পরীক্ষা আর্কাইভ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

পরীক্ষাপ্রাইমারি ডেইলি কুইজতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৬১: বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বিজ্ঞান) টপিক: প্রাত্যহিক জীবনে বিজ্ঞান (জীববিজ্ঞান সংশ্লিষ্ট) গুরুত্বপূর্ণ টপিক: কোষ, মানবদেহ, রোগ-জীবানু, ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক, খাদ্য-পুষ্টি, ভ্যাক্সিনেশন, পরাগায়ন, আধুনিক চাষবিষয়ক বিদ্যা, সালোকসংশ্লেষণ, উদ্ভিদের পুষ্টি, ইত্যাদি। উৎস: বিজ্ঞান বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ

প্রাইমারি ডেইলি কুইজ · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
রক্ত মানবদেহের মোট ওজনের কত শতাংশ? 
  1. ৮%
  2. ৫%
  3. ১০%
  4. ১২%
সঠিক উত্তর:
৮%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮%
ব্যাখ্যা
রক্ত: 
- মানবদেহে রক্তের প্রধান উপাদান হলো রক্তরস এবং রক্তকণিকা। 
- রক্তে শতকরা ৫৫% হলো রক্তরস আর ৪৫% হলো রক্তকণিকা। 
- মানুষের শরীরের রক্তরসের ৯১ - ৯২% পানি এবং ৮ -৯% অংশ জৈব ও অজৈব পদার্থ। 
- প্রাণীদেহের রক্ত এক ধরনের লাল বর্ণের অস্বচ্ছ, আন্তঃকোষীয় লবণাক্ত এবং খানিকটা ক্ষারধর্মী তরল যোজক টিস্যু। 
- একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে প্রায় ৫-৬ লিটার রক্ত থাকে, যা মানুষের দেহের মোট ওজনের প্রায় ৮%। 
- মানুষ এবং অন্যান্য মেরুদণ্ডী প্রাণীদেহের রক্ত লাল রঙের। 
- রক্তের রসে লাল রঙের হিমোগ্লোবিন নামে লৌহ-ঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ থাকায় রক্তের রঙ লাল হয়। 
- হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে। 
- তবে কিছু পরিমাণ কার্বন ডাই-অক্সাইড হিমোগ্লোবিনের সাথে যুক্ত হয়ে ফুসফুসে পরিবাহিত হয়, তবে কার্বন ডাই-অক্সাইডের সিংহভাগ বাইকার্বনেট আয়ন হিসেবে রক্ত দ্বারা ফুসফুসে পরিবাহিত হয়। 

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
উদ্ভিদ নিচের কোন পুষ্টি উপাদানটি বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে? 
  1. সালফার
  2. কার্বন
  3. আয়রন
  4. হাইড্রোজেন
সঠিক উত্তর:
কার্বন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন
ব্যাখ্যা
পুষ্টি উপাদানের উৎস: 
- উদ্ভিদ পুষ্টি উপাদানগুলোর মধ্যে কার্বন (C) ও অক্সিজেন (O) বায়ুমণ্ডল থেকে গ্রহণ করে। 
- হাইড্রোজেন (H) ও অক্সিজেন (O) পানি থেকে গ্রহণ করে। 
- অন্য সব উপাদান মাটি থেকে মূলের সাহায্যে শোষণ করে। 
- এ উপাদানগুলো মাটিতে বিভিন্ন লবণ হিসেবে থাকে কিন্তু এগুলোকে উদ্ভিদ সরাসরি শোষণ করতে পারে না। 
- এরা বিভিন্ন আয়ন হিসেবে শোষিত হয়। 
যেমন- Ca++, Mg++, NH4+, NO3-, K+ ইত্যাদি। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
উদ্যানতাত্ত্বিক চাষাবাদ বিষয়ক বিদ্যার নাম কী? 
  1. এপিকালচার
  2. হর্টিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. প্রণকালচার
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হর্টিকালচার
ব্যাখ্যা
আধুনিক চাষ পদ্ধতি ও সংশ্লিষ্ট বিদ্যাবিষয়ক নামসমূহ: 
- চিংড়ি চাষ সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলে প্রণকালচার (Prawn Culture)। 
- সামুদ্রিক মাছ চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলে মেরিকালচার (Mariculture)। 
- সাধারণ মাছ চাষ বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় পিসিকালচার (Pisciculture)। 
- মৌমাছি পালন সংক্রান্ত বিদ্যাকে বলে এপিকালচার (Apiculture)। 
- রেশম উৎপাদনের জন্য রেশম গুটি ও গুটি পোকা পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলে সেরিকালচার (Sericulture)। 
- পাখি পালন বিষয়ক বিদ্যাকে বলা হয় এভিকালচার (Aviculture)। 
- বাগান বা উদ্যানতাত্ত্বিক চাষাবাদ (যেমন: ফল, ফুল, শাকসবজি) সম্পর্কিত বিদ্যাকে বলা হয় হর্টিকালচার (Horticulture)। 

উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।
.
কোন খাদ্য উপাদান পানি শোষণ ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে?
  1. রাফেজ
  2. স্নেহ
  3. খনিজ লবণ
  4. পানি
সঠিক উত্তর:
রাফেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাফেজ
ব্যাখ্যা
খাদ্যের উপাদান: 
- খাদ্য অনেকগুলো রাসায়নিক বস্তুর সমন্বে গঠিত। এই রাসায়নিক বস্তুগুলোকে খাদ্য উপাদান বলে। 
- যেহেতু এই উপাদানগুলোর মধ্যে পুষ্টি থাকে তাই খাদ্য উপাদানকে পুষ্টি উপাদানও বলা হয়। 
- অধিকাংশ খাদ্যে একাধিক খাদ্য উপাদান থাকে। 
- কোনে খাদ্যে যে উপাদানটি বেশি পরিমাণে থাকে, তাকে সেই উপাদানের খাদ্য হিসেবে শ্রেণিভুক্ত করা হয়। 
- উপাদান অনুযায়ী খাদ্যবস্তুকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়। 
যথা- 
(১) আমিষ: দেহের বৃদ্ধিসাধন এবং ক্ষয়পূরণ করে। 
(২) শর্করা: দেহে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করে। 
(৩) স্নেহ ও চর্বিজাতীয় খাদ্য: দেহে তাপ এবং শক্তি উৎপাদন করে। 
- এছাড়া আরও তিন ধরনের উপাদানও দেহের জন্য প্রয়োজন। 
যেমন- 
(৪) খাদ্যপ্রাণ বা ভিটামিন: রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়ায় এবং বিভিন্ন রাসায়নিক বিক্রিয়ায় উদ্দীপন যোগায়। 
(৫) খনিজ লবণ: বিভিন্ন জৈবিক কাজে অংশ নেয়। 
(৬) পানি: দেহে পানি এবং তাপের সমতা রক্ষা করে, এছাড়া কোষের কার্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে এবং কোষ ও তার অঙ্গাণুগুলোকে ধারণ করে। 

- খাদ্য উপাদানের বাইরে আরও একটি উপাদান রয়েছে, যেটি কোনো পুষ্টি ন জোগালেও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উপাদান। 
(৭) খাদ্য আঁশ (Fibre) বা রাফেজ: রাফেজ পানি শোষণ করে, মলের পরিমাণ বৃদ্ধি করে ও বৃহদন্ত্র থেকে মল নিষ্কাশনে সাহায্য করে। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
নিচের কোনটি প্রকৃত কোষের মধ্যে পড়ে? 
  1. ছত্রাক
  2. Mycoplasma
  3. ব্যাকটেরিয়া
  4. নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ছত্রাক
ব্যাখ্যা
- নিউক্লিয়াসের গঠনের উপর নির্ভর করে কোষকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়েছে। 
যথা- আদি কোষ এবং প্রকৃত কোষ। 
১। আদি কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত থাকে তাদেরকে বলা হয় আদি কোষ। 
- এ সকল কোষে মাইটোকন্ড্রিয়া, গলগি বডি, সেন্ট্রিয়োল, এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম ইত্যাদি অনুপস্থিত থাকে। 
- তবে বিক্ষিপ্ত DNA এবং রাইবোসোম থাকে। 
- Mycoplasma নামক PPLO (Pleuro pneumonia like organism), ব্যাকটেরিয়া, নীলাভ সবুজ ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি আদি কোষীয় জীব। 

২। প্রকৃত কোষ: 
- যে সকল কোষে সুসংগঠিত নিউক্লিয়াস থাকে তাদেরকে বলা হয় প্রকৃত কোষ। 
- শৈবাল, ছত্রাক, ব্রায়োফাইটস, টেরিডোফাইটস, জিমনোস্পার্মস, অ্যানজিওস্পার্মস ইত্যাদি প্রকৃত কোষ দ্বারা গঠিত। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু গর্ভমুণ্ডে পৌঁছানোর প্রক্রিয়াকে কী বলা হয়? 
  1. ফলধারণ
  2. নিষেক
  3. পরাগায়ন
  4. অঙ্কুরোদগম
সঠিক উত্তর:
পরাগায়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরাগায়ন
ব্যাখ্যা
পরাগায়ন: 
- পরাগায়নকে পরাগসংযোগও বলা হয়। 
- পরাগায়ন ফল ও বীজ উৎপাদন প্রক্রিয়ার পূর্বশর্ত। 
- একটি ফুলের পুংস্তবকের পরাগধানীতে আঙুলের ডগা ঘষে দেখা যায় হাতে হলুদ বা কমলা রঙের গুঁড়ো লেগেছে, এই গুঁড়ো বস্তুই পরাগরেণু। 
- ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু একই ফুলে অথবা একই জাতের অন্য ফুলের গর্ভমুণ্ডে স্থানান্তরিত হওয়াকে পরাগায়ন বলে। 
- পরাগায়ন দুই প্রকার। 
যথা- স্ব-পরাগায়ন ও পর-পরাগায়ন। 

১। স্ব-পরাগায়ন: 
- একই ফুলে বা একই গাছের ভিন্ন দুটি ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে স্ব-পরাগায়ন বলে। 
- সরিষা, কুমড়া, ধুতুরা ইত্যাদি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন ঘটে। 

২। পর-পরাগায়ন: 
- একই প্রজাতির দুটি ভিন্ন উদ্ভিদের ফুলের মধ্যে যখন পরাগায়ন ঘটে তখন তাকে পর-পরাগায়ন বলে। 
- শিমুল, পেঁপে ইত্যাদি গাছের ফুলে পর-পরাগায়ন হতে দেখা যায়। 

উৎস: বিজ্ঞান, অষ্টম শ্রেণি।
.
সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় কোনটি উপজাত দ্রব্য? 
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. অক্সিজেন
  3. ক্লোরোফিল
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis): 
- সবুজ উদ্ভিদের একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এরা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2) এবং পানি থেকে কার্বোহাইড্রেট বা শর্করাজাতীয় খাদ্য তৈরি করে। 
- সবুজ উদ্ভিদে কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য তৈরি হওয়ার এ প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। 
- এই প্রক্রিয়ায় আলোকশক্তি রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। 
- সবুজ উদ্ভিদে প্রস্তুত খাদ্য উদ্ভিদ নিজে বেঁচে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় বিপাকীয় প্রক্রিয়া সম্পাদন করতে ব্যবহার করে এবং অবশিষ্ট খাদ্য ফল, মূল, কাণ্ড অথবা পাতায় সঞ্চিত রাখে। 
- উদ্ভিদে সঞ্চিত এই খাদ্যের উপরেই মানবজাতি ও অন্যান্য জীবজন্তুর অস্তিত্ব নির্ভর করে। 
- সালোকসংশ্লেষণের জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো হলো ক্লোরোফিল, আলো, পানি এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড। 
- সালোকসংশ্লেষণ একটি জৈব রাসায়নিক (biochemical) বিক্রিয়া। 

- পাতার মেসোফিল টিস্যু সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার প্রধান স্থান। 
- স্থলজ সবুজ উদ্ভিদ মাটি থেকে মূলের মাধ্যমে পানি শোষণ করে পাতার মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছায় এবং স্টোমা বা পত্ররন্ধ্রের মাধ্যমে বায়ু থেকে CO2 গ্রহণ করে, যা মেসোফিল টিস্যুর ক্লোরোপ্লাস্টে পৌঁছে। 
- জলজ উদ্ভিদ পানিতে দ্রবীভূত CO2 গ্রহণ করে। 
- বায়ুমণ্ডলে 0.03% এবং পানিতে 0.3% CO2 আছে, তাই জলজ উদ্ভিদে সালোকসংশ্লেষণের হার স্থলজ উদ্ভিদ থেকে বেশি। 
- অক্সিজেন এবং পানি সালোকসংশ্লেষণের উপজাত দ্রব্য (by-product)। 
- এটি একটি জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়া (oxidation-reduction process)। এ প্রক্রিয়ায় H2O জারিত হয় এবং CO2 বিজারিত হয়। 

উৎস: জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
অ্যান্টিবডি কী ধরনের জৈব যৌগ? 
  1. কার্বোহাইড্রেট
  2. নিউক্লিক অ্যাসিড
  3. গ্লাইকোপ্রোটিন
  4. লিপিড
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোপ্রোটিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্লাইকোপ্রোটিন
ব্যাখ্যা
অ্যান্টিবডি: 
- দেহের প্রতিরক্ষাতন্ত্র (immune system) থেকে উৎপন্ন এক ধরনের দ্রবণীয় গ্লাইকোপ্রোটিন যা রোগ-ব্যাধি সৃষ্টিকারী নির্দিষ্ট অ্যান্টিজেনকে (যেমন-ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া) ধ্বংস করে তাকে অ্যান্টিবডি বলে। 
- প্রত্যেকটি অ্যান্টিবডি হচ্ছে ইমিউনোগ্লোবিউলিন (সংক্ষেপে Ig) নামে বিশেষ ধরনের একেকটি প্রোটিন অণু। 
- শ্বেত রক্তকণিকার অন্যতম প্রধান কণিকা লিম্ফোসাইট। লিম্ফোসাইট দু'ধরনের: (১) T-কোষ ও (২) B-কোষ। 
- B-লিম্ফোসাইট কয়েক উপধরনে বিভক্ত যার একটি হচ্ছে প্লাজমা B-কোষ, সংক্ষেপে প্লাজমাকোষ নামে পরিচিত। 
- প্লাজমাকোষ থেকে অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হয়। 
- প্রয়োজনে প্রত্যেক প্লাজমাকোষ প্রতি সেকেন্ডে কয়েক হাজার অ্যান্টিবডি উৎপন্ন করতে পারে। 
- মানুষের দেহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হতে পারে। 

অ্যান্টিবডির প্রকারভেদ: 
- অ্যান্টিবডির গড়নে যে ভারী শৃঙ্খল রয়েছে তাতে অ্যামাইনো এসিডের ক্রমের (sequence) ভিত্তিতে ভারী শৃঙ্খল ৫ ধরনের: γ-(gamma), α-(alpha), μ-(mu), €-(epsilon) এবং δ-(delta)। 
- এ পাঁচ ধরনের ভারী শৃঙ্খলবিশিষ্ট অ্যান্টিবডিগুলো নিচে বর্ণিত ৫টি শ্রেণিতে বিভক্ত। 
যেমন- 
১। ইমিউনোগ্লোবিউলিন G (IgG), 
২। ইমিউনোগ্লোবিউলিন A (IgA), 
৩। ইমিউনোগ্লোবিউলিন M (IgM), 
৪।  ইমিউনোগ্লোবিউলিন D (IgD) এবং 
৫। ইমিউনোগ্লোবিউলিন E (IgE)। 

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র : একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (গাজী আজমল)।