দণ্ডবিধি অনুযায়ী সর্বনিম্ন কতজন ব্যক্তি একত্রিত হলে তাদের সমাবেশকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হয়?
ক
৩ জন
খ
৪ জন
গ
৫ জন
ঘ
৬ জন
সঠিক উত্তর: গ
৫ জন
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫ জন
গ
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারা অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি যদি একটি নির্দিষ্ট অবৈধ উদ্দেশ্যে একত্রিত হয়, তবে সেটিকে "বেআইনি সমাবেশ" বলা হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৪১ অনুযায়ী, পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি একত্রিত হলে এবং তাদের সাধারণ উদ্দেশ্য যদি ঐ সকল উদ্দেশ্য অনুযায়ী হয়, তবে তা "বেআইনি সমাবেশ" হিসেবে চিহ্নিত হয়। এই উদ্দেশ্যগুলির মধ্যে সরকার বা আইনসভাকে অঘোষিতভাবে অধিকারহীন করা, আইনগত প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা, বা অন্য কোন অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪১ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশ:- পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমাবেশকে 'বেআইনি সমাবেশ' সেক্ষেত্রেই বলা হয়, যেক্ষেত্রে উক্ত সমাবেশের ব্যক্তিদের সাধারণ লক্ষ্য হয়- প্রথম:- বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভাকে অথবা কোন সরকারি কর্মচারীকে অনুরূপ কর্মচারীর আইনসম্মত ক্ষমতা প্রয়োগের সময় অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ অথবা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি কর্তৃক ভীতি প্রদর্শন করা; কিংবা দ্বিতীয়:- কোন আইনের অথবা কোন আইনগত ব্যবস্থার কার্যকরকরণে বাধা সৃষ্টি করা; কিংবা তৃতীয়:- কোন ব্যক্তির দুষ্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ অথবা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠিত করা; কিংবা চতুর্থ:- কোন ব্যক্তির প্রতি অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন সম্পত্তির দখল গ্রহণ করা, অথবা কোন ব্যক্তিকে পথের অধিকার ভোগ হতে বঞ্চিত করা অথবা জল ব্যবহারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা অথবা তাকে তার দখলে অবস্থিত অপর কোন অশরীরী অধিকার থেকে বঞ্চিত করা অথবা কোন অধিকার বা কল্পিত অধিকার প্রতিষ্ঠা করা; কিংবা পঞ্চম:- অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করে বা অপরাধমূলক বল প্রয়োগের হুমকি প্রদর্শন করে কোন ব্যক্তিকে সে আইনত বাধ্য নয় এমন একটি কার্য সম্পাদনে বাধ্য করা অথবা যে কার্যটি করতে সে আইনত বাধ্য বা অধিকারী তা সম্পাদন হতে বিরত করা।
ব্যাখ্যা:- যে সমাবেশ, সমাবিষ্ট হওয়াকালে বেআইনি ছিল না তা পরে বেআইনি সমাবেশ হতে পারে। ---------------- ⇒ The Penal Code, 1860-Section-141. Unlawful assembly: An assembly of five or more persons is designated an "unlawful assembly," if the common object of the persons composing that assembly is First.-To overawe by criminal force, or show of criminal force, Government or Legislature, or any public servant in the exercise of the lawful power of such public servant; or Second.-To resist the execution of any law, or of any legal process; or Third.- To commit any mischief or criminal trespass, or other offence; or Fourth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to any person to take or obtain possession of any property, or to deprive any person of the enjoyment of a right of way, or of the use of water or other incorporeal right of which he is in possession or enjoyment, or to enforce any right or supposed right; or Fifth.-By means of criminal force, or show of criminal force, to compel any person to do what he is not legally bound to do, or to omit to do what he is legally entitled to do.
Explanation.-An assembly which was not unlawful when it assembled, may subsequently become an unlawful assembly.
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যে কোনও শাস্তিযোগ্য অপরাধ সম্পর্কিত অভিযোগ যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে মৌখিকভাবে জানানো হয়, তবে ওই অভিযোগটি লিখিত আকারে পরিণত করতে হবে এবং অভিযোগকারীকে তা পড়ে শোনাতে হবে। এছাড়া, অভিযোগকারীর সইও নিতে হবে। - এছাড়া, অভিযোগের সারাংশ পুলিশ স্টেশনের কর্তৃপক্ষকে সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিপিবদ্ধ করতে হবে। এই বইটি এমনভাবে তৈরি হবে, যা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত থাকবে এবং এর মাধ্যমে অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষিত হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: -আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল: ১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন। ২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে। ৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। ৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। ------------------ ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases: -Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় অভিযোগ পরিবর্তন বা সংযোজন কবে করা যেতে পারে?
ক
সাজা ঘোষণা হওয়ার পর
খ
অভিযোগ গঠনের পর
গ
অভিযোগ খারিজ করার পর
ঘ
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময়
সঠিক উত্তর: ঘ
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোনো সময়
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২২৭ আদালতকে অভিযোগ পরিবর্তনের ক্ষমতা দিয়েছে। রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার অনুযায়ী, আদালত যেকোনো সময় রায় ঘোষণার পূর্বে অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ সংযোজন করতে পারেন। এর উদ্দেশ্য হল যদি অভিযোগে কোন ভুল বা অবহেলা থেকে থাকে বা কিছু বাদ পড়ে যায়, তাহলে তা সংশোধন করার সুযোগ দেওয়া। তবে এই পরিবর্তন বা সংযোজনের পর, আদালত তা অভিযুক্তকে পড়তে এবং বুঝিয়ে শোনাতে বাধ্য। এর ফলে, অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের প্রকৃতি এবং বিস্তারিত জানার অধিকারী হন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে। ------------------ ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge: (1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. (2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.
৪.
দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া একটি অপরাধ?
ক
১৪১ ধারা
খ
১৪২ ধারা
গ
১৪৩ ধারা
ঘ
১৪৪ ধারা
সঠিক উত্তর: খ
১৪২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৪২ ধারা
খ
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জানেন যে কোনো সমাবেশ অবৈধ, তবুও ইচ্ছাকৃতভাবে সে সমাবেশে যোগ দেন বা সেখানে অবস্থান করেন, তবে তিনি "বেআইনি সমাবেশের সদস্য" হিসেবে গণ্য হবেন এবং অপরাধী হবেন।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়া: কোন ব্যক্তি যদি কি কি অবস্থায় কোন সমাবেশ বেআইনি সমাবেশে পরিণত হয়, তৎসম্পর্কে জ্ঞাত থাকা সত্ত্বেও ইচ্ছাপূর্বক সে সমাবেশে যোগদান করে বা সে সমাবেশে মিলিত থাকে, তবে সে ব্যক্তি একটি বেআইনি সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তি বলে পরিগণিত হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৪২ ধারার বিধান বেআইনি সমাবেশের সদস্য হওয়ার শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি বেআইনি সমাবেশে যোগদান করে, তবে তাকে ছয় মাস পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত করা যাবে। ------------ ⇒ The Penal Code, 1860- Section 142. Being member of unlawful assembly: Whoever, being aware of facts which render any assembly an unlawful assembly, intentionally joins that assembly, or continues in it, is said to be a member of an unlawful assembly. ⇒ The Penal Code, 1860- Section 143. Punishment: Whoever is a member of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারার অধীনে, একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আলাদা অপরাধের জন্য কী করা হয়?
ক
অভিযোগ একসাথে গঠন করা হয়
খ
কোন অভিযোগ গঠন করা হয় না
গ
প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
ঘ
একটি অভিযোগের মাধ্যমে সব অপরাধ বিচারের জন্য নেওয়া হয়
সঠিক উত্তর: গ
প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয়
গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৩ ধারায় বলা হয়েছে, যখন একজন ব্যক্তি একাধিক আলাদা অপরাধে অভিযুক্ত হন, তখন প্রতিটি অপরাধের জন্য আলাদা আলাদা অভিযোগ গঠন করা হয় এবং প্রতিটি অভিযোগের বিচার আলাদাভাবে হবে। এই ধারার উদ্দেশ্য হল, প্রতিটি অপরাধের বিচারের জন্য সুনির্দিষ্ট এবং পৃথক অভিযোগ নিশ্চিত করা, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে আনা পৃথক অপরাধের সম্পর্কে পরিষ্কারভাবে জানাতে পারেন এবং তার জন্য আলাদা বিচার প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা হয়। অতএব, প্রতিটি অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠন করা হয় (অর্থাৎ, প্রতিটি আলাদা অপরাধের জন্য পৃথকভাবে অভিযোগ তৈরি হয়)।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৩ তে প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট আলাদা অপরাধের জন্য পৃথক অভিযোগ গঠনের (Separate charges for distinct offences) বিধান রয়েছে। উক্ত ধারা অনুসারে- ২৩৪,২৩৫,২৩৬ ও ২৩৯ ধারায় উল্লিখিত ক্ষেত্র ব্যতীত কোন ব্যক্তি কোন অপরাধে অভিযুক্ত হলে, প্রত্যেকটি সুস্পষ্ট অপরাধের জন্য একটি পৃথক অভিযোগ হবে এবং এরূপ প্রত্যেকটি অভিযোগের বিচার পৃথকভাবে হবে। --------------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-233: Separate charges for distinct offences: - For every distinct offence of which any person is accused there shall be a separate charge, and every such charge shall be tried separately, except in the cases mentioned in sections 234, 235, 236 and 239. Illustration A is accused of a theft on one occasion, and of causing grievous hurt on another occasion. A must be separately charged and separately tried for the theft and causing grievous hurt.
৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারে সর্বোচ্চ কতদিনের কারাদণ্ড দেওয়া যেতে পারে?
ক
এক বছর
খ
দুই বছর
গ
তিন বছর
ঘ
পাঁচ বছর
সঠিক উত্তর: খ
দুই বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
দুই বছর
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে কোনো দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ শাস্তি দুই বছর কারাদণ্ড হতে পারে। এর মানে হলো, সংক্ষিপ্ত বিচারে বিচারিত অপরাধ যদি গুরুতর না হয় এবং শাস্তি কম হয়, তবে আদালত একে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে দ্রুত নিষ্পত্তি করতে পারে, কিন্তু এই ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ দুই বছরের বেশি হতে পারে না।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না। - গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড। ------------ ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials: (1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned. → Limit of imprisonment: (2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ কীভাবে রেকর্ড করা হয়?
ক
প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন (FIR) হিসেবে
খ
সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে
গ
ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে অনুসারে
ঘ
কোন রেকর্ড করা প্রয়োজন নেই
সঠিক উত্তর: খ
সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা অনুযায়ী, যখন কোন অ-আমলযোগ্য (Non-Cognizable) অপরাধের সংবাদ থানায় প্রদান করা হয়, তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (OIC) এটি সাধারণ ডায়েরি (GD) হিসেবে রেকর্ড করবেন। এই ধরনের অপরাধের জন্য FIR (প্রাথমিক তথ্য প্রতিবেদন) দায়ের করা হয় না, কারণ এটি পুলিশ কর্তৃক সরাসরি তদন্তের আওতায় আসে না। তবে, অভিযোগকারীকে বা সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে পাঠানো হবে, যাতে তিনি সংশ্লিষ্ট ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে আবেদন করতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৫ ধারা: আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ (Information in non-cognizable cases)- ফৌজদারি কার্যবিধির ধারামতে থানায় আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ প্রদান করলে,থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বিষয়টিকে থানায় রক্ষিত ফরম নং ৬৫-তে জি.ডি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে বা অভিযোগকারীকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবে।অর্থাৎ আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার অপরাধের সংবাদটি জিডি এন্ট্রি বা সাধারণ ডায়েরিতে অন্তর্ভুক্ত করে সংবাদদাতাকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন। --------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-155.Information in non-cognizable cases: (1) When information is given to an officer in charge of a police station of the commission within the limits of such station of a non-cognizable offence, he shall enter in a book to be kept as aforesaid the substance of such information and refer the informant to the Magistrate.
Investigation into non-cognizable cases: (2) No police officer shall investigate a non-cognizable case without the order of a Magistrate of the first or second class having power to try such case or send the same for trial. (3) Any police officer receiving such order may exercise the same powers in respect of the investigation (except the power to arrest without warrant) as an officer in charge of a police station may exercise in a cognizable case.
৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার অধীনে, কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করবে?
ক
হত্যা
খ
আত্মহত্যা বা দুর্ঘটনায় মৃত্যু
গ
মৃত্যুর পর অপরাধ সন্দেহ
ঘ
উপরোক্ত সব ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর: ঘ
উপরোক্ত সব ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উপরোক্ত সব ক্ষেত্রে
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৪ ধারার অধীনে, পুলিশ সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করবে যখন কোন ব্যক্তি আত্মহত্যা করেছে, অন্য কেউ তাকে হত্যা করেছে, কোন দুর্ঘটনায় মারা গেছে অথবা এরকম কিছু ঘটনা ঘটেছে যা অন্য কোন অপরাধের সংশ্লিষ্টতার সন্দেহ তৈরি করে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৪ মতে, কোন থানার ভারপ্রাপ্ত অফিসার বা এই উদ্দেশ্যে সরকার কর্তৃক বিশেষ ভাবে ক্ষমতাবান অন্য কোন পুলিশ অফিসার যদি সংবাদ পান যে,কোন ব্যক্তি- - আত্মহত্যা করেছে, অথবা অন্য কোন ব্যক্তি কর্তৃক বা কোন প্রাণী কর্তৃক বা কোন যন্ত্র দ্বারা দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছে, অথবা এরূপ অবস্থায় মারা গেছে- যা যৌক্তিক সন্দেহ সৃষ্টি করে যে অন্য কোন ব্যক্তি অপরাধ করেছে। - তখন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ক্ষমতাসম্পন্ন অন্য কোনো পুলিশ কর্মকর্তা সুরতহাল তদন্তের জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন নিকটতম নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাবেন এবং মৃত ব্যক্তির লাশ যেখানে রয়েছে সেই স্থানে গিয়ে দুই বা ততোধিক স্থানীয় সম্ভ্রান্ত ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত চালাবেন। -তখন পুলিশ উক্ত মৃত ব্যক্তির দেহের জখম, অস্থিভঙ্গ বা থেতলে যাওয়া এবং অন্যান্য জখমের চিহ্ন সম্পর্কে বর্ণনা করবে এবং যে উপায়ে বা অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত জখমের চিহ্ন সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে হয় তার উল্লেখ করে মৃত্যুর দৃশ্যমান কারণ সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন। এটাই সুরতহাল রিপোর্ট (Inquest Report). --------------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-174: Police to inquire and report on suicide, etc. (1) The officer in charge of a police-station or some other police-officer specially empowered by the Government in that behalf, on receiving information that a person- (a) has committed suicide, or (b) has been killed by another, or by an animal, or by machinery or by an accident, or (c) has died under circumstances raising a reasonable suspicion that some other person has committed an offence, shall immediately give intimation thereof to the 204[nearest Executive Magistrate] empowered to hold inquests, and, unless otherwise directed by any rule prescribed by the Government, or by any general or special order 205[of the District Magistrate], shall proceed to the place where the body of such deceased person is, and there, in the presence of two or more respectable inhabitants of the neighborhood, shall make an investigation, and draw up a report of the apparent cause of death, describing such wounds, fractures, bruises and other marks of injury as may be found on the body, and stating in what manner, or by what weapon or instrument (if any), such marks appear to have been inflicted:
Provided that, unless the Government otherwise directs, it shall not be necessary under this sub-section, in any case where the death or any person has been caused by enemy action, to make any investigation or to draw up any report or to send any intimation to a Magistrate empowered to hold inquests. (2) The report shall be signed by such police-officer and other persons, or by so many of them as concur therein, and shall be forthwith forwarded to the District Magistrate. (3) When there is any doubt regarding the cause of death, or when for any other reason the police-officer considers it expedient so to do, he shall, subject to such rules as the Government may prescribe in this behalf, forward the body, with a view to its being examined, to the nearest Civil Surgeon, or other qualified medical man appointed in this behalf by the Government, if the state of the weather and the distance admit of its being so forwarded without risk of such putrefaction on the road as would render such examination useless. (5) The following Magistrates are empowered to hold inquest, namely, any District Magistrate or any other Executive Magistrate specially empowered in this behalf by the Government or the District Magistrate.
৯.
যদি কেউ অবৈধ সমাবেশে যোগদানের জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের নিজের বাড়িতে রাখেন, তবে দণ্ডবিধি অনুযায়ী তার সর্বোচ্চ কী শাস্তি হতে পারে?
ক
৩ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
খ
৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
গ
১ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
ঘ
২ বছরের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
সঠিক উত্তর: খ
৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
৬ মাসের কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড
খ
ব্যাখ্যা
→ বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ১৫৭ ধারা অনুযায়ী, যদি কেউ জানেন যে কিছু ব্যক্তি অবৈধ সমাবেশে যোগ দেওয়ার জন্য নিয়োগপ্রাপ্ত, নিযুক্ত বা কাজে লাগানো হয়েছে এবং তারপরও তাদের নিজের বাড়ি বা নিয়ন্ত্রণাধীন জায়গায় আশ্রয় দেন, তবে তার সর্বোচ্চ ৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ড হতে পারে। ---------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section-157. Harbouring persons hired for an unlawful assembly: Whoever harbours, receives or assembles, in any house or premises in his occupation or charge, or under his control any persons, knowing that such persons have been hired, engaged or employed, or are about to be hired, engaged or employed, to join or become members of an unlawful assembly, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to six months, or with fine, or with both.
১০.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট কী করতে পারেন?
ক
মামলাটি স্থগিত করবেন
খ
অভিযুক্তকে দোষী সাব্যস্ত করবেন
গ
অভিযোগকারীকে হাজির করবেন
ঘ
অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
সঠিক উত্তর: ঘ
অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অভিযোগকারীকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৭ ধারায় বলা হয়েছে, যদি অভিযোগকারী সরকারি কর্মচারী হন এবং তার ব্যক্তিগত উপস্থিতি অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজিরা দেয়ার অব্যাহতি দিতে পারেন এবং মামলার শুনানি অব্যাহত রাখতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৭ অনুযায়ী:- নালিশের ভিত্তিতে যদি সমন জারি করা হয় এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির হাজির হবার জন্য নির্দিষ্ট দিনে অথবা তার পরবর্তী কোন দিনে (শুনানি মূলতবীর দিন) অভিযোগকারী যদি উপস্থিত না হন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্ত ব্যক্তিকে বেকসুর খালাস প্রদান করবেন যদি না কোন কারণে তিনি অন্য কোন দিনে মামলাটির শুনানি মুলতবি করে দেয়া যথাযথ বিবেচনা করেন। শর্ত এই যে, যেক্ষেত্রে কোন অভিযোগকারী যদি সরকারি কর্মচারী হন এবং যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট এ অভিমত পোষণ করেন যে, অভিযোগকারীর ব্যক্তিগতভাবে হাজিরা দেয়া অপ্রয়োজনীয় সেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে ঐরূপ হাজিরা দেয়া হতে অব্যাহতি দিতে পারেন ও মামলায় অগ্রসর হতে পারেন। -------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-247: Non-appearance of complainant: - If the summons has been issued on complaint, and upon the day appointed for the appearance of the accused, or any day subsequent thereto which the hearing may be adjourned, the complainant does not appear, the Magistrate shall, notwithstanding anything herein before contained, acquit the accused, unless for some reason he thinks proper to adjoin the hearing of the case to some other day: Provided that, where the complainant is a public servant and his personal attendance is not required, the Magistrate may dispense with his attendance, and proceed with the case.
১১.
FIR এর পূর্ণরূপ কী?
ক
First Investigation Report
খ
First Information Report
গ
Final Information Report
ঘ
Formal Investigation Report
সঠিক উত্তর: খ
First Information Report
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
First Information Report
খ
ব্যাখ্যা
⇒ FIR এর পূর্ণরূপ হল "First Information Report" (ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট)। এটি পুলিশে একটি লিখিত বা মৌখিকভাবে প্রাপ্ত প্রথম তথ্য, যা পুলিশের কাছে একটি অপরাধ ঘটানোর সংবাদ প্রদান করা হয়। FIR একটি অপরাধের সূত্রপাত এবং সেটি সম্পর্কে প্রাথমিক তথ্য প্রদান করে। এই রিপোর্টে সাধারণত অভিযুক্তের নাম, অপরাধের বিবরণ এবং ঘটনার সময় বা স্থান সম্পর্কিত তথ্য অন্তর্ভুক্ত থাকে। - এটি অপরাধের প্রাথমিক চিহ্ন হিসেবে কাজ করে এবং তদন্ত শুরু করার জন্য একটি আইনগত ভিত্তি প্রদান করে। FIR প্রাথমিকভাবে থানায় পুলিশের দায়িত্বে জমা পড়ে এবং এটি ভবিষ্যতে তদন্তের জন্য অপরিহার্য দলিল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। - তবে, অন্য যে অপশনগুলো দেওয়া হয়েছে যেমন First Investigation Report, Final Information Report, এবং Formal Investigation Report, এগুলো ভুল। FIR মূলত "First Information Report" নামেই পরিচিত।
১২.
ফৌজদারি কার্যবিধিতে পুলিশ রিপোর্ট সংক্রান্ত বিধান কোন ধারায় রয়েছে?
ক
১৭১ ধারা
খ
১৭৩ ধারা
গ
১৭২ ধারা
ঘ
১৭৪ ধারা
সঠিক উত্তর: খ
১৭৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৭৩ ধারা
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৩ ধারা অনুযায়ী, পুলিশ মামলার তদন্ত শেষে আদালতে যে প্রতিবেদন দাখিল করে, তা পুলিশ রিপোর্ট হিসেবে পরিচিত। এটি দুই প্রকার হতে পারে— ১) চার্জশিট (Charge Sheet): অভিযোগ প্রমাণিত হলে দাখিল করা হয়। ২) ফাইনাল রিপোর্ট (Final Report): অভিযোগ মিথ্যা হলে বা প্রমাণ না পেলে দাখিল করা হয়।
⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে। - সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার- i) Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন। ii) Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
১৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারা অনুযায়ী তদন্তকারী পুলিশ সাক্ষীর মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে?
ক
১৬০ ধারা
খ
১৬১ ধারা
গ
১৬২ ধারা
ঘ
১৭৩ ধারা
সঠিক উত্তর: খ
১৬১ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৬১ ধারা
খ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুযায়ী, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তবে, সাক্ষী এমন কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়, যা তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৬০ থেকে ১৬২ এ পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব, সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উহার ব্যবহার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। - ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬০ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষী তলব করা, - ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় তদন্তকারী পুলিশ কর্তৃক সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ এবং উক্ত জবানবন্দির ব্যবহার সম্পর্কে ১৬২ ধারায় আলোচনা করা হয়েছে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়। ------------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police: (1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. (2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. (3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
১৪.
দণ্ডবিধি ১৬১ ধারা অনুসারে সরকারি কর্মচারী যদি কোনও অবৈধ পুরস্কার (ঘুষ) গ্রহণ করেন, তার সর্বোচ্চ শাস্তি কী হতে পারে?
ক
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
খ
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
গ
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ঘ
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর: গ
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
গ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড। → দণ্ডবিধি ১৬১ ধারায়, সরকারি কর্মচারী যদি কোনও অবৈধ পুরস্কার (ঘুষ) গ্রহণ করেন, তবে তার সর্বোচ্চ শাস্তি ৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয়ই হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬১ ধারা অনুসারে- কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কর্তৃক কোনি সরকারি কাজ বৈধ পারিশ্রমিক ছাড়া অন্যকোনো রকম বখশিস নিয়ে করা শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বখশিস গ্রহণ বা গ্রহণে সম্মত বা গ্রহণের চেষ্টা করলে সেই কর্মকর্তা-কর্মচারী যে কোনো বর্ণনার কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। যার মেয়াদ তিন বছর পর্যন্ত হতে পারে বা জরিমানা বা উভয় প্রকার দণ্ড হতে পারে। নিজে না করে অন্য কাউকে দিয়ে কোনো কাজ করে দেওয়ার জন্য বখশিস গ্রহণও এই ধারা অনুসারে ঘুষের মধ্যে পড়ে। ঘুষ চাওয়া যেমন অপরাধ, তেমনি ঘুষ না দিলে বিপদ হবে এ ধরনের ধমক দেওয়াও ঘুষ নেওয়ার শামিল। আবার কাউকে ঘুষ দেওয়ার প্রস্তাবও অপরাধ।
দণ্ডবিধির ১৬১ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারী অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ: যে ব্যক্তি সরকারি কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বা তার দায়িত্ব গ্রহণের প্রত্যাশা করছেন, সে যদি কোনো ব্যক্তি থেকে, নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য, কোনো ধরনের অবৈধ পুরস্কার গ্রহণ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা গ্রহণ করার চেষ্টা করে, এবং এটি যদি কোনো সরকারি কাজ করার বা না করার জন্য, অথবা তার সরকারি কার্যক্রমে কোনো ব্যক্তির প্রতি পক্ষে বা বিপক্ষে অনুকম্পা বা বিরোধিতা প্রদর্শন করার জন্য, বা সরকার বা আইনসভা বা অন্য কোনো সরকারি কর্মচারীর প্রতি কোনো সেবা বা অসেবা প্রদানের জন্য হয়, তবে তাকে ৩ বছরের পর্যন্ত কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডের শাস্তি দেওয়া হবে।
ব্যাখ্যা: "সরকারি কর্মচারী হওয়ার প্রত্যাশা": যদি কোনো ব্যক্তি সরকারি কর্মকর্তা হওয়ার প্রত্যাশা না করেও অন্যদেরকে এভাবে প্রতারণা করে যে সে শীঘ্রই সরকারি কর্মচারী হবে এবং তারপর তাদের সেবা করবে, তবে সে প্রতারণার জন্য দোষী হতে পারে, কিন্তু এই ধারা অনুযায়ী অপরাধী নয়। "গ্র্যাটিফিকেশন": "গ্র্যাটিফিকেশন" শব্দটি শুধুমাত্র আর্থিক উপকারিতা বা এমন কোনো পুরস্কারকেই বোঝায় যা টাকায় মাপা যেতে পারে, তা নয়; এটি এমন পুরস্কারকেও বোঝায় যেগুলো টাকা দিয়ে মূল্যায়ন করা যায় না। "আইনগত পারিশ্রমিক": "আইনগত পারিশ্রমিক" শব্দটি শুধুমাত্র সরকারি কর্মচারীর দাবি করা পারিশ্রমিককেই বোঝায় না; এটি এমন সমস্ত পারিশ্রমিককেও অন্তর্ভুক্ত করে যা সে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে গ্রহণ করতে পারে। "কোনো কাজ করার জন্য প্রণোদনা বা পুরস্কার": যদি কোনো ব্যক্তি কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে, অথবা কোনো কাজ না করার জন্য পুরস্কার গ্রহণ করে যা সে আসলে করেনি, তবে তা এই ধারা অনুযায়ী অপরাধ বলে গণ্য হবে। উদাহরণ: (ক) এ, একজন মুনসিফ, জেড, একজন ব্যাংকারের কাছ থেকে তার ভাইয়ের জন্য একটি চাকরি পায়, জেডের পক্ষে কোনো মামলার সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য পুরস্কার হিসেবে। এ এই অপরাধটি করেছেন। (খ) এ, একজন কনসুল, একটি বিদেশী শক্তির আদালতে, ওই শক্তির মন্ত্রীর কাছ থেকে এক লাখ টাকা গ্রহণ করেন। এখানে এটা মনে হয় না যে এ টাকা গ্রহণ করেছেন কোনো নির্দিষ্ট সরকারি কাজ করার জন্য, তবে তিনি এটি গ্রহণ করেছেন সাধারণভাবে ওই শক্তির প্রতি তার অনুকম্পা প্রদর্শন করার জন্য, যা দণ্ডবিধি ১৬১ ধারায় অপরাধ। (গ) এ, একজন সরকারি কর্মচারী, জেডকে ভুলভাবে বিশ্বাস করান যে তার সরকারের সঙ্গে সম্পর্কের মাধ্যমে জেডের জন্য একটি শিরোনাম অর্জিত হয়েছে এবং এর জন্য জেড তাকে টাকা দেন। এ এই অপরাধটি করেছেন। ------------ ⇒ The Penal Code, 1860- Section- 161. Public servant taking gratification other than legal remuneration in respect of an official act: Whoever, being or expecting to be a public servant, accepts or obtains, or agrees to accept, or attempts to obtain from any person, for himself or for any other person any gratification whatever, other than legal remuneration, as a motive or reward for doing or forbearing to do any official act or for showing or for bearing to show, in the exercise of his official functions, favour or disfavour to any person, or for rendering or attempting to render any service or disservice to any person, with the Government or Legislature, or with any public servant, as such, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
Explanations-“Expecting to be a public servant.” If a person not expecting to be in office obtains a gratification by deceiving others into a belief that he is about to be in office, and that he will then serve them, he may be guilty of cheating but he is not guilty of the offence defined in this section. “Gratification.” The word “gratification” is not restricted to pecuniary gratifications, or to gratifications estimable in money. “Legal remuneration.” The words “legal remuneration” are not restricted to remuneration which a public servant can lawfully demand, but include all remuneration which is permitted by the authority by which he is employed, to accept. “A motive or reward for doing.” A person who receives a gratification as a motive for doing what he does not intend to do, or as a reward for doing what he has not done, comes within these words.
Illustrations: (a) A, a munsif, obtains from Z, a banker, a situation in Z's bank for A's brother, as a reward to A for deciding a cause in favour of Z. A has committed the offence defined in this section. (b) A, holding the office of Consul at the Court of a foreign Power, accepts a lakh of taka from the Minister of that Power. It does not appear that A accepted this sum as a motive or reward for doing or forbearing to do any particular official act, or for rendering or attempting to render any particular service to that Power with the Government of Bangladesh. But it does appear that A accepted the sum as a motive or reward for generally showing favour in the exercise of his official functions to that Power. A has committed the offence defined in this section. (c) A, a public servant, induces Z erroneously to believe that A's influence with Government has obtained a title for Z and thus induces Z to give A money as a reward for this service. A has committed the offence defined in this section.
১৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় অভিযোগের মিথ্যা বা তুচ্ছতার জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া যেতে পারে?
ক
২৪৮ ধারায়
খ
২৫০ ধারায়
গ
২৫২ ধারায়
ঘ
২৫৪ ধারায়
সঠিক উত্তর: খ
২৫০ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২৫০ ধারায়
খ
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারায় অভিযোগের মিথ্যা বা তুচ্ছতার জন্য ক্ষতিপূরণের আদেশ দেওয়া যেতে পারে। ⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০ ধারা অনুসারে- কারো বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ মিথ্যা এবং তুচ্ছ বা বিরক্তিকর হলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে অব্যাহতি প্রদান করবেন এবং সংবাদদাতা বা অভিযোগকারীকে কারণ দর্শাতে বলবেন যে, কেন তার বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের আদেশ দেয়া হবে না। ফরিয়াদি/সংবাদদাতা/অভিযােগকারীর কারণ দর্শানোর পর ম্যাজিস্ট্রেট যদি সন্তুষ্ট হন,অভিযােগটি মিথ্যা,তুচ্ছ ও বিরক্তিকর তাহলে ফরিয়াদিকে অনধিক ১০০০ টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণ বাবদ অভিযুক্তকে প্রদান করার আদেশ দিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৫০(৫) ধারা অনুসারে- এমনকি ক্ষতিপূরণ আদেশ ছাড়াও,ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষতিপূরণ প্রদানকারী ব্যক্তিকে অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডে বা অনধিক ৩০০০ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হওয়ার আদেশ দিতে পারেন। ------------------ ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-250 (5) Notwithstanding anything contained in this section, the Magistrate may, in addition to the order directing payment of the compensation under sub-section (2), further order that the person ordered to pay such compensation shall also suffer imprisonment for a period not exceeding six months or pay a fine not exceeding three thousand Taka.
১৬.
একজন কালেক্টর যদি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেন যার প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা কিন্তু তিনি শুধুমাত্র ৫০ টাকা দেন এবং বাড়ির মালিক তার আদালতে একটি মামলা পরিচালনা করছেন, তবে এটি কোন অপরাধের উদাহরণ?
ক
প্রতারণা
খ
ঘুষ গ্রহণ
গ
অনৈতিক লেনদেন
ঘ
সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ
সঠিক উত্তর: ঘ
সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ
ঘ
ব্যাখ্যা
→ একজন কালেক্টর যদি এমন একটি বাড়ি ভাড়া নেন যার প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা, কিন্তু তিনি শুধুমাত্র ৫০ টাকা দেন এবং বাড়ির মালিক তার আদালতে একটি মামলা পরিচালনা করছেন, তাহলে এটি দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারার অধীনে অপরাধ। উত্তর: ঘ) সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ।
- মূল অপরাধ: সরকারি কর্মচারী হওয়া সত্ত্বেও, তিনি তার ক্ষমতার অপব্যবহার করে একজন মামলাকারীর কাছ থেকে স্বাভাবিক বাজারমূল্যের চেয়ে কম মূল্যে সুবিধা গ্রহণ করেছেন। - দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারা অনুযায়ী: সরকারি কর্মচারী যদি তার অফিসিয়াল কাজের সাথে সংযুক্ত কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বিনামূল্যে বা কম মূল্যে কোনো মূল্যবান বস্তু গ্রহণ করেন, তবে এটি একটি অপরাধ। এই ক্ষেত্রে, কালেক্টর “অপর্যাপ্ত বিনিময়ে মূল্যবান বস্তু গ্রহণ” করেছেন, যা এই ধারার আওতায় পড়ে। - কালেক্টর এখানে সরাসরি ঘুষ নেননি, তবে তিনি তার পদমর্যাদার সুযোগ নিয়ে অন্যের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়েছেন। - এটি ঘুষ গ্রহণের মতো সরাসরি আর্থিক লেনদেন না হলেও, তার সরকারি অবস্থানের কারণে তিনি সুবিধাটি পেয়েছেন। - একে প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা গ্রহণ (Undue Advantage) বলে গণ্য করা হয়, যা আইনের চোখে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। - ঘুষ সাধারণত সরাসরি কোনো কাজ সম্পাদনের জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ বা সম্পদ গ্রহণের বিষয়টি বোঝায়। কিন্তু এখানে কালেক্টর সরাসরি কোনো অর্থ নেয়নি, বরং কম ভাড়ায় বাড়ি ভাড়া নিয়েছে, যা তাকে অন্যায়ভাবে লাভবান করেছে। সুতরাং, এটি ‘সরকারি কর্মচারীর মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা গ্রহণ’ (ঘ) অপশনটির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
⇒ দণ্ডবিধির ১৬৫ ধারার বিধান সরকারি কর্মচারীর দ্বারা বিনা প্রতিদানে মূল্যবান বস্তু গ্রহণ: যদি কোনো সরকারি কর্মচারী তার নিজের বা অন্য কোনো ব্যক্তির জন্য বিনা প্রতিদানে বা অপর্যাপ্ত প্রতিদানে কোনো মূল্যবান বস্তু গ্রহণ করেন বা গ্রহণে সম্মত হন বা গ্রহণের চেষ্টা করেন, এবং সেই বস্তুটি এমন কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে আসে— যার কোনো কার্যক্রম বা মামলা সরকারি কর্মচারীর সামনে চলমান, সম্পন্ন হয়েছে বা ভবিষ্যতে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, অথবা যার অফিসিয়াল দায়িত্বের সাথে কোনোভাবে সংযুক্তি রয়েছে, অথবা যে ব্যক্তি এমন কারো সাথে সম্পর্কিত বা আগ্রহী, যিনি সরকারি কর্মচারীর কার্যাবলিতে জড়িত, শাস্তি: এই অপরাধের জন্য সর্বোচ্চ তিন বছর মেয়াদে কারাদণ্ড বা অর্থদণ্ড, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হতে পারে।
উদাহরণ: (ক) A একজন কালেক্টর, তিনি Z-এর একটি বাড়ি ভাড়া নেন, যার মামলা তার আদালতে বিচারাধীন। বাড়িটির প্রকৃত ভাড়া ২০০ টাকা হলেও A মাত্র ৫০ টাকা ভাড়া দেন। এটি অপর্যাপ্ত প্রতিদানে মূল্যবান বস্তু গ্রহণের অপরাধ। (খ) A একজন বিচারক। তিনি Z-এর কাছ থেকে সরকারি বন্ড কম দামে কেনেন, যখন সেগুলো বাজারে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। যেহেতু Z-এর মামলা তার আদালতে বিচারাধীন, এটি অন্যায্য সুবিধা গ্রহণের শামিল। (গ) Z-এর ভাই মিথ্যা সাক্ষ্যের অভিযোগে A ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হন। A এরপর Z-এর কাছে ব্যাংকের শেয়ার বেশি দামে বিক্রি করেন, যদিও বাজারে সেগুলোর মূল্য কম। এটি অন্যায্য সুবিধা গ্রহণের অপরাধ। ------------ ⇒ The Penal Code, 1860- Section- 165. Public servant obtaining valuable thing, without consideration, from person concerned in proceeding or business transacted by such public servant: Whoever, being a public servant, accepts or obtains, or agrees to accept or attempts to obtain, for himself, or for any other person, any valuable thing without consideration, or for a consideration which he knows to be inadequate, from any person whom he knows to have been, or to be, or to be likely to be concerned in any proceeding or business transacted or about to be transacted by such public servant, or having any connection with the official functions of himself or of any public servant to whom he is subordinate, or from any person whom he knows to be interested in or related to the person so concerned, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to three years, or with fine, or with both.
Illustrations: (a) A, a Collector, hires a house of Z, who has a settlement case pending before him. It is agreed that A shall pay fifty taka a month, the house being such that, if the bargain were made in good faith, A would be required to pay two hundred taka a month. A has obtained a valuable thing from Z without adequate consideration. (b) A, a Judge, buys of Z, who has a case pending in A's Court, Government promissory notes at a discount, when they are selling in the market at a premium. A has obtained a valuable thing from Z without adequate consideration. (c) Z's brother is apprehended and taken before A, a Magistrate, on a charge of perjury. A sells to Z shares in a bank at a premium, when they are selling in the market at a discount. Z pays A for the shares accordingly. The money so obtained by A is a valuable thing obtained by him without adequate consideration.
১৭.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট এবং দায়রা আদালত অব্যাহতি দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন?
ক
২৪১ এবং ২৬৫গ
খ
২৪৩ এবং ২৬৫ঘ
গ
২৪১ক এবং ২৬৫গ
ঘ
২৪১ক এবং ২৬৫চ
সঠিক উত্তর: গ
২৪১ক এবং ২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
২৪১ক এবং ২৬৫গ
গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারেন। অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। - ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। এই আদালতগুলো অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস অথবা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিতে পারে। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারায় বর্ণিত, এবং দায়রা আদালতের বিচার প্রক্রিয়া ২৬৫ক-২৬৫জ ধারায় বিবৃত।
- ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানির জন্য একটি নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করে। এই ধারাগুলির আওতায় অভিযুক্ত ব্যক্তি চার্জ গঠনের শুনানির দিন অব্যাহতির আবেদন করতে পারে। চার্জ গঠন এবং অব্যাহতির আবেদন একই দিনে শোনা যাবে।
- যদি আদালত মামলার নথি এবং দাখিলকৃত কাগজপত্র পর্যালোচনা করে মনে করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করেই, অর্থাৎ চার্জ গঠনের পূর্বেই অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়া যেতে পারে।
১৮.
একজন সরকারি কর্মচারী আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও যদি তিনি ব্যবসায় জড়িত হন, তবে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারার অপরাধের আওতায় পড়ে?
ক
১৬৭ ধারা
খ
১৬৮ ধারা
গ
১৬৯ ধারা
ঘ
১৭০ ধারা
সঠিক উত্তর: খ
১৬৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১৬৮ ধারা
খ
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ১৬৮ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কর্মচারী যদি আইনত ব্যবসায় জড়িত না থাকার বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও ব্যবসা পরিচালনা করেন, তাহলে এটি একটি অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। এই অপরাধের শাস্তি হলো: - সর্বোচ্চ ১ বছর মেয়াদে সাধারণ কারাদণ্ড, অথবা অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ড।
অন্য অপশনগুলো: - ১৬৭ ধারা: সরকারি কর্মচারীর দ্বারা বেআইনি রিপোর্ট প্রদান সংক্রান্ত। - ১৬৯ ধারা: সরকারি কর্মচারীর বেআইনি সম্পত্তি ক্রয় সংক্রান্ত। - ১৭০ ধারা: সরকারি কর্মচারী হিসেবে মিথ্যা পরিচয় দেওয়ার অপরাধ সংক্রান্ত। ---------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section-168. Public servant unlawfully engaging in trade: Whoever, being a public servant, and being legally bound as such public servant not to engage in trade, engages in trade, shall be punished with simple imprisonment for a term which may extend to one year, or with fine, or with both.
১৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন?
ক
যখন তিনি অপরাধের নালিশ গ্রহণ করেন
খ
যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন
গ
যখন মামলা দায়রা আদালতে বিচার্য হয়
ঘ
যখন পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে
সঠিক উত্তর: খ
যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার ২ক উপধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন যখন তিনি উপযুক্ত মনে করেন। এটি বিশেষভাবে নির্দেশ করে যে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, তদন্ত বা অনুসন্ধান প্রয়োজন এবং এই অনুসন্ধানে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে, তবে তিনি সেই সাক্ষীদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া, ম্যাজিস্ট্রেট যদি মনে করেন যে, যে অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতে বিচার্য, তাহলে তিনি ফরিয়াদী বা অভিযুক্তের সাক্ষীদের হাজির করতে এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন। তবে, নালিশ গ্রহণ বা পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল হলে, ম্যাজিস্ট্রেট সাক্ষী গ্রহণের জন্য শপথ করানোর বিধান নেই, যদি না তিনি এটি উপযুক্ত মনে করেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)- ১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না। আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন। ২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। (২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। (২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন। ----------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 202.Postponement for issue of process: (1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with: Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint. (2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. (2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath. (2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
২০.
ফৌজদারি কার্যবিধির অধীনে দায়রা আদালতে অভিযোগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনার দায়িত্বে কে থাকেন?
ক
অ্যাটর্নি জেনারেল
খ
পাবলিক প্রসিকিউটর
গ
পুলিশ কর্মকর্তা
ঘ
আদালত কর্তৃক নিযুক্ত অফিসার
সঠিক উত্তর: খ
পাবলিক প্রসিকিউটর
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
পাবলিক প্রসিকিউটর
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী, দায়রা আদালতে মামলা পরিচালনা করবেন পাবলিক প্রসিকিউটর। তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের বর্ণনা দিয়ে বিচার প্রক্রিয়া শুরু করবেন।
⇒ অর্থাৎ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা অনুযায়ী দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচার সরকারি আইনজীবী (Public Prosecutor) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন।
⇒ ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়।আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি, চার্জ গঠন, খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে। ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে। ⇒ কে মামলা পরিচালনা করবে- (Who Conduct the Trial) -ধারা ২৬৫ক অনুসারে, দায়রা আদালতে প্রত্যেকটি বিচারে সরকারি আইনজীবী (পাবলিক প্রসিকিউটর) অভিযােগকারীর পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন। - ধারা ২৬৫খ তে দেয়া আছে,অভিযুক্তকে উপস্থিত করার পর সরকারি আইনজীবী আসামির বিরুদ্ধে আনিত অভিযােগ বর্ণনা করবেন এবং কি সাক্ষ্য দ্বারা তিনি উক্ত অভিযোগ প্রমাণ করবেন তা বর্ণনা করার মাধ্যমে নিজ বক্তব্য শুরু করবেন। -------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265A.Trial to be conducted by Public Prosecutor: -In every trial before a Court of Session, the prosecution shall be conducted by a Public Prosecutor.
⇒ The Code of Criminal Procedure,1898 Section-265B.Opening case for prosecution: -When the accused appears or is brought before the Court in pursuance of section 205C, the prosecutor shall open his case by describing the charge brought against the accused and stating by what evidence he proposes to prove the guilt of the accused.
২১.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী "Affray" সংঘটিত হওয়ার জন্য কোন শর্তটি অপরিহার্য?
ক
ব্যক্তিগত স্থানে সংঘর্ষ হওয়া
খ
সরকারবিরোধী স্লোগান দেওয়া
গ
জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া
ঘ
নির্দিষ্ট কোনো সম্পত্তির ক্ষতি হওয়া
সঠিক উত্তর: গ
জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া
গ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া।
- "Affray" বা সড়ক মারামারি সংঘটিত হওয়ার জন্য জনসাধারণের শান্তি বিঘ্নিত হওয়া অপরিহার্য। এটি দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারায় উল্লেখিত যে, দুই বা ততোধিক ব্যক্তি প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করলে জনশান্তি বিঘ্নিত হয় এবং এটি "Affray" হিসেবে গণ্য হয়।
⇒ দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারার বিধান মারামারি: যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন প্রকাশ্য স্থানে মারামারি করে শান্তিভঙ্গ করে, তবে তারা "মারামারি” করেছে বলে পরিগণিত হয়। ⇒ দণ্ডবিধির ১৬০ ধারার বিধান মারামারির শাস্তি: কোন ব্যক্তি যদি মারামারির অপরাধ সংঘটন করে, তবে সে ব্যক্তি এক মাস পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা একশত টাকা পর্যন্ত যে কোন পরিমাণ অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে। ------------ ⇒ The Penal Code, 1860- Section-159. Affray: When two or more persons, by fighting in a public place, disturb the public peace, they are said to "commit an affray". ⇒ The Penal Code, 1860- Section-160. Punishment for committing affray: Whoever commits an affray, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to one hundred taka, or with both.
২২.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে মামলার ফলাফল কী হবে?
ক
মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
খ
মামলার নথি বাতিল হয়ে যাবে এবং কোনো কার্যক্রম হবে না।
গ
অভিযোগ প্রত্যাহারের পরও আদালত মামলাটি শুনানির মাধ্যমে রায় প্রদান করবেন।
ঘ
মামলার প্রক্রিয়া চলতে থাকবে এবং আদালত অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে।
সঠিক উত্তর: ক
মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
মামলার শুনানি বন্ধ হয়ে যাবে এবং আদালত অভিযুক্তকে খালাস দিতে পারেন।
ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৮ ধারা অনুযায়ী, অভিযোগকারী যদি তার নালিশ প্রত্যাহার করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস দিয়ে মামলার শুনানি বন্ধ করতে পারেন। - অর্থাৎ ফৌজদারি চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট আসামিকে খালাস [Acquittal] দিবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৪৮ এ অভিযোগকারী কর্তৃক নালিশ প্রত্যাহারের ফলাফল দেয়া হয়েছে-ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে মামলার চূড়ান্ত আদেশ হবার পূর্বে যে কোন সময় অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করতে পারে। অভিযোগকারী নালিশ প্রত্যাহার করলে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিবে।
-অপরদিকে,ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৪ ধারা অনুযায়ী পাবলিক প্রসিকিউটর আদালতের সম্মতিতে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ রায় ঘোষণার পূর্বে প্রত্যাহার করতে পারে। পাবলিক প্রসিকিউটর অভিযোগ গঠনের আগে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারে আর অভিযোগ গঠনের পরে মামলা প্রত্যাহার করলে, আদালত অভিযুক্তকে খালাস [Acquittal] দিতে পারে । --------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-248: Withdrawal of complaint: If a complainant, at any time before a final order is passed in any case under this Chapter, satisfies the Magistrate that there are sufficient grounds for permitting him to withdraw his complaint the Magistrate may permit him to withdraw the same, and shall thereupon acquit the accused.
২৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অনুযায়ী, সংক্ষিপ্ত বিচারের ক্ষেত্রে কোন ধরনের অপরাধের বিচার করা যায়?
ক
প্রমাণিত অপরাধ
খ
গুরুতর অপরাধ
গ
লঘু শাস্তির অপরাধ
ঘ
খালাস পাওয়া অপরাধ
সঠিক উত্তর: গ
লঘু শাস্তির অপরাধ
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
লঘু শাস্তির অপরাধ
গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬২ ধারার অধীনে সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি লঘু শাস্তির অপরাধের জন্য ব্যবহৃত হয়। সংক্ষিপ্ত বিচারের মাধ্যমে, ছোট বা কম গুরুতর অপরাধের দ্রুত নিষ্পত্তি করা হয়। এই ধরনের বিচারের ক্ষেত্রে কারাদণ্ডের মেয়াদ সর্বোচ্চ দুই বছর হতে পারে, এবং এটি সাধারণত প্রমাণিত অপরাধের দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হয়। গুরুতর অপরাধ, যেমন হত্যা বা ধর্ষণের মতো অপরাধ, সংক্ষিপ্ত বিচারের আওতায় পড়ে না, কারণ এসব অপরাধের জন্য বিস্তারিত বিচার এবং দীর্ঘতর প্রক্রিয়া প্রয়োজন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসারে সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের ক্ষেত্রে দুই বছরের অধিক মেয়াদের কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া যাবে না। - গুরুতর নয় এমন অপরাধ এবং লঘু শাস্তির অপরাধের বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যায়। ফৌজদারি কার্যবিধির অধ্যায় ২২ এবং ধারা ২৬০-২৬৫ এ সংক্ষিপ্ত বিচার সম্পর্কিত বিধান রয়েছে। ধারা ২৬২-এ সংক্ষিপ্ত বিচারের পদ্ধতি বর্ণিত। সংক্ষিপ্ত বিচারে দণ্ডাদেশের সর্বোচ্চ সীমা দুই বছর কারাদণ্ড। --------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 262. Procedure for summary trials: (1) In trials under this Chapter, the procedure prescribed in Chapter XX shall be followed except as hereinafter mentioned. → Limit of imprisonment: (2) No sentence of imprisonment for a term exceeding two years shall be passed in the case of any conviction under this Chapter.
২৪.
নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাব প্রয়োগ করলে এটি দণ্ডবিধির কোন ধারা অনুযায়ী অপরাধ?
ক
১৭১ক ধারা
খ
১৭১খ ধারা
গ
১৭১গ ধারা
ঘ
১৭১ঘ ধারা
সঠিক উত্তর: গ
১৭১গ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
১৭১গ ধারা
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৭১গ ধারা (Section-171C) অনুযায়ী, যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তির নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতাকে বাধাগ্রস্ত করে বা বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে, তবে এটি "নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাব" (Undue Influence at Elections) হিসাবে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ - ধারা ১৭১C: নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাব: (১) যে কেউ স্বেচ্ছায় কোনো ব্যক্তির নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করে বা হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে, সে নির্বাচনে অযৌক্তিক প্রভাবের (Undue Influence) অপরাধ করবে। (২) উপধারা (১)-এর সাধারণ বিধানের প্রতি অব্যাহত রেখে, নিম্নলিখিত যে কেউ নির্বাচনী অধিকার প্রয়োগের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করেছে বলে গণ্য হবে— (ক) কোনো প্রার্থী বা ভোটারকে বা তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে কোনো প্রকার ক্ষতির হুমকি প্রদান করা; অথবা (খ) কোনো প্রার্থী বা ভোটারকে এই বিশ্বাসে প্ররোচিত করা বা প্ররোচিত করার চেষ্টা করা যে তিনি বা তার স্বার্থ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ঐশ্বরিক অসন্তোষ (Divine displeasure) বা আধ্যাত্মিক শাস্তির (spiritual censure) সম্মুখীন হবেন বা হতে পারেন। (৩) কোনো নীতিগত ঘোষণা বা জনস্বার্থে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতি, অথবা কোনো আইনগত অধিকার প্রয়োগ করা, যদি তা নির্বাচনী অধিকারে হস্তক্ষেপের উদ্দেশ্যে না করা হয়, তবে তা এই ধারার অধীনে অপরাধ বলে গণ্য হবে না। ----------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section- 171C. Undue influence at elections: (1) Whoever voluntarily interferes or attempts to interfere with the free exercise of any electoral right commits the offence of undue influence at an election. (2) Without prejudice to the generality of the provisions of sub-section (1), whoever (a) threatens any candidate or voter, or any person in whom a candidate or voter is interested, with injury of any kind, or (b) induces or attempts to induce a candidate or voter to believe that he or any person in whom he is interested will become or will be rendered an object of Divine displeasure or of spiritual censure, shall be deemed to interfere with the free exercise of the electoral right of such candidate or voter, within the meaning of sub-section (1). (3) A declaration of public policy or a promise of public action, or the mere exercise of a legal right without intent to interfere with an electoral right, shall not be deemed to be interference within the meaning of this section.
২৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ দেওয়ার পর অভিযোগকারীর কী করতে হবে?
ক
শুধু মৌখিকভাবে বললেই যথেষ্ট
খ
ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে যেতে হবে
গ
লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
ঘ
পুলিশ অফিসারকে ঘটনা স্থলে নিয়ে যাবে
সঠিক উত্তর: গ
লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
লিখিত অভিযোগে স্বাক্ষর করতে হবে
গ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, যখন আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ পুলিশ স্টেশন অফিসারকে প্রদান করা হয়, তখন অভিযোগকারীকে অভিযোগের লিখিত কপি পড়ে শোনানো হবে এবং তাকে সই করতে হবে। অভিযোগটি পুলিশ স্টেশন কর্তৃপক্ষের কাছে নথিভুক্ত হতে হবে, এবং এর সারাংশ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফর্মের বইয়ে লিখে রাখতে হবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: -আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে।
-ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার মূল বিষয়গুলো হল: ১) থানায় মৌখিক অভিযোগ করলে পুলিশ অফিসার তা লিখে নেবেন। ২) লিখিত অভিযোগটি অভিযোগকারীকে পড়ে শোনাতে হবে। ৩) অভিযোগকারীকে এতে স্বাক্ষর করতে হবে। ৪) অভিযোগের সারাংশ সরকার নির্ধারিত বইয়ে লিখে রাখতে হবে। --------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases: -Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
২৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করার পরবর্তী কার্যক্রম শুরু করবেন?
ক
অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি করলে
খ
অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করলে
গ
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার পর
ঘ
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করা হলে
সঠিক উত্তর: খ
অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করলে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করলে
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারায় বলা হয়েছে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি না করেন, তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির (যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। - এরপর, অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। এর পর ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে সাক্ষীদের সমন ইস্যু করার জন্য নির্দেশ দিতে পারেন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেবেন। এটি নির্দেশ করে যে, অভিযুক্ত যদি স্বীকারোক্তি না করেন, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মামলার শুনানি অব্যাহত রাখবেন এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু করবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী- (১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না। (২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোনো জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন। (৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে। -------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made: (1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. (2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. (3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
২৭.
যে ব্যক্তি কোনো প্রার্থীর সাধারণ বা বিশেষ লিখিত অনুমতি ছাড়া নির্বাচনী প্রচারের জন্য অর্থ ব্যয় করেন, তাকে কত টাকা পর্যন্ত জরিমানা করা হতে পারে?
ক
১০০ টাকা
খ
২০০ টাকা
গ
৫০০ টাকা
ঘ
১০০০ টাকা
সঠিক উত্তর: গ
৫০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
৫০০ টাকা
গ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৭১জ অনুসারে, যে ব্যক্তি কোনো প্রার্থীর সাধারণ বা বিশেষ লিখিত অনুমতি ছাড়া নির্বাচনী প্রচারের জন্য অর্থ ব্যয় করেন, তাকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। এই ধারা নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অবৈধ ব্যয়কে নিয়ন্ত্রণ করার উদ্দেশ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে, যাতে কোনো ব্যক্তি প্রার্থীর অনুমতি ছাড়াই নির্বাচনী প্রচারে অর্থ ব্যয় না করেন। তবে, যদি কোনো ব্যক্তি ১০ টাকার কম ব্যয় করে এবং পরে প্রার্থীর লিখিত অনুমোদন নেন, তবে তাকে অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যয়কারী হিসেবে গণ্য করা হবে এবং সে ক্ষেত্রে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে না। ----------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section- 171H. Illegal payments in connection with an election: Whoever without the general or special authority in writing of a candidate incurs or authorises expenses on account of the holding of any public meeting, or upon any advertisement, circular or publication, or in any other way whatsoever for the purpose of promoting or procuring the election of such candidate, shall be punished with fine which may extend to five hundred taka: Provided that if any person having incurred any such expenses not exceeding the amount of ten taka without authority obtains within ten days from the date on which such expenses were incurred the approval in writing of the candidate, he shall be deemed to have incurred such expenses with the authority of the candidate.
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুযায়ী ম্যাজিস্ট্রেট কখন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন?
ক
অভিযুক্ত স্বীকারোক্তি করলে
খ
অভিযুক্তকে অব্যাহতি দেওয়ার পর
গ
অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হলে
ঘ
অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ ভিত্তিহীন হলে
সঠিক উত্তর: গ
অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর: গ
অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হলে
গ
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারা অনুসারে, যদি ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে তিনি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট চার্জ গঠন করেন। ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে। ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন তাহলে চার্জ গঠনের আগে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিতে পারেন। আর যদি অভিযুক্ত অপরাধ করেছে বলে মনে হয়, তবে যে অপরাধের জন্য অভিযুক্ত করা হয়েছে সেই অপরাধ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট ২৪২ ধারায় আনুষ্ঠানিকভাবে চার্জ গঠন করবেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪২ ধারার ধারার বিধান চার্জ গঠন: যদি উপরোক্ত বিবেচনা ও শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মনে করেন যে, অভিযুক্ত অপরাধ করেছে এমন ধারণা করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে, তবে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অপরাধ সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক চার্জ গঠন করবেন এবং তাকে জিজ্ঞাসা করবেন যে, তিনি এই অপরাধটি করেছেন কিনা। ------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-242. Charge to be framed: If, after such consideration and hearing as aforesaid, the Magistrate is of opinion that there is ground for presuming that the accused has committed an offence, the Magistrate shall frame a formal charge relating to the offence of which he is accused and he shall be asked whether he admits that he has committed the offence with which he is charged.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, রেকর্ড এবং রায় কীভাবে লেখা হবে?
ক
ইংরেজি ভাষায়
খ
আদালতের ভাষায়
গ
আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বিচারকের মাতৃভাষায়
ঘ
উল্লিখিত সবগুলো উপায়ে
সঠিক উত্তর: ঘ
উল্লিখিত সবগুলো উপায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
উল্লিখিত সবগুলো উপায়ে
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৬৫ ধারা অনুযায়ী, রেকর্ড এবং রায় ইংরেজি ভাষায়, আদালতের ভাষায়, অথবা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত হলে বিচারকের মাতৃভাষায় লেখা হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধি ২৬৫ ধারা অনুযায়ী: (১) ধারা ২৬৩ অনুসারে যে সমস্ত রেকর্ড তৈরি করা হয় এবং ধারা ২৬৪ অনুসারে যে সমস্ত রায় রেকর্ড করা হয়, তা সঞ্চালনকারী বিচারক ইংরেজি ভাষায় অথবা আদালতের ভাষায় লিখবেন, অথবা যদি ওই বিচারক যেই আদালতে তদ্বীজীভূত হন, সেই আদালত নির্দেশ দেন, তবে বিচারকের মাতৃভাষায় লিখতে হবে। (২) সরকার যেকোনো ম্যাজিস্ট্রেট বেঞ্চকে যে বেঞ্চগুলি সাফভাবে অপরাধ বিচার করতে সক্ষম, তাদেরকে ওই রেকর্ড বা রায় প্রস্তুত করতে নির্ধারিত কর্মকর্তাকে নিয়োগ করতে অনুমতি দিতে পারে, এবং ওই রেকর্ড বা রায় প্রস্তুত হওয়ার পর তা ওই বেঞ্চের প্রতিটি সদস্য দ্বারা সই করা হবে, যারা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেছেন। (৩) যদি এমন কোনো অনুমোদন না দেওয়া হয়, তবে বেঞ্চের কোনো সদস্য দ্বারা প্রস্তুত করা রেকর্ড এবং উক্ত সদস্য দ্বারা সই করা রেকর্ডই সঠিক রেকর্ড হিসেবে গণ্য হবে। (৪) যদি বেঞ্চের সদস্যদের মধ্যে মতবিরোধ থাকে, তবে যে সদস্যের বিপরীত মতামত থাকবে, তিনি একটি আলাদা রায় লিখতে পারবেন। ------------ ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 265. Language of record and judgment: (1) Records made under section 263 and judgments recorded under section 264 shall be written by the presiding officer, either in English or in the language of the Court, or, if the Court to which such presiding officer is immediately sub-ordinate so directs, in such officer's mother-tongue. Bench may be authorised to employ clerk (2) The Government may authorize any Bench of Magistrates empowered to try offences summarily to prepare the aforesaid record or judgment by means of an officer appointed in this behalf by the Court to which such Bench is immediately subordinate, and the record or judgment so prepared shall be signed by each member of such Bench present taking part in the proceedings. (3) If no such authorization be given, the record prepared by a member of the Bench and signed as aforesaid shall be the proper record. (4) If the Bench differ in opinion, any dissentient member may write a separate judgment.
৩০.
দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারা অনুযায়ী যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
ক
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
খ
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
গ
৩ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ১০০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
ঘ
৬ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ২০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
সঠিক উত্তর: খ
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা
খ
ব্যাখ্যা
উত্তর: খ) ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৮৪ (Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant) অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করে, তাহলে তাকে ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড বা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। - এই ধারা কোনো সরকারি কর্মচারী কর্তৃক আয়োজিত সম্পত্তির বিক্রয় বা নিলাম প্রক্রিয়ায় কোনো ব্যক্তি বাধা দিলে তাকে শাস্তি দেওয়ার উদ্দেশ্যে তৈরি হয়েছে। এর লক্ষ্য হল সরকারি কর্মচারী কর্তৃক পরিচালিত আইনি কার্যক্রমের চলমানতা নিশ্চিত করা এবং অবৈধ হস্তক্ষেপ রোধ করা। তবে, এই শাস্তির মেয়াদ ১ মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা ৫০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ১৮৪ ধারার বিধান: সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করা: যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো সরকারি কর্মচারীর অধিকারভুক্ত সম্পত্তির বিক্রয় প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করবে, তাকে এক মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা ৫০০ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে। --------------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section-184. Obstructing sale of property offered for sale by authority of public servant: Whoever intentionally obstructs any sale of property offered for sale by the lawful authority of any public servant, as such, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to one month, or with fine which may extend to five hundred taka, or with both.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারা অনুসারে কোন অবস্থায় পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না?
ক
যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে
খ
যদি মামলা দায়রা আদালতে বিচার্য হয়
গ
যদি অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায়
ঘ
যদি অভিযোগ পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে গৃহীত হয়
সঠিক উত্তর: ক
যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে
ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার অধীনে, পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না যদি আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে। এটি বলছে যে, যখন আদালত একটি নালিশ গ্রহণ করে, তখন সেই নালিশের প্রাথমিক সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের জন্য অনুসন্ধান বা তদন্ত করা যাবে না এবং পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা যাবে না। এই ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যখন মামলাটি দায়রা আদালতে বিচার্য হয়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য পাওয়া যায় বা অভিযোগ পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে গৃহীত হয়, তখন পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা সম্ভব এবং তদন্ত বা অনুসন্ধান করা যেতে পারে। তবে, যখন আদালত নিজেই নালিশ গ্রহণ করে, তখন এই ধারা অনুযায়ী পরোয়ানা স্থগিত রাখা যাবে না এবং তদন্ত বা অনুসন্ধান করা সম্ভব নয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২০২ ধারার বিধান: পরোয়ানা ইস্যু স্থগিত রাখা (Postponement for issue of process)- ১) কোন ম্যাজিস্ট্রেট যে অপরাধ আমলে নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসম্পন্ন সেই অপরাধের নালিশ পাওয়ার পর অথবা ১৯২ ধারার অধীন তা তার নিকট হস্তান্তরিত হওয়ার পর,তিনি যদি উপযুক্ত মনে করেন তাহলে কারণ লিপিবদ্ধ করে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে নালিশ করা হয়েছে তাকে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য সমন বা পরোয়ানা প্রদান স্থগিত রাখতে পারেন এবং নালিশের সত্যতা বা অসত্যতা নির্ধারণের উদ্দেশ্যে নিজে ঘটনা সম্পর্কে অনুসন্ধান করতে পারেন, অথবা তিনি যদি তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিস্ট্রেট না হন তাহলে তার অধীন অন্য ম্যাজিস্ট্রেট বা কোন পুলিশ কর্মকর্তা বা তিনি যাকে উপযুক্ত মনে করেন এরূপ অন্যকোনো ব্যক্তিকে এই বিষয় অনুসন্ধান বা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
তবে শর্ত এই যে,যেক্ষেত্রে আদালত নালিশ করেন সেক্ষেত্রে ব্যতীত অন্যান্য ক্ষেত্রে ২০০ ধারার বিধান পালন না করে এরূপ কোন নির্দেশ দেয়া যাবে না। আরও শর্ত এই যে-যেক্ষেত্রে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য নালিশ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য সেক্ষেত্রে যে ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে হাজির হতে বাধ্য করার পরোয়ানা স্থগিত রাখতে পারবেন এবং নালিশের সত্যতা ও অসত্যতা নিরূপণের উদ্দেশ্যে এই উপধারায় উল্লিখিত অনুসন্ধান বা তদন্ত করবেন বা করাবেন। ২) এই ধারার অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত যে ব্যক্তি করবেন তিনি যদি ম্যাজিস্ট্রেট বা পুলিশ কর্মকর্তা না হন,তাহলে তিনি এই কার্যবিধি অনুসারে (বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতারের ক্ষমতা ছাড়া) কোন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সকল ক্ষমতা প্রয়োগ করবেন। (২ক) এই ধারার অধীন কোন ঘটনা অনুসন্ধানকারী ম্যাজিস্ট্রেট উপযুক্ত মনে করলে শপথ করিয়ে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে পারবেন তবে শর্ত এই যে, ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রতীয়মান হয় যে,যেই অপরাধের জন্য অভিযোগ করা হয়েছে তা কেবল দায়রা আদালতেই বিচার্য,তাহলে তিনি ফরিয়াদীকে তার সকল সাক্ষীদেরকে হাজির করতে বলবেন এবং তাদের শপথ করে সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন। (২খ) পুলিশ চূড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করলে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত রিপোর্ট গ্রহণ করতে এবং অভিযুক্তদেরকে অব্যাহতি দিতে পারবেন। ----------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 202.Postponement for issue of process: (1) Any Magistrate, on receipt of a complaint of an offence of he is authorized to take cognizance, or which has been transferred to him under section 192, may, if he thinks fit, for reasons to be recorded in writing, postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against, and either inquire into the case himself or, if he is a Magistrate other than a Magistrate of the third class, direct an inquiry or investigation to be made by any Magistrate subordinate to him, or by a police-officer, or by such other person as he thinks fit, for the purpose of ascertaining the truth of falsehood of the complaint: Provided that, save where the complaint has been made by a Court, no such direction shall be made unless the provisions of section 200 have been complied with: Provided further that where it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by a Court of Session, the Magistrate may postpone the issue of process for compelling the attendance of the person complained against and may make or cause to be made an inquiry or investigation as mentioned in this sub-section for the purpose of ascertaining the truth or falsehood of the complaint. (2) If any inquiry or investigation under this section is made by a person not being a Magistrate or a police-officer, such person shall exercise all the powers conferred by this Code on an officer in charge of a police-station, except that he shall not have power to arrest without warrant. (2A) Any Magistrate inquiring into a case under this section may, if he thinks, fit, take evidence of witnesses on oath: Provided that if it appears to the Magistrate that the offence complained of is triable exclusively by the Court of Session, he shall call upon the complainant to produce all his witnesses and examine them on oath. (2B) Where the police submits the final report, the Magistrate shall be competent to accept such report and discharge the accused.
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুসারে, ম্যাজিস্ট্রেট কখন সাক্ষীর প্রতি সমন ইস্যু করতে পারেন?
ক
আদালতের নিজস্ব উদ্যোগে
খ
সরকার পক্ষের আবেদনক্রমে
গ
অভিযুক্তের স্বীকারোক্তির পর
ঘ
ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে
সঠিক উত্তর: ঘ
ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে
ঘ
ব্যাখ্যা
→ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে সাক্ষীর প্রতি সমন ইস্যু করতে পারেন। এটি ম্যাজিস্ট্রেটের discretion বা বিবেচনার উপর নির্ভর করে, তবে আবেদনকারী পক্ষের অনুরোধে তারা এই ব্যবস্থা নিতে পারেন।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪৪ ধারা অনুযায়ী- (১) ম্যাজিস্ট্রেট যদি পূর্ববর্তী ধারা(২৪৩) অনুসারে অভিযুক্তকে দণ্ডিত না করেন বা অভিযুক্ত যদি উক্তরূপে স্বীকারোক্তি না করে,তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদির(যদি থাকে) বক্তব্য শুনবেন এবং বাদী পক্ষের সমর্থনে প্রদত্ত সমস্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন এবং অভিযুক্তের বক্তব্যও শুনবেন এবং আত্মপক্ষ সমর্থনে তার প্রদত্ত সাক্ষ্য গ্রহণ করবেন।তবে শর্ত থাকে যে,কোনো আদালত যখন নালিশ করে তখন ম্যাজিস্ট্রেট ফরিয়াদি হিসাবে কারো বক্তব্য শুনতে বাধ্য হবেন না। (২) ম্যাজিস্ট্রেট যদি উপযুক্ত মনে করেন,তাহলে ফরিয়াদি বা আসামির আবেদনক্রমে কোন সাক্ষীর প্রতি হাজির হওয়ার বা কোন দলিল বা কোনো জিনিস হাজির করার নির্দেশ দিয়ে সমন ইস্যু করতে পারবেন। (৩) এরূপ আবেদনের ভিত্তিতে কোন সাক্ষীর প্রতি সমন দেওয়ার পূর্বে ম্যাজিস্ট্রেট নির্দেশ দিতে পারবেন যে, বিচারের উদ্দেশ্যে হাজির হওয়ার জন্য তার যুক্তিসংগত খরচ আদালতে জমা দিতে হবে। -------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-244. Procedure when no such admission is made: (1) If the Magistrate does not convict the accused under the preceding section or if the accused does not make such admission, the Magistrate shall proceed to hear the complainant (if any), and take all such evidence as may be produced in support of the prosecution, and also to hear the accused and take all such evidence as he produces in his defence: Provided that the Magistrate shall not be bound to hear any person as complainant in any case in which the complaint has been made by a Court. (2) The Magistrate may, if he thinks fit, on the application of the complainant or accused, issue a summons to any witness directed him to attend or to produce any document or other thing. (3) The Magistrate may, before summoning any witness on such application, require that his reasonable expenses, incurred in attending for the purposes of the trial, be deposited in Court.
৩৩.
দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী যে ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারী বা তার সম্পর্কিত কাউকে আঘাতের হুমকি দিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে বা বিলম্ব করতে প্ররোচিত করে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
ক
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
খ
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
গ
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
ঘ
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
সঠিক উত্তর: খ
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা জরিমানা অথবা উভয়
খ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ১৮৯ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি কোনো সরকারি কর্মচারী বা তার সম্পর্কিত কাউকে আঘাতের হুমকি দিয়ে তাকে কোনো কাজ করতে বা বিলম্ব করতে প্ররোচিত করে, তাকে ২ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, জরিমানা অথবা উভয় শাস্তি দেওয়া হতে পারে। ----- ⇒ The Penal Code, 1860- Section-189. Threat of injury to public servant: Whoever holds out any threat of injury to any public servant, or to any person in whom he believes that public servant to be interested, for the purpose of inducing that public servant to do any act, or to forbear or delay to do any act, connected with the exercise of the public functions of such public servant, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to two years, or with fine, or with both.
৩৪.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার অধীনে, যদি আদালত মনে করে যে কোনো বৈধ অভিযোগ গঠন সম্ভব নয়, তাহলে কী করা হবে?
ক
দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
খ
নতুন করে সাক্ষ্যগ্রহণ করা হবে
গ
মামলাটি হাইকোর্টে পাঠানো হবে
ঘ
অভিযুক্তকে আরও তদন্তের জন্য আটক রাখা হবে
সঠিক উত্তর: ক
দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
দণ্ডাদেশ রদ করা হবে
ক
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান অনুযায়ী, যদি আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ মনে করে যে— অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনে গুরুতর ভুল ছিল, এবং মামলার প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে তার বিরুদ্ধে কোনো বৈধ অভিযোগ গঠন করা সম্ভব নয়, তাহলে আদালত দণ্ডাদেশ বাতিল বা রদ (quash) করতে পারে।
অর্থাৎ, যদি আদালত নিশ্চিত হয় যে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগভাবে কোনো অভিযোগ টেকসই নয়, তবে তাকে সাজা দেওয়া যাবে না, এবং আদালত দণ্ডাদেশ রদ করে তাকে অব্যাহতি দেবে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩২ ধারার বিধান চার্জে কৃত গুরতর ভুলের ফলাফল দেয়া হয়েছে- ১) রিভিশন ক্ষমতা বা সপ্তবিংশ অধ্যায়ে প্রদত্ত ক্ষমতা প্রয়ােগকালে আপিল আদালত বা হাইকোর্ট বিভাগ যদি মনে করেন যে, অভিযােগ গঠিত হওয়ায় কিংবা উহাতে ভুল থাকায় কোন অপরাধে দণ্ডিত ব্যক্তি তার আত্মপক্ষ সমর্থনের ব্যাপারে বিভ্রান্ত হয়েছে তাহলে উক্ত আদালত যে-রূপ উপযুক্ত মনে করেন, সেইরূপভাবে অভিযােগ গঠন করে নতুন বিচারের নির্দেশ দিবেন। ২) আদালত যদি মনে করেন যে,মােকদ্দমার ঘটনাবলি এইরূপ যে প্রমাণিত তথ্যাবলির ভিত্তিতে আসামির বিরুদ্ধে কোন বৈধ অভিযােগ প্রণয়ন করা যাবে না,তা হলে দণ্ডাদেশ রদ করে দিবেন। -------------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 232: Effect of material error: (1) If any Appellate Court, or the High Court Division in the exercise of its powers of revision or of its powers under Chapter XXVII, is of opinion that any person convicted of an offence was misled in his defence by the absence of a charge or by an error in the charge, it shall direct a new trial to be had upon a charge framed in whatever manner it thinks fit. (2) If the Court is of opinion that the facts of the case are such that no valid charge could be preferred against the accused in respect of the facts proved, it shall quash the conviction.
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষীকে কিসের জন্য বাধ্য করা যাবে না?
ক
মামলার ঘটনার বিবরণ দেওয়ার জন্য
খ
সাক্ষী হিসেবে লিখিত বিবৃতি দেওয়ার জন্য
গ
তদন্ত কর্মকর্তার সামনে উপস্থিত হওয়ার জন্য
ঘ
নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণযোগ্য উত্তর দেওয়ার জন্য
সঠিক উত্তর: ঘ
নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণযোগ্য উত্তর দেওয়ার জন্য
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণযোগ্য উত্তর দেওয়ার জন্য
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারা অনুসারে, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে এবং সাক্ষী মামলার বিষয়ে প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য। তবে, যদি কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদান সাক্ষীর বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযোগ, দণ্ড বা সম্পত্তি বাজেয়াপ্তির সম্ভাবনা সৃষ্টি করে, তাহলে সাক্ষী সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য নয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায়- তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার ঘটনার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো বিষয়ের সাথে পরিচিত ব্যক্তির মৌখিক জবানবন্দি গ্রহণ করতে পারে। তার নিকট জিজ্ঞাসিত মামলা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে সে বাধ্য থাকবে কিন্তু যে প্রশ্নের জবাব উক্ত সাক্ষীকে ফৌজদারি অভিযোগে দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির দিকে টেনে নিতে পারে, সেই সকল প্রশ্নের উত্তর দিতে সাক্ষী বাধ্য নয়। ------------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-161: Examination of witnesses by police: (1) Any police-officer making an investigation under this Chapter or any police-officer not below such rank as the Government may, by general or special order, prescribe in this behalf, acting on the requisition of such officer may examine orally any person supposed to be acquainted with the facts and circumstances of the case. (2) Such person shall be bound to answer all questions relating to such case put to him by such officer, other than questions the answers to which would have a tendency to expose him to a criminal charge or to a penalty or forfeiture. (3) The police-officer may reduce into writing any statement made to him in the course of an examination under this section, and if he does so he shall make a separate record of the statement, of each such person whose statement he records.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারার অনুযায়ী, এক বছরের মধ্যে একই ধরনের তিনটি অপরাধ সংঘটিত হলে কী করা যাবে?
ক
একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
খ
আলাদা আলাদা মামলা গঠন করা হবে
গ
অপরাধীকে একাধিক দণ্ড দেওয়া হবে
ঘ
অপরাধীকে একবারে খালাস দেওয়া হবে
সঠিক উত্তর: ক
একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
একসাথে অভিযোগ গঠন করা যাবে
ক
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৪ ধারায় বলা হয়েছে যে, যদি কোন ব্যক্তি একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে সংঘটিত করে, তবে সেগুলিকে একত্রে অভিযোগ গঠন করে একটি মামলায় বিচার করা যাবে, যদি অপরাধগুলি একই ধরনের এবং একই পরিমাণ দণ্ডনীয় হয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৪ অনুসারে, একই ধরনের তিনটি অপরাধ এক বছরের মধ্যে হলে একত্রে অভিযোগ গঠন করা যাবে- - যখন কোন ব্যক্তি একই ধরনের একাধিক অপরাধে অভিযুক্ত হয় এবং অপরাধগুলি প্রথম অপরাধ হতে শেষ অপরাধ পর্যন্ত বারো মাস সময়ের মধ্যে সংঘটিত হয়, তখন অপরাধগুলি একই ব্যক্তি সম্পর্কিত হোক বা না হোক,তার বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ ৩টি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যেতে পারে এবং একটিমাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।অপরাধগুলি যখন দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের একই নামানুসারে, একই পরিমাণ দণ্ডে দণ্ডনীয় হয় তখন উক্ত অপরাধগুলিকে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে। তবে শর্ত এই যে,এই ধারার উদ্দেশ্যপূরণকল্পে, দণ্ডবিধির ৩৭৯ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধকে উক্ত বিধির ৩৮০ ধারায় দণ্ডনীয় অপরাধের সঙ্গে একই ধরনের বলে গণ্য করতে হবে এবং দণ্ডবিধি বা কোন বিশেষ বা স্থানীয় আইনের যেকোনো ধারায় দণ্ডনীয় কোন অপরাধের মত এরূপ অপরাধের চেষ্টা,একই ধরনের অপরাধ বলে গণ্য করতে হবে যখন এরূপ চেষ্টা একটি অপরাধ হয়। --------------- ⇒The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 234: Three offences of same kind within year may be charged together: (1) When a person is accused of more offences than one of the same kind committed within the space of twelve months from the first to the last of such offences, whether in respect of the same person or not, he may be charged with, and tried at one trial for, any number of them not exceeding three. (2) Offences are of the same kind when they are punishable with the same amount of punishment under the same section of the Penal Code or of any special law: Provided that, for the purpose of this section, an offence punishable under section 379 of the Penal Code shall be deemed to be an offence of the same kind as an offence punishable under section 380 of the said Code, and that an offence punishable under any section of the Penal Code, or of any special or local law, shall be deemed to be an offence of the same kind as an attempt to commit such offence, when such an attempt is an offence.
৩৭.
দণ্ডবিধির ধারা ২৫৮ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সরকারী রাজস্বের জন্য ইস্যু করা স্ট্যাম্পের জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে, তাকে কী ধরনের শাস্তি দেওয়া হতে পারে?
ক
৩ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
খ
১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
গ
৫ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ঘ
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর: ঘ
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড
ঘ
ব্যাখ্যা
→ দণ্ডবিধির ধারা ২৫৮ অনুযায়ী, যে ব্যক্তি সরকারী রাজস্বের জন্য ইস্যু করা স্ট্যাম্পের জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে বা বিক্রির জন্য প্রস্তাব করে, তাকে সর্বোচ্চ ৭ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা হতে পারে।
⇒ দণ্ডবিধির ধারা ২৫৮: জাল সরকারী স্ট্যাম্প বিক্রি: যে ব্যক্তি সরকারী রাজস্বের জন্য ইস্যু করা যেকোনো স্ট্যাম্পের জাল স্ট্যাম্প বিক্রি করে বা বিক্রির জন্য প্রস্তাব করে, এবং জানে বা বিশ্বাস করে যে এটি একটি জাল স্ট্যাম্প, তাকে সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং জরিমানা দেওয়া হতে পারে। ----------- ⇒ The Penal Code, 1860- Section- 258. Sale of counterfeit Government stamp: Whoever sells, or offers for sale, any stamp which he knows or has reason to believe to be a counterfeit of any stamp issued by Government for the purpose of revenue, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.
৩৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারা অনুযায়ী, FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী কীভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়?
ক
ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে
খ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
গ
পুলিশের অধীনে থাকা অন্য অফিসারের মাধ্যমে
ঘ
উপরোক্ত সব উপায়ে
সঠিক উত্তর: খ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
উত্তর
সঠিক উত্তর: খ
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নির্দেশে
খ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার অনুযায়ী, FIR বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (Officer in Charge) কর্তৃক বিপি ২৭ নং ফরমে লিপিবদ্ধ করা হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে বা পুলিশের অধীনে থাকা অন্য অফিসারের মাধ্যমে FIR লিপিবদ্ধ করা হয় না। FIR থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দ্বারা প্রক্রিয়া শুরু করা হয়।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৫৪ ধারার বিধান আমলযোগ্য মামলার সংবাদ: -আমলযোগ্য অপরাধ সম্বন্ধীয় কোনও সংবাদ যদি কোন পুলিশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে মৌখিকভাবে দেয়া হলে তিনি বা তাঁর নির্দেশানুসারে অন্য কেউ তা লিপিবদ্ধ করবেন, এবং সংবাদ জ্ঞাপনকারীকে তা পড়ে শুনাবেন, এবং এরূপ প্রতিটি সংবাদ, তা লিখিতভাবে প্রদত্ত হোক বা পরে লিপিবদ্ধ করা হোক, সংবাদ জ্ঞাপনকারী কর্তৃক স্বাক্ষরিত হবে, এবং উহার সারাংশ ঐরূপ অফিসার কর্তৃক সরকার কর্তৃক এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট নিদর্শে রক্ষিত বহিতে লিপিবদ্ধ করে রাখতে হবে। --------------- ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-154: Information in cognizable cases: -Every information relating to the commission of a cognizable offence if given orally to an officer in charge of a police-station, shall be reduced to writing by him or under his direction, and be read over to the informant; and every such information, whether given in writing or reduced to writing as aforesaid, shall be signed by the person giving it and the substance thereof shall be entered in a book to be kept by such officer in such form as the Government may prescribe in this behalf.
৩৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় অভিযোগ পরিবর্তনের উদ্দেশ্য কী?
ক
মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি করা
খ
আদালতের ক্ষমতা বৃদ্ধি করা
গ
অভিযুক্তকে নির্দোষ প্রমাণ করা
ঘ
অভিযোগের কোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা
সঠিক উত্তর: ঘ
অভিযোগের কোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা
উত্তর
সঠিক উত্তর: ঘ
অভিযোগের কোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা
ঘ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারায় অভিযোগ পরিবর্তনের মূল উদ্দেশ্য হল অভিযোগের মধ্যে যেকোনো ভুল বা বাদ পড়া তথ্য সংশোধন করা। যদি অভিযোগে কোনো ত্রুটি থাকে বা কিছু বাদ পড়ে যায়, তাহলে আদালত রায় ঘোষণার পূর্বে এটি সংশোধন বা সংযোজন করতে পারে, যাতে অভিযুক্ত ব্যক্তি তার বিরুদ্ধে সঠিক অভিযোগ সম্পর্কে অবগত হতে পারে।
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২২৭ ধারার বিধান-অভিযোগে অপরাধের বর্ণনা বা অন্য কোন তথ্য পরিবেশনের সময় কোন ভুল হলে বা কোন কিছু বাদ পড়লে রায় ঘোষণার পূর্বে যেকোন সময় আদালত অভিযোগ পরিবর্তন বা নতুন অভিযোগ করতে পারবেন এবং এরূপ প্রত্যেকটি পরিবর্তন বা সংযোজন অভিযুক্তকে পড়ে শুনাতে হবে এবং বুঝাতে হবে। ------------------ ⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-227: Court may alter charge: (1) Any Court may alter or add to any charge at any time before judgment is pronounced. (2) Every such alteration or addition shall be read and explained to the accused.