পরীক্ষা আর্কাইভ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

পরীক্ষাগুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভারতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়30 minutes৩৩ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৩৪
সিলেবাস
Part – 1: English Literature Topics: 1. Writers from Vicorian Period [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] Important Writers: Alfred Lord Tennyson, Robert Browning, Charles Dickens, Sir Walter Scott, Matthew Arnold, Oscar Wilde, Thomas Hardy. Other Writers: R.L Stevenson, Mark Twain, William Hazlitt, Edward Fitzgerald, George Eliot, John Stuart Mill, Charles Robert Darwin, Karl Marx, Cardinal Newman, Thomas Babington Macaulay, Emily Bronte, Gustave Flaubert, Henry James, George Robert Gissing. 2. Modern English, Irish and Scottish Writers [Edwardian Period, Georgian Period] [গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের জীবনী, সাহিত্য-কর্ম, অবদান, স্বীকৃতি ইত্যাদি সম্পর্কে বিস্তারিত পড়তে হবে। অন্যান্য লেখকদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান ও সাহিত্যকর্ম সম্পর্কে পড়লেই হবে।] Important Writers: Bertrand Russell, David Herbert Lawrence, Edward Morgan Forster, George Bernard Shaw, George Orwell, James Joyce, Rudyard Kipling, Samuel Beckett, Thomas Stearns Eliot, Virginia Woolf, William Butler Yeats. Others Writers: William Gerald Golding, Winston Churchill, Dylan Thomas, John Masefield, Joseph Conrad, John Millington Synge, Aldous Huxley, Graham Greene, H.G. Wells, Harold Pinter, J. K. Rowling. উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা, ইংরেজি সাহিত্যের উপর যেকোনো স্কলারের লেখা বই (যেমন - ইংরাজি সাহিত্যের ইতিহাস: শীতল ঘোষ), যেকোনো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------------------ পার্ট – ২: সাধারণ বিজ্ঞান টপিকসমূহ: আধুনিক বিজ্ঞান: ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। ২. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়। উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির পদার্থ বিজ্ঞান ও ভূগোল বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার

গুরুত্বপূর্ণ টপিকের উপর পরীক্ষা - ১৩৫ মার্কস্‌ কাভার · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৪ প্রশ্ন

.
চুনাপাথর কোন ধরণের শিলা?
  1. ক) আগ্নেয়
  2. খ) পাললিক
  3. গ) রূপান্তরিত
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
পাললিক শিলা
- পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠন করে তাকে পাললিক শিলা বলে। যেমন: চুনাপাথর, বেলেপাথর, পাথুরিয়া কয়লা, সৈন্ধব লবণ, খড়িমাটি প্রভৃতি। 
- পলল বা তলানি থেকে গঠিত হয় বলে এরূপ শিলাকে পাললিক শিলা বলে। 
- এ শিলার পলি সাধারণত স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়। আর স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয় বলে এ শিলাকে স্তরীভূত শিলাও বলা হয়।
- পাললিক শিলা ভূ-ত্বকের মোট আয়তনের শতকরা ৫ ভাগ।
- তবে মহাদেশীয় ভূ-ত্বকের উন্মুক্ত অংশের প্রায় ৭৫ ভাগই পাললিক শিলায় গঠিত। 
- পাললিক শিলার প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে স্তরীভূত, জীবাশ্ম বিশিষ্ট, অকেলাসিত, তরঙ্গচিহ্ন ও কোমলতা ইত্যাদি।
- মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পাললিক শিলা সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
- পাললিক শিলা প্রধানত তিন প্রকার। যথা: 
১। যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বেলেপাথর
২। রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- চুনাপাথর এবং 
৩। জৈবিক উপায়ে গঠিত পাললিক শিলা। যেমন- বাংলাদেশের জামালগঞ্জের কয়লা ও গোপালগঞ্জের পিট কয়লা।

উৎস
: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দুর্বলতম মৌলিক বল কোনটি?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) তাড়িতচৌম্বক বল
  3. গ) দুর্বল নিউক্লীয় বল
  4. ঘ) সবল নিউক্লীয় বল
ব্যাখ্যা
- যে সকল বল মূল বা স্বাধীন অর্থাৎ যে সকল বল অন্য কোনো বল থেকে উৎপন্ন হয় না বা অন্য কোনো বলের কোনো রূপ নয় বরং অন্যান্য বল এই সকল বলের কোনো না কোনো রূপের প্রকাশ তাদেরকে মৌলিক বল বলে।
- মৌলিক বল হলো চারটি- মহাকর্ষ বল, তাড়িতচৌম্বক বল, সবল নিউক্লিয় বল, দুর্বল নিউক্লিয় বল।
- ভরের কারণে মহাবিশ্বের যেকোনো দুটি বস্তুর মধ্যকার পারস্পরিক আকর্ষণ বলকে মহাকর্ষ বলে।
- মহাকর্ষ একটি সার্বজনীন বল৷ চারটি মৌলিক বলের মধ্যে মহাকর্ষ হলো দুর্বলতম বল।

সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি;
.
কোনটির প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়?
  1. ক) মহাকর্ষ বল
  2. খ) অভিকর্ষ বল
  3. গ) বেগ
  4. ঘ) ত্বরণ
ব্যাখ্যা
অভিকর্ষ
- পৃথিবী পৃষ্ঠের উপর বা পৃষ্ঠ সংলগ্ন কোনো বস্তু এবং পৃথিবীর মধ্যে যে মহাকর্ষ বল ক্রিয়াশীল তাকে অভিকর্ষ বলে।
- মূলত এই অভিকর্ষ বলের প্রভাবে বস্তু পৃথিবীর দিকে আকৃষ্ট হয়
- পৃথিবীর বিশালত্বের কারণে অন্য বস্তুটির বলের প্রভাব অনুভূত বা পরিলক্ষিত হয় না।
- তাই পৃথিবী ও চাঁদের মধ্যকার আকর্ষণ বা পৃথিবী ও সূর্যের মধ্যকার আকর্ষণ মূলত হচ্ছে মহাকর্ষ।
- পৃথিবীর সঙ্গে এক খন্ড পাথরের বা একটুকরো ইটের বা একটি বইয়ের যে আকর্ষণ তা অভিকর্ষ বলে অভিহিত হয়। 
- মূলত অভিকর্ষও এক ধরনের মহাকর্ষ। 

উৎস: পদার্থ প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে নিম্নের কোনটি?
  1. ক) আইসি
  2. খ) ট্রানজিস্টর
  3. গ) ট্রান্সফরমার
  4. ঘ) হাব
ব্যাখ্যা
ট্রানজিস্টর:
 - দুটি একই ধরনের অর্ধপরিবাহীর (n-টাইপ অথবা p-টাইপ) মাঝখানে এদের বিপরীত ধরনের (p-টাইপ অথবা n- টাইপ) অর্ধপরিবাহী বিশেষ প্রক্রিয়ায় পরস্পরের সাথে যুক্ত করে যে যন্ত্র বা কৌশল (Device) তৈরি করা হয় তাকে ট্রানজিস্টর বলে।
- ট্রানজিস্টর (Transistor) হচ্ছে একটি ইংরেজি শব্দ।
- Transfer এবং Resistor এই দুটি পৃথক ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে Transistor শব্দটি গঠিত হয়েছে।
- ট্রানজিস্টরকে বিংশ শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ আবিষ্কার বলা যায়।
- ট্রানজিস্টরের আবিষ্কারের ফলে ইলেকট্রনিক্স এর জগতে বিপ্লব সংঘটিত হয়েছে। 
- ১৯৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেল টেলিফোন ল্যাবরেটরির তিনজন গবেষক জে. বার্ডিন (J.Bardeen), ডব্লিউ ব্রাটেন (W. Brattain) ও ডব্লিউ শকলে (W. Shockley) ট্রানজিস্টর আবিষ্কার করেন। 
- এই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের জন্য তিন জনকে ১৯৫৬ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়।
- ট্রানজিস্টর দুর্বল তড়িৎ সংকেতকে বিবর্ধন করতে পারে এবং উচ্চগতিসম্পন্ন সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
- একটি জাংশন ট্রানজিস্টর দুটি p-n জাংশনের সমন্বয়ে গঠিত এবং এর তিনটি প্রান্ত রয়েছে। 
- গঠন ও প্রকৃতি অনুসারে জাংশন ট্রানজিস্টর দুই প্রকার: 
(১) p-n-p ট্রানজিস্টর এবং
(২) n-p-n ট্রানজিস্টর।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
আপেক্ষিকতার তত্ত্বের ভিত্তিতে নিম্নের কোনটির ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়?
  1. ক) মহাকর্ষ
  2. খ) নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি
  3. গ) সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
আপেক্ষিকতার তত্ত্ব
- যখন কোনো বস্তুর অবস্থান বা বেগ পরিমাপ করা হয় তখন কোনো স্থির বিন্দুকে প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা হয়। ঐ প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দূরত্বকে তার অবস্থান বলা হয় এবং প্রসঙ্গ কাঠামো সাপেক্ষে বস্তুটির রৈখিক দ্রুতিকে বেগ বলা হয়।
- কিন্তু এই মহাবিশ্বে কোনো কিছুই স্থির নয়। সুতরাং পরম স্থির বলে কোনো অবস্থান পাওয়া সম্ভব নয় যাকে স্থির প্রসঙ্গ কাঠামো হিসাবে বিবেচনা করা যায়।
- তাই প্রসঙ্গ কাঠামোর সাপেক্ষে যা পরিমাপ করা হয় তা পরম নয়। অর্থাৎ সব সময় অবস্থান বা বেগকে আপেক্ষিকভাবে পরিমাপ করা হয়।
- চিরায়ত বল বিদ্যার মতে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি।
- কিন্তু ১৯০৫ সালে আইনস্টাইন এই ধারণার আমূল পরিবর্তন ঘটান । তার তত্ত্ব অনুসারে স্থান, ভর ও সময় ধ্রুব রাশি নয়। এগুলো সকলই আপেক্ষিক।
- বেগের পরিবর্তনের সাথে সাথে এদের পরিবর্তন হয়। কেবল মাত্র শূন্য মাধ্যমে আলোর বেগই পরম বেগ।
- উচ্চ গতিশীল (আলোর কাছাকাছি বেগে) বস্তুর ক্ষেত্রে এই ধারণা পরীক্ষালব্ধ মানের সাথে সম্পূর্ণভাবে মিলে যায়। আইনস্টইনের এই তত্ত্বকে আপেক্ষিক বলা হয়।
- পরমাণবিক ও নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞানে এই তত্ত্বের গুরুত্ব অপরিসীম।
- আইনস্টাইন তার আপেক্ষিক তত্ত্বে বলেন প্রাকৃতিক নিয়মাবলীর গাণিতিক সূত্রসমূহ সকল জড় কাঠামোতে অভিন্ন। এটাই আপেক্ষিকতার নীতি।
- ১৯১৬ সালে আইনস্টাইন আপেক্ষিকতার আরো একটি তত্ত্ব উপস্থাপন করেন।
- মহাকর্ষ, নাক্ষত্রিক গতিপ্রকৃতি, সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্বের ধারণা ইত্যাদি এই তত্ত্বের ভিত্তিতে ব্যাখ্যা প্রদান করা যায়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না কোন রশ্মি?
  1. ক) আলফা রশ্মি
  2. খ) বিটা রশ্মি
  3. গ) গামা রশ্মি
  4. ঘ) এক্স রশ্মি
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: গ) গামা রশ্মি ও ঘ) এক্স রশ্মি 
অপশনে একাধিক সঠিক উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।

গামা রশ্মির ধর্ম ও প্রকৃতি
:
১। গামা রশ্মি অতি ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের তাড়িতচৌম্বক তরঙ্গ।
২। এই রশ্মি আলোর ন্যায় বেগে গতিশীল ।
৩। এর কোনো চার্জ ও ভর নাই ।
৪। গামা রশ্মি বিদ্যুৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না
৫। এটি ফটোগ্রাফিক পেণ্টটের উপর বিক্রিয়া করে।
৬। এর আয়নিত করার ক্ষমতা আছে তবে বিটা রশ্মি অপেক্ষা কম । 
৭। জিংক সালফাইডে গামা রশ্মি প্রতিপ্রভ সৃষ্টি করে।
৮। গামা রশ্মির প্রতিফলন, প্রতিসরণ, ব্যাতিচার, অপবর্তন ইত্যাদি সব আলোকীয় ধর্ম আছে ।

এক্সরের ধর্ম:
১। এক্সরে সরল পথে গমন করে।
২। এক্সরে অদৃশ্য রশ্মি। সাধারণ আলো রেটিনায় পড়লে দৃষ্টির অনুভূতি জাগায় কিন্তু এর ক্ষেত্রে এমন ঘটে না।
৩। এক্সরে তাড়িতচুম্বকীয় আড় তরঙ্গ।
৪। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য আলোর তরঙ্গ দৈর্ঘ্যরে চেয়ে অনেক ছোট।
৫। এটি আলোর সমবেগে গমন করে।
৭। এই রশ্মি আলো তড়িৎ ক্রিয়া প্রদর্শণ করে।
৮। এক্সরে ফটোগ্রাফিক প্লেটে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।
৯। এক্সরে তড়িৎ ক্ষেত্র ও চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয় না। সুতরাং এর কোন চার্জ নাই।
১০। এই রশ্মি গ্যাসের মধ্য দিয়ে গমনের সময় গ্যাসকে আয়নিত করে।
১১। এক্সরে প্রতিপ্রভা সৃষ্টি করতে পারে।
১২। এক্সরের ভেদন ক্ষমতা অত্যধিক।
১৩। এক্সরে জীবন্ত কোষকে ধ্বংস করতে পারে।


উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বারিমন্ডলে সমুদ্রের পানির পরিমাণ কত?
  1. ক) ৭১.৩৭%
  2. খ) ৭৫.৯৭%
  3. গ) ৯৫.৯৬%
  4. ঘ) ৯৭.২৫%
ব্যাখ্যা
বারিমন্ডলের পানির প্রধান উৎসসমূহঃ
সমুদ্র - ৯৭.২৫%
হিমবাহ - ২.০৫
ভূগর্ভস্থ পানি - ০.৬৮%
হ্রদ - ০.০১%
নদী - ০.০০০১%

উৎসঃ ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
.
জোয়ার-ভাঁটার কারণ কিসের প্রভাবে সংঘটিত হয়?
  1. ক) পৃথিবীর সাথে গ্রহ নক্ষত্রের আকর্ষণ
  2. খ) পৃথিবীর সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  3. গ) পৃথিবীর সাথে মঙ্গলের আকর্ষণ
  4. ঘ) গ্রহ নক্ষত্রের সাথে চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
ব্যাখ্যা
জোয়ার ভাঁটা:
- চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ শক্তি এবং পৃথিবীর কেন্দ্রাতিক শক্তি প্রভৃতির প্রভাবে সমুদ্রের পানি নির্দিষ্ট সময় অন্তর ফুলে উঠে আবার নেমে যায়।
- সমুদ্রের পানি এভাবে ফুলে উঠাকে বলা হয় জোয়ার (High Tide) এবং নেমে যাওয়াকে ভাঁটা (Ebb or low Tide) বলে। 
- প্রতি ১২ ঘন্টা ২৬ মিনিট পরপর এই জোয়ার ভাঁটা সংঘঠিত হয়। অর্থাৎ সমুদ্রে একই জায়গায় প্রতিদিন দু'বার জোয়ার ও দু'বার ভাঁটা হয়।
- সমুদ্রের মোহনা থেকে নদীগুলোর স্রোতের বিপরীতে উজানে কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত জোয়ার-ভাঁটা বেশি অনুভূত হয়। 
- সমুদ্রের মধ্যভাগ থেকে উপকূলের কাছে পানির অগভীর অংশে জোয়ারের পানির উচ্চতা বেশি থাকে।
- তবে বিভিন্ন নদীপথে দেশের ভিতরে সমুদ্রের পানি যখন প্রবেশ করে এবং নেমে যায় তাকে জোয়ার ভাঁটা বলে না।

জোয়ার ভাটার কারণ:
জোয়ার ভাঁটা সম্পর্কে প্রাচীনকালে মানুষ নানা রকম অবাস্তুব কল্পনা করত।
- কিন্তু বিজ্ঞানীরা প্রমাণ করেছেন যে, চন্দ্র ও সূর্যের প্রভাবেই এবং পৃথিবীর আবর্তনের ফলে সৃষ্ট কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাবে জোয়ার ভাঁটা হয়
- জোয়ার ভাঁটা সংঘটনের কারণকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
ক. মহাকর্ষণ শক্তির প্রভাব এবং
খ. কেন্দ্রাতিগ শক্তির প্রভাব।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
টাইডাল রেঞ্জ -এর দৈর্ঘ্য সাধারণত কত মিটার হয়ে থাকে?
  1. ক) ১-১০ মিটার
  2. খ) ৫-১৫ মিটার
  3. গ) ১-২০ মিটার
  4. ঘ) ১০-২৫ মিটার
ব্যাখ্যা
জোয়ার ভাঁটার বিস্তৃতি (Tidal Range):
- উচ্চ জোয়ারের সময় পানির সর্বোচ্চ উচ্চতা ও নিম্ন জোয়ারের সময় পানির সর্বনিম্ন উচ্চতার ব্যবধানকে জোয়ার ভাঁটার বিস্তৃতি বা টাইডাল রেঞ্জ বলে।
- টাইডাল রেঞ্জ সাধারণত ১ মিটার থেকে ২০ মিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে
- ভৌগোলিক অবস্থা ও এলাকার জ্যামিতিক আকৃতি অনুযায়ী টাইডাল রেঞ্জ এর বিভিন্নতা হয়।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১০.
সমুদ্র স্রোতের অন্যতম কারণ -
  1. ক) নিয়ত বায়ু প্রবাহ
  2. খ) সমুদ্রের পানিতে তাপ পরিচালনা
  3. গ) সমুদ্রের পানিতে ঘনত্বের তারতম্য
  4. ঘ) সমুদ্রের ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
সমুদ্র স্রোত:
সমুদ্র স্রোতের প্রধান কারন - বায়ু প্রবাহ।
বায়ু প্রবাহ সমুদ্রের উপরিভাগের পানির সঙ্গে ঘর্ষণ তৈরি করে এবং ঘর্ষণের জন্য পানিতে ঘূর্ণন  (Gyre/spiral pattern) তৈরি করে। সমুদ্রের পানি একটি নির্দিষ্ট গতিপথ অনুসরন করে চলাচল করে, একে সমুদ্রস্রোত বলে।

সমুদ্রস্রোতকে উষ্ণতার তারতম্য অনুসারে, দুইভাগে ভাগ করা যায়।
যথা -
১. উষ্ণ স্রোত:
- নিরক্ষীয় অঞ্চলে তাপমাত্রা বেশি হওয়ায় জলরাশি হালকা হয় ও হালকা জলরাশি সমুদ্রের উপরিভাগ দিয়ে পৃষ্ঠপ্রবাহরূপে শীতল মেরু অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়; এরূপ স্রোতকে উষ্ণ স্রোত বলে।
২. শীতল স্রোত:
- মেরু অঞ্চলের শীতল ও ভারী জলরাশি জলের নিচে অংশ দিয়ে অন্তঃপ্রবাহরূপে নিরক্ষীয় উষ্ণমন্ডলের দিকে প্রবাহিত হয়। এরূপ স্রোতকে শীতল স্রোত বলে।

সমুদ্রস্রোতের কারণ:
- নিয়ত বায়ুপ্রবাহ (প্রধান কারন)
- পৃথিবীর আহ্নিক গতি।
- সমুদ্রজলের তাপমাত্রার পার্থক্য
- সমুদ্রজলের লবণাক্ততার পার্থক্য
- ভূখন্ডের অবস্থান
- অসম বাষ্পীভবন
- সমুদ্রের গভীরতা

উৎস: মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক ভূগোল ও পরিবেশ বই।
১১.
কোন পদার্থের বর্জ্য শহরে জলাবদ্ধতা সৃষ্টির পেছনে দায়ী?
  1. ক) স্টীল
  2. খ) কাঁচ
  3. গ) প্লাস্টিক
  4. ঘ) কাগজ
ব্যাখ্যা
- প্লাস্টিক সামগ্রী পরিবেশের জন্য হুমকিস্বরূপ।
- পরিত্যক্ত প্লাস্টিক বর্জ্য অনুজীব দ্বারা আক্রান্ত হয় না বলে অপরিবর্তিত অবস্থায় বছরের পর বছর ধরে মাটিতে থেকে যায়।
- বর্জ্য প্লাস্টিক মাটির উর্বরতা নষ্ট করে, নদীর নিচে তলানী হিসেবে জমা হয়ে নদীর নাব্যতা কমিয়ে দেয়, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় ও পানি দূষণ ঘটায়।
- ব্যবহার অনুপোযোগী প্লাস্টিক পরিবেশের জন্য খুবই ক্ষতিকর।
- প্লাস্টিক রিসাইকেল করে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণ করা সম্ভব।

সূত্র: Plastics NZ Website
১২.
বায়ু দূষণের প্রাকৃতিক কারণ নয় কোনটি?
  1. ক) তেজস্ক্রিয় পদার্থ
  2. খ) আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. গ) দাবানল
  4. ঘ) ঘূর্ণিঝড়
ব্যাখ্যা
- বায়ু দূষণের কারণসমূহকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
প্রাকৃতিক কারণ ও
মানব-সৃষ্ট কারণ। 

প্রাকৃতিক কারণ (Natural Causes):
আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত: আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে নির্গত সালফার ডাই-অক্সাইড, কার্বন মনোঅক্সাইড, হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস প্রভৃতি বায়ুর সাথে মিশে বায়ুকে দূষিত করে।
জৈব ও অজৈব পদার্থ: বিভিন্ন প্রকার জৈব ও অজৈব পদার্থের স্বাভাবিক পচনের ফলে যে গ্যাস সৃষ্টি হয় তা বায়ুকে দূষিত করে ।
দাবানল ও ধূলিঝড়: বিস্তৃত বনাঞ্চলে দাবানল হলে তা ব্যাপক এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে বায়ুকে দূষিত করে। এছাড়া মরু এলাকায় ধূলিঝড়ও বায়ু দূষণ ঘটায়
গ্যাসক্ষেত্রের বিস্ফোরণ: গ্যাসক্ষেত্র বিস্ফোরণ বা দুর্ঘটনাজনিত কারণে যে গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে তা বায়ুকে দূষিত করে।

মানব-সৃষ্ট কারণ (Man-Made Causes)
তেজস্ক্রিয় পদার্থ: যুদ্ধক্ষেত্র অথবা পারমানবিক চুল্লিতে দুর্ঘটনার ফলে তেজস্ক্রিয় পদার্থের বিকিরণ হলে বায়ু দূষিত হয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, ১৯৪৫ সালে হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমানবিক বোমার বিস্ফোরণ।
- এছাড়াও জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, শিল্প-কারখানার নির্গত ধোঁইয়া, পরিত্যক্ত বর্জ্য পদার্থের দহন, বন উজার, ইটভাটা, কীটনাশক ইত্যাদি মানব-সৃষ্ট কারণসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কারণ। 

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
বায়ূ দূষণের ফলে সৃষ্ট রোগ কোনটি?
  1. ক) শ্বাসকষ্ট
  2. খ) ডায়রিয়া
  3. গ) আমাশয়
  4. ঘ) টাইফয়েড
ব্যাখ্যা
- জগতের প্রতিটি প্রাণের অস্তিত্বের জন্য অত্যাবশ্যকীয় উপাদান বায়ু। বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের উপর যে প্রভাব পড়ে তা হলো- 

মানব স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব:
- বায়ু দূষণের ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয় মানব স্বাস্থ্য।
- দূষিত বায়ু গ্রহণের মাধ্যমে শুধুমাত্র শ্বাস-প্রশ্বাসই নয় এর মাধ্যমে জীবনও বিপন্ন হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে শ্বাসনালীতে জ্বালা, কাশি ও দম বন্ধ হয়ে যেতে পারে।
- বিশেষ করে সালফারের অক্সাইডগুলো ফুসফুসে নানা ধরনের রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ।
- নাইট্রোজেনের অক্সাইডগুলোর বিষাক্ত প্রতিক্রিয়ায় ফুসফুস ফুলে যায় এবং ফুসফুসে পানি জমে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
- অতিমাত্রায় বায়ু দূষণ দীর্ঘস্থায়ী হাঁপানি, শ্বাসনালীর প্রদাহ ও কণ্ঠস্বর ভঙ্গের কারণ হতে পারে।
- বায়ু দূষণের ফলে মানব স্বাস্থ্যের আরো যেসব ক্ষতি হতে পারে:
১. অ্যাজমা
২. ব্রঙ্কাইটিজ 
৩. মাথাব্যাথা 
৪. চোখের সমস্যা 
৫. হাইপারটেনশন 
৬. রক্তের অক্সিজেন বহন ক্ষমতা হ্রাস
৭. হৃদরোগ
৮. অবসন্নতা  
৯. মাথা ঘূন্নি 
১০. আলসার
১১. বমি বমি ভাব 
১২. খিচুনী ইত্যাদি।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
প্রাকৃতিক ভূগোলের কোন শাখা অশ্মমন্ডল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়?
  1. ক) জলবায়ুবিদ্যা
  2. খ) ভূমিরূপবিদ্যা
  3. গ) সমুদ্রবিদ্যায়
  4. ঘ) জীব ভূগোলে
ব্যাখ্যা
প্রাকৃতিক ভূগোল
- ভূগোল বিষয়ের যে অংশ পাঠ করলে পৃথিবীর জন্ম, ভূ-প্রকৃতি অর্থাৎ পাহাড়, পর্বত, বারিমন্ডল, বায়ুমন্ডল প্রভৃতি বিষয় ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ করা যায় তাকে প্রাকৃতিক ভূগোল বলে।
- প্রাকৃতিক ভূগোলের প্রধান প্রকৃতি হলো- প্রকৃতির সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়কে প্রাকৃতিক ভূগোল এককভাবে প্রকাশ করে।
- তাই প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিধিও ব্যাপক এবং ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক ভূগোলের পরিধি আরো অধিক বিস্তৃত হবে।

১. ভূমিরূপবিদ্যা (Geomorphology): প্রাকৃতিক ভূগোলের এই শাখায় পৃথিবীর অভ্যন্তরীণ অবস্থা, পৃথিবীর উৎপত্তি, ভূ-আলোড়ন বা ভূ-আন্দোলন, বিভিন্ন প্রকার ভূমিরূপ, ভূ-তাত্ত্বিক সময় মাপনি, ভূ-ত্বকের পরিবর্তন, পৃথিবীর উৎপত্তি সংক্রান্ত মতবাদ, খনিজ, শিলা প্রভৃতি বিভিন্ন বিষয় আলোচনা করা হয়।
- মূলত অশ্মমন্ডল বা ভূ-ত্বকের সকল বিষয় ভূমিরূপবিদ্যার অন্তর্গত
২. জলবায়ুবিদ্যা (Climatology): এই শাখা বায়ু, বায়ুস্তর, বায়ুর গঠন, বায়ুর ধর্ম, বায়ুর তাপ ও তাপমাত্ৰা, বায়ুচাপ, বায়ুপ্রবাহ, বায়ুপুঞ্জ, বায়ুপ্রাচীর, ঘূর্ণিবাত, প্রতীপ ঘূর্ণিবাত, বায়ুমন্ডলের জলীয়বাষ্প, মেঘ, বৃষ্টি, কুয়াশা, আবহাওয়া ও জলবায়ু নিয়ে আলোচনা করে। সংক্ষেপে বায়ুমন্ডল ও বায়ুমন্ডলের সাথে সম্পর্কিত সকল বিষয়ের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ প্রদান করে ।
৩. সমুদ্রবিদ্যা (Oceanography): বারিমন্ডলের প্রধান উপাদান সাগর, মহাসাগরসমূহের উৎপত্তি, বিন্যাস, বিস্তরণ, সমুদ্রস্রোত, সমুদ্র তলদেশের ভূমিরূপ, জোয়ার-ভাঁটা, মানব জীবনের উপর সমুদ্রস্রোতের প্রভাব ও বিভিন্ন মহাদেশের মধ্যে সমুদ্রপথে যোগাযোগ প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ।
8. মৃত্তিকা ভূগোল (Soil Geography): মৃত্তিকা ভূগোল ভূ-ত্বকের বা অশ্মমন্ডলের উপরিভাগের অংশ অর্থাৎ মৃত্তিকার গঠন, উপাদান, বণ্টন ও বিন্যাস সম্পর্কে আলোচনা করে ।
৫. জীব ভূগোল (Biogeography): উদ্ভিদ বাস্তব্যবিদ্যা, উদ্ভিদের ক্রমবিকাশ, পরিবেশের উপর উদ্ভিদের প্রভাব প্রভৃতি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে ।
৬. প্রাণি ভূগোল (Zoogeography): এ শাখা পৃথিবী পৃষ্ঠের প্রাণিজগৎ ও প্রাণিজগতের বণ্টন নিয়ে আলোচনা করে।
৭. গাণিতিক ভূগোল (Mathematical Geography): গাণিতিক ভূগোলে জ্যোতিষ্কমন্ডলী, সৌরজগৎ, পৃথিবী ও এর আকৃতি, গতি, আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা ও সময়, আহ্নিক গতি ও বার্ষিক গতির ফলাফল প্রভৃতি নিয়ে আলোচনা করে।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৫.
মানুষের মধ্যে মঙ্গোলয়েড ও নিগ্রয়েড জাতির মধ্যে যে পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় সেটির কারণ -
  1. ক) প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
  2. খ) জিনগত বৈচিত্র্য
  3. গ) বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
  4. ঘ) স্বভাবগত বৈচিত্র
ব্যাখ্যা
জীব-বৈচিত্র্য
- পৃথিবীতে জীবের বৈচিত্র্যতা রয়েছে। এর জলে, স্থলে, অন্তরীক্ষে সর্বত্রই প্রাণীর অস্তিত্ব লক্ষ করা যায়।
- প্রাণীগুলোর মধ্যে কোনোটি এতোই ছোট যে এদের খালি চোখে দেখা যায় না, আবার কোনোটি আকারে বড় তাই খালি চোখে দেখা যায়।
- এদের মধ্যে কোনোটি মানুষের জন্য উপকারি, কোনোটি ক্ষতিকর।
- এদের স্বভাব, বৈচিত্র্য, আবাস স্থলের ভিন্নতা ও দলগতভাবে এদের বৈশিষ্ট্যের পার্থক্য দেখা যায়।
- তাই প্রাণিদের শ্রেণিবিন্যাস সম্পর্কে সুসংবদ্ধ জ্ঞান থাকা অতীব প্রয়োজনীয়।

প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity):
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে।
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়। যথা-

১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity)- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য। আবার মানুষ (Homo sapiens) একই প্রজাতিভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে মঙ্গোলয়েড, ককেশয়েত, নিগ্রয়েড ইত্যাদি রেস দেখা যায় এবং এদের দেহের গঠন, গায়ের রং, চুলের রং ও আকৃতি ইত্যাদিতে অনেক পার্থক্য দেখা যায়।

২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity)- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে ।

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity)- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথস্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি । বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।

উৎস: জীববিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৬.
এক্সোমণ্ডলের তাপমাত্রা কত ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড থাকে?
  1. ক) ১০০° সেলসিয়াস থেকে ৫০০° সেলসিয়াস
  2. খ) ৫০° সেলসিয়াস থেকে ১৫০০° সেলসিয়াস
  3. গ) ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস
  4. ঘ) ৯০০° সেলসিয়াস থেকে ২০০০° সেলসিয়াস
ব্যাখ্যা
এক্সোমণ্ডল (Exosphere):
- তাপমণ্ডলের উপরে প্রায় ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত যে বায়ুস্তর আছে তাকে এক্সোমণ্ডল বলে।
- এই স্তরে হিলিয়াম ও হাইড্রোজেন গ্যাসের প্রাধান্য দেখা যায় ৷

এক্সোমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য:
- এক্সোমণ্ডল, তাপমণ্ডল অতিক্রম করে ৯৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রসারিত হয়।
- এটি ক্রমান্বয়ে আন্তগ্রহ স্থান Interplanetary Space) এ প্রবেশ করে ৷
- এ স্তরের তাপমাত্রা প্রায় ৩০০° সেলসিয়াস থেকে ১৬৫০° সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়।
- এ স্তরে খুব সামান্য পরিমাণ গ্যাস যেমন— অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, আর্গন এবং হিলিয়াম ধারণ করে, কেননা মধ্যাকর্ষণের ঘাটতির কারণে গ্যাস অণু বা কণাগুলো সহজে মহাকাশে ছড়িয়ে পড়ে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১৭.
জ্যাক কেলবি কোনটির সাহায্যে আইসি তৈরি করেন?
  1. ক) ট্রানজিস্টর
  2. খ) রেজিস্টর
  3. গ) ক্যাপাসিটর
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট।
- ১৯৫৮ সালে জ্যাক কেলবি নামক একজন বিজ্ঞানী ট্রানজিস্টর, রেজিস্টর এবং ক্যাপাসিটর সমন্বিত করে একটি সার্কিট তৈরি করেন যা আইসি নামে পরিচিত লাভ করে
- আইসি ব্যবহারের ফলে কম্পিউটার আকার ছোট হয় এবং এর ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
- আইসি আবিষ্কারের সাথে কমে আসে কম্পিউটার মূল্য এবং হিসাব নিকাশের সময়।

উৎস: পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি
১৮.
অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা কেমন পরিবর্তন হয়?
  1. ক) কমে
  2. খ) বাড়ে
  3. গ) শূন্য
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অর্ধপরিবাহী:
- যে সকল পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা অপরিবাহী ও পরিবাহীর মাঝামাঝি সেসব পদার্থকে অর্ধপরিবাহী বা সেমিকন্ডাক্টর বলে । যেমন— জার্মেনিয়াম, সিলিকন, গেলিয়াম ইত্যাদি অর্ধপরিবাহী পদার্থ।
- অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক রোধ পরিবাহী এবং অন্ধ্রকের আপেক্ষিক রোধের মাঝামাঝি। এদের আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm ক্রমের।
- কিন্তু কেবল আপেক্ষিক রোধ দিয়েই অর্ধপরিবাহী চিহ্নিত করা যায় না। কেননা এমন কিছু সংকর ধাতু ও আছে যাদের আপেক্ষিক রোধ জার্মেনিয়াম, সিলিকন প্রভৃতির সমক্রমের কিন্তু এগুলো অর্ধপরিবাহী নয়।

অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য:
১। পরম শূন্য তাপমাত্রায় (0 K) এরা অন্তরকের ন্যায় কাজ করে।
২। কক্ষ তাপমাত্রায় সাধারণত আপেক্ষিক রোধ 10-4 Ωm থেকে 10-2 Ωm  এর মধ্যে থাকে ।
৩। অর্ধপরিবাহীর সাথে কোনো অপদ্রব্য যোগ করলে এর তড়িৎ পরিবাহিতা বৃদ্ধি পায়
৪ । একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পোঁছা পর্যন্ত এর রোধ তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে হ্রাস পায়। 
৫। এদের পরিবহন ব্যান্ড ও যোজন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি পার্থক্য 1.1 eV বা এর চেয়ে কম।
৬। কক্ষ তাপমাত্রায় অর্ধপরিবাহীর পরিবহন ব্যান্ড আংশিক পূর্ণ ও যোজন ব্যান্ড আংশিক খালি থাকে।  

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
ডোপিং করার জন্য কত ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) ২ ধরনের
  2. খ) ৩ ধরনের
  3. গ) ৪ ধরনের
  4. ঘ) ৫ ধরনের
ব্যাখ্যা
ডোপিং (Doping):
- বহির্জাত অর্ধপরিবাহী তৈরির জন্য বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর সাথে সুনিয়ন্ত্রিত ও উপযুক্ত উপায়ে সামান্য পরিমাণ অপদ্রব্য মিশানোর প্রক্রিয়াকে ডোপিং বলে ।
- ডোপিং এর ফলে অর্ধপরিবাহীর তড়িৎ পরিবাহিতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায় ।
- ডোপিং এর জন্য দুই ধরনের অপদ্রব্য ব্যবহার করা হয়। যথা-
১. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৩ এর মৌল, যেমন –বোরন, অ্যালুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম ইত্যাদি।
২. পর্যায় সারণির গ্রুপ-১৫ এর মৌল, যেমন – ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি ইত্যাদি। 

উৎস
: পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২০.
Who is the author of 'The Proposed Roads to Freedom'?
  1. ক) Karl Marx
  2. খ) Bertrand Russell
  3. গ) John Stuart Mill
  4. ঘ) Rudyard Kipling
ব্যাখ্যা
• 'The Proposed Roads to Freedom' is Written by - Bertrand Russell.
- Bertrand Russell, in full Bertrand Arthur William Russell, is a British philosopher, logician, and social reformer, founding figure in the analytic movement in Anglo-American philosophy.
- This book contains Russell's astute political commentary on anarchism, socialism, and syndicalism.

Bertrand Russell, in full Bertrand Arthur William Russell, is a British philosopher logician, and social reformer, founding figure in the analytic movement in Anglo-American philosophy.
- Russell’s contributions to Logic, epistemology, and philosophy in mathematics established him as one of the foremost philosophers of the 20th century.
- সাহিত্যিক না হয়েও ১৯৫০ সালে তিনি সাহিত্যে Noble prize লাভ করেন।

Russell's Some notable works - 
- Mysticism and Logic.
- History of Modern Philosophy
- The Analysis of Mind
- Authority and the Individual.

Source: An ABC of English Literature by Dr M Mofizar Rahman and Britannica.
২১.
Lily Briscoe and Charles Tansley are characters from Virginia Woolf's which novel?
  1. ক) The Voyage Out
  2. খ) To the Lighthouse
  3. গ) Mrs. Dalloway
  4. ঘ) The Years
ব্যাখ্যা
• Lily Briscoe and Charles Tansley are characters from Virginia Woolf's famous novel - To the Lighthouse.
-   ১৯২৭ সালে উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। 
- The work is one of her most successful and accessible experiments in the stream-of-consciousness style.
- এই novel টি তিনটি section এ বিভক্ত।
- The three sections of the book take place between 1910 and 1920 and revolve around various members of the Ramsay family during visits to their summer residence on the Isle of Skye in Scotland.
- A central motif of the novel is the conflict between the feminine and masculine principles at work in the universe.

• Characters of this novel -
- Mrs. Ramsay
- Mr. Ramsay
- Lily Briscoe
- Charles Tansley
- James Ramsay

• Notable works of Virginia Woolf - 
- The Vouge Out
- Mrs. Dalloway
- The Waves
- Flush
- The Years

Source: Britannica and An ABC of English Literature and Britannica.
 
২২.
Which of the following is a science fiction novel?
  1. ক) The Age of Anxiety
  2. খ) Seize the Day
  3. গ) Brave New World
  4. ঘ) The Financial Expert
ব্যাখ্যা
• 'Brave New World' by Aldous Huxley is a science fiction.
- এটি ১৯৩২ সালে প্রকাশিত হয়। 
- The book presents a nightmarish vision of a future society.
- 'It is also known as a -dystopian novel.
- এটিকে dystopian novel বলা হয় কারণ the book presents a nightmarish vision of a future society.
- Brave New World is set in 2540 CE, which the novel identifies as the year AF 632.

• Aldous Huxley, in full Aldous Leonard Huxley, English novelist and critic gifted with an acute and far-ranging intelligence whose works are notable for their wit and pessimistic satire.
- He remains best known for one novel, Brave New World (1932), a model for much dystopian science fiction that followed.

• Aldous Huxley's some other notable works - 
- After Many a Summer Dies the Swan
- Antic Hay
- Crome Yellow
- Eyeless in Gaza
- Point Counter Point
- The Devils of Loudun
- The Doors of Perception
- Those Barren Leaves, etc.

অন্যদিকে,
• The Age of Anxiety is a poem by W.H Auden.
• Seize the Day is a novel by Saul Bellow.
• The Financial Expert is a novel by Indian writer R. K. Narayan.

Source: Britannica.
২৩.
Who is the author of the novel 'Ivanhoe'?
  1. ক) Mark Twain
  2. খ) Charlotte Bronte
  3. গ) Sir Walter Scott
  4. ঘ) Emily Bronte
ব্যাখ্যা
Sir Walter Scott is the author of the novel 'Ivanhoe'.
- এটি একটি historical romance, also known as historical novel.
- ১৮১৯ সালে এই novel টি প্রকাশিত হয়।
- It concerns the life of Sir Wilfred of Ivanhoe, a fictional Saxon knight.
- Despite the criticism it received because of its historical inaccuracies, the novel was one of Scott’s most popular works.

Sir Walter Scott: (1771-1832)
- He was Scottish but many of his works are based in England.
- He was appointed sheriff depute to the county of Selkirk in 1799 and was also a partner in a printing firm owned by the Ballantyne brothers.

Best Works: 
- Ivanhoe
- Kenilworth
- Marmion
- Minstrelsy of the Scottish Border
- Old Mortality
- Quentin Durward
- Rokeby
- Talisman
- The Chase and William and Helen
- The Heart of Midlothian
- The Lady of the Lake
- The Lay of the Last Minstrel
- The Waverley Novels
- Waverley

Source: Britannica.
২৪.
Who wrote the drama, 'Murder in the Cathedral?'
  1. ক) G.B Shaw
  2. খ) T.S Eliot
  3. গ) W.B Yeats
  4. ঘ) E.M Forster
ব্যাখ্যা
• T.S Eliot wrote the drama, 'Murder in the Cathedral.
- The play was performed at Canterbury Cathedral in 1935 and published the same year.
- এটা মূলত: T.S Eliot রচিত একটি  Poetic Drama।
- নাটকটি দুইটি ভাগে বিভক্ত। 
- St. Thomas Becket কে Canterbury Cathedral বা গীর্জাতে রাজা হেনরি কর্তৃক অন্যায় ভাবে নিহত করার ঘটনাটি এখানে তুলে ধরা হয়েছে।
- এজন্য এই নাটকটিকে Miracle Play বা Saint’s Play ও বলা হয়ে থাকে।  

• T.S. Eliot:
- He was an American-English poet, playwright, literary critic, and editor.

• Best Works:
- The Waste Land (1922)
- Four Quartets (1943).
- Murder in the Cathedral (Play)
- The Sacred Wood (Collection of Essays)

Source: Britannica
২৫.
The Characters 'Krutz and Marlowe' is created by -
  1. ক) E.M Forster
  2. খ) Joseph Conrad
  3. গ) Mark Twain
  4. ঘ) Charles Dickens
ব্যাখ্যা
• The Characters 'Krutz and Marlowe' is created by - Joseph Conrad
- ‘Kurtz’ and ' Marlow' are the characters from the novel - Heart of Darkness written by Joseph Conrad.
- ১৮৯৯ সালে এটি প্রথম প্রকাশিত হয়। 
- Heart of Darkness examines the horrors of Western colonialism, depicting it as a phenomenon that tarnishes not only the lands and peoples it exploits but also those in the West who advance it.

• এই novella এর উল্লেখযোগ্য চরিত্র সমূহ হচ্ছে - 
- Marlow
- Kurtz
- General manager
- Brickmaker
- Chief accountant
- Pilgrims
- Cannibals
- Russian trader

• Joseph Conrad, original name Józef Teodor Konrad Korzeniowski is a English novelist and short-story writer of Polish descent।
তাঁর উল্লেখযোগ্য সাহিত্য কর্ম গুলো হচ্ছে -
- Almayer’s Folly
- An Outcast of the Islands
- Chance
- Heart of Darkness
- Lord Jim” “Nostromo
- The Nigger of the “Narcissus
- The Secret Agent
- Typhoon
-  Under Western Eyes
- Victory
- Youth, ইত্যাদি।

Source: Britannica.
২৬.
Who wrote the novel "The Professor"?
  1. ক) George Eliot
  2. খ) Charlotte Bronte
  3. গ) Emily Bronte
  4. ঘ) Mrs. Gaskell
ব্যাখ্যা
• The novel "The Professor" written by Charlotte Bronte.
- ১৮৫৭ সালে প্রকাশিত এটি তাঁর প্রথম উপন্যাস।
- The Professor was based on Brontë’s experiences in Brussels as a pupil and teacher at Constantin Héger’s school for girls.
- In the novel William Crimsworth, an Englishman, becomes a teacher in Brussels and falls in love with a fellow teacher.

Charlotte Bronte (1816-55)
- She is one of greatest female novelists.
- She is the eldest Bronte sister.
-Her biography is written by Mrs. Gaskell.
-It is known as: The life of Charlotte Bronte. Her pen name was Currer Bell.

Best works:
- Jane Eyre: (1847) It is a romantic novel.
- Shirley (1849)
- Villette (1853)
- The professor (first novel of her)

Source: Britannica.
২৭.
‘The Everlasting Mercy’ is a long narrative poem by -
  1. ক) John Masefield
  2. খ) Ernest Hemingway
  3. গ) W.B Yeats
  4. ঘ) T.S Eliot
ব্যাখ্যা
• ‘The Everlasting Mercy’ is a long narrative poem by -John Masefield.
-  This poem shocked literary orthodoxy with its phrases of a colloquial coarseness hitherto unknown in 20th-century English verse.

• John Masefield is a British poet.
- His other notable works -
- Dauber
- Reynard the Fox
- Salt-Water Ballads
- The Everlasting Mercy
- The MidNight Folk

Source: Britannica.
২৮.
Who is the Author of " It's a Battlefield"?
  1. ক) H.G. Wells
  2. খ) Harlod Pinter
  3. গ) Graham Greene
  4. ঘ) W. H Auden
ব্যাখ্যা
Graham Greene is the Author of " It's a Battlefield"
- This is an early novel by Graham Greene.
- ১৯৩৪ সালে উপন্যাস টি প্রথ প্রকাশিত হয়।
- Graham Greene later described it as his "first overtly political novel".
- Its theme, said Greene, is "the injustice of man's justice.

Graham Greene (2 October 1904 – 3 April 1991):
-In full Henry Graham Greene.
-English novelist, short-story writer, playwright, and journalist whose novels treat life’s moral ambiguities in the context of contemporary political settings.

Notable works:
- Brighton Rock
- The Power and the Glory (1940)
- The End of the Affair
- A Burnt-Out Case
- The Comedians
- Our Man in Havana
-The Quiet American The Human Factor, Stamboul Train.

Source: Britannica
২৯.
The book, "History of England" is written by -
  1. ক) Winston Churchill
  2. খ) Gustave Flaubert
  3. গ) Cardinal Newman
  4. ঘ) Thomas Babington Macaulay
ব্যাখ্যা
• The book 'History of England' is written by Thomas Babington Macaulay.
• History of England: (Written in 1849-61)
- The History of England from the Accession of James the Second (1848) is the full title of the 05 Volume work by Lord Macaulay (1800–1859) more generally known as The History of England. 
- It covers the 17-year period from 1685 to 1702, encompassing the reign of James II, the Glorious Revolution, the coregency of William III and Mary II, and up to William III's death.

Source: Britannica.
৩০.
Who wrote the science fiction novel 'The War of the Worlds'?
  1. ক) W. H Auden
  2. খ) Harlod Pinter
  3. গ) H.G Wells
  4. ঘ) Rudyard kipling
ব্যাখ্যা
The War of the Worlds, science fiction novel by H.G. Wells.
- It was first published serially by Pearson’s Magazine in the U.K. and by The Cosmopolitan magazine in the U.S. in 1897.
- The novel details a catastrophic conflict between humans and extraterrestrial “Martians.”
- It is considered a landmark work of science fiction, and it has inspired numerous adaptations and imitations.

• H.G. Wells' parents were shopkeepers in Kent, England.
- His first novel, “The Time Machine” was an instant success and Wells produced a series of science fiction novels which pioneered our ideas of the future.

• His other famous works are:
'The Time Machine'
'War of the Worlds'
'The Island of Doctor Moreau'
'The Invisible Man'

Source: Britannica.
৩১.
William Gerald Golding awarded Nobel Prize for his novel -
  1. ক) Lord of the Flies
  2. খ) Pincher Martin
  3. গ) The Spire
  4. ঘ) Free Fall
ব্যাখ্যা
• William Gerald Golding known as William Golding is the author of the novel ‘Lord of the Flies’.
- The book explores the dark side of human nature and stresses the importance of reason and intelligence as tools for dealing with the chaos of existence.
- এই উপন্যাস টি ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়। 
- এই উপন্যাসের জন্য লেখক Nobel prize লাভ করেন।

• His other novels:
- Pincher Martin
-Darkness Visible
-Free Fall
-The Spire
-The Inheritors

Source: Britannica
৩২.
A collection of stories "New Arabian Nights'' is written by-
  1. ক) Oscar Wilde
  2. খ) Mark Twain
  3. গ) R.L Stevenson
  4. ঘ) Leo Tolstoy
ব্যাখ্যা
A collection of stories "New Arabian Nights'' is written by - Robert Louis Stevenson, popularly known as: R.L Stevenson.
- ১৮৮২ সালে এটি প্রকাশিত হয়।
- গল্পে একজন প্রিন্স - Florizel of Bohemia এর কথা বলা হয়েছে যে লন্ডন শহরের রাস্তায় ছদ্মবেশে ঘুরে বেরায়।
- এই সাহিত্যকর্মটি অনেকটা collection of middle eastern folk stories collection named One thousand and One night অথবা আলিফ লায়লা এর গল্পগুলির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন।

• Robert Louis Stevenson:
Robert Louis Stevenson: (1850-1894) Robert Louis Stevenson was a Scottish essayist, poet, and author of fiction and travel books, best known for his works Treasure Island and Strange Case of Dr. Jekyll and Mr. Hyde.

• Best Works:
- A Child’s Garden of Verses
- A Footnote to History
- Across the Plains
- Catriona
- In the South Seas
- Kidnapped
- Prince Otto
- The Amateur Emigrant
- The Beach of Falesa
- The Black Arrow
- A Tale of the Two Roses
- The Ebb-Tide
- The Master of Ballantrae
- The Pentland Rising
- The Silverado Squatters
- The Strange Case of Dr. Jekyll and Mr. Hyde
- Travels with a Donkey in the Cevennes
- Treasure Island
- Virginibus Puerisque
- Weir of Hermiston

Source: Britannica
৩৩.
The Characters 'Rony Hislop' and Stella Moore' can be found in the novel -
  1. ক) A pair of Blue Eyes
  2. খ) A Passage to India
  3. গ) Heart Of Darkness
  4. ঘ) The Return of the Native
ব্যাখ্যা
• The Characters 'Rony Hislop' and Stella Moore' can be found in the novel - A Passage to India.
- 'A Passage to India' is written by - E.M. Forster.
- Edward Morgan Forster হলেন Modern Period এর একজন famous novelist, essayist, social and literary critic.
- His 'A Passage to India' was published in 1924 and considered one of the author's finest works.
- এই novel টিতে মূলত racism and colonialism ফুটে উঠেছে।
- The book portrays the relationship between the British and the Indians in India.

এই Novel এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র হচ্ছে -
- Dr. Aziz
- Mrs. Moore
- Adela Quested
- Rony Hislop
- Cyril Fielding
- Adella Quested.
- Stella Moore

• E.M. Forster's other works -
- Aspects of novel
-The Longest Journey
- A Room with a View

• তবে উল্লেখ্য যে, 'A Passage to India' শিরোনামে Walt Whitman এর একটি poem রয়েছে।

Source: Britannica.
৩৪.
'Estragon' is a famous character from -
  1. ক) Waiting for Godot
  2. খ) Oliver Twist
  3. গ) David Copperfield
  4. ঘ) Heart of Darkness
ব্যাখ্যা
• 'Estragon' is a famous character from - Waiting for Godot written by Samuel Beckett.
- It is a very famous Absurd play.
- এটি একটি two-act বিশিষ্ট tragic-comedy too.
- Waiting for Godot is Beckett's translation of his own original French-language play, En attendant Godot.
- ১৯৫২ সালে এটি প্রকাশিত হয়। 
- Waiting for Godot was a true innovation in drama and the Theatre of the Absurd’s first theatrical success.
- ১৯৬৯ সালে এই play টির জন্য Samuel Beckett সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

 • The important character of this play:
- Vladimir
- Estragon
- Pozzo
- Lucky etc.

Source: Britannica.