পরীক্ষা আর্কাইভ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

পরীক্ষাবার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়22 minutes৪৫ বৈধ · অসম্পূর্ণ
মোট প্রশ্ন৪৬
সিলেবাস
Exam - 15 The Evidence Act, 1872: Test-2 Topic ➝ Section 56-100 • Facts which need not be proved • Oral evidence • Documentary evidence • Public documents • Presumption as to documents • The exclusion of oral by documentary evidence
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ]

বার কাউন্সিল প্রস্তুতি - লং কোর্স [আর্কাইভ] · তারিখ অনির্ধারিত · ৪৬ প্রশ্ন

.
সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারা অনুযায়ী কয়টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায়?
  1. ৫টি
  2. ৭টি
  3. ৯টি
  4. ৩টি
সঠিক উত্তর:
৭টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭টি
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে:

⇒ কোন কোন ব্যতিক্রম ক্ষেত্রে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যায় তা সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় বলা হয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারায় ৭টি ব্যতিক্রম ক্ষেত্র উল্লেখ করা হয়েছে যেখানে মাধ্যমিক সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য।

⇒ ক্ষেত্রসমূহ নিম্নরূপঃ

১) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে, মূল দলিলটি যদি তার দখলে বা কর্তৃত্বাধীনে থাকে।

২) মূল দলিলটি যদি আদালতের সমনের আওতার বাহিরে বা এখতিয়ারের বাহিরে কোন লোকের দখলে থাকে কিংবা এমন কোন লোকের দখলে আছে যে লোক উক্ত দলিলটি উপস্থাপন করতে আইনত বাধ্য কিন্তু ৬৬ ধারার অধীন নোটিশ প্রদানের পরও সে তা উপস্থাপন করেনি।

৩) সংশ্লিষ্ট দলিলটি যার বিরুদ্ধে প্রমাণ করতে হবে সে লোক বা তার কোন স্বার্থ সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধি মূল দলিলের অস্তিত্ব, অবস্থা বা বিষয়বস্তু লিখিতভাবে যদি স্বীকার করে নেয়।

৪) যেক্ষেত্রে মূল দলিলটি বিনষ্ট হয়েছে বা হারিয়ে গেছে কিংবা যৌক্তিক কোন কারণে মূল দলিলটি আদালতে উপস্থাপন করা যাচ্ছে না।

৫) মূল দলিলটি যদি এমন প্রকৃতির হয় যে, সহজে তা স্থানান্তর করা যায়না।

৬) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে ৭৪ ধারার বিধান অনুসারে সরকারি দলিল হয়।

৭) মূল দলিলটি যেক্ষেত্রে এমন যে, উক্ত দলিলের জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের আইনত বিধান আছে।
.
'All other documents are private.' এটি সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৫ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার অনুযায়ী বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒ Private documents

Section 75. All other documents are private.

⇒ Public documents
Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
.
এক পক্ষের দাবীকৃত ঘটনা প্রমাণের দরকার হবে না, যদি তা হয়-
  1. ঐতিহাসিক সত্য
  2. প্রাকৃতিক নিয়মসিদ্ধ
  3. অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
  4. সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণিত
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অপর পক্ষ কর্তৃক স্বীকৃত
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
.
আইনে যদি কোনো দলিল প্রত্যয়ন করার বিধান থাকে, তবে উহা প্রমাণে সাক্ষ্য আইনের কোন ধারা অনুসরণ করতে হবে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৯ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭০ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested):

⇒  যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।
.
কিভাবে একটি অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়?
  1. দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা
  2. বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা
  3. তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য দ্বারা
  4. 'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের বিধান মতে: অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি (Method of Proof of Execution of documents not requiring attestation)- কোন অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন নিম্নলিখিতভাবে প্রমান করা যায়। যথা-

ⅰ) দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা;

ii) দলিল লেখক ও স্বাক্ষরকারীর হস্তলিপির সাথে প্রমানিত বা স্বীকৃত হস্তলিপির তুলনা করে ঐ তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য কিংবা বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়।
.
নিচের কোন বিষয়টি প্রমান করার প্রয়োজন হয় না?
  1. অনুমিত বিষয়াদি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. স্বীকৃতি
  4. 'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' 'খ' 'গ' সবগুলো
ব্যাখ্যা
⇒ Presumption বা অনুমান হল এমন একটি পারলা যার মাধ্যমে আদালত কোন নির্দিষ্ট বিষয় বা সাক্ষ্য সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট ধারণা করবে যতক্ষণ পর্যন্ত না উক্ত ধারণার সভ্যত আশ্রমাণিত হয়। আইনে প্রাক্-প্রত্যয় বা অনুমান এমন একটি নিয়ম যার মাধ্যমে একটি ঘটনা অন্য একটি ঘটনার প্রমাণ হিসেরে স্বীকৃত হয় (Presumption means an inference drawn from a particular fact about another fact)

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারায় 'Presumption' সম্বন্ধে বিধান বর্ণিত আছে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ৪১, ৭৯ থেকে ৯০ এবং ১১৪ ধারাতেও 'Presumption'-এর বিধান রয়েছে।Presumption বা অনুমান প্রমানের প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই।
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।
.
কোনটি প্রমাণের প্রয়োজন ?
  1. বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয়
  2. স্বীকৃত বিষয়সমূহ
  3. রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপক্ষের দাবী
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিকভাবে দৃষ্টিগোচর বিষয় এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই।

⇒ তবে আদালতে কোন পক্ষগণের দাবীর যে সকল বিষয়ে অন্য পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয় না তা আদালতে প্রমাণ করতে হবে,
অর্থাৎ রাষ্ট্রপক্ষের দাবী আদালতে প্রমাণ করতে হবে। 
.
আইনত প্রত্যায়িত হতে হয় এমন দলিলের সম্পাদন প্রমানের জন্য-
  1. অন্তত একজন প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  2. কোন প্রত্যয়নকারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন নেই।
  3. প্রত্যেক প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
  4. কোনটিই নয়।
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তত একজন প্রত্যয়কারী সাক্ষীর সাক্ষ্য প্রয়োজন।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৮ ধারার বিধান যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন, তা সম্পাদনের প্রমাণ (Proof of execution of document required by law to be attested): 

⇒  যে দলিল আইনে সত্যায়ন করার জন্য নির্দেশিত সেই দলিল প্রমাণ করার জন্য অন্ততপক্ষে একজন সত্যায়নকারী সাক্ষী তলব না করা পর্যন্ত দলিলটি সাক্ষ্য হিসাবে ব্যবহার করা যাবে না। তবে শর্ত থাকে যে উইল ব্যতীত অন্য কোন দলিল যদি-

⇒  রেজিস্ট্রি করা হয়ে থাকে এবং সম্পাদনকারী যদি সম্পাদনের কথা নির্দিষ্টভাবে অস্বীকার করা না হয়, তা হলে প্রত্যয়নকারী সাক্ষীকে তলব করা প্রয়োজন হবে না।

-----------------
⇒ Proof of execution of document required by law to be attested:
Section 68. If a document is required by law to be attested, it shall not be used as evidence until one attesting witness at least has been called for the purpose of proving its execution, if there be an attesting witness alive, and subject to the process of the Court and capable of giving evidence: 
 
⇒ Provided that it shall not be necessary to call an attesting witness in proof of the execution of any document, not being a will, which has been registered in accordance with the provisions of the Registration Act, 1908, unless its execution by the person by whom it purports to have been executed is specifically denied.
.
সাক্ষ্য আইনের কোন ধারায় জুডিসিয়াল নোটিশ (Judicial Notice) সম্পর্কে বিধান আছে?
  1. ৫৬ ধারায়
  2. ৫৭ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. 'ক' এবং 'খ' উভই
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' এবং 'খ' উভই
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
১০.
Digital Signature আদালত কয়ভাবে যাচাই করতে পারে?
  1. ২ ভাবে
  2. ৩ ভাবে
  3. ৪ ভাবে
  4. ৫ ভাবে
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২ ভাবে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
১১.
'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখেছে, 'খ'-নিজে আদালতে না এসে 'গ' কে এটি বলে। 'গ' আদালতে এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে। তাহলে 'গ' এর সাক্ষ্য আদালতে-
  1. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
  2. সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  3. মৌখিক সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য
  4. গ্রহনযোগ্যতা আদালতের বিবেচনামূলক
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহনযোগ্য নয়
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে। জনশ্রুত সাক্ষ আদালতে গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ এখানে 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
১২.
Comparison of physical or forensic evidence with others,-
  1. Admitted
  2. Proved
  3. Not proved
  4. A or B
সঠিক উত্তর:
A or B
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A or B
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ধারা-৭৩খ:- অন্যদের সাথে শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য তুলনা, স্বীকৃত বা প্রমাণিত:-

(১) রক্ত, বীর্য, চুলের নমুনা, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ বা চোখের কনীনিকার ছাপ বা পায়ের ছাপ যেই ব্যক্তির কাছ থেকে এটি সংগ্রহ করা হয়েছে বলে ধারণা করা হয় সেই ব্যক্তির কি না তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত আদেশ দিতে পারেন যে এটিকে যেকোন নমুনার সাথে তুলনা করা হবে যা আদালতের সন্তুষ্টির জন্য স্বীকার করা হয়েছে বা প্রমাণিত হয়েছে যে ব্যক্তিটি থেকে এসেছে বা তৈরি করেছে, যদিও সেই রক্ত, বীর্যের নমুনা, চুল, ডিএনএ নমুনা, জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বা অঙ্গের কোনো অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ বা অন্য কোনো বন্ধু অন্য কোনো উদ্দেশ্যে তৈরি বা প্রমাণিত হয়নি।

(২) যদি এমন কোন দাবি থাকে যে রক্ত, বীর্য, চুল, ডিএনএ নমুনা, অন্য কোন জৈবিক পদার্থ, অঙ্গ বা অঙ্গের কোন অংশ, আঙ্গুলের ছাপ, তালুর ছাপ, চোখের কনীনিকার ছাপ, পায়ের ছাপ এর অন্তর্গত বা তার তৈরি করা হয়েছে যে কোনো ব্যক্তি দ্বারা আদালত সেই ব্যক্তিকে আদালতে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দিতে পারে যাতে আদালত তুলনা করতে সক্ষম হয়।

(৩) শারীরিক বা ফরেনসিক সাক্ষ্য প্রমাণের সত্যতা প্রমাণের ক্ষেত্রে, এই আইনের ধারা ৬০ এবং ১৬৫-এর কোন কিছুই আদালতকে তার সনাক্তকরণ সংক্রান্ত অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রমাণ সহ একটি প্রদর্শনী হিসাবে আদালতে উপস্থাপন করতে বাধা দেবে না।

---------------
⇒ Comparison of physical or forensic evidence with others, admitted or proved:
Section 73B. (1) In order to ascertain whether a sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression or iris impression or foot impression belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected, the Court may order that it be compared with any sample which is admitted or proved to the satisfaction of the Court to have come from or been made by the person, although that sample of blood, semen, hair, DNA sample, biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression or any other substance has not been produced or proved for any other purpose.

(2) If there is any claim that the sample of blood, semen, hair, DNA sample, any other biological substance, limbs or any part of limb, finger impression, palm impression, iris impression, foot impression belongs to or is created by any person, the Court may direct that person to be present in Court for the purpose of enabling the Court to make that comparison.

(3) In relation to proving the authenticity of physical or forensic evidence, nothing in sections 60 and 165 of this Act, should prevent the Court from seeking its production in Court as an exhibit, along with any other necessary evidence concerning its identification.
১৩.
'Oral evidence must be direct.' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৫৮ ধারার
  2. ৫৯ ধারার
  3. ৬০ ধারার
  4. ৬১ ধারার
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা অনুযায়ী- মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে অর্থাৎ সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে প্রত্যক্ষভাবে দেখতে হবে বা শুনতে হবে বা উপলব্ধি করতে হবে। অন্যের মারফত শোনা ঘটনা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য হবে না।

⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২ এর ধারা ৬০ মতে- মৌখিক সাক্ষ্যকে সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হতে হবে ( oral evidence must be direct)। অথাৎ এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয়, যা দেখা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলবে যে, সে এটি দেখেছে তার সাক্ষ্যই দিতে হবে; এটি যদি এমন বিষয় সম্পর্কে হয় যা শোনা যেতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলে যে, সে এটি শুনেছে, তার সাক্ষ্যই দিতে হবে। অর্থাৎ অন্যের কাছ থেকে শোনা সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।

-------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারা - Oral evidence must be direct.

Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
১৪.
ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু কোন ধারার বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৬৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
১৫.
নিম্নের কোনটি পাবলিক দলিল (Public documents)?
  1. চিঠি
  2. রায়
  3. কবলা
  4. উইল
সঠিক উত্তর:
রায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

---------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। 

⇒ কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  আদালতের রায় ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ রায় বিচার বিভাগীয় কাজের অংশ। 
১৬.
নিম্নের কোন বিষয়টি 'Shall Presume' এর অন্তর্ভুক্ত?
  1. Presumption as to documents thirty years old
  2. Presumption as to digital records five years old
  3. Presumption as to physical or forensic evidence
  4. Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
সঠিক উত্তর:
Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Presumption as to due execution, etc., of documents not produced
ব্যাখ্যা
⇒ Section 89 Presumption as to due execution, etc., of documents not produced (উপস্থাপিত হয়নি এরূপ দলিলের যথাযথ সম্পাদন ইত্যাদি সম্পর্কে অনুমান) (Shall Presume)
⇒ Section 89A Presumption as to physical or forensic evidence (শারীরিক বা ফরেনসিক প্রমাণ হিসাবে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90 Presumption as to documents thirty years old (৩০ বছরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান) (May Presume)

⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

-----------
⇒ Presumption as to due execution, etc., of documents not produced:

Section 89. The Court shall presume that every document, called for and not produced after notice to produce, was attested, stamped and executed in the manner required by law.
⇒ Presumption as to physical or forensic evidence:
Section 89A. The Court may presume unless contrary is proved that the physical or forensic evidence belongs to or is created by that person from whom it purports to have been collected.
⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
 
⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
১৭.
'Proof of documents by primary evidence' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. ৬০ ধারার
  2. ৬৪ ধারার
  3. ৬৫ ধারার
  4. ৭০ ধারার
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৪ ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৪ ধারার বিধান প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ: এই আইনে অতঃপর যে সকল ব্যতিক্রমের উল্লেখ করা হইয়াছে উহা ভিন্ন অন্য সকল ক্ষেত্রে দলিলসমূহ অবশ্যই মুখ্য সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করিতে হইবে।

-----------------------------
 ⇒ Proof of documents by primary evidence
Section 64. Documents must be proved by primary evidence except in the cases hereinafter mentioned.

 ⇒ প্রাথমিক সাক্ষ্য (Primary Evidence)
প্রাথমিক সাক্ষ্য হল এমন সাক্ষ্য যা কোনও ঘটনা বা বিষয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর কাছ থেকে প্রাপ্ত। প্রাথমিক সাক্ষ্য এক প্রকারের মৌল সাক্ষ্য। কোন বিচার্য বিষয়ে প্রাথমিক সাক্ষ্যের অস্তিত্ব থাকলে সেটাই প্রমাণ করতে হয়। এই ধরনের সাক্ষ্য সাধারণত মৌখিক বা দালিলিক আকারে থাকে।
১৮.
'ক' একটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমান করতে চায়। 'ক' কে অবশ্যই প্রমন করতে হবে-
  1. দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে
  2. দলিলটি নিবন্ধিত
  3. দলিলের বিবরন
  4. দলিলটি হারিয়ে গিয়েছে
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ ধারার বিধান যে সকল ক্ষেত্রে দলিল সম্পর্কে মাধ্যমিক সাক্ষ্য দেওয়া যেতে পারে (Cases in which secondary evidence relating to documents may be given): মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা দলিল প্রমাণ করা যাবে যদি-

i) দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে তার আয়ত্তে আছে বা আদালতের সমনের আওতার বাইরে বা সেই ব্যক্তির দখলে আছে যে ব্যক্তি দলিলটি পেশ করতে বাধ্য কিন্তু নোটিশ পাওয়া সত্ত্বেও দাখিল করছে না।

ii) দলিলটি যার বিপক্ষে প্রমাণ করতে হবে সে ব্যক্তি দলিলটির অস্তিত্ব লিখিত ভাবে স্বীকার করে নিয়েছে।

iii) মূল দলিলটি হারিয়ে গেছে বা নষ্ট হয়ে গেছে।

iv) দলিলটি সহজে স্থানান্তরযোগ্য না হলে।

v) মূল দলিলটি সরকারী দলিল হলে।

vi) দলিলটির জাবেদা নকল সাক্ষ্য হিসেবে ব্যবহারের নিয়ম থাকলে।

vii) মূল দলিলের পরীক্ষা আদালতের জন্য সুবিধাজনক না হলে।

⇒ অর্থাৎ 'ক' একটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হওয়া দলিলের বিষয়বস্তু মাধ্যমিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমান করতে চায়। এই ক্ষেত্রে ক' কে অবশ্যই প্রমন করতে হবে দলিলটি বিনষ্ট বা ধ্বংস হয়ে গেছে।
১৯.
নিম্নের কোনটি গৌণ সাক্ষ্য নয়?
  1. সাব-রেজিস্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল
  2. মূল দলিলের প্রতিলিপি
  3. মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি
  4. দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল সম্পর্কিত মৌখিক সাক্ষ্য।
অনির্ধারিত
ব্যাখ্যা
যেহেতু প্রশ্নে কোনটি গৌণ্য সাক্ষ্য নয় অর্থাৎ কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য তা জানতে চাওয়া হয়েছে।
১. মূল দলিলের প্রতিলিপি
২. মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি বা জাবেদা নকল,
৩. দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক উক্ত দলিল সম্পর্কে মৌখিক বর্নান ববা স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল  হলো গৌণ সাক্ষ্য বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারা অনুসারে, সাব রেজিষ্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল বা জাবেদা নকল ৬৩ ধারার (১) ধারা অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

উল্লেখিত, প্রশ্নে সাব রেজিস্টার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারা অনুসারে সরকারি দলিল।
 তবে ৬৩ ধারার (১) ধারা অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

প্রশ্নে কোন সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটির উত্তর তুলে নেয়া হয়েছে। 
=================
বিস্তারিত -
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে প্রাথমিক/মুখ্য সাক্ষ্য: প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।
ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য : কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য, কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল , সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মাধ্যমিক/গৌণ সাক্ষ্য (Secondary evidence): মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তার অন্তর্ভুক্ত হলঃ বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল, মূল দলিল হতে এরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এরূপ নকলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া অন্য নকল; মূল দলিল হতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সাথে মিলিয়ে নেওয়া নকল কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তার বিরুদ্ধে তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে, যে ব্যক্তি নিজে কোন দলিল দেখেছে, তার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।
 
⇒ প্রশ্নে কোনটি গৌণ্য সাক্ষ্য নহে অর্থ কোনটি প্রাথমিক সাক্ষ্য তা জানতে চাওয়া হয়েছে। মূল দলিলের সার্টিফাইড কপি বা জাবেদা নকল, দলিল দেখেছেন এমন ব্যক্তি কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল হলো গৌণ সাক্ষ্য বা মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
সাক্ষ্য আইনের ৭৬ ধারা অনুসারে, সাব রেজিষ্ট্রার কর্তৃক স্বাক্ষরিত বিক্রয় দলিলের অবিকল নকল বা জাবেদা নকল ৬৩ ধারার (১) অনুচ্ছেদ অনুসারে মাধ্যমিক সাক্ষ্য।
⇒ অন্যদিকে, ৬২ ধারার ব্যাখ্যা-০১ অনুসারে, যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ [counterparts] সম্পাদিত হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি প্রতিলিপি এর সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবে।
২০.
'Presumption as to digital records five years old' সাক্ষ্য আইনের কত ধারার বিধান?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার
  3. সাক্ষ্য আইনের ৮৯ ধারার
  4. সাক্ষ্য আইনের ৮৯ক ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৯০ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ Section 90A Presumption as to digital records five years old (May Presume) পাঁচ বছরের পুরনো ডিজিটাল রেকর্ডের অনুমান) (May Presume)

⇒ Presumption as to digital records five years old:
Section 90A. Where any digital record, purporting or proved to be five years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the digital signature which purports to be the digital signature of any particular person was so affixed by him or any person authorized by him in this behalf.

⇒ Explanation.- Digital records are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable.
২১.
কোনটি প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য?
  1. দেখার বিষয় হইলে, যিনি দেখিয়াছেন।
  2. শুনার বিষয় হইলে, যিনি শুনিয়াছেন।
  3. উপলব্ধির বিষয় হইলে, যিনি উপলব্ধি করিয়াছেন।
  4. 'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
'ক' বা 'খ' বা 'গ'-এ বর্ণিত সবগুলি।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে, 
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে। 

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।

ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।

----------------
⇒ Proof of facts by oral evidence.
Section 59. All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
২২.
Which one is primary evidence?
  1. Daily newspaper
  2. Attested copy
  3. Photograph of a materials
  4. Photocopy
সঠিক উত্তর:
Daily newspaper
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Daily newspaper
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায় প্রাথমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা অনুসারে মূল দলিল সরাসরি আদালতে উপস্থাপন করাকে প্রাথমিক সাক্ষ্য বা Primary evidence বলে। এছাড়া নিম্নলিখিত সাক্ষ্যগুলোও প্রাথমিক সাক্ষ্য বলে গণ্য হবে-

i) সাক্ষ্য আইনের ৬২ ও ৯১ ধারা অনুযায়ী লিখিত দলিলের ক্ষেত্রে দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে খোদ দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ii) একটি দলিল কয়েক খন্ডে সম্পাদিত হলে, প্রত্যেক খন্ডই একে অন্যের প্রাথমিক সাক্ষ্য ।

iii) যখন কোন দলিল প্রতিলিপিসহ সম্পাদিত হয় (executed in counterpart), তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি সম্পাদনকারীর বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

iv) যেক্ষেত্রে কিছু সংখ্যক দলিল মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির মাধ্যমে একই পদ্ধতিতে হয়, সেক্ষেত্রে প্রত্যেকটি অন্যগুলির প্রাথমিক সাক্ষ্য। কিন্তু মূল দলিলের নকল হলে, তা মূল দলিলের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য হবেনা যেমন- এক ব্যক্তির দখলে এমন কতগুলি প্রচার পত্র (placards) আছে বলে দেখান হল, যার সবগুলি একটি মূল দলিল হতে একই সময়ে মুদ্রিত হয়েছে। প্রচার পত্রগুলির যে কোন একটি অপর একটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য, কিন্তু সেগুলির একটিও মূল প্রচার পত্রের বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রথম শ্রেণীর সাক্ষ্য নয়।

⇒ মৌখিক সাক্ষ্যের ক্ষেত্রে প্রাথমিক সাক্ষ্য- সাক্ষী নিজে দেখে-শুনে বা অনুভব করে যে সাক্ষ্য দেয় তা প্রাথমিক সাক্ষ্য। তার নিকট থেকে অন্য জন শুনে সাক্ষ্য দিলে তা হয় মাধ্যমিক (Secondary) বা পরোক্ষ তথা জনশ্রুতি সাক্ষ্য ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারার বিধান প্রাথমিক/মূখ্য সাক্ষ্য:
প্রাথমিক সাক্ষ্য অর্থ সংশ্লিষ্ট দলিলটি আদালতে পরিদর্শনের জন্য দাখিল করা।

ব্যাখ্যা-১: কোন দলিল কতিপয় খণ্ডে সম্পাদিত হলে প্রত্যেক খণ্ডই উক্ত দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য  কোন দলিল যখন প্রতিলিপি (counterpart) সহকারে সম্পাদিত হয়; এবং প্রত্যেকটি প্রতিলিপি পক্ষগণের মধ্যে একজন বা কয়েকজন কর্তৃক সম্পাদিত হয়, তখন প্রত্যেকটি প্রতিলিপি তার সম্পাদনকারী পক্ষের বিরুদ্ধে প্রাথমিক সাক্ষ্য।

ব্যাখ্যা-২: যে ক্ষেত্রে একাধিক দলিল একই পদ্ধতিতে (uniform process) প্রস্তুত হয়; যথাঃ মুদ্রণ, লিথোগ্রাফি বা ফটোগ্রাফির ক্ষেত্রে হয়ে থাকে, সেই ক্ষেত্রে তার প্রত্যেকটিই অন্যগুলির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য (each is primary evidence of the contents of the rest), কিন্তু যে ক্ষেত্রে সেগুলি সবই একটি মূল দলিলের নকল (copies of a common original), সেক্ষেত্রে ঐগুলি দলিলটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে প্রাথমিক সাক্ষ্য নয়।

--------------------------
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভুক্ত হয়:
(i) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(ii) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(iii) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(iv) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(v) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিষয় বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

⇒ উদাহরণ:
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।
২৩.
মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায়?
  1. দলিলের বিষয়বস্তু
  2. লিখিত বক্তব্য
  3. দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
  4. আদালতের দলিলসমূহ
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দলিলের বিষয় বস্তু ছাড়া সকল বিষয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা ঘটনা প্রমাণ: দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সকল ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দলিলের বিষয়বস্তু দলিল দ্বারাই প্রমাণ করতে হবে, মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা নয়। দলিলের বিষয়বস্তু ব্যতীত সমস্ত বিষয় বা ঘটনা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যেতে পারে।
⇒ দলিলের বিষয়বস্তু, লিখিত বক্তব্য, আদালতের দলিলসমূহ এই সবগুলা মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যায় না।
-------------
⇒ Section-59. Proof of facts by oral evidence: All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
২৪.
যিনি কোন ঘটনা নিজ চোখে দেখিয়াছেন, তাহাকে কি সাক্ষ্য বলা হয়?
  1. জনশ্রুত সাক্ষ্য,
  2. গৌণ সাক্ষ্য,
  3. অবস্থাগত সাক্ষ্য,
  4. প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য,
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ অর্থাৎ যিনি কোন ঘটনা নিজ চোখে দেখিয়াছেন, তাহাকে প্রত্যক্ষ মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়।

----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
২৫.
ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত প্রমাণের জন্য বিশেষ বিধান কোন ধারায় উল্লেখ করা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৫ ধারার
  2. সাক্ষ্য আইন ৬৫খ ধারার
  3. সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
  4. সাক্ষ্য আইন ৬৬ ধারার
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৬৫ক ধারার
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৫ক ধারা মতে ডিজিটাল রেকর্ড সম্পর্কিত সাক্ষ্যের জন্য বিশেষ বিধান: ডিজিটাল রেকর্ডের বিষয়বস্তু ধারা ৬৫খ এর বিধান অনুসারে প্রমাণিত হতে পারে।

------------
⇒ Special provisions as to evidence relating to digital record:
Section 65A.  The contents of digital records may be proved in accordance with the provisions of section 65B.
২৬.
সাক্ষ্য আইন অনুসারে কোনটি প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য (Direct Evidence)?
  1. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে শোনেনি।
  2. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে দেখেনি।
  3. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা অন্যের মতামত।
  4. সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে।
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষী যে বিষয়ে সাক্ষ্য দেয় তা সে নিজে দেখেছে।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা তথ্য প্রমাণঃ দলিলের বিষয় বস্তু ব্যতীত সকল তথ্য মৌখিক সাক্ষ্য দ্বারা প্রমাণ করা যাইতে পারে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।
সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি অন্য কোন ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোন উপায়ে উপলব্ধি করা যাইতে পারে, তবে সে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা সেই ইন্দ্রিয় দ্বারা বা সেই উপায়ে উপলব্ধি করিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

সাক্ষ্যে উল্লিখিত বিষয় যদি কাহারও অভিমত অথবা অভিমতের ভিত্তি হয়, তবে যে ব্যক্তি সেই ভিত্তিতে সেই অভিমত পোষণ করে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

তবে শর্ত এই যে, বিশেষজ্ঞের অভিমত পোষকতার কোন গ্রন্থ যদি সাধারণভাবে বাজাবে বিক্রিয় হয়, সেইক্ষেত্রে সেই অভিমত এবং যে যুক্তির উপর উহা প্রতিষ্ঠিত তাহা প্রমাণের জন্য সেই গ্রন্থ উপস্থাপন করা যাইতে পারে, যদি সেই গ্রন্থের প্রণেতার মৃত্যু হইয়া থাকে, অথবা যদি তাহার সন্ধান পাওয়া না যায়, অথবা যদি তিনি সাক্ষ্য দিতে অপারগ হইয়া থাকেন, অথবা যদি তাহাকে সাক্ষী হিসেবে উপস্থিত করিতে এইরূপ বিলম্ব ও ব্যয় হয় যাহা আদালত অযৌক্তিক বলিয়া বিবেচনা করেন।

ইহা ছাড়া মৌখিক সাক্ষ্যে যদি দলিল ভিন্ন অপর বস্তর অস্তিত্ব বা অবস্থা সম্পর্কে উল্লেখ করা হয় তবে আদালত উপযুক্ত মনে করিলেই সেই বস্তু আদালতের পরিদর্শনের জন্য দাখিল করার নির্দেশ দিতে পারেন।

----------------
⇒ Proof of facts by oral evidence.
Section 59. All facts, except the contents of documents, may be proved by oral evidence.
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it; 
 
if it refers to a fact which could be perceived by any other sense or in any other manner, it must be the evidence of a witness who says he perceived it by that sense or in that manner; 
 
if it refers to an opinion or to the grounds on which that opinion is held, it must be the evidence of the person who holds that opinion on those grounds: 
 
Provided that the opinions of experts expressed in any treatise commonly offered for sale, and the grounds on which such opinions are held, may be proved by the production of such treatises if the author is dead or cannot be found, or has become incapable of giving evidence, or cannot be called as a witness without an amount of delay or expense which the Court regards as unreasonable: 
 
Provided also that, if oral evidence refers to existence or condition of any material thing other than a document, the Court may, if it thinks fit, require the production of such material thing for its inspection.
২৭.
Execution of a 30 years old document may be presumed to be correct , if it is-
  1. Produced from a Lawyer
  2. Produced from any custody
  3. Produced from a proper custody
  4. Produced from a Judge
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Produced from a proper custody
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারার বিধান ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে অনুমান:
যখন কোন দলিল ত্রিশ বৎসরের পুরাতন বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় বা প্রমাণ করা হয় এবং তাহা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় যে পক্ষের হেফাজতে থাকা সঙ্গত বলিয়া আদালত মনে করেন, সেই পক্ষের হেফাজত হইতে উহা আদালতে দাখিল করা হয়; তখন আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, সেই দলিলে স্বাক্ষর এবং অন্যান্য সকল অংশ যে ব্যক্তির হস্তাক্ষ বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয়, তাহা সেই ব্যক্তিরই হস্তাক্ষর এবং যেখানে দলিলটি সম্পাদিত বা প্রত্যায়িত, সেখানে আদালত ধরিয়া লইতে পারেন যে, যে ব্যক্তির দ্বারা উহা সম্পাদিত ও সত্যায়িত বলিয়া বুঝিতে দেওয়া হয় সেই ব্যক্তির দ্বারা উহা যথাবিহিতরূপে সম্পাদিত ও সত্যায়িত হইয়াছে।

⇒ ব্যাখ্যা: দলিল যেস্থানে ও যে ব্যক্তির হেফাজতে থাকা স্বাভাবিক, যদি উহা সেই স্থানে এবং সেই ব্যক্তির হেফাজতে থাকে, তবে উহা উপযুক্ত হেফাজতে আছে বলিয়া বুঝাইবে। কিন্তু দলিলটি যে হেফাজতে আছে, সেখানে থাকিবার আইন সঙ্গত কারণ আছে বলিয়া যদি প্রমাণিত হয় অথবা সংশ্লিষ্ট মকদ্দমায় ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে অনুরূপ কারণ থাকা সম্ভব বলিয়া যদি বিবেচিত হয়, তবে সেই হেফাজত অনুপযুক্ত বলিয়া গণ্য হইবে না।
এই ব্যাখ্যা ৮১ ধারার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

⇒ অর্থাৎ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

-------------------
⇒ Presumption as to documents thirty years old.
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 
⇒ This explanation applies also to section 81.
২৮.
সাক্ষ্য আইনের কোথাও আদালতকে কোন বিষয়কে (May Presume) করতে বললে, আদালত বিষয়টিকে কি বলে অনুমান করতে পারে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. অবশ্যই প্রমাণিত
  4. প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত উভয়
সঠিক উত্তর:
প্রমাণিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof):
এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
২৯.
নিম্নলিখিত কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. আসামীর পরিচয়
  2. বাংলাদেশের সীমা রেখা
  3. উকিলের বক্তব্য
  4. পুলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সীমা রেখা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাংলাদেশের সীমা রেখা
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]

⇒ কিন্তু আসামীর পরিচয়, উকিলের বক্তব্য ও পলিশের নিকট আসামীর দোষস্বীকারোক্তি আদালতে প্রমাণের প্রয়োজন হয়।
৩০.
সাক্ষ্য আইনের কোথাও আদালতকে কোন বিষয়কে Shall Presume করতে বললে আদালত বিষয়টিকে কি বলে অনুমান করতে পারে?
  1. প্রমাণিত
  2. অপ্রমাণিত
  3. অবশ্যই প্রমাণিত
  4. প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত উভয়
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই প্রমাণিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবশ্যই প্রমাণিত
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৩১.
গৌণ সাক্ষ্যের (Secondary evidence) সংজ্ঞা সম্পর্কিত সাক্ষ্য আইনের ধারা কত?
  1. ৬০ ধারা
  2. ৬১ ধারা
  3. ৬২ ধারা
  4. ৬৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৩ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের (Secondary Evidence) বিধান রয়েছে। সাক্ষ আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করার মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒  গৌণ সাক্ষ্যঃ গৌণ সাক্ষ্য বলিতে নিম্নলিখিতগুলি বুঝায়-

১) এই আইনে অতঃপর বর্ণিত পরবর্তী ৭৬ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে প্রদত্ত সহিমোহরকৃত নকল।

২) মূল দলিল হইতে এইরূপ যান্ত্রিক উপায়ে প্রস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়, এবং এইরূপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল।

৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;

৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহার ব্যবহারের ক্ষেত্রে;

৫) যে ব্যক্তি কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া ঐ দলিলের বিষয়বস্তু সম্পর্কে মৌখিক বিবরণ।

----------------------------
⇒ Secondary evidence:

Section 63. Secondary evidence means and includes- 
 
(1) certified copies given under the provisions hereinafter contained; 
 
(2) copies made from the original by mechanical processes which in themselves insure the accuracy of the copy, and copies compared with such copies; 
 
(3) copies made from or compared with the original; 
 
(4) counterparts of documents as against the parties who did not execute them; 
 
(5) oral accounts of the contents of a document given by some person who has himself seen it.
৩২.
বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের রেকর্ড হলো-
  1. বেসরকারী দলিল
  2. সরকারী দলিল
  3. ব্যক্তিগত নথি
  4. সরকারী এবং বেসরকারী উভয়
সঠিক উত্তর:
সরকারী দলিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকারী দলিল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

----------------
⇒ Public documents:
Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৩৩.
সরকারি দলিলপত্র আদালতে প্রাসঙ্গিক হয় কোন ধারা মতে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার অনুযায়ী সরকারি দলিলপত্র আদালতে প্রাসঙ্গিক করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

----------------
⇒ Public documents:

Section 74. The following documents are public documents:– 
 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
 
(i) of the sovereign authority, 
 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৩৪.
'স্বীকৃত বিষয় প্রমাণের আবশ্যকতা নেই' এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. ৫৬ ধারায়
  2. ৫৪ ধারায়
  3. ৫৮ ধারায়
  4. ৫২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
৫৮ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৮ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারার বিধান অনুযায়ী স্বীকৃত ঘটনা সমূহ প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৮ ধারামতে মোকদ্দমার পক্ষ বা তাদের প্রতিনিধি যে সকল বিষয় বা ঘটনা মোকদ্দমার শুনানীর সময় বা মোকদ্দমার শুনানীর পূর্বে লিখিত আকারে স্বীকার করতে সম্মত হয়েছে অথবা প্লিডিংসের (Pleadings) মাধ্যমে স্বীকার করেছে, সে সকল বিষয় প্রমাণ করার প্রয়োজন নেই।

⇒ সাক্ষ্য আইনের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী সকল প্রাসঙ্গিক বিষয় বা বিচার্য বিষয় সাক্ষ্য দিয়ে প্রমাণ করতে হয়। তবে আদালতে তিন ধরনের বিষয় প্রমান করার প্রয়োজন হয় না। যথা- অনুমিত বিষয়াদি (Presumption), জুডিশিয়াল নোটিশ এবং স্বীকৃতি (Admission)।

⇒ The Evidence Act 1872 এর ৫৬, ৫৭ ও ৫৮ ধারায় বলা হয়েছে যে সকল বিষয়ে পক্ষগণ স্বীকৃতি দেয়, এবং যে বিষয় আদালত বিচারিক নজরে নিতে পারেন সেই বিষয় আদালতে প্রমাণ করার আবশ্যকতা নাই। বাংলাদেশের আইনের বিষয়ে আদালত নিজেই বিচারিক নজিরে নিতে পারবেন।
৩৫.
'Proof as to verification of digital signature' এই বিধান সাক্ষ্য আইনের কোথায় আছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭৩ক ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৩খ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৩ক ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭৩ক ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৩ক ধারার বিধান ডিজিটাল স্বাক্ষরের সত্যাখ্যানের প্রমাণ প্রসঙ্গ: যার দ্বারা ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সংযুক্ত হয়েছে বলে ধারণা করা হয়, ডিজিটাল স্বাক্ষরটি সেই ব্যক্তির কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য আদালত নির্দেশ দিতে পারে যে-

(ক) সেই ব্যক্তি বা নিয়ন্ত্রক বা প্রত্যয়নকারী কর্তৃপক্ষকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদ দাখিল করতে,

(খ) অন্য কোন ব্যক্তিকে ডিজিটাল স্বাক্ষর সনদের গণতালিকায় আবেদন করতে এবং সেই কথিত ডিজিটাল স্বাক্ষর যাচাই করতে।

ব্যাখ্যা: এখানে "নিয়ন্ত্রক" অর্থ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ এর ধারা ১৮ (১) এর অধীনে নিযুক্ত নিয়ন্ত্রক।

-------------------
⇒ Proof as to verification of digital signature.
Section  73A.  In order to ascertain whether a digital signature is that of the person by whom it purports to have been affixed, the Court may direct-

(a) that person or the Controller or the Certifying Authority to produce the Digital Signature Certificate;

(b) any other person to apply the public key listed in the Digital Signature Certificate and verify the digital signature purported to have been affixed by that person.

Explanation.- For the purpose of this section, "Controller" means the Controller appointed under sub-section (1) of section 18 of the Information and Communication Technology Act, 2006 (Act No. 39 of 2006).
৩৬.
নিম্নলিখিত কোনটি সরকারী দলিল না?
  1. অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
  2. নিবন্ধিত বিক্রয় দলিল।
  3. হাইকোর্ট বিভাগের সিদ্ধান্ত।
  4. দেওয়ানী আদালতের সিদ্ধান্ত
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল।
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ থেকে ৭৮ ধারায় সরকারী দলিল সংক্রান্ত বিধানসমূহ আলোচনা করা হয়েছে। সমগ্র বাংলাদেশের দলিলগুলোকে সাক্ষ্য আইন মতে দুইভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-

১. সরকারী দলিল (Public Document); এবং

২. বেসরকারী/ব্যক্তিগত দলিল (Private Document)।

⇒  ধারা-৭৪: সরকারী দলিল (Public Document)- সরকারীভাবে রক্ষিত দলিলকে সরকারী দলিল বা Public document বলে। কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ যেমন-সংসদের আইন, সরকারি সংস্থা বা ট্রাইবুনাল সমূহের নথিপত্র অর্থাৎ দেশী বিদেশী আইন, বিচার বা শাসন বিভাগীয় কোন কর্মচারীর কার্যাবলির লিখিত বিবরণ ও নথিপত্রকে সরকারী দলিল বা Public Document বলে। অন্যভাবে বলা যায়, সরকারী দলিল বলতে সেই সমস্ত দলিলকে বোঝায় যে সমস্ত দলিল কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের সরকারী প্রতিষ্ঠানে বা ট্রাইব্যুনালের এবং বাংলাদেশের কোন অংশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশে সরকারী অফিসার, আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কার্যাবলী বা কাজের লিপিবদ্ধ বিবরণকে অন্তর্ভুক্ত করে।

  ধারা-৭৫: বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল। কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒  [বি.দ্র- বাংলাদেশ সরকারের হেফাজতে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের নথিপত্র যেমন- রেজিস্ট্রি দলিলের বিবরণ, আদালতের রায়, ডিক্রি, আদেশ, মামলার আরজির জবাব, খতিয়ান, Crpc ১৬৪ ধারার confessional statement সবই সরকারী দলিল বা Public Document]

⇒  অনিবন্ধিত পারিবারিক বাটোয়ারা দলিল একটি বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।
৩৭.
সাক্ষ্য আইনে যেখানে May Presume ব্যবহার করা হয়েছে সেই ক্ষেত্রে আদালত
  1. বিষয়টি প্রমাণিত বলে অনুমান করা আদালতের জন্য বিবেচনামূলক।
  2. বিষয়টি অপ্রমাণিত বা খন্ডন করতে সাক্ষ্য আহ্বান করতে পারে।
  3. আদালত কোন সাক্ষ্য দিয়ে বিষয়টি প্রমাণ করতে অনুমোদন করবে না।
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৩৮.
সাক্ষ্য আইনে যেখানে Shall Presume ব্যবহার করা হয়েছে সেই ক্ষেত্রে আদালত-
  1. বিষয়টি প্রমাণিত বলে অনুমান করতে বাধ্য।
  2. বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।
  3. আদালত কোন সাক্ষ্য দিয়ে বিষয়টি প্রমাণ করতে অনুমোদন করবে না।
  4. ক এবং খ উভয়
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক এবং খ উভয়
ব্যাখ্যা
⇒ অনুমান (Presumption) - অনুমান ৩ প্রকার:

১) অনুমান করতে পারে (May presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত ধরে নিতে পারেন প্রমাণিত। (ধারা: ৮৬-৮৮, ৯০ এবং ১১৪)

২) অনুমান করবে (Shall presume): মিথ্যা প্রমানিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত অবশ্যই ধরে নিবেন প্রমানিত (ধারা: ৭৯-৮৫, ৮৯ এবং ১০৫)

৩) চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): একটি বিষয়কে অন্য বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমান হিসেবে ঘোষণা করা, যা অবশ্যই প্রমাণিত এবং অপ্রমাণিত করার জন্য কোন প্রকার সাক্ষ্য দেওয়া যাবে না। (ধারা: ৪১ ও ১১২)

⇒ May Presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করতে পারেন অথবা পক্ষগণকে প্রমাণ করার আহবান জানাতে পারেন।

⇒ Shall presume হল কোন বিষয় মিথ্যা প্রমাণ না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা অবশ্যই প্রমাণিত বলে ধরে নিবেন।

⇒ যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive Proof) বলে ঘোষনা করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলেই অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং প্রথমোক্ত বিষয়টি মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্য প্রদানের অনুমতি দিবেন না।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৪ ধারার বিধান অনুমান করতে পারে (May presume): যেখানেই এই আইনের বিধান আছে যে, আদালত কোন বিষয় ধরে নিতে পারেন, সেখানে আদালত হয় সেই বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন; না হয় তা প্রমাণ করার আহ্বান জানাবেন।

⇒ অনুমান করবে (Shall presume): যেখানেই এই আইনের নির্দেশ আছে যে, আদালত কোন বিষয় অবশ্যই ধরে নিবেন, সেখানে উক্ত বিষয় মিথ্যা প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত আদালত তা প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন।

⇒ চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof): এই আইনে যখন একটি বিষয়কে অপর একটি বিষয়ের চূড়ান্ত প্রমাণ বলে যোষণ করা হয়, তখন আদালত প্রথমোক্ত বিষয় প্রমাণিত হলে অপর বিষয়ও প্রমাণিত বলে গণ্য করবেন এবং তা মিথ্যা প্রমাণিত করার জন্য সাক্ষ্যদানের অনুমতি দিবেন না।
৩৯.
সাক্ষ্য আইনের কত ধারায় অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে?
  1. সাক্ষ্য আইন ৬৮ ধারা
  2. সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
  3. সাক্ষ্য আইন ৭১ ধারা
  4. সাক্ষ্য আইন ৭৩ ধারা
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইন ৭২ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ ধারাঃ ৭২ হল যে দলিল সত্যায়িত করা আইনত প্রয়োজন নয়, তার প্রমাণ: কোন একটি দলিলের সত্যায়ন আইনত আবশ্যকীয় না হলেও যদি তা সত্যায়িত হয়ে থাকে তাৰে। অসত্যায়িত দলিল হিসাবেই তা প্রমাণ করা যেতে পারে।

⇒ দলিল দাতা যখন কোন দলিল লিখিত হওয়ার পর দলিলের মর্ম অবগত হয়ে তাতে দলি দাতারূপে স্বাক্ষর দান করে দলিল বিষয়ে দাতার কাজ শেষ করেন তখন বলা যায় দলিলটি সম্পাদিত হল।

⇒ যে ব্যক্তি নিজের নাম দস্তখত করতে পারেন তিনি নিজের নাম দস্তখত করে দলিল সম্পাদন করবেন। দাতা নিরক্ষর হলে টিপসহি দিয়ে অথবা দলিল স্বাক্ষরের স্থানে একটি চিহ্ন দিয়ে দলিলের স্বাক্ষর এবং সম্পাদনের কাজ সম্পন্ন করতে পারেন এই জাতীয় স্বাক্ষর টিপসহি বা টানসহি নামে পরিচিত।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭২ ধারার বিধান: অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমানের পদ্ধতি (Method of Proof of Execution of documents not requiring attestation)- কোন অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন নিম্নলিখিতভাবে প্রমান করা যায়। যথা-

ⅰ) দলিলটি যে লিখেছে তার সাক্ষ্য দ্বারা;

ii) দলিল লেখক ও স্বাক্ষরকারীর হস্তলিপির সাথে প্রমানিত বা স্বীকৃত হস্তলিপির তুলনা করে ঐ তর্কিত হস্তলিপির সাথে পরিচিত ব্যক্তির সাক্ষ্য কিংবা বিশেষজ্ঞের মতামত দ্বারা অপ্রত্যায়িত দলিলের সম্পাদন প্রমান করা যায়।

------------------------
⇒ Proof of document not required by law to be attested:
Section 72. An attested document not required by law to be attested may be proved as if it was unattested.
৪০.
ত্রিশ বৎসরের পুরাতন দলিল সম্পর্কে আদালতের অনুমানের প্রকৃতি কি হইবে?
  1. দলিলটি চূড়ান্ত প্রমাণ (Conclusive proof) 
  2. অবশ্যই সত্য বলিয়া ধরিয়া নিবেন (Shall presume)
  3. সত্য বলিয়া ধরিয়া নিতে পারেন (May presume)
  4. কোনটি নয়।
সঠিক উত্তর:
সত্য বলিয়া ধরিয়া নিতে পারেন (May presume)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সত্য বলিয়া ধরিয়া নিতে পারেন (May presume)
ব্যাখ্যা
⇒ ধারা ৯০ অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরনো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক মনে করবে যদি দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হয় এবং আদালতের দৃষ্টিতে সঠিক হেফাজত হতে দলিলটি আদালতে দাখিল করা হয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৯০ ধারা অনুযায়ী ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয় বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করতে পারে আবার নাও করতে পারে। ৯০ ধারায় বলা হয়েছে ৩০ বছরের পুরানো একটি দলিলের সম্পাদন ও বিষয়বস্তুকে আদালত সঠিক বলে মনে করবে যদি দলিলটি সঠিক ব্যক্তির দখল থেকে আসে।

⇒ ৩০ বছরের পুরোনো দলিল সম্পর্কে আদালত May presume করেন। 

 ⇒৯০ ধারার অনুমান শুধুমাত্র মূল দলিলের জন্য। কোন প্রত্যয়িত কপি বা জাবেদা নকলের জন্য নয়।

⇒ এ ধারার বিধানের অনুযায়ী-

১. দলিলটি ৩০ বছরের পুরাতন হতে হবে।
২. দলিলটি সঠিক ব্যক্তির হেফাজত হতে আদালতে দাখিল করতে হবে।

⇒ Presumption as to documents thirty years old:
Section 90. Where any document, purporting or proved to be thirty years old, is produced from any custody which the Court in the particular case considers proper, the Court may presume that the signature and every other part of such document, which purports to be in the handwriting of any particular person, is in that person's handwriting, and, in the case of a document executed or attested, that it was duly executed and attested by the persons by whom it purports to be executed and attested. 
 
⇒ Explanation.-Documents are said to be in proper custody if they are in the place in which, and under the care of the person with whom, they would naturally be; but no custody is improper if it is proved to have had a legitimate origin, or if the circumstances of the particular case are such as to render such an origin probable. 
 This explanation applies also to section 81. 
৪১.
দালিলিক সাক্ষ্যের প্রকারভেদ দেওয়া আছে কত ধারায়?
  1. সাক্ষ্য আইনের ৫৯ ধারায়
  2. সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারায়
  3. সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায়
  4. সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারায়
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায়
ব্যাখ্যা
⇒ দালিলিক সাক্ষ্য (Documentary evidence)- আদালতের পরিদর্শনের জন্য যে সমস্ত দলিল বা লিপিবদ্ধ বস্তু উপস্থাপন করা হয় তাকে দালিলিক সাক্ষ্য বলে। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারা অনুসারে দালিলিক সাক্ষ্য আবার দুই প্রকার- ১. প্রাথমিক সাক্ষ্য; এবং ২. মাধ্যমিক সাক্ষ্য।

--------------
⇒ Proof of contents of documents:
Section 61. The contents of documents may be proved either by primary or by secondary evidence.
৪২.
কোন বিষয়টি প্রমাণের প্রয়োজন নেই?
  1. বাংলাদেশের আইনসমূহ
  2. আইন সভার কার্যসমূহ
  3. আদালত সমূহের সীল মোহর
  4. উপরের সবকটি
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপরের সবকটি
ব্যাখ্যা
⇒ জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়।]
৪৩.
নিম্নের কোন দলিলটি মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়?
  1. মূল বিক্রয় দলিল
  2. মূল বন্ধকী দলিল
  3. মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
  4. মূল বিক্রয় দলিলের খসড়া
সঠিক উত্তর:
মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারায় মাধ্যমিক সাক্ষ্যের বিধান রয়েছে। সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা অনুসারে মূল দলিল আদালতে হাজির না করে মূল দলিলের প্রতিলিপি বা অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করাকে মাধ্যমিক সাক্ষ্য বা Secondary Evidence বলে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারার বিধান মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ- মাধ্যমিক সাক্ষ্য অর্থ এবং তাহার অন্তর্ভূক্ত হয়ঃ
(১) বর্ণিত বিধানবলী অনুসারে প্রদত্ত জাবেদা নকল;
(২) মূল দলিল হইতে এইরুপ যান্ত্রিক উপায়ে প্ৰস্তুত নকল, যাহাতে নকলের নির্ভুলতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায় এবং এইরুপ নকলের সহিত মিলাইয়া লওয়া অন্য নকল;
(৩) মূল দলিল হইতে প্রস্তুত করা অথবা মূল দলিলের সহিত মিলাইয়া লওয়া নকল;
(৪) কোন দলিলের প্রতিলিপি যে পক্ষ উক্ত দলিল সম্পাদন করে নাই, তাহার বিরুদ্ধে উহা ব্যবহারের ক্ষেত্রে;
(৫) যে ব্যক্তি নিজের কোন দলিল দেখিয়াছে, তাহার দেওয়া উক্ত দলিলের বিসয় বস্তু সম্পর্কে মৌক্ষিক বিবরণ।

উদাহরণঃ
(ক) একটি মূল দলিলের সহিত উহার ফটোগ্রাফ মিলাইয়া দেখা না হইয়া থাকিলেও যদি প্রমাণ করা হয় যে, ফটোগ্রাফটি যে দলিলের ফটোগ্রাফ, তাহাই মূল দলিল; তবে উক্ত ফটোগ্রাফ উক্ত মূল দলিলের মাধ্যমিক সাক্ষ্য বলিয়া গণ্য হইবে।

⇒ অর্থাৎ মূল বিক্রয় দলিলের ফটোগ্রাফ মাধ্যমিক সাক্ষ্য হিসেবে গণ্য হয়।
৪৪.
নিম্নলিখিত কোনটি পাবলিক ডকুমেন্ট না?
  1. খতিয়ান
  2. আদালতের রায়
  3. উইল
  4. গ্রেফতারী পরোয়ানা
সঠিক উত্তর:
উইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উইল
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৪ ধারার বিধান সরকারী দলিল: নিম্নলিখিত দলিলগুলো সরকারী দলিল:

(১) যে সমস্ত দলিল-

(ক) কোন সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,

(খ) সরকারী প্রতিষ্ঠান বা ট্রাইব্যুনালের এবং

(গ) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের যে কোন স্থানের অথবা বিদেশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় কোন অফিসারের কার্য অথবা কার্যের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

(২) বাংলাদেশে সরকারীভাবে রক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ বিবরণ।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৭৫ ধারার বিধান বেসরকারি দলিল (Private document)- সরকারি দলিল ব্যতীত সকল দলিলই বেসরকারি বা ব্যক্তিগত দলিল।

⇒কবিতা, উইল, বিক্রয় চুক্তি, দানপত্র, মূল বিক্রয় দলিল, কবলা দলিল, চিঠিপত্র সবই বেসরকারি দলিল বা Private document.

⇒ খতিয়ান, গেজেট নোটিফিকেশন বা গ্রেফতারী পরোয়ানা ও আদালতের আদেশ ৭৪(১) ধারার বিধান মতে পাবলিক ডকুমেন্টস। কারণ এগুলো সরকারের বিভিন্ন অঙ্গের কাজের অংশ। উইল পাবলিক দলিল নয়।

⇒ ৭৪(২) ধারা অনুসারে বেসরকারী যে সকল দলিল সরকার নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখে সেগুলোও সরকারী দলিল।
৪৫.
কোন ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়?
  1. প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য,
  2. মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying declaration)
  3. জনশ্রুত সাক্ষ্য,
  4. কোনটি নয়
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য,
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জনশ্রুত সাক্ষ্য,
ব্যাখ্যা
⇒ পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য (indirect/hearsay evidence)- পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য হলো তাই যা আদালতে উপস্থিত। সাক্ষী পূর্বে অন্য সাক্ষীর নিকট থেকে শোনাক্রমে প্রদান করে। অর্থাৎ নিজে না দেখে অন্যের কাছ থেকে শুনে যে সাক্ষ্য দেয়া হয়। তাকে পরোক্ষ বা জনশ্রুত সাক্ষ্য বা hearsay evidence বলে।

⇒ যেমন- যদি 'খ', 'ক'- কে একটি অপরাধ করতে দেখে তাহলে নিয়ম হলো, 'খ'-নিজে ৬০ ধারার অধীনে আদালতে এসে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দেবে। কিন্তু 'খ' না এসে 'গ' এসে বলে যে, সে শুনেছে যে 'খ' 'ক'- কে অপরাধ করতে দেখেছে তাহলে এটি জনশ্রুত সাক্ষ বল্যে গণ্য হবে, যা গ্রহনযোগ্য নয়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৬০ ধারার বিধান মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবেঃ মৌখিক সাক্ষ্য সকল ক্ষেত্রে অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে,
অর্থাৎ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি দেখা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে, সে উহা দেখিয়াছে তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ সাক্ষ্যে উল্লিখিত তথ্য যদি শোনা যাইতে পারে, তবে যে সাক্ষী বলিবে যে সে উহা শুনিয়াছে, তাহার সাক্ষ্যই দিতে হইবে।

⇒ জনশ্রুত সাক্ষ্য (hearsay evidence) ধরনের মৌখিক সাক্ষ্য সাধারণতঃ গ্রহণযোগ্য নয়।
----------------
⇒ Oral evidence must be direct.
Section 60. Oral evidence must, in all cases whatever, be direct; that is to say- 
if it refers to a fact which could be seen, it must be the evidence of a witness who says he saw it; 
if it refers to a fact which could be heard, it must be the evidence of a witness who says he heard it;
৪৬.
যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে ______________ বলে।
  1. স্বীকৃতি
  2. জুডিশিয়াল নোটিশ
  3. অনুমিত বিষয়াদি
  4. Best Evidence
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জুডিশিয়াল নোটিশ
ব্যাখ্যা
জুডিশিয়াল নোটিশ (Judicial Notice)- যেসব বিষয় আদালত জানেন বা জানেন বলে ধরা হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল নোটিশ বা বিচারিক দৃষ্টিগোচর বলে। সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ও ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের বিধান রয়েছে।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৬ ধারার বিধান অনুযায়ী জুডিশিয়াল নোটিশ প্রমানের প্রয়োজন নেই (Fact judicially noticeable need not be proved)। তবে জুডিশিয়াল নোটিশ চূড়ান্ত প্রমান নয়, এর বিরূদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করা যায়।

⇒ সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় বলা হয়েছে আদালত কোন কোন বিষয় অবশ্যই বিচারিক দৃষ্টিগোচরে (জুডিশিয়াল নোটিশ) নিবেন।
৫৭ ধারা অনুযায়ী আদালত নিম্নলিখিত বিষয়ে অবশ্যই জুডিশিয়াল নোটিশ নিবেন-
i) বাংলাদেশের সকল আইন;
ii) সশস্ত্র বাহিনীর জন্য প্রনীত যুদ্ধবিধি বা অস্ত্র ও রসদ (articles of war);
iii) সংসদের কার্যসমূহঃ
iv) বাংলাদেশের আদালত, নৌ ও সামুদ্রিক এখতিয়ার সম্পন্ন আদালত এবং নোটারি পাবলিকের সীলমোহর;
v) সরকারি পদে নিয়োগের গেজেটে উল্লেখিত নাম, পদ, স্বাক্ষর, যোগদানের সময়;
vi) বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত রাষ্ট্র, রাষ্ট্রপ্রধান, জাতীয় পতাকা
vii) সময় ও ভৌগলিক বিভাগসমুহ, রোজা, ছুটির দিন সমুহ;
viii) বাংলাদেশের ভৌগলিক সীমানা;
ix) আদালতের সদস্যবৃন্দ ও এ্যাডভোকেটগন;
x) বাংলাদেশের সাথে অপর কোন রাষ্ট্র বা সংগঠনের বিরোধ:
xi) স্থল, জল ও সমুদ্রপথের নিয়মাবলী।

[ বিশেষ নোট- সাক্ষ্য আইনের ৫৭ ধারায় জুডিশিয়াল নোটিশের অন্তর্গত ১১টি বিষয়ের তালিকা রয়েছে; কিন্তু এই তালিকা স্বয়ং সম্পূর্ন নয়। ]