পরীক্ষা আর্কাইভ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

পরীক্ষা১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়34 minutes
মোট প্রশ্ন২১
সিলেবাস
পরীক্ষা - ৫: বিষয়ের নাম: বাংলাদেশ বিষয়াবলী - [১০০ নাম্বার] পরীক্ষার টপিক: i) বাংলাদেশের ইতিহাস (প্রাচীন - ১৯৪৭ পর্যন্ত) ii) বাংলাদেশের কৃষিজ সম্পদ; iii) বাংলাদেশের অর্থনীতি; iv) বাংলাদেশের শিল্প ও বাণিজ্য উৎস: ষষ্ঠ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির সংশ্লিষ্ট বোর্ড বই, বিভিন্ন জাতীয় সমীক্ষা, বাংলাপিডিয়া, সংশ্লিষ্ট সরকারি ওয়েবসাইট ও যেকোনো গাইড বই।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক]

১০০ দিনে বিসিএস প্রস্তুতি [বিষয়ভিত্তিক] · তারিখ অনির্ধারিত · ২১ প্রশ্ন

.
'নয়ন কাজল' ও 'ইসলামপুরী' কোন ফসলের উন্নত জাত?
  1. ক) আলু
  2. খ) বেগুন
  3. গ) বাধাঁকপি
  4. ঘ) মরিচ
ব্যাখ্যা
• বেগুন:
- নয়নতারা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট কর্তৃক একটি উন্নত জাত।
- শ্রাবণ-ভাদ্র মাস চারা রোপণের উপযুক্ত সময়।
- ফল গাঢ় বেগুনী, প্রায় ১৬ সেমি. লম্বা ও বেড় ৬ সেমি.।
- উচ্চফলনশীল, প্রতিটি ফলের ওজন গড়ে ৯০ গ্রাম, হেক্টর প্রতি গড় ফলন ৮০ টন।
- এ জাতটি ব্যাকটেরিয়াজনিত ঢলে পড়া রোগ প্রতিরোধ করতে পারে।

• বেগুনের কিছু উন্নত জাত হলো:
- ইসলামপুরী, উত্তরা, নয়ন কাজল, কেজি বেগুন, শিংনাথ, ঝুমকো, মুক্তকেশী, শুকতারা, তারাপুরী (বারি বেগুন ২), কাজলা, নয়নতারা, বিজয়, চমক এফ১

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সংক্ষিপ্ত নাম কী?
  1. ক) BRRI
  2. খ) IRRB
  3. গ) BARI
  4. ঘ) BIRR
ব্যাখ্যা
• BRRI:
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI)।
- এর পূর্ণরুপ - Bangladesh Rice Research Institute
- অবস্থান- জয়দেবপুর, গাজীপুর।
- বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৭০ সালের ১ অক্টোবর পূর্ব পাকিস্তান ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হিসেবে কাজ শুরু করে।

- স্বাধীনতার পর নতুন নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট
- এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অ্যাক্ট, ১৯৭৩ অনুযায়ী প্রতিষ্ঠিত হয়।
- বর্তমানে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্ভাবিত বেশ কিছু আধুনিক জাতের ধান অন্যান্য দেশে যেমন ভারত, নেপাল, ভুটান, মায়ানমার, ভিয়েতনাম ও পশ্চিম আফ্রিকার কয়েকটি দেশে ব্যাপকভাবে চাষ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
দেশের সর্বশেষ আর্থিক প্রতিষ্ঠান কোনটি?
  1. ক) নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি
  2. খ) আইপিডিসি ফাইন্যান্স লিমিটেড
  3. গ) লঙ্কাবাংলা ফাইন্যান্স
  4. ঘ) রিলায়েন্স ফাইন্যান্স লিমিটেড
ব্যাখ্যা
আর্থিক প্রতিষ্ঠান:
- ‘নগদ ফাইন্যান্স পিএলসি’ নামে নতুন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
- এমএফএস প্রতিষ্ঠান নগদের মালিকানার সঙ্গে যুক্ত হবে নতুন অনুমোদন পাওয়া নগদ ফাইন্যান্স।

- নগদ ফাইন্যান্সের অনুমোদনের পর দেশে এখন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়াল ৩৬টি।
- এর মধ্যে ২টি সরকারি। ২১টির উদ্যোক্তা বেসরকারি খাতের ব্যবসায়ীরা। আর ১৩টি গড়ে উঠেছে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগে।
- তবে দেশে এখনো কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এমএফএস সেবা নেই, ফলে নগদই হবে প্রথম এমএফএস সেবাযুক্ত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৩ এপ্রিল, ২০২৩)।
.
বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট প্রচলন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে ব্যাংকের -
  1. ক) সংস্থাপন বিভাগ
  2. খ) ব্যাংকিং বিভাগ
  3. গ) হিসাব রক্ষণ বিভাগ
  4. ঘ) ইস্যু বিভাগ
ব্যাখ্যা
• নোট প্রচলন:
- বাংলাদেশ ব্যাংকের নোট প্রচলন সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করে ব্যাংকের - ইস্যু বিভাগ।
- বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর প্রধান কাজ হল নোট প্রচলন করা।
- নোট প্রচলনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ন্যূনতম রিজার্ভ পদ্ধতি অনুসরণ করে।
- এ নীতি অনুসারে বাংলাদেশ ব্যাংককে মোট কাগজী নোট ইস্যু করার বিপরীতে কমপক্ষে ৬০ কোটি টাকার সমমূল্যের সোনা, রূপা ও অনুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকের ইস্যু বিভাগে জমা রাখতে হয়।

- বাংলাদেশ ব্যাংক ১০০০, ৫০০,২০০, ১০০, ৫০, ২০, ১০ টাকার নোট প্রচলন করে।
- পক্ষান্তরে, ১, ২ ও ৫ টাকার নোট বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় ইস্যু করে থাকে এবং এতে অর্থসচিবের স্বাক্ষর থাকে।।
- এ জন্য ১, ২ ও ৫ টাকার নোটকে সরকারী নোট ও অবশিষ্ট প্রকার নোটকে ব্যাংক নোট বলে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) সনদ পেয়েছে কতটি পণ্য?
  1. ক) ১২ টি
  2. খ) ১৩ টি
  3. গ) ১৪ টি
  4. ঘ) ১৫ টি
ব্যাখ্যা
- বাংলাদেশে বর্তমানে ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে - ১৫ টি পণ্য।
- সর্বশেষ ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) সনদ পেয়েছে - বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ল্যাংড়া ও আশ্বিনা আমকে জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
- এ নিয়ে দেশের ১৫টি পণ্য জিআই স্বীকৃতি পেল। 

• জিআই (GI):
- জিআই (GI) এর পূর্ণরুপ হলো (Geographical indication) ভৌগলিক নির্দেশক।
- WIPO (world intellectual property organization) হলো জিআই পণ্যের স্বীকৃতি দানকারী প্রতিষ্ঠান।

- ভৌগোলিক নির্দেশক (Geographical indication) হচ্ছে একটি প্রতীক বা চিহ্ন, যা পণ্য ও সেবার উৎস, গুণাগুণ ও সুনাম ধারণ এবং প্রচার করে।
- কোনো দেশের আবহাওয়া ও পরিবেশ যদি কোনো পণ্য উৎপাদনের ক্ষেত্রে বিশেষ কোনো গুরুত্ব রাখে, সেই দেশের সংস্কৃতির সঙ্গে যদি বিষয়টি সম্পর্কিত হয়, তাহলে সেটাকে সে দেশের ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
- দেশের প্রথম ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য (জিআই) হিসেবে নিবন্ধন পায় জামদানি।

- বাংলাদেশের GI পণ্য সমূহ:
- ১. জামদানি ২. ইলিশ ৩. চাঁপাইনবাবগঞ্জের খিরসাপাতি আম ৪. বিজয়পুরের সাদা মাটি ৫. দিনাজপুরের কাটারীভোগ ৬. কালিজিরা ৭. রংপুরের শতরঞ্জি ৮. রাজশাহী সিল্ক ৯. ঢাকাই মসলিন ১০. বাগদা চিংড়ি ১১. ফজলি আম ১২. তুলসীমালা ধান ১৩. বগুড়ার বিখ্যাত সরার দই ১৪. ল্যাংড়া ও ১৫. আশ্বিনা আম।

তথ্যসূত্র: দৈনিক ইত্তেফাক (৫ জুলাই, ২০২৩)।
.
বাংলাদেশের অষ্টম সরকারি EPZ এর নাম কী?
  1. ক) কর্ণফুলী ইপিজেড
  2. খ) চট্টগ্রাম ইপিজেড
  3. গ) মংলা ইপিজেড
  4. ঘ) কুমিল্লা ইপিজেড
ব্যাখ্যা
• ইপিজেড:
- BEPZA প্রতিষ্ঠিত হয় - ১৯৮০ সালে।
- প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- যাত্রা শুরু - ১৯৮৩ সালে।
- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ০৯ টি। 
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১ টি। 

- বাংলাদেশের অষ্টম সরকারি EPZ এর নাম - কর্ণফুলী ইপিজেড।
- সরকারি ইপিজেড হচ্ছে - চট্টগ্রাম ইপিজেড (১৯৮৩), ঢাকা ইপিজেড (১৯৯৩),  মংলা ইপিজেড (১৯৯৮), ঈশ্বরদী ইপিজেড (১৯৯৮), কুমিল্লা ইপিজেড (২০০০), উত্তরা ইপিজেড (২০০১), আদমজী ইপিজেড (২০০৬), কর্ণফুলী ইপিজেড (২০০৬)। 
- একমাত্র বেসরকারি ইপিজেড - কোরিয়ান ইপিজেড চট্টগ্রাম,।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।
.
চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় কোন সালে?
  1. ক) ১৯১৪ সালে
  2. খ) ১৯১৮ সালে
  3. গ) ১৯২১ সালে
  4. ঘ) ১৯৩০ সালে
ব্যাখ্যা
মাস্টারদা সূর্যসেন:
- চট্টগ্রামের অস্ত্রাগার লুণ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে।
- ১৯৩০ সালের চট্টগ্রাম অস্ত্রাগার লুণ্ঠনের প্রধান সংগঠক মাস্টারদা সূর্যসেন।
- মাস্টারদা সূর্যসেনের জন্ম ১৮৯৪ সালে চট্টগ্রামের রাউজান থানার নোয়াপাড়া গ্রামে।

- পুরো নাম সূর্যকুমার সেন। ডাক নাম কালু। 
- শিক্ষকতা করার কারণে তিনি পরিচিত মহলে ‘মাস্টারদা’ আখ্যা পান।
- ১৯৩০ সালের ১৮ এপ্রিলের সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিল সূর্যসেনের নেতৃত্বে বিপ্লবীদের দীর্ঘ সময়ের প্রস্তুতি ও সুষ্ঠু পরিকল্পনার ফসল।
- ১৯৩৪ সালের ১২ জানুয়ারি চট্টগ্রাম কারাগারে তাঁর ফাঁসি কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র - বাংলাপিডিয়া।
.
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ কৃষি মন্ত্রণালয় কোন পণ্যকে কৃষিপণ্য ঘোষণা করে?
  1. ক) চা
  2. খ) পাট
  3. গ) তুলা
  4. ঘ) তামাক
ব্যাখ্যা
• পাটজাত পণ্য:
- পাটজাত পণ্যকে ২০২৩ সালের বর্ষপণ্য ঘোষণা করেছে সরকার।
- রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪ এর অনুচ্ছেদ ৯.১২ অনুসারে ‘পাটজাত পণ্য’কে বর্ষপণ্য-২০২৩ (প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার-২০২৩) ঘোষণা করা হলো।

- ‘রপ্তানি নীতি ২০২১-২৪’ এর ৯.১২ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, পণ্যভিত্তিক রপ্তানিকে উৎসাহিত করার জন্য প্রতিবছর একটি পণ্যকে ‘প্রোডাক্ট অব দি ইয়ার’ ঘোষণা অব্যাহত রাখা হবে।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
.
জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) নশিপুর, দিনাজপুর
  2. খ) ঈশ্বরদী, পাবনা
  3. গ) জয়দেবপুর, গাজীপুর
  4. ঘ) সাভার, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি (নাটা):
- অবস্থানঃ জয়দেবপুর, গাজীপুর, বাংলাদেশ ধান গবেষনা ইনস্টিটিউট  এর পার্শে মনোরম পরিবেশে পূর্বতন সার্ডির অবকাঠামো ও জমিতে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(এনএটিএ) আত্মপ্রকাশ করেছে।

ইতিহাসঃ
- ১৯৭৫ খ্রিস্টাব্দ জাইকার সহায়তা প্রকল্প হিসাবে  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট (সার্ডি) প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দ  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) ডিএইর অন্তর্ভুক্ত হয়।
- ২০১৩ খ্রিস্টাব্দের ০৩ এপ্রিল  কেন্দ্রীয় সম্প্রসারণ সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট(সার্ডি) বিলুপ্ত করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি সংস্থা হিসাবে জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি(নাটা) এর সরকারী আদেশ জারী করা হয়।
- ২০১৪ এর জুন মাসে মহাপরিচালক নিয়োগের মধ্য দিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমি ওয়েবসাইট।
১০.
কররানিদের বাংলার রাজধানী ছিল -
  1. ক) তাণ্ডায়
  2. খ) সোনারগাঁও
  3. গ) কর্ণসুবর্ণ
  4. ঘ) পাটালিপুত্র
ব্যাখ্যা
- কররারিদের বাংলার রাজধানী ছিল তাণ্ডায়।
- সর্দার তাজ খান কররানি বাংলায় কররানি বংশ প্রতিষ্ঠা করেন (১৫৬৪ খ্রি.)।
- তাজ খান কররাণী ও সুলায়মান খান কররাণী শের শাহের সেনাপতি ছিলেন।
- দাউদ কররাণী ছিলেন বাংলায় শেষ আফগান শাসক।
- কর্ণসুবর্ণ বাংলার গৌড় রাজ্যের প্রথম স্বাধীন শাসক শশাঙ্ক-এর রাজধানী।
- সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানী ছিল প্রথমে সোনারগাঁও (১৩৩৮-১৩৫২ খ্রি.)।
- পরে রাজধানী স্থানান্তরিত হয় গৌড়ে (১৪৫০-১৫৬৫ খ্রি.)।
- সপ্তম শতকে শশাঙ্ককে গৌড়রাজ বলা হতো। এ সময় গৌড়ের রাজধানী ছিলো কর্ণসুবর্ণ।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
৪ মার্চ, ২০২৩ কোন স্থলবন্দরে ই-গেট চালু করা হয়?
  1. ক) বেনাপোল
  2. খ) বাংলাবান্ধা
  3. গ) হিলি
  4. ঘ) তামাবিল
ব্যাখ্যা
• বেনাপোল স্থলবন্দর:
- ৪ মার্চ, ২০২৩ যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরে চারটি ই–গেট চালু করা হয়েছে। 
- ইলেকট্রনিক এসব গেটে প্রথমে ই-পাসপোর্টধারীর যাত্রীর ছবি, তথ্য ও বারকোড থাকা পৃষ্ঠাটি স্ক্যান হয়ে তথ্যগুলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মাধ্যমে যাচাই করা হয়। সব ঠিক থাকলে গেটের প্রথম ধাপ খুলে যাবে।
- এরপর দ্বিতীয় ধাপের সরাসরি শনাক্তকরণ ক্যামেরার মাধ্যমে পাসপোর্টের ছবির সঙ্গে যাত্রীর তাৎক্ষণিক মুখমণ্ডল মিলে গেলেই খুলে যাবে দ্বিতীয় গেটটিও।
- আর সার্ভার ও সিস্টেম সব ঠিক থাকলে সর্বোচ্চ ১৮ সেকেন্ডের মধ্যেই একজন যাত্রীর ইমিগ্রেশনের কাজ শেষ হবে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (৪ মার্চ, ২০২৩)।
১২.
গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ কে নির্মাণ করেন?
  1. ক) সুলতান সিকান্দার শাহ
  2. খ) ফখরুদ্দিন ইলিয়াস শাহ
  3. গ) আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
  4. ঘ) গিয়াসউদ্দিন আযম শাহ
ব্যাখ্যা
• হোসেন শাহী বংশ:
- আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বাংলায় হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠা করেন।
- তিনি আরাকান ও চট্টগ্রাম দখল করেন। তার সময়ে যোগ্যতার ভিত্তিতে নিয়োগ দেয়া হতো।
- তিনি বাংলাকে রাজদরবারের ভাষা হিসেবে স্থান দেন।
- তিনি বাংলা সাহিত্যের পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
- তিনি অনেক জনকল্যাণমূলক কাজও করেন। যে কারণে তাকে নৃপতি তিলক, জগৎভূষণ, কৃষ্ণাবতার বলা হতো।

- আলাউদ্দীন হুসেন শাহের রাজত্বকালে নির্মিত মসজিদসমূহের মধ্যে গৌড়ের ‘ছোট সোনা’ মসজিদ বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে।
- ড. আবু মুহাম্মদ হবিবুল্লাহ-এর মতে মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাসে সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ সর্বশ্রেষ্ঠ ছিলেন।
- দীর্ঘ ২৬ বছর রাজত্ব করার পর আলাউদ্দীন হোসেন শাহ ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন। 

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৩.
কোন মোগল সম্রাটকে শেরশাহ যুদ্ধে পরাজিত করে দিল্লির সিংহাসনে বসেন?
  1. ক) জাহাঙ্গীর 
  2. খ) আকবর
  3. গ) হুমায়ুন
  4. ঘ) বাবর
ব্যাখ্যা
• শেরশাহ:
- শেরশাহের জম্ম ১৪৭২ খ্রিস্টাব্দে।
- বাল্যকালে তার নাম ফরিদ। তাঁর পিতা হাসান খান শূর বিহারের অন্তর্গত সাসারামের জায়গীরদার ছিলেন।
- তিনি বিহারের শাসনকর্তা বাহারাম খানের অধীনে কর্মরত থাকাকালীন নিজগুণে তাঁর আস্থা অর্জনে সক্ষম হন। এ সময় একটি বাঘ হত্যা করে অসীম সাহসিকতার পরিচয় দিলে ফরিদ ‘শের খান’ উপাধিতে ভূষিত হন।
- পরবর্তীকালে চৌসার যুদ্ধে সম্রাট হুমায়ুনকে পরাজিত করে ‘শেরশাহ’ উপাধি ধারণ করে দিল্লির সিংহাসনে বসেন তিনি। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৪.
বাংলাদেশে টাকার জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?
  1. ক) মতিঝিল, ঢাকা
  2. খ) মিরপুর, ঢাকা
  3. গ) জাতীয় জাদুঘর, ঢাকা
  4. ঘ) সেগুনবাগিচা, ঢাকা
ব্যাখ্যা
• টাকার জাদুঘর:
- ২০১৩ সালে ঢাকার মিরপুরে প্রতিষ্ঠা করা হয় 'টাকা জাদুঘর'।

- প্রতিটি স্বাধীন দেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক দ্বারা পরিচালিত হয় একটি মুদ্রা জাদুঘর। সে দেশের মুদ্রা জাদুঘরে প্রদর্শিত মুদ্রা দেশটির ইতিহাস ও ঐতিহ্য বহন করে। এ কারণেই সারা পৃথিবীতে তৈরি হয়েছে মুদ্রা জাদুঘর।
- ২০১৩ সালের ৫ অক্টোবর, বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের উদ্যোগে ঢাকার মিরপুরে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক টাকা জাদুঘর।
- উদ্বোধন করেছিলেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।
- বাংলাদেশের একাধিক সিনিয়র মুদ্রা সংগ্রাহক টাকা জাদুঘরে মুদ্রা উপহার দিয়ে টাকা জাদুঘর তৈরি করার ক্ষেত্রে ভূমিকা পালন করেছিলেন।
- এই জাদুঘরে টাকা ও ধাতব মুদ্রা তৈরির সব উপকরণসহ বিশ্বের প্রায় সব স্বাধীন দেশ, বিলুপ্ত দেশ, বিলুপ্ত কলোনি এবং সারা পৃথিবীর শাসকেরা যেসব ক্ষুদ্র অঞ্চল শাসন করেছিলেন, সেসব অঞ্চলের মুদ্রা টাকা জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো (২০ জানুয়ারি, ২০২১)।
১৫.
কোনটি মরিচের উন্নত জাত?
  1. ক) টিপু সুলতান
  2. খ) আকবর
  3. গ) রুপালী
  4. ঘ) ফরিদপুরী
ব্যাখ্যা
• মরিচ:
- জাত পরিচিতি: মরিচের মধ্যে বগুড়া, চাঁদপুরী, ফরিদপুরী, কামরাংগা, আকালী ও কালো মরিচ উল্লেখযোগ্য।
এছাড়াও 
- আকবর হচ্ছে -গমের উন্নত জাত।
- রুপালী হচ্ছে - তুলার উন্নত জাত।
- টিপু সুলতান হচ্ছে- টমেটোর উন্নত জাত।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।
১৬.
'এলাহাবাদ চুক্তি' স্বাক্ষরিত হয় কত সালে?
  1. ক) ১৮৯৫ সালে
  2. খ) ১৮৬৫ সালে
  3. গ) ১৭৯৩ সালে
  4. ঘ) ১৭৬৫ সালে
ব্যাখ্যা
• এলাহাবাদ চুক্তি:
- ১২ আগস্ট, ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দে এলাহাবাদের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
- সম্রাট আলমগীরের পুত্র মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম, বাংলার গভর্নর রবার্ট ক্লাইভের হাতে একটি চুক্তিপত্র তুলে দিয়েছিলেন যা ইতিহাসে এলাহাবাদ চুক্তি হিসেবে পরিচিত।
- এলাহাবাদ চুক্তি অনুসারে (১৭৬৫) শাহ আলম বার্ষিক ২৬ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানিকে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বা দিউয়ানি প্রদান করেন।
- কোম্পানি কোরা ও এলাহাবাদকে বাদশাহর নিয়ন্ত্রণে রাখতে সম্মত হয়।    

তথ্যসূত্র: ইতিহাস ১ম পত্র, এইচ এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যাল।
১৭.
দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোনটি?
  1. ক) কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
  2. খ) সাভার, ঢাকা
  3. গ) বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
  4. ঘ) সিতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
ব্যাখ্যা
• প্রথম কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র:
- দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র - বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র।
- দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত ভবানীপুরে বড়পুকুরিয়ায় তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত।
- এটি দেশের প্রথম কয়লা খনি থেকে কয়লা আহরন করে কয়লা ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হয়।
- বর্তমানে ২টি ইউ্নিটের মাধ্যমে ৪৫০মে: ওয়াট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করা হচ্ছে।
- বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পটি  দিনাজপুর জেলা শহর হইতে প্রায় ৫০ কিঃ মিঃ পূর্বে, পার্বতীপুর উপজেলা হইতে ১৬ কিঃ মিঃ দক্ষিণে এবং ফুলবাড়ী উপজেলা হইতে ৭ কিঃ মিঃ উত্তরে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: পার্বতীপুর উপজেলার ওয়েবসাইট।
১৮.
স্যার সৈয়দ আহমদ খান ‘নাইট’ উপাধি লাভ করেন কত খ্রিস্টাব্দে?
  1. ক) ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে
  2. খ) ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে
  3. গ) ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে
  4. ঘ) ১৮৯৮ খ্রিস্টাব্দে
ব্যাখ্যা
• সৈয়দ আহমদ খান:
- ১৮১৭ খ্রিস্টাব্দে দিল্লীর এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে সৈয়দ আহমদ খানের জন্ম হয়।
- কোম্পানির অধীনে ১৮৩৭ খ্রিস্টাব্দে তিনি সেরেস্তাদারের চাকুরী গ্রহণ করেন এবং পরে সাব জজ পদে উন্নীত হন। 
-  তাঁর কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ বৃটিশ সরকার ১৮৮৮ খ্রিস্টাব্দে তাঁকে ‘নাইট’ উপাধিতে ভূষিত করেন। 
-  সৈয়দ আহমদ খান ১৮৭৫ খ্রিস্টাব্দে আলীগড়ে ‘মোহামেডান এ্যাংলো ওরিয়েন্টাল স্কুল’ প্রতিষ্ঠা করেন। দু’বছর পরে এটি কলেজে উন্নীত হয়। 

তথ্যসূত্র: ইতিহাস প্রথম পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
১৯.
২০২২-২৩ অর্থবছরে বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে দ্বিতীয় সর্বাধিক আমদানি করে?
  1. ক) ভারত
  2. খ) জাপান
  3. গ) যুক্তরাষ্ট্র
  4. ঘ) চীন
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, 
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি আমদানি করে - চীন থেকে।
- দ্বিতীয় অবস্থানে আছে - ভারত।
- তৃতীয় অবস্থানে আছে - জাপান।

তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০২৩
২০.
দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র কয়টি?
  1. ক) ২৮ টি
  2. খ) ২৯ টি
  3. গ) ৩০ টি
  4. ঘ) ৩১ টি
ব্যাখ্যা
• গ্যাসক্ষেত্র:
- প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিস্কৃত হয়েছিলো ১৯৫৫ সালে সিলেটের হরিপুরে ।
- প্রথম গ্যাস উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে। 
- বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাস ক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাসক্ষেত্র।
- দেশে বর্তমানে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের সংখ্যা ২৯টি।
- সিলেট জেলার জকিগঞ্জ উপজেলায় দেশের ২৮তম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয়।
- সর্বশেষ ভোলার ইলিশা -১ দেশের ২৯তম গ্যাসক্ষেত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো।
২১.
BCIC এর অধীনে পরিচালিত একমাত্র সিমেন্ট কারখানার নাম -
  1. ক) ছাতক সিমেন্ট কারখানা
  2. খ) জয়পুরহাট সিমেন্ট কারখানা
  3. গ) লাফার্জ সিমেন্ট কারখানা
  4. ঘ) মংলা সিমেন্ট কারখানা
ব্যাখ্যা
• ছাতক সিমেন্ট কোম্পানী লিমিটেড:
- ছাতক সিমেন্ট কোং লিঃ, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতকে অবস্থিত দেশের একমাত্র স্বয়ংসম্পূর্ণ সিমেন্ট কারখানা।
- এটি ১৯৩৭ সালে আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট কোম্পানী নামে ব্যক্তি মালিকানায় প্রতিষ্ঠিত।
- ১৯৬৫ সনে পাক-ভারত যুদ্ধের পর ব্যক্তি মালিক কর্তৃক কারখনাটি পরিত্যক্ত হলে ১৯৬৬ সন হতে এটি ইপিআইডিসি’র নিয়ন্ত্রনে আসে।
বাংলাদেশের স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমে বিএমওজিসি, পরে বিএমইডিসি এবং সর্বশেষ ১৯৮২ সালের ১লা জুলাই থেকে বিসিআইসি’র নিয়ন্ত্রণে আসে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন ওয়েবসাইট।