পরীক্ষা আর্কাইভ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

পরীক্ষাবাংলাবিদ (ব্যাকরণ)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়08 minutes
মোট প্রশ্ন১৩
সিলেবাস
পরীক্ষা - ১৫: টপিক: শব্দ ও বাক্য [লাইভ ক্লাস - ৩০, ৩১ ও ৩২]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ)

বাংলাবিদ (ব্যাকরণ) · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩ প্রশ্ন

.
অর্থ অনুযায়ী শব্দ কত প্রকার?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
অর্থ অনুসারে শব্দ ৩ প্রকার। যথা :
১. যৌগিক
২. রূঢ় বা রূঢ়ি
৩. যোগরূঢ়

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘দুরবিন’ শব্দটি কোন ভাষার?
  1. ক) আরবি
  2. খ) ফারসি
  3. গ) ফরাসি
  4. ঘ) তুর্কি
ব্যাখ্যা
দুরবিন শব্দটি ফারসি ভাষার শব্দ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘লিচু’ শব্দটি কোন ভাষার?
  1. ক) চীনা
  2. খ) জাপানি
  3. গ) দেশি
  4. ঘ) গ্রিক
ব্যাখ্যা

কয়েকটি চীনা শব্দ: চা, লিচু, সাম্পান। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
‘হলুদ’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ক) সংস্কৃত
  2. খ) তদ্ভব
  3. গ) আরবি
  4. ঘ) ফারসি
ব্যাখ্যা

তৎসম শব্দ : নীল, ধূসর, হলুদ। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
‘জীবনী’ শব্দটি অর্থগতভাবে -
  1. ক) রূঢ়
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) যোগরূঢ়
  4. ঘ) মৌলিক
ব্যাখ্যা
শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যেসব শব্দের ব্যাবহারিক অর্থ তাদের ব্যুৎপত্তিগত অর্থকেই অনুসরণ করে তাদের যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন, ‘জীবনী’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘জীব + অন + ঈ’ অর্থাৎ ‘জীব’ শব্দ হতে। তাই ‘জীবনী’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হওয়া উচিত জীব সংশ্লিষ্ট কোনো অর্থ। আর ‘জীবনী’ শব্দের অর্থ ‘জীবের বেঁচে থাকার বিবরণ’।

উৎস : বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
প্রবীণ শব্দটি অর্থগতভাবে - 
  1. ক) রূঢ়ি
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) যোগরূঢ়
  4. ঘ) মৌলিক
ব্যাখ্যা
ব্যুৎপত্তিগত এবং ব্যবহারিক অর্থের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে এমন প্রত্যয় বা উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দকে রূঢ়ি শব্দ বলে। যেমন : 

• প্রবীণ = প্র + বীণ
ব্যুৎপত্তিগত অর্থ: প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেনি যিনি    
ব্যাবহারিক অর্থ: বয়স্ক ব্যক্তি 

• পাঞ্জাবি = পাঞ্জাব + ই
ব্যুৎপত্তিগত অর্থ: পাঞ্জাবের অধিবাসী
ব্যাবহারিক অর্থ: পোশাক বিশেষ

• অর্ধাঙ্গী: অর্ধাঙ্গ + ঈ
ব্যুৎপত্তিগত অর্থ: অর্ধ অঙ্গ যার
ব্যাবহারিক অর্থ: স্ত্রী

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোনটি যোগরূঢ় শব্দ?
  1. ক) রাজপুত
  2. খ) প্রবীণ
  3. গ) গবেষণা
  4. ঘ) গায়ক
ব্যাখ্যা
সমাসনিষ্পন্ন শব্দ যদি ব্যুৎপত্তিগত অর্থ থেকে ভিন্ন কোনো ব্যবহারিক অর্থ ধারণ করে তবে তাকে যোগরূঢ় শব্দ বলে। যেমন :

• রাজপুত
সমস্যমান পদ অনুসারে অর্থ: রাজার পুত্র    
বিশেষ অর্থ: জাতি বিশেষ

• আদিত্য    
সমস্যমান পদ অনুসারে অর্থ: অদিতির পুত্র    
বিশেষ অর্থ: সূর্য

• সুহৃদ    
সমস্যমান পদ অনুসারে অর্থ: সুন্দর হৃদয় যার    
বিশেষ অর্থ: বন্ধু, মিত্র, সখা, হিতৈষী

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
মেঘ করলে বৃষ্টি হয়। এটি কী ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) জটিল
  4. ঘ) মিশ্র
ব্যাখ্যা
বাক্যের মধ্যে করলে, বললে, চললে, এলে, গেলে, থাকলে, চাইলে ইত্যাদি অসমাপিকা ক্রিয়া, অর্থাৎ ‘লে’ যুক্ত থাকলে সরল বাক্য হবে। যেমন :
পড়াশুনা না করলে ভবিষ্যৎ অন্ধকার।
মেঘ গর্জন করলে ময়ূর নৃত্য করে। 
মেঘ করলে বৃষ্টি হয়। 

উৎস: বাংলা একাডেমির আধুনিক ব্যাকরণ
.
মা ছিল না বলে কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি। - এটি কী ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) জটিল
  4. ঘ) মিশ্র
ব্যাখ্যা
সরল বাক্য + ক্রিয়াবাচক অনুসর্গ (বলে) + সরল বাক্য = জটিল বাক্য
মা ছিল না। কেউ তার চুল বেঁধে দেয়নি। বাক্য দুটিকে বলে ক্রিয়াবাচক অনুসর্গ দ্বারা যুক্ত হয়ে সাপেক্ষ অবস্থা সৃষ্টি করেছে বলে এটি জটিল বাক্য। 

বিশেষ দ্রষ্টব্য: জটিল বাক্যের সমার্থক হিসেবে ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় মিশ্র বাক্য ব্যবহার করেছেন, কিন্তু এটি গ্রহণীয় নয়। কারণ, মিশ্র শব্দটি অনেকাংশে যৌগিক শব্দের সমার্থক হয়ে যায়। তাই পরীক্ষায় জটিল ও মিশ্র থাকলে আর সেটি যদি জটিল বাক্য হয় হবে জটিল উত্তর করবেন।

উৎস: বাংলা একাডেমির আধুনিক ব্যাকরণ। 
১০.
এখন আর ভাত খাব না, এক কাপ চা দাও। - এটি কী ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) জটিল
  4. ঘ) মিশ্র
ব্যাখ্যা
দুটি সরল বাক্যের মাঝে কমা হলেও যৌগিক বাক্য হতে পারে, এক্ষেত্রে কমাই যোজকের কাজ করে, অর্থাৎ যোজক উহ্য থাকে। যেমন : 
শাপলা পড়ছে, শালুক ঘুমিয়ে পড়েছে। (‘আর’ লোপ)
তুমি যাবে, বেশিক্ষণ বসবে না। (‘তবে’ লোপ)
এখন আর ভাত খাব না, এক কাপ চা দাও। (‘বরং’ লোপ)

উৎস: বাংলা একাডেমির আধুনিক ব্যাকরণ। 
১১.
গুরুজনের কথা মেনে চলবে। - এটি কী ধরনের বাক্য?
  1. ক) অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য
  2. খ) ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য
  3. গ) কার্যকারণাত্মক বাক্য
  4. ঘ) সংশয়সূচক বা সন্দেহদ্যোতক বাক্য
ব্যাখ্যা
যে বাক্যে আদেশ, অনুরোধ, উপদেশ, নিষেধ ইত্যাদি অর্থ প্রকাশিত হয়, তাকে অনুজ্ঞা বাক্য বলে। যেমন : 
- সদা সত্য কথা বলবে। 
- কাছে এসো। 

উৎস : বাংলা একাডেমির আধুনিক ব্যাকরণ।
১২.
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে অর্থানুসারে বাক্য কত প্রকার?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৫
  3. গ) ৭
  4. ঘ) ৮
ব্যাখ্যা
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে অর্থানুসারে বাক্যকে সাত ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা:
১. বিবৃতিমূলক বা বর্ণনাত্মক বা নির্দেশাত্মক বাক্য 
২. প্রশ্নবোধক বা প্রশ্নাত্মক বাক্য
৩. অনুজ্ঞা বা আদেশসূচক বাক্য
৪. ইচ্ছা বা প্রার্থনাসূচক বাক্য
৫. কার্যকারণাত্মক বাক্য
৬. সংশয়সূচক বা সন্দেহদ্যোতক বাক্য
৭. বিস্ময় বা আবেগসূচক বাক্য 

উৎস : বাংলা একাডেমির আধুনিক ব্যাকরণ। 
১৩.
মরো অথবা বাঁচো। - কী ধরনের বাক্য?
  1. ক) সরল
  2. খ) যৌগিক
  3. গ) জটিল
  4. ঘ) মিশ্র
ব্যাখ্যা
এখানো ‘মরো’ একটি শব্দ দিয়েই একটি বাক্য গঠন করেছে। আবার ‘বাঁচো’ ক্রিয়াই একটি বাক্য গঠন করেছে।
আর দুটি বাক্যের মধ্যে ‘অথবা’ অব্যয় যুক্ত হয়েছে বলে এটি একটি যৌগিক বাক্য। 

উৎস : বাংলা একাডেমির আধুনিক ব্যাকরণ।