পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- Live MCQ ফ্রি সাপ্তাহিক ফুল মডেল টেস্ট: বিসিএসের সম্পূর্ণ সিলেবাসের উপর ২০০ নাম্বারের ফুল মডেল টেস্ট। [Live MCQ - তে প্রতি শুক্রবার সবার জন্য ফ্রি একটি ফুল মডেল টেস্ট অনুষ্ঠিত হয়।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৯ প্রশ্ন

.
'সাত সাগরের মাঝি' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত কবিতা নয় কোনটি? 
  1. সিন্দবাদ
  2. পাঞ্জেরী
  3. মহরম 
  4. আউলাদ
ব্যাখ্যা

• সাত সাগরের মাঝি:
- মুসলিম জাগরণের কবি ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম ও শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- ‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯ টি কবিতা আছে।
- সাত সাগরের মাঝি নামে একটি কবিতা আছে গ্রন্থের সর্বশেষে।

কবিতাগুলো নিম্নরূপ :
- সিন্দবাদ,
- বা'র দরিয়ায়,
- দরিয়ায় শেষ রাত্রি,
- শাহরিয়ার,
- আকাশ-নাবিক,
- বন্দরে সন্ধ্যা,
- ঝরোকা'য়,
- ডাহুক,
- এই সব রাত্রি,
- পুরানো মাজারে,
- পাঞ্জেরী,
- স্বর্ণ-ঈগল,
- লাশ,
- তুফান,
- হে নিশান-বাহী!,
- নিশান,
- নিশান-বরদার,
- আউলাদ,
- সাত সাগরের মাঝি।

ফররুখ আহমদ:
- তিনি ১৯১৮ সালের ১০ জুন মাগুরা জেলার শ্রীপুর থানার মাঝাইল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন।
- তিনি ছিলেন মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি।
- ১৯৪৪ সালে কলকাতার দুর্ভিক্ষের পটভূমিতে ‘লাশ’ কবিতা লিখে তিনি প্রথম খ্যাতি অর্জন করেন।
- ফররুখ আহমদ তাঁর বিখ্যাত কাহিনি কাব্য 'হাতেমতায়ী' এর জন্য ১৯৬৬ সালে আদমজী পুরস্কার লাভ করেন।
- ১৯৬৬ সালেই 'পাখির বাসা' শিশুতোষের জন্য ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন।

​ফররুখ আহমদ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সাত সাগরের মাঝি,
- সিরাজাম মুনীরা,
- নৌফেল ও হাতেম,
- মুহূর্তের কবিতা,
- সিন্দাবাদ,
- হাতেমতায়ী,
- নতুন লেখা,
- হাবেদা মরুরকাহিনী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
নিচের কোনটি জসীম উদ্‌দীনের প্রথম কাব্যগ্রন্থ? 
  1. রাখালী
  2. ধানখেত 
  3. নক্সী কাঁথার মাঠ 
  4. সোজন বাদিয়ার ঘাট
ব্যাখ্যা

• ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্থ:
- জসীম উদ্‌দীন রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ রাখালী।
- কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।
- এই কাব্যে মোট ১৯ টি কবিতা সংকলিত হয়েছে।
- বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত।

জসীম উদ্‌দীন:
- তিনি একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি, শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্‌দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসিমউদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
'মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?' প্রবন্ধের রচয়িতা কে? 
  1. আল মাহমুদ 
  2. হেলাল হাফিজ 
  3. কাজী নজরুল ইসলাম 
  4. বুদ্ধদেব বসু 
ব্যাখ্যা

'মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?' প্রবন্ধটি  কাজী নজরুল ইসলাম রচিত যুগবাণী প্রবন্ধগ্রন্থের একটি প্রবন্ধ।
​​
​• 'যুগবাণী' :

​- 'যুগবাণী' কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম প্রবন্ধের বই।
- প্রবন্ধ গ্রন্থটি ১৯২২ খ্রিষ্টাব্দে প্রকাশিত হয়।
- প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে সরকার কর্তৃক বইটি নিষিদ্ধ হয়।
- ১৯৪৭ খ্রিষ্টাব্দে নিষেধাজ্ঞা উঠে যায়।
- প্রবন্ধ গুলোতে স্বদেশি চিন্তা চিন্তাচেতনা ও ব্রিটিশ বিরোধিতা প্রকাশিত।

- এ গ্রন্থে প্রবন্ধের সংখ্যা ২১ টি। 
​- ​নবযুগ, 
​​- গেছে দেশ দুঃখ নাই আবার তোরা মানুষ হ, 
​​- ডায়ারের স্মৃতিস্তম্ভ, 
​- ​ধর্মঘট, 
​​- লোকমান্য তিলকের মৃত্যুতে বেদনাতুর কলিকাতার দৃশ্য, 
​​- মুহাজিরিন হত্যার জন্য দায়ী কে?, 
​- ​ছুঁৎমার্গ,
​​-  উপেক্ষিত শক্তির উদ্বোধন, 
​​- মুখবন্ধ, 
​​- রোজ-কেয়ামত বা প্রলয়-দিন, 
​- ​বাঙালির ব্যবসাদারী, 
​- ​আমাদের শক্তি স্থায়ী হয় না কেন, 
​- ​কালা আদমীকে গুলি মারা, 
​- ​শ্যাম রাখি না কুল রাখি, 
​- ​লাট-প্রেমিক আলী ইমাম, 
​- ​ভাব ও কাজ, 
​- ​জাতীয় শিক্ষা, 
​​- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, 
​- জাগরণী।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও যুগবাণী প্রবন্ধ।

.
সেলিম আল দীন রচিত কোন নাটকটি নোয়াখালির আঞ্চলিক ভাষায় রচিত?  
  1. হাতহদাই 
  2. নিমজ্জন
  3. চাকা 
  4. হরগজ
ব্যাখ্যা

• ​হাতহদাই:
​- সেলিম আল দীন রচিত হাতহদাই নাটকটি নোয়খালির আঞ্চলিক ভাষায় রচিত।

- ​হাত হদাই সবদ্যার মানে সাত সদাই সাত রকমের সওদা।
​- এক নাটকে নোয়াখালী অঞ্চলের এক গ্রামের মৌলবির মুখের আঞ্চলিক ভাষাও যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে সে কথা প্রতিষ্ঠিত।

​অন্যদিকে,
​- হরগজ,চাকা ও নিমজ্জন আঞ্চলিক ভাষায় রচিত নয়।

​সেলিম আল দীন:
- সেলিম আল দীন বাংলা ভাষার আধুনিককাল পর্বের অন্যতম নাট্যকার।
- তিনি ১৯৪৯ সালের ১৮ আগস্ট সীমান্তবর্তী ফেনি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- শিক্ষকতার পাশাপাশি এ দেশের নাট্যশিল্পকে বিশ্বনাট্য ধারার সঙ্গে সমপংক্তিতে সমাসীন করার লক্ষ্যে ১৯৮১-৮২ সালে তিনি এবং নাট্য-নির্দেশক নাসির উদ্দিন ইউসুফ সারাদেশব্যাপী গড়ে তোলেন বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটার।
- তাঁর রচিত হরগজ নাটকটি সুইডিশ ভাষায় অনূদিত হয়েছে এবং এ নাটকটি ভারতের রঙ্গকর্মী নাট্যদল কর্তৃক হিন্দি ভাষায় মঞ্চস্থ হয়েছে।

​ উল্লেখযোগ্য নাটক ও নাট্যগ্রন্থ-
- জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন,
- বাসন,
- কেরামতমঙ্গল,
- প্রাচ্য,
- কিত্তনখোলা,
- হাতহদাই,
- যৈবতী কন্যার মন,
- চাকা,
- হরগজ,
- একটি মারমা রূপকথা,
- বনপাংশুল,
- নিমজ্জন ইত্যাদি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

.
'বঙ্গবাণী' কত শতকে রচিত সাহিত্য? 
  1. ষোল শতকে 
  2. সতের শতকে
  3. আঠার শতকে
  4. উনিশ শতকে
ব্যাখ্যা

• বঙ্গবাণী:
​• ‘বঙ্গবাণী' কবিতাটি কবি আবদুল হাকিমের নূরনামা কাব্য থেকে সংকলন করা হয়েছে।
- ‘বঙ্গবাণী' কবিতাটি সতের শতকে রচিত।
- মধ্যযুগীয় পরিবেশে বঙ্গভাষী এবং বঙ্গভাষার প্রতি এমন বলিষ্ট বাণীবদ্ধ কবিতার নিদর্শন দুর্লভ।

​''যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী
সে সব কাহার জন্ম নির্নয় ন জানি।"
- এই উক্তটি তিনি 'নূরনামা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত 'বঙ্গবাণী' কবিতায় লিখেছেন।

আব্দুল হাকিম:
- আব্দুল হাকিম সপ্তদশ শতাব্দীর মুসলিম কবি।
- তিনি ১৬২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন।

তাঁর রচিত কাব্যগুলো হলো:
- ইউসুফ জোলেখা,
- নূরনামা,
- দুররে মজলিশ,
- লালমোতি সয়ফুলমুলুক,
- হানি-ফার লড়াই।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
'পরানের গহীন ভেতর' সৈয়দ শামসুল হক রচিত- 
  1. কাব্যগ্রন্থ
  2. নাটক
  3. উপন্যাস 
  4. গল্পগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

• 'পরানের গহীন ভেতর' সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যগ্রন্থ। 

​সৈয়দ শামসুল হক:

- তিনি ১৯৩৫ সালে কুড়িগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি মূলত লেখক হিসেবে সমধিক পরিচিত।

​তাঁর রচিত কাব্যনাট্য:
- পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়।
- নূরলদীনের সারাজীবন।
- এখানে এখন।

​সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- একদা এক রাজ্যে।
- বৈশাখে রচিত পঙ্‌ক্তিমালা।
- পরানের গহীন ভিতর।
- বেজান শহরের জন্য কোরাস।
- কাননে কানে তোমারই সন্ধানে।
- আমি জন্মগ্রহণ করিনি ইত্যাদি।

তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- তাস।
- শীত বিকেল।
- আনন্দের মৃত্যু।
- প্রাচীন বংশের নিঃস্ব সন্তান।
- জলেশ্বরীর গল্পগুলো।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

.
'আমাদের সংস্কৃতি' প্রবন্ধের রচয়িতা কে? 
  1. আবু জাফর শামসুদ্দিন 
  2. আনিসুজ্জামান 
  3. আবুল হাসান 
  4. মুহাম্মদ এনামুল হক 
ব্যাখ্যা

• 'আমাদের সংস্কৃতি':
- আনিসুজ্জামান রচিত  'আমাদের সংস্কৃতি'  বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশের উৎসব (২০০৮) গ্রন্থ থেকে সংকলিত। 
​ ​- বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহু প্রাচীন। 
​ ​- আদিকাল হতে বর্তমান কাল পর্যন্ত বাংলার সংস্কৃতিতে যোগ হয়েছে বিশ্বের নানা জাতির সংস্কৃতি। 
​ ​- এতে আমাদের সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হয়েছে, বহুমাত্রিকতা লাভ করেছে। 
 ​- ​তা সত্ত্বেও বাংলার প্রকৃতি ও ভৌগোলিক অবস্থান আমাদের সংস্কৃতিকে দান করেছে স্বাতন্ত্র্য। 
 ​- ​আর তা হলো আমাদের লোকসংস্কৃতি। 
​ ​- আমাদের সাহিত্য, সংগীত, চিত্রকলা, মাটির ভাস্কর্য, কারুশিল্প, বয়ন শিল্পের রয়েছে সুপ্রাচীন ঐতিহ্য। 
​ ​- মূলত 'আমাদের সংস্কৃতি' প্রবন্ধে উপস্থাপিত হয়েছে বাঙালি ও বাংলা অঞ্চলের সাংস্কৃতিক বৈশিষ্ট্য। 
​ ​- এ প্রবন্ধ আমাদের বাঙালির ঐতিহ্য, লোকসংস্কৃতি, মানবিকতাবোধ, অসাম্প্রদায়িক চেতনা ও বিদ্রোহী ভাবনা সম্পর্কে সচেতন করে তোলে।

​​• আনিসুজ্জামান: 
- ​আনিসুজ্জামান ১৯৩৭ সালের ১৮ই ফেব্রুয়ারি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। 
- ​তাঁর ঢাকার প্রিয়নাথ হাইস্কুল থেকে তিনি প্রবেশিকা পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। 
- ​জগন্নাথ কলেজ থেকে আই.এ. এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসহ স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
-​ তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। 
-​অধ্যাপক আনিসুজ্জামান গবেষক ও প্রাবন্ধিক।
​- ​সাহিত্য ও গবেষণায় কৃতিত্বের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, একুশে পদকসহ প্রচুর সম্মাননা ও পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন। ২০২০ সালের ১৪ই মে তিনি মৃত্যুবরণ করেন

-​ তাঁর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলো হলো: 
- ​মুসলিম বাংলার সাময়িক পত্র, 
​- স্বরূপের সন্ধানে, 
​- আঠারো শতকের বাংলা চিঠি, 
​- পুরোনো বাংলা গদ্য ইত্যাদি। 

​উৎস: সাহিত্যপাঠ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২৫ সংস্করণ।

.
'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' কাব্যের শেষ পরিণতি কী? 
  1. রাধাকে পরিত্যাগ করে কৃষ্ণের মধুরায় গমন 
  2. রাধা কৃষ্ণের মিলন 
  3. রাধার আত্মহত্যা 
  4. রাধা কৃষ্ণের একসাথে মধুরায় গমন
ব্যাখ্যা

• শ্রীকৃষ্ণকীর্তন:
- বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' স্বীকৃত।
- এগ্রন্থের লেখক বড়ু চণ্ডীদাস।
- এটি বাংলা ভাষায় কোন লেখকের প্রথম এককগ্রন্থ।
- ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামে মল্লরাজগুরু বৈষ্ণবমহন্ত শ্রীনিবাস আচার্যের দৌহিত্র বংশজাত শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের  বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুথি আবিষ্কার করেন।
- ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুথিটি 'শ্রীকৃষ্ণকীর্তন' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
​- এখানে কৃষ্ণের পূর্বরাগ থেকে আরম্ভ করে প্রেমে নিমজ্জিত ও কৃষ্ণকাতর রাধাকে পরিত্যাগ করে কৃষ্ণের মধুরায় গমন পর্যন্ত।  

​শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যে মোট ১৩টি খণ্ড রয়েছে। এগুলো হলো -
- জন্মখণ্ড,
- তাম্বুল খণ্ড,
- দানখণ্ড,
- নৌকাখণ্ড,
- ভারখণ্ড,
- ছত্রখণ্ড,
- বৃন্দাবন খণ্ড,
- কালিয়দমন খণ্ড,
- যমুনা খণ্ড,
- হার খণ্ড,
- বাণ খণ্ড,
- বংশী খণ্ড ও
- বিরহ খণ্ড।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
'সেইদিন এই মাঠ' কবিতার রচয়িতা কে? 
  1. রণেশ দাশগুপ্ত 
  2. বুদ্ধদেব বসু 
  3. জীবনানন্দ দাশ 
  4. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
ব্যাখ্যা

• সেইদিন এই মাঠ:
​- ‘সেইদিন এই মাঠ’ কবিতাটি রূপসী বাংলা কাব্যগ্রন্থভুক্ত প্রথম কবিতা। 
- ​‘রূপসী বাংলা’ প্রকাশিত হয় কবির মৃত্যুর পর, ১৯৫৭ সালে। 
​- গ্রন্থটি উৎসর্গ করা হয় ‘আবহমান বাংলা, বাঙালী’কে।

• জীবনানন্দ দাশ:
​- জীবনানন্দ দাশ ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- জীবনানন্দ দাশকে ধূসরতার কবি বলা হয়।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জীবনানন্দ দাশের কবিতাকে চিত্ররূপময় কবিতা বলেছেন।

জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরাপালক (প্রথম প্রকাশিত),
- ধূসর পান্ডুলিপি,
- বনলতা সেন,
- রূপসী বাংলা,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- বেলা অবেলা কালবেলা ইত্যাদি।

​উৎস: সাহিত্যপাঠ, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২৫ সংস্করণ ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
'প্রগতি' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন- 
  1. অজিতকুমার দত্ত 
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র 
  3. অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত 
  4. মোজাম্মেল হক 
ব্যাখ্যা

•  'প্রগতি' পত্রিকা:
- প্রগতি ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় মাসিকপত্র 'প্রগতি'।
- সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার বাতাস প্রবাহিত হলে ঢাকা যে তাতে পিছিয়ে ছিল না, 'প্রগতি'র প্রকাশ তার প্রমাণ। কল্লোল- কালিকলম-প্রগতি একই সঙ্গে উচ্চারিত হওয়ার যোগ্য তিনটি নাম। 
​- বাংলাদেশে আধুনিক সাহিত্যের বিকাশে এ পত্রিকার অবদান কম নয়।

​অন্যদিকে,
- ​মোজাম্মেল হক - মোসলেম ভারত পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।
- ​অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত - কল্লোলের নিয়মিত লেখক ছিলেন।
​- প্রেমেন্দ্র মিত্র - কালিকলম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন।

​উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১১.
'লালসালু' উপন্যাসটি কত সালে প্রকাশিত হয়?
  1. ১৯৪০ সালে
  2. ১৯৪১ সালে
  3. ১৯৫৮ সালে
  4. ১৯৪৮ সালে
ব্যাখ্যা
• 'লালসালু' উপন্যাস:
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত উপন্যাস 'লালসালু'। এটি ১৯৪৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- লালসালু উপন্যাসটি Tree Without Roots (১৯৬৭) নামে ইংরেজিতে অনূদিত হয়।
- 'লালসালু' একটি বহুমাত্রিক ও কালোত্তীর্ণ উপন্যাস।
- ধর্ম নিয়ে ব্যক্তিস্বার্থ চরিতার্থকারীদের স্বরূপ উন্মোচন এবং নারী জাগরণের প্রেক্ষাপটে সমাজচেতনা এই উপন্যাসের মূল বিষয়।
- লালসালু উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- মজিদ, জমিল, আমেন, খালেক ব্যাপার, রহিম, আক্কা, তাহেরের বাপ, হাসুনির মা ইত্যাদি।

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌:

- তিনি একজন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের কথাসাহিত্যিক ও নাট্যকার ছিলেন।
- তিনি ১৯২২ সালে, ১৫ আগস্ট চট্টগ্রাম শহরের ষোলশহর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
- সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর প্রথম উপন্যাস 'লালসালু'।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কাঁদো নদী কাঁদো,
- লালসালু,
- চাঁদের অমাবস্যা।

তাঁর রচিত নাটক:
- বহিপীর,
- তরঙ্গভঙ্গ,
- সুড়ঙ্গ,
- উজানে মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।
১২.
'সংশপ্তক' উপন্যাসের রচয়িতা কে? 
  1. আলাউদ্দিন আল আজাদ 
  2. আবু ইসহাক 
  3. আল মাহমুদ 
  4. শহীদুল্লাহ কায়সার
ব্যাখ্যা

• 'সংশপ্তক' উপন্যাস:
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত উপন্যাস- সংশপ্তক।
- সংশপ্তক শব্দটি মহাভারত থেকে নেওয়া হয়েছে।
- সংশপ্তক অর্থ হচ্ছে যে সৈনিকেরা জীবনমরণ পণ করে যুদ্ধে লড়ে।
- একে মহাকাব্যিক উপন্যাস বলা হয়।
- হিন্দু-মুসলিম সম্মিলিত জীবনযাপন, অসাম্প্রদায়িক জীবনবোধ এ উপন্যাসের বর্ণিত বিষয়।
- বিশ্বযুদ্ধ, দাঙ্গা, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িকতা ইত্যাদি প্রাসঙ্গিকভাবে উপন্যাসে এসেছে।
- উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: রাবেয়া খাতুন (রাবু), জাহেদ, সেকেন্দার, মালু, হুরমতি, লেকু, রমজান, রামদয়াল ইত্যাদি।

শহীদুল্লাহ কায়সার:
- ১৯২৭ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি ফেনিতে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পুরো নাম ছিল আবু নঈম মহাম্মদ শহীদুল্লাহ।
- তিনি ও জহির রায়হান উভয় সহোদর।
- ‘পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ’ - তাঁর ভ্রমণবৃত্তান্তমূলক গ্রন্থ।
- শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত স্মৃতিকথামূলক গ্রন্থ - রাজবন্দীর রোজনমাচা।

তাঁর রচিত উপন্যাস সমূহ:
- সারেং বৌ,
- সংশপ্তক,
- কৃষ্ণচূড়া মেঘ,
- তিমির বলয়,
- দিগন্তে ফুলের আগুন,
- সমুদ্র ও তৃষ্ণা,
- চন্দ্রভানের কন্যা,
- কবে পোহাবে বিভাবরী (অসমাপ্ত)।

তাঁর রচিত ভ্রমণবৃত্তান্ত:
- পেশোয়ার থেকে তাসখন্দ।

তাঁর রচিত স্মৃতিকথা:
- রাজবন্দির রোজনামচা যা ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা। 

১৩.
এক প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি সমষ্টিকে কী বলে? 
  1. বর্ণ
  2. অক্ষর
  3. শব্দ
  4. লিপি
ব্যাখ্যা

• অক্ষর:
বাগযন্ত্রের ক্ষুদ্রতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা শব্দাংশকে বলে-অক্ষর। এর ইংরেজি নাম - syllable.
অক্ষর মূলত দুই প্রকার।
যথা-
- মুক্তাক্ষর: টানা যাবে না (যেমন- ক/লা),
- বদ্ধাক্ষর: টানা যাবে (যেমন- দিন, রাত)।
​ 
উদাহরণ:  
​'বাংলাদেশ' শব্দে ৩ টি অক্ষর রয়েছে (বাং + লা + দেশ)।
অক্ষর নির্ধারণ করার ক্ষেত্রে দুটো বিষয় লক্ষণীয় - যতগুলো কার আছে এবং যতগুলো এক প্রয়াসে উচ্চারিত শব্দাবলী তার সমষ্টি হবে অক্ষর সংখ্যা।

​উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১৪.
নিচের কোনটি শুদ্ধ? 
  1. ঝরনা
  2. গ্রামীন
  3. বিদুষি
  4. বাল্মীকী
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
​'ঝরনা' বানানটি শুদ্ধ।


​অন্যদিকে,
- ​অশুদ্ধ: গ্রামীন।
- ​শুদ্ধ: গ্রামীণ।

​- ​অশুদ্ধ: বিদুষি। 
- ​শুদ্ধ: বিদুষী। 

​- ​অশুদ্ধ:বাল্মীকী। 
- ​শুদ্ধ:বাল্মীকি। 

​উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৫.
'তিনি বাড়ি গেলেন।' - ক্রিয়ার কোন কাল নির্দেশ করে? 
  1. পুরাঘটিত বর্তমান কাল
  2. সাধারণ অতীত কাল
  3. পুরাঘটিত অতীত কাল 
  4. সাধারণ বর্তমান কাল 
ব্যাখ্যা

• তিনি বাড়ি গেলেন।' সাধারণ অতীত কাল নির্দেশ করে। 

​• সাধারণ অতীত কাল:

- বর্তমান কালের পূর্বে যে ক্রিয়া সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছে, তার সংঘটনকালই  সাধারণ অতীত কাল।

যেমন:
- শিকারি পাখিটিকে গুলি করল।
- আমি খেলা দেখে এলাম।
​- রাফি এসেছিল। 

​উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।

১৬.
নিচের কোনটি যৌগিক শব্দ? 
  1. গবেষণা 
  2. মিতালি 
  3. রাজপুত
  4. হস্তী
ব্যাখ্যা

• মিতালি = মিতা + আলি ; মিটার ভাব, বন্ধুত্ব। 

​• যৌগিক শব্দ:

- যে সকঅল শব্দের ব্যুৎপত্তি গত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে।
- অর্থাৎ, শব্দগঠনের প্রক্রিয়ায় যাদের অর্থ পরিবর্তিত হয় না, তাদেরকে যৌগিক শব্দ বলে।
যেমন:
- গায়ক = গৈ + ণক (অক); অর্থ: গান করে যে।
- কর্তব্য = কৃ + তব্য; অর্থ: যা করা উচিত।
- বাবুয়ানা = বাবু + আনা; অর্থ: বাবুর ভাব।
- মধুর = মধু + র ; অর্থ; মধুর মতো মিষ্টি গুণযুক্ত।
- দৌহিত্র = দুহিতা + ষ্ণ্য; অর্থ: কন্যার পুত্র, নাতি।
- চিকামারা = চিকা + মারা; অর্থ: দেওয়ালের লিখন।

অন্যদিকে,
• রূঢ় বা রূঢ়ি শব্দ:
যে শব্দ প্রত্যয় বা উপসর্গযোগে মূল শব্দের অর্থের অনুগামী না হয়ে অন্য কোনো বিশিষ্ট অর্থ জ্ঞাপন করে, তাকে রূঢ়ি শব্দ বলে।
যেমন:
- হস্তী: হস্ত + ইন, অর্থ -হস্ত আছে যার; কিন্তু হস্তী বলতে একটি পশুকে বোঝায়।
- গবেষণা (গো+এষণা) অর্থ - গরু খোঁজা। বর্তমান অর্থ ব্যাপক অধ্যয়ন ও পর্যালোচনা।
এ রকম -
- বাঁশি: বাঁশ দিয়ে তৈরি যে কোনো বস্তু নয়, শব্দটি সুরের বিশেষ বাদ্যযন্ত্র, বিশেষ অর্থে প্রযুক্ত হয়।
- তৈল: শুধু তিলজাত স্নেহ পদার্থ নয়, শব্দটি যে কোনো উদ্ভিজ্জ পদার্থজাত স্নেহ পদার্থকে বোঝায়।
যেমন - বাদাম তেল।
- প্রবীণ: শব্দটির অর্থ হওয়া উচিত ছিল প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজাতে পারেন যিনি। কিন্তু শব্দটি ‘অভিজ্ঞতাসম্পন্ন বয়স্ক ব্যক্তি' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
- সন্দেশ: শব্দ ও প্রত্যয়গত অর্থে ‘সংবাদ’। কিন্তু রূঢ়ি অর্থে ‘মিষ্টান্ন বিশেষ’।

• যোগরূঢ় শব্দ:
সমাস নিষ্পন্ন যে সকল শব্দ সম্পূর্ণভাবে সমস্যমান পদসমূহের অনুগামী না হয়ে কোনো বিশিষ্ট অর্থ গ্রহণ করে, তাদের যোগরূঢ় শব্দ বলে।
যেমন:
- পঙ্কজ: পঙ্কে জন্মে যা। শৈবাল, শালুক, পদ্মফুল প্রভৃতি উদ্ভিত পঙ্কে জন্মে থাকে। কিন্তু ‘পঙ্কজ’ শব্দটি একমাত্র ‘পদ্মফুল’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়।
- রাজপুত: ‘রাজার পুত্র’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দ হিসেবে অর্থ হয়েছে ‘জাতিবিশেষ’।
- মহাযাত্রা: ‘মহাসমারোহে যাত্রা’ অর্থ পরিত্যাগ করে যোগরূঢ় শব্দরূপে অর্থ ‘মৃত্যু’।
- জলধি: ‘জল ধারণ করে এমন’ অর্থ পরিত্যাগ করে একমাত্র ‘সমুদ্র’ অর্থেই ব্যবহৃত হয়।

​উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)। 

১৭.
নিচের কোনটি ফারসি শব্দ? 
  1. ময়দা 
  2. কোর্মা 
  3. তারিখ
  4. শরবতি
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,

• ​ময়দা ফারসি শব্দ। 


​অন্যদিকে,
- ​কোর্মা তুর্কি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
- ​তারিখ ও শরবতি আরবি ভাষা থেকে আগত শব্দ।

​উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৮.
অনুরূপ অর্থে 'প্রতি'  উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে কোন শব্দে?
  1. প্রতিঘাত
  2. প্রতিদ্বন্দ্বী
  3. প্রতিবাদ
  4. প্রতিদিন
ব্যাখ্যা

• প্রতি একটি সংস্কৃত উপসর্গ।
• ​'প্রতি' উপসর্গ প্রতিঘাত শব্দের অনুরূপ অর্থ প্রকাশ করছে।


• '​প্রতি' উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে প্রকাশ করে।
​যেমন:
​- সদৃশ: প্রতিমূর্তি, প্রতিধ্বনি।
- বিরোধ: প্রতিবাদ, প্রতিদ্বন্দ্বী।
- পৌনঃপুন: প্রতিদিন, প্রতিমাস।
- অনুরূপ কাজ: প্রতিঘাত, প্রতিদান, প্রত্যুপকার।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১৯.
'প্রত্যহ + ইক= প্রাত্যহিক' শব্দে 'ইক' কোন ধরনের প্রত্যয়? 
  1. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়
  2. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  3. সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়
  4. বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়
ব্যাখ্যা

• 'প্রত্যহ + ইক= প্রাত্যহিক' শব্দে 'ইক' সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। 

​সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়:

- যে তদ্ধিত প্রত্যয় সংস্কৃত বা তৎসম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।

যেমন:
- মনু + ষ্ণ = মানব;
- লোক + ষ্ণিক বা ইক = লৌকিক,
- দ্বীপ + আয়ন = দ্বৈপায়ন ইত্যাদি।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।

২০.
উচ্চ -মধ্য পশ্চাৎ স্বরধ্বনি কোনটি? 
ব্যাখ্যা

 উচ্চারণের সময়ে জিভ কতটা নিচে নামে সেই অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. উচ্চ স্বরধ্বনি - ই, উ।
২. উচ্চ -মধ্য স্বরধ্বনি - এ, ও।
৩. নিম্ন-মধ্য স্বরধ্বনি - অ্যা, অ।
৪. নিম্ন স্বরধ্বনি - আ।

আবার, জিভের সম্মুখ - পশ্চাৎ অবস্থান অনুযায়ী স্বরধ্বনি তিন ভাগে বিভক্ত।
যথা -
১. সম্মুখ স্বরধ্বনি - ই, এ, অ্যা।
২. মধ্য স্বরধ্বনি: আ।
৩. পশ্চাৎ স্বরধ্বনি: অ, ও, উ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও  নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ)।

২১.
'সতীর্থ' কোন সমাস?
  1. তৎপুরুষ সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস
  3. অব্যয়ীভাব সমাস
  4. বহুব্রীহি সমাস
ব্যাখ্যা

• বহুব্রীহি সমাস:
- ​যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে।
যেমন:
- দশ আনন যার = দশানন,
- চার পা বিশিষ্ট প্রাণী = চতুষ্পদ,
- পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ,
- সমান তীর্থ যাদের = সতীর্থ,
- সমান উদর যার = সহোদর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২২.
'রাকিবকে  দিয়ে এ কাজ হবে না।' - এ বাক্যে 'দিয়ে' ধরনের অব্যয়?
  1. পদান্বয়ী অব্যয়
  2. সমুচ্চয়ী অব্যয়
  3. অনন্বয়ী অব্যয়
  4. অনুকার অব্যয়
ব্যাখ্যা

অনুসর্গ অব্যয় : 
​- যে সকল অব্যয় শব্দ বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের বিভক্তির ন্যায় বসে কারকবাচকতা প্রকাশ করে, তাদের অনুসর্গ অব্যয় বলে।
​- যথা- ওকে দিয়ে এ কাজ হবে না। (দিয়ে অনুসর্গ অব্যয়)।
- অনুসর্গ অব্যয় 'পদান্বয়ী অব্যয়' নামেও পরিচিত।

​অন্যদিকে,
সমুচ্চয়ী অব্যয়: 

​যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের সঙ্গে অন্য একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সঙ্গে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায়, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বা সম্বন্ধবাচক অব্যয় বলে।

​অনন্বয়ী অব্যয়: 
​যে সকল অব্যয় বাক্যের অন্য পদের সঙ্গে কোনো সম্বন্ধ না রেখে ভাব প্রকাশে ব্যবহৃত হয়, তাদের অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন-
ক. উচ্ছ্বাস প্রকাশে: মরি মরি! কী সুন্দর প্রভাতের রূপ!
খ. স্বীকৃতি বা অস্বীকৃতি জ্ঞাপনে : হ্যাঁ, আমি যাব। না, আমি যাব না।
গ. সম্মতি প্রকাশে: আমি আজ আলবত যাব। নিশ্চয়ই পারব।

​উৎস: 

অনুকার অব্যয়: 
​যে সকল অব্যয় অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয়, সেগুলোকে অনুকার বা
ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে। যথা-
- বজ্রের ধ্বনি- কড় কড়। 
- মেঘের গর্জন – গুড় গুড়। 
- বৃষ্টির তুমুল শব্দ – ঝম ঝম। 
- সিংহের গর্জন – গর গর। 

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮-সংস্করণ)।

২৩.
'নাটকের পাত্রপাত্রী' এর এক কথায় প্রকাশ কী হবে? 
  1. উৎপীল
  2. কুশীলব
  3. কুলীন
  4. সানীন
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
• ​নাটকের পাত্রপাত্রী - কুশীলব।



• ​কিছু গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় প্রকাশ:
- ​যা মর্ম স্পর্শ করে – মর্মস্পর্শী।
- যা বলার যোগ্য নয় – অকথ্য।
- যা অতি দীর্ঘ নয় – নাতিদীর্ঘ।
- যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না – অজ্ঞাতকুলশীল ৷
- যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না – বর্ণচোরা।

​উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ ও বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৪.
'স্বৈর' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কী? 
  1. স্ব + ঈর
  2. সু + ঈর
  3. স্ব + ইর
  4. স্বঃ + ইর
ব্যাখ্যা

• স্ব + ঈর = স্বৈর একটি ​নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি।

• ​নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি: 
কতগুলো সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না, এগুলোকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।

​কয়েকটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির উদাহরণ:
- অন্য + অন্য = অন্যান্য,
- কুল + অটা = কুলটা,
- গো + অক্ষ = গবাক্ষ,
- প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ়,
- স্ব + ঈর = স্বৈর,
- গো + ইন্দ্ৰ = গবেন্দ্র,
- গো + ঈশ্বর = গবেশ্বর,
- অক্ষ + ঊহিণী = অক্ষৌহিণী,
- মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড,
- রক্ত + ওষ্ঠ = রক্তোষ্ঠ,
- সীমন + অত = সীমন্ত।

​উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

২৫.
We didn’t expect ____________
  1. that it would have rained during our trip.
  2. that it would rain during our trip.
  3. that it will rain during our trip.
  4. that it rain during our trip.
ব্যাখ্যা

Complete sentence: We didn’t expect that it would rain during our trip.

Sequence of tense অনুযায়ী,
- Principal clause -এর verb টি past tense -এ থাকলে sub-ordinate clause -এর verb টিও past tense -এ হবে।
- সাধারণত, that, which, where, when, how, though, although ইত্যাদি দ্বারা sub-ordinate clause টি শুরু হয়।
প্রদত্ত বাক্যের প্রথম অংশে We didn’t expect আছে, যা past tense নির্দেশ করছে।
- তাই that যুক্ত sub-ordinate clause টিও past tense -এ হবে।

সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক বাক্যটি হলো- We didn’t expect that it would rain during our trip.

Source: A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২৬.
What is the correct spelling?
  1. Sarveillance
  2. Serveillance
  3. Survillance
  4. Surveillance
ব্যাখ্যা

• The correct spelling is – Surveillance. (অপশন 'ঘ').

Surveillance (noun)
English Meaning: Close observation of a person, group, or area, often for security or monitoring purposes.
Bangla Meaning: নিরীক্ষণ, নজরদারি বা পর্যবেক্ষণ।

Example Sentence:
- The airport increased surveillance to ensure passenger safety.
- Police conducted 24-hour surveillance on the suspect’s house.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

২৭.
Choose the correct sentence.
  1. The information she provided was relevant.
  2. The informations she provided was relevant.
  3. The information she provided were relevant.
  4. The informations she provided were relevant.
ব্যাখ্যা

• The correct sentence is - The information she provided was relevant.
​​
Explanation:
- "Information" শব্দটি uncountable noun, তাই এটি সবসময় singular হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং singular verb গ্রহণ করে।
- তাই এখানে singular verb হিসেবে "was" বসবে।
- সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হলো- The information she provided was relevant.
অন্যদিকে,
- "informations" ভুল, কারণ "information" এর কোন plural রূপ হয় না।

Source: A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

২৮.
Choose the best option.
They approached the old ruins with __________, unsure of what they might find.
  1. enthusiasm
  2. indifference
  3. bravado
  4. trepidation
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: They approached the old ruins with trepidation, unsure of what they might find.

অপশন আলোচনা:
ক) enthusiasm (উৎসাহ)
- মানে: অনেক আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে কিছু করার মনোভাব।
- উদাহরণ: "She showed great enthusiasm for the project."
- এখানে, তারা অনিশ্চয়তা ও সন্দেহ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে, তাই উৎসাহ উপযুক্ত নয়।

খ) indifference (উদাসীনতা)
- মানে: কোনও ব্যাপারে আগ্রহ বা উদ্বেগ না থাকা।
- উদাহরণ: "His indifference to danger was alarming."
- তারা ভীত বা অনিশ্চিত, তাই উদাসীন হওয়ার মানসিকতা প্রশ্নের সঙ্গে মেলে না।

গ) bravado (বাহাদুরি প্রদর্শন)
- মানে: ভয় ঢাকতে বা প্রভাব ফেলতে সাহসী ছলনা বা বড়াই।
- উদাহরণ: "He acted with bravado, hiding his fear."
- যদিও সাহস দেখানো, কিন্তু এখানে “অনিশ্চয়তার কারণে সতর্ক” মানে ভিন্ন।

ঘ) trepidation (ভয়, উদ্বেগ)
- মানে: ভীতি বা সন্দেহজনক উদ্বেগ নিয়ে এগিয়ে যাওয়া।
- উদাহরণ: "She entered the dark room with trepidation."
- এটি প্রশ্নের পরিস্থিতির সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই, কারণ তারা অনিশ্চয় ও ভীত ছিল।

সঠিক উত্তর: ঘ) trepidation
- কারণ: প্রশ্নটি বলছে তারা অনিশ্চিত ছিল এবং কিছুটা ভীত, যা “trepidation” শব্দের অর্থের সঙ্গে পুরোপুরি মিলে যায়।

Source:
- Cambridge Dictionary.
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

২৯.
Which of the following best describes a nexus?
  1. A sudden event​
  2. A type of plant
  3. A link or series of links
  4. A place of rest
ব্যাখ্যা

• The word "nexus" primarily refers to - A link or series of links.

Nexus (noun)
English Meaning: a connection or series of connections linking two or more things.
Bangla Meaning: সংযোগ; মিলনবিন্দু; সম্পর্কের ধারা।

Example Sentence:
- The internet acts as a nexus connecting people from all over the world.
- Science and technology form a nexus that drives modern innovation.

The correct answer is: গ) A link or series of links.

Source:
1. Merriam-Webster.
2. Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩০.
Choose the word that represents the feminine gender from the list below.
  1. Sow
  2. Drake
  3. Buck
  4. Sire
ব্যাখ্যা

• The 'feminine gender' is - গ) Sow

Sow (Noun)
- English Meaning: an adult female swine.
- Bangla Meaning: পূর্ণবয়স্ক শূকরী।
Sow -এর Masculine form হলো- Boar.

Other options:
- Sire (কোনো পশুর জনক) → এর Faminine Gender হচ্ছে- Dame.
- Buck (পুরুষ জাতীয় হরিণ) → এর Faminine Gender হচ্ছে- Doe.
- Drake (পাতিহাঁস) → এর Faminine Gender হচ্ছে- Duck.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৩১.
Choose the word that is most nearly a synonym of “abstruse”.
  1. Apparent
  2. Recondite
  3. Plain
  4. Lucid
ব্যাখ্যা

• The closest in meaning to “Abstruse” is – Recondite.

Abstruse (adjective)
English Meaning: difficult to understand; obscure; hard to grasp.
Bangla Meaning: জটিল; বোঝা কঠিন; গভীর।

অপশন আলোচনা:
- Recondite – গভীর; অতি জটিল; বোধগম্য নয়।

- Apparent – স্পষ্ট; সহজে বোঝা যায়।

- Plain – সহজ; সরল; স্পষ্ট।

- Lucid – স্বচ্ছ; পরিষ্কার; বোঝা সহজ।

Source:
- Merriam-Webster.
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩২.
Choose the correct sentence:
  1. The jury were divided in their conclusion.
  2. The jury are divided in its conclusion
  3. The jury was divided in their conclusion.
  4. The jury was divided in its conclusion.
ব্যাখ্যা

The correct sentence: The jury were divided in their conclusion.

- The Jury (বিচারকমণ্ডলী) [collective noun]
- Collective Noun এর ক্ষেত্রে সাধারণত verb এবং pronoun দুটোই singular হয়।
- যেমন: The jury is unanimous in its opinion.

তবে Collective Noun -এর সদস্যদের মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি হলে তখন তাদেরকে এককভাবে না বুঝিয়ে আলাদা ভাবে বোঝায় এবং এটিকে তখন Noun of Multitude বলা হয়।
- Noun of Multitude -এর পর verb এবং pronoun দুটোই plural হয়।
- তাই, Plural হিসেবে possessive - their বসে।

- যেমন: The jury were divided in their conclusion. (বিচারকমণ্ডলী তাদের সিদ্ধান্তে বিভক্ত ছিল।)
সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে-  The jury were divided in their conclusion.

Source: A passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৩৩.
"What time is it?"
In this sentence, 'What' is a/an-
  1. Adverb
  2. Pronoun
  3. Adjective
  4. Preposition
ব্যাখ্যা

• "What time is it?"
- In this sentence, 'What' is an Adjective.

- What এখানে 'time' noun টিকে modify করায় Adjective হয়েছে।
- As an adjective, 'what' can refer to people or things.

​Interrogative Adjective
- Interrogative pronoun যখন adjective -রূপে কাজ করে তখন তাকে Interrogative adjective বলে।
- অর্থাৎ, Interrogative pronoun (What, Which. whose etc.) গুলো যখন Noun এর পূর্বে বসে প্রশ্ন করে (noun টিকে modify করে) তখন সেগুলো adjective-এর কাজ করে, তাই এরা Interrogative adjective.
- Interrogative adjective হলো এক প্রকার Pronominal Adjective.

​More Examples:
1. Which book do you want?
2. What colour do you like best?

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৩৪.
“Fortuitous” is best replaced by:
  1. Serendipitous
  2. Premeditated
  3. Unlucky
  4. Planned
ব্যাখ্যা

• The closest in meaning to 'Fortuitous' is - Serendipitous.

Fortuitous (adjective)
English Meaning: happening by chance, often in a lucky or beneficial way.
Bangla Meaning: আকস্মিক; সৌভাগ্যজনক।

অপশন আলোচনা:
- Serendipitous - সৌভাগ্যজনক; আকস্মিকভাবে শুভ ফলপ্রসূ।

- Premeditated - পূর্বপরিকল্পিত; আগেভাগে চিন্তা করা।

- Unlucky - দুর্ভাগ্যপূর্ণ; অমঙ্গলজনক।

- Planned - পরিকল্পিত; সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো।

Source:
- Merriam-Webster.
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৫.
The correct passive form of: Who will guide the sightseers?
  1. Who will the sightseers be guided to?
  2. By whom the sightseers would be guided?
  3. By whom will the sightseers be guided?
  4. By whom the sightseers will be guided?
ব্যাখ্যা

Active: Who will guide the sightseers?
Passive: By whom will the sightseers be guided?

Who যুক্ত Interrogative Sentence এর Active Voice কে Passive Voice করার নিয়ম:
- Who এর পরিবর্তে প্রথমে By whom বসে।
- এরপর Tense ও Person অনুযায়ী modal auxiliary Verb বসাতে হয়।
- Object টি Subject হয়
- Tense অনুযায়ী কর্তার পরে be/being/been বসাতে হয়।
- মূল Verb এর Past Participle বসে।
- সবার শেষে প্রশ্নবোধক চিহ্ন বসে।
​ 
Structure: By whom + auxiliary verb + subject + V3 + ?
More Examples:
- Active: Who will help you?
- Passive: By whom will you be helped?

- Active: Who has broken the glasses?
- Passive: By whom have the glasses been broken?

৩৬.
In the word 'Leaflet', the suffix 'let' refers to:
  1. A folded page
  2. A colored page
  3. A type of leaf
  4. A small or thin sheet
ব্যাখ্যা

• In the word 'Leaflet', the suffix 'let' means - ঘ) Small or thin.

​Leaflet (noun)
- English meaning: a small or thin sheet of paper, often giving information or advertising something.
- Bangla meaning: ক্ষুদ্র বা পাতলা কাগজের পত্র; লিফলেট।

​Source:
- Merriam-Webster.
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৭.
Choose the best option.
The artist was known for her __________ use of color, always experimenting with new and unexpected combinations.
  1. innovative
  2. conventional
  3. redundant
  4. monochrome
ব্যাখ্যা

• Complete Sentence: The artist was known for her innovative use of color, always experimenting with new and unexpected combinations.

অপশন আলোচনা:
ক) innovative (নতুন ও সৃজনশীল)
- এর মানে: কিছু নতুন, মৌলিক বা সৃজনশীল উপায়ে করা।
- উদাহরণ: "Her innovative designs changed the fashion industry."
- এটি প্রশ্নে উল্লিখিত “experimenting with new and unexpected combinations” — এই বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে একদম মিলে যায়।

খ) conventional (প্রথাগত / প্রচলিত)
- এর মানে: প্রচলিত বা সাধারণভাবে গৃহীত পদ্ধতি বা চিন্তা।
- উদাহরণ: "He followed a conventional recipe for the cake."
- এটি প্রশ্নের ‘নতুন ও অপ্রত্যাশিত’ ধারণার সঙ্গে বিপরীত, তাই সঠিক নয়।

গ) redundant (অতিরিক্ত / অপ্রয়োজনীয় পুনরাবৃত্তি)
- এর মানে: অপ্রয়োজনীয়ভাবে পুনরাবৃত্ত বা অতিরিক্ত।
- উদাহরণ: "His speech was redundant and repetitive."
- এটি নেতিবাচক অর্থ বহন করে এবং শিল্পীর সৃজনশীল বৈশিষ্ট্য বোঝাতে ব্যবহারযোগ্য নয়।

ঘ) monochrome (এক রঙের বা সীমিত রঙের ব্যবহার)
- এর মানে: একক রঙের বা রঙের সীমিত ব্যবহার।
- উদাহরণ: "The painting was entirely in monochrome."
- এটি ‘new and unexpected combinations’ — এই বৈশিষ্ট্যের পরিপন্থী, কারণ monochrome রঙের বৈচিত্র্য এড়িয়ে চলে।

- সঠিক উত্তর: ক) innovative
- কারণ: প্রশ্নটি বলছে শিল্পী সবসময় নতুন এবং অপ্রত্যাশিত রঙের সংমিশ্রণ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতেন, যা একমাত্র ‘innovative’ শব্দের সঙ্গে পুরোপুরি মানানসই।

Sources:
- Cambridge Dictionary
- Accessible Dictionary by Bangla Academy

৩৮.
Most days were spent lounging _________ the pool.
  1. in
  2. on
  3. around
  4. aside
ব্যাখ্যা

Complete Sentence: Most days were spent lounging around the pool.

​lounging (verb)
English Meaning: to sit, lie, or stand in a relaxed or lazy way.
Bangla Meaning: আরাম করে বসা বা শুয়ে থাকা।

"আরাম করে শুয়ে থাকা বা বসা" বোঝাতে lounging-এর সাথে সাধারণত preposition ‘by’ বা ‘around’ ব্যবহার করা হয়। এখানে ‘around’ ব্যবহার করে বোঝানো হয়েছে যে পুলের আশেপাশে বা পুলের পার্শ্বে আরাম করা।

Correct Answer: গ) around

Example Sentences:
- On summer afternoons, we love lounging around the pool with cold drinks.
- They spent the weekend lounging around the garden, enjoying the sun.

Source:
- Cambridge Dictionary.
- Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৩৯.
_________ wisdom is the gift of experience, earned through the trials of life.
  1. A
  2. An
  3. The
  4. No article
ব্যাখ্যা

• Wisdom is the gift of experience, earned through the trials of life.
- No article is needed.

​Omission of article:
- সাধারণত material noun এবং abstract noun (uncountable) -এর পূর্বে article বসে না।
- যেমন: Wisdom is the gift of experience, earned through the trials of life.

- তবে এদেরকে নির্দিষ্ট করে বোঝালে তার পূর্বে article হিসেবে the বসে।
- যেমন: The wisdom of Socrates is great.

Source: High School English Grammar and Composition by Wren And Martin.

৪০.
Which sentence correctly uses the word "Ambiguous"?
  1. His directions were ambiguous and hard to follow.
  2. The cake was ambiguous with frosting.
  3. Ambiguous is my favorite day of the week.
  4. She danced with an ambiguous beat.
ব্যাখ্যা
• The correct answer is - ক) His directions were ambiguous and hard to follow.

• Ambiguous (Adjective)
English Meaning: Open to more than one interpretation; not having one clear meaning or explanation.
Bangla Meaning: দ্ব্যর্থবাদী; অস্পষ্ট; এমন যা একাধিক ভাবে বোঝা যায়।

• Example Sentences:
- The instructions were ambiguous, causing confusion among the students.
- His ambiguous response left everyone unsure about his true opinion.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো,
খ) The cake was ambiguous with frosting.
- ভুল। এখানে "ambiguous" মানে অস্পষ্ট বা দ্ব্যর্থবাদী, কিন্তু কেক ও ফ্রস্টিংয়ের মধ্যে এর কোনো প্রাসঙ্গিকতা নেই।
- "Ambiguous" সাধারণত বর্ণনা করে এমন কিছু যা বিভ্রান্তিকর বা অস্পষ্ট, খাবারের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা অযথা।

গ) Ambiguous is my favorite day of the week.
- ভুল। "Ambiguous" কোনো দিন নয়, এটি একটি অবস্থা বা বৈশিষ্ট্য।
- এখানে এটি একটি ভুল নাম বা বর্ণনা হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে যা অর্থগতভাবে অসঙ্গত।

ঘ) She danced with an ambiguous beat.
- ভুল। "Beat" অর্থাৎ তালের ক্ষেত্রে "ambiguous" ব্যবহার অসঙ্গত কারণ তাল বা বিট সাধারণত স্পষ্ট হয়।
- "Ambiguous beat" বলতে স্পষ্ট না হওয়া তালের কোনো ধারণা বোঝানো হয়, যা বাস্তবে অপ্রচলিত ও বিভ্রান্তিকর।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Dictionary, Accessible Dictionary.
৪১.
When you see such kindness, you cannot but ________ something to repay it.
  1. done
  2. doing
  3. do
  4. to do
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: When you see such kindness, you cannot but do something to repay it.

• Cannot help/ Cannot but
- কেউ কোনো কিছু না করে পারে না অর্থে Cannot help/ Cannot but ব্যবহৃত হয়।
- Cannot help -এরপর gerund (verb+ing) বসে।
- Cannot but -এরপর verb -এর base form বসে।
যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে Cannot but রয়েছে, তাই শূন্যস্থানে do বসবে।

More examples:
- I cannot but laugh.
- I cannot help going there.

৪২.
In which sentence is the use of “conspicuous” incorrect or awkward?
  1. He made a conspicuous effort to remain silent.
  2. His conspicuous generosity won him praise.
  3. She wore a conspicuous red coat.
  4. The sculpture was conspicuous in the gallery.
ব্যাখ্যা

• The correct answer is – ক) He made a conspicuous effort to remain silent.

• Conspicuous (Adjective)
English Meaning: Easily seen or noticed; attracting attention.
Bangla Meaning: সহজে দৃশ্যমান; দৃষ্টিগোচর; চোখে পড়ে এমন।

• Example Sentences:
- She wore a conspicuous hat that caught everyone’s eye.
- His conspicuous absence at the meeting raised questions.
- The bright yellow car was conspicuous even in traffic.

• উল্লিখিত বাকি অপশনগুলো:
খ) His conspicuous generosity won him praise.
- সঠিক। এখানে “conspicuous” শব্দটি সঠিকভাবে ব্যবহৃত হয়েছে। উদারতার বিষয়টি এতটা স্পষ্ট এবং নজরকাড়া ছিল যে তা প্রশংসা অর্জন করেছে।

গ) She wore a conspicuous red coat.
- সঠিক। একটি লাল কোট সাধারণত চোখে পড়ে, তাই এখানে “conspicuous” অর্থপূর্ণ ও প্রাসঙ্গিক।

ঘ) The sculpture was conspicuous in the gallery.
- সঠিক। ভাস্কর্যটি গ্যালারিতে দৃষ্টিগোচর বা চোখে পড়ার মতো ছিল — তাই শব্দটির ব্যবহার যথাযথ।

• ভুল ব্যবহার:
ক) He made a conspicuous effort to remain silent.
- ভুল বা awkward ব্যবহার।
- এখানে “conspicuous” (যার মানে হলো খুব দৃশ্যমান বা নজরকাড়া) ব্যবহার করা হয়েছে “effort to remain silent”-এর সাথে, যা স্ববিরোধী মনে হয়।
- “Silence” বা নীরবতা সাধারণত এমন কিছু নয় যা সহজে দৃশ্যমান হয়, বরং এটি অনুচ্চার বা অনুপস্থিতির প্রকাশ।
- নীরব থাকার চেষ্টা যদি এতটাই নজরকাড়া হয়, তাহলে তা স্বাভাবিক নীরবতা থাকে না, এবং এটি প্রাসঙ্গিক নয় “conspicuous” শব্দের মানে অনুযায়ী।
- এর পরিবর্তে “deliberate” বা “noticeable” effort বলা যেতে পারত, কিন্তু “conspicuous” এখানে কিছুটা জোরপূর্বক বা অপ্রাকৃতিক লাগে।

Source: Merriam-Webster Dictionary, Oxford Learner’s Dictionary.

৪৩.
Choose the best option.
He talks confidently, but when it comes to real action, he usually ________.
  1. calls the shots
  2. passes the buck
  3. puts his money where his mouth is
  4. chickens out
ব্যাখ্যা
• Complete Sentence: He talks confidently, but when it comes to real action, he usually chickens out.
Bangla Meaning: সে আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলে, কিন্তু যখন আসল কাজের কথা আসে, তখন প্রায়ই পিছিয়ে যায়।

• অপশন আলোচনা:

ক) calls the shots
- Meaning: "calls the shots" means to be the one who makes decisions or controls a situation।
- Bangla Meaning: নিয়ন্ত্রণ করা বা সিদ্ধান্ত নেওয়া।
- Relevance: এখানে বাক্যের অর্থ অনুযায়ী সে কাজে সাহসী নয়, তাই এটি মানানসই নয়।

খ) passes the buck
- Meaning: "passes the buck" means to avoid responsibility and blame someone else।
- Bangla Meaning: দায় এড়িয়ে অন্যকে চাপিয়ে দেয়া।
- Relevance: বাক্যের সঙ্গে মানানসই হতে পারে কারণ সে কাজ এড়িয়ে অন্যকে দায় চাপায়।

গ) puts his money where his mouth is
- Meaning: To take action to support what one says।
- Bangla Meaning: যা বলে তার সাথে কাজ বা বিনিয়োগ করা।
- Relevance: বাক্যের প্রেক্ষিতে ভুল কারণ বাক্যে সে কাজে জড়াতে সাহস করে না।

ঘ) chickens out
- Meaning: To be too scared to do something; to back out from action।
- Bangla Meaning: ভয় পেয়ে পিছিয়ে যাওয়া বা সাহস হারানো।
- Relevance: বাক্যের অর্থের সবচেয়ে ভালো মিল এখানেই, কারণ সে কাজে আসল সাহস দেখায় না।

- সঠিক উত্তর: ঘ) chickens out
- কারণ বাক্যটি বলছে সে কথা বলতে আত্মবিশ্বাসী, কিন্তু কাজের সময় ভয় পেয়ে পিছিয়ে যায়।

Source: Cambridge Dictionary, Merriam-Webster Dictionary.
৪৪.
"Candida" is a play by which English playwright?
  1. George Bernard Shaw
  2. Tennessee Williams
  3. Arthur Miller
  4. Christopher Marlowe
ব্যাখ্যা

• “Candida” একটি নাটক রচনা করেছেন George Bernard Shaw। এটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং সাহরার সামাজিক ও মানসিক বিষয় নিয়ে লেখা একটি ক্লাসিক নাটক। নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র ক্যান্ডিডা, যিনি একজন স্বামী বৃত্তিশীল পুরুষের সঙ্গে বিবাহিত। নাটকটি মূলত প্রেম, বিশ্বাস, সামাজিক শ্রেণি এবং নারীর স্বাধীনতার মতো বিষয় নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে মানুষের মানসিক জটিলতা তুলে ধরে। শোরা তার সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি এবং হাস্যরসের মাধ্যমে সামাজিক নীতি ও মানব মনস্তত্ত্বকে পরীক্ষা করেছেন। “Candida” নাটকটি শোরার সাহিত্যকর্মের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং ইংরেজি নাট্যসাহিত্যে একটি স্থায়ী প্রভাব ফেলেছে।

সঠিক উত্তর: ক) George Bernard Shaw.

​​​বিস্তারিত আলোচনা: 
• Candida:
- এটি একটি comedy.
- এটি ১৮৯৭ সালে থিয়েটারে প্রথম Perform করা হয়।

• Character:
- Candida,
- James Morell,
- Eugene Marchbanks, etc.

• সার-সংক্ষেপ:
- নাটকের কেন্দ্রীয় চরিত্র Candida, একজন বুদ্ধিদীপ্ত এবং শক্তিশালী নারী।
- তার স্বামী, James Morell, একজন ধর্মীয় যাজক, যিনি সমাজের জন্য কাজ করেন।
- Eugene Marchbanks, এক তরুণ কবি, Candida কে তার স্বামী থেকে মুক্তি দিতে চায়।
- Candida, যদিও Eugene Marchbanks এর প্রেমের প্রতি আকৃষ্ট, কিন্তু নিজের স্বাধীনতা এবং প্রজ্ঞার মাধ্যমে পরিস্থিতি সামাল দেন।
- নাটকটি বিবাহ, প্রেম, নারীর স্বাধীনতা এবং সামাজিক প্রথা নিয়ে আলোচনা করে।
- G. B. Shaw এর সমাজতান্ত্রিক দর্শনে, Candida এর চরিত্র নারীর ক্ষমতা এবং সম্পর্কের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি প্রতিস্থাপন করে।

• George Bernard Shaw (G. B. Shaw):
- He was a famous Irish playwright and a critic.
- তিনি ১৯২৫ সালে ইংরেজি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
- তাকে The greatest modern English dramatist এবং The father of a modern English Drama বলা হয়।

• His famous play:
- Man and Superman,
- Arms and the Man,
- Candida,
- Caesar and Cleopatra,
- Mrs. Warren's profession,
- The Apple Cart,
- Doctor's Dilemma,
- Man of Destiny,
- Pygmalion,
- Major Barbara, etc.

Source: Britannica.

৪৫.
Who is Fra Lippo Lippi in Browning’s poem?
  1. A merchant
  2. A monk and painter
  3. A soldier
  4. A wandering poet
ব্যাখ্যা

• রবার্ট ব্রাউনিং-এর কবিতা “Fra Lippo Lippi”-তে Fra Lippo Lippi একজন মঠের সন্ন্যাসী এবং চিত্রশিল্পী হিসেবে চিত্রিত হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হলো খ) A monk and painter। কবিতায় ব্রাউনিং ১৫শ শতকের ইতালির এই চিত্রশিল্পীর জীবনের দিকগুলো তুলে ধরেছেন। Fra Lippo Lippi монаখ জীবনযাপন করলেও তার আসল আগ্রহ ছিল চিত্রকলায়। সে চারপাশের বাস্তব জগতের মানুষ এবং তাদের অনুভূতি চিত্রায়িত করতে চেয়েছিল, যা তাকে ক্লাসিক্যাল ও ধর্মীয় চিত্রকর্মের নিয়মের সঙ্গে দ্বন্দ্বে ফেলেছিল। কবিতায় তার চরিত্রের মাধ্যমে শিল্পী স্বাধীনতা, নৈতিক দ্বন্দ্ব এবং মানবিক প্রবৃত্তির সংমিশ্রণ ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। Lippi শুধুমাত্র ধর্মীয় জীবনের নিয়মকেই মেনে চলেননি, বরং জীবনের আনন্দ এবং বাস্তবতার সৌন্দর্যকেও চিত্রিত করেছেন। ব্রাউনিং-এর বর্ণনায় সে চিত্রশিল্পী, মানুষ এবং সন্ন্যাসীর মধ্যে সংমিশ্রিত একটি ব্যক্তিত্ব।

​​​​বিস্তারিত আলোচনা: 
​Fra Lippo Lippi:
- এটি Robert Browning লিখিত একটি কবিতা।
- এটি তার one of finest dramatic monologues হিসেবে বিবেচিত।
- এটি blank verse এ রচিত।
- It allows Browning to write it in free expression of colloquial vigor.

• Robert Browning (1812-1889):
- Robert Browning ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন প্রধান ইংরেজি কবি।
- তিনি নাটকীয় একক বক্তৃতা এবং মানসিক চিত্রকল্পের জন্য পরিচিত।
- তার সবচেয়ে বিখ্যাত কাজ ছিল The Ring and the Book, যা একটি রোমান হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার গল্প।

​Notable Works:
- Poems:
- My Last Duchess,
- The Pied Piper of Hamelin,
- Fra Lippo Lippi,
- The Pied Piper of Hamelin, Rabbi Ben Ezra,
- Men and Women,
- Christmas-Eve and Easter-Day,
- Bishop Blougram's Apology (long poem).

- Drama:
- Pippa Passes.

​Source: Britannica.

৪৬.
Murder in the Cathedral is written by –
  1. T.S. Eliot
  2. Christopher Marlowe
  3. John Dryden
  4. William Shakespeare
ব্যাখ্যা

• Murder in the Cathedral নাটকটি লেখা হয়েছে T.S. Eliot দ্বারা। এটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং ইতিহাসভিত্তিক নাটক হিসেবে খ্যাত। নাটকটি আর্চবিশপ Thomas Becket এর হত্যাকাণ্ডের উপর ভিত্তি করে রচিত। Eliot তাঁর কাব্যিক ভাষা ও ধর্মীয় ভাবনার মাধ্যমে নাটকটিতে গভীর দর্শন এবং মানব চরিত্রের দ্বন্দ্ব ফুটিয়েছেন। নাটকটি মূলত চারপাশের রাজনৈতিক শক্তি, ধর্মীয় কর্তৃত্ব এবং ব্যক্তিগত নৈতিকতার মধ্যে সংঘাত তুলে ধরে। Eliot এর কাজের মধ্যে এই নাটকটি বিশেষভাবে তার আধুনিক নাট্যশৈলীর পরিচয় বহন করে। সুতরাং, Murder in the Cathedral লেখা হয়েছে T.S. Eliot দ্বারা।

উত্তর: ক) T.S. Eliot.

​​​​​বিস্তারিত আলোচনা:

• Murder in the Cathedral:
- এটি T.S. Eliot রচিত।
- The play was performed at Canterbury Cathedral in 1935 and published the same year.
- এটা মূলত: T.S Eliot রচিত একটি  Poetic Drama।
- নাটকটি দুইটি ভাগে বিভক্ত। 
- St. Thomas Becket কে Canterbury Cathedral বা গীর্জাতে রাজা হেনরি কর্তৃক অন্যায় ভাবে নিহত করার ঘটনাটি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- এজন্য এই নাটকটিকে Miracle Play বা Saint’s Play ও বলা হয়ে থাকে।  

• T. S. Eliot (Thomas Stearns Eliot):
-  He was born in September 26, 1888, St. Louis, Missouri, U.S.
- ১৯৬৫ সালের ৪ জানুয়ারি তিনি লন্ডনে মারা যান।
- Eliot কে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাহিত্যিক বিবেচেনা করা হয়। তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

• Best works:
•  Poems:
- The Waste Land (1922)
- Four Quartets,
- The Hollow Men,
- The Love Song of J. Alfred Prufrock
- Ash Wednesday (Poem)

• His well known plays:
- The Confidential Clerk
- Murder in the Cathedral,
- The Cocktail Party,
- The Elder Statesman
- The Trail of a Judge etc.

Source: An ABC of English Literature, Dr M Mofizar Rahman and Britannica.

৪৭.
Who was the subject of Tennyson’s In Memoriam, inspiring its themes of friendship and loss?
  1. Alfred Hallam
  2. Alexander Hallam
  3. Andrew Hallam
  4. Arthur Hallam
ব্যাখ্যা

​• টেনিসনের In Memoriam কবিতার মূল বিষয় ছিল তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু আর্থার হ্যালাম (Arthur Hallam)। আর্থার হ্যালাম ছিলেন টেনিসনের শৈশব ও কিশোরকাল থেকে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। হঠাৎ মৃত্যুর কারণে টেনিসন গভীর শোক অনুভব করেছিলেন, যা তার মনস্তাত্ত্বিক ও সৃজনশীল চিন্তাধারায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল। এই কবিতার মাধ্যমে টেনিসন বন্ধুত্বের গভীরতা, প্রিয়জনের অকাল মৃত্যু এবং শোকের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে প্রকাশ করেছেন। কবিতায় ব্যক্তিগত অনুভূতি ও দার্শনিক চিন্তাভাবনা একত্রিত হয়েছে, যা মৃত্যু ও জীবনের অর্থ নিয়ে গভীর অনুসন্ধান সৃষ্টি করেছে। তাই In Memoriam মূলত আর্থার হ্যালামের স্মৃতিকে উৎসর্গীকৃত।

সঠিক উত্তর: ঘ) Arthur Hallam।

​ ​​​​​বিস্তারিত আলোচনা: 
• In Memoriam:
- The poem 'In Memoriam' is written by Alfred Lord Tennyson.
- এটি হচ্ছে একটি 'elegy', যেটি ১৮৩৩ থেকে ১৮৫০ সালের মধ্যে লেখা হয়েছিল এবং ১৮৫০ সালে anonymously প্রকাশিত হয়।
- তিনি এই কবিতাটি তাঁর বন্ধু Arthur Henry Hallam এর মৃত্যু শোকে লিখেছিলেন।
- কবিতাটি ১৩১টি সেকশনে বিভক্ত এবং এতে একটি prologue এবং একটি epilogue রয়েছে।
- Prologue and epilogue, দুটি chiefly elegiac work examines the different stages of Tennyson’s period of mourning over the death of Arthur Henry Hallam.
- In Memoriam reflects the Victorian struggle to reconcile traditional religious faith with the emerging theories of evolution and modern geology.

• Lord Alfred Tennyson (1809-1892):
- Alfred Tennyson হলেন Victorian Period এর অন্যতম কবি যাকে এই যুগের Chief representative হিসাবে ধরা হয়।
- তিনি ১৮৫০ সালে ইংল্যান্ডের Poet Laureate নিযুক্ত হোন। 
- তিনি তাঁর Melodious language এর জন্য অনেক প্রসিদ্ধ এবং তাঁকে Lyric Poet বলা হয়ে থাকে।.

• The other poems of Tennyson are:
- The Lotos Eaters,
- Morte D'Arthu,
- Oenon,
- Ulysses,
- In Memoriam,
- Tithonus,
- Aurora.

• উল্লেখ্য যে,
- John Milton wrote Lycidas (A Pastoral Elegy) on the death of Edward King, who was a friend of John Milton. 
- Adonais, a pastoral elegy by Percy Bysshe Shelley, written and published in 1821 to commemorate the death of his friend and fellow poet John Keats

Source: Britannica.

৪৮.
A pun is best described as -
  1. A hidden moral lesson in a story
  2. The use of exaggerated statements
  3. The repetition of initial consonant sounds
  4. A wordplay that suggests two or more meanings
ব্যাখ্যা

• একটি পন (Pun) হলো ভাষার এমন একটি রূপ যেখানে শব্দ বা বাক্যাংশের দুটি বা তার বেশি অর্থের সঙ্গে খেলা করা হয়। এটি সাধারণত মজার বা বুদ্ধিদীপ্ত প্রভাব তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। পনকে কখনও কখনও “শব্দের খেলা” বলা হয়, কারণ একই শব্দ বা শব্দগুচ্ছের ভিন্ন ভিন্ন অর্থের মাধ্যমে পাঠক বা শ্রোতাকে মুগ্ধ করা হয়। উদাহরণস্বরূপ, “Time flies like an arrow; fruit flies like a banana” – এখানে “flies” শব্দের দুইটি ভিন্ন অর্থ রয়েছে। পন কখনো শিখনীয় নীতিমালা, অত্যুক্তি বা ধ্বনির পুনরাবৃত্তি বোঝায় না। তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) A wordplay that suggests two or more meanings। এটি হাস্যরস ও বুদ্ধিমত্তা প্রদর্শনের একটি চমৎকার উপায়।

​বিস্তারিত আলোচনা: 
• Pun:
- A humorous use of a word or phrase that has several meanings or that sounds like another word.
- A pun is a joke based on the interplay of homophones — words with the same pronunciation but different meanings.
- It can also play with words that sound similar, but not exactly the same.
- The joke’s humor (if any) comes from the confusion of the two meanings.
- শব্দ-কৌতুক; একই ধ্বনিবিশিষ্ট কিন্তু বিভিন্নার্থক শব্দ প্রয়োগে সৃষ্ট হাস্যরস।
- অর্থাৎ, Pun হচ্ছে শব্দের এক মজার ব্যবহার যেখানে একটি শব্দ দুটি ভিন্ন অর্থে ব্যহৃত হয়।
- Example: The tallest building in town is the library — it has thousands of stories!
- A pun on the difference between stories in books and stories (floors) in a building.

• ইংরেজি সাহিত্যে বিভিন্ন সাহিত্যিকেরা তাদের লেখায় এমনকি তাদের লেখার শিরোনামেও Pun এর ব্যবহার করেছেন।
- যেমন:
- The title of Hemingway's famous novel, Farewell to Arms has a Pun on it.
- এখানে Arms দ্বারা যুদ্ধ বা অস্ত্রের পাশাপাশি প্রেমিকার হাতকেও বোঝানো হয়েছে।

Source:
1. Literary terms.net
2. Cambridge Dictionary.

৪৯.
Which pig becomes the leader of Animal Farm after the rebellion?
  1. Old Major
  2. Squealer
  3. Napoleon
  4. Snowball
ব্যাখ্যা

• “Animal Farm” গল্পে বিপ্লবের পর, খামারের পশুদের নেতৃত্বে আসে Napoleon। Napoleon হলো একটি শক্তিশালী এবং চতুর শূকর, যা অন্য পশুদের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে জানে। শুরুতে বিপ্লবের পরে সবাই সমানাধিকার আশা করলেও, Napoleon ধীরে ধীরে নিজের ক্ষমতা শক্তিশালী করতে থাকে। সে Snowball-এর মতো প্রতিদ্বন্দ্বীদের দূরে সরিয়ে দেয় এবং পশুদের মধ্যে ভয় এবং প্রোপাগান্ডার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ স্থাপন করে। Squealer তার দিক থেকে তথ্য বিকৃত করে জনগণকে Napoleon-এর পক্ষে মুগ্ধ রাখে। Old Major, যিনি বিপ্লবের প্রেরণা দিয়েছিলেন, সেই সময়ে মারা গিয়েছিলেন, তাই তিনি নেতৃত্বে আসেননি। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Napoleon।

​বিস্তারিত আলোচনা: 
• Animal Farm:
- এটি একটি satirical allegorical novella, যা অ্যানিম্যাল ফার্ম হিসেবে ১৯৪৫ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
- উপন্যাসে একটি খামারে খামারের পশুরা মানব জগতের শাসন উৎখাত করে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত শূকরদের নেতৃত্বে নতুন এক স্বৈরাচার গড়ে ওঠে - “All animals are equal, but some animals are more equal than others”.
- এটি মূলত রুপান্তর ঘটিয়েছিল Bolshevik বিপ্লব ও Stalin-পরবর্তী USSR-এর বাস্তব ঘটনাগুলোকে।

• George Orwell:
- প্রকৃত নাম: Eric Arthur Blair, জন্ম ২৫ জুন ১৯০৩, মটিহারি, বেঙ্গল, ভারত।
- তিনি একজন English novelist, essayist ও critic, যিনি “Animal Farm” (1945) ও “Nineteen Eighty‑four” (1949)–এর জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
- Orwell ছিলেন গভীরভাবে antitotalitarian এবং democratic socialist - যার প্রভাব দেখা যায় তার লেখায়।

• Famous works:
- Animal Farm (1945): আলোচিত রাজনৈতিক রূপক, Stalin-era USSR-এর সমালোচনা।
- Nineteen Eighty‑four (1949): dystopian উপন্যাস হিসেবে পরিপূর্ণ, বর্তমান ও ভবিষ্যতের টোটালিট্যারিয়ান সমাজের বিরুদ্ধে সতর্কবার্তা।
- Down and Out in Paris and London.
- The Road to Wigan Pier.
- Homage to Catalonia.

Source: Britannica.

৫০.
Paradise Lost is primarily –
  1. An epic poem
  2. A novel
  3. A play
  4. A short story
ব্যাখ্যা

• “Paradise Lost” মূলত একটি এপিক কবিতা (Epic Poem)। এটি জন মিল্টন রচিত, এবং ১৭শ শতকের ইংরেজি সাহিত্যের একটি বিশিষ্ট রচনা। এপিক কবিতা হলো দীর্ঘ আকারের কবিতা যা মহান বিষয়, নায়কীয় চরিত্র ও বিশদ ঘটনা দ্বারা গঠিত। “Paradise Lost”-এ খোদা, শয়তান ও মানবজাতির পতনের কাহিনী বিশদভাবে বর্ণিত হয়েছে। এতে মানুষের পাপ, মুক্তি ও ঈশ্বরের পরিকল্পনা নিয়ে গভীর আধ্যাত্মিক ও দার্শনিক চিন্তাভাবনা ফুটে উঠেছে। মিল্টনের ভাষা এবং অলঙ্কারিক শৈলী এটিকে একটি মহাকাব্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে। তাই “Paradise Lost” কোন উপন্যাস, নাটক বা ছোট গল্প নয়, বরং একটি এপিক কবিতা।

​বিস্তারিত আলোচনা: 
• Paradise Lost:
- Neo-classical period এর অন্যতম সাহিত্যিক John Milton রচিত একটি epic.
- The theme of Paradise Lost or 'Paradise Lost' attempted to - Justify the ways of God to men.
- তার লেখা Paradise lost কে the great Epic in English হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
- ১৬৬৭ সালে প্রকাশিত এই বইটি মোট বারো খণ্ডে বিভক্ত।
- এটি Blank verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দ)- এ রচিত।
- খ্রিষ্টীয় ধর্মীয় মতবাদকে প্রাধান্য দিয়ে আদি মানব এবং মানবী Adam & Eve এর স্বর্গ থেকে মর্ত্যে আগমনের কাহিনী হচ্ছে এই মহাকাব্যটির মূল উপজীব্য বিষয়। 

• খোদার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার শাস্তি স্বরুপ শয়তান আর তার অনুসারীদের স্বর্গ থেকে বের করে দেওয়া হয়।
- পরাজয় মেনে নিতে না পেরে শয়তান মানবজাতিকে খোদাদ্রোহ করতে প্ররোচনা দেয় এবং এভাবে সে তার প্রতিশোধ নিতে চায়।
- ইডেন গার্ডেনে গিয়ে সে আদি মানবী ইভকে নিষিদ্ধ গাছের ফল খেতে প্ররোচনা দিতে থাকে এক পর্যায়ে ইভ এবং আদম দুইজনই ফল ভক্ষণ করে।
- ফল ভক্ষণের পর তারা তাদের অপরাধ বুঝতে পারে এবং তাদেরকেও স্বর্গ থেকে বহিষ্কার করা হয়।

• John Milton:
- He was born in London, England in 1608.
- তিনি ছিলেন একজন English poet, pamphleteer এবং historian.
- তিনি William Shakespeare এর পর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ English author হিসেবে বিবেচিত।
- মূলত কবি হিসেবে প্রসিদ্ধ হলেও মিল্টন কিছু উচ্চমানের রাজনৈতিক প্রবন্ধও লিখেছিলেন।
- তাকে বলা হয় the Epic Poet. এছাড়া great master of Blank Verse ও বলা হয়।

• Some notable works:
- Paradise Lost (Epic),
- Paradise Regained (Epic),
- Of Education (Prose),
- Lycidas (Elegy).

Source: Live MCQ Lecture and Britannica.

৫১.
Which of these lands did Gulliver visit first?
  1. Houyhnhnms
  2. Laputa
  3. Brobdingnag
  4. Lilliput
ব্যাখ্যা

​• গালিভার প্রথম যে দেশে গেল, সেটা হলো লিলিপুট (Lilliput)। লিলিপুট একটি কাল্পনিক দেশ, যেখানে মানুষরা খুব ছোটকায়ের, মাত্র কয়েক ইঞ্চি লম্বা। সেখানে গালিভার তুলনায় অনেক বড় মনে হয়। জোনাথন গালিভারের এই ভ্রমণ তার "গালিভারের ভ্রমণ" নামক উপন্যাসের প্রথম অংশে বর্ণিত। লিলিপুটের বাসিন্দারা খুব ছোট আকারের হওয়া সত্ত্বেও নিজেদের রাজনীতি ও সামাজিক নিয়ম নিয়ে বেশ জটিল। গা লিভারের দেহের বড় আকৃতির কারণে তারা তাকে বন্দী করে এবং নানা রকম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে। এই দেশের বর্ণনা পাঠককে হাস্যরস ও কল্পনার মিশ্রণ উপভোগ করায়। তাই, লিলিপুট ছিল গালিভারের প্রথম ভ্রমণের দেশ।
 
​বিস্তারিত আলোচনা: 
- Lemuel Gulliver সমুদ্র ভ্রমণে বের হয় এবং পথিমধ্যে ঝড়ের কবলে পড়ে জাহাজ ভেঙ্গে যায়।
- Gulliver প্রানে বেঁচে যায় কিন্তু এক অদ্ভুত দেশে নিজেকে আবিষ্কার করে যেখানে সবার উচ্চতা ৬ ইঞ্চির নিচে।
-  তার বিশাল দেহ নিয়ে লিলিপুটদের নানা উপকারে আসে, এমনকি পার্শ্ববর্তী রাজ্য Blefuscu এর সাথে চলমান যুদ্ধেও লড়াই করে।
- এভাবে সে লিলিপুটদের রাজ্যে একপ্রকার হিরোতে পরিণত হয়।
- যদিও এক পর্যায়ে Gulliver তাদের রোষের শিকার হয় এবং তার শাস্তি হয় তার চোখ তুলে ফেলা হবে।
- পরিশেষে Gulliver শাস্তি এড়াতে সমর্থ হয় এবং বেঁচে ফিরে আসে।

• ‘Gulliver’s Travels’ এর চারটি খন্ডের নাম -
- A Voyage to Lilliput,
- A Voyage to Brobdingnag,
- A Voyage to Balnibarbi,
- A Voyage to the country of Houyhnhnms.

• Jonathan Swift:
- ইংরেজি সাহিত্যের সবচেয়ে বিখ্যাত ব্যঙ্গরচয়িতা বা satirist হলেন Jonathan Swift.
- তিনি Augustan age এর একজন Author.
- তিনি একজন Anglo-Irish author এবং clergyman ছিলেন।
- তাঁর ছদ্মনাম Isaac Bickerstaff.
 
• Famous works:
- Gulliver's Travels,
- A Tale of a Tub,
- A Modest Proposal,
- The Battle of Books.

​Source: Britannica.

৫২.
Which famous philosopher is credited with the quote about a wise man creating opportunities?
  1. Francis Bacon
  2. John Locke
  3. Thomas Hobbes
  4. G. B. Shaw
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) Francis Bacon।

ফ্রান্সিস বেকন একজন প্রখ্যাত ইংরেজ দার্শনিক, রাষ্ট্রবিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞানী। তিনি ন্যায়, জ্ঞান এবং প্রায়োগিক চিন্তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন। তাঁর একটি প্রখ্যাত উক্তি হলো, “A wise man will make more opportunities than he finds”, যা বোঝায় যে জ্ঞানী মানুষ কেবল সুযোগের অপেক্ষা করেন না, বরং নিজে থেকেই সুযোগ সৃষ্টি করেন। এই চিন্তাভাবনা উদ্যোক্তা মনোভাব এবং সক্রিয় দৃষ্টিভঙ্গির প্রতি উৎসাহিত করে। বেকনের দর্শন অনুযায়ী, সফলতা এবং অগ্রগতি নির্ভর করে ব্যক্তির প্রয়াস, বিচক্ষণতা এবং উদ্ভাবনী ক্ষমতার উপর। তাই তিনি কেবল তাত্ত্বিক নয়, বাস্তবমুখী দার্শনিক হিসেবেও পরিচিত।

​বিস্তারিত আলোচনা: 
• Francis Bacon (1561-1626):
- Francis Bacon হচ্ছেন Jacobean যুগের সাহিত্যিক।
- তার পুরো নাম Francis Bacon, Viscount Saint Alban, তাকে Sir Francis Bacon ও বলা হয়।
- Francis Bacon was an English philosopher, statesman, scientist, jurist, orator, essayist, and author.
- তিনি (1618-1621) পর্যন্ত England এর lord chancellor ছিলেন।
- একজন আইনজীবী, রাষ্ট্রনায়ক, দার্শনিক এবং ইংরেজ সাহিত্যিক হিসেবে স্মরণীয়। 
- তাকে বলা হয় natural philosopher. 
- তার উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্ম : The essays, Advancement of Learning, The New Atlantis.

• Famous Quotations of Francis Bacon:
- It is as natural to die as to be born; and to a little infant, perhaps, the one is as painful as the other.
- There is no excellent beauty that hath not some strangeness in the proportion.
- All rising to great place is by a winding stair.
- Some books are to be tasted, others to be swallowed, and some few to be chewed and digested.
- Prosperity doth best discover vice, but Adversity doth best discover virtue.
- For knowledge, too, is itself power.
- It is impossible to love and be wise.
- A wise man will make more opportunities than he finds. (The Essays)
- Revenge is a kind of wild justice.
- Silence is the sleep that nourishes wisdom.

• তার বিখ্যাত কিছু essays:
- Of revenge,
- Of Studies,
- Of Marriage and Single Life,
- Of Love,
- Of Friendship,
- Of Truth.

Source: Britannica.

৫৩.
i + i2 + i3 + i4 = কত?
  1. i
  2. - i
  3. 0
  4. 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: i + i2 + i3 + i4 = কত?

সমাধান:
জটিল সংখ্যার বিভিন্ন মানসমূহ-
• i = √(-1)
• i2 = - 1
• i3 = - i
• i4 = 1

এখন,
i + i2 + i3 + i4
= i + (- 1) + (- i) + 1
= i - 1 - i + 1
= 0 
৫৪.
কোন পরীক্ষায় ৭৫% গণিতে এবং ৬৫% বাংলায় পাশ করল। উভয় বিষয়ে পাশ করল ৫৫%। উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?
  1. ১০%
  2. ১৫%
  3. ২০%
  4. ২৫%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন পরীক্ষায় ৭৫% গণিতে এবং ৬৫% বাংলায় পাশ করল। উভয় বিষয়ে পাশ করল ৫৫%। উভয় বিষয়ে শতকরা কতজন ফেল করল?

সমাধান:
গণিতে পাশ = n(M) = ৭৫%
বাংলায় পাশ = n(B) = ৬৫%
উভয় বিষয়ে পাশ = n(M ∩ B) = ৫৫%

যে কোনো এক বিষয় বা উভয় বিষয়ে পাশ = n(M ∪ B)

n(M ∪ B) = n(M) + n(B) - n(M ∩ B)
= ৭৫% + ৬৫% - ৫৫%
= ১৪০% - ৫৫%
= ৮৫%

∴ উভয় বিষয়ে ফেল করল = ১০০% - ৮৫%
= ১৫%

৫৫.
কোনো আসল ৫ বছরে মুনাফা-সহ মোট ৯৭৫০ টাকা হয়। মুনাফা, আসলের ৩/১০ অংশ হলে, আসল কত টাকা?
  1. ৭২০০ টাকা
  2. ৭০০০ টাকা
  3. ৭৫০০ টাকা
  4. ৮৫০০ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোনো আসল ৫ বছরে মুনাফা-সহ মোট ৯৭৫০ টাকা হয়। মুনাফা, আসলের ৩/১০ অংশ হলে, আসল কত টাকা?

সমাধান: 
ধরি,
আসল = P টাকা
মুনাফা = (৩P)/১০ টাকা

প্রশ্নমতে,
P + (৩P)/১০ = ৯৭৫০
বা, ১০P + ৩P = ৯৭৫০ × ১০
বা, ১৩P = ৯৭৫০০
বা, P = ৯৭৫০০/১৩
∴ P = ৭৫০০

∴ আসল ৭৫০০ টাকা। 

৫৬.
একটি ব্যাগে ৪ টি লাল, ৫ টি সাদা ও ৬ টি নীল বল আছে। দৈবভাবে একটি বল তুলে নেওয়া হল। বলটি সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা কত?
  1. ২/৩
  2. ৩/৪
  3. ১/২
  4. ১/৩
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ব্যাগে ৪ টি লাল, ৫ টি সাদা ও ৬ টি নীল বল আছে। দৈবভাবে একটি বল তুলে নেওয়া হল। বলটি সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
থলেতে মোট বলের সংখ্যা = (৪ + ৫ + ৬) টি = ১৫ টি
সুতরাং সমগ্র সম্ভাব্য ফলাফল = ১৫
সাদা বলের সংখ্যা = ৫ টি
সুতরাং সাদা বলের অনুকুল ফলাফল = ৫

বলটি সাদা হওয়ার সম্ভাবনা = সাদা বলের অনুকুল ফলাফল / সমগ্র সম্ভাব্য ফলাফল = ৫/১৫ = ১/৩
∴ বলটি সাদা না হওয়ার সম্ভাবনা = ১ - (১/৩)
= (৩ - ১)/৩
= ২/৩

৫৭.
5 + 15 + m + n + 405 + ........ একটি গুণোত্তর ধারা হলে m + n এর মান কত?
  1. 180
  2. 200
  3. 160
  4. 190
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 5 + 15 + m + n + 405 + ........ একটি গুণোত্তর ধারা হলে m + n এর মান কত?

সমাধান: 
ধরি, 
ধারাটির প্রথম পদ, a = 5
সাধারণ অনুপাত, r = 15/5 = 3

আমরা জানি,
গুণোত্তর ধারার n তম পদ = arn - 1

তাহলে,
ধারাটির তৃতীয় পদ, m = ar2
= 5 × 32
= 5 × 9
= 45

ধারাটির চতুর্থ পদ, n = ar3
= 5 × 33
= 5 × 27
= 135

∴ m + n = 45 + 135 = 180 
৫৮.
x2 - px - 14 রাশিটির একটি উৎপাদক x - 7 হলে, p এর মান কত?
  1. - 5
  2. 6
  3. 5
  4. - 7
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 - px - 14 রাশিটির একটি উৎপাদক x - 7 হলে, p এর মান কত?

সমাধান:
ধরি,
f(x) = x2 - px - 14
x - 7, f(x) এর উৎপাদক বলে f(7) = 0 হবে

f(7) = 72 - p × 7 - 14
= 49 - 7p - 14
= 35 - 7p

শর্তমতে,
35 - 7p = 0
⇒ 7p = 35
∴ p = 5
৫৯.
2x + y = 8 এবং 3x - 2y = 5 হলে, (x, y) =?
  1. (2, 3)
  2. (3, 4)
  3. (4, 3)
  4. (3, 2)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 2x + y = 8 এবং 3x - 2y = 5 হলে, (x, y) =?

সমাধান:
2x + y = 8
⇒ 4x + 2y = 16 ............(1)
3x - 2y = 5 ............(2)

(1) + (2) ⇒
4x + 2y + 3x - 2y = 16 + 5
⇒ 7x = 21
∴ x = 3

(2) নং হতে পাই,
3x - 2y = 5
⇒ 3 × 3 - 2y = 5
⇒ 9 - 2y = 5
⇒ 2y = 4
∴ y = 2

∴ নির্ণেয় সমাধান (x, y) = (3, 2)

৬০.
x2 = 3x + 1 হলে x - (1/x) এর মান কত?
  1. 5
  2. 3
  3. √5
  4. √3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: x2 = 3x + 1 হলে x - (1/x) এর মান কত?

সমাধান:
x2 = 3x + 1
⇒ x2 - 1 = 3x
⇒ (x2 - 1)/x = (3x)/x
∴ x - 1/x = 3
৬১.
একটি নৌকা ১০ মিটার/সেকেন্ড বেগে গতিশীল স্রোতের অনুকূলে যে দূরত্ব অতিক্রম করতে ২০ সেকেন্ড লাগে, স্রোতের প্রতিকূলে সে দূরত্ব অতিক্রম করতে ১০ সেকেন্ড সময় বেশি লাগে। স্রোতের বেগ কত?
  1. ১ মিটার/সেকেন্ড
  2. ২ মিটার/সেকেন্ড
  3. ৩ মিটার/সেকেন্ড
  4. ১.৫ মিটার/সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি নৌকা ১০ মিটার/সেকেন্ড বেগে গতিশীল স্রোতের অনুকূলে যে দূরত্ব অতিক্রম করতে ২০ সেকেন্ড লাগে, স্রোতের প্রতিকূলে সে দূরত্ব অতিক্রম করতে ১০ সেকেন্ড সময় বেশি লাগে। স্রোতের বেগ কত?

সমাধান:
ধরি,
স্রোতের বেগ = x মিটার/সেকেন্ড

স্রোতের অনুকূলে অতিক্রান্ত দূরত্ব = (১০ + x) × ২০ মিটার
স্রোতের প্রতিকূলে অতিক্রান্ত দূরত্ব = (১০ - x) × ৩০ মিটার

প্রশ্নমতে,
(১০ + x) × ২০ = (১০ - x) × ৩০
বা, ২০ + ২x = ৩০ - ৩x
বা, ৫x = ১০
∴ x = ২

∴ স্রোতের বেগ ২ মিটার/সেকেন্ড।

৬২.
নিচের চিত্রে O কেন্দ্রবিশিষ্ট কোনো বৃত্তের AB স্পর্শক এবং OA স্পর্শ বিন্দুগামী ব্যাসার্ধ। ∠x = 50° হলে ∠y এর মান কত?
  1. 30°
  2. 40°
  3. 50°
  4. 60°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: নিচের চিত্রে O কেন্দ্রবিশিষ্ট কোনো বৃত্তের AB স্পর্শক এবং OA স্পর্শ বিন্দুগামী ব্যাসার্ধ। ∠x = 50° হলে ∠y এর মান কত?


সমাধান: 
OA স্পর্শ বিন্দুগামী ব্যাসার্ধ হলে ∠A = 90°

প্রশ্নমতে,
∠A + ∠B + ∠O = 180°
বা, 90° + y + 50° = 180°
বা, y + 140° = 180°
বা, y = 180° - 140°
∴ y = 40°
৬৩.
'LEADER' শব্দটির অক্ষরগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায় যেখানে শব্দের শেষে সর্বদা একটি ব্যাঞ্জনবর্ণ থাকবে?
  1. 120
  2. 180
  3. 200
  4. 140
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: 'LEADER' শব্দটির অক্ষরগুলোকে কত উপায়ে সাজানো যায় যেখানে শব্দের শেষে সর্বদা একটি ব্যাঞ্জনবর্ণ থাকবে?

সমাধান: 
'LEADER' শব্দটিতে মোট 6টি বর্ণ রয়েছে, যাদের 3টি (L, D, R) ব্যাঞ্জনবর্ণ।

শব্দের শেষ ঘর 3টি ব্যাঞ্জনবর্ণ দিয়ে 3P1 = 3 উপায়ে পূর্ণ করা যায়।
∴ অবশিষ্ট পাঁচ ঘর সাজানো যায় = 5!/2! [ এখানে E দুই বার আছে]
= 60

∴ সাজানোর মোট উপায় = 3 × 60 = 180
৬৪.
একটি বেলনের ব্যাস ১৪ সে.মি. এবং উচ্চতা ৫ সে.মি. হলে বেলনটির আয়তন কত?
  1. ৭৭০ ঘন সে.মি.
  2. ৭৮০ ঘন সে.মি.
  3. ১০৮০ ঘন সে.মি.
  4. ৮৮০ ঘন সে.মি. 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি বেলনের ব্যাস ১৪ সে.মি. এবং উচ্চতা ৫ সে.মি. হলে বেলনটির আয়তন কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বেলনের ব্যাস = ১৪/২ = ৭ সে.মি.
বেলনের ব্যাসার্ধ, r = ৭ সে.মি.
উচ্চতা, h = ৫ সে.মি.

আমরা জানি,
বেলনের আয়তন = π × r2 × h
= (২২/৭) ×৭ × ৫
= ২২ × ৭ × ৫
= ৭৭০ ঘন সে.মি. 
৬৫.
প্রথম সাতটি স্বাভাবিক সংখ্যার পরিমিতি ব্যবধান কত?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: প্রথম সাতটি স্বাভাবিক সংখ্যার পরিমিতি ব্যবধান কত?

সমাধান:
প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার পরিমিত ব্যবধান
= √{(n2 - 1)/12}
= √{(72 - 1)/12}
= √{(49 - 1)/12}
= √(48/12)
= √4
= 2
৬৬.
গ্যাসের পরমশূন্য তাপমাত্রা নির্ভর করে- 
  1. বাহ্যিক বলের উপর
  2. গ্যাসের ভর ও ঘনত্বের উপর
  3. গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর
  4. কোনোটিই নয়
ব্যাখ্যা
পরমশূন্য তাপমাত্রা: 
- যে তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তনের বিলুপ্তি ঘটে অর্থাৎ আয়তন শূন্য হয়ে যায়, সে তাপমাত্রাকে পরমশূন্য তাপমাত্রা বলে। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা হলো - 273°C । 
- পরমশূন্য তাপমাত্রা গ্যাসের প্রকৃতি ও চাপের উপর নির্ভর করে না। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় গ্যাসের স্থানান্তর গতি শূন্য হয়, গ্যাসের অণুসমূহের স্থানান্তরণ একেবারে স্তব্দ হয়ে যায়। এ সময় অণুসমূহ পরস্পরের খুবই নিকটে আসে, ফলে আয়তন খুবই কম হয়। 
- পরমশূন্য তাপমাত্রায় কম্পন গতির জন্য পদার্থের যে শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তাকে শূন্য বিন্দু শক্তি বলা হয়। 

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন প্রথম পত্র, হাজারী নাগ।
৬৭.
এসিড কী দান করে? 
  1. ইলেকট্রন
  2. প্রোটন
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোক্সাইড আয়ন
ব্যাখ্যা
- এসিড জলীয় দ্রবণে প্রোটন (H+) বা হাইড্রোজেন আয়ন দান করে। 

এসিড: 

- এসিড নীল লিটমাসকে লাল করে। 
- এসিডে নীল বর্ণের লিটমাস লাল হয়। 
- যেসব রাসায়নিক দ্রব্য জলীয় দ্রবণে প্রোটন বা ধনাত্মক হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, তাদের এসিড বলে। 
যেমন- এসিটিক এসিড, হাইড্রোক্লোরিক এসিড, অক্সালিক এসিড। 
- এসিড শব্দটি ল্যাটিন শব্দ এসিডাস থেকে এসেছে। বাংলায় একে অম্ল বলা হয়। 

এসিডের বৈশিষ্ট্যসমূহ: 
১. এসিড স্বাদে টক। 
২. এটি নীল লিটমাসকে লাল করে। 
৩. এটি ক্ষারকের সঙ্গে বিক্রিয়া করে পানি ও লবণ উৎপন্ন করে। 
৪. এটি ধাতুর কার্বনেটের সঙ্গে বিক্রিয়া করে কার্বন ডাই- অক্সাইড উৎপন্ন করে। 
৫. প্রতিটি এসিডই হাইড্রোজেন আয়ন দান করতে পারে। 
৬. যে এসিড যত বেশি হাইড্রোজেন আয়ন দান করে, সে তত বেশি শক্তিশালী। 

উৎস: রসায়নবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৮.
লোহিত কণিকা কোথায় উৎপন্ন হয়? 
  1. অস্থিমজ্জায়
  2. লিভারে
  3. প্লীহায়
  4. হৃৎপিণ্ডে
ব্যাখ্যা
রক্ত কণিকা: 
- রক্ত কণিকা তিন ধরনের থাকে। 
যেমন- 
ক. লোহিত কণিকা: 
- রক্তে লোহিত কণিকার সংখ্যা সবচেয়ে বেশি থাকে। 
- এক ঘন মিলিলিটার রক্তে পুরুষদের রক্তের ক্ষেত্রে প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ এবং মহিলাদের রক্তে প্রায় পঁয়তাল্লিশ লক্ষ লোহিত কণিকা থাকে। 
- এটি অস্থিমজ্জায় উৎপন্ন হয় ও ১২০ দিন পর প্লীহায় বিনষ্ট হয়। 
- ব্যায়াম করলে লোহিত কণিকার সংখ্যাও বেড়ে যায় ও বেশি দিন বাঁচে। 
- এটি হিমোগ্লোবিনের সহায়তায় দেহের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহ করে এবং শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। 

খ. শ্বেত কণিকা: 
- আমাদের শরীরে রক্তে শ্বেত কণিকার সংখ্যা অনেক কম থাকে। 
- এক মিলিলিটার রক্তে ছয় থেকে আট হাজার শ্বেত কণিকা থাকে। 
- এরা বর্ণহীন ও নিউক্লিয়াসযুক্ত। 
- এরা সাধারণত ১২-১৩ দিন বেঁচে থাকে। 
- ব্যায়াম করলে এরা বেশিদিন বাঁচে ও সংখ্যা বেড়ে যায়। 
- শ্বেতকণিকা রক্তে প্রবেশকারী জীবাণুকে ঘিরে ধরে বিনষ্ট করে এবং দেহকে রক্ষা করে, ফলে শারীরিক সক্ষমতা মজবুত ও শক্তিশালী হয়। 

গ. অণুচক্রিকা: 
- অণুচক্রিকা দেখতে ডিম্বাকার ও বিভিন্ন আকৃতি বিশিষ্ট অনেকটা ডিসকের মতো দেখতে। 
- দেহের বৃহদাকার কোষ ভেঙ্গে অণুচক্রিকা সৃষ্টি হয়। 
- দেহের কোনো স্থানে ক্ষত হলে সেখানে ৩ মিনিটের মধ্যে রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। 

উৎস: শারীরিক শিক্ষা, স্বাস্থ্যবিজ্ঞান ও খেলাধুলা, নবম-দশম শ্রেণি।
৬৯.
সেকেন্ড দোলকের দোলনকাল কত সেকেন্ড? 
  1. ০.৫ সেকেন্ড
  2. ১ সেকেন্ড
  3. ২ সেকেন্ড
  4. ৪ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
সরল দোলক: 
- একটি ভারী আয়তনহীন বস্তুকণাকে একটি ওজনহীন, নমনীয় ও অপ্রসারণশীল সুতা দিয়ে ঝুলিয়ে দিলে এটি যদি ঘর্ষণ এড়িয়ে স্বাধীনভাবে একটি উল্লম্ব তলে দুলতে পারে তবে তাকে সরল দোলক বলে। 

সেকেন্ড দোলক: 
যে দোলকের দোলনকাল দুই সেকেন্ড অর্থাৎ, দোলকের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে যেতে এক সেকেন্ড সময় লাগে তাকে সেকেন্ড দোলক বলে। 

কার্যকরী দৈর্ঘ্য: 
- ঝুলন বিন্দু থেকে ববের ভারকেন্দ্র পর্যন্ত দূরত্বকে সরল দোলকের কার্যকরী দৈর্ঘ্য বলে। 

সরল দোলন গতি: 
- যদি কোনো বস্তুর ত্বরণ একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে এর সরণের সমানুপাতিক এবং সর্বদা ঐ বিন্দু অভিমুখী হয়, তাহলে বস্তুর ঐ গতিকে সরল দোলন গতি বলে। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (শাহজাহান তপন)।
৭০.
চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে কী বলে? 
  1. উপধাতু
  2. ধাতু
  3. অধাতু
  4. খনিজ
ব্যাখ্যা
- চকচকে এবং তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী মৌলকে ধাতু বলে।

পদার্থ: 
- সকল পদার্থ দুই প্রকার মৌলিক পদার্থ দিয়ে গঠিত।
যথা- ধাতু ও অধাতু।
- ধাতু হচ্ছে ক্যালসিয়াম, আয়রন, অ্যালুমিসিয়াম, পটাসিয়াম, সোডিয়াম, সিলভার, গোল্ড, কপার ও জিংক ইত্যাদি। 
- আবার অধাতু হচ্ছে কয়লা (কার্বন), সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি। 
- প্রকৃতিতে প্রায় সকল ধাতু ও অধাতু যৌগিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- তবে কয়লা, সালফার ও অল্প পরিমাণ গোল্ড মৌলিক পদার্থ হিসেবে পাওয়া যায়।
- যে সকল ধাতু ও অধাতু বেশি সক্রিয় তাদের যৌগ বেশি পরিমাণে এবং যে সকল যৌগ কম সক্রিয় তাদের যৌগ কম পরিমাণে প্রকৃতিতে পাওয়া যায়।

- ধাতুর কতগুলো বৈশিষ্ট্য আছে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো - 
• ঘাতসহনীয়তা: ধাতুকে পিটিয়ে বিভিন্ন আকার দেওয়া যায়। 
• নমনীয়তা: ধাতুকে বাঁকানো যায়। 
• উজ্জ্বলতা: ধাতুর আলোক বিচ্ছুরণ বা প্রতিফলন করে বলে এগুলো চকচক করে। 
• পরিবাহিতা: ধাতুসমূহ তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী। 
• ধাতব শব্দ: আঘাত করলে ধাতু টুন টুন শব্দ করে। 
• গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক: ধাতুসমূহের গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক অত্যন্ত বেশি (তবে পারদ সাধারণ তাপমাত্রায় তরল)। 
• ঘনত্ব: অধাতুর চেয়ে ধাতুসমূহের ঘনত্ব বেশি। 

উৎস: রসায়ন প্রথম পত্র, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭১.
বীজ সংরক্ষণের প্রক্রিয়া কখন শুরু হয়? 
  1. রোপণের সময়
  2. ফসল কাটার পর
  3. চারা রোপণের সময়
  4. বীজ উৎপাদনের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

বীজ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া: 
- বীজ উৎপাদন থেকেই বীজ সংরক্ষণের শুরু এবং জমিতে এর বপন বা রোপণের মাধ্যমে বীজ সংরক্ষণ প্রক্রিয়া শেষ। 
- বীজ সংরক্ষণ বলতে বীজের উৎপাদন, শুকানো, প্রক্রিয়াজাতকরণ, মান নিয়ন্ত্রণ, বিপণন যাবতীয় কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করাকেই বোঝায়। 
- বীজ শস্য উৎপাদনের জন্য নিম্নোক্ত বিষয়গুলো মনে রাখা দরকার- 
১) কেবল বীজের জন্যই ফসলের চাষ করা; 
২) নির্বাচিত জমির আশপাশের জমিতে ঐ নির্দিষ্ট বীজ ফসলের অন্য জাতের আবাদ না করা; 
৩) বীজ উৎপাদনের জন্য নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান থেকে বীজ সংগ্রহ করা; 
৪) বীজের চারা বৃদ্ধিকালে জমি থেকে ভিন্ন জাতের গাছ তুলে ফেলা; 
৫) বীজের ক্ষেত ঘন ঘন পরিদর্শন করা যাতে (ক) আগাছা দমন (খ) ভিন্ন জাতের গাছ তোলা ও (গ) রোগবালাই ও পোকা-মাকড়ের উপদ্রব ইত্যাদি সম্পর্কে সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া যায়; 
৬) ফসলের পরিপক্বতার দিকে দৃষ্টি রাখা; 
৭) পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নভাবে ফসল কাটা, মাড়াই করা ও ঝাড়া ইত্যাদি। 

উৎস: কৃষিশিক্ষা, নবম-দশম শ্রেণি।

৭২.
কোনো মাধ্যমের ঘনত্ব ও স্থিতিস্থাপকতা বেশি হলে শব্দের বেগ কী হয়? 
  1. বেড়ে যায়
  2. কমে যায়
  3. ধীরগতি হয়
  4. অপরিবর্তিত থাকে
ব্যাখ্যা
শব্দের বেগের পরিবর্তন: 
- আলোর দ্রুতি শূন্যস্থানে সব সময় 3×108 ms-1 নির্দিষ্ট, কিন্তু শব্দের দ্রুতি সবসময় সমান নয়। 
- 0°C বা 273 K তাপমাত্রায় এবং প্রমাণ বায়ুচাপে, শুষ্ক বাতাসে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
- তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- বাতাসের আর্দ্রতা বাড়লেও শব্দের দ্রুতি বেড়ে যায়। 
- হিসাব করে দেখা গেছে, প্রতি 1°C তাপমাত্রা বাড়লে শব্দের দ্রুতি প্রায় 0.6ms-1 পরিমাণ বেড়ে যায়। 
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়। 
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
যেমন - 
• বায়ু মাধ্যমে শব্দের দ্রুতি 332 ms-1
• পানি মাধ্যমে 1450 ms-1 এবং 
• লোহার মধ্যে 5220 ms-1
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম, তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি। 
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি। 
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৩.
মস জাতীয় উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে কী থাকে? 
  1. স্টোলন
  2. রাইজোম
  3. শিকড়
  4. রাইজয়েড
ব্যাখ্যা
মস: 
- মস জাতীয় উদ্ভিদে কাণ্ড ও পাতা রয়েছে। 
- তবে সাধারণ উদ্ভিদের ন্যায় এদের মূল নেই। 
মস জাতীয় উদ্ভিদে মূলের পরিবর্তে রাইজয়েড থাকে। 
- এরা সবুজ ও স্বভোজী। 
- স্যাঁতসেঁতে জায়গায় এদের দেখা যায়। 
উদাহারণ- Riccia, Antheceros, Semibarbula ইত্যাদি। 

উৎস: বিজ্ঞান, ষষ্ঠ শ্রেণি এবং পরিবেশ শিক্ষা বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৪.
অ্যামিবা (Amoeba proteus) কোন শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত? 
  1. স্তরবিহীন
  2. একস্তরী
  3. দ্বিস্তরী
  4. ত্রিস্তরী
ব্যাখ্যা
ভ্রূণীয় স্তর: 
- ভ্রূণীয় স্তরের উপর ভিত্তি করে প্রাণিজগতকে চার ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা - 
ক) একস্তরী: 
- এরা সরল ধরনের প্রাণী। 
- এদের দেহের কোষসমূহ একটি মাত্র স্তরে সজ্জিত। 
যেমন- স্কাইফা (Scypha gilatinosum)। 

খ) দ্বিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর (Ectoderm) ও অন্তঃস্তর (Endoderm) নামক দুটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে দ্বিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- অরেলিয়া (Aurelia aurita)। 

গ) ত্রিস্তরী: 
- যে সকল প্রাণীর ভ্রূণের কোষগুলো বহিঃস্তর, মধ্যস্তর (Mesoderm) ও অন্তঃস্তর নামক তিনটি স্তরে সাজানো থাকে তাদেরকে ত্রিস্তরী প্রাণী বলে। 
যেমন- মানুষ (Homo sapiens)। 

ঘ) স্তরবিহীন প্রাণী: 
- যে সকল প্রাণীর দেহ একটিমাত্র কোষ দিয়ে গঠিত তাদেরকে স্তরবিহীন প্রাণী বলে। 
যেমন- অ্যামিবা (Amoeba proteus)। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৭৫.
BCD কোডে কোন সংখ্যা পদ্ধতির প্রতিটি অংককে বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়?
  1. বাইনারি
  2. অক্টাল
  3. দশমিক 
  4. হেক্সাডেসিমেল
ব্যাখ্যা
BCD কোডে দশমিক  সংখ্যা পদ্ধতির প্রতিটি অংককে বাইনারিতে রূপান্তর করা হয়।

• বিসিডি (BCD) কোড 
- BCD শব্দ সংক্ষেপটির পূর্ণরূপ হলো Binary Coded Decimal। 
- দশমিক সংখ্যার প্রতিটি অংককে সমতুল্য বাইনারি সংখ্যা দ্বারা প্রকাশ করাকে বিসিডি কোড বলে। 
- দশমিক পদ্ধতির সংখ্যাকে বাইনারি সংখ্যায় প্রকাশের নিমিত্তে এই কোড ব্যবহৃত হয়।
- ০ থেকে ৯ এ দশটি অংকের প্রতিটিকে নির্দেশের জন্য ৪টি বাইনারি অংক প্রয়োজন। 
- ৪টি বিট দ্বারা ২ অর্থাৎ ১৬টি ভিন্ন অবস্থা নির্দেশ করা যায়। 
- তাই ১৬ টি অবস্থা ব্যবহার করে কয়েক প্রকার বিসিডি কোড সম্ভব। 

• যেমন-
- ৮৪২১ বিসিডি কোড যা Natural Binary Coded Decimal (NBCD) কোড নামেও পরিচিত।
- ৭৪২১ বিসিডি কোড
- ৫৪২১ বিসিডি কোড
- ২৪২১ বিসিডি কোড
- Excess-3 কোড ইত্যাদি।
- এ সকল বিসিডি কোডের মধ্যে BCD 8421 কোড বা NBCD কোড বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য এবং বহুল ব্যবহৃত।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৭৬.
IPTV ব্যবহারের জন্য সাধারণত কী প্রয়োজন হয়?
  1. অ্যান্টেনা সংযোগ
  2. অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ
  3. ভিএইচএফ সংযোগ
  4. ইন্টারনেট সংযোগ
ব্যাখ্যা
IPTV ব্যবহারের জন্য সাধারণত ইন্টারনেট সংযোগ প্রয়োজন হয়।

• IPTV

- ইন্টারনেট প্রটোকল টেলিভিশন বা আইপিটিভি (Internet Protocol television-IPTV) হলো ইন্টারনেট প্রটোকল (IP) ব্যবহার করে বিশ্বব্যাপি প্রচারিত বিভিন্ন টিভি চ্যানেল।
- আইপিটিভির সার্ভিসগুলো সাধারণত অর্থের বিনিময়ে গ্রহণ করতে হয়।
- আইপিটিভি এমন এক সিস্টেম, যা দিয়ে ইন্টারনেটে টেলিভিশন সার্ভিস পাওয়া যায়।
- আইপিটিভির সাহায্যে ওয়াইফাই বা ব্রডব্যান্ড কানেকশনের মাধ্যমে টিভি প্রোগ্রাম সম্প্রচার করার সুবিধা দেয়া হচ্ছে।
- আইপিটিভির সাহায্যে লাইভ টিভি দেখার পাশাপাশি রেকর্ড করে রাখা অন্য প্রোগ্রামও দেখা যাবে, টাইম শিফট করা প্রোগ্রাম দেখা যাবে, যে কোনো প্রোগ্রাম আবার প্রথম থেকে চালু করে দেখা যাবে, ফরোয়ার্ড বা রিওয়াইনড করেও প্রোগ্রাম দেখা যাবে এবং ভিডিও অন ডিমান্ড পদ্ধতিতে ক্যাটালগ থেকে বেছে পছন্দসই ভিডিও দেখা যাবে।
- কিছু আইপিটিভি সার্ভিসের মধ্যে রয়েছে-Radient IPTV, Desh IPTV, Peotv, YouTube, Yahoo! বা Yahoo!7, ABC iView ইত্যাদি।
- এই প্রযুক্তির টিভি ওয়েব টিভি নামেও পরিচিতি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান। 
৭৭.
কোন মোডে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপ ডেটা গ্রহণ করতে পারে?
  1. ইউনিকাস্ট
  2. ব্রডকাস্ট
  3. মাল্টিকাস্ট
  4. মাল্টিপ্লেক্স
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) মাল্টিকাস্ট

• মাল্টিকাস্ট (Multicast)
- মাল্টিকাস্ট মোড ব্রডকাস্ট মোডের মতই তবে পার্থক্য হলো মাল্টিকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোডই গ্রহণ করতে পারে না। 
- শুধুমাত্র নির্দিষ্ট একটি গ্রুপের সকল সদস্য গ্রহণ করতে পারে। 
- যেমন ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র যাদের অনুমতি থাকবে তারাই অংশগ্রহণ করতে পারবে।

ডেটা কমিউনিকেশন ব্যবস্থায় প্রেরক থেকে প্রাপকের কাছে ডেটা পাঠানো হয়। প্রাপকের সংখ্যা ও ডেটা গ্রহণের অধিকারের উপর ভিত্তি করে ডেটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলো হলো-
১। ইউনিকাস্ট (Unicast)
২। ব্রডকাস্ট (Broadcast) এবং
৩। মাল্টিকাস্ট (Multicast) |

• ইউনিকাস্ট (Unicast)
- ইউনিকাস্ট ব্যবস্থায় একটি প্রেরক থেকে শুধুমাত্র একটি প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারে। 
- অনেক প্রাপক একসাথে ডেটা গ্রহণ করতে পারে না। 
- এজন্য সিমপ্লেক্স, হাফ-ডুপ্লেক্স ও ফুল-ডুপ্লেক্স মোডকে ইউনিকাস্ট (Unicast) মোডও বলা হয়।

• ব্রডকাস্ট (Broadcast)
- ব্রডকাস্ট মোডে নেটওয়ার্কের কোন একটি নোড (কম্পিউটার, প্রিন্টার বা অন্য কোন যন্ত্রপাতি) থেকে ডেটা প্রেরণ করলে তা নেটওয়ার্কের অধীনস্ত সকল নোড-ই গ্রহণ করে। 
- যেমন টিভি সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে কোন মুভি সম্প্রচার করলে তা সকলেই গ্রহণ করে উপভোগ করতে পারেন। 
- এক্ষেত্রে একটি প্রেরক থেকে নেটওয়ার্কের অধীনস্থ সকল প্রাপকই ডেটা গ্রহণ করতে পারেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৭৮.
 নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. পান্ডা
  2. নরটন
  3. এভাস্ট
  4. ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা
ওয়ার্ম একটি কম্পিউটার ভাইরাস।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।


৭৯.
বারকোড সাধারণত কোথায় দেখা যায়?
  1. কম্পিউটারের স্ক্রিনে
  2. বিভিন্ন পণ্যের গায়ে
  3. ইন্টারনেট ব্রাউজারে
  4. টেলিফোন কল করতে
ব্যাখ্যা
বারকোড সাধারণত বিভিন্ন পণ্যের গায়ে দেখা যায়।

• বারকোড (Barcode): 
- বারকোড হলো মেশিনে তৈরি এক প্রকারের সাংকেতিক কোড। 
- বারকোডকে সোর্স কোডও বলা হয়।
- বিভিন্ন পণ্যের গায়ে কালো কালো কিছু দাগ দেয়া থাকে। এটাই হলো বারকোড। 
- একটি ছোট্ট যন্ত্র কম্পিউটারের সাথে কানেক্ট করা থাকে, যার মধ্য থেকে লাল আলো বের হয়; সেই আলোকে কালো কালো দাগগুলোর উপরে ধরলেই কম্পিউটারে জিনিসটির নাম ও মূল্য চলে আসে। 
- মূলত যাতে বড় কোনো হিসাব করতে ভুল না হয়, সেজন্য বারকোড ব্যবহার করা হয়। 
- বারকোড রিডার নামক যন্ত্র দিয়ে বারকোড পড়া যায়। 
- বেশ কিছু ওয়েবসাইট আছে যাদের মাধ্যমে বারকোড তৈরি করা যায় এবং রিড করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮০.
নিচের কোনটি সাইবার অপরাধ নয়?
  1. স্পুফিং
  2. প্লেজিয়ারিজম
  3. লজিক বম্ব
  4. ফাজি লজিক
ব্যাখ্যা
ফাজি লজিক সাইবার অপরাধ নয়। 

ফাজি লজিক (Fuzzy Logic):

- ফাজি লজিক হলো এক ধরনের লজিক, যা সাধারণ সত্য ও মিথ্যা মানগুলোর চেয়েও বেশি কিছু শনাক্ত করতে পারে।
- ফাজি লজিক দিয়ে প্রশ্ন বা সমস্যাকে সত্য ও মিথ্যার মানে উপস্থাপন করা যায়। 
- ফাজি লজিক এমন একটি যুক্তি ব্যবস্থা যেখানে কোন সমস্যার সমাধান 1 অথবা 0 ছাড়াও আরো বিভিন্ন উপায়ে দেয়া যায়।
- বাইনারি ব্যবস্থায় একটি সমস্যার সমাধান 'হ্যাঁ' অথবা 'না'- এই দু'টি উপায়ে দেয়া যায়। 
- কিন্তু ফাজি লজিক-এ একটি সমস্যার সমাধান দুইয়ের অধিক উপায়ে দেওয়া যায়।

অন্যদিকে, 
বাকি অপশন গুলো সাইবার অপরাধের অন্তর্ভুক্ত।

- স্পুফিং - ভুল তথ্য দিয়ে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করা।
- প্লেজিয়ারিজম - অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করা।
- লজিক বম্ব - ইভেন্ট নির্ভর প্রোগ্রামের মাধ্যমে সিস্টেমে এ্যাটাক করা।

উৎস: ১। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-২, ভোকেশনাল।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৩। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
৮১.
কোনটি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ?
  1. টেলিফোন
  2. মোবাইল
  3. ওয়াকি টকি
  4. রেডিও
ব্যাখ্যা
রেডিও হচ্ছে একটি সিমপ্লেক্স মোডের উদাহরণ।

• সিমপ্লেক্স (Simplex)
- কেবলমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণের মোড বা প্রথাকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। সিমপ্লেক্স মোডে কেবলমাত্র একদিকে ডেটা প্রেরণ করা যাবে। 
- অর্থাৎ এই ব্যবস্থায় ডেটা গ্রহণ অথবা প্রেরণের যে কোন একটি সম্ভব। 
- যে প্রান্ত ডেটা প্রেরণ করবে সে প্রান্ত গ্রহণ করতে পারবে না এবং গ্রহণ প্রান্ত প্রেরণ করতে পারে না। 
- উদাহরণ-রেডিও, টিভি।

অন্যদিকে,
- টেলিফোন, মোবাইল ফুল-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ।
- ওয়াকি টকি হাফ-ডুপ্লেক্স মোডের উদাহরণ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
৮২.
LinkedIn কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০২
  2. ১৯৯৯
  3. ২০০৪
  4. ১৯৯৬
ব্যাখ্যা
LinkedIn ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

• LinkedIn
- এটি বিজনেস অরিয়েন্টেড বা পেশাজীবীদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বা ওয়েব সাইট।
- সামাজিক যোগাযোগের এই সাইটি পেশাজীবিরা নিজেদের দক্ষতা এবং যোগ্যতা দেখানোর জন্য ব্যবহার করে।
- এটি ২০০২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এবং ২০০৩ সালে চালু করা হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা - Reid Hoffman, Eric Ly.
- সদর দপ্তর - Sunnyvale, California.
- CEO - Ryan Roslansky.
- ২০০৫ সালে কোম্পানিগুলোকে চাকরির বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার সুযোগ দেয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৮৩.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. একান্নবত্তী
  2. একান্নবর্তি
  3. একান্নবর্তী
  4. একান্নবর্ত্তী
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?

সমাধান:
শুদ্ধ বানানটি হলো - একান্নবর্তী

এর অর্থ হলো- একসাথে আহার ও বসবাস করে এমন পরিবার বা যৌথ পরিবার। 

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৮৪.
এক ব্যক্তি ঘুরতে বের হয়ে ৪ মাইল উত্তরে গিয়ে এরপর ১২ মাইল পূর্বে যান এবং আবার ১২ মাইল উত্তরে যান। শুরুর স্থান থেকে তিনি কত দূরত্বে আছেন?
  1. ১৬ মাইল 
  2. ১৭ মাইল 
  3. ২০ মাইল 
  4. ২৪ মাইল 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এক ব্যক্তি ঘুরতে বের হয়ে ৪ মাইল উত্তরে গিয়ে এরপর ১২ মাইল পূর্বে যান এবং আবার ১২ মাইল উত্তরে যান। শুরুর স্থান থেকে তিনি কত দূরত্বে আছেন?

সমাধান:

ধরি,
ব্যক্তিটি A স্থান থেকে যাত্রা শুরু করে ৪ মাইল উত্তরে B বিন্দুতে পৌঁছান। 
এরপর B স্থান থেকে ১২ মাইল পূর্বে C বিন্দুতে পৌঁছান। 
আবার C স্থান থেকে ১২ মাইল উত্তরে D বিন্দুতে পৌঁছান।
∴ শুরুর স্থান থেকে তার বর্তমান অবস্থানের দূরত্ব = AD

AB = CE = 4 
BC = AE = 12
DE = DC + CE = 12 + 4 = 16

পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী,
AD2 = DE2 + AE2
⇒ AD2 = 162 + 122
 ⇒ AD2 = 256 + 144
 ⇒ AD2 = 400
 ⇒ AD = 20

৮৫.
যদি 2089147 = THING হয় তবে 1397820 = ?
  1. MILES
  2. LITLE
  3. MIGHT
  4. MOUSE
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি 2089147 = THING হয় তবে 1397820 = ?

সমাধান:
THING শব্দটিতে
20 = T
8 = H
9 = I
14 = N
7 = G

অনুরূপভাবে,
13 = M
9 = I
7 = G
8 = H
20 = T

অর্থাৎ শব্দটি হবে = MIGHT



৮৬.
প্রশ্নবোধক স্থানের জন্য কোন চিত্রটি যথার্থ?
  1. 1
  2. 2
  3. 3
  4. 4
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানের জন্য কোন চিত্রটি যথার্থ?


সমাধান:
প্রশ্নবোধক স্থানের জন্য (4) নং চিত্রটি যথার্থ।

চিত্রের প্রতিটি সারির শেষ আকারটি প্রথম আকারে স্থাপন করলে দ্বিতীয় আকারটি পাওয়া যায়।
অর্থাৎ সম্পূর্ণ চিত্রটি হবে 

৮৭.
নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?
  1. Discernment
  2. Perception
  3. Penetration
  4. Insinuation
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি ব্যতিক্রম?

সমাধান:
প্রদত্ত শব্দগুলোর মধ্যে "Insinuation" শব্দটি ব্যতিক্রম।

"Discernment", "Perception", "Penetration" শব্দত্রয়ের অর্থ হলো উপলব্ধি ক্ষমতা।
অর্থাৎ শব্দগুলো সমার্থক।

অন্যদিকে,
"Insinuation" শব্দটির অর্থ হলো- কটাক্ষপাত।

উৎস: Accessible Dictionary by Bangla Academy.

৮৮.
একটি প্রিন্টার মেশিন দ্বারা সেকেন্ডের এক-তৃতীয়াংশ সময়ে ২ টি কাগজ প্রিন্ট করা যায়। এই হারে ৪ মিনিটে কতগুলো কাগজ প্রিন্ট করা যায়?
  1. ১২৪০ টি
  2. ১৪৪০ টি
  3. ১৪৬০ টি
  4. ১৬৮০ টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি প্রিন্টার মেশিন দ্বারা সেকেন্ডের এক-তৃতীয়াংশ সময়ে ২ টি কাগজ প্রিন্ট করা যায়। এই হারে ৪ মিনিটে কতগুলো কাগজ প্রিন্ট করা যায়?

সমাধান:
৪ মিনিট = (৪ × ৬০) সেকেন্ড = ২৪০ সেকেন্ড

১/৩ সেকেন্ডে কাগজ প্রিন্ট করা যায় = ২ টি
∴ ১ সেকেন্ডে কাগজ প্রিন্ট করা যায় = ২ × ৩ টি
∴ ২৪০ সেকেন্ডে কাগজ প্রিন্ট করা যায় = ২ × ৩ × ২৪০ = ১৪৪০ টি 

৮৯.
"COMMISSION" শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি?
  1. a
  2. b
  3. c
  4. d
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "COMMISSION" শব্দটির পানিতে প্রতিবিম্ব কোনটি?


সমাধান:
সঠিক উত্তর-

অর্থাৎ 

৯০.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 2
  2. 5
  3. 7
  4. 6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
প্রশ্নবোধক স্থানে 2 সংখ্যাটি বসবে।

প্রথম চিত্রে,
(1 + 6 + 5) - (2 + 3 + 4) = 12 - 9 = 3

দ্বিতীয় চিত্রে,
(4 + 8 + 6) - (2 + 0 + 7) = 18 - 9 = 9

তৃতীয় চিত্রে,
(5 + 3 + 3) - (7 + 1 + 1) = 11 - 9 = 2

প্রতিটি বৃত্তের সাথে যুক্ত উপরের তিনটি সংখ্যার যোগফল থেকে নিচের সংখ্যা তিনটির যোগফল বিয়োগ করলে বিয়োগফল হয় বৃত্তের মাঝের সংখ্যাটি। 

৯১.
"SENILE" শব্দটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনটি?
  1. Senate
  2. Old Age 
  3. Incorrigible
  4. Naiad
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "SENILE" শব্দটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কোনটি?

সমাধান:
 "SENILE" শব্দটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ  শব্দ হলো- Old Age.

SENILE শব্দটির অর্থ হলো- বার্ধক্যজনিত শারীরিক ও মানসিক দুর্বলতায় আক্রান্ত; বার্ধক্যজনিত।

অন্যদিকে,
Senate শব্দটির অর্থ হলো- উচ্চতম রাষ্ট্রীয় পরিষদ; গরিষ্ঠসভা।
Incorrigible শব্দটির অর্থ হলো- (ব্যক্তি, তার দোষত্রুটি ইত্যাদি) অশোধনীয়; অশোধ্য; অপ্রতিকার্য। 
Naiad শব্দটির অর্থ হলো- (গ্রিকপুরাণ) জলপরী।

৯২.
খ, ক-এর থেকে খাটো, ক-এর থেকে গ লম্বা, ঘ-এর থেকে গ খাটো। ঙ, গ-এর থেকে খাটো কিন্তু ক-এর থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে?
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: খ, ক-এর থেকে খাটো, ক-এর থেকে গ লম্বা, ঘ-এর থেকে গ খাটো। ঙ, গ-এর থেকে খাটো কিন্তু ক-এর থেকে বড়। সবচেয়ে লম্বা কে?

সমাধান:
ঘ সবচেয়ে লম্বা।

এখানে,
ক > খ
গ > ক
ঘ > গ
গ > ঙ
ঙ > ক

লম্বা থেকে খাটোর ক্রমটি হবে,
ঘ > গ > ঙ > ক > খ

অর্থাৎ সবচেয়ে লম্বা হলো ঘ।

৯৩.
নিচের কোন জেলায় কন্দ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বসবাস রয়েছে?
  1. বান্দরবান
  2. মৌলভীবাজার
  3. কক্সবাজার
  4. রাঙ্গামাটি
ব্যাখ্যা

কন্দ:
- কন্দ বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী।
- এদের আদিনিবাস ভারতের উড়িষ্যা রাজ্য।
- উনিশ শতকের মাঝামাঝিতে কন্দরা চা ও রেল শ্রমিক হিসাবে বাংলাদেশে আসে এবং রেললাইন নির্মাণের কাজে যোগদান করে। রেললাইন নির্মাণ শেষে এদের একাংশ চা বাগানের শ্রমিক হিসেবে এদেশে স্থায়ীভাবে থেকে যায়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলাধীন হরিণছড়া, উদনাছড়া, পুটিয়া ও লাখাউড়া এবং কমলগঞ্জ উপজেলার কুরমাছড়া চা বাগানে কন্দদের দেখা যায়।
- অন্যান্য জনগোষ্ঠীর লোকেরা তাদেরকে স্থানীয়ভাবে কুই নামে অভিহিত করে। আবার কোথাও কোথাও তারা উড়িয়া নামেও পরিচিত।
- তাদের সঙ্গে মধ্যভারতের বিভিন্ন ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠী যেমন ভীল, কোল, মুন্ডা প্রভৃতির সাদৃশ্য বিদ্যমান।
- কন্দ জনগোষ্ঠীর লোকেরা পাঁচটি দলে বিভক্ত। এ দলগুলি ভিন্ন ভিন্ন গোত্র বা বংশে বিভক্ত।
- কন্দ সমাজ পুরুষ প্রধান। পরিবারের পুত্রসন্তানেরাই পারিবারিক সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হয়।
- কন্দরা হিন্দুদের মতই বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করে।
- তাদের নিজেদের ভাষায় এসব দেবদেবীর নামকরণ করা হয়েছে যেমন ময়মুরুবিব, ত্রিনাথ প্রভৃতি। এগুলো কন্দদের পারিবারিক দেবতা।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।

৯৪.
নিচের কোনটি গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা নয়?
  1. পৌরসভা
  2. জেলা পরিষদ
  3. উপজেলা পরিষদ
  4. ইউনিয়ন পরিষদ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা:
- বর্তমান বাংলাদেশে শহুরে ও গ্রামীণ দুই ধরনের স্থানীয় সরকার কার্যকর রয়েছে।
- বাংলাদেশে শহরের জন্য দুই স্তর বিশিষ্ট ও
- পল্লীর জন্য তিন স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে।

⇨ শহর অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা-
- পৌরসভা এবং
- সিটি কর্পোরেশন।

⇨ গ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা -
- ইউনিয়ন পরিষদ,
- উপজেলা পরিষদ এবং
- জেলা পরিষদ।

⇨ এছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে ৩টি জেলা নিয়ে আঞ্চলিক স্থানীয় প্রশাসন রয়েছে। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক আঞ্চলিক পরিষদ-
১. বান্দরবান পাহাড়ী জেলা পরিষদ
২. রাঙ্গামাটি পাহাড়ী জেলা পরিষদ
৩. খাগড়াছড়ি পাহাড়ী জেলা পরিষদ

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৫.
'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন কোন শাসক?
  1. বিম্বিসার
  2. অশোক
  3. কনিষ্ক
  4. বিক্রমাদিত্য
ব্যাখ্যা

অশোক:
- চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পৌত্র এবং বিম্বিসারের পুত্র অশোক ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- পিতার রাজত্বকালে অশোক প্রথম জীবনে উজ্জয়িনীর শাসনকর্তার দায়িত্ব পালন করেন।
- পরে তক্ষশীলায় বিদ্রোহ দেখা দিলে বিন্দুসার তাঁকে সেখানে পাঠান। বিদ্রোহ দমনের পর তিনি তক্ষশীলার শাসনভার গ্রহণ করেন।
- পিতার মৃত্যুর পর ২৭৩ খ্রিস্টপূর্বাব্দে তিনি পাটলিপুত্রের সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- সিংহাসনে আরোহণের চার বছর পর তাঁর অভিষেক অনুষ্ঠিত হয়।
- সিংহাসনে আরোহণ করে অশোক তাঁর পূর্বসুরীদের মতই 'দেবনম পিয়' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি নিজেকে 'দেবনম পিয় পিয় দসী' রূপে পরিচয় দিতেন।
- তিনি তাঁর পূর্বসুরীদের সাম্রাজ্য সম্প্রসারণনীতি অনুসরণ করেন এবং রাজত্বের ত্রয়োদশ বছরে কলিঙ্গ আক্রমণ করে জয় করেন।
- কলিঙ্গ যুদ্ধে প্রচুর মানুষ হতাহত হয়। যুদ্ধের ভয়াবহতা অশোকের মন ও শাসননীতির ওপর গভীর প্রভাব ফেলে। এ যুদ্ধের পর তিনি বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন।
- সামরিক বিজয়ের পরিবর্তে ধর্ম বিজয় অর্থাৎ সৌহার্দ্য, মানবতা ও ভ্রাতৃত্বের মাধ্যমে অপরের প্রীতি অর্জনকেই প্রকৃত বিজয় বলে তিনি মনেপ্রাণে গ্রহণ করেন।
- তিনি ঘোষণা করেন সব মানুষই তাঁর সন্তান। তাদের জাগতিক ও পারলৌকিক সুখ নিশ্চিত করাই ছিল তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য।
- প্রায় ৪০ বছর রাজত্বের পর ২৩২ খ্রিস্টপূর্বাব্দে মহামতি অশোক মৃত্যুবরণ করেন।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস, এস এস এইচ এল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৯৬.
BADC এর প্রধান কাজ কী?
  1. কৃষি গবেষণায় নেতৃত্ব প্রদান
  2. সেচ প্রকল্প বাস্তবায়ন
  3. কৃষি উপকরণ সরবরাহ
  4. কৃষি ঋণ বিতরণ
ব্যাখ্যা

BADC:
- বাংলাদেশের প্রধান সরকারি বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান হলো বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC)।
- এটি কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
- এর অংশ হিসেবে BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
- ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে।
- এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র - BADC ওয়েবসাইট।

৯৭.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে 'রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি' এর উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৫০
  2. অনুচ্ছেদ ৫১
  3. অনুচ্ছেদ ৫২
  4. অনুচ্ছেদ ৫৩
ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ:
​- অনুচ্ছেদ ৫০ - রাষ্ট্রপতি-পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫১ - রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- অনুচ্ছেদে ৫২ - রাষ্ট্রপতির অভিশংসনের বিষয়টি সংবিধানে উল্লেখ করা হয়েছে।
- অনুচ্ছেদ ৫৩ - অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির অপসারণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৪ - অনুপস্থিতি প্রভৃতির-কালে রাষ্ট্রপতি-পদে স্পীকার।
- অনুচ্ছেদ ৫৫ - মন্ত্রিসভা।
- অনুচ্ছেদ ৫৬ - মন্ত্রিগণ।
- অনুচ্ছেদ ৫৭ - প্রধানমন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৮ - অন্যান্য মন্ত্রীর পদের মেয়াদ।
- অনুচ্ছেদ ৫৯ - স্থানীয় শাসন।
- অনুচ্ছেদ ৬০ - স্থানীয় শাসন-সংক্রান্ত প্রতিষ্ঠানের ক্ষমতা।

​তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৯৮.
উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকে গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপনকারী ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত কোন রাজনৈতিক সদস্য ছিলেন?
  1. মুসলিম লীগ
  2. কৃষক প্রজা পার্টি
  3. স্বরাজ দল
  4. কংগ্রেস
ব্যাখ্যা

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত:
- উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ১৮৮৬ সালের ২ নভেম্বর (১২৯৩ বাংলা সালের ১৬ কার্তিক) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের উত্তরে রামরাইল গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পিতা জগবন্ধু দত্ত ছিলেন মুনসেফ কোর্টের সেরেস্তাদার।
- তিনি ১৯০৪ সালে নবীনগর হাই স্কুল হতে প্রবেশিকা, ১৯০৮ সালে কলকাতা রিপন কলেজ হতে বি.এ এবং ১৯১০ সালে একই কলেজ হতে বি.এল পরীক্ষা পাস করেন।
- ১৯১১ সালে তিনি কুমিল্লা জেলা বারে যোগদান করেন।
- তিনি ১৯০৭ সালে ত্রিপুরা হিতসাধনী সভা'র সেক্রেটারি নির্বাচিত হন।
- ১৯৪৮ সালে গণপরিষদের অধিবেশনে কংগ্রেস দলীয় সদস্য ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত উর্দু ও ইংরেজির পাশাপাশি বাংলাকেও গণপরিষদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ব্যবহারের দাবি উত্থাপন করেন।
- ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।
- ১৯৫৬ সালের সংবিধানে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্ৰেণী ও বাংলাপিডিয়া।

৯৯.
ভোমরা স্থলবন্দর কোন জেলায় অবস্থিত?
  1. শেরপুর
  2. লালমনিরহাট
  3. যশোর
  4. সাতক্ষীরা
ব্যাখ্যা

ভোমরা স্থলবন্দর:
- ভোমরা স্থলবন্দর সাতক্ষীরা সদর উপজেলাধীন ভোমরা সীমান্তে অবস্থিত।
- ভোমরা স্থলবন্দরের বিপরীতে ভারতীয় অংশে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের চব্বিশ পরগণা জেলার গোজাডাঙ্গা সীমান্ত অবস্থিত।
- এটি বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যকার চেকপয়েন্ট ও গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর।
- স্থলপথে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সহজতর করার লক্ষ্যে এটি যথাক্রমে ১২-০১-২০০২ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দর ঘোষণা এবং ১৯-০৫-২০১৩ খ্রিঃ তারিখে স্থলবন্দরের অপারেশনাল কার্যক্রম শুরু হয়।
- রাজধানী হতে ভোমরা স্থলবন্দরের দূরত্ব প্রায় ২৮৫ কিঃমিঃ এবং কোলকাতার দূরত্ব প্রায় ৬০ কিঃমিঃ।

​স্থলবন্দরের নাম ও অবস্থান:
- হিলি স্থলবন্দর: হাকিমপুর, দিনাজপুর।
- বেনাপোল স্থলবন্দর: বেনাপোল, শার্শা, যশোর।
- বুড়িমারী স্থলবন্দর: পাটগ্রাম, লালমনিরহাট।
- আখাউড়া স্থলবন্দর: আখাউড়া, বাহ্মনবাড়িয়া।
- নাকুগাঁও স্থলবন্দর: নালিতাবাড়ী, শেরপুর।
- তামাবিল স্থলবন্দর: গোয়াইনঘাট সিলেট।
- সোনাহাট স্থলবন্দর: ভুরুঙ্গামারী, কুড়িগ্রাম।
- দর্শনা স্থলবন্দর: দামুরহুদা, চুয়াডাঙ্গা।
- বিলোনিয়া স্থলবন্দর: বিলোনিয়া, ফেনী।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

১০০.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, নারী সাক্ষরতার হার কত?
  1. ৭০.৩২%
  2. ৭১.৮৯%
  3. ৭২.৯৪%
  4. ৭৩.৫১%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

​জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:

​- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- নারী সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

​তথ্যসূত্র - পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

১০১.
সুপ্রিম কোর্টকে কী বলা হয়?
  1. সংবিধান আদালত
  2. কোর্ট অব রেকর্ড
  3. কোর্ট অব জাস্টিস
  4. কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুপ্রিম কোর্টকে ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলা হয়।

সুপ্রিম কোর্ট:
- সুপ্রিম কোর্ট বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত।
- সুপ্রিম কোর্ট বিচার বিভাগের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষা আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে থাকে।
- প্রধান বিচারপতি ও রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিয়োগকৃত নির্ধারিত সংখ্যক বিচারপতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট গঠিত।
- সুপ্রিম কোর্ট দেশের সর্বোচ্চ আদালত হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগ ও আপীল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট প্রধান বিচারপতি ও প্রত্যেক বিভাগের বিচারপতিদের সমন্বয়ে গঠিত হয়।
- এসকল বিচারকবৃন্দ বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ স্বাধীন।
- বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪ নং ধারা অনুযায়ী প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদেরকে নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পাদন করে থাকেন।

তথ্যসূত্র - পৌরনীতি ও সুশাসন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০২.
মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা ছিলেন কে?
  1. ফৌজদার
  2. শিকদার
  3. সুবাহদার
  4. ওয়াজির
ব্যাখ্যা

মুঘল যুগের প্রশাসনিক ব্যবস্থা:
- মুঘল শাসনব্যবস্থা এক-কেন্দ্রিক ও স্বৈরতন্ত্রী হলেও জনকল্যাণকামী ছিল।
- এই শাসনব্যবস্থা ছিল প্রধানত সামরিক শক্তি নির্ভর।
- একমাত্র সদর ও কাজী ছাড়া অন্যসব কর্মচারিকে সামরিক দায়িত্ব পালন করতে হত।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থার মূল ভিত্তি রচিত হয় তুর্কি-পারস্য শাসন ব্যবস্থার অনুকরণে।
- মুঘলরা একটি শক্তিশালী কেন্দ্রীয় শাসন ব্যবস্থার পাশাপাশি স্থানীয় প্রাদেশিক শাসন কাঠামোও গড়ে তুলেছিল।
- মুঘল শাসন ব্যবস্থায় রাষ্ট্রের সর্বময় ক্ষমতার উৎস ছিলেন 'পাদশাহ' বা সম্রাট।
- তিনি একাধারে রাষ্ট্রীয় প্রধান, সামরিক প্রধান এবং প্রধান বিচারক হিসেবে রাজ্য পরিচালনা ও প্রশাসন নিয়ন্ত্রণ করতেন।
- সম্রাটের পরই প্রধানমন্ত্রী বা ওয়াজিরের স্থান ছিল।
- বিশাল মুঘল সাম্রাজ্যের সুষ্ঠু শাসনের জন্য সমগ্র সাম্রাজ্যকে কতগুলো 'সুবাহ' বা প্রদেশে ভাগ করা হয়েছিল।
- সুবাহদার ছিলেন সুবাহর প্রধান কর্ম নির্বাহক।
- মুঘল আমলে প্রতিটি প্রদেশ কয়েকটি সরকার বা জেলায় এবং প্রতিটি সরকার কয়েকটি পরগনায় বিভক্ত ছিল।
- ফৌজদার ছিলেন সরকারের প্রধান নির্বাহীকর্তা।
- শিকদার ছিলেন পরগণার প্রধান নির্বাহীকর্তা।

তথ্যসূত্র - ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০৩.
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুযায়ী, মোট মৎস্য উৎপাদনে ইলিশের পরিমাণ কত শতাংশ?
  1. ৯.৩১%
  2. ১০.৫৫%
  3. ১১.২৩%
  4. ১২.৭৯%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

​মৎস্য উৎপাদন:

- মোট মৎস্য উৎপাদনের পরিমাণ: ৫০,১৮,৪৮৩ মে.টন।
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।
- লোনা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৬,২৮,৬২৩ মে.টন।
• ইলিশ - ১০.৫৫%।
• চিংড়ি - ৫.১৯%।
• মেজরকার্প (রুই, কাতলা, মৃগেল) - ২২.৬৪%।
• এক্সটিককার্প (সিলভারকার্প, গ্রাসকার্প, ইত্যাদি) - ১১.৩০%।
• অন্যান্যকার্প (কালিবাউস, বাটা, ঘনিয়া) - ৩.১৩%।
• তেলাপিয়া - ৮.৭৬%।

মিঠা পানির মাছ উৎপাদন:
- মিঠা পানিতে উৎপাদনের পরিমাণ: ৪৩,৮৯,৮৬০ মে.টন।

শীর্ষ জেলা:
১. ময়মনসিংহ - ৩,৪৫,০০১ মেট্রিক টন।
২. কুমিল্লা - ৩,১৫,৪৫৭ মেট্রিক টন।
৩. যশোর - ২,৪৮,০৮৯ মেট্রিক টন।

শীর্ষ বিভাগ:
১. চট্টগ্রাম - ৮,৮০,৭৯৭ মেট্রিক টন।
২. খুলনা - ৮,২২,৩৬১ মেট্রিক টন।
৩. রাজশাহী - ৫,৭৬,৮৩০ মেট্রিক টন।

তথ্যসূত্র - কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

১০৪.
সংবিধানে প্রস্তাবনার প্রথম ভাগে কী ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. গণপরিষদে গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা
  2. সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা
  3. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা
  4. মূলনীতি গ্রহণ
ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা:
- সংবিধান গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- তফসিল আছে ৭টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।
- বাংলাদেশের সংবিধানে ১টি প্রস্তাবনা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে প্রস্তাবনার ৫টি ভাগ রয়েছে।
১ম- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা।
২য়- মূলনীতি গ্রহণ (অঙ্গীকার)।
৩য়- শোষণমুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠা (অঙ্গীকার)।
৪র্থ- সংবিধানের প্রাধান্য অক্ষুন্ন রাখা (ঘোষণা)।
৫ম- গণপরিষদে সংবিধান গৃহীত হওয়ার নিশ্চয়তা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১০৫.
জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অনুযায়ী, বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP) জিডিপির কত শতাংশ?
  1. ৩.২%
  2. ৩.৭%
  3. ৪.১%
  4. ৪.৫%
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

​জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬:

- বাজেটের ক্রম: ৫৪তম (অন্তবর্তীকালীনসহ ৫৫তম)।
- বাজেটের শিরোনাম: 'বৈষম্যহীন ও টেকসই অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গড়ার প্রত্যয়'।
- বাজেট উত্থাপনকারী: ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ (অর্থ উপদেষ্টা)।
- বাজেট উত্থাপন: ২ জুন, ২০২৫।
- অনুমোদন হয় : ২২ জুন, ২০২৫।
- কার্যকর হয়: ১ জুলাই, ২০২৫।
- জিডিপির আকার: ৬২ লাখ ৪৪ হাজার ৫৭৮ কোটি টাকা।
- জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার: ৫.৫%।
- বাজেটের আকার: ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান ব্যতিত বাজেট ঘাটতি: ২ লাখ ২৬ হাজার কোটি টাকা।
- অনুদান সহ বাজেট ঘাটতি: ২,২১,০০০ কোটি টাকা।
- সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট): জনপ্রশাসন।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- অনুন্নয়ন (পরিচালন) বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ প্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচী (ADP): ২ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা (জিডিপির ৩.৭%)।
- উন্নয়ন বাজেটে বরাদ্দের পরিমাণ: ২,৪৫,৬০৯ কোটি টাকা।
- অনুমিত মুদ্রাস্ফীতির হার: ৬.৫%।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬।

১০৬.
মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম কী?
  1. সোহরাই
  2. সাংগ্রাই
  3. বিহু
  4. বাইসু
ব্যাখ্যা

মারমা:
- মারমা বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী।
- এই জনগোষ্ঠীর জনগণের অধিকাংশই বাংলাদেশের তিনটি পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং খাগড়াছড়িতে বসবাস করে।
- তারা মঙ্গোলয়েড বর্ণগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- তাদের নিজস্ব ভাষা রয়েছে।
- এই ভাষা ‘ভোট বর্মী’ শাখার বর্মী দলভুক্ত একটি ভাষা।
- মারমারা মূলত বৌদ্ধ ধর্মালম্বী।
- মারমাদের সবচেয়ে বড় উৎসব সাংগ্রাই।
- মারমা জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ উৎসবের নাম ‘সাংগ্রাই’।
- মারমা সম্প্রদায়ের মধ্যে তিন স্তরবিশিষ্ট প্রথাগত রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা বিদ্যমান।
- গ্রাম পর্যায়ের প্রশাসনিক প্রধান হলেন একজন কারবারি।
- মৌজা পর্যায়ের প্রধান হলেন একজন হেডম্যান।
- সার্কেল প্রধান হলেন রাজা।
- গ্রামের কারবারি মৌজার হেডম্যান এবং সার্কেল প্রধানের মূল দায়-দায়িত্ব হলো জুম ট্যাক্স সংগ্রহ করা।

উল্লেখ্য,
- সাংগ্রাই রাখাইন জনগোষ্ঠীর বর্ষবরণ ও প্রধান উৎসব।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও দৈনিক কালের কন্ঠ, ০৪ এপ্রিল, ২০১৭।

১০৭.
নূন্যতম সদস্য উপস্থিত না থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন?
  1. ৫০ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৭০ জন
  4. ৮০ জন
ব্যাখ্যা

জাতীয় সংসদ:
- জাতীয় সংসদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা।
- দেশের সংবিধানের বিধানাবলি সাপেক্ষে আইন প্রণয়ন ক্ষমতা এ সংসদের ওপর ন্যস্ত।
- প্রতি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি ভোটে নির্বাচিত ৩০০ সদস্য সমন্বয়ে জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
- সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীতে (২০১১) মহিলা আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়।
- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি।
- জাতীয় সংসদের মেয়াদ ৫ বছর।
- সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহবান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের কার্য পরিচালনার জন্য কোরাম থাকতে হয়।
- অধিবেশনে কোরামের জন্য ন্যূনতম ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন।
- বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ নং অনুচ্ছেদে কোরাম সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- সংবিধান অনুযায়ী কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কাজ চলবে অর্থাৎ ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কোরাম হবে।
- ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত থাকলে স্পিকার সংসদের অধিবেশন স্থগিত রাখেন।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া ও বাংলাদেশের সংবিধান।

১০৮.
জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত কোনটি?
  1. ব্রি ধান ৪৩
  2. ব্রি ধান ৫৫
  3. ব্রি ধান ৬২
  4. ব্রি ধান ৭৯
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত জাত:
- জিংক সমৃদ্ধ ধানের জাত হলো: ব্রি ধান ৬২ , ব্রি ধান ৬৪, ব্রি ধান ৭২, ব্রি ধান ৭৪, ব্রি ধান ৮৪।
- খরা সহিষ্ণু ধানের জাত সমূহ হলো: ব্রি ধান ৪৩, ব্রি ধান ৫৫, ব্রি ধান ৫৬, ব্রি ধান ৫৭, ব্রি ধান ৬৬, ব্রি ধান ৭১ ও ব্রি ধান ৮৩।
- এন্টি অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ ধানের জাত: বিআর ৫।
- লো জিআই বা নিম্ন গ্লাইসেমিক ইনডেক্স গুণ সম্পন্ন ধানের জাত: বিআর ১৬, ব্রি ধান ৪৬, ব্রি ধান ৬৯।
- জলমগ্নতা সহিষ্ণু ধানের জাত: ব্রি ধান ৫১, ব্রি ধান ৫২, ব্রি ধান ৭৯।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

১০৯.
অষ্টম সংশোধনীর মাধ্যমে বিচার বিভাগের কোন পরিবর্তন আনা হয়?
  1. রাষ্ট্রপতির অধীনে হাইকোর্ট আনা
  2. আপিল বিভাগ বাতিল
  3. ঢাকার বাইরে হাইকোর্টের ছয়টি বেঞ্চ স্থাপন
  4. সুপ্রিম কোর্ট বাতিল
ব্যাখ্যা

৮ম সংশোধনী:
- ১৯৮৮ সালে এই সংশোধনী পাশ হয়।
- ১৯৮৯ আপীল বিভাগ হাইকোর্টের বেঞ্চ স্থাপন সংক্রান্ত ধারাটি অসাংবিধানিক উল্লেখ করে তা অবৈধ বলে রায় প্রদান করে।
- অষ্টম সংবিধান সংশোধন আইন দ্বারা সংবিধানের ২ক, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
এই সংশোধনী আইনবলে-
১. ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়।
২. ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
৩. সংবিধানের ৫ অনুচ্ছেদে Bengali শব্দটি পরিবর্তন করে Bangla করা হয় এবং Dacca পরিবর্তন করে Dhaka করা হয়।
৪. সংবিধানের ৩০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া এদেশের কোনো নাগরিক কর্তৃক কোনো বিদেশী রাষ্ট্রের প্রদত্ত কোনো খেতাব, সম্মাননা, পুরস্কার গ্রহণ নিষিদ্ধ করা হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১১০.
বর্তমানে প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা -
  1. ৪০০০০০ টাকা
  2. ৪৭৫০০০ টাকা
  3. ৫০০০০০ টাকা
  4. ৫৫০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা

[এই প্রশ্নের তথ্য পরিবর্তনশীল। অনুগ্রহ করে সাম্প্রতিক তথ্য দেখে নিন। সাম্প্রতিক আপডেট তথ্য জানার জন্য Live MCQ ডাইনামিক ইনফো প্যানেল, সাম্প্রতিক সমাচার বা অথেনটিক সংবাদপত্র দেখুন।]

​করমুক্ত আয় সীমা:

- বর্তমানে সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৩৫০০০০ টাকা।
- নারী ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪০০০০০ টাকা।
- প্রতিবন্ধী ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।
- গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের করমুক্ত আয় সীমা: ৫০০০০০ টাকা।
- তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা: ৪৭৫০০০ টাকা।

উল্লেখ্য:
- ২০২৬-২৭ অর্থবছর ও ২০২৭-২৮ অর্থবছর এ সাধারণ ব্যক্তির করমুক্ত আয় সীমা হবে ৩৭৫০০০ টাকা।

তথ্যসূত্র - জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।

১১১.
একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড় কে? 
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ
ব্যাখ্যা

বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি:
- বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে প্রথম সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
- ২০১৫ সালে ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করেন তিনি।
- দুটি সেঞ্চুরি আছে সাকিব আল হাসানের, একটি মুশফিকুর রহিমের।
- ২০২৩ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি করেন মাহমুদউল্লাহ।
- মুম্বাইতে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে তিনি খেলেছিলেন ১১১ রানের ইনিংস। ওই সেঞ্চুরিতে একাধিক রেকর্ডের মালিক হন তিনি।
- প্রোটিয়াদের বিপক্ষে শতকটি ছিল বিশ্বমঞ্চে তার তৃতীয়।
- একাধিক বিশ্বকাপে সেঞ্চুরি করা বাংলাদেশের প্রথম খেলোয়াড়ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।

তথ্যসূত্র - ক্রিক ইনফো ওয়েবসাইট ও ডেইলি স্টার, ১১ নভেম্বর, ২০২৩।

১১২.
বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. আমির গার্মেন্টস লিমিটেড
  2. রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড
  3. বৈশাখী গার্মেন্টস লিমিটেড
  4. বন্ড গার্মেন্টস লিমিটেড
ব্যাখ্যা

⇒ বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান 'রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড'।

বাংলাদেশের প্রথম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক:
- বাংলাদেশের সবচেয়ে সফল শিল্প খাত হচ্ছে তৈরি পোশাক।
- বর্তমানে মোট রপ্তানির ৮০ শতাংশের বেশি এই খাতটি থেকেই আসে।
- ১৯৭৮ সালের ২৮ জুলাই রিয়াজউদ্দিন ফরাসি ক্রেতা হল্যান্ডার ফ্রঁসের কাছে দশ হাজার শার্ট রপ্তানি করেন।
- স্বাধীনতার পর রিয়াজউদ্দিন ব্যবসা শুরু করেন, ১৯৭৩ সালে তিনি এর নাম দেন রিয়াজ গার্মেন্টস লিমিটেড এবং স্বাধীন বাংলার প্রথম তৈরি পোশাক কারখানা হিসেবে স্বীকৃতি পান।
- ২৮ জুলাই, ১৯৭৮ সালে রিয়াজউদ্দিন ১০ হাজার রিয়াজ শার্ট ফরাসি ক্রেতা হলান্ডার ফ্রঁসের কাছে রপ্তানী করলেন।
- শার্টের ওই চালানের ফরাসী মুদ্রায় দাম ছিল ১৩ মিলিয়ন ফ্রা, বাংলাদেশী টাকায় যা ছিল ৪ লাখ ২৭হাজার টাকা।
- সেটিই ছিল বাংলাদেশ থেকে প্রথম পোশাক রপ্তানি।
- ১৯৯৮ সালে গাজীপুরের বোর্ডবাজারে তৈরি হয় পাঁচ হাজার শার্ট তৈরির ক্ষমতাসম্পন্ন রিয়াজ এক্সপোর্ট অ্যাপারেল।

তথ্যসূত্র - দৈনিক প্রথম আলো ও বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড।

১১৩.
'ওরাকল বোন' (Oracle Bones) কোন প্রাচীন সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. হিট্টাইট সভ্যতা
  2. মায়া সভ্যতা
  3. চীনা সভ্যতা
  4. গ্রিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা

- প্রাচীন চীনে ভাগ্যগণনা এবং রেকর্ড রাখার জন্য হাড়ের উপর লেখা হতো, এটা 'ওরাকল বোন' নামে পরিচিত। প্রত্নতাত্ত্বিকরা এর মাধ্যমে প্রাচীন চীনা লিখন পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন। 

চৈনিক সভ্যতা:
- প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা পৃথিবীর অন্যতম প্রাচীন এবং ধারাবাহিকভাবে বিকশিত সংস্কৃতি হিসেবে বিবেচিত।
- প্রায় ৪০০০ বছর পূর্বে, অর্থাৎ খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে, চীনের হোয়াংহো ও ইয়াংসিকিয়াং নদীর তীরে এই সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- নদীগুলোর উর্বর তীরভূমি এবং পানির সহজলভ্যতা কৃষিভিত্তিক জীবনব্যবস্থার বিকাশে সহায়তা করে, যার ফলে সমাজ ও শাসনব্যবস্থার একটি দৃঢ় ভিত্তি স্থাপিত হয়। চীনের তিনটি অঞ্চল—হোয়াংহো নদী তীর, ইয়াংসিকিয়াং নদী তীর, এবং দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে—এই সভ্যতার বিস্তৃত প্রভাব পড়ে।

উল্লেখ্য,
- চৈনিক সভ্যতা কখনো পুরোপুরি ধ্বংস হয়নি; বরং এটি আজ পর্যন্ত সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। শাং (Shang) ও জোও (Zhou) রাজবংশের শাসনামলে সভ্যতার ভিত দৃঢ় হয় এবং সমাজ, প্রশাসন ও ধর্মীয় রীতিনীতির গুরুত্বপূর্ণ বিকাশ ঘটে।

সূত্র: হিস্টরি.কম ও এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

১১৪.
ফরাসি বিপ্লবের সময় 'থার্ড এস্টেট' বলতে কাদের বোঝানো হতো?
  1. অভিজাত শ্রেণি 
  2. রাজা ও তার পরিবার
  3. সাধারণ মানুষ
  4. ভিক্ষুক শ্রেণি
ব্যাখ্যা

- ফরাসি সমাজে 'থার্ড এস্টেট' ছিল সুবিধা বঞ্চিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সাধারণ মানুষ, তাদের উপর করের বোঝা চাপানো হতো কিন্তু কোনো রাজনৈতিক অধিকার ছিল না।

ফ্রান্সে ফরাসি বিপ্লব:
- সময়কাল- ১৭৮৯-১৭৯৯ সাল পযর্ন্ত।
- স্লোগান - স্বাধীনতা, সাম্য, ভ্রাতৃত্ব।
- ফরাসি বিপ্লবের সময়ে ফ্রান্সের রাজা ছিলেন - ষোড়শ লুই।
- ফরাসি বিপ্লবের শিশু বলা হয় - নেপোলিয়ানকে।
- বাস্তিল দূর্গের আক্রমনের মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের সূচনা হয়।
- দার্শনিক রুশো ও ভলতেয়ার লেখনির মাধ্যমে ফরাসি বিপ্লবের অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিলেন।
- ফরাসি বিপ্লবের শুরু হয় বাস্তিল দূর্গের পতনের মাধ্যমে - ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও পত্রিকা রিপোর্ট।

১১৫.
কোন যুদ্ধে ডমিনো তত্ত্ব ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করা হয়েছিল?
  1. উপসাগরীয় যুদ্ধ
  2. কোরিয়ান যুদ্ধ
  3. ভিয়েতনাম যুদ্ধ
  4. আফগান যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

- ভিয়েতনাম যুদ্ধ-এ যুক্তরাষ্ট্র ডমিনো তত্ত্ব ব্যাপকভাবে প্রয়োগ করেছিল।

ডমিনো তত্ত্ব:
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- ডমিনো তত্ত্বে বলা হয়েছে, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ এবং স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করেছিল।
- তিনি এন্টি-কমিউনিস্ট দক্ষিণ ভিয়েতনাম সরকারকে সহায়তা করেন।
- ডমিনো তত্ত্বটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার জন্য প্রযোজ্য ছিল।
- ১৯৫০ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র তত্ত্বটি প্রচার করেছিল।

সূত্র: আন্তর্জাতিক রাজনীতিকোষ, তারেক শামসুর রেহমান।

১১৬.
অটোয়া চুক্তির মূল উদ্দেশ্য কী?
  1. স্থলমাইন নিষিদ্ধকরণ
  2. পারমাণবিক অস্ত্র সীমিতকরণ
  3. রাসায়নিক অস্ত্র নিষিদ্ধকরণ
  4. জৈব অস্ত্র ধ্বংস
ব্যাখ্যা

অটোয়া চুক্তি: 
- অটোয়া চুক্তি ১৯৯৭ সালে স্থলমাইনের উৎপাদন, ব্যবহার ও মজুদ নিষিদ্ধকরণের লক্ষ্যে গৃহীত হয়েছিল।
- ১৯৯৭ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর কানাডার অটোয়ায় এই চুক্তি গৃহীত হয় এবং
- এটি ১ মার্চ ১৯৯৯ সালে কার্যকর হয়।
- এই চুক্তির মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ স্থলমাইন ব্যবহারের বিরুদ্ধে সম্মত হয়।
- বাংলাদেশ ৭ মে ১৯৯৮ সালে অটোয়া চুক্তিতে স্বাক্ষর করে এবং ৬ সেপ্টেম্বর ২০০০ সালে এটি কার্যকর করে।
- বর্তমানে ১৬৪টি দেশ এই চুক্তির অংশীদার।

সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

১১৭.
কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিভিন্ন দেশের 'ভ্যাকসিন কূটনীতি' (Vaccine Diplomacy) কোন ধরনের ক্ষমতার প্রয়োগ?
  1. হার্ড পাওয়ার  
  2. সফট পাওয়ার 
  3. শার্প পাওয়ার 
  4. স্ট্রাকচারাল পাওয়ার  
ব্যাখ্যা

- ভ্যাকসিন কূটনীতির মাধ্যমে ভারত ও চীনের মতো দেশগুলো অন্য দেশকে ভ্যাকসিন সহায়তা দিয়ে তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এবং ভূ-রাজনৈতিক প্রভাব বাড়াতে চেয়েছে, এটি সফট পাওয়ারের একটি আধুনিক উদাহরণ।

সফট পাওয়ার (Soft Power): 
- কোভিড-১৯ মহামারীর সময় বিভিন্ন দেশের ‘ভ্যাকসিন কূটনীতি’ মূলত সফট পাওয়ার (Soft Power) এর একটি উদাহরণ।
- সফট পাওয়ার হলো অন্যকে জবরদস্তি বা চাপ প্রয়োগ না করে, আকর্ষণ এবং বিশ্বাসের মাধ্যমে প্রভাব বিস্তারের ক্ষমতা।
- ভ্যাকসিন সরবরাহ বা স্বাস্থ্যসেবায় সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে দেশগুলো নিজেদের রাজনৈতিক এবং নৈতিক মূল্যবোধের প্রতি আস্থা তৈরি করে। 
- এটি সরাসরি সামরিক বা অর্থনৈতিক শক্তি ব্যবহার করে প্রভাব বিস্তারের পরিবর্তে আকর্ষণ ও বিশ্বাসের ভিত্তিতে সম্পর্ক গড়ে তোলে। উদাহরণস্বরূপ, চীন ও ভারত মহাদেশের বিভিন্ন দেশে ভ্যাকসিন পাঠিয়েছে, এটি তাদের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তিকে উন্নত করেছে। সফট পাওয়ার দীর্ঘমেয়াদে স্থায়ী প্রভাব সৃষ্টি করে। 

এছাড়াও, 
হার্ড পাওয়ার (Hard Power):
- হার্ড পাওয়ার হলো জবরদস্তি, সামরিক হুমকি বা অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে অন্যকে বাধ্য করা। 

সূত্র: পত্রিকা রিপোর্ট। 

১১৮.
কোন দেশে ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত হয়?
  1. নরওয়ে
  2. সুইডেন
  3. ডেনমার্ক
  4. জার্মানি
ব্যাখ্যা

- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত হয় সুইডেনে।

Fridays for future:
- ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূত্রপাত করেন সুইডেনের গ্রেটা থুনবার্গ।
- তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ২০১৮ সালে স্কুলে না গিয়ে সুইডিশ পার্লামেন্ট ভবনের সামনে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সচেতনতামূলক অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন।
- তার এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগ বিশ্বজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন তোলে এবং অন্যান্য শিক্ষার্থীরাও এতে অনুপ্রাণিত হয়ে অংশ নেয়।
- ফলে এটি একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী আন্দোলনে রূপ নেয়।
- আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সরকারগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করা।
- এভাবেই ‘Fridays for Future’ আন্দোলনের সূচনা ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।

সূত্র: Fridays For Future ওয়েবসাইট ও দৈনিক প্রথম আলো।

১১৯.
'ক্রুসেড' কীসের জন্য পরিচালিত হয়েছিল?
  1. ভ্যাটিকান পুনরুদ্ধার করার জন্য
  2. বাইজেন্টাইন সাম্রাজ্যকে পুনরুদ্ধার করার জন্য 
  3. জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করার জন্য
  4. ইউরোপে খৃষ্ট ধর্ম পুনরুদ্ধার করার জন্য
ব্যাখ্যা

- ১১শ শতাব্দীর শেষের দিকে, ক্যাথলিক চার্চ জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করার জন্য জন্য সামরিক অভিযান বা ক্রুসেডের অনুমোদন দিতে শুরু করে। ক্রুসেডাররা বিশ্বাস করত যে তাদের এই সেবা তাদের পাপমোচন করবে এবং স্বর্গে স্থান নিশ্চিত করবে।

ক্রুসেড (Crusade):
- বাংলায় হচ্ছে ধর্মযুদ্ধ।
- প্রথম ক্রুসেড বা ধর্মযুদ্ধ শুরু হয় ১০৯৬ সালে।
- মুসলমানদের হাত থেকে জেরুজালেম মুক্ত করার জন্য খ্রিস্টানরা ১০৯৬ সাল থেকে ১২৭১ সাল পর্যন্ত সময়ে বারংবার যে-অভিযান চালায়, তা-ই ইতিহাসে ক্রুসেড নামে খ্যাত।
- মোট আটবার পরিচালিত, প্রথম ক্রুসেড অভিযান পরিচালনা করেন গডফ্রে।
- প্রধানত, ইউরোপ থেকেই ক্রুসেড অভিযানসমূহ প্রেরণ করা হয়।

সূত্র: রাজনীতিকোষ - হারুনুর রশীদ।

১২০.
এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গেল [Emerald Triangle] কোন দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দপূর্ণ স্থান?
  1. ভারত – পাকিস্তান
  2. লাওস – ভিয়েতনাম
  3. থাইল্যান্ড – কম্বোডিয়া
  4. ইরান – ইরাক 
ব্যাখ্যা

Emerald Triangle অঞ্চলটি মূলত কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বন্দ্বপূর্ণ স্থান। যদিও এটি কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস—এই তিন দেশের সীমান্তে অবস্থিত, প্রকৃত দ্বন্দ্বটি কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও ঐতিহাসিক দাবিকে কেন্দ্র করে।

এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল:

- "এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গল" হলো একটি বনভূমি ও পাহাড়ি অঞ্চল যা কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও লাওস- এই তিন দেশের সীমান্ত এলাকায় বিস্তৃত।
- এটি "Mom Bei" (কম্বোডিয়ান নাম) অথবা থাইল্যান্ডে "Chong Bok" নামে পরিচিত।
- কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের মধ্যে এই অঞ্চল নিয়ে দুই দেশের মধ্যে শত বছরের বেশি সময় ধরে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।
- এই অঞ্চলে রয়েছে প্রচুর মূল্যবান কাঠ, ভেষজ উদ্ভিদ, এবং সম্ভবত খনিজ ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ।
- ফলে কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ড দুই দেশই এই অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণে আগ্রহী।

উল্লেখ্য,
- সাম্প্রতিক সময়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে আবারো সংঘাত শুরু হয়।
- সংঘাতে অন্তত ৩৫ জন নিহত হয়েছেন এবং ২৭০,০০০-এর বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
- মালয়েশিয়ার মধ্যস্ততায় থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া দুই দেশই ২৮ জুলাই থেকে ‘তাৎক্ষণিক ও শর্তহীন’ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে।

সূত্র- পত্রিকা প্রতিবেদন। 

১২১.
নতুন সদস্য দেশ অন্তর্ভুক্তি (Open Door Policy) ন্যাটোর কোন অনুচ্ছেদে অলোকপাত করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৪ 
  2. অনুচ্ছেদ ১০
  3. অনুচ্ছেদ ১৩
  4. অনুচ্ছেদ ৫
ব্যাখ্যা

ন্যাটো:
- NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization, 
- এটি একটি রাজনৈতিক ও সামরিক জোট। 
- ১৯৪৯ সালে যৌথ নিরাপত্তার নীতির ভিত্তিতে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়। 
- ন্যাটোর সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। 
- বর্তমানে এর মহাপরিচালক Mark Rutte. [আগস্ট - ২০২৫]

উল্লেখ্য,
- সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি দেশ। পরবর্তীতে আরও দেশ যোগ দেওয়ার মাধ্যমে এর সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। ন্যাটোতে যোগদানকারী দুইটি মুসলিম দেশ হলো তুরস্ক ও আলবেনিয়া। তুরস্ক ১৯৫২ সালে এবং আলবেনিয়া ২০০৯ সালে ন্যাটোর সদস্য পদ লাভ করে। সর্বশেষ ২০২৪ সালে সুইডেন ন্যাটোর সদস্য হিসেবে যোগ দেয়। বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি।

এছাড়াও,
- ন্যাটোর অনুচ্ছেদ-১০ অনুযায়ী Open Door Policy বা নতুন সদস্য অন্তর্ভুক্তি নীতি পরিচালিত হয়। এই অনুচ্ছেদের অধীনে নতুন সদস্য রাষ্ট্র ন্যাটোতে যোগ দিতে পারে।

সূত্র - ন্যাটো ওয়েবসাইট।

১২২.
এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি নোবেল পুরস্কার পেয়েছে কোন দেশের নাগরিক? [আগস্ট - ২০২৫]
  1. চীন
  2. জাপান
  3. দক্ষিণ কোরিয়া
  4. ভিয়েতনাম 
ব্যাখ্যা

- জাপানের নাগরিকরা এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে বেশি, মোট ৩১টি নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন। পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, চিকিৎসা, সাহিত্য ও শান্তিতে তারা পুরস্কার অর্জন করেছেন। ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পেয়েছে তাদের পরমাণু বিরোধী সংগঠন ‘নিহন হিদানকায়ো’। 

নোবেল পুরস্কার ২০২৪:
সাহিত্য:
- ২০২৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন হান কাং।
- অবদান: নিজের সাহিত্যকর্মে ‘ইতিহাসের ট্রমা ও মানবজীবনের ভঙ্গুরতা’কে তীব্র কবিতাময় গদ্যের মাধ্যমে উন্মোচিত করার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে।

শান্তি:
- ২০২৪ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও।
- অবদান: হিবাকুশা নামেও পরিচিত জাপানি সংস্থা হিদানকিওকে পারমাণবিক অস্ত্রমুক্ত বিশ্ব গড়ার প্রচেষ্টা এবং পারমাণবিক অস্ত্র যে আর কখনো ব্যবহার করা উচিত নয়, তা প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যের মাধ্যমে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার জন্য নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

চিকিৎসাবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ভিক্টর অ্যামব্রোস, গ্যারি রাভকান।
- অবদান: ‘মাইক্রোআরএনএ আবিষ্কার এবং পোস্ট-ট্রান্সক্রিপশনাল জিন নিয়ন্ত্রণে এর ভূমিকার জন্য’ তাদের এ পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রসায়ন:
- ২০২৪ সালে রসায়নে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ডেভিড বেকার, ডেমিস হ্যাসাবিস, জন এম. জাম্পার।
- অবদান: মার্কিন বিজ্ঞানী ডেভিড বেকারকে কম্পিউটেশনাল প্রোটিন ডিজাইনের জন্য’ এবং ব্রিটিশ বিজ্ঞানী ডেমিস হ্যাসাবিস ও জন এম. জাম্পারকে ‘প্রোটিন গঠন পূর্বাভাসের জন্য’ যৌথভাবে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

পদার্থবিজ্ঞান:
- ২০২৪ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন জন জে. হপফিল্ড, জিওফ্রে ই. হিন্টন।
- অবদান: ‘কৃত্রিম নিউরাল নেটওয়ার্কের সাথে মেশিন লার্নিং সক্ষম করে তোলোর বুনিয়াদি আবিষ্কার ও উদ্ভাবনের জন্য’ তাদেরকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।

অর্থনীতি:
- ২০২৪ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন ড্যারন অ্যাসেমোগলু, সাইমন জনসন, জেমস এ. রবিনসন।
- অবদান: গণতান্ত্রিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রতিষ্ঠানগুলো কিভাবে দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অবদান রাখে তা নিয়ে কার্যকরী গবেষণা করার জন্য।

সূত্র - Nobel Prize ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো।

১২৩.
রাশিয়ার কোন জার পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুকরণে রাশিয়াকে আধুনিক করার চেষ্টা করেছিলেন?
  1. ইভান দ্য টেরিবল
  2. পিটার দ্য গ্রেট
  3. ক্যাথরিন দ্য গ্রেট
  4. জার নিকোলাস দ্বিতীয়
ব্যাখ্যা

- পিটার দ্য গ্রেট ছিলেন রাশিয়ার একজন প্রভাবশালী জার যিনি রাশিয়াকে আধুনিকীকরণ এবং পশ্চিমা ধাঁচে গড়ে তোলার জন্য ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি গ্রহণ করেছিলেন। তিনি সেন্ট পিটার্সবার্গ শহর প্রতিষ্ঠা করেন এবং রাশিয়ার সামরিক ও নৌ শক্তি বৃদ্ধি করেন।

উল্লেখ্য, 
- রাশিয়ার যে জার পশ্চিমা সংস্কৃতির অনুকরণে রাশিয়াকে আধুনিক করার চেষ্টা করেছিলেন তিনি ছিলেন পিটার দ্য গ্রেট (১৬৮২–১৭২৫)। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন যে রাশিয়া ইউরোপের অন্যান্য রাষ্ট্রের তুলনায় প্রযুক্তি, সামরিক শক্তি ও প্রশাসনে অনেক পিছিয়ে আছে। তাই তিনি ইউরোপ ভ্রমণ করে সেখানকার উন্নত জ্ঞান, প্রযুক্তি ও সংস্কৃতি রাশিয়ায় প্রবর্তনের উদ্যোগ নেন।

- তিনি সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীকে ইউরোপীয় ধাঁচে গড়ে তোলেন, নতুন প্রশাসনিক কাঠামো তৈরি করেন এবং শিক্ষা ও বিজ্ঞান বিকাশে পদক্ষেপ নেন। অভিজাতদের পশ্চিমা পোশাক পরা ও দাড়ি কাটা বাধ্যতামূলক করে সমাজে পরিবর্তন আনেন। সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ ছিল নতুন রাজধানী সেন্ট পিটার্সবার্গ গঠন, যা "ইউরোপের জানালা" নামে পরিচিত হয়।  

সূত্র: Students of History ওয়েবসাইট। 

১২৪.
কোন দেশে 'কিয়োটা প্রটোকল' গৃহীত হয়?
  1. জার্মানি
  2. সুইডেন 
  3. আইসল্যান্ড
  4. জাপান
ব্যাখ্যা

‘কিয়োটা প্রটোকল’ গৃহীত হয় জাপানের কিয়োটা শহরে, ১৯৯৭ সালের ১১ ডিসেম্বর।

কিয়েটো প্রোটকল:
- কিয়োটো প্রোটোকল একটি বহুরাষ্ট্রীয় আন্তর্জাতিক চুক্তি।
- এই চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্রগুলিকে গ্রীনহাউজ গ্যাস নির্গমন হ্রাসের জন্য দায়বদ্ধ করে।
- ১৯৯৭ খ্রিষ্টাব্দের ১১ই ডিসেম্বর জাপানের কিয়োটো শহরে এই চুক্তি প্রথম গৃহীত হয়।
- ২০০৫ খ্রিষ্টাব্দের ১৬ই ফেব্রুয়ারি কার্যকরী হয়।

উল্লেখ্য, 
- 'কার্বন ক্রেডিট' এর ধারণা দেয় কিয়োটা প্রটোকল।

সূত্র: United Nations Framework Convention on Climate Change ওয়েবসাইট & Britannica।

১২৫.
গ্রিনপিস কোন ঘটনার বিরোধিতা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. পরমাণু পরীক্ষা
  2. চেরনোবিল দুর্ঘটনা
  3. জলবায়ু পরিবর্তন
  4. ফুকুশিমা দুর্ঘটনা
ব্যাখ্যা

- গ্রিনপিস মার্কিন পরমাণু পরীক্ষার বিরোধিতায় ব্রিটিশ কলাম্বিয়াতে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা।

গ্রিনপিস:
- গ্রিনপিস একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা।
- এটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- গ্রিনপিস ১৯৭১ সালে ব্রিটিশ কলাম্বিয়াতে আলাস্কার আমচিটকা দ্বীপে মার্কিন পরমাণু পরীক্ষার বিরোধিতা করার জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- গ্রিনপিসের উদ্যোক্তাদের মধ্যে বব হান্টার, ডেভিড ম্যাকটেগার্ট, ডরোথি স্টোয়ি, আরভিং স্টোয়ি প্রমুখ উল্লেখযোগ্য।
- এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডামে অবস্থিত।

সূত্র: গ্রিনপিস ওয়েবসাইট।

১২৬.
ইংল্যান্ডের 'গৌরবময় বিপ্লব' (Glorious Revolution) এর ফলাফল কী ছিল?
  1. ক্যাথলিক ধর্মের পুনঃপ্রতিষ্ঠা
  2. রাজতন্ত্রের বিলুপ্তি
  3. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা
  4. ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে যুদ্ধ
ব্যাখ্যা

- ১৬৮৮ সালের গৌরবময় বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডে রাজা দ্বিতীয় জেমসের পতন ঘটে এবং উইলিয়াম ও মেরি সিংহাসনে বসেন। এই বিপ্লবের ফলে ইংল্যান্ডে সংসদের ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং একটি সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। 

গৌরবময় বিপ্লব (Glorious Revolution):
- গৌরবময় বিপ্লব (Glorious Revolution) ছিল ইংল্যান্ডের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ মোড় পরিবর্তন।
- ১৬৮৮ সালে রাজা দ্বিতীয় জেমসের স্বেচ্ছাচারী শাসনের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভে উইলিয়াম অব অরেঞ্জকে সিংহাসনে আহ্বান করা হয়। এই বিপ্লব রক্তপাতহীনভাবে সম্পন্ন হয়, তাই একে ‘গৌরবময়’ বলা হয়।
- উইলিয়াম ও মেরির অভিষেকের মাধ্যমে প্রোটেস্ট্যান্ট শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ক্যাথলিক প্রভাব কমে যায়। ১৬৮৯ সালে গৃহীত Bill of Rights রাজতন্ত্রের ক্ষমতা সীমাবদ্ধ করে এবং সংসদের অধিকার সুনিশ্চিত করে। এর ফলে সংবিধানিক রাজতন্ত্রের ভিত্তি রচিত হয় এবং গণতান্ত্রিক ধারার প্রসার ঘটে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসনের ধারণা সমাজে প্রতিষ্ঠা পায়।

সূত্র: ব্রিটানিকা ও World History Online Textbook.

১২৭.
কোন দেশ বিশ্বব্যাংকের কাছ থেকে প্রথম ঋণ গ্রহণ করে?
  1. ভারত
  2. ব্রাজিল
  3. ফ্রান্স
  4. কোনটি নয় 
ব্যাখ্যা

- ফ্রান্স বিশ্ব ব্যাংক থেকে প্রথম ঋণ গ্রহণ করে। 

বিশ্ব ব্যাংক:
- ১৯৪৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বিশ্বব্যাংক ১৯৪৬ সালে তার কার্যক্রম শুরু করে এবং বর্তমানে এটি ১৮৯টি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত।
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক সহায়তা সংস্থা,
- এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য ঋণ ও অনুদান প্রদান করে।
- সংস্থাটির সদর দপ্তর ওয়াশিংটন, ডি.সি., যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- ১৯৪৭ সালের ৯ মে, বিশ্বব্যাংক প্রথমবারের মতো ফ্রান্সকে ২৫০ মিলিয়ন ইউএস ডলার ঋণ প্রদানের চুক্তিতে সই করে।

উল্লেখ্য,
বিশ্বব্যাংক পাঁচটি সংস্থার সমন্বয়ে গঠিত, এগুলো হলো:
- IBRD (International Bank for Reconstruction and Development),
- IFC (International Finance Corporation),
- IDA (International Development Association),
- ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes), এবং
- MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency)।

সূত্র: বিশ্ব ব্যাংক ওয়েবসাইট।

১২৮.
২০২৫ সালে আয়োজিত BRICS শীর্ষ সম্মেলনটি কততম ছিল?
  1. ১৩তম
  2. ১৫তম
  3. ১৭তম
  4. ১৮তম
ব্যাখ্যা

২০২৫ সালে আয়োজিত BRICS শীর্ষ সম্মেলনটি ছিল ১৭তম সম্মেলন। 

১৭তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন, ২০২৫:
- ১৭তম ব্রিকস (BRICS) শীর্ষ সম্মেলন ৬ থেকে ৭ জুলাই, ২০২৫ তারিখে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতি, মধ্যপ্রাচ্য সংকট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বৈশ্বিক স্বাস্থ্যনীতি ও জলবায়ু পরিবর্তন।
- এই সম্মেলনে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা আমদানি শুল্ক আরোপ এবং সম্প্রতি ইরানে ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার কড়া সমালোচনা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- ১৭তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে বৃহত্তম উদীয়মান অর্থনীতির নেতারা “Strengthening Global South Cooperation for More Inclusive and Sustainable Governance” শীর্ষক যৌথ ঘোষণা স্বাক্ষর করেন।
- তারা মাল্টিল্যাটারালিজম, আন্তর্জাতিক আইন রক্ষা এবং ন্যায়সঙ্গত বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হন।

সূত্র: BRICS ওয়েবসাইট ও পত্রিকা রিপোর্ট।

১২৯.
আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice) একজন বিচারকের মেয়াদ কত বছর?
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৮ বছর
  4. ৯ বছর
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত (International Court of Justice বা ICJ):
- আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত  জাতিসংঘের ছয়টি প্রধান অঙ্গসংস্থার মধ্যে একটি।
- এটি ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সালে এর কার্যক্রম শুরু হয়।
- এর সদর দপ্তর অবস্থিত নেদারল্যান্ডসের দি হেগ শহরে।
- এই আদালতে মোট ১৫ জন বিচারক থাকেন।
- প্রত্যেক বিচারক জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের যৌথ ভোটে নির্বাচিত হন।
- একজন বিচারকের মেয়াদ নির্ধারিত থাকে ৯ বছর।
- তবে তারা পুনরায় নির্বাচিত হতে পারেন।

উল্লেখ্য, 
- আদালতের মধ্যে একজন সভাপতি এবং একজন সহ-সভাপতি নির্বাচিত হন বিচারকদের মধ্য থেকেই।
- সভাপতির মেয়াদ ৩ বছর, তবে তাকেও পুনঃনির্বাচিত করা যায়।

সূত্র: International Court of Justice ওয়েবসাইট।

১৩০.
ভূ-ত্বক সৃষ্টির প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপের মধ্যে কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
  1. পর্বতশ্রেণি
  2. মালভূমি
  3. মহাদেশ ও মহাসাগর
  4. মহীসোপান ও মহীঢাল
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর প্রধান ভূমিরূপসমূহ:
- ভূ-পৃষ্ঠের গঠন সর্বত্র একরকম নয়। স্থলভাগের কোথাও সুউচ্চ পাহাড় ও পর্বত, কোথাও মালভূমি, কোথাওবা সুবিস্তৃত সমভূমি রয়েছে।
- পৃথিবীর ভূ-ভাগের শতকরা ৫৮ ভাগ এলাকা সমভূমি, ১৮ ভাগ পার্বত্যময় এবং অবশিষ্ট ২৪ ভাগ মালভূমি ও পাহাড় দ্বারা বিস্তৃত। 
- ভূমিরূপের পর্যায়ক্রমিক সৃষ্টি ও আকৃতির উপর ভিত্তি করে ভূগোলবিদগণ সকল ভূমিরূপকে প্রধান তিনটি পর্যায়ে ভাগ করেছেন। যথা-
ক) প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ,
খ) দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ এবং
গ) তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ।

ক) প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ: 
- ভূ-ত্বক সৃষ্টির সর্বপ্রথম পর্যায়ে মহাদেশ ও মহাসাগরগুলির সৃষ্টি হয়েছে। 
- উপরের অংশগুলি নিয়ে মহাদেশীয় ভূ-ভাগ এবং নিচু অংশগুলো নিয়ে মহাসাগরীয় অঞ্চল গঠন করে।
- ভূ-ত্বক সৃষ্টির শুরুতেই এ প্রধান দুইটি ভূমিরূপ সৃষ্টি হয় বলে এদেরকে প্রথম পর্যায়ের ভূমিরূপ বলা হয়। 

খ) দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ: 
- মহাদেশীয় ভূ-ভাগ ও মহাসাগরের তলদেশে পরবর্তী পর্যায়ে যে প্রধান ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়েছে তাকে দ্বিতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ বলে। 
- যেমন- পর্বত, মালভূমি, সমভূমি, মহীসোপান, মহীঢাল, গভীর সমুদ্রের সমভূমি এবং গভীর সমুদ্রখাত।

গ) তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ:
- ভূ-পৃষ্ঠের উপরিভাগে ক্ষয় ও রূপান্তরের ফলে যে সকল ভূমিরূপের সৃষ্টি হয় তাকে তৃতীয় পর্যায়ের ভূমিরূপ বলে। 
- এইরূপ ভূমিরূপ বিভিন্ন ধরনের অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক প্রক্রিয়া দ্বারা সৃষ্টি হয়। 
- যেমন- নদী, হিমবাহ, বায়ুপ্রবাহ, সমুদ্রতরঙ্গ, ভূ-গর্ভস্থ জলধারা ও জৈবিক প্রক্রিয়া দ্বারা ভূ-পৃষ্ঠ অনবরত ক্ষয় সাধিত হয় এবং ক্ষয়প্রাপ্ত শিলাগুলি অন্যত্র পরিবাহিত ও অবক্ষেপিত হয়। হয়। এভাবে ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে উপত্যকা, গিরিখাত প্রভৃতি ভূমিরূপ সৃষ্টি হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩১.
বাংলাদেশের সর্বপূর্বের উপজেলা কোনটি?
  1. থানচি
  2. তেতুলিয়া
  3. টেকনাফ
  4. শিবগঞ্জ
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থান:
- সর্বপূর্বের স্থান : আখাইনঠং।
- উপজেলা : থানচি।
- জেলা : বান্দরবান।

উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশের সর্ব উত্তরে:
- স্থান : বাংলাবান্ধা।
- উপজেলা : তেঁতুলিয়া।
- জেলা : পঞ্চগড়।

সর্ব দক্ষিণে:
- স্থান : ছেঁড়া দ্বীপ/সেন্টমার্টিন;
- উপজেলা : টেকনাফ;
- জেলা : কক্সবাজার।

সর্বপশ্চিমে:
- স্থান : মনাকষা;
- উপজেলা : শিবগঞ্জ;
- জেলা : চাপাইনবাবগঞ্জ।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১৩২.
নিচের কোন প্রক্রিয়া রূপান্তরিত শিলা গঠনে সাহায্য করে?
  1. ভূ-আন্দোলন
  2. অগ্ন্যুৎপাত
  3. ভূমিকম্প
  4. উপরোক্ত সব
ব্যাখ্যা

রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rocks):
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা যখন প্রচণ্ড চাপ, উত্তাপ এবং রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে রূপ পরিবর্তন করে নতুন রূপ ধারণ করে তখন তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে।
- ভূআন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত ও ভূমিকম্প, রাসায়নিক ক্রিয়া কিংবা ভূগর্ভস্থ তাপ আগ্নেয় ও পাললিক শিলাকে রূপান্তরিত করে।

যেমন:
- চুনাপাথর রূপান্তরিত হয়ে মার্বেল,
- বেলেপাথর রূপান্তরিত হয়ে কোয়ার্টজাইট,
- কাদা ও শেল রূপান্তরিত হয়ে স্লেট,
- গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিস;
- কয়লা রূপান্তরিত হয়ে গ্রাফাইটে পরিণত হয়।

রূপান্তরিত শিলার বৈশিষ্ট্য:
- তাপ ও চাপে আগ্নেয় ও পাললিক শিলার পরিবর্তন হয়ে রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয় বলে উহা সাধারণত কেলাসিত।
- আগ্নেয় ও পাললিক শিলা তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে রূপান্তরিত শিলায় পরিণত হয় বলে এর কাঠিন্যতা বৃদ্ধি পায়। ফলে অন্যান্য শিলার তুলনায় রূপান্তরিত শিলা বেশি শক্ত ও মজবুত হয়।
- ইহা জীবাশ্মবিহীন শিলা। পাললিক শিলা অতিরিক্ত তাপ ও চাপে রূপান্তরিত হবার সময় উহার মধ্যকার জীীশ্মগুলির অস্তিত্ব অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বিলুপ্ত হয়।
- সমান্তরাল গঠন এই শিলার একটি বৈশিষ্ট্য। কারণ ইহার উপাদানগুলি সাধারণত সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। এই সমান্তরাল অবস্থান আনুভূমিক, তির্যক বা বক্র যে কোন ভাবেই হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ নবম-দশম শ্রেণি বোর্ড বই।

১৩৩.
পৃথিবীর সর্বাপেক্ষা বেশি টনের্ডো কোথায় হয়?
  1. দক্ষিণ এশিয়া ও ইউরোপ
  2. আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকা
  3. উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া
  4. পূর্ব এশিয়া ও আর্কটিক অঞ্চল
ব্যাখ্যা

টর্নেডো:
- টর্নেডো মূলত অতি দ্রুত আবর্তনশীল ক্ষুদ্র আকারের অথচ প্রলয়ঙ্কারী বজ্রঝড়। 
- এটি চোঙ আকৃতির হয়ে থাকে এবং এই বজ্রঝড়ের মধ্যভাগে বায়ু অতিদ্রুত বেগে উপরে উঠতে থাকে।
- এই চোঙ যদি ভূমি স্পর্শ করে তখন ধ্বংসলীলা ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। 
- টর্নেডোর ব্যাস ভূ-পৃষ্ঠের উপরে ১০০ থেকে ৫০০ গজ পর্যন্ত হয়। 
- টর্নেডোর ভিতরে ও বাইরের বায়ু চাপের গড় পার্থক্য প্রায় ২ ইঞ্চি।

টর্নেডোর বৈশিষ্ট্য:
- পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি টর্নেডোপ্রবণ এলাকা উত্তর আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়া।
- টর্নেডোতে প্রথমত আকস্মিকভাবে বায়ু চাপের হ্রাস ঘটে বলেই বড় বড় ইমারতে ফাটল ধরে।
- বায়ুর আবর্তন হয় অত্যন্ত দ্রুতবেগে। ফলে বায়ুপ্রবাহের সম্মুখে প্রতি বর্গফুটে বায়ুচাপের পরিমাণ হয় ১৬০ থেকে ১০০০ পাউন্ড।
- টর্নেডোর গতিপথ অর্ধবৃত্তাকার হতে পারে এবং উত্তর গোলার্ধে টর্নেডো ডানদিকে আবর্তিত হয়।
- টর্নেডোর গতিবেগ ঘন্টায় ৫ হতে ৬৫ মাইল হয়ে থাকে। তবে কখনো কখনো গড় গতিবেগ ঘন্টায় ৩৫ থেকে ৪৫ মাইল হয়।
- সমুদ্রের উপর টর্নেডো সৃষ্টি হয়। যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ব উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে, মেক্সিকো উপসাগরে এবং চীন ও জাপানের উপকূলের নিকটস্থ সমুদ্রে গ্রীষ্মকালে টর্নেডোর প্রকোপ দেখা যায়।

উৎস - ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৪.
'বরেন্দ্রভূমি' কোন ভূ-অঞ্চলের অন্তর্গত?
  1. প্লাইস্টোসিনকালের সোপান
  2. পাদদেশীয় সমভূমি
  3. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়
  4. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি:
- ভূ-প্রকৃতির ভিন্নতার উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১। টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ;
২। প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ এবং
৩। সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।

প্লাইস্টোসিনকালের সোপানসমূহ:
- আজ থেকে আনুমানিক প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বের সময়কে প্লাইস্টোসিনকাল বলে।
- এ অঞ্চলের মাটির রং লাল ও ধূসর।
- দেশের উত্তর-পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উচ্চভূমি এর অন্তর্ভুক্ত।
- প্লাইস্টোসিনকালে এসব উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল বলে ধারণা করা হয়।

বরেন্দ্রভূমি:
- বরেন্দ্রভূমি রাজশাহী বিভাগের নওগাঁ, রাজশাহী, বগুড়া, জয়পুরহাট এবং রংপুর বিভাগের গাইবান্ধা, রংপুর ও দিনাজপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে গঠিত।
- এর আয়তন ৯,৩২০ বর্গকিলোমিটার।
- প্লাবন সমভূমি থেকে এর উচ্চতা ৬ থেকে ১২ মিটার।
- এটি প্লাইস্টোসিন যুগের সর্ববৃহৎ উঁচুভূমি।
- বর্তমানে বরেন্দ্র বহুমুখী সেচ প্রকল্প এবং আধুনিক কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে এ অঞ্চলটিকে কৃষিকাজের জন্য বিশেষ উপযোগী করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৫.
ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরি সক্রিয় অঞ্চল 'রিং অফ ফায়ার' কোন মহাসাগরীয় অববাহিকাকে ঘিরে আছে?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. ভারত মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর
ব্যাখ্যা

রিং অফ ফায়ার (Ring of Fire):
- রিং অফ ফায়ার হলো প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকাকে ঘিরে থাকা অশ্বখুরাকৃতি ভূকম্পন ও আগ্নেয়গিরি সক্রিয় অঞ্চল। 
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৪০,০০০ কিলোমিটার (২৪,৯০০ মাইল)।
- পুরো অঞ্চল জুড়ে অসংখ্য সক্রিয় আগ্নেয়গিরি থাকায় একে “রিং অফ ফায়ার” বলা হয়।
- এই অঞ্চল দ্বীপমালার সারি যেমন টোঙ্গা ও নিউ হেব্রিডিস, ইন্দোনেশীয় দ্বীপপুঞ্জ, ফিলিপাইন, জাপান, কুরিল দ্বীপপুঞ্জ ও আলেউশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, এবং আর্ক-আকৃতির ভূ-আকৃতি যেমন উত্তর আমেরিকার পশ্চিম উপকূল ও আন্দেস পর্বতমালা অনুসরণ করে বিস্তৃত। 

উল্লেখ্য,
- বিশ্বের অধিকাংশ ভূমিকম্প, সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর প্রায় সবকটি এবং বিশ্বের প্রায় ৭৫% সক্রিয় আগ্নেয়গিরি এই অঞ্চলে ঘটে। 
- ১৮০০ সালের পর থেকে রিং অফ ফায়ারের ভেতরে সংঘটিত প্রধান আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুত্পাতের মধ্যে রয়েছে মাউন্ট টাম্বোরা (১৮১৫), ক্রাকাতোয়া (১৮৮৩), নোভারুপটা (১৯১২), মাউন্ট সেন্ট হেলেন্স (১৯৮০), মাউন্ট রুইজ (১৯৮৫) ও মাউন্ট পিনাতুবো (১৯৯১)। 
- এছাড়া এই অঞ্চলে সংঘটিত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে রয়েছে চিলি ভূমিকম্প (১৯৬০, ২০১০), আলাস্কা ভূমিকম্প (১৯৬৪), জাপান ভূমিকম্প (২০১১) এবং ২০০৪ সালের ভয়াবহ ভারত মহাসাগরীয় সুনামি সৃষ্টিকারী ভূমিকম্প।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৩৬.
"সামাজিক মূল্যবোধ হলো ঐ সমস্ত রীতি-নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের কাছ থেকে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে।"- কার উক্তি?
  1. এইচ, ডি, স্টেইন
  2. স্টুয়ার্ট.সি.ডড
  3. ম্যাকাইভার
  4. এম, আর উইলিয়াম
ব্যাখ্যা

সামাজিক মূল্যবোধ:
- সামাজিক মূল্যবোধ হল কতকগুলো নীতি, আদর্শ এবং আচরণবিধি যাকে একটি সমাজের মানুষ ভাল ও গ্রহণযোগ্য হিসেবে গ্রহণ করে। 
- সামাজিক মূল্যবোধ মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আচরণ নিয়ন্ত্রণ করে।
- ব্যক্তি ও সমাজের অভিন্ন ও অবিচ্ছেদ্য আকাঙ্ক্ষার অভিব্যক্তি হল সামাজিক মূল্যবোধ। 

স্টুয়ার্ট.সি.ডড বলেন, 
"সামাজিক মূল্যবোধ হলো ঐ সমস্ত রীতি-নীতির সমষ্টি যা ব্যক্তি সমাজের কাছ থেকে আশা করে এবং সমাজ ব্যক্তির নিকট থেকে লাভ করে।" 

সমাজবিজ্ঞানী এম, আর উইলিয়াম বলেন,
"মূল্যবোধ মানুষের ইচ্ছার একটি মানদণ্ড যার আদর্শে মানুষের ব্যবহার ও রীতি-নীতি নিয়ন্ত্রিত হয় এবং সমাজে মানুষের কাজের ভাল-মন্দের বিচার করা হয়।"
 
এইচ, ডি, স্টেইন বলেন, 
"জনসাধারণ যার সম্বন্ধে আগ্রহশীল, যা তারা কামনা করে, যাকে তারা অত্যাবশ্যক বলে মনে করে, যার প্রতি সকলের অগাধ শ্রদ্ধা আছে এবং যা সম্পাদনের মাধ্যমে তারা আনন্দ উপভোগ করে তাকে সামাজিক মূল্যবোধ বলে।" 

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৩৭.
কোনটি চর্চা ব্যতীত সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়?
  1. ধর্ম
  2. সামাজিক প্রথা
  3. মূল্যবোধ শিক্ষা
  4. প্রযুক্তিগত দক্ষতা
ব্যাখ্যা

সুশাসন ও মূল্যবোধ শিক্ষা:
- সুশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য স্বচ্ছতা, ন্যায়পরায়ণতা, জবাবদিহিতা, মানবিকতা ও নৈতিকতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
- এসব গুণাবলী মূল্যবোধ শিক্ষার মাধ্যমে অর্জিত হয়।
- এছাড়া, মূল্যবোধ শিক্ষা ব্যক্তি ও সমাজকে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে সহায়তা করে।
- এটি ন্যায়পরায়ণ ও জবাবদিহিতামূলক শাসনের ভিত্তি তৈরি।
- তাই মূল্যবোধ শিক্ষা ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়।

অন্যদিকে,
→ ধর্ম মানুষের নৈতিকতা গঠনে সাহায্য করতে পারে, তবে এটি সুশাসনের একমাত্র পূর্বশর্ত নয়।
→ কিছু সামাজিক প্রথা সুশাসনের জন্য সহায়ক হলেও, অনেক ক্ষেত্রে এগুলো বৈষম্যের সৃষ্টি করতে পারে।
→ প্রযুক্তিগত দক্ষতা প্রশাসনিক বা কাজের দক্ষতা বাড়ায়, কিন্তু নৈতিকতা ও ন্যায়পরায়ণতা ব্যতীত সুশাসন নিশ্চিত করতে পারে না।

তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন- প্রথম পত্র, উচ্চ মাধ্যমিক, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক।

১৩৮.
বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে ‘শোষণমুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ নিশ্চিতকরণ’-এর কথা বর্ণিত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ ৮
  2. অনুচ্ছেদ ৯
  3. অনুচ্ছেদ ১০
  4. অনুচ্ছেদ ১১
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধানের ১০ অনুচ্ছেদে ‘মানুষের ওপর মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত ন্যায়ানুগ ও সাম্যবাদী সমাজলাভ নিশ্চিতকরণ’-এর কথা বর্ণিত রয়েছে।

ধারার মূল বক্তব্য:
মানুষকে মানুষের শোষণ থেকে মুক্ত করে ন্যায়নিষ্ঠ ও সমতা ভিত্তিক সমাজ গঠন নিশ্চিত করার জন্য সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

এই ধারার লক্ষ্য হলো:
- প্রতিটি মানুষ যাতে অন্য কোনো মানুষের শোষণের শিকার না হয়
- সমাজে অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমতা প্রতিষ্ঠা করা।
- ধনী ও গরিবের মধ্যে বৈষম্য কমানো।
- সমাজে ন্যায় ও মানবিকতা প্রতিষ্ঠা করা।
- সবাইকে তার অধিকার ও সুযোগের সমান ভাগ নিশ্চিত করা।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

১৩৯.
মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান কোনটি?
  1. শৃঙ্খলা
  2. শিক্ষাগত যোগ্যতা
  3. স্বাধীনতা
  4. শ্রমের মর্যাদা
ব্যাখ্যা

মূল্যবোধের উপাদান:
- মূল্যবোধ একটি অর্জিত বিষয়, যা কোন সমাজে দীর্ঘ সময় বসবাসের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির মাঝে গড়ে ওঠে। 
- এক জন ব্যক্তির মূল্যবোধ কেমন হবে তা সমাজের পারিপার্শ্বিক অবস্থা বা সমাজের বিভিন্ন উপাদানের উপর নির্ভর করে।
- এই অবস্থাগুলোই হল মূল্যবোধের ভিত্তি বা উপাদান। নিম্নে এরকম কয়েকটি উপাদান আলোচনা করা হল-

ক. নীতিবোধ: 
নৈতিকতা মূল্যবোধের প্রধানতম বৈশিষ্ট্য যা নীতিবোধ থেকে সৃষ্টি হয়। কোন কাজ করতে গেলে নিজের বিবেক, নীতি ও যুক্তি প্রয়োগ করে তা করা উচিত। যৌক্তিকতা সাধারণত নীতিবোধের উপর নির্ভরশীল। কেননা নৈতিক কাজ যুক্তি বিরুদ্ধ হতে পারে না। তাই যে যত বেশি নীতিবান হবে তার মূল্যবোধ তত পরিশীলিত হবে।

খ. শৃঙ্খলা: 
শৃঙ্খলা মূল্যবোধের অপরিহার্য উপাদান। শৃঙ্খলা অনুসরণ করলে উচ্চ মূল্যবোধের সৃষ্টি হয়।

গ. সহমর্মিতা: 
মূল্যবোধ ও সহমর্মিতা নিবিড়ভাবে জড়িত। সহমর্মিতা না থাকলে কেউ সামাজিক মূল্যবোধসম্পন্ন হতে পারে না।

ঘ. সৌজন্যবোধ: 
ব্যক্তির আচার-আচরণের মধ্য দিয়েই তার মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ ঘটে। সৌজন্যবোধ তার একটি অংশ। আচার-ব্যবহার সৌজন্য, শালীনতা মূল্যবোধ থেকে সৃষ্টি হয়।

চ. মানবিকতা: 
মানবিকতা মানুষের শ্রেষ্ঠ গুণ। মানবিকতা না থাকলে তাকে মানুষ বলা যায় না; মূল্যবোধসম্পন্ন বলার তো প্রশ্নই আসে না। অর্থাৎ মূল্যবোধসম্পন্ন ব্যক্তি অবশ্যই মানবিক গুনাবলির অধিকারী হবে।

ছ. শ্রমের মর্যাদা: 
শ্রমের মর্যাদা দেওয়া প্রত্যেকের কর্তব্য। এটি অনুশীলনের মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তির দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আসে। এর মধ্য দিয়ে একজন ব্যক্তি অন্য একজন ব্যক্তিকে সম্মান করতে শিখে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।