পরীক্ষা আর্কাইভ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

পরীক্ষা৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archivedতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়25 minutes
মোট প্রশ্ন২৯
সিলেবাস
পার্ট-১) বাংলা ব্যাকরণ: টপিকসমূহ ১. বাংলা ভাষা (ভাষা ও বাংলা ভাষা রীতি; বাংলা ব্যাকরণ ও এর আলোচ্য বিষয়) ২. ধ্বনিতত্ত্ব (ধ্বনি ও বর্ণ-প্রকরণ; ধ্বনির উচ্চারণ বিধি; ধ্বনি পরিবর্তন, ণ-ত্ব ও ষ-ত্ব বিধান; সন্ধি) পার্ট-২) জাতিসংঘ - History, মূল সংস্থা, জড়িত ব্যক্তি, জাতিসংঘ ও বাংলাদেশ, জাতিসংঘ ও নোবেল, শান্তিরক্ষা কার্যক্রম (গুরুত্বপূর্ণ), জাতিসংঘ মিশন সমূহ, World Bank, IMF, WTO, UNCTAD. পার্ট–১ সোর্স: উৎস: অষ্টম শ্রেণি ও মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলা একাডেমির অভিধান অথবা যেকোনো স্কলার (যেমন: ড. হায়াৎ মামুদ)-এর বই। (ব্যাকরণ - এর ক্ষেত্রে গাইড থেকে পড়াশুনা করলে, বিতর্কিত বিষয়গুলো বোর্ড বই ও বাংলা একাডেমি অভিধান থেকে ক্রসচেক করে নিলে উত্তম হবে।) পার্ট–২ সোর্স: যেকোনো গাইড বই। তবে, সংস্থাগুলোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটগুলো সম্ভব হলে একটু দেখে নিবেন। গাইডে অনেক সময় ভুল থাকে ও আপডেটেড তথ্য দেওয়া থাকে না।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived

৪০ দিনে ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - Archived · তারিখ অনির্ধারিত · ২৯ প্রশ্ন

.
বাংলা ভাষার উৎপত্তি কোথা থেকে?
  1. ক) গৌড়ীয় প্রাকৃত
  2. খ) শৌরসেনী
  3. গ) অর্ধমাগধি প্রাকৃত
  4. ঘ) মহারাষ্ট্রী প্রাকৃত
সঠিক উত্তর:
ক) গৌড়ীয় প্রাকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) গৌড়ীয় প্রাকৃত
ব্যাখ্যা
গৌড়ীয় প্রাকৃত থাকে গৌড়ী অপভ্রংশ ও বঙ্গকামরূপী হয়ে বাংলা ভাষার উৎপত্তি হয়েছে।

ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ মনে করেন, ভারতীয় ভাষা থেকেই বৈদিক এবং প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষার সৃষ্টি।  
- খ্রিষ্টপূর্ব আটশ অব্দে প্রাচীন ভারতীয় আর্য ভাষা থেকেই আদিম প্রাকৃত ভাষার সৃষ্টি। 
- আনুমানিক দুইশ খ্রিষ্টপূর্ব অব্দে এই ভাষা থেকেই গৌড়ীয় প্রাকৃত এবং আনুমানিক চারশ অব্দে গৌড়ী পাকৃত থেকে গৌড়ী অপভ্রংশের সৃষ্টি। 
- জর্জ গ্রিয়ারসন, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়সহ অধিকাংশ ভাষাবিজ্ঞানী মনে করেন মাগধী প্রাকৃত থেকে বাংলা ভাষার উৎপত্তি। 
- কিন্তু ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ গৌড় অপভ্রংশ থেকে আনুমানিক খ্রিষ্টীয় পাঁচশ অব্দে বঙ্গ কামরূপী ভাষার তৈরী। 
- ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে গৌড় অপভ্রংশ হয়ে বঙ্গকামরূপী ভাষার মাধ্যমে ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা ভাষা স্বতন্ত্ররূপ পরিগ্রহ করে। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
.
নিম্নের কোনটি স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ?
  1. ক) ঙ্ক
  2. খ) গ্ধ
  3. গ) ঞ্ঝ
  4. ঘ) ক্ষ্ম
সঠিক উত্তর:
গ) ঞ্ঝ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ঞ্ঝ
ব্যাখ্যা
• একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়।
- যুক্ত হওয়া বর্ণগুলােকে দেখে কখনাে সহজে চেনা যায়, কখনাে সহজে চেনা যায় না।
- এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।

স্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ট, জ্জ, জ্ব, ঞ্ঝ, ড্ড, ণ্ট, ণ্ঠ, দ্দ, দ্ব, দ্ম, ইত্যাদি। 

অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ: ক্ত (ক্‌+ত), ক্স (ক্‌+স), ক্র (ক্‌+র), ক্ষ (ক্‌+ষ), ক্ষ্ম (ক্‌+ষ্‌+ম), গু (গ+উ), গ্ধ (গ্‌+ধ), ঙ্ক (ঙ্‌+ক), ঙ্গ (ঙ+গ), জ্ঞ (জ্‌+ঞ), ঞ্চ (ঞ্‌+চ), ঞ্ছ (ঞ্‌+ছ), ঞ্জ (ঞ্‌+জ), ন্ধ (ন্‌+ধ), ষ্ণ (ষ+ণ), হু (হ্‌+উ), হৃ (হ্‌+ঋ), হ্ন (হ্‌+ন), হ্ম (হ্‌+ম ) ইত্যাদি।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
পুর্তগিজ ভাষায় প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন।
  1. ক) উইলিয়াম কেরি
  2. খ) নাথায়িল ব্রাসি হ্যালহেড
  3. গ) ম্যানোয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁউ
  4. ঘ) সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যানোয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ম্যানোয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁউ
ব্যাখ্যা
- ম্যানোয়েল দ্যা আসসুম্পসাঁউ পোর্তগিজ ভাষায় রচিত Vocabulario em Idioma Bengalla E Portugues (1743) গ্রন্থের একটা অধ্যায়ে পুর্তগিজ ভাষায় প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ লেখেন।
- কিন্তু সেটা কোনো গ্রন্থ ছিল না, একটা অধ্যায় ছিল মাত্র।

- বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণগ্রন্থ লেখেন এন বি (নাথায়িল ব্রাসি হ্যালহেড)। এটি ইংরেজিতে লেখা হয়।
- এই বইয়ের নাম ছিল - A Grammar of the Bengal Language (1778)।

- আর বাংলা ভাষায় বাংলা ব্যাকরণ প্রথম লেখেন রাজা রামমোহন রায়।
- এই বইয়ের নাম ছিল ‘গোড়ীয় ব্যাকরণ’ (১৮৩৩)।

উৎস : ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং নবম-দশম শ্রেণির ‘বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি।
.
ণ-ত্ব বিধান অনুসারে নিচের কোনটি সঠিক?
  1. ক) প্রনাম
  2. খ) ভক্ষন
  3. গ) ভরণ
  4. ঘ) সাধারন
সঠিক উত্তর:
গ) ভরণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ভরণ
ব্যাখ্যা
ণ-ত্ব বিধান অনুসারে ভরণ শব্দটি সঠিক। কারণ, তৎসম শব্দে র-ফলা, রেফ, ক্ষ - এর পর 'ণ' ব্যবহৃত হয়। 

ণ-ত্ব বিধান: তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মকে ণত্ব বিধান বলে।

ণ-ত্ব বিধানের পাঁচটি নিয়মাবলী- 
১. ঋ, র, ষ—এই তিনটি বর্ণের পর তৎসম শব্দের দন্ত্য ‘ন’ মূধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: ঋণ, ঘৃণা, রণ, বর্ণ, ভূষণ ইত্যাদি।
২. ঋ, র, ষ-এর পর স্বরবর্ণ, ক-বর্গ, প-বর্গ, ষ, হ থাকলে তার পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: লক্ষণ, ভক্ষণ, রেণু, পাষাণ, নির্বাণ, দর্পণ, গ্রহণ ইত্যাদি।
৩. ট বর্গের পূর্বে দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: বণ্টন, লুণ্ঠন, খণ্ড ইত্যাদি।
৪. প্র, পরা, পরি, নির—এই চারটি উপসর্গের পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ মূর্ধন্য ‘ণ’ হবে। যেমন: প্রণাম, প্রমাণ, পরায়ণ, পরিণতি, নির্ণয় ইত্যাদি।
৫. ত, থ, দ, ধ-এর পূর্বে সংযুক্ত বর্ণে দন্ত্য ‘ন’ হয়, ‘ণ’ হয় না। যেমন: দৃষ্টান্ত, বৃন্ত, গ্রন্থ, ক্রন্দন, বন্ধন ইত্যাদি। 

সূত্র: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াত মামুদ।
.
নিচের কোনটির ক্ষেত্রে ণ-ত্ব বিধান খাটে না?
  1. ক) ক্রিয়াপদে
  2. খ) তৎসম শব্দে
  3. গ) ‘ট’ বর্গীয় বর্ণে
  4. ঘ) ঋ, র, ষ-বর্ণে
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়াপদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ক্রিয়াপদে
ব্যাখ্যা
• ণ-ত্ব বিধান: 
- বাংলা ভাষায় বহু তৎসম বা সংস্কৃত শব্দে মূর্ধন্য-ণ এবং দন্ত্য-ন এর ব্যবহার রয়েছে।
- এগুলো বাংলা বানানেও অবিকৃতভাবে রক্ষিত হয়।
- তৎসম শব্দের বানানে ণ-এর সঠিক ব্যবহারের নিয়মই ণ-ত্ব বিধান।
- বাংলা (দেশি), তদ্ভব ও বিদেশি শব্দের বানানে 'ণ' লেখার প্রয়োজন হয় না।
- ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে তৎসম শব্দে সব সময় 'ণ' ব্যবহৃত হয়।
- ঋ, র, ষ - এর পরে 'ণ' বসে।

এখানে প্রশ্নের অপশন অনুসারে, ক্রিয়া পদের সাথে 'ণ' ব্যবহারের কোন সম্পর্ক নেই।
তাই সঠিক উত্তর - খ) ক্রিয়াপদে।

তথ্যসূত্রঃ নবম-দশম শ্রেণির বাংলা ব্যাকরণ বই।
.
নিম্নের কোনটি নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধির উদাহরণ?
  1. ক) বাগদান
  2. খ) শোকার্ত
  3. গ) অক্ষৌহিণী
  4. ঘ) উচ্ছেদ
সঠিক উত্তর:
গ) অক্ষৌহিণী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) অক্ষৌহিণী
ব্যাখ্যা
• নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি
কোন নিয়ম অনুসারে সন্ধি না হয়ে স্বরধ্বনি ও ব্যঞ্জনধ্বনির যখন পরিবর্তন ঘটে তখন সেই রূপ সন্ধিকে নিপাতন-সিদ্ধ সন্ধি বলে।

কুল + অটা = কুলটা
শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন
স্ব + ঈর = স্বৈর।
সীমন্‌ + অন্ত = সীমন্ত
স্ব + ঈরিণী = স্বৈরিণী
বিম্ব + ওষ্ঠ = বিম্বোষ্ঠ 
অক্ষ + ঊহিণী = অক্ষৌহিণী
মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড


উৎস: উচ্চমাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়ে ব্যাকরণের কোন অংশ আলোচনা করে?
  1. ক) ধ্বনিতত্ত্ব
  2. খ) রূপতত্ত্ব
  3. গ) বাক্যতত্ত্ব
  4. ঘ) অর্থতত্ত্ব
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থতত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) অর্থতত্ত্ব
ব্যাখ্যা
ব্যাকরণের আলােচ্য বিষয় বিভক্ত হয় অন্তত চারটি ভাগে, যথা – ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব ও অর্থতত্ত্ব।

⇒ ধ্বনিতত্ত্ব
ধ্বনিতত্ত্বের আলােচ্য বিষয় ধ্বনি। লিখিত ভাষায় ধ্বনিকে যেহেতু বর্ণ দিয়ে প্রকাশ করা হয়, তাই বর্ণমালা সংক্রান্ত আলােচনা এর অন্তর্ভুক্ত। ধ্বনিতত্ত্বের মূল আলােচ্য বাদ্যযন্ত্র, বাগযন্ত্রের উচ্চারণ-প্রক্রিয়া, ধ্বনির বিন্যাস, স্বর ও ব্যঞ্জনধ্বনির বৈশিষ্ট্য, ধ্বনিদল প্রভৃতি।

⇒ রূপতত্ত্ব
রূপতত্ত্বে শব্দ ও তার উপাদান নিয়ে আলােচনা করা হয়। এই আলােচনায় বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া, ক্রিয়াবিশেষণ ইত্যাদি স্থান পায়। বিশেষ গুরুত্ব পায় শব্দনির্মাণ ও পদনির্মাণ প্রক্রিয়া।

⇒ বাক্যতত্ত্ব
বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলােচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলােচ্য। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে, বাক্যতত্ত্বে তা বর্ণনা করা হয়। এছাড়া এক ধরনের বাক্যকে অন্য ধরনের বাক্যে রূপান্তর, বাক্যের বাচ্য, উক্তি ইত্যাদি বাক্যতত্ত্বের আলােচ্য বিষয়। কারক বিশ্লেষণ, বাক্যের যােগ্যতা, বাক্যের উপাদান লােপ, যতিচিহ্ন প্রভৃতিও বাক্যতত্ত্বে আলােচিত হয়ে থাকে।

⇒ অর্থতত্ত্ব
ব্যাকরণের যে অংশে শব্দ, বর্গ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলােচনা করা হয়, সেই অংশের নাম অর্থতত্ত্ব। একে বাগর্থতত্ত্বও বলা হয়। বিপরীত শব্দ, প্রতিশব্দ, শব্দজোড়, বাগধারা প্রভৃতি বিষয় অর্থতত্ত্বের অন্তর্ভুক্ত। এছাড়া শব্দ, বর্গ ও বাক্যের ব্যঞ্জনা নিয়েও ব্যাকরণের এই অংশে আলােচনা থাকে।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
মাতৃভাষার দিক বাংলা ভাষার অবস্থান কততম?
  1. ক) ৫ম
  2. খ) ৬ষ্ঠ
  3. গ) ৭ম
  4. ঘ) ৮ম
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ষ্ঠ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ৬ষ্ঠ
ব্যাখ্যা
বাঙালি জনগােষ্ঠী যে ভাষা দিয়ে তাদের মনের ভাব প্রকাশ করে তার নাম বাংলা ভাষা।
- বাংলা ভাষায় কথা বলে প্রায় ত্রিশ কোটি মানুষ। এর মধ্যে বাংলাদেশে ষােলাে কোটি এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে দশ কোটি মানুষের বাস।
- এছাড়া ত্রিপুরা, আসাম, বিহার, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশাসহ ভারতের অন্যান্য প্রদেশে প্রায় তিন কোটি এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে আরাে প্রায় এক কোটি বাংলাভাষী মানুষ রয়েছে।
- মাতৃভাষী মােট জনসংখ্যার ভিত্তিতে বাংলা পৃথিবীর ৬ষ্ঠ বৃহত্তম ভাষা। এটি বাংলাদেশের রাষ্ট্রভাষা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
.
বাংলা ভাষায় কতটি যৌগিক স্বরধ্বনির নিজস্ব বর্ণ নেই?
  1. ক) ২
  2. খ) ৭
  3. গ) ২১
  4. ঘ) ২৩
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৩
ব্যাখ্যা
• একাধিক স্বরধ্বনি মিলে যে ধ্বনি সৃষ্টি হয় তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বলে।
বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনি মোট ২৫ টি।।
যার মাত্র ২টি যৌগিক স্বরধ্বনির নিজস্ব বর্ণ আছে।
যেমন- ঐ (অ+ই), ঔ (অ+উ)।।
বাকি ২৩ টি যৌগিক স্বরধ্বনির নিজস্ব বর্ণ বা প্রতীক নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১০.
বাংলা ছাড়াও বাংলা লিপিতে লেখা হয় কোন ভাষা?
  1. ক) হিন্দি
  2. খ) মৈথিলি
  3. গ) সংস্কৃত
  4. ঘ) মণিপুরি
সঠিক উত্তর:
ঘ) মণিপুরি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) মণিপুরি
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার নিজস্ব লিপি রয়েছে। এই লিপির নাম বাংলা লিপি। বাংলা লিপিতে মূল বর্ণের সংখ্যা ৫০টি - স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি।
- প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে উপমহাদেশে ব্রাহ্মী লিপির জন্ম হয়।
- ব্রাহ্মী লিপির পূর্ব-ভারতীয় শাখা দশম শতক নাগাদ কুটিল লিপি নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বাংলা লিপি এই কুটিল লিপির বিবর্তিত রূপ।
- অহমিয়া, বােড়ো, মণিপুরি প্রভৃতি ভাষাও বাংলা লিপিতে লেখা হয়। 
- সংস্কৃত এবং মৈথিলি ভাষা এক সময়ে এই লিপিতে লেখা হতাে।
- বাংলাদেশের জীবনযাত্রার প্রায় সবক্ষেত্রে বাংলা ভাষা ব্যবহারের বিষয়টি সরকারিভাবে বাধ্যতামূলক।
- এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা প্রদেশের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা বাংলা।।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১১.
অন্যোন্য সমীভবনের একটি দৃষ্টান্ত হলো -
  1. ক) ফাগুণ
  2. খ) বিলিতি
  3. গ) উচ্ছ্বাস
  4. ঘ) বড্ড
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্ছ্বাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) উচ্ছ্বাস
ব্যাখ্যা
সমীভবন:
শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন।
যেমন: জন্ম > জম্ম, কাঁদনা > কান্না।

প্রগত সমীভবন: পূর্ব ধ্বনির প্রভাবে পরবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন।
যেমন: চক্র > চক্ক, পক্ব > পক্ক।
পরাগত সমীভবন: পরবর্তী ধ্বনির প্রভাবে পূর্ববর্তী ধ্বনির পরিবর্তন।
যেমন: তৎ + জন্য > তজ্জন্য, তৎ + হিত > তদ্ধিত।
অন্যোন্য সমীভবন: যখন পরস্পরের প্রভাবে দুটি ধ্বনিই পরিবর্তিত হয়।
যেমন: সত্য > সচ্চ, চিকিৎসা > চিকিচ্ছা, উৎশ্বাস > উচ্ছ্বাস।

অপিনিহিতি: পূর্বে উচ্চারিত হওয়া ‘ ই/ উ ’ আগে উচ্চারিত হওয়া।
যেমন: চারি > চাইর, মারি > মাইর।

বিলাতি > বিলিতি - মধ্যগত স্বরসঙ্গতি এবং প্রগত স্বরসঙ্গতি উভয়েরই উদাহরণ। 
ফাল্গুন > ফাগুন - অন্তর্হতি
বড় > বড্ড - দ্বিত্ব ব্যাঞ্জন 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ - নবম দশম শ্রেণী এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
১২.
অর্থতত্ত্বে আলোচিত হয়-
  1. ক) ণত্ব ও ষত্ব বিধান
  2. খ) সংযোজন, বিয়োজন
  3. গ) মুখ্যার্থ, গৌণার্থ
  4. ঘ) ধ্বনির প্রতীক বা বর্ণের বিণ্যাস
সঠিক উত্তর:
গ) মুখ্যার্থ, গৌণার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) মুখ্যার্থ, গৌণার্থ
ব্যাখ্যা
বাংলা ব্যাকরণের মূল আলোচ্য বিষয়/ অংশ ৪টি-
১. ধ্বনিতত্ত্ব (Phonology)
২. শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব (Morphology)
৩. বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম (Syntax)
৪. অর্থতত্ত্ব (Semantics)
এছাড়াও ব্যাকরণে আরো বেশ কিছু বিষয় নিয়েও আলোচনা করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- অভিধানতত্ত্ব(Lexicography), ছন্দ ও অলংকার, ইত্যাদি।

অর্থতত্ত্ব (Semantics)
(অর্থ সম্পর্কিত বিষয়াদি এখানে আলোচিত হয়।)
- শব্দের অর্থবিচার।
- বাক্যের অর্থবিচার।
- অর্থের প্রকারভেদ; মুখ্যার্থ, গৌণার্থ, বিপরীতার্থ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।
১৩.
কোন রাষ্ট্র প্রধান 'জাতিসংঘ (United Nations)' নামকরণ করেন?
  1. ক) ম্যাক্সিম লিটভিনভ
  2. খ) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
  3. গ) টি.ভি সং
  4. ঘ) উইন্সটন চার্চিল
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ ঘোষণা/Declaration of The United Nations
▪ ১৯৪২ সালের ১ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধরত ২৬টি দেশের নেতারা এতে অংশ নেন। এরা হলেন - 

- যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট
- ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী উইন্সটন চার্চিল
- সোভিয়েত প্রতিনিধি ম্যাক্সিম লিটভিনভ এবং 
- চীনের প্রধানমন্ত্রী টি.ভি সং তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য।

▪ তারা এক ছোট ডকুমেন্ট স্বাক্ষর করেন যা ‘Declaration of The United Nations’ নামে পরিচিত। এতে পরে সম্মেলনে উপস্থিত ২৬ দেশের প্রধান/প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন।
▪ এই সম্মেলনেই হবু সংগঠনের নাম প্রথমবারের মতো “জাতিসংঘ (United Nations)” - এই নামটি ব্যবহার করা হয় এবং ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট এই নামকরণ করেন।  

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৪.
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের কোন প্রতিষ্ঠানটি সময়ের বিবেচনায় সবচেয়ে পরে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ক) IBRD
  2. খ) IFC
  3. গ) ICSID
  4. ঘ) MIGA
সঠিক উত্তর:
ঘ) MIGA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) MIGA
ব্যাখ্যা
বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ৫টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত। আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো হল:

MIGA
▪ MIGA এর পূর্ণরূপ - ‘‘Multilateral Investment Guarantee Agency’।
▪ উন্নয়নশীল দেশের আন্তর্জাতিক লেনদেন, বিনিয়োগ ও বানিজ্যের ক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী ও ঋণদাতাদেরকে সংস্থাটি রাজনৈতিক ঝুঁকির নিশ্চয়তা (political risk insurance) ও ঋণ বর্ধণ (credit enhancement)  এর নিশ্চয়তা প্রদান করে থাকে।
▪ ১৯৪৮ সালে MIGA - এর ধারনা তৈরি হলেও প্রকৃতপক্ষে সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫ সালে এটি বাস্তবতার মুখ দেখে। এই সময় বিশ্বব্যাংকের Board of Governors এই সংস্থাটি গঠনের উদ্দেশ্যে MIGA convention তৈরি করে।
▪ এই কনভেনশনের মাধ্যমে ১৯৮৮ সালে MIGA প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের নবীনতম সদস্য হয়।
▪ MIGA - এর সদস্য সংখ্যা - ১৮২টি (উন্নয়নশীল দেশ - ১৫৭টি ও শিল্পোন্নত দেশ - ২৫টি)।
▪ সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র।

অন্যদিকে, 
▪ IBRD - আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর - ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
▪ IFC - প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৬ সালে। 
▪ IDA - প্রতিষ্ঠা লাভ করে ২৪ সেপ্টেম্বর ১৯৬০ সালে।  
▪ ICSID - এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৪ অক্টোবর, ১৯৬৬ সাল।
 
তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।
১৫.
জাতিসংঘের কোন প্রতিষ্ঠানটি সর্বশেষ নোবেল পুরস্কার লাভ করে?
  1. ক) OPCW
  2. খ) IPCC
  3. গ) WFP
  4. ঘ) UNHCR
সঠিক উত্তর:
গ) WFP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) WFP
ব্যাখ্যা
UN Nobel Laureates
2020 - WFP. ২০২০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি। ক্ষুধামুক্ত বিশ্ব গড়তে সংঘাত কবলিত এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি নোবেল শান্তি পুরস্কার ২০২০ লাভ করে।

2013 - OPCW
2007 - IPCC and Al Gore Jr.
2005 - IAEA and Mohamed ElBaradei
2001 - UN and Kofi Annan
1988 - UN Peacekeeping Forces
1981 - UNHCR
1969 - ILO
1965 - UNICEF
1961 - Dag Hammarskjöld
1954 - UNHCR
1950 - Ralph Bunche
- UNHCR জাতিসংঘের একমাত্র সংস্থা যেটি ২ বার শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
১৬.
WTO - এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কয়টি?
  1. ক) ১৬৫টি
  2. খ) ১৬৬টি
  3. গ) ১৮৫টি
  4. ঘ) ১৮৯টি
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৬টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ১৬৬টি
ব্যাখ্যা
এক নজরে WTO
▪ প্রতিষ্ঠাকাল - ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সাল।
▪ সদস্য সংখ্যা - ১৬৬টি দেশ
▪ সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
▪ WTO - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অঙ্গ ‘Ministerial Conference’ এবং এটি ২ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
▪ WTO এর ১২তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC12) ১২ থেকে ১৭ জুন ২০২২ সালে জেনেভায় WTO এর সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। 
▪ এছাড়া বানিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি ও বানিজ্য নীতি পর্যবেক্ষণকারী অঙ্গ হচ্ছে ‘General Council Meeting’। 

তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট।
১৭.
International Finance Corporation (IFC) এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য কয়টি?
  1. ক) ৪৫টি
  2. খ) ৫৪টি
  3. গ) ৫৬টি
  4. ঘ) ৫৮টি
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) ৪৫টি
ব্যাখ্যা
▪ IFC (International Finance Corporation) বিশ্বব্যাংক গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান।
▪ এটি প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে।
▪ IFC ১৯৫৬ সালের ২০ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
▪ এর সদস্য সংখ্যা ১৮৫টি।
▪ IFC এর সদরদপ্তর ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত।
প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য - ৪৫টি
▪ বর্তমান ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাখতার ডিউপ/Makhtar Diop (সেনেগাল)। ১ মার্চ, ২০২১ সালে তিনি দায়িত্ব গ্রহন করেন।
▪ বাংলাদেশ ১৮ জুন, ১৯৭৬ সালে IFC - এর সদস্যপদ লাভ করে।    

তথ্যসূত্র: IFC ওয়েবসাইট।
১৮.
জাতিসংঘের কোন মহাসচিব স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সফরে আসেন?
  1. ক) বান কি মুন
  2. খ) কফি আনান
  3. গ) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
  4. ঘ) পেরেজ দ্য কুয়েলার
সঠিক উত্তর:
গ) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) কুর্ট ওয়াল্ডহেইম
ব্যাখ্যা
▪ ১৯৭১ সালের ২১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম জাতিসংঘ রিলিফ অপারেশনস ঢাকা (আনরড) নামে পরিচিত জাতিসংঘ ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন এবং একজন আন্ডার সেক্রেটারী জেনারেলকে এর দায়িত্বভার দেয়া হয়।
▪ স্যার রবার্ট জ্যাকসনের পরিচালনায় শুরু হয় এই জাতিসংঘ ত্রাণকার্য। 
▪ বাংলাদেশ-জাতিসংঘ সম্পর্ক আরো জোরদার হয় যখন ১৯৭৩ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি জাতিসংঘ মহাসচিব কুর্ট ওয়াল্ডহেইম বাংলাদেশ সফরে আসেন এবং প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন।
▪ অর্থাৎ কুর্ট ওয়াল্ডহেইম স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সফরে আসেন। 

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া। 
১৯.
ICSID এর সর্বশেষ সদস্য দেশ কোনটি?
  1. ক) কিরগিজস্তান
  2. খ) এঙ্গোলা
  3. গ) জাম্বিয়া
  4. ঘ) জর্জিয়া
সঠিক উত্তর:
খ) এঙ্গোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এঙ্গোলা
ব্যাখ্যা
পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ নিষ্পত্তির আন্তর্জাতিক কেন্দ্র (ICSID)
 ▪ (ICSID) এর পূর্ণরূপ ‘International Center for Settlement of Investment Disputes’
 ▪ ICSID আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সালিশী সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে বিনিয়োগকারী ও বিনিয়োগগ্রহীতাদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরীর জন্য বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা হিসাবে কাজ করে।
▪ প্রতিষ্ঠাকাল - ১৪ অক্টোবর, ১৯৬৬ সাল। 
▪ সদস্য সংখ্যা - ১৫৮টি।
• ICSID এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৫৮টি। ২১ অক্টোবর ২০২২ সালে এঙ্গোলা ১৫৮তম দেশের মর্যাদা লাভ করে।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।
২০.
জাতিসংঘের সাথে সম্পর্কিত কোন প্রতিষ্ঠান নোবেল পুরস্কার লাভ করেনি?
  1. ক) UNHCR
  2. খ) IAEA
  3. গ) ILO
  4. ঘ) UNDP
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNDP
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) UNDP
ব্যাখ্যা
▪ প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতিসংঘ ও এর সাথে সম্পর্কিত ব্যাক্তিবর্গ মোট ১২ বার নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। 
▪ প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখনো পর্যন্ত জাতিসংঘের ২ জন মহাসচিব নোবেল (শান্তি) পুরস্কার লাভ করে।
▪ জাতিসংঘ মহাসচিব থাকাকালীন কঙ্গো সংকট নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও জাতিসংঘকে একটি কার্যকরী বৈশ্বিক সংস্থা হিসাবে দাঁড় করানোর স্বীকৃতি স্বরুপ ১৯৬১ সালে দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (মরণোত্তর) নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন। 
▪ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠা ও উন্নত শান্তিপূর্ণ বিশ্ব নিশ্চিৎকরণে অবদান রাখার জন্য জাতিসংঘ ও কফি আনান ২০০১ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কারে ভূষিত হন।

UN Nobel Laureates
2020 - WFP
2013 - OPCW
2007 - IPCC and Al Gore Jr.
2005 - IAEA and Mohamed ElBaradei
2001 - UN and Kofi Annan
1988 - UN Peacekeeping Forces
1981 - UNHCR
1969 - ILO
1965 - UNICEF
1961 - Dag Hammarskjöld
1954 - UNHCR
1950 - Ralph Bunche 

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২১.
শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ প্রেরণে শীর্ষে দেশ?
  1. ক) বাংলাদেশ
  2. খ) নেপাল
  3. গ) রুয়ান্ডা
  4. ঘ) পাকিস্তান
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) বাংলাদেশ
ব্যাখ্যা
▪ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে নারী পুলিশ সদস্য পাঠানোর দিক থেকে বাংলাদেশ শীর্ষে।
▪ বর্তমানে বাংলাদেশ পুলিশের ৫০০  সদস্য জাতিসংঘ পুলিশ হিসেবে বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে কাজ করছেন। 

তথ্যসূত্র: সমকাল।   
২২.
'আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের বিরোধ নিষ্পত্তি' নিয়ে কাজ করে কোন সংস্থা?
  1. ক) UNCTAD
  2. খ) IDA
  3. গ) ICSID
  4. ঘ) IFC
সঠিক উত্তর:
গ) ICSID
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ICSID
ব্যাখ্যা
পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ নিষ্পত্তির আন্তর্জাতিক কেন্দ্র (ICSID)
▪ (ICSID) এর পূর্ণরূপ ‘International Center for Settlement of Investment Disputes’।
▪ ICSID আন্তর্জাতিক বিনিয়োগের বিরোধ নিষ্পত্তি এবং সালিশী সুবিধা প্রদান করার মাধ্যমে বিনিয়োগকারী ও বিনিয়োগগ্রহীতাদের মধ্যে সুসম্পর্ক তৈরীর জন্য বিশ্বব্যাংকের সহযোগী সংস্থা হিসাবে কাজ করে।
▪ প্রতিষ্ঠাকাল - ১৪ অক্টোবর, ১৯৬৬ সাল। 
▪ সদস্য সংখ্যা - স্বাক্ষরকারী দেশ - ১৬৫টি , অনুমোদনকারী দেশ - ১৫৭টি , সর্বশেষ অনুমোদনকারী দেশ - কিরগিজস্তান (২১ এপ্রিল ২০২২)।

অন্যদিকে,
▪ IFC - উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি বা ব্যক্তিমালিকানা খাতের উন্নয়নে কাজ করে।
▪ IDA তৃতীয় বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোকে সহজ শর্তে ও স্বল্পসুদে ঋণ প্রদান করে থাকে। যার কারণে IDA কে Soft Loan Window বলা হয়।
▪ UNCTAD উন্নয়নশীল দেশ সমূহের জন্য Generalised System of Preferences (GSP) সুবিধা নির্ধারন করে থাকে।

তথ্যসূত্র: বিশ্বব্যাংক গ্রুপ ওয়েবসাইট।
২৩.
নিচের কোন স্থানটি আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এর প্রতিষ্ঠার সাথে জড়িত?
  1. ক) লন্ডন, যুক্তরাজ্য
  2. খ) জেনেভা, সুইজারল্যান্ড
  3. গ) ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF)
▪ এর পূর্ণ্রুপ - The International Monetary Fund
▪ প্রতিষ্ঠাকাল:- গঠনের সিদ্ধান্ত - ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল। আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা/চুক্তি কার্যকর - ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল।
▪ কার্যক্রম শুরু:- মার্চ, ১৯৪৭।
▪ প্রতিষ্ঠার স্থান:- নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র। 
▪ প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন:- Bretton Woods Conference.
▪ সদস্য সংখ্যা:- ১৯০টি দেশ (সর্বশেষ - অ্যান্ডোরা; ১৬ অক্টোবর, ২০২০)। 
▪ প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য:- ৪৪টি দেশ। 
▪ সদরদপ্তর:- ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র। 

তথ্যসূত্র: IMF ওয়েবসাইট।
২৪.
কোন দেশটির 'ভেটো' (Veto) প্রদান করার ক্ষমতা নেই?
  1. ক) রাশিয়া
  2. খ) ফ্রান্স
  3. গ) চীন
  4. ঘ) জার্মানি
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) জার্মানি
ব্যাখ্যা
নিরাপত্তা পরিষদ/United Nations Security Council    
▪ জাতিসংঘ সনদ অনুসারে বিশ্বের শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার জন্য নিরাপত্তা পরিষদ দায়িত্ব পালন করে থাকে। জাতিসংঘ সনদের পঞ্চম অধ্যায় (২৩ - ৩২ নং অনুচ্ছেদ) - এ নিরাপত্তা পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়।
▪ সনদের ২৩ নং অনুচ্ছেদ অনুসারে এর সদস্য সংখ্যা মোট ১৫টি। তার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি (যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, রাশিয়া, ফ্রান্স ও চীন) এবং ২ বছর মেয়াদে বাকি ১০টি সদস্য নির্বাচন করা হয়ে থাকে।
▪ সব সদস্য রাষ্ট্রের একটি করে ভোট দেওয়া ক্ষমতা রয়েছে। স্থায়ী ৫ সদস্যের রয়েছে ভেটো (Veto - আমি মানি না) প্রদান করার ক্ষমতা।
▪ ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩নং অনুচ্ছেদ সংশোধনের মাধ্যমে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১১ থেকে বাড়িয়ে ১৫ করা হয় যা ১৯৬৫ সাল থেকে কার্যকর হয়।
▪ নিরাপত্তা পরিষদ জাতিসংঘের নতুন সদস্য গ্রহনের জন্য, জাতিসংঘের মহাসচিব নির্বাচনের জন্য এবং কোন দেশের অবস্থা বিবেচনা করে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সুপারিশ করে থাকে যা সাধারণ পরিষদে ন্যূনতম দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে পাশের মাধ্যমে কার্যকর হয়।
▪ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব সদস্য দেশগুলোর নামের আদ্যক্ষর অনুসারে পরিবর্তিত হয়। সভাপতিত্বের মেয়াদ - ১ মাস।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।
২৫.
নিচের কোনটি জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন প্রতিষ্ঠাকালীন 'Resolution'?
  1. ক) UN Resolution (1948)
  2. খ) UN Peacekeeping Resolution (1948)
  3. গ) Security Council Resolution 50 (1948)
  4. ঘ) General Assembly Resolution 50 (1948)
সঠিক উত্তর:
গ) Security Council Resolution 50 (1948)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) Security Council Resolution 50 (1948)
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন
▪ প্রতিষ্ঠাকাল - ২৯ মে, ১৯৪৮ সাল।
▪ জাতিসংঘের শান্তিরক্ষা মিশন প্রতিষ্ঠাকালীন 'Resolution' হচ্ছে - Security Council Resolution 50 (1948)।
▪ জাতিসংঘের প্রথম শান্তিরক্ষা মিশন হলো UNTSO (United Nations Truce Supervision Organisations)।
▪ এটি ১৯৪৮ সালের ২৯ মে প্যালেস্টাইনে মোতায়েন করা হয় যা এখনো চলমান রয়েছে।                    

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।
২৬.
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতের কত সংখ্যক বিচারক প্রতি ৩ বছর পর পর নির্বাচিত হয়?
  1. ক) দুই-তৃতীয়াংশ
  2. খ) এক-চর্তুথাংশ
  3. গ) এক-তৃতীয়াংশ
  4. ঘ) দুই-চর্তুথাংশ
সঠিক উত্তর:
গ) এক-তৃতীয়াংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) এক-তৃতীয়াংশ
ব্যাখ্যা
আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত/International Court of Justice 
⤇ আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (ICJ) বিচারকদের নিয়োগ প্রদান করে - সাধারন পরিষদ এবং নিরাপত্তা পরিষদ।
⤇ জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশে সাধারণ পরিষদ বিচারকদের নিয়োগ দেয়।
⤇ আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত জাতিসংঘের প্রধান বিচারিক অঙ্গ।
⤇ এর দপ্তর নেদারল্যান্ডস এর রাজধানী হেগের “পিস প্যালেস” - এ অবস্থিত।
⤇ এটি নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সদরদপ্তরে অবস্থিত নয় এমন জাতিসংঘের প্রধান ছয় অঙ্গের মধ্যে একমাত্র অঙ্গ।
⤇ ১৫ জন বিচারকের সমন্বয়ে আন্তর্জাতিক আদালত গঠিত।
⤇ বিচারকদের মেয়াদ ৯ বছর।
⤇ ৩ বছর পর পর এর এক-তৃতীয়াংশ বিচারক নির্বাচন করা হয়।
⤇ আদালতের বিচারকদের মধ্য থেকে একজনকে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচন করা হয়।
⤇ আন্তর্জাতিক আদালতের প্রেসিডেন্টের মেয়াদ ৩ বছর। 

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের ওয়েবসাইট।
২৭.
UNCTAD - এর বর্তমান সদস্য দেশ কয়টি?
  1. ক) ১৬৫টি
  2. খ) ১৯৪টি
  3. গ) ১৯৩টি
  4. ঘ) ১৯৫টি
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ১৯৫টি
ব্যাখ্যা
• UNCTAD - এর পূর্ণরূপ - United Nations Conference on Trade and Development. 
• জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন সংস্থা হচ্ছে UNCTAD এবং এটি জাতিসংঘের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় স্থায়ী অঙ্গ। জাতিসংঘের দপ্তরের অধীনে থেকে এটি বানিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন বিষয়ে কাজ করে থাকে।
• এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর ১৯৬৪ সালে।
• এর বর্তমান সদস্য দেশ ১৯৫টি
• সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।    

তথ্যসূত্র: UNCTAD এর ওয়েবসাইট। 
২৮.
'ব্রেটন উডস সম্মেলন' আয়োজনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন কে?
  1. ক) Henry Morgenthau Jr
  2. খ) John Maynard Keynes
  3. গ) Eugene Meyer
  4. ঘ) ক ও খ
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ক ও খ
ব্যাখ্যা
▪ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ ও স্টেট ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইট অনুসারে, ত্রিশের দশকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে সংঘটিত Great Depression এর পরবর্তী সময়ে ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মতো ঘটনার প্রেক্ষিতে অন্যান্য দেশের মুদ্রার সাথে ডলারের বিনিময় হার নির্ধারণ, পুঁজি বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার প্রয়োজন অনুভব করে যুক্তরাষ্ট্র ও ব্রিটেন।
▪ তাই যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ বিভাগ ১৯৪৪ সালের ১ জুলাই একটি বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজন করে যা ব্রেটন উডস সম্মেলন নামে পরিচিত।
▪ এই সম্মেলন আয়োজনে মূখ্য ভূমিকা পালন করেন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থ সচিব Henry Morgenthau Jr ও যুক্তরাজ্যের অর্থনীতিবিদ John Maynard Keynes
▪ বিশ্বব্যাংকের প্রথম প্রেসিডেন্ট - Eugene Meyer. 

তথ্যসূত্র: যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট, History.com ও IMF ওয়েবসাইট।
২৯.
জাতিসংঘের সনদ রচনার উদ্দেশ্যে সানফ্রান্সিসকো সম্মেলনে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা মিলিত হন কবে?
  1. ক) ২৫ জুন, ১৯৪৫
  2. খ) ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৪
  3. গ) ২৪ এপ্রিল, ১৯৪৫
  4. ঘ) ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) ২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫
ব্যাখ্যা
সানফ্রান্সিসস্কো সম্মেলন
২৫ এপ্রিল, ১৯৪৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকোতে বিশ্বের ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা জাতিসংঘের সনদ রচনার উদ্দেশ্যে মিলিত হন। ২ মাসের প্রচেষ্টায় ১১১টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত জাতিসংঘ সনদ (The United Nations Charter)  রচনা করেন। ১৯৪৫ সালের ২৫ জুন এটি ৫০টি দেশের প্রতিনিধিরা সনদটি অনুমোদন করেন।
▪ ২৬ জুন জাতিসংঘের সনদ ৫০ দেশের প্রতিনিধিরা স্বাক্ষর করেন। সানফ্রান্সিসকোতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনটি ‘San Francisco Conference বা The United Nations Conference on International Organization’  নামে পরিচিত।
▪ ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর নিরাপত্তা পরিষদের ৫ স্থায়ী সদস্য দেশসহ বেশিরভাগ স্বাক্ষরকারী দেশ সনদ অনুমোদন করে এবং জাতিসংঘ আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় অর্থ্যাৎ ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সাল থেকে জাতিসংঘ সনদ কার্যকর হয়। ২৪ অক্টোবরকে তাই ‘জাতিসংঘ দিবস’ বলা হয়।
▪ পোল্যান্ড ২৬ জুন সম্মেলনে উপস্থিত না থেকেও পরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষর করে এবং প্রতিষ্ঠাকারী ৫১ তম সদস্য দেশ হয়।   

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট এবং ব্রিটানিকা।