পরীক্ষা আর্কাইভ

Science Expert

পরীক্ষাScience Expertতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়07 minutes
মোট প্রশ্ন
সিলেবাস
পরীক্ষা – ১৪ টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামী, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার ভাঁটা। এবং উদ্ভিদ বৈচিত্র্য ও প্রাণী বৈচিত্র্য, মানবদেহ (রক্ত ও রক্ত সঞ্চালন)। [ক্লাস ১৯ ও ২০]
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

Science Expert

Science Expert · তারিখ অনির্ধারিত · প্রশ্ন

.
ভরা কটাল কখন হয়?
  1. ঘূর্ণিঝড়ের সময়
  2. অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে
  3. বর্ষার সময়
  4. বন্যার সময়
ব্যাখ্যা
ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide):

- ভরা কটাল হয় অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে।
- অমাবস্যায় চন্দ্র ও সূর্য পৃথিবীর একই দিকে সমান্তরালভাবে অবস্থান করে। উভয়ের মিলিত শক্তিতে আকর্ষণ প্রবল হয় এবং পানি বেশি ফুলে ওঠে। এই ধরনের জোয়ারকে ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে।
- পূর্ণিমা তিথিতে পৃথিবীর একদিকে সূর্য এবং অন্যদিকে চন্দ্র একই সমান্তরালে অবস্থান করে।
- চন্দ্রের আকর্ষণে যেখানে মুখ্য জোয়ার হয়, সেখানেই সূর্যের আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়।
= আবার চন্দ্রের বিপরীত দিকে যেখানে তার আকর্ষণে গৌণ জোয়ার হয়।
- পূর্ণিমা তিথিতে উভয় বিপরীত স্থানেই জোয়ারের বেগ সর্বাধিক হয়। একেও ভরা কটাল বা তেজ কটাল (Spring Tide) বলে।

তথ্যসূত্র - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি স্ব-পরাগায়নের উদাহরণ?
  1. ধান
  2. গম
  3. ভুট্টা
  4. শিম
ব্যাখ্যা
পরাগায়ন (Pollination):
- ফুলের পরাগধানী থেকে পরাগরেণু একই ফুলের অথবা একই প্রজাতির অন্য ফুলের গর্ভমুন্ডে স্থানান্তরের প্রক্রিয়াকে পরাগায়ন বলা হয়। - পরাগায়ন প্রধানত দুই প্রকার। যথা-
• স্ব-পরাগায়ন।
• পর-পরাগায়ন ।

স্ব-পরাগায়ন (self-pollination):
- ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়ে একই ফুলের গর্ভমুন্ডে অথবা একই গাছের অন্য একটি ফুলের গর্ভমুন্ডে পতিত হওয়াকে স্ব-পরাগায়ন বলে।
- স্ব-পরাগায়নে অংশগ্রহণকারী দুটি ফুলের জিনোটাইপ (জীবের বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণকারী বস্তুসমষ্টি) একই রকম থাকে।
- প্রকৃতিতে অল্প সংখ্যক উদ্ভিদে স্ব- পরাগায়ন ঘটে।
- তুলা, শিম, টমেটো, কানশিরা প্রভৃতি উদ্ভিদে স্ব-পরাগায়ন পরিলক্ষিত হয়।

পর-পরাগায়ন (cross-pollination):
- একটি ফুলের পরাগধানী হতে পরাগরেণু স্থানান্তরিত হয়ে একই প্রজাতির অন্য একটি গাছের ফুলের গর্ভমুন্ডে পতিত হওয়াকে পর-পরাগায়ন বলে।
- পর-পরাগায়নে অংশগ্রহণকারী দুটি ফুলের জিনোটাইপ কিছুটা ভিন্নতর হয়।
- প্রকৃতিতে বেশিরভাগ উদ্ভিদে পর-পরাগায়ন পরিলক্ষিত হয়।
- ধান, গম, ভুট্টা, সরিষা, আম, কাঁঠাল, শিমুল ইত্যাদি উদ্ভিদে পর-পরাগায়ন ঘটে।

তথ্যসূত্র - সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শ্বেত রক্তকণিকার ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?
  1. এটিকে দেহের প্রহরী বলা হয়
  2. এটি নিউক্লিয়াসহীন কোষ
  3. এটি রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে
  4. এর গড় আয়ু ১২০ দিন
ব্যাখ্যা
রক্তকণিকা:
- মানুষের রক্তে ৩ ধরনের রক্তকণিকা রয়েছে।
যথা-
১. লোহিত রক্তকণিকা,
২. শ্বেত রক্তকণিকা ও
৩. অনুচক্রিকা।

• লোহিত রক্তকণিকা:
- লোহিত রক্ত কণিকায় হিমোগ্লোবিন নামে একটি লৌহজাত যৌগ থাকে যার জন্য রক্ত লাল হয়।
- লোহিত রক্তকণিকায় নিউক্লিয়াস নেই।
- এ কণিকা দেখতে অনেকটা বৃত্তের মতো দ্বি-অবতল
- লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

• শ্বেত রক্তকণিকা:
- শ্বেত কণিকার নির্দিষ্ট কোনো আকারনেই।
- এগুলো হিমোগ্লোবিনবিহীন এবং নিউক্লিয়াসযুক্ত বড় আকারের কোষ।
- শ্বেত কণিকার গড় আয়ু ১ থেকে ১৫ দিন।
- শ্বেত রক্তকণিকাকে দেহের প্রহরী বলা হয়

• অণুচক্রিকা:
- অণুচক্রিকা হলো গোলাকার, ডিম্বাকার বা রড আকারের।
- এতে নউক্লিয়াস থাকে না।
- অণুচক্রিকা দেহের রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে।
- অনুচক্রিকার গড় আয়ু ৫ থেকে ১০দিন।

তথ্যসুত্র- জীববিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
কোনটি প্রাণী বৈচিত্র্যের প্রকারভেদ নয়?
  1. জিনগত বৈচিত্র্য
  2. আকৃতি বৈচিত্র্য
  3. প্রজাতিগত বৈচিত্র্য
  4. বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য
ব্যাখ্যা
প্রাণিজগতের বিভিন্নতা বা প্রাণী বৈচিত্র্য (Animal diversity):
- বৈচিত্র্যময় এ পৃথিবীতে বিরাজমান সকল প্রাণীর মধ্যে যে জিনগত, বাস্তুসংস্থানগত ও প্রজাতিগত বিভিন্নতা দেখা যায় তাকে প্রাণী বৈচিত্র্য বলে।
- প্রকৃতিতে তিন ধরনের প্রাণী বৈচিত্র্য দেখা যায়।
যথা- জিনগত বৈচিত্র্য, প্রজাতিগত বৈচিত্র্য, বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য। 

১। জিনগত বৈচিত্র্য (Genetic diversity): 
- একই প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন প্রাণীর মধ্যে জিনগত পার্থক্যের কারণে যে বৈচিত্র্যের সৃষ্টি হয় তাকে জিনগত বৈচিত্র্য বলে।
- এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই প্রজাতির মধ্যে ঘটে তাই একে অন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে। যেমন- মানব প্রজাতির বিভিন্ন রেস এর মধ্যে নাক ও কানের গঠনগত পার্থক্য, একই পিতা-মাতার সন্তানের মধ্যে পার্থক্য।

২। প্রজাতিগত বৈচিত্র্য (Species diversity):
- ভিন্ন ভিন্ন প্রজাতির জীবের মধ্যে বিদ্যমান বৈচিত্র্যকে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বলে। এ ধরনের বৈচিত্র্য যেহেতু একই গণভুক্ত প্রজাতিগুলোর মধ্যে ঘটে তাই একে আন্তঃপ্রজাতিক বৈচিত্র্যও বলে।
- একই গনভুক্ত প্রজাতির মধ্যে ক্রোমোসোম সংখ্যা ও আঙ্গিক গঠনে যথেষ্ট পার্থক্য দেখা যায়। যেমন- রয়েল বেঙ্গল টাইগার (Panthera tigris) ও সিংহ (Panthera leo) একই গণভুক্ত হওয়া সত্ত্বেও ক্রোমোসোম সংখ্যা ও জিনের বিন্যাস ভিন্ন হওয়ার ফলে এদের বৈশিষ্ট্যগুলোর মধ্যে প্রজাতিগত বৈচিত্র্য বিরাজ করে।

৩। বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য (Ecosystem diversity):
- পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলে ভিন্ন ভিন্ন জলবায়ুর সাথে জীবজগতের মিথষ্ক্রিয়ায় ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশিয় একক বা বায়োম সৃষ্টি হয়। যেমন- তুন্দ্রা বায়োম, মরূ বায়োম, তৃণ ভূমি বায়োম ইত্যাদি।
- বিভিন্ন বায়োমে বসবাসকারি জীবের বৈচিত্র্যকে বাস্তুতান্ত্রিক বৈচিত্র্য বলে। যেমন- বন, তৃণভূমি, জলাভূমি, হ্রদ, নদী, পাহাড়, সাগর, মরুভূমি প্রভৃতি বাস্তুতন্ত্রে গড়ে উঠে নিজস্ব বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ বিভিন্ন জীব সম্প্রদায়।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক কে?
  1. ওপেন হ্যামার
  2. আর্কিমিদিস
  3. জন ডাল্টন
  4. চার্লস ডারউইন
ব্যাখ্যা
বিবর্তনবাদ:

- বিবর্তনবাদ তত্ত্বের জনক চার্লস ডারউইন।
- এই থিওরি বিজ্ঞানের জগতে বৈপ্লবিক তত্ত্ব হিসেবে পরিচিত।
- এই তত্ত্বে দেখানো হয়েছে প্রাণীরা সময়ের সাথে সাথে প্রাকৃতিক নিয়মে ধীরে ধীরে কীভাবে পরিবর্তিত হয়েছে।
- বিবর্তনবাদের এই তত্ত্বটি আমাদের পৃথিবীর পশুপাখি ও উদ্ভিদ জগৎ সম্পর্কে বুঝতে বড়ো ধরনের ভূমিকা রেখেছে।
- তার এই প্রক্রিয়াকে ইংরেজিতে বলা হয় ন্যাচারাল সিলেকশন বা প্রাকৃতিক নির্বাচন যার মাধ্যমে একটি প্রাণীর জনগোষ্ঠী থেকে নতুন প্রজাতির উদয় ঘটে।
- অন দ্য অরিজিন অফ স্পেশিস নামে চার্লস ডারউইনের এই বইটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে।
- তার এই গ্রন্থে তিনি বিবর্তনবাদকে সংজ্ঞায়িত করতে গিয়ে বলেছেন, এটি এমন একটি প্রক্রিয়া যাতে কোনো প্রাণী ক্রমাগত অভিযোজনের ফলে আপন পরিবেশের জন্যে বিশেষায়িত হতে হতে এক সময় নতুন একটি প্রাণীতে রূপান্তরিত হয়।

তথ্যসূত্র - বিবিসি নিউজ, ২ মার্চ ২০১৯।
.
মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র কত প্রকার?
  1. ২ প্রকার
  2. ৩ প্রকার
  3. ৪ প্রকার
  4. ৫ প্রকার
ব্যাখ্যা
রক্ত সংবহনতন্ত্র:

- মানবদেহের রক্ত সংবহনতন্ত্র প্রধানত: ২ প্রকার
• সিস্টেমিক সংবহনতন্ত্র।
• পালমোনারি সংবহনতন্ত্র।
- রক্ত সংবহনের জন্য বিভিন্ন অঙ্গের পারস্পরিক সহযোগিতায় যে অঙ্গতন্ত্র গঠিত হয় তাকে “রক্ত সংবহনতন্ত্র” বলে।
- এ তন্ত্র রক্ত, রক্তবাহিকা ও হৃদপিণ্ড দিয়ে গঠিত।
- মানবদেহের রক্তবাহিকাগুলো দু'ধরনের রক্ত সংবহন চক্র গঠন করে। যথা:
• সিস্টেমিক চক্র।
• পালমোনারি চক্র।

তথ্যসূত্র - প্রাণিবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য নয় কোনটি?
  1. এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক
  2. গ্যামোটোফাইট সবুজ, স্বভোজী, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র
  3. এদের দেহে পরিবহন টিস্যু থাকে
  4. দের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের
ব্যাখ্যা
ব্রায়োফাইটা:
- কিছু কিছু উদ্ভিদের ফুল হয় না। এদেরকে অপুষ্পক উদ্ভিদ বলা হয়।
- ব্রায়োফাইটা এবং টেরিডোফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদসমূহ হলো অপুষ্পক উদ্ভিদ।

ব্রায়োফাইটা উদ্ভিদের বেশিষ্ট্য:
১) এদের প্রধান দেহটি গ্যামিটোফাইটিক (হ্যাপ্লয়েড) অর্থাৎ গ্যামিট উৎপাদনকারী।
২) গ্যামোটোফাইট সবুজ, স্বভোজী, স্বাধীন ও স্বতন্ত্র।
৩) এরা থ্যালয়েড হতে পারে অথবা দেহ রাইজয়েড, কান্ড ও পাতার ন্যায় অংশে বিভক্ত।
৪) দেহে মূল সৃষ্টি হয় না। মূলের পরিবর্তে এককোষী রাইজয়েড সৃষ্টি হয়।
৫) এদের দেহে কোন পরিবহন টিস্যু থাকে না ।
৬) জাইগোট হতে মাইটোটিক বিভাজনের মাধ্যমে ভ্রূণ সৃষ্টি হয়।
৭) এদের যৌন জনন উওগ্যামাস ধরনের। অর্থাৎ সচল ছোট শুক্রাণুর সাথে নিশ্চল বড় ডিম্বাণুর মিলন ঘটে।
৮) জননাঙ্গ বহুকোষী এবং চতুর্দিকে বন্ধ্যা কোষের আবরণ থাকে।
৯) এদের স্পোরোফাইট সর্বদাই পুষ্টি ও আশ্রয়ের জন্য আংশিক বা পূর্ণভাবে গ্যামিটোফাইটের উপর নির্ভরশীল।

তথ্যসূত্র - উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
শৈবাল কয়টি প্রক্রিয়ায় জনন সম্পন্ন করে?
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি
ব্যাখ্যা
শৈবালের জনন:
- শৈবাল তিনটি প্রক্রিয়ায় জনন কার্য সম্পন্ন করে। যেমন-
(ক) অঙ্গজ জনন।
(খ) অযৌন জনন।
(গ) যৌন জনন।

• অঙ্গজ জনন:
- দৈহিক অঙ্গের মাধ্যমে অঙ্গজ জনন সম্পন্ন হয়।
- এককোষী শৈবাল কোষের বিভাজনের মাধ্যমে অঙ্গজ জনন সম্পন্ন করে।
- এ প্রক্রিয়ায় মাতৃকোষটি দু'ভাগে ভাগ হয়। ফলে দুটি অপত্য কোষের সৃষ্টি হয়।

• অযৌন জনন:
- স্পোর উৎপাদনের মাধ্যমে শৈবালে অযৌন জনন সম্পন্ন হয়।
- এদের যে কোনো একটি অঙ্গজ কোষ স্পোরথলি হিসেবে কাজ করে।
- এসব থলিতে এক থেকে অসংখ্য স্পোর তৈরি হয়।
- স্পোরগুলো ফ্ল্যাজেলাবিশিষ্ট এবং সচল হলে তাদেরকে জুস্পোর বলা হয়.

• যৌন জনন:
- শৈবালে তিন ধরনের যৌন জনন হয়। যথা-
১। আইসোগ্যামি।
২। অ্যানাইসোগ্যামি।
৩। উগ্যামি। 

তথ্যসূত্র - উদ্ভিদ বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
নিচের কোনটি ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র?
  1. থার্মোমিটার
  2. পাইরোমিটার
  3. রিখটার স্কেল
  4. ব্যারোমিটার
ব্যাখ্যা
পরিমাপক যন্ত্র:

- ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র সিসমোগ্রাফ।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র রিখটার স্কেল।
- বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ব্যারোমিটার।
- গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ম্যানোমিটার।
- আর্দ্রতা পরিমাপের যন্ত্র হাইগ্রোমিটার।
- উচ্চ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র পাইরোমিটার।
- তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র থার্মোমিটার।

তথ্যসূত্র - Britannica.com