পরীক্ষা আর্কাইভ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২০
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬ টপিক ধর্ম -ইসলাম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্ট, জৈন, শিখ, খেলাধুলা গণমাধ্যম সংবাদ সংস্থা, ইলেকট্রনিক মাধ্যম, সম্প্রচার মাধ্যম, চলচ্চিত্র, সামাজিক সমস্যা , রাষ্ট্র - রাষ্ট্রের উৎপত্তি, রাষ্ট্রের উপাদান, রাষ্ট্রের কার্যাবলী, রাষ্ট্রের ধরন ও রাষ্ট্রের সরকারি নাম। সরকার- সরকারের শ্রেণী বিভাগ, রাজতন্ত্র, দেশভিত্তিক সরকার ব্যবস্থা, জাতীয় প্রতীক, আইন, আইনসভা ও সংবিধান, বিচার বিভাগ, কূটনৈতিক পরিভাষা। অন্যান্য – জাতি, উপজাতি, নাগরিকত্ব ভোটাধিকার। এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশগত ইস্যু, বৈশ্বিক জলবায়ু - তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত, বনাঞ্চল ও মরুভূমি - নিরক্ষীয় বনাঞ্চল, প্রেইরি, সাহেল, সাভানা, তুন্দ্রা গ্রিনহাউজ প্রতিক্রিয়া- জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, ওজোনস্তর ক্ষয় জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় উদ্যোগ - ভিয়েনা কনভেনশন, মন্ট্রিল প্রটোকল, জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি, ধরিত্রী সম্মেলন, জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলন, কিয়োটো প্রোটোকল, সবুজ জলবায়ু তহবিল ও প্যারিস চুক্তি, প্রকৃতি সংরক্ষণ - প্রকৃতি সংরক্ষণের আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন, গ্রিনপিস, রামসার কনভেনশন, ওয়ার্ল্ডওয়াচ ইন্সটিটিউট, ওয়ার্ল্ড রিসোর্স ইন্সটিটিউট, বাসেল কনভেনশন, কার্টাগেনা প্রটোকল, মিস আর্থ প্রতিযোগিতা, V-20(Vulnerable Twenty). [Live Class – 16, 17 & 18]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি

GKpedia - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ২০ প্রশ্ন

.
ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য কত?
  1. ২২ গজ
  2. ২৪ গজ
  3. ৪২ গজ
  4. ৪৪ গজ
ব্যাখ্যা

ক্রিকেট পিচ:
- ক্রিকেট পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ ও প্রস্ত ১০ ফুট।
- পিচের দুই মাথায় ৩টি করে স্টাম্প থাকে।
- একে উইকেট বলে।
- স্টাম্পের মাথার উপর দুইটি বেল বসানো থাকে।
- ১০ প্রকারে ব্যাটসম্যান আউট হতে পারে।
- যে ওভারে কোনো রান হয় না তাকে মেডেন ওভার বলে।

⇒ ক্রিকেট খেলার কলাকৌশলকে প্রধানত ৪ ভাগে ভাগ করা হয়-
ক. ব্যাটিং খ. বোলিং গ. ফিল্ডিং ও ক্যাচিং ঘ. উইকেট কিপিং।

⇒ বোলার হাত থেকে বল ছেড়ে দেয়ার পর শরীরের ভারসাম্য ঠিক রাখার জন্য কয়েক পদক্ষেপ সামনে যেতে হয়, একে ফলো থু বলে।

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্য বিজ্ঞান ও খেলাধুলা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
ভিয়েনা কনভেনশনের সাথে সম্পর্কিত প্রটোকল কোনটি?
  1. মন্ট্রিল প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রটোকল
  3. কিয়োটো প্রটোকল
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা

ভিয়েনা কনভেনশনের সাথে সম্পর্কিত মন্ট্রিল প্রটোকল।

​মন্ট্রিল প্রটোকল:

- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।
ii) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি)।

.
বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি কয়টি দেশহুড়ে অবস্থিত?
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি
ব্যাখ্যা

আমাজন বনভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে অবস্থিত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উৎস: World Atlas.

.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার উচ্চকক্ষ সিনেটের মোট সদস্য সংখ্যা কত?
  1. ৫০ জন
  2. ১০০ জন
  3. ২০০ জন
  4. ৪৩৫ জন
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র:
- স্বাধীনতা লাভ করে: ৪ জুলাই, ১৭৭৬ সালে যুক্তরাজ্য থেকে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন অঙ্গরাজ্য: ১৩টি।
- বর্তমান অঙ্গরাজ্য: ৫০টি।
- ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা: ৫৩৮ টি।
- আইনসভা: কংগ্রেস (দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট)। কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ এবং উচ্চকক্ষ সিনেট পরিষদ।
- বর্তমান প্রেসিডেন্ট: ডোনাল্ড ট্রাম্প।

উল্লেখ্য,
- দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চ কক্ষের নাম সিনেট।
- সিনেটকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যগুলোর প্রতিনিধিমূলক সভা হিসেবে গণ্য করা হয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যসমূহের সমপ্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে মার্কিন কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ সিনেট গঠিত হয়।
- আয়তন ও জনসংখ্যা নির্বিশেষে প্রত্যেক অঙ্গরাজ্যে ২ জন করে প্রতিনিধি সিনেটে প্রেরণ করে।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অঙ্গরাজ্যের সংখ্যা ৫০। তাই সিনেটের মোট সদস্য সংখ্যা হলো ১০০।
- মার্কিন সিনেটে এই সমপ্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা অনেকের মতানুসারে অত্যন্ত অগণতান্ত্রিক।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ-এর মোট আসন সংখ্যা ৪৩৫টি, মেয়াদ ২ বছর।

উৎস: Britannica.

.
অত্যধিক ঠান্ডা ও প্রবল তুষারপাত দেখা যায় -
  1. ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুতে
  2. নিরক্ষীয় জলবায়ুতে
  3. মরু জলবায়ুতে
  4. তুন্দ্রা জলবায়ুতে
ব্যাখ্যা

তুন্দ্রা জলবায়ুতে দীর্ঘ সময় ধরে বরফ জমে থাকে। অত্যধিক ঠান্ডা ও প্রবল তুষারপাত এখানে স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য।

​তুন্দ্রা:
- তুন্দ্রা হলো পৃথিবীর সবচেয়ে উত্তরের স্থল বায়োম।
​- এটি উত্তর গোলার্ধে আর্কটিক অঞ্চলের কাছাকাছি অবস্থিত। 
- বাৎসরিক বৃষ্টিপাত কখনও ১৫ সে.মি. বা তারও কম, যা তুষার হিসেবে পড়ে।
- দীর্ঘ শীতের সময় তুন্দ্রা অঞ্চলে বরফ জমা থাকে।
- ছয় থেকে আট সপ্তাহের গ্রীষ্মকাল দেখা যায় যখন উপরের কিছু বরফ গলে যায় এবং ছোট ছোট জলাভূমির সৃষ্টি হয়।
- এখানে সূর্যের আলো তির্যকভাবে পড়ে।
- তুন্দ্রা অঞ্চলের প্রধান উদ্ভিদ মস ও লাইকেন।
- এখানে বৃক্ষ প্রজাতি কম।
- উঁচু পর্বতশৃঙ্গে এরূপ অঞ্চল আছে, যাকে আলপাইন তুন্দ্ৰা বলে।

​অন্যদিকে,
​-  ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো বর্ষাকালীন অতিবৃষ্টি। ঠান্ডা বা তুষারপাতের বৈশিষ্ট্য নেই।
​- নিরক্ষীয় অঞ্চল (যেমন কঙ্গো, অ্যামাজন, ইন্দোনেশিয়া) সবসময় উষ্ণ ও আর্দ্র। বছরে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়, কিন্তু তুষারপাত হয় না। বরং এখানে “চিরসবুজ বন” বেশি দেখা যায়।
- মরুভূমি অঞ্চলের জলবায়ু অত্যন্ত শুষ্ক ও দিনে গরম। রাতে কিছুটা ঠান্ডা হতে পারে, তবে তুষারপাত হয় না। বৃষ্টিপাতও খুবই অল্প।

উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
​ii) Britannica.

.
International Cricket Council (ICC)-এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. নয়াদিল্লি
  2. দুবাই
  3. লন্ডন 
  4. মেলবোর্ন
ব্যাখ্যা

ICC:
- ICC-এর পূর্ণরূপ: The International Cricket Council (আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল)।
- গঠিত হয়: ১৯০৯ সালের ১৫ জুন (ইংল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার উদ্যোগে)। 
- সদরদপ্তর: দুবাই, সংযুক্ত আরব আমিরাত।
- বর্তমান মোট সদস্য: ১১০টি।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান চেয়ারম্যান: জয় শাহ (ভারত)।
- নীতিবাক্য: ভালোর জন্য ক্রিকেট।

উৎস: ICC ওয়েবসাইট।

.
নিম্নের কোন দেশের আইনসভা এককক্ষ বিশিষ্ট?
  1. চীন 
  2. পাকিস্তান
  3. রাশিয়া 
  4. মিয়ানমার
ব্যাখ্যা

এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
​- চীনের আইনসভা: ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেস।

​এছাড়াও,
​• বাংলাদেশ: জাতীয় সংসদ,
​• মালদ্বীপ: মজলিস/ পার্লামেন্ট,
• ইসরাইল: নেসেট/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরান: মজলিস/ অ্যাসেম্বলি,
• ইরাক: মজলিস আল-নওয়াব আল-ইরাকি,
​• সৌদি আরব: মজলিস-এ-শূরা।

⇒ ​দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা:
​• যুক্তরাষ্ট্র: পার্লামেন্ট-কংগ্রেস (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস),
• ভারত: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: কাউন্সিল অফ স্টেটস/ রাজ্যসভা, নিম্ন কক্ষ: হাউজ অফ দা পিপল/লোক সভা),
• রাশিয়া: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: ফেডারেশন কাউন্সিল, নিম্ন কক্ষ: স্টেট ডুমা)
​• যুক্তরাজ্য: পার্লামেন্ট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ লর্ডস, নিম্ন কক্ষ-হাউস অফ কমন্স),
​• পাকিস্তান: মজলিস-এ- শূরা (উচ্চকক্ষ: সিনেট, নিম্ন কক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি),
​• মিয়ানমার: ইউনিয়ন অ্যাসেম্বলি (উচ্চকক্ষ: ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি, নিম্ন কক্ষ: পিপলস অ্যাসেম্বলি),
​• জাপান: ডায়েট (উচ্চকক্ষ: হাউস অফ কাউন্সিলর্স, নিম্ন কক্ষ: হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস)।

উৎস: Britannica.

.
মন্ট্রিল প্রটোকলের কিগালি সংশোধনীর মূল লক্ষ্য কী? 
  1. CFCs ব্যবহার কমানো
  2. নাইট্রাস অক্সাইড ব্যবহার কমানো
  3. HFCs ব্যবহার কমানো
  4. কার্বন ডাইঅক্সাইড নির্গমন বন্ধ
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ ১৯৮৯ সাল থেকে মন্ট্রিল প্রটোকল ৬ বার সংশোধন করা হয়।এগুলো হলো:
- London amendment 1990,
- Copenhagen amendment 1992,
- Vienna amendment 1995,
- Montreal amendment 1997,
- Beijing amendment 1999,
- Kigali amendment 2016.

⇒ কিগালি সংশোধনী:
- কিগালি সংশোধনী গৃহীত হয়: ১৫ অক্টোবর, ২০১৬।
- কিগালি সংশোধনী কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০১৯।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা রুয়ান্ডার কিগালিতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে গৃহীত হয়ছিল।
- এর লক্ষ্য হাইড্রোফ্লুরোকার্বন (HFCs)-এর ব্যবহার কমিয়ে পৃথিবীর উষ্ণায়ন কমানো এবং পৃথিবীকে আরও পরিবেশবান্ধব, টেকসই ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে, বিভিন্ন দেশ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে HFCs এর উৎপাদন এবং ব্যবহার ৮০%-৮৫% কমিয়ে আনবে।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

.
বিশ্বের প্রাচীনতম সংবাদ সংস্থা AFP কোন দেশভিত্তিক? 
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র 
  3. ফ্রান্স 
  4. রাশিয়া
ব্যাখ্যা

AFP:
- AFP-এর পূর্ণরূপ: Agence France Presse.
- বিশ্বের প্রাচীনতম সংবাদ সংস্থা।
- ১৮৩৫ সালে চার্লস লুইস হ্যাবাস AFP প্রতিষ্ঠা করেন।
- এর সদর দপ্তর ফ্রান্সের প্যারিসে। 

​উৎস: AFP ওয়েবসাইট।

১০.
দিরা স্কোয়ার কোন দেশে অবস্থিত?
  1. মিশর
  2. সৌদি আরব
  3. লিবিয়া
  4. লেবানন
ব্যাখ্যা

দিরা স্কোয়ার/জাস্টিস স্কয়ার:
​- দিরা স্কোয়ার (Deera Square) সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত। 
​- এটি জাস্টিস স্কয়ার নামেও পরিচিত।
​- ঐতিহাসিকভাবে এটি জনসমক্ষে মৃত্যুদণ্ড (বিশেষ করে শিরচ্ছেদ) কার্যকর করার স্থান ছিল।
​- বিদেশীদের মধ্যে 'Chop-Chop Square' নামটি জনপ্রিয় হয়েছিল কারণ এখানে প্রকাশ্যে শিরচ্ছেদ করার ঘটনাটি দৃষ্টিগোচর হতো।

​উল্লেখ্য,
​- ২০২২ সাল থেকে এখানে কোনো জনসাধারণের শিরচ্ছেদ রেকর্ড করা হয়নি।
​- বর্তমানে একটি ঐতিহাসিক স্থান এবং পর্যটকদের জন্য একটি আকর্ষণীয় স্থান।

​উৎস: DW.

১১.
প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৮৫ সালে
  2. ১৯৮৯ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৪ সালে
ব্যাখ্যা

Earth Summit:
- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন (Earth Summit) অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল।

⇒ ধরিত্রী সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
- রিও ঘোষণা: ২৭টি সার্বজনীন নীতিসহ পরিবেশ ও উন্নয়নের কাঠামো।
- এজেন্ডা ২১: ২১শ শতাব্দীর জন্য টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা।
- UNFCCC: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কনভেনশন যা পরে কিয়োটো প্রোটোকল নামে পরিচিত।
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশন: জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- বন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা: বন সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা।
- ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সম্মেলন: ১৯৯৪ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম সম্মেলন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১২.
প্রধান আসমানী কিতাব কতটি?
  1. ৪টি
  2. ৮টি
  3. ১২টি
  4. ১০৮টি
ব্যাখ্যা

আসমানী কিতাব:
- আসমানী কিতাব হচ্ছে ঐ কিতাব যা যুগে যুগে মানবতার হিদায়াতের জন্য আল্লাহ তাঁর বাছাইকৃত নবী- রাসূলগণের ওপর নাযিল করেছেন।
- আসমানী কিতাবই হচ্ছে একমাত্র নির্ভরযোগ্য গ্রন্থ, যা বিভ্রান্ত মানবতাকে সত্য, সুন্দর ও সৎ পথের সন্ধান দিয়ে থাকে।
- আসমানী কিতাবের সর্বমোট সংখ্যা ১০৪ খানা।

​⇒ প্রধান আসমানী কিতাব ৪টি।
- এগুলো হলো: তাওরাত, জাবুর, ইনজিল, এবং কোরআন। 

উৎস: i) আসমানী কিতাব ও মালাইকা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
​ii) প্রথম আলো।

১৩.
মিয়ানমারের সীমান্তবর্তী স্বাধীনতাকামী উপজাতি কারা?
  1. গুর্খা
  2. কুর্দি
  3. কারেন
  4. টোডা
ব্যাখ্যা

কারেন: 
​- মিয়ানমারের দ্বিতীয় বৃহত্তম জাতিগোষ্ঠী হলো কারেন যারা স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করছে।
​- তারা মিয়ানমারের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে বসবাস করে এবং থাইল্যান্ড সীমান্তের কাছাকাছি এলাকায় তাদের বসবাস বেশি। 
​- কারেনদের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম প্রধান সংগঠন হলো কারেন ন্যাশনাল ইউনিয়ন (KNU) যারা মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনা করে আসছে। 

অন্যদিকে -
- কুর্দি জাতি পশ্চিম এশিয়ার কুর্দিস্তানের পার্বত্য অঞ্চলের স্থানীয় একটি ইরানি জাতিগোষ্ঠী, যারা দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্ক, উত্তর-পশ্চিম ইরান, উত্তর ইরাক এবং উত্তর সিরিয়ায় বাস করে।
- মাউরি: নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী।
- উইঘুর: চীনের জিনজিয়াং অঞ্চলে বসবাসকারী তুর্কি বংশোদ্ভুত মুসলিম সম্প্রদায়।
- গুর্খা: নেপালের যোদ্ধা জাতি।
- টোডা: বহুস্বামী বিবাহ ভিত্তিক পরিবার দক্ষিণ ভারতীয় এই উপজাতিদের।
- পশতুন: আফগানিস্তানের সংখ্যাগরিষ্ঠ জাতিগোষ্ঠী।
- এক্সিমো: সাইবেরিয়া রাশিয়া অঞ্চলে বসবাস (কুকুর চালিত স্লেজ গাড়ি ব্যবহার করে)।
- পিগমি: পৃথিবীর সবচেয়ে খর্বকার উপজাতি।
- জুলু: দক্ষিণ আফ্রিকার নিগ্রো জাতি।
- রেড ইন্ডিয়ান: আমেরিকার আদিবাসী।
- আফ্রিদি: বর্তমান পাকিস্তানের এক পশতুন নৃগোষ্ঠী, যাদের কিছু অংশ আফগানিস্তানেও বসবাস করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com.

১৪.
দোহা সংশোধনী কত সাল পর্যন্ত কিয়োটো প্রোটোকলের মেয়াদ বৃদ্ধি করে?
  1. ২০১৮ সাল
  2. ২০১৯ সাল
  3. ২০২০ সাল
  4. ২০২১ সাল
ব্যাখ্যা

দোহা সংশোধনী:
- ২০১২ সালে কাতারের রাজধানী দোহাতে অনুষ্ঠিত হয় কপ - ১৮ সম্মেলন।
- এই সংশোধনীর মূল লক্ষ্য ছিল কিয়োটো প্রটোকলের দ্বিতীয় পর্ব (২০১৩-২০২০) এবং কিছু নতুন পদক্ষেপ নেওয়া যা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা করার জন্য গৃহীত হয়েছিল।
- একে বলা হয় দোহা সংশোধনী।

উল্লেখ্য,
- কিয়োটো প্রটোকল হল United Nations Framworks Convention on Climate Change (UNFCCC) একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যার আওতায় পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ তাদের গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর প্রতিশ্রুতি দেয়। কার্বনের মাত্রা ভয়াবহভাবে বেড়ে গিয়ে পৃথিবীকে বিপর্যয়ের মধ্যে ফেলে দেওয়া থেকে উদ্ধার করার জন্যেই মূলত এই চুক্তি স্বাক্ষর করা হয়।‍
- প্রথম পর্বের পর কিয়োটো প্রটোকলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য দ্বিতীয় পর্বের জন্য নতুন কিছু পদক্ষেপ প্রয়োজন ছিল, এবং সেগুলোই দোহা সংশোধনীর মাধ্যমে প্রবর্তিত হয়।

উৎস: UNFCCC ওয়েবসাইট।

১৫.
গৌতম বুদ্ধ কোথায় নির্বাণ লাভ করেন?
  1. লুম্বিনী
  2. কুশিনারা
  3. বুদ্ধগয়া
  4. সারনাথ
ব্যাখ্যা

গৌতম বুদ্ধ:
- গৌতম বুদ্ধ বৌদ্ধ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা।
​- তাঁর ব্যক্তিগত নাম সিদ্ধার্থ।
- তাঁর জন্ম খ্রিস্টপূর্ব ৬ষ্ঠ-৪র্থ শতাব্দীতে নেপালের কপিলাবস্তুর কাছে লুম্বিনীতে।
​- গৌতম বুদ্ধ বুদ্ধগয়াতে (ভারতের বিহার রাজ্যে) অশ্বত্থ গাছের নীচে নির্বাণ লাভ করেন। 
- গৌতম বুদ্ধ মহাপরিনির্বাণ লাভ করেন কুশিনারা, মাল্লা প্রজাতন্ত্র, মগধ রাজ্যে।

​⇒ বুদ্ধ উপাধিটির অর্থ হল একজন আলোকিত সত্তা, যিনি অজ্ঞতার ঘুম থেকে জেগে উঠেছেন এবং যন্ত্রণা থেকে মুক্তি লাভ করেন।
- বৌদ্ধধর্মের সব রূপই গৌতম বুদ্ধের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা উদযাপন করে, যার মধ্যে রয়েছে তাঁর জন্ম, জ্ঞানার্জন এবং নির্বাণে উত্তরণ।
​- বুদ্ধ বিশ্ব-মানবতার কল্যাণে যে ধর্ম প্রচার করেছেন তার মূল লক্ষ্য হল নির্বাণ। নির্বাণপ্রাপ্ত ব্যক্তির পুনর্জন্ম হয় না। নির্বাণের মাধ্যমে বিমুক্তি আসে। বুদ্ধ নির্বাণ লাভের উপায় ও পথ প্রদর্শন করেছেন। দুঃখ থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় নির্বাণ। সকল প্রকার তৃষ্ণা এবং জন্ম মৃত্যুর বিনাশ সাধনই হলো হলো নির্বাণ।

উল্লেখ্য,
- পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের রাওয়ালপিন্ডি জেলায় বৌদ্ধধর্মের স্মৃতিবিজড়িত স্থান তক্ষশীলা।
- গৌতম বুদ্ধের দিব্যজ্ঞান লাভের স্থান বুদ্ধগয়া।
- সারনাথ একটি উদ্যান যেখানে গৌতম বুদ্ধ সর্বপ্রথম ধর্ম নিয়ে ভেবেছিলেন। এই স্থানটি ভারতের উত্তর প্রদেশের বারানাশী শহর থেকে ১৩ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত।

উৎস: i) Britannica.
ii) বৌদ্ধধর্ম ও নৈতিক শিক্ষা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৬.
পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে কোন দুইটি দেশের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে?
  1. যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র ও চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য
  4. যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্স
ব্যাখ্যা

Ping Pong Diplomacy:
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির ইংরেজি প্রতিশব্দ Shuttle Diplomacy.
- পিং পং ডিপ্লোম্যাসির (Ping pong diplomacy) মাধ্যমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে চলা ২০ বছরের বৈরি সম্পর্কের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ ১৯৪৯ সালে মাও সেতুং এর নেতৃত্বে চীনে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সম্পর্কের অবনতি হয়।
- ১৯৭১ সালে জাপানের নাগোয়াতে অনুষ্ঠিত ৩১তম বিশ্ব টেবিল টেনিস চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযােগীতায় আসা যুক্তরাষ্ট্রের টীমকে চীনে আমন্ত্রন জানিয়ে এই অচলবস্থা সহজ হয়ে আসে। ১৯৪৯ সালের পর কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এটাই প্রথম চীন সফর। সেই ঐতিহাসিক সফরের পর চীন-মার্কিন সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মুক্ত হয়।

⇒ ১৯৭১ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার এক গােপন সফরে চীন যান।
- ১৯৭২ সালে চীন তাদের টেবিল টেনিস টীম যুক্তরাষ্ট্র সফরে পাঠায়।
- ১৯৭১ সালের ফেব্রুয়ারিতে প্রেসিডেন্ট নিক্সন চীন সফরে যান এবং তারপর থেকে চীনের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক স্বাভাবিক হয়ে আসে।
- এটি চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক উন্নয়নে বড় অবদান রেখেছে।

উৎস: Britannica.

১৭.
কোন সম্মেলনে Green Climate Fund গঠিত হয়?
  1. কানকুন
  2. কোপেনহেগেন
  3. স্টকহোম
  4. মেক্সিকো
ব্যাখ্যা

Green Climate Fund:
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড (Green Climate Fund) জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন ফ্রেমওয়ার্ক (UNFCCC) কর্তৃক গঠিত একটি গঠিত তহবিল।
- শিল্পোন্নত দেশ সমূহের প্রদত্ত চাঁদা থেকে এই তহবিল গঠিত হবে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: কানকুন, মেক্সিকো।
- প্রতিষ্ঠাকাল: ২০১০ সাল।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন: কপ-১৬।
- সদর দপ্তর: ইয়েনচিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া।
- No. of projects: ২৫৩টি।

⇒ ২০০৯ সালে কোপেনহেগেনে ১৫তম কপ সমেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের প্রস্তাব রাখা হয় এবং ২০১০ সালে কানকুনে ১৬তম কপ সম্মেলনে গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠিত হয়।

উল্লেখ্য,
- এর মাধ্যমে জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোর উদ্যোগে অর্থ সহায়তা দেওয়া হয়।
- এর মূল লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্থ দেশগুলোকে সহায়তা করা ও কার্বন নির্গমন কমানো।
- সম্মেলনে বৈশ্বিক তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস মধ্যে সীমিত রাখতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ একমত প্রকাশ করে।
- গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ড গঠনের মাধ্যমে দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।

উৎস: Green Climate Fund ওয়েবসাইট।

১৮.
মার্টিন লুথারের আন্দোলনের ফলে কোন খ্রিস্টান ধর্ম শাখার উদ্ভব হয়?
  1. ক্যাথলিক
  2. অর্থোডক্স
  3. প্রোটেস্ট্যান্ট
  4. অ্যাংলিকান
ব্যাখ্যা

মার্টিন লুথার (Martin Luther):
- মার্টিন লুথার (Martin Luther) ছিলেন ১৬শ শতাব্দীর একজন জার্মান ধর্ম যাজক।
- তিনি রিফরমেশন আন্দোলনের সূচনা করেছিলেন।
- তিনি ক্যাথলিক চার্চের কিছু প্রথা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন।

উল্লেখ্য,
- মার্টিন লুথার প্রধানত রোমান ক্যাথলিক চার্চ এবং তৎকালীন পোপতন্ত্রের (বিশেষ করে পোপ লিও দশম) বিরুদ্ধে রিফরমেশন আন্দোলন শুরু করেন।
- তিনি চার্চের ইন্ডালজেন্স, ধর্মীয় কর্তৃত্বের অপব্যবহার এবং ধর্মতাত্ত্বিক বিষয়ে বাইবেলের পরিবর্তে পোপের আধিপত্যের বিরোধিতা করেন।
- ১৫১৭ সালে মার্টিন লুথার তার ৯৫টি থিসিস (Ninety-Five Theses) প্রকাশ করেন যেখানে তিনি ক্যাথলিক চার্চের দুর্নীতি ও ভ্রান্তির সমালোচনা করেন।
- এই আন্দোলন প্রোটেস্ট্যান্ট ধর্মের উদ্ভব ঘটায় যা ক্যাথলিক চার্চ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে খ্রিস্টধর্মের একটি নতুন শাখা গঠন করে।

উৎস: i) Britannica.
ii) আধুনিক ইউরোপের ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য কী?
  1. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ৩°C এর নিচে সীমাবদ্ধ রাখা
  2. বন সংরক্ষণ নিশ্চিত করা
  3. ওজোন স্তর রক্ষা করা
  4. বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২°C এর নিচে সীমাবদ্ধ রাখা
ব্যাখ্যা

প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ২০১৫ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে: ১৯৫টি দেশ।

⇒ বিশ্বব্যাপী গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যে প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) কাজ করে।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে এই চুক্তি গৃহীত হয়।
- এই চুক্তি অনুযায়ী, বিভিন্ন দেশ তাদের নিজস্ব জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (NDCs) দিয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর জন্য অঙ্গীকার করে।

⇒ চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমাবদ্ধ রাখা এবং ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।

২০.
কোন দেশের নারীরা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?
  1. নেদারল্যান্ডস
  2. অস্ট্রেলিয়া
  3. জার্মানি
  4. নিউজিল্যান্ড
ব্যাখ্যা

নারীর ভোটাধিকার লাভ:
- বিশ্বে সর্বপ্রথম নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
​- ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডের নারীরা ভোট দেওয়ার অধিকার পান। সেটাই ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে নারীদের ভোটের অধিকার পাওয়ার প্রথম ঘটনা।

পরবর্তীতে,
- ১৯০২ সালে অস্ট্রেলিয়া নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯০৬ সালে ফিনল্যান্ড নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৫ সালে ডেনমার্কের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯১৮ সালে যুক্তরাজ্যের নারীরা নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯২০ যুক্তরাষ্ট্রের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।

উল্লেখ্য,
- মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে ১৯১৮ সালে কিরগিজস্তানের নারীরা প্রথম ভোটাধিকার লাভ করে।
- ১৯৩০ সালে তুর্কি নারীরা এবং ১৯৪৯ সালে আরববিশ্বে প্রথম সিরিয়ার নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে।
- পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের নারীরা ভোটাধিকার লাভ করে যথাক্রমে ১৯৪৭, ১৯৫০ এবং ১৯৭২ সালে।

উৎস: Ministry for Women New Zealand ওয়েবসাইট।