পরীক্ষা আর্কাইভ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

পরীক্ষাশিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়09 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৩৮ বিষয়: সাধারণ জ্ঞান (বাংলাদেশ বিষয়াবলি) টপিক: বাংলার সংস্কৃতি, বাংলাদেশের জাতীয় বিষয়াবলী, বাংলাদেশের সমাজ জীবন, সমস্যা, জনমিতিক পরিচয়। উৎস: ইতিহাস সংক্রান্ত বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), বাংলাপিডিয়া, জনশুমারির রিপোর্ট ও মাধ্যমিক ও উচ্চ-মাধ্যমিক শ্রেণির পৌরনীতি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম]

শিক্ষক নিবন্ধন (NTRCA) প্রস্তুতি [১৯তম] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা রয়েছে?
  1. ৫টি
  2. ৪টি
  3. ৩টি
  4. ২টি
ব্যাখ্যা

- বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে ৪টি তারকা রয়েছে।

জাতীয় প্রতীক: 

- জাতীয় প্রতীক  গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রতীক।
- এ প্রতীক হলো পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা এবং এর উভয় পার্শ্বে একটি করে ধানের শীষ, চূড়ায় পাটগাছের পরস্পরযুক্ত তিনটি পাতা এবং পাতার উভয় পার্শ্বে দুটি করে তারকা।
- পানি, ধান ও পাট প্রতীকে বৈশিষ্ট্যমন্ডিত হয়েছে বাংলাদেশের নিসর্গ ও অর্থনীতি। - এ তিনটি উপাদানের উপর স্থাপিত জলজ প্রস্ফুটিত শাপলা হলো অঙ্গীকার, সৌন্দর্য ও সুরুচির প্রতীক।
- তারকাগুলোতে ব্যক্ত হয়েছে জাতির লক্ষ্য ও উচ্চাকাঙ্ক্ষা। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

.
প্রাচীন বাংলার গৌড় রাজ্য বর্তমানে অবস্থান কোথায়?
  1. কুষ্টিয়া
  2. ময়মনসিংহ
  3. চট্টগ্রাম
  4. মুর্শিদাবাদ
ব্যাখ্যা

গৌড়:
- ষষ্ঠ শতকে বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অংশে গৌড় রাজ্য বলে একটি স্বাধীন রাজ্যের কথা জানা যায়।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো।
- এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।
- বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় ছিল এর অবস্থান।
- বাংলায় তুর্কি বিজয়ের কিছু আগে মালদহ জেলার লক্ষণাবতীকেও গৌড় বলা হতো।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০ অনুযায়ী, নারী বা শিশু পাচার করলে সর্বোচ্চ শাস্তি- 
  1. শুধু অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
  3. যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা মৃত্যুদণ্ড
  4. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড
ব্যাখ্যা

- মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ২০ বছর।

- বাংলাদেশের আইন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন-২০০০:

- যদি কোনো ব্যক্তি পতিতাবৃত্তি বা বেআইনি বা নীতিগর্হিত কোনো কাজে নিয়োজিত করার উদ্দেশ্যে কোনো নারী বা শিশুকে বিদেশ থেকে আনয়ন করেন বা বিদেশে পাচার বা প্রেরণ করেন অথবা ক্রয় বা বিক্রয় করেন বা অনুরূপ কোনো উদ্দেশ্যে কোনো নারী ও শিশুকে তার দখলে বা হেফাজতে রাখেন তাহলে উক্ত ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা অনধিক ২০ বছর কিন্তু অন্যূন ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন এবং এর অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত হবেন।

উল্লেখ্য,
- মানবপাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২- এ মানবপাচারের জন্য দায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তিদের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডসহ পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দন্ডিত করার বিধান রয়েছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, এবং সংবিধান।

.
কোন জনপদ থেকে 'বাঙালি' নৃগোষ্ঠীর উৎপত্তি ঘটেছিল?
  1. চন্দ্রদ্বীপ
  2. রাঢ়
  3. গৌড়
  4. বঙ্গ
ব্যাখ্যা

- বঙ্গ জনপদ থেকে 'বাঙালি' নৃগোষ্ঠীর উৎপত্তি ঘটেছিল।

বঙ্গ:

- 'বঙ্গ' একটি অতি প্রাচীন জনপদ।
- বর্তমান বাংলাদেশের পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গ জনপদ নামে একটি অঞ্চল গড়ে উঠেছিল।
- অনুমান করা হয়, এখানে 'বঙ্গ' বলে একটি জাতি বাস করতো।
- তাই জনপদটি পরিচিত হয় 'বঙ্গ' নামে।
- প্রাচীন শিলালিসিতে বঙ্গের দুইটি অঞ্চলের নাম পাওয়া যায়-একটি 'বিক্রমপুর', আর অন্যটি 'নাব্য'।
- বর্তমানে নাব্য বলে কোনো জায়গার অস্তিত্ব নেই।
- ধারণা করা হয়, ফরিদপুর, বাখেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর নিচু জলাভূমি এ নাব্য অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- প্রাচীন বঙ্গ জনপদ ছিল খুব শক্তিশালী অঞ্চল।
- 'বঙ্গ' থেকে 'বাঙালি' জাতির উৎপত্তি ঘটেছিল।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
১৯৬২ সালের শিক্ষা কমিশনের নাম কী ছিল?
  1. জিন্নাহ কমিশন 
  2. নূরুল হুদা কমিশন
  3. কুদরত-ই-খুদা কমিশন
  4. শরিফ কমিশন
ব্যাখ্যা

১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন:
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়।
- এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত।
- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েকশ' আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
মাতৃত্বকালীন কয় মাসের ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে?
  1. ৮ মাস
  2. ৬ মাস
  3. ৯ মাস
  4. ১০ মাস
ব্যাখ্যা

মাতৃত্বকালীন ছুটি:
- বাংলাদেশ সরকার ১১ জানুয়ারি ২০১১ গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে সরকারি চাকরিতে নিয়োজিত নারী কর্মীদের জন্য ৬ মাসের মাতৃত্বকালীন ছুটি ঘোষণা করে।
- এটি ৯ জানুয়ারি ২০১১ সাল থেকে কার্যকর হয়।
- মাতৃত্বজনিত ছুটি বৃদ্ধির ফলে মায়েরা তাদের সন্তানদের বুকের দুধ পান করাতে সমর্থ হবেন এবং এর ফলে নবজাতক শিশুদের অপুষ্টিজনিত সমস্যা দূর হবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

.
ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা তে বাংলাদেশে মোট কয়টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কথা বলা হয়েছে?
  1. ৪৫টি
  2. ৪৮টি
  3. ৫০টি
  4. ৫২টি
ব্যাখ্যা

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২:
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার: ১.১২%।
- জনসংখ্যার ঘনত্ব: ১১১৯ জন।
- ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ৫০টি।
- সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) ৭৪.৮০%।
- পুরুষের সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭৬.৭১%।
- মহিলার সাক্ষরতার হার (৭ বছর বা তদূর্ধ্ব) - ৭২.৯৪%।
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে বেশি ঢাকা বিভাগে (৭৮.২৪%)। -
- বিভাগভিত্তিক সাক্ষরতার হার সবচেয়ে কম ময়মনসিংহ বিভাগে (৬৭.২৩%)।
- সাক্ষরতার হারে শীর্ষ জেলা পিরোজপুর (৮৫.৫৩%)।
- সাক্ষরতার হারে সর্বনিম্ন জেলা জামালপুর (৬১.৭০%)।

উৎস: পরিসংখ্যান ব্যুরোর ওয়েবসাইট।

.
বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে ’ভাটিয়ালি গান’ বিশেষভাবে প্রচলিত?
  1. ময়মনসিংহ ও সিলেট
  2. বরিশাল ও পটুয়াখালী
  3. যশোর ও খুলনা
  4. কুমিল্লা ও ফরিদপুর
ব্যাখ্যা

ভাটিয়ালি
- ভাটিয়ালি  এক ধারার  লোকগীতি।
- এর প্রধান বৈশিষ্ট্য সুরের দীর্ঘ টান ও লয়।
- প্রচলিত মতে মাঝিমাল্লাদের গান থেকে ভাটিয়ালি সুরের উৎপত্তি।
- নিকট অতীতে নদীবিধৌত বাংলাদেশে সাধারণত নদীর ভাটির স্রোতে নৌকা বাইতে মাঝিদের তেমন বেগ পেতে হতো না। - তাই সেই অবসর ও আনন্দে তারা লম্বা টানে গলা ছেড়ে গান গাইত।
- কালক্রমে এই গানই ভাটিয়ালি গান নামে পরিচিতি লাভ করে।
- বাংলাদেশের ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় এই গান বিশেষভাবে প্রচলিত।

উৎস: বাংলাপিডিয়া। 

.
বাংলাদেশে কত বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না?
  1. ১৮ বছর
  2. ১৬ বছর
  3. ১৭ বছর
  4. ১৪  বছর
ব্যাখ্যা

শিশুশ্রম প্রতিরোধে বাংলাদেশের আইন: 
- বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুদের অধিকার বাংলাদেশের সংবিধানে শিশুসহ সকল নাগরিকের মৌলিক অধিকারকে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- বাংলাদেশের শ্রম আইন ২০০৬-এ শিশু ও কিশোরদের সংজ্ঞা নির্ধারণ করতে গিয়ে শিশুর ন্যূনতম বয়স ১৪ বছর ।
- এবং কিশোরের ন্যূনতম বয়স ১৪ থেকে ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
- এছাড়া আইনে উল্লেখ করা হয়েছে যে ১৪ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুকে কাজে নিয়োগ করা যাবে না।
-  কিশোর শ্রমিকদের স্বাভাবিক কাজের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দৈনিক ৫ ঘণ্টা।
- তবে সন্ধ্যা ৭টা থেকে ভোর ৭টা পর্যন্ত কোনো কিশোর শ্রমিককে দিয়ে কাজ করানো যাবে না।

উল্লেখ্য,
- কিশোর শ্রমিককে দিয়ে কোনো ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপজ্জনক কাজ করানো যাবে না। পাশাপাশি এ আইনে আরও বলা হয়েছে যে, ১২ বছর বয়সী শিশু-কিশোরদের কেবল সে ধরনের হালকা কাজই করানো যাবে যে কাজে কোনো ক্ষতি হবে না এবং যা তাদের শিক্ষা গ্রহণের অধিকারকে বিঘ্নিত করবে না।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১০.
’পোড়ামাটির শিল্প’ কী নামে পরিচিত?
  1. ধাতবশিল্প
  2. মৃণ্ময়শিল্প
  3. পাথরশিল্প
  4. কাঠশিল্প
ব্যাখ্যা

পোড়ামাটির শিল্প:
- পোড়ামাটির শিল্প  মৃণ্ময়শিল্প বা ভাস্কর্যের সর্বপ্রাচীন নমুনা, যাতে বাঙালি শিল্পিরা বিশেষ নৈপুণ্য অর্জন করেছিল।
- পোড়ামাটির শিল্পদ্রব্য শিল্পিদের সৃষ্টি-আকাঙ্ক্ষাকে যেমন পূরণ করত, তেমনি সাধারণ মানুষও তাদের গৃহস্থালি বা ধর্মীয় কর্মযজ্ঞে এর ব্যবহার করত।
- কাদা-মাটিকে সূর্যের তাপে অথবা আগুনে পুড়িয়ে নিয়ে শক্ত এবং টেকসই করা হতো।
- আর এভাবেই প্রাগৈতিহাসিককাল থেকে মানুষ পোড়ামাটির সামগ্রী তাদের দৈনন্দিন কাজে ব্যবহার করে আসছে।
- এই শিল্পরীতিটি প্রাচীনকাল থেকে সমগ্র প্রাথমিক মধ্যযুগ ও মধ্যযুগ পর্যন্ত, এমনকি কিছু কিছু হিন্দু স্থাপত্যে এর প্রয়োগ উনিশ শতকের মাঝামাঝি কাল পর্যন্ত প্রচলিত ছিল।
- এই শিল্পটি ছোট মাটির ছোট মূর্তি, ভাস্কর্য ইত্যাদি প্রায় সব রকমের ফর্মেই লক্ষ করা যায়।
- তবে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হলো পোড়ামাটির ফলক।
- ইটের স্থাপত্যের বহির্ভাগের অলঙ্করণে ব্যবহূত পোড়ামাটির প্যানেল ও ফ্রিজ দক্ষিণ এশিয়ার শিল্প জগতে বাংলার গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

উৎস:  বাংলাপিডিয়া।

১১.
মারমাদের আদি নিবাস কোথায় ছিল?
  1. তিব্বত 
  2. আরাকান
  3. ত্রিপুরা
  4. মিজোরাম
ব্যাখ্যা

- মারমাদের আদি নিবাস ছিল আরাকান।

মারমাদের জাতিগত উৎপত্তি:
- মারমারা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- তারা মূলত মায়ানমারের আরাকানিদের বংশধর।
- মারমা সম্প্রদায়ের গায়ের রঙ হলদে ফর্সা, উচ্চতা তুলনামূলকভাবে খাটো, নাক বোঁচা, কালো চুল ও ছোট চোখ।
- ১৪ থেকে ১৭ শতকে বার্মিজরা আরাকান জয় করলে মারমারা আরাকান থেকে বিতাড়িত হয়।
- তখন তারা থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম অঞ্চলে অনুপ্রবেশ করে।
- মায়ানমারের প্রাচীন পেগুসিটি হল মারমা সম্প্রদায়ের আদি বাসস্থান।

উৎস: সমাজবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১২.
 নিরাপদ চলাচলের জন্য শিশু-কিশোরদের কোন বিষয়ে সচেতন করা উচিত?
  1. যানবাহনের ধরন সম্পর্কে
  2. ট্রাফিক বাতি, ও জেব্রাক্রসিং সম্পর্কে
  3. রাস্তার পাশে খেলাধুলা সম্পর্কে
  4. গাড়ির গতি বৃদ্ধির কৌশল সম্পর্কে
ব্যাখ্যা

নিরাপদ চলাচলের জন্য করণীয়-
- ফুটপাত দিয়ে চলাচল করা,
- দৌড়ে রাস্তা পার না হওয়া,
- চলন্ত গাড়িতে ওঠা-নামা না করা,
- চলন্ত অবস্থায় গাড়ি চালকের সঙ্গে কথা না বলা এবং জেব্রাক্রসিং, ওভারব্রিজ ও মাটির নিচের সংযোগ পথ তথা আন্ডার  পাস দিয়ে রাস্তা পারাপার হওয়া;
- শিশু-কিশোরদের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে তাদের মহাসড়ক, সংযোগ সড়ক ও আধাপাকা সড়ক সম্পর্কে পরিচিত করানো।
- তাছাড়া চলাচলের জেব্রাক্রসিং,
- পারাপার সেতু, ট্রাফিক পুলিশ, ফুটপাত, ট্রাফিক বাতি ও চিহ্নাবলি,
- বিপজ্জনক স্থান প্রভৃতি সম্পর্কে পরিচিত করানো;

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৩.
গৌড়ের নাম 'জান্নাতাবাদ' রাখেন কে?
  1. শেরশাহ
  2. জাহাঙ্গীর
  3. হুমায়ুন
  4. বাবর
ব্যাখ্যা

- গৌড়ের চমৎকার প্রাসাদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে হুমায়ুন এর নামকরণ করেন 'জান্নাতবাদ'।

- মুঘল সম্রাট বাবর ও তাঁর পুত্র হুমায়ুন হুসেন শাহি যুগের শেষ দিক থেকেই চেষ্টা করেছিলেন বাংলাকে মুঘল অধিকারে নিয়ে আসতে।
কিন্তু আফগানদের কারণে মুঘলদের এ উদ্দেশ্য প্রথম দিকে সফল হয়নি।
- আফগান নেতা শের খান শূরের সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন সম্রাট হুমায়ুন।
- সমগ্র ভারতের অধিপতি হওয়ার স্বপ্ন ছিল শের খানের তাই গোপনে তিনি নিজের শক্তি বৃদ্ধি করতে থাকেন।
- এ লক্ষ্যে অল্প সময়ের মধ্যে শের খান শক্তিশালী চুনার দুর্গ ও বিহার অধিকার করেন।
- তিনি ১৫৩৭ খ্রিষ্টাব্দে দুইবার বাংলার রাজধানী গৌড় আক্রমণ করেন।
- এর পরিপ্রেক্ষিতে দিল্লির মুঘল সম্রাট হুমায়ুন শের খানের পিছু ধাওয়া করে বাংলার রাজধানী গৌড় অধিকার করে নেন।
- গৌড়ের চমৎকার প্রাসাদ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে হুমায়ুন এর নামকরণ করেন 'জান্নাতবাদ'।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, বোর্ড বই।

১৪.
সমাজের সর্বস্তরে কী প্রতিষ্ঠা করলে দুর্নীতি নির্মূল করা যায়?
  1. জবাবদিহিতা
  2. অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি
  3. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা
  4. সাংস্কৃতিক উন্নয়ন
ব্যাখ্যা

 দুর্নীতি প্রতিরোধ:
- দুর্নীতি প্রতিরোধে প্রয়োজন ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি ও সামাজিক আন্দোলন।
- গণসচেতনতা গড়ে তোলার কার্যকর হাতিয়ার হলো গণমাধ্যম।
- গণমাধ্যমে দুর্নীতি সম্পর্কে তথ্য প্রচার করে গণসচেতনতা গড়ে তোলা সম্ভব।
- সমাজের সর্বস্তরে জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করা হলে দুর্নীতি নির্মূল করা যায়।
- উপার্জন, ব্যয়, সম্পদের হিসাব প্রদান ইত্যাদির মাধ্যমেও অনেক দুর্নীতিবাজদের মুখোশ খোলা সম্ভব।
- দুর্নীতিবাজ, নকলবাজ, প্রতারক ও মুখোশধারীদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনলে দুর্নীতি উচ্ছেদ সহজতর হবে। - ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দারিদ্র্য বিমোচন, সামাজিক আন্দোলন কর্মসূচি প্রভৃতির মাধ্যমেও দুর্নীতি প্রতিরোধ সম্ভব।
- তাছাড়া পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটলে সমাজ থেকে দুর্নীতির অবসান ঘটবে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৫.
খাসিয়া নৃগোষ্ঠী কোন জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত? 
  1. দ্রাবিড়
  2. আর্য
  3. কুকি-চিন
  4. মঙ্গোলীয়
ব্যাখ্যা

খাসিয়া:
- খাসিয়া ও গারো বাংলাদেশে বসবাসরত একটি মাতৃতান্ত্রিক নৃগোষ্ঠী।
- এরা মঙ্গোলীয় বংশোদ্ভূত।
- এদের গাত্রবর্ণ হরিদ্রাভ, নাক-মুখ চ্যাপ্টা, চোয়াল উঁচু, চোখ কালো ও ছোট টানা এবং খর্বকায়।
- এরা পাঁচ শত বছর আগে আসাম থেকে বাংলাদেশে আসে।
- খাসিয়াদের গ্রামকে পুঞ্জি বলে।
- পুঞ্জিপ্রধানকে সিয়েম বলা হয়।
- বাংলাদেশের উত্তরপূর্ব সীমান্তবর্তী সুনামগঞ্জ ,হবিগঞ্জ-মৌলভীবাজার আবাস তাদের।
- ভারতের মেঘালয় রাজ্যের খাসিয়া-জৈন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে বসবাস করে।
- বর্তমানে শতকরা ৮০-৯০ ভাগ খাসিয়াই খ্রিষ্টান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৬.
বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার কারন- 
  1. মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো
  2. রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ওভারটেক করা 
  3. অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালক 
  4. বর্ণিত সবগুলো 
ব্যাখ্যা

- বর্ণিত সবগুলো 

সড়ক দুর্ঘটনার কারণ: 

- বাংলাদেশের শহরে গাড়ির সংখ্যা যে হারে বেড়েছে সে হারে দক্ষ চালক তৈরি হয়নি।
- অদক্ষ ও প্রশিক্ষণবিহীন চালককে দিয়ে গাড়ি চালানোর কারণে অধিকাংশ দুর্ঘটনা ঘটে থাকে।
- গাড়ি চালানোর জন্য যে সকল আইন ও নিয়মনীতি রয়েছে তাও অধিকাংশ গাড়ি চালকরা জানেন না।
- এ কারণে তারা কখনো কখনো মাত্রাতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালিয়ে থাকেন।
- বাংলাদেশে অনেকেই কম বেতনে সনদবিহীন চালক নিয়োগ দিয়ে থাকেন।
- এসব চালক অধিকাংশই তরুণ যারা রাস্তায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় অন্য গাড়িকে ওভারটেক করে এবং বেপরোয়াভাবে গাড়ি চালিয়ে থাকে। এ কারণেও প্রতিদিন সড়ক দুর্ঘটনা বাড়ছে।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি।

১৭.
বাংলাদেশের কোথায় ’গারো নৃগোষ্ঠীর’ বসবাস নেই?
  1. বান্দারবান
  2. জামালপুর
  3. শেরপুর
  4. ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা

- বান্দরবানে গারোদের আবাস নেই।

গারো:
- গারো বাংলাদেশে বসবাসকারী একটি নৃগোষ্ঠী।
- টাংগাইল, জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, নেত্রকোনা, সুনামগঞ্জ, সিলেট, গাজীপুর জেলায় এদের বাস।
- তবে ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া, নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর, কলমাকান্দা, শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী, ঝিনাইগাতী, টাঙ্গাইল জেলার
- মধুপুর উপজেলায় এরা অধিক সংখ্যায় বসবাস করে।
- বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের মেঘালয় রাজ্যে এদের বসবাস রয়েছে।
 - নৃ-বিজ্ঞানীদের মতে গারোরা মঙ্গোলীয় জনগোষ্ঠীর তিব্বতীবর্মণ শাখার বোড়ো উপশাখার অন্তর্ভুক্ত।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া।

১৮.
’কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ আয়োজনের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক নয়? 
  1. পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগ নিয়েছিলেন
  2. যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অনুষ্ঠিত হয়
  3. শিল্পী বব ডিলান অংশগ্রহণ করেন
  4. ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ছিল
ব্যাখ্যা

- ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট ছিল। 

মুক্তিযুদ্ধ কনসার্ট: 

- যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ, প্রচার মাধ্যম, কংগ্রেসের অনেক সদস্য এ দেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে সোচ্চার ছিল;
- তবে মার্কিন শিল্পী, সাহিত্যিক এবং অনেক রাজনীতিবিদ বাংলাদেশের পক্ষে ছিলেন।
- পণ্ডিত রবি শংকরের উদ্যোগে আয়োজিত হয় ।
-  স্থান: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।
- অনুষ্ঠান: 'কনসার্ট ফর বাংলাদেশ'
- দর্শক: অনুষ্ঠানে ৪০,০০০ দর্শকের উপস্থিতি ছিল।
- শিল্পী: জর্জ হ্যারিসন, বব ডিলানসহ বিশ্বখ্যাত শিল্পীরা অংশগ্রহণ করেন।
- এই অনুষ্ঠানটির মধ্য দিয়ে আমাদের মুক্তিযুদ্ধের জন্য অর্থ জোগানের ব্যবস্থা হয়।
 
উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

১৯.
প্রথম 'রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' কবে গঠিত হয়?
  1. অক্টোবর, ১৯৪৭ 
  2. সেপ্টেম্বর, ১৯৪৮
  3. সেপ্টেম্বর, ১৯৪৭ 
  4. ডিসেম্বর, ১৯৪৭ 
ব্যাখ্যা

রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ:
- বাংলাভাষা ও বাংলালিপি সম্পর্কে দায়িত্বজ্ঞানহীন অশালীন উক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের উদ্দেশ্যে তমদ্দুন মজলিশের নেতৃত্বে ১৯৪৭ সালের ১ অক্টোবর প্রথম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়।
- এ পরিষদের আহবায়ক নির্বাচিত হন মজলিশ নেতা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক এএসএম নূরুল হক ভূইয়া।
- এবং কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন তমদ্দুন মজলিশের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবুল কাশেম।
- ভাষা আন্দোলনের সূচনাপর্বে আবুল কাশেম ছিলেন আন্দোলনের মধ্যমনি।
- ১৯৪৮ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলে তমদ্দুন মজলিশ কর্মী এবং অন্যান্য সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক কর্মীদের যৌথসভায় মজলিশ কর্মী শামসুল আলমকে আহবায়ক করে ‘সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা কর্ম পরিষদ’ নামে একটি নতুন কমিটি গঠিত হয়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।[লিঙ্ক]

২০.
পাঙ্গন জাতিসত্তা কোন নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত? 
  1. সাঁওতাল
  2. খাসিয়া 
  3. রাখাইন
  4. মণিপুরী
ব্যাখ্যা

• পাঙ্গন জাতিসত্তা মূলত মণিপুরি মুসলিম বা পাঙাল নামেও পরিচিত এবং তারা মণিপুরি জনগোষ্ঠীর একটি অংশ।
- তারা বাংলাদেশের একমাত্র মুসলিম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত। 

পাঙ্গন জাতিসত্তা: 
- সপ্তদশ শতকের প্রথম দিকে খাজা ওসমানের সৈন্যাধ্যক্ষ মোহাম্মদ সানীর নেতৃত্বে ইসলাম ধর্মের অনুসারী এক দল সৈন্যবাহিনী মণিপুর রাজ্যে অভিযান চালায়। 
- তখনকার মণিপুরের রাজা খাগোম্বার সাথে এক সন্ধির ফলে এই বাহিনী মণিপুরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করে। 
- পরবর্তীকালে মোগল শাসক মীর জুমলা আসাম আক্রমণে বিপর্যস্ত হলে ঐ সৈন্যবাহিনীর অনেকে পার্শ্ববর্তী রাজ্য মণিপুরে আশ্রয় নেয়।
- তারা মণিপুরের স্থানীয় অধিবাসীদের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপন করে এবং ইসলাম ধর্ম প্রচার করে। 
- মণিপুরের মুসলমান জনগোষ্ঠীরাই পাঙ্গান নামে পরিচিত।
- পাঙ্গানরা 'মেইতেইলোন' ভাষায় কথা বলে যা টিবেটো-বার্মান শাখার কুকি-চিন ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত।
- এরা সবাই ইসলাম ধর্মের সুন্নী মতাবলম্বী। 
- নিজেদের সম্প্রদায়ের মধ্যেই সাধারণত বিয়ে হয়।
- বর্তমানে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অংশে এদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

উৎস:  ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী ভাষা ও সংস্কৃতি, ষষ্ঠ শ্রেণি, ২০১৮ বোর্ড বই। 

২১.
’ভাওয়াইয়া’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের গান?
  1. রংপুর 
  2. ময়মনসিংহ
  3. চট্টগ্রাম
  4. ঢাকা 
ব্যাখ্যা

ভাওয়াইয়া
- ভাওয়াইয়া  উত্তরবঙ্গে প্রচলিত এক প্রকার  লোকগীতি।
- রংপুর ও ভারতের কুচবিহার জেলা এ গানের জন্মস্থান।
- ভাওয়াইয়া গান সুরলালিত্যে ভরপুর এবং এর একটি নিজস্ব গীতরীতি আছে।
- ভাওয়াইয়া গান ভাবসমৃদ্ধ বিধায় ‘ভাব’ থেকে ‘ভাওয়াইয়া’ কথাটির উৎপত্তি বলে অনুমিত হয়।
- এ গানের মূল সুর নর-নারীর প্রণয়। প্রণয়ের বিচ্ছেদ জ্বালাই এতে অধিক রূপায়িত হয়।
- মৈশাল, গাড়োয়ান, মাহুত প্রমুখ এই প্রণয়গীতির নায়ক।

উৎস: বাংলাপিডিয়া