পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

পরীক্ষাBJS & BARতারিখ৫ মে, ২০২৪সময়50 minutes
মোট প্রশ্ন১০০
সিলেবাস
১৭তম বাংলাদেশ জুডিসিয়াল সার্ভিস প্রিলিমিনারি (MCQ) পরীক্ষা-২০২৪
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল ও বিজেএস জব সল্যুশন

BJS & BAR · ৫ মে, ২০২৪ · ১০০ প্রশ্ন

.
সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত খেলাধূলা সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তি সংস্থার নাম কী?
  1. ইন্টারন্যাশনাল স্পোর্টস কোর্ট
  2. কোর্ট অফ স্পোর্টস
  3. কোর্ট অফ ডিসিপ্লিন
  4. কোর্ট অফ আরবিট্রেশন
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অফ আরবিট্রেশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোর্ট অফ আরবিট্রেশন
ব্যাখ্যা
Court of Arbitration for Sport:
- ১৯৮১ সালে জুয়ান আন্তোনিও সামারাঞ্চ ক্রীড়া-নির্দিষ্ট এখতিয়ার তৈরির ধারণা দিয়েছিলেন। 
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় - ৩০ জুন, ১৯৮৪ সালে।
- সদর দপ্তর- লুজান, সুইজারল্যান্ড।
- ক্রীড়াক্ষেত্রে যেকোনো বিরোধ নিষ্পত্তির সর্বোচ্চ ক্রীড়া আদালত ‘কোর্ট অব আরবিট্রেশন ফর স্পোর্টস(CAS)’।
- ১৯৮৩ সালে আইওসি আনুষ্ঠানিকভাবে সিএএস-এর বিধিগুলি অনুমোদন করে।
- বর্তমান সভাপতি -জন ডি কোটস (অস্ট্রেলিয়ান নাগরিক)।
 
উৎস: CAS ওয়েবসাইট। [লিঙ্ক]
.
কোনো এক বছরে বৃহস্পতিবার যদি হয় আজ থেকে ৩ দিন পর তাহলে গতকালের ২ দিন আগে কী বার ছিল?
  1. সোমবার
  2. মঙ্গলবার
  3. বুধবার
  4. রবিবার
সঠিক উত্তর:
বুধবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বুধবার
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: কোনো এক বছরে বৃহস্পতিবার যদি হয় আজ থেকে ৩ দিন পর তাহলে গতকালের ২ দিন আগে কী বার ছিল?

সমাধান:
২ দিন আগের দিন - বুধবার
১ দিন আগের দিন - বৃহস্পতিবার
আগের দিন - শুক্রবার 
গতকাল - শনিবার
আজ - রবিবার
পরের দিন - সোমবার
১ দিন পরের দিন - মঙ্গলবার
২ দিন পরের দিন - বুধবার
৩ দিন পরের দিন - বৃহস্পতিবার
.
জলদস্যুদের হাতে জিম্মি হওয়ার প্রাক্কালে এমভি আবদুল্লাহ জাহাজটি যাচ্ছিল _______।
  1. মোজাম্বিক হতে কাতার
  2. মোজাম্বিক হতে দুবাই
  3. দুবাই হতে মোজাম্বিক
  4. মোজাম্বিক হতে সৌদি আরব
সঠিক উত্তর:
মোজাম্বিক হতে দুবাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোজাম্বিক হতে দুবাই
ব্যাখ্যা
এমভি আবদুল্লাহ:
- মোজাম্বিক থেকে কয়লা নিয়ে আরব আমিরাতের দুবাই শহরে যাওয়ার পথে ১২ মার্চ ২০২৪ সালে ভারত মহাসাগরে জলদস্যুর কবলে পড়ে বাংলাদেশি জাহাজ এমভি আবদুল্লাহ।
- জলদস্যুরা জাহাজের ২৩ নাবিককে জিম্মি করেছিল । 
- জাহাজটির মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান কেএসআরএম গ্রুপ।
-  আটকের ৩২ দিন পর জলদস্যুদের থেকে জাহাজটি মুক্ত করা হয়। 
 
উৎস:- বিবিসি ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
.
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করে-
  1. যুক্তরাজ্য
  2. সোভিয়েত ইউনিয়ন
  3. ফ্রান্স
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সোভিয়েত ইউনিয়ন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান:
- ১৯৭১ সালের ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষে ভেটো প্রদান করেছিল তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
- যুক্তরাষ্ট্র জাতিসংঘে পাকিস্তানের পক্ষে মোট তিনবার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন তিন বার ই ভেটো দেয়।
- এছাড়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বঙ্গোপসাগরে ৭ম নৌবহর প্রেরণ করে।
- তার পাল্টা ভারত মহাসাগরে অবস্থিত সোভিয়েত ইউনিয়নের ২০তম নৌবহর ৭ম নৌবহরের পিছু নেয়।
- চীন ও যুক্তরাষ্ট্র তখন বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল।
- বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্ধুপ্রতিম রাষ্ট্র ছিল তখন ভারত ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
পাটের আঁশ হতে পচনশীল পলিমার ব্যাগ তৈরির পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন-
  1. ড. শামসুল আলম
  2. ড. শহীদুল আলম
  3. ড. শহীদুল হক খান
  4. ড. মোবারক আহমেদ খান
সঠিক উত্তর:
ড. মোবারক আহমেদ খান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. মোবারক আহমেদ খান
ব্যাখ্যা
সোনালি ব্যাগ:
- প্লাস্টিকের কোন উপকরণ ছাড়াই পাট দিয়ে তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব পলিথিন ব্যাগ।
- পাট থেকে পলিথিন ব্যাগ উদ্ভাবন করেন প্রখ্যাত বিজ্ঞানী পরমাণু শক্তি কমিশনের সাবেক মহাপরিচালক ও বাংলাদেশ জুট মিল কর্পোরেশনের বৈজ্ঞানিক উপদেষ্টা ড. মোবারক আহমদ খান।
- তিনি এই ব্যাগের নাম দিয়েছেন ‘সোনালি ব্যাগ’।
 
এছাড়াও,
- ২০০৯ সালে এই বিজ্ঞানী পাটের সঙ্গে পলিমারের মিশ্রণ ঘটিয়ে মজবুত, তাপ বিকিরণরোধী ও সাশ্রয়ী ঢেউটিন ‘জুটিন’ বানান।
- এই পদ্ধতি উদ্ভাবনের জন্য বাংলাদেশ বিজ্ঞান একাডেমি তাঁকে ২০১৫ সালে স্বর্ণপদক দেয়।
- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২৪ সালে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার’ পান ড. মোবারক আহমদ খান।
 
অন্যদিকে -
- পাটের জিনোম সিকোয়েন্স বা পাটের জীবনরহস্য উন্মোচন করেন বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলম।
- পঞ্চব্রীহি ধান উৎপাদনের পদ্ধতি আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী ডক্টর আবেদ চৌধুরী।
 
উৎস: প্রথম আলো ও ইত্তেফাক পত্রিকা রিপোর্ট।
.
World Meteorological Organization এর তথ্য মতে পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় কোন দেশে?
  1. চীন
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. ইরাক
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
বিশ্বের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা:
- পৃথিবীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় তিনটি প্রধান উপাদানের মাধ্যমে তা হল - বায়ু, স্থল এবং উপগ্রহ পর্যবেক্ষণ।
- World Meteorological Organization এর তথ্যমতে পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ডেথ ভ্যালিতে।
- ১০ জুলাই, ১৯১৩ সালে রেকর্ড করা সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৫৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা ১৩৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট।

এছাড়াও,
- দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে - তিউনিসিয়া।
- তাপমাত্রা ছিল - ৫৫.০  ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে - কুয়েত।
- তাপমাত্রা ছিল - ৫৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস 

উৎস: asu.edu. [Link] [লিঙ্ক]
.
১৭৮১ সালে ফকির মজনু শাহ কোন জঙ্গলে আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেন?
  1. মধুপুর জঙ্গল
  2. পলাশী আম্রকানন
  3. সুন্দরবন
  4. ভাওয়াল গড়
সঠিক উত্তর:
মধুপুর জঙ্গল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মধুপুর জঙ্গল
ব্যাখ্যা
ফকির মজনু শাহ:
- বাংলার ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহ ছিল ব্রিটিশ বিরোধী প্রথম বিদ্রোহ।
- ঐতিহাসিক ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের নায়ক মজনু শাহ।
- তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের মাদারিয়া তরিকার সুফি সাধক। 
- ১৭৮১ সালে মজনু শাহ টাঙ্গাইলের মধুপুর জঙ্গলে আধিপত্য বিস্তার করেন।
- ১৭৮২ সালে ময়মনসিংহের আলপসিং পরগনায় ইংরেজদের সাথে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে ফকির ও সন্ন্যাসীরা পরাজিত হন।
- ফকির মজনু শাহ ১৭৮৭ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যবরণ করেন।
- মজনু শাহ মৃত্যবরণ করলে বিদ্রোহের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন মুসা শাহ, সোবানশাহ, চেরাগ আলী শাহ, করিম শাহ, মাদার বক্স প্রমুখ ফকির।
- এই নেতারা কয়েক বছর ইংরেজ প্রশাসনকে ব্যতিব্যস্ত করে রাখে।
- ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে তারা চূড়ান্তভাবে পরাজিত হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, SSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নয়া দিগন্ত পত্রিকা রিপোর্ট।
.
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার আসামী ছিলেন কত জন?
  1. ১৫
  2. ৩৫
  3. ২১
সঠিক উত্তর:
৩৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫
ব্যাখ্যা
আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা:
- ১৯৬৮ সালের ৩ জানুয়ারি আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করে।
- ১৮ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুকে এই মামলায় অভিযুক্ত করা হয়।
- বঙ্গবন্ধুকে প্রধান আসামী করে মোট ৩৫ জনকে এই মামলার আসামী করা হয়।
- মামলার নাম “রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য”। তবে এটি “আগরতলা ষড়যন্ত্র” মামলা হিসেবেই বেশি পরিচিত।
- ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে ১৯ জুন ৩৫ জনকে আসামি করে পাকিস্তান দন্ডবিধির ১২১-ক ধারা এবং ১৩১ ধারায় মামলার শুনানি শুরু হয়।
- মোট ১০০টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত মামলার চার্জশিট দাখিল করা হয়। সরকার পক্ষে মামলায় ১১ জন রাজসাক্ষীসহ মোট ২২৭ জন সাক্ষীর তালিকা আদালতে পেশ করা হয়। 
- এই মামলার আসামী সার্জেন্ট জহুরুল হককে ১৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ বন্দি অবস্থায় গুলি করে হত্যা করা হয়।
- গণঅভ্যুত্থানের মুখে আইয়ুব খান সরকার ১৯৬৯ সালের ২২শে ফেব্রয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে বঙ্গবন্ধু সহ সকল রাজবন্দিদের মুক্তিদানে বাধ্য হয়।
 
সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র এইচ এস সি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাংলাপিডিয়া।
.
দক্ষিণ আফ্রিকা কত তারিখ International Court of Justice এ গাজা উপত্যকায় গণহত্যা চালানোর অভিযোগে ইসরাইলের বিরুদ্ধে দরখাস্ত দায়ের করে?
  1. ৬ মার্চ, ২০২৪
  2. ১ ডিসেম্বর, ২০২৩
  3. ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  4. ২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
সঠিক উত্তর:
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩
ব্যাখ্যা
২৯ ডিসেম্বর, ২০২৩ সালে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে গাজায় গণহত্যার অভিযোগ এনে ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে) বা আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মামলা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। 

• The International Court of Justice (ICJ): 
- জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অবৈধ হস্তক্ষেপ, যুদ্ধাপরাধ, জাতিগত দাঙ্গা এ বিষয়গুলো এ আন্তর্জাতিক বিচারালয়ে নিষ্পত্তি হয়ে থাকে।
- আন্তর্জাতিক আদালতে মোট ১৫ জন বিচারক রয়েছেন যাদের মধ্যে দুজন একই রাষ্ট্রের নাগরিক হতে পারে না।
- তাঁরা জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ৯ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়ে থাকেন।
- আন্তর্জাতিক আদালতের সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক আদালত ১৯৪৫ সালে সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা জাতিসংঘ তৈরি করেছিল।
- জাতিসংঘের সকল সদস্যই আন্তর্জাতিক আদালত এর বিধির পক্ষ, এবং অ-সদস্যরাও দল হতে পারে।
- আদালতের উদ্বোধনী অধিবেশন ছিল ১৯৪৬ সালে। 
- আন্তর্জাতিক আদালতের বিচারকরা তাদের নিজস্ব রাষ্ট্রপতি এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট নির্বাচন করেন, যাদের প্রত্যেকেই তিন বছরের মেয়াদে কাজ করেন এবং প্রয়োজনে প্রশাসনিক কর্মীদের নিয়োগ করতে পারেন।
 
সূত্র: Britannica.com & (ICJ) Website & Daily Star News.
১০.
বাংলাদেশে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয়-
  1. ১১ জুন, ২০২০
  2. ১১ জুন, ২০২১
  3. ১১ মে, ২০২০
  4. ১১ মে, ২০২১
সঠিক উত্তর:
১১ মে, ২০২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ মে, ২০২০
ব্যাখ্যা
ভার্চুয়াল আদালত:
- ২০২০ সালের ৭ মে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠকে “আদালত কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ- ২০২০” এর খসড়ায় চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয়।
- ২০২০ সালের ৯ মে ভার্চুয়াল উপস্থিতিকে স্বশরীরে উপস্থিতি হিসেবে গণ্য করে অধ্যাদেশটি জারি করেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো: আব্দুল হামিদ।
- ১০ মে ভার্চুয়াল আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করে ১১ মে ২০২০ সালে থেকে সীমিত পরিসরে বিচারিক কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে ভার্চুয়াল আদালতের কার্যক্রম শুরু হয় ।
- প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়তে সরকারের যে অঙ্গীকার, তা পূরণে বিচার বিভাগীয় সফলতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত ভার্চুয়াল আদালত।
- ভার্চুয়াল আদালতের মাধ্যমে ১ লাখ ৬ হজার ৭৯ জন ব্যক্তি জামিনপ্রাপ্ত হয়ে কারামুক্ত হয়েছেন।

উৎস: channelionline.com
১১.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন ধারায় সাক্ষীকে আদালতে উপস্থিত করার দায়িত্ব পুলিশ অফিসারকে দেওয়া হয়েছে?
  1. 171(2)
  2. 173(3A)
  3. 172(2)
  4. 123
সঠিক উত্তর:
171(2)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
171(2)
ব্যাখ্যা
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর ১৭১ ধারার বিধান: ফরিয়াদি এবং সাক্ষীগণকে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না:
(১) কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যাবার পথে কোন পুলিশ কর্মকর্তার সাথে যেতে বলা যাবে না।
ফরিয়াদি ও সাক্ষীগণকে বাধা দেয়া যাবে না: অথবা অনাবশ্যক বাধা দেয়া যাবে না বা অসুবিধায় ফেলা যাবে না, বা তার নিজের মুচলেকা ছাড়া তার হাজিরের জন্য কোন জামানত দাবি করা যাবে না।
অবাধ্য ফরিয়াদি বা সাক্ষীকে হেফাজতে পাঠানো যাবে: শর্ত থাকে যে, ধারা-১৭০ এ প্রদত্ত নির্দেশ অনুসারে কোন ফরিয়াদি বা সাক্ষী হাজির হতে বা মুচলেকা সম্পাদন করতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করলে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তাকে হেফাজতে গ্রহণ করে ম্যাজিস্ট্রেট বরাবর পাঠাতে পারেন এবং ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুচলেকা সম্পাদন না করা বা মামলার শুনানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত হেফাজতে আটক রাখতে পারেন।
 
(২) উপধারা (১) এ যা কিছুই বর্ণিত থাকুক না কেন, মোকদ্দমার শুনানিকালে ফরিয়াদি বা সাক্ষী যেন আদালতে উপস্থিত থাকে তার সুনিশ্চিত বন্দোবস্ত করার দায়িত্ব পুলিশ কর্মকর্তার উপর ন্যস্ত হবে।
-------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section-171: Complainants and witnesses not to be required to accompany Police-Officer:
(1)] No complainant or witness on his way to the Court of the Magistrate shall be required to accompany a police-officer,
- Complainants and witnesses not to be subjected to restraint:
or shall be subjected to unnecessary restraint or incon-venience, or required to give any security for his appearance other than his own bond:
- Recusant complainant or witness may be forwarded in custody:
Provided that, if any complainant or witness refuses to attend or to execute a bond as directed in section 170, the officer in charge of the police-station may forward him in custody to the Magistrate, who may detain him in custody until he executes such bond, or until the hearing of the case is completed.
(2) Notwithstanding anything contained in sub-section (1), it shall be the responsibility of the police-officer to ensure that the complainant or the witness appears before the Court at the time of hearing of the case.
১২.
'ক' অসৎ উদ্দেশ্যে জনৈক মহিলার সম্মতি ছাড়া ও মহিলা বিরক্ত হবেন জেনেও তার ঘোমটা খুলে ফেলেন। 'ক' কোন অপরাধ করেছেন?
  1. Causing hurt
  2. Assault with intent to outrage modesty
  3. Use of criminal force
  4. Assault
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Use of criminal force
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারার: অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অন্য কোন ব্যক্তির উপর সম্মতি ব্যতীত বল প্রয়োগ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অথবা অনুরূপ শক্তি প্রয়োগ কর্তৃক, যে ব্যক্তির উপর বল প্রয়োগ করা হল, তার জখম বা ভয় বা বিরক্তি উৎপাদনের উদ্দেশ্যে অথবা তার শক্তি প্রয়োগের ফলে, যার উপর শক্তি প্রয়োগ করা হল, তার জখম, ভয় বা বিরক্তি উৎপাদিত হতে পারে জানা সত্ত্বেও যদি সে অনুরূপ বল প্রয়োগ করে, তবে সে ব্যক্তি অন্য ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে বলে পরিগণিত হয়।
উদাহরণ: 
(চ) ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে জনৈক মহিলার ঘোমটা খুলে ফেলে। এখানে, ক উদ্দেশ্যমূলকভাবে মহিলাটির উপর বল প্রয়োগ করেছে। ক যদি মহিলাটির সম্মতি ব্যতীত তা করে থাকে এবং তার উদ্দেশ্য যদি হয়- অথবা যদি তার জানা থাকে যে- মহিলাটি আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত হবে, তবে সে মহিলাটির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করেছে।
 
(ছ) ক চ-এর সম্মতি ব্যতীত চ-এর উপর একটি কুকুরকে ঝাঁপিয়ে পড়তে লেলিয়ে দেয়। এখানে ক-এর উদ্দেশ্য যদি হয় চ-কে আহত, ভীতিগ্রস্ত বা বিরক্ত করা, তবে ক চ-এর উপর অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ করেছে।
------------------------
The Penal Code Section-350. Criminal force:

-Whoever intentionally uses force to any person, without that person's consent, in order to the committing of any offence, or intending by the use of such force to cause, or knowing it to be likely that by the use of such force he will cause injury, fear or annoyance to the person to whom the force is used, is said to use criminal force to that other.
Illustrations:
(a) Z is sitting in a moored boat on a river. A unfastens the moorings, and thus intentionally causes the boat to drift down the stream. Here A intentionally causes motion to Z, and he does this by disposing substances in such a manner that the motion is produced without any other action on any person's part. A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, in order to the committing of any offence, or intending or knowing it to be likely that this use of force will cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force to Z.
 
(b) Z is riding in a chariot. A lashes Z's horses, and thereby causes them to quicken their pace. Here A has caused change of motion to Z by inducing the animals to change their motion. A has therefore used force to Z; and if A has done this without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, A has used criminal force to Z.
 
(c) Z is riding in a palanquin. A, intending to rob Z, seizes the pole and stops the palanquin. Here A has caused cessation of motion to Z, and he has done this by his own bodily power. A has therefore used force to Z; and as A has acted thus intentionally, without Z's consent, in order to the commission of an offence. A has used criminal force to Z.
(d) A intentionally pushes against Z in the street. Here A has by his own bodily power moved his own person so as to bring it into contact with Z. He has therefore intentionally used force to Z; and if he has done so without Z's consent, intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.
 
(e) A throws a stone, intending or knowing it to be likely that the stone will be thus brought into contact with Z, or with Z's clothes, or with something carried by Z, or that it will strike water, and dash up the water against Z's clothes or something carried by Z. Here, if the throwing of the stone produce the effect of causing any substance to come into contact with Z, or Z's clothes, A has used force to Z; and if he did so without Z's consent, intending thereby to injure, frighten or annoy Z, he has used criminal force to Z.
 
(f) A intentionally pulls up a woman's veil. Here A intentionally uses force to her, and if he does so without her consent intending or knowing it to be likely that he may thereby injure, frighten or annoy her, he has used criminal force to her.
 
(g) Z is bathing, A pours into the bath water which he knows to be boiling. Here A intentionally by his own bodily power causes such motion in the boiling water as brings that water into contact with Z, or with other water so situated that such contact must affect Z's sense of feeling: A has therefore intentionally used force to Z; and if he has done this without Z's consent intending or knowing it to be likely that he may thereby cause injury, fear or annoyance to Z, A has used criminal force.
(h) A incites a dog to spring upon Z, without Z's consent. Here, if A intends to cause injury, fear or annoyance to Z, he uses criminal force to Z.
১৩.
The Penal Code, 1860 অনুযায়ী আত্মহত্যার সহায়তাকরণের অপরাধের সর্বোচ্চ কারাদণ্ড কত বছর?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৬ ধারার বিধান আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান:- কোন ব্যক্তি যদি আত্মহত্যা করে, তবে যে ব্যক্তি আত্মহত্যায় সহায়তা বা প্ররোচনা দান করবে, উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোনো মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।
-------------------------------
⇒The Penal Code, 1860: Section 306 Abetment of suicide:- If any person commits suicide, whoever abets the commission of such suicide, shall be punished with imprisonment either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine.
১৪.
The Penal Code, 1860 এর কোন ধারায় আইনটির অতিরাষ্ট্রিক প্রযোজ্যতার বিধান আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪ ধারার বিধান: দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগ (Extra-territorial application of Penal Code)- দণ্ডবিধির ৪ ধারায় দণ্ডবিধির অতিরাষ্ট্রিক প্রয়োগের বিধান রয়েছে।  বাংলাদেশের কোন নাগরিক বাংলাদেশের বাহিরে কোন স্থানে বা বাংলাদেশের রেজিস্ট্রিকৃত কোন জাহাজ বা উড়োজাহাজে (জাহাজটি যেখানেই থাকুক না কেন) কোন অপরাধ করলে, বাংলাদেশের যে স্থানে উক্ত অপরাধীকে পাওয়া যাবে, সে স্থানে অপরাধ সংঘটন করেছে বলে ধারে নিয়ে তার বিচার করা যাবে।
অর্থাৎ দণ্ডবিধির ৪  ধারানুযায়ী বাংলাদেশের আদালত বাংলাদেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধের বিচার করতে এমনভাবে ক্ষমতাবান যেন, বাংলাদেশের যে স্থানে অপরাধীকে পাওয়া যাবে সে স্থানে অপরাধটি সংঘটিত হয়েছে বলে মনে করা হবে।
 
দণ্ডবিধির অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিক দেশে-বিদেশে যেখানেই পেনাল কোডের অপরাধ করুক তাঁকে বাংলাদেশে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানে বিচার করা যাবে। বিদেশি নাগরিক যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে কোনো অপরাধ করলে এবং তা পেনাল কোডে দণ্ডনীয় হলে তার বিচার বাংলাদেশে করা যাবে। কিন্তু বিদেশি কোনো নাগরিক বিদেশে অপরাধ করলে সেটি বাংলাদেশে বিচার্য হবে না।
দণ্ডবিধির ২ থেকে ৪ ধারায় দণ্ডবিধির প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যে ক্ষেত্রে দণ্ডবিধি প্রয়াগ হবে-
(i)  বাংলাদেশের সকল নাগরিকের ক্ষেত্রে: দেশে-বিদেশে যেখানেই অপরাধ সংঘটন করুক না কেন।
(ii) বিদেশি নাগরিকের ক্ষেত্রে: যদি সে বাংলাদেশে অথবা বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংঘটন করে।
(iii) বাংলাদেশের নিবন্ধিত কোন জাহাজ বা বিমানে অপরাধ সংগঠন করার ক্ষেত্রে: উক্ত বাংলাদেশি জাহাজ বা বিমান বাংলাদেশ বা বিদেশে যেখানেই অবস্থান করুক না কেন।
---------------------
⇒The penal Code Section -4.Extension of Code to extra-territorial offences:
The provisions of this Code apply also to any offence committed by-
(1) any citizen of Bangladesh in any place without and beyond Bangladesh;
(4) any person on any ship or aircraft registered in Bangladesh wherever it may be.
Explanation.-In this section the word "offence" includes every act committed outside Bangladesh which, if committed in Bangladesh, would be punishable under this Code.

Illustrations:
(a) A, a Bangladesh subject, commits a murder in Uganda. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(b) B, a European British subject, commits a murder in 3[Rangpur]. He can be tried and convicted of murder in any place in Bangladesh in which he may be found.
(c) C, a foreigner who is in the service of the Bangladesh Government, commits a murder in 4[Khulna]. He can be tried and convicted of murder at any place in Bangladesh in which he may be found.
(d) D, a British subject living in 5[Khulna], instigates E to commit a murder in 6[Chittagong]. D is guilty of abetting murder.
১৫.
The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে কোন অপরাধ আপোষযোগ্য নয়?
  1. চুরি
  2. বেআইনী সমাবেশ
  3. দাঙ্গা
  4. অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ
সঠিক উত্তর:
বেআইনী সমাবেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী সমাবেশ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫টি তফসিলের মধ্যে দ্বিতীয় তফসিলটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় তফসিলে মোট ৮টি কলাম রয়েছে।
- দ্বিতীয় তফসিলের কলাম ৬ এর মাঝে রয়েছে যে, দণ্ডবিধির অপরাধটি আপোষযোগ্য কি-না।

- ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের কলাম ৬ অনুযায়ী দণ্ডবিধির বেআইনী সমাবেশ  আপোষযোগ্য অপরাধ নয়।

-অনন্য দিকে
চুরি, দাঙ্গা, অপরাধজনক বিশ্বাসভঙ্গ আপোষযোগ্য অপরাধ।



উৎস: BDlaws

১৬.
থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক ব্যক্তিকে প্রহৃত হতে দেখলেন এবং তার কান্নাও শুনলেন, কিন্তু উক্ত কাজে তিনি বাধা দিলেন না। The Penal Code, 1860 অনুযায়ী তিনি -
  1. পেশাগত অসদাচরণ করেছেন
  2. দুষ্কর্মে সহায়তাকারী
  3. মূল অপরাধী
  4. কোনো অপরাধ করেননি
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মে সহায়তাকারী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুষ্কর্মে সহায়তাকারী
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১০৭ ধারার বিধান: কোন ব্যাপারে সহায়তা প্রদান:- 
-কোন ব্যক্তি কোন ব্যাপারে সহায়তা দান করেছে বলে পরিগণিত হয়, যদি সে ব্যক্তি-
প্রথমত :- কোন ব্যক্তিকে উক্ত ব্যাপারে প্ররোচনা দেয়;
দ্বিতীয়ত :- উক্ত কাজটি করার জন্য কোন ব্যক্তির বা ব্যক্তিদের সাথে কোন চক্রান্তে লিপ্ত হয়, যার ফলে চক্রান্ত অনুযায়ী কোন কাজ করা হয় অথবা কোন কাজ করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকা হয় এবং উক্ত কাজ করার জন্য তা করা হয়;
তৃতীয়ত :- কোন কাজ করে অথবা বেআইনীভাবে কোন কাজ করা হতে বিরত থেকে উপযুক্ত কার্যে ইচ্ছাকৃতভাবে সহায়তা করে।

ব্যাখ্যা ১:- কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাপূর্বক কোন বাস্তব গুরুত্বসম্পন্ন ঘটনার, যা প্রকাশ করতে সে বাধ্য-ভ্রান্ত বিবরণ প্রকাশ করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক উহা গোপন করে কোন কাজ করে বা করায় অথবা কোন কাজ করার বা করানোর চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সংঘটনে প্ররোচনা দেয় বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা ২:- যে ব্যক্তি কোন কাজ সম্পাদনের সময় বা তার পূর্বে উক্ত কাজ সম্পাদন সুগমকল্পে কোন কিছু করে, এবং তদ্বারা উহার সম্পাদন সুগম করে, সে ব্যক্তি উক্ত কাজ সম্পাদনের সহায়তা করে বলে অভিহিত হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এক ব্যক্তিকে প্রহৃত হতে দেখলেন এবং তার কান্নাও শুনলেন, কিন্তু উক্ত কাজে তিনি বাধা দিলেন না। The Penal Code, 1860 এর ১০৭ ধারা অনুযায়ী তিনি -দুষ্কর্মে সহায়তাকারী।
-----------------------
The Penal Code: Section-107: Abetment of a thing: 
A person abets the doing of a thing, who

Firstly.-Instigates any person to do that thing; or
Secondl:-Engages with one or more other person or persons in any conspiracy for the doing of that thing, if an act or illegal omission takes place in pursuance of that conspiracy, and in order to the doing of that thing; or
Thirdly:-Intentionally aids, by any act or illegal omission, the doing of that thing.

Explanation-1.-A person who, by wilful misrepresenta-tion, or by wilful concealment of a material fact which he is bound to disclose, voluntarily causes or procures, or attempts to cause or procure, a thing to be done, is said to instigate the doing of that thing.

Explanation-2.-Whoever, either prior to or at the time of the commission of an act, does anything in order to facilitate the commission of that act, and thereby facilitates the commission thereof, is said to aid the doing of that act.
১৭.
পুলিশ হেফাজতে কোনো ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ বিষয়ে The Code of Criminal Procedure, 1898 অনুসারে অনুসন্ধান করবেন ______।
  1. উর্দ্ধতন পুলিশ কর্মকর্তা
  2. নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
  3. সংশ্লিষ্ট আমলী আদালত
  4. সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারা অনুসারে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অনুসন্ধান করতে পারে:
 -যখন কোন ব্যক্তি পুলিশ কাস্টডিতে বা হেফাজতে মৃত্যুবরণ করে বা
- ধারা ১৭৪(আত্মহত্যা,কোন ব্যক্তি/ প্রাণী/ যন্ত্র দ্বারা বা দুর্ঘটনায় নিহত, বা ধারায় উল্লিখিত অন্য কোন সন্দেহজনক কারণে কোন ব্যক্তির মৃত্যু হলে)
 
- এই অনুসন্ধান করবে ১৭৪ (৫) ধারায় সুরতহাল করতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ম্যাজিস্টেট তথা-
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট
 
- ১৭৬ ধারার উপধারা (২) অনুসারে , উল্লিখিত ম্যাজিস্ট্রেটগণ ব্যক্তির মৃত্যুর কারণ নির্ণয়ের জন্য কবর হতে লাশ উত্তোলনের [disinter corpses] আদেশ দিতে পারেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭৬ ধারার বিধান: মৃত্যুর কারণ বিষয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ইনকেয়ারী:
- (১) কোন ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাবান নিকটতম ম্যাজিস্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তার মাধ্যমে তদন্ত ছাড়াও বা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি করবেন এবং ধারা-১৭৪ এর উপধারা-(১) এর অনুচ্ছেদ-(ক), (খ) ও (গ) এ বর্ণিত অন্যান্য ক্ষেত্রে উক্তরূপে ক্ষমতাবান যে কোন ম্যাজিস্ট্রেট মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ কর্মকর্তা কর্তৃক অনুষ্ঠিত তদন্ত ব্যতীতও অথবা এরূপ তদন্তের পরিবর্তে ইনকোয়ারি সম্পন্ন করতে পারবেন এবং তিনি যদি এরূপ সম্পাদন করেন, সেক্ষেত্রে অপরাধ ইনকোয়ারীর বেলায়ও তাঁর যে পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে এক্ষেত্রেও তার একই পরিমাণ ক্ষমতা থাকবে। এরূপ ইনকোয়ারি পরিচালনাকালীন সময়ে ম্যাজিস্ট্রেট পরিস্থিতি অনুসারে অতঃপর উল্লিখিত পন্থাসমূহের যে কোন একটি অনুসারে গৃহীত সাক্ষ্য-প্রমাণ নথিবদ্ধ করবেন।
 
(২) কবর হতে লাশ তুলার ক্ষমতা: যখনই কোন ম্যাজিস্ট্রেট এরূপ কোন ব্যক্তির লাশ, যাকে ইতঃপূর্বে কবর দেয়া হয়েছে, পরীক্ষা করা যুক্তিযুক্ত মনে করেন তার মৃত্যুর কারণ আবিষ্কার করার জন্য, তখনই ওই ম্যাজিস্ট্রেট ওই লাশটি কবর হতে তোলাইয়া পরীক্ষা করাতে পারবেন।
----------------
The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-176. Inquiry by Magistrate into cause of death:

(1) When any person dies while in the custody of the police, the nearest Magistrate empowered to hold inquests shall, and, in any other case mentioned in section 174, clauses (a), (b) and (c) of sub-section (1), any Magistrate so empowered may hold an inquiry into the cause of death either instead of, or in addition to, the investigation held by the police-officer, and if he does so, he shall have all the powers in conducting it which he would have in holding an inquiry into an offence.
The Magistrate holding such an inquiry shall record the evidence taken by him in connection therewith in any of the manners hereinafter prescribed according to the circumstances of the case.
Power to disinter corpses(2) Whenever such Magistrate considers it expedient to make an examination of the dead body of any person who has been already interred, in order to discover the cause of his death, the Magistrate may, cause the body to be disinterred and examined.
১৮.
The Code of Criminal Procedure, 1898 এর কোন তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ আছে?
  1. চতুর্থ
  2. তৃতীয়
  3. দ্বিতীয়
  4. পঞ্চম
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তৃতীয়
ব্যাখ্যা
⇒ ১৮৯৮ সালের ফৌজদারি কার্যবিধি আইনটি ৪৬টি অধ্যায়ে (Chapter) বিভক্ত এবং এতে মোট ৫৬৫টি ধারা (Section) সন্নিবেশিত রয়েছে। এছাড়াও ফৌজদারি কার্যবিধিতে ৫টি তফশিল (Schedule) এবং ৯টি ভাগ (Part) রয়েছে। কীভাবে অপরাধের তদন্ত করতে হবে, গ্রেফতার-জমিনের বিধান এবং বিচারকার্য কীভাবে পরিচালনা করা হবে সেটা ফৌজদারি কার্যবিধি থেকে জানা যায়।  ১৮৬২ সালের ১লা জানুয়ারি হতে ফৌজদারি কার্যবিধি বলবৎ হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন সংশোধনী আনা হয়, আবার কিছু ধারা আবার বিভিন্ন সময়ে বাতিলও করা হয়।ফৌজদারি কার্যবিধিতে আরো কিছু বিষয় আছে, অপরাধ যাতে না ঘটতে পারে তার জন্য কিছু ব্যবস্থা ফৌজদারি আইনে পাওয়া যায়।
 
 ফৌজদারি কার্যবিধিতে মোট ৫টি তফশিল রয়েছে। বর্তমানে বলবৎ আছে ৪টি তফশিল।
 
i) ১ম তফশিল (First Schedule) - বাতিল।
 
ii)  ফৌজদারি কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে আমলযোগ্য ও আমল-অযোগ্য অপরাধ, জামিনযোগ্য ও জামিন-অযোগ্য অপরাধ এবং দণ্ডবিধির অপরাধসমূহ কোন আদালত কর্তৃক বিচারযোগ্য ইত্যাদি বিষয়সমূহ উল্লেখ রয়েছে।
 
iii) ফৌজদারি কার্যবিধির তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের সাধারণ ক্ষমতা (Ordinary powers of Magistrates) উল্লেখ রয়েছে।
 
iv) ফৌজদারি কার্যবিধির ৪র্থ তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটগণের উপর আরোপযোগ্য অতিরিক্ত ক্ষমতা উল্লেখ রয়েছে।
 
v) ফৌজদারি কার্যবিধির ৫ম তফসিলে ফরম সমূহের বিষয়ে বলা রয়েছে।

অর্থাৎ The Code of Criminal Procedure, 1898 এর তৃতীয় তফসিলে ম্যাজিস্ট্রেটের সাধারণ ক্ষমতা উল্লেখ আছে
১৯.
'A' চুরির দায়ে অভিযুক্ত হলেন। ইতোপূর্বে তিনি চুরির দায়ে দণ্ডিত হয়েছিলেন বলে অভিযোগ করা হয়। এই ক্ষেত্রে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ নিম্নের কোন বিষয়রূপে প্রাসঙ্গিক?
  1. খারাপ আচরণরূপে
  2. স্বীকৃত বিষয়রূপে
  3. বিচার্য বিষয়রূপে
  4. আনুষঙ্গিক বিষয়রূপে
সঠিক উত্তর:
খারাপ আচরণরূপে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খারাপ আচরণরূপে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারার বিধান: পূর্ববর্তী অসৎ উত্তর প্রদান প্রসঙ্গ ব্যতীত অন্যভাবে প্রাসঙ্গিক নয়:-
-ফৌজদারী মোকদ্দমায় আসামীর চরিত্র যে খারাপ, এটা প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। তবে তার চরিত্র ভাল এ মর্মে সাক্ষ্য প্রদান করা হলে তার চরিত্র মন্দ এটা প্রাসঙ্গিক হয়ে পড়ে।
 
ব্যাখ্যা-১: যে মোকদ্দমায় কোন ব্যক্তির খারাপ চরিত্রই বিচার্য বিষয়, সেক্ষেত্রে অত্র ধারা প্রযোজ্য নয়। 
ব্যাখ্যা-২: সাক্ষ্য হিসাবে খারাপ চরিত্রে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ প্রাসঙ্গিক। 
-------------------------
Section-54. Previous bad character not relevant, except in reply:
In criminal proceedings the fact that the accused person has a bad character is irrelevant, unless evidence has been given that he has a good character, in which case it becomes relevant.
Explanation 1. –This section does not apply to cases in which the bad character of any person is itself a fact in issue.
Explanation 2. –A previous conviction is relevant as evidence of bad character.
২০.
The Evidence Act, 1872 অনুসারে 'Facts _______ need not be proved'।
  1. asserted
  2. confessed
  3. acknowledged
  4. admitted
সঠিক উত্তর:
admitted
উত্তর
সঠিক উত্তর:
admitted
ব্যাখ্যা
⇒ The Evidence Act, 1872 Section-58. Facts admitted need not be proved:

- No fact need be proved in any proceeding which the parties thereto or their agents agree to admit at the hearing, or which, before the hearing, they agree to admit by any writing under their hands, or which by any rule or pleading in force at the time they are deemed to have admitted by their pleadings:

Provided that the Court may, in its discretion, require the facts admitted to be proved otherwise than by such admissions.
--------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান: স্বীকৃত ঘটনাসমূহ প্রমাণ করার আবশ্যকতা নেই:-
মোকদ্দমায় পক্ষগণ বা তার প্রতিনিধিগণ যদি কোন বিষয় মামলার শুনানির সময়কালে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা শুনানির পূর্বে যদি তারা এটা নিজ হস্তে লিখে স্বীকার করতে সম্মত হয় অথবা উক্ত সময়ে কার্যকর কোন নিয়ম বা পক্ষগণের কোন আরজি-জবাব ইত্যাদি অনুসারে এটা পক্ষগণের দ্বারা স্বীকৃত বলে বিবেচিত হয়, তবে সে ঘটনা প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
 
তবে, নিজের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা অনুযায়ী আদালত কোন স্বীকৃত ঘটনার এবং অন্যবিধ প্রমাণ চাইতে পারেন। 
২১.
The Code of Civil Procedure, 1908 এর ______ অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়?
  1. Order 7 rule 10
  2. Order 8 rule 10
  3. Order 10 rule 4
  4. Order 26 rule 4
সঠিক উত্তর:
Order 26 rule 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 26 rule 4
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত আদালতের কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যায় না তবে দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর মাঝে ২৫ টি আদেশের তালিকা দেওয়া আছে যেগুলোর বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে।

অর্থাৎ আইনে স্পষ্ট বিধান না থাকলে, মূল অথবা আপিল এখতিয়ার প্রয়োগকারী আদালত কর্তৃক প্রদত্ত যে কোন আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করা যাবে না; কিন্তু ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিল করা যায়।

- উল্লিখিত প্রশ্নের অপশন (ক)-Order 7 rule 10 , (খ) Order 8 rule 10 এবং (গ) Order 10 rule 4 আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর আপিল যোগ্য আদেশের তালিকায় রয়েছে। কিন্তু অপশন (ঘ) Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশটি আদেশ ৪৩ এর বিধি ১ এর তালিকায় নেই। 

- এজন্য বলতে পারি যে The Code of Civil Procedure, 1908 এর Order 26 rule 4 অনুযায়ী প্রদত্ত আদেশ আপিলযোগ্য নয়।
২২.
তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি বৈধ অপারগতা নয়?
  1. অপ্রকৃতিস্থতা
  2. নিরক্ষরতা
  3. নাবালকত্ব
  4. নির্বুদ্ধিতা
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিরক্ষরতা
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ৬ অনুযায়ী কোন ব্যক্তি যত দিন নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধ থাকে ততদিন তামাদির মেয়াদ গণনা থেকে বাদ যাবে। নাবালকত্ব, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধতার অবসান হওয়ার পর থেকে তার মামলা দায়েরের সময় গণনা হবে।
- অর্থাৎ তামাদির মেয়াদ গণনার ক্ষেত্রে অপ্রকৃতিস্থতা, নাবালকত্ব, নির্বুদ্ধিতা বৈধ অপারগতা। কিন্ত নিরক্ষরতা বৈধ অপারগতা নয়।
 
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা:
উপধারা:(১) যেইক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করিবার কিংবা ডিংক্রী জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেইসময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হইবার পর, অপারগতা না থাকিলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় স্তম্ভে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (২) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হইবার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হইবারপর, অপারগতা না থাকিলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে উহা করিতে পারিতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৩) যেইক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকিলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে উহা করা যেত, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করিতে পারিবে।
উপধারা: (৪) যেইক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হইবে।
-------------------
The Limitation Act, 1908, Section-6.Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908.
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed.
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply.
 
Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority.
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease.
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.
২৩.
গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হলে উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের _____ দিনের মধ্যে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।
  1. ৬০
  2. ৩০
  3. ১৫
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৩০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০
ব্যাখ্যা
⇒ গ্রাম আদালত আইন, ২০০৬ এর ৬খ ধারার বিধান: প্রাক বিচার:
 (১) ধারা ৫ এর অধীন গ্রাম আদালত গঠিত হইবার অনধিক ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে গ্রাম আদালতের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হইবে এবং উক্ত অধিবেশনে গ্রাম আদালত উভয় পক্ষের শুনানী করিয়া মামলার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করিবে এবং পক্ষগণের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তির উদ্যোগ গ্রহণ করিবে।
(২) উপ-ধারা (১) অনুযায়ী আপোষ বা মীমাংসার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করা হইলে, উক্তরূপ উদ্যোগ গ্রহণের তারিখ হইতে ৩০ (ত্রিশ) দিনের মধ্যে উহা নিষ্পত্তি করিতে হইবে।
(৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি হইলে, মীমাংসার শর্তাবলী উল্লেখপূর্বক উভয়পক্ষ যৌথভাবে একটি আপোষনামা স্বাক্ষর বা বাম হস্তের বৃদ্ধাঙ্গুলির ছাপ প্রদান করিবেন এবং সাক্ষী হিসাবে উভয়পক্ষের মনোনীত সদস্যগণ আপোষনামায় স্বাক্ষর করিবেন।
(৪) উপ-ধারা (৩) অনুযায়ী আপোষনামা স্বাক্ষরিত হইলে, গ্রাম আদালত নির্ধারিত ফরমে উহার আদেশ লিপিবদ্ধ করিবে এবং উক্তরূপ আদেশ গ্রাম আদালতের আদেশ বা ডিক্রী বলিয়া গণ্য হইবে।
(৫) এই ধারার অধীন আপোষনামার মাধ্যমে বিচার্য বিষয় নিষ্পত্তি করা হইলে উহার বিরুদ্ধে আপীল বা রিভিশন দায়ের করা যাইবে না।
২৪.
নিম্নের কোন বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না?
  1. পদের অধিকার
  2. চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
  3. সম্পত্তির অধিকার
  4. আইনগত মর্যাদা
সঠিক উত্তর:
চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকার
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক মামলার বিধান রয়েছে। কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
 
⇒ শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে।
⇒ ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে। অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে,তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree) বলে।
 
⇒ অর্থাৎ কোন ব্যক্তির আইনানুগ পরিচয় বা কোন সম্পত্তিতে তার অধিকার যখন অন্য ব্যক্তি কর্তৃক অস্বীকার করা হয়, তখন আইনানুগ পরিচয়ের অধিকারী ব্যক্তি বা সম্পত্তিতে অধিকারী ব্যক্তি আদালতের নিকট তার আইনানুগ পরিচয় বা সম্পত্তিতে তার যে অধিকার আছে এই মর্মে ঘোষণা চেয়ে মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ কিন্তু চুক্তি উদ্ভূত আইনগত অধিকারে বিষয়ে ঘোষণামূলক ডিক্রি দেওয়া যায় না।

⇒ ঘোষণামূলক ডিক্রির প্রকৃতি:-
i) ঘোষণামূলক ডিক্রি দ্বারা নতুন কোন অধিকার সৃষ্টি হয় না বরং বাদীর বিদ্যমান অধিকারকে ঘোষণা করে মাত্র। সুতরাং মামলা করার সময় বাদীর অধিকার বিদ্যমান থাকতে হবে, ভবিষ্যতে কোন অধিকার অর্জন হবে তার জন্য ঘোষণামূলক মামলা করা যায় না।
ii) ঘোষণামূলক মামলায় আদালত বিরোধীয় বস্তুতে আইনগত পরিচয় ও স্বত্বের ঘোষণা করে মাত্র, কিন্তু এই ডিক্রির দ্বারা কোন পক্ষকে কোন কাজ করতে বা করা হতে বিরত থাকতে আদেশ দেয় না।ঃ
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি প্রদান করা আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা।
 
⇒ ৪২ ধারার অধীন ঘোষণামূলক ডিক্রি লাভের আবশ্যকীয় শর্তাবলি-
i) বাদী কোন আইনগত পরিচয় অথবা সম্পত্তিতে স্বত্বের অধিকারী হবে;
ii) বাদীর আইনগত পরিচয় (legal character) আইনের দ্বারা সৃষ্ট হতে হবে, চুক্তি দ্বারা সৃষ্ট কোন পরিচয় নয়; এবং
iii) বিবাদী কর্তৃক বাদীর আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার বা অস্বীকারের উদ্যোগ গ্রহণ।
 
⇒ মোকদ্দমা দায়ের:
১. যে আইনগত পরিচয়ের অধিকারী।
২. সম্পত্তিতে স্বত্বের একচ্ছত্র দখলের অধিকারী যার সম্পত্তির স্বত্ব অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
৩. যার পদ, পরিচয় বা অধিকার অস্বীকার করা হয়েছে বা অস্বীকার করতে আগ্রহী হয়েছে।
২৫.
নিম্নের কোন ধরনের মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে?
  1. নিঃস্ব ব্যক্তি কর্তৃক আনীত
  2. ইন্টারপ্লিডার
  3. ফোরক্লোজার
  4. হস্তান্তরযোগ্য দলিল সংক্রান্ত
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারপ্লিডার
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা ৮৮ অনুযায়ী যদি দুই বা ততোধিক ব্যক্তি অপর কোন ব্যক্তির নিকট একই পাওনা টাকা বা কোন স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি দাবি করে এবং যার নিকট দাবি করা হয় উক্ত সম্পত্তির উপর তার খরচের দাবি ব্যতীত অন্য কোন দাবি না থাকে এবং তিনি প্রকৃত মালিকের নিকট উক্ত সম্পত্তি বা অর্থ অর্পণ করতে প্রস্তুত থাকেন।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থ বিহীন মামলা (Interpleader Suits ) বলতে বুঝায় একাধিক বিবাদীগণের মধ্যে একই বিষয়বস্তু নিয়ে মালিকানা দাবি যেখানে বাদীর কোন স্বার্থ নেই।  স্বার্থ বিহীন মামলায়, মামলার বিষয়বস্তুতে বাদীর খরচের দাবি ছাড়া অন্য কোন স্বার্থ নেই।

⇒ তবে কার নিকট পরিশোধ বা অর্পণ করতে হবে সেই বিষয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত লাভের জন্য এবং নিজের ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য এরূপ দাবিদারদের সকলের বিরুদ্ধে ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমা দায়ের করতে পারে।
⇒ অর্থাৎ আদেশ ৩৫ অনুযায়ী স্বার্থবিহীন মোকদ্দমা বা  Interpleader Suits বিবাদি থাকবে কমপক্ষে ২ জন।

⇒ আদেশ ৩৫ বিধি-১। ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় আর্জি (Plaint in interpleader-suits): ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় প্রত্যেকটি মোকদ্দমার আরজিতে নিম্নবর্ণিত বিষয়গুলি বিবৃত করতে হবে - বাদী মোকদ্দমার খরচের জন্য ব্যয়িত দাবি ব্যতীত অন্য কোন স্বার্থ দাবি করে না; বিবাদীগণ কর্তৃক দাবিসমূহ পৃথকভাবে প্রণীত হয়েছে; এবং বাদী ও কোন বিবাদীগণের মধ্যে কোনরূপ যোগসাজশ বা ষড়যন্ত্র নেই।

⇒আদেশ-৩৫, বিধি-২: দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদান- যেক্ষেত্রে দাবিকৃত বস্তু আদালতে প্রদানের বা আদালতের হেফাজতে রাখার যোগ্য হয়, সেক্ষেত্রে মামলায় বাদী কোন আদেশের অধিকারী হওয়ার পূর্বে বাদীকে তা অনুরূপভাবে আদালতে প্রদান করতে তলব করা যেতে পারে। 

অর্থাৎ  ইন্টারপ্লিডার মোকদ্দমায় দাবীকৃত বস্তু আদালতে জমা দিতে হবে।
--------------------------------
⇒CPC Order-35 Rule-1: Plaint in interpleader suits:
 In every suit of interpleader the plaint shall, in addition to other statements necessary for plaints, state-
(a) that the plaintiff claims no interest in the subject-matter in dispute other than for charges or costs; 
(b) the claims made by the defendants severally; and
(c) that there is no collusion between the plaintiff and any of the defendants. 

⇒ CPC Order-35 Rule-2: Payment of thing claimed into Court:
 Where the thing claimed is capable of being paid into Court or placed in the custody of the Court, the plaintiff may be required to so pay or place it before he can be entitled to any order in the suit. 
২৬.
হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ______ দিন।
  1. ৬০
  2. ১৫
  3. ৩০
  4. ২০
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১৫১ অনুচ্ছেদের বিধান:
হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানি এখতিয়ার প্রয়োগকালে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিলের তামাদি মেয়াদ ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের দিন থেকে ২০ দিন।

অর্থাৎ হাইকোর্ট বিভাগ কর্তৃক আদি এখতিয়ার প্রয়োগে প্রচারিত ডিক্রির বিরুদ্ধে আপিলের তামাদির মেয়াদ ২০ দিন।
২৭.
'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে The Specific Relief Act, 1877 অনুসারে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার কী?
  1. ঘোষণা ও খাস দখল পুনরুদ্ধার
  2. খাস দখল পুনরুদ্ধার
  3. বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
  4. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা
ব্যাখ্যা
-'ক', 'খ' এর বৈধ চলাচলের রাস্তার অর্ধেক অংশে নতুন বাড়ি নির্মাণ করেন এবং উক্ত পথ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দেন। এক্ষেত্রে 'খ' এর সর্বোত্তম প্রতিকার হচ্ছে আদালত থেকে The Specific Relief Act, 1877 এর  ধারা ৫৪ এবং ৫৫ এর অধীন বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর করা। 

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৪ ধারায় বলা হয়েছে, আবেদনকারীর পক্ষে কোন বিদ্যমান বাধ্যবাধকতা, যা ভঙ্গ করাকে প্রতিরোধ করার জন্য চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা মঞ্জুর হতে পারে। নিষেধাজ্ঞা চিরস্থায়ী করার অর্থ ইহা নয় যে, উক্ত নিষেধাজ্ঞা চিরকালের জন্য চলতে থাকবে এবং উক্ত নিষেধাজ্ঞার ডিক্রির বিরুদ্ধে কোন কিছু করা যাবে না। কোন উপর্যুক্ত আদালত যতদিন পর্যন্ত স্বত্বের মীমাংসা না করেন এবং এই নিষেধাজ্ঞার ডিক্রি রদ না করেন ততদিন পর্যন্ত চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা চলতে থাকবে।
অপরদিকে, কোন ব্যক্তি কোন কাজ করতে আইনগত ভাবে বাধ্য থাকা শর্তেও তা করা থেকে বিরত থাকলে আদালত তাকে কাজটি সম্পাদন করতে বাধ্য করে তথা কোন বাধ্যবাধকতা ভঙ্গ রোধ করার জন্য নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের উদ্দেশ্যে যে নিষেধাজ্ঞা প্রদান করে তা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা নামে পরিচিত। সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৫ ধারায় এই সম্পর্কে বলা হয়েছে।  বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞার মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে সে যে কাজ করতে বাধ্য তাকে তা করতে আদেশ দেয়া হয়। সেজন্য ৫৫ ধারার বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা আদালতে প্রার্থনা করা হলে আদালত তার বিবেচনামূলক স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতাবলে সন্তুষ্টচিত্তে সর্বোচ্চ সতর্কতার সাথে মঞ্জুর করে থাকেন।

- এক্ষেত্রে আদালত ‘ক’ কে বাড়ি নির্মাণের কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য নিষেধাজ্ঞা এবং ‘খ’ কে উক্ত পথে চলার আদেশ দিতে পারে।
২৮.
আদালত কর্তৃক কোনো সম্পত্তি বা বস্তু পরিদর্শনের ক্ষমতা বিষয়ে The Code of Civil Procedure, 1908 এর বিধান কোনটি?
  1. Order 26 rule 6
  2. Section 151
  3. Order 18 rule 18
  4. Order 49 rule 1
সঠিক উত্তর:
Order 18 rule 18
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Order 18 rule 18
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৮ নং আদেশে মোকদ্দমার শুনানী এবং সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ [Hearing of the Suit and Examination of Witnesses] সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। 

- আদেশ ১৮ বিধি- ১৮: আদালত কর্তৃক পরিদর্শনের ক্ষমতা:  
মোকদ্দমার যেকোন পর্যায়ে কোন সম্পত্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোন প্রশ্নের উদ্ভব হলে আদালত তা পরিদর্শন করতে পারেন। 
-------------
Order 18 Rule 18: Power of court to inspect:
The Court may at any stage of a suit inspect any property or thing concerning which any question may arise.
২৯.
The Code of Civil Procedure, 1908 অনুযায়ী নিম্নের কোন বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ারভুক্ত নয়?
  1. কৃষি জমির ভাড়া
  2. স্বত্বের বিরোধ
  3. কৃষি জমির খাজনা
  4. কৃষি জমির মুনাফা
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বত্বের বিরোধ
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৫ ধারার বিধান: রাজস্ব আদালতে এই আইনের প্রয়োগ:
১) রাজস্ব আদালতে প্রযোজ্য বিশেষ আইন কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়ে নীরব থাকার ফলে এই আইনের বিধানসমূহ রাজস্ব আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলে সরকার, সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তির দ্বারা ঘোষণা করতে পারে যে, উক্ত বিধানসমূহের যে-সকল অংশ এই আইন দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রযোজ্য করা হয়নি, তা উক্ত আদালতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, অথবা সরকার কর্তৃক নির্ধারিত সংশোধনীসহ প্রযোজ্য হবে।
২) (১) উপধারায় “রাজস্ব আদালত” বলতে ঐ আদালত বুঝায়, কৃষির উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত ভূমির খাজনা রাজস্ব বা লাভ সম্পর্কিত মোকদ্দমা অথবা অন্যান্য কার্যধারা গ্রহণ করতে কোন আইনের অধীনে এখতিয়ারভুক্ত আদালতকে বুঝায়। তবে এটা দেওয়ানি প্রকৃতির মোকদ্দমা কার্যধারার মত অনুরূপ মোকদ্দমা বা কার্যধারাসমূহ বিচার করতে এই আইনের অধীনে মূল এতিয়ারযুক্ত দেওয়ানি আদালতকে অন্তর্ভুক্ত করে না।

উল্লিখিত প্রশ্নের ‘স্বত্বের বিরোধ’ বিষয়টি Revenue Court এর এখতিয়ার ভুক্ত নয়।
-----------------------
CPC-Section-5. Application of the Code of Revenue Courts:
(1) Where any Revenue Courts are governed by the provisions of this Code in those matters of procedure upon which any special enactment applicable to them is silent, the Government may, by notification in the official Gazette, declare that any portions of those provisions which are not expressly made applicable by this Code shall not apply to those Courts, or shall only apply to them with such notifications as the Government may prescribe.

(2) "Revenue Court" in sub-section (1) means a Court having jurisdiction under any law to entertain suits or other proceedings relating to the rent, revenue or profits of land used for agricultural purposes, but does not include a Civil Court having original jurisdiction under this Code to try such suits or proceedings as being suits or proceedings of a civil nature.
৩০.
The Civil Courts Act, 1887 অনুসারে সহকারী জজ আদালত ______ নির্দেশিত সিলমোহর ব্যবহার করেন।
  1. সরকার
  2. জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. জেলা জজ
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ১৬ ধারার বিধান: আদালতসমূহের সীলমোহর: সকল দেওয়ানি আদালত সরকার দ্বারা নির্ধারিত আকার ও প্রকৃতির সীলমোহর ব্যবহার করবেন।

⇒ Section-16. Seals of Courts: Every Civil Court under this Act shall use a seal of such form and dimensions as are prescribed by the Government.
৩১.
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে তদন্তকারী সংস্থা নয় কোনটি?
  1. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন
  2. বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
  3. পরিবেশ অধিদপ্তর
  4. জাতীয় রাজস্ব বোর্ড
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট
ব্যাখ্যা
মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯  এর তফশিল-১ এর মাঝে তদন্তকারী ২৭টি সংস্থার তালিকা দেওয়া আছে। 
এখানে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট এর কথা উল্লেখ নাই।
অর্থাৎ মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ বিধিমালা, ২০১৯ অনুসারে 'বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট' তদন্তকারী সংস্থা নয়।

তফশিলের তালিকাটি নিচে দেওয়া হল:



সূত্র:
মানি লন্ডারিং বিধিমালা ২০১৯
৩২.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এ 'রুদ্ধ-কক্ষ বিচার' এর বিধান আছে কোন ধারায়?
  1. ২১
  2. ২৫
  3. ২৩
  4. ২৪
সঠিক উত্তর:
২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫
ব্যাখ্যা
⇒ মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ২৫ ধারার বিধান: রুদ্ধ-কক্ষ বিচার (trial in-camera):
- ন্যায়বিচারের স্বার্থে এবং নারী কিংবা শিশু ভিকটিমের সুরক্ষার প্রয়োজনে ট্রাইব্যুনাল কারণ উল্লেখ করিয়া এই আইনের অধীন কোন অপরাধের বিচারকার্য কেবল মামলার পক্ষগণ এবং তাহাদের নিযুক্ত আইনজীবীগণ বা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে অন্যান্য প্রতিনিধিগণের উপস্থিতিতে রুদ্ধ-কক্ষে অনুষ্ঠানের আদেশ প্রদান করিতে পারিবে।
৩৩.
The Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে মামলার ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়?
  1. সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ
  2. একই দাবীতে দেওয়ানী মামলা করা যাবে
  3. একই দাবীতে ফৌজদারী মামলা করা যাবে
  4. সর্বোচ্চ কারাদণ্ড এক বৎসর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ
ব্যাখ্যা
⇒ অপর্যাপ্ত তহবিল, ত্রুটিপূর্ণ স্বাক্ষর ও অন্য যে কোন যথাযথ কারনে বাহক কর্তৃক সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে জমা দেয়া চেক যদি প্রত্যাখ্যাত হয় বা চেকে উল্লেখিত টাকা বাহককে প্রদান করা সম্ভব না হয় সেটিকেই বলা হয় চেক ডিজঅনার। কোন কারনে চেক ডিজঅনার হলে চেক প্রদানকারীর বিরুদ্ধে হস্তারযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ (Negotiable Instrument Act, 1881) অনুযায়ী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের সুযোগ রয়েছে।  
- হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮(১) ধারায় চেক প্রত্যাখিত হবার শাস্তির কথা বলা হয়েছে। এখানে বলা আছে, চেক ডিজঅনারের শাস্তি হল ১ বছরের কারাদণ্ড অথবা চেকে উল্লেখিত টাকার ৩ গুন জরিমানা অথবা উভয়।
- চেক ডিজঅনারের মামলা কিছুটা দেওয়ানী এবং কিছুটা ফৌজদারী প্রকৃতির। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী আদালতেও মামলা দায়ের করা যায়। দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১-৭ বিধিতে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে এরকম বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান রাখা হয়েছে। অন্যান্য দেওয়ানী মামলার ন্যায় সাধারণ পদ্ধতিতে মামলা পরিচালিত হলে অনেক সময়ের অপচয় হবে। তাই চেক ডিজঅনারের মামলা দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে পরিচালিত হবে। সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে মামলা পরিচালনার সবচেয়ে বড় সুবিধা হল, বিবাদীকে এক্ষেত্রে লিখিত জবাব দাখিল করতে হয় না।  দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের ১ বিধিতে বলা হয়েছে, হস্তান্তরযোগ্য দলিল বিষয়ে মামলা কেবলমাত্র হাইকোর্ট বিভাগ এবং জেলা জজ আদালতে দায়ের করা যাবে। আমরা জানি “চেক (cheque)” একটি হস্তান্তরযোগ্য দলিল। তাই চেক ডিজঅনার হলে দেওয়ানী কার্যবিধির ৩৭ আদেশের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগ অথবা জেলা জজ আদালতে দেওয়ানী মোকদ্দমা করা যায়।
-এছাড়া, ১৮৮১ সালের হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের ১৩৮ ধারার শুরুতে ” Notwithstanding anything contained in” শব্দগুলোর অনুপস্থিতি প্রমাণ করে উক্ত ধারায় কোনো “Non-obstante clause” নেই। তাই ১৩৮ ধারার অপরাধের কারণে বাদী শুধুমাত্র হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইনের অধীনেই মামলা করতে পারবে-এই কথাটা ঠিক নয়। দণ্ডবিধি ৪০৬/৪২০ ধারার অধীনে আসামীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রেও বাদীর কোন বাধা নেই।

অর্থাৎ The Negotiable Instruments Act, 1881 এর অধীনে চেক ডিজঅনার মামলার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ জরিমানা চেকে বর্ণিত অর্থের দ্বিগুণ বিধানটি সঠিক নয়।
৩৪.
The Special Powers Act, 1974 অনুযায়ী ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  2. মৃত্যুদণ্ড
  3. ১৪ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড
  4. ৫ বছরের কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ বিশেষ ক্ষমতা আইনে ২৫গ বাধার বিধান: ভেজাল দেওয়া বা ভেজাল খাদ্য, পানীয়, ঔষধ বা প্রসাধনী বিক্রয় করার শাস্তি:
এখানে ভেজাল খাদ্য প্রস্তুত ও বিক্রয়ের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড এর বিধান রয়েছে।

⇒ The Special Powers Act, 1974 Section-25C. Penalty for adulteration of, or sale of adulterated food, drink, drugs or cosmetics:
(1) Whoever-
(a) adulterates any article of food or drink, so as to make such article noxious as food or drink, intending to sell such article as food or drink, or knowing it to be likely that the same will be sold as food or drink; or
(b) sells, or offers or exposes for sale, as food or drink, any article which has been rendered or has become noxious, or is in a state unfit for food or drink, knowing or having reason to believe that the same is noxious as food or drink; or
(c) adulterates any drug or medical preparation in such a manner as to lessen the efficacy or change the operation of such drug or medical preparation, or to make it noxious, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any medical purpose, as if it had not undergone such adulteration; or
(d) knowing any drug or medical preparation to have been adulterated is such a manner as to lessen its efficacy, to change its operation, or to render it noxious, sells the same, or offers or exposes it for sale, or issues it from any dispensary for medical purposes as unadulterated, or causes it to be used for medical purposes by any person not knowing of the adulteration; or
(e) knowingly sells, or offers or exposes for sale, or issues from a dispensary for medical purposes, any drug or medical preparation, as a different drug or medical preparation,
shall be punishable with death, or with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to fourteen years, and shall also be liable to fine.

(2) Whoever-
(a) adulterates any hair oil, toilet soap or other cosmetic in such a manner as to make it harmful to hair, skin,
complexion or any part of the body, intending that it shall be sold or used for, or knowing it to be likely that it will be sold or used for, any cosmetic purpose; or
(b) knowing any hair oil, toilet soap or other cosmetic to have been adulterated in such a manner as to make it harmful to hair, skin, complexion or any part of the body, sells the same, or offers or exposes it for sale, as adulterated,
 shall be punishable with rigorous imprisonment for a term which may extend to five years, and shall also be liable to fine.
৩৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে অনধিক কতদিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে?
  1. ১০
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ এর ১০ বিধির বিধান: মিমাংসা সভা মূলতবী:-
-মিমাংসা সভার কোন দিনের কার্যক্রম সমাপ্ত না হইলে বা উক্ত দিনে পক্ষগণ আপোষ-মিমাংসায় উপনীত হইতে ব্যর্থ হইলে, লিগ্যাল এইড অফিসার, উপযুক্ত মনে করিলে, উক্ত দিনের মিমাংসা সভা মূলতবী করিয়া উভয় পক্ষের উপস্থিতির জন্য সুবিধাজনক অপর একটি দিন ধার্য করিবেন, যাহা কোনক্রমেই ৭ (সাত) দিনের অধিক হইবে না।

অর্থাৎ আইনগত সহায়তা প্রদান (আইনী পরামর্শ ও বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি) বিধিমালা, ২০১৫ অনুযায়ী কোনো মিমাংসা সভা মূলতবী করা হলে অনধিক ৭দিনের মধ্যে পরবর্তী দিন ধার্য করতে হবে।
৩৬.
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর অধীনে গঠিত আদালতের নাম কী?
  1. দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল
  2. সন্ত্রাস বিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনাল
  3. প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আদালত
  4. দ্রুত বিচার আদালত
সঠিক উত্তর:
দ্রুত বিচার আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দ্রুত বিচার আদালত
ব্যাখ্যা
⇒আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ এর ধারা২(গ) এর মাঝে বলা আছে “আদালত” অর্থ এই আইনের অধীন গঠিত দ্রুত বিচার আদালত।

এই আইনের ৮ ধারার বিধান: দ্রুত বিচার আদালত গঠন:
(১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের উদ্দেশ্য পূরণকল্পে প্রত্যেক জেলায় এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় এক বা একাধিক দ্রুত বিচার আদালত গঠন করিতে পারিবে এবং উক্ত প্রজ্ঞাপনে প্রত্যেকটি দ্রুত বিচার আদালতের স্থানীয় অধিক্ষেত্র নির্ধারণ করিয়া দিতে পারিবে৷
(২) সরকার বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেটকে উক্ত আদালতের বিচারক নিযুক্ত করিবে।
৩৭.
কোন অপরাধটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়?
  1. যৌতুকের জন্য সাধারণ জখম
  2. ভিক্ষাবৃত্তির উদ্দেশ্যে শিশুর অঙ্গহানি
  3. ধর্ষণের চেষ্টা
  4. দাসত্বমূলক শ্রম
সঠিক উত্তর:
দাসত্বমূলক শ্রম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দাসত্বমূলক শ্রম
ব্যাখ্যা
⇒ দাসত্বমূলক শ্রম অপরাধটি নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ অনুযায়ী শাস্তিযোগ্য অপরাধ নয়।

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ৯ ধারায় ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি,  ১১ ধারায় যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি এবং ১২ ধারায় ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তির বিধান রয়েছে।
---------------------
ধারা ৯ ধর্ষণ, ধর্ষণজনিত কারণে মৃত্যু, ইত্যাদির শাস্তি:
 (১) যদি কোন পুরুষ কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন, তাহা হইলে তিনি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

ব্যাখ্যা৷- যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তাহার সম্মতি আদায় করিয়া, অথবা ষোল বৎসরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তাহার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করেন, তাহা হইলে তিনি উক্ত নারীকে ধর্ষণ করিয়াছেন বলিয়া গণ্য হইবেন।
(২) যদি কোন ব্যক্তি কর্তৃক ধর্ষণ বা উক্ত ধর্ষণ পরবর্তী তাহার অন্যবিধ কার্যকলাপের ফলে ধর্ষণের শিকার নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(৩) যদি একাধিক ব্যক্তি দলবদ্ধভাবে কোন নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং ধর্ষণের ফলে উক্ত নারী বা শিশুর মৃত্যু ঘটে বা তিনি আহত হন, তাহা হইলে ঐ দলের প্রত্যেক ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন এক লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
(৪) যদি কোন ব্যক্তি কোন নারী বা শিশুকে-
(ক) ধর্ষণ করিয়া মৃত্যু ঘটানোর বা আহত করার চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) ধর্ষণের চেষ্টা করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
(৫) যদি পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন সময়ে কোন নারী ধর্ষণের শিকার] হন, তাহা হইলে যাহাদের হেফাজতে থাকাকালীন উক্তরূপ ধর্ষণ সংঘটিত হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণ ধর্ষণের শিকার] নারীর হেফাজতের জন্য সরাসরিভাবে দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন, তিনি বা তাহারা প্রত্যেকে, ভিন্নরূপ প্রমাণিত না হইলে, হেফাজতের ব্যর্থতার জন্য, অনধিক দশ বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অন্যূন দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।

⇒ ধারা ১১-যৌতুকের জন্য মৃত্যু ঘটানো, ইত্যাদির শাস্তি:
 যদি কোন নারীর স্বামী অথবা স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা স্বামীর পক্ষে অন্য কোন ব্যক্তি যৌতুকের জন্য উক্ত নারীর মৃত্যু ঘটান বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করেন কিংবা উক্ত নারীকে মারাত্মক জখম (grievous hurt) করেন বা সাধারণ জখম simple hurt) করেন তাহা হইলে উক্ত স্বামী, স্বামীর পিতা, মাতা, অভিভাবক, আত্মীয় বা ব্যক্তি-
 
(ক) মৃত্যু ঘটানোর জন্য মৃত্যুদণ্ডে বা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উভয় ক্ষেত্রে উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(খ) মারাত্মক জখম (grievous hurt) করার জন্য যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অনধিক বার বৎসর কিন্তু অন্যূন পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন;
(গ) সাধারণ জখম (simple hurt) করার জন্য অনধিক তিন বৎসর কিন্তু অন্যূন এক বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং উক্ত দণ্ডের অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
 
ধারা ১২-ভিক্ষাবৃত্তি, ইত্যাদির উদ্দেশ্যে শিশুকে অঙ্গহানি করার শাস্তি:
 যদি কোন ব্যক্তি ভিক্ষাবৃত্তি বা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রির উদ্দেশ্যে কোন শিশুর হাত, পা, চক্ষু বা অন্য কোন অংগ বিনষ্ট করেন বা অন্য কোনভাবে বিকলাংগ বা বিকৃত করেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন।
৩৮.
শিশু আইন, ২০১৩ অনুযায়ী ______ বৎসরের কম বয়স্ক শিশুকে কোনো অবস্থাতেই গ্রেপ্তার করা যাবে না।
  1. ১১
  2. ১৮
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ শিশু আইন, ২০১৩ এর ৪৪ ধারার বিধান: গ্রেফতার, ইত্যাদি:
(১) এই ধারায় যাহা কিছুই থাকুক না কেন, ৯ (নয়) বৎসরের নিম্নের কোন শিশুকে কোন অবস্থাতেই গ্রেফতার করা বা, ক্ষেত্রমত, আটক রাখা যাইবে না।
(২) অন্য কোন আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন শিশুকে নিবর্তনমূলক আটকাদেশ সংক্রান্ত কোন আইনের অধীন গ্রেফতার বা আটক করা যাইবে না।
(৩) শিশুকে গ্রেফতার করিবার পর গ্রেফতারকারী পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতারের কারণ, স্থান, অভিযোগের বিষয়বস্ত্ত, ইত্যাদি সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে শিশুবিষয়ক পুলিশ কর্মকর্তাকে অবহিত করিবেন এবং প্রাথমিকভাবে তাহার বয়স নির্ধারণ করিয়া নথিতে লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, গ্রেফতার করিবার পর কোন শিশুকে হাতকড়া বা কোমরে দড়ি বা রশি লাগানো যাইবে না।

(৪) উপ-ধারা (৩) এর অধীন বয়স নির্ধারণের ক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তা জন্ম নিবন্ধন সনদ অথবা, উক্ত সনদের অবর্তমানে স্কুল সার্টিফিকেট বা স্কুলে ভর্তির সময় প্রদত্ত তারিখসহ প্রাসঙ্গিক দলিলাদি উদ্‌ঘাটনপূর্বক যাচাই-বাছাই করিয়া তাহার বয়স লিপিবদ্ধ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, যেক্ষেত্রে পুলিশ কর্মকর্তার নিকট প্রতীয়মান হয় যে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একজন শিশু কিন্তু সম্ভাব্য সকল চেষ্টা করিয়াও দালিলিক প্রমাণ দ্বারা তাহা নিশ্চিত হওয়া যায় না, সেইক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তিকে এই আইনের বিধান অনুযায়ী শিশু হিসাবে গণ্য করিতে হইবে।
 
(৫) সংশ্লিষ্ট থানায় শিশুর জন্য উপযোগী কোন নিরাপদ স্থান না থাকিলে গ্রেফতারের পর হইতে আদালতে হাজির না করা সময় পর্যন্ত শিশুকে নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, নিরাপদ স্থানে আটক রাখিবার ক্ষেত্রে শিশুকে প্রাপ্তবয়স্ক বা ইতোমধ্যেই দোষী সাব্যস্ত হইয়াছেন এইরূপ কোন শিশু বা অপরাধী এবং আইনের সংস্পর্শে আসা কোন শিশুর সহিত একত্রে রাখা যাইবে না।
৩৯.
মাদকদ্রব্যের উৎস হতে গন্তব্য পর্যন্ত কার্যক্রমের সাথে জড়িত সকল অপরাধীকে সনাক্ত ও গ্রেপ্তার করার জন্য পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল হচ্ছে-
  1. তল্লাশি অভিযান
  2. নিয়ন্ত্রিত বিলি
  3. চোরাচালান প্রতিরোধ
  4. গোপন অভিযান
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিয়ন্ত্রিত বিলি
ব্যাখ্যা
⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ২(১৫) ধারার বিধান:
- ‘নিয়ন্ত্রিত বিলি (Control Delivery)’ অর্থ কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে জড়িত ব্যক্তিদের সনাক্ত করিবার উদ্দেশ্যে পরিচালিত বিশেষ তদন্ত কৌশল, যাহাতে কোনো মাদকদ্রব্য, উহার উৎসবস্তু, উপাদান অথবা মিশ্রণের বেআইনি অথবা সন্দেহজনক চালানকে তদন্তের ক্ষমতাসম্পন্ন কোনো আইন প্রায়োগকারী সংস্থার (সরকারের) জ্ঞাতসারে ও তত্ত্বাবধানে শেষ গন্তব্য পর্যন্ত পরিবহন ও বিতরণ অথবা হস্তান্তর করিতে দেওয়া যাহার মাধ্যমে শেষ পর্যন্ত উক্ত মাদকদ্রব্যের উৎস হইতে গন্তব্য পর্যন্ত যাবতীয় কার্যক্রমের সহিত জড়িত সকল অপরাধীকে গ্রেফতার করা যায়;

⇒মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ৩৫ ধারার বিধান: গোপন অভিযোগ ও নিয়ন্ত্রিত বিলি:
(১) উপ-ধারা (২) এবং কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের সহিত বাংলাদেশের স্বাক্ষরিত চুক্তি অথবা সমঝোতা সাপেক্ষে, সরকার, এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন সংঘটিত কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কে বাংলাদেশে অথবা অন্য কোথাও প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে, নিয়ন্ত্রিত বিলির লিখিত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন অনুমোদন প্রদান করা হইবে না, যদি না সরকার-

(ক) কোনো ব্যক্তিকে, যাহার পরিচিতি জ্ঞাত অথবা অজ্ঞাত যাহাই হউক না কেন, এই বলিয়া সন্দেহ করে যে, তিনি এইরূপ কোনো কার্যে লিপ্ত ছিলেন অথবা রহিয়াছেন অথবা হইবার উদ্যোগ গ্রহণ করিয়াছেন যাহা এই আইন অথবা কোনো বিদেশি রাষ্ট্রের অনুরূপ কোনো আইনের অধীন মাদকদ্রব্য অপরাধ বলিয়া পরিগণিত; এবং
(খ) এই মর্মে সন্তুষ্ট হয়, নিয়ন্ত্রিত বিলির ব্যবস্থা এইরূপ নির্ধারিত করা হইয়াছে যে, উহাতে উক্ত ব্যক্তির কার্য প্রকাশিত হইবার অথবা উক্ত কার্যসংক্রান্ত অন্য কোনো প্রমাণ লাভের সুযোগ রহিয়াছে।

(৩) সরকার অনধিক ৩ (তিন) মাসের জন্য, সময়ে সময়ে, উক্ত অনুমোদন প্রদান করিতে পারিবে।
(৪) উপ-ধারা (১) এর সামগ্রিকতা ক্ষুণ্ন না করিয়া, উক্ত উপ-ধারার অধীন অনুমোদনপ্রাপ্ত কোনো ব্যক্তি, নিয়ন্ত্রিত বিলি ও গোপন অভিযান চলাকালে এবং তদুদ্দেশ্যে, নিম্নরূপ কার্যাবলি সম্পাদন করিতে পারিবে, যথা:-
(ক) কোনো বাহনকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া;
(খ) কোনো বাহনকে মাদকদ্রব্য সরবরাহ অথবা সংগ্রহ করিতে দেওয়া;
(গ) কোনো বাহনে প্রবেশ ও তল্লাশির জন্য পরিস্থিতি অনুযায়ী যুক্তিসংগত শক্তি প্রয়োগ করা;
(ঘ) কোনো বাহনে গোপন সংকেত প্রদানকারী যন্ত্র (Tracking Device) স্থাপন করা; এবং
(ঙ) যে ব্যক্তির অধিকারে অথবা হেফাজতে মাদকদ্রব্য রহিয়াছে তাহাকে বাংলাদেশে প্রবেশ অথবা বাংলাদেশ ত্যাগ করিতে দেওয়া।

(৫) আপাতত বলবৎ অন্য কোনো আইনে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোনো গোপন অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণকারী কোনো অনুমোদনপ্রাপ্ত ব্যক্তি, অনুমোদনের শর্ত অনুযায়ী, উক্ত অভিযান অথবা নিয়ন্ত্রিত বিলিতে অংশগ্রহণের জন্য কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধের দায়ে দায়ী হইবে না।
৪০.
কোনো ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে ভীতি প্রদর্শক তথ্য প্রকাশের অপরাধের বিচার করবেন ______ ট্রাইব্যুনাল।
  1. জননিরাপত্তা
  2. সাইবার নিরাপত্তা
  3. ডিজিটাল
  4. সাইবার
সঠিক উত্তর:
সাইবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাইবার
ব্যাখ্যা
⇒ সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ এর ধারা ২(১) এরে (ঝ) তে বলা আছে- “ট্রাইব্যুনাল” অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ (২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন) এর ধারা ৬৮ এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল।

- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন,২০০৬ এর ৬৮ ধারার বিধান: সাইবার ট্রাইব্যুনাল গঠন:
 (১) সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, এই আইনের অধীন সংঘটিত অপরাধের দ্রুত ও কার্যকর বিচারের উদ্দেশ্যে, এক বা একাধিক সাইবার ট্রাইব্যুনাল, অতঃপর সময় সময় ট্রাইব্যুনাল বলিয়া উল্লিখিত, গঠন করিতে পারিবে৷ 
(২) উপ-ধারা (১) এর অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনাল সুপ্রীম কোর্টের সহিত পরামর্শক্রমে, সরকার কর্তৃক নিযুক্ত একজন দায়রা জজ বা একজন অতিরিক্ত দায়রা জজের সমন্বয়ে গঠিত হইবে; এবং অনুরূপভাবে নিযুক্ত একজন বিচারক “বিচারক, সাইবার ট্রাইব্যুনাল” নামে অভিহিত হইবেন৷
(৩) এই ধারার অধীন গঠিত সাইবার ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের স্থানীয় অধিক্ষেত্র অথবা এক বা একাধিক দায়রা ডিভিশনের অধিক্ষেত্র প্রদান করা যাইতে পারে; এবং উক্ত ট্রাইব্যুনাল কেবল এই আইনের অধীন অপরাধের মামলার বিচার করিবে৷
(৪) সরকার কর্তৃক পরবর্তীতে গঠিত কোন ট্রাইব্যুনালকে সমগ্র বাংলাদেশের অথবা এক বা একাধিক দায়রা বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত উহার অংশ বিশেষের স্থানীয় অধিক্ষেত্র ন্যস্ত করিবার কারণে ইতঃপূর্বে কোন দায়রা আদালতে এই আইনের অধীন নিস্পন্নাাধীন মামলার বিচার কার্যক্রম স্থগিত, বা সংশ্লিষ্ট স্থানীয় অধিক্ষেত্রের ট্রাইব্যুনালে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বদলী হইবে না, তবে সরকার, সরকারী গেজেটে প্রজ্ঞাপন দ্বারা, দায়রা আদালতে নিষ্পন্নাধীন এই আইনের অধীন কোন মামলা বিশেষ স্থানীয় অধিক্ষেত্রসম্পন্ন ট্রাইব্যুনালে বদলী করিতে পারিবে৷
(৫) কোন ট্রাইব্যুনাল, ভিন্নরূপ সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করিলে, যে সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষীর সাক্ষ্য পুনঃগ্রহণ, বা পুনঃশুনানী গ্রহণ করিতে, অথবা উপ-ধারা (৪) এর অধীন গৃহীত কার্যধারা পুনরায় আরম্ভ করিতে বাধ্য থাকিবে না, তবে ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে যে সাক্ষ্য গ্রহণ বা উপস্থাপন করা হইয়াছে উক্ত সাক্ষের ভিত্তিতে কার্য করিতে এবং মামলা যে পর্যায়ে ছিল সেই পর্যায় হইতে বিচারকার্য অব্যাহত রাখিতে পারিবে৷
(৬) সরকার, আদেশ দ্বারা, যে স্থান বা সময় নির্ধারণ করিবে সেই স্থান বা সময়ে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল আসন গ্রহণ করিতে পারিবে এবং উহার কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারিবে৷
৪১.
সংবিধান অনুযায়ী শপথগ্রহণের পূর্বে কোনো নির্বাচিত ব্যক্তি সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ করলে প্রতি দিনের জন্য _____ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হবেন।
  1. ২০০
  2. ৫০০০
  3. ১০০০
  4. ৫০০
সঠিক উত্তর:
১০০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৯ অনুচ্ছেদের বিধান: শপথগ্রহণের পূর্বে আসন গ্রহণ বা ভোট দান করিলে সদস্যের অর্থদণ্ড:
কোন ব্যক্তি এই সংবিধানের বিধান অনুযায়ী শপথ গ্রহণ বা ঘোষণা করিবার এবং শপথপত্রে বা ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষরদান করিবার পূর্বে কিংবা তিনি সংসদ-সদস্য হইবার যোগ্য নহেন বা অযোগ্য হইয়াছেন জানিয়া সংসদ-সদস্যরূপে আসনগ্রহণ বা ভোটদান করিলে তিনি প্রতি দিনের অনুরূপ কার্যের জন্য প্রজাতন্ত্রের নিকট দেনা হিসাবে উসুলযোগ্য এক হাজার টাকা করিয়া অর্থদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন।
---------------
⇒ Article 69 of The Constitution of the People‌‌‍'s Republic of Bangladesh: Penalty for member sitting or voting before taking oath:
 If a person sits or votes as a member of Parliament before he makes or subscribes the oath or affirmation in accordance with this Constitution, or when he knows that he is not qualified or is disqualified for membership thereof, he shall be liable in respect of each day on which he so sits or votes to a penalty of one thousand taka to be recovered as a debt due to the Republic.
৪২.
প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকলে সংবিধান অনুযায়ী সংসদের মেয়াদ এককালে সর্বোচ্চ কত সময়ের জন্য বৃদ্ধি করা যায়?
  1. ০১ বছর
  2. ০৩ মাস
  3. ০২ বছর
  4. ০৬ মাস
সঠিক উত্তর:
০১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের বিধান: সংসদের অধিবেশন: 
(১) সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, ১২৩ অনুচ্ছেদের (৩) দফার (ক) উপ-দফায় উল্লিখিত নব্বই দিন সময় ব্যতীত অন্য সময়ে সংসদের এক অধিবেশনের সমাপ্তি ও পরবর্তী অধিবেশনের প্রথম বৈঠকের মধ্যে ষাট দিনের অতিরিক্ত বিরতি থাকিবে না:
তবে আরও শর্ত থাকে যে, এই দফার অধীন তাঁহার দায়িত্ব পালনে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক লিখিতভাবে প্রদত্ত পরামর্শ অনুযায়ী কার্য করিবেন।
(২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হইবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হইবে।
(৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাইবে:
 
তবে শর্ত থাকে যে, প্রজাতন্ত্র যুদ্ধে লিপ্ত থাকিবার কালে সংসদের আইন-দ্বারা অনুরূপ মেয়াদ এককালে অনধিক এক বৎসর বর্ধিত করা যাইতে পারিবে, তবে যুদ্ধ সমাপ্ত হইলে বর্ধিত মেয়াদ কোনক্রমে ছয় মাসের অধিক হইবে না।
 
(৪) সংসদ ভঙ্গ হইবার পর এবং সংসদের পরবর্তী সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের পূর্বে রাষ্ট্রপতির নিকট যদি সন্তোষজনকভাবে প্রতীয়মান হয় যে, প্রজাতন্ত্র যে যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছেন, সেই যুদ্ধাবস্থার বিদ্যমানতার জন্য সংসদ পুনরাহবান করা প্রয়োজন, তাহা হইলে যে সংসদ ভাঙ্গিয়া দেওয়া হইয়াছিল, রাষ্ট্রপতি তাহা আহবান করিবেন।
 
(৫) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী-সাপেক্ষে কার্যপ্রণালী-বিধি-দ্বারা বা অন্যভাবে সংসদ যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সংসদের বৈঠকসমূহ সেইরূপ সময়ে ও স্থানে অনুষ্ঠিত হইবে।
৪৩.
অর্থ-বৎসর এর জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত বিবৃতিকে বলে ______।
  1. বাৎসরিক আর্থিক পরিকল্পনা
  2. জাতীয় আর্থিক বিবৃতি
  3. জাতীয় বাজেট
  4. বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৮৭ অনুচ্ছেদের বিধান: বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:
(১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হইবে।
(২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে 
(ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
(খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হইবে।
৪৪.
মূল আইন ও এর অধীনে প্রণিত আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির অর্থ একই। এই সংক্রান্ত The General Clauses Act, 1897 এর ধারা কোনটি?
  1. ২১
  2. ২০
  3. ২৯
  4. ১৮
সঠিক উত্তর:
২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897 এর ২০ ধারার: আইনের অধীন জারীকৃত আদেশ, ইত্যাদি ব্যাখ্যা:
- যে ক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধিতে কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইন জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে এই আইন প্রবর্তনের পরে প্রণীত, অনুরূপ প্রজ্ঞাপন, আদেশ, পরিকল্প, বিধি, ফরম বা উপ-আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তিসমূহের অর্থ অনুরূপ ক্ষমতা অর্পণকারী আইনে ব্যবহৃত অভিব্যক্তির সমার্থক হবে।
---------------------------
PROVISION AS TO ORDERS, RULES, ETC., MADE UNDER ENACTMENTS
The General Clauses Act, 1897 Section-20 Construction of orders, etc., issued under enactments: 
-Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue any notification, order, scheme, rule, form or bye-law is conferred, then expressions used in the notification, order, scheme, rule, form or bye-law, if it is made after the commencement of this Act, shall, unless there is anything repugnant in the subject or context, have the same respective meanings as in the Act or Regulation conferring the power.
৪৫.
সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদে বর্ণিত দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন _____।
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. রাষ্ট্রপতি
সঠিক উত্তর:
সংসদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংসদ
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৬ অনুচ্ছেদের বিধান: দায়মুক্তি-বিধানের ক্ষমতা:
এই ভাগের পূর্ববর্ণিত বিধানাবলীতে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত কোন ব্যক্তি বা অন্য কোন ব্যক্তি জাতীয় মুক্তিসংগ্রামের প্রয়োজনে কিংবা বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে যে কোন অঞ্চলে শৃঙ্খলা-রক্ষা বা পুনর্বহালের প্রয়োজনে কোন কার্য করিয়া থাকিলে সংসদ আইনের দ্বারা সেই ব্যক্তিকে দায়মুক্ত করিতে পারিবেন কিংবা ঐ অঞ্চলে প্রদত্ত কোন দণ্ডাদেশ, দণ্ড বা বাজেয়াপ্তির আদেশকে কিংবা অন্য কোন কার্যকে বৈধ করিয়া লইতে পারিবেন।
৪৬.
কোন ব্যক্তির সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই?
  1. মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত
  2. যুদ্ধাপরাধী
  3. নাশকতাকারী
  4. রাষ্ট্রদ্রোহী
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধী
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের বিধান: কতিপয় আইনের হেফাজত:
- সংবিধানের ৪৭(৩) অনুচ্ছেদে বিধান: এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও গণহত্যাজনিত অপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ বা যুদ্ধাপরাধ এবং আন্তর্জাতিক আইনের অধীন অন্যান্য অপরাধের জন্য কোন সশস্ত্র বাহিনী বা প্রতিরক্ষা বাহিনী বা সহায়ক বাহিনীর সদস্য বা অন্য কোন ব্যক্তি, ব্যক্তি সমষ্টি বা সংগঠন কিংবা যুদ্ধবন্দীকে আটক, ফৌজদারীতে সোপর্দ কিংবা দণ্ডদান করিবার বিধান-সংবলিত কোন আইন বা আইনের বিধান এই সংবিধানের কোন বিধানের সহিত অসমঞ্জস বা তাহার পরিপন্থী, এই কারণে বাতিল বা বেআইনী বলিয়া গণ্য হইবে না কিংবা কখনও বাতিল বা বেআইনী হইয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।

⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৭ক অনুচ্ছেদের বিধান:সংবিধানের কতিপয় বিধানের অপ্রযোজ্যতা:
 (১) যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ, ৩৫ অনুচ্ছেদের (১) ও (৩) দফা এবং ৪৪ অনুচ্ছেদের অধীন নিশ্চয়কৃত অধিকারসমূহ প্রযোজ্য হইবে না।

(২) এই সংবিধানে যাহা বলা হইয়াছে, তাহা সত্ত্বেও যে ব্যক্তির ক্ষেত্রে এই সংবিধানের ৪৭ অনুচ্ছেদের (৩) দফায় বর্ণিত কোন আইন প্রযোজ্য হয়, এই সংবিধানের অধীন কোন প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করিবার কোন অধিকার সেই ব্যক্তির থাকিবে না।

অর্থাৎ যুদ্ধাপরাধীর সংবিধানের অধীন কোনো প্রতিকারের জন্য সুপ্রীম কোর্টে আবেদন করার অধিকার নেই। 
৪৭.
সংবিধানে কত ধরনের মালিকানা-ব্যবস্থার কথা বলা আছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩ অনুচ্ছেদের বিধান: মালিকানার নীতি:
-উৎপাদনযন্ত্র, উৎপাদনব্যবস্থা ও বন্টনপ্রণালীসমূহের মালিক বা নিয়ন্ত্রক হইবেন জনগণ এবং এই উদ্দেশ্যে মালিকানা-ব্যবস্থা নিম্নরূপ হইবে:

(ক) রাষ্ট্রীয় মালিকানা, অর্থাৎ অর্থনৈতিক জীবনের প্রধান প্রধান ক্ষেত্র লইয়া সুষ্ঠু ও গতিশীল রাষ্ট্রায়ত্ত সরকারী খাত সৃষ্টির মাধ্যমে জনগণের পক্ষে রাষ্ট্রের মালিকানা;
(খ) সমবায়ী মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে সমবায়সমূহের সদস্যদের পক্ষে সমবায়সমূহের মালিকানা; এবং
(গ) ব্যক্তিগত মালিকানা, অর্থাৎ আইনের দ্বারা নির্ধারিত সীমার মধ্যে ব্যক্তির মালিকানা৷

অর্থাৎ সংবিধানে এই তিন ধরনের মালিকানা-ব্যবস্থার কথা বলা আছে।
৪৮.
'Nemo tenetur seipsum accusare'- এই নীতি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে প্রতিফলিত হয়েছে?
  1. ৩৩
  2. ৩২
  3. ৩৫(৪)
  4. ৩৫(২)
সঠিক উত্তর:
৩৫(৪)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৫(৪)
ব্যাখ্যা
⇒ 'Nemo tenetur seipsum accusare'- এই লাতিন নীতির বাংলা অর্থ- 'নিজেকে অভিযুক্ত করতে কোনও ব্যক্তি বাধ্য নয়'
-অর্থাৎ কোনও অভিযুক্ত ব্যক্তিকে তার বিরুদ্ধে অপরাধমূলক সাক্ষ্য বা তথ্য দেওয়ার জন্য বাধ্য করা যাবে না। এই নীতি ব্যক্তিদের তাদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য বাধ্য করা থেকে রক্ষা করে।
- সারকথা হল আত্মাভিযোগের বিরুদ্ধে আইনগত নিরাপত্তা, যা নিশ্চিত করে যে ব্যক্তিদের তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত হতে পারে এমন প্রমাণ দিতে বাধ্য করা হবে না।
⇒এটি হচ্ছে Doctrine of Self-Incrimination:
Self-incrimination is a legal principle under which a person cannot be compelled to provide information or testify against themselves in a criminal case. In various jurisdictions, including the US and India, the right against self-incrimination is enshrined as a constitutional or legal protection. The doctrine is based upon the following legal maxim:Nemo teneteur prodre accussare seipsum – It states that a man cannot be compelled to state any self-incriminating statement.
Self-Incrimination as a Fundamental Right
The makers of the Constitution have borrowed several features from other constitutions of the world and the model for Fundamental Rights in India is adopted from the Constitution of the US.
 
⇒ Doctrine of Self-Incrimination হল একটি আইনগত সিদ্ধান্ত যা বলে, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ উপস্থাপন করতে বাধ্য করা যাবে না। এই নির্দেশিকার মূল উদ্দেশ্য হল ব্যক্তির মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত রাখা এবং তাকে নিজের বিরুদ্ধে প্রমাণ দিতে বাধ্য না করা।
 
অর্থাৎ, কোনও ব্যক্তিকে তার নিজের অপরাধ স্বীকার করতে বাধ্য করা যাবে না। এই অধিকার সংবিধানে প্রদত্ত মৌলিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
আইনি প্রক্রিয়ায় এই নির্দেশিকা প্রয়োগের ফলে ব্যক্তির অন্তঃকরণ ও মনস্তাত্ত্বিক স্বাধীনতা সুরক্ষিত হয়। এতে অনৈতিক উপায়ে ব্যক্তিকে তার নিজের বিপক্ষে প্রমাণ দেয়ার জন্য বাধ্য করা যায় না।
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫(৪) অনুচ্ছেদে 'Nemo tenetur seipsum accusare' বা 'Doctrine of Self-Incrimination' প্রতিফলিত হয়েছে।
 
⇒ বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদে বিধান বিচার ও দণ্ড সম্পর্কে রক্ষণ:
(১) অপরাধের দায়যুক্ত কার্যসংঘটনকালে বলবৎ ছিল, এইরূপ আইন ভঙ্গ করিবার অপরাধ ব্যতীত কোন ব্যক্তিকে দোষী সাব্যস্ত করা যাইবে না এবং অপরাধ-সংঘটনকালে বলবৎ সেই আইনবলে যে দণ্ড দেওয়া যাইতে পারিত, তাঁহাকে তাহার অধিক বা তাহা হইতে ভিন্ন দণ্ড দেওয়া যাইবে না। 
(২) এক অপরাধের জন্য কোন ব্যক্তিকে একাধিকবার ফৌজদারীতে সোপর্দ ও দণ্ডিত করা যাইবে না। 
(৩) ফৌজদারি অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তি আইনের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্বাধীন ও নিরপেক্ষ আদালত বা ট্রাইব্যুনালে দ্রুত ও প্রকাশ্য বিচারলাভের অধিকারী হইবেন। 
(৪) কোন অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে বাধ্য করা যাইবে না। 
(৫) কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দণ্ড দেওয়া যাইবে না কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবে না। 
(৬) প্রচলিত আইনে নির্দিষ্ট কোন দণ্ড বা বিচারপদ্ধতি সম্পর্কিত কোন বিধানের প্রয়োগকে এই অনুচ্ছেদের (৩) বা (৫) দফার কোন কিছুই প্রভাবিত করিবে না।
৪৯.
হাইকোর্ট বিভাগ কোন আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়?
  1. এডমিরালটি কোর্ট আইন, ২০০০
  2. কোম্পানী আইন, ১৯৯৪
  3. ব্যাংক কোম্পানী আইন, ১৯৯১
  4. The Contract Act, 1872
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Contract Act, 1872
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১০১ অনুচ্ছেদের বিধান: হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
-এই সংবিধান বা অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর যেরূপ আদি, আপীল ও অন্যপ্রকার এখতিয়ার ও ক্ষমতা অর্পিত হইয়াছে, উক্ত বিভাগের সেইরূপ এখতিয়ার ও ক্ষমতা থাকিবে।

হাইকোর্ট বিভাগের এখতিয়ার:
বাংলাদেশ সংবিধান এবং অন্য কোন আইনের দ্বারা হাইকোর্ট বিভাগের উপর আদি, আপিল ও অন্য প্রকার এখতিয়ার, ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে-
ক) আদি এখতিয়ার- রিট, কোম্পানি অ্যাডমিরালটি ইত্যাদি সংক্রান্ত বিষয়াদি,
খ) আপিল ও রিভিশনালএখতিয়ার- জেলা ও দায়রা জজ আদালত,অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ, যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, বিশেষ জজ, অর্থঋণ আদালত, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ইত্যাদি আদালতের রায় ও আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আপিল অথবা বিভিশন দায়ের করা যায়।
গ) আদালত অবমাননা সংক্রান্ত বিষয়াদি

- 'The Contract Act, 1872'  এই আইনটি চুক্তি সংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। যা দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ারের সাথে সম্পর্কিত। 
⇒ হাইকোর্টের বিভাগ The Contract Act, 1872 এর অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি এখতিয়ারসম্পন্ন নয়। The Contract Act, 1872 এর আইনের অধীনে বিরোধ নিষ্পত্তিতে আদি রয়েছে দেওয়ানী আদালতের।

- দেওয়ানী কার্যবিধির ৯ ধারায় বলা হয়েছে, বারিত না হলে দেওয়ানী আদালত সকল প্রকার দেওয়ানী মামলার বিচার করবে। যে মোকদ্দমায় সম্পত্তি বা পদের অধিকার সম্পর্কে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হয়, তা দেওয়ানী প্রকৃতির মোকদ্দমা।
-এখানে দেওয়ানী আদালতের সাধারণ এখতিয়ার বলতে দেওয়ানী আদালতসমূহের দেওয়ানী মামলার বিচার করার এখতিয়ার কে বোঝানো হয়েছে।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫ থেকে ২৩ ধারায় দেওয়ানি আদালতের আঞ্চলিক এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে এবং আর্থিক এখতিয়ার সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে নির্ধারিত হয়। ধারা-১৫ তে যে আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে, সেই বিধান দেয়া আছে। বলা হয়েছে-
"Every suit shall be institued in the court of the lowest grade competent to try it" অর্থাৎ প্রত্যেকটি দেওয়ানি মোকদ্দমা তা বিচার করার এখতিয়ারসম্পন্ন সর্বনিম্ন আদালতে দায়ের করতে হবে।
উল্লিখিত প্রশ্নের সঠিক উত্তর 'ঘ' The Contract Act, 1872।
৫০.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জাতীয় নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক চুক্তি কেবল সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করার বিধান রয়েছে?
  1. ১৪৩
  2. ১৪৫
  3. ১৪৪
  4. ১৪৫ক
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪৫ক
ব্যাখ্যা
 ⇒ বাংলাদেশ সংবিধানের ১৪৫ক অনুচ্ছেদের বিধান: আন্তর্জাতিক চুক্তি:
-বিদেশের সহিত সম্পাদিত সকল চুক্তি রাষ্ট্রপতির নিকট পেশ করা হইবে, এবং রাষ্ট্রপতি তাহা সংসদে পেশ করিবার ব্যবস্থা করিবেন;

তবে শর্ত থাকে যে, জাতীয় নিরাপত্তার সহিত সংশ্লিষ্ট অনুরুপ কোন চুক্তি কেবলমাত্র সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করা হইবে।
৫১.
কোনটি 'রাত্রি'র সমার্থক শব্দ নয়?
  1. উষসী
  2. বিভাবরী
  3. শর্বরী
  4. রজনী
সঠিক উত্তর:
উষসী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উষসী
ব্যাখ্যা
• 'উষসী' - 'রাত্রি'র সমার্থক শব্দ নয়।

• 'উষসী' শব্দের অর্থ: 
- দিবার অবসান,
- রূপবতী নারী।

• 'রাত্রি' শব্দের সমার্থক শব্দ: 
- রজনী;
- ত্রিযামা;
- যামিনী;
- রাত;
- নিশা;
- নিশীথিনী;
- ক্ষণদা;
- শর্বরী;
- বিভাবরী।

উৎস: প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ ও ড. মোহাম্মদ আমীন এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
৫২.
ফররুখ আহমদ-এর 'মুহূর্তের কবিতা' কোন আঙ্গিকের সাহিত্যকর্ম?
  1. গীতিনাট্য
  2. এলিজি
  3. সনেট সংকলন
  4. কাহিনি কাব্য
সঠিক উত্তর:
সনেট সংকলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সনেট সংকলন
ব্যাখ্যা
• ইসলামী স্বাতন্ত্র্যবাদী কবি/ মুসলিম জাগরনের কবি ফররুখ আহমদের সনেট সংকলন - মুহূর্তের কবিতা।

• মুহূর্তের কবিতা:
- গ্রন্থটি ১৯৬৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এতে মোট ৯৩টি সনেট কবিতা রয়েছে যা শেক্সপীরিয়-পেত্রার্কীয় রীতিতে ৬৮ অক্ষর চরণ মাত্রায় রচিত।
- উল্লেখযোগ্য কবিতা: মুহূর্তের কবিতা, অশান্ত পৃথিবী, পরিচিতি, ধানের কবিতা ইত্যাদি। 

• ফররুখ আহমদ:  
- তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনী কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।
 
• ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি'
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
 
৫৩.
"মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার-চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ, তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান," -এর রচয়িতা কে?
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. আবদুল মান্নান সৈয়দ
  3. জীবনানন্দ দাশ
  4. জসীম উদ্দীন
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জীবনানন্দ দাশ
ব্যাখ্যা
• "মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার-চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ, তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান," -এর রচয়িতা: 'জীবনানন্দ দাশ'।
------------
• 'অবসরের গান' কবিতা:
- কবিতাটির রচয়িতা: 'জীবনানন্দ দাশ'।  
- কবিতাটি কবির 'ধূসর পাণ্ডুলিপি' কাব্যের অন্তর্গত।
--------------------- 
• জীবনানন্দ দাশ:
- জীবননান্দ দাশ আধুনিক যুগের এবং ত্রিশের দশকের অন্যতম কবি।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- তিনি ব্রহ্মবাদী পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি।
 
• জীবনানন্দ দাশের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক, [প্রথম কাব্যগ্রন্থ]
- ধূসর পান্ডুলিপি,
- বনলতা সেন, 
- সাতটি তারার তিমির, 
- রূপসী বাংলা। 
 
অবসরের গান- কবিতা,
-----------------জীবনানন্দ দাশ।
 
শুয়েছে ভোরের রোদ ধানের উপরে মাথা পেতে
অলস গেঁয়োর মতো এইখানে কার্তিকের ক্ষেতে
মাঠের ঘাসের গন্ধ বুকে তার — চোখে তার শিশিরের ঘ্রাণ,
তাহার আস্বাদ পেয়ে অবসাদে পেকে ওঠে ধান,
দেহের স্বাদের কথা কয় —
বিকালের আলো এসে (হয়তো বা) নষ্ট করে দেবে তার সাধের সময়!
চারি দিকে এখন সকাল —
রোদের নরম রঙ শিশুর গালের মতো লাল!
মাঠের ঘাসের পরে শৈশবের ঘ্রাণ —
পাড়াগাঁর পথে ক্ষান্ত উৎসবের পড়েছে আহ্বান!
 
উৎস: অবসরের গান- কবিতা, জীবনানন্দ দাশ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৪.
'Proviso' এর বাংলা পারিভাষিক প্রকাশ কী?
  1. পুনশ্চ
  2. উপবিধি
  3. অনুবিধি
  4. সাময়িক বিধি
সঠিক উত্তর:
অনুবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুবিধি
ব্যাখ্যা
• 'Proviso' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ: 'অনুবিধি'।

অন্যদিকে,
• 'Postscript' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ: 'পুনশ্চ'।
• 'By-law' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ: 'উপবিধি'।
• 'Provisional rules' এর বাংলা পারিভাষিক শব্দ: 'সাময়িক বিধি'।

আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ পারিভাষিক শব্দ:
• Provocation- প্ররোচন,
• Prudent - সুবিবেচনাপূর্ণ,
• Prologue- প্রস্তাবনা,
• Promulgation- প্রখ্যাপন,
• Profess- প্রকাশ করা,
• Informer- চর।

উৎস: প্রশাসনিক পরিভাষা- বাংলা একাডেমি, অভিগম্য অভিধান- বাংলা একাডেমি।
৫৫.
"আমার কেবল ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে পাখির মত ডাকতে।" - কোন কবির শিশু সাহিত্য?
  1. বেগম সুফিয়া কামাল
  2. বন্দে আলী মিয়া
  3. সুকুমার রায়
  4. আল মাহমুদ
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আল মাহমুদ
ব্যাখ্যা
• "আমার কেবল ইচ্ছে জাগে নদীর কাছে থাকতে, বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে পাখির মত ডাকতে।" - কবিতাংশটুকু কবি আল মাহমুদের 'পাখির মতো' কবিতার অংশবিশেষ। 

পাখির মতো - কবিতা,
- আল মাহমুদ।
 
আম্মা বলেন, পড়রে সোনা
আব্বা বলেন, মন দে;
পাঠে আমার মন বসে না
কাঁঠালচাঁপার গন্ধে।
আমার কেবল ইচ্ছে জাগে
নদীর কাছে থাকতে,
বকুল ডালে লুকিয়ে থেকে
পাখির মতো ডাকতে।
সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ে
কর্ণফুলীর কূলটায়,
দুধভরা ঐ চাঁদের বাটি
ফেরেস্তারা উল্টায়।
------------------
• আল মাহমুদ:
- আল মাহমুদের প্রকৃত নাম: মির আব্দুল শুকুর আল মাহমুদ।
- ১৯৩৬ সালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকাশিত শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ 'সোনালী কাবিন'। 
- স্বাধীনতা উত্তরকালে তিনি 'দৈনিক গণকন্ঠ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। 
 
কবি আল মাহমুদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- লোক লোকান্তর,
- সোনালী কাবিন,
- কালের কলস,
- মায়াবী পর্দা দুলে ওঠো,
- আরব্য রজনীর রাজহাঁস,
- বখতিয়ারের ঘোড়া,
- প্রেমের কবিতা ইত্যাদি।
 
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাবিলের বোন,
- চেহারার চতুরঙ্গ,
- উপমহাদেশ,
- ডাহুকী,
- কবি ও কোলাহল ইত্যাদি।
 
তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- পানকৌড়ির রক্ত,
- ময়ূরীর মুখ,
- সৌরভের কাছে পরাজিত।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস - মাহবুবুল আলম।
৫৬.
"এ দেশের লোক যারা, সকলেই তো গেছে মারা, আছে শুধু কতগুলি শৃগাল শকুনি।" -কোন কবির লেখা?
  1. রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ
  2. কায়কোবাদ
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. কাজী নজরুল ইসলাম
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কায়কোবাদ
ব্যাখ্যা
• "এ দেশের লোক যারা, সকলেই তো গেছে মারা, আছে শুধু কতগুলি শৃগাল শকুনি।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা: 'কায়কোবাদ'। 
- কবিতাংশটুকু কবির 'দেশের বাণী' কবিতার অংশবিশেষ।

দেশের বাণী – কবিতা, 
কায়কোবাদ। 
 
কে আর বুঝিবে হায় এ দেশের বাণী?
দেশের লোক যারা,
সকলইতো গেছে মারা,
আছে শুধু কতগুলি শৃগাল শকুনি!
সে কথা ভাবিতে হায়
এ প্রাণ ফেটে যায়,
হৃদয় ছাপিয়ে উঠে – চোখ ভরা পানি।
কে আর বুঝিবে হায় এ দেশের বাণী!
এ দেশের লোক যত
বিলাস ব্যসনে রত
এ দেশের দুঃখ কিছু নাহি বুঝে তারা।
দেশ গেল ছারেখারে,
এ কথা বলিব কারে?
ভেবে ভেবে তবু মোর হয়ে গেছে সারা!
প্রাণভরা হাহাকার
চোখ ভরা অশ্রুধার,
এ হৃদি যে হয়ে গেছে মরুভূমি-পারা!
------------------
• কায়কোবাদ:
- ১৮৫৭ সালে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলার আগলা গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম মোহাম্মদ কাজেম আল কোরেশী।
- ‘কায়কোবাদ’ তাঁর সাহিত্যিক ছদ্মনাম।
- বাঙালি মুসলমান কবিদের মধ্যে প্রথম সনেট ও মহাকাব্য রচয়িতা কায়কোবাদ।
- মাত্র তেরো বছর বয়সে তাঁর প্রথম কাব্য 'বিরহবিলাপ' প্রকাশিত হয়।
 
• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ: 
- অশ্রুমালা।
- মহাশ্মশান (পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১) অবলম্বনে কাব্যটি রচিত)।
- শিবমন্দির।
- অমিয়ধারা।
- শ্মশান-ভস্ম।
- মহরম শরীফ।

• কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়:
- প্রেমের ফুল।
- প্রেমের বাণী।
- প্রেম-পারিজাত।
- মন্দাকিনী-ধারা।
- গওছ পাকের প্রেমের কুঞ্জ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
৫৭.
কোনটি উপমান কর্মধারয় সমাস?
  1. করপল্লব
  2. ক্রোধানল
  3. বিড়ালতপস্বী
  4. বাহুলতা
সঠিক উত্তর:
বিড়ালতপস্বী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিড়ালতপস্বী
ব্যাখ্যা
• 'বিড়ালতপস্বী = বিড়ালের ন্যায় তপস্বী'; উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
 
প্রশ্নের অপশন সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা: 

• উপমান কর্মধারয় সমাস:
- যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, তা উপমান। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমানের সঙ্গে গুণবাচক শব্দের সমাস হয়। এগুলােকে উপমান কর্মধারয় বলে।
- এই সমাসে পরপদ সাধারণত বিশেষণ হয়। 
যেমন:
- কাজলের মতাে কালাে = কাজলকালাে,
- শশের মতাে ব্যস্ত = শশব্যস্ত।
 
• উপমিত কর্মধারয় সমাস:
যাকে তুলনা করা হয়, তা উপমেয়। কিছু কর্মধারয় সমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের সমাস হয়। এগুলােকে উপমিত কর্মধারয় সমাস বলে। এই সমাসে উভয় পদই বিশেষ্য হয়।
যেমন:
- পুরুষ সিংহের ন্যায় = সিংহপুরুষ,
- আঁখি পদ্মের ন্যায় = পদ্মআঁখি,
- কর পল্লবের ন্যায় = করপল্লব,
- বাহু লতার ন্যায় = বাহুলতা।

- মুখ চন্দ্রের ন্যায় = চন্দ্রমুখ।
 
• রূপক কর্মধারয় সমাস:
কিছু কর্মধারয় নমাসে উপমেয় পদের সাথে উপমান পদের অভেদ কল্পনা করা হয় । এগুলোকে রূপক কর্মধারয় সমাস বলে।
যেমন:
- বিষাদ রূপ সিন্ধু = বিষাদসিন্ধু;
- ক্রোধ রূপ অনল = ক্রোধানল; 
- মন রূপ মাঝি = মনমাঝি।
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি - নবম ও দশম শ্রেণি (২০১৯ ও ২০২২ সংস্করণ), ভাষা- শিক্ষা- ড. হায়াৎ মামুদ।
৫৮.
'নিলাম' শব্দটি কোন ভাষা থেকে আগত?
  1. তুর্কি
  2. আরবি
  3. হিন্দি
  4. পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
• 'নিলাম' শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। 
 
• 'নিলাম' শব্দের অর্থ: 
- উপস্থিত ব্যক্তিদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাম দিতে ইচ্ছুক ব্যক্তির নিকট বিক্রয়।
 
• আরো কিছু পর্তুগিজ শব্দ:
- আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, চাবি, পাউরুটি, বালতি, নিলাম, পেরেক, কামরা, কাজু ইত্যাদি।
------------------ 
• কিছু তুর্কি শব্দ:
- চাকু, বাবা, বাবুর্চি, মুচলেকা ইত্যাদি।
 
• কিছু আরবি শব্দ বাংলা ভাষায় এসেছে।
যেমন - আল্লাহ, হারাম, হালাল, হজ, জাকাত, ইদ, উকিল, কলম, বাকি, আদালত, তারিখ, হালুয়া ইত্যাদি।
 
• কিছু হিন্দি শব্দ:
- রোকড়, দাবা, লড়াকু, লেনদেন ইত্যাদি।
 
উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
 
৫৯.
"... মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ, সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব।"-এই উক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন প্রবন্ধভুক্ত?
  1. সমাজ
  2. সভ্যতার সংকট
  3. মানুষের ধর্ম
  4. কালান্তর
সঠিক উত্তর:
সভ্যতার সংকট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সভ্যতার সংকট
ব্যাখ্যা
• 'মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ, সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব।' - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ কথাটি 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধে বলেছেন।

• 'সভ্যতার সংকট' প্রবন্ধ: 
- সভ্যতার সংকট রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সর্বশেষ গদ্যরচনা।
- এই প্রবন্ধে ইউরোপীয় সভ্যতা ও ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের তীব্র সমালোচনা ও মানবতার প্রতি গভীর আস্থা প্রকাশিত হয়েছে।
- 'ঐ মহামানব আসে' গানটি এই প্রবন্ধের অন্তর্ভুক্ত।
- তাছাড়া এখানেই তিনি বলেছেন : 'মানুষের প্রতি বিশ্বাস হারানো পাপ, সে বিশ্বাস শেষ পর্যন্ত রক্ষা করব।'
- রবীন্দ্রনাথকে বুঝবার জন্য এ প্রবন্ধটি অবশ্য-পাঠ্য।

উল্লেখ্য,
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রাজনৈতিক প্রবন্ধের গ্রন্থ কালান্তর। এটি প্রথমে ১৯৩৭ সালে প্রকাশিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৪১ সালে নতুন প্রবন্ধ যুক্ত হয়। ‘সভ্যতার সংকট’ তার অন্যতম।
- সভ্যতার সংকট প্রবন্ধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর উল্লিখিত উক্তিটি করেছেন।
 
সুতরাং, প্রশ্নে প্রবন্ধের কথা উল্লেখ থাকায় উত্তর হবে ‘সভ্যতার সংকট’ আর প্রবন্ধগ্রন্থের কথা বললে উত্তর হতো- ‘কালান্তর’।
--------------------- 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- বাংলা ছোট গল্পের জনক হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।
- তিনি ১১৯ টি ছোট গল্প রচনা করেন।
- তার রচিত প্রথম ছোট গল্প - ভিখারিনী।
- ‘ভারতী’ পত্রিকার ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায় প্রকাশিত হয় - রবীন্দ্রনাথের ভিখারিণী গল্পটি। 
- এই গ্রন্থ প্রকাশের মাধ্যমে মাত্র ষোলো বছর বয়েসেই রবীন্দ্রনাথ ছোট গল্পকার হিসাবে পরিচিতি লাভ করেন।
- রবীন্দ্রনাথের ছোটগল্পের সংকলনের নাম - গল্পগুচ্ছ।
------------------------------------- 
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধগ্রন্থ- 
- পঞ্চভূত, 
- বিচিত্র প্রবন্ধ, 
- সাহিত্য, 
- মানুষের ধর্ম, 
- কালান্তর।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
৬০.
'সেকালে গাছে গাছে পাখি ডাকত।'-বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. সাধারণ অতীত
  2. পুরাঘটিত অতীত
  3. ঘটমান অতীত
  4. নিত্যবৃত্ত অতীত
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিত্যবৃত্ত অতীত
ব্যাখ্যা
• 'সেকালে গাছে গাছে পাখি ডাকত।'- বাক্যটি নিত্যবৃত্ত অতীত কালের উদাহরণ।
- এই বাক্যে অতীত কালের কাজটি সাধারণ অভ্যস্ততা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

• নিত্যবৃত্ত অতীত কাল:
- অতীত কালে প্রায়ই ঘটতাে এমন বােঝালে নিত্য অতীত কাল হয়।
যেমন-
খুব সকালে ঘুম থেকে উঠতাম।
তারা সাগরের তীরে ঝিনুক কুড়াত।
----------------- 
অন্যদিকে, 
• ঘটমান অতীত:
- যে ক্রিয়া অতীত কালে চলছিল বোঝায় তাকে ঘটমান অতীত কাল বলে। 
যেমন: আমরা তখন বই পড়ছিলাম। 
 
• সাধারণ অতীত কাল: 
- অতীত কালে যে কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে বােঝায় তাকে সাধারণ অতীত কাল বলে।
যেমন: তারা সেখানে বেড়াতে গেল। 
 
• পুরাঘটিত অতীত: 
অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরাে কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।
যেমন: বৃষ্টি শেষ হওয়ার আগেই আমরা বাড়ি পৌঁছেছিলাম। 
 
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি ( ২০২১ সংস্করণ)।
৬১.
The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে কোনটি নালিশযোগ্য দাবী?
  1. স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দ্বারা নেওয়া ঋণ
  2. চুক্তি ভঙ্গজনিত ক্ষতিপূরণের দাবী
  3. অস্থাবর সম্পত্তি আটক রেখে নেওয়া ঋণ
  4. ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী
ব্যাখ্যা
• নালিশযোগ্য দাবী (Actionable Claim) অনিরাপদ ঋণের দাবীকে নালিশযোগ্য দাবী বলা হয়েছে। অনিরাপদ ঋণ অর্থ যে ঋণের বিপরীতে কোন জামানত থাকে না বা জামানতবিহীন ঋণ। জামানতসহ বন্ধকের ক্ষেত্রে ঋণের দাবী নালিশযোগ্য দাবী না কারণ বন্ধক একটি নিরাপদ ঋণ।

-উল্লিখিত প্রশ্নে- স্থাবর সম্পত্তি বন্ধক দ্বারা নেওয়া ঋণ, চুক্তি ভঙ্গজনিত ক্ষতিপূরণের দাবী, অস্থাবর সম্পত্তি আটক রেখে নেওয়া ঋণ হচ্ছে নিরাপদ ঋন। কারন প্রতি ক্ষেত্রে জামানত আছে। কিন্তু ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী অনিরাপদ ঋন। এক্ষেত্রে কোনো জামানতের নিশ্চয়তা নেই। তাই বলা যায়, The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে ভবিষ্যৎ ভাড়ার দাবী একটি নালিশযোগ্য দাবী।
৬২.
The Registration Act, 1908 অনুসারে কোন দলিলের নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়?
  1. দানপত্র
  2. হেবা ঘোষনা
  3. ইজারা
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
•নিবন্ধন আইন, ১৯০৮ এর ধারা ২৭: উইল যে কোন সময় দাখিল করা বা জমা দেওয়া যাইবে: 
 - উইল যে কোন সময় নিবন্ধনের জন্য দাখিল করা যাইবে, অথবা অতঃপর বর্ণিত পদ্ধতিতে জমা দেওয়া যাইবে। 
 - উইল হইল একমাত্র দলিল যাহা দাখিলের জন্য কোন সময়সীমা নাই। 

-অপরদিকে, ধারা ১৭ অনুসারে, দানপত্র, হেবা ঘোষনা এবং ইজারা দলিল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক। এই দলিল সমূহ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দাখিল করাও বাধ্যতামূলক। যেহেতু উইল নিবন্ধনের কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা উল্লেখ নেই, সেহেতু বলা যায় The Registration Act, 1908 অনুসারে উইল নিবন্ধন বাধ্যতামূলক নয়।
৬৩.
নিম্নের কোনটি অকৃষি ভূমির উন্নয়ন নয়?
  1. পয়ঃসংযোগ স্থাপন
  2. পুকুর খনন
  3. পানির প্রবাহ সৃষ্টি
  4. সড়ক নির্মাণ
সঠিক উত্তর:
পয়ঃসংযোগ স্থাপন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পয়ঃসংযোগ স্থাপন
ব্যাখ্যা
• অকৃষি ভূমি বলতে ‘আবাসিক ও অন্যান্য শ্রেণি’ অর্থে বাণিজ্যিক কার্যে বা শিল্পকার্যে ব্যবহৃত হয় না এইরূপ ভূমি বিবেচিত হইবে, যেমন, সরকারি-বেসরকারি সংস্থার বা ব্যক্তি মালিকানাধীন আবাসিক ও দাপ্তরিক ভবনাদি, রাস্তাঘাট, মাঠ, আঙিনা, স্থাপনা ইত্যাদি।
- অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৪৯ এর ৬৪ ধারায় উন্নয়নের সংজ্ঞা (Definition of improvement) দেয়া আছে। বলা হয়েছে, প্রজাস্বত্বের উন্নয়ন শব্দের ব্যবহারের অর্থ যে কাজ করার মাধ্যমে-

- প্রজাস্বত্বের অন্তর্ভুক্ত অকৃষি জমির মূল্যমান বাড়ে এবং
- যে কাজ উক্ত জমির জন্য উপযুক্ত ও ধারা-৪ এ নির্ধারিত উদ্দেশ্যসমূহের যে কোন একটির সাথে সঙ্গতিপূর্ণ। যা অকৃষি কাজের জন্য ব্যবহার উপযোগী করে তোলে এবং এমন কাজ যা ভূমির সরাসরি সুবিধার জন্য করা হয় বা বাস্তবায়নের পর সরাসরি উপকারে আসে।

নিম্নোক্ত কাজসমূহও উন্নয়নের অন্তর্ভুক্ত হবে:
ক) চলাচল বা সড়ক পথের ব্যবস্থা:
খ) জন্য উন্মুক্ত স্থানের ব্যবস্থা:
গ) পানি নেওয়ার সুযোগ প্রদান;
ঘ) পানি নিষ্কাশনের জন্য নালা নির্মাণ,

উল্লিখিত প্রশ্নে, পুকুর খনন, পানির প্রবাহ সৃষ্টি এবং সড়ক নির্মাণ প্রদত্ত সংজ্ঞানুসারে উন্নয়নমূলক কাজের মধ্যেই পড়ে।

কিন্তু পয়ঃসংযোগ স্থাপন উন্নয়ন না, আবশ্যক কাজের মধ্যেই পড়ে। তাই অধিক গ্রহণযোগ্য হিসেবে এটি উত্তর হিসেবে নেয়া হয়েছে।
৬৪.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে কোনো ব্যক্তির খাস দখলে থাকা ভূমি 'সাব-লেট' দিলে উক্ত ভূমি সরকার কী করবে?
  1. অধিগ্রহণ
  2. বাজেয়াপ্ত
  3. অবরুদ্ধ
  4. হুকুমদখল
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাজেয়াপ্ত
ব্যাখ্যা
• The State Acquisition and Tenancy Act, 1950- ধারা–৭৫ক (কোর্ফা পত্তনের ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ)-
(১) ১৭ ধারার (৩) উপধারার অধীনে বা ৩১ ধারার (১) উপধারার অধীনে যেদিন নোটিফিকেশন প্রকাশিত হইয়াছে সেই দিন হইতে কোনো ব্যক্তি তাহার দখলীয় খাস ভূমি কোর্ফা পত্তন দিতে পারিবে না।
(২) (১) উপধারার পরিপন্থী কোনো কোর্ফা পত্তন করা হইলে উহা বাতিল হইবে এবং উক্তরূপে যে ভূমি কোর্ফা পত্তন করা হইয়াছে উহা বাজেয়াপ্ত হইবে এবং সরকারের উপর ন্যস্ত হইবে।
(৩) ৩৯ ধারার নির্ধারিত হারে ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ৩ ধারার (২) উপধারায় তাহার কোনো খাস ভূমি অধিগ্রহণ করার জন্য যে কোনো সময় সরকারের কাছে দরখাস্ত দিতে পারিবেন।
--------------
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950, Section-75A. Prohibition of subletting:
(1) On and from the date of publication of a notification under sub-section (3) of section 17 or under sub-section (1) of section 31, no person shall sublet any land in his khas possession in the area to which such notification relates.
(2) Any subletting made in contravention of sub-section (1) shall be null and void and the land so sublet shall be forfeited to the Government.
(3) Any person may, at any time, apply to the Government for the acquisition of any of his khas lands under sub-section (2) of section 3 on payment of compensation at the rate prescribed for such land in section 39.
৬৫.
'ক', 'খ' এর ক্লাবে গান গাওয়ার চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েও ইচ্ছাকৃত অনুপস্থিত থাকায় 'খ', 'গ' কে দিয়ে গান গাওয়ান। এক্ষেত্রে The Contract Act, 1872 অনুসারে কোনটি সঠিক?
  1. 'ক' চুক্তি পালনে বাধ্য নন
  2. 'খ' চুক্তি বাতিল করতে পারেন
  3. 'ক', 'খ' কে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য নন
  4. 'ক' ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তি বাতিল করতে পারেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'খ' চুক্তি বাতিল করতে পারেন
ব্যাখ্যা
⇒ এই প্রসঙ্গে 'ক' যেহেতু ইচ্ছাকৃতভাবে গান গাওয়া থেকে বিরত থেকেছেন, সেহেতু তিনি চুক্তিভঙ্গ করেছেন। এটি চুক্তিভঙ্গের ক্ষেত্র। এই ক্ষেত্রে, 'খ' আদালতে গিয়ে 'ক' এর কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারবেন।
The Contract Act, 1872 এর ৭৩ ধারায় উল্লেখ আছে, যখন একটি চুক্তি ভঙ্গ করা হয়, তখন যে পক্ষ চুক্তিটি ভঙ্গ করলেন, সেই পক্ষের নিকট থেকে-
- যে পক্ষ এরূপ ভঙ্গের কারণে ক্ষতিগ্রস্থ হলেন সেই পক্ষ তা দ্বারা তার লোকসান বা ক্ষতি হলে এবং
- ভঙ্গের ফলে স্বাভাবিকভাবে উদ্ধৃত বা ভঙ্গের ফলে তার যেরূপ ফলাফল হবে বলে জেনেছিল সেরূপ লোকসান বা ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী।
- চুক্তিভঙ্গের কারণে দূরবর্তী ও পরোক্ষ কোন লোকসান বা ক্ষতির জন্য এরূপ ক্ষতিপূরণ দেয়া হবে না।

- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার অনুযায়ী, 'ক' চুক্তি পালনে বাধ্য নন। সেই সাথে, 'ক' এর ক্ষতিপূরণ দেয়ার বাধ্যবাধকতা নেই এবং 'ক' ক্ষতিপূরণ দাবী করতে পারে না।
সুতরাং, The Contract Act অনুযায়ী, ‘খ’, 'ক' থেকে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ আদায় করার অধিকার রাখেন। কিন্তু অপশনে এরকম কোনো প্রতিকার না থাকায় উত্তর বাতিল করা হলো।
৬৬.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে অগ্রক্রয়ের মামলা মঞ্জুর হলে আবেদনকারীর অনুকূলে কতদিনের মধ্যে দলিল কার্যকর করতে হবে?
  1. ৪৫
  2. ৬০
  3. ৩০
  4. ৯০
সঠিক উত্তর:
৬০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০
ব্যাখ্যা
⇒ আইনে অগ্রক্রয় একটি আলোচিত বিধান। জমির সহ-অংশীদারদের জন্য কোনো জোতের কোনো শরিক বা সহ-শরিকরা যদি ওই জোতে অবস্থিত তার জমির কোনো অংশ বা অংশ-বিশেষ ওই জোতের কোনো শরিক বা সহ-শরিক ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে, তবে ওই জোতের উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমির অন্য কোনো শরিক বা সহ-শরিক ওই সম্পত্তির বিক্রয়মূল্য ও নির্ধারিত হারে ক্ষতিপূরণ প্রদান করে আদালতের মাধ্যমে ওই জোতের বিক্রয়কৃত জমিটি আবার ক্রয় করার অধিকার অর্জন করতে পারে। সহ-শরিক কর্তৃক অর্জিত এ ধরনের অধিকারকে অগ্রক্রয় বলে। 
- কৃষি জমির অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কে রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন-১৯৫০ এর ৯৬ ধারায় বলা হয়েছে। 
এ আইনের ৯৬ (১) ধারা মতে, 
৮৯ ধারার অধীন সহ-শরিককে নোটিশ দেয়া হলে, নোটিশ পাওয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ২ (দুই) মাসের মধ্যে এবং নোটিশ না পেলে হস্তান্তর সম্পর্কে জানার পরবর্তী ২ (দুই) মাসের মধ্যে দেওয়ানী আদালতে অগ্রক্রয়ের মামলা দায়ের করতে হয়।
-আইনের ৯৬ (১) (ক) ধারা মতে, 
কেবল উত্তরাধিকার সূত্রে কোনো হোল্ডিংয়ের সহ-শরিক অগ্রক্রয়ের আবেদন করতে পারবে। 
-৯৬ (১) (ঘ) ধারা মতে, বিক্রয় দলিল রেজিস্ট্রেশনের ৩ (তিন) বছর পর অগ্রক্রয়ের মামলা দায়ের করা যায় না। ৯৬ (২) ধারা মতে, আদালতে অগ্রক্রয় মামলা দায়েরের সময় ওই জোতের উত্তরাধিকার সূত্রের সব শরিক ও কবলা ক্রেতাকে পক্ষ করতে হবে।
-আইনের ৯৬ (৩) (ক) ধারা মতে, জমির কবলা দলিলে উলিস্নখিত মূল্য; ৯৬ (৩) খ) ধারা মতে, ২৫% ক্ষতিপূরণ এবং ৯৬ (৩) (গ) ধারা মতে, ৮% সরল সুদ জমা দিয়ে অগ্রক্রয় মামলা দায়ের করতে হবে।
এই আইনের ৯৬ (৯) (ঙ) ধারা মতে, আদালতে অগ্রক্রয়ের আবেদন মঞ্জুর হলে সংশ্লিষ্ট আদালত কবলা দলিলের ক্রেতাকে পরবর্তী ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি অফিসে আবেদনকারীর বরাবরে দলিল রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশ দিবেন। এ ধারার দলিল রেজিস্ট্রেশন সব শুল্ক, ফি ও কর মুক্ত হবে। আইনের ৯৬ (১০) ধারা মতে, কবলা দলিলের ক্রেতা ৬০ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রি অফিসে দলিল রেজিস্ট্রি করে দিতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট আদালত পরবর্তী ৬০ দিনের মধ্যে কবলা দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রেশনের জন্য দাখিল করবেন।

অর্থাৎ The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে অগ্রক্রয়ের মামলা মঞ্জুর হলে আবেদনকারীর অনুকূলে ৬০ দিনের মধ্যে দলিল কার্যকর করতে হবে।
৬৭.
The Contract Act, 1872 অনুসারে প্রতিদানবিহীন সম্মতি বাতিল নয়, যদি সেটি _____ হয়।
  1. ক্ষতির আশংকায়
  2. তামাদি বারিত ঋণ শোধে
  3. লিখিত ও প্রতিশ্রুত
  4. লিখিত কিন্তু অনিবন্ধিত
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত ঋণ শোধে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি বারিত ঋণ শোধে
ব্যাখ্যা
• চুক্তি আইনের ২৫ ধারায় বলা হয়েছে, প্রতিদানবিহীন চুক্তি বাতিল। সেই সাথে কতিপয় ক্ষেত্রে প্রতিদান ছাড়াই চুক্তি বৈধ উল্লেখ করা হয়েছে, যেমন-
১. স্বাভাবিক ভালোবাসা ও স্নেহজনিত কারণে গঠিত কোন চুক্তি বৈধ। যেমন, স্বাভাবিক স্নেহ ভালোবাসা হেতু ক তার পুত্র খ-কে ১০০০ টাকা দিতে অঙ্গীকার করে। ক তার এই অঙ্গীকার লিখিত এবং নিবন্ধিত করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি, যদিও কোন প্রতিদান নেই।
২. অতীত স্বেচ্ছামূলক সেবার জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদানের চুক্তি। যেমন- ক, খ-এর ব্যাগ কুড়িয়ে পায় এবং তাকে অর্পণ করে। খ, ক-কে ৫০ টাকা প্রদানের প্রতিশ্রুতি প্রদান করে। এটা একটি বৈধ চুক্তি। অর্থাৎ উক্তিটি পুরোপুরি সত্য।
৩. তামাদি আইনে বাতিল কোনো ঋণ পরিশোধের অঙ্গীকার। যেমন, ক, খ-এর নিকট ১০০০ টাকা ঋণী কিন্তু ঋণটি তামাদিতে বারিত। উক্ত ঋণের মধ্যে ৫০০ টাকা পরিশোধ করার জন্য খ, ক-কে লিখিত প্রতিশ্রুতি দিলো। এটা একটি চুক্তি।
৪. সম্পত্তি দানের ক্ষেত্রে;
৫. পাওনা আদায়ের দাবি ত্যাগ;
৬. বিনা পারিশ্রমিকে গচ্ছিত দান।
অর্থাৎ তামাদি বারিত ঋণ শোধের ক্ষেত্রে প্রতিদান আবশ্যক নয়।
৬৮.
The Registration Act, 1908 এর কোন ধারায় মূল্যমান কম দেখানো দলিলের ক্ষেত্রে যথার্থ ফি আদায়ের বিধান উল্লেখ আছে?
  1. 63A
  2. 63
  3. 62
  4. 61
সঠিক উত্তর:
63A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
63A
ব্যাখ্যা
⇒ The Registration Act, 1908 এর ৬৩ক ধারায় মূল্যমান কম দেখানো দলিলের ক্ষেত্রে যথার্থ ফি আদায়ের বিধান উল্লেখ আছে।
৬৩ক ধারায় বলা হয়েছে:
"যদি রেজিস্ট্রার মনে করেন যে, কোনো দলিলে উল্লিখিত মূল্য বা প্রকৃত মূল্যের চেয়ে অনেক কম, তিনি দলিলটির প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করতে পারবেন এবং দলিলের প্রকৃত মূল্যের উপর রেজিস্ট্রেশন ফি আদায় করতে পারবেন।"
এই ধারা অনুসারে, যদি রেজিস্ট্রার মনে করেন যে কোনো দলিলে মূল্য অত্যন্ত কম দেখানো হয়েছে, তাহলে তিনি দলিলের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণ করে সেই মূল্যের উপর যথাযথ রেজিস্ট্রেশন ফি আদায় করতে পারবেন। এর মাধ্যমে মূল্য কম দেখানোর সুযোগ রোধ করা হয়েছে এবং সরকারকে প্রাপ্য রাজস্ব আদায়ের বিধান রাখা হয়েছে।
----------------
 Section 63A- Procedure where documents not properly valued:
(1) Notwithstanding anything contained in this Act or in any other law for the time being in force, where it appears to the registering officer that the value of any document presented for registration is less than the market value determined in the policy made under section 69, the registering officer shall, for the purpose of realising proper duties and other fees, require the presentant to submit the duties and fees so required and after realising such duties and fees, he shall register the said document.
 (2) Where it is found upon inspection or otherwise that by non-compliance of the provision of sub-section (1), a document has been registered by a registering officer with improper duties and fees, such non-compliance of the said registering officer shall be deemed to be misconduct and the unpaid amount of duties and fees shall be realised from the concerned registering officer.
৬৯.
The Transfer of Property Act, 1882 অনুসারে ইজারাগ্রহিতা ইজারামেয়াদে নতুন করে ইজারা নিলে পূর্বের ইজারা কীভাবে সমাপ্ত হয়?
  1. পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে
  2. প্রকাশ্য ইস্তফাসূত্রে
  3. বাজেয়াপ্তিসূত্রে
  4. মেয়াদ অতিক্রান্তে
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ The Transfer of Property Act, 1882 এর ধারা ১১১ অনুযায়ী নিম্নলিখিতভাবে স্থাবর সম্পত্তির ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে-
- নির্দিষ্ট সময় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে,
- যেক্ষেত্রে কোন ঘটনা ঘটার শর্তাধীনে ইজারার মেয়াদ নির্দিষ্ট হয়, সেক্ষেত্রে উক্ত ঘটনা ঘটলে;
- যেক্ষেত্রে কোন ঘটনা ঘটলে ইজারা সম্পত্তি হতে ইজারাদাতার স্বার্থের পরিসমাপ্তি ঘটে বা এই সম্পত্তির বিলি-ব্যবস্থার ক্ষমতা আর তার থাকে না, সেক্ষেত্রে উক্ত ঘটনা ঘটলে;
- যখন সমস্ত সম্পত্তিতে ইজারাগ্রহীতার ও ইজারাদাতার স্বার্থ একই সময়ে একই ব্যক্তির উপর একই স্বত্বে ন্যস্ত হয়।
- প্রকাশ্য ইস্তফা (Surrender) দ্বারা অর্থাৎ ইজারাগ্রহীতা ইজারাদাতার বরাবরে তার স্বার্থ তাদের পারস্পরিক চুক্তির মাধ্যমে ত্যাগ করলে।
- পরোক্ষ ইস্তফা দ্বারা-

যদি কোন ইজারাগ্রহীতা তার ইজারা দাতার নিকট হতে ইজারাভূক্ত সম্পত্তির নতুন ইজারা গ্রহণ করেন এবং পূর্ব হতে বহাল ইজারার মেয়াদের মধ্যে নতুন ইজারা কার্যকর হয় তাহলে একে পূর্ববর্তী ইজারার পরোক্ষ ইস্তফা বলে এবং এভাবে এই ইজারার পরিসমাপ্তি ঘটে।

অর্থাৎ The Transfer of Property Act, 1882 এর ১১১ ধারা অনুসারে, ইজারাগ্রহিতা ইজারা মেয়াদে নতুন করে ইজারা নিলে পূর্বের ইজারা পরোক্ষ ইস্তফাসূত্রে সমাপ্ত হয়।
৭০.
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950 অনুসারে খসড়া স্বত্বলিপি প্রকাশ হলে কার নিকট আপিল দায়ের হয়?
  1. ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল
  2. সহকারী কমিশনার (ভূমি)
  3. সহকারী জজ
  4. সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার
সঠিক উত্তর:
সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসার
ব্যাখ্যা
⇒ The State Acquisition and Tenancy Act 1950 এর ১৪৪ ধারার অধীন সরকার কোন জেলা, জেলার অংশ বা স্থানীয় এলাকার জন্য রাজস্ব কর্মকর্তা [Revenue Officer) দ্বারা খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করার আদেশ দিতে পারে।
- যখন ১৪৪ ধারার বিধান অনুযায়ী কোন খতিয়ান প্রস্তুত বা সংশোধন করা হয়, রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত খতিয়ানের একটি খসড়া নির্ধারিত সময়ের জন্য প্রকাশ করবে। রাজস্ব কর্মকর্তা উক্ত খসড়া সম্পর্কে আপত্তি গ্রহণ এবং বিবেচনা করবে।

- ধারা ১৪৪ (৬) এ বলা আছে,
রাজস্ব কর্মকর্তা  কর্তৃক আপত্তি শুনানী শেষে রাজস্ব কর্মকর্তার আদেশ দ্বারা কোন ব্যক্তি সংক্ষুব্ধ হলে সে সহকারী সেটেলমেন্ট অফিসারের পদ মর্যাদার নীচে নয় এইরুপ কোন রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট আপীল করতে পারবে।

অর্থাৎ, ১৪৪ ধারায় প্রকাশিত খসড়া খতিয়ানের বিষয়ে আপত্তি দাখিল করতে হবে রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট এবং উক্ত আপত্তি শুনানী শেষে রাজস্ব কর্মকর্তা যে আদেশ দিবে, সেটার বিরুদ্ধে আপীল করতে হবে সহকারী সেটেলমেন্ট কর্মকর্তার নিচের পদমর্যাদার নিচে নয় এমন রাজস্ব কর্মকর্তার নিকট।
৭১.
Who is the writer of the book 'Robinson Crusoe'?
  1. John Keats
  2. Charles Dickens
  3. John Milton
  4. Daniel Defoe
সঠিক উত্তর:
Daniel Defoe
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Daniel Defoe
ব্যাখ্যা
• 'Daniel Defoe' is the author of the adventure fiction 'Robinson Crusoe'.
 
• 'Robinson Crusoe' in full  Robinson Crusoe, of York, Mariner: by Daniel Defoe features a character who spends years alone on an uninhabited island because of a shipwreck.
- এর কেন্দ্রীয় চরিত্র, Robinson Crusoe এর নামে novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- এই novel টি ১৭১৯ সালে প্রথম লন্ডনে প্রকাশিত হয়। 
- Robinson Crusoe হচ্ছে Defoe's first long work of fiction.
 
• Crusoe একটি জাহাজে করে আফ্রিকার উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে তিনি জলদস্যুদের দ্বারা বন্দী হন এবং দাস হিসেবে বিক্রি হয়ে যান।
- বন্দি অবস্থা থেকে তিনি পালাতে সক্ষম হোন এবং ব্রাজিলে গিয়ে পৌঁছান।
- সেখানে কিছু বণিকদের তার পরিচয় ঘটে এবং উচ্চাভিলাষী Crusoe ধন সম্পদ আরোহণ এবং সম্পদ অর্জনের আশায় তাদের সাথে গিনিতে যাত্রা করার সিদ্ধান্ত নেন আর সেখান থেকে আবার ব্রাজিলে ফিরে আসার চুক্তি করেন।
- কিন্তু তিনি ক্যারিবীয় অঞ্চলে একটি ঝড়ের সম্মুখীন হন এবং তার জাহাজ প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়।
- জাহাজের একমাত্র ক্রুসোই জীবিত ছিলেন এবং তিনি একটি নির্জন দ্বীপে আশ্রয় নেন।
- এভাবে বিভিন্ন ঘটনায় উপন্যাসের কাহিনী এগিয়ে যায়।
- অবশেষে অনেক বছর পর তিনি তাঁর পরিবারের কাছে ফিরে আসতে সক্ষম হোন।
 
• The important character of Robinson Crusoe:
- Robinson Crusoe - The narrator and hero of the story.
- Xury - A servant on the ship on which young Crusoe is a slave.
- Friday -  A "savage" whom Crusoe rescues from certain death at the hands of cannibals.
- The Captain of the Ship The captain of the ship that rescues young Crusoe and Xury; this man befriends young Crusoe and offers him money and guidance.
- Captain's Widow The wife of the first captain to take young Crusoe under his wing.
- এই novel এর অন্যতম দুই প্রধান চরিত্র  Robinson Crusoe and Friday হচ্ছে English Literature এর ইতিহাসে most-enduring হিসেবে পরিচিত।
 
• Daniel Defoe:
- তিনি একজন English novelist, pamphleteer এবং journalist. 
- তিনি Augastan Period এর একজন স্বনামধন্য লেখক।
 
• Notable novels:
- Robinson Crusoe,
- Captain Singleton,
- Colonel Jack.
 
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৭২.
"Justice without force is powerless; force without justice is tyrannical. "-Who said this?
  1. Blaise Pascal.
  2. Mahatma Gandhi.
  3. Winston Churchill.
  4. Benjamin Disraeli.
সঠিক উত্তর:
Blaise Pascal.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Blaise Pascal.
ব্যাখ্যা
• 'Justice without force is powerless; force without justice is tyrannical.'
- French mathematician, physicist, religious philosopher, 'Blaise Pascal' said this line.
- এই উক্তিটি তিনি তাঁর Pensées নামক গ্রন্থে করেছিলেন।

• Blaise Pascal:
- তাঁকে 'Master of Prose' হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।
- He laid the foundation for the modern theory of probabilities, formulated what came to be known as Pascal’s principle of pressure, and propagated a religious doctrine that taught the experience of God through the heart rather than through reason. 
- The establishment of his principle of intuitionism had an impact on such later philosophers as Jean-Jacques Rousseau and Henri Bergson and also on the Existentialists.

• Notable Works:
- Essai pour les coniques,
- Les Provinciales,
- Pensées,
- The Physical Treatises of Pascal,
- Traité du triangle arithmétique, etc.

Source: Britannica.
 
৭৩.
"The hungry judges soon the sentence sign, And wretches hang that jury-men may dine;" -Locate the quote-
  1. The Rape of the Lock
  2. An Essay on Criticism
  3. Essay on Man
  4. The Dunciad
সঠিক উত্তর:
The Rape of the Lock
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The Rape of the Lock
ব্যাখ্যা
• "The hungry judges soon the sentence sign, And wretches hang that jury-men may dine;" 
- This is a quote from 'The Rape of the Lock' written by Alexandar Pope.

• The Rape of the Lock: 
- এটি Alexander Pope রচিত একটি mock-heroic Epic.
- এটি একটি ৭৯৪ লাইনের একটি গুরুগম্ভীর কিন্তু হাস্যরসাত্মক কবিতা।
- Heroic couplets ব্যবহার করে এটি রচিত হয়।
 
- Belinda বা Arabella Fermor নামের এক মেয়ে এখানে প্রধান চরিত্র যার চুলের বেনি বা একগুচ্ছ চুল কেটে ফেলে অপর একজন যুবক Baron বা Lord Petre.
- দেবতা, যুদ্ধ বিগ্রহের বর্ণনাও আছে এতে।
- শেষ পর্যন্ত এই চুলের বেনী স্থান পায় নক্ষত্রলোকে ।
- সামান্যকে অসামান্য, ক্ষুদ্রকে বৃহৎ, সংকীর্ণকে ব্যাপক করে তুলবার এই ক্ষমতার জন্যই পৌপ বিখ্যাত Mock- Heroic Poet হিসেবে।
 
Alexander Pope:
- তিনি একজন English author.
- তিনি English Augustan period এর একজন poet ও satirist.
-  He is one of the most epigrammatic of all English authors.
 
• Famous works:
- An Epistle to Dr. Arbuthnot,
- An Essay on Criticism,
- An Essay on Man,
- Eloisa to Abelard,
- The Dunciad,
- The New Dunciad,
- The Rape of the Lock,
- Windsor-Forest.
 
Source: Britannica and Live MCQ Lecture.
৭৪.
Find out the noun that has the identical singular and plural form-
  1. dice
  2. memento
  3. bacterium
  4. alumnus
সঠিক উত্তর:
dice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
dice
ব্যাখ্যা
• উল্লিখিত অপশনগুলর মধ্যে - Dice has the identical singular and plural form.

• কতগুলো শব্দ আছে যাদের singular এবং plural form একই রকম থাকে।
যেমন- Dice, Sheep, Pice, Deer, Score, Swine, Canon, Corps, Offspring, Series, Carp, Cod, Pair, Dozen, Species, Aircraft, Pike, Hovercraft, Spacecraft, Public, Pair, Gross, Hundred, Thousand, Million ইত্যাদি।

• Dice (noun) (Singular and Plural)
English Meaning: A small cube with each side having a different number of spots on it, ranging from one to six, thrown and used in gambling and other games involving chance.
Bangla Meaning: জুয়াখেলার জন্য ফুটকিচিহ্নিত ঘুঁটি; পাশা।

• অন্য অপশনগুলোর মধ্যে - 
• Memento (singular) - স্মারকচিহ্ন; অভিজ্ঞান।
- এর plural হচ্ছে - Mementos. 

• Bacterium (Singular) - উদ্ভিদের ক্ষুদ্রতম ও সরলতম (সাধারণত এককোষী) রূপভেদ, যা জল, বায়ু, মাটি এবং জীবিত ও মৃত প্রাণী ও উদ্ভিদের দেহে থাকে; এরা প্রাণীর জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য এবং কখনো কখনো রোগের কারণস্বরূপ; ব্যাকটেরিয়া।
- এর plural হচ্ছে - Becteria.

• Alumnus (Singular) - স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র।
- এর plural হচ্ছে - Alumni.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy and Oxford Learner's Dictionary.
৭৫.
I need to find out whose pen this is. Here 'whose' is a/an-
  1. Possessive pronoun
  2. Relative pronoun
  3. Adjective pronoun
  4. Possessive adjective
সঠিক উত্তর:
Possessive adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Possessive adjective
ব্যাখ্যা
• I need to find out whose pen this is. Here 'whose' is a - Possessive adjective.
​- A possessive adjective indicates possession or ownership.
- এই বাক্যে whose এর প্রবর্তী noun word pen কে modify করছে।
- বাক্য "whose" শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে কলমের মালিকানা বা অধিকার নির্দেশ করার জন্য। 
৭৬.
What is the meaning of the word 'euphemism'?
  1. inoffensive expression
  2. wise saying
  3. verbal play
  4. vague idea
সঠিক উত্তর:
inoffensive expression
উত্তর
সঠিক উত্তর:
inoffensive expression
ব্যাখ্যা
• Euphemism (Countable noun & Uncountable noun)
English Meaning: A word or phrase used to avoid saying an unpleasant or offensive word.
Bangla Meaning: সুভাষণ; সত্যিকার শব্দের পরিবর্তে অন্য কোনো শব্দের ব্যবহার।
- যেমন - ‘মৃত্যু’ শব্দের বদলে ‘পরলোকগমন' বাক্যাংশের ব্যবহার।

• Euphemism is a figure of speech which stands for a pleasant way of referring to something unpleasant.
- ইংরেজি সাহিত্যে 'Euphemism' শব্দের অর্থ সুভাষণ, কোমল প্রকাশ (inoffensive expression)।

Source: Live MCQ Lecture.
৭৭.
The antonym of 'dearth' is _____-.
  1. poverty
  2. dear
  3. abundance
  4. lack
সঠিক উত্তর:
abundance
উত্তর
সঠিক উত্তর:
abundance
ব্যাখ্যা
• Dearth - অভাব; অনটন; আকাল।

• অপশনে উলিখিত শব্দগুলোর অর্থ - 
ক) poverty - দারিদ্র্য; দরিদ্রতা; দীনতা; দৈন্য; দরিদ্রদশা।
খ) dear - প্রিয়; আদুরে; প্রীতিভাজন।
গ) abundance - অতিপ্রাচুর্য, প্রয়োজনাধিক পরিমাণ; প্রাচুর্য।
ঘ) lack - অভাব ঘটা, ঊন ঘটা।

• সুতরাং, বুঝা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে - abundance শব্দটি dearth এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
৭৮.
Which is the first Harry Potter book?
  1. Harry Potter and the God of Small Things
  2. Harry Potter and the Chamber of Secret
  3. Harry Potter and the Goblet of Fire
  4. Harry Potter and the Philosopher's Stone
সঠিক উত্তর:
Harry Potter and the Philosopher's Stone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Harry Potter and the Philosopher's Stone
ব্যাখ্যা
• J.K. Rowling, in full Joanne Kathleen Rowling, pen name of Joanne Rowling, is a British author, creator of the popular and critically acclaimed Harry Potter series.
- Harry Potter series এ মোট ৭টি খন্ড রয়েছে যা সারাবিশ্বে অত্যধিক জনপ্রিয়। 
- Harry Potter and the Philosopher's Stone is the first novel in the Harry Potter series.
- Harry Potter and the Deathly Hallows is the second novel in the harry Potter series.
 
Harry Potter books - 
- Harry Potter and the Philosopher’s Stone.
- Harry Potter and the Chamber of Secrets.
- Harry Potter and the Prisoner of Azkaban.
- Harry Potter and the Goblet of Fire.
- Harry Potter and the Half-Blood Prince.
- Harry Potter and the Order of the Phoenix.
- Harry Potter and the Deathly Hallows.
 
Source: Britannica.
৭৯.
"O, beware, my lord, of jealousy," Iago said to Othello.
Choose the correct indirect speech of the above sentence:
  1. Iago addressed Othello respectfully as his lord and told him to beware of jealousy.
  2. Iago advised Othello that he was beware of jealousy.
  3. Iago said to Othello to beware of jealousy.
  4. Addressing Othello as his lord, Iago proposed that they should beware of jealousy.
সঠিক উত্তর:
Iago addressed Othello respectfully as his lord and told him to beware of jealousy.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Iago addressed Othello respectfully as his lord and told him to beware of jealousy.
ব্যাখ্যা
• Narration এর ক্ষেত্রে,
 
• Imperative sentence এ direct speech এ কাউকে সম্বোধন করা হলে নিচের নিয়মের সাহায্যে Indirect speech এ রূপান্তর করতে হয়:
- Addressing বসবে,
- Reporting verb এর object (যদি থাকে) 
- as বসে
- যাকে/যাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে সে শব্দটি বসবে
- Reporting verb এর subject বসবে
- Reporting verb বসবে
- to বসবে
- Reported speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত বসবে।
 
Structure: Addressing + Reporting verb এর object (যদি থাকে) + as + যাকে/যাদেরকে সম্বোধন করা হয়েছে সে শব্দটি +and + Reporting verb এর subject +  Reporting verb + to + Reported speech এর মূল verb থেকে শেষ পর্যন্ত।
- Lord উল্লেখ আছে বিধায় respectfully বসবে।
 
Correct sentence: Iago addressed Othello respectfully as his lord and told him to beware of jealousy.
৮০.
'I shall help you provided you obey me'. Here provided is a/an
  1. verb
  2. adjective
  3. adverb
  4. conjunction
সঠিক উত্তর:
conjunction
উত্তর
সঠিক উত্তর:
conjunction
ব্যাখ্যা
•  'I shall help you provided you obey me'. Here provided is a - conjunction.
• এখানে provided হলো Conjunction.
- এর অর্থ if, or only if:
- শর্ত বুঝাতে Provided/Provided that (যদি) ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়াও Provided এখানে 'I shall help you' এবং 'you obey me' এই দুইটি clause কে সংযুক্ত করতে সাহায্য করেছে।

• Sentence:  'I shall help you provided you obey me'
- Bangla Meaning: 'আমি তোমাকে সাহায্য করব যদি তুমি আমার কথা মেনে চলো।'
 
• More examples:
- Anyone can come on the trip provided that provided.
- Provided that the boat leaves on time, we should reach France by morning.
- The flight will take off provided that the weather is good.
৮১.
পারিবারিক আদালত কর্তৃক আরজি খারিজের কারণ নয় কোনটি?
  1. সমন জারির খরচা না দেওয়া
  2. তফসিলসহ আরজির অবিকল নকল দাখিল না করা
  3. কোর্ট ফি পরিশোধ না করা
  4. প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা
সঠিক উত্তর:
প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা
ব্যাখ্যা
• পারিবারিক আদালতে আইন, ২০২৩ এর ৬ ধারার উপ ধারা (৮) এ আরজি খারিজের কারণসমূহ উল্লেখ আছে।
উক্ত ধারা মতে,নিম্নলিখিত যেকোনো কারণে আরজি খারিজ হইবে, যথা:-
(ক) উপধারা (৭) এর অধীন আবশ্যকতা অনুসারে তপশিল ও দলিলসমূহের তালিকাসহ আরজির অবিকল নকলসমূহ উহার সহিত সংযুক্ত না থাকে;
(খ) ধারা ৭ এর উপধারা (৫) অনুযায়ী সমন জারির খরচ এবং নোটিশের জন্য ডাক খরচ পরিশোধিত না হয়;
(গ) আরজি উপস্থাপনের সময় ধারা ২৫ অনুযায়ী প্রদেয় ফি পরিশোধ করা না হয়।

তাহলে দেখা যাচ্ছে, উল্লিখিত অপশন গুলোর মধ্যে ‘প্রতিকারের মূল্যায়ন উল্লেখ না করা’ পারিবারিক আদালত কর্তৃক আরজি খারিজের কারণ নয়।
৮২.
হিন্দু দায়ভাগা মতবাদ অনুসারে সপিণ্ডের সংখ্যা কত?
  1. ৪৭
  2. ৫৩
  3. ৪৩
  4. ৩৩
সঠিক উত্তর:
৫৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৩
ব্যাখ্যা
⇒ বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের সম্পত্তি বণ্টন হয়ে থাকে দায়ভাগ মতবাদ অনুসারে। এই মতবাদ অনুসারে উত্তরাধিকার নির্ণয় করতে যে নীতি অনুসরণ করা হয়, তা হলো মৃত ব্যক্তির আত্মার কল্যাণে আধ্যাত্মিক নীতি (ডকট্রিন অব স্পিরিচুয়াল বিলিফ)। হিন্দু ধর্মাবলম্বী কোনো মানুষ মারা গেলে মৃত ব্যক্তির আত্মার সদ্‌গতির জন্য শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে হয়। শেষকৃত্যের তিনটি ধাপ আছে-
১. পিণ্ডদান;
২. পিণ্ডলেপ ও
৩. জলদান।
মৃত ব্যক্তির শ্রাদ্ধে যে ব্যক্তি পিণ্ডদানের অধিকারী, তাকে বলা হয় ‘সপিণ্ড’। পুরুষ সপিণ্ডর সংখ্যা ৪৮ জন এবং মহিলা সপিণ্ডর সংখ্যা ৫ জন মিলে সর্বমোট ৫৩ জন সপিণ্ড হবে।
নিম্নে প্রথম ২০ জন সপিন্ডগণের তালিকা ক্রমানুসারে দেওয়া হল।।
১) পুত্র;
২) পুত্রের পুত্র;
৩) পুত্রের পুত্রের পুত্র;
৪) স্ত্রী, পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের স্ত্রী, পুত্রের পুত্রের পুত্রের স্ত্রী।(বিধবা);
৫) কন্যা;
৬) কন্যার পুত্র;
৭) পিতা;
৮) মাতা;
৯) ভাই, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই;
১০) ভাই এর পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্র;
১১) ভাই এর পুত্রের পুত্র, সহোদর ভাই না থাকলে বৈমাত্রেয় ভাই এর পুত্রের পুত্র;
১২) বোনের পুত্র;
১৩) পিতার পিতা;
১৪) পিতার মাতা;
১৫) পিতার ভাই;
১৬) পিতার ভাইয়ের পুত্র;
১৭) পিতার ভাইয়ের পুত্রের পুত্র;
১৮) পিতার বোনের পুত্র;
১৯) পিতার পিতার পিতা;
২০) পিতার পিতার মাতা।
৮৩.
'Analogical deduction' মুসলিম আইনের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. অভিভাবকত্ব
  2. অছিয়ত
  3. উৎস
  4. উত্তরাধিকার
সঠিক উত্তর:
উৎস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উৎস
ব্যাখ্যা
'Analogical deduction' বা ‘কিয়াস’ মুসলিম আইনের উৎসগুলির একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

মুসলিম আইনের চারটি প্রধান উৎস হলো:
১. কুরআন;
২. হাদিস;
৩. ইজমা (সর্বসম্মত মতামত);
৪. কিয়াস অর্থাৎ 'Analogical deduction'।
যখন কোনো বিষয়ে কুরআন ও হাদিসে স্পষ্ট নির্দেশনা না থাকে, তখন ইসলামের বিশিষ্ট আইনজ্ঞগণ কিয়াস বা অনুমিতির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এর মাধ্যমে তারা কুরআন ও হাদিসের আলোকে নতুন পরিস্থিতি এবং ঘটনাবলীর বিচার করেন।

অতএব, 'Analogical deduction' বা কিয়াস মুসলিম আইনের উৎসসমূহের অন্যতম ও গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। এটি মূল উৎসগুলির পাশাপাশি ব্যবহৃত হয় এবং মুসলিম আইনকে আধুনিক যুগের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সক্ষম করেছে।
৮৪.
হানাফী মতবাদ অনুসারে কোন ব্যক্তি কখনও অবশিষ্টভোগী হতে পারে না?
  1. পিতা
  2. স্বামী
  3. ভ্রাতা
  4. পুত্র বা কন্যা
সঠিক উত্তর:
স্বামী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্বামী
ব্যাখ্যা
অবশিষ্টাংশ ভোগীগণ (Residuaries):
মৃত ব্যক্তির যাদের সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে এবং যারা অংশীদারদের নির্দিষ্ট অংশ নেবার পর কোন সম্পত্তি অবশিষ্ট থাকলে তা অথবা কোন অংশীদার না থাকলে সমস্ত সম্পত্তি মৃত ব্যক্তির সাথে রক্তের সম্পর্ক আছে, এমন সমস্ত নিকটবর্তী আত্নীয়রা তালিকায় উল্লেখিত ক্রমানুসারে লাভ করে থাকে। মৃত ব্যক্তির এ সকল নিকটত্নীয়দেরকে অবশিষ্টাংশভোগী বলা হয়। এই অবশিষ্টংশ ভোগীদের কোন নির্দিষ্ট অংশ নাই। অংশীদারদের দেওয়ার পরেই কেবল অবশিষ্ট সম্পত্তি তারা পাবেন, কিন্তু এই অবশিষ্টাংশের পরিমাণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিভিন্ন রকম হতে পারে। যদি কোন অংশীদার না থাকেন, তবে সমস্ত সম্পত্তিই আসাবা বা অংশীদারগণ পাবেন। এ সকল আসাবা বা অবশিষ্টাংশ ভোগীগণকে এগনেটিক ওয়ারিশ ও বলা হয়। কারণ এরা পুরুষ আত্নীয়ের মাধ্যমেই ওয়ারিশ হয়ে থাকে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পিতা-
যদি মৃত সন্তানের শুধু মাত্র কন্যা সন্তান বা তাঁর পুত্রের কন্যা সন্তান থাকলে তবে পিতা সন্তানের সম্পত্তির ১/৬ অংশ পায় এবং কন্যাদের ও অন্যান্যদের দেয়ার পর অবশিষ্ট যে সম্পত্তি থাকবে তাও পিতা পাবেন। 
আর যদি মৃত সন্তানের কোন পুত্র-কন্যা বা পুত্রের সন্তান কিছুই না থাকে তাবে বাকী অংশীদারদের তাঁদের অংশ অনুযায়ী দেয়ার পর অবশিষ্ট যা থাকবে তার সবটুকুই পিতা পাবেন।
অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে পুত্র-কন্যা-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে ও মেয়ে রয়েছে সেই ক্ষেত্রে ছেলে বা ছেলেরা, মেয়ে বা মেয়েদের চেয়ে দ্বিগুন সম্পত্তি পাবে। মৃত ব্যক্তির সম্পত্তিতে মাতাপিতা ও স্বামী-স্ত্রী নির্দিষ্ট সম্পত্তি পাওয়ার পর অবশিষ্ট সম্পত্তি ছেলে মেয়ের মধ্যে বন্টন করা হবে। তবে মেয়ে না থাকলে অংশীদারদের অংশ দেয়ার পর অবশিষ্টাংশভোগী হিসেবে বাকী সম্পূর্ণ সম্পত্তি ছেলে বা ছেলেরাই পাবে।

অবশিষ্টাংশ ভোগী হিসেবে ভাই-
যেক্ষেত্রে মৃত ব্যক্তির ছেলে, ছেলের ছেলে এভাবে যত নিচেই হোক কেউ থাকলে অথবা বাবা, দাদা বা এভাবে ঊর্ধ্ব পুরুষ কেউ থাকলে তখন ভাই-বোন কেউ অংশ পাবেন না। তবে যদি স্বামী/স্ত্রী, কন্যা বা মা থাকে তবে তাদের অংশ দেওয়ার পর বাকি অংশ ভাই-বোন নিজেদের অংশ (১/২) হিসেবে পাবে। ঊর্ধ্ব পুরুষ বা উত্তর পুরুষে কেউ না থাকলে সহোদর ভাই-বোন ছেলে-মেয়ের মতো হারে অংশ পাবে।

অপর দিকে, স্বামীর অংশ : স্বামী ২ ভাবে মৃত স্ত্রীর সম্পত্তির ভাগ পেয়ে থাকে।
- মৃত স্ত্রীর কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান থাকলে, স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তির ১/৪ অংশ পাবে। 
- মৃত স্ত্রীর কোন সন্তান বা পুত্রের সন্তান কেউই না থাকলে স্বামী স্ত্রীর সম্পত্তির ১/২ অংশ পাবে।

অর্থাৎ পিতা, ভাই/ ভ্রাতা এবং পুত্র বা কন্যা অবশিষ্টভোগী হিসেবে পেতে পারে কিন্তু স্বামী পায় না।
৮৫.
মুসলিম আইনানুযায়ী ধর্মীয় উদ্দেশ্যে অছিয়ত কয় শ্রেণির?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
উইল বা অছিয়ত: 
মুসলিম আইনে উইলকে অছিয়ত বলা হয়েছে । উইলের আরবী প্রতিশব্দ ওয়াসিয়াত । এর অর্থ ভার অর্পণ, নিদেশ, উপদেশ মিলানো বা কোন জিনিস অন্যদের পর্যন্ত পৌছানো। মৃত্যুকালে কিংবা মুত্যুর আগে পরের জন্য নিজ মালিকানার কিছু অংশ নিস্বাথভাবে কাউকে দান করার নাম ওসিয়ত বা উইল।

মুসলিম আইনানুযায়ী ধর্মীয় উদ্দেশ্যে অছিয়ত মূলত তিন শ্রেণির:

১. সাদাকাতুল ফিতর বা জাকাত: এটি বার্ষিক আয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ যা প্রতিটি মুসলিম পরিবারের জন্য বাধ্যতামূলক। এটি গরীবদের সাহায্য করার জন্য দেওয়া হয়।
২. সাদাকাতুন্নাফল বা ধর্মীয় দান: এটি স্বেচ্ছামূলক দান যা মুসলিমদের নৈতিক দায়িত্ব। সামাজিক কল্যাণমূলক কাজে ব্যবহৃত হয়।
৩. ওয়াকফ: এটি স্থায়ী অনুদান যা সামাজিক, ধর্মীয় এবং শিক্ষামূলক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয়। জমি, অর্থ বা অন্য সম্পদ ওয়াকফ করা যায়।
৮৬.
মুসলিম আইনানুযায়ী কোনটি ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য নয়?
  1. মসজিদে আলোর ব্যবস্থা করা
  2. পয়ঃপ্রণালি নির্মাণ
  3. ভিক্ষুককে অর্থ দান
  4. ২০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
সঠিক উত্তর:
২০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান
ব্যাখ্যা
ওয়াকফ:
- মালিকানার দাবি না রেখে ধর্মীয় বা দাতব্য কাজের জন্য স্থায়ীভাবে কোন সম্পত্তি উৎসর্গ করাকে ওয়াকফ বলা হয়৷ ওয়াকফ অধ্যাদেশ, ১৯৬২ অনুসারে কোন মুসলমান দ্বারা ধর্মীয় , পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ীভাবে উৎসর্গ করা কে ওয়াকফ বলা হয়। যিনি ওয়াকফ করে তাকে ওয়াকিফ বলে।
-১৯৬২ সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশ এর ২ ধারায় বলা হয়েছে যে:
কোনো মুসলমান কর্তৃক ধর্মীয়, পবিত্র বা দাতব্য কাজের উদ্দেশ্যে তার স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি স্থায়ী ভাবে উৎসর্গ করাকে বুঝায়।

ওয়াকফ দুই প্রকারঃ-
১- ওয়াকফ লিল্লাহ (ধর্মীয় বা দাতব্য উদ্দেশ্যে ওয়াকফ করা) এবং 
২- ওয়াকফ আল-আওলাদ ( সম্পত্তি ওয়াকফ করে তার আয় হতে নিজের সন্তান সন্ততি বা তার বংশধর বা নিজের ভারণ পোষণের ব্যবস্থা করা। তবে বংশধরদের মৃত্যুর পরে ওয়াকফ সম্পত্তির আয় দাতব্য বা ধর্মীয় কাজে ব্যয়িত হবে।

প্রদত্ত সংজ্ঞানুযায়ী, ওয়াকফ চিরস্থায়ী হতে এবং চিরতরে স্থায়ী উদ্দেশ্যে করা হয়। অর্থাৎ উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে ‘২০ বছরের জন্য ঈদগাহে দান’ যা চিরস্থায়ী নয়, তা ওয়াকফ্ এর বৈধ উদ্দেশ্য হিসেবে গণ্য হবে না।
৮৭.
হিন্দু আইনানুযায়ী 'দান' এর ক্ষেত্রে নিম্নের কোনটি সঠিক নয়?
  1. বৈধ দান প্রত্যাহারযোগ্য নয়
  2. দানের বিষয়বস্তুর দখল হস্তান্তরিত হতে হবে
  3. দাতা সম্পত্তির আয় জীবনস্বত্বে রাখতে পারেন
  4. মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ
ব্যাখ্যা
দান: 
দান হলো এমন এক ধরনের হস্তান্তর পদ্ধতি যার মাধ্যমে স্বীয় মালিকানা স্বত্বের অবসান ঘটায় এবং অন্য ব্যক্তির বরাবরে মালিকানা স্বত্ব সৃষ্টি করে। দানসূত্রে সম্পত্তি হস্তান্তরের জন্য কোনরকম পণের প্রয়োজন হয় না এবং যার বরাবরে দান সৃষ্টি করা হয় সে দানের বিষয়বস্ত গ্রহণ করার সাথে সাথেই দান কাজ সম্পন্ন হয়। দান হস্তান্তর  করে যে ব্যক্তি তাকে দাতা এবং দান গ্রহণ করে যে ব্যক্তি তাকে দান গ্রহীতা বলা হয়। স্থাবর বা অস্থাবর উভয় প্রকার সম্পত্তি দান করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঐ সম্পত্তিতে দাতার স্বত্ব লোপ পায় এবং গ্রহীতার স্বত্ব অর্জিত হয়। এভাবে স্বত্ব দখলের হস্তান্তরকে দান বলা যেতে পারে।

হিন্দু আইনে দানের বৈধতা নিম্নরূপ:
ক) বৈধ দান প্রত্যাহারযোগ্য নয়: এটি সঠিক। একবার দান করা হলে তা প্রত্যাহার করা যাবে না।
খ) দানের বিষয়বস্তুর দখল হস্তান্তরিত হতে হবে: এটিও সঠিক। দানগ্রহীতাকে বিষয়বস্তুর দখল দিতে হবে।
গ) দাতা সম্পত্তির আয় জীবনস্বত্বে রাখতে পারেন: এটাও সঠিক। দানকারী জীবিত থাকা পর্যন্ত সেই সম্পত্তির আয় রাখতে পারেন।
ঘ) মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ: 
এটি সঠিক নয়। হিন্দু আইনে মৃত্যুর আশঙ্কায় করা দানকেও বৈধ মেনে নেওয়া হয়। 

অতএব, হিন্দু আইনানুযায়ী দানের ক্ষেত্রে ‘ঘ) মৃত্যুর আশঙ্কায় কৃত দান অবৈধ’ - এটি সঠিক নয়।
৮৮.
মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' এর কারণে কাকে বিবাহ করা নিষিদ্ধ?
  1. ভগ্নি
  2. কন্যা
  3. পুত্রের স্ত্রী
  4. ভগ্নির দুধ মাতা
সঠিক উত্তর:
পুত্রের স্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুত্রের স্ত্রী
ব্যাখ্যা
-মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' বা আত্মীয়তার কারণে যাদের সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ, তা হলো- পুত্রের স্ত্রী।

ইসলামী বিধান অনুযায়ী, একজন ব্যক্তির পুত্রের স্ত্রীর সাথে তার বিবাহ করা মানবিক এবং নৈতিকভাবে নিষিদ্ধ। কারণ, এক্ষেত্রে পুত্রের স্ত্রী পুত্রবধূর মর্যাদা লাভ করে। আর পুত্রবধূকে পত্নীরূপে গ্রহণ করা ইসলামে নিষিদ্ধ।

অন্যদিকে
ক) ভগ্নি, খ) কন্যা এবং ঘ) ভগ্নির দুধ মাতা - এদের সাথে বিবাহ করা ইসলামে স্পষ্টভাবেই নিষিদ্ধ। এরা আসলে "মুহারাম" বা নিকটাত্মীয়, যাদের সাথে বিবাহ করা হারাম।

তাই মুসলিম আইনানুযায়ী 'Affinity' বা আত্মীয়তার কারণে একমাত্র পুত্রের স্ত্রীর সাথে বিবাহ নিষিদ্ধ।
৮৯.
The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সালিশী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার কী?
  1. জেলা জজের নিকট রিভিশন
  2. সহকারী জজের নিকট রিভিশন
  3. সহকারী জজের নিকট আপিল
  4. জেলা জজের নিকট আপিল
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সহকারী জজের নিকট রিভিশন
ব্যাখ্যা
• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:
১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।
২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।
৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।
৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।
৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।

অর্থাৎ The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সালিশী পরিষদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিকার হচ্ছে সহকারী জজের নিকট রিভিশন।
৯০.
'এই গাছে এই বছর যে ফল ধরবে তা তোমাকে দান করলাম।'-মুসলিম আইনানুযায়ী এরূপ দানের ফলাফল কী?
  1. বাতিল
  2. বাতিলযোগ্য
  3. বৈধ
  4. ফল ধরা সাপেক্ষে বৈধ
সঠিক উত্তর:
বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিল
ব্যাখ্যা
- মুসলিম আইন অনুযায়ী সম্পত্তি দান করা হলে তাকে দান বা হেবা বলে।
মুসলিম আইনে দানের জন্য কিছু শর্ত রয়েছে:
- দানের বিষয়বস্তুর ওপর থেকে দানদাতা সম্পূর্ণ রূপে মালিকানাস্বত্ব ও কর্তৃত্ব ত্যাগ করতে হয়। 
- দানের বিষয়ে দানগ্রহীতাকে দখল বুঝিয়ে দেওয়া আবশ্যক। স্থাবর সম্পত্তির দখল দানগ্রহীতাকে সম্পূর্ণরূপে বুঝিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত দান সম্পূর্ণ হয় না। তবে দানদাতা ও দান গ্রহীতা যদি দানকৃত সম্পত্তিতে একত্রে বসবাস করে তাহলে দানের বিষয়বস্তু/দানকৃত সম্পত্তির দখল দান গ্রহীতার বরাবরে হস্তান্তরের প্রয়োজন নেই। 
- ভবিষ্যতে দান সম্পূর্ণ করা হবে বা অনিশ্চিত কিছু ঘটলে দান কার্যকর হবে এমন কোনো দান বৈধ নয়; দানের বিষয়বস্তু স্পষ্ট ও নির্দিষ্ট হতে হবে।

উল্লিখিত উদাহরণটিতে, গাছে যে ফল ধরবে তা অনিশ্চিত। এটি আগামী দিনের ঘটনার উপর নির্ভরশীল। তাই এ ধরনের দান মুসলিম আইনে বাতিল বলে গণ্য হয়। গাছের বর্তমান ফলগুলো নির্দিষ্ট করে দান করা হলে তা বৈধ হতো।

অতএব, মুসলিম আইনানুযায়ী, "এই গাছে এই বছর যে ফল ধরবে তা তোমাকে দান করলাম" এরূপ দান বাতিল।
৯১.
Log10(0.01) = ?
  1. - 0.01
  2. - 2
  3. - 0.1
  4. - 1
সঠিক উত্তর:
- 2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 2
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: Log10(0.01) = ?

সমাধান:
ধরি,
Log10(0.01) = x
⇒ 10x = 0.01
⇒ 10x = 1/100
⇒ 10x = 1/102
⇒ 10x = 10 - 2
∴ x = - 2
৯২.
নিম্নের কোনটি উভয়লিঙ্গ ফুল নয়?
  1. গোলাপ
  2. ধুতুরা
  3. কুমড়া
  4. জবা
সঠিক উত্তর:
কুমড়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমড়া
ব্যাখ্যা
- কুমড়া উভয়লিঙ্গ ফুল নয়।

• ফুল: 
- উদ্ভিদের বংশ রক্ষা ও বংশবিস্তারে সাহায্যকারী ফল ও বীজ উৎপাদনের জন্য বিশেষভাবে রূপান্তরিত বিটপকে পুষ্প বা ফুল বলা হয়।
- একটি সম্পূর্ণ ফুলে পাঁচটি অংশ উপস্থিত থাকে। যথা-
১. পুষ্পাক্ষ:
- ফুলের স্তবকগুলো যে অক্ষের উপর সাজানো থাকে তাকে পুষ্পাক্ষ বলে।
 
২. বৃতি:
- একটি ফুলের বাইরের স্তবককে বলা হয় বৃতি।
- এর প্রতিটি খন্ডকে বৃত্যংশ বলা এটি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য হয়। 
- বৃতি মুকুল অবস্থায় ফুলের অন্য স্তবকগুলোকে রোদ, বৃষ্টি, কীটপতঙ্গের আক্রমণ এবং বিভিন্ন প্রতিকূল অবস্থা থেকে রক্ষা করে । - সবুজ বৃতি সালোকসংশ্লেষণ পদ্ধতিতে খাদ্য প্রস্তুত করে। 
- বৃতি যখন রঙ বেরঙের হয় তখন তারা পরাগায়নের মাধ্যম হিসেবে কীটপতঙ্গ, পশু-পাখি ইত্যাদিকে আকর্ষণ করে ।
 
৩. দলমন্ডল: 
- বৃতির উপরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন দ্বিতীয় সহকারী স্তবকটি দলমন্ডল। এর প্রতিটি খন্ডকে দলাংশ বা পাপড়ি বলা হয়। 
 
৪. পুংস্তবক:
- দলমন্ডলের ভেতরে পুষ্পাক্ষ সংলগ্ন পরাগরেণু উৎপাদনকারী স্তবককে পুংস্তবক বলা হয়। 
 
৫. স্ত্রীস্তবক:
- পুষ্পের কেন্দ্রে অবস্থিত ফ্লাক্স আকৃতির ডিম্বক উৎপাদনকারী স্তবককে স্ত্রীস্তবক বলা হয়। 
- এর প্রতিটি অংশকে গর্ভপত্র বলা হয়। একটি গর্ভপত্রের তিনটি অংশ । যথা- গর্ভাশয় (Ovary), গর্ভদন্ড (Style) ও গর্ভমুন্ড (Stigma)। 
 
- বৃন্তযুক্ত ফুলকে সবৃন্তক এবং বৃন্তহীন ফুলকে অবৃন্তক ফুল বলা হয়। 
- যখন কোন ফুলে পুংস্তবক ও স্ত্রীস্তবক দুটোই উপস্থিত থাকে তখন সেটি উভলিঙ্গ ফুল।  যেমন গোলাপ, ধুতুরা, জবা ইত্যাদি।
- পুংস্তবক বা স্ত্রীস্তবকের যে কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তাকে একলিঙ্গ ফুল বলে, যেমন কুমড়া আবার দুটিই অনুপস্থিত থাকলে ক্লীব ফুল বলা হয়।
 
উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
 
৯৩.
মেরুদণ্ডী প্রাণী হিসেবে মাছ কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত?
  1. Amphibia
  2. Aves
  3. Mammalia
  4. Pisces
সঠিক উত্তর:
Pisces
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pisces
ব্যাখ্যা
- মেরুদণ্ডী প্রাণী হিসেবে মাছ Pisces শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
- Amphibia এ শ্রেণির প্রাণীরা প্রথম স্থলচর মেরুদণ্ডী। মূলত স্থলচর হলেও জননকালে ডিম পাড়তে এরা পানিতে আসতে বাধ্য হয়। মেরু অঞ্চলসহ পৃথিবীর প্রায় সব বসবাসযোগ্য স্থানে উভচর পাওয়া যায়। বর্তমানে এদের প্রজাতির সংখ্যা ৭,১৭১।
- Aves শ্রেণিভুক্ত প্রাণিদের পাখি বলা হয়। বর্তমানে পৃথিবীতে ১০ হাজারের বেশি প্রজাতির পাখি রয়েছে।
- বিবর্তনের দিক থেকে Mammalia সবচেয়ে আধুনিক প্রাণি। বর্তমানে প্রায় ৬০০০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী রয়েছে। মানুষও এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত প্রাণি।

উৎস:
১. প্রাণীবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. [springer.com]
৯৪.
দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ বা স্পর্শ না করলে বৃত্ত দুইটির সর্বাধিক সংখ্যায় সাধারণ স্পর্শক অংকন করা যায় ____ টি।
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ বা স্পর্শ না করলে বৃত্ত দুইটির সর্বাধিক সংখ্যায় সাধারণ স্পর্শক অংকন করা যায় ____ টি।

সমাধান:

দুইটি বৃত্ত পরস্পরকে ছেদ বা স্পর্শ না করলে বৃত্ত দুইটির সর্বাধিক সংখ্যায় সাধারণ স্পর্শক অংকন করা যায় ৪ টি।
৯৫.
লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কত?
  1. 620-750 nm
  2. 520-650 nm
  3. 420-700 nm
  4. 320-600 nm
সঠিক উত্তর:
620-750 nm
উত্তর
সঠিক উত্তর:
620-750 nm
ব্যাখ্যা
- লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 620-750 nm

• দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ:
- তাড়িতচৌম্বকীয় বর্ণালির অতিবেগুনি রশ্মির একটি অতি ক্ষুদ্র অংশ আমাদের চোখে দৃশ্যমান হয়, একে বলা হয় দৃশ্যমান আলোক তরঙ্গ।
- এই তরঙ্গের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পরিসীমা হচ্ছে 4 × 10-7m থেকে 7 × 10-7m মাত্র।
- এই পরিসীমার বিভিন্ন তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের জন্য আলোর বিভিন্ন রঙ দেখা যায়।
- এদের আসমানি, সবুজ, নীল, হলুদ, বেগুনি, কমলা ও লাল এই সাতটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে লাল আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি।
- দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৯৬.
শিক্ষক তার বইগুলোকে চার ছাত্রের মধ্যে নিম্নলিখিতভাবে ভাগ করে দিলেনঃ প্রথম ছাত্রকে ১/২ অংশ, দ্বিতীয় ছাত্রকে ১/৪ অংশ, তৃতীয় ছাত্রকে ১/৫ অংশ এবং বাকি ৭টি বই চতুর্থ ছাত্রকে দিলেন। ঐ শিক্ষকের কতটি বই ছিল?
  1. ১৫০
  2. ১২০
  3. ১৩০
  4. ১৪০
সঠিক উত্তর:
১৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: শিক্ষক তার বইগুলোকে চার ছাত্রের মধ্যে নিম্নলিখিতভাবে ভাগ করে দিলেনঃ প্রথম ছাত্রকে ১/২ অংশ, দ্বিতীয় ছাত্রকে ১/৪ অংশ, তৃতীয় ছাত্রকে ১/৫ অংশ এবং বাকি ৭টি বই চতুর্থ ছাত্রকে দিলেন। ঐ শিক্ষকের কতটি বই ছিল?

সমাধান:
প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় ছাত্রকে দিলেন মোট বইয়ের = (১/২) + (১/৪) + (১/৫) অংশ 
= (১০ + ৫ + ৪)/২০ অংশ
= ১৯/২০ অংশ

বাকি রইলো = ১ - (১৯/২০) অংশ
= ১/২০ অংশ

প্রশ্নমতে,
১/২০ অংশ = ৭ টি বই
∴ ১ বা সম্পূর্ণ অংশ = ৭ × ২০ টি বই
= ১৪০ টি বই

অতএব, ঐ শিক্ষকের মোট ১৪০ টি বই ছিল।
৯৭.
একজন দোকানদার প্রতি হালি ডিম ২৫ টাকা দরে ক্রয় করে প্রতি ২ হালি ৫৬ টাকা দরে বিক্রয় করলে তার শতকরা কত লাভ হবে?
  1. ১০
  2. ২০
  3. ২৫
  4. ১২
সঠিক উত্তর:
১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একজন দোকানদার প্রতি হালি ডিম ২৫ টাকা দরে ক্রয় করে প্রতি ২ হালি ৫৬ টাকা দরে বিক্রয় করলে তার শতকরা কত লাভ হবে?

সমাধান:
১ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য = ২৫ টাকা
∴ ২ হালি ডিমের ক্রয়মূল্য = ২৫ × ২ = ৫০ টাকা
∴ লাভ = ৫৬ - ৫০ = ৬ টাকা

৫০ টাকায় লাভ হয় = ৬ টাকা
১ টাকায় লাভ হয় = ৬/৫০ টাকা
∴ ১০০ টাকায় লাভ হয় = (১০০ × ৬)/৫০ টাকা
= ১২ টাকা
৯৮.
x2 - x - 12 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় হবে -
  1. - 3, - 4
  2. 3, - 4
  3. -3, 4
  4. 3, 4
সঠিক উত্তর:
-3, 4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
-3, 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - x - 12 = 0 সমীকরণের মূলদ্বয় হবে -

সমাধান:
x2 - x - 12 = 0
⇒ x2 - 4x + 3x - 12 = 0
⇒ x(x - 4) + 3(x - 4) = 0
⇒ (x + 3)(x - 4) = 0

হয়, x + 3 = 0 
বা, x = - 3

অথবা, x - 4 = 0
বা, x = 4

∴ সমীকরণের মূলদ্বয় হবে - 3, 4
৯৯.
'স্নায়ু বিষ' অভিহিত করা হয় কোনটিকে?
  1. টেস্টিং সল্ট
  2. সাদা চিনি
  3. টেবিল সল্ট
  4. লাইম স্টোন
সঠিক উত্তর:
টেস্টিং সল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টেস্টিং সল্ট
ব্যাখ্যা
- খাবার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড।
- টেস্টিং সল্ট নামে পরিচিত আরেকটি লবণ আছে যার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম গ্লুটামেট বা মনো সোডিয়াম গ্লুটামেট।
- এটি শুষ্ক খাবার যেমন পাউরুটি, চানাচুর প্রভৃতির স্বাদ বাড়িয়ে তোলে।
- খাবারকে মুখরোচক বা মজাদার করতে স্বাদ লবণ বা টেস্টিং সল্ট নামের রাসায়নিক উপাদান বাড়িতে ও খাবার দোকানে বহুল ব্যবহূত হয়।
- এটি বেশি পরিমাণে ব্যবহার হলে স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে, তাই বিজ্ঞানীরা একে স্নায়ুবিষ বলে থাকেন।

উৎস:
১. বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২০ শিক্ষাবর্ষ।
২. দৈনিক ইত্তেফাক। [Link]
১০০.
মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বন্ধ্যাত্ব দূর করে কোন ভিটামিন?
  1. ভিটামিন বি
  2. ভিটামিন ডি
  3. ভিটামিন এ
  4. ভিটামিন ই
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিটামিন ই
ব্যাখ্যা
• ভিটামিন ই মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর বন্ধ্যাত্ব দূর করে।

• ভিটামিন ই:
- ভিটামিন ই এর রাসায়নিক নাম টোকোফেরল।
- এটি তাপ ও অম্লে বিনষ্ট হয় না। তবে ক্ষারে সামান্য নষ্ট হয়।

• ভিটামিন ই এর উৎস:
- সব ধরনের উদ্ভিজ্জ তেল, যেমন- নারিকেল তেল, সরিষার তেল, চালের কুঁড়ার তেল, সয়াবিন তেল ইত্যাদি ভিটামিন ই এর ভালো উৎস।
- শস্যদানার ভ্রূণ, বাদাম, গোটা শস্য, শাক-সবজি, মাখন ইত্যাদিতে কিছু পরিমাণে ভিটামিন ই থাকে।
- ডিমের কুসুম, দুধ ও যকৃতেও ভিটামিন ই পাওয়া যায়।

• ভিটামিন ই এর কাজ:
১। ভিটামিন এ রক্তের লোহিত কণার জারণসহ অবাঞ্ছিত জারণ রোধ করে।
২। জননাঙ্গের বৃদ্ধি ও স্বাভাবিক ক্ষমতা বজায় রাখে।
৩। নারী ও পুরুষের বন্ধ্যাত্ব প্রতিরোধ করে।
৪। নারী ও পুরুষের স্বাভাবিক প্রজননে সহায়তা করে।
৫। অকাল বার্ধক্য রোধ করে।
৬। ভ্রূণের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

• ভিটামিন ই এর অভাবজনিত অবস্থা:
১। নারী ও পুরুষের সন্তান উৎপাদন ক্ষমতা লোপ পায় এবং বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়।
২। ভ্রূণের বৃদ্ধি ব্যাহত হয়।
৩। গর্ভপাত হতে পারে।
৪। অকাল বার্ধক্য দেখা দেয়।

অন্যদিকে,
- ভিটামিন ডি এর অভাবে রিকেটস রোগ হয়।
- ভিটামিন বি১ এর অভাবে বেরিবেরি রোগ হয়।
- ভিটামিন এ এর অভাবে রাতকানা রোগ হয়।
 
উৎস:
১. জীববিজ্ঞান, ৯ম-১০ম শ্রেণি। [২০১৯ সংস্করণ]
২. গার্হস্থ্য বিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।