পরীক্ষা আর্কাইভ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

পরীক্ষা৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৩ বিষয়: বাংলাদেশ বিষয়াবলি - ৩ টপিক: i) বাংলাদেশের অর্থনীতি: (উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রেক্ষিত, জাতীয় আয়-ব্যয়, রাজনীতি ও বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি, দারিদ্র্য বিমোচন ইত্যাদি)। ii) বাংলাদেশের শিল্প ও বানিজ্য: (শিল্প উৎপাদন, পণ্য আমদানি ও রপ্তানিকরণ, গার্মেন্টস শিল্প ও এর সার্বিক ব্যবস্থাপনা, অন্যান্য শিল্পসমূহ, বৈদেশিক লেন-দেন, অর্থ প্রেরণ, ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাপনা ইত্যাদি)। iii) বাংলাদেশের জাতীয় অর্জন, বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব, গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাসমূহ, জাতীয় পুরস্কার, খেলাধুলা, চলচিত্র, গণমাধ্যম-সংশ্লিষ্ট বিষয়াদি। উৎস: যেকোনো গাইড বই, NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড বই, সর্বশেষ প্রকাশিত অর্থনৈতিক সমীক্ষা, বাজেট, কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থগ্রন্থ, EPB -এর আমদানি-রপ্তানি রিপোর্ট। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived]

৪৯তম বিসিএস ⎯ জেনারেল পার্ট [Archived] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
মহামুনি বিহার কোথায় অবস্থিত?
  1. রাউজান, চট্টগ্রাম
  2. রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম
  3. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  4. ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা

মহামুনি বিহার:
- মহামুনি বিহার চট্টগ্রাম জেলার রাউজানে অবস্থিত
- রাউজান উপজেলার ২০০ বছরের ঐতিহাসিক প্রাচীন নিদর্শন মহামুনি বিহার।
- 'চাইঙ্গা ঠাকুর' নামের এক বৌদ্ধ ধর্মগুরু এই বিহারে ১৮০৫ মতান্তরে ১৮১৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামানব গৌতম বুদ্ধের মূর্তি স্থাপন করেন।
- এ কারণে গৌতম বুদ্ধের নামে এ বিহারের নামকরণ করা হয় মহামুনি মন্দির।
- এই মন্দিরটির কারণে মহামুনি গ্রাম ধর্মপ্রাণ বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের কাছে পবিত্র তীর্থস্থানে পরিণত হয়।
- এ মন্দিরকে কেন্দ্র করে মং সার্কেল রাজা ১৮৪৩ খ্রিষ্টাব্দে মহামুনি মন্দির চত্বরে মেলার প্রবর্তন করেন, যা চৈত্র মাসের শেষ দিন থেকে শুরু হয়।

উৎস - বাংলাদেশ প্রত্নতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট জেলার ওয়েবসাইট ও দৈনিক সমকাল।

.
 মুক্তির গান চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?
  1. মোরশেদুল ইসলাম
  2. তারেক মাসুদ
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. তানভীর মোকাম্মেল
ব্যাখ্যা

মুক্তির গান:
- ১৯৯৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মুক্তির গান তারেক মাসুদ ও ক্যাথরিন মাসুদ পরিচালিত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র।
- মার্কিন চলচ্চিত্র নির্মাতা লিয়ার লেভিন ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের উপর একটি ডকুমেন্টারি নির্মাণের অভিপ্রায়ে এদেশের একদল সাংস্কৃতিক কর্মীর সঙ্গ নেন।
বাংলাদেশ মুক্তি সংগ্রামী শিল্পী সংস্থা নামের দলের এই সদস্যরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে মুক্তিযোদ্ধা ও শরণার্থীদের দেশাত্মবোধক ও সংগ্রামী গান শুনিয়ে উজ্জীবিত করতেন।
- এই শিল্পীদের সাথে থেকে লেভিন প্রায় ২০ ঘণ্টার ফুটেজ সংগ্রহ করেন। যুদ্ধের শেষ দিকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরে যান।
- ১৯৯০ সালে তারেক ও ক্যাথরিন মাসুদ নিউইয়র্কে লেভিনের কাছ থেকে এই ফুটেজ সংগ্রহ করেন।
- এ থেকে একটি পূর্ণাঙ্গ চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য তারা আরো বিভিন্ন উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের নানা সংরক্ষিত উপাদান সংগ্রহ করেন, বিশ বছর আগের সেই শিল্পীদের সাথে যোগাযোগ করেন।
- লেভিনের কাছ থেকে প্রাপ্ত ফুটেজের সাথে সংগৃহীত অন্যান্য উপাদান যোগ করে ছবিটি নির্মিত হয়।
- এই চলচ্চিত্রটি ১৯৯৫ সালে মুক্তি পায়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?
  1. শ্রীপুর, গাজীপুর
  2. কালীগঞ্জ, গাজীপুর
  3. জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. কালিয়াকৈর, গাজীপুর
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট:
- বাংলাদেশের কৃষি গবেষণার একটি প্রধান অংশীদার হচ্ছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।
- যা দেশের প্রধান খাদ্য ধান উৎপাদন ও জাত উন্নয়নে কাজ করছে।
- গাজীপুর জেলার জয়দেবপুরে ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে এর যাত্রা শুরু।
- ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর এ প্রতিষ্ঠানের নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, যা বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এ প্রতিষ্ঠানের ১৯টি গবেষণা বিভাগ, ১৭টি আঞ্চলিক কার্যালয়, ০৬টি স্যাটেলাইট চ্যানেল, তিনটি সাধারণ সেবা এবং আটটি প্রশাসনিক শাখা রয়েছে।
- নতুন ধান জাত উদ্ভাবনের গবেষক এবং উৎপাদন অন্যান্য প্রকৌশলীরা এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্রি সদর দপ্তরে কাজ করছে। এ দেশের কুমিল্লা, হবিগঞ্জ, ফেনীর সোনাগাজী, ফরিদপুরের ভাঙ্গা, বরিশাল, রাজশাহী, রংপুর, কুষ্টিয়া, সাতক্ষীরা, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, দিনাজপুর, নেত্রকোনা, টাঙ্গাইল, সুনামগ কক্সবাজার এবং খাগড়াছড়িতে আঞ্চলিক কার্যালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

উৎস - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট ও বাংলাপিডিয়া।

.
বাংলাদেশের উন্নয়ন সমস্যাগুলির উপর নীতি-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. Bangladesh Institute of Development Studies
  2. Bangladesh Planning Commission.
  3. National Planning and Development Studies
  4. National Economic Council.
ব্যাখ্যা

Bangladesh Institute of Development Studies (BIDS):
- বিআইডিএস একটি স্বায়ত্তশাসিত সরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশ ও অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের উন্নয়ন-সংক্রান্ত নীতি গবেষণা করে।
- বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (বিআইডিএস) এর উৎপত্তি পাকিস্তানে, পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অফ ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিক্স (পিআইডিই) নামে এবং ১৯৫৭ সালের জুন মাসে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- পিআইডিই ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয়। 
- ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পর, ইনস্টিটিউটটির নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ উন্নয়ন অর্থনীতি ইনস্টিটিউট (BIDE)।
- এটি ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
- এটি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়।

অন্যদিকে,
- জাতীয় পরিকল্পনা ও উন্নয়ন একাডেমি (এনএপিডি).

উৎস: Bangladesh Institute of Development Studies এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

.
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির সদস্য -
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. বাণিজ্য মন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. পরিকল্পনা মন্ত্রী
ব্যাখ্যা
ECNEC:
- বাংলাদেশের অর্থনৈতিক নীতি ও উন্নয়ন পরিকল্পনা অনুমোদনের সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (ECNEC)।
- ECNEC এর পূর্ণরূপ Executive Committee of the National Economic Council.
- একনেক গঠিত হয়: ১৯৮২ সালে।
- এর চেয়ারম্যান বা প্রধান: প্রধানমন্ত্রী/ বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টা।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সালেহ উদ্দিন আহমেদকে ভাইস চেয়ারপারসন। 
- পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ। 

- কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন পরিকল্পনা ও শিক্ষা উপদেষ্টা ওয়াহিদ উদ্দিন মাহমুদ, আইন, প্রবাসী কল্যাণ ও সংস্কৃতি উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা হাসান আরিফ, স্বরাষ্ট্র ও কৃষি উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল জাহাঙ্গীর চৌধুরী (অবসরপ্রাপ্ত), শিল্প ও গৃহায়ন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সাথে সংযুক্ত উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, বিদ্যুৎ, সেতু ও রেলপথ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফৌজুল কবির খান, পরিবেশ, বন, জলবায়ু পরিবর্তন ও পানিসম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম এবং যুব ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

উৎস- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা ।
.
বাংলা একাডেমি কবে নজরুল পুরস্কার চালু করে?
  1. ২০১৪ সালে
  2. ২০১৮ সালে
  3. ২০২২ সালে
  4. ২০২৪ সালে
ব্যাখ্যা
নজরুল পুরস্কার:
- ২০২২ সালে বাংলা একাডেমি নজরুল পুরস্কার চালু করে।
- পুরস্কার হিসেবে দেওয়া হয় ২ লাখ টাকার চেক, সম্মাননাপত্র, সম্মাননা-স্মারক এবং পুষ্পস্তবক।

⇒ নজরুল পুরস্কার ২০২৫:
- ২০২৫ সালে নজরুল পুরস্কার লাভ করেন বিশিষ্ট গবেষক ও অধ্যাপক আনোয়ারুল হক এবং খ্যাতিমান নজরুল সংগীতশিল্পী শবনম মুশতারী।
- ২৫ মে ২০২৫ তারিখে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত নজরুল জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।

উৎস: বাংলা একাডেমি ওয়েবসাইট।
.
যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন-
  1. Allienet
  2. Accord
  3. Alliance
  4. Antros
ব্যাখ্যা

- যুক্তরাষ্ট্রের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন- Alliance।
- 'Alliance for Bangladesh Worker's Safety' ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়।
- যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্র্যান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮টি।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্র্যান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord I
- অ্যাকর্ড হল ব্র্যান্ড এবং ট্রেড ইউনিয়নগুলির মধ্যে একটি স্বাধীন, আইনত বাধ্যতামূলক চুক্তি যা বাংলাদেশে একটি নিরাপদ এবং স্বাস্থ্যকর পোশাক এবং টেক্সটাইল শিল্পের লক্ষ্যে কাজ করে।
- অ্যাকর্ড বাংলাদেশের তৈরি পোশাক কারখানাগুলিকে লক্ষ লক্ষ শ্রমিকের জন্য নিরাপদ করে তুলতে - এবং নিরাপদ রাখতে সাহায্য করে।

উৎসঃ Accord Bangladesh, দ্যা ডেইলি স্টার।

.
বাংলাদেশের জিডিপিতে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত (সাময়িক ২০২৪-২০২৫ অর্থবছর)?
  1. ৫.৭৩%
  2. ৩.৩৪%
  3. ৬.৭৩%
  4. ৪.৩৪%
ব্যাখ্যা

২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব:
- শিল্প (Industry) খাত - সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রাক্কলিত প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
- ২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে, জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১.৭৯ শতাংশ।
- জিডিপিতে সেবা খাতের অবদান ৪.৫১% শতাংশ।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।

.
 বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভ্যাটের হার কত?
  1.  ১২%
  2. ৭.৫%
  3. ১৩%
  4. ১৫%
ব্যাখ্যা

Value Added Tax (VAT):
- Value Added Tax, বা মূল্য সংযোজন কর।
 - বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।
- বর্তমানে ভ্যাট স্তর চারটি: ৫%, ৭.৫%, ১০% ও ১৫%।
- বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ভ্যাটের হার - ১৫%।

উৎস: NBR ওয়েবসাইট।

১০.
 বাংলাদেশের বার্ষিক রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা (২০২৫-২০২৬) কত?
  1. ৫ লাখ ৫২ হাজার কোটি
  2. ৫ লাখ ৫৬ হাজার কোটি
  3. ৫ লাখ ৫৯ হাজার কোটি
  4. ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি
ব্যাখ্যা

বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- বাজেটের পরিচালন ব্যয়- ৫ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকা।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।

উৎস: বাজেট ২০২৫-২০২৬।

১১.
 ২০২৪-২৫অর্থবছরে সাময়িক হিসেব অনুসারে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কত শতাংশ? (আগষ্ট-২০২৫)
  1. ৩.৯২%
  2. ৩.৯৩%
  3. ৩.৯৫%
  4. ৩.৯৭%
ব্যাখ্যা

- সাময়িকভাবে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জিডিপি'র সাময়িক হিসাব প্রাক্কলন করা হয়েছে।
- সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৩.৯৭%।
- চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জিডিপি'র প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৪.২২%।
- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাব অনুযায়ী চলতি মূল্যে জিডিপির আকার ৫৫,৫২,৭৫৩ কোটি টাকা (৪৬২ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।
পূর্ববর্তী অর্থাৎ ২০২৩-২৪ অর্থবছরে ছিল ৫০,০২,৬৫৪ কোটি টাকা (৪৫০ বিলিয়ন ইউএস ডলার)।

উৎস: বিবিএস ওয়েবসাইট।

১২.
বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে কবে? (আগষ্ট-২০২৫)
  1. ২০১৫ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১২ সালে
ব্যাখ্যা

দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র:
- দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র(পিআরএসপি) দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে বিশ্বে নিম্ন আয়ের দেশগুলির অভ্যন্তরীণভাবে গৃহীত নীতি, পরিকল্পনা ও উন্নয়ন সহযোগিতার জন্য প্রণীত দলিল বা রূপরেখা। 
- মার্চ ২০০৩ সালে বাংলাদেশ অন্তবর্তীকালীন পিআরএসপি (আইপিআরএসপি) প্রথম প্রণয়ন করে।
- এর শিরোনাম ছিল ‘অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক উন্নয়নের কৌশল’। 
- বাংলাদেশ সরকার সর্বশেষ দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে- ২০১৫ সালে।
- বাংলাদেশ সরকার এ পর্যন্ত মোট ৪ টি দারিদ্র্য বিমোচন কৌশলপত্র গ্রহণ করে।

উৎস: IMF ওয়েবসাইট এবং জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩.
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত কতটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা

দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা (১৯৭৮-৮০):
- ১৯৭৮ থেকে ১৯৮০ এ দু বছরের জন্য একটি দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা রচনা করা হয়।
-  বাংলাদেশের একটিমাত্র দ্বি-বার্ষিক পরিকল্পনা।
- কারণ হিসেবে বলা হয় প্রথম পরিকল্পনার অসমাপ্ত প্রকল্পগুলো শেষ করা।
- প্রথম পরিকল্পনার ব্যর্থতার প্রেক্ষিতে দ্বিতীয় পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ক্ষেত্র প্রস্তুত করা, বৈদেশিক সাহায্যের সম্ভবনা যাচাই প্রভৃতির জন্য দুৎবছর মেয়াদী একটি অন্তর্বতীকালীন পরিকল্পনার প্রয়োজন ছিল।

উৎস: অর্থনীতি ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।