পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১১ সাধারণ বিজ্ঞান - সম্পূর্ণ সিলেবাস [৭০ নম্বর]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
কোনো গাছের সবুজ পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়-
  1. ক) ফ্লোরোসিস
  2. খ) সাইটোকাইনোসিস
  3. গ) অ্যামাইটোসিস
  4. ঘ) ক্লোরোসিস
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোসিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক্লোরোসিস
ব্যাখ্যা
- কোনো গাছের সবুজ পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয়- ক্লোরোসিস

ক্লোরোসিস
:
- ক্লোরোফিলের অভাবে পাতার সবুজ রং হালকা হতে হতে একসময় হলুদ হয়ে যায়।
- পাতা হলুদ হয়ে যাওয়ার প্রক্রিয়াকে ক্লোরোসিস (chlorosis) বলে।
- লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ বা দস্তার অভাবেও ক্লোরোসিস হতে পারে কেননা এগুলোও ক্লোরোফিল উৎপাদনের সাথে কোনো না কোনোভাবে জড়িত।
- ক্লোরোসিসে কোষের বৃদ্ধি এবং বিভাজন হ্রাস পায়, তাই উদ্ভিদের বৃদ্ধি কমে যায়।

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি একটি ব্যতিক্রমধর্মী শর্করা?
  1. ক) শ্বেতসার
  2. খ) সুক্রোজ
  3. গ) ল্যাকটোজ
  4. ঘ) সেলুলোজ
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
- শ্বেতসার, ল্যাকটোজ এবং সুক্রোজ মানুষ হজম করতে পারে, তবে সেলুলোজ মানুষ হজম করতে পারে না।
- শ্বেতসার, সুক্রোজ, এবং সেলুলোজ হচ্ছে উদ্ভিজ্জ শর্করা, অন্যদিকে ল্যাকটোজ প্রাণিজ শর্করা।

[অপশনে দ্বৈত উত্তর আসায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।]
.
মানবদেহের রক্তে শতকরা কতভাগ রক্তরস থাকে?
  1. ক) ৫৫%
  2. খ) ৪৫%
  3. গ) ৬০%
  4. ঘ) ৬৫%
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৫%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৫৫%
ব্যাখ্যা
- মানবদেহের রক্তে রক্তরস থাকে শতকরা- ৫৫% ভাগ। 

রক্ত:
- রক্ত এক ধরনের ক্ষারীয়, ঈষৎ লবণাক্ত এবং লাল বর্ণের তরল যোজক টিস্যু (Fluid Connective Tissue)।
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা।
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা।
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ।
- রক্তকণিকা ৩ ধরনের হতে পারে। 
যথা-
• লোহিত রক্তকণিকা
• শ্বেত রক্তকণিকা এবং 
• অণুচক্রিকা। 

উৎস: জীব বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
অর্ধপরিবাহী অন্তরকের ন্যায় কাজ করে কোন তাপমাত্রায়?
  1. ক) 0K
  2. খ) 273K
  3. গ) -273K
  4. ঘ) 100°C
সঠিক উত্তর:
ক) 0K
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) 0K
ব্যাখ্যা
- অর্ধপরিবাহী অন্তরকের ন্যায় কাজ করে পরম শূন্য তাপমাত্রায় বা (0K) তাপমাত্রায়। 

অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে।
যেমন- জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি।
- এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের। 
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে। 
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে। 
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়।
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আসল ও নকল গহনার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়-
  1. ক) গামা রশ্মি
  2. খ) এক্সরে রশ্মি
  3. গ) আলফা রশ্মি
  4. ঘ) বিটা রশ্মি
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সরে রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক্সরে রশ্মি
ব্যাখ্যা
- আসল ও নকল গহনার মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়- এক্সরে রশ্মি

এক্সরে (X-ray)

- নলের যে অংশে ক্যাথোড রশ্মি আপতিত হয় সে অংশ থেকে সবুজাভ হলুদ রং-এর আলোর আভা ছাড়াও এক প্রকার অদৃশ্য রশ্মি বিকিরিত হয়। 
- এই অদৃশ্য রশ্মির প্রকৃত নাম না জানা থাকায় প্রফেসর রঞ্জন এর নামকরণ করেন এক্সরে (X-Rays)।
- একে রঞ্জন রশ্মিও বলে।
- ব্যাপক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনিত হন যে, অধিক গতিসম্পন্ন ইলেকট্রনগুলো কোনো ধাতুর প্রতিবন্ধকে বাধা পেলে গতিশক্তি হারায় এবং এই গতিশক্তি এক্সরেতে রূপান্তরিত হয়।
- এক্সরের একক হলো রন্টজেন।
- যে পরিমাণ বিকিরণের জন্য স্বাভাবিক চাপ ও তাপমাত্রায় এক মিলিলিটার বায়ুতে এক কুলম্ব আধান উৎপন্ন করতে পারে তাকে এক রন্টজেন বলে।

শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের ব্যবহার
- শিল্প ক্ষেত্রে এক্সরের বহুবিধ ব্যবহার রয়েছে।
যেমন: 
• আসল ও নকল রত্নের মধ্যে পার্থক্য নির্ণয়
• ঢালাই করা ধাতুর ভিতরের ত্রুটি নির্ণয়
• আকরিকের মধ্যে অপদ্রব্যের উপস্থিতি নির্ণয়
• ঝিনুকের মধ্যে মুক্তার সন্ধান করা
• ঝালাই-এর ত্রুটি নির্ণয়
• মূল্যবান ধাতুর বিশুদ্ধতা নির্ণয় ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।
• টফি, লজেন্সে কোনো ক্ষতিকর বস্তু আছে কিনা তা সনাক্ত করার জন্য এবং টফি, লজেন্স, সিগারেট ইত্যাদির গুণগত মান নিয়ন্ত্রণের জন্যও এক্সরে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি লোহার প্রধান আকরিক?
  1. ক) হেমাটাইট
  2. খ) বক্সাইট
  3. গ) বোরাক্স
  4. ঘ) জিপসাম
সঠিক উত্তর:
ক) হেমাটাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) হেমাটাইট
ব্যাখ্যা
আয়রন বা লোহার আকরিক
- ম্যাগনেটাইট,
- হেমাটাইট,
- আয়রন পাইরাইটস,
- লিমোনাইট ইত্যাদি।

সোডিয়ামের আকরিক:
- রকসল্ট,
- চিলি সল্টপিটার,
- ন্যাট্রোন,
- বোরাক্স ইত্যাদি।

ক্যালসিয়ামের আকরিক:
- চুনাপাথর,
- জিপসাম,
- ডলোমাইট ইত্যাদি।

অ্যালুমিনিয়ামের আকরিক:
- বক্সাইট,
- কোরান্ডাম,
- ক্রায়োলাইট ইত্যাদি।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি। 
.
মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন থাকে?
  1. ক) ৪৫ ভাগ
  2. খ) ৫৭ ভাগ
  3. গ) ৭৩ ভাগ
  4. ঘ) ৮৫ ভাগ
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৩ ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ৭৩ ভাগ
ব্যাখ্যা
মাইটোকন্ড্রিয়া
- মাইটোকন্ড্রিয়া কোষের শ্বসন অঙ্গানু।
- শ্বসনের মাধ্যমে শক্তি উৎপন্ন করে।
- মাইটোকন্ড্রিয়া ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড, সামান্য পরিমাণে ডিএনএ, আরএনএ, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম থাকে।
- শক্তি উৎপাদনের সকল প্রক্রিয়া এর ভিতরে ঘটে থাকে বলে মাইটোকন্ড্রিয়াকে 'পাওয়ার হাউস' বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।