পরীক্ষা আর্কাইভ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

পরীক্ষাফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্টতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৩৯
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯৩ [ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট

ফ্রি সাপ্তাহিক মডেল টেস্ট · তারিখ অনির্ধারিত · ১৩৯ প্রশ্ন

.
কোনটি অশুদ্ধ বানান?
  1. তিরস্কার
  2. অধঃগতি
  3. বিশ্রুতি
  4. উদ্‌গিরণ
সঠিক উত্তর:
অধঃগতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধঃগতি
ব্যাখ্যা

• অশুদ্ধ বানান - অধঃগতি
- এর শুদ্ধ বানান - অধোগতি
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- নিম্নগতি, অধঃপতন।

অন্যদিকে,
- উদ্‌গিরণ, 
- বিশ্রুতি, 
- তিরস্কার।
শব্দগুলোর বানান শুদ্ধ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'শ্মশ্রু' - শব্দের সঠিক উচ্চারণ কোনটি?
  1. শোঁস্‌স্রু
  2. শষ্‌রু
  3. শোঁষ্‌রু
  4. শঁস্‌রু
সঠিক উত্তর:
শোঁস্‌স্রু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শোঁস্‌স্রু
ব্যাখ্যা

বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
- 'শ্মশ্রু' শব্দের সঠিক উচ্চারণ হচ্ছে — শোঁস্‌স্রু।




'শ' এর কয়েক রকম উচ্চারণ হয়: 
স্বতন্ত্র শ-এর মতো: 
- শক্তি (শোক্‌তি), মশা (মশা), শাসন (শাশোন্‌), সচিব (শোচিব)।  

যুক্ত শ + চ/ছ: শ-এর মতো: 
- নিশ্চয় (নিশ্‌চয়), শিরশ্ছেদ (শিরোশ্‌ছেদ)। 

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; বাংলা একাডেমি বাঙলা উচ্চারণ অভিধান বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (সংস্করণ-২০২২)।

.
কোনটি সঠিক?
  1. গোয়ালা-গোয়ালীনি
  2. শ্বেতাঙ্গ-শ্বেতায়ঙ্গিনী
  3. ঠাকুর-ঠাকুরানি
  4. ধনী-ধনীনি
সঠিক উত্তর:
ঠাকুর-ঠাকুরানি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঠাকুর-ঠাকুরানি
ব্যাখ্যা

• শব্দের শেষে '-আনি'/'আনী' প্রত্যয়যোগে গঠিত স্ত্রীবাচক শব্দ:

যেমন:
- শূদ্র-শূদ্রানী,
- অরণ্য-অরণ্যানী,
- ঠাকুর-ঠাকুরানি

অন্যদিকে,
শব্দের শেষে 'ইনী' প্রত্যয় যোগ করে: 
- গোয়ালা-গোয়ালিনী,
- শ্বেতাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গিনী,
- ধনী-ধনিনী।

উৎস: বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

.
কোনটি চলিত রীতির শব্দ?
  1. মাথা
  2. শুকনা
  3. জুতা
  4. সহিত
সঠিক উত্তর:
মাথা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাথা
ব্যাখ্যা

• চলিতরীতির শব্দ - মাথা
- এর সাধুরূপ - মস্তক।

• সাধু ও চলিত ভাষায় বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের কতিপয় রূপ:

সাধু - চলিত:
আসিয়া-এসে, 
জুতা-জুতো, 
→ তুলা-তুলো, 
→ শুষ্ক/শুকনা-শুকনো, 
​→ সহিত-সঙ্গে/সাথে।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯-সংস্করণ)।

.
কোনটি ইংরেজি শব্দ?
  1. কামিজ
  2. পিস্তল
  3. পেরেক
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা

• ইংরেজি শব্দ - উইল
- এটি একটি বিশেষ্য পদ।

শব্দের অর্থ:
- থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির বণ্টনবিষয়ে যে দানপত্র দাতার মৃত্যুর পরে কার্যকর হয়, শেষ ইচ্ছাপত্র।

অন্যদিকে,
- পর্তুগজ শব্দ - পেরেক।
- পিস্তল - ফরাসি শব্দ।
- ফারসি শব্দ - কামিজ।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে কী বলা হয়?
  1. মৌলিক স্বর
  2. যৌগিক স্বর
  3. একাক্ষর স্বর
  4. অর্ধ স্বর 
সঠিক উত্তর:
যৌগিক স্বর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক স্বর
ব্যাখ্যা

যৌগিক স্বর:
- পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি থাকলে দ্রুত উচ্চারণের সময় তা একটি সংযুক্ত স্বরধ্বনি রূপে উচ্চারিত হয়। এরূপে একসঙ্গে উচ্চারিত দুটো মিলিত স্বরধ্বনিকে যৌগিক স্বর বা দ্বি-স্বর বলা হয়।

যেমন:
- অ + ই = অই (বই),
- অ + উ = অউ (বউ),
- অ + এ = অয়, (বয়, ময়না),
- অ + ও = অও (হও, লও)।

• বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশ। বাংলা বর্ণমালায় যৌগিক স্বরজ্ঞাপক দুটো বর্ণ রয়েছে: ঐ এবং ঔ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

.
'নিস্বন' শব্দের অর্থ কী?
  1. আকাশ
  2. পদ্ম
  3. শব্দ
  4. বায়ু
সঠিক উত্তর:
শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শব্দ
ব্যাখ্যা

• 'নিস্বন' শব্দের অর্থ - শব্দ, নিনাদ, ধ্বনি, আওয়াজ।

অন্যদিকে,
'বায়ু' শব্দের অর্থ - বাতাস, মলয়, সমীরণ, পবন, দেহমধ্যস্থ পঞ্চবায়ু।
'পদ্ম' শব্দের অর্থ - পঙ্কজ, রাজীব, উৎপল, কমল, কুমুদ।
'আকাশ' শব্দের অর্থ - গগন, অন্তরীক্ষ, অম্বর, ব্যোম; শূন্য।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

.
'বহূর্ধ্ব' - শব্দের সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
  1. বহূ + উর্ধ্ব
  2. বহু + ঊর্ধ্ব
  3. বহু + উর্ধ্ব
  4. বহু + ঊর্দ্ধ
সঠিক উত্তর:
বহু + ঊর্ধ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বহু + ঊর্ধ্ব
ব্যাখ্যা

সন্ধির নিয়ম:
- উ-কার কিংবা উ-কারের পর উ-কার কিংবা ঊ-কার থাকলে উভয়ে মিলে উ-কার হয়, উ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জন ধ্বনির সাথে যুক্ত হয়। 

যেমন:
- মরু + উদ্যান = মরূদ্যান, 
- বহু + ঊর্ধ্ব = বহূর্ধ্ব,
- বধূ + উৎসব = বধূৎসব,
- ঊ; ভূ + ঊর্ধ্ব = ভূর্ধ্ব।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
'শ্লেষ' এর বিপরীতার্থক শব্দ -
  1. আশ্লেষ
  2. সম্বন্ধ
  3. অশ্লেষ
  4. বিশ্লেষ
সঠিক উত্তর:
বিশ্লেষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিশ্লেষ
ব্যাখ্যা

'শ্লেষ' এর বিপরীতার্থক শব্দ - বিশ্লেষ

উল্লেখ্য,
'শ্লেষ' শব্দের অর্থ - একই শব্দের একাধিক অর্থে প্রয়োগরূপ শব্দালংকার, সংস্রব, আলিঙ্গন, বিদ্রূপ, আশ্লেষ, সম্বন্ধ
'বিশ্লেষ' শব্দের অর্থ - একটি থেকে অন্যটি বা এক থেকে অন্যকে ছিন্নকরণ, বিভাগ, বিচ্যুতি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১০.
"Coast" এর সঠিক বাংলা পরিভাষা কোনটি?
  1. উপনিবেশ
  2. প্রতিলিপি
  3. উপকূল
  4. মূল্য
সঠিক উত্তর:
উপকূল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপকূল
ব্যাখ্যা

• "Coast" এর সঠিক বাংলা পরিভাষা - উপকূল

অন্যদিকে,
Cost - মূল্য।
Copy  - প্রতিলিপি।
Colony - উপনিবেশ।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ; বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা।

১১.
'প্রপৌত্র' - শব্দে উপসর্গটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?
  1. অনুগামিত
  2. খ্যাতি
  3. সম্যক
  4. আধিক্য
সঠিক উত্তর:
অনুগামিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুগামিত
ব্যাখ্যা

'প্র' উপসর্গের ব্যবহার:
- প্রকৃষ্ট/সম্যক অর্থে = প্রভাব, প্রচলন, প্রস্ফুটিত।
- খ্যাতি অর্থে = প্রসিদ্ধ, প্রতাপ, প্রভাব।
- আধিক্য অর্থে = প্রগাঢ়, প্রচার, প্রবল, প্রসার।
- গতি অর্থে = প্রবেশ, প্রস্থান।
- ধারা-পরম্পরা বা অনুগামিত অর্থে = প্রপৌত্র, প্রশাখা।

তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ:
- তৎসম উপসর্গ বিশটি।
যথা: প্র, পরা, অপ, সম, নি, অনু, অব, নির, দুর, বি, অধি, সু, উৎ, পরি, প্রতি, অতি, অপি, অভি, উপ, আ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।

১২.
'অনসূয়া' - বলতে কী বোঝায়?
  1. যে নারীর এখনো বিয়ে হয়নি
  2. যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে
  3. যে নারীর দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না
  4. যে নারীর হিংসা নাই
সঠিক উত্তর:
যে নারীর হিংসা নাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যে নারীর হিংসা নাই
ব্যাখ্যা

• 'যে নারীর হিংসা নাই' এর এক কথায় প্রকাশ - অনসূয়া

অন্যদিকে,
যে নারীর এখনো বিয়ে হয়নি - অনূঢ়া।
যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে - নবোঢ়া।
যে নারীর দেহ সৌষ্ঠব সম্পন্না - অঙ্গনা।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ এবং বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
'ঘরমুখো' - শব্দটি কোন বহুব্রীহি সমাসের উদাহরণ?
  1. সমানাধিকরণ
  2. মধ্যপদলোপী
  3. ব্যধিকরণ
  4. প্রত্যয়ান্ত
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ান্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়ান্ত
ব্যাখ্যা

প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি:
- যে বহুব্রীহি সমাসের সমস্তপদে আ, এ, ও ইত্যাদি প্রত্যয় যুক্ত হয় তাকে বলা হয় প্রত্যয়ান্ত বহুব্রীহি।

যথা:
- এক দিকে চোখ (দৃষ্টি) যার = একচোখা (চোখ+আ),
- ঘরের দিকে মুখ যার = ঘরমুখো (মুখ+ও),
- নিঃ (নেই) খরচ যার = নি-খরচে (খরচ+এ) ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ- ৯ম ও ১০ম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

১৪.
'আমরা রাজশাহী গিয়েছিলাম।' - বাক্যটি কোন কালের উদাহরণ?
  1. পুরাঘটিত অতীত
  2. নিত্যবৃত্ত অতীত
  3. নিত্যবৃত্ত বর্তমান
  4. পুরাঘটিত বর্তমান
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুরাঘটিত অতীত
ব্যাখ্যা

পুরাঘটিত অতীত কাল:
- অতীতের যে ক্রিয়া বহু পূর্বেই ঘটে গেছে এবং পরে আরো কিছু ঘটনা ঘটেছে, তার কালকে পুরাঘটিত অতীত কাল বলে।

যেমন:
- সন্ধ্যা হওয়ার আগেই আমরা মসজিদে পৌঁছেছিলাম।
- খরবটা তুমি আমাকে চিঠিতে জানিয়েছিলে।
- আমরা রাজশাহী গিয়েছিলাম।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম -দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) এবং বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি

১৫.
'কড়ি ও কোমল' - গ্রন্থটি কোন প্রকার সাহিত্য?
  1. উপন্যাস
  2. নাটক
  3. গল্পগ্রন্থ
  4. কাব্যগ্রন্থ
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা

'কড়ি ও কোমল' কাব্যগ্রন্থ:
- 'কড়ি ও কোমল' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত -কাব্যগ্রন্থ। কড়ি ও কোমল ১৮৮৬ সালে প্রকাশিত হয়।
- তারুণ্যের উচ্ছলতা, নারী দেহের প্রতি আকর্ষণ ও মৃত্যুর রহস্যময়তার প্রতি আকর্ষণ এই তিনটি লক্ষণে কাব্যাটি বিশিষ্ট।
- রবীন্দ্রনাথের বৌদি কাদম্বরীর আত্মহত্যাজনিত মৃত্যু রবীন্দ্রমনে যে বিরাগ সৃষ্টি করেছিল তার প্রভাব এই কাব্যগ্রন্থে লক্ষ্য করা যায়।
- এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা: চুম্বন, বাহু, চরণ, কেন, মোহ।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা, 
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পুনশ্চ,
- জন্মদিনে,
- পত্রপূট, 
- সেঁজুতি, 
- শেষলেখা ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

১৬.
মালাধর বসু প্রথম কোন গ্রন্থের বাংলা অনুবাদক ছিলেন?
  1. মহাভারত
  2. ভগবত
  3. রামায়ণ
  4. গীতা
সঠিক উত্তর:
ভগবত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভগবত
ব্যাখ্যা

মালাধর বসু:
- মালাধর বসু বর্ধমান জেলার কুলীন গ্রামে সম্ভবত পনের শতকের তৃতীয় বা চতুর্থ দশকে জন্মগ্রহণ করেন।
- মালাধর বসু (১৫শ-১৬শ শতক) ভগবতের প্রথম বাংলা অনুবাদক।
- তাঁর কাব্য 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের দ্বিতীয় অনুবাদ গ্রন্থ।
- মালাধরের একমাত্র কাব্য শ্রীকৃষ্ণবিজয়ের রচনাকাল ১৩৯৫-১৪০২ শকাব্দ (১৪৭৩-১৪৮০ খ্রি)।
- চৈতন্যদেবের (১৪৮৬-১৫৩৩) সন্ন্যাস গ্রহণের পূর্বে ভাগবতকে প্রথম বাংলায় প্রচার ও জনপ্রিয় করে তোলার কৃতিত্ব মালাধর বসুর।
- তিনি গৌড়েশ্বরের কাছ থেকে 'গুণরাজ খান' উপাধি পেয়েছিলেন।

অন্যদিকে,
- মহাভারতের প্রথম বাংলায় অনুবাদ করেন- কবীন্দ্র পরমেশ্বর।
- রামায়ণের প্রথম বাংলা অনুবাদক কৃত্তিবাস ওঝা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

১৭.
দেবানন্দপুরে জন্মগ্রহণ করেন কে?
  1. প্রমথ চৌধুরী
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়:
- ১৮৭৬ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর হুগলি জেলার দেবানন্দপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। 
- তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের একজন অমর কথাশিল্পী।
- তাঁর উপন্যাসের মূল বিষয় পল্লীর জীবন ও সমাজ। ব্যক্তিমানুষের মন পল্লীর সংস্কারাচ্ছন্ন মানসিকতার আঘাতে কতটা রক্তাক্ত হতে পারে, তারই রূপচিত্র এঁকেছেন তিনি তাঁর রচনায়। 
- সামাজিক বৈষম্য, কুসংস্কার ও শাস্ত্রীয় অনাচারের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন উচ্চকণ্ঠ।
- বার্মায় বসবাসকালে তাঁর অঙ্কিত ‘মহাশ্বেতা’ অয়েল পেইন্টিং একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
- ১৯৩৮ সালের ১৬ জানুয়ারি কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- বড়দিদি,
- পরিণীতা, 
- বিরাজ বৌ, 
- পণ্ডিত মশাই, 
- পল্লী সমাজ, 
- দেবদাস, 
- চরিত্রহীন, 
- দত্তা, 
- গৃহদাহ, 
- বামুনের মেয়ে, 
- দেনা পাওনা, 
- পথের দাবী, 
- শেষ প্রশ্ন, 
- বিপ্রদাস ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

১৮.
মুনিদত্তের মতে চর্যাপদের পদসংগ্রহের নাম কী?
  1. চর্যাচর্যবিনিশ্চয়
  2. চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়
  3. আশ্চর্যচর্যাচয়
  4. চর্যাগীতিকোষ
সঠিক উত্তর:
আশ্চর্যচর্যাচয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আশ্চর্যচর্যাচয়
ব্যাখ্যা

চর্যাপদ:
- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য ঐতিহাসিক নিদর্শন চর্যাপদ।
- মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী তৃতীয় বার নেপাল সফর কালে নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে ১৯০৭ সালে সে সাহিত্যের কতকগুলো পদ আবিষ্কার করেন। তাঁর সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে সে সব পদ ১৯১৬ সালে (১৩২৩ সনে) চর্যাচর্যবিনিশ্চয় সরহপাদ ও কৃষ্ণপাদের দোহা এবং ডাকার্ণব-এ চারটি পুঁথি একত্রে 'হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
- চর্যাপদের প্রাপ্ত পুঁথিতে উল্লেখকৃত সংস্কৃত টীকাকার মুনিদত্তের মতানুসারে এই পদসংগ্রহের নাম 'আশ্চর্যচর্যাচয়'। নেপালে প্রাপ্ত পুঁথিতে পদগুলোর নাম দেওয়া হয়েছে 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'। এ দুটি নাম মিলিয়ে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী 'চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়' নামের পরিকল্পনা করেন।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

১৯.
'ভানুমতী' - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত কোন উপন্যাসের চরিত্র?
  1. ইছামতী
  2. অশনি সংকেত
  3. অপরাজিত
  4. আরণ্যক
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আরণ্যক
ব্যাখ্যা

‘আরণ্যক’ উপন্যাস:
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস ‘আরণ্যক’। 
- ভাগলপুরের নিকটবর্তী বনঞ্চলের নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন নিয়ে রচিত হয়েছে আরণ্যক উপন্যাস।
- প্রধান চরিত্র: ভানুমতী, বনোয়ারী, দোবরু, বুদ্ধু সিংহ।

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়: 
- বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় ১৮৯৪ খ্রিস্টাব্দের ১২ সেপ্টেম্বর পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগনা জেলার কাঁচরাপাড়ার নিকটবর্তী ঘোষপাড়া-মুরারিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম।
- ১৩২৮ বঙ্গাব্দের (১৯২১) মাঘ প্রবাসীতে প্রথম গল্প ‘উপেক্ষিতা’ প্রকাশের মধ্য দিয়ে বিভূতিভূষণের সাহিত্যিক জীবন শুরু হয়। 
- বাংলা কথাসাহিত্যে শরৎচন্দ্রের পরে বিভূতিভূষণই সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় সাহিত্যিকের মর্যাদা পেয়েছেন।

তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পথের পাঁচালী,
- অপরাজিত, 
- অশনি সংকেত,
- আরণ্যক,
- আদর্শ হিন্দু হোটেল,
- দেবযান,
- ইছামতী,
- দৃষ্টি প্রদীপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২০.
মধ্যযুগের সাহিত্যিক শেখ ফয়জুল্লাহ কত শতকের কবি?
  1. ১৫শ শতক
  2. ১৬শ শতক
  3. ১৪শ শতক
  4. ১৭শ শতক
সঠিক উত্তর:
১৬শ শতক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬শ শতক
ব্যাখ্যা

শেখ ফয়জুল্লাহ:
- তিনি ১৬শ শতক মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের কবি।
- তাঁর জন্মস্থান নিয়ে মতভেদ আছে।
- বিভিন্ন মতে তাঁর জন্মস্থান হিসেবে পশ্চিমবঙ্গের বারাসাত, দক্ষিণ রাঢ় এবং কুমিল্লার নাম উল্লিখিত হয়েছে।

শেখ ফয়জুল্লাহ রচিত সাহিত্যকর্ম:
- গোরক্ষবিজয়,
- গাজীবিজয়, 
- সত্যপীর,
- জয়নবের চৌতিশা এবং
- রাগনামা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া।

২১.
কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'রণসঙ্গীত' প্রথম কী নামে  প্রকাশিত হয়?
  1. জাগরণের গান
  2. নতুনের গান
  3. স্বাধীনতার গান
  4. চল্ চল্‌ চল্‌
সঠিক উত্তর:
নতুনের গান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নতুনের গান
ব্যাখ্যা

রণসঙ্গীত:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের রণসঙ্গীতের রচয়িতা।
- রণসঙ্গীত হিসেবে মূল কবিতাটির ২১ চরণ গৃহীত।
- রণসঙ্গীতটি ‘নতুনের গান' শিরোনামে ঢাকার 'শিখা' পত্রিকায় ১৯২৮ (১৩৩৫) বার্ষিক সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। পরে এর নাম হয় 'চল্ চল্‌ চল্‌'।
- কাজী নজরুল ইসলামের 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থে এই সঙ্গীতটি অন্তর্ভুক্ত আছে।

সঙ্গীতটির কিছু চরণ:
‘চল্ চল্ চল্!/ ঊর্ধ্ব গগনে বাজে মাদল
নিম্নে উতলা ধরণী-তল,/ অরুণ প্রাতের
তরুণ দল-’

কাজী নজরুল ইসলাম:
- কাজী নজরুল ইসলাম বাংলাদেশের জাতীয় কবি এবং অবিভক্ত বাংলার সাহিত্য, সমাজ ও সংস্কৃতি ক্ষেত্রের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিত্ব।
- কাজী নজরুল ইসলাম ১৩০৬ বঙ্গাব্দের ১১ জ্যৈষ্ঠ  (২৪ মে ১৮৯৯) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। 
- নজরুলের ডাক নাম ছিল ‘দুখু মিয়া’।  বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে তিনি ‘বিদ্রোহী কবি’।
- কাজী নজরুল ইসলাম আধুনিক বাংলা গানের জগতে ‘বুলবুল’ নামে খ্যাত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং 'সন্ধ্যা' কাব্যগ্রন্থ, কাজী নজরুল ইসলাম।

২২.
ভুসুকুপা কোথাকার রাজপুত্র ছিলেন?
  1. গৌড়
  2. মগধ
  3. সৌরাষ্ট্র 
  4. বিহার
সঠিক উত্তর:
সৌরাষ্ট্র 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সৌরাষ্ট্র 
ব্যাখ্যা

ভুসুকুপা:
- চর্যাগীতি রচনার দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানের অধিকারী হলেন ভুসুকুপা।
- তিনি সৌরাষ্ট্রের ক্ষত্রিয় রাজপুত্র ছিলেন বলে মনে করা হয়।
- তাঁর রচিত আঁটটি পদ চর্যাপদ গ্রন্থে সংগৃহীত হয়েছে।
- নানা কিংবদন্তি বিচারে ভুসুকুপা নামটিকে ছন্দ নাম বলে মনে করেন। তাঁর প্রকৃত নাম শান্তিদেব।
- ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর মতে শান্তিদেব ভুসুকু সাত শতকের দ্বিতীয়ার্ধে বর্তমান ছিলেন। ভুসুকুর জীবৎকালে শেষ সীমা ৮০০ সাল।
- ধর্মপালের রাজত্বকালে (৭৭০-৮০৬ সাল) ভুসুকুপা জীবিত ছিলেন।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৩.
"হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, 
বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?" - কবিতাংশটুকু কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. অভিযাত্রিক
  2. সাঁঝের মায়া
  3. ঝরা পালক
  4. রূপসী বাংলা
সঠিক উত্তর:
সাঁঝের মায়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাঁঝের মায়া
ব্যাখ্যা

“হে কবি, নীরব কেন ফাগুন যে এসেছে ধরায়, 
বসন্তে বরিয়া তুমি লবে না কি তব বন্দনায়?” - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা 'সুফিয়া কামাল'। এটি তাঁর "তাহারেই পড়ে মনে" কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। "তাহারেই মনে পড়ে" কবিতাটি বেগম সুফিয়া কামাল রচিত 'সাঁঝের মায়া' নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

সুফিয়া কামাল:
- 'জননী সাহসিকা' হিসেবে খ্যাত সুফিয়া কামাল ছিলেন মূলত কবি।
- সুফিয়া কামাল বাংলাদেশের একজন প্রথিতযশা কবি, লেখিকা ও নারী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ।
- তিনি বরিশালের শায়েস্তাবাদে মামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তার পৈতৃক নিবাস কুমিল্লায়।
- 'বেগম' (১৯৪৭) পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন তিনি।

সুফিয়া কামাল রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- মন ও জীবন,
- উদাত্ত পৃথিবী,
- সাঁঝের মায়া,
- অভিযাত্রিক,
- মোর যাদুদের সমাধি পরে,
- মায়া কাজল।

অন্যদিকে,
- 'ঝরা পালক' জীবনানন্দ দাশের লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
- 'রূপসী বাংলা' বাংলা ভাষার অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের সর্বাধিক জনপ্রিয় কাব্যগ্রন্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

২৪.
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পর 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা কে সম্পাদনা করেন?
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. রামদাস সেন
  3. সঞ্জীবচন্দ্র
  4. গঙ্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর:
সঞ্জীবচন্দ্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সঞ্জীবচন্দ্র
ব্যাখ্যা

'বঙ্গদর্শন' পত্রিকা:
- ১৮৭২ সালে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক 'বঙ্গদর্শন' পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- উনিশ শতকের বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশেষত বাংলা গদ্যের গঠনে এর অবদান অবিস্মরণীয়।
- পত্রিকাটি ১৮৭৬ পর্যন্ত মাত্র চার বছর প্রকাশিত হয়।
- বঙ্গদর্শনের ভাষা ছিল খুব উন্নত মানের সাধু বাংলা।
- সাহিত্য, সমাজ, বিজ্ঞান, রাজনীতি, ধর্মতত্ত্ব ও দর্শন সম্পর্কিত মূল্যবান প্রবন্ধ এবং উপন্যাস এতে প্রকাশিত হতো।
- বঙ্গদর্শনকে তখন শিক্ষিত বাঙালি সমাজের প্রথম মুখপত্র বলা হতো, কেননা বাঙালি জাতির আধুনিক চিন্তা ও মনন এর মাধ্যমেই প্রথম প্রকাশ লাভ করে।
- বঙ্গদর্শনের প্রধান লেখক বঙ্কিমচন্দ্র হলেও গঙ্গাচরণ, রামদাস সেন, অক্ষয় সরকার, চন্দ্রনাথ বসু প্রমুখ পন্ডিতও এতে নিয়মিত লিখতেন।
- বঙ্কিমচন্দ্র রচিত ভারতের জাতীয় সঙ্গীত ‘বন্দে মাতরম্’ এই পত্রিকায়ই প্রথম মুদ্রিত হয়।
- বঙ্কিমচন্দ্রের পরে তাঁর ভাই সঞ্জীবচন্দ্র ও শ্রীশচন্দ্র স্বল্প সময় বঙ্গদর্শন সম্পাদনা করেন।
- ২০০০ সাল থেকে পশ্চিমবঙ্গের নৈহাটিস্থ বঙ্কিমভবন গবেষণাকেন্দ্র কর্তৃক বঙ্গদর্শন নবরূপে ষাণ্মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হচ্ছে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৫.
‘কুলায় ও কালপুরুষ’ - প্রবন্ধগ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. অমিয় চক্রবর্তী
  2. বিষ্ণু দে
  3. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  4. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
ব্যাখ্যা

• ‘কুলায় ও কালপুরুষ’ সুধীন্দ্রনাথ দত্ত রচিত একটি প্রবন্ধগ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯৫৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত:
- ১৯০১ সালের ৩০ অক্টোবর কলকাতার হাতীবাগানে তাঁর জন্ম।
- তিনি ছিলেন কবি, প্রাবন্ধিক ও পত্রিকা সম্পাদক। 
- ত্রৈমাসিক 'পরিচয়' পত্রিকা সম্পাদনা করে তিনি অমর হয়ে আছেন।
- সুধীন্দ্রনাথ দত্ত ছিলেন ত্রিশের দশকের রবীন্দ্রকাব্যধারার বিরোধী খ্যাতিমান কবিদের অন্যতম।
- তিনি বাংলা গদ্যের আধুনিক রূপেরও প্রবর্তক।

তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তন্বী,
- অর্কেষ্ট্রা,
- ক্রন্দসী,
- উত্তরফাল্গুনী,
- সংবর্ত,
- প্রতিদিন,
- দশমী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

২৬.
‘তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য’ - এর উপজীব্য কী?
  1. অর্জুনের তপস্যা
  2. সীতা-রামের মিলন
  3. সুন্দ-উপসুন্দের দ্বন্দ্ব
  4. কৃষ্ণ-রাধার প্রেমকাহিনি
সঠিক উত্তর:
সুন্দ-উপসুন্দের দ্বন্দ্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুন্দ-উপসুন্দের দ্বন্দ্ব
ব্যাখ্যা

তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য:
- 'তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য' মাইকেল মধুসূদন দত্তের চার সর্গে রচিত কাব্য।
- ১৮৬০ খ্রিষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে রচিত ও সে বছরই মে মাসে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত।
- কাব্যটি মহাভারতের সুন্দ ও উপসুন্দ কাহিনিকে অবলম্বনে রচিত।
- সৌন্দর্য প্রতিমা তিলোত্তমাকে নিয়ে সুন্দ-উপসুন্দের দ্বন্দ্ব এই কাব্যের উপজীব্য।
- বাংলা ভাষায় অমিত্রাক্ষর ছন্দে রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো 'তিলোত্তমাসম্ভব' কাব্য। অবশ্য কবি তাঁর 'পদ্মাবতী' (১৮৬০) নাটকের দ্বিতীয় অঙ্ক, দ্বিতীয় গর্ভাঙ্কে অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রথম প্রয়োগ করেছিলেন। কিন্তু সম্পূর্ণ গ্রন্থ হিসেবে তিলোত্তমাসম্ভব কাব্যই প্রথম।

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- তিলোত্তমাসম্ভব কাব্য,
- ব্রজাঙ্গনা কাব্য,
- মেঘনাদবধ কাব্য,
- বীরাঙ্গনা কাব্য,
- চতুর্দশপদী কবিতাবলী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২৭.
'কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ' - গ্রন্থটি রচনা করেন কে?
  1. মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ
  2. দোম আন্তোনিও
  3. উইলিয়াম কেরি
  4. নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
সঠিক উত্তর:
মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ
ব্যাখ্যা

‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থ:
- রোমান ক্যাথলিক পর্তুগিজ পাদ্রি মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ কর্তৃক ১৭৩৪ সালে রচিত এবং ১৭৪৩ সালে লিসবনে রোমান হরফে মুদ্রিত ‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থ ভেদ’ গ্রন্থটি বাংলা গদ্যের প্রাথমিক প্রচেষ্টার নিদর্শন হিসেবে উল্লেখযোগ্য।
- গ্রন্থটি ঢাকার ভাওয়াল অঞ্চলের নাগরী নামক স্থানে লিখিত।
- এই গ্রন্থের বাঁ দিকের পৃষ্ঠায় বাংলা ভাষায় এবং ডান দিকের পৃষ্ঠায় পর্তুগিজভাষায় গুরু ও শিষ্যের কথোপকথনের মাধ্যমে খ্রিষ্টধর্মের মহিমা এবং খ্রিষ্টানদের আচার-অনুষ্ঠানের কথা আলোচিত হয়েছে।

মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ:
- তিনি একজন পর্তুগিজ ছিলেন।
- তিনি ছিলেন একজন খ্রিস্টান ধর্মযাজক।
- মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ এর আগে কেউ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেননি।
- ১৭৪৩ সালে মনোএল দা আসসুম্পসাঁউ দুটি বাংলা গ্রন্থ রচনা ও মুদ্রণ করেন।

তাঁর রচিত গ্রন্থ দুটি হলো:
- কৃপা শাস্ত্রের অর্থভেদ,
- ভোকাবুলিরও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা; বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৮.
কোন লেখক ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড পণ্ডিত পদে নিযুক্ত ছিলেন?
  1. গোলকনাথ শর্মা
  2. চণ্ডীচরণ মুনশী
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. রামরাম বসু
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর:
- বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
- তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন।
- বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন।
- তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।
- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন।
- বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
- তিনি ১৮৪১ খ্রিষ্টাব্দের ২৯শে ডিসেম্বরে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের হেড পণ্ডিত পদে নিযুক্তি হন

উল্লেখ্য,
- চণ্ডীচরণ মুনশী ফোর্ট উইলিয়ম কলেজের বাংলা বিভাগের অন্যতম অধ্যাপক। ১৮০৫ খ্রী. কাদির বখশ রচিত ফারসী গ্ৰন্থ ‘তুতীনামা’র বঙ্গানুবাদ করেন।

অন্যদিকে,
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতগণ হলেন:
- উইলিয়াম কেরী,
- রামরাম বসু,
- গোলকনাথ শর্মা,
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার,
- তারিণীচরণ মিত্র,
- রাজীবলোচন,
- চণ্ডীচরণ মুনশী,
- হরপ্রসাদ রায় ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম।

২৯.
'ললিতা তথা মানস' - গ্রন্থটি কোন লেখকের প্রথম কাব্যগ্রন্থ?
  1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. বুদ্ধদেব বসু
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায়
ব্যাখ্যা

'ললিতা তথা মানস' কাব্যগ্রন্থ:
- প্রখ্যাত ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্রোপাধ্যায় রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘ললিতা তথা মানস’।
- এটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৬ সালে।

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: 
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ঔপন্যাসিক, সাংবাদিক, বাংলার নবজাগরণের অন্যতম প্রধান পুরুষ।
- ১৮৩৮ সালে চবিবশ পরগনা জেলার কাঁঠালপাড়া গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয় বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে।
 - আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরানী ও সীতারাম তাঁর ত্রয়ী উপন্যাস।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় 'সাম্য' গ্রন্থটি রচনা করেন।  
 
তাঁর রচিত উপন্যাস:
- কপালকুণ্ডলা,
- মৃণালিনী,
- বিষবৃক্ষ,
- ইন্দিরা,
- যুগলাঙ্গুরীয়,
- চন্দ্রশেখর,
- রাধারানী,
- রজনী,
- কৃষ্ণকান্তের উইল,
- রাজসিংহ।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

৩০.
আবু ইসহাক রচিত উপন্যাস কোনটি?
  1. মহাপতঙ্গ
  2. হারেম
  3. জাল
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
জাল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাল
ব্যাখ্যা

• আবু ইসহাক রচিত উপন্যাস - জাল

আবু ইসহাক:
- তাঁর জন্ম শরিয়তপুর জেলার শিরঙ্গল গ্রামে, ১৯২৬ সালের ১ নভেম্বর।
- কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত নবযুগ পত্রিকায় আবু ইসহাকের ‘অভিশাপ’ নামে একটি গল্প প্রকাশিত হয়।
- বিশ্বযুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা, দেশবিভাগ প্রভৃতি পরপর চারটি বড় ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমিতে তিনি রচনা করেন সূর্য দীঘল বাড়ী।

আবু ইসহাক রচিত গল্পগ্রন্থ:
- হারেম,
- মহাপতঙ্গ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

৩১.
"I am constant as the northern star." - This famous line is taken from -
  1. Macbeth
  2. King Lear
  3. Julius Caesar
  4. Antony and Cleopatra
সঠিক উত্তর:
Julius Caesar
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Julius Caesar
ব্যাখ্যা

"I am constant as the northern star." - এটি William Shakespeare রচিত Julius Caesar নাটকের একটি লাইন।

• Julius Caesar:

- তিনি Rome এর ruler ছিলেন।
- Caesar এর betrayer এর নাম হলো Brutus.
- ১৫৯৯-১৬০০ সালের মধ্যে এই নাটকটি লিখা হয় এবং ১৬২৩ সালে Shakespeare এর First Folio এর অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিত হয়।
- 'Julius Caesar' William Shakespeare এর একটি Historical Play এবং Tragedy.
- নাটকটি রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রকে ঘিরে আবর্তিত হয় যা Julius Caesar, একজন রোমান রাষ্ট্রনায়ক এবং সামরিক জেনারেলকে হত্যার দিকে নিয়ে যায়।
- ঈর্ষান্বিত ষড়যন্ত্রকারীরা সিজারের বন্ধু Brutus কে Caesar এর বিরুদ্ধে তাদের হত্যার ষড়যন্ত্রে যোগ দিতে রাজি করায়।
- Caesar কে অত্যধিক ক্ষমতা অর্জন থেকে বিরত রাখতে, Brutus এবং ষড়যন্ত্রকারীরা তাকে March এর Ides এ হত্যা করে।
- Mark Antony ষড়যন্ত্রকারীদের রোম থেকে তাড়িয়ে দেয় এবং একটি যুদ্ধে তাদের সাথে লড়াই করে।

• এই tragedy এর কয়েকটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে - 
- 'Cowards die many times before death; The valiant never taste of death but once.'
- 'Veni, Vidi, Vici (I came, I saw, I conquered)
- 'Et tu, Brute? ('You too, Brutus?')' (last words of Julius Ceasar)

• William Shakespeare:

- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

• Notable works: 
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Julius Caesar,
- Antony and Cleopatra.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- A Midsummer Night's Dream etc.

• Famous poem:
- Shall I Compare Thee to a Summer Day/Sonnet 18,
- The Rape of Lucrece,
- Venus and Adonis.

Source: britannica.com

৩২.
Christabel, the famous Gothic ballad, is written during -
  1. Neoclassical period
  2. Romantic period
  3. Victorian period
  4. Modern period
সঠিক উত্তর:
Romantic period
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Romantic period
ব্যাখ্যা

Christabel, the famous Gothic ballad, is written on - Romantic period.

• Christabel

- It is an unfinished Gothic ballad by Samuel Taylor Coleridge.
- অর্থাৎ, একটি রহস্যময় ও অতিপ্রাকৃত কাব্য। যা ১৭৯৭-১৮০০ সালের মধ্যে লেখা হয়, তবে সম্পূর্ণ হয়নি।
- Christabel নামের এক তরুণী এক রাতে বনে গিয়ে Geraldine নামের এক রহস্যময় মহিলাকে দেখতে পায়, যে বলে সে বিপদে পড়েছে।
- Christabel তাকে নিজের প্রাসাদে নিয়ে আসে, কিন্তু ধীরে ধীরে Geraldine -এর অদ্ভুত আচরণ প্রকাশ পায়।
- কবিতাটি Geraldine-এর প্রকৃত পরিচয় এবং Christabel-এর উপর তার প্রভাব ঘিরে রহস্যময় আবহ তৈরি করে।
- এই কবিতায় একই সাথে Sin versus Religiosity, Evil versus Devoutness, and Sexuality versus Purity কে উপস্থাপন করা হয়েছে।
- Christabel হচ্ছে religiosity -এর প্রতীক, অপরদিকে Geraldine হচ্ছে sin -এর প্রতীক।

• Samuel Taylor Coleridge:
- তিনি একজন British poet.
- Samuel Taylor Coleridge ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি, সমালোচক এবং দার্শনিক।
- তার কবিতা, বিশেষ করে "The Rime of the Ancient Mariner" ও "Kubla Khan", আজও সাহিত্যে বিশাল প্রভাব বিস্তার করে।

• Notable Works:
- Biographia Literaria (Critical Autobiography),
- Christabel (Poem),
- Dejection: An Ode (Poem),
- Frost at Midnight (Poem),
- Kubla Khan (poem),
- Lyrical Ballads (Book),
- The Rime of the Ancient Mariner (Poem).

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M Mofizar Rahman.

৩৩.
In Romeo and Juliet, who provides Juliet with the potion to feign death?
  1. The Nurse
  2. Friar Laurence
  3. Lord Capulet
  4. Paris
সঠিক উত্তর:
Friar Laurence
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Friar Laurence
ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: b) Friar Laurence.

• Romeo and Juliet নাটকে, Juliet তার পরিবার এবং Paris-এর সঙ্গে বিয়ে এড়ানোর জন্য Friar Laurence-এর সাহায্য নেয়।
- Friar Laurence তাকে একটি potion দেয়, যা খেলে সে মৃতপ্রায় মনে হবে।
- এই পরিকল্পনার উদ্দেশ্য হলো: Juliet “মৃত” বলে everyone বিশ্বাস করবে, আর পরে Romeo সঙ্গে মিলিত হবে।

• Romeo and Juliet:
- ‘Romeo and Juliet’ Shakespeare এর নাটক।
- এ নাটকটির প্রেক্ষাপট ইতালির Verona.
- এর চরিত্রসমূহ হচ্ছে: Romeo (নায়ক), Juliet (নায়িকা), Montego, Lady Montego, Capulet, Lady Capulet.
- রোমিও হচ্ছে Montague এবং জুলিয়েট Capulet পরিবারের সদস্য। এই দুই পরিবারের মাঝে শত্রুতা বিদ্যমান।
- নানা ঘটনা, দূর্ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে নাটকের শেষে ট্রাজিক পরিণতি বরণ করে নায়ক নায়িকা দুুজনেই।

Other quotes:
• "If love be rough with you, be rough with love; Prick love for pricking, and you beat love down." 
• "Parting is such sweet sorrow that I shall say goodnight till it be morrow."

• William Shakespeare:
- William Shakespeare was born on 23 April 1564 AD and died on 23 April 1616 AD.
- তার জন্মস্থান Stratford Avon.
- তিনি একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে English national poet বলা হয়।
- তাকে 'Bard of Avon' বা Swan of Avon বলা হয়।
- Shakespeare wrote a total of 37 plays and 154 sonnets.

Source: Britannica.

৩৪.
Who wrote the famous poem Queen Mab?
  1. John Keats
  2. P.B. Shelley
  3. William Shakespeare
  4. William Blake
সঠিক উত্তর:
P.B. Shelley
উত্তর
সঠিক উত্তর:
P.B. Shelley
ব্যাখ্যা

• Queen Mab
- Full title: "Queen Mab, a Philosophical Poem: With Notes."
- A poem by Romantic poet P.B. Shelley.
- রাজনৈতিক বিষয়বস্তুর কারণে ১৮১৩ সালে এটি প্রাথমিকভাবে বেনামে প্রকাশিত হয়েছিল।
- এটি কবির রচিত 'First major poem'.
- পরে ১৮১৬ সালে Shelley এটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেছিলেন।
- কবিতাটি নয়টি Cantos এ বিভক্ত এবং blank verse এ রচিত।
- Queen Mab, ruler of the fairies, takes the spirit of Ianthe (the name of Shelley’s first child) on a journey through time and space to reveal various human follies and errors.
- Queen Mab, Ianthe এর আত্মাকে মানবজাতির অতীত, বর্তমান এবং ভবিষ্যতের একটি দর্শন দেখায়।

• এই কবিতার একটি বিখ্যাত উক্তি হচ্ছে - 
 'The more we study, the more we discover our ignorance'

• Percy Bysshe Shelley, an English Romantic poet whose passionate search for personal love and social justice was gradually channeled from overt actions into poems that rank with the greatest in the English language.

• Best works:
• Poem:
- Queen Mab, his first major poem,
- Alastor; or The Spirit of Solitude,
- Adonais,
- Ozymandias,
- To a Skylark.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci.

Source: Britannica and Live MCQ Lecture.

৩৫.
Who becomes Jane Eyre’s romantic interest?
  1. John Rivers
  2. Edward Rochester
  3. John Reed
  4. Mr. Brocklehurst
সঠিক উত্তর:
Edward Rochester
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Edward Rochester
ব্যাখ্যা

Charlotte Bronte এর বিখ্যাত উপন্যাস "Jane Eyre" এ Jane Eyre এর love interest হলেন Edward Rochester. তিনি Thornfield Hall এর মালিক, যেখানে Jane একজন governess হিসেবে কাজ করতে যান।

• Jane Eyre:
- Bronte এর famous novel 'Jane Eyre" এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে Jane Eyre অর্থাৎ তাঁর নামেই novel টি নামকরণ করা হয়েছে।
- Charlotte Bronte তাঁর এই Novel টি তাঁর ছদ্মনাম "Currer Bell" এর অধীনে ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত করেন।
- Jane Eyre কে তাঁর Autobiography ও বলা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে এটি একটি ক্লাসিক হিসাবে বিবেচিত।

• Short Summary: 
- Story of Rochester and Jane Eyre. 
- একজন নারীর সংগ্রামের গল্প। দশ বছরের একজন অনাথিনী বালিকা যে পিতা মাতার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি পরিবারে লালিত পালিত এবং একই সাথে নিগৃহীত হয়। এরপর তার ঠিকানা হয় অনাথ আশ্রমে। 
- পরবর্তীতে Rochester নামক একজন বিত্তশালী পুরুষের প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের মিলনে অনেক বাধা বিপত্তি দেখা দেয়। 
- নানা প্রতিকূলতা আর ঘাত প্রতিঘাত এড়িয়ে জীবন সংগ্রামে জয়ী হয় Jane Eyre। শেষে Rochester এর সাথে তার মিলনের মাধ্যমে উপন্যাসের শুভ সমাপ্তি ঘটে। 

• Main Characters of the novel - 
- Jane Eyre,
- Edward Rochester,
- St. John Rivers,
- Helen Burns,
- Mrs. Reed.

• Charlotte Bronte: 
- তিনি একজন British author.
- English novelist noted for Jane Eyre a strong narrative of a woman in conflict with her natural desires and social condition. 

• Notable work:
- Jane Eyre,
- Poems by Currer,
- Ellis and Acton Bell,
- Shirley: A Tale,
- The Professor,
- Villette.

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.

৩৬.
Which novel by Charles Dickens is set against the backdrop of the French Revolution?
  1. Little Dorrit
  2. Hard Times
  3. A Tale of Two Cities
  4. Great Expectations
সঠিক উত্তর:
A Tale of Two Cities
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A Tale of Two Cities
ব্যাখ্যা

Charles Dickens এর উপন্যাস A Tale of Two Cities ফরাসি বিপ্লব (French Revolution) এর প্রেক্ষাপটে লেখা।
উপন্যাসটির কাহিনি মূলত London এবং Paris–এ আবর্তিত হয়।

• A Tale of Two Cities:

- এটি Charles Dickens লিখিত একটি novel.
- এই Novel টিতে London and Paris city দুইটিকে ঘিরে কাহিনি গড়ে উঠেছে।
- ফরাসী বিপ্লবের সাথে সংশ্লিষ্ট এই উপন্যাসটি।
- কাহিনির সূত্রপাতে দেখা যায় Lucie Manette একজন তরুণী যে বিস্ময়ে ফেটে পড়ে তার বাবা Doctor Alexandre Manette এর জীবিত থাকার কথা শুনে ।
- অত্যাচারি জমিদারের ষড়যন্ত্রে পড়ে নির্দোষ Doctor Manette জেল খাটতে বাধ্য হন।
- জেলে থাকা অবস্থায়ই তিনি মুচির কাজ শিখেন।
- তার মেয়ে Lucie বড় হবার পর বাবার কথা জানতে পেরে বাবাকে প্যারিস থেকে লন্ডনে নিয়ে আসেন।
- পথিমধ্যে তাদের সাথে পরিচয় হয় Charles Darnay এর সাথে। যে ফরাসী রাজপরিবারের সদস্য হলেও তার পরিবারের পাপের জন্য অনুতপ্ত ছিল এবং প্রায়শ্চিত্ব করতে চেয়েছিল।
- এছাড়া পরবর্তীতে Sydney Carton নামক একজন পারিবারিক বন্ধু প্রেমে পড়ে Lucie Manette এর ।

• এই novel এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ -
- Sydne Carton,
- Lucie Manette,
- Charles Darnay,
- Dr. Alexandre Manette,
- Madame Defarge.

• উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি সমূহ -
- “It was the best of times, it was the worst of times, it was the age of wisdom, it was the age of foolishness, it was the epoch of belief, it was the epoch of incredulity, it was the season of light, it was the season of darkness, it was the spring of hope, it was the winter of despair.” (First Line)

- "It is a far, far better thing that I do, than I have ever done; it is a far, far better rest I go to than I have ever known." (last Line)

• Charles Dickens:
- তিনি একজন British novelist.
- He is generally considered the greatest of the Victorian era.

• Best Works: (Novels)
- A Christmas Carol,
- David Copperfield,
- Bleak House,
- A Tale of Two Cities,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend,
- Hard Times,
- The Pickwick Papers.

Source: Live MCQ lecture and Britannica.com

৩৭.
Irish author G. B. Shaw won the Nobel Prize for Literature in which year?
  1. 1905
  2. 1910
  3. 1915
  4. 1925
সঠিক উত্তর:
1925
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1925
ব্যাখ্যা

Answer - ঘ) 1925.

• G. B. Shaw (1856-1950):

- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক
- He is considered to be the greatest modern English dramatist.
- তিনি ১৯২৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।

• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession;(play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House;
- Caesar and Cleopatra; (play/tragedy),
- Man and Superman; (Comedy play),
- The Doctor's Dilemma; (satire drama/play, Epilogue),
- St. Joan of Arc etc.

Source: Britannica & Live MCQ Lecture.

৩৮.
Jean-Paul Sartre is a renowned author from -
  1. Russia
  2. France
  3. Germany
  4. Ireland
সঠিক উত্তর:
France
উত্তর
সঠিক উত্তর:
France
ব্যাখ্যা

Answer - France.

• Jean-Paul Sartre is a renowned author from France.

- তিনি একজন ফরাসি দার্শনিক, ঔপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন।
- 'The Words' আত্মজীবনীটি তার ঊনপঞ্চাশ বছর বয়সে লেখা।
- এটি আত্ম-বিশ্লেষণের (self-analysis) একটি মাস্টারপিস।
- ১৯৬৪ সালের অক্টোবরে তাকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- কিন্তু তিনি পুরষ্কার প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
- Jean-Paul Sartre wrote the autobiography 'The Words.'

Notable works: 
Novel:
• Nausea,
• Being and Nothingness.

Source: Britannica.

৩৯.
Paronomasia in literature is -
  1. A figure of speech using exaggerated statements for emphasis
  2. A story within a story
  3. A figure of speech that gives human qualities to objects
  4. A play upon words which are similar in sound but different in meaning
সঠিক উত্তর:
A play upon words which are similar in sound but different in meaning
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A play upon words which are similar in sound but different in meaning
ব্যাখ্যা

Answer - A play upon words which are similar in sound but different in meaning.

• Pun or Paronomasia:

- A play upon words which are similar in sound but different in meaning.
অর্থাৎ pun হচ্ছে শব্দের এক মজার ব্যবহার যেখানে একটি শব্দ দুটি ভিন্ন অর্থে ব্যহৃত হয়।

• ইংরেজি সাহিত্যে বিভিন্ন সাহিত্যিকেরা তাদের লেখায় এমনকি তাদের লেখার শিরোনামেও Pun এর ব্যবহার করেছেন।
যেমন - 
- The title of Hemingway's famous novel, Farewell to Arms has a Pun on it.
- এখানে Arms দ্বারা যুদ্ধ বা অস্ত্রের পাশাপাশি প্রেমিকার হাতকেও বোঝানো হয়েছে।

উল্লিখিত অন্য অপশন গুলো এক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman.

৪০.
Choose the correct sentence:
  1. All of it make sense.
  2. All of it makes sense.
  3. All of it are making sense.
  4. All of it have made sense.
সঠিক উত্তর:
All of it makes sense.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
All of it makes sense.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: খ) All of it makes sense.

• All of it - Singular sense প্রকাশ করে।
- Subject 3rd person singular number হলে Present Indefinite Tense এর ক্ষেত্রে verb এর সাথে s/es হয়।
- এই নিয়মানুযায়ী All of It এরপর verb make এর সাথে -s যুক্ত হয়েছে।

The subject "All of it" is singular, so it takes the singular verb "makes".

অন্য অপশনগুলো কেন ভুল:
ক) All of it make sense.
→ এখানে make (plural verb) ব্যবহার হয়েছে, যা singular subject-এর সঙ্গে মিলছে না। তাই এটি ভুল। 

গ) All of it are making sense.
→ এখানে 'are' plural subject-এর জন্য, কিন্তু “All of it” singular, তাই এটি ভুল। 

ঘ) All of it have made sense
→ have plural verb, singular এর সাথে has বসে, 'have' হলো plural.

৪১.
The usher showed us —
  1. a rare painting in the gallery
  2. where to sit
  3. how to perform on stage
  4. the recipe for chocolate cake
সঠিক উত্তর:
where to sit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
where to sit
ব্যাখ্যা

Correct answer - খ) where to sit.

• Usher:

English meaning: a man who shows people where they should sit, especially at a formal event such as a wedding or at a theatre or cinema.
Bangla meaning: যে ব্যক্তি রঙ্গালয়, প্রেক্ষাগৃহ ইত্যাদিতে মানুষকে তাদের আসন দেখিয়ে দেয়; প্রবেশক; দ্বারিক। 

Example: 
- The usher showed us to front-row seats.
- The guard ushered the jury members into the courtroom.

• এখানে "usher" বলতে বোঝানো হচ্ছে এমন একজন ব্যক্তি, যিনি থিয়েটার, সিনেমা হল, চার্চ ইত্যাদিতে দর্শকদের তাদের সিটে বসতে সাহায্য করেন।

তাহলে স্বাভাবিকভাবেই usher আমাদের দেখাবে—
- where to sit অর্থাৎ কোথায় বসতে হবে।

অন্য অপশনগুলো ভুল:

ক) a rare painting in the gallery

 → "গ্যালারিতে একটি বিরল চিত্রকর্ম/পেইন্টিং"।

গ) how to perform on stage:
 → মঞ্চে কীভাবে অভিনয় করতে হয়।

ঘ) the recipe for chocolate cake

 → "চকলেট কেকের রেসিপি/রান্নার পদ্ধতি"।

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৪২.
"Bite your tongue" means:
  1. To hurt your mouth
  2. To say something angrily
  3. To hold back what you want to say
  4. To taste something unpleasant
সঠিক উত্তর:
To hold back what you want to say
উত্তর
সঠিক উত্তর:
To hold back what you want to say
ব্যাখ্যা

Answer - To hold back what you want to say.

• Bite your tongue:

English meaning: to stop yourself from saying something that you would really like to say.
Bangla meaning: নিজের কথা চেপে রাখা বা যা ভাবছো তা না বলা।

Example: 
- I wanted to tell him exactly what I thought of him, but I had to bite my tongue.
- I wanted to tell him he looked ridiculous, but I bit my tongue.
 
Source: Cambridge Dictionary.

৪৩.
Which of the following sentences is correct?
  1. Her parents are Republicans, and they have agreed with differ with their daughter.
  2. Her parents are Republicans, and they have agreed on differ with their daughter.
  3. Her parents are Republicans, and they have agreed in differ with their daughter.
  4. Her parents are Republicans, and they have agreed to differ with their daughter.
সঠিক উত্তর:
Her parents are Republicans, and they have agreed to differ with their daughter.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Her parents are Republicans, and they have agreed to differ with their daughter.
ব্যাখ্যা

Correct sentence: Her parents are Republicans, and they have agreed to differ with their daughter.

• Agree to differ: [idiom]

English meaning: to accept that you have different opinions from another person about a particular thing, and stop trying to persuade each other that you are right.
Bangla meaning: “মতপার্থক্য মেনে নেওয়া” বা “মতভেদ থাকলেও সম্মতি দেওয়া”।

Example: 
- Her parents are Republicans, and they have agreed to differ with their daughter.

অন্যান্য অপশন গুলোয় সঠিক idiom এর ব্যবহার হয়নি তাই এগুলো ভুল। 

Source: Cambridge Dictionary.

৪৪.
I invited some of my colleagues, but not all. Here, 'all' is -
  1. Adjective
  2. Preposition
  3. Pronoun
  4. Conjunction
সঠিক উত্তর:
Pronoun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Pronoun
ব্যাখ্যা

I invited some of my colleagues, but not all. Here 'all' is - Pronoun.

• এখানে "all" শব্দটি একটি indefinite pronoun বা অনির্দিষ্ট সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি "all of my colleagues" বা "সব সহকর্মী"দের বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে all কোন noun-এর পরিবর্তে এসেছে। আসলে পূর্ণ বাক্যটি থেকে বোঝা যায় – not all [of my colleagues] → এখানে all মানে all of my colleagues.

All: [pronoun]
English meaning: the whole number or amount.
Bangla meaning: প্রত্যেকে; সবটা।

Example:
- All of the food has gone.
- They've eaten all of it.
- They've eaten it all.

Source: Oxford Dictionary.

৪৫.
The following is a summary of events.
 Here 'following' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Preposition
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা

The following is a summary of events. Here 'following' is - noun.
এখানে following একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ “নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ”।
এটি বাক্যের subject হিসেবে কাজ করছে।

Following: [noun]
English meaning: (used with either a singular or a plural verb, depending on whether you are talking about one thing or person or several things or people)the thing or things that you will mention next; the person or people that you will mention next.
Bangla meaning: পরবর্তী বিষয়/ব্যক্তি বা নিম্নলিখিত বিষয়/ব্যক্তি। 

Example: 
- The following is a summary of events.
- The following have been chosen to take part: Watts, Hodges and Lennox.
- Your report must include the following: the artist's name and the title of the song.

Source: Oxford Dictionary.

৪৬.
We set to work without further ado. Here, 'ado' is -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Verb
  4. Adverb
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা

We set to work without further ado. Here, 'ado' is - noun.
- Ado মানে হলো ঝামেলা, হৈচৈ, গোলমাল, দেরি বা ঝক্কি-ঝামেলা।
- এখানে without further ado মানে দাঁড়ায় “আর কোনো ঝক্কি-ঝামেলা/ দেরি ছাড়াই।”
- তাই ado একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

• Ado: [noun]
English meaning: a lot of activity, worry, or excitement that is unnecessary or greater than the situation deserves.
Bangla meaning: অকারণ হৈচৈ; উত্তেজনা; অস্থিরতা।

Example:
- Most state flags were adopted with little ado many years ago.
- Without ado, it became the most widely used system in the world.
- Much ado about nothing. 

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৪৭.
Students studying late at night often feel tired. Here, the underlined part is -
  1. Participle
  2. Gerund
  3. Finite verb
  4. Main verb
সঠিক উত্তর:
Participle
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Participle
ব্যাখ্যা

Students studying late at night often feel tired. Here, the underlined part is - Participle.
- এখানে “studying” হলো present participle।
- কারণ এটি “Students” কে describe করছে।
- Participle সাধারণত noun বা pronoun কে describe করে এবং verb-এর মতো আকার থাকে।

• A participle is a verb that ends in -ing (present participle) or -ed, -d, -t, -en, -n (past participle). Participles may function as adjectives, describing or modifying nouns.
- Participle একই সাথে Verb ও Adjective এর কাজ করে।

• Participle মূলত: তিন প্রকার: 
1. Present Participle. Ex: Do not disturb a sleeping dog. 
2. Past Participle. Ex: This is a book written by Charles Dickens. 
3. Perfect Participle. Ex: Having eaten rice, he went to bed.

৪৮.
Although he tried hard, he could not solve the problem. Here, the underlined part is -
  1. Adverb Clause of Concession
  2. Adverbial Clause of Reason
  3. Adverb Clause of Condition
  4. Adverb Clause of Purpose
সঠিক উত্তর:
Adverb Clause of Concession
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adverb Clause of Concession
ব্যাখ্যা

Although he tried hard, he could not solve the problem. Here, the underlined part is - Adverb clause of concession.

• Adverb clause of supposition/ concession/ contrast
- Verb সংঘটিত হবার বিপরীত কোন কিছু হওয়া/ করা বোঝাবে।
- Principal clause এর verb কে 'কী সত্ত্বেও' দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।

Although he tried hard, he could not solve the problem. 
- 'কী সত্ত্বেও সে problem solve করতে পারলো না' প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায় 'Although he tried hard'.
- তাই এটি Adverb clause of concession.

•  Adverb clause of supposition/ concession/ contrast একই।
-------------------
• Adverbial clause of reason: 
- এর দ্বারা verb সংঘটিত হবার কারণ বোঝায়।
- Principal clause এর verb কে why দ্বারা প্রশ্ন করলে উত্তর পাওয়া যায়।
- Because, as, since দ্বারা adverbial clause of reason শুরু হয়।
Example: He could not go to school because he was ill.

• Adverb Clause of Condition:
- এ Clause দ্বারা শর্ত আরোপ করা হয়।
- তাই এ clause If, whether, unless, but, for, otherwise, provided, suppose ইত্যাদি Conjunction দ্বারা শুরু হয়।
Example: If you come I shall go.

• Adverb Clause of Purpose:
- এ Clause, Principal Clause-এর কাজের উদ্দেশ্য নির্দেশ করে।
- এ Clause so that, in order that, lest ইত্যাদি Conjunction দ্বারা শুরু হয়।
Example: Walk fast lest you should miss the train.

৪৯.
Choose the synonym of “Obfuscate”:
  1. Confuse
  2. Sparse
  3. Satiable
  4. Melody
সঠিক উত্তর:
Confuse
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Confuse
ব্যাখ্যা

Obfuscate:
English meaning: to make something less clear and harder to understand, especially intentionally.
Bangla meaning: (মনকে) আচ্ছন্ন করা; বিভ্রান্ত বা হতবুদ্ধি করা।

Options,
ক) Confuse:
- গুলিয়ে ফেলা; বিশৃঙ্খল করা; বিভ্রান্ত বা কিংকর্তব্যবিমূঢ় হওয়া বা করা।

খ) Sparse:
- পাতলাভাবে ছড়ানো; বিরল।

গ) Satiable:
- (আনুষ্ঠানিক) সম্পূর্ণ পরিতৃপ্ত করা যায় এমন; পরিতর্পণীয়।

ঘ) Melody:
-  সুমিষ্ট গীত; সুস্বর; সুতান।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the synonym of “Obfuscate”: Confuse.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৫০.
Make it passive: Will they finish the project on time?
  1. Will the project been finished on time by them?
  2. Will the project to be finished on time by them?
  3. Will the project finished on time by them?
  4. Will the project be finished on time by them?
সঠিক উত্তর:
Will the project be finished on time by them?
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Will the project be finished on time by them?
ব্যাখ্যা

Active: Will they finish the project on time?
Passive: Will the project be finished on time by them?

• Active voice থেকে passive voice করার নিয়ম:
- Active voice এর object টি passive voice এর subject হয়।
- Tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে।
- তারপর মূল verb এর past participle হয়।
- Active voice এর subject টি passive voice এর object হয়।
- তার পূর্বে preposition (by, with, at, to, in) বসে।

অন্য অপশনগুলো ভুল কারণ:

ক) Will the project been finished on time by them?
– “been” এর আগে “be” থাকা উচিত।

খ) Will the project to be finished on time by them?
 – “to” ব্যবহার করা ভুল।

গ) Will the project finished on time by them?
– “be” বাদ গেছে, তাই grammatically ভুল।

Source: A Passage to the English Language, S.M. Zakir Hussain.

৫১.
Choose the antonym of Fastidious:
  1. Careless
  2. Pleasant
  3. Creative
  4. Enervate
সঠিক উত্তর:
Careless
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Careless
ব্যাখ্যা

• Fastidious:
English meaning: giving too much attention to small details and wanting everything to be correct and perfect.
Bangla meaning: খুঁতখুঁতে; দোষ ধরতে তৎপর/ খুঁতখুঁতে, খুঁতখুঁতেপূর্ণ, সূক্ষ্মদর্শী, অতিরিক্ত যত্নবান বা নিখুঁতপ্রিয়। 

Options,
ক) Careless:
- যত্নহীন; অসাবধান; অসতর্ক; অমনোযোগী; অনবধান। 

খ) Pleasant:
- সুখাবহ; মনোরম; মনোজ্ঞ; সুখদ; সুখকর; সুপ্রিয়।

গ) Creative:
- সৃজনশীল।

ঘ) enervate: 
- শারীরিক ও মানসিকভাবে দুর্বল করা; স্নায়ুহীন করা।

অপশন বিবেচনা করে দেখা যায়, the antonym of Fastidious: Careless.

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৫২.
Choose the sentence where 'Mellifluous' is used correctly:
  1. The mellifluous music put everyone at ease.
  2. His mellifluous shouting annoyed the neighbors.
  3. The mellifluous rock made a lot of noise.
  4. She spoke in a mellifluous manner that frightened everyone.
সঠিক উত্তর:
The mellifluous music put everyone at ease.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
The mellifluous music put everyone at ease.
ব্যাখ্যা

Answer: ক) The mellifluous music put everyone at ease.

• Mellifluous:

English meaning: having a pleasant and flowing sound.
Bangla meaning: (ব্যক্তির স্বর, কথা, সংগীত ইত্যাদি) সুমধুর; সুললিত।

Example:
- The soloist typically sings over repeated semiquaver viola figures - there are no violins - at the upper, more mellifluous end of his range.
- The writing for the choruses is intricate, mellifluous, and delicate, accompanied with shimmering music in the orchestra.

অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, অন্য অপশন গুলো এক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক। 

Source: Cambridge & Accessible Dictionary.

৫৩.
He always has me _____ his work.
  1. to do
  2. do
  3. done
  4. has done
সঠিক উত্তর:
do
উত্তর
সঠিক উত্তর:
do
ব্যাখ্যা

Complete sentence: He always has me do his work.

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative verb হিসাবে Have এর structure - 
1. Subject + have (any tense) + object (usually person) + base form of verb + . . . .
Example:
- Jonny had Ronny clean the bedroom.
- He always has me do his work.
- Mary will have Alex prepare her homework.

2. Subject + have (any tense) + object (usually thing) + past participle form of verb + . . . .
Example:
- John had his car washed.
- He always has his work done.
- Lopa will have her homework prepared.

• Causative verb হিসাবে get এর structure - 
1. Subject + get (any tense) + বস্তুবাচক object +verb এর past participle এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got his car washed.

2. Subject + get (any tense) + ব্যক্তিবাচক object + infinitive (to + v1) এই structure টি ব্যবহৃত হয়।
Example: John got Alex to clean the bedroom.

• Causative verb হিসাবে Make এর structure - 
1. Subject + make (any tense) + object (always person) + base form of verb + . . .
Example:
- Robert made me beat that little child.  
- He always makes me do his work.
- Mary will make me prepare her homework.  
- I made him wash my car.
- He makes me laugh whenever I am down.

------------
Other options,

ক) to do:
- “has someone to do something” ভুল। Causative structure এ সরাসরি base form আসে।

গ) done:
- “done” past participle; এখানে ব্যবহার হয় না।

ঘ) has done:
- এটি present perfect tense, কিন্তু causative structure এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।

৫৪.
'Burn the candle at both ends' means -
  1. Work efficiently
  2. Overwork
  3. Waste time
  4. Work on midnight
সঠিক উত্তর:
Overwork
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Overwork
ব্যাখ্যা

Answer - খ) Overwork.

• Burn the candle at both ends
English Meaning: go to bed late and get up early, especially to get work done.
Bangla Meaning: কাজ সমাধান করার জন্য দিনরাত পরিশ্রম করা / অক্লান্ত পরিশ্রম করা।

Ex. Sentence: We should avoid burning candles at both ends, otherwise it will make us suffer.
Bangla Meaning: পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নিয়ে দিনরাত পরিশ্রম করে গেলে এর জন্য আমাদেরকে ভুগতে হবে।

অন্য অপশনগুলো ভুল:
ক) Work efficiently → কাজের দক্ষতা।
গ) Waste time → সময় নষ্ট করার।
ঘ) Work on midnight → কেবল রাতের কাজ বোঝায়।

Source: Live MCQ Lecture.

৫৫.
Fill in the blank with the appropriate use of the article:
I play on ___ piano during my free time.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. Zero article
সঠিক উত্তর:
Zero article
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Zero article
ব্যাখ্যা

• Article:
- Articles মূলত Noun, Pronoun এর আগে বসে তাদের সংখ্যা এবং নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা জ্ঞাপন করে।
- Articles কে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করে যায়।
• Indefinite Articles: A, An-এরা  Indefinite Article.
• Definite Articles: The হলো Definite Article.

Article এর নিয়মানুযায়ী,
• বাদ্যযন্ত্র বাজালে (play) বাদ্যযন্ত্রটি নির্দিষ্ট, না বাজালে অনির্দিষ্ট।
Example:
- I have a guitar.
- I play the guitar.

• তবে play on ব্যবহার করলে কোন article বসবে না।
Example: I play on guitar.

Complete sentence: I play on piano during my free time.

৫৬.
কোনটি ভাঙলে সাধারণত বিপ সিগন্যাল দেয়?
  1. ROM
  2. ​RAM
  3. Hard Drive
  4. Power Supply
সঠিক উত্তর:
​RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
​RAM
ব্যাখ্যা

• সাধারণত কম্পিউটারে যখন হার্ডওয়্যার সমস্যা দেখা দেয়, তখন বিপ সিগন্যালের মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে সতর্ক করা হয়। এর মধ্যে RAM বা Random Access Memory ভাঙলে সবচেয়ে সাধারণভাবে বিপ দেয়। কারণ RAM হলো কম্পিউটারের কাজের মূল মেমরি, যেখানে প্রোগ্রাম ও ডেটা সাময়িকভাবে রাখা হয়। যদি RAM ঠিকমতো কাজ না করে, সিপিইউ তথ্য ঠিকভাবে পড়তে বা লিখতে পারে না, ফলে সিস্টেম বুট হওয়ার সময় BIOS একটি বা একাধিক বীপ আকারে সমস্যা জানান দেয়। অন্যদিকে ROM, Hard Drive বা Power Supply সমস্যায় সাধারণত কম্পিউটার বিপের মাধ্যমে নয়, বরং অন্যান্য উপায়ে সতর্কতা দেয়। তাই RAM ভাঙলে বিপ সিগন্যাল পাওয়া সবচেয়ে স্বাভাবিক।

• RAM এবং বীপ সাউন্ড:
- RAM (Random Access Memory) নষ্ট হয়ে গেলে বা সমস্যার সম্মুখীন হলে প্রায়ই একটি বীপ শব্দ (Beep sound) শোনা যায়। 
- এই বীপ শব্দটি কম্পিউটারের BIOS (বেসিক ইনপুট/আউটপুট সিস্টেম) দ্বারা POST (পাওয়ার-অন সেলফ-টেস্ট) প্রক্রিয়ার অংশ হিসাবে উৎপাদিত হয়, যা কম্পিউটার চালু হলে ঘটে। 
- বীপের সংখ্যা এবং প্যাটার্ন সমস্যার প্রকৃতি সম্পর্কে ডায়াগনস্টিক তথ্য প্রদান করতে পারে। 
- বিভিন্ন মাদারবোর্ড নির্মাতারা বিভিন্ন বীপ কোড ব্যবহার করতে পারে, তবে RAM সমস্যাগুলোর জন্য একটি সাধারণ প্যাটার্ন হল ছোট বীপের একটি সিরিজ। 
- এই বীপগুলি সাধারণত একটি RAM-সম্পর্কিত সমস্যার নির্দেশ করে। 

যেমন: 
ঢিলেঢালা বা ভুলভাবে বসা RAM: 
- কখনও অনুপযুক্ত ইনস্টলেশনের কারণে RAM মডিউলগুলো বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। তাদের স্লটে র‍্যাম মডিউলগুলো পুনরায় বসানো এই সমস্যার সমাধান করতে পারে। 

অসামঞ্জস্যপূর্ণ বা ত্রুটিপূর্ণ RAM: 
- যদি ইনস্টল করা RAM মডিউলগুলো মাদারবোর্ডের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হয় বা যদি এক বা একাধিক RAM স্টিক ত্রুটিপূর্ণ হয়, তাহলে এটি একটি RAM সমস্যা নির্দেশ করে বিপ কোডের দিকে নিয়ে যেতে পারে। 

ব্যর্থ RAM মডিউল: 
- যখন এক বা একাধিক RAM মডিউল ব্যর্থ হয়, তখন BIOS সমস্যাটি নির্দেশ করতে বীপ কোড তৈরি করতে পারে। কোন মডিউল সমস্যাযুক্ত তা শনাক্ত করতে বীপের প্যাটার্ন সাহায্য করতে পারে। 
- বিপ কোডের সম্মুখীন হলে যা একটি RAM সমস্যার পরামর্শ দেয়। 

উৎস: ব্রিটানিকা।

৫৭.
সাফারি ওয়েব ব্রাউজার কোন কোম্পানি ডিজাইন করেছে?
  1. Apple
  2. Google
  3. Microsoft
  4. Mozilla
সঠিক উত্তর:
Apple
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Apple
ব্যাখ্যা

• সাফারি একটি জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার যা Apple কোম্পানি ডিজাইন ও উন্নয়ন করেছে। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ২০০৩ সালে এবং মূলত macOS ও iOS ডিভাইসের জন্য তৈরি করা হয়। সাফারি দ্রুত, নিরাপদ এবং শক্তিশালী ব্রাউজিং অভিজ্ঞতা দেওয়ার জন্য পরিচিত। এতে ব্যাটারি সাশ্রয়, উন্নত প্রাইভেসি প্রটেকশন এবং Apple ডিভাইসের সঙ্গে চমৎকার ইন্টিগ্রেশন সুবিধা রয়েছে। বর্তমানে এটি iPhone, iPad এবং Mac কম্পিউটারের ডিফল্ট ব্রাউজার। অন্যান্য অপশন যেমন Google Chrome (Google), Microsoft Edge (Microsoft) ও Firefox (Mozilla) থাকলেও, সাফারি হলো শুধুমাত্র Apple-এর নিজস্ব ব্রাউজার। তাই সঠিক উত্তর হলো — Apple.

ওয়েব ব্রাউজার (Web Brwoser): 
- ইন্টারনেটকে তথ্যের মহাসমুদ্র বলা হয়, কারণ ইন্টারনেট বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে থাকা নেটওয়ার্কে সংযুক্ত সকল কম্পিউটরে যে সকল ইনফরমেশন রয়েছে তা ব্যবহারের সুযোগ করে দেয়। 
- যে সফটওয়‍্যার ইন্টারনেটের ইনফরমেশন বা Web page বা World Wide Web-WWW প্রদর্শনের কাজ করে তাকে ওয়েব ব্রাউজার বলে। 
- পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের ওয়েব সার্ভারে রাখা পরস্পরের সংযোগযোগ্য Web page বা WWW পরিদর্শন করাকে Web Brwosing বলে। 
- Web Brwosing করে বিভিন্ন তথ্য ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে নিয়ে আসা যায়। 
- Web Brwosing করার জন্য বিভিন্ন ধরনের সফ্টওয়‍্যার রয়েছে। 
- এই সকল ওয়েব ব্রাউজার সাধারণত বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত ওয়েব সার্ভার কম্পিউটারগুলোতে যে সকল ওয়েব পেইজ (Web page) সংরক্ষিত রয়েছে তা প্রদর্শনের ব্যবস্থা করে। 
- ১৯৯০ সালে টিম বার্নাস লি WorldWide Web নামে সর্বপ্রথম ওয়েব ব্রাউজার তৈরি করেন। 
- উল্লেখ্য যে, World Wide Web ই বিশ্বের প্রথম ওয়েব ব্রাউজার হিসেবে পরিচিত। 
- বর্তমান সময়ে জনপ্রিয় কিছু ওয়েব ব্রাউজার হলো- 
- ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার (Internet Explorer) অথবা মাইক্রোসফট এজ, মজিলা ফায়ারফক্স (Mozilla Firefox), সাফারি (Safari), ওপেরা (Opera), Chrome, Firefox, Internet Explorer, গুগল ক্রোম (Google chrome) ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ  প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৫৮.
কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার জন্য নিচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?
  1. PowerPoint
  2. Firefox
  3. Kaspersky
  4. iTunes
সঠিক উত্তর:
Kaspersky
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Kaspersky
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটারকে ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা করার জন্য Kaspersky ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা ভাইরাস, ট্রোজান, স্পাইওয়্যার, র‍্যানসমওয়্যারসহ বিভিন্ন ক্ষতিকর প্রোগ্রাম থেকে সুরক্ষা দেয়। PowerPoint হলো একটি প্রেজেন্টেশন তৈরির সফটওয়্যার, Firefox একটি ওয়েব ব্রাউজার এবং iTunes মূলত গান, ভিডিও শোনার বা ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলোর কোনোটিই সরাসরি ম্যালওয়্যার প্রতিরোধে কার্যকর নয়। কিন্তু Kaspersky নিয়মিত সিস্টেম স্ক্যান করে এবং সন্দেহজনক ফাইল বা প্রোগ্রাম চিহ্নিত করে কম্পিউটারকে নিরাপদ রাখে। তাই সাইবার নিরাপত্তার জন্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার অপরিহার্য।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

কম্পিউটার ভাইরাস:
প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর ভাইরাসের বংশবিস্তার হতে থাকে এবং একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস:
১. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. ব্রিটানিকা।

৫৯.
print(2 + 3 * 4)
পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ-এ এর আউটপুট কী হবে?
  1. 20
  2. 14
  3. 24
  4. কোনোটিই নয় 
সঠিক উত্তর:
14
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14
ব্যাখ্যা

• Python প্রোগ্রামিং ভাষায় গাণিতিক অপারেশনের ক্ষেত্রে operator precedence বা অপারেটরের অগ্রাধিকার অনুসরণ করা হয়। এখানে print(2 + 3 * 4) কোডে প্রথমে * (গুণ) অপারেটর কাজ করবে, কারণ গুণের অগ্রাধিকার যোগের চেয়ে বেশি। তাই প্রথমে 3 * 4 = 12 হিসাব করা হবে। এরপর সেই ফলাফলের সাথে 2 যোগ করা হবে অর্থাৎ 2 + 12 = 14। সুতরাং প্রোগ্রামের আউটপুট হবে 14। সঠিক উত্তর হলো খ) 14। এভাবে Python সবসময় PEMDAS (Parentheses, Exponent, Multiplication/Division, Addition/Subtraction) নিয়ম অনুসরণ করে।

⚪ পাইথন (Python):
- পাইথন হচ্ছে প্রোগ্রামিং ভাষাসমূহের অন্যতম হাই-লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড ভাষা।
- ডাইনামিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনসহ অনেক সফটওয়্যার বানাতে এটি ব্যবহার করা হয়।
- ১৯৮৯ সালে নেদারল্যান্ডের বিজ্ঞানী ভ্যান রোসাম (Van Rossum) এ ভাষাটি রচনা করেন।
- পাইথনের কোর সিনট্যাক্স খুবই সংক্ষিপ্ত, তবে ভাষাটির স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরি অনেক সমৃদ্ধ।

- অন্যান্য ল্যাঙ্গুয়েজের যতরকম ফিচার বা নতুন নতুন সাপোর্ট আসে, সবই পাইথনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়।
- সাধারণত দ্রুত সফটওয়‍্যার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
- যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে, তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।
- ২০১৮ সালে এটি IEEE কর্তৃক সর্বশ্রেষ্ঠ প্রোগ্রামিং ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে।
- এটি বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে চলে এবং ক্লাউডভিত্তিক ওয়েব এ্যাপ্লিকেশন, ডেটা অ্যানালাইসিস ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

৬০.
একাধিক ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা কোন অপারেটিং সিস্টেমে থাকে?
  1. Embedded OS
  2. Real-time OS
  3. Single-user OS
  4. Multi-user OS
সঠিক উত্তর:
Multi-user OS
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Multi-user OS
ব্যাখ্যা

• একাধিক ব্যবহারকারীকে একসঙ্গে প্রোগ্রাম চালানোর ক্ষমতা Multi-user Operating System-এর মধ্যে পাওয়া যায়। এই ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একাধিক ব্যক্তি একই সময়ে একই কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে এবং তাদের প্রত্যেকের জন্য আলাদা আলাদা সেশন বা পরিবেশ তৈরি করা হয়। ব্যবহারকারীদের প্রোগ্রামগুলো একসঙ্গে চললেও সিস্টেম সঠিকভাবে প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমোরি বণ্টন ও নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রণ করে, যাতে একে অপরের কাজের মধ্যে কোনো বিঘ্ন না ঘটে। উদাহরণস্বরূপ UNIX, Linux এবং Windows Server হলো বহুল ব্যবহৃত Multi-user OS, যা নেটওয়ার্ক সার্ভার, ডেটাবেস সিস্টেম বা প্রতিষ্ঠানের একাধিক ব্যবহারকারীর কাজ দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনা করতে ব্যবহৃত হয়।

অপারেটিং সিস্টেম: 
- অপারেটিং সিস্টেম হল কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়্যার, যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- এটি কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কার্যক্রম পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণ করে।
- অপারেটিং সিস্টেম ছাড়া কম্পিউটার কার্যক্ষম নয়, কারণ এটি ব্যবহারকারীর সঙ্গে হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সংযোগ স্থাপন করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রধান কার্যাবলি:
- প্রসেস ম্যানেজমেন্ট: এটি CPU-তে চলমান বিভিন্ন প্রসেস নিয়ন্ত্রণ ও নির্ধারণ করে।
- মেমোরি ম্যানেজমেন্ট: এটি কম্পিউটারের RAM এবং অন্যান্য মেমোরির কার্যকর ব্যবহার নিশ্চিত করে।
- ফাইল ম্যানেজমেন্ট: ফাইল তৈরি, সংরক্ষণ, মুছে ফেলা এবং অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট: ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইসগুলোর কার্যক্রম পরিচালনা করে।
- সিকিউরিটি ও এক্সেস কন্ট্রোল: ব্যবহারকারীদের তথ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করে এবং অনুমোদিত ব্যবহারকারীদের প্রবেশাধিকার প্রদান করে।
অপারেটিং সিস্টেমের প্রকারভেদ:
- অপারেটিং সিস্টেম বিভিন্ন ধরনের হতে পারে, তবে প্রধানত দুইটি ভাগে বিভক্ত করা যায়। যথা:

1. সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Single User Operating System):
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে একই সময়ে কেবলমাত্র একজন ব্যবহারকারী কাজ করতে পারে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়। সাধারণত এটি ব্যক্তিগত কম্পিউটারে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

2. মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম (Multi-User Operating System):
- যখন একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে একটি কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে, তখন সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি সাধারণত সার্ভার ও নেটওয়ার্ক ভিত্তিক পরিবেশে ব্যবহৃত হয়।
- উদাহরণ: Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা বিবিএ প্রোগাম বাংলাদেশ উনাক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬১.
(C8)16 = (P)10 , এখানে, P এর মান কত হবে? 
  1. 200
  2. 220
  3. 320
  4. 150
সঠিক উত্তর:
200
উত্তর
সঠিক উত্তর:
200
ব্যাখ্যা

• (C8)16 = (P)10 , এখানে, P এর মান 200 হবে। 
- অর্থাৎ হেক্সাডেসিমেল C8 কে দশমিক সিস্টেমে প্রকাশ করলে 200 হবে। 

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা থেকে দশমিক সংখ্যা রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অংককে ১৬-এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হবে।

স্থানীয় মান অনুযায়ী গুণ করা:
- একক স্থানীয় অংকটিকে 160 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- দশক স্থানীয় অংকটিকে 161 দ্বারা গুণ করতে হবে।
- শতক স্থানীয় অংকটিকে 162 দ্বারা গুণ করতে হবে, এবং এভাবে বামে যাওয়ার সাথে সাথে ১৬-এর ঘাত বাড়বে।

হেক্সাডেসিমেল অংকের মান:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা A, B, C, D, E, এবং F যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪, এবং ১৫ মানের সমান। এই মানগুলোও গুণফলে ব্যবহার করতে হবে।

চূড়ান্ত হিসাব:
- গুণফলগুলো যোগ করে, আপনি উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পেতে পারবেন।
- এভাবে, আপনি সহজেই যে কোন হেক্সাডেসিমেল সংখ্যা দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করতে পারবেন!

এখানে,
(C8)16
= 12 × 16+ 8 × 160
= 12 × 16 + 8 × 1
= 192 + 8
= 200

​সুতরাং, (C8)16= (200)10

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬২.
RDBMS-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য কোনটি?
  1. ডেটা ফ্ল্যাট টেক্সট ফাইলে রাখে
  2. ট্রানজেকশন সমর্থন করে না
  3. ডেটা XML ফাইলের মধ্যে রাখে
  4. ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে
ব্যাখ্যা

• RDBMS বা Relational Database Management System-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ডেটা টেবিল আকারে সংরক্ষণ করা। প্রতিটি টেবিলে সারি (Row) ও কলাম (Column) থাকে, যেখানে সারি দ্বারা রেকর্ড এবং কলাম দ্বারা অ্যাট্রিবিউট প্রকাশ করা হয়। এর মাধ্যমে ডেটাকে সহজে সংগঠিত, অনুসন্ধান ও হালনাগাদ করা যায়। এছাড়া টেবিলগুলোর মধ্যে সম্পর্ক (Relation) স্থাপন করা যায়, যা ডেটার পুনরাবৃত্তি কমায় এবং নির্ভুলতা বজায় রাখে। SQL (Structured Query Language) ব্যবহার করে এই ডেটার উপর বিভিন্ন অপারেশন চালানো যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো— ঘ) ডেটা টেবিল ব্যবহার করে সংরক্ষণ করে।
 
রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (RDBMS):
- একাধিক টেবিলের সম্পর্কযুক্ত ডাটার সমষ্টিকেই রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- RDBMS হলো এমন একটি ডাটাবেজ সিস্টেম যেখানে একাধিক টেবিল থাকে।
- এই টেবিলগুলোর মধ্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের মাধ্যমে সম্পর্ক (Relation) তৈরি করা হয়।
- আধুনিক সময়ের প্রায় সব ডাটাবেজ সফটওয়্যারই RDBMS ভিত্তিক।

জনপ্রিয় RDBMS সফটওয়্যারসমূহ:
- Microsoft Access,
- Oracle,
- MySQL,
- SQL Server,
- Informix.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৩.
TCP/IP মডেল মূলত কোন লেয়ার নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে?
  1. Application Layer
  2. Internet Layer
  3. Transport Layer
  4. Network Access Layer
সঠিক উত্তর:
Internet Layer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Internet Layer
ব্যাখ্যা

• TCP/IP মডেল Internet Layer নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে। এই স্তর মূলত ডেটা প্যাকেটকে উৎস থেকে গন্তব্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য দায়ী। এখানে IP (Internet Protocol) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা প্রতিটি প্যাকেটে উৎস এবং গন্তব্যের ঠিকানা যোগ করে। এছাড়াও এই লেয়ারে রাউটিং প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, অর্থাৎ কোন পথে ডেটা গন্তব্যে যাবে তা নির্ধারণ করা হয়। বিভিন্ন রাউটার ও মধ্যবর্তী নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সঠিক রুট খুঁজে বের করে প্যাকেটকে পাঠানোই Internet Layer-এর প্রধান কাজ। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Internet Layer।

TCP/IP:
- TCP/IP প্রোটোকলটি ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটার কমান্ড এবং ডাটা আদান-প্রদানের TCP/IP প্রোটোকল ব্যবহার করে।
- ইন্টারনেটে যেকোনো কম্পিউটার আরেকটি কম্পিউটারে সাথে সহজেই সংযোজিত হতে পারে।
- একটি কম্পিউটার প্রথমে লোকাল বা স্থানীয় নেটওয়ার্কের সাথে সংযোজিত হয়, অতঃপর ইন্টারনেট ব্যাকবোনের মাধ্যমে সারা বিশ্বের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে সক্ষম হয়।
- ইন্টারনেটের সকল কম্পিউটারেরই একটি IP Address থাকে এবং প্রায় সকলের একটি ঠিকানা থাকে, যা ডোমেইন নেম সিস্টেম ব্যবহার করে।

• অপশন আলোচনা:
ক) Application Layer: এটি ব্যবহারকারীর অ্যাপ্লিকেশন এবং প্রোটোকলের সাথে সম্পর্কিত, রাউটিং নির্ধারণ করে না।
খ) Internet Layer: এটি নেটওয়ার্কের মধ্যে প্যাকেটের রুট নির্ধারণ করে, যেমন IP প্রোটোকল। 
গ) Transport Layer: এটি এন্ড-টু-এন্ড ডেটা ট্রান্সফার ও পোর্ট নিয়ন্ত্রণ করে, রাউটিং নয়।
ঘ) Network Access Layer: এটি ফিজিক্যাল ও ডাটা লিঙ্ক লেয়ার কাজ করে, স্থানীয় নেটওয়ার্কে ডেটা প্রেরণ করে, রাউটিং নয়।
সঠিক উত্তর: খ) Internet Layer.

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৪.
একটি হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B-এর কী হবে?
  1. একসাথে ডেটা পাঠাতে পারবে
  2. B এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
  3. A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
  4. B স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে চলে যাবে
সঠিক উত্তর:
A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে
ব্যাখ্যা

• হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে তথ্য আদানপ্রদান দুই দিকেই হয়, কিন্তু এক সময়ে কেবল একটি দিকেই ডেটা প্রেরণ সম্ভব। অর্থাৎ, একই মুহূর্তে দুইটি ডিভাইস একসাথে ডেটা প্রেরণ করতে পারে না। সুতরাং, যদি ডিভাইস A তথ্য প্রেরণ করছে, ডিভাইস B কে অপেক্ষা করতে হবে যতক্ষণ না A-এর প্রেরণ সম্পন্ন হয়। এই কারণে, B-এর তথ্য প্রেরণ তখনই শুরু করা যায় যখন চ্যানেল খালি হয়। হাফ-ডুপ্লেক্স সিস্টেমে এক সময়ে এক পক্ষই প্রেরণকারী এবং অন্য পক্ষ গ্রাহক থাকে, যা সম্পূর্ণ ডুপ্লেক্সের থেকে আলাদা। তাই সঠিক উত্তর হবে: গ) A এর তথ্য প্রেরণ শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।
 
ডাটা ট্রান্সমিশন মোড:
- উৎস থেকে গন্তব্যে ডাটা ট্রান্সফারের ক্ষেত্রে ডাটা প্রবাহের দিককে বিবেচনা করে ডাটা পাঠানোর পদ্ধতিকে ডাটা ট্রান্সমিশন মোড বলা হয়। 
- ডাটা প্রবাহের দিকের উপর ভিত্তি করে ডাটা ট্রান্সমিশন মোডকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। 

যেমন- 
১. সিমপ্লেক্স (Simplex): 
- শুধুমাত্র একদিকে ডাটা প্রেরণের মোড বা পদ্ধতিকে বলা হয় সিমপ্লেক্স। 
- এক্ষেত্রে গ্রাহক যন্ত্রটি কখনোই প্রেরক যন্ত্রটিতে ডাটা পাঠাতে পারে না। 
যেমন- রেডিও, টিভি, কীবোর্ড থেকে কম্পিউটারে ডাটা প্রেরণ ইত্যাদি। 

২. হাফ-ডুপ্লেক্স (Half-Duplex): 
- হাফ-ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে যে কোন প্রান্ত ডাটা গ্রহণ অথবা প্রেরণ করতে পারে কিন্তু গ্রহণ এবং প্রেরণ একই সাথে করতে পারে না। 
- নিম্নের চিত্রে হাফ-ডুপ্লেক্স ব্যবস্থায় A যখন ডাটা প্রেরণ করবে B তখন ডাটা গ্রহণ করতে পারবে, প্রেরণ করতে পারবে না। 
যেমন- ওয়াকিটকি। 

৩. ফুল-ডুপ্লেক্স (Full-Duplex): 
- ফুল-ডুপ্লেক্স মোডে একই সময়ে উভয় দিক হতে ডাটা প্ররণের ব্যবস্থা থাকে। 
- যে কোন প্রান্ত প্রয়োজনে ডাটা প্রেরণ করার সময় ডাটা গ্রহণ অথবা ডাটা গ্রহণের সময় প্রেরণও করতে পারবে। 
যেমন- টেলিফোন, মোবাইল ফোন ইত্যাদি। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং ব্রিটানিকা।

৬৫.
কোনটি Pay-As-You-Go ক্লাউড মডেলের সুবিধা?
  1. পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর
  2. ব্যবহার ট্র্যাক করার প্রয়োজন নেই
  3. উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগ
  4. সবসময় সীমাহীন রিসোর্স
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর
ব্যাখ্যা

• Pay-As-You-Go (PAYG) ক্লাউড মডেলটি মূলত খরচ কার্যকর এবং নমনীয়তা প্রদান করে। এতে ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র ব্যবহৃত রিসোর্সের জন্যই অর্থ প্রদান করেন, যা বিশেষভাবে পরিবর্তনশীল লোড বা ট্রাফিকের জন্য উপযোগী। অর্থাৎ, হঠাৎ চাহিদা বাড়লেও অতিরিক্ত খরচ হয় না এবং কম ব্যবহারের সময় কম খরচ হয়। এই মডেলে কোনো উচ্চ প্রাথমিক বিনিয়োগের প্রয়োজন নেই, এবং ব্যবহার ট্র্যাক না করলে খরচ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হতে পারে। এছাড়া, রিসোর্স সীমাহীন নয়; এটি প্রদানকৃত পরিমাণ অনুযায়ী সীমিত। তাই মূল সুবিধা হলো “পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর”।

সঠিক উত্তর: ক) পরিবর্তনশীল লোডের জন্য খরচ কার্যকর।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিং:
- ক্লাউড কম্পিউটিং এর মূল বিষয়টি হলো নিজের ব্যবহৃত কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভের পরিবর্তে ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী কোন প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে সার্ভিস বা হার্ডওয়‍্যার ভাড়া নেওয়া।
- ক্লাউড কম্পিউটিং কোনো নির্দিষ্ট টেকনোলজি নয়, বেশ কয়েকটি টেকনোলজিকে কাজে লাগিয়ে তৈরি করা একটা ব্যবসায়িক মডেল বা বিশেষ পরিসেবা।
- অ্যামাজন বাণিজ্যিকভাবে ২০০৬ সালে এর ব্যবহার শুরু করে।

⚪ ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেল:
- সেবার ধরণ অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিংকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:

১. Infrastructure-as-a-Service - IaaS:
- ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফটওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
- উদাহরণ: আমাজন ইলাস্টিক কম্পিউট ক্লাউড (EC2).

২. Platform-as-a-Service - PaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ ইত্যাদি থাকে।
- অ্যাপলিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: গুগলের অ্যাপ ইঞ্জিন, Microsoft Azure.

৩. Software-as-a-Service - SaaS:
- ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত অ্যাপলিকেশন সফটওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
- উদাহরণ: Google Docs.

⚪ যুক্তরাষ্ট্রের "ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব স্ট্যন্ডার্ড এন্ড টেস্টিং (NIST)" এর মতে ক্লাউড কম্পিউটিং হলো ক্রেতার তথ্য ও বিভিন্ন এ্যাপ্লিকেশনকে কোন সেবাদাতার সিস্টেমে আউটসোর্স করার এমন একটি মডেল যাতে নিম্নোক্ত ৩টি বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. রিসোর্স স্কেলেবিলিটি:
- ছোট বা বড় যাই হোক, ক্রেতার সব ধরনের চাহিদাই মেটানো হবে, ক্রেতা যত চাইবে সেবা দাতা ততোই অধিক পরিমাণে সেবা দিতে পারবে।

২. অন-ডিমান্ড:
- ক্রেতা যখন চাইবে, তখনই সেবা দিতে পারবে। ক্রেতা তার ইচ্ছা অনুযায়ী যখন খুশি তার চাহিদা বাড়াতে বা কমাতে পারবে।

৩. পে-অ্যাজ-ইউ-গো:
- এটা একটি পেমেন্ট মডেল। ক্রেতাকে আগে থেকে কোন সার্ভিস রিজার্ভ করতে হবে না। ক্রেতা যা ব্যবহার করবে কেবলমাত্র তার জন্যই পেমেন্ট দিতে হবে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৬.
কোনটি একটি প্যাসিভ স্নিফিং পদ্ধতি?
  1. নেটওয়ার্কে নকল প্যাকেট পাঠানো
  2. মধ্যবর্তী ব্যক্তির আক্রমণ (Man-in-the-middle attack)
  3. ARP স্পুফিং
  4. নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক মনিটর করা (পরিবর্তন ছাড়া)
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক মনিটর করা (পরিবর্তন ছাড়া)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক মনিটর করা (পরিবর্তন ছাড়া)
ব্যাখ্যা

• প্যাসিভ স্নিফিং এমন একটি নেটওয়ার্ক পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি যেখানে আক্রমণকারী কেবল তথ্য সংগ্রহ করে কিন্তু ট্র্যাফিককে পরিবর্তন বা হস্তক্ষেপ করে না। এটি সাধারণত নেটওয়ার্কে প্রেরিত ডেটা বা প্যাকেট পর্যবেক্ষণ করে তথ্য অর্জনের জন্য ব্যবহার করা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে, “নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক মনিটর করা (পরিবর্তন ছাড়া)” প্যাসিভ স্নিফিং-এর উদাহরণ। অন্য অপশনগুলো—নকল প্যাকেট পাঠানো, মধ্যবর্তী ব্যক্তির আক্রমণ, বা ARP স্পুফিং—সবই সক্রিয় আক্রমণ বা ম্যানিপুলেশন অন্তর্ভুক্ত করে, যা প্যাসিভ স্নিফিং-এর সংজ্ঞার বাইরে। তাই, কেবল ঘ) নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক মনিটর করা প্যাসিভ স্নিফিং পদ্ধতি।

বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
স্নিফিং (Sniffing):
- ট্রান্সমিশন লাইন দিয়ে তথ্য যাওয়ার সময় হাতিয়ে নেওয়ার প্রক্রিয়াকে বলা হয় স্নিফিং।

ফিশিং (Phishing):
- ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যমে ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

স্প্যামিং (Spamming):
- অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

স্নিকিং (Sneaking):
- গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

তথ্যসূত্র - তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৬৭.
Hyperledger Fabric (হাইপারলেজার ফ্যাব্রিক) বলতে কী বুঝায়?
  1. ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্য পাবলিক ব্লকচেইন
  2. ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম
  3. কোম্পানির জন্য অনুমোদিত ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক
  4. ক্লাউড স্টোরেজ সার্ভিস
সঠিক উত্তর:
কোম্পানির জন্য অনুমোদিত ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কোম্পানির জন্য অনুমোদিত ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক
ব্যাখ্যা

• Hyperledger Fabric (হাইপারলেজার ফ্যাব্রিক) হলো একটি অনুমোদিত ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক, যা মূলত কর্পোরেট বা ব্যবসায়িক ব্যবহারের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি পাবলিক ব্লকচেইনের মতো সকলের জন্য উন্মুক্ত নয়, বরং নির্দিষ্ট অংশগ্রহণকারীদের নিয়ন্ত্রণের অধীনে থাকে। হাইপারলেজার ফ্যাব্রিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে নিরাপদভাবে ট্রানজ্যাকশন ও ডেটা শেয়ার করার সুবিধা দেয়, যেখানে অংশগ্রহণকারীদের পরিচয় যাচাই করা হয়। এটি মডুলার আর্কিটেকচারের মাধ্যমে সহজে কাস্টমাইজ করা যায় এবং স্মার্ট কন্ট্রাক্ট (Chaincode) ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবসায়িক লজিক প্রয়োগ করা যায়। তাই, এটি মূলত কোম্পানির জন্য অনুমোদিত ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: গ) কোম্পানির জন্য অনুমোদিত ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক। 

Hyperledger Fabric (হাইপারলেজার ফ্যাব্রিক):
- Hyperledger Fabric একটি অনুমোদিত ব্লকচেইন ফ্রেমওয়ার্ক যা মূলত কোম্পানি বা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।  
- এটি Hyperledger প্রোজেক্টের অংশ, যা লিনাক্স ফাউন্ডেশন পরিচালিত।  
- Hyperledger Fabric এর মাধ্যমে ব্যাবহারকারীরা প্রাইভেট এবং অনুমোদিত ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক তৈরি করতে পারে।  
- এটি কোম্পানিগুলোকে তাদের ব্যবসায়িক লেনদেনের নিরাপদ, নির্ভরযোগ্য ও স্বচ্ছ রেকর্ড রাখার সুবিধা দেয়।  
- Hyperledger Fabric ক্রিপ্টোকারেন্সি ভিত্তিক নয়, বরং এটি এন্টারপ্রাইজ ব্যবহারের জন্য তৈরি।  
- এটি বিভিন্ন চ্যানেল, স্মার্ট কন্ট্র্যাক্ট (Chaincode) এবং মডুলার আর্কিটেকচারের সুবিধা প্রদান করে।  
- Hyperledger Fabric এর প্রধান উদ্দেশ্য হল বাণিজ্যিক ও শিল্প ভিত্তিক ব্লকচেইন সমাধান প্রদান করা।  
- Hyperledger Fabric কে প্রায়শই “permissioned blockchain framework for enterprises” বলা হয়।  


উৎস: IBM [link]

৬৮.
ডিএনএ-এর ডাবল-হেলিক্স গঠন আবিষ্কার করেন কারা?
  1. ডারউইন ও ওয়ালেস
  2. ওয়াটসন ও ক্রিক
  3. মেন্ডেল ও জেনসেন
  4. ল্যামার্ক ও ওয়াটসন
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন ও ক্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়াটসন ও ক্রিক
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৫৩ সালে জেমস ওয়াটসন (James Watson) এবং ফ্রান্সিস ক্রিক (Francis Crick) ডিএনএ-এর Double Helix Structure প্রস্তাব করেন।
 
ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো: 
- ইংরেজ বিজ্ঞানী ক্রিক এবং মার্কিন বিজ্ঞানী ওয়াটসন ১৯৫৩ সালে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর বর্ণনা দেন। 
- এই ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামো আবিষ্কারের জন্য তারা নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন। 
- ডিএনএ হলো একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে। 
- ডিএনএ অণুর দ্বি-হেলিক্স কাঠামো প্রথম আবিষ্কার করেন জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক। 
- এজন্য জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিককে ডিএনএ অণুর ডাবল হেলিক্স কাঠামোর জনকও বলা হয়। 
- উল্লেখ্য, ডিএনএ প্রথম উপস্থাপন করেন ফ্রেডরিক মাসচার। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৬৯.
কোন মাধ্যমে আলোর গতি সর্বাধিক থাকে?
  1. পানি
  2. কাচ
  3. বায়ু
  4. শূন্যস্থান
সঠিক উত্তর:
শূন্যস্থান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শূন্যস্থান
ব্যাখ্যা
◉ আলো সবচেয়ে দ্রুত চলে শূন্যস্থানে (Vacuum)। শূন্যস্থানে আলোর গতি প্রায় 3×108 মিটার/সেকেন্ড (299,792 কিমি/সেকেন্ড)।

আলো: 
- আলো একপ্রকার শক্তি। 
- আলো একধরনের তড়িতচৌম্বকীয় তরঙ্গ যা আমাদের চোখে দর্শনের অনুভূতি যোগায়। 
- আলোর কণাকে ফোটন বলে। 
- আলোর বেগ 3×108 ms-1 অর্থাৎ সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার।
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে ৮ মিনিট ২০ সেকেন্ড প্রায়।
- দৃশ্যমান আলো সাতটি বর্ণের সমষ্টি। বেগুনী, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা, লাল।

উৎস: 
১। পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২। Evident Scientific ওয়েবসাইট। [লিংক] 
৭০.
GPS সিস্টেম কোন তরঙ্গ ব্যবহার করে?
  1. রেডিও ওয়েভ
  2. আল্ট্রাভায়োলেট
  3. এক্স-রে
  4. ইনফ্রারেড
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েভ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রেডিও ওয়েভ
ব্যাখ্যা
◉ GPS (Global Positioning System) স্যাটেলাইটগুলো পৃথিবীর কক্ষপথে ঘুরে রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে সিগন্যাল পাঠায়। এগুলো মূলত L-band microwave frequencies (1–2 GHz) এ কাজ করে, যা রেডিও ওয়েভ স্পেকট্রামের মধ্যে পড়ে।

GPS: 
- GPS এর পূর্ণরূপ Global Positioning System।
- জিপিএস বা গ্লোবাল পজিশনিং হলো একটি নেভিগেশন স্যাটেলাইট সিস্টেম।
- এটি ব্যবহারকারীদের অবস্থান, নেভিগেশন এবং সময় সংক্রান্ত তথ্য প্রদান করে।
- এর সাহায্যে আমরা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে বসে আমাদের বর্তমান লোকেশন সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারি।
- এই প্রযুক্তি দ্বারা যেকোনো বস্তুর অবস্থান নির্ণয় করা সম্ভব।

অন্যান্য অপশনসমূহ, 
খ) আল্ট্রাভায়োলেট (UV): জীবাণুনাশক, পানি বিশুদ্ধকরণ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।

গ) এক্স-রে (X-ray): চিকিৎসায় হাড় ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গের ছবি তোলার জন্য ব্যবহৃত হয়।

ঘ) ইনফ্রারেড (Infrared): রিমোট কন্ট্রোল, নাইট ভিশন ক্যামেরা ও তাপ সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। U.S. Government GPS Official Website. [লিংক] 
৭১.
বাণিজ্যিকভাবে ফুল, ফল ও শাকসবজি চাষকে কী বলা হয়?
  1. Apiculture
  2. Sericulture
  3. Pisciculture
  4. Horticulture
সঠিক উত্তর:
Horticulture
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Horticulture
ব্যাখ্যা
Horticulture শব্দটি ল্যাটিন hortus (garden/উদ্যান) এবং cultura (চাষাবাদ) থেকে এসেছে। এটি ফুল, ফল, শাকসবজি ও অলঙ্কারিক উদ্ভিদ চাষের বিদ্যা।

আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি: 
- মৌমাছির চাষ - এপিকালচার
- রেশমের (পোকার) চাষ – সেরিকালচার।
- মৎস্য চাষ - পিসিকালচার
- পাখীপালন বিদ্যা - এভিকালচার।
- উদ্যানবিদ্যা - হর্টিকালচার।
- চিংড়ি পালনবিদ্যা- প্রনকালচার।
- মুক্তাচাষ- পার্লকালচার।
- রেশম কীট পালন, রেশম উৎপাদনের জন্য - সেরিকালচার। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
৭২.
অপটিক্যাল ফাইবার যোগাযোগ ব্যবস্থায় দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের কোন বিকিরণ প্রধানত ব্যবহৃত হয়?
  1. আলফা রশ্মি 
  2. গামা রশ্মি
  3. অতিবেগুনি রশ্মি
  4. অবলোহিত রশ্মি
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবলোহিত রশ্মি
ব্যাখ্যা

◉ অপটিক্যাল ফাইবারে সাধারণত ৮৫০ nm, ১৩১০ nm এবং ১৫৫০ nm তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ব্যবহার করা হয়। এগুলো অবলোহিত (Infrared) অঞ্চলের আলো।

অপটিক্যাল ফাইবার: 
- বর্তমামে পৃথিবীর যোগাযোগের ক্ষেত্রে বৈদ্যুতিক তারের বদলে অত্যন্ত সরু কাচের তন্তুর ব্যবহার বেড়ে গেছে। 
- আগে যেখানে বৈদ্যুতিক সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হতো এখন সেখানে আলোর সংকেত দিয়ে তথ্য পাঠানো হয়। 
- মুক্ত অবস্থায় আলো সরলরেখায় যায় কিন্তু ফাইবারে আলো আটকা পড়ে যায় বলে সেটাকে ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে যেকোনো দিকে নেওয়া সম্ভব। 
- অপটিক্যাল ফাইবার অত্যন্ত সরু কাচের তন্তু। 
- এর ভেতরের অংশকে বলে কোর এবং বাইরের অংশকে বলে ক্ল্যাড। 
- দুটিই একই কাচ দিয়ে তৈরি হলেও ভেতরের অংশের (কোর) প্রতিসরণাঙ্ক বাইরের অংশ থেকে বেশি। 
- এ কারণে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলনের মাধ্যমে আলোকে কোরের মাঝে আটকে রেখে অনেক দূরে নিয়ে যাওয়া যায়। 
- অপটিক্যাল ফাইবার দিয়ে আলো শত শত কিলোমিটার দূরে নিয়ে যাওয়া যায় কারণ, এই কাচের তন্তুতে আলোর শোষণ হয় খুবই কম। 
- দৃশ্যমান আলোতে শোষণ বেশি হয় বলে ফাইবারে লম্বা তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের ইনফ্রারেড বা অবলোহিত রশ্মি ব্যবহার করা হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৩.
উদ্ভিদের কোন হরমোন ফুল ফোটানোর প্রক্রিয়ায় সরাসরি ভূমিকা রাখে?
  1. অক্সিন
  2. অ্যাবসিসিক এসিড
  3. ফ্লোরিজেন
  4. ইথিলিন
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্লোরিজেন
ব্যাখ্যা

◉ ফাইটোহরমোন: 
- যে জৈব রাসায়নিক পদার্থ উদ্ভিদদেহে উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বৃদ্ধি এবং বিকাশ, বিভিন্ন অঙ্গ সৃষ্টি ইত্যাদি কাজ নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন বা প্রাণরস বলে। 
- উদ্ভিদ হরমোনকে ফাইটোহরমোন (Phytohormones) বলা হয়। কেউ কেউ ফাইটোহরমোনকে উদ্ভিদ বৃদ্ধিকারক বস্তু (Plant growth substances) হিসেবেও আখ্যায়িত করেছেন। 
- যে রাসায়নিক বস্তুটি কোষে উৎপন্ন হয় এবং উৎপত্তিস্থল থেকে বাহিত হয়ে দূরবর্তী স্থানের কোষ বা কোষপুঞ্জের কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে, তাকে হরমোন (Hormone) বলে। 
- উদ্ভিদের প্রতিটি কোষই হরমোন উৎপন্ন করতে পারে। 
- এরা কোনো পুষ্টিদ্রব্য নয় তবে ক্ষুদ্রমাত্রায় উৎপন্ন হয়ে উদ্ভিদের বিভিন্ন জৈবিক কাজ নিয়ন্ত্রণ করে। 
যেমন: অক্সিন (Auxin), জিবেরেলিন (Gibberellin), সাইটোকাইনিন (Cytokinin), অ্যাবসিসিক এসিড (Abscisic acid), ইথিলিন (Ethylene) ইত্যাদি।
- এসব হরমোন ছাড়াও উদ্ভিদে আরও কিছু হরমোন রয়েছে, যাদের আলাদা করা বা শনাক্ত করা যায়নি, এদের পসটুলেটেড হরমোন (Postulated hormones) বলে। 
- এরা প্রধানত উদ্ভিদের ফুল ও জনন সংশ্লিষ্ট অঙ্গের বিকাশে সাহায্য করে। 
- এদের মধ্যে ফ্লোরিজেন (Florigen) এবং ভার্নালিন (Vernalin) প্রধান। 
- ফ্লোরিজেন পাতায় উৎপন্ন হয় এবং তা পত্রমূলে স্থানান্তরিত হয়ে পত্রমুকুলকে পুষ্পমুকুলে রূপান্তরিত করে। 
- ফ্লোরিজেন উদ্ভিদে ফুল ফোটাতে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৪.
হিগস বোসন (Higgs Boson) কণা সম্পর্কে নিচের কোন তথ্যটি সঠিক?
  1. হিগস ক্ষেত্র মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করে।
  2. বোসন কণা সবসময় পাউলির বর্জন নীতি মেনে চলে।
  3. হিগস বোসনের স্পিন ঋণাত্মক।
  4. উপরের সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
হিগস ক্ষেত্র মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হিগস ক্ষেত্র মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করে।
ব্যাখ্যা

◉ বোসন (Boson): 
- মৌলিক বলগুলো কাজ করে কণার আদান-প্রদানের মাধ্যমে। 
- এই বলবাহী কণাগুলোই হচ্ছে বোসন। 
- এদের স্পিন পূর্ণসংখ্যা 0, 1 ইত্যাদি। 
- বোসন কণা পাউলির বর্জন নীতি মানে না। 
- এদের আলাদা প্রতিকণা নেই। 
- এরা নিজেরাই নিজেদের প্রতিকণা। 
- স্ট্যান্ডার্ড মডেল অনুসারে বোসন কণাগুলো দু'ধরনের। 
১। গেজ বোসন (Gauge Boson) এবং ২। হিগস বোসন (Higgs Boson) । 

হিগস বোসন (Higgs Boson): 
- হিগস বোসন এর স্পিন 0, তবে এর ভর আছে। 
- হিগস বোসন বুঝতে হলে হিগস ক্ষেত্র সম্বন্ধে জানতে হবে।
- হিগস ক্ষেত্র একটি তাত্ত্বিক বলক্ষেত্র যা সর্বত্র ছড়িয়ে আছে।
- এই ক্ষেত্রের কাজ হলো মৌলিক কণাগুলোকে ভর প্রদান করা।
- যখন কোনো ভরহীন কণা হিগস ক্ষেত্রে প্রবেশ করে তখন তা ধীরে ধীরে ভর লাভ করে। ফলে তার চলার গতি ধীর হয়ে যায়।
- হিগস বোসনের মাধ্যমে ভর কণাতে স্থানান্তরিত হয়।
- হিগস ক্ষেত্র ভর সৃষ্টি করে না, তা কেবল ভর স্থানান্তরিত করে হিগস বোসনের মাধ্যমে।
- এই হিগস বোসন কণাই ঈশ্বর কণা (God's Particle) নামে পরিচিত। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী নক্ষত্র হিসেবে কোনটি পরিচিত?
  1. সূর্য
  2. সিরিয়াস
  3. প্রক্সিমা সেন্টরা
  4. আলফা সেন্টরা
সঠিক উত্তর:
সূর্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সূর্য
ব্যাখ্যা

◉ পৃথিবীর একেবারে নিকটতম নক্ষত্র হলো সূর্য। এর গড় দূরত্ব পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ কোটি কিলোমিটার (1 Astronomical Unit, AU)।

নক্ষত্র (Star): 
- যেসব জ্যোতিষ্কের নিজের আলো আছে তাদের নক্ষত্র বলে। 
- মহাকাশে অসংখ্য নক্ষত্র রয়েছে। 
- খালি চোখে মাত্র কয়েক হাজার নক্ষত্র দেখা যায়। 
- এদের কয়েকটি পৃথিবী থেকে শক্তিশালী দূরবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে দেখা যায়। 
- নক্ষত্রগুলো হলো জ্বলন্ত গ্যাসপিন্ড, এরা হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস দিয়ে তৈরি। 
- এই গ্যাস অতি উচ্চ (প্রায় ৬০০০° সেলসিয়াস) তাপমাত্রায় জ্বলছে। 
- সূর্যের প্রখর আলোর জন্য দিনের বেলায় অন্যান্য নক্ষত্র দেখা যায় না। 

- পৃথিবী থেকে দেখলে মনে হয় নক্ষত্রগুলো যেন একই সমতলে অবস্থান করছে, কিন্তু পৃথিবী থেকে এরা বিভিন্ন দূরত্বে অবস্থান করছে। 
- পৃথিবী ও নক্ষত্রদের মধ্যে এবং নক্ষত্রদের পরস্পরের মধ্যে দূরত্ব এত বেশি যে কিলোমিটার দ্বারা এই দূরত্ব প্রকাশ করা যায় না। 
- এই দূরত্ব আলোক বর্ষ এককে মাপা হয়। 
- আলো প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৩ লক্ষ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে। 
- এই বেগে এক বছরে আলো যে পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে এক আলোক বর্ষ বলে। 
- সূর্য পৃথিবীর নিকটতম নক্ষত্র। 
- সূর্য থেকে পৃথিবীতে আলো আসতে সময় লাগে ৮ মিনিট ১৯ সেকেন্ড। 
- সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারাই (Proxima Centauri)। 
- পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ৪.২ আলোক বর্ষ। 

উৎস: ভূগোল, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৬.
বাংলাদেশে উন্নত জাতের তামাকের মধ্যে রয়েছে কোনটি?
  1. সুমাত্রা
  2. আকবর
  3. শতাব্দী
  4. দোয়েল
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুমাত্রা
ব্যাখ্যা

◉ সুমাত্রা হলো বাংলাদেশে চাষযোগ্য উন্নত জাতের তামাক, এটি উচ্চ ফলন ও গুণগত মানের জন্য পরিচিত।

বিভিন্ন ফসলের উন্নত জাত:
- উন্নত জাতের ধান: ইরাটম, ব্রি হাইব্রিড - ১, চান্দিনা, হীরা, মালা, বিপ্লব, দুলাভোগ, মোহিনী, সুফলা, আশা, প্রগতি।
- উন্নত জাতের গম: সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, শতাব্দীআকবর
- উন্নত জাতের টমেটো: বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিঁদুর, শ্রাবণী।
- উন্নত জাতের তামাক: সুমাত্রা ও ম্যানিলা।
- উন্নত জাতের ভুট্টা: বর্ণালী, শুভ্রা ও উত্তরণ।
- উন্নত জাতের আলু: হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়ামন্ট, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
- উন্নত জাতের তুলা: সিবি-১০, রূপালী, ডেলফোজ।

সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

৭৭.
বাঙালি জাতির প্রধান অংশ কোন জনগোষ্ঠী থেকে গড়ে উঠেছে?
  1. নেগ্রিটো
  2. দ্রাবিড়
  3. অস্ট্রিক
  4. আর্য
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্ট্রিক
ব্যাখ্যা

◉ বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে, যাদের আরেক নাম নিষাদ জাতি। তারা প্রায় ৫০০০ বছর আগে ইন্দোচীন থেকে বাংলায় এসে বসতি স্থাপন করে। 

বাঙালি আদি-জনগোষ্ঠী:
- নৃতাত্ত্বিক গঠন প্রক্রিয়ার দিক থেকে বাঙালি জাতি হলো একটি সংকর জাতি।
- বাঙালি জাতিধারার নৃতাত্ত্বিক গঠনে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর অংশগ্রহণ থাকলেও অস্ট্রিক জাতির ভূমিকা সর্বাধিক।
- বাঙালি জাতির প্রধান অংশ অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
- ইন্দোচীন থেকে আদি অস্ট্রেলীয় নরগোষ্ঠীর অন্তর্গত অস্ট্রিক জাতি প্রাক আর্য যুগে বাংলায় বসতি স্থাপন করে।
- এই অস্ট্রিক নরগোষ্ঠী থেকেই বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গড়ে উঠেছে।
- অস্ট্রিক নরগোষ্ঠীর সাথে দ্রাবিড় ও আর্য জাতির সংমিশ্রণে বাঙালি জাতি গড়ে উঠেছে।
- তবে ইতিহাসের নানা পর্যায়ে বাঙালি রক্তপ্রবাহে ভোটচীনীয়, ককেশীয়, ইংরেজ, পর্তুগিজ প্রভৃতি জাতিসত্ত্বার সংমিশ্রণ ঘটেছে।
- বাংলার আদি জনগোষ্ঠী অস্ট্রিক ভাষাভাষী ছিল।

সূত্র: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয়পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া, বাঙালির ইতিহাস, নিহারঞ্জন রায়।

৭৮.
মারকিউরাস নাইট্রাইট আবিষ্কার সাথে জড়িত কোন বাঙ্গালি বিজ্ঞানী?
  1. রাজেন্দ্র প্রসাদ
  2. আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
  3. সত্যেন্দ্রনাথ বসু
  4. জগদীশ চন্দ্র বসু
সঠিক উত্তর:
আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়
ব্যাখ্যা

◉ মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। ১৮৯৫ সালে তাঁর এই আবিষ্কার বিশ্ববিজ্ঞানমহলে আলোড়ন তোলে এবং তাঁকে “মাস্টার অব নাইট্রাইটস” বলা হয়।

প্রফুল্ল চন্দ্র রায়: 

- আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র রায়ের জন্ম ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট, খুলনার পাইকগাছার রাড়ুলি গ্রামের জমিদার পরিবারে।
- মারকিউরাস নাইট্রাইট (HgNO₂) আবিষ্কার করেন প্রখ্যাত বাঙালি রসায়নবিদ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।
- তিনি ১৮৯৫ সালে এই যৌগটি আবিষ্কার করেন।
- এটি দেশীয় বিজ্ঞানচর্চার পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।

উল্লেখ্য, 
- তিনি নিজ বাসভবনে গবেষণা শুরু করে পরে বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যাল ওয়ার্কস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এই প্রতিষ্ঠান ছিল ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম রসায়নভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান।
- তিনি মোট ১২টি যৌগিক লবণ ও ৫টি থায়োএস্টার আবিষ্কার করেন। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট। 

৭৯.
BEZA কবে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০০৯ সালে
  3. ২০১০ সালে
  4. ২০১২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১০ সালে
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEZA) ৯ নভেম্বর ২০১০ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০-এর অধীনে গঠিত একটি সরকারি সংস্থা, এটি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আওতাধীন।

BEZA:
- BEZA-এর পূর্ণরূপ: Bangladesh Economic Zones Authority.
- বেজা বা বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ আইন- ২০১০ অধ্যাদেশ দ্বারা গঠিত।
- এটি একটি সরকারি প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল আইন, ২০১০ এর বিধানানুসারে ৯ নভেম্বর ২০১০ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) প্রতিষ্ঠিত হয়।

সূত্র: বেজা ওয়েবসাইট।

৮০.
বাংলাদেশে বীজের মান নিয়ন্ত্রণ করে কোন সংস্থা?
  1. SCA
  2. AIS
  3. BRRI
  4. BADC
সঠিক উত্তর:
SCA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SCA
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশে বীজের মান নিয়ন্ত্রণ করে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি (Seed Certification Agency)। এটি কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সরকারি সংস্থা, এটি নিয়ন্ত্রিত ফসলের বীজ পরীক্ষা ও প্রত্যয়ন করে।

SCA:
- এর পূর্ণরূপ Seed Certification Agency বা বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী।
- বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ১৯৭৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বীজের মান নিয়ন্ত্রণ ও প্রত্যয়নের উদ্দেশ্যে।
- এটি সরকার ও বেসরকারি খাতে উৎপাদিত নোটিফাইড ফসলের (যেমন ধান, গম, পাট, আলু) বীজ মাঠ পরিদর্শন, পরীক্ষা ও ট্যাগ ইস্যুর মাধ্যমে মান নিশ্চিত করে।
- জাতীয় বীজ নীতি-১৯৯৩, বীজ আইন-২০১৮ এবং বীজ বিধিমালা-২০২০ অনুসারে এজেন্সীর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
- বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও চাষীদের উৎপাদিত বীজেও সেবা প্রদান করে, আমদানিকৃত বীজও পরীক্ষার আওতায় আনে।
- এছাড়া বীজের মান পরীক্ষা করে ভ্যারাইটি অবমুক্তকরণ ও নিবন্ধন, বীজের মান পরীক্ষা, ট্যাগ প্রদান প্রভৃতি কাজও করে।

সূত্র: বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী ওয়েবসাইট। 

৮১.
জনশুমারি ২০২২-এ কোন গণনা পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়?
  1. De-jure
  2. Classical Defecto
  3. Modified De-fecto
  4. Household Count
সঠিক উত্তর:
Modified De-fecto
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Modified De-fecto
ব্যাখ্যা

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জেলা অনুযায়ী সবচেয়ে কম ঘনত্ব: রাঙ্গামাটি।
- সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়: ১৫-২১ জুন।
- জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর তথ্য সংগ্রহে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে -  CAPI.
- গণনা পদ্ধতি: Modified De-fecto.
- বার্ষিক জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- সাক্ষরতার হার: ৭৪.৮০%।
- সবচেয়ে বেশি মানুষ বাস করে: ঢাকায়।
- সবচেয়ে কম মানুষ বাস করে বরিশাল বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯জন।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি: ঢাকা বিভাগে।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম : বরিশাল বিভাগে।

সূত্র: ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২।

৮২.
 'দানসাগর' ও 'অদ্ভুতসাগর' গ্রন্থ দুটি কে রচনা করেন?
  1. বিজয় সেন
  2. লক্ষ্মণ সেন
  3. বল্লাল সেন
  4. হেমন্ত সেন
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বল্লাল সেন
ব্যাখ্যা

◉ দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর গ্রন্থ দুটি রচনা করেন রাজা বল্লাল সেন। তিনি সেন রাজবংশের একজন গুরুত্বপূর্ণ শাসক ছিলেন।     

বল্লাল সেন:
- বিজয় সেনের মৃত্যুর পর আনুমানিক ১১৬০ সালে তার পুত্র বল্লাল সেন সিংহাসনে আরোহণ করেন।
- তিনি রাজ্য জয়ের চেয়ে দেশের ভেতরে উন্নয়ন, নতুন প্রথা চালু ও সংস্কারের কাজে অধিকতর মনোযোগী ছিলেন।
- তবে তিনি গোবিন্দপালকে পরাজিত করে মগধের পূর্বাঞ্চল অধিকার করেন।
- কথিত আছে যে, বল্লাল সেন তাঁর পিতার রাজত্বকালে মিথিলা জয় করেন।
- বল্লাল সেন বিদ্যান ও বিদ্যোৎসাহী রাজা ছিলেন।
- তিনি ব্রতসাগর, আচারসাগর, প্রতিষ্ঠাসাগর, দানসাগর ও অদ্ভুতসাগর নামে পাঁচটি গ্রন্থ রচনা করেন ।
- কৌলিন্য প্রথার প্রবর্তক হিসেবে বল্লাল সেন ইতিহাসে বিশেষভাবে পরিচিত।
- বল্লাল সেন তাঁর পিতার ন্যায় শৈব ছিলেন ।
- ধর্মপ্রচারে তাঁর বিশেষ আগ্রহ ছিল।
- তিনি তাঁর পিতার অন্যান্য উপাধির সাথে ‘অরিরাজ নিঃশঙ্কর' উপাধি গ্রহণ করেন।
- তিনি আনুমানিক ১৮ বছর রাজত্ব করার পর বৃদ্ধ বয়সে পুত্র লক্ষণ সেনের হাতে রাজ্যভার অপর্ণ করে সস্ত্রীক ত্রিবেণীর কাছে গঙ্গাতীরে বাণপ্রস্থ অবলম্বন করে শেষ জীবন অতিবাহিত করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা (৯ম-১০ম শ্রেণি), বাংলাদেশ উন্মক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৩.
কোন জেলায় কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
  1. ঢাকা
  2. ময়মনসিংহ
  3. টাঙ্গাইল
  4. কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
টাঙ্গাইল
ব্যাখ্যা

◉ কাগমারী সম্মেলন ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে টাঙ্গাইল জেলার কাগমারী নামক স্থানে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে আয়োজিত একটি ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সম্মেলন।

কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন।
- টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- সম্মেলনের আহ্বায়ক ছিলেন মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী।
- প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী।
- কাগমারী সম্মেলন পূর্ব বাংলা তথা আজকের বাংলাদেশের প্রথম আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক সম্মেলনে রূপ নেয়।
- কাগমারী সম্মেলনের মাত্র স্বল্প সময়ের মাথায় আওয়ামী লীগ থেকে পদত্যাগ করে মওলানা ভাসানীর নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-ন্যাপ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৮৪.
বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় কোন সালে? [সেপ্টেম্বর - ২০২৫]
  1. ২০০৮ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৯ সালে
  4. ২০২২ সালে
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০১৯ সালে
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশে সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে। এই শুমারির উদ্দেশ্য ছিল কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের তথ্য সংগ্রহ করে নীতিনির্ধারণে সহায়তা করা।

কৃষি শুমারি:
- কৃষি শুমারি পরিচালনার মাধ্যমে কৃষি খানার সংখ্যা, খানার আকার, ভূমির ব্যবহার, কৃষির প্রকার, শস্যের ধরণ, চাষ পদ্ধতি, গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগীর সংখ্যা, মৎস্য উৎপাদন ও চাষাবাদ সংক্রান্ত তথ্যাদি এবং কৃষি ক্ষেত্রে নিয়োজিত জনবল সম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়।
- এ তথ্য-উপাত্ত কৃষি ক্ষেত্রের উন্নয়ন কৌশল নির্ধারণ এবং অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে বেঞ্চমার্ক তথ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- পরিসংখ্যান আইন-২০১৩ অনুযায়ী জনশুমারি এবং অর্থনৈতিক শুমারির পাশাপাশি কৃষি (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ) শুমারি পরিচালনা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
- বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার গাইডলাইন অনুসারে পরিসংখ্যান ব্যুরো কৃষি শুমারি পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য,
- এদেশে ১৯৬০ সালে প্রথমবারের মত নমুনা আকারে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- স্বাধীনতা পরবর্তী বাংলাদেশে ১৯৭৭ সালে প্রথম কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬ ও ২০০৮ সালে কৃষি শুমারি অনুষ্ঠিত হয়।
- সর্বশেষ কৃষি শুমারি করা হয় ২০১৯ সালে।

সূত্র: কৃষি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট ও BBS ওয়েবসাইট।

৮৫.
সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে কী বলা হয়?
  1. বিরোধী বেঞ্চ
  2. ট্রেজারি বেঞ্চ
  3. ব্যাকবেঞ্চার
  4. মেম্বার বেঞ্চ
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রেজারি বেঞ্চ
ব্যাখ্যা

◉ সংসদ কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে ট্রেজারি বেঞ্চ বলা হয়।

- সংসদ-কক্ষের সামনের দিকের আসনগুলোকে বলা হয় ট্রেজারি বেঞ্চ।
- সরকারি দলের মন্ত্রী ও নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিগণ সামনের সারিতে বসেন।
- স্পীকারের আসনের ডানদিকে থাকে ট্রেজারি বেঞ্চ।
- এর বিপরীত দিকে সামনের সারিতে বসেন বিরোধী দলের নেতা, উপনেতা, হুইপ ও অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
- ট্রেজারি বেঞ্চকে ‘ফ্রন্ট বেঞ্চ’ও বলা হয়।
- সংসদে সরকারি ও বিরোধী দলের যেসব সদস্য পেছনের সারিতে বসেন তাদের বলা হয় ব্যাকবেঞ্চার।
- এ সদস্যগণ সরকারি দলের মন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত নন, আবার বিরোধী দলের নেতৃস্থানীয়ও নন। তাই সংসদের আসন ব্যবস্থায় তাঁরা পেছনের সারিতে বসেন।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৮৬.
রাজনৈতিক দলের সদস্যদের মধ্যে সাধারণত কী ধরনের সম্পর্ক থাকে?
  1. আদর্শ ও ব্যবসায়িক সম্পর্ক
  2. আদর্শ ও নীতিগত সম্পর্ক
  3. আদর্শ ও পারিবারিক সম্পর্ক
  4. আদর্শ ও জাতিগত সম্পর্ক
সঠিক উত্তর:
আদর্শ ও নীতিগত সম্পর্ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদর্শ ও নীতিগত সম্পর্ক
ব্যাখ্যা

◉ রাজনৈতিক দলের সদস্যরা একসাথে কাজ করে কারণ তাদের আদর্শ ও লক্ষ্য অভিন্ন।

রাজনৈতিক দলের বৈশিষ্ট্য: 
- রাজনৈতিক দল কিছু সংখ্যক মানুষের একটি রাজনৈতিক সংগঠন।
- রাজনৈতিক দলের সদস্যগণ কম-বেশি একইরূপ আদর্শ ও নীতির দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে একত্রিত হয়।
- রাজনৈতিক দল নিয়মতান্ত্রিক উপায়ে ক্ষমতা দখল করার চেষ্টা করে।
- জনমতের দিকে লক্ষ্য রেখে রাজনৈতিক দল কর্মসূচি প্রণয়ন ও প্রচার, নির্বাচনে প্রার্থী মনোনয়ন এবং জয়লাভের চেষ্টা করে।
- রাজনৈতিক দলগুলো নিজ নিজ দলীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করে থাকে।
- রাজনৈতিক দল দলীয় নীতির ভিত্তিতে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণ করতে চায়।
- বস্তুত সংগঠন, কর্মসূচি ও ক্ষমতালাভ রাজনৈতিক দলের মূল বৈশিষ্ট্য।

সূত্র: পৌরনীতি, এস এস সি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

৮৭.
বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ - ১০৯ 
  2. অনুচ্ছেদ - ১১২ 
  3. অনুচ্ছেদ - ১০৮ 
  4. অনুচ্ছেদ - ১১০ 
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০৮ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ - ১০৮ 
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১০৮-এ সুপ্রীম কোর্টকে "কোর্ট অব রেকর্ড" হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আদালত অবমাননার জন্য তদন্ত ও দণ্ডাদেশ প্রদানের ক্ষমতাও সুপ্রীম কোর্টের রয়েছে।

অনুচ্ছেদ - ১০৮: "কোর্ট অব রেকর্ড" রূপে সুপ্রীম কোর্ট
সুপ্রীম কোর্ট হবে একটি "কোর্ট অব্ রেকর্ড" এবং এর অবমাননার জন্য তদন্তের আদেশদান বা দণ্ডাদেশ দানের ক্ষমতাসহ আইন-সাপেক্ষে অনুরূপ আদালতের সকল ক্ষমতার অধিকারী থাকবেন।

• সংবিধান:
- বাংলাদেশের সংবিধান বাংলাদেশের মৌলিক ও সর্বোচ্চ আইন।
- সুপ্রিম কোর্ট হলো সংবিধানের ব্যাখাকারক বা অভিভাবক।
- সংবিধান তৈরির জন্য ১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়।

অন্যদিকে -
- ১০৯নং অনুচ্ছেদ: আদালতসমূহের উপর তত্ত্বাবধায়ন ও নিয়ন্ত্রণ।
- ১১০নং অনুচ্ছেদ: অধস্তন আদালত হইতে হাইকোর্ট বিভাগে মামলা স্থানান্তর।
- ১১২নং অনুচ্ছেদ: সুপ্রীম কোর্টের সহায়তা।

সূত্র - বাংলাদেশের সংবিধান।

৮৮.
ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন কোন শিক্ষক?
  1. ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব
  2. ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা
  3. ড. শামসুজ্জোহা
  4. মুনীর চৌধুরী
সঠিক উত্তর:
ড. শামসুজ্জোহা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ড. শামসুজ্জোহা
ব্যাখ্যা

◉ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে শহিদ হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. শামসুজ্জোহা। ১৯৬৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ছাত্রদের ওপর সেনাবাহিনীর গুলিবর্ষণ ঠেকাতে তিনি সামনে এগিয়ে যান এবং গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হন।

অন্যদিকে,
- ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব, ড. জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা এবং মুনীর চৌধুরী—তিনজনই ছিলেন প্রখ্যাত শিক্ষক ও বুদ্ধিজীবী, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে শহিদ হন। তাঁদের মৃত্যু বাঙালি জাতির জন্য গভীর শোকের বিষয় হলেও, তা গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে নয়। তাই প্রশ্নের নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে ড. শামসুজ্জোহাই সঠিক উত্তর

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান:
- আইয়ুব সরকারের নিপীড়নের প্রতিবাদে ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় ছাত্রসভা ও প্রতিবাদ মিছিলের কর্মসূচি হাতে নেওয়া হয়। এ মিছিলে পুলিশের গুলিতে ছাত্রনেতা আসাদউজ্জামান নিহত হলে গণজাগরণ রূপ নেয় গণঅভ্যুত্থানের।
- শহিদ আসাদ ছিলো ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের প্রথম শহিদ।
- ২৪ জানুয়ারি ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান দিবস। ১৯৬৯ সালের এই দিনে সংগ্রামী জনতা সান্ধ্য আইন উপেক্ষা করে মিছিল বের হরে। সেখানে পুলিশের গুলিতে নবম শ্রেণির ছাত্র মতিউর এবং ছুরিকাঘাতে রুস্তম নিহত হন।
- ১৫ ফেব্রুয়ারি সার্জেন্ট জহুরুল হক এবং ১৮ ফেব্রুয়ারি রাবির ড. শামসুজ্জোহা শহিদ হন।
- এর ফলে সৃষ্টি হওয়া তীব্র জনরোষে আইয়ুব সরকার ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান সহ  সকল আসামিকে মুক্তি বাধ্য হয়।
- এই আন্দোলনের চূড়ান্ত পরিণতি হিসেবে আইয়ুব সরকারের পতন ঘটে এবং আইয়ুব খান ইয়াহিয়া খানের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে।

সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মো. মোজাম্মেল হক। বাংলাপিডিয়া।

৮৯.
আহসান মঞ্জিলের জন্য পুরনো কুঠিবাড়িটি কার কাছ থেকে কেনা হয়?
  1. ফরাসিদের কাছ থেকে
  2. ডাচদের কাছ থেকে
  3. ইংরেজদের কাছ থেকে
  4. পর্তুগিজদের কাছ থেকে
সঠিক উত্তর:
ফরাসিদের কাছ থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফরাসিদের কাছ থেকে
ব্যাখ্যা

 ◉ আহসান মঞ্জিলের জন্য পুরনো কুঠিবাড়িটি ফরাসি বণিকদের কাছ থেকে কিনেছিলেন নওয়াব আবদুল গনি। 

আহসান মঞ্জিল:
- আহসান মঞ্জিলের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন ঢাকার নওয়াব খাজা আবদুল গনি।
- ১৮৩০ সালে তিনি ফরাসিদের নিকট থেকে পুরনো কুঠিবাড়িটি কিনে সেটিকে নিজ বাসভবনে রূপান্তর করেন।
- এরপর ইউরোপীয় স্থাপত্য প্রতিষ্ঠান মার্টিন অ্যান্ড কোম্পানিকে দিয়ে একটি মাস্টার প্ল্যান তৈরি করান, এর ভিত্তিতে নির্মিত হয় আহসান মঞ্জিল।
- এর নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৮৫৯ সালে এবং শেষ হয় ১৮৭২ সালে।
- প্রাসাদটির নামকরণ করা হয় খাজা আবদুল গনির পুত্র খাজা আহসানুল্লাহ-র নামে।
- এই ভবনটি ছিল ঢাকার নবাব পরিবারের রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু। দীর্ঘ সময় ধরে এখান থেকেই পূর্ব বাংলার মুসলমানদের নেতৃত্ব দেওয়া হয়েছে।  

সূত্র: বাংলাপিডিয়া।

৯০.
বাংলাদেশের কোন রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের উদ্বোধন করেন?
  1. আব্দুস সাত্তার
  2. খন্দকার মোশতাক আহমেদ
  3. জিয়াউর রহমান
  4. উপরের কেউ নন
সঠিক উত্তর:
আব্দুস সাত্তার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্দুস সাত্তার
ব্যাখ্যা

◉ বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার। 

জাতীয় সংসদ:
- ১৯৮২ সালের ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন উদ্বোধন করেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আব্দুস সাত্তার।
- এই ভবনটি শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত এবং এর নকশা করেছেন বিশ্বখ্যাত স্থপতি লুই আই কান।
- তবে লুই আই কানের মৃত্যুর পর, হেনরি এম প্যামব্যাম ও মাজহারুল ইসলাম এর নির্মাণ কাজ শেষ করেন।
- এটি বাংলাদেশের আইন প্রণয়ন ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা পরিচালনার প্রধান কেন্দ্র।

সূত্র - জাতীয় সংসদ ভবনের ওয়েবসাইট এবং বাংলাপিডিয়া ।

৯১.
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?
  1. লিয়াকত আলী খান
  2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
  3. খাজা নাজিমুদ্দিন
  4. চৌধুরী মোহাম্মদ আলী
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খাজা নাজিমুদ্দিন
ব্যাখ্যা

◉ ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন। 

ভাষা আন্দোলন: 
- ভাষা আন্দোলন ছিল বাংলা ভাষার রাষ্ট্রীয় মর্যাদার দাবিতে সংগঠিত এক গণআন্দোলন।
- ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে উর্দু ঘোষণার বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে দাবি ওঠে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করার।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ছাত্ররা 'রাষ্ট্রভাষা বাংলা চাই' শ্লোগানে বিক্ষোভ শুরু করলে পুলিশ গুলি চালায়, যার ফলে রফিক, জববার, বরকতসহ অনেকে শহীদ হন।
- আন্দোলন আরও তীব্র হয় এবং ১৯৫৬ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে গ্রহণ করে।
- ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাঙালির আত্মত্যাগকে স্মরণ করে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়। 

উল্লেখ্য, 
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন নুরুল আমিন।
- ১৯৫২ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমউদ্দিন।
- ১৯৫২ সালে গভর্নর ছিলেন গোলাম মুহাম্মদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া। 

৯২.
নিচের কোন নৃগোষ্ঠী বাংলাদেশে বাস করে না?
  1. কোচ
  2. ডোগরা
  3. চাক
  4. ডালু
সঠিক উত্তর:
ডোগরা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডোগরা
ব্যাখ্যা

◉ ডোগরা একটি ইন্দো-আর্য নৃগোষ্ঠী, এরা প্রধানত ভারতের জম্মু, হিমাচল প্রদেশ ও পাঞ্জাব অঞ্চলে বসবাস করে। এরা বাংলাদেশে বাস করে না। 

অন্যদিকে: 
চাক:
চাক বাংলাদেশের একটি উপজাতি। বাংলাদেশের বান্দরবান, চট্টগ্রামের চাক পাহাড় ও মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে তাদের বসবাস রয়েছে। চকরা যে ভাষায় কথা বলে সেটি চাক ভাষা নামে পরিচিত। চাকদের ভাষায় 'চক' শব্দের অর্থ 'দাঁড়ানো'।

ডালু:
ডালু জাতি হচ্ছে বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি ক্ষুদ্র জাতির নাম। ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট ও শেরপুরের নালিতাবাড়ি অঞ্চলে ডালু জাতির মানুষদের বাস। তাদের অনেকে মনে করেন মণিপুরিই হচ্ছে তাদের আসল ভাষা।

কোচ:
কোচ বাংলাদেশ ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহারে বসবাসকারী অন্যতম প্রাচীন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। বর্তমানে কোচ জাতির বিস্তৃতি আদিভূমি কোচবিহার ছড়িয়ে ময়মনসিংহ জেলায় তাদের আবাস গড়ে তোলে । বর্তমানে শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী , নালিতাবাড়ী এবং শ্রীবর্দী উপজেলায় তাদের বসবাস।

সূত্র: ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সনদ। 

৯৩.
'মাৎস্যন্যায়' কোন সময়কালকে নির্দেশ করে?
  1. মৌর্য পূর্ববর্তী যুগ
  2. শশাঙ্কের পূর্ববর্তী যুগ
  3. পালদের পূর্ববর্তী যুগ
  4. গুপ্ত পূর্ববর্তী যুগ
সঠিক উত্তর:
পালদের পূর্ববর্তী যুগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পালদের পূর্ববর্তী যুগ
ব্যাখ্যা

◉ ‘মাৎস্যন্যায়’ নির্দেশ করে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার সময়কে, এটা পাল বংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত স্থায়ী ছিল।

মাৎস্যন্যায়:
- ‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার ৭ম-৮ম শতক সময়কালকে নির্দেশ করে।
- রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের অভ্যুদয়ের পূর্ব পর্যন্ত সময়কালকে মাৎস্যন্যায় বলা হয়।
- সে সময় বাংলার রাজনীতিতে চরম বিশৃঙ্খলাপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করে।
- প্রায় সমসাময়িক লিপি, খালিমপুর তাম্রশাসন এবং সন্ধ্যাকর নন্দীর রামচরিতম কাব্যে পাল বংশের পূর্ববর্তী সময়ের বাংলার নৈরাজ্যকর অবস্থাকে ‘মাৎস্যন্যায়’ বলে উল্লেখ করা হয়।
- মাৎস্যন্যায়ের সময়টি ছিল মোটামুটিভাবে ৬৫০-৭৫০ সালের মধ্যকার প্রায় ১০০ বছর।
- বাংলা অঞ্চলে বিশৃঙ্খলা যখন চরমে, তখন সিংহাসনে বসেন রাজা গোপাল।
- রাজা গোপালের হাত ধরে প্রতিষ্ঠা লাভ করে পাল বংশ।
- রাজা গোপাল সিংহাসনে বসার মাধ্যমে অবসান ঘটে মাৎস্যন্যায়ের।

সূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

৯৪.
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন -
  1. ভিক্টরিয়া নুল্যান্ড
  2. আনালেনা বায়েরবোক
  3. ফিলেমন ইয়াং
  4. তিজ্জানি মোহাম্মদ-বান্ডে
সঠিক উত্তর:
আনালেনা বায়েরবোক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আনালেনা বায়েরবোক
ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি:
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন আনালেনা বায়েরবোক (Annalena Baerbock)।
- তিনি জার্মানির প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
- তিনি ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন।

⇒ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ:
- সাধারণ পরিষদ জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ সংস্থা।
- জাতিসংঘের সব সদস্য এ পরিষদের সদস্য।
- বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- বাৎসরিকভাবে এ পরিষদের অধিবেশন বসে যা সাধারণ অধিবেশন নামে পরিচিত। 
- জাতিসংঘ সনদের চতুর্থ অধ্যায় (৯ - ২২ নং অনুচ্ছেদ) এ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

অন্যদিকে,
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭৯তম অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন ক্যামেরুনের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ফিলেমন ইয়াং।

উৎস: UN General Assembly ওয়েবসাইট।

৯৫.
‘Emancipation Proclamation’ ঘোষণা করেছিলেন কে?
  1. জেফারসন ডেভিস
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. রবার্ট ই. লি
  4. ইউলিসেস এস. গ্র্যান্ট
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আব্রাহাম লিংকন
ব্যাখ্যা

আব্রাহাম লিংকন:
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন।
- তার রাজনৈতিক দল ছিল রিপাবলিকান পার্টি।
- তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে সফল ও জনপ্রিয় প্রেসিডেন্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

​⇒ আব্রাহাম লিংকন 'Emancipation Proclamation (মুক্তির ঘোষণা)' ঘোষণা করেছিলেন।
- আব্রাহাম লিঙ্কনের “Emancipation Proclamation” বা মুক্তির ঘোষণা ছিল একটি ঐতিহাসিক আদেশ যা ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি কার্যকর হয়।
- এটি কনফেডারেট রাজ্যগুলোর অধীনে থাকা দাসদের আইনগতভাবে মুক্ত ঘোষণা করে।
- এটি মার্কিন গৃহযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দাসপ্রথা বিরোধী যুদ্ধ হিসেবে একে চিহ্নিত করে।
- তবে এই ঘোষণাটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়নি।

উল্লেখ্য,
- ১৮৬৩ সালের ১৯ নভেম্বর লিংকন পেনসালভেনিয়ার গেটিসবার্গের যুদ্ধক্ষেত্রে দাঁড়িয়ে এক হৃদয়স্পর্শী ভাষণে বলেন, ‘গণতন্ত্র হলো জনগণের সরকার, জনগণের দ্বারা সরকার, জনগণের জন্য সরকার।’  প্রজাতন্ত্রবাদ, সমঅধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রবক্তা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন গণতন্ত্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় এই সংজ্ঞাটা দিয়েছিলেন গেটিসবার্গ ভাষণে। তিন মিনিটের কম সময়ের সেই ভাষণকে বলা হয় পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম ভাষণের একটি। তার বিখ্যাত উক্তি - '‘Government by the people, for the people, of the people’।

⇒ আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বহু বছরের দাসপ্রথা বিলুপ্ত করেন।  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির আধুনিকীকরণে তিনি অসামান্য ভূমিকা পালন করেন। তিনি ১৮৬৩ সালে দাসপ্রথার বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। এটি ছিল দাসপ্রথার বিরুদ্ধে নেওয়া পৃথিবীর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ।

উৎস: History Channel.

৯৬.
Montreal Protocol চুক্তি গৃহীত হয় -
  1. ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৫
  2. ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৫
  3. ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭
  4. ১৩ অক্টোবর, ১৯৮৭
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭
ব্যাখ্যা

মন্ট্রিল প্রটোকল:
- Montreal Protocol-এর পূর্ণরূপ: The Montreal Protocol on Substances that Deplete the Ozone Layer.
- মন্ট্রিল প্রোটোকল হল ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পদার্থ (ODS) ব্যবহার এবং উৎপাদন বন্ধ করার জন্য একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
- মন্ট্রিল প্রোটকলের মূখ্য আলোচ্য বিষয়: ওজোন স্তরের সুরক্ষা।

⇒ চুক্তি গৃহীত হয়: ১৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৭ সালে।
- কার্যকর হয়: ১ জানুয়ারী, ১৯৮৯ সালে।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: মন্ট্রিল, কানাডা।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী দেশ: ২০০টি।
- চুক্তি অনুমোদনকারী দেশ: ১৯৮টি।

উল্লেখ্য,
- ক্লোরোফ্লোরোকার্বন (সিএফসি), হ্যালন, কার্বন টেট্রাক্লোরাইড, মিথাইল ক্লোরোফর্ম, মিথাইল ব্রোমাইড, মিথেন, নাইট্রাস অক্সাইড, হাইড্রোব্রোমোফ্লোরোকার্বন ইত্যাদি গ্যাসের প্রভাবে দিন দিন ক্ষয়ে যাচ্ছে এই ওজোন স্তর। যার ফলে তৈরি হচ্ছে ওজোন হোল বা গর্ত। প্রায় সকল ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য (ওডিএস) ই অধিক ক্ষমতাসম্পন্ন গ্রিন হাউস গ্যাস হিসেবে চিহ্নিত। ওজোনস্তর ক্ষয়কারী দ্রব্য ও এর বিকল্পসমূহ অধিকাংশ ক্ষেত্রে বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিতে সহায়ক। এ গ্যাসগুলো সাধারণতঃ রেফ্রিজারেশন ও এয়ারকন্ডিশনিং সিস্টেমে, এ্যাজমা চিকিৎসায় উৎপাদিত ইনহেলারে, ফ্যান, প্লাস্টিক ফোম তৈরি ও মাইক্রোইলেকট্রিক সার্কিট পরিস্কার করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব থেকে মানবসভ্যতাকে রক্ষার জন্য ওজোনস্তর রক্ষায় কাজ করা একান্ত প্রয়োজন। তাই ওজোনস্তরের ক্ষয়কারী দ্রব্যের ব্যবহার কমাতে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
- ধরিত্রীকে রক্ষার লক্ষ্যে ওজোনস্তর রক্ষায় জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচির উদ্যোগে ১৯৮৫ সালে 'ভিয়েনা কনভেনশন' গৃহীত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৮৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর কানাডার মন্ট্রিলে "মন্ট্রিল প্রটোকল" নামে এক যুগান্তকারী চুক্তি গৃহীত হয়।

⇒ ১৬ সেপ্টেম্বর প্রতি বছর ওজোনস্তর রক্ষা দিবস পালিত হয়।

উৎস: i) UNEP ওয়েবসাইট।
ii) Ozone Secretariat।

৯৭.
'প্রেয়াহ বিহার' মন্দির নিয়ে কোন দুই দেশের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে?
  1. থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
  2. ভারত ও পাকিস্তান
  3. মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড
  4. ভারত ও নেপাল
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়া
ব্যাখ্যা

প্রেয়াহ বিহার (Preah Vihear):
- প্রেয়াহ বিহার একটি ঐতিহাসিক হিন্দু মন্দির যা কম্বোডিয়ার সীমান্তে অবস্থিত।
- 'প্রেয়াহ বিহার' মন্দির নিয়ে থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।
- থাইল্যান্ডও এর মালিকানা দাবি করায় দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ চলে আসছে।
- ১৯৬২ সালে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) রায় দেয় যে মন্দিরটি কম্বোডিয়ার অধীনে থাকবে।

⇒ ইংল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার অতীত এবং বর্তমানের এই দ্বন্দ্বে মন্দিরটি আর কেবল একটি স্থাপনা নয়—এটা এখন সম্মানের প্রতীক, ইতিহাসের ছায়া এবং ভূখণ্ডের দাবি।
- এমারেল্ড ট্রায়াঙ্গেলে এসে মিলেছে থাইল্যান্ড, কম্বোডিয়া ও লাওস—এই তিন দেশের সীমানা।
- এই এলাকার মধ্যে সবচেয়ে স্পর্শকাতর হলো ১১০০ শতকে তৈরি প্রেয়াহ বিহার মন্দির।
- ১৯০৭ সালে সেই উপনিবেশিক শাসকরাই তৈরি করে একটি মানচিত্র, যেখানে স্পষ্টভাবে প্রেয়াহ বিহারকে দেখানো হয় কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে। কিন্তু পরবর্তীতে থাইল্যান্ড তা মানতে চায়নি। তারা দাবি তোলে, মন্দিরটি তাদের সীমানার ভেতরেই অবস্থিত।
- ২০০৮ সালে ফের উত্তেজনা তুঙ্গে ওঠে, যখন ইউনেস্কো প্রেয়াহ বিহারকে কম্বোডিয়ার অংশ হিসেবে বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা দেয়।

উৎস: i) The Economic Times.
ii) প্রথম আলো।

৯৮.
‘আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার-২০২৫’ বিজয়ী ভারতীয় লেখক বানু মুশতাক কোন ভাষার লেখক?
  1. হিন্দি
  2. বাংলা
  3. কন্নড়
  4. ইংরেজি
সঠিক উত্তর:
কন্নড়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কন্নড়
ব্যাখ্যা

আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার-২০২৫ জয়ী ভারতীয় লেখক বানু মুশতাক কন্নড় ভাষার লেখক। তিনি ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের একজন লেখক, আইনজীবী ও সমাজকর্মী এবং কন্নড় ভাষায় তার ছোটগল্প সংকলন "হার্ট ল্যাম্প" এর জন্য এই পুরস্কার জিতেছেন।

আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার-২০২৫:
- ২০২৫ সালের আন্তর্জাতিক বুকার পুরস্কার জিতেছেন ভারতীয় লেখক, আইনজীবী ও অধিকারকর্মী বানু মুশতাক।
- ছোটগল্পের সংকলন ‘হার্ট ল্যাম্প/ Heart Lamp’–এর জন্য তাঁকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। 
- ৭৭ বছর বয়সী এই লেখকের ছোটগল্পের সংকলন কন্নড় ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন দীপা ভাস্তি।
- এ ভাষার লেখকদের মধ্যে তিনি প্রথমবারের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি পেলেন।
- পুরস্কারের অর্থমূল্য ৫০ হাজার পাউন্ড (৬৭ হাজার ডলার), যা অনুবাদক দীপা ভাস্তির সঙ্গে তিনি সমানভাবে ভাগ করে নেবেন।
-  ‘হার্ট ল্যাম্প’-এ ১২টি গল্প সংকলিত হয়েছে, যেগুলো ১৯৯০ থেকে ২০২৩ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়। গল্পগুলোতে দক্ষিণ ভারতের মুসলিম সমাজের দৈনন্দিন জীবনের চিত্র ফুটে উঠেছে। গল্পগুলোতে বিশেষ করে নারী ও কিশোরীদের অভিজ্ঞতা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

⇒ বুকার পুরস্কার:
- বুকার পুরস্কার (Booker Prize) একটি সাহিত্য পুরস্কার।
- এটি যুক্তরাজ্য থেকে প্রদান করা হয়।
- পুরস্কারটির পূর্বনাম ছিল: Booker–McConnell Prize ও Man Booker Prize।
- শুরুতে পুরস্কারটি শুধু ব্রিটিশ লেখকদের প্রদান করা হত।
- পরবর্তীতে তা কমনওয়েলথ দেশ সমূহের ইংরেজি ভাষার লেখক এবং ২০১৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার লেখকদের প্রদান করা হয়ে আসছে।
- ১৯৬৯ সাল থেকে প্রতিবছর এই পুরস্কার দেওয়া হয়।
- বুকারজয়ের শর্ত হলো, উপন্যাসটি ইংরেজিতে লেখা হতে হবে এবং যুক্তরাজ্যে বা আয়ারল্যান্ডে প্রকাশিত হতে হবে।

উৎস: The Booker Prizes ওয়েবসাইট।

৯৯.
২০২৫ সালের Shanghai Cooperation Organisation (SCO)-এর ২৫তম শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছে?
  1. বেইজিং, চীন
  2. মস্কো, রাশিয়া
  3. নয়াদিল্লী, ভারত
  4. তিয়ানজিন, চীন
সঠিক উত্তর:
তিয়ানজিন, চীন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তিয়ানজিন, চীন
ব্যাখ্যা

Shanghai Cooperation Organisation:
- Shanghai Cooperation Organisation (SCO) হলো একটি ইউরেশীয় রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সংস্থা।
- এর মূল লক্ষ্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
- গঠিত হয়: ১৫ জুন, ২০০১ সাল।
- সদরদপ্তর: বেইজিং, চীন।
- প্রতিষ্ঠিত সদস্য দেশ: ৬টি (চীন, রাশিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান এবং উজবেকিস্তান)।
- বর্তমান সদস্য দেশ: ১০টি (রাশিয়া, চীন, ভারত, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ইরান, বেলারুশ)।
- সর্বশেষ সদস্য: বেলারুশ।
- বর্তমান মহাসচিব: Nurlan Yermekbayev।
- ২টি পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র: আফগানিস্তান, মঙ্গোলিয়া।

উলেখ্য,
- ২০২৫ সালের Shanghai Cooperation Organisation (SCO)-এর ২৫তম শীর্ষ সম্মেলন চীনের তিয়ানজিন শহরে ৩১ আগস্ট -১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
- এটি SCO-এর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সম্মেলন ছিল। 
- সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং।

উৎস: Shanghai Cooperation Organisation ওয়েবসাইট।

১০০.
ভিয়েনা কনভেনশনপেরসনা (১৯৬১)-এর কত নং অনুচ্ছেদে ‘পারসোনা-নন-গ্রাটা’ সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. ৬ নং 
  2. ৭ নং 
  3. ৮ নং 
  4. ৯ নং
সঠিক উত্তর:
৯ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯ নং
ব্যাখ্যা

Persona non grata: 
- শব্দের আক্ষরিক অর্থ অবাঞ্ছিত বা অগ্রহণযােগ্য ব্যক্তি। 
- এটি একটি ল্যাটিন শব্দ।
- এর মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে কোনো দেশে প্রবেশ বা অবস্থানের জন্য অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা হয়। 
- কূটনৈতিক প্রেক্ষাপটে, "Persona non grata" সাধারণত কোনো বিদেশী কূটনীতিকের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়। যদি কোনো দেশের সরকার কোনো কূটনীতিককে তাদের দেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে, তবে তাকে "Persona non grata" হিসেবে বিবেচনা করা হয় এবং তাকে অবশ্যই সেই দেশ ত্যাগ করতে হয়।

⇒ ভিয়েনা কনভেনশন, (১৯৬১):
- Vienna Convention on Diplomatic Relations, 1961 হলো একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি যা বিভিন্ন দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পরিচালনার নিয়মকানুন নির্ধারণ করে।
- গৃহীত হয়: ১৮ এপ্রিল, ১৯৬১ (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া)।
- কার্যকর হয়: ২৪ এপ্রিল, ১৯৬৪।
- স্বাক্ষরকারী দেশ: ৬০টি।
- পক্ষ: ১৯৩টি দেশ।
- চুক্তিটিতে মোট ৫৩টি ধারা রয়েছে।

উলেখ্য,
- ভিয়েনা কনভেনশনের ৯ নং ধারায় 'পার্সোনা-নন-গ্রাটা' (Persona non grata) সম্পর্কে বলা হয়েছে।
- আর্টিকেল-৯-এ বলা হয়েছে যে, যেকোনো দেশ ওই দেশে নিযুক্ত অন্য দেশের কূটনীতিককে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই ‘পারসোনা নন গ্রাটা’ বা অগ্রহণযোগ্য বলে ঘোষণা করতে পারে। ওই কূটনীতিক সংশ্লিষ্ট দেশে পৌঁছানোর আগেই তাকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা যায়। তখন প্রেরক রাষ্ট্রকে (কুটনীতিক ব্যক্তির নিজ রাষ্ট্র) অবশ্যই একটি যুক্তিসঙ্গত সময়ের মধ্যে ওই ব্যক্তিকে প্রত্যাহার করতে হবে। অন্যথায় উক্ত ব্যক্তি (এ কনভেনশনের অধিনস্থ) তার কূটনৈতিক নিরাপত্তা হারাবেন। একটি দেশের কূটনীতিক মিশনের প্রধানসহ ওই মিশনে কর্মরত যেকোনো ব্যক্তিকে অগ্রহণযোগ্য ঘোষণা করা যেতে পারে।

উৎস: United Nations Treaty Collection.

১০১.
নিম্নের কোন দেশটি 'Horn of Africa' অঞ্চলে অবস্থিত নয়?
  1. ইথিওপিয়া
  2. সোমালিয়া
  3. নাইজেরিয়া
  4. ইরিত্রিয়া
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইজেরিয়া
ব্যাখ্যা

Horns of Africa:
- 'Horns of Africa' আফ্রিকার শিং আফ্রিকার পূর্বতম অঞ্চল।
- Horn of Africa বলতে আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলের ৪টি দেশ বুঝায়।
- এহুলো হলো: ইরিত্রিয়া, ইথিওপিয়া, জিবুতি এবং সোমালিয়া।

অন্যদিকে,
- নাইজেরিয়া 'Horn of Africa' অঞ্চলে অবস্থিত নয়।

উৎস: i) World Atlas.
         ii) Britannica.

১০২.
'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' কোন নীতির উদাহরণ?
  1. মার্শাল প্ল্যান
  2. ব্রেজনেভ ডকট্রিন
  3. ডমিনো তত্ত্ব
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
ডমিনো তত্ত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ডমিনো তত্ত্ব
ব্যাখ্যা

ভিয়েতনাম যুদ্ধ:
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ দ্বিতীয় ইন্দোচীন যুদ্ধ নামে পরিচিত।
- এই যুদ্ধ বিংশ শতাব্দীর দীর্ঘতম সামরিক সংঘাতগুলির একটি।
- ১৯৫৫ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ২০ বছর স্থায়ী হয়েছিল এই যুদ্ধ।
- এটি ছিল উত্তর ভিয়েতনাম (সমাজতান্ত্রিক) ও দক্ষিণ ভিয়েতনামের (মার্কিন-সমর্থিত) মধ্যে সংঘটিত একটি গৃহযুদ্ধ।
- এতে প্রায় ৩৮ লাখ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।
- দক্ষিণ ভিয়েতনামে মার্কিন-সমর্থিত শাসকদের পরাজয় এবং ভিয়েতনামের উত্তর ও দক্ষিণ দুই ভাগেই কমিউনিস্ট শক্তির বিজয়ের মাধ্যমে এর সমাপ্তি ঘটে।
- প্যারিস শান্তি চুক্তি বা Paris Peace Accords-এর মাধ্যমে দীর্ঘ ভিয়েতনাম যুদ্ধের অবসান ঘটে।

উল্লেখ্য,
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ মূলত যুক্তরাষ্ট্রের স্নায়ু যুদ্ধকালীন নীতির অংশ ছিল।
- ভিয়েতনাম যুদ্ধ হলো Domino Theory-এর বাস্তব প্রয়োগের সবচেয়ে বড় উদাহরণ।
- ডমিনো তত্ত্ব অনুযায়ী, কোনো একটি রাষ্ট্রে যদি সমাজতন্ত্রীরা ক্ষমতাসীন হয়, তাহলে পাশের রাষ্ট্রটিও সমাজতন্ত্রীদের দখলে চলে যাবে।

⇒ ডমিনো তত্ত্ব:
- স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুক্তরাষ্ট্র যে কয়েকটি পররাষ্ট্র নীতি গ্রহন করেছিল, তার মধ্যে 'ডমিনো তত্ত্ব' অন্যতম।
- মার্কিন প্রেসিডেন্ট হ্যারি এস. ট্রুম্যান এই তত্ত্বের উদ্যোক্তা হলেও তার পরবর্তী প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার প্রথম এই অঞ্চলে প্রয়োগ করেন।
- ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার ১৯৫৪ সালের ৭ এপ্রিল এক সংবাদ সম্মেলনে ইন্দোচিনে কমিউনিজমের কথা উল্লেখ করার সময় তত্ত্বটি বর্ণনা করেছিলেন।
- দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় 'ভিয়েতনাম যুদ্ধ' ও স্নায়ুযুদ্ধের সময়ও যুক্তরাষ্ট্র এই ডমিনো তত্ত্ব প্রয়োগ করা হয়েছিল।
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বিংশ শতাব্দীর সত্তরের দশকে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায় বিশেষ করে ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও লাওসে এই তত্ত্ব প্রয়োগ করে সেখানে সমাজতন্ত্রের উত্থান ঠেকাতে সামরিক হস্তক্ষেপ করেছিল।

অন্যদিকে,
- মার্শাল প্ল্যান (Marshall Plan): এটি ছিল ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক পুনর্গঠন পরিকল্পনা যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী পশ্চিম ইউরোপকে সহায়তা করতে চালু করা হয়।
- ব্রেজনেভ ডকট্রিন (Brezhnev Doctrine): এটি সোভিয়েত ইউনিয়নের একটি নীতি (১৯৬৮) যেখানে বলা হয়েছিল যদি কোনো কমিউনিস্ট রাষ্ট্রে সমাজতন্ত্র দুর্বল হওয়ার ঝুঁকি থাকে, সোভিয়েত ইউনিয়ন সেখানে সামরিক হস্তক্ষেপ করবে।

উৎস: History.com

১০৩.
‘ডেটন চুক্তি’ আনুষ্ঠানিকভাবে কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?
  1. মিউনিখ
  2. প্যারিস
  3. নিউইয়র্ক
  4. আলাক্সা
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্যারিস
ব্যাখ্যা

ডেটন চুক্তি:
- ডেটন চুক্তির পূর্ণরূপ: The General Framework Agreement for Peace in Bosnia and Herzegovina.
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জার্মানির পরাজয়ের পর নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকে বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার যুদ্ধ ছিল সবচেয়ে ভয়ংকর। 
- এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটেছিল এক ‘অসম’ শান্তিচুক্তির হাত ধরে।
- ১৯৯৫ সালের ২১ নভেম্বর সই হয় ‘জেনারেল ফ্রেমওয়ার্ক অ্যাগ্রিমেন্ট ফর পিস’ শীর্ষক সেই শান্তিচুক্তি, যা ‘ডেটন চুক্তি’ নামে পরিচিত।
- চুক্তিতে বলা হয়, চুক্তি সইকারী পক্ষগুলো পরস্পরকে স্বীকৃতি দেবে, জাতিগত ঐক্য বজায় রাখবে, একে অপরের সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকবে এবং শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নে সবাই মধ্যস্থতা করবে। 
- প্রক্রিয়াটির নেতৃত্বে ছিলেন প্রধান মার্কিন শান্তি আলোচনাকারী রিচার্ড হলব্রুক।

⇒ প্রাথমিক স্বাক্ষর: ২১ নভেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: ডেটন, ওহাইও, যুক্তরাষ্ট্র)।
- আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ (স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স)।
- পক্ষসমূহ: বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা, ক্রোয়েশিয়া, সার্বিয়া।
- চুক্তি স্বাক্ষরকারী: ক্রোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট ফ্রানজো তুজমান, সার্বিয়ার প্রেসিডেন্ট স্লোবোদান মিলোসেভিচ (যাঁকে পরে হেগে ‘যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল) এবং বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার প্রেসিডেন্ট এলিজা আইজেবগোভিচ।
- মধ্যস্থতাকারী: তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন।
- উদ্দেশ্য: সার্বিয়া ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা সমস্যার সমাধান।

উৎস: i) OSCE.org.
ii) Britannica.

১০৪.
নিম্নের কোন দেশটি ওপেক প্লাস (OPEC+)-এর সদস্য রাষ্ট্র?
  1. ভারত
  2. রাশিয়া
  3. অস্ট্রিয়া
  4. যুক্তরাষ্ট্র
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা

রাশিয়া ওপেক প্লাস (OPEC+)-এর সদস্য রাষ্ট্র।

OPEC:

- OPEC-এর পূর্ণরূপ: Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- OPEC তেল রপ্তানীকারক দেশসমূহের একটি আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন।
- প্রধান উদ্দেশ্য: সদস্য দেশসমূহের পেট্রোলিয়ামের নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় এবং বৈশ্বিক তেলের দাম নির্ধারণ ও নিয়ন্ত্রন করা।
- ওপেক গঠনের প্রস্তাবক দেশ ভেনেজুয়েলা।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ সালে। 
- প্রতিষ্ঠার স্থান: বাগদাদ, ইরাক।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: ৫টি (ইরাক, ইরান, কুয়েত, সৌদি আরব ও ভেনিজুয়েলা)।
- বর্তমান সদস্য: ১২টি (আলজেরিয়া, কঙ্গো, নিরক্ষীয় গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনিজুয়েলা।)।
- সদরদপ্তর: ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া।

• OPEC Plus (OPEC+):
- তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট ও তাদের সহযোগীরা ওপেক প্লাস হিসেবে পরিচিত।
- গঠিত হয়: ২০১৬ সালে (আলজেরিয়া)। 
- OPEC+ দেশ: ৮টি (সৌদি আরব, রাশিয়া, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, কাজাখস্তান, আলজেরিয়া এবং ওমান)। 
- এরা বিশ্বের তেল উৎপাদনের প্রায় ৫৯% নিয়ন্ত্রণ করে।

উৎস: OPEC ওয়েবসাইট।

১০৫.
'এজেন্ডা ২১' কোন সম্মেলনে গৃহীত হয়?
  1. রিও ডি জেনিরো সম্মেলন
  2. স্টকহোম সম্মেলন
  3. কোপেনহেগেন সম্মেলন
  4. প্যারিস সম্মেলন
সঠিক উত্তর:
রিও ডি জেনিরো সম্মেলন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিও ডি জেনিরো সম্মেলন
ব্যাখ্যা

'এজেন্ডা ২১' জাতিসংঘের পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলনে (আর্থ সামিট) গৃহীত হয়েছিল যা ১৯৯২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়।

Earth Summit: 

- ১৯৯২ সালের ৩ - ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে প্রথম পরিবেশ ও উন্নয়ন বিষয়ক জাতিসংঘ সম্মেলন (Earth Summit) অনুষ্ঠিত হয়।
- এটি রিও সামিট, রিও-কনফারেন্স বা ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) নামে পরিচিত।
- এই সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশন (Climate Change Convention) বিষয়ক চুক্তি হয়।

উল্লেখ্য,
- এর উল্লেখযোগ্য একটি নীতি হচ্ছে Polluter pays principle.
- এই সম্মেলনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ১৭৯টি দেশের রাজনৈতিক নেতা, কূটনীতিক, বিজ্ঞানী, মিডিয়া প্রতিনিধি এবং বেসরকারি সংস্থা (এনজিও) একত্রিত হয়ে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল।

⇒ ধরিত্রী সম্মেলনের উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
- রিও ঘোষণা: ২৭টি সার্বজনীন নীতিসহ পরিবেশ ও উন্নয়নের কাঠামো।
- এজেন্ডা ২১: ২১শ শতাব্দীর জন্য টেকসই উন্নয়নের কর্মপরিকল্পনা।
- UNFCCC: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার কনভেনশন যা পরে কিয়োটো প্রোটোকল নামে পরিচিত।
- জৈবিক বৈচিত্র্য কনভেনশন: জৈব বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবহার।
- বন ব্যবস্থাপনা নীতিমালা: বন সংরক্ষণ ও টেকসই ব্যবস্থাপনার ঘোষণা।
- ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র সম্মেলন: ১৯৯৪ সালে টেকসই উন্নয়নের জন্য প্রথম সম্মেলন।

উৎস: UN ওয়েবসাইট।

১০৬.
'ওরাকল বোন' (Oracle Bones) কোন প্রাচীন সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত?
  1. মায়া সভ্যতা
  2. গ্রিক সভ্যতা
  3. হিট্টাইট সভ্যতা
  4. চৈনিক সভ্যতা
সঠিক উত্তর:
চৈনিক সভ্যতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চৈনিক সভ্যতা
ব্যাখ্যা

চীন সভ্যতা:
- চীনের তিনটি অঞ্চলে প্রাচীন চৈনিক সভ্যতা গড়ে ওঠে।
- প্রথমটি হোয়াং হো নদীর তীরে, দ্বিতীয়টি ইয়াং জে কিয়াং নদীর তীরে আর তৃতীয়টি দক্ষিণ চীনের ভূখণ্ডে।
- চীনের এই প্রাচীন সভ্যতা সৃষ্টি হয় শাং রাজাদের ও চৌ রাজাদের যুগে।
- আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ২০০০ অব্দে এখানে সভ্যতার উন্মেষ ঘটেছিল।
- চীনের আদি মানুষ 'পিকিং মানুষ' নামে পরিচিত।
- চীনবাসীরা হোয়াং-হো ও ইয়াংসি নদীর দুটি পাড়েই বসবাস করত। 
- তাদের লিখন পদ্ধতির নাম আইডিও গ্রাফ। 
 
⇒ 'ওরাকল বোন' (Oracle Bones) চীনা সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত।
- 'ওরাকল বোন' মূলত প্রাচীন চীনা শাং সভ্যতার লিখন পদ্ধতির সাথে সম্পর্কিত।
- এই হাড়গুলোর উপর ভবিষ্যদ্বাণীমূলক লেখা খোদাই করা হতো যা প্রাচীন চীনা লেখার প্রাচীনতম রূপ হিসেবে পরিচিত। 
- ওরাকল হাড়টি ১০০ বছরেরও বেশি আগে চীনে আবিষ্কৃত হয়েছিল। 
- ওরাকল হাড়ের উপর লেখা হল চীনা লেখার প্রথম রূপ।
- এই হাড়গুলি তখনকার সময়ের সামাজিক, ধর্মীয় ও প্রশাসনিক জীবন সম্পর্কে মূল্যবান তথ্য সরবরাহ করে, যেমন rulers-দের জীবন, যুদ্ধ, কৃষি, আবহাওয়া, এবং এমনকি রাজকীয় দাঁতের ব্যথার কারণও। 
 
উৎস: i) ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ii) EBSCO.
iii) BBC.

১০৭.
জেনেভা কনভেনশন নিম্নের কোন বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত?
  1. আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
  2. নারী অধিকার
  3. পরিবেশ সুরক্ষা আইন
  4. যুদ্ধবন্দিদের সুরক্ষা
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধবন্দিদের সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

জেনেভা কনভেনশন মূলত যুদ্ধকালীন আক্রান্ত মানুষের সুরক্ষা ও মানবিক আচরণের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি।

জেনেভা কনভেনশন:
- জেনেভা কনভেনশন হলো আন্তর্জাতিক আইন যা যুদ্ধকালীন মানবাধিকার এবং মানবিক আচরণ সংক্রান্ত কিছু মৌলিক নীতি নির্ধারণ করে।
- এই কনভেনশনগুলি মূলত যুদ্ধবন্দী, আহত বা অসুস্থ সেনা সদস্য এবং সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা ও মর্যাদা রক্ষার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ‘জেনেভা কনভেনশন’ স্বাক্ষরিত হয়।
- এর আওতায় ৪টি চুক্তি ও ৩টি প্রটোকল রয়েছে।
- এই চুক্তিকে ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ বলা হয়। 

⇒ মূল জেনেভা কনভেনশনগুলো:
১. প্রথম কনভেনশন (১৮৬৪): আহত ও অসুস্থ সেনা সদস্যদের সুরক্ষা এবং তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা সম্পর্কে।
২. দ্বিতীয় কনভেনশন (১৯০৬): সমুদ্রে যুদ্ধরত সেনাদের সুরক্ষা ও তাদের চিকিৎসা সংক্রান্ত। ১৯০৭ সালে ‘হেগ চুক্তি’ সংশোধন করে এটি স্বাক্ষরিত হয়।
৩. তৃতীয় কনভেনশন (১৯২৯): যুদ্ধবন্দীদের সুরক্ষা এবং তাদের প্রতি মানবিক আচরণ।
৪. চতুর্থ কনভেনশন (১৯৪৯): সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা, বিশেষত যুদ্ধক্ষেত্র বা দখলদারিত্বের সময়।

উল্লেখ্য,
• কনভেনশনের সংশোধন ও আধুনিকায়ন:
- ১৯৪৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কনভেনশনগুলোর সংস্করণ আরো উন্নত ও আধুনিক করা হয় এবং ১৯৭৭ ও ২০০৫ সালে আরও প্রোটোকল যুক্ত করা হয়।
- এর মাধ্যমে যুদ্ধের সময় মানবাধিকার রক্ষা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা আরও জোরদার হয়েছে।

উৎস: INTERNATIONAL COMMITTEE OF THE RED CROSS.

১০৮.
SDG-এর কত নং লক্ষ্যমাত্রা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত?
  1. SDG 11
  2. SDG 12
  3. SDG 13
  4. SDG 14
সঠিক উত্তর:
SDG 13
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SDG 13
ব্যাখ্যা

SDG:
- SDGs-এর পূর্ণরূপ: Sustainable Development Goals.
- সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে জাতিসংঘ টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে Sustainable Development Goals (এসডিজি) গ্রহণ করে।
- এসডিজি-এর মূলনীতি: Leaving no one behind.
- এসডিজিতে ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা এবং ১৬৯টি টার্গেট নির্ধারণ করা হয়।
- মেয়াদকাল: ২০১৬-২০৩০ সাল।

⇒ এসডিজির ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা হলো:
 ১. দারিদ্র্য বিলোপ;
২. ক্ষুধা মুক্তি;
৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ;
৪. মানসম্মত শিক্ষা;
৫. লিঙ্গ সমতা;
৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন;
৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি;
৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি;
৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো;
১০.অসমতার হ্রাস;
১১. টেকসই নগর ও জনপদ;
১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন;
১৩. জলবায়ু কার্যক্রম;
১৪. জলজ জীবন;
১৫. স্থলজ জীবন;
১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান;
১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

• এসডিজি ১৩: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা (Climate Action)।
- উদ্দেশ্য: জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রভাব মোকাবেলায় জরুরি পদক্ষেপ।
- লক্ষ্য: সহনশীলতা বৃদ্ধি, জাতীয় পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্তকরণ, সচেতনতা বৃদ্ধি, উন্নয়নশীল দেশকে সহায়তা।

উৎস: UNDP ওয়েবসাইট।

১০৯.
নিম্নের কোন দেশে 'আল্পস পর্বত' অবস্থিত?
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. ইতালি
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

আল্পস পর্বত:
- আল্পস পর্বত ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
- এটি একটি বিস্তৃত পর্বতমালা যা দক্ষিণ-মধ্য ইউরোপে অবস্থিত।
- অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, লিচেনস্টাইন, মোনাকো, স্লোভেনিয়া এবং সুইজারল্যান্ড নামে আটটি আল্পাইন দেশ জুড়ে রয়েছে এই পর্বতমালা।
- আল্পস পর্বতশ্রেণী প্রায় ১,২০০ কিমি অর্ধচন্দ্রাকার আকারে বিস্তৃত।
- আল্পস এক ধরনের ভঙ্গিল পর্বত।
- আল্পস পর্বতমালাকে তিনটি বিস্তৃত ভাগে ভাগ করা যায়: পূর্ব, মধ্য এবং পশ্চিম আল্পস।
- এটি একটি অবিচ্ছিন্ন পর্বতশ্রেণী এবং বিভিন্ন উচ্চতা এবং গভীরতার অসংখ্য চূড়া এবং উপত্যকা নিয়ে গঠিত।
- সুইজারল্যান্ডের ভ্যালাইস ক্যান্টনে অবস্থিত ২২.৬ কিমি দীর্ঘ আলেচ হিমবাহটি আল্পসের বৃহত্তম হিমবাহ।
- এই পর্বতমালা দক্ষিণ ফ্রান্সের মোনাকোর কাছে ভূমধ্যসাগরের উত্তর থেকে সুইজারল্যান্ড, তারপর উত্তর ইতালি হয়ে দক্ষিণ জার্মানি এবং অস্ট্রিয়ার ভিয়েনা পর্যন্ত প্রসারিত হয়েছে।
- আল্পস পর্বতশ্রেণি আলবেনিয়ায় রুক্ষ অ্যাড্রিয়াটিক সাগরের উপকূলে শেষ হয়েছে।

উৎস:Worldatlas এবং ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১০.
কোন অক্ষরেখা বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে অতিক্রম করেছে?
  1. ৮৮.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  2. ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  3. ২৬.৫° উত্তর অক্ষরেখা
  4. ২০.৫° উত্তর অক্ষরেখা
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ও সীমানা:
- এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণে বাংলাদেশের অবস্থান।
- বাংলাদেশ ২০°৩৪′ উত্তর অক্ষরেখা থেকে ২৬°৩৮′ উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে এবং ৮৮°০১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা থেকে ৯২°৪১′ পূর্ব দ্রাঘিমা রেখার মধ্যে অবস্থিত।
- বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখা) অতিক্রম করেছে।
- পূর্ব-পশ্চিমে সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৪৪০ কি.মি. এবং উত্তর-উত্তর পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-দক্ষিণ পূর্ব প্রান্ত পর্যন্ত সর্বোচ্চ বিস্তৃতি ৭৬০ কি.মি.।
- বাংলাদেশের উত্তরে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম এবং মিয়ানমার; দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে ভারতের, পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।
- উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষরেখাকে কর্কটক্রান্তি রেখা নামে অভিহিত করা হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

১১১.
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা -
  1. ০.০১ মিলিগ্রাম
  2. ০.৩ মিলিগ্রাম
  3. ০.১ মিলিগ্রাম
  4. ০.০৩ মিলিগ্রাম
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
০.০১ মিলিগ্রাম
ব্যাখ্যা

আর্সেনিক:
- বাংলাদেশে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সর্বোচ্চ সহনীয় মাত্রা ০.০৫ মিলিগ্রাম।
- ধূসর আভাযুক্ত সাদা রংবিশিষ্ট ভঙ্গুর প্রকৃতির একটি অর্ধধাতু বা উপধাতু হচ্ছে আর্সেনিক (Arsenic)।
- প্রকৃতিতে আর্সেনিক বিভিন্ন যৌগ আকারে পাওয়া যায়।
- ৩৩ আণবিক সংখ্যাবিশিষ্ট আর্সেনিকের আণবিক ভর ৭৪.৯২।
- প্রকৃতিতে প্রাপ্ত আর্সেনিক একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত মানুষের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে আন্তর্জাতিকভাবে প্রতি লিটার পানিতে আর্সেনিকের সহনীয় মাত্রা হলো ০.০১ মিলিগ্রাম।
- তবে বিভিন্ন দেশ নিজ নিজ দেশের মাত্রা নির্ধারণ করে থাকে।
- চাঁদপুর জেলা দেশের মধ্যে সবচেয়ে আর্সেনিক দূষণপ্রবণ জেলা হিসেবে পরিচিত।
- ১৯৯৩ সালে চাপাইনবাবগঞ্জে দেশে প্রথম নলকূপের পানিতে আর্সেনিকের উপস্থিতি চিহ্নিত হয়।

উৎস: ত্রান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর।

১১২.
নিম্নের কোনটি আগ্নেয় পর্বত নয়?
  1. ভিসুভিয়াস পর্বত
  2. কিলিমানজারো পর্বত
  3. ফুজিয়ামা পর্বত
  4. হেনরী পর্বত
সঠিক উত্তর:
হেনরী পর্বত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হেনরী পর্বত
ব্যাখ্যা

আগ্নেয় পর্বত (Volcanic Mountain):
- ভূ-অভ্যন্তরস্থ ক্রিয়াকলাপের জন্য ম্যাগমা লাভা হিসাবে উদগিরিত হয়ে চারদিকে সঞ্চিত হয়।  পরবর্তীতে জমে ঠান্ডা হয়ে যে শিলাস্তূপের সৃষ্টি করে তাকে আগ্নেয় পর্বত বলে। লাভার প্রকৃতির ওপর আগ্নেয় পর্বতের বিস্তৃতি ও আকৃতি নির্ভর করে।
- আগ্নেয় পর্বতের উৎপত্তি কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভূ-আলোড়নের জন্য ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ উত্তপ্ত লাভা, নানা প্রকার গ্যাস ও বাষ্প, ছাই, ধাতু ইত্যাদি প্রবল বেগে বেরিয়ে আসে।
- এই উত্তপ্ত লাভা ফাটলের চতুর্দিকে সঞ্চিত হতে হতে উঁচু পর্বতের সৃষ্টি করে।
- যেমন- জাপানের ফুজিয়ামা, হাওয়াই দ্বীপের মওনালোয়া, ইতালির ভিসুভিয়াস, আফ্রিকার কিলিমানজারো ইত্যাদি।

⇒ ল্যাকোলিথ পর্বত: ভূ-অভ্যন্তর থেকে গলিত শিলা বা ম্যাগমা বিভিন্ন উপায়ে ভূ-পৃষ্ঠে বের হয়ে আসার চেষ্টা করে। 
- আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের হেনরী পর্বত এর উদাহরণ।

উৎস - ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৩.
পার্বত্য অঞ্চলে নদীর ক্ষয়জাত ভূমির আকৃতি কেমন থাকে?
  1. নদীর বাঁক
  2. ভি আকৃতি
  3. গিরিসংকট
  4. ডি আকৃতি
সঠিক উত্তর:
ভি আকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভি আকৃতি
ব্যাখ্যা

নদীর ক্ষয়জাত ভূমিরূপ (Erosional Features of River):
- নদীর ক্ষয়কার্যের ফলে ভূ-পৃষ্ঠের ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয় এবং নতুন নতুন ভূমিরূপের সৃষ্টি হয়।
- পার্বত্য অবস্থায় নদীর ক্ষয়কার্য অত্যন্ত বেশি হয়।

• 'ভি' আকৃতি উপত্যকা ('V' shaped Valley):
- পার্বত্য অঞ্চলে নদীর ক্ষয়জাত ভূমি 'ভি' আকৃতি উপত্যকা হয়ে থাকে।
- পার্বত্য অঞ্চলের শিলা তুলনামূলকভাবে কঠিন থাকে।
- সেখানে নদীর স্রোতের গতিবেগ বেশি থাকায় নদী পার্শ্বক্ষয়ের তুলনায় তলদেশের ক্ষয়সাধন অধিক হয়।
- এ সময় পার্বত্য অঞ্চলে নদী উপত্যকার মধ্যভাগ অধিক ক্ষয় হতে হতে কালক্রমে ইংরেজি ‘V’ অক্ষরের ন্যায় রূপধারণ করে।
- এজন্য এ ধরনের উপত্যকাকে ‘V’ আকৃতির উপত্যকা বলে।
- পরবর্তীতে ধীরে ধীরে পার্শ্বদিকে ক্ষয়ের পরিমাণ বেশি হলে উপত্যকা ক্রমান্বয়ে প্রশস্ত হতে থাকে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১১৪.
‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত জেলা কোনটি?
  1. কক্সবাজার
  2. ভোলা
  3. পটুয়াখালী
  4. বরিশাল
সঠিক উত্তর:
ভোলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভোলা
ব্যাখ্যা

ভোলা:
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ নামে পরিচিত ভোলা জেলা।
- ‘কুইন আইল্যান্ড অব বাংলাদেশ’ যা বাংলা করলে ‘বাংলাদেশের দ্বীপের রাণী’ হয়।
- বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ ভোলা।
- ভোলা জেলার পূর্ব নাম দক্ষিণ শাহবাজপুর।
- হিমালয় থেকে নেমে আসা ৩টি প্রধান নদী পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র বাহিত পলি দিয়ে মোহনায় গড়ে উঠেছে এ দ্বীপ।
- জেলাটি ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।

১১৫.
কোন সংস্থা 'Governance : Sound Development Management' শীর্ষক রিপাের্ট প্রকাশ করে?
  1. UNDP
  2. World Bank
  3. IMF
  4. ADB
সঠিক উত্তর:
ADB
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ADB
ব্যাখ্যা

রিপাের্ট প্রকাশ:
- ১৯৯৫ সালে Asian Development Bank (ADB) 'Governance : Sound Development Management' শীর্ষক রিপাের্টে ‘সুশাসন সম্পর্কে আলােচনা করে।

অন্যদিকে,
- বিশ্বব্যাংক (১৯৯৪) ''Governance : The World Bank Experience'' বা ‘শাসন: বিশ্বব্যাংকের অভিজ্ঞতা’ শীর্ষক এক রিপোর্টে সুশাসনকে সরকারি খাতের ব্যবস্থাপনা, জবাবদিহিতা, উন্নয়নের জন্য আইনী কাঠামো, স্বচ্ছতা ও তথ্য এ চারটি কার্যক্রম দ্বারা ব্যাখ্যা করা হয়।
- ১৯৯২ সালে বিশ্বব্যাংক ‘Governance and Development' শীর্ষক রিপাের্টে সুশাসনের সংজ্ঞা নির্ধারণ করে।
- ১৯৯৭ সালে UNDP 'Governance for Sustainable Human Development' এই নামে তাদের একটি পলিসিতে সুশাসনের সংজ্ঞা প্রদান ও এর বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে।

উৎস - সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।

১১৬.
নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষকে কী বলে?
  1. শুদ্ধাচার
  2. মূল্যবোধ
  3. সুশাসন
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
শুদ্ধাচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শুদ্ধাচার
ব্যাখ্যা

নৈতিকতা:
- নৈতিকতার নিয়ন্ত্রক হলো বিবেক ও মূল্যবোধ।
- নৈতিক শিক্ষা শুরু হয় পরিবারে।
- নৈতিকতার রক্ষাকবচ বিবেকের দংশন।
- নৈতিকতার লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ সাধন।
- নৈতিক শক্তির প্রধান উপাদান সততা ও নিষ্ঠা।
- নীতির বিপরীত হলো দুর্নীতি।
- নৈতিকতা ও সততা দ্বারা প্রভাবিত আচরণগত উৎকর্ষকে শুদ্ধাচার বলে।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো. মোজাম্মেল হক।

১১৭.
অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে কী ঘটে?
  1. সামাজিক অবক্ষয় হয়
  2. আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়
  3. বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়
  4. দুর্নীতি দূর হয়
সঠিক উত্তর:
বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়
ব্যাখ্যা

অর্থনৈতিক বিনিয়োগ:
- অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন তরান্বিত হয়।
- এতে পুঁজি বিনিয়োগ ও শিল্পকারখানা স্থাপনে আগ্রহ বৃদ্ধি পায়।
- ফলে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পায় এবং বেকারত্ব হ্রাস পায়।
- তাই অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়।

উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রথম পত্র, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

১১৮.
 ইউএনডিপি ও এডিবির মতে সুশাসনের উপাদান কতটি?
  1. ৯টি ও ৮টি
  2. ৯টি ও ৪টি
  3. ৭টি ও ৬টি
  4. ৮টি ও ৭টি
সঠিক উত্তর:
৯টি ও ৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯টি ও ৪টি
ব্যাখ্যা

সুশাসনের উপাদান:
- ইউএনডিপির মতে সুশাসনের উপাদান ৯টি,
- জাতিসংঘের মতে সুশাসনের উপাদান ৮টি,
- বিশ্বব্যাংকের মতে সুশাসনের উপাদান ৬টি,
- আইডিএ এর মতে সুশাসনের উপাদান ৪টি,
- এডিবির মতে সুশাসনের উপাদান ৪টি,
- ইউএনএইচসিআর এর মতে সুশাসনের উপাদান ৫টি।

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট।

১১৯.
যদি (2 + √3)a = 1, এবং (2 - √3)b = 1 হলে এর মান কত?
  1. 2
  2. 4
  3. 6
  4. 3√2
সঠিক উত্তর:
4
উত্তর
সঠিক উত্তর:
4
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: যদি (2 + √3)a = 1, এবং (2 - √3)b = 1 হলে  এর মান কত?

সমাধান:
(2 + √3)a = (2 - √3)b = 1 

এখানে 
(2 + √3)a = 1
⇒ (2 + √3) = 1/a

(2 - √3)b = 1 
⇒ (2 - √3) = 1/b

(a + b)/ab = a/ab + b/ab
= 1/b + 1/a
= 2 - √3 + 2 + √3
= 4
১২০.
a এর ১০% যদি b এর ২৫% এর সমান হয় এবং b = ১৬ হলে, তবে a এর মান কত?
  1. ৪০
  2. ২০
  3. ২.৫
সঠিক উত্তর:
৪০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: a এর ১০% যদি b এর ২৫% এর সমান হয় এবং b = ১৬ হলে, তবে a এর মান কত?

সমাধান:
a এর ১০% = b এর ২৫%
বা, (১০a)/১০০ = (২৫b)/১০০
বা, ১০a = ২৫b
বা, ১০a = ২৫ × ১৬ [b = ১৬]
বা, a = (২৫ × ১৬)/১০
∴ a = ৪০ 

১২১.
  1. - 1
  2. 1
  3. - 2
  4. 2
সঠিক উত্তর:
- 1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 1
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন:

​সমাধান:
(4/5)3 (4/5)- 6 = (4/5)2x - 1
⇒ (4/5)3 - 6 = (4/5)2x - 1
⇒ (4/5)- 3 = (4/5)2x - 1
⇒ - 3 = 2x - 1
⇒ 2x = - 3 + 1
⇒ x = -2/2
∴ x = - 1
১২২.
জাকির সাহেব তাঁর সম্পত্তির ১/৫ অংশ তার স্ত্রীকে, ১/৩ অংশ তাঁর ছেলেকে এবং বাকি অংশ তাঁর মেয়েকে দেন। মেয়ে, স্ত্রী এবং ছেলের অংশের অনুপাত কত?
  1. ৫ : ৭ : ৩
  2. ৭ : ৩ : ৫
  3. ৩ : ৫ : ৭
  4. ৫ : ৩ : ৭
সঠিক উত্তর:
৭ : ৩ : ৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ : ৩ : ৫
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: জাকির সাহেব তার সম্পত্তির ১/৫ অংশ তার স্ত্রীকে, ১/৩ অংশ তার ছেলেকে এবং বাকি অংশ তার মেয়েকে দেন। মেয়ে, স্ত্রী এবং ছেলের অংশের অনুপাত কত?

সমাধান:
স্ত্রী ও ছেলে পেল = ১/৫ + ১/৩ অংশ
= (৩ + ৫)/১৫ অংশ
= ৮/১৫ অংশ

∴ মেয়ে পেল = ১ - ৮/১৫ অংশ
= (১৫ - ৮)/১৫ অংশ
= ৭/১৫ অংশ

মেয়ে : স্ত্রী : ছেলে = ৭/১৫ : ১/৫ : ১/৩
= ৭ : ৩ : ৫

১২৩.
২ - ৪ + ৮ - ১৬ + .................. ধারাটির প্রথম ৮টি পদের সমষ্টি কত?
  1. ১৭২
  2. ১৬৮
  3. - ১৭৪
  4. - ১৭০
সঠিক উত্তর:
- ১৭০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- ১৭০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ২ - ৪ + ৮ - ১৬ + .................. ধারাটির প্রথম ৮টি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
ধরি,
প্রথম পদ, a = ২
সাধারন অনুপাত, r = - ৪/২ = - ২
প্রদত্ত ধারাটি একটি গুণোত্তর ধারা।
এবং পদ সংখ্যা, n = ৮

আমরা জানি,
n সংখ্যক পদের সমষ্টি = a . (১ - rn)/(১ - r)
∴ ৮টি পদের সমষ্টি = ২ . {১ - (- ২)}/(১ + ২)
= ২ (১ - ২৫৬)/৩
= ২ × (- ২৫৫)/৩
= ২ × (- ৮৫)
= - ১৭০
১২৪.
৭ জন ছেলে ও ৬ জন মেয়ে থেকে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কতটি দল ঘোষণা করা যাবে যেখানে কমপক্ষে ৩ জন ছেলে থাকবে?
  1. ৬৭৫
  2. ৭৩৫
  3. ৬৪৫
  4. ৭৫৬
সঠিক উত্তর:
৭৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৫৬
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৭ জন ছেলে ও ৬ জন মেয়ে থেকে ৫ সদস্য বিশিষ্ট কতটি দল ঘোষণা করা যাবে যেখানে কমপক্ষে ৩ জন ছেলে থাকবে?

সমাধান:
ছেলে   -   মেয়ে
৩      -     ২
৪       -     ১
৫      -     ০

১ম ক্ষেত্রে দল = C × C = ৩৫ × ১৫ = ৫২৫
২য় ক্ষেত্রে দল = C × C = ৩৫ × ৬ = ২১০
৩য় ক্ষেত্রে দল = C = ২১

∴ মোট দলের সংখ্যা = ৫২৫ + ২১০ + ২১ = ৭৫৬
১২৫.
যদি sin(θ + 16°) = 1/2 এবং θ সূক্ষ্মকোণ হয়, তবে θ = কত?
  1. 14°
  2. 30°
  3. 12°
  4. 18°
সঠিক উত্তর:
14°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
14°
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি sin(θ + 16°) = 1/2 এবং θ সূক্ষ্মকোণ হয়, তবে θ = কত?

সমাধান:
sin(θ + 16°) = 1/2
⇒ sin(θ + 16°) = sin30°
⇒ θ + 16° = 30°
⇒ θ = 30° - 16°
∴ θ = 14°

১২৬.
নিচের কোনটি q3 - 21q - 20 এর একটি উৎপাদক?
  1. (q + 2)
  2. (q - 1)
  3. (q + 1)
  4. (q - 2)
সঠিক উত্তর:
(q + 1)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
(q + 1)
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি q3 - 21q - 20 এর একটি উৎপাদক?

সমাধান:
এখানে,
q = 1 বসিয়ে পাই,
q3 - 21q - 20 = (-1)3 - 21 (-1) - 20
= -1 + 21 - 20
= 0

∴ (q + 1) হবে রাশিটির একটি উৎপাদক। 
q3 - 21 - 20
= q3 + p2 - q2 - q - 20q - 20
= q2(q + 1) - q(q +1) - 20(q + 1)
= (q + 1) (q2 - q - 20)

১২৭.
একজন ব্যক্তি ঘণ্টায় ৪ কি.মি. বেগে দৌড়ালে, তিনি ২৮০০ মিটার অতিক্রম করতে কত মিনিট সময় নেবেন?
  1. ৫২ মিনিটে
  2. ৪২ মিনিটে
  3. ৩৮ মিনিটে
  4. ৩২ মিনিটে
সঠিক উত্তর:
৪২ মিনিটে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪২ মিনিটে
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন ব্যক্তি ঘণ্টায় ৪ কি.মি. বেগে দৌড়ালে, তিনি ২৮০০ মিটার অতিক্রম করতে কত মিনিট সময় নেবেন?

​সমাধান:
আমরা জানি,
১ কি.মি. = ১০০০ মিটার
৪ কি.মি. = (৪ × ১০০০) মিটার
= ৪০০০ মিটার

৪০০০ মিটার পথ যায় = ৬০ মিনিটে
১ মিটার পথ যায় = ৬০/৪০০০ মিনিটে
২৮০০ মিটার পথ যায় = (৬০ × ২৮০০)/৪০০০ মিনিটে
= ৪২ মিনিটে

১২৮.
|x - 2| < 3 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m < 3x + 5 < n হবে?
  1. m = 3, n = 30
  2. m = 1, n = 10
  3. m = 4, n = 40
  4. m = 2, n = 20
সঠিক উত্তর:
m = 2, n = 20
উত্তর
সঠিক উত্তর:
m = 2, n = 20
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: |x - 2| < 3 হলে, m এবং n এর কোন মানের জন্য m < 3x + 5 < n হবে?

সমাধান:
|x - 2| < 3
⇒ -3 < x - 2 < 3
⇒ -3 + 2 < x - 2 + 2 < 3 + 2
⇒ -1 < x < 5
⇒ -3 < 3x < 15
⇒ -3 + 5 < 3x + 5 < 15 + 5
∴ 2 < 3x + 5 < 20

যেখানে, m < 3x + 5 < n
∴ m = 2 এবং n = 20

১২৯.
২১, ২৩, ২৭, ৭, ১১, ১২, ৭, ৮, ১৪ সংখ্যাগুলোর প্রচুরক ও মধ্যক যথাক্রমে-
  1. ৭, ৯
  2. ১১, ৯
  3. ১৯, ৯
  4. ৭, ১২
সঠিক উত্তর:
৭, ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭, ১২
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২১, ২৩, ২৭, ৭, ১১, ১২, ৭, ৮, ১৪ সংখ্যাগুলোর প্রচুরক ও মধ্যক যথাক্রমে-

সমাধান:
প্রচূরক = সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত উপাত্ত = ৭ যা দুইবার রয়েছে।

উপাত্তগুলোকে মানের উর্ধ্বক্রমে সাজিয়ে পাই: ৭, ৭, ৮, ১১, ১২, ১৪, ২১, ২৩, ২৭
এখানে উপাত্তের সংখ্যা n = ৯, যা একটি বিজোড় সংখ্যা
∴ মধ্যক হবে (৯ + ১)/২ = ৫ম পদ

∴ ৫ম পদ হলো ১২

১৩০.
রমিজ সাহেব কিছু গাছ নিয়ে একটি বাগানে গাছ রোপন করতে গিয়ে দেখল যে প্রতি সারিতে 5 টি করে গাছ লাগালে 2 টি সারি খালি থাকে। আবার, প্রতি সারিতে 3 টি করে গাছ লাগালে 2 টি গাছ অতিরিক্ত থাকে। বাগানে মোট কতটি গাছ নিয়ে গিয়েছিলেন?
  1. 20 টি
  2. 30 টি
  3. 35 টি
  4. 40 টি
সঠিক উত্তর:
20 টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
20 টি
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: রমিজ সাহেব কিছু গাছ নিয়ে একটি বাগানে গাছ রোপন করতে গিয়ে দেখল যে প্রতি সারিতে 5 টি করে গাছ লাগালে 2 টি সারি খালি থাকে। আবার, প্রতি সারিতে 3 টি করে গাছ লাগালে 2 টি গাছ অতিরিক্ত থাকে। বাগানে মোট কতটি গাছ নিয়ে গিয়েছিলেন?

সমাধান:
ধরি, গাছের সংখ্যা n এবং সারির সংখ্যা r

তাহলে,
১ম শর্তমতে, n = 5 × (r - 2) ⇒ n = 5r - 10 ...... (1)
২য় শর্তমতে, n = (3 × r) + 2 ⇒ n = 3r + 2 ...... (2)

প্রশ্নমতে,
5r - 10 = 3r + 2
⇒ 5r - 3r = 2 + 10
⇒ 2r = 12
∴ r = 6

(1) নং সমীকরণে r এর মান বসিয়ে পাই।
n = (5 × 6) - 10
= 30 - 10
= 20
∴ বাগানে মোট 20 টি গাছ নিয়ে গিয়েছিলেন।

১৩১.
পুকুরে একজন মহিলা কাপড় ধুয়ে নিচ্ছে। এমন সময় একজন লোক এসে মহিলার সাথে কথা বলতে শুরু করল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এক ভদ্রলোক এ দৃশ্য দেখে জানতে চাইল লোকটির সাথে মহিলার সম্পর্ক কি? মহিলা বলল, "সে আমার ছেলের মামীর শ্বশুরের ছেলে"। তাহলে লোকটি মহিলার-
  1. মামা
  2. স্বামী
  3. দেবর
  4. ভাই
সঠিক উত্তর:
ভাই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভাই
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: পুকুরে একজন মহিলা কাপড় ধুয়ে নিচ্ছে। এমন সময় একজন লোক এসে মহিলার সাথে কথা বলতে শুরু করল। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় এক ভদ্রলোক এ দৃশ্য দেখে জানতে চাইল লোকটির সাথে মহিলার সম্পর্ক কি? মহিলা বলল, "সে আমার ছেলের মামীর শ্বশুরের ছেলে"। তাহলে লোকটি মহিলার-

সমাধান:
'আমার ছেলে' - মহিলার নিজের ছেলে।
'ছেলের মামী' - মহিলার ভাইয়ের স্ত্রী।
'মামীর শ্বশুর' - মহিলার পিতা
'মামীর শ্বশুরের ছেলে' অর্থাৎ, মহিলার বাবার ছেলে অর্থাৎ, মহিলার ভাই।
অতএব, লোকটি হলো মহিলার ভাই।

১৩২.
২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন ঘণ্টায় ১০৮ কি.মি. গতিবেগে চললে, ২৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে?
  1. ২৪ সেকেন্ড
  2. ১৫ সেকেন্ড
  3. ৯ সেকেন্ড
  4. ১২ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
১৫ সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ সেকেন্ড
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ২০০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি ট্রেন ঘণ্টায় ১০৮ কি.মি. গতিবেগে চললে, ২৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু অতিক্রম করতে ট্রেনটির কত সময় লাগবে? 

সমাধান:
ট্রেনটির অতিক্রান্ত দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + সেতুর দৈর্ঘ্য = (২০০ + ২৫০) মিটার = ৪৫০ মিটার 

দেওয়া আছে,
ট্রেনের গতিবেগ = ১০৮ কি.মি. /ঘণ্টা = (১০৮ × ১০০০)/(৬০ × ৬০) মিটার/সেকেন্ড = ৩০ মিটার/সেকেন্ড 

ট্রেনটি,
৩০ মিটার অতিক্রম করে = ১ সেকেন্ডে
∴ ১ মিটার অতিক্রম করে = ১/৩০ সেকেন্ডে
∴ ৪৫০ মিটার অতিক্রম করে  = (১ × ৪৫০)/৩০ সেকেন্ডে = ১৫ সেকেন্ডে 

১৩৩.
নিচের কোন শব্দটি 'CONSTITUTIONAL' শব্দটিতে ব্যবহৃত বর্ণ দ্বারা গঠন করা যায় না?
  1. SOLUTION
  2. ACTION
  3. COTTON
  4. TALENT
সঠিক উত্তর:
TALENT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
TALENT
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোন শব্দটি 'CONSTITUTIONAL' শব্দটিতে ব্যবহৃত বর্ণ দ্বারা গঠন করা যায় না?

সমাধান:
'CONSTITUTIONAL' শব্দটিতে E বর্ণটি নেই। তাই TALENT শব্দটি তৈরি করা যাবে না।
এখানে একই বর্ণ একাধিকবার ব্যবহার করা যাবেনা এমন শর্ত দেয়া হয়নি। 

১৩৪.
PUH - QUI - RUJ - ?
  1. SUV
  2. TSI
  3. RSG
  4. SUK
সঠিক উত্তর:
SUK
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SUK
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: PUH - QUI - RUJ - ?

সমাধান:
PUH - QUI - RUJ - SUK
​ 
ক্রমটিতে প্রথম অক্ষরগুলোর ক্রম হলো-
P - Q - R (অক্ষরগুলো ক্রমিক)
এই ক্রমটির পরবর্তী অক্ষর হবে = S

ক্রমটিতে U অক্ষরটি অপরিবর্তিত।

ক্রমটিতে তৃতীয় অক্ষরগুলোর ক্রম হলো-
H - I - J (অক্ষরগুলো ক্রমিক)
এই ক্রমটির পরবর্তী অক্ষর হবে = K

∴ প্রদত্ত ক্রমটির পরবর্তী অংশ = SUK

১৩৫.
(72)10 সংখ্যাটির বাইনারী সংখ্যা কত?
  1. 1100100
  2. 1001000
  3. 111000
  4. 1010000
সঠিক উত্তর:
1001000
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1001000
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (72)10 সংখ্যাটির বাইনারী সংখ্যা কত?

সমাধান:
2 দ্বারা ভাগ করে ভাগশেষ লিখে পাই,
72 ÷ 2 = 36, ভাগশেষ = 0
36 ÷ 2 = 18, ভাগশেষ = 0
18 ÷ 2 = 9, ভাগশেষ = 0
9 ÷ 2 = 4, ভাগশেষ = 1
4 ÷ 2 = 2, ভাগশেষ = 0
2 ÷ 2 = 1, ভাগশেষ = 0
1 ÷ 2 = 0, ভাগশেষ = 1
এখন ভাগশেষগুলো উল্টোদিক থেকে লিখি,
(72)10 = 1001000

১৩৬.
একটি দলে P, Q, R, S এবং T নামে পাঁচ জন শিক্ষার্থী আছে। P, Q- এর চেয়ে লম্বা; R, T- এর চেয়ে খাটো; P, S- এর চেয়ে খাটো; Q, T- এর চেয়ে লম্বা হলে, কোন শিক্ষার্থী সবচেয়ে খাটো?
  1. R
  2. T
  3. P
  4. S
সঠিক উত্তর:
R
উত্তর
সঠিক উত্তর:
R
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি দলে P, Q, R, S এবং T নামে পাঁচ জন শিক্ষার্থী আছে। P, Q- এর চেয়ে লম্বা; R, T- এর চেয়ে খাটো; P, S- এর চেয়ে খাটো; Q, T- এর চেয়ে লম্বা হলে, কোন শিক্ষার্থী সবচেয়ে খাটো?

সমাধান:
প্রশ্নমতে,
P, Q- এর চেয়ে লম্বা; P > Q,
R, T- এর চেয়ে খাটো; T > R,
P, S- এর চেয়ে খাটো; S > P,
এবং Q, T- এর চেয়ে লম্বা; Q > T,

এই সবগুলোকে একসাথে লিখলে সবার অবস্থান দাঁড়াবে - S > P > Q > T > R
সুতরাং সব থেকে ছোট হলো R

১৩৭.
সুলতান দক্ষিণ দিকে হেঁটে ২৫ মিটার গিয়ে তারপর ডানদিকে ঘুরে ৩২ মিটার হাঁটল। অতঃপর বামদিকে ঘুরে ২৫ মিটার হাঁটল। আবার বামদিকে ঘুরে ৩২ মিটার হেঁটে থেমে গেলো। শুরুর অবস্থান থেকে সুলতানের বর্তমান অবস্থানের দূরত্ব কত?
  1. ৪০ মিটার 
  2. ৫০ মিটার 
  3. ৫৭ মিটার 
  4. ৮৯ মিটার 
সঠিক উত্তর:
৫০ মিটার 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০ মিটার 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: সুলতান দক্ষিণ দিকে হেঁটে ২৫ মিটার গিয়ে তারপর ডানদিকে ঘুরে ৩২ মিটার হাঁটল। অতঃপর বামদিকে ঘুরে ২৫ মিটার হাঁটল। আবার বামদিকে ঘুরে ৩২ মিটার হেঁটে থেমে গেলো। শুরুর অবস্থান থেকে সুলতানের বর্তমান অবস্থানের দূরত্ব কত?

​সমাধান:

 ধরি,​
সুলতান A বিন্দু থেকে দক্ষিণ দিকে ২৫ মিটার গিয়ে B বিন্দুতে পৌছায়।
​B বিন্দু থেকে ডানদিকে ৩২ মিটার গিয়ে C বিন্দুতে পৌছায়।
​C বিন্দু থেকে বামদিকে ২৫ মিটার গিয়ে D বিন্দুতে পৌছায়। 
​D বিন্দু থেকে বামদিকে ৩২ মিটার গিয়ে E বিন্দুতে পৌছায়। 
∴ ​BE = ২৫

​অর্থাৎ শুরুর অবস্থান থেকে বর্তমান অবস্থানের দূরত্ব, AE = AB + BE = ২৫ + ২৫ = ৫০ মিটার 

১৩৮.
Identify the correct spelling-
  1. Mesmarising
  2. Mesmerising
  3. Messmarising
  4. Messmerising
সঠিক উত্তর:
Mesmerising
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mesmerising
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: Identify the correct spelling-

সমাধান:
'Mesmerising' শব্দের বাংলা অর্থ হলো মন্ত্রমুগ্ধকর, মনোযোগ আকর্ষণকারী, সম্মোহিতকর, বা মোহিতকর।

১৩৯.
প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
  1. 62
  2. 42
  3. 13
  4. 48
সঠিক উত্তর:
42
উত্তর
সঠিক উত্তর:
42
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?


সমাধান:
এখানে,
7 + 5 = 12
12 + 6 = 18
18 + 7 = 25
25 + 8 = 33
33 + 9 = 42

সুতরাং, প্রশ্নবোধক স্থানে 42 সংখ্যাটি বসবে।