পরীক্ষা আর্কাইভ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

পরীক্ষা১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতিতারিখতারিখ অনির্ধারিতসময়20 minutes
মোট প্রশ্ন৩৮
সিলেবাস
"পরীক্ষা - ৩১: বিষয় - আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি টপিক - আন্তর্জাতিক সংগঠন এবং বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান i) আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা ও জোট [EU, Commonwealth, NAM, OIC, African Union, APEC, Arab League, ASEAN, BENELUX, BIMSTEC, BRICS, CIRDAP, G-7, D-8, G-20, G-77, GCC, OPEC, SAARC, ECO, OECD, ADB, AIIB, NDB, IDB, RCEP, WEF, ICC, AFTA, EFTA, NAFTA, APTA, COMESA, MERCOSUR] ii) আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা [Red Cross, Rotary International, অক্সফাম, Amnesty Int., অরবিস, TI, হিম্যান রাইটস্‌ ওয়াচ, Boy Scouts, CARE, স্মাইল ট্রেন, সেইভ দ্যা চিলড্রেন, Lions Club - সহ বিখ্যাত এন.জি.ও এবং স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।] এবং বিষয় - সাধারণ বিজ্ঞান টপিক - আধুনিক বিজ্ঞান ১. পৃথিবী সৃষ্টির ইতিহাস, মহাকর্ষ-অভিকর্ষ, কসমিক রে, ব্লাক হোল, হিগের কণা, ডায়োড, ট্রানজিস্টর, আইসি, আপেক্ষিক তত্ত্ব, ফোটন কণা, বিভিন্ন রশ্মি ও তার ব্যবহার, ইলেক্ট্রনিক্স, মহাকাশ ও জ্যাতির্বিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থ বিজ্ঞান ইত্যাদি। ২. বায়ুমণ্ডল, বারিমণ্ডল, টাইড, টেকটোনিক প্লেট, সাইক্লোন, সুনামি, বিবর্তন, সামুদ্রিক জীবন, জোয়ার-ভাটা, জীব-বৈচিত্র, পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর উপাদান ও এর ব্যবহার, আধুনিক ভূগোল সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয়।"
ঘনত্ব
উত্তর
উত্তরিতবর্তমানপুনরায় দেখুনঅসম্পূর্ণ

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি

১৪০ দিনে ৫১তম বিসিএস প্রস্তুতি · তারিখ অনির্ধারিত · ৩৮ প্রশ্ন

.
সর্বশেষ NAM সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. উগান্ডা
  2. সামোয়া
  3. গ্যাবন
  4. টঙ্গো
সঠিক উত্তর:
উগান্ডা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
উগান্ডা
ব্যাখ্যা
NAM:
- NAM-এর প্রথম সম্মেলন বান্দুং সম্মেলন বেলগ্রেডে ১৯৬১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- NAM এর পূর্ণরূপ- The Non-Aligned Movement.
- NAM-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২১টি ।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে সদস্যপদ লাভ করে।
- ৪ বছর পরপর NAM-এর শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- NAM-এর পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র সংখ্যা ১৭টি এবং সংস্থা ১০ টি।
- ২০২৪ সালে ১৫ - ২০ জানুয়ারি উগান্ডার কাম্পালায় NAM এর ১৯ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- বর্তমান চেয়ারম্যান দেশ - উগান্ডা (২০২৪ - ২০২৭)।
- NAM-এর কোনো সদর দপ্তর নেই।

উৎস: Worldatlas & ব্রিটানিকা।
.
রোটারি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠিত হয়-
  1. ১৯০০ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৮৯৫ সালে
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৯০৫ সালে
ব্যাখ্যা
Rotary International:
- রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ব্যবসায়ী, শিল্পপতি ও পেশাজীবীদের একটি সংগঠন। এটি ব্যবসায়ী ও পেশাজীবীদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন সৃষ্টি এবং সহযোগিতার মাধ্যমে মানবকল্যাণ সাধনের উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত।
- প্রতিষ্ঠাকাল - ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৫ সাল।
- প্রতিষ্ঠার স্থান - শিকাগো, যুক্তরাষ্ট্র।
- সদর দপ্তর - ইভানস্টন, ইলিনয়, যুক্তরাষ্ট্র।
- প্রতিষ্ঠাতা - পল হ্যারিস (শিকাগোর সাবেক অ্যাটর্নি)।
- রোটারি ক্লাব ৩টি অংশের সমন্বয়ে গঠিত। যথা - Clubs, Rotary International এবং The Rotary Foundation।

উৎস: Rotary International ওয়েবসাইট।
.
সেইভ দ্য চিলড্রেনের প্রতিষ্ঠাতা -
  1. পল হ্যারিস
  2. হেনরি ডুনান্ট
  3. এগল্যান্টাইন জেব
  4. পিটার এইজেন
সঠিক উত্তর:
এগল্যান্টাইন জেব
উত্তর
সঠিক উত্তর:
এগল্যান্টাইন জেব
ব্যাখ্যা
সেইভ দ্য চিলড্রেন:
- যুক্তরাজ্য ভিত্তিক প্রতিষ্ঠান।
- একটি সুস্থ, নিরাপদ, পারিবারিক ও সামাজিক পরিবেশে শিশুদের বেড়ে ওঠা, সকল প্রকার দুর্যোগ থেকে শিশুদের রক্ষা করা এবং শিশুর সার্বিক উন্নয়নে বিনিয়োগ এর উদ্দেশ্যে কাজ করে।
- ১৯১৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- সমাজসেবী এগল্যান্টাইন জেব সেইভ দ্য চিলড্রেন প্রতিষ্ঠা করেন।
- বর্তমানে ১২০টি দেশে এর কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
- বিশ্বব্যাপী সেভ দ্যা চিলড্রেন আন্দোলনের অংশ হিসেবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সেভ দ্য চিলড্রেন সংস্থা গড়ে উঠে।
- বর্তমানে সেভ দ্যা চিলড্রেন এলায়েন্স বা জোট হিসেবে শিশুকল্যাণে নিয়োজিত।
- বিশ্বব্যাপী ৩০টি দেশ সেভ দ্যা চিলড্রেন এলায়েন্স এর সদস্য।

উল্লেখ্য,
পিটার এইজেন - ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিষ্ঠাতা।
পল হ্যারিস - রোটারি ইন্টারন্যাশনাল এর প্রতিষ্ঠাতা।
হেনরি ডুনান্ট - রেড ক্রস এর প্রতিষ্ঠাতা।

উৎস- প্রতিষ্ঠানের এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
.
সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?
  1. দিল্লি
  2. পাকিস্তান
  3. নেপাল
  4. শ্রীলংকা
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
শ্রীলংকা
ব্যাখ্যা
SAARC:
- SAARC এর পূর্ণরুপ- South Asian Association for Regional Co-operation
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে (ঢাকায়)।
- ১৭ জানুয়ারী, ১৯৮৭ সালে কাঠমান্ডুতে SAARC এর সচিবালয় স্থাপিত হয়।
- সার্ক আটটি সদস্য রাষ্ট্র নিয়ে গঠিত: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত, মালদ্বীপ, নেপাল, পাকিস্তান এবং শ্রীলঙ্কা।
- সচিবালয়- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্কভুক্ত দেশের সংখ্যা- ৮ টি। 
- সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান।
- সার্কের প্রথম মহাসচিব ছিলেন - আবুল আহসান।

- বর্তমান মহাসচিব - গোলাম সারওয়ার (১৩ জুলাই ২০২৩ – বর্তমান)।
- ২০০৬ সালের অক্টোবরে ভারতের নয়াদিল্লিতে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- তবে ২০১৬ সালে সার্ক আবহাওয়া কেন্দ্র, সার্ক বন কেন্দ্র এবং সার্ক উপকূলীয় অঞ্চল ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রকে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রের সাথে একীভূত করা হয়।
- তখন এটির কার্যালয় নয়াদিল্লি থেকে গুজরাটের গান্ধীনগরে স্থানান্তর করা হয়।
- বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

• সার্কের আঞ্চলিক কেন্দ্রেসমূহ:
- সার্ক কৃষি কেন্দ্র- ঢাকা, বাংলাদেশ।
- সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র- কাঠমান্ডু, নেপাল।
- সার্ক  সাংস্কৃতিক কেন্দ্র- কলম্বো, শ্রীলঙ্কা।
- সার্ক জ্বালানি কেন্দ্র- ইসলামাবাদ, পাকিস্তান।

উৎস: সার্ক ওয়েবসাইট
.
D-8 এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. ইস্তাম্বুল
  2. ঢাকা
  3. করাচি
  4. জাকার্তা
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ইস্তাম্বুল
ব্যাখ্যা
D-8 (Developing-8):
- পূর্ণনাম: D-8 Organization for Economic Cooperation.
- প্রতিষ্ঠা: ১৫ জুন, ১৯৯৭।
- প্রতিষ্ঠার স্থান: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- সদর দপ্তর: ইস্তাম্বুল, তুরস্ক।
- সদস্য: ৮টি দেশ; বাংলাদেশ, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্ক।
- বর্তমান মহাসচিব - Isiaka Abdulqadir Imam ( নাইজেরিয়া )।
- Istanbul Declaration -এর মাধ্যমে D-8 প্রতিষ্ঠিত হয়।

উৎস:
D-8 ওয়েবসাইট।
.
আসিয়ান দিবস পালিত হয়-
  1. ৮ আগস্ট
  2. ৯ আগস্ট
  3. ১০ আগস্ট
  4. ১৫ আগস্ট
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৮ আগস্ট
ব্যাখ্যা
আসিয়ান:
- আসিয়ান এর পূর্ণরূপ - ‘Association of Southeast Asian Nations’ বা ‘দক্ষিণ পূর্ব এশীয় জাতিসমূহের সংস্থা’। 
- প্রতিষ্ঠাকাল - ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ সালে।
- প্রতিষ্ঠার স্থান - ব্যাংকক, থাইল্যান্ড। 
- সদস্য সংখ্যা - ১০টি দেশ।
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য - ৫টি দেশ (ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ড)
- সদর দপ্তর - জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
- মূলমন্ত্র/Motto - “One Vision, One Identity, One Community”.
- আসিয়ান দিবস পালিত হয় - ৮  ই আগস্ট।

উৎস: আসিয়ানের ওয়েবসাইট।[লিঙ্ক]
.
AIIB এর সদরদপ্তর চীনের কোন শহরে অবস্থিত?
  1. সাংহাই
  2. বেইজিং
  3. হংকং
  4. মেকাও
সঠিক উত্তর:
বেইজিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বেইজিং
ব্যাখ্যা
AIIB:
- পূর্ণরূপ The Asian Infrastructure Investment Bank.
- এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট চীনের জিন লিকুয়ান।
- তিনি ২৮ জুলাই, ২০২০-এ তিনি পাঁচ বছরের দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হন।
- AIIB চীনের উদ্যোগে ২০১৬ সালের জানুয়ারি থেকে কর্মকাণ্ড শুরু করে।
- AIIB এর সদরদপ্তর বেইজিং এ অবস্থিত
- AIIB কে ‘চীনের বিশ্বব্যাংক' হিসেবে অভিহিত করা হয়।

উৎস: AIIB website.
.
ইসলামিক উন্নয়ন ব্যাংক এর সদস্য দেশ কয়টি?(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ৫৫ টি
  2. ৫৬ টি
  3. ৫৮ টি
  4. ৫৭ টি
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৫৭ টি
ব্যাখ্যা
Islamic Development Bank (IDB):
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- ১৯৭৩ সালের ডিসেম্বর মাসে সৌদি আরবের জেদ্দায় অনুষ্ঠিত মুসলিম দেশগুলোর অর্থমন্ত্রীদের প্রথম সম্মেলনে IDB গঠনের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
- ১৯৭৪ সালের ১২ আগস্ট IDB জেদ্দায় ওআইসি অর্থমন্ত্রীদের দ্বিতীয় সম্মেলনে IDB এর আর্টিকেল অব অ্যাগ্রিমেন্টস গৃহীত হয়।
- ১৯৭৫ সালের জুলাই মাসে IDB এর বোর্ড অব গভর্নরস এর প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৯৭৫ সালের ২০ অক্টোবর (১৫ শাওয়াল ১৩৯৩ হিজরি) IDB আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১২ আগস্ট IDB তে যোগ দেয়।
- IDB এর সদস্যপদ লাভের পূর্বশর্ত হলো ওআইসি এর সদস্য হওয়া।
- IDB এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ সুলায়মান আল জাসের।

উৎস: IDB ওয়েবসাইট।
.
ব্রিকস এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট দেশ - (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. রাশিয়া
  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. ভারত
  4. চীন
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রাশিয়া
ব্যাখ্যা
ব্রিকস:
• ২০০৮ সালের ১৬ মে ব্রিকস (BRICS) গঠিত হয়।
• এটি একটি অর্থনৈতিক জোট।
• ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকার এই ৫টি উদীয়মান অর্থনীতির দেশ নিয়ে গঠিত হয় ব্রিকস।
• ব্রিকসের কোনো সদরদপ্তর নেই।
• ১৫তম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে।
১৬ তম ব্রিকস সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে রাশিয়ায় এবং ব্রিকস এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট দেশ রাশিয়া।
• ব্রিকস কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক হলো - 'নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক'।
• ব্রিকসের সম্মেলনে আমন্ত্রণ পাওয়া দেশ ছয়টি হলো - আর্জেন্টিনা, মিশর, ইথিওপিয়া, ইরান, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত।

উৎস: ব্রিকসের ওয়েবসাইট ও প্রথম আলো পত্রিকা রিপোর্ট।
১০.
নিচের কোন দেশটি পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থার সদস্য নয়?(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  2. সৈদি আরব
  3. কাতার
  4. মিশর
সঠিক উত্তর:
মিশর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
মিশর
ব্যাখ্যা
* মিশর GCC এর সদস্য নয়।

GCC:

- GCC এর পূর্ণরূপ- Gulf Cooperation Council.
- GCC হলো পারস্য উপসাগর তীরবর্তী আরব উপদ্বীপের দেশগুলোর একটি রাজনৈতিক ও অর্থনেতিক জোট।
- এটি ১৯৮১ সালের ২৫ মে আবুধাবি, সংযুক্ত আরব আমিরাতে গঠিত হয়।
- এর সদরদপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে অবস্থিত।

• এর সদস্য ৬টি যথা:
১. সৌদি আরব,
২. সংযুক্ত আরব আমিরাত,
৩. কাতার,
৪. কুয়েত,
৫. বাহরাইন এবং
৬. ওমান।

উৎস: GCC ওয়েবসাইট।
১১.
২০২৪ জি-২০ সম্মেলন এর নেতৃত্ব দিবে -(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ব্রাজিল
  2. কানাডা
  3. জার্মানি
  4. ভারত
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ব্রাজিল
ব্যাখ্যা
G-20:
- G-20 ১৯৯৯ সালে এশিয়ান আর্থিক সংকটের পরে অর্থমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরদের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক সমস্যা নিয়ে আলোচনার জন্য একটি ফোরাম হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
- ২০০৭ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক সংকটের পরিপ্রেক্ষিতে G20-কে রাষ্ট্রপ্রধান/সরকার প্রধানদের স্তরে উন্নীত করা হয়।
- ২০০৯ সালে "আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য প্রধান ফোরাম" মনোনীত করা হয়।
- G-20 শীর্ষ সম্মেলন প্রতি বছর একটি ঘূর্ণায়মান প্রেসিডেন্সির নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
- G-20 ১৯টি দেশ নিয়ে গঠিত (আর্জেন্টিনা, অস্ট্রেলিয়া, ব্রাজিল, কানাডা, চীন, ফ্রান্স, জার্মানি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইতালি, জাপান, কোরিয়া প্রজাতন্ত্র, মেক্সিকো, রাশিয়া, সৌদি আরব, দক্ষিণ আফ্রিকা, তুর্কি,যুক্তরাজ্য, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। দুটি সংগঠন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- G-20 এর ২১ তম সদস্য আফ্রিকান ইউনিয়ন।
- ১৬তম G-20 সম্মেলন ২০২১ ইতালির রোম শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭তম সম্মেলন ২০২২ সালে : বালি, ইন্দোনেশিয়ায়।
- ১৮তম সম্মেলন : ২০২৩ সালে ভারতে।
- ১৯তম সম্মেলন : ২০২৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত হবে।
- প্রথম G-20 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ২০০৮ সালের ১৪-১৫ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি শহরে।

উৎস: G-20 ওয়েবসাইট।
১২.
বাংলাদেশ নিচের কোন অর্থনৈতিক সংস্থার সদস্য নয়?(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. IDB
  2. AIIB
  3. ADB
  4. ECO
সঠিক উত্তর:
ECO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ECO
ব্যাখ্যা
* বাংলাদেশ ECO এর সদস্য নয়।

ECO:

- ECO -এর পূর্ণরূপ The Economic Cooperation Organization.
- ECO একটি অর্থনৈতিক সহযোগী সংস্থা।
- প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।
- এর সদস্য দেশ ১০টি।
- সদস্য দেশ : আফগানিস্তান, আজারবাইজান, ইরান, তুরস্ক, পাকিস্তান, কাজাখস্তান, কিরগিস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান ও উজবেকিস্তান।
- Economic Cooperation Organization -এর সদর দপ্তর ইরানের তেহেরানে অবস্থিত।

* বাংলাদেশ ADB এর সদস্য হয় ১৯৭৩ সালে।
* বাংলাদেশ AIIB এর প্রতিষ্ঠাকালীন(২০১৬) সদস্য।
* বাংলাদেশ IDB এর সদস্য হয় ১৯৭৪ সালে।

উৎস- ECO -এর ওয়েবসাইট।
১৩.
NDB এর বর্তমান সভাপতি -(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ঋষি সুনাক
  2. ইব্রাহিম তাহা
  3. দিলমা রুসেফ
  4. তেনজিন লেকফেল
সঠিক উত্তর:
দিলমা রুসেফ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
দিলমা রুসেফ
ব্যাখ্যা
New Development Bank:
- এটি একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
- নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এনডিবি) ব্রিকস দেশসমূহ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত একটি বহুমুখী উন্নয়ন ব্যাংক।
- পূর্বে ব্যাংকটি 'ব্রিকস ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক' নামে পরিচিত ছিল।
- সদর দপ্তর: সাংহাই, চীন।
- বর্তমান সদস্য: ৮টি।
- সর্বশেষ সদস্য মিশর।
- দাপ্তরিক ভাষা: ইংরেজি।
- বর্তমান সভাপতি: দিলমা রুসেফ।
- ২০২৪ সালে NDB এর বার্ষিক সমাবেশ দক্ষিণ আফ্রিকায় অনুষ্ঠিত হয়।

উৎস: New Development Bank ওয়েবসাইট।
১৪.
কোন চুক্তি NAFTA চুক্তির স্থলাভিষিক্ত হয়?
  1. SHAFTA
  2. MCAUS
  3. USMCA
  4. CAMUS
সঠিক উত্তর:
USMCA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
USMCA
ব্যাখ্যা
NAFTA:
- NAFTA এর পূর্ণরূপ The North American Free Trade Agreement.
- এটি হলো উত্তর আমেরিকা অঞ্চলের তিনটি দেশের মধ্যে স্বাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- দেশগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো।
- ১৯৯২ সালের ১৭ ডিসেম্বর, NAFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিলো।
- চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৯৯৪ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
- ২০১৮ সালের ৩০ নভেম্বর, NAFTA চুক্তির স্থলে USMCA (The United States-Mexico-Canada Agreement) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ২০২০ সালের ১ জুলাই, USMCA (The United States-Mexico-Canada Agreement) চুক্তি NAFTA চুক্তির স্থলাভিষিক্ত হয়।

উৎস- মার্কিন সরকারি ওয়েবসাইট, britannica।
১৫.
অ্যাঙ্গোলা ওপেক থেকে বের হয়-
  1. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২৪
  3. ১১ জানুয়ারি, ২০২৪
  4. ২৯ জানুয়ারি, ২০২৪
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৪
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১ জানুয়ারি, ২০২৪
ব্যাখ্যা
OPEC:
- OPEC এর পূর্ণরূপ Organization of the Petroleum Exporting Countries.
- OPEC তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন।
- বাগদাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ১৯৬০ সালে OPEC প্রতিষ্ঠিত হয়।
- OPEC এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনাতে অবস্থিত।
- OPEC এর বর্তমান সদস্য দেশ ১২টি।
- সর্বশেষ অ্যাঙ্গোলা ১ জানুয়ারি, ২০২৪ সালে OPEC ত্যাগ করে।
- সদস্য দেশ: আলজেরিয়া, কঙ্গো, গিনি, গ্যাবন, ইরান, ইরাক, কুয়েত, লিবিয়া, নাইজেরিয়া, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ভেনেজুয়েলা।

উৎস- OPEC অফিসিয়াল ওয়েবসাইট।
১৬.
আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে স্বাক্ষরিত বাণিজ্য চুক্তি কোনটি?
  1. SAFTA
  2. APTA
  3. AFTA
  4. LAFTA
সঠিক উত্তর:
AFTA
উত্তর
সঠিক উত্তর:
AFTA
ব্যাখ্যা
AFTA:
- এর পূর্ণরূপ হলো ASEAN Free Trade Area.
- AFTA হলো আসিয়ানভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে সাক্ষরিত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। ১৯৯২ সালের ২৮ জানুয়ারি, চতুর্থ আসিয়ান সামিটে AFTA চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যা ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি, কার্যকর হয়।

• AFTA এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো:
- মালয়েশিয়া
- ইন্দোনেশিয়া
- ফিলিপাইন
- সিঙ্গাপুর
- ভিয়েতনাম
- কম্বোডিয়া
- লাওস
- থাইল্যান্ড
- ব্রুনাই এবং
- মায়ানমার।

উৎস: আসিয়ান ওয়েবসাইট।
১৭.
কোন এশীয় দেশ G -7 এর সদস্য? (সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ভারত
  2. জাপান
  3. চীন
  4. সিঙ্গাপুর
সঠিক উত্তর:
জাপান
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জাপান
ব্যাখ্যা
G-7:
- G-7 এর পূর্ণরূপ: Group of Seven.
- এটি বিশ্বের শিল্পোন্নত ৭টি দেশের আন্তঃরাষ্ট্রীয় জোট।
- প্রতিষ্ঠিত হয়: নভেম্বর, ১৯৭৫ সাল।
- জি-৭ গঠনের প্রস্তাবক দেশ ছিল ফ্রান্স।
- G-7 এর বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র ৭টি।
- জি-৭ এর বর্তমান সদস্য দেশ গুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান ও কানাডা।
- এই সংস্থার একমাত্র এশীয় দেশ জাপান।
- পূর্বে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৮টি।
- তবে ২০১৪ সালে ক্রিমিয়া ইস্যুতে রাশিয়ার সদস্যপদ স্থগিত থাকায় বর্তমানে এটি G-7 নামে পরিচিত।

উৎস: G-7 ওয়েবসাইট।
১৮.
RCEP এর সদস্যদেশ কয়টি?(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. ১০ টি
  2. ১২ টি
  3. ১৪ টি
  4. ১৫ টি
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
১৫ টি
ব্যাখ্যা
 Regional Comprehensive Economic Partnership:
- Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হলো Association of Southeast Asian Nations (ASEAN) এর সদস্য রাষ্ট্র এবং এর মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) অংশীদারদের মধ্যে একটি বাণিজ্য চুক্তি।
- The Regional Comprehensive Economic Partnership (RCEP) হলো বিশ্বের বৃহত্তম আঞ্চলিক মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি।
- এটি ২০২০ সালের ১৫ নভেম্বর,স্বাক্ষরিত হয় এবং ১ জানুয়ারি, ২০২২ থেকে কার্যকর হয়।
- চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত দেশ হলো ১৫টি। ASEAN ভুক্ত ১০টি দেশ; ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, ইন্দোনেশিয়া, লাওস, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম এবং তাদের FTA অংশীদার অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ কোরিয়া ও চীন।

উৎস: বিবিসি ওয়ার্ল্ড এবং আসিয়ান ওয়েবসাইট।
১৯.
ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরাম এর সদরদপ্তর কোথায় অবস্থিত?
  1. জেনেভা
  2. ভিয়েনা
  3. প্যারিস
  4. নিউ ইয়র্ক
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জেনেভা
ব্যাখ্যা
WEF:
- WEF Stands for World Economic Forum.
- এটি জেনেভা ভিত্তিক অলাভজনক সংস্থা।
- World Economic Forum (WEF) ১৯৭১ সালের জানুয়ারিতে প্রতিষ্ঠিত হয়।
- এটির প্রতিষ্ঠাতা ও বর্তমান নির্বাহী চেয়ারম্যান জার্মান অধ্যাপক ক্লাউস সোয়েব।
- শুরুতে এটির নাম ছিলো European Management Forum যা ১৯৮৭ সালে World Economic Forum নামধারণ করে।
- বিশেষ করে প্রতি বছর সুইজারল্যান্ড এর ডাভোসে এর সভা অনুষ্ঠানের জন্য সংগঠনটি পরিচিত।
- এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভাতে অবস্থিত। 
- সর্বশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয় ২০২৪ সালের ১৫ - ১৯ জানুয়ারি। 

উৎস- WEF এর ওয়েবসাইট।
২০.
২৭ তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?(সেপ্টেম্বর, ২০২৪)
  1. অষ্ট্রিয়া
  2. প্যারিস
  3. রুয়ান্ডা
  4. সামোয়া
সঠিক উত্তর:
সামোয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সামোয়া
ব্যাখ্যা
কমনওয়েলথ (Commonwealth):
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়। 
- কমনওয়েলথ এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ গ্যাবন ও টোগো।
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ না হয়েও কোন দেশগুলো কমনওয়েলথের সদস্য- রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, গ্যাবন ও টোগো।
- ব্রিটিশ সাম্রাজ্যভুক্ত যুক্তরাষ্ট্র, মিশর, সুদান, ক্যামেরুন, জর্ডান, ইরাক, মিয়ানমার, ফিলস্তিন এই সংস্থায় যোগ দেয়নি।
- ২৪-২৫ জুন ২০২২ সালে ২৬তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় – কিগালি, রুয়ান্ডা।
- ২৭তম কমনওয়েলথ শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে – সামোয়া (২১ - ২৬ অক্টোবর, ২০২৪)।

উৎস: কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট
২১.
অক্সফাম এর সদর দপ্তর-
  1. লন্ডন
  2. ফিনল্যান্ড
  3. সুইজারল্যান্ড
  4. কেনিয়া
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
উত্তর
সঠিক উত্তর:
কেনিয়া
ব্যাখ্যা
Oxfam International:
- অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল যুক্তরাজ্য ভিত্তিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা।
- 'অক্সফাম' নামটি ১৯৪২ সালে ব্রিটেনে প্রতিষ্ঠিত অক্সফোর্ড কমিটি ফর ফামিন রিলিফ থেকে এসেছে।
- অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল ১৯৯৫ সালে একটি স্বাধীন বেসরকারী সংস্থার দ্বারা গঠিত হয়েছিল
- এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত। 
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদরদপ্তর ছিল ব্রিটেনে।
- অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল বেসরকারীভাবে অর্থায়িত আন্তর্জাতিক সংস্থা।
- এটি বিশ্বব্যাপী দরিদ্র বা দুর্যোগ-পীড়িত সম্প্রদায়ের জন্য ত্রাণ ও উন্নয়ন সহায়তা প্রদান করে।
 
উৎস- অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল এর ওয়েবসাইট।
২২.
কোন সংস্থার উদ্যোগে সিরডাপ প্রতিষ্ঠিত হয়?
  1. WEF
  2. WHO
  3. FAO
  4. WTO
সঠিক উত্তর:
FAO
উত্তর
সঠিক উত্তর:
FAO
ব্যাখ্যা
CIRDAP:
- CIRDAP এর পূর্ণরূপ The Centre on Integrated Rural Development for Asia and the Pacific
- 'বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা'র (FAO) উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ১৯৭৯ সালে।
- প্রতিষ্ঠাকালীন মূল সদস্য দেশ ছিল ৬ টি।
- বর্তমানে এই সংস্থার সদস্য সংখ্যা ১৫টি।
- সদস্য দেশগুলো হলো: আফগানিস্তান, বাংলাদেশ (হোস্ট স্টেট), ফিজি, ভারত, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, লাও পিডিআর, মালয়েশিয়া, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড এবং ভিয়েতনাম। 
- CIRDAP এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় (চামেলি হাউজে) অবস্থিত।

উৎস: সিরডাপের ওয়েবসাইট
২৩.
বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন স্তরের শেষ সীমাকে কী বলে?
  1. ট্রপোপজ
  2. এক্সোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোপজ
  4. এট্রোপজ
সঠিক উত্তর:
ট্রপোপজ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
ট্রপোপজ
ব্যাখ্যা
• বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন স্তর ট্রপোমন্ডল। ট্রপোমন্ডলের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

• ট্রপোমন্ডল:
- ট্রপোমন্ডল বায়ুমন্ডলের সর্বনিম্ন অর্থাৎ ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন স্তর।
- ভূ-পৃষ্ঠ সংলগ্ন হওয়ায় এ স্তর জীবজগতের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
- মেরু এলাকায় এ স্তরের গভীরতা প্রায় ৮ কিলোমিটার এবং নিরক্ষীয় এলাকায় ১৬ থেকে ১৯ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর গড় গভীরতা প্রায় ১৫ কিলোমিটার।
- এ স্তরের জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা অশান্ত বায়ুর সাথে মিশ্রিত হয়ে মেঘ, ঝড়, বৃষ্টি, বজ্রবিদ্যুৎ প্রভৃতি সৃষ্টি করে।
- এ স্তরে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে উপরের দিকে তাপমাত্রা ক্রমাগত হ্রাস পেতে থাকে।
- উষ্ণতা হ্রাসের এ হার প্রতি কিলোমিটারে ৬.৫° সেলসিয়াস যা স্বাভাবিক তাপ হ্রাস হার (Normal Lapse Rate বা Environmental Lapse) নামে পরিচিত।
- ট্রপোমন্ডলে বায়ুর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি।
- এ স্তরের শেষ সীমাকে ট্রপোবিরতি (Tropopause) বলে।

উৎস: ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৪.
কোয়ান্টাম মেকানিক্সে Zero-point energy কী?
  1. বস্তু বা কণার সর্বাধিক শক্তি
  2. কোন কণার ইলেকট্রন হারানো
  3. বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি
  4. পরমাণুর ভাঙ্গনের সময় উৎপন্ন শক্তি
সঠিক উত্তর:
বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি
ব্যাখ্যা
• কোয়ান্টাম মেকানিক্সে Zero-point energy বলতে বোঝায় বস্তু বা কণার সবচেয়ে কম গতিশীল শক্তি।

• কোয়ান্টাম তত্ত্ব:

- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের সূচনা হয় ম্যাক্স প্ল্যাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কারের মাধ্যমে।
- এই তত্ত্বের সাহায্যে তিনি কালো বস্তুর বিকিরণের শক্তি কোয়ান্টায়নের কথা বলেন।
- কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কারের ফলে ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া, দ্য ব্রগলি তরঙ্গ, কম্পটন প্রভাব ব্যাখ্যা করা সম্ভব হয়।
- ১৯০০ সালে ম্যাক্স প্ল্যাঙ্ক কোয়ান্টাম তত্ত্ব আবিষ্কার করেন।
- ১৯০৫ সালে আইনষ্টাইনের আপেক্ষিকতা তত্ত্ব প্রবর্তিত হয়।
- আইনষ্টাইন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাহায্যে ভর ও শক্তির, E = mc2 বিখ্যাত সম্পর্কটি বের করেন।
- আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা হলো - কোয়ান্টাম পদার্থবিদ্যা, আপেক্ষিকতা তত্ত্ব, পারমাণবিক পদার্থবিজ্ঞান, নিউক্লিয় পদার্থবিজ্ঞান ইত্যাদি।

উৎস:
১. ব্রিটানিকা। [লিঙ্ক]
২.পদার্থবিজ্ঞান দ্বিতীয় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, ড. শাহজাহান তপন।
২৫.
তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে কোন রশ্মি নির্গত হয়?
  1. আলফা
  2. বিটা
  3. গামা
  4. সবগুলোই
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সবগুলোই
ব্যাখ্যা
• তেজস্ক্রিয়তা:
- বিজ্ঞানী হেনরি বেকরেল ১৮৯৬ সালে তেজস্ক্রিয়তা আবিষ্কার করেন।
- ১৯০০ খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী রাদারফোর্ড এবং ভিলার্ড পরীক্ষার মাধ্যমে দেখান যে, তেজস্ক্রিয় পদার্থ হতে তিন প্রকার রশ্মি নির্গত হয়। যথা-
১. আলফা রশ্মি,
২. বিটা রশ্মি এবং
৩. গামা রশ্মি।

• তেজস্ক্রিয়তার বৈশিষ্ট্যসমূহ:
- যে সকল মৌলের পারমাণবিক ওজন ২০৬ এর অধিক, সে সকল পদার্থ তেজস্ক্রিয়তা প্রদর্শন করে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি স্বতঃস্ফূর্ত ঘটনা।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি অবিরাম প্রক্রিয়া।
- তেজস্ক্রিয় রশ্মি বা কণা ধনাত্মক চার্জ যুক্ত, ঋণাত্মক চার্জ যুক্ত এবং চার্জ নিরপেক্ষ হতে পারে।
- তেজস্ক্রিয়তা একটি নিউক্লিয়ার ঘটনা ।
- তেজস্ক্রিয়তার ফলে নতুন মৌলের সৃষ্টি হয় যেমন- রেডিয়াম হতে হিলিয়াম ও র‍্যাডন সৃষ্টি হয়।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৬.
পৃথিবী আপন কক্ষপথে কত ডিগ্রি কোণে হেলে আছে?
  1. ৫৩.৫°
  2. ৫৫.৫°
  3. ৪৬.৫°
  4. ৬৬.৫°
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৬৬.৫°
ব্যাখ্যা
• পৃথিবী আপন কক্ষপথে ৬৬.৫°কোণে হেলে আছে।

- পৃথিবী নিজ অক্ষে ২৩.৫° কোণে হেলে আছে।
- আহ্নিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির সংঘটন, বায়ুপ্রবাহ ও সমুদ্রস্রোত সৃষ্টি এবং তাপমাত্রার তারতম্য ঘটে।
- বার্ষিক গতির ফলে দিবা-রাত্রির হ্রাস ও ঋতু পরিবর্তন সংঘটিত হয়।
- ২১শে মার্চ পৃথিবীর সর্বত্র দিন-রাত্রি সমান হয়।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৭.
'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন কে?
  1. স্টিফেন হকিং
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. টলেমি
  4. জি ল্যামেটার
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্টিফেন হকিং
ব্যাখ্যা
• 'Big Bang' তত্ত্বের আধুনিক ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।

- মহাবিশ্ব একটি বিন্দুতে ছিল, হঠাৎ এক মহা বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই মহাবিশ্বের সৃষ্টি হয় এটি বিগ ব্যাং থিওরি নামে পরিচিত।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার (১৯২৭ সাল)। জি ল্যামেটার বেলজিয়ামের বিজ্ঞানী।

• স্টিফেন হকিং:
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা উপস্থাপন করেন – স্টিফেন হকিং।
- স্টিফেন হকিং বিশ্বের একজন প্রথিতযশা পদার্থবিজ্ঞানী।
- বিগ ব্যাং তত্ত্বের ব্যাখ্যা সংম্বলিত স্টিফেন হকিং এর বিখ্যাত বই – A Brief History of Time।
- তাই বিগ ব্যাং তত্ত্বের প্রবক্তা জি ল্যামেটার এবং বিগ ব্যাং (Big Bang) তত্ত্বের আধুনিক তত্ত্ব ব্যাখ্যা বা উপস্থাপন করেন স্টিফেন হকিং।

• তাঁর রচিত বইসমূহ:
- The Universe in a Nutshell,
- The Grand Design.

উৎস: ব্রিটানিকা
২৮.
বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে 'ওজন স্তর' অবস্থিত?
  1. ট্রপোস্ফিয়ার
  2. মেসোস্ফিয়ার
  3. স্ট্রাটোস্ফিয়ার
  4. এক্সোস্ফিয়ার
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
স্ট্রাটোস্ফিয়ার
ব্যাখ্যা
• বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার স্তরে 'ওজন স্তর' অবস্থিত।

• ওজন স্তর:
- বায়ুমণ্ডলের স্ট্রাটোস্ফিয়ার নামক স্তরে ওজোন নামক গ্যাসের একটি পাতলা স্তর রয়েছে, একে ওজোন স্তর বলে।
- ওজোন স্তর পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলকে সূর্যরশ্নির অতিবেগুনি রশ্নি থেকে রক্ষা করে।
- গ্রিন হাউস গ্যাসসমূহ ওজোন স্তরের ক্ষতি করে, তবে সিএফসি গ্যাস প্রত্যক্ষভাবে ওজোন স্তরের ক্ষতি করে।
- পারমাণবিক বিস্ফোরণ, মিথেন গ্যাস, বিমান চলাচল ইত্যাদি কারণে ওজোন স্তরের ক্ষতি হচ্ছে।
- ওজোন স্তরের ক্ষতির কারণে অতিবেগুনি রশ্নির প্রভাবে ত্বকের ক্যান্সার হতে পারে।
- ওজোন স্তরের ক্ষয়রোধে গ্রিন হাউস গ্যাসের ব্যবহার কমাতে হবে, নাইট্রোজেন সমৃদ্ব রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমাতে হবে এবং বনভূমি সংরক্ষণ ও বৃদ্বি করতে হবে।

উৎস: পরিবেশ বিজ্ঞান, বিবিএ প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
২৯.
কোন রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে?
  1. বিটা রশ্মি
  2. আলফা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর:
আলফা রশ্মি
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফা রশ্মি
ব্যাখ্যা
• আলফা রশ্মির বৈশিষ্ট্য:
- আলফা রশ্মি মূলত একটি আয়নিত হিলিয়াম নিউক্লিয়াস।
- আলফা রশ্মি ধনাত্মক চার্জ বহন করে, এর পরিমাণ ৩.২ × ১০- ১৯ কুলম্ব।
- আলফা রশ্মি তড়িৎ ক্ষেত্র ও চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা বিক্ষিপ্ত হয়।
- আলফা রশ্মি ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর বিক্রিয়া করে।
- আলফা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা কম। সহজেই বস্তু দ্বারা শোষিত হয়।

অন্যদিকে, 
- বিটা রশ্মি ঋণাত্মক চার্জ বহন করে এবং গামা রশ্মি চার্জ নিরপেক্ষ।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩০.
‘The Origin of Species by means of Natural Selection’ বইটি কার লেখা?
  1. Charles Darwin
  2. Stephen jay gould
  3. Albrecht Von Haller
  4. William Wallace
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
উত্তর
সঠিক উত্তর:
Charles Darwin
ব্যাখ্যা
- বিবর্তন একটি জৈবিক পদ্বতি। এর প্রকৃত অর্থ ক্রমবিকাশ।
- হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টেফেন জে. গোল্ড এর মতে, Evolution পরিপদটি সর্বপ্রথম ব্যবহার করেন জার্মান জীববিদ Albrecht Von Haller, ১৯৭৪ সালে।
- ইংরেজ প্রকৃতি বিজ্ঞানী চার্লস রবার্ট ডারউইন অভিব্যক্তির কলাকৌশল সম্পর্কিত তাঁর মতামত ১৮৫৯ সালে ২৮ নভেম্বর ‘The Origin of species by means of natural selection’ নামক বইটিতে প্রকাশ করেন।
- ডারউইনের মতামতটি প্রাকৃতিক নির্বাচন মতামত নামে পরিচিত।
- ডারউইনের মতবাদের মূলতত্ত্বগুলো সম্পূর্ণ পৃথকভাবে, সংক্ষেপে ও তুলনামূলকভাবে কম নমুনা পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে ওয়ালেস আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছিলেন বলে বিবর্তনের মতবাদকে যৌথভাবে “Darwin - Wallace’s Theory” বলা হয়।

উৎস: জীববিজ্ঞান, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩১.
প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য কত?
  1. ২ সেকেন্ড
  2. ৪ সেকেন্ড
  3. ২ মিনিট
  4. ৪ মিনিট
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
উত্তর
সঠিক উত্তর:
৪ মিনিট
ব্যাখ্যা
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অংকিত আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় হিসেবে গণনা করা হয় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩২.
কন্টিনেন্টাল ড্রিফট এর প্রবক্তা-
  1. ক্যালভিন
  2. আলফ্রেড ওয়েগেনার
  3. টলস্টয়
  4. হার্ভে যে অল্টার
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আলফ্রেড ওয়েগেনার
ব্যাখ্যা
- টেকটোনিক প্লেট হচ্ছে পাথরের একটি স্তর যা পৃথিবীর অভ্যন্তরের গলিত অংশটির সবচেয়ে বাইরের আবরণ।
- টেকটোনিক প্লেট এর উপরে পৃথিবীর সবকিছু অবস্থান করছে।
- ১৯১২ খ্রিষ্টাব্দে আবহাওয়াবিদ আলফ্রেড ওয়েগেনারের মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব বা কন্টিনেন্টাল ড্রিফট থেকে টেকটোনিক প্লেট ধারণার জন্ম হয়।
- মহীসঞ্চারণ তত্ত্ব অনুসারে কোনো একসময় সবগুলো মহাদেশ মিলে একটি মহাদেশ ছিল যাকে প্যানজিয়া বলা হয়।
- এই মতবাদ অনুসারে ভূ-ত্বক প্রধানত ৭টি বড় ও কয়েকটি ক্ষুদ্র গতিশীল কঠিন প্লেট দ্বারা গঠিত।

উৎস: ব্রিটানিকা।
৩৩.
চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে বলে-
  1. মহাসাগর
  2. উপসাগর
  3. হ্রদ
  4. সাগর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
উত্তর
সঠিক উত্তর:
হ্রদ
ব্যাখ্যা
• চার দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে হ্রদ বলে।

- বারিমণ্ডলের ইংরেজি প্রতিশব্দ Hydrosphere.
- আয়তন এবং গভীরতার ভিত্তিতে বারিমন্ডলকে চারটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- মহাসাগর, সাগর, উপসাগর এবং হ্রদ।
- পৃথিবীর মোট জলরাশির শতকরা ৯০ ভাগ রয়েছে সমুদ্রে।
- পৃথিবীতে মোট ৫টি মহাসাগর রয়েছে।
- আয়তন ও গভীরতার দিক দিয়ে প্রশান্ত মহাসাগর সর্ববৃহৎ।
- তিন দিকে স্থলভাগ দ্বারা বেষ্টিত জলরাশিকে উপসাগর বলে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৪.
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি কোন মহাসাগর বরাবর কল্পনা করা হয়?
  1. আটলান্টিক মহাসাগর
  2. ভারত মহাসাগর
  3. আরব মহাসাগর
  4. প্রশান্ত মহাসাগর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
উত্তর
সঠিক উত্তর:
প্রশান্ত মহাসাগর
ব্যাখ্যা
- পৃথিবীপৃষ্ঠে কল্পিত ১৮০° দ্রাঘিমারেখাটি আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা নামে পরিচিত।
- এশিয়া ও উত্তর আমেরিকা মহাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে অঙ্কিত আন্তর্জাতিক তারিখ রেখাটি স্থলভাগ এড়িয়ে প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে কল্পনা করা হয়।
- প্রতি ১° দ্রাঘিমান্তরে মোট সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
- বাংলাদেশের প্রমাণ সময় হিসেবে গণনা করা হয় ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।

উৎস: ভূগোল ও পরিবেশ, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৫.
যে সকল পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে বলে-
  1. আইসোবার
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোটোন
  4. পারমাণবিক সংখ্যা
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
আইসোবার
ব্যাখ্যা
- যে সকল পরমাণুর ভরসংখ্যা সমান তাদেরকে আইসোবার বলে। ভরসংখ্যা সমান হলেও প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা সমান নয়।
- যে সকল পরমাণুতে সমান সংখ্যক নিউট্রন থাকে, তাদের পরস্পরকে আইসোটোন বলে।
- একই মৌলের একাধিক ভরসংখ্যা বিশিষ্ট পরমাণু থাকলে সেগুলোকে পরস্পরের আইসোটোপ বলে।
- কোন মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলে।

উৎস: পদার্থবিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
৩৬.
সর্বপ্রথম 'কৃষ্ণগহ্বর' শব্দটি ব্যবহার করেন কে?
  1. গ্যালিলিও
  2. জন হুইলার
  3. জর্জ ল্যামেটার
  4. আমস্ট্রং
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
উত্তর
সঠিক উত্তর:
জন হুইলার
ব্যাখ্যা
• বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম 'কৃষ্ণগহ্বর' শব্দটি ব্যবহার করেন।

• কৃষ্ণগহ্বর:
- কৃষ্ণগহবর বা কৃষ্ণবিবরে মহাকর্ষজনিত আকর্ষণ থাকে প্রবল।
- কৃষ্ণবিবরের আয়তন সসীম। ঘনত্ব, ভর, অভিকর্ষজ ত্বরণ, মুক্তিবেগ প্রায় অসীম।
- একটি মিল্কীওয়েতে ১০০ মিলিয়নের বেশি ব্ল্যাকহোল থাকতে পারে।
- মহাকাশে কৃষ্ণগহব্বর থাকার কথা প্রথম ধারণা করেন - আলবার্ট আইনস্টাইন। ১৯১৬ সালে তিনি তাঁর general theory of relativity তে এই ধারণা তুলে ধরেন।
- আমেরিকান মহাকাশ বিজ্ঞানী জন হুইলার সর্বপ্রথম ১৯৬৭ সালে "black hole" শব্দটি ব্যবহার করেন। তিনিই মূলত কৃষ্ণগহবরের আবিষ্কারক।
- ২০১৯ সালে প্রথম ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয় Event Horizon Telescope (EHT).

উৎস: নাসা এবং ব্রিটানিকা।
৩৭.
ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র কোনটি?
  1. ব্যারোমিটার
  2. অলটিমিটার
  3. ক্রনোমিটার
  4. রিখটার স্কেল
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
উত্তর
সঠিক উত্তর:
রিখটার স্কেল
ব্যাখ্যা
- ভূ-অভ্যন্তরে আকস্মিকভাবে সৃষ্ট কম্পনের দরুণ আকস্মিকভাবে ভূমির যে কম্পন হয় তাকে ভূমিকম্প বলে।
- ভূ-অভ্যন্তরের যে স্থানে ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয় তাকে কেন্দ্র বলে।
- কেন্দ্র থেকে সুজা উপরের দিকে ভূ-পৃষ্ঠ বিন্দুকে উপকেন্দ্র বলে।
- ভূমিকম্পের উৎপত্তি কেন্দ্র হতে দূরত্ব বৃদ্বির সাথে ভূ-কম্পন শক্তি হ্রাস পায়।
- সিসমোগ্রাফ যন্ত্রের সাহায্যে ভূমিকম্পের ভূ-পৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপ করা হয় এবং উৎস খুঁজে বের করা হয়।
- ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিখটার স্কেল দ্বারা।

• অলটিমিটার - উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র।
• ব্যারোমিটার - বায়ুচাপ পরিমাপক যন্ত্র।
• ক্রনোমিটার - সূক্ষ্ন সময় ও দ্রাঘিমা পরিমাপক যন্ত্র।

উৎস: ভূগোল প্রথম পত্র, এইচএসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়, ব্রিটানিকা।
৩৮.
সাইক্লোন শব্দটির অর্থ কী?
  1. ঝড়
  2. গরম হাওয়া
  3. চোখ
  4. সাপের কুণ্ডলী
সঠিক উত্তর:
সাপের কুণ্ডলী
উত্তর
সঠিক উত্তর:
সাপের কুণ্ডলী
ব্যাখ্যা
• সাইক্লোন শব্দটির অর্থ সাপের কুণ্ডলী।

• সাইক্লোন:
- সাইক্লোন শব্দটি এসেছে গ্রিক 'Kyklos' থেকে, যার অর্থ হল Coil of Snakes বা সাপের কুণ্ডলী।
- নিম্নচাপের কারণে যখন বাতাস প্রচণ্ড গতিবেগে ঘুরতে থাকে, তখন সেটাকে সাইক্লোন বা ঘূর্ণিঝড় বলে।
- সাইক্লোন সৃষ্টির পেছনে ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা।
- ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশ সাইক্লোনের জন্য খুব ঝুঁকিপূর্ণ দেশ।
- সাইক্লোন তৈরির জন্য সাগরের তাপমাত্রা ২৭° সেলসিয়াসের বেশি হতে হয়।
- বাতাসের বেগ ঘণ্টায় ৬৩ কিলোমিটার বা তার চাইতে বেশি হলে সেটাকে সাইক্লোন হিসেবে গণ্য করা হয়।
- বাংলাদেশে সবচেয়ে শক্তিশালী সাইক্লোন হয়েছিল ১৯৯১ সালে। তখন বাতাসের বেগ ছিল ঘণ্টায় ২২৫ কিলোমিটার।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি, এনসিটিবি।