পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১৫
সিলেবাস
এটমের গঠন, কার্বনের বহুমুখী ব্যবহার, এসিড, ক্ষার, লবণ, পদার্থের ক্ষয়, সাবানের কাজ, মৌলিক কণা, ধাতব পদার্থ এবং তাদের যৌগসমূহ, অধাতব পদার্থ, জারণ-বিজারণ, তড়িৎ কোষ, অজৈব যৌগ, জৈব যৌগ, ইলেকট্রনিক্স, আধুনিক পদার্থবিজ্ঞান, শক্তির উৎস ও প্রয়োগ, নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস, পারমাণবিক শক্তি, খনিজ উৎস, শক্তির রূপান্তর। সোর্সঃ যেকোনো গাইড বই, ষষ্ঠ থেকে SSC & HSC বোর্ড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫ প্রশ্ন

.
কোনটি জৈব যৌগের উদাহরণ?
  1. ক) Na2CO3
  2. খ) NaOH
  3. গ) CH3OH
  4. ঘ) CO2
সঠিক উত্তর:
গ) CH3OH
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) CH3OH
ব্যাখ্যা

উৎস বা প্রস্তুত পদ্ধতি যাই হোক না কেন সকল জৈব যৌগে কার্বন পরমাণু বিদ্যমান। তাই বলা যায় জৈব যৌগ মূলত কার্বন যৌগ।
- জৈব যৌগে কার্বনের সাথে এক বা একাধিক বিভিন্ন মৌল যেমন- H, O, N, S, P, X ইত্যাদি যুক্ত থাকে।
- আবার কার্বনের দ্বারা গঠিত সকল যৌগই জৈব যৌগ নয়। যেমন- CO2, CO, Na2CO3 ইত্যাদি।
বর্তমানে জৈব যৌগকে এভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয় ‘কার্বন ও হাইড্রোজেন দ্বারা গঠিত যৌগসমূহকে হাইড্রোকার্বন বলা হয় এবং এই হাইড্রোকার্বন ও এদের জাতকসমূহকে জৈব যৌগ বলে।’
যেমন:- মিথেন (CH4), মিথানল (CH3OH), অ্যানিলিন (C6H5NH2) ইত্যাদি।

সূত্রঃ রসায়ন দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
নিচের কোনটি মেটালয়েড?
  1. ক) থ্যালিয়াম
  2. খ) টেলুরিয়াম
  3. গ) সীসা
  4. ঘ) সেলেনিয়াম
সঠিক উত্তর:
খ) টেলুরিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) টেলুরিয়াম
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
যে সকল মৌলের ক্ষেত্রে ধাতু ও অধাতু উভয় শ্রেণির ধর্ম প্রকাশ পায়; তাদেরকে অপধাতু বা মেটালয়েড বলে।
বোরন, সিলিকন, জার্মেনিয়াম, আর্সেনিক, অ্যান্টিমনি এবং টেলুরিয়াম- এই ছয়টি মৌল হলো অপধাতু।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
নিচের কোনটির উপর কোনো এসিডের শক্তিমাত্রা নির্ভর করে না?
  1. ক) দ্রাবকের প্রকৃতি
  2. খ) প্রান্তীয় পরমাণুর জারণ অবস্থা
  3. গ) হাইড্রাসিডের ঋণাত্মক আয়নের আকার
  4. ঘ) এসিডের বিয়োজন ধ্রবক
সঠিক উত্তর:
খ) প্রান্তীয় পরমাণুর জারণ অবস্থা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) প্রান্তীয় পরমাণুর জারণ অবস্থা
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
এসিডের তীব্রতা বা শক্তিমাত্রা নিম্নোক্ত বিষয়ের ওপর নির্ভর করে-
- এসিডের বিয়োজন ধ্রুবকঃ এসিডের বিয়োজন ধ্রুবকের মান যতো বেশি হয়, এসিডটি ততো বেশি শক্তিশালী হয়।
- হাইড্রাসিডের ঋণাত্মক আয়নের আকারঃ ঋণাত্মক আয়নের আকার যতো বড় হয়, অণুর বিয়োজন ততো বেশি হয় অর্থাৎ এসিডের তীব্রতা ততো বেশি হয়।
- কেন্দ্রীয় পরমাণুর জারণ অবস্থাঃ অক্সিজেন পরমাণুযুক্ত এসিডসমূহের কেন্দ্রীয় পরমাণুর ধনাত্মক জারণ সংখ্যা যতো বেশি, ঐ এসিডের তীব্রতা ততো বেশি।
- কেন্দ্রীয় পরমাণুর আকারঃ অক্সিজেন পরমাণুযুক্ত এসিডসমূহের কেন্দ্রীয় পরমাণুর ধনাত্মক জারণ সংখ্যা সমান হলে তখন যেটির কেন্দ্রীয় পরমাণুর আকার ছোটো হবে সে এসিডের তীব্রতা বেশি হবে।
- দ্রাবকের প্রকৃতিঃ দ্রাবকের প্রোটন গ্রহণ করার ক্ষমতাভবা ক্ষারকত্ব বেশি হলে এতে দ্রবীভূত এসিডের আয়নীকরণ বৃদ্ধি পায়।

.
নিম্নের কোন দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করলেও দ্রবণের pH মানের কোন পরিবর্তন হয় না?
  1. ক) অ্যাসিড দ্রবণে
  2. খ) বাফার দ্রবণে
  3. গ) ক্ষারীয় দ্রবণে
  4. ঘ) সবগুলোতেই
সঠিক উত্তর:
খ) বাফার দ্রবণে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) বাফার দ্রবণে
ব্যাখ্যা

যে দ্রবণে সামান্য দুর্বল অম্ল বা ক্ষার যােগ করার পরও দ্রবণের pH- মান অপরিবর্তিত থাকে তাকে বাফার দ্রবণ বলে।
অর্থ্যাৎ বাফার দ্রবণে সামান্য পরিমাণ এসিড বা ক্ষার যোগ করলেও দ্রবণের pH মানের কোন পরিবর্তন হয় না।

.
ক্যালসিয়াম কার্বনেট হচ্ছে-
  1. ক) বেকিং সোডা
  2. খ) ব্লিচিং পাউডার
  3. গ) চুন
  4. ঘ) চক
সঠিক উত্তর:
ঘ) চক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) চক
ব্যাখ্যা
- চক এর রাসায়নিক নামক্যালসিয়াম কার্বনেট,
- চুনের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম অক্সাইড,
- খাবার লবণের রাসায়নিক নাম সোডিয়াম ক্লোরাইড,
- ব্লিচিং পাউডারের রাসায়নিক নাম ক্যালসিয়াম ক্লোরো হাইপোক্লোরাইড।
- বেকিং সোডার রাসায়নিক নাম সোডিয়াম হাইড্রোজেন কার্বনেট৷
উৎসঃ রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোমল পানীয় তৈরি করা হয়-
  1. ক) জৈব বা ফ্যাটি এসিড থাকে
  2. খ) সোডিয়াম বাই কার্বনেট থেকে
  3. গ) দ্রবীভূত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস থেকে
  4. ঘ) কার্বনিক এসিড থাকে
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রবীভূত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস থেকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) দ্রবীভূত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস থেকে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
ঠাণ্ডা অবস্থায় ও উচ্চ চাপে পানিতে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস দ্রবীভূত করে কোমল পানীয় তৈরি করা হয়।
কোমল পানীয়তে কার্বন ডাই-অক্সাইড এবং পানি বিক্রিয়া করে কার্বনিক এসিড (H2CO3) উৎপন্ন করে।

.
নিচের কোন জৈব যৌগটিতে হাইড্রোজেন অনুপস্থিত থাকে?
  1. ক) ফরমালিন
  2. খ) ফ্রেয়ন
  3. গ) কার্বন- ডাই- অক্সাইড
  4. ঘ) বিউটিন
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেয়ন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) ফ্রেয়ন
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
গ্যামাক্সিন, হেক্সাক্লোরো ইথেন, ফসজিন, পাইরিন, ক্লোরোপিক্রিন, ফ্রেয়ন ইত্যাদি হলো হাইড্রোজেনবিহীন জৈব যৌগ।
ফরমালিন, বিউটিন, ফরমিক এসিড, বিউটেন, ইথাইন ইত্যাদি বেশিরভাগ জৈব যৌগতেই হাইড্রোজেন উপস্থিত থাকে।
কার্বন- ডাই- অক্সাইড একটি হাইড্রোজেনবিহীন অজৈব যৌগ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
পৃথিবীতে অজৈব যৌগের সংখ্যা কত?
  1. ক) প্রায় ৯০ হাজার
  2. খ) প্রায় ৮০ লক্ষ
  3. গ) প্রায় ৩৯ হাজার
  4. ঘ) প্রায় ১ কোটি
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় ৯০ হাজার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) প্রায় ৯০ হাজার
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
কার্বনের ক্যাটেনেশন ও জৈব যৌগের সমাণুতার জন্য বর্তমানে আবিষ্কৃত জৈব যৌগের সংখ্যা প্রায় ৮০ লক্ষ। অন্যদিকে অজৈব যৌগের সংখ্যা ১ লাখেরও কম (প্রায় ৯০ হাজার মাত্র)
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

.
নিচের কোনটি বিজারক পদার্থ?
  1. ক) অক্সালিক এসিড
  2. খ) পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট
  3. গ) তরল ব্রোমিন
  4. ঘ) ফেরিক ক্লোরাইড
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সালিক এসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক) অক্সালিক এসিড
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- হাইড্রোজেন, হাইড্রোজেন সালফাইড, কার্বন মনো অক্সাইড, নাইট্রাস এসিড, সালফিউরাস এসিড, অধিকাংশ ধাতু, কার্বন, ফেরাস লবণ, সোডিয়াম থায়ো সালফেট, অক্সালিক এসিড ইত্যাদি হলো বিভিন্ন বিজারক পদার্থের উদাহরণ।
- ফ্লোরিন, ক্লোরিন, ব্রোমিন, আয়োডিন, অক্সিজেন, ওজোন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, সালফিউরিক এসিড, নাইট্রিক এসিড, পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট, পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট, পটাশিয়াম ক্লোরেট ইত্যাদি হলো বিভিন্ন জারক পদার্থের উদাহরণ।

১০.
নিচের কোনটি জারক পদার্থের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) জারণ ঘটায়
  2. খ) এক বা একাধিক ইলেকট্রন হারায়
  3. গ) নিজের বিজারণ ঘটে
  4. ঘ) সংশ্লিষ্ট পরমাণুর জারণ সংখ্যা হ্রাস পায়
সঠিক উত্তর:
খ) এক বা একাধিক ইলেকট্রন হারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) এক বা একাধিক ইলেকট্রন হারায়
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- জারক পদার্থ জারণ ঘটায়, এক বা একাধিক ইলেকট্রন গ্রহণ করে, নিজের বিজারণ ঘটে এবং সংশ্লিষ্ট পরমাণুর জারণ সংখ্যা হ্রাস পায়।
- বিজারক পদার্থ বিজারণ ঘটায়, এক বা একাধিক ইলেকট্রন হারায়, নিজের জারণ ঘটে এবং সংশ্লিষ্ট পরমাণুর জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায়।

১১.
প্রাথমিক তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নয় কোনটি?
  1. ক) লেকল্যান্স কোষ
  2. খ) শুষ্ক কোষ
  3. গ) ড্যানিয়েল কোষ
  4. ঘ) নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
তড়িৎ রাসায়নিক কোষকে স্বতঃস্ফূর্ততার ভিত্তিতে দুই শ্রেণিতে ভাগ করা যায়-
১. প্রাথমিক কোষ বা প্রাইমারি কোষঃ যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষ নিজের রাসায়নিক শক্তি থেকে সরাসরি তড়িৎ উৎপন্ন করে তড়িৎ প্রবাহ বজায় রাখে, তাকে প্রাথমিক কোষ বলে। লেকল্যান্স কোষ, ড্যানিয়েল কোষ, শুষ্ক কোষ বা ড্রাই সেল ইত্যাদি হলো প্রাথমিক কোষ।
২. সেকেন্ডারি কোষ বা সঞ্চয়ী কোষঃ যে তড়িৎ রাসায়নিক কোষে বাইরে থেকে বিদ্যুত প্রবাহিত করে বিদ্যুত শক্তিকে রাসায়নিক শক্তি রূপে সঞ্চিত করা হয় এবং পরে ঐ রাসায়নিক শক্তিকে পুনরায় বিদ্যুত শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়, তাকে সেকেন্ডারি কোষ বলে। লেড-এসিড স্টোরেজ কোষ, নিকেল অক্সাইড সঞ্চয়ী কোষ ইত্যাদি হলো সেকেন্ডারি কোষ।

১২.
নিচের কোনটিকে সাবান বললে তা সঠিক হবে?
  1. ক) সোডিয়াম স্টিবোগ্লুকোনেট
  2. খ) পটাশিয়াম সাইট্রেট
  3. গ) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
  4. ঘ) ক্যালসিয়াম পামিটেট
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) সোডিয়াম স্টিয়ারেট
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
প্রকৃতপক্ষে সোডিয়াম বা পটাশিয়াম এর স্টিয়ারেট লবণকে সাবান বলা হয়।
সাবানের সংকেত হলো C17H35COONa অথবা C17H35COOK
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক রসায়ন বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৩.
আপেক্ষিকতার সাধারণ তত্ত্ব প্রকাশিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৯০৫ সালে
  2. খ) ১৯১১ সালে
  3. গ) ১৯১৬ সালে
  4. ঘ) ১৯০০ সালে
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৬ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ) ১৯১৬ সালে
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
আপেক্ষিক তত্ত্ব মূলত দুইভাগে বিভক্ত, যথা- আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব এবং আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব।
আপেক্ষিকতার সাধারণ বা সার্বিক তত্ত্ব পরস্পরের তুলনায় ঊর্ধ্ব বা নিম্নগতিশীল বস্তুসমূহ বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করেছে। এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে।
পক্ষান্তরে আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্ব শুধু পরস্পরের তুলনায় সমগতিতে সঞ্চরণশীল বা অসঞ্চরণশীল বস্তু বা সিস্টেম নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। এটি সাধারণ তত্ত্বের একটি বিশেষ রূপ। এটি আবিষ্কৃত হয় ১৯০৫ সালে।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৪.
n- টাইপ অর্ধপরিবাহকের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) গ্যালিয়াম
  2. খ) ইন্ডিয়াম
  3. গ) বোরন
  4. ঘ) বিসমাথ
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিসমাথ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ঘ) বিসমাথ
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে ত্রিযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে p- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- বোরন, এলুমিনিয়াম, গ্যালিয়াম, ইন্ডিয়াম।
- কোনো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহকে সামান্য পরিমাণে পঞ্চযোজী মৌল অপদ্রব্য হিসাবে মেশানো হলে তাকে n- টাইপ অর্ধপরিবাহক বলে, যেমন- ফসফরাস, আর্সেনিক, এন্টিমনি, বিসমাথ।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি

১৫.
শক্তি পরিমাপের একক কোনটি?
  1. ক) ওয়াট
  2. খ) জুল
  3. গ) হর্স পাওয়ার
  4. ঘ) নিউটন
সঠিক উত্তর:
খ) জুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
খ) জুল
ব্যাখ্যা

ব্যাখ্যা:
শক্তি ও কাজের পরিমাপের একক একই। এটি হলো জুল। কিলোওয়াট-ঘণ্টা বিদ্যুত শক্তি পরিমাপের একক।
ওয়াট, হর্স পাওয়ার প্রভৃতি হলো ক্ষমতা পরিমাপের একক।
নিউটন হলো বল পরিমাপের একক।
সূত্র: উচ্চ মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি