পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়17 minutes
মোট প্রশ্ন৪৯
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] বিষয় - বাংলাদেশ বিষয়াবলি টপিক - বাংলাদেশের সংবিধান [সংবিধান প্রণয়ন ইতিহাস, প্রস্তাবনা, অধ্যায় ও অনুচ্ছেদ, সংশোধনীসমূহ, তফসিলসমূহ ও সংস্কার (প্রস্তাবিত)।] উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, বাংলাপিডিয়া ও যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৯ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিল কয়টি?
  1. ৮টি
  2. ৭টি
  3. ৬টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধানের তফসিল - ৭টি ।

• বাংলাদেশের সংবিধানের তফসিলসমূহ:
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস:  বাংলাদেশের সংবিধান।

.
বর্তমান সংবিধান সংস্কার কমিটির প্রধান- [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ড. কামাল হোসেন
  2. ড. আনু মুহাম্মদ
  3. শাহদীন মালিক
  4. অধ্যাপক আলী রীয়াজ
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রীয়াজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অধ্যাপক আলী রীয়াজ
ব্যাখ্যা

সংবিধান সংস্কার কমিশন: 
- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।

.
’সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-৩৩
  2. অনুচ্ছেদ-২৭
  3. অনুচ্ছেদ-২৯
  4. অনুচ্ছেদ-২৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৯
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হবেন না;
- কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁর প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

• সংবিধানের কয়েকটি  অনুচ্ছেদ:
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে 'রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম' ঘোষণা করা হয়?
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. নবম সংশোধনী
  4. সপ্তম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অষ্টম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী:
- অষ্টম সংশোধনী আইন ১৯৮৮ সালের ৭ জুন এই সংশোধনী আইন পাস হয়।
- এর দ্বারা সংবিধানের ২, ৩, ৫, ৩০ ও ১০০ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়।
- এই সংশোধনী আইনবলে ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়;
- ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।

অন্যদিকে,
- নবম সংশোধনী আইন পাস হয় ১৯৮৯ সালের জুলাই মাসে।
- এই সংশোধনী দ্বারা রাষ্ট্রের উপ-রাষ্ট্রপতি পদে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের বিধান করা হয়;
- রাষ্ট্রপতির পদে একই ব্যক্তির দায়িত্ব পালন পর পর দুই মেয়াদের মধ্যে সীমাবদ্ধ করা হয় (প্রতি মেয়াদকাল ৫ বছর)।
- এই সংশোধনীতে আরও বলা হয় যে, শূন্যতা সৃষ্টি হলে একজন উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ করা যেতে পারে, তবে সেই নিয়োগের পক্ষে জাতীয় সংসদের অনুমোদন আবশ্যক হবে।

• পঞ্চম সংশোধনী আইন এই সংবিধান আইন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল। 
• সপ্তম সংশোধনী আইন ১৯৮৬ সালের ১১ নভেম্বর এই আইন পাস হয়।
- এই আইন দ্বারা সংবিধানের ৮৬ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয়;
- এর দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। 

.
’মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বর্ণিত রয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদে- ১১৮
  2. অনুচ্ছেদে- ১২৭
  3. অনুচ্ছেদে- ৯৪
  4. অনুচ্ছেদে- ৬৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে- ১২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে- ১২৭
ব্যাখ্যা

• মহা হিসাব-নিরীক্ষক পদের প্রতিষ্ঠা: 
- অনুচ্ছেদ- ১২৭: (১) বাংলাদেশের একজন মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (অতঃপর "মহা হিসাব-নিরীক্ষক" নামে অভিহিত) থাকবেন এবং তাঁহাকে রাষ্ট্রপতি নিয়োগদান করবেন। 
 - (২) এই সংবিধান ও সংসদ কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী সাপেক্ষে মহা হিসাব-নিরীক্ষকের কর্মের শর্তাবলী রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ হইবে।

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ- ৯৪: সুপ্রীম কোর্ট প্রতিষ্ঠা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

.
’প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ সংবিধানের যে অনুচ্ছেদে রয়েছে- 
  1. অনুচ্ছেদ- ৩
  2. অনুচ্ছেদ- ২
  3. অনুচ্ছেদ- ২(ক)
  4. অনুচ্ছেদ- ৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৩
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷

• সংবিধানের অনুচ্ছেদ : 
- অনুচ্ছেদ- ১: প্রজাতন্ত্র।
- অনুচ্ছেদ- ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানা।
- অনুচ্ছেদ- ২(ক): রাষ্ট্রধর্ম।
→ অনুচ্ছেদ- ৩: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা৷
- অনুচ্ছেদে- ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক।
- অনুচ্ছেদে- ৪(ক): জাতির পিতার প্রতিকৃতি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

.
সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল-
  1. নারীদের সংরক্ষিত আসন
  2. জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা
  3. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
  4. বেরুবাড়ি হস্তান্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
ব্যাখ্যা

• প্রথম সংশোধনী:
- যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকরের ৭ মাস পর ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই প্রথম সংশোধনী বিল পাস হয়।
- এই সংশোধন অনুযায়ী গণহত্যা কিংবা মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধের জন্য আইন প্রণয়নের বিধান রাখা হয়।

অপরদিকে,
• দ্বিতীয় সংশোধনী: 
- এই সংশোধনীর দ্বারা দেশে 'জরুরি অবস্থা' জারির বিধান করা হয়।
- ১৯৭৩ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এটি পাস হয়।
- এই সংশোধনীতে সংবিধানের ৩৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করে বিনা বিচারে যে কাউকে আটকের বিধান করা হয়।
- মূলত এ সংশোধনীর মাধ্যমে শাসন বিভাগ তথা নিরাপত্তা বাহিনীর ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

• তৃতীয় সংশোধনী
- বাংলাদেশ ভারতকে বেরুবাড়ি হস্তান্তর করে।
- এ হস্তান্তরের শর্ত ছিল ভারত দহগ্রাম-আঙ্গরপোতায় যাবার জন্য বাংলাদেশকে তিন বিঘা করিডোর প্রদান করবে।
- ১৯৭৪ সালের ২৮ নভেম্বর জাতীয় সংসদে এ সংশোধনী পাস হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান , আরিফ খান।

.
’নির্বাহী বিভাগ’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ রয়েছে?
  1. পঞ্চম ভাগে
  2. সপ্তম ভাগে
  3. চতুর্থ ভাগে
  4. দ্বিতীয় ভাগে
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ ভাগে
ব্যাখ্যা

- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ রয়েছে।
- এর পাঁচটি অনুচ্ছেদ রয়েছে যথা: 
-
১ম পরিচ্ছেদ রাষ্ট্রপতি।
- ২য় পরিচ্ছেদ প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভা।
- ৩য় পরিচ্ছেদ স্থানীয় শাসন।
- ৪র্থ পরিচ্ছেদপ্রতিরক্ষা কর্মবিভাগ।
- ৫ম পরিচ্ছেদ অ্যাটর্নি-জেনারেল।

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

.
সংবিধানের ৭২নং অনুচ্ছেদ অনুসারে জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?
  1. স্পিকার
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধান বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা

• সংসদ অধিবেশন:
- ৭২ (১) নং অনুচ্ছেদে, সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহবান , স্থগিত ও ভঙ্গ করবেন করবেন।
- এবং সংসদ আহবানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময়  স্থান নির্ধারণ করবেন।
- (২) এই অনুচ্ছেদের (১) দফার বিধানাবলী সত্ত্বেও সংসদ-সদস্যদের যে কোন সাধারণ নির্বাচনের ফলাফল ঘোষিত হবার ত্রিশ দিনের মধ্যে বৈঠক অনুষ্ঠানের জন্য সংসদ আহবান করা হবে।
- (৩) রাষ্ট্রপতি পূর্বে ভাঙ্গিয়া না দিয়া থাকিলে প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসর অতিবাহিত হইলে সংসদ ভাঙ্গিয়া যাবে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতি হওয়ার যোগ্যতা উল্লেখ আছে?
  1. ৫১ নং
  2. ৬২ নং
  3. ৪৮ নং
  4. ৪২ নং
সঠিক উত্তর:
৪৮ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৮ নং
ব্যাখ্যা

- সংবিধানের ৪৮নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রপতির কথা উল্লেখ রয়েছে।

• রাষ্ট্রপতি: 
- ৪৮(১) বাংলাদেশের একজন রাষ্ট্রপতি থাকবে।,
- যিনি আইন অনুযায়ী সংসদ-সদস্যগণ কর্তৃক নির্বাচিত হবেন।
- (২) রাষ্ট্রপ্রধানরূপে রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের অন্য সকল ব্যক্তির ঊর্ধ্বে স্থান লাভ করবেন।
- (৪) কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হবেন না, যদি তিনি- 
- (ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা 
- (খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য না হন; অথবা 
- (গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হতে অপসারিত থাকেন। 

এছাড়াও,
- ৪৮ নং:  রাষ্ট্রপতি;
- ৫১ নং রাষ্ট্রপতির দায়মুক্তি।
- ৬২ নং: প্রতিরক্ষা কর্মবিভাগে ভর্তি প্রভৃতি।
- ৪২ নং: সম্পত্তির অধিকার।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১১.
বাংলাদেশ সংবিধান কতটি ভাষায় রচিত?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ১টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধান ২টি ভাষায় রচিত (বাংলা ও ইংরেজি)।

- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানে মোট ১৫৩ অনুচ্ছেদ রয়েছে।
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন।
- বাংলাদেশ সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
- এতে ১১ টি ভাগ বা অধ্যায় রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু এবং সাতটি তফসিল দিয়ে শেষ হয়েছে।
- ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর সংবিধান গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান।

১২.
কোন সংশোধনী দ্বারা ‘সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা’ প্রবর্তিত হয় 
  1. পঞ্চম সংশোধনী
  2. চতুর্থ সংশোধনী
  3. দ্বাদশ সংশোধনী
  4. অষ্টম সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্থ সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনী:
- চতুর্থ সংশোধনী গৃহীত হয় ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারি।
- সংসদীয় ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়।
- বহুদলীয় রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্থলে আনা হয় একদলীয় ব্যবস্থা।
- জাতীয় সংসদের কর্তৃক ক্ষমতা খর্ব করা হয়।
- বিচার বিভাগের স্বাধীনতা অনেকটা খর্ব হয়।
- সুপ্রিম কোর্ট নাগরিকদের মৌলিক অধিকারসমূহ রক্ষা ও প্রয়োগের এখতিয়ার থেকে বঞ্চিত হয়।

অপরদিকে,
- দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশে সংসদীয় সরকার পদ্ধতির পুনঃপ্রবর্তন ঘটে;
- অষ্টম সংশোধনীর ইসলাম রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষিত হয়; এবং ঢকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি স্থায়ী বেঞ্চ স্থাপনের মধ্য দিয়ে বিচার বিভাগের বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়।
- পঞ্চম সংশোধনী আইন দ্বারা সংবিধানের চতুর্থ তফসিলের সংশোধন করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৩.
সংবিধান সংস্কার কমিটি নিম্নকক্ষের জন্য কয়টি আসনের সুপরিশ করেছেন?
  1. ৩০০টি
  2. ১০৫টি
  3. ৪০০টি
  4. ২০০টি
সঠিক উত্তর:
৪০০টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪০০টি
ব্যাখ্যা

- নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন। 

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 

- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন। [লিঙ্ক]

১৪.
’সরকারী কর্ম কমিশন’ সংবিধানের কোন ভাগে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. দশম ভাগ
  2. অষ্টম ভাগ
  3. নবম ভাগ
  4. সপ্তম ভাগ
সঠিক উত্তর:
নবম ভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নবম ভাগ
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের নবম ভাগে সরকারী কর্ম কমিশন কথা রয়েছে।

- অনুচ্ছেদ: ১৩৭। কমিশন-প্রতিষ্ঠা,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৮। সদস্য-নিয়োগ,
- অনুচ্ছেদ: ১৩৯। পদের মেয়াদ,
- অনুচ্ছেদ: ১৪০। কমিশনের দায়িত্ব
- অনুচ্ছেদ: ১৪১। বার্ষিক রিপোর্ট

অপরদিকে,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৫.
সংবিধান কত নম্বর অনুচ্ছেদে, ’সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’ উল্লেখ করেছে?
  1. ১৫০ নং
  2. ১৪৮ নং
  3. ১৪২ নং
  4. ১৪৬ নং
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৪২ নং
ব্যাখ্যা

- ১৪২ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা’।

• সংবিধানের বিধান সংশোধনের ক্ষমতা:
- ১৪২ নং:  এই সংবিধানে যা বলা হয়েছে, তা সত্ত্বেও-
- সংসদের আইন-দ্বারা এই সংবিধানের কোন বিধান সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন বা রহিতকরণের দ্বারা সংশোধিত হতে পারবে।
- তবে শর্ত থাকে যে,
- অনুরূপ সংশোধনীর জন্য আনীত কোন বিলের সম্পূর্ন শিরনামায় এই সংবিধানের কোন বিধান সংশোধন করা হবে বলে স্পষ্টরূপে উল্লেখ না থাকিলে বিলটি বিবেচনার জন্য গ্রহণ করা যাবে না।
- সংসদের মোট সদস্য-সংখ্যার অন্যূন দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে গৃহীত না হলে;
- অনুরূপ কোন বিলে সম্মতিদানের জন্য তা রাষ্ট্রপতির নিকট উপস্থাপিত হবে না;
- উপরি-উক্ত উপায়ে কোন বিল গৃহীত হবার পর সম্মতির জন্য রাষ্ট্রপতির নিকট তাহা উপস্থাপিত হলে উপস্থাপনের সাত দিনের মধ্যে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করবেন।
- এবং তিনি তা করতে অসমর্থ হলে উক্ত মেয়াদের অবসানে তিনি বিলটিতে সম্মতিদান করছেন বলে গণ্য হবে।

এছাড়াও,
- ১৪৫ নং: চুক্তি ও দলিল;
- ১৪৬ নং"বাংলাদেশ"-এই নামে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক বা বাংলাদেশ সরকারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা যাইতে পারবে।
- ১৪৮ নং: পদের শপথ;
- ১৫০ নং: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

১৬.
বাংলাদেশ সংবিধানে 'সমাবেশের স্বাধীনতা’ কত নং অনুচ্ছেদে রয়েছে?
  1. ২৭ নং
  2. ৩৬ নং
  3. ৩৭ নং
  4. ৩৪ নং
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৭ নং
ব্যাখ্যা

- ৩৭নং অনুচ্ছেদে সমাবেশের স্বাধীনতা কথা বলা হয়েছে।

 • সমাবেশের স্বাধীনতা:
 - ৩৭ নং অনুচ্ছেদে,  জনশৃঙ্খলা বা জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্র অবস্থায় সমবেত হওয়ার এবং জনসভা ও শোভাযাত্রায় যোগদান করার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকবে।

 • কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
 - ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
 - ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
 - ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
 - ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
 - ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
 - ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
 - ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
 - ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
 - ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
 - ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
 - ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
 - ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

১৭.
সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে ছিলেন?
  1. রাজিয়া সুলতানা
  2. রাজিয়া মরিয়ম
  3. রাজিয়া বানু
  4. সুফিয়া কামাল
সঠিক উত্তর:
রাজিয়া বানু
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাজিয়া বানু
ব্যাখ্যা

সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য:
- ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- এই কমিটির মোট সদস্য ছিল ৩৪ জন।
- বিরোধী দলীয় একমাত্র সদস্য ছিলেন ন্যাপের সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। -
- এই কমিটির প্রধান বা সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন।
- সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ সালে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

১৮.
বাংলাদেশ সংবিধান গৃহীত হয় কবে?
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ৪ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৭ নভেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ নভেম্বর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধান হচ্ছে রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি।
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় অর্জন করে।
- ১৯৭২ সালের ২৩ মার্চ বাংলাদেশের জন্য একটি সংবিধান রচনার লক্ষ্যে ১০ এপ্রিল ৪৩০ জন সদস্য বিশিষ্ট গণ-পরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে।
- এদের মধ্য থেকে ৩৪ জন সদস্য নিয়ে একটি খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালে ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান বিল গণ-পরিষদের পূর্ণাঙ্গ অধিবেশনে পেশ করা হয়।
-  বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
 
উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১৯.
বাংলাদেশ সংবিধান কতবার সংশোধন করা হয়েছে? [নভেম্বর,২০২৫]
  1. ১৭ বার
  2. ১৬ বার 
  3. ১৮ বার 
  4. ১৯ বার
সঠিক উত্তর:
১৭ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৭ বার
ব্যাখ্যা

- সর্বশেষ ২০১৮ সালের সংবিধানের ১৭ তম সংশোধনী গৃহীত হয়।
 - সপ্তদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু সংবিধানে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্যদের মেয়াদ বৃদ্ধি।

 • সংবিধান সংশোধনী:
 - বাংলাদেশের সংবিধান পরিবর্তনশীল, তবে তা দুষ্পরিবর্তনীয় প্রকৃতির।
 - বিভিন্ন রাজনৈতিক ও আর্থ-সামাজিক পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সংবিধানে এ পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে।
 - জাতীয় সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যের ভোটে সংবিধান সংশোধন করা যায়।
 - ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।
 - নিম্নে বাংলাদেশে এ যাবৎকাল গৃহীত সংশোধনীসমূহ:
 - ১৯৭৩ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্যে প্রথম সংশোধনী গৃহীত হয়।
 - দ্বাদশ সংশোধনী দীর্ঘ ১৫ বছরের সামরিক, ছদ্ম সামরিক শাসন হতে মুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সংসদীয় গণতন্ত্রের পথে অগ্রযাত্রা শুরু করে।
 - জাতীয় সংসদে ১৯৯০ সালের ৬ আগস্ট এ সংশোধনী গ্রহণ করা হয়।

 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান এবং পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান কে?
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. স্পিকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. আইনমন্ত্রী
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্পিকার
ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল: 
• স্পিকার শপথবাক্য পাঠ করান:
- রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যবৃন্দ।

• রাষ্ট্রপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধান বিচারপতি।
- মন্ত্রিসভার সদস্যবৃন্দ।
- স্পিকার।
- ডেপুটি স্পিকার।

• প্রধান বিচারপতি শপথ বাক্য পাঠ করান:
- আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতিবৃন্দ।
- পিএসসির চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ।
- মহা হিসাব-নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও কমিশনারবৃন্দ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২১.
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ’ন্যায়পাল’ কথা উল্লেখ রয়েছে?
  1. ৫৬নং
  2. ৭৭নং
  3. ১২৭নং
  4. ১৩৭নং
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৭নং
ব্যাখ্যা

• ন্যায়পাল:
- সংবিধানের ৭৭ নং অনুচ্ছেদে ন্যায়পাল কথা উল্লেখ্য রয়েছে।
- ৭৭(১): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালের পদ-প্রতিষ্ঠার জন্য বিধান করতে পারবেন।
- ৭৭(২): সংসদ আইনের দ্বারা ন্যায়পালকে কোন মন্ত্রণালয়,
- সরকারী কর্মচারী বা সংবিধিবদ্ধ সরকারী কর্তৃপক্ষের যে কোন কার্য সম্পর্কে তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতাসহ যেরূপ ক্ষমতা কিংবা যেরূপ দায়িত্ব প্রদান করবে।
- ন্যায়পাল সেইরূপ ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন।
- (৩) ন্যায়পাল তাঁহার দায়িত্বপালন সম্পর্কে বাৎসরিক রিপোর্ট প্রণয়ন করবেন।
- এবং অনুরূপ রিপোর্ট সংসদে উপস্থাপিত হবে।

উল্লেখ্য
- কর্মকমিশন: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ;
- মহা হিসাব নিরীক্ষক: ১২৭ নং অনুচ্ছেদ;
- রাষ্ট্রপতি: ৪৮ নং অনুচ্ছেদ।
-  মন্ত্রিগণ: ৫৬ নং অনুচ্ছেদ।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

২২.
বাংলাদেশ সংবিধান অনুসারে সরকার প্রধান কে?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. বিচারপতি
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রধানমন্ত্রী
ব্যাখ্যা

• শাসন বিভাগ: 
- বাংলাদেশ সরকারের প্রধান হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- ৫৫ (১) প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি মন্ত্রিসভা থাকিবে এবং প্রধানমন্ত্রী ও সময়ে সময়ে তিনি যেরূপ স্থির করবেন,
- সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়ে এই মন্ত্রিসভা গঠিত হবে।
- স্বাধীনতার পর বিভিন্ন সময় নির্বাহী প্রধান পদের পরিবর্তন হয়েছে।
- মুজিবনগর সরকারের সময় সরকার প্রধান ছিল রাষ্ট্রপতি।
- স্বাধীনতা অর্জনের পরেই ১৯৭২ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- পরবর্তীতে সামরিক শাসকগণ আবার রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু করেন।
- কিন্তু অবশেষে ১৯৯১ সালে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন হয়।
- এ ব্যবস্থায় সরকারের কেন্দ্রবিন্দু হলেন প্রধানমন্ত্রী।
- প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি মন্ত্রিপরিষদ থাকে যারা সংসদের নিকট দায়বদ্ধ।
- বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী পদের মেয়াদ ৫ বছর।

অন্যদিকে,
- বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হলেন রাষ্ট্রপতি।
- জাতীয় সংসদের প্রধান হলেন স্পিকার।

উৎস: পৌরনীতি, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

২৩.
বর্তমান সংবিধানে মোট কতটি অনুচ্ছেদ রয়েছে?
  1. ২০০টি
  2. ১৬০টি
  3. ১৫৩টি
  4. ১৬৫টি
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫৩টি
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সংবিধান:
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে;
- মোট অনুচ্ছেদ: ১৫৩ টি।
- সংবিধানে তফসিল: ৭টি,
- সংবিধানে মূলনীতি: ৪টি,
- সংবিধানে প্রস্তাবনা: ১টি।
- সংবিধানে মোট ভাগ: ১১টি।
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে, যথা:-

এছাড়াও,
- প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও,
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

২৪.
বাংলাদেশ সংবিধানে ’বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ সম্পর্কে বলা হয়েছে কোন অনুচ্ছেদে? 
  1. ৮৫নং অনুচ্ছেদে
  2. ৮৭নং অনুচ্ছেদে
  3. ৮৬নং অনুচ্ছেদে
  4. ৮৮নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
৮৭নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮৭নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম ভাগ: আইনসভা।
- ২য় পরিচ্ছেদ: আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি।
- বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি:  ৮৭। (১) প্রত্যেক অর্থ-বৎসর সম্পর্কে উক্ত বৎসরের জন্য সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়-সংবলিত একটি বিবৃতি (এই ভাগে "বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি" নামে অভিহিত) সংসদে উপস্থাপিত হবে।
- (২) বার্ষিক আর্থিক বিবৃতিতে পৃথক পৃথকভাবে: 
- (ক) এই সংবিধানের দ্বারা বা অধীন সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়রূপে বর্ণিত ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ, এবং
- (খ) সংযুক্ত তহবিল হইতে ব্যয় করা হইবে, এইরূপ প্রস্তাবিত অন্যান্য ব্যয়নির্বাহের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ
প্রদর্শিত হইবে এবং অন্যান্য ব্যয় হইতে রাজস্বখাতের ব্যয় পৃথক করিয়া প্রদর্শিত হবে।

অন্যদিকে, 
- অনুচ্ছেদ-৮৫। সরকারী অর্থের নিয়ন্ত্রণ।
- অনুচ্ছেদ-৮৬। প্রজাতন্ত্রের সরকারী হিসাবে প্রদেয় অর্থ।
- অনুচ্ছেদ- ৮৮। সংযুক্ত তহবিলের উপর দায়,
- অনুচ্ছেদ-৮৯। বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি সম্পর্কিত পদ্ধতি,

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৫.
বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া প্রথম কবে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?
  1. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  2. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  3. ১২ নভেম্বর, ১৯৭২
  4. ১২ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২ অক্টোবর, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধানের ইতিহাস: 
- ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আবির্ভূত হয় একটি স্বাধীন দেশ রূপে।
- শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুযায়ি পাকিস্তানী কারাগার থেকে ঢাকা প্রত্যাবর্তন করেন।
- ২৩ মার্চ সংবিধান রচনার উদ্দেশ্যে একটি ৪৩০ সদস্যবিশিষ্ট গণপরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর ঢাকায় গণপরিষদের উদ্বোধনী অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এ অধিবেশনে ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট একটি সংবিধান কমিটি গঠন করা হয়।
- এ কমিটির চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন।
• ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে খসড়া বিধান পেশ করেন।
- পরিশেষে ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর উক্ত সংবিধান বলবৎ করা হয়। ঐ দিন থেকে গণপরিষদ বাতিল বলে ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের  রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২৬.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে “গনতন্ত্র ও মৌলিক মানবাধিকারের” নিশ্চয়তা দেয়া আছে?
  1. অনুচ্ছেদ-১৪
  2. অনুচ্ছেদ-১২
  3. অনুচ্ছেদ-১১
  4. অনুচ্ছেদ-১০
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-১১
ব্যাখ্যা

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার: 
 অনুচ্ছেদ- ১১: প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে।
 
অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১০। সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১১। গণতন্ত্র ও মানবাধিকার;
- অনুচ্ছেদ- ১২। ধর্ম নিরপেক্ষতা ও ধর্মীয় স্বাধীনতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৩। মালিকানার নীতি;
- অনুচ্ছেদ- ১৪। কৃষক ও শ্রমিকের মুক্তি;
- অনুচ্ছেদ- ১৫। মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা;
- অনুচ্ছেদ- ১৬। গ্রামীণ উন্নয়ন ও কৃষি বিপ্লব;
- অনুচ্ছেদ- ১৭। অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮। জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা;
- অনুচ্ছেদ- ১৮ক। পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৭.
বাংলাদেশ সংবিধানের কততম তফসিল ’ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী’ সম্পর্কিত?
  1. ৫ম তফসিল
  2. ৪র্থ তফসিল
  3. ৭ম তফসিল
  4. ৬ষ্ঠ তফসিল
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪র্থ তফসিল
ব্যাখ্যা

সংবিধানে তফসিল: 
- সংবিধানের মোট ৭ টি তফসিল রয়েছে।
- প্রথম তফসিল: অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিল: রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিল: শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিল: ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৮.
সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অনুচ্ছেদ সমূহ-
  1. ১৬ থেকে ৪৪নং
  2. ২০ থেকে ৪২নং
  3. ২৬ থেকে ৪৭কনং
  4. ২৮ থেকে ৫০নং
সঠিক উত্তর:
২৬ থেকে ৪৭কনং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬ থেকে ৪৭কনং
ব্যাখ্যা

• তৃতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার।
- ২৬-৪৭ অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকার বিষয়াবলী বর্ণিত রয়েছে।

• বাংলাদেশ সংবিধান:

- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

২৯.
বাংলাদেশ গণপরিষদের প্রথম ডেপুটি স্পিকার ছিলেন কে? 
  1. মাওলানা আব্দুল রশিদ তর্কবাগিশ
  2. মোহাম্মদ উল্ল্যাহ
  3. শাহ আব্দুল হামিদ
  4. আব্দুল মালেক উদ্দিন
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্ল্যাহ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মোহাম্মদ উল্ল্যাহ
ব্যাখ্যা

গণপরিষদ: 
- মওলানা আবদুর রশীদ তর্কবাগীশের সভাপতিত্বে গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন হয়।
- স্পিকার: শাহ আবদুল হামিদ এবং ডেপুটি স্পিকার মোহাম্মদ উল্লাহ নির্বাচিত হন।
- ২ মে, ১৯৭২ শাহ আবদুল হামিদ মারা গেলে মোহাম্মদ উল্লাহ স্পিকার নির্বাচিত হন।

• গণপরিষদের অধিবেশন:
- ১৯৭২ সালের ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।
- সরকারের আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনকে আহ্বায়ক করে ৩৪ সদস্যের এ কমিটি গঠন করা হয়।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদের দ্বিতীয় অধিবেশনে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন খসড়া সংবিধান বিল আকারে উত্থাপন করেন।
- ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ (বিজয় দিবস) সংবিধান থেকে কার্যকর হয়।

 উৎস: বাংলাদেশের রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩০.
বাংলাদেশ সংবিধানের কতনং অনুচ্ছেদে, ’প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল’ বিষয়টি সন্নিবেশিত?
  1. অনুচ্ছেদ- ১১৭
  2. অনুচ্ছেদ- ১১৫
  3. অনুচ্ছেদ- ১১৮
  4. অনুচ্ছেদ- ১২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১১৭
ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের সংবিধান: 
 - ষষ্ঠ ভাগ: বিচারবিভাগ।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অনুচ্ছেদ-১১৭, প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। 
• প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনালসমূহ: 
- অনুচ্ছেদ: ১১৭। (১) ইতঃপূর্বে যাহা বলা হইছে, তাহা সত্ত্বেও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রসমুহ সম্পর্কে বা ক্ষেত্রসমুহ হইতে উদ্ভূত বিষয়াদির উপর এখতিয়ার প্রয়োগের জন্য সংসদ আইনের দ্বারা এক বা একাধিক প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল প্রতিষ্ঠিত করিতে পারবেনঃ

অন্যদিকে,
- অনুচ্ছেদ- ১১৫। অধস্তন আদালতে নিয়োগ;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব;
- অনুচ্ছেদ- ১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
- অনুচ্ছেদ- ১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
- অনুচ্ছেদ- ১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা;
- অনুচ্ছেদ-  ১১৬। অধস্তন আদালতসমূহের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা;
- অনুচ্ছেদ- ১১৬ক। বিচারবিভাগীয় কর্মচারীগণ বিচারকার্য পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩১.
কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' শব্দটি সংযোজন হয়?
  1. তৃতীয় সংশোধনী
  2. অষ্টম সংশোধনী
  3. পঞ্চম সংশোধনী
  4. চতুর্থ সংশোধনী
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পঞ্চম সংশোধনী
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম সংশোধনী:
- পঞ্চম সংশোধনী আইন এই সংবিধান আইন জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয় ১৯৭৯ সালের ৬ এপ্রিল।
 • পঞ্চম সংশোধনী আইনের  বিষয়াবলী: 
- (১) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম সংযোজন।
- (২) 'বাঙালি' শব্দটির পরিবর্তে 'বাংলাদেশী'
- (৩) ধর্ম নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস
- (৪) 'সমাজতন্ত্র' মানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার
- (৫) মন্ত্রিসভার সদস্যগণের চার-পঞ্চমাংশের সংসদ সদস্য হবার বিধান
- (৬) মৌলিক অধিকার বলবৎ করার ব্যাপারে সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে মামলা রুজু করা
- (৭) সুপ্রীম জুডিসিয়াল কাউন্সিল গঠন
- (৮) গণভোট ইত্যাদি সংযোজন, পরিবর্তন ও সংশোধন করা হয়।
- এবং ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পরে সামরিক সরকার কর্তৃক যেসব বিধিবিধান প্রণয়ন ও
সংবিধানের সংশোধনী আনা হয়েছে, সেগুলো পঞ্চম সংশোধনী আইনে বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ রাজনীতি, এসএসএল , উন্মুক্ত বিশ্বিবিদ্যালয়।

৩২.
সংবিধান অনুযায়ী অ্যাটর্নি জেনারেল কতদিন স্বপদে বহাল থাকতে পারেন?
  1. রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
  2. ৬৫ বছর পর্যন্ত
  3. ৬৭ বছর পর্যন্ত
  4. কার্যভার গ্রহণ হতে ৫ বছর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতির ইচ্ছা অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

• চতুর্থ ভাগ: নির্বাহী বিভাগ। 
- ৫ম পরিচ্ছেদ: অ্যাটর্নি-জেনারেল।
• অ্যাটর্নি-জেনারেল: 
- ৬৪(১) সুপ্রীম কোর্টের বিচারক হইবার যোগ্য কোন ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের অ্যাটর্নি-জেনারেল পদে নিয়োগদান করবেন।
- ৬৪(২) অ্যাটর্নি-জেনারেল রাষ্ট্রপতি কর্তৃক প্রদত্ত সকল দায়িত্ব পালন করবেন।
- ৬৪(৩) অ্যাটর্নি-জেনারেলের দায়িত্বপালনের জন্য বাংলাদেশের সকল আদালতে তাঁহার বক্তব্য পেশ করিবার অধিকার থাকিবে।
- ৬৪(৪) রাষ্ট্রপতির সন্তোষানুযায়ী সময়সীমা পর্যন্ত অ্যাটর্নি-জেনারেল স্বীয় পদে বহাল থাকবেন এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত পারিশ্রমিক লাভ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৩.
জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে সংবিধানের-  
  1. ৩১(২) নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৯(৪) নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৮(৪) নং অনুচ্ছেদে
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯(৩) নং অনুচ্ছেদে
ব্যাখ্যা

 বাংলাদেশ সংবিধান:
- দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
• অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা।
- ১৯। (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করিতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
- ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করিবার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করিবার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করিবার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
- ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৪.
বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী আনা হয় কত সালে?
  1. ১৯৮৭ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৮৯ সালে
  4. ১৯৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা

অষ্টম সংশোধনী: 
- বাংলাদেশ সংবিধানের অষ্টম সংশোধনী আনা হয় ৭ জুন, ১৯৮৮ সাল।
- এ সংশোধনীর মৌলিক বিষয়গুলো হল:
- ইসলাম ধর্মকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ঘোষণা দান
- হাইকোর্ট বিভাগের ছয়টি বেঞ্চ যথাক্রমে বরিশাল, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, যশোর, রংপুর ও সিলেটে স্থাপন করা
- বাংলাদেশের কোন নাগরিক রাষ্ট্রপতির অনুমতি সাপেক্ষে বিদেশ থেকে কোন উপাধি গ্রহণ করতে পারবে।
- রাজধানীর বানান Dacca এর পরিবর্তে Dhaka এবং বাংলা ভাষা ইংরেজি Bengali এর পরিবের্ত Bangla গৃহীত হয়।

উল্লেখ্য, 
- এ সংশোধনী হাইকোর্ট বিভাগীয় বেঞ্চ সম্পর্কে দু'জন নাগরিক রীট পিটিশন করেন।
- তারা দুজন হলেন আনোয়ার হোসেন চৌধুরী ও জালাল উদ্দিন। তাদের এ রীট পিটিশনের ফলে ঢাকার বাইরে হাইকোর্ট বিভাগের ৬টি স্থায়ী বেঞ্চ রহিত করা হয়। পরবর্তীতে এটি বাতিল হয়ে যায়।

উৎস: বাংলাদেশ রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএল , ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৫.
’বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবে’ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদে-৬(১)
  2. অনুচ্ছেদে-৭(১)
  3. অনুচ্ছেদে-৬(২)
  4. অনুচ্ছেদে-৭(২)
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদে-৬(২)
ব্যাখ্যা

নাগরিকত্ব:
- ৬(১) বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে। 
 - ৬(২) বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হবেন।

অন্যদিকে,
- ৭(১) প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ; এবং জনগণের পক্ষে সেই ক্ষমতার প্রয়োগ কেবল এই সংবিধানের অধীন ও কর্তৃত্বে কার্যকর হবে৷ 
 - ৭(২) জনগণের অভিপ্রায়ের পরম অভিব্যক্তিরূপে এই সংবিধান প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন এবং অন্য কোন আইন যদি এই সংবিধানের সহিত অসমঞ্জস হয়, তাহা হইলে সেই আইনের যতখানি অসামঞ্জস্যপূর্ণ, ততখানি বাতিল হবে৷

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৬.
বাংলাদেশ সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর বিষয়বস্তু কী ছিল? 
  1. জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণ করা 
  2. তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা
  3. ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি পুনঃপ্রবর্তন করা
  4. বর্ণিত সবগুলো
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বর্ণিত সবগুলো
ব্যাখ্যা

পঞ্চদশ সংশোধনী:
- সময়: জুলাই, ২০১১ সাল।
- তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত করা হয়।
- ১৯৭২ সালের সংবিধানের রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি যথা: জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করা হয়।
- রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম রাখার পাশাপাশি সকল ধর্মচর্চার স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়।
- জাতীয় সংসদে মহিলাদের জন্য ৫০টি আসন সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চম সংশোধনীর মাধ্যমে মূলনীতে পরিবর্রতন করা হয়: 
- ধর্ম নিরপেক্ষতার পরিবর্তে সর্বশক্তিমান আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস।
- 'সমাজতন্ত্র' মানে অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায় বিচার।

এছাড়াও 
- ২০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে রায় ঘোষণা করেছেন সুপ্রিম কোর্টে আপিল বিভাগ। এর মধ্য দিয়ে চৌদ্দ বছর আগে আদালতের রায়ে বাতিল হওয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা আবারো ফিরে এলো।

উৎস: ¡)বাংলাদেশ রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএল , ‍উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
        ¡) বিবিসি বাংলা।

৩৭.
সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে ‘প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা’ কথা উল্লেখ রয়েছে? 
  1. অনুচ্ছেদ- ১২১
  2. অনুচ্ছেদ- ১২৪
  3. অনুচ্ছেদ- ১২২
  4. অনুচ্ছেদ- ১৪১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ১২১
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ- ১২১; প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- সংসদের নির্বাচনের জন্য প্রত্যেক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকার একটি করিয়া ভোটার-তালিকা থাকিবে এবং ধর্ম, জাত, বর্ণ ও নারী-পুরুষভেদের ভিত্তিতে ভোটারদের বিন্যস্ত করিয়া কোন বিশেষ ভোটার-তালিকা প্রণয়ন করা যাবে না।

নির্বাচন:
১১৮। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা;
১১৯। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব
১২০। নির্বাচন কমিশনের কর্মচারীগণ;
১২১। প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা;
১২২। ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা;
১২৩। নির্বাচন-অনুষ্ঠানের সময়;
১২৪। নির্বাচন সম্পর্কে সংসদের বিধান প্রণয়নের ক্ষমতা;
১২৫। নির্বাচনী আইন ও নির্বাচনের বৈধতা;
১২৬। নির্বাচন কমিশনকে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের সহায়তাদান।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৮.
’বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট’ গঠন প্রক্রিয়া সম্পর্কে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ- ৯৪
  2. অনুচ্ছেদ- ৬৬
  3. অনুচ্ছেদ- ৪৮
  4. অনুচ্ছেদ- ৬৪
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৯৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ- ৯৪
ব্যাখ্যা

’বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট’:  
- অনুচ্ছেদ ৯৪(১) "বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট" নামে বাংলাদেশের একটি সর্বোচ্চ আদালত থাকবে এবং আপীল বিভাগ ও হাইকোর্ট বিভাগ লইয়া তাহা গঠিত হবে।
- ৯৪(২) প্রধান বিচারপতি (যিনি "বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি" নামে অভিহিত হবেন) এবং প্রত্যেক বিভাগে আসনগ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করবেন, সেইরূপ সংখ্যক অন্যান্য বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হবে।- - ৯৪ (৩) প্রধান বিচারপতি ও আপীল বিভাগে নিযুক্ত বিচারকগণ কেবল উক্ত বিভাগে এবং অন্যান্য বিচারক কেবল হাইকোর্ট বিভাগে আসন গ্রহণ করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৩৯.
বাংলাদেশে ’খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি’ গঠিত হয় কবে?
  1. ১১ এপ্রিল, ১৯৭২
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭২
  3. ২৩ মার্চ, ১৯৭২
  4. ১১ জানুয়ারি, ১৯৭২
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ এপ্রিল, ১৯৭২
ব্যাখ্যা

সংবিধান:
- 'খসড়া সংবিধান প্রণয়ন কমিটি' গঠন করা হয়েছিল ১১ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপিত হয়।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৪ ডিসেম্বর সংবিধান স্পিকার কর্তৃক প্রমাণীকৃত হয়।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর ছাড়া ৯৩ পৃষ্ঠা।
- বাংলাদেশের হস্তলিখিত সংবিধান স্বাক্ষর সহ-১০৯ পৃষ্ঠা।
-গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি
- তফসিল আছে ৭টি।
- প্রস্তাবনা আছে ১টি।
- মূলনীতি আছে ৪টি।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪০.
সংবিধান অনুযায়ী সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয় কোনটি? 
  1. সরকারি কর্ম কমিশন
  2. নির্বাচন কমিশন
  3. দুর্নীতি দমন কমিশন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দুর্নীতি দমন কমিশন
ব্যাখ্যা

- দুর্নীতি দমন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নয়।

• সংবিধানিক প্রতিষ্ঠান
- যেসব প্রতিষ্ঠান সংবিধানের সুস্পষ্ট বিধি মোতাবেক প্রতিষ্ঠিত ও পরিচালিত হয় তাকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলে।
- বাংলাদেশে এ ধরণের বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান রয়েছে যা সাংবিধানিক উপায়ে প্রতিষ্ঠিত।
- এরূপ প্রতিষ্ঠান হল-
- এটর্নি জেনারেল
- নির্বাচন কমিশন
- মহাহিসাব নিরীক্ষক
- সরকারি কর্ম কমিশন

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান। [লিঙ্ক]

৪১.
জরুরি অবস্থার সময় বাংলাদেশের সংবিধানের কোন কোন অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হয়?
  1. ৩৬,৩৭,৩৮,৪০,৪১,৪২
  2. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪১
  3. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪১,৪২
  4. ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
সঠিক উত্তর:
৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২
ব্যাখ্যা

- জরুরি অবস্থার সময় বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৬,৩৭,৩৮,৩৯,৪০,৪২  অনুচ্ছেদসমূহ স্থগিত হয়।

সংবিধান: 

- বাংলাদেশের সংবিধানের ১৪১খ অনুযায়ী,
- এই সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অন্তর্ভুক্ত বিধানসমূহের ফলে যে আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্র অক্ষম হয়ে
পড়ে, জরুরি অবস্থার কার্যকালে এই সংবিধানের ৩৬, ৩৭, ৩৮, ৩৯, ৪০ ও ৪২ অনুচ্ছেদ সমূহের কোনও বিষয় উক্তরূপ আইন প্রণয়ন ও নির্বাহী ব্যবস্থা গ্রহণে রাষ্ট্রের ক্ষমতাকে সীমাবদ্ধ করবে না; তবে এভাবে প্রণীত কোনও আইনের আওতায় যা করা হয়েছে বা না করা হয়েছে সেটা ব্যতীত উক্তরূপ আইন যতটুকু কর্তৃত্বহীন, জরুরি অবস্থার ঘোষণা অকার্যকর হওয়ার পর ঠিক ততটুকু কার্যকর থাকবে না।

উল্লেখ্য, 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয়।
- সংবিধান কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ১৫৩ টি অনুচ্ছেদ আছে।
- সংবিধানের ভাগ বা অধ্যায় আছে ১১টি।
- ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস থেকে সংবিধান কার্যকর করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪২.
সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসরের বয়সসীমা ৬৫ থেকে ৬৭ বছর করা হয়? 
  1. একাদশ
  2. দ্বাদশ  
  3. ত্রয়োদশ
  4. চতুর্দশ 
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চতুর্দশ 
ব্যাখ্যা

চতুর্দশ সংশোধনী: 
- সময়: মে, ২০০৪ সাল।
- চতুর্দশ সংবিধান সংশোধনীতে বলা হয়েছে স্পীকার অথবা ডেপুটি স্পীকার সংসদ সদস্যদের শপথ পাঠ করাতে অসমর্থ হলে প্রধান নির্বাচন কমিশনার শপথ পাঠ করানোর বিধান করা হয়।
- জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যা ৩০০ থেকে ৩৪৫-এ বৃদ্ধি করা হয়েছে।
- যার মধ্যে ৪৫টি আসন হবে সংরক্ষিত মহিলা আসন। এ ৪৫টি বর্ধিত আসনে মনোনীত নারী প্রার্থীদের মধ্যে বণ্টন করা হবে।
- সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দলগুলোর আওতায় সাধারণ আসনের সংখ্যানুপাতে নারী আসনগুলো ভাগ করা হবে।
- সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়স ৬৫ থেকে ৬৭বছর,
- পিএসসির চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের বয়সসীমা ৬২ থেকে ৬৫ বছর
- এবং মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের অবসর বসয়সীমা ৬০ থেকে ৬৫ বছরে উন্নীত করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশ রাজনৈতিক উন্নয়ন, এসএসএল, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৩.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?
  1. অনুচ্ছেদ ২৫
  2. অনুচ্ছেদ ২২
  3.  অনুচ্ছেদ ২৪
  4. অনুচ্ছেদ ২১
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ২৫
ব্যাখ্যা

- অনুচ্ছেদ ২৫(১) আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি।

• দ্বিতীয় ভাগ: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি। 
- অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি,নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
- ২৫(১) জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র।
(ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করবেন;
(খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করবেন; এবং
(গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করবেন।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৪.
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয় কোন সংশোধনী মাধ্যমে?
  1. দ্বাদশ সংশোধনী 
  2. একাদশ সংশোধনী 
  3. ত্রয়োদশ সংশোধনী 
  4. নবম সংশোধনী 
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ত্রয়োদশ সংশোধনী 
ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনী:
- ত্রয়োদশ সংশোধনী আইন সংবিধান আইন,পাস হয় ১৯৯৬ সালের ২৬ মার্চ।
- এর দ্বারা একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার বিধান করা হয়।
- যা একটি অন্তর্বর্তীকালীন প্রশাসন হিসেবে কাজ করবে এবং সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠানে নির্বাচন কমিশনকে সর্বতোভাবে সাহায্য-সহযোগিতা করবে।
- একজন প্রধান উপদেষ্টা ও অনূর্ধ্ব ১০ জন উপদেষ্টার সমন্বয়ে গঠিতব্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার সমষ্টিগতভাবে রাষ্ট্রপতির নিকট দায়বদ্ধ থাকবে এবং নতুন সংসদ গঠনের পর নতুন সরকারের প্রধানমন্ত্রী দায়িত্ব গ্রহণের তারিখে বিলুপ্ত হবে।

অন্যদিকে, 
- তৃতীয় সংশোধনী: ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি অনুমোদন ও রাষ্ট্রীয় সীমানা পুনঃনির্ধারণ, বেডুবাড়িকে ভারতের কাছে হস্তান্তর।
- চতুর্থ সংশোধনী: সংসদীয় শাসন পদ্ধতির পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন পদ্ধতি চালু এবং একদলীয় রাজনীতি প্রবর্তন। 
- ষষ্ঠ সংশোধনী: উপ-রাষ্ট্রপতি পদে বহাল থেকে রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচনের নিশ্চিতকরণ।
- সপ্তম সংশোধনী: ১৯৮২ সালের ২৪শে মার্চ থেকে ১৯৮৬ সালের ৯ই নভেম্বর পর্যন্ত সামরিক আইন বলবৎ থাকাকালীন সামরিক সরকারের যাবতীয় কর্মকাণ্ডের বৈধতা দান।
- অষ্টম সংশোধনী: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম হিসেবে ইসলামকে স্বীকৃতিদান।

উল্লেখ্য,
- পঞ্চদশ সংশোধনী দ্বারা নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা হয়।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান, আরিফ খান।

৪৫.
বাংলাদেশ সংবিধানের সপ্তম ভাগে রয়েছে- 
  1. নির্বাহী বিভাগ
  2. নির্বাচন
  3. কর্ম কমিশন 
  4. বিচার বিভাগ
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নির্বাচন
ব্যাখ্যা

• সংবিধানের সপ্তম ভাগে নির্বাচনের কথা রয়েছে।
- সপ্তম ভাগের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ সমূহ: 
- অনুচ্ছেদ-১১৮: নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা।
- অনুচ্ছেদ-১১৯: নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব।
- অনুচ্ছেদ-১২১: প্রতি এলাকার জন্য একটিমাত্র ভোটার তালিকা।
- অনুচ্ছেদ-১২২:ভোটার-তালিকায় নামভুক্তির যোগ্যতা।


• বাংলাদেশ সংবিধান:
- সংবিধানের ১১টি ভাগ রয়েছে। যথা:-
- সংবিধানের প্রথম ভাগে: প্রজাতন্ত্র;
- দ্বিতীয় ভাগে: রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ,
- তৃতীয় ভাগে: মৌলিক অধিকারসমূহ,
- চতুর্থ ভাগে: নির্বাহী বিভাগ,
- পঞ্চম ভাগে: আইনসভা,
- ষষ্ঠ ভাগে: বিচার বিভাগ,
- সপ্তম ভাগে: নির্বাচন,
- অষ্টম ভাগে: মহাহিসাব নিরীক্ষণ ও নিয়ন্ত্রক,
- নবম ভাগে: কর্ম কমিশন,
- দশম ভাগে: সংবিধান সংশোধন ও
- একাদশ ভাগে: বিবিধ বিষয়াবলি আলোচনা করা হয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৬.
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম অধ্যায়ের বিষয়বস্তু-
  1. বিচার বিভাগ
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. আইনসভা
  4. নির্বাচন কমিশন
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনসভা
ব্যাখ্যা

• পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা।
- এই অধ্যায়ের পরিচ্ছেদ: তিনটি, 
- ১ম পরিচ্ছেদ: সংসদ,
- ২য় পরিচ্ছেদ: আইন প্রনয়ন ও অর্থসংক্রান্ত পদ্ধতি।
- ৩য় পরিচ্ছেদ: অধ্যাদেশপ্রণয়ন-ক্ষমতা।

• বাংলাদেশ সংবিধানের ১১টি অধ্যায়ের আলোচ্য বিষয়সমূহ:
- প্রথম অধ্যায় প্রজাতন্ত্র।
- দ্বিতীয় অধ্যায় রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
- তৃতীয় অধ্যায়- মৌলিক অধিকার।
- চতুর্থ অধ্যায় নির্বাহী বিভাগ।
- পঞ্চম অধ্যায়- আইনসভা।
- ষষ্ঠ অধ্যায়- বিচার বিভাগ।
- সপ্তম অধ্যায় নির্বাচন।
- অষ্টম অধ্যায় মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক।
- নবম অধ্যায় বাংলাদেশের কর্মবিভাগ।
- দশম অধ্যায় সংবিধানের সংশোধন।
- একাদশ অধ্যায়- বিবিধ।

উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

৪৭.
’আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?
  1. অনুচ্ছেদ-২৯
  2. অনুচ্ছেদ-২৬
  3. অনুচ্ছেদ-২৭
  4. অনুচ্ছেদ-২৮
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ-২৭
ব্যাখ্যা

- আইনের দৃষ্টিতে সমতা সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে রয়েছে।
 - সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।

 এছাড়াও
 - গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি অনুচ্ছেদ:
 - ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
 - ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
 - ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
 - ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
 
 উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান।

৪৮.
সংবিধানের ২৯ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে- 
  1. চলাফেরার স্বাধীনতা
  2. জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ
  3. সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
  4. বিদেশী খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ
সঠিক উত্তর:
সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা
ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ- ২৯: সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা।
- ২৯(১) প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে।
- (২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারীপুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাবে না।

 অন্যদিকে,
- ২৬ নং:মৌলিক অধিকারের সহিত অসমঞ্জস আইন বাতিল;
- ২৭নং: আইনের দৃষ্টিতে সমতা;
- ২৮ নং: ধর্ম, প্রভৃতি কারণে বৈষম্য;
- ২৯নং:  সরকারী নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা;
- ৩০নং:  বিদেশী, খেতাব, প্রভৃতি গ্রহণ নিষিদ্ধকরণ;
- ৩১নং: আইনের আশ্রয়-লাভের অধিকার;
- ৩২নং: জীবন ও ব্যক্তি-স্বাধীনতার অধিকার-রক্ষণ;
- ৩৩নং: গ্রেপ্তার ও আটক সম্পর্কে রক্ষাকবচ;
- ৩৪নং: জবরদস্তি-শ্রম নিষিদ্ধকরণ;
- ৩৫নং: বিচার ও দন্ড সম্পর্কে রক্ষণ;
- ৩৬নং: চলাফেরার স্বাধীনতা;
- ৩৭নং:সমাবেশের স্বাধীনতা।

উৎস: বাংলাদেশ সংবিধান, আরিফ খান।

৪৯.
সংবিধান সংস্কার কমিশন সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার বয়স সুপারিশ করেছে ন্যূনতম কত বছর?
  1. ২০ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২১ বছর
  4. ১৮ বছর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২১ বছর
ব্যাখ্যা

- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

• সংবিধান সংস্কার কমিশন: 

- গঠিত হয়- ৬ অক্টোবর, ২০২৪।
- কমিশনের প্রধান- অধ্যাপক আলী রীয়াজ।
- মোট সদস্য- ৯ জন।

• উল্লেখযোগ্য সুপারিশসমূহ:
- মূলনীতি: ৫টি (সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র।
- সংসদ: দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (নিম্নকক্ষ: ৪০০টি আসন; উচ্চকক্ষ: ১০৫টি আসন)।
- মেয়াদ: ৪ বছর (সরকারের মেয়াদ, সংসদের মেয়াদ, রাষ্ট্রপতির মেয়াদ),
- সংসদীয় প্রার্থী হওয়ার ন্যূনতম বয়স: ২১ বছর।

উৎস: সংবিধান সংস্কার কমিশন।