পরীক্ষা আর্কাইভ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
[৯ম - ১৩তম গ্রেড নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা] সাধারণ জ্ঞান পরীক্ষা টপিক: ১. বাংলাদেশ ও উপমহাদেশের ইতিহাস [ব্রিটিশ শাসন, পাকিস্তানি শাসন - ১৯৭০ এর নির্বাচন পর্যন্ত], ২. জাতীয় অর্জন। উৎস: বোর্ড বই (বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সংশ্লিষ্ট NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বই), বাংলাপিডিয়া অথবা যেকোনো ভালো গাইড বই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।] ------------------------ [নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২০০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

৯ম - ১৩তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
ইস্ট-ইন্ডিয়া কোম্পানি কোন চুক্তির মাধ্যমে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে ? 
  1. আলীনগর চুক্তি
  2. এলাহাবাদ চুক্তি
  3. মুর্শিদাবাদ চুক্তি
  4. লক্ষ্মৌ চুক্তি
ব্যাখ্যা
• ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে এলাহাবাদ চুক্তির মাধ্যমে।

• ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির দেওয়ানি লাভ:
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে দেওয়ানি লাভের পর প্রকৃতপক্ষে ইংরেজরাই বাংলার সত্যিকার শাসকরূপে আত্মপ্রকাশ করে।
- এ সময়ে ইংরেজ কোম্পানি মুঘল সম্রাটের কাছ থেকে বাংলার রাজস্ব আদায়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব লাভে সক্ষম হয়।
- বক্সারের যুদ্ধে বাংলার নবাব, অযোধ্যার নবাব এবং দিল্লীর সম্রাটের পরাজয় ইংরেজ শক্তিকে এই ক্ষমতা লাভের সুযোগ করে দেয়।
- বক্সারের যুধের পর ক্লাইভ দ্বিতীয়বার (১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ) ভারতবর্ষে এলে পরিস্থিতি পাল্টে যায়।
- ক্লাইভ দেশ থেকে ফিরে অযোধ্যার পরাজিত নবাবের সঙ্গে মৈত্রী স্থাপন করেন।
- তার বিনিময়ে আদায় করে নেন কারা ও এলাহাবাদ জেলা দুটি।
- যুদ্ধের ক্ষতিপূরণ বাবদ আদায় করেন পঞ্চাশ লক্ষ টাকা।
- ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে কোম্পানিকে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যার দেওয়ানি দান করা হয়।
- এর বিনিময়ে ছাব্বিশ লক্ষ টাকা নবাব প্রতিবছর সম্রাটকে পাঠাবেন।
- এই টাকা নিয়মিত পাঠাবার জামিনদার হবে কোম্পানি।
- ইতিহাসে এটি এলাহাবাদ চুক্তি নামে পরিচিত।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
তমুদ্দীন মজলিশ ছিল একটি-
  1. রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান 
  2. সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান 
  3. সামাজিক প্রতিষ্ঠান 
  4. অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান 
ব্যাখ্যা
• তমদ্দুন মজলিশ:
- তমদ্দুন মজলিশ ইসলামী আদর্শাশ্রয়ী একটি সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।
- দেশে ইসলামী আদর্শ ও ভাবধারা সমুন্নত করার প্রত্যয় নিয়ে ভারত বিভাগের অব্যবহিত পরেই ঢাকায় গড়ে উঠে এই সংগঠনটি। এটি ছিলো ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক প্রথম সংগঠন।
- ১৯৪৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ছাত্র ও অধ্যাপকের উদ্যোগে তমদ্দুন মজলিশ প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেমের উদ্যোগে এটি প্রতিষ্ঠিত হয় এবং তিনি এই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
- তমদ্দুন মজলিশের মুখপত্র ছিলো সাপ্তাহিক 'সৈনিক পত্রিকা'।
- এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৪৮ সালের ১৪ নভেম্বর (২৮ কার্তিক ১৩৫৫)।
- শুরুতে সৈনিক পত্রিকার সম্পাদকমন্ডলীর সভাপতি ছিলেন শাহেদ আলী এবং পরে সভাপতি হন আবদুল গফুর।
- ১৯৪৭ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর "পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা বাংলা না উর্দু?" শিরোনামে বাংলা ভাষার পক্ষে তমদ্দুন মজলিশ একটি পুস্তিকা প্রকাশ করে।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র (প্রথম খন্ড), পৃষ্ঠা ৪৯ ও বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণী।
.
'আসাদগেট' কীসের প্রতীক?
  1. ভাষা আন্দোলন
  2. শিক্ষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান
ব্যাখ্যা
• শহীদ আসাদ:
- শহীদ আসাদ (১৯৪২-১৯৬৯) উনিশশত ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এর শহীদ ছাত্রনেতা।
- আসাদুজ্জামান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের শেষ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
- তিনি ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ছাত্র সংগ্রাম কমিটির ১১ দফা আদায়ের মিছিলে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
- তাঁর মৃত্যু ঊনসত্তরের ছাত্র-গণআন্দোলনের গোটা অবয়বকেই পাল্টে দেয় এবং তা আইয়ুব খানের শাসন ও নিপীড়নমূলক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
- আসাদ ছিলেন তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন (মেনন গ্রুপ)-এর ঢাকা হল শাখার সভাপতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম প্রধান সংগঠক।
- আসাদের মৃত্যুতে ঊনসত্তরের গণআন্দোলন গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়।
- অনেক জায়গায় জনতা স্বতঃস্ফূর্তভাবে আইয়ুবের নামফলক নামিয়ে আসাদের নাম উৎকীর্ণ করে।
- এভাবে 'আইয়ুব গেট' হয়ে যায় 'আসাদ গেট', 'আইয়ুব এভিনিউ' নামান্তরিত হয়ে হয় 'আসাদ এভিনিউ'।
- তখন থেকে আসাদের নাম হয়ে ওঠে নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামের মূর্ত প্রতীক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
.
'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' এর সময় বাংলার গভর্নর কে ছিলেন?
  1. লর্ড ক্লাইভ
  2. লর্ড কার্টিয়ার
  3. লর্ড কর্নওয়ালিস
  4. লর্ড মেয়ো
ব্যাখ্যা
ছিয়াত্তরের মন্বন্তর:
• ১১৭৬ বঙ্গাব্দ অর্থাৎ ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে খাদ্যের অভাবে মোট জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ (১ কোটি) মৃত্যুমুখে পতিত হয়।
- একে ইতিহাসে ছিয়াত্তরের মন্বন্তর বলা হয়।
- তখন দিল্লীর সম্রাট ছিলেন শাহ আলম।
- জন কার্টিয়ার ১৭৬৯ থেকে ১৭৭২ সাল পর্যন্ত বাংলার ফোর্ট উইলিয়ম কাউন্সিলের গভর্নর ছিলেন।
- বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ ঘটনা ১৭৬৯-৭০ সালের মহাদুর্ভিক্ষের দ্বারা কার্টিয়ারের শাসনকাল সমালোচনার মুখে পড়ে।
- নায়েব দীউয়ান ও নায়েব নাজিম সৈয়দ মুহম্মদ রেজা খান আসন্ন দুর্ভিক্ষ সম্পর্কে বারবার জন কার্টিয়ারকে অবহিত করা সত্ত্বেও তিনি তার সতর্কবাণীকে তেমন গুরুত্ব দেন নি।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব সভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।
.
ঢাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার কে উদ্বোধন করেন?
  1. শহিদ বরকতের মা
  2. শহিদ শফিউরের বাবা
  3. শহিদ জব্বারের বাবা
  4. শহিদ শফিউরের মা
ব্যাখ্যা
• কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার:
- ১৯৬৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ ব্যক্তিত্ব আবুল বরকতের মাতা হাসিনা বেগম কর্তৃক বর্তমান কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের উদ্বোধন করা হয়।

- শহিদ মিনার ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিসৌধ।
- এটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ প্রাঙ্গণে অবস্থিত।
- প্রথম শহিদ মিনার নির্মাণ হয়েছিল অতিদ্রুত এবং নিতান্ত অপরিকল্পিতভাবে।
- ঢাকা মেডিকেল কলেজের ছাত্ররা ১৯৫২ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ শুরু করে রাত্রির মধ্যে তা সম্পন্ন করে।
- ২৬ ফেব্রুয়ারি পুলিশ ও সেনাবাহিনী মেডিকেলের ছাত্র হোস্টেল ঘিরে ফেলে এবং প্রথম শহিদ মিনার ভেঙ্গে ফেলে।
- বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দেবার পরে ১৯৫৭ সালের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের কাজ শুরু হয়।
- এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৬৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত কমিটির তত্ত্বাবধানে।
- বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রশিল্পী হামিদুর রহমান মহান ভাষা আন্দোলনের স্মৃতিবিজড়িত শহিদ মিনারের স্থপতি হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছেন।

উৎস: ঢাকা জেলা ওয়েবসাইট।
.
দ্বৈত শাসনব্যবস্থা বিলুপ্ত করেন কে? 
  1. ওয়ারেন হেস্টিংস 
  2. লর্ড কর্নওয়ালিস
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড রিপন
ব্যাখ্যা
• ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

• ওয়ারেন হেস্টিংস:

- বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রথম গভর্নর ওয়ারেন হেস্টিংস।
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেলও ছিলেন ওয়ারেন হেস্টিংস।
- তাঁর শাসন কালকে দু'ভাগে ভাগ করা যায়, প্রথমপর্ব: ১৭৭২-১৭৭৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার গভর্নর হিসেবে আর দ্বিতীয় পর্ব, ১৭৭৪-১৭৮৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত গভর্নর জেনালের হিসেবে।
- ওয়ারেন হেস্টিংস ১৭৭২ সালের ১৩ আগস্ট বাংলায় প্রথম রাজস্ব বোর্ড গঠন করেন।
- তিনি প্রচলিত জমিদার পদ্ধতির পরিবর্তে 'পাঁচসালা বন্দোবস্ত' (১৭৭২-১৭৭৭) প্রবর্তন করেন।
- তবে নানা কারণে এ ব্যবস্থা ফলপ্রসূ না হলে তিনি ১৭৭৭ সালে 'একসালা বন্দোবস্ত' করেন।
- ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈতশাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- দ্বৈত শাসনের দায়িত্বহীনতার ফলে সারাদেশে শুরু হয় বিশৃঙ্খলা।
- এই পরিস্থিতিতে ১৭৭২ খ্রিস্টাব্দে ওয়ারেন হেস্টিংস দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা রহিত করেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
মীর নিসার আলী ব্রিটিশবিরোধী কোন আন্দোলনের সাথে জড়িত?
  1. সিপাহী বিপ্লব
  2. নীল বিদ্রোহ
  3. খিলাফত আন্দোলন
  4. তিতুমীরের আন্দোলন
ব্যাখ্যা
• তিতুমীরের আন্দোলন:
- তিতুমীর ওরফে মীর নিসার আলী প্রথমে ধর্মীয় সংস্কার আন্দোলন শুরু করেন।
- পরবর্তীতে তার এই আন্দোলন জমিদার ও ব্রিটিশবিরোধী রূপ লাভ করে।
- তিনি বারাসাতের নিকটবর্তী নারিকেলবাড়িয়ায় একটি বাঁশের কেল্লা নির্মাণ করেন।
- ১৮৩১ সালের ১৯ নভেম্বর লে. কর্নেল স্টুয়ার্টের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর সাথে যুদ্ধে কামানের গোলায় তার বাঁশেরকেল্লা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তিনিসহ তার বহু অনুসারী শহিদ হন।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।
.
তৎকালীন পাকিস্তানের প্রথম জাতীয় পরিষদের নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?
  1. ১৯৫৪ সালে
  2. ১৯৫৮ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৭০ সালে
ব্যাখ্যা
• ১৯৭০ সালে তৎকালীন অবিভক্ত পাকিস্তানের প্রথম এবং শেষ সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

• ১৯৭০ সালের নির্বাচন:

- ১৯৬২ সালে মৌলিক গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিষদ গঠন করা হয়।
- ১৯৭০ সালে পাকিস্তানের জনগণ সর্বপ্রথম দেশের কেন্দ্রীয় আইন পরিষদের প্রতিনিধি নির্বাচনের সুযোগ লাভ করে।
- নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।
- ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি সকল রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করা হয়। ফলে সেদিন থেকেই নির্বাচনী প্রচারাভিযান শুরু হয়।
- ১৯৭০ সালের ৫ অক্টোবর জাতীয় পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল।
- কিন্তু সেপ্টেম্বর মাসে পূর্ব পাকিস্তানে বন্যা হয়।
- জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয় ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর।
- এবং প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনের তারিখ নির্দিষ্ট হয় ১৭ ডিসেম্বর।
- ১৯৭০ এর পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচনে মোট ২৪টি দল অংশগ্রহণ করে।
- জাতীয় পরিষদে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য নির্ধারিত ১৬৯টি আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ১৬৭টি আসন লাভ করে।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
.
সিপাহী বিদ্রোহের সাথে কোন নামটি জড়িত?
  1. মঙ্গল পাণ্ডে
  2. সুভাষচন্দ্র বসু
  3. সূর্যসেন
  4. অরবিন্দ ঘোষ
ব্যাখ্যা
• সিপাহী বিদ্রোহ:
- ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরের সেনানিবাসে 'মঙ্গল পাণ্ডে' নামক একজন সিপাহী প্রকাশ্যে বিদ্রোহ করে।
- ক্রমে এ বিদ্রোহ মিরাট, দিল্লি, বেরলী, ফতেহপুর, কানপুর, বুন্দেল খণ্ড, রোহিলা খণ্ড, এলাহাবাদ, অযোধ্যা, কলকাতা, বিহার, চট্টগ্রাম, ঢাকা, যশোর এবং দিনাজপুর প্রভৃতি অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে।
- বিদ্রোহীরা মোগল সম্রাট ২য় বাহাদুর শাহকে ভারতের বাদশাহ ও বিদ্রোহের নেতা ঘোষণা করে।
- মারাঠা নেতা নানা সাহেব, ঝাঁসির রাণি লক্ষ্মীবাঈ, মৌলভী লিয়াকত আলী, মৌলভী আহম্মদ উল্লাহ প্রমুখ বিদ্রোহে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন।
- সিপাহী বিদ্রোহের স্মৃতি বিজড়িত স্থান বাহাদুর শাহ পার্ক।
- সিপাহী বিদ্রোহকালীন গভর্নর জেনারেল ছিলেন লর্ড ক্যানিং।

উৎস: ইতিহাস, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১০.
উপমহাদেশে পুলিশ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন কে? 
  1. লর্ড ক্যানিং
  2. লর্ড হার্ডিঞ্জ
  3. লর্ড মিন্টো
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস
ব্যাখ্যা
• লর্ড ক্যানিং:
- ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন।
-  ১৮৬১ সালে উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা চালু করেন।
- ১৮৬১ সালে পুলিশ প্রশাসন ব্যবস্থা চালু করেন।
- চার্লস উড শিক্ষা বিষয়ে ১৮৫৪ সালে যে সুপরিশমালা পেশ করেন তা কার্যকর করা হয় তার সময়ে।
- উপমহাদেশে প্রথম বাজেট ঘোষণা করেন লর্ড ক্যানিং (১৮৬১ সালে)।
- ভারতে তাঁর কর্তব্যপালনের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৮৫৯ সালে তাঁকে 'আর্ল' (Earl) মর্যাদায় উন্নীত করা হয়।
- ১৮৫৭ সালে কলকাতা, বোম্বে ও মাদ্রাজে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১১.
'রাওলাট আইন' পাস হয় কত সালে?
  1. ১৯১৯ সালে
  2. ১৯২১ সালে
  3. ১৯২২ সালে
  4. ১৯২৩ সালে
ব্যাখ্যা
• রাওলাট আইন:
- ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের মার্চ মাসে বৃটিশ সরকার চরমপন্থী বিপ্লবী আন্দোলন দমন করার উদ্দেশ্যে নিবর্তনমূলক রাওলাট আইন পাশ করে ।
- এবং বিনা বিচারে শত শত লোককে কারাবন্দী করে।
- উক্ত আইনের বিরুদ্ধে গান্ধীজীর সত্যাগ্রহ ও প্রতিবাদ আন্দোলনের পটভূমিতে সংঘটিত হয় ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দের ১৩ এপ্রিল জালিয়ানওয়ালাবাগের হত্যাকাণ্ড।
- বৃটিশ জেনারেল ডায়ার নিরস্ত্র জনতার উপর গুলি চালিয়ে প্রায় ৪০০ লোককে হত্যা করে। এতে ইংরেজ বিরোধী মনোভাব চাঙ্গা হয়ে উঠে।

উৎস: ইতিহাস ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১২.
'ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ' প্রতিষ্ঠা হয় কোন শাসকের আমলে?
  1. লর্ড ওয়েলেসলি
  2. লর্ড ডালহৌসি
  3. ওয়ারেন হেস্টিংস
  4. লর্ড ক্যানিং
ব্যাখ্যা
• লর্ড ওয়েলেসলি ভারতবর্ষে নবাগত ইংরেজ কর্মচারিদের শিক্ষার জন্য কলকাতার ফোর্ট উইলিয়ামে একটি কলেজ স্থাপন করেন।

• লর্ড ওয়েলেসলি:

- ১৭৯৮ খ্রিস্টাব্দে লর্ড ওয়েলেসলি কোম্পানির গভর্নর হিসেবে কার্যভার গ্রহণ করেন।
- অধীনতামূলক মিত্রতানীতি প্রবর্তন করেন লর্ড ওয়েলেসলি।
- এই নীতি অনুযায়ী ব্রিটিশ নিয়ন্ত্রণবর্হিভূত দেশীয় রাজ্যগুলোকে ব্রিটিশদের অধীনে ও নিরাপত্তায় থেকে রাজ্য শাসনে অভ্যন্তরীণ স্বাধীনতা প্রদান করা হতো। 
- টিপু সুলতান এই নীতিগ্রহণে অস্বীকার করলে চতুর্থ মহীশূর যুদ্ধে তিনি ব্রিটিশদের নিকট পরাজিত ও নিহত হন। 
- তিনি ইংরেজ অধিকৃত স্থানে জমি জরিপ করার জন্য ড. ফ্রান্সিস বুকাননকে নিযুক্ত করেন।
- তিনি এদেশের কৃষি সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেন।  

উৎস: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বাংলাপিডিয়া।
১৩.
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে উর্দুর পাশাপাশি পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করা হয়-
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
• বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি:
-  ১৯৫৬ সালে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- আওয়ামীলীগের জাতীয় পরিষদ সদস্য আদেল উদ্দিন আহমেদ জাতীয় পরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার বিল উত্থাপন করলে ১৬ ফেব্রুয়ারী ১৯৫৬ তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহিত হয়।
- ১৯৫৪ সালের ৯ মে পাকিস্তান গণপরিষদ বাংলাকে পাকিস্তানের অন্যতম রাষ্ট্রভাষার স্বীকৃতি দিয়ে একটি বিল পাশ করে।
- ১৯৪৮ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এতে ইংরেজির পাশাপাশি উর্দুতে কার্যক্রম শুরু হলে পূর্ব বাংলার কংগ্রেস সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
- গণপরিষদের ভাষা হিসেবে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবী পেশ করেন। কিন্তু মুসলিম লীগ সদস্যরা এর তীব্র বিরোধিতা করে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা: নবম-দশম শ্রেণি।
১৪.
লর্ড রিপন কর্তৃক গঠিত শিক্ষা কমিশনের নাম কী?
  1. রিপন কমিশন
  2. হান্টার কমিশন
  3. নাথান কমিশন
  4. পাওয়েল কমিশন
ব্যাখ্যা
• হান্টার কমিশন:
- লর্ড রিপন 'হান্টার কমিশন' নামে শিক্ষা কমিশন গঠন করেন।
- ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
- এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়।
- এতে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।

• লর্ড রিপন:
- লর্ড রিপন স্থানীয় শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন।
- তিনি আফগান সীমান্ত সমস্যার সন্তোষজনক সমাধান করেন।
- তাঁর আমলে দেশীয় সংবাদপত্রের স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৮৮৫ খ্রীষ্ঠাব্দের রাজস্ব ও প্রজাস্বত্ব আইন তাঁর আরেকটি উল্লেখযোগ্য কীর্তি।
- তিনি ফ্যাক্টরি আইন পাস করে শ্রমিকদের জন্য দৈনিক ৮ ঘন্টা কর্মঘণ্টা নির্ধারণ করেন।
- তিনি ইলবার্ট বিল পাস করে ইউরোপীয় ও ভারতীয়দের জাতিগত বৈষম্য নিরসনে সচেষ্ট হন।

উৎস: বাংলাদেশ ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম ও দশম শ্রেণি।
১৫.
ভারতবর্ষে প্রথম আদমশুমারি হয় কোন ব্রিটিশ শাসকের শাসনামলে?
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড ক্যানিং
  3. লর্ড মেয়ো
  4. লর্ড মিন্টো
ব্যাখ্যা
• লর্ড মেয়ো:
- মেয়ো, লর্ড (১৮২২-১৮৭২)  ১৮৬৯ থেকে ১৮৭২ সাল পর্যন্ত ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল ছিলেন।
- লর্ড মেয়োর শাসনামলে ভারতবর্ষের প্রথম আদমশুমারি চালু হয় ১৮৭০ সালে। 
 
অন্যদিকে,
• লর্ড রিপনকে ভারতীয় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসনের জনক বলা হয়।
• ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল এবং প্রথম ভাইসরয় লর্ড জন ক্যানিং ১৮৬১ সালে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রথম কাগজের মুদ্রা প্রচলন করেন।
• লর্ড মিন্টো " মর্লিমিন্টো সংস্কার আইওন প্রবর্তন হবে।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৬.
শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হক পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নর হন কত সালে?
  1. ১৯৫৩ সালে
  2. ১৯৫৪ সালে
  3. ১৯৫৫ সালে
  4. ১৯৫৬ সালে
ব্যাখ্যা
• এ.কে ফজলুল হক (১৮৭৩-১৯৬২):
- এ.কে ফজলুল হক রাজনীতিবিদ ও জননেতা।
- আবুল কাশেম ফজলুল হক বর্তমান বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণাঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম সাটুরিয়ায় ১৮৭৩ সালের ২৬ অক্টোবর জন্মগ্রহণ করেন।
- তিনি কলকাতার মেয়র (১৯৩৫),
- অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-১৯৪৩);
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী (১৯৫৪); 
- পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী (১৯৫৫) এবং
- পূর্ব পাকিস্তানের গভর্নরের পদ (১৯৫৬-১৯৫৮) সহ বহু উঁচু রাজনৈতিক পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
- লোকপ্রিয়ভাবে 'শেরে বাংলা' বা হক সাহেব রূপে পরিচিত।
- ১৯৪০ সালের ২৩ মার্চ সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের লাহোর অধিবেশনে লোকপ্রিয়ভাবে পাকিস্তান প্রস্তাব নামে অভিহিত 'লাহোর প্রস্তাব' উত্থাপনের জন্য জিন্নাহ্ তাঁকে নির্বাচিত করেন।
- তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের নাম কৃষক প্রজা পার্টি (কে.পি.পি)।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
১৭.
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট এর নির্বাচনী ইশতেহারে কয়টি দফা ছিল? 
  1. ১১টি 
  2. ২১ টি
  3. ২৬টি
  4. ৩১টি 
ব্যাখ্যা
• যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন:
- ১৯৫৩ সালের ১৪ নভেম্বর ময়মনসিংহে অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের ঐতিহাসিক কাউন্সিল সম্মেলনে যুক্তফ্রন্ট গঠনের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়।
- পরবর্তীতে মাওলানা আতাহার আলীর নেজামে ইসলাম ও হাজী মোহাম্মদ দানেশের গণতন্ত্রী দল যুক্তফ্রন্টে যোগ দেয়।
- যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনী প্রতীক ছিল নৌকা।
- যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ২১ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করে।
- ২১ দফা ইশতেহার প্রণয়নে আবুল মনসুর আহমেদ মুখ্য ভূমিকা পালন করেন।
- এই নির্বাচনে মোট আসন ছিলো ৩০৯টি।
- নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি আসন লাভ করে।
- শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

উৎস: স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র, প্রথম খণ্ড এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১৮.
ভাষা শহীদ রফিক উদ্দিন আহমেদের পৈতৃকনিবাস কোন জেলায়?
  1. মুর্শিদাবাদ
  2. চব্বিশ পরগণা
  3. ময়মনসিংহ
  4. মানিকগঞ্জ
ব্যাখ্যা
• ভাষা শহীদ রফিক:
- যার পুরো নাম রফিক উদ্দিন আহমদ।
- পিতার নাম আবদুল লতিফ।
- জন্ম তারিখ-৩০শে অক্টোবর ১৯২৬ সাল।
- গ্রামের নাম-পারিল ।
- বতর্মানে যার নামাকরন করা হয়েছে রফিকনগর।
- ইউনিয়ন - বলধারা, থানা-সিঙ্গাইর, জেলা-মানিকগঞ্জ।
- ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহিদ তিনি।
- ২০০০ সালে তিনি ,মরোনাত্তক একুশে পদক লাভ করেন।

উৎস: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
১৯.
বঙ্গভঙ্গ রদ ঘোষণা হয়-
  1. ৮ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে
  2. ১২ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে
  3. ১৫ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে
  4. ২০ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে
ব্যাখ্যা
• বঙ্গভঙ্গ রদ:
- রাজা পঞ্চম জর্জ, গভর্নর জেনারেলের লর্ড চার্লস হার্ডিঞ্জ ১২ ডিসেম্বর, ১৯১১ সালে তার রাজ্য অভিষেকে বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা করেন।
- বঙ্গভঙ্গ রদের কার্যকর হয়- ২০ জানুয়ারি, ১৯১২ সালে।
- বঙ্গভঙ্গ রদের ঘোষণা করেন- রাজা পঞ্চম জর্জ।
- বঙ্গভঙ্গ রদে করেন- লর্ড হার্ডিঞ্জ।

উল্লেখ্য,
- বঙ্গভঙ্গ করেন-লর্ড কার্জন।
- ১৯০৫ সালে ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়।
- বঙ্গভঙ্গ ফলে নতুন প্রদেশের রাজধানী হয় ঢাকা।
- নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয় উত্তর পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়  ও বাংলাপিডিয়া।
২০.
'কাগমারি সম্মেলন' কখন অনুষ্ঠিত হয়? 
  1. ১৯৫৭ সালে 
  2. ১৯৫৯ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬৩ সালে 
ব্যাখ্যা
• কাগমারী সম্মেলন:
- ১৯৫৭ সালের ৬-১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় কাগমারি সম্মেলন।
- কাগমারি সম্মেলনের মূল আলোচনা হয় ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৭ সালে।
- স্থান: টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষ।
- সভাপতি: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
- প্রধান অতিথি: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
- মাওলানা ভাসানী পাকিস্তানের পশ্চিমা শাসকদের প্রতি 'আসসালামুআলাইকুম' বলে সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিচ্ছিন্নতার ঐতিহাসিক ঘন্টা বাজিয়েছিলেন।
- এজেন্ডা: পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২১.
কোন চাকমা নেতা ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছিলেন?
  1. জুয়ান বক্স খান
  2. আজিয়ান বক্স খান
  3. জিয়ান বক্স খান
  4. জুম্মন বক্স খান
ব্যাখ্যা
• চাকমা বিদ্রোহ (১৭৭৬-১৭৮৯):
- চাকমা বিদ্রোহের নেতৃত্ব দেয় চাকমা রাজা জুয়ান বক্স খান ।
- কারণ চাকমা রাজা জুয়ান বক্স মুদ্রার রাজস্ব দিতে বাধ্য করা হয় ।
- পার্বত্য চট্টগ্রামে মুদ্রা অর্থনীতি প্রচলনের ব্যবস্থা করায় চাকমা বিদ্রোহ সংঘঠিত হয়।
- সরকারি নথিপত্র থেকে জানা যায় যে, জুয়ান বক্স ও রানু খান সম্পূর্ণ পাহাড়ি এলাকা ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীন করেছিলেন।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।