পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়15 minutes
মোট প্রশ্ন২৮
সিলেবাস
[নির্দেশিকা: এই রুটিনে সারাবছর জুড়ে পরীক্ষা চলমান থাকে। আপনি আজ ১ম পরীক্ষা দেওয়া শুরু করলে ২৪০ দিনের মধ্যে পুরো সিলেবাস সম্পন্ন হবে।] --------------- রিভিশন পরীক্ষা টপিক: পূর্ববর্তী ৬টি পরীক্ষার টপিকের উপর রিভিশন পরীক্ষা।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি

১৪তম - ২০তম গ্রেড পরীক্ষার প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ২৮ প্রশ্ন

.
'The Ant and the Grasshopper' by William Somerset Maugham is a/ an -
  1. Poem
  2. Novel
  3. Short story
  4. Epic
ব্যাখ্যা
• 'The Ant and the Grasshopper' by William Somerset Maugham is a/ an - Short story.
- "The Ant and the Grasshopper" হলো একটি জনপ্রিয় এশপস' ফ্যাবল (Aesop's Fable), যা একটি শিক্ষামূলক গল্প।

সার-সংক্ষেপ:
- গল্পটি দুটি প্রাণী — একটি পিপঁড়ে এবং একটি ফড়িং — এর মধ্যে ঘটে।
- পিপঁড়ে: পিপঁড়ে গ্রীষ্মকালীন সময়ে পরিশ্রম করে খেতে সংগ্রহ করে। সে কাজ করে এবং শীতকালে খাবারের সংকটের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
- ফড়িং: ফড়িং পুরো গ্রীষ্মকালীন সময়ে আনন্দে এবং খেলা-ধুলায় কাটায়, কোন কাজ না করে, কারণ সে জানে না বা ভাবেনা যে শীতকালে খাবারের প্রয়োজন হবে।

- যখন শীত আসে, ফড়িং বুঝতে পারে যে তার কাছে খাবারের অভাব রয়েছে। সে পিপঁড়ের কাছে সাহায্য চায়, কিন্তু পিপঁড়ে তাকে জানায় যে সে তার পরিশ্রমের ফলস্বরূপ খাবার সংগ্রহ করেছে, এবং এখন সে কষ্টকর কাজের ফল ভোগ করছে। পিপঁড়ে ফড়িং কে শিখায় যে, পরিশ্রম এবং প্রস্তুতি ছাড়া জীবনে সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়।

Willam Somerset Maugham: (1874 – 1965):
- William Somerset Maugham একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক, নাট্যকার এবং ছোটগল্পকার ছিলেন। 

Famous Novels:
- Of Human Bondage,
- The Sacred Flames,
- The Razor's Edge,
- Cakes and Ale,
- The Musician,
- The Moon and Sixpence,
- Lady Frederick.

Short Stories:
- The Ant and the Grasshopper,
- The Luncheon.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.
.
Napoleon is the character of -
  1. Nineteen Eighty-four
  2. Animal Farm
  3. Dream of Fair to Middling Women
  4. The Birthday Party
ব্যাখ্যা
• Napoleon is the character of - Animal Farm.
- The author of this famous novel is George Orwell.
- Animal Farm লেখা হয়েছে Allegorical form এ।

এই উপন্যাসের চরিত্র সমূহ দুই দলে বিভক্ত -
১. মানুষ হিসাবে রয়েছেন - Mr. Frederick, Mr. Jones, Mr. Whymper.
২. পশু হিসাবে রয়েছে - Napoleon, Snowball, Squealer, Boxer, Benjamin, Old Major, Clover, Moses, Muriel.

সার-সংক্ষেপ:
উপন্যাসটির কাহিনী একটি খামারে ঘটে, যেখানে পশুরা তাদের অত্যাচারী মালিক Mr. Jones এর বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। তারা খামারের মালিকানা নিজের হাতে নেয় এবং "Animalism" নামক একটি নীতি প্রতিষ্ঠা করে, যা মূলত সমাজতান্ত্রিক আদর্শের প্রতিফলন। প্রথমদিকে, পশুরা একসঙ্গে কাজ করে এবং সমান অধিকারের ভিত্তিতে খামার পরিচালনা করে। তবে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কিছু পশু, বিশেষত পিগ (শূকর) Napoleon এবং Squealer ক্ষমতা লাভ করে এবং তারা মানবদের মতো শোষণমূলক আচরণ শুরু করে।

George Orwell
- Modern Period এর একজন সুপরিচিত লেখক।
- তিনি একাধারে English novelist, essayist, and critic.
- তাঁর প্রকৃত নাম হচ্ছে - Eric Arthur Blair.
- তিনি তাঁর 'Animal Farm' এবং 'Nineteen Eighty-four' নামক Novel এর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।

• Notable work:
- A Clergyman’s Daughter,
- Animal Farm,
- Burmese Days,
- Homage to Catalonia,
- Keep the Aspidistra Flying,
- Nineteen Eighty-four.

অন্যদিকে,
Nineteen Eighty-four - George Orwell,
Dream of Fair to Middling Women - Samuel Beckett,
The Birthday Party - Harold Pinter.

Source: Britannica, An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman.
.
Who is the author of the quote 'We are only strong as we are united, as weak as we are divided'?
  1. George Orwell
  2. Bertrand Russell
  3. Alfred Lord Tennyson
  4. J. K. Rowling
ব্যাখ্যা
• The author of the quote is 'We are only strong as we are united, as weak as we are divided' - J. K. Rowling.
- এটি Harry Potter সিরিজের Harry Potter and the Goblet of Fire বই থেকে নেয়া।
- বইটি Harry Potter সিরিজের চতুর্থ বই হিসেবে ২০০০ সালে প্রকাশিত হয়।

J. K. Rowling:
- পুরো নাম Joanne Kathleen Rowling.
- Born July 31, 1965, in Yate, near Bristol England).
- তিনি একজন British লেখক।

• Harry Potter Series এ মোট ৭টি খন্ড রয়েছে। যথা:
1. Harry Potter and the Philosopher’s Stone.
2. Harry Potter and the Chamber of Secrets.
3. Harry Potter and the Prisoner of Azkaban.
4. Harry Potter and the Goblet of Fire.
5. Harry Potter and the Half-Blood Prince.
6. Harry Potter and the Order of the Phoenix.
7. Harry Potter and the Deathly Hallows.

Source: An ABC of English Literature by M Mofizar Rahman, Britannica.
.
What was O' Henry's real name?
  1. Mark Twain
  2. William Sydney Porter
  3. William Somerset Maugham
  4. Henry Fielding
ব্যাখ্যা
O' Henry:
- তার আসল নাম William Sydney Porter.
- He was an American short story writer.

His Best works:
- The Gift of The Megi,
- Heart of the West,
- Roads of Destiny,
- The Four Million,
- The Furnished Room,
- The Last Leaf,
- The Ransom of Red Chief,
- The Trimmed Lamp,
- The Voice of The City.

Source: Britannica.
.
Arif said, "I shall go to home." (make it indirect)
  1. Arif said that he will go to home.
  2. Arif requested that he would go to home.
  3. Arif said that he would go to home.
  4. Arif said that he would be going to home.
ব্যাখ্যা
• Direct Speech এ Reported Verb টি Past Tense হলে Indirect Speech এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Reporting Speech এর Subject বসে।
- Reporting Verb say/said, tell/told বসবে। (যদি থাকে)
- Inverted Comma উঠে গিয়ে that বসে।
- Reported Speech এর Subject/ Person অনুসারে পরিবর্তন হবে।
- Future Tense এর Will/Shall এর পরিবর্তে Would ব্যবহার করা হয়।
- বাকী অংশ বসে।

Direct: Arif said, "I shall go to home."
Indirect: Arif said that he would go to home.

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
He says to me, "I can do it." (make it indirect)
  1. He said to me that he can do it.
  2. He says to me that he can do it.
  3. He told me that he could do it.
  4. He says to me that he could done it.
ব্যাখ্যা
• Direct Speech থাকে Indirect Speech এ রূপান্তরের নিয়ম:
- Direct Speech এ Reporting Verb এর Tense যদি Present tense বা Future Tense হয় তখন Indirect Speech এ Tense এর কোন পরিবর্তন হবে না।
- Inverted Comma এর পরিবর্তে that বসে।
- Reported Speech এর Person এর পরিবর্তন হয়।

Direct Speech: He says to me, "I can do it."
Indirect Speech: He says to me that he can do it.

Source: A Passage To The English Language S. M. Zakir Hussain.
.
What is the meaning of the proverb "Every cloud has a silver lining"?
  1. মন্দের ভিতরেও মঙ্গল নিহিত আছে।
  2. কোনো খবর না-থাকাটাই সুখবর।
  3. অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।
  4. যে অবস্থায় আছে তাই ভালো; হস্তক্ষেপ করলে খারাপ হতে পারে।
ব্যাখ্যা
• প্রদত্ত প্রশ্নে "Every cloud has a silver lining" প্রবাদটির অর্থ হচ্ছে - মন্দের ভিতরেও মঙ্গল নিহিত আছে

অন্যদিকে,
• কোনো খবর না-থাকাটাই সুখবর।
- No news is good news.

• অসময়ের বন্ধুই প্রকৃত বন্ধু।
- A friend in need is a friend indeed.

• যে অবস্থায় আছে তাই ভালো; হস্তক্ষেপ করলে খারাপ হতে পারে।
- Let it alone! let well alone.

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy.
.
I'd reached there in time, ____?
  1. haven't I
  2. wouldn't I
  3. hadn't I
  4. didn't I
ব্যাখ্যা
• Tag question করার নিয়ম:
- Tag question ব্যবহার করা হয় উক্তিটি সত্য না মিথ্যা তা নিশ্চিত করার জন্য।
- Statement Positive হলে Tag question টি Negative হবে।
- Subject ও Tense অনুসারে Auxiliary Verb দ্বারা Tag Question হয়।

• Conditional Sentence এর Tag question করার নিয়ম:
- যদি subject এরপর 'd থাকে অর্থাৎ, Verb টি Base Form এ আসে, তাহলে এটিকে Modal Auxiliary হিসেবে Would ধরতে হবে।
Example: If I were a rich man, I'd establish a hospital, wouldn't I?

- তবে 'd এরপরের Verb টি যদি Past Participle Form এ থাকে তাহলে তাকে Past Perfect Tense এর Had হিসেবে ধরতে হবে।
Correct Sentence: I'd reached there in time, hadn't I?

Source: Advanced Learner's Communicative English Grammar & Composition By Chowdhury & Hossain.
.
Let’s take a break, ____?
  1. shall we
  2. have we
  3. haven't we
  4. won't we
ব্যাখ্যা
• Let যুক্ত imperative sentence এর tag question করার নিয়ম:
- Let এরপর 's থাকেলে বুঝতে হবে যে 's দ্বারা us কে বুঝানো হয়েছে।
- 's ব্যবহার না করে সরাসরি Us ও ব্যবহার করা যায়।
- Tag question এর নিয়ম অনুসারে, Let us দ্বারা প্রস্তাব বুঝালে tag question -এ shall we বসে।
- Us এর পরিবর্তে We ব্যবহার করা হয়।

Complete Sentence: Let’s take a break, shall we?

Source: A Passage to the English Language S. M. Zakir Hussain.
১০.
১০ টি ছাগলের দাম ৬টি গরুর দামের সমান। ১৫ টি গরুর দামে কয়টি ছাগল পাওয়া যাবে?
  1. ২০ টি
  2. ২৫ টি
  3. ২৭ টি
  4. ৩০ টি
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১০ টি ছাগলের দাম ৬টি গরুর দামের সমান। ১৫ টি গরুর দামে কয়টি ছাগল পাওয়া যাবে?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
৬ টি গরুর দামে ছাগল পাওয়া যায় = ১০ টি
∴ ১ টি গরুর দামে ছাগল পাওয়া যাবে = ১০/৬ টি
∴ ১৫ টি গরুর দামে ছাগল পাওয়া যাবে = (১০ × ১৫)/৬ টি
= ২৫ টি
১১.
পিতা ও মাতার গড় বয়স ৩৫ বছর। পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের গড় ২৯ বছর হলে, পুত্রের বয়স কত?
  1. ১১ বছর
  2. ১৫ বছর
  3. ১৯ বছর
  4. ১৭ বছর
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: পিতা ও মাতার গড় বয়স ৩৫ বছর। পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের গড় ২৯ বছর হলে, পুত্রের বয়স কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
পিতা ও মাতার গড় বয়স ৩৫ বছর
∴ পিতা ও মাতার বয়সের সমষ্টি = (৩৫ × ২) বছর
= ৭০ বছর

আবার,
পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের গড় ২৯ বছর
∴ পিতা, মাতা ও এক পুত্রের বয়সের সমষ্টি = (২৯ × ৩) বছর
= ৮৭ বছর

∴ পুত্রের বয়স = (৮৭ - ৭০) বছর
= ১৭ বছর
১২.
১৩, ১৭, ৬, ০, ৪ এর গড় কত?
  1. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ১৩, ১৭, ৬, ০, ৪ এর গড় কত?

সমাধান:
১৩, ১৭, ৬, ০, ৪ এর সমষ্টি = (১৩ + ১৭ + ৬ + ০ + ৪)
= ৪০

∴ ১৩, ১৭, ৬, ০, ৪ এর গড় = (৪০ ÷ ৫)
= ৮
১৩.
৮ জন লোক একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। কাজটি ৮ দিনে করতে হলে, কতজন নতুন লোক নিয়োগ করতে হবে?
  1. ৬ জন
  2. ৪ জন
  3. ৮ জন
  4. ১২ জন
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: ৮ জন লোক একটি কাজ ১২ দিনে করতে পারে। কাজটি ৮ দিনে করতে হলে, কতজন নতুন লোক নিয়োগ করতে হবে?

সমাধান:
১২ দিনে শেষ করতে পারে ৮ জন লোকে
∴ ১ দিনে শেষ করতে পারে (৮ × ১২) জন লোকে
∴ ৮ দিনে শেষ করতে পারে (৮ × ১২)/৮ জন লোকে
= ১২ জন লোকে

∴ অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করতে হবে = (১২ - ৮) জন
= ৪ জন
১৪.
দুটি সংখ্যার গড় ২৫, একটি সংখ্যা ২০ হলে অপর সংখ্যাটি কত?
  1. ৩০
  2. ২০
  3. ১০
ব্যাখ্যা
প্রশ্ন: দুটি সংখ্যার গড় ২৫, একটি সংখ্যা ২০ হলে অপর সংখ্যাটি কত?

সমাধান:
দেওয়া আছে,
২টি সংখ্যার গড় ২৫
∴ ২টি সংখ্যার সমষ্টি = (২৫ × ২)
= ৫০

∴ অপর সংখ্যাটি = (৫০ - ২০)
= ৩০
১৫.
পল্লীকবি জসীম উদ্‌দীন রচিত কবর কবিতা কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?
  1. কবিতা
  2. দৈনিক নবযুগ
  3. ধূমকেতু
  4. কল্লোল
ব্যাখ্যা
• 'কবর' কবিতা:
- কবি জসীমউদ্দীন রচিত 'কবর' কাবিতাটি ১৯২৫ সালে প্রথম কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

- জসীমউদ্‌দীন রচিত 'কবর' কবিতা 'রাখালী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
- 'কবর' কবিতার মোট লাইন সংখ্যা-১১৮ টি।

কবর
জসীমউদ্দীন
এই খানে তোর দাদির কবর ডালিম-গাছের তলে,
তিরিশ বছর ভিজায়ে রেখেছি দুই নয়নের জলে।
এতটুকু তারে ঘরে এনেছিনু সোনার মতন মুখ,
পুতুলের বিয়ে ভেঙে গেল বলে কেঁদে ভাসাইত বুক।
এখানে ওখানে ঘুরিয়া ফিরিতে ভেবে হইতাম সারা,
সারা বাড়ি ভরি এত সোনা মোর ছড়াইয়া দিল কারা!
সোনালি ঊষার সোনামুখ তার আমার নয়নে ভরি
লাঙল লইয়া খেতে ছুটিতাম গাঁয়ের ও-পথ ধরি।
যাইবার কালে ফিরে ফিরে তারে দেখে লইতাম কত
এ কথা লইয়া ভাবি-সাব মোরে তামাশা করিত শত।
(সংক্ষিপ্ত)

• তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত কবিতা:
- মুসাফির (বালুচর),
- নিমন্ত্রণ (ধানক্ষেত),
-আসমানী (এক পয়সার বাঁশি) ইত্যাদি।

• জসীম উদ্দীন:
- জসীম উদ্দীন একজন প্রখ্যাত বাঙালি কবি ও শিক্ষাবিদ।
- তিনি ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে মাতুলালয়ে জন্ম গ্রহণ করেন।
- জসীম উদ্দীনের কর্মজীবন শুরু হয় পল্লিসাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে।
- জসীম উদ্দীনকে 'পল্লিকবি' বলা হয়।

• তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
- বালুচর,
- রূপবতী,
- রাখালী,
- নক্সী কাঁথার মাঠ,
- ধানখেত,
- সোজন বাদিয়ার ঘাট,
- মাটির কান্না,
- মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
১৬.
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত 'আত্মহত্যার অধিকার' একটি-
  1. গল্প
  2. গল্পগ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধগ্রন্থ
ব্যাখ্যা
• আত্মহত্যার অধিকার:
- আত্মহত্যার অধিকার গল্পটি মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের 'অতসী মামী ও অন্যান্য গল্প' গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত একটি অন্যতম বিখ্যাত গল্প।
- একটি দরিদ্র পরিবারের লাঞ্ছিত জীবন কাহিনি নিয়ের রচিত গল্পটি।
- গরিব নীলমণির যে কষ্টের কাহিনি এবং সেই সাথে তাঁর মেয়ে শ্যামা কষ্টকে দলিত করে যেভাবে তার জীবনের রস আস্বাদনের প্রতি আকৃষ্ট হয়েছে, গল্পে সে আসক্তিকেই বড় করে দেখানো হয়েছে।

• তাঁর রচিত অন্যান্য গল্প:
- অতসী মামী,
- মিহি ও মোটা কাহিনী,
- বৌ,
- সরীসৃপ,
- সমুদ্রের স্বাদ,
- ছোট বকুলপুরের যাত্রী,
- আত্মহত্যার অধিকার
- প্রাগৈতিহাসিক ইত্যাদি।

• মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তিনি ১৯০৮ সালে পিতার কর্মস্থল বিহারের সাঁওতাল পরগনার দুমকা শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের নিকট মালবদিয়া গ্রামে।
- তাঁর প্রকৃত নাম প্রবোধকুমার বন্দোপাধ্যায়, 'মানিক' তাঁর ডাকনাম।
- তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'জননী' (১৯৩৫)।
- ১৯৫৬ সালের ৩ ডিসেম্বর কলকাতায় তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- পুতুলনাচের ইতিকথা,
- চিহ্ন,
- দিবারাত্রির কাব্য,
- পদ্মা নদীর মাঝি,
- শহরবাসের ইতিকথা,
- অহিংসা,
- শহরতলী,
- চতুষ্কোণ,
- সার্বজনীন,
- সোনার চেয়ে দামী,
- স্বাধীনতার স্বাদ,
- অমৃতস্য পুত্রা,
- আরোগ্য ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
১৭.
নিচের কোনটি তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস?
  1. আরোগ্য
  2. আরোগ্য নিকেতন
  3. অমৃতস্য পুত্রা
  4. রসকলি
ব্যাখ্যা
• 'আরগ্য নিকেতন' তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।

অন্যদিকে,
- 'আরোগ্য' ও 'অমৃতস্য পুত্রা'  মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।
- 'রসকলি' তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত গল্প।

• তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়:
- তিনি ১৮৯৮ সালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলায় এক জমিদারবংশে জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর রচিত ত্রয়ী উপন্যাস ধাত্রীদেবতা, গণদেবতা, পঞ্চগ্রাম।
- আদিবাসী সাঁওতাল বিদ্রোহ নিয়ে তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস 'অরণ্যবহ্নি' (১৯৬৬)।
- বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম নিয়ে রচিত তাঁর উপন্যাসের নাম 'একটি কালো মেয়ের কথা' (১৯৭১)।
- ১৯৭১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর তাঁর মৃত্যু হয়।

• তাঁর রচিত উপন্যাস:
- অরণ্যবহ্নি
- চৈতালি ঘূর্ণি,
- ধাত্রীদেবতা,
- কালিন্দী,
- কবি,
- হাঁসুলী বাঁকের উপকথা,
- গণদেবতা,
- আরোগ্য নিকেতন,
- পঞ্চপুণ্ডলী,
- রাধা ইত্যাদি।

• তাঁর রচিত গল্প:
- রসকলি,
- বেদেনী,
- ডাকহরকরা,
- জলসাঘর,
- অগ্রদানী।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর ও বাংলাপিডিয়া।
১৮.
ডাকের বচনে কোন বিষয়টি প্রাধান্য পেয়েছে?
  1. জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্বের কথা
  2. মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা
  3. কৃষি ও আবহাওয়ার কথা
  4. ক + খ
ব্যাখ্যা
• ডাক ও খনার বচন:
- ডাক ও খনার বচন বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সৃষ্টি বলে বিবেচনা করা হয়।
- তবে এর লিখিত কোন নিদর্শন নেই।
- প্রাচীন যুগের সৃষ্টি হলেও মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আধুনিক যুগে চলে এসেছে।
- ডাক ও খনার বচনের মধ্যে ঐক্য থাকলেও ডাকের বচনে জ্যোতিষ ও ক্ষেত্রতত্ত্বের কথা ও মানব চরিত্রের ব্যাখ্যা প্রাধান্য পেয়েছে।
- খনার বচনে কৃষি ও আবহাওয়ার কথা প্রাধান্য পেয়েছে।

উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক।
১৯.
'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস প্রধান চরিত্র কোনটি?
  1. তপু
  2. অপু
  3. হাসান
  4. মুনিম
ব্যাখ্যা
• 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাস:
- বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন ও ১৯৫২ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারি পালনের অভিজ্ঞতায় জহির রায়হান 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি রচনা করেন।
- 'আরেক ফাল্গুন' উপন্যাসটি ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয়।
- ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্রছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম- প্রণয় ইত্যাদি উপন্যাসটির মূল বিষয়।
- 'আসছে ফাল্গুনে আমরা কিন্তু দ্বিগুণ হবো' এই উপন্যাসের সাড়া জাগানো সংলাপ।
- 'মুমিন' এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।

• এই উপন্যাসের চরিত্র গুলো হলো:
- মুমিন,
- আসাদ,
- রসুল,
- সালমা।

• জহির রায়হান:
- তিনি ১৯৩৫ সালে ফেনি জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
- জহির রায়হান ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশি কথাশিল্পী এবং চলচ্চিত্র পরিচালক।
- জহির রায়হানের প্রকৃত নাম- মোহাম্মদ জহিরুল্লাহ।
- জহির রায়হান সৃষ্টি প্রথম রঙিন চলচ্চিত্র 'সঙ্গম'।
- তাঁর পরিচালিত প্রথম চলচ্চিত্র 'কখনো আসে নি'।
- তাঁর সৃষ্ট প্রথম সিনেমাস্কোপ ছবি 'বাহানা'।
- তাঁর সৃষ্ট 'কাঁচের দেয়াল' চলচ্চিত্রটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে নিগার পুরস্কার লাভ করে।

• তাঁর রচিত উপন্যাসগুলো:
- তৃষ্ণা,
- শেষ বিকেলের মেয়ে,
- হাজার বছর ধরে,
- আরেক ফাল্গুন,
- বরফ গলা নদী,
- আর কতদিন,
- কয়েকটি মৃত্যু।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
২০.
স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক কে?
  1. ড. মকবুল আহমেদ
  2. ড. মোবারক আহমেদ
  3. ড. মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ
  4. ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক 
ব্যাখ্যা
স্বর্ণা সার:
• স্বর্ণা সারের আবিষ্কারক- ড. সৈয়দ আব্দুল খালেক।
- তিনি ১৯৮৭ সালে এই জৈব সার আবিষ্কার করেন।
- যার বৈজ্ঞানিক নাম ফাইটা হারমোন ইনডিউসার'।
- স্বর্ণা সারের ব্যবহারে মাটির প্রাকৃতিক গুণাবলি রক্ষা পায়,
- এবং উদ্ভিদের সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত হয়, যা রাসায়নিক সারের তুলনায় অধিক কার্যকর ও পরিবেশবান্ধব।  

⇒ অপরদিকে,
- জুটন আবিষ্কার করেন: মোহাম্মদ সিদ্দিকুল্লাহ।
- পাট থেকে ঢেউটিন তৈরি করেন: ড. মোবারক আহমেদ।
- এক ধানে দুই চাল তৈরি করেন: ড. মকবুল আহমেদ।

উৎস: দৈনিক প্রথম আলো।
২১.
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুসারে, বাংলাদেশে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার-
  1. ৫.৮২%
  2. ৫.৬%
  3. ৯.৭৪%
  4. ৬.৮২%
ব্যাখ্যা
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪:
- বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্স পায় যুক্তরাষ্ট্র থেকে।
- ২য় সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে।
- মোট জনসংখ্যা ১৭১ মিলিয়ন (২০২৩ শুমারি)
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.৩৩%
- সাক্ষরতার হার (৭+ বয়স) ৭৭.৯% (পুরুষ ৮০.১ মহিলা ৭৫.৮ শতাংশ)
- দারিদ্রের হার ১৮.৭ %,চরম দারিদ্র্যের হার ৫.৬%
- জিডিপি ‘র প্রবৃদ্ধির হার ৫.৮২%।
- মাথাপিছু আয় ২৭৮৪ মার্কিন ডলার।
- মোট ব্যাংক ৬১ টি
- রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬ টি
- বিশেষায়িত ব্যাংক ৩ টি
- বেসরকারি ব্যাংক ৪৩ টি
- বৈদেশিক ব্যাংক ৯ টি,নন ব্যাংক ফিনানসিয়াল প্রতিষ্ঠান ৩৫টি।
- মুদ্রাস্ফীতি ৯.৭৪%

উৎস: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪।
২২.
কৃষিতে ’ঝুমকা’ কী জাতীয় ফসলের নাম?
  1. বেগুন
  2. টমেটো
  3. তরমুজ
  4. বাঁধাকপি
ব্যাখ্যা
• বাংলাদেশের কৃষিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ফসলের জাত:
টমেটো:
- বাহার, মানিক, রতন, অপূর্ব, মিন্টো, ঝুমকা, সিদুর, শ্রাবণী, 

বেগুন:
- ইওরা, শুকতারা, তারাপুরী, ইসলামপুরী, খটখটিয়া, লাফফা, উত্তরা, নয়নকাজল, শিংনাথ, কাজলা, বিজয়।

তরমুজ:
- পদ্মা, মধুবালা, সুইট ব্ল‍্যাক, সুইট ব্ল‍্যাক-২,সোনিয়া, কেনিয়া, কোবরা, সুগার কিং, চ্যাম্পিয়ন, ব্ল‍্যাক জেনারেল, জেসমিন।

বাঁধাকপি:
-গোল্ডেন ক্রস, কে ওয়ােই, ক্রস, ড্রাম হেড, ট্রপিক মার্কেট, লিডার, মহাবীর, সিটি ক্রস, , গ্রীণ স্টোন, গ্রীণ মাষ্টার।

উৎস: কৃষি মন্ত্রণালয়।
২৩.
মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট কোথায়?
  1. ময়মনসিংহ
  2. চাঁদপুর
  3. কক্সবাজার
  4. ফরিদপুর
ব্যাখ্যা
• মৎস্য অধিদপ্তর:
- স্বাধীনতা উত্তর বন, মৎস্য ও পশুপালন নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একটি বিভাগ ছিল।
- ১৯৭৮ সালে কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা হয়ে  মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয় নামে একটি নতুন মন্ত্রণালয় গঠিত হয়।
- পরবর্তীতে ১৯৮৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত মৎস্য ও পশুপালন বিভাগ নামে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি বিভাগে পরিণত  হয়।
- ১৯৮৬ সালে পুনরায় মৎস্য ও পশুপালন মন্ত্রণালয় নামে পুনর্গঠিত হয়।
- ২০০৯ সালে মৎস্য ও পশুসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নাম পরিবর্তন করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় হিসেবে নামকরণ করা হয়।
- মৎস্য প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট চাঁদপুরে

⇒ এছাড়াও,
- মৎস্য প্রশিক্ষণ ও সম্প্রসারণ কেন্দ্র: ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ অবস্থিত।
- সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র:  কক্সবাজার।
- নদী কেন্দ্র চাঁদপুরে।

উৎস: মৎস্য অধিদপ্তর।
২৪.
'মারাকেশ চুক্তি'র মধ্যমে কোন সংগঠনটি প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. EU
  2. IMF
  3. WTO
  4. Commonwealth
ব্যাখ্যা
মারাকেশ চুক্তি:
- ১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে মরক্কোর মারাকেশ চুক্তির মাধ্যমে WTO প্রতিষ্ঠা করা হয়।
- এর মাধ্যমে GATT-এর মাধ্যমে গ্যাট-এর উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তি ঘটে।

⇒ WTO:
- WTO-এর পূর্ণরূপ: World Trade Organization.
- এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫।
- বর্তমান সদস্য: ১৬৬টি দেশ।
- সদরদপ্তর: জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
- মহাপরিচালক: এনগোজি ওকোনজো ইওয়েলা।

উৎস: World Trade Organization ওয়েবসাইট।
২৫.
MERCOSUR-এর প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি কোনটি?
  1. আসুনসিয়ন চুক্তি
  2. মেক্সিকো চুক্তি
  3. ওয়াশিংটন চুক্তি
  4. ব্রাসিলিয়া চুক্তি
ব্যাখ্যা
MERCOSUR:
- MERCOSUR বা The Southern Common Market.
- এটি দক্ষিণ আমেরিকা অঞ্চলের একটি আঞ্চলিক বাণিজ্যিক জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: ২৬ মার্চ, ১৯৯১।
- প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি: আসুনসিয়ন চুক্তি (Treaty of Asuncion).
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: আসুনসিয়ন, প্যারাগুয়ে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য: আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে এবং উরুগুয়ে।
- বর্তমান সদস্য: ৫টি (আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, প্যারাগুয়ে, উরুগুয়ে ও ভেনেজুয়েলা)।
- সদরদপ্তর: মণ্টেভিডিও, উরুগুয়ে।

⇒ MERCOSUR (Southern Common Market)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন চুক্তি "আসুনসিয়ন চুক্তি" (Treaty of Asuncion) নামে পরিচিত।
- এই চুক্তি ১৯৯১ সালের ২৬ মার্চ প্যারাগুয়ের আসুনসিয়ন শহরে স্বাক্ষরিত হয় এবং এটি MERCOSUR প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করে।

উৎস: Council on Foreign Relations ওয়েবসাইট।
২৬.
অকাস চুক্তি কোন ধরনের আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করেছে?
  1. ইউরোপীয় ইউনিয়ন
  2. ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা
  3. আটলান্টিক মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা
  4. সবগুলো
ব্যাখ্যা
অকাস চুক্তি: 
- অকাস চুক্তি হলো অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা চুক্তি।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১ সালে।
- ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের জন্য এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়।

⇒ অকাস চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে চীনের উত্থান ও তৎপরতাকে ব্যাহত করা।
- এই চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য, অস্ট্রেলিয়াকে পারমাণবিক শক্তিচালিত সাবমেরিন অর্জনে সহায়তা করবে।
- এই চুক্তির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে 'সাইবার সক্ষমতা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং অতিরিক্ত জলসীমার ক্ষমতা' বিষয়ে সহযোগিতা।

⇒ এই চুক্তির ফলে ফ্রান্সের সাথে অস্ট্রেলিয়ার করা ১২টি সাবমেরিন তৈরির চুক্তি অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় ফ্রান্স অকাস চুক্তির বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।
- অকাস চুক্তির ফলে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, অস্ট্রেলিয়া ও ভারতের সমন্বয়ে গঠিত কোয়াডের গুরুত্বও কিছুটা হ্রাস পেয়েছে।

উৎস: U.S. Department of Defense (.gov).
২৭.
প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য কী ছিল?
  1. বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রাখা
  2. কার্বন নিঃসরণ শূন্যে নিয়ে আসা
  3. জলাভূমি সংরক্ষণ করা
  4. বৈশ্বিক উষ্ণতা ১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম রাখা
ব্যাখ্যা
প্যারিস জলবায়ু চুক্তি:
- প্যারিস জলবায়ু চুক্তি একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশগত চুক্তি।
- ২০১৫ সালের ৩০ নভেম্বর - ১২ ডিসেম্বর প্যারিসে কপ-২১ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান: প্যারিস, ফ্রান্স।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ৪ নভেম্বর ২০১৬।
- স্বাক্ষর করেছে ১৯৫টি দেশ।

⇒ প্যারিস জলবায়ু চুক্তির মূল লক্ষ্য:
- বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধি ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কম অর্থাৎ ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- ২০৩০ সালের মধ্যে বায়ুমণ্ডলে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমন প্রায় ৪৩ শতাংশ কমানোর ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছিল।
- গাছ, মাটি ও সমুদ্র প্রাকৃতিকভাবে যতটা শোষণ করতে পারে, ২০৫০ সাল থেকে ২১০০ সালের মধ্যে কৃত্রিমভাবে গ্রিনহাউজ গ্যাসের নিঃসরণ সেই পর্যায়ে নামিয়ে আনা।
- প্রতি ৫ বছর অন্তর ক্ষতিকর গ্যাস নিঃসরণ রোধে প্রত্যেকটি দেশের ভূমিকা পর্যালোচনা করা।
- জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে মানিয়ে নিতে এবং নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করতে গরিব দেশগুলোকে ধনী দেশগুলোর ‘জলবায়ু তহবিল’ দিয়ে সাহায্য করা।

উৎস: i) UNFCCC ওয়েবসাইট।
ii) UNTC ওয়েবসাইট।
২৮.
ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তির কোন ধারাটিকে ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয়?
  1. ৪র্থ ধারা
  2. ৫ম ধারা
  3. ৬ষ্ঠ ধারা
  4. ৭ম ধারা
ব্যাখ্যা
NATO:
- ন্যাটো একটি যৌথ নিরাপত্তা চুক্তি, যে চুক্তির আওতায় জোটভুক্ত দেশগুলো পারস্পরিক সামরিক সহযোগিতা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ।
- এর মূল উদ্দেশ্য ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের আগ্রাসনের হাত থেকে পশ্চিম বার্লিন এবং ইউরোপের নিরাপত্তা বাস্তবায়ন করা।
- ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল ওয়াশিংটনে এক চুক্তির মাধ্যমে ন্যাটো গঠিত হয়েছিল।
- পুরো নাম ‘নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন’, সংক্ষেপে ন্যাটো।
- চুক্তিতে সই করে মোট ১২টি দেশ: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।

⇒ ন্যাটো প্রতিষ্ঠার চুক্তিটি ১৪টি ধারার।
- চুক্তির পঞ্চম ধারায় বলা আছে জোটভুক্ত কোনো দেশ যদি বিদেশি শক্তির দ্বারা আক্রমণের শিকার হয়, তাহলে জোটের সব সদস্যদেশ একযোগে তা প্রতিহত করবে। অর্থাৎ সদস্যদেশগুলো সম্মিলিতভাবে একে অপরকে সুরক্ষা দেবে। ন্যাটোর মূল ভিত্তি ধরা হয় এ ধারাকে।

উৎস: NATO ওয়েবসাইট।