পরীক্ষা আর্কাইভ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

পরীক্ষা৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশনতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়01 hr 30 mins
মোট প্রশ্ন১৫০
সিলেবাস
"Award Mania: Season - 14” এর জন্য প্রযোজ্য -------------------------------------------- ৪৭তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট⎯১২
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন

৫১তম বিসিএস ফাইনাল মডেল টেস্ট ও রিভিশন · তারিখ অনির্ধারিত · ১৫০ প্রশ্ন

.
"বার"— শব্দের 'র' কোন ধরনের ধ্বনি?
  1. ঘর্ষণজাত ধ্বনি
  2. তাড়নজাত ধ্বনি
  3. কম্পনজাত ধ্বনি
  4. পার্শ্বিক ধ্বনি
ব্যাখ্যা

• "বার" শব্দের ‘র’ হলো → কম্পনজাত ধ্বনি।
-------------------
• কম্পনজাত ধ্বনি:

জিভ কম্পিত হয়ে বা দন্তমূল বারবার আঘাত করে উচ্চারিত হয় বলে এ-জাতীয় ব্যঞ্জনগুলিকে বলে কম্পনজাত। এ শ্রেণির বাংলা ব্যঞ্জন একটি /র/।
যেমন- বার, ধার।
----------------------
অন্যদিকে,
• তাড়নজাত ধ্বনি:
জিভ উলটিয়ে এ ধ্বনি তৈরি হয়। উচ্চারণের সময় জিভের সামনের অংশ উপরের শক্ত তালুতে একটিমাত্র টোকা দেয় বলে এগুলিকে টোকাজাত ধ্বনিও বলে। এ জাতীয় বাংলা প্রতিবেষ্টিত ব্যঞ্জন দুটি: ড় ও ঢ় । যেমন- ধড়ফড়, বাড়, গাঢ়, নিগূঢ়।

• ঘর্ষণজাত ধ্বনি:
এ ধ্বনি উচ্চারণের সময় দুটি বাগযন্ত্র খুব কাছাকাছি আসে; কিন্তু একসঙ্গে যুক্ত হয় না। ফলে বাতাস বাধা পায় ও সংকীর্ণ পথে বের হওয়ার সময় ঘর্ষণের সৃষ্টি করে বলে এগুলি ঘর্ষণজাত ধ্বনি বলা হয়। উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বাংলা ঘর্ষণজাত ধ্বনি হচ্ছে দন্তমূলীয়/স্/ বস্তু, কাস্তে, তালব্য /শ/ দাশ, রাশ, হ্রাস, কণ্ঠনালীয়: /হ/ হাট, হনহন।

• পার্শ্বিক ধ্বনি:
বাতাস জিভের এক পাশ বা দু-পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায় বলে এসব ব্যঞ্জনকে বলে পার্শ্বিক। বাংলায় এ শ্রেণির ধ্বনি একটি: ল। যেমন- তাল, শাল। 

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা দ্বিতীয় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
'আঠারো আনা' বাগ্‌ধারাটি কী অর্থ প্রকাশ করে?
  1. প্রায় সম্পূর্ণ
  2. সকল তথ্য
  3. অর্থের কু-প্রভাব
  4. বাড়াবাড়ি
ব্যাখ্যা

• "আঠার আনা" বাগ্‌ধারাটির অর্থ - বাড়াবাড়ি।
বাক্য গঠন: তোমার সবসময় আঠারো আনা স্বভাব, যা আমার একদম ভালো লাগে না।

অন্যদিকে,
- ‘ঊনকোটি চৌষট্টি’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - প্রায় সম্পূর্ণ।
- ‘তামার বিষ’ বাগ্‌ধারাটির অর্থ - অর্থের কু-প্রভাব।
- 'নাড়ির খবর' বাগ্‌ধারাটির অর্থ- সকল তথ্য।

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে কোন পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়েছিলো?
  1. পূর্বাশা
  2. কল্লোল
  3. প্রগতি
  4. হিতকরী 
ব্যাখ্যা

'কল্লোল' পত্রিকা:
- ১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক 'কল্লোল' প্রকাশিত হয়।
- এর সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাস।
- রবীন্দ্র-রোমান্টিক বিরুদ্ধধারা হিসেবে আধুনিক সাহিত্যের সূচনার ক্ষেত্রে এ পত্রিকার ভূমিকা অনস্বীকার্য।
- সাত বছর এই পত্রিকা টিকে ছিলো।
- অচিন্ত্যকুমার সেনগুপ্ত, শৈলজানন্দ মুখোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, প্রেমেন্দ্র মিত্র প্রমুখ ছিলেন এই পত্রিকার সম্পাদক।

অন্য অপশন,
• 'পূর্বাশা' পত্রিকা:
- 'পূর্বাশা' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন - সঞ্জয় ভট্টাচার্য।
- এটি কুমিল্লা থেকে প্রথম প্রকাশিত পত্রিকা।
- এর প্রকাশকাল ছিল ১৯৩২ সাল।

• 'প্রগতি' পত্রিকা:
- প্রগতি ১৯২৭ খ্রিষ্টাব্দে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় মাসিকপত্র 'প্রগতি'।
- সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত।
- বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার বাতাস প্রবাহিত হলে ঢাকা যে তাতে পিছিয়ে ছিল না, 'প্রগতি'র প্রকাশ তার প্রমাণ।
- বাংলাদেশে সাহিত্যের বিকাশে এ পত্রিকার অবদান কম নয়।

• 'হিতকরী' পত্রিকা: 
- 'হিতকরী' পত্রিকা ১৮৯০ খ্রিস্টাব্দে কুষ্টিয়ার লাহিনীপাড়া থেকে মীর মশাররফ হোসেনের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। 
- পরবর্তীতে এর সম্পাদক হন মোসলেম উদ্দীন খান। 
- বাঙালি মুসলিমদের মাতৃভাষা বাংলাচর্চা এবং হিন্দু মুসলিম সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে সংবাদ ও প্রবন্ধ ছাপা হয় পত্রিকাটিতে।

মূলত এই পত্রিকাগুলো কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়নি।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
আলাউদ্দিন আল আজাদের কবিতা 'স্মৃতিস্তম্ভ' কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত?
  1. জীবনজামিন
  2. মানচিত্র
  3. ধানকন্যা
  4. ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ
ব্যাখ্যা

• আলাউদ্দীন আল আজাদের — 'স্মৃতিস্তম্ভ' কবিতাটি — 'মানচিত্র' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

স্মৃতিস্তম্ভ- কবিতা,
- আলাউদ্দিন আল আজাদ।

স্মৃতির মিনার ভেঙেছে তোমার? ভয় কি বন্ধু, আমরা এখনো
চারকোটি পরিবার
খাড়া রয়েছি তো ! যে-ভিত কখনো কোনো রাজন্য
পারেনি ভাঙতে
হীরের মুকুট নীল পরোয়ানা খোলা তলোয়ার
খুরের ঝটকা ধুলায় চূর্ণ যে পদ-প্রান্তে
যারা বুনি ধান
গুণ টানি, আর তুলি হাতিয়ার হাঁপর চালাই
সরল নায়ক আমরা জনতা সেই অনন্য। (সংক্ষেপিত)

-----------------------
• আলাউদ্দিন আল আজাদ:
- তিনি ৬ মে, ১৯৩২ সালে, নরসিংদী জেলার রায়পুর থানার রামনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থের নাম 'জেগে আছি' (১৯৫০)। এটি একটি গল্পগ্রন্থ।
- তাঁর 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র' উপন্যাসটি 'বসুন্ধরা' নামে চলচ্চিত্রায়িত হয়ে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করে।
- তিনি ২০০৯ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

তাঁর রচিত সাহিত্যকর্মসমূহ:
• উপন্যাস:
- তেইশ নম্বর তৈলচিত্র,
- শীতের শেষ রাত বসন্তের প্রথম দিন,
- কর্ণফুলী,
- ক্ষুধা ও আশা,
- খসড়া কাগজ,
- স্বপ্নশিলা,
- বিশৃঙ্খলা।

• কাব্যগ্রন্থ:
- মানচিত্র,
- ভোরের নদীর মোহনায় জাগরণ।

• তার রচিত গল্পগ্রন্থ:
- জেগে আছি,
- মৃগনাভি,
- ধানকন্যা,
- যখন সৈকত,
- অন্ধকার সিঁড়ি,
- জীবনজামিন,
- আমার রক্ত স্বপ্ন আমার।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

.
"আ + উ = ও"- সন্ধি বিচ্ছেদের এই নিয়মে গঠিত শব্দ কোনটি?
  1. দীর্ঘোচ্চারণ
  2. কথোপকথন
  3. গঙ্গোর্মি
  4. নবোঢ়া
ব্যাখ্যা

• স্বরসন্ধির নিয়ম:
প্রথম পদের শেষের অ-ধ্বনি বা আ-ধ্বনির সঙ্গে দ্বিতীয় পদের প্রথম হয়-উ ধ্বনি বা দীর্ঘ-ঊ ধ্বনির যোগে ও-ধ্বনি হয়। বানানে তা ও- কারের রূপ নিয়ে আগের বর্ণে যুক্ত হয়।

অ + উ = ও (ও-ধ্বনিতে রূপান্তর):
সর্ব + উচ্চ = সর্বোচ্চ;
সূর্য + উদয় = সূর্যোদয়;
দীর্ঘ + উচ্চারণ = দীর্ঘোচ্চারণ;
প্রশ্ন + উত্তর = প্রশ্নোত্তরায়।

অ + ঊ = ও (ও-ধ্বনিতে রূপান্তর):
নব + ঊঢ়া = নবোঢ়া;
সর্ব+ ঊর্ধ্ব = সর্বোর্ধ্ব ইত্যাদি।

আ + উ = ও (ও-ধ্বনিতে রূপান্তর):
যথা + উচিত = যথোচিত;
কথা + উপকথন = কথোপকথন;
যথা + উপযুক্ত = যথোপযুক্ত ইত্যাদি।

আ + ঊ = ও (ও-ধ্বনিতে রূপান্তর):
গঙ্গা + ঊর্মি = গঙ্গোর্মি;
মহা + ঊর্মি = মহোর্মি;
মহা + ঊর্ধ্ব = মহোর্ধ্ব ইত্যাদি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

.
"এসো যুগ-সারথি নিঃশঙ্ক নির্ভয়।
এসো চির-সুন্দর অভেদ অসংশয়।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কে?
  1. আল মাহমুদ
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য 
  3. কাজী নজরুল ইসলাম 
  4. ফররুখ আহমদ 
ব্যাখ্যা

"এসো যুগ-সারথি নিঃশঙ্ক নির্ভয়।
এসো চির-সুন্দর অভেদ অসংশয়।" - কবিতাংশটুকুর রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম।
- কবিতাংশটুকু কাজী নজরুল ইসলামের 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থের 'প্রার্থনা' কবিতার অংশবিশেষ।

• 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থ:
সর্বহারা কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ।
- ১৯২৬ খৃষ্টাব্দে এই কাব্যগ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১০ টি কবিতা রয়েছে।

কবিতাসমূহের তালিকা:
১. সর্বহারা,
২. কৃষাণের গান,
৩. শ্রমিকের গান,
৪. ধীবরদের গান,
৫. ছাত্রদলের গান,
৬. কাণ্ডারী হুঁশিয়ার,
৭. ফরিয়াদ,
৮. আমার কৈফিয়ত,
৯. প্রার্থনা,
১০. গোকুল নাগ।

কবিতার অংশিবিশেষ,
এসো যুগ-সারথি নিঃশঙ্ক নির্ভয়।
এসো চির-সুন্দর অভেদ অসংশয়।
জয় জয়।
জয় জয়।

এসো বীর অনাগত
বজ্র-সমুদ্যত।
এসো অপরাজেয় উদ্ধত নির্দয়।
জয় জয়।

উৎস: 'সর্বহারা' কাব্যগ্রন্থ- কাজী নজরুল ইসলাম।

.
"জন্ম > জনম" - কোন ধরনের ধ্বনি পরিবর্তন ঘটেছে?
  1. অপিনিহিতি
  2. আদি স্বরাগম
  3. বিপ্রকর্ষ
  4. অন্ত্যস্বরাগম
ব্যাখ্যা

• "জন্ম > জনম" — 'বিপ্রকর্ষ' এর উদাহরণ।

-------------
• মধ্য স্বরাগম, বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি (Anaptyxis):
অনেক সময় উচ্চারণের সুবিধার জন্য সংযুক্ত ব্যঞ্জন- ধ্বনির মাঝখানে স্বরধ্বনি আসে। একে বলা হয় মধ্য স্বরাগম বা বিপ্রকর্ষ বা স্বরভক্তি।
যেমন-
অ -  রত্ন > রতন, ধর্ম > ধরম, স্বপ্ন > স্বপন, হর্ষ > হরষ ইত্যাদি।
ই -  প্রীতি > পিরীতি, ক্লিপ > কিলিপ, ফিল্ম  > ফিলিম ইত্যাদি।
উ -  মুক্তা > মুকুতা, তুর্ক > তুরুক, ভূ >ভুরু ইত্যাদি।
এ -  গ্রাম > গেরাম, প্রেক> পেরেক, স্রেফ > সেরেফ ইত্যাদি।
ও -  শ্লোক > শোলোক, মুরগ > মুরোগ >মোরগ ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
অপিনিহিতি (Apenthesis):
পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে।
যেমন:
- আজি > আইজ, সাধু > সাউধ, রাখিয়া > রাইখ্যা, বাক্য > বাইক্য, সত্য > সইত্য, চারি > চাইর, মারি > মাইর ইত্যাদি।

আদি স্বরাগম (Prothesis):
উচ্চারণের সুবিধার জন্য বা অন্য কোনো কারণে শব্দের আদিতে স্বরধ্বনি এলে তাকে বলে আদি স্বরাগম (Prothesis)।
যেমন:
স্কুল > ইস্কুল, স্টেশন > ইস্টিশন। 

অন্ত্যস্বরাগম (Apothesis):
কোনো কোনো সময় শব্দের শেষে অতিরিক্ত স্বরধ্বনি আসে। এরূপ স্বরাগমকে বলা হয় অন্ত্যস্বরাগম।
যেমন:
- দিশ > দিশা, পোখত্ >পোক্ত, বেঞ্চ > বেঞ্চি, সত্য >  সত্যি ইত্যাদি।

উৎস:বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৮ সংস্করণ)।

.
'অনল প্রবাহ' — কাব্যগ্রন্থটি কে লিখেছেন
  1. কায়কোবাদ
  2. আহসান হাবীব
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
ব্যাখ্যা

'অনল প্রবাহ' কাব্যগ্রন্থ:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী রচিত মুসলিম জাগরণমূলক কাব্য ’অনল প্রবাহ’।
- এটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি তাঁর প্রথম কাব্যগ্রন্থ এবং প্রকাশিত হওয়ার সাথে সাথে ব্রিটিশ সরকার তা বাজেয়াপ্ত করেছিল।
- প্রথম সংস্করণে কবিতা ছিল মাত্র নয়টি।
- এগুলোর মধ্যে: অনল প্রবাহ, তুর্যধ্বনি, মূর্চ্ছনা, বীর-পূজা, অভিভাষণ, মরক্কো সংকটে উল্লেখযোগ্য।
--------------------------------------------
সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী:
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী লেখক, বাগ্মী এবং কৃষক নেতা।
- তিনি সিরাজগঞ্জ জেলায় জন্মগ্রহণ করেন (এ কারণেই তিনি তাঁর নামের সঙ্গে ‘সিরাজী’ উপাধি যুক্ত করেন)।
- সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী ১৮৮০ খ্রিস্টাব্দে সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- রায়নন্দিনী,
- তারাবাঈ,
- ফিরোজা বেগম।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধ:
- স্বজাতি প্রেম,
- তুর্কি নারী জীবন,
- স্পেনীয় মুসলান সভ্যতা।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- অনল প্রবাহ,
- উচ্ছ্বাস,
- উদ্বোধন,
- স্পেন বিজয় কাব্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

.
জীবনানন্দ দাশের “আবার আসিব ফিরে” কবিতায় কাকে ‘শাদা ছেঁড়া পালে’ দেখা যায় ?
  1. এক বৃদ্ধ মাঝিকে
  2. এক শিকারিকে
  3. এক কিশোরকে
  4. এক জেলেকে
ব্যাখ্যা

• ‘আবার আসিব ফিরে’ — কবিতাটির রচয়িতা — জীবনানন্দ দাশ।
- ‘আবার আসিব ফিরে’ কবিতাটি ‘রূপসী বাংলা’ কাব্যগ্রন্থ থেকে নেয়া হয়েছে।
- ‘রূপসীবাংলা' কাব্যগ্রন্থটি ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত হয়।

• কবিতাটি নিম্নরূপ-
আবার আসিব ফিরে- (জীবনানন্দ দাশ)

আবার আসিব ফিরে ধানসিড়ির তীরে — এই বাংলায়
হয়তো মানুষ নয় — হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;
--------------------
হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে;
হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেচাঁ ডাকিতেছে শিমুলের ডালে;
হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে;
রূপসা ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালে
ডিঙা রায় — রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়ে
দেখিবে ধবল বক: আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে — 

এই কবিতায় কবি বলেছেন- এক কিশোরকে এক শাদা ছেঁড়া পালে দেখা যায়।
--------------------------
• 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থ':
- জীবনানন্দ দাশ রচিত কাব্যগ্রন্থ 'রূপসী বাংলা'।
- 'রূপসী বাংলা' কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৭ সালে।
- কবিতাগুলির গঠন সনেটের। বাংলার গ্রাম-প্রকৃতি, নদীনালা, পশু-পাখি, উৎসব, অনুষ্ঠান কাব্যের বিষয়বস্তু।
- 'আবার আসিব ফিরে' — 'রূপসী বাংলা' কাব্যের বিখ্যাত কবিতা।
----------------------- 
জীবনানন্দ দাশ:
- তিনি কবি, শিক্ষাবিদ ছিলেন।
- তিনি ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশালে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁদের আদি নিবাস ছিল বিক্রমপুরের গাওপাড়া গ্রামে।
- তাঁর পিতা সত্যানন্দ দাশ ছিলেন স্কুলশিক্ষক ও সমাজসেবক।
- মাতা কুসুমকুমারী দাশ ছিলেন একজন কবি।

জীবনানন্দ দাশের উপাধি সমূহ:
- ধুসরতার কবি,
- তিমির হননের কবি,
- রূপসী বাংলার কবি,
- নির্জনতার কবি।

তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনা:
কাব্যগ্রন্থ:
- ঝরা পালক (এটি জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্য গ্রন্থ),
- ধূসর পাণ্ডু লিপি,
- বনলতা সেন,
- মহাপৃথিবী,
- সাতটি তারার তিমির,
- রূপসী বাংলা,
- বেলা অবেলা কালবেলা।

উপন্যাস:
- মাল্যবান,
- সুতীর্থ।

প্রবন্ধগ্রন্থ:
- কবিতার কথা। 

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলা প্রথম পত্র, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১০.
‘ভুখা’ শব্দের অর্থ— 
  1. ভূমিকা
  2. ক্ষুধার্ত
  3. অলঙ্কার
  4. উপহার
ব্যাখ্যা

• বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, 
- ‘ভুখা’ শব্দের অর্থ - ক্ষুধার্ত

অন্যদিকে,
- আভরণ শব্দের অর্থ - অলঙ্কার,
- আভাষ শব্দের অর্থ - ভূমিকা বা আলাপ।
- ‘সওগাত’ শব্দের অর্থ - উপঢৌকন; উপহার।

আরো কিছু শব্দার্থ: 
- ‘অঙ্গনা’ - অঙ্গসৌষ্ঠববিশিষ্ট নারী, সুন্দর নারী।
- ‘ললনা’ - নারী, কান্তা, পত্নী।
- 'আফতাব' - সূর্য।
- 'বিবর' - গহ্বর। 
- চূড়া' - শীর্ষদেশ, শিখর। 
- পর্ণ - গাছের পাতা; তাম্বুল; পান; ডানা ইত্যাদি।
- 'সলিল' - 'জল'।
- 'খগ'- পাখি।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

১১.
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
  1. ষান্মাসিক 
  2. স্নেহাষ্পদ 
  3. নির্নীমেষ
  4. পূর্বাহ্ণ
ব্যাখ্যা

• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম:
তৎসম শব্দে 'অপর, পরা, পূর্ব, প্রা' ইত্যাদি উপসর্গের সঙ্গে 'অহ্ন' প্রত্যয় যুক্ত হলে 'অহ্ন' শব্দের 'দন্ত- ন' পরিবর্তিত হয়ে 'মূর্ধন্য-ণ হয়।
যেমন- অপরাহ্ণ, পরাহ্ণ, প্রাহ্ণ, পূর্বাহ্ণ ইত্যাদি।

• প্রমিত বাংলা বানানের নিয়ম অনুসারে, শুদ্ধ বানান- 'পূর্বাহ্ণ'।



অন্য অপশন:
• ভুল বানান - ষান্মাসিক  – এর শুদ্ধ হবে — ষাণ্মাসিক;
• ভুল বানান- স্নেহাষ্পদ – শুদ্ধ হবে — স্নেহাস্পদ;
• ভুল বানান - নির্নীমেষ – শুদ্ধ হব —  নির্নিমেষ।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান; প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ ও নির্মতি- ড. হায়াৎ মামুদ এবং ড. মোহাম্মদ আমীন ।

১২.
'সূর্য' এর প্রতিশব্দ কোনটি?
  1. সুধাকর
  2. তনু
  3. মার্তণ্ড
  4. সিন্ধু
ব্যাখ্যা

• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ - মার্তণ্ড।

• 'সূর্য' এর কিছু প্রতিশব্দ:
- রবি,
- তপন,
- ভানু,
- ভাস্কর,
- আদিত্য,
- প্রভাকর,
- দিবাকর,
- বিভাবসু,
- দিনমণি,
- মার্তণ্ড,
- অংশুমালী,
- অরুণ।

অন্যদিকে,
- চাঁদের প্রতিশব্দ - সুধাকর, কলানিধি।
- 'দেহ' শব্দের প্রতিশব্দ:- কায়া, কলেবর, গা, গাত্র, তনু, শরীর, অঙ্গ, কায় ইত্যাদি।
• 'সমুদ্র' এর প্রতিশব্দ: সাগর, সিন্ধু, বারিধি, জলধি, অর্ণব, পারাবার, বারীশ, উদধি, পয়োনিধি ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

১৩.
নিচের কোন পদকর্তা চর্যাপদের প্রথম পদটির রচিয়তা?
  1. কাহ্নপা 
  2. ভুসুকুপা 
  3. শবরপা
  4. লুইপা
ব্যাখ্যা

• 'লুইপা' — চর্যাপদের প্রথম পদের রচিয়তা।

• লুইপা:
- চর্যাপদে লুইপাকে আদি সিদ্ধাচার্য বলে বিবেচনা করা হয়। 
- তিনি চর্যাপদের — প্রথম ও ঊনত্রিশতম পদের রচয়িতা।
- এছাড়াও সংস্কৃত ভাষায় তিনি চারটি গ্রন্থ রচনা করেছিলেন।
- তাঁর একটি গ্রন্থের নাম অভিসময়বিভঙ্গ’।

• কাআ তরুবর পাঞ্চ বি ডাল।
চঞ্চল চীএ পৈঠা কাল।।- পদটির রচয়িতা 'লুইপা'। এটি চর্যাপদের প্রথম পদ।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম ও বাংলাপিডিয়া।

১৪.
'বকেয়া' এর বিপরীতার্থক শব্দ কোনটি?
  1. গ্রহণ
  2. প্রসারণ
  3. হৃদ্যতা
  4. অগ্রিম
ব্যাখ্যা

• 'বকেয়া' এর বিপরীতার্থক শব্দ— অগ্রিম।

অন্য অপশন,
• 'বর্জন' এর বিপরীত শব্দ - গ্রহণ।
• 'আকুঞ্চন' এর বিপরীত শব্দ - প্রসারণ।
• 'হৃদ্যতা' এর বিপরীত শব্দ- 'কপটতা'।

আরো গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
- 'গৃহী' এর বিপরীত শব্দ - সন্ন্যাসী।
- 'নির্মীলিত' এর বিপরীত শব্দ- 'উন্মীলিত'।
- 'সিক্ত' এর বিপরীত শব্দ- 'শুষ্ক'।
- 'সুলভ'  এর বিপরীত শব্দ- 'দুর্লভ'।
- 'সন্ধি' এর বিপরীত শব্দ- বিবাদ, বিগ্রহ।
- 'হরদম' এর বিপরীত শব্দ- 'কদাচিৎ'।
- 'হাজির' এর বিপরীত শব্দ- 'গরহাজির'।

উৎস: ভাষা শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

১৫.
নিচের কোনটিকে বিয়োগান্তক নাটক রচনার প্রথম প্রচেষ্টা হিসেবে বিবেচনা করা হয়?
  1. ভদ্রার্জুন
  2. কৃষ্ণকুমারী
  3. কীর্তিবিলাস
  4. শর্মিষ্ঠা
ব্যাখ্যা

• কীর্তিবিলাস:
- 'কীর্তিবিলাস' বিয়োগান্তক নাটক রচনার প্রথম প্রচেষ্টা।
- এর রচয়িতা - যোগেন্দ্রচন্দ্র গুপ্ত।
- এটি ১৮৫২ সালে প্রকাশিত হয়।

বিষয়বস্তু ও বৈশিষ্ট্য:

• সপত্নীপুত্রের প্রতি বিমাতার অত্যাচারকাহিনি অবলম্বনে 'কীর্তিবিলাস' নাটকটি রচিত।
• বিভিন্ন চরিত্রের মৃত্যুর মাধ্যমে ট্র্যাজেডির রূপায়ণ ঘটেছে।
• পাশ্চাত্য আদর্শে নাটকটির অঙ্ক সংখ্যা পাঁচটি।
• তবে সংস্কৃত নাট্যধারার প্রভাবে এতে নান্দী ও সূত্রধার আছে।
• ভাষা সংস্কৃতের প্রভাবে কিছুটা আড়ষ্ট ও কৃত্রিম।

অন্য অপশন,
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি নাটক - কৃষ্ণকুমারী (১৮৬১)।
- তারাচরণ শিকদার রচিত প্রথম মৌলিক নাটক - ভদ্রার্জুন (১৮৫২)।
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত প্রথম সার্থক ও আধুনিক নাটক - শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯)।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৬.
'চিনিপাতা' — কোন সমাসের উদাহরণ?
  1. দ্বন্দ্ব
  2. তৎপুরুষ
  3. বহুব্রীহি
  4. কর্মধারয়
ব্যাখ্যা

• তৎপুরুষ সমাস:
সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস। এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।

⇒ বিভক্তি লােপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত।
- ছেলেকে ভুলানাে = ছেলে-ভুলানাে।

⇒ সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:
- মধু দিয়ে মাখা = মধুমাখা।
- চিনি দিয়ে পাতা = চিনিপাতা।

⇒ কিছু ক্ষেত্রে বিভক্তি লােপ পায় না, এসব তৎপুরুষ সমাসের নাম অলুক তৎপুরুষ। যেমন-
- গরুর গাড়ি = গরুরগাড়ি।
- তেলে ভাজা = তেলেভাজা।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

১৭.
‘চন্দ্রাবতী' কাব্যের লেখক কে?
  1. দ্বিজ কানাই
  2. চন্দ্রাবতী
  3. কেরেশী মাগন ঠাকুর 
  4. নয়ানচাঁদ ঘোষ 
ব্যাখ্যা

• ‘চন্দ্রাবতী' কাব্য:
- ‘চন্দ্রাবতী' কাব্যের একমাত্র রচয়িতা — কেরেশী মাগন ঠাকুর।
- এর একটি খণ্ডিত পুথি পাওয়া গেছে।
- কাব্যের রচনাকাল নিয়ে সংশয় আছে।
- তবে মাগন ঠাকুর — আরাকান রাজ্যের মন্ত্রী ও আলাওলের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। তাই কাব্যটি সতের শতকের।
- ‘চন্দ্রাবতী' কাব্যের প্রাচীন উৎস জানা যায় না।
- মনে হয় এটা কবির স্বাধীন কল্পনা।

- উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতী নামে ময়মনসিংহ গীতিকার একজন মহিলা কবি রয়েছেন যিনি প্রথম রামায়ণ বাংলায় অনুবাদ করেছিলেন।
- আরও উল্লেখ্য, চন্দ্রাবতীকে নিয়ে মৈমনসিংহ-গীতিকায় নয়ানচাঁদ ঘোষ নামে একজন কবির পালা রয়েছে।
- এই পালাটি বিভিন্ন নামে পরিচিত - ‘জয়-চন্দ্রাবতী’, 'চন্দ্রাবতী চরিত', 'চন্দ্রাবতী উপাখ্যান'।

উৎস:
১) বাংলাপিডিয়া।
২) বাংলার পুরনারী - দীনেশচন্দ্র সেন।
৩) বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

১৮.
লোকসাহিত্যকে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কী বলে আখ্যায়িত করেছিলেন?
  1. সাহিত্যের প্রাণস্পন্দন
  2. জনপদের হৃদয়-কলরব
  3. সমাজের প্রতিচ্ছবি
  4. ঐতিহ্যের প্রতিধ্বনি
ব্যাখ্যা

• লোকসাহিত্য:
- লোকের মুখে মুখে প্রচলিত — কাহিনী, গান, ছড়া ইত্যাদি লোকসাহিত্যের ধারা।
- মৌখিক ধারার সাহিত্য যা অতীত ঐতিহ্য ও বর্তমান অভিজ্ঞতাকে আশ্রয় করে রচিত হয়।
- একটি নির্দিষ্ট ভৌগোলিক পরিমণ্ডলে একটি সংহত সমাজমানস থেকে এর উদ্ভব।
- সাধারণত অক্ষরজ্ঞানহীন পল্লিবাসীরা স্মৃতি ও শ্রুতির ওপর নির্ভর করে এর লালন করে।
- মূলে ব্যক্তিবিশেষের রচনা হলেও সমষ্টির চর্চায় তা পুষ্টি ও পরিপক্কতা লাভ করে।
- এজন্য লোকসাহিত্য সমষ্টির ঐতিহ্য, আবেগ, চিন্তা ও মূল্যবোধকে ধারণ করে।
- বিষয়, ভাষা ও রীতির ক্ষেত্রে প্রচলিত ধারাই এতে অনুসৃত হয়।
- কল্পনাশক্তি, উদ্ভাবন-ক্ষমতা ও পরিশীলিত চিন্তার অভাব থাকলেও লোকসাহিত্যে শিল্পসৌন্দর্য, রস ও আনন্দবোধের অভাব থাকে না।

বিশেষ তথ্য:
• লোকসাহিত্য লোকসংস্কৃতির একটি জীবন্ত ধারা; এর মধ্য দিয়ে জাতির আত্মার স্পন্দন শোনা যায়।
তাই,
• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর একে — ‘জনপদের হৃদয়-কলরব’ বলে আখ্যায়িত করেছেন।
• লোকসাহিত্যকে প্রধানত লোকসঙ্গীত, গীতিকা, লোককাহিনী, লোকনাট্য, ছড়া, মন্ত্র, ধাঁধা ও  প্রবাদ এই আটটি শাখায় ভাগ করা যায়।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল আলম; বাংলাপিডিয়া।

১৯.
‘ক্রীতদাসের হাসি’ উপন্যাসে রূপক-প্রতীকের মাধ্যমে কোন শাসকের সমালোচনা করা হয়েছে?
  1. ইয়াহিয়া খান
  2. আইয়ুব খান
  3. বল্লাল সেন
  4. বাদশাহ হারুন-অর-রশীদ
ব্যাখ্যা

• 'ক্রীতদাসের হাসি' উপন্যাস সম্পর্কিত আলোচনা:
- শওকত ওসমানের কালােত্তীর্ণ উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসি।
- এটি একটি প্রতিকাশ্রয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসে তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খানের সমালােচনা করা হয়েছিল রূপক-প্রতীকের আশ্রয়ে।
- বাগদাদের বাদশা হারুন অর রশিদ অত্যাচারী। সে ক্রীতদাস তাতারি ও বাঁদি মেহেরজানের প্রণয়ে বাধা সৃষ্টি এবং তাতারিকে গৃহবন্দি ও অত্যাচার করে।
- তাতারি আমৃত্যু বাদশা হারুনের নির্যাতনের প্রতিবাদ করে যায়।
- এখানে তাতারি বাঙালি জনতার এবং বাদশা হারুন আইয়ুব খানের প্রতীক তাতারির হাসি উপন্যাসে বাঙালির স্বাধীনতার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
- এটি শওকত ওসমানের সর্বশ্রেষ্ঠ উপন্যাস বলে স্বীকৃত। এই গ্রন্থ রচনার জন্য তাঁকে আদমজি পুরস্কার দেয়া হয় ১৯৬৬ সালে।

-------------------------
• শওকত ওসমান:
- ১৯১৭ সালের ২ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার সবলসিংহপুর গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর প্রকৃত নাম শেখ আজিজুর রহমান; ‘শওকত ওসমান’ তাঁর সাহিত্যিক নাম।
- ‘নেকড়ে অরণ্য’ - শওকত ওসমান রচিত উপন্যাস। মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত নেকড়ে অরণ্য গ্রন্থে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী কর্তৃক বাংলার নরনারীর নির্যাতনের করুণ বিবরণ আছে।
- তাঁর জননী ও ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাস দুটি প্রশংসিত হয়েছে।
- জননীতে সামাজিক জীবন ও ক্রীতদাসের হাসিতে রাজনৈতিক জীবনের কিছু অন্ধকার দিক উন্মোচিত হয়েছে।
- 'জাহান্নম হইতে বিদায়' শওকত ওসমান রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।

• শওকত ওসমান রচিত কয়েকটি উপন্যাস-
- ক্রীতদাসের হাসি,
- সমাগম,
- রাজা উপাখ্যান,
- দুই সৈনিক,
- নেকড়ে অরণ্য,
- পতঙ্গ পিঞ্জর,
- রাজসাক্ষী,
- জলাঙ্গী,
- পুরাতন খঞ্জর,
- বনি আদম,
- জননী,
- চৌরসন্ধি।

• শওকত ওসমান রচিত নাটক-
- তস্কর নস্কর,
- পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা,
- আমলার মামলা।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা ও বাংলাপিডিয়া।

২০.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'হৈমন্তী' ছোটগল্পের নায়ক কে?
  1. অমিত 
  2. নিখিলেশ
  3. অপু
  4. আদিত্য
ব্যাখ্যা

'হৈমন্তী' ছোটগল্প:
- ‘হৈমন্তী’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি ছোটগল্প।
- 'হৈমন্তী' গল্পে 'হৈমন্তী'র ডাকনাম ছিলো শিশির।
- 'হৈমন্তী' এর স্বামীর নাম ছিলো — অপু। 
- 'হৈমন্তী' ছোটগল্পটি মাসিক সবুজপত্র পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
- এটি রবীন্দ্রনাথের সমাজ সমস্যামূলক ছোট গল্পগুলোর মধ্যে অন্যতম।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো:
• হৈমন্তী (শিশির),
• গৌরীশংকর,
• অপু,
• বনমালী প্রমুখ।

এই গল্পের কিছু বিখ্যাত উক্তি -
- জ্যৈষ্ঠের খররোদ্রই তো জ্যৈষ্ঠের অশ্রুশূণ্য রোদন।
- আমি পাইলাম ইহাকে পাইলাম।
- সে আমার সম্পত্তি নয়, সে আমার সম্পদ ইত্যাদি।
-------------------- 
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর:
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
- তিনি ছিলেন কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, কথাসাহিত্যিক, নাট্যকার, চিত্রশিল্পী, প্রাবন্ধিক, দার্শনিক, শিক্ষাবিদ ও সমাজ-সংস্কারক।
- তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
- তিনি ছিলেন প্রকৃত অর্থেই অসামান্য প্রতিভাধর ব্যক্তি। বাল্যকালেই তাঁর কবি প্রতিভার উন্মেষ ঘটে।
- মাত্র পনের বছর বয়সে তাঁর 'বনফুল' কাব্য প্রকাশিত হয় এবং এশিয়ার বরেণ্য ব্যক্তিদের মধ্যে তিনিই প্রথম 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের জন্য ১৯১৩ সালে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
- ১৯৪১ সালের ৭ আগস্ট (২২শে শ্রাবণ, ১৩৪৮) জোড়াসাঁকোর বাড়িতে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

• রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আরো কিছু ছোটগল্পের চরিত্র:
- 'একরাত্রি' ছোটগল্পের চরিত্র 'সুরবালা'।
- 'নষ্টনীড়' ছোট গল্পের চরিত্র 'চারুলতা'।
- 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের চরিত্র 'মৃন্ময়ী'।
- 'শাস্তি' ছোটগল্পের নায়িকা 'চন্দরা'।
- 'একরাত্রি' ছোটগল্পের চরিত্র 'সুরবালা'।
- 'পোস্টমাস্টার' গল্পের চরিত্র হলো 'রতন'।
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ঘরে-বাইরে' উপন্যাসের চরিত্র - নিখিলেশ ও বিমলা।
- 'মালঞ্চ' উপন্যাসের চরিত্র - নীরজা, আদিত্য, সরলা প্রমুখ। 
- 'যোগাযোগ' উপন্যাসের চরিত্র - কুমুদিনী, মধুসূদন প্রমুখ।

উৎস: হৈমন্তী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা।

২১.
"মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড" — কোন মঙ্গলকাব্যের অন্তর্গত?
  1. মনসামঙ্গল
  2. অন্নদামঙ্গল
  3. চণ্ডীমঙ্গল
  4. ধর্মমঙ্গল
ব্যাখ্যা

• “মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড” — হলো ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের তৃতীয় খণ্ড।
---------------------
• ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য:
- নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্ররে আদেশে ভারতচন্দ্র 'অন্নদামঙ্গল' কাব্যটি রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর বেশ কিছু গ্রন্থ রচনা করলেও তাঁর শ্রেষ্টসৃষ্টি ‘অন্নদামঙ্গল' (১৭৫২-৫৩ সালে) রচনা করেন ও এই কাব্যের দ্বিতীয়ংশ ‘বিদ্যাসুন্দর'।
- ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের বৈশিষ্ট্য হলো ছন্দ ও অলঙ্কারের সুদক্ষ প্রয়োগ।
- সমালোচক অধ্যাপক অসিতকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে: ‘অন্নদামঙ্গলকাব্য অষ্টদশ শতাব্দীর সর্বশ্রেষ্ঠ কাব্য, সমগ্র বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের অন্যতম।

অন্নদামঙ্গল কাব্য — ৩টি খণ্ডে বিভক্ত।
যথা:
- শিবনারায়ণ,
- কালিকামঙ্গল,
- এবং মানসিংহ-ভবানন্দ খণ্ড।
--------------------------
• ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর:
- মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি এবং বাংলা সাহিত্যের প্রথম নাগরিক কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর।
- তিনি নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন।
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্য রচনা করেন।
- ভারতচন্দ্রের অন্নদামঙ্গল কাব্যের ৩টি খণ্ড ছিল।
- এ কাব্যের জন্য মহারাজ কৃষ্ণচন্দ্র তাঁকে ‘রায়গুণাকর’ উপাধি দেন।
- ভারতচন্দ্রের প্রথম কাব্য ছিল বিমিশ্র দেবতা সত্যনারায়ণের সম্মানে রচিত একটি পাঁচালি।
- ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি বা নাগরিক কবিও বলা হয়।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া।

২২.
'বীরবল' — কার সাহিত্যিক ছদ্মনাম?
  1. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  4. সমরেশ বসু
ব্যাখ্যা

• বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী'র সাহিত্যিক ছদ্মনাম — বীরবল।

অন্যান্য অপশন:
• প্রেমেন্দ্র মিত্রের সাহিত্যিক ছদ্মনাম - কৃত্তিবাস ভদ্র।
• বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় ‘বনফুল’ ছদ্মনামে পরিচিত।
• সমরেশ বসুর সাহিত্যিক ছদ্মনাম - কালকূট।

--------------------
• প্রমথ চৌধুরী:

প্রমথ চৌধুরী সাহিত্যিক, বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক। তিনি ১৮৬৮ সালের ৭ আগষ্ট যশোরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর 'বীরবলের হালখাতা' ১৯০২ সালে ভারতী পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে তিনি প্রথম চলিত রীতির প্রয়োগ ঘটান।

- বাংলা কাব্য সাহিত্যে তিনিই প্রথম ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।
- তিনি 'সবুজপত্র’ পত্রিকাটি সম্পাদনা করেন।
- তিনি ২রা সেপ্টেম্বর, ১৯৪৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ:
- সনেট পঞ্চাশৎ,
- পদচারণ।

• তাঁর রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ:
- তেল নুন লকড়ি,
- বীরবলের হালখাতা,
- নানাকথা,
- আমাদের শিক্ষা,
- রায়তের কথা,
- নানাচর্চা,
- আত্মকথা,
- প্রবন্ধসংগ্রহ ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্পগ্রন্থ:
- চার ইয়ারী কথা,
- আহুতি,
- নীললোহিত।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, বাংলাপিডিয়া।

২৩.
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'বসুন্ধরা ও বর্ষাযাপন' কবিতা কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?
  1. মানসী 
  2. বলাকা 
  3. চিত্রা
  4. সোনার তরী
ব্যাখ্যা

• 'সোনার তরী':
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সোনার তরী কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
- এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা কুষ্টিয়ার শিলাইদহে বসে লেখা হয়েছে।
 
এই কাব্যগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো:
- সোনার তরী,
- বিম্ববতী,
- বর্ষাযাপন,
- সুপ্তোত্থিতা,
- হিং টিং ছট,
- বসুন্ধরা,
- নিরুদ্দেশ যাত্রা।

----------------
রবীন্দ্রনাথ ঠকুরের অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: 
- মানসী,
- সোনার তরী,
- চিত্রা,
- কল্পনা,
- ক্ষণিকা,
- গীতাঞ্জলি,
- বলাকা,
- পূরবী,
- পুনশ্চ,
- পত্রপূট,
- সেঁজুতি,
- শেষলেখা।
 
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা এবং বাংলাপিডিয়া, উচ্চ মাধ্যমিক সাহিত্যপাঠ (২০২০-২১ সংস্করণ)।

২৪.
"দাড়ি জন্মেনি যার" এর বাক্য সংকোচন কোনটি?
  1. ক্ষণজন্মা
  2. পয়স্বিনী
  3. অজাতশ্মশ্রু
  4. বর্ণচোরা
ব্যাখ্যা

 • 'দাড়ি জন্মেনি যার' এর বাক্য সংকোচন - অজাতশ্মশ্রু।

অন্যদিকে,
• 'যার শুভক্ষণে জন্ম' এর এক কথায় প্রকাশ - ক্ষণজন্মা।
• 'দুগ্ধবতী গাভী' এর এক কথায় প্রকাশ - পয়স্বিনী।
• 'যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না' এর এক কথায় প্রকাশ - বর্ণচোরা।

উৎস: বাংলা একাডেমি অভিধান; ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

২৫.
কোন সাহিত্যিক 'গণমানুষের কবি' হিসেবে পরিচিত পেয়েছেন?
  1. আবুল ফজল
  2. রফিক আজাদ 
  3. দিলওয়ার
  4. আহসান হাবীব 
ব্যাখ্যা

• কবি 'দিলওয়ার' - 'গণমানুষের কবি' হিসেবে পরিচিত।

• 'গণমানুষের কবি' হিসেবে কবি দিলওয়ার:
১৯৭৭ সালের ৭ মার্চ সিলেটে কবি দিলওয়ারকে এক নাগরিক সংবর্ধনা দেওয়া হয়। সেই সংবর্ধনায় পড়া মানপত্রের শুরুতেই উল্লেখ করা হয়, ‘গণমানুষের কবি’ দিলওয়ারকে সিলেটের মানুষ অভিনন্দন জানাচ্ছে ‘স্বদেশ, স্বজাতি ও বিশ্বমানবের মঙ্গল কামনাকে অঙ্গীকার করে’ তাঁর ‘আবাল্য কাব্যসাধনার’ জন্য। সেই থেকে ‘গণমানুষের কবি’ অভিধাটি তাঁর নামের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে যায়,

দিলওয়ার:
- ১৯৩৭ সালে সিলেটে জন্মগ্রহণ করেন।
- প্রকৃত নাম: দিলওয়ার খান।

দিলওয়ার রচিত কয়েকটি কবিতা গ্রন্থ:
- জিজ্ঞাসা,
- ঐকতান,
- উদ্ভিন্ন উল্লাস,
- রক্তে আমার অনাদি অস্থ।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট- ২৫ অক্টোবর, ২০১৩।

২৬.
নিচের কোনটি দেশি শব্দ নয়?
  1. পান্তা
  2. ডাব
  3. ডিঙা
  4. মরিচ
ব্যাখ্যা

• দেশি শব্দ:
বাংলা অঞ্চলের আদিবাসী জনগোষ্ঠীর ভাষা থেকে কিছু শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান পেয়েছে, এগুলোকে দেশি শব্দ বলা হয়।
যথা:
- ডিঙা, পেট, পান্তাডাব, টোপর, ঘাঁটি ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
• মরিচ - সংস্কৃত শব্দ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ); বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।

২৭.
Who is the poet of the poem "To Helen"?
  1. T. S. Eliot
  2. George Eliot
  3. Edgar Allan Poe
  4. Robert Frost
ব্যাখ্যা

• Edgar Allan Poe is the poet of the poem "To Helen".

• To Helen:
- "To Helen" হলো Edgar Allan Poe রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা, যা প্রেম, সৌন্দর্য এবং অনুপ্রেরণা নিয়ে লেখা হয়েছে।
- কবিতাটিতে কবি একজন নারীর (Helen) প্রতি তার গভীর শ্রদ্ধা ও প্রেম প্রকাশ করেন, যাকে তিনি তার জীবনের সৌন্দর্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করেন।
- "To Helen" is the first of two poems to carry that name written by Edgar Allan Poe.

• কবিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ লাইন হলো:
- "Helen, thy beauty is to me
Like those Nicean barks of yore"
- এখানে কবি হেলেনের সৌন্দর্যকে পুরানো জাহাজের সাথে তুলনা করেন, যা তাকে অতীতের সুখী সময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।

• Edgar Allan Poe (1809-1849):
- Edgar Allan Poe was an American short-story writer, poet, critic, and editor.
- He is generally considered the inventor of the detective fiction genre.
- তার গল্প "The Murders in the Rue Morgue" (1841) আধুনিক গোয়েন্দা গল্পের সূচনা করেছিল, এবং তার ভয়াবহ গল্পের আবহমণ্ডল আমেরিকান কথাসাহিত্যে অতুলনীয়।
- তার "The Raven" (1845) জাতীয় সাহিত্যের সর্বাধিক পরিচিত কবিতাগুলির মধ্যে অন্যতম।
- Nearly forty-five years after Poe’s death, Sir Arthur Conan Doyle popularized the detective story when he created Sherlock Holmes.

• Notable Works (Poems):
- To Helen,
- The Bells,
- The Raven,
- Ulalume,
- To One in Paradise (Poetry),
- The Valley of Unrest (Poetry), etc.

• Short story:
- The Tell-Tale Heart,
- Morella,
- The Fall of the House of Usher,
- The Black Cat,
- The Oval Portrait,
- The Gold Bug, etc.

Source: Britannica.

২৮.
Which of the following novels is written by Charles Dickens?
  1. Pride and Prejudice
  2. Jude the Obscure
  3. The White Tiger
  4. Our Mutual Friend
ব্যাখ্যা

• The novel 'Our Mutual Friend' is written by Charles Dickens.

• Our Mutual Friend:
- This is the last completed novel by Charles Dickens.
- উপন্যাসটি ১৮৬৪ - ৬৫ সালে ধারাবাহিকভাবে এবং ১৮৬৫ সালে বই আকারে প্রকাশিত হয়েছিল।
- Our Mutual Friend উপন্যাসে টাকার প্রতি মানুষের লোভ, সামাজিক ভণ্ডামি এবং শ্রেণি বিভাজনের কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে।
- কাহিনি শুরু হয় লন্ডনের টেমস নদীতে পাওয়া এক মৃতদেহকে ঘিরে।
- উপন্যাসে দেখানো হয়েছে— কীভাবে অর্থ উত্তরাধিকার মানুষকে বদলে দেয়, কীভাবে ভালোবাসা, বন্ধুত্ব এবং মানবিকতা অর্থলোভের অন্ধকারকে অতিক্রম করতে পারে।

• Charles Dickens (1812-1870):
- Charles Dickens ছিলেন একজন ইংরেজ উপন্যাসিক।
- তাকে ভিক্টোরিয়ান যুগের সর্বশ্রেষ্ঠ লেখক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
- তার কাজ সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে জ্ঞানী, দরিদ্র ও রাজার মতো সব ধরনের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় ছিল।
- প্রযুক্তিগত উন্নতি সহ তাঁর কাজের গুণাবলী তাঁর খ্যাতি বিস্তার করতে সহায়ক হয়েছিল।

• Notable Works (Novels):
- Oliver Twist,
- A Christmas Carol,
- A Tale of Two Cities,
- David Copperfield,
- Great Expectations,
- Our Mutual Friend,
- Dombey and Son,
- Hard Times.

• Non-fiction book:
- American Notes.

অন্যদিকে,
- "Pride and Prejudice" was written by Jane Austen.
- "Jude the Obscure" Thomas Hardy রচিত একটি উপন্যাস।
- "The White Tiger" is a novel by Aravind Adiga.

Source: Britannica.

২৯.
"Santiago" is the protagonist of Ernest Hemingway's novel-
  1. The Sun Also Rises
  2. The Old Man and the Sea
  3. A Farewell to Arms
  4. In Our Time
ব্যাখ্যা

 • "Santiago" is the protagonist of Ernest Hemingway's novel 'The Old Man and the Sea'.

• The Old Man and the Sea:
- Ernest Hemingway wrote the novel 'The Old Man and the Sea'.
- ১৯৫২ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি short heroic novel হিসেবে পরিচিত।
- Ernest Hemingway রচিত শেষ major work of fiction হচ্ছে 'The Old Man and the Sea'.
- গল্পটি একজন বয়স্ক জেলেকে (fisherman Santiago) কেন্দ্র করে যিনি একটি giant Marlin কে ধরার জন্য একটি epic battle এ নিযুক্ত হন।
- তিনি একজন old Cuban fisherman.

• Main Characters:
- Santiago (Protagonist),
- The Marlin,
- Manolin,
- Joe DiMaggio,
- Perico,
- Martin, etc.

• Ernest Hemingway (1899-1961):
- Ernest Hemingway ছিলেন একজন আমেরিকান ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্প লেখক।
- তার পুরো নাম Ernest Miller Hemingway.
- তার লেখার সহজ ও সংক্ষিপ্ত গদ্যশৈলী এবং বাস্তবধর্মী চরিত্রচিত্রণ তাকে বিংশ শতাব্দীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লেখক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
- The Sun Also Rises তার প্রথম novel যা Novelist হিসেবে ইংরেজি সাহিত্যে তাকে প্রতিষ্ঠিত হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
- সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি 1954 সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
- এছাড়া The Old Man and the Sea উপন্যাসের জন্য 1953 সালে পুলিৎজার পুরস্কার লাভ করেন।

• Notable works:
- The Sun Also Rises,
- The Old Man and the Sea,
- A Farewell to Arms,
- Green Hills of Africa,
- The Fifth Column,
- In Our Time, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩০.
"O, it is excellent
To have a giant's strenght, but it is tyrannous to use it like a giant."
This witty extract is from-
  1. All's Well That Ends Well
  2. Antony and Cleopatra
  3. Measure for Measure
  4. King Lear
ব্যাখ্যা

• "O, it is excellent
To have a giant's strenght, but it is tyrannous to use it like a giant.
"
This witty extract is from 'Measure for Measure'.

• Measure for Measure:
- এটি William Shakespeare এর 5 act সম্বলিত একটি Dark Comedy.
- ১৬০৩-০৪ সালের দিকে লেখা এবং ১৬২৩ সালের  First Folio তে প্রকাশিত হয়।
- এটি একটি "Problem play" হিসেবে পরিচিত, কারণ এতে ট্র্যাজেডি ও কমেডির সংমিশ্রণ রয়েছে।
- William Shakespeare এর এই বিখ্যাত নাটকটি সামাজিক ন্যায়বিচার, নৈতিকতা এবং ক্ষমার বিষয়বস্তুকে কেন্দ্র করে রচিত।
- Measure for Measure" is generally considered a tragi-comedy due to its blend of serious and comic elements and its ambiguous resolution.

• Summary:
- "Measure for Measure" হলো William Shakespeare রচিত একটি নাটক। ভিয়েনার ডিউক তার ক্ষমতা ছেড়ে, Lord angelo নামে এক কঠোর শাসককে রেখে যান।
- Lord angelo কঠোরভাবে আইন প্রয়োগ করতে শুরু করে এবং Claudio নামক যুবককে অবৈধ সম্পর্কের জন্য মৃত্যুদণ্ড দেয়। Claudio এর বোন Isabella, Lord angelo -এর কাছে অনুরোধ জানায়।
- কিন্তু Lord angelo তাকে বলেছে, তার ভাইয়ের জীবন বাঁচাতে তাকে নিজের দেহ দিতে হবে।
- ডিউক ভিয়েনা গোপনে ফিরে এসে Lord angelo এর অসৎ আচরণ প্রকাশ করে এবং Claudio এর শাস্তি মওকুফ করেন।
- নাটকটি ন্যায়, সততা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার নিয়ে মন্তব্য করে।

• Main characters:
- Isabella,
- Vincentio,
- Claudio,
- Lord Angelo,
- Juliet,
- Mistress Overdone, etc.

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Famous quotations of William Shakespeare:
- "All the world's a stage
And all the men and women are merely players."
- "Sweet are the uses of adversity"
- 'All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand.'
- 'Fair is foul, and foul is fair.'
- 'Life is but a walking shadow.'
- 'What's done cannot be undone'
- 'Life is a tale told by an idiot.'
- "To be or not to be that is the question."
- "Frailty, thy name is woman."
- "Brevity is the soul of wit."
- "Listen to many, speak to a few."
- "Though this be madness, yet there is method in't."
- "Conscience does make cowards of us all."
- "One may smile, and smile, and be a villain."
- "There's a divinity that shapes our ends,
Rough-hew them how we will."
- "There is nothing either good or bad, but thinking makes it so."
- "There are more things in heaven and earth, Horatio,
Than are dreamt of in your philosophy."

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩১.
Which of these is not written by G.B. Shaw?
  1. Major Barbara
  2. Mrs. Warren's Profession
  3. Saint Joan
  4. The Old Bachelor
ব্যাখ্যা

• 'The Old Bachelor' is not written by G.B. Shaw.
- 'The Old Bachelor' is a play by William Congreve.

• ​G. B. Shaw (1856-1950):
- তার পুরো নাম George Bernard Shaw.
- George Bernard Shaw 'Modern period' এর একজন Irish নাট্যকার এবং সাহিত্য সমালোচক।
- তিনি ১৯২৫ সালে নোবেল পুরস্কার পান।
- G.B. Shaw ছিলেন Fabian Society এর একজন সদস্য।
- তাঁর উপাধি হলো - The greatest modern English dramatist এবং তাঁকে The father of modern English literature বলা হয়।

​• Famous Plays of G.B. Shaw:
- Pygmalion (Romantic play),
- Man and Superman (Comedy play),
- Major Barbara (Social satire),
- Mrs. Warren's Profession (play),
- Arms and the Man (Romantic comedy),
- Heartbreak House (comedy play),
- Caesar and Cleopatra (play/tragedy),
- The Doctor's Dilemma (satire drama/play, Epilogue),
​- Saint Joan (St. Joan of Arc), etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩২.
The poem "The Revolt of Islam" was composed by-
  1. T.S. Eliot
  2. P.B. Shelley
  3. Matthew Arnold
  4. William Wordsworth
ব্যাখ্যা

• The poem "The Revolt of Islam" was composed by P.B. Shelley.

• The Revolt of Islam:
- এটি P.B. Shelley রচিত একটি Poem.
- It is a poem in twelve cantos.
- যা 1817 সালে প্রকাশিত হয়।
- The poem was originally published under the title Laon and Cythna; or, The Revolution of the Golden City.

• P.B. Shelley (1792-1822):
- তার পুরো নাম Percy Bysshe Shelley.
- P. B. Shelley ছিলেন একজন প্রখ্যাত ইংরেজি কবি এবং রোমান্টিক আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিত্ব। তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তিনি ছিলেন একজন ইংরেজ রোমান্টিক কবি, যিনি তাঁর বিপ্লবী ধারণা, কল্পনাপ্রসূত সঙ্গীতশৈলী এবং সামাজিক পরিবর্তনের জন্য প্রবল সমর্থনের জন্য পরিচিত।
- তিনি রোমান্টিক আন্দোলনের একজন অগ্রগণ্য ব্যক্তি হিসেবে বিবেচিত হন এবং তাঁর ভাষা এবং বিষয়ের উদ্ভাবনী ব্যবহারের জন্য প্রশংসিত।
- তিনি বিশ্বাস করতেন সমাজের পরিবর্তনের জন্য একটি গুনগত বিপ্লবের প্রয়োজন।
- এজন্য তাকে ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম একজন Revolutionary poet হিসেবে গণ্য করা হয়।
- তাঁর নিরন্তর লক্ষ্য ছিল ভবিষ্যতের জন্য একটি গৌরবময় স্বর্ণযুগ নিয়ে আসা।

• Notable works (Poems):
- Ode to the West Wind,
- To a Skylark,
- Ozymandias,
- Queen Mab,
- Adonais,
- The Cloud,
- Rosalind and Helen,
- The Revolt of Islam,
- Hymn to Intellectual Beauty, etc.

• Drama:
- Prometheus Unbound,
- The Cenci (1819).

• Books:
- A Defence of Poetry,
- A Philosophical View of Reform,
- The Necessity of Atheism,
- Peter Bell the Third, etc.

Source:
1. Britannica.
2. Poetry Foundation.

৩৩.
Which of the following is an example of 'Oxymoron'?
  1. Alone Alone
  2. Pretty stunning
  3. Life is like a journey
  4. Deafening silence
ব্যাখ্যা

• "Deafening silence" is an example of 'Oxymoron'.

​• Oxymoron:
- A figure of speech in which incongruous or contradictory terms appear side by side.
- Oxymoron হলো একটি অলঙ্কারশাস্ত্রের কৌশল যেখানে দুটি বিপরীতধর্মী বা পরস্পরবিরোধী শব্দ বা ধারণা একসঙ্গে ব্যবহার করা হয়, যা বিশেষ অর্থ তৈরি করে।
- Two words or phrases used together that have, or seem to have, opposite meanings.
- অর্থাৎ, দুটি বিপরীতার্থক শব্দ পাশাপাশি বসলে Oxymoron হয়।
- When we use phrases like male-female, host-guest, civil war, an open secret, magic realism, or wise fool, we use oxymorons.

• ​Oxymoron -এর বৈশিষ্ট্য:
- বিপরীতধর্মী শব্দ: দুটি পরস্পরবিরোধী বা সাংঘর্ষিক শব্দ পাশাপাশি বসানো হয়।
- অসঙ্গত সম্পর্ক: শব্দগুলো একে অপরের বিপরীত হলেও একত্রে বিশেষ অর্থ তৈরি করে।
- শব্দচাতুরী: লেখকের সৃজনশীলতা প্রকাশ করে এবং ভাষায় গভীরতা আনে।
- কাব্য ও সাহিত্যিক ব্যবহার: এটি কবিতা, নাটক, গল্প এবং অন্যান্য সাহিত্যকর্মে অর্থবহ করে তোলে।

• ​Oxymoron -এর আরো কিছু উদাহরণ:
- "Living dead" 
- "Seriously funny"
- "Bitter sweet" 
- "Open secret"
- "Act naturally"
- "Awfully good"
- "Original copy"
- "Alone together"

Source:
1. Literary terms.net
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৪.
A comic novel, "Tom Jones" was penned by-
  1. Jonathan Swift
  2. Henry Fielding
  3. Samuel Richardson
  4. Jane Austen
ব্যাখ্যা

• A comic novel, "Tom Jones" was penned by Henry Fielding.

• Tom Jones:
- British novelist and playwright Henry Fielding রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো 'Tom Jones'.
- Tom Jones, In full: The History of Tom Jones, a Foundling, হচ্ছে একটি comic novel.
- এটি ১৭৪৯ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়, which is the 1st half of 18th century.
- এটি একটি রোমান্স প্লটের উপরে লখা।
- Tom Jones, Picaresque Novel এর অন্যতম উদাহরণ।

• Short-Summary:
- Tom Jones হচ্ছে একজন অনাথ যুবক; যাকে উপন্যাসের আরেক গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র Squire Allworthy সন্তানের মত লালন-পালন করেন। উপন্যাসে দেখা যায়, Squire Allworthy হলেন একজন উদার ও দয়ালু জমিদার এবং তিনি Tom এর প্রতি বিশেষ যত্নশীল। বড় হয়ে Tom তার প্রতিবেশী Sophia Western এর প্রেমে পড়ে, কিন্তু তাদের সম্পর্কের পথে নানা বাধা আসে। Tom Jons এর অনাথ পরিচয় এবং তার চরিত্রের কিছু দুর্বলতা তাদের মিলনের পথে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
- উপন্যাসটি টমের নানা দুঃসাহসিক অভিযান ও বিভিন্ন দুর্দশা , তার সাথে বিভিন্ন মানুষের সাক্ষাৎ এবং জীবনের নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার পর, শেষ পর্যন্ত টমের প্রকৃত পরিচয় প্রকাশ পায় - সে আসলে স্কোয়ার অ্যালওয়ার্দির বোনের সন্তান। এই আবিষ্কারের পর, সমাজে তার মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হয় বং সে সোফিয়াকে বিয়ে করতে সক্ষম হয়।

• Main characters:
- Squire Allworthy,
- Bridget Allworthy,
- Mrs. Wilkins,
- Tom Jones,
- Sophia Western,
- Jenny Jones,
- Dr. Blifil,
- Captain Blifil,
- Partridge,
- Molly Seagrim, etc.

• Henry Fielding (1707-1754):
- Henry Fielding হলো 'The Age of Sensibility' এর একজন ইংলিশ উপন্যাসিক এবং নাট্যকার ছিলেন, যিনি Samuel Richardson -এর সঙ্গে ইংরেজি উপন্যাসের founder হিসেবে বিবেচিত হন।
- তিনি মূলত কমেডি এবং সামাজিক সমালোচনা নিয়ে লেখা তার কাজের জন্য পরিচিত।
- Fielding ইংরেজি সাহিত্যে উপন্যাসের বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
- He is famous for the Picaresque Novel.
- তার ছদ্মনাম (pen name) হলো Captain Hercules Vinegar.

• Famous plays:
- The Tragedy of Tragedies,
- Rape Upon Rape,
- The Temple Beau,
- The Miser,
- The Modern Husband, etc.

• Famous Novels:
- Tom Jones,
- Amelia,
- Joseph Andrews.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৫.
"Clym Yeobright" is a renowned character introduced by-
  1. Henry Fielding
  2. Daniel Defoe
  3. Thomas Hardy
  4. George Orwell
ব্যাখ্যা

• "Clym Yeobright" is a renowned character introduced by Thomas Hardy.

• The Return of the Native:
- এটি ইংরেজ লেখক Thomas Hardy -এর একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস, যা ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- উপন্যাসটির পটভূমি ইংল্যান্ডের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের Wessex অঞ্চলের কাল্পনিক Egdon Heath.
- Thomas Hardy এই উপন্যাসে নিয়তির নির্মমতা ও মানুষের অসহায়ত্ব তুলে ধরেন।

• Summary:
- কাহিনীর প্রধান চরিত্র Clym Yeobright প্যারিসে সফল জুয়েলারি ব্যবসায়ী হিসেবে কর্মজীবন শেষে, নিজ জন্মভূমি ইগডন হিথে ফিরে আসেন। তিনি স্থানীয় স্কুলে শিক্ষকতা করতে চান। এদিকে, তার স্ত্রী Eustacia Vye শহুরে জীবনের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে ইগডন হিথে বসবাস করছেন। ইউস্টেসিয়া স্থানীয় মদ্যপানকারী Damon Wildeve -এর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করেন, যা পরবর্তীতে জটিল পরিস্থিতির সৃষ্টি করে। পরিণামে, Eustacia এবং Damon উভয়ই দুঃখজনক পরিণতির শিকার হন।

• Main characters:
- Clym Yeobright,
- Eustacia Vye,
- Thomasin Yeobright,
- Damon Wildeve,
- Mrs. Yeobright,
- Diggory Venn, etc.

• Thomas Hardy (1840-1928):
- Thomas Hardy ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান লেখক হিসেবে পরিচিত।
- তিনি মূলত বাস্তববাদ (Realism) এবং প্রকৃতিবাদ (Naturalism) সাহিত্যধারার অনুসারী ছিলেন।
- তার উপন্যাসগুলোতে ইংল্যান্ডের গ্রামীণ জীবন, সামাজিক কুসংস্কার, প্রেম, ট্র্যাজেডি এবং নিয়তির বিরুদ্ধে মানুষের সংগ্রামকে গভীরভাবে চিত্রিত করা হয়েছে।
- He was also a regional novelist and a poet কারণ একটি মাত্র নির্দিষ্ট অঞ্চলকে কেন্দ্র করেই তার সকল সাহিত্যকর্ম রচিত হওয়ার কারণে তাকে এই উপাধি দেয়া হয়।
- তিনি Victorian peroid-এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসিক বিবেচিত হয়।

• Famous Novels:
- Tess of the d'Urbervilles,
- The Return of the Native,
- A Pair of Blue Eyes,
- The Poor Man and the Lady,
- Far from the Madding Crowd,
- The Woodlanders,
- The Mayor of Casterbridge,
- The Well-Beloved,
- Jude the Obscure, etc.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৬.
The novel "Sense and Sensibility" belongs to-
  1. Restoration period
  2. Modern period
  3. Romantic period
  4. Victorian period
ব্যাখ্যা

• The novel "Sense and Sensibility" belongs to the 'Romantic period'.
- এটি লিখেছেন Romantic period -এর ঔপন্যাসিক Jane Austen.

• Sense and Sensibility:
- Jane Austen রচিত অন্যতম জনপ্রিয় উপন্যাস।
- এটি একটি সামাজিক রোমান্টিক উপন্যাস।
- এটি ১৮১১ সালে প্রকাশিত হয়।
- এটি দুই বোন Elinor Dashwood এবং Marianne Dashwood এর গল্প, যারা প্রেম, সামাজিক বাধা এবং ব্যক্তিগত পরিপক্কতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায়।

• Summary:
- বোন দুটি তাদের বাবার মৃত্যুর পর কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। তাদের পরিবার সম্পত্তির অধিকার হারিয়ে ফেলে, কারণ তৎকালীন ইংরেজ সমাজে নারীরা উত্তরাধিকারী হতে পারত না।
- এ অবস্থায় তারা প্রেম এবং সম্পর্কের জটিলতায় জড়িয়ে পড়ে।
- Elinor প্রেমে পড়ে Edward Ferrars এর, যিনি সামাজিক ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতার কারণে দ্বিধাগ্রস্ত।
- অপরদিকে, Marianne প্রেমে পড়ে চটকদার ও আবেগী John Willoughby এর, যিনি শেষ পর্যন্ত তাকে প্রতারণা করে।
- পরবর্তীতে, Marianne বুঝতে পারে যে প্রকৃত ভালোবাসা এবং দায়িত্বশীলতা গুরুত্বপূর্ণ, এবং সে বাস্তববাদী ও সৎ Colonel Brandon কে গ্রহণ করে।

• এই উপন্যাসের বিখ্যাত উক্তি হলো-
- Money can only give happiness where there is nothing else to give it.
- Know your own happiness. You want nothing but patience- or give it a more fascinating name, call it hope.
- Money can only give happiness where there is nothing else to give it.
- To wish was to hope, and to hope was to expect.
- Know your own happiness.

• Jane Austen (1775-1817):
- তিনি একজন English novelist.
- তিনি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক।
- তাঁর লেখাগুলো উনিশ শতকের প্রথম ভাগের ইংরেজ সমাজের বাস্তবচিত্র তুলে ধরে।
- Her works remain timeless, often being adapted into films, TV shows, and stage productions.
- She first gave the novel its distinctly modern character through her treatment of ordinary people in everyday life.

• Notable works:
- Pride and Prejudice,
- Sense and Sensibility,

- Emma,
- Lady Susan,
- Mansfield Park,
- Northanger Abbey,
- Persuasion, etc.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৭.
The Romantic poets include all except-
  1. William Blake
  2. Samuel Taylor Coleridge
  3. John Keats
  4. Dylan Thomas
ব্যাখ্যা

• The Romantic poets include all except Dylan Thomas.

• Dylan Thomas (1914-1953):
- তার পুরো নাম Dylan Marlais Thomas.
- He was a Welsh poet and prose writer whose work is known for its comic exuberance, rhapsodic lilt, and pathos. 
- ১৬ বছর বয়সে তিনি স্কুল ত্যাগ করে রিপোর্টার পেশায় যোগ দেন।
- তিনি বিখ্যাত তার রচিত কাব্যে comic exuberance এর জন্য।

• Notable Works (poems):
- Do not go gentle into that good night,
- 18 Poems,
- 25 Poems,
- A Child’s Christmas in Wales,
- Deaths and Entrances,
- Fern Hill,
- Under Milk Wood, etc.

অন্যদিকে,
- William Blake is both a poet and a painter of the Romantic period.
- Samuel Taylor Coleridge is a famous poet of the Romantic period.
- John Keats is a famous poet of the Romantic period.

Source:
1. Britannica.
2. An ABC of English Literature by Dr. M. Mofizar Rahman.

৩৮.
William Shakespeare wrote the play about-
  1. King Henry
  2. King John
  3. King Richard
  4. All of these
ব্যাখ্যা

• William Shakespeare wrote plays about all of these: King Henry, King John, and King Richard.

- William Shakespeare ইংরেজি সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে পরিচিত। তিনি ইতিহাস থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে বেশ কয়েকটি historical play (ঐতিহাসিক নাটক) রচনা করেছেন।
- তিনি King Henry, King John এবং King Richard এই তিনজনকে রাজাকে নিয়ে ১০টি ঐতিহাসিক নাটক রচনা করেছেন।

• King Henry → Henry IV (Part 1, 2), Henry V, Henry VI (Part 1, 2, 3), Henry VIII
• King John → King John
• King Richard → Richard II, Richard III

• William Shakespeare (1564-1616):
- William Shakespeare একাধারে একজন English poet, dramatist এবং actor.
- তাকে 'English National Poet' বলা হয়।
- Stratford-upon-Avon -এ জন্মগ্রহণ করেছেন বলে তাকে Bard of Avon বা Swan of Avon বলা হয়।
- তাকে অনেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার হিসেবে বিবেচনা করেন।
- Shakespeare occupies a unique position in world literature.
- William Shakespeare মূলত তাঁর Drama and Sonnet -এর জন্য পরিচিত।
- তিনি মোট ১৫৪ টি sonnet এবং ৩৭ টি play লিখেছেন।
- এছাড়া তিনি Long narrative poem ও লিখেছেন।

• Notable works:
• Tragedy:
- Hamlet,
- Othello,
- King Lear,
- Macbeth,
- Titus Andronicus,
- Timons of Athens
- Antony and Cleopatra 
- Coriolanus
- Romeo and Juliet, etc.

• Comedy:
- As You Like It,
- The Tempest,
- Twelfth Night,
- Love's Labour's Lost,
- A Comedy of Errors,
- The Taming of the Shrew,
- Much Ado About Nothing,
- All's Well That Ends Well,
- A Midsummer Night's Dream,
- The Merry Wives of Windsor,
- The Two Gentlemen of Verona, etc.

• Tragi-comedy:
- The Merchant of Venice,
- The Winter's Tale,
- Cymbeline,
- Troilus and Cressida,
- Measure for Measure.

Source:
1. Britannica.
2. SparkNotes.

৩৯.
What does the idiom 'Weather the storm' mean?
  1. To be in a state of confusion
  2. To survive a difficult situation
  3. To worsen the situation
  4. To avoid problems by hiding
ব্যাখ্যা

• The idiom 'Weather the storm' means- To survive a difficult situation.

• Weather the storm:
- English Meaning: to survive difficulties; to be able to continue doing something despite serious problems.
- Bangla Meaning: বিপদ কাটিয়ে উঠা; কঠিন বা বিপদজনক পরিস্থিতি মোকাবিলা করা।

• Ex. Sentence: The government appears to have weathered the storm.
- Bangla Meaning: সরকার মনে হচ্ছে বিপদ কাটিয়ে উঠেছে।

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪০.
Fill in the gap with the appropriate preposition:
My father prevailed _____ some friends to let us stay with them.
  1. to
  2. over
  3. on
  4. with
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: My father prevailed on some friends to let us stay with them.
- Bangla meaning: আমার বাবা কিছু বন্ধুকে রাজি করেছিলেন যাতে তারা আমাদেরকে তাদের সাথে থাকতে দেয়।

• Prevail on/upon someone to do something
- English Meaning: to persuade someone to do something.
- Bangla Meaning: বুঝিয়ে সুজিয়ে রাজি করানো; উদ্বুদ্ধ করা।

আবার,
• Prevail (over/against) - জয়লাভ করা; সাফল্যের সঙ্গে লড়াই করা।
-যেমন: Truth will always prevail over lies.

Source:
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Cambridge Dictionary.

৪১.
She turned off the light to avoid ______ by them.
  1. disturb
  2. disturbing
  3. being disturbed
  4. disturbed
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: She turned off the light to avoid being disturbed by them.
- Bangla Meaning: তাদের দ্বারা বিরক্ত না হওয়ার জন্য সে আলো নিভিয়ে দিল।

• কিছু কিছু Verb আছে যেগুলোর পরে verb+ing (gerund) বসে।
- যেমন: admit, appreciate, avoid, consider, delay, deny, enjoy, finish, mind, miss, postpone, practice, risk, resume, resist, etc.

- নিয়মানুযায়ী, এখানে disturbing বসার কথা।
- কিন্তু লক্ষ্য করলে দেখা যায়, উল্লিখিত বাক্যে verb টির কাজ তার subject নিজে করতে পারে না, তাই এটি passive এর গঠন অনুসরণ করবে।
- Structure: "avoid + being + past participle" (passive gerund).

- তাই, শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - being disturbed.

৪২.
‘Ethnography’ refers to-
  1. Study of cultures and peoples
  2. Study of ethics
  3. Study of languages
  4. Study of history
ব্যাখ্যা

• ‘Ethnography’ refers to "Study of cultures and peoples".

• Ethnography (Noun)
- English Meaning: The study and systematic recording of human cultures; also: a descriptive work produced from such research.
- Bangla Meaning: মানবজাতির বৈজ্ঞানিক বিবরণ।

অন্যদিকে,
খ) Study of ethics: Ethics or Moral Philosophy - নৈতিক নীতিমালার পদ্ধতি; জীবনবিধান।

গ) Study of languages: Linguistics - ভাষাবিদ্যা; ভাষাবিজ্ঞান; ভাষাতত্ত্ব।

ঘ) Study of history: historiography - ইতিহাস অধ্যয়নসংক্রান্ত বিদ্যা।

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৩.
Which of the following nouns does not add ‘ves’ in the plural form?
  1. wife
  2. wolf
  3. proof
  4. half
ব্যাখ্যা

• The correct answer is - proof.

• Proof (Noun, adjective, verb)
- English Meaning: a fact or piece of information that shows that something exists or is true.
- Bangla Meaning: প্রমাণ; সাক্ষ্যপ্রমাণ; সাবুদ; সাক্ষ্যসাবুদ; নিদর্শন;  প্রমাণীকরণ; প্রতিপাদন।

- এর plural হিসেবে 'proofs or proof' use করা হয়।

অন্যদিকে,
ক) wife (পত্নী; স্ত্রী) এর plural হলো wives.

খ) wolf (নেকড়ে) এর plural হলো wolves.

ঘ) half (অর্ধেক) এর plural হলো halves.

- অর্থাৎ, এই তিনটি noun এর সাথে 'ves' যুগ করে plural করতে হয়।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৪.
Fill in the gap with the right form of the verb:
We helped him ______ the work.
  1. with finishing
  2. finishing
  3. finish
  4. finished
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: We helped him finish the work.
- Bangla meaning: আমরা তাকে কাজটি শেষ করতে সাহায্য করেছি।

• Causative Verb:
- Subject যখন নিজে কাজ না করে অন্যকে দিয়ে কাজ করিয়ে নেয় তখন এই অর্থে causative verb ব্যবহৃত হয়। 
- Help, Get, Have, Let, Make ইত্যাদি বহুল প্রচলিত causative verb.
- Make, have, get প্রভৃতি যোগে অনেক verb- কে causative verb এ পরিণত করা যায়।

• Causative verb হিসাবে help এর structure:
- Subject + help (any tense) + action doer + base form/ infinitive (to+base form) + ext.

• More examples:
- We have to help her find her keys.

- তাই অন্য অপশনগুলো ভুল।

৪৫.
The simple form of:
Though he has a busy schedule, he finds time to exercise.
  1. Because of his having a busy schedule, he finds time to exercise.
  2. In spite of his having a busy schedule, he finds time to exercise.
  3. In spite of his being a busy schedule, he finds time to exercise.
  4. Despite of his having a busy schedule, he finds time to exercise.
ব্যাখ্যা

- Complex Sentence: Though he has a busy schedule, he finds time to exercise.
- Simple Sentence: In spite of his having a busy schedule, he finds time to exercise.

• Though/ Although Clause- এ has/have/ had থাকলে সে ক্ষেত্রে Complex Sentence কে Simple Sentence এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Though/ Although এর পরিবর্তে Despite/ In Spite of বসে।
- Subject অনুসারে এর Possessive form বসে।
- has/have/had এর পরিবর্তে having বসে।
- প্রদত্ত Sentence এর বাকী অংশ বসবে।

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.

৪৬.
The synonym of 'Dilapidated'-
  1. Smart
  2. Agitated
  3. Shabby
  4. Fortified
ব্যাখ্যা

• The synonym of 'Dilapidated'- Shabby.

• Dilapidated (adjective)
- English Meaning: old and in poor condition; (esp. of a structure) in bad condition and needing repair.
- Bangla Meaning: জীর্ণ; ধ্বংসপ্রাপ্ত; ক্ষয়িত; ধ্বংসস্তূপে পরিণত।

• Given options:
ক) Smart - চটপটে; ছিমছাম।

খ) Agitated - উত্তেজিত; বিক্ষুব্ধ।

গ) Shabby - জীর্ণ; হীন; নিকৃষ্ট।

ঘ) Fortified - সুরক্ষিত; সমর্থন করা; উত্কর্ষবৃদ্ধি করা।

• সুতরাং, অপশনগুলোর অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায়, The synonym of 'Dilapidated'- Shabby.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৭.
Fill in the blank with the correct verb:
Mr. Rasel would rather ____ home last night.
  1. stay
  2. stayed
  3. staying
  4. have stayed
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: Mr. Rasel would rather have stayed home last night.
- Bangla Meaning: রাসেল সাহেব গত রাতে বরং বাড়িতেই থাকতেন।

• would rather -এর ব্যবহার:
- কোনো কিছু করা বরং ভালো অর্থে would rather + verb -এর base form ব্যবহৃত হয়।
- would rather দিয়ে দুটি কাজের মধ্যে দ্বিতীয়টির চেয়ে প্রথমটি শ্রেয়, এ রকম বোঝায়।
- Structure: Sub + would rather + verb এর present form + than + verb/noun.
- যেমন: I would rather die than beg.

• তবে অতীতে কোনো কিছু করা বরং ভালো ছিল অর্থে would rather have + verb -এর past participle ব্যবহৃত হয়।
- প্রদত্ত বাক্যে last night থাকায় 'have stayed' সঠিক উত্তর হিসেবে নিতে হবে।
- তাই শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে- have stayed.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Advanced Learner's Communicative English Grammar and Composition by Chowdhury and Hossain.

৪৮.
One who pretends illness to avoid duty-
  1. Fatalist
  2. Malingerer
  3. Accomplice
  4. Effeminate
ব্যাখ্যা

• One who pretends illness to avoid duty- Malingerer.

• Malingerer (Noun)
- English Meaning: A person who pretends to be ill in order to avoid having to work.
- Bangla Meaning: যে ব্যক্তি কর্তব্য এড়াতে অসুস্থতার ভান করে।

• অন্যদিকে,
ক) Fatalist
- English Meaning: Someone who believes that people cannot change the way events will happen and that events, especially bad ones, cannot be avoided.
- Bangla Meaning: অদৃষ্টবাদ; নিয়তিবাদ; সবকিছুই নিয়তি-নির্ধারিত-এই বিশ্বাস।

গ) Accomplice
- English Meaning: one associated with another especially in wrongdoing.
- Bangla Meaning: (বিশেষত দুষ্কর্মের) সঙ্গী বা সহায়তাকারী; সহযোগী।

ঘ) Effeminate
- English Meaning: having feminine qualities untypical of a man : not manly in appearance or manner.
- Bangla Meaning: (পুরুষদের ক্ষেত্রে, নিন্দার্থে) মেয়েলি (স্বভাবের)।

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৪৯.
Make it passive: The cake tastes delicious.
  1. The cake is delicious to taste.
  2. The cake be delicious as it is tasted.
  3. The cake is delicious when it is tasted.
  4. The cake is delicious if it is tasted.
ব্যাখ্যা

- Active: The cake tastes delicious.
- Passive: The cake is delicious when it is tasted.

- প্রদত্ত বাক্যটি একটি Quasi Passive Voice -এর উদাহরণ।

• Feel, look, smell, read, write, taste, sell, ইত্যাদি Quasi-Passive verb গুলোর পরে complement থাকলে Passive করার নিয়ম-
• এই ধরনের Active voice -কে দুই ভাবে passive করা যায়:
1) Active voice -এর subject টিই passive voice -এর subject হিসেবে বসে + tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে + complement টি বসে + when + প্রথম subject অনুযায়ী if/ they বসে + আবারো tense অনুযায়ী auxiliary verb + মূল verb এর past participle.
- যেমন:
- Active: The cake tastes delicious.
- Passive: The cake is delicious when it is tasted.

2) Active voice -এর subject টিই passive voice -এর subject হিসেবে বসে + tense অনুযায়ী auxiliary verb বসে + মূল verb এর past participle + complement টি বসে।
- যেমন:
- The book reads difficult.
- The book is read difficult.

• সাধারণ passive structure টি হলো-
- Subject + be verb + complement + when (if) + it/they + be verb + V3.

Source: A Passage to the English Language by S M Zakir Hussain.

৫০.
What is the antonym of 'Exculpate'?
  1. Incriminate
  2. Abrogate
  3. Discharge
  4. Vindicate
ব্যাখ্যা

• The antonym of 'Exculpate' is - Incriminate.

• Exculpate (Verb transitive)
- English Meaning: Show or declare that (someone) is not guilty of wrongdoing.
- Bangla Meaning: অভিযোগাদি থেকে নিষ্কৃতি দেওয়া।

• Given options:
ক) Incriminate - দোষারোপ করা; অভিযুক্ত করা।

খ) Abrogate - (আনুষ্ঠানিক) ক্ষমতাবলে বাতিল/রদ/স্থগিত করা।

গ) Discharge - দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া; অপরাধ থেকে খালাস দেওয়া।

ঘ) Vindicate - (বিবাদ বা আক্রমণের উপজীব্য কোনোকিছুর সত্যতা, ন্যায্যতা, যথার্থতা ইত্যাদি) প্রমাণ বা প্রতিপাদন করা।

• সুতরাং, অপশনের অর্থ বিবেচনা করে দেখা যায় যে, The antonym of 'Exculpate' is - Incriminate.

Source: 
1. Accessible Dictionary by Bangla Academy.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫১.
Fill in the blank:
The number of books in the library ______ increased.
  1. have
  2. have been
  3. has
  4. is
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: The number of books in the library has increased.
- Bangla meaning: লাইব্রেরিতে বইয়ের সংখ্যা বেড়েছে।

• Subject-Verb Agreement অনুযায়ী,
- The Number of + Plural Noun + Singular Verb বসে।
- যেহেতু প্রশ্নে উল্লিখিত বাক্যে The Number of আছে, তাই এরপর plural noun 'books' এবং singular verb ‘has’ হয়েছে।

• More examples:
- The number of students in the class is increasing.
- The number of participants in the program has exceeded expectations.

আবার,
- A number of (some, several, many) + plural Noun + plural verb বসে।

- যেমন: A number of books were borrowed from the library last week.

• অন্যদিকে,
ক) have: Used for plural subjects.

খ) have been: Passive voice for plural subjects.

ঘ) is: ভুল কারণ, প্রশ্নে "increased" past participle ব্যবহৃত হয়েছে, তাই has সঠিক।

৫২.
We resurfaced the floor because it wasn't even.
Here, the underlined word 'even' is a/an-
  1. Noun
  2. Adjective
  3. Adverb
  4. Verb
ব্যাখ্যা

• We resurfaced the floor because it wasn't even. (আমরা ফ্লোরটি নতুনভাবে পলিশ করলাম কারণ এটি সমান ছিল না।)
- Here, the underlined word 'even' is an adjective.

• Even (adjective)
- English Meaning: flat and smooth, or on the same level.
- Bangla Meaning: সমতল; মসৃ; ভারসাম্যপূর্ণ।

• Even শব্দটি adjective, adverb, verb হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।
- তবে Be verb -এর পরে সাধারণত adjective বসে।
- তাই "even" এখানে adjective.

অন্যদিকে,
• Even (adverb) - used to show that something is surprising, unusual, unexpected, or extreme.
- যেমন: I don't even know where it is.

• Even (verb) - to make two things equal: to make even.
- যেমন: That result evens the series at two games apiece.

• প্রাচীন (archaic) অর্থে 'Even' noun হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
- যেমন: a member of an indigenous people living in the Kamchatka peninsula of eastern Siberia.

Source:
1. Oxford Dictionary.
2. Cambridge Dictionary.
3. Merriam-Webster Dictionary.

৫৩.
She seems to work harder when she's in ____ bad temper.
  1. a
  2. an
  3. the
  4. No article
ব্যাখ্যা

• Complete sentence: She seems to work harder when she's in a bad temper.
- Bangla meaning: যখন তার মেজাজ খারাপ থাকে তখন সে আরও বেশি পরিশ্রম করে বলে মনে হয়।

• be in a bad, foul, etc. temper
- English Meaning: to be feeling angry.
- Bangla Meaning: রাগ অনুভব করা; মেজাজ খারাপ হওয়া।

​• কিছু কিছু phrase -এ article হিসেবে a/an বসে।
- যেমন: in a hurry, in a nutshell, in a fix, in a bad temper, etc.

Source:
1. Cambridge Dictionary.
2. Merriam-Webster Dictionary.

৫৪.
Identify the correct sentence:
  1. The project would have been completed if more resources had allocated.
  2. The project would have been completed if more resources had been allocated.
  3. The project would have been completed if more resources been allocated.
  4. The project will be completed if more resources had been allocated.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: The project would have been completed if more resources had been allocated.
- Bangla meaning: আরও সম্পদ বরাদ্দ করা হলে প্রকল্পটি সম্পন্ন হত।

• Third conditional -এর নিয়মানুযায়ী:
- If clause (শর্তযুক্ত অংশে)-এ যদি (had + V3) হয়, তবে পরবর্তী clause -এ would/could/might + have + V3 + extension হয়।

• Structure: If + Past Perfect (had + V3) + Subject + would/could/might + have + verb-এর past participle.
• Passive Structure: If + Past Perfect (had been+ V3) + Subject + would/could/might + have been+ verb-এর past participle.

- এখানে, project এবং resources উভয়ই অন্যদের দ্বারা হবে।
- তাই এখানে passive structure হবে।

• More Examples:
- The accident might have been avoided if the driver had been more careful.
- The report would have been finished earlier if they had worked overnight.

৫৫.
Which one is correct?
  1. We made those decisions based on some informations.
  2. We made these decisions based on much informations.
  3. We made those decisions based on a lot of informations.
  4. We made those decisions based on some information.
ব্যাখ্যা

• Correct sentence: We made those decisions based on some information.
- Bangla: কিছু তথ্যের ভিত্তিতে আমরা এই সিদ্ধান্তগুলি নিয়েছি।

• Use of Determiner:
- Uncountable noun এর পূর্বে Determiner হিসেবে সাধারণত Little, much, less ,no, any ইত্যাদি ব্যবহৃত হয়।
- many, few countable noun এর পূর্বে বসে।
- Some, a lot of দ্বারা countable এবং uncountable উভয় প্রকার noun কে Determine করা হয়।


• information একটি Uncountable noun, এর কোনো plural form হয় না,এবং এর সাথে s/es যুক্ত হয় না।
- তাই অপশন অনুযায়ী information এর পূর্বে Determiner হিসেবে some বসবে।

- অন্য অপশনগুলোতে informations ব্যবহার হয়েছে, যা ভুল।

৫৬.
নিচের কোনটি মূলদ সংখ্যা?
  1. √18/√32
  2. √3/√2
  3. √8/√6
  4. 1/√8
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: নিচের কোনটি মূলদ সংখ্যা?

সমাধান:
মূলদ সংখ্যা: মূলদ সংখ্যাকে দুইটি পূর্ণসংখ্যার ভগ্নাংশ (p/q) হিসেবে প্রকাশ করা যায়, যেখানে q শূন্য নয়। 
অমূলদ সংখ্যা: মূলদ সংখ্যাকে দুইটি পূর্ণসংখ্যার ভগ্নাংশ (p/q) হিসেবে প্রকাশ করা যায় না, যেখানে q শূন্য নয়। 

ক) √18/√32
= √(18/32) = √(9/16) = 3/4 = 0.75
→ এটি একটি মূলদ সংখ্যা

খ) √3/√2 = √(3/2) = 1.22474487
এটি অমূলদ সংখ্যা

গ) √8/√6 = √(8/6) = √(4/3) = 1.15470054
এটি অমূলদ সংখ্যা

ঘ) 1/√8 = 0.35355339
 এটি অমূলদ সংখ্যা

৫৭.
M(x) = 2x2 - 5x + x3 + 7 এবং N(x) = x2 - 2x + 3 হলে, M(x)/N(x) এর মাত্রা কত?
  1. 0
  2. 1
  3. 4
  4. 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: M(x) = 2x2 - 5x + x3 + 7 এবং N(x) = x2 - 2x + 3 হলে, M(x)/N(x) এর মাত্রা কত?

সমাধান:
M(x) = 2x2 - 5x + x3 + 7 
 সর্বোচ্চ ঘাত হলো 3, তাই M(x) এর মাত্রা 3
এবং 
N(x) = x2 - 2x + 3
সর্বোচ্চ ঘাত হলো 2, তাই N(x) এর মাত্রা 2

M(x)/(N) = x3/x2 = x3 - 2 = x1
অতএব, M(x)/N(x)​ এর মাত্রা হলো 1

৫৮.
একটি ক্লাবের 5 জন মহিলা এবং 7 জন পুরুষ আছে। 4 সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করতে হবে যাতে একজন নির্দিষ্ট মহিলা সর্বদাই উপস্থিত থাকে। কত প্রকারে কমিটি গঠন করা যেতে পারে?
  1. 120
  2. 84
  3. 225
  4. 165
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ক্লাবের 5 জন মহিলা এবং 7 জন পুরুষ আছে। 4 সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করতে হবে যাতে একজন নির্দিষ্ট মহিলা সর্বদাই উপস্থিত থাকে। কত প্রকারে কমিটি গঠন করা যেতে পারে?

 সমাধান:
যেহেতু 1 জন মহিলা সর্বদাই উপস্থিত থাকবে তাই
(5 - 1) + 7 = 4 + 7 = 11 জন থেকে বাকি 3 সদস্য বাছাই করা যাবে = 11C3 
= 11!/3!(11 - 3)!
= (11 × 10 × 9 × 8!)/(3 × 2) × 8!
= 11 × 5 × 3
= 165

∴ কমিটি গঠন করা যেতে পারে ১৬৫ প্রকারে।

৫৯.
3 + 7 + 11 + 15 + 19 + ................ ধারাটির কোন পদ 267?
  1. 72
  2. 67
  3. 61
  4. 59
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: 3 + 7 + 11 + 15 + 19 + ................ ধারাটির কোন পদ 267?

সমাধান:
ধারাটির প্রথম পদ a = 3 
সাধারণ অন্তর d = 7 - 3 = 4
ধারাটির n তম পদ = 267

আমরা জানি,
n তম পদ = a + (n - 1) d.
a + (n - 1)d = 267
বা, 3 + (n - 1)4 = 267
বা, 4(n - 1) = 267 - 3
বা, 4(n - 1) = 264
বা, n - 1= 264/4
বা, n - 1 = 66
বা, n = 66 + 1
∴ n = 67

ধারাটির 67 তম পদ = 267

৬০.
১০০০০ টাকা ৮% হারে ২ বছরে সরল সুদ ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য কত হবে?
  1. ১০২ টাকা
  2. ৭২ টাকা
  3. ৬৪ টাকা
  4. ৯২ টাকা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ১০০০০ টাকা ৮% হারে ২ বছরে সরল সুদ ও চক্রবৃদ্ধি সুদের পার্থক্য কত হবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে, 
আসল, P = ১০০০০ টাকা 
মুনাফার হার, r = ৮% = ৮/১০০ = ২/২৫ 
সময়, n = ২ বছর 

আমরা জানি, 
সরল মুনাফা, I = Prn = ১০০০০ × (২/২৫) × ২ 
= ৪০০  × ৪ = ১৬০০ টাকা 
এবং 
চক্রবৃদ্ধি সুদ = P(১ + r)n - P
= ১০০০০(১ + ২/২৫) - ১০০০০
= ১১৬৬৪ - ১০০০০ 
= ১৬৬৪

∴ পার্থক্য = ১৬৬৪ - ১৬০০ = ৬৪ টাকা 

৬১.
(3, 5) এবং (5, 4) বিন্দুগামী রেখার উপর লম্ব রেখার ঢালের মান কোনটি?
  1. 2
  2. - 1/2
  3. - 1
  4. 1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: (3, 5) এবং (5, 4) বিন্দুগামী রেখার উপর লম্ব রেখার ঢালের মান কোনটি?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
বিন্দু দুটি (x1, y1) = (3, 5)
এবং (x2, y2) = (5, 4)

আমরা জানি,
ঢাল, m = (y2 - y1)/(x2 - x1)
= (4 - 5)/(5 - 3)
∴ m = - 1/2

∴ লম্ব রেখার ঢাল = - 1/m = - 1/(- 1/2) = 2

৬২.
একটি ছক্কা দুইবার নিক্ষেপ করা হল। প্রথম নিক্ষেপে জোড় সংখ্যা এবং দ্বিতীয় নিক্ষেপে বিজোড় সংখ্যা আসার সম্ভাবনা কত?
  1. 1/6
  2. 1/4
  3. 1/12
  4. 1/2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি ছক্কা দুইবার নিক্ষেপ করা হল। প্রথম নিক্ষেপে জোড় সংখ্যা এবং দ্বিতীয় নিক্ষেপে বিজোড় সংখ্যা আসার সম্ভাবনা কত?

সমাধান:
প্রথম নিক্ষেপে জোড় সংখ্যা

ছক্কা = 1, 2, 3, 4, 5, 6
জোড় সংখ্যা = 2, 4, 6 = 3 টি

∴ P(প্রথম নিক্ষেপে জোড় সংখ্যা) = 3/6 ​= 1/2

আবার,
দ্বিতীয় নিক্ষেপে বিজোড় সংখ্যা
বিজোড় সংখ্যা = 1, 3, 5 = 3 টি 

∴ P(দ্বিতীয় নিক্ষেপে বিজোড় সংখ্যা) = 3/6 = 1/2

∴ P(প্রথম নিক্ষেপে জোড় সংখ্যা এবং দ্বিতীয় নিক্ষেপে বিজোড় সংখ্যা) = (1/2) × (1/2) = 1/4

৬৩.
log2 + log4 + log16 + log256 + ... এই ধারার প্রথম দশটি পদের সমষ্টি কত?
  1. 210 log2
  2.  (29 - 1)log2
  3. 2log2
  4. (210 - 1)log2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: log2 + log4 + log16 + log256 + ... এই ধারার প্রথম দশটি পদের সমষ্টি কত?

সমাধান:
log2 + log4 + log16 + log256 + ...
প্রথম 10টি পদ হবে,
log(21) + log(22) + log(24) + log(28) + log(216) + log(232) + log(264) + log(2128) + log(2256) + log(2512)
= (1 + 2 + 4 + 8 + 16 + 32 + 64 + 128 + 256 + 512)log2
এখানে,
প্রথম পদ = 1, সাধারণ অনুপাত = 2 এবং সংখ্যা = 10
= a(rn - 1)/(r - 1)   ; r > 1
= 1(210 - 1)/(2 - 1)
= 210 - 1

এই ধারার প্রথম দশটি পদের সমষ্টি  (210 - 1)log2

৬৪.
একটি দ্রব্যের লিখিত মুল্য ক্রয়মূল্যের 40% বেশি। কত ছাড় দিলে বিক্রেতার 12% লাভ হবে?
  1. 21%
  2. 15%
  3. 20%
  4. 18%
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একটি দ্রব্যের লিখিত মুল্য ক্রয়মূল্যের 40% বেশি। কত ছাড় দিলে তার 12% লাভ হবে?  

সমাধান:
ক্রয়মূল্য 100 টাকা হলে,
লিখিতমূল্য = 100 + 40 = 140 টাকা
এবং 
১২% লাভে বিক্রয়মূল্য = 100 + 12 = 112 টাকা।

∴ ছাড় দিতে হবে = (140 - 112) = 28 টাকা।
∴ শতকরা ছাড় দিতে হবে = (28/140) × 100 = 20%

৬৫.
দুই অঙ্ক বিশিষ্ট একটি সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি 9। অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, তা প্রদত্ত সংখ্যা থেকে 27 বেশি। সংখ্যাটির এক চতুর্থাংশের মান কত?
  1. 9
  2. 12
  3. 18
  4. 6
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: দুই অঙ্ক বিশিষ্ট একটি সংখ্যার অঙ্কদ্বয়ের সমষ্টি 9। অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায়, তা প্রদত্ত সংখ্যা থেকে 27 বেশি। সংখ্যাটির এক চতুর্থাংশের মান কত?

সমাধান:
ধরি, একক স্থানীয় অঙ্ক = a
তাহলে, দশক স্থানীয় অঙ্ক = 9 - a
∴ সংখ্যাটি = 10(9 - a) + a = 90 - 9a
∴ অঙ্কদ্বয় স্থান বিনিময় করলে সংখ্যাটি = 10a + (9 - a) = 9a + 9

প্রশ্নমতে,
9a + 9 - 27 = 90 - 9a
⇒ 9a + 9a = 90 - 9 + 27
⇒ 18a = 108
∴ a = 6
∴ সংখ্যাটি = 90 - (9 × 6) = 36
অতএব, সংখ্যাটির এক চতুর্থাংশের মান = 36/4 = 9

৬৬.
যদি (√2)3x - 2 = 32 হয়, তাহলে x এর মান কত?
  1. 7/3
  2. 4
  3. 4/3
  4. 2
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: যদি (√2)3x - 2 = 32 হয়, তাহলে x এর মান কত?

সমাধান:
(√2)3x - 2 = 32
⇒ (21/2)3x - 2 = 25
⇒ 2(3x - 2)/2 = 25
⇒ (3x - 2)/2 = 5
⇒ 3x - 2 = 5 × 2
⇒ 3x = 10 + 2
⇒ 3x = 12
⇒ x = 12/3
∴ x = 4

৬৭.
ব্যাস 16 সে.মি. এবং উচ্চতা 2 সে.মি. বিশিষ্ট একটি সিলিন্ডার গলিয়ে 12টি সমব্যাসার্ধ বিশিষ্ট গোলক তৈরি করলে প্রতিটি গোলকের ব্যাসার্ধ কত হবে?
  1. 2.5 সে.মি.
  2. 3 সে.মি.
  3. 1.5 সে.মি.
  4. 2 সে.মি.
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: ব্যাস 16 সে.মি. এবং উচ্চতা 2 সে.মি. বিশিষ্ট একটি সিলিন্ডার গলিয়ে 12টি সমব্যাসার্ধ বিশিষ্ট গোলক তৈরি করলে প্রতিটি গোলকের ব্যাসার্ধ কত হবে?

সমাধান:
সিলিন্ডারের ব্যাস = 16 সেমি
⇒ ব্যাসার্ধ = 16/2 = 8 সেমি
সিলিন্ডারের উচ্চতা = 2 সেমি

∴ সিলিন্ডারের আয়তন (V) = π × r2 × h
= π × 82 × 2
= π × 64 × 2
= 128π ঘন সেমি

আবার,
ধরি,
প্রতিটি গোলকের ব্যাসার্ধ = r সেমি
⇒ প্রতিটি গোলকের আয়তন = (4/3)πr3
⇒ 12 টি গোলকের আয়তন = 12 × (4/3)πr3
= 16πr3

প্রশ্ন অনুযায়ী,
সিলিন্ডারের আয়তন = ১২টি গোলকের মোট আয়তন
⇒ 128π = 16πr3
⇒ r3 = 128π ÷ 16π = 8
⇒ r3 = 23
∴ r = 2

∴ প্রতিটি গোলকের ব্যাসার্ধ হবে 2 সেমি

৬৮.
একটি গাড়ি ব্রেক কষার পর থেমে যায়। এর জন্য দায়ী কোন বল?
  1. মহাকর্ষ বল
  2. ঘর্ষণ বল 
  3. চৌম্বক বল
  4. স্থিতিস্থাপক বল 
ব্যাখ্যা

◉ যখন একটি গাড়ি ব্রেক কষে, তখন ব্রেক প্যাড চাকায় ঘর্ষণ সৃষ্টি করে। এই ঘর্ষণ বল চাকাকে ঘুরতে বাধা দেয় এবং ক্রমান্বয়ে গাড়ির গতি কমিয়ে এনে একসময় থামিয়ে দেয়।

ঘর্ষণ ও ঘর্ষণ বল:
- যখন দু'টি বস্তু পরস্পরের সংস্পর্শে থাকে এবং একটি বস্তু অপরটির উপর দিয়ে চলতে চেষ্টা করে, তখন বস্তু দু'টির স্পর্শ তলে একটি বাধার সৃষ্টি হয়। এই বাধাকে ঘর্ষণ বলা হয়।
- যে বল গতিশীল বস্তুটির গতির পথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে ঘর্ষণ বল বলা হয়।

• ঘর্ষণ সাধারণত চার প্রকার। যথা:
১. প্রবাহী ঘর্ষণ:
- যখন কোনাে বস্তু তরল বা বায়বীয় পদার্থ এর ভেতর দিয়ে যায় তখন সেটি যে ঘর্ষণ বল অনুভব করে সেটি হচ্ছে প্রবাহী ঘর্ষণ।
- প্যারাস্যুট নিয়ে যখন কেউ প্লেন থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে তখন বাতাসের প্রবাহী ঘর্ষণের কারণে ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসতে পারে।
- জাহাজ পানিতে চলার সময় একটি বাঁধা অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়, আর এ বাঁধার ফলে প্রবাহী ঘর্ষণ সৃষ্টি হয়।
- আবার, মানুষ পুকুরে সাঁতার কাটার সময় পুকুরের পানির মধ্য দিয়ে একটি বাঁধাকে অতিক্রম করে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হয়, আর এ বাঁধাই হলো প্রবাহী ঘর্ষণ।

২. স্থিতি ঘর্ষণ:
- যখন দুটি বস্তু একে অপরের সাপেক্ষে স্থির থাকে, তখন যে ঘর্ষণ বল সৃষ্টি হয়, সেটি স্থিতি ঘর্ষণ।
- স্থিতি ঘর্ষণের কারণে আমরা হাঁটতে পারি, কারণ আমাদের পা বা জুতার তলা মাটিতে স্থিতি ঘর্ষণের ফলে আটকে থাকে এবং পিছলে পড়ে না।

৩. গতি ঘর্ষণ:
- একটি বস্তুর সাপেক্ষে অন্য বস্তু যখন চলমান হয় তখন যে ঘর্ষণ বল তৈরি হয় সেটি হচ্ছে গতি ঘর্ষণ।
- সাইকেলের ব্রেক চেপে ধরলে সেটি সাইকেলের চাকাকে চেপে ধরে এবং ঘুরন্ত চাকাকে গতি ঘর্ষণের কারণে থামিয়ে দেয়।
- গতি ঘর্ষণ ওজনের উপর নির্ভর করে, ওজন যত বেশি হবে গতি ঘর্ষণ তত বেশি হবে।

৪. আবর্ত ঘর্ষণ:
- একটি তলের উপর যখন অন্য একটি বস্তু গড়িয়ে বা ঘুরতে ঘুরতে চলে তখন সেটাকে বলে আবর্ত ঘর্ষণ।
- সবগুলাে ঘর্ষণ বলের মধ্যে এটা সবচেয়ে ছােট তাই আমরা সব সময়ই সকল রকম যানবাহনের মাঝে চাকা লাগিয়ে নিই। চাকা লাগানাে সুটকেস খুব সহজে টেনে নেওয়া যায়, যদি এর চাকা না থাকত তাহলে মেঝের উপর টেনে নিতে আমাদের অনেক বেগ পেতে হতাে।

উৎস:
১. পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
২. পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৬৯.
একই বৈশিষ্ট্যের জন্য ক্রোমোজোমে অবস্থানরত জিনের ভিন্ন ভিন্ন রূপকে কী বলা হয়?
  1. অ্যালিল
  2. লোকাস
  3. জিনোটাইপ
  4. ফিনোটাইপ
ব্যাখ্যা

◉ একটি জিনের ভিন্ন ভিন্ন রূপকে অ্যালিল বলা হয়। এগুলো একই লোকাসে (chromosome-এর নির্দিষ্ট অবস্থান) অবস্থান করে এবং কোনো বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতা সৃষ্টি করতে পারে। যেমন: মটরশুঁটির ফুলের রঙের জন্য একটি অ্যালিল বেগুনি রঙের, আরেকটি অ্যালিল সাদা রঙের হতে পারে।

জিন: 
- জিন (Gene) W. L. Johannsen (গ্রিক genes = born) ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে জিন শব্দটি ব্যবহার করেন।
- ১৮৬৬ খ্রিস্টাব্দে মেন্ডেল এর অনুমানকৃত জীবের বৈশিষ্ট্য নির্ধারক বস্তুটি হলো এলিমেন্টিস বা ফ্যাক্টর যা পরবর্তীকালে জিন নামে অভিহিত হয়। 
- জিন হচ্ছে বংশগতির মৌলিক একক এবং এরা বংশ পরম্পরায় সঞ্চারিত হয়ে বংশগতিধারা অব্যাহত রাখে। 
- জিন হচ্ছে পলিপেপটাইড সংশ্লেষের জন্য সংকেত প্রদানকারী DNA অণুর অংশ বিশেষ। 

লোকাস: 
- ক্রোমোসোমে একটি জিনের অবস্থানকে লোকাস বলে। 

অ্যালিল: 
- ক্রোমোসোমের একই লোকাসে অবস্থানকারী জিনগুলোকে পরস্পরের অ্যালিল বলা হয়। 

অ্যালিলোমর্ফ: 
- জিনগুলোর একত্রে অবস্থান করাকে অ্যালিলোমর্ফ বলে। 

জিনোটাইপ: 
- জীবদেহের দৃশ্যমান অথবা সুপ্ত বেশিষ্ট্যগুলোর নিয়ন্ত্রক জিনসমূহের গঠনকে জিনোটাইপ বলে। 

ফিনোটাইপ: 
- জীবদেহের দৃশ্যমান বৈশিষ্ট্যসমূহকে ফিনোটাইপ বলে। 
- ফিনোটাইপ প্রকৃতপক্ষে জিনোটাইপের জিনসমূহের বাহ্যিক প্রকাশ। 

উৎস: প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭০.
এক্সোপ্ল্যানেট বলতে কী বোঝায়?
  1. সৌরজগতের গ্রহসমূহ
  2. পৃথিবীর উপগ্রহ (চাঁদ)
  3. মহাকাশে ঘুরে বেড়ানো ছোট পাথুরে বস্তু (গ্রহাণু)
  4. সূর্য ছাড়া অন্য নক্ষত্রের চারপাশে আবর্তনকারী গ্রহ
ব্যাখ্যা

◉ যেসব গ্রহ আমাদের সৌরজগতের বাইরে অন্য কোনো তারাকে কেন্দ্র করে আবর্তন করে, তাদের বলা হয় এক্সোপ্ল্যানেট

এক্সোপ্ল্যানেট (Exoplanet):
- Exoplanet হলো যেকোনো গ্রহ যা আমাদের সৌরজগতের বাইরে অবস্থান করে।
- বেশিরভাগ Exoplanet অন্য কোনো তারাকে কেন্দ্র করে ঘোরে।
- কিছু Exoplanet তারার সাথে যুক্ত নয়, এগুলোকে বলা হয় Rogue Planet.
- এখন পর্যন্ত প্রায় ৬,০০০টি Exoplanet নিশ্চিতভাবে আবিষ্কৃত হয়েছে। ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বে গ্রহের সংখ্যা তারার সংখ্যার চেয়েও বেশি।
- আবিষ্কৃত Exoplanet গুলোর বেশিরভাগই আমাদের গ্যালাক্সি Milky Way-এর একটি ছোট অঞ্চলে পাওয়া গেছে।
- পৃথিবীর নিকটতম Exoplanet হলো Proxima Centauri b, যা প্রায় ৪ আলোকবর্ষ দূরে।
- জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বিশেষভাবে এমন এক্সোপ্ল্যানেট খুঁজছেন যেগুলো “হ্যাবিটেবল জোনে” (তারার চারপাশে এমন অঞ্চলে যেখানে তরল পানি থাকতে পারে), কারণ এগুলোতে জীবনের সম্ভাবনা থাকতে পারে।

উৎস: NASA ওয়েবসাইট। 

৭১.
একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২০ সেমি হলে এর ক্ষমতা কত?
  1. +২.৫ ডাইঅপ্টার
  2. -২.৫ ডাইঅপ্টার
  3. +৫ ডাইঅপ্টার
  4. -৫ ডাইঅপ্টার
ব্যাখ্যা

◉ উত্তল লেন্সের ফোকাস ধনাত্মক ধরা হয়, তাই ক্ষমতাও ধনাত্মক হবে।২০ সেমি ফোকাস দূরত্ব মানে +৫ ডাইঅপ্টার ক্ষমতা।

লেন্সের ক্ষমতা: 
- প্রধান অক্ষের সমান্তরাল এক গুচ্ছ আলোকরশ্মিকে উত্তল লেন্স কেন্দ্রীভূত বা অভিসারী করে এক বিন্দুতে মিলিত করে। 
- অপরদিকে অবতল লেন্স একগুচ্ছ সমান্তরাল রশ্মিকে অপসারী করে; ফলে ঐ রশ্মিগুচ্ছ কোনো একটি বিন্দু থেকে অপসারিত হচ্ছে বা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে মনে হয়। 
- আলোকরশ্মিকে অভিসারী বা অপসারী করার প্রক্রিয়াটি পরিমাপ করার জন্য লেন্সের "ক্ষমতা" সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে। ১-কে লেন্সের ফোকাস দূরত্ব (মিটারে প্রকাশ করে) দিয়ে ভাগ করা হলে লেন্সের ক্ষমতা পাওয়া যায়, যার একক হল ডায়াপ্টর। 
অর্থাৎ, একটি উত্তল লেন্সের ফোকাস দূরত্ব ২ মিটার হলে তার ক্ষমতা হবে ১/২ ডায়াপ্টর বা ০.৫ ডায়াপ্টর। 
- লেন্সের ক্ষমতা ধনাত্মক বা ঋণাত্মক দুই-ই হতে পারে। 
- কোনো লেন্সের ক্ষমতা +1D বলতে বোঝায়, লেন্সটি উত্তল এবং এটি প্রধান অক্ষের ১ মিটার দূরে আলোকরশ্মিগুচ্ছকে মিলিত করবে। 
- আবার লেন্সের ক্ষমতা -2D হলে বুঝতে হবে লেন্সটি অবতল এবং এটি প্রধান অক্ষের সমান্তরাল একগুচ্ছ আলোকরশ্মিকে এমনভাবে অপসারিত করে যে, এগুলো কোনো লেন্স থেকে ১/২ মিটার বা ৫০ সেমি দূরের কোনো বিন্দু থেকে অপসৃত হচ্ছে বলে মনে হয়। 

লেন্সের ক্ষমতা (P) = 100 / f 
যেখানে, f = ফোকাস দূরত্ব (সেমি) = 20 সেমি

P = 100/20 = +5 D (ডাইঅপ্টার)

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

৭২.
আধুনিক পর্যায় সারণিতে মৌলসমূহ কোন ভিত্তিতে সাজানো হয়েছে? 
  1. পারমাণবিক ভর
  2. পারমাণবিক সংখ্যা
  3. যোজন ইলেকট্রন
  4. আয়নীকরণ শক্তি
ব্যাখ্যা

◉ আধুনিক পর্যায় সারণি (Modern Periodic Table) মূলত মোজলি (Henry Moseley, 1913)-এর প্রস্তাবিত নীতি অনুসারে সাজানো। তিনি প্রমাণ করেন যে, মৌলের রাসায়নিক বৈশিষ্ট্য নির্ধারণে পারমাণবিক সংখ্যা (proton সংখ্যা) সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তাই পর্যায় সারণিতে মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা বৃদ্ধির ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে।

আধুনিক পর্যায় সারণি: 
- আবিষ্কৃত মৌল সমূহকে তাদের ভৌত ও রাসায়নিক ধর্মাবলির সামঞ্জস্য রেখে যে সারণিতে পর্যায় ক্রমে স্থান দেয়া হয়েছে তাকে পর্যায় সারণি (Periodic table) বলে।
- আধুনিক পর্যায় সারণিতে (Modern Periodic Table) মৌলগুলোর পারমাণবিক সংখ্যা অর্থাৎ প্রোটন সংখ্যার ক্রম অনুসারে সাজানো হয়েছে।
- ১৯১৩ সালে মোসলে পারমাণবিক ভরের পরিবর্তে পারমাণবিক সংখ্যা অনুসারী মৌলগুলোকে পর্যায় সারণিতে সাজানোর প্রস্তাব দেন।
- এর পূর্বে মেন্ডেলিভের পর্যায় সারণিতে মৌলগুলো তাদের পারমাণবিক ভর অনুযায়ী সাজানো ছিলো। 

• আধুনিক পর্যায় সারণির বৈশিষ্ট্য:
- পর্যায় সারণির মৌলগুলোকে তাদের পারমাণবিক সংখ্যা (প্রোটন সংখ্যা) অনুসারে সাজানো হয়।
- পর্যায় সারণিতে 18টি গ্রুপ এবং 7টি পর্যায় রয়েছে।
- একটি গ্রুপ হল পর্যায় সারণীর উল্লম্ব কলাম, যা মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
- একটি পর্যায় হল পর্যায় সারণীর অনুভূমিক সারি।
- প্রতিটি পর্যায় বামদিকের গ্রুপ ১ থেকে শুরু করে ডানদিকে গ্রুপ ১৮ পর্যন্ত বিস্তৃত।
- মূল পর্যায় সারণির নিচে ল্যান্থানাইড ও অ্যাক্টিনাইড সারির মৌল হিসেবেও দেখানো হলেও এগুলো যথাক্রমে ৬ এবং ৭ পর্যায়ের অংশ।

উৎস: মাধ্যমিক রসায়ন, ৯ম ও ১০ম শ্রেণি।

৭৩.
পৃথিবীর কেন্দ্রে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি?
  1. অ্যালুমিনিয়াম
  2. লোহা
  3. কপার
  4. ম্যাগনেসিয়াম
ব্যাখ্যা

পৃথিবীর কেন্দ্রস্থল (Core) মূলত লোহা (Fe) দ্বারা গঠিত, সাথে কিছু পরিমাণ নিকেল (Ni) ও হালকা উপাদান (যেমন সালফার, অক্সিজেন ইত্যাদি) থাকে।

পৃথিবীর কেন্দ্র: 
- পৃথিবীর অভ্যন্তরে গভীরতার সাথে তাপমাত্রা ও চাপ বৃদ্ধি পায়।
- গড়ে প্রতি ১ কিলোমিটার গভীরতায় প্রায় ২৫° সেলসিয়াস (অথবা প্রতি ২১.৩ মিটার গভীরতায় ১° ফারেনহাইট) তাপমাত্রা বৃদ্ধি ঘটে।
- পৃথিবীর কেন্দ্র প্রায় সম্পূর্ণই ধাতব; প্রধানত লোহা (Fe) ও নিকেল (Ni)। এজন্য কেন্দ্রকে সংক্ষেপে বলা হয় NiFe (Nickel + Iron)।
- পৃথিবীর মোট ভরের ৯০% গঠিত লোহা (Fe), অক্সিজেন (O), সিলিকন (Si), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) দ্বারা। এরা মূলত silicate minerals তৈরি করে।
- পৃথিবীর ভরের ৮৫–৯০% লোহা (Iron) মূলত কেন্দ্রে কেন্দ্রীভূত।

পৃথিবী গঠনের (প্রায় ৪.৫৬ বিলিয়ন বছর আগে) অল্প সময় পরই ভিন্ন ভিন্ন স্তরে বিভক্ত হয়েছিল—
Core (কেন্দ্র): ধাতব উপাদানে সমৃদ্ধ।
Mantle: সিলিকেট সমৃদ্ধ।
Crust: খনিজে বৈচিত্র্যময়, কিন্তু আয়তনে খুব পাতলা।

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। National Geographic ওয়েবসাইট। 

৭৪.
বংশগতির বাহক জিনের রাসায়নিক কী দিয়ে তৈরি?
  1. অ্যামিনো অ্যাসিড
  2. কার্বোহাইড্রেট
  3. ডিএনএ
  4. ফ্যাটি অ্যাসিড
ব্যাখ্যা

◉ জিন আসলে DNA-এর একটি অংশ। DNA হলো নিউক্লিক অ্যাসিড, যা জীবের বংশগত বৈশিষ্ট্য বহন করে। এর ভেতরে চারটি নাইট্রোজেন বেস (A, T, G, C) নির্দিষ্ট ক্রমে সাজানো থাকে, যা জিনগত তথ্য নির্ধারণ করে।

• মানব দেহে দুই ধরনের নিউক্লিক এসিড থাকে- DNA এবং RNA।
- DNA এর পূর্ণরূপ হল Deoxyribonucleic acid এবং RNA এর পূর্ণরূপ হল Ribonucleic acid।
- জিনের রাসায়নিক গঠন উপাদান হলো DNA।
- এটি একটি নিউক্লিক এসিড যা জীবদেহের গঠন ও ক্রিয়াকলাপ নিয়ন্ত্রণের জিনগত নির্দেশ ধারণ করে।
- ডিএনএ হলো দ্বিসূত্রকবিশিষ্ট পলিনিউক্লিয়োটাইডের সর্পিলাকার গঠন।
- ডিএনএ অণুর আকৃতি অনেকটা প্যাঁচানো সিঁড়ির ন্যায়। 
- ১৯৫৩ সালে জেমস ওয়াটসন ও ফ্রান্সিস ক্রিক বিজ্ঞানীদ্বয় ডিএনএ অণুর গঠন আবিষ্কার করেন। 

 উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৫.
স্টিফেন হকিং কোন বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য সর্বাধিক পরিচিত?
  1. জিনতত্ত্ব
  2. রোবোটিক্স ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
  3. কোয়ান্টাম কম্পিউটার
  4. কৃষ্ণগহ্বর
ব্যাখ্যা

◉ স্টিফেন হকিং (Stephen Hawking) একজন বিশ্ববিখ্যাত তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী ও মহাকাশবিদ। কৃষ্ণগহ্বর (Black Hole) এবং মহাবিশ্বের উৎপত্তি বিষয়ক তাঁর গবেষণা তাঁকে বিশ্বজোড়া খ্যাতি দিয়েছে। বিশেষ করে “হকিং রেডিয়েশন (Hawking Radiation)” তত্ত্ব সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

স্টিফেন হকিং:
- স্টিফেন হকিং ছিলেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন বিখ্যাত পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time.
- তিনি ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্গত Centre for Theoretical Cosmology এর পরিচালক ছিলেন।
- সম্মান: রয়্যাল সোসাইটির ফেলো, প্রেসিডেন্টিয়াল মেডেল অফ ফ্রিডম, কপলি মেডেল
- ১৪ মার্চ ২০১৮ স্টিফেন হকিং মৃত্যুবরণ করেন।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- A Brief History of Time,
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design,
- A Brief History of Time.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৭৬.
জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ মহাকাশের কোন স্থানে অবস্থান করছে?
  1. পৃথিবীর নিম্ন কক্ষপথে
  2. চাঁদের কক্ষপথে
  3. ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্টে
  4. মঙ্গল গ্রহের কক্ষপথ থেকে ১৫ মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে
ব্যাখ্যা

◉ জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ পৃথিবী থেকে প্রায় ১.৫ মিলিয়ন কিমি দূরে ল্যাগ্রেঞ্জ পয়েন্ট ২ (L2) তে অবস্থান করছে। এখানে পৃথিবী ও সূর্যের মহাকর্ষীয় টান এমনভাবে ভারসাম্য তৈরি করে যে স্যাটেলাইট স্থিতিশীলভাবে ঘুরতে পারে।

জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ:
- বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী স্পেস টেলিস্কোপ জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ।
- এটি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা NASA, কানাডীয় মহাকাশ সংস্থা ও ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থার যৌথ প্রচেষ্টায় নির্মিত একটি মহাকাশ দূরবীক্ষণ যন্ত্র।
- এটিকে হাবল স্পেস টেলিস্কোপ-এর উত্তরসূরী হিসেবে নির্মাণ করা হয়েছে।
- জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের আয়না ৬.৫ মিটার ব্যাসের (২১.৩ ফুট), যা হাবলের আয়নার তুলনায় প্রায় সাত গুণ বড়। আয়না বড় হওয়ার ফলে এটি অনেক বেশি আলো সংগ্রহ করতে সক্ষম, যা দূরবর্তী গ্যালাক্সি ও মহাবিশ্বের প্রাচীনতম ঘটনাবলি পর্যবেক্ষণে সহায়তা করে।
- টেলিস্কোপটি পৃথিবীকে কেন্দ্র করে সরাসরি ঘোরে না, বরং সূর্যকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ কক্ষপথে চলে—লিসাজু (Lissajous) প্যাটার্নে দ্বিতীয় ল্যাগ্রাঞ্জ পয়েন্টে (L2)। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ১৫ লাখ কিলোমিটার (৯.৩ লক্ষ মাইল) দূরে, পৃথিবীর রাতের দিকের অংশে অবস্থিত।
- ওয়েবের মূল লক্ষ্য হলো ছায়াপথের জন্ম ও বিবর্তন এবং নক্ষত্র ও গ্রহসমূহের সৃষ্টি সংক্রান্ত গবেষণা।

উল্লেখ্য,
- সবচেয়ে পুরনো ব্ল্যাকহোলের সন্ধান পেয়েছে জেমস ওয়েব টেলিস্কোপ।
- সূর্যের চেয়ে ষোলো লক্ষগুণ ভারী এই ব্ল্যাকহোলের বয়স প্রায় মহাবিশ্বের বয়সের কাছাকাছি, যেখানে মহাবিশ্বের বয়স ১৩৮০ কোটি বছর।
- এই ব্ল্যাকহোলটি নক্ষত্র-অর্থাৎ তারাদের জন্মের বিষয়ে আরো নিখুঁত তথ্য দেবে বলে মনে করছেন বিজ্ঞানীরা।
- এই গবেষণায় বিজ্ঞানীরা জেমস ওয়েব টেলিস্কোপের দুটি ইনফ্রারেড ক্যামেরা ব্যবহার করেছেন।
- মিড-ইনফ্রারেড যন্ত্র (MIRI) এবং নিয়ার ইনফ্রারেড ক্যামেরা। 

উৎস: 
১। ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট। 
২। স্পেস ডট কম। 

৭৭.
ফার্মওয়্যার আপডেটকে কী বলা হয়?
  1. Debugging
  2. Compiling
  3. Formatting
  4. Flashing
ব্যাখ্যা

• ফার্মওয়্যার হলো একটি ডিভাইসের হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী প্রোগ্রাম। ফার্মওয়্যার আপডেট বলতে বোঝায় ডিভাইসের এই প্রোগ্রামকে নতুন বা সংশোধিত সংস্করণে আপগ্রেড করা, যাতে ডিভাইস আরও কার্যকরভাবে কাজ করতে পারে, বাগ ঠিক করা যায় বা নতুন ফিচার যোগ করা যায়। ফার্মওয়্যার আপডেট করার প্রক্রিয়াকে সাধারণত “Flashing” বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় পুরনো ফার্মওয়্যার মুছে ফেলা হয় এবং নতুন ফার্মওয়্যার মেমরিতে লেখা হয়। তাই ডিবাগিং, কম্পাইলিং বা ফরম্যাটিং নয়, বরং ফার্মওয়্যার আপডেটের সঠিক নাম হলো Flashing। এটি ডিভাইসের স্থায়ী সফটওয়্যার উন্নয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ফার্মওয়্যার:
- ফার্মওয়্যার হচ্ছে বিশেষ ধরনের সফটওয়্যার যা সুনির্দিষ্ট হার্ডওয়্যার পরিচালনার জন্য প্রয়োজন পড়ে।
- ফার্মওয়্যার মূলত হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার-এর সমন্বয়ে গঠিত।
- কম্পিউটারে বহুল ব্যবহৃত একটি ফার্মওয়্যার হলো Basic Input Output System (BIOS)।
- এছাড়া প্রত্যেকটি হার্ডওয়্যারের সাথে থাকে তার নিজস্ব ডিভাইস ড্রাইভার।
- ফার্মওয়্যারগুলো সাধারণত মেশিন নির্ভর হয়ে থাকে। অর্থাৎ এক এক মেশিনের জন্য আলাদা আলাদা ডিভাইস ড্রাইভারের প্রয়োজন পড়ে।
- কম্পিউটার তৈরি করার সময় মেমোরি নামক হার্ডওয়্যারে কিছু স্থায়ী প্রোগ্রাম তৈরি করে দেওয়া হয়। এটিই হচ্ছে ফার্মওয়্যার।
- এগুলি পড়া যায় কিন্তু পরিবর্তন করা যায় না। যেমন PC-তে ব্যবহৃত ROM BIOS (Read Only Memory Basic Input Output System) হচ্ছে একটি ফার্মওয়্যার।
- এটিতে কিছু প্রোগ্রাম জমা করে রাখা হয় যা হার্ডওয়্যার ও সফ্টওয়্যারের মধ্যে যোগাযোগ ঘটায়।

সূত্র: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, নবম-দশম শ্রেণি।

৭৮.
গুগল শিটস, এক্সেল আকারে ডাউনলোড করলে নিচের কোন ফাইল এক্সটেনশন ডিফল্ট হিসেবে পাওয়া যায়?
  1.  .docx
  2. .csv
  3. .xlsx
  4. .gsheet
ব্যাখ্যা

• গুগল শিটস একটি অনলাইন স্প্রেডশীট প্ল্যাটফর্ম, যা মাইক্রোসফট এক্সেল-এর মতো কাজ করে। যখন আপনি কোনো শিটকে এক্সেল আকারে ডাউনলোড করতে চান, তখন গুগল শিটস সেটি মাইক্রোসফট এক্সেল-এর স্ট্যান্ডার্ড ফাইল ফরম্যাটে রূপান্তর করে। এক্সেল ফাইলের ডিফল্ট এক্সটেনশন হলো .xlsx, যা এক্সেল ২০০৭ এবং তার পরবর্তী সংস্করণে ব্যবহৃত হয়। অন্যদিকে, .docx হলো মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফরম্যাট, .csv হলো সাধারণ কমা সেপারেটেড ফাইল, আর .gsheet শুধুমাত্র গুগল শিটসের নিজস্ব অনলাইন ফাইল। তাই এক্সেল আকারে ডাউনলোড করলে ডিফল্ট এক্সটেনশন হবে .xlsx

সঠিক উত্তর: গ) .xlsx
 
• অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার:
- অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার কম্পিউটারে বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক কাজের জন্য তৈরি হয়।
- কাজের প্রকৃতি অনুসারে সাধারণত বিভিন্ন ধরনের ব্যবহারিক প্রোগ্রাম তৈরি করা হয়।
- তাই ব্যবহারকারী যে সকল সফট্‌ওয়্যার ব্যবহার করে ব্যবহারিক সমস্যা সমাধান বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করতে পারে তাকে অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম বা ব্যবহারিক সফট্ওয়্যার বলা হয়। যেমন:

1. Word Processing Package Program:
- Word Star,
- Word Perfect,
- MS Word,
- Word Note.

2. Spreadsheet Package Program:
- Lotus 1-2-3,
- Ms-Excel,
- Qrater Pro,
- Google Sheets.

3. Database Package Program:
- dBase,
- Foxpro,
- Oracle,
- Informix,
- Access ইত্যাদি।

উৎস: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৭৯.
ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত কীভাবে ছড়ায়?
  1. হার্ডওয়্যার থেকে নিজে থেকেই
  2. সফটওয়্যার আপডেট করে
  3. কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সংস্পর্শে
  4. ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে
ব্যাখ্যা

• ট্রোজান ভাইরাস সাধারণত ইমেইল অ্যাটাচমেন্টের মাধ্যমে ছড়ায়। ব্যবহারকারী অজান্তে একটি সংযুক্তি খুললে ভাইরাসটি কম্পিউটারে প্রবেশ করে এবং সিস্টেমে ক্ষতি করতে বা ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করতে পারে। এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হার্ডওয়্যার থেকে ছড়ায় না, সফটওয়্যার আপডেটের মাধ্যমে ইনস্টল হয় না এবং সরাসরি কম্পিউটারের সংস্পর্শে আসার মাধ্যমে সংক্রমিত হয় না। সাধারণত ট্রোজান ভাইরাস একটি নির্দিষ্ট ফাইল বা প্রোগ্রামের আকারে আসে, যা বিশ্বাসযোগ্য মনে হয়, তাই ব্যবহারকারী সহজেই এটিকে খুলে ফেলে। নিরাপদ ইমেইল ব্যবহার এবং অজানা সংযুক্তি না খোলাই প্রধান প্রতিরোধ ব্যবস্থা। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো ঘ) ইমেইল অ্যাটাচমেনটের মাধ্যমে।

• এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার:
- কম্পিউটারে ভাইরাসের আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়।
- এন্টিভাইরাস ব্যবহার করলে কম্পিউটারে ভাইরাস আক্রমণের পূবেই তা রোধ করে অথবা ব্যবহারকারীকে সতর্ক করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো-
- এভিজি,
- অ্যাভাস্ট,
- নরটন,
- এভিরা,
- পান্ডা, ইত্যাদি।

• কম্পিউটার ভাইরাস:
- প্রখ্যাত গবেষক ফ্রেড কোহেন কম্পিউটার ভাইরাসের নামকরণ করেন।
- মূলত কম্পিউটার ভাইরাস কম্পিউটারে প্রবেশ করার পর একপর্যায়ে সম্পূর্ণ কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে অচল করে দেয়।

• উল্লেখযোগ্য কয়েকটি কম্পিউটার ভাইরাস হলো-
- ভিবিএস/হেল্পার,
- ওয়ার্ম,
- ভিবিএস/আকুই,
- ট্রোজান হর্স,
- এক্স ৯৭এম/হপার,
- বুট সেক্টর ভাইরাস,
- জেরুজালেম,
- স্টোন,
- ঢাকা ভাইরাস,
- ভিয়েনা,
- সিআইএইচ, ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮০.
HTML-এর মূল ব্যবহার কী?
  1. ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা
  2. ওয়েব পেজের স্টাইল তৈরি করা
  3. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং করা
  4. ডাটাবেসে তথ্য সংরক্ষণ করা
ব্যাখ্যা

• HTML-এর মূল ব্যবহার ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা। এটি একটি মার্কআপ ল্যাঙ্গুয়েজ যা ওয়েব ব্রাউজারকে নির্দেশ দেয় কোন উপাদান কীভাবে প্রদর্শন করতে হবে। HTML দিয়ে আমরা প্যারাগ্রাফ, হেডিং, তালিকা, ছবি, লিঙ্ক ইত্যাদি উপাদান তৈরি করতে পারি। এটি ওয়েব ডিজাইনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে এবং শুধুমাত্র কনটেন্টের কাঠামো নির্ধারণ করে; স্টাইলিং বা ফাংশনালিটি যোগ করতে CSS এবং JavaScript ব্যবহার করা হয়। তাই HTML-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ওয়েব পেজে তথ্য এবং উপাদানগুলোর সঠিক কাঠামো গঠন করা, যা ব্যবহারকারীরা সহজে দেখতে এবং পড়তে পারে। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো (ক) ওয়েব পেজের গঠন ও কনটেন্ট তৈরি করা।

• HTML:
- ‘HTML’ এর পূর্ণরূপ HyperText Markup Language.
- HTML (HyperText Markup Language) হলো একটি সহজ ডাটা ফরম্যাট, যা প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ হাইপারটেক্সট ডকুমেন্ট তৈরি করতে ব্যবহৃত হয়।
- এটি SGML ভিত্তিক একটি মার্কআপ ভাষা, যা বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপনের জন্য উপযুক্ত।
- HTML ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবে (WWW) ১৯৯০ সাল থেকে ব্যবহৃত হচ্ছে।
- HTML প্ল্যাটফর্ম-নিরপেক্ষ ওয়েবপেজ তৈরির জন্য আদর্শ ভাষা।
- HTML ওয়েবসাইট তৈরি ও তথ্য উপস্থাপনার অন্যতম প্রধান ভাষা, যা আজও ক্রমাগত উন্নত হচ্ছে।

উৎস: w3.org

৮১.
ওকুলাস রিফট ভিআর হেডসেটটি কোন সংস্থা তৈরি করেছে?
  1. Apple
  2. Microsoft
  3. Google
  4. Meta
ব্যাখ্যা

• ওকুলাস রিফট ভিআর হেডসেটটি মেটা সংস্থা (প্রাক্তন ফেসবুক) তৈরি করেছে। এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি প্রযুক্তির অন্যতম জনপ্রিয় ডিভাইস। ব্যবহারকারীরা হেডসেটটি ব্যবহার করে তিন-মাত্রিক পরিবেশে ভ্রমণ করতে, ভিডিও গেম খেলতে, শিক্ষামূলক এবং পেশাদার অনুশীলনে অংশ নিতে পারেন। মেটা সংস্থা ভিআর প্রযুক্তিতে ব্যাপক বিনিয়োগ করছে এবং ওকুলাস রিফট এই প্রচেষ্টার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্যান্য সংস্থা যেমন অ্যাপল, মাইক্রোসফট বা গুগল ভিআর ডিভাইস তৈরি করলেও ওকুলাস রিফট বিশেষভাবে মেটার অন্তর্গত। এটি ব্যবহারকারীদের ইমারসিভ অভিজ্ঞতা দেয় এবং ডিজিটাল দুনিয়ায় নতুন ধরণের ইন্টারঅ্যাকশন সম্ভব করে।

উত্তর: ঘ) Meta. 

• ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR):
- ভার্চুয়াল রিয়েলিটি (VR) হলো কম্পিউটার প্রযুক্তি ও সিমুলেশন তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে নির্মিত একটি কল্পনাপ্রসূত পরিবেশ, যা ব্যবহারকারীর কাছে বাস্তব মনে হয়।
- প্রযুক্তির ব্যবহার:
- ত্রিমাত্রিক (3D) ইমেজ তৈরি করে।
- ব্যবহারকারী যেন সেই পরিবেশে আছেন এমন অনুভূতি দেয়।

• ব্যবহৃত সফটওয়্যার:
- Vizard,
- VRToolKit,
- 3D Studio Max,
- Maya.

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি মাহবুবুর রহমান।

৮২.
মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের কারণ কী?
  1. নেটওয়ার্কের পারফরম্যান্স উন্নত করে
  2. ব্যাটারি দীর্ঘস্থায়ী করে
  3. টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়
  4. অ্যাপের আকার হ্রাস করে
ব্যাখ্যা

• মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে ইউনিকোড ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো টেক্সট সঠিকভাবে প্রদর্শন করা। ইউনিকোড হলো একটি আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড যা বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার অক্ষর, চিহ্ন এবং প্রতীক সমর্থন করে। এটি ব্যবহার করলে অ্যাপ্লিকেশনে বাংলা, ইংরেজি, হিন্দি কিংবা যেকোনো ভাষার লেখা ঠিকমতো দেখা যায়। ইউনিকোড ব্যবহার না করলে ভাষাগত অক্ষরগুলোর অবস্থান, চিহ্ন এবং ফন্টের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যা ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা খারাপ করে। তাই মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপাররা ইউনিকোডকে অগ্রাধিকার দেন, যাতে টেক্সট সব প্ল্যাটফর্মে এবং ডিভাইসে সঠিকভাবে প্রদর্শিত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো – গ) টেক্সট সঠিকভাবে দেখায়।

• ইউনিকোড:
• উদ্ভাবন ও উন্নয়ন:
- ১৯৯১ সালে Apple Computer Corporation এবং Xerox Corporation-এর একদল প্রকৌশলী যৌথভাবে ইউনিকোড উদ্ভাবন করেন।
- শুরু থেকেই ইউনিকোডকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে Unicode Consortium কাজ করে যাচ্ছে।

• ব্যবহার ও বৈশিষ্ট্য:
- বিশ্বের ছোট-বড় সকল ভাষাকে কম্পিউটারে কোডভুক্ত করার জন্য ইউনিকোড ব্যবহৃত হয়।
-  ইউনিকোড মূলত ২ বাইট বা ১৬ বিটের কোড।
- এই কোডের মাধ্যমে ৬৫,৫৩৬টি অদ্বিতীয় চিহ্নকে নির্দিষ্ট করা যায়।
- যে ভাষাগুলোর জন্য ৮ বিট অপর্যাপ্ত ছিল (যেমন: চায়নিজ, কোরিয়ান, জাপানিজ), সেগুলোর সকল চিহ্ন সহজেই কোডভুক্ত করা সম্ভব হয়।

• অ্যাসকির (ASCII) সাথে সম্পর্ক:
- ইউনিকোড অ্যাসকি কোডের সাথে কম্প্যাটিবল।
- অর্থাৎ, ইউনিকোডের প্রথম ২৫৬টি কোড অ্যাসকির প্রথম ২৫৬টি কোডের অনুরূপ।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৩.
কোন সার্চ ইঞ্জিনটি তার প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক নীতির জন্য পরিচিত?
  1. Yahoo
  2. Ask Jeeves
  3. DuckDuckGo
  4. Bing
ব্যাখ্যা

• সঠিক উত্তর হলো গ) DuckDuckGo.
- DuckDuckGo একটি প্রাইভেসি-কেন্দ্রিক সার্চ ইঞ্জিন যা ব্যবহারকারীর অনলাইনে তথ্য গোপন রাখার উপর জোর দেয়। এটি ব্যবহারকারীর সার্চ ইতিহাস ট্র্যাক করে না এবং ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ বা শেয়ার করে না। অন্যান্য জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন যেমন Google, Yahoo বা Bing প্রায়ই ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে বিজ্ঞাপন বা কাস্টমাইজড সার্চ ফলাফলের জন্য। DuckDuckGo ব্যবহারকারীদেরকে গোপনীয়তা রক্ষা করতে সাহায্য করে, যেমন IP ঠিকানা লুকানো এবং কুকি ট্র্যাকিং সীমিত করা। ফলে যারা অনলাইনে নিরাপদ ও ব্যক্তিগতভাবে অনুসন্ধান করতে চান, তাদের জন্য DuckDuckGo একটি নিরাপদ এবং প্রাইভেসি-সচেতন অপশন।
 
• সার্চ ইঞ্জিন:
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন হলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব বা আন্তর্জালের দুনিয়াতে যেকোনো তথ্য বা ছবি খুঁজে বের করার প্রযুক্তি মাধ্যম।
- সার্চ ইঞ্জিনের মাধ্যমে বিভিন্ন ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করে প্রদর্শন করা হয়ে থাকে।
- ওয়েব সার্চ ইঞ্জিন ক্রোলার বট এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করে।
- বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন Archie.
- গুগল, চরকি, খুঁজুন.কম, পিপীলিকা, ইয়াহু, নাভের, ইয়াণ্ডেক্স, বিং, এওএল, বাইডু, ডাকডাকগো, কিওওয়ান্ট হলো পরিচিত ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন।
- Bing মাইক্রোসফটের মালিকানাধীন সার্চ ইঞ্জিন।

উৎস: ব্রিটানিকা ও সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট।

৮৪.
ট্রি টপোলজিতে, যে কোনো দুটি নোডের মধ্যে কতটি পথ রয়েছে?
  1. একাধিক
  2. শূন্য
  3. এক
  4. নোডের উপর নির্ভর করে
ব্যাখ্যা

• ট্রি (Tree) হলো একটি সংযুক্ত, চক্রবিহীন (acyclic) গ্রাফ। অর্থাৎ, এটি এমন একটি গ্রাফ যেখানে কোনো চক্র নেই এবং প্রতিটি নোড একে অপরের সাথে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে সংযুক্ত। ট্রির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো এর মধ্যে যে কোনো দুটি নোডের মধ্যে সঠিকভাবে একটিমাত্র অনন্য পথ (unique path) থাকে। কারণ, যদি দুটি নোডের মধ্যে একাধিক পথ থাকে, তবে সেগুলোর সংযোগে একটি চক্র তৈরি হবে, যা ট্রির সংজ্ঞার বিরোধী। আবার যদি কোনো পথ না থাকে, তবে নোডগুলো সংযুক্ত থাকবে না, যা একটি ট্রি নয়। তাই, যেকোনো দুটি নোডের মধ্যে পথের সংখ্যা একটি নির্দিষ্ট এবং একমাত্র। সুতরাং সঠিক উত্তর হলো গ) এক।

​• ​ট্রি টপোলজি: 
​-যে টপোলজিতে কম্পিউটারগুলো পরস্পরের সাথে গাছের শাখা-প্রশাখার মতো বিন্যস্ত থাকে, তাকে ট্রি টপোলজি বলা হয়।
- ট্রি টপোলজি প্রকৃতপক্ষে স্টার টপোলজিরই একটি সম্প্রসারিত রূপ।
এ টপোলজিতে এক বা একাধিক স্তরের কম্পিউটার হোস্ট কম্পিউটারের সাথে যুক্ত থাকে।
- অর্থাৎ প্রথম স্তরের কম্পিউটারগুলো দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোর হোস্ট হয়।

​উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মাহবুবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

৮৫.
ChatGPT কীভাবে উত্তর দেয়:
  1. ডেভেলপাররা লিখে রাখা স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে
  2. প্রশিক্ষণের ডেটা থেকে প্যাটার্ন চিনে
  3. ইন্টারনেট থেকে ব্যবহারকারীর তথ্য নিয়ে
  4. যেকোনো শব্দ বাছাই করে
ব্যাখ্যা

• ChatGPT উত্তর দেয় প্রশিক্ষণের ডেটা থেকে প্যাটার্ন চিনে। এটি কোন নির্দিষ্ট স্ক্রিপ্ট অনুসরণ করে না, বরং কোটি কোটি লেখার উদাহরণ থেকে ভাষার গঠন, শব্দের ব্যবহার, এবং বাক্যের প্রাসঙ্গিকতা শেখে। ব্যবহারকারীর প্রশ্ন পাওয়ার পর, মডেলটি তার শেখা প্যাটার্নের ভিত্তিতে সবচেয়ে সম্ভাব্য এবং প্রাসঙ্গিক উত্তর তৈরি করে। এটি ইন্টারনেট থেকে লাইভ তথ্য নেয় না এবং স্বতঃসিদ্ধভাবে যেকোনো শব্দও নির্বাচন করে না; বরং প্রশিক্ষিত ডেটার জ্ঞান ও সম্ভাব্যতা বিশ্লেষণ করে সঠিক বাক্য সাজায়। তাই ChatGPT মূলত প্যাটার্ন চিনে উত্তর তৈরি করে, যা ব্যবহারকারীর প্রশ্নের সাথে মানানসই হয়।

উত্তর: খ) প্রশিক্ষণের ডেটা থেকে প্যাটার্ন চিনে।

​​• ChatGPT (চ্যাটজিপিটি):
- ৩০ নভেম্বর, ২০২২ তারিখে চালু হয়েছে কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তার চ্যাটবট (AI Chatbot), যার নাম ChatGPT.
- ChatGPT এর পূর্ণরুপ হচ্ছে Chat Generative Pre-trained Transformer.
- এটি Reinforcement Learning from Human Feedback (RLHF) মডেল ব্যবহার করে।
- বর্তমানে GPT- 5 ভার্শন চলছে।
- OpenAI নামক প্রযুক্তি কোম্পানি চালু করেছে জনপ্রিয় এই চ্যাটবটটি।

• চ্যাটজিপিটির বৈশিষ্ট্য:
- এটি কম্পিউটার কোড তৈরি করতে পারে।
- সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের পোস্ট লিখতে পারে।
- এমনকি টেলিভিশন শোয়ের জন্য স্ক্রিপ্ট লিখতে পারে।
- এটি মানুষের সাথে মানুষের মত স্বাভাবিক আলাপচারিতা করতে পারে।

উৎস: www.openai.com.

৮৬.
NOR গেটটি কোন ধরনের গেটের সমন্বয় দ্বারা তৈরি করা যায়?
  1. NOT + AND
  2. AND + OR
  3. NOT + OR
  4. XOR + NOT
ব্যাখ্যা

• NOR গেট একটি ডিজিটাল লজিক গেট যা OR গেটের আউটপুটকে উল্টো করে দেয়। সহজভাবে বলতে গেলে, NOR গেট হল একটি OR গেটের আউটপুটের NOT অপারেশন। তাই, NOR গেটকে গঠন করা যায় OR গেট এবং NOT গেটের সমন্বয় দ্বারা। এখানে প্রথমে দুটি ইনপুটকে OR গেট দিয়ে যুক্ত করা হয় এবং তারপর সেই আউটপুটকে NOT গেটের মাধ্যমে বিপরীত করা হয়। ফলস্বরূপ, NOR গেট তখনই ‘1’ আউটপুট দেয় যখন সমস্ত ইনপুটই ‘0’ হয়। সুতরাং, NOR গেটের জন্য সঠিক সমন্বয় হলো NOT + OR। অপশন গুলোর মধ্যে অন্য কোনো সমন্বয় এটি তৈরি করতে সক্ষম নয়।

সঠিক উত্তর: গ) NOT + OR

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১. অর গেইট (OR Gate),
২. অ্যান্ড গেইট (AND Gate) ও
৩. নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

৮৭.
এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়?
  1. DOS 6.0
  2. Linux (RTOS)
  3. macOS
  4. Windows 11
ব্যাখ্যা

• এমবেডেড সিস্টেমে সাধারণত Linux (Embedded/RTOS) ব্যবহার করা হয়। এমবেডেড সিস্টেম হলো একটি নির্দিষ্ট কাজের জন্য ডিজাইন করা কম্পিউটার সিস্টেম, যা স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিয়ন্ত্রণ, নজরদারি বা ডেটা প্রক্রিয়াকরণ করে। এই ধরনের সিস্টেমে সম্পূর্ণ ডেস্কটপ অপারেটিং সিস্টেম যেমন Windows 11 বা macOS ব্যবহার করা অকার্যকর ও ভারী হয়ে যায়। DOS 6.0 অনেক পুরনো এবং সীমিত ফিচারের কারণে আধুনিক এমবেডেড ডিভাইসে কার্যকর নয়। অন্যদিকে, Linux ভিত্তিক এমবেডেড বা রিয়েল-টাইম অপারেটিং সিস্টেম (RTOS) হালকা, স্থিতিশীল এবং বিভিন্ন হার্ডওয়্যার প্ল্যাটফর্মে অভিযোজিত করা যায়। এছাড়া RTOS নির্ভুল সময়ে কাজ সম্পাদনের সুবিধা দেয়, যা সেন্সর বা নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই, এমবেডেড সিস্টেমে Linux বা RTOS সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়।

• এমবেডেড কম্পিউটার:
- এমবেডেড কম্পিউটার হলো একটি বিশেষায়িত কম্পিউটার সিস্টেম যা একটি বৃহৎ সিস্টেম বা মেশিনের অংশবিশেষ হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি হলো মাইক্রোপ্রসেসর, সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা সম্বলিত মেমরি বা রম এবং ইনপুট/আউটপুট সিস্টেমের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার কম্পিউটার।
- এম্বেডেড সিস্টেমে সাধারণত একটি মাইক্রোপ্রসেসর বোর্ড এবং কিছু সুনির্দিষ্ট প্রোগ্রাম সম্বলিত রম থাকে।
- আধুনিক এমবেডেড সিস্টেমে মাইক্রোকন্ট্রলার এর ব্যবহার হয়।
- এতে মনিটর কিংবা অন্যান্য হার্ডওয়্যার থাকে না।
- এটি কেবল সুনির্দিষ্ট করে দেওয়া কতিপয় কাজই সেল ফোন, এসি, প্রিন্টার, থার্মোস্ট্যাট, ভিডিও গেমস্ করে থাকে।
- ATM, ওয়াশিং মেশিন প্রভৃতিতে এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহৃত হয়।
- বিশ্বের প্রথম এমবেডেড কম্পিউটার হলো The Apollo Guidance Computer.

উৎস: ব্রিটানিকা।

৮৮.
GUI ডিজাইনে “widget” বলতে কী বোঝায়?
  1. একটি ওয়েব সার্ভার
  2. প্রোগ্রামিং ভাষা
  3. একটি ডেটাবেসের ধরন
  4. গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট
ব্যাখ্যা

• GUI (Graphical User Interface) ডিজাইনে “widget” বলতে বোঝায় একটি গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট যা ব্যবহারকারীর সঙ্গে ইন্টারঅ্যাকশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এগুলো সফটওয়্যারের ভিজ্যুয়াল অংশের উপাদান হিসেবে কাজ করে এবং ব্যবহারকারীকে তথ্য প্রদর্শন, ইনপুট নেওয়া, বা কিছু কার্য সম্পাদনের সুযোগ দেয়। উদাহরণ হিসেবে বাটন, টেক্সট ফিল্ড, চেকবক্স, রেডিও বাটন, স্লাইডার ইত্যাদি widget-এর মধ্যে পড়ে। প্রতিটি widget নিজস্ব কার্যকারিতা এবং ভিজ্যুয়াল উপস্থাপনা নিয়ে আসে, যা GUI-কে ব্যবহারবান্ধব ও ইন্টারঅ্যাকটিভ করে তোলে। তাই, GUI ডিজাইনে widget মূলত গ্রাফিকাল কন্ট্রোল এলিমেন্ট। সঠিক উত্তর: ঘ।

• চিত্রভিত্তিক বা গ্রাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম:
- গ্রাফিক্সের বা চিত্রের মাধ্যমে কমান্ড প্রয়োগ করে কম্পিউটার পরিচালনা করা গেলে তাকে চিত্রভিত্তিক বা গ্র্যাফিক্যাল অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমে ডিস্ক ফরমেটিং থেকে শুরু করে ফাইল ব্যবস্থাপনা এবং অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের সব কাজ করতে হয় বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুলডাউন মেন্যু ব্যবহার করে।
- প্রয়োজনীয় প্রোগ্রামের আইকনের ওপর মাউস দিয়ে ডবল ক্লিক করলে প্রোগ্রামটি চালু হয়।
- Windows 95/98/Xp/2000/7, Mac OS ইত্যাদি চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমের উদাহরণ।

• এই অপারেটিং সিস্টেমের উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যসমূহ হলো:
১. চিত্রভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেমে কম্পিউটার চালু করার পর ডেস্কটপে বিভিন্ন প্রোগ্রামের আইকন বা প্রতীক থাকে।
২. বিভিন্ন প্রকার আইকন এবং পুল ডাউন মেন্যু কমান্ড ব্যবহার করে কম্পিউটারকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ প্রদান করা হয়।
৩. কমান্ডের জন্য মেন্যু এবং প্রতিটি মেন্যুর আওতায় অনেক পুল ডাউন মেনু কমান্ড থাকে।
৪. মাউসের সাহায্যে Icon এবং পুল ডাউন মেনু কমান্ড কার্যকরী করা যায়।
৫. নতুন কোনো হার্ডওয়‍্যার বা সফটওয়্যার সংযোগ করা হলে কম্পিউটার নিজে থেকে বুঝতে পারে কোথায় সংযোগ করা হয়েছে।
৬. নেটওয়ার্কিং, শেয়ারিং ও ইন্টারনেটব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর।
৭. এ ধরনের সিস্টেমের জন্য ব্যবহারকারীকে কোনো ধরনের কমান্ড মুখস্থ রাখতে হয় না।
৮. মাল্টিমিডিয়া সিস্টেম কার্যকর।
৯. এ ধরনের অপারেটিং সিস্টেমের জন্য কম্পিউটারে বেশি মেমরির প্রয়োজন হয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

৮৯.
SWIFT-এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য কী?
  1. ব্যাংকগুলিকে ঋণ প্রদান করা
  2. ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা
  3. একটি স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে কাজ করা
  4. ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেন পরিচালনা করা
ব্যাখ্যা

• SWIFT-এর মূল উদ্দেশ্য হলো ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নিরাপদভাবে আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা। এটি কোনো ঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বা স্টক এক্সচেঞ্জ নয় এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি লেনদেনের জন্য ব্যবহৃত হয় না। SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) একটি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক, যা ব্যাংকগুলোকে দ্রুত ও নির্ভরযোগ্যভাবে অর্থমূলক বার্তা আদানপ্রদান করার সুযোগ দেয়। এর মাধ্যমে যেমন ব্যাংক ট্রান্সফার, লোন বা অন্যান্য আর্থিক লেনদেনের তথ্য নিরাপদে আদানপ্রদান করা সম্ভব হয়। তাই এটি বিশ্বব্যাপী ব্যাংকিং সেক্টরে লেনদেনের নির্ভরযোগ্য ও সুরক্ষিত মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

সঠিক উত্তর: খ) ব্যাংকগুলোর মধ্যে নিরাপদ আর্থিক বার্তা প্রেরণ করা।

SWIFT Code: 
- SWIFT (Societyfor Worldwide Interbank Finnancial Telecommunication) হলো বেলজিয়ামভিত্তিক আন্তঃব্যাংক আর্থিক লেনদেনের নেটওয়ার্ক। 
- সুইফট-এর মাধ্যমে আন্তঃব্যাংক লেনদেনের পরিচিতি শনাক্ত করা হয়।
- SWIFT (Society for Worldwide Interbank Financial Telecommunication) এর প্রধান কাজ হলো একটি বিশ্বব্যাপী মেসেজিং নেটওয়ার্ক প্রদান করা, যা আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিরাপদভাবে টাকা স্থানান্তরের নির্দেশসহ বিভিন্ন তথ্য আদান-প্রদান করতে সাহায্য করে এবং আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সহজতর করে। 
- এই শনাক্তকরণ মূলতঃ সংকেতলিপি তথা কোডের মাধ্যমে করা হয়ে থাকে। 
- এক্ষেত্রে লেনদেনের তারবার্তা (ওয়্যার) এই সুইফট কোডের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা হয়। 
- বিশ্বের দু'শতাধিক দেশে ১১ হাজার ব্যাংক সুইফট ব্যবহার করে। 
- আর্থিক লেনদেনে কোড পরিচালনাকারী আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান সুইফট সম্মিলিতভাবে পরিচালনা করছে বিশ্বের অন্তত ৩ হাজার আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- বাংলাদেশের প্রায় সব ব্যাংক আন্তর্জাতিক লেনদেনে সুইফট-এর সেবা নেয়।

উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।
২। ব্রিটানিকা।

৯০.
এশিয়া : হিমালয় : : দক্ষিণ আমেরিকা : ? 
  1. আল্পস 
  2. কার্পাথিয়ান 
  3. আন্দিজ 
  4. ইউরাল 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: এশিয়া : হিমালয় : : দক্ষিণ আমেরিকা : ? 

সমাধান:
এশিয়া : হিমালয় : : দক্ষিণ আমেরিকা : আন্দিজ 

হিমালয় পর্বতমালা এশিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
তেমনিভাবে,
আন্দিজ পর্বতমালা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে অবস্থিত। 
আন্দিজের অবস্থান মহাদেশটির পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চল জুড়ে ভেনেজুয়েলা থেকে চিলি পর্যন্ত বিস্তৃত।  

অন্যদিকে,
আল্পস, কার্পাথিয়ান এবং ইউরাল পর্বতমালা ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত। 

উৎস:
- World Atlas.
- ব্রিটানিকা। 

৯১.
একজন মিস্ত্রী একটি বর্গাকার ঘর নির্মাণ করার জন্য ঘরের প্রতিপাশে ১৮ টি করে খুঁটি ব্যবহার করেন। তার মোট কতগুলো খুঁটি লেগেছিলো?
  1. ৬৪ টি 
  2. ৬৮ টি 
  3. ৭২ টি 
  4. ৮০ টি 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: একজন মিস্ত্রী একটি বর্গাকার ঘর নির্মাণ করার জন্য ঘরের প্রতিপাশে ১৮ টি করে খুঁটি ব্যবহার করেন। তার মোট কতগুলো খুঁটি লেগেছিলো?

সমাধান:
বর্গাকার ঘরের প্রতিপাশে ১৮ টি করে খুঁটি ব্যবহার করলে ,
পাশাপাশি দুই পাশের খুঁটির শেষটি হবে একটি সাধারণ খুঁটি।

অর্থাৎ মোট খুঁটি লাগবে = (১৮ × ৪) - ৪
= (৭২ - ৪) টি 
= ৬৮ টি 

৯২.
"খাদাড়ি" শব্দের অর্থ কী?
  1. কর আদায় করা যার পেশা
  2. পুরুষ পাচক
  3. লবণ তৈরির কারখানা
  4. নকশাকরা রেশমি ফিতেওয়ালা
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: "খাদাড়ি" শব্দের অর্থ কী?

সমাধান:
"খাদাড়ি" শব্দের অর্থ  হলো- লবণ তৈরির কারখানা।

অন্যদিকে,
"চৌকিদার" শব্দের অর্থ হলো- কর আদায় করা যার পেশা, প্রহরী।
"বাবুর্চি" শব্দের অর্থ হলো- পুরুষ পাচক। 
"বেলদার" শব্দের অর্থ হলো- নকশাকরা রেশমি ফিতেওয়ালা।

উৎস:
- বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।

৯৩.
কোন বস্তুটিকে টেনে তোলা তুলনামূলক কম কষ্টকর?

  1. A
  2. B
  3. দুইটিই সমান কষ্টকর হবে 
  4. কোনটিকেই তোলা যাবে না 
ব্যাখ্যা

প্রশ্ন: কোন বস্তুটিকে টেনে তোলা তুলনামূলক কম কষ্টকর হবে?


সমাধান:
আমরা জানি,
কোনো বস্তুর সাথে যুক্ত পুলির দড়ির সংখ্যা যত বেশি হবে, সেই বস্তুটিকে টেনে তুলতে দড়ির মুক্তপ্রান্তে তত কম বল প্রয়োগ করতে হবে। 

A বস্তুটির সাথে দুইটি দড়ি যুক্ত আছে এবং B বস্তুর সাথে একটি দড়ি যুক্ত আছে।
যেহেতু দুইটি বস্তুর ভর সমান সেহেতু দড়ির সংখ্যার উপরই প্রযুক্ত বল নির্ভর করবে।

অর্থাৎ A বস্তুটিকে টেনে তোলা B বস্তুর তুলনায় কম কষ্ট হবে। 

৯৪.
নিচের চিত্রটিকে ভাঁজ করলে কোনটি পাওয়া যাবে?

    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের চিত্রটিকে ভাঁজ করলে কোনটি পাওয়া যাবে?
     

    সমাধান:
    সঠিক উত্তর- ঘ)

    অর্থাৎ

    ৯৫.
    ক, গ-এর মামা এবং জ-এর একমাত্র ছেলে কিন্তু জ, চ-এর মা নয়। চ, ঙ-এর স্ত্রী এবং ক-এর একমাত্র বোন। দ, গ-এর ভাই হলে দ, সম্পর্কে জ-এর কী হয়?
    1. ভাই 
    2. মামা 
    3. নাতি 
    4. ভাগ্নি 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ক, গ-এর মামা এবং জ-এর একমাত্র ছেলে কিন্তু জ, চ-এর মা নয়। চ, ঙ-এর স্ত্রী এবং ক-এর একমাত্র বোন। দ, গ-এর ভাই হলে দ, সম্পর্কে জ-এর কী হয়?

    সমাধান:
    ক, গ-এর মামা এবং জ-এর একমাত্র ছেলে
    চ, ক এর একমাত্র বোন কিন্তু জ, চ-এর মা নয় অর্থাৎ পিতা। 

    ∴ ক ও চ ভাইবোন।
    তাদের পিতা জ। 

    চ ও ঙ এর সন্তান গ ও দ
    দ, গ-এর ভাই হওয়ায় দ, সম্পর্কে জ-এর নাতি নয়। 

    ৯৬.
    একটি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের কয়েকজন সন্তান রয়েছে। সন্তানদের মধ্যে প্রত্যেক ছেলের দুইজন করে বোন এবং প্রত্যেক মেয়ের তিনজন করে ভাই রয়েছে। পরিবারের মোট সদস্যসংখ্যা কত?
    1. ৭ জন 
    2. ৮ জন 
    3. ১২ জন 
    4. ১৪ জন 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: একটি পরিবারে স্বামী-স্ত্রী ও তাদের কয়েকজন সন্তান রয়েছে। সন্তানদের মধ্যে প্রত্যেক ছেলের দুইজন করে বোন এবং প্রত্যেক মেয়ের তিনজন করে ভাই রয়েছে। পরিবারের মোট সদস্যসংখ্যা কত?

    সমাধান:
    পরিবারে স্বামী-স্ত্রী = ২ জন।
    সন্তানদের মধ্যে প্রত্যেক ছেলের দুইজন করে বোন রয়েছে অর্থাৎ পরিবারে বোনের সংখ্যা = ২ জন।
    প্রত্যেক মেয়ের তিনজন করে ভাই রয়েছে অর্থাৎ ভাই এর সংখ্যা = ৩ জন।

    অর্থাৎ, পরিবারে মোট সদস্য সংখ্যা = (২ + ২ + ৩) জন = ৭ জন।

    ৯৭.
    নিচের এলোমেলো বর্ণগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজালে যে শব্দটি পাওয়া যায় সেটি কিসের সাথে সম্পর্কিত?
    "S, L, I, O, D, D, A, F, F"
    1. Poem
    2. Play 
    3. Essay 
    4. Autobiography
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: নিচের এলোমেলো বর্ণগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজালে যে শব্দটি পাওয়া যায় সেটি দ্বারা কী বোঝায়?
    "S, L, I, O, D, D, A, F, F"

    সমাধান:
    প্রদত্ত বর্ণগুলোকে সঠিক ক্রমে সাজালে যে শব্দটি পাওয়া যায় সেটি হলো- DAFFODILS 

    DAFFODILS হলো William Wordsworth এর একটি Poem/কবিতা। 

    ৯৮.
    স্থির অবস্থান থেকে ট্রলিটি কোনদিকে টানা হচ্ছে?

    1. A এর দিকে 
    2. B এর দিকে 
    3. ট্রলিটি স্থির অবস্থানেই আছে 
    4. নির্ণয় করা সম্ভব নয় 
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: স্থির অবস্থান থেকে ট্রলিটি কোনদিকে টানা হচ্ছে?


    সমাধান:
    আমরা জানি,
    স্থির অবস্থান থেকে কোনো বস্তু চলতে শুরু করলে স্থিতি জড়তার কারনে তা পেছনদিকে হেলে পড়ে।

    স্থির অবস্থান থেকে টানতে শুরু করা ট্রলিটির মধ্যে থাকা বোতলটি B এর দিকে হেলে পড়েছে।
    অর্থাৎ ট্রলিটি A এর দিকে টানা হচ্ছে। 

    ৯৯.
    ১৭, ১৮, ২০, ২৩, ২৭, ?, ৩৮,.............. 
    উপর্যুক্ত অনুক্রমটির প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?
    1. ২৯ 
    2. ৩০ 
    3. ৩২ 
    4. ৩৪
    ব্যাখ্যা

    প্রশ্ন: ১৭, ১৮, ২০, ২৩, ২৭, ?, ৩৮,.............. 
    উপর্যুক্ত অনুক্রমটির প্রশ্নবোধক স্থানে কোন সংখ্যাটি বসবে?

    সমাধান:
    নির্ণেয় সংখ্যা = ৩২

    অনুক্রমটিতে,
    প্রথম পদ + ১ = ১৭ + ১ = ১৮
    দ্বিতীয় পদ + ২ = ১৮ + ২ = ২০
    তৃতীয় পদ + ৩ = ২০ + ৩ = ২৩
    চতুর্থ পদ + ৪ = ২৩ + ৪ = ২৭
    পঞ্চম পদ + ৫ = ২৭ + ৫ = ৩২ 

    প্রতিটি সংখ্যার ব্যবধান যথাক্রমে ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ............... 

    ১০০.
    SUNFLOWER শব্দটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: SUNFLOWER শব্দটির আয়নায় প্রতিবিম্ব কোনটি হবে?

      সমাধান:
      সঠিক উত্তর- ঘ)

      অর্থাৎ

      ১০১.
      যদি GARDEN = ECPFCP হয়, তবে FOREST = ?
      1. DPQGVQ
      2. DQPQGV
      3. DQPGQV
      4. DPQGQV
      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন: যদি GARDEN = ECPFCP হয়, তবে FOREST = ?

      সমাধান:
      যদি GARDEN = ECPFCP হয়, তবে FOREST = DQPGQV

      GARDEN শব্দটির বিজোড় অবস্থানের বর্ণগুলো থেকে 2 ধাপ পিছিয়ে এবং জোড় অবস্থানের বর্ণগুলো থেকে 2 ধাপ অগ্রসর হয়ে,
      G(7) - 2 → E(5)
      A(1) + 2 → C(3)
      R(18) - 2 → P(16)
      D(4) + 2 → F(6)
      E(5) - 2 → C(3)
      N(14) + 2 → P(16)
      ∴ GARDEN = ECPFCP

      অনুরূপভাবে,
      FOREST শব্দটির বিজোড় অবস্থানের বর্ণগুলো থেকে 2 ধাপ পিছিয়ে এবং জোড় অবস্থানের বর্ণগুলো থেকে 2 ধাপ অগ্রসর হয়ে,
      F(6) - 2 → D(4)
      O(15) + 2 → Q(17)
      R(18) - 2 → P(16)
      E(5) + 2 → G(7)
      S(19) - 2 → Q(17)
      T(20) + 2 → V(22)
      ∴ FOREST = DQPGQV

      ১০২.
      বাংলাদেশের কোন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে?
      1. ত্রিপুরা
      2. সাঁওতাল
      3. খাসিয়া
      4. রাখাইন
      ব্যাখ্যা

      মাতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থা:
      - মাতৃতান্ত্রিক সমাজ হচ্ছে সেসব পরিবার বা জনগোষ্ঠী, যাদের পরিবারের দায়িত্ব থাকে একজন নারীর ওপর এবং বংশের ধারাও নির্ধারিত হয় নারীর দিক থেকে।
      - মায়ের পরিবার থেকেই উত্তরাধিকার ও বংশ-পদবি নির্ধারিত হয়। 
      - বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায় খাসিয়া ও গারো মাতৃতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থা অনুসরণ করে।

      অন্যদিকে,
      - ত্রিপুরাদের পিতৃতান্ত্রিক পরিবার ব্যবস্থায় পিতাই পরিবারের প্রধান।
      - সাঁওতালদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রচলিত। পিতাই পরিবারের প্রধান।
      - মণিপুরিদের মধ্যে পিতৃতান্ত্রিক এবং পিতৃসূত্রীয় পরিবার ব্যবস্থা প্রচলিত। 
      - রাখাইনদের পরিবারব্যবস্থা পিতৃতান্ত্রিক।

      উৎস: জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

      ১০৩.
      দেশের অনুমোদিত প্রথম জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (GM) খাদ্য ফসল কোনটি?
      1. বিটি (Bt) ধান
      2. বিটি (Bt) গম
      3. বিটি (Bt) বেগুন
      4. বিটি (Bt) তুলা
      ব্যাখ্যা

      প্রথম Genetically Modified (GM) খাদ্য ফসল:
      - বাংলাদেশে সরকার অনুমোদিত প্রথম জেনেটিক্যালি মডিফায়েড (GM) খাদ্য ফসল হলো বিটি বেগুন (Bt Brinjal)।
      - এটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সরকার কৃষকদের মাঝে বিতরণের জন্য অনুমোদন দেয়।

      ⇒ Bacillus thuringiensis নামক একটি সয়েল ব্যাকটেরিয়া থেকে ক্রিস্টাল প্রোটিন জিন বেগুনের জিনোমে অন্তর্ভুক্ত করে উৎপন্ন বেগুনের নাম দেয়া হয়েছে Bt-বেগুন। সাধারণ বেগুন ও Bt-বেগুনের মধ্যে পার্থক্য হলো এক প্রকার পোকা সাধারণ বেগুন গাছের কচি ডগা ও ফল ছিদ্র করে নষ্ট করে ফেলে যার ফলে ফলন দারুণভাবে হ্রাস পায়। পোকার আক্রমণ থেকে ফসল রক্ষা করার জন্য কৃষককে প্রতি সিজনে ৬০-১৮০ বার পোকানাশক ওষুধ স্প্রে করতে হয়। Bt-বেগুনে ঐ পোকার আক্রমণ হবে না, তাই পোকানাশক ওষুধও স্প্রে করতে হবে না।

      ⇒ Bt-বেগুন চাষের গুরুত্ব:
      ১। পোকানাশক ওষুধ কিনতে হবে না এবং স্প্রে করতে হবে না। এতে লক্ষ লক্ষ টাকা উৎপাদন খরচ কম হবে।
      ২। যারা বেগুন খান তারাও ঐ বিষ দ্বারা বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত হবেন না এবং ক্যান্সারের ঝুঁকি থেকে বেঁচে যাবেন।
      ৩। মাটি ও পরিবেশ বিষমুক্ত থাকবে।
      ৪। আশেপাশের জলাশয় বিষমুক্ত থাকবে এবং জলজ পরিবেশের স্বাভাবিক উৎপাদন প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।
      ৫। উৎপাদন বাড়বে।

      উল্লেখ্য, 
      - জি. এম. বা জেনেটিক্যালি মডিফায়েড হলো উদ্ভিদের বা ফসলের জিনকে মডিফাই বা পরিবর্তন করে ঐ ফসলের ফলন বাড়ানো। আর এভাবে উৎপাদিত ফসলকে জি.এম. ফসল বলা হয়। 
      - হাইব্রিড সব ফসলই জি.এম. ফসল। তবে এই ধরনের ফসল প্রাকৃতিক প্রতিরূপ ফসলের তুলনায় বিষাক্ত বা কম পুষ্টি হতে পারে।- বর্তমানে জেনেটিক মডিফিকেশনের মাধ্যমে বিভিন্ন ফসলের রোগ বালাই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও উৎপাদনে উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব হয়েছে।

      উৎস: i) উদ্ভিদবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii) বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট। 

      ১০৪.
      'জগদ্দল মহাবিহার' কোথায় অবস্থিত?
      1. নাটোর
      2. কুমিল্লা 
      3. বগুড়া 
      4. নওগাঁ 
      ব্যাখ্যা

      জগদ্দল মহাবিহার:
      - জগদ্দল মহাবিহার বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার ধামুরহাট উপজেলায় অবস্থিত। 

      ⇒ পাল রাজাদের নির্মিত প্রতিষ্ঠানের মধ্যে মগধের বিশালায়তন বিক্রমশীলা মহাবিহার, বিক্রমপুরের বিক্রমপুরী বিহার এবং বরেন্দ্র অঞ্চলের সোমপুর মহাবিহার ও জগদ্দল মহাবিহার বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
      - জগদ্দল মহাবিহার নির্মাণ করেন সম্ভবত রামপাল (১০৭৭-১১২০)। মদনপালের রাজত্বকালে রচিত সন্ধ্যাকরনন্দীর রামচরিতম গ্রন্থ অনুসারে এ বিহারের অবস্থান বরেন্দ্রীতে। বিভূতি চন্দ্র, দানশীল, মোক্ষকর গুপ্ত ও শুভকর গুপ্তের ন্যায় তিববতের কয়েকজন বিখ্যাত বৌদ্ধ পন্ডিত এ বিহারের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
      - শুভকর গুপ্ত ও অভয়কর গুপ্ত বিক্রমশীলা মহাবিহারের অন্যান্য পন্ডিতসহ ওই  বিহারের ধ্বংসের পর জগদ্দল মহাবিহারে আশ্রয় নিয়েছিলেন বলে মনে করা হয়। এখানে তাঁরা বৌদ্ধধর্ম বিষয়ক বহু সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেন।
      - আইন-ই-আকবর রচয়িতা আবুল ফজল এ স্থানটিকে রমৌতি বলে উল্লেখ করেছেন। প্রাচীন বাংলার ধর্মমঙ্গল কাব্যগুলিতে রামাবতীর উল্লেখ আছে। 
      - বর্তমানে স্থানীয় জনগণ এটিকে বটকৃষ্ণ রায় নামক এক জন জমিদারের বাড়ির ধ্বংসাবশেষ বলে মনে করে।

      উৎস: i) প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর ওয়েবসাইট। 
      ii) বাংলাপিডিয়া। 

      ১০৫.
      বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক কবে কার্যক্রম শুরু করে?
      1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ 
      2. ২৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
      3. ৩১ অক্টোবর, ১৯৭২
      4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশ ব্যাংক:
      - বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। 
      - বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রা ব্যবস্থাপনার প্রবর্তক ও নিয়ন্ত্রক, আর্থিক খাতের রেগুলেটর এবং ব্যাংকের ব্যাংক।
      - এটি মুদ্রানীতি ও ব্যাংকিং বিষয়ক সরকারের পরামর্শদাতা এবং 'সরকারের ব্যাংক বা কোষাগার' হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে।

      ⇒ বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ১২৭) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হলেও এর কার্যক্রম শুরুর তারিখ ধরা হয় ১৯৭১ এর ১৬ ডিসেম্বর অর্থাৎ বিজয় দিবস থেকে।
      - এর পূর্বে ১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতির ২৬ নম্বর অধ্যাদেশ বলে এদেশে কার্যরত বারোটি বাণিজ্যিক ব্যাংককে জাতীয়করণ এবং পুনর্বিন্যাসের মাধ্যমে ছয়টি বাণিজ্যিক ব্যাংকে রূপ দেয়া হয়।
      - তবে বিদেশি ব্যাংকগুলোকে জাতীয়করণের আওতামুক্ত রাখা হয়। এছাড়া তদানীন্তন দু'টি বিশেষায়িত ব্যাংক- পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও শিল্প উন্নয়ন ব্যাংককে যথাক্রমে 'বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক' এবং 'বাংলাদেশ শিল্প ব্যাংক' নামে নামকরণ করা হয়।

      উল্লেখ্য,
      - ১৯৭২ সালে সদ্য স্বাধীন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির ৩১ অক্টোবর ১৯৭২ তারিখের অনুমোদনক্রমে জারিকৃত বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার ১৯৭২ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর ১২৭/১৯৭২) এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয়; যা ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকেই কার্যকর বলে গণ্য হয়। দীর্ঘ নয়মাস সশস্ত্র স্বাধীনতা যুদ্ধে জয়লাভের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিশ্ব মানচিত্রে জায়গা করে নেয় একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ, বাংলাদেশ। সেই দিন থেকে যাত্রা শুরু হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের।

      উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট।

      ১০৬.
      'বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট' কোন জেলায় অবস্থিত?
      1. ফরিদপুর
      2. দিনাজপুর 
      3. পাবনা 
      4. ঢাকা
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট:
      - বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট দিনাজপুর জেলার নশিপুরে অবস্থিত।
      - এটি ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - এর পূর্বে এটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধীনে একটি গবেষণা কেন্দ্র হিসেবে পরিচালিত হয়।
      -  একজন মহাপরিচালক প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে প্রধান কার্যালয় থেকে দেবীগঞ্জ, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, রাজশাহী, যশোর, জামালপুর, জয়দেবপুর, হাটহাজারী, ইত্যাদি কেন্দ্র/উপকেন্দ্রে গম ও ভুট্টার গবেষণা কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

      উৎস: বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট।

      ১০৭.
      ভাষা শহিদদের মধ্যে কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন?
      1. আবুল বরকত
      2. আব্দুস সালাম
      3. রফিক উদ্দিন
      4. আব্দুল জব্বার
      ব্যাখ্যা

      আবুল বরকত:
      - ভাষা আন্দোলনের একজন শহিদ আবুল বরকত। 
      - আবুল বরকত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন।

      ⇒ ভাষা শহিদ আবুল বরকত ১৯২৭ সালের ১৩ জুন অবিভক্ত বাংলার মুর্শিদাবাদ জেলায় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ভারত বিভাগের পর ১৯৪৮ সালে সপরিবার ঢাকায় চলে আসেন। তিনি ১৯৫১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ থেকে দ্বিতীয় শ্রেণিতে চতুর্থ হয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরে একই বিভাগে স্নাতকোত্তর শ্রেণীতে ভর্তি হন।
      - বাংলাকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে সংগঠিত আন্দোলনে ১৯৫২ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি পুলিশের গুলিতে আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শাহাদাত বরণ করেন।

      অন্যদিকে,
      - আবদুস সালাম ডাইরেক্টর অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি অফিসে রেকর্ড কিপার পদে চাকরি করতেন।
      - রফিক উদ্দীন আহমদ মানিকগঞ্জ জেলার দেবেন্দ্রনাথ কলেজের বাণিজ্য বিভাগের দ্বিতীয়  বর্ষের ছাত্র।
      - আবদুল জব্বার সাধারণ গ্রামীণ কর্মজীবী মানুষ ছিলেন।

      উৎস: i) প্রথম আলো।
      ii) বাংলাপিডিয়া।

      ১০৮.
      বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস কত সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন?
      1. ১৯৮৬ সালে
      2. ১৯৮৭ সালে
      3. ১৯৯৫ সালে
      4. ১৯৯৬ সালে
      ব্যাখ্যা

      ড. মুহাম্মদ ইউনূস:
      - বাংলাদেশের বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
      - তিনি ১৯৮৭ সালে স্বাধীনতা পদক লাভ করেন।

      ⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশি নোবেল পুরস্কার বিজয়ী ব্যাংকার ও অর্থনীতিবিদ। তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের একজন শিক্ষক ছিলেন।
      - তিনি ক্ষুদ্রঋণ নামক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার জনক হিসেবে সমাদৃত।
      - তিনি গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা।
      - তিনি এবং তার প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে ২০০৬ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
      - এছাড়াও র‍্যামন ম্যাগসেসে এওয়ার্ড ও বিশ্ব খাদ্য পুরস্কারসহ আরও অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পুরস্কার লাভ করেছেন।

      উল্লেখ্য,
      - মুহাম্মদ ইউনূস ১৯৯৬ সালে সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন।

      ⇒ ইংরেজি ভাষায় লেখা ‘ব্যাংকার টু দ্যা পুওর’ (Banker to the Poor) ড. মুহাম্মদ ইউনূসের আত্মজীবনী।
      - তাঁর আরও কিছু বই: দারিদ্র্যমুক্ত বিশ্বের জন্য, গ্রামীণ ব্যাংক ও আমার জীবন, বাংলাদেশ ২০১০, যোগ্য প্রার্থী আন্দোলন, ক্রিয়েটিং অ্যা ওয়ার্ল্ড উইদাউট পোভার্টি, সামাজিক ব্যবসা, এ ওয়ার্ল্ড অব থ্রি জিরোস, বালক পরিব্রাজকের দিনলিপি প্রভৃতি। 

      ⇒ ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বজুড়ে আলোচিত তার তিন শূন্য বা থ্রি জিরো তত্ত্বের জন্য। সেগুলো হচ্ছে দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নামিয়ে আনা। তা অর্জনে প্রয়োজন তারুণ্য, প্রযুক্তি, সুশাসন ও সামাজিক ব্যবসা।

      উৎস: i) জাতীয় তথ্য বাতায়ন।
      ii) প্রথম আলো।

      ১০৯.
      বিসিআইসির (BCIC) অধীনে বর্তমানে কতটি কারখানা চলমান রয়েছে?
      1. ১০টি
      2. ১১টি 
      3. ১২টি 
      4. ১৩টি
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাষ্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি):
      - বিসিআইসির (BCIC) অধীনে বর্তমানে ১১টি কারখানা চলমান রয়েছে।

      ⇒ চলমান কারখানাগুলোর মধ্যে:
      • ইউরিয়া সার কারখানা: ৫টি (চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরী লিমিটেড, যমুনা ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিমিটেড,আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার এ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানী লিঃ, শাহজালাল ফার্টিলাইজার কোম্পানী লিঃ,ঘোড়াশাল পলাশ ফার্টিলাইজার পাবলিক লিমিটেড কোম্পানী )।
      • ডিএপি সার কারখানা: ১টি (ডিএপি ফার্টিলাইজার কোং লিঃ)।
      • টিএসপি সার কারখানা: ১টি (টিএসপি কমপ্লেক্স লিঃ)।
      • কাগজ কারখানা: ১টি (কর্ণফুলী পেপার মিলস্ লিঃ)।
      • সিমেন্ট কারখানা: ১টি (ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিঃ)।
      • গ্লাসশীট কারখানা: ১টি (উসমানিয়া গ্লাসশীট ফ্যাক্টরী লিঃ)।
      • স্যানিটারীওয়্যার ইস্যুলেটর কারখানা: ১টি (বাংলাদেশ ইস্যুলেটর এন্ড স্যানিটারীওয়্যার ফ্যাক্টরী লিঃ)।

      উৎস: BCIC ওয়েবসাইট।

      ১১০.
      বাংলাদেশে কোন দানাদার ফসল সবচেয়ে বেশি পরিমাণে উৎপাদন হয়?
      1. ধান 
      2. গম 
      3. ভুট্টা 
      4. যব 
      ব্যাখ্যা

      দানা জাতীয় ফসলের উৎপাদন:
      ⇒ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪ অনুসারে,
      • দেশের ২৮৮.২০ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪০৬.৯৭ লক্ষ মেট্রিক টন ধান উৎপন্ন হয়। এর মধ্যে আউশ ধান উৎপন্ন হয় ২৯.৭৩ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ধান উৎপন্ন হয় ১৬৬.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ধান উৎপন্ন হয় ২১০.৬৮ লক্ষ মেট্রিক টন।
      • দেশের ৭.৭০ লক্ষ একর জমিতে মোট ১১.৭২ লক্ষ মেট্রিক টন গম উৎপন্ন হয়।
      • দেশের ১২.৭২ লক্ষ একর জমিতে মোট ৪৮.৭৬ লক্ষ মেট্রিক টন ভুট্টা উৎপন্ন হয়।
      • দেশের ১১.৪৪ লক্ষ একর জমিতে মোট ৬.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন সরিষা উৎপন্ন হয়। 
      • দেশের ০.৩৯৮ লক্ষ একর জমিতে মোট ০.১৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন যব উৎপন্ন হয়। 

      - অর্থাৎ, দানা জাতীয় ফসলের মধ্যে বাংলাদেশে ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়।

      উৎস: কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০২৪।

      ১১১.
      ISPR-এর পূর্ণরূপ কী?
      1. Inter-Security Public Relations
      2. Inter-Services Public Relations
      3. Internal Services Public Regulation
      4. International Strategic Public Relations
      ব্যাখ্যা

      ISPR:
      - ISPR-এর পূর্ণরপ: Inter-Services Public Relations বা আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর ।
      - প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে ১৯৭২ সালে সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য আন্তঃবাহিনী সংস্থার প্রচার ও জনসংযোগ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশবলে প্রতিষ্ঠিত হয়। 
      - আইএসপিআর অফিস ভবন: পুরাতন লগ এরিয়া সদর দপ্তর ভবন, ঢাকা সেনানিবাস।
      - এর প্রধান কাজ:  সশস্ত্র বাহিনী এবং অন্যান্য সংস্থার কার্যক্রম বিভিন্ন প্রচার মাধ্যম যেমন সংবাদপত্র, বেতার এবং টেলিভিশনে সঠিকভাবে উপস্থাপন এবং প্রচারণার উদ্দেশ্যে কার্যকর পরিকল্পনা গ্রহণ করা এবং বাস্তবায়ন  নিশ্চিত করা।

      উৎস: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় ওয়েবসাইট।

      ১১২.
      বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা (LDC) থেকে বেরিয়ে যাবে -
      1. ১৪ নভেম্বর, ২০২৬
      2. ২৪ নভেম্বর, ২০২৬
      3. ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
      4. ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
      ব্যাখ্যা

      LDC:
      - LDC-এর পূর্ণরূপ: Least Developed Countries বা স্বল্পোন্নত দেশ।
      - ১৯৭১ সালের ১৮ নভেম্বর প্রথম স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা করা হয়।
      - প্রারম্ভিক তালিকায় ২৫টি দেশ অন্তর্ভুক্ত ছিল।
      - বর্তমানে ৪৪টি দেশ এলডিসি তালিকাভুক্ত।
      - মাথাপিছু কম জাতীয় আয়, অনুন্নত মানবসম্পদসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে নিম্ন সূচকের দেশগুলোই এলডিসির অন্তর্ভুক্ত।
      - সিডিপি তিনটি সূচক যথা মাথাপিছু জাতীয় আয়, মানবসম্পদ সূচক এবং অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত ভঙ্গুরতা সূচকের ভিত্তিতে তিন বছর পরপর স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থসামাজিক পরিস্থিতি মূল্যায়নের মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের বিষয় পর্যালোচনা করে।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশ ১৯৭৫ সালে এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
      - ২০২৬ সালের ২৪ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ এ তালিকা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার কথা।
      - এলডিসি থেকে বের হলে বাংলাদেশের কিছু বাণিজ্য ও অন্যান্য সুবিধা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে।
      - LDC থেকে মুক্ত হলে বাংলাদেশ ৩টি সুবিধা হারাবে।
      - বাংলাদেশ যদি স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে যায়, তাহলে বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্কছাড় সুবিধা কমবে, বিদেশি ঋণের সুদের হার বাড়বে এবং দেশি শিল্পকারখানা তীব্র প্রতিযোগিতায় পড়ে অনেকগুলো বন্ধ হওয়ার ঝুঁকিতে পড়বে।
      - কিছু দেশ ও অঞ্চলে বাংলাদেশের বাণিজ্যে শুল্কছাড় সুবিধা ২০২৯ সাল পর্যন্ত থাকবে, আর ওষুধ উৎপাদনে মেধাস্বত্বে ছাড় সুবিধা থাকবে ২০৩৩ সাল পর্যন্ত।

      উৎস: i) প্রথম আলো।
      ii) UN ওয়েবসাইট। [link]

      ১১৩.
      'দেবপর্বত' প্রাচীন কোন জনপদের রাজধানী ছিল? 
      1. গৌড় 
      2. হরিকেল 
      3. সমতট 
      4. পুণ্ড্র
      ব্যাখ্যা

      দেবপর্বত:
      - দেবপর্বত বর্তমান কুমিল্লা জেলার বরকামতা নামক স্থানে অবস্থিত। 
      - এটি মূলত সমতট রাজ্যের রাজধানী ছিল।
      - দেব রাজবংশের শাসনামলে এই স্থানটি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। 

      ⇒ দেবপর্বত সমতটের একটি প্রাচীন নগরীর নাম। 
      - কুমিল্লার নিকটবর্তী ময়নামতী শৈলশিরায় এটি অবস্থিত। 
      - সমতটের পরম্পরাগত পাঁচটি পরিচিত রাজধানীর মধ্যে দেবপর্বত ছিল তৃতীয় ও সর্বাপেক্ষা গুরুত্বপূর্ণ। রাজনৈতিক কেন্দ্রে পরিণত হওয়ার বহু পূর্বেই এটি ছিল একটি তীর্থস্থান এবং গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র। 

      • সমতট:
      - দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার প্রাচীন জনপদের নাম সমতট।
      - বর্তমান ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের কিছু অংশ, বাংলাদেশের বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চল সমতট নামে পরিচিত ছিল।
      - মেঘনা পূর্ববর্তী এলাকায় কুমিল্লা-নোয়াখালীর সমতল অঞ্চলে ছিল সমতটের অবস্থান।
      - রাজা রাজভট্টের (৭ম শতকে) অন্যতম রাজধানী ছিল বড়োকামতা।

      উৎস: i) বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii) বাংলাপিডিয়া।

      ১১৪.
      জুলাই ঘোষণাপত্রে কতটি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে?
      1. ১৬টি
      2. ২১টি 
      3. ২২টি 
      4. ২৮টি
      ব্যাখ্যা

      জুলাই ঘোষণাপত্র:
      -  ‘জুলাই ঘোষণাপত্র’ হলো ২০২৪ সালের জুলাইয়ের গণ-অভ্যুত্থানের একটি দলিল যার মাধ্যমে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানকে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হবে।
      - অন্যদিকে জুলাই জাতীয় সনদ হলো রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কার প্রস্তাব বাস্তবায়নে ঐকমত্যের একটি রাজনৈতিক দলিল।
      - অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ৫ আগস্ট, ২০২৫ তারিখে র ‘৩৬ জুলাই উদ্‌যাপন’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে জুলাই ঘোষণাপত্র পাঠ করেছেন।

      জুলাই ঘোষণাপত্রে ২৮টি ধারা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 
      - ২৮ দফা এ ঘোষণাপত্রে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশের জনগণ এই অভিপ্রায় ব্যক্ত করছে যে, ছাত্র-গণঅভ্যুত্থান ২০২৪-এর উপযুক্ত রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি প্রদান করা হবে এবং পরবর্তী নির্বাচনে নির্বাচিত সরকারের সংস্কারকৃত সংবিধানের তফসিলে এ ঘোষণাপত্র সন্নিবেশিত থাকবে।

      উৎস: প্রথম আলো।

      ১১৫.
      দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা কে ছিলেন?
      1. জুলফিকার আলী ভুট্টো 
      2. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ
      3. গোলাম মোহাম্মদ 
      4. আইয়ুব খান 
      ব্যাখ্যা

      দ্বিজাতি তত্ত্ব:
      - জাতিতত্ত্বের বিশ্লেষণে একটি জনগোষ্ঠীকে তখনই জাতি বলা যায়, যার ভাষা, শিক্ষা, সংস্কৃতি, সাহিত্য, মনন, কৃষ্টি, ধর্ম এমনকি অর্থনীতি একটি একক সত্তায় পরিণতি লাভ করে।
      - মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ভারতের হিন্দু ও মুসলমান এ দুটি ধর্মীয় সম্প্রদায়কে দুটি পৃথক জাতি হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন।
      - দ্বিজাতি তত্ত্বের প্রবক্তা ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ।
      - তিনি ১৯৪০ সালে পাকিস্তান আন্দোলনের মূল ভিত্তি হিসেবে এই তত্ত্বটি প্রস্তাব করেন।
      - দ্বিজাতি তত্ত্ব অনুযায়ী, ভারতীয হিন্দু এবং মুসলিম সমাজ দুটি আলাদা জাতি, যার সাংস্কৃতিক, সামাজিক, ধর্মীয়, এবং ঐতিহাসিক পার্থক্য রয়েছে।
      - তিনি মনে করতেন যে, হিন্দু ও মুসলিমরা একত্রে একটি সাধারণ রাষ্ট্রের অধীনে বাস করতে সক্ষম নয়, কারণ তাদের মধ্যে মৌলিকভাবে ভিন্ন জাতিগত পরিচয় রয়েছে।
      - জিন্নাহর মতে, মুসলমানদের জন্য একটি পৃথক রাষ্ট্রের প্রয়োজন ছিল, যেখানে তারা নিজেদের ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্বাধীনতা বজায় রাখতে পারবে।

      ⇒ ১৯৩৯ সালে জিন্নাহ্ তাঁর 'দ্বিজাতি তত্ত্ব' ঘোষণা করেন।
      - পরবর্তী বছর লাহোরে মুসলিম লীগের ঘোষণায় এরই প্রতিধ্বনি পুনর্ব্যক্ত হয়েছে।
      - ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দের ২৩ মার্চ লাহোরে অনুষ্ঠিত মুসলিম লীগের অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ্।
      - এ অধিবেশনেই বাংলার নেতা ও প্রধানমন্ত্রী এ.কে. ফজলুল হক বিখ্যাত লাহোর প্রস্তাব উত্থাপন করেন।
      - এতে বলা হয় যে, কোনো শাসনতান্ত্রিক পরিকল্পনা এদেশে কার্যকর বা মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না যদি একটি নিম্নবর্ণিত মূলনীতির উপর প্রতিষ্ঠিত না হয়।

      উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
      ii) ইতিহাস ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১১৬.
      বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?
      1. সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা
      2. সকলের প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়
      3. অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্বর প্রতি সম্মান প্রদর্শন
      4. অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা
      ব্যাখ্যা

      সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান মূলনীতির অন্তর্ভুক্ত নয়। 

      পররাষ্ট্রনীতি:

      - পররাষ্ট্রনীতি হলো কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের গৃহীত সেসব নীতি যা রাষ্ট্র তার রাষ্ট্রীয় স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য অন্যান্য রাষ্ট্রের সাথে যোগাযোগ রক্ষার ক্ষেত্রে সম্পাদন করে থাকে। অন্য রাষ্ট্রের মতো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিও আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে রাষ্ট্রের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক বাধ্যবাধকতাকে তুলে ধরে।
      - বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত বহিঃশক্তির প্রভাব থেকে দেশের সাবভৌমত্ব ও ভূখন্ডকে রক্ষা করার মতো বিষয়েই সীমাবদ্ধ থেকে গেছে।

      ⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলনীতিসমূহ পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কিছু মূলনীতি অনুসরণ করে থাকে।  
      - বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান চারটি মূলনীতি হলো:

      ১. সকলের প্রতি বন্ধুত্ব, কারও প্রতি বিদ্বেষ নয়:
      - যেহেতু বাংলাদেশ তার অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীল, সেহেতু বাংলাদেশ বৃহৎ শক্তিগুলোর মধ্যে কোন একটির পক্ষাবলম্বন করে অন্যটির বিরাগভাজন হতে চায় না। এর চেয়েও বড় কথা হল যে, এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে অপ্রকাশের পর বাংলাদেশ চায় না যে, সে কোন বৃহৎ শক্তির খুঁটি হিসেবে ব্যবহৃত হবে।

      ২. অন্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব, রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা ও ভৌগোলিক অখন্ডতার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা:
      - এ মূলনীতিটি জাতিসংঘ সনদের ২(৪) ধারার সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।

      ৩. অন্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ ব্যাপারে হস্তক্ষেপ না করা:
      - এ মূলনীতিটিও জাতিসংঘ সনদের ২(৭) ধারার উপর প্রতিষ্ঠিত। প্রকৃতপক্ষে ২ ও ৩ নম্বর মুলনীতি দুটি রাষ্ট্রীয় আচরণের ক্ষেত্রে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা আদর্শের বুনিয়াদের উপর প্রতিষ্ঠিত।

      ৪. বিশ্ব শান্তি: 
      - প্রথমত: বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বিশ্বাস করে; দ্বিতীয়ত: বাংলাদেশ যে কোন বিবাদ শান্তিপূর্ণ উপায়ে মীমাংসার পক্ষপাতি; এবং তৃতীয়ত: বাংলাদেশ চায় যে, যে কোন আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির পরিবর্তন শান্তিপূর্ণ উপায়ে হবে। এই প্রসঙ্গে এ কথাও সবসময় মনে রাখতে হবে যে, বাংলাদেশ কখনও বিশ্বের কোন রাষ্ট্রের শান্তি ও নিরাপত্তার প্রতি হুমকি প্রদর্শন না করার ব্যাপারে বদ্ধপরিকর।

      ⇒ বাংলাদেশের পররাষ্ট্র নীতির লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
      ১. আত্বরক্ষা,
      ২. অর্থনৈতিক অগ্রগতি,
      ৩. অন্য রাষ্ট্রের তুলনায় নিজের জাতীয় শক্তিকে রক্ষা ও প্রয়োজনবোধে বৃদ্ধি করা,
      ৪. নিজস্ব মতবাদে দৃঢ় থাকা, ও
      ৫. জাতীয় মর্যাদা বৃদ্ধি করা।

      উৎস: সিভিক এডুকেশন-২, বিএসএস প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১১৭.
      Rules of Business কে প্রণয়ন করেন?
      1. রাষ্ট্রপতি
      2. প্রধানমন্ত্রী
      3. অ্যাটর্নি জেনারেল
      4. স্পিকার
      ব্যাখ্যা

      Rules of Business:
      - যে আইনের মাধ্যমে সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনা করা হয় তাকেই সরকারী কার্যপ্রণালী বিধি বা Rules of Business বলা হয়ে থাকে।
      - রুলস অফ বিজনেস, ১৯৯৬ হলো বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল যা সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রণীত।
      - সরকারের ‘রুলস অব বিজনেস’ বা কার্যবিধিমালার বিষয়বস্তু হচ্ছে মূলত নির্বাহী বিভাগের কর্মবণ্টন ও কর্মপদ্ধতি।
      - বলা হয়ে থাকে রাষ্ট্রের সংবিধান যেমন সব নাগরিকের জন্য প্রযোজ্য, তেমনি কার্যবিধিমালা নির্বাহী বিভাগের সবার জন্য প্রযোজ্য।
      - এই বিধিমালার উদ্দেশ্য হলো সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের মধ্যে কার্যাবলী বন্টন করা এবং তাদের দায়িত্ব ও কর্মপদ্ধতি নির্ধারণ করা। 
      - সংবিধানের ৫৫(৬) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহামান্য রাষ্ট্রপতি Rules of Business প্রণয়ন করেন। 

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশের প্রথম কার্যবিধিমালা প্রণীত হয়েছিল ১ নভেম্বর ১৯৭৫ সালে। তখন রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ছিল বিধায় সেটি সে আদলেই করা হয়েছিল।
      - ১৯৯৬ সালে প্রবর্তিত হয় সংসদীয় পদ্ধতির সরকার উপযোগী নতুন কার্যবিধিমালা।
      - বিধিমালাটি ইংরেজিতে প্রণীত।
      - কার্যবিধিমালাতে পাঁচটি অধ্যায়ে ৩৩টি বিধি এবং সাতটি তফসিল রয়েছে। 

      উৎস: i) বণিক বার্তা।
      ii) বাংলাদেশের সংবিধান। 
      iii) বাংলাপিডিয়া। 

      ১১৮.
      ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কত সালে প্রবর্তিত হয়েছিল?
      1. ১৯৭২ সালে 
      2. ১৯৭৩ সালে 
      3. ১৯৭৪ সালে 
      4. ১৯৭৫ সালে
      ব্যাখ্যা

      ওয়েজ আর্নার্স স্কিম:
      - ওয়েজ আর্নার্স স্কিম ১৯৭৪ সালে প্রবর্তিত হয়।
      - বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি নাগরিকদের অর্জিত আয় সরকারি চ্যানেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রেরণে উৎসাহ প্রদানের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।
      - এ সময় বৈদেশিক মুদ্রা মজুত থাকার কারণে আমদানিকারকদের অনুকূলে বৈদেশিক মুদ্রার ছাড় হ্রাস পায়, যার ফলে স্কিমটি কার্যকারিতা অর্জন করে।
      -  বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমজীবীদের প্রেরিত অর্থ খোলাবাজার বিনিময় হারের কাছাকাছি হারে বিনিময়ের লক্ষ্যে স্কিমটি চালু করা হয়।

      ⇒ প্রবাসী কর্মীদের অবদানের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদের এবং দেশে বিদেশে কর্মীদের পরিবার পরিজনকে সাহায্য সহযোগিতা কিংবা উদ্ভূত সমস্যার সমাধান কল্পে তথা সার্বিক কল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে সরকার Emigration Ordinance-1982 এর ১৯(১) ধারার ক্ষমতাবলে ১৯৯০ সালে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ তহবিল” গঠন করে।
      - “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড আইন,২০১৮” এর মাধ্যমে “ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড” একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।

      উৎস: i) বাংলাপিডিয়া।
      ii) ওয়েজ আর্নার্স ওয়েলফেয়ার বোর্ড ওয়েবসাইট।

      ১১৯.
      কোন মুঘল সম্রাটের শাসনামলে বাংলায় সুবাদারী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়?
      1. সম্রাট আকবর
      2. সম্রাট জাহাঙ্গীর
      3. সম্রাট আওরঙ্গজেব
      4. সম্রাট হুমায়ুন
      ব্যাখ্যা

      সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলায় সুবাদারী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

      বাংলায় সুবাদারী প্রতিষ্ঠা:

      - মোগল সম্রাট আকবর তাঁর সাম্রাজ্যকে অনেকগুলো প্রদেশে ভাগ করেছিলেন।
      - এই প্রদেশগুলোকে বলা হতো 'সুবা'। সুবার শাসনকর্তাকে বলা হতো সুবাদার।
      - আকবরের সময় থেকে বাংলায় সুবাদার নিয়োগ করা শুরু হয়।
      - তবে বারভূঁইয়াদের দাপটে বাংলায় মোগল সুবা শক্ত ভিত্তির উপর দাঁড়াতে পারেনি।
      - সম্রাট জাহাঙ্গীরের আমলে দক্ষতার সাথে বারভূঁইয়াদের দমন করেন সুবাদার ইসলাম খান। তিনি ঢাকায় রাজধানী স্থাপন করেন। এরপর থেকে বাংলার সুবাদারদের মাধ্যমে পুরো বাংলায় মোগল শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়।

      ⇒ সম্রাট আকবর:
      - তৃতীয় মুঘল সম্রাট অবুল ফতেহ জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ আকবর।
      - পিতা হুমায়ুনের মৃত্যুর পর ১৫৫৬ সালে সিংহাসনে বসেন আকবর।
      - তাঁর শাসনামলে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে মোগল সাম্রাজ্যের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়।
      - আইন-ই-আকবরী মুঘল সম্রাট আকবরের (১৫৫৬-১৬০৫) দরবারের ঐতিহাসিক আবুল ফজল কর্তৃক রচিত আকবরনামা গ্রন্থের তৃতীয় খন্ড।
      - সম্রাট আকবরের শাসনামলে 'বাংলার বারো ভুঁইয়ার' অভ্যুত্থান ঘটে।
      - ১৫৮২ সালে আকবর ‘দীন-ই-ইলাহি’ ধর্মের প্রবর্তন করেন।
      - কৃষিকাজের সুবিধার্থে মুগল সম্রাট আকবর বাংলা সন প্রবর্তন করেন। এটি কার্যকর হয় সম্রাট আকবরের সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
      - মোগল সম্রাট আকবর 'জিজিয়া কর' রহিত করেন।

      উৎস: i) ইতিহাস ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ii)ইতিহাস, এসএসএইচএল, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১২০.
      পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে কার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়?
      1. ঘনশ্যাম দেওয়ান
      2. স্নেহকুমার চাকমা
      3. জোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা
      4. মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা
      ব্যাখ্যা

      পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস):
      - পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রথম রাজনৈতিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস)।
      - মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি প্রতিষ্ঠিত হয়।

      ⇒ পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক সংগঠন। পাহাড়িদের দাবিদাওয়া আদায়ের লক্ষ্যে সংগঠনটি বিশ শতকের সত্তরের দশকে সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংগ্রাম পরিচালনা করে। ১৯৭৩ সালে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জনসংহতি সমিতির প্রতিষ্ঠা হয়। প্রতিষ্ঠার কিছুকাল পর থেকে জনসংহতি সমিতির সামরিক শাখা শান্তি বাহিনী তৎপরতা শুরু করে। তখন থেকে ১৯৯৭ সালে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পূর্ব পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও শান্তি বাহিনী দীর্ঘকাল রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত ছিল।

      ⇒ মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমা ১৯৭২ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের খসড়া সংবিধান প্রণেতাদের কাছে পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্তশাসনের দাবিসহ মোট চার দফা দাবি পেশ করেন। চার দফা দাবিও সরকার কর্তৃক প্রত্যাখাত হলে পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয় এবং জুম্ম জাতীয়তাবাদ ও জুম্মল্যান্ড ধারণা জন্ম নেয়। পাহাড়িদের স্বার্থ আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি মানবেন্দ্র নারায়ণ লারমার নেতৃত্বে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি গঠিত হয়। পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির আদর্শ ও উদ্দেশ্য ছিল: মানবতাবাদ, জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, ধর্মনিরপেক্ষতা এবং চাকমা, মারমা (মগ), ত্রিপুরা, বম, মুরং, পাঙ্খো, খুমি, চাক, খিয়াং, লুসাই প্রভৃতি ক্ষুদ্র জাতিসত্তার আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার অর্জন। সমিতির সহযোগী সংগঠন ছিল এর সামরিক শাখা শান্তি বাহিনী, গ্রাম পঞ্চায়েত, যুব সমিতি ও মহিলা সমিতি।

      ⇒ ১৯৯৬ সালের ১৪ অক্টোবর ১১-সদস্য বিশিষ্ট পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক জাতীয় কমিটি গঠিত হয়। একদিকে জনসংহতি সমিতির দাবিদাওয়া ও পাহাড়ি জনগণের ন্যায্য দাবির প্রতি সরকারের ইতিবাচক মূল্যায়ন এবং অন্যদিকে সশস্ত্র সংগ্রামের পথ পরিহার করে রাজনৈতিক সমাধানে জনসংহতি সমিতির আগ্রহের পরিপ্রেক্ষিতে পার্বত্য অঞ্চলে শান্তি স্থাপনের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। ১৯৯৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষ শান্তিচুক্তি স্থাপনে ঐক্যমতে পৌঁছে। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার ও জনসংহতি সমিতির মধ্যে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির অবসান ঘটে। শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরের পর জনসংহতি সমিতি রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

      উৎস: i) প্রথম আলো।
      ii) বাংলাপিডিয়া।

      ১২১.
      বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করবেন? 
      1. ১৫ নং
      2. ১৭ নং
      3. ১৮ক নং
      4. ১৯ নং
      ব্যাখ্যা

      বাংলাদেশের সংবিধান:
      - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৯ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করবেন।

      ⇒ ১৯ নং অনুচ্ছেদ:
      - ১৯ (১) সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্র সচেষ্ট হবেন।
      - ১৯ (২) মানুষে মানুষে সামাজিক ও অর্থনৈতিক অসাম্য বিলোপ করার জন্য, নাগরিকদের মধ্যে সম্পদের সুষম বন্টন নিশ্চিত করার জন্য এবং প্রজাতন্ত্রের সর্বত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নের সমান স্তর অর্জনের উদ্দেশ্যে সুষম সুযোগ-সুবিধাদান নিশ্চিত করার জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
      - ১৯ (৩) জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে মহিলাদের অংশগ্রহণ ও সুযোগের সমতা রাষ্ট্র নিশ্চিত করবেন।

      অন্যদিকে,
      - বাংলাদেশের সংবিধানের ১৫ নং অনুচ্ছেদে 'মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা' সম্পর্কে বলা হয়েছে।
      - সংবিধানের ১৭ নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা।
      - সংবিধানের ১৮ক নং অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু : পরিবেশ ও জীব-বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও উন্নয়ন। 

      উৎস: বাংলাদেশের সংবিধান।

      ১২২.
      বর্তমানে দেশের চাহিদার কত শতাংশ ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়? [সেপ্টেম্বর, ২০২৫]
      1. ৫৭ শতাংশ 
      2. ৬৬ শতাংশ 
      3. ৮৭ শতাংশ 
      4. ৯৮ শতাংশ 
      ব্যাখ্যা

      ঔষধ শিল্প:
      - স্বাধীনতা অর্জনের পর বাংলাদেশে ঔষধ প্রাপ্তি মূলত আমদানির ওপর নির্ভরশীল ছিল।
      - ফলে অনেক উচ্চ মূল্যে জনগণকে ঔষধ ক্রয় করতে হতো।
      - বর্তমানে দেশের চাহিদার প্রায় ৯৮% ঔষধ দেশে উৎপাদিত হয়
      - বাংলাদেশ ইতোমধ্যে ঔষধ আমদানিকারক দেশ হতে রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হয়েছে।
      - এরা বিভিন্ন প্রকারের ঔষধ ও ঔষধের কাঁচামাল উন্নত বিশ্বের ইউরোপ ও আমেরিকাসহ রপ্তানি করছে ১৫৭টি দেশে।

      ⇒ ২০২৪-২৫ অর্থবছরে ওষুধ রপ্তানি দাঁড়িয়েছে ২১৩ মিলিয়ন ডলার।

      উল্লেখ্য,
      - বাংলাদেশ থেকে ওষুধ রপ্তানি শুরু হয় ১৯৮৫ সালে।
      - ১৯৭৩ সালে প্রয়োজনীয় ওষুধ আমদানি করার জন্য ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের অধীনে একটি সেল গঠন করা হয়েছিল।
      - সরকার ১৯৭৪ সালে ঔষধ প্রশাসন পরিদপ্তর গঠন করে।
      - ১৯৮২ সালে ঔষধ নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে ক্ষতিকর ও অপ্রয়োজনীয় ঔষধ বাজারজাতকরণ বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং স্বাস্থ্যসেবার প্রতিটি পর্যায়ে প্রয়োজনীয় ঔষধ সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়।
      - ১৯৮২ সালের ওষুধনীতিতে ১৫০টি ওষুধকে অত্যাবশ্যকীয় ওষুধ হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়।

      উৎস: i) প্রথম আলো।
               ii) The Daily Star Bangla.

      ১২৩.
      জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা কত?
      1. ১০টি
      2. ১৫টি
      3. ২০টি
      4. ২৫টি
      ব্যাখ্যা

      জাতিসংঘ:
      - ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ সনদ কার্যকরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘ গঠিত হয়।
      - এর আগে ১৯৪৫ সালের ২৬ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিসকো শহরে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরিত হয়।
      - জাতিসংঘ সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত।
      - দাপ্তরিক ভাষা ৬টি।
      - এগুলো হচ্ছে ইংরেজি, চীনা, স্প্যানিশ, ফরাসি, রুশ ও আরবি।
      - জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
      - তিনি পর্তুগালের নাগরিক।
      - জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ৫১টি।
      - এর বর্তমান সদস্য ১৯৩টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
      - জাতিসংঘের স্থায়ী পর্যবেক্ষকের সংখ্যা ২টি (ভ্যাটিকান ও ফিলিস্তিন)।
      - জাতিসংঘের সর্বশেষ সদস্য দক্ষিণ সুদান।
      - ২০১১ সালের ১৪ জুলাই, ১৯৩তম দেশ হিসেবে জাতিসংঘে যোগদান করে।
      - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মোট সদস্য দেশের সংখ্যা ১৫টি।
      - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ০৫টি।
      - জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য দেশের সংখ্যা ১০টি।

      তথ্যসূত্র - জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

      ১২৪.
      হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন -
      1. আশেরা
      2. মোলক
      3. জেহোভা
      4. হোরাস
      ব্যাখ্যা

      হিব্রু সভ্যতা:
      - হিব্রু জাতি প্রাচীন মিসরীয় এবং মেসোপটেমীয় সভ্যতার পর প্রাচীন মানব সভ্যতায় অবদান রেখেছিল।
      - হিব্রুরাই ইহুদী ধর্মের অনুসারী এবং ইসরাইলী জাতি হিসেবে সমধিক পরিচিত।
      - ঐতিহাসিকদের মতে প্রাচীন ফোরাত নদীর (ইউফ্রেটিস নদী) অপর পাড় থেকে যে সব মানবগোষ্ঠী বিতাড়িত হয়ে প্যালেস্টাইনে বসতি স্থাপন করে তারাই হিব্রু জনগোষ্ঠী।
      - হিব্রু শব্দের অর্থ 'বিদেশী' (Alien) থেকে এর প্রমাণ পাওয়া যায়। তাই নৃতাত্ত্বিক অর্থে হিব্রুরা কোনো নির্দিষ্ট জাতি নয়।
      - মিসরীয় ও ব্যাবিলনীয় উৎস থেকে আহরিত হয়েছিল হিব্রু সভ্যতার অনেক উপাদানই।
      - হিব্রু জাতি খ্রিস্টপূর্ব ১৮০০ অব্দে তাদের আদি পুরুষ ইব্রাহিমের (আঃ) (আব্রাহাম) নেতৃত্বে উত্তর-পশ্চিম মেসোপটেমিয়ায় একত্রে বসবাস শুরু করে। 
      - তাওরাত বা ওল্ড টেস্টামেন্ট (Old Testament) হিব্রু ধর্মের (ইহুদী জাতির) প্রধান ধর্মগ্রন্থ।
      - হিব্রুদের প্রধান দেবতা ছিলেন জেহোভা।
      - জেহোভাকে তারা আকার-বিশিষ্ট একেশ্বর বলে মনে করত।
      - এ যুগে ইহুদীরা জরথুস্ত্র ধর্মের প্রভাবে আসে এবং আবার একেশ্বরবাদে আকৃষ্ট হয়।

      তথ্যসূত্র - ব্রিটানিকা ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১২৫.
      অরেঞ্জ বিপ্লবের কেন্দ্রবিন্দু ছিল কোন শহর?
      1. মিনস্ক
      2. ওয়ারশ
      3. কিয়েভ
      4. তিবিলিসি
      ব্যাখ্যা

      অরেঞ্জ বিপ্লব:
      - ‘অরেঞ্জ বিপ্লব' সংঘটিত হয় ইউক্রেনে।
      - অরেঞ্জ বিপ্লব ছিল একটি ধারাবাহিক প্রতিবাদ এবং রাজনৈতিক ঘটনা।
      - এটি সংঘটিত হয়েছিল ২০০৪ সালে।
      - ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভ ছিল নাগরিক প্রতিরোধ আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু।
      - ২০০৪ সালে ইউক্রেনে অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপি এবং ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তুলে এ আন্দোলনের সূত্রপাত।

      তথ্যসূত্র - Britannica.com

      ১২৬.
      আফ্রিকান ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?
      1. নাইরোবি, কেনিয়া
      2. আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া
      3. আবুজা, নাইজেরিয়া
      4. আলজিয়ার্স, আলজেরিয়া
      ব্যাখ্যা

      আফ্রিকান ইউনিয়ন:
      - AU এর পূর্ণরূপ African Union.
      - আফ্রিকান ইউনিয়ন আফ্রিকা মহাদেশের দেশসমূহের একটি সংগঠন।
      - পূর্বে এর নাম ছিল - Organization of African Unity.
      - African Union নামকরণ করা হয়: জুলাই, ২০০২ সালে।
      - সদর দপ্তর: আদ্দিস আবাবা, ইথিওপিয়া।
      - বর্তমান সদস্য: ৫৫টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
      - সর্বশেষ সদস্য: দক্ষিণ সুদান। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)
      - মরক্কো ২০১৭ সালের জানুয়ারি মাসে পুনরায় আফ্রিকান ইউনিয়নে যোগদান করে।

      তথ্যসূত্র - আফ্রিকান ইউনিয়নের ওয়েবসাইট।

      ১২৭.
      স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ কোনটি?
      1. বেলজিয়াম
      2. নরওয়ে
      3. লুক্সেমবার্গ
      4. গ্রিনল্যান্ড
      ব্যাখ্যা

      স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ:
      - স্ক্যান্ডিনেভিয়া হলো ইউরোপের উত্তরে অবস্থিত একটি ভৌগোলিক অঞ্চল।
      - স্ক্যান্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র মূলত ৩টি।
      - যথা- নরওয়ে, সুইডেন ও ডেনমার্ক।
      - তবে ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড এবং ফারো আইল্যান্ডকেও অনেক ক্ষেত্রে স্ক্যান্ডিনেভিয়ান রাষ্ট্র হিসেব গণ্য করা হয়।
       
      • নর্ডিক অঞ্চল বলতে স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশ + ফিনল্যান্ড + আইসল্যান্ডকে বুঝায়।
      অর্থাৎ, স্ক্যান্ডেনেভিয়ান দেশগুলো আসলে নর্ডিক অঞ্চলের মধ্যে পরে।

      • নর্ডিক অঞ্চলভূক্ত দেশ ৫টি।
      যথা - আইসল্যান্ড, ডেনমার্ক, নরওয়ে, সুইডেন এবং ফিনল্যান্ড।

      তথ্যসূত্র - Worldatlas.com ও Britannica.com

      ১২৮.
      'UNWTO' জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে কত সালে?
      1. ২০০০ সালে
      2. ২০০৩ সালে
      3. ২০০৬ সালে
      4. ২০০৮ সালে
      ব্যাখ্যা

      UNWTO:
      - জাতিসংঘের পর্যটন সংস্থা UNWTO.
      - UNWTO এর পূর্ণরূপ - United Nations World Tourism Organization.
      - পর্যটকদের সুরক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক কোড চালু করেছে UNWTO।
      - বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়- ২৭ সেপ্টেম্বর।
      - UNWTO আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৪৬ সালে।
      - এর সদর দপ্তর মাদ্রিদ, স্পেন।
      - জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থার মর্যাদা লাভ করে - ২০০৩ সালে।
      - বর্তমান সদস্য - ১৬০ টি। (সেপ্টেম্বর, ২০২৫)

      তথ্যসূত্র - UNWTO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।

      ১২৯.
      অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশ ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা?
      1. যুক্তরাষ্ট্র
      2. কানাডা
      3. যুক্তরাজ্য
      4. অস্ট্রিয়া
      ব্যাখ্যা

      Oxfam International:
      - অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা।
      - 'অক্সফাম' নামটি ১৯৪২ সালে ব্রিটেনে প্রতিষ্ঠিত অক্সফোর্ড কমিটি ফর ফামিন রিলিফ থেকে এসেছে।
      - অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ১৯৯৫ সালে একটি স্বাধীন বেসরকারী সংস্থার দ্বারা গঠিত হয়েছিল
      - এর সদর দপ্তর - কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।
      - প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল - ব্রিটেনে।
      - অক্সফ্যাম ইন্টারন্যাশনাল বেসরকারীভাবে অর্থায়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
      - এটি বিশ্বব্যাপী দরিদ্র বা দুর্যোগ-পীড়িত সম্প্রদায়ের জন্য ত্রাণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে।

      তথ্যসূত্র - অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল এর ওয়েবসাইট।

      ১৩০.
      'পালাউ' কোন মহাদেশে অবস্থিত?
      1. এশিয়া
      2. দক্ষিণ আমেরিকা
      3. ইউরোপ
      4. ওশেনিয়া
      ব্যাখ্যা

      পালাউ:
      - আনুষ্ঠানিকভাবে পালাউ প্রজাতন্ত্র, দ্বীপ দেশ।
      - 'পালাউ' দেশটি ওশেনিয়া মহাদেশে অবস্থিত।
      - আয়তন: ১৮৯ বর্গ মাইল (৪৯০ বর্গ কিমি)।
      - রাজধানী: মেলেকোক।
      - ভাষা: পালাউয়ান, ইংরেজি (উভয় সরকারী)।
      - ধর্ম: খ্রিস্টান ধর্ম (বেশিরভাগই রোমান ক্যাথলিক।
      - মুদ্রা: মার্কিন ডলার।

      তথ্যসূত্র - Britannica.com

      ১৩১.
      হামাস কোন দেশের গেরিলা সংগঠন?
      1. সিরিয়া
      2. ফিলিস্তিন
      3. মিশর
      4. লেবানন
      ব্যাখ্যা

      হামাস:
      - হামাসের পূর্ণরূপ হারাকাত আল-মুকাওয়ামাহ আল-ইসলামিয়াহ।
      - হামাস ফিলিস্তিন এর গেরিলা সংগঠন।
      - হামাস ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
      - শেখ আহমাদ ইয়াসিন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেন।
      - এর সামরিক শাখার নাম ইজ্জাদিন আল-কাসিম ব্রিগেড (Izz ad-Din al-Qassam Brigades)।
      - এর নামকরণ করা হয়েছে ফিলিস্তিনের এক ঐতিহাসিক প্রতিরোধ নেতা ইজ্জাদিন আল-কাসাম-এর নামে।
      - এই শাখাটি হামাসের সশস্ত্র কার্যক্রম পরিচালনার মূল দায়িত্ব পালন করে, যেমন রকেট হামলা, অপহরণ, এবং অন্যান্য সামরিক কার্যক্রম।
      - সংগঠনটি প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন এবং ইসরায়েলের মধ্যে ১৯৯৩ সালের শান্তি চুক্তির বিরোধিতা করেছিল।
      - ২০০৬ সালে হামাস ফিলিস্তিন আইন পরিষদের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে এবং ফাতাহ-এর বিরুদ্ধে আশ্চর্যজনক বিজয় লাভ করে।

      তথ্যসূত্র - Britannica.com

      ১৩২.
      জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি কোনটি?
      1. কার্টাগেনা প্রটোকল
      2. কিয়েটো প্রটোকল
      3. বাসেল কনভেনশন
      4. নাগোয়া প্রটোকল
      ব্যাখ্যা

      কার্টাগেনা প্রটোকল (Cartagena Protocol):
      - কার্টাগেনা প্রোটকলের পূর্ণনাম - The Cartagena Protocol on Biosafety to the Convention on Biological Diversity.
      - কার্টাগেনা প্রটোকল জৈব-নিরাপত্তা বিষয়ক একটি আন্তর্জাতিক চুক্তি। 
      - এই চুক্তিটি কলম্বিয়ার কার্টাগেনাতে আলোচিত হয়।
      - চুক্তি অনুমোদন - ২৯ জানুয়ারি, ২০০০ সাল। 
      - চুক্তি কার্যকর - ১১ সেপ্টেম্বর, ২০০৩ সাল।

      উল্লেখ্য:
      - কিয়েটো প্রটোকল-গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ হ্রাস ও বৈশ্বিক উষ্ণতা রোধ।
      - বাসেল কনভেনশন ক্ষতিকর বর্জ্য চলাচল বিষয়ক।
      - নাগোয়া প্রটোকল বন্য প্রাণী সংরক্ষণ প্রটোকল।

      তথ্যসূত্র - UN Treaty Collection ওয়েবসাইট।তথ্যসূত্র - কনভেনশন অন বায়ো-ডাইভার্সিটি (CBD) ওয়েবসাইট।

      ১৩৩.
      বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় কবে?
      1. ১৯৮৬ সালে
      2. ১৯৮৯ সালে
      3. ১৯৯২ সালে
      4. ১৯৯৭ সালে
      ব্যাখ্যা

      বাসেল কনভেনশন:
      - 'বাসেল কনভেনশন' হলো বিপদজনক বর্জ্য দেশের সীমান্তের বাইরে চলাচল এবং নিয়ন্ত্রণ বিষয়ক কনভেনশন।
      - বাসেল কনভেনশনের পুরো নাম- The Basel Convention on the Control of Transboundary Movements of Hazardous Wastes and their Disposal.
      - বাসেল কনভেনশন গৃহীত হয় ২২ মার্চ, ১৯৮৯ সালে।
      - এটি গৃহীত হয় সুইজারল্যান্ডের বাসেল শহরে।
      - 'বাসেল কনভেনশন'-এর কার্যক্রম শুরু হয় ৫ মে, ১৯৯২ সালে।
      - বাংলাদেশকে 'বাসেল কনভেনশন' অনুমোদন করে ১৯৯৩ সালে।

      তথ্যসূত্র - বাসেল কনভেনশন ওয়েবসাইট।

      ১৩৪.
      পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র বন্দর কোনটি?
      1. সিঙ্গাপুর বন্দর
      2. শেনজেন বন্দর
      3. পোর্ট অব সাংহাই
      4. কিংডাও বন্দর
      ব্যাখ্যা

      পোর্ট অব সাংহাই:
      - পৃথিবীর সবচেয়ে বড় সমুদ্র বন্দর চীনের 'পোর্ট অব সাংহাই'।
      - অবস্থান: ইয়াংজি নদীর মোহনা, চীন।
      - আয়তন: ৩৬১৯ বর্গ কিলোমিটার।
      - পরিচালনায়: সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল পোর্ট গ্রুপ (এসআইপিজি)।
      - ২০ কিলোমিটার দীর্ঘ জেটিতে রয়েছে ১২৫টি বার্থ (নৌযান ভিড়ানোর স্থান)।
      - এই বন্দরে মাসে প্রায় দুই হাজার কন্টেইনার জাহাজ আসা-যাওয়া করে।
      - চীনের বৈদেশিক বাণিজ্যের একচতুর্থাংশ এই বন্দর দিয়েই পরিচালিত হয়।

      উল্লেখ্য:
      - ২য় অবস্থানে আছে সিঙ্গাপুর বন্দর।
      - ৩য় অবস্থানে আছে নিংবো বন্দর, নিংবো-ঝুশান।
      - ৪র্থ অবস্থানে আছে শেনজেন বন্দর।
      - ৫ম অবস্থানে আছে কিংডাও বন্দর।

      তথ্যসূত্র - World Shipping Council

      ১৩৫.
      বায়ুমণ্ডলে আর্গন ও  জলীয়বাষ্পের পরিমাণ কত?
      1. ০.০২ ও ০.৩০ শতাংশ
      2. ৭৮.০২ ও ০.০৩ শতাংশ
      3. ২০.৭১ ও ০.৮০ শতাংশ
      4. ০.৮০ ও  ০.৪১ শতাংশ
      ব্যাখ্যা

      • বায়ুমন্ডল:
      - ভূ-পৃষ্ঠের চারপাশ যে বায়বীয় আবরণ দ্বারা বেষ্টিত রয়েছে তাকেই সহজ ভাষায় বলা হয় বায়ুমন্ডল।

      • বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন উপাদানসমূহ:
      - নাইট্রোজেন : ৭৮.০২ শতাংশ।
      - অক্সিজেন : ২০.৭১ শতাংশ।
      - আর্গন : ০.৮০ শতাংশ।
      - জলীয়বাষ্প ০.৪১ শতাংশ।
      - কার্বন ডাই-অক্সাইড ০.০৩ শতাংশ।
      - অন্যান্য গ্যাস ০.০২ শতাংশ।
      - ধূলিকণা ও কণিকা ০.০১ শতাংশ।

      সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেনি।

      ১৩৬.
      আয়তনের দিক থেকে দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের বৃহত্তম দেশ নিম্নের কোনটি?
      1. কলম্বিয়া
      2. উরুগুয়ে
      3. পেরু
      4. ব্রাজিল
      ব্যাখ্যা

      দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ:
      - দক্ষিণ আমেরিকার মহাদেশ ১২ টি দেশ নিয়ে গঠিত।
      - দেশগুলো হচ্ছে - ব্রাজিল, কলম্বিয়া, আর্জেন্টিনা, পেরু, ভেনেজুয়েলা, চিলি, ইকুয়েডর, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে, গায়ানা, সুরিনাম।
      - স্বাধীন দেশ - ১২ টি।
      - জাতিসংঘভুক্ত দেশ  - ১২ টি
      - আয়তনে বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
      - জনসংখ্যায় বৃহত্তম দেশ - ব্রাজিল।
      - ব্রাজিল, গায়ানা এবং সুরিনাম ছাড়া সবকটিতেই স্প্যানিশ সরকারি ভাষা।
      - ব্রাজিলের সরকারী ভাষা পর্তুগিজ। 
       
      সূত্র: ওয়াল্ড এটলাস।

      ১৩৭.
      নিম্নোক্ত কোনটি দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয়?
      1. জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা
      2. দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা
      3. ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মাঝে ত্রাণ পৌছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা
      4. দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা
      ব্যাখ্যা

      - 'দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে শুধু পর্যবেক্ষণ করা' দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্য নয়।

      • দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা:
      - দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা হচ্ছে এরূপ একটি ব্যবহারিক বিজ্ঞান।
      - পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে দুর্যোগ প্রতিরোধ, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং দুর্যোগে সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার ইত্যাদি হচ্ছে  দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম।
      সার্বিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দুর্যোগপূর্ব, দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী সময়ের কার্যক্রমকে বোঝায়।

      • দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রধান উদ্দেশ্য হলো তিনটি :
      ১। দুর্যোগের সময় জীবন, সম্পদ এবং পরিবেশের যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা এড়ানো বা ক্ষতির পরিমাণ হ্রাস করা;
      ২। প্রয়োজন অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের মধ্যে অল্প সময়ে সকল প্রকার ত্রাণ পৌছানো ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করা এবং
      ৩। দুর্যোগ পরবর্তী পুনরুদ্ধার কাজ ভালোভাবে সম্পন্ন করা।

      উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।

      ১৩৮.
      মহাদেশীয় এবং মহাসাগরীয় প্লেটসমূহের সঞ্চালনের কারণে নিচের কোনটি ঘটে?
      1. টর্নেডো
      2. প্রবল বৃষ্টি
      3. তুষারপাত
      4. ভূমিকম্প
      ব্যাখ্যা

      • পাত সঞ্চালন:
      - সঞ্চালনশীল মহাদেশীয় ও মহাসাগরীয় পাতসমূহের গতিশীলতার সময় যখন পরস্পরের সাথে সংঘর্ষ হয় তখন ভূমিকম্প হয়। তাই পৃথিবীর ভমিূকম্প প্রবণ অঞ্চলগুলো পাতসীমা বরাবর অবস্থিত।
      - এছাড়া সঞ্চালনশীল পাত দুটি পরস্পর থেকে দূরে সরে যায় বা সামনে-পিছনে গতিশীল হয় তখন ভূ-গর্ভে চাপের তারতম্য ঘটে এবং ভমিূকম্প হয়।

      সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৩৯.
      নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলে বছরে গড়ে কী পরিমাণ বৃষ্টিপাত হয়?
      1. ১২০০-২৫০০ মি.মি.
      2. ১০০০-২১০০ মি.মি.
      3. ১৭০০-২৫০০ মি.মি. 
      4. ১৩০০-২৩০০ মি.মি.
      ব্যাখ্যা

      • নিরক্ষীয় জলবায়ু:
      - পৃথিবীর জলবায়ুর পাথর্ক্যরে জন্য সূর্যের অবস্থান একটি বড় নিয়ামক হিসেবে কাজ করে। কারণ তাপমাত্রা প্রাপ্তির ধরনের উপর আবহাওয়া ও জলবায়ুর প্রকৃতির পার্থক্য তৈরি হয়। নিরক্ষরেখায় অবস্থানকারী দেশসমূহ এবং এই নিরক্ষরেখার কাছাকাছি অবস্থানরত দেশসমূহে নিরক্ষীয় জলবায়ু বিরাজমান বলে একে বলা হয় নিরক্ষীয় জলবায়ু। 

      • নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য:
      - নিরক্ষরেখার নিকটবর্তী দেশগুলোতে সূর্য প্রায় সারাবছরই লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এখানে গ্রীষ্মঋতুর প্রাধান্য লক্ষ্য করা যায়।
      - এই অঞ্চলে উষ্ণ ও আর্দ্র জলবায়ুর জন্য দিন-রাতের মধ্যে তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তনশীল থাকে। শীতের প্রকোপ একদম নেই বললেই চলে।

      • নিরক্ষীয় জলবায়ু অঞ্চলের প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো নিম্নরূপ:
      → সারাবছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয়ার জন্য এই অঞ্চলে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেশি থাকে। দিনের ব্যাপ্তি সারা বছর একই থাকে এবং বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ২১°- ২৭° সে.। স্থলভাগের বার্ষিক সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রার পার্থক্য ৫০ সেলসিয়াসের কম। অত্যধিক সূর্য তাপ ও আর্দ্রতা এবং সামান্য মেঘাচ্ছন্নতার জন্য তাপমাত্রার পার্থক্য কম।

      → অধিক সূর্য তাপ ও জলভাগের পরিমাণ বেশি হওয়ায় বাষ্পীভবনের মাত্রাও বেশি। এই সকল এলাকায় পরিচলন বৃষ্টিপাত বেশি হয় এবং বছরে গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ১৭০০-২৫০০ মিলিমিটার।
      → এ অঞ্চলের মৃত্তিকা কৃষিকাজের জন্য খুব উপকারী হলেও এখানে মাটি ক্ষয় হয়। অতিরিক্ত তাপ ও বৃষ্টিপাতই এই মাটি ক্ষয়ের কারণ।

      সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৪০.
      মহীভাবক আলোড়নের ফলে নিম্নের কোনটি সৃষ্টি হয়?
      1. মরুভূমি
      2. সমুদ্র
      3. মালভূমি
      4. পাহাড় 
      ব্যাখ্যা

      • মহীভাবক আন্দোলন (Epeirogenic Movement)):
      - মহীভাবক আন্দোলন মহাদেশসমূহের ভূ-পৃষ্ঠে লম্বভাবে আলোড়ন সৃষ্টি করে মালভূমি, চ্যুতি, চ্যুতি ভৃগু তট, স্রস্ত উপত্যকা, স্তূপ পর্বত প্রভৃতি ভূমিরূপ তৈরি করে।
      যেমন-
      - পূর্ব আফ্রিকা ও জর্ডানের স্রস্ত উপত্যকাসমূহ,
      - রাইন নদীর স্রস্ত উপত্যকা।
      - এছাড়াও উত্তর আমেরিকার হাডসন উপসাগরের দ্বীপসমূহ মহীভাবক আন্দোলনের ফলে ভূ-ভাগ নিমজ্জিত হয়ে গঠিত হয়েছে। 

      সূত্র: ভূগোল প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৪১.
      আগ্নেয় ও পাললিক শিলা রূপান্তরিত হয়ে  নিম্নোক্ত কোন শিলা সৃষ্টি হয়?
      1. আদি শিলা
      2. স্তরীভূত শিলা
      3. অস্তরীভূত শিলা 
      4. রূপান্তরিত শিলা
      ব্যাখ্যা

      রূপান্তরিত শিলা:
      - ভূ-আন্দোলন, অগ্ন্যুৎপাত, ভূমিকম্পসহ অন্যান্য রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে আগ্নেয় ও পাললিক শিলা অত্যধিক তাপ ও চাপে পরিবর্তিত হয়ে এক নতুন ধরনের শিলার সৃষ্টি করে, যাকে রূপান্তরিত শিলা বলা হয়।
      যেমন-কাঁদা রূপান্তরিত হয়ে স্লেট, গ্রানাইট রূপান্তরিত হয়ে নিসে পরিণত হয়। 

      সূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

      ১৪২.
      পৃথিবীর বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল নিম্নের কোনটি?
      1. চেরাপুঞ্জি-মাওসিনরাম
      2. কঙ্গোবন
      3. সাভানা
      4. আমাজন
      ব্যাখ্যা

      আমাজন:
      - এটি বিশ্বের বৃহত্তম বৃষ্টিপ্রধান অঞ্চল।
      - দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের ৯ টি দেশজুড়ে এর অবস্থান। 
      - আমাজনের বেশিরভাগ অংশ রয়েছে - ব্রাজিলে (৬৪%)।
      - আমাজন ব্রাজিল, ইকুয়েডর, ভেনেজুয়েলা, সুরিনাম, পেরু, কলম্বিয়া, বলিভিয়া, গায়ানা এবং ফ্রেঞ্চ গায়ানা নামে নয়টি দেশে বিস্তৃত। 
      - আমাজন নদী নীল নদের পরে বিশ্বের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী এবং দক্ষিণ আমেরিকার বৃহত্তম নদী।

      সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

      ১৪৩.
      নিম্নোক্ত কোন দেশটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত?
      1. তাইওয়ান
      2. হংকং
      3. কিরগিজস্তান
      4. মঙ্গোলিয়া
      ব্যাখ্যা

      • মধ্য এশিয়া: 
      - মধ্য এশিয়ার দেশ ৫ টি। যথা: 
      - কাজাখস্তান, উজবেকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, তুর্কমেনিস্তান।

      - অপরদিকে, 
      - হংকং, তাইওয়ান, মঙ্গোলিয়া হচ্ছে পশ্চিম এশিয়ার দেশ।

      সূত্র: ওয়ার্ল্ড এটলাস।

      ১৪৪.
      নিম্নের কে সর্বপ্রথম আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করেন?
      1. ইমানুয়েল কান্ট
      2. নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি
      3. এরিস্টটল
      4. জেরেমি বেন্থাম
      ব্যাখ্যা
      নিকোলা ম্যাকিয়াভেলি তার ‘দ্য প্রিন্স’ গ্রন্থে সর্বপ্রথম আইন ও নৈতিকতার মধ্যে পার্থক্য নির্দেশ করেন।

      নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি:

      - নিকোলো ম্যাকিয়াভেলি ১৪৫৯ সালের ৩ মে ইতালির ফ্লোরেন্সে এক অ্যাটর্নির ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। ১৫২৭ সালে ইতালির ফ্লোরেন্সে তিনি মারা যান।
      - ইতালীয় রাষ্ট্রদার্শনিক নিকোলো ম্যাকিয়াভেলিকে 'জাতীয় রাষ্ট্রের' প্রবক্তা বা স্বপ্নদ্রষ্টা বলা হয়।
      - আইন ও নৈতিকতার মধ্যে সর্বপ্রথম পার্থক্য নির্ণয় করেন।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
      ১৪৫.
      'শিক্ষা হল মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের বিকাশ'-উক্তিটি কোন দার্শনিক দিয়েছেন?
      1. মহাত্মা গান্ধী
      2. প্লেটো
      3. এরিস্টটল
      4. সক্রেটিস
      ব্যাখ্যা
      শিক্ষা সম্পর্কে বিভিন্ন শিক্ষাবিদের মতামত:
      - শিক্ষা শব্দটি অত্যন্ত ব্যাপক ও জটিল।
      - বিভিন্ন যুগে, বিভিন্ন দেশে শিক্ষাবিদ ও দার্শনিকরা আপন আপন দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী শিক্ষার ব্যাখ্যা প্রদান করেছেন।

      সক্রেটিসের মতে,
      - "শিক্ষা হলো মিথ্যার অপনোদন ও সত্যের আবিষ্কার।"

      দার্শনিক প্লেটোর (Plato) মতে,
      - শিক্ষা হচ্ছে সেই শক্তি, যার দ্বারা সঠিক সময়ে আনন্দ ও বেদনা অনুভূতিবোধ জন্মায়।
      - এটি শিক্ষার্থীর দেহে-মনে সকল সুন্দর ও অন্তর্নিহিত শক্তিকে বিকশিত করে তোলে।

      দার্শনিক এরিস্টটলের (Aristotle) মতে,
      - সুস্থ দেহে সুস্থ মন তৈরি করাই হচ্ছে শিক্ষা।
      - শিক্ষা দেহ-মনের সুষম এবং পরিপূর্ণ বিকাশের মাধ্যমে ব্যক্তির জীবনের প্রকৃত মাধুর্য ও পরম সত্য উপলব্ধিতে সহায়তা করে।

      মহাত্মা গান্ধী বলেন,
      - "শিক্ষা হলো শিশু ও মানুষের দেহ, মন ও আত্মার সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ গুণগুলোর সুসামঞ্জস্যপূর্ণ বিকাশ।

      রুশো মন্তব্য করেন,
      - "আমরা অভাবের মধ্যে অসহায় অবস্থায় জন্মগ্রহণ করি।
      - শিক্ষা দ্বারা আমাদের অভাব পূরণ হয়।
      - প্রকৃতি, বস্তু ও মানুষের নিকট হতে আমরা শিক্ষা লাভ করি।"

      উৎস: মাধ্যমিক শিক্ষা, ব্যাচেলর অব এডুকেশন, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
      ১৪৬.
      সুশাসনের ধারণার উত্থানের মূল কারণ হিসেবে নিচের কোনটি বিবেচিত হয়?
      1. দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অস্থিরতা
      2. দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতা
      3. বিশ্বব্যাপী মন্দা দূরীকরণে ব্যর্থতা
      4. আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের ব্যর্থতা
      ব্যাখ্যা

      সুশাসন:
      - সুশাসন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে Good Governance।
      - সুশাসন (Good Governance) অর্থ হচ্ছে নির্ভুল, দক্ষ ও কার্যকরী শাসন।
      - বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট বারবার কোনাবল প্রথম সুশাসন (Good Governance) শব্দটি ব্যবহার করেন।
      - বিশেষত আফ্রিকা মহাদেশে বিশ্বব্যাংকের উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ বারবার ব্যর্থ হয়েছিল।
      - কারণ ছিল শুধু অর্থনৈতিক সীমাবদ্ধতা নয়, বরং দুর্নীতি, অদক্ষতা, জবাবদিহিতার অভাব, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং দুর্বল প্রশাসনিক কাঠামো।
      - সুশাসন ধারণাটির উদ্ভাবক বিশ্বব্যাংক।
      - বিশ্বব্যাংক ১৯৮৯ সালে প্রথম সুশাসন প্রত্যয়টি ব্যবহার করে।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক এবং crisis of governance।[লিংক]

      ১৪৭.
      নিম্নোক্ত কোনটি গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত হিসেবে পরিচিত?
      1. আইনের শাসন
      2. ভ্রাতৃত্ব
      3. সাম্য
      4. স্বাধীনতা
      ব্যাখ্যা
      আইনের শাসন: 
      - গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে অবশ্যই আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হবে।
      - ব্যক্তি স্বাধীনতা, সাম্য ও অধিকার রক্ষার জন্য আইনের শাসন অপরিহার্য।
      - আইনের শাসন গণতন্ত্রের পূর্বশর্ত।
      - আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হলে ব্যক্তি তার-মাজিক মর্যাদা খুঁজে পাবে এবং অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে নিশ্চিত হবে।

      উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।
      ১৪৮.
      'The Ethics of Ambiguity' বইটি কে লিখেছেন? 
      1. বাট্রান্ড রাসেল
      2. এরিস্টটল
      3. সিমোন ডি বোভোয়ার
      4. ইমানুয়েক কান্ট
      ব্যাখ্যা

      সিমোন ডি বোভোয়ার:
      - ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং দার্শনিক সিমোন ডি বোভোয়ার ছিলেন আধুনিক ফ্রান্সের সবচেয়ে বিশিষ্ট নারী লেখিকা।
      - ফরাসি অস্তিত্ববাদের একজন শীর্ষস্থানীয় প্রবক্তা
      - তিনি  লিখেছেন -  The Ethics of Ambiguity, The Coming of Age।

      এছাড়াও,
      বাট্রান্ড রাসেল রচিত উল্লেখযোগ্য কিছু গ্রন্থ -
      • The Elements of Ethics,
      • Human Society in Ethics and Politics,
      • Moral and others,
      • Power: A New Social Analysis,
      • Political Ideals,
      • Introduction to Mathematical Philosophy etc.

      এরিস্টটল রচিত অন্যান্য বিখ্যাত গ্রন্থসমূহ-
      - Eudemian Ethics- নৈতিকতা সম্পর্কিত আরও একটি বই, যা নিকোমেকিয়ান এথিকসের সাথে সম্পর্কিত।
      - Politics - গ্রন্থে আদর্শ সমাজব্যবস্থা ও রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন।
      - Metaphysica বা Metaphysics- গ্রন্থে বাস্তবতার মূল স্বভাব এবং সত্তার প্রকৃতি নিয়ে আলোচনা করেন।

      সূত্র - শিক্ষার দার্শনিক ও মনোবৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এমএড প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটানিকা।

      ১৪৯.
      বিশ্বব্যাংক ও UNDP অনুসারে, 'সুশাসনের মাধ্যমে  নাগরিকগণ তাদের কী ধরনের আশা-আকাঙ্ক্ষাসমূহ প্রকাশ করতে পারে'?
      1. ধর্মীয় 
      2. আর্থ-সামাজিক
      3. আন্তর্জাতিক
      4. কোনটি নয় 
      ব্যাখ্যা

      • বিশ্বব্যাংক ও সুশাসন:
      ​- 'সুশাসন' ধারণাটি বিশ্ব ব্যাংকের উদ্ভাবিত একটি ধারণা।
      ​- ১৯৮৯ খ্রিস্টাব্দে বিশ্ব ব্যাংকের এক সমীক্ষায় সর্বপ্রথম ‘সুশাসন' (Good Governance) প্রত্যয়টি ব্যবহার করা হয়।
      ​- এতে উন্নয়নশীল দেশের অনুন্নয়ন চিহ্নিত করা হয় এবং বলা হয় যে, সুশাসনের অভাবেই এরূপ অনুন্নয়ন ঘটেছে।
      ​- বিশ্বব্যাংক ও UNDP-এর মতে, সুশাসনের মাধ্যমেই একটি রাষ্ট্রের নাগরিকগণ তাদের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক আশা-আকাঙ্ক্ষাসমূহকে প্রকাশ করতে পারে এবং তাদের অধিকার ভোগ করতে পারে।

      • এছাড়াও 
      - একটি রাষ্ট্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হলে সে রাষ্ট্রে টেকসই উন্নয়ন সাধিত হয়।
      - ১৯৯৪ সালে বিশ্ব ব্যাংক প্রদত্ত সংজ্ঞায় বলা হয়েছে যে, ‘সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে একটি দেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক সম্পদের ব্যবস্থাপনার জন্য ক্ষমতা প্রয়োগের পদ্ধতিই হলো গভর্নেন্স।'
      ​- ২০০০ সালে বিশ্বব্যাংক প্রকাশ করে যে, সুষ্ঠু গভর্নেন্স বা সুশাসন চারটি প্রধান স্তম্ভের ওপর নির্ভরশীল।

      ​উৎস: পৌরনীতি ও সুশাসন ১ম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, মো: মোজাম্মেল হক।

      ১৫০.
      নিম্নের কোনটি নাগরিকের সামাজিক অধিকার হিসেবে বিবেচিত?
      1. সরকারি চাকুরি
      2. দায়মুক্তি
      3. সম্পত্তি ভোগ
      4. বিদেশে নিরাপত্তা লাভ
      ব্যাখ্যা
      • সামাজিক অধিকার:
      - সমাজে সুন্দরভাবে সুখ-শান্তিতে বসবাসের জন্য নাগরিকগণ যেসব অধিকার ভোগ করে, সেগুলোকে সামাজিক অধিকার ভোগ বলে।
      যেমন -
       → জীবন রক্ষা,
       → মত প্রকাশ,
       → চলাফেরা,
       → বিনা বিচারে আটক না হওয়া,
       → সংঘবদ্ধ হওয়া,
       → সভা-সমিতি,
       → চুক্তি স্থাপন,
       → সম্পত্তি ভোগ,
       → আইনের চোখে সমতা লাভ,
       → শিক্ষা লাভ,
       → সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
       → পরিবার গঠন,
       → নিজ-নিজ সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার অধিকার।
      - সভ্য জীবন-যাপনের জন্য এসব অধিকার নাগরিকের জন্য অপরিহার্য। 

      সূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন, একাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।