পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

পরীক্ষাবার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়50 minutes
মোট প্রশ্ন৭৫
সিলেবাস
Exam -18 :Full Model Test- 03 Topic: Full Syllabus
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬

বার কাউন্সিল এনরোলমেন্ট ⎯ ২০২৬ · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৫ প্রশ্ন

.
According to The Code of Civil Procedure,1908, The Court of Small Causes is subordinate to which of the following courts?
  1. Supreme Court and District Court
  2. High Court Division and Civil Court
  3. High Court Division and District Court
  4. District Court only
সঠিক উত্তর:
High Court Division and District Court
উত্তর
সঠিক উত্তর:
High Court Division and District Court
ব্যাখ্যা
⇒ The Code of Civil Procedure,1908 Section-3: Subordination of Courts:
- For the purposes of this Code, the District Court is subordinate to the High Court Division, and every Civil Court of a grade inferior to that of a District Court and every Court of Small Causes is subordinate to the High Court Division and District Court.

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৩ ধারার বিধান- আদালতের পর্যায়ক্রমা:
-এই কোড-এর উদ্দেশ্যে জেলা আদালত হাইকোর্ট বিভাগের অধঃস্তন এবং জেলা আদালতের নিম্ন পর্যায়ের সকল দেওয়ানী আদালত এবং সকল স্মল কজ কোট হাইকোর্ট বিভাগ ও জেলা আদালতের অধঃস্তন।
.
আদালত একজন দরখাস্তকারীর বিরুদ্ধে মোকদ্দমার অ্যাবেটমেন্ট আদেশ সরাসরি বাতিলের জন্য সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ পরিশোধের নির্দেশ দিতে পারেন?
  1. ১০০০ টাকা
  2. ২০০০ টাকা
  3. ৩০০০ টাকা
  4. ৫০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি আদেশ-২২, বিধি-৯ক এর বিধান সরাসরি খারিজ বা বাতিল আদেশ রহিতকরণ: বাতিল বা খারিজের ৬০ দিনের মধ্যে যদি মৃত বাদীর আইনগত প্রতিনিধি বাতিল বা খারিজের আদেশকে রহিতকরণের জন্য আবেদন করে তাহলে আদালত বিলম্ব এড়ানো ও বিচার ত্বরান্বিত করার জন্য সাক্ষ্য উপস্থাপনের নির্দেশ প্রদান না করে বাতিল বা খারিজ আদেশ সরাসরি রহিত করতে পারেন। এক্ষেত্রে আদালত বাদীকে অনধিক ৩০০০ টাকা খরচ প্রদানের আদেশ দিবেন।
------------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-22 Rule-9A.Directly setting aside abatement or dismissal:
-Notwithstanding anything contained in rule 9 or any other law, where the legal representative of a deceased plaintiff or the assignee or the receiver of any insolvent plaintiff files an application for setting aside abatement or dismissal made under this Order, within sixty days of abatement or dismissal, the Court may, in order to avoid delay and expedite disposal, set aside the abatement or dismissal without requiring the applicant to adduce evidence to prove sufficient cause as required under rule 9, but requiring him to pay such cost not exceeding three thousand taka as the Court may deem appropriate.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান অনুযায়ী বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে কত দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়?
  1. ১০ দিনের
  2. ৩০ দিনের
  3. ৭ দিনের
  4. ১৫ দিনের
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ দিনের
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১১ বিধি-১ এর বিধান মতে বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশে উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার ও পরিদর্শন (Discovery and Inspection) বিষয়ে আলোচনা  করা হয়েছে। দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী উদ্ঘাটন বা আবিষ্কার দুইভাবে হতে পারে। যথা-
প্রশ্নের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories) এবং 
দলিলের সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by documents)।

- প্রশ্নমালার সাহায্যে তথ্য উদঘাটন (Discovery by interrogatories)-
দেওয়ানি কার্যবিধির ১১ নং আদেশের ১ নং বিধিমতে আরজি ও লিখিত জবাবে বর্ণিত তথ্য মামলার প্রকৃতি নির্ণয়ে অপর্যাপ্ত হলে, আদালতের অনুমতি নিয়ে পক্ষগণ মামলার প্রকৃতির বিধায় একে অপরকে প্রশ্নমালা দিয়ে উত্তর গ্রহণের মাধ্যমে কোন তথ্য বা ঘটনা উদঘাটন করতে পারে। বিচার্য বিষয় প্রনয়নের তারিখ থেকে ১০ দিনের মধ্যে লিখিতভাবে প্রশ্নমালা প্রদান করতে হয়। আদালতের অনুমতি ব্যতীত কোন পক্ষ অপর পক্ষকে ১ সেটের বেশি প্রশ্নমালা প্রদান করবে না।
--------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-11 Rule-1: Discovery by interrogatories:
In any suit the plaintiff or defendant by leave of the Court may [, within ten days from the date of framing of issues,] deliver interrogatories in writing for the examination of the opposite parties or any one or more of such parties, and such interrogatories when delivered shall have a note at the foot thereof stating which of such interrogatories each of such persons in required to answer: Provided that no party shall deliver more than one set of interrogatories to the same party without an order for that purpose: Provided also that interrogatories which do not relate to any matters in question in the suit shall be deemed irrelevant, notwithstanding that they might be admissible on the oral crossexamination of a witness.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান মতে আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করার কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করা যেতে পারে?
  1. সরাসরি জরিমানা
  2. সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা
  3. সম্পত্তির মালিকানা হস্তান্তর করা
  4. সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৫২ ধারার বিধান: বৈধ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে ডিক্রি কার্যকর করা: (Enforcement of decree against legal representative)
কোন মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি থেকে টাকা পরিশোধের জন্য যদি উক্ত মৃত ব্যক্তির আইনানুগ প্রতিনিধির বিরুদ্ধে কোন ডিক্রি দেয়া হয়, তাহলে অনুরূপ কোন সম্পত্তি ক্রোক ও বিক্রয়ের দ্বারা উক্ত ডিক্রি জারি করা যেতে পারে।
 যখন ডিক্রি দায়িকের দখলে এরূপ কোন সম্পত্তি না থাকে এবং মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি তার দখলে এসেছে বলে প্রমাণ থাকে এবং তার যথাযথ ব্যবহার করেছে বলে যদি আদালতকে সন্তষ্ট করতে ব্যর্থ হয়, তখন সম্পত্তির যে পরিমাণের ব্যাপারে সে আদালতকে সন্তষ্ট করাতে ব্যর্থ হয়েছে সেই পরিমাণ সম্পত্তির জন্য ডিক্রি দায়িকের বিরুদ্ধে ডিক্রিটি জারি করা যাবে, যেন ডিক্রিটি ব্যক্তিগতভাবে তারই উপর প্রদত্ত হয়েছিল।
-------------------
- Section 52. Enforcement of decree against legal representative.
(1) Where a decree is passed against a party as the legal representative of a deceased person, and the decree is for the payment of money out of the property of the deceased, it may be executed by the attachment and sale of any such property. 
 
(2) Where no such property remains in the possession of the judgment-debtor and he fails to satisfy the Court that he has duly applied such property of the deceased as is proved to have come into his possession, the decree may be executed against the judgment-debtor to the extent of the property in respect of which he has failed so to satisfy the Court in the same manner as if the decree had been against him personally.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির _________ অনুযায়ী আদালত বিবাদীকে অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিলের আদেশ দিতে পারে।
  1. আদেশ-৮ বিধি-৩
  2. আদেশ-৮ বিধি-৬
  3. আদেশ-৮ বিধি-৯
  4. আদেশ-৮ বিধি-১০
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮ বিধি-৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-৮ বিধি-৯
ব্যাখ্যা
দেওয়ানী কার্যবিধির ৮ আদেশের ৯ বিধি অনুযায়ী আদালত প্রয়োজন মনে করলে, যেকোনো সময় যে কোনো পক্ষকে লিখিত বিবৃতি বা অতিরিক্ত লিখিত বিবৃতি পেশের আদেশ দিতে পারে এবং তা পেশ করার জন্য সময় নির্ধারণ করে দিবে। আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উক্ত পক্ষ লিখিত বিবৃতি পেশ করতে ব্যর্থ হলে, ১০ বিধি অনুযায়ী আদালত উক্ত পক্ষের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা [pronounce judgment) করতে পারে বা মোকদ্দমার সাথে সম্পর্কিত যেকোনো আদেশ দিতে পারে।

-প্রতিকার:
১০ বিধির নিয়মটি শুধুমাত্র প্রযোজ্য যখন ৯ বিধির অধীন বিবাদী আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব দাখিল করতে ব্যর্থ হয় এবং উক্ত ব্যর্থতার কারণে আদালত রায় ঘোষণা করে আদেশ দিলে। ১০ বিধির অধীন রায় ঘোষণার আদেশ (An order pronouncing judgment) হলো (আপীলযোগ্য আদেশ) তাই এর বিরুদ্ধে আপীল করা যাবে। 
--------------------
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-৮ বিধি-৯: পরবর্তী আরজি জবাব (Subsequent pleadings): বিবাদীর লিখিত জবাব দাখিলের পরে আত্মপক্ষ সমর্থনে দাবি-সমন্বয়ের দাবি ব্যতীত অন্য কোন আরজি জবাব আদালতের অনুমতি ব্যতীত উপস্থাপন করা যাবে না, কিন্তু আদালত প্রয়োজন মনে করলে যে কোন সময় যে কোন পক্ষের নিকট লিখিত জবাব বা অতিরিক্ত লিখিত জবাব তলব করতে পারবেন এবং তা দাখিলের জন্য সময় নির্ধারিত করে দিতে পারবেন।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-8 Rule-9: Subsequent pleadings:
No pleading subsequent to the written statement of a defendant other than by way of defence to a set-off shall be presented except by the leave of the Court and upon such terms as the Court thinks fit, but the Court may at any time require a written statement or additional written statement from any of the parties and fix a time for presenting the same.
.
দেওয়ানী কার্যবিধির ___________ অনুসারে আদালত নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মুলতুবি রাখলে নতুন ইশতেহার প্রচার করতে হবে।
  1. আদেশ-২১ বিধি-৬৪
  2. আদেশ-২১ বিধি-৬৬
  3. আদেশ-২১ বিধি-৬৮
  4. আদেশ-২১ বিধি-৬৯
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৬৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-২১ বিধি-৬৯
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ এর বিধান মতে নিলাম বিক্রয় মুলতুবি অথবা বন্ধ করা: কোন নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মেয়াদের জন্য মুলতুবি রাখা হলে নতুন করে ইশতেহার প্রচার করতে হবে, যদি না দায়িক এটি বর্জন করে।
আদালত ইচ্ছা করলে কোন নিলাম বিক্রয় নির্দিষ্ট দিন বা সময় পর্যন্ত মুলতুবি রাখতে পারেন।

অর্থাৎ দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-২১ বিধি-৬৯ অনুসারে আদালত নিলাম বিক্রয় ৩০ দিনের বেশি মুলতুবি রাখলে নতুন ইশতেহার প্রচার করতে হবে।
-----------------
⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-21 Rule-69. Adjournment or stoppage of sale:
(1) The Court may, in its discretion, adjourn any sale hereunder to a specified day and hour, and the officer conducting any such sale may in his discretion adjourn the sale, recording his reasons for such adjournment:
Provided that, where the sale is made in, or within the precincts of, the court-house, no such adjournment shall be made without the leave of the Court.

(2) Where a sale is adjourned under sub-rule (1) for a longer period than [thirty] days, a fresh proclamation under rule 67 shall be made, unless the judgment-debtor consents to waive it.
(3) Every sale shall be stopped if, before the lot is knocked down, the debt and costs (including the costs of the sale) are tendered to the officer conducting the sale, or proof is given to his satisfaction that the amount of such debt and costs has been paid into Court which ordered the sale.
.
আদালত নিম্নের কোন ক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন না?
  1. পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
  2. পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  3. পক্ষগণের মধ্যে ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে
  4. খ বা গ যে কোন একটি ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে
ব্যাখ্যা
⇒ সাধারণত মোকদ্দমার শুনানী শেষ হওয়ার পর তৎক্ষনাৎ বা ৭ দিন পর আদালত রায় প্রদান করে, তবে কিছু ক্ষেত্রে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে।
দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫ নং আদেশ অনুযায়ী আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিনে রায় ঘোষনা করতে পারে (DISPOSAL OF THE SUIT AT THE FIRST HEARING)। 

-উল্লিখিত প্রশ্ন পক্ষগণের আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত মোকদ্দমার প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন না। তবে পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় না থাকলে আদালত প্রথম শুনানীর দিন রায় ঘোষণা করতে পারেন।

-দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫নং আদেশের ১নং বিধিমতে-
যেক্ষেত্রে মোকদ্দমার প্রথম শুনানির দিন প্রতীয়মান হয় যে, পক্ষগণের মধ্যে আইন সংক্রান্ত কিংবা ঘটনা সংক্রান্ত কোন বিচার্য বিষয় নেই আদালত তখনই রায় ঘোষণা করতে পারে।
[Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.]
.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ-২০ বিধি-৩ অনুযায়ী দেওয়ানি মোকদ্দমার রায় একবার স্বাক্ষরযুক্ত হয়ে গেলে, তা দেওয়ানি কার্যবিধির কোন ধারা ব্যতীত সংশোধন করা যাবে না?
  1. ১৫২ ধারা
  2. ১৫৭ ধারা
  3. ১৫৩ ধারা
  4. ১৫১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-
রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।

- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।

- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।
.
দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮-এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী কয়টি আদালত ডিক্রী জারী করতে পারে?
  1. ১টি
  2. ২টি
  3. ৩টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
২টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২টি
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ সালের আইন এর ৩৮ ধারা অনুযায়ী জারি অর্থ আদালতের প্রকিয়ার মাধ্যমে কোন ডিক্রী বা আদেশ বলবৎ করা যেন ডিক্রীদার ডিক্রীর ফল ভোগ করবে। দুটি আদালত ডিক্রী জারী করবে।
১) যে আদালত ডিক্রী জারী করেছে সে আদালত
২) যে আদালতে ডিক্রী জারী করার জন্য প্রেরণ করা হয়েছে সে আদালত।

• আদেশ ২১ বিধি-১০ এর বিধান জারির আবেদন: ডিক্রিদার ডিক্রিটি জারি করতে চাইলে ডিক্রি প্রদানকারী আদালত বা ডিক্রি জারির জন্য যে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে সেই আদালতে আবেদন করবেন।
• ডিক্রিজারি সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি ডিক্রি জারিকারক আদালতই নিষ্পত্তি করবে।

• ডিক্রি জারির কাজ সর্বদা বিচারিক আদালত করে থাকে, এমনকি কোন ডিক্রির বিরূদ্ধে উচ্চতর আদালতে কোন আপিল বা রিভিশন করা হলে, উক্ত আপিল বা রিভিশনে প্রদত্ত ডিক্রির ক্ষেত্রেও মূল আদালত অর্থাৎ বিচারিক আদালতই ডিক্রি জারি করবে।
------
⇒ Section 38. Court by which decree may be executed:
A decree may be executed either by the Court which passed it, or by the Court to which it is sent for execution.
১০.
লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বেই যে দরখাস্ত করা উচিৎ ছিল সে দরখাস্তটি যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর করা হয়, তাহলে আদালত উক্ত পক্ষকে সর্বোচ্চ কত টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ৫০০ টাকা
  2. ১০০০ টাকা
  3. ২০০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ৩৫খ ধারায় বিলম্বের জন্য খরচ প্রদানের বিধান রয়েছে। মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে আদালত কর্তৃক নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কোন পক্ষ কোন দরখাস্ত বা আবেদন অথবা লিখিত আপত্তি দাখিল করতে ব্যর্থ হলে, আদালত সর্বোচ্চ ২০০০ (দুই হাজার) টাকা খরচের আদেশ দিতে পারে। লিখিত জবাব দাখিলের পূর্বেই যে দরখাস্ত করা উচিৎ ছিল সে দরখাস্তটি যদি লিখিত জবাব দাখিলের পর করা হয়, তাহলে আদালত অপর পক্ষকে অনধিক ৩০০০ (তিন হাজার) টাকা খরচ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারে।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ১৯০৮ এর ধারা-৩৫খ:
১) কোন মোকদ্দমা বা কার্যপ্রক্রিয়ার যে কোন স্তরে আদালত কর্তৃক নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে দরখাস্ত কিংবা লিখিতভাবে কোন আপত্তি যদি পেশ করা না হয়, তাহলে সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা পর্যন্ত উক্ত পক্ষ অন্য পক্ষকে খরচা প্রদান না করা পর্যন্ত উক্ত দরখাস্ত বা লিখিত আপত্তি শুনানির নিমিত্তে গ্রহণকৃত হবে না।

২) লিখিত জবাব পেশের পর মোকদ্দমার কোন পক্ষ যদি এমন কোন বিষয়ে দরখাস্ত পেশ করেন, যা আদালতের মতানুযায়ী পূর্বেই পেশ করতে পারতেন বা পেশ করা সমীচীন ছিল এবং তাতে মূল মোকদ্দমার কার্যক্রমে দেরী হওয়ার সম্ভাবনা আছে তদকারণে আদালত দরখাস্ত নিবে কিন্তু তা শুনানি এবং নিষ্পত্তি করবে না, যদি না ঐ পক্ষ আদালত যেরূপে নির্দিষ্ট এবং নির্দেশ করবে এবং সেরূপে অপরপক্ষকে সর্বোচ্চ তিন হাজার টাকা খরচা দিবে এবং উক্ত খরচা দিতে না পারলে দরখাস্ত তাৎক্ষণিকভাবে বাতিল হয়ে যাবে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908- Section 35B:
1) If at any stage of a suit or proceeding an application or written objection is not filed within the time fixed by the Court, such application or written objection, as the case may be shall not be admitted for hearing without payment by that party of such cost to the other party not exceeding two thousand taka

2) If after filing of written statement, any party to the suit makes an application in respect of any matter which in the opinion of the Court could and ought to have been made earlier and is likely to delay the main proceeding of the suit, the Court may admit but shall not hear and dispose of the application without payment by that party of such cost to the other party not exceeding three thousand taka, as it shall determine and direct, and upon failure to pay the cost, the application shall stand rejected.
১১.
দেওয়ানি মোকদ্দমায় কোনো ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করাকে কী বলা হয়?
  1. Non- Joinder of Parties
  2. Wrong- Joinder of Parties
  3. Mis- Joinder of Parties
  4. All of above
সঠিক উত্তর:
Mis- Joinder of Parties
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Mis- Joinder of Parties
ব্যাখ্যা

⇒মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় পক্ষদের পক্ষভুক্ত না করাকে পক্ষাভাব বা Non-Joinder of parties বলে। অন্যদিকে কোন ভুল ব্যক্তিকে মোকদ্দমায় পক্ষভুক্ত করলে তাকে অপসংযোগ বা Mis-Joinder of Parties বলে।
- পক্ষসমূহের অপসংযোগ বা অসংযোগ সংক্রান্ত যে কোন আপত্তি প্রাপ্ত সম্ভাব্য সুযোগে (at earliest possible opportunity) অথবা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের সময় অথবা পূর্বে উত্থাপন করতে হবে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ১নং আদেশে পক্ষসমূহের অসংযোগ বা অপসংযোগ বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
- অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ পক্ষসমূহ [Non-joinder and mis-joinder of parties]:
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১ বিধি-৯ অনুযায়ী মোকদ্দমার প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষকে মোকদ্দমায় পক্ষ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত না করলে, তাকে পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত [Non-joinder] বলে। প্রয়োজনীয় বা উপযুক্ত পক্ষ ছাড়া অন্যকোন ব্যক্তি যার প্রয়োজন নেই তাকে পক্ষভুক্ত করলে, সেটাকে পক্ষসমূহের অপসংযোগ [Mis joinder] বলে।

- কোন মোকদ্দমায় পক্ষসমূহের অ-সংযুক্ত এবং অপসংযোগ এর কারণে কোন মোকদ্দমা ব্যর্থ হবে না [আদেশ ১, বিধি ৯]।
- ১ নং আদেশের ১০(১) নং বিধিমতে, বাদীর নাম ভুল হলে আদালত অন্য কোন ব্যক্তিকে বাদী হিসেবে স্থলাভিষিক্ত বা সংযোজিত (Add/Substitute) করতে পারে।
১ নং আদেশের ১০(২) নং বিধিমতে, ভুল ব্যক্তির(বাদী বা বিবাদী) নামে মোকদ্দমা হলে বা ভুল ব্যক্তিকে পক্ষভুক্ত করা হলে, আদালত তাকে মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে কর্তন (strike out) বা বাদ দিতে পারে।
অপসংযোগ বা অসংযুক্তের কারণে কোন মোকদ্দমা অচল হবে না অর্থাৎ মামলাটি ব্যর্থ হবে না। তবে কোন মোকদ্দমায় ভ্রান্তভাবে পক্ষভুক্ত করার বিষয়ে কোন আপত্তি উঠানোর পরও,বাদী প্রয়োজনীয় পক্ষভুক্ত না করলে মোকদ্দমাটি খারিজ হবে।

১২.
কত প্রকার দেওয়ানি আদালত আছে?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৭ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
⇒  দেওয়ানি আদালতসমূহের গঠন,এখতিয়ার সম্পর্কে সিভিল কোর্টস এ্যাক্ট,১৮৮৭ এ বর্ণনা করা হয়েছে। অর্থাৎ Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতসমূহ প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।

⇒ The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ৩ অনুযায়ী ৫ প্রকারের দেওয়ানি আদালত আছে।

১. জেলা জজের আদালত (The Court of District Judge)
২. অতিরিক্ত জেলা জজের আদালত (The Court of Additional District Judge)
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালত (The Court of Joint District Judge)
৪. সিনিয়র সহকারী জজের আদালত (The Court of Senior Assistant Judge)
৫. সহকারী জজের আদালত (The Court of Assistant Judge)

⇒ The Civil Court Act, 1887 এর ২০২১ সালের সংশোধনী অনুসারে, দেওয়ানি আদালতে আর্থিক এখতিয়ার-(ধারা-১৮ ও ১৯)
১.সহকারী জজের আদালতে (The Court of Assistant Judge)- ১৫ লক্ষ পর্যন্ত।
২. সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে (The Court of Senior Assistant Judge)- ২৫ লক্ষ পর্যন্ত।
৩. যুগ্ম জেলা জজের আদালতে (The Court of Joint District Judge)-২৫ লক্ষ এর উপরে।
১৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে আদালত মোকদ্দমাটি-
  1. ফেরত পাঠাবে
  2. খারিজ করবে
  3. স্থগিত রাখবে
  4. উভয় পক্ষের সম্মতি নিয়ে বিচার করবে
সঠিক উত্তর:
ফেরত পাঠাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফেরত পাঠাবে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি অনুযায়ী এখতিয়ারবিহীন আদালতে মোকদ্দমা দায়ের করলে,আদালত মোকদ্দমাটি সঠিক আদালতে দায়েরের জন্য ফেরত পাঠাবে।

-দেওয়ানি কার্যবিধির ৭ আদেশের ১০ বিধিতে আরজি ফেরত এবং ৭ আদেশের ১১ বিধিতে আরজি প্রত্যাখ্যান বিষয়ে বিধান উল্লেখ করা হয়েছে। আরজি ফেরত [Return of Plaint] অর্থ হলো এখতিয়ারবিহীন আদালতে আরজি দাখিল করলে, আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে দাখিলের জন্য ফেরত দেয়া।

⇒ আদেশ ৭ বিধি ১০-
যদি এমন কোন আদালতে আরজি দাখিল করা হয় যে আদালতে উক্ত মোকদ্দমার বিচার করার আর্থিক বা আঞ্চলিক এখতিয়ার নেই, তখন এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে আরজিটি দাখিলের জন্য আদালত ফেরত দিতে পারে। মোকদ্দমার যেকোনো পর্যায়ে আদালত আরজি ফেরতের আদেশ দিতে পারে।

⇒ আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে প্রতিকার:
১. বাদী আরজিটি এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে পুনরায় দাখিল করতে পারে বা
২. আরজি ফেরত আদেশের বিরুদ্ধে আপীল দায়ের করতে পারে। কারণ দেওয়ানি কার্যবিধির ৪৩নং আদেশের ১(ক) বিধি অনুযায়ী আরজি ফেরতের সিদ্ধান্ত একটি আপিলযোগ্য আদেশ।
১৪.
'ক' এবং 'খ' দুই ভাই। 'ক' ফেনী এবং 'খ' ঢাকায় বাস করে। যৌথ মালিকানায় তাদের একটি জমি কুমিল্লায় রয়েছে। 'ক', সেই জমিতে তার ভাই 'খ' এর স্বত্ব অস্বীকার করে। এমতাবস্থায় 'খ', কোন আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে?
  1. ঢাকার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  2. কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  3. ফেনীর এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
  4. উপরে উল্লিখিত যেকোনো একটি আদালতে
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১৬ থেকে ১৮ পর্যন্ত স্থাবর সম্পত্তি সম্পর্কিত মোকদ্দমা কোথায় দায়ের করা যায় তা উল্লেখ করা আছে।

⇒ ধারা ১৬ অনুযায়ী- যেখানে মোকদ্দমার বিষয়বস্তু অবস্থিত, সেখানে মোকদ্দমা রুজু করতে হয়। উক্ত ধারায় দেয়া আছে- যে কোন আইনে নির্ধারিত আর্থিক অথবা অন্যান্য সীমাবদ্ধতা সাপেক্ষে,
ক) খাজনা বা মুনাফাসহ বা ব্যতীত স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;
খ) স্থাবর সম্পত্তি বাটোয়ারার জন্য মোকদ্দমা;
গ) স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা;
ঘ) হাবর সম্পত্তিতে অন্য কোন প্রকার স্বত্ব বা অধিকার নির্ণয়ের জন্য মোকদ্দমা;
ঙ) স্থাবর সম্পত্তি অনিষ্টের জন্য ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা;
চ) আটক অথবা ক্রোককৃত অস্থাবর সম্পত্তি উদ্ধারের জন্য মোকদ্দমা;

উপরোল্লিখিত বিষয়ে আনিত মোকদ্দমাসমূহ যে সকল আদালতের স্থানীয় সীমারেখার মধ্যে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি অবস্থিত বা, 'গ' দফায় বর্ণিত (স্থাবর সম্পত্তি বন্ধকের ক্ষেত্রে বা চার্জ সম্পর্কিত দায় পরিশোধ, বিক্রয় অথবা বন্ধক মুক্তির জন্য মোকদ্দমা) মোকদ্দমার ক্ষেত্রে যে স্থানে মোকদ্দমার কারণ পূর্ণভাবে অথবা আংশিকভাবে উদ্ভব হয়েছে সে সমস্ত আদালতেই রুজু করতে হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে 'খ', কুমিল্লার এখতিয়ারভুক্ত কোনো আদালতে তার স্বত্বের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য মোকদ্দমা দায়ের করবে।
১৫.
দেওয়ানি আদালত মোকদ্দমার চূড়ান্ত শুনানীর আগে কোন পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ কয়টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে?
  1. ১ টি
  2. ৩ টি
  3. ৬ টি
  4. ৯ টি
সঠিক উত্তর:
৬ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬ টি
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ১৭ নং আদেশে Adjournment বা মূলতবির বিধান রয়েছে। আদালতে সময়ের প্রার্থনা (Time petition) করাই হলো মুলতবির আবেদন।

দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১৭  বিধি-১ মতে-
- আদালত মোকদ্দমার যে কোন পর্যায়ে (At any stage of the suit) মোকদ্দমার শুনানী মুলতবি রাখতে পারে।
-  চূড়ান্ত শুনানীর আগে (Before Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচ ছাড়া সর্বোচ্চ ৬টি এবং খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি করে মোট ৯টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। অর্থ্যাৎ উভয় পক্ষকে খরচসহ এবং খরচ ছাড়া মোট ১৮টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারেন।
- অন্যদিকে চূড়ান্ত শুনানী পর্যায়ে ( At the Peremptory hearing) আদালত প্রত্যেক পক্ষকে খরচসহ সর্বোচ্চ ৩টি মুলতবি মঞ্জুর করতে পারে। তবে খরচ ছাড়া আদালত কোন মুলতবি মঞ্জুর করেনা।

⇒ মুলতবির খরচ সর্বনিম্ন ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ১০০০ টাকা হতে পারে।
⇒ মুলতবির আবেদন মঞ্জুর করা বা না করা আদালতের বিবেচনামূলক ক্ষমতা।
১৬.
দেওয়ানি আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করার বিধান আছে-
  1. আদেশ-১৮ বিধি-৪
  2. আদেশ-১৮ বিধি-১৭
  3. আদেশ-১৮ বিধি-১২
  4. আদেশ-১৮ বিধি-১৮
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮ বিধি-১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ-১৮ বিধি-১২
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৮ বিধি ১২ অনুযায়ী, কোন সাক্ষী জবানবন্দি প্রদান কালে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে আচরণ লিপিবদ্ধ করতে পারেন।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ১৮নং আদেশের ১২নং বিধিতে সাক্ষীর হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour of witness) সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ সম্পর্কে বলা হয়েছে।
বলা হয়েছে যে, জবানবন্দী প্রদান কালে সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে আদালত গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন। অর্থাৎ যদি কোনো সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়, তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।

⇒ আদেশ ১৮ বিধি ১২-
আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়,এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
[The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.]
১৭.
দেওয়ানী কার্যবিধির বিধান অনুসারে সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হলে কত দিনের লিখিত নোটিশ দিতে হয়?
  1. ১ মাস
  2. ২ মাস
  3. ৪ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
২ মাস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ মাস
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি ৮০ ধারার বিধান নোটিশ (Notice)-
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৮০ ধারা অনুযায়ী লিখিত নোটিশ জারির ২ মাস পর সরকার বা সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে হয়।
- যদি ২ মাসের নোটিশ দিয়ে মামলা করা হয় তাহলে সরকার বা সরকারী কর্মচারীও (বিবাদী হিসেবে) লিখিত জবাবের জন্য ৬০ দিনের বেশি সময় পাবে না,
- কিন্তু উক্ত নোটিশ না দিয়ে মামলা করলে সরকার লিখিত জবাব দাখিলের জন্য অন্যূন ৩ মাস সময় পাবে।

 - সরকারের বিরুদ্ধে (রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত) মামলা করতে হলে সরকারের কোন সচিবের অফিসে অথবা জেলার কালেক্টরের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেলওয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে সরকারের বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে সংশ্লিষ্ট রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজারের অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- কোন সরকারী কর্মচারীর বিরুদ্ধে মামলা করতে হলে তাকে বা তার অফিসে নোটিশ দিতে হবে।
- রেল-সংক্রান্ত বিষয় ব্যতীত অন্য কোন বিষয়ে মামলার নোটিশে মামলার কারণ, বাদীর নাম-ঠিকানা এবং বাদী যে প্রতিকার দাবি করে, তা উল্লেখ করতে হবে; এবং নোটিশ দেওয়া হয়েছে বলে আরজিতে উল্লেখ করতে হবে।
------------------
CPC Saction 80. Notice:
(1) A suit may be instituted against the Government or against a public officer, in respect of any act purporting to be done by such public officer in his official capacity, after the expiration of two months next after notice in writing has been delivered to or left at the office of,- 
 
(b)(i) in the case of a suit against the Government other than a suit relating to the affairs of the Railway, a Secretary to the Government or the Collector of the District; and 
 
(ii) in the case of a suit against the Government relating to the affairs of the Railway, the General Manager of the Railway,
and in the case of a public officer, delivered to him or left at his office stating the cause of action, the name, description of place of residence of the plaintiff and the relief which he claims; and the plaint shall contain a statement that such notice has been so delivered or left. 
 
(2) Where any such suit is instituted without delivering or leaving such notice as aforesaid or before the expiration of the said period of two months or where the plaint does not contain a statement that such notice has been so delivered or left, the plaintiff shall not be entitled to any costs if settlement as regards the subject-matter of the suit is reached or the Government or the public officer concedes the plaintiff's claim, within the period of two months from the date of the institution of the suit: 
 
Provided that in a suit instituted without such notice, the Court shall allow not less than three months to the Government to submit its written statement.
১৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১২ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে না-
  1. মৌখিক ভাবে
  2. আরজি মাধ্যমে
  3. লিখিত জবাবের মাধ্যমে
  4. লিখিত অন্য কোনো উপায়ে
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌখিক ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒দেওয়ানী কার্যবিধির ১২ নং আদেশে স্বীকৃতি (Admission) বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। মোকদ্দমার কোন পক্ষ, অপর পক্ষের দাবির সত্যতা সম্পূর্ণভাবে বা আংশিকভাবে স্বীকার করলে তা আদালতকে ৩ ভাবে জানানো যেতে পারে অর্থাৎ ৩ ভাবে স্বীকৃতি (Admission) হতে পারে। যথা-
i) আরজি বা লিখিত জবাবের মাধ্যমে লিখিত স্বীকৃতি দিয়ে;
ii) সম্মতি দ্বারা স্বীকৃতির মাধ্যমে; এবং
iii) নোটিশ দ্বারা স্বীকৃতি দিয়ে।

অর্থাৎ উল্লিখিত প্রশ্নে দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ-১২ অনুযায়ী স্বীকৃতি (Admission) 'মৌখিক ভাবে' হতে পারে না।

আদেশ ১২ বিধি ১: মোকদ্দমার স্বীকারের নোটিশ- 
মোকদ্দমার যেকোন পক্ষ তার আরজি বা জবাবের মাধ্যমে কিংবা লিখিত অন্য উপায়ে, অন্য কোন পক্ষের মোকদ্দমার সামগ্রিক বা আংশিকভাবে স্বীকার করে বলে নোটিশ প্রদান করতে পারে।

⇒ The Code of Civil Procedure,1908, Order-12 Rule-1: Notice of admission of case:
Any party to a suit may give notice, by his pleading, or otherwise in writing, that he admits the truth of the whole or any part of the case of any other party. 
১৯.
দেওয়ানি আদালত কোন ক্ষেত্রে তার বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না?
  1. বাতিল বা দলিল সংশোধনের ক্ষেত্রে
  2. সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
  3. রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদনের ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা
⇒ বিবেচনামূলক ক্ষমতা বা Discretionary power বলতে আদালতের এমন ক্ষমতাকে বোঝায় যা আদালত তার ইচ্ছা অনুযায়ী প্রয়োগ করতে পারে এবং এই ক্ষেত্রে কোন আদেশ প্রদান করতে আদালত বাধ্য নয়; অর্থাৎ আদালত সন্তুষ্ট হলে কোন আদেশ প্রদান করতে পারে আবার নাও পারে। বিচারকের বিবেচনামূলক ক্ষমতা অবশ্যই আইন ও ন্যায়সঙ্গতভাবে নিজের অধিকারের সীমার মধ্যে থেকে প্রয়োগ করতে হবে। বিবেচনামূলক ক্ষমতা যথেচ্ছা বা খুশিমত ব্যবহার করা যায় না।
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে। যথা-
i) চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন (ধারা-১২);
ii) দলিল সংশোধন, বাতিল, এবং রদ (ধারা ৩১-৩৯);
iii) ঘোষণামূলক ডিক্রি বা ঘোষণামূলক প্রতিকার (ধারা ৪২-৪৩);
iv) রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ (ধারা-৪৪);
v) প্রতিরোধমূলক প্রতিকার (ধারা-৫২); এবং
vi) অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা, চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা বা বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা (ধারা-৫৩ থেকে ৫৫)
 
⇒ যে সকল সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদানের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না। যথা-
i) সুনির্দিষ্ট স্থাবর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার (ধারা-৮); এবং
ii) স্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার (ধারা-৯)।
 
⇒ যেহেতুে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় প্রতিকারগুলো পাওয়া পক্ষগণের অধিকার, তাই ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে না।

⇒ উপরের আলোচনা থেকে বলা যায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৮ ও ৯ ধারার আওতায় স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধার ও অর্পণের ক্ষেত্র ব্যতীত সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের আওতায় অন্যান্য প্রতিকারের ক্ষেত্রে আদালত বিবেচনামূলক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
২০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী চুক্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মোকদ্দমা খারিজ হলে বাদী অবশ্যই বারিত হবে-
  1. ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
  2. ঘোষণামূলক মোকদ্দমা করতে
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
  4. আদেশমূলক নিষেধাজ্ঞার মোকদ্দমা করতে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতিপূরণের মোকদ্দমা করতে
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ২৯ অনুসারে, একটি চুক্তি অথবা তার অংশের সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের মামলা খারিজ হয়ে গেলে তা তেমন চুক্তি বা তার অংশবিশেষ ভঙ্গ করার দায়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বাদী কর্তৃক মামলা দায়ের করার অধিকারে প্রতিবন্ধকতা স্থাপন করবে।
------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-29. Bar of suit for breach after dismissal:
-The dismissal of a suit for specific performance of a contract or part thereof shall bar the plaintiff's right to sue for compensation for the breach of such contract or part, as the case may be.
২১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায় বাদী কী প্রমাণ করতে হবে না?
  1. সম্পত্তিটি বাদীর দখলে ছিল
  2. বাদী ৬ মাসের মধ্যে মামলা করেছে
  3. সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
  4. বিবাদী কর্তৃক বাদীকে বেদখল করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তিতে বাদীর স্বত্ব রয়েছে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারায় দখল পুনরুদ্ধার করতে হলে বাদীকে প্রমাণ করতে হবে নালিশি সম্পত্তি তার দখলে ছিল এবং উক্ত সম্পত্তি হতে তাকে গত ৬ মাসের মধ্যে জোরপূর্বক বা বেআইনিভাবে বেদখল করা হয়েছে।
-এই ধারায় ( স্থাবর সম্পত্তি দখল পুনরুদ্ধার মামলায়) স্বত্ব প্রমাণ বা স্বত্বের প্রশ্ন উত্থাপন করার প্রয়োজন নেই, তথাপিও পক্ষ চাইলে উত্থাপন করতে পারেন।
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৯ ধারার স্থাবর সম্পত্তির দখল পুরুদ্ধার (স্বত্বছাড়া শুধু দখল পুনুরুদ্ধার/মামলা করার সময়সীমা ৬ মাস)।
-------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877- Section-9. Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
 
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.
২২.
রিসিভারের অধিকার, ক্ষমতা, ও দায়িত্ব কোন আইনের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়?
  1. বিশেষ ক্ষমতা আইন
  2. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  3. ফৌজদারি কার্যবিধি
  4. দেওয়ানি কার্যবিধি
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দেওয়ানি কার্যবিধি
ব্যাখ্যা
⇒ আদালত যে ব্যক্তিকে কোন জমি বা ব্যক্তিগত সম্পত্তির ভাড়া, লাভ, খাজনা আদায় করার জন্য নিয়োগ দেন তাকে তত্ত্বাবধায়ক বা রিসিভার বলে।
অর্থাৎ রিসিভার বা তত্ত্বাবধায়ক হচ্ছে আদালত কর্তৃক নিযুক্ত একজন কর্মকর্তা যিনি মোকদ্দমা চলাকালীন বিরোধীয় সম্পত্তির তত্ত্বাবধান করেন।

রিসিভার নিয়োগ আদালতের ইচ্ছাধীন ক্ষমতা বা সুবিবেচনার উপর নির্ভরশীল। মামলা চলাকালীন কিংবা মামলা ডিক্রি হওয়ার পর আদালত রিসিভার নিয়োগ করতে পারেন।

⇒ ১৮৭৭ সালের সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারায় রিসিভার নিয়োগ সংক্রান্ত বিধান রয়েছে। কিন্তু কখন কী প্রয়োজনে আদালত রিসিভার নিয়োগ করবেন বা রিসিভারের দায়িত্ব কর্তব্য বা অধিকার কী হবে ইত্যাদি সম্পর্কে বলা হয়েছে দেওয়ানি কার্যবিধির ৪০ আদেশের ১ থেকে ৫ বিধিতে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪৪ ধারার বিধানতত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ সুবিবেচনামূলক:- প্রক্রিয়াধীন মামলায় তত্ত্বাবধায়ক নিয়োগ আদালতের সম্পূর্ণ ইচ্ছাধীন।
দেওয়ানি কার্যবিধি আইনের রেফারেন্স—তার নিয়োগের ধরন ও ফলাফল এবং তার অধিকার, ক্ষমতা, কর্তব্য এবং দায়দায়িত্ব দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হবে।
--------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-44. Appointment of receivers discretionary. Reference to Code of Civil Procedure.
- The appointment of a receiver pending a suit is a matter resting in the discretion of the Court.
- The mode and effect of his appointment, and his rights, powers, duties and liabilities, are regulated by the Code of Civil Procedure.
২৩.
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কোন পর্যায়ে মঞ্জুর করা যেতে পারে?
  1. মামলার প্রথম শুনানির সময়
  2. মামলার রায়ের পর্যায়ে
  3. মামলার বিচার্য বিষয় গঠনের পর্যায়ে
  4. মামলার যেকোনো পর্যায়ে
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মামলার যেকোনো পর্যায়ে
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৫৩ ধারার বিধান:
অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা হচ্ছে তেমন নিরোধ যা একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত অথবা আদালতের পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত কার্যকর থাকে। মামলার যেকোনো পর্যায়েই তা মঞ্জুর করা যায় এবং তা দেওয়ানি কার্যবিধি কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয়।

চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা:
- চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা কেবল মাত্র শুনানির পর মামলার গুণাগুণের ভিত্তিতে প্রদত্ত ডিক্রি দ্বারাই মঞ্জুর করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতিবাদীকে চিরস্থায়ীভাবে এমন একটি অধিকার প্রয়োগ হতে বা এমন একটি কাজ করা হতে বিরত থাকার নির্দেশ প্রদান করা হয়। যা বাদীর অধিকারের বিপরীত হতে পারে।
----------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-53. Temporary injunctions, Perpetual injunctions:
- Temporary injunctions are such as are to continue until a specified time, or until the further order of the Court. They may be granted at any period of a suit, and are regulated by the Code of Civil Procedure.

- A perpetual injunction can only be granted by the decree made at the hearing and upon the merits of the suit: the defendant is thereby perpetually enjoined from the assertion of a right, or from the commission of an act, which would be contrary to the rights of the plaintiff.
২৪.
'Negative Injunction' এর বিধান সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কত ধারায় আছে?
  1. ৫৫
  2. ৫৬
  3. ৫৭
  4. ৫৪
সঠিক উত্তর:
৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
--------------------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.
২৫.
'ক' কতিপয় সুনির্দিষ্ট সম্পত্তির দখলে আছে। 'খ' দাবি করে যে 'খ' উক্ত সম্পত্তির মালিক এবং এই কারণে 'ক' উক্ত সম্পত্তি 'খ'-কে অর্পণ করা আবশ্যক। এই ক্ষেত্রে 'ক' এর প্রতিকার-
  1. দখল উদ্ধারের মামলা
  2. ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
  3. চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলা
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘোষণামূলক মামলা দায়ের
ব্যাখ্যা
⇒  সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৪২ ধারায় ঘোষণামূলক বিধান রয়েছে । কোন ব্যক্তির আইনগত পরিচয় (Legal Character) কিংবা সম্পত্তিতে তার স্বত্বের অধিকার কেউ যদি অস্বীকার করে, তখন আইনগত পরিচয় বা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী (Person entitled to property) ব্যক্তি তার অধিকার ঘোষণা চেয়ে আদালতে যে মামলা দায়ের করে তাকে ঘোষণামূলক মামলা বা Declaratory Suit বা Suit for Declaration বলে।
- সুতরাং শুধুমাত্র ২টি ক্ষেত্রে অর্থাৎ আইনগত পরিচয় ও সম্পত্তিতে স্বত্বের ক্ষেত্রে আইনগত পরিচয় কিংবা কোন সম্পত্তির স্বত্বের অধিকারী কোন ব্যক্তি ঘোষণামূলক মামলা দায়ের করতে পারে। ঘোষণামূলক মামলায় আদালত ঘোষণা মঞ্জুর করে যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি বা Declaratory Decree বলে।
- অর্থাৎ ৪২ ধারায় আদালত যে ডিক্রি প্রদান করে, তাকে ঘোষণামূলক ডিক্রি (Declaratory Decree ) বলে।

-উল্লিখিত প্রশ্নের ক্ষেত্রে 'A' এর  প্রতিকার হল ঘোষণামূলক মামলা দায়ের।
যেহেতু ক' একটি জমির বৈধ দখলে আছে। 'খ' ঐ সম্পত্তির মালিকনা দাবি করে তার বরাবর দখল হস্তান্তর করতে বললে 'ক' ঐ জমির দখলে থাকার জন্য The Specific Relief Act, 1877 এর ৪২ ধারায় মামলা করতে পারেন। 
২৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে নিচের কোন বক্তব্যটি সঠিক নয়?
  1. আইনটি দণ্ডমূলক ব্যবস্থার জন্য প্রয়োগযোগ্য নয়
  2. আইনটি রেজিস্ট্রেশন আইনকে প্রভাবিত করবে না
  3. আইনটি কোনো সম্মতিকে [agreement] কার্যকরের আওতায় নিয়ে আসতে পারবে না
  4. আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
সঠিক উত্তর:
আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৪ মতে,যদি না এই আইনে কোথাও অন্যরূপে সুস্পষ্টভাবে বিধিবদ্ধ থাকে, তবে এই আইনে কোন কিছুকেই এরূপ গণ্য করা হবে না, যাতে
(ক) চুক্তি নয়, এমন কোন অঙ্গীকারের ব্যাপারে প্রতিকারের কোন অধিকার প্রদান করা হয়;
(খ) কোন ব্যক্তিকে কোন প্রতিকারের অধিকার হতে বঞ্চিত করা হয়, শুধু নির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন ছাড়া, যা সে কোন চুক্তির অধীনে পেতে পারত; অথবা
(গ) দলিলসমূহের উপর রেজিস্ট্রেশন আইনের প্রয়োগকে প্রভাবিত করা হয়।
 
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ধারা ৭ মতে  শুধু দণ্ডমূলক আইন কার্যকর করার উদ্দেশ্যে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার মঞ্জুর করা হয় না।

'আইনটি আর্থিক ক্ষতিপূরণ ছাড়া সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে না'- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন অনুসারে এই বক্তব্যটি সঠিক নয়। 

-যদিও সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৫(ঘ) ধারা অনুযায়ী আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের মাধ্যমে ক্ষতিপূরণমূলক প্রতিকার মঞ্জুর করা যায় কিন্তু সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করা যায় না।
২৭.
ফৌজদারী কার্যবিধি কত তারিখে কার্যকর করা হয়?
  1. ১লা জানুয়ারি ১৮৯৮
  2. ১লা জুলাই ১৮৯৮
  3. ২২ মার্চ ১৯৯৮
  4. ১লা মার্চ ১৯৯৮
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১লা জুলাই ১৮৯৮
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালের আইন। ফৌজদারী কার্যবিধি হলো প্রধানত একটি পদ্ধতিগত আইন। কারণ এই আইনে ফৌজদারী আদালতের গঠন এবং ক্ষমতা থেকে শুরু করে, অভিযোগ দায়ের, আসামী গ্রেফতার, মামলার তদন্ত, মামলা আমলে নেওয়া, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্য গ্রহণ, রায়, রায়ের বিরুদ্ধে আপীল ইত্যাদি সংক্রান্ত সকল নিয়ম বর্ণনা করা হয়েছে। ১৮৬১ সালে সর্ব প্রথম ফৌজদারী কার্যবিধি ব্রিটিশ পার্লামেন্ট কর্তৃক পাস করা হয়। পরবর্তীতে ১৮৭২ এবং ১৮৮২ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি সংস্কার করে, ভারতীয় ম্যাজিস্ট্রেটদের প্রেসিডেন্সি শহরে বিচারিক ক্ষমতা দেয়া হয়। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ সালে পুনরায় সংস্কার করে কার্যকর করা হয়। এই আইনটি ১৮৯৮ সালের পহেলা জুলাই হতে কার্যকর করা হয়।

- অর্থাৎ বর্তমানে প্রচলিত ফৌজদারি কার্যবিধিটি প্রণয়ন করা হয় (পাস/গৃহীত হয়) ১৮৯৮ সালের ২২ মার্চ এবং কার্যকর হয় ১৮৯৮ সালের ১ জুলাই।
২৮.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা রয়েছে?
  1. ১২১ ধারা
  2. ১২৪ ধারা
  3. ১২৭ ধারা
  4. ১২৫ ধারা
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ১২৫ ধারার বিধান: জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের মুচলেকা অকার্যকর করার ক্ষমতা:
-জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাঁহার নিজ জেলায় তাঁর আদালতের উচ্চ নহে এরূপ আদালতের আদেশ কর্তৃক এই অধ্যায়ের বিধানমতে সম্পাদিত শান্তিরক্ষা বা সদাচরণের কোন মুচলেকা যথেষ্ট পরিমাণ হেতু থাকলে তা লিপিবদ্ধ করে যে কোন সময়ে অকার্যকর করতে পারবেন।
--------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 125: Power of District Magistrate to cancel any bond for keeping the peach or good behaviour:
- The District Magistrate may at any time, for sufficient reasons to be recorded in writing, cancel any bond for keeping the peace or for good behaviour executed under this Chapter by order of any Court in his district not superior to his Court.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫ এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার মাধ্যমে কোন বিধানকে প্রভাবিত করা যাবে না?
  1. সংবিধানের ৩৫ অনুচ্ছেদকে
  2. দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
  3. দণ্ডবিধির ১২৩ ধারাকে
  4. ফৌজদারি কার্যবিধির ১৭ ধারাকে
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২৩৫ এর উপধারা (৪) অনুযায়ী, ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার মাধ্যমে দণ্ডবিধির ৭১ ধারার বিধানকে প্রভাবিত করা যাবে না।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ২৩৫ ধারার বিধান:
- একাধিক অপরাধের বিচার:
(১) পর পর সংঘটিত কতকগুলি কার্যাদি পরম্পরের সাথে এরূপ সম্পর্কযুক্ত হয় যে, কার্যগুলি একটিমাত্র ব্যাপারের সামিল এবং একই ব্যক্তি উক্ত ব্যাপারে একাধিক অপরাধ করে থাকে তাহলে এরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে একটি মাত্র মামলায় বিচার করা যাবে।
- দুইটি সংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত অপরাধ:
(২) তর্কিত কার্যগুলি যদি এমন একটি অপরাধ গঠন করে যা বর্তমানে বলবৎ যে, আইনের দ্বারা অপরাধের সংজ্ঞা ও দণ্ড দেয়া। সেই আইনের দুই বা ততোধিক পৃথক ংজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত হয়, তাহলে উক্ত অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্তরূপ প্রত্যেকটি অপরাধের জন্য অভিযোগ গঠন করা যাবে এবং একই মামলায় বিচার করা যাবে।
- যে কার্যের দ্বারা একটি অপরাধ হয় কিন্তু একত্রিত হলে ভিন্ন অপরাধ হয়:
(৩) কতকগুলি কার্যের মধ্যে একটি কার্য যদি এককভাবে বা একাধিক কার্যাদি একত্রে একটি অপরাধ গঠন করে এবং সমস্ত কার্যগুলি সম্মিলিতভাবে একটি পৃথক অপরাধ গঠন করে তাহলে উক্ত অপরাধসমূহে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে উক্ত কার্যসমূহের সম্মিলিত অপরাধ বা একটি কার্যের একক অপরাধ বা একাধিক কার্যের একত্রি অপরাধের জন্য অভিযোগ প্রণয়ন করা যাবে এবং একই মামলায় তার বিচার করা যাবে।
(৪) এই ধারায় এমন কিছু নাই যা দণ্ডবিধির ৭১ ধারাকে প্রভাবিত করবে।
--------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 235:
-Trial for more than one offence:

(1) If, in one series of acts so connected together as to form the same transaction, more offences than one are committed by the same person, he may be charged with, and tried at one trial for, every such offence.
-Offence falling within two definitions
(2) If the acts alleged constitute an offence falling within two or more separate definitions of any law in force for the time being by which offences are defined or punished, the person accused of them may be charged with, and tried at one trial for, each of such offences.
-Acts constituting one offence, but constituting when combined a different offence
(3) If several acts, of which one or more than one would by itself or themselves constitute an offence, constitute when combined a different offence, the person accused of them may be charged with, and tried at one trial for, the offence constituted by such acts when combined, and for any offence constituted by anyone, or more, of such acts. 
(4) Nothing contained in this section shall affect the Penal Code, section 71.
৩০.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী দায়রা আদালতে কয় শ্রেণীর বিচারক থাকে?
  1. ৫ শ্রেণীর
  2. ৪ শ্রেণীর
  3. ৩ শ্রেণীর
  4. ২ শ্রেণীর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণীর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ শ্রেণীর
ব্যাখ্যা
⇒ দায়রা আদালতের শ্রেণীবিভাগ:
ফৌজদারি কার্যবিধির ৯ ধারামতে দায়রা আদালতে তিন ধরণের বিচারক থাকে। যথা-

ⅰ) দায়রা জজ (Sessions Judge);
ii) অতিরিক্ত দায়রা জজ (Additional Sessions Judge);
iii) যুগ্ম দায়রা জজ (Joint Sessions Judge)।
অর্থাৎ দায়রা আদালতে তিনটি স্তরের বিচারক থাকতে পারে।

-ধারা-৯(৩ক): দায়রা আদালতের বিচারক নিয়োগ- সংবিধানের ১১৫ এবং ১৩৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি দ্বারা প্রনীত বিধি সাপেক্ষে দায়রা আদালতের বিচারকগণকে অর্থাৎ দায়রা জজ, অতিরিক্ত দায়রা জজ ও যুগ্ম দায়রা জজকে জুডিশিয়াল সার্ভিসের সদস্যদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেয়া হয়।
-------------------------------------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section 9: Court of Sessions:
-(1) The Government shall establish a Court of Session for every sessions division, and appoint a judge of such Court ; and the Court of Session for  Metropolitan Area shall be called the Metropolitan Court of Session.] 
(2) The Government may, by general or special order in the official Gazette, direct at what place or places the Court of Session shall hold its sitting; but, until such order is made, the Courts of Session shall hold their sittings as heretofore. 
(3) The Government may also appoint Additional Sessions Judges and Assistant Sessions Judges to exercise jurisdiction in one or more such Courts. 
 (3A) The members of the Bangladesh Judicial Service shall be appointed as Sessions Judge, Additional Sessions Judge and Joint Sessions Judge in accordance with the rules framed by the President under the proviso to Article 133 of the constitution to exercise jurisdiction in one or more of such areas.] 
(4) A Sessions Judge of one sessions division may be appointed by the Government to be also an Additional Sessions Judge of another division, and in such case he may sit for the disposal of cases at such place or places in either division as the Government may direct. 
(5) All Courts of Session existing when this Code comes into force shall be deemed to have been established under this Act.
৩১.
ফৌজদারি কার্যবিধির কত ধারায় "Trial in absentia" এর বিধান রয়েছে?
  1. ৩৩৯(ক)
  2. ৩৩৯(খ)
  3. ৩৩৯(গ)
  4. ৩৩৯(ঘ)
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩৩৯(খ)
ব্যাখ্যা
⇒ ''Trial in absentia'' অর্থ অনুপস্থিতিতে বিচার।গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর যদি কোন অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা না যায় বা সে স্বেচ্ছায় হাজির না হয়,তবে তার বিচারের জন্য ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯(খ) ধারায় উল্লিখিত বিচার সংক্রান্ত বিধান অনুসরণ করতে হবে।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৩৯-খ  ধারার বিধান আসামীর অনুপস্থিতিতে বিচার:
(১) যেক্ষেত্রে ৮৭ ও ৮৮ ধারার বিধান পালন করার পর আদালতের বিশ্বাস করার কারণ থাকে যে, আসামীকে যাতে গ্রেফতার ও বিচারে সোপর্দ করা না হয় সেজন্য সে পলায়ন করেছে বা আত্মগোপন করেছে এবং তাকে গ্রেফতার করার আশু সম্ভাবনা নাই, সেক্ষেত্রে নালিশী অপরাধ আমলে গ্রহণকারী আদালত বহুল প্রচারিত কমপক্ষে দুইটি বাংলা দৈনিক সংবাদপত্রে প্রকাশিত আদেশ দ্বারা উক্ত ব্যক্তিকে আদেশে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই আদালতে হাজির হবার নির্দেশ দিবেন এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি উক্ত নির্দেশে ব্যর্থ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার বিচার অনুষ্ঠিত হবে।

(২) আসামীকে হাজির করার পর কিংবা আসামী হাজির হবার পর অথবা জামিনে মুক্ত হবার পর যেক্ষেত্রে আসামী পলায়ন করে কিংবা হাজির হতে ব্যর্থ হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারায় বর্ণিত পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে না এবং নালিশী অপরাধের জন্য এরূপ ব্যক্তির বিচার করতে উপযুক্ত আদালত এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করে তার অনুপস্থিতিতেই এরূপ ব্যক্তির বিচার করবেন।
----------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 339B: Trial in absentia:
(1) Where after the compliance with the requirements of section 87 and section 88, the Court has reason to believe that an accused person has absconded or concealing himself so that he cannot be arrested and produced for trial and there is no immediate prospect of arresting him, the Court taking cognizance of the offence complained of shall, by order published in at least two national daily Bengali Newspapers having wide circulation, direct such person to appear before it within such period as may be specified in the order, and if such person fails to comply with such direction, he shall be tried in his absence.
 
(2) Where in a case after the production or appearance of an accused before the Court or his release on bail, the accused person absconds or fails to appear, the procedure as laid down in sub-section (1) shall not apply and the Court competent to try such person for the offence complained of shall, recording its decision so to do, try such person in his absence.
৩২.
ফৌজদারি কার্যবিধির অনুযায়ী সরকার কর্তৃক প্রকাশনা (সংবাদপত্র/পুস্তক/দলিল) বাজেয়াপ্তির আদেশ বাতিলের জন্য কার নিকট আবেদন করতে হবে?
  1. জেলা জজ আদলত
  2. দায়রা জজ আদলত
  3. হাইকোর্ট বিভাগ
  4. এটর্নী জেনারেল
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইকোর্ট বিভাগ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৯খ ধারার বিধান: ৯৯ক ধারামতে বাজয়াপ্তকরণের ঘোষণা করা হয়েছে যে সংবাদপত্র, পুস্তক বা অন্য দলিল সম্পর্কে, তাতে স্বার্থ সম্পন্ন যে কোন ব্যক্তি সরকারী আদেশের ঐরূপ আদেশ প্রকাশিত হওয়ার তারিখের ২(দুই) মাসের মধ্যে ঐ আদেশ বাতিলের জন্য হাইকোর্ট ডিভিশনে দরখাস্ত পেশ করতে পারেন এই কারণ দর্শিয়ে যে, সংবাদপত্রের ঐ খন্ডে বা পুস্তকে বা অন্য কোন দলিলে, যার সম্পর্কে ঐ আদেশ করা হয়েছে, ৯৯ক ধারার উপধারা (১) এ বর্ণিত কোন বিষয়বস্তু বিধৃত ছিল না।
--------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898 Section: 99B. Application to High Court Division to set aside order of forfeiture:
-Any person having any interest in any newspaper, book or other document, in respect of which an order of forfeiture has been made under section 99A, may, within two months from the date of such order, apply to the High Court Division to set aside such order on the ground that the issue of the newspaper, or the book or other document, in respect of which the order was made, did not contain 121[any such matter, word or visible representation,] as is referred to in sub-section (1) of section 99A.
৩৩.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী কোন আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে?
  1. দায়রা জজ আদালত
  2. চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
  3. ক্ষমতাবান মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত
  4. উল্লিখিত সকল আদালত
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায়রা জজ আদালত
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত প্রশ্ন অনুসারে ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারা অনুযায়ী দায়রা জজ আদালত নিম্ন আদালতের নথি তলব করতে পারে।

⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৩৫ ধারার বিধান নিম্ন আদালতের নথি তলবের ক্ষমতা:
ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৩৫ (১) ধারায় হাইকোর্ট বিভাগ এবং দায়রা জজ অধীনস্থ কোন ফৌজদারী আদালতের কোনো মামলার নথি তলব করতে পারে বা মামলার কোন কার্যক্রম পরীক্ষা করতে পারে। অধীনস্থ আদালত কর্তৃক প্রদত্ত বা লিপিবদ্ধকৃত কোন দণ্ড বা আদেশের নির্ভুলতা, বৈধতা বা যৌক্তিকতা সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে; বা অধীনস্থ আদালতের মামলার কার্যক্রম রীতিসম্মত কিনা সে সম্পর্কে সন্তুষ্ট হতে উক্ত নথি পর্যালোচনা থাকাকালীন সময়ের জন্য হাইকোর্ট বিভাগ বা দায়রা কোনো দণ্ড কার্যকর করা স্থগিতের আদেশ দিতে পারে; এবং যদি অভিযুক্ত আটক থাকে, তাহলে তাকে জামিনে মুক্তি দিতে পারে বা আসামীর নিজ মুচলেকায় জামিন দিতে পারে।

[চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা সরকার কর্তৃক এ সম্পর্কে ক্ষমতাবান মহকুমা ম্যাজিষ্ট্রেট শব্দ গুলো Section 83(a) of the Code of Criminal Procedure (Amendment) Act, 2009 দ্বারা বাতিল করা হয়।]
----------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section- 435 Power to call for records of inferior Courts-
(1) The High Court Division or any Sessions Judge, may call for and examine the record of any proceeding before any inferior Criminal Court situate within the local limits of its or his jurisdiction for the purpose of satisfying itself or himself as to the correctness, legality or propriety of any finding, sentence or order recorded or passed, and as to the regularity of any proceedings of such inferior Court and may, when calling for such record, direct that the execution of any sentence be suspended and, if the accused is in confinement, that he be released on bail or on his own bond pending the examination of the record. 
Explanation-All Magistrates, whether Executive or Judicial,] shall be deemed to be inferior to the Sessions Judge for the purposes of this sub-section
 
[The words and comma “Chief Metropolitan Magistrate or District Magistrate, or any Sub-divisional Magistrate empowered by Government in this behalf” were omitted by section 83(a) of the Code of Criminal Procedure (Amendment) Act, 2009 (Act No. XXXII of 2009) (with effect from 1st November, 2007).]
৩৪.
ফৌজদারি আপিল বা রিভিশন আদালত কোন ক্ষেত্রে নতুন করে অভিযোগ গঠণের আদেশ দিতে পারে?
  1. অভিযুক্তপক্ষ আবেদন করলে
  2. নালিশকারী আবেদন করলে
  3. ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
  4. অভিযোগ প্রমাণ না হলে
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচার ব্যাহত হলে
ব্যাখ্যা
⇒ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৩৫ ধারার বিধান অভিযোগ তৈরী না করার ফলাফল দেয়া হয়েছে-

-(১) অভিযোগ প্রণীত হয়নি শুধুমাত্র এ কারণে ঘোষিত বা প্রদত্ত কোন অভিমত বা দণ্ডাদেশ অবৈধ মর্মে আখ্যায়িত করা হবে না, যদি না আপীল বা রিভিশন আদালত মনে করেন যে, এর ফলে প্রকৃতপক্ষে ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে।

(২) আপিল বা রিভিশন আদালত যদি মনে করেন যে, অভিযোগ তৈরী না করায় ন্যায়বিচার ব্যাহত হয়েছে, তাহলে অভিযোগ প্রণয়ন করার এবং অভিযোগ প্রণয়নের পর থেকে তাৎক্ষনিক পুনরায় বিচার শুরুর আদেশ দিবেন।

Section 535- Effect of omission to prepare charge
(1) No finding or sentence pronounced or passed shall be deemed invalid merely on the ground that no charge was framed, unless, in the opinion of the Court of appeal or revision, a failure of justice has in fact been occasioned thereby. 

(2) If the Court of appeal or revision thinks that a failure of justice has been occasioned by an omission to frame a charge, it shall order that a charge be framed, and that the trial be recommenced from the point immediately after the framing of the charge.
৩৫.
ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারা অনুসারে বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে কোন কার্যক্রমের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন?
  1. দণ্ড কার্যকর
  2. রিভিউ
  3. রিভিশন
  4. আপিল
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৭১ অনুসারে, বিচারক রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিকে আপিলের সময়সীমা সম্পর্কে অবহিত করবেন।
-অর্থাৎ কত দিনের মধ্যে আপিল করতে পারবে তা জানাবেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৭১ ধারার বিধান: আসামীর আবেদনে রায় প্রভৃতির অনুলিপি তাহাকে দিতে হইবে:
(১) আসামী আবেদন করলে রায়ের একটি নকল অথবা সে ইচ্ছা করলে ও সম্ভব হলে তার নিজের ভাষায় বা আদালতের ভাষায় উহার একটি অনুবাদ তাকে অবিলম্বে দিতে হবে। ২০ অধ্যায়ের মামলা ব্যতিত অন্য যেকোন মামলায় এরূপ নকল বিনা মূল্যে দিতে হবে।

-মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তির বিষয়:
(৩) যখন কোন দায়রা জজ কোন আসামীকে মৃত্যু দণ্ডাদেশ প্রদান করেন, তখন উক্ত দায়রা জজ তাকে আরও জানাইবেন যে সে আপীল করতে চাইলে কতদিনে মধ্যে আপীল করতে পারবে।
---------------
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section-371.
- Copy of judgment, etc., to be given to accused on application:
(1) On the application of the accused a copy of the judgment, or when he so desires, a translation in his own language, if practicable, or in the language of the Court, shall be given to him without delay. Such copy shall, in any case other than a 402[case under Chapter XX], be given free of cost. 

-Case of person sentenced to death:
(3) When the accused is sentenced to death by a Sessions Judge, such Judge shall further inform him of the period within which, if he wishes to appeal, his appeal should be preferred.
৩৬.
ফৌজদারি কার্যবিধির কোন ধারায় বলা আছে 'প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না'?
  1. ৪৯৬ ধারায়
  2. ৪৯৮ ধারায়
  3. ৫০১ ধারায়
  4. ৫০৫ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৯৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
ফৌজদারি কার্যবিধির ৪৯৮ ধারার বিধান- জামিন মঞ্জুর করার এবং অর্থের পরিমাণ হ্রাস করার ক্ষমতা:
(১) এই অধ্যায়ের অধীন সম্পাদিত প্রত্যেকটি বণ্ডের অর্থের পরিমাণ মামলার পরিস্থিতি বিবেচনাপূর্বক নির্ধারণ করতে হবে এবং তা অত্যধিক হবে না, এবং দণ্ডের পর আপীল থাকুক আর না থাকুক, হাইকোর্ট ডিভিশন বা দায়রা আদালত যেকোন ক্ষেত্রে যেকোন ব্যক্তিকে জামিন মঞ্জুর করার বা পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক দাবীকৃত জামিন হ্রাস করার নির্দেশ প্রদান করতে পারবেন।
--------------- 
⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898,Section 498: Power to direct admission to bail or reduction of bail:
The amount of every bond executed under this Chapter shall be fixed with due regard to the circumstances of the case, and shall not be excessive; and the High Court Division or Court of Session may, in any case, whether there be an appeal on conviction or not, direct that any person be admitted to bail, or that the bail required by a police-officer or Magistrate be reduced.
৩৭.
ফৌজদারি কার্যবিধি অনুযায়ী পুলিশী তদন্তে অভিযোগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া না গেলে দাখিলকৃত রিপোর্টের প্রচলিত নাম-
  1. চার্জ শিট
  2. ডিসচার্জ রিপোর্ট
  3. রিলিজ রিপোর্ট
  4. ফাইনাল রিপোর্ট
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইনাল রিপোর্ট
ব্যাখ্যা
⇒ পুলিশ রিপোর্ট: পুলিশ অফিসার বা মামলার তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত শেষে আদালতের নিকট যে প্রতিবেদন পেশ করে, তাকেই পুলিশ রিপোর্ট বলে।
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ১৭৩ এ পুলিশ রিপোর্ট সম্পর্কে বিধান রয়েছে।

-সাধারণত পুলিশ রিপোর্ট ২ প্রকার-
১. Charge Sheet ( অভিযোগ পত্র): প্রাথমিক তদন্ত শেষে সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Charge Sheet বলে এবং ম্যাজিস্ট্রেট এর ভিত্তিতে মামলায় অগ্রসর হন।

২. Final Report (চূড়ান্ত প্রতিবেদন): প্রাথমিক তদন্ত শেষে অভিযোগের সত্যতা/প্রমাণ খুঁজে পাওয়া না গেলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দিয়ে যে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়, তাকেই Final Report বলে এবং এর উপর ভিত্তি করে ম্যাজিস্ট্রেট অভিযুক্তকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি [Discharge] দেন।
৩৮.
দণ্ডবিধির ১১ ধারায় 'ব্যক্তি' বলতে কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. স্বতন্ত্র ব্যক্তি
  2. সমিতি
  3. আদালত
  4. কোম্পানি
সঠিক উত্তর:
আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২য় অধ্যায়ের ৬ থেকে ৫২ক ধারার সাধারণ ব্যাখ্যা (General Explanation) অংশে দণ্ডবিধিতে ব্যবহৃত কতিপয় শব্দের সংজ্ঞা রয়েছে।

-ব্যক্তি (Person)- দণ্ডবিধির ১১ ধারায় ব্যক্তির সংজ্ঞা রয়েছে। ১১ ধারার বিধান অনুযায়ী ব্যক্তি বা Person বলতে যে কোন কোম্পানী বা সমিতি (Association) অথবা ব্যক্তি সমষ্টিকে (সমিতিভুক্ত হোক বা না হোক) বুঝাবে।
-----------------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 11. The word “person” includes any Company or Association, or body of persons, whether incorporated or not.
৩৯.
'ক' একজন সরকারি কর্মচারী এবং 'খ' তার স্ত্রী। স্বামীকে প্রভাবিত করে চাকুরির সংস্থান করে দেয়ার উদ্দেশ্যে 'খ' এক লোকের নিকট হতে একটি উপহার গ্রহণ করেন এবং 'ক' তার স্ত্রীর কার্যে সহায়তা করেন। দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে-
  1. ৬ মাস
  2. ১ বছর
  3. ২ বছর
  4. ৩ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৬৩ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগের জন্য পারিতোষিক গ্রহণ:- কোন ব্যক্তি যদি সরকারী কর্মচারীর উপর তার ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগ করে উক্ত সরকারী কর্মচারীকে দিয়ে কোন সরকারী কাজ করানোর বা করা হতে বিরত রাখার উদ্দেশ্যে বা পুরস্কার হিসাবে, অথবা সরকারী দায়িত্ব পালনকালে কোন ব্যক্তিকে অনুগ্রহ প্রদর্শন বা নিগ্রহ প্রদর্শন করানোর বা করা হতে বিরত রাখার জন্য, অথবা বাংলাদেশের সরকার বা আইনসভা দ্বারা কিংবা কোন সরকারী কর্মচারী দ্বারা কোন উপকার বা অপকার করানোর জন্য বা তা করানোর চেষ্টায় নিজের বা অপর কোন ব্যক্তির জন্য কারো নিকট থেকে কোনরূপ পারিতোষিক গ্রহণ করে, বা লাভ করে, বা গ্রহণ করতে সম্মত হয়, বা লাভ করতে চেষ্টা করে, তবে সে ব্যক্তি এক বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থদণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবে।

উল্লিখিত প্রশ্নে  দণ্ডবিধি অনুসারে 'খ' এর সর্বোচ্চ কারাদণ্ড হবে ১ বছর।


⇒ দণ্ডবিধির ১৬৪ ধারার বিধান সরকারী কর্মচারী দ্বারা ১৬২ বা ১৬৩ ধারায় বর্ণিত অপরাধগুলো সংঘটনে সহায়তা করার সাজা:- যে সরকারী কর্মচারীকে জড়িত করে উপরে উল্লেখিত সর্বশেষ দুইটি ধারায় বর্ণিত অপরাধসমূহের কোনটি অনুষ্ঠিত হয়, সে সরকারী কর্মচারী যদি সে অপরাধ সংঘটনে সহায়তা করেন, তবে তিনি তিন বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে অথবা অর্থ দণ্ডে অথবা উভয়বিধ দণ্ডেই দণ্ডিত হবেন।

⇒ অর্থাৎ ১৬৩ ধারায় সরকারী কর্মচারীর উপর ব্যক্তিগত প্রভাব প্রয়োগকারী ব্যক্তি এবং ১৬৪ ধারায় সরকারী কর্মচারী দণ্ডিত হবেন।
৪০.
দণ্ডবিধি অনুসারে নিচের কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে না?
  1. মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
  2. শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে
  3. জীবন্ত শিশু যার বয়স ৩ দিনের কম
  4. জীবিত শিশু যার কোন অংশ প্রসূত হয়ে থাকে কিন্তু কান্না করেনাই
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মাতৃগর্ভস্থ শিশুর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার বিধান শাস্তিযোগ্য নরহত্যা (Culpable homicide):- কোন ব্যক্তি যদি মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজ কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে দৈহিক জখম মৃত্যু ঘটাতে পারে, তেমন দৈহিক জখম ঘটাবার উদেশ্য নিয়ে কৃত কোন কাজের সংঘটন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, অথবা যে কাজ মৃত্যু ঘটাতে পারে বলে সে জানে, সে কাজ সম্পাদন কর্তৃক মৃত্যু ঘটায়, তবে সেই ব্যক্তি শাস্তিযোগ্য নরহত্যার দোষে দোষী হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ১:- যে ব্যক্তি অসুস্থতা, রোগ বা দৈহিক অপারগতায় ভুগতেছে, তার দৈহিক জখম করে মৃত্যু ত্বরান্বিত করলে তার মৃত্যু ঘটাবার অপরাধ হয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ২:- যখন দৈহিক আঘাত বা জখমের কারণে মৃত্যু ঘটে, তখন যে ব্যক্তি অনুরূপ দৈহিক আঘাত বা জখম ঘটায়, সে ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে বলে বিবেচনা করা হবে, যদিও যথোচিত প্রতিকারের ও সুনিপুণ চিকিৎসার ফলে সে মৃত্যু রোধ করা যেত।

⇒ ব্যাখ্যা (Explanation) ৩:- মাতৃগর্ভে কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো নরহত্যা নয়। কিন্তু যদি কোন শিশুর (দেহের) কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হয়, তবে তা শাস্তিযোগ্য নরহত্যা বলে পরিগণিত হবে, যদিও শিশুটি শ্বাসপ্রশ্বাস গ্রহণ না করে থাকে অথবা সম্পূর্ণরূপে ভুমিষ্ঠ না হয়ে থাকে।

⇒ দণ্ডবিধির ২৯৯ ধারার ব্যাখ্যা-৩ মতে মাতৃগর্ভস্থ কোন শিশুর মৃত্যু ঘটানো খুন বা নিন্দনীয় নরহত্যা কোনটাই হবে না। তবে মাতৃগর্ভস্থ শিশুটি সম্পূর্ণরূপে জন্মগ্রহণ না করেও শিশুটির দেহের কোন অংশ নিষ্ক্রান্ত করার পর জীবিত শিশুটির মৃত্যু ঘটানো হলে তা নিন্দনীয় নরহত্যা বলে বিবেচিত হবে।
------------
⇒  Section 299. Culpable homicide
 Whoever causes death by doing an act with the intention of causing death, or with the intention of causing such bodily injury as is likely to cause death, or with the knowledge that he is likely by such act to cause death, commits the offence of culpable homicide. 
 
⇒  Illustrations 
(a) A lays sticks and turf over a pit, with the intention of thereby causing death, or with the knowledge that death is likely to be thereby caused. Z, believing the ground to be firm, treads on it, falls in and is killed. A has committed the offence of culpable homicide. 
(b) A knows Z to be behind a bush. B does not know it. A, intending to cause, or knowing it to be likely to cause Z's death induces B to fire at the bush. B fires and kills Z. Here B may be guilty of no offence; but A has committed the offence of culpable homicide. 
(c) A, by shooting at a fowl with intent to kill and steal it, kills B, who is behind a bush; A not knowing that he was there. Here, although A was doing an unlawful act, he was not guilty of culpable homicide, as he did not intend to kill B or cause death by doing an act that he knew was likely to cause death. 
 
Explanation 1. A person who causes bodily injury to another who is labouring under a disorder, disease or bodily infirmity, and thereby accelerates the death of that other, shall be deemed to have caused his death. 
 
Explanation 2. Where death is caused by bodily injury, the person who causes such bodily injury shall be deemed to have caused the death, although by resorting to proper remedies and skilful treatment the death might have been prevented. 
 
Explanation 3. The causing of the death of a child in the mother's womb is not homicide. But it may amount to culpable homicide to cause the death of a living child, if any part of that child has been brought forth, though the child may not have breathed or been completely born.
৪১.
দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারা অনুযায়ী অপরাধের জন্য সর্বাধিক কত বছরের কারাদণ্ড হতে পারে?
  1. ৩ বছর
  2. ৫ বছর
  3. ৭ বছর
  4. ১০ বছর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ বছর
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৭২ ধারার বিধান:- বেশ্যাবৃত্তি ইত্যাদির উদ্দেশ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের বিক্রয়:
- কোন ব্যক্তি যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন ব্যক্তিকে বিক্রয় করে, ভাড়া দেয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করে এই উদ্দেশ্যে যে অথবা এটা জানা সত্ত্বেও যে, অনুরূপ ব্যক্তিকে কোন বিশেষ বয়সে বেশ্যাবৃত্তিতে বা অপর কোন ব্যক্তির সাথে অবৈধ সহবাসে কিংবা কোন বেআইনী ও নীতিবিগর্হিত কাজে ব্যবহৃত বা নিয়োজিত করা হবে, তবে সে ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা-১:- যদি আঠারো বৎসরের নিম্নবয়স্ক কোন নারীকে কোন বেশ্যার কাছে অথবা এমন কোন ব্যক্তি, যে কোন পতিতালয় রাখে বা পরিচালনা করে, তার কাছে বিক্রয় করা হয় বা ভাড়া দেওয়া হয় বা অপর কোনভাবে বিলিব্যবস্থা করা হয়, তবে যে পর্যন্ত না বিপরীত প্রমাণিত হয় -সে পর্যন্ত যে ব্যক্তি অনুরূপ নারীর বিলিব্যবস্থা করেছে। সে ব্যক্তি যাতে সে নারী পতিতাবৃত্তিতে ব্যবহৃত হয় সে উদ্দেশ্যেই তাকে বিলিব্যবস্থা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।

- ব্যাখ্যা-২:- এই ধারার উদ্দেশ্যাবলীর দিক হতে “অবৈধ সহবাস” বলতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ নয় এমন ব্যক্তিদের মধ্যে যৌনসঙ্গম বুঝাবে; কিন্তু নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে ইহার ব্যতিক্রম হবে যথাঃ এমন কোন মিলন বা বন্ধন যা ঠিক বিবাহ নয় কিন্তু ব্যক্তিগত আইন অথবা তারা যে সম্প্রদায়ভুক্ত বা যে বিভিন্ন সম্প্রদায়ভুক্ত সে সব সম্প্রদায়ের রীতি অনুসারে বিবাতুল্য সম্পর্ক বলে স্বীকৃত।
---------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section - 372. Selling minor for purposes of prostitution, etc:
-Whoever sells, lets to hire, or otherwise disposes of any person under the age of eighteen years with intent that such person shall at any age be employed or used for the purpose of prostitution of illicit intercourse with any person or for any unlawful and immoral purpose, or knowing it to be likely that such person will at any age be employed or used for any such purpose, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine. Selling minor for purposes on prostitution, etc.

- Explanation I.- When a female under the age of eighteen years is sold, let for hire, or otherwise disposed of to a prostitute or to any person who keeps or manages a brothel, the person so disposing of such female shall, until the contrary is proved, be presumed to have disposed of her with the intent that she shall be used for the purpose of prostitution. 
- Explanation II.- For the purposes of this section "illicit intercourse" means sexual intercourse between person not united by marriage or by any union or tie which, though not amounting to a marriage, is recognized by the personal law or custom of the community to which they belong or, where they belong to different communities, of both such communities, as constituting between them a quasi-marital relation.
৪২.
দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার অধীনে কোন সম্পত্তি চোরাই সম্পত্তি হিসেবে বিবেচিত হয় না?
  1. যেটি চুরি করা হয়েছে
  2. যেটি বৈধ মালিকের দখলে এসেছে
  3. যেটি জোরপূর্বক আদায় করা হয়েছে
  4. যেটি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ করা হয়েছে
সঠিক উত্তর:
যেটি বৈধ মালিকের দখলে এসেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যেটি বৈধ মালিকের দখলে এসেছে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারায় চোরাই মালের সংজ্ঞা রয়েছে। দণ্ডবিধির ৪১০ ধারামতে যে সকল মাল বা সম্পত্তি চোরাই মাল বলে গণ্য হবে তা হল-
ক) চুরির মাধ্যমে অর্জিত সম্পত্তি;
খ) বলপূর্বক গৃহীত সম্পত্তি;
গ) দস্যুতা মূলে হস্তান্তরিত সম্পত্তি; এবং
ঘ) অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎকৃত ও বিশ্বাসভঙ্গের দ্বারা অর্জিত সম্পত্তিকে চোরাই মাল বা Stolen Property বলে।

⇒ উক্ত চোরাই মাল যখন আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী লোকের দখলে আসে, তখন সেগুলো আর চোরাই সম্পত্তি থাকে না।

⇒ দণ্ডবিধির ৪১০ ধারার বিধান চোরাই সম্পত্তি:- চুরি বা জোরপূর্বক আদায় বা দস্যুতার কর্তৃক যে সম্পত্তি হস্তান্তরিত হয়েছে বা যে সম্পত্তি অপরাধমূলকভাবে আত্মসাৎ হয়েছে বা যে সম্পত্তি সম্পর্কে অপরাধমূলক বিশ্বাস ভঙ্গ হয়েছে সে সম্পত্তিকে "চোরাই সম্পত্তি” বলে। অনুরূপ হস্তান্তর অথবা আত্মসাৎ বা বিশ্বাস ভঙ্গ বাংলাদেশের মধ্যে বা বাহিরে যেখানে সাধিত বা সংঘটিত হোক না কেন, সংশ্লিষ্ট সম্পত্তি 'চোরাই সম্পত্তি' বলে উহা আইনানুগভাবে দখলের অধিকারী ব্যক্তির দখলে আসে, তবে আর উহা চোরাই সম্পত্তি থাকে না।
---------------------- 
⇒ The Penal Code, 1860, Section 410: Stolen property:
- Property, the possession whereof has been transferred by theft, or by extortion, or by robbery, and property which has been criminally misappropriated or in respect of which criminal breach of trust has been committed, is designated as "stolen property," whether the transfer has been made, or the misappropriation or breach of trust has been committed, within or without Bangladesh. But, if such property subsequently comes into the possession of a person legally entitled to the possession thereof, it then ceases to be stolen property.
৪৩.
দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী কোন উদ্দেশ্য নিয়ে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করা হয় না?
  1. ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে
  2. অপমান করার উদ্দেশ্যে
  3. অপরাধ সংগঠনের উদ্দেশ্যে
  4. সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারার বিধান অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ:-
-কোন ব্যক্তি যদি অপর কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশ করে এবং কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের বা অনুরূপ সম্পত্তি দখলকারী ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অনুরূপ প্রবেশ করে, অথবা, আইনানুগভাবে অনুরূপ সম্পত্তির মধ্যে বা উপরে প্রবেশের পর বেআইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে এবং অনুরূপ ব্যক্তিকে ভীতি প্রদর্শনের, অপমান করার বা বিরক্ত করার উদ্দেশ্যে অথবা কোন অপরাধ অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্যে অনুরূপ বে-আইনীভাবে সেখানে অবস্থান করে, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ' করেছে বলে পরিগণিত হবে।

⇒ দণ্ডবিধির ৪৪১ ধারা অনুযায়ী উল্লিখিত প্রশ্নের অপশন (ঘ) 'সম্পত্তি বিক্রয়ের উদ্দেশ্য' নিয়ে অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ করা হয় না।
-------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 441: Criminal trespass:-
- Whoever enters into or upon property in the possession of another with intent to commit an offence or to intimidate, insult or annoy any person in possession of such property. or, having lawfully entered into or upon such property, unlawfully remains there with intent thereby to intimidate insult or annoy any such person, or with intent to commit an offence, is said to commit "criminal trespass".
৪৪.
দণ্ডবিধির ৩২০ ধারায় কয় শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে?
সঠিক উত্তর:
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্যাখ্যা
⇒ The Penal Code, 1860 এর ৩২০ ধারা অনুযায়ী ৮ শ্রেণির আঘাতকে গুরুতর আঘাত বলা হয়েছে। যথা:
(i) পুরুষত্বহীনকরণ
(ii) স্থায়ীভাবে চোখের দৃষ্টি রহিতকরণ
(iii) স্থায়ীভাবে কানের শ্রুতিশক্তি রহিতকরণ
(iv) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন
(v) যে কোন অঙ্গ বা গ্রন্থির স্থায়ী ক্ষতিকরণ
(vi) মাথা বা মুখমন্ডলের স্থায়ী বিকৃতি
(vii) হাড় বা দাঁত ভাঙ্গা
(viii) কোন ব্যক্তিকে ২০ পর্যন্ত তীব্র যন্ত্রণা দেয় এমন আঘাত।

⇒ দণ্ডবিধির ৩২০ ধারার বিধান গুরুতর আঘাত:- শুধু নিম্নলিখিত আঘাতসমূহকেই "গুরুতর" বলে পরিগণিত করা যায়:-
প্রথমত, পুরুষত্বহীন করণ।
দ্বিতীয়ত, যেকোন চোখের জ্যোতি বা দৃষ্টিশক্তি চিরতরে নষ্ট করণ।
তৃতীয়ত, যেকোন কর্ণের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করণ।
চতুর্থত, যেকোন অঙ্গ বা গ্রন্থির অনিষ্ট সাধন।
পঞ্চমত, যেকোন অঙ্গের বা গ্রন্থির শক্তিসমূহ ধ্বংস করণ বা চিরতরে খর্ব করণ।
ষষ্ঠত, মাথা বা মুখমণ্ডল স্থায়ীভাবে বিকৃত করণ।
সপ্তম, কোন অস্থি বা দন্ত ভগ্ন বা স্থানচ্যুত করণ।
অষ্টম, এমন কোন আঘাত যা জীবন সংশয় সৃষ্টি করে বা যাতে আহত ব্যক্তি বিশ দিন পর্যন্ত প্রচণ্ড দৈহিক যন্ত্রণা ভোগ করে বা সাধারণ কাজকর্ম করতে অপারগ হয়।
-----------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 320: Grievous hurt:
 The following kinds of hurt only are designated as "grievous":- 
Firstly.-Emasculation. 
Secondly.-Permanent privation of the sight of either eye. 
Thirdly.-Permanent privation of the hearing of either ear. 
Fourthly.-Privation of any member or joint. 
Fifthly.-Destruction or permanent impairing of the powers of any member or joint. 
Sixthly.-Permanent disfiguration of the head or face. 
Seventhly.-Fracture or dislocation of a bone or tooth. 
Eighthly.-Any hurt which endangers life or which causes the sufferer to be during the space of twenty days in severe bodily pain, or unable to follow his ordinary pursuits.
৪৫.
দণ্ডবিধি অনুসারে কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও উক্ত আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. শুধু অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে
  2. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির  ১৯৪ ধারা মতে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য উদ্ভাবনের ২ ধরনের শাস্তি হতে পারে। যথা-
(i) কোন আসামীকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করার জন্য মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়ার পরও অথবা মিথ্যা সাক্ষ্য সৃষ্টি করার পরও উক্ত আসামীর মৃত্যুদন্ড না হলে বা আসামী খালাস পেলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী যাবজ্জীবন কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।

(ii) মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানের ফলে কোন নির্দোষ লোকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলে মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবে।
-----------------------------------
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা :- কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:- যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।ঃ
______________________________________________________
⇒ The Penal Code, 1860, Section 194: Giving or fabricating false evidence with intent to procure conviction of capital offence; if innocent person be thereby convicted and executed
⇒  Whoever gives or fabricates false evidence, intending thereby to cause, or knowing it to be likely that he will thereby cause, any person to be convicted of an offence which is capital by any law for the time being in force, shall be punished with imprisonment for life, or with rigorous imprisonment for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; 
⇒ and if an innocent person be convicted and executed in consequence of such false evidence, the person who gives such false evidence shall be punished either with death or the punishment herein before described.
৪৬.
একজন শৈল্য চিকিৎসক সরল বিশ্বাসে একজন রােগীকে বলেন "আপনি আর বাঁচবেন না, এতে উক্ত রোগী মানসিক আঘাত পেয়ে মারা যায়। এক্ষেত্রে শৈল্য চিকিৎসকের কৃত কাজটি দণ্ডবিধির কত ধারায় বিচারযোগ্য?
  1. দণ্ডবিধির ৯২ ধারার
  2. দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
  3. দণ্ডবিধির ৯৪ ধারার
  4. দণ্ডবিধির ৯৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৯৩ ধারার বিধান সদবিশ্বাসে কৃত যোগাযোগ:
 কোন ব্যক্তির মঙ্গলার্থে আন্তরিক সদিচ্ছাক্রমে কৃত যোগাযোগ বা খবর প্রদান, উক্ত খবর প্রদানের ফলে উক্ত ব্যক্তির কোন প্রকার ক্ষতি হওয়ার দরুণ অপরাধ হবে না।

উদাহরণ:
'ক' একজন সার্জন। তিনি আন্তরিক সদিচ্ছা থেকে জনৈক রোগীকে তার এই মত জানান যে, সে বাঁচবে না। ইহাতে মর্মান্তিক আঘাত প্রাপ্তির ফলে রোগীটির মৃত্যু হয়। 'ক' এর কাজটি অপরাধ বলে পরিগণিত হবে না, যদিও তিনি জানতেন যে, তার এইরূপ মত দেওয়ার ফলে রেগিটির মৃত্যু ঘটতে পারে।
------------------------------------
-The Penal Code, 1860, Section 93: Communication made in good faith:
- No communication made in good faith is an offence by reason of any harm to the person to whom it is made, if it is made for the benefit of that person. 

Illustration:
A, a surgeon, in good faith, communicates to a patient his opinion that he cannot live. The patient dies in consequence of the shock. A has committed no offence, though he knew it to be likely that the communication might cause the patient's death.
৪৭.
দণ্ডবিধি অনুযায়ী মুদ্রা জালকরণ (Counterfeiting coin) এর সর্বোচ্চ শাস্তি কী হবে?
  1. অনধিক ৩ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  2. অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. অনধিক ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  4. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনধিক ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৩১ ধারার বিধান: মুদ্রা জাল করণ- কোন ব্যক্তি মুদ্রা জাল করলে অথবা জ্ঞাতসারে মুদ্রা জালকরণ প্রক্রিয়ার অংশ বিশেষ সম্পাদন করলে, সে ব্যক্তি সাত বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবে।

- ব্যাখ্যা:- কোন ব্যক্তি প্রতারণা করার অভিপ্রায়ে, অথবা তার কাজের ফলে প্রতারণা সংঘটিত হবে জানা সত্ত্বেও, কোন খাঁটি মুদ্রাকে দেখতে অপর কোন মুদ্রার মতো করলে, সে অপরাধ করেছে বলে পরিগণিত হবে।
-------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 231- Counterfeiting coin:
Whoever counterfeits or knowingly performs any part of the process of counterfeiting coin, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to seven years, and shall also be liable to fine.

- Explanation.- A person commits this offence who intending to practice deception, or knowing it to be likely that deception will thereby be practiced, causes a genuine coin to appear like a different coin.
৪৮.
দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারা অনুযায়ী 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ' বলতে কী বোঝানো হয়?
  1. জোরপূর্বক কারো সম্পত্তি বিক্রি করা
  2. সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অসাধুভাবে ব্যবহার করা
  3. কোনো সম্পত্তি ব্যবহারের জন্য আইনত অনুমতি প্রাপ্ত হওয়া
  4. কোনো ব্যক্তির প্রতি বিশ্বাস রেখে তার কাছ থেকে ভুল পরামর্শ গ্রহণ করা
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অসাধুভাবে ব্যবহার করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তি আত্মসাৎ করা বা অসাধুভাবে ব্যবহার করা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৪০৫ ধারার বিধান অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গ:-
-কোন ব্যক্তি যদি কোনভাবে কোন সম্পত্তির বা সম্পত্তি পরিচালনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে, অসাধুভাবে সে সম্পত্তি আত্মসাৎ করে বা নিজের ব্যবহারে প্রয়োগ করে, অথবা অনুরূপ দায়িত্ব যেভাবে নির্বাহিত হত বলে বিহিত আইনে নির্দেশ করা হয়েছে, তা খেলাফ করে সে দায়িত্ব নির্বাহ সম্পর্কে সে প্রকাশ্য বা অনুরূপ যে আইনগত চুক্তি করেছে তা খেলাফ করে সে সম্পত্তি অসাধুভাবে ব্যবহার করে, বা বিলি ব্যবস্থা করে অথবা ইচ্ছাপূর্বক অপর কোন ব্যক্তিকে তা করতে দেয়, তবে উক্ত ব্যক্তি 'অপরাধমূলক বিশ্বাসভঙ্গের' অপরাধ করেছে।
--------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 405: Criminal breach of trust:
-Whoever, being in any manner entrusted with property, or with any dominion over property, dishonestly misappropriates or converts to his own use that property, or dishonestly uses or disposes of that property in violation of any direction of law prescribing the mode in which such trust is to be discharged, or of any legal contract, express or implied, which he has made touching the discharge of such trust, or wilfully suffers any other person so to do, commits "criminal breach of trust".
৪৯.
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে সর্বনিম্ন শাস্তি হতে পারে?
  1. ৭ বছরের কারাদণ্ড
  2. ১০ বছরের কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
  4. মৃত্যুদণ্ড
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৃত্যুদণ্ড
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান খুনের উদ্যোগ:- কোন ব্যক্তি যদি এমন উদ্দেশ্য নিয়ে বা এমন আশঙ্কা জানা সত্ত্বেও এমন অবস্থায় এমন কোন কার্য করে, যার ফলে মৃত্যু ঘটলে সে খুনের দায়ে অপরাধী সাব্যস্ত হবে, তবে উক্ত ব্যক্তি দশ বৎসর পর্যন্ত যেকোন মেয়াদের সশ্রম বা বিনাশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে, এবং তদুপরি অর্থ দণ্ডেও দণ্ডিত হবে, এবং যদি অনুরূপ কাজের কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে আঘাত করা হয়, তবে অপরাধী যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা ইতোপূর্বে যে সাজার উলেখ করা হয়েছে, সে দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

⇒ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত ব্যক্তির উদ্যোগ:- যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত কোন ব্যক্তি যদি এই ধারায় উল্লেখিত অপরাধ করে এবং তার ফলে কেউ আহত হয়, তবে উক্ত ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

অর্থাৎ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত আসামী জখমের মাধ্যমে খুনের উদ্যোগ নিলে দণ্ডবিধির ৩০৭ ধারার বিধান মতে একমাত্র বা সর্বনিম্ন শাস্তি মৃত্যুদণ্ড।
--------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 307: Attempt to murder Attempts by life-convicts:
- Whoever does any act with such intention or knowledge, and under such circumstances that, if he by that act caused death, he would be guilty of murder, shall be punished with imprisonment of either description for a term which may extend to ten years, and shall also be liable to fine; and, if hurt is caused to any person by such act, the offender shall be liable either to imprisonment for life, or to such punishment as is hereinbefore mentioned. 
 
⇒ When any person offending under this section is under sentence of imprisonment for life, he may, if hurt is caused, be punished with death.
৫০.
দণ্ডবিধির কত ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে?
  1. ১৭৮
  2. ২৭৮
  3. ২৬৮
  4. ১৫৮
সঠিক উত্তর:
২৬৮
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৬৮
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারায় গণ উৎপাত বা Public nuisance এর সংজ্ঞা রয়েছে। ২৬৮ ধারামতে যদি কোন লোক এমন কোন কাজ করে যার ফলে জনসাধারণের বা নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা বসবাসকারী লোকদের কোন ক্ষতি, বিপদের আশঙ্কা বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়; তাহলে সেই লোক গণ উৎপাত বা Public nuisance করেছে বলে গণ্য হবে।
⇒ দণ্ডবিধির ২৬৮ ধারার বিধান জনসাধারণের উপদ্রব :- যদি কোন এমন কোন কার্য করে বা এমন কোন কার্য করা হতে বেআইনীভাবে বিরত থাকে, যার ফলে জনসাধারণের বা সাধারণভাবে নিকটবর্তী সম্পত্তির মালিক বা অধিবাসী ব্যক্তিদের কোন ক্ষতি হয়, বিপদাশঙ্ক হয় বা বিরক্তির সৃষ্টি হয়, অথবা যার ফলে যেসব ব্যক্তি কোন সাধারণ অধিকার ব্যবহার করতে যাবে, তাদের ক্ষতিসাধন, ব্যাঘাত, বিপদাশঙ্ক বা বিরক্তি সৃষ্টি হবে, সে ব্যক্তি জনসাধারণের বিরক্তি উৎপাদক কাজ সম্পাদনের ফলে অপরাধী সাব্যস্ত হবে।

- কোন মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজ কিছু সুবিধা বা সৌকর্য বিধান করেছে-এই অজুহাতে সে মামুলী বিরক্তি উৎপাদক কাজটি রেহাই পাবে না।
---------------------------------------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 268-Public nuisance:
-A person is guilty of a public nuisance who does any act or is guilty of an illegal omission which causes any common injury, danger or annoyance to the public or to the people in general who dwell or occupy property in the vicinity, or which must necessarily cause injury, obstruction, dangers or annoyance to persons who may have occasion to use any public right.A common nuisance is not excused on the ground that it causes some convenience or advantage.
৫১.
দণ্ডবিধির ৩০১ ধারায় "culpable homicide" বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
  1. আইনত বৈধ হত্যা
  2. আত্মরক্ষার জন্য হত্যা
  3. ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে হত্যা করা
  4. অবৈধভাবে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো
সঠিক উত্তর:
অবৈধভাবে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবৈধভাবে অন্য ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩০১ ধারার বিধান: যার মৃত্যু ঘটাবার উদ্দেশ্য ছিল তাকে ব্যতীত অপর ব্যক্তির মৃত্যু ঘটাইয়া শাস্তি যোগ্য নরহত্যা সংঘটন:-
-কোন ব্যক্তি যদি এমন কোন কার্য করে যা কর্তৃক মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা বা উদ্দেশ্য তার ছিল অথবা যার দরুণ মৃত্যু সংঘটন হতে পারে বলে তার জানা ছিল এবং এই কার্য কর্তৃক সে এমন কোন ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করে শাস্তিযোগ্য নরহত্যা করে, যার মৃত্যু সে কামনা করে নাই বা যার মৃত্যু হতে পারে বলে তার জানা ছিল না, তবে অপরাধী যে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটনের ইচ্ছা করেছিল, কিংবা যে ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে বলে জানত সে ব্যক্তির মৃত্যু সংঘটন করলে তার অপরাধটি যেরূপ হত, এই ক্ষেত্রেও সেরূপ হবে।
-----------
⇒ The Penal Code, 1860, Section 301: Culpable homicide by causing death of person other than person whose death was intended:
-If a person, by doing anything which he intends or knows to be likely to cause death, commits culpable homicide by causing the death of any person, whose death he neither intends nor knows himself to be likely to cause, the culpable homicide committed by the offender is of the description of which it would have been if he had caused the death of the person whose death he intended or knew himself to be likely to cause.
৫২.
Good faith within the meaning of the Penal Code means-
  1. An act in fact, done honestly.
  2. An act done under Bonafede belief.
  3. An act done with due care and attention.
  4. An actual belief that the act done is not contrary to law.
সঠিক উত্তর:
An act done with due care and attention.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
An act done with due care and attention.
ব্যাখ্যা
⇒ “Good faith” Section 52. Nothing is said to be done or believed in "good faith" which is done or believed without due care and attention.

- দণ্ডবিধির ৫২ ধারায় সদবিশ্বাসের সংজ্ঞা রয়েছে- যথাযথ সতর্কতা ও মনোযোগ ব্যতিরেকে সম্পাদিত বা বিশ্বাসকৃত কোন কিছুই 'সদবিশ্বাসে' করা হয়েছে বা বিশ্বাস করা হয়েছে বলে গণ্য হবে না।
- দণ্ডবিধি অনুযায়ী "Good faith" বা "সদ্বিচার" বলতে বোঝানো হয় এমন কোনো কাজ যা যথাযথ যত্ন ও মনোযোগের সঙ্গে সম্পাদিত হয়, অর্থাৎ আইন অনুসারে সঠিকভাবে কাজ করা।
সঠিক উত্তর হবে: খ) An act done with due care and attention.

- এছাড়া তামাদি আইনের ২(৭) ধারায় সদ্ধিশ্বাস বা Good faith এর বিধান রয়েছে।
৫৩.
Which of the following is relevant under Section 8 of the Evidence Act?
  1. Previous convictions of a person
  2. Statements made during the trial
  3. Motive and preparation for a fact in issue or a relevant fact
  4. All of the above
সঠিক উত্তর:
Motive and preparation for a fact in issue or a relevant fact
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Motive and preparation for a fact in issue or a relevant fact
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারার বিধান: উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি এবং পূর্ববর্তী বা পরবর্তী আচরণ (Motive, preparation and previous subsequent conduct): কোন ঘটনা সংঘটনের উদ্দেশ্য, প্রস্তুতি, এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী আচরণ প্রাসঙ্গিক ব্যা বিবেচিত হবে। কারণ ঘটনা পূর্ববর্তী ও পরবর্তী অভিযুক্তের আচরণ ঘটনা প্রমাণে যথেষ্ট ভূমিকা রাখে।

⇒ যে সকল ঘটনা বিচার্য বিষয় বা প্রাসঙ্গিক বিষয়ের অভিপ্রায় (Motive), প্রস্তুতি (Preparation) এবং পূর্ববর্তী ও পরবর্তী কার্য (Previous or Subsequent Conduct) হিসেবে গণ্য হয়, সে সকল ঘটনাকে সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারায় প্রাসঙ্গিক করা হয়েছে।

⇒ সাধারণত অপরাধ প্রমাণের ক্ষেত্রে Motive প্রমাণ করতে হয় না। তবে বাদী যখন Motive দাবী করে ও মামলাটা যদি শুধুমাত্র Circumstantial evidence এর উপর নির্ভর করে তখন Motive প্রমাণ করতে হয়।
----------------
The Evidence Act  1872 Section-8: Motive, preparation and previous or subsequent conduct: 
-Any fact is relevant which shows or constitutes a motive or preparation for any fact in issue or relevant fact. 
-The conduct of any party, or of any agent to any party, to any suit or proceeding, in reference to such suit or proceeding, or in reference to any fact in issue therein or relevant thereto, and the conduct of any person an offence against whom is the subject of any proceeding, is relevant, if such conduct influences or is influenced by any fact, in issue or relevant fact, and whether it was previous subsequent thereto.    

Explanation-1: The word "conduct" in this section does not include statements, unless those statements accompany and explain acts other than statements; but this explanation is not to effect the relevancy of statements under any other section of this Act. 
Explanation-2: When the conduct of any person is relevant, any statement made to him or in his presence and hearing, which affects such conduct, is relevant.
৫৪.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৮টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:
⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ
১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।
২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।
৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।
৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।
৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।
৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।
৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
৫৫.
সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান মতে সকল দেওয়ানী কার্যক্রমে কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী গণ্য হবে-
  1. সাক্ষী সংশ্লিষ্ট
  2. যোগ্য সাক্ষী
  3. অযোগ্য সাক্ষী
  4. অতিরিক্ত সাক্ষী
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগ্য সাক্ষী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২০ ধারার বিধান দেওয়ানী মামলার পক্ষগণ এবং তাদের স্ত্রী বা স্বামী ফৌজদারী মামলার বিচারাধীন ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী:
- সকল দেওয়ানী মামলায় মামলাল পক্ষগণ এবং কোন পক্ষের স্বামী বা স্ত্রী অবশ্যই যোগ্য সাক্ষ্য হবেন। কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলায় সেই ব্যক্তির স্বামী বা স্ত্রী যোগ্য সাক্ষী হইবেন।
-----------------------------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 120: Parties to civil suit, and their wives or husbands Husband or wife of person under criminal trail:
 In all civil proceedings the parties to the suit, and the husband or wife of any party to the suit, shall be competent witnesses. In criminal proceedings against any person, the husband or wife of such person, respectively, shall be a competent witness.
৫৬.
সাক্ষ্য আইনের বিধানমতে স্বীকৃতি কী হিসাবে ব্যবহার করা যায়?
  1. সাক্ষ্য
  2. প্রতিবন্ধকতা
  3. চূড়ান্ত প্রমাণ
  4. উপরের সবগুলো
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রতিবন্ধকতা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৩১ ধারার বিধান: স্বীকৃতি চূড়ান্ত প্রমাণ নয়, কিন্তু প্রতিবন্ধক হতে পারে: 
কোন বিষয়ে স্বীকৃতি সেই বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ নয়। কিন্তু এই আইনে অতঃপর বর্ণিত বিধানসমূহ অনুসারে এগুলি প্রতিবন্ধক হিসেবে কার্যকর হতে পারে।
---------------
⇒The Evidence Act  1872, Section-31: Admissions not conclusive proof, but may stop:
- Admissions are not conclusive proof of the matters admitted but they may operate as estoppels under the provisions hereinafter contained.
৫৭.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ বিধান আছে?
  1. ৭৩ক ধারায়
  2. ৭৩খ ধারায়
  3. ৬৫ক ধারায়
  4. ৬৭ক ধারায়
সঠিক উত্তর:
৭৩ক ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭৩ক ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-
(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,
(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।
-------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section-73A. Proof as to verification of digital signature:
- In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-
(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;
(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৫৮.
Execution of a 30 years old document may be presumed to be correct , if it is-
  1. Produced from a Lawyer
  2. Produced from a witness
  3. Produced from any custody
  4. Produced from a proper custody
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান:
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

⇒ ব্যাখ্যা: দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

অর্থাৎ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।
-------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 90. Presumption as to documents thirty years old:
Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 

⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 
⇒ This explanation applies also to section 81.
৫৯.
সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে নিচের কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন?
  1. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  2. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।
⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে, অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
৬০.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারার 'ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক' এর বিধান রয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৪৫ক ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৪৬ক ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪৭ক ধারার বিধান: ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে মতামত যেখানে প্রাসঙ্গিক- যখন আদালতকে কোনও ব্যক্তির ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত তৈরি করতে হয়, তখন ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত একটি প্রাসঙ্গিক ঘটনা।
⇒ ডিজিটাল স্বাক্ষর সম্পর্কে অভিমত প্রয়োজন হলে উক্ত স্বাক্ষরের সনদ জারি করা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষের মতামত প্রাসঙ্গিক হবে।
-----------
⇒The Evidence Act  1872, Section 47A. Opinion as to digital signature where relevant:
 - When the Court has to form an opinion as to the digital signature of any person, the opinion of the Certifying Authority which has issued the Digital Signature Certificate is a relevant fact.
৬১.
কখন নিজের সাক্ষীকে বৈরী (Hostile witness) ঘোষণা করা হয়?
  1. অসুস্থ হলে
  2. বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে
  3. সাক্ষী হাজির না হলে
  4. উপস্থাপনকারীর পক্ষে সাক্ষ্য দিলে
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিপক্ষে সাক্ষ্য দিলে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারায় সুস্পষ্টভাবে বৈরী সাক্ষী বিষয়টি উল্লেখ করা হয়নি। বৈরী সাক্ষী হলো এমন একজন সাক্ষী যে, সে যে উপায়ে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে বোঝা যায় যে, সে আদালতের নিকট সত্য বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করছে না। বৈরী সাক্ষী বলতে মিথ্যুক সাক্ষী বোঝায় না। সাক্ষী যে সাক্ষ্য দিচ্ছে তা থেকে সাক্ষীর বৈরীতা বুঝতে হবে। বিষয়টি হলো যখন যে পক্ষ কোন সাক্ষীকে আহ্বান করে বা ডাকে, সেই পক্ষ উক্ত সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করবে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ যখন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করে, তখন সাক্ষীর নিকট যে প্রশ্ন করা হয় তখন সে উক্ত প্রশ্নের উত্তর দিতে অনিচ্ছা প্রকাশ করতে পারে বা বৈরী হতে পারে। সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ এমন ধরণের সাক্ষীকে বৈরী সাক্ষী হিসাবে ঘোষণা করতে পারে।

⇒ ১৫৪ ধারার বক্তব্য অনুযায়ী- বিরুদ্ধ পক্ষ জেরায় যেসব প্রশ্ন করতে পারে, সেসব প্রশ্ন যদি কোন পক্ষ নিজের সাক্ষীকে করার অনুমতি চায়, আদালত তা করার অনুমতি দিতে পারে। এরূপ সাক্ষীকে বৈরী/প্রতিকূল সাক্ষী (Hostile witness) বলে ।

⇒ বৈরী সাক্ষীকে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষের জেরা করার অনুমতি দান করা আদালতের বিবেচনার উপর নির্ভর করে। আইনের সাধারণ নীতি অনুযায়ী সাক্ষী আহ্বানকারী পক্ষ তার নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে না। কিন্তু সাক্ষ্য আইনের ১৫৪ ধারার অধীন আদালতের অনুমতি নিয়ে যে পক্ষ সাক্ষী নিয়ে আসে, সে পক্ষ নিজ সাক্ষীকে জেরা করতে পারে। এ ধরনের সাক্ষী হল বৈরী (Hostile) সাক্ষী।

⇒ সাধারণত জেরা করার উদ্দেশ্য হলো প্রতিপক্ষের সাক্ষীর বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করা। এরূপ কাজ কোন মামলার বিরুদ্ধ পক্ষ করে থাকে, তবে ১৫৪ ধারার অধীন সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ আদালতের অনুমতি নিয়ে নিজের সাক্ষীকে জেরা করে তার বিশ্বাসযোগ্যতা নষ্ট করতে পারে।

⇒ যখন সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করা হয়:
১) সাক্ষী যদি নিজ পক্ষের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেয়
২) সাক্ষী যদি বিরুদ্ধ পক্ষের সমর্থনে সাক্ষ্য দেয়
৩) সাক্ষী যদি তার পূর্বের সাক্ষ্য থেকে সরে এসে বিপরীত সাক্ষ্য দেয়।

⇒ এরূপ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য আহ্বানকারী পক্ষ নিজ সাক্ষীকে বৈরী ঘোষণা করে জেরা করার জন্য আদালতের অনুমতির জন্য দরখাস্ত/ আবেদন দেয়। আদালত উক্ত আবেদন গ্রহণ করলে সাক্ষী বৈরী হয় এবং নিজপক্ষের অ্যাডভোকেট তাকে জেরা করতে পারে।
৬২.
সাক্ষ্য আইনের অনুযায়ী নিম্নের কোনটি সরকারি দলিল (Public documents)?
  1. কবলা দলিল
  2. আদালতের রায়
  3. উইল
  4. দানপত্র
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালতের রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:
(১) যে সমস্ত দলিল-
(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং
(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।
---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 
⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
৬৩.
সাক্ষ্য আইনের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সম্পর্কিত অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র হতে উদ্ভূত তথ্যের ভিত্তিতে কেউ সাক্ষ্য দিতে চাইলে কার অনুমতি প্রয়োজন?
  1. রাষ্ট্রপতির
  2. সরকারের
  3. আদালতের
  4. সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১২৩ ধারার বিধান: রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে সাক্ষ্যঃ-কাউকেও রাষ্ট্রীয় বিষয়াদি সংক্রান্ত অপ্রাকাশিত সরকারী দলিলপত্র হতে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান অফিসারের অনুমতি ব্যতীত সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি প্রদান করা যাবে না। যে মত উক্ত অফিসার উপযুক্ত বিবেচনা করবেন, অনুমতি সে মত নিবেন বা দেয়া হতে বিরত থাকবেন।

⇒ অর্থাৎ রাষ্ট্রীয় বিষয় সম্পর্কে অপ্রকাশিত সরকারি দলিলপত্র (unpublished official records) থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের প্রধান কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া কাউকে সাক্ষ্য প্রদানে বাধ্য করা যাবে না। এক্ষেত্রে প্রধান কর্মকর্তা অনুমতি দিতে পারেন আবার নাও পারেন।
-------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section-123. Evidence as to affairs of State:
-No one shall be permitted to give any evidence derived from unpublished official records relating to any affairs of State, except with the permission of the officer at the head of the department concerned, who shall give or withhold such permission as he thinks fit.
৬৪.
সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় নিচের কোন সংজ্ঞাটি রয়েছে?
  1. Admission
  2. Confession
  3. Res Gestae
  4. Presumption
সঠিক উত্তর:
Admission
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Admission
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারার বিধান: স্বীকৃতির সংজ্ঞা: স্বীকৃতি হচ্ছে মৌখিক বা ঐ দালিলিক বিবৃতি অথবা ডিজিটাল রেকর্ড যা বিচার্য বিষয় - বা প্রাসঙ্গিক ঘটনা প্রসঙ্গে কোনো অনুমানের ইঙ্গিত দেয়, এবং যা এ আইনের পরবর্তীতে বর্ণিত পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের যে কেউ কর্তৃক প্রদত্ত হয়।
---------------------
⇒The Evidence Act  1872, Section 17: Admission defined:
- An admission is a statement, oral or documentary or contained in digital record, which suggests any inference as to any fact in issue or relevant fact, and which is made by any of the persons, and under the circumstances, hereinafter mentioned.
৬৫.
নিচের কোনটি পদ্ধতিগত আইন?
  1. চুক্তি আইন
  2. তামাদি আইন
  3. সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
  4. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তামাদি আইন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইন,১৯০৮ হচ্ছে পদ্ধতিগত আইন।

⇒পদ্ধতিগত আইন (Procedural Law):
তত্ত্বগত আইনগুলোতে যে অধিকার, কর্তব্য ও শাস্তিসমূহ উল্লেখ থাকে সেগুলো যে প্রক্রিয়া বা পদ্ধতির মাধ্যমে কার্যকর করা হয়, সেই প্রক্রিয়া বা পদ্ধতি যে আইনসমূহে উল্লেখ থাকে তাই পদ্ধতিগত আইন। যেমন: ফৌজদারি কার্যবিধি, তামাদি আইন, দেওয়ানি কার্যবিধি ইত্যাদি।

⇒তত্ত্বগত আইন (Substantive Law):
যে আইনসমূহ অধিকার ও কর্তব্যকে সজ্ঞায়িত বা সন্নিবেশিত করে বা কোন অপরাধ কে সজ্ঞায়িত করে ও তার শাস্তির পরিমান উল্লেখ করে, তাই তত্ত্বগত আইন বা মূল আইন। যেমন: চুক্তি আইন, সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, দণ্ডবিধি ইত্যাদি।
৬৬.
তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ার দিন আদালত বন্ধ থাকলে এর প্রতিকার কী?
  1. আদালত খোলার পরবর্তী যেকোনো সময় মামলা দায়ের করা যাবে
  2. বন্ধের আগের দিনই মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
  3. আদালত খোলার পরবর্তী সাত দিনের মধ্যে মামলা দায়ের করতে হবে
  4. আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদালত পুনরায় খোলার দিন মামলা, আপিল বা দরখাস্ত দায়ের করতে হবে
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদির  আইনের ৪ ধারার বিধান- আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় তামাদির মেয়াদ উত্তীর্ণ হলে:
-যেক্ষেত্রে কোন আদালত বন্ধ থাকা অবস্থায় কোন মামলা, আপিল বা আবেদনের জন্য তামাদির নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হয়ে যায়, সেক্ষেত্রে আদালত যেদিন খুলবে সেদিন উক্ত মামলা, আপিল বা আবেদন দাখিল করা যাবে।
------------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 4- Where Court is closed when period expires:
-Where the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application expires on a day when the Court is closed, the suit, appeal or application may be instituted, preferred or made on the day that the Court re-opens.
৬৭.
তামাদি আইনের কত ধারার বিধান মতে তামাদির মেয়াদ গণনায় ইংরেজি ক্যালেন্ডার ব্যবহার হবে?
  1. ১৫ ধারা
  2. ২২ ধারা
  3. ২৫ ধারা
  4. ২৭ ধারা
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৫ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒তামাদি আইনে ধারা ২৫ উল্লেখ করে,
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর সকল সময় গণনা করা হবে গ্রেগরীয়ান বর্ষপঞ্জীকা বা ইংরেজি ক্যালেন্ডার অনুসারে।
------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 25- Computation of time mentioned in instruments:
All instruments shall, for the purposes of this Act, be deemed to be made with reference to the Gregorian calendar. 
 
Illustrations 
(a) A Hindu makes a promissory note bearing a Native date only, and payable four months after date. The period of limitation applicable to a suit on the note runs from the expiration of four months after date computed according to the Gregorian calendar. 
(b) A Hindu makes a bond, bearing a Native date only, for the repayment of money within one year. The period of limitation applicable to a suit on the bond runs from the expiration of one year after date computed according to the Gregorian Calendar.
৬৮.
তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে কোন কার্যক্রমের জন্য তামাদির নির্দিষ্ট মেয়াদ নেই?
  1. আপিল
  2. দরখাস্ত
  3. রিভিউ
  4. রিভিশন
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিভিশন
ব্যাখ্যা
⇒ রিভিশনের তামাদির মেয়াদ তামাদি আইনের কোথাও উল্লেখ নেই।

- তফসিলে মোকদ্দমা, আপিল এবং আবেদন দায়েরের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। তফসিলে মোট ১৮৩টি অনুচ্ছেদ বলবৎ আছে। তফসিলের ৩টি বিভাগে ৩ ধরনের বিষয়ের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে-
১. মোকদ্দমা দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling suits]- অনুচ্ছেদ ১ থেকে ১৪৯।
২. আপিল, রিভিউ দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling appeals]- অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭।
৩. বিভিন্ন দরখাস্ত (পিটিশন) দায়েরের তামাদির মেয়াদ [Limitation for filling applications and petitions]- অনুচ্ছেদ ১৫৮ থেকে ১৮৩।

⇒ সাধারণত আদালতে, আপিলের তামাদি মেয়াদকেই রিভিশনের তামাদি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- হাইকোর্ট বিভাগে রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৯০ দিনের মধ্যে।
- জেলা জজের নিকট রিভিশন দায়ের করতে হবে- ৩০ দিনের মধ্যে।
৬৯.
নিম্নের কোন ক্ষেত্রে তামাদি আইনের ৬ ধারার বিধান অপ্রযোজ্য?
  1. ডিক্রি জারি
  2. আপিল
  3. মোকদ্দমা দায়ের
  4. উল্লিখিত সকল ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
আপিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আপিল
ব্যাখ্যা
⇒ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা বিধান হল বৈধ অপারগতা-

(১) যেক্ষেত্রে মামলা বা কার্যধারা দায়ের করার কিংবা ডিক্রি জারির জন্য দরখাস্ত দাখিলের অধিকারী ব্যক্তি, যেই সময় হতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় নাবালক, উন্মাদ বা জড়বুদ্ধি থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত ব্যক্তি তাহার উপরোক্ত অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, প্রথম তফসিলের তৃতীয় কলামে অথবা ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধির ৪৮ ধারায় বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে যা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা বা কার্যধারা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(২) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তি, যেই সময় হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে, সেই সময় উপরে বর্ণিত যেই কোনো দুইটি অপারগতার অবসান হওয়ার পূর্বেই সে আরেকটি অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি তাহার উভয় অপারগতার অবসান হওয়ার পর, অপারগতা না থাকলে, উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে সে তা করতে পারতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দরখাস্ত দাখিল করতে পারবে।

(৩) যেক্ষেত্রে অনুরূপ কোনো ব্যক্তির মৃত্যু পর্যন্ত তাহার অপারগতা অব্যাহত থাকে, সেক্ষেত্রে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি ঐ ব্যক্তির মৃত্যুর পর অপারগতা না থাকলে উপরে বর্ণিত যেই মেয়াদের মধ্যে তা করা যেতো, সেই মেয়াদের মধ্যে মামলা দায়ের কিংবা দাখিল করতে পারবে।

(৪) যেক্ষেত্রে উপরোক্ত ব্যক্তির মৃত্যুর তারিখে তাহার আইনানুগ প্রতিনিধি অনুরূপ কোন অপারগতায় পতিত হয়, সেক্ষেত্রে (১) ও (২) উপধারায় বিধৃত বিধানসমূহ প্রযোজ্য হবে।

অর্থাৎ The Limitation Act, 1908 এর ৬ ধারা শুধু মোকদ্দমা, কার্যক্রম কিংবা ডিক্রি জারির আবেদনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। আপিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
৭০.
কোনো দরখাস্ত দায়েরের মেয়াদ তামাদি আইনে সুনির্দিষ্টভাবে বলা না থাকলে কোন অনুচ্ছেদ প্রযোজ্য হবে?
  1. ১৮১
  2. ১৮২
  3. ১৭৩
  4. ১৮৩
সঠিক উত্তর:
১৮১
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮১
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১৮১ বিধান: তামাদি আইনের প্রথম তফসিলের অন্য কোথাও বা দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ৪৮ ধারায় যে সব দরখাস্ত সম্পর্কে কোন বিধান নাই সেইসব দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ দরখাস্ত করার অধিকার উদ্ভব হওয়ার দিন থেকে ৩ বছর।
৭১.
The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ২ মাস
  3. ৩ মাস
  4. ৬ মাস
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের অনুচেছদ-১৫৮ এর বিধান The Arbitration Act, 1940 এর অধীন সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য দরখাস্ত দায়েরের তামাদি মেয়াদ রোয়েদাদ দাখিলের নোটিশ জারীর তারিখ হতে ৩০ দিন।
- তামাদি আইনের ১৫৮ নম্বর অনুচ্ছেদে সালিশের রোয়েদাদ রদের বিষয়ে বর্ণনা আছে।
অর্থাৎ তামাদি আইনে সালিশের রোয়েদাদ রদ করার জন্য বা তা পুনর্বিবেচনার উদ্দেশ্যে প্রেরণ করার জন্য ১৯৪০ সালের সালিশী আইন অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে দরখাস্ত করতে হয়।
৭২.
'ক' একটি জমির উপরিভাগের এবং 'খ' ভূ-গর্ভের মালিক। 'খ' উপরিভাগের তাৎক্ষণিক কোন ক্ষতি না করে ভূ-গর্ভ থেকে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু পরে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণ মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হবে-
  1. জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
  2. 'ক' যে দিন মামলা দায়ের করে সে দিন থেকে
  3. 'খ' যেদিন মামলা দায়েরের কথা জানবে সেদিন থেকে
  4. ভূ-গর্ভ খনন করে কয়লা উত্তোলন করার সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জমি ধসে পড়ার সময় থেকে
ব্যাখ্যা
⇒ এই ক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে জমি ধসে পড়ার কারণে মামলা করলে তামাদির মেয়াদ গণনা জমি ধসে পড়ার সময় থেকে শুরু হবে।

⇒  তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান মতে, যে কাজের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, সে কাজের দরুণ ক্ষতিপূরণ মামলার জন্য যখন ক্ষতি সাধিত হয় তখন থেকে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয়।
------------------------ 
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results. 
 
Illustration-
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.
৭৩.
বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর কোথায় অ্যাডভোকেটগণের শপথ গ্রহণ করার বিধান আছে?
  1. বিধি-৬০ক
  2. বিধি-৬১(২)
  3. বিধি-৬০গ
  4. বিধি-৬২(২)
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি-৬২(২)
ব্যাখ্যা
অ্যাডভোকেটের শপথ:
- অ্যাডভোকেটগণ আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করে থাকেন। সামাজিক সুবিচার এবং জনগণের মানবাধিকার প্রতিষ্ঠায় তাদের ভূমিকা অসামান্য। সংবিধান ব্যাখ্যা এবং সংবিধান সুরক্ষার দায়িত্বও তাদের উপর বর্তায়। সংবিধানের প্রাধান্য রক্ষা করা অন্যান্যদের মত অ্যাডভোকেটগণের রয়েছে। অ্যাডভোকেটগণ যাতে সংবিধান মেনে চলেন এবং বার কাউন্সিল কর্তৃক প্রণীত শিষ্টাচার সংক্রান্ত বিধি বিধান মেনে চলেন সে জন্য ১৯৯৯ সনের ৩রা জুন তারিখে প্রকাশিত গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে বাংলাদেশ লিগ্যাল প্রাকটিশনার্স এন্ড বার কাউন্সিল রুলস, ১৯৭২-এর ৬২(২) বিধি প্রতিস্থাপন করে উহাতে নিম্ন লিখিত শপথ অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বার কাউন্সিলে অ্যাডভোকেট হিসাবে তালিকাভুক্তির পর সনদ গ্রহণের প্রাক্কালে অ্যাডভোকেটগণ ঐ শপথ গ্রহণ করে থাকেন।
-------------------
⇒ The Bangladesh Legal Practitioners and Bar Council Rules, 1972-Rule-62(2): The certificate of enrolment shall then be issued to the advocate on his application to the Bar Council through the Bar Association after his admission as a member thereof in such manner and on fulfillment of such conditions as may be decided by the Bar Council upon taking such oath as prescribed.
৭৪.
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ অনুচ্ছেদের বিধান মোতাবেক কতদিনের মধ্যে ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করতে হবে?
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা
⇒ শাস্তি বিধানের বিরুদ্ধে প্রতিকারের বিধান:
বাংলাদেশ বার কাউন্সিল আদেশ, ১৯৭২ এর ৩৬ আদেশের বিধান মোতাবেক কোন অ্যাডভোকেটের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দিলে এবং উক্ত আদেশে সংক্ষুব্ধ হলে, অনুরূপ আদেশ প্রাপ্তির দিন হতে নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে উক্ত সংক্ষুব্ধ অ্যাডভোকেট বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আপিল দায়ের করতে পারবেন।
- অনুরূপ আপিল হাই কোর্ট বিভাগের ডিভিশন বেঞ্চ কর্তৃক শ্রবণ করতে হবে এবং ঐ বেঞ্চের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972 অনুচ্ছেদ ৩৬ অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের আদেশের বিরুদ্ধে ৯০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টে আপিল করতে হবে।
-এই আপিল বার কাউন্সিল নিজে অথবা অভিযুক্ত আইনজীবী স্বেচ্ছায় করতে পারেন।
----------------------------
⇒ The Bangladesh legal practitioners and Bar council orders 1972: Article-36. (1) Any person aggrieved by an order of a Tribunal under Article 34 may, within ninety days from the date of the communication of the order to him, prefer an appeal to the High Court.
(2) Every such appeal shall be heard by a Division Bench of the High Court which may pass such order thereon as it may deem fit and the order of the High Court shall be final.
৭৫.
"পেশাগত আচরণ ও শিষ্ঠাচার বিধিমালা" এর মোট কতটি অধ্যায় আছে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
সঠিক উত্তর:
৪টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪টি
ব্যাখ্যা
⇒ Canons of Professional conduct & Etiquette-এ মোট ৪টি অধ্যায় আছে।
যথা-
১ম অধ্যায়- অন্যান্য আইনজীবীদের প্রতি আচরণ।
২য় অধ্যায়- মক্কেলদের প্রতি আচরণ।
৩য় অধ্যায়- আদালতের প্রতি কর্তব্য।
৪র্থ অধ্যায়- জনসাধারণের প্রতি আচরণ।
--------------------
 Chapter-1: Conduct with regard to other advocates:
Chapter-2: Conduct with regard to clients:
Chapter-3: Duty to the court:
Chapter-4: Conduct with regard to the public generally: