পরীক্ষা আর্কাইভ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

পরীক্ষাব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্সতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন১৭
সিলেবাস
Exam – 10 Topic: Bangla - 2: শব্দ ও পদের গঠন, বানান, শব্দের উৎস, শব্দের শ্রেণি বিভাগ, প্রকৃতি-প্রত্যয়।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স

ব্যাংক নিয়োগ প্রস্তুতি ⎯ লং কোর্স · তারিখ অনির্ধারিত · ১৭ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি সংস্কৃত শব্দ?
  1. পছন্দ
  2. হিসাব
  3. সালিশ
  4. সাশ্রয়
সঠিক উত্তর:
সাশ্রয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাশ্রয়
ব্যাখ্যা
⇒ সাশ্রয়, 
- এটি সংস্কৃত বা তৎসম ভাষা থেকে আগত শব্দ।
যার অর্থ: অপচয় রোধ।

অন্যদিকে,
⇒ সালিশ (বিশেষ্য)
- এটি ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।
যার অর্থ: বিরোধ মীমাংসার মধ্যস্থতাকারী ব্যক্তি।

⇒ পছন্দ (বিশেষণ):
- শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত।
যার অর্থ:
- মনের মতো, মনঃপূত, ইচ্ছানুযায়ী মনোনীত,
- নির্বাচিত।

• পছন্দ (বিশেষ্য):
- নির্বাচন; মনোনয়ন; রুচি।

⇒ হিসাব (বিশেষ্য):
- শব্দটি আরবি ভাষা থেকে আগত।
যার অর্থ:
- গণনা, সংখ্যাকরণ;
- জমাখরচের বিবরণ;
- দর;
- কৈফিয়ত;
- বিচারবিবেচনা।

উৎস: বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
উপসর্গ ও প্রত্যয় দিয়ে তৈরি শব্দকে বলা হয়-
  1. যৌগিক শব্দ
  2. যোগরূঢ়ি শব্দ
  3. সাধিত শব্দ
  4. রূঢ়ি শব্দ
সঠিক উত্তর:
সাধিত শব্দ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাধিত শব্দ
ব্যাখ্যা
⇒ এক বা একাধিক ধ্বনি দিয়ে তৈরি শব্দের মূল অংশকে শব্দমূল বলে। শব্দমূলের এক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতি দুই ধরনের: নামপ্রকৃতি ও ক্রিয়াপ্রকৃতি। ক্রিয়াপ্রকৃতির অন্য নাম ধাতু। 

নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোর নাম উপসর্গ ও প্রত্যয়:
⇒ উপসর্গ: যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। 'পরিচালক' শব্দের 'পরি' অংশ একটি উপসর্গ।
⇒ প্রত্যয়: যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। 'সাংবাদিক' শব্দের 'ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।

⇒ উপসর্গ ও প্রত্যয় দিয়ে তৈরি শব্দকে সাধিত শব্দ বলা হয়।
• উপসর্গ ও প্রত্যয় ছাড়া শব্দ গঠনের আরো কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে। এর মধ্যে প্রধান প্রক্রিয়া হলো সমাস, যার মাধ্যমে একাধিক শব্দ এক শব্দে পরিণত হয়। যেমন: ‘হাট’ ও ‘বাজার’ শব্দ দুটি সমাসবদ্ধ হয়ে হয় ‘হাটবাজার’।
• এছাড়া কোনো শব্দের দ্বৈত ব্যবহারে নতুন শব্দ গঠিত হলে তাকে বলে শব্দদ্বিত্ব, যেমন 'ঠক' ও 'ঠক' মিলে গঠিত হয় 'ঠকঠক', একইভাবে 'অঙ্ক' ও অনুরূপ ধ্বনি 'টঙ্ক' মিলে হয় 'অঙ্কটঙ্ক'।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
.
কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?
  1. শূণ্য
  2. গন্য
  3. ত্রিভূজ
  4. পুণ্য
সঠিক উত্তর:
পুণ্য
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পুণ্য
ব্যাখ্যা
• শুদ্ধ বানান: পুণ্য,
- শব্দটি বিশেষ্য ও বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
- যার অর্থ: (বিশেষ্য) সৎকর্ম, সৎকর্মের ফল, সওয়াব; (বিশেষণ) পবিত্র, ধার্মিক, ধর্মপরায়ণ। 

 অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
• শুদ্ধ: শূন্য,
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = (√শ্বন্+য),
অর্থ: অবিদ্যমানতাসূচক চিহ্ন, পরিমাণ বা আয়তনের অভাব, অভাব, অবিদ্য-মানতা ইত্যাদি।

• শুদ্ধ: গণ্য,
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = (√গণ্ + য),
এর অর্থ: গণনার যোগ্য, গণনীয়, বিবেচনার যোগ্য।

• শুদ্ধ: ত্রিভুজ,
- এটি সংস্কৃত থেকে আগত শব্দ।
- প্রকৃতি প্রত্যয় = (ত্রি+ভুজ),
অর্থ: তিনটি সরলরেখা-পরিবেষ্টিত ক্ষেত্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
কয়টি দৃষ্টিকোণ থেকে শব্দের শ্রেণিবিভাগ আলোচনা করা হয়?
  1. ২ ভাগে
  2. ৩ ভাগে
  3. ৪ ভাগে
  4. ৮ ভাগে
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ ভাগে
ব্যাখ্যা
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণির ২০২৩ সংস্করণ অনুসারে,

• বাংলা শব্দ ভাণ্ডারকে বিভিন্ন বিবেচনায় ৩ ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:
⇒ উৎস বিবেচনা: উৎস বিবেচনায় শব্দ ৪ প্রকার। যথা:
- তৎসম শব্দ;
- তদ্ভব শব্দ,
- দেশি শব্দ;
- বিদেশি শব্দ।

⇒ গঠন বিবেচনা: গঠন বিবেচনায় শব্দ ২ প্রকার। যথা:
- মৌলিক শব্দ;
- সাধিত শব্দ।

⇒ পদ বিবেচনা: পদ বিবেচনায় শব্দ ৮ প্রকার। যথা:
- বিশেষ্য;
- বিশেষণ,
- সর্বনাম;
- ক্রিয়া;
- ক্রিয়া বিশেষণ;
- যোজক;
- অনুসর্গ;
- আবেগ।
.
‘ভাত’ কোন শ্রেণির শব্দ?
  1. সাধিত
  2. মৌলিক
  3. যৌগিক
  4. রূঢ়ি
সঠিক উত্তর:
মৌলিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মৌলিক
ব্যাখ্যা
⇒ মৌলিক শব্দ:
যে-সব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না, গােটা শব্দটাই নিজে নিজেই সমপূর্ণ হয়ে আছে বা স্বয়ংসিদ্ধ, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। মৌলিক শব্দ ভাঙতে চাইলেও তার ভগ্ন বা বিশ্লিষ্ট অংশের কোনাে অর্থ হয় না; সে কারণে অবিভাজ্য ও অর্থযুক্ত শব্দই মৌলিক শব্দ অর্থাৎ স্পষ্ট অর্থ ও অবিভাজ্যতাই মৌলিক শব্দের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
যেমন: পা, গােলাপ, নাক, পাখি, ফুল, লাল, ভাত, পথ, চল, গাছ, হাত ইত্যাদি।

⇒ সাধিত শব্দ:
যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করলে তার মধ্যে এক বা একাধিক অর্থপূর্ণ অংশ থাকে, সেগুলােকে সাধিত শব্দ বলে। উপসর্গ বা প্রত্যয় যােগ করে অথবা সমাস প্রক্রিয়ায় সাধিত শব্দ তৈরি হয়।
যেমন: পরিচালক, গরমিল, সম্পাদকীয়, সংসদ সদস্য, নীলাকাশ, ডুবুরি, চলন্ত ইত্যাদি।

• শব্দের দ্বিত্ব করেও সাধিত শব্দ হয়ে থাকে। যেমম: ফিসফিস, ধুমাধুম ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ) এবং ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
.
শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয় সেগুলােকে বলে-
  1. উপসর্গ
  2. প্রত্যয়
  3. পদ
  4. বচন
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
⇒ শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলােকে প্রত্যয় বলে।

⇒ শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলােকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
• তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
যেমন:
- মনু + অ = মানব।

⇒ অন্যদিকে, ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলােকে কৃৎপ্রত্যয় বলে। 
• কৃৎ প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ। 
যেমন:
- √নাচ + অন = নাচন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
.
‘নেত্র’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় কোনটি? 
  1. √নীত + র  
  2. √নী + ত্র
  3. √নে + তৃচ্ 
  4. √নেত + র 
সঠিক উত্তর:
√নী + ত্র
উত্তর
সঠিক উত্তর:
√নী + ত্র
ব্যাখ্যা
⇒ নেত্র (বিশেষ্য),
- প্রকৃতি-প্রত্যয়: (√নী + ত্র)।
- অর্থ: চক্ষু; চোখ; নয়ন।   

⇒ কৃৎ-প্রত্যয়:  
• ধাতুর সঙ্গে যখন কোনো ধ্বনি বা ধ্বনি-সমষ্টি যুক্ত হয়ে বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ তৈরি হয়, তখন; 
- (১) ক্রিয়ামূল বা ধাতুকে বলা হয় ক্রিয়া প্রকৃতি বা প্রকৃতি, আর;
- (২) ক্রিয়া প্রকৃতির সঙ্গে যে ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে বলে কৃৎ-প্রত্যয়।  
যেমন:
• চল্‌ (ক্রিয়া প্রকৃতি)+ অন (কৃৎ-প্রত্যয়) = চলন (বিশেষ্য পদ)।
• চল্‌ (ক্রিয়া প্রকৃতি) + অন্ত (কৃৎ-প্রত্যয়)=চলন্ত (বিশেষণ পদ)।
• ‘প্রকৃতি’ কথাটি বোঝানোর জন্য প্রকৃতির আগে √ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়। 
• কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত পদটিকে বলা হয় কৃদন্ত পদ।  

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২২ সংস্করণ) ও বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ) এবং বাংলা একাডেমি আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
‘খরগোশ’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?
  1. বাংলা
  2. আরবি
  3. ফারসি
  4. তুর্কি
সঠিক উত্তর:
ফারসি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফারসি
ব্যাখ্যা
⇒ ‘খরগোশ’ ফারসি ভাষা থেকে আগত শব্দ।

⇒ ফারসি ভাষা থেকে আগত আরো কিছু শব্দ হলো: 
গ্রেপ্তারি, গ্রেফতার, দারোগা, লুঙ্গি, দারোয়ান, সাদা, আসমান, কাজি, খোয়াব, চেহারা, কাগজ, চশমা, চাকর, চারপায়, ছয়লাপ ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
.
লগ্নক কয় প্রকার?
  1. ৩ প্রকার
  2. ৪ প্রকার
  3. ৫ প্রকার
  4. ৬ প্রকার
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ প্রকার
ব্যাখ্যা
শব্দ যখন বাক্যের মধ্যে থাকে, তখন তার নাম হয় পদ। পদে পরিণত হওয়ার সময়ে শব্দের সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়, এগুলোর নাম লগ্নক। লগ্নক চার ধরনের:

⇒ বিভক্তি: ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বােঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলােকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। করলাম ক্রিয়াপদের লাম’ শব্দাংশ হলাে ক্রিয়া-বিভক্তি এবং কৃষকের পদের ‘এর’ শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

⇒ নির্দেশক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলােকে নির্দেশক বলে। ‘লােকটি বা ভালােটুকু পদের টি’ বা ‘টুকু হলাে নির্দেশকের উদাহরণ।

⇒ বচন: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বােঝায়, সেগুলােকে বচন বলে। ছেলেরা বা বইগুলাে পদের রা’ বা ‘গুলাে হলাে বচনের উদাহরণ।

⇒ বলক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালাে হয়, সেগুলােকে বলক বলে। তখনই বা ‘এখনও পদের ই বা ‘ও’ হলাে বলকের উদাহরণ।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১০.
তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ-
  1. মুক্ত
  2. কবিত্ব
  3. দাতব্য
  4. জ্ঞাত
সঠিক উত্তর:
কবিত্ব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কবিত্ব
ব্যাখ্যা
⇒ ‘ত্ব’ তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হচ্ছে:
• কবি + ত্ব = কবিত্ব।
এরূপ- সতী + ত্ব = সতীত্ব।

অন্যদিকে,
⇒ ‘ত’ কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হলো-
• √মুচ্ + ত = মুক্ত;
• √জ্ঞা +ত = জ্ঞাত।

⇒ ‘তব্য’ কৃৎ-প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ হচ্ছে:
• √দা + তব্য = দাতব্য;
• √কৃ + তব্য = কর্তব্য।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১১.
কোনটি শুদ্ধ বানান?
  1. অভাগিনী
  2. অপদস্ত
  3. অনাবাদি
  4. অব্যার্থ
সঠিক উত্তর:
অনাবাদি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অনাবাদি
ব্যাখ্যা
⇒ শুদ্ধ বানান: অনাবাদি।
অর্থ: অকর্ষিত; চাষাবাদের অযোগ্য।
 
অন্যদিকে, 
• শুদ্ধ শব্দ: অভাগিনি।
অর্থ: ভাগ্যহীন, হতভাগ্য।

• শুদ্ধ: অপদস্থ।
অর্থ: লাঞ্ছিত, অসম্মানিত।

• শুদ্ধ: অব্যর্থ।
অর্থ: কখনো বিফল হয় না এমন, অমোঘ, সার্থক।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১২.
শব্দমূলের অপর নাম কী?
  1. বিভক্তি
  2. প্রত্যয়
  3. উপসর্গ
  4. প্রকৃতি
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রকৃতি
ব্যাখ্যা
⇒ এক বা একাধিক ধ্বনি দিয়ে তৈরি শব্দের মূল অংশকে শব্দমূল বলে। শব্দমূলের আর এক নাম প্রকৃতি। প্রকৃতি দুই ধরনের। যথা:
১. নামপ্রকৃতি ও
২.  ক্রিয়াপ্রকৃতি।

• ক্রিয়াপ্রকৃতির অন্য নাম ধাতু। ধাতুর উদাহরণ: কর্, যা, চল্, ধৃ ইত্যাদি।

• নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সঙ্গে কিছু শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়।
- নামপ্রকৃতির উদাহরণ: মা, গাছ, শির, লতা ইত্যাদি। ধাতুর উদাহরণ: কর্, যা, চল, ধৃ ইত্যাদি।

⇒ নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলাের নাম উপসর্গ ও প্রত্যয়।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১৩.
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বােঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয় তাদের বলে-
  1. বিভক্তি
  2. নির্দেশক
  3. বচন
  4. বলক
সঠিক উত্তর:
বিভক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বিভক্তি
ব্যাখ্যা
⇒ বিভক্তি:
ক্রিয়ার কাল নির্দেশের জন্য এবং কারক বােঝাতে পদের সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত থাকে, সেগুলােকে বিভক্তি বলে। বিভক্তি দুই প্রকার: ক্রিয়া-বিভক্তি ও কারক-বিভক্তি। করলাম ক্রিয়াপদের লাম’ শব্দাংশ হলাে ক্রিয়া-বিভক্তি এবং কৃষকের পদের ‘এর’ শব্দাংশ কারক-বিভক্তির উদাহরণ।

অন্যদিকে,
⇒ নির্দেশক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদকে নির্দিষ্ট করে, সেগুলােকে নির্দেশক বলে। ‘লােকটি বা ভালােটুকু পদের টি’ বা ‘টুকু হলাে নির্দেশকের উদাহরণ।

⇒ বচন: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে পদের সংখ্যা বােঝায়, সেগুলােকে বচন বলে। ছেলেরা বা বইগুলাে পদের রা’ বা ‘গুলাে হলাে বচনের উদাহরণ।

⇒ বলক: যেসব শব্দাংশ পদের সঙ্গে যুক্ত হলে বক্তব্য জোরালাে হয়, সেগুলােকে বলক বলে। তখনই বা ‘এখনও পদের ই বা ‘ও’ হলাে বলকের উদাহরণ।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২১ সংস্করণ)।
১৪.
আচার ও বালতি শব্দ দুটি কোন ভাষা হতে বাংলায় গৃহীত হয়েছে?
  1. তুর্কি
  2. ওলন্দাজ
  3. ফারসি
  4. পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
পর্তুগিজ
ব্যাখ্যা
• আচার,
- এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
- যার অর্থ: তৈল মসলা সহযোগে তৈরি কাঁচা আম জলপাই প্রভৃতি ফলের মুখরোচক চাটনি।

• বালতি (বিশেষ্য), 
- এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ। 
- যার অর্থ: হাতলযুক্ত জল পাত্র।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৫.
শব্দ গঠনের প্রক্রিয়া নয় কোনটি?
  1. উপসর্গ
  2. শব্দদ্বিত্ব
  3. সমাস
  4. বলক
সঠিক উত্তর:
বলক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বলক
ব্যাখ্যা
• নামপ্রকৃতি ও ধাতুর সঙ্গে যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলোর নাম উপসর্গ ও প্রত্যয়। উপসর্গ ও প্রত্যয় দিয়ে তৈরি শব্দকে সাধিত শব্দ বলা হয়।

⇒ উপসর্গ: যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পূর্বে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে উপসর্গ বলে। 'পরিচালক' শব্দের 'পরি' অংশ একটি উপসর্গ।
⇒ প্রত্যয়: যেসব শব্দাংশ শব্দমূলের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে, সেগুলোকে প্রত্যয় বলে। 'সাংবাদিক' শব্দের 'ইক' অংশ একটি প্রত্যয়।

• উপসর্গ ও প্রত্যয় ছাড়া শব্দ গঠনের আরো কিছু প্রক্রিয়া রয়েছে।
⇒ সমাস: শব্দ গঠন প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রধান প্রক্রিয়া হলো সমাস যার মাধ্যমে একাধিক শব্দ এক শব্দে পরিণত হয়। যেমন: ‘হাট’ ও ‘বাজার’ শব্দ দুটি সমাসবদ্ধ হয়ে হয় ‘হাটবাজার’।

⇒ শব্দদ্বিত্ব: এছাড়া কোনো শব্দের দ্বৈত ব্যবহারে নতুন শব্দ গঠিত হলে তাকে বলে শব্দদ্বিত্ব, যেমন 'ঠক' ও 'ঠক' মিলে গঠিত হয় 'ঠকঠক', একইভাবে 'অঙ্ক' ও অনুরূপ ধ্বনি 'টঙ্ক' মিলে হয় 'অঙ্কটঙ্ক'।

অন্যদিকে,
- বলক হচ্ছে পদের সাথে যুক্ত হয়ে বক্তব্যকে জোরালো করতে ব্যবহৃত লগ্নক।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।
১৬.
‘বাইসাইকেল’ কোন ভাষার শব্দ?
  1. ইংরেজি
  2. ওলান্দাজ
  3. তুর্কি
  4. গ্রিক
সঠিক উত্তর:
গ্রিক
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রিক
ব্যাখ্যা
⇒ বাইসাইকেল (বিশেষ্য),
- এটি গ্রিক ভাষা থেকে আগত শব্দ।
- যার অর্থ: পা দানে চাপ দিয়ে চালানো হয় এমন দ্বিচক্রযান, সাইকেল।

উৎস: বাংলা একাডেমি, আধুনিক বাংলা অভিধান।
১৭.
‘সাংবাদিক’ শব্দে ব্যবহৃত ‘ইক’ অংশ একটি-
  1. বিভক্তি
  2. উপসর্গ
  3. প্রত্যয়
  4. অনুসর্গ
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রত্যয়
ব্যাখ্যা
⇒ শব্দ ও ধাতুর পরে অর্থহীন যেসব শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়, সেগুলােকে প্রত্যয় বলে। যেমন: সাংবাদিক শব্দের ‘ইক’ অংশ একটি প্রত্যয়।

⇒ শব্দের পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলােকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
• তদ্ধিত প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে তদ্ধিতান্ত শব্দ।
যেমন:
- মনু + অ = মানব।

⇒ অন্যদিকে, ধাতুর পরে যেসব প্রত্যয় যুক্ত হয়, সেগুলােকে কৃৎপ্রত্যয় বলে। 
• কৃৎ প্রত্যয় দিয়ে সাধিত শব্দকে বলে কৃদন্ত শব্দ। 
যেমন:
- √নাচ + অন = নাচন।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২৩ সংস্করণ)।