পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins১৬৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১৬৪
সিলেবাস
Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৬৪ প্রশ্ন

.
'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের কত জন কবির নাম উল্লেখ আছে?
  1. ২২ জন
  2. ২৩ জন
  3. ২৪ জন
  4. ২৫ জন
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ:
- এটি বাংলা সাহিত্যের আদি যুগের একমাত্র লিখিত নিদর্শন।
- ১৯০৭ খ্রিষ্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে চর্যাপদ আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর সম্পাদনায় পুথিখানি হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা নামে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের চর্যাগুলো রচনা করেন বৌদ্ধ সহজিয়াগণ। চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের কথা বলা হয়েছে।
- ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ সম্পাদিত 'Buddhist Mystic Songs' গ্রন্থে চর্যাপদের ২৩ জন কবির নাম উল্লেখ আছে। ড. শহীদুল্লাহ চর্যাপদের পদ সংখ্যা ৫০টি বলে মনে করেন।
- সুকুমার সেনের 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' (প্রথম খণ্ড) গ্রন্থে চর্যাপদের ২৪ জন পদকর্তার নাম পাওয়া যায়। সুকুমার সেন মনে করেন যে, চর্যাপদের পদসংখ্যা ৫১টি; তবে তিনি তার 'চর্যাগীতি পদাবলী' গ্রন্থে ৫০টি পদের উল্লেখ করেছেন। আলোচনা অংশে তার বক্তব্য মুনিদত্ত ৫০টি ব্যাখ্যা করেছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস- মাহবুবুল আলম।

.
কোনটি মৈমনসিংহ গীতিকায় স্থান পেয়েছে?
  1. ভেলুয়া
  2. নেজাম ডাকাতের পালা
  3. কঙ্ক ও লীলা
  4. কাফেনচোরা
ব্যাখ্যা

মৈমনসিংহ গীতিকা:
- ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রাচীন পালাগানের সংকলন।
- কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দীনেশচন্দ্র সেন বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে স্থানীয় সংগ্রাহকদের সহায়তায় প্রচলিত এ পালাগানগুলো সংগ্রহ ও সম্পাদনা করে মৈমনসিংহ গীতিকা (১৯২৩) নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশ করেন।

মৈমনসিংহ গীতিকায় ১০টি গীতিকা স্থান পেয়েছে,
যথা:
- মহুয়া,
- মলুয়া,
- চন্দ্রাবতী,
- কমলা,
- দেওয়ান ভাবনা,
- দস্যু কেনারামের পালা,
- রূপবতী,
- কঙ্ক ও লীলা,
- কাজলরেখা,
- দেওয়ানা মদিনা।

অন্যদিকে,
- পূর্ববঙ্গ গীতিকা পালাগুলির সংখ্যা পঞ্চাশের অধিক। সেগুলির মধ্যে ধোপার পাট, মইষাল বন্ধু, কাঞ্চন মালা, কমলা রানীর গান, মদনকুমার ও মধুমালা, নেজাম ডাকাতের পালা, দেওয়ান ঈশা খাঁ, মাঞ্জুর মা, কাফেনচোরা, ভেলুয়া, হাতিখেদা, আয়নাবিবি, কমল সদাগর, চৌধুরীর লড়াই, গোপিনী-কীর্তন, সুজা-তনয়ার বিলাপ, বারতীর্থের গান, নুরুন্নেছা ও কবরের কথা, পরীবানুর হাঁইলা ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।

উৎস:
১। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

.
কোন পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিকের উপন্যাসের সাথে ‘ঘরে-বাইরে’ উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে?
  1. টলস্টয় – ওয়ার অ্যান্ড পিস
  2. স্টিভেনসন – প্রিন্স অটো
  3. ডিকেন্স – গ্রেট এক্সপেকটেশনস
  4. হার্ডি – টেস অব দি ডি’আর্বারভিলস
ব্যাখ্যা

"ঘরে-বাইরে" উপন্যাস:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের চলিত ভাষায় লেখা প্রথম উপন্যাস। ১৯১৬ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটি স্বদেশি আন্দোলনের পটভূমিকায় রচিত।
- ঘরে-বাইরে উপন্যাসের সাথে পাশ্চাত্য ঔপন্যাসিক স্টিভেনসনের 'প্রিন্স অটো' উপন্যাসের ভাবসাদৃশ্য আছে।
- স্টিভেনসনের সেরাফিনা, অটো ও গোনড্রেমাক যথাক্রমে রবীন্দ্রনাথের বিমলা, নিখিলেশ ও সন্দীপ।
- তবে স্টিভেনসনের উপস্থাপনা ব্যঙ্গাত্মক, সমাপ্তি মিলনাত্মক কিন্তু রবীন্দ্রনাথের কাহিনি সকরুণ, সিরিয়াস।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র:
- নিখিলেশ,
- বিমলা,
- সন্দীপ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত উপন্যাস:
- বৌ ঠাকুরাণীর হাট,
- প্রজাপতির নির্বন্ধ,
- ঘরে বাইরে,
- চোখের বালি,
- যোগাযোগ,
- নৌকাডুবি,
- দুই বোন,
- মালঞ্চ,
- গোরা,
- রাজর্ষি,
- চতুরঙ্গ,
- চার অধ্যায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

.
ফররুখ আহমদ কোন জেলায় জন্মগ্রহণ করেন?
  1. ব্রাহ্মণবাড়িয়া
  2. মাগুরা
  3. বারাসত
  4. যশোর
ব্যাখ্যা

ফররুখ আহমদ:
- ফররুখ আহমদ ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ ফররুখ আহমদ রচিত শ্রেষ্ঠ এবং প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজি পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
- ‘মুহূর্তের কবিতা’ ফররুখ আহমদ রচিত একটি সনেট সংকলন।

ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
বিদ্যাপতি কোন শতকের কবি ছিলেন?
  1. চতুর্দশ
  2. পঞ্চদশ
  3. ষোড়শ
  4. ত্রয়োদশ
ব্যাখ্যা

বিদ্যাপতি:
- মিথিলার রাজসভার কবি ছিলেন বিদ্যাপতি। তিনি ছিলেন পঞ্চদশ শতকের কবি
- কবির রচনায় মোহিত ছিলেন মিথিলার রাজা শিবসিংহ।এ জন্য সে বিদ্যাপতিকে 'কবিকণ্ঠহার' উপাধিতে ভূষিত করেছিলেন।
- 'মৈথিল কোকিল' বলতে মিথিলার কবি বিদ্যাপতিকে বোঝায়।
- কোকিল যেমন সুললিত সুমধুর গান গেয়ে সকলকে মুগ্ধ করে, মিথিলার রাজসভার কবি বিদ্যাপতিও মৈথিলি ভাষায় সুন্দর পদাবলি ও অন্যান্য - গীতিকবিতা রচনা করে সকলকে মুগ্ধ করেছেন বলে তাঁকে 'মৈথিল কোকিল' বলা হয়।
- তিনি ছিলেন বৈষ্ণব কবি এবং পদসঙ্গীত ধারার রূপকার।
- তাঁর শ্রেষ্ঠ কীর্তি হচ্ছে ব্রজবুলিতে রচিত রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

.
কোনটি মৌলিক সাহিত্য?
  1. শকুন্তলা
  2. প্রভাবতী সম্ভাষণ
  3. ভ্রান্তিবিলাস
  4. সবগুলোই
ব্যাখ্যা

প্রভাবতী সম্ভাষণ:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত 'প্রভাবতী সম্ভাষণ' একটি শোকগাঁথা। এটি বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম মৌলিক গদ্য রচনা।
- বন্ধুর বালিকা কন্যা প্রভাবতীর অকাল মৃত্যুর শোকে বিদ্যাসাগর এটি রচনা করেন।

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সংস্কৃত পণ্ডিত, লেখক, শিক্ষাবিদ, সমাজসংস্কারক, জনহিতৈষী।
- ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ 'বেতাল পঞ্চবিংশতি' (১৮৪৭)।
- ব্রজবিলাস ও রত্নপরীক্ষা গ্রন্থ দুটির রচয়িতাও ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।

অন্যদিকে,
শকুন্তলা: - প্রাচীন সংস্কৃত মহাকবি কালিদাসের 'অভিজ্ঞান শকুন্তলম্' নাটক অবলম্বনে ১৮৫৪ সালে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর একটি আখ্যান বা উপন্যাসোপম কাহিনি লিখে নাম দেন 'শকুন্তলা'।
'ভ্রান্তিবিলাস': - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'ভ্রান্তিবিলাস' শেক্সপীয়রের 'কমেডি অব এররস' নাটকের অনুবাদ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩) বাংলাপিডিয়া।

.
'অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম কোনটি?
  1. নীহারিকা দেবী
  2. নীল লোহিত
  3. লীলাময় রায়
  4. হাবু শর্মা
ব্যাখ্যা

• 'অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম - নীহারিকা দেবী

অন্যদিকে,
- 'অন্নদাশংকর রায়' এর সাহিত্যিক ছদ্মনাম - লীলাময় রায়।
- সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ছদ্মনাম - নীল লোহিত।
- তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এর ছদ্মনাম 'হাবু শর্মা'।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"জগৎসিংহ" কোন গ্রন্থের চরিত্র?
  1. কৃষ্ণকুমারী
  2. শর্মিষ্ঠা
  3. পদ্মাবতী
  4. বুড় শালিকের ঘাড়ে রোঁ
ব্যাখ্যা

"কৃষ্ণকুমারী" নাটক:
- 'কৃষ্ণকুমারী' (১৮৬১) নাটকের কাহিনি উইলিয়াম টডের ‘রাজস্থান' নামক গ্রন্থ থেকে সংগৃহীত।
- এই নাটকে মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ট্রাজেডি রচনা করেন। এজন্য নাটকটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
- এই নাটকের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো : কৃষ্ণকুমারী, মদনিকা, ভীম- সিংহ, জগৎসিংহ, ধনদাস প্রমুখ।
- ১৮৬১ সালে প্রকাশিত হলেও নাটকটি রচিত হয়েছিল ১৮৬০ সালে।
- রচনার প্রায় সাত বছর পর এ নাটক ‘শোভাবাজার থিয়েটারে' ১৮৬৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে প্রথম অভিনীত হয়।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত নাটক:
- শর্মিষ্ঠা,
- পদ্মাবতী,
- কৃষ্ণকুমারী।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।
৩) বাংলাপিডিয়া।

.
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক গ্রন্থ 'আর্তনাদ' কোন প্রকার রচনা?
  1. নাটক
  2. প্রবন্ধ
  3. কবিতার সংকলন
  4. উপন্যাস
ব্যাখ্যা

ভাষা আন্দোলনভিত্তিক উপন্যাস 'আর্তনাদ' রচনা করেন শওকত ওসমান।
- উপন্যাসটি ১৯৮৫ সালে প্রকাশিত হয়।

শওকত ওসমান:
- শওকত ওসমান কথাসাহিত্যিক, প্রাবন্ধিক।
১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; 'শওকত ওসমান' তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- 'জাহান্নাম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক উপন্যাস।

শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস-
- ক্রীতদাসের হাসি,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- জলাঙ্গী,
- বনি আদম,
- জননী,
- চৌরসন্ধি।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
'যুগলাঙ্গুরীয়' গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. দীনবন্ধু মিত্র
ব্যাখ্যা

'যুগলাঙ্গুরীয়':
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস - যুগলাঙ্গুরীয়।
- 'যুগলাঙ্গুরীয়' (১৮৭৪) ছোট আখ্যান।
- কেউ বলে থাকেন নভেলা বা ছোট উপন্যাস, কেউ বলেন বড় গল্প। বঙ্কিম একে বলেছেন উপকথা।
- প্রাচীন পটভূমিকায় একটি প্রেম কাহিনি। ছোটগল্প শিল্পমাধ্যমটি ওইকালে থাকলে 'যুগলাঙ্গুরীয়' একটি গল্প হতে পারত। "ইন্দিরা'র পর এই আখ্যানে বঙ্কিমচন্দ্র আবার একই ফর্মচর্চা করেন।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত প্রথম উপন্যাস 'রাজমোহনস ওয়াইফ'। উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা।
- তাঁর রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' প্রকাশিত হয় ১৮৬৫। এটি তাঁর রচিত প্রথম বাংলা উপন্যাসও।
- 'ললিতা তথা মানস' (১৮৫৬) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'কপালকুণ্ডলা' তাঁর রচিত দ্বিতীয় বাংলা উপন্যাস (১৮৬৬)।
- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের উপন্যাস সমূহ:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস:
১) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২) বাংলাপিডিয়া।

১১.
‘ইয়ংবেঙ্গল’ আন্দোলনের প্রবক্তা কে ছিলেন?
  1. রাজা রামমোহন রায়
  2. ডেভিড হেয়ার
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও
ব্যাখ্যা

হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও:
- তিনি একজন ইউরেশীয় তরুণ কবি, যুক্তিবাদী, চিন্তাবিদ ও শিক্ষক।
- মাত্র সতেরো বছর বয়সে হিন্দু কলেজের (বর্তমান নাম প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়) শিক্ষক নিযুক্ত হন।
- ১৮২৮ সালে প্রতিষ্ঠিত তাঁর একটি সংগঠন 'অ্যাকাডেমিক অ্যাসোসিয়েশন'।
- ডিরোজিওর অনুসারী মুক্তচিন্তক গোষ্ঠীকে বলা হয় 'ইয়ংবেঙ্গল'।
- 'ইয়ংবেঙ্গল' আন্দোলনের প্রবক্তা ছিলেন হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও।
- তিনি 'ডেইলি দি ইস্ট ইন্ডিয়ান' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১২.
চর্যাপদে খণ্ডিত আকারে পাওয়া পদটির রচয়িতা কে?
  1. ভুসুকুপা
  2. লুইপা
  3. শবরপা
  4. কাহ্নপা
ব্যাখ্যা

- চর্যাপদের মোট ৫১ টি পদ রয়েছে; এই পদগুলোর মধ্যে প্রাপ্ত পদের সংখ্যা সাড়ে ৪৬টি।
- চর্যাপদের ২৪, ২৫ এবং ৪৮ নং পদগুলো পাওয়া যায় নি।
- চর্যাপদের প্রাপ্ত সাড়ে ৪৬টি পদের মধ্যে ২৩ নং পদটি খণ্ডিত আকারে পাওয়া গেছে।
- পদটির রচয়িতা ছিলেন ভুসুকুপা। ২৩ নং পদের ৬টি পদ বা লাইন পাওয়া গেছে কিন্তু বাকি ৪টি পদ পাওয়া যায়নি।

ভুসুকুপা:
- চর্যাগীতি রচনার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকুপা।
- তাঁর রচিত আঁটটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে সংগৃহীত হয়েছে।
- নানা কিংবদন্তি বিচারে ভুসুকুপা নামটিকে ছন্দ নাম বলে মনে করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শান্তিদেব।
- ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শান্তিদেব ভুসুকু সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বর্তমান ছিলেন।
- ভুসুকুর জীবৎকালে শেষ সীমা ৮০০ সাল।
- ধর্মপালের রাজত্বকালে (৭৭০-৮০৬ সাল) ভুসুকুপা জীবিত ছিলেন।

উৎস:
১। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৩.
'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৮৭২ সালে
  2. ১৮৭৮ সালে
  3. ১৮৮২ সালে
  4. ১৮৫২ সালে
ব্যাখ্যা

'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা:
- এটি মাসিক সাহিত্যপত্রিকা। ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উনিশ শতকের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
- পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।
- বঙ্গদর্শনের ভাষা ছিল খুব উন্নত মানের সাধু বাংলা। সাহিত্য, সমাজ, বিজ্ঞান, রাজনীতি, ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন সম্পর্কিত মূল্যবান প্রবন্ধ এবং উপন্যাস এতে প্রকাশিত হতো।
- প্রতিষ্ঠার পর থেকে ১৮৭৬ সালের এপ্রিল পর্যন্ত এর সম্পাদক ও প্রধান লেখক হিসেবে বঙ্কিমচন্দ্র এক গুরু দায়িত্ব পালন করেন।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৪.
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. নয়নচারা
  2. দি আগলি এশিয়ান
  3. তরঙ্গভঙ্গ
  4. উজান মৃত্যু
ব্যাখ্যা

'দি আগলি এশিয়ান' উপন্যাস:
'দি আগলি এশিয়ান' সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ রচিত একটি উপন্যাস।
- এ উপন্যাসে পূর্ববঙ্গের রাজধানী শহরকে (নাম নেয়া হয়নি) কেন্দ্র করে রাজনীতিতে আমেরিকার হস্তক্ষেপ, সেনাবাহিনীকে দিয়ে সামরিক আইন - জারি, সাধারণ মানুষের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার খর্ব করা, দেশে সাম্যবাদী উত্থান প্রচেষ্টা বাধাগ্রস্ত করা ইত্যাদি প্রধান হয়ে উঠেছে।
- সামরিক আইন জারি করিয়ে সেনাবাহিনী দিয়ে বা নিজেদের সমর্থনপুষ্ট পুঁজিবাদীদের কাজে লাগিয়ে মার্কিন দেশ তখন এশিয়ার প্রতিটি দেশেই নিজেদের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে ব্যস্ত ছিল।
- এশিয়ার এই কদর্য রূপকেই সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্ এই উপন্যাসে তুলে ধরেছেন।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ছিলেন একজন কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার।
- তিন ১৯২২ সালের ১৫ আগস্ট চট্টগ্রামের ষোলশহরে সৈয়দ বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ফেনি স্কুলের ছাত্রাবস্থায় ‘ভোরের আলো’ নামে হাতে লেখ পত্রিকার সম্পাদনা করেন।
- তাঁর প্রকাশিত প্রথম গল্প ‘হঠাৎ আলোর ঝলকানি’। এটি ঢাকা কলেজ ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৫ থেকে ১৯৪৭ পর্যন্ত কলকাতার ‘দৈনিক স্টেটসম্যান’ পত্রিকার সহকারী সম্পাদক হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
- তারঁ রচিত প্রথম উপন্যাস ‘লালসালু’ (১৯৪৮)।

• তাঁর রচিত অন্যান্য উপন্যাস:
- চাঁদের অমাবস্যা,
- কাঁদো নদী কাঁদো।
- দি আগলি এশিয়ান।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- নয়নচারা,
- দুই তীর ও অন্যান্য গল্প।

• তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- উজান মৃত্যু

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৫.
"গুলে বকাওলী" কোন ধারার সাহিত্য?
  1. নাথ সাহিত্য
  2. রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান
  3. বৈষ্ণব সাহিত্য
  4. লোক সাহিত্য
ব্যাখ্যা

গুলে বকাওলী:
- ইজ্জতুল্লা নামক এক বাঙালি লেখক রচিত পারসি গ্রন্থ গুলে বকাওলী'।
- ১৭২২ থেকে ১৭৯০ খ্রিষ্টাব্দে রচিত 'গুলে বকাওলী' গ্রন্থটি রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার একটি কাব্য।
- সতের শতকের কবি নওয়াজিস খান প্রথমে 'গুলে বকাওলী' কাব্যটি বঙ্গানুবাদ করেন।
- এর পরে মুহম্মদ মুকিম, মুহম্মদ আলী ও উমাচরণ মিত্রসহ অনেকেই 'গুলে বকাওলী' নামে কাব্য রচনা করেন।

'রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান' ধারার সাহিত্য:
- অনুবাদ সাহিত্য মধ্যযুগের একটি সাহিত্য ধারা। মুসলমান সাহিত্যিকদের অনুবাদকৃত সাহিত্যের নাম 'রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান'।
- 'রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান' মূলত মুসলিম চরিত্রনির্ভর ও প্রণয় সংক্রান্ত বিষয়বস্তু নিয়ে লিখিত সাহিত্যকর্ম।
- এই ধারার কয়েকজন কবি হচ্ছেন- শাহ মুহম্মদ সগীর, সৈয়দ সুলতান, দৌতল কাজী, আবদুল হাকিম, আলাওল, কোরেশী মাগন ঠাকুর
প্রমুখ।

'রোম্যান্টিক প্রণয়োপাখ্যান' অনুবাদ সাহিত্যসমূহ হলো:
- ইউসুফ-জোলেখা,
- লায়লী মজনু,
- মধুমালতী,
- গুলে বকাওলী,
- সতীময়না ও লোরচন্দ্রানী,
- চন্দ্রাবতী,
- পদ্মাবতী ইত্যাদি।

উৎস:
১। বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।
২। বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৬.
'ঊর্জস্বল' বাগ্‌ধারার অর্থ কী?
  1. কুৎসিত
  2. বলবান
  3. বিশৃঙ্খলা
  4. অপক্ব
ব্যাখ্যা

• 'ঊর্জস্বল' বাগ্‌ধারার অর্থ - বলবান

অন্যদিকে,
অষ্টাবক্র - কুৎসিত।
আধা খেঁচড়া - বিশৃঙ্খলা।
কাঁচা হাত - অপক্ব।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৭.
"ব্যথার সাঁতার-পানি-ঘেরা
চোরাবালির চর,
ওরে পাগল! ‌ কে বেঁধেছিস্
সেই চরে তোর ঘর?" - চরণগুলোর রচয়িতা কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা

"ব্যথার সাঁতার-পানি-ঘেরা
চোরাবালির চর,
ওরে পাগল! ‌ কে বেঁধেছিস্
সেই চরে তোর ঘর?" - চরণগুলোর রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম। চরণগুলো "সর্বহারা" কবিতার অন্তর্গত। এবং "সর্বহারা" কবিতাটি "সর্বহারা" কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

সর্বহারা
-কাজী নজরুল ইসলাম

ব্যথার সাঁতার-পানি-ঘেরা
চোরাবালির চর,
ওরে পাগল! ‌ কে বেঁধেছিস্
সেই চরে তোর ঘর?
শূন্যে তড়িৎ দেয় ইশারা
হাট তুলে দে সর্বহারা
মেঘ জননীর অশ্রুধারা
ঝরছে মাথার’ পর,
দাঁড়িয়ে দূরে ডাকছে মাটি
দুলিয়ে তরু-কর।।

"সর্বহারা" কাব্যগ্রন্থ:
- সর্বহারা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। ১৯২৬ খৃষ্টাব্দে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়। সর্বহারা কাব্যগ্রন্থে মোট ১০ টি
কবিতা রয়েছে।

কবিতাসমূহের তালিকা:
১. সর্বহারা,
২. কৃষাণের গান,
৩. শ্রমিকের গান,
৪. ধীবরদের গান,
৫. ছাত্রদলের গান,
৬. কাণ্ডারী হুঁশিয়ার,
৭. ফরিয়াদ,
৮. আমার কৈফিয়ত,
৯. প্রার্থনা,
১০. গোকুল নাগ।

উৎস: সর্বহারা কাব্যগ্রন্থ, কাজী নজরুল ইসলাম।

১৮.
কোনটি শুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদ?
  1. ষটঃ + নবতি = ষণ্ণবতি
  2. চিঃ + ময় = চিন্ময়
  3. অন্তঃ + ঈক্ষ = অন্তরীক্ষ
  4. তদঃ + নিষ্ঠ = তন্নিষ্ঠ
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- অন্তঃ, পুনঃ, প্রাতঃ (অন্তর্, পুনর্, প্রাতর্) ইত্যাদির পর স্বরধ্বনি থাকলে সন্ধির ফলে বিসর্গ 'র' হয়ে পরবর্তী স্বরধ্বনির সঙ্গে যুক্ত হয়।

যেমন:
- অন্তঃ + ঈক্ষ = অন্তরীক্ষ,
- অন্তঃ + ঈপ = অন্তরীপ,
- পুনঃ + উত্থান পুনরুত্থান,
- পুনঃ + উক্তি = পুনরুক্তি।

অন্যদিকে,
অশুদ্ধ সন্ধিবিচ্ছেদের শুদ্ধরূপ:
- ষট্ + নবতি = ষণ্ণবতি,
- চিৎ + ময় = চিন্ময়,
- তদ্‌ + নিষ্ঠ = তন্নিষ্ঠ।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, সপ্তম শ্রেণি এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৯.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. কায়ামনবাক্যে
  2. কায়ামনোবাক্যে
  3. কায়মনবাক্যে
  4. কায়মনোবাক্যে
ব্যাখ্যা

• শুদ্ধ বানান - কায়মনোবাক্যে
- এটি একটি ক্রিয়া বিশেষণ পদ।
- এটি বাংলা ভাষার শব্দ।

শব্দের অর্থ:
- দেহ মন ও কথায়,
- সম্পূর্ণরূপে,
- সর্বতোভাবে।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২০.
কোনটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস?
  1. শূলপাণি
  2. জ্যোৎস্নারাত
  3. সোনামুখী
  4. চালকুমড়া
ব্যাখ্যা

মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস:
- ব্যাসবাক্যের মধ্যবর্তী পদ লোপ পেয়ে যে বহুব্রীহি সমাস হয় তাকে মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস বলে।

যেমন:
- সোনার মতো উজ্জ্বল মুখ যার = সোনামুখী,
- একদিকে চোখ যার = একচোখা,
- গজের মতো আনন = গজানন ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
ব্যধিকরণ বহুব্রীহি সমাস = শূল পাণিতে যার - শূলপাণি।
মধ্যপদলোপী কর্মধারয় = জ্যোৎস্না শোভিত যে রাত - জ্যোৎস্নারাত, চালে আশ্রিত কুমড়া - চালকুমড়া।

উৎস:
১) বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
২) ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২১.
"Polyandry" এর বাংলা পরিভাষা -
  1. বহুবিবাহ
  2. দূষণ
  3. বহুপতিত্ব
  4. দৃষ্টবাদ
ব্যাখ্যা

• "Polyandry" এর বাংলা পরিভাষা - বহুপতিত্ব

অন্যদিকে,
Polygamy - বহুবিবাহ।
Pollution - দূষণ।
Positivism - দৃষ্টবাদ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২.
নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?
  1. রূপবান
  2. মঙ্গলকামনা
  3. নিখুঁত
  4. কিংবা
ব্যাখ্যা

• বিশেষ্য পদ - মঙ্গলকামনা
- এটি একটি সংস্কৃত শব্দ।

শব্দের অর্থ:
- কল্যাণকামনা,
- শুভকামনা।

অন্যদিকে,
বিশেষণ পদ - রূপবান, নিখুঁত।
অব্যয় পদ - কিংবা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৩.
'জয়ধ্বনি' শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ কোনটি?
  1. জয়োদ্‌ধোঁনি
  2. জয়দ্‌ধ্বোনি
  3. জয়দ্‌ধোনি
  4. জয়োদ্‌ধোনি
ব্যাখ্যা

• 'জয়ধ্বনি' শব্দের শুদ্ধ উচ্চারণ - জয়োদ্‌ধোনি
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।
- শব্দটি সংস্কৃত ভাষা হতে আগত।
- 'জয়ধ্বনি' শব্দের প্রকৃতি প্রত্যয়: জয় + √ধ্বন্‌ + ই।

শব্দের অর্থ:
- জয়োল্লাসের ধ্বনি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৪.
কোন দ্বিরুক্ত বাচক শব্দটি ভিন্নার্থক শব্দ যোগে গঠিত?
  1. বনজঙ্গল
  2. ডালভাত
  3. ভয়ডর
  4. ভাতটাত
ব্যাখ্যা

যুগ্মরীতিতে শব্দ দ্বিরুক্ত গঠন:
- একই শব্দ ঈষৎ পরিবর্তন করে দ্বিরুক্ত শব্দ গঠনের রীতিকে বলে যুগ্মরীতি। যুগ্মরীতিতে দ্বিরুক্ত গঠনের কয়েকটি নিয়ম রয়েছে।

যেমন:
- শব্দের আদিস্বরের পরিবর্তন করে: চুপচাপ, মিটমাট, জারিজুরি, টুপটাপ।
- শব্দের অন্ত্যস্বরের পরিবর্তন করে: মারামারি, হাতাহাতি, সরাসরি, জেদাজেদি।
- দ্বিতীয়বার ব্যবহারের সময় ব্যঞ্জনধ্বনির পরিবর্তনে: ছটফট, নিশপিশ, ভাতটাত
- সমার্থক বা একার্থক সহচর শব্দ যোগে: চালচলন, রীতিনীতি, বনজঙ্গল, ভয়ডর
- ভিন্নার্থক শব্দ যোগে: ডালভাত, তালাচাবি, পথঘাট, অলিগলি।
- বিপরীতার্থক শব্দ যোগে: ছোট-বড়, আসা-যাওয়া, জন্ম-মৃত্যু, আদান-প্রদান।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৫.
কোন ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বাধা সৃষ্টি করে?
  1. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
  2. কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন
  3. দন্ত্য ব্যঞ্জন
  4. তালব্য ব্যঞ্জন
ব্যাখ্যা

তালব্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলোকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে।
যেমন:
- চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রর্ভতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন:
- দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে।
- ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্ত্য ব্যঞ্জন:
- যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে।
- তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন:
- কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে।
- হাতি শব্দের হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২৬.
"শাক থেকে শাগ" এটি কোন প্রকার ধ্বনি পরিবর্তন?
  1. ব্যঞ্জন বিকৃতি
  2. অন্তর্হতি
  3. ব্যঞ্জনচ্যুতি
  4. অভিশ্রুতি
ব্যাখ্যা

ব্যঞ্জন বিকৃতি:
- শব্দ-মধ্যে কোনাে কোনাে সময় কোনাে ব্যঞ্জন পরিবর্তিত হয়ে নতুন ব্যঞ্জনধ্বনি ব্যবহৃত হয়। একে বলে ব্যঞ্জন বিকৃতি।

যেমন:
- কবাট > কপাট,
- ধােবা > ধােপা,
- ধাইমা > দাইমা,
- শাক > শাগ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

২৭.
উৎসগতভাবে "জাহাজ" শব্দটি কোন ভাষা হতে আগত?
  1. আরবি
  2. পর্তুগিজ
  3. ফরাসি
  4. ওলন্দাজ
ব্যাখ্যা

• উৎসগতভাবে "জাহাজ" শব্দটি "আরবি" ভাষা হতে আগত।
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- ইঞ্জিনচালিত সমুদ্রগামী বড়ো নৌযান।

আরবি ভাষা থেকে আগত কিছু শব্দ:
- আমানত, আমামা, আমিন, আমির, আমিরাত, আম্বর, আয়াত, আয়েশ, আরশ, আর্জি, আলামত, আলিশান, আলেম, আশেক, আসর।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৮.
Which work is considered a classic example of Gothic literature?
  1. Great Expectations by Charles Dickens
  2. Pride and Prejudice by Jane Austen
  3. Frankenstein by Mary Shelley
  4. David Copperfield by Charles Dickens
ব্যাখ্যা

• Gothic সাহিত্য হলো এমন এক সাহিত্যধারা যা রহস্য, ভয়, অতিপ্রাকৃত এবং অন্ধকারের অনুভূতি ফুটিয়ে তোলে। এর মধ্যে সাধারণত ভয়ঙ্কর দুর্গ, প্রেতাত্মা, মনস্তাত্ত্বিক উত্তেজনা এবং মানুষের অন্ধকার দিকের চিত্র দেখা যায়। এই দৃষ্টিকোণ থেকে, Mary Shelley-এর Frankenstein হলো Gothic সাহিত্যের একটি ক্লাসিক উদাহরণ। এই কাহিনীতে বিজ্ঞান ও অশুভ শক্তির সংমিশ্রণ ঘটেছে, যেখানে ভয়, দুশ্চিন্তা এবং মানবতার সীমারেখা পরীক্ষা করা হয়েছে। অন্যদিকে Charles Dickens বা Jane Austen-এর কাজগুলো সামাজিক বাস্তবতা ও মানব সম্পর্কের উপর বেশি কেন্দ্রীভূত, সুতরাং সেগুলো Gothic হিসেবে বিবেচিত হয় না। 
- তাই Gothic সাহিত্যের জন্য Frankenstein সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।


• বিস্তারিত আলোচনা:
• অপশন আলোচনা - 

ক) Great Expectations - এটা মূলত Victorian coming-of-age story, gothic vibe একটু আছে but classic Gothic নয়।
খ) Pride and Prejudice - pure social-romance novel, Gothic ধারার সাথে relation নেই।
গ) Frankenstein - science + horror মিশে তৈরি এক iconic Gothic classic, textbook example বলা যায়।
ঘ) David Copperfield - realistic life-story/Bildungsroman, Gothic category-তে পড়ে না।

• Gothic literature:
- গথিক সাহিত্য ১৮শ শতকের শেষভাগে ইউরোপে উদ্ভূত এক ধরনের রোমান্টিক ও ভৌতিক সাহিত্যধারা।
- এতে রহস্য, অন্ধকার, অতিপ্রাকৃত শক্তি ও ভয়ের উপাদান প্রধান থাকে।
-  ধ্বংসপ্রায় দুর্গ, অরণ্য, গুহা বা পরিত্যক্ত স্থানের মতো ভৌতিক পরিবেশ গথিক সাহিত্যের মূল বৈশিষ্ট্য।
- চরিত্রগুলো প্রায়ই মানসিক সংকট, অপরাধবোধ বা অজানা শক্তির ভয়ে আতঙ্কিত থাকে।
- গল্পে প্রায়ই অতীতের কোনো অভিশাপ বা অমীমাংসিত রহস্যের উল্লেখ দেখা যায়।
- অস্বাভাবিক ঘটনা- যেমন ভূত, প্রেতাত্মা, বা অদ্ভুত শব্দ- পাঠকের মাঝে ভয়ের অনুভূতি তৈরি করে।
- গথিক উপন্যাসে মানবমনের অন্ধকার দিকগুলো গভীরভাবে অনুসন্ধান করা হয়।
- নারীকেন্দ্রিক চরিত্রগুলো অনেক সময় বিপদের মুখে পড়ে, যা উত্তেজনা বাড়ায়।
- হরেস ওয়ালপোল, মেরি শেলি, ব্রাম স্টোকার প্রমুখ লেখক গথিক সাহিত্যকে জনপ্রিয় করে তুলেছেন।
- সামগ্রিকভাবে, গথিক সাহিত্য ভয়, রহস্য ও রোমাঞ্চের সেতুবন্ধন তৈরি করে পাঠককে এক ভৌতিক অথচ আকর্ষণীয় অভিজ্ঞতায় নিয়ে যায়।

Source: Britannica. [link]

২৯.
Which historical event forms the background of Charles Dickens' novel "A Tale of Two Cities"?
  1. The Glorious Revolution
  2. The American Civil War
  3. The French Revolution
  4. The Industrial Revolution
ব্যাখ্যা

• চার্লস ডিকেন্সের উপন্যাস “A Tale of Two Cities” এর পটভূমি হলো ফরাসি বিপ্লব (The French Revolution)। এই উপন্যাসে ১৭৮০ ও ১৭৯০-এর দশকে প্যারিস ও লন্ডনের সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার চিত্র অঙ্কিত হয়েছে। ডিকেন্স বিপ্লবের সময় ফরাসিরা যেভাবে শাসকবর্গের অত্যাচার ও সাম্যবাদের জন্য সংগ্রাম করেছিল তা দেখিয়েছেন। এখানে ধনাঢ্য অভিজাতদের লোভ, সাধারণ মানুষের দারিদ্র্য ও অসহায়ত্ব এবং বিপ্লবের কারণে হওয়া হিংস্রতা এবং অপরাধের ঘটনা বর্ণিত হয়েছে। প্রেম, আত্মত্যাগ ও ক্ষমার থিমগুলোর মধ্য দিয়ে ডিকেন্স সামাজিক অন্যায় ও ইতিহাসের প্রভাব তুলে ধরেছেন। ফলে, উপন্যাসের মূল পটভূমি হলো ফরাসি বিপ্লব।

- উত্তর: গ) The French Revolution.

• বিস্তারিত আলোচনা:

• A Tale of Two Cities:
- এটি Charles Dickens লিখিত একটি Novel.
- এই Novel টিতে London and Paris নামক City দুইটিকে ঘিরে কাহিনি গড়ে উঠেছে।
- ফরাসী বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্ট এই উপন্যাসটি।

• সার-সংক্ষেপ:
- কাহিনির সূত্রপাতে দেখা যায় Lucie Manette একজন তরুণী যে বিস্ময়ে ফেটে পড়ে তার বাবা Doctor Alexandre Manette এর জীবিত থাকার কথা শুনে।
- অত্যাচারি জমিদারের ষড়যন্ত্রে পড়ে নির্দোষ Doctor Manette জেল খাটতে বাধ্য হন।
- জেলে থাকা অবস্থায়ই তিনি মুচির কাজ শিখেন।
- তার মেয়ে Lucie বড় হবার পর বাবার কথা জানতে পেরে বাবাকে প্যারিস থেকে লন্ডনে নিয়ে আসেন।
- পথিমধ্যে তাদের সাথে পরিচয় হয় Charles Darnay এর সাথে। যে ফরাসী রাজপরিবারের সদস্য হলেও তার পরিবারের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল এবং প্রায়শ্চিত্ব করতে চেয়েছিল।
- এছাড়া পরবর্তীতে Sydney Carton নামক একজন পারিবারিক বন্ধু প্রেমে পড়ে Lucie Manette এর।

• Characters:
- Sydne Carton,
- Lucie Manette,
- Charles Darnay,
- Dr. Alexandre Manette,
- Madame Defarge.

• উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি সমূহ -
- "It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of light, it was the season of darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair." (First Line)

- "It is a far, far better thing that I do, than I have ever done; it is a far, far better rest I go to than I have ever known." (Last Line)

• Charles Dickens (February 7, 1812 - June 9, 1870)
- In full, Charles John Huffam Dickens.
- তিনি একজন ব্রিটিশ novelist.
- Charles Dickens এর ছদ্মনাম ছিল Boz.
- He is the greatest novelist in the Victorian Period.

• Best Works: (Novels)
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times, etc.

Source: Britannica, An ABC of English Literature Dr. M Mofizar Rahman.

৩০.
Who is the composer of Andrea Del Sarto?
  1. W. H. Auden
  2. Edward FitzGerald
  3. Christina Rossetti
  4. Robert Browning
ব্যাখ্যা

• Robert Browning হলেন "Andrea Del Sarto" কবিতার রচয়িতা। তিনি ১৯শ শতকের একজন বিশিষ্ট ইংরেজি ভিক্টোরিয়ান কবি ও নাট্যকার। "Andrea Del Sarto" একটি দীর্ঘ নাট্যকবিতা (dramatic monologue), যেখানে রোমান্টিক চিত্রশিল্পী আন্দ্রেয়া ডেল সার্টো সম্পর্কে তার ভেতরের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব এবং সৃজনশীল জীবনের সীমাবদ্ধতা তুলে ধরা হয়েছে। কবিতায় শিল্পী এবং তার জীবনের বাস্তবতা ও প্রিয়তমার সঙ্গে সম্পর্কের দ্বন্দ্ব গভীরভাবে প্রকাশিত হয়েছে। Browning-এর নাট্যকবিতা সাধারণত চরিত্রের মন এবং আত্মমনের জটিলতা বিশ্লেষণ করে, যা ভিক্টোরিয়ান সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে।
- তাই সঠিক উত্তর হলো: ঘ) Robert Browning.

• বিস্তারিত আলোচনা:

• Andrea Del Sarto:
- এটি Robert Browning রচিত।
- শিল্পী Andrea del Sarto এখানে নিজেই কথা বলছেন।
- তিনি তার স্ত্রীকে ডেকে পাশে বসান এবং কিছু নিরুপদ্রব ভালো সময় দুইজন একসাথে কাটাতে চান এমন মনোভাব ব্যক্ত করেন।
- এরপর কবি তার ফেলে আসা জীবনের কিছু হতাশার দিক তুলে ধরেন এবং তার জন্য আফসোস করেন। পরিশেষে স্ত্রীর সব আব্দার তিনি মেনে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন বিনিময়ে তিনি শুধু শান্তি চান।

​• Robert Browning (1812-1889):
- Robert Browning was a major English poet of the Victorian age.
- He is noted for his mastery of dramatic monologue and psychological portraiture.
- তিনি তাঁর কবিতাগুলোতে তিনি জটিল চরিত্রের মনস্তত্ত্ব ও নৈতিক দ্বন্দ্ব তুলে ধরেছেন।
- His wife, Elizabeth Barrett Browning, was also a poet of that time.

• ​Notable Works:
• Books of poems:
- Men and Women,
- Dramatic Lyrics,
- The Ring of the Book, etc.

• ​Other Poems:
- Bishop Blougram’s Apology,
- Christmas Eve and Easter-Day,
- Dramatis Personae,
- Porphyria’s Lover,
- Andrea Del Sarto,
- Fra Lippo Lippi,
- Rabbi Ben Ezra,
- My Last Duchess, etc.

Source: Britannica.

৩১.
In 1984, what is Big Brother?
  1. The protagonist
  2. The leader of the Party
  3. Winston’s friend
  4. A secret rebel organization
ব্যাখ্যা

• "1984" -এ “Big Brother” হলো পার্টির নেতা। এটি কোনো ব্যক্তি হিসেবে বাস্তবিকভাবে উপস্থিত না থাকলেও, সে সরকার এবং পার্টির সর্বদৃষ্টি ও সর্বশক্তির প্রতীক। পার্টি জনগণকে সর্বদৃশ্যে পর্যবেক্ষণ করে এবং সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে কেউ সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করতে না পারে। “Big Brother is watching you” এই স্লোগান মানুষের মনে ভয় এবং আনুগত্য জন্মায়। তাই Big Brother কোনো গোপন বিদ্রোহী বা উইনস্টনের বন্ধু নয়, বরং সমাজের ওপর সর্বদৃষ্টিসহ রাজতান্ত্রিক ক্ষমতার প্রতীক। পার্টির আধিপত্য বজায় রাখার জন্য Big Brother-এর উপস্থিতি একটি মানসিক ও রাজনৈতিক প্রভাব তৈরি করে।

উত্তর: খ) The leader of the Party.

• বিস্তারিত আলোচনা:

• Nineteen Eighty-four:
- This novel is written by George Orwell.
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৯ সালে।
- কাহিনী গড়ে উঠেছে Oceania নামক রাষ্ট্রে যেটি একটি কর্তৃত্ববাদী রাষ্ট্র।
- সরকার জনগণের ব্রেইনওয়াশ করে এবং বিন্দুমাত্র সমালোচনাও না করতে উৎসাহ দেয়।
- মুক্তচিন্তা এবং বাক স্বাধীনতা বলে কিছু ছিলো না সেই রাষ্ট্রে।
- সরকার দলের স্লোগান ছিল: “War is peace,” “Freedom is slavery,” and “Ignorance is strength.”
- কেন্দ্রীয় চরিত্রের নাম: Winston Smith যাকে সরকারের পক্ষ থেকে ইতিহাস কিংবা বিকৃত ইতিহাস লেখার দায়িত্ব দেয়া হয়। পরবর্তীতে সে প্রকৃত সত্য উদঘাটনে - ব্রত হয় এবং এক পর্যায়ে সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে।
- এর আগে, সে Julia নামের এক মেয়ের প্রেমে পড়ে। পাশাপাশি তারা গোপনে সরকার বিরোধী বিভিন্ন দলের সাথে যোগাযোগ রাখতে শুরু করে। যদিও তাদের অগোচরে তাদেরকে সরকারী নজরদারির মধ্যে রাখা হয়।
- এরপর Thought Criminal হিসেবে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয় এবং সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।

• Important terms: Newspeak, Big Brother, Thought Police.

• George Orwell:
- তার আসল নাম হলো Eric Arthur Blair.
- তিনি ব্রিটিশ ভারতে জন্মগ্রহণ করেন। Animal Farm এবং Nineteen Eighty-Four George Orwell দুটি বিখ্যাত উপন্যাস।

• Famous Works:
Novels:
- Animal Farm (1945 – a fairy story)
- Nineteen Eighty-Four
- Burmese Days
- Coming up for Air.

Story/Essay:
- Shooting an Elephant
- A Hanging.

Source: Encyclopedia Britannica.

৩২.
Literary usage defines "irony" as:
  1. The use of exaggeration for emphasis
  2. A contrast between expectation and reality
  3. A story with no plot
  4. The repetition of sounds at the beginning of words
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো খ) A contrast between expectation and reality।

সাহিত্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে "আইরনি" বা বিদ্রূপ হলো এমন একটি রূপকৌশল যেখানে ঘটনার বাস্তবতা আমাদের প্রত্যাশার সঙ্গে পুরোপুরি মিলিত হয় না। মানে, আমরা কিছু একটা আশা করি, কিন্তু বাস্তবতা তা উল্টোদিক থেকে প্রকাশ পায়। উদাহরণস্বরূপ, যদি একজন অগ্নিনির্বাপক নিজেই আগুনে পুড়ে যায়, সেটি একটি আয়রনির উদাহরণ। এখানে প্রত্যাশা হলো অগ্নিনির্বাপক আগুন থেকে নিরাপদ থাকবেন, কিন্তু বাস্তবতা সম্পূর্ণ বিপরীত। সাহিত্যিক কাজগুলোতে এই ধরনের ব্যবধান পাঠককে অবাক করে এবং গভীর অর্থ বা সামাজিক বিদ্রূপ তুলে ধরে। তাই আয়রনি মূলত প্রত্যাশা ও বাস্তবতার মধ্যে পার্থক্যকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়।

• বিস্তারিত আলোচনা:

Irony:
- 'Irony' is an Expression or statement where real meaning is concealed or contradicted.
- 'Irony' বলতে মূলত বক্তব্য জোরালো করতে নিজ চিন্তার সম্পূর্ণ বিপরীত কিছু বলে মনোভাব ব্যক্তকরণকে বুঝায়।
- প্রশংসার আদলে নিন্দা কিংবা নিন্দার আদলে প্রশংসা করা হয় এরূপ রচনা দ্বারা।
- অর্থাৎ এ ধরনের উক্তি দ্বারা যা বলা হয়, প্রকৃত অর্থ তার সম্পূর্ন বিপরীত বুঝানো হয়।
- The first sentence of Pride and Prejudice is an example of irony:
- "It is a truth universally acknowledged, that a single man in possession of a good fortune, must be in want of a wife."
- This line from Samuel Coleridge's "Rime of the Ancient Mariner" describes the dark irony of a sailor dying of thirst on his boat while he is surrounded by water.

Source: Britannica.

৩৩.
The wedding’s off, which has left both families feeling shocked and confused.
Here 'off' is -
  1. Adverb
  2. Preposition
  3. Adjective
  4. Noun
ব্যাখ্যা

• The wedding’s off, which has left both families feeling shocked and confused.
- Here 'off' is - Adjective.

• Off: [Adjective]
English meaning: (of an arranged event) stopped or given up.
Bangla meaning: থেমে যাওয়া বা পরিত্যক্ত হওয়া।

Example:
- The wedding’s off, which has left both families feeling shocked and confused.
- Bangla Meaning: বিয়ে বাতিল হয়েছে, যার ফলে দুই পরিবারই বিস্মিত ও বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে।

Source: Cambridge Dictionary.

৩৪.
“Fulminate” can be used to describe someone who:
  1. Complains angrily
  2. Meditates quietly
  3. Sleeps peacefully
  4. Travels leisurely
ব্যাখ্যা

• The closest in meaning to 'Fulminate' is - Complain angrily. 

• Fulminate (verb)
English Meaning: to express vehement protest; to explode or issue denunciations.  
Bangla Meaning: রোষান্বিতভাবে অভিযোগ করা; প্রবলভাবে আপত্তি প্রকাশ করা।  

অপশন আলোচনা: 
- Complains angrily - রোষান্বিতভাবে অভিযোগ করা।  

- Mediates quietly - শান্তভাবে ধ্যান করা।  

- Sleeps peacefully - শান্তিপূর্ণভাবে ঘুমানো।  

- Travels leisurely - ধীরগতিতে ভ্রমণ করা।  

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৫.
As soon as he heard the tidings, he called his clan. (Make it simple)
  1. As soon as hearing the tidings, he called his clan.
  2. After hearing the tidings, he called his clan.
  3. By hearing the tidings, he called his clan.
  4. On hearing the tidings, he called his clan.
ব্যাখ্যা

• Complex Sentence: As soon as he heard the tidings, he called his clan. 
- Simple Sentence: On hearing the tidings, he called his clan.

• প্রশ্নে উল্লিখিত As soon as he heard the tidings, he called his clan.  - এই বাক্যটি complex sentence এ আছে।
- Complex Sentence এ ‍as soon as থাকলে Simple Sentence এ as soon as এর পরিবর্তে on (সাথে সাথেই) বসে।
- On এর সাথে verb + ing বসে। 
- এরপর as soon as যুক্ত clause এর বাকি অংশ বসে।
- Principal clause যেভাবে রয়েছে সেভাবেই বসে। 

উল্লেখ্য, 
- tidings শব্দের অর্থ - সংবাদ; সন্দেশ। 
- clan শব্দের অর্থ - গোত্র; বংশ; প্রধানত স্কটল্যান্ডের পার্বত্যাঞ্চলের একবংশীয় জাতি।

৩৬.
It took me a few weeks to acclimatize _______ the cold weather after moving to Canada.
  1. on
  2. about
  3. with
  4. to
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to.
- Complete sentence: It took me a few weeks to acclimatize to the cold weather after moving to Canada.
 - Bangla Meaning: কানাডায় চলে আসার পর ঠান্ডা আবহাওয়ায় অভ্যস্ত হতে আমাকে কয়েক সপ্তাহ লেগেছে।
 
• Acclimatize (verb-transitive), (verb intransitive) acclimatize (to)
English Meaning: become accustomed to a new climate or new conditions; adjust.
Bangla Meaning: ভিন্ন আবহাওয়া, পরিবেশ বা অবস্থায় খাপ খইয়ে নেওয়া; নতুন জলবায়ুতে অভ্যস্ত হওয়া বা করা।

Example Sentence:
- New employees often need time to acclimatize to the company’s culture and workflow.
- Climbers must acclimatize to high altitudes gradually to avoid altitude sickness.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.

৩৭.
Every action has its _________, whether good or bad.
  1. reperecussion
  2. repreccussion
  3. repercussion
  4. reprecussion
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: Every action has its repercussion, whether good or bad.
 - Bangla Meaning: প্রতিটি কাজের ফলাফল থাকে, সেটা ভালো হোক বা খারাপ।
 
• The correct spelling is - repercussion. (অপশন 'গ')

• Repercussion (noun)  
English Meaning: an unintended consequence or result of an action or event.  
Bangla Meaning: কোনো কাজ বা ঘটনার ফলাফল বা প্রভাব, যা প্রত্যাশিত নাও হতে পারে।  

Example Sentence:  
1. The new policy had serious repercussions on small businesses.  
2. His decision to skip the meeting had unforeseen repercussions.  

Source:  
1. Cambridge Dictionary.  
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৮.
If I had been a canditate, Mamdani _________ won.
  1. will have 
  2. wouldn't have
  3. may have
  4. haven't
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: If I had been a canditate, Mamdani wouldn't have won won.
- Bangla Meaning: যদি আমি প্রার্থী হতাম, মামদানি জিততে পারত না।
 
• Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়।
- এখানে, If যুক্ত clause-এ  had been হওয়ায়, Principal clause-এ wouldn't have হবে। 

• Structure: If + Past Perfect (had +V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.
- Negative অর্থ প্রকাশ করলে would/could/might + not হয়।

• Note: 'If' clause -টি sentence -এর শুরুতে বা শেষে বসতে পারে।

• More Examples:
1. If you had studied harder, you would have passed the exam.
2. If he had not supported me, I would have given up.

৩৯.
Pick the opposite of "Bogus".
  1. Fictitious
  2. Fabricated
  3. Imitation
  4. Legitimate 
ব্যাখ্যা

• The opposite of 'Bogus' is - Legitimate.

• Bogus (adjective)  
English Meaning: not genuine or true; fake or false.  
Bangla Meaning: নকল; ভুয়া; মিথ্যা।  

অপশন আলোচনা:  
Fictitious - কল্পিত; বাস্তব নয়।  

Fabricated - তৈরি করা বা সাজানো; সত্য নয়।  

Imitation - অনুকরণ; নকল।  

Legitimate - বৈধ; সত্য; আসল।  

Source:  
1. Merriam-Webster.  
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪০.
Which of the following is a satirical target in A Voyage to Lilliput?
  1. Space exploration
  2. The industrial revolution
  3. Mythical creatures
  4. European politics
ব্যাখ্যা

• “A Voyage to Lilliput”- জোনাথান সুইফটের লেখা “Gulliver’s Travels”-এর প্রথম অংশ। এখানে গল্পের মূল চরিত্র, গুলিভার, ছোট্ট লিলিপুটদের দেশে ভ্রমণ করে। সুইফট এই কাহিনীর মাধ্যমে ইউরোপীয় রাজনীতি ও সমাজের দুর্নীতি, ক্ষমতার লড়াই এবং অপ্রয়োজনীয় রাজনীতিক ঝামেলা-কে বিদ্রূপ করেছেন। লিলিপুটদের মধ্যে ক্ষমতার জন্য ছোটখাটো সমস্যা ও তুচ্ছ বিবাদ বড় রকমের সংঘাত সৃষ্টি করে, যা বাস্তবের ইউরোপীয় রাজনৈতিক অবস্থা এবং আদালত-রাজনীতির নিন্দা। তাই এই গল্পে মিথিক্যাল প্রাণী বা শিল্প বিপ্লব বা মহাকাশ অভিযান নয়, বরং ইউরোপীয় রাজনীতিই প্রধান টার্গেট।

সঠিক উত্তর: ঘ) European politics.

• বিস্তারিত আলোচনা:

• A Voyage to Lilliput:
- এই রচনাটি Jonathan Swift রচিত satirical novel "Gulliver's Travels" -এর চারটি খন্ডের প্রথম খন্ড।
- এই খন্ডে 'Liliputans' হচ্ছে ছয় ইঞ্চি উচ্চতার খর্বকায় আকৃতির মানুষ।
- এই অংশে, Gulliver নামক একজন অভিযাত্রী, তার এক সফরে Lilliput নামক একটি কাল্পনিক দেশে পৌঁছান, যেখানে সব মানুষ খুব ছোট, মাত্র ছয় ইঞ্চি উচ্চতার।
- এই novel টি ১৭২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- এর full title হচ্ছে Travels into Several Remote Places in the World.
- "A Voyage to Lilliput" শুধুমাত্র একটি কল্পনাপ্রসূত ভ্রমণকাহিনী নয়, বরং এটি মানব স্বভাব এবং সমাজের ব্যঙ্গাত্মক বিশ্লেষণের একটি কার্যকর মাধ্যম।
- এর মাধ্যমে Swift মানব স্বভাব এবং রাজনীতিকে satire করেছেন।
- Gulliver’s Travels combines adventure with savage satire, mocking English customs and the politics of the day.

• 'Gulliver's Travels' -এর চারটি খন্ড হলো:
- A Voyage to Lilliput,
- A Voyage to Brobdingnag,
- A Voyage to Balnibarbi,
- A Voyage to the Country of Houyhnhnms.

• Important characters:
- Lemuel Gulliver,
- Blefuscudian,
- Yahoos,
- Houyhnhnms,
- Lilliputians,
- Laputans, etc.

• Jonathan Swift (1667-1745):
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তিনি Augustan period -এর একজন Author.
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.
- Jonathan Swift একজন প্রবন্ধকার এবং কবি, যিনি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম মহান লেখক হিসেবে পরিচিত।
- He was a prose satirist in the English language.
- অর্থাৎ, ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তার রচিত বিখ্যাত satire হলো ‘Gulliver’s Travels’.
- তিনি সমাজ, রাজনীতি এবং মানব প্রকৃতির সমালোচনার জন্য বিখ্যাত।

• Notable works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal,
- A Journey to Stella,
- The Battle of Books.

• Famous quotations:
- "The most brilliant ideas are those that are not followed."
- "Every man desires to live long, but no man wishes to be old."
- "The different nations of the world had different customs."
- "I winked at my own littleness, as people do at their own faults."
- "It is a melancholy truth that even great men have their poor relations."
- "No person can disobey reason, without giving up his claim to be a rational creature."

Source: Britannica.

৪১.
The scientist was concerned that the aftershocks might be stronger than expected.
Here the underlined part is -
  1. Adjective phrase
  2. Noun clause
  3. Adjective clause
  4. Adverb clause
ব্যাখ্যা

• The scientist was concerned that the aftershocks might be stronger than expected.
- Here the underlined part is - Noun clause.
- Bangla Meaning: বিজ্ঞানীর মনে দুশ্চিন্তা ছিল যে ভূমিকম্পের পরের আঘাত প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হতে পারে।
 
- কিছু কিছু ক্ষেত্রে preposition উহ্য থাকে, তাই preposition এর object হিসেবে এরা noun clause হয়।
- The scientist was concerned (about) that the aftershocks might be stronger than expected.
- (Preposition "about" উহ্য আছে: The scientist was concerned (about) that the aftershocks might be stronger than expected.)
- সেই হিসেবে এটি noun clause.

• Note: একে মনে হতে পারে, adjective কে মডিফাই করছে বলে তাই এটি Adverbial clause, কিন্তু এটি মূলত noun clause.

• A noun clause is a group of words that band together and act like a noun.
- Nouns clauses are used when a single word isn't enough.
- They're always dependent clauses.

• একটি বাক্যের চারটি স্থানে Noun clause বসতে পারে-
1. subject হিসাবে,
2. transitive verb এর object হিসেবে,
3. Linking verb এরপরে complement হিসাবে,
4. Preposition এর Object হিসেবে।

৪২.
The word “Colloquial” most nearly means:
  1. Old-fashioned
  2. Difficult to understand
  3. Informal and conversational
  4. Formal and official
ব্যাখ্যা

• The word "Colloquial" most nearly means - Informal and conversational.

• Colloquial (adjective)  
English Meaning: used in ordinary or familiar conversation; not formal or literary.  
Bangla Meaning: কথ্য; স্বাভাবিক কথোপকথনের।

Example Sentence:  
1. His colloquial style of writing makes the novel easy to read.  
2. In colloquial English, people often say "gonna" instead of "going to".  

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Oxford Learner's Dictionary.

৪৩.
Walter is getting used ________ his criminal activities from Hank.
  1. to hiding
  2. hide
  3. hiding
  4. to hide
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - to hiding.
- Complete sentence: Walter is getting used to hiding his criminal activities from Hank.
- Bangal Meaning: ওয়াল্টার হ্যাঙ্কের কাছে তার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড লুকানোতে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছে।
 
• be used to/ get used to এর পর verb + ing বসে। 
- Be used to/get used to এর পরে noun অথবা Gerund বসে।
- Structure: subject + be/get + used to + [verb + ing] / noun.
- be/get used to = অভ্যস্থ থাকা।

- উল্লেখ্য, 
- শুধু used to থাকলে verb এর base form বসে। 

• এছাড়াও
• বাক্যে mind, cannot help, could not help, with a view to, look forward to, be used to, worth ইত্যাদির পর কোনাে Verb আসলে উক্ত Verb - এর সাথে ing যুক্ত হয়।
যেমন:
- I am looking forward to seeing you.
- Would you mind helping me with my homework?
- I cannot help laughing at his jokes.
- He joined the course with a view to improving his skills.
- I am used to waking up early every day.
- She is getting used to driving on busy roads.
- This book is worth reading again and again.

৪৪.
________ you, everything I’ve built would mean nothing.
  1. But off
  2. But then
  3. But for
  4. But that
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: But for you, everything I’ve built would mean nothing.
 - Bangla Meaning: তুমি ব্যতীত, আমার সব চেষ্টা এবং সৃষ্টি মূল্যহীন মনে হবে।
 
• But for someone/something: 
English meaning: without someone or something.
Bangla meaning: ছাড়া, নইলে।

Example Sentence:
- These banks would have failed but for large-scale government intervention.
- But for you, I’d never have the courage to try.
- But for you, my heart would have long stopped hoping.

Other options,
- but that (এমন) না হলে: He would have joined the party but that he was suddenly taken ill.
- but then অন্যদিকে: He is not a paragon of virtue, but then he is also the most companionable person I have ever met.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৪৫.
Choose the correct sentence.
  1. The political analyst expounded over the possible outcomes of the Bangladesh election.
  2. The political analyst expounded on the possible outcomes of the Bangladesh election.
  3. The political analyst expounded about the possible outcomes of the Bangladesh election.
  4. The political analyst expounded in the possible outcomes of the Bangladesh election.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: The political analyst expounded on the possible outcomes of the Bangladesh election.
- Bangla Meaning: রাজনৈতিক বিশ্লেষক বাংলাদেশের নির্বাচনের সম্ভাব্য ফলাফল নিয়ে বিশদভাবে আলোচনা করলেন।
 
• Expound on
English Meaning: To give a detailed explanation of something:
Bangla Meaning: ব্যাখ্যা করা; বিস্তারিত বর্ণনার সাহায্যে অর্থ পরিষ্কার করা।

- ব্যাখ্যা করা বুঝাতে - expounded এর পরে preposition হিসেবে on বসে। 

Example Sentence:
- The professor expounded on the principles of quantum mechanics during the lecture.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪৬.
Which of the following best describes the function of an asterisk in writing?
  1. To show possession
  2. To replace vowels in a word
  3. To highlight a reference or note
  4. To indicate a pause in speech
ব্যাখ্যা

• The function of an "asterisk" in writing is - To highlight a reference or note.

• Asterisk (noun)
English Meaning: a symbol (*) used in writing to indicate a footnote, reference, or annotation.
Bangla Meaning: তারকা চিহ্ন; রেফারেন্স বা নোট নির্দেশক।

Example Sentence:
1. Please refer to the asterisk at the bottom of the page for more details.
2. He added an asterisk next to the word to indicate a special note.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৪৭.
The writing of manuscripts is a rewarding endeavor.
Here, 'writing' and 'rewarding' are respectively -
  1. Verbal noun, Participle
  2. Verbal noun, Gerund
  3. Gerund, Verbal noun
  4. Participle, Gerund
ব্যাখ্যা

• The writing of manuscripts is a rewarding endeavor.
- Here, 'writing' and 'rewarding' are respectively - Verbal noun, Participle.

• Verbal noun:
কোন বাক্যের Verb + ing - এর পুর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb + ing + of = verbal noun.
- Verbal Noun দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।

- নিয়মানুযায়ী writing is the example of verbal noun.
- কারণ, writing এর পূর্বে the ও পরে of বসেছে।

- তাই The writing of manuscripts is a rewarding endeavor.
- এই বাক্যে writing একটি Verbal Noun.

• অন্যদিকে,
• Participle:
- It is the form of a verb that usually ends in "ed" or "ing" and is used as an adjective:
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

- সুতরাং, The writing of manuscripts is a rewarding endeavor. - এই বাক্যে rewarding হচ্ছে participle.
- এখানে "rewarding" - endeavor (noun) কে modify করেছে বিধায় এটি adjective.

৪৮.
______ Headmaster and ______ secretary are available in the assembly.
  1. The, zero article
  2. The, the
  3. Zero article, the
  4. Zero article, zero article
ব্যাখ্যা

• শূন্যস্থান সমূহে সঠিক উত্তর হবে - The, the.
- Complete sentence: The Headmaster and the secretary are available in the assembly.

• Article এর নিয়মানুযায়ী,
- দুটি noun and দ্বারা যুক্ত হয়ে একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করলে কেবল মাত্র প্রথম noun টির পূর্বে the বসে।
- কিন্তু যদি noun দুটি দ্বারা ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় তবে উভয় noun এর পূর্বে the বসে।

• একই ব্যক্তিকে নির্দেশ করছে নাকি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তিকে সেটা বোঝার সহজ উপায় হচ্ছে - দুইটি subject/ noun এর পরের verb টির দিকে লক্ষ্য রাখা।
- And দ্বারা যুক্ত দুই বা ততোধিক subject/noun যদি একই ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে তবে তাদের পরবর্তী verb টি singular হয়।
- And দ্বারা যুক্ত দুই বা ততোধিক subject/noun যদি ভিন্ন ভিন্ন ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে তবে তাদের পরবর্তী verb টি plural হয়।

৪৯.
What does the idiom “have feet of clay” mean?
  1. To have a hidden weakness
  2. To be very fast
  3. To be physically strong
  4. To be hardworking
ব্যাখ্যা

• The idiom "have feet of clay" means - To have a hidden weakness.

• have feet of clay (idiom)
English Meaning: To have a hidden flaw or weakness, especially in someone admired.
Bangla Meaning: আড়াল স্বভাবের দুর্বলতা থাকা; সম্মানিত কারো মধ্যে দুর্বলতা থাকা।

Example Sentence:
- Even the most respected leader has feet of clay, and mistakes are inevitable.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৫০.
My passport is out of date, so I need to renew it before traveling.
The underlined part is an example of -
  1. Noun phrase
  2. Adverb phrase
  3. Interjection phrase
  4. Adjective phrase
ব্যাখ্যা

• My passport is out of date, so I need to renew it before traveling.
- The underlined part is an example of - Adjective phrase.

- আবার, যে Phrase - Preposition দিয়ে শুরু হয়, কিন্তু Adjective বা Adverb এর কাজ করে, তাকে Prepositional Phrase বলে।
- এখানে out of date- Phrase-টি My passport is এর adjective হয়েছে অর্থাৎ noun (My passport) কে modify করেছে এবং এটি out of – Preposition দিয়ে শুরু হয়েছে।
- তাই এটি একটি Prepositional Phrase এবং adjective phrase উভয়ই।
- যেহেতু প্রশ্নে adjective phrase উল্লিখিত আছে, তাই এটিই উত্তর।

• Adjective phrase:

- যে phrase গুলো sentence - এ adjective এর মত কাজ করে, অর্থ্যাৎ Noun এর অবস্থা, দোষ-গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, সেই phrase গুলোকে Adjective Phrase বলে।
- Noun এর পর যদি কোন clause/Phrase বসে তাহলে সেটি Adjective clause/Phrase হবে।

৫১.
Choose the correct spelling.
  1. Exaggeration
  2. Exaggaretion
  3. Exeggeration
  4. Exageration
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is - Exaggeration. (অপশন 'ক') 

• Exaggeration (noun)
- English Meaning: the act of making something seem larger, better, or worse than it really is.
- Bangla Meaning: অতিরঞ্জন; কোনো কিছু আসল অবস্থার চেয়ে বড় বা বেশি করে দেখানো।  

Example Sentence:
1. His story about the accident was full of exaggeration.
2. Exaggeration is often used in jokes to make them funnier.  

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.  

৫২.
“Alone on a wide wide sea” primarily conveys the feeling of:
  1. Joy and celebration
  2. Fear of death
  3. Loneliness and isolation
  4. Patriotism
ব্যাখ্যা

• “Alone on a wide wide sea” এই উক্তিটি মূলত একাকীত্ব এবং বিচ্ছিন্নতার অনুভূতি প্রকাশ করে। এখানে “wide wide sea” বা বিশাল সাগর মানুষের চারপাশে বিস্তৃত এক সীমাহীন স্থানের প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ছোট এবং অসহায় মানুষকে আরও নির্জন ও একাকী মনে করায়। লেখক বা বক্তা যেন এই বিশাল জগতে একা ভাসছে, কোনো সঙ্গী বা সহায়তার ছায়া নেই। এতে পাঠক বা শোনান তার অন্তর্দৃষ্টি থেকে গভীর এক নিঃসঙ্গতার অনুভূতি পায়। এখানে neither patriotism, fear of death, nor joy- এর কোনো সরাসরি প্রকাশ নেই; বরং এটি মানুষের একাকীত্ব এবং মানসিক বিচ্ছিন্নতার অনুভূতিকে প্রধানভাবে প্রতিফলিত করে। 
- সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: গ) Loneliness and isolation.

• বিস্তারিত আলোচনা:

• The Rime of the Ancient Mariner:
- The poem 'The Rime of the Ancient Mariner' is a Lyric poem written by Samuel Taylor Coleridge.
- The Rime of the ancient Mariner কবিতায় Albatross নামক একটি পাখিকে কোনো কারণ ছাড়াই হত্যা করে।
- এবং সেই পাপের কারণে তাকে প্রায়শ্চিত্ত করে যেতে হয়।
- এভাবেই কবিতার কাহিনি সামনের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।
- The title character detains one of three young men on their way to a wedding feast and mesmerizes him with the story of his youthful experience at sea—his slaughter of an albatross, the deaths of his fellow sailors, his suffering, and his eventual redemption.
- এটি একটি ৭ পার্টের কবিতা।
- এটি সর্বপ্রথম 'Lyrical Ballads' এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে ১৭৯৮ সালে প্রকাশিত হয়।

• এই কবিতার কিছু বিখ্যাত উক্তি -
• ''Alone, alone, all, all alone,
Alone on a wide sea.''

• ''Water, water everywhere,
Not any drop to drink.''

• "He prayeth best, who loveth best
All things both great and small."

• 'A sadder and a wiser man,
He rose the morrow morn.'

• The important character of this poem -
- The Mariner,
- Wedding Guest,
- Albatross,
- The Nightmare,
- Life in Death.

• Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি একজন English lyrical poet, critic এবং philosopher.
- তাঁকে Poet of Supernaturalism বলা হয়।

• Notable Works of Samuel Taylor Coleridge:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography);
- Christabel (Long narrative unfinished ballad);
- Dejection: An Ode (Poem);
- Frost at Midnight (Poem);
- Kubla Khan (unfinished poem);
- Lyrical Ballads (Book);
- The Rime of the Ancient Marine (Poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৫৩.
What is a central theme of Beowulf?
  1. Betrayal and politics
  2. Science and discovery
  3. Heroism and loyalty
  4. Love and romance
ব্যাখ্যা

• Beowulf-এর কেন্দ্রীয় থিম হলো “Heroism and loyalty” (গ)। এ কাব্যিক গল্পে বীরত্ব এবং আনুগত্যের মূল্যবোধের গুরুত্ব প্রতিফলিত হয়। বেওউলফ, যিনি তার দেশ ও জনগণের সুরক্ষায় নিজেকে উৎসর্গ করে, বিভিন্ন দানব ও শত্রুর সঙ্গে লড়াই করে, তা দেখায় যে সত্যিকারের বীরত্ব কেবল শারীরিক শক্তি নয়, বরং নৈতিক দায়বদ্ধতা ও আনুগত্যের মধ্যেও নিহিত। তিনি রাজা ও জনগণের প্রতি বিশ্বস্ত থাকেন, যা সমাজে সম্মান এবং কর্তব্যবোধের প্রতীক। গল্পটি শক্তি, সাহস, ন্যায় এবং বন্ধুত্বের গুরুত্বকে তুলে ধরে, যা মূলত মানুষের চরিত্র ও মানবিক মূল্যবোধকে কেন্দ্র করে।

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Beowulf is Old English literature's earliest epic and highest achievement.
- It is the first long poem in English literature
- এটি ৬ শতকের একটি প্রায় ৩ হাজার লাইনের long Heroic poem, যার লেখক এর নাম খুঁজে পাওয়া যায় নি।
- Beowulf কে highest achievement of Old English literature হিসাবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
- এছাড়াও, এটাকে Earliest European vernacular epic ও বলা হয়।

• এই Epic টি দুইটি ভাগে বিভক্ত।
- এই কবিতার প্রধান চরিত্র Beowulf একজন Scandinavian hero.
- Beowulf এর তিনটি দু:সাহসিক অভিযানকে কেন্দ্র করে কাহিনী এগিয়ে চলে।
- ধারনা করা হয় এই Epic এর প্রধান চরিত্র Beowulf এর নাম অনুযায়ী এর নামকরণ করা হয়েছে।
- It opens in Denmark, where King Hrothgar has a splendid mead hall known as Heorot, a place of celebration and much merriment.'
- There is no evidence of a historical Beowulf, but some characters, sites, and events in the poem can be historically verified
- It is also the first monument in English literature.

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.com

৫৪.
What literary form is The Passionate Shepherd to His Love?
  1. Ballad
  2. Sonnet
  3. Epic
  4. Pastoral lyric
ব্যাখ্যা

• উত্তর: ঘ) Pastoral lyric.

The Passionate Shepherd to His Love একটি প্রবাদসাপেক্ষ প্রাকৃতিক কবিতা বা pastoral lyric। এটি ক্রিস্টোফার মার্লোর লেখা এবং গ্রামীণ জীবন, প্রকৃতি, প্রেম ও সরল আনন্দকে তুলে ধরে। কবিতায় shepherd (পাশ্চাত্য গ্রামীণ চরিত্র) তার প্রিয়াকে গ্রামীণ সৌন্দর্য ও আনন্দ দিয়ে জীবন উপভোগ করার জন্য আমন্ত্রণ জানাচ্ছে। এখানে কোনো দীর্ঘ কাহিনি বা নায়কবীরের গাথা নেই, তাই এটি epic নয়। এছাড়া, কবিতাটি ছন্দ এবং রূপক ব্যবহার করে প্রেম ও প্রকৃতির সৌন্দর্য বর্ণনা করলেও এটি sonnet বা সংক্ষিপ্ত প্রেমের চিঠি রূপেও সীমাবদ্ধ নয়। তাই এটি স্পষ্টভাবে pastoral lyric.

• বিস্তারিত আলোচনা:
• The Passionate Shepherd to His Love:
- এটি Christopher Marlowe রচিত একটি pastoral poem.
- 1599 সালে প্রকাশিত।
- Marlowe’s poem features a “passionate shepherd” pleading with his “love” to live with him in the country.

• ''Come live with me and be my love,
And we will all the pleasures prove,
That Valleys, groves, hills, and fields,
Woods, or steepy mountain yields.''

• Christopher Marlowe:
- তিনি একজন Elizabethan poet.
- তিনি একজন University Wit ছিলেন।
- Shakespeare এর আগে তিনিই ছিলেন English drama এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লেখক।
- He is noted especially for his establishment of dramatic blank verse.

• Notable work (play):
- Doctor Faustus,
- Hero and Leander,
- Tamburlaine the Great,
- The Jew of Malta.

Source: Britannica.com

৫৫.
“Lycidas” is written in memory of-
  1. William Shakespeare
  2. John Donne
  3. Christopher Marlowe
  4. Edward King
ব্যাখ্যা

• “Lycidas” কবিতাটি লেখা হয়েছে Edward King-এর স্মৃতিতে। এ কবিতার রচয়িতা হলো ইংরেজ কবি John Milton, যিনি তাঁর বন্ধু এডওয়ার্ড কিং-এর আকস্মিক মৃত্যুতে এই বিখ্যাত শোককবিতা রচনা করেছিলেন। এডওয়ার্ড কিং ছিল একজন শিক্ষার্থী, যিনি তরুণ অবস্থায় জলদূর্ঘটনায় মারা যান। Milton তাঁর মৃত্যুর ক্ষোভ, দুঃখ এবং ন্যায়বিচারের ভাবনা কবিতায় প্রকাশ করেছেন। “Lycidas” মূলত জীবন, মৃত্যু, বন্ধুত্ব এবং মানবজাতির ক্ষণস্থায়ীতার উপর গভীর দার্শনিক চিন্তা তুলে ধরে। কবিতায় কাব্যশৈলী এবং প্রাকৃতিক প্রতীক ব্যবহার করে Milton তাঁর প্রিয় বন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা ও শোক প্রকাশ করেছেন, যা সাহিত্যজগতে অত্যন্ত পরিচিত।

- সঠিক উত্তর: ঘ) Edward King.

• বিস্তারিত আলোচনা:
• Lycidas (elegy):
- এটি একটি শোকগাঁথা।
- কবি তার বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধু বা সহপাঠীর জাহাজ দূর্ঘটনায় মৃত্যুর প্রেক্ষিতে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি প্রকাশিত হয় ১৬৩৮ সালে।
- এটি একটি Pastoral elegy.
- John Milton wrote Lycidas (Pastoral elegy) on the death of Edward king.
- Edward king was a friend of John Milton.

• John Milton:
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- Milton is best known for Paradise Lost.
- it is widely regarded as the greatest epic poem in English.

• Some notable works of him:
- Paradise Lost (Epic);
- Paradise Regained (Epic);
- Of Education (Prose);
- Lycidas (Elegy);
- On Shakespeare (First published poem).

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৫৬.
যদি f(x) = (x3 - 3x2 + 1)/{x(1 - x)} হয়, তবে f(2) = ?
  1. 0
  2. 3
  3. 1/2
  4. 3/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি f(x) = (x3 - 3x2 + 1)/{x(1 - x)} হয়, তবে f(2) = ?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
f(x) = (x3 - 3x2 + 1)/x(1 - x)
f(2) = (23 - 3 . 22 + 1)/2(1 - 2)
= (8 - 12 + 1)/2(- 1)
= - 3/- 2
= 3/2

৫৭.
শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সরল মুনাফায় কত টাকা ১২ বছরে মুনাফা-আসলে ১২৮০ টাকা হবে?
  1. ৭৬০ টাকা 
  2. ৮০০ টাকা
  3. ৯৬০ টাকা 
  4. ৮৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সরল মুনাফায় কত টাকা ১২ বছরে মুনাফা-আসলে ১২৮০ টাকা হবে?

সমাধান:
মনেকরি,
১০০ টাকার ১ বছরে মুনাফা = ৫ টাকা
∴ ১০০ টাকার ১২ বছরে মুনাফা = ৫ × ১২ = ৬০ টাকা

∴ মুনাফা- আসল = ১০০ + ৬০ = ১৬০ টাকা
এখন,
মুনাফা- আসল ১৬০ টাকা হলে আসল = ১০০ টাকা
মুনাফা- আসল ১ টাকা হলে আসল = ১০০/১৬০ টাকা
মুনাফা- আসল ১২৮০ টাকা হলে আসল = (১০০ × ১২৮০)/১৬০ = ৮০০ টাকা

সুতরাং, শতকরা বার্ষিক ৫ টাকা হার সরল মুনাফায় ৮০০ টাকা ১২ বছরে মুনাফা- আসল ১২৮০ টাকা হবে।

৫৮.
একটি সমান্তর ধারার 7ম পদ 32 এবং 13তম পদ 62 হলে, ধারাটির সাধারণ অন্তর কত?
  1. 5
  2. 3
  3. 7
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমান্তর ধারার 7ম পদ 32 এবং 13তম পদ 62 হলে, ধারাটির সাধারণ অন্তর কত?

সমাধান:
আমরা জানি,
সমান্তর ধারার n-তম পদ, an = a + (n - 1)d
যেখানে, ১ম পদ = a, সাধারণ অন্তর = d

দেওয়া আছে,
৭ম পদ, a7 = 32
a + 6d = 32 ...... (১)

এবং,
১৩তম পদ, a13 = 62
a + 12d = 62 ...... (২)

এখন, সমীকরণ ২ থেকে সমীকরণ ১ বিয়োগ করে পাই,
(a + 12d) - (a + 6d)= 62 - 32
⇒ a + 12d - a - 6d = 30
⇒ 6d = 30
⇒ d = 30/6 = 5
∴ d = 5

সুতরাং, ধারাটির সাধারণ অন্তর 5

৫৯.
একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. এবং প্রস্থ 15 সে.মি.। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে 30 সে.মি. করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে?
  1. 18 সে.মি.
  2. 15.5 সে.মি.
  3. 36 সে.মি.
  4. 12 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য 24 সে.মি. এবং প্রস্থ 15 সে.মি.। আয়তক্ষেত্রটির দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি করে 30 সে.মি. করা হলো। আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ কত হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে?

সমাধান:
আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল = 24 × 15 = 360 বর্গ সে.মি.
এখন,
নতুন দৈর্ঘ্য = 30 সে.মি.
নতুন আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ x সে.মি. হলে, ক্ষেত্রফল = 30x বর্গ সে.মি.

প্রশ্নমতে,
30x = 360
⇒ x = 360/30
∴ x = 12 সে.মি.

অতএব, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ 12 সে.মি. হলে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকবে।

৬০.
- 3 < x < 11 অসমতাটিকে পরমমান চিহ্নের সাহায্যে প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে? 
  1. |x + 4| < 7
  2. |x + 2| < 6
  3. |x - 4| < 7
  4. |x + 1| > 8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: - 3 < x < 11 অসমতাটিকে পরমমান চিহ্নের সাহায্যে প্রকাশ করলে নিচের কোনটি হবে?

সমাধান:
অসমতাটির উর্ধ্বসীমা ও নিম্নসীমার গড় = {11 + (- 3)}/2
= 8/2
= 4

এখন,
- 3 < x < 11
⇒ - 3 - 4 < x - 4 < 11 - 4
⇒ - 7 < x - 4 < 7
⇒ |x - 4| < 7

∴ পরমমান চিহ্নের সাহায্যে অসমতাটির প্রকাশ: |x - 4| < 7

৬১.
কোনো ক্লাসে x সংখ্যক ছাত্রী আছে এবং ছাত্রী ও ছাত্রের অনুপাত a : b। ঐ ক্লাসে কতজন ছাত্র আছে?
  1. bx/a​
  2. ab/x
  3. abx/ax
  4. bx/a
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) bx/a​ ও ঘ) bx/a​
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
----------------------- 

প্রশ্ন:
কোনো ক্লাসে x সংখ্যক ছাত্রী আছে এবং ছাত্রী ও ছাত্রের অনুপাত a : b। ঐ ক্লাসে কতজন ছাত্র আছে? 

সমাধান: 
ধরি, 
ছাত্র সংখ্যা y

শর্তমতে, 
x : y = a : b
⇒ x/y = a/b
⇒ ay = bx
∴ y = bx/a

সুতরাং, ছাত্রের সংখ্যা = bx/a​

৬২.
১ - ১ + ১ - ১ + ......... এই ধারাটির (২n + ১) পদের সমষ্টি কত?
  1. - ১ 
  2. ০ 
  3. ১ 
  4. কোনটিই নয় 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১ - ১ + ১ - ১ + ......... এই ধারাটির (২n + ১) পদের সমষ্টি কত? 

সমাধান:
প্রদত্ত ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা ।
যারা প্রথম পদ a = ১
সাধারণ অনুপাত, r = - ১/১ = - ১ < ১ 

আমরা জানি,
কোনো গুণোত্তর ধারার প্রথম n পদের সমষ্টি, Sn = a(১ - rn)/(১ - r)  ; r < - ১
সমষ্টি = ১(১ - (- ১)২n + ১)/{১ - (- ১)}
= [১ - (- ১)২n × (- ১)]/(১ + ১)
= (১ + ১)/২  ; [(- ১)২n = ১]
= ২/২ 
= ১ 

সুতরাং, (২n + ১) পদের সমষ্টি ১ । 

৬৩.
১০টি সংখ্যার গড় ৫৬০। প্রথম চারটি সংখ্যার গড় ৫২০ এবং শেষ পাঁচটি সংখ্যার গড় ৫১২। পঞ্চম সংখ্যাটি কত?
  1. ৬৭৫ 
  2. ৮২০ 
  3. ৭৬৫ 
  4. ৯৬০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০টি সংখ্যার গড় ৫৬০। প্রথম চারটি সংখ্যার গড় ৫২০ এবং শেষ পাঁচটি সংখ্যার গড় ৫১২। পঞ্চম সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,  
১০টি সংখ্যার গড় = ৫৬০  
∴ ১০টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫৬০ × ১০ = ৫৬০০

প্রথম ৪টি সংখ্যার গড় = ৫২০  
∴ প্রথম ৪টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫২০ × ৪ = ২০৮০

শেষ ৫টি সংখ্যার গড় = ৫১২  
∴ শেষ ৫টি সংখ্যার সমষ্টি = ৫১২ × ৫ = ২৫৬০

এখন,  
১০টি সংখ্যার মোট সমষ্টি = (প্রথম ৪টির সমষ্টি) + পঞ্চম সংখ্যা + (শেষ ৫টির সমষ্টি)
∴ পঞ্চম সংখ্যা = মোট সমষ্টি - প্রথম ৪টির সমষ্টি - শেষ ৫টির সমষ্টি  
= ৫৬০০ - ২০৮০ - ২৫৬০  
= ৫৬০০ - ৪৬৪০  
= ৯৬০

অতএব, পঞ্চম সংখ্যাটি হলো ৯৬০।

৬৪.
একটি বৃত্তের পরিধি 38π। এই বৃত্তের ভিতরে অঙ্কিত একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত? 
  1. 76√2
  2. 78π
  3. 152√2
  4. 76√3
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি বৃত্তের পরিধি 38π। এই বৃত্তের ভিতরে অঙ্কিত একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,  
বৃত্তের পরিধি = 2πr = 38π  
⇒ r = 38π/2π  
∴ r = 19

∴ বৃত্তের ব্যাস, d = 2r  
= 2 × 19  
= 38

বৃত্তের ভিতরে অঙ্কিত বর্গক্ষেত্রের কর্ণই বৃত্তের ব্যাস হবে।  
ধরি,
বর্গক্ষেত্রের বাহু = a  
∴ কর্ণ = a√2  
⇒ a√2 = 38  
⇒ a = 38/√2  
⇒ a = (38 × √2)/(√2 × √2)  
⇒ a = (38√2)/2  
∴ a = 19√2

∴ বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা = 4a  
= 4 × 19√2  
= 76√2

অতএব, বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা 76√2

৬৫.
দুটি সংখ্যার গ.সা.গু. ১২ এবং ল.সা.গু. ১৮০। একটি সংখ্যা ৬০ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?
  1. ২৮
  2. ৪৮
  3. ৩৬
  4. ৪২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গ.সা.গু. ১২ এবং ল.সা.গু. ১৮০। একটি সংখ্যা ৬০ হলে, অপর সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
ধরি,
অপর সংখ্যা = ক

আমরা জানি,
দুটি সংখ্যার গুণফল = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
প্রথম সংখ্যা × অপর সংখ্যা = গ.সা.গু. × ল.সা.গু.
⇒ ৬০ × ক = ১২ × ১৮০
⇒ ৬০ × ক = ২১৬০
⇒ ক = ২১৬০/৬০
∴ ক = ৩৬

অতএব, অপর সংখ্যাটি হলো ৩৬

৬৬.
তিনটি নিরপেক্ষ মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করা হলো। সর্বোচ্চ দুটি হেড পাওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ৭/৮
  2. ১/২
  3. ১/৮
  4. ৩/৪
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: তিনটি নিরপেক্ষ মুদ্রা একসাথে নিক্ষেপ করা হলো। সর্বোচ্চ দুটি হেড পাওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
সম্ভাব্য মোট ফলাফল, S = {TTT, TTH, THT, HTT, THH, HTH, HHT, HHH} = ৮ টি
এবং,
সর্বোচ্চ দুটি হেড পাওয়ার ঘটনা, E = {TTT, TTH, THT, HTT, THH, HTH, HHT} = ৭ টি

∴ সম্ভাবনা, P(E) = n(E)/n(S) = ৭/৮

৬৭.
  1. 1/2
  2. 4
  3. √2
  4. 1/4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:


সমাধান:

৬৮.
একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের পার্থক্য 30° হলে, ক্ষুদ্রতম কোণটি কত?
  1. 30°
  2. 28°
  3. 35°
  4. 42°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের পার্থক্য 30° হলে, ক্ষুদ্রতম কোণটি কত?

সমাধান:
ধরি,
ক্ষুদ্রতম কোণ = x°
বৃহত্তর কোণ = (x + 30)°

আমরা জানি,
সমকোণী ত্রিভুজের সূক্ষ্মকোণদ্বয়ের সমষ্টি = 90°

প্রশ্নমতে,
x + (x + 30) = 90
⇒ 2x + 30 = 90
⇒ 2x = 90 - 30
⇒ 2x = 60
⇒ x = 60/2
∴ x = 30

অতএব, ক্ষুদ্রতম কোণটি হলো 30°

৬৯.
  1. 8
  2. 4
  3. 3
  4. 10
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন:

সমাধান:

৭০.
মিষ্টির উপর মূল্য সংযোজন কর (VAT) x%। একজন বিক্রেতা ভ্যাটসহ P টাকার মিষ্টি বিক্রয় করে এই P টাকার মধ্যে ভ্যাটের পরিমাণ কত? [যেখানে, x = 15, P = 2300 টাকা]
  1. 380 টাকা
  2. 400 টাকা
  3. 450 টাকা
  4. 300 টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: মিষ্টির উপর মূল্য সংযোজন কর (VAT) x%। একজন বিক্রেতা ভ্যাটসহ P টাকার মিষ্টি বিক্রয় করে এই P টাকার মধ্যে ভ্যাটের পরিমাণ কত? [যেখানে, x = 15, P = 2300 টাকা]

সমাধান:
মনেকরি, তিনি 100 টাকা মিষ্টি বিক্রি করেছেন।
তাহলে, ভ্যাটসহ বিক্রয় মূল্য = 100 + x টাকা

∴ 100 + x টাকার মিষ্টি বিক্রিতে ভ্যাট = x টাকা
∴ 1 টাকার মিষ্টি বিক্রিতে ভ্যাট = x/(100 + x) টাকা
∴ P টাকার মিষ্টি বিক্রিতে ভ্যাট = Px/(100 + x) টাকা
= (2300 × 15)/(100 + 15) [যেখানে, x = 15 P = 2300 টাকা]
= (2300 × 15)/115
= 300 টাকা

∴ বিক্রেতাকে ভ্যাট হিসেবে 300 টাকা দিতে হবে।

৭১.
এক ব্যক্তির ৭ জন বন্ধু আছেন। তিনি তার জন্মদিনে এক বা একাধিক বন্ধুকে কত উপায়ে নিমন্ত্রণ করতে পারেন?
  1. ৬৩ উপায়ে
  2. ১২৭ উপায়ে
  3. ৯১ উপায়ে
  4. ১২৮ উপায়ে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তির ৭ জন বন্ধু আছেন। তিনি তার জন্মদিনে এক বা একাধিক বন্ধুকে কত উপায়ে নিমন্ত্রণ করতে পারেন?

সমাধান:
প্রতিটি বন্ধুর জন্য নিমন্ত্রনের উপায় = ২ টি ( নিমন্ত্রন করা কিংবা না করা)

৭ জন বন্ধুর জন্য মোট উপায় সংখ্যা = ২ - ১
= ১২৮ - ১ = ১২৭ (কাউকে না কাউকে নিমন্ত্রন করবেনই)

সুতরাং, তিনি ১ বা একাধিক বন্ধুকে নিমন্ত্রণ করতে ১২৭ উপায়ে পারেন।

৭২.
যদি log10 [98+ √(x2 - 12x + 36 ] = 2 হয়, তবে x এর মান কত?
  1. 4
  2. 6
  3. 8
  4. ক ও গ
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি log10 [98+ √(x2 - 12x + 36 ] = 2 হয়, তবে x এর মান কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
log10 [98+ √(x2 - 12x + 36 ] = 2
⇒ 98 + √(x2 - 12x + 36) = 102 = 100
⇒ √(x2 - 12x + 36) = 100 - 98 = 2
⇒ √(x2 - 12x + 36) = 2
⇒ x2 - 12x + 36 = 4 ; [বর্গ করে]
⇒ x2 - 12x + 32 = 0
⇒ x2 - 8x - 4x + 32 = 0
⇒ (x - 4)(x - 8) = 0
হয়,
x - 4 = 0
∴ x = 4
অথবা,
x - 8 = 0
∴ x = 8

সুতরাং, x এর মান 4 অথবা 8

৭৩.
একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ 4 সে.মি. এবং উচ্চতা 9 সে.মি. হলে, উহার তলগুলোর মোট ক্ষেত্রফল কত?
  1. 104π বর্গ সে.মি.
  2. 108π বর্গ সে.মি.
  3. 100π বর্গ সে.মি.
  4. 98π বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি সিলিন্ডারের বৃত্তীয় তলের ব্যাসার্ধ 4 সে.মি. এবং উচ্চতা 9 সে.মি. হলে, উহার তলগুলোর মোট ক্ষেত্রফল কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে সিলিন্ডারের ব্যাসার্ধ, r = 4 সে.মি.
উচ্চতা, h = 9 সে.মি.

আমরা জানি,
সিলিন্ডারের সমগ্র তলের ক্ষেত্রফল = 2πr(r + h)
= 2π × 4(4 + 9)
= 2π × 4 × 13
= 104π বর্গ সে.মি.

৭৪.
a3 - 9 + (a + 1)3 কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন।
  1. (a - 1)(a2 + 5a + 8)
  2. (a + 1)(2a2 + 5a + 8)
  3. (a - 1)(2a2 + 5a + 8)
  4. (a - 1)(2a2 + 3a + 6)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a3 - 9 + (a + 1)3 কে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করুন।

সমাধান:
ধরি,
f(a) = a3 - 9 + (a + 1)3
f(a) একটি বহুপদী, a = 1 বসালে বহুপদীটির মান শূন্য হয়। ফলে (a – 1) বহুপদীটির একটি উৎপাদক
∴ f(a) = a3 - 9 + a3 + 3a2 + 3a + 1
= 2a3 + 3a2 + 3a - 8
= 2a3 - 2a2 + 5a2 - 5a + 8a - 8
= 2a2(a - 1) + 5a(a - 1) + 8(a - 1)
= (a - 1)(2a2 + 5a + 8)

∴ a3 - 9 + (a + 1)3 = (a - 1)(2a2 + 5a + 8)

৭৫.
কোনটি ফেরো চৌম্বক পদার্থ?
  1. লোহা
  2. পানি
  3.  সোডিয়াম
  4. সোনা
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) লোহা

ফেরো চৌম্বকত্ব:
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে শক্তিশালী চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং আবিষ্ট চুম্বকায়নের অভিমুখ বহিঃচৌম্বক ক্ষেত্রের অভিমুখের বরাবর হয়, তাদেরকে ফেরো চৌম্বক পদার্থ বলে।
- যেমন- লোহা, নিকেল, কোবাল্ট ইত্যাদি।

প্যারা চৌম্বকত্ব:
- যে সকল পদার্থ চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দূর্বল চুম্বকত্ব আবিষ্ট হয় এবং চুম্বকের দিকে মুখ করে থাকতে চায়, তাদেরকে প্যারা চৌম্বক পদার্থ বলে।
- যেমন- অক্সিজেন, সোডিয়াম, অ্যালুমিনিয়াম, টিন ইত্যাদি।

ডায়া চৌম্বক:
- যে সকল পদার্থকে চৌম্বক ক্ষেত্রে রাখলে পদার্থের মধ্যে দুর্বল চুম্বকত্ব সৃষ্টি হয় এবং চৌম্বক ক্ষেত্র থেকে সরে যায, তাদেরকে ডায়া চৌম্বক পদার্থ বলে।
- যেমন- হাইড্রোজেন, পানি, সোনা, রূপা, তামা, বিসমাথ ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৬.
৬ - ১০% ইথানোয়িক অ্যাসিডের জলীয় দ্রবণকে কী বলা হয়?
  1. ফরমালিন
  2. রেকটিফাইড স্পিরিট
  3. ভিনেগার
  4. মিথানল
ব্যাখ্যা

• ৬ - ১০% ইথানোয়িক অ্যাসিডের জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়।

• ভিনেগার:
- (৬ - ১০)% ইথানোয়িক অ্যাসিডের (Ethanoic acid) জলীয় দ্রবণকে ভিনেগার বলা হয়।
- এটি খাদ্য সংরক্ষণ এবং স্বাদ বৃদ্ধিতে ব্যবহৃত হয়।

• ফরমালিন:
- ফরমালডিহাইড অর্থাৎ মিথান্যাল (Methanal)-এর ৪০% জলীয় দ্রবণকে ফরমালিন বলে।
- অর্থাৎ এতে থাকে ৪০ ভাগ মিথান্যাল এবং ৬০ ভাগ পানি।
- এটি একটি সংরক্ষণকারী পদার্থ, যা বিভিন্ন মৃত প্রাণীর দেহ সংরক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হয়।

• রেকটিফাইড স্পিরিট:
- এটি ৯৫.৬% ইথানল এবং ৪.৪% পানির মিশ্রণ।
- এটি সাধারণত জীবাণুনাশক, ঔষধ প্রস্তুতি এবং পরীক্ষাগারে দ্রাবক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

• মিথানল:
- এটি সবচেয়ে সরল অ্যালকোহল এবং বর্ণহীন, হালকা, দাহ্য তরল।

সূত্র: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৭.
ট্রান্সফরমার কোন নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে?
  1. তড়িৎ বিভব
  2. তাড়িতচৌম্বক আবেশ
  3. জারণ-বিজারণ
  4. তড়িৎ প্রতিসরণ
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) তাড়িতচৌম্বক আবেশ।

• ট্রান্সফরমার (Transformer):
- ট্রান্সফরমার একটি তড়িৎ যন্ত্র, এটি পরিবর্তি প্রবাহে কাজ করে।
- এই যন্ত্রটি তাড়িতচৌম্বক আবেশের উপর ভিত্তি করে কাজ করে।
- এখানে মূলতঃ দুটি কুণ্ডলী থাকে। কুণ্ডলী দুটিকে একটি আয়তাকার কাঁচা লোহার মজ্জা বা কোরের উপর সারিবদ্ধভাবে জড়ানো হয় যেন অধিক পরিমান চৌম্বক বল রেখার সৃষ্টি হয়।
- একটি কুণ্ডলীতে পরিবর্তি প্রবাহ করে অপর কুণ্ডলীতে আবিষ্ট তড়িচ্চালক শক্তি সৃষ্টি করাই এর মূল কাজ।
- এই যন্ত্র উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে, কিন্তু শক্তির পরিমাণ অপরিবর্তিত থাকে। ফলে বিভব বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহ হ্রাস পায় এবং বিভব হ্রাস করলে তড়িৎ প্রবাহ বৃদ্ধি পায়।
- যে যন্ত্র পর্যাবৃত্ত উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে বা নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তর করে তাকে ট্রান্সফরমার বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৮.
তাপমাত্রা প্রতি 1°C বাড়লে শব্দের বেগ কতটুকু বেড়ে যায়?
  1. 0.06 ms-1
  2. 0.6 ms-1
  3. 0.01 ms-1
  4. 0.1 ms-1
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) 0.6 ms-1

শব্দের বেগের পরিবর্তন:
- পরীক্ষা করে দেখা গেছে, আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3 × 108 ms-1 নির্দিষ্ট।
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়।
- প্রতি 1°C বা 1 K তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6 ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়।
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়।
যেমন-
১. বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1,
২. পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং
৩. লোহার মধ্যে 5220 ms-1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯.
তুঁতের রাসায়নিক সংকেত কী?
  1. Ca(OH)2
  2. Na2CO3.10H2O
  3. CuSO4.5H2O
  4. C17H35COOK
ব্যাখ্যা

তুঁতের রাসায়নিক সংকেত হচ্ছে CuSO₄·5H₂O।

রাসায়নিক সংকেত:
- তুঁতের রাসায়নিক সংকেত - CuSO4.5H2O.
- ক্যালামিনের রাসায়নিক সংকেত - ZnCO3.
- মিল্ক অফ লাইমের রাসায়নিক সংকেত - Ca(OH)2.
- বেকিং সোডার রাসায়নিক সংকেত - NaHCO3.
- শেভিং ফোম বা জেলে থাকে পটাশিয়াম স্টিয়ারেট যার রাসায়নিক সংকেত হলো - C17H35COOK.
- কাপড় কাচার সাবানে থাকে মূলত সোডিয়াম স্টিয়ারেট, যার রাসায়নিক সংকেত - C17H35COONa.
- কাপড় কাচার সোডার রাসায়নিক সংকেত - Na2CO3.10H2O.
- ফিটকিরির রাসায়নিক সংকেত - [K2SO4. Al2(SO4)3.24H2O].

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৮০.
একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেল কিভাবে সাজানো থাকে?
  1. বৃত্তাকার ভাবে
  2. সমান্তরাল অবস্থায়
  3. বিক্ষিপ্তভাবে
  4. কোনো ভাস্কুলার বান্ডেল নেই
ব্যাখ্যা

একবীজপত্রী উদ্ভিদের কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেল বিক্ষিপ্তভাবে সাজানো থাকে।

একবীজপত্রী উদ্ভিদ:
একবীজপত্রী উদ্ভিদ হলো সেই সকল সপুষ্পক উদ্ভিদ যাদের বীজে একটি মাত্র বীজপত্র থাকে।

একবীজপত্রী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য:
- এদের বীজে একটিমাত্র বীজপত্র থাকে।
- এদের মূল সাধারণত গুচ্ছ প্রকৃতির হয়।
- পাতার শিরাগুলো সমান্তরালভাবে বিন্যস্ত থাকে।
- কাণ্ডের ভাস্কুলার বান্ডেল বিক্ষিপ্তভাবে বিন্যস্ত থাকে।
- এদের ফুলের পাপড়ি সাধারণত তিন বা ছয়টির গুণিতক হয়।
উদাহরণ: ধান, গম, ভুট্টা, কলা, নারকেল, ঘাস ইত্যাদি।

উৎস: জীববিজ্ঞান ১ম পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান।

৮১.
জোয়ার-ভাটা সংঘটিত হয়- 
  1. পৃথিবীর সাথে সূর্যের আকর্ষণের ফলে
  2. পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
  3. পৃথিবীর সাথে গ্রহ নক্ষত্রের আকর্ষণের ফলে
  4. গ্রহ-নক্ষত্রের সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে 
ব্যাখ্যা

- পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণের ফলে জোয়ার-ভাঁটা সংঘটিত হয়। 

জোয়ার-ভাটা: 
- মহাকর্ষ শক্তি এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির কারণে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় ব্যবধানে একই জায়গায় ফুলে ওঠে আবার অন্য সময় নেমে যায়। সমুদ্রের পানির এইরূপ ফুলে ওঠাকে জোয়ার এবং নেমে যাওয়াকে ভাটা বলে।
- সমুদ্রের একই জায়গায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার এবং দুইবার ভাটা সংঘটিত হয়। 
- চন্দ্র অপেক্ষা সূর্য ২ কোটি ৬০ লক্ষ গুণ বড় এবং পৃথিবী অপেক্ষা সূর্য প্রায় ১৩ লক্ষ গুণ বড় হলেও পৃথিবী থেকে সূর্য গড়ে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এবং পৃথিবী থেকে চন্দ্র গড়ে প্রায় ৩৮.৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এ কারণেই পৃথিবীর ওপর চন্দ্রের আকর্ষণ ক্ষমতা সূর্য অপেক্ষা বেশি। ফলে জোয়ার ভাটায় চন্দ্রের প্রভাব বা চাঁদের আকর্ষণ বেশি লক্ষ্য করা যায়। 
- জোয়ার ভাটাকে প্রধানত চারভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
১. মুখ্য জোয়ার: 
- চন্দ্র পৃথিবীর চারদিকে আবর্তনকালে পৃথিবীর যে অংশ চন্দ্রের নিকটবর্তী হয়, সেখানে চন্দ্রের আকর্ষণ সর্বাপেক্ষা বেশি হয়। এই আকর্ষণে চারদিক থেকে জলরাশি এসে চন্দ্রের দিকে ফুলে ওঠে এবং জোয়ার হয়। এরূপ সৃষ্ট জোয়ারকে মুখ্য জোয়ার বা প্রত্যক্ষ জোয়ার বলে। 

২. গৌণ জোয়ার: 
- চাঁদ পৃথিবীর যে পার্শ্বে আকর্ষণ করে তার বিপরীত দিকের জলরাশির ওপর মহাকর্ষ শক্তির প্রভাব কমে যায় এবং কেন্দ্রাতিগ শক্তির সৃষ্টি হয়। এতে চারদিক থেকে পানি ঐ স্থানে এসে জোয়ারের সৃষ্টি করে। এভাবে চাঁদের বিপরীত দিকে যে জোয়ার হয় তাকে গৌণ জোয়ার বা পরোক্ষ জোয়ার বলে। 

৩. ভরা কটাল বা তেজ কটাল: 
- অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরল রেখায় অবস্থান করলে, চন্দ্র ও সূর্যের মিলিত বলের প্রবল আকর্ষণে যে তীব্র জোয়ারের সৃষ্টি হয়, তাকে তেজ কটাল বা ভরা কটাল বা ভরা জোয়ার বলে।

৪. মরা কটাল: 
- চন্দ্র ও সূর্য যখন পৃথিবীর সাথে এক সমকোণে থেকে পৃথিবীকে আকর্ষণ করে তখন চন্দ্রের আকর্ষণে সেখানে জোয়ার হয় এবং সূর্যের আকর্ষণে সেখানে ভাটা হয়। এই ধরনের জোয়ারকে মরা কটাল বা মরা জোয়ার বলে। 

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮২.
কোন রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি?
  1. নীল
  2. লাল
  3. আসমানী
  4. বেগুনি
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খ) লাল

দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির পরের একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয় একে বলা হয় দৃশ্যমান বিকিরণ বা দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসর 4 x 10-7 m থেকে 7 × 10-7 m মাত্র।
- এই পরিসরের বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে জন্য আলোর বিভিন্ন বর্ণ দেখা যায়।
- এদের বেগুনি, নীল, আসমানী, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়।
- দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের ক্রম: বেগুনি < নীল < আসমানী < সবুজ < হলুদ < কমলা < লাল।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম হলে তার বিক্ষেপণ বেশি হয়।
- আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে তার বিক্ষেপণ কম হয়।
- লাল রঙের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি তাই এর বিক্ষেপণ কম।
- যে বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি, তার প্রতিসরণ, বিচ্যুতি ও বিক্ষেপণ তত কম।
- বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে বেশী।
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি বলে এর বিক্ষেপণ, প্রতিসরণ ও বিচ্যুতি সবচেয়ে কম।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩.
Copsychus saularis কোন প্রাণীর দ্বিপদ নাম?
  1. ধান
  2. কুনোব্যাঙ
  3. দোয়েল পাখি
  4. বট গাছ
ব্যাখ্যা

গ) দোয়েল পাখি

দ্বিপদ নামকরণ:
- দু'টি পদ নিয়ে গঠিত কোন জীব-প্রজাতির নামকে বলা হয় দ্বিপদ নাম এবং দু'টি পদের সমন্বয়ে নাম দেয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় দ্বিপদ নামকরণ।
- উদ্ভিদ প্রজাতির (শৈবাল ও ছত্রাক সহ) নামকরণ করা হয়ে থাকে ICBN (International Code of Botanical Nomenclature বর্তমানে ICN = International Code of Botanical Nomenclature for Algae, Fungi & Plants) -এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- প্রাণী প্রজাতির নামকরণ করা হয় ICZN (International Code of Zoological Nomenclature) এর নীতিমালা অনুযায়ী।
- মানুষের বৈজ্ঞানিক নাম Homo sapiens,
- দোয়েল পাখির বৈজ্ঞানিক নাম Copsychus saularis,
- বাঘ (রয়েল বেঙ্গল)-এর বৈজ্ঞানিক নাম Panthera tigris,
- আম গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Mangifera indica,
- বট গাছের বৈজ্ঞানিক নাম Ficus benghalensis,
- কুনোব্যাঙ এর বৈজ্ঞানিক নাম Bufo melanostictus,
- ইলিশ মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Tenualosa ilisha,
- ধানের বৈজ্ঞানিক নাম Oryza sativa এবং
- শাপলার বৈজ্ঞানিক নাম Nymphaea nouchali, ইত্যাদি।

উৎস: ১। জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। জীববিজ্ঞান প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (ড. মোহাম্মদ আবুল হাসান)।

৮৪.
তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক কী?
  1. অ্যাম্পিয়ার
  2. কুলম্ব
  3. ভোল্ট
  4. ওহম
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক) অ্যাম্পিয়ার

তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হচ্ছে অ্যাম্পিয়ার।

- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপের একক হলো অ্যাম্পিয়ার।
- যার প্রতীক হলো A।
- তড়িৎ প্রবাহ পরিমাপ করার জন্য অ্যামিটার নামক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য অপশন আলোচনা:
- আধান বা চার্জের একক হলো কুলম্ব।
- তড়িৎ বিভব পার্থক্য পরিমাপের একক হলো ভোল্ট।
- রোধ পরিমাপের একক হলো ওহম।

উৎস: মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।

৮৫.
পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন কোনগুলো?
  1. A ও D
  2. B ও C
  3. D ও E
  4. K ও E
ব্যাখ্যা

পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিনগুলো হচ্ছে B ও C

ভিটামিন শোষণ:
• চর্বিতে দ্রবীভূত ভিটামিন।
- চর্বিতে দ্রবীভূত ভিটামিন গুলো হচ্ছে A, D, E, K।
- এগুলো ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিলাইয়ে শোষিত হয়।
- সাধারণ পিত্তলবণ এ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

• পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন:
- পানিতে দ্রবীভূত ভিটামিন C ও কয়েক প্রকার B ভিটামিন।
- ব্যাপন ও সক্রিয় শোষণ প্রক্রিয়ায় ক্ষুদ্রান্ত্রের ইলিয়াম অংশে শোষিত হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।

৮৬.
নিচের কোনটি ওয়েব ব্রাউজার নয়?
  1. Google Chrome
  2. Microsoft Edge
  3. Google Drive
  4. Mozilla Firefox
ব্যাখ্যা

• Google Drive হলো একটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস, ওয়েব ব্রাউজার নয়।
- Google Drive হলো গুগলের একটি ক্লাউড স্টোরেজ ও ফাইল শেয়ারিং সার্ভিস।
- এটি ব্যবহার করে ফাইল আপলোড, ডাউনলোড, শেয়ার ও সিঙ্ক করা যায়, কিন্তু এটি কখনো ওয়েব পেজ দেখানোর কাজ করে না।

• ওয়েব ব্রাউজার (Web Browser):
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। 
- যে সফটওয়্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে।
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা পরস্পরে সংযোগযোগ্য Web page বা WWW পরিদর্শন করাকে Web Browsing বলে। 
- Web Browsing করে বিভিন্ন তথ্য নিয়ে আসা যায়। Web Browsing করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার রয়েছে। 
- এই সকল ওয়েব ব্রাউজার সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ওয়েব পেজ (Web page) রয়েছে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে। 

• নিচে জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজারের নাম দেওয়া হলো। যথা-
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer),
- মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox), Microsoft Edge,
- নেটস্কেপ কমিউনিকেটর (Netscape Communicator),
- সাফারি (Safari),
- ওপেরা (Opera),
- গুগল ক্রোম  (Google chrome), ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৭.
মেইল সার্ভার থেকে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ইমেইল ডাউনলোড করার জন্য কোন প্রোটোকল ব্যবহৃত হয়?
  1. SMTP
  2. HTTP
  3. IMAP
  4. POP3
ব্যাখ্যা

• POP (Post Office Protocol) সরাসরি মেইল সার্ভার থেকে ইমেইল বার্তা ডাউনলোড করে ক্লায়েন্ট ডিভাইসে সংরক্ষণ করে।
- POP3 সংস্করণটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।

• ই-মেইল:
- ১৯৭১ সালে আরপানেট ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনার মাধ্যমে প্রথম ইমেইল সিস্টেম চালু করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন।
- ইলেকট্রনিক মেইল বা ই-মেইল হলো একজন বার্তা লেখকের কাছ থেকে এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে কোন বার্তা বা ডিজিটাল মেসেজ বিনিময় করার নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
- ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্নটি অবশ্যই থাকতে হয়।
- একটি ইমেইল ঠিকানা ইউজার আইডি ও ডোমেইন নেম নিয়ে গঠিত।
- abc@gmail.com এ @ অংশের পূর্বে থাকে ইউজার আইডি এবং @ অংশের পরে থাকে ডোমেইন নেম।
- ই-মেইল সার্ভারে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• POP:
- POP এর পূর্ণরূপ হলো Post Office Protocol.
- ব্যবহারকারী যে সকল মেইল গ্রহণ করে বা তার কাছে আসে সেগুলোকে অন্তর্মুখী বা ইনকামিং মেইল বলা হয়।
- ব্যবহারকারীর মেইল ক্লায়েন্ট ও সার্ভারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
- ইনবক্সে থাকা ইমেইল ক্লায়েন্ট ডিভাইসে ডাউনলোড করে।
- মেইল সার্ভার থেকে ইনকামিং মেইল গ্রহণ করার জন্য সর্বাধিক জনপ্রিয় প্রোটোকল POP3.

• SMTP:
- SMTP এর পূর্ণরূপ হলো Simple Mail Transfer Protocol.
- মেল সার্ভার এবং অন্যান্য বার্তা স্থানান্তর এজেন্ট মেল বার্তা পাঠাতে এবং গ্রহণ করতে SMTP ব্যবহার করে।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হলো HyperText Transfer Protocol.
- HTTP হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে ডেটা যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত প্রোটোকল। 
- এটি ওয়েবসাইট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।

• IMAP:
- IMAP এর পূর্ণরূপ হল Internet Message Access Protocol.
- IMAP প্রটোকল ব্যবহার করে মেইল বক্সে শুধু প্রবেশ করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

৮৮.
নিচের কোনটি ক্ষতিকর কম্পিউটার ভাইরাস?
  1. Norton
  2. ILOVEYOU
  3. Panda
  4. Kaspersky
ব্যাখ্যা

ILOVEYOU বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত কম্পিউটার ভাইরাসগুলোর একটি।
- এটি একটি ইমেইল ওয়ার্ম ছিল। ইমেইলে “ILOVEYOU” লেখা সাবজেক্ট ও “LOVE-LETTER-FOR-YOU.txt.vbs” নামে একটি অ্যাটাচমেন্ট থাকত।
- কেউ অ্যাটাচমেন্ট খুললেই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ত এবং আউটলুক থেকে সব কন্টাক্টে নিজে নিজে মেইল পাঠাত। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রায় ৫৫০ কোটি ডলারের ক্ষতি হয়েছিল।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- AVG,
- AVAST,
- Norton,
- Panda,
- Avira,
- McAfee,
- Cobra,
- Kaspersky ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কয়েকটি উওল্লেখযোগ্য কম্পিউটার ভাইরাসের নাম হলো:
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ILOVEYOU,
- Mydoom,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার.আর,
- মাইক্রো ভাইরাস,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ ইত্যাদি।
- সাধারণত ইন্টারনেটে বিভিন্ন তথ্য, ফাইল, সফটওয়্যার, ই-মেইল ইত্যাদির মাধ্যমে এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারের সাথে আদান-প্রদানের ফলে ভাইরাস আক্রমণ হতে পারে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৮৯.
পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে কে পরিচিত?
  1. Guido Van Rossum
  2. James Gosling
  3. Dennis Ritchie
  4. Bjarne Stroustrup
ব্যাখ্যা

• Guido van Rossum- হলেন পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।

• পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
-ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
-১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।
অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
-সাধারণত দ্রুত সফটওয়্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
-যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
-এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উল্লেখ্য,
- James Gosling: Java প্রোগ্রামিং ভাষার প্রধান উদ্ভাবক।
- Dennis Ritchie: 'C' প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভাবক।
- Bjarne Stroustrup: (C++) প্রোগ্রামিং ভাষার প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৯০.
ডাটাবেজে তথ্য যোগ করা, পরিবর্তন করা বা মুছে ফেলা এই কাজগুলো কোন পদ্ধতির মাধ্যমে করা হয়?
  1. এনক্রিপশন
  2. ইনডেক্সিং
  3. কুয়েরি
  4. ডাটা মাইগ্রেশন
ব্যাখ্যা

• ডাটাবেসে তথ্য যোগ করা (Insert), পরিবর্তন করা (Update) বা মুছে ফেলার (Delete) মতো কাজগুলো কুয়েরি (Query) পদ্ধতির মাধ্যমে করা হয়।

• কুয়েরি:
- কোন ডাটাবেজে সংরক্ষিত বিপুল পরিমাণে ডাটা থেকে শর্ত সাপেক্ষে ডাটা খুঁজে বের করা, সংরক্ষণ করা ও প্রদর্শন করার প্রক্রিয়াকে কুয়েরি বলে।
- ডাটাবেজে ডাটা এন্ট্রি, মডিফাই, ডিলিট ও পুনরুদ্ধার করা হয় কুয়েরির মাধ্যমে।
- কোন ডাটা কুয়েরি করার জন্য logical expression দিয়ে শর্ত নির্ধারণ - করে দিতে হয়।

• কাজের উপর ভিত্তি করে কুয়েরিকে কয়েক ভাগে ভাগ করা হয়।
- যেমন:
• Select Query:
- একাধিক ডাটা টেবিল থেকে ফিল্ড বেছে নিয়ে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Parameter Query:
প্যারামিটার বা তথ্য নির্বাচন করে কুয়েরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Crosstab Query:
-ফলাফলকে সামারি আকারে ডাটা শিট প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
• Action Query:
-কুয়েরির ফলাফল দিয়ে নতুন টেবিল তৈরি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

• ইনডেক্সিং:
- ইনডেক্সিং হচ্ছে ডাটাবেজের মধ্যে ক্রম সাজানোর একটি বিশেষ পদ্ধতি। - ইনডেক্সিং এর মাধ্যমে ডেটা দ্রুত সময়ে খুব সহজেই খুঁজে পাওয়া যায়। -

• সর্টিং:
- এক বা একাধিক ফিল্ডের ভিত্তিতে রেকর্ডসমূহকে Ascending বা Descending অর্ডারে সাজানোর প্রক্রিয়াকে সর্টিং বলে।

• এনক্রিপশন:
- এনক্রিপশন ডেটাকে নিরাপদ করার একটি প্রক্রিয়া যাতে কেবল অনুমোদিত ব্যক্তি তা পড়তে পারে।

• ডাটা মাইগ্রেশন:
- ডাটা মাইগ্রেশন হলো একটি ডাটাবেস বা সিস্টেম থেকে অন্য ডাটাবেস/সিস্টেমে বিদ্যমান তথ্যকে নিরাপদে স্থানান্তর করার প্রক্রিয়া।
- এটি সাধারণত সফটওয়্যার আপগ্রেড, সার্ভার পরিবর্তন, ক্লাউডে যাওয়া বা পুরোনো সিস্টেম থেকে নতুন সিস্টেমে ডাটা নেওয়ার সময় করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯১.
কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে কোন ডাটা ট্রান্সমিশন মোডটি প্রযোজ্য?
  1. Simplex
  2. Half-Duplex
  3. Full-Duplex
  4. Serial
ব্যাখ্যা

একটি কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণের ক্ষেত্রে সিমপ্লেক্স (Simplex) পদ্ধতিতে ডেটা ট্রান্সমিশন হয়।

• ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
১. সিমপ্লেক্স (Simplex),
২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex) ও
৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex).

• সিমপ্লেক্স:
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স।
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না।
- উদাহরণ: রেডিও, টেলিভিশন, কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডেটা প্রেরণ, কী-বোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডেটা প্রেরণ ইত্যাদি।

• হাফ-ডুপ্লেক্স:
- হাফ-ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমেশন মোডে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের সযোগ থাকে, তবে একই সময়ে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণ সম্ভব না।
- উদাহরণ: ওয়াকি টকি।

• ফুল-ডুপ্লেক্স:
- ফুল ডুপ্লেক্স ডেটা ট্রান্সমিশন মোডে একইসাথে উভয় দিক থেকে ডেটা প্রেরণের ব্যবস্থা থাকে।
উদাহরণ: টেলিফোন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯২.
কম্পিউটারের বিকাশের কোন পর্যায়ে প্রথমবার ট্রানজিস্টর প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. প্রথম প্রজন্ম
  2. দ্বিতীয় প্রজন্ম
  3. চতুর্থ প্রজন্ম
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটার বিকাশের দ্বিতীয় প্রজন্মে (Second Generation) প্রথম ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়। 

• দ্বিতীয় প্রজন্ম কম্পিউটার:
- ১৯৫৯ সাল হতে ১৯৬৫ সাল পর্যন্ত আবিষ্কৃত কম্পিউটারেকে দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার হিসাবে ধরা হয়।
- ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হওয়ার ফলে এই প্রজন্মের কম্পিউটারে বায়ুশূন্য টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর ব্যবহৃত হয়।
ট্রানজিস্টরে কোনো চলমান অংশ নেই এবং এর কাজ সুইচের মতো।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টর ব্যবহারের ফলে কম্পিউটারের আকার ছোট হয়, দাম কমে যায়, কম্পিউটারের গতি বৃদ্ধি পায় এবং বিদ্যুৎ খরচের পরিমাণও অনেক কমে যায়।
- এই সময়ে কম্পিউটারের তাপ সমস্যার সমাধান হয়।
- চুম্বকীয় কোর স্মৃতি এবং উচ্চ গতিসম্পন্ন ইনপুট-আউটপুট অংশ এই সময়ে কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারেই প্রথম উচ্চতর প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যেমন ফোরট্রান (FORTRAN), কোবল (COBOL) ইত্যাদির উদ্ভব ও প্রচলন শুরু হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৩.
নিচের কোনটি একটি পাবলিক ক্লাউড পরিষেবার উদাহরণ?
  1. Amazon Web Services
  2. Dropbox
  3. Azure Stack
  4. VMWare
ব্যাখ্যা

• AWS (Amazon Web Services) হলো একটি পাবলিক ক্লাউড সেবার উদাহরণ। 
-পাবলিক ক্লাউডের সেবা জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকে।
-পাবলিক ক্লাউডে পাবলিক অ্যাপ্লিকেশন, স্টোরেজ, ও অন্যান্য রিসোর্সসমূহ বিনাখরচে ব্যবহারের জন্য উন্মুক্ত থাকে।

• ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধাসমূহ:
১। যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্লাউড সেবা গ্রহণ করা যায়।
২। বিভিন্ন ধরণের রিসোর্স (হার্ডওয়‍্যার ও সফটওয়্যার ইত্যাদি) শেয়ার করে কোন ব্যক্তি বা কোম্পানির খরচ কমানো যায়।
৩। কোম্পানির অপারেটিং খরচ তুলনামুলক কম।
৪। ক্লাউডে সংরক্ষিত তথ্য যেকোনো স্থান থেকে যেকোন সময় এক্সেস করা যায় এবং তথ্য কীভাবে প্রসেস বা সংরক্ষিত হয় তা জানার প্রয়োজন হয় না।
৫। সহজে কাজকর্ম মনিটরিং এর কাজ করা যায় ফলে বাজেট ও সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কর্মকান্ড পরিচালনা করা যায়।
৬। অধিক নির্ভরযোগ্য ও নিরাপদ সিস্টেম।

উল্লেখ্য:
- Dropbox একটি ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস (SaaS), কিন্তু পাবলিক ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম নয়।
- Azure Stack ও VMware হলো প্রাইভেট বা হাইব্রিড ক্লাউড সমাধান, যা কোম্পানির নিজস্ব সার্ভার রুমে বসানো হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৪.
নিচের কোনটি ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম নয়?
  1. Linux
  2. Ubuntu
  3. Windows
  4. Fedora
ব্যাখ্যা

• Windows ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম নয়, এটি একটি বাণিজ্যিক অপারেটিং সিস্টেম যা Microsoft দ্বারা নির্মিত।

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম মূলত একটি সিস্টেম সফটওয়‍্যার।
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- অপারেটিং সিস্টেমকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়। যথা-
১। বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Text Based Operating System)।
- উদাহরণ: MS-DOS, PC DOS, CP/M, ইত্যাদি।

২। চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম (Graphics Based Operating System)।
- উদাহরণ: Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS, ইত্যাদি।

• বিভিন্ন অপারেটিং সিস্টেম:
• লিনাক্স (Linux):
- এটি একটি ওপেন সোর্স ইউনিক্স-সদৃশ  ম কার্নেল, যা লিনাস টরভাল্ডস কর্তৃক উদ্ভাবিত। 
- লিনাক্স কার্নেল বিভিন্ন ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেমের (যেমন উবুন্টু, ফেডোরা, ডেবিয়ান) ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।

• Ubuntu:
- Ubuntu হলো একটি লিনাক্স-ভিত্তিক ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম, যার সোর্স কোড উন্মুক্ত এবং কমিউনিটি দ্বারা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়।

• Windows:
-  Windows হলো মাইক্রোসফটের তৈরি একটি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক অপারেটিং অপারেটিং সিস্টেম।
- এর সোর্স কোড জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত নয় এবং ব্যবহারের জন্য লাইসেন্সের প্রয়োজন হয়।

• Fedora:
- Fedora হলো Red Hat কর্তৃক স্পনসরকৃত একটি লিনাক্স-ভিত্তিক সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স অপারেটিং সিস্টেম।

উৎস:
১। কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।
২। ব্রিটানিকা।

৯৫.
নিচের কোনটি সার্বজনীন গেইট?
  1. AND গেট
  2. OR গেট
  3. XOR গেট
  4. NAND গেট
ব্যাখ্যা

• NAND গেট হলো একটি সার্বজনীন গেট।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।

• কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে তিনটি মৌলিক গেইট রয়েছে। যেমন-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩। নট গেইট (NOT Gate).

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৯৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ”অর্থ বিল” সম্পর্কিত বিধানাবলী উল্লেখ আছে?
  1. ৮০ নং
  2. ৮১ নং
  3. ৮২ নং
  4. ৮৪ নং
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের ৮১ অনুচ্ছেদ ”অর্থ বিল” সম্পর্কিত।

৮১(১) এই ভাগে "অর্থবিল" বলিতে কেবল নিম্নলিখিত বিষয়সমূহের সকল বা যে কোন একটি সম্পর্কিত বিধানাবলী-সংবলিত বিল বুঝাইবে: 
 
(ক) কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণ; 
 (খ) সরকার কর্তৃক ঋণগ্রহণ বা কোন গ্যারান্টিদান, কিংবা সরকারের আর্থিক দায়-দায়িত্ব সম্পর্কিত আইন সংশোধন; 
 (গ) সংযুক্ত তহবিলের রক্ষণাবেক্ষণ, অনুরূপ তহবিলে অর্থপ্রদান বা অনুরূপ তহবিল হইতে অর্থ দান বা নির্দিষ্টকরণ; 
 (ঘ) সংযুক্ত তহবিলের উপর দায় আরোপ কিংবা অনুরূপ কোন দায় রদবদল বা বিলোপ; 
 (ঙ) সংযুক্ত তহবিল বা প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব বাবদ অর্থপ্রাপ্তি, কিংবা অনুরূপ অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ বা দান, কিংবা সরকারের হিসাব-নিরীক্ষা; 
 (চ) উপরি-উক্ত উপ-দফাসমূহে নির্ধারিত যে কোন বিষয়ের অধীন কোন আনুষঙ্গিক বিষয়। 
৮১(২) কোন জরিমানা বা অন্য অর্থদণ্ড আরোপ বা রদবদল, কিংবা লাইসেন্স-ফি বা কোন কার্যের জন্য ফি বা উসুল আরোপ বা প্রদান কিংবা স্থানীয় উদ্দেশ্যসাধনকল্পে কোন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কোন কর আরোপ, নিয়ন্ত্রণ, রদবদল, মওকুফ বা রহিতকরণের বিধান করা হইয়াছে, কেবল এই কারণে কোন বিল অর্থবিল বলিয়া গণ্য হইবে না। 
 ৮১(৩) রাষ্ট্রপতির সম্মতির জন্য তাঁহার নিকট পেশ করিবার সময়ে প্রত্যেক অর্থবিলে স্পীকারের স্বাক্ষরে এই মর্মে একটি সার্টিফিকেটে থাকিবে যে, তাহা একটি অর্থবিল, এবং অনুরূপ সার্টিফিকেট সকল বিষয়ে চূড়ান্ত হইবে এবং সেই সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।

অন্যদিকে,
• সংবিধানের ৮০ নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- আইন প্রনয়ন পদ্ধতি।
• সংবিধানের ৮২ আর্টিকেলে ”আর্থিক ব্যবস্থাবলীর সুপারিশ” সম্পর্কিত।
• সংবিধানের ৮৪ আর্টিকেলে ”সংযুক্ত তহবিল ও প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাব” সম্পর্কিত।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৭.
বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম কোথায় অবস্থিত?
  1. সাভার
  2. মিরপুর
  3. ডেমরা
  4. আগারগাওঁ
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম :
- বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম (বিএনএইচ) দেশের উদ্ভিদ প্রজাতির উপর মাঠ পর্যায়ে পরিচালিত জরীপের মাধ্যমে প্রাপ্ত যাবতীয় তথ্য-উপাত্তসহ শুষ্ক উদ্ভিদ নমুনা সংরক্ষণ এবং শ্রেণীবিদ্যা বিষয়ক গবেষণার একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান।
- ন্যাশনাল হারবেরিয়াম পুঙ্খাণুপুঙ্খ অনুসন্ধানের মাধ্যমে দেশের প্রতিটি অঞ্চল থেকে ফুল-ফল সমেত সকল উদ্ভিদ প্রজাতির নমুনা, উহাদের প্রাচুর্য, প্রাপ্তিস্থান, প্রচলিত ব্যবহার ও ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা ইত্যাদি সম্পর্কিত তথ্যাদিসহ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে সংগ্রহ, সনাক্ত ও শ্রেণীবিন্যাস করে সংরক্ষণ করে থাকে।
- ১৯৭০ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগে ‘‘বোটানিক্যাল সার্ভে অব ইস্ট পাকিস্তান’’ শীর্ষক একটি উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম এর প্রাথমিক কাঠামো বিনির্মাণ প্রক্রিয়া শুরু হয়।
- ১৯৭৫ সালের ১ জুলাই থেকে ইহা ‘‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম’’ নামে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
- মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক নির্বাহী আদেশে ১ জুলাই ১৯৯৪ থেকে বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়াম জনবলসহ কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে স্থানান্তরিত হয়ে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সরাসরি অধীনে ন্যাস্ত হয়।
- ১৯৯৯ সালের ১ জুলাই থেকে জনবলসহ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামকে রাজস্ব বাজেটে স্থানান্তরিত করা হয় এবং ২০০৪ সালে ১৬ অক্টোবর হারবেরিয়ামকে পরিদপ্তর হিসেবে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সংযুক্ত দপ্তর (Attached Department) ঘোষণা করা হয়।
- ৭ ফেব্রুয়ারি ২০০০ তারিখে  যুক্তরাজ্যের আর্থিক সহায়তায় মিরপুর জাতীয় উদ্ভিদ উদ্যান প্রাঙ্গনে ১.২৪ একর জমির উপর নির্মিত আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত বাংলাদেশ ন্যাশনাল হারবেরিয়ামের স্থায়ী ভবনের উদ্বোধন করেন।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

৯৮.
সংবিধানের কততম সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে?
  1. পঞ্চদশ সংশোধনী
  2. একাদশ সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. ত্রয়োদশ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী সংশোধনী বাতিলের মাধ্যমে গণভোটের বিধান পুনরুজ্জীবিত হয়েছে।

⇒ ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ তারিখে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিলসংক্রান্ত সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী আংশিক অবৈধ ঘোষণা করেছেন হাইকোর্ট।
- বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।
- রায়ে আদালত পঞ্চদশ সংশোধনীর মোট ছয়টি বিধান বাতিল করেছে।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল ও গণভোট পদ্ধতি ফিরিয়ে আনা হয় এই রায়ের মাধ্যমে।
- ১৪২ অনুচ্ছেদে গণভোটের বিধান বাতিল করাকে বাতিল করা হয়েছে। সংবিধানের প্রস্তাবনা ও কিছু অনুচ্ছেদ সংশোধনে গণভোটের বিধান ফিরে আসছে।
- ২০২৪ সালের ১৭ ডিসেম্বর সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর কিছু অংশ বাতিল ঘোষণা করে হাই কোর্ট।
-  ২৭ নভেম্বর ২০২৫ পুরো পঞ্চদশ সংশোধনী বাতিলের দাবিতে হাই কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হয়।

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- ২০১১ সালের ৩০ জুন, সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মূলনীতিগুলো পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয়।
- রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র এবং ধর্মনিরপেক্ষতার নীতি সংযোজন করা হয়।
- এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের নায়ক শেখ মুজিবুর রহমানকে জাতির জনক হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- সংবিধানে ধর্মনিরপেক্ষতা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা পুনর্বহাল করা হয়, তবে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়।
- এই সংশোধনীর দ্বারা তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংখ্যা বিদ্যমান ৪৫-এর স্থলে ৫০ করা হয়।

উৎস: বিবিসি [লিংক] এবং বাংলাদেশ সংবিধান।

৯৯.
২০২৫-২৬ অর্থবছরে মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ৫.৫ শতাংশ
  2. ৬.৫ শতাংশ
  3. ৭.৫ শতাংশ
  4. ৬.৩ শতাংশ
ব্যাখ্যা

• বাজেট ২০২৫-২৬:
- বাজেট ঘোষণা করেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ।
- বাজেট বক্তৃতার শিরোনাম হচ্ছে- ‘বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়’।
- বাজেটের পরিমাণ-৭ লাখ ৮৯ হাজার ৯৯৯ কোটি টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি বা এডিপি- ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা ((জিডিপির ৩.৭%))।
- রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা- ৫ লাখ ৬৪ হাজার কোটি টাকা।
- বাজেটে ঘাটতি- বাজেটের ৩.৬২ ভাগ।
- জিডিপি- ৫.৫ শতাংশ।
- মূল্যস্ফীতির লক্ষ্য- ৬.৫ শতাংশ।
- বাজেটে করমুক্ত আয়সীমায় নতুন সংযুক্ত- "জুলাই যোদ্ধা"।
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে অর্থ বরাদ্দের পরিমাণ ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা এবং পরিচালন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ ৫,৪৪,৩৯১ কোটি টাকা।
- সামাজিক অবকাঠামো বরাদ্দের পরিমাণ- ২,০৭,৬২৯ কোটি টাকা।
- জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা তহবিলে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দের সংস্থান রাখা হয়েছে।
- পরিচালন ঋণ হিসাবে ১২,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

উৎস: বিবিএস।

১০০.
”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?
  1. ১০১নং
  2. ১০৯নং
  3. ১০৩নং
  4. ১০৬নং
ব্যাখ্যা

• ”সুপ্রীম কোর্টের উপদেষ্টামূলক এখতিয়ার”-সংক্রান্ত বিধান সংবিধানের ১০৬নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে।

⇒ ১০৬নং অনুচ্ছেদ অনুসারে- যদি কোন সময়ে রাষ্ট্রপতির নিকট প্রতীয়মান হয় যে, আইনের এইরূপ কোন প্রশ্ন উত্থাপিত হইয়াছে বা উত্থাপনের সম্ভাবনা দেখা দিয়াছে, যাহা এমন ধরনের ও এমন জনগুরুত্বসম্পন্ন যে, সেই সম্পর্কে সুপ্রীম কোর্টের মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন, তাহা হইলে তিনি প্রশ্নটি আপীল বিভাগের বিবেচনার জন্য প্রেরণ করিতে পারিবেন এবং উক্ত বিভাগ স্বীয় বিবেচনায় উপযুক্ত শুনানীর পর প্রশ্নটি সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে স্বীয় মতামত জ্ঞাপন করিতে পারিবেন।

অন্যদিকে,
⇒ ১০১নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে- হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার।
⇒ ১০৩নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আপীল বিভাগের এখতিয়ার
⇒ ১০৯নং অনুচ্ছেদ বর্ণিত আছে- আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১০১.
‘ভুলব না,ভুলব না,একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’-গানটির সুর করেছিলেন কে?
  1. গাজীউল হক
  2. নিজাম উল হক
  3. আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
  4. আব্দুল লতিফ
ব্যাখ্যা

- ১৯৫২ সালে ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা আন্দোলনের ঘটনা নিয়ে প্রথম গান লেখেন ভাষাসংগ্রামী গাজীউল হক।
- ‘ভুলব না, ভুলব না, একুশে ফেব্রুয়ারি ভুলব না’

- গানটিতে সুরারোপ করেছিলেন তাঁরই অনুজ নিজাম উল হক।
- তিনি ‘দূর হাঁটো দূর হাঁটো।/ঐ দুনিয়াওয়ালে, হিন্দুস্তান হামারা হায়’

—জনপ্রিয় এই হিন্দি গানটির সুর অনুসরণ করেছিলেন।
- অমর একুশের সূচনাপর্বের গান হিসেবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।

উল্লেখ্য,
- অমর একুশের আন্দোলনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত একাধিক ভাষাসংগ্রামী তাঁদের একুশের স্মৃতিচারণামূলক রচনায় গাজীউল হকের গানটিকে একুশের প্রথম গান হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।

উৎস: প্রথম আলো।

১০২.
‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ -পুস্তিকাটিতে কার নিবন্ধন সন্নিবেশিত?
  1. গাজী জিয়াউল হক
  2. আবুল মনসুর আহমদ
  3. মাহবুবুল আলম চৌধুরি
  4. হাফিজুর রহমান
ব্যাখ্যা

• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে ১৯৪৭ সালের ১ সেপ্টেম্বর এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

- ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বে তমদ্দুন মজলিশের ভূমিকা ছিল অতীব গুরুত্বপূর্ণ।
- উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা করার উদ্যোগের বিরুদ্ধে বস্ত্তত তমদ্দুন মজলিশই প্রথম প্রতিবাদ উত্থাপন করে
- বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিসহ ভাষা আন্দোলনের সূচনায় পথিকৃতের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়।
- তমদ্দুন মজলিশ ১৯৪৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ‘পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু’ শিরোনামে একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।
- পুস্তকটি অধ্যাপক আবুল কাশেম সম্পাদনা করেন।
- এ ঐতিহাসিক পুস্তিকায় সন্নিবেশিত নিবন্ধগুলোতে লেখক ছিলেন- কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ ও অধ্যাপক আবুল কাশেম
- নিবন্ধগুলোতে বাংলাকে পূর্ব বাংলায় শিক্ষার একমাত্র মাধ্যম, অফিস ও আদালতের ভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠার পক্ষে জোরালো বক্তব্য রাখেন।
- তাঁরা দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার দাবিও তুলে ধরেন।
- এই মূল পুস্তিকার মুখবন্ধে, পুস্তিকার সম্পাদক আবুল কাশেম কর্তৃক প্রণীত একটি সংক্ষিপ্ত প্রস্তাবনাও ছিল বাংলা ভাষার অনুকূলে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০৩.
NIPORT কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান?
  1. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  2. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  3. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  4. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
ব্যাখ্যা

• জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট): 
• NIPORT (নিপোর্ট) এর পূর্নরূপ National Institute of Population Research and Training.
• ইহা হলো বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিষয়ক জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
• এটি  স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয় যা ঢাকার আজিমপুরে অবস্থিত।
• স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার  ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (নিপোর্ট)-এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
• নিপোর্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীন জেলা, উপজেলা, ইউনিয়ন ও মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে থাকে।

উৎস: NIPORT ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া।

১০৪.
ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে বাংলার কোন জনপদের কথা উল্লেখিত হয়েছে?
  1. বঙ্গ
  2. সমতট
  3. হরিকেল
  4. গৌড়
ব্যাখ্যা

• বঙ্গ:
- বঙ্গ বাংলার একটি সুপ্রাচীন মানব-বসতির স্থান বা জনপদ,
- চৌদ্দ শতকে মুসলমান শাসনামলে পরিবর্তিত রূপে বাঙ্গালাহ হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে।
- ঐতরেয় আরণ্যক-এ সর্বপ্রথম মগধের সাথে বঙ্গ নামক একটি জনগোষ্ঠীর কথা উল্লিখিত হয়েছে।
- বৌধায়ন ধর্মসূত্রে একটি জনগোষ্ঠী হিসেবে বঙ্গ নামের উল্লেখ রয়েছে, যারা আর্যসভ্যতার সীমার বাইরে কলিঙ্গের পাশেই বসবাস করত।
- কৌটিল্যের অর্থশাস্ত্রে বঙ্গ নামের উল্লেখ রয়েছে একটি সর্বপ্রাচীন ভৌগোলিক ইউনিট হিসেবে।
- প্রথম খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে প্রথম খ্রিস্টাব্দ কালে লিখিত জৈন উপাঙ্গ পন্যবণা (প্রজ্ঞাপনা)-তে কিছুটা বিস্তৃতভাবে বঙ্গ এর উল্লেখ পাওয়া যায়। এখানে তাম্রলিপ্তিকে (তমলুক, মেদিনীপুর জেলা) বঙ্গের অন্তর্গত হিসেবে দেখানো হয়েছে।
- সেন যুগের লিপি সাক্ষ্যে বঙ্গের ‘বিক্রমপুরভাগ’ ও ‘নাব্যভাগ’-এর উল্লেখ রয়েছে, যা বর্তমান বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা, ফরিদপুর ও বরিশাল এলাকা নির্দেশ করে।
- বর্তমান বাংলাদেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের একটি নির্দিষ্ট এলাকায় বঙ্গের অস্তিত্ব ছিল।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১০৫.
১৯৭১ সালে যুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধারা কোন অভিযান পরিচালনা করে?
  1. চাটগাঁ অভিযান
  2. বেলুনিয়া অভিযান
  3. কুষ্টিয়া অভিযান
  4. ময়মনসিংহ অভিযান
ব্যাখ্যা

• মুক্তিযুদ্ধকালীন চূড়ান্ত পর্যায়ে মুক্তিবাহিনী :
- ১৯৭১ সালের অক্টোবর মাস থেকে মুক্তিবাহিনী শত্রুর বিরুদ্ধে ব্যাপকভাবে ঝটিকা আক্রমণ শুরু করে।
- ১৯৭১ সালের আগস্ট মাসে ভারত-সোভিয়েত চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাংলাদেশ যুদ্ধে ভারত অধিকতর আগ্রহ দেখাতে শুরু করে।
- অবশেষে, ৩ ডিসেম্বর ১৯৭১ ভারত সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়।
- বস্ত্তত নভেম্বর মাস থেকেই ভারতীয় সৈন্যরা সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়ে আসছিল।
- এ সময় মুক্তিযোদ্ধারা বেলুনিয়া অভিযান পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,

• মুক্তিবাহিনী:
- মুক্তিবাহিনী বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে সংগঠিত সশস্ত্রবাহিনী।
- শুরুতে এর নাম ছিল মুক্তিফৌজ।
- ১৯৭১ সালের মার্চের শুরু থেকে দেশের শহর ও গ্রাম এলাকায় ছাত্র ও যুব নেতৃবৃন্দের উদ্যোগে গঠিত সংগ্রাম পরিষদের কর্মীরাই পরবর্তী সময়ে সংগঠিত হয়ে মুক্তিফৌজ ও মুক্তিবাহিনী গঠন করে।

উৎস; বাংলাপিডিয়া।

১০৬.
চৌসারের যুদ্ধে কোন মুঘল সম্রাট শেরশাহের বিরুদ্ধে পরাজিত হন?
  1. সম্রাট আকবর
  2. সম্রাট বাবর
  3. সম্রাট হুমায়ুন
  4. সম্রাট শাহজান
ব্যাখ্যা

শেরশাহ:
- শেরশাহ ভারতবর্ষের সম্রাট ও শূর রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা।
- তাঁর প্রকৃত নাম ফরিদ।

⇒ তাঁর সাহস ও বীরত্বের জন্য বাহার খান তাঁকে ‘শের খান’ খেতাবে ভূষিত করেন।
- শের খান ১৫৩৪ খ্রিস্টাব্দে সুরজগড়ের যুদ্ধে মাহমুদ শাহ ও জালাল খানের সম্মিলিত বাহিনীকে পরাজিত করেন।
- ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে শের খান বাংলা আক্রমণ করে সুলতান মাহমুদ শাহকে পরাজিত করেন।
- কিন্তু মুগল সম্রাট হুমায়ুন বাংলা অভিমুখে অগ্রসর হলে শের খান বাংলা ত্যাগ করেন।
- ১৫৩৯ খ্রিস্টাব্দে চৌসার যুদ্ধে (বক্সারের নিকটে) হুমায়ুনকে পরাভূত করে তিনি ‘শাহ’ উপাধি গ্রহণ করেন এবং বাংলা পুনর্দখল করে খিজির খানকে এর শাসনকর্তা নিযুক্ত করেন।
- পরবর্তী বছর পুনরায় হুমায়ুনকে পরাজিত ও ভারতবর্ষ থেকে বিতাড়িত করে তিনি দিল্লির সিংহাসন অধিকার করেন।

উল্লেখ্য,
- শেরশাহ উপমহাদেশে ঘোড়ার ডাক ব্যবস্থা চালু করেন।
- শেরশাহ মুদ্রা ব্যবস্থার সংস্কার সাধন।
- তিনি বিখ্যাত ‘গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড' নির্মাণ করেন। গ্রান্ড ট্রাঙ্ক রোড বাংলাদেশের সোনারগাঁও থেকে পাকিস্তানের সিন্ধু নদ পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।

উৎস: i) ইতিহাস ২য় পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) বাংলাপিডিয়া।

১০৭.
বাংলাদেশে 'VGF কর্মসূচি' কোন সংস্থার সহযোগিতায় চালু হয়?
  1. WB
  2. WFP
  3. FAO
  4. IFAD
ব্যাখ্যা

• Vulnerable Group Feeding (VGF) বা “দুর্বল গোষ্ঠী খাদ্য কর্মসূচি”
- ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষের পর, বাংলাদেশ সরকার বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ( World Food Programme-WFP)-এর সহযোগিতায় “ Vulnerable Group Feeding (VGF) চালু করে।
- সূচনাকালে, এই কর্মসূচির আওতায় প্রতিটি পরিবারকে দুই বছর ধরে প্রতি মাসে ৩১.২৫ কিলোগ্রাম গম সরবরাহ করা হতো।
- এখনো পর্যন্ত VGF একটি মানবিক কর্মসূচি হিসেবে চলমান আছে,
- যা দুর্যোগকালীন সময়ে এবং প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে খাদ্য সহায়তা প্রদান করে।

• VGF কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্যগুলো হলো:

• দরিদ্র ও অসহায় মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা;
• দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ও শিশুদের রোগব্যাধি প্রতিরোধ করা;
• নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্যের বাজারমূল্যের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা;
• মন্দার সময় বেকার জনগোষ্ঠীকে খাদ্য সহায়তা প্রদান করা;
• দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে অস্থায়ী সহায়তার মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখা; এবং
• অতিদরিদ্র জনগণের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়তা করা।

উৎস: বিশ্ব ব্যাংক।

১০৮.
বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট কোনটি?
  1. ১০ টাকা
  2. ৫ টাকা
  3. ২০ টাকা
  4. ৫০ টাকা
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশে প্রচলিত সরকারি নোট ৩টি।
- বাংলাদেশের প্রচলিত ১, ২ ও ৫ টাকার নোট হলো সরকারি নোট।
- এসব নোট অর্থ মন্ত্রণালয় বের করে।
- এগুলোতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।

• বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে যেসব নোট বের করা হয় সেগুলো ব্যাংক নোট নামে পরিচিত।
- এসব নোটে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে।
- বর্তমানে দেশে সাতটি ব্যাংক নোট প্রচলিত রয়েছে।
- নোটগুলো হলো- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

১০৯.
সম্প্রতি, বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে কোন রোগের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়?
  1. হাম
  2. নিউমোনিয়া
  3. টাইফয়েড
  4. যক্ষ্মা
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে টাইফয়েড রোগের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়।
- ১২ অক্টোবর ২০২৫ থেকে প্রথমবারের মতো টাইফয়েডের টিকা দেওয়া শুরু হচ্ছে।
- এক মাসব্যাপী এই কর্মসূচিতে সরকার ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় পাঁচ কোটি শিশু-কিশোর-কিশোরীকে বিনা মূল্যে এই টিকা দেবে।
- স্যার সলিমুল্লাহ মুসলিম এতিমখানা, আজিমপুর কেন্দ্রে উদ্বোধন হয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫।

উল্লেখ্য,
- সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) মাধ্যমে দেশে বর্তমানে ১২টি রোগপ্রতিরোধে ১০ ধরনের টিকা দিচ্ছে সরকার।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন এবং প্রথম আলো।

১১০.
'গল্লামারী বধ্যভূমি' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. নাটোর
  2. খুলনা
  3. যশোর
  4. কুমিল্লা
ব্যাখ্যা

• গল্লামারী বধ্যভূমি:
- গল্লামারী মুক্তিযুদ্ধের ভয়াবহ গণহত্যার স্মৃতি–বিজড়িত একটি স্থান।
- এটি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ দিয়ে প্রবাহিত ময়ূর নদীর তীরে অবস্থিত।
- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধকালে খুলনা অঞ্চলের অন্যতম বধ্যভূমি ছিল গল্লামারী।
- তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান রেডিও স্টেশন (গল্লামারী রেডিও সেন্টার) ভবনে মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাকামী মানুষদের আটক করে নির্মম নির্যাতনের পর হত্যা করা হতো।
- নিহতদের মরদেহ গল্লামারী নদীতে ফেলে দেওয়া হতো।
- শহর থেকে প্রায় দু’কিলোমিটার অভ্যন্তরে গল্লামারী খালের পাশে এই বধ্যভূমিটির অবস্থান।
- খুলনা মুক্ত হওয়ার পর গল্লামারী খাল ও আশপাশের স্থান থেকে প্রায় পাঁচ ট্রাক মানুষের মাথার খুলি ও হাড়গোড় উদ্ধার করা হয়।
- ধারণা করা হয়, এখানে প্রায় ১৫ হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছিল।
- স্বাধীনতার পর রেডিও সেন্টার (বর্তমান বাংলাদেশ বেতার, খুলনা কেন্দ্র) নূরনগর এলাকায় স্থানান্তরিত হয়।
- ১৯৯৫ সালে সেখানে প্রথম একটি স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১১.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি কোন ধানের চাষাবাদ হয়?
  1. আমন ধান
  2. বোরো ধান
  3. আউশ ধান
  4. ইরি ধান
ব্যাখ্যা

কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ - ২০২৪ অনুযায়ী, ধান উৎপাদনে আবাদকৃত জমির পরিমান:

- আমন ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১,৪২,১০,০০০ (একর)
- বোরো ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ১২,০৫,৩০০০ (একর)
- আউশ ধান আবাদকৃত জমির পরিমাণ- ২৫,৫৭,০০০ (একর)

এছাড়া ও
- মোট আবাদযোগ্য জমি: ৩,৯২,৯৬,০০০ একর (১,৫৯,০৩,০০০ হেক্টর)।
- মোট আবাদী জমি (Net Cropped Area): ১,৯৮,২৯,০০০ একর (৮০,২৮,০০০ হেক্টর)।
- এক ফসলি জমি: ৫০,৪৯,০০০ একর (২০,৪৪,০০০ হেক্টর)।
- দুই ফসলি জমি: ১,০১,৪০,০০০ একর (৪১,০৫,০০০ হেক্টর)।
- তিন ফসলি জমি: ৪৫,৯৩,০০০ একর (১৮,৫৯,০০০ হেক্টর)।
- চার ফসলি জমি: ৪৭,০০০ একর (১৯,০০০ হেক্টর)।
- আবাদযোগ্য নয় এমন জমির পরিমাণ: ৮৩, ৫৮,০০০ একর।
- মোট খাদ্যশস্য: ৪,৪৮,২৯,০০০ মেট্রিক টন।

উল্লেখ্য,
- উৎপাদনের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপন্ন হয় বোরো ধান।

উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১১২.
বাংলাদেশের কৃষিতে 'স্নো হোয়াইট' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. আলু
  2. ভুট্টা
  3. গম
  4. ফুলকপি
ব্যাখ্যা

• ফুলকপি ফসলের উন্নত জাত এর নামঃ স্নো হোয়াইট।
- অবমূক্তকারী প্রতিষ্ঠানঃ লাল তীর সীড কোম্পানী
- জীবনকালঃ ৪০-৪৫ দিন দিন।

এ জাতের এর বৈশিষ্টঃ
১। উচ্চফলনশীল, তাপ ও আদ্রতা সহনশীল আগাম জাত।
২। খেতে মোলায়েম ও সুস্বাদু।
৩। উজ্জল সাদা রঙের ও টাইট।

এছাড়া ও
• উচ্চ ফলনশীল আলুর জাত: হীরা, আইলসা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, চমক, মরিনী, সুন্দরী, কুফরী, মুলটা ইত্যাদি।
• উচ্চ ফলনশীল ভুট্টার জাত: বর্ণালি, শুভ্রা, খই, মোহর।
• উচ্চ ফলনশীল গমের জাত: বলাকা, কাঞ্চন, দোয়েল, আকবর, সোনালিকা, সৌরভ, গৌরব, অঘ্রাণী প্রভৃতি।

উৎস: কৃষি তথ্য বাতায়ন।

১১৩.
বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সমাজে ‘গান্না’ উৎসবের প্রচলন আছে?
  1. রাখাইন
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. মারমা
ব্যাখ্যা

• ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর নৃত্য:
- ময়মনসিংহের গারোদের মধ্যে সমাজপতিকে তুষ্ট করার উদ্দেশ্যে ‘গান্না’ নামে এক উৎসবের প্রচলন আছে।
- তাতে নোক্মা বা সমাজপতিকে অঙ্গুরীয় পরানো হয়।
- তারপর নোক্মা তাঁর স্ত্রীসহ সকলের সঙ্গে অবস্থান করেন এবং তাঁদের মনোরঞ্জনের জন্য নৃত্য পরিবেশন করা হয়।
- এ নৃত্যে কোনো অভিনয় নেই, এমনকি পদচালনা বা দেহভঙ্গিও নেই।
- এ অঞ্চলে ‘জারিয়ালি’ নামেও একপ্রকার নাচের প্রচলন আছে।
- গারোদের মধ্যে গাছ থেকে ফল পাড়ার কৌশলকে এ নাচে রূপান্তরিত করা হয়েছে।
- এমনকি পায়রা কেমন করে খাবার সংগ্রহ করে, কেমন করে পরস্পরকে খাওয়ায়, কেমন করে প্রেমময় মুহূর্তে পরস্পরকে আদর করে, তাও নৃত্যের মাধ্যমে প্রদর্শিত হয়।
- মারমাদের থালানৃত্য ও মাছধরা নৃত্য বিশেষ উল্লেখযোগ্য।

উৎস: বাংলাপিডিয়া [লিংক]।

১১৪.
বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে কত শতাংশ জনসংখ্যা বসবাস করে?
  1. ৪৮.৩৫%
  2. ৬৮.৩৪%
  3. ৫৮.৬৬%
  4. ৭৮.৩৩%
ব্যাখ্যা

• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২ সালে।
- এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল শুমারি।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে CAPI.
- মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জন।
- জনশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পর পর।
- গণনাকৃত জনসংখ্যা ১৬,৫১,৫৮,৬১৬ জন।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২%।
- জনসংখ্যার মধ্যে পল্লি অঞ্চলে বসবাস করে - ১১,৬০,৬৫,৮০৪ জন (৬৮.৩৪%)।
- জনসংখ্যার মধ্যে শহর অঞ্চলে বসবাস করে- ৫,৩৭,৬৩,১০৭ জন (৩১.৬৬%)
- জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১,১১৯ জন।
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত ৯৮ ও ১০০।
- দেশে সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- ২০২২ সালে খানার গড় আকার - ৩.৯৮।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)।

১১৫.
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.১৭%
  2. ৪.৩৪%
  3. ৩.৩৪%
  4. ৫.৪২%
ব্যাখ্যা

• শিল্প (Industry) খাতঃ
সাময়িক হিসাব অনুযায়ী ২০২৪-২৫ অর্থবছরে শিল্প খাতের  প্রবৃদ্ধির হার দাঁড়িয়েছে ৪.৩৪%।
উল্লেখ্য,
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৩.৫১%।
২০২৩-২৪ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবের তুলনায় ২০২৪-২৫ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে শিল্প খাতের প্রবৃদ্ধির হার ০.৮৩ শতাংশীয় পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়েছে।

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক অবদান (২০২৪-২৫)

- কৃষি: ১০.৯৪%
- শিল্প: ৩৭.৪৪%
- সেবা: ৫১.৬২%

• বাংলাদেশের GDP'র খাতভিত্তিক প্রবৃদ্ধির হার (২০২৪-২৫)
- কৃষি: ১.৭৯%
- শিল্প: ৪.৩৪%
- সেবা: ৪.৫১%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।

১১৬.
ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত-
  1. সোমপুর মহাবিহার
  2. পানাম নগর
  3. আহসান মঞ্জিল
  4. আনন্দ বিহার
ব্যাখ্যা

• সোমপুর মহাবিহার:

- নওগাঁর পাহাড়পুরের এই বৌদ্ধ বিহারটি বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল অষ্টম শতাব্দীতে পাল সাম্রাজ্যের শাসনামলে।
- রাজা ধর্মপাল এটি প্রতিষ্ঠিত করেন।
- ১৮৭৯ সালে স্যার কানিংহাম এই বিশাল কীর্তি আবিষ্কার করেন।
- ১৯৮৫ সাল থেকে ইউনেস্কোর বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে স্বীকৃত।

উৎস: জাতীয় তথ্যবাতায়ন এবং বাংলাপিডিয়া।

১১৭.
আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই কোনটি?
  1. সুশীল সমাজ
  2. রাজনৈতিক দল 
  3. চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী 
  4. আমলাতন্ত্র 
ব্যাখ্যা

• গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব:
- আধুনিক প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হল রাজনৈতিক দল।
- গণতন্ত্রের অপর নাম সংখ্যাগরিষ্ঠের শাসন।
- জনগণ প্রতিনিধি নির্বাচন করে পরোক্ষভাবে শাসনকার্যে অংশগ্রহণ করে।
- অধ্যাপক ফাইনার বলেন, "আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন কার্যত রাজনৈতিক দলের শাসন।" তাই গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব অপরিসীম।

•  গণতন্ত্রে রাজনৈতিক দলের গুরুত্ব ও ভূমিকা নিম্নরূপ-
১ । জনমত গঠন ও রাজনৈতিক সচেতনতা দান।
২। সরকার গঠন।
৩। আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণ ।
৪। শান্তিপূর্ণভাবে সরকার পরিবর্তন।
৫। বিরোধী বিকল্প পক্ষ।
৬। ভিন্নমুখী মতামত একত্রীকরণ।
৭। সংসদীয় সরকারের উপযোগী ।

উৎস: পৌরনীতি প্রথম পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৮.
গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে (আইসিপিপিইডি) বাংলাদেশ যুক্ত হয় -
  1. ৯ জুলাই, ২০২৪
  2. ২৯ আগস্ট, ২০২৪
  3. ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  4. ৩ নভেম্বর, ২০২৫
ব্যাখ্যা

গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশন:
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।
- ৩২টি দেশ এটি অনুস্বাক্ষর করার পরে ২০১০ সালে তা বাস্তবায়ন শুরু হয়।
- সামগ্রিকভাবে এই সনদের লক্ষ্য গুম বন্ধের পাশাপাশি এই অপরাধের জন্য দায়মুক্তি বন্ধ করা, ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা ও ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের সহায়তা দেওয়া। 

⇒ ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর দ্য প্রোটেকশন অব অল পারসন্স ফ্রম এনফোর্সড ডিসেপিয়ারেন্স’ (আইসিপিপিইডি) শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে বাংলাদেশের পক্ষভুক্ত হওয়ার বিষয়ে কার্যক্রম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।
- গুম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কনভেনশনে সই করে বাংলাদেশের পক্ষে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

২৯ আগস্ট ২০২৪ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন ও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় যমুনায় উপদেষ্টামণ্ডলীর সভা চলাকালে কনভেনশনে সই করেন ড. ইউনূস।

⇒ এটি জাতিসংঘের আওতাধীন একমাত্র আন্তর্জাতিক কনভেনশন, যা বলপূর্বক গুমকে কেন্দ্র করে গৃহীত হয়েছে। যার লক্ষ্য হলো জোরপূর্বক অন্তর্ধান বা গুম প্রতিরোধ করা, ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এই গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
- গুমবিরোধী সনদটি ২০০৬ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়।

উৎস: প্রথম আলো এবং জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১১৯.
’The Ultimate Fate of the Universe’ গ্রন্থের লেখক কে?
  1. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  2. ড. জামাল নজরুল ইসলাম
  3. ড. নজরুল ইসলাম খান
  4. ফজলে হাসান আবেদ
ব্যাখ্যা

• বিজ্ঞানী প্রফেসর জামাল নজরুল ইসলাম:
- বিশ্বখ্যাত বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. জামাল নজরুল ইসলাম।
- পেশাগতভাবে তিনি ছিলেন একজন তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী, এবং তাঁর গবেষণার ক্ষেত্র ছিল আপেক্ষিকতা, বিশ্বতত্ত্ব এবং কোয়ান্টাম তত্ত্ব।
- আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতার তত্ত্ব, কোয়ান্টাম মেকানিক্স, কসমোলজি ও মহাবিশ্বের সৃষ্টি তত্ত্বের মতো জটিল বিষয় নিয়ে করেছেন মৌলিক গবেষণা।
- তাঁর বাবার কর্মস্থলে , ১৯৩৯ সালের ২৪শে ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- ১৯৮৩ সালে কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে প্রকাশিত তাঁর বই ’দি আল্টিমেট ফেইট অফ দি ইউনিভার্স’ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত হয়।
- বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলা ভাষায় তাঁর সবচেয়ে বিখ্যাত বই ⎯ 'কৃষ্ণগহ্বর’ (ব্ল্যাক হোল)।
- তাঁর গবেষণা আইনস্টাইন-পরবর্তী মহাবিশ্ব গবেষণায় বিরাট অবদান রেখেছে।
- সৌরজগতের বিভিন্ন গ্রহ কখনো এক সরলরেখায় এলে পৃথিবীর ওপর তার প্রভাব পড়বে কি না, তা নিয়ে কাজ করেছেন তিনি।
- পশ্চিমের উন্নত দেশে ৩০ বছরের অভ্যস্ত জীবন, সম্মানজনক পদ, গবেষণার অনুকূল পরিবেশ, বিশ্বমানের গুণীজন সাহচর্য এবং আর্থিকভাবে লোভনীয় চাকরি ছেড়ে ১৯৮৪ সালে ফিরে আসেন নিজ জেলা চট্টগ্রামে।
-চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে গণিত বিভাগে যোগ দিলেন মাসিক তিন হাজার টাকা বেতনে।
- দেশে ফিরে এসে একদিকে জামাল নজরুল ইসলাম গড়ে তুলেছেন উচ্চতর বিজ্ঞান গবেষণাগার আন্তর্জাতিক মানের প্রতিষ্ঠান গাণিতিক ও ভৌতবিজ্ঞান গবেষণাকেন্দ্র বা রিচার্স সেন্টার ফর ম্যাথমেটিক্যাল অ্যান্ড ফিজিক্যাল সায়েন্স (আরসিএমপিএস),

উল্লেখ্য,
- ২০০০ সালে তিনি বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ’একুশে পদকে’ ভূষিত হন।
- ২০১৩ সালের ১৬ই মার্চ চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

উৎস:
i) বাংলাপিডিয়া।
ii) ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, প্রথম আলো।

১২০.
গিনি-বিসাউ কোন দেশের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে?
  1. ফ্রান্স
  2. স্পেন
  3. পর্তুগাল
  4. নেদারল্যান্ডস
ব্যাখ্যা

গিনি-বিসাউ পর্তুগাল থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

গিনি-বিসাউ:
- গিনি-বিসাউ পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ।
- দেশটির উত্তরে সেনেগাল, পূর্বে ও দক্ষিণে গিনি এবং পশ্চিমে আটলান্টিক মহাসাগর অবস্থিত।
- রাজধানী: বিসাউ।
- সরকারি ভাষা: পর্তুগিজ।
- মুদ্রা: পশ্চিম আফ্রিকান সিএফএ ফ্র্যাঙ্ক (XOF)।

উল্লেখ্য,
- দেশটি পূর্বে পর্তুগিজ গিনি নামে পরিচিত ছিল। 
- ১৯৭৪ সালে পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে। 
- ২০২৫ সালের ২৭শে নভেম্বর দেশটির প্রেসিডেন্ট উমারো সিসোকো এমবালোকে গ্রেপ্তার করে একদল সেনা কর্মকর্তা ক্ষমতা দখলের ঘোষণা দিয়েছে।
- অভ্যুত্থানকারী সৈন্যরা ক্ষমতা গ্রহণের পর দেশটির চলমান নির্বাচনী প্রক্রিয়া স্থগিত করেছে। 

এছাড়া,
- ১৯৭৪ সালে পর্তুগালের কাছ থেকে স্বাধীনতা পাওয়ার পর থেকে ২০২০ সালে এমবালো দায়িত্ব গ্রহণ করা পর্যন্ত গিনি-বিসাউ অন্তত নয়টি অভ্যুত্থান ও অভ্যুত্থানচেষ্টার মুখোমুখি হয়েছে।

উৎস: i) Britannica.
ii) BBC.

১২১.
২০২৫ সালের বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচকে শীর্ষ দেশ কোনটি?
  1. সুইডেন 
  2. নরওয়ে
  3. ডেনমার্ক
  4. ফিনল্যান্ড
ব্যাখ্যা

বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম সূচক- ২০২৫:
- শিরোনাম: RSF World Press Freedom Index 2025.
- প্রকাশ: ২ মে, ২০২৫।
- প্রকাশক: ফ্রান্সভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা Reporters Without Borders (RSF).
- অন্তর্ভুক্ত দেশ: ১৮০টি।
- সূচক অনুযায়ী শীর্ষ দেশ নরওয়ে ও সর্বনিম্নে রয়েছে ইরিত্রিয়া। সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৯তম।

⇒ সূচক অনুযায়ী শীর্ষ দেশ -
১. নরওয়ে।
২. এস্তোনিয়া। 
৩. নেদারল্যান্ডস। 
৪. সুইডেন। 
৫. ফিনল্যান্ড।

উল্লেখ্য, সার্কভুক্ত দেশের অবস্থান:
- ৯০. নেপাল,
- ১০৪. মালদ্বীপ,
- ১৩৯. শ্রীলংকা,
- ১৪৯. বাংলাদেশ।
- ১৫১ ভারত,
- ১৫২. ভুটান,
- ১৫৮. পাকিস্তান ও
- ১৭৫. আফগানিস্তান।

উৎস:  World Press Freedom Index 2025.

১২২.
'দই মই' অর্থনৈতিক সংস্কার প্রক্রিয়া কোন দেশের সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. দক্ষিণ কোরিয়া
  2. চীন
  3. কম্বোডিয়া
  4. ভিয়েতনাম
ব্যাখ্যা

দই মই সংস্কার (Doi Moi Reform):
- 'দই মই' সংস্কার প্রক্রিয়াটি ভিয়েতনামের সাথে সম্পর্কিত।

⇒ এটি ভিয়েতনামের অর্থনৈতিক সংস্কার কর্মসূচি যা ১৯৮৬ সালে শুরু হয়।
- ভিয়েতনামী ভাষায় Doi Moi মানে “নতুন পুনর্গঠন” বা “নতুন পরিবর্তন”।
- ১৯৮৬ সালের ৬ষ্ঠ জাতীয় কংগ্রেসে ভিয়েতনাম কমিউনিস্ট পার্টি দ্বারা চালু হয়।
- উদ্দেশ্য: সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতির কিছু সীমাবদ্ধতা সরিয়ে বাজার ভিত্তিক অর্থনীতি চালু করা, বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করা, কৃষি ও শিল্প উৎপাদন বৃদ্ধি করা ও জনসাধারণের জীবনমান উন্নয়ন করা।
- এই সংস্কারের ফলে ভিয়েতনামের অর্থনীতি দ্রুত বৃদ্ধি পায়, দারিদ্র্য হ্রাস পায় এবং দেশটি বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে সংযুক্ত হয়।

উৎস: BBC.

১২৩.
২০২৫ সালের শান্তিতে নোবেল জয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো কোন দেশের নাগরিক?
  1. কলম্বিয়া
  2. ভেনেজুয়েলা
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. আর্জেন্টিনা
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালের নোবেল বিজয়ী:
- ২০২৫ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ভেনেজুয়েলার রাজনীতিবিদ ও মানবাধিকারকর্মী মারিয়া কোরিনা মাচাদো।
- অবদান: ভেনেজুয়েলার জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় অবিরাম প্রচেষ্টা এবং একনায়কতন্ত্র থেকে ন্যায়ভিত্তিক ও শান্তিপূর্ণ গণতন্ত্রে উত্তরণের সংগ্রামের জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য,
- সাহিত্য: হাঙ্গেরিয়ান লেখক লাজলো ক্রাজনাহরকাই।
- চিকিৎসাবিজ্ঞান: ম্যারি ই. ব্রুনকো, ফ্রেড রামসডেল ও শিমন সাকাগুচি।
- পদার্থবিজ্ঞান: জন ক্লার্ক, মিশেল দেভরেট ও জন এম মার্টিনিস।
- রসায়ন: সুসুমু কিতাগাওয়া, রিচার্ড রবসন ও ওমর এম. ইয়াগি।
- অর্থনীতি: ইওয়েল মোকিয়র, ফিলিপ আগিয়োঁ ও পিটার হাউইট।

উৎস: Nobel Prize ওয়েবসাইট।

১২৪.
কত সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়?
  1. ১৯১২ সালে
  2. ১৯১৭ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯২২ সালে
ব্যাখ্যা

সোভিয়েত ইউনিয়ন:
- U.S.S.R.-এর পূর্ণরূপ: Union of Soviet Socialist Republics.
- ১৯১৭ সালে অক্টোবর বিপ্লবের পর ১৯২২ সালে পৃথিবীর প্রথম সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র সোভিয়েত ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ১৯৯১ সালের ২৬ ডিসেম্বর সোভিয়েত ইউনিয়নের বিলুপ্তি ঘটে।
- সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে ১৫টি রাষ্ট্রের জন্ম হয়।
- মিখাইল গর্বাচেভ, যিনি সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা ছিলেন, তাঁর পদত্যাগের মাধ্যমে সোভিয়েত ইউনিয়নের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে সমাপ্ত হয়।

⇒ সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যে ১৫টি রাষ্ট্র গঠিত হয়: রাশিয়া, বেলারুশ, এস্তোনিয়া, লাটভিয়া, কিরগিজিস্তান, তাজিকিস্তান, আজারবাইজান, মলদোভা, আর্মেনিয়া, লিথুনিয়া, কাজাকিস্তান, উজবেকিস্তান, জর্জিয়া, ইউক্রেন ও তুর্কমেনিস্তান।
- সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে আলাদা হয়ে মুসলিম প্রজাতন্ত্রে তাজিকিস্তান।
- ১৯৯১ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে যাওয়ার পর তাজিকিস্তান স্বাধীনতা লাভ করে এবং এটি একটি মুসলিম প্রধান দেশ হিসেবে পরিচিত। এর অন্যান্য মুসলিম প্রধান প্রাক্তন সোভিয়েত প্রজাতন্ত্রগুলির মধ্যে আজারবাইজান, উজবেকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং কিরগিজস্তান অন্তর্ভুক্ত।

উৎস: i) Britannica.
ii) History.com

১২৫.
গাজায় মোতায়েনের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত বাহিনী কোনটি? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ইন্টারন্যাশনাল পিসকিপার ফোর্স (IPF)
  2. ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স (ISF)
  3. ইউরোপিয়ান পিস ফোর্স (EPF)
  4. ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড ফোর্স (ISF)
ব্যাখ্যা

International Stabilization Force (ISF):
- গাজায় মোতায়েনের জন্য জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত আন্তর্জাতিক বাহিনী হলো ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ)।

⇒ ফিলিস্তিনের গাজায় সংঘাত বন্ধে ২০ দফা শান্তি প্রস্তাব করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
 - ১৭ নভেম্বর, ২০২৫ তারিখে সেই প্রস্তাব জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদন পেয়েছে। প্রস্তাবে গাজাকে নিরাপদ করার জন্য ‘ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ (আইএসএফ) নামে একটি আন্তর্জাতিক বাহিনী মোতায়েনের কথা বলা হয়েছে।
- ট্রাম্পের পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাজার নিরাপত্তায় সহায়তার পাশাপাশি যুদ্ধবিরতি চুক্তি ঠিকঠাক বাস্তবায়ন হচ্ছে কি না, তার ওপর নজর রাখবে আন্তর্জাতিক এই বাহিনী।
 - তবে তাত্ত্বিকভাবে বলতে গেলে, এই বাহিনী কাজ করবে ইসরায়েল ও মিসরের সঙ্গে। তাদের লক্ষ্য গাজাকে অস্ত্রমুক্ত করা। একই সঙ্গে একটি ফিলিস্তিনি পুলিশ বাহিনীকে প্রশিক্ষণ দেওয়া।

উল্লেখ্য,
- International Stabilization Force (ISF) একটি বহুজাতিক বাহিনী।
 - গাজায় পুলিশকে প্রশিক্ষণ দেওয়া, সীমান্তের সুরক্ষা দেওয়া, উপত্যকাটিকে অস্ত্রমুক্ত করে নিরাপত্তা বজায় রাখা, বেসামরিক লোকজনকে সুরক্ষা দেওয়া, মানবিক কার্যক্রম চালানোসহ নানা দায়িত্ব পালন করবে তারা।
 - এ ছাড়া সমন্বিত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে পারবে এই বাহিনী।
- গাজার নিরাপত্তাসংক্রান্ত অনেক দায়িত্বও নিজেদের হাতে তুলে নেবে আইএসএফ।

উৎস: i) UN News.
ii) প্রথম আলো।

১২৬.
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরের ফলে কোন আরব দেশ প্রথমবারের মতো ইসরায়েল রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. জর্ডান
  2. মিশর
  3. লেবানন
  4. সিরিয়া
ব্যাখ্যা

ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি (Camp David Accords):
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি একটি ঐতিহাসিক চুক্তি, যা মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- পক্ষসমূহ: মিশর ও ইসরাইল।
- স্বাক্ষরকারী: মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মেরিল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট।
- মধ্যস্থতাকারী: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার।

⇒ ফলাফল:
- ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির ফলে মিশর প্রথম আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।
- সিনাই উপদ্বীপ মিশরের কাছে ফিরে আসে।
- সাদাত ও বেগিন নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।

উল্লেখ্য,
- Camp David চুক্তি ও ইসরাইলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী আরব রাষ্ট্র জর্ডান ও মিশর।
- ১৯৯৪ সালে Israel-Jordan Peace Treaty স্বাক্ষরের মাধ্যমে দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির পরোক্ষ ফলাফল হিসেবে)।
- ১৯৯৪ সালের চুক্তির মাধ্যমে জর্ডান ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।

এছাড়াও,
- সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, মরক্কো, সুদান ২০২০ সালে Abraham Accords-এর মাধ্যমে ইসরাইলের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে (Camp David চুক্তির সরাসরি ফল নয়)।

উৎস: Britannica.

১২৭.
‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র কোন বিমান দিয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায়?
  1. B-2 Spirit
  2. F-35 Lightning II
  3. B-52 Stratofortress
  4. F-22 Raptor
ব্যাখ্যা

‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলার জন্য বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান ব্যবহার করে।

অপারেশন মিডনাইট হ্যামার (Operation Midnight Hammer):

- ২২ জুন, ২০২৫ তারিখে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে অভিযান পরিচালনা করে যুক্তরাষ্ট্র।
- ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে পরিচালিত বিশেষ অভিযানে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, শনিবার (রবিবার তেহরানের সময় ০২:৪০-০৩:০৫) ২২:৪০ GMT থেকে ২৩:০৫ GMT এর মধ্যে তাদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল।
- অর্থাৎ ইরানের স্থানীয় সময় রবিবার ২২ জুন, ২০২৫ রাত ০২:৪০ থেকে ০৩:০৫ সময়ে এই হামলা চালানো হয়েছিল।
⇒ প্রায় ২৫ মিনিট দীর্ঘ এই অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের ১২৫টি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে।
- যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি থেকে উড্ডয়নের প্রায় ৩৭ ঘণ্টা উড়ে অপারেশন মিডনাইট হ্যামারে অংশ নেয় সাতটি স্টেলথ বি-২ বোমারু বিমান (B-2 Spirit)।
- এই বিমানগুলো ইরানের ৩টি পরমাণু স্থাপনা ফর্দো, ইস্ফাহান এবং নাতাঞ্জ লক্ষ্য করে ১৪টি বাংকার বাস্টার বোমা ছোড়ে।
- প্রতিটি বি-২ বোমারু বিমান দুটি করে বাংকার বিধ্বংসী বোমা বহনে সক্ষম। প্রতিটি বোমার ওজন ৩০ হাজার পাউন্ড।
- এ ছাড়া এই অভিযানে অংশ নেয় জ্বালানি ভরার ট্যাংকার ও নজরদারি বিমান।
উল্লেখ্য,
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিটার হেগসেথ বলেছেন, ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি নির্মূল করাই ছিল এই মিশনের লক্ষ্য।

উৎস: i) CSIS.
ii) CNN পত্রিকা।

১২৮.
আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক বিরোধের প্রধান কারণ কী? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. কাস্পিয়ান সাগরের তেলক্ষেত্র
  2. নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল
  3. ককেশাস পর্বতমালা অঞ্চল
  4. কিউবায় সামরিক ঘাঁটি স্থাপন
ব্যাখ্যা

আজারবাইজান ও আর্মেনিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক বিরোধের প্রধান কারণ হলো নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চল নিয়ে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত।

আর্মেনিয়া-আজারবাইজান শান্তিচুক্তি:

- দক্ষিণ ককেশাস অঞ্চলের রাষ্ট্র আর্মেনিয়া ও আজারবাইজানের মধ্যে ৮ আগস্ট, ২০২৫ যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হোয়াইট হাউসে ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
- অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আজারবাইজানের প্রেসিডেন্ট ইলহাম আলিয়েভ এবং আর্মেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিকোল পাশনিয়ান।
- এর মধ্য দিয়ে কয়েক দশকের সংঘাতের অবসান এবং দীর্ঘস্থায়ী মিত্রতা তৈরি হবে বলে প্রত্যাশা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের।
- শান্তিচুক্তির পাশাপাশি উভয় দেশের সাথে করিডোর ও বাণিজ্য ইস্যুতে পৃথক চুক্তি হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের।

উল্লেখ্য,
- বিতর্কিত নাগোর্নো-কারাবাখ অঞ্চলে নিয়ে আর্মেনিয়া ও আজারবাইজান কয়েক দশক ধরে বিবাদে লিপ্ত।
- অঞ্চলটি আজারবাইজানের ভূখণ্ডের ভেতরে অবস্থিত হলেও ১৯৯৪ সালের এক যুদ্ধের পর থেকে আর্মেনিয়ার সমর্থনে জাতিগত আর্মেনীয় বাহিনী ওই অঞ্চলটি নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।
- আর্মেনিয়া নাগোর্নো কারাবাখের দখল নেয়ার পর কয়েক দফায় রক্তক্ষয়ী সংঘাত হয় দুই দেশের মধ্যে।
- ২০২৩ সালে পুনরায় অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ নেয় আজারবাইজান।

উৎস: Reuters.

১২৯.
কোন সংস্থা 'Codex Alimentarius Commission' যৌথভাবে পরিচালনা করে?
  1. FAO ও WHO
  2. FAO ও UNESCO
  3. WHO ও UNDP
  4. UNESCO ও WFP
ব্যাখ্যা

Codex Alimentarius Commission:
- 'Codex Alimentarius Commission' যৌথভাবে পরিচালনা করে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)।

- এই দুটি সংস্থা ১৯৬৩ সালে খাদ্য মান উন্নয়নের জন্য এই আন্তর্জাতিক কমিশনটি প্রতিষ্ঠা করে।
- এর লক্ষ্য ভোক্তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং খাদ্য বাণিজ্যে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা।

উল্লেখ্য,
- Codex Alimentarius Commission (CAC) ১৯৬৩ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়, যার মূল উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক খাদ্য মান তৈরি করা।
- এই সংস্থাটি প্রথম ২০ বছরে খাদ্যদ্রব্য এবং সংযোজনকারী পদার্থের সংজ্ঞা, কীটনাশকের অবশিষ্টাংশের সীমা, খাদ্যের গঠন এবং লেবেলিংয়ের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কিত বিধিনিষেধ সংকলন করে।
- এর মধ্যে অনেকগুলো বিধান ১২০টির বেশি সদস্য দেশ আইনত গ্রহণ করেছে।
- উদ্দেশ্য: খাদ্য মানদণ্ডের একটি আন্তর্জাতিক কোড তৈরি করা, যা খাদ্য নিরাপত্তা এবং ভোক্তা স্বাস্থ্য রক্ষা করবে।
- কার্যক্রম: খাদ্যদ্রব্য এবং সংযোজনকারী পদার্থের সংজ্ঞা তৈরি, খাদ্যের গঠন ও লেবেলিংয়ের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ এবং কীটনাশকের অবশিষ্টাংশের সীমা নির্ধারণ।

উৎস: Britannica.

১৩০.
হামাস কত সালে গাজা উপত্যকার নিয়ন্ত্রণ নেয়?
  1. ২০০৫ সালে
  2. ২০০৬ সালে
  3. ২০০৭ সালে
  4. ২০০৮ সালে
ব্যাখ্যা

হামাস:
- হামাস ফিলিস্তিনের গেরিলা সংগঠন।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৮৭।
- প্রতিষ্ঠাতা: শেখ ইয়াসিন।
- এর সদরদপ্তর গাজায় অবস্থিত।
- সামরিক শাখা: ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডস।
- গাজা উপত্যকা নিয়ন্ত্রণ নেয়: ২০০৭ সালে।

⇒ ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীর ও গাজা উপত্যকা থেকে ইসরায়েলি দখলদারত্বের অবসানের দাবিতে ‘ইন্তিফাদা’ বা ফিলিস্তিনি গণজাগরণ শুরুর পর ১৯৮৭ সালে হামাস গঠিত হয়। কট্টর ইসরায়েলবিরোধী আধ্যাত্মিক নেতা শেখ আহমাদ ইয়াসিনের নেতৃত্বে আবদেল আজিজ আল-রান্তিসি ও মাহমুদ জহর সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- শুরু থেকেই নীতিগতভাবে প্রয়াত ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাতের স্বাধীনতাপন্থী সংস্থা পিএলও এর বিরোধিতা করে আসছে দলটি।
- তাদের প্রথম উদ্দেশ্য এর সামরিক শাখা ইজ্জেদিন আল-কাশেম ব্রিগেডসের মাধ্যমে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়া। দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ফিলিস্তিনে বিভিন্ন সমাজকল্যাণমূলক কর্মসূচি পরিচালনা করা।

উল্লেখ্য,
- ২০০৬ সালের জানুয়ারিতে প্যালেস্টাইনের সাধারণ নির্বাচনে হামাস ফাতাহকে হারিয়ে সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে।
- ২০০৬ সালে ফিলিস্তিনের পার্লামেন্ট নির্বাচনে ফাতাহ হেরে যাওয়ার পর এবং হামাস যোদ্ধারা গাজার নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পর এই সহিংসতা শুরু হয়। ওই সংঘাতের ফলে ফিলিস্তিনের যৌথ সরকারের বিলুপ্তি ঘটে এবং ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে শাসনভার ভাগ হয়ে যায়। ফিলিস্তিনের দুই অংশ- পশ্চিম তীর ফাতাহ আর গাজা হামাসের শাসনে চলে যায়।
- ১০ জুন, ২০০৭ থেকে গাজায় হামাস এবং ফাতাহের মধ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষ শুরু হয়। তিন দিনের তীব্র সংঘর্ষের পর হামাস গাজা নিয়ন্ত্রণ নেয়।

উৎস: i) Al Jazeera.
ii) Britannica.

১৩১.
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কোন অঙ্গরাজ্যটি রাশিয়া থেকে ক্রয় করেছিল?
  1. ক্যালিফোর্নিয়া
  2. আলাস্কা
  3. কলোরাডো
  4. টেক্সাস
ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৮৬৭ সালে রাশিয়ার কাছ থেকে আলাস্কা ক্রয় করে।

আলাস্কা অঙ্গরাজ্য:
- আলাস্কা (Alaska) হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি অঙ্গরাজ্য।
- এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত।
- এটি রাশিয়ার সবচেয়ে কাছের আমেরিকান অঙ্গরাজ্য।
- এটি ১৯৫৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম রাজ্য হিসেবে যোগ হয়।
- আলাস্কা মূলত একটি বৃহৎ এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ অঞ্চল, যার বেশিরভাগ অংশ পাহাড়, বন, হিমবাহ এবং ব্যাপক বনভূমিতে ভরা।

এছাড়াও,
- প্রায় দেড়শ বছর আগে এ জায়গাটি ছিল রাশিয়ার।
- ১৮৬৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার নিকট থেকে আলাস্কা অঙ্গরাজ্যটি ক্রয় করেছিল।
- মাত্র ৭২ লাখ ডলারে আমেরিকার কাছে আলাস্কা বিক্রি করে দেয় রাশিয়া।
- ১৮৬৭ সালের ৩০ মার্চ, আলাস্কা বিক্রির চুক্তি করেছিল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রায় এক শতাব্দী পর এসে ১৯৫৯ সালের ৩ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৯তম অঙ্গরাজ্যের মর্যাদা পায় আলাস্কা।

উৎস: i) BBC.
ii) Britannica.

১৩২.
RCEP জোটের অর্থনৈতিক আয়তন বিশ্বের মোট জিডিপির কত শতাংশ? [নভেম্বর, ২০২৫]
  1. ১৮%
  2. ২২%
  3. ৩৩%
  4. ৩৫%
ব্যাখ্যা

RCEP:
- RCEP-এর পূর্ণরূপ: Regional Comprehensive Economic Partnership.
- RCEP হলো Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র। এটি বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- স্বাক্ষরিত হয়: ১৫ নভেম্বর, ২০২০।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারি, ২০২২।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ১৫টি (চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, ফিলিপাইন, ব্রুনাই, সিঙ্গাপুর, কম্বোডিয়া, লাওস ও মিয়ানমার)।

⇒ অর্থনীতির ব্যাপ্তি:
- বৈশ্বিক GDP-এর প্রায় ৩৩%,
- বৈশ্বিক জনসংখ্যারও প্রায় ৩৩% (প্রায় ২.২ বিলিয়ন),
- বৈশ্বিক বাণিজ্যের প্রায় ২৮.৮%।

উল্লেখ্য,
- RCEP-এর ধারণা ২০১১ সালে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত ASEAN শীর্ষ সম্মেলনে প্রস্তাবিত হয় এবং ২০১২ সালে কম্বোডিয়ার ASEAN শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু হয়।
- RCEP-এর উদ্দেশ্য হল শুল্ক ও অ-শুল্ক বাধা হ্রাস করে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মুক্ত বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক একীকরণ প্রচার করা।

উৎস: i) ASEAN ওয়েবসাইট।
ii) World Economics ওয়েবসাইট। [link]

১৩৩.
২০২৫ সালের 'বুকার পুরস্কার' লাভ করেন -
  1. বানু মুশতাক
  2. সালমান রুশদি
  3. ডেভিড সালাই
  4. হিলারি ম্যান্টেল
ব্যাখ্যা

বুকার পুরস্কার:
- বুকার পুরস্কার (Booker Prize) একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল: Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
- শুরুতে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত।
- পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।

⇒ ২০২৫ সালের 'বুকার পুরস্কার' লাভ করেন হাঙ্গেরীয়-ব্রিটিশ লেখক ডেভিড সালাই।
- ইংরেজি ভাষায় রচিত 'ফ্ল্যাশ (Flesh)' উপন্যাসের জন্য খেতাবটি জয় করেন ডেভিড সালাই। যেখানে নির্যাতিত হাঙ্গেরিয়ান এক অভিবাসীর গল্প তুলে ধরেন তিনি। বিদেশে ভাগ্য গড়েও শেষ পর্যন্ত সবকিছু হারানোর হৃদয়বিদারক কাহিনীর কারণে ব্যাপক পাঠকপ্রিয়তা লাভ করে বইটি। - 'ফ্লেশ (Flesh)' সালাইয়ের ষষ্ঠ উপন্যাস।

অন্যদিকে,
- ২০২৫ সালের 'আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার' জিতেছেন ভারতীয় লেখক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মী বানু মুশতাক। ছোটগল্পের সংকলন ‘হার্ট ল্যাম্প/ Heart Lamp’–এর জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট।

১৩৪.
প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ক 'আলমাআতা (The Alma-Ata Declaration)' ঘোষণা গৃহীত হয় কত সালে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৭৬ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে
ব্যাখ্যা

প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ক 'আলমাআতা' ঘোষণাটি ১৯৭৮ সালে গৃহীত হয়।

'আলমাআতা' ঘোষণা (The Alma-Ata Declaration):
- স্থান: আলমাআতা, কাজাখস্তান।
- সময়: ১২-১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮।

⇒ প্রধান উদ্দেশ্য:
- Primary Health Care (PHC) বা প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবাকে বিশ্বব্যাপী সম্প্রসারিত করা।
- সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা সুবিধা নিশ্চিত করা, যাতে স্বাস্থ্য অধিকার একটি মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃত হয়।
- স্বাস্থ্যসেবা কেবল হাসপাতাল বা চিকিৎসা কেন্দ্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সমাজভিত্তিক ও প্রতিরোধমূলক হয়ে ওঠে।
- ২০০০ সালের মধ্যে বিশ্বের সকল মানুষের জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিচর্যাকে একটি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে গ্রহণ করা।

উল্লেখ্য,
- কাজাখস্তানের বৃহত্তম নগরী আলমাআতায় অনুষ্ঠিত সম্মেলনে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও ইউনিসেফের ১৩৪ সদস্য দেশের মন্ত্রীরা ২০০০ সালের মধ্যে সবার জন্য স্বাস্থ্যের বিষয়টি ঘোষণা করেছিলেন।

উৎস: WHO ওয়েবসাইট।

১৩৫.
মন্ট্রিল প্রটোকল কত সালে প্রথম সংশোধিত হয়?
  1. ১৯৯০ সালে
  2. ১৯৯২ সালে
  3. ১৯৯৪ সালে
  4. ১৯৯৫ সালে
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- মন্ট্রিল প্রটোকল (Montreal Protocol)-এর প্রথম সংশোধন: লন্ডন সংশোধনী (London Amendment)।
- অনুষ্ঠিত হয় ২৭-২৯ জুন, ১৯৯০ সালে।
- মূল চুক্তি স্বাক্ষরিত: ১৯৮৭ সালে।
- এতে নতুন ক্ষতিকর পদার্থ (যেমন CFCs, Halons, Carbon tetrachloride) প্রটোকলের আওতায় আনা হয়, উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য Multilateral Fund গঠন, যাতে তারা প্রযুক্তি ও আর্থিক সহায়তা পেতে পারে ও CFC নিষিদ্ধ করার সময়সীমা আরও কঠোর করা হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

১৩৬.
২০২৬ সালে WTO-এর ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?
  1. ইয়াউন্দে, ক্যামেরুন
  2. ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  3. আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
ব্যাখ্যা

WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।
- প্রতিষ্ঠাকালীন নাম: General Agreement on Tariffs and Trade (GATT).

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) ১৪তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC14) ২০২৬ সালের ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ইয়াউন্দে, ক্যামেরুন-এ অনুষ্ঠিত হবে।

উল্লেখ্য,
- WTO-এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী শাখা হলো মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (Ministerial conferences)।
- মন্ত্রী পরিষদের অধিবেশন সকল সদস্য নিয়ে গঠিত।
- এটি বিশ্ব-বাণিজ্য সংস্থার কার্যকরী বিভাগ।
- সাধারণ পরিষদ (General Council)-মন্ত্রী পরিষদের অধিবেশনের অন্তর্বর্তী সময়ে এটি কার্য পরিচালনা করে।
- WTO-এর "Ministerial Conference" প্রতি দুই বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর ১৩ তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (মিনিস্ট্রিয়াল সম্মেলন) অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের সংযুক্ত আরব আমিরাতের আবুধাবিতে।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।

১৩৭.
১৯৮২ সালে ফকল্যান্ড যুদ্ধের সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. মার্গারেট থ্যাচার
  2. উইনস্টন চার্চিল
  3. টনি ব্লেয়ার
  4. থেরেস মা
ব্যাখ্যা

ফকল্যান্ড দ্বীপ:
- ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যকার বিরোধপূর্ণ দ্বীপ ফকল্যান্ড দ্বীপ।
- এই দ্বীপ নিয়ে ১৯৮২ সালে ইংল্যান্ড ও আর্জেন্টিনার মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
- ইতিহাসে এই আক্রমণ ফকল্যান্ড যুদ্ধ হিসেবে পরিচিত।
- এই সময় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ছিলেন মার্গারেট থ্যাচার।

⇒ ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ হলো দক্ষিণ আটলান্টিক মহাসাগরের প্যাটাগনিয়ান শেলফে অবস্থিত একটি দ্বীপপুঞ্জ।
- বিভিন্ন সময়ে দ্বীপগুলোতে ফরাসি, ইংরেজ, স্প্যানিশ ও আর্জেন্টাইন বসতি ছিল।
- ১৮৩৩ সালে ব্রিটেন দ্বীপটি দখল করে নেয় এবং সেখানে ব্রিটিশ শাসন প্রতিষ্ঠা করে।
- ১৯৮২ সালের এপ্রিল মাসে আর্জেন্টাইন সামরিক বাহিনী দ্বীপপুঞ্জটিতে আক্রমণ করে।
- ব্রিটিশ প্রশাসন এই আক্রমণের দুই মাস পর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করে।
- ২০১৩ সালের একটি গণভোটে সব ফকল্যান্ড অধিবাসী ব্রিটিশ বৈদেশিক অঞ্চলে থাকার পক্ষে ভোট দেয়।
- এই অঞ্চলটির সার্বভৌমত্ব আর্জেন্টিনা ও যুক্তরাজ্যের চলমান বিবাদের একটি অংশ।

উৎস: Britannica.

১৩৮.
মূল্যবোধ (Values) বলতে কী বোঝায়?
  1. সমাজ জীবনে মানুষের সুখী হওয়ার প্রয়োজনীয় মনোভাব
  2. মানুষের সঙ্গে মানুষের পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ধারণ
  3. মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড
  4. মানুষের বাহ্যিক রূপ
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধ:
- মূল্যবোধ হলো মানুষের আচরণ পরিচালনাকারী নীতি ও মানদণ্ড।
- আর যে শিক্ষার মাধ্যমে সমাজে প্রচলিত রীতিনীতি, প্রথা, আদর্শ ইত্যাদির বিকাশ ঘটে তাই হলো মূল্যবোধ শিক্ষা।
- মূল্যবোধ মানুষের আচরণের সামাজিক মাপকাঠি।
- একটি দেশের সমাজ, রাষ্ট্র, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উৎকর্ষতার অন্যতম মাপকাঠি হিসেবে এটি ভূমিকা পালন করে।

⇒ শিক্ষা এবং মূল্যবোধ:
- জ্ঞানার্জন বা শিক্ষার মাধ্যমেই মূল্যবোধ সুদৃঢ় হয়।
- শিক্ষার মাধ্যমে মানুষ বিভিন্ন নৈতিকতা, ন্যায়নীতি এবং সামাজিক মূল্যবোধ সম্পর্কে জানতে পারে।
- শিক্ষার মাধ্যমেই সমাজের বিভিন্ন স্তরে মূল্যবোধের প্রসার ঘটে এবং তা মানুষকে সঠিক পথে পরিচালিত করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথমপত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

১৩৯.
টেকসই উন্নয়নের অপরিহার্য অঙ্গ কোনটি?
  1. শিক্ষা
  2. সুশাসন
  3. আইন
  4. মূল্যবোধ
ব্যাখ্যা

টেকসই উন্নয়ন ও সুশাসন:
- টেকসই উন্নয়ন মূলত ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কথা ভেবে গৃহীত একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা।
- সুশাসন হলো এমন একটি শাসনব্যবস্থা, যেখানে ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা, অংশগ্রহণ এবং আইনের শাসন বজায় থাকে।
- টেকসই উন্নয়নের জন্য সুশাসন অপরিহার্য, কারণ এটি ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে।
- সুশাসন শুধু প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি করে না, বরং সমাজের সবস্তরে উন্নয়নের পথ তৈরি করে।
- এটি সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় সহায়ক- যা টেকসই উন্নয়নের মূল লক্ষ্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪০.
'আইন ও নৈতিকতার মাঝে নিবিড় সম্পর্ক বিরাজমান' উক্তিটি কার?
  1. গেটেল
  2. ফুঁকো
  3. এরিস্টটল
  4. রাসেল
ব্যাখ্যা

আইন ও নৈতিকতার সুসম্পর্ক:
- আইন ও নৈতিকতা উভয়েরই উদ্দেশ্য হল সৎ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ সমাজ ও দেশ গঠন।
- আইনের লক্ষ্য হচ্ছে মানুষকে সৎ, যুক্তিসংগত, নিয়মের মাঝে রাখা।
- অন্যদিকে, নৈতিকতারও একই লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।
- নীতিবান ব্যক্তি তার কর্মে ও কথায় সবসময় সৎ, সদাচারী, সৌজন্যমূলক ও সৎচিন্তাশীল হয়ে থাকে।
- এসব গুণ সমাজজীবনে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের জন্য অপরিহার্য।
- বাংলাদেশে কেউ প্রতারণা করলে ফৌজদারী কার্যবিধির ৪২০ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা যায়।
- এ ধরনের বিবেচনা থেকে অধ্যাপক আর জি গেটেল বলেন, 'আইন ও নৈতিকতার মাঝে নিবিড় সম্পর্ক বিরাজমান'।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪১.
নাগরিকের সামাজিক অধিকার কোনটি?
  1. সম্পত্তি ভোগ
  2. সরকারি চাকুরি
  3. বিদেশে নিরাপত্তা লাভ
  4. দায়মুক্তি
ব্যাখ্যা

সামাজিক অধিকার:
- সমাজে সুন্দরভাবে সুখ-শান্তিতে বসবাসের জন্য নাগরিকগণ যেসব অধিকার ভোগ করে, সেগুলোকে সামাজিক অধিকার ভোগ বলে।
- যেমন - জীবন রক্ষা, মত প্রকাশ, চলাফেরা, বিনা বিচারে আটক না হওয়া, সংঘবদ্ধ হওয়া, সভা-সমিতি, চুক্তি স্থাপন, সম্পত্তি ভোগ, আইনের চোখে সমতা লাভ, শিক্ষা লাভ, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, পরিবার গঠন, নিজ-নিজ সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার অধিকার। সভ্য জীবন-যাপনের জন্য এসব অধিকার নাগরিকের জন্য অপরিহার্য।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন (প্রথম পত্র), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪২.
'সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড'-উক্তিটি কার?
  1. এফ ই মেরিল
  2. জন লক
  3. পল সাঁত্রে
  4. এইচ এম জনসন
ব্যাখ্যা

⇒ 'সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড'-উক্তিটি করেন এইচ এম জনসন।

মূল্যবোধ:
- বিভিন্ন পন্ডিত মূল্যবোধকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করেছেন যেমন:
- সমাজবিজ্ঞানী এইচ এম জনসন এর মতে, 'সামাজিক মূল্যবোধ হল একটি মানদন্ড'।
- ক্লাইড ব্লুখোন বলেন "সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব প্রকাশ্য ও অনুমেয় আচার-আচরণের ধারা যা ব্যক্তি ও সমাজের মৌলিক বৈশিষ্ট্য বলে স্বীকৃত”।
- সমাজবিজ্ঞানী এফ ই মেরিল বলেন, 'সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে বিশ্বাসের এক প্রকৃতি বা ধরণ, যা গোষ্ঠীগত কল্যাণে সংরক্ষণ করাকে মানুষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করে'।
- অতএব, সামাজিক মূল্যবোধ হচ্ছে সেসব ধারণার চূড়ান্ত ব্যাপ্তি যা মানুষ হিসেবে একজন ব্যক্তির জীবনে একান্ত কাম্য। সমাজের এসব মূল্যবোধ মানুষের জীবনের জন্য লক্ষ্য ও প্রাপ্তি স্থির করতে সাহায্য করে।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৩.
সুশাসনের জন্য অপরিহার্য উপাদান কোনটি?
  1. স্বাধীন গণমাধ্যম
  2. স্বাধীন বিচার বিভাগ
  3. জবাবদিহিতামূলক সরকার
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা

সুশাসন:
- সুশাসন প্রতিষ্ঠায় বহুদলীয় শাসনব্যবস্থা অপরিহার্য উপাদান নয়।
- সুশাসন একটি বহুমাত্রিক ধারণা।
- ফলে বিভিন্ন তাত্ত্বিক ও গোষ্ঠী সুশাসনকে বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে ব্যাখ্যা করেছেন।

⇒ সুশাসনের জন্য অপরিহার্য উপাদান:
- স্বাধীন গণমাধ্যম,
- স্বাধীন বিচার বিভাগ,
- জবাবদিহিতামূলক সরকার,
- আইনের শাসন,
- গণতন্ত্র ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১৪৪.
'জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন' করা হয় কবে?
  1. ২০১১ সালে
  2. ২০১২ সালে
  3. ২০১৩ সালে
  4. ২০১৪ সালে
ব্যাখ্যা

জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন:
- দুর্নীতি দমন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০১২ সালে জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশল প্রণয়ন করেছে।
- এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় রাষ্ট্রীয় ও অরাষ্ট্রীয় পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও অংশীদারদের ভূমিকা সম্পর্কে বর্ণনা করা হয়েছে।
- এই কৌশলে শুদ্ধাচার বলতে নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষতাকে নির্দেশ করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র - মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ওয়েবসাইট।

১৪৫.
ব্রহ্মপুত্র নদ বাংলাদেশে কোন জেলার মধ্য দিয়ে প্রবেশ করেছে?
  1. রংপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. কুড়িগ্রাম
  4. গাইবান্ধা
ব্যাখ্যা

বিভিন্ন নদীর প্রবেশ পথ:
- পদ্মা নদীর মূল প্রবাহ রাজশাহী জেলার দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে প্রায় ১৪৫ কিলোমিটার পর্যন্ত ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের সীমানা বরাবর এসে কুষ্টিয়ার উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর রাজবাড়ি জেলার গোয়ালন্দের নিকট যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।
- ব্রহ্মপুত্র নদ তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মেঘনা ভারতের আসাম রাজ্যের নাগা-মনিপুর পার্বত্য অঞ্চলে উৎপন্ন বরাক নদী সিলেট সীমান্তে সুরমা ও কুশিয়ারা নামে দুইটি শাখায় বিভক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- যমুনা ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের একাট শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
- করতোয়া নদী পঞ্চগড় জেলার ভিটগড়ের নিকট বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
- মহানন্দা নদী পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার সীমান্ত এলাকা দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পুনরায় ভারতে প্রবেশ করে।
- কর্ণফুলী নদী রাঙামাটি ও চট্টগ্রাম জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- সাঙ্গু নদী বান্দরবান ও চট্টগ্রামের ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- ফেনী নদী ফেনী জেলার পূর্ব সীমানা দিয়ে প্রবেশ করে সন্দ্বীপ প্রণালির উত্তরে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
- নাফ নদী বাংলাদেশের টেকনাফ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্দেশ করে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৬.
'চর নিউটন' কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. ভোলা
  2. নোয়াখালী
  3. ফেনী
  4. রাজশাহী
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের চরসমূহ:
- নদীর মাঝে বা মোহনায় পলি সঞ্চিত হয়ে জেগে উঠা ভূখণ্ড চর নামে পরিচিত।
- লক্ষ্মীপুর জেলা: চর গজারিয়া ও চর আলেকজান্ডার।
- ভোলা জেলা: চরফ্যাশন, চর মানিক, চর কুকড়ি মুকড়ি, চর নিউটন, চর নিজাম প্রভৃতি।
- নোয়াখালী জেলা: ভাসান চর, সুবর্ণ চর, চর শ্রীজনী, চর শাহাবানী প্রভৃতি।
- ফেনী জেলা: মুহুরীর চর।
- রাজশাহী জেলা: নির্মল চর।
- সুন্দরবন: দুবলার চর, পাটনি চর।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৪৭.
ভূমিকম্পের তরঙ্গের উৎপত্তি যে স্থান থেকে হয়, তাকে কী বলে?
  1. কেন্দ্র
  2. অগ্রকেন্দ্র
  3. উপকেন্দ্র
  4. ভূকেন্দ্র
ব্যাখ্যা

ভূমিকম্প:
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিক সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিূকম্প বলে।
- একটি শান্ত পুকুরে টিল ছুড়লে যেভাবে ঢেউ চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে তেমনি পৃথিবীর অভ্যন্তরে যেখানে তরঙ্গ শক্তি উৎপত্তি হয় সেখানে থেকে মুক্ত শক্তি টেউয়ের মত শিলায় তরঙ্গের সৃষ্টি করে এবং চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সোজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তির কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্ধির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- ভূমিকম্পের কেন্দ্র ভূ-অভ্যন্তরের প্রায় ১৬-২০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হয়ে থাকে।
- যে যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্প পরিমাপ করা হয় তাকে বলা হয় সিসমোগ্রাফ।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৪৮.
বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান কোনটি?
  1. তামাবিল
  2. বাংলাবান্ধা
  3. দর্শনা
  4. বেনাপোল
ব্যাখ্যা

সর্ব উত্তর:
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী স্থান বাংলাবান্ধা।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়া।
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়।

সর্ব পূর্ব:
- বাংলাদেশের সর্ব পূর্বের স্থান আখাইনঠং।
- বাংলাদেশের সবচেয়ে পূর্বের উপজেলা থানচি।
- দেশের সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান।

সর্ব পশ্চিম:
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের স্থান মনাকষা।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের উপজেলা শিবগঞ্জ।
- বাংলাদেশের সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ।

সর্ব দক্ষিণ:
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের স্থান ছেড়াদ্বীপ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের উপজেলা টেকনাফ।
- বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার।

তথ্যসূত্র - সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

১৪৯.
'Gate of Tears' কোন দুটি মহাদেশকে পৃথক করেছে?
  1. এশিয়া ও ইউরোপ
  2. আফ্রিকা ও ইউরোপ
  3. ইউরোপ ও আমেরিকা
  4. এশিয়া ও আফ্রিকা
ব্যাখ্যা

⇒ বাব এল-মান্দেব প্রণালী 'Gate of Tears' নামে পরিচিত।
- 'Gate of Tears' এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।

বাব এল-মান্দেব প্রণালী:
- বাব এল-মান্দেব প্রণালী, আরবি বাব আল-মান্দব, আরব এবং আফ্রিকা (দক্ষিণ-পশ্চিম) মধ্যবর্তী প্রণালী।
- প্রণালীটির মোট দৈর্ঘ্য, পূর্ব-উত্তর-পূর্ব থেকে পশ্চিম-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ১৪৮০ কিমি, এবং এর গড় প্রস্থ, উত্তর-উত্তর-পূর্ব থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ-পশ্চিমে পরিমাপ করা হয় ৪৮০ কিমি।
- এটি লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগর এবং ভারত মহাসাগর (দক্ষিণ-পূর্ব) এর সাথে সংযুক্ত করে।
- প্রণালীটি এডেন উপসাগর, গভীর জলের অববাহিকা যা লোহিত সাগর এবং আরব সাগরের মধ্যে একটি প্রাকৃতিক সমুদ্র সংযোগ তৈরি করে।
- এশিয়া-আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে বাব এল-মান্দেব প্রণালী।
- প্রণালীটি ৩২ কিমি প্রশস্ত এবং পেরিম দ্বীপ দ্বারা দুটি চ্যানেলে বিভক্ত।পশ্চিম চ্যানেলটি ২৬কিমি জুড়ে এবং পূর্ব দিকে ৩ কিমি প্রশস্ত।
- সুয়েজ খাল নির্মাণের সাথে, প্রণালীটি ভূমধ্যসাগর এবং পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের একটি অংশ গঠন করে।
- প্রণালীটির আরবি নামের অর্থ ‘কান্নার দ্বার’।

তথ্যসূত্র - Britannica.com

১৫০.
নিচের কোনটি নিয়ত বায়ুপ্রবাহ?
  1. স্থলবায়ু
  2. পশ্চিমা বায়ু
  3. সমুদ্রবায়ু
  4. উপত্যকা বায়ু
ব্যাখ্যা

বায়ুপ্রবাহের প্রকারভেদ:
- বায়ুপ্রবাহ মূলত চার প্রকার। যথা-
# নিয়মিত বায়ু।
# স্থানীয় বায়ু।
# সাময়িক বায়ু।
# অনিয়মিত বায়ু।

• নিয়ত বায়ুপ্রবাহ তিন প্রকার। যথা-
# অয়ন বায়ু।
# মেরু বায়ু।
# পশ্চিমা বায়ু।

• সাময়িক বায়ু প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
# স্থলবায়ু ও সমুদ্রবায়ু।
# মৌসুমি বায়ু।

• স্থানীয় বায়ু হলো দুই প্রকার। যথা-
# পার্বত্য বায়ু।
# উপত্যকা বায়ু।

• অনিয়মিত বায়ু দুই প্রকার। যথা-
# ঘূর্ণিবাত বায়ু।
# প্রতীপ ঘূর্ণিবাত বায়ু।

তথ্যসূত্র - ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫১.
দীর্ঘমেয়াদি পদক্ষেপের মাধ্যমে দুর্যোগের ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতি কমিয়ে আনার প্রক্রিয়াকে কী বলে?
  1. পূর্ব প্রস্তুতি
  2. প্রশমন
  3. পুনরুদ্ধার
  4. সাড়াদান
ব্যাখ্যা

পূর্ব প্রস্তুতি:
- প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষ্যে দুর্যোগ পূর্ব সময়ে যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়, সেগুলোকে পূর্ব প্রস্তুতি বলে।

প্রশমন:
- দীর্ঘ সময়ব্যাপী বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে দুর্যোগ সংঘটনের হার হ্রাস করা এবং দুর্যোগ পূর্ব প্রস্তুতি গ্রহণ করাকে প্রশমন বলে।
- দুর্যোগ প্রশমন কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে মজবুত ও পাঁকা ভবনসহ অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর, বনায়ন, বেড়িবাঁধ নির্মাণ প্রভৃতি।

পুনরুদ্ধার:
- দুর্যোগের ফলে সম্পদ, অবকাঠামো, পরিবেশ ইত্যাদির যে ক্ষতি হয় তা পুনঃনির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগ পূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনাকে পুনরুদ্ধার বলে। এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি, স্বেচ্ছাসেবী এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাহায্য ও সহায়তা প্রয়োজন হয়। যেমন- ঘরবাড়ি নির্মাণ, রাস্তাঘাট মেরামত ইত্যাদিতে অর্থ ও প্রযুক্তি যোগান।

তথ্যসূত্র - ভূগোল দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৫২.
A হল C এর পুত্র; C এবং Q বোন; D হল Q এর মা এবং E হল D এর পুত্র। E, A এর সম্পর্কে কী হয়?
  1. মামা
  2. ভাই
  3. বাবা
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A হল C এর পুত্র; C এবং Q বোন; D হল Q এর মা এবং E হল D এর পুত্র। E, A এর সম্পর্কে কী হয়?

সমাধান:
A হল C এর পুত্র

C এবং Q বোন
অতএব, Q, A এর খালা
C, A এর মা

D হল Q এর মা
D হলেন A এর নানী

E হল D এর পুত্র
অতএব, E, A এর মামা।

১৫৩.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
6, 13, 28, 59, ?, 249.
  1. 120
  2. 128
  3. 122
  4. 132
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
6, 13, 28, 59, ?, 249.

সমাধান:
১ম পদ = 6
২য় পদ = (6 × 2 + 1) = 13
৩য় পদ = (13 × 2 + 2) = 28
৪র্থ পদ = (28 × 2 + 3) = 59
৫ম পদ = (59 × 2 + 4) = 122
৬ষ্ঠ পদ = (122 × 2 + 5) = 249

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 122 সংখ্যাটি বসবে।

১৫৪.
Choose the correct spelling –
  1. Pseudename
  2. Pseudenym
  3. Psuedonym
  4. Pseudonym
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Choose the correct spelling –

সমাধান:
শব্দটা আসলে গ্রিক ভাষা থেকে এসেছে – pseudo (মিথ্যা) + onyma (নাম)। অর্থ: ছদ্মনাম বা উপনাম।
যেমন, লেখকরা নিজের আসল নামের বদলে অন্য নাম ব্যবহার করেন।

সঠিক বানান: Pseudonym

১৫৫.
A গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, D গিয়ারটি ঘুরবে-
  1. ঘড়ির কাঁটার দিকে
  2. ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে
  3. যেকোনো দিকেই হতে পারে
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, D গিয়ারটি ঘুরবে-

সমাধান:
- A গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, B গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।
- B গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘুরলে, C গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার দিকে।
- C গিয়ারটি ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘুরলে, D গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

সুতরাং, D গিয়ারটি ঘুরবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে।

১৫৬.
একজন লোক 1 কি.মি. পূর্ব দিকে হাঁটে এবং তারপর দক্ষিণ দিকে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটে। আবার সে পূর্ব দিকে ঘুরে 2 কি.মি. হাঁটে। এরপর সে উত্তর দিকে ঘুরে 9 কি.মি. হাঁটে। এখন সে তার শুরুর স্থান থেকে কত দূরে আছে?
  1. 14 কি.মি.
  2. 5 কি.মি.
  3. 9 কি.মি.
  4. 25 কি.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন লোক 1 কি.মি. পূর্ব দিকে হাঁটে এবং তারপর দক্ষিণ দিকে ঘুরে 5 কি.মি. হাঁটে। আবার সে পূর্ব দিকে ঘুরে 2 কি.মি. হাঁটে। এরপর সে উত্তর দিকে ঘুরে 9 কি.মি. হাঁটে। এখন সে তার শুরুর স্থান থেকে কত দূরে আছে?

সমাধান:


লোকটির শেষ অবস্থান E এবং ODE একটি সমকোণী ত্রিভুজ।
যেখানে OD = OA + AD = 1 + 2 = 3 কি.মি. এবং DE = CE - CD = 9 - 5 = 4 কি.মি.

আমরা জানি,
OE2 = OD2 + DE2 = 32 + 42 = 9 + 16 = 25
⇒ OE = √25 = 5
∴ OE = 5 কি.মি.

সুতরাং, সে তার শুরুর স্থান থেকে 5 কি.মি. দূরে আছে।

১৫৭.
A, B-এর বয়সের তিন গুণ। চার বছর আগে C, A-এর বয়সের দ্বিগুণ ছিল। চার বছর পরে A-এর বয়স 31 হবে।C-এর বর্তমান বয়স কত?
  1. 28 বছর
  2. 36 বছর
  3. 25 বছর
  4. 50 বছর
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: A, B-এর বয়সের তিন গুণ। চার বছর আগে C, A-এর বয়সের দ্বিগুণ ছিল। চার বছর পরে A-এর বয়স 31 হবে।C-এর বর্তমান বয়স কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
চার বছর পরে A-এর বয়স 31 হবে।
∴ A-এর বর্তমান বয়স = 31 - 4 = 27

আবার,
চার বছর আগে C, A-এর বয়সের দ্বিগুণ ছিল।অর্থাৎ,
C - 4 = 2 × (A - 4)
⇒ C - 4 = 2 × (27 - 4)
⇒ C - 4 = 2 × 23
⇒ C - 4 = 46
∴ C = 50

∴C-এর বর্তমান বয়স 50 বছর

১৫৮.
Asthma : Lungs :: Conjunctivitis : ?
  1. Bones
  2. Teeth
  3. Eyes
  4. Blood
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Asthma : Lungs : : Conjunctivitis : ?

সমাধান:
Asthma → ফুসফুসকে প্রভাবিত করে
Conjunctivitis → চোখকে প্রভাবিত করে (conjunctiva, অর্থাৎ চোখের বাইরের আবরণ এবং চোখের পাতার অভ্যন্তরীণ অংশে প্রদাহ)

A. Bones - অস্টিওপোরোসিস/আর্থ্রাইটিসের সাথে সম্পর্ক, কিন্তু Conjunctivitis নয়।
B. Teeth - ডেন্টাল ক্যারিস/জিনজিভাইটিসের সাথে, চোখের নয়।
D. Blood - লিউকেমিয়া/অ্যানিমিয়ার সাথে, চোখের প্রদাহ নয়।

সঠিক উত্তর: Eyes (চোখ)

১৫৯.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 22
  2. 14
  3. 18
  4. 12
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

সমাধান:
সারি বরাবর,
(১ম সংখ্যা ÷ ২য় সংখ্যা) × 2 = শেষ সংখ্যা
এখন,
১ম সারিতে,
(72 ÷ 24) × 2 = 3 × 2 = 6

২য় সারিতে,
(96 ÷ 16) × 2 = 6 × 2 = 12

৩য় সারিতে,
(108 ÷ x) × 2 = 18
⇒ 108/x = 9
⇒ x = 108/9
∴ x = 12

∴ প্রশ্নবোধক স্থানে 12 সংখ্যাটি বসবে?

১৬০.
লিভার টি তে ভারসাম্য বজায় রাখতে B প্রান্তে কত কেজি ভর প্রদান করতে হবে?
  1. 18 kg
  2. 24 kg
  3. 32 kg
  4. 26 kg
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: লিভার টি তে ভারসাম্য বজায় রাখতে B প্রান্তে কত কেজি ভর প্রদান করতে হবে?

সমাধান:
ধরি,
B প্রান্তে ভর প্রদান করতে হবে = x কেজি

প্রশ্নমতে,
30 × 12 = 15 × x
⇒ 15x = 360
⇒ x = 360/15
⇒ x = 24

অতএব লিভার টি তে ভারসাম্য বজায় রাখতে B প্রান্তে 24 kg ভর প্রদান করতে হবে।

১৬১.
'QUALITY' শব্দটিকে আয়নায় কেমন দেখাবে?
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: 'QUALITY' শব্দটিকে আয়নায় কেমন দেখাবে?

    সমাধান:

    সঠিক উত্তর গ)

    ১৬২.
    A, B, C, D, E এবং F বিভিন্ন উচ্চতা সম্পন্ন ছয়জন বন্ধু। E, F এর চেয়ে লম্বা কিন্তু C এর চেয়ে খাট। D এবং B থেকে F লম্বা, D এর চেয়ে A খাট কিন্তু সে সবচেয়ে খাট নয়। তাদের মধ্যে কে সবচেয়ে খাটো?
    1. B
    2. E
    3. C
    4. A
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: A, B, C, D, E এবং F বিভিন্ন উচ্চতা সম্পন্ন ছয়জন বন্ধু। E, F এর চেয়ে লম্বা কিন্তু C এর চেয়ে খাট। D এবং B থেকে F লম্বা, D এর চেয়ে A খাট কিন্তু সে সবচেয়ে খাট নয়। তাদের মধ্যে কে সবচেয়ে খাটো?

    সমাধান:
    E, F এর চেয়ে লম্বা কিন্তু C এর চেয়ে খাট
    C > E > F

    D এবং B থেকে F লম্বা
    F > D, B

    D এর চেয়ে A খাট কিন্তু সে সবচেয়ে খাট নয়
    D > A

    ∴ B < A < D < F < E < C
    ∴ সবচেয়ে খাটো B.

    ১৬৩.
    নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?
    1. ৯ টি
    2. ১১ টি
    3. ৮ টি
    4. ৭ টি
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের চিত্রে কয়টি ত্রিভুজ আছে?

    সমাধান:

    একটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1, 2, 3 = ৩ টি
    দুইটি করে ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 12, 23, 34, 14 = ৪ টি
    সবগুলো ফাঁকা ঘর নিয়ে ত্রিভুজ আছে - 1234 = ১ টি

    ∴ মোট ত্রিভুজ আছে = ৩ + ৪ + ১ = ৮ টি

    ১৬৪.
    X চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে ?
    1. 1
    2. 2
    3. 3
    4. 4
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: X চিত্রটিকে পানিতে কেমন দেখাবে ?

    সমাধান:

    সঠিক উত্তর 3 নং