্রত্যয়
  2. সন্ধি
  3. বাহুল্য
  4. সমাস
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগজনিত অশুদ্ধি:
- প্রত্যয়ের অপপ্রয়োগের ফলে শব্দগঠন বা বাক্যে পদ ব্যবহারের সময় বানানে যে সব ভুল হয় সেরকম কিছু শব্দের তালিকা নিচে দেওয়া হলো:

অশুদ্ধ = শুদ্ধ:
→ দৌরাত্ম - দৌরাত্ম্য,
→ আবশ্যকীয় - আবশ্যক,
→ একত্রিত - একত্র,
→ পুজ্য - পূজ্য,
→ বাহ্যিক - বাহ্য।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
২৬.
অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে কোন যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়?
  1. দাঁড়ি
  2. ড্যাশ
  3. হাইফেন
  4. কমা
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাঁড়ি
ব্যাখ্যা
দাঁড়ি:
- দাঁড়ি সাধারণত বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে। বাংলা রচনায় দাঁড়ি চিহ্নের ব্যবহার অন্যান্য যতির তুলনায় বেশি। বিবৃতিমূলক সরল বাক্যে শুধু একটি দাঁড়ি দিয়ে শেষ হয়। অনুরোধ, আদেশ ইত্যাদি বোঝায় এমন বাক্যের শেষে দাঁড়ি ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
- তোমার লেখা হলে কলমটা দিয়ো তো।
- প্রান্ত ফুটবল খেলা পছন্দ করে।

অন্যদিকে,
কমা:
- কমা সামান্য বিরতি নির্দেশ করে।
- শব্দ, বর্গ ও অধীন বাক্যকে আলাদা করতে কমার ব্যবহার হয়।
যেমন,
- গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, ও বসন্ত - বাংলাদেশ এই ছয়টি ঋতুর দেশ।
- নিবিড় অধ্যাবসায়, কঠোর পরিশ্রম ও সময়নিষ্ঠ থাকলে সাফল্য আসবে।

হাইফেন:
- বাক্যের মধ্যকার একাধিক পদকে সংযুক্ত করতে হাইফেন ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- মা-বাবার কাছে সন্তানের গৌরব সবচেয়ে বড় গৌরব।
- জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে নিয়েই গড়ে উঠেছে এই ক্লাব।

ড্যাশ:
- সাধারণত দুটি বাক্যকে এক বাক্যে পরিণত করার কাজে এবং ব্যাখ্যাযোগ্য বাক্যাংশের আগে-পরে ড্যাস ব্যবহৃত হয়।
যেমন:
- বাংলাদেশ দল জয়লাভ করেছে - বিজয়ের আনন্দে দেশের জনগণ উচ্ছ্বসিত।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।