১.
রিং টপোলজিতে ডাটা কীভাবে প্রবাহিত হয়?
সঠিক উত্তর: ক
একমুখী
উত্তর
সঠিক উত্তর: ক
একমুখী
ব্যাখ্যা
রিং টপোলজিতে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।
• রিং টপোলজি
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।
• বাকি টপোলজিগুলো হলো:
• স্টার টপোলজি
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
• বাস টপোলজি
- বাস টপোলজি বা বাস সংগঠনে সমস্ত কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রাদি নোডের মাধ্যমে একটি বাস বা সাধারণ পরিবহণ মাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকে। - ডাটা বাসের মাধ্যমে যে কোন কম্পিউটার অন্য যে কোন কম্পিউটারে সংকেত বা ডাটা পাঠাতে পারে।
- ডাটা চলাচলের পথ অভিন্ন। তাই প্রেরিত ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিটি কম্পিউটার তা পরীক্ষা করে দেখে।
- তবে যে কম্পিউটারের উদ্দেশ্যে ডাটা প্রেরণ করা হয় শুধুমাত্র সেই কম্পিউটারই ডাটা গ্রহণ করে।
- প্রতিটি কম্পিউটার আলাদাভাবে নোডের মাধ্যমে বাসের সাথে যুক্ত থাকে বলে নেটওয়ার্কে তথ্য বা ডাটা পরিবহনে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না।
- নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তাকে সহজেই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।
• ট্রি টপোলজি
- ট্রি টপোলজি বা ট্রি সংগঠনে কোন কম্পিউটার সরাসরি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে না।
- এখানে কম্পিউটারগুলো গাছের ন্যায় শাখা প্রশাখায় বিন্যস্ত থাকে।
- এখানে প্রত্যেক স্তরের কম্পিউটার তার পরবর্তী স্তরের কম্পিউটারের হোষ্ট কম্পিউটার হিসাবে কাজ করে।
- কম্পিউটারসমূহ উচ্চগতি সম্পন্ন সংযোগ পথ দ্বারা সংযোগ করা হয়।
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
• লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের টপোলজি
- নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটার সমূহের সংযোগের অবস্থানগত বিন্যাসের কাঠামো হচ্ছে টপোলজি।
- টপোলজিকে তাই লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কের সংগঠন হিসাবে অভিহিত করা হয়।
- লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কে সাধারণত নিম্নলিখিত চার ধরনের সংযোগ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।
১। স্টার টপোলজি (Star Topology),
২। বাস টপোলজি (Bus Topology),
৩। রিং টপোলজি (Ring Topology),
৪। ট্রি টপোলজি (Tree Topology)।
• রিং টপোলজি
- রিং টপোলজি বা রিং সংগঠনে নেটওয়ার্কের সংগঠন হচ্ছে বৃত্তাকার।
- এ ধরনের নেটওয়ার্কে প্রতিটি কম্পিউটার তার দুই দিকের দুইটি কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- কোন কম্পিউটার থেকে প্রেরিত তথ্য প্রতিটি কম্পিউটার পরীক্ষা করে দেখে এবং ডাটা তার উদ্দেশ্যে প্রেরিত না হলে পরবর্তী কম্পিউটারে পাঠিয়ে দেয়।
- ডাটা গ্রহণ না করা পর্যন্ত এভাবে বৃত্তাকারে ঘুরতে থাকে।
- এভাবে তথ্যের একমুখী প্রবাহ বৃত্তাকারে হয়ে থাকে।
- এই নেটওয়ার্কের আওতায় কোন কম্পিউটার ডাটা প্রেরণ বা গ্রহণে অপারগ হলে নেটওয়ার্ক অচল হয়ে পরে।
- এই সংগঠনের আর একটি বড় অসুবিধা হল নেটওয়ার্ক যত বড় হয় তথ্য প্রবাহের গতি তত কম হয়।
• বাকি টপোলজিগুলো হলো:
• স্টার টপোলজি
- স্টার টপোলজি বা স্টার সংগঠনে কম্পিউটারসমূহ একটি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- এ সংগঠনে নেটওয়ার্কভুক্ত কম্পিউটারগুলো সরাসরি নিজেদের মধ্যে তথ্য বা ডাটা আদান প্রদান করতে পারে না।
- প্রতিটি কম্পিউটারই কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের মাধ্যমে অন্য কম্পিউটারে সংকেত পাঠাতে পারে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটি এক্ষেত্রে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে।
- কেন্দ্রীয় কম্পিউটারটিতে সমস্যা দেখা দিলে সমস্ত নেটওয়ার্কটি অচল হয়ে যায়।
- কিন্তু অন্য কোন কম্পিউটার বিকল হলে নেটওয়ার্কের কাজ শুধুমাত্র ঐ কম্পিউটারেই ব্যহত হয়, নেটওয়ার্কের অন্য অংশে কাজের কোন রকম অসুবিধা হয় না।
• বাস টপোলজি
- বাস টপোলজি বা বাস সংগঠনে সমস্ত কম্পিউটার ও অন্যান্য যন্ত্রাদি নোডের মাধ্যমে একটি বাস বা সাধারণ পরিবহণ মাধ্যমের সাথে যুক্ত থাকে। - ডাটা বাসের মাধ্যমে যে কোন কম্পিউটার অন্য যে কোন কম্পিউটারে সংকেত বা ডাটা পাঠাতে পারে।
- ডাটা চলাচলের পথ অভিন্ন। তাই প্রেরিত ডাটা প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিটি কম্পিউটার তা পরীক্ষা করে দেখে।
- তবে যে কম্পিউটারের উদ্দেশ্যে ডাটা প্রেরণ করা হয় শুধুমাত্র সেই কম্পিউটারই ডাটা গ্রহণ করে।
- প্রতিটি কম্পিউটার আলাদাভাবে নোডের মাধ্যমে বাসের সাথে যুক্ত থাকে বলে নেটওয়ার্কে তথ্য বা ডাটা পরিবহনে কোন ব্যাঘাত সৃষ্টি করে না।
- নেটওয়ার্কের একটি কম্পিউটার বিকল হয়ে গেলে তাকে সহজেই নেটওয়ার্ক থেকে বিচ্ছিন্ন করা যায়।
• ট্রি টপোলজি
- ট্রি টপোলজি বা ট্রি সংগঠনে কোন কম্পিউটার সরাসরি কেন্দ্রীয় কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে না।
- এখানে কম্পিউটারগুলো গাছের ন্যায় শাখা প্রশাখায় বিন্যস্ত থাকে।
- এখানে প্রত্যেক স্তরের কম্পিউটার তার পরবর্তী স্তরের কম্পিউটারের হোষ্ট কম্পিউটার হিসাবে কাজ করে।
- কম্পিউটারসমূহ উচ্চগতি সম্পন্ন সংযোগ পথ দ্বারা সংযোগ করা হয়।
উৎস: এসএসসি প্রোগ্রাম, কম্পিউটার শিক্ষা, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।