পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়27 minutes
মোট প্রশ্ন৪৭
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস প্রস্তুতি - সাবজেক্ট ফাইনাল ও রিভিশন [রাউন্ড ⎯ ৩] বিষয়ের নাম: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি সম্পূর্ণ [৭০ নাম্বার]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৭ প্রশ্ন

.
বুলিয়ান উপপাদ্য অনুসারে, A + A = ?
  1. A
  2. 1
  3. 0
  4. A‘
সঠিক উত্তর:
A
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A
ব্যাখ্যা

• বুলিয়ান উপপাদ্য বা Boolean algebra একটি গাণিতিক কাঠামো যা লজিক্যাল অপারেশন যেমন AND, OR, NOT ইত্যাদির জন্য ব্যবহৃত হয়। এতে প্রতিটি ভেরিয়েবল শুধুমাত্র দুইটি মান নিতে পারে: 0 বা 1। বুলিয়ান সংযুক্তি (OR) নির্দেশ করে দুটি ভেরিয়েবলের মধ্যে যেকোনো একটি সত্য হলে ফলাফল সত্য হবে। উপপাদ্য অনুযায়ী, যখন আমরা একই ভেরিয়েবলকে OR অপারেশনে নিজের সঙ্গে যোগ করি, অর্থাৎ, A + A = A তখন ফলাফল একই ভেরিয়েবলের সমান হয়। এটি একটি মৌলিক নিয়ম যা বলে যে কোন ভেরিয়েবলকে নিজের সাথে যুক্ত করলে তার মান অপরিবর্তিত থাকে।

বুলিয়ান অ্যালজেবরা:
- বাইনারি উপাদানসমূহের গেইট দ্বারা গঠিত গাণিতিক পদ্ধতি যা ‘+' ও ‘-' এই দুই গাণিতিক চিহ্নের সাহায্যে পরিচালিত তাকে বুলিয়ান অ্যালজেবরা বলে।
- বুলিয়ান অ্যালজেবরায় শুধুমাত্র বুলিয়ান যোগ ও গুণ-এর সাহায্যে সমস্ত কাজ করা হয়।
- সাধারণ বীজগণিতে কোন চলক বা ভেরিয়েবলের বিভিন্ন মান হতে পারে।
- বুলিয়ান বীজগণিতে একটি চলকের কেবল দু'টি মান 'সত্য' (True বা T কিংবা 1) অথবা 'মিথ্যা' (False বা F কিংবা 0) হতে পারে।
- এটি একই সাথে অপটিক্যাল ফাইবারে আলোহীন বা আলোযুক্ত অবস্থা হতে পারে

• বুলিয়ান অ্যালজেবরা উপপাদ্য সমূহ:


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের উদাহরণ?
  1. Cisco ASA
  2. Check Point Appliance
  3. Juniper SRX
  4. pfSense
সঠিক উত্তর:
pfSense
উত্তর
সঠিক উত্তর:
pfSense
ব্যাখ্যা

• সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল হল এমন একটি নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কম্পিউটারের বা সার্ভারের অপারেটিং সিস্টেমের উপর ইনস্টল করা হয় এবং নেটওয়ার্ক ট্রাফিককে নিয়ন্ত্রণ ও পর্যবেক্ষণ করে। এটি হার্ডওয়্যার ফায়ারওয়ালের মতো আলাদা ডিভাইস না হলেও, অনলাইন হুমকি থেকে সিস্টেমকে সুরক্ষা দেয়। উল্লেখিত চারটি অপশন মধ্যে Cisco ASA, Check Point Appliance এবং Juniper SRX মূলত হার্ডওয়্যার বা এপ্লায়েন্স ফায়ারওয়াল। অন্যদিকে pfSense একটি ওপেন-সোর্স সফটওয়্যার ফায়ারওয়াল যা কম্পিউটার বা ভার্চুয়াল মেশিনে ইনস্টল করে ব্যবহার করা যায়। এটি ফায়ারওয়াল নীতি তৈরি, নেটওয়ার্ক ভিএলএএন, ভিপিএন এবং অন্যান্য নিরাপত্তা ফিচার প্রদান করে। তাই pfSense সফটওয়্যার ফায়ারওয়ালের সঠিক উদাহরণ।

• ফায়ারওয়াল (Firewall):
- অননুমোদিত (Unauthorized) ব্যবহারকারীর হাত থেকে নেটওয়ার্ক রিসোর্সকে রক্ষা কিংবা সাইবার অ্যাটাক প্রতিরোধ করতে ফায়ারওয়াল (Firewall) ব্যবহার করা হয়।
- ফায়ারওয়াল হলো এমন এক ধরনের তথ্য ব্যবস্থাপনার নিরাপত্তা ব্যবস্থা যা কোনো একটি কোম্পানির নিজস্ব নেটওয়ার্ক তথা ইন্ট্রানেট ও ইন্টারনেট নেটওয়ার্কের মধ্যে অবৈধ অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করে।
- কোনো কম্পিউটারের সফটওয়্যারের নিরাপত্তা প্রদানের নিমিত্তে ফায়ারওয়াল তৈরি করা হয়।
- সাধারণত কোনো ফায়ারওয়ালের সাথে রাউটার (Router) বা ডেডিকেটেড সার্ভার (Dedicated server) থাকে যা সম্পূর্ণ ফায়ারওয়াল হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল কোনো প্রতিষ্ঠানের গেইট কিপার (Gate Keeper) হিসেবে কাজ করে যা যে কোনো ধরনের প্রবেশকে নিরাপদ এবং ডেটার ফিল্টার হিসেবে কাজ করে।
- ফায়ারওয়াল হ্যাকিং এর ক্ষেত্রে বাধা সৃষ্টি করে কিন্তু সবসময় প্রতিরোধ করতে পারে না।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি অ্যানালগ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট?
  1. 555 Timer
  2. Microprocessor
  3. Logic gate IC
  4. FPGA
সঠিক উত্তর:
555 Timer
উত্তর
সঠিক উত্তর:
555 Timer
ব্যাখ্যা

• অ্যানালগ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) হলো এমন একটি সার্কিট যা ধারাবাহিক সংকেত (continuous signals) নিয়ে কাজ করে, অর্থাৎ ভোল্টেজ বা কারেন্টের মান নির্দিষ্ট সীমার মধ্যে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত হতে পারে। দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে 555 Timer একটি ক্লাসিক অ্যানালগ IC, যা অস্থিরতা (oscillation), পুলস (pulse generation) এবং টাইমিং অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে Microprocessor, Logic gate IC, এবং FPGA ডিজিটাল সার্কিটের উদাহরণ, কারণ এগুলো শুধুমাত্র ডিজিটাল সংকেত (0 এবং 1) নিয়ে কাজ করে। তাই অ্যানালগ ইন্টিগ্রেটেড সার্কিটের সঠিক উত্তর হলো 555 Timer। এটি ইলেকট্রনিক্সে অ্যানালগ টাইমিং এবং সিগন্যাল কন্ট্রোলের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় IC.

• Integrated Circuit:
- ১৯৫৮ সালে রবার্ট নইসি (Robert Noyce) এবং জ্যাক কিলবি (Jack Kilby) IC (Integrated Circuit) আবিষ্কার করে ইলেকট্রনিক জগতে যুগান্তকারী পরিবর্তনের সূচনা করেন।
- একটি মাত্র IC-তে অনেকগুলো ট্রানজিস্টর, রেজিস্টার, ক্যাপাসিটর এবং অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে একটি ক্ষুদ্র সিলিকন পাতের ওপর স্থাপন করা থাকে।
- তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো IC ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছিল।
- ফলে কম্পিউটারের আকার আরো ছোট হয়ে আসে, দাম কমে যায়, বিদ্যুৎ খরচ কমে যায়, কাজের গতি ও নির্ভরশীলতা বহুগুণে বেড়ে যায়।
- একই সাথে কম্পিউটারের মেমোরিব্যবস্থারও উন্নতি ঘটে।

উৎস:
১. মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
২. ব্রিটানিকা।

.
এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের স্থান কোনটি?
  1. RAM
  2. SSD
  3. CPU register
  4. ROM
সঠিক উত্তর:
ROM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ROM
ব্যাখ্যা

• এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের প্রধান স্থান হলো ROM (Read-Only Memory)। ROM একটি স্থায়ী মেমরি যা পাওয়ার বন্ধ হলেও তথ্য সংরক্ষণ রাখতে সক্ষম। এম্বেডেড ডিভাইসের ফার্মওয়্যার হল সেই প্রোগ্রাম যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে কাজ করে এবং ডিভাইস চালানোর জন্য প্রয়োজনীয়। RAM হলো অস্থায়ী মেমরি, যা শুধুমাত্র ডিভাইস চালু থাকা অবস্থায় তথ্য ধরে রাখে এবং পাওয়ার বন্ধ হলে তথ্য হারায়। SSD হলো স্টোরেজ ডিভাইস, যা সাধারণত ডেটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এম্বেডেড সিস্টেমে ফার্মওয়্যারের জন্য নয়। CPU register খুব সীমিত মেমরি যা দ্রুত হিসাব-নিকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়, ফার্মওয়্যার সংরক্ষণের জন্য নয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ROM।

• ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার বা কম্পিউটার নেটওয়ার্ক সিস্টেম যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান নিজেদের যন্ত্রপাতির সাথে এ ধরনের সফটওয়্যার দিয়ে থাকে।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে।
- অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার ।
- এগুলো পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না।
- এটি এক ধরনের IC. যেমন, PC- তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার ।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-১, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০১৯ সংস্করণ)।

.
কোনটি CSS-এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ফন্ট স্টাইল ও সাইজ পরিবর্তন
  2. ওয়েবসাইট ডাটাবেসে রাখা
  3. অ্যানিমেশন ও ট্রানজিশন তৈরি
  4. পেজ লেআউট ও এলাইনমেন্ট ঠিক করা
সঠিক উত্তর:
ওয়েবসাইট ডাটাবেসে রাখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ওয়েবসাইট ডাটাবেসে রাখা
ব্যাখ্যা

• CSS বা Cascading Style Sheets হল একটি স্টাইলিং ভাষা যা ওয়েবপেজের ভিজ্যুয়াল লেআউট ও ডিজাইন নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। এটি ব্যবহার করে ফন্টের স্টাইল ও সাইজ পরিবর্তন করা, পেজের লেআউট ও এলাইনমেন্ট ঠিক করা, অ্যানিমেশন ও ট্রানজিশন তৈরি করা সম্ভব। তবে CSS ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করতে সক্ষম নয়। ওয়েবসাইটের ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট বা তথ্য সংরক্ষণ মূলত সার্ভার-সাইড প্রযুক্তি যেমন PHP, SQL বা অন্যান্য ব্যাকএন্ড টুলসের মাধ্যমে করা হয়। সুতরাং, CSS-এর বৈশিষ্ট্য নয় ওয়েবসাইট ডাটাবেসে রাখা। এটি শুধুমাত্র ওয়েবপেজের সৌন্দর্য ও ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা উন্নত করতে সাহায্য করে।

• HTML (HyperText Markup Language):
- ওয়েব পৃষ্ঠার মূল কাঠামো গঠন করে
- সমস্ত ওয়েবসাইটের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে

• CSS (Cascading Style Sheets):
- ওয়েব পৃষ্ঠার ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করে
- রেস্পন্সিভ ডিজাইনের জন্য অপরিহার্য

• JavaScript:
- ক্লায়েন্ট-সাইড ইন্টারঅ্যাক্টিভিটি প্রদান করে
- আধুনিক ওয়েব অ্যাপ্লিকেশনের মূল চালিকাশক্তি

• JavaScript- এর ব্যবহার:
- ব্যাকএন্ড ডেভেলপমেন্টে,
- ডেটা সায়েন্সে,
- মেশিন লার্নিং,
- অটোমেশন ইত্যাদিতে।

তথ্যসূত্র:
- তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, মাহবুবুর রহমান।
- "Web Design with HTML, CSS, JavaScript and jQuery" by Jon Duckett.

.
হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা (2F)16 এর ডেসিমাল মান কত?
  1. 52
  2. 47
  3. 57
  4. 67
সঠিক উত্তর:
47
উত্তর
সঠিক উত্তর:
47
ব্যাখ্যা

• হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো একটি সংখ্যা ব্যবস্থা যা ১৬টি সংখ্যা ব্যবহার করে—0 থেকে 9 এবং A থেকে F। এখানে A=10, B=11, … F=15। দেওয়া হেক্সাডেসিমাল সংখ্যা হলো (2F)16 ।এটিকে ডেসিমাল সংখ্যায় রূপান্তর করতে হলে, প্রতিটি অঙ্কের মানকে ১৬-এর ঘাত অনুযায়ী গুণ করতে হয়। প্রথম অঙ্ক 2, যেটি ১৬¹ দ্বারা গুণ হবে, অর্থাৎ 2 × 16 = 32। দ্বিতীয় অঙ্ক F, যেটি ১৬-এর ঘাত ০ অনুযায়ী, অর্থাৎ 15 × 1 = 15। এবার দুইটি ফলাফল যোগ করলে হয় 32 + 15 = 47।

হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর: 
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সংখ্যাটির প্রত্যেক অংককে নিজ নিজ স্থানীয় মান দ্বারা গুণ করে প্রাপ্ত গুণফলসমূহকে যোগ করতে হবে। এভাবে প্রাপ্ত যোগফলই হবে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার সমতুল্য দশমিক সংখ্যা।
- হেক্সাডেসিমেল থেকে দশমিক সংখ্যায় রূপান্তর করার সময় প্রত্যেক অংককে ১৬ দ্বারা গুণ করতে হবে।
- গুণ করার সময় স্থানীয় মান অনুযায়ী ১৬ এর ঘাত ০ হতে বাড়তে থাকবে। যেমন- একক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, দশক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা, শতক স্থানীয় অংকটিকে ১৬ দ্বারা,.....গুণ করতে হবে।
- এক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির কোন অংক A,B,C,D,E ও F হলে যথাক্রমে ১০, ১১, ১২, ১৩, ১৪ ও ১৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
- প্রাপ্ত গুণফলকে যোগ করলে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির সমতুল্য দশমিক মান পাওয়া যাবে।

(2F)16​ = 2×161 + F×160
= 2×16 + 15×1
= 32 + 15 = 47

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। 

.
ব্লকচেইন প্রযুক্তি প্রয়োগ করা প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি কোনটি?
  1. Litecoin
  2. Ripple
  3. Ethereum
  4. Bitcoin
সঠিক উত্তর:
Bitcoin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bitcoin
ব্যাখ্যা

• ব্লকচেইন প্রযুক্তি প্রথম প্রয়োগ করা ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো Bitcoin। এটি ২০০৯ সালে সাটোশি নাকামোতো নামের একজন বা গোষ্ঠী দ্বারা তৈরি করা হয়। ব্লকচেইন হলো একটি বিকেন্দ্রীকৃত ডাটাবেস বা লেজার, যেখানে প্রতিটি লেনদেন ব্লকের আকারে সংরক্ষিত হয় এবং ক্রিপ্টোগ্রাফি ব্যবহার করে নিরাপদ করা হয়। ব্লকগুলো ক্রমবর্ধমানভাবে একটি চেইনের মতো সংযুক্ত থাকে, যার ফলে কোনো একজনের নিয়ন্ত্রণ ছাড়া লেনদেনের ইতিহাস পরিবর্তন করা প্রায় অসম্ভব। Bitcoin-এর মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর করা যায় মধ্যস্থতাকারী ব্যাংক ছাড়াই, যা দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরাপদ। তাই এটি আধুনিক ক্রিপ্টোকারেন্সির জন্য পথপ্রদর্শক হিসেবে বিবেচিত।

উত্তর: ঘ) Bitcoin.

• ব্লকচেইন:
- ব্লকচেইন হলো একটি ডেটাবেজ প্রযুক্তি যা একটি লেজার বা রেকর্ডের উপর ভিত্তি করে কাজ করে এবং এই লেজারটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার নেটওয়ার্কে বিতরণ করা থাকে।
- এই রেকর্ডগুলোকে ব্লক বলা হয়।
- ব্লকচেইন প্রযুক্তি সর্বপ্রথম তৈরি করেন সাতোশি নাকামোতো নামে পরিচিত এক গোপন পরিচয়ের প্রোগ্রামার বা প্রোগ্রামারদের একটি দল।
- ২০০৯ সালে তারা এই প্রযুক্তিটি বিটকয়েন নামক ক্রিপ্টোকারেন্সির কাঠামোর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন করেন।
- লেনদেনগুলো ব্লক নামে পরিচিত গ্রুপে একত্রিত হয়।
- ব্লকগুলো একটি ক্রমানুসারী সিকোয়েন্সে সাজানো থাকে, যাকে ব্লকচেইন বলা হয়।
- ব্লকগুলো চেইনে যুক্ত করা হয় একটি গাণিতিক পদ্ধতির মাধ্যমে, যা একক ব্যবহারকারীর জন্য ব্লকচেইন পরিবর্তন করা অত্যন্ত কঠিন করে তোলে।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

.
অপারেটিং সিস্টেম নয় কোনটি?
  1. Firefox
  2. Fedora
  3. Debian
  4. Solaris
সঠিক উত্তর:
Firefox
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Firefox
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেম (Operating System) হলো একটি সফটওয়্যার যা কম্পিউটারের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার রিসোর্স নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবস্থাপনা করে। এটি ব্যবহারকারীর এবং কম্পিউটারের মধ্যে একটি মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। উদাহরণস্বরূপ, Fedora, Debian, এবং Solaris হল বিভিন্ন ধরনের অপারেটিং সিস্টেম যা কম্পিউটার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Firefox একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এটি অপারেটিং সিস্টেম নয়। তাই, প্রদত্ত চারটির মধ্যে Firefox হলো অপারেটিং সিস্টেম নয়।

সঠিক উত্তর: ক) Firefox.

• অপারেটিং সিস্টেম:
- অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।
- বিভিন্ন ধরণের অপারেটিং সিস্টেম:

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- আবার একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android, Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোন আইপি অ্যাড্রেসটি ভুল?
  1. 172.16.300.1
  2. 192.168.0.0
  3. 127.0.0.1
  4. 8.8.8.8
সঠিক উত্তর:
172.16.300.1
উত্তর
সঠিক উত্তর:
172.16.300.1
ব্যাখ্যা

• প্রদত্ত চারটি আইপি অ্যাড্রেসের মধ্যে, 172.16.300.1 সঠিক নয়। আইপি অ্যাড্রেস হলো একটি সংখ্যার ধারা যা একটি নেটওয়ার্কে প্রতিটি ডিভাইসকে সনাক্ত করতে ব্যবহৃত হয়। আইপি অ্যাড্রেস সাধারণত চারটি অঙ্কের ব্লক (ওকটেট) দিয়ে গঠিত, যা 0 থেকে 255 এর মধ্যে থাকতে হবে। যেমন 192.168.0.0, 127.0.0.1, এবং 8.8.8.8 সবগুলো বৈধ কারণ তাদের প্রতিটি ব্লক 0–255 এর মধ্যে রয়েছে। কিন্তু 172.16.300.1 এ তৃতীয় ব্লকের মান 300, যা 255 এর চেয়ে বেশি, তাই এটি একটি ভুল আইপি অ্যাড্রেস। সুতরাং, নেটওয়ার্কে এটি ব্যবহার করা যাবে না। এই নিয়ম মানলে নেটওয়ার্ক ঠিকভাবে কাজ করে।

• আইপি অ্যাড্রেস:
- ইন্টারনেটে যুক্ত প্রত্যেকটি কম্পিউটারের একটি আইডেন্টিটি থাকে যা আইপি অ্যাড্রেস নামে পরিচিত।
- আইপি হল এক ধরনের নেটওয়ার্ক প্রটোকল।
- প্রত্যেকটি কম্পিউটারকে আলাদা করে সনাক্ত করতে আইপি অ্যাড্রেস ব্যবহৃত হয়।
- আইপি অ্যাড্রেস মূলত চারটি অংশে বিভক্ত এবং প্রতিটি অংশ ডট (.) চিহ্ন দ্বারা আলাদাভাবে বিভক্ত। এক একটি ভাগকে বলা হয় অকটেট (Octet)।

- একটি আইপি অ্যাড্রেসকে প্রকাশ করার তিনটি পদ্ধতি আছে। যথা-
১. ডটেড ডেসিমেল নোটেশন (Dotted decimal notation)
- উদাহরণ: 192.168.15.5

২. হেক্সাডেসিম্যাল নোটেশন (Hexadecimal notation)
- উদাহরণ: CO.A8.0F.05

৩. বাইনারি নোটেশন (Binary notation)
- উদাহরণ: 11000000.10101000.00001111.00000101

- চারটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত আইপি অ্যাড্রেস IPv4 (IP ভার্সন 4) নামে পরিচিত।
- IPv4 এই অ্যাড্রেস হলো 4× ৪ বা 32 বিটের।
- আইপি অ্যাড্রেসের নতুন ভার্সন হলো IPv6, যার সাহায্যে 2128 সংখ্যা ডিভাইসকে সনাক্ত করা যায় এবং যা 128 বিটের অ্যাড্রেস।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
কোন ডিভাইসটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় ভিআর (VR) অভিজ্ঞতার জন্য?
  1. ভিআর হেডসেট
  2. স্মার্টওয়াচ
  3. ট্যাবলেট
  4. ই-রিডার
সঠিক উত্তর:
ভিআর হেডসেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ভিআর হেডসেট
ব্যাখ্যা

• ভিআর (VR) অভিজ্ঞতার জন্য সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ডিভাইস হলো ভিআর হেডসেট। এটি এমন একটি ডিভাইস যা সরাসরি ব্যবহারকারীর চোখের সামনে পরিধান করা হয় এবং ভার্চুয়াল পরিবেশের ৩ডি দৃশ্য প্রদর্শন করে। ভিআর হেডসেট ব্যবহার করে ব্যবহারকারী এমন একটি পরিবেশে প্রবেশ করতে পারে যেখানে তারা গেম খেলা, শিক্ষামূলক কার্যক্রম, বা ভার্চুয়াল ভ্রমণ করতে পারে। অন্য ডিভাইস যেমন স্মার্টওয়াচ, ট্যাবলেট বা ই-রিডার ভিআর অভিজ্ঞতা সরবরাহ করতে পারে না, কারণ এগুলি মূলত ঘড়ি, কম্পিউটিং বা পাঠযোগ্য সামগ্রী দেখানোর জন্য ডিজাইন করা। তাই ভিআর হেডসেটই ভিআর অভিজ্ঞতার প্রধান এবং সবচেয়ে কার্যকর ডিভাইস।

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি:
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি শব্দের আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে কৃত্রিম বাস্তবতা।
- প্রকৃত অর্থে বাস্তব নয়, কিন্তু বাস্তবের চেতনা উদ্রেককারী বিজ্ঞাননির্ভর কল্পনাকে ভার্চুয়াল রিয়েলিটি বা কৃত্রিম বাস্তবতা কিংবা কল্পবাস্তবতা বলে।
- একে সংক্ষেপে VR বলা হয়ে থাকে।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি মূলত কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত।
- এতে ব্যবহৃত সফটওয়্যারের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- Vizard, VRToolkit, 3d Studio Max, Maya ইত্যাদি।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটিতে ত্রিমাত্রিক ইমেজ তৈরির মাধ্যমে অতি অসম্ভব কাজও করা সম্ভব হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি হলো হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মাধ্যমে তৈরিকৃত এমন একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ, যা উপস্থাপন করা হলে ব্যবহারকারীদের কাছে এটিকে বাস্তব পরিবেশ মনে হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

১১.
কোন সফটওয়্যারটি ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয়?
  1. Notepad++
  2. UC Browser
  3. Google Chrome
  4. Opera
সঠিক উত্তর:
Notepad++
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Notepad++
ব্যাখ্যা

• ব্রাউজিং বলতে সাধারণত ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট দেখার প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। ব্রাউজার হলো সেই সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীদের ওয়েব পেজে প্রবেশ করতে, তথ্য অনুসন্ধান করতে এবং ওয়েব কনটেন্ট দেখতে সাহায্য করে। উদাহরণস্বরূপ, Google Chrome, Opera, এবং UC Browser হলো জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজার, যা ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, Notepad++ একটি টেক্সট এডিটর সফটওয়্যার, যা কোড লেখা বা সাধারণ টেক্সট ফাইল সম্পাদনার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট দেখার বা ব্রাউজিং করার জন্য তৈরি হয়নি। তাই, ব্রাউজিং সম্পর্কিত নয় এমন সফটওয়্যারের মধ্যে Notepad++ সঠিক উত্তর।

• ওয়েব ব্রাউজার:
- ওয়েব ব্রাউজার হলো একটি বিশেষ সফটওয়্যার, যা ওয়েবসাইটে বিভিন্ন তথ্য অনুসন্ধানে ব্যবহৃত হয়।
- ওয়েব ব্রাউজারকে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করার গেটওয়ে বলা যেতে পারে।
- যেমন - ক্রোম হলো প্রধান আমেরিকান সার্চ ইঞ্জিন কোম্পানি Google Inc. দ্বারা প্রকাশিত একটি ইন্টারনেট ব্রাউজার।

• কিছু জনপ্রিয় ওয়েব ব্রাউজারের নাম হলো -
- Google Chrome,
- Mozilla Firefox,
- Safari,
- Opera,
- Microsoft Edge,
- Maxthon,
- Brave,
- UC Browser.

উৎস: ব্রিটানিকা।

১২.
কোনটি Oracle ডাটাবেসের মূল ইন্টারঅ্যাকশন ভাষা?
  1. HTML
  2. Java
  3. SQL
  4. Python
সঠিক উত্তর:
SQL
উত্তর
সঠিক উত্তর:
SQL
ব্যাখ্যা

• Oracle ডাটাবেসের মূল ইন্টারঅ্যাকশন ভাষা হলো SQL (Structured Query Language)। এটি একটি স্ট্যান্ডার্ড ভাষা যা ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ, অনুসন্ধান, পরিবর্তন এবং মুছে ফেলার জন্য ব্যবহৃত হয়। ব্যবহারকারী SQL কমান্ডের মাধ্যমে ডাটাবেসের টেবিল, রেকর্ড এবং অন্যান্য ডাটাবেস অবজেক্টের সঙ্গে কাজ করতে পারে। HTML এবং Python সাধারণত ওয়েব বা প্রোগ্রামিংয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়, Java ডাটাবেস অ্যাপ্লিকেশন তৈরিতে সহায়ক হলেও সরাসরি ডাটাবেসের মূল ভাষা নয়। Oracle ডাটাবেসে তথ্য পরিচালনার জন্য SQL সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং কার্যকরী ভাষা। এটি ডাটাবেস প্রশাসক ও ডেভেলপারদের জন্য অপরিহার্য।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম:
- রিলেশন করা ডাটা টেবিলের সমন্বয়ে গঠিত ডাটাবেজকে রিলেশনাল ডাটাবেজ বলা হয়।
- আধুনিক ডাটাবেজ সফটওয়্যার বলতে সাধারণত রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমকেই বুঝায়।
- ১৯৭০ সালে হেনরি এফ কড রিলেশনাল ডেটাবেজ মডেলটির ধারণা উপস্থাপনা করেন।
- হেনরি এফ কড কে রিলেশনাল ডেটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর প্রবর্তক বলা হয়।

• কয়েকটি রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার:
- Oracle,
- MySQL,
- Microsoft Access ইত্যাদি।

• রিলেশনাল ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- সহজে টেবিল তৈরি করে ডাটা এন্ট্রি করা যায়।
- ডাটা টেবিলের সাথে অন্য এক বা একাধিক ডাটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন তৈরি করা যায়।
- অসংখ্য ডাটার মধ্য থেকে প্রয়োজনীয় ডাটাকে খুঁজে বের করা যায়।
- সহজে এক ডাটাবেজ থেকে অন্য ডাটাবেজের সাথে তথ্য আদান প্রদান করা যায়।
- সংখ্যাবাচক ডাটাসমূহে সূক্ষ্ম গাণিতিক কাজ করা যায়।
- সহজে নানা ফরমেটের রিপোর্ট তৈরি করা যায় ও তা মুদ্রণ করা যায়।
- প্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে লেবেল তৈরি করা যায় এবং ছাপানো যায়।
- এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- বিভিন্ন ধরনের চার্ট তৈরি করা যায়। আকর্ষণীয় ডাটা এন্ট্রি ফর্ম তৈরি করা যায়।
- অন্যান্য ডাটাবেজ প্রোগ্রাম (যেমন- ফক্সপ্রো, এক্সেল ইত্যাদি) থেকে তথ্য বা ডাটা এনে ব্যবহার করা যায়।
- সহজে এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়‍্যার/প্রোগ্রাম তৈরি করা যায়।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

১৩.
কোন আধুনিক নেটওয়ার্ক ARPANET থেকে উদ্ভূত হয়েছে?
  1. ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব
  2. ইন্ট্রানেট
  3. ইথারনেট
  4. ইন্টারনেট
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইন্টারনেট
ব্যাখ্যা

• ARPANET ছিল প্রথম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক যা ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি হয়। এটি মূলত গবেষণা ও সামরিক উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হত। আধুনিক নেটওয়ার্কের ভিত্তি হিসেবে ARPANET গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। ARPANET-এর প্রযুক্তি ও নকশা থেকেই উদ্ভূত হয়েছে ইন্টারনেট, যা একটি বৈশ্বিক নেটওয়ার্ক। ইন্টারনেটের মাধ্যমে কম্পিউটার, সার্ভার এবং অন্যান্য ডিভাইস একে অপরের সাথে সংযুক্ত হয়, তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হয় এবং বিশ্বব্যাপী যোগাযোগ সহজ হয়ে যায়। আজকের দিনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ই-মেইল, সোশ্যাল মিডিয়া, অনলাইন শিক্ষা, ব্যবসা এবং বিনোদনসহ অসংখ্য কার্যক্রম সম্পন্ন করা যায়। তাই ARPANET হলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক সূত্র।

সঠিক উত্তর: ঘ) ইন্টারনেট।


• ইন্টারনেট:
- ইন্টারনেট পৃথিবী বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- এটি অসংখ্য ছোট বা বড় নেটওয়ার্কের সংযোগে তৈরি একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক।
- ভিনটন গ্রে সার্ফ কে ইন্টারনেটের জনক বলা হয়।
- ARPANET দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ কার্যক্রম শুরু করে।
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

• ARPANET:
- ARPANET হল একটি ইন্টারনেট নেটওয়ার্ক।
- ১৯৬৮ সালের ARPANET ছিলো ইন্টারনেটের প্রাথমিক পর্যায়।
- ARPANET এর পূর্ণরূপ হলো 'Advanced Research Projects Agency Network'.
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ১৯৬৯ সালে ARPANET এর প্রকৃত যাত্রা শুরু হয়।
- ১৯৮২ সালে TCP/IP উদ্ভাবনের মাধ্যমে ইন্টারনেটের প্রাথমিক যাত্রা শুরু হয়।
- ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য সর্বাধিক ব্যবহৃত প্রটোকল TCP/IP.
- ১৯৯২ সালে ইন্টারনেট সোসাইটি (ISOC) প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: 1. মৌলক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
2. ব্রিটানিকা।

১৪.
নিচের কোনটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়?
  1. WinRAR
  2. Trend Micro
  3. Windows Defender
  4. Norton
সঠিক উত্তর:
WinRAR
উত্তর
সঠিক উত্তর:
WinRAR
ব্যাখ্যা

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো সেই প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার বা মোবাইল ডিভাইসকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান ও অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার থেকে সুরক্ষা দেয়। এখানে প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে Trend Micro, Windows Defender এবং Norton সবই এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। এগুলো ডিভাইসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়। কিন্তু WinRAR হলো একটি ফাইল আর্কাইভিং সফটওয়্যার, যা ফাইল কমপ্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি কোনো ধরনের ভাইরাস সনাক্তকরণ বা সুরক্ষা প্রদান করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) WinRAR।

এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- ১৯৫০ সালে কম্পিউটার ভাইরাসের উদ্ভব ঘটে।
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূর্বেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো -
AVG, AVAST, Norton, Panda, Avira, McAfee, Cobra, Kaspersky ইত্যাদি।

তথ্যসূত্র - মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, ভোকেশনাল।

১৫.
ক্রিপ্টোকারেন্সিতে “মাইনিং” বলতে কী বোঝায়?
  1. বন্ধুকে ক্রিপ্টো পাঠানো
  2. কম দামে ক্রিপ্টো কেনা
  3. লেনদেন যাচাই করা এবং নতুন কয়েন আয় করা
  4. কয়েন নিরাপদে সংরক্ষণ করা
সঠিক উত্তর:
লেনদেন যাচাই করা এবং নতুন কয়েন আয় করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
লেনদেন যাচাই করা এবং নতুন কয়েন আয় করা
ব্যাখ্যা

• ক্রিপ্টোকারেন্সিতে “মাইনিং” বলতে বোঝায় ব্লকচেইন নেটওয়ার্কে লেনদেন যাচাই করার প্রক্রিয়া এবং সেই কাজের বিনিময়ে নতুন কয়েন অর্জন। যখন কেউ ক্রিপ্টো লেনদেন করে, সেই লেনদেন ব্লকে যোগ করা হয়। মাইনাররা জটিল গণিত সমস্যার সমাধান করে এই ব্লকগুলো যাচাই করে নিশ্চিত করে যে লেনদেন বৈধ। সফলভাবে ব্লক যাচাই করলে মাইনাররা নতুন কয়েন এবং লেনদেন ফি হিসেবে পুরস্কৃত হন। এটি শুধুমাত্র নতুন কয়েন তৈরি করেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং পুরো নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং ডেটা পরিবর্তন বা জালিয়াতি রোধ করে। তাই, মাইনিং হলো ক্রিপ্টো সিস্টেমের মূল চালিকা শক্তি।

সঠিক উত্তর: গ) লেনদেন যাচাই করা এবং নতুন কয়েন আয় করা।

• ক্রিপ্টোকারেন্সি:
- ক্রিপ্টোকারেন্সি হলো একটি ডিজিটাল মুদ্রা, যা কোনো কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের (যেমন সরকার বা ব্যাংক) তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয় না।
- প্রথম ক্রিপ্টোকারেন্সি ছিল বিটকয়েন, যেটি ২০০৯ সালে সাতোশি নাকামোতো (Satoshi Nakamoto) নামে পরিচিত একজন বা একদল অজ্ঞাতনামা কম্পিউটার প্রোগ্রামার তৈরি করেন।

• বিটকয়েন (Bitcoin):
- বিটকয়েন হলো প্রথম, সবচেয়ে বেশি লেনদেন হওয়া এবং সবচেয়ে পরিচিত ক্রিপ্টোকারেন্সি।
- বিটকয়েনের মালিকরা বিভিন্ন ওয়েবসাইট ব্যবহার করে এটি অন্য ক্রিপ্টোকারেন্সিতে, অথবা বাস্তব মুদ্রায় যেমন মার্কিন ডলার বা ইউরোতে বিনিময় করতে পারেন।
- এছাড়া বিভিন্ন বিক্রেতার কাছ থেকে পণ্য ও সেবা কেনাও সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

১৬.
ইমেইলে “BCC” ক্ষেত্রের প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো
  2. ফাইল সংযুক্ত করা
  3. ইমেইলকে জরুরি হিসেবে চিহ্নিত করা
  4. ইমেইল পড়ার রসিদ চাওয়া
সঠিক উত্তর:
প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো
ব্যাখ্যা

• ইমেইলে “BCC” (Blind Carbon Copy) ক্ষেত্র ব্যবহার করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো রাখা। যখন আমরা কাউকে BCC-তে যুক্ত করি, তখন সেই প্রাপকের ঠিকানা অন্যান্য প্রাপকদের জন্য দৃশ্যমান থাকে না। এটি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ যখন একাধিক প্রাপকের কাছে একই ইমেইল পাঠাতে হয় কিন্তু তাদের ইমেইল ঠিকানা একে অপরের সাথে ভাগ করতে চাই না। এছাড়া, BCC ব্যবহার করলে প্রাপকদের গোপনীয়তা বজায় থাকে এবং অনিচ্ছাকৃত ‘Reply All’ সমস্যা কমে। এটি বিশেষভাবে ব্যবসায়িক বা পাবলিক ইমেইল পাঠানোর ক্ষেত্রে খুবই কার্যকর এবং প্রয়োজনীয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: ক) প্রাপকদের একে অপরের কাছ থেকে লুকানো।

• ইমেইল:
- ১৯৭১ সালে রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিসন ARPANET-এর মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পত্রালাপ চালু করেন, যা ছিল প্রথম ইমেইল সিস্টেম।
- ইলেকট্রনিক মেইল (ই-মেইল) হলো এক ধরনের ডিজিটাল বার্তা বিনিময়ের পদ্ধতি, যেখানে একজন প্রেরক এক বা একাধিক প্রাপকের কাছে নির্ভরযোগ্যভাবে বার্তা পাঠাতে পারেন।
- ইমেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন থাকা আবশ্যক।
- একটি ইমেইল ঠিকানা মূলত ইউজার আইডি এবং ডোমেইন নেম দ্বারা গঠিত।
- উদাহরণ: abc@def.com। এখানে @ চিহ্নের পূর্বের অংশটি ইউজার আইডি ও @ চিহ্নের পরের অংশটি ডোমেইন নেম নির্দেশ করে।
- ইমেইল আদান-প্রদানে POP, IMAP এবং SMTP প্রোটোকল ব্যবহার করা হয়।

• ইমেইলে ব্যবহৃত কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ:
- CC (Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে অন্য প্রাপকেরা দেখতে পান কে কে বার্তাটি পেয়েছেন।
- BCC (Blind Carbon Copy): একই ইমেইল একাধিক প্রাপকের কাছে পাঠানো হলেও, এক প্রাপক অন্যদের ইমেইল ঠিকানা দেখতে পান না।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

১৭.
নিচের কোনটি সার্চ ইঞ্জিন নয়?
  1. Opera
  2. Google Scholar
  3. Baidu
  4. Bing
সঠিক উত্তর:
Opera
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Opera
ব্যাখ্যা

• Opera হলো একটি ওয়েব ব্রাউজার, যা ব্যবহারকারীদের ইন্টারনেটে ওয়েবসাইট ব্রাউজ করতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, Google Scholar, Baidu, এবং Bing হলো সার্চ ইঞ্জিন। Google Scholar মূলত বৈজ্ঞানিক এবং একাডেমিক রিসার্চ পত্র, থিসিস ও প্রবন্ধ খুঁজে বের করার জন্য ব্যবহৃত হয়। Baidu চীনের একটি জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন, যেখানে ওয়েবসাইট, ছবি, ভিডিও এবং খবর খোঁজা যায়। Bing হলো মাইক্রোসফটের সার্চ ইঞ্জিন, যা সাধারণ ওয়েব সার্চের পাশাপাশি ছবি, মানচিত্র এবং নিউজ সার্চের সুবিধা দেয়। তাই Opera সরাসরি সার্চ ইঞ্জিন নয়, এটি কেবল ব্রাউজিং সফটওয়্যার।

• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

১৮.
TensorFlow মূলত কী কাজে লাগে?
  1. ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
  2. মোবাইল অ্যাপ বানানো
  3. মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং
  4. ডাটাবেস পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং
ব্যাখ্যা

• TensorFlow হলো একটি ওপেন সোর্স লাইব্রেরি যা মূলত মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং মডেল তৈরি, প্রশিক্ষণ এবং প্রয়োগে ব্যবহৃত হয়। এটি গুগল দ্বারা তৈরি এবং বিশেষভাবে নিউরাল নেটওয়ার্ক ভিত্তিক কমপ্লেক্স অ্যালগরিদমের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। TensorFlow ব্যবহার করে ছবি, টেক্সট বা ভয়েস ডেটা বিশ্লেষণ করা যায়, ভবিষ্যদ্বাণী করা যায় এবং অটোমেশন সিস্টেম তৈরি করা যায়। এর সাহায্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) প্রজেক্ট যেমন চিত্র সনাক্তকরণ, ভাষা অনুবাদ, স্বয়ংক্রিয় ড্রাইভিং ইত্যাদি তৈরি করা সম্ভব। এটি CPU, GPU ও TPU-তে সমর্থন পায়, যা প্রশিক্ষণ ও হিসাব দ্রুততর করে। তাই TensorFlow মূলত মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়।

উত্তর: গ) মেশিন লার্নিং ও ডিপ লার্নিং।


• ডিপ লার্নিং: 
- আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সবচেয়ে সফল ক্ষেত্র মেশিন লার্নিং (ডিপ লার্নিং)।
- বর্তমান Reinforcement Learning গবেষণার মূল ভিত্তি হচ্ছে একটি যন্ত্রকে আলাদাভাবে কোনো কিছু শেখানো হবে না।
- মেশিনের সামনে উপস্থিত বিশাল পরিমাণ ডেটা থেকে একটি যন্ত্র নিজেই শিখে নেবে।
- মেশিন লার্নিংয়ের উদাহরণ হিসেবে বলা যায় ড্রাইভারবিহীন স্বয়ংক্রিয় গাড়ি চলাচল, আবহাওয়ার সফল ভবিষ্যৎবাণী ইত্যাদি।
- এছাড়াও বর্তমান বিশ্বে কম্পিউটার প্রযুক্তিনির্ভর এমন কোনো ক্ষেত্র খুঁজে পাওয়া যাবে না যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহারিক প্রয়োগ নেই। যেমন চিকিৎসাবিদ্যা, অটোমোবাইল, ফাইন্যান্স, সার্ভেইল্যান্স, সোশাল মিডিয়া, এন্টারটেনমেন্ট, শিক্ষা, স্পেস এক্সপ্লোরেশন, গেমিং, রোবটিক্স, কৃষি, ই- কমার্সসহ স্টক মার্কেটের শেয়ার লেনদেন, আইনি সমস্যার সম্ভাব্য সঠিক সমাধান, বিমান চালনা, যুদ্ধক্ষেত্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে এর ব্যাপক ব্যবহার বর্তমানে পরিলক্ষিত হচ্ছে।

উৎস: উচ্চ মাধ্যমিক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আলিম)।

১৯.
এসএসডি-তে কোন ধরনের মেমোরি ব্যবহার করা হয়?
  1. Magnetic Tape
  2. DRAM
  3.  SRAM 
  4. Flash Memory
সঠিক উত্তর:
Flash Memory
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Flash Memory
ব্যাখ্যা

• এসএসডি (Solid State Drive) হল একটি আধুনিক স্টোরেজ ডিভাইস যা হার্ড ডিস্কের মতো ডেটা সংরক্ষণ করে, তবে এটি কোনো ঘূর্ণমান পার্ট নেই। এসএসডিতে ফ্ল্যাশ মেমোরি (Flash Memory) ব্যবহার করা হয়, যা অস্থায়ী নয়, অর্থাৎ বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডেটা সংরক্ষিত থাকে। ফ্ল্যাশ মেমোরি দ্রুত ডেটা পড়া ও লেখা করতে সক্ষম, ফলে কম্পিউটার বা ল্যাপটপের বুটিং এবং অ্যাপ্লিকেশন লোডিং অনেক দ্রুত হয়। এটি DRAM বা SRAM এর মতো ভলাটাইল মেমোরি নয়, যেখানে বিদ্যুৎ বন্ধ হলে ডেটা মুছে যায়। এছাড়া Magnetic Tape বা হার্ড ডিস্কের চেয়ে এটি কম শক্তি খরচ করে এবং কম জায়গা দখল করে। তাই এসএসডি দ্রুত, নির্ভরযোগ্য এবং শক্তি সাশ্রয়ী স্টোরেজ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

SSD:
- SSD এর পূর্ণরূপ Solid State Drive.
- সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) কম্পিউটারে ব্যবহৃত স্টোরেজ ডিভাইসের একটি নতুন প্রজন্ম।
- SSD ফ্ল্যাশ-ভিত্তিক মেমোরি ব্যবহার করে ডেটা সংরক্ষণ করে, যা Traditional Hard Disk এর তুলনায় অনেক দ্রুত।
- SSD ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার পরিচালনায় উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গতি আসে।

সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস:
- কম্পিউটারে বিপুল পরিমাণে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারসমূহকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস।
- হার্ডডিস্ক, এসএসডি, সিডি, ডিভিডি, পেনড্রাইভ, জিপ ড্রাইভ, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইসের উদাহরণ।

উৎস: Avast website এবং মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

২০.
১৫ সংখ্যার একটি IMEI নম্বরে, TAC-এর পরপর কোন অংশটি থাকে?
  1. লুন চেক ডিজিট
  2. রিপোর্টিং বডি আইডেন্টিফায়ার
  3. সিরিয়াল নাম্বার
  4. নেটওয়ার্ক কোড
সঠিক উত্তর:
সিরিয়াল নাম্বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিরিয়াল নাম্বার
ব্যাখ্যা

• ১৫ সংখ্যার একটি IMEI নম্বর মূলত মোবাইল ডিভাইসের অনন্য পরিচয়। এটি কয়েকটি অংশে বিভক্ত: প্রথম ৮টি সংখ্যা হলো TAC (Type Allocation Code) যা ডিভাইসের মডেল ও ব্র্যান্ড নির্দেশ করে। TAC-এর পরের অংশটি হলো সিরিয়াল নাম্বার, যা প্রতিটি একই মডেলের ডিভাইসকে আলাদা করে। সাধারণভাবে, সিরিয়াল নাম্বার TAC-এর পর অবস্থিত ৬টি সংখ্যা এবং এটি প্রতিটি ইউনিটের জন্য অনন্য। IMEI নম্বরের শেষ সংখ্যা হলো লুন চেক ডিজিট, যা পুরো নম্বরের সঠিকতা যাচাই করে। তাই, TAC-এর পরের অংশ হলো সিরিয়াল নাম্বার।

উত্তর: গ) সিরিয়াল নাম্বার।


• IMEI:
- IMEI (International Mobile Equipment Identity) হলো একটি অনন্য ১৫ ডিজিটের নম্বর যা মোবাইল ফোন বা অন্যান্য মোবাইল ডিভাইসের সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যারের সাথে সম্পর্কিত, এবং এটি একটি নির্দিষ্ট ডিভাইসের জন্য এককভাবে নির্ধারিত থাকে।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের ট্র্যাকিং এবং চুরির পরেও ফোন শনাক্ত করা সম্ভব।
- এটি সাধারণত ব্যাটারি কম্পার্টমেন্টের ভিতরে প্রিন্ট করা হয় বা *#06# ডায়াল করে ফোনটি চালু হলে অ্যাক্সেস করা হয়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের সেটিংস এ অথবা ফোনের ব্যাটারি এর নিচে (কিছু ডিভাইসে) মুদ্রিত থাকে।
- IMEI নম্বরটি হারিয়ে গেলে বা চুরি হলে, মোবাইল ফোনের অপারেটর বা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ফোন ব্লক করা যেতে পারে, যার ফলে ফোনটি ব্যবহারযোগ্য থাকবে না।
- IMEI নম্বর সাধারণত সেলুলার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের বৈধতা যাচাই করতে ব্যবহৃত হয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে একটি ডিভাইসের উৎপাদন দেশ, কোম্পানি এবং মডেল সম্পর্কিত তথ্যও পাওয়া যায়।

- IMEI নম্বরটি ফোনের নিরাপত্তা এবং মালিকানার প্রমাণ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।
- IMEI পরিবর্তন বা তাতে কোনো ধরনের ম্যানিপুলেশন অবৈধ এবং আইনত দণ্ডনীয়।
- IMEI নম্বরের মাধ্যমে মোবাইল ফোনের চুরি ঠেকানো এবং সঠিকভাবে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব।

উৎস: ব্রিটানিকা।

২১.
ড্রপবক্স প্রধানত কী হিসেবে ব্যবহৃত হয়?
  1. ক্লাউড স্টোরেজ
  2. ভিডিও সম্পাদনা
  3. অ্যান্টিভাইরাস সুরক্ষা
  4. অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড স্টোরেজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্লাউড স্টোরেজ
ব্যাখ্যা

• ড্রপবক্স মূলত একটি ক্লাউড স্টোরেজ সেবা যা ব্যবহারকারীদের ফাইল, ডকুমেন্ট, ছবি, ভিডিও এবং অন্যান্য ডেটা অনলাইনে সংরক্ষণ করতে সাহায্য করে। এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো জায়গা থেকে ফাইল অ্যাক্সেস ও শেয়ার করার সুবিধা দেয়। ব্যবহারকারী সহজেই ফাইল আপলোড, ডাউনলোড এবং অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করতে পারে। ড্রপবক্স ফাইলের ব্যাকআপ রাখার জন্যও ব্যবহৃত হয়, যাতে কম্পিউটারে কোনো সমস্যা হলে ডেটা নিরাপদ থাকে। এছাড়া, একাধিক ডিভাইসের মধ্যে ফাইল সিঙ্ক্রোনাইজেশন করা সম্ভব। ড্রপবক্স কোনো ভিডিও সম্পাদনা, অ্যান্টিভাইরাস সুরক্ষা বা অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার জন্য ব্যবহার হয় না। তাই সঠিক উত্তর হবে ক) ক্লাউড স্টোরেজ।

• Dropbox: 
- Dropbox হলো একটি ক্লাউড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান যার স্বত্ত্বাধিকারী ড্রপবক্স ইনকর্পোরেশন।
- এটি ক্লায়েন্ট বা গ্রাহকদের ফাইল স্টোরেজ, সফটওয়্যার শেয়ার, ফাইল সিনক্রোনাইজেশন সুবিধা ইত্যাদি প্রদান করে থাকে।
- এটি ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু করে।
- ক্লাউড কম্পিউটিং হচ্ছে কম্পিউটার রিসোর্স যেমন- কম্পিউটার হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার, নেটওয়ার্ক ডিভাইস প্রভৃতি ব্যবহার করে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কোনো সার্ভিস বা সেবা প্রদান করা।
- ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ইতিহাস শুরু হয় ১৯৬০ এর দশক থেকে।
- ২০০৬ সালে বিশ্ব বিখ্যাত আমাজন ওয়েব সার্ভিস বাণিজ্যিকভাবে ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ব্যবহার শুরু করে।
- উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ক্লাউড স্টোরেজ হলো: মেগা, ড্রপবক্স, ওয়ান ড্রাইভ, গুগল ড্রাইভ ইত্যাদি।

• সেবার ধরন অনুসারে ক্লাউড কম্পিউটিং কে তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
যথা:
- অবকাঠামোগত সেবা,
- প্ল্যাটফর্ম ভিত্তিক সেবা ও
- সফটওয়্যার সেবা।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, অষ্টম শ্রেণী।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২২.
ডিফল্ট হিসেবে HTTP কোন পোর্ট নাম্বার ব্যবহার করে?
  1. 443
  2. 21
  3. 20
  4. 80
সঠিক উত্তর:
80
উত্তর
সঠিক উত্তর:
80
ব্যাখ্যা

• ডিফল্ট হিসেবে HTTP (HyperText Transfer Protocol) ওয়েব ব্রাউজার এবং সার্ভারের মধ্যে তথ্য আদানপ্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা কোনও ওয়েবসাইটে ভিজিট করি, তখন ব্রাউজার সার্ভারের সঙ্গে HTTP প্রোটোকলের মাধ্যমে সংযোগ স্থাপন করে। এই সংযোগ নির্দিষ্ট একটি পোর্টের মাধ্যমে হয়, যা মূলত সার্ভারকে নির্দেশ দেয় কোন প্রোটোকল ব্যবহার করে ডেটা পাঠানো বা গ্রহণ করা হবে। HTTP প্রোটোকলের জন্য ডিফল্ট পোর্ট নাম্বার হলো ৮০। অর্থাৎ, যদি কোনো পোর্ট স্পেসিফাই করা না হয়, সার্ভার স্বয়ংক্রিয়ভাবে পোর্ট ৮০ ব্যবহার করে। অন্য পোর্ট যেমন ২১ (FTP), ২০ (FTP data), বা ৪৪৩ (HTTPS) HTTP-এর জন্য নয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ঘ) ৮০।

• HTTP:
- HTTP এর পূর্ণরূপ হচ্ছে "Hyper Text Transfer Protocol".
- এটি হলো একটি অ্যাপ্লিকেশন লেবেল প্রোটোকল যা ওয়েবে সার্ভার এবং ক্লায়েন্ট কম্পিউটারের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে থাকে।

• HTTP এর কাজ:
- সার্ভারের সাথে ব্রাউজারের যোগাযোগ করে।
- ব্রাউজারের যেকোনো অনুরোধ সার্ভারে পৌঁছে দেয়।
- সার্ভার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য, ইমেজ ব্রাউজারে নিয়ে আসে।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২. ব্রিটানিকা।

২৩.
CPU-এর কোন অংশে ALU থাকে?
  1. কন্ট্রোল ইউনিট
  2.  প্রসেসিং ইউনিট 
  3. মেমোরি ইউনিট
  4. ক্যাশ
সঠিক উত্তর:
 প্রসেসিং ইউনিট 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 প্রসেসিং ইউনিট 
ব্যাখ্যা

• CPU-এর মূল অংশগুলোর মধ্যে ALU (Arithmetic Logic Unit) থাকে প্রসেসিং ইউনিটে। প্রসেসিং ইউনিট মূলত সেই অংশ যা কম্পিউটারের সব গাণিতিক ও যৌক্তিক (logical) কাজ সম্পাদন করে। ALU সংখ্যা যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগের মতো অঙ্কীয় কাজ এবং তুলনা, AND, OR, NOT এর মতো যৌক্তিক কাজ সম্পাদন করে। কন্ট্রোল ইউনিট CPU-এর অন্যান্য অংশকে নির্দেশনা দেয় এবং কার্যক্রম সমন্বয় করে, মেমোরি ইউনিট তথ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত হয় এবং ক্যাশ দ্রুত অ্যাক্সেসের জন্য ছোট, দ্রুততর মেমোরি হিসেবে কাজ করে। তাই ALU সরাসরি প্রসেসিং ইউনিটের অংশ হিসেবে কাজ করে এবং কম্পিউটারের প্রধান গণনার ক্ষমতা প্রদান করে।

উত্তর: খ) প্রসেসিং ইউনিট।

• কম্পিউটারের CPU (Central Processing Unit) মূলত তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যথা:
১। গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit),
২। নিয়ন্ত্রণ অংশ (Control Unit),
৩। স্মৃতি অংশ (Memory Unit)।

• গাণিতিক যুক্তি অংশ (Arithmetic Logic Unit):
- ALU এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Arithmetic Logic Unit.
- নিয়ন্ত্রণ অংশের তত্ত্বাবধানে গাণিতিক যুক্তি অংশ বা ALU বিভিন্ন ধরনের গাণিতিক বা লজিক্যাল অপারেশনের কাজ সম্পাদন করে।
- বেশির ভাগ গাণিতিক অপারেশনগুলো হলো যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ এবং লজিক্যাল অপারেশনগুলো হলো তুলনা, সত্য-মিথ্যা যাচাই ইত্যাদি।
- কোনো রেজিস্টার পরিষ্কারকরণ এবং রেজিস্টারে সংরক্ষিত তথ্য বা সংখ্যাকে ডানে-বামে সরানো ইত্যাদি কাজও এ অংশের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।
- বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক বর্তনীর সহায়তায় গাণিতিক যুক্তি অংশ এই কার্যাবলি সম্পাদান করে থাকে এবং প্রয়োজনে ফলাফল অস্থায়ীভাবে রেজিস্টারে সংরক্ষিত রাখে।
- বর্তমানের মাইক্রোপ্রসেসরগুলোতে কাজের গতি বাড়ানোর প্রয়োজনে একাধিক গাণিতিক যুক্তি অংশ ব্যবহৃত হয়।

উৎসঃ মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা (উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, বিবিএ প্রোগ্রাম)।

২৪.
কিলোবাইট দ্বারা সাধারণত মাপা হয়…
  1. ফাইলের আকার
  2. নেটওয়ার্ক বিলম্ব
  3. পর্দার রেজোলিউশন
  4. প্রসেসরের গতি
সঠিক উত্তর:
ফাইলের আকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইলের আকার
ব্যাখ্যা

• কিলোবাইট (KB) হল তথ্য সংরক্ষণের একটি একক যা সাধারণত কম্পিউটারের ফাইল বা ডাটার আকার পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। একটি কিলোবাইট প্রায় ১০২৪ বাইটের সমান। কম্পিউটারে যে কোনও ফাইল, যেমন টেক্সট, ছবি বা সফটওয়্যার প্রোগ্রাম, এর আকার কিলোবাইট, মেগাবাইট বা গিগাবাইটে পরিমাপ করা হয়। কিলোবাইট ব্যবহারের মাধ্যমে ব্যবহারকারী জানতে পারে একটি ফাইল কতটা স্থান দখল করবে এবং স্টোরেজ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা পায়। এটি নেটওয়ার্ক বিলম্ব, পর্দার রেজোলিউশন বা প্রসেসরের গতি পরিমাপের জন্য ব্যবহার হয় না। সুতরাং, কিলোবাইট মূলত ফাইলের আকার পরিমাপের একক হিসেবে পরিচিত।

উত্তর: ক) ফাইলের আকার।


• বিট ও বাইট:
বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

- ১ বাইট = ৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

• ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৫.
CDMA এর পূর্ণরূপ কী?
  1.  Channel Division Multiple Access 
  2. Code Division Multiple Access
  3. Central Data Mobile Access
  4. Code Direct Multiple Access
সঠিক উত্তর:
Code Division Multiple Access
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Code Division Multiple Access
ব্যাখ্যা

• CDMA এর পূর্ণরূপ হলো Code Division Multiple Access। এটি একটি ওয়্যারলেস যোগাযোগ প্রযুক্তি, যা একই ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারীকে একসাথে ডেটা ট্রান্সমিশন করার সুবিধা দেয়। CDMA সিস্টেমে প্রতিটি ব্যবহারকারীর ডেটা একটি অনন্য কোড দিয়ে এনকোড করা হয়, যা ট্রান্সমিশন সময় একে অপরের সাথে সংঘর্ষ কমায়। ফলে, একই চ্যানেল বা ফ্রিকোয়েন্সি একাধিক ব্যবহারকারী একসাথে ব্যবহার করতে পারে, যা ব্যান্ডউইথের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করে। এটি সাধারণত মোবাইল নেটওয়ার্ক এবং ওয়্যারলেস কমিউনিকেশন সিস্টেমে ব্যবহৃত হয়। CDMA প্রযুক্তির কারণে কলের গোপনীয়তা ও সিগন্যালের গুণগত মানও বৃদ্ধি পায়।

• বর্তমানে মোবাইল ফোন প্রযুক্তিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-GMS এবং CDMA

• GSM:
- GSM হচ্ছে মূলত FDMA ও TDMA এর একটি সম্মিলিত চ্যানেল অ্যাকসেস পদ্ধতি।
- GSM প্রযুক্তির তৃতীয় প্রজন্মের ভার্সনকে UMTS বলে।
- UMTS এর পূর্ণরূপ- Universal Mobile Telecommunication System.

• CDMA:
- CDMA এর পূর্ণরূপ- Code Division Multiple Access.
- ট্রান্সমিশন পাওয়ার কম হওয়ায় রেডিয়েশন কম থাকে।
- অপেক্ষাকৃত ভালো মানের কল পাওয়া যায়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

২৬.
কোন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে এবং মুক্তিপণ চায়?
  1. র‍্যানসমওয়‍্যার
  2. ওয়ার্ম 
  3. স্পাইওয়্যার
  4. অ্যাডওয়্যার
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
র‍্যানসমওয়‍্যার
ব্যাখ্যা

• র‍্যানসমওয়্যার হলো একটি ক্ষতিকর সফটওয়্যার যা ব্যবহারকারীর কম্পিউটার বা ডিভাইস লক করে ফেলে এবং মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে। এটি সাধারণত ইমেল অ্যাটাচমেন্ট, সন্দেহজনক লিঙ্ক বা ডাউনলোড করা ফাইলের মাধ্যমে সিস্টেমে প্রবেশ করে। একবার ইনফেকশন ঘটলে, ব্যবহারকারী তার ফাইল বা পুরো সিস্টেমে প্রবেশাধিকার হারায়। র‍্যানসমওয়্যার ফাইল এনক্রিপ্ট করে রাখে এবং ব্যবহারকারীকে ফাইল খুলতে বা সিস্টেম পুনরুদ্ধার করতে অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য করে। এটি ওয়ার্ম, স্পাইওয়্যার বা অ্যাডওয়্যারের মতো অন্যান্য ম্যালওয়্যার থেকে আলাদা কারণ এর মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থের বিনিময়ে ব্যবহারকারীর ডেটা মুক্ত করা। তাই এটি সাইবার নিরাপত্তায় এক গুরুতর হুমকি।

ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলাে Malicious Software.
- কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলাের মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়‍্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়‍্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- যেহেতু এটি মুক্তিপণ আদায়কারী সফ্টওয়্যার হিসেবে পরিচিত তাই মুক্তিপণের ইংরেজি শব্দ Ransom এবং সফ্টওয়্যারের ইংরেজি শব্দ Software এর সংক্ষিপ্তরূপ থেকেই এই নামকরণ অর্থাৎ Ransom + Software = Ransomware.
- কিছু র‍্যানসমওয়‍্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভােকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

২৭.
নিচের কোনটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়?
  1. IDE
  2. Scratch
  3. C
  4. R
সঠিক উত্তর:
IDE
উত্তর
সঠিক উত্তর:
IDE
ব্যাখ্যা

• “IDE” প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়। IDE-এর পূর্ণরূপ হলো Integrated Development Environment, যা মূলত একটি সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম, যেখানে প্রোগ্রামাররা কোড লিখতে, ডিবাগ করতে এবং এক্সিকিউট করতে পারে। এটি একটি টুল যা প্রোগ্রামিংকে সহজ এবং কার্যকর করে তোলে। অন্যদিকে, Scratch, C এবং R সবই প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। Scratch হলো ভিজ্যুয়াল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ, যা শিক্ষার্থীদের জন্য সহজভাবে কোড শেখার উপযোগী। C হলো একটি শক্তিশালী সাধারণ উদ্দেশ্যের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। R হলো ডেটা বিশ্লেষণ ও পরিসংখ্যানিক কাজের জন্য ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। তাই IDE প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়।

• প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ:
- কম্পিউটার সিস্টেমে প্রোগ্রাম রচনার জন্য ব্যবহৃত শব্দ, বর্ণ, অঙ্ক, সংকেত এবং এগুলো বিন্যাসের নিয়মগুলোকে একত্রে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ বলা হয়।

• বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
1. Machine Language,
2. Assembly Language,
3. High Level Language,
4. Very High Level Language and
5. Natural Language

• জাভা (Java):
- জাভা (Java) একটি হাই লেভেল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৯১ সালে সান মাইক্রো সিস্টেম জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের সূচনা করে।
- ১৯৯৫ সালে জেমস গসলিং জাভা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• পাইথন (Python):
- পাইথন(Python) একটি হাই লেভেল অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ।
- ১৯৮৯ সালে ভ্যান রোসাম পাইথন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ উদ্ভাবন করে।

• C#:
- C# একটি অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড, কম্পোনেন্ট-ভিত্তিক প্রোগ্রামিং ভাষা।

উৎস:
১) তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২) সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

২৮.
বিখ্যাত আইবিএম কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত - 
  1. Watson
  2. Colossus
  3. ENIAC
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
Watson
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Watson
ব্যাখ্যা

• বিখ্যাত আইবিএম কম্পিউটার হিসেবে পরিচিত Watson। এটি IBM-এর তৈরি একটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন কম্পিউটার, যা মূলত তথ্য অনুসন্ধান ও বিশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়। Watson বিশেষভাবে পরিচিত “Jeopardy!” টেলিভিশন কুইজ শোতে মানুষের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করার জন্য, যেখানে এটি জটিল প্রশ্নের দ্রুত উত্তর দিতে সক্ষম হয়। এর প্রযুক্তি প্রাকৃতিক ভাষা প্রক্রিয়াকরণ, যান্ত্রিক শিক্ষণ এবং বিশাল পরিমাণ তথ্য বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে তৈরি। Watson শুধু বিনোদনে নয়, বরং চিকিৎসা, গবেষণা, ব্যবসা এবং ডেটা বিশ্লেষণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি IBM-এর কম্পিউটার প্রযুক্তিতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

• আইবিএম:
- IBM একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি।
- IBM এর পূর্ণরূপ হচ্ছে International Business Machines Corporation.
- আইবিএম কোম্পানিকে বিগ ব্লু নামে ডাকা হয়।
- IBM এর প্রতিষ্ঠাতা হলেন চার্লস র‍্যানলেট ফ্লিন্ট।
- এটি ১৯১১ সালের ১৬ জুন প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটি শুরুতে কম্পিউটিং-ট্যাবুলেটিং-রেকর্ডিং কোম্পানি হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
- পরে ১৯২৪ সালে নাম দেওয়া হয় 'ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস'।
- IBM এর সদরদপ্তর আরমংক, নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।
- IBM এর বর্তমান লোগোটি ১৯৭২ সাল থেকে ব্যবহার করা হচ্ছে।
- আইবিএম কোম্পানির তৈরি প্রথম কম্পিউটারের নাম মেইনফ্রেম কম্পিউটার।

উৎস: আইবিএম অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

২৯.
ACID-এর কোন বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না?
  1.  Atomicity 
  2. Consistency
  3. Isolation
  4. Durability
সঠিক উত্তর:
 Atomicity 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 Atomicity 
ব্যাখ্যা

• ACID হলো ডাটাবেস লেনদেনের চারটি মূল বৈশিষ্ট্যের সংক্ষিপ্ত রূপ। এর মধ্যে Atomicity বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করে যে একটি লেনদেন সম্পূর্ণভাবে সম্পন্ন হবে বা মোটেও হবে না। অর্থাৎ, যদি লেনদেনের কোন ধাপ ব্যর্থ হয়, তাহলে সম্পূর্ণ লেনদেনটি পূর্বাবস্থায় ফিরে আসে এবং আংশিক পরিবর্তন ডাটাবেসে থাকে না। এটি ডাটার অখণ্ডতা এবং নির্ভরযোগ্যতা রক্ষা করে। উদাহরণস্বরূপ, একটি ব্যাংক ট্রান্সফার লেনদেনে টাকা উত্তোলন হয় কিন্তু জমা হয় না, তাহলে Atomicity নিশ্চিত করে যে লেনদেনটি পুরোপুরি বাতিল হবে এবং কোনো অর্ধেক পরিবর্তন ডাটাবেসে প্রয়োগ হবে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) Atomicity।

A - Atomicity (অ্যাটমিসিটি): ট্রানজ্যাকশনটি সম্পূর্ণভাবে সম্পাদিত হয় বা একেবারেই হয় না।
C - Consistency (কনসিসটেন্সি): ট্রানজ্যাকশন ডাটাবেজকে একটিমাত্র বৈধ অবস্থা থেকে অন্য বৈধ অবস্থায় নিয়ে যায়।
I - Isolation (আইসোলেশন): একই সময়ে একাধিক ট্রানজ্যাকশন চলাকালে প্রতিটি ট্রানজ্যাকশন যেন অন্যগুলো থেকে আলাদা থাকে এবং একে অপরের ওপর প্রভাব না ফেলে।
D - Durability (ডুরাবিলিটি): ট্রানজ্যাকশন সম্পন্ন হওয়ার পর তার ফলাফল স্থায়ী হয়, এমনকি সিস্টেম ফেইলিয়ারের পরেও।

উৎস: MongoDB ওয়েবসাইট। [

৩০.
ক্রায়োসার্জারির প্রধান উদ্দেশ্য কী?
  1. অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা
  2.  টিস্যু গরম করে পুড়ানো 
  3.  ক্যান্সার কোষে রেডিয়েশন প্রয়োগ করা 
  4. টিস্যু সরানোর জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা
সঠিক উত্তর:
অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা
ব্যাখ্যা

• ক্রায়োসার্জারির প্রধান উদ্দেশ্য হলো অস্বাভাবিক বা ক্ষতিকর টিস্যুকে খুব নিম্ন তাপমাত্রায় জমিয়ে ধ্বংস করা। এটি একটি বিশেষ ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে লিকুইড নাইট্রোজেন বা অন্য কোনো ঠান্ডা পদার্থ ব্যবহার করে ত্বক বা অন্যান্য অঙ্গের ক্ষতিগ্রস্ত কোষের কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় টিস্যু গরম করা, রেডিয়েশন ব্যবহার করা বা রাসায়নিক প্রয়োগের পরিবর্তে, কেবল তাপমাত্রা হ্রাসের মাধ্যমে কোষ ধ্বংস করা হয়। ক্রায়োসার্জারি সাধারণত ছোট স্কিন লেজন, পলিপ, ব্রণজনিত টিস্যু বা কিছু ধরনের ক্যান্সার কোষের চিকিৎসায় ব্যবহার করা হয়। এটি তুলনামূলকভাবে নিরাপদ, কম ব্যথাযুক্ত এবং পুনরুদ্ধারে দ্রুত। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) অস্বাভাবিক টিস্যু ঠান্ডা করে ধ্বংস করা।

• ক্রায়োসার্জারি-
ক্রায়োসার্জারি হলো একটি চিকিৎসা পদ্ধতি, যেখানে অত্যন্ত ঠান্ডা (সাধারণত তরল নাইট্রোজেন) ব্যবহার করে শরীরের অস্বাভাবিক বা ক্যান্সারগ্রস্ত কোষ বা টিস্যু ধ্বংস করা হয়।

• এই পদ্ধতিতে নির্দিষ্ট রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা হয়, সেগুলো নিন্মে দেওয়া হলো:
- তরল নাইট্রোজেন,
- তরল কার্বন ডাই-অক্সাইড,
- নাইট্রাস অক্সাইড,
- আর্গন,
- ইথাইল ক্লোরাইড,
- ফ্লোরিনেটেড হাইড্রোকার্বন, ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩১.
Windows NT সার্ভারের মূল কাজ কী?
  1. গ্রাফিক ডিজাইন তৈরি করা
  2. মোবাইল অ্যাপ তৈরি 
  3. পার্সোনাল কম্পিউটিং
  4. সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা
সঠিক উত্তর:
সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা
ব্যাখ্যা

• Windows NT সার্ভার একটি শক্তিশালী অপারেটিং সিস্টেম যা মূলত সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি বড় বা ছোট ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোতে নেটওয়ার্কের নিরাপত্তা, ব্যবহারকারীর প্রমাণীকরণ, ফাইল ও প্রিন্ট শেয়ারিং, এবং অ্যাপ্লিকেশন হোস্টিংয়ের মতো কার্যক্রম সহজ ও দক্ষভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। Windows NT সার্ভার ব্যবহার করে একাধিক ব্যবহারকারী একই নেটওয়ার্কে একসাথে কাজ করতে পারে এবং তথ্য সংরক্ষণ, ব্যাকআপ, এবং রিমোট অ্যাক্সেসের সুবিধাও পাওয়া যায়। এটি গ্রাফিক ডিজাইন বা মোবাইল অ্যাপ তৈরির জন্য নয়, বরং নেটওয়ার্কের স্থিতিশীলতা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এর মূল উদ্দেশ্য।

উত্তর: ঘ) সার্ভারভিত্তিক নেটওয়ার্ক পরিচালনা।


• অপারেটিং সিস্টেম:
- কম্পিউটারকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে প্রোগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টি ব্যবহার করা হয় তাকে অপরেটিং সিস্টেম বলা হয়।
- এটি কম্পিউটারের ইনপুট ও আউটপুট হার্ডওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়‍্যারের সাথে সেতুবন্ধ রক্ষা করে ব্যবহারকারীর নির্দেশ অনুযায়ী ডেটা গ্রহণ করে, প্রক্রিয়াকরণ করে এবং প্রক্রিয়াকরণের পর প্রাপ্ত ফলাফল প্রদানে সহায়তা করে।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- CP/M,
- Symbian OS,
- Palm OS,
- MS-DOS,
- PC-DOS,
- Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ:
- Windows NT Server,
- Android,
- Windows 2003/2008 Server,
- Unix,
- Linux ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩২.
কোন কম্পোনেন্টটি CPU-এর জন্য অল্প সময়ে তথ্য অ্যাক্সেসে সবচেয়ে কার্যকর?
  1. Registers
  2. ROM
  3. Hard Drive
  4. RAM
সঠিক উত্তর:
Registers
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Registers
ব্যাখ্যা

• CPU-এর জন্য তথ্য অ্যাক্সেসের ক্ষেত্রে সবচেয়ে কার্যকর কম্পোনেন্ট হলো Registers। Registers হল মাইক্রোপ্রসেসরের ভেতরে থাকা ছোট, অতি-দ্রুত মেমোরি ইউনিট, যা তাত্ক্ষণিকভাবে ডেটা এবং নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করতে পারে। CPU যখন কোনো গণনা বা অপারেশন সম্পন্ন করে, তখন এটি প্রথমেই Registers ব্যবহার করে কারণ এগুলি RAM বা Hard Drive-এর তুলনায় অনেক দ্রুত। ROM সাধারণত শুধুমাত্র পড়ার জন্য ব্যবহৃত হয় এবং পরিবর্তনযোগ্য নয়, তাই তা CPU-র জন্য তাত্ক্ষণিক ডেটা অ্যাক্সেসে কার্যকর নয়। RAM দ্রুত, কিন্তু Registers-এর চেয়ে ধীরে কাজ করে। তাই, অল্প সময়ে তথ্য অ্যাক্সেসের জন্য Registers সবচেয়ে কার্যকর।

• প্রসেসর বা CPU এর সংগঠন এর প্রধানত তিনটি অংশ থাকে-
১) নিয়ন্ত্রণ অংশ,
২) অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট (গাণিতিক যুক্তি অংশ,
৩) রেজিস্টার বা মেমোরি (স্মৃতি)।

• নিয়ন্ত্রণ অংশ:
- কম্পিউটারে সম্পাদিত সমস্ত কাজের নিয়ন্ত্রন করে এ নিয়ন্ত্রণ অংশ।
- এ অংশ সিপিইউ, মেমোরি, এবং ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের মাধ্যমে ডাটা প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে। - কন্ট্রোল একক ROM ও RAM এ সঞ্চিত নির্দেশ অনুসারে কাজ করতে কম্পিউটারের অন্য সব অংশকে আদেশ দেয়।
- তাহাড়া বাইনারি কোডের ইন্সট্রাকশনকে স্মৃতি থেকে গ্রহণ করে এবং এগুলোকে ডিকোড করে।

• অ্যারিথমেটিক লজিক ইউনিট/গাণিতিক যুক্তি অংশ:
- এটা CPU এর সেই অংশ যেখানে বিভিন্ন ধরনের অপারেশন যেমন- যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ, OR, AND, NOR, XOR ইত্যাদি ভাটার উপর সম্পাদিত হয়।
- এতে একটি প্রোগ্রাম কাউন্টার আছে যাতে পূর্বের ইন্সট্রাকশনের ঠিকানা থাকে।
- কোন ইন্সট্রাকশন কখন সম্পাদিত হবে তা এ ঠিকানা থেকে স্মৃতি হিসেবে পাঠ করা যায়।

• রেজিস্টার বা মেমোরি/স্মৃতি:
- রেজিস্টার হচ্ছে CPU এর একটি অংশ।
- এসব রেজিস্টারে দ্রুত লিখন ও পঠন সম্ভব।
- গাণিতিক যুক্তি অংশে তথ্য প্রক্রিয়াকরণে এসব রেজিস্টার সাহায্য করে।
- কোনো একটি কাজ সম্পাদনের সময় এ সমস্ত রেজিস্টার সাময়িকভাবে ডাটা সংরক্ষণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- অপারেশনের ফল এখানে সাময়িকভাবে সঞ্চিত থাকে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-১, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৩৩.
অসৎ উদ্দেশ্যে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করাকে কী বলা হয়?
  1. ভিশিং
  2. ফিশিং
  3. ক্র্যাকিং
  4. ফ্রেকিং
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেকিং
ব্যাখ্যা

• অসৎ উদ্দেশ্যে টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমে হস্তক্ষেপ করাকে ফ্রেকিং (Phreaking) বলা হয়। এটি একটি ধরনের অবৈধ কার্যক্রম যেখানে কেউ টেলিফোন বা অন্যান্য যোগাযোগ ব্যবস্থায় অননুমোদিতভাবে প্রবেশ করে, কল নিয়ন্ত্রণ করে বা তথ্য চুরি করে। মূলত এটি টেলিফোন লাইনের সিগন্যালিং সিস্টেমে হাত দিতে বা নিয়ন্ত্রণ নিতে করা হয়। ফ্রেকাররা প্রায়ই বিনা খরচে কল করা, নেটওয়ার্কের দুর্বলতা পরীক্ষা করা বা ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে এটি ব্যবহার করে। এটি আইনের দৃষ্টিতে একটি গুরুতর অপরাধ এবং টেলিকমিউনিকেশন নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি। আধুনিক ডিজিটাল যুগে ফ্রেকিং শুধু ফোনেই নয়, ইন্টারনেট ভিত্তিক সিস্টেমেও ঘটতে পারে।

উত্তর: ঘ) ফ্রেকিং।

• বিভিন্ন ধরণের সাইবার অপরাধ:
- ফ্রেকিং (Phreaking): বিভিন্ন টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমকে হ্যাক করে অসৎ উদ্দেশ্যে ব্যবহার করার প্রক্রিয়াকে ফ্রেকিং বলে।

- হ্যাকিং (Hacking): কোনো কম্পিউটার সিস্টেম, নেটওয়ার্ক, ডেটার উপর অননুমোদিতভাবে অধিকার (Access) লাভ করার উপায়কে হ্যাকিং বলে। যে সব ব্যক্তি/ব্যক্তিবর্গ এ ধরনের কর্মে/ অপকর্মের সাথে জড়িত থাকে তাদের হ্যাকার বলে।

- ফিশিং (Phishing): ফিশিং করার অর্থ ই-মেইল বা মেসেজের মাধ্যম ওয়েবসাইট ব্যবহারকারীকে নকল বা ফেইক ওয়েবসাইটে নিয়ে কৌশলে তার বিশ্বস্ততা অর্জন করা এবং গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে তাদের নানা ধরনের বিপদে ফেলা।

- ভিশিং (Vishing): মোবাইল, টেলিফোন, ইন্টারনেটভিত্তিক বিভিন্ন ফোন বা অডিও ব্যবহার করে ফিশিং করাকে ভিশিং (Vishing) বা ভয়েস ফিশিং (Voice phishing) বলা হয়।

- স্প্যামিং (Spamming): অনাকাঙ্ক্ষিত বা অবাঞ্ছিত ই-মেইল কিংবা মেসেজ পাঠানোকে স্প্যামিং বলে। এই কাজ যারা করে তাদেরকে স্প্যামার বলা হয়।

- স্পুফিং (Spoofing): নেটওয়ার্ক সিকিউরিটির ক্ষেত্রে স্পুফিং আক্রমন হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে কোন ব্যক্তি বা একটি প্রোগ্রাম মিথ্যা বা ভুল তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে নেটওয়ার্ককে বিভ্রান্ত করে এবং এর সিকিউরিটি সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে অনৈতিকভাবে সুবিধা আদায় করে।

- স্নিকিং (Sneaking): গোপনে বা সন্তর্পণে ব্যবহারকারীর চোখ এড়িয়ে কম্পিউটার বা নেটওয়ার্ক সিস্টেমে প্রবেশ করে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি নিজের আওতায় নিয়ে আসাকে স্পিকিং (Sneaking) বলে।

- প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism): অন্যের লেখা চুরি করে নিজের নামে চালিয়ে দেওয়া বা প্রকাশ করাকেই প্লেজিয়ারিজম বলে। কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কোন সাহিত্য, গবেষণা বা সম্পাদনা কর্ম হুবহু নকল বা আংশিক পরিবর্তন করে নিজের নামে প্রকাশ করারই হল প্লেজিয়ারিজম।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৩৪.
ওয়েব পৃষ্ঠায় টেক্সট সার্চ করার জন্য কোন ফাংশন কী প্রযোজ্য?
  1. F3
  2. F2
  3. F6
  4. F7
সঠিক উত্তর:
F3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
F3
ব্যাখ্যা

• ওয়েব পৃষ্ঠায় কোনো নির্দিষ্ট শব্দ বা বাক্যাংশ খুঁজে বের করার জন্য সাধারণভাবে F3 কী ব্যবহার করা হয়। যখন কোনো ব্রাউজারে বা ওয়েব পেজে এই কী চাপা হয়, তখন একটি সার্চ বক্স ওপেন হয়, যেখানে আপনি আপনার খোঁজা টেক্সট লিখে Enter চাপলেই পৃষ্ঠার ভিতর সেই টেক্সটের অবস্থান হাইলাইট হয়ে দেখা যায়। এটি ব্যবহারকারীর জন্য বড় ওয়েব পেজে দ্রুত নির্দিষ্ট তথ্য খুঁজে বের করার সুবিধা দেয়। অন্য কীগুলোর ভিন্ন কাজ আছে; যেমন F2 সাধারণত ফাইল নাম পরিবর্তনের জন্য ব্যবহৃত হয়, F6 ব্রাউজারের ঠিকানা বারে কার্সর নিয়ে যায়, আর F7 সাধারণত ব্রাউজারে স্পেল চেক সক্রিয় করে। তাই টেক্সট সার্চের জন্য সঠিক ফাংশন হলো F3।

• ফাংশন কী:
- বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য কম্পিউটারের কীবোর্ডের বাম পাশের ওপরের সন্নিবেশিত F থেকে F12 পর্যন্ত কীগুলোকে ফাংশন কী বলা হয়।
- বার বার করতে হয় এমন কাজগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পাদনের জন্য ফাংশন কীগুলো ব্যবহৃত হয়।
- ফাংশন কীগুলোর মাধ্যমে তথ্য সংযোজন, বিয়োজন, সম্পাদনার কাজসহ মেনুর বিভিন্ন কমান্ড বা অপশন নির্বাচন করা হয়।

• কম্পিউটার কী বোর্ড এর ফাংশন কী সমূহের ব্যবহার:
- F1 এর সাহায্যে হেল্প মেনু দেখা যায়।
- F2 এর সাহায্যে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম পরিবর্তন করা যায়।
- F3 সার্চ সুবিধা দেয়। কমান্ড পুনরাবৃত্তি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F4 last action performed repeat করা যায়। Alt-F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়।

- F5 পেইজ রিফ্রেশ করা যায়।
- F6 মাউসের কারসরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যেতে ব্যবহার করা হয়।
- F7 বানান ও ব্যকরণগত ভুল বের করতে ব্যবহৃত হয়।
- F8 অপারেটিং সিস্টেমের safe mood চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
- F9 কোয়ার্ক এক্সপ্রেসের মেজারমেন্ট টুলবার চালু করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

- F10 ইন্টারনেট ব্রাউজারের কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার চালু করা হয়।
- F11 ফুলস্ক্রিন দেখতে ব্যবহার করা হয়।
- F12 ইংরেজি থকে বাংলা বা বাংলা থেকে ইংরেজি করার জন্য ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

৩৫.
NVMe মূলত কোন ধরনের স্টোরেজের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে?
  1. ম্যাগনেটিক টেপ
  2. অপটিক্যাল ডিস্ক
  3. ফ্ল্যাশ মেমরি / এসএসডি
  4. এইচডিডি
সঠিক উত্তর:
ফ্ল্যাশ মেমরি / এসএসডি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্ল্যাশ মেমরি / এসএসডি
ব্যাখ্যা

• NVMe (Non-Volatile Memory Express) একটি উচ্চগতির স্টোরেজ ইন্টারফেস যা বিশেষভাবে ফ্ল্যাশ মেমরি বা SSD-এর জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। এটি সাধারণ হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের (HDD) তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম। NVMe প্রযুক্তি PCIe (Peripheral Component Interconnect Express) বাসের উপর কাজ করে, যা কম ল্যাটেন্সি এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথ নিশ্চিত করে। এটি বিশেষ করে বড় ডেটা প্রসেসিং, গেমিং এবং সার্ভার ব্যবহারের জন্য উপযুক্ত। ম্যাগনেটিক টেপ বা অপটিক্যাল ডিস্কের জন্য এটি ব্যবহার হয় না, কারণ এই মাধ্যমগুলির গতি কম এবং NVMe-এর সুবিধা পূর্ণভাবে কাজে লাগানো যায় না। সুতরাং, NVMe মূলত ফ্ল্যাশ মেমরি বা SSD-এর জন্য উপযোগী।

• NVMe: 
- NVMe এর পূর্ণ রূপ "Non-Volatile Memory Express".
- এটি SSD-র মতো স্টোরেজ ডিভাইস অ্যাক্সেস করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
এটি সিস্টেমের বাকি অংশের সাথে যোগাযোগ করার জন্য SSD- এর জন্য আরও গতিশীল এবং সুবিন্যস্ত উপায় প্রদান করে।
- NVMe দ্রুত ডেটা স্থানান্তর এবং কম লেটেন্সির জন্য ব্যবহার করা হয়।
- NVMe সাধারণত PCIe ইন্টারফেস ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ স্থাপন করে।

• NVMe প্রযুক্তির প্রয়োগ:
- ল্যাপটপ,
- ডেস্কটপ কম্পিউটার এবং
- ডেটা সেন্টার সহ বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।

উৎস: techtarget.com

৩৬.
কোন গেইটটি "ইনভার্টার" হিসেবেও পরিচিত?
  1. NAND
  2. NOT
  3. NOR
  4. XOR
সঠিক উত্তর:
NOT
উত্তর
সঠিক উত্তর:
NOT
ব্যাখ্যা

• NOT গেইটকে সাধারণত "ইনভার্টার" হিসেবেও বলা হয়। কারণ এটি একটি মৌলিক লজিক গেইট যা ইনপুটের বিপরীত আউটপুট প্রদান করে। অর্থাৎ, যদি ইনপুট ১ হয়, আউটপুট ০ হয় এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট ১ হয়। এটি ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্সের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং বিভিন্ন লজিক সার্কিটের নির্মাণে অপরিহার্য। NOT গেইটের মাধ্যমে সংকেতকে উল্টানো যায়, যা কম্পিউটার, মাইক্রোকন্ট্রোলার এবং অন্যান্য ডিজিটাল ডিভাইসের মধ্যে তথ্য প্রক্রিয়াকরণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তাই, NOT গেইটকে ইনভার্টার বলা হয় কারণ এটি ইনপুটের বিপরীত মান প্রদান করে।

উত্তর: খ) NOT.


NOT গেইট:
- এই গেইট যৌক্তিক উল্টানো পদ্ধতিতে কাজ করে।
- যে গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে তাকে নট গেইট বলে।
- এই গেইটের ইনপুট ১ হলে আউটপুট হবে ০ এবং ইনপুট ০ হলে আউটপুট হবে ১।
- এ গেইটে একটি ইনপুট ও একটি আউটপুট থাকে। ইনপুটের বিপরীত হবে আউটপুট। সেজন্য এ গেইটকে ইনভার্টার (Inverter) বলা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম,বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৭.
নিচের কোনটি ভোলাটাইল মেমরি?
  1. RAM
  2. ROM
  3. SSD
  4. HDD
সঠিক উত্তর:
RAM
উত্তর
সঠিক উত্তর:
RAM
ব্যাখ্যা

• ভোলাটাইল মেমরি হলো এমন একটি মেমরি যা কম্পিউটার বন্ধ করলে তার মধ্যে থাকা তথ্য হারিয়ে যায়। এটি মূলত দ্রুত ডেটা এক্সেস এবং প্রক্রিয়াকরণের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই প্রকার মেমরির সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ হলো RAM (Random Access Memory)। যখন আমরা কোনো প্রোগ্রাম চালাই বা ফাইল ব্যবহার করি, তখন ডেটা সাময়িকভাবে RAM-এ রাখা হয় যাতে CPU তা দ্রুত পড়তে এবং লিখতে পারে। অন্যদিকে ROM, SSD বা HDD ভোলাটাইল নয়, অর্থাৎ এগুলোতে তথ্য স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। তাই, কম্পিউটার বন্ধ হওয়ার পর তথ্য ধরে রাখার ক্ষমতা RAM-এর নেই। সুতরাং, উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে ভোলাটাইল মেমরি হলো RAM।

• ভোলাটাইল মেমরি:
- যে সকল মেমরিতে সংরক্ষিত ডাটা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে মুছে. যায় তাকে ভোলাটাইল মেমরি বলে।

• RAM:
- RAM-এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Random Access Memory. র‍্যামে অত্যন্ত সহজে তথ্য সংরক্ষণ করা যায় এবং প্রয়োজনে তথ্য মুছে ফেলা যায়। তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়। 
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- কিন্তু বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়। তাই একে ভোলাটাইল স্মৃতি বা অস্থায়ী স্মৃতিও বলা হয়।

• RAM-এর বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো-
- র‍্যাম এক ধরনের ভোলাটাইল মেমরি (Volatile Memory) ।
- তথ্য পড়া ও লেখা উভয় প্রকার কাজই র‍্যামে সম্পাদন করা যায়।
- র‍্যামের তথ্য বা প্রোগ্রামকে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংশোধন করে পুনরায় সংরক্ষণ করা যায়।
- কম্পিউটার চালু করার সাথে সাথেই কম্পিউটার পরিচালনার জন্য প্রয়োজনীয় প্রোগ্রাম ও ডেটা র‍্যাম স্মৃতিতে চলে আসে।
- বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে র‍্যামে সংরক্ষিত সকল তথ্য মুছে যায়।

তথ্যসূত্র:
- মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৩৮.
কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ কী?
  1. ফাইল স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা
  2. অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
  3. সিস্টেম সেটিংস প্রদর্শন করা
  4. ইন্টারনেটে সংযোগ করা
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• কম্পিউটিং-এ ক্লিপবোর্ড মূলত অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়। যখন আমরা কোনো টেক্সট, ছবি বা ফাইল কপি করি, তখন তা সরাসরি হার্ড ড্রাইভে নয়, ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত হয়। এরপর ব্যবহারকারী চাইলে সেই তথ্য পেস্ট করতে পারে অন্য কোনো স্থানে। ক্লিপবোর্ড কম্পিউটারের মেমরির অংশ হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীর কাজকে দ্রুত ও সহজ করে। এটি তথ্য স্থানান্তরের একটি মধ্যবর্তী ধাপ, যা ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করে না। তাই ক্লিপবোর্ডের প্রধান কাজ হলো অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা, যাতে ব্যবহারকারী প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যবহার করতে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো: খ) অস্থায়ী তথ্য সংরক্ষণ করা।
 
• Clipboard:
- প্রোগাম থেকে কপি করা ডাটা Clipboard এ থাকে।
- প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা কম্পিউটার চালু করার সময় হার্ডডিস্ক থেকে অস্থায়ী মেমোরি র‌্যামে জমা হয় এবং কম্পিউটার বন্ধ করলে তা মুছে যায়। 
- অন্যদিকে ক্লিপবোর্ড হলো কোনো নির্দিষ্ট সফটওয়্যারের একটি সুবিধা যাতে ডেটা সংরক্ষিত থাকে শুধু ঐ সফটওয়্যারে তৎক্ষণাৎ ব্যবহার করার জন্য।
- ক্লিপবোর্ড RAM এর একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোন স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি। যথা- cut, copy, paste।
- সাধারণত প্রোগ্রাম RAM এ লোড হয় কিন্তু প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডাটা ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে।

উৎস: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

৩৯.
(13A)16 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় -
  1. 472
  2. 482
  3. 452
  4. 488
সঠিক উত্তর:
472
উত্তর
সঠিক উত্তর:
472
ব্যাখ্যা

• (13A)16 কে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তর করলে পাওয়া যায় : 472

হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্ট্যাল সংখ্যায় রূপান্তর:
- হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাকে অক্টাল সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য প্রথমে হেক্সাডেসিমেল সংখ্যার প্রত্যেকটি অংককে ৪ বিট বাইনারি সংখ্যায় রূপান্তর করতে হবে।
- অত:পর পুরো বাইনারি সংখ্যাটিকে ৩ বিট করে এক একটি গ্রুপে সাজিয়ে সমতুল্য অক্ট্যাল মান বসালে উক্ত হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটির অক্ট্যাল মান পাওয়া যাবে।



উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪০.
কোন ওয়েবসাইটটি অনলাইনে কেনাকাটা এবং বিশ্বজুড়ে পণ্য বিক্রির জন্য প্রসিদ্ধ?
  1.  eBay 
  2. YouTube
  3. CNN
  4. LinkedIn
সঠিক উত্তর:
 eBay 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 eBay 
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর: ক) eBay.
eBay একটি প্রখ্যাত অনলাইন মার্কেটপ্লেস যা বিশ্বব্যাপী কেনাকাটা ও পণ্য বিক্রির জন্য পরিচিত। এটি ব্যবহারকারীদের তাদের পণ্যগুলো ক্রয়-বিক্রয় করার সুযোগ দেয়, যেকোনো ধরণের জিনিস—from নতুন থেকে পুরনো, সাধারণ পণ্য থেকে নকল বা সংগ্রহযোগ্য পণ্য পর্যন্ত। eBay-তে ক্রেতা ও বিক্রেতারা নিলাম বা স্থির মূল্য পদ্ধতিতে লেনদেন করতে পারে। এটি শুধুমাত্র স্থানীয় নয়, বরং আন্তর্জাতিক বাজারেও ব্যাপকভাবে জনপ্রিয়। YouTube, CNN বা LinkedIn অনলাইন শপিংয়ের জন্য নয়, বরং ভিডিও, সংবাদ এবং পেশাগত নেটওয়ার্কিং-এর জন্য ব্যবহৃত হয়। তাই অনলাইন কেনাকাটা ও বিশ্বব্যাপী পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রে eBay-এর গুরুত্ব অপরিসীম।


• ই-কমার্স (E-Commerce):
- ইলেকট্রনিক কমার্সকেই সাধারণ অর্থে ই-কমার্স (e-commerce or eCommerce) বলা হয়।
- ইন্টারনেট বা অন্য কোনে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কোনো পণ্য বা সেবা ক্রয়-বিক্রয়, সরবরাহ, ব্যবসায় সংক্রান্ত লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিতভাবে ই-কমার্স বলে।
- পণ্য বা সেবার উপাদান, মার্কেটিং, ডেলিভারি, সার্ভিসিং, মূল্য লেনদেন ইত্যাদি কাজকে সম্মিলিত ভাবে ই-কমার্স বলে।

• জনপ্রিয় ই-কমার্স সাইট গুলো হলো-
- www.alibaba.com,
- www.amazon.com,
- www.daraz.com,
- www.bikroy.com,
- www.ebay.com.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৪১.
হাইব্রিড কম্পিউটার বিশেষভাবে ব্যবহৃত হয়:
  1. লেখা সম্পাদনার জন্য
  2. ভিডিও গেম খেলার জন্য
  3. বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে
  4. ইন্টারনেটে ব্রাউজ করার জন্য
সঠিক উত্তর:
বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে
ব্যাখ্যা

• হাইব্রিড কম্পিউটার হলো এমন এক ধরনের কম্পিউটার যা অ্যানালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য একসাথে ধারণ করে। অ্যানালগ কম্পিউটার দ্রুত এবং ধারাবাহিক তথ্য প্রক্রিয়াকরণে দক্ষ, আর ডিজিটাল কম্পিউটার সঠিক হিসাব ও ডেটা সংরক্ষণে কার্যকর। এই দুটি সুবিধা একত্রিত হয়ে হাইব্রিড কম্পিউটারকে বিশেষ করে বৈজ্ঞানিক গবেষণা, চিকিৎসা সংক্রান্ত নিরীক্ষা ও জটিল গাণিতিক সমস্যার সমাধানে ব্যবহৃত করে। যেমন হাসপাতালে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা, রক্তচাপ বা হৃদস্পন্দন নিরীক্ষা করার সময় এটি দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করতে পারে। তাই সঠিক উত্তর হলো: গ) বৈজ্ঞানিক ও চিকিৎসা সংক্রান্ত কাজে।

হাইব্রিড কম্পিউটার:
- অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় কম্পিউটারের নীতির সমন্বয়ে যে কম্পিউটার গঠিত তাকে হাইব্রিড কম্পিউটার বলা হয়।
- একে সংকর কম্পিউটারও বলা হয়।
- হাইব্রিড কম্পিউটারে সাধারণত উপাত্ত সংগৃহীত হয় অ্যানালগ প্রক্রিয়ায় এবং সংগৃহীত উপাত্ত সংখ্যায় রূপান্তরিত করে ডিজিটাল অংশে প্রেরণ করা হয়।
- ডিজিটাল অংশ প্রাপ্ত উপাত্ত প্রক্রিয়াকরণের পর ফলাফল প্রদান করে।
- হাইব্রিড কম্পিউটার অত্যন্ত দামি। তাই কেবলমাত্র বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়; যেমন- মিসাইল, সমরাস্ত্র, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, নভোযান, রাসায়নিক দ্রব্যের গুণাগুণ নির্ণয়, পরমাণুর গঠন-প্রকৃতি নির্ণয়, পরীক্ষাগারে ঔষধের মান নির্ণয় ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
- এছাড়া হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার, শরীরের তাপমাত্রা, রোগীর রক্তচাপ, হৃত্যন্ত্রের ক্রিয়া ইত্যাদি ক্ষেত্রে এ ধরনের কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪২.
অপারেটিং সিস্টেমে কার্নেলের প্রধান কাজ কী?
  1. হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা
  2. শুধুমাত্র ফাইল ম্যানেজ করা
  3.  এন্টিভাইরাস সুরক্ষা প্রদান 
  4. ওয়েব ব্রাউজার চালানো
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা
ব্যাখ্যা

• অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশ হলো কার্নেল, যা সরাসরি হার্ডওয়্যারের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং সিস্টেমের সকল গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ পরিচালনা করে। এটি প্রসেস ম্যানেজমেন্ট, মেমোরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস নিয়ন্ত্রণ ও ইনপুট-আউটপুট অপারেশন পরিচালনা করে থাকে। ব্যবহারকারী বা অ্যাপ্লিকেশন যখন কোনো নির্দেশ দেয়, তখন কার্নেল সেই নির্দেশকে হার্ডওয়্যারে পাঠিয়ে কার্যকর করে। উদাহরণস্বরূপ, যখন একটি প্রোগ্রাম ডেটা মেমোরিতে সংরক্ষণ করতে চায় বা প্রসেসর ব্যবহার করতে চায়, তখন কার্নেল সেই অনুরোধকে সঠিকভাবে বরাদ্দ করে। তাই প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো – ক) হার্ডওয়্যার নিয়ন্ত্রণ এবং সম্পদ পরিচালনা।

• কার্নেল (Kernel):
- অপারেটিং সিস্টেমের মূল অংশের নাম হলো কার্নেল।
- কার্নেল হলো অপারেটিং সিস্টেমের মৌলিক এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর মধ্যে যোগদান করে অপারেটিং সিস্টেমকে চালু এবং পরিচালনা করে।

• কার্নেলের প্রকারভেদ:
১. মনোলিথিক কার্নেল
২. মাইক্রোকার্নেল
৩. হাইব্রিডকার্নেল
৪. এক্সোকার্নেল
৫. ন্যানোকার্নেল।

• কার্নেলের কাজ:
- সিপিইউ এর শিডিউলিং এর দায়িত্ব পালন করে।
- ইনকামিং প্রক্রিয়ার অবস্থা নির্ধারণ, টাস্ক ব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়।
- মেমরি ম্যানেজমেন্ট, ডিভাইস ম্যানেজমেন্ট এর কাজ করে।
- ইনপুট/আউটপুট ডিভাইসের সাথে কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সংযোগ স্থাপন করে।
- এটি প্রোগ্রাম চালানো, ফাইল অ্যাক্সেস করা এবং প্রিন্টার এবং কীবোর্ডের মতো ডিভাইসের সাথে সংযোগ করার মতো কাজগুলি পরিচালনা করে।

উৎস: geeksforgeeks website.

৪৩.
WinRAR মূলত কী কাজে ব্যবহৃত হয়?
  1. ছবি সম্পাদনা করা
  2. ইন্টারনেটে ব্রাউজ করা
  3. ফাইল কম্প্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করা
  4. কোড লেখা
সঠিক উত্তর:
ফাইল কম্প্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফাইল কম্প্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করা
ব্যাখ্যা

• WinRAR মূলত ফাইল কম্প্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি এমন একটি সফটওয়্যার, যা বড় আকারের ফাইল বা একাধিক ফাইলকে একসাথে ছোট আকারে কম্প্রেস করে রাখে, ফলে সহজে সংরক্ষণ ও শেয়ার করা যায়। একইভাবে, অন্য কেউ যদি কম্প্রেস করা ফাইল পায়, তবে WinRAR ব্যবহার করে সেটিকে আবার আসল অবস্থায় এক্সট্র্যাক্ট করা যায়। সাধারণত .rar এবং .zip ফাইল ফরম্যাটের জন্য এটি বেশি জনপ্রিয়। এছাড়া পাসওয়ার্ড প্রোটেকশন ও ফাইল এনক্রিপশনের সুবিধাও রয়েছে, যা ডেটার নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। তাই, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর হলো— গ) ফাইল কম্প্রেস ও এক্সট্র্যাক্ট করা।
 
• ফাইল কম্প্রেশন (জিপ):
- বড় আকারের ফাইলকে ছোট করে সংরক্ষণ করার জন্যে কিংবা ইন্টারনেটে আদান-প্রদানের জন্যে জিপ করা হয়।
- জিপ ফাইলকে পরবর্তীতে ব্যবহার উপযোগী করার জন্যে এক্সট্র্যাক্ট করতে হয়।
- এতে করে ফাইল পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।

• কিছু ফাইল কম্প্রেশন সফটওয়্যার:
- WinRAR,
- WinZip,
- 7-Zip,
- Stuffit,
- Bandizip,
- Tar,
- Gzip.

উৎস:
১. ব্রিটানিকা।
২. সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৪৪.
VoIP ব্যবহারের প্রধান সুবিধা কোনটি?
  1. ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করা যায়
  2. শুধুমাত্র ল্যান্ডলাইনে ব্যবহারযোগ্য
  3. কল খরচ বেশি
  4. যোগাযোগ খরচ কম
সঠিক উত্তর:
যোগাযোগ খরচ কম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যোগাযোগ খরচ কম
ব্যাখ্যা

• VoIP বা Voice over Internet Protocol হলো এমন একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভয়েস কল করা যায়। এর প্রধান সুবিধা হলো যোগাযোগ খরচ কম হওয়া। প্রচলিত টেলিফোন ব্যবস্থার তুলনায় VoIP অনেক সাশ্রয়ী, কারণ এখানে আলাদা টেলিফোন নেটওয়ার্কের প্রয়োজন হয় না, শুধু ইন্টারনেট সংযোগ থাকলেই দেশি ও আন্তর্জাতিক কল সহজে করা যায়। অনেক ক্ষেত্রে কল প্রায় বিনামূল্যে বা খুব কম খরচে সম্ভব। এছাড়া ভিডিও কল, কনফারেন্স কল এবং ডাটা শেয়ার করার মতো অতিরিক্ত সুবিধাও পাওয়া যায়। তাই প্রদত্ত অপশন গুলির মধ্যে সঠিক উত্তর হলো ঘ) যোগাযোগ খরচ কম।

VoIP:
- Voice over IP বা VoIP হলো একটি প্রটোকল।
- এটি সাধারণত অডিও এবং ভিডিও যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, যেখানে ভয়েস সংকেত ডিজিটাল ডেটাতে রূপান্তরিত হয়ে ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরিত হয়।
- VOIP এর পূর্ণরূপ Voice over Internet Protocol.
- ইন্টারনেটে টেলিফোন কল দিতে এই প্রটোকল ব্যবহৃত হয়।
- VoIP-কে IP telephony বলা হয়, ইন্টারনেটের ডেটা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ভয়েস টেলিফোন ট্র্যাফিক বহনের জন্য যোগাযোগ প্রযুক্তি।
- ভিওআইপি, ইন্টারনেট প্রোটোকল (IP) ব্যবহার করে।
- H.323 Protocol সাধারণত VolP (Voice Over Internet Protocol) এ ব্যবহৃত হয়।

উৎস: ব্রিটানিকা।

৪৫.
OMR শিটের ডেটা পড়তে কোন ডিভাইস প্রয়োজন?
  1. প্রজেক্টর
  2. স্ক্যানার
  3. প্রিন্টার
  4. ফটোকপি মেশিন
সঠিক উত্তর:
স্ক্যানার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ক্যানার
ব্যাখ্যা

• OMR (Optical Mark Recognition) শিটের ডেটা পড়ার জন্য প্রধান ডিভাইস হলো স্ক্যানার। OMR শিটে শিক্ষার্থীরা উত্তর প্রদানের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে চিহ্ন বা মার্ক করে। এই চিহ্নগুলোকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত করতে এবং কম্পিউটারে রূপান্তর করতে স্ক্যানার ব্যবহার করা হয়। প্রজেক্টর কেবল ছবি বা তথ্য প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হয়, প্রিন্টার শিট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয় এবং ফটোকপি মেশিন কাগজের নকল করার জন্য। কিন্তু OMR শিটের মার্কগুলোকে পড়ে ডিজিটাল ডেটায় রূপান্তর করার কাজ স্ক্যানারই করতে সক্ষম, যা পরীক্ষার ফলাফল দ্রুত এবং সঠিকভাবে প্রক্রিয়াকরণে সহায়ক। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) স্ক্যানার।
 
ওএমআর (OMR):
- অপটিক্যাল মার্ক রিকগনাইজার (Optical Mark Recognition) একটি বিশেষ ধরনের ইনপুট ডিভাইস। 
- OMR সিটে স্পষ্টভাবে দাগাংকিত বিশেষ ধরনের পেনসিল বা কলমের দাগ অনুধাবন করতে পারে।
- এটি OMR সিটে ওপর প্রদত্ত বিশেষ ধরনের চার্জ এর উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি অপটিক্যাল বিম দ্বারা স্ক্যান করে সমতুল্য বৈদ্যুতিক পালস উৎপন্ন করে।
- বিশেষ OMR সিটের মার্ককে পাঠ করে নির্দিষ্ট ফরম্যাটের ডাটা তৈরি করে। এজন্য ওএমআর-এ একটি আলোক উৎস থাকে। আলোতে উৎস থেকে নির্গত আলো মার্কসমূহকে স্কানিং করে।
- নৈর্বাচনিক প্রশ্নোত্তরভিত্তিক উত্তরপত্র মূল্যায়ন, জনসংখ্যা জরিপসহ অনুরূপ নানাবিধ কাজে ওএমআর ব্যবহৃত হরে থাকে।
- এ ডিভাইস অতি অল্পসময়ে বিপুল পরিমাণ তথ্য স্ক্যান করতে পারে।
- মার্ক করা কাগজ স্পষ্ট না হলে সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি-2, এসএসসি ও দাখিল (ভোকেশনাল)।

৪৬.
অ্যাভাস্ট নিচের কোন ফিচার প্রদান করে?
  1. রিয়েল-টাইম ভাইরাস সুরক্ষা
  2. গ্রাফিক ডিজাইন সরঞ্জাম
  3. শুধুমাত্র ক্লাউড স্টোরেজ
  4. ওয়েব হোস্টিং সেবা
সঠিক উত্তর:
রিয়েল-টাইম ভাইরাস সুরক্ষা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিয়েল-টাইম ভাইরাস সুরক্ষা
ব্যাখ্যা

• অ্যাভাস্ট একটি জনপ্রিয় অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার যা প্রধানত ব্যবহারকারীর কম্পিউটার ও ডিভাইসকে সাইবার হুমকি থেকে সুরক্ষা দিতে ব্যবহৃত হয়। এটি রিয়েল-টাইম ভাইরাস সুরক্ষা প্রদান করে, যার অর্থ এটি ব্যাকগ্রাউন্ডে ক্রমাগত কাজ করে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, স্পাইওয়্যার ও অন্যান্য অননুমোদিত সফটওয়্যার শনাক্ত ও ব্লক করতে পারে। ব্যবহারকারী যখন কোনো ফাইল ডাউনলোড করে বা কোনো প্রোগ্রাম চালায়, তখন অ্যাভাস্ট তা স্ক্যান করে নিরাপদ কিনা যাচাই করে। অ্যাভাস্ট গ্রাফিক ডিজাইন, ক্লাউড স্টোরেজ বা ওয়েব হোস্টিং সরাসরি প্রদান করে না। তাই সঠিক উত্তর হলো ক) রিয়েল-টাইম ভাইরাস সুরক্ষা। এটি ব্যবহারকারীর সাইবার নিরাপত্তা বজায় রাখতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৪৭.
SATA এর পূর্ণরূপ হচ্ছে:
  1. Serial Advanced Technology Attachment
  2. System ATA Transfer
  3. Serial Access Technology Architecture
  4. Standard ATA Transmission
সঠিক উত্তর:
Serial Advanced Technology Attachment
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Serial Advanced Technology Attachment
ব্যাখ্যা

• SATA এর পূর্ণরূপ হলো Serial Advanced Technology Attachment। এটি একটি স্টোরেজ ইন্টারফেস যা মূলত হার্ড ড্রাইভ (HDD), সলিড-স্টেট ড্রাইভ (SSD) এবং অপটিক্যাল ড্রাইভের সঙ্গে কম্পিউটার সংযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়। SATA পূর্ববর্তী PATA (Parallel ATA) প্রযুক্তির তুলনায় অনেক দ্রুত এবং আরও কার্যকর। এটি ডাটা স্থানান্তরের জন্য সিরিয়াল কেবল ব্যবহার করে, যা সরু এবং নমনীয়, ফলে কম্পিউটার ভেতরের এয়ারফ্লো উন্নত হয়। SATA ড্রাইভের জন্য বিভিন্ন সংস্করণ আছে, যেমন SATA I, SATA II এবং SATA III, যা পর্যায়ক্রমে ডাটা ট্রান্সফারের গতি বাড়িয়েছে। এটি আধুনিক কম্পিউটারে স্টোরেজ সংযোগের একটি মান হয়ে গেছে।

সঠিক উত্তর: ক) Serial Advanced Technology Attachment.

• বিভিন্ন ধরনের হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:
- কম্পিউটারের হার্ডডিস্ককে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা যায় । এগুলো হলো:
১. আইডিই বা পাটা (IDE/PATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
২. সাটা (SATA) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ,
৩. স্ক্যাজি (SCSI) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ এবং 
৪. সাস (SAS) হার্ড ডিস্ক ড্রাইভ। 

• সাটা (SATA):
- হার্ডডিস্ক ড্রাইভ সিরিয়াল আটা বা সাটার পুরো অর্থ হলো সিরিয়াল অ্যাডভান্স টেকনোলজি অ্যাটাচমেন্ট ড্রাইভ (SATA – Serial Advance Technology Attachment Drive)। 
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত ৭ পিনের হয়ে থাকে। এদের মধ্যে ডেটা প্রেরণ ও গ্রহণের জন্য ৪ পিন দুইটি জোড়ায় থাকে এবং বাকি ৩ পিন গ্রাউন্ডেড অবস্থায় থাকে।
- SATA ড্রাইভগুলো সাধারণত 300MB/sec ট্রান্সফার রেট প্রদান করে।
- SATA হার্ডডিস্কগুলোকে সংযুক্ত করার জন্য SATA ক্যাবল ব্যবহার করা হয়।
- একটি সাটা ক্যাবলে শুধু একটি ড্রাইভই সংযুক্ত করা যায়।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি-২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল)।