পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
বিষয়: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (সম্পূর্ণ সিলেবাস)
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
n-বিট রেজিস্টারে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা কত?
  1. n - 1 সংখ্যক
  2. n +1 সংখ্যক
  3. 2n সংখ্যক
  4. n সংখ্যক
ব্যাখ্যা
• n-বিট রেজিস্টারে ফ্লিপ-ফ্লপের সংখ্যা হয় n সংখ্যক।

কারণ, একটি n-বিট রেজিস্টার তৈরির জন্য nটি ফ্লিপ-ফ্লপ দরকার, প্রতিটি ফ্লিপ-ফ্লপ 1 বিট তথ্য ধরে রাখে।


• রেজিস্টার (Register):
- রেজিস্টার হলো কম্পিউটারের প্রসেসর এর ভিতর অনেক গতিসম্পন্ন বিশেষ ধরনের স্টোরেজ বা মেমোরি।
- সব ডেটা প্রসেস হওয়ার পূর্বে রেজিস্টারে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষিত হয়।
- রেজিস্টার হলো একগুচ্ছ ফ্লিপফ্লপ ও লজিক গেইটের সমন্বয়ে গঠিত সার্কিট, যা অস্থায়ী মেমোরি হিসেবে কাজ করে।
- n বিট রেজিস্টারে n সংখ্যক ফ্লিপ-ফুপ থাকে এবং n নিট বাইনারি তথ্য সংরক্ষণ করতে পারে।

- রেজিস্টার প্রথম মেমোরি ডিভাইস হিসেবে CPU-এর অভ্যন্তরে থাকে এবং প্রসেসিং-এর সময় অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চিত রাখে।
- সরল ও সাধারণ রেজিস্টারগুলো শুধুমাত্র ফ্লিপ ফ্লপ সার্কিট দ্বারা গঠিত এবং ক্লক পালস্ দ্বারা পরিচালিত হয়।
- গঠন অনুসারে রেজিস্টার দুই ধরনের হয়ে থাকে। যথা- প্যারালাল লোড রেজিস্টার এবং শিফট রেজিস্টার।

• রেজিস্টার-এর ব্যবহার (Application of Register):
১. অস্থায়ীভাবে ডেটা সঞ্চয় করতে ব্যবহৃত হয়।
২. ক্যাশ মেমোরি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. বিভিন্ন ধরনের প্রিন্টার ও কী-বোর্ড বাফারে ব্যবহৃত হয়।
৪. ক্যালকুলেটর ও ডিজিটাল ঘড়িতে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কাগজে কালি স্প্রে করার জন্য কোন ধরনের প্রিন্টার ব্যবহৃত হয়?
  1. Ink-Jet
  2. Laser
  3. Dot Matrix
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• Ink-Jet প্রিন্টার কাগজে কালি স্প্রে করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে ছোট ছোট ইঙ্ক ড্রপ উচ্চ গতিতে কাগজের উপর ছিটিয়ে ছবি বা লেখা তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় কালি ফোঁটা খুবই সূক্ষ্ম ও নিয়ন্ত্রিতভাবে নিক্ষিপ্ত হয়, যার ফলে উচ্চ মানের ও স্পষ্ট প্রিন্ট পাওয়া যায়। Laser প্রিন্টার তাপ ব্যবহার করে কাগজে টোনার লাগায়, আর Dot Matrix প্রিন্টার পিন দিয়ে কাগজে ছাপ দেয়, তাই এরা কালি স্প্রে করে না। সুতরাং, যেসব কাজের জন্য সরাসরি কালি স্প্রে করতে হয়, Ink-Jet প্রিন্টারই সবচেয়ে উপযুক্ত। এটি ছবি, গ্রাফিক্স ও রঙিন প্রিন্টের জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।

• প্রিন্টার: 
- প্রিন্টার হলো কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস যা কম্পিউটারে প্রক্রিয়াকৃত তথ্যকে লিখিত আকারে উপস্থাপন করে। 
- প্রিন্টার কম্পিউটারের একটি আউটপুট ডিভাইস। 
যেমন- ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার, লেজার প্রিন্টার, ইংকজেট প্রিন্টার, থার্মাল প্রিন্টার ইত্যাদি। 

• ডট ম্যাট্রিক্স প্রিন্টার: 
- এই প্রিন্টার প্রিন্টিং হেডের পিনের মাধ্যমে অক্ষর তৈরি করে, যেখানে একাধিক পিন ব্যবহার করে কালি ফোঁটা আকারে অক্ষর ফুটিয়ে তোলে। 
- সাধারণত ৯, ২৪, বা ৪৮ পিন বিশিষ্ট প্রিন্টিং হেড থাকে, যা পিনের সংখ্যা অনুযায়ী প্রিন্টের গুণগত মান নির্ধারণ করে। 

• লেজার প্রিন্টার: 
- প্রিন্টিংয়ের গুণগত মানে লেজার প্রিন্টার সবচেয়ে উন্নত। 
- এটি দ্রুত এবং উচ্চ মানের প্রিন্টিং করতে সক্ষম। 
- লেজার প্রিন্টার "লেজার" (Light Amplification by Stimulated Emission of Radiation) রশ্মির মাধ্যমে কাগজে লেখা ফটিয়ে তোলে। 
- এর প্রধান অংশগুলো হলো লেজার হেড, ড্রাম ইউনিট, এবং টোনার কার্টিজ। 

• ইংকজেট প্রিন্টার: 
- ইংকজেট প্রিন্টার কালি ছড়িয়ে বা স্প্রে করে প্রিন্ট তৈরি করে। 
- এর প্রধান অংশগুলো হলো প্রিন্টিং হেড, কার্টিজ, হেড সরানোর মেকানিজম এবং কাগজ গ্রহণ করার কৌশল। 

• থার্মাল প্রিন্টার: 
- থার্মাল প্রিন্টারে কালি বা রিবন ব্যবহার করা হয় না; এর পরিবর্তে রাসায়নিক প্রলেপ দেওয়া বিশেষ ধরনের কাগজ ব্যবহার করা হয়। 
- এতে প্রিন্ট হেডে বৈদ্যুতিক রোধকের বিন্দু থাকে, যা তাপের মাধ্যমে কাগজে প্রিন্ট তৈরি করে। 
- ছাপার কাগজে রাসায়নিক প্রলেপ থাকায় তাপের প্রভাবে প্রিন্ট তৈরি হয়। 

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার জন্য কোন ধরণের কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়?
  1. হাইব্রিড কম্পিউটার
  2. মেইনফ্রেম কম্পিউটার
  3. এনালগ কম্পিউটার
  4. ডিজিটাল কম্পিউটার
ব্যাখ্যা
• হৃদযন্ত্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করার জন্য হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন একটি কম্পিউটার যা এনালগ এবং ডিজিটাল উভয় ধরনের তথ্য প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে। হৃদযন্ত্রের সিগন্যাল যেমন ইসিজি (ECG) ইত্যাদি এনালগ সিগন্যালের আকারে আসে, যা এনালগ কম্পিউটার দ্বারা গ্রহণ ও বিশ্লেষণ করা হয়। পরে এই তথ্য ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তরিত হয়ে ডিজিটাল কম্পিউটারে প্রক্রিয়া করা হয়। তাই, হার্ট মনিটরিং-এর মতো মেডিকেল অ্যাপ্লিকেশনে হাইব্রিড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয়, কারণ এটি দ্রুত এবং নির্ভুল ফলাফল দিতে সক্ষম।

• হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়। একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃৎযন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
কোনটি সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. CP/M
  2. Symbian OS
  3. Windows NT Server
  4. Palm OS
ব্যাখ্যা
• Windows NT Server সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়, কারণ এটি মাল্টি-ইউজার এবং মাল্টি-টাস্কিং ক্ষমতাসম্পন্ন। CP/M, Symbian OS, এবং Palm OS মূলত সিঙ্গেল ইউজার পরিবেশে ব্যবহৃত হয়, যেখানে এক সময়ে একটি ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে। Windows NT Server মূলত সার্ভার পরিবেশে ব্যবহৃত হয় এবং একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে বিভিন্ন কাজ পরিচালনা করতে পারে। তাই, এটি সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম নয়, বরং মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম। এর ফলে একাধিক ব্যবহারকারী নেটওয়ার্ক বা সার্ভারে একই সময়ে কাজ করতে সক্ষম হয়।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের জন্য কোন প্রটোকলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়?
  1. TCP/IP
  2. SMTP
  3. POP
  4. IMAP
ব্যাখ্যা
• ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত প্রটোকল হলো TCP/IP. TCP/IP হলো দুটি মূল প্রটোকলের সমন্বয়, যেখানে TCP (Transmission Control Protocol) ডেটার সঠিক এবং নিরাপদ স্থানান্তর নিশ্চিত করে, আর IP (Internet Protocol) ডেটা প্যাকেটগুলোকে সঠিক গন্তব্যস্থলে পৌঁছে দেয়। এই প্রটোকল ইন্টারনেটের মৌলিক ভিত্তি, যা ওয়েব ব্রাউজিং, ইমেইল, ফাইল ট্রান্সফারসহ সকল নেটওয়ার্ক যোগাযোগের জন্য অপরিহার্য। অন্য প্রটোকল যেমন SMTP ইমেইল পাঠানোর জন্য, POP ও IMAP ইমেইল গ্রহণের জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই তথ্য বিনিময়ের মূল প্রটোকল TCP/IP।
সঠিক উত্তর: ক) TCP/IP

• অন্য প্রটোকলগুলি:
- IMAP (Internet Message Access Protocol): এটি ইমেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য ব্যবহৃত হয়।

- POP (Post Office Protocol): এটি ইমেইল পেতে এবং মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল ডাউনলোড করতে ব্যবহৃত হয়।

- SMTP (Simple Mail Transfer Protocol): এটি ইমেইল প্রেরণের জন্য ব্যবহৃত হয়।

তবে TCP/IP হল ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য বিনিময়ের মূল প্রটোকল।

• ইন্টারনেট:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো ‘Advanced Research Projects Agency Network’
- মার্কিন নাগরিক ভিনটন জি কার্ফ ১৯৬৯ সালে ইন্টারনেট আবিষ্কার করেন।
- ভিনটন জি কার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
কম্পিউটার কীবোর্ডের F5 কী - কোন কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়?
  1. ফুলস্ক্রিন দেখা
  2. ভুল বের করা
  3. পেইজ রিফ্রেশ
  4. স্পেলিং চেক করা
ব্যাখ্যা
• কম্পিউটারের কী বোর্ডের F5 কী সাধারণত পেইজ রিফ্রেশ বা রিফ্রেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। ওয়েব ব্রাউজার বা অন্য সফটওয়্যারে কোনো পেইজ বা তথ্য হালনাগাদ করতে এই কী চাপানো হয়। এতে বর্তমান পেইজটি আবার লোড হয় এবং নতুন তথ্য বা পরিবর্তনগুলো দেখা যায়। উদাহরণস্বরূপ, ইন্টারনেট ব্রাউজারে যখন কোন ওয়েবসাইটের নতুন আপডেট দেখতে চান, তখন F5 চাপালে পেইজটি রিফ্রেশ হয়। তাই F5 এর কাজ ভুল বের করা বা প্রোগ্রাম বন্ধ করা নয়, এবং ফুলস্ক্রিন দেখানোর জন্য সাধারণত F11 কী ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: গ) পেইজ রিফ্রেশ।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।
.
প্রোগ্রামিং চলাকালীন কোন ধরনের ভুল হলে কম্পিউটার ত্রুটির বার্তা দেখায়?
  1. Logical Error
  2. Data Error
  3. Syntax Error
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং চলাকালীন Syntax Error হলে কম্পিউটার ত্রুটির বার্তা দেখায়। এটি তখন ঘটে যখন কোডের গঠন বা নিয়ম সঠিক হয় না, যেমন ভুল বানান, ভুল সেমিকোলন বা ব্র্যাকেট না থাকা। কম্পাইলার বা ইন্টারপ্রেটার এই ভুল শনাক্ত করে এবং ত্রুটির বার্তা দেখায়, ফলে প্রোগ্রাম রান হয় না যতক্ষণ না ভুল ঠিক করা হয়। অন্যদিকে, Logical Error হলে প্রোগ্রাম চলে কিন্তু ফলাফল ভুল হয়, আর Data Error ডাটা সংক্রান্ত সমস্যা নির্দেশ করে, যা সাধারণত ত্রুটির বার্তা দেয় না। তাই Syntax Error ত্রুটি বার্তা দেখায়।
সঠিক উত্তর: গ) Syntax Error।

• Data Error:
- কম্পিউটারে ভুল ডাটা দিলে তাকে ডাটা ভুল বলে।
- ডাটা ভুল কম্পিউটার বুঝতে পারে না। যেমন: 82 এর স্থলে 28 লেখা, এ ধরনের ভুলে কম্পিউটার ভুলের বার্তা প্রদর্শন করে না।

• Syntax Error:
- সিনট্যাক্স ভুল বলতে বোঝায় প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যাকরণগত ভুল।
- সিনট্যাক্স ভুলের উদাহরণ: বানান ভুল (PRINT কে PRIMT লেখা ইত্যাদি); সেমিকোলন না দেওয়া, ব্রাকেট ঠিকমত না দেওয়া; কোন চলক ঘোষণা না করা প্রভৃতি।
- এসব ভুল সংশোধন করা খুবই সহজ কারণ সিনট্যাক্স ভুলের বেলা কম্পিউটার একটি ভুলের বার্তা ছাপায় যেমন 12 নম্বর লাইনে ভুল আছে।

• Logical Error:
- প্রোগ্রামে যুক্তির ভুল থাকলে তাকে বলে লজিক্যাল ভুল।
- সাধারণত সমস্যা ঠিকমত না বোঝার জন্যই এই ভুল হয়। যেমন A < B এর স্থলে A > B বা X = A + B এর স্থানে X = A - B লিখলে লজিক ভুল হয়।
- সিনট্যাক্স ভুলের ক্ষেত্রে গণনা সম্ভব না হওয়ায় কোন উত্তর পাওয়া যায় না কিন্তু লজিক ভুলের ক্ষেত্রে একটি উত্তর পাওয়া যায় যদিও তা ভুল।
- কম্পিউটার কোন ভুলের বার্তা পাঠায় না বলে লজিক ভুল সংশোধন করা খুব কঠিন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
.
ব্যাংকের একাধিক শাখার মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য একটি শহরে কোন নেটওয়ার্ক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?
  1. PAN
  2. WAN
  3. LAN
  4. MAN
ব্যাখ্যা
• ব্যাংকের একাধিক শাখার মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য একটি শহরের ভিতরে MAN (Metropolitan Area Network) প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। MAN হলো একটি নেটওয়ার্ক যা শহর বা বড় নগর এলাকার মধ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা শাখাকে সংযুক্ত করে। এটি LAN থেকে বড় এবং WAN থেকে ছোট পরিসরে কাজ করে। ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা একে অপরের সঙ্গে ডেটা, ট্রানজেকশন ও তথ্য দ্রুত বিনিময় করতে MAN প্রযুক্তির মাধ্যমে সংযুক্ত থাকে। MAN সাধারণত উচ্চ গতির ফাইবার অপটিক বা অন্যান্য দ্রুতগতির মিডিয়ার মাধ্যমে কাজ করে। তাই শহরের মধ্যে ব্যাংক শাখা সংযোগে এটি কার্যকর।
সঠিক উত্তর: ঘ) MAN.

• মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক(MAN):
- এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Metropolitan Area Network.
- একটি শহরে বিভিন্ন স্থানের কম্পিউটারের মধ্যে যে সংযোগ তাকে MAN বলে।
- এই ধরনের নেটওয়ার্কের জন্য মিডিয়া হিসাবে টেলিফোন লাইন, মডেম ও আনুসঙ্গিক যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়।
- ব্যাংক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন শাখা অফিসের মধ্যে যোগাযোগ এর জন্য এই ধরনের নেটওয়ার্ক পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
- ১০ কিলোমিটারের মধ্যে এই নেটওয়ার্ক ভাল কাজ করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
WiMAX-এর সাথে কোন IEEE স্ট্যান্ডার্ড যুক্ত?
  1. IEEE 802.16
  2. IEEE 802.15
  3. IEEE 802.3
  4. IEEE 802.11
ব্যাখ্যা
• WiMAX (Worldwide Interoperability for Microwave Access) হলো একটি বেতার যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা সরবরাহের জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি শহর বা গ্রামীণ এলাকায় উচ্চগতির ডেটা সংযোগ প্রদান করতে সক্ষম। WiMAX প্রযুক্তির জন্য যে IEEE স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহৃত হয়, তা হলো IEEE 802.16। এই স্ট্যান্ডার্ডটি বিশেষভাবে ব্রডব্যান্ড ওয়্যারলেস অ্যাক্সেস (BWA) ব্যবস্থার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। অন্যদিকে, IEEE 802.11 হলো Wi-Fi এর জন্য, 802.3 হলো ইথারনেটের জন্য, এবং 802.15 হলো ব্লুটুথের জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড। তাই WiMAX-এর জন্য সঠিক স্ট্যান্ডার্ড হলো IEEE 802.16।
সঠিক উত্তর: ক) IEEE 802.16 

• অপশন আলোচনা:
IEEE 802.11 → এটি Wi-Fi-এর জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড।
IEEE 802.3 → এটি ইথারনেট (Ethernet) এর জন্য ব্যবহৃত স্ট্যান্ডার্ড। 
IEEE 802.15 → এটি ব্লুটুথ এবং অন্যান্য পার্সোনাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (PAN) এর জন্য ব্যবহৃত।

• Wi-Max:
- WiMAX এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Worldwide Interoperability for Microwave Access।
- একটি WiMAX বেস স্টেশন যা ইনডোর ও আউটডোর টাওয়ার নিয়ে গঠিত। অন্যটি এন্টেনাসহ WiMAX রিসিভার, যা কোনো কম্পিউটার বা ল্যাপটপে সংযুক্ত থাকে।

• Wi-MAX-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- এটি IEEE 802.16 স্ট্যান্ডার্ডের ওয়্যারলেস মেট্রোপলিটন এরিয়া নেটওয়ার্ক (WMAN)
- নেটওয়ার্ক সংস্থাপন ক্যাবলিংয়ের তুলনায় সহজ এবং সুবিধাজনক।
- ব্যান্ডউইথ বা ডেটা ট্রান্সফার রেইট ওয়্যারেড নেটওয়ার্ক বা ক্যাবলিংয়ের তুলনায় বেশি।
- একইসাথে ওয়্যারেড এবং ওয়ালেস উভয়ই নেটওয়ার্কের সুবিধা প্রদান করে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।

- ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ড লাইসেন্স বা লাইসেন্সবিহীন উভয়ই হতে পারে।
- অধিকাংশ ক্ষেত্রে ফ্রিকুয়েন্সি ব্যান্ডের জন্য সরকার বা সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অনুমোদন নিতে হয়।
- সংস্থাপন এবং রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি।
- নেটওয়ার্কের জন্য পর্যাপ্ত ইলেকট্রিক্যাল সাপোর্ট থাকতে হয়।
- বিদ্যুৎ ব্যয় তুলনামূলক বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১০.
ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় মৌলিক একক হিসেবে কোনটি সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে?
  1. Kilobyte
  2. Character
  3. Byte
  4. Bit
ব্যাখ্যা
• ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় মৌলিক একক হিসেবে Bit সর্বনিম্ন স্তরে রয়েছে। Bit অর্থ হলো "Binary Digit", যা কেবল দুটি মান ধারণ করতে পারে — ০ বা ১। এটি সব ধরনের ডিজিটাল ডেটা প্রক্রিয়াকরণের ভিত্তি। কম্পিউটারে সমস্ত তথ্য, যেমন সংখ্যা, বর্ণ, ছবি, শব্দ ইত্যাদি, বিটের সমন্বয়ে তৈরি হয়। ৮টি বিট মিলে একটি Byte, একটি বা একাধিক বাইট মিলে Character, এবং ১০২৪ বাইট মিলে হয় Kilobyte। তাই বিট হচ্ছে সবচেয়ে ছোট এবং মৌলিক একক, যার ওপর ভিত্তি করে সব উচ্চতর ডেটা ইউনিট তৈরি হয়।
সঠিক উত্তর: ঘ) Bit 

• গুরুত্বপূর্ণ কিছু পরিমাপ:
- ১ নিবল = ৪ বিট।
- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবাইট = ২১০ বাইট বা ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ২২০ বাইট বা ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ২৩০ বাইট বা ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ২৪০ বাইট বা ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পিটাবাইট = ২৫০ বাইট বা ১০২৪ টেরাবাইট।

• উল্লেখ্য, Word হলো একাধিক বিটের সমন্বয়ে তৈরি একটি ইউনিট, যার আকার কম্পিউটারের স্থাপত্য অনুযায়ী ভিন্ন হতে পারে (যেমন 16-bit, 32-bit, 64-bit ইত্যাদি)।
আবার, ক্যারেক্টার একাধিক বিটের সমান। 
১ ASCII-code = ১ বাইট।
১ UTF-16 character = ২ বাইট।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. Computerhope website.ক্যারেক্টার একাধিক বিটের সমান। 

উৎস: ব্রিটানিকা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।
১১.
কোন সংখ্যা পদ্ধতি কেবলমাত্র ০ এবং ১ ডিজিট ব্যবহার করে?
  1. Decimal
  2. Octal
  3. Hexadecimal
  4. Binary
ব্যাখ্যা

• যে সংখ্যা পদ্ধতি কেবলমাত্র ০ এবং ১ ডিজিট ব্যবহার করে, তাকে Binary সংখ্যা পদ্ধতি বলা হয়। এটি একটি দ্বিমিক (base-2) সংখ্যা পদ্ধতি, যেখানে মাত্র দুটি সংখ্যা বা বিট (০ ও ১) ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটারের সকল ডেটা ও নির্দেশনা বাইনারি কোডে রূপান্তরিত হয়ে প্রসেস হয়। কারণ, কম্পিউটার সার্কিট কেবল দুটি অবস্থা (চালু বা বন্ধ, অর্থাৎ ১ বা ০) বুঝতে পারে। অন্যদিকে, Decimal পদ্ধতিতে ০-৯ পর্যন্ত দশটি ডিজিট, Octal পদ্ধতিতে ০-৭ পর্যন্ত আটটি ডিজিট এবং Hexadecimal পদ্ধতিতে ০-৯ এবং A-F পর্যন্ত ১৬টি ডিজিট ব্যবহার করা হয়। তাই সঠিক উত্তর: ঘ) Binary.

বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি: 
- যে সংখ্যা পদ্ধতিতে 0 এবং 1 এই দু'টিমাত্র সংখ্যা বা অংক ব্যবহার করা হয় তাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- মোট দু'টি অংক ব্যবহারের কারণেই এই সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তি হচ্ছে ২। যেমন- (১০১), ১০০০১, (১০০০.১১১) ইত্যাদি হলো বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির উদাহরণ।
- এই পদ্ধতির 0 এবং 1 এই অংক দু'টিকে সংক্ষেপে বিট (Binary থেকে Bi এবং Digit থেকে। নিয়ে Bit) বলা হয়।
- 0 এবং 1-কে বিভিন্নভাবে সাজিয়ে যে কোন সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে লেখা সম্ভব। যেমন- দশমিক সংখ্যা 127 বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে 10000011।

• অপশন আলোচনা:
- দশমিক (Decimal): ০ থেকে ৯ পর্যন্ত ১০টি অংক (বেস-১০)।
- অক্টাল (Octal): ০ থেকে ৭ পর্যন্ত ৮টি অংক (বেস-৮)।
- হেক্সাডেসিমাল (Hexadecimal): ০ থেকে F পর্যন্ত ১৬টি অংক (বেস-১৬)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম নয় কোনটি?
  1. Apple iCloud
  2. USB Flash Drive
  3. Backblaze
  4. Google Photos
ব্যাখ্যা
• ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম নয় USB Flash Drive. এটি একটি স্টোরেজ ডিভাইস যা কম্পিউটারের সাথে USB পোর্টে সংযুক্ত করে ডেটা সংরক্ষণ ও স্থানান্তর করা হয়। অন্যদিকে, Apple iCloud, Backblaze এবং Google Photos হলো ক্লাউড স্টোরেজ প্ল্যাটফর্ম, যেগুলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে ডেটা সংরক্ষণ ও অ্যাক্সেস করার সুবিধা দেয়। ক্লাউড স্টোরেজে ডেটা অনলাইন সার্ভারে থাকে এবং যেকোনো জায়গা থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করে তা অ্যাক্সেস করা যায়। কিন্তু USB Flash Drive ব্যবহার করতে হলে ডিভাইসটি সঙ্গে রাখতে হয়। তাই, এটি ক্লাউড প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্ত নয়। সঠিক উত্তর: খ) USB Flash Drive।

• ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশ থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর বৈশিষ্ট্য তিনটি।যথা:
- Resource Scalability,
- On Demand এবং
- Pay as you go.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।
১৩.
স্টারলিংকের মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্বে কোন কোম্পানি নিয়োজিত?
  1. Google
  2. Blue Origin
  3. SpaceX
  4. NASA
ব্যাখ্যা
• স্টারলিংক একটি স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা, যার মালিকানা ও পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছে SpaceX. এটি এলন মাস্ক প্রতিষ্ঠিত একটি বেসরকারি মহাকাশ প্রযুক্তি কোম্পানি। স্টারলিংকের লক্ষ্য পৃথিবীর প্রত্যন্ত ও ইন্টারনেট-বঞ্চিত এলাকাগুলোতে উচ্চগতির ইন্টারনেট সরবরাহ করা। SpaceX হাজার হাজার ক্ষুদ্র উপগ্রহ পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে স্থাপন করে এই পরিষেবা পরিচালনা করছে।
- Google, Blue Origin বা NASA স্টারলিংকের মালিক নয়। Blue Origin হলো আরেকটি মহাকাশ কোম্পানি, Google একটি প্রযুক্তি কোম্পানি, এবং NASA একটি সরকারি মহাকাশ সংস্থা।

- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) SpaceX.

• স্টারলিংক ইন্টারনেট পরিষেবা:
- প্রথম উপগ্রহটি ২০১৯ সালে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল।
- ২০২০ সালে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হয়েছিল।
- এবং এরপর থেকে এটি ধীরে ধীরে বিশ্বব্যাপী ইন্টারনেট পরিষেবা প্রদান করে আসছে।
- স্টারলিংক একটি উপগ্রহ-ভিত্তিক ইন্টারনেট পরিষেবা যা স্পেসএক্স দ্বারা পরিচালিত হয়।
- স্টারলিংক সাধারণত প্রতি সেকেন্ডে ৫০ থেকে ১৫০ মেগাবিট পর্যন্ত ডাউনলোড গতি। 

উৎস: Britannica.
১৪.
প্রথমবারের মতো ল্যাপটপ কম্পিউটার বাজারে আনে কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. IBM
  2. Epson
  3. Dell
  4. কোনটি নয়
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার বাজারে আনে Epson প্রতিষ্ঠান। ১৯৮১ সালে Epson তাদের তৈরি করা Epson HX-20 নামে একটি পোর্টেবল কম্পিউটার বাজারে আনে, যেটিকে ইতিহাসে প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার হিসেবে গণ্য করা হয়। এটি ছিল ব্যাটারিচালিত, ছোট ডিসপ্লে ও বিল্ট-ইন কীবোর্ডসহ একটি পূর্ণাঙ্গ কম্পিউটার, যা সহজে বহনযোগ্য ছিল। এরপর IBM এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ল্যাপটপের উন্নত সংস্করণ বাজারে আনে।
- যদিও Dell এবং IBM পরবর্তীতে জনপ্রিয় ল্যাপটপ নির্মাতা হিসেবে পরিচিত হয়, Epson-ই প্রথম এই প্রযুক্তি বাজারে চালু করে।
- সঠিক উত্তর: খ) Epson.

• ল্যাপটপ কম্পিউটার:
- ল্যাপটপ কম্পিউটার এসি বিদ্যুত এবং ব্যাটারি উভয়ের সাহায্যেই ব্যবহার করা যায়।
- ১৯৮১ সালে এপসন (Epson) কোম্পানি প্রথম ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রবর্তন করে।
- ল্যাপটপ কম্পিউটার ডেক্সটপের চেয়ে অনেক বেশি বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী।

- ল্যাপটপ কম্পিউটারে মাউসের পরিবর্তে টাচপ্যাড ব্যবহার করা হয়।
- ল্যাপটপ কম্পিউটারের সাথে আলাদাভাবে মিনিটর, মাউস, কি-বোর্ড ইত্যাদি ডিভাইস যুক্ত করা যায়।
- বাংলাদেশের তৈরি প্রথম ল্যাপটপ দোয়েল (DOEL) তৈরি করে টেলিফোন শিল্প সংস্থা লিমিটেড।

উৎস: ব্রিটানিকা।
১৫.
নিচের কোনটি মৌলিক লজিক গেইট নয়?
  1. NOT
  2. OR
  3. NAND
  4. AND
ব্যাখ্যা
• NOT, OR এবং AND - এই তিনটি গেইটকে মৌলিক (Basic) লজিক গেইট বলা হয়। এদের মাধ্যমে যেকোনো জটিল লজিক সার্কিট গঠন করা সম্ভব। NAND গেইট একটি কমপোজিট গেইট, যা মৌলিক গেইটগুলোর সমন্বয়ে তৈরি। যদিও NAND গেইট দিয়ে একাই সব ধরনের লজিক অপারেশন করা যায় (এটিকে Universal Gate বলা হয়), তবুও এটি মৌলিক নয়। মৌলিক গেইট হতে হলে সেটি সরাসরি লজিক অপারেশনের ভিত্তি হতে হবে এবং অন্য গেইটের সমন্বয়ে তৈরি হওয়া যাবে না।
- সুতরাং, অপশনগুলোর মধ্যে NAND গেইটটি মৌলিক লজিক গেইট নয়।


• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৬.
নিচের দেশগুলোর মধ্যে কোনটি প্রথম পেটাফ্লপ সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছে?
  1. China
  2. Japan
  3. India
  4. USA
ব্যাখ্যা
• বিশ্বের প্রথম পেটাফ্লপ সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছে USA. ২০০৮ সালে আমেরিকার লস আলামোস ন্যাশনাল ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা “Roadrunner” নামক সুপারকম্পিউটারটি প্রথম পেটাফ্লপ সক্ষমতা অর্জন করে। পেটাফ্লপ মানে হলো প্রতি সেকেন্ডে এক কোয়াড্রিলিয়ন (১০১৫) গাণিতিক অপারেশন সম্পাদন করার ক্ষমতা। এটি সুপারকম্পিউটিংয়ের ইতিহাসে একটি বড় মাইলফলক ছিল।
- অন্যদিকে, চীন ও জাপানও সুপারকম্পিউটারের ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি করেছে, কিন্তু প্রথম পেটাফ্লপ সুপারকম্পিউটার তৈরি করার গৌরব পেয়েছে USA।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) USA.


• সুপার কম্পিউটার:
- সুপার কম্পিউটার হচ্ছে সবচেয়ে শক্তিশালী, ব্যয়বহুল ও দ্রুতগতিসম্পন্ন কম্পিউটার।
- সুপার কম্পিউটার একসাথে একাধিক ব্যবহারকারী ব্যবহার করতে পারে।
- এ ধরনের কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণ উপাত্ত সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত মেমোরি এবং বিপুল পরিমাণ প্রক্রিয়াকরণ কাজের ক্ষমতা থাকে।
- এ ধরনের কম্পিউটারগুলোতে কয়েকটি প্রসেসর একই সঙ্গে কাজ করে এবং প্রতি সেকেন্ডে কোটি কোটি বৈজ্ঞানিক, গাণিতিক ও প্রক্রিয়াকরণের কাজ সম্পাদন করে।
- সূক্ষ্ম বৈজ্ঞানিক গবেষণা, বিপুল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণ, নভোযান, ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ন্ত্রণ, মহাকাশ গবেষণা, বিভিন্ন ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র ডিজাইন, সিমুলেশন, পারমাণবিক চুল্লির নিয়ন্ত্রণ, পরিচালনা ইত্যাদি কাজে সুপার কম্পিউটার ব্যবহার করা হয়।

• সুপার কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
১. বিশাল সংখ্যার প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট।
২. RAM টাইপ মেমরি ইউনিটের একটি বিশাল সংগ্রহ।
৩. নোডের মধ্যে উচ্চ গতির আন্তঃসংযোগ।
৪. উচ্চ ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের গতি।
৫. কাস্টম সফ্টওয়্যার ব্যবহার।
৬. কার্যকর তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাপনা।
৭. এটি বিপুল পরিমাণ গণনা পরিচালনা করতে সক্ষম যা মানুষের ক্ষমতার বাইরে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।
১৭.
(.46)10 = (?)2
  1. 0.01110......
  2. 0.11110......
  3. 0.11111......
  4. 0.01010......
ব্যাখ্যা
• (.46)10 = (0.01110......)2

• ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে দশমিক হতে বাইনারিতে রূপান্তর:
দশমিক ভগ্নাংশকে ২ দ্বারা গুণ করতে হয় এবং গুণফলের পূর্ণ অংশটি সংরক্ষিত রেখে ভগ্নাংশকে পুনরায় ২ দ্বারা গুণ করতে হয়, এরপর পূর্ণ অঙ্ক হিসেবে প্রাপ্ত অঙ্কগুলো প্রাপ্তির ক্রমানুসারে পাশাপাশি লিখে দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ বাইনারি সংখ্যা পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
১৮.
দুটি বিটের সমষ্টি এবং ক্যারি নির্ণয় করে এমন অ্যাডার হচ্ছে:
  1. ডিকোডার
  2. ফুল-অ্যাডার
  3. এনকোডার
  4. হাফ-অ্যাডার
ব্যাখ্যা
• দুটি বিটের সমষ্টি এবং ক্যারি নির্ণয় করে এমন অ্যাডারকে হাফ-অ্যাডার বলা হয়। হাফ-অ্যাডার দুটি ইনপুট বিট নেয় এবং তাদের যোগফল (Sum) ও ক্যারি (Carry) আউটপুট হিসেবে দেয়। এটি একটি মৌলিক ডিজিটাল সার্কিট যা বিট বাই বিট যোগ করার কাজ করে, তবে এতে কোনো ইনপুট ক্যারি বিট থাকে না।
- ফুল-অ্যাডার ইনপুট ক্যারি বিবেচনা করে কাজ করে, আর ডিকোডার ও এনকোডার তথ্য সংকেত রূপান্তরিত করে। তাই শুধুমাত্র দুটি বিট যোগের জন্য উপযুক্ত অ্যাডার হচ্ছে হাফ-অ্যাডার।
- সঠিক উত্তর: ঘ) হাফ-অ্যাডার।

• অ্যাডার:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সে যে সমবায় সার্কিট দ্বারা যোগ করা যায় তাকে অ্যাডার বলে।
- অ্যাডার দুই ধরনের। যথা-

১. হাফ-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার দুটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে হাফ-অ্যাডার বলে।

২. ফুল-অ্যাডার:
- যে অ্যাডার একটি ক্যারি ও দুটি বিটসহ মোট তিনটি বিট যোগ করে যোগফল ও হাতে থাকা সংখ্যা বা ক্যারি বের করে তাকে ফুল-অ্যাডার বলে।

• এনকোডার:
- এনকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা আলফাবেট বা মানুষের বোধগম্য ভাষাকে কম্পিউটারের বোধগম্য বা যান্ত্রিক ভাষায় রূপান্তর করে।

• ডিকোডার:
- ডিকোডার হলো এমন এক ধরনের ইলেট্রনিক সার্কিট বা ডিজিটাল বর্তনী যা কম্পিউটারে ব্যবহৃত ভাষাকে মানুষের বোধগম্য ভাষায় রূপান্তর করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
১৯.
কোন কোম্পানি EBCDIC ডেভেলপ করেছিল?
  1. Microsoft
  2. IBM
  3. Intel
  4. Apple
ব্যাখ্যা
• EBCDIC (Extended Binary Coded Decimal Interchange Code) হলো একটি অক্ষর কোডিং সিস্টেম যা IBM কোম্পানি তৈরি করেছিল। এটি মূলত মেইনফ্রেম কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত হত, যেখানে ক্যারেক্টারগুলিকে বাইনারি ফর্মে রূপান্তর করা হয়। EBCDIC কোডিং সিস্টেমটি ASCII এর বিকল্প হিসেবে তৈরি হয়েছিল, যা IBM এর নিজস্ব কম্পিউটার প্ল্যাটফর্মে বেশি ব্যবহার করা হয়।
- অন্যদিকে, Microsoft, Intel, এবং Apple এর তৈরি কোডিং সিস্টেম বা ক্যারেক্টার এনকোডিং আলাদা এবং EBCDIC এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাই EBCDIC ডেভেলপ করেছিল IBM।
- সঠিক উত্তর: খ) IBM

• ইবিসিডিক কোড:
- ইবিসিডিক (EBCDIC) Extended Binary Coded Information Code-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি একটি ৪ বিটের কোড।
- সুতরাং এ কোড দ্বারা 28 বা 256টি অংক, অক্ষর বা চিহ্ন প্রকাশ করা যায়।
- এই কোডে জোন বিট হিসেবে 0 থেকে 9 পর্যন্ত, সংখ্যার জন্য 1111, A থেকে Z পর্যন্ত বর্ণের জন্য 1100, 1101, 1110 এবং বিশেষ চিহ্নের জন্য 0100, 0101, 0110 ও 0111 ব্যবহৃত হয়।
- দশমিক সংখ্যাগুলোকে BCD 8421 কোডের মাধ্যমে প্রকাশ করে প্রত্যেক সংখ্যার সাথে 1111 যোগ করে EBCDIC কোড প্রকাশ করা হয়।

- যেমন- 5 কে EBCDIC-এ প্রকাশ করতে হলে 5 কে প্রথমে BCD 8421 অর্থাৎ 0101-এ প্রকাশ করে এর সাথে 1111 যোগ করতে হবে। কাজেই 5-এর EBCDIC হবে 111101011
'A' এর জন্য EBCDIC 1100 0001
'N' এর জন্য EBCDIC 1010 1100 ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর সর্বাধিক কতটুকু মেমোরি অ্যাড্রেস করতে সক্ষম?
  1. 1 KB
  2. 64 KB
  3. 16 KB
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• ৮০৮০ মাইক্রোপ্রসেসর একটি ১৬-বিট অ্যাড্রেস বাস ব্যবহার করে, যার মাধ্যমে সর্বাধিক 64 KB (65536 বাইট) পর্যন্ত মেমোরি অ্যাড্রেস করতে পারে। একটি ১৬-বিট অ্যাড্রেস বাসের কারণে এটি 216 = 65536টি আলাদা মেমোরি লোকেশন অ্যাড্রেস করতে পারে। প্রতিটি মেমোরি লোকেশন ১ বাইট ধারণ করতে পারে, তাই মোট 64 KB মেমোরি ব্যবহার সম্ভব। এটি ৮-বিটের ডেটা বাস সমর্থন করে, অর্থাৎ একসাথে ৮-বিট ডেটা প্রক্রিয়াজাত করতে পারে। ৮০৮০ ছিল প্রথম দিককার জনপ্রিয় মাইক্রোপ্রসেসরগুলোর একটি, যা ছোট কম্পিউটার ও এমবেডেড সিস্টেমে ব্যবহৃত হতো।
- সঠিক উত্তর: খ) 64 KB 

• মাইক্রোপ্রসেসর:
- কম্পিউটারের কার্যব্যবস্থাকে সঠিকভাবে নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য কম্পিউটারের যে অংশটি বা হার্ডওয়্যারটি সর্বাধিক ভূমিকা পালন করে, তাকে মাইক্রোপ্রসেসর বা প্রসেসর হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- মাইক্রোপ্রসেসর হলো সিলিকনের তৈরি এক ধরনের ভিএলএসআই (VLSI-Very Large Scale Integration) চিপ।
- একটি একক ভিএলএসআই সিলিকন চিপের মধ্যে এক মিলিয়নেরও অধিক ডায়োড, ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর ইত্যাদি একীভূত থাকে।
- মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশ হিসেবে কাজ করে।
- মাইক্রোপ্রসেসরকেই মাইক্রোকম্পিউটারের মস্তিষ্ক বা ব্রেইন বলা হয়। 
- বিটের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে মাইক্রোপ্রসেসরের নামকরণ করা হয়ে থাকে। যেমন: 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 16 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 32 বিট মাইক্রোপ্রসেসর, 64 বিট মাইক্রোপ্রসেসর ইত্যাদি।
- যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করে।
- এটি ছিলো Intel 4004 নামের 4 বিট মাইক্রোপ্রসেসর। 

• ৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
 ৪০০৪,
৪০৪০।

• ৮ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০০৮,
৮০৮০।

• ১৬ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
৮০৮৬,
৮০৮৮, 
৮০১৮৬।

• ৬৪ বিট বিশিষ্ট মাইক্রোপ্রসেসর:
Intel Core i3,
Core i5,
Core i7,
Intel Itanium.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২১.
কোনটি একটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Inferno
  2. Minix
  3. Redox
  4. Hermes
ব্যাখ্যা
• অপারেটিং সিস্টেম হলো একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও ব্যবহারকারীর মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন করে এবং বিভিন্ন প্রোগ্রাম চালাতে সাহায্য করে। Inferno, Minix, এবং Redox - এ তিনটি প্রকৃত অপারেটিং সিস্টেম। Inferno একটি বিতরণকৃত (distributed) অপারেটিং সিস্টেম, Minix হলো একটি ইউনিক্স-ভিত্তিক শিক্ষামূলক অপারেটিং সিস্টেম, আর Redox একটি আধুনিক, রাস্ট ভাষায় তৈরি মাইক্রোকার্নেল ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।
- কিন্তু Hermes কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়; এটি সাধারণত একটি মেসেজিং সিস্টেম বা অন্যান্য প্রযুক্তিগত প্রজেক্টের নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়। তাই, Hermes অপারেটিং সিস্টেম নয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) Hermes

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।

• অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:
1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
(4851)10 = (P)16, এখানে P এর মান কত?
  1. 12F3
  2. 13F4
  3. 13E2
  4. 12F1
ব্যাখ্যা
• (4851)10 = (P)16, এখানে P এর মান = 12F3

• পূর্ণ দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তর:
১. দশমিক সংখ্যাকে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যায় রূপান্তরিত করার জন্য দশমিক সংখ্যাকে ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
২. ভাগফলকে পুনরায় ১৬ দিয়ে ভাগ করে ভাগশেষকে সংরক্ষণ করতে হবে।
৩. এ পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করতে হবে যতক্ষণ না ভাজ্য ০ হয়।
৪. সংরক্ষিত ভাগশেষগুলোকে শেষ থেকে প্রথম দিকে ধারাবাহিকভাবে অর্থাৎ উল্টো করে সাজিয়ে লিখলে ১ থেকে F এর সমন্বয়ে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায় তাই দশমিক সংখ্যার সমকক্ষ হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা।
৫. ভাগশেষ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে যদি ভাগশেষ ১০ থেকে ১৫ হয় তবে যথাক্রমে ১০ A, ১১ → B, ১২ C, ১৩→D, ১৪ ও ১৫ F সংখ্যা লিখতে হবে।
২৩.
নিম্নের কোনটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস?
  1. 203.0.113.0
  2. 8.8.8.8
  3. 192.0.2.256
  4. 127.0.0.1
ব্যাখ্যা
• IPv4 অ্যাড্রেস চারটি সংখ্যার গ্রুপ নিয়ে গঠিত, প্রতিটি গ্রুপের মান হতে পারে 0 থেকে 255-এর মধ্যে। প্রতিটি গ্রুপকে অক্টেট বলা হয় এবং এগুলো ডট (.) দিয়ে আলাদা করা হয়। প্রশ্নে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে “192.0.2.256” একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এখানে শেষ অক্টেটটি 256, যা গ্রহণযোগ্য সীমা 0-255 এর বাইরে। অন্য তিনটি অ্যাড্রেস (203.0.113.0, 8.8.8.8, 127.0.0.1) বৈধ ও প্রচলিত IPv4 অ্যাড্রেস।
- তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে: গ) 192.0.2.256 — এটি একটি ভুল IPv4 অ্যাড্রেস, কারণ এতে সংখ্যাগত সীমা লঙ্ঘিত হয়েছে।


• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।
- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-

১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
নিচের DBMS গুলোর মধ্যে কোনটি প্রোপ্রাইটারি?
  1. Firebird
  2. CouchDB
  3. Redis
  4. IBM Db2
ব্যাখ্যা
• অপশনের DBMS গুলোর মধ্যে IBM Db2 একটি প্রোপ্রাইটারি (স্বত্বাধিকারী) - (ওপেন সোর্স নয়) ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম। এটি IBM কোম্পানি দ্বারা উন্নত ও ব্যবস্থাপিত হয় এবং সাধারণত লাইসেন্স ফি দিয়ে ব্যবহার করতে হয়।
- অন্যদিকে, Firebird, CouchDB এবং Redis হলো ওপেন সোর্স ডাটাবেস, অর্থাৎ এগুলোকে বিনামূল্যে ব্যবহার, পরিবর্তন ও বিতরণ করা যায়। প্রোপ্রাইটারি DBMS গুলো সাধারণত উন্নত সাপোর্ট, নিরাপত্তা ও ফিচার দিয়ে থাকে, যা ব্যবসায়িক প্রয়োজনে উপযোগী। তাই, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রোপ্রাইটারি DBMS ব্যবহার করতে বেশি পছন্দ করে।

- সঠিক উত্তর: ঘ) IBM Db2

• DBMS:
- DBMS এর পূর্ণরূপ Database Management System.
- ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হলো পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ডেটা বা তথ্য একসেস, নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের সমষ্টি।
- DBMS ব্যবহার করে ডেটাকে সংরক্ষণ, নিরাপত্তা প্রদান, আধুনিকরণের কাজ করা হয়।
- DBMS ব্যবহারকারী ও ডেটাবেজ এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে থাকে।

• কয়েকটি জনপ্রিয় ওপেন সোর্স DBMS হলো:
- Altibase,
- MySQL,
- PostgreSQL,
- Maria DB,
- MongoDB,
- Cassandra,
- SQLite,
- Cubrid.

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি।
২. মাইক্রসফটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৫.
"DarkHotel" মূলত কী?
  1. স্পাইওয়ার
  2. র‍্যামসমওয়্যার
  3. এন্টিভাইরাস
  4. অ্যাডওয়‍্যার
ব্যাখ্যা
• DarkHotel হল একটি স্পাইওয়ার প্রকারের ম্যালওয়্যার। এটি মূলত হোটেল বা পাবলিক ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের কম্পিউটারে গোপন তথ্য চুরি করার জন্য ডিজাইন করা হয়। DarkHotel হ্যাকারেরা সাধারণত ব্যবসায়িক যাত্রীদের লক্ষ্য করে এবং তাদের ডিভাইসে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রবেশ করে ব্যক্তিগত ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে। এটি খুবই ছলনাময় এবং ব্যবহারকারীদের সচেতন না থাকার সুযোগ নিয়ে কাজ করে। DarkHotel স্পাইওয়ারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর তথ্য গোপনে নজরদারি করা হয় এবং ডাটা লিক বা ক্ষতি করতে পারে।
- সঠিক উত্তর: ক) স্পাইওয়ার।

অন্যদিকে,
• র‍্যামসমওয়্যারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর কম্পিউটার আক্রমনের করে তথ্য কুক্ষিগত করে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।
• বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত ম্যালওয়্যার হলো অ্যাডওয়‍্যার (Adware).

• Malware (ম্যালওয়ার):
- Malware (ম্যালওয়ার) এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়ারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-

- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার (Ransomware)
- Rootkits
- ওয়ার্ম (Worms) প্রভৃতি।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২৬.
কোনটি সঠিক অক্টাল সংখ্যা?
  1. 1239
  2. 89A
  3. 198
  4. 765
ব্যাখ্যা
• অক্টাল সংখ্যা হলো এমন সংখ্যা যেগুলির প্রতিটি ডিজিট ০ থেকে ৭ পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। অর্থাৎ, অক্টাল সংখ্যায় ৮ বা ৯ বা কোনো অক্ষর থাকা যায় না। এখন প্রশ্নে দেওয়া সংখ্যাগুলো থেকে সঠিক অক্টাল সংখ্যা হলো ৭৬৫, কারণ এর সব ডিজিট ৭ এর মধ্যে আছে।
- অন্য সংখ্যাগুলো যেমন ১২৩৯ তে ৯ আছে, ৮৯এ তে ৮ ও A (যে অক্ষর নয়), আর ১৯৮ তে ৮ আছে, তাই তারা অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।

- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) 765.

• সংখ্যা পদ্ধতি:
- কোন সংখ্যা লেখা বা প্রকাশ করার পদ্ধতিকে সংখ্যা পদ্ধতি বলে।
- সংখ্যা পদ্ধতির বেজ বা ভিত্তির উপর নির্ভর করে চার ধরনের সংখ্যা পদ্ধতির প্রচলন লক্ষ্য করা যায়। যথা-
১. দশমিক সংখ্যা পদ্ধতি (Decimal Number System),
২. বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতি (Binary Number System),
৩. অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতি (Octal Number System) ও
৪. হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতি (Hexadecimal Number System )।

- দশমিক সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১০।
- বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ২।
- অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ৮।
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি ১৬।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
ASCII-8 দ্বারা প্রকাশযোগ্য অঙ্ক, অক্ষর ও চিহ্নের মোট সংখ্যা কত?
  1. 128 টি
  2. 256 টি
  3. 512 টি
  4. 1024 টি
ব্যাখ্যা
• ASCII-8 (বা Extended ASCII) দ্বারা সর্বমোট 256টি অঙ্ক, অক্ষর ও চিহ্ন প্রকাশ করা যায়। মূলত, স্ট্যান্ডার্ড ASCII 7-বিট হয় এবং এতে 128টি (0-127) ক্যারেক্টার থাকে। কিন্তু ASCII-8 হলো 8-বিট সংস্করণ, যা 0 থেকে 255 পর্যন্ত মোট 256টি ইউনিক কোড সমর্থন করে। এতে স্ট্যান্ডার্ড ASCII এর পাশাপাশি অতিরিক্ত গ্রাফিক চিহ্ন, বিশেষ অক্ষর ও আন্তর্জাতিক ভাষার প্রতীক যুক্ত করা হয়। এটি কম্পিউটারের তথ্য বিনিময়ে বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে। অতএব, ASCII-8 দ্বারা প্রকাশযোগ্য মোট ক্যারেক্টার সংখ্যা হলো 256টি।
- সঠিক উত্তর: খ) 256 টি।

• অ্যাসকি কোড (ASCII Code):
- ASCII শব্দের পূর্ণরূপ হলাে American Standard Code for Information Interchange.
- 1963 সালে আমেরিকান ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ইনস্টিটিউড (ANSI) কর্তৃক ASCII কোডটি আবিষ্কৃত হয়।
- এটি বহুল ব্যবহৃত একটি 7 বিটের কোড, যার দ্বারা 128টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।
- এটি ASCII-7 কোড নামে পরিচিত।
- ASCII-7 কোডের সর্ব বামে একটি প্যারিটি বিট যােগ করলে ASCII-৪ কোড তৈরি হয়।
- ASCII-8 কোডের মাধ্যমে 256টি বিভিন্ন অংক, অক্ষরসহ বিভিন্ন চিহ্ন এবং আরাে কতকগুলাে বিশেষ চিহ্নকে প্রকাশ বা নির্দিষ্ট করা যায়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৮.
1101.1101 + 1001.0011 = ?
  1. 11101.0100
  2. 10101.0000
  3. 10011.1000
  4. 10111.0000
ব্যাখ্যা
1101.1101 + 1001.0011 = 10111.0000 (বাইনারি)
এবং = 23 (দশমিক)
২৯.
পেসমেকার কী ধরনের এম্বেডেড সিস্টেম?
  1. Safety-critical 
  2. Networked
  3. Real-time
  4. ক + গ
ব্যাখ্যা
• পেসমেকার একটি Safety-critical এবং Real-time এম্বেডেড সিস্টেম। এটি হৃদয়ের স্বাভাবিক ছন্দ বজায় রাখতে বৈদ্যুতিক সঙ্কেত প্রেরণ করে, যা মানুষের প্রাণ রক্ষা করে। যেহেতু এটি সরাসরি জীবন রক্ষার সাথে জড়িত, তাই এটি Safety-critical হিসেবে বিবেচিত হয়। পাশাপাশি এটি হৃদপিণ্ডের অবস্থা অনুযায়ী তাত্ক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে সঠিক সময়ে বৈদ্যুতিক সঙ্কেত প্রদান করে, তাই এটি একটি Real-time সিস্টেমও। যেকোনো বিলম্ব মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। পেসমেকার সাধারণত নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত থাকে না এবং এটি একাই কাজ করে, তাই এটি Stand-alone বা Networked নয়।
- সঠিক উত্তর: ক) Safety-critical এবং গ) Real-time.

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এম্বেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রোলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্, ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- LED লাইটে এমবেডেড কম্পিউটার ব্যবহৃত হয় না। 

উৎস: IEEE [লিংক]
৩০.
কোডের ত্রুটি শনাক্তকরণ ও সমাধানের সূক্ষ্ম কাজটি করাকে কী বলা হয়?
  1. BIOS
  2. Bug
  3. Debug
  4. GIGO
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামে বিদ্যমান ভুল বা ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো ঠিক করার প্রক্রিয়াকে Debug বলা হয়। যখন আমরা কোনো সফটওয়্যার বা কোড লিখি, তখন মাঝে মাঝে ত্রুটি বা ভুল (যাকে Bug বলা হয়) থাকতে পারে, যা প্রোগ্রাম সঠিকভাবে কাজ করতে বাধা দেয়। Debugging হল সেই ভুলগুলো খুঁজে বের করা এবং সেগুলো মেরামত করার কাজ। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রোগ্রামকে নিখুঁত ও কার্যকরী করা হয়। তাই, প্রোগ্রামে বিদ্যমান বিভ্রান্তি চিহ্নিত করে ঠিক করার প্রক্রিয়া হলো Debug.
- সঠিক উত্তর: গ) Debug

• অপশন আলোচনা:
• Bug and Debug:
• Bug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি কে বাগ বলে।

• Debug:
- কম্পিউটার প্রোগ্রামে সংঘটিত ভুল ত্রুটি সমাধান করাকে ডিবাগ বলে।

• কম্পিউটারের ভুলের প্রক্রিয়াটিকে Garbage In Garbage Out (GIGO) বলা হয়।
• কম্পিউটারের মাদারবোর্ডের ফার্মওয়্যার চিপের মধ্যে থাকা কতগুলো নির্দেশনার সমষ্টি হল BIOS।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-১, এসএসসি ও ভোকেশনাল।
৩১.
হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 13A কে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে কোন মানটি পাওয়া যাবে?
  1. 272
  2. 388
  3. 502
  4. 472
ব্যাখ্যা
• হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা 13A কে অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে রূপান্তর করলে 472 পাওয়া যাবে।

- হেক্সাডেসিমেল থেকে অক্টাল এ প্রকাশ করার জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে বাইনারি তে প্রকাশ করতে হয়।
- তারপর বাইনারি থেকে অক্টালে নিতে হয়।
- হেক্সাডেসিমেল এর 1 বিটকে বাইনারি 4 বিটে রূপান্তরিত করা হয়।
- অক্টাল এর 1 বিটকে বাইনারির 3 বিটে রূপান্তরিত করতে হয়।
৩২.
ARPANET- কোন প্রতিষ্ঠানের উদ্যোগে তৈরি নেটওয়ার্ক?
  1. NASA
  2. IEEE
  3. DARPA
  4. ISO
ব্যাখ্যা
• ARPANET হলো একটি নেটওয়ার্ক যা তৈরি করা হয় DARPA এর উদ্যোগে। DARPA (Defense Advanced Research Projects Agency) হলো মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের একটি গবেষণা সংস্থা। ১৯৬০-এর দশকে তারা প্রথম ARPANET তৈরির পরিকল্পনা শুরু করে, যা পরবর্তীতে ইন্টারনেটের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত হয়। ARPANET মূলত গবেষণা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান সহজ করার জন্য তৈরি করা হয়েছিল। NASA, IEEE, এবং ISO বিভিন্ন প্রযুক্তি ও গবেষণার সাথে যুক্ত থাকলেও ARPANET তৈরির পেছনে DARPA’র অবদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) DARPA.

ARPANET:
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET-এর পূর্ণরূপ হলো: ‘Advanced Research Projects Agency Network’.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৩.
ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সিমুলেশন ডিজাইন ও পরিচালনার জন্য মূলত কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়?
  1. MATLAB
  2. Blender
  3. VLC Media Player
  4. Audacity
ব্যাখ্যা
• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) সিমুলেশন ডিজাইন ও পরিচালনার জন্য মূলত Blender সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়। Blender একটি ওপেন সোর্স 3D মডেলিং ও অ্যানিমেশন সফটওয়্যার, যা 3D অবজেক্ট তৈরি, রেন্ডারিং এবং VR পরিবেশ তৈরি করতে সাহায্য করে। এটি ইউজারদের ভার্চুয়াল দুনিয়া ডিজাইন করতে, অ্যানিমেশন তৈরি করতে এবং ইন্টারঅ্যাকটিভ সিমুলেশন তৈরি করতে সক্ষম করে।
- MATLAB সাধারণত গণিত ও ইঞ্জিনিয়ারিং সমস্যার জন্য ব্যবহৃত হয়, VLC Media Player একটি মিডিয়া প্লেয়ার এবং Audacity একটি অডিও এডিটিং সফটওয়্যার।
- তাই VR সিমুলেশনের জন্য Blender সবচেয়ে উপযোগী।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (Virtual Reality-VR) হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের উপর প্রতিষ্ঠিত।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি সফটওয়্যারগুলো হলো:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।
৩৪.
নিচের অপশন গুলোর মধ্যে কোনটি ISDN সেবা হিসাবে গণ্য হয় না?
  1. Secondary Rate Interface (SRI)
  2. Primary Rate Interface (PRI)
  3. Basic Rate Interface (BRI)
  4. Broadband ISDN (B-ISDN)
ব্যাখ্যা
• ISDN (Integrated Services Digital Network) হলো একটি ডিজিটাল যোগাযোগ প্রটোকল যা ভয়েস, ভিডিও এবং ডেটা একসাথে ট্রান্সমিশন করে। ISDN সেবার মধ্যে প্রধানত তিনটি ধরণ থাকে: Basic Rate Interface (BRI), Primary Rate Interface (PRI), এবং Broadband ISDN (B-ISDN)।
- তবে, Secondary Rate Interface (SRI) হলো ISDN-এর কোনও স্বীকৃত সেবা নয়। তাই এটি ISDN সেবার অন্তর্ভুক্ত নয়।

- BRI ও PRI হল কমিউনিকেশন লাইনের বিভিন্ন ব্যান্ডউইথের ধরণ, আর B-ISDN উচ্চ গতি ব্রডব্যান্ড সেবা দেয়।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর: ক) Secondary Rate Interface (SRI).

• ISDN:
- ISDN-এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Integrated Service Digital Network.
- এটি নিয়মিত টেলিফোনের বিকল্প এক ধরনের টেলিফোন সার্ভিস।
- ISDN-এর সুবিধা হচ্ছে এটি নিয়মিত টেলিফোন লাইনের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি দ্রুত ডেটা ট্রান্সমিশন বা আদান-প্রদান করতে পারে।
- তবে এটি সাধারণ টেলিফোন লাইনের তুলনায় অনেক বেশি ব্যয়বহুল।
- বড় বড় প্রতিষ্ঠান যেখানে প্রতিনিয়ত বিপুল পরিমাণ ডেটা আদান-প্রদান করেতে হয়, সেখানে এ ধরনের সার্ভিস ব্যবহৃত হয়ে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
অপারেটিং সিস্টেমগুলোর মধ্যে কোনটি Apple Inc.- এর তৈরি?
  1. Fedora
  2. Windows
  3. Ubuntu
  4. macOS
ব্যাখ্যা
Apple Inc.- এর তৈরি অপারেটিং সিস্টেম হলো macOS. এটি বিশেষভাবে Apple-এর কম্পিউটার যেমন MacBook, iMac, Mac Mini ইত্যাদির জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। macOS একটি ইউনিক্স-ভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম যা দ্রুততা, নিরাপত্তা এবং ব্যবহারকারীর বন্ধুত্বপূর্ণ ইন্টারফেসের জন্য পরিচিত।
- অন্যদিকে, Fedora এবং Ubuntu হলো লিনাক্স-ভিত্তিক ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যা বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- Windows হলো Microsoft-এর তৈরি অপারেটিং সিস্টেম।
- তাই উল্লিখিত অপারেটিং সিস্টেমগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র macOS-ই Apple Inc.-এর নিজস্ব ডেভেলপ করা ও রক্ষিত অপারেটিং সিস্টেম।
- সঠিক উত্তর: ঘ) macOS.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে নকল করে এমন ভাইরাসের নাম কী?
  1. Worm
  2. Adware
  3. Spyware
  4. কোনোটি নয়
ব্যাখ্যা
• স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিজেকে নকল করে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাসের নাম হলো Worm. এটি একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম যা কোনো ব্যবহারকারীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে নিজে নিজেই কপি হয়ে যেতে পারে। Worm ভাইরাস মূলত ইমেইল, নেটওয়ার্ক বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়ায় এবং খুব দ্রুত সংক্রমিত হয়। এটি সিস্টেমের পারফরম্যান্স কমিয়ে দেয় এবং অনেক সময় পুরো নেটওয়ার্ককে অচল করে দিতে পারে।
- অপরদিকে, Adware বিজ্ঞাপন দেখায়, Spyware গোপনে তথ্য চুরি করে এবং Navigator কোনো ভাইরাস নয়।
- তাই, Worm-ই একমাত্র ভাইরাস যা নিজে নিজে ছড়াতে সক্ষম।

- সঠিক উত্তর: ক) Worm.

• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।
- CIH ভাইরাস, যা চেরনোবিল ভাইরাস নামেও পরিচিত, এর রচয়িতা হলেন চেন ইং-হাও (Chen Ing-hau), যিনি তাইওয়ানের টাটুং বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন।
এই ভাইরাসের নামকরণ করা হয়েছে তার নামের আদ্যাক্ষর "CIH" থেকে।

- CIH ভাইরাস বা চেরনোবিল ভাইরাস ১৯৯৯ সালের ২৬ এপ্রিল সারা বিশ্বে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছিল এবং লক্ষ লক্ষ কম্পিউটারকে আক্রান্ত করে।
এই ভাইরাসকে "Chernobyl" বা "Spacefiller" নামেও ডাকা হয়।
- সত্তর দশকে, ইন্টারনেটের প্রাথমিক রূপ ARPANET-এ "Creeper" নামক প্রথম ভাইরাস চিহ্নিত হয়েছিল।
- Creeper ভাইরাসের মোকাবেলায় "Reaper" নামে একটি সফটওয়্যার তৈরি করা হয়েছিল, যা ভাইরাসটি মুছে ফেলতে সক্ষম ছিল। তবে তখন ভাইরাসটি সাধারণত শুধুমাত্র তার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৭.
কোন নেটওয়ার্ক টপোলজি সমস্ত ডিভাইস সংযোগের জন্য একটি কেন্দ্রীয় হাব ব্যবহার করে?
  1. Bus Topology
  2. Star Topology
  3. Mesh Topology
  4. Ring Topology
ব্যাখ্যা
• Star Topology হলো এমন একটি নেটওয়ার্ক টপোলজি যেখানে সমস্ত ডিভাইস একটি কেন্দ্রীয় হাব বা সুইচের সাথে সংযুক্ত থাকে। প্রতিটি ডিভাইস সরাসরি এই কেন্দ্রীয় হাবের সাথে সংযোগ স্থাপন করে, যার মাধ্যমে ডেটা আদান-প্রদান হয়। এতে একটি ডিভাইসের সমস্যা থাকলেও পুরো নেটওয়ার্ক প্রভাবিত হয় না, কারণ অন্য ডিভাইসগুলো স্বতন্ত্রভাবে কাজ করে।
- অন্যদিকে, Bus, Mesh, ও Ring টপোলজিতে আলাদা ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়।

- তাই, কেন্দ্রীয় হাব ব্যবহার করে সংযোগের জন্য সঠিক উত্তর হলো খ) Star Topology.

• স্টার টপোলজি:
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এটি হাব ডিভাইস ব্যবহৃত হয়।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়।
- নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা এস এস সি, প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৮.
প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক কে?
  1. Guido van Rossum
  2. James Gosling
  3. Ada Lovelace
  4. Dennis Ritchie
ব্যাখ্যা
• প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক ছিলেন Ada Lovelace. তিনি বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসেবে পরিচিত। ১৯শ শতকে চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনের জন্য প্রথম অ্যালগরিদম তৈরি করেন। Ada Lovelace এর কাজ আধুনিক প্রোগ্রামিং ও কম্পিউটার বিজ্ঞান ভিত্তি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
- অন্যদের মধ্যে Guido van Rossum পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার নির্মাতা, James Gosling জাভা ভাষার জনক, আর Dennis Ritchie C ভাষার নির্মাতা। তবে প্রোগ্রামিং ধারণার সূচনা ও প্রবর্তক হিসেবে Ada Lovelace কে সবচেয়ে বেশি সম্মান দেওয়া হয়।
- সঠিক উত্তর: গ) Ada Lovelace.

• অ্যাডা লাভলেস:
- গণনার কাজ কীভাবে আরও কার্যকর করা যায় সেটি নিয়ে ভেবেছিলেন কবি লর্ড বায়রনের কন্যা অ্যাডা লাভলেস (Ada Lovelace) (১৮১৫-১৮৫২)।
- ১৮৩৩ সালে চার্লস ব্যাবেজের সঙ্গে তার পরিচয় হলে তিনি চার্লস ব্যাবেজের এনালিটিক্যাল ইঞ্জিনকে কাজে লাগানোর জন্য 'প্রোগ্রামিং'-এর ধারণা সামনে নিয়ে আসেন।
- এ কারণে অ্যাডা লাভলেসকে প্রোগ্রামিং ধারণার প্রবর্তক হিসেবে সম্মানিত করা হয়।
- ১৮৪০ সালে চার্লস ব্যাবেজ তুরিন বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর ইঞ্জিন সম্পর্কে বক্তব্য দেন।
- সে সময় অ্যাডা লাভলেস চার্লস ব্যাবেজের সহায়তা নিয়ে বক্তব্যের সঙ্গে ইঞ্জিনের কাজের ধারাটি ধাপ অনুসারে ক্রমাঙ্কিত করেন।
- তাঁর মৃত্যুর ১০০ বছর পর ১৯৫৩ সালে সেই নোট আবারো প্রকাশিত হলে বিজ্ঞানীরা বুঝতে পারেন, অ্যাডা লাভলেস অ্যালগরিদম প্রোগ্রামিংয়ের ধারণাটাই প্রকাশ করেছিলেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।
৩৯.
হায়ারার্কিকাল টপোলজির জন্য ব্যবহৃত আরেকটি নাম কী?
  1. Tree Topology
  2. Star Topology
  3. Bus Topology
  4. Ring Topology
ব্যাখ্যা
• হায়ারার্কিকাল টপোলজির আরেকটি নাম হলো Tree Topology. এই টপোলজিতে নেটওয়ার্কের ডিভাইসগুলো একটি গাছের মতো কাঠামো তৈরি করে, যেখানে একটি মূল নোড থেকে বিভিন্ন শাখা বেরিয়ে আসে। Tree Topology মূলত Star ও Bus Topology এর সংমিশ্রণ হিসেবে কাজ করে। এতে প্রধান নোড থেকে বিভিন্ন স্তরের সাব-নোড যুক্ত থাকে, যা হায়ারার্কিকাল ব্যবস্থা তৈরি করে।
- Star Topology, Bus Topology এবং Ring Topology আলাদা আলাদা নেটওয়ার্ক কাঠামো, যা হায়ারার্কিকাল নয়। তাই, হায়ারার্কিকাল টপোলজির সঠিক নাম হলো Tree Topology।

- সঠিক উত্তর: ক) Tree Topology

• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি:
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।

- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১. স্টার টপোলজি,
২. বাস টপোলজি,
৩. রিং টপোলজি,
৪. ট্রি টপোলজি।

• ট্রি টপোলজি:
- এটি বর্তমানে সর্বাধিক ব্যবহৃত টপোলজিগুলোর মধ্যে একটি।
- ট্রি টপোলজি বাস টপোলজি এবং স্টার টপোলজির বৈশিষ্ট্যগুলোকে একত্রিত করে।
- এই টপোলজিটি নেটওয়ার্ককে একাধিক স্তরে বিভক্ত করে, যেখানে প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

- একইভাবে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলো তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়, এভাবে স্তরে স্তরে বিভক্ত থাকে।
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।

• ট্রি টপোলজির সুবিধাসমূহ:
- দীর্ঘ দূরত্বে সংকেত প্রেরণ করা যায়।
- যেকোন সময় নতুন শাখা-প্রশাখা সৃষ্টির মাধ্যমে ট্রি-টপোলজির নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা সহজ।
- নতুন কোনো নোড সংযোগ বা বাদ দিলে নেটওয়ার্কের স্বাভাবিক কাজকর্মের কোনো অসুবিধা হয় না।
- ট্রি টপোলজিতে ত্রুটি সনাক্তকরণ এবং সংশোধন খুব সহজ।

- নেটওয়ার্কের কোন নোড বা শাখা নষ্ট হলে, সম্পূর্ণ নেটওয়ার্ক অকার্যকর হয় না।
- প্রতিটি পৃথক সেগমেন্ট এর জন্য পয়েন্ট-টু-পয়েন্ট ওয়্যারিং রয়েছে।
- বড় ধরণের নেটওয়ার্ক গঠনে বা অফিস ব্যবস্থাপনার কাজে এ নেটওয়ার্ক টপোলজি খুবই উপযোগী।
- ডেটা নিরাপত্তা সবচেয়ে বেশি।

• ট্রি টপোলজির অসুবিধাসমূহ:
- এই টপোলজি কিছুটা জটিল প্রকৃতির।
- বাস্তবায়ন খরচ তুলনামূলকভাবে বেশি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৪০.
ইমেইলে 'CC' দ্বারা কী বোঝায়?
  1. Carbon Copy
  2. Certified Copy
  3. Clear Copy
  4. Copy Confirmation
ব্যাখ্যা
• ইমেইলে ‘CC’ মানে হলো Carbon Copy. এটি একটি ফিচার যা মূল প্রাপক ছাড়াও অন্য কেউ মেইলটি দেখতে পায়। মূল প্রাপক এবং CC-তে থাকা সবাই মেইলটি পায়, কিন্তু CC রিসিপিয়েন্টরা জানে যে তারা শুধু কপি পেয়েছে, মূল প্রাপক নয়। এটি সাধারণত তখন ব্যবহার করা হয় যখন মেইলটির তথ্য অন্য কারো সঙ্গে শেয়ার করতে হয়, কিন্তু তাদের থেকে সরাসরি উত্তর বা পদক্ষেপ আশা করা হয় না। ‘CC’ ব্যবহার করে সহজে অনেককে একই মেইল পাঠানো যায়।
- তাই ‘CC’ এর সঠিক উত্তর হলো: ক) Carbon Copy.

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@def.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ইমেইল সার্ভারে POP বা IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• CC:
- CC এর পূর্ণরূপ Carbon Copy.
- একই মেসেজ বিভিন্ন গ্রাহকের কাছে পাঠাতে চাইলে এখানে তাদের ঠিকানা কমা দিয়ে আলাদা আলাদা করে টাইপ করতে হবে।
- তাহলে গ্রাহক তার মেইলটি গ্রহণ করার পর এখানে প্রদর্শিত ঠিকানাসমূহ দেখে জানতে পারবে একই মেইল আর কার কার কাছে পাঠানো হয়েছে।

• BCC:
- BCC (Blind Carbon Copy) হলো ইমেইল প্রেরণের একটি ফিচার, যেখানে প্রাপকগণ (recipients) অন্য BCC-তে থাকা ব্যক্তিদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পায় না।
- এটি গোপনীয়তা বজায় রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যখন একই ইমেইল একাধিক ব্যক্তিকে পাঠানো হয়, কিন্তু তাদের মধ্যে যোগাযোগ

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ - দ্বাদশ শ্রেণি।
৪১.
কোনটি ফায়ারওয়ালের ধরন নয়?
  1. NAT firewall
  2. Stateful inspection firewall
  3. BIOS firewall
  4. Proxy firewall
ব্যাখ্যা
• ফায়ারওয়াল একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা নেটওয়ার্কে অনুপ্রবেশ রোধ করে। এটি বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, যেমন: NAT firewall, যা প্রাইভেট ও পাবলিক IP-র মধ্যে অনুবাদ করে; Stateful inspection firewall, যা প্রতিটি কানেকশন ট্র্যাক করে; এবং Proxy firewall, যা অনুরোধকে অন্য সার্ভারের মাধ্যমে পরিচালনা করে।
- তবে BIOS firewall আসলে কোনো প্রচলিত ফায়ারওয়াল নয়। BIOS হলো কম্পিউটারের বুটিং সিস্টেমের একটি অংশ, এটি নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির জন্য তৈরি নয়। তাই BIOS firewall ফায়ারওয়ালের একটি ধরন নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) BIOS firewall.

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪২.
কোনটি ই-মেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়?
  1. .vcf
  2. .pst
  3. .svg
  4. .oft
ব্যাখ্যা
• ই-মেইলের সাথে সংশ্লিষ্ট কিছু ফাইল এক্সটেনশন রয়েছে, যেমন .pst (Outlook Personal Storage Table), .vcf (ভিজিটিং কার্ড ফাইল), এবং .oft (Outlook Template)। এই ফাইলগুলো ই-মেইল পরিচালনা, সংরক্ষণ বা টেমপ্লেট তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।
- তবে .svg একটি ইমেজ ফাইল ফরম্যাট (Scalable Vector Graphics), যা সাধারণত গ্রাফিক্স বা ওয়েব ডিজাইনের কাজে ব্যবহৃত হয়, ই-মেইলের নিজস্ব কোনো ফাইল ফরম্যাট নয়। তাই .svg ই-মেইলের ফাইল এক্সটেনশন নয়।
- সঠিক উত্তর: গ) .svg

• ই-মেইল: 
- ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল এর মাধ্যমে ডকুমেন্ট বা যেকোনো প্রকার তথ্য পাঠানো যায় মূহুর্তেই। 
- ই-মেইল সমূহ মেইল সার্ভারে জমা থাকে। 
- ই-মেইল এর ক্ষেত্রে প্রাপকের ঠিকানায় @ চিহ্নটি ব্যবহার করা হয়। ই-মেইল এড্রেসের @ এর আগের অংশটিকে ইউজার নেইম এবং পরের অংশটিকে ডোমেইন নেইম বলে। 
- মেইল পাঠানোর জন্য SMTP প্রোটোকল এবং গ্রহণের জন্য POP3 ও IMAP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়। 

• ইমেইল ফাইল এক্সটেনশনমূহ:
.email - Outlook Express e-mail message file.
.eml - E-mail message file from multiple e-mail clients, including Gmail.
.emlx - Apple Mail e-mail file.
.msg - Microsoft Outlook e-mail message file.
.oft - Microsoft Outlook e-mail template file.
.ost - Microsoft Outlook offline e-mail storage file.
.pst - Microsoft Outlook e-mail storage file.
.vcf - E-mail contact file.

উৎস:
১.  মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. Computer Hope Website
৪৩.
ব্যবহারকারী ও কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনে কোনটি অপারেটিং সিস্টেমে মুখ্য ভূমিকা রাখে?
  1. অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার
  2. ড্রাইভার
  3. কার্নেল
  4. শেল
ব্যাখ্যা
• ব্যবহারকারী ও কম্পিউটার সিস্টেমের মধ্যে কার্যকর যোগাযোগ স্থাপনে শেল (Shell) অপারেটিং সিস্টেমে মুখ্য ভূমিকা রাখে। শেল হলো একটি ইউজার ইন্টারফেস, যা ব্যবহারকারীর ইনপুট গ্রহণ করে এবং তা কার্নেলকে প্রক্রিয়াকরণের জন্য পাঠায়। এটি অপারেটিং সিস্টেমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা কমান্ড লাইন বা গ্রাফিক্যাল ইন্টারফেসের মাধ্যমে কাজ করে। শেল ব্যবহার করে ফাইল পরিচালনা, প্রোগ্রাম চালানো, সিস্টেম কনফিগারেশন ইত্যাদি করা যায়।
- অন্যদিকে, কার্নেল হার্ডওয়ারের সাথে সরাসরি কাজ করে, কিন্তু ব্যবহারকারী সাধারণত শেলের মাধ্যমেই সিস্টেমের সাথে যোগাযোগ করে। তাই শেল এই ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- সঠিক উত্তর: ঘ) শেল।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে সঠিকভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন অপারেটিং সিস্টেম, যা সিস্টেম সফটওয়্যার নামে পরিচিত।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কাজগুলো পরিচালনার দায়িত্ব পালন করে।

- হার্ডওয়্যার দিয়ে যাবতীয় কাজ করানোর দায়িত্ব ব্যবহারকারীর পরিবর্তে অপারেটিং সিস্টেম পালন করে।
- কম্পিউটারে সব ধরনের সফটওয়্যার থাকলেও অপারেটিং সিস্টেম ব্যতীত এটি কোনো কাজ করে না।
- কম্পিউটারে সম্পাদিত তথ্যাবলি সংরক্ষণ, ফাইল সিস্টেম নিয়ন্ত্রণ, বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি নির্ণয়, সিস্টেম বন্টন, ইনপুট ও আউটপুট অপারেশন, প্রোগাম পরিচালনা সর্বোপরি কম্পিউটারের যাবতীয় কার্যাবলি সম্পাদনে অপারেটিং সিস্টেম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৪৪.
নিচের কোনটি ই-কমার্স সাইট?
  1. Daraz
  2. Wikipedia
  3. YouTube
  4. Google
ব্যাখ্যা
• ই-কমার্স সাইট হলো এমন একটি ওয়েবসাইট যেখানে পণ্য বা সেবা অনলাইনে ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। উপরের অপশনগুলোর মধ্যে, Daraz একটি জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট। এখানে ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন পণ্য যেমন ইলেকট্রনিক্স, পোশাক, গৃহস্থালী সামগ্রী ইত্যাদি কিনতে ও বিক্রি করতে পারে।
- অন্যদিকে, Wikipedia হলো একটি অনলাইন তথ্যভাণ্ডার, YouTube হলো ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম, আর Google হলো একটি সার্চ ইঞ্জিন। তাই, শুধুমাত্র Daraz ই-কমার্স সাইট হিসেবে বিবেচিত হয়।

সঠিক উত্তর: ক) Daraz.

• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রাই লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূলপরিশোধের অনলাইন প্রক্রিয়াসমূহ সামগ্রিকভাবে ইলেকট্রনিক কমার্সের অন্তর্ভুক্ত। 
- ১৯৯৫ সালে অ্যামাজন ও ই-বে নামের ই-কমার্স ওয়েবসাইটের যাত্রা শুরুর মাধ্যমে ই-কমার্সের এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়। ২০১০ সালের পরবর্তীতে মোবাইলের ব্যাপক প্রসারের সাথে সাথে ই-কমার্সের পালে নতুন করে হাওয়া লাগে। 

• জনপ্রিয় কিছু ওয়েবসাইট হলো:
www.bikroy.com,
www.daraz.com,
www.alibaba.com,
www.ebay.com ইত্যাদি।

• অপশন আলোচনা:
- Google হচ্ছে একটি সার্চ ইঞ্জিন।
- Wikipedia হচ্ছে একটি মুক্ত বিশ্বকোষ (জ্ঞানভাণ্ডার)।
- YouTube হচ্ছে একটি ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম; এখানে ভিডিও দেখা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মাহবুবুর রহমান।
৪৫.
"One to Many Relation" তৈরি করতে হলে কী প্রয়োজন?
  1. একটি ফরেন কী
  2. দুটি প্রাইমারি কী
  3. দুটি ফরেন কী
  4. প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী
ব্যাখ্যা
• One to Many রিলেশন তৈরি করতে হলে একটি টেবিলের প্রাইমারি কী অপর টেবিলের মধ্যে ফরেন কী হিসেবে থাকতে হয়। এটি দুই টেবিলের মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে যেখানে একটি রেকর্ড অনেক রেকর্ডের সাথে যুক্ত থাকে। অর্থাৎ, “One” পাশের টেবিলের প্রাইমারি কী “Many” পাশের টেবিলের ফরেন কী দ্বারা রেফারেন্স করা হয়। তাই, One to Many রিলেশন তৈরির জন্য প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী উভয়ই প্রয়োজন হয়।
- সঠিক উত্তর: ঘ) প্রাইমারি কী এবং ফরেন কী।

• ডেটাবেজ রিলেশন:
- কোন ডেটাবেজে অবস্থিত টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ককে ডেটাবেজ রিলেশন বলা হয়।
- ডেটাবেজ রিলেশন ৩ ধরনের হতে পারে। যথা -

১. One to One Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে একটিমাত্র রেকর্ড থাকলে তাকে One to One Relation বলে।

২. One to Many Relation:
- কোন টেবিলের একটি রেকর্ডের সাথে অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে তাকে One to Many Relation বলে।
- এটি একটি বহুল ব্যবহৃত রিলেশন পদ্ধতি।
- একটি টেবিলের প্রাইমারি কী এর সাথে অন্য টেবিলের ফরেন কী এর সম্পর্ক হলে One to many রিলেশন তৈরি হয়।

৩. Many to Many Relation:
- কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে অন্য কোন টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সম্পর্ক থাকলে, তাকে Many to Many Relation বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।
৪৬.
CPU-এর গতি বোঝাতে কোন এককের ব্যবহার হয়?
  1. Watt
  2. Hertz
  3. Volt
  4. Byte
ব্যাখ্যা
• CPU-এর গতি বোঝাতে Hertz (Hz) এককের ব্যবহার করা হয়। এটি এক সেকেন্ডে কত বার কোনো কাজ বা অপারেশন সম্পন্ন হচ্ছে তা মাপার একক। উদাহরণস্বরূপ, ৩ গিগাহার্টজ (GHz) CPU মানে সে প্রতি সেকেন্ডে ৩০০০ মিলিয়ন সাইকেল সম্পন্ন করতে পারে।
- Watt শক্তি মাপার একক, Volt বিদ্যুৎ এর ভোল্টেজ মাপার একক এবং Byte ডেটার মাপের একক। তাই CPU-এর গতি মাপার জন্য Hertz সঠিক একক।

- সঠিক উত্তর: খ) Hertz.

• সিপিইউ/ মাইক্রোকম্পিউটারের গতি: 
- মাইক্রোকম্পিউটারের গতি বিবেচনা করা হয় সিপিইউ তথা মাইক্রোপ্রসেসরের ক্লক স্পিড (Clock Speed)-এর দ্বারা।
- ক্লক স্পিড পরিমাপ করা হয় প্রতি সেকেন্ডে কতটি স্পন্দন (Pulse) বা টিক সম্পন্ন হয় তার ওপর নির্ভর করে।
- স্পন্দন পরিমাপ করা হয় হার্টজে।

- প্রসেসরের ক্লকটি প্রতি সেকেন্ডে এক মিলিয়ন বার স্পন্দন বা টিক করার সময়কে ১ মেগাহার্টজ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
- যেমন- কোনো প্রসেসরের গতি যদি ৩৩ মেগাহার্টজ হয়, তাহলে তার অর্থ হলো প্রতি সেকেন্ড ৩৩,০০০,০০০ স্পন্দন তৈরি হবে।
- অর্থাৎ উক্ত প্রসেসরটি প্রতি সেকেন্ডে ৩৩,০০০,০০০ ইনস্ট্রাকশন আদান-প্রদান করতে পারবে।
- এই স্পন্দনকেই ক্লক স্পিড ((Clock Speed) বলা হয়।
- সুতরাং প্রসেসরের স্পিড বা গতি বলতে প্রসেসরটি কত কিলোহার্টজ, মেগাহার্টজ বা গিগাহার্টজের তাই-ই বোঝায়।

সূত্র: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।