পরীক্ষা আর্কাইভ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

পরীক্ষাডেইলি কুইজ [২০০ দিন]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন১২
সিলেবাস
অর্থনৈতিক সমীক্ষার কৃষিখাত এবং কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন]

ডেইলি কুইজ [২০০ দিন] · তারিখ অনির্ধারিত · ১২ প্রশ্ন

.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কত?
  1. ক) ৪৪৩.০২ লক্ষ মেট্রিক টন
  2. খ) ৪৫৩.৪৪ লক্ষ মেট্রিক টন
  3. গ) ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন
  4. ঘ) ৪৭০.২৫ লক্ষ মেট্রিক টন
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট খাদ্যশস্য উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিলো ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন।
এর মধ্যে,

আউশ ধান : ৩৪.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন

আমন ধান : ১৫০.৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন

বোরো ধান : ২০৯.৫১ লক্ষ মেট্রিক টন

গম : ১২.২৬ লক্ষ মেট্রিক টন

ভুট্টা : ৫৮.৭৫ লক্ষ মেট্রিক টন।

(তথ্যসূত্র:বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
.
অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে বাংলাদেশ বিশ্বে কততম?
  1. ক) প্রথম
  2. খ) দ্বিতীয়
  3. গ) তৃতীয়
  4. ঘ) পঞ্চম
ব্যাখ্যা
মাছ উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান:

- অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত জলাশয় হতে মাছ আহরণে : তৃতীয়
- চাষকৃত মাছ উৎপাদনে : পঞ্চম
- ইলিশ মাছ উৎপাদনে : প্রথম
- তেলাপিয়া উৎপাদনে : চতুর্থ।

২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে প্রায় ৪৬.২১ লক্ষ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
.
দেশের কৃষিজ জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান কত শতাংশ?
  1. ক) ১২.১৫ শতাংশ
  2. খ) ১৮.৪০ শতাংশ
  3. গ) ২১.৮৩ শতাংশ
  4. ঘ) ৩১.২২ শতাংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের কৃষিজ জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ২১.৮৩ শতাংশ। 
দেশের মোট জিডিপিতে মৎস্য খাতের অবদান ৩.৫৭ শতাংশ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
.
দেশের কোন বিভাগে আবাদী জমির পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) চট্টগ্রাম বিভাগ
  2. খ) ময়মনসিংহ বিভাগ
  3. গ) রংপুর বিভাগ
  4. ঘ) রাজশাহী বিভাগ
ব্যাখ্যা
কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুযায়ী দেশে মোট আবাদী জমি : ২ কোটি ৮১ হাজার একর।

বিভাগ অনুযায়ী সর্বাধিক আবাদী জমি:

- রাজশাহী বিভাগ : ৩২.৬০ লক্ষ একর
- রংপুর বিভাগ : ৩০.৪৯ লক্ষ একর
- ঢাকা বিভাগ : ২৯.৭৪ লক্ষ একর
- চট্টগ্রাম বিভাগ : ২৬.৮৬ লক্ষ একর
- খুলনা বিভাগ : ২৬.৩৮ লক্ষ একর
- বরিশাল বিভাগ : ১৮.৪৮ লক্ষ একর
- ময়মনসিংহ বিভাগ : ১৮.১৬ লক্ষ একর
- সিলেট বিভাগ : ১৮.১ লক্ষ একর।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ : পৃষ্ঠা-৪২৭/৪২৮)
.
নিচের শস্য উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়?
  1. ক) পাট
  2. খ) গম
  3. গ) ধান
  4. ঘ) আলু
ব্যাখ্যা
উল্লিখিত অপশনসমূহের মধ্যে গম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। বাংলাদেশে বার্ষিক গমের চাহিদা ৭০ লক্ষ টনের অধিক। কিন্তু দেশে বার্ষিক গম উৎপাদন হয় ১০-১২ লক্ষ টন। গমের চাহিদার বাকি অংশ বহির্বিশ্ব থেকে আমদানি করতে হয়।

গম ব্যতীত ভুট্টা, সয়াবিন, পেঁয়াজ প্রভৃতি উৎপাদনেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়।

অন্যদিকে,
বাংলাদেশ পাট, ধান ও আলু উৎপাদনে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ।

(তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
.
বছরের কোন সময়ে জাটকা ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ থাকে?
  1. ক) মার্চ থেকে জুলাই
  2. খ) জুন থেকে সেপ্টেম্বর
  3. গ) অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর
  4. ঘ) নভেম্বর থেকে জুন
ব্যাখ্যা
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্যে নভেম্বর মাস থেকে জুন পর্যন্ত আট মাস দেশের নদী ও সাগরে দশ ইঞ্চির কম সাইজের ইলিশ মাছ বা জাটকা আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, ও ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ থাকে।
এছাড়া আশ্বিন ও কার্তিক মাসে মা ইলিশের ডিম ছাড়ার জন্যে ২২ দিন মৎস্য আহরণ নিষিদ্ধ থাকে।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট)
.
নিচের কোন প্রতিষ্ঠানটি কৃষিক্ষেত্রে সার সরবরাহ করে থাকে?
  1. ক) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
  2. খ) বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন
  3. গ) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর
  4. ঘ) বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (BADC) কৃষিক্ষেত্রে কৃষি উপকরণ সরবরাহের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি প্রতিষ্ঠান৷
BADC বিভিন্ন ফসলের উফশী বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক পর্যায়ে মানসম্মত সার সরবরাহ করে থাকে।
১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পূর্ব পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন দেশ স্বাধীনের পর BADC নামধারণ করে। এটির প্রধান কার্যালয় ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ এবং BADC ওয়েবসাইট)
.
বাংলাদেশে উৎপাদিত প্রধান মাছ কোনটি?
  1. ক) রুই
  2. খ) চিংড়ি
  3. গ) ইলিশ
  4. ঘ) পাঙ্গাস
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে উৎপাদিত মাছের মধ্যে প্রধান হলো ইলিশ মাছ।
২০১৯-২০২০ সময়ে ইলিশ মাছ উৎপাদনের পরিমাণ ছিলো ৫.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন যা দেশের মোট উৎপাদিত (৪৫.০৩ লক্ষ টন) মাছের প্রায় ১২.২২ ভাগ।
ইলিশ মাছ উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে প্রথম।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান গ্রন্থ-২০২১)
.
দেশের কোন অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চাষ হয়?
  1. ক) সুনামগঞ্জ অঞ্চল
  2. খ) বরিশাল অঞ্চল
  3. গ) খুলনা অঞ্চল
  4. ঘ) কক্সবাজার অঞ্চল
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সবচেয়ে বেশি চিংড়ি চায় হয়।
দেশের মোট চিংড়ি ঘেরের প্রায় তিন-চতুর্থাংশই এ অঞ্চলে অবস্থিত। চিংড়ি চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ায় খুলনা অঞ্চলকে বাংলাদেশের কুয়েত সিটি বলা হয়।

রপ্তানির মাধ্যমে অধিক পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করায় বাংলাদেশে চিংড়িকে হোয়াইট গোল্ড নামে অভিহিত করা হয়।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
১০.
দেশের কোন জেলায় শস্য নিবিড়তার পরিমাণ সর্বাধিক?
  1. ক) বগুড়া
  2. খ) মেহেরপুর
  3. গ) চুয়াডাঙ্গা
  4. ঘ) কুষ্টিয়া
ব্যাখ্যা
শস্য নিবিড়তা বলতে বুঝায় প্রকৃত চাষের জমির মধ্যে কতটুকু জমি চাষ করা হচ্ছে তার শতকরা আনুপাতিক হারকে। কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ অনুসারে বাংলাদেশে শস্য নিবিড়তা হলো ১৯৮।

জেলা অনুসারে শস্য নিবিড়তা: প্রথম : মেহেরপুর (২৭৮) দ্বিতীয় : চুয়াডাঙ্গা (২৬৪) তৃতীয় : বগুড়া (২৪৩)।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১)
১১.
অর্থনীতির কোন খাতে সর্বাধিক জনশক্তি নিয়োজিত রয়েছে?
  1. ক) শিল্পখাত
  2. খ) পরিবহন খাত
  3. গ) কৃষিখাত
  4. ঘ) সেবাখাত
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে কৃষি সেক্টরে সর্বাধিক শ্রমশক্তি নিয়োজিত।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে বিভিন্ন সেক্টরে নিয়োজিত শ্রমশক্তি:

- কৃষিখাত : ৪০.৬ ভাগ
- সেবাখাত : ৩৯ ভাগ
- শিল্পখাত ২০.৪ ভাগ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২)
১২.
নিচের কোনটি শীতকালীন ফসল?
  1. ক) বোরো ধান
  2. খ) পাট
  3. গ) ভুট্টা
  4. ঘ) আমন ধান
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে ফসল উৎপাদনের প্রধান মৌসুম ২টি।
এগুলো হলো:
- খরিপ বা গ্রীষ্মকালীন মৌসুম
- রবি বা শীতকালীন মৌসুম।

কার্তিক থেকে ফাল্গুন সময় রবি মৌসুম বা শীতকালীন মৌসুম হিসেবে পরিচিত। এসময়ে উৎপন্ন ফসলের মধ্যে বোরো ধান এবং গম প্রধান।
এছাড়া অন্যান্য ফসলের মধ্যে রয়েছে:
- মসুর ডাল
- যব
- সরিষা
- পেঁয়াজ
- মটরশুঁটি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,

- পাট ও আমন ধান গ্রীষ্মকালীন ফসল।
- ভুট্টা মৌসুম নিরপেক্ষ ফসল।

(তথ্যসূত্র: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ-২০২১ এবং কৃষিশিক্ষা বোর্ডবই)