পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়55 minutes
মোট প্রশ্ন৭৬
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৮৬: Full Model Test - 9
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৭৬ প্রশ্ন

.
’বিধ্বস্ত নীলিমা’ কাব্যগ্রন্থের লেখক কে?
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. শামসুর রাহমান
  3. আব্দুল কাদির খান
  4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শামসুর রাহমান
ব্যাখ্যা
• শামসুর রাহমান:
- মূলত আধুনিক কবি হিসেবে পরিচিত।
- কবি শামসুর রাহমানের প্রথম কাব্যগ্রন্থ প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে ১৯৬০ সালে প্রকাশিত হয়।
- প্রথম গ্রন্থেই তিনি তাঁর কবিপ্রতিভার স্বাক্ষর রাখেন।
- মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে শামসুর রাহমান 'মজলুম আদিব' ছদ্মনামে লিখতেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ-
- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে,
- রৌদ্র করোটিতে,
- বিধ্বস্ত নীলিমা,
- বন্দী শিবির থেকে,
- নিরালোকে দিব্যরথ,
- নিজ বাসভূমে,
- উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ,
- বুক তাঁর বাংলাদেশের হৃদয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অক্টোপাস,
- নিয়ত মন্তাজ,
- এলো সে অবেলায়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
.
বাংলা ভাষার উদ্ভব হয়েছে কোন ভাষা থেকে?
  1. সংস্কৃতি
  2. পালি
  3. প্রাকৃত
  4. অপভ্রংশ
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রাকৃত
ব্যাখ্যা
• বাংলা ভাষা:
- পৃথিবীর ভাষাগুলোকে ইন্দো-ইউরোপীয়, চীনা-তিব্বতীয়, আফ্রিকীয়, সেমীয়-হেমীয়, দ্রাবিড়ীয়, অস্ট্রো-এশীয় প্রভৃতি ভাষা-পরিবারে ভাগ করা হয়ে থাকে।
- ইংরেজি, জার্মান, ফরাসি, হিস্পানি, রুশ, পর্তুগিজ, ফারসি, হিন্দি, উর্দু, নেপালি, সিংহলি প্রভৃতি ভাষার মতো বাংলা ভাষাও ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের সদস্য।
- বাংলা ভাষার নিকটতম আত্মীয় অহমিয়া ও ওড়িয়া। ধ্রুপদি ভাষা সংস্কৃত এবং পালির সঙ্গে বাংলা ভাষার রয়েছে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক।
- ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা-পরিবারের আদি ভাষা বহু বিবর্তনের মধ্য দিয়ে বাংলা ভাষায় পরিণত হয়েছে।
- এই বিবর্তনে যেসব গুরুত্বপূর্ণ স্তর বাংলা ভাষাকে অতিক্রম করতে হয়েছে, সেগুলো হলো: ইন্দো-ইউরোপীয়
- ইন্দো-ইরানীয় ভারতীয় আর্য প্রাকৃত বাংলা। আনুমানিক এক হাজার বছর আগে পূর্ব ভারতীয়
- প্রাকৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষার জন্ম হয়েছে। বাংলা ভাষার লিখিত রূপের প্রাচীনতম নিদর্শন 'চর্যাপদ'।

উৎস: ,বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
'চলন্ত ট্রেন থেকে লাফ দিয়ো না' বাক্যটিতে 'চলন্ত' কোন জাতীয় বিশেষণ?
  1. গুণবাচক
  2. বর্ণবাচক
  3. ভাববাচক
  4. অবস্থাবাচক
সঠিক উত্তর:
অবস্থাবাচক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অবস্থাবাচক
ব্যাখ্যা
• বিশেষণ:
- যে শব্দ দিয়ে সাধারণত বিশেষ্য ও সর্বনামের গুণ, দোষ, সংখ্যা, পরিমাণ, অবস্থা ইত্যাদি বোঝায়, তাকে বিশেষণ বলে।
যেমন
সুন্দর ফুল,
বাজে কথা,

• বিশেষণের শ্রেণিবিভাগ:

• বর্ণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে রং নির্দেশ করা হয়, তাকে বর্ণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন: নীল আকাশ, সবুজ মাঠ, লাল ফিতা এখানে 'নীল', 'সবুজ' বা 'লাল' হলো বর্ণবাচক বিশেষণ।

•  গুণবাচক:
- যে বিশেষণ দিয়ে গুণ বা বৈশিষ্ট্য বোঝায়, তাকে গুণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন : চালাক ছেলে, ঠান্ডা পানি এখানে 'চালাক' ও 'ঠান্ডা' হলো গুণবাচক বিশেষণ।

• অবস্থাবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে অবস্থা বোঝায়, তাকে অবস্থাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন:  চলন্ত ট্রেন, তরল পদার্থ- এখানে 'চলন্ত' ও 'তরল' অবস্থাবাচক বিশেষণ।

• ক্রমবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে ক্রমসংখ্যা বোঝায়, তাকে ক্রমবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন: এক টাকা, আট দিন এখানে 'এক' ও 'আট' ক্রমবাচক বিশেষণ।

• পূরণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পূরণসংখ্যা বোঝায়, তাকে পূরণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন: তৃতীয় প্রজন্ম, ৩৪তম অনুষ্ঠান এখানে 'তৃতীয়' ও '৩৪তম' পূরণবাচক বিশেষণ।

• পরিমাণবাচক:
যে বিশেষণ দিয়ে পরিমাণ বা আয়তন বোঝায়, তাকে পরিমাণবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন- আধা কেজি চাল, অনেক লোক এখানে 'আধা কেজি' ও 'অনেক' পরিমাণবাচক বিশেষণ।

• উপাদানবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে উপাদান নির্দেশ করে, তাকে উপাদানবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন: বেলে মাটি, পাথুরে মূর্তি - এখানে 'বেলে' ও 'পাথুরে' উপাদানবাচক বিশেষণ।

• প্রশ্নবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে প্রশ্নবাচকতা নির্দেশিত হয়, তাকে প্রশ্নবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন: কেমন গান? কতক্ষণ সময়? এখানে 'কেমন' ও 'কতক্ষণ' প্রশ্নবাচক বিশেষণ।

• নির্দিষ্টতাবাচক: যে বিশেষণ দিয়ে বিশেষিত শব্দকে নির্দিষ্ট করা হয়, তাকে নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ বলে।
যেমন - এই দিনে, সেই সময় এখানে 'এই' ও 'সেই' নির্দিষ্টতাবাচক বিশেষণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
’অসহায়কে সাহায্য করো।’ নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকের উদাহরণ?
  1. কর্ম কারক
  2. করণ কারক
  3. অপাদান কারক
  4. কর্তা কারক
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কর্ম কারক
ব্যাখ্যা
• কর্ম কারক:
- যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে কর্ম কারক বলে। বাক্যের মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম উভয় ধরনের কর্মই কর্ম কারক হিসেবে গণ্য হয়। সাধারণত মুখ্য কর্ম কারকে বিভক্তি হয় না, তবে গৌণ কর্ম
কারকে '-কে' বিভক্তি হয়।
যেমন:
- সে রোজ সকালে এক প্লেট ভাত খায়।
- শিক্ষককে জানাও।
- অসহায়কে সাহায্য করো।
- রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন সমাজের নানা রকম অন্ধতা, গোঁড়ামি, ও কুসংস্কারকে তীব্র ভাষায় সমালোচনা করে গেছেন।

অন্যদিকে,
• কর্তা কারক:
- ক্রিয়া যার দ্বারা সম্পাদিত হয়, তাকে কর্তাকারক বলে। বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্যই কর্তা কারক। কর্তা কারকে সাধারণত বিভক্তি যুক্ত হয় না।
যেমন:
- আমরা নদীর ঘাট থেকে রিকশা নিয়েছিলাম।

• করণ কারক:
- যার দ্বারা বা যে উপায়ে কর্তা ক্রিয়া সম্পাদন করে, তাকে করণ কারক বলে। এই কারকে সাধারণত 'দ্বারা', 'দিয়ে', 'কর্তৃক' ইত্যাদি অনুসর্গযুক্ত হয়।
যেমন
- ভেড়া দিয়ে চাষ করা সম্ভব নয়।

• অপাদান কারক:
- যে কারকে ক্রিয়ার উৎস নির্দেশ করা হয়, তাকে অপাদান কারক বলে। এই কারকে সাধারণত 'হতে', 'থেকে' ইত্যাদি অনুসর্গ শব্দের পরে বসে।
যেমন
- জমি থেকে ফসল পাই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
’তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।’ কোন ধরনের বাক্য?
  1. যৌগিক বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. সরল বাক্য
  4. মৌলিক বাক্য
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যৌগিক বাক্য
ব্যাখ্যা
’তুমি চেষ্টা করোনি, তাই ব্যর্থ হয়েছ।’ এটি একটি যৌগিক বাক্য।
-------------------------------------------
• যৌগিক বাক্য:
- দুই বা ততোধিক স্বাধীন বাক্য যখন যোজকের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে একটি বাক্যে পরিণত হয়, তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। এবং, ও, আর, অথবা, বা,কিংবা, কিন্তু, অথচ, সেজন্য, ফলে ইত্যাদি যোজক যৌগিক
বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কমা (,), সেমিকোলন (:), কোলন (:), ড্যাশ (-) ইত্যাদি যতিচিহ্নও যোজকের কাজ করে।

যেমন
- হামিদ বই পড়ছে, আর সীমা রান্না করছে।
- সে ঘর ঝাড়ু দিল, ঘর মুছল, তারপর পড়তে বসল।
- অন্ধকার হয়ে এসেছে- বন্ধুরাও মুখ ভার করে রইল।
- তোমরা চেষ্টা করেছ, কিন্তু আশানুরূপ ফল পাওনি এতে দোষের কিছু নেই।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ৯ম-১০ম শ্রেণি, ২০২৫ সালের সংস্করণ।
.
Aeronaut- এর বাংলা পরিভাষা কী?
  1. বিমানঘাঁটি
  2. বৈমানিক
  3. বিমানবিদ্যা
  4. কান্তিবিদ্যা
সঠিক উত্তর:
বৈমানিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বৈমানিক
ব্যাখ্যা
• Aeronaut.- এর বাংলা পরিভাষা = বৈমানিক।

অন্যদিকে,
• Aerodrome.- এর বাংলা পরিভাষা = বিমানঘাঁটি।
• Aeronautics.- এর বাংলা পরিভাষা = বিমানবিদ্যা।
• Aesthetics- এর বাংলা পরিভাষা = কান্তিবিদ্যা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, প্রশাসনিক পরিভাষা।
.
’আকাশ’ শব্দের প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. মর্ত্য
  2. মরুত
  3. অন্তরিক্ষ
  4. ক্ষিতি
সঠিক উত্তর:
অন্তরিক্ষ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অন্তরিক্ষ
ব্যাখ্যা
• ’আকাশ’ শব্দের প্রতিশব্দ = অন্তরিক্ষ।

অন্যদিকে,
• ’পৃথিবী’ শব্দের প্রতিশব্দ = মর্ত্য, ক্ষিতি।
• ’বাতাস’ শব্দের প্রতিশব্দ = মরুত।

উল্লেখ্য,
’আকাশ’ শব্দের প্রতিশব্দসমূহ = গগন, আসমান, অম্বর, ব্যোম, নভ, অন্তরিক্ষ ,দ্যুলোক, নীলিমা।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
নিচের কোন বানানটি সঠিক?
  1. উন্মিলিত
  2. উন্মীলিত
  3. উন্মীলীত
  4. উণ্ণীলিত
সঠিক উত্তর:
উন্মীলিত
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উন্মীলিত
ব্যাখ্যা
• বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে,
শুদ্ধবানান = উন্মীলিত।

শব্দটির উচ্চরণ-উনমিলিতো।
অর্থ:
- বিকশিত;
- প্রস্ফুটিত।
- উম্মোচিত।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
The Latin phrase 'Et alia' means -
  1. Yours faithfully
  2. Open secret
  3. You are
  4. And others
সঠিক উত্তর:
And others
উত্তর
সঠিক উত্তর:
And others
ব্যাখ্যা
• Et alia:
English meaning: and others.
Bangla meaning: এবং অন্যান্য।

Other options,
• Yours faithfully:
- আপনার বিশ্বস্ত।

• Open secret:
- অঘোষিত সত্য

• You are:
- আপনি/তুমি।

Source: Merriam-Webster Dictionary.
১০.
The killing of one's wife -
  1. Herbicide
  2. Uxoricide
  3. Parricide
  4. Homicide
সঠিক উত্তর:
Uxoricide
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Uxoricide
ব্যাখ্যা
Correct answer: খ) Uxoricide.

• Uxoricide:
English meaning: the crime of murdering your wife.
Bangla meaning: স্ত্রীকে হত্যা করা।

Options,
ক) Herbicide:
- a chemical that is used to destroy plants, especially weeds.

গ) Parricide:
- the crime of murdering a close relation, especially a parent.

ঘ) Homicide:
- (an act of) murder.

Source: Cambridge Dictionary.
১১.
The cleaning of the house took all morning. Here, "cleaning" does the function of —
  1. Noun
  2. Verb
  3. Adverb
  4. Adjective
সঠিক উত্তর:
Noun
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Noun
ব্যাখ্যা
The cleaning of the house took all morning. Here, "cleaning" does the function of — Noun.
- বাক্যে শব্দটি মূলত verbal noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
- এখানে “cleaning” শব্দটি ক্রিয়ার -ing রূপ হলেও এটি বাক্যে noun হিসেবে ব্যবহার হয়েছে।
- তাই “cleaning” এখানে noun.

• Verbal Noun:
- কোন বাক্যের Verb + ing - এর পুর্বে the এবং পরে of থাকলে তাকে Verbal Noun বলে।
- The + verb+ing + of = verbal noun.
- Verbal Noun দ্বারা Noun এর কাজ সম্পন্ন হয়।

• নিয়মানুযায়ী, প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে cleaning এর পূর্বে the ও পরে of বসেছে, তাই এটি verbal noun হয়েছে।
১২.
Downpour means -
  1. To slip down the road
  2. A long period of drought
  3. A strong wind blowing
  4. A lot of rain in a short time
সঠিক উত্তর:
A lot of rain in a short time
উত্তর
সঠিক উত্তর:
A lot of rain in a short time
ব্যাখ্যা
• Downpour: [noun]
English meaning: a lot of rain in a short time.
Bangla meaning: (সাধারণত singular) প্রচুর বৃষ্টিপাত ইত্যাদি।

Example:
- The rains were so heavy prior to the final downpour and flooding that the flood plains were already saturated.

Source: Cambridge Dictionary.
১৩.
She’s very sprightly for her age. Here 'sprightly' -
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Verb
সঠিক উত্তর:
Adjective
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Adjective
ব্যাখ্যা
She’s very sprightly for her age. Here 'sprightly' - Adjective.
- এখানে “sprightly” শব্দটি ব্যক্তির স্বভাব বা আচরণ বর্ণনা করছে — অর্থাৎ, সে খুব উৎসাহী, প্রাণবন্ত এবং চঞ্চল (despite her age).
- “Sprightly” হচ্ছে adjective, কারণ এটি “She” (subject) কে বর্ণনা করছে।

• Sprightly: [adjective]
English meaning: full of life and energy.
Bangla meaning: প্রাণচঞ্চল; চটপটে।

Example:
- She’s very sprightly for her age.

Source: Oxford Dictionary.
১৪.
They look forward ____ the seminar next week.
  1. to joining
  2. joining
  3. to join
  4. to have joined
সঠিক উত্তর:
to joining
উত্তর
সঠিক উত্তর:
to joining
ব্যাখ্যা
Correct sentence: They look forward to joining the seminar next week.

• Use of Look forward:
- Look forward এর পরে 'to' preposition থাকে, তাই এর পর verb এর ing রূপ (V+ing) আসে।

• More Example:
- We look forward to hearing from you.
- She is looking forward to visiting her grandparents.

এছাড়াও, বাক্যে mind, cannot help, could not help, with a view to, be used to, get used to, worth ইত্যাদির পর কোনো Verb আসলে উক্ত Verb এর সাথে ing যুক্ত হয়।
যেমন:
- He came to Dhaka with a view to visiting a new place.
- Would you mind closing the door?
- I don't mind taking a cup of tea.
- He cannot help laughing out loud.

Options,
খ) joining – “to” বাদ পড়েছে, তাই ভুল।
গ) to join – “to” এর পরে base verb (join) নয়, gerund (joining) দরকার।
ঘ) to have joined – structure ও tense অনুযায়ী এটি অনুপযুক্ত।

Source: Applied English Grammar and Composition, P.C. DAS.
১৫.
Who said the quote, "Judges like Caesar's wife should be above suspicion"?
  1. William Shakespeare
  2. Sir William Blackstone
  3. Benjamin Disraeli
  4. Bowen LJ
সঠিক উত্তর:
Bowen LJ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Bowen LJ
ব্যাখ্যা
• "Judges like Caesar's wife should be above suspicion"- This is phrased by - Bowen LJ.
- এই উক্তিটি বোঝাতে চায় যে, বিচারকদের চরিত্র এমন হওয়া উচিত যেন তারা কোনও সন্দেহের ঊর্ধ্বে থাকেন।

• আলোচ্য উক্তিটি একটি Proverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। Registration (1889) L.R 43 C.D 385 মামলার রায়ে প্রিভি কাউন্সিলের সাবেক সদস্য বিখ্যাত আইনবিদ Bowen L J বলেন- "Judges like Caesar's wife should be above suspicion" যার অর্থ- বিচারকদেরও Caesar'র স্ত্রীর মতো সকল প্রকার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকা উচিত।

• এ উক্তিটির প্রেক্ষাপট হচ্ছে- Julius Caesar -এর স্ত্রী Pomeia'র সাথে Puilus Cloudius -এর অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক আছে- এমন অভিযোগে আদালত কর্তৃক Puilus Cloudius-কে Death Sentence তথা মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয় এবং Julius Caesar তার স্ত্রী Pomeia-কে Divorce দেন। যদিও অভিযোগটির বিষয়ে Julius Caesar-এর কাছে যথেষ্ট Evidence ছিল না। আদালত অভিযোগের বিষয়ে Julius Caesar-কে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, "Caesar's wife should be above suspicion." যার অর্থ- Caesar'র স্ত্রীকে সকল প্রকার সন্দেহের উর্ধ্বে থাকতে হবে।
১৬.
"Justice delayed is Justice denied." - It was stated by -
  1. Bacon
  2. Gladstone
  3. Emerson
  4. Disraeli
সঠিক উত্তর:
Gladstone
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Gladstone
ব্যাখ্যা
• "Justice delayed is justice denied"- This line is stated by Gladstone.
 
• William Ewart Gladstone is a former Prime Minister of the United Kingdom.
- His famous quote about the judiciary is 'Justice delayed is justice denied.'
 
• His other famous quotes are:
- National injustice is the surest road to national downfall.
- You cannot fight against the future.
- Time is on its side.
- Justice delayed is justice denied.
 
Source: Britannica.com and Sparkes notes.
১৭.
একটি মুদ্রাকে তিনবার নিক্ষেপ করা হল। তিনবারই H (Head) আসার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/4
  2. 1/7
  3. 1/8
  4. 4/7
সঠিক উত্তর:
1/8
উত্তর
সঠিক উত্তর:
1/8
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: একটি মুদ্রাকে তিনবার নিক্ষেপ করা হল। তিনবারই হেড আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
মুদ্রা তিনবার নিক্ষেপ করলে সম্ভাব্য ফলাফলগুলো হবে:
= HHH, HHT, HTH, HTT, THH, THT, TTH, TTT
মোট সম্ভাব্য ফলাফল = 8 টি 

এর মধ্যে সর্বাধিক 3 বার Head আসলে ফলাফল হয় = HHH অর্থাৎ 1 টি 

মুদ্রাকে 3 বার নিক্ষেপ করা হলে সর্বাধিক বার Head আসার সম্ভাবনা = 1/8
১৮.
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৩৬ বছর। পিতা, মাতা ও মেয়ের বয়সের গড় ২৯ বছর হলে মেয়ের বয়স কত?
  1. ১৪ বছর 
  2. ১৫ বছর 
  3. ১২ বছর 
  4. ১৭ বছর 
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর 
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ বছর 
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৩৬ বছর। পিতা, মাতা ও মেয়ের বয়সের গড় ২৯ বছর হলে মেয়ের বয়স কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পিতা ও মাতার বয়সের গড় ৩৬ বছর
∴ পিতা ও মাতার মোট বয়স = ৩৬ × ২ = ৭২ বছর

পিতা, মাতা ও মেয়ের বয়সের গড় ২৯ বছর
∴ পিতা, মাতা ও মেয়ের মোট বয়স = ২৯ × ৩ = ৮৭ বছর

অতএব, 
মেয়ের বয়স = (৮৭ - ৭২) বছর = ১৫ বছর
১৯.
মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল কত?
  1. ০.১ মিলি সেকেন্ড
  2. ১০ সেকেন্ড
  3. ১০০ মিলি সেকেন্ড
  4. ০.০০১ সেকেন্ড
সঠিক উত্তর:
১০০ মিলি সেকেন্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০ মিলি সেকেন্ড
ব্যাখ্যা
• মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল ০.১ সেকেন্ড। 

• শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল:
- মানুষের শ্রবণ অনুভূতির স্থায়িত্বকাল (Persistence of Hearing) হল সেই সময়কাল যখন শব্দের উৎস বন্ধ হয়ে যাওয়ার পরেও সেই শব্দের রেশ মস্তিষ্কে থেকে যায়।
- এই সময়সীমা প্রায় ০.১ সেকেন্ড (100 মিলিসেকেন্ড)।

• যদি দুটি শব্দ ০.১ সেকেন্ডের মধ্যে আসে, তবে আমরা সেটিকে একটি শব্দ হিসেবেই শুনি। 
• দুইটি শব্দ আলাদাভাবে শুনতে হলে দুইটি শব্দের মাঝে কমপক্ষে ০.১ সেকেন্ড ব্যবধান দরকার। 
• কোনো শব্দ যদি প্রতিফলিত হয়ে ০.১ সেকেন্ডের পরে আমাদের কানে ফিরে আসে, তবেই আমরা আলাদা প্রতিধ্বনি শুনতে পাই।
•  প্রতিধ্বনি শোনার জন্য প্রতিফলক পৃষ্ঠ কমপক্ষে ১৬.৫ মিটার দূরে থাকা প্রয়োজন।

তথ্যসূত্র:
- মাধ্যমিক পদার্থবিজ্ঞান, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।
২০.
A ও B কেন্দ্রবিশিষ্ট দুইটি বৃত্ত O বিন্দুতে বহিস্থভাবে স্পর্শ করেছে। ∠AOB এর মান কত?
  1. ৯০°
  2. ১২০°
  3. ১৮০°
  4. ৩৬০°
সঠিক উত্তর:
১৮০°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৮০°
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: A ও B কেন্দ্রবিশিষ্ট দুইটি বৃত্ত O বিন্দুতে বহিস্থভাবে স্পর্শ করেছে। ∠AOB এর মান কত?

সমাধান:

A ও B কেন্দ্রবিশিষ্ট দুইটি বৃত্ত O বিন্দুতে বহিস্থভাবে স্পর্শ করলে ,
বৃত্তদ্বয়ের কেন্দ্র ও স্পর্শবিন্দুকে সংযুক্ত করে সরলরেখা আঁকা হলে সরলরেখাটিতে AOB সরল কোণ তৈরি হয়। 
AOB কোণ সরল কোণ হওয়ায় কোণের মান হবে ১৮০° । 

∴ ∠AOB = ১৮০°
২১.
কোন প্রাণীটিতে মেরুদণ্ড অনুপস্থিত?
  1. কুমির
  2. তাঁরামাছ
  3. পাখি
  4. সাপ
সঠিক উত্তর:
তাঁরামাছ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
তাঁরামাছ
ব্যাখ্যা
• তাঁরামাছে মেরুদণ্ড অনুপস্থিত।

• মেরুদণ্ডী প্রাণী: 
- যে সকল কর্ডেট প্রাণীদের দেহে মেরুদণ্ড থাকে তাদেরকে মেরুদণ্ডী প্রাণী বলা হয়। সাধারনত Chordata পর্বের Vertebrata উপ-পর্বের প্রাণীদেরকে মেরুদণ্ডী প্রাণী বলা হয়। 
- যেমন- কুমির, পাখি, সাপ। 

অন্যদিকে,
• অমেরুদণ্ডী প্রাণী:
- যে সকল প্রাণীদের দেহে মেরুদণ্ড থাকে না তাদেরকে অমেরুদণ্ডী প্রাণী বলা হয়।

 তাঁরামাছ একটি অমেরুদণ্ডী প্রাণী (Invertebrate), যার দেহে কোনো মেরুদণ্ড (Vertebral column) নেই।

• তাঁরামাছের বৈশিষ্ট্য:
- এটি একাইনোডারমেটা (Echinodermata) পর্বের অন্তর্গত।
- সমুদ্র তারার (sea star)  বা তাঁরা মাছের কারনেই Echinodermata পর্ব সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পেয়েছে।
- এরা  ত্রিস্তরী, প্রকৃত-সিলোমেট ও অঙ্গ-তন্ত্র মাত্রার গঠন সম্বলিত প্রজাতি। সকল একাইনোডার্ম সদস্যের ন্যায় এরাও কাঁটাময় ত্বকবিশিষ্ট।
- ত্বকের নিচে শায়িত চুনময় অন্তঃকঙ্কাপিক প্লেট (calcareous endoskeletal plates) থেকে এসব কাঁটা উদগত হয়। কাঁটাগুলো বহিঃকঙ্কাল, আর প্লেটগুলো হচ্ছে অন্তঃকঙ্কাল। 

তথ্যসূত্র:
- জীববিজ্ঞান ২য় পত্র, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণী; গাজী আজমল।
২২.
log10 (0.001) = x হলে x এর মান কত?
  1. - 2
  2. - 3
  3. 1/2
  4. - 1/3
সঠিক উত্তর:
- 3
উত্তর
সঠিক উত্তর:
- 3
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: log10 (0.001) = x হলে x এর মান কত?

সমাধান:
log10 (0.001) = x
⇒ 10x = 0.001
⇒ 10x = 1/1000
⇒ 10x = 1/103
⇒ 10x = 10- 3
⇒ x = - 3
২৩.
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ কত নং সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
  1. ৬ নং
  2. ৪ নং
  3. ৭ নং
  4. ৮ নং
সঠিক উত্তর:
৮ নং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ নং
ব্যাখ্যা
• বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ: 
- জন্ম: ২৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৩৬। 
- গ্রাম: মহিষখোলা, উপজেলা: নড়াইল সদর, জেলা: নড়াইল।
- প্রথমে যোগদান: স্থানীয় আনসার বাহিনীতে।
- পরে যোগদান: ১৪ মার্চ, ১৯৫৯ → পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস (EPR).
- প্রশিক্ষণ শেষে পোস্টিং: দিনাজপুর সেক্টরে।
- ১৯৭০ সালে: যশোর সেক্টর হেডকোয়ার্টারে বদলি।
- ১৯৭১ সালের মার্চ: ছুটি কাটাতে এসে মুক্তিযুদ্ধে যোগদান।
- সেক্টর: ৮ নং।
- দায়িত্ব: একটি স্থায়ী টহল দলের নেতৃত্বে।
- শহীদ হওয়া: তারিখ: ৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭১।
- সমাহিত: কাশীপুর সীমান্ত এলাকায়, সহযোদ্ধাদের মাধ্যমে।
- উপাধি: “বীরশ্রেষ্ঠ” (বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান)।

অন্যদিকে,
- মুন্সি আব্দুর রউফ: ১নং সেক্টর।
- সিপাহী মোস্তফা কামাল: ২নং সেক্টর।
- সিপাহী হামিদুর রহমান: ৪নং সেক্টর।
- ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর: ৭নং সেক্টর। 
- ইঞ্জিনরুম আর্টিফিসার রুহুল আমীন: ১০নং সেক্টর।
- ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান: কোনো সেক্টরের অধীনে ছিলেন না।

 উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৪.
বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অংশ নেয় কবে?
  1. ১৯৭৪ সালে
  2. ১৯৮৮ সালে
  3. ১৯৯৫ সালে
  4. ২০০০ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৮৮ সালে
ব্যাখ্যা
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন ও বাংলাদেশ:
- ১৯৮৮ সালে বাংলাদেশ প্রথম জাতিসংঘ শান্তিরক্ষায় অংশ নেয়।
- প্রথম অংশগ্রহণ করা মিশন: UNIIMOG.
- ১৯৮৮ সালের ইউএন ইরান ও ইরাক মিলিটারি অবজারভেশন গ্রুপ (ইউনিমগ) মিশনে মাত্র ১৫ জন সেনা পর্যবেক্ষক প্রেরণের মাধ্যমে এ অগ্রযাত্রার সূচনা হয়।
- পরবর্তী বছর অর্থ্যাৎ ১৯৮৯ সালে বাংলাদেশ পুলিশ শান্তি রক্ষা মিশনে অংশ নেয়।
- বাংলাদেশ বর্তমানে শীর্ষ শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী দেশ হিসাবে ৯টি জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালন করছে।
- জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা প্রচেষ্টায় বাংলাদেশের ভূমিকাকে সম্মান দেখিয়ে পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরা লিওন বাংলাকে একটি সরকারী ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

উৎস: UN Peacekeeping এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
২৫.
যুক্তরাজ্যের আইনসভার উচ্চকক্ষের নাম কী?
  1. হাউজ অব লর্ডস
  2. ন্যাশনাল পার্লামেন্ট
  3. হাউজ অব রিপ্রেজেনটেটিভ
  4. হাউজ অব কমন্স
সঠিক উত্তর:
হাউজ অব লর্ডস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাউজ অব লর্ডস
ব্যাখ্যা
• যুক্তরাজ্যের পার্লামেন্ট:
- যুক্তরাজ্যের পালামেন্ট দুই কক্ষবিশিষ্ট।
- উচ্চকক্ষ হলো হাউস অব লর্ডস।
- হাউজ অব লর্ডস ৭৯৩ জন সদস্য।
- এবং নিম্নকক্ষ হলো হাউস অব কমন্স।
- হাউস অব কমন্সের সদস্যরা জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে পাঁচ বছরের জন্যে নির্বাচিত হয়।
- এর আসন সংখ্যা ৬৫০টি।

অন্যদিকে,
- যুক্তরাষ্ট্রের আইন সভার নাম কংগ্রেস।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভ হলো যুক্তরাষ্ট্রের আইনসভার নিম্নকক্ষ।
- হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস ৪৩৫ জন সদস্য।
- সিনেট উচ্চ কক্ষ।

উৎস: যুক্তরাজ্য পার্লামেন্ট এবং ব্রিটানিকা।
২৬.
২০২৫- ২০২৬ অর্থবছরের উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত-
  1. শিক্ষা খাত
  2. পরিবহন ও যোগাযোগ
  3. স্বাস্থ্য খাত
  4. বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাত
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পরিবহন ও যোগাযোগ
ব্যাখ্যা
২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট:
- ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দ পাওয়া খাতসমূহ,
- মোট বাজেট: মোট ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা।
- প্রথম অবস্থানে জনপ্রশাসন (পরিচালন ও উন্নয়ন বাজেট মিলিয়ে)।
- দ্বিতীয় অবস্থানে শিক্ষা ও প্রযুক্তি ।
- তৃতীয় অবস্থানে পরিবহন ও যোগাযোগ ।
- উন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: পরিবহন ও যোগাযোগ।
- বরাদ্দ: ৫৮,৭৫১ কোটি টাকা
- অউন্নয়ন বাজেটে সর্বোচ্চ বরাদ্দপ্রাপ্ত খাত: সুদ।
- মাথাপিছু আয়: ২,৮২০ মার্কিন ডলার (বিবিএস অনুযায়ী)।
- মাথাপিছু বরাদ্দ: ৪৬,৪৭০ টাকা।
- বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP): ২,৩০,০০০ কোটি টাকা।
- অনুমানিত মূল্যস্ফীতির হার: ৬.৫%।

উৎস:  জাতীয় বাজেট ২০২৫-২৬ অর্থবছর।
২৭.
ঢাকার ঐতিহাসিক বড় কাটরা নির্মাণ করেন কে?
  1. শায়েস্তা খান
  2. ইসলাম খান
  3. শাহজাদা সুজা
  4. মীর আবুল কাশেম
সঠিক উত্তর:
শাহজাদা সুজা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শাহজাদা সুজা
ব্যাখ্যা
বড় কাটরা:
- বড় কাটরা, ঢাকা মুগল রাজধানী ঢাকার চক বাজারের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর পাড়ে অবস্থিত।
- মধ্য এশিয়ার ক্যারাভান সরাই-এর ঐতিহ্য অনুসরণে নির্মিত।
- বড় কাটরা দারুণভাবে সুরক্ষিত এবং মুগল রাজকীয় স্থাপত্য-রীতির সকল বৈশিষ্ট্যের উপস্থিতি বিদ্যমান।
- বড় কাটরায় ফারসি ছন্দোবদ্ধ পংক্তিযুক্ত দুটি শিলালিপি আছে।
- এর একটিতে উৎকীর্ণ আছে যে, ইমারতটি ১০৫৩ হিজরিতে (১৬৪৩-৪৪ খ্রি) নির্মিত এবং অন্যটিতে আছে ১০৫৫ হিজরিতে (১৬৪৫-৪৬ খ্রি) নির্মিত।
- শাহজাদা সুজা বড় কাটড়া নির্মাণ করেন।

অন্যদিকে,
- ছোট কাটড়া নির্মাণ করেন শায়েস্তা খান।

উৎস: বাংলাপিডিয়া।
২৮.
কোন শ্রেণির বিচারক মৃত্যুদণ্ড প্রদান করতে পারেন না?
  1. দায়রা জজ
  2. যুগ্ম দায়রা জজ
  3. অতিরিক্ত দায়রা জজ
  4. খ এবং গ উভয়
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যুগ্ম দায়রা জজ
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারী কার্যবিধির ৩১ ধারা- হাইকোর্ট ও দায়রা জজ যেসব দণ্ড দিতে পারেন:
(১) হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।
(২) দায়রা জজ বা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন; তবে এরূপ কোন মৃত্যুদণ্ড প্রদান করলে তা হইকোর্ট ডিভিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে হবে।
(৩) যুগ্ম দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড বা দশ বৎসরের অধিক কারাদণ্ড ব্যতিরেকে আইনে অনুমোদিত যে কোন দণ্ড দিতে পারেন।

অর্থাৎ, যুগ্ম দায়রা জজের দণ্ড প্রদানের সীমা আছে। তিনি কেবল ১০ বছরের মধ্যে যেকোনো কারাদণ্ড, অর্থদণ্ড ইত্যাদি দিতে পারেন — কিন্তু মৃত্যুদণ্ড প্রদানের এখতিয়ার নেই।

⇒ The Code of Criminal Procedure, 1898, Section 31: Sentences which High Court Division and Sessions Judges may pass:
(1) The High Court Division] may pass any sentence authorized by law.
(2) A Sessions Judge or Additional Sessions Judge may pass any sentence authorized by law; but any sentence of death passed by any such Judge shall be subject to confirmation by the High Court Division.
(3) An Joint Sessions Judge may pass any sentence authorized by law, except a sentence of death or of transportation for a term exceeding ten years or of imprisonment for a term exceeding ten years.
২৯.
ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ অনুযায়ী, মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরিত হলে কাকে অবহিত করতে হয়?
  1. অভিযুক্তকে
  2. আদালতের রেজিস্ট্রারকে
  3. পাবলিক প্রসিকিউটরকে
  4. অভিযোগকারীকে
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পাবলিক প্রসিকিউটরকে
ব্যাখ্যা
⇒ ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ২০৫গ:
যখন কোনো মামলার সূত্রপাত পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোনো উপায়ে হয়, এবং আসামি ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে হাজির হয় বা আনা হয়, তখন যদি ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে মনে হয় যে উক্ত অপরাধটি এককভাবে দায়রা আদালতে (Court of Session) বিচারযোগ্য, তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট নিম্নোক্ত কাজসমূহ করবেন:
(ক) মামলাটি দায়রা আদালতে পাঠাবেন;
(খ) এই বিধি অনুযায়ী জামিন বা রিমান্ড সংক্রান্ত বিধানসমূহ অনুসারে, আসামিকে বিচার চলাকালীন ও বিচারের সমাপ্তি পর্যন্ত হেফাজতে (custody) রাখার আদেশ দিতে পারবেন;
(গ) মামলার নথিপত্র, এবং প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপনের জন্য যেসব দলিল ও বস্তু রয়েছে, তা দায়রা আদালতে প্রেরণ করবেন;
(ঘ) মামলাটি দায়রা আদালতে স্থানান্তরের বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলিকে (Public Prosecutor) অবহিত করবেন।
৩০.
The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮ তে নতুন কোন ধারা যুক্ত করা হয়েছে?
  1. ধারা ১৭১ক
  2. ধারা ১৭২ক
  3. ধারা ১৭৩ক
  4. ধারা ১৭৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ১৭৩ক
ব্যাখ্যা
‘ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮’ সংশোধন করে ১০ জুলাই, ২০২৫ নতুন অধ্যাদেশ “The Code of Criminal Procedure (Amendment) Ordinance, 2025” জারি করা হয়। সংশোধিত আইনে যুক্ত হয়েছে ধারা ১৭৩ক।

ধারা ১৭৩ক: 
১. অন্তর্বর্তী তদন্ত প্রতিবেদন: অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদন তলব: এখন থেকে মামলার তদন্ত চলাকালে যেকোনো পর্যায়ে পুলিশ কমিশনার, জেলার পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট বা সমমর্যাদার কোনো ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে (Investigating Officer) মামলার অগ্রগতির বিষয়ে একটি অন্তর্বর্তীকালীন তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়ার নির্দেশ দিতে পারবেন।

২. আগাম অব্যাহতির সুযোগ: অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনে যদি কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশে সেই প্রতিবেদন আদালতে (ম্যাজিস্ট্রেট বা ট্রাইব্যুনাল) দাখিল করা যাবে। আদালত ওই প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সন্তুষ্ট হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে মামলা থেকে অব্যাহতি (Discharge) দিতে পারবেন। এর ফলে চূড়ান্ত প্রতিবেদনের জন্য অপেক্ষা না করেই নিরপরাধ ব্যক্তিরা হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন। তবে, অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে তদন্ত অব্যাহত থাকবে।

৩. পুনরায় অভিযুক্ত করা যাবে: অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তি অব্যাহতি পেলেও সেটি চূড়ান্ত নয়। যদি তদন্ত শেষে সেই ব্যক্তির বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত ও বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে চূড়ান্ত পুলিশ প্রতিবেদনে (ধারা ১৭৩ অনুযায়ী) তার নাম পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করতে কোনো বাধা থাকবে না।
৩১.
দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারায় কোন অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হয়েছে?
  1. মারামারি
  2. জালিয়াতি
  3. আক্রমণ
  4. অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আক্রমণ
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ৩৫১ ধারার বিধান- আক্রমণ:
- কোন ব্যক্তি যদি এই উদ্দেশ্য নিয়ে বা এটা জানা সত্ত্বেও এমন কোন অঙ্গভঙ্গি করে বা কোন প্রস্তুতি গ্রহণ করে যে, তাতে হাজির কোন ব্যক্তির ভয় হয় যে, যে ব্যক্তি উক্ত অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে, সে ব্যক্তি উক্ত হাজির ব্যক্তির উপর অপরাধমূলক বল প্রয়োগ করতে উদ্যত হয়েছে, তবে প্রথমোক্ত ব্যক্তি আক্রমণ করেছে বলে পরিগণিত হয়।

ব্যাখ্যা: কেবলমাত্র মুখের কথা আক্রমণ বলে পরিগণিত হয় না। কিন্তু কোন ব্যক্তির ব্যবহৃত কথাগুলি তার অঙ্গভঙ্গিকে বা প্রস্তুতিকে এমন অর্থপূর্ণ করতে পারে, যার কারণে তার অঙ্গভঙ্গি বা প্রস্তুতি আক্রমণ বলে পরিগণিত হতে পারে।

উদাহরণ:
(ক) 'ক', 'চ'-এর প্রতি মুষ্টি উত্তোলন করে। ইহার ফলে 'চ' যাতে বিশ্বাস করে যে 'ক' তাকে আঘাত করতে উদ্যত হয়েছে, সে জন্যই 'ক' তা করে অথবা ইহার ফলে এইরূপ: হতে পারে জানা সত্ত্বেও তা করে । 'ক' আক্রমণ করেছে।

অন্যান্য অপশন:
দণ্ডবিধির ১৫৯ ধারা -মারামারি।
দণ্ডবিধির ৩৫০ ধারা - অপরাধমূলক বলপ্রয়োগ।
দণ্ডবিধির ৪৬৩ ধারা -জালিয়াতি।
৩২.
সাক্ষ্য আইনের ১৩৩ ধারা অনুসারে, যদি শুধুমাত্র দুষ্কর্মের সহযোগীর সাক্ষ্যের ভিত্তিতে আসামীকে দণ্ড দেওয়া হয়, তাহলে ঐ দণ্ড-
  1. বেআইনী হবে
  2. বাতিলযোগ্য হবে
  3. আপিলযোগ্য হবে না
  4. বেআইনী হবে না
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেআইনী হবে না
ব্যাখ্যা
• সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩- দুষ্কর্মের সহযোগী:
আসামীর বিরুদ্ধে দুষ্কর্মের সহযোগী সাক্ষ্য দেয়ার উপযুক্ত ব্যক্তি বলে পরিগণিত হবেন। আসামীকে দুষ্কর্মের সহযোগীর অসমর্থিত সাক্ষ্যের ভিত্তিতে সাজা দেয়া হলে, শুধুমাত্র সে কারণে ঐ সাজা বেআইনী হবে না।
 
Section 133- Accomplice:
An accomplice shall be a competent witness against an accused person; and a conviction is not illegal merely because it proceeds upon the uncorroborated testimony of an accomplice.

⇒ একজন সহ-অভিযুক্ত ব্যক্তি যখন সাক্ষ্য দেয়, তখন তা সাধারণত বিচারকদের কাছে সন্দেহের চোখে দেখা হয়। সাক্ষীর বক্তব্য এককভাবে বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে পারে না, যতক্ষণ না তা অন্যান্য সাক্ষ্য ও প্রমাণের সঙ্গে মিল রেখে প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশেষত, ফৌজদারি কার্যবিধির ধারা ৩৩৭ এবং সাক্ষ্য আইনের ধারা ১৩৩ অনুসারে, একজন অভিযুক্ত ব্যক্তি একই মামলায় অপর আসামিদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে পারেন। তবে, তার বক্তব্যে অসঙ্গতি থাকলে সেটিকে অতিরিক্ত সতর্কতার সাথে বিবেচনা করতে হয়।

এছাড়া, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ধারা ১৫-এর অধীনে এই বিধানটি সুস্পষ্টভাবে উল্লেখিত। ট্রাইব্যুনালের আইনের আলোকে, এপ্রুভার বা রাজসাক্ষী হতে হলে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে অবশ্যই নিজের অপরাধ স্বীকার করে সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত অন্যান্য ব্যক্তিদের সম্পর্কে নিরপেক্ষ ও প্রাসঙ্গিক তথ্য প্রদান করতে হয়। এর বিনিময়ে তার বিরুদ্ধে চলমান মামলায় শাস্তি লঘু করা বা কিছু ক্ষেত্রে দণ্ড মওকুফের সুযোগ থাকতে পারে।
৩৩.
রফিক একজন নিরপরাধ ব্যক্তির বিরুদ্ধে আদালতে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়, যেন তাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এতে দণ্ডবিধির কোন ধারা প্রযোজ্য?
  1. ১৯২ ধারা
  2. ১৯৪ ধারা
  3. ১৯৭ ধারা
  4. ২০১ ধারা
সঠিক উত্তর:
১৯৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯৪ ধারা
ব্যাখ্যা
⇒ দণ্ডবিধির ১৯৪ ধারার বিধান- মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যে মিথ্যা সাক্ষ্যদান বা মিথ্যা সাক্ষ্য তৈরি করা:
কোন ব্যক্তি যদি মিথ্যা সাক্ষ্যদান করে বা তৈরি করে এবং তদ্বারা কাউকে বর্তমানে বলবৎ কোন আইনবলে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় কোন অপরাধে দণ্ডিত করানোর উদ্দেশ্যেই তা করে থাকে কিংবা তার এইরূপ মিথ্যা সাক্ষ্য দান বা তৈরি করার ফলে কাউকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধে দণ্ডিত করা হতে পারে জেনেই যদিও তা করে থাকে, তবে সে ব্যক্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত যে কোন মেয়াদের সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে; তাকে অর্থদণ্ডেও দণ্ডিত করা হবে।

⇒ যদি তার ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ডে সাজাপ্রাপ্ত হয় এবং সাজা বলবৎ হয়:
যদি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যের ফলে কোন নির্দোষ ব্যক্তি সাজাপ্রাপ্ত হয় ও সাজা বলবৎ হয়, তবে যে ব্যক্তি অনুরূপ মিথ্যা সাক্ষ্যদান করেছে, সে ব্যক্তি হয় মৃত্যুদণ্ডে, না হয় এই ধরায় ইতোপূর্বে বর্ণিত সাজায় সাজাপ্রাপ্ত হবে।
৩৪.
যদি ডাকাতির সময় কেবল একজন খুন করে, তবে বাকিদের বিচার কীভাবে হবে?
  1. কেবল ডাকাতির জন্য দণ্ডিত হবে
  2. খুনের অভিযোগ থেকে মুক্ত হবে
  3. তাদের বিচার আলাদা হবে
  4. সবাই খুনসহ ডাকাতির জন্য সমভাবে দায়ী হবে
সঠিক উত্তর:
সবাই খুনসহ ডাকাতির জন্য সমভাবে দায়ী হবে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবাই খুনসহ ডাকাতির জন্য সমভাবে দায়ী হবে
ব্যাখ্যা
দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারা অনুযায়ী যদি পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলে ডাকাতি করার সময় তাদের মধ্যে কেউ খুন করে, তাহলে সকল ব্যক্তি দণ্ডনীয় হবে। এই অপরাধের জন্য আদালত নিম্নলিখিত শাস্তি প্রদান করতে পারে:
- মৃত্যুদণ্ড, অথবা
- যাবজ্জীবন কারাদণ্ড, অথবা
- ১০ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড, এবং অর্থদণ্ড।

⇒ দণ্ডবিধির ৩৯৬ ধারার বিধান- খুনসহকারে ডাকাতি:
যদি মিলিতভাবে ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি, যে কোন একজন অনুরূপ ডাকাতি অনুষ্ঠানকালে খুন করে, তবে তাদের প্রত্যেকে মৃত্যুদণ্ডে অথবা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে, অথবা দশ বৎসর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবে এবং তদুপরি অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হবে।
৩৫.
সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২-এর ৭৪ ধারায় কোন দলিলসমূহকে “সরকারি দলিল” বলা হয়েছে?
  1. ব্যক্তিগত দলিল
  2. ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
  3. বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের নথি
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রাইব্যুনালের কার্যাবলির রেকর্ড
ব্যাখ্যা
⇒ সাক্ষ্য আইন, ১৮৭২: ৭৪ ধারার বিধান- সরকারি দলিল:
নিম্নলিখিত দলিলসমূহ সরকারি দলিল (Public Documents) হিসেবে গণ্য হবে—
(১) যে সকল দলিল নিম্নলিখিত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কার্যাবলির অংশ বা রেকর্ড হিসেবে গঠিত:
(i) সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের,
(ii) সরকারি সংস্থা ও ট্রাইব্যুনালের, এবং
(iii) বাংলাদেশের বা কমনওয়েলথের বা বিদেশের কোনো অংশের আইন প্রণয়নকারী, বিচার বিভাগীয় বা শাসন বিভাগীয় সরকারি কর্মকর্তার।
(২) বাংলাদেশে সরকারিভাবে সংরক্ষিত ব্যক্তিগত দলিলের লিপিবদ্ধ রেকর্ড।
--------
⇒ The Evidence Act, 1872: Section- 74. Public documents:
The following documents are public documents:– 
(1) documents forming the acts or records of the acts- 
(i) of the sovereign authority, 
(ii) of official bodies and tribunals, and 
(iii) of public officers, legislative, judicial and executive of any part of Bangladesh or of the Commonwealth, or of a foreign country; 
(2) public records kept in Bangladesh of private documents.
৩৬.
UD Case সাধারণত কোন ধরণের মৃত্যুর জন্য রুজু করা হয়?
  1. আত্মহত্যা
  2. দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত
  3. সন্দেহজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
UD Case:
প্রাকৃতিক নিয়মের বাহিরে (যেমনঃ আত্মহত্যা, দূর্ঘটনা, খুন ইত্যাদি, অথবা এইরূপ পরিস্থিতিতে) মারা গেছে যার ফলে যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ হতে পারে যে অপর কোন ব্যক্তি মৃত্যু ঘটিয়েছে, এ রকম কোন মৃত্যুর জন্য থানায় যে মামলা রুজু করা হয় তাকে অপমৃত্যু মামলা বা Unnatural Death Case বলে।

পুলিশ কর্মকর্তা B.P. Form No. 48-এ তথ্যটি রেকর্ড করেন এবং ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ১৭৪ ধারা এবং পুলিশ রেগুলেশন অব বেঙ্গল, ১৯৪৩ এর ২৯৯ বিধি অনুযায়ী অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা (UD Case) শুরু করেন।

ফৌজদারি কার্যবিধির, ১৮৯৮ এর ধারা ১৭৪: আত্মহত্যা ইত্যাদি সম্পর্কে পুলিশ কর্তৃক তদন্ত ও প্রতিবেদন:
১. যদি পুলিশ স্টেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো পুলিশ অফিসার জানতে পারেন যে কোনো ব্যক্তি-
(ক) আত্মহত্যা করেছে, অথবা
(খ) অপর কোনো ব্যক্তি, পশু, যন্ত্রপাতি বা দুর্ঘটনার মাধ্যমে নিহত হয়েছে, অথবা
(গ) এমন পরিস্থিতিতে মারা গেছে যা থেকে সন্দেহ হয় যে কেউ অপরাধ করেছে,
তাহলে তিনি অবিলম্বে নিকটবর্তী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করবেন, যিনি ইনকোয়েস্ট (মৃতদেহ পরীক্ষার তদন্ত) পরিচালনায় ক্ষমতাপ্রাপ্ত।

২. এরপর, যদি সরকারের কোনো নির্দেশ বা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের কোনো সাধারণ/বিশেষ আদেশ না থাকে, তাহলে তিনি ঘটনাস্থলে যাবেন এবং এলাকার অন্তত দুইজন গণ্যমান্য ব্যক্তির উপস্থিতিতে তদন্ত করবেন এবং মৃত্যুর কারণ সম্পর্কিত একটি রিপোর্ট তৈরি করবেন। রিপোর্টে শরীরে থাকা আঘাত, ক্ষত বা অন্য কোনো চিহ্নের বর্ণনা এবং এগুলো কীভাবে বা কী অস্ত্র দ্বারা সৃষ্ট হয়েছে তা উল্লেখ করা হবে।
বিশেষ নির্দেশ: যদি মৃত্যুর কারণ শত্রুপক্ষের আক্রমণ হয়, তাহলে সরকারের নির্দেশ ছাড়া এই ধরনের তদন্ত ও প্রতিবেদন বাধ্যতামূলক নয়।

৩. প্রতিবেদনটি সংশ্লিষ্ট পুলিশ অফিসার এবং অন্যান্য সাক্ষীদের দ্বারা স্বাক্ষরিত হবে (যারা একমত), এবং তা জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট পাঠানো হবে।

৪. যদি মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে সন্দেহ থাকে, বা পুলিশ অফিসার মনে করেন যে ময়নাতদন্ত প্রয়োজন, তবে তিনি নিকটস্থ সিভিল সার্জন বা সরকার কর্তৃক নিযুক্ত যোগ্য চিকিৎসকের কাছে মৃতদেহ পাঠাবেন, যদি আবহাওয়া ও দূরত্বজনিত কারণে মৃতদেহ নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা না থাকে।

৫. ইনকোয়েস্ট করার ক্ষমতা রাখেন:
- জেলা ম্যাজিস্ট্রেট;
- বা সরকার/জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অন্য কোনো নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
৩৭.
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৩৫ক অনুযায়ী, মিথ্যা দাবির ক্ষেত্রে আদালত কত টাকা পর্যন্ত ক্ষতিপূরণমূলক খরচ আদায়ের আদেশ দিতে পারে?
  1. ২০,০০০ টাকা
  2. ২৫,০০০ টাকা
  3. ৩০,০০০ টাকা
  4. ৫০,০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫০,০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure (CPC) এর ধারা ৩৫ক: মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষার জন্য ক্ষতিপূরণমূলক খরচ:
(১) যদি কোনো মোকদ্দমা বা অন্য কোনো কার্যধারা (যেমনঃ পরিপালন কার্যধারা), যা আপিল নয়, তাতে কোনো পক্ষ কোনো দাবি বা প্রতিরক্ষার (বা তার কোনো অংশের) বিরুদ্ধ অভিযোগ করেন যে, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষা মিথ্যা বা হয়রানিমূলক, এবং পরবর্তীতে যদি সেই দাবি বা প্রতিরক্ষা আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়, তাহলে আদালত, উক্ত দাবি বা প্রতিরক্ষাকে মিথ্যা বা হয়রানিমূলক বলিয়া ঘোষণার কারণসমূহ লিখিতভাবে উল্লেখ করিয়া, অভিযোগকারী পক্ষকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে খরচ প্রদানের আদেশ দিবে, যা আদালতের আর্থিক এখতিয়ার অতিক্রম না করিয়া, সর্বোচ্চ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত হইতে পারিবে।

(২) এই ধারায় যাহার বিরুদ্ধে খরচ প্রদানের আদেশ দেওয়া হইবে, সে ব্যক্তি কেবল উক্ত আদেশের কারণে তার দায়িত্বরত কোনো ফৌজদারি দায় হইতে অব্যাহতি পাইবেন না, যদি তিনি মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা প্রদান করেন।

(৩) এই ধারায় প্রদত্ত খরচের পরিমাণ পরবর্তীকালে ক্ষতিপূরণ বা ক্ষতির দাবিতে দায়েরকৃত যেকোনো মোকদ্দমায় বিবেচনায় নেওয়া হইবে, যদি সেই মোকদ্দমা একই মিথ্যা বা হয়রানিমূলক দাবি বা প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত হয়।

⇒ আগে মামলা-মোকদ্দমা অপ্রয়োজনে দায়ের করে হয়রানি করলে আদালত সর্বোচ্চ ২০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরণ আদায় করতে পারত। বর্তমানে Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 এর মাধ্যমে আদালত ৫০,০০০/- টাকা ক্ষতিপূরনের আদেশ দিতে পারবেন।
৩৮.
According to Section 26(2) of the Code of Civil Procedure, 1908, facts shall be proved by ___________ in every plaint.
  1. evidence
  2. affidavit
  3. witness
  4. statement
সঠিক উত্তর:
affidavit
উত্তর
সঠিক উত্তর:
affidavit
ব্যাখ্যা
Section 26 of the Code of Civil Procedure, 1908: Institution of suits:
(1) Every suit shall be instituted by the presentation of a plaint or in such other manner as may be prescribed.
(2) In every plaint, facts shall be proved by affidavit.

দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর ধারা ২৬: মোকদ্দমা দায়েরের পদ্ধতি:
(১) প্রত্যেক দেওয়ানি মোকদ্দমা আরজি দাখিলের মাধ্যমে বা বিধি দ্বারা নির্ধারিত অন্য কোনো উপায়ে দায়ের করতে হবে।
(২) প্রতিটি আরজিতে উল্লিখিত তথ্যসমূহ অবশ্যই এফিডেভিট (শপথপত্র) দ্বারা প্রমাণ করতে হবে।
৩৯.
আপীল বা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য তামাদির মেয়াদ গণনায় কোন সময় বাদ দিতে হবে?
  1. মামলা দায়েরের দিন
  2. শুধু রায় ঘোষণার দিন
  3. শুধু নকল গ্রহণের সময়
  4. রায় ঘোষণার দিন এবং নকল গ্রহণের সময়
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার দিন এবং নকল গ্রহণের সময়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রায় ঘোষণার দিন এবং নকল গ্রহণের সময়
ব্যাখ্যা
⇒ তামাদি আইনের ১২ ধারা- আইনানুগ কার্যধারায় যেই পরিমাণ সময় গণনা হইতে বাদ দিতে হইবে:
(১) কোন মামলা আপীল বা দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেইদিন হইতে উক্ত মেয়াদ গণনা করিতে হইবে সেই দিন বাদ দিতে হইবে।
(২) কোন আপীল, আপীলের অনুমতির দরখাস্ত অথবা রায় পুনরীক্ষণের দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, যেই রায় সম্পর্কে অভিযোগ করা হইবে তাহা যেইদিন ঘোষণা করা হইয়াছে সেইদিন এবং যে ডিক্রী, দন্ডাদেশ বা আদেশ সম্পর্কে আপীল করা হইবে বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হইবে, তাহার নকল গ্রহণ করিতে যেইসময় আবশ্যক, তাহা বাদ দিতে হইবে।
(৩) যেইক্ষেত্রে ডিক্রী সম্পর্কে আপীল বা পুনরীক্ষণের প্রার্থনা করা হয়, সেইক্ষেত্রে উক্ত ডিক্রী যে রায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত সেই রায়ের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহাও বাদ দিতে হইবে।
(৪) কোন রোয়েদাদ নাকচ করিবার দরখাস্তের জন্য নির্ধারিত তামাদির মেয়াদ গণনা করিতে, রোয়েদাদের নকল লইতে যে সময় লাগে, তাহা বাদ দিতে হইবে।
-----------
⇒ The Limitation Act, 1908, Section- 12. Exclusion of time in legal proceedings:
(1) In computing the period of limitation prescribed for any suit, appeal or application, the day from which such period is to be reckoned shall be excluded. 
(2) In computing the period of limitation prescribed for an appeal, an application for leave to appeal and an application for a review of judgment, the day on which the judgment complained of was pronounced, and the time requisite for obtaining a copy of the decree, sentence or order appealed from or sought to be reviewed, shall be excluded. 
(3) Where a decree is appealed from or sought to be reviewed, the time requisite for obtaining a copy of the judgment on which it is founded shall also be excluded. 
(4) In computing the period of limitation prescribed for an application to set aside an award, the time requisite for obtaining a copy of the award shall be excluded.
৪০.
সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারা অনুসারে, চুক্তির বৃহত্তর অংশটির জন্য আদালত কী ধরনের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. চুক্তি বাতিল
  2. সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন
  3. আর্থিক ক্ষতিপূরণ
  4. নতুন চুক্তি সম্পাদন
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদন
ব্যাখ্যা
⇒ সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইনের ১৪ ধারার বিধান: কোন চুক্তির যদি দুটো অংশ থাকে, যার মধ্যে একটা বৃহত্তর, অন্যটা ক্ষুদ্রতর এবং চুক্তিভুক্ত এক পক্ষ যদি বৃহত্তর অংশটুকু পালন করতে সমর্থ হয় এবং ক্ষুদ্রতর অংশটি অর্থের দ্বারা ক্ষতিপূরণযোগ্য হয়; তাহলে আদালত চুক্তিভুক্ত যে কোন এক পক্ষের মামলা দায়েরক্রমে বৃহত্তর অংশটি সুনির্দিষ্টভাবে সম্পাদনের, এবং ক্ষুদ্রতর অংশটির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের নির্দেশ দিতে পারবেন।

The Specific Relief Act, 1877, Section 14: Specific performance of part of contract where part unperformed is small:
Where a party to a contract is unable to perform the whole of his part of it, but the part which must be left unperformed bears only a small proportion to the whole in value, and admits of compensation in money, the Court may, at the suit of either party, direct the specific performance of so much of the contract as can be performed, and award compensation in money for the deficiency.
৪১.
'অর্থ পরিশোধের ডিক্রির কার্যকরিতে কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী নারীকে গ্রেফতার বা আটক করা যাবে না'- দেওয়ানি কার্যিবিধির কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ৫২
  2. ধারা ৫৪
  3. ধারা ৫৬
  4. ধারা ৫৮
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৫৬
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৫৬– অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকরে নারীদের গ্রেফতার বা আটক নিষিদ্ধ:
এই অধ্যায়ে অন্য যেই কিছুই বলা থাকুক না কেন, আদালত কোনো বৃদ্ধা, দুর্বল, গর্ভবতী বা স্তন্যদানকারী নারীকে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যনির্বাহে দেওয়ানি কারাগারে আটক বা গ্রেফতারের আদেশ প্রদান করতে পারবে না।

[Notwithstanding anything in this Part, the Court shall not order the arrest or detention in the civil prison of an old, infirm, pregnant or breast-feeding woman in execution of a decree for the payment of money.]
৪২.
Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৯, বিধি ১৩ অনুসারে সর্বোচ্চ কয়বার Ex Parte ডিক্রি বাতিল করা যাবে?
  1. ১ বার
  2. ২ বার
  3. ৩ বার
  4. যতবার প্রয়োজন
সঠিক উত্তর:
১ বার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ বার
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure, 1908 এর আদেশ ৯, বিধি ১৩ (Ex Parte ডিক্রি বাতিল সংক্রান্ত বিধান):
(১) যেসব মামলায় কোনো বিবাদীর বিরুদ্ধে একতরফা (ex parte) ডিক্রি প্রদান করা হয়, সে ক্ষেত্রে সেই বিবাদী উক্ত ডিক্রি প্রদানকারী আদালতে একটি দরখাস্তের মাধ্যমে ডিক্রি বাতিলের আবেদন করতে পারবে। যদি সে আদালতকে সন্তুষ্ট করতে পারে যে, সমন যথাযথভাবে প্রদান করা হয়নি, অথবা বৈধ কোনো কারণে সে মামলার শুনানির সময় হাজির হতে ব্যর্থ হয়েছিল,
তবে আদালত ডিক্রিটি তার বিরুদ্ধে বাতিল করার আদেশ দিবে, এবং উপযুক্ত মনে করলে খরচ, আদালতে অর্থ জমা ইত্যাদির শর্তে তা করতে পারবে। সেইসাথে, আদালত মামলাটির পরবর্তী শুনানির জন্য একটি তারিখ নির্ধারণ করবে।

তবে শর্ত থাকে যে, যদি ডিক্রিটি এমন প্রকৃতির হয় যে তা শুধুমাত্র সেই এক বিবাদীর বিরুদ্ধে বাতিল করা যায় না, তাহলে তা সব বা যেকোনো বিবাদীর বিরুদ্ধেই বাতিল করা যেতে পারে।

আরও শর্ত থাকে যে, কোনো বিবাদীর অনুরোধে একবারের বেশি একই ডিক্রি এই বিধান অনুসারে বাতিল করা যাবে না।

(২) এই আদেশের অধীনে দাখিলকৃত আবেদনপত্রের ক্ষেত্রে তামাদি আইন, ১৯০৮ এর ধারা ৫ প্রযোজ্য হবে (যা দেরিতে আবেদন করার কারণ ব্যাখ্যার সুযোগ দেয়।
৪৩.
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২১ এর কত বিধিতে অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকর করার বিশেষ বিধান সংযুক্ত করা হয়েছে?
  1. বিধি ৩০
  2. বিধি ৩০ক
  3. বিধি ৩১
  4. বিধি ৩১ক
সঠিক উত্তর:
বিধি ৩০ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিধি ৩০ক
ব্যাখ্যা
দেওয়ানি কার্যবিধি, ১৯০৮ এর আদেশ ২১, বিধি ৩০ক- অর্থ পরিশোধের ডিক্রি কার্যকর করার জন্য বিশেষ বিধান: 
(১) এই বিধিতে যা কিছুই বলা থাকুক না কেন, ডিক্রিপ্রাপ্ত ব্যক্তির (decree-holder) আবেদনক্রমে, আদালত রায়প্রাপ্ত ব্যক্তিকে (judgment-debtor) সিভিল কারাগারে আটক রাখার আদেশ দিতে পারে- যতদিন না সম্পূর্ণ বা আংশিক বকেয়া ডিক্রির অর্থ পরিশোধ করা হয় বা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত, এর মধ্যে যেটি আগে ঘটে।

(২) এই বিধি অনুযায়ী সিভিল কারাগারে আটক রায়প্রাপ্ত ব্যক্তির জীবিকা নির্বাহের জন্য যে খরচ হবে, তা সরকার বহন করবে।

(৩) নিম্নোক্ত রায়প্রাপ্ত ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে সিভিল কারাগারে আটক রাখার বিধান প্রযোজ্য হবে না:
- যিনি অপ্রাপ্তবয়স্ক,
- মানসিক ভারসাম্যহীন,
- যথাযথ আদালতের মাধ্যমে দেউলিয়া ঘোষিত,
- অথবা যিনি মূল রায়প্রাপ্ত ব্যক্তির মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে প্রতিস্থাপিত হয়েছেন।

(৪) যদি রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি কারাগারে থাকাকালীন ডিক্রির মোট অর্থের ন্যূনতম ২৫% পরিশোধ করেন এবং বাকি অর্থ ৬০ দিনের মধ্যে পরিশোধের জন্য একটি বন্ড দেন, তাহলে আদালত তাকে মুক্তি দেবে। তবে যদি বন্ড অনুযায়ী বাকি অর্থ প্রদান না করা হয়, তাহলে তাকে পুনরায় সিভিল কারাগারে আটক করা যেতে পারে, এবং তা সর্বোচ্চ ছয় মাস পর্যন্ত হতে পারে।

(৫) যদি কোনো রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি উপ-নিয়ম (১) বা (৪) অনুযায়ী পূর্ণ মেয়াদে সিভিল কারাগারে আটক থাকেন, তাহলে তাকে একই ডিক্রির আওতায় বা একই ডিক্রি থেকে উদ্ভূত অন্য কোনো কার্যক্রমে পুনরায় আটক করা যাবে না।

(৬) যদি রায়প্রাপ্ত ব্যক্তি পুরো বা আংশিক সময়ের জন্য সিভিল কারাগারে আটক থাকেন, তবুও তিনি ডিক্রির বাকি অর্থ পরিশোধ থেকে অব্যাহতি পাবেন না।

⇒ এই বিধান Code of Civil Procedure (Amendment) Ordinance, 2025 দ্বারা সংযুক্ত করা হয়েছে।
৪৪.
দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ এর বিধি ১ অনুসারে, আদালত কখন তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারে?
  1. যখন মামলার শুনানি শেষ হয়
  2. যখন পক্ষগণ আপসে মীমাংসা করেন
  3. যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী হন
  4. যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন
সঠিক উত্তর:
যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যখন পক্ষগণ কোনো আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন
ব্যাখ্যা
⇒ দেওয়ানি কার্যবিধির আদেশ ১৫ বিধি ১ অনুসারে,
প্রথম শুনানিতে যদি পক্ষগণ কোন প্রশ্নে বিরোধী না হন, তাহলে আদালত তৎক্ষণাৎ রায় ঘোষণা করতে পারেন। এটি তখন ঘটে যখন পক্ষগণ কোন আইনগত বা তথ্যগত প্রশ্নে বিরোধী না হন এবং তাদের মধ্যে কোনো বিতর্ক নেই।

⇒ The Code of Civil Procedure, 1908- ORDER-XV, Rule-1 :Parties not at issue.
- Where at the first hearing of a suit it appears that the parties are not at issue on any question of law or of fact, the Court may at once pronounce judgment.
৪৫.
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর কত ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান আছে?
  1. ৯ ও ১০ ধারা
  2. ১০ ও ১৩ ধারা
  3. ১১ ও ১৪ ধারা
  4. ২১ ও ২৪ ধারা
সঠিক উত্তর:
১১ ও ১৪ ধারা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১১ ও ১৪ ধারা
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ১১ ও ১৪ ধারায় বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে। এই আইনে ২ ধরনের উপায়ে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তির বিধান করা হয়েছে-
১. আপোষ (Compromise) বা
২. মীমাংসা (Reconciliation)।

ধারা ১১- বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।ণ(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।
(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।
(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

ধারা ১৪- বিচারের সমাপ্তি:
(১) পারিবারিক আদালত, সকল পক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হইবার পর, উভয় পক্ষের মধ্যে আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠার জন্য পুনরায় প্রচেষ্টা চালাইবে।
(২) উপধারা (১) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে, আদালত রায় ঘোষণা করিবে এবং উক্ত রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে অথবা অনধিক ৭ (সাত) দিনের মধ্যে রায় সম্পর্কে পক্ষগণ বা তাহাদের প্রতিনিধি বা আইনজীবীগণকে যথাযথ নোটিশ প্রদান করিতে হইবে ও ডিক্রি প্রদত্ত হইবে।
৪৬.
Code of Civil Procedure-এর কোন ধারায় আদালত 'Compliance Report' দাখিলের নির্দেশ দিতে পারে?
  1. ধারা ৯২
  2. ধারা ৯৩
  3. ধারা ৯৪
  4. ধারা ৯৪ক
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৯৪ক
ব্যাখ্যা
Code of Civil Procedure, 1908 এর ধারা ৯৪ক: আদেশ বা ডিক্রি কার্যকরকরণে নির্দেশ:
"কোনো ডিক্রি বা আদেশ কার্যকর করার উদ্দেশ্যে, আদালত নির্বাহী কর্তৃপক্ষসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাসমূহকে আদালত কর্তৃক মনোনীত ব্যক্তিকে সহায়তা করার জন্য এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকরির প্রতিবেদন (compliance report) দাখিলের নির্দেশ দিতে পারবে।"

94A- Direction in execution of orders, etc
For the purpose of execution of any decree or order, the Court may direct the executive authorities, including law enforcement agencies, to assist any person designated by it and to submit compliance report within the time specified by it.
৪৭.
“মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ” নিশ্চিত করা হবে- এটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের অংশ?
  1. জাতীয়তাবাদ
  2. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
  3. গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
  4. সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গণতন্ত্র ও মানবাধিকার
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ১১- গণতন্ত্র ও মানবাধিকার:
প্রজাতন্ত্র হইবে একটি গণতন্ত্র, যেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকিবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হইবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হইবে৷

⇒ সংবিধানের ১১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র, যেখানে-
- মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে,
- মানবসত্তার মর্যাদা রক্ষা করা হবে,
এবং প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে।
৪৮.
সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি সংরক্ষণের কথা বলা হয়েছে?
  1. ২৩
  2. ২৩ক
  3. ২৪
  4. ২৫
সঠিক উত্তর:
২৩ক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
২৩ক
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ২৩ক অনুচ্ছেদ: উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের সংস্কৃতি:
রাষ্ট্র বিভিন্ন উপজাতি, ক্ষুদ্র জাতিসত্তা, নৃ-গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অনন্য বৈশিষ্ট্যপূর্ণ আঞ্চলিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্য সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও বিকাশের ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন।

অন্যদিকে,
- ২৩ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় সংস্কৃতি। 
- ২৪ নং অনুচ্ছেদ : জাতীয় স্মৃতিনিদর্শন, প্রভৃতি।
- ২৫ নং অনুচ্ছেদ : আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন।
৪৯.
নিম্নের কোন শর্তে রাষ্ট্র সংবিধানের ৪৩ অনুচ্ছেদে উল্লিখিত অধিকার সীমিত করতে পারে?
  1. জনশৃঙ্খলা
  2. জনস্বাস্থ্য
  3. রাষ্ট্রের নিরাপত্তা
  4. উল্লিখিত সব
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উল্লিখিত সব
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৩ নাগরিকদের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অধিকার নিশ্চিত করে:
- গৃহে নিরাপত্তার অধিকার (তল্লাশি বা আটক হতে নিরাপদ থাকা);
- যোগাযোগের গোপনতা রক্ষা (চিঠিপত্র ও অন্যান্য মাধ্যমের গোপনীয়তা);

- তবে এই অধিকারগুলো আইনের মাধ্যমে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, জনশৃঙ্খলা, নৈতিকতা বা জনস্বার্থে যুক্তিসঙ্গতভাবে সীমিত করা যেতে পারে।
৫০.
"Nemo judex in causa sua" নীতিটি মূলত কোন বিচারিক মূলনীতির সঙ্গে সম্পর্কিত?
  1. শাস্তির মাত্রা নির্ধারণ
  2. ন্যায়বিচারে বিলম্ব
  3. অপরাধের অভিপ্রায়
  4. ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ন্যায়বিচারের নিরপেক্ষতা
ব্যাখ্যা
Legal Maxim: Nemo judex in causa sua
- Meaning (English): No one should be a judge in his own cause.
- বাংলা অর্থ:"কেউ নিজের মামলার বিচারক হতে পারে না।"

ব্যাখ্যা:
"Nemo judex in causa sua" একটি ন্যায়বিচারের মৌলিক নীতি। এই নীতির মূল লক্ষ্য ন্যায়বিচারে পক্ষপাতিত্ব থেকে বিরত থাকা। যদি কোনো ব্যক্তি নিজে কোনো মামলা বা বিরোধের পক্ষভুক্ত হন, তাহলে সে সেই মামলার বিচার করলে নিরপেক্ষতা থাকবে না। এতে ন্যায়বিচার লঙ্ঘিত হয়।

যদি কোনো বিচারক এমন একটি মামলার বিচার করেন যেখানে তার নিজের স্বার্থ জড়িত থাকে (যেমন: তার আত্মীয়পক্ষ মামলায় জড়িত), তাহলে সেটি "Nemo judex in causa sua" নীতির লঙ্ঘন হবে।
৫১.
According to Section 21 of the General Clauses Act, 1897, the power to make rules includes the power to:
  1. Only issue new rules
  2. Only interpret existing rules
  3. Punish for non-compliance
  4. Add to, amend, vary or rescind rules
সঠিক উত্তর:
Add to, amend, vary or rescind rules
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Add to, amend, vary or rescind rules
ব্যাখ্যা
⇒ The General Clauses Act, 1897, Section 21: Power to make to include power to add to, amend, vary or rescind, orders, rules or bye-laws:
Where, by any Act of Parliament or Regulation, a power to issue notifications, orders, rules, or bye-laws is conferred, then that power includes a power, exercisable in the like manner and subject to the like sanction and conditions (if any), to add to, amend, vary or rescind any notifications, orders, rules or bye-laws so issued.

The General Clauses Act, 1897 এর ২১ ধারার বিধান: আদেশ, বিধি বা উপ-আইন প্রণয়নের ক্ষমতা, সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে-
যেক্ষেত্রে সংসদের কোন আইন বা প্রবিধি দ্বারা প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-বিধি জারীর কোন ক্ষমতা অর্পণ করা হয়, সেই ক্ষেত্রে উক্ত ক্ষমতা একইভাবে প্রয়োগযোগ্য এবং অনুরূপ অনুমোদন ও শর্তাবলি (যদি থাকে), জারীকৃত কোন প্রজ্ঞাপন, আদেশ, বিধি বা উপ-আইনের সংযোজন, সংশোধন, পরিবর্তন বা তা বাতিলের ক্ষমতাকে অন্তর্ভুক্ত করবে।
৫২.
সংসদ গঠনের জন্য কতজন সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হন?
  1. ২৫০
  2. ২৭৫
  3. ৩০০
  4. ৩৫০
সঠিক উত্তর:
৩০০
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০০
ব্যাখ্যা
সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী-
৬৫(১) - জাতীয় সংসদ গঠনের ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সম্পর্কে বলা হয়েছে।
৬৫(২) - ৩০০ সদস্য প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচিত হবেন একক আঞ্চলিক এলাকাসমূহ থেকে।
৬৫(৩) - পঞ্চাশটি মহিলা আসন সংরক্ষণের বিধান।
৬৫(৩ক) - পঞ্চদশ সংশোধন অনুযায়ী তৎকালীন সংসদের জন্য সংরক্ষিত মহিলা আসনের অন্তর্ভুক্তি।
৬৫(৪) - সংসদের আসন রাজধানীতে থাকবে।

সংবিধনের ৬৫ অনুচ্ছেদ- সংসদ-প্রতিষ্ঠা:
(১) "জাতীয় সংসদ" নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন-ক্ষমতা সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে:
তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ-আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

(২) একক আঞ্চলিক নির্বাচনী এলাকাসমূহ হইতে প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে আইনানুযায়ী নির্বাচিত তিন শত সদস্য লইয়া এবং এই অনুচ্ছেদের (৩) দফার কার্যকরতাকালে উক্ত দফায় বর্ণিত সদস্যদিগকে লইয়া সংসদ গঠিত হইবে; সদস্যগণ সংসদ-সদস্য বলিয়া অভিহিত হইবেন।

 (৩) সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) আইন, ২০১৮ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অব্যবহিত পরবর্তী সংসদের প্রথম বৈঠকের তারিখ হইতে শুরু করিয়া পঁচিশ বৎসরকাল অতিবাহিত হইবার অব্যবহিত পরবর্তীকালে সংসদ ভাংগিয়া না যাওয়া পর্যন্ত পঞ্চাশটি আসন কেবল মহিলা-সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকিবে এবং তাঁহারা আইনানুযায়ী পূর্বোক্ত সদস্যদের দ্বারা সংসদে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পদ্ধতির ভিত্তিতে একক হস্তান্তরযোগ্য ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হইবেন:
তবে শর্ত থাকে যে, এই দফার কোন কিছুই এই অনুচ্ছেদের (২) দফার অধীন কোন আসনে কোন মহিলার নির্বাচন নিবৃত্ত করিবে না।

(৩ক) সংবিধান (পঞ্চদশ সংশোধন) আইন, ২০১১ প্রবর্তনকালে বিদ্যমান সংসদের অবশিষ্ট মেয়াদে এই অনুচ্ছেদের (২) দফায় বর্ণিত প্রত্যক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত তিন শত সদস্য এবং (৩) দফায় বর্ণিত পঞ্চাশ মহিলা-সদস্য লইয়া সংসদ গঠিত হইবে।

(৪) রাজধানীতে সংসদের আসন থাকিবে।
৫৩.
প্রধান বিচারপতিকে কে নিয়োগ দেন?
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. আইনমন্ত্রী
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
অনুচ্ছেদ ৯৫(১): বিচারক-নিয়োগ:
প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। অন্যান্য বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির পরামর্শ গ্রহণ করেন।

৯৫(২): বিচারক হতে হলে –
- বাংলাদেশি নাগরিক হতে হবে।
- সুপ্রিম কোর্টে অন্তত ১০ বছর অ্যাডভোকেট হিসেবে প্র্যাকটিস করতে হবে, অথবা
- বিচার বিভাগে অন্তত ১০ বছর পদে অধিষ্ঠান করতে হবে।

৯৫(৩):
"সুপ্রিম কোর্ট" বলতে সংবিধান প্রবর্তনের পূর্বে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমায় হাইকোর্ট হিসেবে কাজ করা কোনো আদালতও অন্তর্ভুক্ত হবে।
৫৪.
'Nullum crimen sine lege' means-
  1. Let the buyer beware.
  2. No crime without a law.
  3. Ignorance of the law is no excuse.
  4. The act does not make a person guilty unless the mind is also guilty.
সঠিক উত্তর:
No crime without a law.
উত্তর
সঠিক উত্তর:
No crime without a law.
ব্যাখ্যা
ল্যাটিন ম্যাক্সিম: Nullum crimen sine lege
- Meaning (English): No crime without a law.
অর্থ: আইন ছাড়া কোনো অপরাধ নয়।

ব্যাখ্যা: এটি দণ্ডবিধি ও ফৌজদারি ন্যায়বিচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি। এই নীতির দ্বারা বোঝানো হয়, কোনো ব্যক্তিকে কোনো কাজের জন্য অপরাধী ঘোষণা করা যাবে না, যদি সেই কাজটি সেই সময় প্রচলিত আইনে অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত না থাকে।

বাকি অপশনগুলো:
ক) Let the buyer beware. → Caveat emptor.
গ) Ignorance of the law is no excuse. → Ignorantia juris non excusat.
ঘ) The act does not make a person guilty unless the mind is also guilty. → Actus non facit reum nisi mens sit rea.
৫৫.
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল চুক্তি প্রথমে কার নিকট পেশ করতে হবে?
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. জাতীয় সংসদ
  4. পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাষ্ট্রপতি
ব্যাখ্যা
সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪৫(ক) অনুযায়ী,
বিদেশের সাথে সম্পাদিত সকল আন্তর্জাতিক চুক্তি রাষ্ট্রপতির কাছে পেশ করতে হবে এবং তিনি তা সংসদে পেশ করার ব্যবস্থা করবেন।

বিশেষ শর্ত:
যদি কোনো চুক্তি জাতীয় নিরাপত্তার সাথে জড়িত হয়, তাহলে তা সংসদের গোপন বৈঠকে পেশ করতে হবে।
৫৬.
রফিক, 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির মালিক। সে 'ক' বাড়িটি ৩০ হাজার টাকায় করিমকে রেহেন দেয় এবং পরবর্তীতে 'খ' বাড়িটি ৬০ হাজার টাকায় একই ব্যক্তি করিমকে রেহেন দেয়। এক্ষেত্রে রফিক 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির রেহেন কীভাবে উদ্ধার করতে পারে?
  1. পৃথকভাবে উদ্ধার করতে হবে
  2. একই সাথে উদ্ধার করতে হবে
  3. করিমের ইচ্ছানুযায়ী উদ্ধার করতে হবে
  4. পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে
সঠিক উত্তর:
পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে
ব্যাখ্যা
• The Transfer of Property Act,1882 এর ধারা ৬১: পৃথক ভাবে বা একই সাথে রেহেনমুক্ত করার অধিকার-
একজন রেহেনদাতা যখন তার দুই বা ততোধিক সম্পত্তি একই রেহেনগ্রহীতার নিকট রেহেন দেয় এবং উক্ত দুই বা ততোধিক সম্পত্তির অর্থ পরিশোধের সময় হয় তখন রেহেনদাতা এই ধারার অধীন রেহেনী সম্পত্তি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে উদ্ধার করতে পারে।

- এই ধারায় Doctrine of Consolidation প্রতিফলিত হয়েছে।

উদাহরণ:
রফিক, 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ির মালিক। সে 'ক' বাড়িটি ৩০ হাজার টাকায় করিমকে রেহেন দেয় এবং পরবর্তীতে 'খ' বাড়িটি ৬০ হাজার টাকায় একই ব্যক্তি করিমকে রেহেন দেয়। এক্ষেত্রে রফিক চাইলে 'ক' এবং 'খ' দুটি বাড়ি পৃথক পৃথকভাবে বা একই সাথে রেহেন উদ্ধার করতে পারে। 

Section 61: Right to redeem separately or simultaneously-
A mortgagor who has executed two or more mortgages in favour of the same mortgagee shall, in the absence of a contract to the contrary, when the principal money of any two or more of the mortgagees has become due, be entitled to redeem any one such mortgage separately, or any two or more of such mortgages together.
৫৭.
SAT Act, 1950 এর ৯২ ধারা অনুসারে, উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত জমি কত বছর ধারাবাহিক চাষাবাদ না করলে জমির উপর রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে?
  1. ১ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৭ বছর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫ বছর
ব্যাখ্যা
The State Acquisition and Tenancy Act, 1950-এর ধারা ৯২ অনুসারে কোনো জোত বা হোল্ডিং-এ একজন রায়তের স্বার্থ বিলোপ হতে পারে, নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে-
(ক) যখন তিনি কোনো উইল না রেখে (অতীবাহিত মৃত্যু) মারা যান এবং তাঁর উত্তরাধিকারী আইন অনুসারে উত্তরাধিকার লাভের যোগ্য না থাকেন;

(খ) যখন তিনি কোনো কৃষি বর্ষের শেষে রাজস্ব কর্মকর্তাকে নির্ধারিত ফরম, নিয়ম এবং সময়ে নোটিশ দিয়ে নিজের হোল্ডিং বা জমি স্বেচ্ছায় হস্তান্তর করেন;

(গ) যখন তিনি বকেয়া খাজনা পরিশোধের কোনো ব্যবস্থা না করে নিজের বাসস্থান স্বেচ্ছায় ত্যাগ করেন এবং নিজে অথবা তাঁর পরিবারের সদস্য বা কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৩ বছর পর্যন্ত নিজের হোল্ডিং বা জমি চাষাবাদ বন্ধ রাখেন;

(ঘ) যখন রায়তের জমি উত্তরাধিকার সূত্রে এমন একজন ব্যক্তির কাছে যায়, যিনি প্রকৃত চাষী নন এবং তিনি নিজে বা তাঁর পরিবারের সদস্য, কর্মচারী, শ্রমিক, অংশীদার বা বর্গাদারের সাহায্যে ধারাবাহিকভাবে ৫ বছর জমি চাষাবাদ করতে ব্যর্থ হন এবং চাষ না করার যথেষ্ট কারণও নেই।
৫৮.
Which of the following is not a valid requirement for a gift under The Transfer of Property Act, 1882?
  1. It must be made voluntarily
  2. It must be of existing property
  3. It must involve monetary consideration
  4. It must be accepted by the donee
সঠিক উত্তর:
It must involve monetary consideration
উত্তর
সঠিক উত্তর:
It must involve monetary consideration
ব্যাখ্যা
Answer: C. It must involve monetary consideration.

সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ১২২ ধারার বিধান: দান (Gift) এর সংজ্ঞা:
এক ব্যক্তি স্বেচ্ছায় এবং প্রতিদান ছাড়া নির্দিষ্ট বিদ্যমান কোন অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তি অন্য ব্যক্তিকে হস্তান্তর করলে এবং সে ব্যক্তি বা তার পক্ষ হতে এই হস্তান্তর গ্রহণ করলে তাকে দান বলা হয়। যে ব্যক্তি এভাবে সম্পত্তি হস্তান্তর করে তাকে দাতা এবং যে ব্যক্তি তা গ্রহণ করে তাকে দানগ্রহীতা বলা হয়।

দান কখন গ্রহণ করতে হয় (Acceptance when to be made)-
- দাতার জীবনকালে এবং দাতা দান করতে সম্পূর্ণ সক্ষম অবস্থায় উক্ত দান অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।
- দান গ্রহণের পূর্বে যদি দানগ্রহীতা মারা যায় তাহলে দান বাতিল হবে।

⇒ উপহার (Gift) হল এমন একটি সম্পত্তি হস্তান্তর যা স্বেচ্ছায় ও বিনা প্রতিদানে (without consideration) প্রদান করা হয়। এটি একটি নিঃস্বার্থ এবং স্বতঃস্ফূর্ত কার্যকলাপ। তাই যদি কোন আর্থিক বিনিময়ের শর্ত থাকে, তাহলে সেটি আর "উপহার" হিসেবে গণ্য হয় না, বরং সেটা চুক্তিভিত্তিক লেনদেন হয়ে যায়। সেকারণে ‘consideration’ থাকা একটি বৈধ উপহারের শর্ত নয়।
৫৯.
যদি কোনো ব্যক্তির সম্মতি অযাচিত প্রভাবে আদায় করা হয়, তাহলে চুক্তিটি-
  1. বৈধ
  2. বাতিল
  3. বাতিলযোগ্য
  4. ন্যায়সঙ্গত
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাতিলযোগ্য
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872 এর ধারা ১৯ক: অযাচিত প্রভাবে সম্মতি আদায় – চুক্তি বাতিলের ক্ষমতা:
যদি কোনো চুক্তিতে এক পক্ষের সম্মতি অযাচিত প্রভাবে (Undue Influence) আদায় করা হয়, তাহলে চুক্তিটি ঐ পক্ষের জন্য বাতিলযোগ্য (voidable) হয়ে যায়। অর্থাৎ, যে পক্ষকে চাপ বা প্রভাব খাটিয়ে সম্মতি দেওয়া হয়েছে, সে চাইলেই চুক্তিটি বাতিল করতে পারে। অথবা যদি ঐ পক্ষ চুক্তি থেকে কোনো সুবিধা পেয়ে থাকে, তবে আদালত এমন শর্তে সেটি বাতিল করতে পারে, যা ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করে।

উদাহরণ (Illustrations)-
(a) A-র ছেলে B-র নাম জাল করে প্রোমিসরি নোট তৈরি করে। B, A-র ছেলেকে মামলায় জড়ানোর ভয় দেখিয়ে, A থেকে সেই জাল নোটের টাকা বাবদ একটি বন্ধ লিখিয়ে নেয়। এই অবস্থায়, আদালত ঐ বন্ধ বাতিল করতে পারে।

(b) A একজন মহাজন। সে B নামক একজন কৃষককে ১০০ টাকা ধার দেয়। কিন্তু অপ্রত্যাশিত প্রভাব খাটিয়ে B-কে ২০০ টাকার একটি বন্ধ লিখিয়ে নেয়, যাতে ৬% মাসিক সুদের শর্ত থাকে। আদালত ঐ বন্ধ বাতিল করতে পারে এবং B-কে শুধু ১০০ টাকা উপযুক্ত হারে সুদসহ ফেরতের নির্দেশ দিতে পারে।
৬০.
যে ব্যক্তি অন্যের মাল খুঁজে পান এবং নিজের হেফাজতে নেন, তিনি কার মতো দায়িত্বে থাকেন?
  1. সাক্ষী
  2. বিক্রেতা
  3. জিম্মাদার
  4. মালিক
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জিম্মাদার
ব্যাখ্যা
The Contract Act, 1872 এর ধারা ৭১: Responsibility of Finder of Goods (খোয়া যাওয়া সম্পত্তি উদ্ধারকারীর দায়িত্ব)-
যে ব্যক্তি অন্য কারো মালামাল খুঁজে পান এবং তা নিজের হেফাজতে নেন, তিনি একজন জিম্মাদারের (Bailee) মতো একই দায়িত্বের অধীন হন। অর্থাৎ, তিনি সেই মাল নিরাপদে রক্ষা করবেন এবং যথাযথভাবে মালিককে ফেরত দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

[A person who finds goods belonging to another and takes them into his custody, is subject to the same responsibility as a bailee.]
৬১.
SAT, 1950 এর ১৫০ ধারার অধীনে রিভিউ আবেদন দাখিলের নির্ধারিত সময় কত দিন?
  1. ১৫ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ৬০ দিন
  4. ৯০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
SAT, 1950 এর ধারা ১৫০: রাজস্ব কর্মকর্তার দ্বারা পর্যালোচনা (Review by Revenue-officer):
(১) কোনো স্বার্থসম্পন্ন পক্ষের আবেদনক্রমে অথবা নিজ উদ্যোগে, একজন রাজস্ব কর্মকর্তা নিজে বা তাঁর পূর্বসূরিদের দ্বারা এই অংশের অধীনে গৃহীত কোনো আদেশ পর্যালোচনা করতে পারেন এবং সেই পর্যালোচনার মাধ্যমে উক্ত আদেশ সংশোধন, বাতিল বা অনুমোদন করতে পারেন:

তবে শর্ত থাকে যে—
(ক) কোনো আদেশের পর্যালোচনার আবেদন সেই আদেশ প্রদানের তারিখ থেকে ত্রিশ দিনের মধ্যে না করা হলে তা গৃহীত হবে না, তবে ত্রিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর আবেদন করা হলে, আবেদনকারীকে প্রমাণ করতে হবে যে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন না করার যথার্থ কারণ ছিল।
(খ) কোনো আদেশের বিরুদ্ধে যদি আপিল করা হয়ে থাকে বা কোনো উচ্চতর রাজস্ব কর্তৃপক্ষের কাছে সংশোধনের আবেদন করা হয়ে থাকে, তবে সেই আদেশ পর্যালোচনা করা যাবে না।
(গ) কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে সংশোধন বা বাতিল করার আগে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে যুক্তিসঙ্গত নোটিশ প্রদান করতে হবে যেন তারা উপস্থিত হয়ে নিজেদের বক্তব্য পেশ করতে পারে।

(২) পর্যালোচনার আবেদন প্রত্যাখ্যান বা পূর্বের কোনো আদেশ পর্যালোচনার মাধ্যমে অনুমোদন করার বিরুদ্ধে কোনো আপিল করা যাবে না।
৬২.
লিজগ্রহীতা (Lessee) কী বুঝায়?
  1. যিনি সম্পত্তি বিক্রি করেন
  2. যিনি সম্পত্তির উপর ঋণ নেন
  3. যিনি সম্পত্তির মালিকানা গ্রহণ করেন
  4. যিনি সম্পত্তির ভোগের অধিকার গ্রহণ করেন
সঠিক উত্তর:
যিনি সম্পত্তির ভোগের অধিকার গ্রহণ করেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
যিনি সম্পত্তির ভোগের অধিকার গ্রহণ করেন
ব্যাখ্যা
The Transfer of Property Act,1882 এর ধারা ১০৫: “লিজ” বা ইজারার সংজ্ঞা:
একটি স্থাবর সম্পত্তির “লিজ” হলো- উক্ত সম্পত্তি ভোগ করার অধিকার নির্দিষ্ট সময়ের জন্য (স্পষ্ট বা আপেক্ষিকভাবে নির্ধারিত) অথবা চিরস্থায়ীভাবে হস্তান্তরের একটি প্রক্রিয়া, যা কিছু মূল্য প্রদান বা প্রদানের প্রতিশ্রুতি, ফসলের অংশ, সেবা অথবা অন্য কোনো মূল্যবান উপকরণের বিনিময়ে সম্পাদিত হয়। এসব প্রদেয় বস্তু নির্দিষ্ট সময় অন্তর বা নির্দিষ্ট কোনো উপলক্ষে হস্তান্তরকারীর (লিজদাতা) কাছে হস্তান্তর করা হয় হস্তান্তরপ্রাপ্ত (লিজগ্রহীতা) ব্যক্তি দ্বারা, যিনি নির্দিষ্ট শর্তে উক্ত হস্তান্তর গ্রহণ করেন।

সংজ্ঞাসমূহ:
লিজদাতা (Lessor): যিনি সম্পত্তির অধিকার হস্তান্তর করেন।
লিজগ্রহীতা (Lessee): যিনি সম্পত্তির অধিকার গ্রহণ করেন।
পূর্বপ্রদানমূল্য (Premium): লিজ বাবদ এককালীন প্রদত্ত মূল্য।
ভাড়া (Rent): অর্থ, ফসলের অংশ, সেবা বা অন্যান্য বস্তু যা নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রদান করতে হয়।
৬৩.
লিখিত জবাব দাখিলের পর পারিবারিক আদালত বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য সর্বোচ্চ কত দিনের মধ্যে তারিখ নির্ধারণ করবে?
  1. ৭ দিন
  2. ১০ দিন
  3. ১৫ দিন
  4. ৩০ দিন
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩০ দিন
ব্যাখ্যা
পারিবারিক আদালত আইন, ২০২৩ এর ধারা ১১: বিচার-পূর্ব কার্যক্রম:
(১) লিখিত জবাব দাখিল করা হইলে পারিবারিক আদালত মোকদ্দমার বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।

(২) বিচার-পূর্ব শুনানির জন্য ধার্যকৃত তারিখে আদালত আরজি, লিখিত জবাব এবং পক্ষগণ কর্তৃক দাখিলকৃত দলিলসমূহ পরীক্ষা করিবে এবং যথাযথ মনে করিলে, পক্ষগণের বক্তব্যও শ্রবণ করিবে।

(৩) আদালত বিচার-পূর্ব শুনানিকালে পক্ষগণের মধ্যে বিরোধীয় বিষয়সমূহ ধার্য করিবে এবং সম্ভব হইলে পক্ষগণের মধ্যে একটি আপোষ বা মীমাংসার চেষ্টা করিবে।

(৪) উপধারা (৩) এর অধীন আপোষ বা মীমাংসা প্রতিষ্ঠা সম্ভব না হইলে আদালত মোকদ্দমার বিচার্য বিষয় গঠন করিবে এবং সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য অনধিক ৩০ (ত্রিশ) দিনের একটি তারিখ ধার্য করিবে।
৬৪.
শুফার অধিকার নিম্নের কোন পদ্ধতিতে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে প্রয়োগযোগ্য?
  1. হেবা
  2. উইল
  3. বিক্রয়
  4. ওয়াকফ
সঠিক উত্তর:
বিক্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিক্রয়
ব্যাখ্যা
• Pre-emption বা অগ্রক্রয় হলো জমির ক্রয় সংক্রান্ত একটি অধিকার। আরবি ভাষায় এটি 'শুফা' (Shufaa) নামে পরিচিত। অগ্রক্রয় বলতে অন্য কোনো ব্যক্তির ক্রয়কৃত স্থাবর সম্পত্তি ক্রয়ের মাধ্যমে মালিকানা লাভের অধিকারকে বুঝায়, যা কোনো ব্যক্তির পক্ষে ঐ সম্পত্তিতে শরিক কিংবা প্রতিবেশী হওয়ার কারণে সৃষ্টি হয়। 

মুসলিম আইনে নিম্নরূপ ৩ শ্রেনীর ব্যক্তি শুফার অধিকার দাবি করিতে পারে-
১। শাফী ই শরিক বা বিক্রিত ভূমির একজন সহ—শরীক।
২। শাফী ই খালিত বা বিক্রিত ভূমির সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে অংশগ্রহণকারী।
৩। শাফী ই জার বা বিক্রিত ভূমির সংলগ্ন ভূমির মালিক।

উপরোক্ত ৩ শ্রেনীর মধ্যে প্রথম শ্রেনী সর্ব প্রথম শুফার অধিকার দাবি করিতে পারিবেন এবং প্রথম শ্রেনী দাবী না করিলে দ্বিতীয় শ্রেনী শুফার অধিকার দাবি করিতে পারিবেন। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেনীর মধ্যে কেউ দাবি না করিলে তৃতীয় শ্রেনী শুফার অধিকার দাবি করিতে পারিবেন। তবে একি শ্রেনী ভুক্ত একাধিক ব্যক্তি দাবি করিলে প্রত্যেকেই সমান অংশ দাবি করিতে পারিবেন।শুফার অধিকার শুধুমাত্র বিক্রয় দলিলের ক্ষেত্রে দাবি করা যায়, অন্য কোন ভাবে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দাবি করা যায় না এবং খরিদ্দার যদি অমুসলিম হয় সেক্ষেত্রেওশুফার অধিকার দাবি করা যায় না।
৬৫.
‘মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯’-এর বিধি ২১ক অনুসারে, বিয়ে ও তালাক নিবন্ধনের পদ্ধতি কী?
  1. মৌখিকভাবে
  2. শুধুমাত্র ম্যানুয়াল
  3. শুধুমাত্র অনলাইন
  4. ম্যানুয়াল ও অনলাইন উভয়
সঠিক উত্তর:
ম্যানুয়াল ও অনলাইন উভয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ম্যানুয়াল ও অনলাইন উভয়
ব্যাখ্যা
‘মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) বিধিমালা, ২০০৯’ বিধি ২১ক- বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন পদ্ধতি:
বিয়ে ও তালাক নিবন্ধন ম্যানুয়ালির পাশাপাশি অনলাইন পদ্ধতিতেও সম্পাদন করা যাবে।
৬৬.
যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা কত অংশ পাবেন?
  1. ১/৮ অংশ
  2. ১/৬ অংশ
  3. ১/৪ অংশ
  4. ১/৩ অংশ
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৬ অংশ
ব্যাখ্যা
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে মৃত ব্যক্তির পিতা (বাবা) একজন নির্ধারিত অংশীদার (Zawil Furud)। 
মুসলিম উত্তরাধিকার আইনে পিতা (Father) হলেন একজন প্রাথমিক উত্তরাধিকারী, যার অংশ কোরআনে নির্ধারিত রয়েছে এবং তাকে কখনই সম্পূর্ণভাবে বঞ্চিত করা যায় না।
পিতা বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সম্পত্তির অংশ পেতে পারেন।

⇒ পিতার তিনটি অবস্থা:
(ক) ১/৬ অংশ
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান থাকে, তাহলে পিতা ১/৬ অংশ পাবেন।

(খ) ১/৬ + অবশিষ্টাংশ
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান না থাকে, তবে পিতা প্রথমে ১/৬ অংশ পাবেন এবং বাকি অবশিষ্ট সম্পত্তি তিনি আসাবা (Asaba) হিসেবে পাবেন।
কারণ: পিতা আংশিক অংশীদার হলেও, বাকি সম্পত্তি আসাবা হিসেবে পাওয়ার অধিকারী হন। অর্থাৎ, তিনি সম্পত্তির বাকী অংশ ভোগ করবেন।

(গ) অবশিষ্টাংশ
অবস্থা: যদি মৃত ব্যক্তির সন্তান ও অন্য কোনো আসাবা না থাকে, তবে পিতা সম্পূর্ণ সম্পত্তি পাবেন।
কারণ: কোনো অংশীদার বা আসাবা না থাকলে, পিতা আসাবা হিসেবে পুরো সম্পত্তি পেয়ে যাবেন।
৬৭.
বাংলাদেশে প্রচলিত হিন্দু আইন অনুযায়ী, স্বাভাবিক পুত্র জন্মালে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের কত ভাগ পায়?
  1. সমান অংশ
  2. অর্ধেক
  3. ১/৩ অংশ
  4. কিছু পাবে না
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১/৩ অংশ
ব্যাখ্যা
বাংলাদেশে হিন্দু আইন অনুযায়ী, যদি দত্তকী পুত্রের দত্তক গ্রহণকারী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র তার দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পায়।

বাংলাদেশে হিন্দু উত্তরাধিকার আইনে দত্তকী পুত্র (Adopted Son) সাধারণত দত্তক গ্রহণকারী পিতার স্বাভাবিক পুত্রের মতোই সম্পত্তির অধিকারী হন। তবে এই অধিকারে কিছু বিশেষ ব্যতিক্রম ও মতপার্থক্য রয়েছে:
১. স্বাভাবিক পুত্র থাকলে:
যদি দত্তক গ্রহণের পর দত্তকী পিতার নিজস্ব (স্বাভাবিক) পুত্র জন্মগ্রহণ করে, তাহলে দত্তকী পুত্র দত্তকী পিতার সম্পত্তির তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) উত্তরাধিকার সূত্রে পান।

২. স্বাভাবিক পুত্র না থাকলে:
যদি দত্তকী পুত্র ছাড়া দত্তকী পিতার আর কোনো পুত্র না থাকে, তাহলে দত্তকী পুত্রই সম্পত্তির পূর্ণ উত্তরাধিকারী হিসেবে বিবেচিত হন।

৩. বর্ণভেদে সম্পত্তির অংশের ভিন্নতা:
শুদ্র শ্রেণির দত্তকী পুত্র:
দত্তকী পিতার সম্পত্তিতে সমান অংশ পাওয়ার অধিকারী হন।

অন্যান্য বর্ণভুক্ত দত্তকী পুত্র:
দত্তকী পিতার ত্যাজ্যবিত্তের তিন ভাগের এক ভাগ (১/৩) পান।
৬৮.
"নিবন্ধন না হলেও হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী বিবাহ বৈধ"- হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর কত ধারায় উল্লেখ আছে?
  1. ধারা ২
  2. ধারা ৩(১)
  3. ধারা ৩(২)
  4. ধারা ৪(১)
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২)
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ৩(২)
ব্যাখ্যা
হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন আইন, ২০১২ এর ধারা ৩: হিন্দু বিবাহ নিবন্ধন:
(১) অন্য কোন আইন, প্রথা ও রীতি-নীতিতে যাহা কিছুই থাকুক না কেন, হিন্দু বিবাহের দালিলিক প্রমাণ সুরক্ষার উদ্দেশ্যে হিন্দু বিবাহ, বিধি দ্বারা নির্ধারিত পদ্ধতিতে, নিবন্ধন করা যাইবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, কোন হিন্দু বিবাহ এই আইনের অধীন নিবন্ধিত না হইলেও উহার কারণে কোন হিন্দু শাস্ত্র অনুযায়ী সম্পন্ন বিবাহের বৈধতা ক্ষুণ্ন হইবে না।
৬৯.
সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত ২য় বিয়ে করলে, The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 অনুসারে সর্বোচ্চ কত টাকা অর্থদণ্ড হতে পারে?
  1. ৫০০০ টাকা
  2. ১০০০০ টাকা
  3. ১৫০০০ টাকা
  4. ২০০০০ টাকা
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০০০০ টাকা
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: খ) ১০০০০ টাকা।

• The Muslim Family Laws Ordinance, 1961 এর ৬ ধারা: বহুবিবাহ:

১) কোন ব্যক্তির বিবাহ বলবৎ থাকা অবস্থায় সে সালিশী কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না বা ঐরূপ অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে তা The Muslim Marriages and Divorces (Registration) Act, 1974 এর অধীনে রেজিস্ট্রিকৃত হবে না।

২) অনুমতির দরখাস্ত নির্ধারিত ফি সহ চেয়ারম্যানের নিকট দাখিল করতে হবে ও তাতে প্রস্তাবিত বিবাহের কারণসমূহ এবং এই বিবাহের ব্যাপারে বর্তমানে স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের সম্মতি নেয়া হয়েছে কিনা তার উল্লেখ থাকতে হবে।

৩) দরখাস্ত গ্রহণ করার পর চেয়ারম্যান আবেদনকারীকে ও বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রীগণের প্রত্যেককে একজন করে প্রতিনিধি মনোনীত করতে বলবেন। উক্তরূপে গঠিত সালিশি কাউন্সিল প্রস্তাবিত বিবাহ প্রয়োজনীয় ও ন্যায়সঙ্গত বলে মনে করলে সেক্ষেত্রে প্রার্থিত আবেদন মঞ্জুর করতে পারবেন।

৪) উক্ত দরখাস্তে বিবেচনা করার সময় সালিশি কাউন্সিল নিষ্পত্তির কারণাদি লিপিবদ্ধ করবেন। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে কোন পক্ষ নির্দিষ্ট ফি প্রদানক্রমে সহকারী জজের নিকট পুনর্বিবেচনার (Revision) জন্য দরখাস্ত দাখিল করতে পারে; তার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হবে ও কোন আদালতে এই সম্পর্কে প্রশ্ন উত্থাপন করা যাবে না।

৫) কোন লোক যদি সালিশী কাউন্সিলের অনুমতি ব্যতীত কোন বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় তবে সে-
ক) বর্তমান স্ত্রী কিংবা স্ত্রী গণের তলবী ও স্থগিত দেনমোহরের সম্পূর্ণ টাকা তৎক্ষণাৎ পরিশোধ করতে হবে। উক্ত টাকা উক্তরুপে পরিশোধ না করা হলে বকেয়া ভূমি রাজস্বরূপে আদায়যোগ্য হবে: এবং
খ) অভিযোগে অপরাধী সাব্যস্ত হলে এর শান্তি- অনধিক ১ বছর পর্যন্ত বিনাশ্রম কারাদণ্ড অথবা অনধিক ১০,০০০ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড বা উভয়দণ্ড।
৭০.
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন ট্রাইব্যুনাল নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করতে ব্যর্থ হলে, কত কার্যদিবসের মধ্যে হাইকোর্টে প্রতিবেদন পাঠাবে?
  1. ৫ কার্যদিবস
  2. ৭ কার্যদিবস
  3. ১০ কার্যদিবস
  4. ১৫ কার্যদিবস
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১০ কার্যদিবস
ব্যাখ্যা
মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন, ২০১২ এর ধারা ২৪: বিচারকার্য সম্পন্নের সময়সীমা:
(১) এই আইনের অধীন সংঘটিত কোন অপরাধের অভিযোগ গঠনের ১৮০ (একশত আশি) কার্যদিবসের মধ্যে ট্রাইব্যুনাল বিচারকার্য সম্পন্ন করিবে। 
 
(২) উপ-ধারা (১) এর বিধান সত্ত্বেও, উক্ত সময়সীমার মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে ব্যর্থতা বিচারকার্যকে বাতিল করিবে না, কিন্তু, ট্রাইব্যুনাল উক্ত সময়ের মধ্যে বিচারকার্য সম্পন্ন করিতে সমর্থ না হইবার কারণ ব্যাখ্যা করিয়া ১০ (দশ) কার্যদিবসের মধ্যে বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্রতিবেদন প্রেরণ করিবে।
৭১.
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এ বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করার সর্বোচ্চ শাস্তি কী?
  1. ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  2. ৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  3. ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
  4. ৩ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৭ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ড
ব্যাখ্যা
নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ এর ধারা ৯খ: বিয়ের প্রলোভনের মাধ্যমে যৌনকর্ম করিবার দণ্ড:
যদি কোন ব্যক্তি দৈহিক বলপ্রয়োগ ব্যতীত বিবাহের প্রলোভন দেখাইয়া ষোল বৎসরের অধিক বয়সের কোন নারীর সংগে যৌনকর্ম করেন এবং যদি উক্ত ঘটনার সময় উক্ত ব্যক্তির সহিত উক্ত নারীর আস্থাভাজন সম্পর্ক থাকে, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তি অনধিক সাত বৎসর সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন এবং ইহার অতিরিক্ত অর্থদণ্ডেও দণ্ডনীয় হইবেন
৭২.
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫ অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির আটক স্থান কে নির্ধারণ করবে?
  1. সরকার
  2. স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল
  3. জেলা ম্যাজিস্ট্রেট
  4. উপদেষ্টা বোর্ড
সঠিক উত্তর:
সরকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সরকার
ব্যাখ্যা
বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ এর ধারা ৫: আটক স্থান ও আটক অবস্থার শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা:
যে কোন ব্যক্তির বিরুদ্ধে আটকাদেশ জারি করা হইয়াছে, সেই ব্যক্তি বাধ্য থাকিবেন-
(ক) এমন স্থানে আটক থাকিতে এবং এমন শর্তাবলীর অধীন থাকিতে, যার মধ্যে শৃঙ্খলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের জন্য শাস্তির শর্তও অন্তর্ভুক্ত, যাহা সরকার সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারণ করিতে পারেন; এবং

(খ) সরকার কর্তৃক আদেশ প্রদানের মাধ্যমে এক স্থান হইতে অন্য স্থানে স্থানান্তরিত হইবার জন্য।
৭৩.
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর অধীন মিথ্যা মামলা দায়েরের শাস্তি কী?
  1. সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড
  2. সর্বোচ্চ ১০,০০০ টাকা জরিমানা
  3. মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ড
  4. মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ডের অর্ধেক
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মূল অপরাধটির জন্য নির্ধারিত দণ্ড
ব্যাখ্যা
সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ এর ধারা ২৮: মিথ্যা মামলা, অভিযোগ দায়ের, ইত্যাদির অপরাধ ও দণ্ড:
(১) যদি কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির ক্ষতিসাধনের অভিপ্রায়ে উক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে এই অধ্যাদেশের অন্য কোনো ধারার অধীন মামলা বা অভিযোগ দায়ের করিবার জন্য ন্যায্য বা আইনানুগ কারণ না জানিয়াও মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন বা করান, তাহা হইলে উহা হইবে একটি অপরাধ এবং তজ্জন্য মামলা বা অভিযোগ দায়েরকারী ব্যক্তি এবং যিনি অভিযোগ দায়ের করাইয়াছেন উক্ত ব্যক্তি মূল অপরাধটির জন্য যে দণ্ড নির্ধারিত রহিয়াছে সেই দণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।

(২) যদি কোনো ব্যক্তি এই অধ্যাদেশের অধীন একাধিক ধারায় মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দায়ের করেন, তাহা হইলে উক্ত ধারাসমূহে বর্ণিত অপরাধসমূহের মধ্যে মূল অপরাধের জন্য নির্ধারিত দণ্ডের মধ্যে যাহার পরিমাণ বেশি হয় উহাকেই দণ্ডের পরিমাণ হিসাবে নির্ধারণ করা যাইবে।

(৩) ট্রাইব্যুনাল ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি বা তদ্‌কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বা স্বপ্রণোদিত হইয়া এই ধারার অধীন সংঘটিত কোনো অপরাধের অভিযোগ গ্রহণ ও মামলার বিচার করিতে পারিবে।
৭৪.
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর কত ধারায় পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশির ক্ষমতার বিধান আছে?
  1. ধারা ১৯
  2. ধারা ২১
  3. ধারা ২৩
  4. ধারা ২৫
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ধারা ২৩
ব্যাখ্যা
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর ধারা ২৩- পরোয়ানা ব্যতিরেকে তল্লাশি, ইত্যাদির ক্ষমতা:
(১) মহাপরিচালক অথবা তাহার নিকট হইতে এতদুদ্দেশ্যে সাধারণ অথবা বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত কোনো অফিসার, অথবা পুলিশের উপ-পরিদর্শক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কাস্টমসের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা] অথবা সমমানসম্পন্ন অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের ল্যান্স নায়ক অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসার অথবা কোস্ট গার্ড বাহিনীর পেটি অফিসার অথবা তদূর্ধ্ব কোনো অফিসারের এইরূপ বিশ্বাস করিবার কোনো কারণ থাকে যে, কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ কোনো স্থানে সংঘটিত হইয়াছে, হইতেছে অথবা হইবার আশংকা রহিয়াছে, তাহা হইলে তিনি অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া লাইসেন্স প্রিমিজেস ব্যতীত, যে কোনো সময়-ঃ
 
(ক) উক্ত স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি করিতে পারিবেন এবং প্রবেশে বাধাপ্রাপ্ত হইলে, বাধা অপসারণের জন্য দরজা-জানালা ভাঙ্গাসহ যে-কোনো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে পারিবেন;

(খ) উক্ত স্থানে তল্লাশিকালে প্রাপ্ত মাদকদ্রব্য অপরাধ সংঘটনে ব্যবহার্য মাদকদ্রব্য অথবা বস্তু এই আইনের অধীন আটক অথবা বাজেয়াপ্তযোগ্য বস্তু এবং কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ প্রমাণে সহায়ক কোনো দলিল, দস্তাবেজ অথবা জিনিসপত্র আটক করিতে পারিবেন;

(গ) উক্ত স্থানে উপস্থিত যে-কোনো ব্যক্তির দেহ তল্লাশি করিতে পারিবে; এবং

(ঘ) উক্ত স্থানে উপস্থিত কোনো ব্যক্তিকে কোনো মাদকদ্রব্য অপরাধ করিয়াছেন অথবা করিতেছেন বলিয়া সন্দেহে গ্রেফতার করিতে পারিবেন।

(২) উপ-ধারা (১) এ যাহা কিছুই থাকুক না কেন, সূর্যাস্ত হইতে সূর্যোদয় পর্যন্ত সময়ের মধ্যে কোনো স্থানে প্রবেশ করিয়া তল্লাশি পরিচালনা না করিলে মাদকদ্রব্য অপরাধ সম্পর্কীয় কোনো বস্তু নষ্ট অথবা লুপ্ত হইবার অথবা অপরাধী পালাইয়া যাইবার আশংকা রহিয়াছে বলিয়া উক্ত উপ-ধারায় উল্লিখিত কোনো অফিসারের বিশ্বাস করিবার সংগত কারণ থাকিলে অনুরূপ বিশ্বাসের কারণ লিপিবদ্ধ করিয়া তিনি উক্ত সময়ের মধ্যে উক্ত স্থানে প্রবেশ ও তল্লাশি করিতে পারিবে।
৭৫.
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর অধীন আইনগত সহায়তার আবেদন অগ্রাহ্য হলে কত দিনের মধ্যে আপিল করা যাবে?
  1. ১০ দিন
  2. ১৫ দিন
  3. ৩০ দিন
  4. ৬০ দিন
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ দিন
ব্যাখ্যা
আইনগত সহায়তা প্রদান আইন, ২০০০-এর ধারা ১৬: আইনগত সহায়তার জন্য আবেদন:
(১) এই আইনের অধীন আইনগত সহায়তার জন্য সকল আবেদন সুপ্রীম কোর্ট কমিটি, জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটির নিকট পেশ করিতে হইবে৷ 
 
(২) এই আইনের অধীন কোন আবেদন বা দরখাস্ত জেলা কমিটি বা বিশেষ কমিটি কর্তৃক অগ্রাহ্য হইলে উহা মঞ্জুরীর জন্য সংতগুব্ধ বিচারপ্রার্থী উক্তরূপ সিদ্ধান্তর তারিখ হইতে ৬০ (ষাট) দিনের মধ্যে বোর্ডের নিকট আপীল পেশ করিতে পারিবেন এবং এই ব্যাপারে বোর্ডের সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হইবে৷
৭৬.
নিম্নলিখিত কোনটি চেক প্রত্যাখ্যানের বিষয়ে নোটিশ প্রদানের বৈধ মাধ্যম নয়?
  1. ই-মেইল
  2. ব্যক্তিগতভাবে প্রদান
  3. জাতীয় দৈনিকে বিজ্ঞাপন
  4. রেজিস্টার্ড ডাকযোগে প্রেরণ
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ই-মেইল
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: ই-মেইল।

হস্তান্তরযোগ্য দলিল আইন, ১৮৮১ এর ধারা ১৩৮- অর্থের ঘাটতির কারণে চেক প্রত্যাখ্যান:

(১) যদি কোনো ব্যক্তি নিজের ব্যাংক হিসাবে রক্ষিত অর্থ থেকে অন্য কোনো ব্যক্তিকে পরিশোধের জন্য একটি চেক প্রদান করেন এবং উক্ত চেকটি ব্যাংক কর্তৃক প্রত্যাখ্যাত হয় ওই হিসাবে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকার কারণে, অথবা উক্ত ব্যাংকের সাথে চুক্তি অনুযায়ী অনুমোদিত পরিমাণের চেয়ে বেশি অর্থ চেকের মাধ্যমে তোলা হয়েছে - তবে উক্ত ব্যক্তিকে একটি অপরাধে দোষী গণ্য করা হবে এবং তাকে ১ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা চেকের পরিমাণের তিন গুণ পর্যন্ত অর্থদণ্ড, অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা যেতে পারে।

শর্তাবলি:
এই ধারা প্রযোজ্য হবে তখনই, যদি:
(ক) চেকটি ইস্যুর তারিখ হতে ৬ মাসের মধ্যে বা তার মেয়াদ থাকাকালীন, যেটি আগে ঘটে, ব্যাংকে উপস্থাপন করা হয়;
(খ) চেক প্রত্যাখ্যাত হওয়ার বিষয়ে ব্যাংক থেকে তথ্য পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, প্রাপ্য বা উপযুক্ত ধারক লিখিতভাবে টাকা চেয়ে নোটিশ প্রদান করেন;
(গ) নোটিশ পাওয়ার ৩০ দিনের মধ্যে, চেকদাতা উক্ত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হন।

(১ক) উপ-ধারা (১)-এর (খ) দফায় উল্লিখিত নোটিশ প্রদান করা যেতে পারে নিম্নলিখিত ৩টি পদ্ধতিতে:
(ক) ব্যক্তিগতভাবে চেকদাতাকে প্রদান করে;
(খ) প্রাপকের সাধারণ বা সর্বশেষ পরিচিত ঠিকানায় প্রাপ্তিস্বীকারসহ রেজিস্টার্ড ডাকযোগে পাঠিয়ে;
(গ) একটি বহুল প্রচারিত বাংলা জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশ করে।

(২) যদি উপ-ধারা (১) অনুযায়ী অর্থদণ্ড আদায় করা হয়, তবে চেকের মূল পরিমাণ পর্যন্ত অর্থ চেকধারককে প্রদান করা হবে (যতটুকু আদায় সম্ভব হয়)।

(৩) উপ-ধারা (১) ও (২)-এর বিধান সত্ত্বেও, চেকধারক সিভিল আদালতের মাধ্যমে বকেয়া টাকা আদায়ের মামলা দায়ের করার অধিকার সংরক্ষণ করেন, যদি পুরো অর্থ বা আংশিক অর্থ আদায় না হয়।