পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৪০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৯
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৪০ প্রশ্ন

.
গুপ্ত যুগে নির্মিত 'ভরত রাজা দেউল' কোথায় অবস্থিত?
  1. নরসিংদী
  2. যশোর
  3. চট্টগ্রাম
  4. নাটোর
ব্যাখ্যা

ভরত রাজা দেউল:
- অবস্থান:  যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলায়, ভদ্রা নদীর তীরে।
- উচ্চতা ও পরিধি: উচ্চতা প্রায় ১২.২০ মিটার, পরিধি ২৬৬ মিটার।
- সময়কাল: গুপ্ত যুগে নির্মিত বলে ধারণা করা হয়।
- প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খননকাল: ১৯৮৪–২০০১ সাল।
- স্থাপনাটির প্রধান অংশ: টি-আকৃতির স্থাপনা, একটি মঞ্চ মূল মন্দির।
- মোট কক্ষ : ৯৪টি কক্ষ।
-  স্হাপনাটির গোড়ায় দিকে চারপাশে ৩ মিটার চওড়া রাস্তা রয়েছে।

উৎস - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।  

.
পিএসসির চেয়ারম্যান ও নির্বাচন কমিশনারবৃন্দের শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. ডেপুটি স্পিকার 
  2. প্রধান বিচারপতি
  3. রাষ্ট্রপতি 
  4. স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুসারে:

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

সূত্র - বাংলাদেশ সংবিধান।

.
UNICEF ও WHO এর যৌথ প্রতিবেদন অনুয়ায়ী, বাংলাদেশের কত শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাবার পানি পায়? (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
  1. ৪২ শতাংশ
  2. ৬৯ শতাংশ
  3. ৭২ শতাংশ
  4. ৫৯ শতাংশ
ব্যাখ্যা

নিরাপদ খাবার পানি:
- জাতিসংঘের দুই সংস্থা ইউনিসেফ ও বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) জয়েন্ট মনিটরিং প্রোগ্রাম (জেএমপি) ২০২৫ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
- জেএমপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের প্রায় ৯৯ শতাংশ মানুষ খাবার পানি পায়। 
- সেই সাথে ৫৯ শতাংশ মানুষ নিরাপদ খাবার পানি পায়।
- ২০১৫ সালে এ হার ছিল ৫৬ শতাংশ।
- নিরাপদ পানি প্রাপ্তির দিক থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে এগিয়ে ভারত।
- দেশটিতে এখন ৭৬ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পায়।
- এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে নেপাল। দেশটির ১৬ শতাংশ মানুষ নিরাপদ পানি পায়।

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা প্রতিবেদন

.
মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব কে  পালন করেন? 
  1. এ কে খন্দকার
  2. এম এ জি ওসমানী
  3. এম এ রব
  4. কে এম শফিউল্লাহ
ব্যাখ্যা
১৯৭১ সালের ১০ ই এপ্রিল গঠিত মুজিবনগর সরকারের-
- মুক্তিযুদ্ধে প্রধান সেনাপতি ও মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ জি ওসমানী।
- মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি/সরকার প্রধান/ ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- মুক্তিযুদ্ধে চিফ অব স্টাফ এর দায়িত্ব পালন করেন - কর্নেল এম এ রব।
- মুক্তিযুদ্ধে উপসেনাপতির দায়িত্ব পালন করেন - এ কে খন্দকার।

এছাড়াও,
- উপ-রাষ্ট্রপতি এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন- সৈয়দ নজরুল ইসলাম,
- প্রধানমন্ত্রী ছিলেন- তাজউদ্দিন আহমদ,
- পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- খন্দকার মোশতাক আহমেদ,
- অর্থমন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এম.মনসুর আলী,
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন- এ এইচ এম কামরুজ্জামান।

উৎস:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ওয়েবসাইট। 
.
নিম্নোক্ত কোন ব্রিটিশ ভাইসরয়ের সময় প্রথম 'ভারতীয় শিক্ষা কমিশন' গঠন করা হয়?
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড লিটন
  3. লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
হান্টার কমিশন:
- ১৮৫৪ সালে উডের ডেসপ্যাচে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উন্নতির জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল।
- কিন্তু এই ডেসপ্যাচের ভাবধারা কে অবহেলা করে প্রাথমিক ও দেশজ শিক্ষার উপর গুরুত্ব না দিয়ে শুধু উচ্চশিক্ষা ও সরকারি স্কুল কলেজগুলিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়।
- এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নতি একেবারেই হয় না।
- তাই সরকার প্রথমে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার উন্নতি সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করেন।

• হান্টার কমিশন গঠন:
- এই পরিস্থিতিতে তৎকালীন ভাইসরয় লর্ড রিপন ১৮৮২ খ্রিস্টাব্দের ৩রা ফেব্রুয়ারি ২০ জন সদস্য নিয়ে একটি শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- এটি প্রথম "ভারতীয় শিক্ষা কমিশন” নামে পরিচিত।
- এই কমিশন স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টারের নেতৃত্বে গঠিত হয়েছিল বলে একে "হান্টার কমিশন” বলা হয়।
- স্যার উইলিয়াম উইলসন হান্টার ছিলেন এই কমিশনের সভাপতি।
- অন্যান্য সদস্যরা হলেন আনন্দমোহন বসু, কে.টি. তেলাং, ভূদেব মুখোপাধ্যায়, স্যার সৈয়দ আহমদ খান প্রমুখ।
- প্রাথমিক শিক্ষা ও নিরক্ষরতা বিষয়ে এই কমিশনকে বিশেষভাবে বিচার করার কথা বলা হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
চাকমা সম্প্রদায়ের গ্রাম গুলো কী নামে পরিচিত?
  1. আদাম
  2. পুঞ্জি
  3. রোয়া
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী -
- চাকমা শাসন ব্যবস্থায় গ্রাম প্রধানকে বলা হয় কারবারি।
- কারবারির কাজ হলো রাজার পক্ষ গ্রামের বিভিন্ন বিরোধের নিষ্পত্তি করা ।
- এদের রাজার সুপারিশে সরকারের পক্ষ থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
- চাকমাদের গ্রামগুলো আদাম নামে পরিচিত।

অন্যদিকে,
- সাওতালদের গ্রাম: দিশাম।
- মারমাদের গ্রাম: রোয়া।
- খাসিয়াদের গ্রাম: পুঞ্জি।

উৎস: ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর ভাষা ও সংস্কৃতি, সপ্তম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রচারণার প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কোন শহরটি পরিচিত ছিল?
  1. কলকাতা
  2. বার্মিংহাম
  3. লন্ডন
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
গ্রেট ব্রিটেনের ভূমিকা:
- ১৯৭০ সালের নির্বাচনের পর থেকে শুরু করে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের দিনগুলোতে ব্রিটেনের প্রচার মাধ্যম বিশেষ করে বিবিসি এবং লন্ডন থেকে প্রকাশিত পত্র-পত্রিকা বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম নির্যাতন এবং বাঙালিদের সংগ্রাম ও প্রতিরোধ, ভারতে আশ্রয় নেওয়া শরণার্থীদের করুণ অবস্থা, পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা এবং মুক্তিযুদ্ধের অগ্রগতি সম্পর্কে বিশ্ব জনমতকে জাগ্রত করে তোলে।
- ব্রিটিশ সরকারও আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে খুবই সহানুভূতিশীল ছিল।
- লন্ডন ছিল বহির্বিশ্বে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে প্রচারের প্রধান কেন্দ্র। 

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিম্নোক্ত কোন অঞ্চলের লোক সঙ্গীত গম্ভীরা?
  1. দিনাজপুর
  2. সিলেট
  3. কুমিল্লা
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা
গম্ভীরা:
- গম্ভীরা গান এক প্রকার জনপ্রিয় লোকসঙ্গীত।
- সাধারণত বৃহত্তর রাজশাহী অঞ্চলে এ গান প্রচলিত।
- ‘গম্ভীরা’ হচ্ছে এক প্রকার উৎসব।
- ধারণা করা হয় যে, গম্ভীরা উৎসবের প্রচলন হয়েছে শিবপূজাকে কেন্দ্র করে।
- শিবের এক নাম ‘গম্ভীর’, তাই শিবের উৎসব গম্ভীরা উৎসব এবং শিবের বন্দনাগীতিই হলো গম্ভীরা গান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদের মধ্যে 'গণতন্ত্র ও মানবাধিকার'- এর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৯নং
  2. ১১ নং
  3. ১০ নং
  4. ১২ নং
ব্যাখ্যা
রাষ্ট্রীয় মূলনীতি:
- বাংলাদেশের সংবিধানেও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কতগুলো মৌলিক নীতি নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এ নীতিগুলো রাষ্ট্র শাসনের মূলসূত্র।
- মূল সংবিধানের 'দ্বিতীয় ভাগে' রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি শিরোনামে ৮ থেকে ২৫ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত মূলনীতিগুলো লিপিবদ্ধ করা হয়েছে।
- এগুলো হলো:
• জাতীয়তাবাদ: মূল সংবিধানের ৯নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'ভাষাগত ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের বন্ধনে আবদ্ধ বাঙালি জাতি ঐক্যবদ্ধ ও সংকল্পবদ্ধ সংগ্রাম করে জাতীয় স্বাধীনতা যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অর্জন করেছে।'
• সমাজতন্ত্র: মূল সংবিধানের ১০ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'মানুষের উপর মানুষের শোষণের অবসান ঘটিয়ে ন্যায়ানুগ সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে শোষণহীন সমাজ কায়েম করা হবে।'
• গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: সংবিধানের  ১১ নং  অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। সমাজজীবন হতে সর্বপ্রকার বৈষম্য দূরীভূত করে নাগরিকদের মৌলিক মানবিক অধিকার এবং ব্যক্তি স্বাধীনতার নিশ্চয়তা বিধান করা হবে।
• ধর্ম নিরপেক্ষতা: সংবিধানের ১২ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, 'রাষ্ট্র কর্তৃক কোন ধর্মকে রাজনৈতিক মর্যাদা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে কোন ধর্মের ব্যবহার, কোন বিশেষ ধর্ম পালনকারী ব্যক্তির বৈষম্য বা তার উপর উৎপীড়ন করা হবে না।'

উৎস: পৌরনীতি ও নাগরিকতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
মুক্তিযুদ্ধের সময় নিম্নের কোন দেশ থেকে 'বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ' নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হয়েছে?
  1. কানাডা
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা
মুক্তিযুদ্ধে গণমাধ্যম:
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন দেশে সংবাদপত্রে মুক্তিবাহিনীর তৎপরতা, বাংলাদেশ সরকারের কার্যক্রম ও নির্দেশাবলী, নেত্রবৃন্দের বিবৃতি ও তৎপরতা, প্রবাসী বাঙ্গালীদের আন্দোলনের খবর ইত্যাদি প্রকাশিত হত।
- এদের মধ্যে মুজিবনগর থেকে প্রকাশিত জয় বাংলা, বাংলাদেশ, বঙ্গবাণী, স্বদেশ, রণাঙ্গন, স্বাধীন বাংলা, মুক্তিযুদ্ধ, সোনার বাংলা, বিপ্লবী বাংলাদেশ, জন্মভূমি, বাংলার বাণী, নতুন বাংলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

এছাড়াও,
- মার্কিন যুক্তরাজ্য থেকে প্রকাশিত হতো বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ সংবাদ পরিক্রমা।
- আমেরিকা থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশ নিউজ লেটার, বাংলাদেশ নিউজ বুলেটিন, শিক্ষা উল্লেখযোগ্য।
- কানাডা থেকে বাংলাদেশ স্ফুলিঙ্গ নামক সংবাদপত্র প্রকাশিত হত।

উৎস: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।
১১.
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের মাধ্যমে কতটি স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটেছে?
  1. ৩টি
  2. ২টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি
ব্যাখ্যা
গুপ্ত সাম্রাজ্য:
- খ্রিস্টীয় প্রায় ৪ শতকের শুরুতে উত্তর-পূর্ব ভারতে প্রথম গুপ্ত সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- মগধ বা বরেন্দ্রের অধিপতি ছিলেন গুপ্তদের আদিপুরুষ শ্রীগুপ্ত।
- প্রথম চন্দ্রগুপ্তের হাত ধরে গুপ্ত শাসন প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর একে একে সমুদ্রগুপ্ত, দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্ত বিক্রমাদিত্য, ১ম কুমারগুপ্ত মহেন্দ্রাদিত্য, স্কন্ধগুপ্ত বিক্রমাদিত্যের প্রবল পরাক্রান্ত শাসন লক্ষ করা যায়।
- তবে পরবর্তীকালের গুপ্ত শাসকগণ অপেক্ষাকৃত দুর্বল ছিলেন।
- তারপর হুনদের আক্রমণের মধ্য দিয়ে গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।

⇒ ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে বিশাল গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতন ঘটে।
- সেই অস্থিতিশীল পরিবেশে বাংলাদেশে দুটো স্বাধীন রাষ্ট্রের উত্থান ঘটে।
- এর একটি হচ্ছে স্বাধীন 'বঙ্গ রাষ্ট্র', অপরটি 'গৌড় রাজ্য।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
বাংলাদেশের দাবার ইতিহাসে প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার হিসেবে পরিচিত লাভ করেন কে?
  1. জিয়াউর রহমান
  2. রিফাত বিন সাত্তার
  3. নিয়াজ মোরশেদ
  4. আবদুল্লাহ আল রাকিব
ব্যাখ্যা
দাবায় বাংলাদেশের গ্র্যান্ড মাস্টার:
- বাংলাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার নিয়াজ মোরশেদ।
- ১৯৮৭ সালে ২১ বছর বয়সে উপমহাদেশের প্রথম গ্র্যান্ডমাস্টার খেতাব অর্জন করেন নিয়াজ মোরশেদ।
- তিনি ছিলেন দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম ও এশিয়ার পঞ্চম গ্র্যান্ড মাস্টার।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশ থেকে পাঁচজন দাবাড়ু গ্র্যান্ড মাস্টার সম্মাননা অর্জন করেছেন।
- ২০০২ সালে গ্র্যান্ডমাস্টার হয়েছেন জিয়াউর রহমান।
- ২০০৬ সালে রিফাত বিন সাত্তার।
- ২০০৭ সালে আবদুল্লাহ আল রাকিব।
- সর্বশেষ ২০০৮ সালে এনামুল হোসেন রাজীব।
- তবে তারও আগে ১৯৮৫ সালে রানী হামিদ আন্তর্জাতিক মহিলা মাস্টার খেতাব পান।

এছাড়াও,
- গ্র্যান্ড মাস্টার দাবার সর্বোচ্চ খেতাব।
- এটি দাবার আন্তর্জাতিক সংগঠন ‘ফিদে’র তরফ থেকে দেওয়া হয়।
- একজন দাবারুকে ফিদে মাস্টার খেতাব পেতে হলে কমপক্ষে ২৩০০ রেটিং থাকতে হয়।
- ১৯৮৪ সাল থেকে দাবা অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ দাবা দল।

উৎস: কালের কন্ঠ ও  প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট ।

১৩.
'সব কটা জানালা খুলে দাও না, ওরা আসবে চুপি চুপি' এই জনপ্রিয় গানের সুরকার কে?
  1. গোবিন্দ হালদার
  2. আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল
  3. গাজী মাজহারুল আনোয়ার
  4. আপেল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান:
- নজরুল ইসলাম বাবু এর লেখা কালজয়ী গান: 'সবকটা জানালা খুলে দাও না', গানটির সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।
- ‘মোরা একটি ফুলকে বাঁচাবো বলে যুদ্ধ করি’ গানটির গীতিকার গোবিন্দ হালদার, গানটির শিল্পী আপেল মাহমুদ। 

এছাড়াও,
- একাত্তরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকালে ‘এক সাগর রক্তের বিনিময়ে বাংলার স্বাধীনতা আনলে যাঁরা’, ‘পূর্ব দিগন্তে সূর্য উঠেছে, রক্ত লাল রক্ত লাল’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা তোমার আমার ঠিকানা’ ইত্যাদি কালজয়ী গানের রচয়িতা ও গীতিকার গোবিন্দ হালদার।
- 'জয় বাংলা বাংলার জয়' গানটি লিখেছেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার।   
- সিকান্দার আবু জাফর রচিত ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ গানটি মুক্তিযুদ্ধের সময় জনগণকে বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত করেছিল।

উৎস: প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট  এবং বাংলাপিডিয়া।
১৪.
দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে নিম্নোক্ত কোনটি বলা হয়?
  1. মূল্য সংযোজন কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. অতিরিক্ত ফি
  4. সম্পূরক শুল্ক
ব্যাখ্যা

আবগারি শুল্ক:
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যাদির উপর আরোপিত করকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব আদায়ের পাশাপাশি বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যাদির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- বাংলাদেশে চা, তামাক, চিনি, গুড় প্রভৃতির উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়। আবগারি শুল্ক এক প্রকার পরোক্ষ কর।

অন্যদিকে,
- সারচার্জ হলো একপ্রকার মাশুল বা অতিরিক্ত ফি/শুল্ক।
- বিদ্যমান করের সাথে সারচার্জ আরোপ করা হয়।

সূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এবং ব্রিটানিকা। 

১৫.
'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের কত নং সংশোধনীতে সন্নিবেশিত করা হয়েছে?
  1. ৩য় সংশোধনীতে
  2. ২য় সংশোধনীতে
  3. ৪র্থ সংশোধনীতে
  4. ১ম সংশোধনীতে
ব্যাখ্যা
দ্বিতীয় সংশোধনী:
- দ্বিতীয় সংশোধনীটি উত্থাপিত হয় ১৯৭৩ সালের ১৮ সেপ্টম্বর।
- সংশোধনীটি গৃহীত হয় ১৯৭৩ সালের ২০ সেপ্টেম্বর।
- সংশোধনীটি অনুমোদিত হয় ২২ সেপ্টম্বর ১৯৭৩ সালে।
- 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান সংবিধানের ২য় সংশোধনীতে সন্নিবেশিত হয়েছে।
- সংবিধানের দ্বিতীয় সংশোধন আইন দ্বারা অভ্যন্তরীণ গোলযোগ বা বহিরাক্রমণে দেশের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক জীবন বাধাগ্রস্ত হলে 'জরুরি অবস্থা' ঘোষণার বিধান চালু করা হয়।
- এছাড়াও, নিবর্তনমূলক আটক ও জরুরী অবস্থার সময় মৌলিক অধিকার স্থগিতকরণ সংক্রান্ত বিধানসমূহ সংযোজন করা হয়।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান ও পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
নিম্নের কোন জাতটিকে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়?
  1. ব্রি-৭৯
  2. ব্রি ধান-৫৭
  3. ব্রি-৩৪
  4. ব্রি-৩৩
ব্যাখ্যা
ব্রি ধান-৩৩ কে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

মঙ্গার ধান:

ব্রি ধান-৩৩ আমন মৌসুমের ধান।
- ১৯৯৭ সালে এ জাতের উদ্ভাবন হয়।
- হেক্টরপ্রতি ফলন প্রায় ৪.৫ টন।
- জীবনকাল ১১৮ দিন।
- মঙ্গা এলাকায় এ ধান বেশ জনপ্রিয় বলে একে 'মঙ্গার ধান' বলা হয়।

উল্লেখ্য,
⇒ খরা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫৫,
• ব্রি ধান-৫৬,
• ব্রি ধান-৫৭,
• ব্রি ধান-৬৬,

⇒ জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাতসমূহ:
• ব্রি ধান-৫১,
• ব্রি ধান-৫২,
• ব্রি ধান-৭৯ প্রভৃতি।

উৎস: কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এবং  বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
১৭.
নিম্নোক্ত কোনটির উপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠেছে?
  1. নীতি ও মতের ভিত্তিতে
  2. নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে
  3. স্বজাতিবোধের ভিত্তিতে
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
রাজনৈতিক দল:
- সাধারণত বহুমুখী ও ব্যাপক সামাজিক বা জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দলের সৃষ্টি হয়।
- বহু ও বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দায়-দায়িত্ব রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অন্তর্ভূক্ত থাকে।
- রাজনৈতিক দলের প্রধান বিবেচ্য বিষয় হল বৃহত্তম জাতীয় ও সামাজিক স্বার্থ সাধন।
- রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম জাতীয় জীবনের সকল ক্ষেত্রেই সম্প্রসারিত।
- সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক মতাদর্শের ভিত্তিতে রাজনৈতিক দল গড়ে উঠে।
- এই মতাদর্শের পরিপ্রেক্ষিতে দলীয় নীতি ও ব্যাপক কর্মসূচি রচিত হয় এবং তা বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করা হয়।

সূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৮.
বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) নিম্নের কোথায় অবস্থিত?
  1. চট্টগ্রাম
  2. ময়মনসিংহ
  3. ঢাকা
  4. কক্সবাজার
ব্যাখ্যা

মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ১৯৮৪ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন (ময়নসিংহ) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রধান কার্যালয় ব্যতীত এর আরো ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- গবেষণা কেন্দ্র গুল হচ্ছেঃ
- স্বাদু পানির মৎস্য কেন্দ্র - ময়মনসিংহ
- লোনাপানির মৎস্য কেন্দ্র - খুলনা
- নদীর মৎস্য কেন্দ্র - চাঁদপুর
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র - কক্সবাজার
- চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র - বাগেরহাট।

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১৯.
নিম্নোক্ত কোন অনুচ্ছেদে 'জরুরি অবস্থার সময় সংবিধানের স্থগিতের কথা বলা হয়েছে? 
  1. ৩৭
  2. ২৭
  3. ৪১
  4. ১৪১
ব্যাখ্যা

সংবিধান - 
সংবিধানের ১৪১(খ) উপ দফায় জরুরি অবস্থার সময় সরকারকে সংবিধানে উল্লিখিত কিছু মৌলিক অধিকার রহিত করার ক্ষমতা প্রদান করা হয়েছে।
এগুলো হলো:
- ৩৬ নং অনুচ্ছেদ : চলাফেরার স্বাধীনতা
- ৩৭ নং অনুচ্ছেদ : সমাবেশের স্বাধীনতা
- ৩৮ নং অনুচ্ছেদ : সংগঠনের স্বাধীনতা
- ৩৯ নং স্বাধীনতা : চিন্তা, বিবেক ও বাক-স্বাধীনতা
- ৪০ নং অনুচ্ছেদ : পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা
- ৪২ নং অনুচ্ছেদ : সম্পত্তির অধিকার।

সূত্র -  বাংলাদেশ সংবিধান।

২০.
নিম্নোক্ত কোনটি প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির দায়িত্ব পালন করে?
  1. ECNEC
  2. PSC
  3. NICAR
  4. NIPORT
ব্যাখ্যা
NICAR:
- NICAR-এর পূর্ণরূপ: National Implementation Committee for Administrative Reform.
- প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি হলো নিকার।
- ১৯৮২ সালের প্রশাসনিক পুনর্গঠন/সংস্কার কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গঠিত একটি স্থায়ী কমিটি।
- ১৯৮২ সালের আগস্ট মাসে তৎকালীন উপ-প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক রিয়ার এডমিরাল এম.এ খানকে সভাপতি করে এ কমিটি গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২১.
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ কত শতাংশ দেওয়া হয়েছে?
  1. ২২.৫%
  2. ২৩.৫%
  3. ২৪.৫%
  4. ২৫.৫%
ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
• প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন - ২৩.৫%।
• দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি - ১৪.০%।
• তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ - ৯.০%।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।

সূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

২২.
১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শেষ রণাঙ্গন হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. চকবাজার, চট্টগ্রাম
  2. ময়নামতি, কুমিল্লা
  3. মিরপুর, ঢাকা
  4. কালীবাড়ি, যশোর
ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধের শেষ রণাঙ্গন:
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ পাকিস্তানি সেনারা আত্মসমর্পণ করলেও মিরপুর তখনো মুক্ত হয়নি।
- মিরপুর ছিল বিহারি, রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও দলছুট পাকিস্তানি সেনাদের শক্ত ঘাঁটি।
- প্রায় দেড় মাস ধরে মিরপুর অবরুদ্ধ অবস্থায় ছিল।
- ৩০ জানুয়ারি ১৯৭২ সেনাবাহিনী, পুলিশ ও মুক্তিযোদ্ধারা যৌথ অভিযান চালায়।
- তীব্র লড়াইয়ের পর ৩১ জানুয়ারি ১৯৭২ তারিখে মিরপুর চূড়ান্তভাবে মুক্ত হয়।
- মিরপুরের মুক্তির মাধ্যমে পুরো বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ মুক্ত হয়।
- এটি মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ের শেষ সশস্ত্র সংঘর্ষ বলা হয়।
- এই কারণে মিরপুরকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের শেষ রণাঙ্গন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

উৎস  - মানবজীবন ও যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট। 

২৩.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, নিম্নের কোন খাতে প্রাকৃতিক গ্যাস সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্যাপটিভ
  2. শিল্পখাতে
  3. গৃহস্থালির কাজে
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদনে
ব্যাখ্যা
[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গ্যাসক্ষেত্র:

⇒ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের হিসাব মতে, ২০২২-২৩ অর্থবছরে প্রাকৃতিক গ্যাস সর্বোচ্চ ব্যবহারের কয়েকটি খাত হচ্ছে –
- বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহার: ৩৮৯.৪ বিলিয়ন ঘনফুট (৪২.০০%) [ব্যবহারের দিক থেকে এই খাতে সবচেয়ে বেশি গ্যাস ব্যবহৃত হয়]।
- শিল্পখাতে ব্যবহার: ১৭৮.৮ বিলিয়ন ঘনফুট (১৯.০০%) [দ্বিতীয়]। 
- ক্যাপটিভ: ১৬৪.৩ বিলিয়ন ঘনফুট (১৮%) [তৃতীয়]।
- গৃহস্থালির কাজে ব্যবহার: ১০০.৬ বিলিয়ন ঘনফুট (১১.০০%)।

⇒ জানুয়ারি ২০২৪ সময়ে উত্তোলনযোগ্য অবশিষ্ট মজুদের/নীট মজুদের পরিমাণ ৮.১৭ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- পেট্রোবাংলার সর্বশেষ প্রাক্কলন অনুযায়ী প্রাথমিক মোট মজুদ গ্যাস-এর পরিমাণ ৪০.৫৩ ট্রিলিয়ন ঘনফুট।
- উত্তোলনযোগ্য, প্রমাণিত ও সম্ভাব্য (2P) গ্যাসের মজুদের পরিমাণের হিসাবে দেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর উত্তোলনের পরিমাণ ৬৩৬৭ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত।

অন্যদিকে,
- প্রাথমিক মজুদের পরিমাণের হিসাবে বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র বিবিয়ানা।
- প্রাথমিক মোট মজুদ পরিমাণ – ৮৩৫০.০ বিলিয়ন ঘনফুট।
- এটি হবিগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।

এছাড়া,
- দ্বিতীয় বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র তিতাস।
- এর পরিমাণ ৮১৪৮.৯ বিলিয়ন ঘনফুট।

উৎস: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২৪.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী নিম্নের কোনটি?
  1. মারমা
  2. চাকমা
  3. ত্রিপুরা
  4. বাঙালি 
ব্যাখ্যা
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী জনসংখ্যা ১৬,৫০,৪৭৮ জন।
- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীভুক্ত জনসংখ্যা সবচেয়ে বেশি বাস করে চট্টগ্রাম বিভাগে (এ জনগোষ্ঠীর ৬০.০৪%)।
- উপজাতির সংখ্যা সবচেয়ে কম বরিশাল বিভাগে (০.২৫%)।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাকমা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
• চাকমা - ৪,৮৩,৩৬৫।
• মারমা - ২,২৪,২৯৯।
• ত্রিপুরা - ১,৫৬,৬২০।
• সাঁওতাল - ১,২৯,০৫৬।
• ওরাওঁ - ৮৫,৮৫৮।
• গারো - ৭৬,৮৫৪।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বসবাসকারী নৃগোষ্ঠী  - বাঙালি। 

সূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
২৫.
নিম্নের কোন মুঘল সম্রাট 'জিজিয়া কর' রহিত করেন?
  1. আওরঙ্গজেব
  2. আকবর
  3. শাহজাহান
  4. হুমায়ুন
ব্যাখ্যা
সম্রাট আকবর:
- তৃতীয় মুঘল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
- পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
- তখন তাঁর বয়স ছিল ১৩ বছর।
- তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
- ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর বাংলার শাসনভার গ্রহন করেন।
- ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
- মুঘল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।
- কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন।
- সম্রাট আকবরের শাসনামলেই 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।

সূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
২৬.
রুয়ান্ডা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল কত সালে?
  1. ১৯৯৩ সালে
  2. ১৯৯৪ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে
ব্যাখ্যা

রুয়ান্ডা গণহত্যা:
- ১৯৯৪ সালের এপ্রিল-জুলাই মাসে রুয়ান্ডা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছিল।
- মাত্র ১০০ দিনের মধ্যে প্রায় আট লাখ মানুষকে হত্যা করা হয়, যাদের বেশিরভাগই ছিল সংখ্যালঘু তুতসি সম্প্রদায়ের।
- গণহত্যা পরিচালনাকারীরা ছিল হুতু সম্প্রদায়ের।
- গণহত্যার প্রভাবে রুয়ান্ডায় যেসব পরিবর্তন এসেছিল তার অন্যতম একটি হলো দেশটিতে ইসলাম ধর্মের উত্থান।
- রুয়ান্ডার তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জুভেনাল হাবিয়ারিমানাকে বহনকারী বিমান ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সূত্রপাত হয়েছিল এই গণহত্যার।
- প্রেসিডেন্ট ছিলেন সংখ্যাগুরু হুতু সম্প্রদায়ের।
- প্রেসিডেন্ট হাবিয়ারিমানাকে হত্যার পেছনে তুতসিদের হাত আছে বলে দোষারোপ করেছিল হুতুরা।
- আর তারপরই হুতু চরমপন্থিরা তুতসিদের ওপর চড়াও হয়ে তাদের নির্বিচারে হত্যা করে।
- মধ্যপন্থি কিছু হুতু যারা তুতসিদের কাউকে কাউকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন তারাও হত্যার শিকার হন।
- গণহত্যার পর মূলত ক্ষমতা নেয় তুতসি বাহিনী।

তথ্যসূত্র: Britannica.com

২৭.
জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থার মধ্যে রয়েছে -
  1. সাধারণ পরিষদ
  2. নিরাপত্তা পরিষদ
  3. আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা:
- জাতিসংঘের মূল অঙ্গসংস্থা ছয়টি। এগুলো হলো:
• সাধারণ পরিষদ
• নিরাপত্তা পরিষদ
• অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন
• আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত
• অছি পরিষদ ও
• জাতিসংঘ সচিবালয়।

- এদের মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদকে সবচেয়ে প্রভাবশালী অঙ্গসংস্থা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। বিশ্বে শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষার দায়িত্ব এই পরিষদের উপর ন্যস্ত।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে পাঁচটি হলো স্থায়ী সদস্য এবং দশটি অস্থায়ী সদস্য।
- পাঁচটি স্থায়ী সদস্যের ভেটো ক্ষমতা রয়েছে। ভেটো অর্থ আমি ইহা মানি না।
- ভেটো ক্ষমতার জন্যে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত যেকোন প্রস্তাব পাশের জন্যে এই পাঁচটি দেশের প্রত্যেকটির সম্মতির প্রয়োজন হয়।
- জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে সর্বাধিক ভেটো প্রদানকারী দেশ রাশিয়া।
- নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যগুলো দুই বছরের জন্যে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে নির্বাচিত হয়।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

২৮.
২০২৫ সালে ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) এর প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা শীর্ষে রয়েছে -
  1. মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া
  2. জুরিখ, সুইজারল্যান্ড
  3. ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া
  4. কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

গ্লোবাল লিভেবিলিটি ইনডেক্স- ২০২৫:

- ইকোনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) প্রতি বছর বিশ্বের বসবাসযোগ্য শহরের তালিকা প্রকাশ করে।
- তালিকায় পাঁচটি প্রধান মানদণ্ডে বিশ্বের ১৭৩টি শহরের মূল্যায়ন করা হয়।
- মানদণ্ডগুলো হলো–স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্যসেবা, সংস্কৃতি ও পরিবেশ, শিক্ষা এবং অবকাঠামো।
- গত ১৬ জুন, ২০২৫ ইআইইউ ২০২৫ সালের তালিকা প্রকাশ করে।

শীর্ষ দেশ:
• কোপেনহেগেন, ডেনমার্ক।
• ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।
• জুরিখ, সুইজারল্যান্ড।
• মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া।
• জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।

⇒ বাংলাদেশের অবস্থান ১৭১ তম।

তথ্যসূত্র - পত্রিকা রিপোর্ট।

২৯.
কোন দেশ বর্ণবাদ ইস্যুতে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে বেরিয়ে যায়?
  1. দক্ষিণ আফ্রিকা
  2. পাকিস্তান
  3. ভারত
  4. অস্ট্রেলিয়া
ব্যাখ্যা

কমনওয়েলথ:
- কমনওয়েলথ এর সদর দপ্তর লন্ডনে।
- আধুনিক কমনওয়েলথ ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- কমনওয়েলথে দাপ্তরিক ভাষা ইংরেজী।
- এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬টি দেশ। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
- বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথের সদস্য হয়।
- বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য।
- বর্ণবাদ নিয়ে সমালোচনার জেরে ১৯৬১ সালে কমনওয়েলথ থেকে সরে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
- বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে সদস্যভুক্ত করায় পাকিস্তান ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ ত্যাগ করে।
- পরবর্তিতে পাকিস্তান ১৯৮৯ সালে ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯৯৪ সালে কমনওয়েলথে যোগদান করে।

তথ্যসূত্র- কমনওয়েলথ অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

৩০.
নিচের কোন দেশের ক্রিকেট দলের সমর্থকগোষ্ঠী 'বার্মি আর্মি' নামে পরিচিত?
  1. অস্ট্রেলিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ভারত
  4. ইংল্যান্ড
ব্যাখ্যা

বার্মি আর্মি:
- বার্মি আর্মি (Barmy Army) হল ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের বিখ্যাত সমর্থকগোষ্ঠী।
- এটি ১৯৯৪-৯৫ সালে ইংল্যান্ডের অস্ট্রেলিয়া সফরের সময় গঠিত হয়।
- 'Barmy' শব্দের অর্থ পাগলাটে বা উন্মাদ, যা তাদের উৎসাহী আচরণকে বোঝায়।
- তারা সংগঠিতভাবে স্টেডিয়ামে গান গেয়ে, ঢাকঢোল বাজিয়ে খেলোয়াড়দের উৎসাহ দেয়।
- বার্মি আর্মির সদস্যরা বিশ্বের প্রায় সব বড় সিরিজ ও টুর্নামেন্টে ইংল্যান্ড দলকে অনুসরণ করে।
- প্রাথমিকভাবে মিডিয়ার দেয়া নাম 'Barmy Army' পরবর্তীতে আনুষ্ঠানিক নাম হিসেবে গৃহীত হয়।
- তারা শুধু খেলা উপভোগ করে না, বরং বিভিন্ন চ্যারিটি কার্যক্রমেও যুক্ত থাকে।
- বার্মি আর্মি এখন একটি সংগঠিত ফ্যান ক্লাব, যার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং মার্চেন্ডাইজ রয়েছে।
- ক্রিকেট ইতিহাসে তারা সবচেয়ে পরিচিত ও প্রভাবশালী ফ্যান-সংগঠন হিসেবে বিবেচিত।

তথ্যসূত্র - বার্মি আর্মির ওয়েবসাইট ও পত্রিকার রিপোর্ট।

৩১.
রটারডাম কনভেনশন কোথায় গৃহীত হয়?
  1. বেলজিয়াম
  2. অস্ট্রিয়া
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

রটারডাম কনভেনশন:
- রটারডাম কনভেনশন আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে রাসায়নিক ব্যবস্থাপনার জন্য একটি বৈশ্বিক চুক্তি গৃহীত হয়েছিল।
- কনভেনশনটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থায় ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও কীটনাশকের ব্যবহার দূর করতে।
- গৃহীত হয়েছিল: ১০ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ তারিখে নেদারল্যান্ডসের রটারডাম।
- কার্যকর হয়: ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০০৪ তারিখে।
- কনভেনশনের উদ্দেশ্য হল মানব স্বাস্থ্য এবং পরিবেশকে সম্ভাব্য ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করার জন্য কিছু বিপজ্জনক রাসায়নিকের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে পক্ষগুলির মধ্যে ভাগ করা দায়িত্ব এবং সহযোগিতামূলক প্রচেষ্টার প্রচার করা।
- এটি ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৬-এ বন্ধ হয়ে যায়।

তথ্যসূত্র - Rotterdam Convention ওয়েবসাইট।

৩২.
সবচেয়ে বেশি দেশ অবস্থিত -
  1. এশিয়া মহাদেশে
  2. ইউরোপ মহাদেশে
  3. আফ্রিকা মহাদেশে
  4. উত্তর আমেরিকা মহাদেশে
ব্যাখ্যা

আফ্রিকা মহাদেশ:
- আয়তনে পৃথিবীর দ্বিতীয় বৃহত্তম মহাদেশ হল আফ্রিকা মহাদেশ।
- আফ্রিকা মহাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে বিষুবরেখা বা নিরক্ষরেখা অতিক্রম করেছে।
- এর আয়তন ১১,৭২৪,০০০ বর্গ মাইল (৩০,৩৬৫,০০০ বর্গ কিমি)।
- এ মহাদেশের উত্তরে ভূ-মধ্যসাগর, দক্ষিণে দক্ষিণ মহাসাগর, পূর্বে ভারত মহাসাগর ও লোহিত সাগর এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- আফ্রিকা মহাদেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দেশ রয়েছে।
- এই মহাদেশে মোট ৫৪টি দেশ অবস্থিত।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে বড় দেশ আলজেরিয়া।
- আয়তনে আফ্রিকার সবচেয়ে ছোট দেশ সিচেলিস।

বিভিন্ন মহাদেশে দেশের সংখ্যা:
• আফ্রিকা - ৫৪টি।
• এশিয়া - ৪৮টি।
• ইউরোপ - ৪৪টি।
• উত্তর আমেরিকা - ২৩টি।
• অস্ট্রেলিয়া/ওশেনিয়া - ১৪টি।
• দক্ষিণ আমেরিকা - ১২টি।

তথ্যসূত্র - worldatlas.com

৩৩.
'নাগার্নো কারাবাখ' অঞ্চল নিয়ে কোন দুইটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে?
  1. আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান
  2. জর্জিয়া ও রাশিয়া
  3. রাশিয়া ও ইউক্রেন
  4. ইরান ও তুরস্ক
ব্যাখ্যা

নাগার্নো কারাবাখ:
- 'নাগার্নো কারাবাখ' আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান এর বিরোধপূর্ণ অঞ্চল।
- পূর্ব ইউরোপে অবস্থিত নাগোর্নো-কারাবাখ নিয়ে দীর্ঘ তিন দশক ধরে বিরোধ চলে আসছে সাবেক সোভিয়েত রিপাবলিকের অংশ এই দেশ দুটির মধ্যে।
- ১৯৮৮-৯৪ সাল পর্যন্ত যুদ্ধ চলার পর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হলেও থেমে থেমে সংঘর্ষ চলেছে।
- এলাকাটি নিয়ে কোন ধরনের নিষ্পত্তি দুই দেশের মধ্যে হয়নি।
- আন্তর্জাতিকভাবে এই এলাকাটি আজারবাইজানের বলে স্বীকৃত।
- কিন্তু এটি পরিচালনা করে জাতিগত আর্মেনিয়রা।
- বন্দী বিনিময় এবং মরদেহ উদ্ধারের সুযোগ তৈরি করার জন্য এই যুদ্ধবিরতিতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৩, বিবিসি বাংলা।

৩৪.
নিচের কোন দেশের যৌথ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা 'স্টিল ডোম' নামে পরিচিত?
  1. ইসরায়েল
  2. তুরস্ক
  3. কানাডা
  4. যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা

স্টিল ডোম:
- তুরস্কের সামরিক বাহিনীতে যুক্ত হয়েছে 'স্টিল ডোম' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- কয়েক স্তরের সমন্বিত এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা (২৭ আগস্ট-২০২৫) আনুষ্ঠানিকভাবে সামরিক বাহিনীর কাছে হস্তান্তর করেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।
- এটি তুরস্কের প্রতিরক্ষা খাতের 'গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ' হিসেবে অভিহিত।
- 'স্টিল ডোম' একটি যৌথ আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা।
- এটি তুরস্কের স্বল্প, মাঝারি ও দূরপাল্লার কয়েক স্তরের আকাশ ও রাডার ব্যবস্থার একটি সমন্বিত রূপ।
- সাধারণত রাডার, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল সেন্টার ও ভ্রাম্যমাণ ক্ষেপণাস্ত্র ফায়ারিং ব্যবস্থার সমন্বয়ে একটি আকাশ প্রতিরক্ষা ইউনিট হয়ে থাকে।
- 'স্টিল ডোম' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তৈরিতে নেতৃত্ব দিচ্ছে তুরস্কের অন্যতম প্রতিরক্ষা কোম্পানি আসেলসান। প্রথম ধাপে ২৭ আগস্ট এ সমন্বিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার ৪৭টি যান সরবরাহ করেছে কোম্পানিটি।
- সরবরাহ করা সামরিক সরঞ্জামের মধ্যে ছিল 'হিসার-ও প্লাস' ও 'সিপের' আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা, আল্প ৩০০-জি এবং ১০০-জি রাডার ব্যবস্থা, পুহু ও রেডেট ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম এবং কোরকুৎ স্বল্পপাল্লার আকাশ প্রতিরক্ষা যান।

তথ্যসূত্র - পত্রিকার রিপোর্ট।

৩৫.
নিচের কোন প্রোটোকলটির মূল বিষয় 'জৈব নিরাপত্তা'?
  1. কিয়েটো প্রটোকল
  2. কার্টাগেনা প্রোটোকল
  3. বাসেল কনভেনশন
  4. নাগোয়া প্রটোকল
ব্যাখ্যা

কার্টাগেনা প্রোটোকল:
- কার্টাগেনা প্রোটোকল হচ্ছে জাতিসংঘের জৈব নিরাপত্তা বিষয়ক একটি চুক্তি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল এর পুরো নাম Cartagena Protocol in Biosafety to the Convention on Biologcal Diversity.
- কার্টাগেনা প্রোটোকল গৃহীত হয় ২০০০ সালের ২৯ জানুয়ারি।
- কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তিটি ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৩ সালে কার্যকর হয়।
- বাংলাদেশ কার্টাগেনা প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষর করে ৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে।

উল্লেখ্য:
- কিয়েটো প্রটোকল-গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
- বাসেল কনভেনশন ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
- নাগোয়া প্রটোকল বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রটোকল।

তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

৩৬.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' এর মেয়াদ কত বছর?
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর
ব্যাখ্যা

কংগ্রেস:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- আইন প্রণয়ন করাই এর প্রধান কাজ।
- কংগ্রেস একটি দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট আইন সভা।
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' (The House of Representative) এবং উচ্চকক্ষ 'সিনেট' (The Senate) নামে পরিচিত।

⇒ নিম্নকক্ষ:
- কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ ‘প্রতিনিধি সভা' বা 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ৪৩৫টি।
• মেয়াদ - ২ বছর।
• 'হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভ' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ২৫ বছর হতে হবে।

⇒ উচ্চকক্ষ:
- কংগ্রেসের উচ্চকক্ষ 'সিনেট' নামে পরিচিত।
• আসন সংখ্যা - ১০০টি।
• মেয়াদ - ৬ বছর।
• 'সিনেট' সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য, একজন ব্যক্তির বয়স কমপক্ষে ৩০ বছর হতে হবে।

তথ্যসূত্র - যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি ওয়েবসাইট।

৩৭.
রোটারি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিষ্ঠাতা কে?
  1. হেনরি ডুনান্ট
  2. উইলিয়াম টেলর
  3. জন ডি. রকফেলার
  4. পল হ্যারিস
ব্যাখ্যা

রোটারি ইন্টারন্যাশনাল:
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও পেশাজীবীদের একটি সংগঠন।
- এটি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন সৃষ্টি এবং সহযোগিতার মাধ্যমে মানবকল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
- প্রতিষ্ঠাকাল ১৯০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি।
- প্রতিষ্ঠার স্থান- শিকাগো, যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর- যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা - পল হ্যারিস (শিকাগোর সাবেক অ্যাটর্নি)।
- রোটারি ক্লাব ৩টি অংশের সমন্বয়ে গঠিত। যথা - Clubs, Rotary International এবং The Rotary Foundation.

তথ্যসূত্র - রোটারি ইন্টারন্যাশনালের ওয়েবসাইট।

৩৮.
লুসা কোন দেশের সংবাদ সংস্থা?
  1. পর্তুগাল
  2. মিশর
  3. রাশিয়া
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন দেশের সংবাদ সংস্থা:
- বাংলাদেশ: বাসস, এনা, আইএসপিআর, ইউএনবি, আবাস, পিআইবি।
- যুক্তরাষ্ট্র: এপি, ভয়েস অব আমেরিকা (VOA), CNN.
- যুক্তরাজ্য: রয়টার্স, বিবিসি।
- পাকিস্তান: এপিপি, পিপিআই, ইউপিপি।
- চীন: সিনহুয়া।
- ফ্রান্স: এএফপি।
- অষ্ট্রেলিয়া: অষ্ট্রেলিয়ান ব্রডকাষ্টিং কর্পোরেশন (এবিসি)।
- কানাডা: কানাডিয়া প্রেস (সিপি)।
- সিরিয়া: সানা।
- লিবিয়া: জানা।
- মালয়েশিয়া: বারনামা।
- মিশর: মেনা (মিডিল ইস্ট নিউজ এজেন্সি)।
- পর্তুগাল: লুসা।
- বেলজিয়াম: বেলজা।
- ভারত: PTI, ইউএনআই।
- রাশিয়া: ITAR-TASS, Rossiya Segodnya, ইন্টারফ্যাক্স।
- ইন্দোনেশিয়া: আনতারা।
- ইরান: ইরনা, আইএনএ।
- ইরাক: নিউজ এজেন্সি (ইনা)।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।

৩৯.
পরপর আটটি সংখ্যার প্রথম ৪টির যোগফল ৪৪৬ হলে, শেষ ৪টির যোগফল কত?
  1. ৬৪২
  2. ৫৬২
  3. ৪৬২
  4. ৪৪৮
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পরপর আটটি সংখ্যার প্রথম ৪টির যোগফল ৪৪৬ হলে, শেষ ৪টির যোগফল কত?

সমাধান:
মনেকরি,
পরপর আটটি সংখ্যা = ক, (ক + ১), (ক + ২), (ক + ৩), (ক + ৪), (ক + ৫), (ক + ৬), (ক + ৭)

∴ প্রথম চারটির যোগফল = ক + (ক + ১) + (ক + ২) + (ক + ৩)
= ৪ক + ৬

শেষ চারটির যোগফল = (ক + ৪) + (ক + ৫) + (ক + ৬) + (ক + ৭)
= ৪ক + ২২

শর্তমতে,
৪ক + ৬ = ৪৪৬
⇒ ৪ক = ৪৪৬ - ৬
⇒ ৪ক = ৪৪০
∴ ক = ১১০

সুতরাং, শেষ চারটির যোগফল = (৪ × ১১০) + ২২
= ৪৪০ + ২২
= ৪৬২

৪০.
P সংখ্যক সংখ্যার গড় M এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N হলে সবগুলো সংখ্যার গড় কত?
  1. (PM + QN)/(P + Q)
  2. (PM + QN)/(M + N)
  3. (M + N)/2
  4. (PM + QN)/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: P সংখ্যক সংখ্যার গড় M এবং Q সংখ্যক সংখ্যার গড় N হলে সবগুলো সংখ্যার গড় কত?

সমাধান: 
দেওয়া আছে, 
P সংখ্যক সংখ্যার গড় = M
∴ P সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = PM 

আবার, 
Q সংখ্যক সংখ্যার গড় = N 
∴ Q সংখ্যক সংখ্যার সমষ্টি = QN 

মোট সংখ্যা = P + Q 
তাদের সমষ্টি = PM + QN 
∴ তাদের গড় = (PM + QN)/(P + Q) 

৪১.
12x2 + 4mx + 3 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান হলে m এর মান কত?
  1. m = ± 9
  2. m = ± 2
  3. m = ± 4
  4. m = ± 3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 12x2 + 4mx + 3 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান হলে m এর মান কত?

সমাধান:
এখানে a = 12, b = 4m, c = 3

সমীকরণের মূলদ্বয় বাস্তব ও সমান হলে
∴ b2 - 4ac = 0
⇒ (4m)2 - 4 × 12 × 3 = 0
⇒ 16m2 - 144 = 0
⇒ 16m2 = 144
⇒ m2 = 9
⇒ m = ± 3

৪২.
২৫ + ২১ + ১৭ + …….. - ২৭ = কত?
  1. ১৪
  2. - ১৬
  3. ৩২
  4. - ১৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২৫ + ২১ + ১৭ + …….. - ২৭ = কত?

সমাধান:
ধারাটির ১ম পদ = ২৫
শেষ পদ = - ২৭
সাধারণ অন্তর = ২১ - ২৫ = -৪

পদ সংখ্যা = {(শেষ পদ - ১ম পদ)/সাধারণ অন্তর} + ১
= {(- ২৭ - ২৫)/- ৪} + ১
= (- ৫২/- ৪) + ১
= ১৩ + ১
= ১৪

∴ নির্ণেয় সমষ্টি = {(শেষ পদ + ১ম পদ)/২} × পদ সংখ্যা
= {(- ২৭ + ২৫)/২} × ১৪
=(- ২/২) × ১৪
= - ১৪

৪৩.
53, 65, 87, 90, 70, 69, 65, 89, 85, 53, 90, 94, 53, 68, 79, 94, 47, 61, 27, 80
প্রদত্ত উপাত্ত সমূহের মধ্যক কত?
  1. 69
  2. 69.5
  3. 70
  4. 70.5
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 53, 65, 87, 90, 70, 69, 65, 89, 85, 53, 90, 94, 53, 68, 79, 94, 47, 61, 27, 80
প্রদত্ত উপাত্ত সমূহের মধ্যক কত?

সমাধান:
উপাত্তগুলোকে মানের ঊর্ধ্বক্রমে সাজিয়ে পাই,
27, 47, 53, 53, 53, 61, 65, 65, 68, 69, 70, 79, 80, 85, 87, 89, 90, 90, 94, 94

এখানে উপাত্ত আছে 20টি, যা জোড় সংখ্যা।
মধ্যক হবে 20/2 = 10 এবং (20/2) + 1 = 11 তম পদের গড়

∴ মধ্যক = (69 + 70)/2 = 69.5 

৪৪.
24 মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র বৃত্তে অন্তর্লিখিত হয়েছে। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?
  1. 18π
  2. 10π
  3. 12π
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 24 মিটার পরিসীমা বিশিষ্ট একটি বর্গক্ষেত্র বৃত্তে অন্তর্লিখিত হয়েছে। বৃত্তটির ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:


ABCD বর্গের পরিসীমা = 24 মিটার
∴ ABCD বর্গের বাহু = 24/4 = 6 মিটার
এখন,
কর্ণ = ব্যাস = বাহু × √2 = 6√2
ব্যাসার্ধ = 6√2/2 = 3√2

∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = π(3√2)2
= π × 9 × 2
= 18π

৪৫.
(6x - 1) · (36x + 2) = 216 , তবে 2x এর মান কত?
  1. 1
  2. 0
  3. 3
  4. 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (6x - 1) · (36x + 2) = 216 , তবে 2x এর মান কত?

সমাধান:
(6x - 1) · (36x + 2) = 216
⇒ (6x - 1) · 62(x + 2) = 216
⇒ (6x - 1) · (62x + 4) = 63
⇒ 6x - 1 + 2x + 4 = 63
⇒ x - 1 + 2x + 4 = 3
⇒ 3x + 3 = 3
⇒ 3x = 3 - 3
⇒ 3x = 0
⇒ x = 0

∴ 2x = 20
= 1

৪৬.
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত (সংখ্যা দুটি সহ) সংখ্যাগুলোর মধ্যে একটি মৌলিক সংখ্যা নির্বাচনের সম্ভাব্যতা নিচের কোনটি?
  1. ১/৩
  2. ১/২
  3. ২/৭
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত (সংখ্যা দুটি সহ) সংখ্যাগুলোর মধ্যে একটি মৌলিক সংখ্যা নির্বাচনের সম্ভাব্যতা নিচের কোনটি?

সমাধান:
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মোট সংখ্যা = ৩০ টি
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা সমূহ = ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯
∴ ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মোট মৌলিক সংখ্যা = ১০ টি

∴ নির্ণেয় সম্ভাব্যতা = ১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মোট মৌলিক সংখ্যা/মোট সংখ্যা
= ১০/৩০
= ১/৩

৪৭.
একটি সমবাহু ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে ভর কেন্দ্রের দূরত্ব 10 সে.মি. হলে ত্রিভুজটির মধ্যমা কত?
  1. 10 সে.মি.
  2. 15 সে.মি.
  3. 16 সে.মি.
  4. 20 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমবাহু ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু থেকে ভর কেন্দ্রের দূরত্ব 10 সে.মি. হলে ত্রিভুজটির মধ্যমা কত?

সমাধান:

আমরা জানি,
ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় যে বিন্দুতে মিলিত হয় থাকে ঐ ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র বলে।
∴ XE : EF = 2 : 1
⇒ 10 : EF = 2 : 1
⇒ 10/EF = 2/1
⇒ 2EF = 10
⇒ EF = 5

∴ ত্রিভুজটির মধ্যমা XF = XE + EF = 10 + 5 = 15 সে.মি.

৪৮.
স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে না রেখে 'WRITTEN' শব্দটিকে কতভাবে বিন্যস্ত করা যায়?
  1. 900
  2. 1820
  3. 1800
  4. 1836
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে না রেখে 'WRITTEN' শব্দটিকে কতভাবে বিন্যস্ত করা যায়?

সমাধান:
'WRITTEN' শব্দটিতে মোট বর্ণ 7টি যেখানে T 2টি এবং বাকি বর্ণ ভিন্ন ভিন্ন এবং স্বরবর্ণ 2টি।
∴ 7টি বর্ণকে সাজানো যায় = 7!/2! = 2520

এখণ,
স্বরবর্ণ দুটিকে একটি ধরে মোট বর্ণ 6টি যেখানে T 2টি
6টি বর্ণকে সাজানো যায় = 6!/2!
স্বরবর্ণ দুটিকে সাজানো যায় = 2!

সুতরাং, স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে রেখে বিন্যাস = (6!/2!) × 2!
= 720

∴ স্বরবর্ণগুলোকে একত্রে না রেখে বিন্যাস = (2520 - 720)
= 1800

৪৯.
একটি ব্যাগে ৫০ পয়সা, ২৫ পয়সা এবং ১০ পয়সার মুদ্রা ২ : ৫ : ৩ অনুপাতে রয়েছে। সবগুলো মুদ্রা মিলে একসাথে যদি ৫১০ টাকা হয়, তবে ২৫ পয়সার মুদ্রার সংখ্যা কতটি?
  1. ৯০০টি
  2. ১২০০টি
  3. ১১০০টি
  4. ১০০০টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ব্যাগে ৫০ পয়সা, ২৫ পয়সা এবং ১০ পয়সার মুদ্রা ২ : ৫ : ৩ অনুপাতে রয়েছে। সবগুলো মুদ্রা মিলে একসাথে যদি ৫১০ টাকা হয়, তবে ২৫ পয়সার মুদ্রার সংখ্যা কতটি?

সমাধান:
ধরি,
৫০ পয়সার মুদ্রা = ২ক টি
২৫ পয়সার মুদ্রা = ৫ক টি
১০ পয়সার মুদ্রা = ৩ক টি

প্রশ্নমতে,
(২ক × ০.৫) + (৫ক × ০.২৫) + (৩ক × ০.১০) = ৫১০
⇒ ক + ১.২৫ক + .৩ক = ৫১০
⇒ ২.৫৫ক = ৫১০
⇒ ক = ৫১০/২.৫৫
∴ ক = ২০০

∴ ২৫ পয়সার মুদ্রা = ৫ × ২০০ = ১০০০ টি।

৫০.
W বস্তু X বস্তুর চেয়ে ভারি, Y বস্তু Z বস্তুর চেয়ে হালকা, W বস্তু Y বস্তুর চেয়ে হালকা হলে, সবচেয়ে ভারী বস্তু কোনটি?
  1. X
  2. Y
  3. Z
  4. W
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: W বস্তু X বস্তুর চেয়ে ভারি, Y বস্তু Z বস্তুর চেয়ে হালকা, W বস্তু Y বস্তুর চেয়ে হালকা হলে, সবচেয়ে ভারী বস্তু কোনটি?

সমাধান:
W বস্তু X বস্তুর চেয়ে ভারি, W > X

Y বস্তু Z বস্তুর চেয়ে হালকা, Z > Y

W বস্তু Y বস্তুর চেয়ে হালকা, Y > W

সবগুলো সম্পর্ক থেকে পাই, X < W < Y < Z

∴ সবচেয়ে ভারী বস্তু হবে  Z.

৫১.
নিচের প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
GE, JH, MK, ? , SQ
  1. RP
  2. QO
  3. PN
  4. ON
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের প্রশ্নবোধক স্থানে কোনটি বসবে?
GE, JH, MK, ? , SQ

সমাধান:

এখানে,
দুটি ধারা বিদ্যমান।
প্রথম ধারা- G, J, M, P, S
G এর দুই বর্ণ পরে J
J এর দুই বর্ণ পরে M
M এর দুই বর্ণ পরে P
P এর দুই বর্ণ পরে S

দ্বিতীয় ধারা E, H, K, N, Q
E এর দুই বর্ণ পরে H
H এর দুই বর্ণ পরে K
K এর দুই বর্ণ পরে N
N এর দুই বর্ণ পরে Q

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে PN হবে।

৫২.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 218
  2. 206
  3. 169
  4. 225
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
এখানে,
১ম কলাম = (5)2 + (2)2 + (3)2 = 25 + 4 + 9 = 38
২য় কলাম = (8)2 + (4)2 + (7)2 = 64 + 16 + 49 = 129

একই ভাবে,
৩য় কলাম = (7)2 + (5)2 + (12)2 = 49 + 25 + 144 = 218

৫৩.
শুদ্ধ বানানগুচ্ছ-
  1. বিভীষিকা, আশীর্বাদ
  2. নির্ণিমেষ, অপরাহ্ন
  3. প্রত্যূষ, নূপুর
  4. পূর্বাহ্ন, অভিষেক
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন শব্দগুচ্ছটি শুদ্ধ?

সমাধান:
শুদ্ধ বানানগুচ্ছ হলো - বিভীষিকা, আশীর্বাদ।

অন্যদিকে,
"নির্ণিমেষ, অপরাহ্ন" শব্দগুচ্ছের সঠিক রূপ হলো- নির্নিমেষ, অপরাহ্ণ। 
"প্রত্যূষ, নূপুর" শব্দগুচ্ছের সঠিক রূপ হলো- প্রত্যুষ, নূপুর। 
"পূর্বাহ্ন, অভিষেক" শব্দগুচ্ছের সঠিক রূপ হলো- পূর্বাহ্ণ, অভিষেক। 

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৫৪.
বাংলা সাহিত্যে দাঁড়ি, কমা, কোলন ইত্যাদির ব্যবহার সর্বপ্রথম কে করেন?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. উপরের কেউই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: বাংলা সাহিত্যে দাঁড়ি, কমা, কোলন ইত্যাদির ব্যবহার সর্বপ্রথম কে করেন?

সমাধান:
বাংলা সাহিত্যে দাঁড়ি, কমা, কোলন ইত্যাদি চিহ্নের ব্যবহার বা বাক্যছন্দে যতিচিহ্ন ব্যবহারের সূচনা করেন -  ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর

৫৫.
3 + 2i জটিল সংখ্যাটির মডুলাস কোনটি?
  1. √- 17
  2. √- 13i
  3. √17
  4. √13
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 + 2i জটিল সংখ্যাটির মডুলাস কোনটি?

সমাধান:
কোনো জটিল সংখ্যা z = a + bi এর মডুলাস = |z| = √(a2 + b2)

এখন,
3 + 2i জটিল সংখ্যাটির ক্ষেত্রে,
a = 3 b = 2

সুতরাং, |3 + 2i| = √(32 + 22) = √(9 + 4) = √13

৫৬.
দুই জন লোক একই জায়গা থেকে যাত্রা শুরু করে পরস্পর বিপরীত দিকে ১৫ মিটার হেঁটে গেল। তারপর তারা তাদের বাম দিকে ঘুরে আরও ৮ মিটার হেঁটে গেল। তাদের দুই জনের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব কত?
  1. ৩৪ মিটার
  2. ১৭ মিটার
  3. ৩০ মিটার
  4. ৪৬ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুই জন লোক একই জায়গা থেকে যাত্রা শুরু করে পরস্পর বিপরীত দিকে ১৫ মিটার হেঁটে গেল। তারপর তারা তাদের বাম দিকে ঘুরে আরও ৮ মিটার হেঁটে গেল। তাদের দুই জনের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব কত?

সমাধান:

ধরি,
দুই জন লোক 0 বিন্দু হতে যাত্রা শুরু করে পরস্পর বিপরীত দিকে OA = OB = ১৫ মিটার হেঁটে গেল।
পরবর্তীতে তারা পরস্পর বাম দিকে ঘুরে AD = BC = ৮ মিটার হেঁটে গেল।

এখন,
OD2 = OA2 + AD2
⇒ OD = ১৫ + ৮
⇒ OD = ২২৫ + ৬৪
⇒ OD = ২৮৯
⇒ OD = √২৮৯
∴  OD = ১৭

∴ দুই জনের মধ্যে সরাসরি দূরত্ব = ১৭ + ১৭ = ৩৪ মিটার

৫৭.
দুটি সংখ্যার বিয়োগফলের অর্ধেক ২। বড় সংখ্যাটির সঙ্গে ছোট সংখ্যাটির দ্বিগুণ যোগ করলে যোগফল ১৩ হয়। সংখ্যা দুটি কত?
  1. ৯, ৪
  2. ১৩, ৯
  3. ৭, ৩
  4. ২৪, ১৯
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার বিয়োগফলের অর্ধেক ২। বড় সংখ্যাটির সঙ্গে ছোট সংখ্যাটির দ্বিগুণ যোগ করলে যোগফল ১৩ হয়। সংখ্যা দুটি কত?

সমাধান:
ধরি
বড় সংখ্যা = x
ছোট সংখ্যা = y

১ম শর্ত,
(x - y​)/২ = ২ 
⇒ x - y = ৪
∴ x = y + ৪ ....... (1)

২য় শর্ত,
x + ২y = ১৩
⇒ y + ৪ + ২y = ১৩ [(1) নং হতে পাই]
⇒ ৩y = ১৩ - ৪
⇒ ৩y = ৯
∴ y = ৩

(1) ⇒  x = y + ৪ = ৩ + ৪ = ৭
∴ x = ৭

∴ সংখ্যা দুটি হলো = (৭, ৩)

৫৮.
নিম্নলিখিত কার্যকলাপগুলির মধ্যে কোনটি সাধারণত ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো
  2. ওপেন-সোর্স নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরি করা
  3. বৈধভাবে পেনেট্রেশন টেস্টিং করা
  4. ব্যবসাকে নিয়মকানুন মেনে চলতে সাহায্য করা
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর - ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো। 
- ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকাররা সাধারণত অনৈতিক এবং অবৈধ উপায়ে কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কে প্রবেশের চেষ্টা করে। তারা আইনি অনুমতি ছাড়াই হ্যাকিং কার্যকলাপ চালায়, যার মাধ্যমে ব্যক্তিগত তথ্য চুরি, আর্থিক ক্ষতি বা সিস্টেমে বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এ ধরনের হ্যাকারদের সঙ্গে সবচেয়ে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত কার্যকলাপ হলো ম্যালওয়্যার বা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ চালানো, যা ব্যবহারকারীর তথ্য বা ফাইলকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে এনে বিনা অনুমতিতে অর্থ বা সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করে। অন্যদিকে ওপেন-সোর্স নিরাপত্তা সরঞ্জাম তৈরি করা, বৈধ পেনেট্রেশন টেস্টিং করা বা ব্যবসাকে নিয়মকানুন মেনে চলতে সাহায্য করা সাধারণত সাদা হ্যাট বা নৈতিক হ্যাকারদের সঙ্গে সম্পর্কিত। সুতরাং, ব্ল্যাক হ্যাট হ্যাকারদের প্রধান লক্ষ্যে অবৈধ আক্রমণ চালানো।


হ্যাকিং (Hacking):
প্রোগ্রাম রচনা ও প্রয়োগের মাধ্যমে কোনো কম্পিউটার সিস্টেম বা নেটওয়ার্কের ক্ষতিসাধন করাকে হ্যাকিং বলা হয়।

বর্তমানে প্রধানত তিন ধরনের হ্যাকার দেখতে পাওয়া যায়। যথা-
ক. হোয়াইট হ্যাট হ্যাকার: সাধারণত এরা ডেটা বা সিস্টেমের ক্ষতি করে না, তবে কাজের ক্ষেত্রে ভীষণ দক্ষ হয়।

খ. ব্ল‍্যাক হ্যাট হ্যাকার: বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য, আর্থিক তথ্যাদি হাতিয়ে নিয়ে আর্থিক ক্ষতিসাধন করে।

গ. গ্রে হ্যাট হ্যাকার: এরা নেটওয়ার্কের দুর্বলতাকে খুঁজে বের করে তা যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করে এবং দুর্বল দিকগুলোর ঠিক করার মাধ্যমে নেটওয়ার্কের সুরক্ষার জন্য কাজ করে অর্থ উপার্জন করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৫৯.
কোনটি IPv4 এর তুলনায় IPv6 সম্পর্কে সঠিক?
  1. IPv6 ব্যবহার করে 32 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 128 বিট
  2. IPv6 ব্যবহার করে 128 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 32 বিট
  3.  IPv6 কম সংখ্যক ডিভাইস সমর্থন করে IPv4-এর তুলনায় 
  4. IPv6 কেবলমাত্র প্রাইভেট নেটওয়ার্কের জন্য ব্যবহৃত হয়
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো: খ) IPv6 ব্যবহার করে 128 বিট, IPv4 ব্যবহার করে 32 বিট।

IPv4 এবং IPv6 হল ইন্টারনেট প্রোটোকলের দুটি সংস্করণ। IPv4 32-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন ইউনিক ঠিকানা তৈরি করা যায়। এটি বর্তমানে ইন্টারনেটের প্রাথমিক ঠিকানা পদ্ধতি হলেও, ডিভাইসের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় IPv4 ঠিকানার অভাব দেখা দিয়েছে। IPv6 এই সীমাবদ্ধতা দূর করতে 128-বিট ঠিকানা ব্যবহার করে, যা প্রায় অসীম সংখ্যক ইউনিক ঠিকানা প্রদান করে এবং ভবিষ্যতে ডিভাইসের দ্রুত বৃদ্ধি মেটাতে সক্ষম। এছাড়া IPv6 উন্নত সিকিউরিটি এবং নেটওয়ার্ক কনফিগারেশন সুবিধাও প্রদান করে। IPv6 শুধুমাত্র প্রাইভেট নেটওয়ার্কের জন্য নয়, এটি ইন্টারনেটের জন্যও ব্যবহৃত হয়।

আইপি অ্যাড্রেস (IP Address):
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত একটি একক শনাক্তকারী নম্বর।
- আইপি অ্যাড্রেস দুই ধরনের হয়: IPv4 (Internet Protocol version 4) এবং IPv6 (Internet Protocol version 6)।
- IPv4 আইপি অ্যাড্রেস ৩২-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত এবং এটি চারটি ৮-বিট অংশে বিভক্ত, প্রতিটি অংশের মান ০ থেকে ২৫৫ এর মধ্যে থাকে (যেমন: 192.168.1.1)।
- IPv6 আইপি অ্যাড্রেস ১২৮-বিট সংখ্যা দ্বারা গঠিত। 

- IPv4 এর রেঞ্জ এর উপর ভিত্তি করে IP address গুলোকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Class A: প্রথম ৮ বিটের মান ০ - ১২৭ পর্যন্ত।
2. Class B: প্রথম ৮ বিটের মান ১২৮ - ১৯১ পর্যন্ত।
3. Class C: প্রথম ৮ বিটের মান ১৯২ - ২২৩ পর্যন্ত।
4. Class D: প্রথম ৮ বিটের মান ২২৪ - ২৩৯ পর্যন্ত।
5. Class E: প্রথম ৮ বিটের মান ২৪০ - ২৫৫ পর্যন্ত।

​উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মুজিবুর রহমান স্যার, ব্রিটানিকা।

৬০.
একটি ALU দ্বারা সম্পাদিত লজিক্যাল অপারেশনগুলির মধ্যে রয়েছে:
  1. Boot, Load, Shutdown
  2. Read, Write, Store
  3. Fetch, Decode, Execute
  4. AND, OR, NOT
ব্যাখ্যা

• একটি ALU (Arithmetic Logic Unit) মূলত গাণিতিক ও লজিক্যাল অপারেশন সম্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। ALU-এর লজিক্যাল অপারেশনগুলি হলো এমন কাজ যা বাইনারি ডেটার উপর লজিক্যাল সিদ্ধান্ত নেয়। উদাহরণস্বরূপ, AND, OR, NOT অপারেশনগুলি ALU দ্বারা সরাসরি সম্পন্ন করা যায়, যেখানে AND দুটি বিটকে একত্রিত করে এবং ফলাফল নির্ধারণ করে, OR দুটি বিটের মধ্যে যেকোনো একটির উপস্থিতি দেখায়, আর NOT বিটের মান উল্টে দেয়। অন্যদিকে, Boot, Load, Shutdown, Read, Write, Store, Fetch, Decode, Execute এইগুলো ALU-র কাজ নয়; এগুলো মূলত প্রসেসরের নিয়ন্ত্রণ, মেমরি অ্যাক্সেস বা প্রোগ্রামের কার্যপ্রণালীর অংশ। সুতরাং, ALU-এর লজিক্যাল অপারেশন হলো AND, OR, NOT.

অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ডাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৬১.
ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. ভিডিও বা অডিও ফাইল চালানো
  2. লেখা ডকুমেন্ট এডিট করা
  3. ফাইল বড় করা
  4. ফাইল ছোট করা
ব্যাখ্যা

• ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য হলো ফাইল ছোট করা। যখন কোনো বড় আকারের ফাইল কম্প্রেশন করা হয়, তখন তার স্টোরেজ স্পেস কমে যায় এবং ইন্টারনেট বা যেকোনো ডিভাইসের মাধ্যমে দ্রুত শেয়ার করা সম্ভব হয়। কম্প্রেশন মূলত ডেটার পুনরাবৃত্তি ও অপ্রয়োজনীয় অংশ কমিয়ে আনা হয়, যাতে ফাইলের মূল তথ্য ঠিক থাকে কিন্তু আকার ছোট হয়। এটি বিশেষভাবে ভিডিও, অডিও, ছবি ও ডকুমেন্ট ফাইলের ক্ষেত্রে কার্যকর। তাই ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার ব্যবহারের মূল উদ্দেশ্য হলো ফাইল সংরক্ষণ ও স্থান সাশ্রয়ের মাধ্যমে সুবিধা বৃদ্ধি করা। সঠিক উত্তর হলো: ঘ) ফাইল ছোট করা।

ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬২.
অপারেটিং সিস্টেমে শেল কী?
  1. একটি নেটওয়ার্ক প্রোটোকল
  2. সিপিইউ-এর একটি হার্ডওয়্যার উপাদান
  3.  একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কমান্ড ব্যাখ্যা করে 
  4. ফাইল সিস্টেমের একটি ধরন
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমে শেল (Shell) হলো একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কমান্ড ব্যাখ্যা করে এবং সেই অনুযায়ী সিস্টেমকে নির্দেশ দেয়। এটি ব্যবহারকারী এবং কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর কাজ করে। ব্যবহারকারী যখন কোনো কমান্ড ইনপুট দেয়, শেল তা পড়ে, ব্যাখ্যা করে এবং অপারেটিং সিস্টেমের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করে। শেল কমান্ড-লাইন বা গ্রাফিকাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে কাজ করতে পারে। এটি কোনো নেটওয়ার্ক প্রোটোকল নয়, সিপিইউ-এর হার্ডওয়্যার নয় বা ফাইল সিস্টেমের ধরন নয়। সংক্ষেপে, শেল হল ব্যবহারকারীর কমান্ডকে বোঝার এবং কার্যকর করার জন্য অপারেটিং সিস্টেমের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রোগ্রাম।

উত্তর: গ) একটি প্রোগ্রাম যা ব্যবহারকারীর কমান্ড ব্যাখ্যা করে।

অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এককথায় অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটার ব্যবহারকারীর সাথে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে বিভিন্ন ধরনের কাজ সম্পাদন করে।
- অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ: CP/M, Android, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98, Windows NT Server, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

• Shell:
- Shell হলো একটি ইন্টারফেস যা ব্যবহারকারীকে অপারেটিং সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করার সুযোগ দেয়। এটি ব্যবহারকারীর কমান্ডগুলো গ্রহণ করে এবং সেগুলো অপারেটিং সিস্টেমে প্রসেস করার জন্য পাঠায়। এটি গ্রাফিকাল (GUI) বা টেক্সট-ভিত্তিক (CLI) হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৬৩.
প্যারিটি বিটের মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. ডেটা প্রেরণে ত্রুটি শনাক্ত করা
  2. ডেটা সংরক্ষণ বৃদ্ধি করা
  3. ডেটা সংক্ষেপ করা
  4. ডেটা এনক্রিপ্ট করা
ব্যাখ্যা

• প্যারিটি বিটের মূল উদ্দেশ্য হলো ডেটা প্রেরণে ত্রুটি শনাক্ত করা। এটি একটি সহজ ত্রুটি নির্ণয় পদ্ধতি যা ডেটার প্রতিটি বাইটের সঙ্গে একটি অতিরিক্ত বিট যুক্ত করে কাজ করে। প্যারিটি বিট ১ বা ০ হতে পারে, যা নির্ধারণ করে যে বাইটে থাকা ১-এর সংখ্যা জোড় না বিজোড়। যখন ডেটা প্রেরণ করা হয়, প্রাপক এই প্যারিটি বিট পরীক্ষা করে দেখতে পারে যে প্রেরিত ডেটায় কোনো ত্রুটি হয়েছে কি না। এটি মূলত ডেটা সংরক্ষণ, সংক্ষেপ বা এনক্রিপশনের জন্য ব্যবহৃত হয় না, বরং যোগাযোগের সময় ত্রুটি শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো (ক) ডেটা প্রেরণে ত্রুটি শনাক্ত করা।

• প্যারিটি বিট:
এটি যেভাবে কাজ করে- 
Even Parity (জোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা জোড় রাখতে একটি Parity Bit যোগ করা হয়।
-  যদি 1-এর সংখ্যা বিজোড় হয়, তাহলে 1 যোগ করে জোড় করা হয়।

Odd Parity (বিজোড় Parity):
-  ডেটার মধ্যে 1 বিট সংখ্যা বিজোড় রাখতে Parity Bit যোগ করা হয়।
 
সীমাবদ্ধতা:
-  Parity Bit কেবলমাত্র একটি বিট পরিবর্তন শনাক্ত করতে পারে।
-  একাধিক বিট পরিবর্তন ঘটলে এটি নির্ণয় করতে পারে না।

তথ্যসূত্র:
-  IBM Docs.
-  Stallings, William. Computer Organization and Architecture.

৬৪.
নিচের কোনটি একটি Many-to-Many (M:N) সম্পর্ককে সঠিকভাবে বর্ণনা করে?
  1. টেবিল A-এর প্রতিটি রেকর্ড ঠিক একটি টেবিল B-এর রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
  2. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড টেবিল B-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে না
  3. টেবিল A-এর একটি রেকর্ড শুধুমাত্র টেবিল B-এর একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে
  4. টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত
ব্যাখ্যা

• Many-to-Many (M:N) সম্পর্ক এমন একটি সম্পর্ক যেখানে একটি টেবিলের একাধিক রেকর্ড একই সময়ে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, “ছাত্র” এবং “কোর্স” টেবিলের ক্ষেত্রে, একটি ছাত্র একাধিক কোর্সে ভর্তি হতে পারে, এবং একটি কোর্সেও অনেক ছাত্র থাকতে পারে। তাই, Many-to-Many সম্পর্কের ক্ষেত্রে কোনো রেকর্ড কেবল একটি রেকর্ডের সঙ্গে সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে, (ঘ) সঠিক। এখানে বলা হয়েছে যে টেবিল A-এর অনেক রেকর্ড টেবিল B-এর অনেক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে, যা Many-to-Many সম্পর্কের মূল সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়। অন্যগুলো শুধুমাত্র One-to-One বা One-to-Many সম্পর্ক নির্দেশ করে।

ডাটাবেজ রিলেশন:
বিচ্ছিন্ন ডাটা ফাইল থেকে ডাটা নিয়ে কাজ করার জন্য সংযোগ স্থাপন করানোকে ডাটাবেজ রিলেশন বলা হয়। যে সকল ডাটাবেজের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করা হবে তাতে অন্তত একটি কমন ফিল্ড থাকতে হবে। এ কমন ফিল্ডের উপর ভিত্তি করেই রিলেশন প্রতিষ্ঠিত হবে।

রিলেশনের প্রকারভেদ:
- One to One রিলেশন,
- One to Many রিলেশন,
- Many to One রিলেশন,
- Many to Many রিলেশন।

One to One রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন স্থাপন করা যায় তাকে বলা হয় One to One রিলেশন।

One to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের কোন একটি ফাইলের একটি রেকর্ড অন্য এক বা একাধিক ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত থাকে তবে তাদের মধ্যে One to Many রিলেশন তৈরি করা সম্ভব।

Many to One রিলেশন:
- এই রিলেশন হচ্ছে One to Many রিলেশনের বিপরীত।
- যদি কোন একটি ফাইলের একাধিক রেকর্ড অপর এক বা একাধিক ফাইলের একটি রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তখন তাদের মধ্যকার রিলেশনকে Many to One রিলেশন বলা হয়। 

Many to Many রিলেশন:
- যদি কোন ডাটাবেজের অন্তর্গত একাধিক ডাটা ফাইলের প্রত্যেকটির একটি রেকর্ড অপর কোন ফাইলের একাধিক রেকর্ডের সঙ্গে সম্পর্কিত হয় তবে তাদের মধ্যে যে রিলেশন সৃষ্টি হয় তাকে Many to Many রিলেশন বলা হয়।
- রিলেশন তৈরি করতে হলে তৃতীয় একটি টেবিল তৈরি করতে হয়।

সূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৫.
কোন প্ল্যাটফর্মটি অনলাইন শপিং-এর জন্য পরিচিত?
  1. eBay
  2. Instagram
  3. Pinterest
  4. Snapchat
ব্যাখ্যা

• অনলাইন শপিং-এর জন্য সবচেয়ে পরিচিত প্ল্যাটফর্ম হলো eBay। এটি একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট যেখানে ব্যবহারকারীরা নতুন এবং ব্যবহৃত পণ্য কিনতে ও বিক্রি করতে পারে। eBay-এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের পণ্য যেমন ইলেকট্রনিক্স, পোশাক, গৃহসামগ্রী ইত্যাদি সহজেই কেনা যায়। অন্যদিকে Instagram, Pinterest, এবং Snapchat মূলত সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ব্যবহারকারীরা ছবি, ভিডিও এবং আইডিয়া শেয়ার করে থাকে। যদিও সাম্প্রতিক সময়ে Instagram-এ শপিং ফিচার এসেছে, কিন্তু মূল পরিচিতি ও স্থিতিশীলতার দিক থেকে eBay অনলাইন শপিং-এর জন্য সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য ও জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম হিসেবে বিবেচিত। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) eBay.

ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬৬.
ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে “ফ্লিপ-ফ্লপ” বলতে কী বোঝায়?
  1. রেজিস্টরের একটি ধরন
  2. ট্রানজিস্টরের একটি ধরন
  3. এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করার যন্ত্র
  4. ভোল্টেজ নিয়ন্ত্রণকারী
ব্যাখ্যা

• ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এমন একটি সার্কিট বা যন্ত্র যা একটি বিট তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম। এটি মূলত স্টোরেজ ডিভাইস হিসেবে কাজ করে এবং ডিজিটাল সিস্টেমে তথ্যের সময়ভিত্তিক ধরন নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপের দুটি স্থিতি থাকে, যা ০ বা ১ হিসেবে ডেটা সংরক্ষণ করতে পারে। এগুলো প্রায়শই রেজিস্টার এবং কাউন্টার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। ফ্লিপ-ফ্লপ সিগন্যাল পরিবর্তনের উপর নির্ভর করে তথ্য রাখে এবং মেমোরি বা লজিক সার্কিটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সুতরাং, ফ্লিপ-ফ্লপ হলো এক বিট তথ্য সংরক্ষণের জন্য ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে ব্যবহৃত যন্ত্র।

সঠিক উত্তর: গ) এক বিট তথ্য সংরক্ষণ করার যন্ত্র।

• ফ্লিপ-ফ্লপ:
- ফ্লিপ-ফ্লপ হলো লজিক গেইট দিয়ে তৈরি এক ধরনের ডিজিটাল বর্তনী, যা এক বিট তথ্য ধারণ করতে পারে।
- প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপে এক বা একাধিক ইনপুটের জন্য দুটি আউটপুট পাওয়া যায়।
- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত সিঙ্গেল বিট নিয়ে কাজ করে।

- ফ্লিপ-ফ্লপ মূলত মাল্টিপল বিট নিয়ে কাজ করতে পারেনা।
- এটি এক বিট 0 অথবা 1 হতে পারে।
- এজন্য ফ্লিপ-ফ্লপকে বাই স্ট্যাবল মাল্টি ভাইব্রেটর বলা হয়।

• ফ্লিপ-ফ্লপের প্রকারভেদ ফ্লিপ-ফ্লপ সাধারণত ৫ প্রকার।
যথা-
১. SR ফ্লিপ-ফ্লপ,
২. D ফ্লিপ-ফ্লপ,
৩. JK ফ্লিপ-ফ্লপ,
৪ . T ফ্লিপ-ফ্লপ ও
৫. মাস্টার-স্লেভ ফ্লিপ-ফুপ।

• ফ্লিপ ফ্লপের ব্যবহার:
১. বিভিন্ন রেজিস্টার তৈরিতে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
২. সিকোয়েন্সিয়াল সার্কিটে মেমরি উপাদান হিসেবে ফ্লিপ ফ্লপ ব্যবহার করা হয়।
৩. ডিজিটাল ঘড়ি, ডিজিটাল ক্যামেরা, মোবাইল ফোন ইত্যাদিতে ফ্লিপ-ফ্লপ ব্যবহৃত হয়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৬৭.
স্টারলিংকের সুবিধা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে কীভাবে আলাদা?
  1. শুধুমাত্র শহরে কাজ করে
  2. দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে
  3. ধীরগতির
  4. ফাইবার অপটিক ক্যাবল প্রয়োজন
ব্যাখ্যা

• স্টারলিংক হলো এলন মাস্কের স্পেসএক্সের স্যাটেলাইট-ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা, যা প্রচলিত ইন্টারনেটের সঙ্গে বেশ ভিন্ন। প্রচলিত ইন্টারনেট সাধারণত ফাইবার অপটিক বা ব্রডব্যান্ড লাইনের ওপর নির্ভর করে এবং শহর বা শহরের কাছাকাছি এলাকায় দ্রুত কাজ করে, কিন্তু দূরবর্তী গ্রামাঞ্চল বা দুর্গম এলাকায় অনেক সময় সেবা পাওয়া যায় না। স্টারলিংক এর সুবিধা হলো এটি স্যাটেলাইটের মাধ্যমে সারা পৃথিবীকে কভার করতে পারে, তাই এমন অঞ্চলেও উচ্চগতির ইন্টারনেট প্রদান সম্ভব। এটি ফাইবার ক্যাবল বা স্থলভিত্তিক নেটওয়ার্কের প্রয়োজন নেই এবং তুলনামূলকভাবে দ্রুত ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়। অর্থাৎ, স্টারলিংক দূরবর্তী এলাকা পর্যন্ত ইন্টারনেট পৌঁছাতে সক্ষম।

সঠিক উত্তর: খ) দূরবর্তী এলাকাতেও কাজ করে।

স্টারলিংক ইন্টারনেট:
- স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে ইন্টারনেট পরিষেবা দেয়।
- স্টারলিংক মূলত অরবিটাল স্যাটেলাইটের নেটওয়ার্ক।
- এটি ইলন মাস্কের স্পেস এক্সের অধীন।
- যা ২০১৫ সালে তৈরি করা হয়েছিল।
- এই প্রকল্পের জন্য প্রাথমিক প্রোটোটাইপ স্যাটেলাইটগুলো কক্ষপথে ২০১৮ সালে চালু করা হয়েছিল।
- মার্কিন নভোচারী প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সকেও ইন্টারনেট সরবরাহ করে স্টারলিংক।

উৎস: Starlink ওয়েবসাইট।

৬৮.
কোনটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস?
  1. Microsoft Excel
  2. Paint
  3. Notepad
  4. Amazon S3
ব্যাখ্যা

• জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস হলো এমন একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের ডেটা, ফাইল, ছবি এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ ও পরিচালনা করতে পারে, এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো সময় যেকোনো স্থানে অ্যাক্সেস করতে পারে। প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে Microsoft Excel, Paint এবং Notepad মূলত সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন যা ডেটা তৈরি বা সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এগুলি ক্লাউড স্টোরেজ প্রদান করে না। অন্যদিকে, Amazon S3 (Simple Storage Service) একটি জনপ্রিয় ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস যা বড় পরিমাণে ডেটা সংরক্ষণ, ব্যাকআপ, এবং স্কেলেবল স্টোরেজ সমাধান প্রদান করে। এটি ব্যবসা এবং ব্যক্তিগত ব্যবহারকারীদের জন্য বিশ্বব্যাপী ক্লাউড স্টোরেজ সুবিধা প্রদান করে।

উত্তর: ঘ) Amazon S3.

​ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।

​ক্লাউড স্টোরেজের কিছু সুবিধা:
i) Remote Access – যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস করা যায়।
ii) Automatic Backup – ডাটা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেভ থাকে।
iii) Collaboration – একাধিক ব্যবহারকারী একই ফাইলে কাজ করতে পারে।
iv) Security & Encryption – ক্লাউডে সংরক্ষিত ডাটা সুরক্ষিত থাকে।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৬৯.
IMEI সাধারণত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ইন্টারনেট স্পিড পরিমাপ করা
  2. ফোনকে দ্রুত চার্জ করা
  3. হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা
  4. সিম কার্ড সুরক্ষা প্রদান করা
ব্যাখ্যা

• IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো প্রতিটি মোবাইল ফোনের একটি অনন্য ১৫ অঙ্কের সংখ্যা যা ডিভাইসকে সনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করার কাজে ব্যবহৃত হয়। যখন ফোন চুরি হয় বা হারিয়ে যায়, ব্যবহারকারী বা নেটওয়ার্ক অপারেটর এই IMEI নম্বর ব্যবহার করে ফোনটিকে ব্লক করতে পারে, ফলে কেউ সেটি ব্যবহার করতে পারবে না। IMEI ফোনের নিরাপত্তা ও সনাক্তকরণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি সরাসরি ইন্টারনেট স্পিড মাপা, ফোন দ্রুত চার্জ করা বা সিম কার্ড সুরক্ষা প্রদানে ব্যবহার হয় না। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) হারানো বা চুরি হওয়া ফোন ট্র্যাক করা।

⚪ IMEI: 
- IMEI এর পূর্ণরূপ International Mobile Equipment Identity.
- এটি একটি নাম্বার যা নির্দিষ্ট ধরনের 3GPP মোবাইল এবং স্যাটেলাইট ফোন সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।
- স্মার্টফোনে এটি বেশিরভাগ অপারেটিং সিস্টেমের সেটিংস মেনুতে পাওয়া যায়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭০.
2FA কেন গুরুত্বপূর্ণ?
  1. এটি সম্পূর্ণভাবে পাসওয়ার্ডের পরিবর্তে আসে
  2. এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে
  3. এটি লগইন সময় ধীর করে
  4. এটি কেবল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের জন্য কার্যকর
ব্যাখ্যা

• দ্বি-স্তরীয় প্রমাণীকরণ বা 2FA অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে, যা শুধুমাত্র পাসওয়ার্ডের ওপর নির্ভরশীলতার ঝুঁকি কমায়। ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্টে অননুমোদিত প্রবেশ প্রতিরোধ করতে, লগইন প্রক্রিয়ায় একটি অতিরিক্ত ধাপ যেমন SMS, ইমেল বা অ্যানথেন্টিকেটর অ্যাপের কোড প্রয়োজন হয়। এটি হ্যাকারদের জন্য অ্যাক্সেস পাওয়া কঠিন করে তোলে, যদিও তারা পাসওয়ার্ড জেনে যায়। 2FA কেবল ব্যাঙ্কিং অ্যাপের জন্য নয়, বরং ইমেল, সোশ্যাল মিডিয়া, ক্লাউড সার্ভিস এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অ্যাকাউন্টের জন্যও কার্যকর। তাই এটি আধুনিক ডিজিটাল নিরাপত্তার একটি অপরিহার্য উপাদান।

সঠিক উত্তর: খ) এটি একটি অতিরিক্ত নিরাপত্তা স্তর যোগ করে।

টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA): 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন-এর অর্থ হচ্ছে যখন ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া বা অন্য অনলাইন অ্যাকাউন্টে প্রবেশের জন্য আইডি এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রবেশ করা হয় তখন একটি ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড যা ৬ ডিজিটের হয়ে থাকে) ফোনে বা মেইলে আসে। 
অর্থাৎ, টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন (2FA) যাচাই করতে সাধারণত ৬ ডিজিটের ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড (OTP) ব্যবহার করা হয়। 
- যখন সেই ওটিপি সঠিকভাবে দেওয়া হয় তখনই কেবল অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করা যায়, অন্যথায় নয়। 
- OTP সীমিত সময়ের জন্য পাঠানো হয়, একবার ব্যবহার করার পরে OTP এর মেয়াদ শেষ হয়ে যায় এবং পরবর্তীতে একই OTP আর ব্যবহার করা যায় না। 
- টু ফ্যাক্টর অথেন্টিফিকেশন চালু থাকলে সাইবার অপরাধীর পক্ষে কোনো অ্যাকাউন্ট হ্যাক করা বেশ কঠিন হয়ে যায়। 
- বর্তমান সময়ে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার খুবই স্বাভাবিক একটি বিষয়। বিভিন্ন প্রয়োজনে এবং বিনোদনের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যাবহার করা হয়। তবে খুবই সতর্ক থাকতে হবে যে, কোন কোন ব্যক্তিগত তথ্য সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করা যায় এবং কোনগুলো করা যায় না। 
- হ্যাকাররা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোডকৃত বিভিন্ন কনটেন্ট এর সূত্র ধরে সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর মাধ্যমে কোনো প্রতারণার মাধ্যমে অর্থসম্পদ হাতিয়ে নিতে পারে তাই এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৭১.
পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে তড়িৎ প্রবাহ বাঁধাগ্রস্থ হয় তাকে কী বলা হয়?
  1. বিভব
  2. তাপমাত্রা
  3. রোধ
  4. পরিবাহিতা
ব্যাখ্যা

রোধ: 
- পরিবাহীর যে ধর্মের কারণে এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ বাঁধাগ্রস্থ হয় তাকে রোধ বলে।  
- বর্তনীতে দুই প্রকার রোধ ব্যবহার করা হয়। 
যথা- 
১. স্থির রোধ: 
- যে সকল রোধের মান নির্দিষ্ট অর্থাৎ মানের পরিবর্তন করা যায় না তাদেরকে স্থির রোধ বলে। 

২. পরিবর্তনশীল রোধ: 
- যে সকল রোধের মান প্রয়োজন অনুসারে পরিবর্তন করা যায় তাদেরকে পরিবর্তনশীল রোধ বলে। 
- বর্তনীতে তড়িৎ প্রবাহ পরিবর্তন এবং বিভব পরিবর্তনের জন্য পরিবর্তনশীল রোধের প্রয়োজন পড়ে। 

রোধের নির্ভরশীলতা: 
- কোনো পরিবাহীর রোধ এর তাপমাত্রা, উপাদান, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 
- স্থির তাপমাত্রায় ও একই উপাদানে কোনো পরিবাহীর রোধ এর দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফলের উপর নির্ভর করে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭২.
নিচের কোনটি স্কেলার রাশির উদাহরণ?
  1. বল 
  2. বেগ 
  3. দৈর্ঘ্য
  4. ত্বরণ
ব্যাখ্যা

ভেক্টর: 
-কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য শুধুমাত্র মানের প্রয়োজন হয়।
- আবার কিছু কিছু ভৌত রাশিকে প্রকাশের জন্য মান ও দিক উভয়ের প্রয়োজন হয়। 
- এজন্য বৈশিষ্ট্য অনুসারে ভৌত রাশিগুলোকে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- 
ক) স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি এবং 
খ) ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি। 

স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি: 
- যেসব ভৌত রাশির শুধুমাত্র মান আছে কিন্তু দিক নেই, তাদেরকে স্কেলার রাশি বা অদিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- দৈর্ঘ্য, ভর, সময়, দ্রুতি, কাজ, তাপমাত্রা ইত্যাদি। 

ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি: 
- যেসব ভৌতরাশির মান ও দিক উভয়ই আছে, তাদেরকে ভেক্টর রাশি বা দিক রাশি বলা হয়। 
যেমন- সরণ, ওজন, বেগ, ত্বরণ, বল ইত্যাদি। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৩.
প্লুটোনিয়াম-২৩৮ কোন ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়? 
  1. খাদ্য সংরক্ষণে
  2. রক্তাল্পতার চিকিৎসায়
  3. থাইরয়েড রোগের চিকিৎসায়
  4. হার্টে পেইসমেকার বসাতে
ব্যাখ্যা

তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যবহার: 
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সব শাখায় তেজস্ক্রিয় আইসোটোপের ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
যেমন- 
খাদ্য দ্রব্য সংরক্ষণে: 
- বিভিন্ন কৃষিজাত ও অন্যান্য পচনশীল খাদ্যদ্রব্য সংরক্ষণে ব্যাপকভাবে তেজষ্ক্রিয় আইসোটোপ থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয়তা ব্যবহার করা হচ্ছে। 
- খাদ্যদ্রব্য বেশি দিন ঘরে বা গুদামে রাখলে তা বিভিন্ন পোকামাকড় বা জীবাণুর আক্রমণে নষ্ট হতে পারে। 
- তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রয়োগ করলে এ সকল আক্রমণ থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা যায়। 
- 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি প্রয়োগ করে ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া থেকে খাদ্যদ্রব্যকে রক্ষা করা হয়।

চিকিৎসাক্ষেত্রে ব্যবহার: 
- শরীরের কোন স্থানে কোন ক্ষতিকর ক্যান্সার টিউমার-এর উপস্থিতি তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ দ্বারা নির্ণয় করা যায়। আবার নিরাময়ের জন্য 60Co থেকে নির্গত গামা রশ্মি নিক্ষেপ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষকে ধ্বংস করা হয়। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি বা এর অস্বাভাবিক বৃদ্ধিজনিত রোগের চিকিৎসায় আয়োডিন-131 (131I) ব্যবহৃত হয়। এ তেজস্ক্রিয় আয়োডিন আইসোটোপ থাইরয়েড গ্রন্থিতে অবস্থিত কোষ কলা বৃদ্ধি প্রতিহত করে। 
- শ্বেত-কণিকা অত্যধিক বৃদ্ধিজনিত রক্তাল্পতা (blood-leucaemia) রোগের চিকিৎসায় তেজষ্ক্রিয় ফসফরাস-৩২ (32P) এর ফসফেট ব্যবহৃত হয়। 
- দেহের হাড় বেড়ে যাওয়া এবং কোথায়, কি কারণে ব্যাথা হচ্ছে তা নির্ণয়ের জন্য 99mTc (Isotope of Technetium) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- প্লুটোনিয়াম-২৩৮ হার্টে পেইসমেকার বসাতে ব্যবহার করা হয়। 

অন্যদিকে,
- উদ্ভিদের বৃদ্ধি পর্যবেক্ষণে ফসফরাস-৩২ (32P) তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 
- তেজস্ক্রিয় ফসফরাস (P-32, C-14, DNA, RNA) এবং কার্বন ব্যবহার করে ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক অ্যাসিড এবং রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড এর গঠনের হার পর্যালোচনা করে মানুষের জীবন রহস্য সম্পর্কে অনেক তথ্য উদঘাটনে সক্ষম হয়েছে। 
- শিল্পক্ষেত্রে, পৃথিবীর বয়স নির্ধারণে C-14 আইসোটোপ, কীটপতঙ্গ দমনে, ধাতব পাতের পুরুত্ব নির্ধারণে, পাইপ লাইনের ছিদ্র অন্বেষণে তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: রসায়ন, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৪.
সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে কী বলা হয়?
  1. জিন ক্লোনিং
  2. সেল ক্লোনিং
  3. প্রাকৃতিক ক্লোনিং
  4. রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং
ব্যাখ্যা

ক্লোনিং পদ্ধতি: 
- প্রাকৃতিক ক্লোন বলতে একটি জীব অথবা এক দল জীবকে বুঝানো হয়, যাদের উদ্ভব ঘটে অযৌন অঙ্গজ প্রজননের দ্বারা। এগুলোর প্রকৃতি হয় পুরোপুরি তার মাতৃজীবের মত।
- একটি কোষ বা একগুচ্ছ কোষ যখন একটিমাত্র কোষ থেকে উৎপত্তি হয় এবং সেগুলোর প্রকৃতি মাতৃকোষের মতো হয়, তখন তাকেও ক্লোন বলে। 
- প্রকৃতিতে ব্যাকটেরিয়া, অনেক শৈবাল, বেশির ভাগ প্রোটোজোয়া এবং ইস্ট ছত্রাক ক্লোনিং পদ্ধতিতে বংশবৃদ্ধি করে। 
- জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহার করে তিন ধরনের ক্লোনিং করা হয়। 
যথা- 
১। জিন ক্লোনিং: একই জিনের অসংখ্য নকল তৈরি করাকে জিন ক্লোনিং বলে। জিন ক্লোনিং রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজির সাহায্যে ঘটানো হয়। 
২। সেল ক্লোনিং: একই কোষের অসংখ্য হুবহু একই রকমের কোষ সৃষ্টি করাকে সেল ক্লোনিং বলে। 
৩। জীব ক্লোনিং: দুটির পরিবর্তে একটিমাত্র জীব থেকে জিনগত হুবহু এক বা একাধিক জীব তৈরির পদ্ধতিকে জীব ক্লোনিং বলে। 
- ডলি নামক ভেড়া হচ্ছে পৃথিবীর প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী, যা একটি পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ থেকে ক্লোন করা হয়েছে। এক্ষেত্রে ডিম্বাণু থেকে যে প্রাণী সৃষ্টি হয়, তা হুবহু তার মাতার মতো হয়। 
- এই ক্লোনিং পদ্ধতি ব্যবহার করে ইঁদুর, খরগোস, গরু ও শকুর এমনকি বানর পর্যন্ত ক্লোন করা হয়েছে। 
- সম্পূর্ণ প্রাণীর ক্লোনিংকে বলে রিপ্রোডাকটিভ ক্লোনিং। 
যেমন- ‘ডলি’ নামক ভেড়া তার উদাহরণ। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৫.
আয়োডিনের সবচেয়ে ভালো উৎস কোনটি? 
  1. ডাল 
  2. শাকসবজি
  3. বাদাম 
  4. সামুদ্রিক উদ্ভিদ 
ব্যাখ্যা

খনিজ লবণ (Mineral salts): 
- দেহকোষ ও দেহের তরল অংশের জন্য খনিজ লবণ অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। 
- মানুষের শরীরে ক্যালসিয়াম, লৌহ, সালফার, দস্তা, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, আয়োডিন ইত্যাদি থাকে। 
- এ উপাদানগুলো কখনো মৌলিক উপাদানরূপে মানবদেহে অবস্থান করে না, এগুলো খাদ্য ও মানবদেহে বিভিন্ন পরিমাণে অন্য পদার্থের সাথে মিলিত হয়ে নানা জৈব এবং অজৈব যৌগের লবণ তৈরি করে। 
- খনিজ লবণ দেহ গঠন ও দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
- হাড়, দাঁত, পেশি, এনজাইম এবং হরমোন গঠনের জন্য খনিজ লবণ একটি অপরিহার্য উপাদান। 
- স্নায়ুর উদ্দীপনা, পেশি সংকোচন, দেহকোষে পানির সাম্যতা বজায় রাখা, অম্ল ও ক্ষারের সমতাবিধান, এসব কাজে খনিজ লবণের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। 

- দুধ, দই, ছানা, পনির, ছোট মাছ (মলা-ঢেলা), নানা রকম ডাল, সবুজ শাকসবজি, ঢেঁড়স, লাল শাক, কচু শাক ইত্যাদি ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎস। 
- কলিজা, সবুজ শাকসবজি, মাংস, ডিমের কুসুম, কচু শাক ইত্যাদিতে লৌহ থাকে। 
- দুধ, মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল থেকে ফসফরাস পাওয়া যায়। 
- খাবার লবণ, চিপস, নোনতা খাবার, পনির, বাদাম, আচার ইত্যাদিতে সোডিয়াম থাকে। 
- মাছ, মাংস, বাদাম, ডাল, কলা, আলু, আপেল ইত্যাদিতে পটাশিয়াম থাকে। 
- আয়োডিনের ভালো উৎস হলো সামুদ্রিক উদ্ভিদ ও মাছ, মাংস এবং শেওলা। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৬.
'Deception' এর বাংলা পরিভাষা -
  1. পক্ষত্যাগ
  2. প্রতারণা
  3. শিরশ্ছেদ
  4. বঞ্চনা
ব্যাখ্যা

• 'Deception' এর বাংলা পরিভাষা - বঞ্চনা

অন্যদিকে,
Decapitation - শিরচ্ছেদ।
Deceit - প্রতারণা।
Defection - পক্ষত্যাগ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।

৭৭.
নাটকের সংলাপের আগে কোন চিহ্ন বসে?
  1. সেমিকোলন
  2. হাইফেন
  3. কোলন
  4. কোলন ড্যাস
ব্যাখ্যা

কোলন (:)
- বাক্যে নানা কারণে কোলনচিহ্ন ব্যবহৃত হয়।

যেমন:
নাটকের সংলাপের আগে: 
দুকড়ি: কী চাই? 
কাঙালি: আজ্ঞে, মহাশয় হচ্ছেন দেশহিতৈষী। 
দুকড়ি: তা তো সকলেই জানে কিন্তু আসল ব্যাপারটা কী? 
কাঙালি: আপনি সাধারণের হিতের জন্য প্রাণপণ----

উদাহরণ বা দৃষ্টান্ত বোঝাতে: 
বাংলা সন্ধি দু প্রকার: স্বরসন্ধি ও ব্যঞ্জনসন্ধি। 

উদ্ধৃতির আগে: 
রবীন্দ্রনাথ বলেছেন: “মরিতে চাহি না আমি সুন্দর ভুবনে।"

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

৭৮.
'স্ত্রৈণ' - কোন প্রকার শব্দ?
  1. নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ
  2. স্ত্রীবাচক শব্দ
  3. নিত্য পুরুষবাচক শব্দ
  4. উভয়লিঙ্গবাচক শব্দ
ব্যাখ্যা

নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ:
- কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ বলে।

যেমন:
- কবিরাজ, কৃতদার, স্ত্রৈণ, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।

নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ:

- কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে।

যেমন: 
- এয়ো, সতীন, সৎমা, সধবা, কুলটা, বিধবা, অরক্ষণীয়া, সপত্নী ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

৭৯.
'পূর্ব > পুব' - এটি কোন ধ্বনি পরিবর্তনের উদাহরণ?
  1. অভিশ্রুতি
  2. ব্যঞ্জনচ্যুতি
  3. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  4. অন্তর্হতি
ব্যাখ্যা

অন্তর্হতি:
- পদের মধ্যে কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি লোপ পেলে তাকে বলে অন্তর্হতি।

যেমন:
- ফলাহার > ফলার, 
- আলাহিদা > আলাদা,
- পূর্ব > পুব,
- ফাল্গুন > ফাগুন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
'সুবন্ত' - শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. সুপ্ + অন্ত
  2. সুব্‌ + অন্ত
  3. সুত্‌ + অন্ত
  4. সুদ্‌ + অন্ত
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- ক, চ, ট, ত্, প্-এর পরে স্বরধ্বনি থাকলে সেগুলো যথাক্রমে গ্, জ্, ড্ (ড়), দ্, ব্ হয়। পরবর্তী স্বরধ্বনিটি পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- দিক্ + অন্ত = দিগন্ত,
- ণিচ্ + অন্ত = ণিজন্ত,
- ষট্ + আনন = ষড়ানন,
- তৎ + অবধি = তদবধি,
- সুপ্ + অন্ত = সুবন্ত ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০১৮ সংস্করণ)।

৮১.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. প্রতিদ্বন্দ্বী
  2. বিশ্রূতী
  3. কিংকর্তব্যবিমূঢ়
  4. রৌদ্রকরোজ্জ্বল
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - বিশ্রূতী।
- এর শুদ্ধ বানান - বিশ্রুতি।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
-খ্যাতি।

অন্যদিকে,
- রৌদ্রকরোজ্জ্বল,
- কিংকর্তব্যবিমূঢ়,
- প্রতিদ্বন্দ্বী,
উপরিউক্ত শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৮২.
কোন গুচ্ছটি তৎসম উপসর্গ?
  1. কদ, কু, পাতি
  2. অব, নির, দুর
  3. ভর, রাম, স
  4. আব, ইতি, ঊন
ব্যাখ্যা

সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ:
- সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ ২০ টি।
যথা:  
- প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অভি, অপি, উপ, আ।

অন্যদিকে,
খাঁটি বাংলা উপসর্গ:
- খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১ টি।
যথা:
- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, ঊন (ঊনা), কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৮৩.
'দুঃশাসন' - শব্দটি কোন কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ?
  1. সাধারণ কর্মধারয় সমাস
  2. রূপক কর্মধারয় সমাস
  3. উপমান কর্মধারয় সমাস
  4. উপমিত কর্মধারয় সমাস
ব্যাখ্যা

সাধারণ কর্মধারয় সমাস: 
 - মধ্যপদলোপী, উপমান, উপমিত, রূপক কর্মধারয় সমাস ছাড়া অন্যান্য কর্মধারয় সমাসকে সাধারণ কর্মধারয় সমাস বলে। সমাসবদ্ধ শব্দে বিশেষ্য ও বিশেষণের অবস্থানগত পার্থক্য নির্দেশ করে কিছু।

যেমন:
- কাঁচা যে কলা = কাঁচকলা,
- দুঃ যে শাসন = দুঃশাসন,
- মহৎ যে আত্মা = মহাত্মা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৮৪.
'উর্বী' - শব্দের অর্থ কী?
  1. পুষ্প
  2. পৃথিবী
  3. গাছ
  4. সমুদ্র
ব্যাখ্যা

• 'উর্বী' শব্দের অর্থ - ধরণি, পৃথিবী

অন্যদিকে,
'সমুদ্র' শব্দের অর্থ - সাগর, সিন্ধু, বারিধি, অর্ণব, পারাবার, জলধি, রত্নাকর।
'গাছ' শব্দের অর্থ - বৃক্ষ, তরু; পাদপ, উদ্ভিদ; লতা; গুল্ম, বৃক্ষসদৃশ কাঠের খণ্ড, ঘানিযন্ত্র।
'পুষ্প' শব্দের অর্থ - ফুল, স্ত্রীরজ, চোখের রোগবিশেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৮৫.
'নগ' - বলতে কী বোঝায়?
  1. লাফিয়ে চলে যে
  2. যে পা দিয়ে চলে না
  3. আকাশে বিচরণ করে যে
  4. যে গমন করে না
ব্যাখ্যা

• 'যে গমন করে না' এক কথায় প্রকাশ - নগ

অন্যদিকে,
আকাশে বিচরণ করে যে - বিহগ।
যে পা দিয়ে চলে না - পন্নগ।
লাফিয়ে চলে যে - প্লবগ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

৮৬.
'খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।' - এটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. নিত্য অতীত
  2. পুরাঘটিত অতীত
  3. পুরাঘটিত বর্তমান
  4. সাধারণ অতীত
ব্যাখ্যা

পুরাঘটিত অতীত:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।

যেমন:
- সন্ধ্যা হওয়ার আগেই আমরা মসজিদে পৌঁছেছিলাম।
- খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম -দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

৮৭.
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ কত সালে চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন?
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯২৭ সালে
  3. ১৯২৬ সালে
  4. ১৯৩৮ সালে
ব্যাখ্যা

চর্যাপদের প্রধান আলোচকগণ:
- বিজয়চন্দ্র মজুমদার ১৯২০ সালে প্রথম চর্যাপদের ভাষা নিয়ে আলোচনা করেন।
- চর্যাগীতির বৈয়াকরণ ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে ভাষা আলোচনা করে দেখালেন চর্যাপদ 'বাংলা নিশ্চয়ই, বাংলার প্রায় মূর্তি-অবহটঠের সদ্যোনির্মোক মুক্ত রূপ।' 
- ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার এবং ১৯৩৮ সালে তা প্রকাশ করে চর্যার জট উন্মোচন করেন।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ ১৯২৭ সালে চর্যাপদের ধর্মতত্ত্ব নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনা করেন এবং ১৯৪২ সালে চর্যাপদের সঠিক পাঠ নির্ণয় করে আলোচনার পথ আরও সহজ করেন। 
- ড. শশিভূষণ দাশগুপ্ত ১৯৪৬ সালে চর্যাগীতির অন্তর্নিহিত তত্ত্বের ব্যাখ্যা প্রকাশ করেন। 
- বিহারের প্রখ্যাত পণ্ডিত রাহুল সাংকৃত্যায়ন বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য, বৌদ্ধ সহজযান ও চর্যাগীতিকা নিয়ে ইংরেজি ও হিন্দিতে প্রচুর গবেষণা করেছেন। 
- ড. তারাপদ মুখোপাধ্যায় চর্যাপদ থেকে বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের রূপ এবং বাক্যগঠনরীতির স্বরূপ দৃষ্টান্তযোগে দেখিয়েছেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

৮৮.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কোন উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে ''বিসর্জন'' নাটকটি রচিত হয়?
  1. মালঞ্চ
  2. নৌকাডুবি
  3. রাজর্ষি
  4. ঘরে-বাইরে
ব্যাখ্যা

'রাজর্ষি' উপন্যাস:
- রাজর্ষি (১৮৮৭): ত্রিপুরার রাজপরিবারের ইতিহাস নিয়ে রচিত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক উপন্যাস।
- উপন্যাসটি মানবতা পক্ষে ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে।
- ১৮৯১ সালে এই উপন্যাসের প্রথমাংশ অবলম্বনে ''বিসর্জন'' নাটকটি রচিত হয়

উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: 
- গোবিন্দমাণিক্য,
- পুরোহিত রঘুপতি,
- হাসি ও তাতা,
- জয়সিংহ,
- নক্ষত্ররায়।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস:
- ঘরে-বাইরে,
- চোখের বালি,
- শেষের কবিতা,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: 'রাজর্ষি' উপন্যাস- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৮৯.
'ইব্রাহিম কার্দি' - চরিত্রের স্রষ্টা করেন কে?
  1. জহির রায়হান
  2. হুমায়ুন আজাদ
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ
ব্যাখ্যা

‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ নাটক: 
- মুনীর চৌধুরী রচিত 'রক্তাক্ত প্রান্তর' রচিত হয়েছে মহাকবি কায়কোবাদের 'মহাশ্মশান' গ্রন্থের কাহিনি থেকে।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' মুনীর চৌধুরীর প্রথম পূর্ণাঙ্গ মৌলিক নাটক।
- পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের (১৭৬১) ঘটনা অবলম্বনে তিন অঙ্ক বিশিষ্ট নাটকটি রচিত।
- 'রক্তাক্ত প্রান্তর' ঐতিহাসিক নাটক নয়, এটি ইতিহাস-আশ্রিত নাটক। 
- ‘মানুষ মরে গেলে পচে যায়। বেঁচে থাকলে বদলায়।' রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকের একটি জনপ্রিয় উক্তি। নাটকে উক্তিটি বলেছেন নবাব সুজাউদ্দৌলা।
- চরিত্র: ইব্রাহিম কার্দি, জোহরা, হিরণবালা ইত্যাদি।

মুনীর চৌধুরী:
- মুনীর চৌধুরী ছিলেন একজন বাংলাদেশি শিক্ষাবিদ, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক ও বাগ্মী।
- ১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর মানিকগঞ্জ শহরে তাঁর জন্ম।
- মুনীর চৌধুরী শিক্ষা ও পেশাগত জীবনে বামপন্থী রাজনীতি ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯০.
কোন লেখকের উপাধি 'চারণকবি'?
  1. মুকুন্দদাস
  2. মুকুন্দরাম
  3. আবদুল করিম
  4. নজিবর রহমান
ব্যাখ্যা

মুকুন্দদাস:
- ঢাকার বিক্রমপুরে তাঁর জন্ম। তাঁর পিতৃদত্ত নাম ছিল যজ্ঞেশ্বর।
- রামানন্দ নামক এক সাধকের নিকট দীক্ষা নেওয়ার পর তাঁর নাম হয় মুকুন্দদাস।
- তিনি ১৯২২ সালে  অসহযোগ আন্দোলন এবং ১৯৩০ সালে আইন অমান্য আন্দোলনে স্বদেশপ্রেমের গান ও যাত্রাপালা লিখে ও গেয়ে জনসাধারণকে জাগিয়ে তোলেন।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও কাজী নজরুল ইসলাম তাঁকে 'চারণকবির' মর্যাদা দেন।
- সাধনসঙ্গীত, পল্লীসেবা, ব্রহ্মচারিণী, পথ, সাথী, সমাজ, কর্মক্ষেত্র প্রভৃতি তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।
- মুকুন্দদাস সারাজীবনে সাতশত মেডেল এবং বহু পুরস্কার পেয়েছেন, কিন্তু ‘চারণকবি’ উপাধির মাধ্যমেই তিনি আজও স্মরণীয় হয়ে আছেন।

অন্যদিকে,
- আবদুল করিমকে 'সাহিত্যসাগর' উপাধি দিয়ে সম্মানিত করে এবং চট্টল ধর্মমন্ডলী তাঁকে 'সাহিত্য বিশারদ' উপাধিতে ভূষিত করে।
- নজিবর রহমান এর উপাধি 'সাহিত্য রত্ন'।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৯১.
কাহ্নপা রচিত কত নং পদটি পাওয়া যায়নি?
  1. ১৩নং
  2. ১৯নং
  3. ২৪নং
  4. ৪২নং
ব্যাখ্যা

কাহ্নপা:
- তিনি বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্য ও চর্যাপদকর্তা ছিলেন।
- প্রকৃত নাম কৃষ্ণাচার্য পাদ, অপভ্রংশে হয়েছে কাহ্নপা, কনহপা, কাহ্নিল পা ইত্যাদি।
- বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের কবিগোষ্ঠীর মধ্যে তিনিই ছিলেন শ্রেষ্ঠ।
- পালরাজ দেবপালের রাজত্বকালে (আনু. ৯০০-৫০) তিনি বর্তমান ছিলেন।
- চর্যাপদের ২৩জন কবির মধ্যে কাহ্নপার পদসংখ্যা সর্বাধিক, মোট ১৩টি।
- কাহ্নপা রচিত ২৪ নং পদটি পাওয়া যায়নি

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯২.
কার নাটক অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর 'শকুন্তলা' রচনা করেন?
  1. নূরুদ্দীন আব্দুর রহমান জামী
  2. আলাওল
  3. কালিদাস
  4. মালিক মুহম্মদ জায়সী
ব্যাখ্যা

শকুন্তলা:
- প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্‌' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।
- 'শকুন্তলা'য় কাহিনি নির্মাণ ও ভাষাব্যবহারে বিদ্যাসাগর যথেষ্ট স্বাধীন্তা নিয়েছেন।
- চন্দ্রবংশীয় রাজা দুষ্মন্ত শিকারে এসে কম্ব মুনির তপোবনে উপস্থিত হয়।
- সেখানে শকুন্তলা, প্রিয়ংবদা, অনসূয়া নামের মুনির তিন রূপবতী পালিতা কন্যার মধ্যে শকুন্তলার সঙ্গে দুষ্মন্তের বিয়ে হয়। 
- দৈববাণীতে দুষ্মন্ত সব অবগত হয় এবং শকুন্তলা- ভরতকে যোগ্য স্থান দেয়।
- বৃদ্ধ বয়সে দুষ্মন্ত ভরতকে নিজ রাজ্যের উত্তরাধিকারী করে।
- বাংলা সাহিত্যে 'শকুন্তলা' গুরুত্বপূর্ণ এ কারণে যে, এ গ্রন্থের আগে গদ্যে রচিত এতো চমৎকার কাহিনি বা আখ্যান বর্ণনা পাওয়া যায় না।
- গদ্যসাহিত্য প্রতিষ্ঠার যুগে 'শকুন্তলা' একটি অসাধারণ সৃষ্টি।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- তিনি ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন সংস্কৃত পন্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- তাঁর পৈতৃক পদবি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি 'ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা' নামে স্বাক্ষর করতেন।
- ১৮৩৯ সালে সংস্কৃত কলেজ ঈশ্বরচন্দ্রকে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি প্রদান করে।
- তিনি বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে খ্যাত। তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্ন স্থাপন করেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৯৩.
বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা হিসেবে কাকে বিবেচনা করা হয়?
  1. গোবিন্দদাস
  2. জয়দেব
  3. চণ্ডীদাস
  4. বিদ্যাপতি
ব্যাখ্যা

বৈষ্ণব পদাবলি:
- বৈষ্ণব পদাবলি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ফসল।
- বাঙালি কবি জয়দেবকে বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম পদকর্তা বলা হয়।
- রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলা অবলম্বনে রচিত ‘গীতগোবিন্দম্‌' কাব্যটি আদি বৈষ্ণব পদাবলির নিদর্শন। তবে এটি বাংলা ভাষায় নয়, সংস্কৃত ভাষায়।
- পরবর্তীতে বিদ্যাপতি ব্রজবুলি ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদ রচনা করেন।
- বাংলা ভাষায় প্রথম বৈষ্ণব পদাবলির রচনা করেন চণ্ডীদাস।
- বৈষ্ণব পদাবলিতে কৃষ্ণের প্রধান প্রেমিকা শ্রীরাধাকে নায়িকা বলা হয়। পদাবলিতে নায়িকার ৮ টি অবস্থা।

- এই কাব্যে পাঁচটি রস রয়েছে।
যথা:
১. শান্তরস,
২. দাস্যরস,
৩. সখ্যরস,
৪. বাৎসল্যরস ও
৫. মধুররস (মধুর রস’কে শৃঙ্গার রসও বলে)।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও লাল নীল দীপাবলি হুমায়ুন আজাদ।

৯৪.
‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকা সম্পাদনা করেন কে?
  1. আবু জাফর শামসুদ্দীন
  2. সিকান্‌দার আবু জাফর
  3. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
  4. মোহাম্মদ নাসির আলি
ব্যাখ্যা

‘মোসলেম ভারত’ পত্রিকা:
- কবি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হকের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে ১৩২৭ বঙ্গাব্দের বৈশাখ (১৯২০) মাসে মাসিক ‘মোসলেম ভারত’ প্রকাশিত হয়।
- প্রথম বছর নিয়মিতভাবে প্রকাশিত হলেও পরের বছর অনিয়মিতভাবে প্রকাশ হয়। সব মিলিয়ে মাত্র ১৭টি সংখ্যা বেরিয়েছে।
- রবীন্দ্রনাথের বাণী পত্রিকাটির প্রতি সংখ্যার সূচনাতে মুদ্রিত হতো।
- ‘মোসলেম ভারত' নজরুলের প্রতিষ্ঠা ও বিকাশে প্রধান সহায়ক হয়েছে। প্রতি সংখ্যায় নজরুলের একাধিক রচনা এখানে মুদ্রিত হয়।
- নজরুলের কামাল পাশা, মোহররম, সাত ইল বিদ্রোহী, বাঁধন-হারা আরব, বিদ্রোহী, (উপন্যাস, কিস্তিতে) ইত্যাদি নানা ধরনের লেখা এই পত্রিকার পৃষ্ঠায় ছড়িয়ে আছে।

অন্যদিকে,
আবু জাফর শামসুদ্দীন এবং মোহাম্মদ নাসির আলির সম্পাদনা পত্রিকা - নয়া সড়ক।
মাসিক 'সমকাল' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন - সিকান্‌দার আবু জাফর।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৯৫.
কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন?
  1. বিয়ে পাগলা বুড়ো
  2. বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ
  3. সধবার একাদশী
  4. ক ও গ উভয়ই
ব্যাখ্যা

'বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ' প্রহসন:
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রহসন। এটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রথমে এ প্রহসনের নাম ছিল 'ভগ্ন শিবমন্দির'।
- এক লম্পট জমিদারের আচার-ব্যবহার ও দরিদ্র প্রজাদের দ্বারা উচিত শিক্ষা এই উপভোগ্য প্রহসনের মূলকাহিনি।
- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: ভক্তপ্রসাদ, গদাগর, পুঁটি, ফতেমা, ভগী প্রমুখ।

অন্যদিকে,
'বিয়ে পাগলা বুড়ো' প্রহসন:
- দীনবন্ধু মিত্র রচিত 'বিয়ে পাগলা বুড়ো' মূলত এক ধরনের হাস্যরসাত্মক নাটক (প্রহসন)।
- বঙ্কিমচন্দ্র লিখেছিলেন যে এই নাটক কোনো "জীবিত ব্যক্তিকে লক্ষ্য করিয়া লিখিত হইয়াছিল"।
- ১৮৭২ সালে নাটকটি প্রথম অভিনীত হয়।

'সধবার একাদশী' প্রহসন:
- 'সধবার একাদশী' (১৮৬৬) দীনবন্ধু মিত্র রচিত প্রহসন।
- ‘সধবার একাদশী' প্রহসনে তৎকালীন ইয়ংবেঙ্গল দলের উচ্ছৃঙ্খলতা ও অনাচারের চিত্র অঙ্কন করা হয়েছে।
- এই সামাজিক বিপর্যয় এর কাহিনি নিয়ে নাটকটির রচিত।

উল্লেখ্য,
মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত রচিত প্রহসন - একেই কি বলে সভ্যতা, বুড় সালিকের ঘাড়ে রোঁ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৯৬.
"মাগো, ওরা বলে,
সবার কথা কেড়ে নেবে,
তোমার কোলে শুয়ে
গল্প শুনতে দেবে না 
বলো, মা
তাই কি হয়?" - পঙ্‌ক্তিগুলোর রচয়িতা কে?
  1. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. শামসুর রাহমান
  4. কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা

মাগো ওরা বলে 
আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

“মাগো, ওরা বলে,
সবার কথা কেড়ে নেবে,
তোমার কোলে শুয়ে
গল্প শুনতে দেবে না
বলো, মা
তাই কি হয়?

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ:
- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ ছিলেন একজন কবি ও সরকারি কর্মকর্তা।
- ১৯৩৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পূর্ণ নাম আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ খান।

তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থগুলো হলো: 
- সাত নরীর হার,  
- কখনো রং কখনো সুর,  
- কমলের চোখ,  
- আমি কিংবদন্তির কথা বলছি,  
- সহিষ্ণু প্রতীক্ষা,  
- প্রেমের কবিতা, 
- নির্বাচিত কবিতা,  
- আমার সকল কথা,  
- মসৃণ কৃষ্ণ গোলাপ প্রভৃতি।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

৯৭.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ কোনটি?
  1. ঝিলিমিলি
  2. তুর্কমহিলার ঘোমটা খোলা
  3. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
  4. যুগবাণী
ব্যাখ্যা

'যুগবাণী' প্রবন্ধগ্রন্থ:
​- 'যুগবাণী' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রবন্ধের বই। 
- প্রবন্ধ গ্রন্থটি ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়। 
- প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সরকার কর্তৃক বইটি নিষিদ্ধ হয়। ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়। 
- প্রবন্ধ গুলোতে স্বদেশি চিন্তা চিন্তাচেতনা ও ব্রিটিশ বিরোধিতা প্রকাশিত।

অন্যদিকে,
কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত প্রথম গল্প "বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী"।
কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত প্রবন্ধ - তুর্কমহিলার ঘোমটা খোলা।
কাজী নজরুলের প্রথম প্রকাশিত নাটক- ঝিলিমিলি।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও যুগবাণী প্রবন্ধ এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৯৮.
কোনটি শওকত আলী রচিত ত্রয়ী উপন্যাসের অন্তর্গত?
  1. উপরে ছাপ
  2. উত্তরের খেপ
  3. কুলায় কালস্রোত
  4. পিঙ্গল আকাশ
ব্যাখ্যা

শওকত আলী:
- তিনি ১৯৩৬ সালের ১২ই জানুয়ারি, দিনাজপুরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘যাত্রা’।
- তাঁর রচিত ত্রয়ী উপন্যাস - দক্ষিণায়নের দিন, কুলায় কালস্রোত, পূর্বরাত্রি পূর্বদিন।
- তিনি বাংলা একাডেমি পুরস্কার (১৯৬৮), আলাওল সাহিত্য পুরস্কার (১৯৮৯), একুশে পদক (১৯৯০) লাভ করেন।
- তিনি ২০১৮ সালের ২৫শে জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পিঙ্গল আকাশ
- যাত্রা, 
- প্রদোষে প্রাকৃতজন, 
- দক্ষিণায়নের দিন, 
- কুলায় কালস্রোত, 
- পূর্বরাত্রি পূর্বদিন, 
- যেতে চাই, 
- ওয়ারিশ, 
- বাসর মধুচন্দ্রিমা, 
- উত্তরের খেপ
- হিসাবনিকাশ, 
- দলিল, 
- উপরে ছাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; পিঙ্গল আকাশ, শওকত আলী।

৯৯.
মধ্যযুগের কোন কবির প্রকৃত নাম 'আসাউদ্দীন'?
  1. সৈয়দ সুলতান
  2. দৌলত উজির বাহরাম খান
  3. গুণরাজ খান
  4. মুহম্মদ খান
ব্যাখ্যা

দৌলত উজির বাহরাম খান:
- দৌলত উজির মধ্যযুগীয় বাংলা ভাষার কবি।
- তাঁর আত্মপরিচয় থেকে জানা যায় যে, তিনি চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদ অথবা জাফরাবাদের অধিবাসী ছিলেন।
- পীরভক্ত বাহরাম খানের প্রকৃত নাম আসাউদ্দীন
- তিনি অল্প বয়সে পিতৃহীন হলে চট্টগ্রামের অধিপতি নেজাম শাহ সুর তাঁকে পিতৃপদ (উজির) প্রদান করেন।
- চট্টগ্রামের নৃপতি নেজাম শাহ সুর বাহরাম খান কে 'দৌলত উজির' উপাধি দেন।
- বাহরাম খান দুটি আখ্যানকাব্য রচনা করেন: লায়লী-মজনু ও ইমাম-বিজয়। উভয় কাব্যের উৎস আরবি সাহিত্য।

উল্লেখ্য,
- 'মালাধর বসু' এর উপাধি - গুণরাজ খান।
- মুহম্মদ খান ছিলেন সৈয়দ সুলতানের শিষ্য।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০০.
'নেমেসিস' - কোন ধরনের সাহিত্যকর্ম?
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. প্রবন্ধ
  4. গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

‘নেমেসিস’ নাটক: 
- 'নেমেসিস' নুরুল মোমেন রচিত শ্রেষ্ঠ নাটক।
- ১৯৩৯-৪৩ সালের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে নুরুল মোমেন ১৯৪৪ সালে নাটকটি লেখেন এবং ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকায় তা প্রকাশিত হয়।
- নাটকটি গ্রন্থাকারে প্রকাশ পায় ১৯৪৮ সালে।
- নাটকটি স্কুল মাস্টার সুরজিত নন্দী নামের এক চরিত্র বিশিষ্ট নাটক।
- এ নাটকে সমকালীন দুর্ভিক্ষ, মজুতদারদের পিশাচবৃত্তি ও নিরন্নদের হাহাকারের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে।
- 'নেমেসিস' নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম সুরজিত নন্দী, নৃপেন বোস, সুলতা, অসীম, অমল বাবু, ইয়াকুব ইত্যাদি।

নুরুল মোমেন রচিত বিখ্যাত নাটকসমূহ:
- যদি এমন হতো,
- নয়া খান্দান, 
- আলোছায়া,
- আইনের অন্তরালে, 
- শতকরা আশি, 
- রূপলেখা, 
- যেমন ইচ্ছা তেমন।

উৎস:
১)বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০১.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৪৮ সাল
  2. ১৯৪৬ সাল
  3. ১৯৪৭ সাল
  4. ১৯৪৫ সাল
ব্যাখ্যা

'লালসালু' উপন্যাস: 
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'লালসালু'। এটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- লালসালু উপন্যাসটি Tree Without Roots (১৯৬৭) নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়। 
- 'লালসালু' একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
- ধর্ম নিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থকারীদের স্বরূপ উন্মোচন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপটে সমাজচেতনা এই উপন্যাসের মূল বিষয়। 

লালসালু উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র-
- মজিদ,
- জমিল,
- আমেন,
- খালেক ব্যাপার,
- রহিম,
- আক্কা,
- তাহেরের বাপ,
- হাসুনির মা ইত্যাদি।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ রচিত উপন্যাস: 
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১০২.
Who authored the poem Andrea Del Sarto?
  1. Robert Browning
  2. Alfred Lord Tennyson
  3. John Keats
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• Andrea Del Sarto:
- এটি Robert Browning রচিত।
- শিল্পী Andrea del Sarto এখানে নিজেই কথা বলছেন।
- তিনি তার স্ত্রীকে ডেকে পাশে বসান এবং কিছু নিরুপদ্রব ভালো সময় দুইজন একসাথে কাটাতে চান এমন মনোভাব ব্যক্ত করেন।
- এরপর কবি তার ফেলে আসা জীবনের কিছু হতাশার দিক তুলে ধরেন এবং তার জন্য আফসোস করেন। পরিশেষে স্ত্রীর সব আব্দার তিনি মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বিনিময়ে তিনি শুধু শান্তি চান।

• Robert Browning:
- তিনি একজন British poet.
- He is noted for his mastery of dramatic monologue.
- His wife Elizabeth Barrett was also a poet of that time.

• Notable works:
- Fra Lippo Lippi,
- Men and Women,
- My Last Duchess,
- Paracelsus,
- Pippa Passes,
- Rabbi Ben Ezra,
- Sordello,
- The Pied Piper of Hamelin,
- The Ring.

Source: Britannica.

১০৩.
Who wrote The Metamorphosis?
  1. James Joyce
  2. Franz Kafka
  3. Albert Camus
  4. Fyodor Dostoevsky
ব্যাখ্যা

• The Metamorphosis:
- এটি Franz Kafka লিখিত একটি symbolic story, তিনি একজন German-language writer.
- 1915 সালে প্রকাশিত হয়।
- কেন্দ্রীয় চরিত্র: Gregor Samsa.
- The opening sentence of The Metamorphosis has become one of the most famous in Western literature: “As Gregor Samsa awoke one morning from uneasy dreams, he found himself transformed in his bed into a gigantic insect.”

• Franz Kafka was a novelist, short story writer, and an existentialist.

• তাঁর উল্লেখ্য সাহিত্য কর্ম - 
- The Metamorphosis,
- The Trial,
- The Castle,
- Amerika.

Source: Britannica.

১০৪.
'Life on the Mississippi' is -
  1. A play
  2. A poetic work
  3. A memoir
  4. A History play
ব্যাখ্যা

'Life on the Mississippi'- Mark Twain এর লেখা একটি স্মৃতিকথা (memoir).

• Life on the Mississippi
- Mark Twain -এর একটি স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ, যা মার্কিন গৃহযুদ্ধের পূর্ববর্তী সময়ে মিসিসিপি নদীর স্টিমবোট যুগের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা হয়েছে।
- এটি ১৮৮৩ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই বইতে Mark Twain তাঁর শৈশব এবং কৈশোরে মিসিসিপি নদীতে স্টিমবোটের জীবনের চিত্রায়ণ করেছেন, যেখানে নদীর সৌন্দর্য, নৌকা চালানোর অভিজ্ঞতা এবং নদীর সংলগ্ন মানুষের জীবনধারা তুলে ধরা হয়েছে।
- বইটি আমেরিকান সমাজ এবং সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশকে চিত্রিত করে।
- বইটি ১৫৪১ সালে Hernando de Soto এর মিসিসিপি নদী আবিষ্কারের একটি সংক্ষিপ্ত ইতিহাস দিয়ে শুরু হয়।
- Hernando de Soto একজন Spanish explorer ছিলেন।

• Mark Twain 
- Mark Twain was an American humorist, journalist, lecturer, and novelist.
- During his lifetime Mark Twain wrote more than 20 novels.
- তিনি তার ভ্রমণবিষয়ক বর্ণনা ও শিশুদের অ্যাডভেঞ্চার গল্পের জন্য আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেছেন।
- তাঁর উল্লেখযোগ্য ভ্রমণবিষয়ক রচনা গুলোর মধ্যে রয়েছে "The Innocents Abroad" (১৮৬৯), "Roughing It" (১৮৭২), এবং "Life on the Mississippi" (১৮৮৩)।
- "Life on the Mississippi" মার্ক টোয়েনের লেখার শৈলী ও রসবোধের নিখুঁত উদাহরণ।
- এছাড়াও, তিনি তাঁর ছেলেবেলার অ্যাডভেঞ্চার গল্পের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত, যার মধ্যে রয়েছে "The Adventures of Tom Sawyer" (১৮৭৬) এবং "Adventures of Huckleberry

• Famous Works:
• His most famous novels included:
- The Adventures of Tom Sawyer (1876),
- Adventures of Huckleberry Finn (1884),
- The Prince and the Pauper, etc.

Source: Britannica.

১০৫.
Who authored the novel Midnight’s Children?
  1. Salman Rushdie
  2. Arundhati Roy
  3. Vikram Seth
  4. Thomas Hardy
ব্যাখ্যা

• Midnight’s Children:
- It is an allegorical novel by Salman Rushdie.
- উপন্যাসটি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়।
• 'Midnight's Children' সালমান রুশদীর একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা ১৯৪৭ সালের ভারতীয় স্বাধীনতা এবং দেশভাগের পটভূমিতে রচিত। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র, সেলিম সানাই, স্বাধীনতার মুহূর্তে জন্মগ্রহণ করেন এবং তার জীবন ও ক্ষমতাগুলি ভারতের জাতীয় ইতিহাসের সাথে গভীরভাবে সংযুক্ত।

• সেলিমের জন্মের সময়, মুম্বাইয়ের একটি হাসপাতালে দুইটি শিশুর জন্ম হয়। একটি শিশুর জন্ম হয় সেলিমের মতো উচ্চবংশীয় মুসলিম পরিবারে, অন্যটি জন্মগ্রহণ করে নিম্নবর্ণের হিন্দু পরিবারে। একটি নার্স তাদের স্থান পরিবর্তন করে, ফলে সেলিম সানাই আসলে নিম্নবর্ণের হিন্দু মহিলার অবৈধ সন্তান।

• Salman Rushdie
- In full, Sir Ahmed Salman Rushdie.
- Born: June 19, 1947, Bombay (Now Mumbai) India).
- তিনি হচ্ছেন একজন Indian-born British writer.

• তাঁর উল্লেখ্যযোগ্য সাহিত্য কর্ম -
- Midnight's Children,
- Shame,
- Satanic Verses.

Source: Britannica.

১০৬.
Who is the primary subject of Tennyson’s In Memoriam?
  1. Queen Victoria
  2. His father
  3. P.B. Shelley
  4. Arthur Henry Hallam
ব্যাখ্যা

Alfred Lord Tennyson রচিত 'In Memoriam A.H.H.' একটি শোকগাথা বা elegy, যা তিনি তার প্রিয় বন্ধু Arthur Henry Hallam-এর স্মরণে লিখেছিলেন।

• In Memoriam:
- This poem is written by Alfred Tennyson.
- In Memoriam, in full In Memoriam A.H.H, Alfred Tennyson এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা যেটি ১৮৩৩ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল এবং ১৮৫০ সালে anonymously প্রকাশিত হয়।
- এই কবিতাটিতে ১৩১ টি sections, একটি prologue এবং একটি epilogue রয়েছে।
- তিনি এই কবিতাটি তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে লিখেছিলেন।
- This chiefly elegiac work examines the different stages of Tennyson’s period of mourning over the death of his close friend Arthur Henry Hallam.
- In Memoriam reflects the Victorian struggle to reconcile traditional religious faith with the emerging theories of evolution and modern geology.

• Alfred Tennyson:
- তিনি হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি তাঁর melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।

• Notable works:
• Poems:
- Crossing the Bar,
- Enoch Arden,
- Idylls of the King, In Memoriam,
- Locksley Hall,
- In memoriam.

Source: Britannica, Live MCQ Lecture.

১০৭.
In Shakespeare’s Macbeth, who tells Macbeth that he will become king?
  1. Lady Macbeth
  2. The three witches
  3. Banquo
  4. King Duncan
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) The three witches.

Shakespeare-এর Macbeth নাটকে 'Three Witches' Macbeth-কে ভবিষ্যতের কথা বলেন।
তারা বলে যে সে পরবর্তীতে স্কটল্যান্ডের রাজা হবে।

• Macbeth

- এটি Shakespeare -এর সবচেয়ে ছোট Tragedy.
- এই Tragedy টি হচ্ছে William Shakespeare -এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ tragedy এবং Macbeth হলো এর মূল চরিত্র/ tragic hero.
- Macbeth ছিলেন স্কটল্যান্ডের রাজা Duncan এর একজন বিশ্বস্ত General.
- নাটকটির মূল বিষয়বস্তু হলো King Duncan -এর হত্যা ও তার ফলে ঘটে যাওয়া ঘটনাবলি।
- এটি হলো স্কটিশ সেনাপতি ম্যাকবেথের ক্ষমতা-লোভ, বিশ্বাসঘাতকতা এবং তার করুণ পরিণতির গল্প।
- নাটকের শুরুতে দেখা যায় তিনজন ডাইনি (Three Witches) সেনাপতি Macbeth -এর সাথে দেখা করে এবং সে ভবিষ্যতে Scotland এবং পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের রাজা হবে এই ভবিষ্যৎ বাণী করে।
- Three Witches এর এই ভবিষ্যৎ বাণীর কথা Macbeth যখন lady Macbeth কে জানায়, তখন লোভের বশবর্তী হয়ে Lady Macbeth, সেনাপতি Macbeth কে প্ররোচনা দেয় রাজা Duncan কে হত্যা করতে।

• Macbeth রাজা হলেও, পাপবোধ এবং ভয় তাকে তাড়া করে। ক্ষমতা ধরে রাখতে, সে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘটায়।

• পরিণামে, Lady Macbeth পাগল হয়ে মারা যায়, এবং Macbeth তার শত্রুদের মুখোমুখি হয়। Macduff নামে এক সাহসী যোদ্ধার হাতে Macbeth নিহত হয়, এবং স্কটল্যান্ডে শান্তি ফিরে আসে।
- Macbeth নাটকটি দেখায়, কীভাবে ক্ষমতার আকাঙ্ক্ষা এবং নৈতিক বিচ্যুতি মানুষের ধ্বংস ডেকে আনতে পারে।

• Famous quotations of Macbeth - 
- "Fair is foul, and foul is fair."
- "All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand"
- "Life is but a walking shadow."
- "Out, damned spot! out, I say!"
- "What's done cannot be undone."
- "Life is but a walking shadow, a poor player."
- "What's done can't be undone."
- “Look like the innocent flower,
   But be the serpent under it.”

• William Shakespeare
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বলা হয়।
- He is considered by many to be the greatest dramatist of all time. 

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.
3. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

১০৮.
Which of the following is a Victorian creation?
  1. Tess of the d'Urbervilles
  2. To the Light House
  3. Tom Jones
  4. Mansfield Park
ব্যাখ্যা

Answer - Tess of the d'Urbervilles.

• Tess of the d'Urbervilles:

- এটি রচনা করেন Thomas Hardy, তিনি Victorian age এর উপন্যাসিক, তাই এটি Victorian age এর রচনা। 
- এই উপন্যাস টি প্রথম ১৮৯১ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশিত হয়। 
- একই বছর উপন্যাসটি তিনটি ভলিউমে বই আকারে প্রকাশিত হয়।

• এই উপন্যাসটি বেশ কিছু কারণে বিতর্কের জন্ম দেয়।
- গতানুতিক ভিক্টোরিয়ান ফিকশনের চেয়ে কিছুটা ভিন্ন এই উপন্যাসটি।
- গ্রামীন সমাজের দরিদ্র শ্রেণীর এক মেয়েকে কেন্দ্র করে কাহিনি এগিয়ে যায়। মেয়েটির নাম Tess Durbeyfield
- এছাড়া যৌনতা এবং ধর্মীয় বিষয় নিয়েও বিতর্কিত উপাদান আছে উপন্যাসটিতে।
- উনিশ শতকের গ্রামীন ইংল্যান্ডে মেয়েদের অসহায়ত্ব এবং বিত্তশালী শ্রেণীর লালসা চরিতার্থের একটি যথার্থ রূপ ফুটে উঠেছে এই উপন্যাসটিতে।

• Important characters:
- Alec d'Urberville,
- John Durbeyfield,
- Tess Durbeyfield,
- Angel Clare,
- Sorrow.

• Thomas Hardy is known as a Pessimistic Novelist.
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian age এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক এবং ছোট গল্পকার।

• Thomas Hardy-এর লেখা কয়েকটি উপন্যাস হলো -
- Tess of the d'Urbervilles,
- Far from the Madding Crowd,
- The Return of the Native
- The Poor Man and the Lady,
- The Mayor of Casterbridge
- Jude the Obscure,
- A Pair of Blue Eyes.

ভুল বিকল্পগুলো:

খ) To the Lighthouse → Virginia Woolf-এর কাজ, Modern period.
গ) Tom Jones → Henry Fielding, Age of Sensibility.
ঘ) Mansfield Park → Jane Austen, Romantic period.

Source: Britannica.

১০৯.
"All changed, changed utterly:   
A terrible beauty is born." - This famous quote is from -
  1. The Waste Land
  2. The Tyger
  3. Easter, 1916
  4. The Road Not Taken
ব্যাখ্যা

"All changed, changed utterly:   
A terrible beauty is born." -
​উক্তিটি W.B. Yeats এর "Easter, 1916" কবিতা থেকে নেওয়া। 

• Easter 1916:
- কবিতাটি William Butler Yeats লিখিত।
-১৯১৬ সালের এপ্রিলে British Colonialism এর বিরুদ্ধে আয়ারল্যান্ডে যে গণঅভ্যুত্থান হয়, তাকে কেন্দ্র করে Easter 1916 কবিতাটি লেখা হয়।
- এখানে শহীদদের আত্মত্যাগ এর কথা বর্ণিত হয়েছে।
- It commemorates the lives lost at the Easter Uprising in 1916, Dublin, and immortalizes several names of key leaders in the movement, some of whom Yeats knew personally.
- এই কবিতার একটি বিখ্যাত লাইন "All changed, changed utterly: A terrible beauty is born.”

• William Butler Yeats:
• He is an Irish Poet
- তাঁকে Ireland এর National poet  বলা হয়ে থাকে।
- একজন কবি এবং নাট্যকার হিসাবে, তার সাহিত্যকর্ম গুলো আয়ারল্যান্ডের ঐতিহ্য এবং রাজনীতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছিলেন।
- নিজের জন্মভূমির প্রতি তার ভালোবাসার প্রকাশ তার বিভিন্ন কবিতায় লক্ষ্য করা যায়।
- W.B. Yeats was first awarded the Nobel Prize in Literature as the first Irishman.
-১৯২৩ সালে সাহিত্যে Nobel Prize লাভ করেন।  
- Abbey Theatre হচ্ছে W. B. Yeats প্রতিষ্ঠাকৃত Irish National Theatre Society.
- মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এর পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 

• Major Poems:
- The Wild Swans at Coole,
- The Tower,
- The Winding Stair and Other poems,
- The Second Coming,
- The Cat and the Moon,
- Sailing to Byzantium,
- The Lake Isle of Innisfree,
- Among School Children,
- A Prayer for My Daughter,
- When You Are Old,
- Easter 1916,
- September 1919,
- The Wanderings of Oisin,
- Leda and The Swan.

• W.B Yeats রচিত কিছু play হচ্ছে - 
- The Resurrection,
- The Only Jealousy of Emer,
- The Dreaming of the Bones,
- Four Plays for Dancers,
- Calvary,
- Cathleen ni Houlihan,
- The Countess Cathleen.

• Prose
- A Vision,
- Celtic Twilight (essay).

Source: Britannica.

১১০.
Who wrote the comedy play Candida?
  1. George Bernard Shaw
  2. Oscar Wilde
  3. Samuel Beckett
  4. Ernest Hemingway
ব্যাখ্যা

• Candida:
- এটা একটি কমেডি ধাঁচের নাটক, রচনা করেন G.B Shaw.
- নাট্যকার আধুনিক যুগের অন্যতম সেরা নাট্যকার G.B Shaw.
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র Candida । তার স্বামী James Mavor Morell একজন ধর্ম যাজক।
- এদিকে এক সফর থেকে আসার পর Candida এর প্রতি আকৃষ্ট হয় তরুণ কবি Eugene Marchbanks. সে ভাবে Candida দাম্পত্য জীবনে সুখী নয়।
- ত্রিভুৃজ প্রেমের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে Candida.

• প্রধান চরিত্র:
- Candida,
- Miss Proserpine Garnett,
- The Reverend James Mavor Morell,
- The Reverend Alexander (Lexy) Mill,
- Mr. Burgess,
- Eugene Marchbanks, etc.

• George Bernard Shaw:
- একজন বিখ্যাত আইরিশ Playwright and a Critic।
- তিনি ১৯২৫ সালে ইংরেজি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc, etc.

Source: britannica.com

১১১.
Identify the correct sentence.
  1. No sooner had we reached home then the storm began.
  2. No sooner had we reached home than the storm begun.
  3. No sooner had we reached home than the storm began.
  4. No sooner had we reached home than the storm had began.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: No sooner had we reached home than the storm began.

• No sooner had.....than হচ্ছে Correlative conjunction.
- No sooner had.....than যুক্ত বাক্য গঠনের নিয়মাবলী:
- No sooner had + subject + 1st clause (verb এর past participle) + than + subject + 2nd clause (verb এর past form).

• No sooner had, Hardly had, Scarcely had সবগুলোই "করতে না করতেই/ হতে না হতেই" এ রকম অর্থে ব্যবহৃত হয়।

• নিয়মানুযায়ী,
- No sooner had থাকলে পরের অংশে than (then নয়) ব্যবহৃত হয়।
- Hardly had থাকলে পরের অংশে when ব্যবহৃত হয়।
- Scarcely had থাকলে পরের অংশে when (than নয়) ব্যবহৃত হয়।

More Example:
1. No sooner had he finished his breakfast than the phone rang.
2. No sooner had she stepped outside than it started raining.
3. No sooner had we sat down for dinner than the phone rang.

Other options,
ক) No sooner had we reached home then the storm began.
- ভুল → এখানে “then” ব্যবহার হয়েছে, কিন্তু সঠিক হবে “than”.

খ) No sooner had we reached home than the storm begun.
- ভুল → এখানে “begun” ব্যবহার হয়েছে, কিন্তু “begun” হলো past participle.
- এখানে simple past tense “began” ব্যবহার করতে হবে।

ঘ) No sooner had we reached home than the storm had began.
- ভুল → “had began” ব্যবহার হয়েছে, যা ব্যাকরণগত ভুল (কারণ “had” এর সাথে past participle লাগে, কিন্তু “began” হলো past form, participle নয়)।
- এখানে simple past tense “began” ব্যবহার করতে হবে।

১১২.
I have a question regarding your last statement. Here 'regarding' is -
  1. Gerund
  2. Apposition
  3. Preposition
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা

I have a question regarding your last statement. Here 'regarding' is - preposition.
- এখানে regarding শব্দটি preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে regarding এর মানে হলো "সম্পর্কে" বা "about / concerning".
- তাই "regarding your last statement" মানে "তোমার শেষ বক্তব্য সম্পর্কে"।

• Regarding: [preposition]
English meaning: relating to somebody/something; about somebody/something.
Bangla meaning: সম্পর্কে; বিষয়ে।

Example: 
- She has said nothing regarding your request.
- Call me if you have any problems regarding your work.
- I have a question regarding your last statement.

Source: Oxford Dictionary.

১১৩.
I believed her—for surely she would not lie to me. Here, 'for' is -
  1. Adjective
  2. Noun
  3. Preposition
  4. Conjunction
ব্যাখ্যা

I believed her—for surely she would not lie to me. Here, 'for' is - conjunction.

- "I believed her—for surely she would not lie to me."
- এখানে for শব্দটি conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- for এখানে কারণ বা because অর্থ প্রকাশ করছে।
- অর্থ: "আমি তাকে বিশ্বাস করেছি—কারণ নিশ্চয়ই সে আমাকে মিথ্যা বলবে না।"

For: [conjunction]
English meaning: used to introduce the reason for something mentioned in the previous statement.
Bangla meaning: কেননা; যেহেতু; কারণ; বলে।

Example: 
- We listened eagerly, for he brought news of our families.
- I believed her—for surely she would not lie to me.

Source: Oxford Dictionary.

১১৪.
Choose the correctly spelled word:
  1. Entrepreneur
  2. Entreprenuer
  3. Entreprenaur
  4. Entreprener
ব্যাখ্যা

Entrepreneur (noun)
English Meaning: a person who starts a business and is willing to risk loss in order to make money.
Bangla Meaning: উদ্যোক্তা; শিল্প/বাণিজ্য সংগঠক।

Example Sentence:
- The young entrepreneur started her own tech company right out of college.
- His father was a successful entrepreneur who built several businesses from the ground up.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১১৫.
Identify the correct sentence.
  1. Each of the student has submitted their homework on time.
  2. Each of the students has submitted their homework on time.
  3. Each of the students have submitted their homework on time.
  4. Each of the student have been submitted their homework on time.
ব্যাখ্যা

• Each of, any of, one of ইত্যাদি বাক্যে subject হিসেবে বসলে এদের পর noun plural এবং verb সবসময় singular হয়।
- Each of, any of, one of  + Plural Noun + Singular Verb.

Complete sentence: Each of the students has submitted their homework on time.

উপরে বিকল্পগুলো কেন ভুল:
ক) Each of the student has submitted their homework on time.
→ এখানে student singular, কিন্তু after “each of” plural noun থাকা উচিত।

গ) Each of the students have submitted their homework on time.
 → “each” singular, তাই verb has হবে, “have” না।

ঘ) Each of the student have been submitted their homework on time.
 → একাধিক ভুল: “student” singular, “have been submitted” passive tense ভুল। has submitted ব্যবহার করতে হবে।

১১৬.
Choose the correct indirect form of the following sentence:
The doctor said, "You had better get some rest." 
  1. The doctor advised me that I should get rest.
  2. The doctor advised me to get some rest.
  3. The doctor suggest me to get some rest.
  4. The doctor said me that to get some rest.
ব্যাখ্যা

Direct: The doctor said, "You had better get some rest."
Indirect: The doctor advised me to get some rest.

• had better এবং subject second person যুক্ত direct speech কে  indirect speech এ পরিণত করার নিয়ম - 
- প্রথমে Subject বসে।
-  advise/advised বসে।
- object বসে।
- infinitive বসে।
- বাকি অংশ।

Direct: He said, 'You had better see a doctor'.
Indirect: He advised him to see a doctor.

অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:

ক) The doctor advised me that I should get rest.
→ that I should get rest → grammatically ঠিক, কিন্তু “some” বাদ গেছে এবং modern English এ “advised to” বেশি ব্যবহার হয়।

গ) The doctor suggest me to get some rest.
→ suggest me to → ভুল, কারণ “suggest” এর পরে to-infinitive ব্যবহার হয় না, suggest that I should… হয়।

ঘ) The doctor said me that to get some rest.
 → grammatically ভুল।

১১৭.
Good teamwork is conducive ________ success in a project.
  1. to achieving
  2. to achieve
  3. achieving
  4. of achieving
ব্যাখ্যা

• To এর পরে সাধারণত verb এর base form বসে। 
- কিন্তু বাক্যে conducive to থাকলে এর পর কোন verb আসলে উক্ত verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।

• যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে conducive আছে এবং এরপর verb আছে, তাই এর সাথে to + verb+ ing যুক্ত হবে।
- তাই নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - Good teamwork is conducive to achieving success in a project.

- এছাড়াও, বাক্যে devoted to, with a view to, conducive to, addicted to, be used to, get used to, mind, cannot help, could not help, look forward to, be used to, worth ইত্যাদি থাকলে এদের পরেও verb+ing হয়।

• More Examples: 
- He came here with a view to meeting my father.
- I am looking forward to hearing from you.
- He was used to doing the work.
- He was devoted to helping the poor.

ভুল বিকল্পগুলো:

খ) to achieve → “to” এখানে preposition, infinitive নয়। Preposition এর পরে verb → gerund হবে।

গ) achieving → direct preposition ছাড়া ব্যবহার ঠিক নয়। “conducive achieving” grammatically ভুল।

ঘ) of achieving → “conducive of” নয়, সঠিক collocation হলো conducive to.

১১৮.
The idiom 'Hit the sack' - refers to –
  1. To go to bed
  2. To finish work
  3. To be in trouble
  4. To reveal a secret unintentionally
ব্যাখ্যা

Answer - To go to bed.

• Hit the sack/hay:
English Meaning: to go to bed in order to sleep:
Bangla Meaning: শুয়ে পড়া; ঘুমাতে যাওয়া।

Example sentence:
- I’ve got a busy day tomorrow, so I think I’ll hit the sack.
- After a long day of work and errands, John decided to hit the sack early to get a good night's rest.

Other options,

খ) To finish work → কাজ শেষ করা।
গ) To be in trouble → সমস্যায় পড়া।
ঘ) To reveal a secret unintentionally → কোনো গোপন কথা ভুল করে ফাঁস করা।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

১১৯.
A person who studies the origin and history of words –
  1. Etymologist
  2. Philologist
  3. Lexicographer
  4. Semanticist
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) Etymologist.

• Etymologist: 
English meaning: a person who studies the origin and history of words.
Bangla meaning: ব্যুৎপত্তিতে দক্ষ পণ্ডিত।

Options,

খ) Philologist:
- a person who studies philology.

গ) Lexicographer:
- a person whose job is to write dictionaries.

ঘ) Semanticist:
- a person who studies meanings in a language.

Source: Cambridge Dictionary.

১২০.
The bank credited $500 ___ my savings account.
  1. to
  2. with
  3. against
  4. in
ব্যাখ্যা

Complete sentence: The bank credited $500 to my savings account.

• To deposit an amount to someone’s account, we use credit to.
- যেমন- Credit Tk. 10,000 to her account.

• মনে রাখতে হবে,
- Credit-এর পর amount এবং তারপর account-এর আগে to বসে।
- যেমন- Credit tk 2000 to my account.

- Credit-এর পর account এবং তারপর amount-এর আগে with বসে।
- যেমন- They credited my account with $20 after I pointed out the mistake.

১২১.
Which of the following sentence is correct?
  1. Butter is made of milk.
  2. Butter is made from milk.
  3. Butter is made with milk.
  4. Butter is made by milk.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Butter is made from milk.

Milk → Butter → দুধকে প্রক্রিয়াজাত করে মাখন তৈরি করা হয়। তাই made from milk.


• কোনোকিছু তৈরির পর ঐ উপাদানটি দেখা না গেলে বা উপাদান পরিবর্তিত হলে made from বসে। 
- The paper is made from wood.
- Glass is made from sand.
- এখানে paper বা Glass তৈরি করার পর এগুলোর উপাদান wood/sand আর দেখা যাচ্ছে না বা উপাদান পরিবর্তন হয়েছে।

• আর কোনোকিছু তৈরির পর ঐ উপাদানটি দেখা গেলে made of বসে।
- The table is made of wood. 
- The ring is made of gold.
- এখানে table বা ring তৈরি করার পরও এগুলোর উপাদান wood/gold অপরিবর্তিত অবস্থায় রয়েছে।

সেই হিসেবে উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো ভুল। 

১২২.
Choose the meaning of Venerate?
  1. To criticize severely
  2. To respect deeply
  3. To ignore completely
  4. To imitate closely
ব্যাখ্যা

Answer - To respect deeply.

• Venerate
English Meaning: Regard with great respect.
Bangla Meaning: গভীরভাবে শ্রদ্ধা/ভক্তি করা; পূজা করা।

Example: 
- Robert Burns is Scotland's most venerated poet.

অন্যান্য অপশন কেন ভুল:

ক) To criticize severely → কঠোর সমালোচনা করা।
গ) To ignore completely → সম্পূর্ণ অবহেলা করা।
ঘ) To imitate closely → নকল করা বা অনুকরণ করা।

Source: Cambridge Dictionary.

১২৩.
Identify the correct sentence: 
  1. It is no use of blame yourself for things beyond your control.
  2. It is no use to blame yourself for things beyond your control.
  3. It is no use of blaming yourself for things beyond your control.
  4. It is no use blaming yourself for things beyond your control.
ব্যাখ্যা

Complete sentence: It is no use blaming yourself for things beyond your control.

• It is no use যুক্ত incomplete sentence কে complete করার নিয়ম:-
- it is of no use (it’s no use doing something) এর পরে কোনো preposition/ infinitive বা অন্য কিছু বসে না।
- এরপর সরাসরি verb আসে এবং এর সাথে ing যুক্ত হয়।

• More examples: 
- It's no use crying over spilled milk
- It's no use locking the door now
- It's no use trying again
- It's no use arguing with a drunk.

১২৪.
She has planned a picnic at ____ Lake Superior.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
ব্যাখ্যা

Correct sentence: She has planned a picnic at Lake Superior.

• Article:
- A, An & The কে article বলে। এরা noun কে qualify করে।
- Article দুই প্রকার। যেমন: 1. Indefinite: A, An 2. Definite: The

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- হ্রদের নামের পূর্বে the বসে না।
- যেমন – Lake Superior, Lake Baikal, Lake Caspian.

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.

১২৫.
Identify the singular form among them.
  1. Focus
  2. Formulae
  3. Alumni
  4. Oases
ব্যাখ্যা

• উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - Focus singular form এ আছে।
• Focus ( আলো, তাপ ইত্যাদির মিলনবিন্দু) singular.
- এর plural হচ্ছে - Focuses or Foci.

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
• Formulae (plural)
- Formula (singular) -  নির্দেশাবলি; নিয়ম; ব্যবস্থা; পদ্ধতি
- আরেকটি Plural হচ্ছে - Formulas.

• Alumnus (Singular) - স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।
- এর plural হচ্ছে - Alumni.

• Oases (plural)
- Oasis (singular) - মরূদ্যান।

Source: Bangla Academy Dictionary and Cambridge Dictionary.

১২৬.
Walking through the park, he enjoyed the fresh air. - The underlined part is an example of
  1. Finite verb + Gerund
  2. Finite verb + Participle
  3. Non-finite verb + Gerund
  4. Non-finite verb + Participle
ব্যাখ্যা

Walking through the park, he enjoyed the fresh air. - The underlined part is an example of - Non-finite verb + Participle.

- এই sentence এ 'Walking' হচ্ছে present participle, যা কোনো tense show করছে না।
- In this sentence, "Walking" is a present participle that functions as a non-finite verb, describing the action of the subject "he."
- এই বাক্যের enjoyed হচ্ছে finite and main verb, যা tense এর ভিত্তিতে গঠিত।
- তাই, Walking একই সঙ্গে Non-finite verb and Participle.

• Non-finite verb: 
- A non-finite verb is a verb form that does not show tense.
- Most non-finite verbs found in English are infinitives, participles, and gerunds.
- যে verb দ্বারা sentence এর বক্তব্য শেষ হয়না ও কোন Subject এর person ও number দ্বারা যার রূপ নির্ণয় করা যায় না তাকে Non finite verb বলে। 
- Verb শব্দ হতে গঠিত কোন একটি শব্দ যা অন্য part of speech যেমন, noun, adjective, adverb-এর ন্যায় কাজ করে।

• Participle:
- A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle হচ্ছে (verb + adjective), সেজন্য কোনো না কোনো noun বা pronoun এর সাথে sub বা obj হিসাবে এর সম্পর্ক থাকে।

১২৭.
Shakespeare's Hamlet, a tragic play, delves into themes of revenge and madness.
Here, the underlined part is-
  1. Noun phrase
  2. Adverb phrase
  3. Adjective phrase
  4. Phrase verb
ব্যাখ্যা

Shakespeare's Hamlet, a tragic play, delves into themes of revenge and madness. Here the underlined part is a - Noun phrase.

• "a tragic play" is the appositive phrase giving more details about "Shakespeare's Hamlet."
- Underlined Phrase টি Shakespeare's Hamlet এর পরে বসে এর সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে এ হিসেবে এটি Appositive বা Case in Apposition হয়েছে, বিধায় এটি Noun Phrase.
- Appositive হচ্ছে এমন noun phrase যা অন্য Noun/ Noun Phrase এর পরে বসে ঐ Noun/ Noun Phrase এর অতিরিক্ত পরিচয়/ কোন তথ্য দেয়।

• তাছাড়াও Phrase টি গঠনগতভাবে ও Subject complement হিসেবে Noun phrase.
- Article + Adjective + noun হিসেবে Noun phrase হয়।
-  প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যে a (article) + tragic (adjective) + play (noun), তাই এটি noun phrase হবে।

• Noun Phrases:
- A noun phrase consists of a noun or pronoun, which is called the head, and any dependent words before or after the head
- এই সব phrase দ্বারা noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।
- Noun Phrase কোন Sentence এ verb এর subject, object, বা Complement রূপে অথবা Preposition এর Object রূপে ব্যবহৃত হয়।

অধিকাংশ সময়ই Noun Phrase একটি Noun বা Pronoun এর কাজ করে।  

১২৮.
Choose the synonym of Eloquent:
  1. Fluent
  2. Popular
  3. Secretive
  4. Patient
ব্যাখ্যা

Eloquent:
English meaning: giving a clear, strong message.
Bangla meaning: বাকপটু, বাগ্মী। 

Options,
ক) Fluent:
- (ব্যক্তি) সহজে এবং অনর্গল কথা বলতে সক্ষম; স্বচ্ছন্দভাষী।

খ) Popular:
-  জনসাধারণ সম্বন্ধীয় বা জনসাধারণের জন্য; লৌকিক; লোকপ্রিয়; লোকগ্রাহ্য।

গ) Secretive:
- গোপন রাখতে অভ্যস্ত; নিজের চিন্তা, অনুভূতি, অভিপ্রায় ইত্যাদি লুকানোর প্রবণতাবিশিষ্ট; গূঢ়প্রকৃতি; গোপনপ্রবণ; গোপনতাপ্রিয়। 

ঘ) Patient:
- ধৈর্যশীল।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of Eloquent: Fluent.

Source: Accessible Dictionary.

১২৯.
Choose the antonym of Incessant:
  1. Intermittent
  2. Adaptable
  3. Confuse
  4. Stern
ব্যাখ্যা

Incessant:
English meaning: never stopping, especially in an annoying or unpleasant way.
Bangla meaning: অবিরাম; অবিরত; অনবরত; নিরন্তর; অবিরল; অবিশ্রান্ত; বিরামহীন। 

Options,
ক) Intermittent:
- সবিরাম।

খ) Adaptable:
- খাপ খাইয়ে নিতে সমর্থ; সঙ্গতিপ্রবণ; অভিযুজ্য।

গ) Confuse:
- গুলিয়ে ফেলা; বিশৃঙ্খল করা; বিভ্রান্ত বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া বা করা।

ঘ) Stern:
-  কঠোর, অনমনীয় এবং আনুগত্য প্রত্যাশী।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym of Incessant: Intermittent.

Source: Accessible Dictionary.

১৩০.
'সমুদ্রস্রোত' সৃষ্টির প্রধান কারণ কী?
  1. বায়ুপ্রবাহ
  2. পৃথিবীর আবর্তন
  3. সমুদ্রজলের লবণাক্ততার তারতম্য
  4. বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

সমুদ্রস্রোত:
- শীতল বা উষ্ণ সমুদ্রস্রোতের প্রভাবে উপকূল সংলগ্ন এলাকার বায়ু ঠান্ডা বা উষ্ণ হয়।
- যেমন- উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলবর্তী এলাকার উষ্ণতা বেড়ে যায়।
- অর্থাৎ সমুদ্রস্রোত বায়ুর তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রক হিসেবে কাজ করে।
- উদাহরণস্বরূপ বলা যায় উত্তর আমেরিকার উত্তর-পূর্ব উপকূলকে শীতল রাখে শীতল ল্যাব্রাডার স্রোত, এ কারণে শীতল ইউরোপীয় স্রোত ও উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোতের প্রভাবে একই অক্ষাংশে অবস্থিত হওয়া সত্ত্বেও উত্তর আমেরিকার পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম ইউরোপীয় উপকূলের তাপমাত্রার ব্যাপক পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।

⇒  'সমুদ্রস্রোত' সৃষ্টির প্রধান কারণ:
- বায়ুপ্রবাহ,
- পৃথিবীর আবর্তন,
- উষ্ণতার তারতম্য,
- লবণাক্ততার তারতম্য,
- স্থলভাগের অবস্থান,
- শৈলশিরার অবস্থান,
- বাষ্পীভবনের তারতম্য,
- সমুদ্রের গভীরতা।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩১.
কখন চন্দ্রগ্রহণ ঘটে?
  1. পৃথিবী সূর্য ও চন্দ্রের মাঝে এলে
  2. চন্দ্র সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে এলে
  3. সূর্য পৃথিবী ও চন্দ্রের মাঝে এলে
  4. পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় এলে
ব্যাখ্যা

চন্দ্ৰগ্ৰহণ:
- চন্দ্রগ্রহণ হয় যখন চাঁদ আর সূর্যের মাঝখানে থাকে পৃথিবীর অবস্থান।
- পৃথিবী তখন আলোর উৎস বন্ধ করে দেয়।
- চন্দ্রগ্রহণের সময় আমরা দেখি চাঁদের পিঠে পৃথিবীর ছায়া।
- এই সময় চাঁদ গাঢ় লাল বা তামাটে রং ধারণ করে, যা সাধারণত 'রক্তচাঁদ' নামে পরিচিত।

⇒ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ: এই চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ পুরোপুরি পৃথিবীর ছায়ার আড়ালে চলে যায়। এ সময় চাঁদ লালচে রং ধারণ করে।

⇒ আংশিক চন্দ্রগ্রহণ: চাঁদের একটি অংশের ওপর যখন পৃথিবীর ছায়া পড়ে, তখন আংশিক চন্দ্রগ্রহণ হয়। চাঁদের পৃষ্ঠের ওপর পৃথিবীর ছায়া ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে এবং পরে তা কমে যায়। তবে পুরো চাঁদ পৃথিবীর ছায়ার আড়ালে চলে যায় না।

⇒ উপচ্ছায়া চন্দ্রগ্রহণ: এই চন্দ্রগ্রহণের সময় চাঁদ সরাসরি পৃথিবীর মূল ছায়ার ভেতরে থাকে না। বরং ছায়ার বাইরের অংশ বা উপচ্ছায়ার ভেতর দিয়ে যায়। এর ফলে চাঁদ স্বাভাবিকের চেয়ে কম উজ্জ্বল দেখায়।

এছাড়াও,
- সূর্যগ্রহণ: যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয় সূর্যগ্রহণ। চাঁদ যখন পৃথিবীর কক্ষপথে ঘোরে, তখন তার প্রদক্ষিণ করার পথে কখনও কখনও সে এসে পড়ে সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝখানে। তখন সূর্য থেকে আলোর বিচ্ছুরণ বাধাগ্রস্ত হয় এবং সূর্যের গ্রহণ ঘটে। অন্যভাবে বললে বলা যায়, চাঁদ এই সময় পৃথিবীকে তার ছায়ায় ঢেকে ফেলে।

- পূর্ণিমা: পূর্ণিমা তখনই হয়, যখন পৃথিবীর এক পাশে সূর্য এবং তার উল্টো পাশে চাঁদ অবস্থান করে।

- অমাবস্যা: চাঁদ ও পৃথিবী আবর্তনকালে যখন চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় অবস্থান করে। চাঁদের অবস্থান হয় পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে, সেই অবস্থাকে বলে অমাবস্যা। 

উৎস: i) বিবিসি বাংলা।
ii) প্রথম আলো

১৩২.
'মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো' কোন দেশে অবস্থিত?
  1. কেনিয়া
  2. তানজানিয়া
  3.  রুয়ান্ডা 
  4. উগান্ডা
ব্যাখ্যা

কিলিমাঞ্জারো পর্বত:
- কিলিমাঞ্জারো আগ্নেয় পর্বত তানজানিয়াতে অবস্থিত।
- এটি উত্তর-পূর্ব তানজানিয়াতে কেনিয়ার সাথে সীমান্তে অবস্থিত।
- এটি একটি মৃত আগ্নেয়গিরি।
- এটি আফ্রিকার সবচেয়ে উঁচু পর্বত।
- মাউন্ট কিলিমাঞ্জারোর উচ্চতা প্রায় ৫,৮৯৫ মিটার (১৯,৩৪০ ফুট)।

উল্লেখ্য,
- কিলিমাঞ্জারো তিনটি শৃঙ্গ দ্বারা গঠিত: কিবো, মাওয়েঞ্জি এবং শিরা।
- উচ্চতর শৃঙ্গটির নাম কিবো। কিবোর জ্বালামুখ সর্বদাই বরফে আবৃত থাকে।

উৎস: Britannica.

১৩৩.
আমাজন বনের বেশিরভাগ অংশ কোন দেশে অবস্থিত?
  1. পেরু 
  2. বলিভিয়া 
  3. ব্রাজিল
  4. ভেনেজুয়েলা
ব্যাখ্যা

আমাজন বনভূমি:
- বিশ্বের বৃহত্তম রেইনফরেস্ট আমাজন বনভূমি।
- এই বনভূমি দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত।
- আমাজন প্রায় ২,১২৩,৫৬২ বর্গ মাইল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত।
- ইওসিন যুগে এই বনের বিকাশ ঘটেছিল।
- আমাজন বনের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত নদীটিও আমাজন নদী হিসেবে পরিচিত।

⇒ আমাজন রেইনফরেস্ট ৯টি দেশে বিস্তৃত।
- দেশগুলো হলো: ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা।
- আমাজন বনের ৬৪ শতাংশ অঞ্চল শুধুমাত্র ব্রাজিলেই অবস্থিত।

উল্লেখ্য,
- পৃথিবীর মোট অক্সিজেনের ২০ শতাংশ উৎপাদিত হয় আমাজন বনে।
- এই কারনে একে পৃথিবীর ফুসফুস বলা হয়।

উৎস: World Atlas.

১৩৪.
‘টাইফুন’ মূলত কোন অঞ্চলে সৃষ্টি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বোঝায়?
  1. আটলান্টিক মহাসাগরে
  2. উত্তর-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. ভারত মহাসাগরে
  4. আর্কটিক মহাসাগরে
ব্যাখ্যা

টাইফুন:
- উত্তর প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিমাঞ্চলে তৈরি হওয়া ঘূর্ণিঝড়কে বলা হয় 'টাইফুন'।
- চীন, তাইওয়ান, ফাইলিপাইন ও জাপানে প্রায় প্রতি বছরই টাইফুনের কারণে প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।

⇒ ঘূর্ণিঝড়:
- ঘূর্ণিঝড়ের ইংরেজি প্রতিশব্দ Cyclone।
- এটি গ্রিক শব্দ Kyklos থেকে উৎপত্তি লাভ করেছে।
- যার অর্থ কুণ্ডলি পাকানো সাপ।
- বিজ্ঞানী হেনরি পিডিংটন ১৮৪৮ সালে প্রথম এ শব্দটি ব্যবহার করেন।
- সাধারণত এপ্রিল-মে এবং অক্টোবর-ডিসেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় সংঘটিত হয়ে থাকে।

উল্লেখ্য,
- সারা বিশ্বে ঘূর্ণিঝড় নানা নামে পরিচিত।
- যেমন- চীন ও জাপানের উপকূলে টাইফুন, ভারত মহাসাগরে সাইক্লোন, ফিলিপাইনের উপকূলে বাগুই, অস্ট্রেলিয়ার উপকূলে উইলি উইলি, ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জ ও মেক্সিকো উপসাগর অঞ্চলে হারিকেন প্রভৃতি নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: i) তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) ওয়েবসাইট।
         ii) ভূগোল ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৫.
'চুনাপাথর' কোন ধরণের শিলা?
  1. পাললিক শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. রূপান্তরিত শিলা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

পাললিক শিলা:
- পাললিক শিলা কথাটি এসেছে 'পলি' বা 'পলল' থেকে।
- পাললিক শিলা হলো এক প্রকারের শিলা যা ছোট ছোট কণা জমে বা জমা করে এবং পরবর্তীকালে পৃথিবীর পৃষ্ঠে সমুদ্রের তলে বা জলের অন্যান্য দেহের খনিজ বা জৈব কণার সিমেন্টেশন দ্বারা গঠিত হয়।
- কংগ্লোমারেট, ব্রেকসিয়া, গ্রেওয়েক, বেলেপাথর, কাদাপাথর, কোয়ার্টজ, ডলোমাইট, ক্যালসাইট, জিপসাম, কয়লা, চুনাপাথর ইত্যাদি পাললিক শিলার উদাহরণ। 

⇒ পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য:
১। পাললিক শিলা স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে সৃষ্টি হয়;
২। পাললিক শিলায় জীবাশ্ম পাওয়া যায়;
৩। পাললিক শিলা স্ফটিকাকার নয়;
৪। পাললিকা শিলা হালকা, ভঙ্গুর ও তরঙ্গ বিশিষ্ট।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৬.
 'ডাউকি ফল্ট' বরাবর কোন ধরনের দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে? 
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. নদীভাঙন 
  4. ভূমিকম্প
ব্যাখ্যা

ডাউকি ফল্ট বরাবর প্রধান দুর্যোগের ঝুঁকি হলো প্রবল ভূমিকম্প। এই ফল্টটি সিলেট এবং ভারতের মেঘালয়ের মধ্যে অবস্থিত, এবং এখানে একটি বড় ধরনের ভূমিকম্প হলে তা বাংলাদেশে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটাতে পারে। 

ডাউকি ফল্ট:

- বাংলাদেশের মাটির নিচে ভূমিকম্পের দুটি বড় উৎস আছে।
- একটি হচ্ছে উত্তরাঞ্চলের ডাউকি চ্যুতি বা ফাটল (ফল্ট)।
- ১৭৮৭ সালে ডাউকি চ্যুতিতে তীব্র ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়েছিল।
- সংঘটিত ভূমিকম্পে ব্রহ্মপুত্রের তলদেশ উপরে উত্থিত হওয়ায় পানি ধারণ ক্ষমতা কমে গিয়ে একটি নতুন স্রোতধারা সৃষ্টি হয়।
- যা বর্তমানে যমুনা নামে পরিচিত।

⇒ আরেকটি হচ্ছে সিলেট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত ভূ-অভ্যন্তরে বিস্তৃত একটি সাবডাকশন অঞ্চল।
- এই অঞ্চলজুড়ে সক্রিয় আছে অসংখ্য চ্যুতির শাখা (স্প্লে ফল্ট)।
- সিলেট থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকাটি ইন্দো-বার্মা পর্বতমালার অংশ।
- আজ থেকে প্রায় ৮০০ বছর আগে এই সাবডাকশন অঞ্চলে একটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিল।
- তাতে লালমাই পাহাড়ের পাদদেশে প্রবাহিত নদীটি গতিপথ পাল্টে এখনকার মেঘনা নদীতে সরে এসেছে।

এছাড়াও,
- সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ছিল একটি ডুবো দ্বীপ।
- ১৭৬২ সালে এক বড় ভূমিকম্পে দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তিন মিটার ওপরে উঠে আসে।

উৎস: i) বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) প্রথম আলো।

১৩৭.
গোল্ডেন মিন ধারণার প্রবর্তক কে? 
  1. রেনে ডেকার্ত
  2. চার্লস মন্টেস্কু 
  3. অ্যারিস্টটল
  4. জি ই ম্যুর
ব্যাখ্যা

গোল্ডেন মিন (Golden Mean):
- গোল্ডেন মিন বা সুবর্ণ মধ্যক হলো একটি দার্শনিক মতবাদ।
- দুটি চরম পন্থার মধ্যবর্তী কোন পন্থাকে সুবর্ণ মধ্যক বলে।
- এই ধারণার মূল কথা হলো, কোনো বিষয়ে চরম অবস্থা পরিহার করে দুটি অবস্থার মধ্যে ভারসাম্য বা মধ্যম পথ অবলম্বন করা উচিত।
- যেমন একদিকে অতিরিক্ত ভোগবিলাস এবং অন্যদিকে অভাব- এই দুটি অবস্থার মাঝামাঝি অবস্থান হলো "সুবর্ণ মধ্যক"।

⇒ গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলএই ধারণার প্রবর্তক।

উৎস: Britannica.

১৩৮.
“সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড”-এটি কার অভিমত?
  1. এম. ডব্লিউ. পামফ্রে
  2. ক্লাইড ব্লুখোন
  3. নিকোলাস রেসার
  4. এইচ এম জনসন
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব ধারণার চূড়ান্ত ব্যাপ্তি যা মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির জীবনে একান্ত কাম্য। সমাজের এসব মূল্যবোধ মানুষের জীবনের জন্য লক্ষ্য ও প্রাপ্তি স্থির করতে সাহায্য করে। বিভিন্ন পন্ডিত মূল্যবোধকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যেমন  -

⇒ সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন (H.M. Johnson) এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড”।

• এম. ডব্লিউ. পামফ্রে-এর মতে, “মূল্যবোধ হচ্ছে ব্যক্তি বা সামাজিক দলের অভিপ্রেত ব্যবহারের সুবিন্যস্ত প্রকাশ।”
• ক্লাইড ব্লুখোন বলেন “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত”।
• সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল বলেন, “সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে।
• জেন লেনন-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ বলতে কোনো স্থান বা এলাকার ধর্মীয়, ঐতিহ্যপূর্ণ, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক বা জাতীয় গুণাবলিকে বোঝায়, যা ঐ স্থানের অধিকাংশ বা স্বল্পসংখ্যক লোক পালন করেন।”
• নিকোলাস রেসার-এর মতে, “সামাজিক মূল্যবোধ সেসব গুণাবলি, যা ব্যক্তি নিজের সহকর্মীদের মধ্যে দেখে খুশি হয় এবং নিজের সমাজ, জাতি, সংস্কৃতি ও পরিবেশকে মূল্যবান মনে করে খুশি হয়।”
• স্টুয়ার্ড সি. ডড এর মতে, “যে সব মূল্যবোধ ব্যক্তি সমাজের নিকট থেকে আশা করে এবং যা সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে খুশি হয়, সেসব মূল্যবোধই সামাজিক মূল্যবোধ।”

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৯.
কোনটি ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়?
  1. সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক দলীয় অঙ্গীকার
  2. পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ
  3. আইনের শাসন
  4. অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ
ব্যাখ্যা

সুশাসনের জন্য রাজনৈতিক দলীয় অঙ্গীকার ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি নয়।

নৈতিক মূল্যবোধ:
- নীতি ও উচিত-অনুচিত বোধ হলো নৈতিক মূল্যবোধের উৎস।
- নৈতিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব মনোভাব এবং আচরণ যা মানুষ সবসময় ভালো, কল্যাণকর ও অপরিহার্য বিবেচনা করে মানসিকভাবে তৃপ্তিবোধ করে।
- নৈতিক মূল্যবোধের প্রাথমিক উৎস হলো পরিবার।
- শিশু প্রথম নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা পায় পরিবার থেকে।
- অন্যায় থেকে বিরত থাকা, সত্যকে সত্য বলা, মিথ্যাকে মিথ্যা বলা, দুঃস্থকে সহায়তা করা প্রভৃতি নৈতিক মূল্যবোধ।

⇒ ন্যায়পরায়ণতার নৈতিক মূলনীতি হলো:
- পুরস্কার ও শাস্তির ক্ষেত্রে সমতার নীতি প্রয়োগ।
- আইনের শাসন।
- অধিকার ও সুযোগের ক্ষেত্রে সমতার নিশ্চিতকরণ।

উৎস: i) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।
         ii) নীতিবিদ্যা, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪০.
'The Prince'-গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. জেরেমি বেন্থাম 
  2. ইমানুয়েল কান্ট
  3. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
  4. ফ্রেডরিখ হেগেল
ব্যাখ্যা

নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি:
- নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ইতালির ফ্লোরেন্স নগরীতে ১৪৬৯ খ্রিষ্টাব্দের ৩ মে জন্মগ্রহণ করেন নিকোলো।
- ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
- আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সর্বপ্রথম পার্থক্য নির্ণয় করেন।
- ১৫২৭ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে তিনি মারা যান।

⇒ ১৫১৩ খ্রিষ্টাব্দে রচনা করেন তার বিশ্বখ্যাত 'The Prince'। দ্য প্রিন্স-এর মূল বিষয় হলো কীভাবে রাজনৈতিক শক্তি অর্জন, ব্যবহার ও সংরক্ষণ করা যায় তার চিন্তাপূর্ণ বিশ্লেষণ। পুস্তকটি ছোট-বড় ২৬টি অধ্যায় নিয়ে রচিত। তা ছাড়া শুরুতে রয়েছে একটি উৎসর্গপত্র। ইতালির বিখ্যাত মেডিসি পরিবারের অন্যতম শাসক লরেঞ্জো ডে মেডিসির নামে গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয়েছে।

⇒ তার বিখ্যাত গ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম:
- The Prince,
- Discourses on Livy,
- The Life of Castruccio Castracani of Lucca,
- Florentine Histories,
- Lettera to Francesco Vettori,
- The Portable Machiavelli,
- The Complete Art of War ইত্যাদি।

উৎস: i) Britannica.
ii) পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।