পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
বিষয়: সাধারণ জ্ঞান টপিক: ১. ভাষা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গান, চলচ্চিত্র, সাহিত্য ইত্যাদি। ২. সমসাময়িক ইতিহাস। ৩. স্থাপত্য ও ভাস্কর্য, দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থান, নদ-নদী, জলাশয়, পাহাড়-পর্বত প্রভৃতি। [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করা হয় -
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৫ সালে
  3. ১৯৮১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের প্রথম সামরিক শাসন:
- ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারকে নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন খন্দকার মোশতাক আহমদ।
- ক্ষমতা দখল করার পাঁচ দিন পর স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সামরিক আইন জারি করেন মোশতাক আহমদ।
- মোশতাক আহমদ পরবর্তি প্রায় তিন মাসের মতো ক্ষমতায় ছিলেন।
- মোশতাক আহমদের ৩ মাসের শাসনকালে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনে।
- মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে বাংলাদেশের সমস্ত অর্জন মুছে ফেলার চেষ্টা করা হয় এবং পাকিস্তানের ভাবধারার পুনঃপ্রতিষ্ঠা শুরু হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ শ্রেণি।
.
মুঘল স্থাপত্যের অন্যতম নিদর্শন 'বড় কাটরা' কোথায় অবস্থিত?
  1. নারায়ণগঞ্জ
  2. চাপাইনবাবগঞ্জ
  3. ঢাকা
  4. খুলনা
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:
- এটি একটি মুঘল নিদর্শন।
- ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে 'বড় কাটরা' অবস্থিত।
- সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহ সুজার নির্দেশে এই ইমারতটি নির্মাণ করা হয়।
- বড় কাটরা মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত।
- আয়তাকারে নির্মিত এ অট্টালিকা দক্ষিণে ও উত্তরে ৬৭.৯৭ মিটার দীর্ঘ এবং ধারণা করা হয় পূর্ব-পশ্চিমে ৭০.১০ মিটার।
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে। এর একটিতে উৎকীর্ণ আছে যে, ইমারতটি ১০৫৩ হিজরিতে (১৬৪৩-৪৪ খ্রি) নির্মিত এবং অন্যটিতে আছে ১০৫৫ হিজরিতে (১৬৪৫-৪৬ খ্রি) নির্মিত।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
.
দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের কোন দেশটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করে?
  1. চিলি
  2. ব্রাজিল
  3. আর্জেন্টিনা
  4. ভেনিজুয়েলা
ব্যাখ্যা
স্বীকৃতি দানকারী আরব দেশ:
- প্রথম আরব দেশ: ইরাক (৮ জুলাই, ১৯৭২)।
- ইরান: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।

উল্লেখ্য:
- প্রথম মুসলিম দেশ ও প্রথম আফ্রিকার - সেনেগাল।
- এশিয়ার মুসলিম দেশ: মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া।

- এশিয়ার বাইরে প্রথম দেশ বা প্রথম ইউরোপীয় দেশ: পূর্ব-জার্মানি (১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)।
- দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে প্রথম: ভেনিজুয়েলা (২ মে ১৯৭২)।
- ব্রাজিল: ১৫ মে, ১৯৭২।
- আর্জেন্টিনা: ২৫ মে ১৯৭২।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র: ৪ এপ্রিল, ১৯৭২ তারিখে।
- ফ্রান্স: ১৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২।

তথ্যসূত্র - পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট, বঙ্গভবনের শতবর্ষ (বঙ্গভবন) ও বাংলাদেশের তারিখ (বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান), প্রথম আলো।
.
প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র নির্মান করেন কে?
  1. মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. জহির রায়হান
  4. আবদুস সামাদ
ব্যাখ্যা
ওরা এগারো জন:
- প্রথম মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক চলচ্চিত্র 'ওরা এগারো জন'।
- 'ওরা এগারো জন' চলচ্চিত্রটি প্রযোজনা করেন মাসুদ পারভেজ সোহেল রানা।
- বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ওরা ১১ জন চলচ্চিত্রে মুক্তিযোদ্ধাদের দিয়ে অভিনয় করিয়েছিলেন নির্মাতা-প্রযোজক।
- “ওরা এগারো জন” চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- একাত্তরে ১১টি সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছিলেন বাঙালিরা। বিষয়টি মাথায় রেখেই সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ওরা ১১ জন।
- পরিচালক হিসেবে চাষী নজরুল ইসলামের প্রথম সিনেমা ছিল এটি।
- ওরা ১১ জন-এর শুটিং হয়েছিল জয়দেবপুরে।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন আবদুস সামাদ।
- ওরা ১১ জন সিনেমা শুরু হয় সাইফুল ইসলামের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত 'ও আমার দেশের মাটি' দিয়ে।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো, ১৩ আগস্ট ২০২২।
.
'মারাইং তং' পাহাড় কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বান্দরবান
  3. খাগড়াছড়ি
  4. সিলেট
ব্যাখ্যা
মারাইং তং পাহাড়:
- মারাইং তং পাহাড় বান্দরবান জেলার আলীকদম উপজেলায় অবস্থিত।
- এই পাহাড় আরও কয়েকটি নামে পরিচিত। যেমন - মারায়ান তং, মারায়ং তং, মেরাই থং জাদি, মারাইং ডং ইত্যাদি।
- পাহাড়টির উচ্চতা প্রায় ১৬৪০ ফুট।
- এই পাহাড়ের চূড়ায় আছে একটি বৌদ্ধ উপাসনালয়।
- ত্রিপুরা, মারমা, মুরং সহ বেশিকিছু আদিবাসীর বসবাস এই মারায়ন তং পাহাড়ে। পাহাড়ের ভাঁজে ভাঁজে থাকা আদিবাসী পাড়াগুলাে বিশেষ বৈচিত্রতা যুক্ত করেছে আলীকদমের এই পাহাড়ি সৌন্দর্যে।

তথ্যসূত্র - বান্দরবান জেলা ওয়েবসাইট।
.
'ধর্মসাগর' দীঘিটি কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. মানিকগঞ্জ
  2. কুমিল্লা
  3. মুন্সীগঞ্জ
  4. মাদারীপুর
ব্যাখ্যা
ধর্মসাগর:
- ধর্মসাগর মূলত একটি প্রাচীন দীঘি।
- দীঘিটি কুমিল্লা শহরের প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত।
- এই দীঘির আয়তন ২৩.১৮ একর।
- ত্রিপুরা রাজ্যের অধিপতি মহারাজা ধর্মমাণিক্য এই দীঘিটি খনন করেন।
- তারই নামানুসারে দিঘিটির নামকরণ করা হয় ‘ধর্মসাগর’।
- ১৪৫৮ সালে দীঘিটি খনন করা হয়।
- 'রাজমালা' গ্রন্থ অনুযায়ী ধর্মমাণিক্য সুদীর্ঘ ৩২ বৎসর রাজত্ব করেন (১৪৩১-৬২ খ্রীস্টাব্দ)।
- কুমিল্লা শহর ও তার আশেপাশের অঞ্চল তাঁর রাজত্বের অধীন ছিল। জনগণের পানীয় জলের সুবিধার জন্য দীঘিটি খনন করেন।

তথ্যসূত্র - কুমিল্লা জেলা ওয়েবসাইট।
.
নিচের কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র?
  1. ফাগুন হাওয়ায়
  2. হাঙর নদী গ্রেনেড
  3. বাঙলা
  4. উপরের সবগুলো
ব্যাখ্যা
হাঙর নদী গ্রেনেড:
- 'হাঙর নদী গ্রেনেড' একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র।
- চলচ্চিত্রটি ঔপন্যাসিক সেলিনা হোসেন রচিত হাঙর নদী গ্রেনেড-এর কাহিনি অবলম্বনে নির্মিত।
- মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস অবলম্বনে রচিত এই উপন্যাসটিতে ফুটে উঠেছে দেশের স্বাধীনতার জন্য এক মায়ের সর্বোচ্চ ত্যাগ।
- হাঙর নদী গ্রেনেড ১৯৯৭ সালে মুক্তি পায়।
- এই চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন চাষী নজরুল ইসলাম।
- সংগীত পরিচালনা করেছেন শেখ সাদী খান।
- চিত্রগ্রাহক ছিলেন জেড এইচ পিন্টু।
- চলচ্চিত্রটিতে চরিত্রে অভিনয় করেছেন সুচরিতা, সোহেল রানা, অরুণা বিশ্বাস, অন্তরা, ইমরান, দোদুল ও আশিক প্রমুখ।

উল্লেখ্য,
- ফাগুন হাওয়ায় ও বাঙলা ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক চলচ্চিত্র।

তথ্যসূত্র - জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও দৈনিক প্রথম আলো।
.
'নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল' বলা হয় কোনটিকে?
  1. বাইক্কা বিল
  2. চলন বিল
  3. টাঙ্গুয়ার হাওর
  4. হাইল হাওর
ব্যাখ্যা
টাঙ্গুয়ার হাওর:
- দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম হাওর টাঙ্গুয়ার হাওর।
- এই হাওর 'নয়কুড়ি কান্দার ছয়কুড়ি বিল' নামেও পরিচিত।
- টাঙ্গুয়ার হাওর সুনামগঞ্জ জেলার ধর্মপাশা ও তাহিরপুর উপজেলা অবস্থিত।
- এ হাওরটিতে মোট ১২০টি বিল রয়েছে।
- হাওর এলাকার আয়তন প্রায় ১০০ বর্গ কিমি, এর মধ্যে ২৮০২.৩৬ হেক্টর জলাভূমি রয়েছে।
- এই হাওরে ১৪০টিরও বেশি প্রজাতির স্বাদুপানির মাছ পাওয়া যায়।
- টাঙ্গুয়ার হাওরে ২০৮ প্রজাতির পাখি, ১৫০ প্রজাতির জলজ উদ্ভিদ, ৩৪ প্রজাতির সরীসৃপ ও ১১ প্রজাতির উভচর প্রাণী রয়েছে।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক ইত্তেফাক, ১৪ অক্টোবর ২০২৩।