পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়24 minutes
মোট প্রশ্ন৫০
সিলেবাস
পরীক্ষা - ০৯ রিভিশন পরীক্ষা - ১ Topic: The Code of Civil Procedure, 1908 এবং বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির ধারণা ও এতদসংক্রান্ত আইন (পরীক্ষা ১,৩,৫,৭) General part: (পরীক্ষা ২,৪,৬,৮)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৫০ প্রশ্ন

.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর কোন ধারায় 'ডিক্রি দানকারী আদালত'-এর সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. ধারা ৩৬
  2. ধারা ৩৭
  3. ধারা ৩৮
  4. ধারা ৩৯
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৩৭-এর শিরোনামই হল "Definition of Court which passed a decree" বা "ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা"।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৩৭ ধারার বিধান: ডিক্রি দানকারী আদালতের সংজ্ঞা:- “যে আদালত ডিক্রি প্রদান করেছেন" বলতে বা অনুরূপ কোন বাক্য দ্বারা ডিক্রি জারির ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট বিষয় বা প্রসঙ্গে বিপরীত কোন বিধান না থাকলে নিম্নোক্তরূপ অন্তর্ভুক্ত করে বলে বিবেচিত হবে,-
ক) জারিযোগ্য ডিক্রি আপিল এখতিয়ার ক্ষমতায় প্রদত্ত হলে মূল আদালত; এবং
খ) মূল আদালত উঠে গিয়ে থাকলে অথবা তার এখতিয়ার রহিত হয়ে গিয়ে থাকলে, ডিক্রি জারি করার আবেদন করার সময় যে আদালতের অনুরূপ মোকদ্দমা বিচার করার এখতিয়ার ছিল, ঐ আদালত।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section 37. Definition of Court which passed a decree:
- The expression "Court which passed a decree," or words to that effect, shall, in relation to the execution of decrees, unless there is anything repugnant in the subject or context, be deemed to include,- 
(a) where the decree to be executed has been passed in the exercise of appellate jurisdiction, the Court of first instance, and 
(b) where the Court of first instance has ceased to exist or to have jurisdiction to execute it, the Court which, if the suit wherein the decree was passed was instituted at the time of making the application for the execution of the decree, would have jurisdiction to try such suit.

.
The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 কার্যকর হওয়ার তারিখ কোনটি?
  1. ৮ জুন, ২০২৫
  2. ৮ মে, ২০২৫ 
  3. ৮ জুলাই, ২০২৫
  4. ৮ এপ্রিল, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ মে, ২০২৫ 
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর সংক্ষিপ্ত শিরোনাম ও প্রবর্তন বিষয়ক ধারা ১(১) এবং ১(২)-তে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং এটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে। এই তারিখটি অধ্যাদেশের প্রকাশনার সাথে সম্পর্কিত এবং এটি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৩(১) অনুচ্ছেদের অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতাবলে প্রণীত ও জারি করা হয়েছে।
- অর্থাৎ, প্রশ্নটি The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance কার্যকর হওয়ার তারিখ সম্পর্কে। প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, The Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর ধারা ১(২) তে বলা হয়েছে যে এটি ৮ মে, ২০২৫ তারিখে জারি হয়েছে এবং অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: খ) ৮ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
- এই অধ্যাদেশটি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর বিভিন্ন ধারা ও বিধিতে সংশোধনী এনেছে, যার মাধ্যমে মোকদ্দমার প্রক্রিয়া আরও দ্রুত ও কার্যকর করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ৭ অনুসারে, প্রশ্নমালা (Interrogatories) রদ বা কর্তনের আবেদন কত দিনের মধ্যে করতে হবে?
  1. ৫ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১১, বিধি ৭ অনুসারে, যদি কোনো প্রশ্নমালা অযৌক্তিক, বিরক্তিকর, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক হয়, তবে তা রদ বা কর্তনের জন্য আবেদন করা যেতে পারে, তবে এই দরখাস্ত প্রশ্নমালা জারির ৭ দিনের মধ্যে করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির  আদেশ ১১ বিধি ৭- প্রশ্নমালা রদ এবং কর্তন:
কোন প্রশ্নমালা অযৌক্তিকভাবে বা বিরক্তিকরভাবে উত্থাপিত হয়েছে-এই অজুহাতে তা রদ করা যেতে পারে, বা তা দীর্ঘ ও শব্দ বহুল, যাতনাদায়ক, অনাবশ্যকীয় বা কুৎসামূলক বলে কর্তন করা যেতে পারে এবং এতদুদ্দেশ্যে যে কোন দরখাস্ত করতে হলে প্রশ্নমালা জারির সাতদিনের ভিতর পেশ করা যেতে পারে।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 11 Rule 7: Setting aside and striking out interrogatories:
Any interrogatories may be set aside on the ground that they have been exhibited unreasonably or vexatiously, or struck out on the ground that they are profix, oppressive, unnecessary or scandalous; and any application for this purpose may be made within seven days after service of the interrogatories.

.
দেওয়ানি আদালত আইন, ১৮৮৭-এর ধারা ১৪(১) অনুসারে, দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার কার?
  1. সরকার
  2. জেলা জজ
  3. আইন মন্ত্রণালয়
  4. হাইকোর্ট বিভাগ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা 14(1) ও (2) অনুযায়ী একমাত্র সরকার-ই দেওয়ানি আদালতের বসার স্থান নির্ধারণ বা পরিবর্তনের এখতিয়ার রাখে।
- সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৪ – আদালতের আসনস্থল:
(১) সরকার সরকারি গেজেটে (Official Gazette) বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যে কোনো দেওয়ানি আদালতের আসনস্থল স্থির করতে বা পরিবর্তন করতে পারে।
(২) বর্তমানে যে সকল স্থানে এই ধরনের আদালত অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেগুলি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই ধারা অনুযায়ী স্থির করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- section-14. Place of sitting of Courts:
 (1) The Government may, by notification in the official Gazette, fix and alter the place or places at which any Civil Court under this Act is to be held. 
(2) All places at which any such Courts are now held shall be deemed to have been fixed under this section.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮, বিধি-১ অনুসারে বিবাদীকে লিখিত জবাব দাখিলের জন্য প্রথমে কত কার্যদিবস সময় দেওয়া হয়?
  1. ১৫ কার্যদিবস
  2. ২১ কার্যদিবস
  3. ৩০ কার্যদিবস
  4. ৬০ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৮, বিধি ১ অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে।"
অর্থাৎ, বিবাদীকে প্রথমে ৩০ কার্যদিবস সময় দেওয়া হয় লিখিত জবাব দাখিল করার জন্য।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৮,বিধি-১: লিখিত জবাব (written Statement):
১) বিবাদীর সমন প্রাপ্তির পর ৩০ (ত্রিশ) কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে হবে। ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে জবাব দাখিলে ব্যর্থ হলে, আদালত আরো ৩০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের জন্য বিবাদী সর্বমোট ৬০ কার্যদিবস পর্যন্ত সময় পেতে পারেন।
২) বিবাদী যদি ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে মামলাটি একতরফা নিষ্পত্তি হবে। বিবাদী লিখিত জবাব দাখিলে ব্যর্থ হয়ার কারণে একতরফা নিষ্পত্তি করলে আপিল করা যাবে।
৩) সাক্ষ্য হিসাবে দাবির সমর্থনে ব্যবহারের জন্য বিবাদীর দখলে থাকা দলিলসমূহ লিখিত জবাব পেশ করার সময় আদালতে হাজির করবেন এবং তখন দলিলগুলো লিখিত জবাবের সাথে নথিভুক্ত করবেন। তবে উক্ত দলিল দখলে না থাকলে, সেক্ষেত্রে লিখিত বিবৃতির সাথে দলিলাদির তালিকা অন্তর্ভুক্ত করবেন এবং উক্ত দলিলসমূহ কার দখলে আছে তা বর্ণনা করবেন। এরুপ দলিলসমূহ লিখিত জবাব দাখিলের সময় তালিকাভুক্ত না করলে পরবর্তীতে আদালতের অনুমতি ছাড়া সাক্ষ্য হিসাবে গৃহীত হবে না।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-1: Written statement:
(1) The defendant shall, within thirty working days from the date of service of summons upon him, save as provided in the proviso to sub-section (2) of section 80, present a written statement of his defence:
Provided that where the defendant fails, for reasonable grounds, to file the written statement within the said period of thirty working days, he shall be allowed to file the same on such other day, as may be specified by the Court, for reasons to be recorded in writing, but which shall not exceed sixty working days from the date of service of summons:
Provided further that if the defendant fails to file the written statement within the said period of sixty working days, the Court shall dispose of the suit ex parte.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২ বিধি ৯(১) অনুসারে, কোনো মামলা বিলুপ্ত বা খারিজ হলে সাধারণত কী ফলাফল হয়? 
  1. আদালত স্বেচ্ছায় মামলাটি পুনরায় চালু করবে।
  2. মামলাটির স্বয়ংক্রিয়ভাবে রায় হবে। 
  3. বাদী একই কারণে নতুন মামলা করতে পারবেন।
  4. একই কারণে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে না।
সঠিক উত্তর:
একই কারণে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে না।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একই কারণে নতুন মামলা দায়ের করা যাবে না।
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২২, বিধি ৯(১) স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে, যখন কোনো মামলা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্ত বা খারিজ হয়, তখন একই কার্যকারণে (cause of action) নতুন কোনো মামলা দায়ের করা যাবে না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২২, বিধি ৯- বিলুপ্তি কিংবা খারিজের ফলাফল:
১) যেক্ষেত্রে কোন মোকদ্দমা এই আদেশের অধীনে বিলুপ্তি বা খারিজ হয় সেক্ষেত্রে মোকদ্দমার একই কার্যকারণে নতুন কোন মোকদ্দমা রুজু করা যাবে না।
২) বাদি কিংবা মৃত বাদির বৈধ প্রতিনিধি হিসাবে দাবিদার ব্যক্তি বা অসচ্ছলতা বাদির ক্ষেত্রে বা রিসিভার বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করার আদেশের জন্য আবেদন করতে পারে এবং যদি এটি প্রমাণিত হয় যে, সে মোকদ্দমা পরিচালনা পর্যাপ্ত কারণে বাধাপ্রাপ্ত হয়েছিল তবে আদালত মোকদ্দমার খরচাদি সম্পর্কে তার বিবেচনায় এরূপ শর্তাধীনে বা অন্য কোনভাবে বিলুপ্ত বা খারিজ রদ করবে।
৩) উপবিধি (২) এর অধীনে আবেদন পত্রের ক্ষেত্রে ১৯০৮ সালের তামাদি আইনের ৪ এবং ৫ ধারার বিধানাবলি প্রযোজ্য হবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Order 22 Rule 9: Effect of abatement or dismissal:
1) Where a suit abates or is dismissed under this Order, no fresh suit shall be brought on the same cause of action.
2) The plaintiff or the person claiming to be the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver in the case of an insolvent plaintiff may apply for an order to set aside the abatement or dismissal; and if it is that he was prevented by any sufficient cause from continuing the suit, the Court shall set aside the abatement or dismissal upon such terms as to costs or otherwise as it thinks fit.
3) The provisions of sections 4 and 5 of the Limitation Act, 1908 shall apply to application under sub-rule (2).

.
দেওয়ানি কার্যবিধির অনুসারে শুনানি শেষে আদালত সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৪ দিন
  4. ২১ দিন
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১ (Order XX Rule 1) অনুসারে, মোকদ্দমার শুনানি শেষ হওয়ার পর আদালত সর্বোচ্চ ৭ দিনের মধ্যে রায় ঘোষণা করতে বাধ্য। বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: "তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে, যা সাতদিনের বেশি হবে না" (either at once or on some future day, not beyond seven days)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২০ বিধি ১:-
মোকদ্দমার শুনানি সমাপ্ত হওয়ার পর আদালতে তৎক্ষণাৎ কিংবা ভবিষ্যত কোন দিনে ,পক্ষগণের বা তাদের উকিলগণের উপর যথাযথ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করার পর যা সাতদিনের বেশি হবে না প্রকাশ্য আদালতে রায় ঘোষণা করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order 20 Rule 1: Judgment when pronounced:-
The Court, after the case has been heard, shall pronounce judgment in open Court, either at once or on some future day, not beyond seven days, of which due notice shall be given to the parties or their pleaders.

.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুসারে Res Sub Judice নীতি কার্যকর হতে হলে পূর্ববর্তী মোকদ্দমার কী অবস্থা থাকতে হবে?
  1. বাতিল হতে হবে
  2. বিচারাধীন থাকতে হবে
  3. নিস্পত্তি হয়ে যেতে হবে
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
বিচারাধীন থাকতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিচারাধীন থাকতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১০ ধারায় মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (stay of suit) বা res sub judice সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এ বর্ণিত Res Sub Judice নীতি কার্যকর হওয়ার জন্য একটি মৌলিক শর্ত হলো পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি বিচারাধীন (pending) থাকতে হবে।

Res Sub Judice কার্যকর হওয়ার শর্তসমূহ:
১. দুইটি পৃথক মোকদ্দমা - একটি পূর্বে দায়েরকৃত, অপরটি পরে দায়েরকৃত
২. একই বিষয়বস্তু - উভয় মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় (subject matter) প্রত্যক্ষ ও মৌলিকভাবে একই হতে হবে
৩. একই পক্ষগণ - উভয় মোকদ্দমা একই পক্ষগণের বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে হতে হবে
৪. পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বিচারাধীন - পূর্ববর্তী মোকদ্দমাটি এখনও নিষ্পত্তি হয়নি, বিচারাধীন অবস্থায় আছে
৫. একই আদালতের এখতিয়ার - পূর্ববর্তী আদালতের পরবর্তী মোকদ্দমার প্রতিকার দানের এখতিয়ার থাকতে হবে

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য:
পূর্ববর্তী মোকদ্দমা বাতিল বা নিষ্পত্তি হয়ে গেলে Res Sub Judice প্রযোজ্য হবে না
বিদেশি আদালতে বিচারাধীন মোকদ্দমার ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য নয়
উদ্দেশ্য: বিরোধী রায় এড়ানো এবং আদালতের সময় সাশ্রয় করা
অতএব, পূর্ববর্তী মোকদ্দমার বিচারাধীন অবস্থাই Res Sub Judice নীতি কার্যকর হওয়ার প্রধান শর্ত।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908 section-10. Stay of suit:
No Court shall proceed with the trial of any suit in which the matter in issue is also directly and substantially in issue in a previously instituted suit between the same parties, or between parties under whom they or any of them claim litigating under the same title where such suit is pending in the same or any other Court in Bangladesh having jurisdiction to grant the relief claimed, or in any Court beyond the limits of Bangladesh established or continued by the Government and having like jurisdiction, or before the Supreme Court. 

Explanation. -The pendency of a suit in a foreign Court does not preclude the Court in Bangladesh from trying a suit founded on the same cause of action.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১২, বিধি-৪ অনুসারে স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ দিতে হবে শুনানির কতদিন আগে?
  1. ৬ দিন
  2. ৭ দিন
  3. ৯ দিন
  4. ১৪ দিন
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১২, বিধি ৪ অনুসারে, স্বীকারোক্তির জন্য নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে প্রদান করতে হবে।
এবং কোনো পক্ষ ঘটনা স্বীকারের জন্য লিখিত নোটিশ পেলে, তাকে ৬ দিনের মধ্যে জবাব দিতে হবে। এই সময়সীমা নোটিশ প্রাপ্তির তারিখ থেকে গণনা করা হয়। আদালত প্রয়োজনে অতিরিক্ত সময় দিতে পারে।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ORDER XII, Rule 4 অনুসারে, মামলার কোনো পক্ষ লিখিতভাবে অপর পক্ষকে নির্দিষ্ট ঘটনা বা ঘটনাবলি স্বীকার করার জন্য নোটিশ দিতে পারে। এই নোটিশ শুনানির তারিখের নয় (৯) দিন আগে দিতে হবে।
- এ ধরনের নোটিশ পাওয়ার পর ছয় (৬) দিনের মধ্যে বা আদালতের অনুমোদিত সময়সীমার মধ্যে উত্তর প্রদান করতে হবে। যদি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্বীকারোক্তি না করা হয় বা উপেক্ষা করা হয়, তাহলে সংশ্লিষ্ট ঘটনা প্রমাণ করার জন্য যে ব্যয় হবে, তা সেই পক্ষকে পরিশোধ করতে হবে, যদি না আদালত অন্য কোনো নির্দেশ দেন।
- এছাড়া, এই স্বীকারোক্তি কেবল সংশ্লিষ্ট মামলার জন্যই প্রযোজ্য হবে এবং এটি অন্য কোনো ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যাবে না। আদালত উপযুক্ত মনে করলে, শর্তসাপেক্ষে স্বীকারোক্তি সংশোধন বা প্রত্যাহার করার অনুমতি দিতে পারেন।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order-12 Rule-4: Notice to Admit Facts:
- Any party may, by notice in writing, at any time not later than nine days before the day fixed for the hearing, call on any other party to admit, for the purposes of the suit only, any specific fact or facts mentioned in such notice.
- In case of refusal or neglect to admit the same within six days after service of such notice, or within such further time as may be allowed by the Court, the costs of proving such fact or facts shall be paid by the party so neglecting or refusing, whatever the result of the suit may be, unless the Court otherwise directs.
Provided that any admission made in pursuance of such notice shall be deemed to be made only for the purposes of the particular suit and not as an admission to be used against the party on any other occasion or in favor of any person other than the party giving the notice.
Provided also that the Court may, at any time, allow any party to amend or withdraw any admission so made on such terms as may be just.

১০.
The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭ অনুযায়ী কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় হিন্দু ও মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করতে হবে?
  1. উত্তরাধিকার
  2. বিবাহ, জাতি
  3. ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান
  4. উল্লিখিত সবগুলোই 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলোই 
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।

অর্থাৎ, নিম্নলিখিত সবগুলো বিষয়ে হিন্দু ও মুসলিমদের ধর্মীয় ব্যক্তিগত আইন প্রয়োগ করতে হবে: ধারা ৩৭(১) এর আওতাভুক্ত বিষয়সমূহ:
ক) উত্তরাধিকার (Succession, Inheritance)
খ) বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste)
গ) ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution)
- অতএব, প্রশ্নে উল্লিখিত সবগুলো বিষয়ই ধারা ৩৭(১) এর আওতাভুক্ত।

ব্যতিক্রম: শুধুমাত্র যখন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে এই ধর্মীয় আইনগুলো পরিবর্তন বা বাতিল করা হয়েছে, তখন সেই বিধানগুলো প্রযোজ্য হবে না।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

১১.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ৪ক অনুযায়ী, প্রাথমিক সাক্ষ্য (Examination-in-chief) কিভাবে গ্রহণ করা হয়?
  1. হলফনামার মাধ্যমে
  2. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  3. আদালতের প্রশ্নের মাধ্যমে
  4. মৌখিকভাবে উন্মুক্ত আদালতে
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হলফনামার মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ১৮ বিধি ৪ক (4A), যা দেওয়ানি কার্যবিধি (সংশোধনী) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (অধ্যাদেশ নং XVIII, ২০২৫) এর মাধ্যমে যোগ করা হয়েছে, অনুসারে, বাদী বা বিবাদীর জবানবন্ধি গ্রহণ (Examination-in-chief) হলফনামার (Affidavit) মাধ্যমে গ্রহণ করা হবে। এরপর তাকে জেরা (Cross-examination) এবং প্রয়োজনে পুনঃপরীক্ষা (Re-examination) করা যাবে। এই বিধানে আরও উল্লেখ আছে যে:
- হলফনামার কপি আদালতে জমা দেওয়ার আগে অন্য পক্ষকে সরবরাহ করতে হবে।
- হলফনামার সাথে দাখিলকৃত দলিলের প্রমাণ ও গ্রহণযোগ্যতা আদালতের আদেশের অধীন হবে।
-------- 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-18, Rule-4A. Examination-inchief on affidavit and admissibility of documents:
Notwithstanding anything contained in this Code or the Evidence Act, 1872 (Act No. 1 of 1872), the facts stated in the plaint or written statement shall not be required to be orally stated or denied by the plaintiff or the defendant, as the case may be, and in every case, the examination-in-chief of the plaintiff or the defendant, as the case may be, shall be on affidavit and he may then be cross-examined and, if necessary, re-examined:
Provided that a copy of such affidavit shall be supplied to the other party before being furnished to the Court:
Provided further that where documents are filed along with the affidavit and the parties rely upon such documents, the proof and admissibility of those documents shall be subject to the orders of the Court.

১২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোথায় বলা হয়েছে যে, বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদির উপর জারি করতে হবে?
  1. আদেশ-৫, বিধি-৯ 
  2. আদেশ-৫, বিধি-১১
  3. আদেশ-৫, বিধি-১৫
  4. আদেশ-৫, বিধি-১৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৫, বিধি-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৫, বিধি-১১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৫, বিধি-১১ তে বিবাদী একাধিক হলে সমন প্রত্যেক বিবাদির উপর জারি করার বিধান উল্লেখ রয়েছে।
- মোকদ্দমা যথাযথভাবে রুজু হওয়ার পর নির্ধারিত তারিখে হাজির এবং দাবির সমর্থনে জবাব দানের জন্য মোকদ্দমা রুজুর পাঁচ(৫) কার্যদিবসের মধ্যে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত কর্মকর্তা বিবাদির নিকট সমন প্রেরণ করবে। মোকদ্দমায় এক বা একাধিক বিবাদী থাকতে পারে।
যেক্ষেত্রে একাধিক বিবাদী থাকে সেক্ষেত্রে সমন আদেশ ৫ এর বিধি ১১ নং অনুসারে জারি করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৫ বিধি-১১ এর বিধান: 
অনুরূপ নির্দেশ যদি না থাকে তবে ক্ষেত্রে বিবাদির সংখ্যা বহুসংখ্যক হয়, সেক্ষেত্রে বিবাদিগণের প্রত্যেকের উপর সমন জারি করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-5 Rule-11: Service on several defendants:
- Save as otherwise prescribed, where there are more defendants than one, service of the summons shall be made on each defendant.

১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের ধারা ৪-এর মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. জমিদারের খাজনা আদায় বন্ধ করা
  2. বিশেষ আইনগুলোকে বাতিল করা
  3. সব মামলায় একই পদ্ধতি প্রয়োগ করা
  4. বিশেষ আইন ও বিশেষ এখতিয়ারকে সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
বিশেষ আইন ও বিশেষ এখতিয়ারকে সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশেষ আইন ও বিশেষ এখতিয়ারকে সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪-এর শিরোনাম হলো "সঞ্চিত ক্ষমতা সংরক্ষণ" (Saving)। এই ধারাটির মূল উদ্দেশ্য হলো: "Nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special or local law now in force, or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force."
- অর্থাৎ, দেওয়ানি কার্যবিধির কোনো বিধান বিশেষ আইন (special law), স্থানীয় আইন (local law), বিশেষ এখতিয়ার (special jurisdiction) বা বিশেষ পদ্ধতি (special procedure)-কে সীমিত করবে না বা প্রভাবিত করবে না।

⇒দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৪: সংরক্ষণ:-
১) বিপরীত কোন সুস্পষ্ট বিধান না থাকলে, বর্তমানে চলমান কোন বিশেষ আইন বা ন্যস্তকৃত কোন বিশেষ এখতিয়ার ক্ষমতা, অথবা বর্তমানে বলবৎ অপর কোন আইন অনুসারে নির্ধারিত কোন বিশেষ ফরম বা পদ্ধতিকে এই আইনের কোন বিধান দ্বারা সীমাবদ্ধ বা অন্য কোনভাবে প্রভাবিত করবে না।
২) বিশেষত, এবং (১) উপধারায় বর্ণিত সাধারণ নীতিকে ক্ষুণ্ণ না করে সমকালীন চলমান কোন আইনের অধীন চাষের জমির জন্য উক্ত জমির ফসল হতে খাজনা আদায়ের ব্যাপারে কোন জমিদারের কোন প্রতিকার থাকলে এই আইনের কোন বিধান তা সীমাবদ্ধ বা প্রভাবিত করবে না।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section-4: Savings-
1) In the absence of any specific provision to the contrary, nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any special law now in force or any special jurisdiction or power conferred, or any special form of procedure prescribed, by or under any other law for the time being in force.
2) In particular and without prejudice to the generality of the proposition contained in sub-section (1), nothing in this Code shall be deemed to limit or otherwise affect any remedy which a land-holder or landlord may have under any law for the time being in force for the recovery of rent of agricultural land from the produce of such land.

১৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪, বিধি ৩ অনুসারে, আদালত বিচার্য বিষয় (Issues) প্রণয়ন করতে পারেন কোনটি থেকে?
  1. শপথে প্রদত্ত অভিযোগ থেকে
  2. দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
  3. প্লিডিংস বা ইন্টারোগেটরির উত্তর থেকে
  4. উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সবগুলো থেকে 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৪, বিধি-৩-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, আদালত বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারবেন নিম্নলিখিত সকল অথবা যে কোনো একটি উপাদান থেকে:
- শপথে প্রদত্ত অভিযোগ (পক্ষগণ/তাদের প্রতিনিধি/উকিল কর্তৃক)
- আরজি-জবাব বা প্রশ্নমালার উত্তরে উল্লেখিত অভিযোগ (প্লিডিংস/ইন্টারোগেটরি)
- যে কোনো পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলের বিষয়বস্তু থেকে
তাই তিনটি উপাদানই (ক, খ, গ) সঠিক, এবং পূর্ণাঙ্গ উত্তর হবে ঘ) উল্লিখিত সবগুলো থেকে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৪ বিধি-৩: যে সকল বিষয় হতে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করা যায়:
আদালত নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর সকল কিংবা যে কোনটি থেকে বিচার্য বিষয় প্রণয়ন করতে পারেন-
ক) পক্ষগণ কর্তৃক কিংবা তাদের পক্ষে উপস্থিত কোন ব্যক্তিগণ কর্তৃক কিংবা উক্তরূপ ব্যক্তিসমূহের উকিলগণ কর্তৃক শপথের মাধ্যমে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ;
খ) আরজি জবাবে কিংবা মোকদ্দমায় প্রদত্ত প্রশ্নমালার উত্তরে রচিত অভিযোগসমূহ;
গ) কোন পক্ষ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিল পত্রের বিষয়বস্তু।
-----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-14, Rule-3: Materials from which issues may be framed:
The Court may frame the issues from all or any of the following materials:-
a) allegations made on oath by the parties, or by any persons present on their behalf, or made by the pleaders of such parties;
b) allegations made in the pleadings or in answers to interrogatories delivered in the suit:
c) the contents of documents produced by either party.

১৫.
“Result of execution proceedings to be certified” – এই বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারায় আছে?
  1. ৩৮ ধারায়
  2. ৪০ ধারায়
  3. ৪১ ধারায়
  4. ৪৩ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪১ ধারায়
ব্যাখ্যা

⇒ "Result of execution proceedings to be certified" বা "কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন করতে হইবে" – এটি সরাসরি দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৪১-এর শিরোনাম ও বিষয়বস্তু।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮–এর ধারা ৪১: কার্যকরকরণের ফলাফল প্রত্যয়ন:
যে আদালতে কোনো ডিক্রি কার্যকর করার জন্য পাঠানো হয়েছে, সেই আদালত ডিক্রিটি কার্যকর করার পর বা যদি কার্যকর করতে ব্যর্থ হয় তবে সেই ব্যর্থতার কারণসমূহ উল্লেখ করে যে আদালত ডিক্রি জারি করেছে তাকে সে বিষয়ে প্রত্যয়ন (সার্টিফিকেট) প্রদান করবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-41: Result of execution proceedings to be certified.
- The Court to which a decree is sent for execution shall certify to the Court which passed it the fact of such execution, or where the former Court fails to execute the same the circumstances attending such failure.

১৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৯, বিধি-৩ অনুযায়ী, যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, আদালত কী করতে পারে?
  1. মামলা খারিজ হবে
  2. নতুন সমন জারি হবে
  3. আদালত একতরফা রায় দিবে
  4. অনুপস্থিত মামলার কার্যক্রম চালাবেন
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা খারিজ হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৯, বিধি ৩ অনুসারে, শুনানির দিন মামলা ডাকা হলে বাদী ও বিবাদী কেউই উপস্থিত না হলে আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা আছে যে, তিনি মামলাটি খারিজ (dismiss) করে দিতে পারেন।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৯, বিধি ৩ (Order IX, Rule 3): Where neither party appears, suit to be dismissed:
"Where neither party appears when the suit is called on for hearing, the Court may make an order that the suit be dismissed."
অর্থাৎ, শুনানির জন্য মামলা ডাকা হলে যদি বাদী ও বিবাদী উভয়ই অনুপস্থিত থাকেন, তাহলে আদালত মামলা খারিজ (dismissed) করার আদেশ দিতে পারেন।

১৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) অনুসারে রিভিশন করার জন্য কী প্রয়োজন?
  1. আইনগত ভ্রান্তি বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা
  2. আদেশটির বিরুদ্ধে আপিলের বিধান না থাকা 
  3. আদেশটি যুগ্ম জেলা জজ/ সিনিয়র সিভিল জজ/ সিভিল জজ কর্তৃক প্রদত্ত হওয়া
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১৫(২) অনুসারে, রিভিশন জেলা জজের কাছে করা যাবে যদি তিনটি শর্তই একসঙ্গে পূরণ হয়:
- ক) আইনগত ভ্রান্তি বা এখতিয়ারের অপব্যবহার বা ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা থাকতে হবে (অর্থাৎ শুধু তথ্যের ভুল হলে হবে না)। 
- খ) সেই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের কোনো বিধান থাকতে পারবে না (non-appealable order)। 
- গ) আদেশটি যুগ্ম জেলা জজ / সিনিয়র সহকারী জজ (সিনিয়র সিভিল জজ) / সহকারী জজ (সিভিল জজ) কর্তৃক প্রদত্ত হতে হবে। 
এই তিনটি শর্তের একটিও না থাকলে ধারা ১১৫(২)-এর রিভিশন চলবে না।
সুতরাং প্রশ্নের তিনটি অপশনই (ক, খ, গ) সঠিক → সঠিক উত্তর: ঘ) উপরের সবগুলো।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা-১১৫ এর বিধান রিভিশন।
১) কোন মোকদ্দমায় কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় জেলা জজ আদালত বা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালত কর্তৃক ডিক্রি বা আদেশ প্রদত্ত হলে, বা যুগ্ম জেলা জজ, সিনিয়র সিভিল জজ বা সিভিল জজ কর্তৃক ডিক্রি প্রদত্ত হলে, যার বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করা চলে না; সংক্ষুব্ধ পক্ষের আবেদনে হাইকোর্ট ডিভিশন তার নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা সমাপণ করিয়ে এই ডিক্রি বা আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে হাইকোর্ট ডিভিশন এই ডিক্রি বা আদেশ সংশোধন করতে পারবেন, কিংবা তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
২) যে আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না, কোন যুগ্ম জেলা জজ আদালত, সিনিয়র সিভিল জজ আদালত বা সিভিল জজ আদালত উক্তরূপ কোন আদেশ প্রদান করলে সংক্ষুব্ধ পক্ষের দরখাস্তের প্রেক্ষিতে জেলা জজ আদালত এই মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় নথি তলব করতে পারবেন; এবং ন্যায়বিচারের ব্যর্থতা অবসান করিয়ে এই আদেশে উক্ত আদালত আইনে ভ্রান্তি করেছে মর্মে দৃষ্টমান হলে জেলা জজ আদালত উক্ত আদেশ সংশোধন করতে পারবে এবং তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা কিংবা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৩) জেলা জজ রিভিশন মোকদ্দমা হস্তান্তর করলে উপ-ধারা (২) এর অধীনে জেলা জজের সকল সর্বময় ক্ষমতা অতিরিক্ত জেলা জজ আদালতে থাকবে।
৪) ন্যায়বিচারের ব্যর্থতার অবসান করিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত প্রদান করলে প্রয়োজনীয় আইনের প্রশ্নে ভুলের যেক্ষেত্রে হাইকোর্ট ডিভিশন রিভিশনের অনুমতির অনুমোদন দেয়, সেক্ষেত্রে উপ-ধারা (২) বা (৩) এর অধীনে প্রদানকৃত জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজের আদেশ পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে হাইকোর্ট ডিভিশনে আবেদন করা চলবে, এবং হাইকোর্ট ডিভিশন তা যেরূপ যথার্থভাবে মোকদ্দমা বা কর্মপ্রক্রিয়ায় সেরূপ আদেশ প্রদান করতে পারবে।
৫) এই ধারাটির প্রতিস্থাপনে যেটাই বর্ণিত থাকুক না কেন, ঐরূপ প্রতিস্থাপনের পূর্বে ১১৫নং ধারার অধীনে আরম্ভ হওয়া বা ঝুলন্ত থাকা কর্মপ্রক্রিয়া যেরূপে নিষ্পত্তি হবে যেন ১১৫নং ধারূ প্রতিস্থাপিত হয়নি।

১৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ XXIII, বিধি ১ অনুযাযী, বাদী কখন মামলা প্রত্যাহার করতে বা তার দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারবেন?
  1. শুধুমাত্র মামলা দায়ের সময়
  2. বিবাদীর সম্মতি নিয়ে
  3. মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
  4. 'ক' অথবা 'খ'
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলা দায়ের পর যেকোনো সময়
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ২৩, বিধি ১ অনুসারে:“মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদী সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারেন।”
- অর্থাৎ, মামলা দায়েরের পর যেকোনো সময় বাদী তার মামলা প্রত্যাহার করতে বা দাবির অংশ পরিত্যাগ করতে পারেন।
- তবে যদি বাদী পরবর্তীতে একই বিষয় নিয়ে নতুন মামলা করতে চান, তাহলে আদেশ-২৩, বিধি-১ অনুসারে আদালতের অনুমতি প্রয়োজন হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২৩ বিধি-১ এর বিধান মোকদ্দমা প্রত্যাহার কিংবা দাবীর আংশিক পরিত্যাগ:
১) মোকদ্দমা রুজু হওয়ার পর যে কোন সময় বাদি সকল বা যে কোন বিবাদির বিরুদ্ধে তার মোকদ্দমা প্রত্যাহার করতে কিংবা তার দাবির আংশিক পরিত্যাগ করতে পারবে।
--------
⇒The Code of Civil Procedure,1908, Order-23 Rule-1. Withdrawal of suit or abandonment of part of claim.
(1) At any time after the institution of a suit the plaintiff may, as against all or any of the defendants, withdraw his suit or abandon part of his claim.

১৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুযায়ী আপিল আদালত নতুন ইস্যু নির্ধারণ করে মামলা মূল আদালতে ফিরিয়ে দিতে পারে?
  1. আদেশ ৪১, বিধি ২১ 
  2. আদেশ ৪১, বিধি ২৫
  3. আদেশ ৪১, বিধি ১২
  4. আদেশ ৪১, বিধি ২৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৪১, বিধি ২৫
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪১, বিধি ২৫ (Order XLI Rule 25) অনুযায়ী আপিল আদালতের এই বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে যে, মূল আদালত যদি মামলার মেরিট নিষ্পত্তির জন্য অপরিহার্য কোনো ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার করতে ব্যর্থ হয়, তাহলে আপিল আদালত:
- নিজে নতুন ইস্যু নির্ধারণ করতে পারবে,
- প্রয়োজনে অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিয়ে
- সেই ইস্যুগুলো বিচারের জন্য মামলাটি যে আদালতের ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল হয়েছে, সেই একই আদালতে ফেরত পাঠাতে পারবে। মূল আদালত বিচার করে তার ফাইন্ডিংস ও কারণসহ আপিল আদালতে প্রতিবেদন পাঠাবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫ অনুযায়ী যদি সেই আদালত, যার রায় থেকে আপিল করা হয়েছে, কোনো গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু নির্ধারণ বা বিচার না করে থাকে যা মামলার মূল বিবেচনার জন্য অপরিহার্য, তাহলে আপিল আদালত সেই ইস্যুগুলো নির্ধারণ করে মামলা ফের সেই আদালতে বিচারার্থে পাঠাতে পারে।
এই ক্ষেত্রে আপিল আদালত প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণের নির্দেশ দিতে পারে।
বিচারিক আদালত অতিরিক্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করে তার রায় ও কারণসহ আপিল আদালতে ফেরত পাঠাবে।
অতএব, নতুন ইস্যু নির্ধারণ ও মামলাকে ফেরত পাঠানোর বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪১, বিধি-২৫-এ রয়েছে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order-41 Rule-25. Where Appellate Court may frame issues and refer them for trial to Court whose decree appealed from:
Where the Court from whose decree the appeal is preferred has omitted to frame or try any issue, or to determine any question of fact, which appears to the Appellate Court essential to the right decision of the suit upon the merits, the Appellate Court may, if necessary, frame issues, and refer the same for trial to the Court from whose decree the appeal is preferred,
and in such case shall direct such Court to take the additional evidence required; and such Court shall proceed to try such issues, and shall return the evidence to the Appellate Court together with its findings thereon and the reasons therefor.

২০.
The Civil Courts Act, 1887-এর ৩৮ ধারাটি কোন আইনি নীতির প্রতিফলন ঘটায়?
  1. Res judicata
  2. Audi alteram partem
  3. Ub jus ibi remedium
  4. Nemo judex in causa sua
সঠিক উত্তর:
Nemo judex in causa sua
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nemo judex in causa sua
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী-
কোন বিচারক যদি মোকদ্দমার কোন পক্ষ হন বা ব্যক্তিগতভাবে তাঁর কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্টতা থাকে, অথবা কোন আপিল এমন ডিক্রি থেকে হয় যা ঐ বিচারক ঘোষণা করেছিলেন; তাহলে উক্ত বিচারকের শুনানী করে এখতিয়ার থাকা সত্ত্বেও তিনি ঐ মামলা বা আপীলের শুনানী করতে পারবেন না। এক্ষেত্রে জেলা জজ তাঁর স্থানীয় সীমার মধ্যে মামলা বা আপিল এক আদালত থেকে অন্য আদালতে স্থানান্তর করতে পারবেন।
- এই ধারায় 'Principles of natural justice' এর দ্বিতীয় নীতি 'nemo judex in causa sua in propria causa বা nemo debet esse judex in propria causa অর্থাৎ নিজের মামলায় নিজেই বিচারক হওয়া যায় না- 'No one shall be judge of his own case' নীতির প্রতিফলন ঘটেছে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887- Section 38: Judges not to try suits in which they are interested-
(1) The presiding officer of a Civil Court shall not try any suit or other proceeding to which he is a party or in which he is personally interested.
(2) The presiding officer of an appellate Civil Court under this Act shall not try an appeal against a decree or order passed by himself in another capacity.
(3) When any such suit, proceeding or appeal as is referred to in sub-section (1) or sub-section (2) comes before any such officer, the officer shall forthwith transmit the record of the case to the Court to which he is immediately subordinate, with a report of the circumstances attending the reference.
(4) The superior Court shall thereupon dispose of the case under [section 24 of the Code of Civil Procedure. 1908].
(5) Nothing in this section shall be deemed to affect the extraordinary original civil jurisdiction of the High Court Division.

২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা 'বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর' করার বিধান দেয়?
  1. ধারা ৫০
  2. ধারা ৫১
  3. ধারা ৫২
  4. ধারা ৫৩
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫২
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ৫২-এর শিরোনামই হল "Enforcement of decree against legal representative" বা "বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা"।
এই ধারা অনুসারে:
- মৃত ব্যক্তির বৈধ প্রতিনিধির (legal representative) বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করার বিধান রয়েছে।
- ডিক্রিটি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য হলে, সেই সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে ডিক্রি কার্যকর করা যাবে।
- যদি প্রতিনিধি মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি যথাযথভাবে ব্যবহারের প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন, তাহলে ডিক্রিটি তার ব্যক্তিগত দায় হিসেবে কার্যকর করা যেতে পারে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
----------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 52. Enforcement of decree against legal representative.
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 

(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.

২২.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২ অনুযায়ী কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশের পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সিভিল জজ আদালত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. যুগ্ম-জেলা জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭, বিধি-২ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, “হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ” পুনর্বিবেচনার জন্য ডিক্রি বা আদেশ প্রদানকারী বিচারকের কাছেই আবেদন করতে হবে।
অর্থাৎ, এই বিধান হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। হাইকোর্ট বিভাগের পুনর্বিবেচনার পদ্ধতি ও এখতিয়ার বিধান এবং নিজস্ব বিধিমালার মাধ্যমে আলাদাভাবে নির্ধারিত।
অন্যদিকে, জেলা জজ, যুগ্ম-জেলা জজ, সিভিল জজ আদালত—এসব নিম্ন আদালতের ক্ষেত্রে আদেশ ৪৭, বিধি ২ প্রযোজ্য হয়।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৪৭ বিধি-২: যার নিকট পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে:
বিধি-১ এ উল্লিখিত রূপ এবং নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় বা প্রমাণ আবিষ্কারের বা ক্লারিক্যাল সম্পর্কে অথবা গাণিতিক ভুলের সঙ্গত কারণ বা নথিদৃষ্টে প্রতীয়মান কোন ভ্রান্তির অস্তিত্ব ছাড়া অন্য কোন যুক্তিসংগত কারণের উপর করা হলে হাইকোর্ট বিভাগ ব্যতীত অন্য কোন আদালতের ডিক্রি বা আদেশ পুনর্বিবেচনা করার জন্য আবেদন করলে পুনর্বিবেচনার জন্য প্রার্থীত ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন, শুধু সে বিচারকের নিকট আবেদন করতে হবে, কিন্তু ডিক্রি বা আদেশটি যে বিচারক প্রদান করেছেন তিনি যদি বিধি-৪ এর উপবিধি-২ এর অন্তর্গত (ক) শর্তাংশ মোতাবেক নোটিশ জারি করে থাকেন, তাহলে অনুরূপ আবেদনপত্র তার স্থলাভিষিক্ত বিচারক দ্বারা সমাধান করা যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 47, Rule 2: To Whom Applications for Review May Be Made: 
An application for review of a decree or order of a Court (other than the High Court Division) may be made on grounds other than the discovery of new and important matter or evidence, or the existence of a clerical or arithmetical mistake or an error apparent on the face of the decree. Such an application must be made to the Judge who passed the decree or made the order sought to be reviewed. However, if the Judge who passed the decree or made the order has ordered notice to be issued under Rule 4, Sub-rule (2), proviso (a), the application may be disposed of by his successor.

২৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১, বিধি-৯ অনুসারে, অপসংযোগ (Misjoinder) বা অ-সংযুক্তি (Nonjoinder) এর কারণে কী হবে?
  1. মামলা বাতিল হবে
  2. মামলা স্থগিত হবে
  3. মামলা খারিজ হবে
  4. মামলার কোনো ক্ষতি হবে না
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো ক্ষতি হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার কোনো ক্ষতি হবে না
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১, বিধি ৯ স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করে যে: "No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties"
- অর্থাৎ, অপসংযোগ (Misjoinder) বা অ-সংযুক্তি (Nonjoinder)-এর কারণে মামলার কোনো ক্ষতি হবে না বা মামলা ব্যর্থ হবে না।অপসংযোগ (Misjoinder): যখন ভুলভাবে বা অপ্রয়োজনে কোনো ব্যক্তিকে মামলার পক্ষ করা হয়।
অ-সংযুক্তি (Nonjoinder): যখন প্রয়োজনীয় কোনো ব্যক্তিকে মামলার পক্ষ করা হয় না।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি ৯: অপসংযোগ এবং অ-সংযুক্তি:
কাউকে ভ্রান্তভাবে মোকদ্দমার পক্ষ করা হলে অথবা পক্ষ থেকে বাদ দেয়া হলে তজ্জন্য মোকদ্দমার কোন ক্ষতি হবে না; এবং আদালত এটির সামনে আনিত প্রত্যেকটি মোকদ্দমায় বিরোধীয় বিষয়টি পক্ষগণের অধিকার ও স্বার্থসমূহের সঙ্গে যতটুকু সম্পর্কিত ততটুকু বিবেচনা করতে পারবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- Order 1 Rule-9: Misjoinder and nonjoinder:
No suit shall be defeated by reason of the misjoinder or nonjoinder of parties, and the Court may in every suit deal with the matter in controversy so far as regards the rights and interests of the parties actually before it.

২৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) এ উল্লিখিত "mutatis mutandis" বলতে কী বোঝায়?
  1. শর্তসাপেক্ষে
  2. কোনো পরিবর্তন ছাড়াই
  3. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
  4. সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন করে
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ(২) এ উল্লিখিত "mutatis mutandis" একটি ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ যার অর্থ "প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ" (with the necessary changes)।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৮৯গ – আপিলে মধ্যস্থতা:
(১) যদি কোনো আপিল মূল ডিক্রির বিরুদ্ধে Order XLI-এর অধীনে করা হয় এবং সেটি মূল মামলার একই পক্ষগণের মধ্যে হয় বা যেসব পক্ষগণ মূল মামলার প্রতিদ্বন্দ্বী পক্ষ ছিল তাদের স্থলাভিষিক্ত (substituted) পক্ষগণের মধ্যে হয়, তাহলে আপিল আদালত আপিলে মধ্যস্থতা করবে বা আপিলটি মধ্যস্থতার জন্য প্রেরণ করবে যাতে উক্ত আপিলে বিরোধ বা বিরোধসমূহ নিষ্পত্তি করা যায়।
(২) উপধারা (১)-এর অধীনে মধ্যস্থতার ক্ষেত্রে, ধারা ৮৯ক-এর বিধানসমূহ প্রয়োজনীয় পরিবর্তনসহ (mutatis mutandis) অনুসরণ করা হবে যতদূর তা প্রযোজ্য ও উপযুক্ত হয়।
---------
⇒The Code of Civil Procedure, 1908, Section 89C- Mediation in Appeal:
(1) An Appellate Court shall mediate in an appeal or refer the appeal for mediation in order to settle the dispute or disputes in that appeal, if the appeal is an appeal from original decree under Order XLI, and is between the same parties who contested in the original suit or the parties who have been substituted for the original contesting parties.
(2) In mediation under sub-section (1), the provisions of section 89A shall be followed with necessary changes (mutatis mutandis) as may be expedient.

২৫.
দেওয়ানি কার্যবিধির বিধান অনুযায়ী, জনসাধারণের জন্য বিপজ্জনক বা অসুবিধাজনক হতে পারে, এমন ব্যক্তি বা শ্রেণীর গ্রেপ্তারের ক্ষেত্রে বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করার ক্ষমতা কার রয়েছে?
  1. সরকারের
  2. আদালতের
  3. ডিক্রি-প্রাপকের
  4. গ্রেপ্তারকারী পুলিশ কর্মকর্তার
সঠিক উত্তর:
সরকারের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারের
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ৫৫(২) [Section 55(2)] এ স্পষ্টভাবে বলা আছে: (2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.“
- অর্থাৎ, যে ব্যক্তি বা শ্রেণীর ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করলে জনসাধারণের জন্য বিপদ বা অসুবিধা হতে পারে বলে মনে হয়, তাদের ডিক্রি এক্সিকিউশনে গ্রেপ্তার থেকে অব্যাহতি দেওয়া বা বিশেষ পদ্ধতি নির্ধারণ করার ক্ষমতা শুধুমাত্র সরকারের (Government) রয়েছে। সরকার অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি জারি করে এই সিদ্ধান্ত নিতে পারে।
- সুতরাং সঠিক উত্তর: ক) সরকারের। 

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Section-55.- Arrest and detention:
(1) A judgment-debtor may be arrested in execution of a decree at any hour and on any day, and shall, as soon as practicable, be brought before the Court, and his detention may be in the civil prison of the district in which the Court ordering the detention is situate, or, where such civil prison does not afford suitable accommodation, in any other place which the Government may appoint for the detention of persons ordered by the Courts of such district to be detained:
Provided, firstly, that, for the purpose of making an arrest under this section, no dwelling-house shall be entered after sunset and before sunrise:
Provided, secondly, that no outer door of a dwelling-house shall be broken open unless such dwelling-house is in the occupancy of the judgment-debtor and he refuses or in any way prevents access thereto, but when the officer authorised to make the arrest has duly gained access to any dwelling-house, he may break open the door of any room in which he has reason to believe the judgment-debtor is to be found:
Provided, thirdly, that, if the room is in the actual occupancy of a woman who is not the judgement-debtor and who according to the customs of the country does not appear in public, the officer authorised to make the arrest shall give notice to her that she is at liberty to withdraw, and, after allowing a reasonable time for her to withdraw and giving her reasonable facility for withdrawing, may enter the room for the purpose of making the arrest:

Provided, fourthly, that, where the decree in execution of which a judgment-debtor is arrested, is a decree for the payment of money and the judgment-debtor pays the amount of the decree and the costs of the arrest to the officer arresting him, such officer shall at once release him.

(2) The Government may, by notification in the official Gazette, declare that any person or class of persons whose arrest might be attended with danger or inconvenience to the public shall not be liable to arrest in execution of a decree otherwise than in accordance with such procedure as may be prescribed by the Government in this behalf.
(3) Where a judgment-debtor is arrested in execution of a decree for the payment of money and brought before the Court, the Court shall inform him that he may apply to be declared an insolvent, and that he may be discharged if he has not committed any act of bad faith regarding the subject of the application and if he complies with the provisions of the law of insolvency for the time being in force.
(4) Where a judgment-debtor expresses his intention to apply to be declared an insolvent and furnishes security, to the satisfaction of the Court, that he will within one month so apply, and that he will appear, when called upon, in any proceeding upon the application or upon the decree in execution of which he was arrested, the Court may release him from arrest, and, if he fails so to apply and to appear, the Court may either direct the security to be realized or commit him to the civil prison in execution of the decree.

২৬.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬(২) অনুযায়ী আরজিতে উল্লিখিত তথ্য কীভাবে প্রমাণ করতে হবে?
  1. সাক্ষী দিয়ে
  2. দলিল দিয়ে 
  3. এফিডেভিট দ্বারা
  4. মৌখিক বক্তব্য দিয়ে
সঠিক উত্তর:
এফিডেভিট দ্বারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এফিডেভিট দ্বারা
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২৬(২) অনুসারে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে: প্রতিটি আরজির (plaint) তথ্য (facts) শপথপত্র (affidavit) দ্বারা প্রমাণিত হতে হবে।
অর্থাৎ, আরজিতে (Plaint) উল্লিখিত তথ্যগুলো এফিডেভিট (Affidavit) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

 
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908-Section 26: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

২৭.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধি অনুসারে রিসিভার নিয়োগ করা হয়?
  1. আদেশ-৩৯, বিধি-১
  2. আদেশ-৪০, বিধি-১
  3. আদেশ-৪১, বিধি-১
  4. আদেশ-৪১, বিধি-৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৪০, বিধি-১
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৪০, বিধি ১ (Order XL, Rule 1)-এ রিসিভার (Receiver) নিয়োগের বিধান রয়েছে।
- দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ১ মতে আদালতের কাছে ন্যায়সঙ্গত ও সুবিধাজনক বলে প্রতীয়মান হলে আদালত আদেশ দিয়া
ক) ডিক্রির পূর্বে বা পরে কোন সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।
খ) সম্পত্তির দখল বা জিম্মাদারী হতে কোন ব্যক্তিকে অপসারণ করতে পারেন;
গ) উহা রিসিভারের দখলে, হেফাজতে বা ব্যবস্থাপনায় সোপর্দ করতে পারেন; এবং
ঘ) মামলা দায়ের করা ও জবাব দেয়া এবং সম্পত্তি আদায়করণ, ব্যবস্থাপনা, নিরাপদকরণ, সংরক্ষণ এবং উন্নয়ন, উহার খাজনা এবং মুনাফা সংগ্রহ, উক্ত খাজনা ও মুনাফার প্রয়োগ ও হস্তান্তর এবং দলিল সম্পাদন সম্পর্কে মালিকের নিজের যেরূপ ক্ষমতা আসে সেরূপ বা আদালত যে সকল ক্ষমতা উপযুক্ত মনে করেন, রিসিভারকে অনুরূপ সকল ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধিতে আদেশ ৪০ বিধি ২ অনুযায়ী আদালত একটি সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা রিসিভারের কাজের জন্য পারিশ্রমিক ধার্য করতে পারবেন।
-------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-40 Rule-1. Appointments of receivers:
(1) Where it appears to the Court to be just and convenient, the Court may by order−
(a) appoint a receiver of any property, whether before or after decree;
(b) remove any person from the possession or custody of the property; 
(c) commit the same to the possession, custody or management of the receiver; and
(d) confer upon the receiver all such powers, as to bringing and defending suits and for the realization, management, protection, preservation and improvement of the property, the collection of the rents and profits thereof, the application and disposal of such rents and profits, and the execution of documents as the owner himself has, or such of those powers as the Court thinks fit.
(2) Nothing in this rule shall authorise the Court to remove from the possession or custody of property any person whom any party to the suit has not a present right so to remove.

২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-১৭, বিধি-১(৩) অনুসারে, মোকদ্দমার একটি পক্ষ সর্বোচ্চ কতবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবি করতে পারে?
  1. ৩ বার
  2. ৬ বার
  3. ২ বার
  4. ৪ বার
সঠিক উত্তর:
৪ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ বার
ব্যাখ্যা

⇒দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1-এর sub-rule (3) অনুসারে, ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবির আবেদন করতে পারে। 

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর Order XVII, Rule 1 এর সংশোধন অনুসারে, যা Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 (২০২৫ সনের ১৮ নং অধ্যাদেশ) এর মাধ্যমে সংশোধিত হয়েছে, স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, sub-rule (3)-তে "six" শব্দটির পরিবর্তে "four" শব্দটি প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এর অর্থ হলো, কোনো পক্ষ একটি মোকদ্দমা সর্বোচ্চ চারবার খরচ ছাড়া মোকদ্দমা মুলতবি করতে পারে।

- এই সংশোধনের উদ্দেশ্য হলো মোকদ্দমার প্রক্রিয়াকে দ্রুততর করা এবং অপ্রয়োজনীয় বিলম্ব রোধ করা। পূর্বে এই বিধানে একটি পক্ষ সর্বোচ্চ ছয়বার মুলতবির আবেদন করতে পারত, কিন্তু ২০২৫ সালের সংশোধনীর মাধ্যমে এই সংখ্যা কমিয়ে চারবার করা হয়েছে।

২৯.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩৫ক অনুসারে, মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবির জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ হতে পারে?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ৩০,০০০ টাকা
  3. ৫০,০০০ টাকা
  4. ১,০০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

⇒ The Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।
(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।
(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।

৩০.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-৩২, বিধি-৮ অনুসারে একজন next friend বা guardian for the suit হিসেবে কাজ করতে হলে কোন শর্তটি অপরিহার্য?
  1. তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে
  2. তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে
  3. তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে
  4. তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
সঠিক উত্তর:
তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিনি সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৩২, বিধি ৪(১) অনুসারে একজন Next Friend বা Guardian for the suit হওয়ার জন্য নিম্নলিখিত শর্তগুলি অপরিহার্য:
- সুস্থ মস্তিষ্কের (sound mind) হতে হবে
- প্রাপ্তবয়স্ক (attained majority) হতে হবে
- নাবালকের স্বার্থের বিরোধী কোন স্বার্থ তার থাকা চলবে না
- Next Friend-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বিবাদী হতে পারবেন না
- Guardian for the suit-এর ক্ষেত্রে তিনি মামলার বাদী হতে পারবেন না
অতএব, "সুস্থ মস্তিষ্কের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়া" এই শর্তটি অপরিহার্য।

অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) তিনি অবশ্যই আসামি হতে হবে → next friend হলে বিবাদী হওয়া যায় না, আর guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।
খ) তিনি minor-এর ভাইবোন হতে হবে → কোথাও এমন শর্ত নেই।
গ) তিনি অবশ্যই মামলার বাদী হতে হবে → guardian for the suit হলে বাদী হওয়া যায় না।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908: Order-32 Rule-4: Who may act as next friend or be appointed guardian for the suit. 
(1) Any person who is of sound mind and has attained majority may act as next friend of a minor or as his guardian for the suit: Provided that the interest of such person is not adverse to that of the minor and that he is not, in the case of a next friend, a defendant, or, in the case of a guardian for the suit, a plaintiff.
(2) Where a minor has a guardian appointed or declared by competent authority, no person other than such guardian shall act as the next friend of the minor or be appointed his guardian for the suit unless the Court considers for reasons to be recorded, that it is for the minor's welfare that another person be permitted to act or be appointed, as the case may be.
(3) No person shall without his consent be appointed guardian for the suit.
(4) Where there is no other person fit and willing to act as guardian for the suit, the Court may appoint any of its officers to be such guardian, and may direct that the costs to be incurred by such officer in the performance of his duties as such guardian shall be borne either by the parties or by any one or more of the parties to the suit, or out of any fund in Court in which the minor is interested, and may give directions for the repayment or allowance of such costs as justice and the circumstances of the case may require.

৩১.
ভাটিয়ালি মূলত কোন অঞ্চলের গান?
  1. বরিশাল
  2. ময়মনসিংহ
  3. দিনাজপুর
  4. রংপুর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

ভাটিয়ালি হলো ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- নিকট অতীতে নদীবিধৌত বাংলাদেশে সাধারণত নদীর ভাটির স্রোতে নৌকা বাইতে মাঝিদের তেমন বেগ পেতে হতো না। তাই সেই অবসর ও আনন্দে তারা লম্বা টানে গলা ছেড়ে গান গাইত। কালক্রমে এই গানই ভাটিয়ালি গান নামে পরিচিতি লাভ করে।

অন্যদিকে,
- রংপুর অঞ্চল ভাওয়াইয়া গানের জন্যে বিখ্যাত। রংপুর ও কুচবিহার জেলা ভাওয়াইয়া গানের জন্মস্থান। ভাওয়াইয়া গানের বিখ্যাত শিল্পী হলেন আব্বাসউদ্দীন আহমেদ।
- চাপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী অঞ্চলের বিখ্যাত লোকসঙ্গীত হলো গম্ভীরা।
- চট্টগ্রাম অঞ্চল ভাণ্ডারি গানের জন্যে বিখ্যাত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

৩২.
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্বার্থে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে কোন দেশ ভেটো প্রদান করেছিল?
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন বৃহৎশক্তি সমূহ:
- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পাকিস্তানের পক্ষে জাতিসংঘে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেয়।
- এই প্রস্তাব তিনবার উত্থাপিত হয়।
- কিন্তু প্রতিবারই সোভিয়েত ইউনিয়ন বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় সেই প্রস্তাবে ভেটো প্রদান করে।
- ফলে পাকিস্তানপন্থী প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার পথে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক সহায়ক ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।

৩৩.
নিখিল পাকিস্তান শিক্ষক সম্মেলনে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাবের প্রতিবাদ করেন কে?
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
  2. আবুল কাসেম
  3. এ কে ফজলুল হক
  4. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্
ব্যাখ্যা

- ১৯৪৮ সালে করাচিতে অনুষ্ঠিত নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে বাংলা ভাষা আরবি হরফে লেখার প্রস্তাব দেওয়া হয়।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ এর প্রতিবাদ করেন।
- আরবি হরফে বাংলা লেখার ষড়যন্ত্রের প্রচেষ্টা হিসেবে বাংলা ভাষা সংস্কারের নামে ১৯৪৯ সালের মার্চ মাসে 'পূর্ব বাংলা ভাষা কমিটি' গঠন করা হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রতিবাদ জানায়।
- ১৯৫০ সালের ১১ই মার্চ আবদুল মতিনকে আহ্বায়ক করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় রাষ্ট্রভাষাসংগ্রাম পরিষদ কমিটি গঠিত হয়।
- তাঁর নেতৃত্বে ভাষা আন্দোলন পুনরায় সঞ্জীবিত হতে থাকে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা ৯ম-১০ম শেণি।

৩৪.
‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ জারি করা হয় কবে?
  1. ২১ নভেম্বর, ২০২৫
  2. ২৩ নভেম্বর, ২০২৫
  3. ২৫ নভেম্বর, ২০২৫
  4. ২৪ নভেম্বর, ২০২৫
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

• গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫:
- ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে ‘গণভোট অধ্যাদেশ, ২০২৫’ এর গেজেট জারি করা হয়।
- ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে একই দিনে আয়োজন করা হবে গণভোট। 
- গণভোটে চারটি বিষয়ের ওপর একটি প্রশ্ন উপস্থাপন করা হবে।
- গণভোটের ব্যালট জাতীয় নির্বাচনের ব্যালট থেকে আলাদা এবং ভিন্ন রঙের হবে।
- এছাড়া, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো গণভোটেও প্রবাসীসহ চার শ্রেণির নাগরিকদের জন্য পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। 

উৎস: প্রথম আলো।

৩৫.
গৌড়ের রাজধানী কোথায় ছিল?
  1. কর্ণাটক
  2. পুণ্ড্রনগর
  3. বিক্রমপুর
  4. কর্ণসুবর্ণ
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ণসুবর্ণ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ধারণা করা হয় যে, গুড় উৎপাদনের কেন্দ্র বলে গৌড় নগর ও দেশের নামের উদ্ভব হয়।
- এই জনপদের খ্যাতি এতই বৃদ্ধি পেয়েছিল যে, সমগ্র বাংলাকেই সময়ে সময়ে গৌড়দেশ বিবেচনা করা হতো।
- সেনবংশীয় রাজারা ‘গৌড়েশ্বর' উপাধি গ্রহণ করে গৌরববোধ করতেন।
- আদিকালে গৌড় বলতে বর্তমানের মুর্শিদাবাদ জেলা ও মালদা জেলার দক্ষিণাংশকে বুঝাত।
- হিউয়েন সাঙ শশাঙ্ককে কর্ণসুবর্ণ দেশের সম্রাট বলেছেন এবং হর্ষচরিত গ্রন্থে শশাঙ্ককে 'গৌড়াধিপতি' বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
- এ থেকে প্রতীয়মান হয় যে, কর্ণসুবর্ণ দেশ ও গৌড়দেশ অভিন্ন।
- গৌড়ের রাজধানী শহর ছিল কর্ণসুবর্ণ
- মধ্যযুগের খ্যাতিমান মুসলিম পণ্ডিত আল বেরুনির বিবরণ অনুযায়ী পূর্বভারতের বিভিন্ন দেশের অর্থাৎ বর্তমান বাংলা, উড়িষ্যা, আসামের আদি মধ্যযুগীয় লিপির প্রকৃত রূপ হলো এই “গৌড়ীয় লিপি”।
- মুসলিম যুগে অঞ্চলটি কখনো ‘গৌড়' আবার কখনো লক্ষণাবতী নামে পরিচিত ছিল।

উৎস: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৬.
Find the correct spelling-
  1. Faximili
  2. Fachimile
  3. Factsimile
  4. Facsimile
সঠিক উত্তর:
Facsimile
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Facsimile
ব্যাখ্যা

Correct answer: facsimile.

Facsimile(noun)
- English meaning: an exact copy.
- Bangla meaning: লেখা, মুদ্রণ, ছবি প্রভৃতির অবিকল প্রতিরূপ।

Example sentence:
1. This is a facsimile edition of an eighteenth-century book.
2. There was a facsimile of the manuscript on my shelves.

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

৩৭.
The meaning of 'Posterity' is-
  1. Prosperity
  2. Present Time
  3. Later Generation
  4. Possession
সঠিক উত্তর:
Later Generation
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Later Generation
ব্যাখ্যা

Correct answer: Later Generation.

Posterity(noun)
- English meaning: the offspring of one progenitor to the furthest generation.
- Bangla meaning: বংশধরগণ; অপত্য; সন্তানসন্ততি।

Example sentence:
1. A few of his works will go down to posterity.
2. A record of the events was preserved for posterity

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

৩৮.
We went to the city ________ my mother was born.
  1. who
  2. that
  3. where
  4. whose
সঠিক উত্তর:
where
উত্তর
সঠিক উত্তর:
where
ব্যাখ্যা

Correct answer: where.
- Complete sentence: We went to the city where my mother was born.
-
শূন্যস্থান এর পূর্বে (antecedent টি) 'city' (স্থান) হওয়ায় Gap -এ Relative Pronoun 'where' বসবে।

Relative Pronoun:
- দুটি বাক্যাংশ সংযোগ করতে Relative Pronoun (who, which, whose, whom, that, ইত্যাদি) ব্যবহৃত হয়।
- Gap (শূন্যস্থান)-এর পরে noun/pronoun থাকলে এবং এর পূর্বে (antecedent টি) (স্থান) থাকলে Gap -এ 'where'বসে।
- উল্লিখিত বাক্যে Gap এর পূর্বে (স্থান)  'city আছে, তাই নিয়মানুযায়ী Gap -এ 'where' বসবে।

Other options:
ক) Who
- এখানে 'Who' হলো Relative  Pronoun.
- যা কেবল ব্যক্তিকে বুঝানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

খ) That
- "That" একটি relative pronoun হিসেবে ব্যবহৃত হয়.
- যা মানুষ বা বস্তু উভয়কেই নির্দেশ করতে পারে এবং দুটি বাক্যকে যুক্ত করে। 

গ) Whose
- এখানে 'Who' হলো Relative  Pronoun.
- যা কেবল ব্যক্তিকে বুঝানোর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

Source:
1. Merriam-Webster dictionary.
2. Accessible Dictionary.
3. Cambridge Dictionary.

৩৯.
He is a brave man who saved the child.
Here, the word "brave" is an example of-
  1. Noun
  2. Adjective 
  3. Adverb
  4. Preposition
সঠিক উত্তর:
Adjective 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective 
ব্যাখ্যা

Correct answer: adjective.
- He is a brave man who saved the child.
- "brave" শব্দটি Noun word 'man' এর আগে বসে noun কে modify করছে।
- তাই (brave) হল Adjective.

• Adjectives:
- যে শব্দ Noun/ Pronoun এর দোষ গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে Adjective বলে।
- We use adjectives to describe nouns.
- We can use adjectives to describe people, places and things.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

৪০.
They danced happily at the wedding.
Here the underlined word is an example of-
  1. Adverb of time
  2. Adverb of place
  3. Adverb of manner
  4. Adverb of frequency
সঠিক উত্তর:
Adverb of manner
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb of manner
ব্যাখ্যা

Correct answer: adverb of manner.
- এখানে বিয়েতে তারা কিভাবে নেচেছে তা বোঝাচ্ছে।
- তাই এটি Adverb of manner.

• Adverb of manner.
- যে adverb কোন কিছু কিভাবে হয়/হচ্ছে তা উল্লেখ করে তাকে Adverb of manner বলে।
- এর দ্বারা কোন কাজ কেমনভাবে সংঘটিত হয় তা জানা যায়।

অন্যদিকে,
ক) Adverb of time
- এই ধরনের Adverb গুলো ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময় বুঝায়।
- এটি সাধারণত 'When' বা 'কখন' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর দেয়।

খ) Adverb of place
- এই ধরনের Adverb গুলো ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থানকে বুঝায়।
- এটি সাধারণত 'Where' বা 'কোথায়' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর দেয়।

ঘ) Adverb of frequency:
- যে Adverb কোন কিছু কতবার বা কতো সময় পরপর হয় তা বোঝায় তাকে Adverb of frequency বলে।
- কিছু সাধারণ "adverb of frequency" হলো: always, often, sometimes, never, usually, regularly.

Source: A Passage to the English Language by S.M. Zakir Hussain.

৪১.
৩/৪ এবং ৪/৭ এর ল.সা.গু কত? 
  1. ১২ 
  2. ২০ 
  3. ১০
  4. ১৫ 
সঠিক উত্তর:
১২ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৩/৪ এবং ৪/৭ এর ল.সা.গু কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
ভগ্নাংশের ল.সা.গু = লব এর ল.সা.গু/হর এর গ.সা.গু 
∴ লব ৩ ও ৪ এর ল.সা.গু = ১২
হর ৪ ও ৭ এর গ.সা.গু = ১

∴ ৩/৪ এবং ৪/৭ এর ল.সা.গু = ১২/১
= ১২ । 

৪২.
একটি খুঁটির ১/২ অংশ মাটির নিচে, ১/৩ অংশ পানির মধ্যে এবং বাকি ২ মিটার পানির উপরে আছে। খুঁটিটির দৈর্ঘ্য কত? 
  1. ১০ মিটার
  2. ১২ মিটার
  3. ১৫ মিটার
  4. ১৬ মিটার
সঠিক উত্তর:
১২ মিটার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ মিটার
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি খুঁটির ১/২ অংশ মাটির নিচে, ১/৩ অংশ পানির মধ্যে এবং বাকি ২ মিটার পানির উপরে আছে। খুঁটিটির দৈর্ঘ্য কত? 

সমাধান: 
ধরি, 
খুটির দৈর্ঘ্য = x মিটার 

তাহলে, মাটির নিচে ও পানির মধ্যে আছে = (১/২ + ১/৩) × x অংশ
= (৫x/৬) অংশ
আবার,
পানির উপরে আছে = (x - ৫x/৬)
= (x/৬) অংশ 

প্রশ্নমতে, 
x/৬ = ২ 
∴ x = ১২ 

∴ খুটির দৈর্ঘ্য = ১২ মিটার।

৪৩.
৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার গড় কত? 
  1. ৬৩ 
  2. ৬৭ 
  3. ৬৮ 
  4. ৬৯ 
সঠিক উত্তর:
৬৯ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৯ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার গড় কত? 

সমাধান: 
৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৯৭
আবার, 
৪০ থেকে ১০০ এর মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৪১
∴ ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার যোগফল = (৯৭ + ৪১)
= ১৩৮

∴ ৪০ থেকে ১০০ পর্যন্ত বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার গড় = ১৩৮/২
= ৬৯ ।

৪৪.
কোন সংখ্যার দ্বিগুণের সঙ্গে ১০ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ১৪ বেশি হবে? 
  1. ২ 
  2. ৪ 
  3. ৫ 
  4. ৬ 
সঠিক উত্তর:
৪ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন সংখ্যার দ্বিগুণের সঙ্গে ১০ যোগ করলে যোগফল সংখ্যাটি অপেক্ষা ১৪ বেশি হবে? 

সমাধান: 
ধরি,
সংখ্যাটি = ক

প্রশ্নমতে, 
বা, ২ক + ১০ = ক + ১৪
বা, ২ক - ক = ১৪ - ১০
∴  ক = ৪ 

∴ সংখ্যাটি = ৪ ।

৪৫.
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু ১০ এবং ল.সা.গু ৮৩৭০। একটি সংখ্যা ২৭০ হলে, অপর সংখ্যাটি কত? 
  1. ৩০০ 
  2. ৩২০ 
  3. ৩১০ 
  4. ৩৬০ 
সঠিক উত্তর:
৩১০ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩১০ 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গ.সা.গু ১০ এবং ল.সা.গু ৮৩৭০। একটি সংখ্যা ২৭০ হলে, অপর সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
দুটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুটির ল.সা.গু × সংখ্যা দুটির গ.সা.গু 
⇒ ২৭০ × অপর সংখ্যা = ৮৩৭০ × ১০ 
⇒ অপর সংখ্যা = (৮৩৭০ × ১০)/২৭০ 
∴ অপর সংখ্যা = ৩১০ । 

৪৬.
সংখ্যা-বাচক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ কোনটি? 
  1. নীলবসনা
  2. বিরানব্বই
  3. নীলকন্ঠ
  4. দশভুজা
সঠিক উত্তর:
দশভুজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দশভুজা
ব্যাখ্যা

⇔ দশ ভুজ (হাত) যার = দশভুজা সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।

• 
বহুব্রীহি সমাস:
- যে সমাসে পূর্বপদ বা পরপদ কোনটির অর্থ না বুঝিয়ে অন্য কোনো তৃতীয় অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন - নদীমাতৃক (নদী মাতা যার) ,
- সবান্ধব: বান্ধবসহ বর্তমান,
- বিপত্নীক: বি (বিগত) হয়েছে পত্নী যার,
- নীলবসনা:  নীল বসন যার বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ।

সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস - যে বহুব্রীহি সমাসের পূর্বপদ সংখ্যাবাচক এবং পরপদ বিশেষ্য, সংখ্যাবাচক বহুব্রীহি সমাস বলে।
- যেমন:
- দশ ভুজ (হাত) যার = দশভুজা;
- বহু ব্রীহি যার = বহুব্রীহি;
- ত্রিনয়ন যার = ত্রিনয়ন;
- দশানন যার = দশানন।

অন্যদিকে,
∗ বিরানব্বই নিত্য সমাসের  উদাহরণ।
- যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো সর্বদা সমাসবদ্ধ থাকে এবং ব্যাসবাক্য করা যায় না বা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়,   তাকে নিত্য সমাস বলে।
- নিত্য সমাসের কিছু উদাহরণ হলো: কালসাপ, আমরা, দেশান্তর, গ্রামান্তর, দর্শনমাত্র, কেবল জল, এবং বিরানব্বই।
∗ নীলকণ্ঠ: নীল (নীল) কণ্ঠ (গলা) যার (এখানে 'নীল' বিশেষণ এবং 'কণ্ঠ' বিশেষ্য)  সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস এর উদাহরণ।
- যে বহুব্রীহি সমাসে পূর্বপদ বিশেষণ এবং পরপদ বিশেষ্য হয়, তাকে সমানাধিকরণ বহুব্রীহি সমাস বলে।
- এই সমাসে পূর্বপদ ও পরপদ একই পদকে বিশেষিত করে এবং সমাস নিষ্পন্ন পদটি একটি তৃতীয় পদের অর্থ প্রকাশ করে।
- যেমন: হত হয়েছে শ্রী যার = হতশ্রী, ("হত" (বিশেষণ) এবং "শ্রী" (বিশেষ্য) একসাথে মিলিত হয়ে "হতশ্রী" শব্দটি তৈরি করেছে),
- পীতাম্বর: পীত অম্বরা যার (এখানে 'পীত' বিশেষণ এবং 'অম্বর' বিশেষ্য)।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

৪৭.
বাংলা ভাষায় কৃত-প্রত্যয় দ্বারা সাধিত শব্দ কোনটি?
  1. রাধনী
  2. রান্না
  3. রাধন
  4. রাধিকা
সঠিক উত্তর:
রান্না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রান্না
ব্যাখ্যা

⇔ রান্না' শব্দটি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ, কারণ 'রান্না' শব্দটি রাঁধ ধাতু এবং 'আ' প্রত্যয়ের সংযোগে গঠিত হয়েছে। এখানে রাঁধ হলো ক্রিয়ামূল বা ধাতুরূপ এবং আ হলো কৃৎ প্রত্যয়।

• কৃৎ প্রত্যয়: ক্রিয়ামূলের পরে যে প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে।
-কিছু  কৃৎ প্রত্যয় এর উদাহরণ:
- খেলনা: খেল্ (ক্রিয়ামূল) + অন/আ (কৃৎ প্রত্যয়),
- দোলনা: দুল্ (ক্রিয়ামূল) + অনা (কৃৎ প্রত্যয়),
- কর্তব্য: কৃ (ক্রিয়ামূল) + তব্য (কৃৎ প্রত্যয়),
- মিশুক: মিশ্ (ক্রিয়ামূল) + উক (কৃৎ প্রত্যয়)।

• কৃৎ প্রত্যয় দুই প্রকার: সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় এবং বাংলা কৃৎ প্রত্যয়।
- এই প্রত্যয়গুলো ধাতু বা ক্রিয়াপদের সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। 
- প্রত্যয় বোঝাতে ধাতুর আগে সাধারণত চিহ্ন (√) ব্যবহার করা হয়।
∗ সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়: সংস্কৃত ভাষা থেকে আসা কৃৎ প্রত্যয়।
- উদাহরণ: √চ + অ = চয়।
∗ বাংলা কৃৎ প্রত্যয়: বাংলা ভাষা থেকে আসা কৃৎ প্রত্যয়।
- অ, অক, অন, অনা, অনি, অন্ত, আ, আই, আও, আন, আনি, আল, ই - ইত্যাদি বাংলা কৃৎ প্রত্যয় এর উদাহরণ।
- উদাহরণ: 
- √রাঁধ+না = রাঁধনা ˃ রান্না
- √মার+অ = মার
- √কাঁদ+অ = কাঁদকাঁদ
- √মর+অ = মরমর
- √কাঁদ+অন = কাঁদন
- √দে+অন = দেওন
- √খেল+অনা = খেলনা
- √বাঁধ+অনি = বাঁধুনি
- √আঁট+অনি = আঁটুনি
- √ডুব+অন্ত = ডুবন্ত
- √মুড়+অক = মোড়ক
- √ফুট+আ = ফোটা
- √মান+আন = মানান/মানানো
- √ধুন+আরী = ধুনারী
- √মিশ+আল = মিশাল
- √বহ+তা = বহতা
- √ঘাট+তি = ঘাটতি
-√উঠ+তি = উঠতি
- √কাঁদ+না = কাঁদনা ˃ কান্না
- √হাস + ই = হাসি।

উল্লেখ্য,
• কৃদন্ত শব্দ: কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দকে কৃদন্ত শব্দ বলা হয়, অর্থাৎ ক্রিয়ামূল বা ধাতুর সাথে কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে যে নতুন শব্দ তৈরি হয়, তাই হলো কৃদন্ত শব্দ।
- কৃদন্ত শব্দের কিছু উদাহরণ:
- দোলনা: 'দুল্‌' ধাতুর সাথে '-অনা' কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত।
- কর্তব্য: 'কৃ' ধাতুর সাথে '-তব্য' কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত।
- বহতা: 'বহ্' ধাতুর সাথে '-তা' কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত।
- জ্যান্ত: 'জীবিত' অর্থে এই কৃদন্ত শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
- কোটাল: 'কোটা' ধাতুর সাথে '-আল' প্রত্যয় যোগে গঠিত।
- ভোজন: 'ভুজ্‌' ধাতুর সাথে '-অন' প্রত্যয় যোগে গঠিত।
- বেতন: 'বেচ' ধাতুর সাথে '-তন' প্রত্যয় যোগে গঠিত।
- নেতা: 'নে' ধাতুর সাথে '-তা' প্রত্যয় যোগে গঠিত।

উৎস: 
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ);
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৮.
জয় করার ইচ্ছা এর এক কথায় প্রকাশিত রূপ হলো -
  1. বিজিগীষা
  2. জিগীষা
  3. জিজীবিষা
  4. জিজ্ঞাসা
সঠিক উত্তর:
জিগীষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিগীষা
ব্যাখ্যা

•“জয় করার ইচ্ছা” মানে কোনো কিছুর উপর বিজয় অর্জনের আকাঙ্ক্ষা।
- বাংলা ব্যাকরণে এক কথায় এটি জিগীষা দ্বারা প্রকাশিত হয়। 

∗ একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটিমাত্র শব্দে প্রকাশ করাকেই বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ বলা হয়।
- এর মূল উদ্দেশ্য হলো বক্তব্যকে সংক্ষিপ্ত করা এবং একই সাথে অর্থের কোনো পরিবর্তন না করে বা অর্থকে আরও সমৃদ্ধ করে উপস্থাপন করা।

অন্যদিকে,
∗ বিজিগীষা –  বিজয় লাভের ইচ্ছা বোঝায়;
∗ জিজ্ঞাসা – জানবার ইচ্ছা বোঝায়;
∗ জিজীবিষা – বেঁচে থাকার ইচ্ছা বোঝায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৪৯.
নিচের কোনটি উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ নয়? 
  1. শীতলচন্দ্র
  2. ঘনশ্যাম
  3. নীলচোখ
  4. রক্তচন্দন
সঠিক উত্তর:
নীলচোখ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নীলচোখ
ব্যাখ্যা

♦ নীল চোখ একটি সাধারন কর্মধারয় সমাস।

কর্মধারয় সমাস: যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
- এখানে নীল একটি বিশেষণ এবং চোখ একটি বিশেষ্য।

∗ উপমান কর্মধারয়:
- উপমান কর্মধারয় সমাস সত্য উপমা দেয় না, এটি উপমান পদের সাথে উপমেয় পদের একটি সত্য তুলনা করে। এখানে 'উপমান' হলো তুলনার বস্তু, আর 'উপমেয়' হলো যাকে তুলনা করা হচ্ছে।
- এই সমাসে উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে একটি সাধারণ গুণকে কেন্দ্র করে তুলনা করা হয়।
• উদাহরণস্বরূপ, 'তুষারের ন্যায় শুভ্র' থেকে হয় 'তুষারশুভ্র'।
- উপমান: উপমানের সাথে তুলনা করা হয়, যেমন 'তুষার';
উপমেয়: যার সাথে তুলনা করা হয়, যেমন 'শুভ্র';
-  সাধারণ গুণ: তুলনাটি যে গুণের ওপর ভিত্তি করে হয়, যেমন 'শুভ্রতা'।
 - ব্যাসবাক্য: উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে তুলনা বোঝানোর জন্য 'ন্যায়', 'মতো' ইত্যাদি শব্দ ব্যবহৃত হয়, যেমন: তুষারের ন্যায় শুভ্র = তুষারশুভ্র।
- প্রকৃত ব্যবহার: এই সমাস সরাসরি উপমা দেয় না, বরং উপমান ও উপমেয়ের মধ্যে একটি সত্য সম্পর্ক স্থাপন করে। যেমন, 'অরুণের ন্যায় রাঙা' (অরুণরাঙা) এখানে 'অরুণ' (উপমান) এবং 'রাঙা' (উপমেয়) - উভয়েরই 'রাঙা' বা 'লাল' গুণটি সত্য।

অন্যদিকে,
- ঘনশ্যাম -‘ঘনের ন্যায় শ্যাম’, এটি প্রকৃত উপমান কর্মধারয় সমাস;
- রক্তচন্দন - ‘রক্তের ন্যায় চন্দন’, উপমান পদ আগে আছে;
- শীতলচন্দ্র - ‘শীতল যে চন্দ্র’, উপমান কর্মধারয় সমাসের দৃষ্টান্ত।

উৎস:
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২১);
ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

৫০.
নিচের কোনটি ঐতিহাসিক বর্তমান কালের উদাহরণ?
  1. আমি রোজ সকালবেলা  ব্যায়াম করি 
  2. মুঘল সম্রাট শাহজাহানের অবসরের পর আউরঙ্গজেব সিংহাসনে বসেন
  3. চিন্তা করো না কালই আসছি 
  4. তিনে তিনে ছয় হয়
সঠিক উত্তর:
মুঘল সম্রাট শাহজাহানের অবসরের পর আউরঙ্গজেব সিংহাসনে বসেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মুঘল সম্রাট শাহজাহানের অবসরের পর আউরঙ্গজেব সিংহাসনে বসেন
ব্যাখ্যা

⇔ ঐতিহাসিক বর্তমান কালের উদাহরণ: মুঘল সম্রাট শাহজাহানের অবসরের পর আউরঙ্গজেব সিংহাসনে বসেন।

• বর্তমান কাল:
- বর্তমান কাল হলো সেই ক্রিয়ার কাল যা বর্তমানে ঘটছে, নিয়মিত ঘটছে বা একটি সাধারণ সত্যকে বোঝায়।
- বর্তমান কাল ৩ প্রকার:
১) সাধারণ বর্তমান কাল বা নিত্যবৃত্ত বর্তমান:

∗ সাধারণ বর্তমান কাল: 
- যে কাজ বর্তমান সময়ে নিয়মিত বা সাধারণভাবে ঘটে, তাকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে।
- উদাহরণ:
- সে ভাত খায়।
- আমি বাড়ি যাই।

∗ নিত্যবৃত্ত বর্তমান কাল: 
- যে কাজ নিয়মিত, অভ্যাসগত বা স্বভাবগতভাবে ঘটে, তাকে নিত্যবর্তমান কাল বলা হয়।
- উদাহরণ: 
- সূর্য পূর্ব দিক থেকে উঠে। (স্বভাবগত সত্য)।
- আমি রোজ সকালবেলা ব্যায়াম করি। (অভ্যাস)।
∗ নিত্যবৃত্ত বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
(ক) স্বাভাবিক সত্য প্রকাশ: যেসব সত্য সবসময় একই থাকে।
- উদাহরণ: তিনে তিনে ছয় হয়।
(খ) ঐতিহাসিক বর্তমান:  ঐতিহাসিক বর্তমান হলো সাধারণ বর্তমান কালের একটি অংশ, যা অতীতের কোনো ঘটনা বর্ণনা করতে বর্তমান কালের ক্রিয়াপদ ব্যবহার করে।
- এতে ঘটনা আরও জীবন্ত এবং তাৎক্ষণিক মনে হয়। 
- উদাহরণস্বরূপ: "মুঘল সম্রাট শাহজাহানের অবসরের পর আউরঙ্গজেব সিংহাসনে বসেন।"
- এখানে “বসেন” বর্তমান কালে -এ থাকলেও বাক্যটি প্রকৃতপক্ষে অতীতের ঘটনা প্রকাশ করছে।
-------------------------------------
২) ঘটমান বর্তমান কাল:
- যে কাজ শেষ হয়নি, এখন চলছে, সে কাজ বুঝানর জন্য ঘটমান বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয়।
- ঘটমান বর্তমান কালের বিশিষ্ট প্রয়োগ:
 ক) ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা অর্থে ঘটমান বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: চিন্তা করো না কালই আসছি ।
৩) পুরাঘটিত বর্তমান কাল: 
- ক্রিয়া পূর্বে শেষ হলে এবং তার ফল এখন ও বর্তমান থাকলে, পুরাঘটিত বর্তমান কাল ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: এতক্ষন আমি পড়াশুনা করেছি। 

উৎস:  বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০১৯)।