পরীক্ষা আর্কাইভ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়12 minutes
মোট প্রশ্ন১১
সিলেবাস
পরীক্ষা – ৭০: সাধারণ বিজ্ঞান পরীক্ষা - ৩ বিষয়: সাধারণ বিজ্ঞান (কম্পিউটার ও তথ্য-প্রযুক্তি) টপিক: কম্পিউটার বিষয়ক মৌলিক তথ্য, তথ্য প্রযুক্তির মৌলিক বিষয়সমূহ। উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি বোর্ড বই (NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়), যেকোনো ভালো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি

১৯তম জুডিসিয়াল সার্ভিস (BJS) প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ১১ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ?
  1. ফিঙ্গার প্রিন্ট
  2. সিগনেচার ভেরিফিকেশন
  3. ফেইস রিকোগনিশন
  4. রেটিনা স্ক্যানিং
ব্যাখ্যা

সিগনেচার ভেরিফিকেশন হলো আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতির উদাহরণ।

বায়োমেট্রিক্স (Biometrics):
মানুষের দৈহিক গঠন বা আচরণগত বৈশিষ্ট্য পরিমাপের ভিত্তিতে কোনো ব্যক্তিকে অদ্বিতীয়ভাবে শনাক্ত করার জন্য ব্যবহৃত প্রযুক্তিকে বায়োমেট্রিক্স বলে।

বৈশিষ্ট্যের ভিন্নতার বায়োমেট্রিক্সের প্রকারভেদ দুই রকম। যথা-
১। শারীরবৃত্তীয় বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- আঙ্গুলের ছাপ শনাক্তকরণ (ফিঙ্গার প্রিন্ট)
- হাতের রেখা শনাক্তকরণ (হ্যান্ড জিওমিট্রি)
- আইরিশ এবং রেটিনা শনাক্তকরণ 
- মুখমন্ডলের অবয়ব শনাক্তকরণ (ফেইস রিকোগনিশন)
- ডিএনএ পর্যবেক্ষণ

২। আচরণগত বায়োমেট্রিক্স পদ্ধতি:
- কিবোর্ড টাইপিং গতি যাচাইকরণ,
- হাতে করা স্বাক্ষর যাচাইকরণ (সিগনেচার ভেরিফিকেশন),
- কণ্ঠস্বর যাচাইকরণ।

উৎস:
১. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ ও আলিম শ্রেণি।
২. তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, মাহবুবুর রহমান।

.
ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. কভারেজ এরিয়া ১০ থেকে ৫০ কিমি
  2. IEEE-802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত
  3. হাফ ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়
  4. তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে
ব্যাখ্যা

ওয়াইম্যাক্সে ফুল ডুপ্লেক্স মোড ব্যবহার হয়।

• ওয়াইম্যাক্স (WiMax) Worldwide Interoperability for Microwave Access:
- ওয়াইম্যাক্স হচ্ছে একটি যোগাযোগ প্রযুক্তি যা বিস্তৃত ভৌগলিক অঞ্চলে দ্রুত গতির তারবিহীন ইন্টারনেট সেবা প্রদান করে।
- এটি IEEE-802.16 স্ট্যান্ডার্ড নামে পরিচিত।

• ওয়াইম্যাক্সের বৈশিষ্ট্য:
- কভারেজ এলাকা সাধারণত ১০ থেকে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ডেটা ট্রান্সফারের রেট সাধারণত ৮০ এমবিপিএস থেকে ১ জিবিপিএস পর্যন্ত হয়ে থাকে।
- ফুল ডুপ্লেক্সিং মোড ব্যবহার করা হয়।
- ব্যবহারকারী এবং ওয়াইম্যাক্সের বেজ স্টেশনের মধ্যে দৃষ্টিরেখা বা "Line of Sight" প্রয়োজন নেই।

উৎস:
১।তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী।

.
কোন দুটি গেট দিয়ে যেকোন লজিক গেট বানানো সম্ভব?
  1. AND এবং NOT
  2. OR এবং AND
  3. OR এবং NOT
  4. NAND এবং NOR
ব্যাখ্যা

NAND গেইট বা NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বাস্তবায়ন করা যায়।

• সার্বজনীন গেইট:
- যে গেইট এর সাহায্যে মৌলিক গেইটসহ (AND, OR, NOT) যেকোনো গেইট এবং যেকোনো সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায় তাকে সার্বজনীন গেইট বলে।
- NAND ও NOR গেইটকে সার্বজনীন গেইট বলা হয়।
- কারণ, শুধুমাত্র NAND গেইট বা শুধুমাত্র NOR গেইট দিয়ে মৌলিক গেইটসহ যেকোনো লজিক গেইট বা সার্কিট বাস্তবায়ন করা যায়।

• মৌলিক লজিক গেইট:
- ডিজিটাল ইলেকট্রনিক্স পদ্ধতি বাস্তবায়নের জন্য যে সমস্ত গেইট কাজ করে তাদেরকে মৌলিক গেইট বলা হয়।
- কম্পিউটার বা অন্যান্য ডিজিটাল পদ্ধতির মূলে রয়েছে তিনটি মৌলিক গেইট। যথা-
১। অর গেইট (OR Gate),
২। অ্যান্ড গেইট (AND Gate),
৩। নট গেইট (NOT Gate).

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।

.
নিচের কোনটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগামিং এর বৈশিষ্ট্য নয়?
  1. অবজেক্ট
  2. পলিমরফিজম
  3. ইনহেরিটেন্স
  4. কোনোটিই না
ব্যাখ্যা

• অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং:
- অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং পদ্ধতিতে ডেটা এবং ইনস্ট্রাকশনের সমন্বয়ে চলক তৈরি করা হয়। একে বলা হয় অবজেক্ট। মেসেজ আদান-প্রদানের মাধ্যমে অবজেক্টগুলো পরস্পরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে।

• মূলত ছয়টি প্রাথমিক ধারণার মাধ্যমে অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিংকে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:
১. অবজেক্ট (Object)
২. ক্লাস (Class)
৩. মেসেজ (Message)
৪. পলিমরফিজম (Polymorphism)
৫. ইনহেরিটেন্স (Inheritance)
৬. এনক্যাপসুলেশন (Encapsulation)

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোন ধরনের ম্যালওয়্যার একটি কম্পিউটার সিস্টেম লক করে ব্যবহারকারীকে তার ডিভাইস ব্যবহার করতে বাধা দেয় এবং মুক্তিপণ দাবি করে?
  1. অ্যাডওয়্যার
  2. র‍্যানসমওয়্যার
  3. স্পাইওয়্যার
  4. ওয়ার্ম
ব্যাখ্যা

র‍্যানসমওয়‍্যার হল এমন এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা কম্পিউটার বা ফাইল লক করে দেয় বা এনক্রিপ্ট করে এবং তারপরে মুক্তিপণ (ransom) দাবি করে, যেন ব্যবহারকারী পুনরায় তার ডিভাইস বা ডেটা অ্যাক্সেস করতে পারে।

• ম্যালওয়্যার:
- ম্যালওয়্যার এর পূর্ণ শব্দরূপ হলো Malicious Software.

• কম্পিউটার ভাইরাস ছাড়া ম্যালওয়্যারের অন্তর্ভুক্ত সফটওয়্যারগুলোর মধ্যে রয়েছে-
- অ্যাডওয়‍্যার (Adware),
- স্পাইওয়্যার (Spyware),
- ট্রোজান হর্স (Trojan Horse),
- র‍্যানসমওয়্যার(Ransomware),
- ওয়ার্ম (worms) প্রভৃতি।

র‍্যানসমওয়্যার:
- র‍্যানসমওয়্যার হলো এক ধরনের ম্যালওয়্যার যেটি একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহারকারীর প্রবেশগম্যতা (Accessibility) সীমাবদ্ধ করে দেয়, গুরুত্বপূর্ণ ফোল্ডার নিজের নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং এই সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহারকারীর কাছ থেকে মুক্তিপণ (Ransom) দাবি করে।
- কিছু র‍্যানসমওয়্যার সিস্টেমের হার্ড ড্রাইভে অবস্থিত সকল ফাইল একটি বড় কী (Large Key) দিয়ে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে।
- এনক্রিপশন কী এতটাই বড় হয় যে মুক্তিপণ না দিয়ে একে ভেঙে ফেলা প্রযুক্তিগত দিক থেকে প্রায় অসম্ভব।
- এছাড়াও কেউ কেউ সরল একটি প্রোগ্রামের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর সিস্টেম লক করে দেয় এবং ডিসপ্লেতে বার্তার মাধ্যমে ব্যবহারকারীকে মুক্তিপণ দিতে বাধ্য করে।

উৎস: কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি- ২, ৯ম-১০ম শ্রেণি (ভোকেশনাল, ২০২১ সংস্করণ)।

.
নিচের কোন ডিভাইসটি একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করে?
  1. প্রজেক্টর
  2. পেনড্রাইভ
  3. স্ক্যানার
  4. ফিল্ম রেকর্ডার
ব্যাখ্যা

পেনড্রাইভ (USB Flash Drive) একটি বিশেষ ধরনের স্টোরেজ ডিভাইস যা একইসাথে ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস হিসেবে কাজ করতে সক্ষম।

ইনপুট ডিভাইস:
- যে হার্ডওয়্যার বা ডিভাইসের মাধ্যমে কম্পিউটার বিভিন্ন পরিবেশ বা ব্যবহারকারীর কাছ থেকে ডেটা গ্রহণ করে থাকে সেই সমস্ত হার্ডওয়্যারগুলোকে ইনপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট ডিভাইস সমূহ হলো -
- Keyboard, Scanner, Mouse, Trackball, Joystick, Touch Screen, Barcode Reader, Point-of-sale, OMR, OCR, Digitizer, Lightpen, Graphics pad, Digital Camera ইত্যাদি।

আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারগুলোকে আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Monitor,Multimedia Projector, Film Recorder, Printer, Plotter, Speaker, Image setter, Headphone ইত্যাদি।

ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস:
- কম্পিউটারের সঙ্গে সংযুক্ত যে ডিভাইসগুলো একইসাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে তাদেরকে ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস বলে।
- কম্পিউটার সিস্টেমে ব্যবহৃত উল্লেখযোগ্য ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস সমূহ হলো-
- Pendrive, Hard Disk, CD/DVD, Touch screen, Modem ইত্যাদি।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
১ পেটাবাইট = কত?
  1. ১০২৪ মেগাবাইট
  2. ১০২৪ গিগাবাইট
  3. ১০২৪ টেরাবাইট
  4. ১০২৪ ইয়োট্রাবাইট
ব্যাখ্যা

১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

• বিট ও বাইট:
-বাইনারি সংখ্যা পদ্ধতিতে ০ অথবা ১ অংককে বিট বলে।
- বিট ডেটা কমিউনিকেশনের মৌলিক একক।
- ডেটা ও তথ্য পরিমাপের জন্য বিট একক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- ১ বাইট=৮ বিট।
- ১ কিলোবিট = ১০০০ বিট।
- ১ মেগাবিট = ১০০০ কিলোবিট।
- ১ গিগাবিট = ১০০০ মেগাবিট।
- ১ টেরাবিট = ১০০০ গিগাবিট।

- ৮ টি বিট নিয়ে ১ টি বাইট গঠিত হয়।
- ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট।
- ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট।
- ১ গিগাবাইট = ১০২৪ মেগাবাইট।
- ১ টেরাবাইট = ১০২৪ গিগাবাইট।
- ১ পেটাবাইট = ১০২৪ টেরাবাইট।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবর রহমান।

.
যে ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে তাকে কী বলা হয়?
  1. ওয়ার্ম
  2. স্পাইওয়্যার
  3. ট্রোজান হর্স
  4. অ্যাডওয়্যার
ব্যাখ্যা

ওয়ার্ম ভাইরাস নিজেই নিজের প্রতিলিপি তৈরি করে।

• কম্পিউটার ওয়ার্ম:
- কম্পিউটার ওয়ার্ম হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রাম, যা নিজেই নিজের কপি করে অন্য কম্পিউটারে নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং কম্পিউটারকে সংক্রমিত করে।
- নিজের অনুলিপি তৈরি করতে এটির কোন 'হোস্ট' বা কোন সাহায্যের প্রয়োজন হয় না।

কম্পিউটার ভাইরাস:
- কম্পিউটার ভাইরাস একটি ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম যা কম্পিউটার সিস্টেমে অনুপ্রবেশ করে এবং তার কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করে।
- এই ভাইরাস বাহ্যিক উৎস থেকে কম্পিউটারের মেমোরিতে প্রবেশ করে এবং গোপনে বিস্তার লাভ করে, ফলে মূল্যবান প্রোগ্রাম এবং তথ্য নষ্ট হতে পারে, এমনকি অনেক সময় এটি কম্পিউটারকে অচল করে দেয়।

উল্লেখ্য,
- এডওয়্যার: বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভাইরাস।
- ট্রোজান হর্স : এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা গোপনে সিস্টেমের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়।

 উৎস:
১। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রকৌশলী মুজিবুর রহমান।
২। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

.
কোনটি অপারেটিং সিস্টেম-
  1. Oracle
  2. Ms-Word
  3. Firmware
  4. Windows
ব্যাখ্যা

Windows হলো একটি অপারেটিং সিস্টেম যা Microsoft-এর তৈরি।

• অপারেটিং সিস্টেম:
-অপারেটিং সিস্টেম হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের মধ্যে সেতুবন্ধ রচনা করে।
- কম্পিউটার বুটিং করা থেকে শুরু করে কম্পিউটার বন্ধ করা পর্যন্ত সকল কাজই অপারেটিং সিস্টেমের তত্ত্বাবধানে পরিচালিত ও নিয়ন্ত্রিত হয়।

• সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একই সময়ে অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহারকারী সংখ্যা একজন হয়ে থাকলে তাকে সিঙ্গেল ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- একে অনেক সময় সিঙ্গেল টাস্কিং অপারেটিং সিস্টেমও বলা হয়।
- যেমন- CP/M, Symbian OS, Palm OS, MS-DOS, PC-DOS, Windows 95/98 ইত্যাদি।

• মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম:
- একাধিক ব্যবহারকারী একই সময়ে যখন কোনো কম্পিউটার সিস্টেম ব্যবহার করতে পারে সেই কম্পিউটারে ব্যবহৃত অপারেটিং সিস্টেমকে মাল্টি ইউজার অপারেটিং সিস্টেম বলে।
- যেমন- Windows NT Server, Android,
- Windows 2003/2008 Server, Unix, Linux ইত্যাদি।

অন্যদিকে,
-Ms-Word একটি ওয়ার্ড প্রসেসিং সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম নয়।
- Firmware একটি সফটওয়্যার যা হার্ডওয়্যারে স্থায়ীভাবে এমবেড করা থাকে।
- Oracle একটি ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম নয়।

উৎস: মৌলিক কম্পিউটার শিক্ষা, বিবিএ প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

১০.
নিম্নের কোনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ(Query Language) নয়?
  1. QUEL
  2. QBE
  3. SQL
  4. HTML
ব্যাখ্যা

HTML একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।

• কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ:
- ডেটাবেজে কোন প্রশ্ন করে তার উত্তর পাওয়া, ডেটা প্রবেশ করানো, ডেটা পুনরুদ্ধার বা রিট্রাইভ করা, ডেটা মডিফাই (Modify) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে। 
- যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।
-  বিভিন্ন ধরনের কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে ৩ (তিনটি) কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ সর্বাধিক গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। যথা-
১। QUEL - QUEery Language
২। QBE - Query By Example
৩। SQL - Structured Query Language
- উপরের তিনটি কুয়েরি ল্যাংগুয়েজের মধ্যে SQL সারা বিশ্বে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
- ANSI (American National Standard Institution) এর Standard ডেফিনেশন অনুসারে SQL রিলেশনাল ডেটাবেজের জন্য আদর্শ কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ হিসেবে প্রচলিত হয়েছে।

উল্লেখ্য,
• HTML(Hyper Text Markup Language): 
- এটি একটি মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ যা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন।
- এটি ডাটা খোঁজে না বরং উপস্থাপন করে।
-  HTML ফাইলের এক্সটেনশন হলো .html বা.htm

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি(একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি)

১১.
নিচের কোনটিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলা হয়?
  1. বাস টপোলজি
  2. ট্রি টপোলজি
  3. রিং টপোলজি
  4. মেশ টপোলজি
ব্যাখ্যা

ট্রি টপোলজিকে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজিও বলা হয়।

ট্রি টপোলজি:
- ট্রি টপোলজিতে মূল হোস্ট কম্পিউটার থেকে হায়ারার্কিক্যাল গঠনে বাকি কম্পিউটার গুলোর সংযোগ থাকে তাই একে হায়ারার্কিক্যাল টপোলজি বলে।
- ট্রি টপোলজি সংগঠনে ওয়ার্ক স্টেশন বা কম্পিউটারগুলো বিভিন্ন স্তরে সংযুক্ত থাকে।
- বিভিন্ন স্তরের কম্পিউটারগুলোকে হাবের মাধ্যমে একটির সঙ্গে অন্যটি সংযুক্ত থাকে।
- প্রথম স্তরের কম্পিউটারকে দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- আবার দ্বিতীয় স্তরের কম্পিউটারগুলোকে তৃতীয় স্তরের কম্পিউটারের হোস্ট বলে।
- মুল হোস্ট অবশ্যই শক্তিশালী কম্পিউটার হতে হয়।
- স্টার টপোলজির সম্প্রসারিত রূপই হলো ট্রি টপোলজি।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।