ব্যাখ্যা
• শব্দ দূষণ পরিমাপের জন্য সাধারণত ডেসিবেল (Decibel) একক ব্যবহার করা হয়। শব্দের তীব্রতা বা লাউডনেসকে ডেসিবেলে মাপা হয়। বেশি ডেসিবেলের শব্দ মানুষের কানের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে এবং দীর্ঘ সময় ধরে শোনা হলে শুনার সমস্যা তৈরি করতে পারে। অন্য একক যেমন ন্যানোমিটার, হার্টজ বা নিউটন শব্দের দূষণ মাপার জন্য ব্যবহার হয় না। তাই শব্দ দূষণের মাত্রা বোঝাতে ডেসিবেল সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।
শব্দদূষণ:
- মানুষের স্বাভাবিক শ্রবণ ক্ষমতার উর্ধ্বে সৃষ্ট যে কোনো শব্দ যা স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ব্যাঘাত ঘটায় তাই হলো শব্দ দূষণ।
- শব্দের তীব্রতা পরিমাপক একক হচ্ছে ডেসিবল।
- শব্দের মাত্রা ৪৫ ডেসিবল হলেই সাধারণত মানুষ ঘুমাতে পারে না।
- ৮৫ ডেসিবল শ্রবণ শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুর করে এবং মাত্রা ১২০ ডেসিবল হলে কানে ব্যথা শুরু হয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)- এর মতে, সাধারণত ৬০ ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং ১০০ ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে।
- সুতরাং, ৬০ ডেসিবলের চেয়ে বেশি মাত্রার শব্দ শব্দদূষণ ঘটায়।
উৎস: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট এবং পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।