পরীক্ষা আর্কাইভ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

পরীক্ষাGKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes১০ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৯ টপিক: রিভিশন পরীক্ষা [Exam – 7 & 8] [Live Class - 10 & 11 মেন্টর: নিশাত রায়হান অমনি] [Live Class - 12, 13 & 14 মেন্টর: ইহতিশামুল আলম মারুফ] এছাড়াও Live Class - 3, 5 & 6 ক্লাস মেন্টর: তপন ভট্টাচার্য
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি

GKPedia - বাংলাদেশ বিষয়াবলি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
’রাসপূর্ণিমা’ উৎসব কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সাথে সম্পৃক্ত?
  1. গারো
  2. ওঁরাও
  3. মণিপুরী
  4. সাঁওতাল
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মণিপুরী
ব্যাখ্যা
• মণিপুরী: 
- মণিপুরী বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- প্রাচীনকালের সার্বভৌম রাষ্ট্র এবং এখনকার ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুর এদের আদি বাসস্থান।
- মণিপুরীদের মেইতেই নামেও অভিহিত করা হতো।
- মহারাজ গরীব নেওয়াজের শাসনামলে সিলেট থেকে আগত মিশনারিগণ এই স্থানকে মহাভারতে বর্ণিত একটি স্থান মনে করে এই ভূখণ্ডের নাম দেন মণিপুর। 
- এভাবেই এখানকার প্রধান অধিবাসী মেইতেইদের নাম হয়ে যায় মণিপুরী।
- সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জে ও সুনামগঞ্জের  বসবাস করে।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে সমৃদ্ধ শাখা হচ্ছে মণিপুরী নৃত্য।
- মণিপুরী ভাষায় নৃত্যের প্রতিশব্দ হচ্ছে জাগই (Jagoi)।
- ’রাসপূর্ণিমা’ উৎসব  মণিপুরীদের।
- মণিপুরী সংস্কৃতির সবচেয়ে উৎকৃষ্ট নিদর্শন হচ্ছে  রাসা (Rasa) নৃত্য।
- চৈতন্য ধারার সনাতন ধর্মে বিশ্বাসী।
- এছাড়া অনেক মণিপুরী আছে যারা একইসঙ্গে আগের বিশ্বাস এবং ইসলাম ধর্ম পালন করে।
- এদের বলা হয় মেইতেই পানগন (Meitei Pangon) বা মণিপুরী মুসলমান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র- ২০২২ অনুযায়ী, দারিদ্র্যের হার সবচেয়ে বেশি কোন বিভাগে?
  1. ঢাকা
  2. খুলনা
  3. রাজশাহী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বরিশাল
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের দারিদ্র্য মানচিত্র ২০২২:
- বাংলাদেশের গ্রাম এলাকার দারিদ্র্যের হার: ২০.৩%।
- বাংলাদেশের শহর এলাকার দারিদ্র্যের হার: ১৬.৫%।
- সর্বপোরি দারিদ্রের হার: ১৯.২%।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: বরিশালে, (২৬.৬%)।
- বিভাগ অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: চট্টগ্রাম, ( ১৫.২%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার কম: নোয়াখালী, ( ৬.১%)।
- জেলা অনুযায়ী দারিদ্র হার বেশি: মাদারীপুর, ( ৫৪.৪%)।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে দরিদ্র উপজেলা- ডাসার, মাদারীপুর৷
- দারিদ্র্যের হার- ৬৩.২%

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় নিচের কোনটিতে? [মে,২০২৫]
  1. আমদানি শুল্ক
  2. আবগারি শুল্ক
  3. ভূমি উন্নয়ন কর
  4. মূল্য সংযোজন কর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল্য সংযোজন কর
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশ সরকারের অর্থনীতি আয় খাত:
- মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax):
-  বাংলাদেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে মূল্য সংযোজন কর চালু করা হয়েছে।
- বাংলাদেশ সরকারের সর্বচ্চো রাজস্ব আয় হয় মূল্য সংযোজন কর থেকে।
- এটি পরোক্ষ কর।

• আমদানি শুল্ক (Custom Duties):
- দেশের আমদানিকৃত দ্রব্যের ও সেবার উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আমদানি শুল্ক বলে।

• আবগারি শুল্ক (Excise Duties):
- দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত ও ব্যবহৃত দ্রব্যের উপর যে কর ধার্য করা হয়, তাকে আবগারি শুল্ক বলা হয়।
- রাজস্ব সংগ্রহ ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষতিকর দ্রব্যের ভোগ হ্রাস করার উদ্দেশ্যেও আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।
- চা, সিগারেট, চিনি, তামাক, কেরোসিন, ওষুধ, স্পিরিট, দিয়াশলাই প্রভৃতি দ্রব্যের উপর আবগারি শুল্ক ধার্য করা হয়।

• সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duties):
- আবগারি শুল্ক বা মূল্য সংযোজন কর বা আমদানি শুল্ক আরোপের পরেও অতিরিক্ত যে শুল্ক আরোপ করে, তাকে সম্পূরক শুল্ক বলে।
- যেমন, সিরামিক টাইলসের উপর আরোপিত সম্পূরক শুল্ক।

উৎস: অর্থনীতি, নবম-দশম শ্রেণি, এবং এনবিআর ওয়েবসাইট।
.
স্বাধীন বাংলাদেশে কয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে? [মে, ২০২৫]
  1. ৪ টি
  2. ৭ টি
  3. ৮ টি
  4. ৬ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- তখন বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৭.৬৪ কোটি।
- প্রতি ১০ বছর পর পর আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- এই পর্যন্ত বাংলাদেশে মোট ৬ টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- ২০২২ সালের ১৫-২১ জুন  ৬ষ্ঠ আদমশুমারি হয়।
- যা 'জনশুমারি ও গৃহগণনা' নামে পরিচালিত হয়।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
বাংলাদেশের সাঁওতাল জনগোষ্ঠী নিচের কোন জেলায় বসবাস করে?
  1. চাঁদপুর
  2. কুমিল্লা
  3. দিনাজপুর
  4. রাঙ্গামাটি
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিনাজপুর
ব্যাখ্যা
• সাঁওতাল:
• সাঁওতাল বাংলাদেশের অন্যতম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী  জনগোষ্ঠী।
- তাদের বাসস্থান মূলত রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর ও বগুড়া জেলায়।
- প্রধান নিবাস রাঢ়বঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যার অরণ্য অঞ্চল এবং ছোটনাগপুর।
- সাঁওতালরা অস্ট্রিক ভাষাভাষী আদি-অস্ট্রেলীয় (প্রোটো-অস্ট্রালয়েড) জনগোষ্ঠীর বংশধর।
- সাঁওতালরা ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম আদি বাসিন্দা,
- এরা কৃষি উৎপাদন ব্যবস্থা এবং কৃষিসংস্কৃতির জনক ও ধারক হিসেবে স্বীকৃত।
- বর্তমানে সাঁওতাল জনসংখা- ১,২৯,০৫৬ জন।
- সাঁওতালদের নিজস্ব উৎসবাদির মধ্যে 'সোহরাই' এবং 'বাহা'।
- তাঁদের সংস্কৃতির একটি উল্লেখযোগ্য অনুষ্ঠান হলো 'ঝুমুর নাচ'।
- সাঁওতালদের বিবাহ অনুষ্ঠানে আয়োজিত হয় 'দোন' ও 'ঝিকা' নাচ।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
.
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যায় সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম নৃগোষ্ঠী কোনটি?
  1. বম
  2. ভিল
  3. গুর্খা
  4. লুসাই
সঠিক উত্তর:
ভিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিল
ব্যাখ্যা
• ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- দেশে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সংখ্যা - ৫০টি।
- জনসংখ্যায় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - চাকমা (৪,৮৩,৩৬৫ জন)।
- জনসংখ্যায় দ্বিতীয় ও তৃতীয় বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী যথাক্রমে - মারমা (২,২৪,২৯৯ জন) ও ত্রিপুরা (১,৫৬,৬২০ জন)।
- জনসংখ্যায় সবচেয়ে ছোট ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী - ভিল (৯৫জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি যে জেলায় - রাঙ্গামাটি (৩,৭২,৮৭৫ জন)।
- ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা সবচেয়ে কম যে জেলায় - লালমনিরহাট (১১৮ জন)।

উল্লেখ্য, 
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি: CPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- দেশে মোট জনসংখ্যা: ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন।
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।

উৎস: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।
.
ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?
  1. ১৮৭২ সালে
  2. ১৮৭৫ সালে
  3. ১৯১০ সালে
  4. ১৯০৫সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৭২ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৭২ সালে
ব্যাখ্যা
• আদমশুমারি:
- স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
- এ পর্যন্ত আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ৬ বার যথা- 
- ১৯৭৪, ১৯৮১, ১৯৯১, ২০০১, ২০১১ এবং ২০২২সালে।
- আদম শুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১০ বছর পরপর।
- আদমশুমারি পরিচালনা করে: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
- উপমহাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৮৭২সালে।
- প্রথম আদমশুমারি হয় লর্ড মেয়োর সময়।
- সর্বশেষ আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন ২০২২।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
.
'সাংসারেক ‘ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আদি ধর্ম?
  1. চাকমা
  2. মারমা
  3. গারো
  4. সাঁওতাল
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিলো - কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আদি ধর্ম 'সাংসারেক‘? 
প্রশ্নে ভাষাগত ত্রুটি থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 
==================== 

• গারো:

- বাংলাদেশের বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলায় বসবাসকারী ভিন্ন নৃগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে গারোরা হলো সংখ্যাগরিষ্ঠ।
- গারোরা ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইলের মধুপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর, জামালপুর ও গাজীপুরের শ্রীপুরে বাস করে।
- বৃহত্তর সিলেট জেলায়ও কিছু সংখ্যক গারো রয়েছে।
- বাংলাদেশের বাইরে ভারতের মেঘালয় ও অন্যান্য রাজ্যেও গারোরা বাস করে।
- বাংলাদেশের গারোরা সাধারণত সমতলের বাসিন্দা।
- গারোরা সাধারণত 'মান্দি' নামে নিজেদের পরিচয় দিতে পছন্দ করে।
- গারোরা মঙ্গোলীয় নৃগোষ্ঠীর লোক।

• ধর্মীয় জীবন:
- গারোদের আদি ধর্মের নাম ছিল 'সাংসারেক'।
- অতীতে গারোরা বিভিন্ন দেবদেবীর পূজা করত।
- তাদের প্রধান দেবতার নাম ছিল 'তাতারা রাবুগা'।
- গারোরা সালজং, সুসিমে, গোয়েরা, মেন প্রভৃতি দেবদেবীর পূজা করত।
- বর্তমানে গারোদের অধিকাংশ লোক খ্রিষ্ট ধর্মাবলম্বী।
- তারা এখন বড়দিনসহ খ্রিষ্ট ধর্মীয় উৎসব পালন করে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, অষ্টম শ্রেণি।
.
বাংলাদেশের সর্ব বৃহৎ এনজিও প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. আশা
  2. স্বনির্ভর বাংলাদেশ
  3. ব্র‌্যাক
  4. টি.এম.এস.এস
সঠিক উত্তর:
ব্র‌্যাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্র‌্যাক
ব্যাখ্যা
• ব্র্যাক:
-  এর পূর্ণ রূপ: বাংলাদেশ রুরাল এডভান্সমেন্ট কমিটি।
- ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ১ বেসরকারি ক্ষুদ্রঋণদানকারী সংস্থা হলো ব্র্যাক।
- সালে ফজলে হাসান আবেদ সিলেট জেলার শাল্লা এলাকায় ব্র্যাক প্রতিষ্ঠা করেন। 
- বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার ৫১৯টি উপজেলায় ৬৯,৪২১টি গ্রামে ব্র্যাক তার কার্যক্রম পরিচালিত করছে। 

• স্বনির্ভর বাংলাদেশ:
- স্বনির্ভর বাংলাদেশের আত্মপ্রকাশ ১৯৭৫ সালে।
- শুরুতে কৃষি ও বন মন্ত্রণালয়ের সাথে একটি সংযুক্ত সেল হিসেবে কাজ করে।
- বেসরকারি সমাজ উন্নয়নমূলক সংস্থা হিসেবে তৃণমূল জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে কাজ শুরু করে ১৯৮৫ সালে।

• প্রশিকা:
- ১৯৭৫ সালে ঢাকা ও কুমিল্লা জেলার কয়েকটি গ্রামে কাজ শুরু করে।
- কৃষি, সেচ, পশুসম্পদ বৃদ্ধি, মৌমাছি পালন, মৎস্য চাষ, সামাজিক বনায়ন, বসতবাড়িতে বাগান, বীজ উৎপাদন, ক্ষুদ্র ব্যবসা ইত্যাদি কার্যক্রম চালাচ্ছে।

• আশা (এসোসিয়েশন্স ফর সোশ্যাল এডভান্সমেন্ট):
- আশা ১৯৯২ সাল হতে ক্ষুদ্র ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা করে আসছে।
- আশা বর্তমানে আত্মনির্ভর ক্ষুদ্র ঋণদানকারী সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেছে।

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি অর্থনীতি এবং বাংলাপিডিয়া।
১০.
বিবিএস প্রকাশিত চূড়ান্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, জিডিপিতে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার কত?
  1. ৪.২৫%
  2. ৩.৫১%
  3. ৫.৯০%
  4. ৪.২২%
সঠিক উত্তর:
৩.৫১%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩.৫১%
ব্যাখ্যা
• জিডিপির চূড়ান্ত প্রতিবেদন:
- GDP প্রবৃদ্ধির হার: ৪.২২%।
- কৃষি: ৩.৩০%,
- শিল্প: ৩.৫১%,
- সেবা: ৫.০৯%।

• GDP তে অবদান:
- কৃষি: ১১.১৯%,
- শিল্প: ৩৭.৩৭%,
- সেবা: ৫১,৪৪%।

উৎস: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো।
১১.
বাংলাদেশের আর্থিক বছর কোনটি?
  1. ফেব্রুয়ারি-ডিসেম্বর
  2. জানুয়ারি-ডিসেম্বর
  3. জুন-জুলাই
  4. জুলাই-জুন
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুলাই-জুন
ব্যাখ্যা
→ জুলাই-জুন।

• অর্থবছর:

- বাজেট বলতে আয় ও ব্যয়ের সুবিন্যস্ত হিসাবকে বোঝায়।
- ব্যক্তি তার বিভিন্ন উৎস থেকে যে আয় পায় তা কীভাবে ব্যয় করে তা যদি সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো হয়, তা হবে ব্যক্তিগত বাজেট।
- একইভাবে সরকারের কোনো নির্দিষ্ট আর্থিক বছরে বিভিন্ন উৎস থেকে কতটুকু আয় প্রাপ্তির আশা করে এবং বিভিন্ন খাতে কী পরিমাণ ব্যয় করতে চায়, তার সুবিন্যস্ত হিসাবকে সরকারি বাজেট বলে।
- বাংলাদেশে আর্থিক বছর হলো জুলাই থেকে জুন।

উল্লেখ্য, 
- বাংলাদেশে বাজেট প্রণয়ন করে জাতীয় সংসদে অনুমোদন নিতে হয়।
- রাষ্ট্রপতির সম্মতি নিয়ে সরকারের নির্ধারিত আয়-ব্যয় ও তার পদ্ধতি কার্যকর হয়।

• বাজেটের প্রকারভেদ: 
- সরকারের আয়-ব্যয়ের প্রকৃতি অনুযায়ী বাজেটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
- চলতি বাজেট।
- মূলধন বাজেট।

উৎস: অর্থনীতি নবম-দশম শ্রেণি।