পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন১৯
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৪৬ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলাদেশের অর্থনীতি (খাত, আমদানি, রপ্তানি ইত্যাদি), সম্পদ (বন, কৃষি, শিল্প, পানি), যোগাযোগ ব্যবস্থা [অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, ও অন্যান্য সমীক্ষা)। উৎস: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের অর্থনীতির খাতগুলোকে প্রধানত কত ভাগে ভাগ করা যায়?

  1. ৩ 


সঠিক উত্তর:
৩ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ 
ব্যাখ্যা

• অর্থনৈতিক কাঠামো:
- যেকোনো দেশের অর্থনীতিতে সংঘটিত অর্থনৈতিক কর্মকান্ডের সমষ্টিগত অবদানই দেশের অর্থনীতির ভিত্তি গড়ে তোলে। 
- এসব ভিত্তিক অর্থনীতিকে অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাত (Economic Structure or Sector) বলা হয়।

- বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অর্থনৈতিক খাতকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়।

 • অর্থনৈতিক কাঠামো বা খাতসমূহ
(১) উৎপাদনভিত্তিক খাত
- উৎপাদনভিত্তিক কর্মকাণ্ডের উপর নির্ভরশীল খাত।
- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাত অন্তর্ভুক্ত।

(২) মালিকানাভিত্তিক খাত
- কোন সংস্থা বা ব্যক্তির মালিকানার ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- সরকারী, বেসরকারি ও মিশ্র মালিকানার খাত।

(৩) অঞ্চলভিত্তিক খাত
- ভৌগোলিক বা আঞ্চলিক ভিত্তিতে বিভক্ত খাত।
- বিভিন্ন অঞ্চলের অর্থনৈতিক কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে শ্রেণিবিন্যাস।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন কোনটি?
  1. শালবন
  2. মধুপুর বন
  3. সুন্দরবন
  4. ভাওয়াল গড় বন
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দরবন
ব্যাখ্যা

• ম্যানগ্রোভ:
- ম্যানগ্রোভ (Mangrove)  বলতে সাধারণভাবে জোয়ারভাটায় প্লাবিত বিস্তির্ণ জলাভূমিকে বোঝায়।
- ম্যানগ্রোভ বন (Mangrove forest), জোয়ারভাটায় বিধৌত লবনাক্ত সমতলভূমি।
- উষ্ণমন্ডলীয় ও উপ-উষ্ণমন্ডলীয় অক্ষাংশের আন্তপ্লাবিত আবাসস্থলের সমন্বয়ে ম্যানগ্রোভ ইকোসিস্টেম গঠিত। 
- পৃথিবীতে ১০২টি দেশে ম্যানগ্রোভের অস্তিত্ব থাকলেও কেবলমাত্র ১০টি দেশে ৫০০০ বর্গ কিমি এর বেশি ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে।
- পৃথিবীর সমগ্র ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চলের ৪৩% ইন্দোনেশিয়া, ব্রাজিল, অস্ট্রেলিয়া এবং নাইজার এ অবস্থিত এবং এদের প্রত্যেকটি দেশে সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের ২৫% হতে ৬০% ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রয়েছে।
- বাংলাদেশে অবস্থিত ম্যানগ্রোভ বন (সুন্দরবন) পৃথিবীর একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে পরিচিত ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
আমদানি শুল্ক আরোপের পর অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয় তাকে কী বলে?
  1. সম্পূরক শুল্ক
  2. অতিরিক্ত ভ্যাট
  3. শুল্ক অব্যাহতি
  4. অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক
সঠিক উত্তর:
সম্পূরক শুল্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা

• সম্পূরক শুল্ক:
- অনেক দ্রব্যসামগ্রীর ওপর আমদানি শুল্ক বা আবগারি শুল্ক বা ভ্যাট আরোপের পর অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলা হয়।
- এটি বাংলাদেশ সরকারের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।

উল্লেখ্য,
- অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক : দেশীয় কোনো পণ্য দেশে যে দামে বিক্রি হয়, তার চেয়ে কম দামে যদি তা বিদেশ থেকে আমদানি হয়, তাহলে দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য যে শুল্ক আরোপ করা হয়, তার নাম অ্যান্টি-ডাম্পিং শুল্ক।
- শুল্ক অব্যাহতি : সাধারণ নিয়মে যেসব পণ্যের ওপর আমদানি শুল্ক দিতে হয়, সরকার কখনও কখনও সেই শুল্ক সম্পূর্ণ বা আংশিকভাবে মওকুফ করে দেয়, একে বলা হয় শুল্ক অব্যাহতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমান কত?
  1. ১,৮৯,০৩,০০০ হেক্টর
  2. ২,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  3. ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
  4. ১,৯৯,০৩,০০০ হেক্টর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর
ব্যাখ্যা

• কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ – ২০২৪ অনুযায়ী -
- মোট আবাদযোগ্য জমি:
- ৩ কোটি ৯২ লক্ষ ৯৬ হাজার একর।
- ১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর।

- মোট আবাদী জমি- ১ কোটি ৯৮ লক্ষ ২৯ হাজার একর।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ- ৮৩ লক্ষ ৫৮ হাজার একর।
- বনাঞ্চল- ৬৩ হাজার ৬৩ লক্ষ ০০০ একর।

তার মধ্যে--
- এক ফসলি জমি - ৫০ লক্ষ ৪৯ হাজার একর।
- দুই ফসলি জমি - ১ কোটি ০১ লক্ষ ৪০ হাজার একর।
- তিন ফসলি জমি - ৪৫ লক্ষ ৯৩ হাজার একর।
- চার ফসলি জমি ৪৭ হাজার একর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)

.
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কোন বিলুপ্ত প্রাণীর জন্যে বিখ্যাত?
  1. বনগরু
  2. কৃষ্ণষাড়
  3. রাজ শকুন
  4. উল্লুক
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লুক
ব্যাখ্যা

• লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান:
- মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। 
- ১৯২৫ সালে বনায়ন করে সৃষ্ট বনরাজি এখন ঘন প্রাকৃতিক বনের আকার ধারণ করেছে।
- লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান বাংলাদেশে অবশিষ্ট চিরহরিৎ বনের একটি উল্লেখযোগ্য নমুনা।
- এটি একটি সংরক্ষিত বনাঞ্চল।
- এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর।
- বাংলাদেশের ২৫টি বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য ও ১৯টি জাতীয় উদ্যানের মধ্যে এটি অন্যতম।
- বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭ খ্রিস্টাব্দে এই বনকে 'জাতীয় উদ্যান' হিসেবে ঘোষণা করে।
- বিলুপ্তপ্রায় উল্লুকের জন্য এ বন বিখ্যাত।
- নিরক্ষীয় অঞ্চলের চিরহরিৎ বর্ষাবন বা রেইন ফরেষ্টের মতো এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়।
- সূর্যের আলোর জন্য প্রতিযোগিতা করে এ বনের গাছপালা খুব উঁচু হয়ে থাকে, এবং অনেক ওপরে ডালপালা ছড়িয়ে চাঁদোয়ার মত সৃষ্টি করে।
- এই বন এতই ঘন যে মাটিতে সূর্যের আলো পড়েনা বললেই চলে।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশের প্রধান উৎপাদনভিত্তিক খাত কোনটি?
  1. শিল্প
  2. কৃষি ও বনজ
  3. মৎস্য
  4. পরিবহন
সঠিক উত্তর:
কৃষি ও বনজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কৃষি ও বনজ
ব্যাখ্যা

• কৃষিখাত:
- বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান খাত হলো কৃষি। 
- গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা তথা খাদ্যশস্য উৎপাদনে স্বনির্ভরতা অর্জন, দারিদ্র্য নিরসন ইত্যাদির মাধ্যমে দেশের আর্থ-সামাজিক ও টেকসই উন্নয়নে কৃষিখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-২০২৫ অনুসারে, 
- জিডিপির সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কৃষি খাতের অবদান ১০.৯৪% ও  প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার
দাঁড়িয়েছে ১.৭৯%।

উল্লেখ্য,
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৩০%। ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে কৃষি খাতের প্রবৃদ্ধির হার ১.৫১ শতাংশীয় পয়েন্ট হ্রাস পেয়েছে।

তথ্যসূত্র: i) অর্থনীতি ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো। (Link)

.
‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ কোথায় অবস্থিত?
  1. সিলেট
  2. রাজশাহী
  3. বান্দরবান
  4. বরগুনা
সঠিক উত্তর:
বরগুনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরগুনা
ব্যাখ্যা

• ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ :
- বরগুনার তালতলী উপজেলা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকত পর্যন্ত বিস্তৃত এই বন।
- বন বিভাগের খাতায় ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ হলেও স্থানীয়ভাবে এটি ‘ফাতরার বন’ নামে পরিচিত।
- ১৯৬৭ সালে এই নামকরণ করা হয়।
- তখনকার হিসাব অনুযায়ী, বরগুনার বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে চোখজুড়ানো এই বনের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর।
- ১৯২৭ সালের জরিপ অনুযায়ী, ১৯৬০ সালের ১২ জুলাই তৎকালীন সরকার এটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘোষণা করে।
- লবণাক্ত ও মিষ্টি মাটির অপূর্ব মিশ্রণের কারণে এই বনে গেওয়া, জাম, ধুন্দল, কেওড়া, সুন্দরী, বাইন, করমচা, বলই কেওয়া, গরানগাছের - সমারোহ। এখানে বসত গড়েছে হাজারো প্রজাতির প্রাণী।
- অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য হওয়ায় এখানে গড়ে উঠেছে সোনাকাটা ইকোপার্ক পর্যটনকেন্দ্র।
- কিন্তু একের পর এক গাছের মৃত্যু প্রকৃতি ও মানুষের এসব আয়োজনকে ভন্ডুল করতে বসেছে।

উৎস: প্রথম আলো এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশের ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পত্র পতনশীল অরণ্যের অঞ্চল নয় কোনটি?
  1. ময়মনসিংহ
  2. টাঙ্গাইল
  3. গাজীপুর 
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

• ক্রান্তীয় পাতাঝরা গাছের বনভূমি: 
- বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহে এ বনভূমি রয়েছে। 
• এ বনভূমিকে দুই অংশে ভাগ করা হয়েছে-
(ক) ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলগাজীপুর জেলার মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি;
(খ) দিনাজপুর ও রংপুর জেলায় বরেন্দ্র বনভূমি অবস্থিত।

- শীতকালে এ বনভূমির বৃক্ষের পাতা ঝরে যায়।
- গ্রীষ্মকালে আবার নতুন পাতা গজায়।

• ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পাতাঝরা গাছের বনভূমি:
বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবানের প্রায় সব অংশে এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট অঞ্চলের কিছু অংশে এ বনভূমি বিস্তৃত। পাহাড়ের অধিক বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং কম বৃষ্টিপ্রবণ অঞ্চলে পাতাঝরা গাছের বনভূমি দেখা যায়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম ও দশম শ্রেণি।

.
রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুসারে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি কত?
  1. ৭৫৯ কোটি ডলার
  2. ৯৫০ কোটি ডলার
  3. ৮৬৯ কোটি ডলার
  4.  ৯০০ কোটি ডলার
সঠিক উত্তর:
৮৬৯ কোটি ডলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৬৯ কোটি ডলার
ব্যাখ্যা

• ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্র রপ্তানি:
- দীর্ঘদিন ধরে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র। 
- কোনো কোনো বছর জার্মানি শীর্ষস্থানে ছিল। 

- যুক্তরাষ্ট্রে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ৮৬৯ কোটি ডলার, যা দেশের মোট রপ্তানির ১৮ শতাংশ। 
- এর আগের অর্থবছরের চেয়ে রপ্তানি বাড়ে ১৪ শতাংশ। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৭৬০ কোটি ডলার।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি তালিকায় প্রধান পণ্যের মধ্যে রয়েছে তৈরি পোশাকের ওভেন, অর্থাৎ শার্ট-প্যান্ট জাতীয় পোশাক।
- ওভেন পোশাকের রপ্তানি ছিল ৪৯৫ কোটি ডলার। 
- দেশটিতে বাংলাদেশের মোট রপ্তানিতে ওভেনের অংশ ২৭ শতাংশ।
- তৈরি পোশাকের নিট ক্যাটেগরির পণ্য অর্থাৎ গেঞ্জি ও সোয়েটার জাতীয় পণ্যের রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২৬০ কোটি ডলার।
- নিটওয়্যারে অংশ ১২ শতাংশ। 

তথ্যসূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো।  (LINK)

১০.
সুন্দরবনের পর বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন কোনটি? 
  1. রাতারগুল বন
  2. টেংরাগিরি বন 
  3. শালবন
  4. সুন্দরবন
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেংরাগিরি বন 
ব্যাখ্যা

• ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ :
- বরগুনার তালতলী উপজেলা থেকে পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সৈকত পর্যন্ত বিস্তৃত এই বন।
- বন বিভাগের খাতায় ‘টেংরাগিরি বনাঞ্চল’ হলেও স্থানীয়ভাবে এটি ‘ফাতরার বন’ নামে পরিচিত।
- ১৯৬৭ সালে এই নামকরণ করা হয়।
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শ্বাসমূলীয় বন টেংরাগিরি বনাঞ্চল।
- তখনকার হিসাব অনুযায়ী, বরগুনার বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে চোখজুড়ানো এই বনের আয়তন ১৩ হাজার ৬৪৪ একর।
- ১৯২৭ সালের জরিপ অনুযায়ী, ১৯৬০ সালের ১২ জুলাই তৎকালীন সরকার এটিকে সংরক্ষিত বনাঞ্চল ঘোষণা করে।
- লবণাক্ত ও মিষ্টি মাটির অপূর্ব মিশ্রণের কারণে এই বনে গেওয়া, জাম, ধুন্দল, কেওড়া, সুন্দরী, বাইন, করমচা, বলই কেওয়া, গরানগাছের - সমারোহ। এখানে বসত গড়েছে হাজারো প্রজাতির প্রাণী।
- অনাবিল প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও বন্য প্রাণীর অভয়ারণ্য হওয়ায় এখানে গড়ে উঠেছে সোনাকাটা ইকোপার্ক পর্যটনকেন্দ্র।
- কিন্তু একের পর এক গাছের মৃত্যু প্রকৃতি ও মানুষের এসব আয়োজনকে ভন্ডুল করতে বসেছে।

উৎস: প্রথম আলো এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১.
২০২৪-২৫ অর্থবছরে GDP'র সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের অবদান কত?
  1. ৩৭.৪৪%
  2. ৩৫.৩৭%
  3. ৫১.৬২%
  4. ১০.৯৪%
সঠিক উত্তর:
৩৭.৪৪%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭.৪৪%
ব্যাখ্যা

• GDP'র সাময়িক হিসাব: ২০২৪-২৫:

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)

- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%
 
• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)

- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১২.
খরিপ শস্য মূলত কোন ধরনের ফসল?
  1. গ্রীষ্মকালীন ফসল
  2. শীতকালীন ফসল
  3. শরৎকালীন ফসল
  4. বসন্তকালীন ফসল
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রীষ্মকালীন ফসল
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ফসল উৎপাদন:

- বাংলাদেশের ফসল উৎপাদনের জন্য জলবায়ুর ভিত্তিতে সারা বছরকে প্রধানত দুটি মৌসুমে ভাগ করা যায়। যথা:- রবি বা শীতকালীন মৌসুম এবং খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম।
- রবি মৌসুম সাধারণত কার্তিক থেকে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত সময়কালকে রবি মৌসুম বলে।
- রবি শস্য মূলত শীতকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ শস্য মূলত গ্রীষ্মকালীন শস্য বা ফসল হিসেবে পরিচিত।
- খরিপ মৌসুমকে দুইভাগে ভাগ করা হয়।
- খরিপ-১: চৈত্র মাস থেকে জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-১ মৌসুম বা গ্রীষ্মকাল বলা হয়।
- খরিপ-২: আষাঢ় মাস থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত সময়কে খরিপ-২ মৌসুম বা বর্ষাকাল বলা হয়।

উৎস: কৃষিশিক্ষা, ৭ম শ্রেণি।

১৩.
আউশ ধান সাধারণত কোন সময়ে রোপণ করা হয়?
  1. জানুয়ারি শেষ – ফেব্রুয়ারি শুরু
  2. মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
  3. জুন শেষ – জুলাই শেষ
  4. সেপ্টেম্বর মধ্য – অক্টোবর শেষ
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্য মার্চ – মধ্য এপ্রিল
ব্যাখ্যা

• ফসল রোপন ও উত্তোলনের সময়সূচি:

• রোপনের সময়:
-------------------
আউশ ধান = মধ্য মার্চ মধ্য এপ্রিল।
আমন ধান =  জুনের শেষ সেপ্টেম্বরের শুরু।
বোরো ধান = মধ্য নভেম্বর মধ্য জানুয়ারি।

• উত্তোলনের সময়:
-----------------------
আউশ ধান = মধ্য জুলাই আগস্টের শুরু।
আমন ধান = ডিসেম্বর - জানুয়ারির শুরু।
বোরো ধান =  এপ্রিল - মে।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ– ২০২৪ (বিবিএস)।

১৪.
তুলা উৎপাদনে বাংলাদেশের শীর্ষ জেলা কোনটি?
  1. রাজবাড়ী
  2. ঝিনাইদহ
  3. কুষ্টিয়া
  4. খুলনা
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিনাইদহ
ব্যাখ্যা

- ভুট্টা উৎপন্ন শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৫.
বুড়িমারী স্থলবন্দরটি কোথায় অবস্থিত?
  1. গাইবান্ধা
  2. লালমনিরহাট 
  3. রংপুর
  4. চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লালমনিরহাট 
ব্যাখ্যা

• বুড়িমারী স্থলবন্দরটি:
- স্থলবন্দরটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত।
- ১৯৮৮ সালে বুড়িমারী স্থল শুল্ক স্টেশন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি ২০০২ সালে স্থলবন্দর হিসেবে ঘোষিত হলেও এর আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০১০ সালে।
- আমদানি রপ্তানির পরিমাণ অনুযায়ী বুড়িমারী স্থলবন্দরটি বাংলাদেশের চতুর্থ বৃহত্তম স্থলবন্দর।

• গুরত্বপূর্ণ স্থলবন্দরের অবস্থান:
• বেনাপোল স্থলবন্দর - বেনাপোল, যশোর।
• আখাউড়া স্থলবন্দর- আখাউড়া, ব্রাহ্মনবাড়িয়া।
• ভোমরা স্থলবন্দর - ভোমরা, সাতক্ষিরা।
• তামাবিল স্থলবন্দর- গোয়াইনঘাট সিলেট।
• দর্শনা স্থলবন্দর  - দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
• বিলোনিয়া স্থলবন্দর - বিলোনিয়া, ফেনী।
• গোবড়াকুড়া-কড়ইতলী স্থলবন্দর - হালুয়াঘাট, ময়মনসিংহ।
• রামগড় স্থলবন্দর - রামগড়, খাগড়াছড়ি।
• সোনাহাট স্থলবন্দর - ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
• সোনামসজিদ স্থলবন্দর- শিবগঞ্জ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
• বাংলাবান্ধা স্থলবন্দর- তেতুলিয়া, পঞ্চগড়।
• টেকনাফ স্থলবন্দর- টেকনাফ, কক্সবাজার।
• বিবিরবাজার স্থলবন্দর- বিবিরবাজার কুমিল্লা সদর।

উৎস: বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ

১৬.
তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা হলো—
  1. কুষ্টিয়া
  2. রাজশাহী
  3. দিনাজপুর
  4. যশোর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা

- ভুট্টা উৎপন্ন শীর্ষ জেলা - দিনাজপুর জেলা
- ধান উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ময়মনসিংহ।
- গম উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঠাকুরগাঁও।
- তুলা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ঝিনাইদহ।
- চা উৎপাদনে শীর্ষ জেলা মৌলভীবাজার।
- তামাক উৎপাদনে শীর্ষ জেলা কুষ্টিয়া।
- পাট উৎপাদনে শীর্ষ জেলা ফরিদপুর।
- আলু উৎপাদনে শীর্ষ জেলা রংপুর।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২৪।

১৭.
রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয় কত সালে?
  1. ২০১২ সাল
  2. ২০১১ সাল
  3. ২০১৩ সাল
  4. ২০১৫ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১১ সাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১১ সাল
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের গণপরিবহন খাতের মধ্যে রেলওয়ে অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রীয় পরিবহন মাধ্যম।
- প্রথম রেলওয়ের সূচনা: ১৮৬২ সালের ১৫ নভেম্বর, দর্শনা–জগতি রেললাইন নির্মাণের মাধ্যমে।
- বর্তমান রেল নেটওয়ার্ক: ২৮৭৭ কিঃমিঃ, দেশের ৪৪টি জেলায় সংযুক্ত।
- ১৯৪৭ সালের পূর্বে অবিভক্ত ভারতবর্ষে রেলওয়ে বোর্ডের মাধ্যমে রেল পরিচালিত হতো।

- ১৯৭৩ সালে রেলওয়ে বোর্ড বিলুপ্ত করে যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের সাথে সংযুক্ত করা হয়।
- ১৯৮২ সালে রেলপথ বিভাগ গঠন করা হয়; সচিব ডিজি কাম সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করতেন।
- ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ রেলওয়ে অথরিটি (বিআরএ) গঠন করা হয়, তবে কার্যক্রম দীর্ঘস্থায়ী হয়নি।
- ১৯৯৬–২০০৩ সময়ে এডিবি অর্থায়নে রেলওয়ের প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
- এরপর যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের অধীনে সড়ক ও রেলপথ বিভাগের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালিত হত।
-  মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ০৪-১২-২০১১ তারিখের এস আরও নং ৩৬১ আইন/২০১১ অনুযায়ী রেলপথ মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়।

উৎস:রেল মন্ত্রণালয়।

১৮.
মুহুরী সেচ প্রকল্প কোথায় অবস্থিত?
  1. রাজশাহী
  2. ফেনী 
  3. চাঁদপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ফেনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেনী 
ব্যাখ্যা

•মুহুরী সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সেচ প্রকল্প।
- ফেনী সদর, ছাগলনাইয়া, পোরশুরাম, ফুলগাজী, সোনাগাজিয়ায় পানি সরবরাহের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে চল্লিশ ফুট স্লুইস গেট। 
- এটি বর্ষা মৌসুমে বন্যার সম্ভাবনা কমাতে এবং আমন ফসলের জন্য চট্টগ্রামের মিরসরাই উপ-জেলার কয়েকটি এলাকায় পানি সরবরাহ করে।
- সিডা, ইইসি এবং বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় জাপানি কোম্পানি এসআইএম ইউ জে এইচ ইউ এই প্রকল্পটি নির্মাণ করেছে।

উৎস: পানি উন্নয়ন বোর্ড।

১৯.
কোনটি তামাকের উন্নত জাত?
  1. দোয়েল
  2. ল্যাংড়া
  3. সুমাত্রা
  4. চমক
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
ব্যাখ্যা

• আমরে উন্নত জাত - ল্যাংড়া, গোপালভাগ, মহানন্দা, মোহনভাগ, হিমসাগর, হাড়িভাঙ্গা, রূপালি।
• গমের উন্নত জাত- আনন্দ, আকবর, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ।
• আলুর উন্নত জাত - ডায়মন্ড, সিন্দুরী, কুফরী, চমক, কার্ডিনাল।
• ভুট্টার উন্নত জাত- বর্ণালি, শুভ্র, খইভুট্টা, মোহর উত্তরণ।
• তামাকের উন্নত জাত - সুমাত্রা, ম্যানিলা।

উৎস: কৃষিমন্ত্রনালয়।