পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৪২
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৬: আইন বিষয়াবলী - (সাবজেক্ট ফাইনাল) Topic: Laws related to Civil matters.
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৪২ প্রশ্ন

.
Asaduzzaman Vs. Bangladesh (4 BSCD 194) মামলায় Specific Performance of Contract কে কী হিসেবে গণ্য করা হয়েছে?
  1. Moral right
  2. Personal right
  3. Administrative right
  4. Property-related right
সঠিক উত্তর:
Property-related right
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Property-related right
ব্যাখ্যা

⇒ Asaduzzaman Vs. Bangladesh (4 BSCD 194) মামলায়, সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১২ এর অধীনে চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (Specific Performance of Contract) এর অধিকারকে সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার (property-related right) হিসেবে গণ্য করা হয়েছে। আদালতের রায়ে বলা হয়েছে যে, সম্পত্তি বিক্রয়ের জন্য চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকার একটি সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার, যা আইনের বিপরীতে কোনো বিধান না থাকলে সুরক্ষিত হওয়া উচিত। এই অধিকার তখনই কার্যকর থাকে যখন এটি হুমকির সম্মুখীন হয় বা লঙ্ঘিত হয় এবং আদালতের মাধ্যমে এটি সুরক্ষিত করা যায়।

মামলার প্রেক্ষাপট:
- Asaduzzaman Vs. Bangladesh মামলায় বাদী (Asaduzzaman) ১৯৭১ সালের ১৪ অক্টোবর একটি চুক্তির মাধ্যমে সম্পত্তি ক্রয়ের জন্য টাকা প্রদান করেন এবং সম্পত্তির দখল গ্রহণ করেন। চুক্তি অনুসারে, বিক্রেতার এক বছরের মধ্যে বাকি টাকা গ্রহণ করে বিক্রয় দলিল সম্পাদন ও নিবন্ধন করার কথা ছিল। কিন্তু বিক্রেতা তা না করায় বাদী সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের(Specific Performance) জন্য মামলা দায়ের করেন।
- এই মামলায় আদালত বিবেচনা করে যে, সম্পত্তির সাথে সম্পর্কিত চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন একটি সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়।
- অর্থাৎ Asaduzzaman Vs. Bangladesh মামলায় চুক্তি সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের অধিকারকে(Specific Performance of Contract) সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে, কারণ এটি সম্পত্তি বিক্রয়ের চুক্তির সাথে সম্পর্কিত এবং আইনত সুরক্ষিত। এই রায়টি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ১২ এর ব্যাখ্যা এবং প্রয়োগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য কোন বিষয়টি প্রধানত বিবেচনা করা হয়?
  1. চুক্তির বৈধতা
  2. দখলের প্রমাণ
  3. ক্ষতিপূরণের পরিমাণ
  4. স্বত্বের প্রমাণ
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রমাণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দখলের প্রমাণ
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা (Permanent Injunction) প্রদানের ক্ষেত্রে প্রধানত দখলের প্রমাণ (Proof of Possession) বিবেচনা করা হয়। এই ধারা অনুসারে, আদালত সাধারণত বাদীর সম্পত্তির উপর দখলের অবস্থা পরীক্ষা করে, স্বত্ব (Title) নিয়ে জটিল বিষয়ে না গিয়ে। যদি বাদী প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি সম্পত্তির উপর বৈধভাবে দখলে আছেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আবেদন করতে পারেন, এমনকি তার স্বত্ব(Title) বিতর্কিত হলেও।

- ধারা ৫৪ এর বিধান: ধারা ৫৪ এ বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা যেতে পারে যখন কোনো ব্যক্তি সম্পত্তির উপর বাদীর অধিকারে হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করে বা হুমকি দেয়। এই ক্ষেত্রে, আদালত প্রধানত বাদীর দখলের অবস্থা বিবেচনা করে।
Manindra Nath Sen Sarma Vs. Bangladesh (4 BLD (AD) 285) এবং Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others (4 BLD (HCD) 127) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য স্বত্ব প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই, যদি বাদী দীর্ঘ সময় ধরে দখলে থাকেন এবং তা প্রমাণ করতে পারেন। এমনকি একজন অবৈধ দখলদারও (Trespasser) দীর্ঘ দখলের ভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা পেতে পারেন, যদি তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে তিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন।

কেন দখলের প্রমাণ প্রধান বিবেচনা?
- স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার উদ্দেশ্য হলো বাদীর বর্তমান দখলকে সুরক্ষিত করা, যাতে বিবাদী বা অন্য কেউ তাকে বেআইনিভাবে উচ্ছেদ করতে না পারে।
- Ansar Ali and others Vs. Sundar Ali and others (4 BLD (HCD) 140) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় আদালত স্বত্ব বা শিরোনামের জটিল প্রশ্নে প্রবেশ করে না, বরং কে স্পষ্টভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করে।
- দীর্ঘ দখল (Long Possession) এমনকি সত্যিকারের মালিকের বিরুদ্ধেও সুরক্ষিত হতে পারে, যদি না তাকে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উচ্ছেদ করা হয় (Md. Abdul Gafur and others Vs. Nazimuddin and others)।

অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়:
ক) চুক্তির বৈধতা: চুক্তির বৈধতা সুনির্দিষ্ট প্রতিপালনের মামলায় (ধারা ১২, ১৬, ২২) বিবেচনা করা হয়, কিন্তু স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে এটি প্রধান বিষয় নয়। ধারা ৫৪ প্রধানত দখলের উপর ফোকাস করে।
গ) ক্ষতিপূরণের পরিমাণ: ক্ষতিপূরণ স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার পরিবর্তে বিকল্প প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হতে পারে (Begum Sufia Khatoon and others Vs. Abdul Hakim Khan and another, 7 BLD (AD) 190), কিন্তু এটি ধারা ৫৪ এর প্রধান বিবেচনা নয়।
ঘ) স্বত্বের প্রমাণ: এটি সঠিক নয়, কারণ দখলের প্রমাণ স্পষ্টভাবে ধারা ৫৪ এর প্রধান বিষয়। 
- Pasharuddin Mir Vs. Ismail Mir and others (6 BLD (HCD) 155) মামলায় বলা হয়েছে যে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার মামলায় স্বত্বের জটিল প্রশ্নের পরিবর্তে কে বাস্তবে এবং একচেটিয়াভাবে দখলে আছে তা বিবেচনা করা যথেষ্ট।
- Sheikh Ahmed and others Vs. Abdul Alim (9 BLD (HCD) 368) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, সহ-শেয়ারার (Co-sharer) ক্ষেত্রেও, যদি বাদী একচেটিয়া দখলে থাকেন, তবে তিনি স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য মামলা করতে পারেন।
 
অর্থাৎ ধারা ৫৪ এর অধীনে, স্থায়ী নিষেধাজ্ঞার জন্য আদালত প্রধানত বাদীর দখলের প্রমাণ বিবেচনা করে, স্বত্বের প্রমাণ বা চুক্তির বৈধতার উপর নয়। এটি নিশ্চিত করে যে বাদীর শান্তিপূর্ণ দখল বেআইনি হস্তক্ষেপ থেকে সুরক্ষিত থাকে।

.
চুক্তি বাস্তবায়নের (Specific Performance) মামলা করার সময়সীমা কত?
  1. ১ বছর
  2. ২ বছর
  3. ৩ বছর
  4. ৬ বছর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বছর
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুযায়ী: "চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণ (Specific Performance of Contract) সম্পর্কিত মামলা দায়ের করার তামাদি সময়সীমা ১ বছর, এবং এই সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন বাদীর সেই বলবৎকরণ চাওয়ার অধিকার উদ্ভব হয় সেই তারিখ থেকে।"
- তামাদি আইনের অনুচ্ছেদ ১১৩ অনুসারে, চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎকরণের (Specific Performance) মামলার তামাদি মেয়াদ ১ বছর।
- এই মেয়াদ গণনা শুরু হয় চুক্তিভঙ্গের তারিখ থেকে।

- অর্থাৎ লিমিটেশন অ্যাক্ট, ১৯০৮-এর আর্টিকেল ১১৩ অনুসারে, চুক্তি বাস্তবায়নের (Specific Performance) মামলার জন্য লিমিটেশন পিরিয়ড হলো ১ বছর।

.
তামাদি আইন, ১৯০৮ এর কোন ধারা Trust-related মামলার সময়সীমা নিয়ে বলা হয়েছে?
  1. ধারা ৬
  2. ধারা ১০
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২৬
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১০
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১০ এ Trust related মামলার সময়সীমা নিয়ে বলা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, Trustee (বিশ্বাসপালনকারী) বা তার legal representative (আইনি প্রতিনিধি) এর বিরুদ্ধে Trust সম্পত্তি বা তহবিলের conversion (অন্যের কাজে ব্যবহার) বা diversion (অন্য খাতে প্রবাহিত করা) এর জন্য, বা তার হিসাব দাখিলের জন্য মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে কোনো সময়সীমা প্রযোজ্য নয়। অর্থাৎ, এমন মামলা যেকোনো সময় দায়ের করা যায়।

অন্য Options গুলো সম্পর্কে:
ধারা ৬: আইনি অক্ষমতা (minority, insanity ইত্যাদি) সম্পর্কিত।
ধারা ১৯: দায় স্বীকার (acknowledgment) এর মাধ্যমে সময়সীমা পুনরায় শুরু হওয়া সম্পর্কিত।
ধারা ২৬: Easement (সুখ) অধিকার অর্জন সম্পর্কিত।

সুতরাং, Trust-related মামলার সময়সীমা সম্পর্কিত ধারা হলো ধারা ১০। তামাদি আইন, ১৯০৮, ধারা ১০ এর অধীনে ট্রাস্ট-সম্পর্কিত মামলার জন্য বিশেষ বিধান প্রদান করে।

⇒ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিক বা ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- এই ধারায় বলা হয়েছে, কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ট্রাস্ট হিসেবে থাকা সম্পত্তির মালিকের বিরুদ্ধে মামলা কোনো সময়সীমার জন্য বন্ধ হবে না। অর্থাৎ, তামাদি আইনের অন্যান্য বিধানের মতো এখানে নির্দিষ্ট সময়সীমার বাধ্যবাধকতা নেই।
- বিশেষত, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এই সম্পত্তি ট্রাস্টি কর্তৃক নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত বলে বিবেচিত হয়।
-  অর্থাৎ তামাদি আইনের ১০ ধারা অনুসারে, হিন্দু, মুসলিম বা বৌদ্ধ ধর্মীয় বা দাতব্য সম্পত্তির ব্যবস্থাপককে ট্রাস্টি হিসেবে গণ্য করা হয়।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section- 10. Suits against express trustees and their representatives:
Notwithstanding anything hereinbefore contained, no suit against a person in whom property has become vested in trust for any specific purpose, or against his legal representatives or assigns (not being assigns for valuable consideration), for the purpose of following in his or their hands such property or the proceeds thereof, or for an account of such property or proceeds, shall be barred by any length of time. 
For the purposes of this section any property comprised in a Hindu, Muslim or Buddhist religious or charitable endowment shall be deemed to be property vested in trust for a specific purpose, and the manager of any such property shall be deemed to be the trustee thereof.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির অনুসারে "পাবলিক অফিসার" (public officer) এর সংজ্ঞায় নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত নয়?
  1. একজন বিচারক
  2. একজন আইনজীবী
  3. বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য
  4. একজন ব্যক্তি যিনি সরকারী খরচ করতে পারেন
সঠিক উত্তর:
একজন আইনজীবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
একজন আইনজীবী
ব্যাখ্যা

⇒  দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় বিচারক, সিভিল সার্ভিসের সদস্য এবং সরকারি খরচ করতে পারেন এমন ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত, কিন্তু আইনজীবী অন্তর্ভুক্ত নন। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) একজন আইনজীবী।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২(১৭) অনুযায়ী, "পাবলিক অফিসার" এর সংজ্ঞায় নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণির ব্যক্তি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এই সংজ্ঞায় যারা অন্তর্ভুক্ত তাদের মধ্যে রয়েছে:
(ক) প্রত্যেক বিচারক (Judge)।
(খ) বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসের সদস্য।
(গ) বাংলাদেশের সামরিক, নৌ, বা বিমান বাহিনীর কমিশন্ড বা গেজেটেড অফিসার।
(ঘ) আদালতের এমন কর্মকর্তা যারা আইন বা তথ্য তদন্ত, নথি প্রস্তুত, সম্পত্তি হেফাজত বা বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পাদনের দায়িত্ব পালন করেন।
(ঙ) যে ব্যক্তি কাউকে বন্দি রাখার ক্ষমতা রাখেন।
(চ) অপরাধ প্রতিরোধ, তথ্য সংগ্রহ, অপরাধীকে বিচারের আওতায় আনা বা জনস্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও সুবিধা রক্ষার দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তা।
(ছ) সরকারের পক্ষে সম্পত্তি গ্রহণ, ব্যয়, জরিপ, চুক্তি, রাজস্ব প্রক্রিয়া সম্পাদন, তদন্ত বা নথি প্রস্তুতকারী কর্মকর্তা।
(জ) সরকারের বেতনে বা ফি/কমিশনের মাধ্যমে জনসেবায় নিয়োজিত কর্মকর্তা।
------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section- 2(17) "public officer" means a person falling under any of the following descriptions, namely:-
(a) every Judge;
(b) every member of the Civil Service of The Republic;
(c) every commissioned or gazetted officer in the military, naval or air forces of Bangladesh while in the service of the Republic;
(d) every officer of a Court of Justice whose duty it is, as such officer, to investigate or report on any matter of law or fact, or to make, authenticate or keep any document, or to take charge or dispose of any property, or to execute any judicial process, or to administer any oath, or to interpret, or to preserve order, in the Court, and every person especially authorised by a Court of Justice to perform any of such duties;
(e) every person who holds any office by virtue of which he is empowered to place or keep any person in confinement;
(f) every officer of the Government whose duty it is, as such officer, to prevent offences, to give information of offences, to bring offenders to justice, or to protect the public health, safety or convenience;
(g) every officer whose duty it is, as such officer, to take, receive, keep or expend any property on behalf of the Government, or to make any survey, assessment or contract on behalf of the Government, or to execute any revenue-process, or to investigate, or to report on, any matter affecting the pecuniary interest of the Government, or to make, authenticate or keep any document relating to the pecuniary interests of the Government, or to prevent the infraction of any law for the protection of the pecuniary interests of the Government; and
(h) every officer in the service or pay of the Republic, or remunerated by fees or commission for the performance of any public duty.

.
নিচের কোনটি তামাদি আইনের ধারা ৮ অনুসারে আইনি অক্ষমতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়?
  1. অপ্রাপ্তবয়স্কদের মামলা
  2. পাগলামিগ্রস্ত ব্যক্তির আবেদন
  3. মৃত ব্যক্তির আইনি প্রতিনিধির মামলা
  4. অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ৮ অনুসারে, ধারা ৬ বা ধারা ৭-এর বিধানগুলো অগ্রক্রয়ের অধিকার (Pre-emption) সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। এছাড়াও, এই ধারা উল্লেখ করে যে আইনি অক্ষমতার সমাপ্তি বা অক্ষম ব্যক্তির মৃত্যুর পর তামাদির মেয়াদ সর্বোচ্চ ৩ বছর পর্যন্ত বাড়ানো যেতে পারে, যদি না তফসিলে উল্লিখিত মেয়াদ এর চেয়ে কম হয়।
- অর্থাৎ ধারা ৮-এর বিধান অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, তাই সঠিক উত্তর হলো ঘ) অগ্রক্রয়ের অধিকার সম্পর্কিত মামলা।

⇒ তামাদি আইনের ৮ ধারায় বিশেষ ব্যতিক্রম-
৬ অথবা ৭ ধারার কোনো কিছুই অগ্রক্রয়ের অধিকার বলবতের মামলায় প্রযোজ্য নহে। যেই মেয়াদের মধ্যে মামলা অবশ্যই দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করিতে হইবে, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির অপারগতার অবসানে বা মৃত্যুর পর তাহা উক্ত ধারাদ্বয়ের কোনো কিছুই তিন বৎসরের অধিক বর্ধিত করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে না।
----------- 
⇒ The Limitation Act, 1908,Section 8- Special exceptions:
Nothing in section 6 or in section 7 applies to suits to enforce rights of pre-emption, or shall be deemed to extend, for more than three years from the cessation of the disability or the death of the person affected thereby, the period within which any suit must be instituted or application made.

.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে দলিলাদি দাখিলের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ২
  2. আদেশ ৮, বিধি ৬
  3. আদেশ ১১, বিধি ১৪
  4. আদেশ ১০, বিধি ১২
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১১, বিধি ১৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ১১, বিধি ১৪
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১, বিধি ১৪-এ দলিলাদি দাখিলের বিধান বর্ণিত আছে। এই বিধি অনুযায়ী, মামলা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় আদালত মামলার যেকোনো পক্ষকে তাদের আয়ত্তাধীন এবং মামলার বিতর্কিত বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত দলিলাদি শপথমূলে দাখিল করার আদেশ দিতে পারে। আদালত এই দলিলগুলো ন্যায়সঙ্গত প্রক্রিয়ায় বিবেচনা করতে পারে।

- দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১১ বিধি ১৪ দলিলাদি দাখিল —
-কোন মোকদ্দমা বিচারাধীন থাকাকালে যেকোনো সময় কোন পক্ষ কর্তৃক আদালত যথোপযুক্ত মনে করবে এরূপ উক্ত মোকদ্দমায় কোন বিতর্কিত বিষয় সম্পর্কিত তার আয়ত্তাধীন দলিলসমূহ, শপথমূলে দাখিল করার আদেশ প্রদান করা আদালতের পক্ষে আইনসঙ্গত হবে; এবং
দাখিল করা হলে ন্যায়সঙ্গত হবে এরূপ প্রক্রিয়ায় আদালত উক্ত দলিলসমূহ সম্পর্কে বিবেচনা করতে পারে।

- It shall be lawful for the Court at time during the pendency of any suit to order the production by any party any thereto, upon oath of such of the documents in his possession or power relating to any matter in question in such suit, as the Court shall think right; and the Court may deal with such documents when produced in such manner as shall appear just.]

.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ২২ অনুসারে Specific performance আদালত কোন ক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যান করতে পারে?
  1. ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে
  2. চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে
  3. Plaintiff এর conduct খারাপ হলে
  4. উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ২২ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন (Specific Performance) একটি বিবেচনাধীন (Discretionary) প্রতিকার, এবং আদালত এটি প্রদান করতে বাধ্য নয়, এমনকি যদি চুক্তিটি আইনত বৈধ হয়। আদালত বিভিন্ন কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। প্রশ্নে উল্লিখিত তিনটি অপশন এমন কারণ, যার ভিত্তিতে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। নিম্নে বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেওয়া হলো:

১. ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে:
- ধারা ২২ এর অধীনে, যদি ক্ষতিপূরণ (Compensation) চুক্তি ভঙ্গের জন্য যথেষ্ট প্রতিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রদান করতে পারে না। উদাহরণস্বরূপ, Meghlal Moizdal and others Vs. Najma Begum and another (1 BLD (HCD) 447) মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, যদি সুসুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদনের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়, তবে আদালত বিবেচনাধীন ক্ষমতা প্রয়োগ করে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এটি সাধারণত তখন প্রযোজ্য যখন সম্পত্তির বাজার মূল্য বা চুক্তির শর্তাবলী অনুসারে ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত হয়।

২. চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে:
- ধারা ২২ এর অধীনে, যদি চুক্তির সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন বিবাদীর জন্য অত্যধিক কষ্ট (Hardship) সৃষ্টি করে, তবে আদালত এটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, Osmanuddin Vs. Subal Chandra Mondal and others (3 BLD (HCD) 226) মামলায় আদালত বলেছে যে, যদি চুক্তি বাস্তবায়ন বিবাদীকে চরম কষ্টের মুখে ফেলে (যেমন, একমাত্র বাসস্থান হারানো), তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যেতে পারে। এছাড়াও, Md. Latifur Rahman and others Vs. Golam Ahmed Shah and others (6 BLD (AD) 231) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে যে, যদি চুক্তি বাস্তবায়ন বিবাদীকে রাস্তায় ফেলে দেয়, তবে আদালত কষ্টের কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে।

৩. Plaintiff এর conduct খারাপ হলে:
- ধারা ২২ অনুসারে, সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন একটি ন্যায়সঙ্গত প্রতিকার (Equitable Relief), এবং বাদীর আচরণ (Conduct) যদি সৎ বা ন্যায্য না হয়, তবে আদালত এটি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। Nur Mohammad and another Vs. Sultan Ahmed and others (9 BLD (HCD) 351) মামলায় বলা হয়েছে যে, যদি বাদীর আচরণ পরিষ্কার না হয়, তবে আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন মঞ্জুর করবে না। উদাহরণস্বরূপ, যদি বাদী প্রতারণা বা অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে চুক্তি করে, তবে আদালত তার দাবি প্রত্যাখ্যান করতে পারে। এছাড়াও, Rash Behari Moshalkar Vs. Hiran Bala Debi and another (5 BLD (AD) 51) মামলায় দেখা যায় যে, বাদী যদি চুক্তির অংশ পালনে প্রস্তুত না হয় বা অযৌক্তিক বিলম্ব করে, তবে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যায়।

অন্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
ক) ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট প্রতিকার হলে: এটি সঠিক, কিন্তু শুধুমাত্র এই কারণে সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করা যায় না। অন্যান্য কারণও বিবেচনা করা হয়।
খ) চুক্তি বাস্তবায়নে কঠোরতা থাকলে: এটিও সঠিক, কিন্তু এটি একমাত্র কারণ নয়। কষ্ট ছাড়াও বাদীর আচরণ বা অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করা হয়।
গ) Plaintiff এর conduct খারাপ হলে: এটি সঠিক, কিন্তু এটি একমাত্র কারণ নয়। ধারা ২২ এর অধীনে একাধিক কারণ বিবেচিত হয়।

অর্থাৎ ধারা ২২ এর অধীনে, আদালত সুনির্দিষ্ট কার্যসম্পাদন প্রত্যাখ্যান করতে পারে যদি ক্ষতিপূরণ যথেষ্ট হয়, চুক্তি বাস্তবায়নে কষ্ট হয়, বা বাদীর আচরণ সৎ না হয়। এই সকল কারণই আদালতের বিবেচনাধীন ক্ষমতার আওতায় পড়ে। তাই, উপরোক্ত সবগুলো ক্ষেত্রে সঠিক উত্তর।

.
দেওয়ানি কার্যবিধি কোন সালে সর্বপ্রথম বিধিবদ্ধ (Codified) হয়?
  1. ১৮৫৭ সালে 
  2. ১৮৫৯ সালে 
  3. ১৮৭৮ সালে
  4. ১৮৮২ সালে
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮৫৯ সালে 
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি (The Code of Civil Procedure) প্রথমবারের মতো বিধিবদ্ধ (Codified) হয় ১৮৫৯ সালে।
- এটি ছিল ব্রিটিশ শাসনামলে ভারতীয় উপমহাদেশে দেওয়ানি বিচারিক পদ্ধতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রণীত প্রথম আইন।
- এরপর এই আইনটি বিভিন্ন সময়ে সংশোধন ও পুনঃপ্রণয়ন করা হয়েছে, যেমন:
- ১৮৭৮ সালে: দ্বিতীয়বার প্রণয়ন।
- ১৮৮২ সালে: তৃতীয়বার প্রণয়ন, যেখানে মোট ৬৫৩টি ধারা ছিল।
- ১৯০৮ সালে: বর্তমান দেওয়ানি কার্যবিধি প্রণীত হয়, যা ১৯০৯ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হয়।

অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধি সর্বপ্রথম ১৮৫৯ সালে বিধিবদ্ধ হয়েছিল। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) ১৮৫৯ সালে।

১০.
তামাদি আইন অনুসারে, দায় স্বীকার (Acknowledgment) করা হলে সময়সীমা গণনা শুরু হবে-
  1. দায় সৃষ্টির দিন থেকে
  2. চুক্তি স্বাক্ষরের দিন থেকে
  3. দায় স্বীকারের দিন থেকে
  4. আদালতে দায় স্বীকারের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
দায় স্বীকারের দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দায় স্বীকারের দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৯ অনুসারে, যদি কোনো দায় ( liability) সম্পর্কিত লিখিত স্বীকারোক্তি (Acknowledgment) করা হয়, তাহলে সময়সীমা পুনরায় গণনা স্বীকারোক্তিটি স্বাক্ষর করার দিন থেকে শুরু হবে।
- সুতরাং, সঠিক উত্তর গ) দায় স্বীকারের দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৯ ধারায় লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের ফলাফল সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। কোন মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য আইন দ্বারা নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই অপর পক্ষ যদি উক্ত মামলার বা দরখাস্তের বিষয়বস্তু সম্পর্কিত সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে লিখিত প্রাপ্তি স্বীকারের মাধ্যমে দায় স্বীকার করে নেয় সেক্ষেত্রে উত্তরুপ স্বীকৃতি স্বাক্ষরিত হওয়ার দিন থেকে নতুন করে তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
তামাদি আইনের ১৯ ধারার শর্তসমূহ নিম্নরূপ-
- লিখিত হতে হবে
- উক্ত পক্ষ কর্তৃক স্বাক্ষরিত হতে হবে
- অবশ্যই তামাদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই করতে হবে
- উক্ত স্বীকৃতি অবশ্যই সম্পত্তি বা অধিকার সম্পর্কে হবে।

⇒ The Limitation Act, 1908, Section 19: Effect of acknowledgement in writing-
(1) Where, before the expiration of the period prescribed for a suit or application in respect of any property or right, an acknowledgement of liability in respect of such property or right has been made in writing signed by the party against whom such property or right is claimed, or by some person through whom he derives title or liability, a fresh period of limitation shall be computed from the time when the acknowledgement was so signed.
(2) Where the writing containing the acknowledgement is undated, oral evidence may be given of the time when it was signed; but, subject to the provisions of the Evidence Act, 1872, oral evidence of its contents shall not be received.
Explanation I- For the purposes of this section an acknowledgement may be sufficient though it omits to specify the exact nature of the property or right, or avers that the time for payment, delivery, performance or enjoyment has not yet come, or is accompanied by a refusal to pay, deliver, perform or permit to enjoy, or is coupled with a claim to a set-off, or is addressed to a person other than the person entitled to the property or right.
Explanation II- For the purposes of this section, “signed” means signed either personally or by an agent duly authorized in this behalf.
Explanation III- For the purposes of this section an application for the execution of a decree or order is an application respect of a right.

১১.
দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৯০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি অনুযায়ী মধ্যস্থতা (Mediation) প্রক্রিয়া সর্বোচ্চ ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

মধ্যস্থতার শুরু: লিখিত জবাব দাখিলের পর আদালত মামলার বিরোধ নিজেই মধ্যস্থতা করতে পারে বা মধ্যস্থতাকারীর নিকট পাঠাতে পারে।

মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ:

- আদালতের আদেশ প্রদানের ১০ দিনের মধ্যে পক্ষদ্বয় মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ দিবে।
- যদি না পারেন, পরবর্তী ৭ দিনের মধ্যে আদালত নিয়োগ দিবে।
- অর্থাৎ সর্বোচ্চ ১৭ দিনের মধ্যে মধ্যস্থতাকারী নিয়োগ নিশ্চিত হবে।

মীমাংসার সময়সীমা:

- নিয়োগের ৬০ দিনের মধ্যে মীমাংসা করতে হবে।
- প্রয়োজনে আরও ৩০ দিন বাড়ানো যেতে পারে।
- সর্বাধিক সময়: ৬০ + ৩০ = ৯০ দিন।

পরবর্তী প্রক্রিয়া:

- মধ্যস্থতা প্রতিবেদন প্রাপ্তির ৭ দিনের মধ্যে আদালত সোলে ডিক্রি (Compromise Decree) জারি করবে।
সুতরাং, পুরো মধ্যস্থতা প্রক্রিয়া সর্বাধিক ৯০ দিনের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

- সঠিক উত্তর: গ) ৯০ দিন। 

১২.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৯ এর অধীনে, কোন ক্ষেত্রে প্রথম অবৈধ দখলদার (Trespasser) পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে?
  1. যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হয়
  2. যদি প্রথম দখলদারের কোনো স্বত্ব না থাকে
  3. যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
  4. কোনটি নয় 
সঠিক উত্তর:
যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এর অধীনে, একজন প্রথম অবৈধ দখলদার (Trespasser) পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারে, যদি সে দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে থাকে। এই ধারা সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য বিশেষ প্রতিকার প্রদান করে, এবং এটি প্রধানত দখলের অধিকারের উপর ভিত্তি করে, স্বত্বের (Title) নয়।

ধারা ৯ এর বিধান:
- ধারা ৯ এর অধীনে, যদি কোনো ব্যক্তি বেআইনিভাবে তার দখল থেকে উচ্ছেদ হয়, তবে সে ছয় মাসের মধ্যে মামলা দায়ের করে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারে, এমনকি তার শিরোনাম না থাকলেও। এই ধারার উদ্দেশ্য হলো শান্তিপূর্ণ দখলকে সুরক্ষা দেওয়া এবং বেআইনি উচ্ছেদ প্রতিরোধ করা।
Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others (7 BLD (AD) 177) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, প্রথম অবৈধ দখলদার, যিনি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি সত্যিকারের মালিক ছাড়া সকলের বিরুদ্ধে তার দখল বজায় রাখতে পারেন এবং পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারেন।

কেন “দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখল” গুরুত্বপূর্ণ?
- আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে, শান্তিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী দখল একটি অধিকার হিসেবে বিবেচিত হয়, এমনকি যদি দখলদারের স্বত্ব না থাকে। এটি “প্রায়শই দখলই নয়টি পয়েন্ট আইনের” (Possession is nine-tenths of the law) নীতির উপর ভিত্তি করে। প্রথম দখলদার, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে তার দখল রক্ষার জন্য মামলা করতে পারেন, যতক্ষণ না সত্যিকারের মালিক বা তার অধীনে দাবিদার বৈধভাবে দখল দাবি করে।

উদাহরণস্বরূপ, Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others মামলায় বলা হয়েছে যে, প্রথম দখলদার, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, তিনি পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধার করতে পারেন, যদি না পরবর্তী দখলদার সত্যিকারের মালিক বা তার অধীনে কোনো বৈধ কর্তৃত্ব প্রমাণ করতে পারে।

কেন অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়?
ক) যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৯ শিরোনামের (Title) উপর নির্ভর করে না, বরং দখলের উপর ভিত্তি করে। যদি প্রথম দখলদার সত্যিকারের মালিক হন, তবে তিনি শিরোনামের ভিত্তিতে মামলা করবেন, ধারা ৯ এর অধীনে নয়। ধারা ৯ শুধুমাত্র দখল পুনরুদ্ধারের জন্য প্রযোজ্য।
খ) যদি প্রথম দখলদারের কোনো স্বত্ব না থাকে: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৯ এর অধীনে শিরোনাম বা স্বত্ব প্রমাণের প্রয়োজন নেই। এমনকি অবৈধ দখলদারও, যিনি শান্তিপূর্ণভাবে দখলে আছেন, পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে মামলা করতে পারেন।
ঘ) কোনটি নয়: এটি সঠিক নয়, কারণ “দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখল” স্পষ্টভাবে ধারা ৯ এর অধীনে প্রযোজ্য এবং আদালতের রায়ে সমর্থিত।

অর্থাৎ ধারা ৯ এর অধীনে, প্রথম অবৈধ দখলদার পরবর্তী দখলদারের বিরুদ্ধে দখল পুনরুদ্ধারের মামলা করতে পারেন, যদি তিনি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে দখলে থাকেন। এই ধারা শিরোনামের পরিবর্তে দখলের অধিকারকে প্রাধান্য দেয়, এবং Abdul Hamid and others Vs. Afazuddin Ahmed and others মামলা এই নীতির সমর্থন করে। তাই, সঠিক উত্তর হলো গ) যদি প্রথম দখলদার দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণ দখলে থাকে।

১৩.
নতুন পক্ষ যোগ করার সময়সীমা গণনায় তামাদি আইনের কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২২
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২২ নতুন বাদী বা বিবাদী যোগ করার সময় তামাদির মেয়াদ গণনার বিষয়ে বিধান প্রদান করে।
- ধারা ২২(১): মামলা দায়েরের পর যদি কোনো নতুন বাদী বা বিবাদী যুক্ত বা প্রতিস্থাপিত হয়, তবে তাদের ক্ষেত্রে মামলাটি সেই তারিখ থেকে দায়ের হয়েছে বলে গণ্য হবে যখন তারা পক্ষ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২২ এর বিধান নতুন বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করার ফলাফল:-
(১) যেক্ষেত্রে মামলা দায়ের করার পর নতুন কোনো বাদী বা বিবাদীকে কারও স্থলাভিষিক্ত বা পক্ষভুক্ত করা হয়, সেক্ষেত্রে সেই ব্যক্তি যেই তারিখে অনুরূপ পক্ষভুক্ত হয়েছে, তার জন্য মামলাটি সেই তারিখে দায়ের করা হয়েছে বলে গণ্য হবে।
(২) যেক্ষেত্রে মামলা মুলতবি থাকাকালে স্বত্বার্পণ বা কোনো স্বত্ব হস্তান্তরের কারণে কাউকে পক্ষভুক্ত বা স্থলাভিষিক্ত করা হয় অথবা যেক্ষেত্রে বাদীকে বিবাদী কিংবা বিবাদীকে বাদীতে রূপান্তরিত করা হয়, সেক্ষেত্রে (১) উপধারার কোনো কিছুই প্রযোজ্য হবে না।
-----------
⇒ The Limitation Act:- Section-22: Effect of substituting or adding new plaintiff or defendant:-
(1) Where, after the institution of a suit, a new plaintiff or defendant is substituted or added, the suit shall, as regards him, be deemed to have been instituted when he was so made a party.
(2) Nothing in sub-section (1) shall apply to a case where a party is added or substituted owing to an assignment or devolution of any interest during the pendency of a suit or where a plaintiff is made a defendant or a defendant is made a plaintiff.

১৪.
'পরোক্ষ দোবারা দোষ' (Constructive Res Judicata) নীতি দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১১-এর কত নং ব্যাখ্যায় আলোচিত হয়েছে?
  1. Explanation II
  2. Explanation III
  3. Explanation IV
  4. Explanation VI
সঠিক উত্তর:
Explanation IV
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Explanation IV
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১১ Res Judicata (দোবারা দোষ) নীতি বর্ণনা করে, যা নিশ্চিত করে যে পূর্বে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তিকৃত বিষয় পুনরায় বিচার করা যাবে না। এই ধারার ব্যাখ্যা IV (Explanation IV) এ পরোক্ষ দোবারা দোষ (Constructive Res Judicata) নীতি আলোচিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা IV বলে: "Any matter, which might and ought to have been made ground of defence or attack in such former suit shall be deemed to have been a matter directly and substantially in issue in such suit."
- অর্থাৎ, পূর্ববর্তী মামলায় যে বিষয় আত্মপক্ষসমর্থন (defence) বা বিপক্ষের যুক্তিখণ্ডনের (attack) জন্য উত্থাপন করা যেতে পারতো বা উচিত ছিল, তা উক্ত মামলায় প্রত্যক্ষ ও মৌলিকভাবে বিষয় হিসেবে গণ্য হবে। ফলে, পরবর্তী মামলায় সেই বিষয় উত্থাপন করলে তা পরোক্ষ দোবারা দোষে দুষ্ট হবে এবং বিচারযোগ্য হবে না।

১৫.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারা অনুযায়ী breach of contract-এর জন্য compensation চাওয়া যায়?
  1. ধারা ১২
  2. ধারা ১৩
  3. ধারা ১৯
  4. ধারা ২১
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৯
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ১৯ এর অধীনে চুক্তি ভঙ্গের (breach of contract) জন্য ক্ষতিপূরণ (compensation) দাবি করার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে। এই ধারাটি বলে যে, যদি কোনো চুক্তি ভঙ্গের ফলে একটি পক্ষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়, তবে সেই পক্ষ ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। এছাড়াও, এই ধারা অনুসারে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালনের (specific performance) পাশাপাশি বা বিকল্প হিসেবে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে। আদালত এই ধারার অধীনে ক্ষতিপূরণ প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারে, এমনকি যদি সুনির্দিষ্ট পালন সম্ভব না হয়।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৯ ধারার বিধান কতিপয় ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুরের ক্ষমতা:
-কোন ব্যক্তি যে চুক্তির সুনির্দিষ্ট কাজ সম্পাদনের জন্য মামলা দায়ের করেছে, সে হয় তেমন কাজ সম্পাদনের অতিরিক্ত অথবা তার পরিপূরক হিসেবে চুক্তিভঙ্গের জন্য ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে।
যদি তেমন কোন মামলায় আদালত সিদ্ধান্ত করেন যে, সুনির্দিষ্ট কার্য সম্পাদন মঞ্জুর করা আবশ্যক, কিন্তু মামলার ন্যায়বিচারের জন্য এটুকুই যথেষ্ট নয় এবং চুক্তিভঙ্গের জন্য বাদীকে কিছু ক্ষতিপূরণ প্রদান করাও প্রয়োজন, তা হলে আদালত সে অনুসারে তার জন্য ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করবেন।
এই ধারা অনুসারে যে ক্ষতিপূরণ মঞ্জুর করা হবে তা আদালত কর্তৃক নির্দেশিত পন্থায় নিরূপণ করা যেতে পারে।
ব্যাখ্যা: চুক্তি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন করার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে এমন পরিস্থিতি আদালত কর্তৃক এই ধারা অর্পিত এখতিয়ার প্রয়োগকে বাধাগ্রস্ত করে না।
-----------------------
⇒ The Specific Relief Act, 1877 -Section-19: Power to award compensation in certain cases: 
Any person suing for the specific performance of a contract may also ask for compensation for its breach, either in addition to, or in substitution for, such performance.
If in any such suit the Court decides that specific performance ought not to be granted, but that there is a contract between the parties which has been broken by the defendant and that plaintiff is entitled to compensation for that breach, it shall award him compensation accordingly. 
If in any such suit the Court decides that specific performance ought to be granted, but that it is not sufficient to satisfy the justice of the case, and that some compensation for breach of the contract should also be made to the plaintiff, it shall award him such compensation accordingly. 
Compensation awarded under this section may be assessed in such manner as the Court may direct. 
Explanation:- The circumstance that the contract has become incapable of specific performance does not preclude the Court from exercising the jurisdiction conferred by this section.

১৬.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৩৯ এর অধীনে কোন ক্ষেত্রে একটি দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়?
  1. যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়
  2. যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে
  3. যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়
  4. যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৩৯ এর অধীনে, কোনো দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায় যদি সেই দলিলটি প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা (Misrepresentation), অযাচিত প্রভাব (Undue Influence), বা অন্য কোনো অবৈধ উপায়ে সম্পাদিত হয়। ধারা ৩৯ এর উদ্দেশ্য হলো এমন দলিল বাতিল করা যা আইনত অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য (Void or Voidable) এবং যা বাদীর অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে।

ধারা ৩৯ এর বিধান:
- ধারা ৩৯ এ বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণা, ভুল উপস্থাপনা, অযাচিত প্রভাব, বা অন্য কোনো অবৈধ কারণে সম্পাদিত হয় এবং তা বাদীর আইনি অধিকারের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে, তবে আদালত সেই দলিল বাতিল করার নির্দেশ দিতে পারে।

- Mominuddin Howladar and others Vs. Nutu Bibi (1 BLD (HCD) 396) মামলায় বলা হয়েছে যে, যদি কোনো দলিল প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়, তবে বাদী সেই দলিলের অকার্যকরতা ঘোষণার জন্য এবং বাতিল করার জন্য মামলা করতে পারেন। তবে, বাদী যদি দলিলের পক্ষভুক্ত হন, তবে তাকে বাতিলের জন্য অতিরিক্ত প্রতিকার (Cancellation) দাবি করতে হবে।

- Sufia Khanam Chowdhury Vs. Faizun Nessa Chowdhury (7 BLD (AD) 55) মামলায় আদালত স্পষ্ট করেছে যে, যদি দলিল প্রাথমিকভাবে অকার্যকর (Void) হয়, তবে বাতিল করার প্রয়োজন নাও হতে পারে; কিন্তু যদি দলিল বাতিলযোগ্য (Voidable) হয় (যেমন, প্রতারণার কারণে), তবে বাতিলের জন্য মামলা করা যায়।

- প্রতারণা (Fraud) একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ যার ভিত্তিতে ধারা ৩৯ এর অধীনে দলিল বাতিল করা যায়। প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিলযোগ্য হয়, কারণ এটি স্বাভাবিক সম্মতির ভিত্তিতে সম্পাদিত হয়নি। উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি প্রতারণার মাধ্যমে অন্যের সম্পত্তির দলিল তৈরি করে, তবে ক্ষতিগ্রস্ত পক্ষ ধারা ৩৯ এর অধীনে মামলা দায়ের করে দলিলটি বাতিল করতে পারে।
- এই ধারার অধীনে, বাদীকে প্রমাণ করতে হবে যে দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়েছে এবং এটি তার আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলছে।

কেন অন্য অপশনগুলি সঠিক নয়?
ক) যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ শুধুমাত্র অকার্যকর বা বাতিলযোগ্য দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যদি দলিলটি সম্পূর্ণ বৈধ হয়, তবে তা বাতিল করার কোনো আইনি ভিত্তি নেই।
খ) যদি দলিলটি সরকারের হেফাজতে থাকে: এটি সঠিক নয়, কারণ দলিল সরকারের হেফাজতে থাকা ধারা ৩৯ এর অধীনে বাতিলের জন্য কোনো শর্ত নয়। বাতিলের জন্য প্রতারণা বা অন্যান্য অবৈধ কারণ প্রমাণ করতে হবে।
গ) যদি দলিলটি মৌখিকভাবে সম্পাদিত হয়: এটি সঠিক নয়, কারণ ধারা ৩৯ লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। মৌখিক চুক্তি বা দলিল এই ধারার আওতায় পড়ে না, কারণ এটি সাধারণত নিবন্ধিত বা লিখিত দলিলের বাতিলের জন্য প্রযোজ্য।

- অর্থাৎ ধারা ৩৯ এর অধীনে, প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত দলিল বাতিল করার জন্য মামলা করা যায়, কারণ এটি বাতিলযোগ্য হয় এবং বাদীর আইনি অধিকারের উপর প্রতিকূল প্রভাব ফেলে। অন্য বিকল্পগুলি (সম্পূর্ণ বৈধ দলিল, সরকারের হেফাজতে থাকা, বা মৌখিক দলিল) এই ধারার আওতায় পড়ে না। তাই, সঠিক উত্তর হলো ঘ) যদি দলিলটি প্রতারণার মাধ্যমে সম্পাদিত হয়।

১৭.
তামাদি আইনের ধারা ১৮ অনুসারে, জালিয়াতির মাধ্যমে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয়ার কারণে তামাদি সময়সীমা গণনা কখন শুরু হয়?
  1. আদালতের রায়ের সময় থেকে
  2. মামলা দায়েরের সময় থেকে
  3. জালিয়াতি আবিষ্কারের সময় থেকে
  4. জালিয়াতি সংঘটনের সময় থেকে
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি আবিষ্কারের সময় থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জালিয়াতি আবিষ্কারের সময় থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ১৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি জালিয়াতির (Fraud) মাধ্যমে তার অধিকার বা শিরোনাম প্রতিষ্ঠা করতে বাধা দেয় বা প্রয়োজনীয় দলিল গোপন করে, তাহলে সময়সীমা গণনা শুরু হবে যেদিন জালিয়াতিটি প্রথম আবিষ্কৃত হয় (বা গোপনকৃত দলিলটি উদ্ধার বা প্রাপ্তির উপায় হয়) সেই দিন থেকে।

⇒ তামাদি আইনের ১৮ ধারার বিধান প্রতারণার ফলাফল- যেক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি একটা মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিল করার অধিকারী হয়। কিন্তু প্রতারণার মাধ্যমে তাকে সেই অধিকারের বিষয় অথবা যেই স্বত্বের উপর উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত সেই বিষয় জানতে দেওয়া হয়নি অথবা যেক্ষেত্রে উক্ত অধিকার প্রতিষ্ঠিত করার জন্য যে দলিল প্রয়োজনীয়, তা প্রতারণা করে তার নিকট হতে গোপন রাখা হয়েছে, সে সকল ক্ষেত্রে-
(ক)প্রতারণার জন্য দোষী ব্যক্তির বা তার সহযোগীর বিরুদ্ধে, অথবা
(খ) যে ব্যক্তি সরল বিশ্বাসে এবং মূল্যের বিনিময় ভিন্ন অন্যভাবে উক্ত দোষী ব্যক্তির মাধ্যমে স্বত্ব দাবি করে তার বিরুদ্ধে-
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন হতে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম যেদিন দলিলটি উপস্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে তা উপস্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন হতে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
- যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি সর্বপ্রথম প্রতারণার কথা জানতে পারে, সেদিন থেকে অথবা দলিল গোপন করা হয়ে থাকলে সর্বপ্রথম যেদিন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি দলিলটি উত্থাপন করতে সমর্থ হয় বা অপর পক্ষকে উত্থাপন করার জন্য বাধ্য করতে পারে, সেদিন থেকে মামলা দায়ের বা দরখাস্ত দাখিলের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করতে হবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 18: Effect of fraud:
Where any person having a right to institute a suit or make an application has, by means of fraud, been kept from the knowledge of such right or of the title on which it is founded, or where any document necessary to establish such right has been fraudulently concealed from him, the time limited for instituting a suit or making an application-
(a) against the person guilty of the fraud or accessory thereto, or
(b) against any person claiming through him otherwise than in good faith and for a valuable consideration,
shall be computed from the time when the fraud first became known to the person injuriously affected thereby, or, in the case of the concealed document, when he first had the means of producing it or compelling its production.

১৮.
The Specific Relief Act, 1877 কোন আইনের ভিত্তি থেকে উদ্ভূত?
  1. ইকুইটি আইন
  2. দেওয়ানি কার্যবিধি
  3. সম্পত্তি হস্তান্তর আইন
  4. উল্লিখিত সবগুলো 
সঠিক উত্তর:
ইকুইটি আইন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইকুইটি আইন
ব্যাখ্যা

⇒ The Specific Relief Act, 1877 প্রাথমিকভাবে ইকুইটি আইন (Equity Law) এর ভিত্তি থেকে উদ্ভূত। এই আইনটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, যা ল্যাটিন শব্দ “aequitas” (অর্থাৎ ন্যায়পরায়ণতা ও সুবিচার) থেকে এসেছে। ইকুইটি আইন সাধারণ আইনের (Common Law) পরিপূরক হিসেবে কাজ করে, যেখানে কেবলমাত্র আর্থিক ক্ষতিপূরণ পর্যাপ্ত নয় এমন ক্ষেত্রে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার (specific relief) প্রদান করে, যেমন চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন (specific performance) বা ইনজাংশন (injunction)।

⇒ The Specific Relief Act, 1877 এর মূল উদ্দেশ্য হলো চুক্তি পালন নিশ্চিত করা এবং সম্পত্তির অধিকার রক্ষা করা, যেখানে ন্যায়বিচারের নীতি প্রয়োগ করে পক্ষগুলোর মধ্যে ন্যায্যতা বজায় রাখা হয়। এটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে প্রণীত হয়েছিল এবং বাংলাদেশে এখনও একটি গুরুত্বপূর্ণ আইনি কাঠামো হিসেবে কাজ করে।

⇒ প্রয়োগের প্রেক্ষাপট (বাংলাদেশে):
বাংলাদেশে, Specific Relief Act, 1877 ইকুইটি আইনের নীতির উপর ভিত্তি করে চুক্তি ভঙ্গ, সম্পত্তি বিরোধ, এবং ইনজাংশনের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। 

অন্যান্য অপশনের বিশ্লেষণ:
খ) দেওয়ানি কার্যবিধি: দেওয়ানি কার্যবিধি (Civil Procedure Code, 1908) এই আইনের প্রয়োগের জন্য একটি পদ্ধতিগত কাঠামো প্রদান করে, তবে Specific Relief Act এর উৎস বা ভিত্তি নয়। এটি কেবল মামলা পরিচালনার প্রক্রিয়া নির্ধারণ করে।
গ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন: সম্পত্তি হস্তান্তর আইন (Transfer of Property Act, 1882) সম্পত্তি হস্তান্তরের নিয়ম-কানুন নিয়ে কাজ করে। যদিও এটি Specific Relief Act এর কিছু বিষয়ের সাথে সম্পর্কিত (যেমন, সম্পত্তির দখল বা মালিকানা), তবে এটি Specific Relief Act এর ভিত্তি নয়।
ঘ) উল্লিখিত সবগুলো: Specific Relief Act শুধুমাত্র ইকুইটি আইনের উপর ভিত্তি করে তৈরি। দেওয়ানি কার্যবিধি এবং সম্পত্তি হস্তান্তর আইন এর প্রয়োগ বা সম্পর্কিত ক্ষেত্রে সহায়ক হলেও এর উৎস নয়। তাই এই অপশনটি সঠিক নয়।

অর্থাৎ The Specific Relief Act, 1877 ইকুইটি আইন থেকে উদ্ভূত, যা ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার প্রদান করে। এটি বাংলাদেশের আইনি ব্যবস্থায় চুক্তি এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত বিরোধ নিরসনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

১৯.
নিঃস্ব হিসেবে আপিল করার অনুমতির জন্য আবেদনের তামাদির মেয়াদ কত?
  1. ৩০ দিন
  2. ৬০ দিন
  3. ৯০ দিন
  4. ১২০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ১৭০ অনুচ্ছেদ অনুসারে নিঃসম্বল হিসাবে আপিল করার অনুমতির দরখাস্ত (for leave to appeal as pauper) দাখিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন।
- তামাদি আইন, ১৯০৮ এর অনুচ্ছেদ ১৭০ অনুসারে, নিঃস্ব (pauper) হিসেবে আপীল করার অনুমতির জন্য আবেদন দাখিলের তামাদি মেয়াদ হলো ৩০ দিন। এই সময়সীমা গণনা শুরু হয় সেই ডিক্রি বা আদেশের তারিখ থেকে, যার বিরুদ্ধে আপীল করা হবে।

২০.
“Equity imputes an intention to fulfill an obligation” – maxim টি সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারার সাথে সম্পর্কিত?
  1. ধারা ৯
  2. ধারা ১১
  3. ধারা ১২
  4. ধারা ১৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১২
ব্যাখ্যা

⇒ “Equity imputes an intention to fulfill an obligation” – এই ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act 1877 এর ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: গ) ধারা ১২।

- “Equity imputes an intention to fulfill an obligation” ম্যাক্সিমটি ইক্যুইটি বা ন্যায়বিচারের একটি মূলনীতি, যা নির্দেশ করে যে আদালত ধরে নেয় যে একটি চুক্তির পক্ষগুলো তাদের বাধ্যবাধকতা পূরণ করার অভিপ্রায় রাখে। এই ম্যাক্সিমটি Specific Relief Act 1877-এর ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত, যেখানে চুক্তির নির্দিষ্ট পালন (Specific Performance of Contracts) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।

ধারা ১২ এর বিস্তারিত ব্যাখ্যা:
- ধারা ১২ এর অধীনে বলা হয়েছে যে, যদি একটি চুক্তির একটি পক্ষ তার বাধ্যবাধকতা পূরণে ব্যর্থ হয়, তবে অন্য পক্ষ আদালতের মাধ্যমে সেই চুক্তির নির্দিষ্ট পালন দাবি করতে পারে। এই ধারাটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে, যেখানে আদালত ধরে নেয় যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে ইচ্ছুক ছিল এবং এই অভিপ্রায়কে সমর্থন করার জন্য আদালত তাদের বাধ্য করতে পারে।
- এই ম্যাক্সিমটি বিশেষভাবে ধারা ১২ এর সাথে সম্পর্কিত কারণ এটি বলে যে আদালত চুক্তির পক্ষগুলোর অভিপ্রায়কে গুরুত্ব দেয় এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে চুক্তির পালন বাধ্যতামূলক করতে পারে। এটি ইক্যুইটির নীতি “equity sees that as done which ought to be done” এর সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যা ধারা ১২ এর আলোচনায় উল্লেখিত।
- উদাহরণস্বরূপ, যদি কোনো ব্যক্তি একটি সম্পত্তি বিক্রির চুক্তি করে কিন্তু পরে তা পূরণ করতে অস্বীকার করে, তবে ক্রেতা ধারা ১২ এর অধীনে আদালতে নির্দিষ্ট পালনের জন্য মামলা করতে পারে। আদালত এখানে ধরে নেবে যে বিক্রেতার চুক্তি পূরণের অভিপ্রায় ছিল এবং ন্যায়বিচারের জন্য তাকে তা পূরণে বাধ্য করবে।

অন্যান্য অপশনের ব্যাখ্যা:
ধারা ৯: এই ধারাটি অচল সম্পত্তির দখল সম্পর্কিত এবং বলে যে মালিক সরকারের বিরুদ্ধে দখলের জন্য মামলা করতে পারে না। এটি ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
ধারা ১১: এই ধারাটি চলমান সম্পত্তির দায়-দায়িত্ব নিয়ে আলোচনা করে, যেখানে দখলকারী ব্যক্তি মালিক নয়। এটি নির্দিষ্ট পালন বা ইক্যুইটির অভিপ্রায়ের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ধারা ১৫: এই ধারাটি চুক্তির বড় অংশ অপূর্ণ থাকলে নির্দিষ্ট পালনের বিষয়ে আলোচনা করে। এটি ম্যাক্সিমের সাথে সরাসরি যুক্ত নয়, কারণ এটি প্রধানত অপূর্ণ অংশের পরিমাণ নিয়ে কাজ করে।

- “Equity imputes an intention to fulfill an obligation” ম্যাক্সিমটি ধারা ১২ এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত কারণ এটি চুক্তির নির্দিষ্ট পালনের ক্ষেত্রে আদালতের ন্যায়বিচারমূলক দৃষ্টিভঙ্গিকে প্রতিফলিত করে। এই ধারাটি নিশ্চিত করে যে চুক্তির পক্ষগুলো তাদের প্রতিশ্রুতি পূরণে বাধ্য থাকে এবং আদালত ন্যায়বিচারের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়ন করে।

২১.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২২ অনুযায়ী কে মামলা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে?
  1. বাদী
  2. বিবাদী
  3. উভয় পক্ষ
  4. আদালত নিজে থেকেই
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিবাদী
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ২২ অনুযায়ী, যদি একটি মামলা দুই বা ততোধিক আদালতের যেকোনো একটিতে দায়ের করা যায় এবং তা একটি নির্দিষ্ট আদালতে দায়ের করা হয়, তবে শুধুমাত্র বিবাদী অন্য পক্ষকে নোটিশ দিয়ে মামলাটি অন্য এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারে। এই আবেদন প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে বা বিচার্য বিষয় নির্ধারণের পূর্বে করতে হবে। আদালত অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) বিবেচনা করে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত নেয়।

- ধারা ২২ এ যে মোকদ্দমাটি একের অধিক আদালতে দায়েরযোগ্য তা স্থানান্তরের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
এ ধারায় শুধুমাত্র বিবাদী মোকদ্দমা স্থানান্তরের আবেদন করতে পারে যদি মোকদ্দমাটি দুই বা ততোধিক আদালতের যে কোন একটিতে দায়েরযোগ্য হয় এবং তার মধ্যে যে কোন একটি আদালতে দায়ের করা হয়।
- যখন আবেদন করতে পারে: যে কোন বিবাদী অপর পক্ষকে নোটিশ দিয়ে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগে এবং যে ক্ষেত্রে মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় নির্ধারণ হয়ে গেছে, সেই ক্ষেত্রে বিচার্য বিষয় নির্ধারণের সময় বা তার পূর্বে অপর একটি আদালতে স্থানান্তরের জন্য আবেদন করতে পারবে। আদালত এইরুপ আবেদন পাওয়ার পর অপর পক্ষের আপত্তি (যদি থাকে) শ্রবণ করে এখতিয়ারসম্পন্ন আদালতসমূহের কোনটিতে মামলা অগ্রসর হবে তা স্থির করবে।
----------------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Section 22: Power to transfer suits which may be instituted in more than one Court-
Where a suit may be instituted in any one of two or more Courts and is instituted in one of such Courts, any defendant, after notice to the other parties, may, at the earliest possible opportunity and in all cases where issue are settled at or before such settlement, apply to have the suit transferred to another Court and the Court to which such application is made, after considering the objections the other parties (if any), shall determine which of the several 31 Courts having jurisdiction the suit shall proceed.

২২.
তামাদি আইনের ধারা ৬ অনুসারে আইনি অক্ষমতার অন্তর্ভুক্ত নয়- 
  1. উন্মাদ
  2. নির্বোধ
  3. অপ্রাপ্তবয়স্কতা
  4. শারীরিক অক্ষমতা
সঠিক উত্তর:
শারীরিক অক্ষমতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শারীরিক অক্ষমতা
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইনের ৬,৭,৮ এবং ৯ ধারায় আইনগত অপারগতার নিয়ম উল্লেখ করা হয়েছে।
⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৬ অনুসারে, আইনি অক্ষমতা (Legal Disability) বলতে শুধুমাত্র নিম্নলিখিত তিনটি অবস্থা কে বোঝায়:
১. অপ্রাপ্তবয়স্কতা (Minority)
২. উন্মাদতা (Insanity)
৩. নির্বোধিতা (Idiocy)
এই ধারায় শারীরিক অক্ষমতা (Physical Disability) যেমন- অন্ধত্ব, বধিরতা, পক্ষাঘাত ইত্যাদিকে আইনি অক্ষমতা হিসেবে গণ্য করা হয়নি। অর্থাৎ, শারীরিক অক্ষমতা থাকলেও তা তামাদি সময়সীমা বর্ধিত করার জন্য গ্রহণযোগ্য নয়।

⇒ তামাদি আইনের ৬ ধারায় বৈধ অপারগতা (Legal disability) নিয়ে সরাসরি আলোচনা করেছে।
যেখানে বলা আছে, যে ক্ষেত্রে মামলা কিংবা কার্যব্যবস্থা কিংবা ডিক্রি জারির জন্য কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হয় সেই সময় উক্ত ব্যক্তি যদি নাবালক, উন্মাদ বা চরম বুদ্ধিহীনতার রোগে ভুগে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে তামাদি মেয়াদ গণনা স্থগিত থাকবে।
- যখন উক্ত ব্যক্তির জীবন হতে অপারগতা অবসান হবে তখন তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে। যদি একটি অপারগতা অবসান হবার আগেই আরেকটি অপারগতায় উক্ত ব্যক্তি আক্রান্ত হন তবে দুটি শেষ হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। এর মাঝে যদি উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে তাহলে তার আইনগত প্রতিনিধির উপর তামাদি মেয়াদ গণনা শুরু হবে। তার আইনগত প্রতিনিধি যদি বৈধ অপারগতায় আক্রান্ত থাকেন তবে প্রতিনিধির আইনগত অপারগতা অবসান হবার পর তামাদি মেয়াদ গণনা আরম্ভ হবে।
- তামাদি আইনের ৬ ধারার এই বিধান আপীল, রিভিউ, রিভিশন বা আবেদন ইত্যাদি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না। বৈধ অপারগতার বিধান শুধুমাত্র বাদী’র ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। বিবাদী’র জন্য তামাদি আইনে বৈধ অপারগতার বিধান গ্রহণযোগ্য না।
---------
⇒ The Limitation Act:- Section 6. Legal disability:
(1) Where a person entitled to institute a suit or proceeding or make an application for the execution of a decree is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, a minor, or insane, or an idiot, he may institute the suit or proceeding or make the application within the same period after the disability has ceased, as would otherwise have been allowed from the time prescribed therefore in the third column of the first schedule or in section 48 of the Code of Civil Procedure, 1908. 
(2) Where such person is, at the time from which the period of limitation is to be reckoned, affected by two such disabilities, or where, before his disability has ceased, he is affected by another disability, he may institute the suit or make the application within the same period, after both disabilities have ceased, as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(3) Where the disability continues up to the death of such person, his legal representative may institute the suit or make the application within the same period after the death as would otherwise have been allowed from the time so prescribed. 
(4) Where such representative is at the date of the death affected by any such disability, the rules contained in sub-sections (1) and (2) shall apply. 
 
Illustrations:
(a) The right to sue for the hire of a boat accrues to A during his minority. He attains majority four years after such accruer. He may institute his suit at any time within the years from the date of his attaining majority. 
(b) A right to sue accrues to Z during his minority. After the accruer, but while Z is still a minor, he becomes insane. Time runs against Z from the date when his insainity and minority cease. 
(c) A right to sue accrues to X during his minority. X dies before attaining majority, and is succeeded by Y, his minor son. Time runs against Y from the date of his attaining majority.

২৩.
কোনো ক্ষতি যদি সাথে সাথে না ঘটে বরং পরে ঘটে, তবে তামাদি সময় গণনা শুরু হবে—
  1. কাজ করার দিন থেকে
  2. সমন ইস্যুর দিন থেকে
  3. ক্ষতি হওয়ার দিন থেকে
  4. আদালতের আদেশের দিন থেকে
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি হওয়ার দিন থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্ষতি হওয়ার দিন থেকে
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৪ অনুসারে, যে ক্ষতিপূরণ মামলাগুলো বিশেষ ক্ষতি প্রকাশ না পাওয়া পর্যন্ত কার্যকর হয় না, সেগুলোর তামাদির মেয়াদ গণনা শুরু হয় যখন ক্ষতি প্রকাশ পায় বা ক্ষতি হয়। এই ধারার দৃষ্টান্তে উল্লেখ আছে: যদি ভূ-পৃষ্ঠের নিচে কয়লা খননের ফলে তাৎক্ষণিক ক্ষতি না হয় কিন্তু পরে ভূ-পৃষ্ঠ ধসে পড়ে, তবে তামাদির মেয়াদ ধসের তারিখ (অর্থাৎ ক্ষতি হওয়ার দিন) থেকে শুরু হবে।

⇒ তামাদি আইনের ২৪ ধারার বিধান: বিশেষ ক্ষতির কারণ না হইলে যে কাজের জন্য মামলা করা যায় না তাহার জন্য ক্ষতিপূরণের মামলা:
যে কার্যের দ্বারা বাস্তবিক পক্ষে কোন নির্দিষ্ট ক্ষতি সাধিত না হইলে কোন মামলার কারণ উদ্ভূত হয় না, তদ্রূপ কার্যের দরুন ক্ষতিপূরণের মামলার জন্য যখন ক্ষতি হয়, তখন হইতে তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে হইবে।

উদাহরণ:
'ক' একটি জমির উপরিভাগের মালিক। 'খ' ঐ জমির ভূগর্ভের মালিক। উপরিভাগের তাৎক্ষণিক স্পষ্ট কোন ক্ষতি না করিয়া ভূ-গর্ভ হইতে কয়লা খনন ও উত্তোলন করে। কিন্তু অবশেষে জমিটির উপরিভাগ ধসে পড়ে। এইক্ষেত্রে 'ক' কর্তৃক 'খ' এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের তামাদির মেয়াদ ধসিয়া পড়ার সময় হইতে শুরু হইবে।
---------
⇒ The limitation Act-1908, Section 24: Suit for compensation for act not actionable without special damage:-
In the case of a suit for compensation for an act which does not give rise to a cause of action unless some specific injury actually results therefrom, the period of limitation shall be computed from the time when the injury results.

Illustration:
A owns the surface of a field. B owns the subsoil. B digs coal thereout without causing any immediate apparent injury to the surface, but at last the surface subsides. The period of limitation in the case of a suit by A against B runs from the time of the subsidence.

২৪.
হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানী এখতিয়ারে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার সময়সীমা কতদিন?
  1. ৭ দিন
  2. ২০ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২০ দিন
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ (Limitation Act, 1908) এর ১ম তফসিলের , Article-151 অনুযায়ী—
From a decree or order of the High Court Division in the exercise of its original jurisdiction
- অর্থাৎ, হাইকোর্ট ডিভিশন যখন তার মূল দেওয়ানী এখতিয়ার ব্যবহার করে কোনো ডিক্রি বা আদেশ প্রদান করে,
Period of limitation: 20 days
- সেই ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপীল করার সর্বোচ্চ সময়সীমা ২০ দিন।
Time begins to run: The date of the decree or order
- এই ২০ দিন গণনা শুরু হবে ডিক্রি বা আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে।

সুতরাং, হাইকোর্ট কর্তৃক মূল দেওয়ানী এখতিয়ারে প্রদত্ত ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল করার সময়সীমা ২০ দিন।

২৫.
সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ অনুসারে Additional Judge এবং Assistant Judge এর Court কে কার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে অধীনস্থ বলে গণ্য করা হয়?
  1. High Court এর
  2. District Judge এর
  3. Supreme Court এর
  4. Attorney General এর
সঠিক উত্তর:
District Judge এর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
District Judge এর
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 অনুযায়ী স্থানীয় এখতিয়ারাধীন সকল দেওয়ানী আদালতের উপর জেলা জজের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রন থাকবে।
- ধারা ৯- আদালতের প্রশাসনিক ক্ষমতা (Administrative control of Courts):
হাইকোর্ট বিভাগের তত্ত্বাবধানে জেলা জজের তার স্থানীয় সীমানায় অবস্থিত সকল দেওয়ানি আদালতের উপর তার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ থাকবে।

- সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর সাথে সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ২৪(২) অনুসারে, Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালতকে District Judge-এর অধীনস্থ হিসেবে গণ্য করা হয়এই বিধানটি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করে যে, District Judge-এর প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা আদালতগুলোর মধ্যে Additional Judge এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত। এছাড়াও, সিভিল কোর্টস অ্যাক্টের ধারা ২২ অনুসারে, District Judge-এর কাছে মুনসেফ আদালতের ডিক্রি বা আদেশের বিরুদ্ধে আপিল হস্তান্তরের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালতগুলো তার অধীনস্থ হিসেবে বিবেচিত হয়।

- Muhammad Zulfikar vs Abul Kalam Chowdhury 42 DLR 21, যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ২৪(১) এবং ২৪(২) অনুসারে District Judge-এর অধীনস্থ আদালতগুলোতে মামলা হস্তান্তর বা প্রত্যাহারের ক্ষমতা রয়েছে, এবং এই আদালতগুলোর মধ্যে Additional এবং Assistant Judge-এর আদালত অন্তর্ভুক্ত।
- তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) District Judge এর।

২৬.
The Civil Courts Act, 1887 অনুযায়ী Hindus parties-এর ক্ষেত্রে religious usage বিষয়ে decision কীভাবে হবে?
  1. Common law অনুযায়ী
  2. Muslim law অনুযায়ী
  3. Hindu law অনুযায়ী
  4. International law অনুযায়ী
সঠিক উত্তর:
Hindu law অনুযায়ী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Hindu law অনুযায়ী
ব্যাখ্যা

⇒ The Civil Courts Act,1887 আইনের ৩৭ ধারায় কতিপয় বিষয়ে রাষ্ট্রীয় আইন নয় বরং হিন্দু এবং মুসলিমদের ধর্মীয় আইনের বিধানকে সংরক্ষণ করা হয়েছে।
⇒ The Civil Courts Act, 1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, কোনো মামলা বা কার্যক্রমে যদি উত্তরাধিকার (Succession), বিবাহ (Marriage), জাতি (Caste), বা ধর্মীয় প্রথা ও প্রতিষ্ঠান (Religious Usage or Institution) সংক্রান্ত কোনো প্রশ্নের সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রয়োজন হয়, তবে পক্ষগুলোর ধর্মীয় পরিচয়ের ভিত্তিতে আইন প্রয়োগ করা হয়। বিশেষ করে:
- যদি পক্ষগুলো মুসলিম হয়, তবে মুসলিম আইন প্রয়োগ করা হবে।
- যদি পক্ষগুলো হিন্দু হয়, তবে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে।
এই ক্ষেত্রে, প্রশ্নে উল্লিখিত হিন্দু পক্ষগুলোর (Hindu parties) ধর্মীয় প্রথা (Religious Usage) সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য হিন্দু আইন প্রযোজ্য হবে, যদি না সেই আইন কোনো আইনসভার দ্বারা পরিবর্তিত বা বাতিল করা হয়।

- ধারা ৩৭(২) অনুসারে, যদি ধারা ৩৭(১) বা অন্য কোনো প্রচলিত আইন প্রযোজ্য না হয়, তবে আদালত ন্যায়, ইক্যুইটি এবং সৎ বিবেক (Justice, Equity, and Good Conscience) অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবে। তবে, হিন্দু পক্ষগুলোর ধর্মীয় প্রথা সংক্রান্ত বিষয়ে হিন্দু আইনই প্রাথমিকভাবে প্রযোজ্য।

⇒ The Civil Courts Act,1887-এর ধারা ৩৭(১) অনুসারে, হিন্দু পক্ষগুলোর ধর্মীয় প্রথা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণে হিন্দু আইন প্রয়োগ করা হবে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) Hindu law অনুযায়ী।
----------
⇒ The Civil Courts Act,1887, Section 37- Certain decisions to be according to local law:
(1) Where in any suit or other proceeding it is necessary for a Civil Court to decide any question regarding succession, inheritance, marriage or caste, or any religious usage or institution, the Muslim law in cases where the parties are Muslim, and the Hindu law in cases where the parties are Hindus, shall form the rule of decision except in so far as such law has, by legislative enactment, been altered or abolished.
(2) In cases not provided for by sub-section (1) or by any other law for the time being in force, the Court shall act according to justice, equity and good conscience.

২৭.
সাধারণভাবে Limitation period গণনার মূলনীতি তামাদি আইনের কোন ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩
  3. ধারা ৪
  4. ধারা ৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৩ এ সাধারণভাবে Limitation period (সময়সীমা) গণনার মূলনীতি উল্লেখ করা হয়েছে। এই ধারা অনুসারে, যদি কোন মামলা, আপিল বা আবেদন এই আইনের তফসিল ১ এ নির্ধারিত সময়সীমার পরে দায়ের করা হয়, তবে তা তামাদির কারণে বাতিল হয়ে যাবে (barred by limitation) এবং আদালত এটিকে খারিজ করে দিবে।
- সুতরাং, সময়সীমা গণনার সাধারণ মূলনীতি ধারা ৩ এ বর্ণিত হয়েছে।
 
⇒ তামাদি আইনের ৩ ধারায় বলা হয়েছে, বাদীর করা কোন মামলায় বিবাদী যদি আদালতে তামাদির প্রশ্ন নাও তুলে তারপরেও মামলা খারিজ হবে যদি বাদী এই আইনের ধারা ৪-২৫ এবং ১ম তফসিলের নির্ধারিত সময়ের মাঝে আদালতে মামলা উপস্থাপন করতে ব্যর্থ হয়।
-তামাদি আইন, ১৯০৮ ফৌজদারি মূল মামলা অর্থাৎ এজাহার, এফ আই আর বা অভিযোগ/নালিশ (complaint) দায়েরের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
-তামাদি আইন দ্বারা ফৌজদারি মামলা বাধাপ্রাপ্ত হয় না।
- তবে ফৌজদারি আপিল, রিভিশন প্রভৃতি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। যেমন- মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের তামাদির মেয়াদ ৭ দিন।
তামাদি আইন ফৌজদারি মূল মামলার ক্ষেত্রে সাধারণত প্রয়ােগ হয় না। তবে ফৌজদারি মামলার আপিলের ক্ষেত্রে প্রযােজ্য হয়।
-------------
⇒The Limitation Act Section-3: Dismissal of suits, etc., instituted, etc., after period of limitation:
-Subject to the provisions contained in sections 4 to 25 (inclusive), every suit instituted, appeal preferred, and application made, after the period of limitation prescribed therefor by the first schedule shall be dismissed, although limitation has not been set up as a defence.

Explanation.-A suit is instituted, in ordinary cases, when the plaint is presented to the proper officer; in the case of a pauper, when his application for leave to sue as a pauper is made; and, in the case of a claim against a company which is being wound up by the Court, when the claimant first sends in his claim to the official liquidator.

২৮.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০ এর নীতি কী নামে পরিচিত?
  1. Res Judicata
  2. Res Sub Judice
  3. Res Nullius
  4. Res Gestae
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Res Sub Judice
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর ধারা ১০ মোকদ্দমা স্থগিতকরণ (Stay of Suit) সম্পর্কিত বিধান বর্ণনা করে। এই ধারার নীতি Res Sub Judice নামে পরিচিত। এই নীতি অনুসারে, যদি একই বিষয় এবং একই পক্ষগণ বা তাদের প্রতিনিধিদের মধ্যে পূর্বে দায়েরকৃত একটি মামলা বিচারাধীন থাকে, তবে পরবর্তীতে দায়েরকৃত মামলার বিচার স্থগিত রাখা হবে, যতক্ষণ না পূর্ববর্তী মামলার নিষ্পত্তি হয়। এর উদ্দেশ্য হলো একই বিষয়ে একাধিক মামলার বিচারের ফলে বিচারিক দ্বন্দ্ব বা অসঙ্গতি রোধ করা।

অর্থাৎ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ১০-এর নীতি Res Sub Judice নামে পরিচিত, যা মোকদ্দমা স্থগিতকরণের বিষয়ে বর্ণনা করে। তাই সঠিক উত্তর হলো খ) Res Sub Judice.

২৯.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের Section 35-38 এর অধীনে কোন বিষয়টি আলোচিত হয়?
  1. সম্পত্তির দখল
  2. চুক্তির বাতিল
  3. ক্ষতিপূরণের দাবি
  4. চুক্তির সুনির্দিষ্ট পালন
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বাতিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
চুক্তির বাতিল
ব্যাখ্যা

⇒ Specific Relief Act 1877-এর ধারা ৩৫-৩৮ এর অধীনে চুক্তির বাতিল (Rescission) সম্পর্কিত বিষয়গুলো আলোচিত হয়। এই ধারাগুলোতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, কোনো চুক্তি পক্ষগুলোর পারস্পরিক সম্মতিতে বা আইনগত কারণে বাতিল করা যেতে পারে।

- ধারা ৩৫-৩৮ এর প্রধান বিষয় হলো চুক্তির বাতিল (Rescission), যেখানে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পর পক্ষগুলো যদি তা বাতিল করতে চায়, তবে তারা আদালতে এর জন্য মামলা দায়ের করতে পারে।
- চুক্তি বাতিল হতে পারে যদি এটি অবৈধ কারণে করা হয়, পক্ষগুলোর মধ্যে প্রতারণা বা ভুল উপস্থাপনা থাকে, অথবা পক্ষগুলো পারস্পরিক সম্মতিতে চুক্তি থেকে মুক্তি পেতে চায়।
- বাতিল সাধারণত পক্ষগুলোর নতুন সম্মতির মাধ্যমে বা আদালতের আদেশের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়। এটি চুক্তির বাধ্যবাধকতা থেকে পক্ষগুলোকে মুক্ত করে।
- অর্থাৎ ধারা ৩৫-৩৮ এর অধীনে চুক্তির বাতিল (Rescission) বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়, যেখানে পক্ষগুলো চুক্তি থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে পারে। এটি ন্যায়বিচারের নীতির উপর ভিত্তি করে পক্ষগুলোর অধিকার রক্ষা করে।

৩০.
২০ লক্ষ টাকা মূল্যমানের মোকদ্দমা কোন আদালতে দায়ের করতে হবে?
  1. জেলা জজ আদালত
  2. সহকারী জজ আদালত
  3. যুগ্ম জেলা জজ আদালত
  4. সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিনিয়র সহকারী জজ আদালত
ব্যাখ্যা

The Civil Courts Act, 1887 এর ধারা ১৯ অনুযায়ী দেওয়ানি আদালতগুলোর আর্থিক এখতিয়ার সীমা নিম্নরূপ:

সহকারী জজের আদালত: সর্বোচ্চ ১৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
সিনিয়র সহকারী জজের আদালত: ১৫ লক্ষ টাকার বেশি থেকে ২৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত মামলার বিচার করতে পারে।
যুগ্ম জেলা জজের আদালত: ২৫ লক্ষ টাকার বেশি মূল্যমানের মামলার বিচার করতে পারে।
- যেহেতু প্রশ্নে মামলার মূল্যমান ২০ লক্ষ টাকা উল্লেখ আছে, যা ১৫ লক্ষ টাকার বেশি এবং ২৫ লক্ষ টাকার কম, তাই এই মামলাটি সিনিয়র সহকারী জজের আদালতে দায়ের করতে হবে।

৩১.
দেওয়ানী কার্যবিধি ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী রায় ঘোষণা করার সময় কোন শর্তটি পূরণ করতে হবে?
  1. জুরি বোর্ড দ্বারা অনুমোদিত হতে হবে
  2. রায়ের তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে
  3. শুধুমাত্র লিখিতভাবে প্রকাশ করতে হবে
  4. আদালতের নোটিশ ছাড়া প্রকাশ করা যাবে
সঠিক উত্তর:
রায়ের তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়ের তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ২০, বিধি ৩ অনুযায়ী, রায় ঘোষণার সময় বিচারককে রায়টি তারিখসহ স্বাক্ষর করতে হবে। এই বিধি আরও উল্লেখ করে যে, একবার রায় স্বাক্ষরিত হয়ে গেলে, তা ধারা ১৫২ বা পুনরীক্ষণ ব্যতীত পরবর্তীতে সংশোধন বা সংযোজন করা যাবে না। এটি রায়ের আনুষ্ঠানিকতা ও বৈধতা নিশ্চিত করে।

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ২০নং আদেশের বিধি ৩ অনুযায়ী-রায় ঘোষণা করার সময় বিচারক কর্তৃক তা তারিখসহ স্বাক্ষরযুক্ত হতে হবে এবং একবার স্বাক্ষরিত হলে ১৫২ ধারা অনুসারে কিংবা পুনরীক্ষণ ব্যতীত তা পরবর্তী কোন সময়ে সংশোধিত বা সংযোজিত হতে পারবে না।
- দেওয়ানি কার্যবিধির ১৫২ ধারায় দেওয়ানি মোকদ্দমার রায়, ডিক্রি, আদেশ সংশোধন (Amendment of judgement, decree & order) করার বিধান রয়েছে।
এই ধারামতে, আদালত যে কোন সময় নিজ উদ্যোগে (own motion) বা কোন পক্ষের আবেদনের ভিত্তিতে-
- করনিক বা গানিতিক ভুল (clerical or arithmetical mistakes),
- আকস্মিক ভ্রান্তি বা বিচ্যুতির (accidental slip or omission) কারণে রায়, ডিক্রি অথবা আদেশ সংশোধন করতে পারেন।
- উল্লেখ্য যে, দেওয়ানী কার্যবিধির ১৫৩ ধারায় আদালতের দেওয়ানি মামলার কার্য ধারার ত্রুটি সংশোধন করার ক্ষমতা রয়েছে। ১৫৩ ধারামতে আদালত যে কোন সময় মোকদ্দমার কোন প্রকৃত প্রশ্ন বা বিচার্য বিষয় নির্ধারনের জন্য মামলার কার্য ধারার ত্রুটি (any defect or error in any proceeding in a suit) সংশোধন করতে পারেন।

৩২.
The Civil Courts Act, 1887 এর Section 18 অনুযায়ী District Judge বা Subordinate Judge এর আদি এখতিয়ার কীসের অধীন?
  1. Civil Procedure Code এর Section 5
  2. Civil Procedure Code এর Section 10
  3. Civil Procedure Code এর Section 15
  4. Civil Procedure Code এর Section 21
সঠিক উত্তর:
Civil Procedure Code এর Section 15
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Civil Procedure Code এর Section 15
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ১৮ অনুসারে, District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার (original jurisdiction) সিভিল কোর্টে বিচারযোগ্য সকল মূল মামলার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, তবে এটি সিভিল প্রসিডিউর কোড (CPC)-এর ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন। ধারা ১৫-এ উল্লেখ আছে যে, প্রতিটি মামলা সেই আদালতে দায়ের করতে হবে যে আদালত স্থানীয় এখতিয়ার এবং মামলার মূল্যের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন গ্রেডের আদালত হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি নিশ্চিত করে যে মামলাগুলো যথাযথ আদালতে বিচারের জন্য দায়ের করা হয়, এবং District Judge বা Subordinate Judge-এর এখতিয়ার এই বিধানের আলোকে নির্ধারিত হয়।

- Sonali Bank vs Abidur Rahman 42 DLR 311, যেখানে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে ধারা ১৮ অনুসারে District Judge বা Subordinate Judge-এর আদি এখতিয়ার সিভিল প্রসিডিউর কোডের ধারা ১৫-এর বিধানের অধীন।

তাই, সঠিক উত্তর হলো গ) Civil Procedure Code এর Section 15।
--------- 
⇒ The Civil Courts Act, 1887, Section-18: Extent of original jurisdiction of District or Joint District Judge:
- Save as otherwise provided by any enactment for the time being in force, the jurisdiction of a District Judge or Joint District Judge extends, subject to the provisions of section 15 of the Code of Civil Procedure, 1908 to all original suits for the time being cognizable by Civil Courts.

৩৩.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে প্লিডিংস কর্তন বা সংশোধনের বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ৬
  2. আদেশ ৬, বিধি ১৫
  3. আদেশ ৬, বিধি ১৬
  4. আদেশ ৬, বিধি ১৩
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আদেশ ৬, বিধি ১৬
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৬, বিধি ১৬ অনুযায়ী, আদালত মামলার যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস (বাদীর আরজি বা বিবাদীর লিখিত জবাব) কর্তন বা সংশোধনের আদেশ দিতে পারে, যদি তাতে অপ্রয়োজনীয়, কুৎসাজনক, বা সুষ্ঠু বিচারে বাধা সৃষ্টিকারী, বিভ্রান্তকর বা বিলম্ব সৃষ্টিকারী বিষয় থাকে। এই বিধানের উদ্দেশ্য হলো মামলার বিষয়বস্তু স্পষ্ট ও ন্যায়সঙ্গত রাখা।
- প্লিডিংস কর্তন বা সংশোধনের বিধান দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৬, বিধি ১৬-এ বর্ণিত আছে। তাই সঠিক উত্তর হলো গ) আদেশ ৬, বিধি ১৬।
- দেওয়ানী কার্যবিধির ৬ নং আদেশের ১৬ নং বিধিতে প্লিডিংস কর্তনের(Strike out) বিধান রয়েছে। ১৬ নং বিধিমতে মোকদ্দমার প্রকৃত প্রশ্ন নির্ধারণ করার জন্য আদালত যেকোনো পর্যায়ে প্লিডিংস-এ উল্লেখিত কতিপয় বিষয় কর্তন করার (Strike out) আদেশ নিতে পারেন।
আদালত প্লিডিংস কর্তন করাতে পারে যদি প্লিডিংস এ উল্লেখিত কোন বিষয়-
- অপ্রয়োজনীয় (Unnecessary matter) বা
- কুৎসাজনক (Scandalous) হলে অথবা
- বিচারে বাধা বা বিলম্ব করলে (Tend to prejudice,embarrass or delay fair trial of the suit)।

৩৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ৫-এর কোন বিধিতে বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service) বিধান রয়েছে?
  1. বিধি ৮
  2. বিধি ১০
  3. বিধি ২০
  4. বিধি ২৫
সঠিক উত্তর:
বিধি ২০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ২০
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৫, বিধি ২০-এ বিকল্প বা প্রতিকল্পনরূপে সমন জারির (Substituted Service) বিধান বর্ণিত আছে। এই বিধি অনুযায়ী, যদি আদালত বিশ্বাস করে যে বিবাদী সমন এড়াতে আত্মগোপন করছে বা অন্য কোনো কারণে সাধারণভাবে সমন জারি করা সম্ভব নয়, তবে আদালত নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে সমন জারির নির্দেশ দিতে পারে:
- সমনের একটি নকল আদালত ভবনের দৃশ্যমান স্থানে এবং বিবাদীর শেষ পরিচিত বাসস্থান, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান বা কর্মস্থলের দৃশ্যমান স্থানে ঝুলিয়ে দেওয়া।
- অথবা, বহুল প্রচারিত দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে।
------------
⇒ দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮, আদেশ ৫, বিধি ২০: বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি (Substituted Service):
(১) যেখানে আদালত সন্তুষ্ট যে, বিবাদী সেবা এড়ানোর জন্য উড়াল দেয়ার চেষ্টা করছে বা অন্য কোনো কারণে সমন সাধারাণভাবে প্রেরণ করা সম্ভব নয়, তখন আদালত সমনকে আদালতের ভবনে কোনো দৃশ্যমান স্থানে সেঁটে দেওয়ার নির্দেশ দিবে এবং যেখানে বিবাদী শেষবার বসবাস বা ব্যবসা চালিয়েছেন, বা যেখানে তিনি নিজে উপার্জনের জন্য কাজ করতেন, সেই স্থানের কোনো দৃশ্যমান জায়গাতেও সেঁটে দেবেন, অথবা আদালত যেভাবে উপযুক্ত মনে করবে সেইভাবে সমন প্রেরণের ব্যবস্থা করবেন।
(১এ) যদি আদালত উপবিধি (১) অনুযায়ী সমন প্রেরণের জন্য সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন দেওয়ার নির্দেশ দেন, তবে সেই সংবাদপত্রটি দৈনিক হতে হবে এবং ওই এলাকার মধ্যে যার মধ্যে বিবাদী শেষবার বসবাস করতেন বা ব্যবসা পরিচালনা করেছিলেন, সেই এলাকাতে প্রচারিত হতে হবে।
বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির প্রভাব:
(২) আদালতের আদেশে করা বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি, বিবাদীর ব্যক্তিগত জারির মতোই কার্যকর হবে।যেখানে বিকল্প বা পরিবর্তিত জারি করা হয়েছে, সেসময় উপস্থিতির জন্য সময় নির্ধারণ:
(৩) যদি আদালত বিকল্প বা পরিবর্তিত জারির আদেশ দেয়, তাহলে আদালত বিবাদীর উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় সময় নির্ধারণ করবে।
--------
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, Order 5 Rule 20: Substituted service-
(1) Where the Court is satisfied that there is reason to believe that the defendant is keeping out of the way for the purpose of avoiding service, or that for any other reason the summons cannot be served in the ordinary way, the Court shall order the summons to be served by affixing a copy thereof in some conspicuous place in the Court-house, and also upon some conspicuous part of the house (if any) in which the defendant is known to have last resided or carried on business or personally worked for gain, or in such other manner as the Court thinks fit.
(1A) Where the Court under sub-rule (1) pass an order to service the summons by an advertisement in a newspaper, the newspaper shall be a daily newspaper which has circulation in the locality in which the defendant is last known to have actually and voluntarily resided, carried on business or personally worked for gain.
Effect of substituted service-
(2) Service substituted by order of the Court shall be as effectual as if it had been made on the defendant personally.
Where service substituted, time for appearance to be fixed-
(3) Where service is substituted by order of the Court, the Court shall fix such time for the appearance of the defendant as the case may require. 

৩৫.
তামাদি আইনের ধারা ২৮ অনুযায়ী, সম্পত্তির দখলের জন্য মামলা করার তামাদি সময়সীমা শেষ হয়ে গেলে কী হয়?
  1. সম্পত্তির অধিকার স্থায়ী হয়ে যায়
  2. সম্পত্তি আদালত দ্বারা বিক্রি হয়
  3. সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
  4. সম্পত্তি সরকারের কাছে চলে যায়
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ধারা ২৮ অনুসারে, যদি কোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সম্পত্তির দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা দায়ের না করেন, তবে তার সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যায়। এটি প্রতিকূল দখল (Adverse Possession) এর ধারণার সাথে সম্পর্কিত, যেখানে কোনো ব্যক্তি দীর্ঘ সময় ধরে শান্তিপূর্ণভাবে এবং বিনা বাধায় সম্পত্তি দখল করে থাকলে, মূল মালিকের অধিকার বিলুপ্ত হয়ে দখলকারী ব্যক্তি আইনি মালিকানা অর্জন করতে পারেন।

⇒ তামাদি আইনের ধারা ২৮: সম্পত্তির অধিকার বিলুপ্তি:
কোনো সম্পত্তির দখল প্রাপ্তির জন্য মামলা দায়ের করার ব্যাপারে এই আইনে যে মেয়াদ নির্ধারিত করে দেয়া হয়েছে, তা উত্তীর্ণ হওয়ার পর সেই সম্পত্তিতে বাদীর অধিকার বিলুপ্ত হয়ে যাবে।
-------------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section 28: Extinguishment of right to property:
At the determination of the period hereby limited to any person for instituting a suit for possession of any property, his right to such property shall be extinguished.

৩৬.
The Specific Relief Act, 1877 এর কোন ধারায় বলা হয়েছে সরকারের বিরুদ্ধে ভূমি থেকে উচ্ছেদ বিষয়ে মামলা করা যাবে না?
  1. ধারা ৫
  2. ধারা ৮
  3. ধারা ৯
  4. ধারা ১২
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯
ব্যাখ্যা

⇒The Specific Relief Act, 1877 এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি সরকারের বিরুদ্ধে স্থাবর সম্পত্তি (immovable property) থেকে উচ্ছেদ বা দখল পুনরুদ্ধারের জন্য মামলা করতে পারবে না। এই ধারাটি সরকারের বিরুদ্ধে দখল সংক্রান্ত মামলার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা আরোপ করে।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ এর ধারা ৯ এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, "No suit under this section shall be brought against the Government." অর্থাৎ, এই ধারার অধীনে সরকারের বিরুদ্ধে কোনো মামলা করা যাবে না।

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনে ৯ ধারার বিধান: স্থাবর সম্পত্তির দখল চ্যুত ব্যক্তি কর্তৃক মামলা:
-যদি কোন ব্যক্তি তার অসম্মতিতে আইনগত পন্থা ছাড়াই স্থাবর সম্পত্তির দখলচ্যুত হয়, তাহলে সে বা তার মাধ্যমে দাবিদার কোন ব্যক্তি মামলার মাধ্যমে তা পুনরুদ্ধার করতে পারে। তবে এই ধারার কোন কিছুই এমন সম্পত্তির ব্যাপারে নিজের স্বত্ব প্রতিষ্ঠিত এবং তার দখল পুনরুদ্ধার করার নিমিত্তে কোন ব্যক্তি কর্তৃক মামলা রুজু করার পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে না।
-সরকারের ক্ষেত্রে এই ধারার কোনো প্রয়োগযোগ্য নেই।
-আদালত যে আদেশ দিবে তার বিরুদ্ধে আপিল বা পুনর্বিবেচনার আবেদন করা যাবে না।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-9: Suit by person dispossessed of immoveable property:
If any person is dispossessed without his consent of immoveable property otherwise than in due course of law, he or any person claiming through him may, by suit recover possession thereof, notwithstanding any other title that may be set up in such suit.
Nothing in this section shall bar any person from suing to establish his title to such property and to recover possession thereof.
No suit under this section shall be brought against the Government.
No appeal shall lie from any order or decree passed in any suit instituted under this section, nor shall any review of any such order or decree be allowed.

৩৭.
তামাদি আইনের কোন অনুচ্ছেদে ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ আছে?
  1. অনুচ্ছেদ ১৫০
  2. অনুচ্ছেদ ১৫৩
  3. অনুচ্ছেদ ১৫৪
  4. অনুচ্ছেদ ১৫৬
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনুচ্ছেদ ১৫৪
ব্যাখ্যা

⇒ তামাদি আইন, ১৯০৮-এর ১ম তফসিলের দ্বিতীয় বিভাগে (আপিল) অনুচ্ছেদ ১৫০ থেকে ১৫৭ পর্যন্ত ফৌজদারি এবং দেওয়ানি আপিলের তামাদির মেয়াদ উল্লেখ করা হয়েছে। 
- অনুচ্ছেদ ১৫৪-এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ ৩০ দিন, যা দণ্ডাদেশ বা আদেশের তারিখ থেকে গণনা শুরু হয়।
সুতরাং, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর অধীনে হাইকোর্ট ব্যতীত অন্য আদালতে আপিলের তামাদির মেয়াদ সংক্রান্ত বিধান অনুচ্ছেদ ১৫৪-এ উল্লেখ আছে।

৩৮.
দেওয়ানী কার্যবিধির আদেশ ১৮, বিধি ১২ অনুযায়ী কোন ধরনের মন্তব্য লিপিবদ্ধ করা যেতে পারে?
  1. সাক্ষীর ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কিত মন্তব্য
  2. মামলার কারণ সম্পর্কিত মন্তব্য
  3. সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
  4. আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত মন্তব্য
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষীর আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ১৮, বিধি ১২ অনুযায়ী, আদালত সাক্ষীর জবানবন্দি প্রদানকালে তার হাব-ভাব বা আচরণ (demeanour) সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে করলে সে সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে। এই মন্তব্য সাক্ষীর আচরণের বিশ্বাসযোগ্যতা, সত্যবাদিতা, দ্বিধা বা অসঙ্গতি ইত্যাদি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে হতে পারে, যা মামলার ন্যায়বিচারে সহায়ক।
অর্থাৎ যদি কোন সাক্ষীর আচরণ মামলার সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় হয়,তখন বিচারক ন্যায় বিচারার্থে উক্ত সাক্ষীর ব্যবহার সম্পর্কে মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারবেন।
- আদেশ ১৮ বিধি ১২- আদালতে কোন সাক্ষী জবানবন্দি দানকালে তার আচরণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ মনে হয়, এরূপ কোন মন্তব্য লিপিবদ্ধ করতে পারে।
- The Court may record such remarks as it thinks material respecting the demeanour of any witness while under examination.

৩৯.
হাইকোর্ট বিভাগ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭ এর কোন ধারার অধীনে যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজকে বিশেষ ক্ষমতা প্রদান করতে পারে?
  1. ধারা ২২
  2. ধারা ২৩
  3. ধারা ২৪
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা

⇒ সিভিল কোর্টস অ্যাক্ট, ১৮৮৭-এর ধারা ২৩ অনুসারে, হাইকোর্ট বিভাগ সাধারণ বা বিশেষ আদেশের মাধ্যমে যুগ্ম জেলা জজ (Joint District Judge), সিনিয়র সহকারী জজ (Senior Assistant Judge) বা সহকারী জজ (Assistant Judge)-কে নির্দিষ্ট মামলা বা কার্যক্রমের বিষয়ে এখতিয়ার গ্রহণ করার জন্য ক্ষমতা প্রদান করতে পারে। এই ধারার উপ-ধারা (১) স্পষ্টভাবে বলে যে, হাইকোর্ট বিভাগ যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজকে নির্দিষ্ট কার্যক্রম গ্রহণ বা বিচারের জন্য অনুমোদন দিতে পারে। এছাড়াও, জেলা জজ এই ধরনের কার্যক্রম যুগ্ম জেলা জজ বা সিনিয়র সহকারী জজ বা সহকারী জজের আদালতে হস্তান্তর করতে পারেন।

- ধারা ২৩-এর প্রাসঙ্গিক অংশ: "The High Court Division may, by general or special order, authorise any Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge to take cognizance of, or any District Judge to transfer to a Joint District Judge or Senior Assistant Judge or Assistant Judge under his administrative control, any of the proceedings next hereinafter mentioned or any class of those proceedings specified in the order."

- এই ধারাটি হাইকোর্ট বিভাগের ক্ষমতাকে সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করে যে তারা যুগ্ম জেলা জজ বা সহকারী জজদের বিশেষ এখতিয়ার প্রদান করতে পারে।

তাই, সঠিক উত্তর হলো খ) ধারা ২৩।

৪০.
দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২১ অনুযায়ী এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি কখন উত্থাপন করতে হবে?
  1. যেকোনো সময়
  2. প্রাথমিক পর্যায়ে
  3. মামলার নিষ্পত্তির পর
  4. ডিক্রি কার্যকরের সময়
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক পর্যায়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাথমিক পর্যায়ে
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির ধারা ২১ অনুযায়ী, এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি অবশ্যই প্রাথমিক পর্যায়ে উত্থাপন করতে হবে। বিশেষভাবে, এটি নিম্নলিখিত সময়ের মধ্যে উত্থাপন করতে হবে:
- আদালতে প্রথম উপস্থিত হওয়ার সময়।
- বিচার্য বিষয় (issues) নির্ধারণের সময় বা তার আগে।
- যেকোনো প্রক্রিয়ার শুরুতে।
যদি এই সময়ের মধ্যে এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি না তোলা হয়, তবে পরবর্তীতে সাধারণত আপিল বা রিভিশন আদালতে এ ধরনের আপত্তি গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে যদি প্রাথমিক আদালতে আপত্তি না তোলার ফলে ন্যায় বিচারের ব্যত্যয় (failure of justice) ঘটে থাকে, তাহলে আপিল বা রিভিশন আদালত বিশেষ ক্ষেত্রে এ আপত্তি বিবেচনা করতে পারে।

⇒  দেওয়ানী কার্যবিধির ২১ ধারার বিধান: এখতিয়ারে আপত্তি-
যে আদালতে প্রথমে মোকদ্দমা দায়ের করা হয়, সেই আদালতে প্রথম সম্ভাব্য সুযোগ এবং বিচার্য বিষয় নির্ধারণ করার সময় বা পূর্বে, আদালতের এখতিয়ার সম্পর্কিত কোন আপত্তি উত্থাপন করতে হবে। যদি তা না করা হয় এবং ন্যায় বিচারের উদ্দেশ্য ব্যাহত না হলে কোন আপিল বা রিভিশন আদালত মামলা দায়ের স্থান সম্পর্কে কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না। কিন্তু ন্যায় বিচার ব্যাহত হলে এবং ন্যায় বিচারের স্বার্থে, আপিল বা রিভিশনের সময় আদালত এখতিয়ার সংক্রান্ত আপত্তি গ্রহণ করতে পারে।
------------ 
⇒ The Code of Civil Procedure, 1908, section - 21: Objections to jurisdiction-
No objection as to the place of suing shall be allowed by any appellate or revisional Court unless such objection was taken in the Court of first instance at the earliest possible opportunity and in all cases where issues are settled at or before such settlement, and unless there has been a consequent failure of justice.

৪১.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের কোন ধারা অনুসারে নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা প্রদান করা হয়?
  1. ধারা ৫৪
  2. ধারা ৫৫
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৭
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৭
ব্যাখ্যা

⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য আদালত যে নিষেধাজ্ঞার আদেশ প্রদান করে তাকে Negative Injunction বলে।
- সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ধারা ৫৭-এ নেতিবাচক চুক্তি (Negative Agreement) পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction) প্রদানের বিধান রয়েছে।
- এই ধারার মূল বিষয়বস্তু হলো:
কোন চুক্তিতে যদি একটি ইতিবাচক অঙ্গীকার (কোনো কাজ করা) এবং একটি নেতিবাচক অঙ্গীকার (কোনো কাজ না করা) একসাথে থাকে, এবং আদালত যদি সেই ইতিবাচক অঙ্গীকারটি সুনির্দিষ্টভাবে পালন করানোর আদেশ (Specific Performance) দিতে না পারে,
তবুও আদালত চুক্তির নেতিবাচক অংশটি (কাজটি না করা) ভঙ্গ করা থেকে বিরত রাখার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করতে পারবে।
শর্ত থাকে যে, আবেদনকারী নিজে চুক্তির(যে অংশটি তার উপর বাধ্যবাধকতা তৈরি করে) পালনে ব্যর্থ হয়নি।

- নেতিবাচক চুক্তি পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞা (Injunction to perform negative agreement)-
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ৫৭ ধারামতে আদালত চুক্তির ইতিবাচক অংশ সুনির্দিষ্টভাবে কার্যকর করার আদেশ দিতে না পারলেও, চুক্তির নেতিবাচক অংশ পালনের জন্য নিষেধাজ্ঞার আদেশ দিতে পারবেন।

যেমন- A, B এর সাথে এই মর্মে চুক্তি করে যে, সে ১২ মাসের জন্য B এর থিয়েটারে গান গাইবে এবং এই সময়ে সে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন করবে না। এই চুক্তির সুনির্দিষ্ট বলবৎ করার জন্য B ডিক্রি পাওয়ার অধিকারী নয়, কিন্তু A যেন এই সময়ে অন্যত্র জনসম্মুখে গান পরিবেশন না করতে পারে বা তাকে গান গাওয়া হতে বিরত রাখতে B নিষেধাজ্ঞা পেতে পারে।
-----------
⇒ The Specific Relief Act, 1877, Section-57. Injunction to perform negative agreement:
Notwithstanding section 56, clause (f), where a contract comprises an affirmative agreement to do a certain act, coupled with a negative agreement, express or implied, not to do a certain act, the circumstance that the Court is unable to compel specific performance of the affirmative agreement shall not preclude it from granting an injunction to perform the negative agreement: provided that the applicant has not failed to perform the contract so far as it is binding on him.

Illustrations:
(a) A contracts to sell to B for taka 1,000 the good-will of a certain business unconnected with business-premises, and further agrees not to carry on that business in Chittagong. B pays A the taka 1,000 but A carries on the business in Chittagong. The Court cannot compel A to send his customers to B, but B may obtain an injunction restraining A from carrying on the business in Chittagong.
(b) A contracts to sell to B the good-will of a business. A then sets up similar business close by B's shop and solicits his old-customers to deal with him. This is contrary to his implied contract, and B may obtain an injunction to restrain A from soliciting the customers, and from doing any act whereby their good-will may be withdrawn from B.

(c) A contracts with B to sing for twelve months as B's theatre and not to sing in public elsewhere, B cannot obtain specific performance of the contract to sing, but he is entitled to an injunction restraining A from singing at any other place of public entertainment.

(d) B contracts with A that he will serve him faithfully for twelve months as a clerk. A is not entitled to a decree for specific performance of the contract. But he is entitled to an injunction restraining B from serving a rival house as clerk.
(e) A contracts with B that, in consideration of taka 1,000 to be paid to him by B on a day fixed, he will not set up a certain business within a specified distance. B fails to pay the money. A cannot be restrained from carrying on the business within the specified distance.

৪২.
দেওয়ানি কার্যবিধির কোন আদেশ ও বিধিতে আরজিতে প্রতিকার সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনার বিধান রয়েছে?
  1. আদেশ ৭, বিধি ২
  2.  আদেশ ৭, বিধি ৭
  3. আদেশ ৮, বিধি ৩
  4. আদেশ ৪, বিধি ৭
সঠিক উত্তর:
 আদেশ ৭, বিধি ৭
উত্তর
সঠিক উত্তর:
 আদেশ ৭, বিধি ৭
ব্যাখ্যা

⇒ দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮-এর আদেশ ৭, বিধি ৭-এ আরজিতে প্রতিকার সুনির্দিষ্টভাবে বর্ণনার বিধান রয়েছে। এই বিধি অনুযায়ী, বাদীকে আরজিতে তার দাবিকৃত প্রতিকার (সাধারণভাবে বা বিকল্পভাবে) সুনির্দিষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। তবে, আদালত যে সাধারণ বা অন্যান্য প্রতিকার সঙ্গত মনে করে মঞ্জুর করতে পারে, তা আরজিতে উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এই নিয়ম বিবাদীর লিখিত বিবৃতিতে দাবিকৃত প্রতিকারের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

⇒ দেওয়ানী কার্যবিধির ৭ নং আদেশের ১ থেকে ১৮ নং বিধিতে আরজি সংক্রান্ত বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
 আদেশ ৭ বিধি ৭-
আরজিতে বাদি সাধারণভাবে অথবা বিকল্পভাবে যে প্রতিকার দাবী করে তা সুনির্দিষ্টভাবে দেখাতে হবে। অবশ্য আদালত কর্তৃক সঙ্গত বিবেচনায় যে প্রতিকার দাবী না করলেও মঞ্জুর করে থাকেন, তা আরজিতে দেখানোর কোন প্রয়োজন নেই। এই নিয়ম বিবাদির লিখিত বিবৃতিতে যে দাবী করা হয়, সেক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

Relief to be specifically stated-
Every plaint shall state specifically the relief which the plaintiff claims either simply or in the alternative, and it shall not be necessary to ask for general or other relief which may always be given as the Court may think just to the same extent as if it had been asked for. And the same rule shall apply to any relief claimed by the defendant in his written statement.