পরীক্ষা আর্কাইভ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

পরীক্ষাসহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)তারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়10 minutes
মোট প্রশ্ন২২
সিলেবাস
[ATEO - নিয়োগ প্রস্তুতি: পরীক্ষা - ৯] বিজ্ঞান ও তথ্য-প্রযুক্তি পরীক্ষা - ১ টপিক: ১. ভৌত বিজ্ঞানের (পদার্থ ও রসায়ন) মৌলিক বিষয়সমূহ উৎস: ষষ্ঠ থেকে মাধ্যমিক শ্রেণির বিজ্ঞান বোর্ড বই, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শ্রেণির রসায়ন বিজ্ঞান, পদার্থ বিজ্ঞান বোর্ড বই [NCTB ও উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়], ব্রিটানিকা, যেকোনো গাইডবই। [গাইড বই থেকে পড়ার ক্ষেত্রে কনফিউজিং বিষয়গুলো ক্রসচেক করে পড়া উত্তম।]।
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO)

সহকারী থানা শিক্ষা অফিসার (ATEO) · তারিখ অনির্ধারিত · ২২ প্রশ্ন

.
নিচের কোনটি ঋণাত্মক কাজের উদাহরণ?
  1. সমতলে হাটা
  2. সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা
  3. রশ্মি বেয়ে নিচে নামা
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠা
ব্যাখ্যা
ঋণাত্মক কাজ: 
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের বিপরীত দিকে সরে যায় তাহলে সেই বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে ঋণাত্মক কাজ বলে। 
- একটি বস্তুকে মাটি থেকে উপরে ওঠালে বস্তুর উপর অভিকর্ষজ বল নিচের দিকে ক্রিয়া করে।
- এক্ষেত্রে বল ও সরণ বিপরীতমুখী হওয়ায় অভিকর্ষ বলের বিরুদ্ধে কাজ সম্পন্ন হবে। এটি ঋণাত্মক কাজ।
 
উপরের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সিঁড়ি বেয়ে উপরে ওঠা একটি ঋণাত্মক কাজ। 

ধনাত্মক কাজ:
- যদি বল প্রয়োগের ফলে বলের প্রয়োগ বিন্দু বলের দিকে সরে যায় তখন বল যে কাজ সম্পন্ন করে তাকে বলের দ্বারা কাজ বা ধনাত্মক কাজ বলা হয়।
- একটি বস্তু উপর থেকে ফেলে দিলে বস্তুটি অভিকর্ষ বলের দিকে পড়বে, ফলে বস্তুর উপর অভিকর্ষ বল দ্বারা কাজ সম্পন্ন হবে। এটি ধনাত্মক কাজ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।
.
SI পদ্ধতিতে চাপের একক কোনটি?
  1. Nm2
  2. Nm
  3. Nm-1
  4. Nm-2
সঠিক উত্তর:
Nm-2
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Nm-2
ব্যাখ্যা
• চাপ:
- একক ক্ষেত্রফলের কোনো বস্তুর উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকেই চাপ বলে।
- চাপের একক হল প্যাসকেল এবং সংকেত Pa.
- চাপের মাত্রা হল- ML-1T-2
• SI পদ্ধতিতে চাপের একক  Nm-2.

উল্লেখ্য,
- বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরনের একক চালু থাকার ফলে বাস্তব ক্ষেত্রে বিশেষ অসুবিধা দেখা দেয়।
- এসকল অসুবিধা দূর করার জন্য ১৯৬০ সাল থেকে বিজ্ঞানীগণ বিশ্বব্যাপী একই ধরনের একক চালুর সিদ্ধান্ত নেন, একে এককের আন্তর্জাতিক পদ্ধতি বা সংক্ষেপে এস আই (SI) একক বলে।

 SI(International System of Units) পদ্ধতিতে,
- পরিবাহিতার একক সিমেন্স(S);
- আধানের একক কুলম্ব(C); 
- তড়িৎ প্রবাহের একক অ্যাম্পিয়ার;
- বিভব পার্থক্যের একক ভোল্ট;
- রোধের একক ওহম ইত্যাদি।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণি।
.
'বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা' কত ডেসিবেলের অধিক মাত্রার শব্দকে 'শব্দ দূষণ' হিসেবে ঘোষণা করেছে?
  1. ৫০ ডেসিবল
  2. ৬০ ডেসিবল
  3. ৪০ ডেসিবল
  4. ১০০ ডেসিবল
সঠিক উত্তর:
৬০ ডেসিবল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬০ ডেসিবল
ব্যাখ্যা
'বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা' ৬০ ডেসিবেলের অধিক মাত্রার শব্দকে 'শব্দ দূষণ' হিসেবে ঘোষণা করেছেন।

- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)-এর মতে সাধারণত 60 ডেসিবেল শব্দ একজন মানুষকে সাময়িকভাবে এবং 100 ডেসিবেল শব্দ পুরোপুরি বধির করে ফেলে।

 শব্দ দূষণের কারণ:
- বাস, ট্রাক, ট্রেন ও লঞ্চের হর্ণ, রেডিও, ক্যাসেট, টেলিভিশন ও মাইক উচ্চ শব্দে বাজানো।
- এছাড়া সাইরেন ও যুদ্ধসামগ্রীর শব্দ, বোমার বিস্ফোরণ, মেঘের গর্জন প্রভৃতি শব্দ দূষণের উৎস।

 শব্দের তীব্রতা:
- শব্দের তীব্রতা বলতে শব্দতরঙ্গ যে দিকে সঞ্চারিত হচ্ছে, তার সাথে লম্বভাবে প্রতি একক সময়ে প্রতি একক ক্ষেত্রফল এলাকার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত শক্তির পরিমাণকে বোঝায়।

বিভিন্ন ধরণের শব্দের পরিমাণ:
- জেট ইঞ্জিন: ১১০-১৪০ ডেসিবেল।
- ট্রাফিক: ৮০-৯০ ডেসিবেল।
- কারখানার কোলাহলের শব্দের তীব্রতা : ৮০ ডেসিবেল।
- স্বাভাবিক কথাবার্তার শব্দের তীব্রতা: ৬০ ডেসিবেল।
- হাটবাজারের শব্দের তীব্রতা: ৭০ ডেসিবেল।
- মাইকে ব্যান্ড সংগীতের শব্দের তীব্রতা: ১২০ ডেসিবেল।
- যে কোনো আন্দোলন দমনে ব্যবহৃত সাউন্ড গ্রেনেডের তীব্রতা সাধারণত ১৭০ ডেসিবেল হয়ে থাকে।

উৎস:
•  বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইট।
•  পদার্থ ১ম পত্র, HSC প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
•  বাংলাপিডিয়া।
.
রেফ্রিজারেটরে কম্প্রেসারের কাজ কী?
  1. ফ্রেয়নকে ঠাণ্ডা করা
  2. ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
  3. ফ্রেয়নকে বাষ্পীভূত করা
  4. ফ্রেয়নকে ঘনীভূত করা
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ফ্রেয়নকে সংকুচিত করে এর তাপ ও তাপমাত্রা বাড়ানো
ব্যাখ্যা
- রেফ্রিজারেটরের শীতলীকরণ প্রকোষ্ঠকে ঘিরে থাকে তামার তৈরি ফাপা নলের কুন্ডলী, একে বাষ্পীভবন কুন্ডলী বলে। 
- এই কুন্ডলীর মধ্যে উদ্বায়ী পদার্থ ফ্রেয়ন ব্যবহার করা হয়।
- ফ্রেয়ন হচ্ছে ডাইক্লোরােডাইফ্লোরাে মিথেন।
- কম্প্রেসরের কাজ হলো বায়ু বা বায়বীয় পদার্থের অণুসমূহ সংকোচনের মাধ্যমে চাপ বৃদ্ধি করা।
- কমপ্রেসর ফ্রেয়ন গ্যাসকে সংকুচিত করে উচ্চচাপে পরিণত করে এবং এর ফলে এর তাপমাত্রা বেড়ে যায়। এরপর এই গরম গ্যাস কনডেনসারে প্রবেশ করে, যেখানে এটি ঠান্ডা হয়ে তরলে পরিণত হয় এবং রেফ্রিজারেশনের পুরো চক্র সম্পন্ন হয়।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
.
রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে কী বুঝায়?
  1. রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
  2. রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগে দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
  3. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
  4. কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
সঠিক উত্তর:
উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
ব্যাখ্যা
Remote sensing হলো একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে পৃথিবীর পৃষ্ঠ বা অন্য কোনো বস্তু সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয় দূরবর্তী অবস্থান থেকে, সাধারণত কোনো সরাসরি সংস্পর্শ ছাড়াই।
- এটি প্রধানত সাটেলাইট(উপগ্রহ) বা বিমানের মাধ্যমে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক বিকিরণ (যেমন: আলোক, তাপ, বা রেডিও তরঙ্গ) ব্যবহার করে কাজ করে।

• দূর অনুধাবন প্রযুক্তিকে তিনটি পর্বে বিভক্ত করা যায়:
- কোনো প্লাটফর্মে বসানো সেন্সর থেকে উপাত্ত সংগ্রহ, যেমন: একটি উপগ্রহ,
-  উপাত্ত ব্যবহার এবং
-  উপাত্তের ব্যাখ্যা যা পরীক্ষাকৃত পৃষ্ঠের বিষয়ভিত্তিক মানচিত্র প্রণয়ণে কাজে লাগে।

• তড়িৎ চুম্বকীয় বিকিরণ ব্যবহারকারী দূর অনুধাবন ব্যবস্থার চারটি উপাদান আছে-
- সূত্র বা উৎস;
- ভূ-পৃষ্ঠের সঙ্গে পারস্পরিক ক্রিয়া;
- বায়ুমন্ডলের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া
- এবং একটি সেন্সর।

উৎস: বাংলাপিডিয়া ও নাসা।
.
ফটোস্ট্যাট মেশিনে ব্যবহৃত মৌলিক পদার্থটির নাম কী?
  1. সেলেনিয়াম
  2. মলিবডেনাম
  3. সিলভার
  4. সোডিয়াম
সঠিক উত্তর:
সেলেনিয়াম
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সেলেনিয়াম
ব্যাখ্যা
সেলেনিয়াম:
• সেলেনিয়াম একটি রাসায়নিক মৌল যার প্রতীক Se এবং পারমাণবিক সংখ্যা ৩৪।
• এটি পর্যায় সারণীতে সালফার এবং টেলুরিয়াম উপাদান গুলোর মধ্যে থাকা একটি অধাতু।
ফটোস্ট্যাট মেশিনে সেলেনিয়াম ব্যবহার করা হয়


উৎস: ব্রিটানিকা।
.
বাতাসের উষ্ণতা বাড়লে শব্দের গতি-
  1. কমে
  2. বাড়ে
  3. প্রথমে কমে পরে বাড়ে
  4. অপরিবর্তিত থাকে
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বাড়ে
ব্যাখ্যা
• বাতাসের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে শব্দের গতি বাড়ে।

শব্দের বেগ হ্রাসবৃদ্ধির নিয়ামক:
• তাপমাত্রা:

- 0°C বা 273k তাপমাত্রায় শব্দের বেগ 332ms-1
- তাপমাত্রা 1°C বা 1k বাড়লে বাতাসে শব্দের বেগ প্রায় 0.6ms-1 বৃদ্ধি পায়।

• আর্দ্রতা:
- বাতাসের আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেলেও শব্দের বেগ বৃদ্ধি পায়। 

• মাধ্যম:
- মাধ্যম ভেদে শব্দের দ্রুতির পরিবর্তন হয়।
- মাধ্যম যত ঘন ও স্থিতিস্থাপক হয় শব্দের দ্রুতি তাতে তত বেশি হয়। 
- বায়বীয় পদার্থে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে কম,
- তরল পদার্থের মধ্যে তা থেকে বেশি।
- কঠিন পদার্থের মধ্যে শব্দের দ্রুতি সবচেয়ে বেশি।

• বায়ু চাপ:
- বায়ু চাপের পরিবর্তনে বাতাসে শব্দের বেগ প্রভাবিত হয় না।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ।
.
ধাতব পদার্থের ক্ষেত্রে উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে সাথে এর রোধ-
  1. কমে যায়
  2. বেড়ে যায়
  3. অপরিবর্তিত থাকে
  4. প্রথমে কমে পরে বাড়ে
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেড়ে যায়
ব্যাখ্যা
 ধাতব পদার্থের উষ্ণতা বৃদ্ধির সাথে এর- বৈদ্যুতিক রোধ বেড়ে যায়।

• বৈদ্যুতিক রোধ:
- বৈদ্যুতিক রোধ (Electrical Resistance) হলো একটি বৈদ্যুতিক সার্কিটে বৈদ্যুতিক প্রবাহের (Electric current) বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার ক্ষমতা।
- এটি এমন একটি উপাদান বা বৈশিষ্ট্য যা একটি পরিবাহকের মাধ্যমে বৈদ্যুতিক প্রবাহ প্রবাহিত হওয়ার সময় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
- বৈদ্যুতিক রোধকে সাধারণত (R) দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
- এর একক হলো ওহম (Ω)।
 - কিন্তু অর্ধপরিবাহীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে তড়িৎ প্রবাহের ক্ষমতা ( পরিবাহকত্ব) বৃদ্ধি পায়।

উল্লেখ্য,
ওহমের সূত্র (Ohm's Law):
V = IR;
এখানে,
V = ভোল্টেজ (Voltage) বা বৈদ্যুতিক বিভব পার্থক্য।
R = রোধ (Resistance)। 
I = প্রবাহ (Current) বা তড়িৎ প্রবাহ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।
.
প্রাচুর্যতার ভিত্তিতে ভূত্বকে কোন মৌলিক পদার্থ সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রয়েছে?
  1. অক্সিজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. আয়রন
  4. সিলিকন
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অক্সিজেন
ব্যাখ্যা
• ভূত্বকের প্রধান উপাদান বা সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় অক্সিজেন।

• প্রাচুর্যতার ভিত্তিতে ভূত্বকে বিভিন্ন মৌলিক পদার্থের পরিমাণ:

- ভূত্বকে অক্সিজেনের পরিমাণ - ৪২.৭%, 
- সিলিকনের পরিমাণ - ২৭.৭%,
- অ্যালুমিনিয়ামের পরিমাণ - ৮.১%,
- লোহা বা আয়রনের পরিমাণ - ৫.১%, 
- ক্যালসিয়ামের পরিমাণ - ৩.৭%
- সোডিয়ামের পরিমাণ - ২.৮%,
- পটাসিয়ামের পরিমাণ - ২.৬% এবং
- ম্যাগনেসিয়ামের পরিমাণ- ২.১%।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, নবম-দশম শ্রেণি।
১০.
আইসোটোনের ক্ষেত্রে কোনটি সঠিক?
  1. প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে
  2. নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
  3. প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
  4. ভরসংখ্যা সমান থাকে
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নিউট্রন সংখ্যা সমান থাকে
ব্যাখ্যা
• আইসোটোন: 
- যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলা হয়। 

• আইসোটোপ: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা একই , কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। 

• আইসোবার: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে। 

• আইসোমার: 
- যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।
১১.
কোনটি ওয়াটার গ্যাস নামে পরিচিত?
  1. হাইড্রোজেন + কার্বন-মনোঅক্সাইড
  2. হাইড্রোজেন + কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  3. মিথেন + হাইড্রোজেন
  4. পানি + কার্বন-ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন + কার্বন-মনোঅক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হাইড্রোজেন + কার্বন-মনোঅক্সাইড
ব্যাখ্যা
• ওয়াটার গ্যাস হলো একটি গ্যাসীয় মিশ্রণ যা হাইড্রোজেন (H₂) এবং কার্বন-মনোঅক্সাইড (CO) দ্বারা গঠিত।

• ওয়াটার গ্যাস:

- এটি সাধারণত কোক বা কোলে স্টিম (বাষ্প) দ্বারা উত্তপ্ত করে প্রস্তুত করা হয়।
- এই প্রতিক্রিয়ার মাধ্যমে কোক বা কাঠের কার্বন গ্যাসের সাথে প্রতিক্রিয়া করে কার্বন-মনোঅক্সাইড এবং হাইড্রোজেন উৎপন্ন করে, যা ওয়াটার গ্যাস হিসেবে পরিচিত।
• রাসায়নিক সমীকরণ:
C (s) + H2O (স্টিম) → CO + H2(ওয়াটার গ্যাস)।

উল্লেখ্য,
কার্বন মনোক্সাইড (CO) খুব বিষাক্ত গ্যাস, এটি নীরব ঘাতক গ্যাস নামে পরিচিত এবং স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। 

উৎস: ব্রিটানিকা।
১২.
স্বর্ণের খাদ বের করার জন্য স্বর্ণকারগণ কোন অ্যাসিড ব্যবহার করে থাকেন?
  1. সালফিউরিক অ্যাসিড
  2. নাইট্রিক অ্যাসিড
  3. হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড
  4. ইথানয়িক অ্যাসিড
সঠিক উত্তর:
নাইট্রিক অ্যাসিড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
নাইট্রিক অ্যাসিড
ব্যাখ্যা
সোনার বিশুদ্ধতা নির্ধারণের জন্য যে অ্যাসিড ব্যবহার করা হয় তা হলো নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO₃)

কীভাবে কাজ করে:
- নাইট্রিক অ্যাসিড অনেক ধাতুর সাথে বিক্রিয়া করে, কিন্তু খাঁটি সোনার সাথে বিক্রিয়া করে না, কারণ সোনা রাসায়নিকভাবে নিষ্ক্রিয়।
- সোনার একটি ছোট নমুনার উপর নাইট্রিক অ্যাসিড প্রয়োগ করা হলে,
- যদি এতে তামা বা রূপার মতো অমিশ্রণ থাকে, তাহলে এগুলো নাইট্রিক অ্যাসিডের সাথে বিক্রিয়া করে গলে যায় এবং বুদবুদ বা রঙের পরিবর্তন দেখা যায়।
- যদি সোনা খাঁটি হয়, তাহলে কোনো প্রতিক্রিয়া হবে না।

উৎস: www.caratlane.com
১৩.
জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে কোন গ্রিনহাউস গ্যাস?
  1. জলীয় বাষ্প
  2. মিথেন
  3. ক্লোরোফ্লোরা কার্বন
  4. কার্বন ডাই-অক্সাইড
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কার্বন ডাই-অক্সাইড
ব্যাখ্যা
• জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে বায়ুমণ্ডলে যে  গ্রিনহাউজ গ্যাসের পরিমাণ সব চাইতে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে তা হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। 

জীবশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে তৈরি  গ্রিনহাউস গ্যাসে,
- কার্বন ডাই অক্সাইড - ৪৯%,
- ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বা সিএফসি - ১৪% ,
- মিথেন - ১৮%,
-নাইট্রাস অক্সাইড - ৬%,
- অন্যান্য গ্যাস - ১৩% থাকে। 
- এদের মধ্যে কলকারখানা ও যানবাহনে জীবাশ্ম জ্বালানি দহনের ফলে কার্বন - ডাই - অক্সাইডের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি বৃদ্ধি পাচ্ছে। 

উৎস: নাসা ওইয়েবসাইট (climate.nasa.gov). 
১৪.
জারন বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়-
  1. অ্যানোডে
  2. ক্যাথোডে
  3. অ্যানোড ও ক্যাথোড উভয়টিতে
  4. কোনটিই নয়
সঠিক উত্তর:
অ্যানোডে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অ্যানোডে
ব্যাখ্যা
জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানোডে

জারণ-বিজারণ বিক্রিয়া:
• জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন ঘটে এবং বিজারণে গ্রহণ হয়।
• যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে জারক (Oxidant) এবং যে বিক্রিয়ক ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে বিজারক (Reductant) বলে।
• জারক অন্যকে জারিত করে এবং নিজে বিজারিত হয়।
• বিজারক অন্যকে বিজারিত করে এবং নিজে জারিত হয়।
• বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় ক্যাথোডে। 
• জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় অ্যানোডে। 

এভাবে মনে রাখতে হবে,
• জারণ = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।
• জারক = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
• বিজারণ = ইলেক্ট্রন গ্রহণ।
• বিজারক = ইলেক্ট্রন ত্যাগ।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর রসায়ন বোর্ড বই
১৫.
K2Cr2O এ Cr এর জারণ সংখ্যা কত?
  1. +7
  2. +4
  3. +5
  4. +6
সঠিক উত্তর:
+6
উত্তর
সঠিক উত্তর:
+6
ব্যাখ্যা
K2Cr2Oএ Cr এর জারণ সংখ্যা - +6।
জারণ সংখ্যা: 
- যৌগের অণুতে কোনো মৌলের জারণ সংখ্যা যৌগে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের জারণ সংখ্যার উপর নির্ভরশীল। 
- যৌগে কোনো একটি মৌলের জারণ সংখ্যা নির্ণয় করার ক্ষেত্রে যৌগের অণুতে উপস্থিত অন্যান্য মৌলের প্রমাণ জারণ সংখ্যা ব্যবহার করা হয়। 
K2Cr2O7 এ Cr এর জারণ সংখ্যা নির্ণয়:
মনে করি, 
K2Cr2O7 যৌগে Cr এর জারণ সংখ্যা = x 
আমরা জানি, K এর প্রমাণ জারণ সংখ্যা +1 এবং O এর প্রমাণ জারণ সংখ্যা -2।
যেহেতু, K2Cr2O7 অণুটি আধান নিরপেক্ষ অণু, সুতরাং K2Cr2O7 অণুতে পরমাণুসমূহের মোট জারণ সংখ্যার মান শূন্য। 
তাহলে, (+1) × 2 + x × 2 + (-2) × 7 = 0 
বা, +2 +2x -14 = 0 
বা, 2x - 12 = 0 
∴ x = +6 
অতএব, K2Cr2O7 যৌগে Mn এর জারণ সংখ্যা +6 । 

উৎস: রসায়ন, নবম-দশম শ্রেণি।

১৬.
এসবেসটস কি?
  1. তেজস্ক্রিয় বালি
  2. লোহার আকরিক
  3. এক ধরনের সার
  4. অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
সঠিক উত্তর:
অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
ব্যাখ্যা
এসবেসটস অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ।

• এসবেসটস:
- এসবেসটস একটি প্রাকৃতিক খনিজ যা ফাইবার বা তন্তুর মতো গঠনযুক্ত এবং বিভিন্ন নির্মাণ ও শিল্প কাজের জন্য ব্যবহৃত হয়।
- এটি প্রধানত তাপ, আগুন, রাসায়নিক ক্ষয়, এবং বিদ্যুৎ পরিবাহিতা প্রতিরোধে কার্যকর।

• এসবেসটসের  বৈশিষ্ট্য:
- উচ্চ তাপ প্রতিরোধ ক্ষমতা: তাপ নিরোধক এবং অগ্নি প্রতিরোধক।
- টেকসই এবং নমনীয়: ফাইবার আকৃতির হওয়ায় এটি শক্তিশালী এবং সহজে গঠিত হয়।

ব্যবহার:
ছাদ, তাপ নিরোধক, পাইপ লাইন এবং ব্রেক প্যাড তৈরিতে।

উৎস: WHO অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৭.
কোন অধাতু বিদ্যুৎ পরিবাহী?
  1. টাইটেনিয়াম
  2. গ্রাফাইট
  3. ক্লোরিন
  4. অক্সিজেন
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
গ্রাফাইট
ব্যাখ্যা
গ্রাফাইট একটি অধাতু হওয়া সত্ত্বেও বিদ্যুৎ পরিবাহী।
অধাতু:
- যেসব মৌলিক পদার্থ সাধারণত নরম, অ-চকচকে, স্বচ্ছ এবং ভঙ্গুর হয়, আঘাত করলে ঝনঝন শব্দ করে না এবং তাপ ও বিদ্যুৎ পরিবাহী নয়, তাদেরকে অধাতু বলে।
- কার্বন, সালফার, ক্লোরিন, হাইড্রোজেন, নাইট্রোজেন, ও অক্সিজেন ইত্যাদি হচ্ছে অধাতু।

কিন্তু,
- কার্বন দানাদার রূপভেদ গ্রাফাইট বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে
- বিদ্যুৎ পরিবহনের সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কারণ হচ্ছে - কার্বন পরমাণুর চারটি যােজ্যতা ইলেক্ট্রনের মধ্যে তিনটি ইলেক্ট্রন তিনটি কার্বন পরমাণুর সাথে বন্ধন সৃষ্টিতে ব্যবহৃত হয়।
- অপর ইলেক্ট্রনটি মুক্ত থাকে।
- এ মুক্ত ইলেক্ট্রনগুলাে গ্রাফাইটের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ পরিবহন করে।

উৎস: নবম - দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও ব্রিটিনিকা।
১৮.
কঁচু খেলে গলা চুলকায় কঁচুতে উপস্থিত কোন যৌগের কারণে?
  1. ক্যালসিয়াম সালফেট
  2. ক্যালসিয়াম অক্সালেট
  3. ম্যগনেসিয়াম অক্সালেট
  4. ক্যালসিয়াম নাইট্রেট
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সালেট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ক্যালসিয়াম অক্সালেট
ব্যাখ্যা
• কঁচুতে ক্যালসিয়াম অক্সালেট থাকার কারণে কঁচু খেলে গলা চুলকায়।

-কচু খাওয়ার পর গলা চুলকানোর প্রধান কারণ হলো এতে থাকা একটি বিশেষ যৌগ ক্যালসিয়াম অক্সালেট (Calcium Oxalate)।
- এই যৌগটি সূক্ষ্ম সূচের মতো স্ফটিক আকারে থাকে, যা মুখ বা গলার সংবেদনশীল টিস্যুকে জ্বালাপোড়া বা চুলকানি অনুভূতি দেয়।

প্রতিকার:
- ভালভাবে রান্না করা: উচ্চ তাপে রান্না করলে বা উপযুক্ত পদ্ধতিতে কচু প্রক্রিয়াজাত করলে ক্যালসিয়াম অক্সালেটের পরিমাণ কমে যায়।
- লেবুর রস বা দই ব্যবহার: খাবারের সাথে লেবুর রস বা দই মিশিয়ে খেলে চুলকানি কম হয়।
- নুন মাখানো: রান্নার আগে কচুতে লবণ মাখিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিলে এই যৌগগুলোর কার্যকারিতা কমে।
- এটি এক ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিক্রিয়া, তবে সঠিক পদ্ধতিতে প্রক্রিয়াজাত করলে সমস্যা এড়ানো যায়।

উৎস: USDA অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৯.
ইউরিয়া সারে কতভাগ নাইট্রোজেন থাকে?
  1. ৪৪%
  2. ৪৬%
  3. ৫৬%
  4. ৬৪%
সঠিক উত্তর:
৪৬%
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪৬%
ব্যাখ্যা
ইউরিয়া সারে মোট ৪৬% নাইট্রোজেন থাকে।

ইউরিয়া:
- ইউরিয়া সারে সাধারণত ৪৬% নাইট্রোজেন থাকে।
-এটি বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত একটি জনপ্রিয় নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার, যা ফসলের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- ইউরিয়া ব্যবহারের মাধ্যমে মাটিতে নাইট্রোজেন সরবরাহ করা হয়, যা উদ্ভিদের বৃদ্ধিতে সহায়ক।

বৈশিষ্ট্য:
- রাসায়নিক গঠন: ইউরিয়ার রাসায়নিক সূত্র হলো CH₄N₂O।
- এটি সহজে দ্রবণীয় এবং দ্রুত উদ্ভিদের শোষণের জন্য প্রস্তুত।
- সঠিক মাত্রায় ইউরিয়া ব্যবহার করলে এটি ফসলের ফলন বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।
- তবে অতিরিক্ত ব্যবহারে মাটির পিএইচ ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।
উল্লেখ্য,
- বাংলাদেশে ইউরিয়া ও অ্যামোনিয়াম সালফেট নাইট্রোজেন জাতীয় সার হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- অ্যামোনিয়াম সালফেটে শতকরা ২০.৫ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।

উৎস: সাধারণ বিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও বিসিআইসি ওয়েবসাইট।
২০.
সাদা ভিট্রিওল এর সংকেত কোনটি?
  1. CuSO4.5H2O
  2. ZnSO4.7H2O
  3. Na2CO3.10H2O
  4. CaSO42.H2O
সঠিক উত্তর:
ZnSO4.7H2O
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ZnSO4.7H2O
ব্যাখ্যা
•সাদা ভিট্রিওলের সংকেত ZnSO4.7H2O।
- সাদা ভিট্রিওল একটি রাসায়নিক যৌগ।
- এটি একটি স্ফটিকাকৃত পদার্থ,
- যা প্রধানত কৃষি, ঔষধ, এবং শিল্প ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।

অন্যদিকে,
• CuSO4.5H2O - ব্লু ভিট্রিওল।
• Na2CO3.10H2O - কাপড় কাঁচা সোডা।
• (CaSO4)2.H2O - জিপসাম (প্ল্যাস্টার অব প্যারিস)।

সূত্র: রসায়ন বিজ্ঞান ৯ম-১০ম শ্রেণি।
২১.
টিউবলাইটে কোন গ্যাস ব্যবহৃত হয়?
  1. নাইট্রোজেন
  2. আর্গন
  3. সোডিয়াম
  4. ক্রিপ্টন
সঠিক উত্তর:
আর্গন
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আর্গন
ব্যাখ্যা
• টিউবলাইটে নিষ্ক্রিয়  গ্যাস হিসেবে আর্গন ব্যবহৃত হয়।
- টিউবলাইটে সাধারণত আর্গন গ্যাস (Argon) এবং সামান্য পরিমাণে পারদ বাষ্প (Mercury vapor) ব্যবহৃত হয়।

আর্গন গ্যাসের অন্যান্য ব্যবহার:
- রসায়ন গবেষণাগারে যেখানে অতি নিষ্ক্রিয় আবহাওয়ার প্রয়োজন হয় সেখানে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
- ঝালাই এর কাজে যেখানে নিষ্ক্রিয় আবহাওয়া প্রয়োজন হয় সেখানে অক্সিজেনের সাথে আর্গন ব্যবহার করা হয়।
- এ্যালুমিনিয়াম এবং মরিচাবিহীন স্টিলের ঝালাই এর কাজে প্রচুর পরিমাণে আর্গন ব্যবহার করা হচ্ছে।
- তেজষ্ক্রিয়তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত গাইগার মূলার কাউন্টারে আর্গন গ্যাস ব্যবহার করা হয়।

উৎস: রসায়ন বই, এসএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২২.
তাপ সঞ্চালনের প্রক্রিয়া কয়টি?
  1. ২ টি
  2. ৩ টি
  3. ৪ টি
  4. ৫ টি
সঠিক উত্তর:
৩ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৩ টি
ব্যাখ্যা
তাপ সঞ্চালন তিন প্রক্রিয়ায় সংঘটিত হয়। 
যথা- 
১। পরিবহন, 
২। পরিচলন ও 
৩। বিকিরণ। 

• বিকিরণ পদ্ধতি: 
- যে প্রক্রিয়ায় তাপ কোনো জড় মাধ্যম ছাড়াই অপেক্ষাকৃত উষ্ণতর স্থান থেকে শীতলতর স্থানে সঞ্চালিত হয় সেই প্রক্রিয়াকে তাপের বিকিরণ বলে। 
- বিকিরণ পদ্ধতিতে যে তাপ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সঞ্চালিত হয় তাকে বিকীর্ণ তাপ বলে। 
- বিকীর্ণ তাপ শক্তি ও আলোক শক্তির মধ্যে সাদৃশ্য বিদ্যমান। 
- তাই সূর্য থেকে তাপ ও আলোক শক্তি তরঙ্গাকারে এক সাথে পৃথিবীতে পৌঁছায়। 

• পরিচলন পদ্ধতি: 
-কোনো পদার্থের অণুগুলি তাপ গ্রহণ করে, উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতর অংশের দিকে অণুগুলি চলাচলের মাধ্যমে তাপের সঞ্চালন ঘটায় এই পদ্ধতিকেই পরিচলন পদ্ধতি বলা হয়। 
- তরল এবং বাষ্পীয় পদার্থের মধ্যে তাপ পরিচলন পদ্ধতির মাধ্যমে সঞ্চালিত হয়। 

• পরিবহন পদ্ধতি: 
-যে পদ্ধতিতে পদার্থের অণুগুলি তাদের স্থান পরিবর্তন করে না, শুধুমাত্র অণুগুলি স্পন্দনের মাধ্যমে এক অণু পার্শ্ববর্তী অণুকে তাপ প্রদান করে। এভাবেই পদার্থের উষ্ণতর অংশ থেকে শীতলতম অংশের দিকে তাপ সঞ্চালিত হওয়াকে পরিবহন বলা হয়। 
- কঠিন বস্তুতে পরিবহন পদ্ধতিতে তাপ সঞ্চালিত হয়। 

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি এবং পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।