পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭০
সিলেবাস
Exam - 28 Final Model Test-2 topic: Full syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭০ প্রশ্ন

.
'লিচু-চোর' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. পুবের হাওয়া
  2. নতুন চাঁদ
  3. দোলন-চাঁপা
  4. ঝিঙে ফুল
সঠিক উত্তর:
ঝিঙে ফুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঝিঙে ফুল
ব্যাখ্যা
• 'লিচু-চোর' কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের 'ঝিঙে ফুল' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

ঝিঙে ফুল:
- 'ঝিঙে ফুল' ছোটদের কবিতা নিয়ে কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ।
- 'লিচু-চোর', 'প্রভাতী' নামের বিখ্যাত কবিতাগুলো এই কাব্যগ্রন্থেই রয়েছে।

লিচু-চোর,
- কাজী নজরুল ইসলাম

বাবুদের তাল-পুকুরে
হাবুদের ডাল-কুকুরে
সে কি বাস করলে তাড়া,
বলি থাম একটু দাড়া।

পুকুরের ঐ কাছে না
লিচুর এক গাছ আছে না
হোথা না আস্তে গিয়ে
য়্যাব্বড় কাস্তে নিয়ে
গাছে গো যেই চড়েছি
ছোট এক ডাল ধরেছি,

ও বাবা মড়াত করে
পড়েছি সরাত জোরে।
পড়বি পড় মালীর ঘাড়েই,
সে ছিল গাছের আড়েই।
ব্যাটা ভাই বড় নচ্ছার,
ধুমাধুম গোটা দুচ্চার
দিলে খুব কিল ও ঘুষি
একদম জোরসে ঠুসি।

আমিও বাগিয়ে থাপড়
দে হাওয়া চাপিয়ে কাপড়
লাফিয়ে ডিঙনু দেয়াল,
দেখি এক ভিটরে শেয়াল! …

সেকি ভাই যায় রে ভুলা-
মালীর ঐ পিটুনিগুলা!
কি বলিস ফের হপ্তা!
তৌবা-নাক খপ্তা…!

কাজী নজরুল ইসলাম:
- তিনি ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ (২৪ মে, ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- তাঁর পিতা কাজী ফকির আহমদ ছিলেন মসজিদের ইমাম ও মাযারের খাদেম।
- কাজী নজরুল ইসলামের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।
- বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’ এবং আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।
- ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে ১৯৭২ সালের ২৪ মে কবিকে সপরিবারে স্বাধীন বাংলাদেশে আনা হয়। 
- বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবির অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৪ সালের ৯ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এক বিশেষ সমাবর্তনে কবিকে সম্মানসূচক ডি.লিট উপাধিতে ভূষিত করে। 
- ১৯৭৬ সালের জানুয়ারি মাসে কাজী নজরুল ইসলামকে বাংলাদেশ সরকার বাংলাদেশের নাগরিকত্ব প্রদান এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ‘একুশে পদকে’ ভূষিত করে।
- ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ (১২ ভাদ্র, ১৩৮৩) ঢাকার পিজি হাসপাতালে কবি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ:
- অগ্নিবীণা,
- বিষের বাঁশি,
- ভাঙার গান,
- সাম্যবাদী,
- সর্বহারা,
- ফণি-মনসা,
- জিঞ্জির,
- সন্ধ্যা,
- প্রলয় শিখা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; বাংলাপিডিয়া; ঝিঙে ফুল, কাজী নজরুল ইসলাম।
.
'তিনি পুত্রসহ উপস্থিত হলেন।' - এখানে 'সহ' অনুসর্গটি কী অর্থ প্রকাশ করছে?
  1. বিরুদ্ধগামিতা
  2. সঙ্গে
  3. সমসূত্রে
  4. সহগামিতা
সঠিক উত্তর:
সহগামিতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহগামিতা
ব্যাখ্যা
• 'তিনি পুত্রসহ উপস্থিত হলেন।' - এখানে 'সহ' অনুসর্গটি সহগামিতা অর্থ প্রকাশ করছে।

অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয়:
- বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদ রূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে, সেগুলোকে অনুসর্গ বা কর্মপ্রবচনীয় বলে।
- অনুসর্গগুলো কখনো প্রাতিপদিকের পরে ব্যবহৃত হয়, আবার কখনো বা 'কে' এবং 'র' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে বসে।
যেমন -
→ বিনা: দুঃখ বিনা সুখ লাভ হয় কি মহীতে? (প্রাতিপদিকের পরে)
→ সনে: ময়ূরীর সনে নাচিছে ময়ূর। (ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
→ দিয়ে: তোমাকে দিয়ে আমার চলবে না। (দ্বিতীয়ার 'কে' বিভক্তিযুক্ত শব্দের পরে)
- বাংলা ভাষায় বহু অনুসর্গ আছে।
যেমন -
প্রতি, বিনা, বিহনে, সহ, ওপর, অবধি, হেতু, মধ্যে, মাঝে, পরে, ভিন্ন, বই, ব্যতীত, জন্যে, জন্য, পর্যন্ত অপেক্ষা, সহকারে, তরে, পানে, নামে, মতো, নিকট, অধিক, পক্ষে, দ্বারা, দিয়া, দিয়ে, কর্তৃক, সঙ্গে, হইতে, হতে, থেকে, চেয়ে, পাছে, ভিতর, ভেতর ইত্যাদি।
- এদের মধ্যে দ্বারা, দিয়া (দিয়ে), কর্তৃক, হইতে (হতে), চেয়ে, অপেক্ষা, মধ্যে প্রভৃতি কয়েকটি অনুসর্গ বিভক্তিরূপে ব্যবহৃত হয়। 

অনুসর্গের প্রয়োগ:
→ সহ: সহগামিতা অর্থে - তিনি পুত্রসহ উপস্থিত হলেন।
→ সহিত: সমসূত্রে অর্থে - শত্রুর সহিত সন্ধি চাই না।
→ সনে: বিরুদ্ধগামিতা অর্থে - 'দংশনক্ষত শ্যেন বিহঙ্গ যুঝে ভুজঙ্গ সনে।'
→ সঙ্গে: তুলনায় - মায়ের সঙ্গে এ মেয়ের তুলনা হয় না।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
.
মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয় কোনটি?
  1. এর উপায় কি?
  2. বসন্তকুমারী
  3. বিষাদ-সিন্ধু
  4. মহৎ জীবন
সঠিক উত্তর:
মহৎ জীবন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মহৎ জীবন
ব্যাখ্যা
• মীর মশাররফ হোসেনের রচনা নয় - মহৎ জীবন
- এটি ডা. মোঃ লুৎফর রহমান রচিত গ্রন্থ।

মীর মশাররফ হোসেন:
- ১৮৪৭ সালের ১৩ নভেম্বর কুষ্টিয়া জেলার লাহিনীপাড়ায় তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন ঔপন্যাসিক, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক।
- তিনি ছাত্রাবস্থায় 'সংবাদ প্রভাকর' ও কুমারখালির 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা'র মফঃস্বল সংবাদদাতার দায়িত্ব পালন করেন।
এখানেই তাঁর সাহিত্যজীবনের শুরু।
- গ্রামবার্তার সম্পাদক কাঙাল হরিনাথ ছিলেন তাঁর সাহিত্যগুরু।
- তিনি 'আজিজননেহার' ও 'হিতকরী' নামে দুটি পত্রিকাও সম্পাদনা করেন।
- তিনি ছিলেন বঙ্কিমযুগের অন্যতম প্রধান গদ্যশিল্পী ও উনিশ শতকের বাঙালি মুসলমান সাহিত্যিকদের পথিকৃৎ।
- তিনি 'গাজী মিয়াঁ' ছদ্মনামে লিখতেন।
- তাঁর প্রথম গ্রন্থ 'রত্নবতী'(১৮৬৯)। এটি কোন মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

তাঁর রচিত নাটক:
- বসন্তকুমারী
- জমীদার দর্পণ, 
- বেহুলা গীতাভিনয়,
- টালা অভিনয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বিষাদ-সিন্ধু

তাঁর রচিত গ্রন্থ:
- উদাসীন পথিকের মনের কথা, 
- গাজী মিয়াঁর বস্তানী।

তাঁর রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ:
- আমার জীবনী,
- কুলসুম জীবনী ইত্যাদি।

তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- গো-জীবন।

তাঁর রচিত প্রহসন: 
- এর উপায় কি?

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
‘Investiture’ এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. অভিষেক
  2. অন্তর্দর্শন
  3. অনুপ্রবেশ
  4. আগন্তুক
সঠিক উত্তর:
অভিষেক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অভিষেক
ব্যাখ্যা
• ‘Investiture’ এর বাংলা পরিভাষা - অভিষেক

অন্যদিকে, 
• ‘Introspection’ এর বাংলা পরিভাষা - অন্তর্দর্শন।
• ‘Intrusion’ এর বাংলা পরিভাষা - অনুপ্রবেশ।
• ‘Incoming’ এর বাংলা পরিভাষা - আগন্তুক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
.
'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
  1. দীনেশচন্দ্র সেন
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্‌
  3. মুহম্মদ আবদুল হাই
  4. সৈয়দ আলী আহসান
সঠিক উত্তর:
দীনেশচন্দ্র সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দীনেশচন্দ্র সেন
ব্যাখ্যা
• 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' গ্রন্থটির রচয়িতা - দীনেশচন্দ্র সেন

বঙ্গভাষা ও সাহিত্য: 
- 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' (১৮৯৬) দীনেশচন্দ্র সেন রচিত বাংলা সাহিত্যের সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ ধারাবাহিক প্রথম ইতিহাসমূলক গ্রন্থ।
- বঙ্গভাষা ও বঙ্গলিপির উৎপত্তি, সংস্কৃত-প্রাকৃত ও বাংলার সম্পর্ক, প্রাচীন বাংলা সাহিত্য, মধ্যযুগের ধর্মগোষ্ঠী ও তাদের সাথে সাহিত্যের যোগ ইত্যাদি বিষয়ের মনোজ্ঞ 
বিবিরণ লিপিবদ্ধ আছে এই গ্রন্থে।
- এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাসগ্রন্থ যেখানে সাহিত্য ও সমাজের গূঢ় সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়া হয়।

দীনেশচন্দ্র সেন:
- তিনি ১৮৬৬ সালের ৩ নভেম্বর মাতুলালয়, বগজুড়ি গ্রাম, ঢাকা জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি পল্লী অঞ্চলে ঘুরে ঘুরে প্রাচীন বাংলা পুঁথি ও লোককথা সংগ্রহ করেন।
- তাঁর সংগৃহীত পুঁথি থেকে উপকরণ সংগ্রহ করে 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' রচনা করেন।
- 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য' বাংলা সাহিত্যের সুশৃঙ্খল ও তথ্যসমৃদ্ধ ধারাবাহিক প্রথম ইতিহাসমূলক গ্রন্থ।
- তাঁর রচিত একটি গবেষণামূলক গ্রন্থ - 'বঙ্গসাহিত্য পরিচয়' (১৯১৪)।
- তিনি 'মৈমনসিংহ-গীতিকা' (১৯২৩) ও 'পূর্ববঙ্গ গীতিকা (১৯২৬)' সম্পাদনা করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
- ১৯৩৯ সালের ২০ নভেম্বর বেহালায় তাঁর মৃত্যু হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'নদীতে এখন জোয়ার আসবে।' - নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?
  1. কর্মে ৭মী
  2. করণে ৭মী
  3. অপাদানে ৭মী
  4. অধিকরণে ৭মী
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধিকরণে ৭মী
ব্যাখ্যা
• 'নদীতে এখন জোয়ার আসবে।' - নিম্নরেখ শব্দটি অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।

অধিকরণ কারক:
- ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। 
- অধিকরণ কারকে সপ্তমী অর্থাৎ ‘এ’, 'য়', ‘তে’ ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়।
যথা -
→ আধার (স্থান): আমরা রোজ স্কুলে যাই। 
→ কাল (সময়): প্রভাতে সূর্য ওঠে।
- অধিকরণ কারক তিন প্রকার। যথা:
১. আধারাধিকরণ,
২. কালাধিকরণ এবং 
৩. ভাবাধিকরণ।

অধিকরণ কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়োগ:
প্রথমা বা শূন্য বিভক্তি:
- আমি ঢাকা যাব।
- বাবা বাড়ি নেই।

তৃতীয়া বিভক্তি: খিলিপান (এর ভিতরে) দিয়ে ওষুধ খাবে।

পঞ্চমী বিভক্তি: বাড়ি থেকে নদী দেখা যায়।

সপ্তমী বিভক্তি:
- এ বাড়িতে কেউ নেই।
- নদীতে এখন জোয়ার আসবে

• অধিকরণে অনুসর্গের ব্যবহার - ঘরের মধ্যে কে রে? তোমার আসন পাতিব হাটের মাঝে।

• ক্রিয়াকে কখন / কোথায় দ্বারা প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।
- 'নদীতে এখন জোয়ার আসবে।' - এখানে 'কোথায় এখন জোয়ার আসবে?', প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'নদীতে'। তাই 'নদীতে' অধিকরণে ৭মী বিভক্তি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ); বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
'এমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে' পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা -
  1. কায়কোবাদ
  2. জসীম উদ্‌দীন
  3. গোলাম মোস্তফা
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জসীম উদ্‌দীন
ব্যাখ্যা
• 'এমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে' পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা - জসীম উদ্‌দীন

'কবর' কবিতা:
- 'কবর' জসীম উদ্‌দীন এর প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'রাখালী' (১৯২৭) এর অন্তর্ভুক্ত কবিতা।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- কবিতাটি প্রথম 'কল্লোল' পত্রিকায় ছাপা হয়।
- জসীমউদ্‌দীন এর ছাত্রাবস্থায় কবিতাটি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমিক পর্যায়ের পাঠ্য তালিকাভুক্ত হয়।
- এটি মত্রাবৃত্ত ছন্দে রচিত যাতে ১১৮টি পঙ্‌ক্তি আছে।

কবর,
- জসীম উদ্‌দীন

এইখানে তোর দাদীর কবর ডালিম গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা।
সোনালী ঊষায় সোনামুখে তার আমার নয়ন ভরি,
লাঙ্গল লইয়া ক্ষেতে ছুটিতাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত,
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোর তামাশা করিত শত।
------------------------------------------
ওই দূর বনে সন্ধ্যা নামিছে ঘন আবিরের রাগে,
এমনি করিয়া লুটায়ে পড়িতে বড় সাধ আজ জাগে
মজীদ হইছে আজান হাঁকিছে বড় সকরুণ সুর,
মোর জীবনের রোজকেয়ামত ভাবিতেছি কত দুর!
জোড়হাতে দাদু মোনাজাত কর্, ‘আয় খোদা, রহমান,
ভেস্ত নাজেল করিও সকল মৃত্যু-ব্যথিত প্রাণ!’

জসীম উদ্‌দীন: 
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি পল্লিকবি হিসেবে পরিচিত।
- তাঁর রচিত উপন্যাস 'বোবা কাহিনী'।
- তাঁর রচিত 'নক্সী কাঁথার মাঠ' একটি বিখ্যাত গাথাকাব্য। এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
- E.M. Millford গ্রন্থটি 'The Field of the Embroidered Quilt' নামে অনুবাদ করেন।
- তিনি প্রেসিডেন্টের প্রাইড অব পারফরমেন্স পুরস্কার (১৯৫৮), বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬) ও স্বাধীনতা দিবস পুরস্কারে (মরণোত্তর, ১৯৭৮) ভূষিত হন। 
- ১৯৭৬ সালের ১৩ মার্চ তিনি ঢাকায় মারা যান।

তাঁর রচিত বিখ্যাত গাথাকাব্য: 
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

তাঁর রচিত জনপ্রিয় খণ্ড কবিতার সংকলন:
- রাখালী,
- বালুচর,
- রূপবতী,
- ধানখেত,
- মাটির কান্না,
- সুচয়নী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
.
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা সাক্ষ্য আইনের কত ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে?
  1. ৩ ধারা
  2. ১৩ ধারা
  3. ৪৮ ধারা
  4. ৪১ ধারা
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ ধারা
ব্যাখ্যা
ধারা ৪৮- অধিকার অথবা প্রথার অস্তিত্ব সম্বন্ধে অভিমত যখন প্রাসঙ্গিক:
কোন সাধারণ প্রথা অথবা অধিকারের অস্তিত্ব সম্পর্কে যেক্ষেত্রে আদালতকে কোন অভিমত গ্রহণ করতে হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত প্রথা বা অধিকারের অস্তিত্ব থাকলে যে সমস্ত ব্যক্তির পক্ষে তা জানা স্বাভাবিক, এর অস্তিত্ব সম্বন্ধে তার অভিমত প্রাসঙ্গিক।

ব্যাখ্যাঃ "সাধারণ প্রথা অথবা অধিকার" কথাটি বলতে যথেষ্ঠ সংখ্যক ব্যক্তির একটি শ্রেণীর ভিতর সাধারণভাবে প্রচলিত প্রথা বা অধিকারও বুঝায়।

উদাহরণ
কোন একটি গ্রামের অধিবাসীদের নির্ধারিত কোন একটি কূপের পানির ব্যবহার করার অধিকার থাকলে, তা এ ধারার অর্থ অনুযায়ী সাধারণ অধিকার বলে বিবেচিত হবে।

Section 48- Opinion as to existence of right or custom, when relevant:

When the Court has to form an opinion as to the existence of any general custom or right, the opinions, as to the existence of such custom or right, of persons who would be likely to know of its existence if it existed, are relevant.

Explanation. The expression "general custom or right" includes customs or rights common to any considerable class of persons.

Illustration
The right of the villagers of a particular village to use the water of a particular well is a general right within the meaning of this section.
.
In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant under Section ______ of The Evidence Act,1872.
  1. 55
  2. 53
  3. 57
  4. 52
সঠিক উত্তর:
53
উত্তর
সঠিক উত্তর:
53
ব্যাখ্যা
Section 53In criminal proceedings the fact that the person accused is of a good character is relevant.

সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারামতে,
ফৌজদারি মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভাল চরিত্র বা সচ্চরিত্র প্রাসঙ্গিক।
১০.
আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, উক্ত সাজা শুধুমাত্র সে কারণে-
  1. বাতিল হবে
  2. বেআইনী হবে
  3. বেআইনী হবে না
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
• ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:

আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।

Section 133- Accomplice:

An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.
১১.
যুগ্ম দায়রা জজের নিম্নের কোন শাস্তি দেয়ার এখতিয়ার নেই?
  1. ৭ বছর কারাদণ্ড
  2. ১০ বছর কারাদণ্ড
  3. ১৪ বছর কারাদণ্ড
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪ বছর কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
যুগ্ম দায়রা জজ সর্বোচ্চ শাস্তি ১০ বছরের কারাদণ্ড দিতে পারে।

• ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারার বিধান অনুযায়ী হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেনঃ

(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হাইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass-

(1) The High Court Division may pass any sentence authorized by law.

(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.

(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
১২.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় দায়রা আদালত অব্যাহতির আদেশ দিতে পারেন?
  1. ২৪১গ
  2. ২৬৫ক
  3. ২৬৫গ
  4. ২৪১ক
সঠিক উত্তর:
২৬৫গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৫গ
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি এবং ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত কর্তৃক অভিযুক্তকে অব্যাহতি প্রদানের ক্ষমতা দেয়া হয়েছে।

• ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এবং দায়রা আদালতে ফৌজদারি মামলার বিচার করা হয়। আদালত অভিযুক্তকে অব্যাহতি,চার্জ গঠন,খালাস বা শাস্তি প্রদানের আদেশ দিয়ে থাকে।ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচার সম্পর্কে ফৌজদারি কার্যবিধির ২৪১ থেকে ২৫০ ধারা পর্যন্ত বর্ণনা করা হয়েছে এবং ধারা ২৬৫ক-২৬৫জ তে দায়রা আদালত কর্তৃক বিচার সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

• ফৌজদারি মামলার বিচার শুরুর পূর্বে ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ক ধারায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বা ২৬৫গ ধারায় দায়রা আদালত চার্জ গঠনের শুনানীর জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করে। ২৪১ক ধারায় বা ২৬৫গ ধারায় উক্ত চার্জ গঠনের শুনানীর সময় অভিযুক্ত ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট বিচারিক আদালতে অব্যাহতির আবেদন করতে পারে।চার্জ গঠনের শুনানী এবং অব্যাহতির আবেদনের শুনানী একই দিনে হতে হবে।

আদালত মামলার নথি ও দাখিলকৃত কাগজপত্র আমলে নিয়ে যদি এই মত পোষণ করেন যে, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ ভিত্তিহীন, তাহলে চার্জ গঠন না করে তথা চার্জ গঠনের পূর্বে অভিযুক্তকে অব্যাহতি দিতে পারেন।
১৩.
ভিন্ন কোনো বিধান না থাকার সাপেক্ষে, দণ্ডবিধি ব্যতীত অন্য আইনের অধীন _________ অপরাধ ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী জামিনযোগ্য হবে।
  1. ১ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  2. ৩ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  3. ৫ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
  4. ২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ বছরের কম শাস্তিযোগ্য
ব্যাখ্যা
• জামিনযোগ্য অপরাধঃ-

ফৌজধারী কার্যবিধি ৪(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ বা “Bailable Offence’ সম্পর্কে বলা হয়েছে। যে সকল অপরাধ ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে জামিনযোগ্য বলে দেখানো হয়েছে যা বর্তমানে বলবৎ কোন আইন দ্বারা জামিন যোগ্য করা হয়েছে তাকে জামিনযোগ্য অপরাধ বলা হয়।

ফৌজদারী কার্যবিধি ২য় তফসিলে উল্লেখিত রয়েছে যে,
দণ্ডবিধি ব্যতীত অপর কোন আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে উক্ত আইনে ভিন্ন কোন বিধান না থাকলে, অপরাধটি যদি দুই বছরের কম শাস্তিযোগ্য কিংবা কেবল অর্থদণ্ড প্রদানযোগ্য হয়  তবে উক্ত অপরাধটি জামিনযোগ্য হবে।
১৪.
কোন ধরনের সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে না?
  1. বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি
  2. অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তি
  3. দস্যুতা কর্তৃক অর্জিত সম্পত্তি
  4. প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি
ব্যাখ্যা
• দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারা মতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-

(i) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
(ii) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
(iii) দস্যুতা এবং ডাকাতিমূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং 
(iv) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

ধারা ৪১০: চোরাই সম্পত্তি
চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে “চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি ‘চোরাই সম্পত্তি' বলে । কিন্তু উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

Section 410: Stolen property
Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
১৫.
'ক', 'খ'- কে একটি মামলা করা হতে বিরত রাখার জন্য, 'খ'- এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভয় দেখায়। এক্ষেত্রে 'ক' কোন অপরাধের দায়ে অপরাধী হবে?
  1. দস্যুতা
  2. বলপূর্বক গ্রহণ
  3. অনিষ্টসাধন
  4. অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৫০৩ ধারা: অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করা-

কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তিকে তার দেহের, খ্যাতির বা সম্পত্তির অথবা সে ব্যক্তি যার সাথে স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এমন কোন লোকের দেহের বা খ্যাতির ক্ষতি বা হানি করার ভীতি প্রদর্শন করে এবং সে ব্যক্তির ভয় সরকারের উদ্দেশ্যে অথবা সে ব্যক্তিকে হুমকি হতে বাঁচার জন্য সে আইনতঃ যা করতে বাধ্য নয়, তাকে তা করতে বাধ্য করায়, অথবা সে আইনত যা করার ক্ষমতা সম্পন্ন, তাকে তা করা হতে বিরত থাকতে বাধ্য করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ ভীতি প্রদর্শন করে, তবে সে ব্যক্তি অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শন করেছে।

ব্যাখ্যা:- ভীতি প্রদর্শিত ব্যক্তির স্বার্থ নিহিত আছে এমন কোন মৃত ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার ভীতি প্রদর্শন এই ধারার আওতাধীন হবে।

উদাহরণঃ
ক খ-কে একটি দেওয়ানী মামলা পরিচালনা করা হতে বিরত করার জন্য খ-এর বাড়ি পুড়ে ফেলার ভীতি প্রদর্শন করে, ক অপরাধমূলক ভীতি প্রদর্শনের দায়ে অপরাধী হবে।

Section 503: Criminal Intimidation
Whoever threatens another with any injury to his person, reputation or property, or to the person or reputation of any one in whom that person is interested, with intent to cause alarm to that person, or to cause that person to do any act which he is not legally bound to do, or to omit to do any act which that person is legally entitled to do, as the means of avoiding the execution of such threat, commits criminal intimidation.
Explanation:- A threat to injure the reputation of any deceased person in whom the person threatened is interested, is within this sect on.

Illustration:
A, for the purpose of inducing B to desist from prosecuting a civil suit, threatens to burn B's house. A is guilty of criminal intimidation.
১৬.
সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে 'জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা' নিশ্চিতের বিধান রয়েছে?
  1. ১৯(৩) অনুচ্ছেদে
  2. ২৮(২) অনুচ্ছেদে
  3. ১৯(১) অনুচ্ছেদে
  4. ২৮(৪) অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ১৯ (৩) অনুচ্ছেদে জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা [equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life] নিশ্চিতের বিধান করা হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা

(১) সকল নাগরিকের অন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবে।
(২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে ধুলের সানী বেন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
(৩) জাতীয় জীবনের সর্স্তররে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবে।

Article 19: Equality of opportunity

(1) The State shall endeavour to ensure equality of opportunity to all citizens. 
(2) The State shall adopt effective measures to remove social and economic inequality between man and man and to ensure the equitable distribution of wealth among citizens, and of opportunities in order to attain a uniform level of economic development throughout the Republic. 
(3) The State Shall endeavour to ensure equality of opportunity and participation of women in all spheres of national life.

• অপরদিকে, সংবিধানের ২৮ (২) অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার এবং ২৮ (৪) অনুচ্ছেদে নারী, শিশু এবং নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান নিশ্চিত হয়েছে।

অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য

(১) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না। 
(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।
(৩) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে জনসাধারণের কোন বিনোদন বা বিশ্রামের স্থানে প্রবেশের কিংবা কোন শিক্ষা-প্রতিষ্ঠানে ভর্তির বিষয়ে কোন নাগরিককে কোনরূপ অক্ষমতা, বাধ্যবাধকতা, বাধা বা শর্তের অধীন করা যাইবে না। 
(৪) নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোন অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান-প্রণয়ন হইতে এই অনুচ্ছেদের কোন কিছুই রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।

Article 28: Discrimination on grounds of religion, etc.

(1) The State shall not discriminate against any citizen on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth. 
(2) Women shall have equal rights with men in all spheres of the State and of public life. 
(3) No citizen shall, on grounds only of religion, race, caste, sex or place of birth be subjected to any disability, liability, restriction or condition with regard to access to any place of public entertainment or resort, or admission to any educational institution. 
(4) Nothing in this article shall prevent the State from making special provision in favour of women or children or for the advancement of any backward section of citizens.
১৭.
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে কয়টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
• সংবিধানের ২৫ অনুচ্ছেদে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি কি সেটা আলোচনা করা হয়েছে। ২৫ অনুচ্ছেদ অনুসারে, নিম্নলিখিত ৪টি নীতি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি হবে-
১. জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা,
২. অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা,
৩. আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং
8. আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা।

আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন করতে উপরে উল্লেখিত নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র-
ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবে;
খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবে; এবং
গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবে

Article 25: Promotion of international peace, security and solidarity
The State shall base its international relations on the principles of respect for national sovereignty and equality, non interference in the internal affairs of other countries, peaceful settlement of international disputes, and respect for international law and the principles enunciated in the United Nations Charter, and on the basis of those principles shall – 
(a) strive for the renunciation of the use of force in international relations and for general and complete disarmament; 
(b) uphold the right of every people freely to determine and build up its own social, economic and political system by ways and means of its own free choice; and 
(c) support oppressed peoples throughout the world waging a just struggle against imperialism, colonialism or racialism.
১৮.
বাংলাদেশ সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদের কোন দফা প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত বিধানের প্রয়োগকে প্রভাবিত করবে না?
  1. ৪ ও ৫ দফা
  2. ২ ও ৪ দফা
  3. ১ ও ৪ দফা
  4. ৩ ও ৫ দফা
সঠিক উত্তর:
৩ ও ৫ দফা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ও ৫ দফা
ব্যাখ্যা
• অনুচ্ছেদ ৩৫: বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ

(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।

Article 35: Protection in respect of trial and punishment

(1) No person shall be convicted of any offence except for violation of a law in force at the time of the commission of the act charged as an offence, nor be subjected to a penalty greater than, or different from, that which might have been inflicted under the law in force at the time of the commission of the offence. 
(2) No person shall be prosecuted and punished for the same offence more than once. 
(3) Every person accused of a criminal offence shall have the right to a speedy and public trial by an independent and impartial Court or tribunal established by law. 
(4) No person accused of any offence shall be compelled to be a witness against himself. 
(5) No person shall be subjected to torture or to cruel, inhuman, or degrading punishment or treatment. 
(6) Nothing in clause (3) or clause (5) shall affect the operation of any existing law which prescribes any punishment or procedure for trial.
১৯.
"সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।"- এই বিধান বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ৭২ অনুচ্ছেদে
  2. ৭৬ অনুচ্ছেদে
  3. ৭৮ অনুচ্ছেদে
  4. ৭৯ অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৭৮ অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৮ অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৭৮: সংসদ ও সদস্যদের বিশেষ অধিকার ও দায়মুক্তি:

(১) সংসদের কার্যধারার বৈধতা সম্পর্কে কোন আদালতে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না।
(২) সংসদের যে সদস্য বা কর্মচারীর উপর সংসদের কার্যপ্রণালীনিয়ন্ত্রণ, কার্যপরিচালনা বা শৃঙ্খলারক্ষার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকিবে, তিনি এই সকল ক্ষমতাপ্রয়োগ সম্পর্কিত কোন ব্যাপারে কোন আদালতের এখতিয়ারের অধীন হইবেন না।
(৩) সংসদে বা সংসদের কোন কমিটিতে কিছু বলা বা ভোটদানের জন্য কোন সংসদ-সদস্যের বিরুদ্ধে কোন আদালতে কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৪) সংসদ কর্তৃক বা সংসদের কর্তৃত্বে কোন রিপোর্ট, কাগজপত্র, ভোট বা কার্যধারা প্রকাশের জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোন আদালতে কোন কার্যধারা গ্রহণ করা যাইবে না।
(৫) এই অনুচ্ছেদ-সাপেক্ষে সংসদের আইন-দ্বারা সংসদের, সংসদের কমিটিসমূহের এবং সংসদ-সদস্যদের বিশেষ-অধিকার নির্ধারণ করা যাইতে পারিবে।

Article 78. Privileges and immunities of Parliament and members:

(1) The validity of the proceedings in Parliament shall not be questioned in any court.
(2) A member or officer of Parliament in whom powers are vested for the regulation of procedure, the conduct of business or the maintenance of order in Parliament, shall not in relation to the exercise by him of any such powers be subject to the jurisdiction of any court.
(3) A member of Parliament shall not be liable to proceedings in any court in respect of anything said, or any vote given, by him in Parliament or in any committee thereof.
(4) A person shall not be liable to proceedings in any court in respect of the publication by or under the authority of Parliament of any report, paper, vote or proceeding.
(5) Subject to this article, the privileges of Parliament and of its committees and member may be determined by Act of Parliament.
২০.
প্রধান বিচারপতি ব্যতীত সুপ্রীমকোর্টের অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক?
  1. কারো পরামর্শ ব্যতীত রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
  2. প্রধানমন্ত্রীর সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
  3. প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
  4. রাষ্ট্রপতির সাথে পরামর্শ করে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করবেন
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধান বিচারপতির সাথে পরামর্শ করে রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করবেন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের বিধান: বিচারক-নিয়োগ: 

(১) প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

(২) কোন ব্যক্তি বাংলাদেশের নাগরিক না হইলে, এবং
(ক) সুপ্রীম কোর্টে অন্যূন দশ বৎসরকাল এ্যাডভোকেট না থাকিয়া থাকিলে; অথবা
(খ) বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে অন্যূন দশ বৎসর কোন বিচার বিভাগীয় পদে অধিষ্ঠান না করিয়া থাকিলে; অথবা
(গ) সুপ্রীমকোর্টের বিচারক পদে নিয়োগলাভের জন্য আইনের দ্বারা নির্ধারিত যোগ্যতা না থাকিয়া থাকিলে ; তিনি বিচারকপদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
 
(৩) এই অনুচ্ছেদে ‘‘সুপ্রীম কোর্ট’’ বলিতে এই সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে যে কোন সময়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে আদালত হাইকোর্ট হিসাবে এখতিয়ার প্রয়োগ করিয়াছে, সেই আদালত অন্তর্ভুক্ত হইবে।

Article 95: Appointment of Judges

(1) The Chief Justice shall be appointed by the President, and the other Judges shall be appointed by the President after consultation with the Chief Justice.
(2) A person shall not be qualified for appointment as a Judge unless he is a citizen of Bangladesh and –
(a) has, for not less than ten years, been an advocate of the Supreme Court ; or
(b) has, for not less than ten years, held judicial office in the territory of Bangladesh ; or
(c) has such qualifications as may be prescribed by law for appointment as a Judge of the Supreme Court.
 
(3) In this article, “Supreme Court” includes a court which at any time before the commencement of this Constitution exercised jurisdiction as a High Court in the territory of Bangladesh.
২১.
'The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions'.Which article of the Constitution contains the provision?
  1. Article 118 (2)
  2. Article 118 (1)
  3. Article 118 (3)
  4. Article 118 (4)
সঠিক উত্তর:
Article 118 (4)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Article 118 (4)
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা

(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।

(২) একাধিক নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া নির্বাচন কমিশন গঠিত হইলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার তাহার সভাপতিরূপে কার্য করিবেন।

(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর প্রধান নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।

(৪) নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।

(৫) সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনারদের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সুপ্রীম কোর্টের বিচারক যেরূপ পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত কোন নির্বাচন কমিশনার অপসারিত হইবেন না।

(৬) কোন নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ ত্যাগ করিতে পারিবেন।

Article 118: Establishment of Election Commission

(1) There shall be an Election Commission for Bangladesh consisting of 67[the Chief Election Commissioner and not more than four Election Commissioners] and the appointment of the Chief Election Commissioner and other Election Commissioners (if any) shall, subject to the provisions of any law made in that behalf, be made by the President. 
 
(2) When the Election Commission consists of more than one person, the Chief Election Commissioner shall act as the chairman thereof. 

(3) Subject to the provisions of this Constitution the term of office of an Election Commissioner shall be five years from the date on which he enters upon his office, and – 
(a) a person who has held office as Chief Election Commissioner shall not be eligible for appointment in the service of the Republic; 
(b) any other Election Commissioner shall, on ceasing to hold office as such, be eligible for appointment as Chief Election Commissioner but shall not be otherwise eligible for appointment in the service of the Republic. 
 
(4) The Election Commission shall be independent in the exercise of its functions and subject only to this Constitution and any other law. 

(5) Subject to the provisions of any law made by Parliament, the conditions of service of Election Commissioners shall be such as the President may, by order, determine: 
Provided that an Election Commissioner shall not be removed from his office except in like manner and on the like grounds as a Judge of the Supreme Court. 

(6) An Election Commissioner may resign his office by writing under his hand addressed to the President.
২২.
The General Clauses Act, 1897 এর কত ধারায় 'Advocate' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ৩(২ক)
  2. ৩(২)
  3. ৩(৩ক)
  4. ৩(৪)
সঠিক উত্তর:
৩(২ক)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩(২ক)
ব্যাখ্যা
• Section 3(2a) of The General Clauses Act,1897-

"Advocate" means a person enrolled as such under the Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Order, 1972.
২৩.
Obiter Dictum means-
  1. the reason for a decision
  2. action speaks louder than words
  3. the fact which cannot be altered
  4. a thing said by the way
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
উত্তর
সঠিক উত্তর:
a thing said by the way
ব্যাখ্যা
• একটি Judgment -এর চারটি অংশ থাকে; যথা-
০১. A concise statement of fact;
০২. Point of determination or issue;
০৩. Reason behind the judgment;
০8. The decision thereon;

আদালতের Reasoning- কে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়:
i. Ratio decidendi;
ii. Obiter Dictum;

Ratio decidendi-
The meaning of ratio decidendi is Latin for “the reason,” or “the foundation for” a decision. For example, ratio decidendi in the field of law refers to the moment or principle in a case that ultimately determines its outcome. Ratio decidendi is a legal rule regarding the legal reasoning behind the judgment of the judge or jury.

অর্থাৎ সেই সব Legal Basis বা Legal Principles যেগুলোর উপর ভিত্তি করে আদালত রায় প্রদান করে। Precedent হিসেবে Ratio decidendi এর binding force আছে। নজির হিসেবে আদালত মানতে বাধ্য।

Obiter Dictum-
"A thing said by the way" অর্থাৎ মামলার রায়ের এমন অংশকে বোঝায়, যেটা মান্য করা বাধ্যতামূলক নয়; বরং বিচারক যেটা কথা প্রসঙ্গে বলে থাকেন। অর্থাৎ, রায় প্রদানের সময় বিচারক প্রসঙ্গক্রমে যে সব কথা বলেন, তাই Obiter Dictum এর binding force নেই তবে, persuasive value আছে।
২৪.
দুই পক্ষ যদি চুক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না থাকে, তাহলে চুক্তিটি ______ বলে গণ্য হয়।
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা
ধারা ২০- সম্মতির উভয়পক্ষ সম্মতি সম্পর্কিত তথ্য সম্পর্কে ভুলের অধীন হলে সম্মতিটি বাতিল

⇒ সম্মতির উভয় পক্ষ সম্মতি সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় তথ্য সম্পর্কে ভুল করলে (Mistake as to matter of fact) সেই সম্মতিটি বাতিল।
দুই পক্ষ যদি চুক্তির বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না থাকে, তাহলে চুক্তিটি বাতিল বলে গণ্য হয়।

তবে, সম্মতির বিষয়বস্তুর অন্তর্ভুক্ত কোন জিনিসের মূল্য সম্পর্কে ভুল ধারণা কোন তথ্য বিষয়ক ভুল বলে বিবেচিত হবে না।

Section 20- Agreement void where both parties are under mistake as to matter of fact
Where both the parties to an agreement are under a mistake as to a matter of fact essential to the agreement, the agreement is void.
Explanation - An erroneous opinion as to the value of the thing which forms the subject-matter of the agreement is not to be deemed a mistake as to a matter of fact.
২৫.
অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে, নিবন্ধন ফিসের কত গুণ পর্যন্ত জরিমানা দিয়ে দলিল নিবন্ধন করা যেতে পারে?
  1. অনধিক ৩ গুণ
  2. অনধিক ৫ গুণ
  3. অনধিক ১০ গুণ
  4. অনধিক ২০ গুণ
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ গুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০ গুণ
ব্যাখ্যা
ধারা ২৫- অনিবার্য কারণবশত দলিল দাখিলে বিলম্ব হলে বিধান

১) দেশে সম্পাদিত কোন দলিল বা প্রদর কোন ডিক্রি বা আদেশের নবদল যদি কোন জরুরি প্রয়োজন বা কোন অনিবার্য ঘিটনার জন্য নির্ধারিত সময়সীমা অতিক্রম হওয়ার পূর্বে নিবন্ধনের জন্য উপস্থাপন করা না হয়, এবং দাখিল করতে যদি ৪ মাসের অধিক বিলম্ব না হয়, নিবন্ধন ফিসের অনুর্ধ্ব দশ গুণ টাকা জরিমানাস্বরূপ প্রদান করলে রেজিস্ট্রার উক্ত জলিল নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ করতে নির্দেশ দিতে পারেন।

২) এরূপ নির্দেশ প্রাপ্তির জন্য আবেদন সাব-রেজিস্ট্রারের অফিসে দাখিল করা যেতে পারে এবং সঙ্গে সঙ্গেই সাব-রেজিস্ট্রার তার উর্ধ্বতন রেজিস্ট্রারের নিকট দরখাস্ত প্রেরণ করবে।

Section 25- Provision where delay in presentation is unavoidable
(1) If, owing to urgent necessity or unavoidable accident, any document executed, or copy of a decree or order made, in Bangladesh is not presented for registration till after the expiration of the time hereinbefore prescribed in that behalf, the Registrar, in cases where the delay in presentation does not exceed four months, may direct that, on payment of a fine not exceeding ten times the amount of the proper registration-fee, such document shall be accepted for registration. 
 
(2) Any application for such direction may be lodged with a Sub-Registrar, who shall forthwith forward it to the Registrar to whom he is subordinate.
২৬.
'No consideration is necessary to create an agency.'- এই বিধানটি The Contract Act, 1872 এর কত ধারায় দেয়া আছে?
  1. ১৮৩ ধারায়
  2. ১৮৫ ধারায়
  3. ২০১ ধারায়
  4. ১৮৮ ধারায়
সঠিক উত্তর:
১৮৫ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫ ধারায়
ব্যাখ্যা
Section 185- Consideration not necessary
No consideration is necessary to create an agency.

ধারা ১৮৫- প্রতিদানের প্রয়োজন নেই:
এজেন্সি সৃষ্টির জন্য কোন প্রতিদানের প্রয়োজন নেই।
২৭.
'ক' তার একটি গাভীর যত্ন নেওয়ার জন্য 'খ' এর হেফাজতে রাখেন। 'খ' এর হেফাজতে থাকাকালীন গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। উক্ত বিষয়ে ভিন্ন কোনো চুক্তি না থাকলে, সেই বাছুরটির দাবীদার কে হবে?
  1. 'খ'
  2. 'ক'
  3. 'ক' ও 'খ' উভয়ে
  4. 'খ' এর ইচ্ছানুযায়ী সিদ্ধান্ত হবে
সঠিক উত্তর:
'ক'
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক'
ব্যাখ্যা
চুক্তি আইনের ১৬৩ ধারা- জিম্মাকৃত পণ্যের বৃদ্ধি বা লাভের অধিকারী জিম্মাদাতা:

জিম্মাকৃত পণ্যের কোন বৃদ্ধি বা লাভ জিম্মাদার জিম্মাদাতাকে বা জিম্মাদাতার নির্দেশ অনুসারে প্রদান করতে বাধ্য।

উদাহরণ
A একটি গাভী যত্ন নেওয়ার জন্য B এর হেফাজতে রাখেন। গাভীটি একটি বাছুর জন্ম দিলো। B গাভীটির সাথে বাছুরটিকেও A এর নিকট প্রদান করতে বাধ্য।

যেহেতু উল্লিখিত ক্ষেত্রে 'ক' হচ্ছে জিম্মাদাতা এবং উক্ত বিষয়ে তাদের মধ্যে ভিন্ন কোনো চুক্তি নেই, সেহেতু বাছুরটির দাবীদার একমাত্র 'ক' হবে।

Section 163: Bailor entitled to increase or profit from goods bailed
In the absence of any contract to the contrary, the bailee is bound to deliver to the bailor, or according to his directions, any increase or profit which may have accrued from the goods bailed.

Illustration 
A leaves a cow in the custody of B to be taken care of. The cow has a calf. B is bound to deliver the calf as well as the cow to A.
২৮.
A transfer of immovable property made with the intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be:
  1. Void
  2. Voidable at the discretion of the court
  3. Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
  4. None of the above
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Voidable at the option of any creditor so defeated or delayed
ব্যাখ্যা
• শঠতামূলক হস্তান্তর (Fraudulent transfer):

৫৩ ধারা অনুসারে,
হস্তান্তরকারী তার পাওনাদারদের (creditors) ঠকানো বা পাওনা আদায়ে বিলম্বিত করার উদ্দেশ্যে যদি কোন স্থাবর সম্পত্তি হস্তান্তর করে, তাহলে যেকোন পাওনাদারের দাবী অনুযায়ী উক্ত হস্তান্তর বাতিলযোগ্য বিবেচিত হবে।

⇒ পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের উদ্দেশ্যে পূর্বে সম্পাদিত প্রত্যেকটি বিনামূল্যের হস্তান্তর পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতার দাবিক্রমে বাতিল বলে বিবেচিত হবে।
⇒ পরবর্তী কোনো একটি হস্তান্তর মূল্যের বিনিময়ে করা হয়েছে, কেবল এ কারণেই ধরে নেয়া হবে না যে, পূর্বের বিনামূল্যের হস্তান্তরটি পরবর্তী হস্তান্তর গ্রহীতাকে ঠকানাের জন্য করা হয়েছিল।

Section 53: Fraudulent transfer

(1) Every transfer of immoveable property made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor shall be voidable at the option of any creditor so defeated or delayed. Nothing in this sub-section shall impair the rights of a transferee in good faith and for consideration. Nothing in this sub-section shall affect any law for the time being in force relating to insolvency. 
 
A suit instituted by a creditor (which term includes a decree-holder whether he has or has not applied for execution of his decree) to avoid a transfer on the ground that it has been made with intent to defeat or delay the creditors of the transferor, shall be instituted on behalf, or for the benefit of, all the creditors. 
 
(2) Every transfer of immoveable property made without consideration with intent to defraud a subsequent transferee shall be voidable at the option of such transferee. 
For the purposes of this sub-section, no transfer made without consideration shall be deemed to have been made with intent to defraud by reason only that a subsequent transfer for consideration was made.
২৯.
১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনে কয় ধরনের হস্তান্তরের বিধান রয়েছে?
  1. ৬ ধরনের
  2. ৫ ধরনের
  3. ৪ ধরনের
  4. ৭ ধরনের
সঠিক উত্তর:
৫ ধরনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫ ধারায় বলা হয়েছে যে-
”সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে সেই কাজকে বুঝায়, যা দ্বারা একজন জীবিত ব্যক্তি বর্তমানে বা ভবিষ্যত কোন সম্পত্তি এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিকে বা নিজেকে বা তার নিজের এক বা একাধিক জীবিত ব্যক্তিগনের কাছে অর্পন করেন এবং এরুপ কাজকে সম্পত্তি হস্তান্তর বলা হয়।

এই ধারানুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর শুধুমাত্র জীবিত ব্যক্তিগনের মাঝে সম্পন্ন হবে। তাছাড়া, হস্তন্তরের জন্য সম্পত্তির অস্তিত্ব থাকা প্রয়োজন। অস্তিত্ববিহীন সম্পত্তি হস্তান্তর করা যায না।

সম্পত্তি হস্তান্তর আইন অনুসারে সম্পত্তি হস্তান্তর বলতে পক্ষগনের কার্যদ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তরের কতিপয় অংশকে বুঝায়। আইনের কার্যকারিতা দ্বারা সম্পত্তি হস্তান্তর বুঝায় না।

• ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের আওতায় পাঁচটি পদ্ধতির মাধ্যমে এক ব্যক্তি তার স্থাবর সম্পত্তি অপর কোন জীবিত ব্যক্তির অনুকূলে হস্তান্তর করতে পারে। এগুলি হচ্ছে-

১/ বিক্রয়,
২/ রেহেন, 
৩/ ইজারা, 
৪/ দান ও
৫/ বিনিময়।

অন্য কোন পদ্ধতিতে সম্পত্তি হস্তান্তর এই আইনের আওতাভূক্ত নয়।
৩০.
রাকিব তার একটি দোকান শুভর কাছে রেহেন রেখে, তার থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করে। এক্ষেত্রে রাকিবের ঋণের দাবী-
  1. নিরাপদ ঋণ হিসেবে গণ্য হবে না
  2. নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
  3. জামানতবিহীন ঋণ হিসেবে গণ্য হবে
  4. নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না
ব্যাখ্যা
নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim)

অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

উল্লিখিত ক্ষেত্রে রাকিব তার একটি দোকান শুভর কাছে রেহেন রেখে, তার থেকে ১ লক্ষ টাকা ঋন গ্রহন করে। এক্ষেত্রে রাকিবের ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী হিসেবে গণ্য হবে না। কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ। যদি রাকিব বন্ধক ছাড়া অর্থাৎ জামানত ছাড়া ঋণ গ্রহণ করতো। তাহলে তা নালিশযোগ্য দাবী বলে গণ্য হতো।

Section 3:
“Actionable claim” means a claim to any debt, other than a debt secured by mortgage of immoveable property or by hypothecation or pledge of moveable property, or to any beneficial interest in moveable property not in the possession, either actual or constructive, of the claimant, which the Civil Courts recognize as affording grounds for relief, whether such debt or beneficial interest be existent, accruing, conditional or contingent:
৩১.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 এর কত ধারায় 'প্রজা (tenant)' এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(২৭) ধারায়
  2. ২(১৭) ধারায়
  3. ২(১৫) ধারায়
  4. ২(৩০) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(২৭) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(২৭) ধারায়
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950

ধারা ২(২৭) প্রজা (tenant): বলতে এমন ব্যক্তিকে বুঝায় যে অপরের অধীনে ভূমি দখল করে আছে ও উক্ত ভূমির জন্য কোন খাজনা প্রদান করতে বাধ্য থাকে। তবে কোন ব্যক্তি যদি সাধারণভাবে প্রচলিত 'আধি', 'বর্গা' বা 'ভাগ' এর অধীনে অপরের জমি এই শর্তে চাষ করে যে অনুরূপ ব্যক্তিকে সে উৎপন্ন ফসলের একটি অংশ প্রদান করবে তবে সে প্রজা নয়। কিন্তু উক্ত ব্যক্তি প্রজা হিসাবে বিবেচিত হবে-

⇒ যদি তার ভূমির মালিক কর্তৃক সম্পাদিত ও গৃহীত কোন দলিল দ্বারা একজন প্রজা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়;
⇒ কোন দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উক্ত ব্যক্তিকে যদি প্রজা হিসাবে ঘোষণা দেয়।
৩২.
খতিয়ান প্রস্তুতকরণ সম্পর্কিত কোনো মোকদ্দমায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক প্রদত্ত রায় বা আদেশ-
  1. কার্যকর হবে
  2. আইনগত বৈধতা থাকবে
  3. অবৈধ হবে
  4. ক ও খ
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধ হবে
ব্যাখ্যা
ধারা ১৪৪খ- দেওয়ানি আদালতের এখতিয়ারে বিধি-নিষেধ (Bar to jurisdiction of civil court)

১৯ অধ্যায় অনুযায়ী কোন খতিয়ান বা স্বত্বলিপি বা তার অংশ বিশেষ প্রস্তুতকরণ, প্রকাশনা, স্বাক্ষরকরণ বা প্রত্যয়ন সম্পর্কে দেওয়ানি আদালতে কোন ধরনের মোকদ্দমা বা আবেদন দাখিল করা যাবে না।

⇒ উক্ত মোকদ্দমা এবং আবেদন যদি দেওয়ানি আদালতে বিচারাধীন থাকে তা আর অগ্রসর হবে না এবং বাতিল হবে।
উক্তরূপ কোন মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করা হয় তা অকার্যকর হবে এবং কোন আইনগত বৈধতা থাকবে না।
৩৩.
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩ অনুসারে, কত বিঘা পর্যন্ত কৃষি জমির উন্নয়ন কর মওকুফ করা হয়েছে?
  1. ৬০ বিঘা
  2. ২৫ বিঘা
  3. ৩০ বিঘা
  4. ১০০ বিঘা
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ বিঘা
ব্যাখ্যা
ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩:

- ভূমি উন্নয়ন কর ধার্য ও আদায়ে নতুন আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ পাস হয়েছে।
- 'ভূমি উন্নয়ন কর আইন-২০২৩’ শীর্ষক আইনে জনস্বার্থে ২৩টি ধারা সন্নিবেশ করা হয়েছে।
- এই আইন অনুযায়ী, ২৫ বিঘা পর্যন্ত কৃষিজমির উন্নয়ন কর মওকুফের বিধান রাখা হয়েছে।
- তবে ২৫ বিঘার বেশি জমির মালিক হলে পুরোটারই ভূমি উন্নয়ন কর দিতে হবে।
- বাংলা সনের পরিবর্তে ইংরেজি বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ওই কর আদায় করা হবে।
- এ ছাড়া ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা, উত্তরাধিকারী, কালেক্টর ইত্যাদি সংজ্ঞাকে যুগোপযোগী করা হয়েছে।
- এ ছাড়া এই আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনো ভূমির মালিক টানা তিন বছর ভূমি উন্নয়ন কর না দিলে তাকে প্রথম বছর থেকে তৃতীয় বছর পর্যন্ত সোয়া ৬ শতাংশ হারে জরিমানাসহ কর পরিশোধ করতে হবে।

ধারা ৩- কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর

(১) সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, কৃষি ভূমি, চা বাগান এবং অন্যান্য ভূমির ভূমি উন্নয়ন করের হার, সীমা ও শর্ত নির্ধারণ করিতে পারিবে।

(২) কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি বা পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘা পর্যন্ত হইলে উহার ভূমি উন্নয়ন কর মওকুফ থাকিবে এবং ইক্ষু, লবণ চাষের ভূমি ও কৃষকের পুকুর (বাণিজ্যিক মৎস্যচাষ ব্যতীত) উক্ত মওকুফের অন্তর্ভুক্ত হইবে:

তবে শর্ত থাকে যে, কৃষিকার্যের উপর নির্ভরশীল ব্যক্তি ও পরিবারভিত্তিক কৃষি ভূমির মোট পরিমাণ ৮.২৫ (আট দশমিক দুই পাঁচ) একর বা ২৫ (পঁচিশ) বিঘার অধিক হইলে, সম্পূর্ণ কৃষি ভূমির ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করিতে হইবে।

(৩) কৃষি ভূমি পল্লি এলাকা বা পৌর এলাকার যে কোন স্থানে অবস্থিত হউক না কেন, সকল ক্ষেত্রে অভিন্ন ভূমি উন্নয়ন কর হার ও শর্ত প্রযোজ্য হইবে।
৩৪.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবী করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি খ-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এক্ষেত্রে 'ক' কখন ঘোষণামূলক মোকদ্দমা দায়ের করতে পারবে?
  1. ৬ বছরের মধ্যে
  2. ১২ বছরের মধ্যে
  3. ৩ বছরের মধ্যে
  4. ২ বছরের মধ্যে
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ বছরের মধ্যে
ব্যাখ্যা
• সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মোকদ্দমা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মোকদ্দমা বা 'Declaratory Sui't বা 'Suit for Declaration' বলে।

তামাদি আইনে ঘোষণামূলক মোকদ্দমার কোনো সুনির্দিষ্ট বিধান নেই। এই আইনের ১২০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 
যেসকল মামলার জন্য তামাদির মেয়াদ উল্লেখ নাই সেগুলো সাধারণত ৬ বছরের মধ্যে দায়ের করতে হয়। ঘোষণামূলক মামলার প্রকৃত কারণ উদ্ভব হওয়ার সময় হতে ৬ বছরের মধ্যে ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে হবে।
৩৫.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারায় _________ আদেশাত্মক প্রতিকার এবং _______ নিষেধাত্মকমূলক প্রতিকার দেয়া হয়েছে।
  1. ১টি, ৪টি
  2. ৩টি, ১টি
  3. ৪টি, ১টি
  4. ৫টি, ১টি
সঠিক উত্তর:
৪টি, ১টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি, ১টি
ব্যাখ্যা
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫ ধারা অনুযায়ী মোট ৫ প্রকার সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয়। যার মধ্যে ৪টি আদেশাত্মক প্রতিকার এবং ১টি নিষেধাত্মক বা নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার।

• ৫ ধারার ক, খ, ঘ এবং ও অনুচ্ছেদের ৪টি প্রতিকার হলো আদেশাত্মক প্রতিকার। অন্যদিকে ৫ ধারার গ অনুচ্ছেদের প্রতিকারটি নিরোধমূলক বা প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (Preventive Relief)।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫ ধারা মতে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা হয় ৫ ভাবে যথা- 
(ক) সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখল গ্রহণ এবং তা দাবিদারকে প্রদানের মাধ্যমে;
(খ) কোন কাজ করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে ঐ কাজ করার আদেশ প্রদানের মাধ্যমে;
(গ) কোন কাজ না করতে বাধ্য এমন কোন পক্ষকে তা করা হতে বিরত রাখার মাধ্যমে;
(ঘ) ক্ষতিপূরণের রোয়েদাদ ব্যতীত পক্ষসমূহের অধিকার নির্ণয় এবং ঘোষণার মাধ্যমে; অথবা
(ঙ)রিসিভার নিয়োগের মাধ্যমে।

Section 5- Specific relief how given: Specific relief is given
(a) by taking possession of certain property and delivering it to a claimant; 
(b) by ordering a party to do the very act which he is under an obligation to do; 
(c) by preventing a party from doing that which he is under an obligation not to do; 
(d) by determining and declaring the rights of parties otherwise than by an award of compensation; or 
(e) by appointing a receiver.
৩৬.
মোকদ্দমা দায়েরের অধিকারী ব্যক্তির অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই মৃত্যু হলে, সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধির ক্ষেত্রে তামাদির মেয়াদ গণনা কখন থেকে শুরু হবে?
  1. ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখ থেকে
  2. মোকদ্দমা দায়েরের তারিখ থেকে
  3. আইনগত প্রতিনিধির যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে
  4. আইনগত প্রতিনিধির ইচ্ছানুযায়ী সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রতিনিধির যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনগত প্রতিনিধির যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
• The Limitation Act, 1908 এর ১৭ ধারা (অধিকার অর্জনের পূর্বে মৃত্যুর ফলাফল) অনুযায়ী-

কোন ব্যক্তি জীবিত থাকলে মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের অধিকারী হত কিন্তু অধিকারটি সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে সেই ব্যক্তির আইনগত প্রতিনিধি ঐ মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়ের করার যোগ্যতা সম্পন্ন হওয়ার সময় থেকে তামাদির মেয়াদ গণনা হবে। একইভাবে কারো বিরুদ্ধে অধিকার সৃষ্টি হওয়ার আগেই তার মৃত্যু হলে তার আইনগত প্রতিনিধির বিরুদ্ধে আইনগত যোগ্যতা সাপেক্ষে উক্ত মোকদ্দমা বা দরখাস্ত দায়েরের তামাদি গণনা হবে।

এই ধারার ব্যতিক্রম হলো অগ্রক্রয়, স্থাবর সম্পত্তির দখলের মোকদ্দমা এবং বংশগত পদের মোকদ্দমা।

Section 17- Effect of death before right to sue accrues

(1) Where a person, who would, if he were living, have a right to institute a suit or make an application, dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased capable of instituting or making such suit or application. 
 
(2) Where person against whom, if he were living, a right to institute a suit or make an application would have accrued dies before the right accrues, the period of limitation shall be computed from the time when there is a legal representative of the deceased against whom the plaintiff may institute or make such suit or application. 
 
(3) Nothing in sub-sections (1) and (2) applied to suits to enforce rights of pre-emption or to suits for the possession of immoveable property or of an hereditary office.
৩৭.
'Suit of Civil nature' is Defined in-
  1. Section 6 of CPC
  2. Section 9 of CPC
  3. Section 15 of CPC
  4. Section 13 of CPC
সঠিক উত্তর:
Section 9 of CPC
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Section 9 of CPC
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ৯ ধারার ব্যাখায় কোন ধরনের মোকদ্দমাসমূহ দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা, তা উল্লেখ আছে।

ধারা- ৯ঃ নিষেধ না থাকলে আদালত সকল প্রকার দেওয়ানি মোকদ্দমার বিচার করবেন-
এই আইনে বর্ণিত বিধান সাপেক্ষে এবং প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে নিষিদ্ধ না থাকলে সকল প্রকার দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমার বিচার করার এখতিয়ার আদালতের থাকবে ।
ব্যাখা- যে সকল মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা; উক্ত অধিকার ধর্মীয় কার্য বা উৎসব সম্পর্কিত প্রশ্নের মীমাংসার উপর সম্পূর্ণরূপে নির্ভর করলেও তার ফলে দেওয়ানি প্রকৃতি নষ্ট হয় না।

Section 9: Courts to try all Civil suits unless barred-
The Courts shall (subject to the provisions herein contained) have jurisdiction to try all suits of a civil nature excepting suits of which their cognizance is either expressly or impliedly barred.

Explanation- A suit in which the right to property or to an office is contested is a suit of a civil nature, notwithstanding that such right may depend entirely on the decision of questions as to religious rites or ceremonies.
৩৮.
সমন অমান্যের জন্য দেওয়ানি কার্যবিধির ৩২ ধারানুযায়ী আদালত সমনপ্রাপ্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নিম্নের কোন আদেশ দিতে পারে না?
  1. সম্পত্তি ক্রোক
  2. গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি
  3. সম্পত্তি বিক্রয়
  4. অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ১০০০ টাকা জরিমানা
ব্যাখ্যা
• দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ৩২ অনুসারে, সমন অমান্যের জন্য যাকে সমন প্রদান করা হয়েছে, আদালত তাকে হাজির হতে বাধ্য করতে নিম্নোক্ত আদেশসমূহ দিতে পারে-

ক) গ্রেফতারী পরোয়ানা জারি করতে পারেন;
খ) তার সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয় করতে পারেন;
গ) অনধিক পাঁচশত টাকা জরিমানা করতে পারেন;
ঘ) তার হাজিরার জন্য তাকে জামানত দেয়ার আদেশ করতে পারেন ও জামানত না দিলে তাকে জেলে প্ররণ করতে পারেন।

Sec 32: Penalty for default-
The Court may compel the attendance of any person to whom a summons has been issued under section 30 and for that purpose may-
a) issue a warrant for his arrest;
b) attach and sell his property;
c) impose a fine upon him not exceeding five hundred Taka; 
d) order him to furnish security for his appearance and in default commit to the civil prison.
৩৯.
নিঃস্ব ব্যক্তির আপিলের ক্ষেত্রে নিঃস্বতা সম্পর্কে তদন্ত কে করবে?
  1. ডিক্রি প্রদানকারী আদালত
  2. আপিল শ্রবণকারী আদালত
  3. সংশ্লিষ্ট বার এসোসিয়েশন
  4. ক বা খ
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক বা খ
ব্যাখ্যা
আদেশ ৪৪ বিধি-২ঃ নিঃস্বতা সম্বন্ধে তদন্ত-

আবেদনকারীকে নিঃস্বতা সম্পর্কে আপিল আদালত স্বয়ং অথবা যে আদালতের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল আদালতের আদেশক্রমে আপিল করা হয়েছে, সে আদালত তদন্ত করতে পারবে-

তবে শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী যদি যে আদালতের ডিক্রি হতে আপিল করা হয় সে আদালতে নিঃস্ব ব্যক্তি হিসাবে মোকদ্দমা বা আপিল করার অনুমতি পেয়ে থাকে, তাহলে আপিল আদালত অনুরূপ তদন্তের নির্দেশ দিতে কারণ না দেখলে তার নিঃস্বতা সম্পর্কে পুনরায় তদন্ত করার প্রয়োজন হবে না।

Inquiry into pauperism:
The inquiry into the pauperism of the applicant may be made either by the Appellate Court or under the order of the Appellate Court by the Court from whose decision the appeal is preferred:

Provided that, if the applicant was allowed to sue or appeal as a pauper in the Court from whose decree the appeal is preferred, no further inquiry in respect of his pauperism shall be necessary, unless the Appellate Court sees cause to direct such inquiry.
৪০.
বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে নিম্নের কোন উক্তিটি সঠিক?
  1. আলাপ-আলোচনা [Negotiation] এ তৃতীয় পক্ষ উপস্থিত থাকে
  2. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
  3. সালিশ প্রক্রিয়ার [Arbitration] রায় পক্ষ গণের উপর বাধ্যকর নয়
  4. সবগুলো সঠিক
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation] পদ্ধতিতে তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে থাকে
ব্যাখ্যা
• বিকল্প উপায়ে বিরোধ নিষ্পত্তির নিম্ন বর্ণিত পন্থা রয়েছে-
১) আলাপ-আলোচনা (Negotiation);
২) মধ্যস্থতা (Mediation);
৩) সালিশী (Arbitration)।

১. আলাপ-আলোচনা [Negotiation]-

এমন একটি পদ্ধতি যেখানেই কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে বিরোধের দুই পক্ষই যখন তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়াই একটি সুবিধাজনক পরিণতির দিকে পৌঁছে বা একটি সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে সমাধান করে থাকে।

আলাপ-আলোচনার [Negotiation] মাধ্যমে শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ এর ২১০(২) ২১০(৩) উপধারায় বলা আছে।

২. মধ্যস্থতা কার্যক্রম [Mediation]-

এ পদ্ধতিতে কোন বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষদ্বয়ের মধ্যে নিরপেক্ষ তৃতীয় কোন পক্ষ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে নিযুক্ত করা হয়
এবং কোন পক্ষের ওপর সিদ্ধান্ত চাপিয়ে না দিয়ে আলাপ- আলোচনার মাধ্যমে দুটি পক্ষকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করা হয়।
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮৯[ক] এবং অর্থ ঋণ আদালত আইন, ২০০৩ এর ২২ ধারাতে মধ্যস্থতা বিষয়ে বলা হয়েছে।

৩. সালিশ প্রক্রিয়া [Arbitration]-

সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি অনেকটা মধ্যস্থতা পদ্ধতির অনুরূপ। এ কারণেই সালিশ কার্যক্রম [Arbitration] কে মধ্যস্থতা কার্যক্রমের উন্নত সংস্করণ বলে মনে করা হয়। কেননা মধ্যস্থতা কার্যক্রমে মধ্যস্থতাকারী বিরোধ মীমাংসার ক্ষেত্রে পক্ষগণের উপর কোন পন্থা চাপিয়ে দিতে পারেন কিন্তু সালিশ কার্যক্রমের সালিশকারী (Conciliator) পক্ষগণের ওপর রায় চাপিয়ে দিতে পারে। এ ধরনের রায়কে রোয়েদাদ [Award] বলা হয়।
সালিশ[Arbitration] প্রক্রিয়াটি সালিশ আইন-২০০১ দ্বারা পরিচালিত হয়ে থাকে। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ আইনের ২১০ ধারায় বিরোধ সালিসীর (Conciliation) মাধ্যমে নিষ্পত্তি কথা বলা হয়েছে।
৪১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ১০৯ ধারার বিষয়বস্তু হিসেবে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল দায়ের করা চলে
  2. আদেশসমূহের বিরুদ্ধে আপিলের পদ্ধতি
  3. আপিল বিভাগে আপিল করার জন্য মোকদ্দমার মূল্যমান
  4. আপিল আদালতের ক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল দায়ের করা চলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল দায়ের করা চলে
ব্যাখ্যা
ধারা ১০৯- সুপ্রিম কোর্টে যখন আপিল করা চলবে

দেশের আদালতসমূহের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল সম্পর্কে সুপ্রিম কোর্ট সময়ে সময়ে যে সমস্ত বিধি প্রণয়ন করবেন, তৎসাপেক্ষে এবং এই আইনের বিধানসাপেক্ষে আপিল বিভাগের নিকট নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আপিল করা চলবে-

ক) হাইকোর্ট বিভাগ বা চূড়ান্ত আপিল এখতিয়ারসম্পন্ন অন্য কোন আদালত কর্তৃক আপিলে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি অথবা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে;
খ) হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক এর মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে। এবং
গ) অতঃপর বর্ণিত বিধানানুসারে কোন মোকদ্দমা আপিল বিভাগের নিকট আপিলের যোগ্য বলে সুপারিশ করা হলে তদ্রূপ মোকদ্দমায় প্রদত্ত কোন রায়, ডিক্রি বা চূড়ান্ত আদেশের বিরুদ্ধে।

Sec 109- When appeals lie to the Supreme Court:
Subject to such rules as may, from time to time, be made by the Supreme Court regarding appeals from the Courts of Bangladesh, and to the provisions hereinafter contained, an appeal shall lie to the Appellate Division-

a) from any Judgment, decree or final order passed on appeal by the High Court Division or by any other Court of final appellate jurisdiction;
b) from any Judgment, decree or final order passed by the High Court Division in the exercise of original civil jurisdiction; and
c) from any Judgment, decree or final order, when the case, as hereinafter provided, is certified to be a fit one for appeal to the Appellate Division.
৪২.
কোন ধরনের দেওয়ানি ডিক্রি জারির ক্ষেত্রে কোনো মহিলাকে গ্রেফতার বা আটক রাখা যাবে না?
  1. স্থাবর সম্পত্তির স্বত্ত্ব দখলের
  2. অস্থাবর সম্পত্তি দখলের
  3. অর্থ পরিশোধের
  4. উল্লিখিত সকল ধরনের
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অর্থ পরিশোধের
ব্যাখ্যা
•  The Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬- অর্থের ডিক্রি জারিতে মহিলাকে গ্রেফতারের বা আটকের বাধা-নিষেধ:
আদালত অর্থ পরিশোধের ডিক্রি জারির জন্য কোন মহিলাকে দেওয়ানি জেলে গ্রেফতার বা আটক রাখার কোন আদেশ প্রদান করবেন না।

Section 56- Prohibition of arrest or detention of women in execution of decree for money:
Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of a woman in execution of a decree for the payment of money.
৪৩.
The Civil Courts Act,1887 আইনের কত ধারায় ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে?
  1. ৩৯ ধারায়
  2. ৩৮ ধারায়
  3. ৩৭ ধারায়
  4. ৩৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৩৭ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ ধারায়
ব্যাখ্যা
The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

৩৭ ধারায় বলা হয়েছে-
"কোন মামলা বা কার্যধারায় দেওয়ানি আদালত কর্তৃক উত্তরাধিকার ও ওয়ারিশী, বিবাহ বা ব্যক্তিগত ধর্মীয় আচরণ বা প্রতিষ্ঠান সম্পর্কিত বিষয়ে পক্ষগন হিন্দু হলে হিন্দু আইন এবং মুসলিম হলে মুসলিম আইন প্রযোজ্য হবে।"

Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished. 
 
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.
৪৪.
শিশু আইনে প্রদত্ত সময়সীমার মধ্যে শিশু আদালতে বিচারকার্য সম্পন্ন না করলে এবং বিচার্য অভিযোগ লঘু প্রকৃতির হলে,অভিযুক্ত শিশুর ক্ষেত্রে কী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে?
  1. পুনরায় অভিযোগ গঠন হবে
  2. অব্যাহতি পাবে
  3. খালাস পাবে
  4. মুক্তি পাবে
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অব্যাহতি পাবে
ব্যাখ্যা
শিশু আইন,২০১৩

ধারা ৩২- বিচার সমাপ্তির সময়সীমা
 
(১) ফৌজদারী কার্যবিধি বা আপাততঃ বলবৎ অন্য কোন আইনে ভিন্নতর যাহা কিছুই থাকুক না কেন, শিশু-আদালত উক্ত আদালতে শিশুর প্রথম উপস্থিত হইবার তারিখ হইতে ৩৬০ (তিনশত ষাট) দিনের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 

(২) কোন যুক্তিসঙ্গত ও বাস্তব কারণে উপ-ধারা (১) এ উল্লিখিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করা সম্ভব না হইলে শিশু-আদালত, উক্ত কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া, সংশ্লিষ্ট বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা আরও ৬০ (ষাট) দিন বর্ধিত করিতে পারিবে। 

(৩) শিশু-আদালতে বিচার আরম্ভ হইবার পর হইতে, বিচার কার্য সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত যতদূর সম্ভব, একাদিক্রমে উহার কার্যক্রম প্রত্যেক কার্যদিবসে বিনা বিরতিতে চলিতে থাকিবে। 

(৪) উপ-ধারা (১) ও (২) এ বর্ণিত সময়ের মধ্যে বিচার কার্য সম্পন্ন করা না হইলে সংশ্লিষ্ট শিশু, হত্যা, ধর্ষণ, দস্যুতা, ডাকাতি, মাদক ব্যবসা বা অন্য কোন জঘন্য, ঘৃণ্য বা গুরুতর অপরাধের দায়ে দায়েরকৃত মামলা ব্যতীত, শিশু-আদালতের বিবেচনায় তাহার বিরুদ্ধে আনীত লঘু মাত্রার অভিযোগ হইতে অব্যাহতি পাইবে এবং একই অপরাধের জন্য তাহার বিরু্দ্ধে অন্য কোন বিচার প্রক্রিয়া গ্রহণ করা যাইবে না: 

তবে শর্ত থাকে যে, সংশ্লিষ্ট মামলায় কোন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অভিযুক্ত থাকিলে তাহার মামলা অব্যাহত থাকিবে।
৪৫.
বিশেষ ক্ষমতা আইনে কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেন, তবে তিনি _________ কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।
  1. ৩ মাস পর্যন্ত
  2. ৬ মাস পর্যন্ত
  3. ১ বছর পর্যন্ত
  4. ৩ বছর পর্যন্ত
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মাস পর্যন্ত
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন,১৯৭৪

ধারা ২৫ অনুসারে,
যে ব্যক্তি কালোবাজারে মজুত বা লেনদেনের অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হবেন তাকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে।
অথবা ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং জরিমানাও করা হবে।

তবে, শর্ত হিসেবে এতে বলা হয়েছে, যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি লাভ ছাড়া অন্য উদ্দেশ্যে মজুত করেছিলেন তবে তিনি তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। একই সাথে জরিমানাও করা হবে তাকে।

একই সাথে আদালত কালোবাজারি বা মজুত হয়েছে এমন কিছু সরকারকে বাজেয়াপ্ত করার আদেশও দিতে পারবে।

Section 25: Penalty for hoarding or dealing in black-market

(1) Whoever is found guilty of the offence of hoarding or dealing in the black-market shall be punishable with death, or with 13[imprisonment for life], or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine: 
 
Provided that if, in the case of an offence of hoarding, the person accused of such offence proves that he was hoarding for purposes other than gain, whether financial or otherwise, he shall be punishable with imprisonment for a term which may extend to three months, and shall also be liable to fine.

(2) A court convicting an offence of hoarding or dealing in the black-market shall order the forfeiture to Government of anything in respect of which the offence was committed.
৪৬.
'ক' তার স্ত্রী 'খ' কে তার বাবার বাড়ি থেকে এক লক্ষ টাকা এনে দিতে বলে।'খ' রাজি না হওয়ায়, 'ক' রাগান্বিত হয়ে 'খ' এর মাথায় রড দিয়ে বাড়ি দেয়, যার দরুণ 'খ' এর মাথা ফেটে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। এক্ষেত্রে 'ক' নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে কী শাস্তি পেতে পারে?
  1. সর্বোচ্চ ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. সর্বোচ্চ ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ ১২ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন,২০০০

ধারা ১১- যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি

যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম (simple hurt) করেন] তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-

(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;

(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৪৭.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় ‘মাদকাসক্ত’ এর সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে?
  1. ২(১৫) ধারায়
  2. ২(৩১) ধারায়
  3. ২(২৭) ধারায়
  4. ২(৩৪) ধারায়
সঠিক উত্তর:
২(৩১) ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২(৩১) ধারায়
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮

ধারা ২(৩১)-
‘মাদকাসক্ত’ অর্থ শারীরিক অথবা মানসিকভাবে মাদকদ্রব্যের উপর নির্ভরশীল কোনো ব্যক্তি অথবা অভ্যাসবশে মাদকদ্রব্য ব্যবহারকারী অথবা সেবনকারী কোনো ব্যক্তি।
৪৮.
এক ব্যক্তি তার ফেসবুক পোস্টে এক ধর্ম নিয়ে অবমাননাকর লেখা লিখেন, যা ঐ ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় অনুভূতিতে চরম আঘাত করে। সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি অনধিক কী দণ্ডে দণ্ডিত হতে পারে?
  1. অনধিক ৩ বছর কারাদণ্ডে
  2. অনধিক ৫ বছর কারাদণ্ডে
  3. অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে
  4. অনধিক ৭ বছর কারাদণ্ডে
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ২ বছর কারাদণ্ডে
ব্যাখ্যা
ধারা ২৮- ওয়েবসাইট বা কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করে এইরুপ কোনো তথ্য প্রকাশ, সম্প্রচার, ইত্যাদি

(১) যদি কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী ইচ্ছাকৃতভাবে বা জ্ঞাতসারে ধর্মীয় মূল্যবোধ বা অনুভূতিতে আঘাত করিবার বা উস্কানি প্রদানের অভিপ্রায়ে ওয়েবসাইট বা অন্য কোনো ইলেকট্রনিক বিন্যাসে এইরূপ কিছু প্রকাশ বা প্রচার করেন বা করান, যাহা ধর্মীয় অনুভূতি বা ধর্মীয় মূল্যবোধের উপর আঘাত করে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তির অনুরূপ কার্য হইবে একটি অপরাধ।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন কোনো অপরাধ সংঘটন করেন, তাহা হইলে তিনি অনধিক ২(দুই) বৎসর কারাদণ্ডে, বা অনধিক ৫(পাঁচ) লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে, বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।
৪৯.
মানব পাচার প্রতিরোধ দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনার জন্য কে বিশেষ প্রসিকিউটর নিয়োগ করতে পারে?
  1. হাইকোর্ট
  2. সরকার
  3. ট্রাইব্যুনাল
  4. সরকারের পরামর্শে ট্রাইব্যুনাল
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
ধারা ১৭- অভিযোগ দায়ের

(১) এই আইনের অধীন কোন অপরাধ সংঘটিত হইলে কোন ব্যক্তি পুলিশ অথবা ট্রাইব্যুনালের নিকট উক্ত অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ দায়ের করিতে পারিবে এবং পুলিশ এই ধরণের অভিযোগ আনয়নকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা প্রদান করিবে এবং আইনি কার্যধারার কারণে অন্যরূপ প্রয়োজন না হইলে, তাহার নাম পরিচয় গোপন রাখিবে। 
 
(২) ট্রাইব্যুনালে মামলা পরিচালনা করিবার জন্য সরকার, প্রয়োজন মনে করিলে, এক বা একাধিক বিশেষ প্রসিকিউটর (রাষ্ট্রপক্ষীয় আইনজীবী) নিয়োগ করিতে পারিবে।
 
(৩) ট্রাইব্যুনাল উপ-ধারা (২) এর অধীন নিযুক্ত কোন বিশেষ প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে দায়িত্বে গুরুতর অবহেলার প্রতিবেদন সরকারের নিকট দাখিল করিলে সরকার উক্ত প্রসিকিউটরকে অপসারণ বা প্রতিস্থাপিত করিবে।
৫০.
চেক ডিজঅনারের মামলায় আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ অর্থদণ্ড প্রদান করলে তার কী পরিমাণ অভিযোগকারী পাবেন?
  1. অর্থদণ্ডের সম্যক টাকা
  2. চেকের সমপরিমাণ টাকা
  3. চেকের দ্বিগুণ টাকা
  4. চেকের অর্ধেক টাকা
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চেকের সমপরিমাণ টাকা
ব্যাখ্যা
• অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ১৩৮(২) ধারার বলা হয়েছে, উপ-ধারা(১) মোতাবেক যেক্ষেত্রে অর্থদন্ড আদায় হয় সেক্ষেত্রে আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে চেকে বর্ণিত টাকা যতদুর পর্যন্ত আদায়কৃত অর্থদন্ড হতে প্রদান করা সম্ভব চেকের ধারককে প্রদান করতে হবে।

সুতরাং চেকের ধারক বা গ্রহীতা চেকে বর্ণিত টাকার বেশী পরিমান অর্থ পাওয়ার অধিকারী নয়। কোন আদালত চেকে বর্ণিত টাকার তিনগুণ পর্যন্ত জরিমানা করলেও বাদীকে চেকে বর্ণিত টাকা প্রদানের নির্দেশ দিয়ে বাকী টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে জমা দেয়ার নির্দেশ দিবেন।
৫১.
আইনগত সহায়তার অধীন সুপ্রীমকোর্টে মামলা পরিচালনার আইনজীবী তালিকায় কত জন মহিলা আইনজীবী রাখার বিধান রয়েছে?
  1. অন্যূন অর্ধেক সংখ্যক
  2. অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ
  3. অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ
  4. অন্যূন এক-চতুর্থাংশ
সঠিক উত্তর:
অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০

ধারা ১৫- আইনজীবীগণের তালিকা

(১) সুপ্রীমকোর্ট কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে বাংলাদেশ সুপ্রীমকোর্টে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য সুপ্রীমকোর্টের মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫(পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।

(২) প্রত্যেক জেলা কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে জেলার কোন আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালনার জন্য জেলা আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যুন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(২ক) বিশেষ কমিটি এই আইনের আওতায় প্রদত্ত আইনগত সহায়তার অধীনে শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে দায়েরযোগ্য বা দায়েরকৃত মামলার পরামর্শ প্রদান ও মামলা পরিচালার জন্য সংশ্লিষ্ট শ্রম আদালত বা চৌকি আদালতে মামলা পরিচালনায় অন্যূন ৫ (পাঁচ) বৎসরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন আইনজীবীগণের মধ্য হইতে একটি তালিকা প্রণয়ন করিবে।
 
(৩) এই ধারার অধীন প্রণীত প্রত্যেক তালিকায় অন্যূন এক-তৃতীয়াংশ মহিলা আইনজীবী, যদি উপযুক্ত পাওয়া যায়, রাখা হইবে।
 
(৪) কোন বিচারপ্রার্থীর আবেদন বা দরখাস্ত বিবেচনাক্রমে যদি কোন ক্ষেত্রে, আইনগত সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়, তাহা হইলে সুপ্রীম কোর্ট কমিটি বা, ক্ষেত্রমত, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি উক্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত কোন আইনজীবীকে এতদুদ্দেশ্যে নিযুক্ত করিবে: 
 
তবে শর্ত থাকে যে, এইরূপ নিযুক্তির ক্ষেত্রে বিচারপ্রার্থীর পছন্দ, যতদূর সম্ভব, বিবেচনা করা হইবে।
৫২.
কোনো জেলায় পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত কোন আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করবে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
  4. খ বা গ
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ বা গ
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ,১৯৮৫ আইন রহিত করে পারিবারিক আদালত আইন,২০২৩ প্রনীত হয়। এটি ২০২৩ সনের ২৬ নং আইন।

ধারা ৪- পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা

(১) এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, প্রত্যেক জেলায় এক বা একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠা করিতে পারিবে:
তবে শর্ত থাকে যে, কোনো জেলায় একাধিক পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হইলে, সরকার, সরকারি গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, উক্ত আদালতসমূহের স্থানীয় এখতিয়ার নির্ধারণ করিবে।

(২) সহকারী জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ পদমর্যাদার ১ (এক) জন বিচারক সমন্বয়ে পারিবারিক আদালত গঠিত হইবে।

(৩) উপধারা (১) এর অধীন পারিবারিক আদালত প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত স্বীয় অধিক্ষেত্রভুক্ত সহকারী জজ আদালত বা সিনিয়র সহকারী জজ আদালত পারিবারিক আদালত হিসাবে দায়িত্ব পালন করিবে।
৫৩.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় পারিবারিক আদালত অবমাননার শাস্তি উল্লেখ আছে?
  1. ২১ ধারায়
  2. ২৫ ধারায়
  3. ২৩ ধারায়
  4. ২০ ধারায়
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ ধারায়
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩

ধারা ২৩- পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি আইনসংগত কারণ ব্যতিরেকে-
(ক) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেন, বা
(খ) পরিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালতের কার্যে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেন, বা
(গ) পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত কর্তৃক জিজ্ঞাসিত কোনো প্রশ্নের উত্তর প্রদানে বাধ্য থাকা সত্ত্বেও, উত্তর প্রদানের অস্বীকার করেন, বা
(ঘ) সত্য কথা বলিবার জন্য শপথ গ্রহণ করিতে অথবা পারিবারিক আদালতে বা পারিবারিক আপিল আদালতে তৎকর্তৃক প্রদত্ত বিবৃতিতে স্বাক্ষরদান করিতে অস্বীকার করেন,
তাহা হইলে তিনি পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত অবমাননা করিয়াছেন মর্মে গণ্য হইবেন।

(২) উপধারা (১) এর অধীন কৃত অপরাধের ক্ষেত্রে, পারিবারিক আদালত বা পারিবারিক আপিল আদালত উক্তরূপ অবমাননার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিচার করিতে পারিবে এবং তাহাকে অনধিক ২০০ (দুইশত) টাকা র্অথদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পারিবে।
৫৪.
মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর অধীন বিচারের স্থান হতে পারে-
  1. যে স্থানে অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল
  2. যে স্থানে অভিযোগকারী বাস করে
  3. যে স্থানে আসামী বাস করে
  4. উল্লিখিত সকল স্থান
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল স্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সকল স্থান
ব্যাখ্যা
• মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১

ধারা ১১ক- বিচারের স্থান
সাময়িকভাবে বলবৎ অন্য কোন আইনে কোন কিছু থাকা সত্ত্বেও এই অধ্যাদেশের অধীনে সংঘটিত কোন অপরাধ ঐ আদালত কর্তৃকই বিচার্য হইবে যাহার স্থানীয় এখতিয়ারের মধ্যে-
ক) অপরাধটি সংঘটিত হইয়াছিল,
খ) অভিযোগকারী বা আসামী বাস করে বা সর্বশেষ বাস করিয়াছিল।

Section 11A- Place of trial
Notwithstanding anything contained in any other law for the time being in force, an offence under this Ordinance shall be tried by a Court within the local limits of whose jurisdiction- 
(a) the offence was committed; or 
(b) the complainant or the accused resides or last resided.
৫৫.
উইলের ক্ষেত্রে নিম্নের কোন বিধান সঠিক নয়?
  1. মৃত্যুর পর কার্যকর হয়
  2. সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করা যায় না
  3. উইলকারী মৃত্যুর আগে উইল প্রত্যাহার করতে পারে
  4. সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালতের সম্মতি লাগবে
ব্যাখ্যা
• কোন মুসলমানের সম্পত্তি তার মৃত্যুর পর কিভাবে পরিচালিত বা প্রাপ্ত হবে, সেই মর্মে তার সম্পত্তি সম্পর্কে তার অভিপ্রায়ের আইনগত ঘোষনাই হলো উইল বা অসিয়ত।
আবার, কোনো ব্যক্তির নিজের মৃত্যু পরবর্তীকালের জন্য, তার বৈধ বিষয় সম্পত্তির মূলস্বত্ব কিংবা তার মুনাফার অধিকার চিরকালীন বা নির্দিষ্ট মেয়াদে অপর কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে বিনিময় ছাড়া হস্তান্তর করার চুড়ান্ত ইচ্ছা প্রকাশ করার নাম উইল বা অসিয়ত। ইসলামি আইন অনুসারে নির্দিষ্ট পরিমাণ সম্পত্তি হস্তান্তর করতে পারে।

- যে ব্যক্তি উইল করে তাকে Testator বা ইচ্ছা পত্রকারী এবং যার বরাবর উইল করা হয় তাকে উত্তরদানগ্রহী বলা হয়।

- উইলকারী মৃত্যুর আগে চাইলে উইল পরিবর্তন বা বাতিল করতে পারেন।

- একজন মুসলমান তার দাফন-কাফনের ব্যয়ভার এবং ঋণ পরিযোধের পর অবশিষ্ট সম্পত্তির ১/৩ অংশের অধিক উইলের মাধ্যমে হস্তান্তর করতে পারে না। যদি ১/৩ অংশের অধিক উইল করা হয় তবে উইলকারির উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে, অন্যথায় উইল ১/৩ অংশের বেশী কার্যকর হবে না। অর্থাৎ সম্পত্তির ১/৩ অংশের বেশি উইল করতে আদালত নয়, উত্তরাধিকারীগণের সম্মতি লাগবে।
৫৬.
মুসলিম আইন অনুযায়ী অগ্রক্রয়ের ক্ষেত্রে প্রথম অধিকারী কারা হবেন?
  1. শাফি-ই-খালিত
  2. শাফি-ই-জার
  3. শাফি-ই-শরিক
  4. শাফি-ই-খালিক
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাফি-ই-শরিক
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।

মুসলিম হানাফী আইন অনুযায়ী, ৩ শ্রেণির ব্যক্তির অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগের অধিকার আছে-

১) শাফি-ই-শরিক [Shafi-e-sharik]- সম্পত্তিতে কোন সহ-অংশীদার।
২) শাফি-ই-খালিত [Shafi-e-Khalit]- সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩) শাফি-ই-জার [Shafi-e-jar]- সংলগ্ন বা পার্শ্ববর্তী স্থাবর সম্পত্তির মালিক।

অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ

এই তিন প্রকারের অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে ক্রমিক অনুসারে অগ্রাধিকার পাবে। বিভিন্ন শ্রেণির অগ্রক্রয়ের অধিকারীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা হলে প্রথম স্তরের অধিকারী দ্বিতীয় স্তর কে এবং দ্বিতীয় স্তরের অধিকারী তৃতীয় স্তরকে রহিত করবে। একই স্তরের একাধিক ব্যক্তি অগ্রক্রয়ের অধিকার প্রয়োগ করতে চাইলে তারা সবাই অগ্রক্রয়ের অধিকারকৃত ভূমির সমান ভাগ পাবে।
৫৭.
Wakf শব্দের অর্থ কী?
  1. মুক্ত করা
  2. আটক করা
  3. দান করা
  4. গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
আটক করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আটক করা
ব্যাখ্যা
Waqf শব্দটি আরবি শব্দ। এর অর্থ নিয়োধ বা আটক করা। ওয়াকফ হলো কোনো সম্পত্তি ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা। সাধারণত ওয়াকফ বলতে ইসলাম ধর্মাবলম্বী কোনো ব্যক্তি কর্তৃক ইসলাম ধর্ম অনুসারে ধর্মীয়, সাধু বা দাতব্য বলে স্বীকৃত কোনো উদ্দেশ্যে স্থায়ীভাবে সম্পত্তি উৎসর্গ করা বুঝায়। কোনো ব্যক্তি তার সম্পত্তি সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর নামে উৎসর্গ করতে পায়ে, যে সম্পত্তির চূড়ান্ত সুবিধা পরিব ব্যক্তিগণ পাবে অথবা সম্পত্তিটি ধর্মীয় উদ্দেশ্যে ব্যবহার হবে।

• ওয়াক্কের অপরিহার্য উপাদান হলো-
ক. উৎসর্গ (Dedication);
খ. উদ্দেশ্য (Purpose)।

ক. উৎসর্গ (Dedication):
সম্পত্তির মালিককে আল্লাহরনামে সম্পত্তিটি স্থায়ীভাবে এবং শর্তহীনভাবে উৎসর্গ করতে হবে। সুতরাং অস্থায়ীভাবে কোনো সম্পত্তি ওয়াকফ করা যায় না। চারজন সুন্নি ইমামের মধ্যে শুধু ইমাম মালিক (রাহঃ) অস্থায়ী ওয়াকফকে বৈধ বলেছেন। বাকী তিনজন ইমাম অস্থায়ী ওয়াকফকে অবৈধ বলেছেন।

খ. উদ্দেশ্য (Purpose):
ওয়াকফ করার উদেশ্য অবশ্যই ধর্মীয় বা দাতব্য হতে হবে। যেমন। কোনো মসজিদের জন্য অথবা গরীব, দুঃস্থ মানুষের ভরণপোষণের জন্য ওয়াকফ করা যায়।
ওয়াকফ অবশ্যই বৈধ উদ্দেশ্যে করতে হবে। যদি কেউ বেআইনি উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করে তাহলে ওয়াক্‌ফটি অবৈধ হবে। যদি এমন হয় ওয়াকফকারীর কিছু উদ্দেশ্য বৈধ এবং কিছু উদ্দেশ্য অবৈধ সেক্ষেত্রে উদ্দেশ্যের যতটুকু বৈধ ওয়াকফ, ততটুকু বৈধ হবে বাকী অংশ অবৈধ হবে।
৫৮.
দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে নিম্নের কে নারী সপিণ্ড নয়?
  1. কন্যা
  2. মাতা
  3. বোন
  4. পিতার মাতা
সঠিক উত্তর:
বোন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বোন
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।

• মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। সপিণ্ডরাই মৃত ব্যক্তির সম্পত্তির প্রধানতম অধিকারী। মাতৃকুল ও পিতৃকুলের ঊর্ধ্বতন তিন পুরুষ, পুত্র ও কন্যার অধস্তন তিন পুরুষ এবং ঊর্ধ্বতন মাতৃ ও পিতৃকূলের ছয় পুরুষ— তাঁরা হলেন পুরুষ সপিণ্ড। আর নারী সপিণ্ড পাঁচজন। তাঁরা হলেন:

১. বিধবা স্ত্রী;
২. কন্যা;
৩. মাতা;
৪. পিতার মাতা;
৫. পিতার পিতার মাতা।
৫৯.
হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে কয় প্রকার অনুমোদিত বিবাহের প্রচলন আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
• দায়ভাগ ও মিতাক্ষরা অনুসারে হিন্দুদের মধ্যে আট প্রকার বিবাহ প্রচলিত ছিল, যার প্রথম চারটি সামাজিকভাবে অনুমোদিত এবং অবশিষ্ট চারটি অননুমোদিত।
আট প্রকার বিবাহ হলো:

অনুমোদিত ৪ প্রকার:

ব্রাহ্ম: সর্বোত্তম পদ্ধতি, যাতে অলঙ্কারে সজ্জিতা কন্যাকে শিক্ষিত ও চরিত্রবান বরের হাতে তুলে দেয়া হতো; এক্ষেত্রে বরের নিকট থেকে কোন পণ নেয়া হতো না;
দৈব: এ ধরনের বিবাহে যজ্ঞ সম্পাদনকারী পুরোহিতের নিকট কন্যা সম্প্রদান করা হতো;
আর্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে এক বা দুই জোড়া গাভী গ্রহণ করতেন;
প্রজাপত্য: এ বিবাহে কনের পিতা বরের নিকট থেকে কোন পণ গ্রহণ ছাড়াই কন্যা দান করতেন এবং তাদের আশীর্বাদ করতেন যাতে তারা পারস্পরিক বিশ্বাস ও সুখের সঙ্গে দাম্পত্য জীবন যাপন করতে পারে।
 
অননুমোদিত ৪ প্রকার:

অসুর: এ বিবাহে বর পিতা অথবা অভিভাবকের নিকট থেকে মূল্য দিয়ে কনেকে ক্রয় করত;
রাক্ষস: এ বিবাহে কন্যার আত্মীয়দের প্রহার করে রোরুদ্যমান কন্যাকে তুলে নেয়া হতো;
গন্ধর্ব: বর ও কনের পরস্পরের পরিচয় ও সম্মতিতে এ বিবাহ অনুষ্ঠিত হতো;
পৈশাচ: নিকৃষ্টতম বিবাহ; এতে কন্যার প্রেমিক (কন্যার সম্মতি ব্যতিরেকে) নিদ্রিত অবস্থায় অথবা মদোম্মত্ত বা উম্মত্ত কন্যার সঙ্গে সঙ্গত হতো।
৬০.
রঞ্জিত দাস তার দুই পুত্র রাম, শ্যামল এবং এক কন্যা পূজাকে রেখে মারা যায়। রঞ্জিত দাসের সম্পত্তি কিভাবে উত্তরাধিকারীদের মধ্যে বন্টন হবে?
  1. রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক এবং পূজা বাকি অর্ধেক পাবে
  2. রাম, শ্যামল, পূজা মোট সম্পত্তির ১/৩ অংশ করে পাবে
  3. রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে এবং পূজা কোন সম্পত্তি পাবে না
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে এবং পূজা কোন সম্পত্তি পাবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাম ও শ্যামল মোট সম্পত্তির অর্ধেক করে পাবে এবং পূজা কোন সম্পত্তি পাবে না
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশে বসবাসরত হিন্দু ধর্মীয় লোকজন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি বণ্টনের ক্ষেত্রে দায়ভাগ পদ্ধতি অনুসরণ করেন। দায়ভাগ মূলত জীমূতবাহন রচিত হিন্দু ধর্মীয় সম্পত্তির উত্তরাধীকার বিষয়ক আইন গ্রন্থ। এ আইনগ্রন্থ অনুযায়ী, যারা মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যানের জন্য পিণ্ডদানের অধিকারী, কেবলমাত্র তারাই মৃত ব্যক্তির সপিণ্ড এবং যোগ্য উত্তরাধিকারী হিসেবে মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি পেয়ে থাকেন। মিতক্ষরা পদ্ধতি অনুসারে জন্ম হওয়ামাত্রই যেমন একজন পুত্র সন্তান পূর্ব পুরুষের সম্পত্তিতে পিতার সমান অংশীদারী হন, দায়ভাগ আইনে তেমনটা হয় না।

নিম্নে প্রথম ৫ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হলঃ

১) পুত্র,
২) পুত্রের পুত্র,
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র,
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা),
৫) কন্যা।

হিন্দু দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে-
মৃত ব্যক্তির পুত্র, পৌত্র, প্রপৌত্র এবং বিধবা স্ত্রী থাকলে, কন্যারা উত্তরাধিকারী হিসেবে সম্পত্তি পাবে না।

• সমাধান:
এখানে, রঞ্জিত দাস সম্পত্তির অংশ সমান ২ ভাগে বিভক্ত হবে। উক্ত সম্পত্তির মধ্যে ১ অংশ পাবে রাম এবং ১ অংশ পাবে শ্যামল। কন্যা কোন সম্পত্তি পাবে না। কারণ ঊর্ধ্বতন শেয়ারার(ভাইদের) দ্বারা বঞ্চিত হবে।

সুতরাং সম্পত্তির মোট বন্টন:

⇒ রাম পাবে ১/২ অংশ;
⇒ শ্যামল পাবে ১/২ অংশ।
৬১.
Choose the correct one.
  1. It's easy to divert up healthy eating habits when surrounded by tempting snacks.
  2. It's easy to divert upon healthy eating habits when surrounded by tempting snacks.
  3. It's easy to divert with healthy eating habits when surrounded by tempting snacks.
  4. It's easy to divert from healthy eating habits when surrounded by tempting snacks.
সঠিক উত্তর:
It's easy to divert from healthy eating habits when surrounded by tempting snacks.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It's easy to divert from healthy eating habits when surrounded by tempting snacks.
ব্যাখ্যা
• Divert from:
Meaning: পথ পরিত্যাগ করা।
Example: It's easy to divert from healthy eating habits when surrounded by tempting snacks.

• Appropriate preposition এর ক্ষেত্রে,
- পথ পরিত্যাগ করা অর্থে Divert এর সাথে from বসে।
- তাই শূন্যস্থানে from বসালে বাক্যটি পরিপূর্ণ হয়।

অন্য অপশন গুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক।

Source: Advanced Learner's by Chowdhury & Hossain.
৬২.
Notwithstanding being a rich man, he treats everyone with kindness. (Make it compound)
  1. He is a rich man yet treats everyone with kindness.
  2. He is a rich man yet so he treats everyone with kindness.
  3. He is a rich man yet though treats everyone with kindness.
  4. He is a rich man yet than he treats everyone with kindness.
সঠিক উত্তর:
He is a rich man yet treats everyone with kindness.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
He is a rich man yet treats everyone with kindness.
ব্যাখ্যা
• Notwithstanding = সত্ত্বেও
- In spite of/ despite/ notwithstanding এর পরিবর্তে Compound Sentence এ but/ yet বসে।
- প্রথমে subject + verb বসে,
- but/yet  বসে।
- দুইটি clause এর subject একই হলে দ্বিতীয় clause টিতে subject বসাতে হয় না।

• অন্যভাবে বলা যায়, 
i) Despite/ in spite of/ notwithstanding যুক্ত Phrase টাকে Clause বানিয়ে বাক্যের শুরুতে বসাতে হবে।
- এ Clause টা বসানোর সময় অন্য Clause টার Tense কে অনুসরণ করতে হবে।
- অন্য Clause টা Past Tense হলে এটাও Past Tense হবে। 
ii) মাঝখানে Conjunction- but/yet বসবে। 
iii) অন্য Clause টা বসবে।

• সুতরাং, নিয়মানুযায়ী, He is a rich man yet treats everyone with kindness. - সঠিক উত্তর।
৬৩.
The political philosophy 'Leviathan' is a literary work of -
  1. Jacobean Period
  2. Caroline Period
  3. Commonwealth Period
  4. Elizabethan Period
সঠিক উত্তর:
Commonwealth Period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Commonwealth Period
ব্যাখ্যা
• The political philosophy 'Leviathan' is a literary work of - Commonwealth Period
• Thomas Hobbes is the author of 'Leviathan'
- তিনি মূলত The Renaissance Period তথা Commonwealth Period এর সাহিত্যিক।
- সে অনুযায়ী 'Leviathan' কে Commonwealth Period এর উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৫১ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- In which he expounds an influential formulation of social contract theory.

• Thomas Hobbes is a political philosopher in the Commonwealth Period of English literature.
- His other notable work:
- The Elements of Law (1640);
- De Cive [On the Citizen] (1642)
- Hobbes died in 1679..

Source: An ABC OF English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman and Britannica and Live MCQ Lecture.
৬৪.
When the dog saw its owner, it came in running. Here 'running is a -
  1. Principal verb
  2. Participle
  3. Gerund
  4. Verbal noun
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা
•  When the dog saw its owner, it came in running. Here 'running is a - Participle.

- একটি বাক্যে Gerund বিভিন্ন অবস্থানে বসতে পারে।
- বাক্যে verb+ ing যুক্ত word যদি বাক্যের preposition এর পরে object হিসেবে বসে, তবে তা সাধারনত Gerund হবে।
- যেমন - The old man was tired of walking
- কিন্তু মনে রাখতে হবে যে, বাক্যে verb+ ing যুক্ত word যদি বাক্যের preposition এর পরে object হিসেবে বসে এবং চলমান sense নির্দেশ করে তাহলে তা participle হবে।
-এ ছাড়াও, in, out, inside, outside, away এরা যদি adverb এর মত কাজ করে তবে এর পরের verb টি present participle হয়।
৬৫.
একটি রাস্তায় ১০০ মিটার অন্তর কিছু গাছ লাগানো হয়েছে। প্রথম গাছ ও শেষ গাছের মধ্যে দূরত্ব ২.০ কি.মি হলে রাস্তায় মোট কতটি গাছ লাগানো হয়েছে? 
  1. ২০টি 
  2. ২১টি 
  3. ১৯টি 
  4. ২২টি 
সঠিক উত্তর:
২১টি 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১টি 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি রাস্তায় ১০০ মিটার অন্তর কিছু গাছ লাগানো হয়েছে। প্রথম গাছ ও শেষ গাছের মধ্যে দূরত্ব ২.০ কি.মি হলে রাস্তায় মোট কতটি গাছ লাগানো হয়েছে? 

সমাধান: 
আমরা জানি, 
১ কি.মি = ১০০০ মিটার 
∴ ২ কি.মি = ২০০০ মিটার 

∴ মোট গাছ ={(শেষ পদ - ১ম পদ)/অন্তর} + ১ 
= {(২০০০ - ০)/১০০} + ১ 
= ২০ + ১ 
= ২১টি 

∴ মোট গাছ লাগানো হল = ২১টি।
৬৬.
x2 - 2ax + (a + b)(a - b) এর উৎপাদক কোনটি?
  1. (x + a + b)(x - a - b)
  2. (x + a - b)(x - a - b)
  3. (x - a + b)(x + a - b)
  4. (x - a - b)(x - a + b)
সঠিক উত্তর:
(x - a - b)(x - a + b)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(x - a - b)(x - a + b)
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - 2ax + (a + b) (a - b) এর উৎপাদক কোনটি?

সমাধান: 
 x2 - 2ax + (a + b) (a - b) 
= x2 - 2ax + a2 - b2 
= (x - a)2 - b2 
= (x - a - b)(x - a + b) 

∴ নির্ণেয় উৎপাদক = (x - a - b)(x - a + b)
৬৭.
০.২, ০.০৪, ০.০০৮, ০.০০১৬ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত? 
  1. ০.০০৩২
  2. ০.০০০৩২
  3. ০.০০০২৪
  4. ০.০০০০৩২
সঠিক উত্তর:
০.০০০৩২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০০০৩২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ০.২, ০.০৪, ০.০০৮, ০.০০১৬ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি কত? 

সমাধান: 
১ম পদ = ০.২ 
২য় পদ = (০.২) = ০.০৪ 
৩য় পদ = (০.২) = ০.০০৮ 
৪র্থ পদ = (০.২) = ০.০০১৬ 
এবং ৫ম পদ = (০.২) = ০.০০০৩২ 

∴ ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাট = ০.০০০৩২।
৬৮.
কত তারিখ 'স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করা হয়?
  1. ৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  2. ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে
  3. ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে
ব্যাখ্যা
⇒ স্বাধীনতার ইশতেহার:
- ১৯৭১ সালের ১ মার্চ ইয়াহিয়া খানের জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত করার অপ্রত্যাশিত ঘোষণায় সমগ্র পূর্ব- পাকিস্তান বিক্ষোভে ফেটে পড়ে।
- স্বাধিকার আন্দোলন পরিণত হয় স্বাধীনতা আন্দোলনে।
- ২ মার্চ হরতাল চলাকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কলাভবনে 'স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের' ছাত্র সমাবেশে স্বাধীন বাংলার মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ৩ মার্চ পল্টন ময়দানে ছাত্রলীগ আয়োজিত বিক্ষোভ গণসমাবেশে স্বাধীন বাংলাদেশের ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ 'স্বাধীনতার ইশতেহার' ঘোষণা করেন।
- এ ইশতেহারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন ও সার্বভৌম 'বাংলাদেশের সর্বাধিনায়ক' ঘোষণা করা হয় ।
- তিনি এদিন এ সমাবেশে তাঁর ভাষণে স্বৈরাচারী সরকারের বিরুদ্ধে 'অসহযোগ আন্দোলনের' ডাক দেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, একাদশ- দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
৬৯.
কোনটি "Marine Dumping" নামে পরিচিত কনভেনশন?
  1. বন কনভেনশন
  2. বাসেল কনভেনশন
  3. লন্ডন কনভেনশন
  4. মাদ্রিদ কনভেনশন
সঠিক উত্তর:
লন্ডন কনভেনশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লন্ডন কনভেনশন
ব্যাখ্যা
⇒ লন্ডন কনভেনশন:
- লন্ডন কনভেনশন স্বাক্ষরিত হয়-১৯৭২ সালে।
- এটি কার্যকর- ১৯৭৫ সালে।
- এর বিষয়বস্তু বর্জ্য নির্গমন জনিত সাগর দূষণ নিয়ন্ত্রণ।
- অর্থাৎ, সাগরে নির্বিচারে বর্জ্য নির্গমন প্রতিরোধ করা।
- এটি Marine Dumping নামেও পরিচিত। 

উৎস- ব্রিটানিকা। 
৭০.
পরিবেশবান্ধব কারখানার 'লিড' সনদ দেয় কোন প্রতিষ্ঠান?
  1. ইউজবিটি
  2. ইউকেএএস
  3. ইউএসপি
  4. ইউএসজিবিসি
সঠিক উত্তর:
ইউএসজিবিসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইউএসজিবিসি
ব্যাখ্যা
দেশের পরিবেশবান্ধব কারখানা:
- ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত ইউএসজিবিসি যে সনদ দেয়, সেটির নাম ‘লিড’।
- লিডের পূর্ণরূপ: লিডারশিপ ইন এনার্জি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ডিজাইন।
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি) এ সনদ দেয়।
- ২০১২ সালে পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তা সাজ্জাদুর রহমান মৃধার হাত ধরে প্রথম পরিবেশবান্ধব সবুজ কারখানার যাত্রা শুরু দেশে।
- বর্তমানে দেশে তৈরি পোশাক খাতে লিড সবুজ কারখানা ২১৩টি।

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান পরিবেশবান্ধব স্থাপনার সনদ দিয়ে থাকে।
- তাদের মধ্যে অন্যতম যুক্তরাষ্ট্রের ইউএস গ্রিন বিল্ডিং কাউন্সিল (ইউএসজিবিসি)।

উৎস: ১৬ মার্চ ২০২৪, প্রথম আলো।