পরীক্ষা আর্কাইভ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

পরীক্ষানতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাসতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়18 minutes
মোট প্রশ্ন১৮
সিলেবাস
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি: টপিকসমূহ: তথ্য-প্রযুক্তি: ১. আধুনিক প্রযুক্তির ডিভাইসসমূহ - স্মার্ট ফোন, স্মার্ট ওয়াচ, ট্যাব ইত্যাদি। ২. মোবাইল প্রযুক্তির বৈশিষ্ট্যসমূহ; মোবাইল নেটওয়ার্ক ও এর বৈশিষ্ট্য; সেলুলার ডাটা নেটওয়ার্ক: টুজি, থ্রিজি, ফোরজি, ওয়াইম্যাক্স ইত্যাদি। ৩. তথ্যপ্রযুক্তির বড় প্রতিষ্ঠান ও তাদের সেবা/তথ্যসমূহ: গুগল, মাইক্রোসফট, আইবিএম ইত্যাদি। ৪. ক্লায়ন্ট-সার্ভার ম্যানেজমেন্ট ও ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা। ৫. সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং: ফেসবুক, টুইটার, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি। ৬. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, ৭. রোবটিক্স, ৮. ডিজাইন ও প্রোগ্রামিং ভাষা সম্পর্কে ধারণা ইত্যাদি। উৎস: অষ্টম, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস

নতুনদের বিসিএস প্রস্তুতি - ২০০ দিনে পুরো সিলেবাস · তারিখ অনির্ধারিত · ১৮ প্রশ্ন

.
মোবাইল ইন্টারনেটে কোন প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়?
  1. ক) GPRS
  2. খ) WAP
  3. গ) EDGE
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
GPRS, EDEG, WAP ইত্যাদি প্রযুক্তির মাধ্যমে এখন মোবাইল ফোনেও ইন্টারনেট ব্যবহার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। এখন মোবাইল ফোনেই ই-মেইল আদান-প্রদান, ওয়েব ব্রাউজিং, সোসাল নেটওয়ার্কিং, টিভি দেখাসহ বিভিন্ন ধরনের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাদি এক নিমিষেই পাওয়া সম্ভব হচ্ছে। 

মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা:
• সাশ্রয়ী বিভিন্ন ইন্টারনেট সার্ভিস নিয়ে ইচ্ছে অনুযায়ী ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• কভারেজের আওতাভুক্ত যে কোন স্থান থেকে ইন্টারনেট ব্যবহার করা যায়।
• সার্বক্ষণিক ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত থাকা যায় ।
• যে কোন স্থান থেকে ই-মেইল চেক ও প্রেরণ করা যায়।
• দূরে অবস্থানরত বন্ধু-বান্ধবদের সাথে চ্যাটিং করা যায়।
• বিশ্বের যে কোন প্রান্তে মোবাইলে ভয়েস কল করা যায়।
• থ্রিজি প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও কল করা যায়।
• স্মার্টফোনের ক্ষেত্রে ইন্টারনেটের মাধ্যমে বিভিন্ন অ্যাপস ব্যবহার করে টেলিভিশন দেখা যায়৷

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
.
নিম্নের কোনটি বিশ্বগ্রাম এর উপাদান?
  1. ক) হার্ডওয়্যার
  2. খ) সফট্ওয়্যার
  3. গ) মানুষের সক্ষমতা
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে গ্লোবাল ভিলেজ বা বিশ্বগ্রামের ধারণা সহজেই বাস্তবায়ন ও এর প্রতিষ্ঠা সম্ভব হয়েছে। নিচে বিশ্বগ্রাম প্রতিষ্ঠার প্রধান উপাদানসমূহ উল্লেখ করা হলো। যথা:
১. হার্ডওয়্যার (Hardware)
২. সফট্ওয়্যার (Software)
৩. নেটওয়ার্ক সংযুক্ততা বা কানেকটিভিটি (Connectivity)
৪. ডেটা (Data) এবং
৫. মানুষের সক্ষমতা (Capacity)।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী
.
গ্রাফিক কমিউনিকেশনে সকল ধরণের কমিউনিকেশন কিসের মাধ্যমে হয়ে থাকে?
  1. ক) রেডিও
  2. খ) মস্তিষ্ক
  3. গ) ছবি
  4. ঘ) ফাইবার অপটিকস
ব্যাখ্যা
পৃথিবীতে অনেক ধরনের কমিউনিকেশন সিস্টেম রয়েছে। যেমন:
• বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম : শরীরের বিভিন্ন অংশের মধ্যকার যোগাযোগ ব্যবস্থাকে বায়োলজিক্যাল কমিউনিকেশন সিস্টেম বলে। যেমন- মস্তিষ্ক, স্বরযন্ত্র, কান, হাত ইত্যাদি অঙ্গের মধ্যে যোগাযোগ করা হয়।

• গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেম: গ্রাফিক কমিউনিকেশন সিস্টেমে সকল ধরনের যোগাযোগ ছবি ও চিহ্নের মাধ্যমে ভিজুয়ালী প্রেরণ ও গ্রহণ করা হয়।

• টেলিকমিউনিকেশন: দূরবর্তী স্থানে যোগাযোগ ব্যবস্থা। দূরবর্তী যোগাযোগের জন্য টেলিফোন ব্যবহার করার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় তাকে টেলিকমিউনিকেশন বলে। যেমন- মোবাইল ফোনে দুই জনের মধ্যে কথোপকথোন।

• ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন: বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক মিডিয়ার মাধ্যমে যে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠা করা হয় বা যে যোগাযোগ গড়ে উঠে তাকে ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশন বলে। ইলেকট্রনিক কমিউনিকেশনের জন্য অনেক মিডিয়া ব্যবহার করা হয়। যেমন- রেডিও, টেলিভিশন, ফাইবার অপটিকস, ফ্যাক্স, স্যাটেলাইট ইত্যাদি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
কম্পিউটার ভাইরাসের উদাহরণ কোনটি?
  1. ক) ওভার রাইটিং ভাইরাস
  2. খ) ম্যাক্রো ভাইরাস
  3. গ) বুট সেক্টর ভাইরাস
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
•কম্পিউটার ভাইরাস হলো এক ধরনের প্রোগ্রাম যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে এক্সিকিউট বা নির্বাহ হয়, তথ্য ও উপাত্তকে আক্রমণ করে এগুলোর ক্ষতি করে।
•ভাইরাস বা VIRUS শব্দের অর্থ হল “Vital Information Resources Under Siege.” যার অর্থ হল গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ দখলে নেয়া বা ক্ষতিসাধন করা। ভাইরাস কম্পিউটার এর ডাটা ফাইল নষ্ট করে ফেলে বাকম্পিউটার বুট হতে বাঁধা দেয় অথবা হার্ডডিস্ক নষ্ট করে ফেলতে পারে ।
•১৯৮০ সালে ভাইরাসের এ নামকরণ করেছেন প্রখ্যাত গবেষক ও অধ্যাপক ফ্রেড কোহেন।  ভাইরাসের হাত হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য

আজকাল বিনামুল্যে ইন্টারনেট থেকে কিছু কিছু এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ডাউনলোড এবং ইন্সটল কারা যায়। নিচে এ ধরনের কিছু প্রোগ্রাম এর নাম দেয়া হলো:
১. এভিজি এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
২. এভিরা এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৩. অ্যাভাস্ট এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার
৪. নরটন এন্টিভাইরাস সফ্টওয়্যার ইত্যাদি।
.
নিচের কোনটি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য?
  1. ক) নির্দিষ্ট সংখ্যক পেজ থাকে
  2. খ) HTML ও CSS ব্যবহার করে পেজ তৈরী হয়
  3. গ) সাধারণত ডাটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করা হয় না
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
গঠন বৈচিত্রের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে আবার দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
• স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট
• ডাইনামিক ওয়েবসাইট

স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট:
• যে সকল ওয়েব পেইজ পূর্ব থেকে তৈরীকৃত কিছু তথ্য প্রদর্শন করে থাকে এবং কোড পরিবর্তন না করে কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় না সে সকল ওয়েবসাইটকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলে।
• সাধারণত HTML এবং CSS ব্যবহার করে এসব ওয়েবসাইটের পেইজ তৈরী করা হয়।

ডাইনামিক ওয়েবসাইট:
• যে সকল ওয়েব পেইজে সবসময় আপডেটেড তথ্য প্রদর্শন করা হয় এবং কোড পরিবর্তন না করেই কনটেন্ট যুক্ত করা, ডিলিট এবং অ্যাপডেট করা যায় সে সকল ওয়েবসাইটকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে।
• যেমন- ক্রিকেট খেলার লাইভ স্কোর দেখানোর জন্য যে ওয়েবসাইট আছে সেটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট। সাধারণত পিএইচপি (PHP), এএসপি (ASP), জেএসপি(JSP) ইত্যাদি ভাষা ব্যবহার করে ডাইনামিক ওয়েব পেইজ তৈরী করা হয়ে থাকে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথ কে কয়ভাগে ভাগ করা হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
ট্রান্সফার গতির উপর ভিত্তি করে ব্যান্ডউইথ ৩ কয়ভাগে ভাগ করা হয়
১. ন্যারো ব্যান্ড (Narrow Band)
২. ভয়েস ব্যান্ড (Voice Band) ও
৩. ব্রড ব্যান্ড (Broad Band)

ন্যারো ব্যান্ড: ন্যারো ব্যান্ড সাধারণত 45 থেকে 300 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে । এ ডাটা স্থানান্তর গতিকে ন্যারো ব্যান্ড বা Sub Voice Band বলে। ধীর গতি ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়। যেমন- টেলিগ্রাফিতে উক্ত ব্যান্ডকে ব্যবহার করা হয়।

ভয়েস ব্যান্ড: এই ব্যান্ডের ডাটা গতি 9600 bps পর্যন্ত হয়ে থাকে। এটি সাধারণত টেলিফোনে বেশি ব্যবহার করা হয় তবে কম্পিউটার ডাটা কমিউনিকেশনে কম্পিউটার থেকে প্রিন্টারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে কিংবা কার্ড রিডার থেকে কম্পিউটারে ডাটা স্থানান্তরের ক্ষেত্রে এই ব্যান্ডউইডথ ব্যবহার করা হয়।

ব্রড ব্যান্ড: ব্রড ব্যান্ড উচ্চগতি সম্পন্ন ডাটা স্থানান্তর ব্যান্ডউইড্থ যার গতি কমপক্ষে এক মেগা বিট পার সেকেন্ড Mbps হতে অত্যন্ত উচ্চ গতি পর্যন্ত হয়ে থাকে। সাধারণত কো-এক্সিয়াল ক্যাবল ও অপটিক্যাল ফাইবারে ডাটা স্থানান্তরে ব্রড ব্যান্ড ডাটা ট্রান্সমিশন ব্যবহার করা হয়। তাছাড়া স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন এবং মাইক্রোওয়েভ কমিউনিকেশনেও এই ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
.
বাংলাদেশে প্রচলিত টেলিভিশনের আদর্শমান কোনটি?
  1. ক) NTSC
  2. খ) PAL
  3. গ) HDTV
  4. ঘ) SECAM
ব্যাখ্যা
টেলিভিশন একটি জনপ্রিয় মাধ্যম যা তথ্য সম্প্রচারের কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি একটি একমূখী যোগাযোগ ব্যবস্থা যাতে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রচার কেন্দ্র থেকে সংকেত পাঠানো হয় এবং ঐ সম্প্রচার কেন্দ্রের আওতাধীন সকলে টেলিভিশনের মাধ্যমে সম্প্রচারিত তথ্য, ছবি, মুভি বা লাইভ প্রোগ্রাম দেখতে পারে। বিশ্বের সর্বত্র টেলিভিশন ও ভিডিও রয়েছে কিন্তু সকল টিভি ও ভিডিওর আদর্শ (Standard) এক নয়। বর্তমান বিশ্বে টিভি ও ভিডিওর নিম্নলিখিত আদর্শগুলো (Standards) দেখা যায়। যথা-
NTSC-National Television System Committee
PAL- Phase Alternation by Line
SECAM-Système Électronique Couleur Avec Mémoire
HDTV- High Definition Television
 টিভি সম্প্রচারের সূচনা থেকেই আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ ও এশিয়ার বেশির ভাগ দেশেই PAL গৃহীত হয় । আমাদের দেশেও এ মানটি প্রচলিত হয়েছে। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
.
নিয়ন্ত্রণ কাঠামোর উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক কে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
  1. ক) ২
  2. খ) ৩
  3. গ) ৪
  4. ঘ) ৫
ব্যাখ্যা
নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণ কাঠামো এবং সার্ভিস প্রদানের ধরনের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটার নেটওয়ার্ককে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-

সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক (Centralized network):
সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক একটি প্রধান কম্পিউটার বা হোস্ট (Host) কম্পিউটার এবং কিছু টার্মিনাল নিয়ে গঠিত হয়। টার্মিনালের মাধ্যমে ব্যবহারকারী হোস্ট কম্পিউটারে সংযুক্ত হয়ে সার্ভিস গ্রহণ করে থাকে। টার্মিনাল দু'ধরনের হয়। যথা-
•ডাম্ব টার্মিনাল (Dumb Terminal) ও
•ইন্টিলিজেন্ট টার্মিনাল (Intelligent Terminal) ।
ডাম্ব টার্মিনালের কোন মেমরি ও স্টোরেজ এবং প্রসেসিং ক্ষমতা নেই। পক্ষান্তরে ইন্টিলিজেন্ট টার্মিনালের সীমিত মেমরি ও স্টোরেজ এবং প্রসেসিং ক্ষমতা থাকে।

ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক (Distributed network):
ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্ক পরস্পর সংযুক্ত কিছু ওয়ার্কস্টেশন, বিভিন্ন শেয়ার্ড স্টোরেজ ডিভাইস এবং প্রয়োজনীয় ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস নিয়ে গঠিত। ওয়ার্কস্টেশনগুলোর নিজস্ব মেমরি, স্টোরেজ ও প্রসেসিং ক্ষমতা থাকায় এগুলো লোকাল কাজ করতে পারে। লোকাল কাজ বলতে ঐ ওয়ার্কস্টেশনের নিজস্ব সফটওয়্যার, ডেটা ও প্রসেসিং ক্ষমতা ব্যবহার করে কোন কাজ করা বুঝায় যে ওয়ার্কস্টেশনের মধ্যে এগুলো অবস্থান করে। 

হাইব্রিড নেটওয়ার্ক (Hybrid network): সেন্ট্রালাইজড নেটওয়ার্ক ও ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের সংমিশ্রণে হাইব্রিড নেটওয়ার্ক তৈরি করা হয়। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বর্তমানে এই হাইব্রিড নেটওয়ার্ক ব্যবহার করছে। এই নেটওয়ার্কে হোস্ট কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ ও প্রসেসিংয়ের পাশাপাশি ডিস্ট্রিবিউটেড নেটওয়ার্কের বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকায় এটি বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়।


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
.
নিচের কোনটি আউটসোর্সিং এর ওয়েবসাইট?
  1. ক) Upwork
  2. খ) Freelancer
  3. গ) Fiverr
  4. ঘ) সবগুলোই
ব্যাখ্যা
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কল্যাণে বিশ্বব্যাপি কর্মসংস্থানের বাজার হয়েছে উন্মুক্ত। ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঘরে বসেই যে কোন দেশের লোকজন বিশ্বের যে কোন দেশের কাজকর্ম করতে পারছে। ইন্টারনেটের মাধ্যমে পৃথিবীব্যাপি এ ধরনের কাজ করে অর্থ অর্জন করার প্রক্রিয়াই হল আউটসোর্সিং। ওয়েবসাইট উন্নয়ন, রক্ষণাবেক্ষণ, মাসিক বেতন-ভাতার বিল প্রস্তুতকরণ, ওয়েবসাইটে তথ্য যোগ করা, সফ্টওয়্যার তৈরি, বিভিন্ন কাজের জন্য ডিজাইন তৈরি, লোগো ডিজাইন, আর্টিকেল লেখা, অনুবাদ, ডাটা এন্ট্রি ইত্যাদি কাজ আউটসোর্সিং এর মাধ্যমে করা যায়।

 এ সকল কাজ ইন্টারনেটে অনেক সাইটে পাওয়া যায়। মধ্যে জনপ্রিয় কয়েকটি হলো আপওয়ার্ক (www.upwork.com), ফ্রিল্যান্সার এর (www.freelancer.com), ইল্যান্স (www.elance.com) ইত্যাদি। যারা আউটসোর্সিংয়ের কাজ করে তাদেরকে বলা হয় ফ্রি-ল্যান্সার।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১০.
ভাগের জন্য কোন অপারেশন কোড ব্যবহৃত হয়?
  1. ক) ADD
  2. খ) SUB
  3. গ) DIV
  4. ঘ) JMU
ব্যাখ্যা
অপারেশন কোড:
অপারেশন কোডে নির্দেশ নেমোনিক থাকে। এই নেমোনিকগুলো বিভিন্ন কম্পিউটারে বিভিন্ন হতে পারে, তবে
সাধারণত নিচের মত হয়।

LDA(লোড) : প্রধান মেমরির কোন নির্দিষ্ট অবস্থানের (অপারেন্ডে দেওয়া) সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরে রাখে (Load Accumulator) !
STA(স্টোর) : STore Accumulator (মেশিনভাষার অনুরূপ)।
CLR(ক্লিয়ার) : CLeaR accumulator
ADD(যোগ) : ADD, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যার সঙ্গে যোগ করে যোগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ ।
SUB(বিয়োগ) : SUBtract, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা থেকে বিয়োগ করে বিয়োগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
MUL(গুণ): MULtiple
DIV (ভাগ) : DIVide, প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানের সংখ্যা দিয়ে অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যাকে ভাগ করে ভাগফল অ্যাকিউমুলেটরে রাখ।
JMU(নিশর্ত জাম্প) : পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে (লেবেলে) যাও ।
JAZ(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ০ হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে
যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।
JAL(জাম্প) : অ্যাকিউমুলেটরের সংখ্যা ঋণাত্মক হলে পরবর্তী নির্দেশের জন্য প্রধান মেমরির নির্দিষ্ট অবস্থানে যাও নতুবা স্বাভাবিকভাবে অগ্রসর হও।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১১.
প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন কে?
  1. ক) গুগলিয়েলমো মার্কনী
  2. খ) রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন
  3. গ) স্টিভ জবস
  4. ঘ) টিম বার্নাস লি
ব্যাখ্যা
•বিশ শতকের ষাট-সত্তর দশকে ইন্টারনেট প্রটোকল ব্যবহার করে আরপানেটের আবিষ্কার করা হয় ।  
•বলা হয় তখন থেকে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কম্পিউটার সমূহের মধ্যে আন্ত:সংযোগ বিকিশিত হতে থাকে ।আর বিকাশের ফলে ইন্টারনেট তৈরি হয়।
•১৯৭১ সালে আরপানেটে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পত্রালাপের সূচনা করেন রেমন্ড স্যামুয়েল টমলিনসন । তিনিই প্রথম ই-মেইল সিস্টেম চালু করেন। 

তথ্যসূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি , একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি
১২.
কোন পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিভিন্ন DNA এবং প্রোটিন ধারার মাধ্যমে সম্পর্ক বের করা হয়?
  1. ক) বায়োমেট্রিক্স
  2. খ) বায়োইনফরমেটিক্স
  3. গ) জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
  4. ঘ) ন্যানোটেকনোলজি
ব্যাখ্যা
•জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং হচ্ছে কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষে নতুন ডিএনএ (DNA) সংযোজন কৌশল।
জিন প্রাণীর বৈশিষ্ট্য নির্ধারণ করে।
 •এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রতিকূল আবহাওয়ায় পোকা, রোগ, ছত্রাক ইত্যাদি প্রতিরোধী উদ্ভিদ জন্মাতে পারে।
•বিজ্ঞানীদের মতে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং দ্বারা মানুষ যেমন উপকৃত হচ্ছে তেমনি অনেক বিজ্ঞানীর মতে এ প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে অনেক নতুন রোগ জীবাণুর জন্ম হতে পারে।
•বর্তমানে একবিংশ শতাব্দীকে তাই নিঃসন্দেহে বলা হচ্ছে The Century of Biological Science। এর কারণ ১৮৭২ সালে পল বার্গের রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ টেকনোলজি বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর আবিষ্কার।
•জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং মূলত ট্রান্সজেটিক (উন্নত বৈশিষ্টধারী) উদ্ভিদ ও প্রাণী সৃষ্টিতে কাজ করে। নামের শেষে ইঞ্জিনিয়ারিং যোগ করার কারণ হচ্ছে জীববিজ্ঞানের কেবলমাত্র এ শাখাটিতেই নিজের ইচ্ছামত ডিজাইন করে এক একটি প্রাণী সৃষ্টি করা যায় ও ডিজাইন করা যায়। 

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৩.
নিচের কোনটি পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামিং ভাষা?
  1. ক) NOMAD
  2. খ) FOCUS
  3. গ) INTELLECT
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
অতি উচ্চতর বা Very high level ভাষা:
কম্পিউটারে সহজে ব্যবহারের জন্য উদ্ভাবিত বিশেষ কয়েকটি ভাষাকে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা (4GL) বলা হয়। উচ্চতর ভাষার তুলনায় চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা বা 4GL খুবই সহজ যদিও 4GL এর জন্য প্রসেসিং ক্ষমতা বেশি দরকার । 4GL এর সাহায্যে সহজেই অ্যপ্লিকেশন তৈরি করা যায় বলে একে Rapid Application Development (RAD) টুলও বলা হয়।
পুঙ্খানুপুঙ্খ বা বিস্তারিতভাবে প্রক্রিয়াকরণের বর্ণনা দিতে হয় না বলে চতুর্থ প্রজন্মের ভাষাকে ননপ্রসিডিউলার ল্যাংগুয়েজও বলা হয়। এসব ক্ষেত্রে শুধু সরল ভাবে প্রক্রিয়াকরণের ফল চাওয়া হয়। অধিকাংশ চতুর্থ প্রজন্মের ভাষায় কথোপকথন রীতিতে প্রশ্ন-উত্তরের মাধ্যমে কম্পিউটারের সাথে ব্যবহারকারীর যোগাযোগের ব্যবস্থা থাকে। SQL, NOMAD, PPG III, FOCUS, Intellect ইত্যাদি কয়েকটি চতুর্থ প্রজন্মের ভাষা।

স্বাভাবিক বা ন্যাচারাল (Natural) ভাষা:
পঞ্চম প্রজন্মের প্রোগ্রামের ভাষা হিসাবে মানুষের স্বাভাবিক ভাষা বা ন্যাচারার ল্যাংগুয়েজকে ব্যবহারের চেষ্টা চলছে। 
ন্যাচারাল ল্যাংগুয়েজ দু প্রকার। একটি হল মানুষের ভাষা যেমন বাংলা, ইংরেজি, আরবি, স্প্যানিস ইত্যদি এবং অন্যটি হল প্রোগ্রমিং ল্যাংগুয়েজ যা মানুষের ভাষা ব্যবহার করে কম্পিউটারের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরি করে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১৪.
নিচের কোনটি ডিজিটাল সিগন্যাল ও অ্যানালগ সিগন্যাল এর মধ্যে রুপান্তর ঘটাতে পারে?
  1. ক) হাব
  2. খ) রাউটার
  3. গ) মডেম
  4. ঘ) কোনটিই নয়
ব্যাখ্যা
মডেম (Modem): মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ। মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে এবং ডিমডুলেটর অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে। মডেমে একটি মডুলেটর এবং একটি ডিমডুলেটর থাকে। প্রেরক কম্পিউটারের সাথে যুক্ত মডেম কম্পিউটারের ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিণত করে টেলিফোন যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্বারা গ্রাহকের নিকট ডেটা ও তথ্য প্রেরণ করে। এভাবে টেলিফোন লাইনের উপযোগী করে অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে। গ্রাহক কম্পিউটারের সঙ্গে যুক্ত মডেম সেই অ্যানালগ সংকেতকে আবার ডিজিটাল সংকেতে পরিণত করে তা কম্পিউটারের ব্যবহারের উপযোগী করে। করে। এভাবে টেলিফোন লাইন থেকে প্রাপ্ত অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন (Demodulation) বলে।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি
১৫.
ওয়েবসাইট পেজ কয় ধরণের হয়?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
হোম পেজ, মূলধারা পেজ ও উপধারার পেজগুলো বিভিন্ন ভাবে সাজানো থাকতে পারে। ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উহার বিভিন্ন পেজগুলোকে নিম্নোক্ত চার ভাবে সাজানো যায়। যথা-
১. ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল (Hierarchical)
২.ওয়েব লিংকড বা নেটওয়ার্ক (Network)
৩. সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার (Linear )
৪. হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Combination)

ট্রি বা হায়ারারকিক্যাল (Hierarchical):
• হায়ারার্কিক্যাল ওয়েব সাইট কাঠামোতে ব্যবহারকারী হোম পেজে ল্যান্ড করে।
• হোম পেজে সাব মেনু ও অন্যান্য পেজের লিংক থাকে। এই পদ্ধতি ব্যবহার করে ওয়েবসাইটকে বিভিন্ন অংশে ভাগ করা যায় যার মাধ্যমে ওয়েবসাইটের ভিজিটররা সহজেই বুঝতে পারে কোন অংশে তার প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো রয়েছে। 

ওয়েব লিংকড বা নেটওয়ার্ক (Network):
এখানে সবগুলো পেজেরই একে অপরের সাথে লিংক থাকে অর্থাৎ একটি মেইন পেজের সাথে যেভাবে অন্যান্য পেজের যেমন লিংক থাকে ঠিক তেমনি অন্যান্য পেজের সাথেও মেইন পেজের লিংক থাকে। 

সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার (Linear):যখন কোন একটি ওয়েবসাইটের পেজগুলো নির্দিষ্ট ক্রমানুসারে ভিজিট করার প্রয়োজন হয় তখন সিকুয়েন্স বা লিনিয়ার স্ট্রাকচার ব্যবহার করা হয়। কোন পেজের পর কোন পেজ আসবে তা ওয়েবটেকনোলজি ডিজাইন করার সময় ঠিক করা হয়ে থাকে। এই ধরণের পেজগুলোতে সাধারণত Next, Previous, Last, First ইত্যাদি লিংক ব্যবহার করা হয়।

হাইব্রিড বা কম্বিনেশন (Combination):  যখন একাধিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করে ওয়েবসাইট ডিজাইন করা হয় তখন তাকে Combination স্ট্রাকচার বলে। শুধুমাত্র হায়ারারকিক্যাল স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে ওয়েবসাইট খুব সুন্দর হয় না এবং শুধুমাত্র নেটওয়ার্ক স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে অতিরিক্ত ডিস্কস্পেস প্রয়োজন হয়। তাই একাধিক স্ট্রাকচার ব্যবহার করলে ওয়েবসাইটের সৌন্দর্য যেমন বৃদ্ধি পায় তেমনি ভিজিটরদের জন্য ভিজিট করাও সহজ হয়।

 তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৬.
প্রোগ্রাম রচনার শেষ ধাপ কোনটি?
  1. ক) সমস্যা বিশ্লেষণ
  2. খ) সমস্যা নির্দিষ্টকরণ
  3. গ) প্রোগ্রাম উন্নয়ন
  4. ঘ) প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ
ব্যাখ্যা
প্রোগ্রাম রচনার ধাপগুলো হল-
-সমস্যা নির্দিষ্টকরণ
-সমস্যা বিশ্লেষণ
-প্রোগ্রাম ডিজাইন
-প্রোগ্রাম উন্নয়ন
-প্রোগ্রাম বাস্তবায়ন
-প্রোগ্রাম ডকুমেন্টেশন
- প্রোগ্রাম রক্ষণাবেক্ষণ


উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৭.
নিম্নের কোনটি ডায়নামিক ওয়েবসাইটের বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. ক) ডাটাবেজ সার্ভার ব্যবহার করা হয়
  2. খ) কন্টেন্ট যুক্ত, ডিলিট বা আপডেট করা যায়
  3. গ) নির্দিষ্ট সংখ্যক পেজ থাকে
  4. ঘ) কোড পরিবর্তন না করেই কন্টেন্ট যুক্ত করা যায়
ব্যাখ্যা
গঠন বৈচিত্র্যের উপর ভিত্তি করে ওয়েবসাইটকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়-
স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট: যে সকল ওয়েবপেজ পূর্ব থেকে তৈরিকৃত তথ্যপ্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায় না তাকে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট বলা হয়। HTML , CSS ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরি হয়।

ডায়নামিক ওয়েবসাইট: যে সকল ওয়েবপেজ আপডেটকৃত তথ্য প্রদর্শন করে এবং কোড পরিবর্তন না করে তথ্য যুক্ত, ডিলিট করা যায়  তাকে ডায়নামিক  ওয়েবসাইট বলা হয়। PHP, ASP, JSP  ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে ডায়নামিক  ওয়েবসাইট তৈরি হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়
১৮.
মৌলিক ডেটা টাইপ কয় ধরণের?
  1. ক) ৩
  2. খ) ৪
  3. গ) ৫
  4. ঘ) ৬
ব্যাখ্যা
১। মৌলিক বা প্রাথমিক বা বিল্ট ইন ডেটা টাইপঃ মৌলিক ডেটা টাইপ আবার ৩ ধরণের।
যথাঃ ক্যারেক্টার , পূর্ণসংখ্যা, ভগ্নাংশযুক্ত সংখ্যা 
২। ব্যবহার কর্তৃক সংজ্ঞায়িত বা ইউজার ডিফাইন্ড ডেটা টাইপ
৩। ডিরাইভড ডেটা টাইপ
৪। ফাঁকা বা এম্পটি ডেটা সেট 

* সি ভাষা ৪  ধরণের ডেটা টাইপ সমর্থন করে
 
উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদ্বশ- দ্বাদশ শ্রেণি